🎯সমাধান
১৯৭২ সালের ২২শে ডিসেম্বর বাংলাদেশ সরকার যুদ্ধকালীন ধর্ষিত নারীদের বীরাঙ্গনা (রণাঙ্গনের বীর নারী) আখ্যা দিয়ে সম্মানিত করে। ১৯৭২ সালেই নির্যাতিত নারীদের জন্য বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক মহিলা পুনর্বাসন কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। পরবর্তীতে শেখ হাসিনার সরকার বীরাঙ্গনা নারীদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বাকৃতির পাশাপাশি অন্য মুক্তিযোদ্ধাদের মতো তাদের জন্য ভাতাসহ অন্যান্য সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা চালু করে। বর্তমানে গেজেটভুক্ত বীরাঙ্গনা মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৩৩৯ জন। (তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও নাগরিকতা: ৯ম-১০ম শ্রেণি: অক্টোবর ২০২০)
(ক) বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ভিত্তি কী?
(খ) স্বাধীনতা যুদ্ধে জাতিসংঘ নীরব ছিল কেন?
(গ) বাঙালির মুক্তিযুদ্ধে উদ্দীপকে আলোচিত শ্রেণিটির অবদান ব্যাখ্যা কর।
(ঘ) "শুধু এরাই নয়, সম্মিলিত প্রয়াসে অর্জিত হয়েছে বাঙালির স্বাধীনতা" মন্তব্যটির যৌক্তিকতা বিশ্লেষণ কর।

সম্পূর্ণ সমাধান দেখতে লগইন করুন

প্রশ্নের উত্তর ও ব্যাখ্যা দেখতে হলে সাইন ইন করতে হবে — সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

লগইন করুন