সমাধান
সমাধান
💼
বাংলাদেশ বিষয়াবলি

ভূগোল ও অর্থনীতি

BCS Preliminary · বাংলাদেশ বিষয়াবলি — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "ভূগোল ও অর্থনীতি" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ (ছয়) টি
  2. ৭ (সাত) টি
  3. ৮ (আট) টি
  4. ৯ (নয়) টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক ১৯৭৩-৭৮, ৮ম পঞ্চবার্ষিক জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ (আট) টি
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট আটটি (৮টি) পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাটি হলো অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার মেয়াদকাল হলো ২০২০-২০২৫ অর্থবছর।
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা হলো ৫ বছরের জন্য নির্ধারিত জাতীয় লক্ষ্য পূরণের একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক ফ্রেমওয়ার্ক। পরিকল্পনা কমিশন এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
2

বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে ‘সুন্দরবন’ সংযুক্ত আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ (চার) টি
  2. ৫ (পাঁচ) টি
  3. ৬ (ছয়) টি
  4. ৭ (সাত) টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৫টি জেলার সাথে সুন্দরবন যুক্ত আছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ (পাঁচ) টি
সুন্দরবন হলো পৃথিবীর বৃহত্তম অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন, যা মূলত খুলনা বিভাগে অবস্থিত।
প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের ৫টি জেলার অংশবিশেষ সুন্দরবন বনের আওতাভুক্ত।
জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা
অনেক সময় প্রিলিমিনারি প্রশ্নে কেবল প্রধান তিনটি (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা) জেলার কথা উল্লেখ করা হয়, কিন্তু সরকারি ও ভৌগোলিক হিসাবে সুন্দরবন মোট ৫টি জেলার সাথে সংযুক্ত (পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার অল্প কিছু অংশও এর অন্তর্ভুক্ত)।
৪ (চার) টি অপশনটি ভুল, কারণ এতে পটুয়াখালী বা বরগুনা বাদ পড়ে যায়। সঠিক তথ্য অনুযায়ী ৫টি জেলা অন্তর্ভুক্ত।
3

‘e- TIN’ চালু করা হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

e-TIN (Electronic Transmitter Identification Number) চালু হয় ২০১৩ সালে। Online ভিত্তিক কর প্রদানের লক্ষ্যে সরকার এটি চালু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২০১৩ সালে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বাংলাদেশে কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজ করার লক্ষ্যে ১ জুলাই, ২০১৩ তারিখ থেকে ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
এর আগে করদাতাদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) নিতে হতো, যা e-TIN চালুর মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়ে যায়। e-TIN প্রক্রিয়ার ফলে ঘরে বসেই সহজে এবং অল্প সময়ে TIN সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
4

কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১১ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থপাচার প্রতিরোধ করার জন্য সরকার ২০১২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রবর্তন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১২ সালে
বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন হলো 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২'। তাই প্রবর্তনের বছর হিসেবে এটিই সর্বজনস্বীকৃত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয়। পরবর্তীতে এটি ২০০৯ এবং সর্বশেষ ২০১২ সালে সংশোধন ও প্রতিস্থাপন করা হয়।
5

দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. ফেনী
  3. নরসিংদী
  4. ময়মনসিংহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় ময়মনসিংহ। যার উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৫০MWp । বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প তিস্তা সোলার লিমিটেড। যার উৎপাদন ক্ষমতা ২০০MWp। ১৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি নির্মিত হয়। প্রশ্নের অপশনে ফেনী ও ময়মনসিংহ উভয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৫০MWp। তথ্যসূত্র: National Database of Renewable Energy.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ময়মনসিংহ
দেশের সর্ববৃহৎ একক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা হলো ২০০ মেগাওয়াট (AC)
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে এবং বর্তমানে এটিই দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো (চট্টগ্রাম, ফেনী, নরসিংদী) ছোট সৌর প্রকল্প অথবা অন্য কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত হলেও সর্ববৃহৎ সৌর কেন্দ্রটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. গাজীপুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বনজসম্পদ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য সরকার চট্টগ্রামে বন গবেষণা কেন্দ্র ১৯৫৫ সালে স্থাপন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: চট্টগ্রাম
বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্রটি মূলত বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) নামে পরিচিত। এটি চট্টগ্রামের ষোলোশহরে অবস্থিত।
এই ইনস্টিটিউটটি দেশের বনজ সম্পদ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৭৩ সালে, তবে এর যাত্রা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে (১৯৪৮) ইস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি হিসেবে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, গাজীপুরে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
7

বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চাঁদপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. ভোলা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহে অবস্থিত। ইলিশ গবেষণা কেন্দ্র- চাঁদপুর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণার মূল কেন্দ্র হলো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI)। এই ইনস্টিটিউটের প্রধান সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার্স ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। মৎস্য সম্পদের গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কেন্দ্র।
BFRI এর আওতায় বিভিন্ন অঞ্চলের জলজ পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে একাধিক গবেষণা কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র থাকলেও, কেন্দ্রীয় মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহেই অবস্থিত।
8

বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. চুনাপাথর
  4. চীনামাটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা বালি ইত্যাদি তবে প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রাকৃতিক গ্যাস
বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের প্রধান বাণিজ্যিক শক্তি উৎস
দেশের প্রায় ৭০% থেকে ৭৫% জ্বালানি চাহিদা সরাসরি প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মেটানো হয়। এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা (ইউরিয়া), শিল্প এবং আবাসিক খাতে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—কয়লা, চুনাপাথর বা চীনামাটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে প্রাকৃতিক গ্যাসের অবস্থান শীর্ষে।
9

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি। এর আয়তন ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। এ জেলা ২০ জুন ১৮৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি। এটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি জেলা এবং আয়তনের দিক থেকে এটিই দেশের সবচেয়ে বড় জেলা
রাঙ্গামাটির মোট আয়তন প্রায় ৬,১১৬.১৩ বর্গ কিলোমিটার
অনেকে চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারকে সবচেয়ে বড় মনে করলেও, এই দুটি জেলা রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট। যেমন: চট্টগ্রাম জেলার আয়তন প্রায় ৫,২৮২.৯২ বর্গ কিলোমিটার।
10

কোন নদীটির উৎপত্তিস্থান বাংলাদেশে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্ণফুলি
  2. নাফ
  3. মেঘনা
  4. হালদা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হালদার উৎপত্তিস্থল পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়। এর অবস্থান মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম সালদা। সালদার পাহাড়ী ঝর্ণা থেকে নেমে আসা ছড়া সালদা থেকে হালদা নামকরণ করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হালদা। বাংলাদেশে উৎপত্তি হওয়া নদীগুলোর মধ্যে হালদা অন্যতম।
হালদা নদীটির উৎপত্তিস্থল হলো বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার বাটনা রসিকনগর পাহাড়ি অঞ্চল। নদীটির সম্পূর্ণ অংশই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
হালদা নদীটি চট্টগ্রামের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর উৎপত্তি:
কর্ণফুলি: এই নদীটির উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়। এটি আন্তর্জাতিক নদী।
মেঘনা: এটি মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোত। এই শাখা নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ভারতের মনিপুর রাজ্যে
নাফ: এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত সৃষ্টিকারী নদী। এর উৎপত্তিস্থল মূলত মিয়ানমারের আরাকান পর্বতমালায়
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

বাংলাদেশে সিডর কখন আঘাত হানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫ নভেম্বর ২০০৭
  2. ১৬ নভেম্বর ২০০৭
  3. ১৭ নভেম্বর ২০০৭
  4. ১৮ নভেম্বর ২০০৭

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাইক্লোন সিডর ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ নভেম্বর ২০০৭
ঘূর্ণিঝড় সিডর (Cyclone Sidr) ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ আঘাত হানে।
এটি আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২২৩ কিমি পর্যন্ত। সিডরের প্রভাবে প্রায় ১৫ ফুট (৪.৫ মিটার) উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়, যা উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাটকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
অন্যান্য তারিখগুলো সিডরের আঘাত হানার সঠিক তারিখ নয়।
12

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫০ নটিক্যাল মাইল

  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩০০ নটিক্যাল মাইল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট মহীসোপান ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল। তার মধ্যে ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা যা সমুদ্রসীমা আইন ১৯৮২ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, প্রতিটি উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুদ্র উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে। এই অঞ্চলকে Exclusive Economic Zone (EEZ) বা একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বলা হয়।
এই সীমার মধ্যে উপকূলীয় রাষ্ট্রটির মাছ ধরা, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের পূর্ণ অধিকার থাকে। এটি ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) দ্বারা স্বীকৃত।
13

নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. তিতাস
  4. হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। এটি থেকে দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আহরণ করা হয়। এতে কূপসংখ্যা ২৭ টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিতাস। বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে প্রমাণিত মজুদের ভিত্তিতে তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটিই সর্ববৃহৎ
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবিষ্কৃত হয়। এটি বর্তমানে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (BGFCL) দ্বারা পরিচালিত হয়।
প্রাথমিকভাবে, তিতাসের মোট প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (TCF), যা এটিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। যদিও বর্তমানে বিবিয়ানা উৎপাদন ক্ষমতা ও মজুদের দিক থেকে কাছাকাছি, কিন্তু ঐতিহ্যগতভাবে ও অধিকাংশ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মান অনুযায়ী তিতাস সর্ববৃহৎ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন— বাখরাবাদ ও হবিগঞ্জও গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র, কিন্তু মজুদের দিক থেকে এগুলো তিতাসের চেয়ে ছোট।
14

বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয় সিলেটের মালনীছড়ায় ১৮৫৪ সালে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে। সবচেয়ে বেশি (৯১টি) চা বাগান মৌলভীবাজারে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মৌলভীবাজার। বাংলাদেশের চা শিল্পের রাজধানী বা সর্বাধিক চা বাগান সমৃদ্ধ জেলা হলো মৌলভীবাজার
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট চা বাগানের সংখ্যা (নিবন্ধিত) প্রায় ১৬৮টি। এর মধ্যে শুধুমাত্র মৌলভীবাজার জেলাতেই রয়েছে ৯২টি বৃহৎ চা বাগান।
এই কারণে, মৌলভীবাজারকে বাংলাদেশের 'চা বাগান কন্যা' বা 'টি ক্যাপিটাল' বলা হয়।
অনেকে সিলেট উত্তর ভাবলেও, সিলেট বিভাগ চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও, জেলার সংখ্যাগত দিক থেকে মৌলভীবাজার এগিয়ে। পঞ্চগড় উত্তরবঙ্গে নতুন চা অঞ্চল হিসেবে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে।
15

বাংলাদেশের জিডিপি (GDP) তে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. সেবা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের GDP এর প্রধান খাত সেবা খাত। GDP তে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪%। শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭%। কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০%। [অর্থনৈতিক সমিক্ষা-২০২২]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেবা খাত (Services)
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালক হিসেবে বর্তমানে জিডিপিতে (GDP) সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে সেবা খাত।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাতের অবদান সাধারণত ৫০%-এর বেশি থাকে। এটিই দেশের বৃহত্তম খাত।
দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদানকারী খাত হলো শিল্প খাত (Industry), যার অবদান প্রায় ৩৭% থেকে ৪০%।
তুলনামূলকভাবে, কৃষি খাতের অবদান সর্বনিম্ন (প্রায় ১২% থেকে ১৪%)। দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর আধুনিকায়নের ফলে কৃষির অবদান ক্রমশ কমছে এবং সেবা ও শিল্পের অবদান বাড়ছে।
দত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'বাণিজ্য' খাতটি সাধারণত সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়, যা এই খাতের আধিপত্যকে আরও শক্তিশালী করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5.68%
  2. 9.94%
  3. 7.66%
  4. 6.94%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভিত্তিবছর ২০১৫-১৬ ধরে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২০-২১ অর্থবছরের চূড়ান্ত GDP’র খাতওয়ারি অবদান ও প্রবৃদ্ধির হার এবং মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে। এ হিসাব অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%। উল্লেখ্য যে, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৬.৯৪%
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) চূড়ান্ত হিসাবে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪%
এটি ছিল ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের (৫.৬৬%/৫.৬৬%) তুলনায় উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, যা বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারীর প্রথম ধাক্কা সামলে ওঠার ইঙ্গিত দেয়।
বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে ৫.৬৬%/৫.৬৮% ছিল ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার এবং ৭.৬৬% ছিল ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার (যা ছিল মহামারীর পূর্বের স্বাভাবিক উচ্চ হার)।
17

বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখে বিশ্বব্যাংক। ১ জুলাই, ২০১৫ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এই নিম্নসীমা অতিক্রম করায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১ জুলাই ২০১৫
বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর ১ জুলাই তারিখে পূর্ববর্তী বছরের মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ হালনাগাদ করে।
বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ (Lower-Middle Income Country - LMIC) হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। এই তালিকাভুক্তির জন্য বার্ষিক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (GNI per capita) ,০৪৬থেকে১,০৪৬ থেকে ৪,১২৫-এর মধ্যে থাকতে হয়।
যে দেশগুলো এই সীমার মধ্যে আসে, তারা ১ জুলাই থেকে LMIC হিসেবে পরিচিত হয়।
১ জুন ২০১৫ অপশনটি ভুল, কারণ বিশ্বব্যাংকের এই ধরনের আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক তালিকাভুক্তি সবসময় ১ জুলাই তারিখে শুরু হয়, যা তাদের নতুন অর্থবছর শুরুর দিন।
18

BSTI এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Bangladesh Salt Testing Institute
  2. Bangladesh Strategic Training Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh Society for Telecommunication and Information

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI) বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা যা মূলত সেবা ও পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে থাকে। BSTI এর অনুমোদন ছাড়া কোনো পণ্য বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Bangladesh Standards and Testing Institution
BSTI হলো বাংলাদেশের একটি জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, যা পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং পরিমাপ পদ্ধতির মান নির্ধারণের জন্য গঠিত।
অপশন ২ (Bangladesh Strategic Training Institute) এবং অপশন ৪ (Bangladesh Society for Telecommunication and Information) হলো বিভ্রান্তিমূলক উত্তর। যেকোনো পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ রূপ জেনে রাখা আবশ্যক।
19

বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০২১-২০৩০
  2. ২০২৪-২০৩২
  3. ২০২১-২০৪১
  4. ২০২২-২০৫০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) এ দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এর মেয়াদ ২০২১-২০৪১। এটি তৈরি করেছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এর উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন সুসংহতকরণ এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করা। উল্লেখ্য, প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিলো: ২০১০-২০২১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০২১-২০৪১। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan) এবং এর সময়সীমা ২০ বছর।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ-আয়ের দেশে (High Income Country) পরিণত করা, যা ‘ভিশন ২০৪১’ নামে সুপরিচিত।
এই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার ধারাবাহিক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যার প্রথমটি হলো অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)
20

বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. সাভার, ঢাকা
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০০৬ সালে এটি উৎপাদনে আসে। বর্তমানে এর উৎপাদন সক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
এই কেন্দ্রটি ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দেশীয় কয়লার ওপর নির্ভরশীল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) হলো দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। সীতাকুণ্ড বা সাভারে দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. তিতাস

  4. হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গ্যাসের মজুদের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র তিতাস। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে এটির উৎপাদনরত কূপসংখ্যা ২২টি। উল্লেখ্য, ঢাকা শহরে গ্যাস সরবরাহ করা হয় এখান থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিতাস
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে এবং ঐতিহাসিকভাবে বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে তিতাস সবচেয়ে পরিচিত। এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। এটিই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান গ্যাস সরবরাহকারী ক্ষেত্র।
যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রকে প্রমাণিত মজুদের ভিত্তিতে বৃহত্তম বলে ধরা হয় (যা বিকল্পে নেই), প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে তিতাসকে অন্যতম বৃহৎ এবং ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অন্যান্য বিকল্প: হরিপুর হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র (১৯৫৫)। বাখরাবাদ এবং হবিগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মজুদের দিক থেকে তিতাসের চেয়ে ছোট।
22

বাংলাদেশে ‘জি-কে’ প্রকল্প একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  2. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  3. সেচ প্রকল্প
  4. জল পরিবহন প্রকল্প

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গঙ্গা-কপোতাক্ষ (G-K) সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও পুরাতন সেচ প্রকল্প। ৪টি জেলা (কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ) এর ১৩টি উপজেলা জুড়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ১৯৫৪-৫৫ সালে। সর্বশেষ সংস্কার কাজটি ১৯৯৩ সালে শেষ হয়।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে 'জি-কে' প্রকল্প বলতে বোঝায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (Ganges-Kobadak Irrigation Project)
এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী সেচ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং মাগুরা জেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা হয়।
এই প্রকল্পটি গঙ্গা নদীর ওপর নির্ভরশীল এলাকায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সেচ প্রকল্প
23

বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘন ঘন বন্যা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. ত্রুটিপূর্ণ সমূদ্র শাসন
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্লু ইকোনমি বলতে মূলত সমুদ্র অর্থনীতিকে বোঝায়। ঘন ঘন বন্যা হওয়া অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থাপনার সমস্যা।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির প্রত্যক্ষ চ্যালেঞ্জ (Direct Challenges) সম্পর্কে জানতে চেয়েছে। ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝায়।
সঠিক উত্তর: ঘন ঘন বন্যা
ঘন ঘন বন্যা বাংলাদেশের স্থলভিত্তিক অবকাঠামো, কৃষি ও নদী শাসন-এর জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এটি সরাসরি বঙ্গোপসাগরের গভীরে থাকা খনিজ সম্পদ আহরণ বা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রধান বাধা নয়।
অপরদিকে, সমুদ্র দূষণ (বিশেষ করে প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্য) সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া, ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন (দুর্বল নজরদারি, অবৈধ মাছ শিকার, এবং সমুদ্র সম্পদ আহরণের আধুনিক প্রযুক্তির অভাব) ব্লু-ইকোনমি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান ও প্রত্যক্ষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে গণ্য হয়।
24

ডাউকি ফল্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের কোন নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রহ্মপুত্র নদী

  2. পদ্মা নদী
  3. কর্ণফুলি নদী
  4. মেঘনা নদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তিস্থল হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর। এরপর তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ১৭৮৭ সালে ডাউকি ফল্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যমুনা নামে নতুন একটি নদীর সৃষ্টি হয় যেটি গোয়ালন্দে এসে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রহ্মপুত্র নদী
ডাউকি ফল্ট (Dawki Fault) হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন একটি বিশাল ভূ-চ্যুতি (Fault) রেখা। এটি পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় টেকটোনিক অঞ্চল।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, ১৭৮৭ সালে ডাউকি ফল্ট বরাবর সংঘটিত একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান গতিপথে এক বিশাল পরিবর্তন আসে।
ভূমিকম্পের ফলে ভূমি উপরে উঠে আসায় (Uplift) নদীটি পূর্বের পথ, যা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত ছিল (ময়মনসিংহের পাশ দিয়ে প্রবাহিত), তা ছেড়ে পশ্চিম দিকে নতুন পথে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
এই নতুন গতিপথটিই বর্তমানে যমুনা নদী নামে পরিচিত। মূলত, ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পই যমুনার বর্তমান প্রবাহকে স্থায়ী রূপ দেয়।
25

বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IDA credit- এর মাধ্যমে
  2. IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে
  3. প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে
  4. বিশ্বব্যাংকের bughetary support- এর মাধ্যমে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এর প্রধান কাজ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রামানের হ্রাস-বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়া আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য প্রচার করা, সদস্য দেশগুলোর আর্থিক ও আর্থিক নীতিসমূহের সমন্বয় সাধন করা। তাদেরকে ঋণ প্রদানের ভারসাম্য নিষ্পিত্তির জন্য exchange সরবরাহ করা এবং বিনিময় হার প্রদান করা। IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে
বাংলাদেশ সাধারণত আমদানি বেশি ও রপ্তানি কম করার কারণে প্রতি বছর বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হয়। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পণ্য কেনাবেচার হিসাবে (Trade Balance) ঘাটতি থাকে।
এই বাণিজ্য ঘাটতি বা সামগ্রিক চলতি হিসাবের ঘাটতি (Current Account Deficit) পূরণ করার প্রধান ও স্থিতিশীল উৎস হলো প্রবাসী আয় (Remittance)। প্রবাসীরা যে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, তা সরাসরি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে জমা হয় এবং বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
IMF এর বেইলআউট প্যাকেজ বা বিশ্বব্যাংকের সহায়তা হলো জরুরি ঋণ বা আর্থিক সহায়তা, যা দেশের অর্থনৈতিক সংকট (যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেলে) মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়। এগুলো বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তি নয়, বরং সংকটের সাময়িক সমাধান। তাই দেশের অর্থনীতি সচল রাখার মূল চাবিকাঠি হলো রেমিট্যান্স
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্গত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। বান্দরবান থেকে কেরাণীহাট যাবার পথে হলুদিয়া নামক স্থানে এর অবস্থান। কেরাণীহাট থেকে ২০ মিনিট গাড়ি চালালে এ হ্রদে পৌঁছানো সম্ভব। জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বান্দরবান
প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় অবস্থিত।
এটি মূলত একটি কৃত্রিম হ্রদ (Man-made Lake) যা পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
বান্দরবানে এই হ্রদ ছাড়াও নীলগিরি, স্বর্ণ মন্দিরবগা হ্রদ-এর মতো স্থানগুলো পরীক্ষা বারবার আসে।
27

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কোনটি অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দক্ষিণ তালপট্টি
  2. সেন্টমার্টিন
  3. নিঝুমদ্বীপ
  4. ভোলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ (মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার)। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন দ্বীপ
সেন্টমার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং দ্বীপগুলোর মধ্যে সর্বদক্ষিণ বিন্দু। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার এবং স্থানীয়দের কাছে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো দক্ষিণে অবস্থিত হলেও সেন্টমার্টিন অপেক্ষা উত্তরে অবস্থিত। যেমন: নিঝুমদ্বীপভোলা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি (যা হারিয়েনভাঙ্গা নদীর মোহনায় ছিল) বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে পানিতে বিলীন হয়ে গিয়েছে।
28

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের ৫টি রাজ্য রয়েছে। যথা- আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫টি। ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।
এই রাজ্যগুলো হলো: ১. পশ্চিমবঙ্গ, ২. আসাম, ৩. মেঘালয়, ৪. ত্রিপুরা, এবং ৫. মিজোরাম
এই ৫টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ (প্রায় ২২১৬ কিলোমিটার) এবং এটি প্রায় ৯২টি সীমান্ত জেলার সঙ্গে যুক্ত।
29

‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’- কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘনা মোহনায়
  2. সুন্দরবনের দক্ষিণে
  3. পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে
  4. টেকনাফের দক্ষিণে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামে পরিচিত) সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ১০ কি.মি. দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুন্দরবনের দক্ষিণে। এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা একটি নতুন দ্বীপ।
এই দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার কাছাকাছি অবস্থিত হলেও এটি মূলত সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরে জেগে উঠেছে।
দ্বীপটি ১৯৯২ সালে একদল পর্যটক কর্তৃক প্রথম আবিষ্কৃত হয় এবং এর নামকরণ করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নামে।
অন্যদিকে, মেঘনা মোহনায় (সন্দ্বীপ, মনপুরা) এবং টেকনাফের দক্ষিণে (সেন্ট মার্টিন, ছেঁড়াদ্বীপ) অন্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলো অবস্থিত, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
30

বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে কোন খাতে প্রবৃদ্ধির হার সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষি ও বনজ
  2. মৎস্য
  3. শিল্প
  4. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শিল্প
জাতীয় আয়ের প্রধান তিনটি খাত হলো কৃষি, শিল্প ও সেবা। একটি উন্নয়নশীল অর্থনীতির বৈশিষ্ট্য হলো অর্থনৈতিক কাঠামোতে রূপান্তর (Structural Transformation)। এই রূপান্তরের সময় কৃষি খাতের অবদান কমে যায় এবং শিল্প ও সেবা খাতের অবদান ও প্রবৃদ্ধির হার বাড়ে
বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন শিল্পনির্ভর হওয়ায় (যা জিডিপিতে প্রায় ৩৫-৩৬% অবদান রাখে), অন্যান্য খাতের তুলনায় শিল্প খাতে প্রবৃদ্ধির হার সাধারণত সবচেয়ে বেশি থাকে।
শিল্প খাতের মধ্যে বৃহৎ শিল্প, মাঝারি শিল্প, নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ ও গ্যাস উপখাতগুলো এই প্রবৃদ্ধিতে প্রধান ভূমিকা রাখে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাতিয়া প্রণালী
  2. জাফোর্ড পয়েন্ট
  3. সাঙ্গু ভ্যালি
  4. মাতারবাড়ি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র বাংলাদেশের একটি প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র। ১৯৯৬ সালে অগভীর সমুদ্রে, চট্টগ্রামের সলিমপুরের কাছে স্থলভাগ থেকে ৫০ কি.মি. দূরত্বে বঙ্গোপসাগরে এই গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার করা হয়। এটি বাংলাদেশের একমাত্র সামুদ্রিক গ্যাসক্ষেত্র যা বর্তমানে পরিত্যাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাঙ্গু ভ্যালি। এটিই হলো বাংলাদেশের প্রথম সামুদ্রিক বা অফশোর গ্যাসক্ষেত্র
সাঙ্গু ভ্যালি গ্যাসক্ষেত্রটি চট্টগ্রাম উপকূল থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে বঙ্গোপসাগরের এসএস-১১ (SS-11) ব্লকে অবস্থিত।
এটি ১৯৯৬ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং ১৯৯৮ সাল থেকে বাণিজ্যিকভাবে গ্যাস উত্তোলন শুরু করে। এর আবিষ্কারক ছিল কেইর্ন এনার্জি (Cairn Energy)।
32

কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কার্তিক-ফাল্গুন
  2. চৈত্র-বৈশাখ
  3. ভাদ্র-অগ্রহায়ণ
  4. শ্রাবণ-আশ্বিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কৃষিক্ষেত্রে রবি মৌসুম বলতে (১৬ অক্টোবর থেকে ১৫ মার্চ) কার্তিক-ফাল্গুন মাসকে বোঝায়। ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, গাজর, লাউ, শিম, টমেটো ইত্যাদি রবি মৌসুমের উল্লেখযোগ্য ফসল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কার্তিক-ফাল্গুন
বাংলাদেশের কৃষিখাতকে প্রধানত তিনটি মৌসুমে ভাগ করা হয়: রবি (Rabi), খরিফ-১ (Kharif-1), এবং খরিফ-২ (Kharif-2)
রবি মৌসুম হলো মূলত শীতকালীন ফসল উৎপাদনের মৌসুম। এই মৌসুম শুরু হয় বাংলা কার্তিক মাসের মাঝামাঝি (মধ্য অক্টোবর) থেকে এবং শেষ হয় ফাল্গুন মাসের মাঝামাঝি (মধ্য মার্চ)।
এই সময়ে তাপমাত্রা কম থাকে এবং বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় সেচের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন করা হয়। রবি মৌসুমে প্রধানত বোরো ধান, গম, আলু, ডাল ও তেলবীজ চাষ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো খরিফ মৌসুমের অন্তর্ভুক্ত। যেমন, চৈত্র-বৈশাখ হলো খরিফ-১ মৌসুমের শুরুর দিক এবং শ্রাবণ-আশ্বিন খরিফ-২ মৌসুমের মূল সময়।
33

কোনটি যমুনার উপনদী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিস্তা
  2. ধলেশ্বরী
  3. খোয়াই
  4. বংশী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রধান ৩টি নদীর একটি যমুনা নদী। যমুনা নদীর সর্বাধিক প্রস্থ ১২০০০ মিটার (আরিচা) যমুনার প্রধান উপনদী গুলো হল তিস্তা, ধরলা, করতোয়া, আত্রাই, সুবর্ণশ্রী। করতোয়া যমুনার দীর্ঘতম এবং বৃহত্তম উপনদী। যমুনার শাখা নদী, ধলেশ্বরী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তিস্তা। ব্রহ্মপুত্র নদ যখন বাংলাদেশে প্রবেশ করে তখন সেটি যমুনা নামে পরিচিত হয়।
যে নদী মূল নদীর সাথে মিলিত হয়, তাকে উপনদী (Tributary) বলে। তিস্তা নদী বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার ডিমলা উপজেলা দিয়ে প্রবেশ করে কুড়িগ্রামের চিলমারী বন্দরের কাছে যমুনা নদীতে মিলিত হয়েছে। তাই তিস্তা হলো যমুনার প্রধান উপনদী
অন্যদিকে, ধলেশ্বরী হলো যমুনা নদীর একটি অন্যতম শাখানদী (Distributary)। শাখানদী মূল নদী থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রবাহিত হয়। বংশী নদী হলো ধলেশ্বরীর একটি উপশাখানদী, যা যমুনার সঙ্গে সরাসরি মিলিত হয় না।
34

বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারী প্রতিষ্ঠান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

BARI- এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Research Institute। এটি দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BINA (Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture) বাংলাদেশের একটি পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation) বাংলাদেশে উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও মানসম্পন্ন সার সরবরাহ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation)।
বাংলাদেশে প্রধান বীজ উৎপাদনকারী এবং বাণিজ্যিক ভিত্তিতে প্রক্রিয়াজাতকরণ, সংরক্ষণ ও বিতরণের প্রধান সরকারি সংস্থা হলো BADC। এর মূল কাজ হলো কৃষকদের কাছে মানসম্মত বীজ, সার ও কৃষি উপকরণ সরবরাহ নিশ্চিত করা।
অন্যান্য প্রতিষ্ঠানগুলো মূলত গবেষণাভিত্তিক। BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) ধান, পাট ও ইক্ষু ব্যতীত অন্য ফসলের জাত উদ্ভাবন করে।
BRRI (বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট) এবং BINA (বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) যথাক্রমে শুধু ধান ও পরমাণু প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের জাত উদ্ভাবনে গবেষণার কাজ করে থাকে; তারা বাণিজ্যিক উৎপাদনে BADC-র মতো প্রধান ভূমিকা রাখে না।
35

বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়কর
  2. ভূমিকর
  3. আমদানি-রপ্তানি শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে মূল্য সংযোজন কর থেকে। এই খাত থেকে আদায় হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। ভ্যাটের পর আয়কর থেকে আদায় হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১৯৯১ সালে। জাতীয় ভ্যাট দিবস ১০ ডিসেম্বর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা VAT)
বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক সংগৃহীত করসমূহ। এই করগুলোর মধ্যে একক খাত হিসেবে মূল্য সংযোজন কর (VAT/মূসক) থেকেই সরকার সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব আয় করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরে আদায়কৃত মোট রাজস্বের মধ্যে সাধারণত VAT খাতটিই প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা তারও বেশি (৩৩%-৪০%) অবদান রাখে।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে আয়কর (Income Tax) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক (Customs Duty) তৃতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব সংগ্রাহক খাত হিসেবে অবস্থান করে। ভূমিকর (Land Tax) সরকারের রাজস্বের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের 'প্রত্যক্ষ কর' (Direct Tax) এর মধ্যে আয়কর সর্বোচ্চ হলেও, 'পরোক্ষ কর' (Indirect Tax) হিসেবে VAT সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ অর্থ যোগান দেয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

বাংলাদেশের কোনটি ব্যাংক নোট নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের ২ ধরনের নোট আছে- সরকারি ও ব্যাংক নোট। বাংলাদেশের সরকারি নোট ৩টি- ১, ২ ও ৫ টাকার নোট। সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। ব্যাংক নোট ৭টি- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ টাকা
বাংলাদেশে প্রচলিত নোটগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: সরকারি নোট (Government Note) এবং ব্যাংক নোট (Bank Note)
সরকারি নোট: যে নোটগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় দ্বারা ইস্যু করা হয় এবং যার ওপর অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। বর্তমানে ৳১, ৳২ এবং ৳৫ মূল্যমানের নোটগুলো সরকারি নোট। তাই, ২ টাকা ব্যাংক নোট নয়।
ব্যাংক নোট: যে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং যার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৳১০ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মূল্যমানের (৳১০০০) সকল নোট ব্যাংক নোট হিসেবে বিবেচিত।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকা হলো ব্যাংক নোট।
37

বাংলাদেশে কোন সালে বয়স্ক ভাতা চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1995
  2. 1996
  3. 1997
  4. 1998

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামাজিক নিরাপত্তা খাতের অংশ হিসেবে ১৯৯৮ সালে বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করেন। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর হতে প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রতিজনকে ৬০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৯৮ সাল।
বাংলাদেশে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সমাজকল্যাণের উদ্দেশ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি (Old Age Allowance Programme) ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে চালু করা হয়।
এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৮ সালের জুলাই মাস থেকে কার্যকর হয়। এটি প্রবর্তন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শুরুর দিকে মাত্র ৪ লক্ষ বয়স্ক ব্যক্তিকে মাসিক ১০০ টাকা হারে এই ভাতা প্রদান করা হতো।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৯৯৫, ১৯৯৬, ১৯৯৭) ভুল, কারণ বয়স্ক ভাতা কর্মসূচিটি সরাসরি ১৯৯৮ সালেই কার্যকর হয়।
38

‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রম বাজার
  2. চাকুরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্টক মার্কেট এক ধরনের এক্সচেঞ্জ যা ব্যবসায়ীদের স্টক কিনতে এবং বিক্রয় করতে পাশাপাশি কোম্পানিদের স্টক ইস্যু করার সুযোগ করে দেয়। একটি স্টক নির্দিষ্ট কোম্পানির ইক্যুইটির প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে ঐ বিশেষ সংস্থার অংশীদারিত্ব রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্টক মার্কেট
অর্থনীতির ভাষায়, যে বাজারে ইতোমধ্যে ইস্যুকৃত সিকিউরিটিজ (শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কেনাবেচা হয়, তাকেই সেকেন্ডারি মার্কেট বা গৌণ বাজার বলে।
প্রথমবার যখন কোনো কোম্পানি শেয়ার ইস্যু করে, তখন সেই লেনদেন ঘটে প্রাইমারি মার্কেটে (Primary Market)। প্রাইমারি মার্কেট থেকে শেয়ার কেনার পর যখন বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে সেই শেয়ার কেনাবেচা করে, তখন তা সেকেন্ডারি মার্কেটে হয়ে থাকে।
অন্যান্য বিকল্প—শ্রম বাজার, চাকুরি বাজার বা কৃষি বাজারের সাথে সেকেন্ডারি মার্কেটের এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক পরিভাষাটি সংশ্লিষ্ট নয়।
39

‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. টমেটো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বলাকা একটি উন্নত গমের জাত। এছাড়াও দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি গমের উন্নত জাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গম (Wheat)
‘বলাকা’ হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত (High Yielding Variety - HYV)।
এই জাতটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়েছিল, যা দেশের উত্তরাঞ্চলে গমের ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ধানের জাতগুলো সাধারণত BRRI ধান (যেমন: ব্রি ধান ২৮, ২৯, ৩৩) নামে পরিচিত, তাই ধান উত্তর নয়। পাট ও টমেটোর জাতের নাম ভিন্ন প্রকৃতির হয়।
40

নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1977
  2. 2008
  3. 2015
  4. 2019

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে এ যাবৎ ৫টি কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়েছে- ১৯৭৭, ১৯৮৬, ১৯৯৭, ২০০৮ ও ২০১৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৫
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট পাঁচবার কৃষিশুমারি (Agriculture Census) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুমারিগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)
বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার বছরগুলো হলো: ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৯
উপরিউক্ত বছরগুলোর তালিকার সাথে অপশনগুলো মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, ১৯৭৭, ২০০৮ এবং ২০১৯ সালে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি হয়নি।
বিসিএস পরীক্ষার জন্য শুমারির তারিখগুলো মুখস্থ রাখা আবশ্যিক।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তুলা

  2. তামাক
  3. পেয়ারা
  4. তরমুজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ম্যানিলা’ ও ‘সুমাত্রা’ তামাক এর উন্নতজাতের নাম। পদ্মা, মধুমালা তরমুজের উন্নত জাত। রূপালী, ডেলফোজ তুলার উন্নত জাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তামাক
ম্যানিলা (Manila) হলো তামাকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চফলনশীল জাত। এটি মূলত ভার্জিনিয়া (Virginia) তামাকের একটি বাণিজ্যিক উপশাখা, যা সিগারেটের জন্য ব্যবহৃত ফিল্টার তামাক (Flue-cured tobacco) হিসেবে পরিচিত।
ম্যানিলা ছাড়া বাংলাদেশে তামাকের অন্য যে জাতগুলো চাষ হয়, তার মধ্যে সোনাপাতা এবং মতিহার (Motihari) উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্নটি কৃষি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান থেকে এসেছে, যেখানে ফসলের জাত ও নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
42

একনেক (ECNEC) এর প্রধান কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. বাণিজ্যমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

একনেক (ECNEC) এর পূর্ণরূপ- Executive Committee of the National Economic Council. এর প্রধান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প প্রধান অর্থমন্ত্রী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রধানমন্ত্রী
একনেক (ECNEC) এর পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি)। এটি বাংলাদেশের সকল সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ফোরাম।
পদাধিকার বলে, দেশের সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী হলেন একনেক এর সভাপতি বা প্রধান।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বা অর্থমন্ত্রী হলেন এই কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, কিন্তু প্রধান নন।
43

নিম্নের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. পাকিস্তান
  3. থাইল্যান্ড
  4. মায়ানমার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারত এবং মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে। বাংলাদেশের ৩টি জেলার (কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি) সাথে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম এবং পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের আরাকান (বর্তমান নাম- রাখাইন রাজ্য) ও চিন প্রদেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মায়ানমার
বাংলাদেশের সাথে স্থলপথে আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে মাত্র দুটি দেশের: একটি হলো ভারত এবং অন্যটি মায়ানমার
এই দুটি দেশের মধ্যে ভারত বাংলাদেশের উত্তরে, উত্তর-পূর্বে এবং পশ্চিমে অবস্থিত। অন্যদিকে, মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য দেশগুলোর (চীন, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড) সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। পাকিস্তান যদিও পূর্বে (১৯৪৭-১৯৭১) পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিবেশী ছিল, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এর কোনো সীমান্ত নেই।
44

বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের নবাবগঞ্জ উপজেলার দিঘি পাড়া কয়লা খনিটি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর জরিপ চালিয়ে আবিষ্কার করে এবং ৫টি কূপ খনন করা হয়। ৫টি কূপে ৫০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদ রয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জরিপ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এছাড়াও বড়পুকুরিয়া, মধ্যপাড়াতেও কয়লা খনি রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দিনাজপুর। বাংলাদেশের অধিকাংশ আবিষ্কৃত কয়লা ক্ষেত্র বা মজুদের অবস্থান দিনাজপুর ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে।
দেশের একমাত্র উৎপাদনে থাকা কয়লা খনি, 'বড়পুকুরিয়া', দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
অন্যদিকে, সিলেট প্রাকৃতিক গ্যাস এবং চুনাপাথরের জন্য বিখ্যাত। কুমিল্লা গ্যাস (তিতাস) এবং রাজশাহী অন্যান্য খনিজ সম্পদের জন্য বিশেষ পরিচিত নয়।
45

নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বোয়ালমারী
  2. নড়িয়া
  3. আলমডাঙ্গা
  4. নিকলি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা পদ্মা নদীর তীরে ভাঙন প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় প্রতি বছর ব্যাপক ভাঙনের কবলে পতিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো নড়িয়া
নড়িয়া উপজেলাটি শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের শিকার হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নড়িয়ায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে, যা গ্রাম, স্কুল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে গ্রাস করে নেয়।
দেশের নদীভাঙন-প্রবণ এলাকাগুলোর মধ্যে নড়িয়া বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও সংবাদ শিরোনামে থাকে।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে বোয়ালমারী (ফরিদপুর), আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) এবং নিকলি (কিশোরগঞ্জ) থাকলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নদীভাঙনের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নড়িয়াই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিঝুমদ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিনস
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ২৩ মাইল বা ৩৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। এই দ্বীপে প্রচুর সামুদ্রিক প্রবাল পাওয়া যায় তাই এটিকে প্রবাল দ্বীপ বলা হয়। স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপ নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্ট মার্টিনস। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island) নামে পরিচিত।
প্রবাল হলো সামুদ্রিক পলিপস নামক ক্ষুদ্র প্রাণীর কঙ্কাল। এই কঙ্কালগুলো প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে গঠিত। এই মৃত পলিপসের কঙ্কাল জমা হয়েই সেন্ট মার্টিনস দ্বীপটি সৃষ্টি হয়েছে।
সেন্ট মার্টিনস দ্বীপটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এই দ্বীপটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় স্থান।
47

বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বান্দরবান
  2. কুষ্টিয়া
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ উত্থিত হওয়ার সময় এই উঁচু ভূমি গঠিত হয়। উত্তর পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উঁচু ভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কুমিল্লা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল, প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ (উচ্চভূমি) এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমি।
প্রশ্নোক্ত প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল আনুমানিক ২৫,০০০ বছর আগে। এই সোপানগুলো মূলত তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত:
১. বরেন্দ্রভূমি (উত্তর-পশ্চিমে, রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চল)
২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (কেন্দ্রীয় অঞ্চল, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ)
৩. লালমাই পাহাড় (দক্ষিণ-পূর্বে, কুমিল্লা ও ময়নামতি অঞ্চল)
লালমাই পাহাড় অঞ্চলটি কুমিল্লা শহরের কাছে অবস্থিত এবং এটিই প্লাইস্টোসিন সোপানের ক্ষুদ্রতম অংশ। তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কুমিল্লা সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন বান্দরবান টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চলভুক্ত এবং বরিশাল সাম্প্রতিক প্লাবনভূমির অন্তর্গত।
48

বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেটের বনভূমি
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি; ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এ তিন ভাগে ভাগ করা হয়। মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিমি। শাল জাতীয় এক ধরনের গজারি এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ। পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি। খুলনা বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
এই বনভূমিগুলো মূলত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রজ বনভূমি (Tropical Deciduous Forest) নামে পরিচিত, যা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
এসব বনভূমিতে শালবৃক্ষই (Sal Tree) প্রধান বৃক্ষ। তাই এই অঞ্চলের বনকে শালবন বা শাল ও গজারি বন বলা হয়।
ভাওয়াল বনভূমি প্রধানত গাজীপুর জেলায় এবং মধুপুর বনভূমি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার অংশবিশেষে বিস্তৃত।
অন্যান্য অপশনসমূহ: খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি হলো ম্যানগ্রোভ বনভূমি (সুন্দরবন)। সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি হলো চিরহরিৎ বা আধা-চিরহরিৎ বনভূমি
49

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফরিদপুর
  2. রংপুর
  3. জামালপুর
  4. শেরপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিবিএস কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৯ অনুযায়ী ফরিদপুর জেলায় পাট উৎপাদিত হয়েছে ৯,২৬,৮৪৯ বেইল বা ৩২,৪৩,৯৭১.৫ মন ( ১ বেইল= ৩.৫ মন)। জামালপুরে পাট উৎপাদনের পরিমাণ ৪,৬৯,০৪৭ বেইল (৬ষ্ঠ)। রংপুরে পাট উৎপাদিত হয়েছে ১,৩৭,৬৪০ বেইল। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭.৪৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করে ৮২.৭৭ লক্ষ বেল পাট আঁশ উৎপাদিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফরিদপুর
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়। এটি বাংলাদেশের পাট উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র (Jute Hub) হিসেবে পরিচিত।
ফরিদপুরে মূলত উন্নতমানের তুষা পাট (Tossa Jute) উৎপাদিত হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যদিও বৃহত্তর ময়মনসিংহের জেলাগুলো (যেমন জামালপুর) এবং রংপুর অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাট উৎপন্ন হয়, কিন্তু উৎপাদনের পরিমাণের দিক দিয়ে ফরিদপুর প্রথম স্থান অধিকার করে।
50

বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
  2. ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
  3. ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
  4. ২ কোটি ২১ লক্ষ একর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সর্বশেষ তথ্য মতে, বাংলাদেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বা ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য (Total Arable Land) জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
এটি একটি মৌলিক কৃষিসংক্রান্ত তথ্য যা প্রায় প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নপত্রে সাধারণত এই সংখ্যাটির কাছাকাছি বিকল্পই সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (যেমন: ২ কোটি ৫০ লক্ষ বা ২ কোটি ২১ লক্ষ একর) বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির স্বীকৃত সরকারি পরিসংখ্যানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per capita GDP (nominal) কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. $ ১,৭৫০ মার্কিন ডলার
  2. $ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
  3. $ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
  4. $ ১,৭৫৩ মার্কিন ডলার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু GDP ২৭২৩ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: $ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর বা ২০১৮ সালের জন্য বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি (Per capita GDP, Nominal) ছিল ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
প্রশ্নটি সরাসরি অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে নেওয়া এবং এর অপশনগুলো খুবই কাছাকাছি রাখা হয়েছে, যা প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সঠিক তথ্য মনে রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
52

২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. $ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. $ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. $ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ৩৩.৮৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। (সূত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা,২০২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
এই প্রশ্নটি মূলত ২০১৮-১৯ অর্থবছরকে (জুলাই ২০১৮ - জুন ২০১৯) নির্দেশ করে, কারণ পরীক্ষা সাধারণত পূর্ববর্তী অর্থবছরের তথ্য জানতে চায়।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯বিলিয়ন,কিন্তুবছরশেষেactualearningsবাপ্রকৃতআয়দাঁড়ায়<strong> ৩৯ বিলিয়ন, কিন্তু বছর শেষে actual earnings বা প্রকৃত আয় দাঁড়ায় <strong> ৪০.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই প্রকৃত আয় অপশনগুলোর মধ্যে $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিকটতম হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়।
53

২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP- তে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 29.66%
  2. 30.66%
  3. 32.66%
  4. 33.66%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৩.৬৬%। শিল্প খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০.৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ০.১৫ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেশি। জিডিপিতে শিল্পের অবদান হবে ৩৭.০৭ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১.০৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেশি। (সূত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা,২০২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩৩.৬৬%
প্রশ্নটি যেহেতু ২০১৮ সালের জিডিপিতে অবদানের কথা বলেছে, তাই এটি মূলত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবকে নির্দেশ করে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) শিল্প খাতের অবদান ছিল ৩৩.৬৬%
উল্লেখ্য, এই খাতটির অবদান সবসময়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে এটি জিডিপিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদানকারী খাত হিসেবে পরিচিত।
যদি অন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সংখ্যা (যেমন 29.66%) উল্লেখ থাকে, তা সাধারণত কৃষি বা অন্য কোনো খাতের পুরোনো তথ্য নির্দেশ করে।
54

২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
  2. সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
  3. সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
  4. সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি খাতে প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয় ৯০২৫ কোটি টাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুসারে, দেশের রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করার জন্য মোট ৪,৫০০ কোটি টাকা (সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা) রপ্তানি প্রণোদনা বা ভর্তুকি হিসেবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।
এই ধরনের প্রশ্নগুলো অর্থনৈতিক নীতি এবং দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার গুরুত্ব নির্দেশ করে।
55

বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Value Added Tax বা মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। এ সংক্রান্ত আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় ১০ জুলাই ১৯৯১ । মূসক একটি পরোক্ষ কর। এ উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়। মূল্য সংযোজন কর মূলত বিক্রয় কর বা সেলস ট্যাক্সের মতো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশে প্রথম মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax - VAT) চালু হয় ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই
এটি কার্যকর করা হয় ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে।
ভ্যাট হলো একটি পরোক্ষ কর (Indirect Tax), যা পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ বা সেবা প্রদানের প্রতিটি স্তরে মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপিত হয়। এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।
সুতরাং, অন্য সালগুলো (১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬) সঠিক নয়।
56

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩ হাজার ১২৫টি
  2. ১৩ হাজার ১৩০টি
  3. ১৩ হাজার ১৩৬টি
  4. ১৩ হাজার ১৪৬টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ নাসিম প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ১৩৬ টি। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে এখন ১৩ হাজার ৪৪২টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। [সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৩ হাজার ১৩৬টি। অপশনসমূহের মধ্যে ১৩ হাজার ১৩৬টি (১৩,১৩৬) হলো বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (Primary Health Care) নিশ্চিত করার জন্য বর্তমানে চালু থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকের সরকারি অনুমোদিত ও সর্বাধিক স্বীকৃত সংখ্যা।
কমিউনিটি ক্লিনিক হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ‘ব্র্যান্ডেড ইনিশিয়েটিভ’ যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবা পৌঁছে দেয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৩,১২৫টি, ১৩,১৩টি, ১৩,১৪৬টি) সঠিক সংখ্যার খুব কাছাকাছি হলেও, অফিসিয়াল নথিতে ১৩,১৩৬টি সংখ্যাটিই ব্যবহৃত হয়।
57

বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরনের বনভূমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
  2. ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়
  3. পত্র পতনশীল জাতীয়
  4. ম্যানগ্রোভ জাতীয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হচ্ছে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ আধা/অর্ধ চিরহরিৎ ধরনের বনভূমি। এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর। বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্ব অংশের সীমানা ঘেষে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল পর্যন্ত এ ধরনের বনাঞ্চল বিদ্যমান। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলাসমূহে এসব বনাঞ্চল বিস্তৃত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ, ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পতনশীল (শালবন), এবং ম্যানগ্রোভ (উপকূলীয়)।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি সিলেটের মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। এই অঞ্চলটি পাহাড়ি এবং এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। অত্যাধিক বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার কারণে এখানকার বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে, তাই এগুলোকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বা আধা-চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়।
ম্যানগ্রোভ জাতীয় বনভূমি শুধুমাত্র সুন্দরবন এলাকায় দেখা যায়।
ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল বনভূমি হলো শালবন, যা ভাওয়াল ও মধুপুর অঞ্চলে পাওয়া যায়।
58

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নির্মাণ খাত
  2. কৃষি খাত
  3. সেবা খাত
  4. শিল্প কারখানা খাত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষিখাতে (৪০.৬%) সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়। সেবা ও শিল্পখাতে নিয়োজিত কর্মসংস্থানের যথাক্রমে ৩৯% ও ২০.৪%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃষি খাত
ঐতিহাসিকভাবে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কর্মসংস্থানের দিক থেকে কৃষি খাত (Agriculture Sector) এখনো শীর্ষে অবস্থান করছে। এটি এখনো মোট শ্রমশক্তির ৪০% এরও বেশি অংশকে সরাসরি কর্মসংস্থান প্রদান করে।
যদিও দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাত সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, কিন্তু বিপুল সংখ্যক গ্রামীণ জনসংখ্যা, বিশেষ করে প্রান্তিক চাষি ও কৃষিনির্ভর শ্রমিকদের কারণে কর্মসংস্থানে কৃষি খাত প্রথম স্থানে থাকে।
সেবা খাত কর্মসংস্থানের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং শিল্প খাত তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
59

বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য কত বরাদ্দ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১,৭২,০০০ কোটি টাকা
  2. ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা
  3. ১,৭০,০০০ কোটি টাকা
  4. ১,৭১,০০০ কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরের (৪৮তম) বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ করা হয়েছিল ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা যা জিডিপির ৬.৮২%। এ অর্থবছরের মোট বাজেট ঘোষণা করা হয়েছিল ৪,৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা। বাজেটে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৭.৮% ও মূল্যস্ফীতি ৫.৬% ধরা হয়েছিল। ২০২০-২১ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ করা হয় ২,০৫,১৪৫ কোটি টাকা। ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য বরাদ্দ টাকার পরিমাণ ২,৪৬,০৬৬ কোটি টাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা
২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটটি ছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কর্তৃক পেশকৃত। এটি ছিল তাঁর ব্যক্তিগত ১২তম বাজেট
এই বাজেটে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (Annual Development Programme - ADP) জন্য ১,৭৩,০০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।
বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি হলো সরকারের উন্নয়নমূলক ব্যয়ের প্রধান খাত।
60

বাংলাদেশের জিডিপিতে (GDP) কৃষি খাতের (ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ, মৎস্যসহ) অবদান কত শতাংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪.৭৯ শতাংশ
  2. ১৬ শতাংশ
  3. ১২ শতাংশ
  4. ১৮ শতাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

BBS- এর চূড়ান্ত হিসাব অনুসারে ২০১৯-২০ অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৩৫ শতাংশ। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে, বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১৩.৪৭%। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০%।

ব্যাখ্যা

জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান একটি পরিবর্তনশীল তথ্য, যা প্রতি বছর অর্থনৈতিক সমীক্ষা (Economic Review) অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। প্রশ্নটি যদি কোনো পূর্ববর্তী পরীক্ষার হয়ে থাকে, যেখানে উত্তরটি ১৮ শতাংশ (বিকল্প ৪) হিসেবে সেট করা হয়েছিল, তবে সেই প্রেক্ষাপটে এটি সঠিক।
তবে, একজন বিসিএস পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনাকে সর্বশেষ তথ্য জানতে হবে। অর্থনৈতিক উন্নতির সাথে সাথে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে এবং শিল্প ও সেবা খাতের অবদান বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সর্বশেষ বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ (অর্থবছর ২০২২-২৩, সাময়িক হিসাব) অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) কৃষি খাতের (ফসল, বন, প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যসহ) মোট অবদান হলো ১১.৬০ শতাংশ
অতএব, যদি অপশনগুলির মধ্যে সর্বশেষ তথ্যের নিকটতম উত্তর চাওয়া হয়, তবে ১২ শতাংশ (বিকল্প ৩) উত্তরটি সবচেয়ে বেশি যুক্তিযুক্ত হতো। কিন্তু যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে ১৮ শতাংশ উত্তরটি সঠিক হিসেবে চিহ্নিত, তাই এটি একটি পুরোনো তথ্যকে নির্দেশ করছে, যা সম্ভবত ২০০৫-২০১০ সালের দিকের পরিসংখ্যান।
61

বাংলাদেশের ২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭.৮০ শতাংশ
  2. ৮.০০ শতাংশ
  3. ৭.২৮ শতাংশ
  4. ৭.৬৫ শতাংশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১৮-১৯ অর্থবছরে মোট বাজেটের পরিমাণ ছিল ৪,৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা। ঐ বছরের বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত (অনুমিত) প্রবৃদ্ধির হার ধরা হয়েছিল ৭.৮০ শতাংশ। উল্লেখ্য, ২০১৯-২০ অর্থবছরে জিডিপি’র প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধি ধরা হয় ৮.২ শতাংশ। ২০২১-২২ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধির হার ৭.২% ধরেছেন অর্থমন্ত্রী আ.হ.ম. মোস্তফা কামাল। ২০২২-২৩ অর্থবছরের বাজেটে জিডিপির প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার ৭.৫%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭.৮০ শতাংশ
২০১৮ সালের ৭ জুন তৎকালীন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট পেশ করেন। সেই বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধির হার বা লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৭.৮০ শতাংশ
মনে রাখা জরুরি, বাজেট ঘোষণার সময় যে হার নির্ধারণ করা হয়, তাকে 'প্রক্ষেপিত প্রবৃদ্ধি' বা 'লক্ষ্যমাত্রা' বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি ওই নির্দিষ্ট অর্থবছরের সরকারি লক্ষ্যমাত্রা ছিল না, তবে প্রকৃত প্রবৃদ্ধি বা কাছাকাছি পরিসংখ্যান ছিল।
62

বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষি খাতের অবদান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  2. অনিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে
  3. ক্রমহ্রাসমান
  4. অপরিবর্তিত থাকছে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে মোট দেশজ উৎপাদনে অবদান রাখে এমন খাতকে বৃহৎ তিন খাতে ভাগ করা হয়- কৃষিখাত, শিল্পখাত ও সেবাখাত। বিগত কয়েকটি অর্থবছর পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ২০১৪-১৫ অর্থবছরে জিডিপি’তে কৃষিখাতের অবদান ১৬.০০ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০১৯-২০ অর্থবছরে চূড়ান্ত হিসাবে জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান দাঁড়িয়েছে ১৩.৩৫%। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১-২২ (সাময়িক) অনুসারে জিডিপিতে কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্রমহ্রাসমান
অর্থনৈতিক উন্নয়নের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো কাঠামোগত পরিবর্তন (Structural Transformation)। এই পরিবর্তন অনুযায়ী, যখন একটি দেশ উন্নতির দিকে অগ্রসর হয়, তখন মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) প্রাথমিক খাত বা কৃষি খাতের অবদান তুলনামূলকভাবে কমতে থাকে
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের জিডিপিতে কৃষির অবদান ৫০% এর বেশি থাকলেও, বর্তমানে (২০২৩-২৪ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে) তা কমে ১১.৫% - ১১.৮% এর আশেপাশে রয়েছে।
কৃষি খাতে উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও, শিল্প ও সেবা খাতের উচ্চ প্রবৃদ্ধির কারণে সামগ্রিক জিডিপিতে কৃষির অবদান (শতকরা হিসাবে) ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে। তাই এটি ক্রমহ্রাসমান (Declining)
বাকি অপশনগুলো ভুল, কারণ কোনো দেশ অর্থনৈতিকভাবে অগ্রসর হলে কৃষির অংশ কখনোই নিয়মিতভাবে বৃদ্ধি পায় না
63

বাংলাদেশের অন্যতম বিশেষায়িত ব্যাংক-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক
  2. সোনালী ব্যাংক
  3. অগ্রণী ব্যাংক
  4. রূপালী ব্যাংক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বর্তমানে দেশে তফসিলভুক্ত ব্যাংক ৬১টি। তন্মধ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত তফসিলভুক্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক ৬টি ও রাষ্ট্রায়ত্ত তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি। রাষ্ট্রায়ত্ত তফসিলভুক্ত বিশেষায়িত ব্যাংক ৩টি হলো : বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক, রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক ও প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ জাতীয় বিশেষায়িত ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠান। BKB ১৯৫২ সালে প্রতিষ্ঠিত এগ্রিকালচারাল ডেভেলপমেন্ট ফাইন্যান্স কর্পোরেশন এবং ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক-এর সমন্বয়ে ১৯৬১ সালে প্রতিষ্ঠিত পাকিস্তান কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের উত্তরসূরি। অপরদিকে সোনালী, অগ্রণী ও রূপালী বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক। সর্বশেষ তফসিলভুক্ত ব্যাংক হচ্ছে ‘সিটিজেনস ব্যাংক’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক (Bangladesh Krishi Bank - BKB)
ব্যাংকগুলোকে সাধারণত তাদের কার্যকারিতা অনুসারে বাণিজ্যিক (Commercial) এবং বিশেষায়িত (Specialized) এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
বিশেষায়িত ব্যাংক (Specialized Bank): এই ব্যাংকগুলো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য বা নির্দিষ্ট খাতকে ঋণ সহায়তা দেওয়ার জন্য গঠিত হয়। যেমন, কৃষিখাত, ক্ষুদ্র শিল্প বা গ্রামীণ অর্থনৈতিক উন্নয়ন। বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক এই কারণে কৃষি ও গ্রামীণ অর্থনীতিকে ঋণ দিতে বিশেষায়িত ব্যাংক হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে, সোনালী ব্যাংক, অগ্রণী ব্যাংক এবং রূপালী ব্যাংক হলো বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক (State-Owned Commercial Banks - SOCBs)। এদের মূল উদ্দেশ্য লাভজনকভাবে সব ধরনের বাণিজ্যিক লেনদেন পরিচালনা করা, কোনো নির্দিষ্ট খাতকে বিশেষ সহায়তা দেওয়া নয়।
64

৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে প্রতিবছর বাংলাদেশের গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7.00%
  2. 7.12%
  3. 7.30%
  4. 7.40%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের (NEC) সভায় সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়া হয় ২০ অক্টোবর ২০১৫। এ পরিকল্পনার প্রতিপাদ্য হলো ‘প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিতকরণ, নাগরিকের ক্ষমতায়ন’। সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদে (২০১৬-২০২০) প্রতিবছরে দেশের প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ৭.৪০%, প্রতিবছর গড় মূল্যস্ফীতি ৫.৫%, মাথাপিছু আয় ২০০৯ মার্কিন ডলার এবং দারিদ্র্যের হার ১৮.৬০% নির্ধারণ করা হয়। এ বার্ষিক পরিকল্পনার শেষ অর্থবছরে (২০২০-২০২১) জিডিপি-এর প্রবৃদ্ধি ও মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে যথাক্রমে ৮% ও ৫.৫%। ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা মেয়াদে প্রতিবছর বাংলাদেশের গড় প্রকৃত প্রবৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যমাত্রা ৭.৯৭% (অর্থবছর ২০২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭.৪০%
বাংলাদেশের ৭ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা (Seventh Five Year Plan)-এর মেয়াদ ছিল ২০১৬ থেকে ২০২০ অর্থবছর
এই পরিকল্পনার প্রধান অর্থনৈতিক লক্ষ্যমাত্রা ছিল প্রতি বছর গড় প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.৪০% অর্জন করা। এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণের ভিত্তি তৈরি করাই ছিল ৭ম FYP-এর উদ্দেশ্য।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন 7.00% বা 7.12%) ৭ম পরিকল্পনার গড় লক্ষ্যমাত্রা ছিল না। মনে রাখবেন, ৬ষ্ঠ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৭.৩%। তাই লক্ষ্যমাত্রা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায় ৭ম পরিকল্পনার টার্গেট ৭.৪০% ধার্য করা হয়।
65

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের গড় মূল্যস্ফীতি ছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5.92%
  2. 6.00%
  3. 6.41%
  4. 6.43%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১৩-১৪ অর্থবছরের শুরু থেকেই দেশে মূল্যস্ফীতির হার হ্রাস পেতে থাকে। বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার ২০১৩-১৪ অর্থবছরে ৭.৩৫ শতাংশ থেকে হ্রাস পেয়ে ২০১৪-১৫ তে দাঁড়ায় ৬.৪১ শতাংশ এবং ২০১৫-১৬ অর্থবছরে তা নেমে আসে ৫.৯২ শতাংশে। ২০২০-২১ বাজেট অনুসারে অর্থবছরে মূল্যস্ফীতি ৫.৪% শতাংশ। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১ অনুসারে মূল্যস্ফীতি ৫.৫৬%। ২০২১-২২ অর্থবছরের মার্চ পর্যন্ত গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৫.৮৩%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫.৯২%
বাংলাদেশ সরকারের অর্থনৈতিক সমীক্ষা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে বার্ষিক গড় মূল্যস্ফীতির হার (Average Inflation Rate) ছিল ৫.৯২%
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় ওই অর্থবছরে সরকারের ঘোষিত মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬.২%। যেহেতু অর্জিত হার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে কম ছিল, তাই ওই সময়টিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সফল বলা যায়।
66

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনে জ্বালানি হিসেবে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফার্নেস অয়েল
  2. কয়লা
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. ডিজেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বার্মা ওয়েল কোম্পানির হাত ধরে এ দেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ সালে। দেশের শিল্পখাতে গ্যাস সংযোগ দেয়া হয় সর্বপ্রথম ছাতক গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৯৫৯ সালে। শিল্পখাতে গ্যাসের প্রধান ব্যবহার হয় বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে। বর্তমানে উৎপাদিত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় ৮০% ব্যবহৃত হয় শক্তি উৎপাদন ও সার উৎপাদনের কাজে। ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশের মোট ব্যবহৃত গ্যাসের খাতওয়ারি হার হচ্ছে : বিদ্যুৎ উৎপাদন ৪২.০০%, সার ৬.০০% এবং শিল্প, বাণিজ্য ও গার্হস্থ্য ৩২.১০%। (অ.স.-২০২২)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রাকৃতিক গ্যাস
ঐতিহাসিক এবং বর্তমান তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রধানতম জ্বালানি উৎস হলো প্রাকৃতিক গ্যাস। যদিও সরকার বর্তমানে কয়লা, ফার্নেস অয়েল এবং আমদানি করা বিদ্যুতের দিকে মনোযোগ দিয়েছে, তবুও বিদ্যুৎ উৎপাদনে মোট অবদানের বিচারে প্রাকৃতিক গ্যাস এখনো শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, মোট উৎপাদিত বিদ্যুতের ৫৫% থেকে ৬০% আসে প্রাকৃতিক গ্যাস নির্ভর কেন্দ্রগুলো থেকে।
অন্যান্য অপশন যেমন কয়লা এবং ফার্নেস অয়েল (ডিজেলসহ) এর অবদান থাকলেও তা গ্যাসের চেয়ে অনেক কম। কয়লা যদিও দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসার পথে, কিন্তু বর্তমানে গ্যাসের আধিপত্য বজায় রয়েছে।
67

বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে ক’টি খাতে ভাগ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 12
  2. 13
  3. 14
  4. 15

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় আয় গণনায় দেশের অর্থনীতিকে বৃহৎ তিনটি খাত- কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতে বিভক্ত করা হয়। এ ৩টি বৃহৎ খাত সার্বিকভাবে ১৫টি খাতে বিভক্ত। সেগুলো হলো: (i) কৃষি খাত: ১. কৃষি ও বনজ (ক. শস্য ও শাকসবজি, খ. প্রাণিসম্পদ ও গ. বনজসম্পদ) ২. মৎস্যসম্পদ। (ii) শিল্প খাত: ৩. খনিজ ও খনন (ক. প্রাকৃতিক গ্যাস ও অপরিশোধিত তৈল ও খ. অন্যান্য খনিজ সম্পদ ও খনন), ৪. শিল্প (ক. বৃহৎ ও মাঝারি শিল্প ও খ. ক্ষুদ্রায়তন শিল্প), ৫. বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানিসম্পদ (ক. বিদ্যুৎ খ. গ্যাস ও গ. পানি) ৬. নির্মাণ। (ii) সেবা খাত: ৭. পাইকারি ও খুচরা বাণিজ্য ৮. হোটেল ও রেস্তোরাঁ ৯. পরিবহন, সংরক্ষণ ও যোগাযোগ (ক. স্থলপথ পরিবহন, খ. পানিপথ পরিবহন, গ. আকাশপথ পরিবহন ঘ. সহযোগী, পরিবহন সেবা ও সংরক্ষণ ও ঙ. ডাক ও তার যোগাযোগ), ১০. আর্থিক প্রতিষ্ঠানিক সেবা (ক. ব্যাংক খ. বীমা ও গ. অন্যান্য), ১১. রিয়েল এস্টেট, ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবসা, ১২. লোকপ্রশাসন ও প্রতিরক্ষা, ১৩. শিক্ষা, ১৪. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা এবং ১৫. কমিউনিটি, সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৫টি
বাংলাদেশের জাতীয় আয় (মোট দেশজ উৎপাদন বা GDP) গণনা করার জন্য দেশের অর্থনীতিকে মোট ১৫টি প্রধান খাতে (Major Industrial Sectors) ভাগ করা হয়। এই হিসাবটি সাধারণত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত হয়।
এই ১৫টি খাতকে সাধারণত তিনটি বৃহত্তর ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়: কৃষি ও বনজ সম্পদ, শিল্প (Industry) এবং সেবা (Service)
জাতীয় আয়ের এই খাত সংখ্যাটি একটি নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক মানদণ্ড (Standard National Accounts - SNA) অনুসরণ করে নির্ধারিত হয়েছে, যা পুরনো ১২ বা ১৩ খাতের হিসাবের চেয়ে অধিকতর আধুনিক ও স্বীকৃত।
68

মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের ক’টি জেলার সীমান্ত রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী দেশ দুটি; ভারত ও মিয়ানমার। দেশের মোট ৩২টি জেলার সাথে এ দুটি দেশের সীমানা রয়েছে। তন্মধ্যে ভারতের সাথে ৩০টি জেলা এবং মিয়ানমারের সাথে রয়েছে তিনটি জেলার সংযোগ। মিয়ানমারের সাথে সীমান্তবর্তী জেলা তিনটি হলো -রাঙামাটি, বান্দরবান ও কক্সবাজার। রাঙামাটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩টি। বাংলাদেশের মোট তিনটি জেলার সাথে মায়ানমারের (বার্মা) সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
জেলাগুলো হলো— রাঙ্গামাটি, বান্দরবান এবং কক্সবাজার
এর মধ্যে বান্দরবান জেলার সাথে মায়ানমারের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ, আর কক্সবাজার জেলার সাথে জল ও স্থল উভয় ধরনের সীমান্তই বিদ্যমান। অন্য অপশনগুলো (২টি, ৪টি, ৫টি) ভুল কারণ কেবল এই তিনটি জেলার সঙ্গেই আন্তর্জাতিক সীমানা চিহ্নিত করা হয়েছে।
69

বাংলাদেশ বর্তমানে সর্বাধিক পরিমাণ অর্থের বিভিন্ন পণ্য আমদানি করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত থেকে
  2. চীন থেকে
  3. জাপান থেকে
  4. সিঙ্গাপুর থেকে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দেশভিত্তিক আমদানি পণ্যের পর্যালোচনা করলে দেখা যায় যে, ২০০৬-০৭ অর্থবছর থেকে ২০১৮-১৯ অর্থবছর পর্যন্ত দেশের আমদানির ক্ষেত্রে চীনের শীর্ষ অবস্থান অব্যাহত রয়েছে। এ অর্থবছরে (সাময়িক) ১২,০৩৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমান পরিমাণ পণ্য চীন থেকে আমদানি করা হয়। আর দ্বিতীয়, তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে যথাক্রমে ভারত (৫,৫১৫ মি.মা.ড.), সিঙ্গাপুর (১,৪৭৯ মি.মা.ড)। ২০২১-২২ অর্থবছরে ১৬,১৩৯ মি.মা.ড সমমূল্যের পণ্য চীন থেকে আমদানি করা হয়। (অ.স.ম. ২০২২)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চীন (China)
বাংলাদেশ প্রতি বছর যে পরিমাণ পণ্য আমদানি করে, মূল্যের (Value) দিক থেকে তার সর্বাধিক অংশ আসে চীন থেকে। চীন বাংলাদেশের বৃহত্তম একক আমদানিকারক দেশ।
চীন থেকে বাংলাদেশ মূলত তৈরি পোশাক শিল্পের কাঁচামাল, যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স, রাসায়নিক পদার্থ এবং বিভিন্ন মূলধনি পণ্য আমদানি করে থাকে। এই সকল পণ্যের সহজলভ্যতা এবং তুলনামূলক কম দামের কারণে চীনের ওপর বাংলাদেশের নির্ভরতা অনেক বেশি।
আমদানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে সাধারণত ভারত (খাদ্যদ্রব্য ও কৃষিপণ্য) থাকে, যা চীন থেকে অনেক পিছিয়ে। তাই চীনই সর্বাধিক অর্থের পণ্য আমদানির মূল উৎস।
70

বাংলাদেশের এফসিডিআই প্রকল্পের উদ্দেশ্য–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বন্যা নিয়ন্ত্রণ
  2. পানি নিষ্কাশন
  3. পানি সেচ
  4. উপরের তিনটি (ক, খ, গ)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাস্তবায়িত এফসিডিআই প্রকল্পের পূর্ণরূপ হলো- ‘বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প (Flood Control, Drainage and Irrigation Projects)’। প্রধানত বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন এবং সেচ সুবিধা নিশ্চিত করার উদ্দেশ্যেই এ প্রকল্প গ্রহণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপরের তিনটি (ক, খ, গ)
FCDI হলো একটি ইংরেজি শব্দসংক্ষেপ, যার পূর্ণরূপ হলো— Flood Control, Drainage and Irrigation
এর বাংলা অর্থ যথাক্রমে: বন্যা নিয়ন্ত্রণ (Flood Control), পানি নিষ্কাশন (Drainage) এবং পানি সেচ (Irrigation)
সুতরাং, বাংলাদেশের কৃষি ও জলবায়ুগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রণীত এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো উল্লিখিত তিনটি কাজই একত্রে সম্পাদন করা।
71

বাংলাদেশের জলবায়ু কী ধরনের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রান্তীয় ও উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  2. ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
  3. উপক্রান্তীয় জলবায়ু
  4. আর্দ্র ক্রান্তীয় জলবায়ু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করায় এখানে ক্রান্তীয় জলবায়ু বিরাজমান। কিন্তু মৌসুমি বায়ুর প্রভাব এ দেশের জলবায়ুর উপর এত বেশি যে সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশের জলবায়ু ‘ক্রান্তীয় মৌসুমি জলবায়ু’ নামে পরিচিত। উষ্ণ ও আর্দ্র গ্রীষ্মকাল এবং শুষ্ক শীতকাল এ জলাবায়ুর প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু
বাংলাদেশ ২১° উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬° উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় এটি ক্রান্তীয় অঞ্চলের (Tropical Zone) অন্তর্ভুক্ত।
কিন্তু কেবল ক্রান্তীয় বললেই এর বৈশিষ্ট্য সম্পূর্ণ হয় না। এই অঞ্চলের জলবায়ু প্রধানত দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে আসা মৌসুমী বায়ুর (Monsoon Wind) দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, যা ঋতু পরিবর্তন এবং প্রায় ৯০% বৃষ্টিপাত নিশ্চিত করে।
তাই বাংলাদেশের জলবায়ুর সবচেয়ে সঠিক ও বৈজ্ঞানিক বর্ণনা হলো ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ু। এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— গ্রীষ্মকালে উচ্চ তাপমাত্রা, উচ্চ আর্দ্রতা এবং প্রচুর বৃষ্টিপাত, এবং শীতকালে শুষ্ক ও মৃদু শীতলতা।
অন্যান্য অপশনগুলো এই জলবায়ুর মূল চালিকাশক্তি— মৌসুমী বায়ুর প্রভাবকে সঠিকভাবে তুলে ধরে না।
72

নিচের কোন জেলাতে প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চাঁদপুর
  2. পিরোজপুর
  3. মাদারীপুর
  4. গাজীপুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের প্লাইস্টোসিনকালের চত্বরসমূহ মেঘনা ও যমুনা নদীপ্রণালী দ্বারা তিন ধারায় বিভক্ত হয়েছে। প্রথমটি হলো ‘বরেন্দ্রভূমি’ যা দেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের প্রায় ৯,৩২০ বর্গ কিমি. এলাকাজুড়ে বিস্তৃত। দ্বিতীয়টি হলো ‘মধুপুর ও ভাওয়ালের গড়’। টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় মধুপুর এবং গাজীপুর জেলায় ভাওয়ালের গড় অবস্থিত যার আয়তন প্রায় ৪,১০৩ বর্গ কি.মি.। তৃতীয়টি হলো ‘লালমাই পাহাড়’ যা কুমিল্লা শহর থেকে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে লালমাই পাহাড় থেকে ময়নামতি পর্যন্ত বিস্তৃত। এর আয়তন প্রায় ৩৪ বর্গ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গাজীপুর
বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: ১. টারশিয়ারি যুগের পাহাড়সমূহ; ২. প্লাইস্টোসিন যুগের চত্বরভূমি (Pleistocene Terraces); এবং ৩. সাম্প্রতিককালের প্লাবন সমভূমি।
প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি গঠিত হয়েছিল আজ থেকে প্রায় ২৫,০০০ বছর পূর্বে। এই অঞ্চলের মাটি লালচে এবং অপেক্ষাকৃত কঠিন। বাংলাদেশের মোট ভূ-ভাগের প্রায় ৮% এই চত্বরভূমির অন্তর্ভুক্ত।
এই চত্বরভূমি প্রধানত তিনটি অংশে বিভক্ত:
ক) বরেন্দ্রভূমি (উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল)
খ) মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (কেন্দ্রীয় অঞ্চল)
গ) লালমাই পাহাড় (কুমিল্লার দক্ষিণ)।
দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে গাজীপুর জেলাটি সরাসরি মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। তাই সঠিক উত্তর হলো গাজীপুর।
অন্যদিকে, চাঁদপুর, পিরোজপুর ও মাদারীপুর জেলাগুলো সাম্প্রতিককালের নবীন প্লাবন সমভূমি অঞ্চলের অংশ, যা প্লাইস্টোসিন চত্বরভূমি নয়।
73

বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
  2. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  3. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
  4. মাঘ-ফাল্গুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে (নভেম্বর-জানুয়ারি)। আউশ ধান কাটা হয় জুলাই-আগস্টে আর বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল-মে মাসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
বাংলাদেশে মূলত তিন ধরনের ধান চাষ হয়: আউশ, আমন ও বোরো। এর মধ্যে রোপা আমন হলো বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা প্রধান ধান।
রোপা আমন ধানের বীজতলা তৈরি করা হয় জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় (মে-জুন) মাসে। এটিকে রোপণ করা হয় আষাঢ়-শ্রাবণ (জুলাই-আগস্ট) মাসে।
এবং এই ধান পরিপক্ব হয়ে কাটা হয় শীতের শুরুতে অগ্রহায়ণ ও পৌষ (নভেম্বর-জানুয়ারি) মাসে। এ কারণেই অগ্রহায়ণ মাসকে 'ফসলের মাস' বা 'গোলা ভরা মাস' বলা হয়।
74

সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 50%
  2. 58%
  3. 62%
  4. 66%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুন্দরবন বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট এবং পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলাজুড়ে বিস্তৃত। এ বনভূমির মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার, যার মধ্যে বাংলাদেশ অংশে পড়েছে ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে তা ৬০% -এর একটু বেশি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬২%। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সুন্দরবনের আয়তনের এই অনুপাতটি একটি স্ট্যান্ডার্ড তথ্য হিসেবে গৃহীত।
সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (মতান্তরে ১০,২০০ বর্গ কিমি)। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশে পড়েছে প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
এই ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকাটি মোট সুন্দরবনের আয়তনের প্রায় ৬২%
বাকি প্রায় ৩৮% (আনুমানিক ৪,২০০ বর্গ কিমি) অংশ ভারতের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত।
75

ভারতের কতটি ‘ছিটমহল’ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬২টি
  2. ১১১টি
  3. ৫১টি
  4. ১০১টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির পর স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে বাংলাদেশ ও ভারতের অধিকারভুক্ত কিছু ভূখণ্ড উভয় দেশের মধ্যে থেকে যায়। এ ধরনের ভূখণ্ডই ছিটমহল। ২০১৫ সালে উভয় দেশের মধ্যে এ ছিটমহল বিনিময় হয়। এ বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের ১১১টি আর ভারতের ভূখণ্ডে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল অন্তর্ভুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১১১টি
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তিটি ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই কার্যকর হয়। এটি ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির একটি বাস্তবায়ন।
এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার ভেতরে ছিল এবং সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সীমার ভেতরে ছিল, যা ভারতের অংশ হয়ে যায়।
প্রশ্নটি যেহেতু 'ভারতের কতটি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে' জানতে চেয়েছে, তাই সঠিক সংখ্যাটি হলো ১১১
76

ECNEC-এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. স্পীকার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Executive Committee of the National Economic Council বা একনেক-এর সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একনেক গঠিত হয় ১৯৮২ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রধানমন্ত্রী
ECNEC-এর পূর্ণরূপ হলো— Executive Committee of the National Economic Council (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি)।
এটি বাংলাদেশের সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম যা দেশের বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও তদারকি করে।
যেহেতু এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি, তাই দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হন।
অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেও তাঁরা সভাপতি নন। পরিকল্পনামন্ত্রী মূলত ECNEC-এর বিকল্প চেয়ারম্যান (বা কনভেনার/ভাইস-চেয়ারম্যান) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
77

‘অগ্নিশ্বর’ কি ফসলের উন্নত জাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধান
  2. কলা
  3. গম
  4. পাট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্নিশ্বর, সিঙ্গাপুরী, অমৃতসাগর উন্নতজাতের কলা। বিআর চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, আশা, প্রগতি, মুক্তা কয়েকটি উন্নতজাতের ধান। বিকেআরআই তোষা, বিজেআরআই দেশি ৫, ৬ কয়েকটি উন্নতজাতের পাট। আর সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, কাঞ্চন, আকবর কয়েকটি উন্নতজাতের গম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কলা। ‘অগ্নিশ্বর’ (Agnishwar) বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং উন্নত জাতের কলা
এটি সাধারণত লম্বা, সুস্বাদু এবং উচ্চ ফলনশীল হওয়ার কারণে কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
ধান (Rice), গম (Wheat) এবং পাট (Jute) বাংলাদেশের প্রধান ফসল হলেও, ‘অগ্নিশ্বর’ জাতটি কেবল কলার সঙ্গেই সম্পর্কিত। ধান বা গমের ক্ষেত্রে সাধারণত BRRI বা BARI কর্তৃক উদ্ভাবিত জাতের নাম পরীক্ষায় আসে (যেমন: BRRI ধান-৪৯, বারি গম-৩৩)।
78

বাংলাদেশে কখন থেকে বয়স্কভাতা চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করে এবং এর কার্যক্রম শুরু বা চালু হয় এপ্রিল ১৯৯৮ থেকে। এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো দেশের দুর্দশাগ্রস্ত, অবহেলিত, আর্থিক দৈন্যে জর্জরিত বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে বিবেচনা করে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৮ সালে
বাংলাদেশে বয়স্কভাতা (Old Age Allowance) কর্মসূচিটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে প্রথম চালু করা হয়। যেহেতু অর্থবছরটি ১৯৯৮ সালে শেষ হয় এবং কর্মসূচিটি পুরোপুরি এই সময়েই পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়, তাই পরীক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে এর প্রবর্তন সাল ধরা হয় ১৯৯৮
এটি বাংলাদেশের প্রথম বৃহৎ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির (Social Safety Net) মধ্যে অন্যতম।
অন্যান্য সালগুলো (১৯৯৯, ২০০০, ১৯৯৭) সঠিক নয়, কারণ এর প্রবর্তন ঘটেছিল ১৯৯৮ সালে। ১৯৯৭ সালটি অর্থবছর শুরুর বছর হলেও কর্মসূচিটি বাস্তব রূপ পায় ১৯৯৮ সালে।
79

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১.২ কি.মি
  2. ১২.২ কি.মি
  3. ১১.৮ কি.মি
  4. ১২.৮ কি.মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারটি বর্তমানে দেশের দীর্ঘতম উড়ালসেতু। ১১.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই ফ্লাইওভার ১১ অক্টোবর ২০১৩ উদ্বোধন করা হয়। এর লেন সংখ্যা ৪টি, পিলার সংখ্যা ৩১৫টি ও স্প্যানসংখ্যা ২১৪টি।

ব্যাখ্যা

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার হলো ঢাকা শহরের প্রথম সমন্বিত (Integrated) ফ্লাইওভার। এর মোট দৈর্ঘ্য হলো ১১.৮ কিলোমিটার। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১১.৮ কিলোমিটার (মূল ফ্লাইওভার ও বিভিন্ন র‍্যাম্পসহ) হিসাবে পরিচিত।
ফ্লাইওভারটি যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, টিকাটুলী, এবং গুলিস্তানসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের যানজট নিরসনে নির্মাণ করা হয়।
এটি মূলত গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নামে পরিচিত ছিল, পরে এটি ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে নামকরণ করা হয়।
80

ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকায়
  2. খুলনায়
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. চাঁদপুরে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। লোনা পানির মাছ গবেষণা কেন্দ্র খুলনায় অবস্থিত। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর অবস্থান হলো ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও বাগেরহাটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁদপুরে
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (Fisheries Training Institute - FTI) বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি চাঁদপুর জেলা শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
এই ইনস্টিটিউটটি মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মীদের ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
চাঁদপুর যেহেতু পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য কেন্দ্র, তাই এই স্থানে এই ইনস্টিটিউটটি স্থাপন করা হয়েছে।
81

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫১৩৮ কি.মি
  2. ৪৩৭১ কি.মি
  3. ৪১৫৬ কি.মি
  4. ৩৯৭৮ কি.মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট সীমানার দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কিলোমিটার। তন্মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর তথ্য মতে, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে ৪১৫৬ কিলোমিটার, মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ২৭১ কিলোমিটার। বাকি ৭১১ কিলোমিটার হলো উপকূলসীমা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৪১৫৬ কি.মি. (চার হাজার একশো ছাপ্পান্ন কিলোমিটার)। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার স্থল সীমান্তের দৈর্ঘ্য।
এই সীমানাটি বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম স্থল সীমানা হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ এই সীমানা নির্ধারণ করেছিলেন, তাই এর বেশিরভাগ অংশ র‍্যাডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত।
অন্যান্য অপশন যেমন, ৪৩৭১ কি.মি. বা ৩৯৭৮ কি.মি. সাধারণত পুরোনো বা অপ্রচলিত হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪১৫৬ কি.মি. হলো সর্বশেষ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দৈর্ঘ্য, যা বিসিএসসহ সকল সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য গ্রহণযোগ্য।
82

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২°-৩০' ২০°-৩৪' দক্ষিণ অক্ষাংশে
  2. ৮০°-৩১' ৪০°-৯০' দ্রাঘিমাংশে
  3. ৩৪°-২৫' ৩৮' উত্তর অক্ষাংশে
  4. ৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বলতে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখাভিত্তিক অবস্থানকে বোঝায়। বাংলাদেশ ৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং ২০°-৩৪' থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য উত্তর অক্ষাংশ (Northern Latitude) এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশ (Eastern Longitude) উভয়ই জানতে হয়।
বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ভৌগোলিক অবস্থান হলো:
  • অক্ষাংশ: ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত।
  • দ্রাঘিমাংশ: ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত।
যেহেতু বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধেপূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত, তাই দক্ষিণ অক্ষাংশ বা পশ্চিম দ্রাঘিমাংশের উল্লেখ করা অপশনগুলো (যেমন অপশন ১) ভুল।
প্রদত্ত ৪টি অপশনের মধ্যে, অপশন ৪ (৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে) বাংলাদেশের দ্রাঘিমাংশের সঠিক বিস্তৃতি নির্দেশ করে। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
83

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুটিয়া, রাজশাহী
  2. নাচালো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. লালপুর, নাটোর
  4. ঈশ্বরদি, পাবনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান নাটোরের লালপুর। এ স্থানেই দেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লালপুর, নাটোর। এটি বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
সাধারণত বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চল (নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা) উষ্ণতার জন্য বিখ্যাত। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক রেকর্ড অনুযায়ী, নাটোরের লালপুরে প্রায়শই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৪০°C এর উপরে) রেকর্ড করা হয়।
অতীতে ঈশ্বরদি (পাবনা) অথবা রাজশাহী শহরের নাম উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু বর্তমান ভৌগোলিক তথ্যমতে লালপুর সঠিক উত্তর।
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
84

আলুর একটি জাত–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ডায়মন্ড আলুর একটি উন্নতজাতের নাম। ড্রামহেড একটি উন্নতজাতের বাঁধাকপি। রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ। ব্রিশাইল একটি উন্নত জাতের ধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডায়মন্ডডায়মন্ড (Diamond) হলো বাংলাদেশে চাষকৃত আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল বিদেশি জাত, যা বর্তমানে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত ও অনুমোদিত অনেক আলু জাতের মধ্যে ডায়মন্ড অন্যতম (যা বারি আলু-৭ নামে পরিচিত)।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ডিস্ট্রাক্টর:
রূপালীব্রিশাইল হলো ধানের (Paddy/Rice) জাত।
ড্রামহেড (Drumhead) হলো বাঁধাকপির (Cabbage) একটি জনপ্রিয় জাত।
85

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান

  4. ইরি ধান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এর সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৪৩.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আউশ ৩২.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৪৪.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ১৯৮.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন। এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আউশ ৩৪.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৫০.৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২০৯.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বোরো ধান। বাংলাদেশে মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫% থেকে ৬০% আসে এই বোরো মৌসুম থেকে।
বোরো ধান প্রধানত শুকনো মৌসুমে (শীতকালে) নভেম্বর থেকে মে মাসে চাষ করা হয়। যেহেতু এটি মূলত সেচনির্ভর পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, তাই এর ফলন (Yield) অন্যান্য ধানের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
অন্যদিকে, আমন ধান (বর্ষা বা খরিফ-২ মৌসুমের ফসল) বাংলাদেশে জমির পরিমাণের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি চাষ করা হলেও, মোট উৎপাদনে এটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
আউশ ধান (খরিফ-১ মৌসুমের ফসল) উৎপাদন ও জমির পরিমাণ— উভয় দিক থেকেই তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
86

প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

BARI- এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Research Institute. এটি দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BINA (Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture) বাংলাদেশের একটি পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation) বাংলাদেশে উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও মানসম্পন্ন সার সরবরাহ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation)।
BADC হলো বাংলাদেশের কৃষিখাতে উন্নতমানের বীজ (Seed), সার, সেচ সরঞ্জাম এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন এবং বিতরণের জন্য দায়বদ্ধ প্রধান সরকারি সংস্থা।
অন্যান্য অপশনগুলো মূলত কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যারা বীজ উদ্ভাবন করে কিন্তু প্রধানত উৎপাদন ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করে না। যেমন— BARI (বিভিন্ন ফসলের গবেষণা), BRRI (ধান গবেষণা) এবং BINA (নিউক্লিয়ার কৃষি গবেষণা)।
87

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6.85%
  2. 6.97%
  3. 7.00%
  4. 7.05%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যন ব্যুরোর হিসেব মতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫ শতাংশ।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি সাধারণত বিসিএস পরীক্ষার জন্য অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা বাজেট সংক্রান্ত তথ্য থেকে নেওয়া।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭.০৫%
ঐ সময় এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৭% এর ঘর অতিক্রম করা প্রবৃদ্ধি, যা দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: ৭.০৫%
88

বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানি হয়েছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিনল্যান্ডে
  2. ডেনমার্কে
  3. নরওয়েতে
  4. সুইডেনে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' ১৫ মে ২০০৮ ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়। এ জাহাজটির রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডেনমার্কে
বাংলাদেশের তৈরি প্রথম রপ্তানিকৃত জাহাজ হলো ‘স্টেলা মেরিস’ (Stella Maris)। এটি নির্মাণ করেছিল চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড
২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর জাহাজটি ডেনমার্কের একটি কোম্পানির কাছে রপ্তানি করা হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব বাজারে নতুন একটি শিল্প পণ্য নিয়ে প্রবেশ করে।
89

বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রাপোল
  2. কৃষ্ণনগড়
  3. ডাউকি
  4. মোহাদিপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল ভারতীয় পেট্রাপোল স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত। এটি চালু হওয়ার ঘোষণা করা হয় ১২ জানুয়ারি ২০০২। ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দরের সংলগ্ন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর। সিলেটের তামাবিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর যথাক্রমে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এবং পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পেট্রাপোল
বেনাপোল স্থলবন্দর (যশোর, বাংলাদেশ) বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থল শুল্ক স্টেশন। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বেনাপোলের ঠিক বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় অবস্থিত স্থলবন্দরটির নাম পেট্রাপোল স্থলবন্দর
এই দুটি বন্দর একত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মোট স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৭০%-৮০% নিয়ন্ত্রণ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন ডাউকি হলো ভারতের মেঘালয়ের একটি বন্দর, যার বিপরীতে বাংলাদেশের সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর অবস্থিত।
90

বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড-এর সংখ্যা ৮ টি। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মংলা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, কুমিল্লা, আদমজী ও কর্ণফুলী। ১৯৮৩ সালে কার্যক্রম চালু হওয়া দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড চট্টগ্রাম। দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি EPZ-এর নাম KEPZ (চট্টগ্রাম)। আয়তনে বাংলাদেশের বৃহৎ EPZ ঢাকা।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সরকারিভাবে পরিচালিত EPZ (Export Processing Zone) বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সংখ্যা হলো ৮টি
এই ৮টি সরকারি EPZ পরিচালনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA)।
বর্তমানে (২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী) BEPZA কর্তৃক পরিচালিত আটটি কার্যক্ষম EPZ হলো:
১. চট্টগ্রাম (CEPZ)
২. ঢাকা (DEPZ)
৩. মোংলা (MEPZ)
৪. কুমিল্লা (COMEPZ)
৫. আদমজী (AEPZ)
৬. ঈশ্বরদী (IEPZ)
৭. কর্ণফুলী (KEPZ)
৮. উত্তরা (UEPZ)।
91

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে চীন বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ১৬১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারত রপ্তানি করে ১০০২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চীন

প্রশ্নটির অর্থ হলো—বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে (অর্থাৎ কোন দেশ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে)।

সাম্প্রতিক সরকারি অর্থনৈতিক তথ্য (যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে।

২০২২-২৩ অর্থবছরেও বাংলাদেশ চীন থেকে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যা আমাদের মোট আমদানির প্রায় ২৫%

চীন থেকে প্রধানত যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স, শিল্প কাঁচামাল এবং তৈরি পোশাক শিল্পের উপকরণ আমদানি করা হয়।

আমদানি বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার)।
92

ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হলো- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়, ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টস, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ চা বোর্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (Bangladesh Tariff Commission - BTC) হলো একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, যা মূলত শুল্ক, বাণিজ্য নীতি এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষার বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেয়।
যেহেতু শুল্ক (Tariff) প্রধানত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে জড়িত, তাই ট্যারিফ কমিশন সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
এটি শিল্প, পরিকল্পনা বা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, যদিও এর কার্যক্রমে তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকে। অর্থ মন্ত্রণালয় রাজস্ব আদায় দেখলেও, ট্যারিফ কাঠামো নির্ধারণের নীতিগত পরামর্শ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ট্যারিফ কমিশন দেয়।
93

অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়। এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়। এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ ভাগে
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের মোট টারশিয়ারি পাহাড়কে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
এই পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগে (প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে) গঠিত হয়েছিল এবং বাংলাদেশের মোট ভূ-ভাগের প্রায় ১২% জুড়ে বিস্তৃত।
দুটি ভাগ হলো—
১. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: যা খাড়া, উঁচু এবং বেশি পাহাড়ি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) এবং কক্সবাজারের পাহাড়গুলো।
২. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো সাধারণত বিচ্ছিন্ন এবং উচ্চতা কম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং নেত্রকোণার সামান্য অংশ।
94

বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কোন জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হবিগঞ্জ
  2. গোপালগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. মুন্সীগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মৌসুমী বায়ু প্রবাহের সময় সাধারণত নিম্নভূমি ১৮০ সে.মি.-২৭৫ সে.মি. পর্যন্ত প্লাবিত হয়। নিম্নভূমি বলতে হাওর ও বাওড় অঞ্চলকে বোঝানো হয় । বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কিশোরগঞ্জে হাওরের সংখ্যা ১২২টি। যার আয়তন ১,৮২,১০৩ হেক্টর। হবিগঞ্জে হাওরের সংখ্যা ৩০টি, যার আয়তন ৩৯, ১৩২ হেক্টর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কিশোরগঞ্জ
বাংলাদেশে নিচু ভূমি (Low land) বলতে সাধারণত হাওড় (Haor) অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যা বর্ষাকালে বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এই সাতটি জেলাজুড়ে হাওড় অঞ্চল বিস্তৃত।
প্রশ্নে উল্লিখিত জেলাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলাতেই নিচু ভূমির পরিমাণ এবং হাওর-বেষ্টিত এলাকার ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি। কিশোরগঞ্জ জেলার মোট এলাকার প্রায় অর্ধেকই হাওর এলাকা।
যদিও হবিগঞ্জ একটি হাওড় এলাকা, এবং গোপালগঞ্জ-এ বিল (যেমন: বিল ডাকাতিয়া) থাকলেও, বৃহত্তর হাওড় অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু এবং নিচু ভূমির পরিমাণের দিক থেকে কিশোরগঞ্জ এগিয়ে।
95

বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতায় বাংলাদেশের দীর্ঘতম, বৃহত্তম, প্রশস্ততম ও গভীরতম নদী মেঘনা। এর দৈর্ঘ্য ৩৩০ কি.মি.। মেঘনা নদীকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়। মেঘনার শাখা নদী হলো তিতাস ও ডাকাতিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেঘনা
বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাধারণত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে (উৎপত্তি থেকে পতিত হওয়া পর্যন্ত) দৈর্ঘ্য অনুসারে মেঘনাকেই দীর্ঘতম নদী হিসেবে গণ্য করা হয়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার (উৎসভেদে ভিন্ন)।
মেঘনা নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোত হিসেবে সিলেট অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হওয়ার পর ভোলা জেলার মনপুরা-শাহবাজপুর চ্যানেলে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
যদিও পদ্মা (গঙ্গা) এবং যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) বিশ্বব্যাপী অনেক দীর্ঘ নদী, কিন্তু বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে এর প্রধান প্রবাহকে দীর্ঘতম ধরা হয় না।
96

বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত নিম্নের কোন স্টেশনে রেকর্ড করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. টেকনাফ
  3. কক্সবাজার
  4. সন্দ্বীপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। এ দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালখান এবং সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলেট। বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় সিলেট অঞ্চলে।
সিলেটে সর্বোচ্চ বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের কারণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান। সিলেটের বিশেষত লালখান (Lalakhal) স্টেশনটি বিশ্বের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতপূর্ণ স্থান ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি (বর্তমানে মসিনরাম) এর খুব কাছে অবস্থিত।
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু যখন মেঘালয় পর্বতের পাদদেশে ধাক্কা খায়, তখন পর্বতগাত্রের দিকে (Windward side) এই সিলেটে প্রচুর পরিমাণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rainfall) ঘটায়।
উল্লেখ্য, টেকনাফ এবং কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকা হলেও, মেঘালয় পর্বতের কারণে সৃষ্ট উচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটে বেশি হয়।
97

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গোপসাগরে
  2. যমুনা নদীতে
  3. মেঘনার মোহনায়
  4. সন্দ্বীপ চেনেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গা খাদ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এটি সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে প্রায় ১৪ কিলোমিটার চওড়া একটি সমুদ্র উপত্যকা। এর গড় গভীরতা প্রায় ১২০০ মিটার। এখানে প্রচুর পরিমাণে মাছ, ডলফিন, তিমি দেখতে পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গোপসাগরে
‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground) হলো বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি বিশাল ও গভীর সামুদ্রিক গিরিখাত বা সাবমেরিন ক্যানিয়ন (Submarine Canyon)
এটি বাংলাদেশের ভোলা জেলার কাছাকাছি অবস্থিত এবং এটি উপকূলীয় এলাকা থেকে গভীর সমুদ্রে প্রায় ১,২০০ মিটার (প্রায় ৪,০০০ ফুট) পর্যন্ত গভীর।
এটি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ এবং এর অবস্থান বঙ্গোপসাগরের গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের দক্ষিণে।
98

বাগদা চিংড়ি কোন দশক থেকে রপ্তানি পণ্য হিসেবে স্থান করে নেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঞ্চাশ দশক
  2. ষাট দশক
  3. সত্তর দশক
  4. আশির দশক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের সুন্দরবন এলাকায় চিংড়ি চাষ শুরু হয় ১৯২৯-৩০ সাল থেকে। কিন্তু সত্তর দশকের পর বিশ্ববাজারে এর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় আশির দশক থেকে চিংড়ি চাষের সম্প্রসারণ ঘটে এবং এটি রপ্তানিপণ্য হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। উল্লেখ্য, মোট উৎপাদনের ৮০ শতাংশই বাগদা চিংড়ি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আশির দশক
বাংলাদেশে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে বাগদা চিংড়ি (Black Tiger Shrimp) চাষের প্রসার এবং তাকে একটি প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার কাজ শুরু হয় ১৯৮০-এর দশক (আশির দশক) থেকে।
এর আগে, মূলত সত্তরের দশকে (১৯৭০s) অল্প পরিমাণে হিমায়িত মাছ ও চিংড়ি রপ্তানি শুরু হলেও, বৃহৎ পরিসরে চিংড়ি চাষে মনোযোগ, সরকারি নীতি ও আন্তর্জাতিক বাজারে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি হয় আশির দশকে। এই দশক থেকেই এটি দেশের প্রচলিত নয় এমন পণ্যগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান রপ্তানি খাত হিসেবে স্থান করে নেয়।
99

‘অলিভ টারটল’ বাংলাদেশের কোন দ্বীপে পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন
  2. রাঙ্গাবালি
  3. চর আলেকজান্ডার
  4. ছেড়াদ্বীপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অলিভ টারটল’ হলো জলপাই রঙের কচ্ছপ। সেন্ট মার্টিন ছাড়াও কক্সবাজারের বদর মোকাম, শাহপরীর দ্বীপ, বাহারছড়া, মনখালী, হিমছড়ি, প্যাচারদিয়া ও সোনাদিয়া দ্বীপের সৈকতেও অলিভ টারটল পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন
অলিভ টারটল (Olive Ridley Turtle) বা জলপাই রঙ্গা কচ্ছপ হলো সামুদ্রিক কচ্ছপের একটি প্রজাতি, যা বাংলাদেশে বিপন্ন প্রায়। এই কচ্ছপগুলো ডিম পাড়ার জন্য প্রতি বছর বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে আসে।
বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন এবং এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় (বিশেষত দক্ষিণ-পশ্চিম সৈকত) এই কচ্ছপগুলোর প্রধান প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে পরিচিত।
কচ্ছপ সংরক্ষণের জন্য দ্বীপটির জীববৈচিত্র্য রক্ষা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশন যেমন—রাঙ্গাবালি, চর আলেকজান্ডার বা ছেড়াদ্বীপ (যা সেন্টমার্টিনের অংশ) অলিভ টারটলের প্রধান প্রজনন বা বিচরণের স্থান হিসেবে সেন্টমার্টিনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নয়।
100

যশোর জেলায় অবস্থিত বিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইল
  2. পাথরচাওলি
  3. ভবদহ
  4. আড়িয়াল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যশোরের দুঃখ বা মরণফাঁদ হিসেবে পরিচিত ভবদহ বিল। যশোরের মণিরামপুর, কেশবপুর ও অভয়নগর উপজেলা নিয়ে ভবদহ এলাকা গঠিত। মৌলভীবাজার জেলাধীন সদর উপজেলার কিয়দংশ এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলার বৃহদাংশ নিয়ে বিস্তৃত হাইল হাওর, যা মৎস্য ও প্রাকৃতিক সম্পদের অফুরন্ত ভাণ্ডার হিসেবে সুপরিচিত। আড়িয়াল বিল মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগরে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ভবদহ। এটি বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি অন্যতম প্রধান ও প্রাচীন বিল।
ভবদহ বিল মূলত যশোর জেলার অভয়নগর ও মণিরামপুর উপজেলা এবং খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত। জলাবদ্ধতার সমস্যার কারণে এই বিলটি প্রায়ই আলোচনায় আসে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: হাইল বিল বা হাইল হাওর অবস্থিত মৌলভীবাজার জেলায়। অপরদিকে, আড়িয়াল বিল মূলত মুন্সিগঞ্জ ও ঢাকা জেলার দক্ষিণে অবস্থিত একটি বৃহৎ বিল।
101

‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উন্নত জাতের ভুট্টা
  2. উন্নত জাতের আম
  3. উন্নত জাতের গম
  4. উন্নত জাতের চাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের কৃষিতে ‘বর্ণালী’ ও ‘শুভ্র’ হলো উন্নত জাতের ভুট্টা। গমের কয়েকটি উন্নত জাতের ফসল হলো বলাকা, দোয়েল, সোনালিকা, আকবর প্রভৃতি। অন্যদিকে আমের কয়েকটি উন্নত জাত হলো মহানন্দা, মোহনভোগ, ল্যাংড়া প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো উন্নত জাতের ভুট্টা
‘বর্ণালী’ এবং ‘শুভ্র’ হলো বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান BARI (বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট) কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত ফলনশীল হাইব্রিড ভুট্টার দুটি জনপ্রিয় জাত।
বাংলাদেশে খাদ্য নিরাপত্তা এবং বিশেষত পোল্ট্রি ও মাছের খাদ্য (Feed) শিল্পে ভুট্টার গুরুত্ব অপরিসীম। এই জাতগুলো উচ্চ ফলন নিশ্চিত করে কৃষকদের জন্য লাভজনক হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্প: আম (যেমন: ফজলি, আম্রপালি), গম (যেমন: সোনালী, প্রদীপ) বা চাল (যেমন: ব্রি ধান-২৮, ২৯) এর বিভিন্ন জাত থাকলেও 'বর্ণালী' বা 'শুভ্র' তাদের পরিচিত জাত নয়।
102

গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য প্রস্তাবিত সোনাদিয়া দ্বীপের আয়তন কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ বর্গ কিলোমিটার

  2. ৯ বর্গ কিলোমিটার
  3. ৯ বর্গ কিলোমিটার
  4. ৯১ বর্গ কিলোমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে অবস্থিত মনোরম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত সোনাদিয়া দ্বীপটি জীববৈচিত্র্যের দ্বীপ নামেও পরিচিত। সোনাদিয়া দ্বীপকে স্থানীয়ভাবে দিয়া বা প্যারা দ্বীপ নামেও ডাকা হয়। এখানে সামুদ্রিক শুটকি প্রস্তুত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯ বর্গ কিলোমিটার
কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলাধীন সোনাদিয়া দ্বীপটি (Sonadia Island) গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের জন্য একসময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এই দ্বীপটির আনুমানিক আয়তন হলো ৯ বর্গ কিলোমিটার
যদিও বর্তমানে পরিবেশগত কারণ এবং অর্থনৈতিক বিচার-বিশ্লেষণের পর সোনাদিয়ার পরিবর্তে মাতারবাড়িতে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণ কাজ চলছে, তবুও সোনাদিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এবং আয়তন বিগত বছরগুলোতে বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
103

পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা কোন মেয়াদে হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৫-২০১৯
  2. ২০১৬-২০২০
  3. ২০১৭-২০২১
  4. ২০১৭-২০২১

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পরিকল্পনা কমিশনের গৃহীত পদক্ষেপ অনুযায়ী সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ হলো ২০১৬-২০২০ সাল। উল্লেখ্য, ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি দারিদ্র্যমুক্ত দেশ ও মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে পরিণত করার লক্ষ্যে প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০১০-২০২১ গ্রহণ করা হয়। এই প্রেক্ষিত পরিকল্পনাটি ষষ্ঠ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা ২০১১-২০১৫ এবং সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার ২০১৬-২০২০ এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত হবে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মেয়াদ জুলাই ২০২০- জুন ২০২৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৬-২০২০
যদিও সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Seventh Five-Year Plan)-এর অফিসিয়াল মেয়াদ শুরু হয়েছিল জুলাই ২০১৫ এবং শেষ হয়েছে জুন ২০২০। এটি ছিল ২০১৫-১৬ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত।
যেহেতু অপশনগুলোতে সরাসরি ২০১৫-২০২০ উল্লেখ নেই, এবং ২০১৬-২০২০ একটি ৫ বছর মেয়াদি ব্লক যা ওই সময়কালকে নির্দেশ করে, তাই পরীক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয় (সঠিক উত্তর অপশন 1-এ চিহ্নিত)।
সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল 'উচ্চতর প্রবৃদ্ধি অর্জন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং দারিদ্র্য হ্রাস'।
104

বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কি নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুষ্টিয়া গ্রেড
  2. চুয়াডাঙ্গা গ্রেড
  3. ঝিনাইদহ গ্রেড
  4. মেহেরপুর গ্রেড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্ববাজারে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত। ছাগলের সংখ্যা ও ছাগলের মাংস উৎপাদনে বাংলাদেশ বিশ্বে চতুর্থ। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের হিসাবে বাংলাদেশের ৯৫ শতাংশ ছাগলই ব্ল্যাক বেঙ্গল। উল্লেখ্য, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ এলাকায় এ ছাগলের বেশি উৎপাদন হয় বলে এটি কুষ্টিয়া গ্রেড নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কুষ্টিয়া গ্রেড
বাংলাদেশের বিখ্যাত ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল (Black Bengal Goat) এর চামড়া বিশ্বজুড়ে এর উচ্চ গুণগত মানের জন্য সুপরিচিত। এই ছাগলের চামড়া হালকা, কোমল এবং অত্যন্ত মসৃণ হওয়ায় আন্তর্জাতিক বাজারে এর চাহিদা ব্যাপক।
ঐতিহাসিকভাবে, এই চামড়া প্রক্রিয়াকরণ ও বাণিজ্যের প্রধান কেন্দ্র ছিল কুষ্টিয়া জেলা। তাই আন্তর্জাতিক ট্যানারি ও চামড়া শিল্পে এই চামড়া কুষ্টিয়া গ্রেড (Kushtia Grade) নামে পরিচিতি লাভ করে।
এই নামটিই বাংলাদেশের ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের চামড়ার আন্তর্জাতিক মানের নির্দেশক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মেহেরপুর) একই অঞ্চলের হলেও, বাণিজ্যিকভাবে স্বীকৃত আন্তর্জাতিক নাম কুষ্টিয়া গ্রেড
105

ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ-এর উৎপাদিত সার-এর নাম কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউরিয়া এবং এএসপি
  2. ইউরিয়া
  3. টিএসপি এবং এএসপি
  4. ডিএপি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিমিটেড সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত। এই সার কারখানায় ইউরিয়া এবং এএসপি সার উৎপাদিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইউরিয়া এবং এএসপি
ন্যাচারাল গ্যাস ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি লিঃ (NGFFL) হলো বাংলাদেশের প্রথম প্রাকৃতিক গ্যাসভিত্তিক সার কারখানা, যা সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জে অবস্থিত।
এই কারখানাটি প্রাথমিকভাবে দুটি প্রধান ধরনের সার উৎপাদন করত—১. ইউরিয়া (Urea), এবং ২. অ্যামোনিয়াম সালফেট ফসফেট (ASP), যা বাংলাদেশে উৎপাদিত একটি তুলনামূলকভাবে কম প্রচলিত মিশ্র সার।
সুতরাং, বিকল্পগুলোর মধ্যে ইউরিয়া এবং এএসপি দুটোই এই কারখানার উৎপাদিত পণ্য হিসেবে সঠিক।
106

‘মংডু’ কোন দুটি দেশের সীমান্ত এলাকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ-মায়ানমার
  2. মায়ানমার-চীন
  3. বাংলাদেশ-ভারত
  4. ভারত-মায়ানমার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মংডু হলো বাংলাদেশের কক্সবাজার সীমান্তে মিয়ানমারের একটি জেলা শহর। নাফ নদীর মাধ্যমে মংডু ও বাংলাদেশের টেকনাফ শহর আলাদা হয়ে আছে। টেকনাফ-মংডু বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের মধ্যকার একটি সীমান্ত বাণিজ্য এলাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলাদেশ-মায়ানমার
মংডু (Maungdaw) হলো মায়ানমারের রাখাইন রাজ্যের একটি সীমান্ত শহর। এটি মূলত টেকনাফ (বাংলাদেশ) থেকে নাফ নদীর মাধ্যমে বিভক্ত।
ঐতিহাসিকভাবে, মংডু অঞ্চলটি দুই দেশের সীমান্ত বাণিজ্য এবং রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর যাতায়াতের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত। তাই এই শব্দটি সরাসরি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের সীমান্ত এলাকার পরিচায়ক।
107

ভারতীয় কোন রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের কোনো সীমান্ত নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আসাম
  2. মিজোরাম
  3. ত্রিপুরা
  4. নাগাল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারতের মোট ৫টি রাজ্যের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে। রাজ্যগুলো হলো- পশ্চিমবঙ্গ, ত্রিপুরা, মেঘালয়, মিজোরাম এবং আসাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাগাল্যান্ড
ভারতের যে রাজ্যগুলোর সাথে বাংলাদেশের সরাসরি স্থল সীমান্ত রয়েছে, সেই সংখ্যাটি হলো ৫টি
এই রাজ্যগুলো হলো: পশ্চিমবঙ্গ, আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা এবং মিজোরাম
অন্যদিকে, নাগাল্যান্ড রাজ্যটি বাংলাদেশের সীমান্তের বহু দূরে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত। এটি সরাসরি কোনো সীমান্ত সংযোগ করে না, বরং আসাম ও মণিপুর রাজ্য দ্বারা বাংলাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন।
108

বাংলাদেশের কৃষি কোন প্রকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী
  2. ধান-প্রধান বাণিজ্যিক
  3. স্বয়ংভোগী মিশ্র
  4. স্বয়ংভোগী শষ্য চাষ ও পশুপালন

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধান-প্রধান নিবিড় স্বয়ংভোগী। বাংলাদেশের কৃষি প্রকৃতির সবচেয়ে সঠিক এবং বহুল স্বীকৃত বর্ণনা এটি।
এর প্রধান তিনটি বৈশিষ্ট্য রয়েছে:
১. স্বয়ংভোগী (Subsistence): কৃষকরা মূলত নিজেদের খাদ্য চাহিদা মেটানোর জন্যই চাষ করেন, বিক্রির জন্য নয়।
২. নিবিড় (Intensive): দেশের জনসংখ্যা বেশি এবং জমির পরিমাণ কম হওয়ায় ছোট জমিতে বছরে একাধিক ফসল ফলানো হয় এবং প্রতি একর জমিতে শ্রম ও মূলধন বেশি ব্যবহার করা হয়।
৩. ধান-প্রধান: প্রধান খাদ্যশস্য ধান হওয়ায় এটি ধান-প্রধান কৃষি ব্যবস্থা। বিশ্বের যে কয়েকটি দেশ ‘ধান-প্রধান নিবিড় কৃষি’ অঞ্চলে পড়ে, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
109

বহুল আলোচিত মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নোয়াখালী
  2. ফেনী
  3. লালমনিরহাট
  4. সাতক্ষীরা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার মুহুরী নদী সংলগ্ন স্থানে মুহুরীর চর অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফেনী
মুহুরীর চর হচ্ছে ফেনী জেলার একটি বহুল আলোচিত ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যা মূলত ফেনী নদী এবং মুহুরী নদীর মিলনস্থলে সৃষ্ট একটি চর বা ভূখণ্ড।
ঐতিহাসিকভাবে এই চরটি বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত বিরোধের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল, বিশেষ করে বেলুনিয়া বর্ডার (Belonia Bulge) অঞ্চলে।
চরটি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলায় অবস্থিত। এটি বারবার আলোচনায় আসে কারণ শুষ্ক মৌসুমে চরটি জেগে উঠলে উভয় দেশের কৃষকরা এর দখল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করত।
অন্যান্য অপশন যেমন নোয়াখালী (নিকটবর্তী), লালমনিরহাট (উত্তরবঙ্গের সীমান্ত) এবং সাতক্ষীরা (দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত) এই চরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
110

বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্তবর্তী নদী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোমতী
  2. জিঞ্জিরাম
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (পূর্ব নাম বার্মা) সীমান্তবর্তী নদী নাফ (Naf)। কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত নাফ নদী মিয়ানমারের আরাকান এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাফ নদী
নাফ নদী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের (পূর্বের বার্মা) মধ্যেকার প্রাকৃতিক ও আন্তর্জাতিক সীমানা নদী হিসেবে কাজ করে।
এই নদীটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে (আকিয়াব) পৃথক করেছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬২ কিলোমিটার
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: কর্ণফুলী বাংলাদেশের অভ্যন্তরের প্রধান নদী; গোমতী বাংলাদেশ ও ভারতের (ত্রিপুরা) সীমান্তবর্তী নদী।
111

বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে BSEC। ১৯৯৩ সালের ৮ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর এর নামকরণ করা হয় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ (BSEC)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার বা পুঁজি (Capital Market) বাজারের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (Bangladesh Securities and Exchange Commission - BSEC) নামক স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাটি কাজ করে।
BSEC প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রাবাজার (Money Market), বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু সরাসরি পুঁজিবাজারকে নয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতি প্রণয়ন করে, সরাসরি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না।
112

তামাবিল সীমান্তের সাথে ভারতের কোন শহরটি অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. করিমগঞ্জ
  2. খোয়াই
  3. পেট্রাপোল
  4. ডাউকি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সিলেটের গোয়াইনঘাটের তামাবিল সীমান্তের স্থলবন্দরটি ভারতের মেঘালয় প্রদেশের ডাউকি শহর ঘেঁষে অবস্থিত। বেনাপোল স্থলবন্দরটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের পেট্রাপোল সীমান্তের সাথে লাগানো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডাউকি
বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের তামাবিল সীমান্তের ঠিক বিপরীতে ভারতের ডাউকি শহরটি অবস্থিত। এই সীমান্ত পথটি মূলত সিলেট ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
ডাউকি মেঘালয়ের জয়ন্তীয়া পাহাড় জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ও পর্যটন কেন্দ্র, বিশেষ করে উমগট নদীর জন্য বিখ্যাত।
অন্যান্য অপশনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত শহর:
পেট্রাপোল: এটি বাংলাদেশের বেনাপোল (যশোর) স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত এবং এটি ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের দীর্ঘতম ও বৃহত্তম স্থলবন্দর।
করিমগঞ্জ: এটি বাংলাদেশের সুতারকান্দি (সিলেট) স্থলবন্দরের বিপরীতে অবস্থিত।
113

বাংলাদেশ রেলওয়ের সর্ববৃহৎ কারখানা কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. পাকশি
  3. সৈয়দপুর
  4. আখাউড়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৮৭০ সালে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে ১১০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয় দেশের বৃহত্তম রেলওয়ে কারখানা- সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৈয়দপুর। নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে অবস্থিত বাংলাদেশ রেলওয়ের কারখানাটি আয়তন ও উৎপাদন ক্ষমতার দিক থেকে দেশের সর্ববৃহৎ রেলওয়ে কারখানা হিসেবে পরিচিত।
এটি ১৮৭০-এর দশকে ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং মূলত মিটার গেজ এবং ব্রড গেজ কোচ, ওয়াগন এবং ইঞ্জিনের মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের কাজ করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে রেলওয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও পুরোনো মেরামত কারখানা (পাহাড়তলী রেলওয়ে কারখানা) অবস্থিত হলেও, এটি সৈয়দপুরের চেয়ে ছোট।
পাকশি বিখ্যাত ঐতিহাসিক হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এবং বিভাগীয় রেলওয়ে দপ্তরের জন্য।
114

বাংলাদেশের White gold কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইলিশ
  2. পাট
  3. রূপা
  4. চিংড়ি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশে অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে চিংড়ি মাছ রপ্তানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। এ জন্য বাংলাদেশের চিংড়ি সম্পদকে ‘White gold’ বলা হয়। চিংড়ি আশির দশক (১৯৭৬) থেকে রপ্তানী পণ্যে পরিণত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চিংড়ি (Prawn/Shrimp)।
চিংড়ি রপ্তানি করে বাংলাদেশ প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে। মূলত এই রপ্তানিকৃত চিংড়ি আন্তর্জাতিক বাজারে অত্যন্ত মূল্যবান হওয়ায় এটিকে 'White Gold' (সাদা সোনা) নামে অভিহিত করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, পাটকে বলা হয় সোনালী আঁশ (Golden Fiber)
115

বাংলাদেশের কোন জেলাটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের মধ্যে নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঞ্চগড়
  2. সাতক্ষীরা
  3. হবিগঞ্জ
  4. কক্সবাজার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। এর মধ্যে ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি জেলার সীমান্ত রয়েছে। একমাত্র রাঙামাটি জেলাটির ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথেই সীমান্ত রয়েছে। ভারতের সীমান্তবর্তী জেলাগুলো হলো: ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি- জামালপুর, শেরপুর‌, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা; সিলেট বিভাগের ৪টি- সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ; চট্টগ্রাম বিভাগের ৬টি- চট্টগ্রাম, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, ফেনী, কুমিল্লা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া; রংপুর বিভাগের ৬টি- কুড়িগ্রাম, লালমনিরহাট, নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়; রাজশাহী বিভাগের ৪টি- রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ ও জয়পুরহাট এবং খুলনা বিভাগের ৬টি- মেহেরপুর, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর ও সাতক্ষীরা। মিয়ানমারের সাথে রাঙামাটি, বান্দরবান, কক্সবাজার এ তিনটি জেলার সীমান্ত রয়েছে। সুতরাং কক্সবাজারের সাথে ভারতের কোনো সীমানা নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কক্সবাজার
কক্সবাজার জেলাটি ভারতের সঙ্গে কোনো সীমান্ত রেখা শেয়ার করে না। এটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা বঙ্গোপসাগর এবং দক্ষিণ-পূর্বে মায়ানমারের (বার্মা) সাথে সীমান্ত রেখা শেয়ার করে।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লিখিত অন্যান্য জেলাগুলো হলো:
পঞ্চগড়: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে সীমান্ত আছে।
সাতক্ষীরা: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাথে সীমান্ত আছে।
হবিগঞ্জ: ভারতের ত্রিপুরাআসামের সাথে সীমান্ত আছে।
মোটকথা, ৩০টি জেলা ভারতের সাথে এবং ৩টি জেলা মায়ানমারের সাথে সীমান্তযুক্ত।
116

‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে কিসের নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উন্নত কৃষি যন্ত্রপাতির নাম
  2. উন্নত জাতের ধানের নাম
  3. দুটি কৃষি বিষয়ক বেসরকারি সংস্থার নাম
  4. উন্নত জাতের গমের নাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে ‘সোনালিকা’ ও ‘আকবর’ দুটি উন্নতজাতের গমের নাম। এরূপ আরো কতিপয় উন্নত জাতের গমের মধ্যে অগ্রণী, আনন্দ, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত, বলাকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ প্রভৃতি প্রধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উন্নত জাতের গমের নাম
'সোনালিকা' (Sonalika) এবং 'আকবর' (Akbar) হলো বাংলাদেশে চাষ হওয়া দুটি উচ্চ ফলনশীল (HYV) গমের জাত। এই জাতগুলো মূলত ভারতীয় জাত থেকে নির্বাচন করে বাংলাদেশে অভিযোজন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) গমের নতুন জাত উদ্ভাবন ও সম্প্রসারণে কাজ করে থাকে।
এগুলো উন্নত জাতের ধানের নাম নয়। ধানের জনপ্রিয় জাতগুলো হলো মূলত ব্রি (BRRI) উদ্ভাবিত বিভিন্ন জাত, যেমন: ব্রি ধান ২৮, ২৯, ইত্যাদি।
117

কোন জেলায় চা-বাগান বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার
  4. বান্দরবান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলায় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে। বাংলাদেশ চা বোর্ড এর তথ্যানুসারে মৌলভীবাজারে ৯১টি চা বাগান রয়েছে। দ্বিতীয় সর্বাধিক চা বাগান রয়েছে হবিগঞ্জে, ২৫টি। সিলেটে রয়েছে ১৬টি এবং বান্দরবানে কোনো চা বাগান নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট চা বাগানের মধ্যে সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। বর্তমানে এখানে নিবন্ধিত চা বাগানের সংখ্যা প্রায় ৯২ থেকে ৯৩টি
এই জেলাকে বাংলাদেশের চায়ের রাজধানী বা 'Tea Capital of Bangladesh' বলা হয়, যা এর সর্বোচ্চ উৎপাদন ও বাগানের সংখ্যা নির্দেশ করে।
যদিও সিলেট শহর ঐতিহ্যগতভাবে চা শিল্পের জন্য বিখ্যাত এবং এর ইতিহাস দীর্ঘ, কিন্তু একক জেলা হিসেবে চা বাগানের সংখ্যার দিক থেকে মৌলভীবাজার (৯২/৯৩টি) শীর্ষে রয়েছে। এরপর হবিগঞ্জ (২৫টি) ও সিলেট (১৯টি)।
118

বাংলাদেশের কৃষিতে ‘দোয়েল’–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতীয় পাখির নাম
  2. কৃষি সংস্থার নাম
  3. উন্নত জাতের গমের নাম
  4. কৃষি যন্ত্রের নাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে উৎপন্ন উন্নত জাতের গম হলো অগ্রণী, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, দোয়েল, বরকত, বলাকা, সোনালিকা, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: উন্নত জাতের গমের নাম
‘দোয়েল’ হলো বাংলাদেশের কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত একটি উচ্চ ফলনশীল (HYV) গমের জাতের নাম
বাংলাদেশে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি এবং কৃষকদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে এই ধরনের উন্নত জাতের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যদিও দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি, কিন্তু কৃষি বা খাদ্য সংক্রান্ত প্রশ্নে এটি সচরাচর ফসলের জাতকেই নির্দেশ করে।
119

Excise duty – র পরিভাষা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অতিরিক্ত কর
  2. আবগারি শুল্ক
  3. অর্পিত দায়িত্ব
  4. অতিরিক্ত কর্তব্য

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবগারি শুল্ক
Excise Duty (এক্সাইজ ডিউটি) হলো এমন একটি কর, যা দেশের অভ্যন্তরীণভাবে প্রস্তুত বা উৎপাদিত পণ্যের ওপর ধার্য করা হয়। এটি সাধারণত উৎপাদন স্থল থেকেই সংগ্রহ করা হয় এবং এটি একটি পরোক্ষ কর (Indirect Tax)
আবগারি শব্দের আভিধানিক অর্থই হলো এমন শুল্ক যা কোনো উৎপাদিত বস্তুকে বাজারে আনার আগে দিতে হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে। যেমন— অতিরিক্ত কর (Surcharge) বা অর্পিত দায়িত্ব (Delegated responsibility) কখনোই আর্থিক শুল্ক নয়।
120

পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সন্দ্বীপ
  3. দক্ষিণ তালপট্টি
  4. কুতুবদিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্গত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় জেগে ওঠা একটি উপকূলবর্তী দ্বীপ। ভারতে দ্বীপটিকে ‘নিউমুর দ্বীপ’ আবার কখনও ‘পূর্বাশা’ নামে অভিহিত করা হয়। তবে বর্তমানে দ্বীপটির কোনো অস্তিত্ব নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দক্ষিণ তালপট্টি
পূর্বাশা দ্বীপ এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ মূলত একই দ্বীপের দুটি ভিন্ন নাম। এই দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের জলসীমায় অবস্থিত ছিল এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যেকার একটি বিতর্কিত এলাকা হিসেবে পরিচিত ছিল।
বাংলাদেশ এই দ্বীপটিকে পূর্বাশা দ্বীপ নামে অভিহিত করত এবং এটি বাংলাদেশের সার্বভৌম অংশ হিসেবে দাবি করত।
অন্যদিকে, ভারত এটিকে নিউ মুর (New Moore Island) বা ফেণী নামে দাবি করত। আন্তর্জাতিক আদালত কর্তৃক সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তির আগেই এটি সাগরে বিলীন হয়ে যায়।
121

বাংলাদেশের সেন্টমার্টিন দ্বীপ কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভোলা
  2. নোয়াখালী
  3. চট্টগ্রাম
  4. কক্সবাজার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কক্সবাজার জেলায় সেন্টমার্টিন দ্বীপ। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ পূর্বে অবস্থিত। সেন্টমার্টিন দ্বীপের অপর নাম ‘নারিকেল জিনজিরা’। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর বর্তমান আয়তন ৮ বর্গ কি.মি.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কক্সবাজার। সেন্টমার্টিন দ্বীপ প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অধীনে পড়েছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island)। এটি বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত এবং মায়ানমারের উপকূল থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার দূরে রয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: ভোলা জেলায় বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ (ভোলা দ্বীপ) অবস্থিত; নোয়াখালী জেলার উল্লেখযোগ্য দ্বীপ হলো হাতিয়া ও নিঝুম দ্বীপ; এবং চট্টগ্রাম জেলার উল্লেখযোগ্য দ্বীপ হলো সন্দ্বীপ ও কুতুবদিয়া।
122

বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী বিষয় কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রবাসী শ্রমিক
  2. পাট
  3. রেডিমেড গার্মেন্টস
  4. চামড়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের তৈরী পোশাক রপ্তানি হয়েছে। যা ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ৩৫.৪৭ শতাংশ বেশি। এটি একক অর্থবছরে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ পোশাক রপ্তানি আয়। ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে রেকর্ড ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রেডিমেড গার্মেন্টস (Ready-Made Garments - RMG)।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের (Export Earnings) প্রায় ৮০% থেকে ৮৫% আসে শুধুমাত্র তৈরি পোশাক শিল্প থেকে। এই একক খাতটিই বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের প্রধান চালিকাশক্তি।
যদি প্রশ্নটি শুধুমাত্র পণ্য রপ্তানি (Goods Export) সংক্রান্ত হয়, তবে গার্মেন্টস সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, প্রবাসী শ্রমিকদের রেমিট্যান্স (Remittance) হলো দেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস বা এককভাবে সবচেয়ে বড় 'বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহ' (Inflow) যা পণ্য রপ্তানি নয়, বরং সেবার বিনিময়ে অর্জিত। অন্যদিকে, পাট এবং চামড়া অতীতে গুরুত্বপূর্ণ থাকলেও বর্তমানে তাদের অবদান নগণ্য।
যেমন: পাট (Golden Fibre) থেকে একসময় সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হলেও এখন তার স্থান বহু নিচে।
123

বাংলাদেশের রাজধানী কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা উত্তর
  2. ঢাকা দক্ষিণ
  3. ঢাকা
  4. শেরে বাংলা নগর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ সম্পন্ন করলে নবগঠিত প্রদেশ পূর্ববঙ্গ ও আসাম এর রাজধানীর মর্যাদা পায় ঢাকা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির পর ঢাকা পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক রাজধানীর মর্যাদা পায়। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকা হয় স্বাধীন বাংলাদেশের রাজধানী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঢাকা। ঢাকা হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক রাজধানী (Official Capital)।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৫ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুসারে, রাজধানী হবে ঢাকা। এটি দেশের প্রধান প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক কেন্দ্র।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— ঢাকা উত্তর এবং ঢাকা দক্ষিণ হলো রাজধানীর প্রশাসনিক অঞ্চল বা সিটি কর্পোরেশন
শেরে বাংলা নগর হলো ঢাকার একটি এলাকা, যেখানে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ভবন অবস্থিত।
124

রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬২৭ কি.মি.
  2. ৫২৯ কি.মি.
  3. ৪২০ কি.মি.
  4. ৩০৭ কি.মি.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে রেলওয়ে ইনফরমেশন বুক-এর তথ্য মতে রেলপথে ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব ৪১২ কিমি। পক্ষান্তরে ঢাকা থেকে চট্রগ্রামের দূরত্ব ৩৪৬ কিমি, রাজশাহীর দূরত্ব ৪৪১ কিমি, সিলেটের দূরত্ব ৩১৯ কিমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪২০ কি.মি.
ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে স্টেশন থেকে খুলনা রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত রেলপথে দূরত্ব হলো প্রায় ৪২০ কিলোমিটার
রেলপথ সাধারণত অনেক জায়গায় বাঁক এবং পুরাতন রুট অনুসরণ করার কারণে সড়কপথের দূরত্বের চেয়ে বেশি হয়ে থাকে। এই রুটটি রাজধানী ঢাকার সাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলের যোগাযোগ স্থাপন করে।
অন্যদিকে, বিকল্প দূরত্বগুলো যেমন ৬২৭ কি.মি. বা ৫২৯ কি.মি. বাংলাদেশের অন্যান্য প্রধান রুটের (যেমন ঢাকা-চিলাহাটি) সাথে সম্পর্কিত।
125

বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফরিদপুর
  2. চাঁদপুর
  3. চট্টগ্রাম
  4. নারায়ণগঞ্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রথম ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ফরিদপুরের হারুকান্দিতে এটি স্থানান্তর করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফরিদপুর
বাংলাদেশের নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট (RRI - River Research Institute) ফরিদপুর জেলার হারুকান্দি এলাকায় অবস্থিত।
এটি বাংলাদেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা, যা নদী শাসন, বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ এবং দেশের জলসম্পদ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন নিয়ে গবেষণা করে থাকে।
চাঁদপুর, চট্টগ্রাম এবং নারায়ণগঞ্জ নদী তীরবর্তী বাণিজ্যিক ও নৌ-যোগাযোগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এই জাতীয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ফরিদপুরেই স্থাপন করা হয়েছে।
126

সাগরকন্যা কোন এলাকার ভৌগোলিক নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টেকনাফ
  2. কক্সবাজার
  3. পটুয়াখালী
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কুয়াকাটা বাংলাদেশের একমাত্র সমুদ্র সৈকত, যেখান থেকে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত গভীরভাবে অবলোকন করা যায়। সমুদ্র সৈকতটি পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার লতাচাপলি ইউনিয়নের অন্তর্গত। কুয়াকাটা স্থানীয়ভাবে ‘সাগরকন্যা’ নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পটুয়াখালী। পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলায় অবস্থিত কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতকে ভৌগোলিকভাবে 'সাগরকন্যা' নামে অভিহিত করা হয়।
কুয়াকাটাকে সাগরকন্যা বলার মূল কারণ হলো, এটি বাংলাদেশের একমাত্র সৈকত যেখান থেকে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দুটোই সম্পূর্ণ দেখা যায়।
অন্যদিকে, কক্সবাজার পৃথিবীর দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত হিসেবে বিখ্যাত (প্রায় ১২০ কিমি দীর্ঘ), এবং টেকনাফ হলো বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণের উপজেলা।
127

দেশের প্রথম ঔষধ পার্ক কোথায় স্থাপিত হচ্ছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গজারিয়া
  2. গাজীপুর
  3. সাভার
  4. ভালুকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার বাউসিয়া এলাকায় ২০০ একর জমিতে ঔষধ শিল্পপার্ক স্থাপিত হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গজারিয়া। এটি মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত।
দেশের প্রথম এবং একমাত্র এই শিল্প পার্কটির নাম অ্যাকটিভ ফার্মাসিউটিক্যাল ইনগ্রেডিয়েন্টস (API) বা ঔষধ শিল্প পার্ক
এই পার্কটি মূলত ঔষধ তৈরির কাঁচামাল বা API (Active Pharmaceutical Ingredients) উৎপাদনে সক্ষম কারখানাগুলোর জন্য তৈরি করা হয়েছে। এটি স্থাপিত হচ্ছে মুন্সিগঞ্জ জেলার বাউশিয়া, গজারিয়াতে
পার্কটি স্থাপনের দায়িত্বে রয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক / BSCIC)। এর মূল লক্ষ্য হলো ঔষধ শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামালের আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে দেশের শিল্পকে স্বাবলম্বী করা।
128

পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি জেলা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আশির দশকের প্রথমদিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ৩টি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়। জেলাগুলো হচ্ছে- ১. রাঙামাটি, ২. খাগড়াছড়ি, ৩. বান্দরবান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) ৩টি
ঐতিহাসিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts - CHT) তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
জেলা তিনটি হলো: রাঙ্গামাটি (Rangamati), বান্দরবান (Bandarban), এবং খাগড়াছড়ি (Khagrachari)।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বিশেষ প্রশাসনিক আইন (CHT Regulation 1900) বিদ্যমান, যা এই অঞ্চলকে দেশের অন্যান্য জেলা থেকে স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।
129

টেকনাফ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাফ নদীর তীরে অবস্থিত টেকনাফ কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে এ উপজেলাটির অবস্থান। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশকে (কক্সবাজার) পৃথক করেছে এ নদীটি। এ নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নাফ
টেকনাফ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা যা কক্সবাজার জেলার অন্তর্ভুক্ত। এই উপজেলাটি মূলত নাফ নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
নাফ নদী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের (বার্মা) মধ্যে একটি প্রাকৃতিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা হিসেবে কাজ করে। নদীর পূর্ব পাড়ে মিয়ানমার এবং পশ্চিম পাড়ে বাংলাদেশ অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: পদ্মাযমুনা বাংলাদেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদী। কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম শহর অবস্থিত।
130

দক্ষিণ তালপট্টি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাফ
  2. তেতুলিয়া
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. হাড়িয়াভাঙ্গা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দক্ষিণ তালপট্টি একটি দ্বীপ। এ দ্বীপটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। দ্বীপটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে এটি বিলুপ্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাড়িয়াভাঙ্গা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি (South Talpatti Island) বঙ্গোপসাগরের মোহনায় হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর চ্যানেলে অবস্থিত ছিল। এই নদীটি বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্দেশকারী নদীর অংশ।
ভারতে এই দ্বীপটি নিউ মুর (New Moore) বা পূর্বাশা নামে পরিচিত ছিল এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক বিরোধের অন্যতম কারণ ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্ধারণ করে, আর তেঁতুলিয়া বা আড়িয়াল খাঁ নদীর সাথে দক্ষিণ তালপট্টির কোনো সম্পর্ক নেই।
131

নিঝুম দ্বীপের আয়তন কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮০ ব.মা.
  2. ৮২ ব.মা.
  3. ৮৫ ব.মা.
  4. ৯০ ব.মা.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নিঝুম দ্বীপ মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত। ১৯৬০ সালে নোয়াখালীর মাঝিরা এটি আবিষ্কার করেন। এর পুরনো নাম বাউলার চর। নিঝুম দ্বীপের আয়তন ৯১ বর্গ.কি.মি. বা, ৩৫ বর্গ মাইল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮০ ব.মা.
নিঝুম দ্বীপ বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপ ও পর্যটন কেন্দ্র। এর আনুমানিক আয়তন হলো ৮০ বর্গ মাইল (ব.মা.) বা প্রায় ২০৭ বর্গ কিলোমিটার
এটি সাধারণত চর বাউল্লার চর নামে পরিচিত ছিল, যা পরবর্তীতে নিঝুম দ্বীপ হিসেবে নামকরণ করা হয়। পরীক্ষার প্রশ্নে বর্গ মাইলে উত্তর চাওয়া হলে ৮০ ব.মা. বা ৮২ ব.মা.-এর মধ্যে ৮০ হলো অধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রামাণিক উত্তর।
132

বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন
  2. লালপুর
  3. হিলি
  4. লালমোহন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

[তথ্যটি পরিবর্তনশীল] ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা রিপোর্ট-২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন হচ্ছে হাজীপুর, দৌলতখান (ভোলা)। যার আয়তন ৫.২৫ বর্গ.কি.মি.।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন
আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন পরিষদ হলো কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।
এই দ্বীপটির আয়তন তুলনামূলকভাবে খুবই কম (প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার), তাই এটি প্রশাসনিকভাবে সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন হিসেবে বিবেচিত।
133

UNDP রিপোর্ট সেপ্টেম্বর ২০০৫ সাল মোতাবেক বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৪৪ ডলার
  2. ৭৭০ ডলার
  3. ১০৭০ ডলার
  4. ১৭৭০ ডলার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২: ● বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা→ ১৬ কোটি ৯১ লক্ষ ● জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার→ ১.৩৭% ● জনসংখ্যার ঘনত্ব→ ১১৪০ জন ● মাথাপিছু জাতীয় আয়→ ২৮২৪ জলার ● জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার→ ৭.২৫%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৭৭০ ডলার। এই প্রশ্নটি ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টের সাথে সম্পর্কিত।
২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)-এর মানব উন্নয়ন রিপোর্ট (Human Development Report, HDR) ২০০৫ অনুযায়ী, ওই সময়ে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় (ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা PPP ভিত্তিতে) ছিল $১৭৭০ ডলার
অন্যান্য অপশন যেমন $৪৪৪ ডলার, এটি ছিল প্রায় সেই সময়ের কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী সাধারণ (Nominal) মাথাপিছু আয়। ইউএনডিপি (UNDP) বা বিশ্বব্যাংক যখন ক্রয়ক্ষমতার সমতা (PPP - Purchasing Power Parity) ব্যবহার করে তখন আয় অনেক বেশি দেখায়, যা জীবনযাত্রার মানের প্রকৃত তুলনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
134

বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনাজপুর
  2. গোপালপুর
  3. পাকশী
  4. ঈশ্বরদী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে 'বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত। ১৯৩১ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 'ইক্ষু চারা পরীক্ষা কেন্দ্র' নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে একটি জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে নাম ধারণ করেছে ‘বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’। যা বর্তমান নামে পরিবর্তন করা হয় ১ নভেম্বর, ২০১৫ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঈশ্বরদী
পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠানটির নাম হলো বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI)
এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, যা মূলত ইক্ষু বা আখের চাষ, উৎপাদন এবং উন্নত মান অর্জনে গবেষণা করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো (দিনাজপুর, গোপালপুর, পাকশী) এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মূল কেন্দ্র নয়।
135

প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5.03
  2. 6.03
  3. 4.8
  4. 6.8
  5. Blank

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এর আগে এ সেতুর দৈর্ঘ্য ছিল ৫.৮ কিলোমিটার। এখন দু'প্রান্তের সংযোগ সড়কসহ এ সেতুর দৈর্ঘ্য ১২.১৬ কিলোমিটার। পদ্মাসেতু দোতলা, এর উপরে চার লেনের সড়ক, নিচে রেল। সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার (পূর্বে ছিল ২৫ মিটার)।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি পুরোনো বা বিকল্পগুলোতে সঠিক উত্তর অনুপস্থিত। তবে বিসিএস পরীক্ষায় এখন সর্বদা সেতুর **চূড়ান্ত ও প্রকৃত দৈর্ঘ্য** চাওয়া হয়।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর (Padma Multipurpose Bridge) মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হলো ৬.১৫ কিলোমিটার (৬,১৫০ মিটার)। এটি রেল ও সড়কপথ উভয়ের জন্যই নির্মিত হয়েছে।
প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনোটিই ৬.১৫ কিমি নয়। ৬.০৩ কিমি একটি পুরোনো বা ভুল তথ্য হিসেবে বাজারে প্রচলিত ছিল, কিন্তু সঠিক তথ্যটি হলো ৬.১৫ কিমি
সেতুর মোট পিলার সংখ্যা হলো ৪২টি এবং স্প্যান সংখ্যা ৪১টি
সংযোগ সড়ক (Link Road) সহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৮৩ কিলোমিটার
136

কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1998
  2. 1995
  3. 1996
  4. 2001

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের ৩০ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় কর্মসংস্থান ব্যাংক। এর সদর দপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। এটি রাষ্ট্র পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। এতে রয়েছে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পরিষদ। চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত থাকবেন। শেয়ার মালিকরা ৫ জন পরিচালক নির্বাচন করতে পারবেন। ৪০০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে এ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৮
কর্মসংস্থান ব্যাংক (Karmasangsthan Bank) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালের ২০ জুন। তবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ থেকে।
এই ব্যাংকটি মূলত কর্মসংস্থান ব্যাংক আইন, ১৯৯৮ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, যার প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতা করা।
137

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8
  2. 10
  3. 12
  4. 14

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটির স্থানীয় নাম ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’। এর অবস্থান-টেকনাফ, কক্সবাজার (নাফ নদীর মোহনায়)।

ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন উৎসে সামান্য ভিন্ন হলেও, বিসিএস পরীক্ষার জন্য স্বীকৃত উত্তর হলো প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার
এটি সাধারণত ৭.৫ থেকে ৯ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। অপশনের মধ্যে ৮ বর্গ কিলোমিটার (ক) সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রথাগতভাবে গৃহীত সঠিক উত্তর।
138

বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1975
  4. 1997

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের একমাত্র পরমাণু শক্তি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৭৩ সাল।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনা অনুযায়ী, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশবলে (P. O. 15 of 1973) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (Bangladesh Atomic Energy Commission - BAEC) গঠিত হয়।
এটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য নেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
139

পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন কোন নদীর উপনদী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহানন্দা
  2. ভৈরব
  3. কুমার
  4. বড়াল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পুনর্ভবা, নাগর ও ট্যাঙ্গন নদী মহানন্দার উপনদী। অন্যদিকে ভৈরব, কুমার ও বড়াল নদী পদ্মার শাখা নদী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহানন্দা। পুনর্ভবা, নাগর ও টাঙ্গন (বা টাঙ্গাওন) নদী তিনটি মহানন্দা নদীর অন্যতম প্রধান উপনদী।
এই নদীগুলো বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে (বিশেষত দিনাজপুর, পঞ্চগড়, ও ঠাকুরগাঁও) প্রবাহিত হয়।
পুনর্ভবা নদীটি ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আত্রেয়ী নদীর সাথে যুক্ত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে এবং পরে মহানন্দায় মিলিত হয়।
টাঙ্গন নদী দিনাজপুর শহরের পাশ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে মহানন্দায় পতিত হয়েছে। এই তিনটি নদীই উত্তরবঙ্গের নদী ব্যবস্থা এবং মহানন্দা নদী অববাহিকার অংশ।
140

সদ্য ঘোষিত তিতাস উপজেলা কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নোয়াখালী
  2. কুমিল্লা
  3. রংপুর
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

তিতাস দেশের ৪৭০তম উপজেলা। এটি কুমিল্লা জেলার অন্তর্ভুক্ত। বর্তমানে দেশে মোট উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি। সর্বশেষ উপজেলা মাদারীপুরের ডাসার, সুনামগঞ্জের মধ্য নগর এবং কক্সবাজারের ঈদগাওঁ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কুমিল্লা
সদ্য ঘোষিত (তুলনামূলকভাবে) তিতাস উপজেলাটি কুমিল্লা জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ইউনিট।
এটি দাউদকান্দি উপজেলাকে বিভক্ত করে ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর গঠিত হয়। তিতাস নদী এই অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় এর নামানুসারে উপজেলার নামকরণ করা হয়।
প্রশাসনিক কাঠামো সম্পর্কিত এই ধরনের প্রশ্নগুলো বিসিএস (BCS) ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
141

বাঙ্গালী ও যমুনা নদীর সংযোগ কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. পাবনা
  3. বগুড়া
  4. সিরাজগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রংপুর জেলার ঘাঘট নদীর অব্যাহত প্রবাহটি বগুড়ায় এসে বাঙ্গালী নাম ধারণ করেছে। এরপর নদীটি দক্ষিণে প্রবাহিত হওয়ার সময় যমুনার শাখানদী বাউলাই নদীকে উপনদী হিসেবে গ্রহণ করার মাধ্যমে যমুনার সাথে মিলিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বগুড়া
বাঙালী নদী বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নদী। এটি মূলত তিস্তা নদী থেকে উৎপত্তি লাভ করে পরবর্তীতে করতোয়া নদীর সাথে সম্পর্কিত হয়ে বগুড়া অঞ্চলে প্রবেশ করে।
এই নদীটি বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার কাছে এসে সরাসরি বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম নদী যমুনা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
উল্লেখ্য, যমুনা নদী হলো ব্রহ্মপুত্র নদের বাংলাদেশের নাম, যা দেওয়ানগঞ্জের কাছে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
142

মূল্য সংযোজন কর বালাদেশে কখন থেকে চালু করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জুলাই, ১৯৯১
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৩
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৫
  4. ১ জানুয়ারি, ১৯৯৬

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভ্যাট বা Value Added Tax-এর বাংলারূপ হলো মূল্য সংযোজন কর। ১৯৯১ সালের অর্থ আইন দ্বারা বাংলাদেশে মূল্য সংযোজন কর ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১ জুলাই, ১৯৯১ থেকে এ কর ব্যবস্থা কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ জুলাই, ১৯৯১
বাংলাদেশে রাজস্ব ব্যবস্থা ঢেলে সাজাতে এবং আন্তর্জাতিক মান বজায় রাখতে ১৯৯১ সালের ১ জুলাই তারিখ থেকে মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা VAT – Value Added Tax) চালু করা হয়। এটি একটি যুগান্তকারী অর্থনৈতিক পদক্ষেপ ছিল।
মূসক প্রবর্তনের মাধ্যমে পুরোনো বিক্রয় কর (Sales Tax) এবং অধিকাংশ পণ্যের উপর ধার্য আবগারি শুল্ক (Excise Duty) বাতিল করা হয়।
বাংলাদেশ সরকারের জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) অধীনে এই কর সংগ্রহ করা হয়।
143

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাইকা
  2. ইউএনডিপি
  3. বিশ্বব্যাংক
  4. আইএমএফ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০১৮ সালের ১৭-১৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সর্বশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায়। এ সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক, জাইকা, ইউএনডিপি ও আইএমএফসহ কতিপয় উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা অংশগ্রহণ করে। তবে প্রধান সমন্বয়কারী বিশ্বব্যাংক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশ্বব্যাংক
বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum – BDF) হলো বাংলাদেশ সরকার এবং দেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী (Donor agencies/Partners) সংস্থাগুলোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের নীতি ও কৌশলগত আলোচনার মূল মঞ্চ।
ঐতিহ্যগতভাবে, এই ফোরামের সমন্বয়কের ভূমিকা বা কো-চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করে বিশ্বব্যাংক (World Bank)।
বিশ্বব্যাংক এর কান্ট্রি ডিরেক্টর এই বৈঠকে নেতৃত্ব দিয়ে থাকেন, যা দাতাদের অর্থায়নে সহায়তা ও উন্নয়ন এজেন্ডা নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: জাইকা, ইউএনডিপি, আইএমএফ) বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সহযোগী হলেও BDF-এর আনুষ্ঠানিক সমন্বয়ের দায়িত্ব বিশ্বব্যাংকের হাতে ন্যস্ত।
144

কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতে কোন রাজ্যে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ত্রিপুরা
  2. মিজোরাম
  3. মনিপুর
  4. মেঘালয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কর্ণফুলী নদীর উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ের লংলেহতে। এটি রাঙ্গামাটি এবং বন্দরনগরী চট্টগ্রামের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পতেঙ্গার সন্নিকটে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মিজোরাম। কর্ণফুলী নদীর উৎস ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড়ের (Lushai Hills) দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।
এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান এবং অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ নদী। নদীটি রাঙ্গামাটি, চট্টগ্রাম ও কাপ্তাই অঞ্চলের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এর তীরে বাংলাদেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর চট্টগ্রাম বন্দর অবস্থিত।
অন্যান্য অপশন যেমন ত্রিপুরা, মনিপুর বা মেঘালয় ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের রাজ্য হলেও কর্ণফুলীর উৎপত্তিস্থল নয়।
145

সুন্দরবনের আয়তন প্রায় কত বর্গ কিলোমিটার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3800
  2. 4100
  3. 5575
  4. 6900

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হলো সুন্দরবন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের এলাকা মিলিয়ে এর আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। তবে বাংলাদেশ অংশের আয়তন ৬০১৭ বর্গ কিলোমিটার (তথ্য: বন অধিদপ্তর)। উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর বিশ্বসম্পদ ও ঐতিহ্য কমিটি ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ৭৯৮ তম ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার
সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (ভারত ও বাংলাদেশ)। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশে পড়েছে প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
পরীক্ষায় যখন ৪১০০ অপশনটি দেওয়া থাকে, তখন সাধারণত সুন্দরবনের সংরক্ষিত বনভূমির স্থলভাগের আয়তন জানতে চাওয়া হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবনের মোট সংরক্ষিত এলাকার মধ্যে স্থলভাগের পরিমাণ প্রায় ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার এবং জলভাগের পরিমাণ প্রায় ১,৮৭০ বর্গ কিলোমিটার।
এই পরিসংখ্যানে ৪,১০০ বর্গ কিলোমিটার হলো সবচেয়ে সঠিক আনুমানিক স্থলভাগের আয়তন, যা বিকল্প (1) এর সঙ্গে মেলে।
146

স্টক শেয়ারে প্রবর্তিত নতুন পদ্ধতি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিভিডেন্ড
  2. ডিভ্যালু
  3. ডিম্যাট
  4. ডিসকাউন্ট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৫৪ সালের ২৮ এপ্রিল পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশন স্থাপিত হয়। এরপর ১৯৬২ সালের ২৩ জুন এর নাম পরিবর্তন করে পূর্ব পাকিস্তান স্টক এক্সচেঞ্জ লি. এবং ১৯৬৪ সালের ১৪ মে আবার পরিবর্তন করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লি. (DSE) রাখা হয়। ১৯৯৫ সালে সিকিউরিটি ও এক্সচেঞ্জ কমিশন চট্টগ্রামে দেশের দ্বিতীয় স্টক এক্সচেঞ্জ প্রতিষ্ঠার অনুমোদন দেয়। এ কমিশন স্টক শেয়ারের ক্ষেত্রে বেশ কিছু উন্নয়নমূলক পদক্ষেপ গ্রহণ করে, যেমন - ডিম্যাট (demat) ব্যবস্থার শেয়ার লেনদেনে ডিপজিটরি পদ্ধতি চালু, আন্তর্জাতিক মান ও পদ্ধতি প্রবর্তন, প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ডিম্যাট (Demat)
ডিম্যাট হলো Dematerialization-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি স্টক শেয়ার বা সিকিউরিটিজ লেনদেনের জন্য প্রবর্তিত আধুনিক ও নতুন পদ্ধতি।
এই পদ্ধতিতে বিনিয়োগকারীর হাতে থাকা শেয়ারের ফিজিক্যাল (কাগজের) সার্টিফিকেটকে ইলেকট্রনিক বা ডিজিটাল ফর্মে রূপান্তর করা হয়। এর ফলে শেয়ার লেনদেন দ্রুত, নিরাপদ এবং জালিয়াতিমুক্ত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: ডিভিডেন্ড হলো শেয়ারহোল্ডারদের লাভ্যাংশ, ডিভ্যালু হলো মুদ্রার মান কমানো, এবং ডিসকাউন্ট হলো মূল্যছাড়—এগুলো কোনোটিই স্টক শেয়ার লেনদেনের পদ্ধতি নয়।
147

বাংলাদেশে চিনি শিল্পের ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনাজপুর
  2. রংপুর
  3. ঈশ্বরদী
  4. যশোর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঈশ্বরদীতে অবস্থিত বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট ইক্ষুর ওপর নানা গবেষণা ও ইক্ষু চাষের ওপর নানা প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে। এ প্রতিষ্ঠানটি ৩০টি উন্নত জাতের উচ্চ ফলনশীল আখ উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট-এর বর্তমান নাম বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঈশ্বরদী
বাংলাদেশে চিনি শিল্পের গবেষণা, প্রশিক্ষণ এবং উন্নয়নের মূল কেন্দ্র হলো বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI)
এই প্রতিষ্ঠানটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত। চিনি শিল্পের বীজ উৎপাদন, নতুন জাত উদ্ভাবন এবং প্রযুক্তিগত প্রশিক্ষণের জন্য এটি জাতীয়ভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান।
148

বাংলাদেশের GDP তে কৃষিখাতের অবদান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭০ শতাংশ
  2. ৭৩ শতাংশ
  3. ৭৫ শতাংশ
  4. ৭৭ শতাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বাংলাদেশের GDP তে কৃষিখাতের অবদান ১১.৫০%, শিল্পখাতের অবদান ৩৭.০৭% এবং সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪%।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলেও, এর বিকল্পগুলো (৭০%, ৭৩%, ৭৫%, ৭৭%) **সম্পূর্ণরূপে ভুল এবং আধুনিক অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে অপ্রাসঙ্গিক**। বাংলাদেশের অর্থনীতির কাঠামোয় বর্তমানে কৃষিখাতের অবদান অত্যন্ত কম।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৩ অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) কৃষিখাতের অবদান (২০২২-২৩ অর্থবছরের সাময়িক হিসাবে) ছিল প্রায় ১১.৩৫ শতাংশ
বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই পুরোনো তথ্য বা শ্রমশক্তির (Labour Force) সাথে জিডিপি-র অবদানকে মিশিয়ে দেওয়া হয়। তবে মনে রাখবেন, আধুনিক তথ্য অনুযায়ী কৃষিখাতের অবদান ১১% থেকে ১২% এর মধ্যে থাকে।
যদি প্রশ্নটি খুব পুরোনো প্রেক্ষাপটে (সম্ভবত স্বাধীনতার পূর্ববর্তী বা পরের প্রথম দশক) শ্রমশক্তির উপর নির্ভরশীলতা জানতে চাইত, তবে উচ্চ শতাংশের বিকল্প সঠিক হতে পারত। কিন্তু জিডিপি-তে ৭৭ শতাংশ অবদান কখনোই সঠিক নয়।
তবে যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে ৭৭ শতাংশ (Option ৪) সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত, এটি হয়তো কোনো ঐতিহাসিক বা অত্যন্ত ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নব্যাংক থেকে নেওয়া।
149

দক্ষিণ তাপপট্টি দ্বীপ কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপসা
  2. বালেশ্বর
  3. হাড়িয়াভাঙ্গা
  4. ভৈরব

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হাড়িয়াভাঙ্গাদক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের মোহনায় হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
হাড়িয়াভাঙ্গা নদীটি মূলত বাংলাদেশ ও ভারতের (পশ্চিমবঙ্গ) মধ্যকার আন্তর্জাতিক সীমানা নির্ধারণকারী নদী হিসেবে কাজ করে।
এই দ্বীপটি দীর্ঘকাল ধরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে মালিকানা নিয়ে বিরোধপূর্ণ ছিল।
অন্যান্য বিকল্প (রূপসা, বালেশ্বর, ভৈরব) খুলনা বা বরিশাল অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও, এগুলো বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত সংলগ্ন নয় এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
150

বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
  2. ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
  3. ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
  4. ২ কোটি একর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এক নজরে বাংলাদেশ কৃষি পরিসংখ্যান সর্বশেষ ২ আগস্ট, ২০২২। ● মোট আবাদযোগ্য জমি→ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর ● জিডিপিতে কৃষিখাতের অবদান→ ১৩.২৯ ● কৃষিতে নিয়োজিত জনশক্তি→ ২৪.৬৯ উৎস কৃষি ডাইরি-২০২২(বিবিএস)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
বাংলাদেশের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (DAE) এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির (Net Cropped Area) পরিমাণ হলো প্রায় ২.২৫ কোটি একর
বিভিন্ন বছরে জরিপের ফলে এই সংখ্যা সামান্য কম-বেশি হতে পারে, তবে BCS পরীক্ষার জন্য এটিই প্রামাণ্য ও বহুল ব্যবহৃত তথ্য।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ৩১৪টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন BCS Preliminary-এর জন্য “ভূগোল ও অর্থনীতি” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে “ভূগোল ও অর্থনীতি” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"ভূগোল ও অর্থনীতি" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "ভূগোল ও অর্থনীতি" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।