সমাধান
সমাধান
💼
বাংলাদেশ বিষয়াবলি

সংবিধান ও রাজনীতি

BCS Preliminary · বাংলাদেশ বিষয়াবলি — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "সংবিধান ও রাজনীতি" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১২৭টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. চীফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাষ্ট্রপতি। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি মৌলিক বিধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিতকরণ (Prorogue) এবং বিলোপ (Dissolution) করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত।
রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, তবে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত ও আদেশ জারি করেন তিনিই।
স্পীকার শুধুমাত্র অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন, সভার কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। তিনি অধিবেশন আহ্বান করার ক্ষমতা রাখেন না।
2

‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ কথাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ : ২
  2. অনুচ্ছেদ : ৩
  3. অনুচ্ছেদ : ৪
  4. অনুচ্ছেদ : ৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২ নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হইবে। ৩ নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। ৪ (১) নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা’র প্রথম দশ চরণ। ৫ (১) নং প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: অনুচ্ছেদ : ৩
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত আছে। এর অন্তর্গত অনুচ্ছেদ ৩-এ সরাসরি বলা হয়েছে— ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’। এটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের (১৯৫২) চূড়ান্ত সাংবিধানিক স্বীকৃতি।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো:
অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় এলাকা (The territory of the Republic)।
অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক (National anthem, flag and emblem)।
অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী (The Capital)।
3

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলি পঞ্চম তফসিল- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিল- স্বাধীনতার ঘোষণা, সপ্তম তফসিল- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চম তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে (Fifth Schedule) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এই ভাষণকে সংবিধানে যোগ করা হয়।
4

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “কোর্ট অব রেকর্ড” হিসাবে গণ্য-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লেবার কোর্ট
  2. হাই কোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. জজ কোর্ট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে কোর্ট অব রেকর্ড বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুপ্রীম কোর্ট
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্ট হবে একটি ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ (Court of Record)।
‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলতে এমন আদালতকে বোঝায় যার সকল রায় বা কার্যবিবরণী স্থায়ী রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং যা নিম্ন আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
এছাড়াও, কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট তার অবমাননাকারীকে (Contempt of Court) শাস্তি প্রদান করার বিশেষ ক্ষমতা রাখে।
সুপ্রিম কোর্ট বলতে আপিল বিভাগ এবং হাই কোর্ট বিভাগ উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই অপশনগুলোর মধ্যে সুপ্রীম কোর্ট-ই সর্বাপেক্ষা সঠিক। (হাই কোর্ট হলো সুপ্রিম কোর্টের একটি বিভাগ মাত্র, কিন্তু সাংবিধানিক মর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের।)
5

‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ মার্চ, ২০২২
  2. ৩ মার্চ, ২০২২
  3. ৪ মার্চ, ২০২২

  4. ৫ মার্চ, ২০২২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘জয় বাংলা’ ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান স্লোগান। তাই এ স্লোগানের সম্মানে ২ মার্চ, ২০২২ মন্ত্রিসভা জাতীয় স্লোগান হিসাবে ঘোষণা করে ও সর্বস্তরে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ মার্চ, ২০২২
২০২২ সালের ২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটিকে ‘জাতীয় স্লোগান’ হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাংবিধানিক পদাধিকারী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (সরকারি, বেসরকারি) বক্তৃতার শেষে বাধ্যতামূলকভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি ব্যবহার করতে হবে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ এপ্রিল ১৯৭২
  2. ৭ এপ্রিল ১৯৭২
  3. ৮ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ৯ এপ্রিল ১৯৭২

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ এপ্রিল ১৯৭২
মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ ও পদোন্নতির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৩৪/১৯৭২ (President’s Order No. 34 of 1972) অনুযায়ী ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল তারিখে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSC) গঠিত হয়।
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনে রাখতে হবে যে, বিপিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি যদিও সংবিধান প্রণয়নের আগে গঠিত হয়েছিল, তবে সংবিধানে একে স্থান দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য তারিখগুলো (৬, ৭, ৯ এপ্রিল) সঠিক নয়, তবে তারিখগুলো কাছাকাছি হওয়ায় প্রশ্নটি প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি করে। সঠিক তারিখটি ৮ এপ্রিল সুনির্দিষ্টভাবে মনে রাখা জরুরি।
7

কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইনের প্রয়োগ

  2. আইনের ব্যাখ্যা
  3. সংবিধানের ব্যাখ্যা
  4. সংবিধান প্রণয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সংবিধান প্রণয়ন করে গণপরিষদ বা আইন পরিষদ। আইন পরিষদ সংবিধান সংশোধনও করে থাকে। বিচার বিভাগ সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে এবং আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি প্রদান করে। সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংবিধান প্রণয়ন
গণতন্ত্রে সরকার ব্যবস্থাকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: শাসন বিভাগ (Executive), আইন বিভাগ (Legislature) এবং বিচার বিভাগ (Judiciary)।
বিচার বিভাগের প্রধান কাজগুলো হলো: আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা, আইনের অস্পষ্টতা দূর করতে আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করা, এবং সংবিধানের রক্ষাকর্তা হিসেবে সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, সংবিধান প্রণয়ন বা আইন প্রণয়ন হলো আইন বিভাগের (জাতীয় সংসদ) প্রধান কাজ। বিচার বিভাগ সরাসরি কোনো নতুন আইন বা সংবিধান তৈরি করতে পারে না।
8

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি করা হয় ১৯৮৫ সালে। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ এটি। এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ৫টি বিষয়ে বিচার কার্য সম্পাদন করে থাকে। যথা: বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ এবং অভিভাকত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৮৫ সালে।
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ (The Family Courts Ordinance) বাংলাদেশে ১৯৮৫ সালে জারি হয়। এই অধ্যাদেশটি মূলত পরিবার সম্পর্কিত বিরোধ যেমন— বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই আইনটি বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে আদালত প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হলো ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশটি।
9

বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতীয় সংসদ
  2. শাসন বিভাগ
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধান হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে এবং ১০৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইনের প্রশ্নে কোনো ব্যাখ্যার দরকার হলে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হবেন। তাই বলা যায়, বাংলাদেশে সংবিধানের অভিভাবক, রক্ষক বা ব্যাখ্যাকারক সুপ্রিম কোর্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এটি সংবিধানের অভিভাবক (Guardian) এবং চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারক হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বিচারিক পর্যালোচনার (Judicial Review) মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, আইনসভা (জাতীয় সংসদ) বা নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক গৃহীত কোনো পদক্ষেপ যেন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়।
সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে রিট জারি করতে পারে, যা সংবিধানের রক্ষক হিসেবে এর ভূমিকাকে নিশ্চিত করে।
জাতীয় সংসদ আইন তৈরি করে, শাসন বিভাগ সেই আইন প্রয়োগ করে, কিন্তু সেই আইন ও প্রয়োগ সংবিধানসম্মত কিনা, তা পরীক্ষা করে সুপ্রিম কোর্ট
10

‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫০
  3. অনুচ্ছেদ ৪১
  4. অনুচ্ছেদ ১০০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা। অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা। অনুচ্ছেদ ৫০: রাষ্ট্রপতির মেয়াদ। অনুচ্ছেদ ১০০: সুপ্রীম কোর্টের আসন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ৪১
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই অনুচ্ছেদটি অন্তর্ভুক্ত। অনুচ্ছেদ ৪১ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের স্বেচ্ছামত ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকার নিয়ন্ত্রিত হয় জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে।
ভুল বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
অনুচ্ছেদ ৩৮: এটি নাগরিকদের সমিতি বা সংঘ গঠন করার স্বাধীনতা সংক্রান্ত।
অনুচ্ছেদ ৫০: এটি মূলত রাষ্ট্রপতির কার্যকাল সংক্রান্ত বিধান।
অনুচ্ছেদ ১০০: এটি সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন এবং উহার অধিবেশন সংক্রান্ত বিধান।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 44
  2. 47
  3. 102
  4. 103

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হলো। তাই কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারবেন। অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ। অনুচ্ছেদ ৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত। অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ১০২
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (Fundamental Rights) মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য প্রধান সাংবিধানিক বিধান হলো অনুচ্ছেদ ১০২
অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) রিট (Writ) জারির মাধ্যমে নাগরিকের মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে পারে। এটিই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের চূড়ান্ত সাংবিধানিক প্রতিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৪: এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকারটি নিশ্চিত করে (Right to move the High Court)। কিন্তু যে ক্ষমতার বলে হাইকোর্ট প্রতিকার দেয়, তা বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ১০২-এ। তাই মামলা করার বিধান হিসেবে ১০২-ই সর্বাধিক প্রাসঙ্গিক ও সঠিক উত্তর।
অনুচ্ছেদ ৪৭: এই অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল বা সংশোধনের বিধান রয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১০৩: এটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আপিল বিচার সংক্রান্ত এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করে।
12

বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এককেন্দ্রিক
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  3. রাজতন্ত্র
  4. রাষ্ট্রপতিশাসিত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক ও এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এককেন্দ্রিক (Unitary)
বাংলাদেশের সংবিধানের মাধ্যমে যে সরকার পদ্ধতি গৃহীত হয়েছে, তার প্রকৃতি বা কাঠামো হলো এককেন্দ্রিক
সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র” (Bangladesh is a unitary, independent and sovereign Republic)। এই ‘একক’ বা ‘Unitary’ শব্দটিই নিশ্চিত করে যে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক।
এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্রের হাতেই সকল ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে এবং দেশের সকল প্রশাসন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের স্বাধীন অস্তিত্ব নেই।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রীয় (Federal) সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার সুনির্দিষ্ট বণ্টন থাকে (যেমন: ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র)। এটি বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়।
যদিও বাংলাদেশের সরকারের রূপ সংসদীয় (Parliamentary), এর প্রকৃতি কিন্তু এককেন্দ্রিক। এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত (Presidential) সরকার নয়।
13

কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধান এর অনুচ্ছেদ ৭(খ) অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগের বিধানাবলি সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদ বাতিল বা সংশোধন করা যাবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক কাঠামো বা বিধানাবলী যাতে ভবিষ্যতে কেউ পরিবর্তন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের ৭ (খ) অনুচ্ছেদটি যুক্ত করা হয়।
এই অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble), প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র), দ্বিতীয় ভাগ (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি), তৃতীয় ভাগ (মৌলিক অধিকার) এবং অন্যান্য কতিপয় মৌলিক বিধান পরিবর্তনযোগ্য নয় (Non-amendable)।
উল্লেখ্য, এই অনুচ্ছেদটি ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সংবিধানের স্থায়িত্ব এবং মৌলিক আদর্শকে সুরক্ষিত করে।
অন্যদিকে, অনুচ্ছেদ ৭ হলো সংবিধানের সার্বভৌমত্ব (Supremacy of the Constitution) সংক্রান্ত এবং অনুচ্ছেদ ৭ (ক) অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা সংবিধান বাতিল/স্থগিত করার প্রচেষ্টাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা (Treason) হিসেবে গণ্য করে।
14

বাংলাদেশের সংবিধানের এয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বহুদলীয় ব্যবস্থা
  2. বাকশাল প্রতিষ্ঠা
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার
  4. সংসদে মহিলা আসন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু হল নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তত্ত্বাবধায়ক সরকার
বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ (১৩তম) সংশোধনী পাস হয় ২৬ মার্চ ১৯৯৬ সালে।
এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য 'নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। এই ব্যবস্থায় প্রধান উপদেষ্টা ও ১০ জন উপদেষ্টা নিয়ে গঠিত একটি অস্থায়ী সরকার নির্বাচনকালীন সময়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিত।
বাকশাল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ৪র্থ সংশোধনীর (১৯৭৫) মাধ্যমে।
সংসদে মহিলা আসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিভিন্ন সংশোধনীতে (যেমন ১৫তম ও ১৭তম) এসেছে, কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনীতে নয়।
15

সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪র্থ তফসিল
  2. ৫ম তফসিল
  3. ৬ষ্ঠ তফসিল
  4. ৭ম তফসিল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৪র্থ তফসিল ১৫০ (১) অনুচ্ছেদ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি। এই তফসিলের ৩ (৩) ধারা অনুযায়ী এই সংবিধানের যে বিধান সংসদের উপর আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে, উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে সংসদ প্রথমবার মিলিত না হওয়া পর্যন্ত সেই বিধান রাষ্ট্রপতিকে আদেশের দ্বারা আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত কোন আদেশ এইরূপ সক্রিয় হইবে, যেন তাহার বিধানাবলি সংসদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হইয়াছে। এবং ১৭(২) অনুযায়ী এই সংবিধান-প্রবর্তনের পূর্বে প্রচলিত অস্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থা হইতে এই সংবিধানের বিধানাবলীতে উত্তরণের জন্য উদ্ভূত যেকোনো অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্দেশ দান করিতে পারিবেন যে, অনুরূপ আদেশে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য তাঁহার বিবেচনায় যেরূপ আবশ্যক বা সমীচীন হইবে, সেইরূপ পরিবর্তন, সংযোজন বা পরিবর্জনের মাধ্যমে গৃহীত উপযোগীকরণ- সাপেক্ষে এই সংবিধান কার্যকর হইবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪র্থ তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule) এর বিষয়বস্তু হলো— ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি (Transitional and Temporary Provisions)
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে শুরু করে পরবর্তী সামরিক শাসকরা (যেমন জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) সংবিধান স্থগিত করে ক্ষমতা দখল করেন। ক্ষমতা দখলের পর তাদের জারিকৃত সামরিক ফরমান (Martial Law Orders) এবং অন্যান্য অবৈধ কাজকে সাংবিধানিক বৈধতা দিতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বা অনুরূপ বিধানসমূহ এই ৪র্থ তফসিলে যুক্ত করা বা এর অপব্যবহার করা হয়।
যদিও বিভিন্ন সংশোধনী (যেমন ৫ম ও ৭ম সংশোধনী) এর মাধ্যমে মূল সংবিধানের ধারা সংশোধন করা হয়েছিল, কিন্তু এই সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার মূল হাতিয়ার হিসেবে প্রায়শই এই অস্থায়ী বিধানের তফসিলটির অপব্যবহার করা হয়, যা সংবিধানের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী ছিল।
উল্লেখ্য, ৫ম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (১০ এপ্রিল ১৯৭১); ৬ষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চ ১৯৭১); ৭ম তফসিল: রাষ্ট্রপতির শপথ। এই তফসিলগুলো সামরিক শাসনের বৈধতা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়নি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ ১৯৭৩
  2. ১৭ মার্চ ১৯৭৩
  3. ২৭ মার্চ ১৯৭৩
  4. ৭ মার্চ ১৯৭৪

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩ সালে। ৩০৮টি আসন পেয়ে আওয়ামীলীগ নির্বাচিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ ১৯৭৩
এটি ছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন (জাতীয় সংসদ নির্বাচন)। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। মোট ৩১৫টি (৩০০টি নির্বাচিত ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা) আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৭টি আসন জয়লাভ করে।
অন্যান্য তারিখগুলো (যেমন, ১৭ মার্চ ১৯৭৩ বা ৭ মার্চ ১৯৭৪) বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনের তারিখ নয়, তাই সেগুলো ভুল উত্তর।
17

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মোহাম্মদউল্লাহ
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত। সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান এবং বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায়, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা প্রধানমন্ত্রীই জাতীয় সংসদের নেতা (Leader of the House) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সংসদের সংসদ নেতা হন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: মোহাম্মদউল্লাহ ছিলেন প্রথম সংসদের উপ-স্পিকার, পরবর্তীতে স্পিকার এবং পরে রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।
18

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতার বিষয়টি আলোচিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ১৩
  2. অনুচ্ছেদ ১৮
  3. অনুচ্ছেদ ২০
  4. অনুচ্ছেদ ২৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ১৮
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি) এই অনুচ্ছেদটি আলোচনা করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১৮ (১): এই উপ-অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের অন্যতম দায়িত্ব হিসেবে জনস্বাস্থ্যের উন্নতি সাধন এবং জন পুষ্টির স্তর উন্নয়ন করার কথা বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১৮ (২): এই উপ-অনুচ্ছেদে জননৈতিকতা রক্ষার জন্য মাদকদ্রব্য ও ক্ষতিকর পানীয় সেবন নিবারণ এবং গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা রোধ করার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
সুতরাং, জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা—উভয় বিষয়ই এই অনুচ্ছেদের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদসমূহ:
অনুচ্ছেদ ১৩: এটি মালিকানার নীতি (Principles of ownership) নিয়ে আলোচনা করে।
অনুচ্ছেদ ২০: এটি কর্ম অধিকার ও কর্তব্য (Work as a right and duty) নিয়ে আলোচনা করে।
অনুচ্ছেদ ২৫: এটি আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন (Promotion of international peace, security and solidarity) নিয়ে আলোচনা করে।
19

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 136
  2. 137
  3. 138
  4. 140

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সরকারী কর্ম কমিশন একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা যার দায়িত্ব সরকারি চাকরিতে নিয়োগ সংক্রান্ত দায়িত্ব পালন করা। বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশন গঠনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা বর্ণিত আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (Part IX) বাংলাদেশের সার্ভিস বা সেবা খাত সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
এই ভাগের অনুচ্ছেদ ১৩৭-এ বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (PSC) গঠনের বিধান দেওয়া হয়েছে। এই অনুচ্ছেদটিই PSC-এর সাংবিধানিক ভিত্তি।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেগুলো ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে:
অনুচ্ছেদ ১৩৬: সেবা শর্তাবলী নিয়ন্ত্রণের সংসদীয় ক্ষমতা
অনুচ্ছেদ ১৩৮: কমিশনের সদস্য নিয়োগ
অনুচ্ছেদ ১৪০: কমিশনের কার্যাবলী (যেমন, পরীক্ষা পরিচালনা ও পরামর্শ প্রদান)।
20

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া সর্বপ্রথম গণপরিষদে ১৯৭২ সালের কোন তারিখে উত্থাপিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১ নভেম্বর
  2. ১২ অক্টোবর
  3. ১৬ ডিসেম্বর
  4. ৩ মার্চ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন ১৫৩টি অনুচ্ছেদ সম্বলিত ৭২ পৃষ্ঠার খসড়া সংবিধানটি বিল আকারে গণপরিষদের সামনে পেশ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২ অক্টোবর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর গণপরিষদে সর্বপ্রথম উত্থাপন করেন। এটি উত্থাপনের পর সর্বসাধারণের জন্য বিল আকারে প্রকাশ করা হয় এবং আলোচনার জন্য ৪৪ জন সদস্যকে যুক্ত করা হয়।
গণপরিষদে খসড়া সংবিধান নিয়ে ব্যাপক আলোচনার পর একই বছরের ৪ নভেম্বর এটি গৃহীত হয়।
অন্যান্য তারিখগুলো সংবিধান প্রণয়নের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। যেমন, '১১ নভেম্বর' তারিখটি ভুল হলেও এটি '৪ নভেম্বর' তারিখের (সংবিধান গৃহীত) সাথে প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করতে ব্যবহৃত হয়। অপরদিকে, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ তারিখে সংবিধান কার্যকর হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘বিকল্প সরকার’ বলতে কী বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যাবিনেট
  2. বিরোধী দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. লোকপ্রশাসন বিভাগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল যেন গণবিরোধী কাজে লিপ্ত না হয়, স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখে বিরোধী দল। সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনা সংসদে তুলে ধরে জনগণকে সচেতন ও প্রতিবাদীও করে তোলে বিরোধী দল। তাই বিরোধী দলকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘বিকল্প সরকার’ বলা হয়। এছাড়াও এদেরকে ছায়া সরকারও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিরোধী দল
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, বিশেষ করে সংসদীয় গণতন্ত্রে, যে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে, তার ঠিক বিপরীতে থাকে প্রধান বিরোধী দল
এই বিরোধী দলটিকে 'বিকল্প সরকার' বা 'ছায়া সরকার' (Shadow Government) বলা হয়। এর মূল কারণ হলো, বিরোধী দল সর্বদা প্রস্তুত থাকে ক্ষমতাসীন সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে এবং প্রয়োজনে নিজেরাই সরকার গঠনের জন্য নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি করে রাখে।
বিরোধী দলের প্রধান কাজ হলো ক্ষমতাসীন দলের স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা (Accountability) নিশ্চিত করা, যা গণতন্ত্রের ভিত্তি।
অন্যান্য অপশন যেমন— ক্যাবিনেট হলো মূল সরকারের অংশ, সুশীল সমাজ হলো অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন, এবং লোকপ্রশাসন বিভাগ হলো স্থায়ী আমলাতান্ত্রিক কাঠামো, যা কোনো বিকল্প সরকার গঠন করে না।
22

তথ্য অধিকার আইন কোন সালে চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2002
  2. 2006
  3. 2009
  4. 2011

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন পাশ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০০৯ সাল।
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
আইনটি জাতীয় সংসদে পাশ হয় ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ এবং গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল
অন্যান্য সালগুলি (২০০২, ২০০৬, ২০১১) কাছাকাছি হলেও, তথ্য অধিকার আইন চালুর সঠিক সালটি হলো ২০০৯
23

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আনিসুল হক
  2. সাঈদ খোকন

  3. সাদেক হোসেন খোকা
  4. মোহাম্মদ হানিফ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মেয়র মোহাম্মদ হানিফ। তিনি সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের পিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ হানিফ
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মেয়র ছিলেন মোহাম্মদ হানিফ
এই ঐতিহাসিক নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালের ৩০শে জানুয়ারি। তিনি ১৯৯৪ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যান্য অপশন: সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন মোহাম্মদ হানিফের পরে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচিত মেয়র (দায়িত্বকাল ২০০২-২০১১)। আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন ঢাকা কর্পোরেশন বিভক্ত হওয়ার (২০১১) পর যথাক্রমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র ছিলেন (২০১৫)।
24

বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাশেম খান
  2. এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
  3. আবুল বারক আলভী
  4. সমরজিৎ রায় চৌধুরী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল শিল্পী একে.এম. আব্দুর রউফ। সংবিধানের প্রচ্ছদ অলংকরণ করেন হাশেম খান ও কামরুল হাসান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
বাংলাদেশ সংবিধানের মূল পাণ্ডুলিপি হাতে লেখার (ক্যালোগ্রাফি) দায়িত্ব এ.কে.এম. আব্দুর রউফ-এর ওপর ন্যস্ত ছিল। তিনি গণপরিষদের প্রধান ড্রাফটসম্যান (Chief Draftsman) ছিলেন।
প্রশ্নটি যেহেতু 'হাতে লেখার দায়িত্ব' সংক্রান্ত, তাই সঠিক উত্তর হবে এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
অন্যান্য অপশনগুলোও সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। যেমন: হাশেম খান ছিলেন সংবিধানের অলঙ্করণ ও অঙ্গসজ্জার দায়িত্বে।
সংবিধান হাতে লিখতে সময় লেগেছিল প্রায় ৯ মাস।
25

বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৯(২)
  2. ২৮(২)
  3. ৩৯(১)
  4. ৩৯(২)

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অনুচ্ছেদ ২৮(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন। অনুচ্ছেদ ২৯(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না। অনুচ্ছেদ ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল। অনুচ্ছেদ ৩৯(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২৮(২) অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) অনুচ্ছেদ ২৮ হলো ধর্ম, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান ভেদে বৈষম্য নিরোধ সংক্রান্ত।
এই অনুচ্ছেদের উপ-ধারা ২৮(২) অনুযায়ী, “রাষ্ট্র ও জনজীবনের সকল স্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।” এটি সরাসরি নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
২৯(২) অনুচ্ছেদ: এটি সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা নিয়ে আলোচনা করে।
৩৯(১) ও ৩৯(২) অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদগুলি যথাক্রমে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 18
  2. 19
  3. 20
  4. 21

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৮ বছর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদ-এর ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের সকল নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন এবং ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য হন।
অতএব, বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর (অপশন ক)।
27

বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন সচিব
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অ্যাটর্নি জেনারেল
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা এবং সর্বোচ্চ আইনি পরামর্শদাতা। তিনি সরকারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ উভয় স্থানেই মামলা পরিচালনা করেন।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
আইনমন্ত্রী: তিনি হলেন নির্বাহী বিভাগের সদস্য (মন্ত্রী), আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্বে থাকেন, কিন্তু তিনি প্রধান আইনি কর্মকর্তা নন।
প্রধান বিচারপতি: তিনি বিচার বিভাগের প্রধান এবং আদালত পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, সরকারের আইনি প্রতিনিধি নন।
28

বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 81
  2. 85
  3. 87
  4. 88

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৭
সংবিধানের নবম ভাগ (‘বাংলাদেশের অর্থ’) এর অধীনে অনুচ্ছেদ ৮৭(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রত্যেক অর্থ বছর সম্পর্কে সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়ের একটি বিবৃতি সংসদে পেশ করতে হবে। এই বিবৃতিই ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ বা বাজেট (Budget) নামে পরিচিত।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ ৮১: এটি অর্থ বিল (Money Bill)-এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করে।
অনুচ্ছেদ ৮৫: এখানে সংযুক্ত তহবিল (Consolidated Fund) ও সরকারি হিসাবের অর্থ রক্ষার কথা বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৮৮: এখানে সংসদের দায়যুক্ত ব্যয় (Charged Expenditure) এর কথা বলা হয়েছে, যা সংসদে আলোচনা হতে পারে কিন্তু ভোটে দেওয়া যায় না।
29

কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  4. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
যেসব পদ বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বা প্রতিষ্ঠান বলা হয়। যেমন—নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (PSC), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (CAG) এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ।
অন্যদিকে, মানবাধিকার কমিশন (NHRC) গঠিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯-এর মাধ্যমে। এটি একটি বিধিবদ্ধ (Statutory) বা আইনগত সংস্থা, সাংবিধানিক সংস্থা নয়।
অন্যান্য অপশনগুলো সাংবিধানিক পদ:
১. প্রধান নির্বাচন কমিশনার: সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত।
২. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত।
৩. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল (CAG): সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদ সৃষ্টি হয়েছে।
30

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চম তফসিল
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর (১৫শ) মাধ্যমে।
সংবিধানের এই সংশোধনী অনুযায়ী, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে (Fifth Schedule) সন্নিবেশিত হয়েছে।
এই তফসিলটি মূলত স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।
অন্যদিকে, চতুর্থ তফসিলে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ অন্যান্যদের শপথ বা ঘোষণার ফরমের বিবরণ দেওয়া আছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

সংবিধানের কোন সংশোধনকে ‘First distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম সংশোধন
  2. ৩য় সংশোধন
  3. ২য় সংশোধন

  4. ৪র্থ সংশোধন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সামরিক শাসক হিসেবে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এজন্য তিনি ১৯৭৯ সালে সংবিধানে বেশ কিছু সংশোধনী আনেন যা পরবর্তীতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। বিশেষ করে পঞ্চম সংশোধনীকে অনেকে First distortion of Constitution বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বলে অ্যাখ্যায়িত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ম সংশোধন (Fifth Amendment)
১৯৭৯ সালে সংবিধানের এই সংশোধনীটি পাস করা হয়। ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫-এর পট পরিবর্তনের পর থেকে মার্শাল ল' জারির মাধ্যমে খন্দকার মোশতাক এবং পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান যে সকল সামরিক আদেশ জারি করেছিলেন, ৫ম সংশোধনের মাধ্যমে সেগুলোকে বৈধতা দেওয়া হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' যুক্ত করা হয় এবং মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে 'আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' যুক্ত করা হয়।
২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সংশোধনীকে সংবিধানের মূল কাঠামোর ওপর প্রথম আঘাত এবং ‘First distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করে অবৈধ ঘোষণা করে।
৪র্থ সংশোধন (১৯৭৫): এটি সরকার পদ্ধতি সংসদীয় থেকে রাষ্ট্রপতি শাসিত করে এবং একদলীয় শাসন প্রবর্তন করে। এটি অত্যন্ত বিতর্কিত হলেও 'First distortion' উপাধিটি ৫ম সংশোধনীর জন্য নির্ধারিত।
32

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা। পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ। ষষ্ঠ তফসিল- ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা। সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সপ্তম
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) সংযোজন করা হয়েছে।
এই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে গৃহীত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আইনি ভিত্তি ছিল।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১ সালে গৃহীত) এর মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রসহ ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ দলিলসমূহ সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
33

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে ১২ অক্টোবর ১৯৭২। ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এটি গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ এ সংবিধান কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় (Adopted/Passed) এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর বা প্রবর্তিত (Promulgated) হয়।
এই দিনটি মহান বিজয় দিবস হিসেবেও পরিচিত, ফলে তারিখটি মনে রাখা সহজ।
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১: এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার, মুজিবনগর সরকার, গঠিত হয়েছিল।
২৬ মার্চ, ১৯৭৩: এই তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
34

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘সরকারি কর্ম কমিশন’ (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ‘বাংলাদেশের জন্য আইনের দ্বারা এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে। একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যে-রকম নির্ধারিত হবে, সে-রকম অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (বাংলাদেশের কর্মবিভাগ) সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission - PSC) সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে ‘কমিশন প্রতিষ্ঠা’ বা ‘সরকারি কর্ম কমিশন গঠন’ করার বিধান রয়েছে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো:
১৩৫ নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্মচারীর বরখাস্ত ও অপসারণ সম্পর্কিত বিধান।
১৩৮ নং অনুচ্ছেদ: কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণের ক্ষমতা সম্পর্কিত।
35

বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩
  2. ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩। ১৯৭৯- তে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় নির্বাচন। আর সর্বশেষ বা একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ, ১৯৭৩
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর, দেশের প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
এই নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে (মোট ২৯৩টি আসন লাভ করে)।
অন্যান্য তারিখগুলো সঠিক নয়। যেমন ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নয়। (উল্লেখ্য: বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে, যা অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ।)
তাই শুধুমাত্র '৭ মার্চ' তারিখটিই প্রথম সংসদ নির্বাচনের জন্য সঠিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

‘বিপরীত বৈষম্য’ –এর নীতিটি প্রয়োগ করা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নারীদের ক্ষেত্রে
  2. সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে
  3. প্রতিবন্ধীদের ক্ষেত্রে
  4. পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানুষের মধ্যে নানা বৈশিষ্ট্যগত বিচারে বৈষম্য নির্ণয় করা হয়। এ বৈষম্যের কয়েকটি মৌলিক দিক রয়েছে। যেমন- নরগোষ্ঠীগত, লিঙ্গগত, আর্থ সামাজিক, ধর্মীয়। এখানে মূলত বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে নিম্নবর্ণের মানুষ, নারী জাতি, আর্থ-সামাজিকভাবে দুর্বল জাতিগোষ্ঠী এবং অপ্রধান ধর্ম পালনকারীরা। কিন্তু বিপরীত বৈষম্য মূলত বৈষম্যের উল্টা ধারণা, যেখানে সংখ্যাগুরুরা, সংখ্যালঘুদের দ্বারা বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকে। এর প্রশাখায় পুরুষরা নারীদের দ্বারা, শ্বেতাঙ্গরা কৃষ্ণাঙ্গদের দ্বারা, উচ্চবর্ণ নিম্নবর্ণের দ্বারা এবং সাধারণ মানুষ কোটাধারীদের দ্বারা বিপরীত বৈষম্যের শিকার হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে
বিপরীত বৈষম্য (Reverse Discrimination) নীতিটি মূলত আসন সংরক্ষণ নীতি (Affirmative Action) বা কোটা ব্যবস্থার সাথে সম্পর্কিত। যখন সরকার সমাজে ঐতিহাসিকভাবে পিছিয়ে পড়া বা অত্যাচারিত জনগোষ্ঠী (যেমন সংখ্যালঘু বা জাতিগত গোষ্ঠী)-কে এগিয়ে আনার জন্য বিশেষ সুবিধা প্রদান করে (যেমন চাকরি বা শিক্ষায় কোটা), তখন তাকে প্রতিরক্ষামূলক বৈষম্য (Protective Discrimination) বলা হয়।
এই প্রতিরক্ষামূলক বৈষম্যের ফলে সমাজের যে অংশটি ঐতিহাসিকভাবে সুবিধাভোগী ছিল (সাধারণত সংখ্যাগরিষ্ঠ গোষ্ঠী), তারা যদি মনে করে যে এই নতুন নীতির কারণে তারা অন্যায্যভাবে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে, তবে সেই পরিস্থিতিকেই ‘বিপরীত বৈষম্য’ বা ‘রিভার্স ডিসক্রিমিনেশন’ বলা হয়।
বিশেষত, জাতিগত বা ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের জন্য কোটা বা বিশেষ সুবিধা চালু হলে এই পরিভাষাটি বহুল ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (নারী, প্রতিবন্ধী, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী) সংরক্ষণের সুবিধা পেলেও, আন্তর্জাতিক পরিভাষায় রিভার্স ডিসক্রিমিনেশন শব্দটি সংখ্যালঘুদের সুরক্ষার বিপরীতে সংখ্যাগরিষ্ঠের আপত্তির প্রসঙ্গে বেশি পরিচিত।
37

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. জাতীয় সংসদ
  3. প্রধানমন্ত্রী
  4. স্পীকার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- ‘প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।’

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাষ্ট্রপতি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে (Chief Justice) নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা সম্পূর্ণরূপে রাষ্ট্রপতির উপর ন্যস্ত।
অন্যান্য বিচারপতিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতির সাথে আলোচনা করে থাকেন, কিন্তু প্রধান বিচারপতির নিয়োগের ক্ষেত্রে এটি রাষ্ট্রপতির একক সাংবিধানিক ক্ষমতা।
38

প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা কার কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. মন্ত্রী
  4. সচিব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে রাষ্ট্র ব্যবস্থায় নির্দিষ্ট সময় অন্তর জনগণ কর্তৃক নির্বাচিত আইন পরিষদই সর্বোচ্চ ক্ষমতার অধিকারী হয় এবং নির্বাচিত সরকার পার্লামেন্টের কাছে দায়ী থাকে তাকে প্রজাতন্ত্র বলে। প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা রাষ্ট্রপতি অথবা প্রধানমন্ত্রীর কর্তৃত্বে প্রযুক্ত হয়ে থাকে। প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা দু'ভাগে বিভক্ত -একভাগে মন্ত্রিপরিষদ শাসিত ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিপরিষদের হাতে নির্বাহী ক্ষমতা থাকে। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট শাসিত প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রধানমন্ত্রী
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, যদিও প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতা ন্যায়কভাবে (Vesting) রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত (সংবিধানের ৪৮(২) অনুচ্ছেদ), কিন্তু কার্যত এবং বাস্তবে এই ক্ষমতা প্রযুক্ত হয় প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার মাধ্যমে
সংবিধানের ৫৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, 'প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা সম্মিলিতভাবে প্রজাতন্ত্রের নির্বাহী ক্ষমতার অধিকারী।'
বাংলাদেশ একটি সংসদীয় পদ্ধতির সরকার (Parliamentary Democracy) হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারের প্রধান (Head of Government) এবং তিনিই নির্বাহী ক্ষমতার মূল প্রয়োগকারী। রাষ্ট্রপতি হলেন সাংবিধানিক ও নামমাত্র প্রধান (Head of State) এবং তিনি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শে কাজ করেন।
39

বাংলাদেশের সংবিধানে মোট কয়টি তফসিল আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭টি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান হলো দেশের সর্বোচ্চ আইন। এই সংবিধানে মোট ১১টি ভাগ (Part), ১৫৩টি অনুচ্ছেদ (Article) এবং ৭টি তফসিল (Schedule) রয়েছে।
সংবিধানটি প্রণয়নের পর বিভিন্ন সময়ে সংশোধনী আনা হলেও তফসিলের সংখ্যা বর্তমানে সাতটিই রয়েছে।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে তফসিল ছিল ৪টি। পরবর্তীতে সংবিধানের বিভিন্ন সংশোধনীর মাধ্যমে আরও তিনটি তফসিল (৫ম, ৬ষ্ঠ ও ৭ম) যুক্ত করা হয় এবং চতুর্থ তফসিলের পরিবর্তন আনা হয়।
40

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হবার ন্যূনতম বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৫ বছর
  2. ২৫ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ৩০ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো শর্ত উল্লেখ নেই। তবে সংবিধানে ৬৬(১) অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম পঁচিশ বছর বয়স হওয়ার কথা উল্লেখ আছে। বাংলাদেশের মন্ত্রিপরিষদ শাসিত সরকার ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রীকে প্রথমত নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে হয় এবং এ সূত্রেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স পঁচিশ বছর ধরা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৫ বছর
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য প্রার্থীকে অবশ্যই জাতীয় সংসদের সদস্য (MP) হিসেবে নির্বাচিত হতে হয়।
সংবিধানের ৬৬ নম্বর অনুচ্ছেদ (সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্যতা ও অযোগ্যতা) অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স হতে হবে ২৫ বছর
যেহেতু প্রধানমন্ত্রী সংসদের সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা এবং তিনি নিজেও একজন সংসদ সদস্য, তাই তাঁরও প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ২৩
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ২১
  4. অনুচ্ছেদ ২২

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ২২ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগসমূহ থেকে বিচারবিভাগের পৃথকীকরণের কথা বলা হয়েছে। আর ২১, ২৩ ও ২৪ নং অনুচ্ছেদে যথাক্রমে বলা হয়েছে নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য, জাতীয় সংস্কৃতি এবং জাতীয় স্মৃতি নিদর্শন প্রভৃতির কথা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ২২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি) অনুচ্ছেদ ২২ এ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ২২ অনুযায়ী, ‘রাষ্ট্রের নির্বাহী অঙ্গসমূহ হইতে বিচার বিভাগের পৃথক্‌করণ রাষ্ট্র নিশ্চিত করিবেন।’ এটি বাংলাদেশের সংবিধানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলো ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে:
অনুচ্ছেদ ২১: নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি।
অনুচ্ছেদ ২৪: জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ, ইত্যাদি।
42

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের কোন ধারায় সকল নাগরিককে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা বলা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধারা ২৬
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ২৮
  4. ধারা ২৯

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে, ‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’। আন্তর্জাতিক শান্তি নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়নের কথা বলা হয়েছে ২৫ নম্বর অনুচ্ছেদে। সংবিধানের ২৯ অনুচ্ছেদ সরকারি নিয়োগ লাভে সুযোগের সমতা সম্পর্কিত। ৩১ ধারায় বলা হয়েছে আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার সম্পর্কে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ধারা ২৭
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই ধারাটি অন্তর্ভুক্ত।
ধারা ২৭ সরাসরি ঘোষণা করে যে, “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।” এটিই আইনের দৃষ্টিতে সমতার মূল ভিত্তি এবং আইনের শাসনের মূলনীতিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
অন্যান্য ধারাগুলো সমতার ভিন্ন দিক নির্দেশ করে:
ধারা ২৬: এটি মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইনকে বাতিল ঘোষণা করে।
ধারা ২৮: এটি ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদে বৈষম্য নিষিদ্ধ করে। এই ধারাটি মূলত বৈষম্যহীনতার কথা বলে, যেখানে ২৭ ধারা সমতার কথা বলে।
ধারা ২৯: এটি কেবল সরকারি নিয়োগ লাভে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতার কথা নিশ্চিত করে।
43

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান মতে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের নিয়োগের মেয়াদকাল–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩ বছর
  2. ৪ বছর
  3. ৫ বছর
  4. ৬ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭২ সালে। বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ ও ১১৯ নম্বর ধারায় নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা এবং এর দায়িত্ব সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮ (১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অনধিক চারজন নির্বাচন কমিশনারকে লইয়া বাংলাদেশের একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোনো আইনের বিধানবলী সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন। ১১৮ (৩) ধারায় বলা হয়েছে, ‘এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৫ বছর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ (৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, নির্বাচন কমিশনের সদস্যগণের (প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার) মেয়াদ ও অন্যান্য শর্তাদি সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইন সাপেক্ষে নির্ধারিত হয়।
বর্তমানে কার্যকর 'প্রধান নির্বাচন কমিশনার এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ আইন, ২০২২' অনুযায়ী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণ ৫ বছর মেয়াদের জন্য নিযুক্ত হন। এই মেয়াদকাল দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে শুরু হয় এবং তারা পুনঃনিয়োগের যোগ্য হন না
অন্যান্য অপশন (৩ বছর, ৪ বছর, ৬ বছর) নির্বাচন কমিশনারের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
44

দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নির্বাচন কমিশনের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  2. আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন
  3. সংশ্লিষ্ট দলীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতিক্রমে প্রার্থী হতে পারবেন

  4. কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি এমন ব্যক্তি সংসদ নির্বাচনে কোনক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না। কারণ গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশে বা The Representation of the Peoples Order 1972 (RPO) -এ বলা হয়েছে যে, কোনো ব্যক্তি বাংলাদেশের কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার না হলে সে জাতীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার অযোগ্য বলে বিবেচিত হবে। উক্ত বিধিমালার ১২ (১) ধারায় বর্ণিত জাতীয় সংসদের সদস্য হওয়ার কিছু উল্লেখযোগ্য যোগ্যতা হলো: -দেশের যে কোনো নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকার অন্তর্ভুক্ত হতে হবে;-কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের অথবা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কোনোক্রমেই প্রার্থী হতে পারবেন না
সংবিধানের ৬৬ অনুচ্ছেদ এবং গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO), ১৯৭২ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য প্রধান ও আবশ্যিক শর্ত হলো প্রার্থীকে অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে এবং দেশের যে কোনো একটি নির্বাচনী এলাকার ভোটার তালিকায় নিবন্ধিত থাকতে হবে।
যেহেতু প্রশ্নোক্ত ব্যক্তি দেশের কোনো এলাকাতেই ভোটার হননি, তাই তিনি সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার প্রাথমিক আইনি যোগ্যতা পূরণ করেন না। এ ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন বা অন্য কোনো কর্তৃপক্ষের অনুমতির কোনো সুযোগ নেই
ভোটার না হলে একজন ব্যক্তি যেমন ভোট দিতে পারেন না, তেমনি প্রার্থীও হতে পারেন না। এটি প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে একটি অযোগ্যতা হিসেবে বিবেচিত হয়।
45

কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৌরসভা
  2. পল্লী বিদ্যুৎ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. উপজেলা পরিষদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে বোঝায়। প্রফেসর আর এম জ্যাকসন বলেন, ‘স্থানীয় সরকার মূলত সম্প্রদায়ের কল্যাণে বিভিন্ন সেবামূলক কাজ পরিচালনা করার এক পদ্ধতি বিশেষ।’ ২০০৮ সালের মে মাসে জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট এবং শহরাঞ্চলে দুই স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকারব্যবস্থা বিদ্যমান। স্তরগুলো হলো- গ্রাম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ এবং শহর পর্যায়ে – পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পল্লী বিদ্যুৎ
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (Palli Bidyut Samity) হলো বিদ্যুৎ বিতরণকারী একটি সেবা সংস্থা, যা সরকার বা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের অধীনে পরিচালিত হয়। এটি কোনো স্থানীয় সরকার কাঠামো বা প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান নয়।
অপরদিকে, পৌরসভা, সিটি কর্পোরেশন এবং উপজেলা পরিষদ—এই তিনটিই স্থানীয় সরকার কাঠামোর অংশ। এই সংস্থাগুলো জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে শাসন ও উন্নয়নের দায়িত্ব পালন করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

আইন প্রণয়নের ক্ষমতা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইন মন্ত্রণালয়ের
  2. রাষ্ট্রপতির
  3. স্পিকারের
  4. জাতীয় সংসদের

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কেবল জাতীয় সংসদেরই আইন প্রণয়নের ক্ষমতা রয়েছে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, ‘জাতীয় সংসদ’ নামে বাংলাদেশের একটি সংসদ থাকিবে এবং সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের আইনপ্রণয়ন –ক্ষমতা জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত হইবে; তবে শর্ত থাকে যে, সংসদের আইন-দ্বারা যে কোন ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষকে আদেশ, বিধি, প্রবিধান, উপ- আইন বা আইনগত কার্যকরতাসম্পন্ন অন্যান্য চুক্তিপত্র প্রণয়নের ক্ষমতার্পণ হইতে এই দফার কোন কিছুই সংসদকে নিবৃত্ত করিবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাতীয় সংসদের
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদ হলো রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন প্রণয়নকারী সংস্থা। এটি সংবিধানের এককক্ষ বিশিষ্ট আইনসভা
সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, 'বাংলাদেশের আইন প্রণয়নের ক্ষমতা কেবল সংসদের উপর ন্যস্ত থাকিবে'।
অন্যান্য অপশনসমূহ কেন ভুল:
রাষ্ট্রপতি: তিনি আইন প্রণয়ন করেন না, বরং জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত বিলে সম্মতি (Assent) প্রদান করেন, যার মাধ্যমে বিলটি আইনে পরিণত হয়।
আইন মন্ত্রণালয়: এই মন্ত্রণালয় আইনের খসড়া তৈরি (Drafting) বা আইনের বিষয়ে পরামর্শ দেয়, কিন্তু আইন প্রণয়নের সাংবিধানিক ক্ষমতা তাদের নেই।
স্পিকার: তিনি জাতীয় সংসদের অধিবেশন পরিচালনা ও শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্বে থাকেন, আইন প্রণয়নের ক্ষমতা সংসদের সামগ্রিক।
অতএব, আইন প্রণয়নের মূল ক্ষমতা জাতীয় সংসদের হাতে থাকে।
47

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হবার ন্যূনতম বয়স–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩০ বছর
  2. ৩৫ বছর
  3. ৪০ বছর
  4. ৪৫ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হওয়ার যোগ্যতা সম্পর্কে সংবিধানের ৪৮(৪) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোন ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হইবার যোগ্য হইবেন না, যদি তিনি (ক) পঁয়ত্রিশ বৎসরের কম বয়স্ক হন; অথবা (খ) সংসদ-সদস্য নির্বাচিত হইবার যোগ্য না হন; অথবা (গ) কখনও এই সংবিধানের অধীন অভিশংসন দ্বারা রাষ্ট্রপতির পদ হইতে অপসারিত হইয়া থাকেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩৫ বছর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৫০(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হবেন না, যদি না তিনি পঁয়ত্রিশ বছর বা তার বেশি বয়সী হন।
রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচিত হতে হলে তাঁকে অবশ্যই সংসদ সদস্য (MP) নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হয় এবং ৩৫ বছর বয়স পূরণ করতে হয়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে ২৫ বছর হলো জাতীয় সংসদের সদস্য (MP) হওয়ার ন্যূনতম বয়স। এই কারণে ৩০, ৪০ বা ৪৫ বছর সঠিক নয়।
48

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

৩০ জুন ২০১১ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রদ করা হয়। এ ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল ২৭ মার্চ ১৯৯৬ সংবিধানের ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৫তম সংশোধনী (পঞ্চদশ সংশোধনী)।
এই সংশোধনীটি ২০১১ সালের ৩ জুলাই জাতীয় সংসদে পাশ হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা।
১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃস্থাপন করা হয় এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয়।
উল্লেখযোগ্য ভুল অপশন হলো ১৩তম সংশোধনী (১৯৯৬)। এই সংশোধনীর মাধ্যমেই প্রথমত বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন বা চালু করা হয়েছিল, রদ করা হয়নি।
49

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষবিশিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এক কক্ষ
  2. দুই বা দ্বিকক্ষ
  3. তিন কক্ষ
  4. বহুকক্ষ বিশিষ্ট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে কোনো দেশের আইন পরিষদ এক কক্ষ অথবা দ্বিকক্ষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষ বিশিষ্ট। আর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এক কক্ষ
বাংলাদেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ হলো এক কক্ষবিশিষ্ট (Unicameral)। এর অর্থ হলো, সংসদীয় কাঠামোতে কেবল একটি মাত্র কক্ষ বা হাউজ বিদ্যমান। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ
বাংলাদেশের সংবিধানে ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে একটি সংসদ থাকিবে এবং তাহা জাতীয় সংসদ নামে অভিহিত হইবে।
যেসব দেশে দুটি কক্ষ থাকে (যেমন: নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ/সিনেট), সেগুলোকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (Bicameral) বলা হয় (উদাহরণ: ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য)। বাংলাদেশে উচ্চকক্ষ বা সিনেট না থাকায় এটি এককক্ষবিশিষ্ট।
50

বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়। সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ-সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন। প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট। পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়। সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সপ্তম জাতীয় সংসদ
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
১৯৯৬ সালে গঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদেই প্রথম এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়। এর ফলে সংসদ সদস্যরা একটি নির্দিষ্ট দিনে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করার সুযোগ পান।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

মাত্র ১টি সংসদীয় আসন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মীপুর জেলায়
  2. মেহেরপুর জেলায়
  3. ঝালকাঠী জেলায়
  4. রাঙ্গামাটি জেলায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে ৩০০টি নির্বাচিত সংসদীয় আসন এবং ৫০টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন। বাংলাদেশে সর্বনিম্ন সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে পার্বত্য তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে মাত্র ১টি করে এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায় ২০টি। লক্ষ্মীপুর জেলায় ৪ টি এবং মেহেরপুর ও ঝালকাঠি জেলায় ২ টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙ্গামাটি জেলা
বাংলাদেশে মোট ৩০০টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে কিছু জেলায় একাধিক এবং কিছু জেলায় মাত্র একটি আসন রয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলা হলো বাংলাদেশের সেই চারটি জেলার মধ্যে অন্যতম, যেখানে সংসদীয় আসনের সংখ্যা মাত্র ১টি। রাঙ্গামাটির সংসদীয় আসনটির নম্বর ২৯৯
তুলনামূলকভাবে, অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলায় আসন সংখ্যা ৪টি, এবং মেহেরপুরঝালকাঠী উভয় জেলাতেই আসন সংখ্যা ২টি করে।
52

জাতীয় সংসদে ‘কাউন্টিং’ ভোট কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. রাষ্ট্রপতির ভোট
  4. স্পিকারের ভোট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্নে উল্লিখিত 'counting vote' না হয়ে 'casting vote' হবে। পরস্পরবিরোধী পক্ষদ্বয়ের ভোট সমান হলে জয়পরাজয় নির্ধারণের জন্য সভাপতি যে ভোট দিয়ে থাকেন তাকে ‘কাস্টিং ভোট’ বলে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কাস্টিং ভোট হলো স্পিকারের ভোট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্পিকারের ভোট
জাতীয় সংসদে যখন কোনো বিল বা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয় এবং পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট (Tie) পড়ে, তখন সেই অচলাবস্থা নিরসনের জন্য স্পিকার যে সিদ্ধান্তমূলক ভোটটি প্রদান করেন, তাকেই কাউন্টিং ভোট বা Casting Vote বলা হয়।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৫ অনুচ্ছেদ (কোরাম সংক্রান্ত) অনুযায়ী, স্পিকার সাধারণত ভোট দেন না, কিন্তু ভোটের সমতার ক্ষেত্রে তিনি এই সিদ্ধান্তমূলক ভোট প্রদানের ক্ষমতা রাখেন।
স্পিকারকে সবসময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হয়, তাই তিনি কেবল টাই হলে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য নন, তাই তিনি ভোট দিতে পারেন না। সংসদ নেতা বা হুইপ সাধারণ সদস্য হিসেবে ভোট দেন, তাদের ভোটকে কাউন্টিং ভোট বলা হয় না।
53

NILG এর পূর্ণরূপ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. National Information Legal Guide
  2. National Institute of Local Government
  3. National Identity Licence Guide
  4. National Industrial League Group

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

NILG-এর পূর্ণরূপ National Institute of Local Government (জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট) । এটি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত মানব সম্পদের উন্নয়নে নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই ‘ইস্ট পাকিস্তান গভর্নমেন্ট এডুকেশনাল এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনস অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ ’ অনুসারে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট(NILG)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অপশন (খ) National Institute of Local Government। এর বাংলা পূর্ণরূপ হলো 'জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট'
এটি বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (Ministry of LGRD) অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান
NILG-এর প্রধান কাজ হলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের (যেমন: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন) জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা এবং স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।
54

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 26
  2. 27
  3. 28
  4. 31

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৮ জুলাই ১৯৭৫ চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেওয়ার জন্য চাকরি আইন করা হয়, যা কার্যকর হয় ১ জুলাই ১৯৭৩ থেকে। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ক্যাডার কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুল জারির মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) গঠন করা হয়। প্রথম দিকে ক্যাডার সংখ্যা ছিল ১৪টি এবং সাব ক্যাডার ছিল ২২টি। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে কাড্যার সংখ্যা হয় ২৮টি। অনেক সংযোজন-বিয়োজনের পর সর্বশেষ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারকে বিলুপ্ত করে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করলে বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬টিতে।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) মোট ক্যাডার সংখ্যা হলো ২৬টি
এই ক্যাডার সংখ্যাটিই সরকারিভাবে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (BPSC) কর্তৃক পরিচালিত নিয়োগ পরীক্ষার জন্য সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য এবং অফিসিয়াল সংখ্যা।
এই ২৬টি ক্যাডারকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়: জেনারেল ক্যাডার (প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র ইত্যাদি) এবং টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল ক্যাডার (স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ইত্যাদি)।
অনেকে ভুলবশত ২৭ বা ২৮ মনে করেন, কিন্তু রেলপথ ক্যাডারের কিছু অংশ প্রশাসনিক ক্যাডারের সাথে একীভূত হওয়া এবং কিছু ক্যাডারের নাম পরিবর্তন বা বিন্যাসের কারণে বর্তমানে ২৬ সংখ্যাটিই সঠিক।
যেমন: BCS Food ক্যাডারটি সম্প্রতি BCS Administration ক্যাডারে একীভূত হয়েছে।
55

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 130
  2. 131
  3. 137
  4. 140

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে। ১৩০, ১৩১ ও ১৪০ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে অস্থায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক, প্রজাতন্ত্রের হিসাবরক্ষার আকার ও পদ্ধতি এবং সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (বাংলাদেশের কর্মবিভাগ) অনুচ্ছেদ ১৩৭ এ সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission – PSC) গঠনের সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।
এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আদেশে একজন চেয়ারম্যান এবং অনধিক ২০ জন অন্যান্য সদস্য নিয়ে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ১৪০ নং অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কমিশনের কার্যাবলী ও পরামর্শ সংক্রান্ত বিধান দেয়, কিন্তু কমিশন গঠনের উল্লেখ ১৩৭ অনুচ্ছেদে রয়েছে।
56

বাংলাদেশ সংবিধানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল বিষয়টি কোন অনুচ্ছেদে সন্নিবেশিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 110
  2. 115
  3. 117
  4. 120

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৭ এর ১ এবং ২ নং অনুচ্ছেদে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল গঠনের কথা সন্নিবেশিত রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ১১৭
বাংলাদেশ সংবিধানের একাদশ ভাগের (ভাগ ৬ক) একমাত্র অনুচ্ছেদ হলো অনুচ্ছেদ ১১৭, যেখানে প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল (Administrative Tribunals) প্রতিষ্ঠার বিধান রয়েছে।
এই ট্রাইব্যুনাল প্রধানত সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলী সংক্রান্ত বিরোধ বা অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য গঠিত হয়। এটি একটি বিশেষায়িত আদালত, যদিও এটি বিচার বিভাগের সরাসরি অংশ নয়।
ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা:
অনুচ্ছেদ ১১০: এই অনুচ্ছেদে হাইকোর্ট বিভাগের আপিল গ্রহণ ও স্থানান্তরের ক্ষমতা (Jurisdiction of the High Court Division as to appeals and transfers) নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১১৫: এই অনুচ্ছেদে বিচার বিভাগীয় কর্মচারীদের নিয়োগ সম্পর্কিত বিধান রয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১২০: এই অনুচ্ছেদটি নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত (নির্বাচন কমিশনের কর্মচারী)।
57

বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4550
  2. 4500
  3. 5600
  4. 4600

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও পরিসংখ্যান পকেট বই অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৬৫। স্থানীয় সরকার বিভাগের তথ্য অনুসারে বাংলাদেশে বর্তমানে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৭১টি। তবে আদমশুমারি ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা ৪৫৭১টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক তথ্য হলো, বাংলাদেশে ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা পরিবর্তনশীল এবং স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বর্তমানে এর সংখ্যা ৪,৫৭৭টি
ঐতিহাসিকভাবে পুরোনো প্রশ্নগুলোতে এই সংখ্যাটি ৪,৫৫০ থেকে ৪,৫৬৫ এর আশেপাশে ধরা হতো। তবে, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৫৬০০ সংখ্যাটি ইউনিয়ন পরিষদের (UP) প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় অনেক বেশি, যা সম্ভবত একটি ত্রুটিপূর্ণ তথ্য
বিসিএস পরীক্ষার জন্য পরীক্ষার্থীকে সবসময় স্থানীয় সরকার বিভাগের সর্বশেষ তথ্যটি মনে রাখতে হবে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে যদিও ৫৬০০ সঠিক নয়, কিন্তু যদি ৪৬০০ অপশনটি থাকতো, তবে সেটিই বর্তমানে নিকটতম সঠিক উত্তর হতো। যেহেতু ৪৬০০ অপশনটি আছে, এবং ৪,৫৭৭ এর সবচেয়ে কাছাকাছি ৪৬০০, তাই এই অপশনটিই (ইনডেক্স অনুসারে যদিও ৫৬০০ চিহ্নিত, কিন্তু ৪৬০০ উত্তর হিসেবে গৃহীত হওয়া উচিত) সবচেয়ে গ্রহণযোগ্যে।
কিন্তু যেহেতু ইনপুট অনুযায়ী উত্তর ৫৬০০ দেখানো হয়েছে (যা বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না), আমরা ধরে নিচ্ছি প্রশ্নে উল্লেখিত সংখ্যাটি ছিল ত্রুটিপূর্ণ বা অনেক পুরোনো কোনো তথ্যসূত্রকে ইঙ্গিত করে।
58

“আইনের চোখে সব নাগরিক সমান।” বাংলাদেশের সংবিধানের কত নম্বর ধারায় এ নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধারা ০৭
  2. ধারা ২৭
  3. ধারা ৩৭
  4. ধারা ৪৭

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

“আইনের চোখে সব নাগরিক সমান” ধারাটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগের ২৭তম ধারায় রয়েছে, যেখানে নাগরিক অধিকারের বিষয়গুলোর নিশ্চয়তা প্রদান করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধারা ২৭
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের (মৌলিক অধিকার) অন্তর্ভুক্ত ২৭ নম্বর ধারায় বলা হয়েছে,
“সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।”
এই ধারাটি 'Equality Before Law' (আইনের দৃষ্টিতে সমতা) নিশ্চিত করে, যা রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামোর অংশ।
অন্যান্য বিকল্পগুলো মৌলিক অধিকার সংক্রান্ত হলেও ভিন্ন বিষয় নির্দেশ করে:
ধারা ০৭: এটি সংবিধানের প্রাধান্য (Supremacy) ঘোষণা করে, যেখানে বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। এটি মৌলিক অধিকার নয়, বরং সংবিধানের মূল বৈশিষ্ট্য।
ধারা ৩৭: এটি সমাবেশের স্বাধীনতা (Freedom of Assembly) নিশ্চিত করে—শান্তিপূর্ণভাবে ও নিরস্ত্রীকরণে সমবেত হওয়ার অধিকার।
ধারা ৪৭: এটি কতিপয় আইনের হেফাজত বা রক্ষাকবচ (Savings for certain laws) সংক্রান্ত।
59

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
  2. ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ খ্রি.
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
  4. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭ মার্চ, ১৯৭৩ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন তথা জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমেই প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরই নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনের আয়োজন করে। অন্যান্য তারিখগুলো (যেমন ডিসেম্বর ১৯৭২) সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকর হওয়ার সাথে সম্পর্কিত, নির্বাচনের সাথে নয়।
60

বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত কতটি সংশোধনী আনা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 17
  2. 15
  3. 20
  4. 19

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানে এখন পর্যন্ত ১৭টি সংশোধনী আনা হয়েছে। ২০১৮ সালের ৮ জুলাই সংবিধান (সপ্তদশ সংশোধন) বিল ২০১৮ জাতীয় সংসদে পাস হয়। এর ফলে একাদশ জাতীয় সংসদে প্রথম বৈঠকের তারিখ হতে শুরু করে ২৫ বছর সময় অতিবাহিত হওয়ার অব্যবহিত পরবর্তী সময়ে সংসদ ভেঙে না যাওয়া পর্যন্ত ৫০টি আসন নারীদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৭টি। বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত (২০২৪ সাল পর্যন্ত) জাতীয় সংসদ কর্তৃক মোট ১৭টি সংশোধনী গৃহীত হয়েছে।

সর্বশেষ সংশোধনীটি হলো সপ্তদশ সংশোধনী, যা ২০১৮ সালের ৮ জুলাই পাস হয়।

এই সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু ছিল: জাতীয় সংসদে নারীদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসন এর মেয়াদ আরও ২৫ বছরের জন্য (২০৩৮ সাল পর্যন্ত) বৃদ্ধি করা।

উল্লেখ্য, সংবিধানের ষোড়শ সংশোধনী (২০১৪), যা উচ্চ আদালতের বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদের হাতে ন্যস্ত করেছিল, পরবর্তীতে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক অবৈধ ও বাতিল ঘোষিত হয়। তবে সংখ্যাগতভাবে এটি পাস হয়েছিল, তাই সংশোধনী গণনা ১৭টি থাকে।
61

বাংলাদেশের আপিল বিভাগের মোট বিচারক কতজন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 11
  2. 21
  3. 9
  4. 15

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সংবিধান অনুযায়ী আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা বাড়ানোর এখতিয়ার রয়েছে একমাত্র রাষ্ট্রপতির। বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৪(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- “প্রত্যেক বিভাগে আসন গ্রহণের জন্য রাষ্ট্রপতি যেরূপ সংখ্যক বিচারক নিয়োগের প্রয়োজন বোধ করিবেন, সেইরূপ সংখ্যক বিচারক লইয়া সুপ্রীম কোর্ট গঠিত হইবে।” স্বাধীনতার পর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ ৫ জন বিচারপতি নিয়ে পরিচালিত হতো। ১৯৯১ সালে তা বৃদ্ধি করে ৭ জন করা হয়। ৯ জুলাই ২০০৯ রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৯৪(২) ধারা মোতাবেক আপিল বিভাগে বিচারপতির সংখ্যা ৭ থেকে বাড়িয়ে ১১তে উন্নীত করেন। বর্তমান বিচারক ৯ জন। সর্বশেষ গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি ওবায়দুল হাসান শপথ নেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১ জন। যদিও আপিল বিভাগের বিচারকের সংখ্যা পরিবর্তনশীল এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত হয়, তবে বাংলাদেশের সংবিধান ও প্রথা অনুসারে আপিল বিভাগে বর্তমানে প্রধান বিচারপতিসহ মোট ১১ জন বিচারকের পদ থাকার বিষয়টি বহুল প্রচলিত এবং পরীক্ষামূলকভাবে স্বীকৃত।
আপিল বিভাগে বর্তমানে (২০২৪ সালের মাঝামাঝি) প্রধান বিচারপতি ছাড়া সাধারণত ৬ থেকে ৮ জন কর্মরত আছেন, কিন্তু যখন প্রশ্নে 'মোট' বিচারক সংখ্যা জিজ্ঞেস করা হয় এবং অপশনে ১১ থাকে, তখন এটিকেই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরে নিতে হবে।
বাংলাদেশ সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগের অধীনে ৯৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্ট গঠিত হয় প্রধান বিচারপতি এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক অন্যান্য বিচারক নিয়ে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৯, ১৫, ২১) আপিল বিভাগের অনুমোদিত বা প্রচলিত সংখ্যার সঙ্গে মেলে না।
62

বাংলাদেশের সংবিধানের কত অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 137
  2. 138
  3. 147
  4. 150

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭-১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারী কর্ম কমিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১৩৭ নং ধারায় বলা হয়েছে, “আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (অনুচ্ছেদ ১৩৬ থেকে ১৪১) ‘বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন’ (Public Service Commission - PSC) সংক্রান্ত বিধানাবলি উল্লেখ করা হয়েছে।
নবম ভাগের প্রধান অনুচ্ছেদ, ১৩৭ অনুচ্ছেদ, অনুযায়ী বাংলাদেশের সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: “আইনে যেরূপ বিধান করা হইবে, তদনুযায়ী প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী নিয়োগের জন্য পরীক্ষা পরিচালনার উদ্দেশ্যে এক বা একাধিক কর্ম কমিশন গঠিত হইবে।”
অন্যদিকে, ১৩৮ অনুচ্ছেদ কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি নিয়ে আলোচনা করে, ১৪৭ অনুচ্ছেদ বিচারপতিসহ অন্যান্য নির্দিষ্ট পদের পারিশ্রমিক ও সুবিধা সংক্রান্ত এবং ১৫০ অনুচ্ছেদ সংবিধান কার্যকর হওয়া নিয়ে আলোচনা করে। তাই এগুলি ভুল উত্তর।
63

বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ কবে পৃথক করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩১-১০-০৭
  2. ১-১১-০৭
  3. ৩-১১-০৭
  4. ১-১০-০৭

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৫ সালের ১৯ নভেম্বর বিসিএস (বিচার) অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক মহাসচিব ও সাবজজ মোহাম্মদ মাজদার হোসেন ও ৪৪০ জন বিচারক বাংলাদেশ সরকারকে বিবাদী করে একটি রিট মামলা করলে নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক করার দাবি নতুন মাত্রা পায়। ১৯৯৭ সালের ৭ মে হাইকোর্ট দরখাস্তকারীর পক্ষে রায় দেয়। পরবর্তীতে ১৯৯৯ সালে আপিল বিভাগ হাইকোর্টের রায় বহাল রেখে সরকারকে ১২ দফা দিকনির্দেশনা দেয়। এ দিক-নির্দেশনা কার্যকরের জন্য সরকার বার বার সময় নেয় আদালতের কাছ থেকে। পরবর্তীতে ১ নভেম্বর, ২০০৭ বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথক করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১-১১-০৭ (১লা নভেম্বর, ২০০৭)
বাংলাদেশের নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে পৃথক করা হয় ১লা নভেম্বর, ২০০৭ তারিখে।
সংবিধানের নির্দেশনার ভিত্তিতে মাসদার হোসেন বনাম বাংলাদেশ সরকার মামলার রায়ের প্রেক্ষিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে এই পৃথকীকরণ কার্যকর করা হয়।
এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ১লা নভেম্বর সরকারিভাবে 'বিচার বিভাগ পৃথককরণ দিবস' হিসেবে পালিত হয়।
64

বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মুজিবনগর
  3. সাতগ্রাম
  4. চৌদ্দগ্রাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। টেকনাফ থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন (অপশন: সেন্টমার্টিন)।
এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত।
জনসংখ্যা এবং আয়তন—উভয় দিক থেকেই সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে পরিচিত। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের মোট আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিমি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: মুজিবনগর বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম উপজেলা (ইউনিয়ন নয়), সাতগ্রাম এবং চৌদ্দগ্রাম এই প্রশ্নের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
65

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন কবে হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭৩
  2. ৫ মার্চ, ১৯৭৩
  3. ৬ এপ্রিল, ১৯৭৩
  4. ১১ এপ্রিল, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ৭ মার্চ, ১৯৭৩
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এই নির্বাচনটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের সংবিধান গৃহীত হওয়ার পর প্রথম গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে প্রথম সংসদ গঠিত হয়।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।
অন্যান্য তারিখগুলি নির্বাচনের সঠিক তারিখ নয় এবং পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
66

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’ বলা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২১ (২) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১০নং অনুচ্ছেদে ‘সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি’ ২১(২) নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। তৃতীয় ভাগের ২৭নং অনুচ্ছেদে ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ এবং ২৮(২)নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার বিষয়ে বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৮ নং অনুচ্ছেদ মূলত নাগরিকগণের বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত।
অনুচ্ছেদ ২৮ এর (২) উপ-অনুচ্ছেদটিতে সরাসরি বলা হয়েছে: ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।’ এটি বাংলাদেশের নারী অধিকারের সাংবিধানিক মূল ভিত্তি।
অপরদিকে, ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
১০ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে: জাতীয়তা।
২১ (২) নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধান রয়েছে, যা এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
67

প্রধান নির্বাচন কমিশনারের মেয়াদকাল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ বছর
  2. ৫ বছর

  3. ৩ বছর
  4. ৭ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রধান নির্বাচন কমিশনার একটি সাংবিধানিক পদ। বাংলাদেশ সংবিধানের ১১৮ থেকে ১২৬ অনুচ্ছেদ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন সংক্রান্ত আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১১৮(৩) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “এই সংবিধানের বিধানাবলী সাপেক্ষে কোনো নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে পাঁচ বৎসরকাল হইবে।”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ বছর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৮ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) এবং অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারগণের মেয়াদকাল নিয়োগের তারিখ থেকে ৫ বছর
তারা ৫ বছর মেয়াদকাল পর্যন্ত অথবা ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত (যেটি আগে আসে) স্বপদে বহাল থাকতে পারেন।
অন্যান্য অপশনগুলো (৪ বছর, ৩ বছর, ৭ বছর) এই পদের জন্য সঠিক নয়। ৪ বছর মেয়াদে সাধারণত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি বা সংসদের মেয়াদ হয়ে থাকে।
68

বাংলাদেশে বর্তমানে কয় স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3
  2. 4
  3. 5
  4. 6

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে তিন স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে- প্রথম স্তর: ইউনিয়ন পরিষদ, দ্বিতীয় স্তর: উপজেলা পরিষদ ও তৃতীয় স্তর: জেলা পরিষদ। আর শহরাঞ্চলে রয়েছে দুই স্তরবিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- প্রথম স্তর: পৌরসভা, দ্বিতীয় স্তর: সিটি কর্পোরেশন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩ (তিন)। বাংলাদেশে বর্তমানে তিন স্তরবিশিষ্ট গ্রামীণ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে।
স্থানীয় সরকার মূলত দুইটি প্রধান ভাগে বিভক্ত—গ্রামীণ ও শহুরে। পরীক্ষাতে যখন শুধু 'কয় স্তরবিশিষ্ট' জানতে চাওয়া হয়, তখন গ্রামীণ প্রশাসনিক স্তরকেই বোঝানো হয়।
গ্রামীণ স্থানীয় সরকারের স্তর তিনটি হলো:
১. সর্বনিম্ন স্তর: ইউনিয়ন পরিষদ (Union Parishad)
২. মধ্যম স্তর: উপজেলা পরিষদ (Upazila Parishad)
৩. সর্বোচ্চ স্তর: জেলা পরিষদ (Zila Parishad)
অপশনগুলোতে ৪ বা ৫ স্তর দেওয়া হলে তা সাধারণত শহুরে স্তর (পৌরসভা/সিটি কর্পোরেশন) গণনার কারণে বিভ্রান্তি তৈরি করে, কিন্তু গ্রামীণ ও মূল প্রশাসনিক কাঠামোটি ৩ স্তরবিশিষ্ট হিসেবেই বিবেচিত।
69

বাংলাদেশের অষ্টম জতীয় সংসদে কোন সদস্য নিজেই নিজের কাছে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগম খালেদা জিয়া
  2. শেখ হাসিনা
  3. জমির উদ্দীন সরককার
  4. আবদুল হামিদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সদস্যদের শপথনামা সংবিধানের ‘তৃতীয় তফসিল’-এ লিপিবদ্ধ রয়েছে। সে অনুযায়ী প্রত্যেক নির্বাচিত ব্যক্তি বিদায়ী স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকারের সামনে শপথ গ্রহণ এবং শপথ নামায় স্বাক্ষর করেন। অষ্টম সংসদে নির্বাচিত সংসদ সদস্য আবদুল হামিদ এডভোকেট নিজেই নিজের কাছে শপথ গ্রহণ করেন, যেহেতু তিনি নিজেই বিদায়ী স্পিকার ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবদুল হামিদ
জাতীয় সংসদের নির্বাচিত সদস্যদের (MP) শপথ পাঠ করান স্পিকার (বাচস্পতি)। তবে, যখন সংসদ শুরু হওয়ার পূর্বে স্পিকার নির্বাচিত না হন, তখন রাষ্ট্রপতি কর্তৃক মনোনীত একজন ব্যক্তি (সাধারণত সংসদের জ্যেষ্ঠ সদস্য) শপথ পরিচালনা করেন এবং নতুন স্পিকারকে শপথ করান।
এই প্রশ্নটি মূলত নবম জাতীয় সংসদ (২০০৯) সম্পর্কিত, যেখানে আবদুল হামিদ স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত হন। স্পিকার নিজেও একজন সংসদ সদস্য হওয়ায় এবং তিনিই বাকি সদস্যদের শপথ পাঠ করানোর দায়িত্বে থাকায়, তাকে প্রথমে নিজের কাছেই সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিতে হয়েছিল।
উল্লেখ্য, প্রশ্নপত্রে অষ্টম জাতীয় সংসদ (২০০১) উল্লেখ করা হলেও, স্পিকারের নিজেই নিজের কাছে শপথ নেওয়ার বিরল ও আলোচিত ঘটনাটি নবম জাতীয় সংসদের শুরুতে ঘটেছিল। সেই সময় আবদুল হামিদ স্পিকার ছিলেন।
যদি অপশনগুলোতে জমির উদ্দীন সরককার উল্লেখ থাকে, তবে তিনি ৮ম জাতীয় সংসদের স্পিকার ছিলেন, কিন্তু নিজের কাছে শপথ নেওয়ার ঘটনাটি আবদুল হামিদের সাথে বিশেষভাবে জড়িত।
70

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় কত সদস্যের উপস্থিতিতে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫৭ জন
  2. ৬০ জন
  3. ৬২ জন
  4. ৬৫ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সংবিধানের ৭৫(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “সংসদের বৈঠক চলাকালে কোনো সময়ে উপস্থিত সদস্য সংখ্যা ষাটের কম বলিয়া যদি সভাপতির দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ষাট জন সদস্য উপস্থিত না হওয়া পর্যন্ত বৈঠক স্থগিত রাখিবেন কিংবা মুলতবী করিবেন।” সুতরাং বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় ন্যূনতম ৬০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৬০ জন
এটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি সরাসরি প্রশ্ন। কোরাম বলতে বোঝায়— জাতীয় সংসদের কোনো বৈঠক বৈধভাবে পরিচালনার জন্য ন্যূনতম যত সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি অত্যাবশ্যকীয়।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫ অনুচ্ছেদের (২) উপ-অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন বৈধভাবে পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হয়।
যদি কোরামের অভাবে (৬০ জনের কম উপস্থিতি) অধিবেশন শুরু বা চলতে না পারে, তবে স্পিকার বা তার অনুপস্থিতিতে ডেপুটি স্পিকার অধিবেশন মুলতবি (Adjourn) বা স্থগিত (Suspend) ঘোষণা করেন।
71

শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিয়াম
  2. নায়েম
  3. টিটিসি
  4. ইউজিসি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিয়াম (BIAM) -এর পূর্ণরূপ বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। এ প্রতিষ্ঠানটি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ট্রেনিং প্রদান করে। নায়েম (NIEAM) -এর পূর্ণরূপ ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব এডুকেশনাল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট। এটি শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষা প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে ট্রেনিং প্রদান করে। টিটিসি (TTC) -এর পূর্ণরূপ হলো টিচার্স ট্রেনিং কলেজ। এটি বিএড ট্রেনিং প্রদান করে। ইউজিসি (UGC) হলো ইউনিভার্সিটি গ্র্যান্ট কমিশন বা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন। এটি সরকার ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে যোগাযোগ বা মধ্যস্থতা বিধান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নায়েম (NAEM)
NAEM-এর পূর্ণরূপ হলো National Academy for Educational Management। এটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, যা বাংলাদেশের শিক্ষা প্রশাসনের সকল স্তরের কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করে। এটিই শিক্ষা বিভাগের ট্রেনিংয়ের শীর্ষ (Apex) প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিবেচিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
বিয়াম (BIAM): এটি প্রশাসন ও ব্যবস্থাপনার প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকে, তবে এটি সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাপনার শীর্ষ প্রতিষ্ঠান নয়।
টিটিসি (TTC): এর পূর্ণরূপ হলো Teachers Training College। এটি মূলত স্কুল-কলেজের শিক্ষকদের পেশাগত প্রশিক্ষণ দেয়।
ইউজিসি (UGC): এর পূর্ণরূপ University Grants Commission। এটি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের তত্ত্বাবধান ও অর্থায়নের দায়িত্বে নিয়োজিত একটি সংস্থা, এটি সরাসরি প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান নয়।
72

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলে পরিচিত হবেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ (১)
  2. ৬ (২)
  3. 7
  4. 8

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র) -এর ৬ নং ধারায় নাগরিকের নাগরিকত্ব সম্পর্কে বলা হয়েছে। এ ধারার ৬(১) এ বলা হয়েছে “বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইনের দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হইবে” এবং (৬)২ এ বলা হয়েছে “বাংলাদেশের জনগণ জাতি হিসাবে বাঙালী এবং নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন।” ৭ ধারায় সংবিধানের প্রাধান্য এবং ৮ ধারায় রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির উল্লেখ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৬ (২)
বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ: মৌলিক অধিকার এর অধীন ৬ নং অনুচ্ছেদে নাগরিকত্বের কথা বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৬ (১) অনুযায়ী, বাংলাদেশের নাগরিকত্ব আইন দ্বারা নির্ধারিত ও নিয়ন্ত্রিত হবে।
কিন্তু, অনুচ্ছেদ ৬ (২) এ স্পষ্টভাবে বলা আছে যে, 'বাংলাদেশের নাগরিকগণ বাংলাদেশী বলিয়া পরিচিত হইবেন'। এটিই জাতিগত পরিচয়ের ভিত্তি।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল কারণ— ৭ নং অনুচ্ছেদ সংবিধানের প্রাধান্য সম্পর্কে এবং ৮ নং অনুচ্ছেদ রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করে।
73

কতজন ব্যক্তি নিয়ে গ্রাম সরকার গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯ জন
  2. ১১ জন
  3. ১৩ জন
  4. ১৫ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

একজন সরকারপ্রধান, একজন উপদেষ্টা ও ১৩ জন সদস্যের সমন্বয়ে মোট ১৫ জন ব্যক্তি নিয়ে গ্রাম সরকার গঠিত। সংশ্লিষ্ট ইউপি সদস্য সরকারপ্রধান এবং মহিলা সদস্য গ্রাম সরকারের উপদেষ্টা সদস্য হবেন। অবশিষ্ট ১৩ জন সদস্য গ্রামের বিভিন্ন শ্রেণীর লোকদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন। উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল ২০০৯ জাতীয় সংসদে গ্রাম সরকার (রহিতকরণ) বিল পাস হওয়ার মাধ্যমে গ্রাম সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ জন
গ্রাম সরকার (Gram Sarkar) গঠন করা হয়েছিল মূলত প্রতিটি গ্রামের জন্য একটি স্থানীয় প্রশাসনিক কাঠামো হিসেবে। ২০০৩ সালের গ্রাম সরকার আইন অনুযায়ী প্রতিটি গ্রাম সরকারে মোট ১৫ জন সদস্য থাকার বিধান ছিল।
এই ১৫ জনের মধ্যে একজন গ্রাম প্রধান (Village Head) এবং বাকি ১৪ জন সদস্য (পুরুষ ও মহিলা উভয়েই) থাকতেন।
উল্লেখ্য, গ্রাম সরকারের কাঠামোটি তৎকালীন ইউনিয়ন পরিষদের সমান্তরাল হওয়ায় এবং আইনি জটিলতার কারণে এটি নিয়ে বহু বিতর্ক সৃষ্টি হয়। তাই অন্য বিকল্পগুলো (৯, ১১, ১৩ জন) সঠিক নয়, কারণ স্থানীয় সরকার কাঠামোয় ১৩ জন সদস্য থাকে ইউনিয়ন পরিষদে (১ জন চেয়ারম্যান, ৯ জন সাধারণ সদস্য, ৩ জন সংরক্ষিত সদস্য)।
74

কোন আইন সংস্কার করে ‘র‌্যাব’ (Rapid Action Battalion) গঠন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিএমপি অ্যাক্ট ১৯৭৬
  2. ডিবি পুলিশ অ্যাক্ট ১৯৮৩
  3. র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ২০০৩
  4. আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭৯ সালের আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট সংশোধন করে গঠিত র‌্যাব আমর্ড পুলিশ ব্যাটালিয়নের মূল কাঠামোর অধীনে একটি অতিরিক্ত ব্যাটালিয়ন হিসেবে গণ্য হয় । ৬ জুন, ২০০৩ র‌্যাব বিল সংসদে পাস হয় এবং ৮ জুন, ২০০৩ রাষ্ট্রপতির স্বাক্ষরের মাধ্যমে আইনে পরিণত হয়। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় ২৬ মার্চ ২০০৪ ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯
র‌্যাব (Rapid Action Battalion) গঠন করার জন্য কোনো নতুন আইন (যেমন 'র‌্যাব অ্যাক্ট ২০০৩') প্রণয়ন করা হয়নি। বরং, একটি বিশেষায়িত বাহিনী হিসেবে র‌্যাবকে আইনি ভিত্তি দিতে ২০০৩ সালে বিদ্যমান আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট, ১৯৭৯-কে (Armed Police Battalion Act, 1979) সংশোধন (Amendment) করা হয়।
এই সংশোধনের ফলে APBn আইনের আওতায় একটি নতুন ব্যাটালিয়ন হিসেবে র‌্যাব প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
অপশন 'র‌্যাপিড একশন ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ২০০৩' বিভ্রান্তিকর। যদিও এটি ২০০৩ সালে গঠিত, কিন্তু আইনে এর ভিত্তি ছিল আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন অ্যাক্ট ১৯৭৯
75

বেসরকারি বিল কাকে বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্পিকার যে বিলকে বেসরকারি বলে ঘোষণা দেন
  2. সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল
  3. বিরোধী দলের সদস্যদের উত্থাপিত বিল
  4. রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ঘোষিত বিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মন্ত্রী ছাড়া অন্য সংসদ সদস্য কর্তৃক উত্থাপিত বিলকে বেসরকারি বিল বলে। সংসদের ৭২(১) বিধি অনুসারে মন্ত্রী ব্যতীত সকল সংসদ সদস্য সংসদে বেসরকারি বিল উত্থাপনের নোটিশ দিতে পারে। উল্লেখ্য, সংসদে মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের উত্থাপিত বিলকে সরকারি বিল বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল
জাতীয় সংসদে উত্থাপিত বিল প্রধানত দুই প্রকার: সরকারি বিল এবং বেসরকারি বিল
যদি কোনো বিল মন্ত্রী বা প্রতিমন্ত্রী (অর্থাৎ, মন্ত্রিসভার সদস্য) কর্তৃক সংসদে উত্থাপিত হয়, তবে তাকে সরকারি বিল (Government Bill) বলা হয়।
অন্যদিকে, যদি কোনো বিল মন্ত্রী বাদে অন্য কোনো সাধারণ সংসদ সদস্য (Minister-ব্যতীত যে কোনো MP), তা তিনি সরকারি দল বা বিরোধী দলেরই হোন না কেন, কর্তৃক উত্থাপিত হয়, তবে তাকে বেসরকারি বিল (Private Member's Bill) বলা হয়।
প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে 'সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিল' বলতে মন্ত্রী ব্যতীত অন্য সংসদ সদস্যদের উত্থাপিত বিলকেই বোঝানো হয়, যা সংজ্ঞাগতভাবে বেসরকারি বিল
76

‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 27
  2. 28
  3. 30
  4. 47

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকার-এর ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ অংশে ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। অন্যদিকে ২৮নং অনুচ্ছেদে ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদি বিষয়ে বৈষম্য, ৩০নং অনুচ্ছেদে বিদেশী খেতাব ইত্যাদি গ্রহণ, নিষিদ্ধকরণ এবং ৪৭নং অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই অনুচ্ছেদটি সন্নিবেশিত আছে।
অনুচ্ছেদ ২৭-এ বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী”। এটি আইনের শাসন (Rule of Law) প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কেন:
২৮ নং অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদটি ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না—এই বিষয়টি নিশ্চিত করে।
৩০ নং অনুচ্ছেদ: এটি রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো নাগরিক কর্তৃক বিদেশি রাষ্ট্রের কোনো উপাধি, সম্মান বা পদক গ্রহণ নিষিদ্ধ করে।
৪৭ নং অনুচ্ছেদ: এটি কিছু আইনের হেফাজত (Savings as to certain laws) সম্পর্কিত।
77

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ২০০২
  2. ৯ এপ্রিল, ২০০২
  3. ১৮ মার্চ, ২০০২

  4. ৩ এপ্রিল, ২০০২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাস্তাঘাটে বিশৃঙ্খলা, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার জন্য জাতীয় সংসদে ২০০২ সালের ৭ এপ্রিল ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) বিল ২০০২’ উত্থাপন করা হয়। ৪ এপ্রিল এ আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং ৯ এপ্রিল তা পাস হয়। এ আইনে অপরাধীদের ২ থেকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯ এপ্রিল, ২০০২
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনটি (The Law and Order Disruption (Speedy Trial) Act, 2002) দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এটি মূলত একটি অস্থায়ী আইন যা পরে জাতীয় সংসদে পাস করা হয়।
আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয় নির্দিষ্ট তারিখে, যা হলো ৯ এপ্রিল, ২০০২
এটি মূলত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
78

বাংলাদেশে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কে আহ্বান করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সংবিধানের ৭২ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন। উল্লেখ্য, উক্ত ধারা অনুসারে সরকারি বিজ্ঞপ্তি দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ স্থগিত ও ভঙ্গ করতে পারেন এবং প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করতে পারেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করার ক্ষমতা কেবলমাত্র রাষ্ট্রপতি-এর উপর ন্যস্ত। রাষ্ট্রপতি তাঁর ইচ্ছামতো সংসদ আহ্বান করতে পারেন, তবে প্রধানমন্ত্রী তাঁকে পরামর্শ দেন।
রাষ্ট্রপতি শুধু অধিবেশন আহ্বানই করেন না, তিনি সংসদ স্থগিত (Prorogue) এবং ভেঙেও (Dissolve) দিতে পারেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ স্পিকার সংসদ পরিচালনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী নির্বাহী বিভাগের প্রধান। অধিবেশন আহ্বানের সাংবিধানিক ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির।
79

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 137
  2. 136
  3. 138
  4. ১৪০ (২)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭-১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১৩৭ নং ধারায় বলা হয়েছে, “আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেইরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগে (১১) সরকারি কর্মবিভাগ এবং কর্মকমিশন সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে।
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (Bangladesh Public Service Commission - PSC) গঠিত হবে। এই অনুচ্ছেদটিই পিএসসি'র সাংবিধানিক ভিত্তি।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত:
১৩৬ অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণের ক্ষমতা (সংসদ বা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক)।
১৩৮ অনুচ্ছেদ: কমিশনের সদস্য নিয়োগ সম্পর্কিত বিধান।
১৪০ (২) অনুচ্ছেদ: কমিশনের দায়িত্বাবলী সম্পর্কিত।
80

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৯টি
  2. ৫টি
  3. ২২টি

  4. ২১টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি। ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ইকনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করায় বর্তমানে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা হয় ২৬টি।

ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: BCS-এর এই প্রশ্নে অপশন ও নির্বাচিত উত্তরটি (৫টি) বর্তমানে সঠিক নয়। বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে ক্যাডারের সংখ্যা নিয়ে প্রায়শই ভুল তথ্য প্রচারিত হয়।
বর্তমানে (৪৪তম বিসিএস প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা হলো ২৬টি (যা বর্তমানে কার্যকর)। যদিও সরকারি গেজেটে মাঝে মাঝে এটি ২৭ বা ২৮ হিসেবেও দেখা যায়, তবে প্রচলিত ও সর্বাধিক গৃহীত সংখ্যা হলো ২৬
এই ২৬টি ক্যাডারকে প্রধানত ৪টি প্রধান ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো:
১. সাধারণ বা জেনারেল ক্যাডার (যেমন: প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, কর, শুল্ক)।
২. কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার (যেমন: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, সড়ক ও জনপথ)।
৩. শিক্ষা ক্যাডার
৪. স্বাস্থ্য ক্যাডার
যেহেতু প্রশ্নপত্রে ৫টি অপশনটি সঠিক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন অথবা এটি পূর্বে প্রবর্তিত কোনো অপ্রচলিত, ভিন্ন প্রশাসনিক বিভাজনকে ইঙ্গিত করে। BCS-এর জন্য আপনাকে অবশ্যই মোট ২৬টি ক্যাডার ও ৪টি ক্যাটাগরি তথ্যটি মুখস্থ করতে হবে।
81

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৯টি

  2. ২২টি
  3. ২১টি
  4. ৫টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৯টি। বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS)-এ বর্তমানে মোট ২৯টি ক্যাডার বিদ্যমান। এটি বিসিএস পরীক্ষার একটি অতি মৌলিক ও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
এই ২৯টি ক্যাডার মূলত দুটি প্রধান ভাগে বিভক্ত: সাধারণ ক্যাডার (General Cadre) এবং পেশাগত/কারিগরি ক্যাডার (Professional/Technical Cadre)। এই ক্যাডারগুলোই সরকারের বিভিন্ন প্রশাসনিক ও কারিগরি ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়ন করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো (২২টি, ২১টি, ৫টি) ভুল। তবে মনে রাখতে হবে, প্রথম ১০টি ক্যাডার সাধারণত সাধারণ ক্যাডারের অন্তর্ভুক্ত।
82

বাংলাদেশের সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদ বলে রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান তৈরির ক্ষমতা পায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25
  2. 28

  3. 40
  4. 42

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৮। বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই অনুচ্ছেদটি নাগরিকদের সমতার অধিকার নিয়ে আলোচনা করে।
অনুচ্ছেদ ২৮(৪)-এ স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ‘নারী বা শিশুদের অনুকূলে কিংবা নাগরিকদের যে কোনো অনগ্রসর অংশের অগ্রগতির জন্য বিশেষ বিধান প্রণয়ন করা হইতে রাষ্ট্রকে নিবৃত্ত করিবে না।’
অর্থাৎ, রাষ্ট্র নারী, শিশু বা অনগ্রসর নাগরিকদের সমাজে এগিয়ে নেওয়ার জন্য ইতিবাচক পদক্ষেপ (বিশেষ বিধান বা কোটা) নিতে পারে এবং এটি মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন বলে গণ্য হবে না।
ভুল উত্তরসমূহ কেন ভুল:
অনুচ্ছেদ ২৫: আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন (পররাষ্ট্র নীতি সংক্রান্ত)।
অনুচ্ছেদ ৪০: পেশা বা বৃত্তির স্বাধীনতা সংক্রান্ত।
অনুচ্ছেদ ৪২: সম্পত্তির অধিকার সংরক্ষণ সংক্রান্ত (যা পূর্বে মৌলিক অধিকার ছিল, বর্তমানে আইনগত অধিকার)।
83

প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ ব্যতীত কোন কাজ এককভাবে করতে পারেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ
  2. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
  3. অডিটর জেনারেল নিয়োগ
  4. পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান নিয়োগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

[অনুচ্ছেদ ৯৫(১)] প্রধান বিচারপতিকে নিয়োগ প্রদান করেন রাষ্ট্রপতি। সংবিধানের ৪৮ (৩) দফা অনুসারে দুটি কাজ রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রীর পূর্ব পরামর্শ ছাড়া করতে পারেন। যেমন: ক. প্রথমত, রাষ্ট্রপতি ৫৬ নম্বর অনুচ্ছেদের (৩) দফা অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীন। খ. দ্বিতীয়, রাষ্ট্রপতি ৯৫ নম্বর অনুচ্ছেদের (১) দফা অনুসারে প্রধান বিচারপতি নিয়োগ প্রদানের ক্ষেত্রে স্বাধীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪৮(৩) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি দুটি ক্ষেত্র ব্যতীত অন্য সকল কার্য সম্পাদনে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ গ্রহণ করতে বাধ্য থাকেন।
এই দুটি ব্যতিক্রমী ক্ষেত্র বা একক ক্ষমতা হলো:
১. প্রধানমন্ত্রী নিয়োগ
২. প্রধান বিচারপতি নিয়োগ (অনুচ্ছেদ ৯৫ অনুযায়ী)।
সুতরাং, প্রধানমন্ত্রী নিয়োগের বাইরে রাষ্ট্রপতি এককভাবে যে কাজটি করতে পারেন, তা হলো প্রধান বিচারপতি নিয়োগ
অন্যান্য নিয়োগ, যেমন: প্রধান নির্বাচন কমিশনার (অনুচ্ছেদ ১১৮), অডিটর জেনারেল (অনুচ্ছেদ ১২৭) এবং পাবলিক সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান (অনুচ্ছেদ ১৩৮)—এগুলো রাষ্ট্রপতি দ্বারা সম্পন্ন হলেও, এগুলো প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমেই করা হয়। এগুলোতে রাষ্ট্রপতির একক বা স্বেচ্ছাধীন ক্ষমতা নেই।
84

বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর উদ্দেশ্য কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জরুরি অবস্থা ঘোষণা
  2. মহিলাদের জন্য সংসদের আসন সংরক্ষণ
  3. সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠা
  4. ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯৩ হাজার যুদ্ধবন্দীর বিচার অনুষ্ঠান
বাংলাদেশের সংবিধানের প্রথম সংশোধনীটি ১৯৭৩ সালের ১৫ জুলাই জাতীয় সংসদে পাস হয়।
এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ, যুদ্ধাপরাধ এবং অন্যান্য গুরুতর অপরাধের বিচার করার জন্য প্রয়োজনীয় আইনগত ভিত্তি তৈরি করা
এর মাধ্যমে সংবিধানের তৃতীয় খণ্ডের ৪৭ অনুচ্ছেদে ৪৭(৩) উপ-অনুচ্ছেদটি যুক্ত করা হয়, যা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে মৌলিক অধিকারের সুরক্ষা সীমিত করার বিধান করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসনের বিধান যোগ করা হয় চতুর্থ সংশোধনীর (১৯৭৫) মাধ্যমে এবং জরুরি অবস্থা সংক্রান্ত বিধান আসে দ্বিতীয় সংশোধনীর (১৯৭৩) মাধ্যমে।
85

জাতীয় সংসদে ফোরাম হয় কত জনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬০ জনে
  2. ৯০ জনে
  3. ৭৫ জনে
  4. ৫০ জনে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে কোরাম হয় নূন্যতম ৬০ জন সদস্য উপস্থিত থাকলে। ৬০ জনের কম উপস্থিত থাকলে স্পিকার বৈঠক স্থগিত করে ৫ মিনিট সময় ধরে সংসদের ঘণ্টা বাজান এতেও কোরাম না হলে স্পিকার বৈঠক মুলতবি ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৬০ জনে। জাতীয় সংসদের অধিবেশন বৈধভাবে শুরু ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ন্যূনতম যে সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি প্রয়োজন, তাকেই কোরাম (Quorum) বা ফোরাম বলা হয়।
বাংলাদেশের সংবিধানের ৭৫(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংসদের কোরামের জন্য কমপক্ষে ৬০ জন সদস্যের উপস্থিতি আবশ্যক।
যদি কোনো অধিবেশনে স্পিকারের দৃষ্টিতে আসে যে, ৬০ জনের কম সদস্য উপস্থিত আছেন, তবে স্পিকার ঘন্টা বাজিয়ে গণনা করে অধিবেশনটি স্থগিত (Adjourned) ঘোষণা করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ৯০ জন, ৭৫ জন) ভুল, কারণ সংবিধানে সুস্পষ্টভাবে ৬০ জন সংখ্যাটি নির্ধারণ করা আছে।
86

তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আইনটি জাতীয় সংসদে কবে পাস করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১ জানুয়ারি, ১৯৯১
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯২
  3. ২৭ মার্চ, ১৯৯৬

  4. ২৮ এপ্রিল, ১৯৯৭

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৭ মার্চ, ১৯৯৬
দীর্ঘ রাজনৈতিক আন্দোলনের ফলশ্রুতিতে জাতীয় সংসদ তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তনের জন্য সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বিলটি ১৯৯৬ সালের ২৭ মার্চ তারিখে পাস করে।
রাষ্ট্রপতি এই বিলটিতে ২৩ মার্চ, ১৯৯৬ তারিখে সম্মতি (গেজেট) প্রদান করলে এটি কার্যকর হয় এবং ঐ বছরই প্রথম তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
87

বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৮ বছর
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ (নির্বাচন) এর ১২২(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী যেকোনো সুস্থ নাগরিক ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অধিকার রাখেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO) ১৯৭২ এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলো এই বিধানকেই অনুসরণ করে। অর্থাৎ, নির্বাচনের দিন কোনো নাগরিকের বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তবে তিনি ভোট দিতে পারবেন।
88

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কোন তারিখ থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানুয়ারি ১০, ১৯৭৩
  2. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
  3. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
  4. অক্টোবর ১১, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২। এই তারিখেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর বা প্রবর্তিত (Enforced) হয়।
সংবিধান কার্যকর করার জন্য ১৬ ডিসেম্বর তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ এই দিনটি আমাদের বিজয় দিবস
অন্যদিকে, অপশনসমূহে থাকা নভেম্বর ৪, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদ কর্তৃক সংবিধানটি গৃহীত (Adopted/Passed) হয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এই দুটি তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক, তাই এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
89

বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপরিবর্তিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. একাদশ
  4. দ্বাদশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপরিবর্তিত হয়। এটি ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দ্বাদশ সংশোধনী
১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী বিলটি পাশ হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার (Presidential System) পরিবর্তে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা (Parliamentary System) পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারের নির্বাহী প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি হলেন সাংবিধানিক বা নামমাত্র প্রধান।
উল্লেখ্য, এর আগে চতুর্থ সংশোধনীর (১৯৭৫) মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় ব্যবস্থা বাতিল করে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
90

বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদের (খ)-তে বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়’। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮ বছর। এটি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রাপ্তির সংবিধানসম্মত ন্যূনতম বয়স
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ (নির্বাচন)-এর অনুচ্ছেদ ১২২(২) অনুযায়ী, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া প্রত্যেক বাংলাদেশী নাগরিক ভোটার হওয়ার এবং ভোট প্রদানের অধিকার লাভ করেন।
এই বয়সসীমা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO), 1972 দ্বারাও সমর্থিত।
অপশন ১৬ বছর ভুল কারণ এই বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হলেও ভোট দেওয়ার অধিকার পাওয়া যায় না।
বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশেই প্রাপ্তবয়স্কতা এবং ভোটাধিকারের বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
91

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20
  2. 25
  3. 30
  4. 40

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ থেকেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সে সময় সংরক্ষিত আসন ছিল ১৫ টি। সংবিধানের চতুদর্শ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৫ এবং পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়েছে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত আসন আরও ২৫ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে কারণ প্রদত্ত অপশন সেটটি আধুনিক তথ্য অনুযায়ী ভুল
বর্তমানে (২০২৪ সাল পর্যন্ত), বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা হলো ৫০টি (ফিফটি)।
এই ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিধান আনা হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে।
সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদে এই সংরক্ষিত আসনের কথা বলা আছে। এই আসনে নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, বরং সংসদের সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্যের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে নারীদের মনোনীত/নির্বাচন করা হয়।
92

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নভেম্বর ১২, ১৯৯৭
  2. ডিসেম্বর ২, ১৯৯৭
  3. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৯৭
  4. ডিসেম্বর ২৫, ১৯৯৭

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পাহাড়িদের স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে সংরক্ষণশীল নীতিভিত্তিক কিছু সুবিধা নিশ্চিত করা হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত এ শান্তিচুক্তির মাধ্যমে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পাহাড়িদের প্রতিনিধিত্ব করেন সন্তু লারমা ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডিসেম্বর ২, ১৯৯৭
ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিটি ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার এবং পাহাড়িদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS)-এর মধ্যে সম্পাদিত হয়।
এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পার্বত্য অঞ্চলে প্রায় দুই দশক ধরে চলা সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে সেখানে স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা।
এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা
অন্যান্য তারিখগুলো (নভেম্বর ১২, ডিসেম্বর ১৬, ডিসেম্বর ২৫) এই চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, যদিও ডিসেম্বর ১৬ বাংলাদেশের বিজয় দিবস হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
93

বাংলাদেশের সংবিধানের ২১(২) ধারায় বলা হয়েছে “সকল সময়ে _____ চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।” শূন্যস্থান পূরণ করুন।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জনগণের সেবা করিবার
  2. রাষ্টের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  3. সরকারের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার
  4. সংবিধানের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করিবার

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জনগণের সেবা করিবার
বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ ভাগের, প্রথম পরিচ্ছেদের, ২১(২) অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য সম্পর্কে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
ধারা ২১(২) এর সম্পূর্ণ পাঠ হলো: “সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য।”
এটি প্রমাণ করে যে, প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী বা সরকারি চাকুরেদের প্রধানতম লক্ষ্য হবে জনগণের স্বার্থ রক্ষা ও সেবা প্রদান করা। অন্য অপশনগুলো (রাষ্ট্র/সংবিধানের প্রতি আনুগত্য) একজন নাগরিক ও কর্মচারী উভয়েরই কর্তব্য হলেও ২১(২) ধারাটি সরাসরি জনসেবাকেই নির্দেশ করে।
94

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স কত দরকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩০ বছর
  2. ২৫ বছর

  3. ৩৫ বছর
  4. ৪০ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান


ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ২৫ বছর
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি সরাসরি প্রধানমন্ত্রী পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন না। প্রধানমন্ত্রী হতে হলে তাঁকে অবশ্যই জাতীয় সংসদের সদস্য (এমপি) নির্বাচিত হতে হয়।
সংবিধানের ৬৬ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্য নির্বাচিত হওয়ার জন্য ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর হতে হবে।
যেহেতু প্রধানমন্ত্রীকে সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ সদস্যদের আস্থাভাজন হতে হয় এবং রাষ্ট্রপতির দ্বারা নিযুক্ত হন (সংবিধানের ৫৬(২) অনুচ্ছেদ), তাই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ন্যূনতম যোগ্যতাগত বয়স হলো ২৫ বছর
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ৩৫ বছর হলো রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার ন্যূনতম বয়স। ৩০ বছর বা ৪০ বছর প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য সংবিধানে নির্দিষ্ট করা নেই।
95

বর্তমান সরকার কয়টি স্তরে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠার চিন্তা ভাবনা করছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি স্তরে
  2. ৩টি স্তরে
  3. ২টি স্তরে
  4. ১টি স্তরে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে বর্তমানে গ্রামাঞ্চলে মোট তিন স্তরের স্থানীয় সরকার কাঠামো রয়েছে- প্রথম স্তর : ইউনিয়ন পরিষদ, দ্বিতীয় স্তর : উপজেলা পরিষদ ও তৃতীয় স্তর : জেলা পরিষদ। আর শহরাঞ্চলে রয়েছে দুই ধরনের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা- ১. পৌরসভা ২. সিটি কর্পোরেশন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩টি স্তরে
বর্তমান সরকার বাংলাদেশে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে প্রশাসনিক কাঠামোয় তিনটি স্তরে প্রতিষ্ঠার চিন্তা ভাবনা করছেন। এই ৩টি স্তর হলো—
১. জেলা পরিষদ (Zilla Parishad)
২. উপজেলা পরিষদ (Upazila Parishad)
৩. ইউনিয়ন পরিষদ (Union Parishad)
যদিও বর্তমানে সিটি কর্পোরেশন ও পৌরসভাগুলোও স্থানীয় সরকারের অংশ, কিন্তু প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের মূল কাঠামোয় গ্রাম-ভিত্তিক এই তিনটি স্তরকে মৌলিক একক হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়, যা সরকারের চিন্তাভাবনার মূল ভিত্তি।
96

An Ordinance is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a book
  2. an arms factory
  3. a news paper journal
  4. a law

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ordinance - অধ্যাদেশ, বিশেষ ক্ষমতা বলে প্রণীত আইন। কাজেই এটি (ঘ) এর law বা আইন এর সমার্থক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a law (একটি আইন)
Ordinance (অর্ডিন্যান্স) শব্দের অর্থ হলো অধ্যাদেশ। এটি সাধারণত নির্বাহী বিভাগ (রাষ্ট্রপতি/গভর্নর) কর্তৃক জারি করা এক ধরনের সাময়িক আইন
যখন জাতীয় সংসদের অধিবেশন থাকে না এবং জরুরি ভিত্তিতে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়, তখন রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর এটি সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের সমতুল্য ক্ষমতা বহন করে। তবে এর কার্যকারিতা স্থায়ী নয়; সংসদ বসার পর একে অনুমোদন করাতে হয়।
97

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 13

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভের মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপরিবর্তিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২ নম্বর সংশোধনী
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনী (১২তম)-এর মাধ্যমে। এটি পাস হয় ৬ আগস্ট, ১৯৯১ এবং কার্যকর হয় ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১
এই সংশোধনীকে Referendum Act-এর মাধ্যমে গণভোটে পাস করানো হয়, যেখানে জনগণ রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে রায় দেয়।
এর ফলে বাংলাদেশের সরকার প্রধান হন প্রধানমন্ত্রী, এবং রাষ্ট্রপতি হন রাষ্ট্রের প্রতীকী প্রধান (Constitutional Head)।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ: ১০ম সংশোধনী মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংক্রান্ত; ১১শ সংশোধনী বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রধান বিচারপতির পদে ফিরে যাওয়া সংক্রান্ত; এবং ১৩শ সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) সংক্রান্ত।
98

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭ নভেম্বর, ১৯৮২ সাল থেকে কার্যকরী স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ ১৯৮২ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। পরবর্তীতে অবশ্য উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৯২ সালে উপজেলা ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘোষণা করে। ৩০ জুন, ২০০৮ রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ জারি করেন। এ অধ্যাদেশের আলোকেই ২২ জানুয়ারি, ২০০৯ অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। দেশে সর্বশেষ পঞ্চম উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯২ সালে
১৯৮২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম স্তর হিসেবে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন (প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৮৫ সালে)।
১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) সরকার এই ব্যবস্থাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের নভেম্বর মাসে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি পাস হয় এবং এর মাধ্যমে এই প্রশাসনিক স্তরটি সাময়িকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
99

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত আসনে মহিলা সদস্যের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30
  2. 32
  3. 35
  4. 40

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ থেকেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সে সময় সংরক্ষিত আসন ছিল ১৫ টি। সংবিধানের দশম সংশোধনীর মাধ্যমে ৩০। চতুদর্শ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৫ এবং পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়েছে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত আসন আরও ২৫ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো, বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের নির্ধারিত মহিলা সদস্যের সংখ্যা ৫০ (পঞ্চাশ)
প্রদত্ত বিকল্পগুলোতে ৫০ না থাকায় প্রশ্নটি অসম্পূর্ণ বা পুরনো তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। তবে, যেহেতু বিকল্প (৪) এ ৪০ দেওয়া আছে, এবং এটিই ইনপুট ডেটা অনুযায়ী সঠিক, ধরে নিতে হবে প্রশ্নটি একটি ভুল সোর্স থেকে নেওয়া।
সাংবিধানিকভাবে, জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩০০টি (সরাসরি নির্বাচিত) এবং ৫০টি (সংরক্ষিত মহিলা আসন, পরোক্ষভাবে নির্বাচিত)।
মোট আসন সংখ্যা ৩৫০টি
সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০-এ উন্নীত করা হয়েছে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) দ্বারা, যা কার্যকর হয়েছে দশম জাতীয় সংসদ থেকে।
100

বাংলাদেশের সংবিধান সর্বপ্রথম কোন তারিখে গণপরিষদে উত্থাপিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২ অক্টোবর, ১৯৭২
বাংলাদেশের সংবিধানের খসড়া বিলটি সর্বপ্রথম গণপরিষদে উত্থাপন করা হয় ১২ অক্টোবর, ১৯৭২ তারিখে।
গণপরিষদে সংবিধান উত্থাপন করেন তত্কালীন আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
তিনিই ছিলেন সংবিধান প্রণয়ন কমিটির প্রধান (মোট সদস্য ৩৪ জন)।
উল্লেখ্য, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ তারিখটি হলো সংবিধান কার্যকরের দিন। এটি উত্থাপনের তারিখ নয়, তাই ভুল।
সংবিধান তৈরির প্রক্রিয়াটি শুরু হয় এরও আগে, যখন ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন করা হয়।
101

বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. ২ মার্চ
  4. ৪ মার্চ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের তোপে ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিএনপি জয়লাভ করে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৭ ফেব্রুয়ারি
স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ছিল সামরিক শাসন পরবর্তী সময়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।
102

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
  2. ১৬ ডিসেস্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তিত বা কার্যকর হয়। অর্থাৎ, এই তারিখ থেকেই সংবিধানের সমস্ত আইন ও বিধি বাংলাদেশে বলবৎ হয়।
এই তারিখটি বেছে নেওয়ার কারণ ছিল, এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিজয় বার্ষিকী। সংবিধানকে বিজয়ের দিনে কার্যকর করার মাধ্যমে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ঘটনার তারিখ নয়।
103
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা সংবিধানের কত অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৫
  2. ২৬
  3. ২৭
  4. ২৮

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ২৫

বাংলাদেশের সংবিধানের ২৫ নং অনুচ্ছেদে আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন এবং পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

• অনুচ্ছেদ ২৬: মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্য আইন বাতিল।
• অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
• অনুচ্ছেদ ২৮: ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ ভেদে বৈষম্য নিষিদ্ধ।
104
অ্যাটর্নি জেনারেল রাষ্ট্রের কোন অংশের কর্মকর্তা?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  2. বিচার বিভাগ
  3. নির্বাহী বিভাগ
  4. মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: নির্বাহী বিভাগ

অ্যাটর্নি জেনারেল বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেও তিনি মূলত নির্বাহী বিভাগের (Executive) অংশ। সংবিধানের ৬৪ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি তাঁকে নিয়োগ দেন এবং তিনি রাষ্ট্রপতির সন্তুষ্টি অনুযায়ী স্বপদে বহাল থাকেন। যদিও তিনি আদালতে রাষ্ট্রের পক্ষে লড়েন, কিন্তু প্রশাসনিকভাবে তিনি বিচার বিভাগের অংশ নন।

ব্যাখ্যা

বিচার বিভাগের বিচারকরা স্বাধীন, কিন্তু অ্যাটর্নি জেনারেল সরকার বা নির্বাহী বিভাগের প্রতিনিধিত্ব করেন।
105
বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়ন কমিটির একমাত্র নারী সদস্য কে ছিলেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাজেদা চৌধুরী
  2. রাজিয়া বানু
  3. রাফিয়া আক্তার ডলি
  4. নূরজাহান মোর্শেদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাজিয়া বানু

১৯৭২ সালে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গঠিত ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু

ব্যাখ্যা

কমিটির প্রধান: ড. কামাল হোসেন।
একমাত্র বিরোধী দলীয় সদস্য: সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।
106
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার কত শতাংশ ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪০.৮
  2. ৪০.৯
  3. ৪১.৬
  4. ৪১.৮

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৪১.৮

ব্যাখ্যা: ৭ জানুয়ারি ২০২৪ দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী এই নির্বাচনে ভোটার উপস্থিতির হার ছিল ৪১.৮%

ব্যাখ্যা

নির্বাচন কমিশন ঘোষিত চূড়ান্ত ফলাফলের তথ্য অনুযায়ী সঠিক উত্তর ৪১.৮%।
107
বাংলাদেশ সংবিধানের কত নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯৫
  2. ৯৬
  3. ৯৭
  4. ৯৮

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৯৫

ব্যাখ্যা: বাংলাদেশ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে— 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচারপতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।'

ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ৯৫ বিচারক নিয়োগ সংক্রান্ত।
108
কোন অনুচ্ছেদ মূলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৮
  3. অনুচ্ছেদ ৭(ক)
  4. অনুচ্ছেদ ৭(খ)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: অনুচ্ছেদ ৭(খ)
বাংলাদেশ সংবিধানের ৭(খ) অনুচ্ছেদে সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলি পরিবর্তনযোগ্য নয় বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের অন্যান্য মৌলিক কাঠামো সংক্রান্ত বিধানাবলি কোনোভাবেই সংযোজন, পরিবর্তন, প্রতিস্থাপন, রহিতকরণ বা অন্য কোনো উপায়ে সংশোধন করা যাবে না।
উল্লেখ্য, অনুচ্ছেদ ৭-এ সংবিধানের প্রাধান্য এবং অনুচ্ছেদ ৭(ক)-এ সংবিধান বাতিল বা স্থগিতকরণ অপরাধ হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

৭(খ) অনুচ্ছেদটি পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে যুক্ত করা হয়, যা সংবিধানের 'মৌলিক কাঠামো' (Basic Structure) সুরক্ষার কবচ হিসেবে কাজ করে।
109
বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষাকর্তা—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রেসিডেন্ট
  2. জাতীয় সংসদ
  3. বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
  4. হাই কোর্ট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের রক্ষাকর্তা (Guardian of the Constitution)। সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের ব্যাখ্যা প্রদানকারী ও অভিভাবক হওয়ায় এর ক্ষমতা ও কার্যব্যাপ্তি ব্যাপক।
সুপ্রিম কোর্ট সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক সব কিছুকেই অবৈধ ঘোষণা করতে পারে। এটি দেশের সর্বোচ্চ আদালত এবং সকল আদালতের কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে।

ব্যাখ্যা

আইন বিভাগ (সংসদ) আইন তৈরি করে, কিন্তু সেই আইন সংবিধান সম্মত কি না, তা দেখার দায়িত্ব বিচার বিভাগের (সুপ্রিম কোর্ট)। এজন্য একে সংবিধানের অভিভাবক বলা হয়।
110
তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের যে সংশোধন বাতিল করতে হবে—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঞ্চদশ
  2. দ্বাদশ
  3. একাদশ
  4. ত্রয়োদশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: পঞ্চদশ
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রবর্তনের জন্য সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধন বাতিল করতে হবে। কারণ, ২০১১ সালের ৩০ জুন পাস হওয়া পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমেই তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বাতিল করা হয়েছিল।
সুতরাং, এই ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে হলে যেই সংশোধনীর মাধ্যমে এটি বাতিল করা হয়েছে (অর্থাৎ ১৫তম সংশোধনী), তা বাতিল বা সংশোধন করতে হবে।

ব্যাখ্যা

ত্রয়োদশ সংশোধনীর (১৯৯৬) মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা চালু হয়েছিল। কিন্তু পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১) সেটিকে বাতিল করে দেয়।
111

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা কবে শপথ গ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০২৪ সালের ০৫ আগস্ট
  2. ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট
  3. ২০২৪ সালের ০৬ আগস্ট
  4. ২০২৪ সালের ০৯ আগস্ট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: ২০২৪ সালের ০৮ আগস্ট

বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং অন্যান্য উপদেষ্টাগণ ৮ আগস্ট ২০২৪ তারিখে শপথ গ্রহণ করেন। তাদেরকে শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।

ব্যাখ্যা

ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মুখে ৫ আগস্ট ২০২৪ শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশত্যাগ করেন।
পরবর্তীতে ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়।
112

বাংলাদেশে মোট কতবার জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ বার
  2. ৩ বার
  3. ৪ বার
  4. ৭ বার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ৫ বার

বাংলাদেশের ইতিহাসে মোট ৫ বার (১৯৭৪, ১৯৮০, ১৯৮১, ১৯৯০, ২০০৭) জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। এগুলো সবই অভ্যন্তরীণ বিশৃঙ্খলার কারণে ঘোষণা করা হয়েছে, যা সংবিধানের অনুচ্ছেদ ১৪১(ক)-এর অধীনে রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার মধ্যে পড়ে।

ব্যাখ্যা

প্রথম জরুরি অবস্থা: ১৯৭৪ (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান)।
সর্বশেষ জরুরি অবস্থা: ১১ জানুয়ারি ২০০৭ (ফখরুদ্দীন আহমদ সরকার)।
113

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো—

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিকেন্দ্রীভূত
  2. ফেডারেল
  3. রাজতান্ত্রিক
  4. কেন্দ্রীভূত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কেন্দ্রীভূত

বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামো হলো কেন্দ্রীভূত। প্রশাসনিক কাঠামো স্তরভিত্তিক। এর দুটি প্রধান স্তর আছে। প্রথম স্তরটি হলো কেন্দ্রীয় প্রশাসন (সচিবালয়), যেখানে দেশের সব ধরনের প্রশাসনিক নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। দ্বিতীয় স্তরটি হলো মাঠ প্রশাসন।

ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ একটি 'একক' (Unitary) প্রজাতন্ত্র, তাই এর প্রশাসন প্রকৃতিগতভাবে কেন্দ্রীভূত।
মাঠ প্রশাসনের স্তরগুলো: বিভাগ \rightarrow জেলা \rightarrow উপজেলা। এরা মূলত কেন্দ্রের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করে।
114
জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা নিশ্চিতকরণে রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে-এ বিষয়ে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে উল্লেখ রয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ-২১
  2. অনুচ্ছেদ-১৮
  3. অনুচ্ছেদ-২৮
  4. অনুচ্ছেদ-২৬

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: (খ) অনুচ্ছেদ-১৮

ব্যাখ্যা:
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৮(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, "জনগণের পুষ্টিস্তর-উন্নয়ন ও জনস্বাস্থ্যের উন্নতিসাধনকে রাষ্ট্র অন্যতম প্রাথমিক কর্তব্য বলিয়া গণ্য করিবে..." এবং ১৮(২) অনুচ্ছেদে গণিকালয় ও জুয়াখেলা নিরোধের কথা বলা হয়েছে যা নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত।

ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ-২১: নাগরিক ও সরকারি কর্মচারীদের কর্তব্য।
অনুচ্ছেদ-২৮: ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদে বা জন্মস্থানের কারণে বৈষম্যহীনতা।
অনুচ্ছেদ-২৬: মৌলিক অধিকারের সাথে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল।
115
‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ বিষয়টি— সংবিধান মতে—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নৈতিক বিষয়
  2. মানবাধিকার
  3. মৌলিক অধিকার
  4. নিয়োগ ও কর্মের শর্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: মৌলিক অধিকার
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) ২৯ নং অনুচ্ছেদে ‘সরকারি নিয়োগ-লাভে সুযোগের সমতা’ বিষয়টি বর্ণিত হয়েছে।
২৯(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভে সকল নাগরিকের জন্য সুযোগের সমতা থাকবে। এটি একটি সাংবিধানিক ও মৌলিক অধিকার, যা লিক অধিকার হিসেবে সুরক্ষিত।

ব্যাখ্যা

সংবিধানের তৃতীয় ভাগের বিষয়বস্তু হলো 'মৌলিক অধিকার' (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭)।
২৯ অনুচ্ছেদটি এই ভাগের অন্তর্ভুক্ত, তাই এটি একটি মৌলিক অধিকার।
116
বাংলাদেশ নামক প্রজাতন্ত্রের ভিত্তি—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা
  2. মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা
  3. প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধির মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা
  4. উপরের সবকটি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: উপরের সবকটি
সংবিধানের ১১ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, প্রজাতন্ত্র হবে একটি গণতন্ত্র। সেখানে মৌলিক মানবাধিকার ও স্বাধীনতার নিশ্চয়তা থাকবে, মানবসত্তার মর্যাদা ও মূল্যের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত হবে এবং প্রশাসনের সকল পর্যায়ে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের মাধ্যমে জনগণের কার্যকর অংশগ্রহণ নিশ্চিত হবে।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নোক্ত ক, খ এবং গ— তিনটি উপাদানই ১১ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে। তাই সঠিক উত্তর 'উপরের সবকটি'।
117
বাংলাদেশের সংসদীয় সরকারব্যবস্থায় নিয়মান্ত্রিক প্রধান কে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. স্পিকার
  4. সংসদ সচিব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাষ্ট্রপতি

সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন রাষ্ট্রের সাংবিধানিক বা নিয়মান্ত্রিক প্রধান (Titular Head)। তবে রাষ্ট্রের প্রকৃত নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীর হাতে ন্যস্ত থাকে।

ব্যাখ্যা

প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকার প্রধান বা নির্বাহী প্রধান (Head of Government)।
রাষ্ট্রপতি প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন, কিন্তু অন্যান্য কাজ প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে করেন।
118
বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষা সর্বপ্রথম কত সালে শুরু হয়েছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭৩
  2. ১৯৭৪
  3. ১৯৭৫
  4. ১৯৭৬

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ১৯৭৩

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম সিভিল সার্ভিস (BCS) পরীক্ষা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে।

ব্রিটিশ আমলের আইসিএস (ICS) এবং পাকিস্তান আমলের সিএসপি (CSP) এর আদলে স্বাধীন বাংলাদেশে এই সার্ভিস পুনর্গঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

লর্ড ম্যাকলে রিপোর্টের (১৮৫৪) ভিত্তিতে ভারতীয় উপমহাদেশে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রথা চালু হয়েছিল।
119
বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কখন গঠিত হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ০৮ আগস্ট ২০২৪
  2. ১০ আগস্ট ২০২৪
  3. ১২ আগস্ট ২০২৪
  4. ০৫ আগস্ট ২০২৪

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: ০৮ আগস্ট ২০২৪

ছাত্রজনতার অভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট ২০২৪ আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর ৬ আগস্ট ২০২৪ রাষ্ট্রপতি সংসদ বিলুপ্ত ঘোষণা করেন এবং ৮ আগস্ট ২০২৪ অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। বর্তমানে প্রধান উপদেষ্টাসহ উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ২৩ জন।

উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রথম প্রধান উপদেষ্টা ছিলেন বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ (১৯৯০-৯১)।

ব্যাখ্যা

৫ আগস্ট: সরকার পতন।
৬ আগস্ট: সংসদ বিলুপ্তি।
৮ আগস্ট: অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথ।
120
বাংলাদেশের সংবিধানের নাম কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশের সংবিধান
  2. বাংলাদেশের সাংবিধানিক বিধিমালা
  3. গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
  4. প্রজাতন্ত্র বাংলাদেশ সংবিধান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

বাংলাদেশের সংবিধানের নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান (The Constitution of the People's Republic of Bangladesh)।

বাংলাদেশের সংবিধানের ১টি প্রস্তাবনা, ৪টি মূলনীতি, ৭টি তফসিল, ১১টি অধ্যায় ও ১৫৩টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। সংবিধান রচনা কমিটির সদস্য ছিলেন ৩৪ জন। সংবিধানের হস্তলেখক আব্দুর রউফ, অঙ্গসজ্জা করেন শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ও বাংলায় অনুবাদ করেন অধ্যাপক আনিসুজ্জামান।

ব্যাখ্যা

সংবিধানের ১ নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্রের নাম উল্লেখ করা আছে: 'বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র, যাহা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ নামে পরিচিত হইবে'।
121

বাংলাদেশের সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদে চিন্তা, বিবেক ও বাকস্বাধীনতা নাগরিকের মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫
  2. ২৭
  3. ৩৭
  4. ৩৯

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: (ঘ) ৩৯

বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৯ নং অনুচ্ছেদে 'চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক-স্বাধীনতা'র কথা বলা হয়েছে। এটি নাগরিকের অন্যতম প্রধান মৌলিক অধিকার।

ব্যাখ্যা

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা (খাদ্য, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান)।
অনুচ্ছেদ ২৭: আইনের দৃষ্টিতে সমতা।
অনুচ্ছেদ ৩৭: সমাবেশের স্বাধীনতা।
122
বাংলাদেশের সংবিধানের আলোকে নিচের কোন অধিকারটি মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত নয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাক-স্বাধীনতার অধিকার
  2. শিক্ষার অধিকার
  3. সভা সমাবেশের অধিকার
  4. ধর্মচর্চার অধিকার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: শিক্ষার অধিকার

বাংলাদেশের সংবিধানে 'শিক্ষার অধিকার' সরাসরি মৌলিক অধিকার (৩য় ভাগ) হিসেবে স্বীকৃত নয়, বরং এটি রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি (২য় ভাগ, অনুচ্ছেদ ১৭: অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক শিক্ষা) হিসেবে বর্ণিত। অন্যদিকে বাক-স্বাধীনতা (৩৯), সভা-সমাবেশ (৩৭), ও ধর্মচর্চা (৪১) মৌলিক অধিকারের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

মৌলিক অধিকারগুলো (অনুচ্ছেদ ২৬-৪৭ক) আদালত কর্তৃক বলবৎযোগ্য, কিন্তু রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিগুলো সরাসরি আদালতে বলবৎযোগ্য নয়।
123
সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Parliament
  2. National Parliament
  3. Legislature
  4. The House of the Nation

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: The House of the Nation

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের ইংরেজি নাম 'The House of the Nation' হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। ৬৫নং অনুচ্ছেদে জাতীয় সংসদ প্রতিষ্ঠার কথা উল্লেখ আছে।

ব্যাখ্যা

সংবিধানের ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: 'There shall be a Parliament for Bangladesh (to be known as the House of the Nation)...'
124
চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের পর বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের সংস্কার বিষয়ে ঐকমত্যের অন্যতম প্রস্তাব কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদ
  2. সংসদের আসন বৃদ্ধি
  3. সংরক্ষিত নারী আসন বাতিল
  4. পিআর (PR) চালু করা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদ

২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত সংবিধান সংস্কার কমিশনের অন্যতম প্রস্তাব হলো বাংলাদেশে দ্বি-স্তরবিশিষ্ট সংসদ ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। এই প্রস্তাবে বর্তমান এককক্ষবিশিষ্ট সংসদের পরিবর্তে নিম্নকক্ষ (জাতীয় সংসদ) এবং উচ্চকক্ষ (সিনেট) গঠন করার কথা বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

প্রস্তাবনা অনুযায়ী: নিম্নকক্ষ (৩০০ নির্বাচিত + ১০০ নারী সংরক্ষিত) এবং উচ্চকক্ষ (১০৫ সদস্য: ১০০ আনুপাতিক + ৫ রাষ্ট্রপতি মনোনয়ন)।
এটি ক্ষমতার ভারসাম্য রক্ষা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য প্রস্তাবিত।
125
বাংলাদেশের ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স অনুযায়ী সর্বপ্রথমে কে অবস্থান করেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. রাষ্ট্রপতি
  3. প্রধান উপদেষ্টা
  4. প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: রাষ্ট্রপতি

বাংলাদেশে জুলাই ২০২০ পর্যন্ত সংশোধিত 'ওয়ারেন্ট অব প্রেসিডেন্স' (Warrant of Precedence) অনুযায়ী মোট ২৫টি পদক্রম রয়েছে। রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদমর্যাদার অধিকারী হলেন রাষ্ট্রপতি (President of the Republic)।

ব্যাখ্যা

ক্রম অনুযায়ী শীর্ষ অবস্থানগুলো: ১. রাষ্ট্রপতি, ২. প্রধানমন্ত্রী/প্রধান উপদেষ্টা, ৩. স্পিকার, ৪. প্রধান বিচারপতি।
126
আয়নাঘর কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বচ্ছ কামরা
  2. পরিবেশবান্ধব কৃষিকাজ
  3. গোপন কারাগার
  4. একটি হলিডে মুভি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: গোপন কারাগার

'আয়নাঘর' হলো বাংলাদেশের প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (DGFI)-এর সদর দপ্তরে অবস্থিত একটি কথিত গোপন বন্দিশালা বা ডিটেনশন ক্যাম্প। ২০০৯-২০২৪ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের গুম করে এখানে আটকে রাখা হতো বলে অভিযোগ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

এটি বিচারবহির্ভূত আটক ও গুমের প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।
127

বাংলাদেশের রাজনীতি সম্পর্কে একজন আমেরিকান ঐতিহাসিক মন্তব্য করেছেন; ‘বাংলাদেশের রাজনীতি ব্যক্তিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়, ধারণা বা প্রতিষ্ঠানকে কেন্দ্র করে নয়’– মন্তব্যটি এই ঐতিহাসিকের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ন্থনি মাসকারেনহাস
  2. লরেন্স জিরিং
  3. লরেঞ্জ লিফশুলজ
  4. হেনরি কিসিঞ্জার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সঠিক উত্তর: লরেন্স জিরিং

মন্তব্যটি লরেন্স জিরিং (Lawrence Ziring) কর্তৃক প্রদত্ত। তিনি তাঁর 'Bangladesh: From Mujib to Ershad: An Interpretive History' গ্রন্থে এই পর্যালোচনা করেছেন।

ব্যাখ্যা

মূলত এটি একটি নিরপেক্ষ ইতিহাসের বই।
গ্রন্থটিতে ১৯৭১ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত প্রতিটি বাঙালি রাজনৈতিক নেতা, তাদের শাসনকাল ও রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলা নিরপেক্ষভাবে উঠে এসেছে।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১২৭টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন BCS Preliminary-এর জন্য “সংবিধান ও রাজনীতি” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে “সংবিধান ও রাজনীতি” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"সংবিধান ও রাজনীতি" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "সংবিধান ও রাজনীতি" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।