সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

Set-1 (2012) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার Set-1 (2012) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে Primary Assistant Teacher-এর Set-1 (2012) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ১,০৩০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মদনমোহন তর্কালংকার
  2. কালিপ্রসন্ন সিংহ
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. অক্ষয়কুমার দত্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

’সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভাল হয়ে চলি’ পঙতিটির দুটির রচিয়তা মদনমোহন তর্কালঙ্কার । কবিতার নাম 'আমার পণ' । ছাত্রাবস্থায় তিনি 'রসতরঙ্গিণী' , 'বাসবদত্তা' কাব্যগন্থ রচনা করেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্ম 'শিশুশিক্ষা' নামক শিশুতোষ কবিতা। তার অপর একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো 'পাখি সব করে রব' রাতি পোহইল ' ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মদনমোহন তর্কালংকার
এই পঙতিগুলি তাঁর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা 'আমার পণ' (My Vow) থেকে নেওয়া হয়েছে।
মদনমোহন তর্কালঙ্কার ছিলেন ঊনবিংশ শতাব্দীর বাংলা সাহিত্যের একজন গুরুত্বপূর্ণ কবি ও শিক্ষাবিদ, যিনি প্রধানত শিশুদের নৈতিক শিক্ষাদানের জন্য সাহিত্য রচনা করতেন।
2

‘কার্যে বিরতি’ অর্থে কোন বাগধারাটি প্রযোজ্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাত করা
  2. হাত গুটান
  3. হাত থাকা
  4. হাত আসা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হাত গুটান শব্দের অর্থ কোন কাজ শেষ করা বা সমাপ্তি করা ।  প্রশ্নে  কার্য বিরতি শব্দ দ্বারা কাজ সমাপ্ত করাকেই বুঝানো হয়েছে ।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাগধারাটি হলো 'হাত গুটান'

এই বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো কাজ থেকে নিবৃত্ত হওয়া, কাজ সমাপ্ত করা বা কাজ থামিয়ে দেওয়া

যেহেতু প্রশ্নে 'কার্যে বিরতি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কাজ বন্ধ রাখা বোঝায়, তাই 'হাত গুটান' শব্দটিই সবচেয়ে প্রযোজ্য।

অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন: 'হাত করা' মানে বশে আনা বা আয়ত্তে আনা। 'হাত থাকা' মানে প্রভাব বা ক্ষমতা থাকা। 'হাত আসা' মানে দক্ষতা অর্জন করা।
3

‘অনির্বচনীয়’ শব্দের অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুনিশ্চিত
  2. নির্বাচনযোগ্য নয়
  3. বর্ণনাতীত
  4. অনিশ্চিত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অনিবচনীয়’  শব্দের অর্থ - অনন্য   /বিশেষ্য পদ/ অন্যের সহিত সম্বন্ধ বর্জিত। অভিন্ন, অদ্বিতীয়, একমাত্র; অনুপম।   সম্পর্কিত শব্দ: অননুকরণীয়,  অননুভবনীয়,  অননুভূত,  অননুমত,  অননুমেয়,  অননুশীলন ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বর্ণনাতীত
‘অনির্বচনীয়’ শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত অর্থ হলো— যা বচন বা কথা দ্বারা প্রকাশ করা যায় না
এখানে 'বচন' বলতে বর্ণনা বা প্রকাশকে বোঝানো হয়েছে এবং 'অ' উপসর্গটি নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
তাই, যে বিষয় বা অনুভূতি প্রকাশ করার জন্য কোনো শব্দ খুঁজে পাওয়া যায় না, তাকেই ‘অনির্বচনীয়’ বলা হয়, যার এককথায় প্রকাশ হলো বর্ণনাতীত
অন্য অপশন, যেমন ‘নির্বাচনযোগ্য নয়’ বা ‘অনিশ্চিত’ সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
4

‘আবাহন’ শব্দের বিপরীত কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আরোহন
  2. মিলন
  3. বিসর্জন
  4. স্নান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আবাহন’ এর বিপরীত শব্দ - বিসর্জন আবাহন   /বিশেষ্য পদ/ মন্ত্র দ্বারা দেবতাকে আহ্বান, আমন্ত্রণ, বন্দনা, ডাক। /আ + বহ্‌ + ণিচ্‌ + অন/। /বিশেষণ পদ/ আবাহিত।   বিসর্জন [ bisarjana ] বি. 1 ত্যাগ (প্রাণবিসর্জন, অশ্রুবিসর্জন); 2 পূজাবসানে প্রতিমা জলে বিলোপ, নিরঞ্জন (বিসর্জনের বাজনা)। [সং. বি + √ সৃজ্ + অন]।

ব্যাখ্যা

‘আবাহন’ শব্দের অর্থ হলো মন্ত্র দ্বারা দেবতাকে আহ্বান করা, ডেকে আনা বা আমন্ত্রণ জানানো।
এর বিপরীত শব্দ বলতে বোঝায় সেই আহ্বানকে ত্যাগ করা বা বিদায় জানানো।
পূজাপর্বের সমাপ্তিতে প্রতিমা জলে বিলোপ করা বা দেবতাকে বিদায় জানানোর প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় বিসর্জন
সুতরাং, আবাহনের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো বিসর্জন
অন্যান্য শব্দগুলো (আরোহন, মিলন, স্নান) অর্থগত দিক থেকে এখানে প্রযোজ্য নয়।
5

‘যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’- বাক্যটির বাক্যসংকোচন নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অজ্ঞাতকুলশীল
  2. বংশপরিচয়হীন
  3. কুলবংশহীন
  4. অজ্ঞাতকুলীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

একাধিক পদ বা উপবাক্যকে একটি শব্দে প্রকাশ করা হলে, তাকে বাক্য সংকোচন, বাক্য সংক্ষেপণ বা এক কথায় প্রকাশ বলে । অর্থাৎ একটিমাত্র শব্দ দিয়ে যখন একাধিক পদ বা একটি বাক্যাংশের (উপবাক্য) অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন তাকে বাক্য সংকোচন বলে ।   যেমন -  যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না’ - অজ্ঞাতকুলশীল এখানে হীরকরাজ - শব্দের মাধ্যমে হীরক দেশের রাজা - এই তিনটি পদের অর্থই সার্থকভাবে প্রকাশ পেয়েছে । এই তিনটি পদ একত্রে একটি বাক্যাংশ বা উপবাক্যও বটে । অর্থাৎ, হীরক দেশের রাজা - তিনটি পদ বা বাক্যাংশটির বাক্য সংকোচন হল - হীরকরাজ । গুরুত্বপূর্ণ বাক্য সংকোচন/এক কথায় প্রকাশ অকালে পেকেছে যে - অকালপক্ক্ব অক্ষির সম্মুখে বর্তমান - প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতার অভাব আছে যার - অনভিজ্ঞ অহংকার নেই যার - নিরহংকার অশ্বের ডাক - হ্রেষা অতি কর্মনিপুণ ব্যক্তি - দক্ষ অনুসন্ধান করবার ইচ্ছা - অনুসন্ধিৎসা অনুসন্ধান করতে ইচ্ছুক যে - অনুসন্ধিৎসু অপকার করবার ইচ্ছা - অপচিকীর্ষা অগ্রপশ্চাৎ বিবেচনা না করে কাজ করে যে - অবিমৃষ্যকারী অতি শীতও নয়, অতি উষ্ণও নয় - নাতিশীতোষ্ণ অবশ্য হবে/ঘটবে যা - অবশ্যম্ভাবী অতি দীর্ঘ নয় যা - নাতিদীর্ঘ অতিক্রম করা যায় না যা - অনতিক্রমনীয়/অনতিক্রম্য যা সহজে অতিক্রম করা যায় না - দুরতিক্রমনীয়/দুরতিক্রম্য অগ্রে জন্মেছে যে - অগ্রজ অনুতে/পশ্চাতে/পরে জন্মেছে যে - অনুজ অরিকে দমন করে যে - অরিন্দম অন্য উপায় নেই যার - অনন্যোপায় অনেকের মাঝে একজন - অন্যতম অন্য গাছের ওপর জন্মে যে গাছ - পরগাছা আচারে নিষ্ঠা আছে যার - আচারনিষ্ঠ আপনাকে কেন্দ্র করে চিন্তা যার - আত্মকেন্দ্রীক আকাশে চরে যে - খেচর আকাশে গমন করে যে - বিহগ, বিহঙ্গ আট প্রহর যা পরা যায় - আটপৌরে আপনার রং লুকায় যে/যার প্রকৃত বর্ণ ধরা যায় না - বর্ণচোরা আয় অনুসারে ব্যয় করে যে - মিতব্যয়ী আপনাকে পণ্ডিত মনে করে যে - পণ্ডিতম্মন্য আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত - আদ্যন্ত ইতিহাস রচনা করেন যিনি - ঐতিহাসিক ইতিহাস বিষয়ে অভিঞ্জ যিনি - ইতিহাসবেত্তা ইন্দ্রকে জয় করেছে যে - ইন্দ্রজিৎ ইন্দ্রিয়কে জয় করেছে যে - জিতেন্দ্রিয়ি ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস আছে যার - আস্তিক ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস নেই যার - নাস্তিক ঈষৎ আমিষ/আঁষ গন্ধ যার - আঁষটে উপকার করবার ইচ্ছা - উপচিকীর্ষা উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে - কৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার স্বীকার করে না যে - অকৃতজ্ঞ উপকারীর অপকার করে যে - কৃতঘ্ন একই সময়ে বর্তমান - সমসাময়িক একই মায়ের সন্তান - সহোদর এক থেকে আরম্ভ করে - একাদিক্রমে একই গুরুর শিষ্য - সতীর্থ কথায় বর্ণনা যায় না যা - অনির্বচনীয় কোনভাবেই নিবারণ করা যায় না যা - অনিবার্য সহজে নিবারণ করা যায় না যা/কষ্টে নিবারণ করা যায় যা - দুর্নিবার সহজে লাভ করা যায় না যা/কষ্টে লাভ করা যায় যা - দুর্লভ কোন কিছুতেই ভয় নেই যার - নির্ভীক, অকুতোভয় ক্ষমার যোগ্য - ক্ষমার্হ কউ জানতে না পারে এমনভাবে - অজ্ঞাতসারে গোপন করার ইচ্ছা - জুগুপ্সা চক্ষুর সম্মুখে সংঘটিত - চাক্ষুষ চৈত্র মাসের ফসল - চৈতালি জীবিত থেকেও যে মৃত - জীবন্মৃত জানার ইচ্ছা - জিজ্ঞাসা জানতে ইচ্ছুক - জিজ্ঞাসু জ্বল জ্বল করছে যা - জাজ্বল্যমান জয় করার ইচ্ছা - জিগীষা জয় করতে ইচ্ছুক - জিগীষু জানু পর্যন্ত লম্বিত - আজানুলম্বিত তল স্পর্শ করা যায় না যার - অতলস্পর্শী তীর ছোঁড়ে যে - তীরন্দাজ দিনে যে একবার আহার করে - একাহারী দীপ্তি পাচ্ছে যা - দীপ্যমান দু’বার জন্মে যে - দ্বিজ নষ্ট হওয়াই স্বভাব যার - নশ্বর নদী মেখলা যে দেশের - নদীমেখলা নৌকা দ্বারা জীবিকা নির্বাহ করে যে - নাবিক নিজেকে যে বড়ো মনে করে - হামবড়া নূপুরের ধ্বনি - নিক্কণ পা থেকে মাথা পর্যন্ত - আপাদমস্তক প্রিয় বাক্য বলে যে নারী - প্রিয়ংবদা পূর্বজন্ম স্মরণ করে যে - জাতিস্মর পান করার যোগ্য - পেয় পান করার ইচ্ছা - পিপাসা ফল পাকলে যে গাছ মরে যায় - ওষধি বিদেশে থাকে যে - প্রবাসী বিশ্বজনের হিতকর - বিশ্বজনীন ব্যাকরণ জানেন যিনি - বৈয়াকরণ বিজ্ঞানের বিষয় নিয়ে গবেষণায় রত যিনি - বৈজ্ঞানিক বেদ - বেদান্ত জানেন যিনি - বৈদান্তিক বয়সে সবচেয়ে বড়ো যে - জ্যেষ্ঠ বয়সে সবচেয়ে ছোটো যে - কনিষ্ঠ ভোজন করার ইচ্ছা - ‍বুভুক্ষা মৃতের মত অবস্থা যার - মুমূর্ষু মুষ্টি দিয়ে যা পরিমাপ করা যায় - মুষ্টিমেয় মৃত্তিকা দ্বারা নির্মিত - মৃন্ময় মর্মকে পীড়া দেয় যা - মর্মন্তুদ মাটি ভেদ করে ওঠে যা - উদ্ভিদ মৃত গবাদি পশু ফেলা হয় যেখানে - ভাগাড় মন হরণ করে যা - মনোহর মন হরণ করে যে নারী - মনোহারিণী যা দমন করা যায় না - অদম্য যা দমন করা কষ্টকর - দুর্দমনীয় যা নিবারণ করা কষ্টকর - দুর্নিবার যা পূর্বে ছিল এখন নেই - ভূতপূর্ব যা বালকের মধ্যেই সুলভ - বালকসুলভ যা বিনা যত্নে লাভ করা গিয়েছে - অযত্নলব্ধ যা ঘুমিয়ে আছে - সুপ্ত যা বার বার দুলছে - দোদুল্যমান যা দীপ্তি পাচ্ছে - দেদীপ্যমান যা সাধারণের মধ্যে দেখা যায় না - অনন্যসাধারণ যা পূর্বে দেখা যায় নি - অদৃষ্টপূর্ব যা কষ্টে জয় করা যায় - দুর্জয় যা কষ্টে লাভ করা যায় - দুর্লভ যা অধ্যয়ন করা হয়েছে - অধীত যা অনেক কষ্টে অধ্যয়ন করা যায় - দুরধ্যয় যা জলে চরে - জলচর যা স্থলে চরে - স্থলচর যা জলে ও স্থলে চরে - উভচর যা বলা হয় নি - অনুক্ত যা কখনো নষ্ট হয় না - অবিনশ্বর যা মর্ম স্পর্শ করে - মর্মস্পর্শী যা বলার যোগ্য নয় - অকথ্য যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না - অজ্ঞাতকুলশীল যা চিন্তা করা যায় না - অচিন্তনীয়, অচিন্ত্য যা কোথাও উঁচু কোথাও নিচু - বন্ধুর যা সম্পন্ন করতে বহু ব্যয় হয় - ব্যয়বহুল যা খুব শীতল বা উষ্ণ নয় - নাতিশীতোষ্ণ যার বিশেষ খ্যাতি আছে - বিখ্যাত যা আঘাত পায় নি - অনাহত যা উদিত হচ্ছে - উদীয়মান যা ক্রমশ বর্ধিত হচ্ছে - বর্ধিষ্ণু যা পূর্বে শোনা যায় নি - অশ্রুতপূর্ব যা সহজে ভাঙ্গে - ভঙ্গুর যা সহজে জীর্ণ হয় - সুপাচ্য যা খাওয়ার যোগ্য - খাদ্য যা চিবিয়ে/চর্বণ করে খেতে হয় - চর্ব্য যা চুষে খেতে হয় - চোষ্য যা লেহন করে খেতে হয়/লেহন করার যোগ্য - লেহ্য যা পান করতে হয়/পান করার যোগ্য - পেয় যা পানের অযোগ্য - অপেয় যা বপন করা হয়েছে - উপ্ত যা বলা হয়েছে - উক্ত যার অন্য উপায় নেই - অনন্যোপায় যার কোন উপায় নেই - নিরুপায় যার উপস্থিত বুদ্ধি আছে - প্রত্যুৎপন্নমতি যার সর্বস্ব হারিয়ে গেছে - সর্বহারা, হৃতসর্বস্ব যার কোনো কিছু থেকেই ভয় নেই - অকুতোভয় যার আকার কুৎসিত - কদাকার যার কোন শত্রু নেই/জন্মেনি - অজাতশত্রু যার দাড়ি/শ্মশ্রু জন্মে নি - অজাতশ্মশ্রু যার কিছু নেই - অকিঞ্চন যে কোন বিষয়ে স্পৃহা হারিয়েছে - বীতস্পৃহ যে শুনেই মনে রাখতে পারে - শ্রুতিধর যে বাস্তু থেকে উৎখাত হয়েছে - উদ্বাস্তু যে নারী নিজে বর বরণ করে নেয় - স্বয়ংবরা যে গাছে ফল ধরে, কিন্তু ফুল ধরে না - বনস্পতি যে রোগ নির্ণয় করতে হাতড়ে মরে - হাতুড়ে যে নারীর সন্তান বাঁচে না/যে নারী মৃত সন্তান প্রসব করে - মৃতবৎসা যে গাছ অন্য কোন কাজে লাগে না - আগাছা যে গাছ অন্য গাছকে আশ্রয় করে বাঁচে - পরগাছা যে পুরুষ বিয়ে করেছে - কৃতদার যে মেয়ের বিয়ে হয়নি - অনূঢ়া যে ক্রমাগত রোদন করছে - রোরুদ্যমান (স্ত্রীলিঙ্গ - রোরুদ্যমানা) যে ভবিষ্যতের চিন্তা করে না বা দেখে না - অপরিণামদর্শী  যে ভবিষ্যৎ না ভেবেই কাজ করে/অগ্র পশ্চাত বিবেচনা না করে কাজ করে যে - অবিমৃশ্যকারী যে বিষয়ে কোন বিতর্ক/বিসংবাদ নেই - অবিসংবাদী যে বন হিংস্র জন্তুতে পরিপূর্ণ - শ্বাপদসংকুল যিনি বক্তৃতা দানে পটু - বাগ্মী যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় - সর্বংসহা যে নারী বীর সন্তান প্রসব করে - বীরপ্রসূ যে নারীর কোন সন্তান হয় না - বন্ধ্যা যে নারী জীবনে একমাত্র সন্তান প্রসব করেছে - কাকবন্ধ্যা যে নারীর স্বামী প্রবাসে আছে - প্রোষিতভর্তৃকা যে স্বামীর স্ত্রী প্রবাসে আছে - প্রোষিতপত্নীক যে পুরুষের চেহারা দেখতে সুন্দর - সুদর্শন (স্ত্রীলিঙ্গ - সুদর্শনা) যে রব শুনে এসেছে - রবাহুত যে লাফিয়ে চলে - প্লবগ যে নারী কখনো সূর্য দেখেনি - অসূর্যম্পশ্যা যে নারীর স্বামী মারা গেছে - বিধবা যে নারীর সম্প্রতি বিয়ে হয়েছে - নবোঢ়া লাভ করার ইচ্ছা - লিপ্সা শুভ ক্ষণে জন্ম যার - ক্ষণজন্মা শত্রুকে/অরিকে দমন করে যে - অরিন্দম শত্রুকে বধ করে যে - শত্রুঘ্ন সম্মুখে অগ্রসর হয়ে অভ্যর্থনা - প্রত্যুদ্গমন সকলের জন্য প্রযোজ্য - সর্বজনীন সকলের জন্য হিতকর - সার্বজনীন স্ত্রীর বশীভূত হয় যে - স্ত্রৈণ সেবা করার ইচ্ছা - শুশ্রুষা হনন/হত্যা করার ইচ্ছা - জিঘাংসা হরিণের চামড়া - অজিন হাতির ডাক - বৃংহতি

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বাক্য সংকোচন বা এক কথায় প্রকাশ থেকে এসেছে।
বাক্যটির অর্থ: যার বংশ (কুল) এবং চরিত্র/স্বভাব (শীল) উভয়ই অজানা।
বাংলা ব্যাকরণে 'কুল' অর্থ বংশ/গোত্র এবং 'শীল' অর্থ স্বভাব/চরিত্র।
অতএব, 'যার বংশ পরিচয় এবং স্বভাব কেউই জানে না' এর এক কথায় প্রকাশ হলো— অজ্ঞাতকুলশীল (অজ্ঞাত + কুল + শীল)।
এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সূর্য পূর্বদিকে উদয়মান হয়
  2. সূর্য পূর্বদিকে উদিয়ামান হয়
  3. সূর্য পূর্বদিকে উদয় হয়
  4. সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: সূর্য পূর্বদিকে উদিত হয়। এটি ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে মার্জিত ও প্রমিত বাক্য।

অপশন ৩ কেন সঠিক (উদিত হয়): ‘উদিত’ হলো ‘উদয়’ শব্দের বিশেষণ রূপ, যার অর্থ ‘উঠেছে’ বা ‘যা প্রকাশিত হয়েছে’। এই গঠনটি একটি প্রাকৃতিক সত্যকে প্রকাশ করার জন্য কর্মবাচ্যের (Passive Voice) মতো ব্যবহৃত হয় এবং প্রমিত বাংলায় এটিই শুদ্ধতম।

অপশন ০ কেন ভুল (উদয়মান হয়): ‘উদয়মান’ শব্দের অর্থ হলো ‘যা উঠিতেছে’ (Present Participle)। এর সাথে ‘হয়’ ক্রিয়া যোগ করা হলে তা বাক্যের শিথিলতা ও বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করে।

অপশন ১ কেন ভুল (উদিয়ামান হয়): এটি অশুদ্ধ শব্দ প্রয়োগ। এই ধরনের কোনো শব্দ বাংলায় ব্যবহৃত হয় না।

অপশন ২ (উদয় হয়): এটি চলিত ভাষা ও কথোপকথনের জন্য সঠিক হলেও, প্রাঞ্জল ও প্রমিত ব্যাকরণ মেনে অপশন ৩ (উদিত হয়) অধিকতর শুদ্ধ। পরীক্ষায় সাধারণত এই ধরনের প্রশ্নে ‘উদিত হয়’ উত্তরটিই গ্রহণ করা হয়।
7

‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গমনের পশ্চাৎ
  2. গমনের অগ্র
  3. অনুরূপ গমন
  4. পরস্পর গমন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অনুগমন’ শব্দের ব্যাসবাক্য - পশ্চাৎ গমন যা অব্যয়ীভাব সমাস ।    অব্যয়ীভাব সমাস  পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়েরই অর্থের প্রাধান্য থাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। অব্যয়ীভাব সমাসে কেবল অব্যয়ের অর্থযোগে ব্যাসবাক্যটি রচিত হয়। যেমন: জানু পর্যন্ত লম্বিত ('পর্যন্ত' শব্দের অব্যয় 'আ') = আজানুলম্বিত (বাহু), মরণ পর্যন্ত = আমরণ। বিভিন্ন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস সামীপ্য (নৈকট্য), বিপ্সা (পৌনঃপুনিকতা), পর্যন্ত, অভাব, অনতিক্রম্য, সাদৃশ্য, সম্পর্ক, সংস্পর্শ,ঊর্ধ্ব, সম্মান প্রভৃতি নানা অর্থে উপসর্গ তৎপুরুষ বা অব্যয়ীভাব সমাস হয়। যেমন: ১. সামীপ্য (উপ) কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, কূলের সমীপে = উপকূল ২. বিপ্সা (অনু, প্রতি) দিন দিন = প্রতিদিন, ক্ষণে ক্ষণে = অনুক্ষণে, ক্ষণ ক্ষণ = অনুক্ষণ ৩. অভাব (নিঃ = নির) আমিষের অভাব = নিরামিষ, ভাবনার অভাব = নির্ভাবনা, জলের অভাব = নির্জল, উৎসাহের অভাব = নিরুৎসাহ ৪. পর্যন্ত (আ) সমুদ্র থেকে হিমাচল পর্যন্ত = আসমুদ্রহিমাচল, পা থেকে মাথা পর্যন্ত = আপাদমস্তক ৫. সাদৃশ্য (উপ) শহরের সদৃশ = উপশহর, গ্রহের তুল্য = উপগ্রহ, বনের সদৃশ = উপবন ৬. অনতিক্রম্যতা (যথা) রীতিকে অতিক্রম না করে = যথারীতি, সাধ্যকে অতিক্রম না করে = যথাসাধ্য। এরূপ - যথাবিধি, যথাযোগ্য ৭. অতিক্রান্ত (উৎ) বেলাকে অতিক্রান্ত = উদ্বেল, শৃঙখলাকে অতিক্রান্ত = উচ্ছৃঙখল ৮. বিরোধ (প্রতি) বিরুদ্ধ বাদ = প্রতিবাদ, বিরুদ্ধ কূল = প্রতিকূল ৯. পশ্চাৎ (অনু) পশ্চাৎ গমন = অনুগমন, পশ্চাৎ ধাবন = অনুধাবন ১০. ঈষৎ (আ) ঈষৎ নত = আনত, ঈষৎ রক্তিম = আরক্তিম ১১. ক্ষুদ্র অর্থে (উপ) উপগ্রহ, উপনদী ১২. পূর্ণ বা সমগ্র অর্থে (পরি বা সম) পরিপূর্ণ, সম্পূর্ণ ১৩. দূরবর্তী অর্থে (প্র, পর) অক্ষির অগোচরে = পরোক্ষ। এরূপ - প্রপিতামহ ১৪. প্রতিনিধি অর্থে (প্রতি) প্রতিচ্ছায়া, প্রতিচ্ছবি, প্রতিবিম্ব ১৫. প্রতিদ্বন্দ্বী অর্থে (প্রতি) প্রতিপক্ষ, প্রত্যুত্তর ১৬. সম্পর্ক অর্থে (সম, বিষয়) সম্বল = বলের সম্পর্কে, সম্মান = মানের সম্পর্কে, সমক্ষে = অক্ষের সম্পর্কে ১৭. যোগ্যতা অর্থে (অনু) অনুসন্তান = যোগ্য সন্তান, অনুকূল = কুলের যোগ্য, অনুদান = দানের যোগ্য

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গমনের পশ্চাৎ
এটি অব্যয়ীভাব সমাস-এর একটি উদাহরণ। এই সমাসে পূর্বপদের অব্যয়টির (উপসর্গ) অর্থই প্রধান থাকে।
‘অনু’ উপসর্গটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়, তবে ‘অনুগমন’ শব্দটিতে এটি ‘পশ্চাৎ’ (পিছনে) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই, অনুগমন-এর ব্যাসবাক্য হবে পশ্চাৎ গমন বা গমনের পশ্চাৎ
8

‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেধা+ বিন্‌
  2. মেধা +বি
  3. মেধা+বী
  4. মেধা+আবী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘মেধাবী’ শব্দের প্রকৃতি - প্রত্যয় হল  মেধা + বিন   ধাতু বা ক্রিয়ার সাথে যে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে। যেমন - রাঁধ + উনি = রাঁধুনি, ডুব + অন্ত = ডুবন্ত। শব্দের সঙ্গে (শেষে) যেসব প্রত্যয় যোগে নতুন শব্দ গঠিত হয়, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। যেমন - মেধা + বীন = মেধাবী, বর্ষ + ইক = বার্ষিক। ‘বিন’ ( - বী) প্রত্যয়টি ‘আছে’ অর্থে যুক্ত হয়। ‘বিন’ প্রত্যয়টি প্রথমার একবচনে পুংলিঙ্গ ‘বী’ স্ত্রীলিঙ্গে ‘বিনী’ এবং সমাসে পূর্বপদে হলে ‘বি’ হয়। যেমন - মেধাবী, মেধাবিনী, মায়াবী, মায়াবিনী ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেধা + বিন্‌
‘মেধাবী’ শব্দটি গঠিত হয়েছে তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে। যে প্রত্যয়গুলো বিশেষ্য বা নাম শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। এখানে ‘মেধা’ একটি নাম শব্দ বা বিশেষ্য পদ।
‘বিন্’ একটি তদ্ধিত প্রত্যয় যা সাধারণত ‘আছে’ অর্থে বা অধিকারী অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: মেধা আছে যার, সে মেধাবী।
তদ্ধিত প্রত্যয়ের নিয়ম অনুসারে, ‘বিন্’ প্রত্যয় যুক্ত হওয়ার পর সাধিত শব্দটির পুংলিঙ্গ রূপ হয় ‘বী’, কিন্তু প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয়ের সময় প্রত্যয়টি লিখতে হয় মূল প্রত্যয় ‘বিন্’ হিসেবে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ‘বি’, ‘বী’, বা ‘আবী’ এইগুলো বাংলা তদ্ধিত প্রত্যয়ের সঠিক মূল রূপ নয়।
9

কলকল রবে নদী বইছে। এখানে ‘কল কল’ কোন অব্যয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমুচ্চয়ী
  2. অনুসর্গ
  3. অনন্বয়ী
  4. অনুকার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কলকল রবে নদী বইছে। এখানে ‘কল কল’ অনুকার অব্যয়।    অনুকার অব্যয় যে সকল অব্যয় কোনো শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাদেরকে অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলে।   যেমন: শোঁ শোঁ (বাতাসের ধ্বনি), রুম্ঝুম্ (নূপুরের আওয়াজ), ঝম্ঝম (বৃষ্টির শব্দ), বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, বজ্রের ধ্বনি কড়কড়, মেঘের গর্জন গুড়গুড় চকচক, ছমছম, টনটন, ছল্ ছল্, কল্ কল্, ঝম্ ঝম্, সিংহের গর্জন – গর গর, ঘোড়ার ডাক – চিহি চিহি, কোকিলের ডাক – কুহু কুহু, চুড়ির শব্দ – টুং টুং, ইত্যাদি। অনুভূতিমূলক অব্যয়ও অনুকার অব্যয়ের শ্রেণিভুক্ত। যেমন: ঝাঁ ঝাঁ, খাঁখাঁ ইত্যাদি। অনুকার অব্যয়জাত : কনকনে শীত, শনশনে হাওয়া, ধিকিধিকি আগুন, টসটসে ফল, তকতকে মেঝে ইত্যাদি।   অনুকার শব্দ যোগেঃ কুহু কুহু , গুনগুন , ঘেউ ঘেউ , শন শন , ছল ছল ইত্যাদি অনুকার অব্যয়ের কিছু উদাহরণ: রিমঝিম বৃষ্টি পড়ে। শনশন বায়ু বয়। শনশন করে বাতাস বইছে। ঝম্ঝম্ করে বৃষ্টি পড়ছে। হন্হন্ করে হেঁটে যাচ্ছে। ঘড়িতে ঢং ঢং করে চারটা বাঁচল। ছেলেটি ভেউ ভেউ করে কাঁদছে। বৃষ্টি পড়ে টাপুর - টুপুর। বাতাসে এখন শোঁ শোঁ শব্দ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অনুকার অব্যয়
যে সকল অব্যয় পদ কোনো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম শব্দ, ধ্বনি বা অনুভূতির অনুকরণে গঠিত হয়, তাদের অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয় বলা হয়।
এখানে 'কল কল' শব্দটি নদীর স্রোত বা জলের ধ্বনিকে সরাসরি অনুকরণ করছে।
অন্যান্য উদাহরণ: বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর, মেঘের গর্জন গুড় গুড়, বাতাসে শোঁ শোঁ শব্দ।
10

"রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক সাদা ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়’ কবিতার চরণে কবি কোন রূপসার কথা বলেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপসী ডিঙা
  2. রূপসী বাংলা
  3. রূপসা নদী
  4. গ্রামবাংলার নদী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পাতা:রুপসী বাংলা - জীবনানন্দ দাশ আবার আসিব ফিরে ধানসিড়িটির তীরে—এই বাংলায়হয়তো মানুষ নয়—হয়তো বা শঙ্খচিল শালিখের বেশে;হয়তো ভোরের কাক হয়ে এই কার্তিকের নবান্নের দেশেকুয়াশার বুকে ভেসে একদিন আসিব এ কাঁঠাল - ছায়ায়;হয়তো বা হাঁস হ’ব—কিশোরীর—ঘুঙুর রহিবে লাল পায়,সারা দিন কেটে যাবে কলমীর গন্ধ ভরা জলে ভেসে ভেসে;আবার আসিব আমি বাংলার নদী মাঠ ক্ষেত ভালোবেসেজলাঙ্গীর ঢেউয়ে ভেজা বাংলার এ সবুজ করুণ ডাঙায়; হয়তো দেখিবে চেয়ে সুদর্শন উড়িতেছে সন্ধ্যার বাতাসে;হয়তো শুনিবে এক লক্ষ্মীপেঁচা ডাকিতেছে শিমুলের ডালে;হয়তো খইয়ের ধান ছড়াতেছে শিশু এক উঠানের ঘাসে;রূপ্‌সার ঘোলা জলে হয়তো কিশোর এক শাদা ছেঁড়া পালেডিঙা বায়;—রাঙা মেঘ সাঁতরায়ে অন্ধকারে আসিতেছে নীড়েদেখিবে ধবল বক: আমারেই পাবে তুমি ইহাদের ভিড়ে–

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রূপসা নদী
প্রদত্ত চরণটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘রূপসী বাংলা’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই কবিতায় কবি বারবার বাংলার প্রকৃতি, নদী ও মাঠের কথা বলেছেন। রূপসা একটি নদীর নাম যা খুলনার বিখ্যাত নদীবন্দর এলাকা। কবি এখানে সরাসরি এই নদীটির ঘোলা জলের কথাই বলেছেন, যেখানে কিশোর ছেঁড়া পালে ডিঙা বায়।
অন্যান্য অপশনগুলো (রূপসী বাংলা, রূপসী ডিঙা) প্রসঙ্গক্রমে এলেও, ‘রূপসার’ শব্দটি দিয়ে সরাসরি রূপসা নদীকেই বোঝানো হয়েছে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কোন শব্দটি শুদ্ধ বানানে লেখা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূবন
  2. শূণ্য
  3. ত্রিভুজ
  4. পূন্য

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনে শুদ্ধ বানান ত্রিভুজ। শূণ্য, পূণ্য ও ভূবন বানান তিনটি অশুদ্ধ। এদের শুদ্ধরুপ যথাক্রমে √ শ্বন + য = শূন্য, √ পূ + উন্য = পুণ্য ও √ √ ও √ ভূ + অন = ভুবন । এই তিনটি শব্দই সংস্কুত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র 'ত্রিভুজ' বানানটি শুদ্ধ। ত্রিভুজ একটি তৎসম শব্দ যার অর্থ তিন বাহু দ্বারা গঠিত ক্ষেত্র।
অন্যান্য অপশনগুলোর শুদ্ধ রূপগুলো হলো:
১. ভূবন (অশুদ্ধ) \rightarrow শুদ্ধ বানান: ভুবন (হ্রস্ব 'উ' কার, অর্থাৎ 'ু')
২. শূণ্য (অশুদ্ধ) \rightarrow শুদ্ধ বানান: শূন্য (হ্রস্ব 'উ' কার)
৩. পূন্য (অশুদ্ধ) \rightarrow শুদ্ধ বানান: পুণ্য (হ্রস্ব 'উ' কার এবং মূর্ধন্য 'ণ' - ণত্ব বিধান অনুসারে। সংস্কৃত মূল শব্দে ণ থাকায় এখানেও ণ বসে)
সাধারণত ভুবন, শূন্য, পুণ্য ইত্যাদি শব্দগুলো কৃৎ প্রত্যয় সাধিত এবং এদের বানানে হ্রস্ব 'উ' কার (ু) ব্যবহৃত হয়, যা পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ভুল হয়।
12

নিচের কোনটি বিদেশি শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কান
  2. কাজ
  3. কাঁচি
  4. কলম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রাজনৈতিক, ধর্মীয়, সংস্কৃতিগত ও বাণিজ্যিক কারণে বাংলাদেশে আসা বিভিন্ন ভাষাভাষী মানুষের বহু শব্দ বাংলায় এসে স্থান করে নিয়েছে। এসব শব্দকে বলা হয় বিদেশি শব্দ। আরবি শব্দ : আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মোক্তার, রায় ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কলম। 'কলম' শব্দটি মূলত আরবি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় প্রবেশ করেছে।
রাজনৈতিক, ধর্মীয়, বাণিজ্যিক কিংবা সাংস্কৃতিক কারণে বাংলা ভাষায় আগত অন্যান্য ভাষার শব্দকে বিদেশি শব্দ বলা হয়। বিদেশি শব্দের মধ্যে আরবি, ফারসি, ইংরেজি, পর্তুগিজ, তুর্কি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্নে প্রদত্ত 'কান' ও 'কাজ' হলো তদ্ভব বা দেশি শব্দ। যদিও 'কাঁচি'ও একটি বিদেশি শব্দ (তুর্কি), কিন্তু 'কলম' (আরবি) বিদেশি শব্দের একটি বহুল পরীক্ষিত উদাহরণ এবং বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে স্পষ্ট বিদেশি শব্দ হিসেবে বিবেচিত।
13

‘অহরহ’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অহ+রহঃ
  2. অহ+অহঃ
  3. অহঃ+অহ
  4. অহঃ+রহ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

”অহরহ” শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ অহঃ + অহ। অহঃ + অহ = অহরহ একটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধি। এরকম কয়েকটি উদাহরণ হল বাচঃ + পতি = বাচস্পতি, ভাঃ + কর = ভাস্কর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (গ) অহঃ + অহ। এটি বাংলা ব্যাকরণের একটি বিশেষ বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
অহরহ শব্দের অর্থ হলো 'দিন দিন' বা 'প্রতিদিন'। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি ব্যতিক্রমী বা বিশেষ নিয়ম মেনে গঠিত হয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, প্রথম পদ অহঃ (অর্থ: দিন) এর বিসর্গ (ঃ) এবং পরের পদ অহ (অর্থ: দিন) এর প্রথম ‘অ’ যুক্ত হয়ে এবং পরবর্তী এর আগমন ঘটেছে, যার ফলে শব্দটি অহরহ হয়েছে।
এই ধরনের বিশেষ সন্ধিগুলি মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি কারণ এগুলো পরীক্ষায় ভুল করানোর জন্য দেওয়া হয়।
14

‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে’- উক্তিটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধরী
  2. হুমায়ন আজাদ
  3. মীর মশাররফ হোসেন
  4. স্বর্ণকুমারী দেবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের বিখ্যাত উক্তি - 'মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই যে মানুষ নহে।' মাতৃভাষা সম্পর্কে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত উক্তি 'শিক্ষায় মাতৃভাষাই মাতৃদুগ্ধ।' মাতৃভাষা প্রসঙ্গে সতেরো শতেকের কবি আবদুল হাকিমের বিখ্যাত পঙক্তি - 'যে সবে বঙ্গেতে জন্মি হিংসে বঙ্গবাণী সেসব কাহার জন্ম নির্ণয় ন জানি।'

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মীর মশাররফ হোসেন
এই কালজয়ী উক্তিটি হলো বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও নাট্যকার মীর মশাররফ হোসেনের
তিনি দেখিয়েছেন, মাতৃভাষার প্রতি শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রতিটি মানুষের মৌলিক কর্তব্য। এই উক্তিটি ভাষা ও জাতিসত্তা গঠনে মাতৃভাষার গুরুত্বকে অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে তুলে ধরে।
15

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মাগোখরা
  2. পদ্মপুরাণ
  3. পদ্মাবর্তী
  4. পদ্মরাগ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের রচিত গল্প পদ্মাগোখরা   কাজী নজরুল কাজী নজরুল ইসলাম বিংশ শতাব্দীর অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কবি, সঙ্গীতজ্ঞ, সংগীতস্রষ্টা, দার্শনিক, যিনি বাংলা কাব্যে অগ্রগামী এবং অনন্য ভূমিকা রেখেছেন। ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জন্ম নেয়া এই কবি বাংলা ভাষার অন্যতম সাহিত্যিক, দেশপ্রেমী এবং বাংলাদেশের জাতীয় কবি। নিম্নে তার রচিত সাহিত্য কর্মের একটি তালিকা দেয়া হলঃ কবিতা গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু অগ্নিবীণা কার্তিক ১৩২৯ বঙ্গাব্দ ২৫শে অক্টোবর ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট বারোটি কবিতা আছে। কবিতাগুলি হচ্ছে - ‘প্রলয়োল্লাস’, ‘বিদ্রোহী’, ‘রক্তাম্বর - ধারিণী মা’, ‘আগমণী’, ‘ধূমকেতু’, কামাল পাশা’, ‘আনোয়ার ‘রণভেরী’, ‘শাত - ইল - আরব’, খেয়াপারের তরণী’, কোরবানী’ ও মোহররম’। এছাড়া গ্রন্থটির সর্বাগ্রে বিপ্লবী বারীন্দ্রকুমার ঘোষ - কে উৎসর্গ করে লেখা একটি উৎসর্গ কবিতাও আছে। সাম্যবাদী পৌষ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ২০শে ডিসেম্বর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ বইটিতে মোট ১১ টি কবিতা রয়েছে । সবগুলোতেই মানুষের সমতা নিয়েই আলোচনা করা হয়েছে । ঝিঙে ফুল চৈত্র ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ১৪ই এপ্রিল ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ ছোটদের কবিতা সিন্ধু হিন্দোল ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১৯টি কবিতা রয়েছে। চক্রবাক ভাদ্র ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ, ১২ই আগস্ট ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ এই কাব্যে নজরুল বেদনার ছবি তুুুলে ধরেছেন; এতে রয়েছে প্রেমের অনুুুভূতি এবং অতীত সুুখের স্মৃতিচারণা। নতুন চাঁদ চৈত্র ১৩৫১ বঙ্গাব্দ মার্চ ১৯৪৫ খ্রিস্টাব্দ। এতে রয়েছে নজরুলের ১৯টি কবিতা। মরুভাস্কর ১৩৫৭ বঙ্গাব্দ ১৯৫১ খ্রিস্টাব্দ হজরত মোহাম্মদ সঃ এর জীবনী নিয়ে চারটি সর্গে ১৮ টি খণ্ড - কবিতা নিয়ে এই কাব্যগ্রন্থ। নজরুল ইসলাম: ইসলামী কবিতা   ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দ নজরুল ইসলামের ইসলামী কবিতা সংকলন   কবিতা ও গান গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু দোলন - চাঁপা আশ্বিন ১৩৩০ বঙ্গাব্দ অক্টোবর ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ প্রথম সংস্করণ এই কাব্যগ্রন্থে ১৯টি কবিতা ছিল। সূচিপত্রের আগে মুখবন্ধরূপে সংযোজিত কবিতা "আজ সৃষ্টি - সুখের উল্লাসে" ১৩৩০ বঙ্গাব্দের (১৯২৩ খ্রিষ্টাব্দ) জ্যৈষ্ঠ মাসের কল্লোল পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। দোলনচাঁপা কাব্যগ্রন্থের পরবর্তী সংস্করণে ৫০ টি কবিতা সংকলিত হয়। বিষের বাঁশি শ্রাবণ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ ১০ই আগস্ট ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে ২৭ টি কবিতা রয়েছে। কাজী নজরুল ইসলামের বাজেয়াপ্ত ৫টি গ্রন্থের মধ্যে এটি অন্যতম। ভাঙ্গার গান শ্রাবণ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দ বিদ্রোহাত্মক কাব্যগ্রন্থ। ১১ নভেম্বর ১৯২৪ তারিখে তৎকালীন বঙ্গীয় সরকার গ্রন্থটি বাজেয়াফত করে ও নিষিদ্ধ করে। ব্রিটিশ সরকার কখনো এ নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করেননি। চিত্তনামা শ্রাবণ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ   ছায়ানট আশ্বিন ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ২১শে সেপ্টেম্বর ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ এতে রয়েছে নজরুলের ৫০টি কবিতা। পুবের হাওয়া মাঘ ১৩৩২ বঙ্গাব্দ ৩০শে জানুয়ারি ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ   সর্বহারা আশ্বিন ১৩৩৩ বঙ্গাব্দ ২৫শে অক্টোবর ১৯২৬ খ্রিস্টাব্দ সর্বহারা কাব্যগ্রন্থে ১০ টি কবিতা রয়েছে ফণী - মনসা শ্রাবণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ ২৯শে জুলাই ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ জিঞ্জীর কাব্যগ্রন্থে ১৬টি কবিতা রয়েছে সঞ্চিতা আশ্বিন ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ, ১৪ই অক্টোবর ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ আটাত্তরটি কবিতা ও সতেরোটি গান মিলে একটি কাব্য - সংকলন। জিঞ্জীর কার্তিক ১৩৩৫ বঙ্গাব্দ, । ১৫ই নভেম্বর ১৯২৮ খ্রিস্টাব্দ   সন্ধ্যা ভাদ্র ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ ১২ই আগস্ট ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ ২৪টি কবিতা আর গান নিয়েই এই গ্রন্থ। বাংলাদেশের রণসংগীত “চল চল চল, উর্ধ গগণে বাঝে মাদল” এই বই থেকে নেয়া হয়েছে। প্রলয় শিখা অগ্রহায়ণ ১৩৩৭ বঙ্গাব্দ আগস্ট ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ   নির্ঝর মাঘ ১৩৪৫ বঙ্গাব্দ ২৩শে জানুয়ারি ১৯৩৯ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট কবিতার সংখ্যা ২৫টি। নজরুল ইসলামের নির্ঝর বইকে অনেক সমালোচকের কাছে একটি ভাগ্যবিড়ম্বিত বই বলে মনে হয়েছে। সঞ্চয়ন ১৩৬২ বঙ্গাব্দ ১৯৫৫ খ্রিস্টাব্দ   শেষ সওগাত বৈশাখ ১৩৬৫ বঙ্গাব্দ ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দ   ঝড় মাঘ ১৩৬৭ বঙ্গাব্দ জানুয়ারি ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ এতে রয়েছে নজরুলের ২৪টি কবিতা।   সংগীত মূল নিবন্ধ: নজরুলগীতি বুলবুল (গান) ১৯২৮ সন্ধ্যা (গান) ১৯২৯ চোখের চাতক (গান) ১৯২৯ নজরুল গীতিকা (গান সংগ্রহ) ১৯৩০ নজরুল স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৩১ চন্দ্রবিন্দু (গান) ১৯৩১ সুরসাকী (গান) ১৯৩২ বনগীতি (গান) ১৯৩১ জুলফিকার (গান) ১৯৩১ গুল বাগিচা (গান) ১৯৩৩ গীতি শতদল (গান) ১৯৩৪ সুর মুকুর (স্বরলিপি) ১৯৩৪ গানের মালা (গান) ১৯৩৪ স্বরলিপি (স্বরলিপি) ১৯৪৯ বুলবুল দ্বিতীয় ভাগ (গান) ১৯৫২ রাঙ্গা জবা (শ্যামা সংগীত) ১৯৬৬ গল্পগ্রন্থ গ্রন্থ প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু ব্যথার দান ফাল্গুন ১৩২৮ বঙ্গাব্দ ১লা মার্চ ১৯২২ খ্রিস্টাব্দ এটি নজরুলের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ। এই গ্রন্থের গল্পগুলোর ভাষা আবেগাশ্রয়ী, বক্তব্য নরনারীর প্রেমকেন্দ্রিক। রিক্তের বেদন পৌষ ১৩৩১ বঙ্গাব্দ ১২ই জানুয়ারি ১৯২৫ খ্রিস্টাব্দ মোট ৮টি গল্প আছে এতে। উল্লেখযোগ্য - রাক্ষুসী শিউলি মালা কার্তিক ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ ১৬ই অক্টোবর ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ এই গ্রন্থে মোট ৪টি গল্প আছে। উল্লেখযোগ্য - পদ্ম - গোখরো, জিনের বাদ্‌শা হক সাহেবের হাসির গল্প     হাসির গল্প সাপুড়ে     আখ্যান   উপন্যাস উপন্যাস প্রকাশকাল (বঙ্গাব্দ) প্রকাশকাল (খ্রিস্টাব্দ) বিষয়বস্তু বাঁধন হারা শ্রাবণ ১৩৩৪ বঙ্গাব্দ, আগস্ট ১৯২৭ খ্রিস্টাব্দ এটি একটি পত্রোপন্যাস। বাঁধন হারা নজরুল রচিত প্রথম উপন্যাস। করাচিতে থাকাকালীন তিনি 'বাঁধন হারা' উপন্যাস রচনা শুরু করেন। মৃত্যুক্ষুধা মাঘ ১৩৩৬ বঙ্গাব্দ জানুয়ারি ১৯৩০ খ্রিস্টাব্দ লেখক এতে তুলে ধরেছেন তৎকালিন দারিদ্র্য, ক্ষুধা, দুর্ভিক্ষের পরিপ্রেক্ষিতে সপরিবার মেজ - বৌয়ের মুসলিম থেকে খ্রিষ্টান ধর্ম গ্রহণ। নারী জীবনের দুবির্ষহ অন্ধকার এবং সমাজের বাস্তবচিত্র এই উপন্যাসে তুলে ধরা হয়। কুহেলিকা শ্রাবণ ১৩৩৮ বঙ্গাব্দ ২১শে জুলাই ১৯৩১ খ্রিস্টাব্দ। ই উপন্যাসের মধ্য দিয়ে নজরুলের রাজনৈতিক আদর্শ ও মতবাদ প্রতিফলিত হয়েছে।     নাটক ঝিলিমিলি (নাট্যগ্রন্থ) ১৯৩০ আলেয়া (গীতিনাট্য) ১৯৩১ পুতুলের বিয়ে (কিশোর নাটক) ১৯৩৩ মধুমালা (গীতিনাট্য) ১৯৬০ ঝড় (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬০ পিলে পটকা পুতুলের বিয়ে (কিশোর কাব্য - নাটক) ১৯৬৪ প্রবন্ধ এবং নিবন্ধ যুগবানী ১৯২২ ঝিঙ্গে ফুল ১৯২৬ দুর্দিনের যাত্রী ১৯২৬ রুদ্র মঙ্গল ১৯২৭ ধূমকেতু ১৯৬১ রাজবন্দির জবানবন্দি অনুবাদ এবং বিবিধ রাজবন্দীর জবানবন্দী (প্রবন্ধ) ১৯২৩ দিওয়ানে হাফিজ (অনুবাদ) ১৯৩০ কাব্যে আমপারা (অনুবাদ) ১৯৩৩ মক্তব সাহিত্য (মক্তবের পাঠ্যবই) ১৯৩৫ রুবাইয়াৎ - ই - ওমর খৈয়াম (অনুবাদ) ১৯৫৮ নজরুল রচনাবলী (ভলিউম ১ - ৪,বাংলা একাডেমী)১৯৯৩ সঙ্গীত গ্রন্থাবলী নজরুল সঙ্গীতের স্বরলিপি গ্রন্থের প্রচ্ছদ চিত্র। নজরুল নিজেই স্বরলিপি করেছিলেন। বুলবুল (১ম খন্ড - ১৯২৮, ২য় খন্ড - ১৯৫২) চোখের চাতক (১৯২৯) চন্দ্রবিন্দু (১৯৪৬) নজরুল গীতিকা (১৯৩০) নজরুল স্বরলিপি (১৯৩১) সুরসাকী (১৯৩১) জুলফিকার (১৯৩২) বনগীতি (১৯৩২) গুলবাগিচা (১৯৩৩) গীতিশতদল (১৯৩৪) সুরলিপি (১৯৩৪) সুর - মুকুর (১৯৩৪) গানের মালা (১৯৩৪) সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পদ্মাগোখরা। এটি বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচিত একটি বিখ্যাত ছোটগল্প।
এই গল্পটি নজরুলের তৃতীয় গল্পগ্রন্থ 'শিউলি মালা' (প্রকাশ: ১৯৩১ খ্রিষ্টাব্দ)-এর অন্তর্ভুক্ত। 'শিউলি মালা' গ্রন্থে মোট চারটি গল্প আছে, যার মধ্যে 'পদ্ম-গোখরো' এবং 'জিনের বাদ্‌শা' অন্যতম।
বাকি বিকল্পগুলি ভিন্ন লেখকের বা ভিন্ন ধরনের সাহিত্যকর্ম:
পদ্মপুরাণ: এটি মনসামঙ্গল কাব্যের অপর নাম।
পদ্মাবর্তী: এটি আলাওল রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
পদ্মরাগ: এটি বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘গৌরব’ শব্দের প্রকৃতি- প্রত্যয় নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গৌর +অব
  2. গুরু+অব
  3. গুরু +ঞ্চ
  4. গুরু +ষ্ণ

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: গুরু + ষ্ণ
‘গৌরব’ শব্দটি একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ। এটি তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে।
যে প্রত্যয়গুলি শব্দের মূল বা প্রকৃতির (বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয়) পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে, তাদের তদ্ধিত প্রত্যয় বলে।
এখানে মূল প্রকৃতি হলো ‘গুরু’ এবং তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ‘ষ্ণ’ প্রত্যয়।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন ‘ষ্ণ’ (বা ষ্ণ্য, ষ্ণিক) প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন প্রকৃতির আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। এখানে ‘গুরু’ শব্দের ‘উ’ ধ্বনি বৃদ্ধি পেয়ে ‘ঔ’-তে পরিণত হয়েছে (গুরু \rightarrow গৌরব)।
(স্মর্তব্য: ষ্ণ প্রত্যয়ের লোপ হয়ে ‘অ’ থাকে, যা র-এর সঙ্গে যুক্ত হয়)।
17

কালবৈশাখীর ইংরেজি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Dark Westerlies
  2. West Westerlies
  3. North Westerlies
  4. Black Westerlies

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কাল বৈশাখী /noun/ northwester; nor'wester; north - wester; Nor' wester; Nor' westerly; /প্রতিশব্দ/ কালবৈশাখী;

ব্যাখ্যা

কালবৈশাখী হলো প্রাক-বর্ষা মৌসুমে (বৈশাখ মাসে) উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা তীব্র ঝড়। এর ইংরেজি পরিভাষা হলো Northwester বা Nor'wester
যদিও 'কাল' শব্দটি 'ব্ল্যাক' বা 'ডার্ক' অর্থ প্রকাশ করে, কিন্তু এই ঝড়টির বৈজ্ঞানিক এবং ভৌগোলিক নাম নির্ধারণ করা হয়েছে এটির উৎপত্তি বা প্রবাহের দিক থেকে। এটি উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে প্রবাহিত হয়, তাই সঠিক ইংরেজি শব্দটি হলো Northwester (বা Nor'wester)।
প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে North Westerlies শব্দটি সঠিক উত্তর Nor'wester-কে নির্দেশ করছে।
18

ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বাংলা ভাষা বিশ্বের কততম প্রধান ভাষা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. চতুর্থ
  4. পঞ্চম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় বর্তমানে বাংলা ভাষা বিশ্বের ৬ষ্ঠ প্রধান ভাষা। বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫ শতাংশ কথা বলেন এই ভাষায়। মাতৃভাষা হিসেবে ইংরেজির অবস্থান তৃতীয়। মাতৃভাষা হিসেবে বিশ্ব - ভাষা তালিকায় বাংলার অবস্থান পঞ্চম এবং বহুল ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে এর অবস্থান সপ্তম। ইন্দো - ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত বাংলায় কথা বলেন ২২ কোটির বেশি মানুষ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ষষ্ঠ
ব্যবহারকারীর সংখ্যা বিবেচনায় (Total Speakers/Users) বাংলা ভাষা বর্তমানে বিশ্বের ৬ষ্ঠ প্রধান ভাষা। প্রায় ২২ কোটিরও বেশি মানুষ এই ভাষায় কথা বলেন।
পরীক্ষায় Ranking সংক্রান্ত প্রশ্নগুলি বেশ বিভ্রান্তিকর হতে পারে, তাই ব্যবহৃত Metric সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা আবশ্যক:
১. মোট ব্যবহারকারীর সংখ্যা (Total Users/Speakers): ষষ্ঠ (৬ষ্ঠ)
২. মাতৃভাষা হিসেবে (Native Speakers): পঞ্চম (৫ম)
৩. বহুল ব্যবহৃত ভাষা হিসেবে (Widely Used): সপ্তম (৭ম)
19

টর্নেডো শব্দটি এসেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Toonida
  2. Tunioda
  3. Tonada
  4. Tornada

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মূলতঃ কিউমুলোনিম্বাস (ক্ষেত্রবিশেষে কিউমুলাস) মেঘ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় ফানেল বা হাতির শুঁড়ের মত বায়ুস্তম্ভের আকারে সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের উপরে প্রচন্ডবেগে ঘূর্ণায়মান চলনশীল ঝড়কে টর্নেডো (Tornedo) বলে । 'Tornedo' শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada' থেকে, যার অর্থ বজ্রসম্পন্ন ঝড় ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Tornada
টর্নেডো (Tornedo) হলো ভূপৃষ্ঠের উপরে সৃষ্টি হওয়া প্রচন্ডবেগে ঘূর্ণায়মান এক প্রকার চলনশীল ঝড়, যা ফানেল বা হাতির শুঁড়ের মতো বায়ুস্তম্ভের আকারে দেখা যায়।
এই 'Tornedo' শব্দটি মূলতঃ স্প্যানিশ ভাষা থেকে উদ্ভূত। স্প্যানিশ শব্দ 'Tornada'-এর অর্থ হলো 'বজ্রসম্পন্ন ঝড়' (Thunderstorm)।
সুতরাং, উৎস শব্দ হলো Tornada
20

খনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিল্প
  2. কৃষি
  3. সাহিত্য
  4. বিজ্ঞান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পুবে ধনু নিত্য ঝরাখনার বচনে প্রাধান্য পেয়েছে - কৃষি পুবে ধনু নিত্য ঝরা পচ্চিমে ধনু নিত্য খরা (খনার এ বচনে বলা হয়েছে, আষাঢ় - শ্রাবণ মাসে পুব আকাশে রংধনু দেখা দিলে বৃষ্টি হবে এবং পশ্চিমে দেখা গেলে খরা হবে।১) ‘খনা’ কি ‘খনার বচন’ নিয়ে বিদ্যমান আলাপ কি নথিতে আমরা বরাবর ছকবদ্ধ কিছু একরৈখিক ধরন ও সূত্র দেখতে পাই। যদিও খনা কি খনার বচন নিয়ে গুরুত্ব তৈরি করার মতো লেখালেখি আমাদের নাগাল কি হদিসে তেমন একটা নেই। মহামতি খনা তাঁর অমর সৃষ্টি ‘খনার বচনের’ ভেতর দিয়েই আমাদের ইতিহাসে জোরদার দৃশ্যমানতা তৈরি করেছেন। হয়তো সেই কারণেই খনাবিষয়ক আলোচনায় প্রধান হয়ে ওঠে কেবল তাঁর বচনসমূহ। বচনভিন্ন খনা বারবার আমাদের অধিপতি আলাপের ঘেরাটোপ থেকে বিচ্ছিন্ন কি অদৃশ্য হয়ে যান বা তাঁকে আড়াল করে রাখা হয়। এমনকি খনার বচন নিয়ে আলাপের সূত্রগুলো তাঁর বচনের ‘কৃষি ও আবহাওয়ার সম্বন্ধকে’ এমন কায়দায় উপস্থাপন করে বারবার, যেখান থেকে আমরা খনার বচনের বিজ্ঞান - দর্শন নয় কেবল ‘কৃষি কি আবহাওয়ার উপযোগিতামূলক পরামর্শই’ ঠাহর করতে পারি। সচরাচর খনার ‘বিদুষী’, ‘জ্যোতিষী’, ‘কৃষি বচন রচয়িতা’, ‘কিংবদন্তি’ ইত্যাদি পরিচয় নির্মাণেরই চল প্রতিষ্ঠিত। ‘খনার বচনও’ সচরাচর ‘লোকসংস্কৃতির’ এক প্রবল বলপ্রয়োগে বন্দী, যেখান থেকে নিম্নবর্গের রূপান্তরধর্মী জীবন কি আখ্যানের কোনো আন্দাজ পাওয়া যায় না। খনা কি খনার বচন নিয়ে যত ধরনের লেখালেখি হাতের নাগালে পাওয়া যায়, সেসব লেখালেখির ধরন ও কাঠামো প্রায় একই। প্রচলিত নথিগুলো পয়লা খনার জন্মবৃত্তান্ত বর্ণনা করে (যা জন্মরহস্য বলে একধরনের দক্ষিণ এশীয় ফ্যান্টাসি তৈরি করে), পরবর্তীতে তাঁর একধরনের ‘সংক্ষিপ্ত জীবনী’ তুলে ধরে। এসব জীবনীর একটা প্রধান অংশজুড়েই খনাকে পরিবারকেন্দ্রিক অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে টেনে টেনে সামাজিকীকরণ করা হয়। খনার শ্বশুর, স্বামী, রাক্ষসপুরীতে বড় হওয়া ও জ্যোতিষজ্ঞান লাভ, রাজদরবার সব মিলিয়ে খনাকে ‘প্রকাশ’ করা হয়। রয়েছে খনার জন্মস্থান বিতর্ক এবং বচনের ভাষিক বাহাস। তারপর খনার বচনগুলোর একটা সংকলন তুলে দেওয়া হয়। ছন্দোবদ্ধ বচনটির পর একটি বর্ণনামূলক মানে দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে বচনগুলো শ্রেণীকরণ করে ব্যবহূত হতে দেখা যায়। যেমন, কৃষিবিষয়ক বচন, তিলতত্ত্ব, হলুদবিষয়ক, কচুবিষয়ক, বৃষ্টি গণনা, কলার চাষবিষয়ক ইত্যাদি। খনার এক বচন ছাড়া প্রচলিত অধিকাংশ রচনায় খনাকে ‘ইতিহাসের এক নিষ্ক্রিয় ও প্রতিরোধহীন’ ব্যক্তি হিসেবেই উপস্থাপন করা হয়। কিছু ক্ষেত্রে ‘খনার জিহ্বা কেটে নেওয়ার ঘটনাকে’ পুরুষতান্ত্রিক নিপীড়ন ও নারীর জ্ঞানকে প্রান্তিক করে তোলার উদাহরণ হিসেবে ব্যাখা দেওয়া হয়। কেউ কেউ খনার বচনের ‘জনমত’ ও গ্রহণযোগ্যতাকেও প্রমাণ করার চেষ্টা করেছেন। সবকিছু মিলিয়ে অধিপতি জ্ঞানকাণ্ডের খনা - ভাবনাসমূহ খনা কি খনার বচনকে ‘লোকসংস্কৃতি ও গ্রামীণ কৃষিসমাজের বিষয়’ হিসেবে এক প্রশ্নহীন অপরত্বের২ মোড়কে সমাজ রূপান্তরের ধারাপাত থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছে। এর ধারাবাহিকতায় দেখা যায়, নিম্নবর্গের যাপিতজীবন ও রাষ্ট্রবিকাশের আখ্যান থেকে খনা কি খনাদের সৃষ্টি ও দর্শনকে ‘অস্বীকৃত’ ও ‘অবাঞ্ছিত’ করে রাখা হয়। যাপিতজীবনের দেনদরবার থেকে বিচ্ছিন্ন করে খনাদের ‘ধরাছোঁয়ার বাইরের অচিন রূপকথা কি নাগালহীন কিংবদন্তি’ করে তোলা হয়। ক্ষমতাবানদের রচিত ইতিহাসে কেবল খনা নয়, উলগুলান বা মুণ্ডা বিদ্রোহের কারিগর বীরসা মুণ্ডা কি হুল বা সাঁওতাল বিদ্রোহের নেতা ফুলমণি মুর্মুদেরও এভাবেই ‘অপর’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। নিরন্তর বিজ্ঞানমনস্কতা কি সামাজিক বোঝাপড়া দিয়ে তখন এসব চরিত্র কি তাদের চিন্তা ও দর্শন নিম্নবর্গের নাগালের বাইরে থেকে যায়। আর সেখান থেকেই আজকের আলাপখানি৩ শুরু করতে চাইছি। খনা ও খনার বচনের বিজ্ঞান - দর্শনকে আজকের আলাপে বোঝার চেষ্টা করব। আলাপের সূত্র ধরে খনার বৃত্তান্ত, প্রচলিত আখ্যান ও কাহিনিগুলো আমাদের টানতে হবে ক্ষমতার রাজনীতি ও ইতিহাসের বৈষম্যের ব্যাকরণকে স্পষ্ট করার জন্য। আলাপের ক্ষেত্রে একটা রাজনৈতিক তাত্ত্বিক পাটাতন অনেকখানি জরুরি হয়ে দাঁড়ায়। নিম্নবর্গের প্রতিরোধী জ্ঞানকাণ্ডের বিজ্ঞানমনস্কতা আলাপের অলিগলি ঘুরতে আমাদের টানটান রাখবে। প্রতিবেশ - নারীবাদী৪ তত্ত্ব - তালাশের ভেতর দিয়ে চলতি আলাপ তার আসর জমানোর মানত করেছে। বাংলা ও ইংরেজিতে প্রকাশিত খনা ও খনার বচন নিয়ে লেখালেখিগুলোর প্রায় গরিষ্ঠভাগই (যা পাওয়া গেছে এ শর্তকে মেনে) চলতি আলাপে টেনে আনা হয়েছে। খনার বচনের ক্ষেত্রে নিজস্ব সংগ্রহ, রাস্তা কি মেলাতে বিক্রীত বই থেকে শুরু করে গবেষণা পুস্তক - জার্নাল - পত্রিকা - সাময়িকী এবং ওয়েবদুনিয়াতে যা পাওয়া গেছে তা - ও গুরুত্ব দিয়ে আলাপের সঙ্গী হয়েছে। খনার বচন এবং খনার বিজ্ঞান - দর্শনকে জানতে - বুঝতে দেশের নানান প্রান্তে গ্রামীণ জনপদে নিম্নবর্গের বাহাস ও দেনদরবার কাজে লেগেছে। নিম্নবর্গের এই প্রজ্ঞা ও গতিই বিজ্ঞানের সত্যকে প্রকাশ করে, খনার বচন কি খনার দর্শন জীবনব্যাপী যে সত্যের সীমানা তৈরি করেছে। চলতি আলাপ থেকে আমরা অধিপতি জ্ঞানকাণ্ডের ক্ষমতার বলপ্রয়োগ ও নিম্নবর্গের জ্ঞানদুনিয়ার প্রান্তিকীকরণ ও নিরন্তর টিকে থাকার লড়াইয়ের ধরনটিও বোঝার চেষ্টা করব। কারণ খনা ও খনার বচনকে দাবিয়ে রাখার মৌলিক সূত্র ও কারণ ক্ষমতার রাজনীতির ভেতরেই সীমাবদ্ধ।

ব্যাখ্যা

খনার বচন হলো ছন্দোবদ্ধ লোকায়ত উপদেশ বা প্রবচন, যা মূলত প্রাচীন বাংলার কৃষকদের কৃষি সম্পর্কিত জ্ঞান এবং আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিতে সহায়তা করত।
এই বচনগুলিতে কোন মাসে কী ফসল ভালো হবে, কখন বৃষ্টি হবে, বা কেমন আবহাওয়ায় কী ধরনের চাষাবাদ করা উচিত—তার নির্দেশনা থাকে।
এ কারণে খনার বচনে সর্বাধিক প্রাধান্য পেয়েছে কৃষিকৃষি সম্পর্কিত আবহাওয়া জ্ঞান
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

Learn the poem ____ heart

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. by
  2. within
  3. in
  4. with

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Learn something by heart (মুখস্ত করা ) একটি idiomatic expression ।   তাই  সঠিক উত্তর হবে Learn the poem by heart

ব্যাখ্যা

এটি Fixed Preposition বা Idiomatic Expression-এর উদাহরণ।
ইংরেজি ভাষায় 'মুখস্থ করা' অর্থে সব সময় "by heart" এই ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি সুনির্দিষ্ট বাগধারা, যেখানে 'by' ছাড়া অন্য কোনো Preposition (যেমন 'in', 'with', 'within') ব্যবহার করা যায় না।
সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হলো: Learn the poem by heart (কবিতাটি মুখস্থ করো)।
22

Change the voice: "Where did you see him?"

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Where he was seen by you?
  2. Where was he seen by you?
  3. Where did he seen by you?
  4. Where was he see by you?

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটি  একটি প্রশ্নবোধক বাক্য । যার  passive structure হলো -   WH + be verb +   object এর subject form + vpp + preposition + subject এর object form. তাই, "Where did you see him?"  এর সঠিক passive form হবে -  Where was he seen by you?

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে দেওয়া বাক্যটি ("Where did you see him?") একটি প্রশ্নবোধক বাক্য (Interrogative Sentence) এবং এটি Simple Past Tense-এ আছে।
Simple Past Tense-এর Voice Change করার সময়, Active Voice-এ 'did' ব্যবহৃত হয় এবং Passive Voice-এ 'was' অথবা 'were' ব্যবহৃত হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, WH-word (এখানে 'Where') অপরিবর্তিত থাকে। Object (him) Subject হয়ে 'he' হয়। যেহেতু 'he' সিঙ্গুলার, তাই অক্সিলিয়ারি ভার্ব হিসেবে 'was' বসবে।
প্রশ্নবোধক বাক্যে, অক্সিলিয়ারি ভার্ব (was) অবশ্যই Subject (he)-এর আগে বসতে হবে। মূল ভার্বের Past Participle (V3) ফর্ম (seen) ব্যবহৃত হবে।
সঠিক Passive গঠনটি হলো: Where + was + he + seen + by + you?
অপশন A ("Where he was seen by you?") ভুল, কারণ এটি প্রশ্নবোধক না হয়ে Assertive বাক্যের মতো গঠন করেছে। Passive-এ প্রশ্নবোধক কাঠামো বজায় রাখতে হয়।
23

I water the plants. The word 'water' is used as-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. verb
  2. adverb
  3. Noun
  4. Pronoun

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Verb কাকে বলে?  Verb: যে শব্দ দ্বারা কোন কাজ করা হয় বা হয়ে থাকে বুঝায় তাকে Verb বলে। যেমন: Do, come, eat, go, Play ইত্যাদি সহজ কথায়, Subject যে কাজ করে তাই  হল ইংরেজির Verb (ক্রিয়া পদ). যেমনঃ I play football in the afternoon. (এখানে Play দিয়ে কোন কাজ করা বুঝাচ্ছে তাই Play হলো  Verb). এভাবে, Eat, See, Go, Take, Write, Sing, Open, Draw ইত্যাদি এগুলো হলো ইংরেজির Verb. Verb এর প্রকারভেদঃ Verb এর প্রকারভেদ ভাল করে বুঝতে নিচের Info graph - প্রেজেন্টেশনটি টি ভাল করে দেখে নিন।   Verb কত প্রকার ও কি কি? Verb এর প্রকারভেদ: Verb প্রধানত দুই প্রকার। যথা :A. Finite verb (সমাপিকা ক্রিয়া)B. Non - finite verb (অসমাপিকা ক্রিয়া) A.Finite Verb দুই প্রকার, যথাঃ 1.Principal Verb (প্রধান ক্রিয়া)2.Auxiliary Verb (সাহায্যকারী ক্রিয়া) B.Non - finite Verb তিন প্রকার, যথাঃ 1.Infinitive 2.Participle 3.Gerund Principal Verb আবার দুই প্রকার, যথাঃ 1.Transitive (সকর্মক ক্রিয়া)2.Intransitive (অকর্মক ক্রিয়া) Auxiliary দুই প্রকার, যথাঃ 1.Primary2.Modals Participle তিন প্রকার, যথাঃ1.Present participle2.Past participle3.Perfect participle Finite Verb কাকে বলে? A. Finite Verb (সমাপিকা ক্রিয়া) : যে সব Verb দ্বারা বক্তার বক্তব্য সম্পূর্ণরূপে শেষ হয় তাকে Finite Verb বলে। এই Verb গুলো Subject এর Number, Person ও Tense অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন হয়। Example :He eats rice. We played football yesterday. Finite Verb কত প্রকার? : Finite Verb দুই প্রকার। যথা : i.Principal verb ii. Auxiliary Verb. Principal Verb কাকে বলে? a. Principal Verb (প্রধান ক্রিয়া) : যে Verb নিজেই স্বাধীনভাবে অন্য Verb এর সাহায্য ছাড়াই কোন কাজ শেষ করে তাকে Principal Verb বলে।Example :He eats. They run in the field. Principal Verb দুই প্রকার। যথা : i.Transitive Verb ii.Intransitive Verb. Transitive Verb কাকে বলে? Transitive Verb (সকর্মক ক্রিয়া) :যে সমস্ত Verb এর Object বা কর্ম থাকে তাদেরকে Transitive Verb বলে। Tense ও Subject এর Person, Number অনুযায়ী এদের রূপের  পরিবর্তন ঘটে।Example :He plays football. We run a race. Intransitive Verb কাকে বলে? II. Intransitive Verb (অকর্মক ক্রিয়া): যে Verb এর Object বা কর্ম থাকে না তাদেরকে Intransitive Verb বলে।  এদের পরে কোনো Object থাকে না। Tense ভেদে Subject এর Person ও Number অনুযায়ী এদের রূপের পরিবর্তন ঘটে Example :The pen writes well. She looks nice. Auxiliary Verb কাকে বলে? b. Auxiliary Verb (সাহায্যকারী ক্রিয়া) : যে Verb এর নিজের কোন অর্থ থাকে না,  Sentence - এ Tense ও Mood প্রকাশ করতে Principal Verb কে সাহায্য করে তাকে Auxiliary Verb বলে। Auxiliary Verb এর তালিকা:am, is, are, was, were, be, being, been, have,has, had, shall, should, will, would, may, might,can, could, do, does, did, used (to), ought (to),dare (to) Auxiliary Verb এর প্রকারভেদ :Auxiliary Verb সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা :I.Primary AuxiliaryII.Modal Auxiliary Primary Auxiliary Verb কাকে বলে? Primary Auxiliary Verb: যে Verb গুলোকে বাক্যে Helping বা Auxiliary এবং কখনো কখনো Ordinary Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয় তাদেরকে Primary Auxiliaries বলে। Primary Auxiliaries গুলো নিম্নরূপ :Verb to be : am, is, are, was, wereVerb to have : have, has, hadVerb to do : do, does, did II. Modal Auxiliaries: ক্রিয়া সম্পাদনের ক্ষেত্রে Mood বা ধরণ বুঝানোর জন্য যে Auxiliary গুলো ব্যবহৃত হয় সেগুলোকে Modal Auxiliary বলে। Modal Auxiliary গুলো নিম্নরূপ :Shall, should, will, would, may, might, can, could,Used (to), ought (to), dare (to)   Non - finite Verb কাকে বলে? B. Non - finite Verb (অসমাপিকা ক্রিয়া) :যে Verb দ্বারা কোন বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ প্রকাশ পায় না এবং Subject এরNumber ও Person দ্বারা যে Verb এর কোন রূপের পরিবর্তন হয় না তাকে Non - finite Verb বলে। Non - finite Verb এর প্রকারভেদ :Non - finite Verb তিন ভাগে বিভক্ত। যথা :I.InfinitiveII.ParticipleIII.Gerund i. Infinitive : Verb এর Present form এর আগে to বসিয়ে Infinitive গঠন করা হয়।Example :To tell a lie is a great sin.We come to see. Participle Verb কাকে বলে? b. Participle : Verb যে রূপ একসঙ্গে Verb ও Adjective এর কাজ সম্পন্ন করে তাকে Participle বলে। I saw some flying birds  in the sky. (এখানে flying দ্বারা পাখি গুলোর কাজ এবং উড়ন্ত অবস্থা যা Adjective পকাশ করছে।) Participle কত প্রকার :Participle তিন প্রকার। যথা : I. Present Participle :Verb এর ing form যখন Verb ও Adjective এর কাজ করে তখন তাকে Present Participle বলে।Example :The news is interesting. II. Past Participle : যে Participle দ্বারা অতীতে কোন কাজ সম্পন্ন হয়েছে বোঝায় তাকে Past Participle বলে।Example :We got a decorated class room.He had played there. III. Perfect Participle : যদি Verb এর Past Participle এর পূর্বে having যুক্ত হয়ে Adjective ও Verb এর কার্য সম্পাদন করে  তখন তাকে Perfect Participle বলে।Example :The sun having risen, darkness is disappeared. Gerund কাকে বলে? C. Gerund : Gerund হল (verb + ing) যার মধ্যে Noun ও Verb এর শক্তি কাজ করে। অর্থাৎ ing যুক্ত Verb টি Noun ও Verb হিসেবে কাজ করে। Example : Rina is fond of reading newspaper. Sleeping is essential for us. Walking is a good exercise Verb এর ভিডিও টিউটোরিয়াল লিংকঃ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: verb
বাক্যটিতে ('I water the plants') 'I' হলো Subject (কর্তা) এবং 'the plants' হলো Object (কর্ম)। Subject যে কাজটি সম্পাদন করে, তা-ই হলো ক্রিয়াপদ (Verb)
সাধারণত 'water' শব্দটি বিশেষ্য (Noun) হিসেবে ব্যবহৃত হলেও (যেমন: Drinking water is necessary), এই বাক্যে এটি Subject এর 'কাজ করা' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে—অর্থাৎ, 'আমি গাছগুলিতে জল দিই'।
যেহেতু 'water' এখানে জল দেওয়ার কাজটিকে নির্দেশ করছে, তাই এটি একটি Transitive Verb হিসেবে কাজ করছে।
24

If the price is low, demand _______

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. will be increased
  2. will increase
  3. is increased
  4. would be increased

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

1st Conditional:নিয়মঃ  If + simple present/present indefinite, Future indefinite.Example: If the price is low, demand will increase.অর্থাৎ, যদি দাম কম হয়, (তাহলে) চাহিদা বাড়বে।

ব্যাখ্যা

এটি একটি First Conditional Sentence-এর উদাহরণ। এই ধরনের বাক্য দ্বারা ভবিষ্যতে কোনো একটি কাজ হওয়ার সম্ভাবনার কথা বলা হয়।
First Conditional এর সাধারণ গঠন হলো:
If + Simple Present Tense (Condition) , Simple Future Tense (Result)
এখানে If Clause-এ আছে: If the price is low (Simple Present Tense).
সুতরাং, Main Clause-এ Simple Future Tense হবে: demand will increase (চাহিদা বাড়বে)। এটি Active Voice-এ আছে, অর্থাৎ চাহিদা নিজে নিজেই বাড়ে।
Option (0) 'will be increased' ভুল, কারণ এটি Future Passive Voice এবং এখানে Passive Voice-এর প্রয়োজন নেই।
Option (3) 'would be increased' ভুল, কারণ 'would' সাধারণত Second অথবা Third Conditional-এ ব্যবহৃত হয়।
25

There is _____milk in the bottle

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. very little
  2. small
  3. very few
  4. a little

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Milk- uncountable noun (যা গননা করা যায় না)।uncountable  Noun এ a llittle বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a little
এখানে Milk (দুধ) হলো একটি Uncountable Noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য)। যে সকল জিনিস গণনা করা যায় না, সেগুলির পরিমাপ বোঝাতে 'little' বা 'a little' ব্যবহার করা হয়।
যেহেতু বোতলে দুধের পরিমাণের কথা বলা হচ্ছে, তাই Uncountable Noun (Milk)-এর আগে সংখ্যাসূচক শব্দ 'a little' বসবে, যার অর্থ হলো—সামান্য পরিমাণ।
অন্যদিকে, 'very few' Countable Noun-এর সাথে বসে (যেমন: very few students)। 'small' সাধারণত আকারের ক্ষেত্রে বসে (যেমন: a small bottle)। 'very little' মানে হলো—'প্রায় নেই' (নেতিবাচক অর্থ)। 'a little' ইতিবাচক অর্থ বহন করে।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

Choose the correctly spelt word ----

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Buro
  2. Beauro
  3. Bureau
  4. Burough

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Bureau অর্থ ব্যুরো

ব্যাখ্যা

সঠিকভাবে বানান করা শব্দটি হলো Bureau (অপশন ৩)।
Bureau একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ হলো 'ব্যুরো', 'দপ্তর' বা 'বিভাগ' (A department or administrative unit)।
ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে, 'eau'-এর মতো ভাওয়েল কম্বিনেশনগুলো (Vowel Combinations) প্রায়শই বিভ্রান্তির সৃষ্টি করে। এই বানানটি মনে রাখার জন্য শেষের 'eau' অংশটি বিশেষভাবে মনে রাখতে হবে।
অন্য বানানগুলো (Buro, Beauro, Burough) ভুল এবং ইংরেজিতে এই বানানের কোনো প্রচলিত শব্দ নেই।
27

If I ---- you, I would not have done this.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. are
  2. was
  3. am
  4. were

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

If I were you, I would not have done this Conditional sentence এর পরের অংশে যদি Future perfect tense থাকে তাহলে প্রথম অংশে Past indefinite tense হয়।

ব্যাখ্যা

এটি একটি Conditional Sentence (শর্তমূলক বাক্য) এবং Subjunctive Mood-এর উদাহরণ।
যে সকল বাক্য দ্বারা অবাস্তব (Unreal) বা অসম্ভব (Hypothetical) ইচ্ছা বা পরিস্থিতি প্রকাশ করা হয়, সেখানে Subject যাই হোক না কেন, 'be' verb হিসেবে সর্বদা 'were' ব্যবহৃত হয়।
যেমন: 'যদি আমি তুমি হতাম'—এখানে আমি কখনো তুমি হতে পারি না, তাই এটি একটি অবাস্তব কল্পনা। এই ধরনের ক্ষেত্রে I-এর পরে 'was' না বসে 'were' বসবে।
অতএব, 'If I were you' হলো একটি ফিক্সড এক্সপ্রেশন, যার অর্থ 'যদি আমি তোমার জায়গায় থাকতাম'।
সঠিক উত্তর: were
28

What is an epic?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a novel
  2. a long poem
  3. a long prose composition
  4. a romance

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

An epic is a long poem, typically one derived from ancient oral tradition, narrating the deeds and adventures of heroic or legendary figures or the past history of a nation.একটি মহাকাব্য হল একটি দীর্ঘ কবিতা, সাধারণত একটি প্রাচীন মৌখিক ঐতিহ্য থেকে প্রাপ্ত, বীরত্বপূর্ণ বা কিংবদন্তী ব্যক্তিত্বের কাজ এবং সাহসিকতা বা একটি জাতির অতীত ইতিহাস বর্ণনা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো a long poem (একটি দীর্ঘ কবিতা)।
মহাকাব্য (Epic) হলো এমন এক ধরনের দীর্ঘ বর্ণনামূলক কবিতা, যেখানে কোনো মহান বীর, ঐতিহাসিক ঘটনা বা জাতির ঐতিহ্য নিয়ে কাব্যিক ছন্দে কাহিনী বর্ণনা করা হয়।
মহাকাব্যের মূল বৈশিষ্ট্য হলো এটি অবশ্যই পদ্য বা ছন্দে রচিত হবে, তাই এটি কখনোই novel (উপন্যাস) বা prose composition (গদ্য রচনা) হতে পারে না।
29

“To break the ice” means,

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to end the hostility
  2. to end partnership
  3. to start quarreling
  4. to start a conversation

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

break the ice means - do or say something to relieve tension or get conversation going in a strained situation or when strangers meet.

ব্যাখ্যা

“To break the ice” একটি বহুল প্রচলিত Phrase/Idiom।
এর আভিধানিক অর্থ ‘বরফ ভাঙা’ হলেও, Idiom হিসেবে এর অর্থ হলো কোনো অপরিচিত পরিবেশে বা কঠিন, নীরব পরিস্থিতিতে আলাপ বা কথোপকথন শুরু করা (To make a beginning, especially in conversation)।
অপশনগুলোর মধ্যে, “to start a conversation” অর্থ হলো ‘কথা বলা শুরু করা’, যা প্রদত্ত বাগধারাটির সঠিক অর্থ বহন করে।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'to end the hostility' (শত্রুতা শেষ করা) বা 'to start quarreling' (ঝগড়া শুরু করা) সঠিক নয়।
30

The correct spelling is ——–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Assignment
  2. Assignernent
  3. Asignment
  4. Asignmment

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

A task or piece of work allocated to someone as part of a job or course of study. "A homework assignment"    The allocation of someone or something as belonging to a particular group or category. "The assignment of individuals to particular social positions"

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) Assignment
Assignment শব্দটির অর্থ হলো 'নিয়োজিত কাজ' বা 'দায়িত্ব'। এটি একটি অত্যন্ত কমন বানান যা পরীক্ষায় প্রায়ই ভুলভাবে দেওয়া হয়।
শব্দটি Assign (নিয়োগ দেওয়া) মূল ক্রিয়াপদের সাথে -ment প্রত্যয় যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে।
বানানটি মনে রাখার সময় খেয়াল রাখতে হবে—এতে একটি 's' আছে এবং 'g' এর পরে 'n' আছে। যেমন: A-s-s-i-g-n-m-e-n-t।
অন্যান্য অপশন যেমন, Assignernent (অতিরিক্ত 'er' যুক্ত), Asignment (একটি 's' অনুপস্থিত) এবং Asignmment (ভুলভাবে 'mm' যুক্ত) সবই ভুল বানানের উদাহরণ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

Agomoni School is one of the best ____ in the city.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. school
  2. schools
  3. of It
  4. high school

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

one of the best এর পরে Noun সর্বদা বহুবচন হয়।  তাই সঠিক উত্তর হবে -  Agomoni School is one of the best schools  in the city.

ব্যাখ্যা

এটি ইংরেজি গ্রামারের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Correction রুল।
নিয়মটি হলো: যখন আমরা One of the structure ব্যবহার করি (এরপরে Superlative Degree যেমন: best, worst, largest ইত্যাদি থাকতে পারে), তখন এর অর্থ দাঁড়ায়— ‘অনেকগুলো জিনিসের মধ্যে একটি’।
যেহেতু আমরা অনেকগুলো (Plural Set) থেকে একটিকে আলাদা করছি, তাই 'of the' এর পরে ব্যবহৃত Noun টি অবশ্যই বহুবচন (Plural) হতে হবে।
এখানে, 'best'-এর পরে Noun হিসেবে schools (বহুবচন) বসবে, 'school' (একবচন) নয়।
সঠিক বাক্য: Agomoni School is one of the best schools in the city।
32

The Principal will —– the answer scripts.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. look into
  2. look over
  3. look for
  4. look at

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Look over হল transitive verb ।  যার অর্থ - to inspect or examine especially in a cursory way. সঠিক উত্তর - The Principal will look over the answer scripts.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো look over
Look over হলো একটি Phrasal Verb, যার অর্থ হলো দ্রুত পরীক্ষা করা, চোখ বুলিয়ে দেখা বা পর্যবেক্ষণ করা (to inspect or examine quickly)।
একজন অধ্যক্ষ বা শিক্ষক যখন উত্তরপত্র দেখেন, তখন তিনি তা পরীক্ষা করেন (examine/look over)।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
look into: এর অর্থ তদন্ত করা (investigate)।
look for: এর অর্থ খোঁজা (search)।
look at: এর অর্থ কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা দেখা (observe/view), কিন্তু পরীক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ নথি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে এটি দুর্বল ব্যবহার।
33

I look forward to____

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have heard from you soon
  2. see you soon.
  3. hear for you soon.
  4. hearing from you soon

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

I look forward to  hearing from you soon With a view to, look forward to, accustomed to, addicted to, be/get used to ইত্যাদি phrase গুলোর পর সর্বদা মূল verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (d) hearing from you soon
কারণ, 'look forward to' হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ বাক্যাংশ (Phrase) যার অর্থ হলো— আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করা। এই বাক্যাংশটিতে 'to' কে Infinitives-এর 'to' হিসেবে গণ্য করা হয় না, বরং এটি ফ্রেজটির অংশ।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ফ্রেজ (যেমন: look forward to, with a view to, be/get used to) এর শেষে 'to' থাকে, তখন এরপরে মূল ক্রিয়াপদের সাথে ing যুক্ত হয়ে Gerund ফর্ম ব্যবহৃত হয়।
তাই এখানে 'hear' এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে hearing হবে।
34

Are you doing anything special – the weekend?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. by
  2. in
  3. at
  4. on

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Are you doing anything special at the weekend? Week, month and year এর শেষ বুঝাতে এদের পূর্বে at ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো at। তাই বাক্যটি হবে: Are you doing anything special at the weekend?
সাধারণত কোনো সপ্তাহ, মাস বা বছরের শেষ অংশ বোঝাতে Preposition হিসেবে at ব্যবহৃত হয়। যেমন: at the end of the year, at the weekend
এটি ব্রিটিশ ইংলিশের প্রচলিত ব্যবহার, যা আমাদের দেশের নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে অনুসরণ করা হয়। যদিও American English-এ 'on the weekend' ব্যবহার করা হয়ে থাকে, পরীক্ষার ক্ষেত্রে 'at' কেই সঠিক হিসেবে গণ্য করা হবে।
35

‘Once in a blue moon’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. hourly
  2. always
  3. very rarely
  4. nearly

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Once in a blue moon: This poetic phrase refers to something extremely rare in occurrence. A blue moon is the term commonly used for a second full moon that occasionally appears in a single month of our solar - based calendars.

ব্যাখ্যা

‘Once in a blue moon’ একটি বহুল ব্যবহৃত Phrasal Idiom (বাগধারা)
‘Blue Moon’ বলতে সাধারণত এক মাসে দুটি পূর্ণিমা চাঁদকে বোঝানো হয়, যা অত্যন্ত বিরল ঘটনা।
তাই এই বাগধারাটির অর্থ হলো খুব কমই বা কদাচিৎ (very rarely)।
অন্যান্য অপশনগুলো (hourly, always, nearly) অর্থের দিক দিয়ে পুরোপুরি ভুল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

He came to Dhaka with a view to — a new place.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. watch
  2. Look
  3. visit
  4. visiting

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

He came to Dhaka with a view to visiting a new place.  With a view to, look forward to, accustomed to, addicted to, be/get used to ইত্যাদি phrase গুলোর পর সর্বদা মূল verb - এর সাথে ing যুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যে 'with a view to' ফ্রেজটি ব্যবহার করা হয়েছে। এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Phrase যার অর্থ: 'উদ্দেশ্যে'।
মনে রাখবেন, কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফ্রেজ (Phrase) রয়েছে, যা 'to' দিয়ে শেষ হলেও, এখানে 'to' মূলত Preposition হিসেবে কাজ করে, Infinitive হিসেবে নয়।
এই ধরনের Preposition-এর পরে সর্বদা Gerund বা Verb + ing ব্যবহার করতে হয়।
যেহেতু ফ্রেজটি হলো 'with a view to', তাই verb 'visit'-এর সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে সঠিক উত্তর হবে 'visiting'
37

Which of the following is the correct sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He has said which is right.
  2. What has he said is right.
  3. What he has said is right.
  4. He has said that what is right.

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: What he has said is right.
এই বাক্যে What he has said অংশটি একটি Noun Clause (বিশেষ্য খণ্ডবাক্য) যা পুরো বাক্যের Subject হিসেবে কাজ করছে।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Noun Clause, ‘What’ দ্বারা শুরু হয়ে বাক্যের Subject হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন সেই Clause-এর ভিতরের কাঠামো অবশ্যই Statement (ঘোষণামূলক) হতে হবে। অর্থাৎ, Subject + Verb ক্রমানুসারে থাকতে হবে।
এখানে, Clause-এর কাঠামোটি হলো: What + Subject (he) + Verb (has said)। এরপর মূল বাক্যের verb 'is' বসেছে। এটিই সঠিক গঠন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
Option (b) What has he said is right - এখানে has he said ব্যবহার করায় Clause-টির কাঠামো Question (প্রশ্ন)-এর মতো হয়ে গেছে, যা Noun Clause-এর Subject হিসেবে ব্যবহার করা যায় না।
38

“Leave no stone unturned” means

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. try every possible means
  2. heavy stone
  3. rare stone
  4. impossible

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

"To leave no stone unturned" is an idiom that means to do everything possible to find something or to solve a problem.

ব্যাখ্যা

“Leave no stone unturned” এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত Phrasal Idiom (বাগধারা)।
এই বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো ‘একটি পাথরও না উল্টে রাখা’। কিন্তু এর ভাবগত অর্থ হলো 'চেষ্টার কোনো ত্রুটি না করা' বা 'সম্ভাব্য সকল উপায় অবলম্বন করা'
উদাহরণস্বরূপ: We must leave no stone unturned to find the missing documents. (হারিয়ে যাওয়া নথিগুলো খুঁজে বের করার জন্য আমাদের সম্ভাব্য সব চেষ্টা করতে হবে।)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'try every possible means' (সম্ভাব্য সকল উপায় অবলম্বন করা) অর্থটির সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
39

Choose the correct spelling—-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Achievment
  2. Acheivment
  3. Achievement
  4. Achevement

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (C) Achievement
এটি একটি noun যার অর্থ হলো অর্জন বা সাফল্য।
পরীক্ষায় Achievement বানানটি নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয় মূলত 'ie' এবং 'ei'-এর অবস্থান নিয়ে। এখানে সঠিক ক্রমটি হলো ie
অন্যান্য ভুল বানানগুলি (Achievment, Acheivment, Achevement) অক্ষর বিন্যাসের ত্রুটির কারণে সঠিক নয়।
40

Remove শব্দটির Noun-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Remove
  2. Removal
  3. Re-movement
  4. Removing

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Remove শব্দটি একটি verb । শব্দটির এর সাথে al suffix যুক্ত হয়ে noun হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Removal
Remove শব্দটি একটি Verb (ক্রিয়া) যার অর্থ হলো অপসারণ করা।
সাধারণত, Verbs (ক্রিয়া) এর শেষে -al, -ment, -tion, -ance ইত্যাদি Suffix বা প্রত্যয় যোগ করে Noun (বিশেষ্য) গঠন করা হয়।
এখানে Remove এর সাথে -al Suffix যুক্ত হয়ে Noun (অপসারণ) রূপে Removal শব্দটি গঠিত হয়েছে।
অন্যদিকে, 'Removing' হলো Gerund বা Present Participle
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ কত সালে প্রবর্তন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2013
  2. 2010
  3. 2011
  4. 2012

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘চলো, সবাই স্কুলে যাই’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে ৯ জানুয়ারি ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে  'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ - ২০১১ মানব সম্পদ উন্নয়ন এবং মনুষ্যত্ব বিকাশে শিক্ষার কোন বিকল্প নাই। আর প্রাথমিক শিক্ষাই হচ্ছে সকল শিক্ষার মূল ভিত্তি।এ উপলব্ধি থেকেই "চলো, সবাই স্কুলে যাই" এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা ও প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যকে সামনে রেখে ৯ জানুয়ারি ২০১১ থেকে শুরু হয়েছে  'জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ - ২০১১।'

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০১১ সাল।
জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা সপ্তাহ প্রথম প্রবর্তন করা হয় ৯ জানুয়ারি ২০১১ সালে।
এর প্রধান লক্ষ্য ছিল মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
এই সপ্তাহের প্রথম প্রতিপাদ্য ছিল: 'চলো, সবাই স্কুলে যাই'
42

বাংলাদেশে বর্তমানে কততম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়নাধীন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষষ্ঠ
  2. সপ্তম
  3. অষ্টম
  4. নবম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার খসড়ায় বলা হয়েছে, ২০২৫ সালের মধ্যে রাজস্ব আদায়ের হার মোট জিডিপির ১৪ শতাংশে উন্নীত করা হবে। যেটি বর্তমানে জিডিপির ১০ শতাংশের ঘরে রয়েছে। অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে 'সকলের সাথে সমৃদ্ধির পথে'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অষ্টম। বাংলাদেশে বর্তমানে (২০২৪ সাল) অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (Eighth Five-Year Plan) বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।
এই পরিকল্পনার সময়কাল হলো জুলাই ২০২০ থেকে জুন ২০২৫ পর্যন্ত। এই পরিকল্পনার প্রধান লক্ষ্য হলো কোভিড-১৯ মহামারীর অর্থনৈতিক প্রভাব সামলে দ্রুত প্রবৃদ্ধি অর্জন করা এবং ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার পথে এগিয়ে যাওয়া।
43

নিচের কোন জেলাগুচ্ছ সুন্দরবন সংলগ্ন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিরোজপুর, মাদারীপুর ও বাগেরহাট
  2. সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
  3. বাগেরহাট, নড়াইল ও ঝিনাইদহ
  4. বরিশাল, খুলনা ও সাতক্ষীরা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সুন্দরবন হলো বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী অঞ্চলে অবস্থিত একটি প্রশস্ত বনভূমি যা বিশ্বের প্রাকৃতিক বিস্ময়াবলির অন্যতম। পদ্মা, মেঘনা ও ব্রহ্মপুত্র নদীত্রয়ের অববাহিকার বদ্বীপ এলাকায় অবস্থিত এই অপরূপ বনভূমি বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলা এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের দুই জেলা উত্তর চব্বিশ পরগনা ও দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জুড়ে বিস্তৃত। সমুদ্র উপকূলবর্তী নোনা পরিবেশের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বন হিসেবে সুন্দরবন বিশ্বের সর্ববৃহৎ অখণ্ড বনভূমি। ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে গড়ে ওঠা সুন্দরবনের ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার (৬২%) রয়েছে বাংলাদেশে এবং বাকি অংশ (৩৮%) রয়েছে ভারতের মধ্যে।   সুন্দরবন সুন্দরবনের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য   অবস্থান খুলনা বিভাগ, বাংলাদেশপশ্চিমবঙ্গ , ভারত নিকটবর্তী শহর খুলনা, কলকাতা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পটুয়াখালী, কাকদ্বীপ, ও ক্যানিং স্থানাঙ্ক ২১°৫৭′ উত্তর ৮৯°০৫′ পূর্ব আয়তন ১,৩৯,৫০০ হেক্টর (৩,৪৫,০০০ একর) স্থাপিত 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) সাতক্ষীরা, বাগেরহাট ও খুলনা
সুন্দরবন মূলত বাংলাদেশের খুলনা বিভাগে অবস্থিত একটি ম্যানগ্রোভ বনভূমি। এই বনভূমিটি বাংলাদেশের মোট পাঁচটি জেলা জুড়ে বিস্তৃত।
সরাসরি সুন্দরবন সংলগ্ন যে তিনটি জেলা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ও পরিচিত, তা হলো খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট। তাই এটিই সবচেয়ে সঠিক গুচ্ছ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ (ক) মাদারীপুর, (গ) নড়াইল ও ঝিনাইদহ এবং (ঘ) বরিশাল জেলা সরাসরি সুন্দরবনের সাথে সংলগ্ন নয়
44

‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লালন শাহ
  2. হাসন রাজা
  3. পাগলা কানন
  4. রাধারমণ দত্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাউলসাধক লালন সাঁই রচিত কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'আমার ঘরের চাবি পরের হাতে' ,  খাঁচার ভিতর অচিন পাখি' , 'বাড়ির কাছে আরশী নগর' 'আমার ঘরখানায় কে বিরাজ করে', 'সময় গেলে সাধন হবে না'।অন্যদিকে মরমি কবি হাসন রাজার কয়েকটি জনপ্রিয় গান - 'লোকে বলে বলেরে' বাউলা কে বানাইলো রে ',  'সোনা বন্ধে আমারে দেওয়ানা বানাইলো'। পাগলা কানাই ছিলেন প্রতিদ্বন্দ্বিমূলক ও আধ্যাত্মিক গানে পারদর্শী এবং রাধারমণ দত্ত হলেন ধামাইল গানের প্রবক্তা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লালন শাহ। ‘আমার ঘরের চাবি পরের হাতে’ গানটি বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ বাউল সাধক লালন সাঁইয়ের (বা লালন শাহ) রচনা।
তাঁর গানগুলোতে দেহতত্ত্ব, পরমতত্ত্বআধ্যাত্মিক ভাবধারা প্রকাশ পেয়েছে। লালন সাঁই ছিলেন একাধারে গীতিকার, সুরকার ও গায়ক।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, হাসন রাজা মরমী গানের জন্য, পাগলা কানাই প্রতিদ্বন্দ্বিমূলক গানে এবং রাধারমণ দত্ত ধামাইল গানের প্রবক্তা হিসেবে পরিচিত।
45

‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শঙ্খ ঘোষ
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. শওকত আলী
  4. মমতাজউদ্দিন আহমেদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আমার দেখা নয়াচীন ' বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতার আলোকে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ। এটি বঙ্গবন্ধু রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকীকে কেন্দ্র করে বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বইটি প্রকাশ করে। আমার দেখা নয়া চীন আমার দেখা নয়া চীন বইয়ের প্রচ্ছদ লেখক শেখ মুজিবুর রহমান দেশ  বাংলাদেশ ভাষা বাংলা বিষয় ইতিহাস, ভ্রমণ ধরন আত্মজীবনী প্রকাশক বাংলা একাডেমী প্রকাশনার তারিখ ২রা ফেব্রুয়ারি ২০২০ পূর্ববর্তী বই কারাগারের রোজনামচা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ বইটি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত তৃতীয় গ্রন্থ। এটি ১৯৫২ সালে তার গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে লেখা একটি ডায়েরির পুস্তকি রূপ।
বাংলা একাডেমি ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বইটি প্রকাশ করে। এটি ভ্রমণ ও ইতিহাসের ওপর ভিত্তি করে লেখা একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’- গানটির গীতিকার-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ ওয়াহিদ
  2. কিরণ রায়
  3. শাহ আব্দুল করিম
  4. কাঙ্গালিনী সুফিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নোল্লিখিত গানটির গীতিকার শেখ ওয়াহিদুর রহমান। 'আমার মাটির গাছে লাউ ধরেছে' কাঙ্গালিনী সুফিয়ার বিখ্যাত 'পরানের বান্ধববে - বুড়ি হইলাম তোর কারণে' কিংবা ডলি সায়ন্তিনীর কণ্ঠে 'কোন বা পথে নিতাইগঞ্জ যাই'সহ অসংখ্য জনপ্রিয় লোকগীতির গীতিকার তিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শেখ ওয়াহিদ
‘প্রাণের বান্ধবরে বুড়ি হইলাম তোর কারণে’ এটি একটি বহুল জনপ্রিয় লোকগীতি। গানটির গীতিকার হলেন শেখ ওয়াহিদুর রহমান, যিনি শেখ ওয়াহিদ নামেই পরিচিত।
অনেক পরীক্ষার্থীই এই গানটির শিল্পী কাঙ্গালিনী সুফিয়ার নাম শুনে তাকে গীতিকার ভেবে ভুল করেন। মনে রাখবেন, কাঙ্গালিনী সুফিয়া হলেন এই গানের অন্যতম বিখ্যাত শিল্পী, কিন্তু গীতিকার হলেন শেখ ওয়াহিদ
47

UNESCO কত সালে একুশে ফেব্রুয়ারি কে আন্তর্জাতিক মাত্রভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1997
  2. 1999
  3. 2000
  4. 2001

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক বাঙালির অমর একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ঘোষণা করা হলে আমাদের সেই চেতনাই বিশ্বে প্রসারিত হয়। জাতিসংঘের ঘোষণায় স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, এ দিবস '১৯৫২ সালের একুশে ফ্রেব্রুয়ারি মাতৃভাষার জন্য বাংলাদেশের মানুষের অভূতপূর্ব আত্মত্যাগের স্বীকৃতি'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৯৯ সাল।
ইউনেস্কো (UNESCO) ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত তাদের সাধারণ পরিষদের ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (International Mother Language Day) হিসেবে ঘোষণা করে।
এই ঘোষণার মাধ্যমে ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলনে বাঙালির আত্মত্যাগ আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করে।
48

ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হিসেবে কবে বাংলাদেশের ইলিশ সনদপ্রাপ্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ আগস্ট ২০১৭
  2. ২৭ জানুয়ারি ২০১৯
  3. ১৭ জুন ২০২১
  4. ১৭ নভেম্বর ২০১৬

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বর্তমানে জিআই পন্যের সংখ্যা ১৭ টি. সর্বশেষ সন্দেশ

ব্যাখ্যা

ভৌগোলিক নির্দেশক (GI) পণ্য হলো এমন পণ্য যার বিশেষ খ্যাতি, গুণাবলি বা বৈশিষ্ট্য তার ভৌগোলিক উৎপত্তিস্থলের কারণে নিশ্চিত হয়।
বাংলাদেশের জাতীয় মাছ ইলিশকে GI পণ্য হিসেবে সনদ দেওয়া হয় শিল্প মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DPDT) কর্তৃক।
সঠিক উত্তর হলো ১৭ আগস্ট ২০১৭। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে বিশ্বজুড়ে বাংলাদেশের ইলিশের স্বত্বাধিকার ও বিশেষ সুনাম নিশ্চিত করা হয়।
49

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ এর সমাধিস্থল কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. চট্টগ্রাম
  4. ফরিদপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ এর সমাধিস্থল - রাঙ্গামাটি মুন্সি আব্দুর রউফ (৮ মে ১৯৪৩ - ২০ এপ্রিল ১৯৭১) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী একজন শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধে চরম সাহসিকতা আর অসামান্য বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ যে সাতজন বীরকে বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক সম্মান “বীর শ্রেষ্ঠ” উপাধিতে ভূষিত করা হয় তিনি তাঁদের অন্যতম। তিনি ১৯৬৩ সালের ৮ মে পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলসে যোগদান করেন এবং মুক্তিযুদ্ধের সময়ে তিনি নিয়মিত পদাতিক সৈন্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে ১৯৭১ সালের ৮ এপ্রিল (মতান্তরে ২০ এপ্রিল) তিনি মর্টার শেলের আঘাতে শহীদ হন। তাঁকে রাঙামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর সমাহিত করা হয়। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ জন্ম ৮ মে ১৯৪৩সালামতপুর, ফরিদপুর মৃত্যু ৮ এপ্রিল ১৯৭১ (বয়স ২৭)বুড়িঘাট, মহালছড়ি, রাঙ্গামাটি আনুগত্য বাংলাদেশ কার্যকাল ৮ মে ১৯৬৩ - ৮ এপ্রিল ১৯৭১ পদমর্যাদা ল্যান্স নায়েক ইউনিট পূর্ব পাকিস্তান রাইফেলস যুদ্ধ/সংগ্রাম বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ পুরস্কার বীরশ্রেষ্ঠ সূত্রঃ উইকিপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি। বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আবদুর রউফ ১৯৭১ সালের ২০ এপ্রিল (মতান্তরে ৮ এপ্রিল)
পার্বত্য চট্টগ্রামের বুড়িঘাট গ্রামে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ সমরে শহীদ হন।
তাঁর সমাধিস্থল রাঙ্গামাটি জেলার নানিয়ারচর উপজেলার বুড়িঘাটে একটি টিলার ওপর অবস্থিত।
অন্যান্য অপশন যেমন ফরিদপুর হলো তাঁর জন্মস্থান, কিন্তু সমাধিস্থল নয়। খাগড়াছড়ি ও চট্টগ্রাম কাছাকাছি জেলা হলেও সঠিক স্থান নয়।
50

প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্পিকার
  2. জাতীয় সংসদ
  3. রাষ্ট্রপতি
  4. প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ দেন কে? বর্ণনাঃ বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে - 'প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হইবেন এবং প্রধান বিচার পতির সহিত পরামর্শ করিয়া রাষ্ট্রপতি অন্যান্য বিচারককে নিয়োগদান করিবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের প্রধান বিচারপতি রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন
রাষ্ট্রপতি হলেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান এবং তার হাতেই বিচার বিভাগের প্রধানকে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে।
প্রধানমন্ত্রী বা জাতীয় সংসদ এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

কত তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে বঙ্গবন্ধু উপাধি দেয়া হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ জানুয়ারি ১৯৬৯
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  3. ১৭ জানুয়ারি ১৯৬৮
  4. ৫ জানুয়ারি ১৯৬৯

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি দেওয়া হয় ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯। ১৯৬৯ সালে  শেখ মুজিবুর রহমান ‘বঙ্গবন্ধু’  উপাধি লাভ করেন । কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবের সম্মানে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক সভার আয়োজন করে। লাখো জনতার এই সম্মেলনে শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেওয়া হয়। উপাধি ঘোষণা দিয়েছিলেন তোফায়েল আহমেদ। এ সভায় রাখা বক্তৃতায় শেখ মুজিব ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের এগার দফা দাবির পক্ষে তার পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
১৯৬৯ সালের এই দিনে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি প্রদান করা হয়।
তৎকালীন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে ডাকসু সহ-সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লাখো জনতার এক সমাবেশে এই উপাধি ঘোষণা করেন।
এই উপাধিটি তৎকালীন গণ-অভ্যুত্থান (১৯৬৯) চলাকালীন সময়ে শেখ মুজিবের প্রতি জনমানুষের ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ছিল।
52

বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ৬ দফার ২য় দফাটি নিচের কোনটির সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বৈদেশিক বাণিজ্য
  2. মুদ্রা বা অর্থ
  3. রাজস্ব
  4. কেন্দ্রীয় সরকার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ছয় দফা দাবিসমূহ প্রস্তাব - ১ : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি: লাহোর প্রস্তাবের ভিত্তিতে সংবিধান রচনা করে পাকিস্তানকে একটি ফেডারেশনে পরিণত করতে হবে, যেখানে সংসদীয় পদ্ধতির সরকার থাকবে এবং প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিকদের ভোটে নির্বাচিত আইন পরিষদ সার্বভৌম হবে; প্রস্তাব - ২ : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা: কেন্দ্রীয় (ফেডারেল) সরকারের ক্ষমতা কেবল মাত্র দু'টি ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ থাকবে - যথা, দেশরক্ষা ও বৈদেশিক নীতি। অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলির ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ। প্রস্তাব - ৩ : মুদ্রা বা অর্থ - সম্বন্ধীয় ক্ষমতা: মুদ্রার ব্যাপারে নিম্নলিখিত দু'টির যে কোন একটি প্রস্তাব গ্রহণ করা চলতে পারেঃ - (ক) সমগ্র দেশের জন্যে দু'টি পৃথক, অথচ অবাধে বিনিময়যোগ্য মুদ্রা চালু থাকবে। অথবা (খ) বর্তমান নিয়মে সমগ্র দেশের জন্যে কেবল মাত্র একটি মুদ্রাই চালু থাকতে পারে। তবে সেক্ষেত্রে শাসনতন্ত্রে এমন ফলপ্রসূ ব্যবস্থা রাখতে হবে যাতে করে পূর্ব - পাকিস্তান থেকে পশ্চিম পাকিস্তানে মূলধন পাচারের পথ বন্ধ হয়। এক্ষেত্রে পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক ব্যাংকিং রিজার্ভেরও পত্তন করতে হবে এবং পূর্ব পাকিস্তানের জন্য পৃথক আর্থিক বা অর্থবিষয়ক নীতি প্রবর্তন করতে হবে। প্রস্তাব - ৪ : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা: ফেডারেশনের অঙ্গরাজ্যগুলির কর বা শুল্ক ধার্যের ব্যাপারে সার্বভৌম ক্ষমতা থাকবে। কেন্দ্রীয় সরকারের কোনরূপ কর ধার্যের ক্ষমতা থাকবে না। তবে প্রয়োজনীয় ব্যয় নির্বাহের জন্য অঙ্গ - রাষ্ট্রীয় রাজস্বের একটি অংশ কেন্দ্রীয় সরকারের প্রাপ্য হবে। অঙ্গরাষ্ট্রগুলির সবরকমের করের শতকরা একই হারে আদায়কৃত অংশ নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিল গঠিত হবে। প্রস্তাব - ৫ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা: (ক) ফেডারেশনভুক্ত প্রতিটি রাজ্যের বহির্বাণিজ্যের পৃথক পৃথক হিসাব রক্ষা করতে হবে। (খ) বহির্বাণিজ্যের মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রা অঙ্গরাজ্যগুলির এখতিয়ারাধীন থাকবে। (গ) কেন্দ্রের জন্য প্রয়োজনীয় বৈদেশিক মুদ্রার চাহিদা সমান হারে অথবা সর্বসম্মত কোন হারে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিই মিটাবে। (ঘ) অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলির মধ্যে দেশজ দ্রব্য চলাচলের ক্ষেত্রে শুল্ক বা করজাতীয় কোন রকম বাধা - নিষেধ থাকবে না। (ঙ) শাসনতন্ত্রে অঙ্গরাষ্ট্রগুলিকে বিদেশে নিজ নিজ বাণিজ্যিক প্রতিনিধি প্রেরণ এবং স্ব - স্বার্থে বাণিজ্যিক চুক্তি সম্পাদনের ক্ষমতা দিতে হবে। প্রস্তাব - ৬ : আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা: আঞ্চলিক সংহতি ও শাসনতন্ত্র রক্ষার জন্য শাসনতন্ত্রে অঙ্গ - রাষ্ট্রগুলিকে স্বীয় কর্তৃত্বাধীনে আধা সামরিক বা আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠন ও রাখার ক্ষমতা দিতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কেন্দ্রীয় সরকার
১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক ঘোষিত ৬ দফার ২য় দফায় কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা নির্ধারণ করা হয়।
এই দফায় বলা হয়েছিল যে, ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকারের ক্ষমতা কেবল মাত্র দুটি বিষয়ে সীমাবদ্ধ থাকবে— যথা: দেশরক্ষা (Defence) এবং বৈদেশিক নীতি (Foreign Policy)।
অবশিষ্ট সকল বিষয়ে অঙ্গ-রাষ্ট্রগুলির (প্রদেশগুলির) ক্ষমতা থাকবে নিরঙ্কুশ
53

নিচের কোন গুচ্ছটি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি উদ্যোগের অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আশ্রয়ন ও শিক্ষা সহায়তা
  2. ত্রাণ ও পুনর্বাসন
  3. নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা
  4. মেট্রোরেল ও রূপপুর প্রকল্প

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দশটি বিশেষ উদ্যোগ হলোঃ একটি বাড়ি এটি খামার আশ্রয়ণ প্রকল্প ডিজিটাল বাংলাদেশ  শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি  নারীর ক্ষমতায়ন ঘরের ঘরের বিদ্যুৎ কমিউনিটি ক্লিনিক ও মানসিক স্বাস্থ্য  সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি  বিনিয়োগ বিকাশ  পরিবেশ সুরক্ষা।

ব্যাখ্যা

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দশটি বিশেষ উদ্যোগ (Ten Special Initiatives) হলো বাংলাদেশের সামগ্রিক উন্নয়নের জন্য নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি।
এই উদ্যোগগুলোর মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত দুটি হলো: আশ্রয়ণ প্রকল্প এবং শিক্ষা সহায়তা কর্মসূচি
সুতরাং, বিকল্পগুলোর মধ্যে আশ্রয়ন ও শিক্ষা সহায়তা গুচ্ছটি সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন— মেট্রোরেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, পদ্মা সেতু ইত্যাদি মেগা প্রকল্প হলেও এগুলো সরাসরি 'দশটি উদ্যোগের' শিরোনামের অন্তর্ভুক্ত নয়।
54

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) তে অভীষ্ট কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30
  2. 17
  3. 19
  4. 23

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) তে ১৭টি অভীষ্ট।  টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (SDG) এর লক্ষ্যগুলো হলোঃ ১. দারিদ্র্য নির্মূল; ২. ক্ষুধামুক্তি; ৩. সুস্বাস্থ্য; ৪. মানসম্পন্ন শিক্ষা; ৫. লিঙ্গ সমতা; ৬. বিশুদ্ধ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন; ৭. সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি; ৮. উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি; ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো; ১০. বৈষম্য হ্রাস; ১১. টেকসই শহর ও জনগণ; ১২. পরিমিত ভোগ; ১৩. জলবায়ুবিষয়ক পদক্ষেপ; ১৪. পানির নিচে প্রাণ; ১৫. স্থলভাগের জীবন; ১৬. শান্তি ও ন্যায়বিচার এবং ১৭. লক্ষ্য অর্জনে অংশীদারত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭টি
এসডিজি (SDG) বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা হলো জাতিসংঘের নির্ধারিত একটি আন্তর্জাতিক উন্নয়ন পরিকল্পনা, যা ২০১৫ সালে শুরু হয়ে ২০৩০ সাল পর্যন্ত চলবে।
এই উন্নয়ন এজেন্ডার মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বের সকল প্রকার দারিদ্র্য ও বৈষম্য দূর করে একটি টেকসই পৃথিবী গড়ে তোলা। এই লক্ষ্য অর্জনের জন্য মোট ১৭টি অভীষ্ট (Goals) নির্ধারণ করা হয়েছে।
55

এসডিজি (SDG) এর কোন অভীষ্টটি প্রাথমিক শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4
  2. 5
  3. 6
  4. 7

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) বা বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলি হলো ১৭টি আন্তঃসংযুক্ত বৈশ্বিক লক্ষ্যগুলির একটি সংগ্রহ যা "সকলের জন‍্য একটি ভালো এবং আরও টেকসই ভবিষ্যৎ অর্জনের পরিকল্পনা হিসাবে তৈরি করা হয়েছে। জাতিসংঘ লক্ষ্যগুলো প্রণয়ন করেছে এবং “টেকসই উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক লক্ষ্যমাত্রা” হিসেবে লক্ষ্যগুলোকে প্রচার করেছে। এসব লক্ষ্য সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা  - কে প্রতিস্থাপন করেছে, যা ২০১৫ সালের শেষ নাগাদ মেয়াদোত্তীর্ণ হয়ে গেছে। SDGs - এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । ১৭টি এসডিজি হলো: ১. দারিদ্র্য বিলোপ ; ২. ক্ষুধা মুক্তি ; ৩. সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণ ; ৪. মানসম্মত শিক্ষা; ৫. লিঙ্গ সমতা ; ৬. নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ; ৭. সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি ; ৮. শোভন কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ; ৯. শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো; ১০.অসমতার হ্রাস; ১১. টেকসই নগর ও জনপদ ; ১২. পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন ; ১৩. জলবায়ু কার্যক্রম ; ১৪. জলজ জীবন ; ১৫. স্থলজ জীবন ; ১৬. শান্তি, ন্যায়বিচার ও কার্যকর প্রতিষ্ঠান ; ১৭. অভীষ্ট অর্জনে অংশীদারিত্ব৷

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অভীষ্ট
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG) হলো বিশ্বব্যাপী গৃহীত ১৭টি লক্ষ্যমাত্রার সমষ্টি, যা ২০১৬ থেকে ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই ১৭টি লক্ষ্যের মধ্যে ৪র্থ অভীষ্ট (Goal 4) সরাসরি শিক্ষার সাথে সম্পর্কিত।
অভীষ্ট ৪-এর মূল লক্ষ্য হলো: 'সকলের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সমতাভিত্তিক মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং জীবনব্যাপী শিক্ষা লাভের সুযোগ সৃষ্টি করা।' প্রাথমিক শিক্ষা এই লক্ষ্যের মূল ভিত্তি।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো:
অভীষ্ট ৫: লিঙ্গ সমতা
অভীষ্ট ৬: নিরাপদ পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন
অভীষ্ট ৭: সাশ্রয়ী ও দূষণমুক্ত জ্বালানি।
56

জাতিসংঘ ঘোষিত বিশ্ব অটিস্টিক সচেতনতা দিবস পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ মে
  2. ২ এপ্রিল
  3. ৪ এপ্রিল
  4. ২ মে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি দিবস যা প্রতিবছর ২রা এপ্রিল পালিত হয়। এই দিনটিতে জাতিসংঘ বিশ্বজুড়ে তার সদস্য দেশগুলিকে অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণে উৎসাহিত করে। দিবসটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ কর্তৃক "৬২/১৯৯ ধারা অনুযায়ী মনোনয়ন লাভ করে। "বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস" প্রস্তাবটি ২০০৭ সালের ১ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে পাস হয়েছিল এবং সেটি গৃহীত হয়েছিল একই বছরের ১৮ ডিসেম্বর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২ এপ্রিল
জাতিসংঘ কর্তৃক ঘোষিত বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস (World Autism Awareness Day) প্রতি বছর ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিকভাবে পালিত হয়।
এই দিবসটি পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (ASD) আক্রান্ত ব্যক্তিদের সম্পর্কে সাধারণ জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং তাদের অধিকার ও সম্মান নিশ্চিত করা।
২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক এই দিবসটি মনোনয়ন লাভ করে।
57

BIMSTEC এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাংকক
  2. থিম্পু
  3. ঢাকা
  4. দিল্লী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থণৈতিক সম্ভাবনাময় ক্ষেত্রগুলো থেকে পূর্ণ সুবিধা ভোগ করার লক্ষ্যে ১৯৯৭ সালের ৬ জুন গঠিত হয়। বিমস্টেক নামের অর্থনৈতিক সংস্থাটি । শুরুতে বিমসটেকের ( BIMSTEC) পূর্ণরুপ Bangladesh, India, Myanmar , Sri Lanika, Thailand , Economic Co - operation থাকলেও বর্তমানে এর পূর্ণরুপ হলো Bay of Bengal Initiative for Multi - Sectoral Technical and Economic Co - operation. বিমসটেকের বর্তমান সদস্য রাষ্ট্র হলো ৭টি। প্রতিষ্ঠার শুরুতে এটির সদর দপ্তর না থাকলেও ২০১৪ সালে ঢাকায় এর সদর দপ্তর স্থাপতি হয়। আরো কয়েকটি আন্তর্জাতিক সংস্থা সিরডাপ, আইসিডিডিআরবি, আন্তর্জাতিক পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ঢাকা
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Co-operation) হলো বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বহুমাত্রিক প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার জন্য গঠিত একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা।
এই সংস্থাটি ১৯৯৭ সালের ৬ জুন গঠিত হলেও, এর স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর ২০১৪ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় স্থাপন করা হয়
প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় সংস্থা ও এর সদর দপ্তর সংক্রান্ত প্রশ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
58

কোন অঞ্চলের ঘূর্ণিঝড়কে হ্যারিকেন নামে অভিহিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মধ্যপ্রাচ্য
  2. দূরপ্রাচ্য
  3. আমেরিকা
  4. দক্ষিণ এশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিম্নচাপের কারণে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় বিশেষ। সাধারণভাবে এই জাতীয় ঘূর্ণিঝড়কে সাধারণভাবে বলা হয় সাইক্লোন (Cyclone)। গ্রিক kyklos শব্দের অর্থ হলো বৃ্ত্ত। এই শব্দটি থেকে উৎপন্ন শব্দ হলো kykloun। এর অর্থ হলো - আবর্তিত হওয়া। এই শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়েছে kyklōma । এই শব্দের অর্থ হলো - চক্র বা কুণ্ডলিত। ১৮৪৮ খ্রিষ্টাব্দে ব্রিটিশ - ভারতীয় আবহাওয়াবিদ হেনরী পিডিংটন তাঁর সামুদ্রিক দুর্যোগ বিষয়ক গ্রন্থ, The Sailor's Horn - book for the Law of Storms - এতে Cyclone শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন। উল্লেখ্য বাংলায় সাইক্লোন শব্দটি গৃহীত হয়েছে ইংরেজি থেকে। আটলান্টিক ও প্রশান্ত মহাসাগরের উপকূলীয় অঞ্চলের তীব্র ঘূর্ণিঝড়কে হারিকেন নামে চিহ্নিত করা হয়। এই মহাসাগর দুটিতে উৎপন্ন ঘূর্ণিঝড় - এর গতিবেগ যখন ঘণ্টায় ১১৭ কি.মি. - এর বেশি হয়, তখন এই ঝড়কে হারিকেন নামে অভিহিত করা হয়। এই নামটি গ্রহণ করা হয়েছে− আমেরিকার মায়া - সংস্কৃতিতে বর্ণিত দেবতা হুরাকান - এর নামানুসারে। উল্লেখ্য, মায়া পৌরাণিক কাহিনীতে হুরাকান হলো ঝড়ের দেবতা।  আঞ্চলিকতার বিচারে হারিকেনকে দুটি ভাগে ভাগ করা হয়। এই ভাগ ২টি হলো− আটলান্টিক মহাসাগরীয় হারিকেন এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় হারিকেন। আটলান্টিক মহাসাগরীয় হারিকেন : আমেরিকা মহাদেশ সংলগ্ন আটলান্টিক মহাসাগরে উৎপন্ন হারিকেন।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বিশ্ব ভূগোল ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ সম্পর্কিত। সাধারণত, ক্রান্তীয় অঞ্চলে সৃষ্ট তীব্র ঘূর্ণিঝড়কে তার উৎপত্তিস্থল বা গতিপথ অনুযায়ী বিভিন্ন নামে ডাকা হয়।
যে ঘূর্ণিঝড়গুলো আটলান্টিক মহাসাগর এবং উত্তর-পূর্ব প্রশান্ত মহাসাগরে সৃষ্টি হয়ে উত্তর আমেরিকা মহাদেশ বা ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের দিকে ধাবিত হয়, সেগুলোকে হ্যারিকেন (Hurricane) নামে অভিহিত করা হয়।
সঠিক উত্তর হলো আমেরিকা (মহাদেশ বা তৎসংলগ্ন অঞ্চল)। এই নামটি আমেরিকার মায়া সংস্কৃতিতে বর্ণিত ঝড়ের দেবতা ‘হুরাকান’ এর নাম থেকে এসেছে।
59

পানিতে কোন রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যে শ্যাওলা জন্মে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সালফেট ও নাইট্রেট
  2. ফসফেট ও নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম
  4. ম্যাগনেশিয়াম ও ফসফরাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফসফেট ও নাইট্রোজেন রাসায়নিক উপাদানের আধিক্যে পানিতে শ্যাওলা জন্মে।

ব্যাখ্যা

পানিতে শ্যাওলা বা শৈবাল জন্মানোর প্রক্রিয়াটিকে ইউট্রোফিকেশন (Eutrophication) বলা হয়।
এই প্রক্রিয়া মূলত দুটি প্রধান পুষ্টি উপাদানের আধিক্যের কারণে ঘটে: ফসফেট (Phosphate) এবং নাইট্রোজেন (Nitrogen)
কৃষিক্ষেত্রে ব্যবহৃত সার, ডিটারজেন্ট এবং পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার বর্জ্য পদার্থের মাধ্যমে এই উপাদানগুলো জলাশয়ে প্রবেশ করে। এই অতিরিক্ত পুষ্টির কারণে শৈবালের দ্রুত বংশবৃদ্ধি ঘটে, যার ফলে জলজ উদ্ভিদ ও প্রাণীর জীবন বিপন্ন হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ফসফেট ও নাইট্রোজেন
60

বুদ্ধাঙ্ক (IQ) এর পরিমাপ অনুযায়ী প্রতিভাবানদের বুদ্ধাঙ্ক মাত্রা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IQ>90
  2. IQ>100
  3. IQ>130
  4. IQ>150

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বুদ্ধ্যঙ্ক বুদ্ধ্যঙ্ক বা আইকিউ (ইংরেজি: Intelligence quotient বা IQ), বুদ্ধিমত্তা মূল্যায়ন করতে পরিকল্পিত বিভিন্ন প্রমিত পরীক্ষার একসঙ্গে প্রাপ্ত ফলাফল। ইংরেজি আইকিউ শব্দটি মূলত মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম স্টার্ন কর্তৃক উদ্ভাবিত জার্মান শব্দ Intelligenz - Quotient থেকে নেয়া হয়েছে।   বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষার পূর্বসূরী ঐতিহাসিকভাবে, বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষা প্রণয়ন করার আগেও, দৈনন্দিন জীবনে তাদের আচরণ পর্যবেক্ষণ করে বুদ্ধিমত্তা শ্রেণীতে শ্রেণীবদ্ধ করার প্রচেষ্টা ছিল। আচরণগত পর্যবেক্ষণের অন্যান্য রূপগুলি প্রাথমিকভাবে বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষার স্কোরের ভিত্তিতে শ্রেণিবদ্ধকরণ যাচাই করা এখনও গুরুত্বপূর্ণ। টেস্টিং রুমের বাইরে আচরণের পর্যবেক্ষণ দ্বারা বুদ্ধিমত্তা শ্রেণিবিন্যাস এবং বুদ্ধ্যঙ্ক পরীক্ষা দ্বারা শ্রেণিবিন্যাস একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে ব্যবহৃত "বুদ্ধিমত্তা" এর সংজ্ঞা এবং নির্ভরযোগ্যতা এবং শ্রেণীবিভাগ পদ্ধতিতে অনুমানের ত্রুটির উপর নির্ভর করে ।

ব্যাখ্যা

বুদ্ধাঙ্ক বা IQ (Intelligence Quotient) হলো কোনো ব্যক্তির বুদ্ধিমত্তা পরিমাপের একটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃত মানদণ্ড।
সাধারণত, এই স্কেলে গড় (Average) বুদ্ধিমত্তা হলো IQ ১০০
যেসব ব্যক্তি ব্যতিক্রমী বুদ্ধিমত্তার অধিকারী এবং যাদের 'প্রতিভাবান' (Gifted) ক্যাটাগরিতে ফেলা হয়, তাদের বুদ্ধাঙ্ক অবশ্যই ১৩০ বা তার বেশি হতে হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো IQ>130
61

নিচের কোনটি মৌলিক সংখ্যা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 9
  2. 8
  3. 4
  4. 2

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১ থেকে বড় যে সংখ্যাটি ১ ও ঐ সংখ্যা ব্যতীত অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয় সেই সংখ্যাটিকে মৌলিক সংখ্যা বলে। প্রশ্নের অপশনে, ৯ সংখ্যাটি ৩ দ্বারা বিভাজ্য।  ৮ সংখ্যাটি ২ ও ৪ দ্বারা বিভাজ্য।  ৪ সংখ্যাটি ২ দ্বারা বিভাজ্য।  তাই সঠিক উত্তরঃ ২ মৌলিক সংখ্যা।

ব্যাখ্যা

যে সংখ্যাকে এবং ঐ সংখ্যাটি ব্যতীত অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা ভাগ (বিভাজ্য) করা যায় না, তাকে মৌলিক সংখ্যা বলে।
প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে, ৯ (যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য), ৮ (যা ২ ও ৪ দ্বারা বিভাজ্য) এবং ৪ (যা ২ দ্বারা বিভাজ্য) – এগুলো হলো যৌগিক সংখ্যা
কিন্তু সংখ্যাটিকে শুধুমাত্র ১ এবং ২ দ্বারাই ভাগ করা যায়। তাই সঠিক উত্তর হলো
62

চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা হতে তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বিয়োগ করলে বিয়োগফল কত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8898
  2. 9899
  3. 9999
  4. 9199

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা বলতে ৯৯৯৯ কে বোঝানো হচ্ছে। একই সাথে তিন অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা বলতে তিনটে ৯৯৯ কে বুঝতে পারি।চার অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বলতে ১০০০ কে বোঝানো হচ্ছে। একই সাথে তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বলতে ১০০ কে বুঝতে পারি।তাহলে সমাধানটি হলো,চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা - তিন অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা৯৯৯৯ - ১০০= ৯৮৯৯

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্নের সমাধানের জন্য প্রথমে সংখ্যাগুলি সঠিকভাবে চিহ্নিত করতে হবে।
চার অংকের বৃহত্তম সংখ্যা হলো চারটি নয় (৯৯৯৯)।
তিন অংকের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা হলো ১ এর পর দুটি শূন্য (১০০)।
প্রশ্ন অনুযায়ী, বৃহত্তম সংখ্যা থেকে ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি বিয়োগ করতে হবে: ৯৯৯৯ - ১০০ = ৯৮৯৯
63

x + y = 12 এবং x - y = 2 হলে xy এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 45
  2. 30
  3. 40
  4. 35

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্নে যখন দুটি রাশির যোগফল (x+yx+y) এবং বিয়োগফল (xyx-y) দেওয়া থাকে এবং তাদের গুণফল (xyxy) বের করতে বলা হয়, তখন আমরা সাধারণত দুটি পদ্ধতির যেকোনো একটি ব্যবহার করতে পারি।
পদ্ধতি ১: xx এবং yy এর মান নির্ণয় করে:
১. x+y=12x + y = 12
২. xy=2x - y = 2
(১) ও (২) নং সমীকরণ যোগ করে পাই: 2x=142x = 14, সুতরাং x=7x = 7
এখন xx এর মান (১) নং সমীকরণে বসিয়ে পাই: 7+y=127 + y = 12, সুতরাং y=5y = 5
অতএব, $xy = 7 imes 5 = 35
পদ্ধতি ২: বীজগণিতীয় সূত্র ব্যবহার করে:
আমরা জানি, 4xy=(x+y)2(xy)24xy = (x+y)^2 - (x-y)^2
মান বসিয়ে পাই: 4xy=(12)2(2)24xy = (12)^2 - (2)^2
4xy=1444=1404xy = 144 - 4 = 140
$xy = \frac{140}{4} = 35
64

০.০০০১ এর বর্গমূল কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 0.01
  2. 1
  3. 0.2
  4. 0.1

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অপশন থেকে আমরা খুব সহজেই সঠিক উত্তর বের করতে পারি।

যেমন - ০.০১ x ০.০১ = ০.০০০১

সুতরাং ০.০০০১ এর বর্গমূল ০.০১

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে ০.০০০১ এর বর্গমূল। বর্গমূল (Square Root) হলো এমন একটি সংখ্যা, যাকে সেই সংখ্যা দ্বারা গুণ করলে মূল সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
আমরা যদি ০.০১ সংখ্যাটিকে ০.০১ দ্বারা গুণ করি, তবে:
0.01×0.01=0.00010.01 \times 0.01 = 0.0001 পাওয়া যায়।
সুতরাং, ০.০০০১ এর বর্গমূল হলো ০.০১
65

৬ ফুট অন্তর বৃক্ষের চারা রোপণ করা হলে ১০০ গজ দীর্ঘ রাস্তায় সবোর্চ্চ কতগুলো চারা রোপণ করা যাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7
  2. 50
  3. 51
  4. 60

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের সমস্যার সমাধানে প্রথমে সবোর্চ্চ একককে সর্বনিম্ন বা প্রদত্ত এককে রূপান্তর করতে হয়। এখানে গজকে ফুটে রূপান্তর করতে হবে।
আমরা জানি, ১ গজ = ৩ ফুট
সুতরাং, রাস্তার মোট দৈর্ঘ্য = ১০০ গজ×=৩০০ ফুট১০০ \text{ গজ} \times ৩ = \mathbf{৩০০ \text{ ফুট}}
এখন, দূরত্বকে চারা রোপণের ব্যবধান (৬ ফুট) দিয়ে ভাগ করে মোট ফাঁকা স্থানের (গ্যাপের) সংখ্যা বের করতে হবে।
মোট গ্যাপের সংখ্যা = ৩০০÷=৫০ টি৩০০ \div ৬ = \mathbf{৫০ \text{ টি}}
নিয়ম হলো, কোনো সরলরেখা বরাবর যখন কোনো কিছু (খুঁটি, চারা ইত্যাদি) স্থাপন করা হয় এবং শুরু এবং শেষে স্থাপন করা আবশ্যক হয়, তখন চারার সংখ্যা সর্বদা গ্যাপের সংখ্যার চেয়ে ১টি বেশি হয়।
সুতরাং, মোট চারা রোপণ করা যাবে = ৫০+=৫১ টি৫০ + ১ = \mathbf{৫১ \text{ টি}}। (অপশন '৫০' শুধুমাত্র গ্যাপের সংখ্যা নির্দেশ করে, যা ভুল)।
66

৪৮ সংখ্যাটি কোন সংখ্যার ৮০%?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 50
  2. 60
  3. 70
  4. 80

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, সংখ্যাটি হলো xx
প্রশ্নমতে, xx এর ৮০%৮০\% = ৪৮।
আমরা জানি, ৮০%৮০\% মানে ৮০১০০\frac{৮০}{১০০}
সুতরাং, x×৮০১০০=৪৮x \times \frac{৮০}{১০০} = ৪৮
বা, x=৪৮×১০০৮০x = ৪৮ \times \frac{১০০}{৮০}
এখন, লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে পাই: x=৪৮×x = ৪৮ \times \frac{৫}{৪}
বা, x=১২×=<strong>৬০</strong>x = ১২ \times ৫ = <strong>৬০</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৬০
67

2x = 3y + 5 হলে 4x - 6y = কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10
  2. 15
  3. 20
  4. 12

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমীকরণটি হলো: 2x=3y+52x = 3y + 5
প্রথমে আমরা এই সমীকরণটিকে এমনভাবে সাজাবো যাতে xx এবং yy রাশিগুলো একদিকে আসে।
বাম পক্ষ থেকে 3y3y কে ডান পক্ষে আনলে পাই:
2x3y=52x - 3y = 5
এখন আমাদের মান নির্ণয় করতে হবে 4x6y4x - 6y-এর।
আমরা যদি লক্ষ করি, তবে দেখতে পাবো যে 4x6y4x - 6y রাশিটি (2x3y)(2x - 3y) রাশির ঠিক দ্বিগুণ (২ গুণ)।
সুতরাং, আমরা 2x3y=52x - 3y = 5 সমীকরণের উভয় পক্ষকে ২ দিয়ে গুণ করব।
2(2x3y)=2(5)2(2x - 3y) = 2(5)
4x6y=<strong>10</strong>4x - 6y = <strong>10</strong>
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো 10।
68

একটি আয়তক্ষেত্র ও একটি বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা সমান । আবার আয়তক্ষেত্রের বড় বাহু ছোট বাহুর ৩ গুণ । বড় বাহু ২১ মিটার হলে বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১ মিটার
  2. ৫৬ মিটার
  3. ৭ মিটার
  4. ১৪ মিটার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই সমস্যার সমাধানে আমাদের তিনটি ধাপে এগোতে হবে: আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ নির্ণয়, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা নির্ণয় এবং সবশেষে বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয়
১. আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ: প্রশ্নে বলা হয়েছে, বড় বাহু (দৈর্ঘ্য) ছোট বাহুর (প্রস্থ) ৩ গুণ।
আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য = ২১ মিটার
সুতরাং, আয়তক্ষেত্রের প্রস্থ = ২১÷=<strong>২১ \div ৩ = <strong>৭ মিটার।
২. আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সূত্র হলো: ×(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)২ \times (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
পরিসীমা = ×(২১+)=×২৮=<strong>৫৬২ \times (২১ + ৭) = ২ \times ২৮ = <strong>৫৬ মিটার।
৩. বর্গক্ষেত্রের বাহু: যেহেতু আয়তক্ষেত্র ও বর্গক্ষেত্রের পরিসীমা সমান, তাই বর্গক্ষেত্রের পরিসীমাও ৫৬ মিটার
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য = পরিসীমা÷পরিসীমা \div ৪
বাহুর দৈর্ঘ্য = ৫৬÷=<strong>১৪৫৬ \div ৪ = <strong>১৪ মিটার।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ১৪ মিটার
69

32 এর 2 ভিত্তিক লগারিদম কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6
  2. 3
  3. 4
  4. 5

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Log2 32 = Log2 25 = 5

ব্যাখ্যা

লগারিদম (Logarithm) হলো সূচক বা পাওয়ারের বিপরীত প্রক্রিয়া। গাণিতিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি logab=x\log_a b = x হয়, তবে এর মানে হলো ax=ba^x = b
এক্ষেত্রে, প্রশ্নটি হলো: log232=x\log_2 32 = x, অর্থাৎ ২ এর উপর কত পাওয়ার বসালে ৩২ হবে?
আমরা যদি ২ কে ক্রমাগত গুণ করি: 2×2×2×2×2=322 \times 2 \times 2 \times 2 \times 2 = 32
সুতরাং, 32=2532 = 2^5
অতএব, log232=log225=5\log_2 32 = \log_2 2^5 = 5
সঠিক উত্তর হলো 55
70

৭ সেমি ব্যাসার্ধ বিশিষ্ট বৃত্তের অন্তর্নিহিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল কত বর্গসেমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 196
  2. 98
  3. 96
  4. 192

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি জ্যামিতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ যা প্রায় সব নিয়োগ পরীক্ষাতেই আসে।
বৃত্তের অভ্যন্তরে যখন কোনো বর্গক্ষেত্র অন্তর্নিহিত থাকে, তখন বৃত্তের ব্যাস (Diameter) হয় বর্গক্ষেত্রটির কর্ণ (Diagonal)।
১. প্রথমে ব্যাস নির্ণয় করুন। বৃত্তের ব্যাসার্ধ (rr) = ৭ সেমি
অতএব, বৃত্তের ব্যাস (dd) = 2r=2×7=<strong>142r = 2 \times 7 = <strong>14 সেমি।
২. যেহেতু বর্গক্ষেত্রটির কর্ণ ১৪ সেমি, আমরা সরাসরি কর্ণের মাধ্যমে ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র ব্যবহার করব।
৩. বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = 12×(কর্ণ)2\frac{1}{2} \times (\text{কর্ণ})^2
ক্ষেত্রফল = 12×(14)2=12×196=<strong>98\frac{1}{2} \times (14)^2 = \frac{1}{2} \times 196 = <strong>98 বর্গসেমি।
71

একটি ট্রেন ৭২ কিলোমিটার গতিতে একটি সেতু ১ মিনিটে পার হলো। ট্রেনের দৈর্ঘ্য ৭০০ মিটার হলে সেতুটির দৈর্ঘ্য কত মিটার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 720
  2. 1200
  3. 500
  4. 600

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি গতিবেগ, দূরত্ব ও সময় সংক্রান্ত সমস্যা। এই ধরনের অঙ্কের প্রথম ও প্রধান কাজ হলো সকল একককে একই পদ্ধতিতে (যেমন: মিটার ও সেকেন্ড) নিয়ে আসা।
ধাপ ১: গতিবেগ রূপান্তর (কিমি/ঘণ্টা থেকে মিটার/সেকেন্ড)
ট্রেনটির গতিবেগ = ৭২৭২ কিমি/ঘণ্টা।
কিমি/ঘণ্টা = ১৮\frac{৫}{১৮} মিটার/সেকেন্ড।
গতিবেগ = ৭২×১৮=×=<strong>২০৭২ \times \frac{৫}{১৮} = ৪ \times ৫ = <strong>২০ মিটার/সেকেন্ড।
ধাপ ২: মোট দূরত্ব নির্ণয়
ট্রেনটি সেতু পার হতে সময় নিয়েছে মিনিট, অর্থাৎ ৬০৬০ সেকেন্ড।
অতিক্রান্ত মোট দূরত্ব = গতিবেগ ×\times সময়।
মোট দূরত্ব = ২০২০ মিটার/সেকেন্ড ×৬০\times ৬০ সেকেন্ড = ১২০০১২০০ মিটার
ধাপ ৩: সেতুর দৈর্ঘ্য নির্ণয়
মনে রাখতে হবে, যখন কোনো ট্রেন সেতু বা প্ল্যাটফর্ম পার হয়, তখন সে নিজের দৈর্ঘ্য + সেতু/প্ল্যাটফর্মের দৈর্ঘ্য অতিক্রম করে।
মোট দূরত্ব = ট্রেনের দৈর্ঘ্য + সেতুর দৈর্ঘ্য।
সেতুর দৈর্ঘ্য = মোট দূরত্ব - ট্রেনের দৈর্ঘ্য।
সেতুর দৈর্ঘ্য = ১২০০১২০০ মিটার - ৭০০৭০০ মিটার = ৫০০৫০০ মিটার
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৫০০ মিটার।
72

কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ হবে ১?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 31
  2. 39
  3. 71
  4. 41

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৩, ৫ ও ৬ এর ল, সা, গু = ৩ x ১ x ৫ x ২ = ৩০

অতএব, নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ৩০ + ১ = ৩১

ব্যাখ্যা

এই ধরনের গাণিতিক সমস্যার ক্ষেত্রে, যখন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয় করতে বলা হয় এবং একটি নির্দিষ্ট ভাগশেষ (Remainder) দেওয়া থাকে, তখন প্রথমে প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর লঘিষ্ঠ সাধারণ গুণিতক (ল.সা.গু) নির্ণয় করতে হয়।

প্রদত্ত সংখ্যাগুলি হলো ৩, ৫ ও ৬।
৩, ৫ ও ৬ এর ল.সা.গু নির্ণয় করলে আমরা পাই:
3,5,63, 5, 6 (২ দিয়ে ভাগ)
3,5,33, 5, 3 (৩ দিয়ে ভাগ)
1,5,11, 5, 1
ল.সা.গু = 2×3×5=<strong>৩০</strong>2 \times 3 \times 5 = <strong>৩০</strong>

যেহেতু ভাগশেষ ১ থাকতে হবে, তাই নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে:
ল.সা.গু + ভাগশেষ = ৩০+=<strong>৩১</strong>৩০ + ১ = <strong>৩১</strong>

অতএব, সঠিক উত্তর হলো ৩১
73

দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫:৮। উভয়ের সাথে ২ যােগ করলে অনুপাতটি ২:৩ হয়। সংখ্যা দুটি কী কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ ও ২৪
  2. ১০ ও ১৬
  3. ৭ ও ১১
  4. ১২ ও ১৮

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, সংখ্যা দুটি হলো অনুপাতের সাধারণ গুণিতকসহ ৫x এবং ৮x
প্রশ্নমতে, উভয় সংখ্যার সাথে ২ যোগ করা হলে অনুপাতটি ২:৩ হয়।
সুতরাং, আমরা সমীকরণটি এভাবে লিখতে পারি:
5x+28x+2=23\frac{5x + 2}{8x + 2} = \frac{2}{3}
বজ্রগুণন করে পাই:
3(5x+2)=2(8x+2)3(5x + 2) = 2(8x + 2)
15x+6=16x+415x + 6 = 16x + 4
16x15x=6416x - 15x = 6 - 4
x=2\therefore x = 2
অতএব, সংখ্যা দুটি হলো:
প্রথম সংখ্যা: 5x=5×2=<strong>১০</strong>5x = 5 \times 2 = <strong>১০</strong>
দ্বিতীয় সংখ্যা: 8x=8×2=<strong>১৬</strong>8x = 8 \times 2 = <strong>১৬</strong>
সঠিক উত্তর হলো ১০ ও ১৬
74

প্রথম ১০টি বিজোড় সংখ্যার যােগফল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 81
  2. 1000
  3. 109
  4. 100

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আমরা জানি, ক সংখ্যক ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ক

সুতরাং ১০টি ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল = ১০ = ১০০

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল সংক্রান্ত একটি সূত্রভিত্তিক সমস্যা।
সূত্র: প্রথম 'ক' সংখ্যক ক্রমিক স্বাভাবিক বিজোড় সংখ্যার যোগফল নির্ণয়ের সহজ উপায় হলো ক-এর বর্গ (ক^২)।
এখানে, আমাদের ক্রমিক বিজোড় সংখ্যার সংখ্যা হলো ১০টি
অতএব, যোগফল হবে ১০^২
=১০×১০=<strong>১০০</strong>১০^২ = ১০ \times ১০ = <strong>১০০</strong>
75

৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩, —- পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 59
  2. 101
  3. 75
  4. 102

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৮ + ৩ = ১১

১১ + ৬ = ১৭

১৭ + ১২ = ২৯

২৯ + ২৪ = ৫৩

৫৩ + ৪৮ = ১০১

২ গুন করে বাড়ছে এবং যোগ হয়ছে

ব্যাখ্যা

এটি একটি ধারা বা সিরিজ (Series) সংক্রান্ত প্রশ্ন। এখানে পাশাপাশি দুটি সংখ্যার মধ্যে পার্থক্য বা ব্যবধানের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন খুঁজে বের করতে হবে।
প্রথমে সংখ্যাগুলোর পার্থক্য নির্ণয় করি:
১১ - ৮ =
১৭ - ১১ =
২৯ - ১৭ = ১২
৫৩ - ২৯ = ২৪
আমরা দেখতে পাচ্ছি, ব্যবধানগুলি (,,১২,২৪)(৩, ৬, ১২, ২৪) ক্রমান্বয়ে দ্বিগুণ হচ্ছে।
অতএব, পরবর্তী ব্যবধানটি হবে ২৪×=<strong>৪৮</strong>২৪ \times ২ = <strong>৪৮</strong>
সুতরাং, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে পূর্ববর্তী সংখ্যা (৫৩) এবং নতুন ব্যবধানের যোগফল:
৫৩+৪৮=<strong>১০১</strong>৫৩ + ৪৮ = <strong>১০১</strong>
76

একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ১ হেক্টর হলে বাগানটির পরিসীমা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০ মিটার
  2. ৫০০ মিটার
  3. ৪০০ মিটার
  4. ৩০০ মিটার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ক্ষেত্রফল ও পরিমাপের এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমাদের পর্যায়ক্রমে তিনটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে:
১. একক রূপান্তর: আমরা জানি, পরিমাপের আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী, ১ হেক্টর = ১০,০০০ বর্গ মিটার। সুতরাং, বর্গাকার বাগানটির ক্ষেত্রফল হলো ১০,০০০ বর্গ মিটার।
২. বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয়: বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো (বাহু)(\text{বাহু})^২
সুতরাং, (বাহু)=১০,০০০(\text{বাহু})^২ = ১০,০০০ বর্গ মিটার।
বাহুর দৈর্ঘ্য $= \sqrt{১০,০০০} = ১০০ মিটার
৩. পরিসীমা নির্ণয়: বর্গাকার ক্ষেত্রের পরিসীমার সূত্র হলো ×বাহু৪ \times \text{বাহু}
বাগানটির পরিসীমা $= ৪ \times ১০০ = ৪০০ মিটার
77

একজন চাকুরিজীবীর বেতন ১৫% বৃদ্ধি পেয়ে ৫৭৫০ টাকা হলে পূর্বের বেতন কত টাকা ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5550
  2. 4750
  3. 5000
  4. 5250

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরা যাক, চাকুরিজীবীর পূর্বের বেতন বা আসল বেতন ছিল ১০০%
বেতন ১৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন বেতন দাঁড়ায়: ১০0%+১৫%=<strong>১১৫%১০0\% + ১৫\% = <strong>১১৫\%
প্রশ্নমতে, এই ১১৫% বেতনের মান হলো ৫৭৫০ টাকা
অতএব, ১% বেতনের মান = ৫৭৫০১১৫=<strong>৫০\frac{৫৭৫০}{১১৫} = <strong>৫০ টাকা।
সুতরাং, পূর্বের বেতন (১০০%) = ৫০×১০০=<strong>৫০০০৫০ \times ১০০ = <strong>৫০০০ টাকা।
সঠিক উত্তর: ৫০০০ টাকা
78

রহিম একটি পরীক্ষায় ইংরেজি ও গণিতে মোট ১৮০ নম্বর পেয়েছে। ইংরেজি অপেক্ষা গণিতে ১৪ নম্বর বেশি পেলে গণিতে কত পেয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 97
  2. 83
  3. 87
  4. 93

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি **সমষ্টি ও অন্তর (যোগফল এবং পার্থক্য)** সংক্রান্ত সমস্যা।
ধরি, গণিতে নম্বর = GG এবং ইংরেজিতে নম্বর = EE
প্রশ্নানুসারে:
১. G+E=180G + E = 180 (মোট নম্বর)
২. GE=14G - E = 14 (নম্বরের পার্থক্য)
যেহেতু গণিতের নম্বরটি বেশি (বৃহত্তর সংখ্যা), তাই তা বের করার সূত্র হলো: (মোট + পার্থক্য) ÷2\div 2
গণিতে প্রাপ্ত নম্বর =180+142= \frac{180 + 14}{2}
গণিতে প্রাপ্ত নম্বর =1942=97= \frac{194}{2} = \mathbf{97}
সঠিক উত্তর: ৯৭
79

০৪ থেকে ৮৪ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোকে বড় হতে ছোট হিসেবে সাজালে ৮ম সংখ্যাটি কত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কোনটিই নয়
  2. 56
  3. 60
  4. 32

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৪ থেকে ৮৪ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোকে বড় হতে ছোট হিসেবে সাজালে ৮ম সংখ্যাটি কত হবে?   ৪ থেকে ৮৪ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলো বড় থেকে ছোট হিসেবে সাজালে ৮ম সংখ্যাটি হবে  - ৫৬ ব্যাখ্যা:  ৮৪, ৮০, ৭৬, ৭২, ৬৮, ৬৪, ৬০, ৫৬(অষ্টম সংখ্যা), ৫২, ৪৮, ৪৪, ৪০, ৩৬, ৩২, ২৮, ২৪, ২০, ১৬, ১২, ৮, ৪

ব্যাখ্যা

এটি একটি সমান্তর ধারার (Arithmetic Progression) সমস্যা। ৪ থেকে ৮৪ পর্যন্ত ৪ দ্বারা বিভাজ্য সংখ্যাগুলোর মধ্যে প্রতিক্ষেত্রে পার্থক্য হবে ৪।
যেহেতু সংখ্যাগুলোকে বড় থেকে ছোট হিসেবে সাজাতে হবে, তাই আমাদের গণনা শুরু করতে হবে ৮৪ থেকে এবং প্রতিবার ৪ করে কমাতে হবে।
আমরা যদি ক্রমিক সংখ্যাগুলো লিখি, তাহলে পাই:
১ম সংখ্যা: ৮৪
২য় সংখ্যা: ৮৪=<strong>৮০</strong>৮৪ - ৪ = <strong>৮০</strong>
৩য় সংখ্যা: ৮০=<strong>৭৬</strong>৮০ - ৪ = <strong>৭৬</strong>
৪র্থ সংখ্যা: ৭৬=<strong>৭২</strong>৭৬ - ৪ = <strong>৭২</strong>
৫ম সংখ্যা: ৭২=<strong>৬৮</strong>৭২ - ৪ = <strong>৬৮</strong>
৬ষ্ঠ সংখ্যা: ৬৮=<strong>৬৪</strong>৬৮ - ৪ = <strong>৬৪</strong>
৭ম সংখ্যা: ৬৪=<strong>৬০</strong>৬৪ - ৪ = <strong>৬০</strong>
৮ম সংখ্যা: ৬০=<strong>৫৬</strong>৬০ - ৪ = <strong>৫৬</strong>
সুতরাং, বড় হতে ছোট হিসেবে সাজালে অষ্টম সংখ্যাটি হবে ৫৬
80

x>y এবং z<0 হলে নিচের কোনটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. z/x
  2. xz < yz
  3. xz > yz
  4. x/z>y/z

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

x>y এবং z<0 অর্থাৎ z ঋণাত্মক সংখ্যা। ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা অসমতাকে গুণ করা হলে তার চিহ্ন উল্টে যায়।   

∴ xz < yz অসমতাটি সঠিক।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি অসমতা (Inequality) সংক্রান্ত মৌলিক নিয়মের উপর ভিত্তি করে গঠিত।
প্রথমে দেওয়া আছে x>yx>y এবং z<0z<0, যার অর্থ হলো zz একটি ঋণাত্মক সংখ্যা
অসমতার মূল নিয়ম হলো: যদি কোনো অসমতার উভয় পক্ষকে একটি ঋণাত্মক সংখ্যা দ্বারা গুণ বা ভাগ করা হয়, তবে অসমতার চিহ্নটি উল্টে যায়
এখানে x>yx>y কে zz (যা ঋণাত্মক) দ্বারা গুণ করা হচ্ছে।
সুতরাং, অসমতার চিহ্ন ' >> ' উল্টে গিয়ে ' << ' হবে।
সঠিক উত্তর হবে: xz<yzxz < yz
(যা বিকল্প 1-এ আছে)।
81

‘সমাস’ শব্দের অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংযোজন
  2. সংশ্লেষণ
  3. বিশ্লেষণ
  4. সংক্ষেপণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘সমাস’ শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ। সমাস শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্বে আলোচিত হয়। সমাস সাধারণত ৬ প্রকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংক্ষেপণ
‘সমাস’ শব্দের শাব্দিক অর্থ হলো সংক্ষেপণ (সংক্ষিপ্ত করা), মিলন বা একাধিক পদের একপদীকরণ।
বাংলা ব্যাকরণে সমাসের প্রধান উদ্দেশ্যই হলো একাধিক পদকে একটি পদে পরিণত করে বাক্যকে সংক্ষিপ্ত করা, যাতে ভাষার শ্রুতিমাধুর্য বাড়ে। তাই সমাসের মূল অর্থ হলো সংক্ষেপণ।
82

কোন দুটি বর্ণের পর ‘ণ’ ও ‘ষ’ হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঋ, র
  2. ট, ঠ
  3. ই, উ
  4. ত, থ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘ণ’ ব্যবহারের নিয়মানুযায়ী ঋ, র, ষ –এর পরে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়। যেমন: কারণ, ভীষণ, তৃণ, বর্ষা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো এবং । এই দুটি বর্ণের পরই সাধারণত বাংলা ব্যাকরণে তৎসম (সংস্কৃত) শব্দে মূর্ধন্য ণ এবং মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়।
১. ণ-ত্ব বিধান: ঋ, র, ষ -এর পরে সর্বদা মূর্ধন্য ণ ব্যবহৃত হয়। যেমন: কারণ, ভীষণ, তৃণ ইত্যাদি। এখানে ঋ এবং র সরাসরি প্রযোজ্য।
২. ষ-ত্ব বিধান: অ, আ ভিন্ন অন্য স্বরধ্বনি (যেমন ই, উ) অথবা -এর পরে কতকগুলো ধাতুতে মূর্ধন্য ষ ব্যবহৃত হয়। যেমন: বর্ষা, কৃষক ইত্যাদি।
সুতরাং, (ঋ-কার রূপে) এবং (র-ফলা রূপে) এই দুটি বর্ণই ‘ণ’ ও ‘ষ’ উভয়ের ব্যবহারের ক্ষেত্রে মৌলিক নিয়ামক হিসেবে কাজ করে, যা অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সঠিক।
83

‘গায়ক’ এর সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গো + অক
  2. গা + অক
  3. গা + য়ক
  4. গৈ + অক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এ, ঐ, ও ঔ কারের পরে এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয়, আয় এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব্ ও আব্ হয়। যেমন: গায়ক = গৈ + অক; নায়ক = নৈ + অক; পবন = পো + অন; লবণ = লো + অন প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো গৈ + অক। এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধির অন্তর্গত অয়াদি সন্ধির উদাহরণ।
অয়াদি সন্ধির নিয়ম: ঐ-কারের (ঐ) পরে স্বরধ্বনি (যেমন ‘অ’) থাকলে ঐ স্থানে ‘আয়’ ধ্বনি হয়।
এখানে: গৈ + অক = গ্ + ঐ + অ + ক। ঐ + অ মিলে ‘আয়’ হওয়ায় শব্দটি হয় গায়ক
যদি 'এ' কার (এ) থাকত, তবে 'অয়' ধ্বনি হতো (যেমন: শে + অন = শয়ন)।
84

শুদ্ধ বানান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুমুর্ষূ
  2. মুমূর্ষু
  3. মুমুর্ষু
  4. মূমর্ষ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বানান: ম্রিয়মাণ, মুহূর্ত, মুহুর্মুহু, মহত্ত্ব, মাহাত্ম, মন্বন্তর, মরীচিকা, মর্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মুমূর্ষু (অপশন খ)। এটি একটি বহুবার পরীক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ বানান।
মুমূর্ষু শব্দের অর্থ হলো মরণাপন্ন বা মৃত্যুর কাছাকাছি অবস্থা।
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, এই শব্দটি লেখার সময় উ-কার (ু) এবং ঊ-কার (ূ)-এর সঠিক প্রয়োগ জরুরি।
বানানটিতে প্রথম 'মু'-তে হ্রস্ব-উকার (ু), দ্বিতীয় 'মূ'-তে দীর্ঘ-ঊকার (ূ) এবং শেষের 'র্ষু'-তে আবার হ্রস্ব-উকার (ু) ব্যবহৃত হয়।
অর্থাৎ, মু (ু) + মূ (ূ) + র্ষু (ু)
85

প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড্যাশ
  2. প্রশ্নচিহ্ন
  3. কোলন
  4. সেমিকোলন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাক্যের শেষে বসানো বিরামচিহ্নগুলোকে বলে প্রান্তিক বিরামচিহ্ন। যেমন: প্রশ্নচিহ্ন, দাঁড়ি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

যেসব বিরাম চিহ্ন বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে এবং বাক্যের শেষে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন (Terminal Punctuation) বলে।
বাংলা ভাষায় প্রধানত তিনটি প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন রয়েছে: দাঁড়ি (।), প্রশ্নচিহ্ন (?) এবং বিস্ময়সূচক চিহ্ন (!)
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে কেবল প্রশ্নচিহ্ন বাক্যের শেষে বসে এবং এটি প্রান্তিক বিরাম চিহ্ন।
ড্যাশ (—), কোলন (:) এবং সেমিকোলন (;) এগুলো মূলত বাক্যের মাঝখানে বা সংযোগ রক্ষার্থে ব্যবহৃত হয়।
86

চাউল, চিনি, পানি এগুলো কী বাচক বিশেষ্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বস্তুবাচক
  2. সমষ্টিবাচক
  3. ব্যক্তিবাচক
  4. জাতিবাচক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উপদানবাচক পদার্থের নাম বোঝায় এমন বিষেশ্য পদগুলোকে বলা হয় বস্তুবাচক বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য। যেমন: চাউল, চিনি, পানি, লবণ, বই প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বস্তুবাচক বিশেষ্য
যে বিশেষ্য পদ দ্বারা কোনো উপাদান বা পদার্থের নাম বোঝায়, যা গণনা করা যায় না, শুধু ওজন বা পরিমাপ করা যায়, তাকে বস্তুবাচক বিশেষ্য (Material Noun) বা দ্রব্যবাচক বিশেষ্য বলা হয়।
এখানে, চাউল, চিনি ও পানি—এগুলো নির্দিষ্ট পদার্থ এবং এদের পরিমাপ করা সম্ভব, কিন্তু পৃথকভাবে গণনা করা সম্ভব নয়।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
সমষ্টিবাচক: একজাতীয় বহু ব্যক্তি বা বস্তুর সমষ্টি বোঝায় (যেমন: জনতা, পাল, ঝাঁক)।
ব্যক্তিবাচক: কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা কালের নাম বোঝায় (যেমন: ঢাকা, নজরুল)।
জাতিবাচক: একই শ্রেণির সাধারণ নাম বোঝায় (যেমন: মানুষ, নদী, পর্বত)।
87

যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে তবে একলা চলো রে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যৌগিক বাক্য
  2. মিশ্র বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. জটিল বাক্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যেমন : যদি মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ুর নৃত্য করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জটিল বাক্য (Complex Sentence)
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (Main Clause) এবং তার ওপর নির্ভরশীল (সাপেক্ষ) এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য (Dependent Clause) থাকে, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে।
এখানে, 'যদি তোর ডাক শুনে কেউ না আসে' এটি হলো আশ্রিত বা অপ্রধান বাক্য, এবং 'তবে একলা চলো রে' এটি হলো প্রধান বাক্য।
এই দুটি বাক্য সাপেক্ষ যোজক/সর্বনাম (যদি... তবে) দ্বারা যুক্ত হয়েছে, যা জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
88

ধ্বনির পরিবর্তন কত প্রকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিন প্রকার
  2. চার প্রকার
  3. পাঁচ প্রকার
  4. দুই প্রকার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ধ্বনি পরিবর্তন নানা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হলেও ধ্বনির পরিবর্তন মূলত তিন প্রকার। যথ: আদি, মধ্য, অন্ত্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তিন প্রকার। ধ্বনি পরিবর্তনের প্রক্রিয়া বা কারণ অনেক হলেও, পরিবর্তনের স্থান অনুসারে ধ্বনি পরিবর্তনকে প্রধানত তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়।
এই তিনটি প্রকারভেদ হলো:
১. আদি ধ্বনি পরিবর্তন (শব্দের শুরুতে ধ্বনির পরিবর্তন। যেমন: স্কুল > ইস্কুল, এখানে আদি স্বরাগম ঘটেছে।)
২. মধ্য ধ্বনি পরিবর্তন (শব্দের মধ্যবর্তী ধ্বনির পরিবর্তন। যেমন: ধর্ম > ধরম, এখানে মধ্যস্বরাগম বা স্বরভক্তি ঘটেছে।)
৩. অন্ত্য ধ্বনি পরিবর্তন (শব্দের শেষ ধ্বনির পরিবর্তন। যেমন: দিশ > দিশা, এখানে অন্ত্য স্বরাগম ঘটেছে।)
89

‘উলুখাগড়া’ বাগধারাটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজাবাদশা
  2. এক শ্রেণিভুক্ত
  3. লাকড়ি
  4. গুরুত্বহীন লোক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘উলুখাগড়া’ বলতে তুচ্ছ বা গুরুত্বহীন মানুষ বোঝায়।

ব্যাখ্যা

বাগধারা বা বাক্‌বিধি হলো ভাষার বিশেষ অর্থ প্রকাশক শব্দ বা শব্দসমষ্টি। এগুলো আভিধানিক অর্থের বাইরে একটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
‘উলুখাগড়া’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'উলু' ও 'খাগড়া' নামক তুচ্ছ ধরণের ঘাস। এই ঘাসগুলো সহজেই ভেঙে যায় বা পচে যায় এবং এদের কোনো মূল্য নেই।
আলঙ্কারিক অর্থে, এই বাগধারাটি দ্বারা সমাজের তুচ্ছ, নগণ্য বা গুরুত্বহীন মানুষ বোঝানো হয়, যাদের উপর আঘাত হানলেও কেউ প্রতিবাদ করে না বা যাদের সহজেই উপেক্ষা করা যায়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো গুরুত্বহীন লোক
90

কষ্টে লাভ হয় যা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুলভ
  2. দুর্লভ্য
  3. দূর্লভ
  4. দুর্লভ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কিছু এক কথায় প্রকাশ: কষ্টে লাভ হয় যা – দুর্লভ। যা সহজে লাভ করা যায় – সুলভ। যা লাভ করা যায় না – অলভ্য।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি 'এককথায় প্রকাশ' বা 'বাক্য সংকোচন'-এর অন্তর্গত।
“কষ্টে লাভ হয় যা” এর সঠিক এককথায় প্রকাশ হলো দুর্লভ। (Option 4)
এখানে 'দুর্-' উপসর্গটি কষ্ট বা অভাব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
সুলভ: এর অর্থ হলো যা সহজে লাভ করা যায়। এটি দুর্লভের বিপরীত শব্দ।
দূর্লভ (দীর্ঘ ঊ-কার দিয়ে) এবং দুর্লভ্য বানানগতভাবে ভুল।
91

জন্মহীন মৃত্যুহীন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমৃত্যু
  2. অজ
  3. অজেয়
  4. অয

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কিছু এক কথায় প্রকাশ: জন্মহীন মৃত্যুহীন – অজ। মৃত্যু পর্যন্ত – আমৃত্যু। যার দুবার জন্ম হয় – দ্বিজ। জয় করা যায় না এমন – অজেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অজ
এককথায় প্রকাশ-এর নিয়ম অনুসারে, যার জন্ম নেই বা জন্মহীন এবং মৃত্যুহীন—তাকে অজ বলা হয়। এটি মূলত ঈশ্বর বা ব্রহ্মার প্রতি ইঙ্গিত করে।
ব্যাকরণে 'অ' উপসর্গটি 'না' বা 'নেই' অর্থে ব্যবহৃত হয়, এবং 'জ' শব্দটি জন্ম (জন্মেছে) অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই 'অজ' মানে যার জন্ম নেই।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ জানা জরুরি:
ক. আমৃত্যু: মৃত্যু পর্যন্ত।
গ. অজেয়: জয় করা যায় না এমন (যা জয় করা কঠিন)।
92

‘গাছপাথর’ বাগধারাটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাড়াবাড়ি করা
  2. ভূমিকা করা
  3. হিসাব নিকাশ
  4. অসম্ভব বস্তু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কিছু গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা: গাছপাথর → হিসাব-নিকাশ; গৌরচন্দ্রিকা→ ভূমিকা করা; কাঁঠালের আমসত্ত্ব → অলীক বস্তু।

ব্যাখ্যা

‘গাছপাথর’ বাংলা ভাষার একটি সুপরিচিত বাগধারা। আভিধানিক অর্থে গাছ বা পাথর বোঝালেও, বাগধারা হিসেবে এর অর্থ হলো কোনো কিছুর পুঙ্খানুপুঙ্খ হিসাব-নিকাশ বা সম্পূর্ণ হিসেব মিলিয়ে দেখা।
যেমন: 'সবকিছু গাছপাথর মিলিয়ে তবেই টাকাটা দেবো।' এই বাক্যে গাছপাথর অর্থ হচ্ছে ভালো করে যাচাই-বাছাই করা বা হিসাব করা।
সঠিক উত্তর হলো: হিসাব নিকাশ (অপশন ৩)।
উল্লেখ্য, 'ভূমিকা করা' বাগধারাটির অর্থ হলো গৌরচন্দ্রিকা এবং 'অসম্ভব বস্তু' বাগধারাটির অর্থ হলো কাঁঠালের আমসত্ত্ব
93

‘আগ্নেয়’ শব্দের প্রকৃতি ও প্রত্যয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্নি + ষ্ণেয়
  2. অগ্নি + এয়
  3. অগ্নি + য়
  4. অগ্নী + এয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘ষ্ণেয়’ (এয়) প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ: অগ্নি+ ষ্ণেয় = আগ্নেয়, ভগিনী + ষ্ণেয় = ভাগিনেয়, বিমাতৃ (বিমাতা) + ষ্ণেয়= বৈমাত্রেয় ।

ব্যাখ্যা

‘আগ্নেয়’ শব্দটি গঠিত হয়েছে অগ্নি শব্দের সাথে ষ্ণেয় (তদ্ধিত) প্রত্যয় যোগ করে। এটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়ের উদাহরণ।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের সাথে ‘ষ্ণেয়’ প্রত্যয় যুক্ত হয়, তখন শব্দের আদি স্বরের বৃদ্ধি ঘটে। যেমন, ‘অগ্নি’ শব্দের শুরুতে থাকা ‘অ’ (যা ইকার বা উকারকে নির্দেশ করে) বৃদ্ধি পেয়ে ‘আ’-তে রূপান্তরিত হয় এবং প্রত্যয়ের অংশটি ‘এয়’ হিসেবে যুক্ত হয়।
ফলে, অগ্নি + ষ্ণেয় = আগ্নেয় (অগ্নি সংক্রান্ত)।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল, কারণ ব্যাকরণের নিয়মে মূল শব্দ ‘অগ্নি’ এবং প্রত্যয় ‘ষ্ণেয়’ ছাড়া শব্দটি গঠিত হয় না।
94

‘শর্বরী’ এর বিপরীত শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিবস
  2. রজনী
  3. দীন
  4. রাত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শর্বরী এর সমার্থক শব্দ – রাত, রজনী, নিশা, যামিনী। তাই এর বিপরীত শব্দ হবে – দিন, দিবস, দিনমান, অহ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

‘শর্বরী’ শব্দটির অর্থ হলো রাত্রি বা রাত। এটি সংস্কৃত থেকে আসা একটি তৎসম শব্দ।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, শব্দের অর্থের বিপরীত ভাব প্রকাশ করে যে শব্দ, তাকে বিপরীত শব্দ বলে।
যেহেতু শর্বরী মানে রাত, তাই এর বিপরীত শব্দ হবে দিন বা দিবস। অপশনসমূহের মধ্যে ‘দিবস’ শব্দটি সঠিক বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
খেয়াল রাখবেন, অপশনে থাকা রজনী এবং রাত হলো শর্বরীর সমার্থক শব্দ, তাই এগুলো বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
95

‘দেশে বিদেশে’-এর লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. ফররুখ আহমেদ
  4. শওকত আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সৈয়দ মুজতবা আলী’ রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি ‘দেশে বিদেশে’। তাঁর রচিত আরও কিছু বিখ্যাত এবং জনপ্রিয় গ্রন্হ – শব্নম, পঞ্চতন্ত্র, চাচা কাহিনী, অবিশ্বাস্য, চুনি মেম প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ মুজতবা আলী
‘দেশে বিদেশে’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনি। ১৯২৭ সালে তিনি আফগানিস্তানের কাবুলে শিক্ষকতা করতে যান এবং সেখানে কাটানো অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এই গ্রন্থটি রচনা করেন।
বাংলা সাহিত্যে রম্য রচনার (Humorous writing) জন্য তিনি বিশেষভাবে পরিচিত।
96

‘গবেষণা’ শব্দের সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গব + এষণা
  2. গো + এষণা
  3. গো + ষণা
  4. গ + এষণা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গবেষনা = গো + এষণা; এরূপে গঠিত আরও কিছু সন্ধি: পো + ইত্র = পবিত্র; নৌ + ইক = নাবিক; গো + আদি = গবাদি; নৈ + অক = নায়ক প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গো + এষণা। এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি-র একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ, যা 'অয়াদি সন্ধি' নামে পরিচিত।
নিয়ম: ‘ও’-কারের (O) পর যদি অন্য কোনো স্বরধ্বনি (এখানে 'এ') আসে, তবে ‘ও’ এবং পরের স্বর মিলে ‘অব্’ হয়।
এখানে: গো + এষণা ightarrow ightarrow (গো-এর ‘ও’ ধ্বনিটি ‘অব্’-এ রূপান্তরিত হয়) ightarrow ightarrow গব্ + এষণা = গবেষণা।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 'গব + এষণা' বা 'গ + এষণা' কোনো ব্যাকরণসম্মত সন্ধির নিয়ম অনুসরণ করে না।
97

‘পথ’ শব্দের সমার্থক শব্দ হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমরণি
  2. সরণি
  3. সরণী
  4. স্মরণী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘পথ’ শব্দের সমার্থক: রাস্তা, মার্গ, সরণি, সড়ক।

ব্যাখ্যা

‘পথ’ শব্দের অর্থ হলো রাস্তা, মার্গ বা চলাচলের স্থান।
এর প্রধান সমার্থক শব্দগুলো হলো: রাস্তা, মার্গ, সড়ক, এবং সরণি
এখানে সঠিক উত্তরটি হলো সরণি
মনে রাখবেন, ‘সরণি’ (ন-তে ই-কার) সঠিক বানান, যা পথ বা রাস্তা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
অপশন ‘সরণী’ (ন-তে ঈ-কার) বানানটি শুদ্ধ নয় বা অপ্রচলিত।
‘স্মরণী’ শব্দের অর্থ হলো স্মৃতি বা স্মৃতিচিহ্ন সম্পর্কিত, যা সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন।
98

কোনটি প্রাদি সমাসের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গৃহস্থ
  2. ছা-পোকা
  3. উপকূল
  4. প্রগতি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্র, প্রতি, অনু প্রভৃতি অব্যয়ের সঙ্গে যদি কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষ্যের সমাস হয়, তবে তাকে বলে প্রাদি সমাস। যেমন: প্রগতি – প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি; অনুতাপ – অনুতে (পশ্চাতে) যে তাপ; প্রভাত – প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) যে ভাত; (আলোকিত) পরিভ্রমণ = পরি (চতুর্দিকে) যে ভ্রমণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রগতি
যে সমাসে প্র, প্রতি, অনু, পরি, সু, বি ইত্যাদি অব্যয় বা উপসর্গ (indecclinable words/Prepositions) এর সাথে কৃৎপ্রত্যয় সাধিত বিশেষ্য পদের সমাস হয়, তাকে প্রাদি সমাস বলে।
যেমন: প্রগতি এর ব্যাসবাক্য হলো – প্র (প্রকৃষ্ট রূপে) গতি। এখানে 'প্র' একটি অব্যয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন সমাসের উদাহরণ:
ক. উপকূল: কূলের সমীপে (অব্যয়ীভাব সমাস)।
খ. গৃহস্থ: গৃহে থাকে যে (উপপদ তৎপুরুষ সমাস)।
99

শুদ্ধ বানান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিভীষিকা
  2. বিভিষিকা
  3. বিভীষীকা
  4. বিভিষীকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কতিপয় শুদ্ধ বানান: বিবদমান, বিদুষী, বিদূষক, বিদ্বজ্জন, বিদ্বান, বিপণন, বিপণি, বাল্মীকি, বীভৎস ।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো বিভীষিকা। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুবার পরীক্ষিত বানান।
এই বানানে 'ই'কার (হ্রস্ব) এবং 'ঈ'কার (দীর্ঘ) এর সঠিক ব্যবহার মনে রাখা জরুরি।
সঠিক বিন্যাসটি হলো: প্রথম বর্ণে হ্রস্ব ই (বি), দ্বিতীয় বর্ণে দীর্ঘ ঈ (ভী), এবং তৃতীয় বর্ণে আবার হ্রস্ব ই (ষি)।
সুতরাং, সঠিক ক্রমটি দাঁড়ায়: বি (ই) + ভী (ঈ) + ষি (ই) + কা
100

‘সুনাম’ শব্দের ‘সু' কোন উপসর্গ

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংস্কৃত
  2. বাংলা
  3. আরবি
  4. ফারসি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

“আ, সু, বি, নি” উপসর্গ ৪টি বাংলা ও সংস্কৃত উভয় উপসর্গেই রয়েছে। সুনাম যেহেতু বাংলা শব্দ– তাই এর ‘সু’ উপসর্গটি বাংলা উপসর্গ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলা। বাংলা ভাষায় মোট ২১টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ এবং ২০টি সংস্কৃত উপসর্গ রয়েছে।
উপসর্গ ‘সু’ বাংলা ও সংস্কৃত উভয় প্রকার উপসর্গেই বিদ্যমান। এই ধরনের উপসর্গগুলো কোন শ্রেণির তা নির্ণয় করা হয়, তারা যে মূল শব্দের সাথে যুক্ত হয়েছে, সেই মূল শব্দের প্রকৃতির ওপর ভিত্তি করে।
এখানে ‘সুনাম’ শব্দটি তৈরি হয়েছে ‘সু’ (উপসর্গ) + ‘নাম’ (মূল শব্দ)। ‘নাম’ শব্দটি একটি খাঁটি বাংলা শব্দ
যেহেতু উপসর্গটি খাঁটি বাংলা শব্দের পূর্বে বসেছে, তাই এই ‘সু’ উপসর্গটিকে বাংলা উপসর্গ হিসেবে গণ্য করা হয়।
101

‘Deciduous’ trees are trees those

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. are extremely big
  2. have delicious leaves
  3. lose the leaves annually
  4. have fleshy leaves

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Deciduous শব্দের অর্থ পর্ণমোচী/ক্ষণস্থায়ী। যেসব বৃক্ষ বা গুল্ম ঋতুভেদে পাতা ঝড়িয়ে দেয় তাদেরকে deciduous trees বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (c) lose the leaves annually
Deciduous (ডিসাইডুয়াস) শব্দের অর্থ হলো **পর্ণমোচী** বা **ক্ষণস্থায়ী**। যেসব গাছ ঋতুভেদে বা বছরে একবার তাদের পাতা ঝরিয়ে দেয়, তাদের Deciduous trees বলা হয়।
সুতরাং, 'lose the leaves annually' (বছরে একবার পাতা ঝরিয়ে দেয়) অর্থটিই সঠিক।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: are extremely big, have delicious leaves) শব্দের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
102

Which one of the following words is not plural?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Men
  2. Feet
  3. Lice
  4. News

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

News, physics, mathematics, mumps, acoustics, measles, civics প্রভৃতি শব্দ দেখতে plural এর মতো হলেও এরা singular noun আবার scissors, pants, trousers, shorts প্রভৃতি শব্দ সর্বদাই plural ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো News
Rule: ইংরেজি ভাষায় কিছু Noun রয়েছে, যেগুলোর শেষে 's' থাকা সত্ত্বেও তারা সর্বদাই Singular Noun হিসেবে গণ্য হয়। News (খবর) এই প্রকার Noun-এর অন্তর্ভুক্ত। এদের পরে সবসময় Singular Verb (is, was, has) ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলো হলো Irregular Plural Noun:
  • Men → Man এর plural (ব্যতিক্রমী)
  • Feet → Foot এর plural (ব্যতিক্রমী)
  • Lice → Louse এর plural (ব্যতিক্রমী)
সুতরাং, News শব্দটি plural নয়।
103

The meaning of the word ‘obese’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. very fat
  2. ugly
  3. tardy
  4. obnoxious

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

obese – খুব মোটা, মেদবহুল; tardy – ধীরগতি, শ্লথ; obnoxious – ঘৃণ্য; ugly – অসুন্দর; very fat – খুব মোটা, মেদবহুল।

ব্যাখ্যা

শব্দটির অর্থ জানতে চাওয়া হয়েছে। ইংরেজি শব্দ 'obese' (উচ্চারণ: ওবিস) এর অর্থ হলো—অতিরিক্ত মোটা, মেদবহুল বা স্থূলকায়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 'very fat' এর বাংলা অর্থ হলো—খুব মোটা। তাই 'very fat' শব্দটিই 'obese' এর সঠিক সমার্থক শব্দ (Synonym)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ হলো:
  • ugly: কুৎসিত বা অসুন্দর।
  • tardy: ধীরগতি, শ্লথ বা বিলম্বকারী।
  • obnoxious: ঘৃণ্য, বিরক্তিকর বা অপ্রীতিকর।
104

‘Pass away’ means:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. disappear
  2. die
  3. erase
  4. to cross

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Pass away’ (phrasal verb) – মৃত্যুবরণ করা; disappear – অদৃশ্য হওয়া; die – মারা যাওয়া; erase – মুছে ফেলা; to cross – অতিক্রম করা।

ব্যাখ্যা

‘Pass away’ হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Phrasal Verb (বাগধারাযুক্ত ক্রিয়াপদ)। এর অর্থ হলো মৃত্যুবরণ করা বা মারা যাওয়া। এটি সাধারণত ‘die’ শব্দটির একটি মার্জিত বা ভদ্র প্রতিশব্দ (Euphemism) হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অপশন (b) ‘die’
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে: disappear (অদৃশ্য হওয়া), erase (মুছে ফেলা), to cross (অতিক্রম করা)।
105

The Synonym of ‘Crime’ is

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mistake
  2. Thief
  3. Offence
  4. Trial

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Crime – অপরাধ; Mistake – ভুল, ভ্রান্তি; Thief – চোর; Offence – অপরাধ; Trial – বিচার।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Synonym (সমার্থক শব্দ) থেকে এসেছে। প্রশ্নটির মূল শব্দ হলো ‘Crime’।
Crime এর বাংলা অর্থ হলো গুরুতর অপরাধ বা অন্যায় কাজ।
অপশনগুলোর মধ্যে, Offence এর বাংলা অর্থ হলো অপরাধ বা অন্যায়। তাই ‘Crime’ এর সবচেয়ে উপযুক্ত প্রতিশব্দ হলো Offence
অন্যদিকে, Mistake মানে ভুল (যা সাধারণত কম গুরুতর), Thief মানে চোর (এটি একজন ব্যক্তি), এবং Trial মানে বিচার (এটি একটি প্রক্রিয়া)। এইগুলি সমার্থক নয়।
106

What is the noun of 'Accept'?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Acceptably
  2. Acceptance
  3. Accepted
  4. Acceptable

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Word – এর শেষে tion, ance, ness, hood ইত্যাদি Suffix যুক্ত হয়ে Word – এর noun form গঠিত হয়। Accept – গ্রহণ করা; Acceptable – গ্রহণযোগ্য; Accepted অর্থ গৃহীত; Acceptance অর্থ গ্রহণযোগ্যতা।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Words Formation বা শব্দের রূপান্তর থেকে এসেছে। 'Accept' হলো একটি Verb (ক্রিয়া), যার অর্থ গ্রহণ করা।
সাধারণত, কোনো Word-এর শেষে -ance, -tion, -ment, -ness, -hood ইত্যাদি Suffix বা প্রত্যয় যুক্ত হয়ে Noun বা বিশেষ্য পদ গঠিত হয়।
এখানে, 'Accept' শব্দের শেষে -ance যুক্ত হয়ে Acceptance শব্দটি গঠিত হয়েছে, যা এর Noun Form। Acceptance অর্থ গ্রহণযোগ্যতা বা স্বীকৃতি
অন্যান্য অপশনগুলো লক্ষ করুন:
Acceptably: Adverb (-ly যুক্ত হওয়ায়)।
Acceptable: Adjective (-able যুক্ত হওয়ায়)।
Accepted: Verb (Past participle form) অথবা Adjective।
107

English ––– across the world.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. has spoken
  2. speaks
  3. is speaking
  4. is spoken

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Passive voice এর structure: object + be verb + V3 + বাকি অংশ; অনুসারে sentence টি হবে- English is spoken across the world.

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটিতে English (ইংরেজি ভাষা) হলো Subject, কিন্তু এটি নিজে থেকে 'কথা বলতে' (speak) পারে না। এটি অন্য মানুষ কর্তৃক বলা হয়।
যেহেতু Subject নিজে কাজটি করতে পারছে না, তাই বাক্যটি অবশ্যই Passive Voice-এ হবে।
Simple Present Tense-এর Passive Voice-এর সঠিক গঠন হলো: Subject + am/is/are + V3 (Past Participle)
'English' যেহেতু Singular Subject, তাই এর পরে 'is' বসবে এবং 'speak'-এর Past Participle রূপ 'spoken' বসবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: is spoken (English is spoken across the world).
108

Which one is correct?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. One of my friends are a lawyer.
  2. One of my friend is a lawyer.
  3. One of my friends is a lawyer.
  4. One of my friend are a lawyer.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Noun যদি One of, Either of, Neither of এর পরে বসে। তখন Noun টি Plural form ব্যবহৃত হয় এবং তারা Singular Verb গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (৩): One of my friends is a lawyer.
এটি **Subject-Verb Agreement** এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। যখন কোনো বাক্যে **'One of the...'** কাঠামো ব্যবহার করা হয়, তখন তার পরের Noun বা Pronoun টি অবশ্যই **Plural Form**-এ বসবে (অর্থাৎ friends)।
কিন্তু বাক্যের মূল Subject টি হলো **'One'** (singular)। তাই, 'One'-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে Verb টি অবশ্যই **Singular** (যেমন: is, was, has) হতে হবে।
অতএব, One of my friends (Plural Noun) is (Singular Verb) a lawyer—এটিই সঠিক গঠন।
109

Of the four books, the red one is the

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. more cheaper
  2. cheapest
  3. cheap
  4. cheaper

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত দুই এর অধিক তুলনা করলে Superlative form ব্যবহার করা হয়। এখানে ৪টি বইয়ের মধ্যে তুলনা করা হয়েছে। তাই বাক্যটি Superlative (the cheapest) হলে অর্থবোধক হবে।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যে চারটি বইয়ের মধ্যে তুলনা করা হচ্ছে। যখন দুইয়ের অধিক বস্তুর মধ্যে তুলনা করা হয়, তখন Adjective-এর Superlative Degree ব্যবহার করতে হয়।
Superlative Degree-র আগে সর্বদা 'the' বসে। প্রশ্নে 'the' দেওয়া আছে।
Adjective 'cheap'-এর Superlative Form হলো cheapest
অতএব, বাক্যটি হবে: 'Of the four books, the red one is the cheapest'।
110

She was blessed ––– a son.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in
  2. with
  3. by
  4. for

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Be blessed with something– কোনো কিছু দিয়ে আশীর্বাদপুষ্ট। Sentence টি হবে ‘She was blessed with a son.’ Bless with অর্থ কাউকে আর্শীবাদস্বরূপ কিছু দেয়া।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যে 'blessed' (আশীর্বাদপুষ্ট) শব্দটির পরে উপযুক্ত Fixed Preposition বসাতে হবে।
যখন কেউ কোনো উপহার, সম্পদ, বা সন্তান লাভ করে আশীর্বাদপুষ্ট হয়, তখন bless-এর পর নির্দিষ্টভাবে 'with' ব্যবহার করা হয়।
সঠিক ব্যবহারটি হলো: Be blessed with something (কোনো কিছু দ্বারা আশীর্বাদপ্রাপ্ত হওয়া)।
সুতরাং, বাক্যটি হবে— She was blessed with a son.
111

The feminine form of the word 'Author' is

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Authorss
  2. Authoress
  3. Authores
  4. Authors

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Authoress (অপশন খ)।
সাধারণত, পুংলিঙ্গ (Masculine Gender) থেকে স্ত্রীলিঙ্গ (Feminine Gender) পরিবর্তন করার সময় কিছু শব্দে '-ess' সাফিক্স যুক্ত করা হয়।
'Author' (লেখক) একটি পুংলিঙ্গ শব্দ। এর সাথে '-ess' যোগ করে স্ত্রীলিঙ্গ করা হয়, যার অর্থ 'লেখিকা'
অন্যান্য অপশনগুলি ব্যাকরণগতভাবে ভুল: Authorss, Authores, এবং Authors (বহুবচন)।
112

Which sentence is correct?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He does not know how to swim.
  2. He do not know how to swim.
  3. He does not know to swim.
  4. None of these

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Know + how to + verb এর base form. He এরপর third person singular verb ‘does’ হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: He does not know how to swim. (অপশন A)।
এই বাক্যটি সঠিক হওয়ার পিছনে দুটি প্রধান ব্যাকরণগত নিয়ম কাজ করে:
১. Subject-Verb Agreement: বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে। Subject যখন Third Person Singular Number (যেমন: He, She, It) হয়, তখন Negative করার জন্য Auxiliary Verb হিসেবে do-এর পরিবর্তে does ব্যবহার করতে হয়। তাই 'He do not...' ভুল।
২. Verb Pattern (Know + Skill): যখন 'know' শব্দটি দিয়ে কোনো বিশেষ দক্ষতা বা কৌশল বোঝানো হয় (যেমন সাঁতার কাটা, গাড়ি চালানো), তখন এর সাথে অবশ্যই 'how to + Verb-এর Base form' এই গঠনটি ব্যবহার করতে হয়।
সুতরাং, সঠিক গঠনটি হলো: Subject + do/does not + know + how to + V1. তাই অপশন C ('He does not know to swim') ভুল।
113

Singular form of data’ is?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. dat
  2. datas
  3. none
  4. datum

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো 'datum'
'Data' শব্দটি হলো একটি ল্যাটিন শব্দ এবং এটি মূলত বহুবচন (Plural)। এর অর্থ হলো তথ্য বা উপাত্ত। যদিও আধুনিক ইংরেজিতে এটি প্রায়শই একবচন হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে ব্যাকরণগতভাবে এর সঠিক একবচন রূপ হলো 'datum'
নিয়ম অনুযায়ী, ল্যাটিন ভাষা থেকে আসা যেসকল শব্দের বহুবচন '-a' দিয়ে শেষ হয়, তাদের একবচন রূপ সাধারণত '-um' দিয়ে শেষ হয়।
114

Rajshahi is – sugar growing areas in Bangladesh.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. one of the larger
  2. one of largest
  3. one of the largest
  4. largest

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Superlative Degree তে plural number এর ক্ষেত্রে one of the + superlative form বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো "one of the largest"
এই বাক্যটি Superlative Degree (সর্বোত্তম অবস্থা) নির্দেশ করছে। যখন কোনো একটি বিষয়কে তার সমগ্র শ্রেণির মধ্যে শ্রেষ্ঠ বা বৃহৎ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, তখন এই কাঠামো ব্যবহার করা হয়।
Superlative Degree-এর ক্ষেত্রে, যখন বলা হয় কোনো একটি জিনিস 'অনেকগুলোর মধ্যে একটি' (one of the...), তখন Structure টি হয়: one of the + Superlative Form of Adjective + Plural Noun
এখানে, 'areas' (plural noun) আছে, তাই সঠিক কাঠামোটি হবে one of the largest
অপশন (A) 'one of the larger' ভুল, কারণ 'larger' হলো Comparative Degree।
অপশন (D) 'largest' একা বসলে পুরো এলাকার সাথে তুলনা বোঝানো হতো না, এবং বাক্যের অর্থও অসম্পূর্ণ থাকত।
115

The passive form of ‘I know him’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He know to me
  2. He was known to me
  3. He is known to me
  4. I was known to him

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Present Indefinite tense কে Active থেকে Passive করার নিয়ম: Object কে subject + am/is/are + Verb এর PP + Preposition + Subject কে Object

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত Active Voice: ‘I know him’ এটি Present Indefinite Tense-এ আছে।
Present Indefinite Tense-এর Passive Voice-এর সাধারণ গঠন হলো: Object (Subject Form) + am/is/are + V3 (Past Participle) + Preposition + Subject (Object Form)
১. Object ‘him’ Subject হয়ে He হবে।
২. ‘He’-এর পরে Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb is বসবে।
৩. ‘know’ এর Past Participle Form হলো known
৪. এটি একটি বিশেষ নিয়ম। 'known' verb-টি Passive-এ 'by' Preposition গ্রহণ করে না, বরং 'to' গ্রহণ করে।
৫. Subject ‘I’ Object হয়ে me হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: He is known to me
116

There is ––– milk in the glass.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a big amount
  2. much
  3. small
  4. a little

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সামান্য বা অল্প বুঝাতে uncountable noun এর পূর্বে ‘a little’ determiner ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যের noun হলো 'milk' (দুধ)। Milk হলো একটি Uncountable Noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য)।
Uncountable Noun-এর সামান্য বা অল্প পরিমাণ নির্দেশ করতে 'a little' determiner টি ব্যবহৃত হয়। 'a little' দ্বারা অল্প পরিমাণ বোঝানো হয়, যা একটি ইতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে (গ্লাসে সামান্য দুধ আছে)।
'much' সাধারণত নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং 'a big amount' বা 'small' এই প্রেক্ষাপটে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক Determiner নয়।
117

The antonym of ‘Insipid’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Cold
  2. Dull
  3. Exciting
  4. Sanguine

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Insipid – নীরস, অরসিক, বিস্বাদ; Cold – ঠাণ্ডা; Dull – নীরস; Exciting – উত্তেজনাপূর্ণ, মজার; Sanguine – আশাবাদী।

ব্যাখ্যা

শব্দটির অর্থ হলো ‘Insipid’ (ইনসিপিড) অর্থাৎ নীরস, স্বাদহীন বা আকর্ষণহীন। এটি সাধারণত খাবার বা কোনো অভিজ্ঞতা বর্ণনায় ব্যবহৃত হয় যা একেবারেই মজাদার নয়।
যেহেতু বিপরীত শব্দ (Antonym) জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এমন একটি শব্দ লাগবে যার অর্থ আকর্ষণীয় বা মজাদার
অপশনগুলোর মধ্যে Exciting-এর অর্থ হলো উত্তেজনাপূর্ণ বা মজার, যা 'Insipid'-এর সঠিক বিপরীত শব্দ।
অন্যদিকে, Dull (নীরস) শব্দটি Insipid-এর প্রতিশব্দ (Synonym)। তাই এটি ভুল উত্তর।
118

‘I hardly go out after dusk.’ the correct bangla translations:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই
  2. আমি সন্ধ্যার পর পরেই বাইরে যাই
  3. আামি সন্ধ্যার পরে প্রায়ই বাইরে যাই
  4. আমি সন্ধ্যার পরে মোটেও বাইরে যাই না

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Hardly, scarcely শব্দের অর্থ কদাচিৎ।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটির সঠিক অনুবাদ করার জন্য 'hardly' শব্দটির অর্থ জানা অত্যাবশ্যক।
Hardly হলো একটি নেতিবাচক Adverb যার অর্থ হলো কদাচিৎ, কালেভদ্রে অথবা খুব কমই।
সুতরাং, ‘I hardly go out after dusk’—এর অর্থ হলো: আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই।
অপশন (০) ‘আমি সন্ধ্যার পর কদাচিৎ বাইরে যাই’ হলো সঠিক অনুবাদ।
লক্ষ্য করুন, অপশন (২) 'প্রায়ই' (Frequently) হলো 'hardly' এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ।
অপশন (৩) 'মোটেও বাইরে যাই না' (Don’t go out at all) খুব বেশি শক্তিশালী নেতিবাচক অর্থ বহন করে, যা 'hardly' এর অর্থের সাথে মেলে না।
119

Choose the word with correct spelling:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ricieve
  2. receve
  3. receive
  4. recieve

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

receive – পাওয়া, গ্রহণ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো receive, যার অর্থ 'গ্রহণ করা' বা 'পাওয়া'।
ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে 'i' এবং 'e' এর অবস্থান নিয়ে পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায়শই ভুল দেখা যায়।
এটি I before E except after C (সি-এর পরে ই-এর আগে আই নয়) নামক সাধারণ বানান নিয়ম দ্বারা নির্ধারিত হয়।
যেহেতু এই শব্দে c অক্ষরটি রয়েছে, তাই এর পরে ei বসবে। অন্য অপশনগুলোতে বানানের নিয়ম মানা হয়নি, তাই সেগুলো ভুল।
120

The opposite word of ‘Delete' is

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Injure
  2. Delay
  3. Insert
  4. Trap

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Delete – বাদ দেওয়া, মুছে ফেলা; Injure – আঘাত করা; Delay – বিলম্ব করা; Insert – প্রবেশ করানো, ঢুকানো; Trap – ফাঁদে ফেলা

ব্যাখ্যা

প্রশ্নোক্ত শব্দ ‘Delete’ এর অর্থ হলো— বাদ দেওয়া বা মুছে ফেলা
ইংরেজি ভাষায়, কোনো কিছু অপসারণ করার বিপরীত প্রক্রিয়া হলো কোনো কিছু প্রবেশ করানো বা যুক্ত করা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ‘Insert’ শব্দের অর্থ হলো— প্রবেশ করানো বা ঢুকানো
সুতরাং, Delete (মুছে ফেলা) এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো Insert (ঢোকানো/যুক্ত করা)।
(অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: Injure (আঘাত করা), Delay (বিলম্ব), Trap (ফাঁদে ফেলা) এই অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।)
121

১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্র থেকে প্রচারিত ‘চরমপত্র’ কে পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেলাল মোহাম্মদ
  2. এম এ আজিজ
  3. আবু হেনা মোস্তফা কামাল
  4. এম. আর. আখতার মুকুল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এম. আর. আখতার মুকুলের রচনায় এবং উপস্থাপনায় প্রচারিত স্বধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের সবচেয়ে জনপ্রিয় অনুষ্ঠান চরমপত্র। ২৫ মে, ১৯৭১ – ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ পর্যন্ত চরমপত্র প্রচারিত হতো। অনুষ্ঠাটির দৈর্ঘ্য ছিল ৮-১০ মিনিট। স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত এই অনুষ্ঠান মুক্তিযোদ্ধাদের উৎসাহ ও উদ্দীপনা দানের জন্য রচিত ও পরিবেশিত হত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো এম. আর. আখতার মুকুল
তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে প্রচারিত ঐতিহাসিক ও জনপ্রিয় অনুষ্ঠান ‘চরমপত্র’-এর রচয়িতা, পরিচালক এবং উপস্থাপক ছিলেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত। অনুষ্ঠানটি মূলত হাস্যরস এবং ব্যঙ্গাত্মক ঢঙে পরিবেশিত হতো, যা পাকিস্তানি বাহিনীর উপর মানসিক চাপ সৃষ্টি করত।
122

কে, কোথায় প্রথম ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
  2. মিজানুর রহমান চৌধুরী, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে
  3. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, রেসকোর্স ময়দানে
  4. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, ধানমন্ডি ৩২ নং বাড়িতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি, লাহোরে বিরোধী দলের সম্মেলনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি পেশ করেন। ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ আমাদের বাঁচার দাবি: ৬ দফা শীর্ষক একটি পুস্তক প্রকাশিত হয়। ১৩ মার্চ, ১৯৬৬ আওয়ামী লীগের ওয়ার্কিং কমিটিতে ছয় দফা অনুমোদিত হয়। ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালের লাহোরে এক সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিক ভাবে ৬ দফা ঘোষণা করেন বঙ্গবন্ধু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, লাহোরে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫ই ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক জাতীয় সম্মেলনে প্রথমবারের মতো ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করেন।
লাহোরে প্রস্তাব পেশ করার পর, একই বছরের ২৩শে মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। এই ছয় দফাই পরবর্তীতে বাঙালির মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
123

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Leonid Brezhnev
  2. Mikhail Gorbachev
  3. Nikita Khrushev
  4. Nikolai Podgorny

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের পর সবচেয়ে বড়ো মিত্র শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয় রাশিয়া। এই সময় রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ছিলো নিকোলাই পদগর্নি (Nikolai Podgorny) । আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ছিলেন রিচার্ড নিক্সন ।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধকালে (১৯৭১) সোভিয়েত ইউনিয়ন (তৎকালীন রাশিয়া) ভারতের পর আমাদের সবচেয়ে বড়ো মিত্র শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়।
এই সময় সোভিয়েত ইউনিয়নের আনুষ্ঠানিক রাষ্ট্রপ্রধান (President/Chairman of the Presidium of the Supreme Soviet) ছিলেন নিকোলাই পদগর্নি (Nikolai Podgorny)
যদিও লিওনিদ ব্রেজনেভ (Leonid Brezhnev) ছিলেন কমিউনিস্ট পার্টির মহাসচিব এবং কার্যত তিনিই ছিলেন সবচেয়ে ক্ষমতাধর নেতা, তবে আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে পদগর্নির নামই বেশি উচ্চারিত হয়।
মিখাইল গর্বাচেভ অনেক পরের নেতা (সোভিয়েত ইউনিয়নের শেষ নেতা) এবং নিকিতা ক্রুশ্চেভ কিউবান ক্ষেপণাস্ত্র সংকটের সময়কার নেতা ছিলেন। তাই এই দুটি উত্তর ভুল।
124

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিচারপতি এম এন হুদা
  2. বিচারপতি এ বি সিদ্দীক
  3. বিচারপতি আব্দুস সাত্তার
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইয়াহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে ৭ ডিসেম্বর ১৯৭০ পাকিস্তানের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে পূর্ব পাকিস্তান জাতীয় পরিষদে আওয়ামী লীগ ১৬৭ আসন এবং প্রাদেশিক পরিষদে ২৯৮ আসনে বিজয় লাভ করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। এই নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার।

ব্যাখ্যা

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনটি ছিল তৎকালীন পাকিস্তানের ইতিহাসে প্রথম এবং একমাত্র সাধারণ নির্বাচন। এটি অনুষ্ঠিত হয় ইয়াাহিয়া খানের সামরিক শাসনামলে
এই নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের রায় প্রতিফলিত হলেও ক্ষমতা হস্তান্তর করা হয়নি, যা বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের মূল কারণগুলোর অন্যতম।
এই ঐতিহাসিক নির্বাচনের প্রধান নির্বাচন কমিশনার (CEC) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন বিচারপতি আব্দুস সাত্তার। তাই সঠিক উত্তর হলো (গ)।
125

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট কতটি আসন লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৮০টি
  2. ২২৩টি
  3. ১৭১টি
  4. ২৯৮টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৫৪ সালের ১০ মার্চ অনুষ্ঠিত নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ২২৩টি (আওয়ামীলীগ-১৪৩, কৃষক শ্রমিক পার্টি-৪৮, নেজামে ইসলাম-১৯ এবং গণতন্ত্রী পার্টি-১৩টি) এবং মুসলিম লীগ ৯টি আসন লাভ করে, পরবর্তীতে স্বতন্ত্র সদস্যের ৮ জন যুক্তফ্রন্টে এবং ১ জন মুসলিমলীগে যোগদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২২৩টি। ১৯৫৪ সালের মার্চ মাসে পূর্ব পাকিস্তানের প্রাদেশিক পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচন ইতিহাসে যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন নামে পরিচিত।
যুক্তফ্রন্ট ছিল চারটি প্রধান বিরোধী দল—আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম এবং গণতন্ত্রী দল—এর একটি জোট।
মোট ৩০৯টি আসনের মধ্যে যুক্তফ্রন্ট বিশাল ব্যবধানে ২২৩টি আসন লাভ করে এবং শাসক দল মুসলিম লীগ মাত্র ৯টি আসন পায়। এটি ছিল পূর্ব বাংলার জনগণের প্রতি মুসলিম লীগের শাসনের প্রতি অনাস্থার ঐতিহাসিক বহিঃপ্রকাশ।
126

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ বর্তমানে মোট কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৪৫ জন
  2. ৩৫০ জন
  3. ৩৫৫ জন
  4. ৩০০ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৩৫০ জন
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ মোট ৩৫০ জন সদস্য নিয়ে গঠিত। এই সদস্যদের বিভাজনটি নিম্নরূপ:
১. ৩০০ জন সদস্য: এরা দেশের ৩০০টি নির্বাচনী এলাকা থেকে সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন।
২. ৫০ জন সদস্য: এই আসনগুলো শুধুমাত্র নারীদের জন্য সংরক্ষিত এবং নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্যের ভোটে পরোক্ষভাবে এই সদস্যরা নির্বাচিত হন।
অতএব, মোট সদস্য সংখ্যা হলো: ৩00 (নির্বাচিত) + ৫০ (সংরক্ষিত) = ৩৫০ জন
127

কোনটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জতীয় ত্যথ কমশিন
  2. দুর্নীতি দমন কমিশন
  3. জাতীয় মানবাধিকার কমিশন
  4. মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান ৭টি। যথা: নির্বাহী বিভাগ, আইন বিভাগ, বিচার বিভাগ, অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয়, নির্বাচন কমিশন, মহাহিসাব নিরীক্ষক এবং নিয়ন্ত্রক এর কার্যালয়, বাংলাদেশ পাবলিক সর্ভিস কমিশন বা সরকারী কর্ম কমিশন (বিপিএসসি)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক
যে সকল প্রতিষ্ঠান বা পদ সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধানের ধারা (Articles) অনুযায়ী গঠিত, সেগুলোকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান বলা হয়। মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (Comptroller and Auditor General – CAG) এর কার্যালয় সংবিধানের অষ্টম ভাগে (অনুচ্ছেদ ১২৭-১৩২) গঠিত।
অন্যান্য অপশন যেমন— জাতীয় তথ্য কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন হলো বিধিবদ্ধ সংস্থা (Statutory Bodies), যা সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, সরাসরি সংবিধান দ্বারা নয়।
128

‘The Spirit of Islam’ বইটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আমির আলী
  2. হাজী মুহম্মদ মহসীন
  3. বেগম রোকেয়া
  4. মওলানা আবুল কালাম আজাদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সৈয়দ আমীর আলী একজন ভারতীয় মুসলিম আইনবিজ্ঞ যিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন। তিনি নিখিল ভারত মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন। তার আরেকটি বিখ্যাত বই: A Short History of the Saracens।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সৈয়দ আমির আলী। তিনি ছিলেন ভারতীয় মুসলিম আইনজ্ঞ, ইতিহাসবিদ এবং সমাজ সংস্কারক।
'The Spirit of Islam' (১৮৯১) গ্রন্থটি ইসলাম ধর্মের মানবিক ও প্রগতিশীল দিকগুলো তুলে ধরে। প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের মধ্যে ইসলামের অবস্থান বোঝাতে এই বইটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
তিনিই প্রথম ভারতীয় যিনি লন্ডনের প্রিভি কাউন্সিলের সদস্যপদ লাভ করেন এবং তিনি কলকাতা হাইকোর্টের প্রথম মুসলিম বিচারপতি ছিলেন।
129

১৯৭১ সালে ঢাকা শহরে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ পরিচালনার মূল দায়িত্বে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  2. জেনারেল রাও ফরমান আলী
  3. জেনারেল জিয়াউর রহমান
  4. জেনারেল টিক্কা খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Operation Search Light’ এ ঢাকা মহানগরী ও এর আশপাশ এলাকায় নেতৃত্বে ছিলেন মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী এবং ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবরার। আর ঢাকা ব্যাতীত সমগ্র পূর্ব বাংলার দায়িত্ব দেওয়া হয় মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজাকে। আর এই কুখ্যাত মিশনের সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন কুখ্যাত খুনি লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মুক্তিযুদ্ধ সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন। ‘অপারেশন সার্চলাইট’ ছিল ১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর পরিচালিত গণহত্যা ও সামরিক অভিযানের সাংকেতিক নাম।
দায়িত্বপ্রাপ্ত কমান্ডারদের তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়:
১. সার্বিক দায়িত্ব/প্রধান পরিকল্পনাকারী: লেফটেন্যান্ট জেনারেল টিক্কা খান
২. ঢাকা মহানগরী ও আশপাশের এলাকা: মেজর জেনারেল রাও ফরমান আলী (এবং ব্রিগেডিয়ার আবরার)।
৩. ঢাকা ব্যতীত সমগ্র পূর্ব বাংলা: মেজর জেনারেল খাদিম হোসেন রাজা।
যেহেতু প্রশ্নে সুনির্দিষ্টভাবে ‘ঢাকা শহরে’ পরিচালনার কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলেন জেনারেল রাও ফরমান আলী
130

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কতবার জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ বার
  2. ৮ বার
  3. ৫ বার
  4. ৯ বার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের ইতিহাসে দীর্ঘমেয়াদি প্রধানমন্ত্রী। ২০১৮ সালের সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে তিনি চতুর্থ মেয়াদে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮ বার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বপ্রথম ১৯৮৬ সালের ৩য় জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
সর্বশেষ, তিনি ২০২৪ সালের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ায় মোট ৮ বার এই আসন লাভ করেন।
যেহেতু প্রশ্নটি বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রনেতা সম্পর্কিত, তাই পরীক্ষার্থীদের জন্য সর্বশেষ তথ্য জানা অত্যন্ত জরুরি। পুরোনো প্রশ্নে ৭১ বার উল্লেখ থাকলেও, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনের পর সঠিক সংখ্যাটি ৮ বার।
অন্যান্য অপশন (৭, ৫ বা ৯ বার) ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক নয়।
131

বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. সম্রাট আকবর
  3. শায়েস্তা খান
  4. শেখ হাসিনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৫৮৪ খ্রিস্ট্রাব্দের ১০ মার্চ বা ১১ মার্চ বাংলা সন গণনা শুরু হয়। তবে এই গণনা পদ্ধতি কার্যকর করা হয় আকবরের সিংহাসন আরোহণের দিন ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ (হিজরি ৯৬৩ সন) থেকে। বাংলাদেশে ১৯৮৯ সাল থেকে নববর্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ২০১৬ সালে UNESCO মঙ্গল শোভাযাত্রাকে মানবতার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সম্রাট আকবর
বাংলা সন বা বঙ্গাব্দ মূলত কৃষিভিত্তিক কাজ ও খাজনা আদায়ের সুবিধার্থে প্রবর্তন করা হয়। সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দে এই বর্ষপঞ্জি চালু করেন।
তিনি তার সভাসদ ফতেহ উল্লাহ সিরাজীকে দিয়ে প্রচলিত হিজরি চান্দ্র সন ও সৌর সনের মধ্যে সামঞ্জস্য এনে এই নতুন সনের হিসাব তৈরি করান, যা ফসলি সন নামেও পরিচিত ছিল।
132

‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. নাসির উদ্দিন ইউসুফ
  3. মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী
  4. তারেক মাসুদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ চলচ্চিত্রের পরিচালক আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। এটি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুরের ওপরে নির্মিত প্রামাণ্যচিত্রের তালিকার মধ্যে অন্যতম। চলচ্চিত্রটি ১৫ আগস্টের ঘটনা সম্পর্কিত। ‘আমরা ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানের গীতিকারও তিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
‘পলাশী থেকে ধানমণ্ডি’ হলো আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্যচিত্র (Documentary).
এই প্রামাণ্যচিত্রটি মূলত ১৭৫৭ সালের পলাশীর বিপর্যয় থেকে শুরু করে বাংলাদেশের ইতিহাসের অন্যতম শোকাবহ ঘটনা ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫-এর পটভূমিতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জীবন ও ট্র্যাজেডি তুলে ধরে।
133

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট মোট কতটি অভীষ্ট নিয়ে প্রণীত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ২১টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sustainable Development Goal (SDGs) (২০১৬ – ২০৩০) মূলত MDGs (২০০০-২০১৫) এর বর্ধিত রূপ। এর অভীষ্ট লক্ষ্য ১৭টি, সূচক ২৪৭টি ও ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭টি
জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা SDGs (Sustainable Development Goals)-এর মোট ১৭টি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এটি পূর্ববর্তী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য (MDGs)-এর সময়কাল (২০০০-২০১৫) শেষ হওয়ার পর ২০১৬ সাল থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত বাস্তবায়নের জন্য প্রণীত হয়েছে।
এই অভীষ্টগুলির মূল উদ্দেশ্য হলো পরিবেশ সংরক্ষণ, দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা।
134

২১শে ফেব্রুয়ারিকে কোন সংগঠন আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNEP
  4. UNICEF

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২ বাংলা তারিখ ছিল ১৩৫৮ বঙ্গাব্দের ৮ ফাল্গুন বৃহস্পতিবার। ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ ইউনেস্কো ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ২০১০ সালের ৬৫তম সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের সিদ্ধান্ত মতে, প্রতিবছর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন করবে জাতিসংঘ। UNESCO এর ৩০ তম অধিবেশনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইউনেস্কো (UNESCO)
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর প্যারিসে অনুষ্ঠিত তাদের ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এই স্বীকৃতির মাধ্যমেই বাঙালি জাতির আত্মত্যাগের এই দিনটি বিশ্বব্যাপী মাতৃভাষার মর্যাদা রক্ষার প্রতীক হিসেবে মর্যাদা লাভ করে।
135

BRICS প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. New Development Bank
  2. Newly Development Bank
  3. BRICS Development Bank
  4. Developing Bank

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্ব রাজনীতির এবং অর্থনীতির উদীয়মান পাঁচ শক্তি রাশিয়া, চীন, ব্রাজিল, ভারত ও দক্ষিণ আফ্রিকা মিলে BRICS গঠন করে। ১৫ জুলাই, ২০১৪ BRICS সম্মেলনে NEW Development Bank (NDB) ব্যাংক গঠিত হয়। এর মূলধন ১০০ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো New Development Bank (NDB)
BRICS হলো বিশ্ব অর্থনীতির উদীয়মান পাঁচটি দেশের জোট—ব্রাজিল (Brazil), রাশিয়া (Russia), ভারত (India), চীন (China) ও দক্ষিণ আফ্রিকা (South Africa)
এই জোটটি আন্তর্জাতিক অর্থব্যবস্থায় পশ্চিমা প্রভাবিত সংস্থাগুলোর বিকল্প হিসেবে ২০১৪ সালে নিজস্ব ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে, যার নাম দেওয়া হয় নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank)
136

ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২টার সময় লন্ডনে সময় হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪ মে রাত ১২টা
  2. ২৫ মে রাত ১২টা
  3. ২৪ মে সকাল ৬টা
  4. ২৪ মে সন্ধ্যা ৬টা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যুক্তরাজ্যের লন্ডন শহরের অদূরে অবস্থিত গ্রিনিচের (০° দ্রাঘিমার) স্থানীয় সময়কে সমগ্র পৃথিবীর প্রমাণ সময় হিসেবে গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশের ঠিক মাঝখান দিয়ে ৯০° পূর্ব দ্রাঘিমা রেখা অতিক্রম করেছে। প্রতি ১ ডিগ্রির জন্য সময়ের পার্থক্য ৪ মিনিট। অতএব ৯০° x ৪ = ৩৬০ মিনিট বা ৬ ঘণ্টা। তাই ঢাকাতে ২৪ মে দুপুর ১২ টার সময় লন্ডনে সময় হবে ২৪ মে সকাল ৬ টা।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত দ্রাঘিমা (Longitude) অনুযায়ী সময়ের পার্থক্য নির্ণয়ের সূত্র থেকে এসেছে।
আমাদের মনে রাখতে হবে যে, পৃথিবীর সময় গণনার মূল কেন্দ্র হলো লন্ডনের অদূরে অবস্থিত গ্রিনিচ (০° দ্রাঘিমা)। এটিই হলো আন্তর্জাতিক প্রমাণ সময় (GMT)।
বাংলাদেশের প্রমাণ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে 9090^\circ পূর্ব দ্রাঘিমা অনুযায়ী।
সময় পার্থক্যের নিয়ম হলো: প্রতি 11^\circ দ্রাঘিমার জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ৪ মিনিট
অতএব, ঢাকা ও লন্ডনের সময়ের পার্থক্য: 90×490^\circ \times 4 মিনিট = 360360 মিনিট বা ৬ ঘণ্টা
যেহেতু ঢাকা (পূর্ব দিকে) গ্রিনিচের পূর্বে অবস্থিত, তাই ঢাকার সময় গ্রিনিচের সময়ের চেয়ে ৬ ঘণ্টা অগ্রগামী
যদি ঢাকাতে দুপুর ১২টা হয়, তবে লন্ডন (পেছনে) ৬ ঘণ্টা পিছিয়ে থাকবে।
দুপুর ১২টা - ৬ ঘণ্টা = সকাল ৬টা। তারিখ একই থাকবে (২৪ মে)।
137

পৃথিবীর দুইটি স্থানের দ্রাঘিমার পার্থক্য ১১∘ হলে ঐ দুটি স্থানের সময়ের পার্থক্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ মিনিট
  2. ৪৪ মিনিট
  3. ১ মিনিট
  4. ৪ মিনিট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পৃথিবীকে ৩৬০° দ্রাঘিমারেখা দিয়ে ভাগ করা হয়েছে। পৃথিবী নিজ অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্ব দিকে ঘুরছে। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার পুরোটি ঘুরে আসছে। ৩৬০° আসতে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা বা ১৪৪০ মিনিট। ১৪৪০\÷৩৬০=৪ মিনিট। অর্থাৎ প্রতি ডিগ্রি দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময় লাগে ৪ মিনিট।

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য ভূগোল ও সময়ের মৌলিক সম্পর্কটি জানতে হবে।
পৃথিবী তার অক্ষের উপর একবার পূর্ণ আবর্তন সম্পন্ন করতে ৩৬০° দ্রাঘিমা অতিক্রম করে। এই আবর্তনে সময় লাগে ২৪ ঘণ্টা, যা ১৪৪০ মিনিটের সমান।
সুতরাং, ৩৬৩৬০^\circ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হয় ১৪৪০ মিনিট।
ঐকিক নিয়মে, ১^\circ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হবে: $১৪৪০ \div ৩৬০ = ৪ মিনিট
প্রশ্নে দেওয়া আছে দ্রাঘিমার পার্থক্য ১১^\circ
অতএব, ১১^\circ দ্রাঘিমার পার্থক্যের জন্য সময়ের পার্থক্য হবে: $১১ \times ৪ = ৪৪ মিনিট
138

ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় যান্ত্রিকশক্তি কোন শক্তিতে রূপান্তরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শব্দ ও তাপশক্তি
  2. চুম্বকশক্তি
  3. শব্দশক্তি
  4. তাপশক্তি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হাত দিয়ে শরীরের অন্য কোনো অংশ ঘষলে গরম অনুভূত হয়। এতে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। বাশি বাজালে যান্ত্রিক শক্তি শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। দোলনার ক্ষেত্রে যান্ত্রিক শক্তি স্থিতি ও গতিশক্তিতে রূপান্তরিত ঘটে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত শক্তির রূপান্তর (Energy Transformation) ধারণা থেকে এসেছে। ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার প্রক্রিয়াটি একটি যান্ত্রিক প্রক্রিয়া, যেখানে গতিশক্তি ব্যবহার করে কাজ করা হয়।
যখন ঢেঁকির মাধ্যমে ধানে জোরে আঘাত করা হয়, তখন প্রধানত দুটি শক্তি উৎপন্ন হয়:
১. তাপশক্তি: আঘাত বা ঘর্ষণের কারণে শক্তি ক্ষয় হয় এবং বস্তু উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এটি তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
২. শব্দশক্তি: আঘাতের ফলে তীব্র শব্দ উৎপন্ন হয়।
তাই, ঢেঁকি দিয়ে ধান ভানার সময় যান্ত্রিক শক্তি শব্দ ও তাপশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।
139

কম্পিউটারের মেমোরি বা স্মৃতিভান্ডারের ধারণ ক্ষমতা প্রকাশের একক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাইট
  2. DPI
  3. পিক্সেল
  4. হার্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কম্পিউটার মেমোরিতে ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরির ধারণক্ষমতা বলে। একে বাইট কিলোবাইট, মেগাবইট, গিগাবাইট ইত্যাদি দ্বারা প্রকাশ করা হয়।

ব্যাখ্যা

কম্পিউটার বা ডিজিটাল ডিভাইসে তথ্য ও ডেটা সংরক্ষণের পরিমাণকে মেমোরি ধারণক্ষমতা বলা হয়।
এই ধারণক্ষমতা প্রকাশের মৌলিক ও বহুল ব্যবহৃত একক হলো বাইট (Byte)
ধারণক্ষমতার অন্যান্য বৃহত্তর এককগুলো হলো কিলোবাইট (KB), মেগাবাইট (MB), গিগাবাইট (GB), টেরাবাইট (TB) ইত্যাদি।
DPI (Dots Per Inch): এটি প্রিন্টিং বা স্ক্রিনের রেজোলিউশন পরিমাপের একক।
পিক্সেল: এটি ডিজিটাল ছবির ক্ষুদ্রতম একক, যা ধারণক্ষমতা নয়।
হার্জ (Hertz): এটি মূলত কম্পাঙ্ক (ফ্রিকোয়েন্সি) বা প্রসেসরের গতি পরিমাপের একক।
140

বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষুব অঞ্চলে
  2. মেরু অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্থানভেদে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির তারতম্যের কারণে বস্তুর ওজন পরিবর্তিত হয়। মেরু অঞ্চলে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির প্রভাব বেশি হওয়ায় বস্তুর ওজন বেশি হয়। চাঁদে কোন বস্তুর ওজন পৃথিবীতে ওজনের 1/6 অংশ। তবে বস্তুর ভর সর্বত্রই অপরিবর্তিত থাকে। পৃথিবীর কেন্দ্রে বস্তুর ওজন শূন্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেরু অঞ্চলে
বস্তুর ওজন নির্ভর করে মাধ্যাকর্ষণ শক্তির (অভিকর্ষজ ত্বরণ, gg) ওপর। ওজনের সূত্র হলো W=mgW = mg (যেখানে mm হলো ভর এবং gg হলো অভিকর্ষজ ত্বরণ)।
পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়; এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চ্যাপ্টা এবং বিষুব অঞ্চলে কিছুটা স্ফীত। ফলে, মেরু অঞ্চলে পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব (ব্যাসার্ধ) সবচেয়ে কম
যেহেতু gg এর মান দূরত্বের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক, তাই পৃথিবীর যে স্থানে দূরত্ব কম (অর্থাৎ মেরু অঞ্চল) সেখানে gg এর মান সবচেয়ে বেশি হয়।
এর ফলস্বরূপ, বস্তুর ওজন মেরু অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি হয় এবং বিষুব অঞ্চলে সবচেয়ে কম হয়।
141

যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে তেল বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবেনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮

  2. ২০

  3. ২২

  4. ১৬

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি শতকরা (Percentage) সংক্রান্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন যা প্রায় প্রতি নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
আমরা জানি, মোট ব্যয় = মূল্য ×\times ব্যবহার। যেহেতু তেল বাবদ মোট ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হবে, তাই মূল্য যে হারে বাড়বে, ব্যবহার ঠিক সেই হারে কমাতে হবে যাতে গুণফল একই থাকে।
যদি মূল্য PP শতাংশ বৃদ্ধি পায়, তবে ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে ব্যবহার কমানোর সূত্র হলো:
ব্যবহার কমানোর হার=[P100+P×100]%\text{ব্যবহার কমানোর হার} = \left[ \frac{P}{100 + P} \times 100 \right]\%
এখানে, মূল্য বৃদ্ধির হার (PP) = ২৫%
সুতরাং, ব্যবহার কমানোর হার হবে:
25100+25×100%\frac{25}{100 + 25} \times 100 \%
25125×100%\Rightarrow \frac{25}{125} \times 100 \%
15×100=20%\Rightarrow \frac{1}{5} \times 100 = 20\%
সুতরাং, তেলের ব্যবহার ২০% কমালে ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না। এটি বিকল্প (B)-তে রয়েছে।
142

একটি সেনাবাহিনীর গুদামে ১৫০০ সৈনিকের ৪০ দিনের খাদ্য মজুত আছে। ১৩ দিন পর কিছু সৈনিক অন্য জায়গায় চলে গেল। বাকি খাদ্য অবশিষ্ট সৈনিকদের আরও ৩০ দিন চললো। কতজন সৈনিক অন্য জায়গায় চলে গিয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০
  2. ১৫০
  3. ২১০
  4. ১২৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের খাদ্য মজুত সংক্রান্ত অঙ্কগুলো বিপরীত সম্পর্ক বা ঐকিক নিয়ম (Inverse Proportion) ব্যবহার করে সমাধান করতে হয়। অর্থাৎ, সৈনিকের সংখ্যা কমলে খাদ্যের দিন সংখ্যা বাড়বে এবং সৈনিকের সংখ্যা বাড়লে খাদ্যের দিন সংখ্যা কমবে।
ধাপ ১: অবশিষ্ট দিনের খাদ্য নির্ধারণ:
শুরুতে ১৫০০ সৈনিকের জন্য ৪০ দিনের খাদ্য মজুত ছিল। ১৩ দিন পর তারা ১৩ দিনের খাদ্য খেয়ে ফেলেছে।
অবশিষ্ট খাদ্য ১৫০০ সৈনিকের জন্য চলতো: ৪০১৩=<strong>২৭৪০ - ১৩ = <strong>২৭ দিন।
ধাপ ২: অবশিষ্ট সৈনিকের সংখ্যা নির্ণয়:
এই ২৭ দিনের খাদ্য অবশিষ্ট সৈনিকদের ৩০ দিন চলেছে। এখন আমরা ঐকিক নিয়ম ব্যবহার করব।
যদি ১৫০০ জন সৈনিকের চলে ২৭ দিন
তাহলে ১ জন সৈনিকের চলতো: ১৫০০imes২৭১৫০০ imes ২৭ দিন।
আর ৩০ দিন ধরে চলবে, যদি সৈনিকের সংখ্যা হয়: ১৫০০×২৭৩০\frac{১৫০০ \times ২৭}{৩০} জন।
ধাপ ৩: হিসাব করুন:
১৫০০×২৭৩০=৫০×২৭=<strong>১৩৫০\frac{১৫০০ \times ২৭}{৩০} = ৫০ \times ২৭ = <strong>১৩৫০ জন।
অর্থাৎ, গুদামে অবশিষ্ট সৈনিকের সংখ্যা হলো ১৩৫০ জন।
ধাপ ৪: চলে যাওয়া সৈনিকের সংখ্যা নির্ণয়:
মোট সৈনিক ছিল ১৫০০ জন। অবশিষ্ট আছে ১৩৫০ জন।
চলে যাওয়া সৈনিকের সংখ্যা = ১৫০০১৩৫০=<strong>১৫০১৫০০ - ১৩৫০ = <strong>১৫০ জন।
143

(০.১×১.১×১.২)/(০.০১×০.০২) এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫৫০
  2. ২০০
  3. ১২০
  4. ৬৬০

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

(০.১×১.১×১.২)/(০.০১×০.০২) = (০১×১১×১২×১০০×১০০)/(১০×১০×১০×০১×০২) =১×১১×১২×৫=৬৬০

ব্যাখ্যা

এই ধরনের দশমিকে ভাগ-গুণ সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো দশমিকের স্থানগুলো সমান করে নেওয়া অথবা সরাসরি ভগ্নাংশে রূপান্তর করা।
প্রদত্ত রাশিটি হলো: 0.1×1.1×1.20.01×0.02\frac{0.1 \times 1.1 \times 1.2}{0.01 \times 0.02}
ধাপ ১: দশমিক স্থান গণনা:
লব (Numerator) এ মোট দশমিক স্থান: (১+১+১) = ৩টি
হর (Denominator) এ মোট দশমিক স্থান: (২+২) = ৪টি
ধাপ ২: দশমিক অপসারণ:
যেহেতু হরে লবের চেয়ে (৪-৩) = ১টি দশমিক স্থান বেশি, তাই দশমিক অপসারণের পর লবের সঙ্গে 10110^{1} বা ১০ গুণ হবে।
0.1×1.1×1.20.01×0.02=1×11×121×2×(1043)\frac{0.1 \times 1.1 \times 1.2}{0.01 \times 0.02} = \frac{1 \times 11 \times 12}{1 \times 2} \times (10^{4-3})
=1322×10= \frac{132}{2} \times 10
$= 66 \times 10 = ৬৬০
144

দুই অঙ্কবিশিষ্ট কোনো সংখ্যার অঙ্ক দুটির অন্তর ২। অঙ্ক দুটি স্থান বিনিময় করলে যে সংখ্যা পাওয়া যায় তা প্রদত্ত সংখ্যার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ কম। সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 46
  2. 35
  3. 24
  4. 57

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি দুই অঙ্কবিশিষ্ট সংখ্যা সংক্রান্ত একটি বহুল প্রচলিত সমস্যা। পরীক্ষার হলে দ্রুত সমাধানের জন্য অপশন টেস্ট করাই সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি।
সঠিক উত্তরটি হলো ২৪

ধাপ ১: প্রথম শর্ত যাচাই (অঙ্ক দুটির অন্তর ২)
সংখ্যার অঙ্ক দুটি হলো ২ এবং ৪। এদের অন্তর: =|৪ - ২| = ২। (শর্ত পূরণ)

ধাপ ২: দ্বিতীয় শর্ত যাচাই (স্থান বিনিময়)
সংখ্যাটি ২৪। স্থান বিনিময় করলে নতুন সংখ্যাটি হয় ৪২

ধাপ ৩: প্রদত্ত সংখ্যার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ কম
প্রদত্ত সংখ্যাটির (২৪) দ্বিগুণ: ×২৪=৪৮২ \times ২৪ = ৪৮
এই দ্বিগুণ সংখ্যা অপেক্ষা ৬ কম: ৪৮=<strong>৪২</strong>৪৮ - ৬ = <strong>৪২</strong>

যেহেতু স্থান বিনিময় করা সংখ্যাটি (৪২) প্রদত্ত সংখ্যার দ্বিগুণ অপেক্ষা ৬ কম (৪২), তাই ২৪ সংখ্যাটি সকল শর্ত পূরণ করে।
145

দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ৩৭। সংখ্যা দুটি কী কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২, ১৩
  2. ১৫, ১৬
  3. ১৮, ১৯
  4. ২০, ২১

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

ধরি, সংখ্যা দুটি হলো xx এবং তার ক্রমিক সংখ্যাটি হলো (x+1)(x+1)
প্রশ্নমতে, তাদের বর্গের অন্তর ৩৭। যেহেতু x+1x+1 বড় সংখ্যা, তাই:
(x+1)2x2=37(x+1)^2 - x^2 = 37
আমরা বীজগণিতের সূত্র ব্যবহার করতে পারি: (a2b2)=(a+b)(ab)(a^2 - b^2) = (a+b)(a-b)
বা, (x+1+x)(x+1x)=37 (x+1+x)(x+1-x) = 37
বা, (2x+1)(1)=37(2x+1)(1) = 37
বা, 2x=3712x = 37 - 1
বা, 2x=362x = 36
সুতরাং, x=18x = 18
সংখ্যা দুটি হলো: x=18x=18 এবং x+1=19x+1 = 19। (সঠিক উত্তর: ১৮, ১৯)
146

একটি বর্গাকার বাগানের ক্ষেত্রফল ২০২৫ বর্গমিটার। এর চারদিকে বেড়া আছে। বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১০
  2. ২০০
  3. ১৮০
  4. ২২০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই সমস্যাটিতে বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য জানতে চাওয়া হয়েছে, যা মূলত বর্গাকার বাগানটির পরিসীমা (Perimeter)
১. প্রথমে আমাদের এক বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় করতে হবে। বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = (বাহু)2(\text{বাহু})^2
২. ক্ষেত্রফল ২০২৫ বর্গমিটার হওয়ায়, বাহুর দৈর্ঘ্য = ২০২৫\sqrt{২০২৫}
৩. ২০২৫ এর বর্গমূল হলো ৪৫ মিটার।
৪. বেড়ার মোট দৈর্ঘ্য বা পরিসীমা = ×বাহুর দৈর্ঘ্য৪ \times \text{বাহুর দৈর্ঘ্য}
৫. মোট দৈর্ঘ্য = ×৪৫=<strong>১৮০৪ \times ৪৫ = <strong>১৮০ মিটার।
সঠিক উত্তর হলো ১৮০
147

যদি (x–y)=১২ এবং xy = ১ হয়, তবে x+y= কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১
  2. ১২
  3. ১৩
  4. ১৪

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের একটি ক্লাসিক্যাল প্রশ্ন, যা সরাসরি সূত্র প্রয়োগের মাধ্যমে সমাধান করা যায়।
আমাদের খুঁজে বের করতে হবে x+yx^২+y^২ এর মান।
আমরা জানি, বর্গের রাশির মান নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
x+y=(xy)+xyx^২+y^২ = (x–y)^২ + ২xy (যখন xyx–y এর মান দেওয়া থাকে)
প্রদত্ত মানগুলি বসিয়ে পাই:
(xy)=১২(x–y)^২ = ১২
xy=xy = ১
সুতরাং, x+y=১২+()x^২+y^২ = ১২ + ২(১)
x+y=১২+x^২+y^২ = ১২ + ২
x+y=১৪x^২+y^২ = ১৪
সঠিক উত্তর হলো ১৪
148

৩টি সংখ্যার গড় ৬ এবং ঐ ৩টি সংখ্যাসহ মোট ৪টি সংখ্যার গড় ৮ হলে চতুর্থ সংখ্যাটির অর্ধেকের মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের গড় সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানের জন্য আমাদের প্রথমে সংখ্যাগুলোর মোট যোগফল বের করতে হবে।
১. প্রথমে, ৩টি সংখ্যার গড় ৬ হলে, তাদের মোট যোগফল হবে: ×=১৮৩ \times ৬ = ১৮
২. এরপর, মোট ৪টি সংখ্যার গড় ৮ হলে, তাদের মোট যোগফল হবে: ×=৩২৪ \times ৮ = ৩২
৩. চতুর্থ সংখ্যাটি হলো: ৪টি সংখ্যার যোগফল - ৩টি সংখ্যার যোগফল।
অর্থাৎ, চতুর্থ সংখ্যাটি = ৩২১৮=<strong>১৪৩২ - ১৮ = <strong>১৪
৪. প্রশ্নে চতুর্থ সংখ্যাটির অর্ধেকের মান জানতে চাওয়া হয়েছে।
\rightarrow ১৪ এর অর্ধেক = ১৪÷=<strong>১৪ \div ২ = <strong>৭
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৭।
149

একটি আয়তাকার ক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৩ : ১। উহার পরিসীমা ২০০ মিটার হলে, আয়তাকার ক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭৭৫
  2. ১৮৭৫
  3. ১৬৭৫
  4. ১৫৭৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অনুপাতের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে অজানা চলক (xx) ধরে নিতে হবে।
১. দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ নির্ধারণ: যেহেতু অনুপাত 3:13:1, ধরা যাক দৈর্ঘ্য = 3x3x এবং প্রস্থ = xx
২. পরিসীমা নির্ণয়: আয়তক্ষেত্রের পরিসীমার সূত্র হলো: 2×(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)2 \times (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
৩. প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী: 2×(3x+x)=2002 \times (3x + x) = 200 মিটার।
বা, 2×(4x)=2002 \times (4x) = 200
বা, 8x=2008x = 200
৪. xx এর মান: x=200/8=<strong>25x = 200 / 8 = <strong>25
৫. দৈর্ঘ্য ও প্রস্থ: দৈর্ঘ্য = 3×25=<strong>753 \times 25 = <strong>75 মিটার।
প্রস্থ = 1×25=<strong>251 \times 25 = <strong>25 মিটার।
৬. ক্ষেত্রফল নির্ণয়: ক্ষেত্রফলের সূত্র: দৈর্ঘ্য×প্রস্থদৈর্ঘ্য \times প্রস্থ
ক্ষেত্রফল = 75×25=<strong>187575 \times 25 = <strong>1875 বর্গমিটার।
150

একটি সোনার গহনার ওজন ১৬ গ্রাম সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১। এতে কত গ্রাম সোনা মেশালে অনুপাত ৪ : ১ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রথমে মিশ্রণে সোনা ও তামার প্রাথমিক পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে।
মোট মিশ্রণ ১৬ গ্রাম। সোনা ও তামার অনুপাত ৩ : ১
মোট অনুপাতের অংশ = ৩ + ১ = ৪ অংশ
শুরুর সোনার পরিমাণ = ১৬×=<strong>১২১৬ \times \frac{৩}{৪} = <strong>১২ গ্রাম।
শুরুর তামার পরিমাণ = ১৬×=<strong>১৬ \times \frac{১}{৪} = <strong>৪ গ্রাম।
ধরি, xx গ্রাম সোনা মেশানো হলো। নতুন অনুপাত হবে ৪ : ১। যেহেতু তামা মেশানো হয়নি, তাই তামার পরিমাণ অপরিবর্তিত (৪ গ্রাম) থাকবে।
নতুন সোনার পরিমাণ হবে (১২+x)(১২ + x) গ্রাম।
প্রশ্নমতে, ১২+x= \frac{১২ + x}{৪} = \frac{৪}{১}
বা, ১২+x=× ১২ + x = ৪ \times ৪
বা, ১২+x=১৬ ১২ + x = ১৬
বা, x=১৬১২=<strong> x = ১৬ - ১২ = <strong>৪ গ্রাম।
সুতরাং, ৪ গ্রাম সোনা মেশাতে হবে।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

Primary Assistant Teacher প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “Set-1” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

কেন Primary Assistant Teacher-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। Set-1 (2012) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

Set-1 (2012) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার Set-1 (2012) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।