সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

Set-8 (2013) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার Set-8 (2013) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে Primary Assistant Teacher-এর Set-8 (2013) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২৪০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘আজকে নগদ কালকে ধার’ এখানে ‘আজকে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অধিকরণে ২য়া
  2. কর্মে ২য়া
  3. কর্তায় ২য়া
  4. করণে ২য়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্রিয়া সম্পাদনের কাল (সময়) এবং আধারকে (স্থান) অধিকরণ কারক বলে। যেমন: আজকে নগদ কালকে ধার। বাক্যে কখন নগদের কথা বলা হয়েছে? উত্তর হবে আজকে। সুতরাং ‘আজকে’ অধিকরণে ২য়া বিভক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: অধিকরণে ২য়া
কারক নির্ণয়ের জন্য আমাদের দেখতে হয়, বাক্যের ক্রিয়াপদের সাথে নামপদের কী সম্পর্ক। এখানে 'আজকে' শব্দটি দ্বারা ক্রিয়া সম্পাদনের সময় বা কাল নির্দেশ করা হয়েছে।
যে পদে ক্রিয়া সম্পাদনের সময় (কাল) অথবা স্থান (আধার) বোঝায়, তাকে অধিকরণ কারক বলে।
বাক্যটিকে 'কখন?' দিয়ে প্রশ্ন করলে উত্তর আসে: কখন নগদ? উত্তর: আজকে। সুতরাং এটি অধিকরণ কারক।
শব্দটির শেষে 'কে' যুক্ত হওয়ায় এটিকে প্রচলিত নিয়মে ২য়া বিভক্তি (দ্বিতীয়া) হিসেবে ধরা হয়।
2

‘অনুচিত’ শব্দটি কোন সমাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বহুব্রীহি
  2. তৎপুরুষ
  3. কর্মধারয়
  4. দ্বন্দ্ব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নয় উচিত - অনুচিত (নঞ তৎপুরুষ সমাস)। না বাচক নঞ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন- নয় + আচার = অনাচার, নয় + উচিত = অনুচিত, না + কাতর = অকাতর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তৎপুরুষ সমাস
‘অনুচিত’ শব্দের ব্যাসবাক্য হলো: নয় উচিত
এটি নঞ তৎপুরুষ সমাস-এর উদাহরণ। যখন কোনো তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদে না-বাচক (negative) অর্থ প্রকাশ করতে ‘না’, ‘নেই’, ‘নয়’ বা ‘অন’ অব্যয় যুক্ত হয়, তখন তাকে নঞ তৎপুরুষ সমাস বলে।
এখানে 'অনুচিত' দ্বারা উচিত নয়—এই নেতিবাচক ভাবটি প্রকাশিত হচ্ছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এখানে অন্য পদের অর্থ প্রাধান্য পাচ্ছে না (বহুব্রীহি নয়), বিশেষণ-বিশেষ্য সম্পর্ক নেই (কর্মধারয় নয়), এবং দুটি পদের যোগ নেই (দ্বন্দ্ব নয়)।
3

কোন বানানটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুরিভূত
  2. দূরিভুত
  3. দূরীভুত
  4. দূরীভূত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শুদ্ধ বানানটি হবে ‘দূরীভূত’। বাকীগুলোর বানান ভুল। আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বানান: দ্বীপ, দ্রোপদী, দ্বিধা, দ্বন্দ্ব, দেদীপ্যমান, দুর্গ, দুর্গা, দূর্বা, দ্বৈপায়ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো দূরীভূত। এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত ভুল বানান, যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
দূরীভূত শব্দটি মূলত ‘দূর’ এবং ‘ভূত’ এর সংযোগে গঠিত। এখানে উভয় স্থানেই দীর্ঘ স্বরধ্বনি ব্যবহৃত হয়।
বানানটির সঠিক নিয়ম হলো: ‘দূর’ (অর্থাৎ, যা দূরে চলে গেছে বা অপসারিত হয়েছে) অর্থে দীর্ঘ ঊ-কার (দূ) এবং এর পরবর্তী অংশে দীর্ঘ ঈ-কার (রী) ব্যবহৃত হবে। তাই, সঠিক বানান: দূরীভূত
যে সকল অপশনে র-এর পরে ই-কার (রি) অথবা র-এর পরে উ-কার (ভু) ব্যবহার করা হয়েছে, সেগুলো ভুল।
4

যে-ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয় ও নিচের চোয়ালের মাংসপেশিতে বেশি চাপ পড়ে সে ব্যঞ্জনগুলোকে বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অল্পপ্রাণ
  2. অধিকপ্রাণ
  3. স্বল্পপ্রাণ
  4. মহাপ্রাণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো কোনো ধ্বনি উচ্চারণের সময় নিশ্বাস জোরে সংযোজিত হয়, এরূপ ধ্বনিকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন- খ, ঘ , ছ, ঝ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাপ্রাণ
যে ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় ফুসফুস থেকে আগত বায়ুপ্রবাহের চাপ অপেক্ষাকৃত বেশি থাকে এবং মুখ দিয়ে অধিক বাতাস বের হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে।
যেমন: খ, ঘ, ছ, ঝ, ঠ, ঢ, থ, ধ, ফ, ভ এবং
এদের উচ্চারণে জিহ্বা ও অন্যান্য অঙ্গের উপর বেশি চাপ অনুভূত হয়, যা প্রশ্নের বর্ণনার সাথে হুবহু মিলে যায়।
অন্যদিকে, যে ধ্বনি উচ্চারণে বাতাসের চাপ কম থাকে, তাদের অল্পপ্রাণ ধ্বনি (যেমন: ক, গ, চ, জ) বলা হয়। 'অধিকপ্রাণ' বা 'স্বল্পপ্রাণ' বাংলা ব্যাকরণে ধ্বনির মান্য শ্রেণীবিভাগ নয়।
5

‘বিচ্ছিন্ন’ শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বি + ছিন্ন
  2. বিৎ + ছিন্ন
  3. বিৎ + চ্ছিন্ন
  4. বিচ + ছিন্ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বি + ছিন্ন। এটি বাংলা ব্যাকরণের স্বরসন্ধি বা বিশেষ সন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
নিয়ম: স্বরধ্বনির (Vowel sound) পরে যদি 'ছ' থাকে, তবে 'ছ'-এর আগে একটি 'চ' যুক্ত হয়ে যায় এবং শব্দটি 'চ্ছ' রূপে গঠিত হয়।
এখানে, বি (ই-স্বর) + ছিন্ন = বি + চ্ছিন্ন = বিচ্ছিন্ন
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন বিৎ + ছিন্ন, বিচ + ছিন্ন) সন্ধির নিয়মানুসারে সঠিক নয় এবং অর্থগতভাবে মূল শব্দের উৎপত্তি ব্যাখ্যা করে না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

‘ওষ্ঠ্য’ বর্ণ কোনগুলো

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ট, ঠ, ড, ঢ, ণ
  2. প, ফ, ব, ভ, ম
  3. ক, খ, গ, ঘ, ঙ
  4. চ, ছ, জ, ঝ, ঞ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প, ফ, ব, ভ, ম
যেসব বর্ণ বা ধ্বনি উচ্চারণ করার সময় মুখের ভেতর দিয়ে বাতাস বের হওয়ার পথে দুটি ঠোঁট (ওষ্ঠ) কাছাকাছি আসে বা পরস্পর স্পর্শ করে, তাদের ওষ্ঠ্য বর্ণ বলা হয়।
বাংলা বর্ণমালায় প-বর্গীয় বর্ণগুলো (প, ফ, ব, ভ, ম) ওষ্ঠ্য বর্ণ হিসেবে পরিচিত।
7

কোনটি সঠিক বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওজ্জ্বল্য
  2. উজ্জ্বল্য
  3. ঔজ্জ্বল্য
  4. ঔজ্বল্য

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ বানান: উজ্জ্বল, ওজন (মাপ), ওজোন, ওজস্বী, ঐকমত্য, ঐশ্বরিক, ঐশ্বর্য, ঐতরেয়, ঐহিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো ঔজ্জ্বল্য
এটি একটি বিশেষ্য পদ, যা বিশেষণ পদ 'উজ্জ্বল' থেকে গঠিত।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দের সাথে ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য পদ গঠন করে, তখন মূল শব্দের প্রথম স্বরবর্ণটি প্রায়শই বৃদ্ধি বা বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হয়ে যায়।
এখানে 'উজ্জ্বল' শব্দের প্রথম স্বরবর্ণ 'উ' (হ্রস্ব স্বর) বৃদ্ধি পেয়ে 'ঔ' (বৃদ্ধিপ্রাপ্ত স্বর) হয়। তাই উজ্জ্বল + ্য = ঔজ্জ্বল্য
অপর বানানগুলো ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
8

বাংলা ভাষার উপসর্গ কত প্রকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ প্রকার
  2. ৬ প্রকার
  3. ৩ প্রকার
  4. ৪ প্রকার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

বাংলা ভাষার শব্দ গঠনে উপসর্গ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গগুলোকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।
এই তিনটি প্রকারভেদ হলো:
১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ (মোট ২১টি)
২. সংস্কৃত বা তৎসম উপসর্গ (মোট ২০টি)
৩. বিদেশি উপসর্গ (যেমন— আরবি, ফারসি, ইংরেজি ইত্যাদি)।
এই শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী সঠিক উত্তর হলো ৩ প্রকার
9

শব্দের সংক্ষিপ্ত ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোন বিরামচিহ্ন বসে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কমা
  2. কোলন
  3. সেমিকোলন
  4. বিন্দু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিন্দু- শব্দ সংক্ষেপণের চিহ্ন হিসেবে ব্যবহার করা হয়। যেমন: বি.এ, এল.এল.বি, এম.বি.এ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

শব্দের সংক্ষিপ্ত বা সংক্ষেপিত রূপ ব্যবহারের জন্য যে বিরামচিহ্নটি ব্যবহার করা হয়, তাকে বিন্দু (Period/Dot) বা সংক্ষেপণ চিহ্ন বলা হয়। এটি দেখতে হুবহু দাঁড়ি চিহ্নের মতো হলেও এর ব্যবহার ভিন্ন।
উদাহরণস্বরূপ: ড. (ডাক্তার), বি.এ. (ব্যাচেলর অফ আর্টস), ন. (নগদ)। প্রতিটি সংক্ষিপ্ত শব্দের পরে এই চিহ্নটি বসে।
10

কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমার কথাই প্রমাণিত হলো
  2. আমার কথাই প্রমাণ হলো
  3. আমার কথাই প্রমানিত হলো
  4. আমার কথাই প্রামাণ্য হলো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: আমার কথাই প্রমাণিত হলো
এখানে বাক্যটির অর্থ হলো, আমার কথাটি সত্য বলে প্রতিষ্ঠিত বা সাব্যস্ত হলো। যখন কোনো কিছু সত্য বলে সাব্যস্ত হয়, তখন 'প্রমাণ' (বিশেষ্য) ব্যবহার না করে তার বিশেষণ বা কর্মবাচক ক্রিয়ারূপ 'প্রমাণিত' ব্যবহার করাই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।
অপশন ২ (আমার কথাই প্রমানিত হলো) ভুল, কারণ এটি বানান ভুল। শুদ্ধ বানানটি হলো প্রমাণিত, 'প্র' নয়, 'প্রা'।
অপশন ১ (আমার কথাই প্রমাণ হলো) ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ, কারণ সাধারণত 'হওয়া' ক্রিয়ার সঙ্গে বিশেষণ পদ ব্যবহৃত হয়, বিশেষ্য পদ নয়।
অপশন ৩ (আমার কথাই প্রামাণ্য হলো) অর্থগতভাবে সঠিক হলেও, এখানে ‘প্রমাণ হওয়া’ অর্থ প্রকাশ করতে 'প্রমাণিত' শব্দটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য ও শুদ্ধ বাক্য হিসেবে বিবেচিত হয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘যা আঘাত পায়নি’ এর বাক্য সংকোচন কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনাঘাত
  2. অনাহত
  3. অনিরুদ্ধ
  4. নির্ঘাৎ

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনাহত
বাংলায় 'এককথায় প্রকাশ' বা বাক্য সংকোচন-এর নিয়মানুসারে, 'যা আঘাত পেয়েছে' তাকে বলা হয় আহত বা হত
যখন এর বিপরীত বা নাবাচক অর্থ বোঝানো হয় ('যা আঘাত পায়নি'), তখন মূল শব্দের আগে নঞর্থক (নেতিবাচক) উপসর্গ 'অন-' যুক্ত হয়। তাই অন + আহত = অনাহত
অনাঘাত শব্দের অর্থ হলো আঘাতের অভাব বা আঘাতহীন অবস্থা, কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে ‘যা আঘাত পায়নি’ এর জন্য অনাহত শব্দটিই বেশি উপযুক্ত ও প্রচলিত।
12

‘শুদ্ধ’ শব্দের সমার্থক শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভদ্র
  2. সুশীল
  3. নির্মল
  4. শান্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘শুদ্ধ’ শব্দের সমার্থক: নির্ভুল, নির্মল, পবিত্র, শোধিত, নির্ভেজাল, প্রমিত।

ব্যাখ্যা

‘শুদ্ধ’ শব্দের প্রধান অর্থ হলো পবিত্র, নির্মল, পরিষ্কার বা নির্দোষ
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ‘নির্মল’ শব্দের অর্থ হলো যা মল বা ময়লা দ্বারা যুক্ত নয়, অর্থাৎ পরিষ্কার বা পবিত্র
অতএব, ‘শুদ্ধ’ শব্দের সাথে ‘নির্মল’ শব্দটি সমার্থক (synonym)।
অন্যান্য অপশন যেমন— ভদ্র, সুশীল, শান্ত— এদের অর্থ ভিন্ন, যা শুদ্ধ শব্দের অর্থের সাথে মেলে না।
13

কোন বানানটি অশুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রাক্ষ্মণ
  2. মনকষ্ট
  3. সমীচীন
  4. দারিদ্র

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনটির ‘সমীচীন’ বানানটি শুদ্ধ। ‘ব্রাক্ষ্মণ, মনকষ্ট, দারিদ্র’ শব্দত্রয়ের শুদ্ধরূপ যথাক্রমে: ব্রাহ্মণ, মনঃকষ্ট, দারিদ্র্য। উল্লেখ্য, প্রশ্নটি হওয়া উচিত ছিল ‘কোন বানানটি শুদ্ধ?’ তাহলে উত্তর হতো ‘সমীচীন’। কারণ বাকি শব্দগুলো অশুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দারিদ্র। যদিও প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ব্রাক্ষ্মণ, মনকষ্ট, এবং দারিদ্র—এই তিনটি বানানই অশুদ্ধ। যেহেতু প্রশ্নে একটি উত্তর চিহ্নিত করতে হবে, এবং ‘দারিদ্র’ বানানটি একটি প্রচলিত ভুল, আমরা এটিকে উত্তর হিসেবে ধরছি।
শুদ্ধরূপে শব্দটি হবে: দারিদ্র্য। এটি একটি বিশেষ্য পদ (Abstract Noun) যা ‘দরিদ্র’ (adjective) শব্দ থেকে গঠিত। য-ফলা (্য) যুক্ত হয়ে ভাববাচক বিশেষ্য তৈরি হয়।
অন্যান্য অশুদ্ধ বানানগুলোর শুদ্ধরূপ হলো:
ক. ব্রাক্ষ্মণ \rightarrow ব্রাহ্মণ (হ্ + ম এর সাথে যুক্তাক্ষর হবে, ক্ষ্ম নয়)।
খ. মনকষ্ট \rightarrow মনঃকষ্ট (এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে গঠিত)।
গ. সমীচীন \rightarrow সমীচীন (এই বানানটি শুদ্ধ)।
14

‘একটু আগে যিনি এখানে এসেছিলেন তিনি আমার আত্মীয় নন’- কোন ধরনের বাক্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সরল
  2. খণ্ড
  3. জটিল
  4. যৌগিক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যথা– যাদের বুদ্ধি নেই, তারাই এ কথা বিশ্বাস করবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জটিল বাক্য
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য থাকে এবং তার উপর নির্ভরশীল এক বা একাধিক আশ্রিত খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বাক্য বা মিশ্র বাক্য বলে।
প্রদত্ত বাক্যে, 'একটু আগে যিনি এখানে এসেছিলেন' হলো আশ্রিত খণ্ডবাক্য এবং 'তিনি আমার আত্মীয় নন' হলো প্রধান খণ্ডবাক্য
আশ্রিত খণ্ডবাক্যটি শুরু হয়েছে সাপেক্ষ সর্বনাম (Correlative Pronoun) 'যিনি' দিয়ে এবং প্রধান খণ্ডবাক্যের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে 'তিনি' দ্বারা। এই 'যিনি-তিনি' ধরনের সাপেক্ষ শব্দ থাকলে অবশ্যই তা জটিল বাক্য হয়।
15

‘পাঠক’ শব্দটি কোন শ্রেণির ধাতু দ্বারা গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংস্কৃত
  2. খাঁটি বাংলা
  3. দেশি
  4. বিদেশি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংস্কৃত
যে শব্দটির মূল বা ধাতু সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং তৎসম শব্দ গঠনে ব্যবহৃত হয়, তাকে সংস্কৃত ধাতু বলে।
‘পাঠক’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘পঠ্’ (ধাতু) + ‘অক’ (প্রত্যয়) যোগে। এখানে ‘পঠ্’ হলো সংস্কৃত ভাষার ধাতু (যার অর্থ পড়া)।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত অধিকাংশ ধাতু এই সংস্কৃত ধাতু শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘কর্মভোগ এড়ানো যায় না’– এখানে ‘কর্ম’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃতকর্ম
  2. কপাল
  3. অনুষ্ঠান
  4. কর্তব্য

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃতকর্ম
‘কর্মভোগ এড়ানো যায় না’— এই বাক্যে ‘কর্ম’ শব্দটি দ্বারা বোঝানো হচ্ছে অতীতে বা বর্তমানে করা কোনো কাজ বা কৃতকর্ম
‘কর্মভোগ’ মানে হলো কৃতকর্মের ফল ভোগ করা বা তার পরিণাম ভোগ করা। হিন্দু ধর্ম ও দর্শনে বিশ্বাস করা হয় যে, মানুষ তার কাজের ফল (ভালো বা মন্দ) অবশ্যই ভোগ করে। সেই অর্থে ‘কর্ম’ = কৃতকাজ।
অন্যান্য অপশনগুলো (কপাল, অনুষ্ঠান, কর্তব্য) এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
17

‘নামাজ’, ‘রোজা’ কোন দেশি শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফারসি
  2. উর্দু
  3. তুর্কি
  4. আরবি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অপশনে ফরাসি শব্দের স্থলে ফারসি শব্দ হলে উত্তর ‘ক’ হত। কিছু ফারসি শব্দ- নামাজ, রোজা ইত্যাদি। কিছু ফরাসি শব্দ- আঁতাত, ওলন্দাজ, কার্তুজ, রেস্তোরা, ক্যাফে ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফারসি
‘নামাজ’ (সালাত) এবং ‘রোজা’ (সাওম) শব্দ দুটি ইসলামিক পরিভাষা হলেও, এগুলো সরাসরি আরবি ভাষা থেকে বাংলায় প্রবেশ করেনি। এগুলো পারস্য (ইরান) হয়ে বাংলায় এসেছে।
বাংলা ব্যাকরণের বিদেশি শব্দ ভান্ডারে ‘নামাজ’, ‘রোজা’, ‘দরখাস্ত’, ‘দোকান’ ইত্যাদি শব্দগুলো ফারসি শব্দ হিসেবে গণ্য হয়।
অনেকে ভুলবশত এগুলোকে আরবি শব্দ মনে করেন। আরবি শব্দগুলোর উদাহরণ হলো: আদালত, কিতাব, কলম, ইজলাস, ঈদ ইত্যাদি।
18

‘দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ’ কে কোন বাগ্ধারা দিয়ে প্রকাশ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বসন্তের কোকিল
  2. অহিনকুল
  3. রাবণের চিতা
  4. রাহুর দশা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ (রাবণের চিতা), অহিনকুল সম্বন্ধ (ভীষণ শত্রুতা), বসন্তের কোকিল (সুসময়ের বন্ধু), রাহুর দশা (আপদ-বিপদ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রাবণের চিতা (অপশন গ)।
রাবণের চিতা বাগধারাটির অর্থ হলো দীর্ঘস্থায়ী দুঃখ বা এমন কষ্ট যা সহজে শেষ হয় না। পৌরাণিক মতে, রাবণের মৃত্যুর পর তার চিতায় সীতার চোখের জল পড়ায় সেই চিতা নাকি কখনও নিভেনি, যা থেকে স্থায়ী দুঃখের ধারণা এসেছে।
বাকি বিকল্পগুলোর অর্থ জানা জরুরি, কারণ এগুলোও প্রায়ই পরীক্ষায় আসে:
বসন্তের কোকিল: সুসময়ের বন্ধু।
অহিনকুল: ভীষণ শত্রুতা বা চির শত্রুতা।
রাহুর দশা: চরম আপদ বা দুর্দিন।
19

‘গরু ঘাস খায়’ - এখানে ‘খায়’ কোন কালের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘটমান বর্তমান
  2. পুরাঘটিত বর্তমান
  3. অতীত
  4. সাধারণ বর্তমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে ক্রিয়া বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, তার কালকে সাধারণ বর্তমান কাল বলে। যেমন: গরু ঘাস খায়। পাখি আকাশে উড়ে ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

ক্রিয়ার যে রূপ বর্তমানে সাধারণভাবে ঘটে, অথবা অভ্যাসগত বা চিরন্তন সত্য প্রকাশ করে, তাকেই সাধারণ বর্তমান কাল (Simple Present Tense) বলা হয়।
‘গরু ঘাস খায়’ বাক্যটিতে ‘খায়’ ক্রিয়াটি একটি স্বাভাবিক ও সাধারণ বর্তমানের ঘটনা প্রকাশ করছে, যা গরুর সাধারণ খাদ্যাভ্যাস।
এই ধরনের বাক্যে ক্রিয়াপদের শেষে সাধারণত -এ, -য়, -ই ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো সাধারণ বর্তমান
অন্যান্য অপশন ভুল কেন: ঘটমান বর্তমান (যেমন: গরু ঘাস খাচ্ছে) কাজটি বর্তমানে চলছে বোঝায়। পুরাঘটিত বর্তমান (যেমন: গরু ঘাস খেয়েছে) কাজটি এইমাত্র শেষ হয়েছে বোঝায়। অতীত (যেমন: গরু ঘাস খেয়েছিল) কাজটি অতীতে শেষ হয়েছিল বোঝায়।
20

কোন বানানটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Grievance
  2. Grevicane
  3. Grivence
  4. Greivance

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Grievance বানানটি শুদ্ধ যার অর্থ অভিযোগ, দুঃখ কষ্ট, দুঃখের কারণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো Grievance (অপশন ক)।
Grievance শব্দের অর্থ হলো অভিযোগ, দুঃখ বা কষ্ট। এটি একটি বিশেষ্য পদ (Noun)।
ইংরেজি বানানের ক্ষেত্রে, 'ie' এবং 'ei' এর ব্যবহার প্রায়শই বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। এই শব্দটিতে সঠিক ক্রম হলো 'Grie' এবং শেষে 'vance' যোগ হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, যেমন: Grevicane (এখানে 'a' এবং 'i' এর ভুল ব্যবহার) এবং Grivence/Greivance (এগুলো হলো স্বরবর্ণের ভুল বিন্যাস)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

What is the meaning of ‘White Elephant’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A black marketer
  2. A very costly or troublesome possession
  3. An elephant of white colour
  4. A hoarder

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

White Elephant একটি phrase যার অর্থ অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (B) A very costly or troublesome possession (একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল বা ঝামেলাপূর্ণ সম্পত্তি)।
White Elephant একটি বহুল প্রচলিত Phrase বা বাগধারা। এর আক্ষরিক অর্থ 'সাদা হাতি' হলেও, এর মূল অর্থ হলো— এমন কোনো জিনিস, যা রক্ষণাবেক্ষণের জন্য অনেক বেশি ব্যয়বহুল, কিন্তু কার্যত তা কোনো কাজে লাগে না বা অপ্রয়োজনীয়।
ঐতিহাসিকভাবে, থাইল্যান্ডের (সাবেক সিয়াম) রাজারা তাদের অপছন্দের ব্যক্তিকে সাদা হাতি উপহার দিত। এই হাতিকে পবিত্র মনে করা হতো বলে কাজে লাগানো যেত না, কিন্তু এর ভরণপোষণে রাজার দেওয়া লোকটির সর্বনাশ হতো। তাই এই ফ্রেজটি ব্যয়বহুল কিন্তু অকেজো সম্পত্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
22

Which sentence is with correct punctuation?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Maria my student is, on leave today.
  2. Maria, my student, is on leave today.
  3. Maria my student, is on leave today.
  4. Maria my student is on leave today.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Appositive এর structure : Name + comma (,) + Introduction + comma (,) + Extension (verb and remaining part of sentence).

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Maria, my student, is on leave today.
এই বাক্যে 'my student' অংশটি হলো একটি Appositive Phrase (সমসূচক পদ/অতিরিক্ত পরিচয় দানকারী অংশ)। এটি পূর্ববর্তী Noun (Maria) সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Appositive Phrase নন-রেস্ট্রিকটিভ (Non-restrictive) হয় (অর্থাৎ, এই অংশ বাদ দিলেও বাক্যের মূল অর্থে কোনো সমস্যা হয় না), তখন একে বাক্যের মূল অংশ থেকে দুইটি কমা (Commas) দিয়ে আলাদা করে রাখতে হয়।
সঠিক গঠন: Name, Appositive, Extension (Verb + rest of sentence).
অন্য অপশনগুলোতে কমা ব্যবহারের নিয়ম মানা হয়নি, তাই সেগুলো ভুল। যেমন: Option 0 (Maria my student is, on leave today) কমা ভুল জায়গায় ব্যবহার করেছে।
23

কোনটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Paper is made with wood
  2. Paper is made by wood
  3. Paper is made of wood.
  4. Paper is made from wood

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক বাক্য- Paper is made from wood. এখানে কোনো কিছু হতে উৎপন্ন হওয়া বোঝাতে made from বসেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Paper is made from wood
Preposition-এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো জিনিস তৈরি হওয়ার পর তার মূল উপাদানটি আর চেনা যায় না বা উপাদানের রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে (যেমন কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হলে), তখন 'made from' ব্যবহৃত হয়।
যেমন: Cheese is made from milk (দুধ থেকে দই বা পনির তৈরি হলে দুধের আসল রূপ আর থাকে না)।
অন্যদিকে, যদি মূল উপাদানটির রূপান্তর না ঘটে এবং তা তৈরি হওয়ার পরেও সহজে চেনা যায় (যেমন কাঠ থেকে টেবিল), তবে 'made of' ব্যবহৃত হয়। 'Paper is made of wood' ভুল, কারণ কাগজে কাঠকে আর চেনা যায় না।
24

‘তুমি কার সাথে কথা বলছ?’ এর ইংরেজি––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. With whom are you speaking?
  2. Whom are you speaking?
  3. Whom are you speaking with?
  4. Whom are you speaking to?

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Audience এর ক্ষেত্রে speak to এবং সাধারণত পরিচিত বা সঙ্গীর সাথে কথা বললে speak with হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Whom are you speaking with? (Option 3)। এই অনুবাদটি Present Continuous Tense-এ রয়েছে।
এই বাক্যে মূল পার্থক্য তৈরি করেছে Speak ক্রিয়ার সাথে সঠিক Preposition-এর ব্যবহার।
সাধারণত, যখন দুইজন বা একাধিক ব্যক্তির মধ্যে কথোপকথন (Dialogue) হয়, তখন আমরা speak with ব্যবহার করি। যেমন: 'I spoke with my friend'.
অন্যদিকে, শ্রোতাদের উদ্দেশে কিছু বলা বা বক্তব্য দেওয়ার ক্ষেত্রে speak to ব্যবহার করা হয়। যেমন: 'The teacher spoke to the students'.
যেহেতু প্রশ্নটি 'কার সাথে' কথা বলা বোঝাচ্ছে (কথোপকথন), তাই 'with' Preposition-টি সবচেয়ে উপযোগী। Interrogative Sentences-এ Preposition বাক্যের শেষেও বসতে পারে।
25

What is the meaning of “of late”?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. too late
  2. delayed
  3. recently
  4. lateness

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Of late অর্থ recently-সাম্প্রতিক, too late- বেশি দেরি, delayed-দেরি করা, in recent times (সম্প্রতি, ইদানীং) প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো recently (সম্প্রতি)। “Of late” একটি বহুল প্রচলিত Phrase যার অর্থ হলো ইদানীং বা সাম্প্রতিককালে
এটি মূলত Lately বা In recent times এর প্রতিশব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: I haven't seen him of late (আমি ইদানীং তাকে দেখিনি)।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: too late (বেশি দেরি), delayed (বিলম্বিত) এবং lateness (বিলম্ব) সময়ের সাথে সম্পর্কিত কিন্তু 'সাম্প্রতিক' সময়কাল নির্দেশ করে না, তাই এগুলো সঠিক নয়।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

“He was taken to task” অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সে কাজ নিয়েছিল
  2. তাকে তিরস্কার করা হয়েছিল
  3. তাকে কাজ দেওয়া হয়েছিল
  4. তাকে কাজের জন্য বলা হয়েছিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Take to task তিরস্কার করা, rebuke- বকা দেওয়া।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি একটি Idiomatic Phrase এর অর্থ জানতে চেয়েছে।
Take to task একটি বহুল ব্যবহৃত ইডিয়ম, যার অর্থ হলো— কাউকে কঠোরভাবে সমালোচনা করা, বকা দেওয়া বা তিরস্কার করা (To rebuke or scold severely)।
“He was taken to task” বাক্যটি Passive Voice-এ আছে। এর দ্বারা বোঝানো হচ্ছে 'সে' কাজটি করেনি, বরং 'তাকে' তিরস্কার করা হয়েছিল।
অতএব, সঠিক অর্থ হলো: তাকে তিরস্কার করা হয়েছিল
27

Trees have ––– off their leaves.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. cast
  2. put
  3. thrown
  4. fallen

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো fallen
বাক্যটি Present Perfect Tense-এ রয়েছে। Perfect Tense-এর গঠন হলো: Subject + have/has + V3 (Past Participle) + Object/Extension।
এখানে 'have' থাকায় এরপর অবশ্যই মূল Verb-এর V3 ফর্ম বসবে। Options-এ থাকা সবগুলো শব্দই V3 ফর্ম।
কিন্তু অর্থের দিক থেকে 'Trees have ––– off their leaves' বাক্যটির অর্থ হলো: গাছেরা তাদের পাতা ঝরিয়ে দিয়েছে বা পাতা ঝরে গেছে।
Fall (V1 - পড়া/ঝরে যাওয়া)-এর V3 হলো fallen
সুতরাং, fallen off অর্থ হলো ঝরে যাওয়া, যা গাছের পাতা ঝরার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযুক্ত শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো (cast, put, thrown) V3 হলেও অর্থের দিক থেকে এই প্রসঙ্গে উপযোগী নয়।
28

Anis had a talent –– making people laugh.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. for
  2. of
  3. in
  4. on

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Have a talent for অর্থ কোনো কিছুর (জন্য)।

ব্যাখ্যা

এটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়)-এর একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
Talent (প্রতিভা/দক্ষতা) শব্দটির সাথে নির্দিষ্ট Preposition হিসেবে 'for' বসে। 'Have a talent for' একটি স্থির বাক্যাংশ, যার অর্থ হলো কোনো কিছুতে বিশেষ দক্ষতা বা প্রতিভা থাকা
বাক্যটির অর্থ: Anis-এর মানুষকে হাসানোর প্রতিভা ছিল।
তাই সঠিক উত্তরটি হলো for
29

‘নিঃশেষিত’ এর সঠিক ইংরেজি রূপায়ন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. out of sorts
  2. out of doors
  3. out of order
  4. out of print

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

out of sorts – অসুস্থ; out of doors – দরজার বাইরে; out of order – বাতিল, অকেজো; out of print – নিঃশেষিত, বিক্রয় যোগ্য মুদ্রিত কপি নেই এমন বা ফুরিয়ে গেছে এমন।

ব্যাখ্যা

‘নিঃশেষিত’ (Exhausted/Sold out) শব্দটি সাধারণত কোনো কিছু ফুরিয়ে যাওয়া বা মজুদ না থাকা অর্থে ব্যবহৃত হয়।
মুদ্রিত বই বা প্রকাশনার ক্ষেত্রে যদি বিক্রয়যোগ্য কপি শেষ হয়ে যায় এবং নতুন করে ছাপানো বন্ধ থাকে, তখন এই অবস্থা বোঝাতে ইংরেজি বাক্যাংশ ‘out of print’ ব্যবহার করা হয়। এটিই ‘নিঃশেষিত’ এর সবচেয়ে সঠিক ইংরেজি রূপায়ন।

অন্যদিকে, অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
out of sorts – এর অর্থ হলো অসুস্থ বা মনমরা।
out of doors – এর অর্থ হলো দরজার বাইরে বা খোলা স্থানে।
out of order – এর অর্থ হলো অকেজো, বাতিল বা গোলমাল হওয়া (যেমন, একটি মেশিন)।
30

কোনটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He is a lecturer of English.
  2. He is a lecturer in English.
  3. He is a lecturer on English.
  4. He is a lecturer for English.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘কোনো বিষয়ের অধ্যাপক’ এর ক্ষেত্রে lecturer এরপর ‘in’ preposition টি বসে। অর্থাৎ তিনি ইংরেজির অধ্যাপক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: He is a lecturer in English. (অপশন খ)।
কারণ, যখন কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ের অধ্যাপক বা শিক্ষক হিসেবে কাজ করেন, তখন lecturer শব্দটির পর উপযুক্ত preposition হিসেবে 'in' ব্যবহৃত হয়।
এই ধরনের ব্যবহারকে Appropriate Preposition বলা হয়। তাই, 'He is a lecturer in Chemistry/Physics/History' এই বাক্য কাঠামোটি শুদ্ধ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

A rolling stone gathers no moss. What is “rolling”?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Verbal Noun
  2. Gerund
  3. Participle
  4. Adjective

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Rolling শব্দটি গঠিত হয়েছে roll + ing দ্বারা এবং এটি ‘Stone’ noun কে modify করছে। verb + ing যখন noun কে modify করে, তখন সেটি participle হিসাবে গণ্য হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Participle
'Rolling' শব্দটি গঠিত হয়েছে roll (verb) + ing দ্বারা। এই শব্দটি এর পরে থাকা Noun, 'stone'-কে বিশেষায়িত করছে বা modify করছে।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Verb + ing ফর্ম বাক্যে Adjective (বিশেষণ)-এর মতো কাজ করে এবং কোনো Noun-কে মডিফাই করে, তখন তাকে Participle বলা হয়। এটি এখানে Present Participle হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ:
Gerund: V+ing যখন Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়। (যেমন: Reading is essential).
Verbal Noun: এটি সাধারণত 'the' দিয়ে শুরু হয়ে V+ing এর পরে 'of' থাকে। (যেমন: The writing of the book took time).
32

Kamal said to me, “What is your name?” (Indirect form)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Kamal asked me what my name was.
  2. Kamal asked what was my name.
  3. Kamal asked you your name.
  4. What my name is, Kamal asked.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Reported speech টি একটি Interrogative sentence। তাই indirect করার সময় reporting verb টি হবে asked । sentence এর পরবর্তী অংশটি হবে what + your name এর পরিবর্তে my name + reporting verb এর past form হওয়ার কারণে was হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (A): Kamal asked me what my name was.
১. এটি একটি প্রশ্নবোধক বাক্য (Interrogative Sentence), তাই Reporting Verb, 'said to' এর পরিবর্তে asked বসবে।
২. Reported Speech যদি কোনো Wh-word (যেমন What) দিয়ে শুরু হয়, তবে সেই Wh-word টিই Conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
৩. Indirect Speech-এ প্রশ্নবোধক বাক্যটি অবশ্যই Assertive বাক্যে পরিণত হবে। অর্থাৎ, Conjunction (What) এর পর Subject + Verb ক্রম অনুসরণ করতে হবে।
৪. Direct Speech-এ 'your' (Second Person) Reporting Verb এর Object 'me' অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়ে my হবে। ফলে 'your name' হয়ে যাবে my name
৫. Tense পরিবর্তন: Direct Speech-এর Present Indefinite Tense ('is') Indirect Speech-এ Past Indefinite Tense ('was') হয়ে যায়।
৬. অপশন (B) ভুল, কারণ সেখানে Tense পরিবর্তন হলেও (what was my name) Assertive Structure (Subject+Verb) অনুসরণ করা হয়নি।
33

I suggest that he –– there.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. goes
  2. go
  3. went
  4. gone

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Suggest এর পরে that + subject থাকলে Subject এরপর সবসময় verb এর base form বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: go
এটি Subjunctive Mood-এর একটি অপরিহার্য নিয়ম। যে সমস্ত ভার্ব (যেমন: suggest, propose, insist, demand, recommend, request ইত্যাদি) দ্বারা কোনো প্রস্তাব, অনুরোধ বা আদেশ বোঝানো হয়, তাদের পরে 'that' দ্বারা বাক্য শুরু হলে পরবর্তী Subject যাই হোক না কেন (Third Person Singular হলেও), Verb-এর Base Form বা V1 বসে।
নিয়মটি হলো: Subject + (Suggest/Demand...) + that + Subject + Verb (Base Form) + Extension.
এখানে 'he' Subject হওয়া সত্ত্বেও নিয়ম অনুযায়ী V1 'go' বসবে, 'goes' নয়।
34

You must work hard for success (Make it compound).

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Work hard and you will succeed.
  2. Work hard for success.
  3. Word hard for the success.
  4. Work hard to success.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Compound sentence এ and, or, else, either or, therefore প্রভৃতি conjunction দ্বারা দুটি independent clause কে যুক্ত করা হয়।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি, 'You must work hard for success', হলো একটি Simple Sentence (সরল বাক্য)। এটিকে Compound (যৌগিক) বাক্যে রূপান্তর করতে হবে।
Compound Sentence তৈরি করার জন্য কমপক্ষে দুটি Independent Clause (স্বাধীন বাক্য) প্রয়োজন, যা Coordinate Conjunction (যেমন: and, or, but, so) দ্বারা যুক্ত থাকে।
মূল বাক্যের ভাবার্থ হলো: কঠোর পরিশ্রম করো এবং তুমি সফল হবে।
অপশন (0) 'Work hard' (প্রথম Independent Clause, Imperative রূপে) এবং 'you will succeed' (দ্বিতীয় Independent Clause) কে 'and' দ্বারা যুক্ত করেছে। তাই এটি সঠিক Compound Sentence
35

The adjective form of ‘decision’ is –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. deceived
  2. decide
  3. decisiveness
  4. decisive

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

decision (noun) অর্থ সিদ্ধান্ত এবং decisive (adjective) অর্থ সিদ্ধান্তমূলক। Adjective এর শেষে সাধারণত ive, some, ish, ful, al, ous, ent, ant, ing, ted, able, ar, able, ie প্রভৃতি শব্দাংশ যুক্ত থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (d) decisive
Decision শব্দটি হলো একটি Noun (বিশেষ্য), যার অর্থ হলো 'সিদ্ধান্ত'। প্রশ্নে এর Adjective (বিশেষণ) ফর্ম জানতে চাওয়া হয়েছে।
Decisive শব্দটি হলো Decision এর Adjective ফর্ম, যার অর্থ 'সিদ্ধান্তমূলক' বা 'চূড়ান্ত'। লক্ষ্য করুন, Noun-কে Adjective-এ রূপান্তরের ক্ষেত্রে এখানে -ive Suffix (শব্দাংশ) যুক্ত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'decide' হলো Verb (ক্রিয়া) এবং 'decisiveness' হলো Noun (বিশেষ্য)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

The Principal had an inquiry – the case.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. into
  2. at
  3. in
  4. to

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

তদন্ত বুঝাতে inquiry এর সাথে prepositon into বসে। Inquiry into অর্থ কোনো বিষয়ে তদন্ত।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Fixed Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়) এর ব্যবহার সংক্রান্ত।
যখন কোনো বিষয় বা ঘটনার তদন্ত বা অনুসন্ধান বোঝানো হয়, তখন Inquiry শব্দটির পরে নির্দিষ্টভাবে 'into' preposition টি বসে।
Inquiry into অর্থ হলো কোনো বিষয় বা মামলার গভীরে গিয়ে তদন্ত বা অনুসন্ধান করা।
সুতরাং, The Principal had an inquiry into the case – বাক্যটির অর্থ: অধ্যক্ষ মামলাটির বিষয়ে তদন্ত করেছিলেন।
37

কোন বানানটি শুদ্ধ ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Occasion
  2. Occation
  3. Occassion
  4. Ocasion

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো Occasion (অপশন ক)।
এই শব্দটির অর্থ হলো উপলক্ষ, বিশেষ ঘটনা বা মুহূর্ত
বানানটি ভুল হওয়ার প্রধান কারণ হলো প্রার্থীরা প্রায়শই 'c' অথবা 's' এর সংখ্যায় ভুল করে।
সঠিক বানানে সর্বদা দুইটি 'c' (cc) এবং একটি 's' (s) ব্যবহৃত হয় (O-cc-a-s-ion)।
বাকি অপশনগুলো ভুল: Occation (একটি c কম), Occassion (একটি s বেশি), Ocasion (একটি c কম)।
38

“Two heads are better than one” এ প্রবাদ বাক্যটির ভাবার্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Consultation
  2. Comprehension
  3. Correction
  4. Compromise

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রদত্ত প্রবাদটির অর্থ দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ। এখানে প্রবাদটির ভাবার্থ হলো consultation বা পরামর্শ। পরামর্শ নিয়ে মিলে মিশে সঠিক কাজটি করা সম্ভব।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রবাদ বাক্যটি হলো “Two heads are better than one”
এই প্রবাদটির মূল ভাবার্থ হলো, একজনের চিন্তা বা কাজের চেয়ে দুজন মিলে পরামর্শ করে কাজ করলে ফল ভালো হয়। অর্থাৎ, সম্মিলিতভাবে কাজ করা বা কারো পরামর্শ (Consultation) গ্রহণ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
অতএব, প্রবাদটির সঠিক ভাবার্থ বা অর্থ হলো Consultation (পরামর্শ)
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—Comprehension (বোঝা), Correction (সংশোধন), এবং Compromise (আপস) ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
39

‘Look forward’ means -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Find out
  2. Expect with pleasure
  3. Examine
  4. Take care of

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Look forward/Expect with pleasure অর্থ আগ্রহের সহিত দেখা, অধীর আগ্রহে কারো জন্য অপেক্ষা করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Expect with pleasure
Look forward হলো একটি বহুল ব্যবহৃত Phrasal Verb (গুচ্ছ ক্রিয়া) যার অর্থ হলো— কোনো ভবিষ্যৎ ঘটনা বা পরিস্থিতির জন্য আগ্রহ বা আনন্দের সাথে অপেক্ষা করা অথবা প্রত্যাশা করা।
যেমন: I look forward to hearing from you. (আমি আপনার কাছ থেকে শোনার জন্য আগ্রহের সাথে অপেক্ষা করছি।)
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
Find out = খুঁজে বের করা বা জানতে পারা।
Examine = পরীক্ষা করা
Take care of = যত্ন নেওয়া (যা Look after Phrasal Verb-টির সমার্থক)।
40

‘Stop Genocide’ চলচ্চিত্রের পরিচালক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তারেক মাসুদ
  2. চাষী নজরুল ইসলাম
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. জহির রায়হান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শহিদ বুদ্ধিজীবী চলচ্চিত্রকার জহির রায়হান নির্মিত ‘স্টপ জেনোসাইড’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক একটি প্রামাণ্য চলচ্চিত্র। ২০ মিনিটের এই তথ্যচিত্রে তিনি গণহত্যার অসংখ্য আলোকচিত্র তুলে ধরেন। তিনি এই প্রামাণ্য চলচ্চিত্রটি ১৯৭১ সালে কলকাতা থেকে তৈরী করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জহির রায়হান
জহির রায়হান ছিলেন বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত লেখক, সাহিত্যিক ও চলচ্চিত্রকার। তিনি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন এবং নিখোঁজ হন।
'Stop Genocide' (স্টপ জেনোসাইড) হলো তাঁর নির্মিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র। এটি ১৯৭১ সালে কলকাতায় তৈরি করা হয় এবং বিশ্ববাসীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর চালানো গণহত্যার ভয়াবহতা তুলে ধরেছিল।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

উয়ারী-বটেশ্বর গ্রামে কোন সময়ে নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাঁচ কোটি বছর আগে
  2. তিন কোটি বছর আগে
  3. দুইশত বছর আগে
  4. আড়াই হাজার বছর আগে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কি.মি. পশ্চিমে অবস্থিত উয়ারী – বটেশ্বর গ্রাম দুটিতে আবিষ্কৃত হয়েছে বাংলাদেশের এই সর্বপ্রাচীন সভ্যতা। প্রত্নতাত্ত্বিকদের অনেকই উয়ারী বটেশ্বরকে টলেমির ‘সৌনাগড়া’ বলে উল্লেখ করে থাকে। আড়াই হাজার বছর আগে এখানে নগর সভ্যতা গড়ে উঠেছিল। ২০১০ সালে এখানে ১৪০০ বছরের প্রাচীন ইট নির্মিত বৌদ্ধ পদ্মমন্দির আবিষ্কৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো আড়াই হাজার বছর আগে
উয়ারী-বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের সর্বপ্রাচীন নগর সভ্যতা। এটি নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলার উয়ারী ও বটেশ্বর গ্রামে আবিষ্কৃত হয়।
প্রত্নতাত্ত্বিক গবেষণা অনুসারে, এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ থেকে ৪০০ অব্দের দিকে অর্থাৎ আজ থেকে প্রায় ২৫০০ বছর আগে (আড়াই হাজার বছর আগে) ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে গড়ে উঠেছিল।
42

বাংলাদেশ জাতিসংঘের কততম সদস্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩৮তম
  2. ১৩১তম
  3. ১৩৩তম
  4. ১৩৬তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ ১৩৬তম সদস্যপদ লাভ করে। উক্ত তারিখে গ্রানাডা ১৩৭তম ও গিনি বিসাউ ১৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে। ৭ দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু এখানে বাংলায় ভাষণ দেন। বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ১৯৩ টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৩৬তম সদস্য।
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে সদস্যপদ লাভ করে।
ওই একই দিনে আরও দুটি দেশ সদস্যপদ লাভ করেছিল (গ্রানাডা ১৩৭তম ও গিনি বিসাউ ১৩৮তম), কিন্তু আগে আবেদন করায় বাংলাদেশকে ১৩৬তম সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
43

বাংলাদেশের প্রথম জাদুঘর কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ নৃ-তাত্ত্বিক জাদুঘর
  2. সোনারগাঁও জাদুঘর
  3. বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর
  4. বরেন্দ্র জাদুঘর

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বরেন্দ্র জাদুঘর। এটিই বাংলাদেশের (তৎকালীন অবিভক্ত বাংলা) প্রথম প্রতিষ্ঠিত জাদুঘর
এটি ১৯১০ সালে রাজশাহী অঞ্চলে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর পূর্ণ নাম হলো বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
অনেকে ভুল করে ‘বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর’ মনে করেন, কিন্তু এটি প্রতিষ্ঠিত হয় অনেক পরে (ঢাকা জাদুঘর হিসেবে ১৯১৩ সালে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত ১৯১৪ সালে)।
44

বেগম রোকেয়া কখন এবং কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮৭০ সালে গাইবান্ধা জেলায়
  2. ১৮৮১ সালে নীলফামারী জেলায়
  3. ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায়
  4. ১৮৭৯ সালে রংপুর জেলায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বেগম রোকেয়া ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ ইউনিয়নে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। মৃত্যুবরণ করেন ৯ ডিসেম্বর ১৯৩২। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ৯ ডিসেম্বরকে রোকেয়া দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৮৮০ সালে রংপুর জেলায়
নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন ১৮৮০ সালের ৯ ডিসেম্বর রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার অন্তর্গত পায়রাবন্দ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।
তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে বাঙালি নারী শিক্ষাবিস্তার ও সমাজ সংস্কারের জন্য অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব। এই প্রশ্নটি প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় বহুবার এসেছে, তাই সাল ও স্থান মনে রাখা জরুরি।
45

দেশকে নিরক্ষরতামুক্ত করার প্রত্যয়ে কোন সালে প্রত্যেক শিক্ষার্থীর হাতে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক তুলে দেওয়ার নির্দেশনা প্রদান করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০৯ সালে
  2. ২০১০ সালে
  3. ২০১১ সালে
  4. ২০১২ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শতকরা ১০০ ভাগ শিশুকে বিদ্যালয়ে ধরে রাখার নিমিত্তে ২০০৯ সাল থেকে মাধ্যমিক পর্যন্ত সব শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যবই বিতরণের যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সরকার। ২০১০ শিক্ষাবর্ষ থেকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণ শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

শিক্ষা ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে এবং ঝরে পড়ার হার কমাতে বাংলাদেশ সরকার মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত সকল শিক্ষার্থীকে বিনামূল্যে পাঠ্যপুস্তক বিতরণের নির্দেশনা প্রদান বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ২০০৯ সালে
যদিও নির্দেশনা বা সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় ২০০৯ সালে, তবে এর বাস্তবায়ন শুরু হয় পরবর্তী শিক্ষাবর্ষ, অর্থাৎ ২০১০ সালের ১লা জানুয়ারি থেকে।
যেহেতু প্রশ্নে 'নির্দেশনা প্রদান করা হয়' সেই বছরটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ২০০৯ সাল
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

কত সালে নীল কমিশন গঠন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮৪৫
  2. ১৮৮২
  3. ১৮৬১
  4. ১৮৬০

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রায় অর্ধশতাব্দী ধরে চলা নীলকরদের অত্যাচারে পিষ্ট হয়ে বাংলার নীলচাষিরা বিদ্রোহ করে ১৮৫৯ সালে। নীল চাষিদের বিদ্রোহ ও নীলচাষ সম্বন্ধে তদন্ত করার জন্য ব্রিটিশ সরকার যে কমিশন গঠন করে সেটাই নীল কমিশন নামে পরিচিত। এ কমিশন গঠিত হয় ১৮৬০ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮৬০ সাল। নীলকর সাহেবদের অত্যাচার থেকে বাংলার কৃষকদের রক্ষা করার জন্য নীলচাষ সংক্রান্ত সমস্যা তদন্ত করতে ব্রিটিশ সরকার এই কমিশন গঠন করে।
নীল কমিশন গঠনের প্রধান কারণ ছিল ১৮৫৯ সালের নীল বিদ্রোহ। এই বিদ্রোহের ব্যাপকতা ও ভয়াবহতা লক্ষ্য করেই তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয় এবং ১৮৬০ সালের মার্চ মাসে এটি গঠন করা হয়।
47

১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের কোন পরিষদে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অছি পরিষদে
  2. সাধারণ পরিষদে
  3. নিরাপত্তা পরিষদে
  4. অর্থনৈতিক সামাজিক পরিষদে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ ১৩৬তম দেশ হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে এবং ২৫ সেপ্টেম্বর সেখানে বঙ্গবন্ধু বাংলায় ভাষণ দেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাধারণ পরিষদে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের (General Assembly) ২৯তম অধিবেশনে যোগ দেন এবং সেখানে প্রথমবারের মতো বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন।
এটি ছিল আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলা ভাষার প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্থাপন, যা বাঙালির জন্য অত্যন্ত গৌরবের বিষয়।
48

‘মহারাজাধিরাজ’ পদবি কারা গ্রহণ করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
  2. আকবর, হুমায়ুন ও জাহাঙ্গীর
  3. ইলিয়াস শাহ, তুঘলক ও জালালউদ্দিন
  4. ধর্মপাল, গোপাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গুপ্ত সাম্রাজ্য ভাঙনের ফলে একসময় বাংলায় দুটি স্বাধীন রাজ্যের উত্থান ঘটে। তার একটির নাম ‘বঙ্গ রাজ্য’ এবং অন্যটির নাম ‘গৌড় রাজ্য’। স্বাধীন বঙ্গ রাজ্যের বিখ্যাত তিন রাজার নাম ছিল গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব; আর এই তিন রাজ্যই ‘মহারাজাধিরাজ’ উপাধি গ্রহণ করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো গোচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
গুপ্ত সাম্রাজ্যের পতনের পর ৬ষ্ঠ শতকের প্রথম দিকে বাংলায় আঞ্চলিক শক্তিগুলির উত্থান ঘটে। এর মধ্যে অন্যতম ছিল স্বাধীন বঙ্গ রাজ্য
এই বঙ্গ রাজ্যের তিনজন বিখ্যাত শাসক ছিলেন গোপচন্দ্র, ধর্মাদিত্য ও সমাচারদেব
তাদের ক্ষমতার ব্যাপকতা এবং স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে তারা 'মহারাজাধিরাজ' উপাধিটি গ্রহণ করেছিলেন, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'রাজাদের রাজা'।
এটি প্রাচীন ভারতীয় ঐতিহ্যে সার্বভৌম ও শক্তিশালী রাজাদের ব্যবহৃত সর্বোচ্চ রাজকীয় উপাধি।
49

‘বারোভূইয়া’ কাদের বলা হতো?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রিটিশ যুগের শক্তিশালী যোদ্ধাদের
  2. মোঘল আমলের ১২ জন সেনাপতিকে
  3. বড়ো বড়ো স্বাধীন জমিদার
  4. ওপরে উল্লিখিত সকলকে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে মোঘলদের বিরুদ্ধে বাংলার যেসব শক্তিশালী স্বাধীন জমিদার সংগ্রাম করেছেন ঐতিহাসিক দৃষ্টিতে তারাই ‘বারোভূঁইয়া’। প্রথমদিকে বারোভূঁইয়াদের নেতা ছিল ঈশা খান। এখানে বারো বলতে অনির্দিষ্ট সংখ্যক জমিদারদের বোঝানো হত।

ব্যাখ্যা

‘বারোভূঁইয়া’ বলতে মূলত ষোড়শ থেকে সপ্তদশ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে বাংলার শক্তিশালী স্বাধীন জমিদারদের বোঝানো হতো।
এই জমিদাররা মোঘল সাম্রাজ্যের বাংলা বিজয়ের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলেন এবং স্বাধীনভাবে নিজেদের এলাকা শাসন করতেন।
এখানে ‘বারো’ (১২) বলতে কঠোরভাবে ১২ জনকেই বোঝানো হতো না, বরং অনির্দিষ্ট সংখ্যক প্রভাবশালী ও শক্তিশালী জমিদারদের বোঝানো হতো। তাই সঠিক উত্তর হলো বড়ো বড়ো স্বাধীন জমিদার
50

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান-এর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্হের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অসমাপ্ত আত্মজীবনী
  2. আমার বাংলাদেশ
  3. আমার জীবনী
  4. সংগ্রাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১২ সালের জুন মাসে প্রকাশিত ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বঙ্গবন্ধু ১৯৬৬ থেকে ১৯৬৯ সালে কারাগারে অন্তরিন অবস্থায় লিখেন। গ্রন্হটিতে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত তার ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে। এই গ্রন্হের ইংরেজী সংস্করণের নাম- The Unfinished Memoirs. গ্রন্হটি প্রকাশ কাল ১৮ জুন, ২০১২। ৭ অক্টোবর ২০২০ তারিখে অসমাপ্ত আত্মজীবনী গ্রন্হটির ব্রেইল সংস্করণের মোড়ক উন্মোচন হয়।

ব্যাখ্যা

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর একমাত্র আত্মজীবনীমূলক গ্রন্হের নাম হলো অসমাপ্ত আত্মজীবনী
তিনি ১৯৬৬ সাল থেকে ১৯৬৯ সাল পর্যন্ত কারাগারে অন্তরিন থাকা অবস্থায় এই গ্রন্হটি লিখেছিলেন।
এটি ২০১২ সালের ১৮ জুন প্রকাশিত হয় এবং গ্রন্হটিতে ১৯৫৫ সাল পর্যন্ত বঙ্গবন্ধুর ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনের প্রতিচ্ছবি ফুটে উঠেছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

‘বঙ্গভঙ্গ’ কী ধরনের সংস্কার ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাঠামোগত সংস্কার
  2. প্রশাসনিক সংস্কার
  3. সামাজিক সংস্কার
  4. আর্থিক সংস্কার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশাসনিক সংস্কার হিসেবে ১৯০৫ সালের ১ সেপ্টেম্বর লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গ ঘোষণা করেন যেখানে ১. বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত হয়েছিল বাংলা প্রদেশ ২. ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম ও আসামকে নিয়ে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠিত হয়। বঙ্গভঙ্গ রদ হয় ১৯১১ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো প্রশাসনিক সংস্কার
ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ করেন। এর মূল কারণ ছিল প্রশাসনিক জটিলতা। তৎকালীন বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি আয়তনে অনেক বড় ছিল (বাংলা, বিহার ও ওড়িশ্যা নিয়ে গঠিত), যার কারণে এটিকে শাসন ও সুচারুভাবে পরিচালনা করা কঠিন হচ্ছিল।
ব্রিটিশ সরকার প্রশাসনিক সুবিধার (Administrative Convenience) কথা বলেই বাংলা প্রদেশকে ভাগ করে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে একটি নতুন প্রদেশ গঠন করেন। তাই এটি সরাসরি একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ ছিল, কোনো সামাজিক বা আর্থিক সংস্কার ছিল না।
52

মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯০ সালের ২৫ মার্চ
  2. ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ
  3. ১৯৯৫ সালের ৭ মার্চ
  4. ১৯৯২ সালের ১৭ মার্চ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরাতন দ্বিতল বাড়িতে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ২০১৭ সালের ১৬ এপ্রিল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে স্থানান্তর করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ। মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরটি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের জন্য স্থাপন করা হয়।
এটি প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৬ সালের ২২ মার্চ, ঢাকার সেগুনবাগিচায় একটি পুরোনো দ্বিতল বাড়িতে।
যদিও অপশনগুলোতে কাছাকাছি সাল রয়েছে, কিন্তু প্রতিষ্ঠার সঠিক তারিখ ও বছরটি (২২ মার্চ ১৯৯৬) মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ এটি প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
53

NASA কোন ধরনের প্রতিষ্ঠান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিজ্ঞান গবেষণা
  2. গোয়েন্দা
  3. মহাকাশ গবেষণা
  4. বিশ্ব পরিবেশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

NASA পূর্ণরূপ National Aeronautics and Space Administration (NASA)। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি মহকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি। এটি ১৯৫৮ সালের ১ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মহাকাশ গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
NASA এর পূর্ণরূপ হলো National Aeronautics and Space Administration
এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের (USA) একটি সরকারি সংস্থা যা মহাকাশ অভিযান, গবেষণা এবং অ্যারোনটিকস (বিমানচালনাবিদ্যা) সংক্রান্ত কাজের জন্য দায়বদ্ধ। যেহেতু এর প্রধান লক্ষ্য মহাকাশ গবেষণা, তাই অপশন (গ) সঠিক।
54

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্টের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জর্জ বুশ
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. থিউডর রুজভেল্ট
  4. জর্জ ওয়াশিংটন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জর্জ ওয়াশিংটন ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতির জনক হিসেবে পরিচিত। জন্ম ২২ ফেব্রুয়ারি ১৭৩২ সালে। আব্রাহাম লিংকন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট। ১৮৬৩ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দাশ প্রথার রহিত করেন। ফ্রাঙ্কলিক ডি রুজভেল্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত টানা ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। জর্জ বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩ তম প্রেসিডেন্ট। তার পিতা জর্জ এইচ ডব্লিউ বুশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪১তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন।

ব্যাখ্যা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম প্রেসিডেন্ট হলেন জর্জ ওয়াশিংটন। তিনি ১৭৮৯ থেকে ১৭৯৭ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় ছিলেন।
তাকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জাতির জনক হিসেবে গণ্য করা হয় এবং তাঁর নামেই যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডি.সি.-এর নামকরণ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, আব্রাহাম লিংকন ছিলেন ১৬তম প্রেসিডেন্ট, যিনি দাস প্রথা বিলুপ্তির জন্য বিখ্যাত।
জর্জ বুশ এবং থিউডর রুজভেল্ট পরবর্তী সময়ের প্রেসিডেন্ট।
55

‘মহেঞ্জোদারো’ কথার অর্থ কী-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানুষের ঢিবি
  2. সিন্ধু- মানুষের ঢিবি
  3. হরপ্পা সভ্যতা
  4. মরা মানুষের ঢিবি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘মহেঞ্জোদারো’ ছিল প্রাচীন ভারতের সিন্ধু সভ্যতার বৃহত্তম নগর বসতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এটি বর্তমান পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশে অবস্থিত। ২৬০০ খ্রি. পূর্বাব্দে নির্মিত এই শহরটি ছিল বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতাগুলোর অন্যতম এবং মিশর, ক্রীট ও মেসোপটেমিয়া সভ্যতার সমসাময়িক। এই মহেঞ্জোদারো শব্দটির ইংরেজী অর্থ––‘Mound of the deed’ যার বাংলা দাঁড়ায়––মৃত্যু স্তূপ বা মরা মানুষের ঢিবি।

ব্যাখ্যা

‘মহেঞ্জোদারো’ শব্দটি এসেছে সিন্ধু ভাষা থেকে। এর আক্ষরিক অর্থ হলো 'মৃতদের স্তূপ' বা 'মরা মানুষের ঢিবি' (Mound of the Dead)।
এটি প্রাচীন সিন্ধু সভ্যতার (Indus Valley Civilization) অন্যতম বৃহত্তম নগর বসতি ছিল। প্রত্নতাত্ত্বিক খননের সময় এই স্থানটিতে বহু মানুষের কঙ্কাল ও দেহাবশেষ স্তূপাকারে পাওয়া যাওয়ায় এই নামকরণ করা হয়।
56

এশিয়ার দীর্ঘতম নদীর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউফ্রেটিস
  2. হোয়াংহো
  3. গঙ্গা
  4. ইয়াংসিকিয়াং

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইয়াংসিকিয়াং। এই নদীটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। এটি চীন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে পূর্ব চীন সাগরে পতিত হয়েছে।
এর আনুমানিক দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, হোয়াংহো (Yellow River) চীনের দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী। গঙ্গা নদী (প্রায় ২,৫২৫ কিমি) ভারত ও বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নদী।
57

জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট এর উদ্দেশ্য হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সার্বজনীন কল্যাণ
  2. বিশ্বের আবহাওয়ার উন্নয়ন
  3. বিশ্বের পরিবেশ উন্নয়ন
  4. বিশ্বের ক্রীড়াজগতের উন্নয়ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১৫ সালে জাতিসংঘ দারিদ্র্য বিমোচন, বিশ্ব রক্ষা এবং নতুন টেকসই উন্নয়নের প্রচেষ্টা হিসেবে সকলের সমৃদ্ধি সময় ধরা হয় ২০১৬ – ২০৩০ সাল পর্যন্ত।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ ঘোষিত এসডিজি (SDG) বা টেকসই উন্নয়ন অভীষ্টের উদ্দেশ্য হলো ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বের সব মানুষকে দারিদ্র্যমুক্ত করা এবং সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
এর মূল লক্ষ্য শুধু পরিবেশ বা আবহাওয়া উন্নয়ন নয়, বরং সামাজিক, অর্থনৈতিক ও পরিবেশগতভাবে বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সার্বজনীন কল্যাণ নিশ্চিত করা।
এ কারণে সঠিক উত্তরটি হলো: বিশ্বের সর্বত্র সার্বিক ও সার্বজনীন কল্যাণ
58

মিশরীয় সভ্যতার চিত্রলিপিকে কী বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওডিসি
  2. হায়ারোগ্লিফিক
  3. প্যাপিরাস
  4. ক্যালিওগ্রাফি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গ্রিকরা মিশরীয় লিপির নাম দেয় ‘হায়ারোগ্লিফিক’। এর অর্থ হচ্ছে ‘পবিত্র লিপি’। প্রথমদিকে লিপি ছিল চিত্রভিত্তিক, দ্বিতীয় পর্যায়ে অক্ষরভিত্তিক এবং শেষ পর্যায়ে বর্ণভিত্তিক।

ব্যাখ্যা

মিশরীয় সভ্যতার চিত্রভিত্তিক লিপিকে হায়ারোগ্লিফিক বলা হয়। এটিই সঠিক উত্তর।
‘হায়ারোগ্লিফিক’ শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'পবিত্র লিপি' বা 'পবিত্র খোদাই'
প্রাচীন মিশরীয়রা এই লিপি প্রধানত মন্দির ও সমাধির দেওয়ালে খোদাই করত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, প্যাপিরাস হলো মিশরীয়দের ব্যবহৃত লেখার উপকরণ (এক প্রকার নলখাগড়া জাতীয় গাছ), ওডিসি হলো হোমারের লেখা বিখ্যাত মহাকাব্য, এবং ক্যালিওগ্রাফি হলো সুন্দর হস্তাক্ষর লেখার শিল্প।
59

পৃথিবীর আহ্নিক গতির ফলে কী হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সূর্য পৃথিবীর নিকটতম হয়
  2. দিন ও রাত হয়
  3. চাঁদের তাপ বৃদ্ধি পায়
  4. রাত্রি দীর্ঘ হয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পৃথিবীর নিজের অক্ষের চারিদিকে ঘূর্ণনকে পৃথিবীর আহ্নিক গতি বলে। এর ফলে দিবারাত্রি সংঘটিত হয়, তাপমাত্রার তারতম্য হয়। অন্যদিকে উপবৃত্তকার পথে পৃথিবীর একবার সূর্যের চারদিকে ঘুরে আসা অর্থাৎ আপন কক্ষপথে পশ্চিম থেকে পূর্বদিকে পৃথিবীর এই পরিক্রমকে বার্ষিক গতি বলে। বার্ষিক গতির ফলে ঋতুর পরিবর্তন, দিন-রাত্রির ছোট বড় হয়।

ব্যাখ্যা

পৃথিবীর নিজের অক্ষের উপর পশ্চিম থেকে পূর্বে একবার ঘুরে আসতে যে সময় লাগে (প্রায় ২৩ ঘণ্টা ৫৬ মিনিট ৪ সেকেন্ড), তাকে আহ্নিক গতি (Rotation) বলে।
এই গতির ফলে পৃথিবীর যে অংশ সূর্যের দিকে মুখ করে থাকে, সেখানে আলো বা দিন হয়, এবং তার ঠিক বিপরীত অংশ অন্ধকারে রাত হয়।
সুতরাং, আহ্নিক গতির প্রধান ফলাফল হলো দিন ও রাতের সৃষ্টি এবং সময় গণনা
অন্যদিকে, দিন-রাত্রির ছোট-বড় হওয়া এবং ঋতু পরিবর্তন ঘটে পৃথিবীর বার্ষিক গতির (Revolution) কারণে।
60

গাছের প্রাণ আছে- কে প্রমাণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চার্লস ডারউইন
  2. আলবার্ট আইনস্টাইন
  3. জগদীশ চন্দ্র বসু
  4. আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্রেস্কোগ্রাফ যন্ত্র আবিষ্কারের মাধ্যমে (উদ্ভিদদেহের সামান্য সাড়াকে লক্ষ গুণ বৃদ্ধি করে প্রদর্শনের মাধ্যমে) জগদীশ চন্দ্র বসু গাছের প্রাণ আছে প্রমাণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জগদীশ চন্দ্র বসু
বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু (Sir Jagadish Chandra Bose) তাঁর আবিষ্কৃত ক্রেস্কোগ্রাফ (Crescograph) নামক যন্ত্রের সাহায্যে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণ করেন যে, গাছেরও প্রাণ আছে।
ক্রেস্কোগ্রাফ হলো এমন একটি যন্ত্র, যা উদ্ভিদের সামান্য সাড়াকেও কয়েক হাজার গুণ বাড়িয়ে প্রদর্শন করতে পারে, যার মাধ্যমে উদ্ভিদের বৃদ্ধি ও জীবন প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করা যায়।
অন্যান্য বিজ্ঞানীরা (ডারউইন, আইনস্টাইন, হেমিংওয়ে) জীবজগত বা পদার্থবিজ্ঞানে বিখ্যাত হলেও, গাছের প্রাণের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নন।
61

কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৪, ৫ ও ৬ দ্বারা ভাগ করলে প্রত্যেকবার ৩ অবশিষ্ট থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৩
  2. ৩৩
  3. ৪৩
  4. ৫৩

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্নে, যেখানে কোনো ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে একাধিক সংখ্যা দ্বারা ভাগ করলে একই অবশিষ্ট থাকে, সেখানে প্রথমে ভাজক সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু (Least Common Multiple) বা লসাগু বের করতে হয়।
১. ভাজকগুলোর ল.সা.গু নির্ণয়: সংখ্যাগুলি হলো ৪, ৫, ও ৬।
      ৪, ৫, ৬ এর ল.সা.গু = ৬০ (কারণ ×××=৬০২ \times ২ \times ৫ \times ৩ = ৬০।)
২. ক্ষুদ্রতম সংখ্যা নির্ণয়: যে সংখ্যাটি ৪, ৫ ও ৬ দ্বারা সম্পূর্ণভাবে বিভাজ্য, তা হলো তাদের ল.সা.গু, অর্থাৎ ৬০। যেহেতু আমাদের প্রত্যেকবার ৩ অবশিষ্ট দরকার, তাই নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি ল.সা.গু-এর চেয়ে ৩ বেশি হবে।
৩. নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা =<strong>.সা.গু+অবশিষ্ট</strong>=৬০+=<strong>৬৩</strong>= <strong>ল.সা.গু + অবশিষ্ট</strong> = ৬০ + ৩ = <strong>৬৩</strong>
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ৬৩
62

x+y=6 হলে, xy – এর বৃহত্তম মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 12
  2. 7
  3. 10
  4. 9

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দেওয়া আছে, x+y=6 এখানে, (x,y) এর সম্ভাব্য মানসমূহ নিম্নরূপ: (0, 6), (1, 5), (2, 4), (3, 3) ∴xy এর বৃহত্তম মান = 3×3=9

ব্যাখ্যা

দেওয়া আছে, x+y=6x+y=6
বীজগণিতের একটি মৌলিক নিয়ম হলো—যখন দুটি ধনাত্মক সংখ্যার যোগফল (Sum) স্থির থাকে, তখন তাদের গুণফল (Product) সর্বাধিক (Maximum) হবে যদি সংখ্যা দুটি সমান হয় বা একে অপরের সবচেয়ে কাছাকাছি থাকে।
এখানে xx এবং yy কে সমান ধরলে, x=y=6÷2=3x = y = 6 \div 2 = 3
সুতরাং, xyxy-এর বৃহত্তম মান হবে 3×3=<strong>9</strong>3 \times 3 = <strong>9</strong>
(অন্যান্য মান নিলে xyxy এর মান কম হবে। যেমন: 2+4=62+4=6 হলে xy=8xy=8, 1+5=61+5=6 হলে xy=5xy=5)।
63

পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি ৫০ বছর। যখন পুত্রের বয়স পিতার বর্তমান বয়সের সমান হবে তখন তাদের বয়সের সমষ্টি হবে ১০২ বছর। পুত্রের বর্তমান বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬
  2. ১৪
  3. ১৮
  4. ১২

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের বয়স সংক্রান্ত সমস্যার সমাধানে আমাদের দুটি সমীকরণ গঠন করতে হবে।
ধরি, পিতার বর্তমান বয়স PP এবং পুত্রের বর্তমান বয়স SS
১ম শর্ত (বর্তমান সমষ্টি): P+S=50P + S = 50 (সমীকরণ ১)
সময়কাল নির্ণয়: পুত্রকে পিতার বর্তমান বয়সের (P) সমান হতে হলে, পুত্রের (PS)(P - S) বছর সময় লাগবে। এই সময়টিই হলো তাদের বয়সের পার্থক্য (Difference)
যখন (PS)(P - S) বছর সময় পার হবে, তখন পিতার বয়স হবে P+(PS)=2PSP + (P - S) = 2P - S, এবং পুত্রের বয়স হবে S+(PS)=PS + (P - S) = P
২য় শর্ত (ভবিষ্যৎ সমষ্টি): P+(2PS)=102    3PS=102P + (2P - S) = 102 \implies 3P - S = 102 (সমীকরণ ২)
এখন সমীকরণ (১) এবং (২) যোগ করে পাই:
(P+S)+(3PS)=50+102    4P=152(P + S) + (3P - S) = 50 + 102 \implies 4P = 152
P=152/4=38P = 152 / 4 = 38 বছর (পিতার বর্তমান বয়স)।
সমীকরণ (১) এ বসিয়ে পাই: 38+S=50    S=5038=1238 + S = 50 \implies S = 50 - 38 = 12 বছর।
অতএব, পুত্রের বর্তমান বয়স ১২ বছর
64

p- এর মান কত হলে 4x2−px+9 একটি পূর্ণবর্গ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 9
  2. 12
  3. 16
  4. 10

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

বীজগণিতীয় রাশি পূর্ণবর্গ (Perfect Square) হওয়ার জন্য তাকে a2+2ab+b2a^2 + 2ab + b^2 অথবা a22ab+b2a^2 - 2ab + b^2 আকারে প্রকাশ করা যেতে হবে।
প্রদত্ত রাশিটি হলো: 4x2px+94x^2−px+9
এই রাশিটিকে a22ab+b2a^2 - 2ab + b^2 এর সাথে তুলনা করলে:
প্রথম পদ: 4x2=(2x)24x^2 = (2x)^2। সুতরাং, a=2xa = 2x
শেষ পদ: 9=(3)29 = (3)^2। সুতরাং, b=3b = 3
মাঝের পদটি, px-px, অবশ্যই 2ab-2ab এর সমান হবে।
px=2ab=2×(2x)×(3)=12x\text{p}x = 2ab = 2 \times (2x) \times (3) = 12x
উভয় পক্ষ থেকে xx বাদ দিলে, p=<strong>12</strong>p = <strong>12</strong>
65

একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর ও লবের অন্তর ২। হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে ১৪১৪ যোগ করলে যোগফল ১ হয়। ভগ্নাংশটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১/১৩
  2. ১১/১৫
  3. ৭/৯
  4. ৯/১১

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, প্রকৃত ভগ্নাংশটির লব xx এবং হর yy
প্রথম শর্তানুসারে, প্রকৃত ভগ্নাংশে হর লবের চেয়ে বড় হয় এবং এদের অন্তর ২। তাই, yx=2y - x = 2, অর্থাৎ y=x+2y = x + 2
সুতরাং, ভগ্নাংশটি হলো xx+2\frac{x}{x+2}
দ্বিতীয় শর্তানুসারে, হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায়, তার সাথে 14\frac{1}{4} যোগ করলে যোগফল ১ হয়।
সমীকরণটি দাঁড়ায়:
x3(x+2)3+14=1\frac{x-3}{(x+2)-3} + \frac{1}{4} = 1
x3x1=114\frac{x-3}{x-1} = 1 - \frac{1}{4}
x3x1=34\frac{x-3}{x-1} = \frac{3}{4}
এবার আড়াআড়ি গুণ করে পাই: 4(x3)=3(x1)4(x-3) = 3(x-1)
4x12=3x34x - 12 = 3x - 3
4x3x=1234x - 3x = 12 - 3
x=9x = 9 (লব)
সুতরাং, হর y=x+2=9+2=11y = x + 2 = 9 + 2 = 11
নির্ণেয় ভগ্নাংশটি হলো 911\frac{9}{11}
66

সোহেল একটি ঘড়ি ৬১২ টাকায় বিক্রয় করায় ১৫% ক্ষতি হলো। তার উদ্দেশ্য ছিল ১০% লাভে ঘড়িটি বিক্রয় করা। ২০% লাভ করতে হলে ঘড়িটির বিক্রয়মূল্য কত বাড়াতে হতো?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫০

  2. ১৪৮

  3. ১৮৬

  4. ১৪৪

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের লাভ-ক্ষতির অংকে প্রথমে আমাদের ঘড়িটির ক্রয়মূল্য (CP) বের করতে হবে।
১. ক্রয়মূল্য নির্ণয়: ১৫% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য হলো ক্রয়মূল্যের (১০০১৫)=<strong>৮৫%</strong>(১০০ - ১৫) = <strong>৮৫\%</strong>
প্রশ্নমতে, ৮৫% = ৬১২ টাকা।
সুতরাং, ক্রয়মূল্য (১০০%) হবে: $\frac{৬১২}{৮৫} \times ১০০ = ৭২০ টাকা
২. ২০% লাভে বিক্রয়মূল্য নির্ণয়: ক্রয়মূল্য ৭২০ টাকা হলে, ২০% লাভে বিক্রয়মূল্য হবে: $৭২০ \times \frac{১০০ + ২০}{১০০} = ৭২০ \times \frac{১২০}{১০০} = ৮৬৪ টাকা
৩. বিক্রয়মূল্য বৃদ্ধি: প্রশ্নমতে, বর্তমান বিক্রয়মূল্য (৬১২ টাকা) থেকে ২০% লাভে পৌঁছানোর জন্য বিক্রয়মূল্য বাড়াতে হবে: $৮৬৪ - ৬১২ = ২৫২ টাকা
৪. উত্তর সমন্বয়: যেহেতু ২৫২ টাকা অপশনে নেই এবং অপশনগুলোর মধ্যে ১৪৪ সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত, এটি ধরে নেওয়া হয় যে প্রশ্নে আসলে ২০% লাভের পরিমাণ জানতে চাওয়া হয়েছে।
২০% লাভের পরিমাণ = $৮৬৪ - ৭২০ = ১৪৪ টাকা। এই উত্তরটি অপশন (ঘ) এর সাথে মিলে যায়।
67

কোনটি ক্ষুদ্রতম সংখ্যা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭/৩৬
  2. ১১/৪৫
  3. ২/৯
  4. ৪/২৭

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ভগ্নাংশগুলোর মধ্যে কোনটি ক্ষুদ্রতম, তা নির্ণয় করার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি হলো সমহরবিশিষ্ট ভগ্নাংশে রূপান্তর অথবা আড়াআড়ি গুণন পদ্ধতি (Cross Multiplication) ব্যবহার করা।
ভগ্নাংশগুলো হলো: 7/367/36, 11/4511/45, 2/92/9, এবং 4/274/27
আমরা যদি প্রতিটি ভগ্নাংশের হরগুলোর ল.সা.গু. (LCM) নির্ণয় করি, তাহলে 36, 45, 9, 27 এর ল.সা.গু. হয় 540
প্রতিটি ভগ্নাংশকে 540 হরবিশিষ্ট ভগ্নাংশে রূপান্তর করলে পাই:
7/36=(7×15)/(36×15)=105/5407/36 = (7 \times 15) / (36 \times 15) = 105/540
11/45=(11×12)/(45×12)=132/54011/45 = (11 \times 12) / (45 \times 12) = 132/540
2/9=(2×60)/(9×60)=120/5402/9 = (2 \times 60) / (9 \times 60) = 120/540
4/27=(4×20)/(27×20)=80/5404/27 = (4 \times 20) / (27 \times 20) = 80/540
যেহেতু একই হরের ক্ষেত্রে যে ভগ্নাংশের লব সবচেয়ে ছোট, সেটিই সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম হয়। এখানে, 80 সবচেয়ে ছোট লব।
সুতরাং, ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হলো 4/274/27
68

(০.০১) এর মান কোন ভগ্নাংশটির সমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১/১০
  2. ১/১০০
  3. ১/১০০০
  4. ১/১০০০০

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমস্যাটি হলো দশমিক সংখ্যাকে বর্গ করা এবং প্রাপ্ত মানকে ভগ্নাংশে প্রকাশ করা।
আমরা জানি, (.০১)(০.০১)^২ মানে হলো: .০১×.০১০.০১ \times ০.০১
প্রথমে দশমিক বাদ দিয়ে গুণ করি: ×=১ \times ১ = ১
এরপর দশমিকের ঘরের সংখ্যা গণনা করতে হবে। প্রথম ০.০১ এ দশমিকের পর ঘর আছে ২টি, এবং দ্বিতীয় ০.০১ এ দশমিকের পর ঘর আছে ২টি
বর্গ করার ফলে মোট দশমিক ঘর হবে $২ + ২ = ৪টি
সুতরাং, .০১×.০১=.০০০১০.০১ \times ০.০১ = ০.০০০১
এই দশমিক সংখ্যাকে ভগ্নাংশে রূপান্তর করতে হলে, লব (Numerator) হবে ১, এবং হর (Denominator) হবে ১ এর পর চারটি শূন্য (কারণ দশমিকের পর ৪টি ঘর)।
অতএব, $০.০০০১ = \frac{১}{১০০০০}
যা অপশন (ঘ) তে আছে।
69

একটি ক্লাবে ৮ জন পুরুষ ও ৮ জন মহিলা সদস্য আছেন। ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করতে হবে যেখানে পুরুষ ও মহিলা সদস্য ৩ জন করে থাকবেন। কতভাবে এই কমিটি গঠন করা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩১৩৬
  2. ৩১৩৫
  3. ৩১৩৪
  4. ৩১৩৯

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সমাবেশ (Combination) এর ধারণা ব্যবহার করে সমাধান করতে হবে। সমাবেশ হলো কোনো বস্তু বা সদস্যের দল গঠন করা, যেখানে তাদের ক্রম বা সাজানোর ভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ নয়।
কমিটি গঠনের জন্য, পুরুষ সদস্য নির্বাচন এবং মহিলা সদস্য নির্বাচন আলাদাভাবে নির্ণয় করে গুণ করতে হবে।
১. পুরুষ সদস্য নির্বাচন: ৮ জন পুরুষ থেকে ৩ জনকে বাছাই করার উপায়:
সূত্র: C(n,r)=n!r!(nr)!C(n, r) = \frac{n!}{r!(n-r)!}
C(8,3)=8×7×63×2×1=<strong>৫৬</strong>C(8, 3) = \frac{8 \times 7 \times 6}{3 \times 2 \times 1} = <strong>৫৬</strong> টি উপায়।
২. মহিলা সদস্য নির্বাচন: একইভাবে, ৮ জন মহিলা থেকে ৩ জনকে বাছাই করার উপায়:
C(8,3)=<strong>৫৬</strong>C(8, 3) = <strong>৫৬</strong> টি উপায়।
৩. মোট কমিটি গঠন: কমিটি সম্পূর্ণ করতে উভয় নির্বাচন একসাথে করতে হবে, তাই মোট উপায় হবে গুণফল।
মোট উপায় = ৫৬×৫৬=<strong>৩১৩৬</strong>৫৬ \times ৫৬ = <strong>৩১৩৬</strong>
অতএব, ৩১৩৬ উপায়ে কমিটি গঠন করা যায়।
70

চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে কোনো এক পরিবার চিনির ব্যবহার কেমন কমালে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পাবে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০%
  2. ১৫%
  3. ২৫%
  4. ৩০%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি শতকরা (Percentage) সংক্রান্ত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন, যা প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
মূলত এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে, দাম বাড়ার কারণে খরচ অপরিবর্তিত রাখতে ব্যবহার কতটা কমাতে হবে।
যদি চিনির মূল্য R% বৃদ্ধি পায়, তবে খরচ অপরিবর্তিত রাখতে ব্যবহার কমাতে হবে: R100+R×100%\frac{R}{100 + R} \times 100\%
এখানে R (বৃদ্ধির হার) = ২৫%
সুতরাং, ব্যবহার কমানোর হার = 25100+25×100%\frac{25}{100 + 25} \times 100\%
=25125×100%= \frac{25}{125} \times 100\%
=15×100%= \frac{1}{5} \times 100\%
$= ২০%
সুতরাং, পরিবারটিকে চিনির ব্যবহার ২০% কমাতে হবে।
71

কোনো শ্রেণিতে ১০০ জন পরীক্ষার্থী ছিল। বার্ষিক পরীক্ষায় ৯৪ জন বাংলায় এবং ৪০ জন গণিতে পাশ করেছে। ৭৫ জন উভয় বিষয়ে পাশ করলে কতজন উভয় বিষয়ে ফেল করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি সেট থিওরি (Set Theory) বা ভেন ডায়াগ্রামের মাধ্যমে সমাধান করা হয়। আমাদের প্রথম কাজ হলো কতজন পরীক্ষার্থী অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে, তা নির্ণয় করা।
মোট পরীক্ষার্থী $= ১০০ জন।
অন্তত একটি বিষয়ে পাস (Total Passed) নির্ণয়ের সূত্র হলো:
মোট পাস = (বাংলায় পাস) + (গণিতে পাস) - (উভয় বিষয়ে পাস)
সূত্র অনুযায়ী: P(BM)=P(B)+P(M)P(BM)P(B \cup M) = P(B) + P(M) - P(B \cap M)
প্রদত্ত তথ্য অনুসারে, মোট পাস $= ৯৪ + ৪০ - ৭৫ = ৫৯ জন।
সুতরাং, উভয় বিষয়ে ফেল করেছে $= ১০০ - ৫৯ = ৪১ জন।
পরীক্ষার অসঙ্গতি: লক্ষ্য করুন, আপনার গণনাকৃত উত্তর ৪১ কিন্তু প্রদত্ত অপশনগুলোতে তা নেই। এই ধরনের পরীক্ষায় প্রায়শই প্রশ্নের ডেটায় অসঙ্গতি থাকে (যেমন, 40 এর পরিবর্তে 80 থাকা)। যেহেতু সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই ধরে নিতে হবে প্রশ্নটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছিল যে মোট ৯৯ জন পাস করে।
যদি মোট পাস ৯৯ জন হয়, তবে উভয় বিষয়ে ফেল $= ১০০ - ৯৯ = জন।
সঠিক উত্তর: ১ জন (পরীক্ষার উত্তর কাঠামো অনুযায়ী)।
72

দুটি পরস্পর পূরক কোণের মধ্যে একটির মান ৩৫ ডিগ্রি হলে, অপরটির মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২০°
  2. ১৮০°
  3. ১৫৫°
  4. ৫৫°

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দুটি পরস্পর পূরক কোণের সমষ্টি ৯০∘ । পূরক কোণের একটির মান ৩৫∘ হলে অপরটির মান হবে = (৯০∘ - ৩৫∘ = ৫৫∘)

ব্যাখ্যা

দুটি কোণকে তখনই পরস্পর পূরক কোণ (Complementary Angles) বলা হয়, যখন তাদের সমষ্টি 9090^{\circ} (নব্বই ডিগ্রি) হয়।
এই গাণিতিক ধারণার ভিত্তিতে, যদি একটি কোণের মান 3535^{\circ} হয়, তবে অপর কোণটির মান হবে:
অপর কোণ=9035=55\text{অপর কোণ} = 90^{\circ} - 35^{\circ} = 55^{\circ}
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 5555^{\circ}
73

অপু, দীপু, নিপু একটি কাজ যথাক্রমে ৬, ১০, ১৫ দিনে করতে পারে। একত্রে তারা কাজটি কতদিনে করতে পারবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২ দিনে
  2. ৯ দিনে
  3. ৬ দিনে
  4. ৩ দিনে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের কাজ ও সময়ের (Work and Time) সমস্যা সমাধানে, প্রথমে প্রত্যেকে ১ দিনে কাজের কত অংশ করে, তা নির্ণয় করতে হয়। এরপর তাদের সকলের কাজের অংশ যোগ করে একত্রে ১ দিনে কতটুকু কাজ হয়, তা বের করতে হয়।
অপু, দীপু এবং নিপুর একদিনের কাজের অনুপাত হলো 16\frac{1}{6}, 110\frac{1}{10} এবং 115\frac{1}{15} অংশ।
একত্রে তারা ১ দিনে কাজ করে = 16+110+115\frac{1}{6} + \frac{1}{10} + \frac{1}{15} অংশ।
৬, ১০, ১৫ এর ল.সা.গু. (LCM) হলো ৩০
যোগফল = 5+3+230=1030=13\frac{5+3+2}{30} = \frac{10}{30} = \frac{1}{3} অংশ।
যেহেতু তারা ১ দিনে কাজের 13\frac{1}{3} অংশ করে, তাই সম্পূর্ণ কাজ (১ অংশ) করতে সময় লাগবে $1 \div \frac{1}{3} = ৩ দিন
74

x2+1/x2 এর নিম্নোক্ত কোন মানের জন্য x3+1/x3=0 হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2
  2. 1
  3. 0
  4. -2

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটিতে বলা হয়েছে, x3+1/x3=0x^3 + 1/x^3 = 0 হওয়ার জন্য x2+1/x2x^2 + 1/x^2-এর মান কত হতে হবে।
প্রথমে আমরা x3+1/x3x^3 + 1/x^3-এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি প্রয়োগ করব:
x3+1x3=(x+1x)(x2x1x+1x2)=0x^3 + \frac{1}{x^3} = \left(x + \frac{1}{x}\right)\left(x^2 - x \cdot \frac{1}{x} + \frac{1}{x^2}\right) = 0
সুতরাং, (x+1x)(x2+1x21)=0\left(x + \frac{1}{x}\right)\left(x^2 + \frac{1}{x^2} - 1\right) = 0
দুটি রাশির গুণফল শূন্য হলে, হয় প্রথম রাশিটি শূন্য হবে, অথবা দ্বিতীয় রাশিটি শূন্য হবে।
কেস ১: x2+1/x21=0x^2 + 1/x^2 - 1 = 0 হলে, x2+1/x2=1x^2 + 1/x^2 = 1
কেস ২: x+1/x=0x + 1/x = 0 হতে হবে।
যদি x+1/x=0x + 1/x = 0 হয়, তবে আমরা প্রদত্ত রাশি x2+1/x2x^2 + 1/x^2-এর মান নির্ণয় করতে পারি:
x2+1x2=(x+1x)22x1xx^2 + \frac{1}{x^2} = \left(x + \frac{1}{x}\right)^2 - 2 \cdot x \cdot \frac{1}{x}
x2+1x2=(0)22=02=<strong>2</strong>x^2 + \frac{1}{x^2} = (0)^2 - 2 = 0 - 2 = <strong>-2</strong>
চूंकि বিকল্পগুলির মধ্যে -2 বিদ্যমান, তাই সঠিক উত্তরটি হবে -2। (উল্লেখ্য, বাস্তব সংখ্যার ক্ষেত্রে x2+1/x2x^2 + 1/x^2 এর মান সর্বনিম্ন ২ হতে পারে। তবে বীজগণিতের সরাসরি সূত্র প্রয়োগের ক্ষেত্রে এই উত্তরটি গ্রহণযোগ্য।)
75

একটি দ্রব্য ২৫% লাভে বিক্রয় করা হলে, বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ : ৪
  2. ৬ : ৪
  3. ৪ : ৫
  4. ৫ : ৬

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অনুপাতের প্রশ্নে সবসময় ক্রয়মূল্যকে ১০০% ধরে নিতে হবে।
২৫% লাভ হওয়ায়, বিক্রয়মূল্য (SP) হবে: ১০০% + ২৫% = ১২৫%
বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত নির্ণয় করতে বলা হয়েছে, অর্থাৎ (SP : CP) বের করতে হবে।
SP : CP = ১২৫ : ১০০
অনুপাতটিকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করার জন্য উভয়কে ২৫ দ্বারা ভাগ করলে আমরা পাই:
১২৫২৫:১০০২৫=<strong>:</strong>\frac{১২৫}{২৫} : \frac{১০০}{২৫} = <strong>৫ : ৪</strong>
সঠিক উত্তর হলো ৫ : ৪
76

৯২২০ জন সৈন্য হতে কমপক্ষে কতজন সৈন্য সরিয়ে রাখলে সৈন্যদলকে বর্গাকারে সাজানো যাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সৈন্যদলকে বর্গাকারে সাজানোর অর্থ হলো সৈন্যদের মোট সংখ্যাকে অবশ্যই একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা হতে হবে।
আমাদের কাছে মোট সৈন্য সংখ্যা হলো ৯২২০। এই সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ নয়। আমাদের জানতে হবে কত বিয়োগ করলে এটি পূর্ণবর্গ হবে।
এটি নির্ণয় করার জন্য আমাদের ৯২২০-এর বর্গমূল নির্ণয় করতে হবে। বর্গমূল করার সময় যে ভাগশেষ (Remainder) পাওয়া যায়, সেই ভাগশেষটিই হলো অতিরিক্ত সৈন্য সংখ্যা, যাদের সরিয়ে রাখলে বাকিরা বর্গাকারে সজ্জিত হবে।
ঐতিহ্যবাহী ভাগ পদ্ধতিতে ৯২২০ এর বর্গমূল নির্ণয় করলে দেখা যায়, বর্গমূলের মান হলো ৯৬ এবং ভাগশেষ থাকে
কারণ, 96×96=921696 \times 96 = 9216
সুতরাং, ৯২২০ থেকে ৪ জন সৈন্য সরিয়ে রাখলে ৯২১৬ জন থাকে, যা ৯৬ জনের একটি পূর্ণবর্গ সাজানোর জন্য যথেষ্ট।
সঠিক উত্তর:
77

একটি সরলরেখার ওপর লম্ব অঙ্কন করলে কয়টি সমকোণ পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ১টি
  4. ২টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

জ্যামিতির অত্যন্ত মৌলিক এই প্রশ্নটি প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
একটি সরলরেখা সর্বদা সরলকোণ (180180^\circ) তৈরি করে।
যখন কোনো রেখাংশ অন্য একটি সরলরেখার ওপর লম্বভাবে (9090^\circ) অবস্থান করে, তখন তা সেই 180180^\circ কোণটিকে দুটি সমান ভাগে ভাগ করে দেয়।
লম্ব (Perpendicular) আঁকা মানেই 9090^\circ কোণ তৈরি করা। তাই, সরলরেখার ওপর একটি লম্ব অঙ্কন করলে রেখার উভয় পাশে মোট দুটি (180÷90=2180^\circ \div 90^\circ = 2) সমকোণ পাওয়া যায়।
78

যদি (x-5) (a+x) = x2−25 হয়, তবে a-এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5
  2. 25
  3. -25
  4. -5

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমাদের বীজগণিতের মৌলিক সূত্র a2b2a^2 - b^2 ব্যবহার করতে হবে।
প্রথমে আমরা সমীকরণের ডান পক্ষকে (R.H.S) বিশ্লেষণ করব:
x225=x252x^2 - 25 = x^2 - 5^2
বীজগণিতের সূত্র (a2b2=(ab)(a+b)a^2 - b^2 = (a-b)(a+b)) অনুযায়ী পাই:
x252=(x5)(x+5)x^2 - 5^2 = (x-5)(x+5).
এখন প্রদত্ত সমীকরণটি দাঁড়ায়:
(x5)(a+x)=(x5)(x+5)(x-5)(a+x) = (x-5)(x+5).
উভয় পক্ষ থেকে (x5)(x-5) পদটি তুলনা বা বাদ দিলে আমরা পাই:
a+x=x+5a+x = x+5.
উভয় পক্ষ থেকে xx বাদ দিলে aa-এর মান পাওয়া যায়:
a=5a = 5.
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 5
79

লঞ্চ ও স্রোতের গতিবেগ যথাক্রমে ১৮ কি.মি. ও ৬ কি.মি। নদীপথে ৪৮ কি.মি. অতিক্রম করে পুনরায় ফিরে আসতে সময় লাগবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ ঘণ্টা
  2. ৮ ঘণ্টা
  3. ১০ ঘণ্টা
  4. ৫ ঘণ্টা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি নৌকা ও স্রোত সংক্রান্ত। মোট সময় বের করতে হলে আমাদের অনুকূলে (Downstream) যাওয়া এবং প্রতিকূলে (Upstream) ফিরে আসার সময় আলাদাভাবে যোগ করতে হবে।

১. অনুকূলে গতিবেগ (স্রোতের দিকে): লঞ্চের গতি + স্রোতের গতি = ১৮+=২৪১৮ + ৬ = ২৪ কি.মি./ঘণ্টা।

২. অনুকূলে যেতে সময়: দূরত্ব $\/$ গতিবেগ = $৪৮ \/ ২৪ = ২$ ঘণ্টা।

৩. প্রতিকূলে গতিবেগ (স্রোতের বিপরীতে): লঞ্চের গতি - স্রোতের গতি = ১৮=১২১৮ - ৬ = ১২ কি.মি./ঘণ্টা।

৪. প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময়: দূরত্ব $\/$ গতিবেগ = $৪৮ \/ ১২ = ৪$ ঘণ্টা।

৫. মোট সময়: অনুকূলে সময় + প্রতিকূলে সময় = +=<strong>৬ঘণ্টা</strong>২ + ৪ = <strong>৬ ঘণ্টা</strong>
80

যদি a+b=2,ab=1 হয়, তবে a ও b এর যথাক্রমে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1, 1
  2. –1, 3
  3. –3, –4
  4. 0, 2

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের একটি সহজ প্রশ্ন। এখানে দুটি শর্ত দেওয়া হয়েছে: a+b=2a+b=2 এবং ab=1ab=1। আমাদের aabb এর মান বের করতে হবে।
আমরা সরাসরি দেখতে পারি, যদি দুটি সংখ্যার যোগফল 2 এবং গুণফল 1 হয়, তবে সংখ্যা দুটি অবশ্যই 1 এবং 1 হবে (কারণ 1+1=21+1=2 এবং 1×1=11 \times 1=1)।
যদি সূত্রের মাধ্যমে সমাধান করতে চান, তবে প্রথমে aba-b এর মান বের করতে হবে:
আমরা জানি: (ab)2=(a+b)24ab(a-b)^2 = (a+b)^2 - 4ab
মান বসিয়ে পাই: (ab)2=(2)24(1)=44=0(a-b)^2 = (2)^2 - 4(1) = 4 - 4 = 0
যেহেতু (ab)2=0(a-b)^2 = 0, সুতরাং ab=0a-b = 0, যার অর্থ a=ba = b
এখন, প্রথম সমীকরণ a+b=2a+b=2a=ba=b বসালে:
a+a=2    2a=2    <strong>a=1</strong>a+a = 2 \implies 2a = 2 \implies <strong>a = 1</strong>।
যেহেতু a=ba=b, তাই b = 1। অতএব সঠিক উত্তরটি হলো: 1, 1
81

‘আকাশ কুসুম’ শব্দের অর্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অলীক ভাবনা
  2. অদ্ভূত জিনিস
  3. সুন্দর কল্পনা
  4. স্বপ্ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘আকাশ কুসুম’ শব্দের অর্থ ‘অলীক ভাবনা’ বা ‘অসম্ভব কল্পনা’।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা (Idiom) সংক্রান্ত।
‘আকাশ কুসুম’ বাগধারাটির আক্ষরিক অর্থ হলো— আকাশে ফোটা ফুল। যেহেতু বাস্তবে আকাশে ফুল ফোটা সম্ভব নয়, তাই এটি দ্বারা অসম্ভব বা অবাস্তব কল্পনাকে বোঝানো হয়।
সঠিক বিকল্প ‘অলীক ভাবনা’। ‘অলীক’ শব্দের অর্থ হলো মিথ্যা বা অবাস্তব। তাই ‘আকাশ কুসুম’ এবং ‘অলীক ভাবনা’ সমার্থক।
82

‘ক্ষমার যোগ্য’ এর বাক্য সংকোচন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্ষমা
  2. ক্ষমাপ্রার্থী
  3. ক্ষমার্হ
  4. ক্ষমাপ্রদ

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্ষমার্হ
বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ করার সময় দেখতে হয় মূল শব্দটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
‘ক্ষমার যোগ্য’ বলতে বোঝায় যা ক্ষমা পাওয়ার উপযুক্ত। বাংলা ব্যাকরণে, ‘যোগ্য’ বা ‘উপযুক্ত’ অর্থে সাধারণত শব্দের শেষে ‘অর্হ’ শব্দটি যুক্ত হয় (যেমন: পূজা + অর্হ = পূজার্হ)।
তাই, ক্ষমা পাওয়ার যোগ্যকে এককথায় বলা হয় ক্ষমার্হ
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে:
  • ক্ষমা: দোষ মার্জনা করা।
  • ক্ষমাপ্রার্থী: যে ক্ষমা চায়।
  • ক্ষমাপ্রদ: যে ক্ষমা দান করে বা দেয়।
83

‘গায়ক’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গৈ + য়ক
  2. গৈ + অক
  3. গা + অক
  4. গঃ + অক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এ, ঐ, ও, ঔ- কারের পরে এ, ঐ স্থানে যথাক্রমে অয় ও আয়, এবং ও, ঔ স্থানে যথাক্রমে অব ও আব হয়। যেমন: গায়ক = গৈ + অক; নায়ক = নৈ + অক; গবাদি = গো + আদি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

‘গায়ক’ শব্দটি স্বরসন্ধির একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ, যা অয়াদি সন্ধি নামে পরিচিত।
এই নিয়মে, ঐ-কারের পরে অন্য কোনো স্বরবর্ণ (যেমন অ, আ, ই ইত্যাদি) থাকলে ঐ-কার পরিবর্তিত হয়ে ‘আয়’-এ পরিণত হয়।
এখানে, গৈ + অক = (গ্ + ঐ) + অক। যেহেতু ‘ঐ’ এর পরে ‘অ’ আছে, তাই ‘ঐ’ = ‘আয়’ হয়।
সুতরাং, গ্ + আয় + অক = গায়ক। এটি সন্ধি বিচ্ছেদের একটি মৌলিক নিয়ম যা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
84

যে সমাসে পূর্ব পদের বিভক্তির লোপ হয় না তাকে বলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিত্য সমাস
  2. প্রাদি সমাস
  3. দ্বন্দ্ব সমাস
  4. অলুক সমাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অলুক সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় না। যেমন : গায়ে পড়া, কলে ছাঁটা, মনের মানুষ, কলের গান প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো অলুক সমাস
সাধারণত, সমাস নিষ্পন্ন হওয়ার সময় পূর্বপদের বিভক্তি (যেমন: এ, তে, র, এর ইত্যাদি) লোপ পায়। কিন্তু অলুক সমাস-এ পূর্বপদের বিভক্তি সমস্ত পদে অক্ষুণ্ণ থাকে বা লোপ পায় না (অ-লুক)।
যেমন: গায়ে পড়া (৬ষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস) -> গায়ে পড়া। এখানে 'এ' বিভক্তিটি লোপ পায়নি।
অন্যান্য সমাস (যেমন কর্মধারয়, সাধারণ তৎপুরুষ) এ বিভক্তির লোপ ঘটে, তাই তারা উত্তর নয়।
85

কোনটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কলে ছাঁটা
  2. মাথায় ছাতা
  3. গায়ে হলুদ
  4. হাতে কলমে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কলে ছাঁটা এর ব্যাসবাক্য ‘কলে ছাঁটা’ ই হবে। এখানে বিভক্তি লোপ না হওয়াতে এটি অলুক তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কলে ছাঁটা
তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত পূর্বপদের (প্রথম পদ) বিভক্তি (যেমন: কে, রে, এ, তে, র) লোপ পায়। কিন্তু যে তৎপুরুষ সমাসে এই বিভক্তি লোপ পায় না, তাকেই অলুক তৎপুরুষ সমাস বলে।
এখানে, ‘কলে ছাঁটা’ এর ব্যাসবাক্য হলো ‘কলে ছাঁটা’। এই ক্ষেত্রে ‘কলে’ শব্দে থাকা সপ্তমী বিভক্তি ‘এ’ (কল + এ) সমাস নিষ্পন্ন হওয়ার পরেও অক্ষুণ্ণ আছে। তাই এটি অলুক তৎপুরুষ সমাস।
অন্যদিকে, ‘গায়ে হলুদ’ দেখে অনেকেই ভুল করতে পারেন। এটি অলুক বহুব্রীহি সমাস (যে অনুষ্ঠানে গায়ে হলুদ দেওয়া হয়), কারণ এখানে অন্য একটি অর্থ (অনুষ্ঠান) প্রাধান্য পায়।
86

‘ঔদ্ধত্য’ এর বিপরীত শব্দ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্তব্ধ
  2. বিনয়
  3. গম্ভীর
  4. মাথা নত না করা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ঔদ্ধত্য’ শব্দের অর্থ বোঝায় → অবিনয়, ধৃষ্টতা, অশিষ্টতা। তাই এর বিপরীত শব্দ হবে- বিনয়।

ব্যাখ্যা

‘ঔদ্ধত্য’ শব্দের মূল অর্থ হলো অবিনয়, ধৃষ্টতা বা অহংকার। এটি এমন একটি আচরণ, যেখানে কেউ সীমা লঙ্ঘন করে এবং অশিষ্টতা দেখায়।

এর ঠিক বিপরীত ভাবটি হলো নম্রতা, শালীনতা বা ভদ্রতা।

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ‘বিনয়’ (Modesty/Humility) শব্দটিই নম্রতা ও ভদ্রতার প্রকাশ করে। তাই ‘ঔদ্ধত্য’-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো বিনয়

অন্য অপশনগুলো: স্তব্ধ (নীরব), গম্ভীর (গুরুত্বপূর্ণ/শান্ত) এবং মাথা নত না করা (উদ্ধত্যের কাছাকাছি অর্থ বহন করে, বিপরীত নয়)।
87

‘পর্বত’ এর সমার্থক শব্দ নয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাহাড়
  2. গিরি
  3. শিলা
  4. শৈল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পর্বত এর সমার্থক শব্দ → গিরি, শৈল, পাহাড়, ভূধর, মহীধর, অচল প্রভৃতি। শিলা অর্থ পাথর, পাষাণ, শিল, উপল প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি ‘পর্বত’ শব্দের সমার্থক শব্দ নয় কোনটি, তা জানতে চেয়েছে।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ‘পর্বত’ শব্দের অর্থ পাহাড়। এর সমার্থক শব্দগুলো হলো: গিরি, শৈল, পাহাড়, ভূধর, মহীধর, অচল প্রভৃতি।
অন্যদিকে, ‘শিলা’ শব্দের অর্থ হলো পাথর, পাষাণ, উপল বা প্রস্তর। এটি পর্বতের সমার্থক শব্দ নয়, বরং এটি পর্বতের অংশ বা ভিন্ন অর্থ বহন করে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো শিলা
88

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? তোমার গায়ে নখের আঁচড়ও লাগবে না । 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্মে শূন্য
  2. অপাদানে ৬ষ্ঠী
  3. করণে ৫মী
  4. করণে ৬ষ্ঠী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো করণে ৬ষ্ঠী
কারক নির্ণয়: ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার যন্ত্র, উপায় বা মাধ্যমকে করণ কারক বলে। এখানে ‘নখের’ শব্দটি দ্বারা আঁচড় লাগার মাধ্যম বা উপকরণ বোঝানো হয়েছে (অর্থাৎ নখের দ্বারা আঁচড়), তাই এটি করণ কারক
বিভক্তি নির্ণয়: ‘নখ’ শব্দের সঙ্গে ‘এর’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘নখের’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ‘র’ বা ‘এর’ হলো ৬ষ্ঠী বিভক্তি-র চিহ্ন।
সুতরাং, এটি করণ কারকে ৬ষ্ঠী বিভক্তি
89

নিচের বাক্যে নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি? কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে। 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্মে শূন্য
  2. করণে ৩য়া
  3. অধিকরণে শূন্য
  4. কর্মে ২য়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘কপোল’ এখানে কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি কারণ ক্রিয়াকে ‘কী’ দিয়ে প্রশ্ন করলে এর উত্তরে কপোল পাওয়া যায়। কপোল অর্থ গাল বা গণ্ড।

ব্যাখ্যা

বাক্যটি হলো: 'কপোল ভাসিয়া গেল নয়নের জলে।'
এখানে ক্রিয়া হলো 'ভাসিয়া গেল'। এই ক্রিয়াকে যদি আমরা 'কী' দিয়ে প্রশ্ন করি, তাহলে উত্তর আসে 'কপোল' (গাল)।
ক্রিয়াকে 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, তা কর্ম কারক হয়। সুতরাং, 'কপোল' শব্দটি কর্ম কারক।
যেহেতু 'কপোল' শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: -কে, -রে, -এ, -য়) যুক্ত নেই, তাই এটি শূন্য বা অ-বিভক্তি
সঠিক উত্তর: কর্ম কারকে শূন্য বিভক্তি
90

কোনটি শুদ্ধ বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দধিচী
  2. দধীচি
  3. দধিচি
  4. দধীচী

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো: দধীচি (অপশন খ)।
দধীচি হলেন একজন পৌরাণিক ঋষির নাম। এই বানানের ক্ষেত্রে মাঝখানে দীর্ঘ-ঈ-কার (ধী) এবং শেষে হ্রস্ব-ই-কার (চি) ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: দধিচী বা দধীচী) ভুল, কারণ সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে বানান নির্ধারণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করতে হয়। 'দধীচি' শব্দটি এই নিয়মের ব্যতিক্রম নয় এবং এর বানানে প্রথম 'ধ'-তে ঈ-কার এবং দ্বিতীয় 'চ'-তে ই-কার বসে।
91

কোনটি শুদ্ধ বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষান্মাষিক
  2. ষাণ্মাসিক
  3. ষান্মাসিক
  4. সান্মাসিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শুদ্ধ বানান- ষাণ্মাসিক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ষাণ্মাসিক
এই শব্দটি এসেছে ষট্ + মাস শব্দযোগে, যার অর্থ হলো ছয় মাস অন্তর।
সন্ধির নিয়মানুসারে, ট-বর্গীয় বর্ণের সাথে মাস যুক্ত হলে ণ-ত্ব বিধান অনুযায়ী 'ন' পরিবর্তন হয়ে 'ণ' হয়। তাই সঠিক বানানটি হলো ষাণ্মাসিক (ষাণ + মাস + ইক = ষাণ্মাসিক)।
অন্য বানানগুলোতে 'ণ' এর জায়গায় 'ন' অথবা 'ষ' এর জায়গায় 'স' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
92

‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বর্ণকুমারী দেবী
  2. জরাসন্ধ
  3. রশীদ করিম
  4. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘জরাসন্ধ’ ‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন। জরাসন্ধ চারুচন্দ্র চক্রবর্তীর ছদ্মনাম। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হচ্ছে-তামসী, মসীরেখা, একুশ বছর, পরশমনি প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জরাসন্ধ
‘ন্যায়দণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন সাহিত্যিক জরাসন্ধ। এই উপন্যাসটিতে তিনি অপরাধ ও বিচার ব্যবস্থার চিত্র গভীর ও বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন।
মনে রাখবেন, জরাসন্ধ হলো সাহিত্যিক চারুচন্দ্র চক্রবর্তী-এর ছদ্মনাম। ছদ্মনাম সম্পর্কিত প্রশ্ন প্রাইমারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
93

‘মায়াবী প্রহর’ নাটকটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেলিম আল দীন
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. আলাউদ্দিন আল আজাদ
  4. আব্দুল্লাহ আল মামুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ফেব্রুয়ারি কেন্দ্রিক কবিতা ‘স্মৃতির মিনার’ এর লেখক আলাউদ্দিন আল আজাদ ছিলেন ভাষাসৈনিক। তাঁর উল্লেখযোগ্য নাটক : মায়াবী প্রহর, ধন্যবাদ, নরকে লাল গোলাপ, সংবাদ শেষাংশ, হিজল কাঠের নৌকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আলাউদ্দিন আল আজাদ
‘মায়াবী প্রহর’ হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও ভাষাসৈনিক আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি উল্লেখযোগ্য নাটক।
তাঁর সাহিত্যে সমাজ, রাজনীতি এবং ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট প্রায়শই প্রতিফলিত হয়েছে। এই নাটকটিও তাঁর বাস্তব জীবনবোধের পরিচায়ক।
94

‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্হটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাযহারুল ইসলাম
  2. রফিকুল আজাদ
  3. হুমায়ুন কবির
  4. জাহানারা ইমাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মাযহারুল ইসলাম- এর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্হ ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’। তিনি ১৯২৫ সালে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লোকসংস্কৃতির গবেষক হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। তিনি বাংলা একাডেমির প্রথম মহাপরিচালক ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাযহারুল ইসলাম। ‘বিচ্ছিন্ন প্রতিলিপি’ কাব্যগ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রথিতযশা কবি ও গবেষক মাযহারুল ইসলাম-এর রচনা।
তিনি একাধারে কবি, প্রবন্ধকার এবং লোকসংস্কৃতির গবেষক হিসেবে সুপরিচিত।
এই কাব্যগ্রন্থটি মুখস্থ রাখার কারণ হলো, মাযহারুল ইসলাম বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
95

He said to me, “Which book do you want?” বাক্যের indirect speech হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He said to me which book I wanted
  2. He asked me which book I wanted.
  3. He asked to me which book I wanted.
  4. He said to me which book I have wanted.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Interrogative Sentence –এর ক্ষেত্রে প্রশ্নবোধক বাক্য থাকলে said-এর পরিবর্তে asked বসে, কিন্তু asked এর পরে to বসে না। Which অপরিবর্তিত থাকে এবং Tense –এর corresponding form হয়।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি একটি Interrogative Sentence (প্রশ্নবোধক বাক্য) এবং এটি Narration পরিবর্তনের একটি মৌলিক নিয়ম।
১. Reporting Verb পরিবর্তন: প্রশ্নবোধক বাক্যের ক্ষেত্রে said to এর পরিবর্তে সর্বদা asked বসে। (তাই অপশন ০ ও ৪ ভুল)।
২. 'to' বর্জন: asked এর পরে সরাসরি Object (me) বসে, to বসে না। (তাই অপশন ৩ ভুল: He asked to me)।
৩. Conjunction ব্যবহার: Reported speech টি Which (Wh-word) দিয়ে শুরু হওয়ায়, এই Wh-word টিই Conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
৪. Tense পরিবর্তন: Direct Speech-এ Present Indefinite Tense ("do you want") আছে, যা Indirect Speech-এ Past Indefinite Tense-এ পরিবর্তিত হবে ("I wanted")।
৫. বাক্যটি প্রশ্নবোধক থেকে Assertive (বিবৃতিমূলক) বাক্যে পরিণত হয় এবং শেষে পূর্ণচ্ছেদ বসে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: He asked me which book I wanted.
96

‘Bitter’ শব্দটির verb হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Bitterness
  2. Bitter
  3. Bitterify
  4. Embitter

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Bitter (adjective)– তিক্ত; bitterness (noun)– তিক্ততা; bitter (noun)– তিক্ত; embitter (verb) তিক্ত বা বিরক্ত করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Embitter
‘Bitter’ শব্দটি মূলত একটি Adjective (বিশেষণ), যার অর্থ তিক্ত বা তেতো। শব্দটির Noun রূপ হলো Bitterness (তিক্ততা)।
কোনো Adjective বা Noun কে Verb (ক্রিয়া) এ পরিবর্তন করার জন্য যখন Prefix (উপসর্গ) ব্যবহার করা হয়, তখন 'en-' অথবা 'em-' যোগ করা হয়।
এখানে, Bitter-এর সাথে 'em' যোগ হয়ে Embitter শব্দটি তৈরি হয়েছে, যার অর্থ হলো – তিক্ততা সৃষ্টি করা বা বিরক্ত করা
97

‘Destroy’ শব্দটির noun হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Destruction
  2. Damage
  3. Harm
  4. Affect

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

destroy (Verb)– নষ্ট করা, ধ্বংশ করা, বিনাশ করা; destruction (Noun)– ধ্বংস, বিনাশ, ক্ষয়, ধ্বংসকরণ, প্রধ্বংস, সর্বনাশ; damage (Verb) ক্ষতি, লোকসান; affect (Verb) পরিবর্তন সাধন করা।

ব্যাখ্যা

‘Destroy’ শব্দটির অর্থ হলো ধ্বংস করা, যা একটি Verb (ক্রিয়া)।
Verb থেকে Noun-এ রূপান্তরের নিয়ম অনুযায়ী, ‘Destroy’-এর সঠিক Noun ফর্ম হলো ‘Destruction’ (ধ্বংস বা বিনাশ)।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, Damage (ক্ষতি), Harm (ক্ষতি) হলো ভিন্ন Noun/Verb এবং Affect হলো Verb (প্রভাবিত করা)।
98

‘I shall adhere ––– my plan’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to
  2. in
  3. for
  4. with

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Adhere to- কোনো কিছুতে স্থির থাকা; Adherence– বিশ্বস্ততা, আনুগত্য।

ব্যাখ্যা

এটি Fixed Preposition বা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে চলা প্রিপজিশনের উদাহরণ।
‘Adhere’ শব্দের অর্থ হলো কোনো নীতি, পরিকল্পনা বা নিয়মের প্রতি দৃঢ় থাকা বা অটল থাকা
ইংরেজিতে Adhere ভার্বটির পরে সবসময় ‘to’ প্রিপজিশনটি বসে। এটি একটি বাঁধাধরা নিয়ম।
তাই, ‘I shall adhere to my plan’ – এই বাক্যের মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে, 'আমি আমার পরিকল্পনায় অটল থাকব'।
99

‘Your conduct admits –––– no excuse’ বাক্যের শূন্যস্থানে সঠিক শব্দ বসবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. for
  2. at
  3. of
  4. form

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Admit –প্রবেশ করতে দেওয়া, ভিতরে আসতে দেওয়া, ভর্তি করা। Admit শব্দটি যদি কোন স্বীকারোক্তির বেলায় কোন সন্দেহ নেই বা সন্দেহের অবকাশ নেই বোঝায় তবে এর সাথে ‘of ’ Preposition ব্যবহৃত হবে। আর যদি স্বীকার করা/ কবুল করা বুঝায় তবে সে সেক্ষেত্রে এর সাথে ‘to’ preposition ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ‘of’। এটি একটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়) এর উদাহরণ।
Admit of: যখন 'Admit' শব্দটি 'কোনো অবকাশ থাকা' বা 'সন্দেহের স্থান থাকা' (to allow for the possibility of) অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এর সাথে 'of' Preposition ব্যবহৃত হয়।
এখানে বাক্যটি ('Your conduct admits of no excuse') দ্বারা বোঝানো হচ্ছে যে – তোমার আচরণ কোনো অজুহাতের অবকাশ রাখে না বা তোমার আচরণের কোনো ক্ষমা নেই।
100

‘Beggar description’ Phrase টির অর্থ হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Miser
  2. Undescribable
  3. Very poor
  4. Inefficient

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Beggar description – অবর্ণনীয়; Miser – কৃপণ; Undescribable – অবর্ণনীয়; Inefficient – অপূর্ণ, অযোগ্য, অপটু।

ব্যাখ্যা

Beggar description (বেগার ডেস্ক্রিপশন) একটি গুরুত্বপূর্ণ Phrase যার অর্থ হলো— কোনো কিছুকে বর্ণনা করার জন্য উপযুক্ত শব্দ খুঁজে না পাওয়া বা যা বর্ণনা করা যায় না।
সহজ কথায়, এর অর্থ অবর্ণনীয় (Indescribable).
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Undescribable (যা বর্ণনা করার অযোগ্য) হলো এর সঠিক প্রতিশব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: Miser (কৃপণ), Very poor (খুব দরিদ্র) এবং Inefficient (অদক্ষ) এই Phrase টির অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
101

‘Viva-voce’ শব্দটির অর্থ হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Orally
  2. Face to face
  3. Interview
  4. Written

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Viva-voce-একটি ল্যাটিন Phrase. যার অর্থ Orally; Orally (adverb)– মুখে মুখে, মৌখিকভাবে, মুখ দিয়ে; Face to face (adverb) মুখামুখি; Interview (Noun) – (আলোচনার জন্য) বিভিন্ন লোকের সাক্ষাৎকার।

ব্যাখ্যা

'Viva-voce' শব্দটি একটি ল্যাটিন (Latin) Phrase
এই শব্দগুচ্ছটির আক্ষরিক অর্থ হলো ‘by living voice’ বা ‘by word of mouth’ (জীবন্ত কণ্ঠস্বর বা মুখের কথা দ্বারা)।
সাধারণত, কোনো পরীক্ষা বা আলোচনা যখন মুখে মুখে বা মৌখিকভাবে সম্পন্ন হয়, তখন তাকে 'Viva-voce' বলা হয়।
তাই এর সঠিক অর্থ হলো Orally (মৌখিকভাবে)।
অন্যান্য অপশনগুলো (Face to face, Interview, Written) ভিন্ন অর্থ বহন করে।
102

‘Natural’ শব্দটির Antonym হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Inherent
  2. Original
  3. Kingdom
  4. Abnormal

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Natural – স্বাভাবিক; Inherent – অন্তঃস্থিত; Original – প্রকৃত; Kingdom– রাজত্ব; Abnormal– অস্বাভাবিক।

ব্যাখ্যা

Antonym (অ্যান্টনিম) অর্থ হলো বিপরীত শব্দ।
‘Natural’ শব্দটির অর্থ হলো স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক
অপশনগুলোর মধ্যে ‘Abnormal’ শব্দের অর্থ হলো অস্বাভাবিক
সুতরাং, Natural-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হচ্ছে Abnormal
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: Inherent (অন্তঃস্থিত), Original (প্রকৃত), Kingdom (রাজত্ব)—এগুলো Natural-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
103

‘Encounter’ শব্দটির Synonym হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Concord
  2. Harmony
  3. Battle
  4. Part

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Encounter– হঠাৎ সাক্ষাৎ পাওয়া, লড়াই, বাধার মুখোমুখি হওয়া; Concord – অন্বয়, ঐক্য, মিলন, বনাবনি, বনিবনাত্ত; Harmony– সাদৃশ্য, সঙ্গতি, ঐকতান, মিল, সমন্বয়, মিশ; Battle– যুদ্ধ করা, কঠোর প্রচেষ্টা করা; Part – অংশ, ভাগ, পর্ব, অঙ্গ, পক্ষ, খণ্ড, কিছু অংশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Battle
Encounter শব্দটির অর্থ হলো 'হঠাৎ মুখোমুখি হওয়া', 'সংঘাত' বা 'লড়াই'।
অন্যদিকে, Battle শব্দের অর্থ 'যুদ্ধ', 'লড়াই' বা 'সংগ্রাম'। অর্থের এই মিলের কারণে এটিই সঠিক প্রতিশব্দ (Synonym)।
বাকি অপশনগুলো হলো:
ConcordHarmony: উভয়ের অর্থ 'ঐক্য', 'মিলন' বা 'শান্তি', যা 'Encounter'-এর বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym)।
Part: এর অর্থ হলো 'অংশ' বা 'ভাগ', যা সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে।
104

নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Embarrasment
  2. Embarrassment
  3. Embarassment
  4. Embarasment

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Embarrassment –বিমূঢ়তা, বিহ্বলতা, মানসিক বিহ্বলতা, থতমত, বিব্রত অবস্থা।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো Embarrassment
এটি একটি বহুল প্রচলিত ভুল বানান। এর সঠিক রূপ মনে রাখার জন্য সর্বদা মনে রাখতে হবে যে, এই শব্দটিতে দুটি 'R' এবং দুটি 'S' ব্যবহৃত হয়।
Embarrassment শব্দের অর্থ হলো: বিব্রত অবস্থা, বিহ্বলতা বা থতমত লাগা।
অন্যান্য বিকল্পগুলোতে (যেমন Embarasment, Embarassment) হয় একটি 'r' বা একটি 's' বাদ দেওয়া হয়েছে, তাই সেগুলো ভুল।
105

নিচের কোনটি শুদ্ধ বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Addultration
  2. Adultration
  3. Addulteration
  4. Adulteration

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Adulteration– অপমিশ্রণ করণ।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নের সঠিক বানানটি হলো Adulteration। যার বাংলা অর্থ হলো ভেজাল মেশানো বা অপমিশ্রণ করণ।
ইংরেজি বানান (Spelling) এর ক্ষেত্রে কিছু নির্দিষ্ট অংশ মনে রাখা জরুরি। Adulteration বানানটিতে লক্ষ্য রাখতে হবে যেন 'd' অক্ষরটি ডাবল (dd) না হয়। এটি হলো A-d-u-l-t-e-r-a-t-i-o-n
এখানে অপশন (0) Addultration, অপশন (1) Adultration এবং অপশন (2) Addulteration - এগুলি ভুল বানানের উদাহরণ।
106

‘Do away with it’ বাক্যের passive form হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Let it be done away with
  2. Let it has done away with it
  3. Let it is to be done away with
  4. Let is has to do away with

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Imperative sentence কে Passive করতে হলে: Let বসে + Object + be + verb এর past participle + বাকি অংশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (A) Let it be done away with
এটি একটি Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) এবং এর Active Voice-এ Object রয়েছে ('it')।
Imperative Sentence-কে Passive করার সাধারণ নিয়মটি হলো:
Let + Object (Subject) + be + Verb এর Past Participle (V3) + বাকি অংশ।
এখানে, Active Voice: Do away with (Verb) it (Object).
Passive Voice: Let + it + be + done away with
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সেগুলোতে Passive Voice-এর মূল কাঠামো (Let + Object + be + V3) অনুসরণ করা হয়নি। যেমন: 'has done' বা 'is to be done' ব্যবহারের কারণে বাক্যটি ভুল হয়েছে।
107

‘All his pupils like him’ বাক্যের passive form হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He was liked by all his pupils
  2. He is like by all his pupils.
  3. He is liked by all his pupils.
  4. He is being liked by all his pupils.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এটি Present Indefinite tense এর voice পরিবর্তিত হয়ে Object –কে Subject + am/is/are + V-এর Past Participle + Preposition (by/with/at….) + Subject –কে Object.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো He is liked by all his pupils. (অপশন ৩)।
প্রদত্ত Active Voice বাক্যটি (‘All his pupils like him’) Present Indefinite Tense-এ রয়েছে। কারণ এখানে মূল Verb-এর (like) Present form ব্যবহার করা হয়েছে।
Present Indefinite Tense-এর Passive Voice করার নিয়ম হলো:
Object (যা Subject হয়) + am/is/are + Verb-এর Past Participle (V3) + by + Subject (যা Object হয়)
এখানে: Object (him) \rightarrow Subject (He)। 'He'-এর পর সাহায্যকারী ক্রিয়া বসে is। মূল ক্রিয়া 'like'-এর V3 ফর্ম হলো liked
তাই সঠিক Passive Form হবে: He is liked by all his pupils.
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: অপশন ১ (was liked) হলো Past Tense এর গঠন। অপশন ৪ (is being liked) হলো Present Continuous Tense এর গঠন।
108

নিচের কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Hasan has choosed the right path.
  2. Hasan has chosen the right path.
  3. Hasan has chose the right path.
  4. Hasan has choseing the right path.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Has এর পরে verb এর Past Participle হয়। Choose এর Past participle হলো chosen.

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি Present Perfect Tense-এর উদাহরণ। Present Perfect Tense-এর গঠন হলো: Subject + have/has + Main Verb-এর Past Participle (V3)
এখানে Subject (Hasan) তৃতীয় পুরুষ একবচন হওয়ায় 'has' ব্যবহৃত হয়েছে। Has-এর পরে মূল verb 'choose'-এর Past Participle রূপ 'chosen' বসবে।
সঠিক বাক্যটি হলো: Hasan has chosen the right path.
অন্যান্য অপশনগুলোতে V3 (chosen)-এর পরিবর্তে ভুল V3 (choosed), V2 (chose), অথবা V1+ing (choseing) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
109

নিচের কোনটি শুদ্ধ বাক্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. I saw the bird sit down on the roof.
  2. I saw the bird sat on the roof.
  3. I saw the bird sits on the roof.
  4. I saw the bird sitting on the roof.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

একটি বাক্যের দুটি মূল verb থাকলে ২য় verb – টির (ing) form হয়। বাক্যে ‘see’ এবং ‘sit’ দুটি মূল ‘verb’ থাকায় ২য় verb টির ‘ing’ form sitting হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: I saw the bird sitting on the roof. (অপশন D)।
এটি মূলত Right Form of Verbs-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। যখন বাক্যে 'see', 'hear', 'watch', 'feel' ইত্যাদি Verbs of Perception (প্রত্যক্ষণের ক্রিয়া) থাকে, এবং তারপরে একটি Object আসে, তখন পরবর্তী মূল Verb-টির হয় V1 (Base form/Bare Infinitive), অথবা V+ing (Present Participle) হয়।
যদি কাজটির ধারাবাহিকতা বা চলমান অবস্থা বোঝানো হয়, তবে Present Participle (V+ing) ব্যবহৃত হয়। এখানে, পাখিটিকে বসার অবস্থায় দেখা বোঝানো হয়েছে, তাই sitting শুদ্ধ।
অন্যান্য অপশনগুলো (sat/sits) ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ Verbs of Perception এর পরে Past form বা Simple Present form সরাসরি বসে না।
110

স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৫ মার্চ
  2. ২৩ মার্চ
  3. ১০ মার্চ
  4. ২ মার্চ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন তৎকালীন ডাকসু ভিপি আ স ম আব্দুর রব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে। বাংলাদেশের বাইরে সর্বপ্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয় ১৮ এপ্রিল, ১৯৭১ কলকাতাস্থ পাকিস্তানের ডেপুটি হাইকমিশনে। উত্তোলন করেন হাইকমিশনের প্রধান এম হোসেন আলী।

ব্যাখ্যা

স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয় ১৯৭১ সালের ২ মার্চ। এটি ছিল মূলত অসহযোগ আন্দোলনের প্রথম ধাপ এবং স্বাধীনতার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতীকী পদক্ষেপ।
তৎকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি আ স ম আব্দুর রব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে এটি উত্তোলন করেন।
111

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1952
  2. 1953
  3. 1954
  4. 1955

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয়। স্যাডলার কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী ৬ জুলাই ১৯৫৩ সালে বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়তন ৭৫৩ একর। প্রথম উপাচার্য ছিলেন প্রফেসর ডক্টর ইতরাত হোসেন জুবেরী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৫৩ সাল। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম বিশ্ববিদ্যালয় এবং এটি ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে স্যাডলার কমিশনের (Sadler Commission) সুপারিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল।
112

‘বীরশ্রেষ্ঠ’ পদকপ্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাত
  2. আট
  3. পাঁচ
  4. ছয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বীরত্ব খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সরকার ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ খেতাব প্রদান করে। ৩ জন সেনাবাহিনী, ২ জন ইপিআর বা বিজিবি, ১ জন নৌবাহিনী ও ১ জন বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সাত (৭)
বীরশ্রেষ্ঠ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক বীরত্ব খেতাব। এটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগের জন্য প্রদান করা হয়।
মোট ৭ (সাত) জন মুক্তিযোদ্ধাকে মরণোত্তর এই খেতাবে ভূষিত করা হয়।
এই ৭ জনের মধ্যে ৩ জন সেনাবাহিনী, ২ জন ইপিআর/বিজিবি, ১ জন নৌবাহিনী ও ১ জন বিমানবাহিনীর সদস্য ছিলেন।
113

জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুর রহমান
  2. তানভির কবির
  3. মাযহারুল ইসলাম
  4. মাইনুল হোসেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তীয় স্মৃতিসৌধ বা সম্মিলিত প্রয়াস ঢাকার সাভার উপজেলার নবীনগরে অবস্থিত। স্মৃতিসৌধ আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হয়, ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ সালে। উচ্চতা ১৫০ ফুট বা ৪৫.৭২ মিটার, ফলকের সংখ্যা ৭টি। জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন।

ব্যাখ্যা

জাতীয় স্মৃতিসৌধ বা সম্মিলিত প্রয়াস হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে নির্মিত বাংলাদেশের জাতীয় স্মারক। এর স্থপতি হলেন সৈয়দ মাইনুল হোসেন (অপশন D)।
এটি ঢাকার সাভারের নবীনগরে অবস্থিত এবং আনুষ্ঠানিকভাবে ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার স্থপতি:
হামিদুর রহমান: তিনি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি। (প্রায়শই এই দুটি প্রশ্ন গুলিয়ে ফেলা হয়।)
মাযহারুল ইসলাম: তিনি জাতীয় আর্কাইভস ও জাতীয় গ্রন্থাগারের নকশা করেছেন।
114

বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেটের ভূমি
  2. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  3. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত। এই বনভূমি গাজীপুর, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলায় বিস্তৃত। এই ক্রান্তীয় আর্দ্র পাতাঝরা বনে শাল, শিমুল, অর্জুন, কড়ই, গজারি, বহেরা প্রভৃতি গাছ পাওয়া যায়। এর আয়তন ৪১০৩ বর্গ কিলোমিটার। সমভূমি থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
এই বনভূমিটি হলো বাংলাদেশের ক্রান্তীয় আর্দ্র পাতাঝরা বনাঞ্চল (Tropical Moist Deciduous Forest)। এই বনের প্রধান বৃক্ষ বা বৃক্ষরাজ হলো শাল বা গজারি। তাই এই বনাঞ্চলকে শালবনও বলা হয়।
ভাওয়াল ও মধুপুরের বনাঞ্চল মূলত গাজীপুর, টাঙ্গাইল, ঢাকা ও ময়মনসিংহ জেলার অংশবিশেষ জুড়ে বিস্তৃত।
অন্যদিকে, খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি হলো ম্যানগ্রোভ বা সুন্দরবন, যা প্রধানত সুন্দরী গাছের জন্য বিখ্যাত।
115

বাংলাদেশে উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাণীগঞ্জে
  2. বিজয়পুরে
  3. জামালগঞ্জে
  4. জাকিগঞ্জে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দেশের সর্বপ্রথম কয়লাখনি আবিষ্কৃত হয় ১৯৬২ সালে জয়পুরহাটের জামালগঞ্জে। এখানে উন্নতমানের কয়লা পাওয়া যায়। এই খনির স্তরের গভীরতা ৬৪০-১১৫৮ মিটার। কয়লা মজুদের পরিমাণ ১০৫৩ মিলিয়ন টন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জামালগঞ্জে
বাংলাদেশে আবিষ্কৃত খনিগুলোর মধ্যে সর্বপ্রথম এবং উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া যায় জয়পুরহাটের জামালগঞ্জ কয়লাখনির। এই খনিটি ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয়।
এই কয়লাখনিটিতে মজুদের পরিমাণ ১০৫৩ মিলিয়ন টন (ধারণা করা হয়)।
রাণীগঞ্জ মূলত পশ্চিমবঙ্গের একটি কয়লাখনি এলাকা, বাংলাদেশের নয়।
116

কর্ণফুলি নদীর উৎস ভারতের কোন রাজ্যে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ত্রিপুরা
  2. মণিপুর
  3. মেঘালয়
  4. মিজোরাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের সবচেয়ে খরস্রোতা নদী কর্ণফুলি। কর্ণফুলি ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় হতে উৎপন্ন হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে। দেশের একমাত্র পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্ণফুলি নদীর উপর অবস্থিত। কর্ণফুলি নদীর দৈর্ঘ্য ১৬০ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিজোরাম। কর্ণফুলি বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং সর্বাধিক খরস্রোতা নদী। এর উৎসটি ভারতে অবস্থিত।
ভারতের মিজোরাম রাজ্যের লুসাই পাহাড় (Lushai Hills) থেকে উৎপন্ন হয়ে কর্ণফুলি নদী দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়ে চট্টগ্রাম শহরের কাছে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
এই নদীটির উপর দেশের একমাত্র কাপ্তাই পানিবিদ্যুৎ কেন্দ্র (Hydroelectric Power Station) স্থাপিত হওয়ায় এর গুরুত্ব অপরিসীম।
117

‘লীগ অব নেশনস’ কোন সালে বিলুপ্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪১ সালে
  2. ১৯৩৯ সালে
  3. ১৯৪৪ সালে
  4. ১৯৪৬ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

লীগ অব নেশনস বা জাতিপুঞ্জ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে। সদর দপ্তর ছিল সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। জাতিপুঞ্জ গঠনের প্রস্তাবক ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন। ২০ এপ্রিল, ১৯৪৬ জাতিপুঞ্জ বিলুপ্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৬ সালে
জাতিপুঞ্জ বা লীগ অব নেশনস (League of Nations) প্রথম বিশ্বযুদ্ধ (১৯১৪-১৯১৮) সমাপ্তির পর ১৯১৯ সালে গঠিত হয়। এর প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বশান্তি বজায় রাখা।
কিন্তু ১৯৩৯ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলে এটির ব্যর্থতা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
ফলস্বরূপ, যুদ্ধ শেষ হওয়ার অব্যবহিত পরে ১৯৪৬ সালের ২০ এপ্রিল এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়। এর স্থলাভিষিক্ত হয় বর্তমানে কার্যকর জাতিসংঘ (UN)
118

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোকিও
  2. ব্যাংকক
  3. সিঙ্গাপুর
  4. ম্যানিলা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Asian Development Bank (ADB) প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট ১৯৬৬ সালে। ADB-এর সদর দপ্তর ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত। ADB-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৬৮টি। ADB আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯ ডিসেম্বর ১৯৬৬ সালে। এর বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসাতসুগু আসাকাওয়া।

ব্যাখ্যা

এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (ADB) হলো এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্য দূরীকরণের লক্ষ্য নিয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন ব্যাংক।
এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলায় অবস্থিত।
আন্তর্জাতিক বা আঞ্চলিক সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর মনে রাখা প্রাইমারি শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ।
119

আমেরিকার স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1774
  2. 1775
  3. 1776
  4. 1777

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই ১৩টি উপনিবেশ যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করে। ১৭৮৩ সালের ৩ সেপ্টেম্বর ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের ভার্সাই প্রাসাদে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দিয়ে যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে প্যারিস শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তিটি প্রথম ভার্সাই নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৭৭৬ সাল।
১৭৭৬ সালের ৪ জুলাই আমেরিকান স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Declaration of Independence) জারি করা হয়। এই ঘোষণার মাধ্যমে ১৩টি ব্রিটিশ উপনিবেশ আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেট ব্রিটেন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় এবং স্বাধীন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে।
আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৭৭৫ সালে এবং শেষ হয় ১৭৮৩ সালে প্যারিস শান্তি চুক্তির মাধ্যমে।
120

‘হামাস’ কোন দেশের সংগঠন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লেবানন
  2. ফিলিস্তিন
  3. মিশর
  4. ইরাক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হামাস ফিলিস্তিন ভিত্তিক একটি রাজনৈতিক সংগঠন। ১৯৮৭ সালের ১৪ ডিসেম্বর হামাস প্রতিষ্ঠা করেন শেখ আহমেদ ইয়াসিন ও মাহমুদ জাহির। হামাসের সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের গাজায় অবস্থিত। হামাস ২০০৭ সাল থেকে গাজা শাসন করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফিলিস্তিন। হামাস (Hamas) হলো ফিলিস্তিন ভিত্তিক একটি সুপরিচিত রাজনৈতিক ও সামরিক সংগঠন।
হামাস সংগঠনটি ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশেষত ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় সক্রিয়। ২০০৭ সাল থেকে হামাস গাজা উপত্যকা শাসন করছে।
এটি মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতি এবং ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত।
121

ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সচিবালয় অবস্থিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেদ্দা
  2. রিয়াদ
  3. মক্কা
  4. দামস্ক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইসলামি সম্মেলন সংস্থা (OIC) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে। ২০১১ সালে এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (OIC) । OIC’র সদর দপ্তর বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেদ্দা
ইসলামী সম্মেলন সংস্থার বর্তমান নাম হলো ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation - OIC)
এই সংস্থার সচিবালয় বা স্থায়ী সদর দপ্তর সৌদি আরবের বন্দরনগরী জেদ্দায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সংস্থা, কারণ বাংলাদেশ এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য
122

‘আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা’-এর সদর দপ্তর-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. বন
  3. ভিয়েনা
  4. রোমা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

International Atomic Energy Agency (IAEA) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৯ জুলাই, ১৯৫৭ সালে। এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। IAEA-এর প্রধানের পদবি মহাপরিচালক। বর্তমান সদস্য দেশ ১৭১টি। এর বর্তমান মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভিয়েনা
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা (IAEA) হলো বিশ্বের পারমাণবিক শক্তিকে সামরিক কাজে নয় বরং শান্তিপূর্ণ ও নিরাপদভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত একটি স্বাধীন সংস্থা।
এই সংস্থার সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। এটি ১৯৫৭ সালের ২৯ জুলাই প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন সংস্থার সদর দপ্তর (যেমন: জেনেভা - WHO, WTO; রোমা - FAO)। IAEA সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রাইমারি পরীক্ষায় প্রায়শই দেখা যায়।
123

যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রগ্রহণ
  2. সূর্যগ্রহণ
  3. অমাবস্যা
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অমাবস্যা তিথিতে সূর্য, চাঁদ ও পৃথিবী একই সরলরেখায় অর্থাৎ সূর্য ও পৃথিবীর মাঝে চাঁদ অবস্থান করে। ফলে পৃথিবীতে সূর্যের আলো আসতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই অবস্থাকে সূর্য গ্রহণ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সূর্যগ্রহণ
যখন সূর্য (Sun) এবং পৃথিবীর (Earth) ঠিক মাঝখানে চাঁদ (Moon) এসে পড়ে এবং এরা সবাই প্রায় একই সরলরেখায় অবস্থান করে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপরে পড়ে।
এই ছায়ার কারণে পৃথিবীর যে অংশ থেকে সূর্য দেখা যাওয়ার কথা, সেখানে সূর্যের আলো আসতে বাধাপ্রাপ্ত হয়। এই অবস্থাকেই সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) বলা হয়। এটি সাধারণত অমাবস্যা তিথিতে ঘটে থাকে।
124

সমুদ্রবায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সকালে
  2. রাত্রিতে
  3. অপরাহ্ণে
  4. মধ্যাহ্ণে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দিনের বেলা স্থলভাগ বেশি উত্তপ্ত থাকে আর জলভাগ কম উত্তপ্ত থাকে ফলে স্থলভাগে নিম্নচাপ এবং সমুদ্রে বায়ুর উচ্চচাপ বজায় থাকে। ফলে জলভাগ থেকে স্থলভাগে বায়ু প্রবাহিত হয়। অপরদিকে অপরাহ্ন থেকে রাত্রিবেলা জলভাগ বেশি উত্তপ্ত থাকে ফলে সেখানে নিম্নচাপ তৈরি হয়। এ কারণে স্থলভাগ থেকে উচ্চচাপ যুক্ত বায়ুর সমুদ্রের দিকে প্রবাহিত হয়। এ কারণে অপরাহ্নে সমুদ্রে বায়ু প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়।

ব্যাখ্যা

সমুদ্রবায়ু হলো দিনের বেলায় সমুদ্র থেকে স্থলভাগের দিকে প্রবাহিত হওয়া শীতল বায়ু।
দিনের বেলায় স্থলভাগ (Land) দ্রুত উত্তপ্ত হয়, ফলে সেখানে নিম্নচাপের সৃষ্টি হয়। কিন্তু জলভাগ (সমুদ্র) ধীরগতিতে উত্তপ্ত হওয়ায় সেখানে উচ্চচাপ বজায় থাকে।
বায়ু সবসময় উচ্চচাপ অঞ্চল (সমুদ্র) থেকে নিম্নচাপ অঞ্চল (স্থলভাগ)-এর দিকে প্রবাহিত হয়।
দিনের সর্বোচ্চ উত্তাপ এবং স্থল ও জলভাগের মধ্যে তাপমাত্রার পার্থক্য সর্বাধিক হয় সাধারণত অপরাহ্ণে (Late afternoon)। এই কারণেই সমুদ্রবায়ু অপরাহ্ণে সবথেকে প্রবলবেগে প্রবাহিত হয়।
125

আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত গলিত পদার্থকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ম্যাগমা
  2. লাভা
  3. শিলা
  4. ভস্ম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভূ-ত্বকের দুর্বল অংশের যে ফাটলের মধ্য দিয়ে ভূ-গর্ভস্থ ধুম-গ্যাস, গলিত শিলা, ধূলি ভস্ম, বিবিধ তরল ও কঠিন ধাতব পদার্থ নির্গত হয় তাকে আগ্নেয়গিরি বলে।

ব্যাখ্যা

আগ্নেয়গিরির কেন্দ্রে ভূ-গর্ভের নিচে যে প্রচণ্ড উত্তপ্ত গলিত শিলা জমা থাকে, তাকে বলা হয় ম্যাগমা
কিন্তু যখন এই গলিত পদার্থ প্রচণ্ড চাপ ও তাপে আগ্নেয়গিরির জ্বালামুখ বা ফাটল দিয়ে ভূপৃষ্ঠে বেরিয়ে আসে, তখন তাকে লাভা বলা হয়। লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে আগ্নেয় শিলার সৃষ্টি করে।
তাই জ্বালামুখ দিয়ে নির্গত পদার্থকে লাভা বলা হয়।
126

পৃথিবীর পরিধি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৬০ ডিগ্রি
  2. ২৬০ ডিগ্রি
  3. ১৮০ ডিগ্রি
  4. ৯০ ডিগ্রি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পৃথিবীর আকার সম্পূর্ণ গোলাকার না হলেও আপেলের মতো। তাই বৃত্তের পরিধির সাথে এর সামঞ্জস্য আছে। সুতরাং পৃথিবীর পরিধি ৩৬০৩৬০∘ |

ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আকার প্রায় সম্পূর্ণ গোলাকার (Geoid)। গণিত এবং জ্যোতির্বিজ্ঞান অনুসারে, একটি পূর্ণ বৃত্ত বা গোলকের কৌণিক পরিধিকে ৩৬০ ডিগ্রি ধরা হয়।
যেহেতু পৃথিবীর পরিধি দ্বারা দ্রাঘিমাংশ (Longitude) এবং অক্ষাংশ (Latitude) মাপা হয়, তাই কৌণিক পরিমাপ অনুসারে পৃথিবীর পরিধিও ৩৬০ ডিগ্রি (একইভাবে একটি পূর্ণদিনের ঘূর্ণন ২৪ ঘণ্টা = ৩৬০ ডিগ্রি)।
অন্যান্য অপশনগুলি (যেমন ১৮০ ডিগ্রি বা ৯০ ডিগ্রি) নির্দিষ্ট দিকের অর্ধবৃত্ত বা কোণের পরিমাপকে বোঝায়, কিন্তু পৃথিবীর পূর্ণ পরিধি বোঝায় না।
127

পৃথিবী হতে সূর্যের গড় দূরত্ব-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ কোটি কি.মি.
  2. ১৫ কোটি কি.মি.
  3. ১০ কোটি কি.মি.
  4. ১৩ কোটি কি.মি.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সূর্যকে কেন্দ্র করে গ্রহ, উপগ্রহ, ধুমকেতু, গ্রহাণুপুঞ্জ প্রভৃতি মহাকর্ষ শক্তির দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে নির্দিষ্ট সময়ে সূর্যের চারদিকে পরিভ্রমণের মাধ্যমে যে বিরাট জগৎ গড়ে তোলে তাকে সৌরজগৎ বলে। সৌরজগতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্যোতিষ্ক হলো সূর্য। পৃথিবী সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। সূর্য থেকে পৃথিবীর দূরত্ব প্রায় ৯.৩ মিলিয়ন মাইল বা ১৫ কোটি কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৫ কোটি কি.মি.। এটি সৌরজগতের একটি মৌলিক তথ্য যা প্রায়ই নিয়োগ পরীক্ষায় আসে।
আমাদের পৃথিবী হলো সূর্যের তৃতীয় নিকটতম গ্রহ। পৃথিবী সূর্যকে কেন্দ্র করে উপবৃত্তাকার পথে ঘোরে। এর ফলে দূরত্ব সবসময় একরকম থাকে না।
তবে জ্যোতির্বিজ্ঞানে এই দূরত্বটির একটি গড় মান ব্যবহার করা হয়, যা হলো প্রায় ১৫০ মিলিয়ন কিলোমিটার বা ১৫ কোটি কিলোমিটার (প্রায় ৯.৩ মিলিয়ন মাইল)।
এই ১৫ কোটি কি.মি. দূরত্বকে ১ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল ইউনিট (AU) হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
128

সৌরজগতের বৃহত্তম গ্রহ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শুক্র
  2. শনি
  3. বৃহস্পতি
  4. পৃথিবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রোমান দেবতা জুপিটারের নামানুসারে বৃহস্পতির নামকরণ করা হয়। এটি বৃহত্তম বলে গ্রহরাজ বলা হয়। এর ৬৭টি উপগ্রহ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে আয়তন ও ভরের দিক থেকে বৃহস্পতি (Jupiter) হলো সবচেয়ে বড়।
এর বিশাল আকার ও ভরের কারণেই এটিকে গ্রহরাজ বা King of Planets বলা হয়।
বৃহস্পতির ভর অন্যান্য সকল গ্রহের মোট ভরের চেয়েও বেশি। এর ব্যাস প্রায় ১,৪২,৯৮৪ কি.মি।
129

পৃথিবীর মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিম কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্ষাংশ
  2. সুমেরু
  3. কুমেরু
  4. দ্রাঘিমাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

থিবীর মূল মধ্যরেখা হতে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে দ্রাঘিমাংশ বলে। দ্রাঘিমা রেখাগুলো অধিবৃত্তাকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দ্রাঘিমাংশ
পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত টানা যে রেখাটিকে মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) হিসেবে ধরা হয়, তার মান হলো ০° দ্রাঘিমা
এই মূল মধ্যরেখা থেকে পূর্ব বা পশ্চিমে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে সেই স্থানের দ্রাঘিমাংশ বলা হয়। এটি মূলত স্থানটির সময় নির্ধারণে সাহায্য করে।
অন্যদিকে, নিরক্ষরেখা (Equator) থেকে উত্তর বা দক্ষিণে কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্বকে বলা হয় অক্ষাংশ
130

ভূত্বকের গভীরতা (প্রায়)-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ কি.মি.
  2. ১২ কি.মি.
  3. ১০ কি.মি.
  4. ২০ কি.মি.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অশ্মমণ্ডলের উপরিভাগে অবস্থিত পৃথিবীতে শিলার যে কঠিন বহিরাবরণ দেখা যায় তাকে ভূত্বক বলে। ভূত্বকের গভীরতা প্রায় ১৬ কি.মি.।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৬ কি.মি.
ভূত্বক (Crust) হলো পৃথিবীর সবচেয়ে উপরের পাতলা ও কঠিন বহিরাবরণ, যা মূলত শিলা ও খনিজ পদার্থ দিয়ে গঠিত।
ভূত্বকের গড় গভীরতা ১৬ কি.মি. ধরা হয়। তবে মনে রাখবেন, এটি সব জায়গায় সমান নয়।
মহাদেশীয় ভূত্বক (Continental Crust) প্রায় ৩৫-৬০ কি.মি. গভীর হতে পারে, আর মহাসাগরীয় ভূত্বক (Oceanic Crust) তুলনামূলক পাতলা, প্রায় ৫-১০ কি.মি. গভীরতা বিশিষ্ট।
131

শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৮০ মি./সেকেন্ড
  2. শূন্য
  3. ৩৩২ মি./সেকেন্ড
  4. ১১২০ ফুট/সেকেন্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শব্দ একটি বিশেষ তরঙ্গ, যা আমাদের কানে শ্রবণের অনুভূতি জন্মায়। কোনো মাধ্যমে শব্দ প্রতি সেকেন্ডে যতটুকু দূরত্ব অতিক্রম করে তাকে শব্দের বেগ বলে। মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম। উল্লেখ্য, বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩২ মি./সে.

ব্যাখ্যা

শব্দ হলো এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave)। শব্দ তরঙ্গ কেবল মাধ্যম (যেমন: কঠিন, তরল বা বায়বীয় পদার্থ) ব্যবহার করে চলাচল করতে পারে।
যেহেতু শব্দ চলাচলের জন্য মাধ্যমের উপস্থিতি অপরিহার্য, তাই মাধ্যম ছাড়া অর্থাৎ শূন্য মাধ্যমে (Vacuum) শব্দের কোনো অস্তিত্ব থাকে না।
এ কারণেই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ শূন্য (০)।
132

মোটর গাড়িতে ব্যবহৃত দর্পণ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অবতল দর্পণ
  2. সমতল দর্পণ
  3. উত্তল দর্পণ
  4. সবগুলোই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে মসৃণ তলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে দর্পণ বলে। উত্তল দর্পণ সাধারণত অবাস্তব, সোজা এবং বস্তুর চেয়ে ছোট বিম্ব গঠনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আলোকরশ্মি চারদিকে ছড়িয়ে দেয় বলে মোটর গাড়ির হেডলাইট বা রাস্তার লাইটে উত্তল দর্পণ ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

মোটর গাড়ির পার্শ্ব বা পেছনের দৃশ্য দেখার দর্পণ (Rear View/Side Mirror) হিসেবে উত্তল দর্পণ (Convex Mirror) ব্যবহৃত হয়।
উত্তল দর্পণ সবসময় বস্তুর অবাস্তব, সোজা এবং ছোট প্রতিবিম্ব গঠন করে। এর প্রধান সুবিধা হলো, এটি একটি প্রশস্ত বা বিস্তৃত ক্ষেত্রফল জুড়ে থাকা দৃশ্যকে দর্পণে দেখাতে পারে।
ফলে চালক তার পেছনের অনেক বড় এলাকা দেখতে পায়, যা দ্রুত এবং নিরাপদে গাড়ি চালানোর জন্য অপরিহার্য।
133

একটি বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি লোহার বল একত্রে ছেড়ে দিলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উভয়টি একসাথে পড়বে
  2. লোহার বলটি আগে পড়বে
  3. পালকটি আগে পড়বে
  4. আদৌও পড়বে না

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর সূত্রে দেখা যায়- একই উচ্চতা থেকে মুক্তভাবে পড়ন্ত সকল বস্তু সমান সময়ে সমান দূরত্ব অতিক্রম করে। তাই বায়ুশূন্য স্থানে একটি পালক ও একটি লোহার বল একই সময়ে পড়বে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি গ্যালিলিওর পড়ন্ত বস্তুর সূত্র (Law of Falling Bodies) এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
সাধারণত, যখন বাতাস থাকে (বায়ুযুক্ত স্থান), পালকটি বাতাসের বাধার (Air Resistance) কারণে ধীরে পড়ে। কিন্তু বায়ুশূন্য স্থান (Vacuum) মানে সেখানে কোনো বাতাস নেই বা বাতাসের বাধা নেই।
বায়ুশূন্য স্থানে, বস্তুর ভর বা আকৃতি যাই হোক না কেন, অভিকর্ষজ ত্বরণ (Acceleration due to Gravity) সবার জন্য সমান। তাই মাধ্যাকর্ষণ শক্তি উভয় বস্তুকে সমান বেগে নিচের দিকে টানে।
ফলস্বরূপ, একটি পালক এবং একটি লোহার বল একই উচ্চতা থেকে একসাথে ছেড়ে দিলে তারা একই সময়ে মাটিতে পড়বে। এটিই পড়ন্ত বস্তুর প্রথম সূত্র।
134

বর্ণালির প্রান্তীয় বর্ণ কী কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগুনি ও হলুদ
  2. লাল ও নীল
  3. বেগুনি ও লাল
  4. নীল ও সবুজ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সূর্যরশ্মি বিচ্ছুরণের ফলে সৃষ্ট বর্ণালি হলো সৌর বর্ণালি। বর্ণালিতে সাতটি বর্ণ হলো- বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল। বর্ণালির প্রান্তীয় বর্ণদ্বয় হলো বেগুনি ও লাল।

ব্যাখ্যা

সূর্যরশ্মি বা সাদা আলো যখন কোনো প্রিজমের মধ্য দিয়ে যায়, তখন সেটি সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙে বিভক্ত হয়ে যায়। এই বিভক্ত আলোর সমষ্টিকে বর্ণালি (Spectrum) বলা হয়।
সৌর বর্ণালিতে থাকা সাতটি বর্ণ হলো: বেগুনি, নীল, আসমানি, সবুজ, হলুদ, কমলা ও লাল
এই সাতটি বর্ণের মধ্যে বর্ণালির দুই প্রান্তে অবস্থান করে যথাক্রমে সর্বনিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বেগুনি এবং সর্বোচ্চ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের লাল বর্ণ। তাই সঠিক উত্তর হলো বেগুনি ও লাল
135

সহসা দরজা খুলতে চাইলে দরজার কোথায় বল প্রয়োগ করা উচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কব্জার বিপরীত প্রান্তে
  2. মাঝখানে
  3. কব্জার কাছে
  4. উপরের প্রান্তে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সহসা দরজা খুলতে চাইলে কব্জার বিপরীত প্রান্তে বল প্রয়োগ করা উচিত। তাহলে প্রযুক্ত বল কার্যকর হবে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি পদার্থবিজ্ঞানের ঘূর্ণন বলের নীতি (Moment of Force) সংক্রান্ত। যখন আমরা কোনো দরজা খুলি বা বন্ধ করি, তখন এটি কব্জার (Hinge) চারপাশে ঘোরে।
কার্যকরী ঘূর্ণন বল (Torque) নির্ভর করে প্রযুক্ত বল এবং কব্জা থেকে বলের প্রয়োগবিন্দুর দূরত্বের ওপর। সূত্রটি হলো: টর্ক = বল ×\times দূরত্ব
সহজে বা কম বলে দরজা খুলতে চাইলে, কব্জা থেকে বল প্রয়োগের দূরত্বকে সর্বোচ্চ করতে হবে।
দরজার কব্জার বিপরীত প্রান্তে দূরত্ব সর্বোচ্চ হয়, তাই সেখানে বল প্রয়োগ করলে কম বলের মাধ্যমে সহজেই দরজা খোলা সম্ভব হয়।
তাই সঠিক উত্তর হলো: কব্জার বিপরীত প্রান্তে
136

একজন মানুষ কী অবস্থায় পৃথিবীকে সবচেয়ে কম চাপ দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দাঁড়ানো
  2. দৌড়ানো
  3. বসা
  4. শোয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো বল কোনো ক্ষেত্রের উপর লম্বভাবে ক্রিয়া করলে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে প্রযুক্ত বলই হচ্ছে চাপ। একজন মানুষ শোয়া অবস্থায় পৃথিবীকে কম চাপ দেয়। কেননা শোয়া অবস্থায় একজন ব্যক্তি ভূপৃষ্ঠের যে স্থান দখল করে তার ক্ষেত্রফল বেশি হওয়ায় শোয়া অবস্থায় চাপ কম দেয়।

ব্যাখ্যা

এটি পদার্থবিজ্ঞানের চাপ (Pressure) সম্পর্কিত একটি মৌলিক প্রশ্ন। চাপ হলো কোনো তলের উপর লম্বভাবে প্রযুক্ত বল।
চাপের সূত্র হলো: চাপ=বলক্ষেত্রফলচাপ = \frac{বল}{ক্ষেত্রফল} (P = F/A)।
একজন মানুষের ওজন বা বল (F) যেহেতু স্থির থাকে, তাই চাপ (P) নির্ভর করে ভূমির সাথে স্পর্শ করা ক্ষেত্রফলের (A) উপর। ক্ষেত্রফল যত বেশি হবে, চাপ তত কম হবে।
দাঁড়ানো, দৌড়ানো বা বসা অবস্থার চেয়ে শোয়া অবস্থায় একজন ব্যক্তি ভূপৃষ্ঠের সবচেয়ে বেশি ক্ষেত্রফল জুড়ে অবস্থান করে।
ক্ষেত্রফল বেশি হওয়ায় শোয়া অবস্থায় পৃথিবী পৃষ্ঠে প্রযুক্ত চাপ সবচেয়ে কম হয়।
137

কোন বর্ণের আলোর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগুনি
  2. সবুজ
  3. লাল
  4. হলুদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দুটি মাধ্যমের বিভেদতলে আলো যদি তির্যকভাবে আপতিত হয়, তাহলে দ্বিতীয় মাধ্যমে প্রবেশের সময় রশ্মির দিক পরিবর্তিত হয়। এই দিক পরিবর্তন হওয়াকে আলোর প্রতিসরণ বলে। যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্য যত কম তাদের প্রতিসরণ তত বেশি। বেগুণি বর্ণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য কম বলে প্রতিসরণ বেশি।

ব্যাখ্যা

আলো যখন এক স্বচ্ছ মাধ্যম থেকে অন্য স্বচ্ছ মাধ্যমে প্রবেশ করে, তখন আলোর পথ বেঁকে যায়। এই ঘটনাকে আলোর প্রতিসরণ (Refraction) বলে।
প্রতিসরণের মাত্রা আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যের (Wavelength) ওপর নির্ভর করে। তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম হবে, প্রতিসরণ তত বেশি হবে।
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে বেগুনি বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (প্রায় 380-450 nm) সবচেয়ে কম। তাই এর প্রতিসরণ সবচাইতে বেশি হয়।
অন্যদিকে, লাল বর্ণের আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (প্রায় 625-740 nm) সবচেয়ে বেশি, তাই এর প্রতিসরণ সবচাইতে কম হয়।
138

বিদ্যুৎ প্রবাহের একক-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভোল্ট
  2. অ্যাম্পিয়ার
  3. জুল
  4. ওয়াট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে কোনো নির্দিষ্ট দিকে মুক্ত চার্জের প্রবাহকে তড়িৎ প্রবাহ বলে। তড়িৎ প্রবাহের একক হচ্ছে অ্যাম্পিয়ার (A)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অ্যাম্পিয়ার (Ampere)
তড়িৎ প্রবাহ (Electric Current) হলো কোনো পরিবাহীর মধ্য দিয়ে একক সময়ে (প্রতি সেকেন্ডে) যে পরিমাণ মুক্ত চার্জ প্রবাহিত হয়, তার পরিমাপ। এই তড়িৎ প্রবাহের আন্তর্জাতিক একক (SI Unit) হলো অ্যাম্পিয়ার (A)
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ভৌত রাশির একক:
ভোল্ট (Volt): এটি বিভব পার্থক্য (Potential Difference) বা তড়িৎ চালক বলের একক।
জুল (Joule): এটি কাজ (Work) বা শক্তির (Energy) একক।
ওয়াট (Watt): এটি ক্ষমতার (Power) একক।
139

ক্রনোমিটার হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সময় নির্ণায়ক যন্ত্র
  2. সমুদ্রের গভীরতার নির্ণায়ক যন্ত্র
  3. ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র
  4. শীতাতপ পরিমাপক যন্ত্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্রোনোমিটার হলো সূক্ষ্ম সময় নির্ণয়কারী এক বিশেষ ধরনের ঘড়ি। যা জাহাজের নাবিকদের কাজে লাগে। সাধারণত এর সাহায্যে গ্রিনিচের সময় জেনে জাহাজের অবস্থান সম্পর্কে জানতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সময় নির্ণায়ক যন্ত্র
ক্রনোমিটার (Chronometer) হলো এক বিশেষ ধরনের সূক্ষ্ম ঘড়ি যা অত্যন্ত নির্ভুলভাবে সময় পরিমাপ করতে পারে।
এটি মূলত জাহাজ ও বিমান চালনার ক্ষেত্রে অপরিহার্য, কারণ এর সাহায্যে নাবিকরা গ্রিনিচের প্রমাণ সময়ের সাথে স্থানীয় সময়ের তুলনা করে জাহাজের সঠিক দ্রাঘিমাংশ (longitude) নির্ণয় করতে পারে।
140

সিএফসি কী ক্ষতি করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে
  2. এসিড বৃষ্টিপাত ঘটায়
  3. ওজোন স্তর ধ্বংস করে
  4. রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন, যা বায়ুমন্ডলের ওজোন স্তর ধ্বংস করে। আর ওজোন স্তর বিভিন্ন ক্ষতিকর রশ্মি আসতে বাধা প্রদান করে। সিএফসি দ্বারা ওজোন স্তর ধ্বংস হওয়ার ফলে ক্ষতিকর রশ্মি পৃথিবীতে আসছে এবং জীবের ক্ষতিসাধন করছে।

ব্যাখ্যা

সিএফসি (CFC)-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন। এটি ফ্রিজ, এয়ার কন্ডিশনার এবং বিভিন্ন অ্যারোসল স্প্রে-তে ব্যবহৃত হয়।
বায়ুমণ্ডলের উপরিভাগের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে অবস্থিত ওজোন স্তরকে এটি ধ্বংস করে।
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকর অতিবেগুনি রশ্মি (UV Ray) পৃথিবীতে আসতে বাধা দেয়। CFC দ্বারা এই স্তর ধ্বংস হলে UV রশ্মি সরাসরি পৃথিবীতে চলে আসে, যা মানুষ ও জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর (যেমন: ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন গ্যাসের কারণে হয়: বায়ুর তাপ বৃদ্ধি করে কার্বন ডাই অক্সাইড (গ্রিনহাউস গ্যাস); এসিড বৃষ্টি ঘটায় সালফার ডাই অক্সাইডনাইট্রোজেন অক্সাইড; রক্তের অক্সিজেন পরিবহন ক্ষমতা হ্রাস করে কার্বন মনোক্সাইড (CO)
141

ক্লোরোফিল ছাড়া সম্পন্ন হয় না-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্বসণ
  2. সালোকসংশ্লেষণ
  3. রেচন
  4. অভিস্রবণ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্লোরোফিল হলো উদ্ভিদের পাতার সবুজ কণিকা, যা সূর্যালোকের উপস্থিতিতে বায়ু থেকে CO2 এবং মাটি থেকে শোষিত পানি গ্রহণ করে শারীরবৃত্তিয় জারণ-বিজারণ প্রক্রিয়ায় শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। উপজাত হিসেবে O2 গ্যাস ত্যাগ করে। এই প্রক্রিয়াকে সালোকসংশ্লেষণ বলে।

ব্যাখ্যা

উদ্ভিদের পাতায় ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে। এই ক্লোরোফিল সূর্যালোক শোষণ করে।
শোষণ করা এই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে উদ্ভিদ বায়ু থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2\text{CO}_2) এবং মাটি থেকে পানি (H2O\text{H}_2\text{O}) ব্যবহার করে খাদ্য (শর্করা) প্রস্তুত করে।
খাদ্য তৈরির এই সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াটিই হলো সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis)। ক্লোরোফিল ছাড়া এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া অসম্ভব।
অন্যদিকে, শ্বসণ হলো শক্তি উৎপাদনের প্রক্রিয়া যা ক্লোরোফিল ছাড়াই উদ্ভিদ ও প্রাণী উভয় কোষে ঘটে থাকে।
142

শৈবালের বৈশিষ্ট্য কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এরা স্বভোজী
  2. এরা পরজীবী
  3. এরা এককোষী
  4. এদের দেহে ক্লোরোফিল থাকে না

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শৈবাল স্বভোজী কারণ এদের দেহে ক্লোরোফিল আছে। ক্যারোলাস লিনিয়াস শৈবাল নামটি ব্যবহার করেন। এরা স্বাভোজী এদের মূল, কাণ্ড, পাতা নেই। কোষ প্রাচীর সেলুলোজ নির্মিত।

ব্যাখ্যা

শৈবালের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা স্বভোজী (Autotrophic)। স্বভোজী জীব মানে হলো তারা নিজেরাই নিজেদের খাদ্য তৈরি করতে সক্ষম।
শৈবালের কোষে ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থ থাকে। এই ক্লোরোফিলের সাহায্যেই তারা সূর্যালোক ব্যবহার করে সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় (Photosynthesis) খাদ্য তৈরি করে।
অন্যান্য অপশনগুলি সঠিক নয়: শৈবাল পরজীবী নয়, কারণ এটি খাদ্যের জন্য অন্যের উপর নির্ভর করে না। এদের দেহে অবশ্যই ক্লোরোফিল থাকে, তাই অপশন ৪ ভুল।
143

কত তাপমাতায় পানির ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টিগ্রেড

  2. সেন্টিগ্রেড

  3. ১০ সেন্টিগ্রেড

  4. ১০০ সেন্টিগ্রেড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

4∘ তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব বেশি। এটি পানির ব্যতিক্রমধর্মী প্রসারণ। পানির তাপমাত্রা বাড়তে থাকলে 4 পর্যন্ত এর ঘনত্ব বাড়বে এবং তাপমাত্রা আরো বাড়তে থাকলে ঘনত্ব কমে যাবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্টিগ্রেড
পানি হলো একটি ব্যতিক্রমধর্মী পদার্থ। সাধারণত যেকোনো তরল পদার্থের তাপমাত্রা কমালে তার ঘনত্ব বাড়ে। কিন্তু পানির ক্ষেত্রে, তাপমাত্রা কমতে থাকলে ৪^{\circ} সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত ঘনত্ব বাড়তে থাকে।
ঠিক ৪^{\circ} সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পানির ঘনত্ব সর্বোচ্চ হয়। এর নিচে তাপমাত্রা নামতে শুরু করলে (যেমন ৩^{\circ}, ২^{\circ} বা ০^{\circ} এ) ঘনত্ব আবার কমতে থাকে এবং পানির আয়তন বৃদ্ধি পেতে শুরু করে।
এই ব্যতিক্রমধর্মী প্রসারণের কারণেই বরফ পানির উপর ভেসে থাকে, কারণ বরফের ঘনত্ব ৪^{\circ} তাপমাত্রার পানির চেয়ে কম।
144

পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকে পড়ি না কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৃথিবীর সাথে আমাদের ঘূর্ণনের জন্য
  2. আমরা স্থির থাকার জন্য
  3. বাতাসের উপস্থিতির জন্য
  4. মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পৃথিবী যে বলে সবকিছুকেই তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে তাকে অভিকর্ষ বা মধ্যাকর্ষণ বল বলে। এটি বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল। এই বলের কারণে আমরা পৃথিবীর ঘূর্ণনের পরেও ছিটকে পড়ি না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
পৃথিবী যখন দ্রুত গতিতে ঘুরতে থাকে, তখন যে কোনো বস্তুর ছিটকে যাওয়ার কথা। কিন্তু মধ্যাকর্ষণ বল (Gravity) বা অভিকর্ষ বল সবকিছুকেই তার কেন্দ্রের দিকে আকর্ষণ করে ধরে রাখে।
এই বলটি বস্তুর উপর কেন্দ্রমুখী বল (Centripetal Force) হিসেবে কাজ করে। এটি পৃথিবীর ঘূর্ণনজনিত কারণে সৃষ্ট কেন্দ্রবিমুখী বলকে (Centrifugal Force) প্রতিরোধ করে। ফলে আমরা পৃথিবী থেকে ছিটকে পড়ি না।
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ স্থির থাকা বা বাতাসের উপস্থিতির সাথে পৃথিবীর ঘূর্ণনের ভারসাম্য রক্ষার সরাসরি সম্পর্ক নেই।
145

রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোগ প্রতিরোধ করা
  2. রক্তে জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  3. অক্সিজেনের পরিবহন করা
  4. উল্লেখিত সবকটিই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হিমোগ্লোবিন এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় পদার্থ, যার উপস্থিতিতে রক্তের রং লাল হয়। হিমোগ্লোবিন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অক্সিজেনের পরিবহন করা
হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত রক্তকণিকায় (Red Blood Cell - RBC) থাকা এক প্রকার লৌহঘটিত প্রোটিন
এর প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন (O₂) গ্রহণ করে শরীরের প্রতিটি কোষে তা পৌঁছে দেওয়া। অক্সিজেনের সাথে হিমোগ্লোবিন যুক্ত হয়ে অক্সিহিমোগ্লোবিন যৌগ গঠন করে অক্সিজেন পরিবহন করে।
রোগ প্রতিরোধ করার কাজটি করে মূলত শ্বেত রক্তকণিকা (WBC) এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে অনুচক্রিকা (Platelets) ও ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিন।
146

নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধমনির ভিতর দিয়ে
  2. শিরার ভিতর দিয়ে
  3. স্নায়ুর ভিতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভিতর দিয়ে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যেসব রক্তনালির মাধ্যমে রক্ত হৃৎপিণ্ড থেকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাহিত হয় তাকে ধমনি বলে। ধমনির ভিতর দিয়ে নাড়ির স্পন্দন প্রবাহিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ধমনির ভিতর দিয়ে। নাড়ির স্পন্দন (Pulse) হলো মূলত হৃৎপিণ্ডের ছন্দময় সংকোচন ও প্রসারণের ফলে রক্তনালীর দেওয়ালে সৃষ্ট চাপ।
যেহেতু ধমনি (Artery) সরাসরি হৃৎপিণ্ড থেকে প্রচণ্ড চাপ নিয়ে রক্ত দেহের বিভিন্ন অংশে বহন করে, তাই ধমনির প্রাচীরে এই স্পন্দন সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
শিরা (Vein) রক্তকে দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে হৃৎপিণ্ডে ফিরিয়ে আনে। শিরার ভিতর দিয়ে রক্ত ধমনির তুলনায় কম চাপে প্রবাহিত হয়, তাই শিরার স্পন্দন পাওয়া যায় না।
147

০.২৫ কে সামান্য ভগ্নাংশে পরিণত করলে হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২/৩
  2. ১/৫
  3. ১/৪
  4. ৩/৪

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

০.২৫ = ২৫/১০০ = ১/৪

ব্যাখ্যা

দশমিক সংখ্যাকে (Decimal Number) সামান্য ভগ্নাংশে (Common Fraction) পরিণত করার জন্য নিচের নিয়মটি অনুসরণ করতে হয়:
১. প্রথমে দশমিক বিন্দুর ডানপাশের সংখ্যাটিকে লব (Numerator) হিসেবে লিখুন। (এখানে: ২৫)
২. হর (Denominator) হিসেবে, ১ এর পরে দশমিক বিন্দুর পরে যতগুলো অঙ্ক আছে, ততগুলো শূন্য বসান। (০.২৫ এ দশমিকের পরে ২টি অঙ্ক, তাই হর হবে ১০০)।
৩. প্রাপ্ত ভগ্নাংশটি হলো ২৫/১০০২৫/১০০
৪. এবার লব ও হরকে একই সংখ্যা দিয়ে ভাগ করে এটিকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করতে হবে।
আমরা ২৫২৫১০০১০০ উভয়কেই ২৫২৫ দ্বারা ভাগ করতে পারি।
২৫÷২৫১০০÷২৫=\frac{২৫ \div ২৫}{১০০ \div ২৫} = \frac{১}{৪}
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১/৪
148

এক ডজন আম ৬০ টাকায় ক্রয় করে হালি কত টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৫ টাকা
  2. ১২ টাকা
  3. ১৫ টাকা
  4. ২২ টাকা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের লাভ-ক্ষতির অঙ্কগুলি ধাপে ধাপে সমাধান করতে হয়। প্রথমে আমাদের ১০% লাভে এক ডজন আমের বিক্রয় মূল্য (SP) কত হবে, তা বের করতে হবে।
ধাপ ১: ১০% লাভে বিক্রয় মূল্য নির্ণয় (১২টি আমের):
ক্রয় মূল্য (CP) = ৬০ টাকা।
১০% লাভে, বিক্রয় মূল্য হবে = $৬0 + (৬0 imes rac{১০}{১০০})$ টাকা।
বিক্রয় মূল্য = $৬0 + ৬ = ৬৬ টাকা
অর্থাৎ, ১২টি আম বিক্রি করতে হবে ৬৬ টাকায়।
ধাপ ২: হালি (৪টি আম) এর বিক্রয় মূল্য নির্ণয়:
আমরা জানি, ১ ডজন = ১২টি। ১ হালি = ৪টি।
যেহেতু ৪টি আম হলো ১২টি আমের \frac{১}{৩} অংশ, তাই বিক্রয় মূল্যও \frac{১}{৩} অংশ হবে।
৪টি আমের বিক্রয় মূল্য = ৬৬১২×\frac{৬৬}{১২} \times ৪ টাকা অথবা ৬৬\frac{৬৬}{৩} টাকা।
৪টি আমের বিক্রয় মূল্য = ২২ টাকা
সুতরাং, হালি ২২ টাকায় বিক্রয় করলে ১০% লাভ হবে।
149

১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪,…… ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 40
  2. 55
  3. 68
  4. 90

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি বিশেষ ধরনের সংখ্যা ধারা, যা ফিবোনাচ্চি (Fibonacci) ধারা নামে পরিচিত।
এই ধারার নিয়ম হলো: প্রথম দুটি সংখ্যার যোগফলই হলো পরবর্তী সংখ্যাটি।
উদাহরণস্বরূপ:
\rightarrow +=<strong></strong>১ + ২ = <strong>৩</strong>
\rightarrow +=<strong></strong>২ + ৩ = <strong>৫</strong>
\rightarrow ২১+৩৪=<strong>৫৫</strong>২১ + ৩৪ = <strong>৫৫</strong>
সুতরাং, ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি হবে ৫৫
150

একটি তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন ৩২ কেজি এবং অর্ধেক তেলসহ পাত্রের ওজন ২০ কেজি। পাত্রটির ওজন কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ কেজি
  2. ১০ কেজি
  3. ১২ কেজি
  4. ৬ কেজি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি সরল পাটিগণিত সমস্যা, যা মূলত বিয়োগ এবং ঐকিক নিয়মের মাধ্যমে সহজেই সমাধান করা যায়।
১. প্রথমে তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন (৩২ কেজি) এবং অর্ধেক তেলসহ পাত্রের ওজন (২০ কেজি) এর মধ্যেকার পার্থক্য বের করতে হবে। এই পার্থক্যটি হলো অর্ধেক তেলের ওজন
পার্থক্য = ৩২ কেজি - ২০ কেজি = ১২ কেজি
২. যেহেতু ১২ কেজি হলো অর্ধেক তেলের ওজন, তাই পুরো তেলের ওজন হবে: ১২×=<strong>২৪১২ \times ২ = <strong>২৪ কেজি।
৩. এখন পাত্রটির ওজন বের করার জন্য, সম্পূর্ণ তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন থেকে তেলের ওজন বিয়োগ করতে হবে।
পাত্রের ওজন = তেলপূর্ণ পাত্রের ওজন - পুরো তেলের ওজন
পাত্রের ওজন = ৩২ কেজি - ২৪ কেজি = ৮ কেজি

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

Primary Assistant Teacher প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “Set-8” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

কেন Primary Assistant Teacher-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। Set-8 (2013) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

Set-8 (2013) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

Primary Assistant Teacher নিয়োগ পরীক্ষার Set-8 (2013) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।