সমাধান
সমাধান
💼
বাংলাদেশ বিষয়াবলি

জনসংখ্যা ও আদমশুমারি

BCS Preliminary · বাংলাদেশ বিষয়াবলি — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "জনসংখ্যা ও আদমশুমারি" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ৩৫টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
  2. ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
  3. ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
  4. ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জুন ২০২২ থেকে ২১ জুন ২০২২ পর্যন্ত। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি। এটি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা (প্রথমে এটি জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২১ নামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে পিছিয়ে যায়)।
জনশুমারি কার্যক্রমটি মোট ৭ দিন ধরে পরিচালিত হয়। মূল শুমারির কাজ শুরু হয় ১৫ জুন, ২০২২ তারিখে এবং শেষ হয় ২১ জুন, ২০২২ তারিখে।
এই শুমারিতে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতি (ট্যাবলেট) ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি (জুলাই মাস বা অন্য তারিখ) বিভ্রান্তিকর। ১৫ জুন থেকে ২১ জুন তারিখটি শুমারি সপ্তাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
2

বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বান্দরবান
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জুম চাষ হলো এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি। কোন স্থানে জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়। আবার সেখানে উর্বরতা কমে গেলে অন্য জায়গায় একইভাবে চাষ করা হয়। এটাই জুম চাষ। পার্বত্য তিন জেলায় জুম চাষ করা হয়। বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বান্দরবান। বাংলাদেশে জুম চাষ (Jhum cultivation) প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা হলো— রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান। এই তিনটি জেলাতেই প্রধানত জুম চাষ করা হয়।
জুম চাষ হলো এক ধরণের স্থানান্তরভিত্তিক কৃষি পদ্ধতি (Shifting Cultivation)। যেখানে পাহাড়ি এলাকার বন পুড়িয়ে বা কেটে পরিষ্কার করে সাময়িকভাবে ফসল ফলানো হয় এবং উর্বরতা কমে গেলে স্থান পরিবর্তন করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (ময়মনসিংহ, রাজশাহী, দিনাজপুর) বাংলাদেশের সমতল ভূমির জেলা, যেখানে এ ধরনের কৃষি পদ্ধতি প্রচলিত নয়।
3

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনগণনা) কবে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনগণনা) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। সর্বশেষ ষষ্ঠ আদমশুমারি (জনশুমারি ও গৃহগণনা) অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন, ২০২২।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর (১৯৭১) দেশের প্রথম জনগণনা বা আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারি জনশুমারি, যা ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পরিচালিত হয়েছিল।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান আমলের (১৯৫১, ১৯৬১) শুমারির বাইরে এসে নিজস্ব উদ্যোগে এই শুমারি সম্পন্ন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
4

প্রতিবছর কোন তারিখে বাংলাদেশ জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ ফেব্রুয়ারি
  2. ৮ ফেব্রুয়ারি
  3. ৮ মার্চ
  4. ৭ এপ্রিল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশে প্রতিবছর ২ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় জনসংখ্যা দিবস’ পালন করা হয়। উল্লেখ্য বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস ১১ জুলাই পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশে প্রতি বছর ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে জাতীয় জনসংখ্যা দিবস পালন করা হয়। এর মূল উদ্দেশ্য হলো জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, পরিবার পরিকল্পনা, এবং মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষার গুরুত্ব সম্পর্কে জাতীয় সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
উল্লেখ্য, অতীতে (২০১০ সাল থেকে) এই দিবসটি ২৭ সেপ্টেম্বর পালন করা হতো। কিন্তু ২০১৭ সাল থেকে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এটি ২ ফেব্রুয়ারি তারিখে স্থানান্তর করা হয় এবং দিবসটির নাম রাখা হয় 'জাতীয় জনসংখ্যা দিবস'।
অন্যান্য জনপ্রিয় অপশনগুলোর মধ্যে ৮ মার্চ হলো আন্তর্জাতিক নারী দিবস এবং ৭ এপ্রিল হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য দিবস।
5

নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদী গবেষণা
  2. জনসংখ্যা গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (National Institute of Population Research and Training-NIPORT) এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জনসংখ্যা গবেষণা। নিপোর্ট-এর পূর্ণরূপ হলো National Institute of Population Research and Training (জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট)।

নিপোর্ট মূলত বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং জনমিতি সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা পরিচালনা করে।

এর নামের মধ্যেই 'Population Research' শব্দটি থাকায়, এটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়। অন্য অপশনগুলো (নদী, মিঠাপানি, বন্দর গবেষণা) এর কাজের পরিধির বাইরে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী-দিনাজপুর
  2. বরগুনা-পটুয়াখালী
  3. রাঙামাটি-বান্দরবান
  4. সিলেট-হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে বাস করে। এরা জড়োপাসক এবং ভাষা হচ্ছে কুড়ুখ/সাদ্রি। এদের উৎসব ফাগুয়া যা ফাল্গুন মাসের শেষ তারিখে পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রাজশাহী-দিনাজপুর। ওরাওঁ (Oraon) জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সমতল ভূমির অন্যতম বৃহৎ নৃগোষ্ঠী
এরা মূলত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া এবং বিশেষভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ (নাচোল) অঞ্চলে ঘনবসতিপূর্ণভাবে বসবাস করে।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:
রাঙামাটি-বান্দরবান: এই অঞ্চলটি পার্বত্য চট্টগ্রাম (CHT), যেখানে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো ইত্যাদি জনগোষ্ঠী বাস করে।
সিলেট-হবিগঞ্জ: এই অঞ্চলে খাসিয়া, মনিপুরী এবং চা বাগানে বিভিন্ন ছোট নৃগোষ্ঠীর উপস্থিতি দেখা যায়।
7

বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো দেশের জনসংখ্যার আনুষ্ঠানিক গণনাই আদমশুমারি। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা নির্ধারণে স্বাধীনতার পর প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। এ পর্যন্ত দেশে ছয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিস্তারিত গণনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি। এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো জনসংখ্যা ও গৃহগণনা (আদমশুমারি) পরিচালিত হয়েছিল ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।
এই গুরুত্বপূর্ণ জরিপটি পরিচালনা করেছিল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। এটি ছিল নবগঠিত রাষ্ট্রের জনসংখ্যা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা জানার প্রথম আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ।
অন্যান্য বছরগুলো ভুল, কারণ দেশের প্রথম আদমশুমারি শুরু করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি এবং পরিকাঠামোর প্রয়োজন ছিল, যা স্বাধীনতার তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন হয়।
8

জুম চাষ হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরিশালে
  2. ময়মনসিংহে
  3. খাগড়াছড়িতে
  4. দিনাজপুরে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জুম বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলে সর্বাধিক প্রচলিত চাষাবাদ পদ্ধতি। এর প্রকৃত অর্থ হলো স্থান পরিবর্তনের মাধ্যমে চাষাবাদ পদ্ধতি। জুম বা স্থানান্তর চাষাবাদ সাধারণভাবে 'সুইডেন চাষাবাদ' বা জঙ্গল পরিষ্কার ও পোড়ানো চাষাবাদ হিসেবে পরিচিত। জুম চাষ পার্বত্য অঞ্চলের (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) ক্ষুদ্র -নৃগোষ্ঠীদের জীবন-জীবিকার প্রধান অবলম্বন। বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ২০,০০০ হেক্টর ভূমি এ পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খাগড়াছড়িতে
জুম চাষ (Jhum Cultivation) হলো এক ধরনের স্থানান্তর কৃষি পদ্ধতি (Shifting Cultivation) যা সাধারণত বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি অঞ্চলে প্রচলিত।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বলতে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান—এই তিনটি জেলাকে বোঝানো হয়। এই জেলাগুলোতে বসবাসকারী বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী, যেমন— চাকমা, মারমা, ও ত্রিপুরা সম্প্রদায় ঐতিহ্যগতভাবে জুম চাষ করে থাকে।
জুম চাষে পাহাড়ের বনজঙ্গল কেটে শুকিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে জমি তৈরি করা হয় এবং একই জমিতে কয়েক বছর চাষের পর উর্বরতা কমে গেলে নতুন পাহাড়ে স্থানান্তরিত হওয়া হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন— বরিশাল, ময়মনসিংহ এবং দিনাজপুর হলো সমতল ভূমি এবং দেশের উত্তরাঞ্চল বা মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে প্রচলিত ধান ও অন্যান্য ফসলের চাষ হয়; জুম চাষ হয় না।
9

চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি জেলায়
  2. খাগড়াছড়ি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. সিলেট জেলায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

চাকমা বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবানে এদের বসবাস। বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী চাকমাদের প্রধান উৎসব বিজু (বর্ষবরণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি জেলায়
চাকমা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের মধ্যে সংখ্যাগত দিক থেকে বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী
ঐতিহ্যগতভাবে এবং জনসংখ্যার ঘনত্বের দিক থেকে রাঙ্গামাটি জেলা চাকমাদের মূল বাসস্থান। চাকমাদের ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি (চাকমা সার্কেল) এই জেলাতেই অবস্থিত।
যদিও খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান এই তিন পার্বত্য জেলায়ই চাকমাদের বসবাস রয়েছে, তবে তাদের সর্বাধিক ঘনত্ব এবং মূল প্রশাসনিক ও সামাজিক কেন্দ্র হলো রাঙ্গামাটি
10

বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যাঃ বাংলাদেশে আদমশুমারি পরিচালনা করে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। পঞ্চম আদমশুমারি করা হয় ১৫-১৯ মার্চ ২০১১। দেশে সর্বশেষ ৬ষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন ২০২২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম সরকারিভাবে আদমশুমারি (Census) বা জনসংখ্যা গণনা পরিচালিত হয় ১৯৭৪ সালের জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারী মাসে।
এই গণনাটি পরিচালনা করে সরকারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)
স্বাধীনতার পর এটিই ছিল দেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ জনসংখ্যা জরিপ।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ, ২০১৬ অনুসারে বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজার জীবিত জন্মে)–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25
  2. 27
  3. 29
  4. 31

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ ২০১৬ অনুযায়ী বাংলাদেশের শিশু মৃত্যুর হার (প্রতি হাজার জীবিত জন্মে) ছিল ৩০ জন। আর বাংলাদেশ ইকোনমিক রিভিউ ২০২১ ও ২০২২ অনুসারে এ সংখ্যা ২১ জন।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি যেহেতু নির্দিষ্টভাবে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা, ২০১৬ (Bangladesh Economic Review, 2016) অনুসারে শিশু মৃত্যুর হার জানতে চেয়েছে, তাই ওই সময়ের তথ্য অনুযায়ী উত্তর দিতে হবে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৬ অনুসারে, বাংলাদেশে প্রতি হাজার জীবিত জন্মে শিশু মৃত্যুর হার ছিল ২৭ জন
শিশু মৃত্যুর হার (Infant Mortality Rate - IMR) হলো একটি দেশের স্বাস্থ্য ও জীবনযাত্রার মান পরিমাপের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক।
উল্লেখ্য, এই ধরনের পরিসংখ্যান সরকারিভাবে প্রকাশিত তথ্যের ভিত্তিতে প্রতি বছর পরিবর্তিত হয়। বর্তমানে এই হার অনেক কমে এসেছে।
12

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় আদমশুমারি (Census) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনগণনা।
যদিও পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশে প্রথম শুমারি হয়েছিল ১৯৫১ সালে। কিন্তু প্রশ্নটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শুমারি নিয়ে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের এই শুমারির ফল প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। অন্যান্য সালগুলো (১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৭) সঠিক শুমারির তারিখ নির্দেশ করে না।
13

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত– (ক) ১০০:১০৬

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০:১০৬

  2. ১০০:১০০.৬
  3. ১০০:১০০.৩
  4. ১০০:১০০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের (পঞ্চম) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী নারীর সংখ্যা ৮৩৩৪৭২০৬ জন এবং পুরুষের সংখ্যা ৮১৭১২৮২৪ জন। সুতরাং নারী ও পুরুষের অনুপাত ১০০:১০০.৩। উল্লেখ্য ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বর্তমানে পুরুষ : নারী অনুপাত ৯৮ : ১০০।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লিখিত ২০১১ সালের জনসংখ্যা ও গৃহগণনা (আদমশুমারি) অনুযায়ী বাংলাদেশের নারী ও পুরুষের সংখ্যাগত অনুপাত ছিল ১০০:১০০.৩
এই অনুপাতটির অর্থ হলো, প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে দেশে পুরুষের সংখ্যা ছিল ১০০.৩ জন। অর্থাৎ ২০১১ সালে পুরুষের সংখ্যা নারীর চেয়ে সামান্য বেশি ছিল।
বিকল্প '১০০:১০০.৬' সাধারণত শিক্ষার হার বা অন্য কোনো জনমিতিক উপাত্তের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু নারী-পুরুষের অনুপাত (Sex Ratio) হিসেবে এটি ২০১১ সালের সঠিক তথ্য নয়।
14

সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৫.৪ বছর
  2. ৬৭.৫ বছর
  3. ৭০.৮ বছর
  4. ৭৩.৭ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর (পুরুষ-৭১.২ ও মহিলা ৭৪.৫ বছর)।

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রকাশিত জনমিতি (Demographic) তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা হয়। সঠিক উত্তরটি নির্ভর করে কোন সালের সরকারি হিসাব চাওয়া হচ্ছে তার উপর।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৭০.৮ বছর উত্তরটি তাৎপর্যপূর্ণ। এটি ২০২২ সালের BBS (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশি পুরুষদের গড় আয়ু ছিল (পুরুষ: ৭০.৮ বছর, নারী: ৭৪.৫ বছর, সামগ্রিক: ৭২.৩ বছর)।
যেহেতু প্রশ্নটি বিসিএস/চাকরি পরীক্ষার পুরনো সেট থেকে নেওয়া, তাই ৭০.৮ বছর উত্তরটিকে সেই প্রেক্ষাপটে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে পরীক্ষার্থীকে সর্বদা সর্বশেষ তথ্যটি মনে রাখতে হবে।
15

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪.৪ জন
  2. ৫.০ জন
  3. ৫.৪ জন

  4. ৫.৫ জন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে House hold প্রতি জনসংখ্যা বা খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.৪ জন। ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা ৪.০।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪.৪ জন
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক পরিচালিত জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০১১ অনুযায়ী, বাংলাদেশের খানা প্রতি (Household) গড় জনসংখ্যা ছিল ৪.৪ জন
এই জরিপটি ছিল বাংলাদেশের পঞ্চম আদমশুমারি, যা ২০১১ সালের ১৫ই মার্চ থেকে ১৯শে মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. বরিশাল বিভাগ
  4. খুলনা বিভাগ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার বরিশাল বিভাগে। এর পরিমাণ ৫৬.৮৮% । আর সিলেট বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বনিম্ন (৪৫.০%)। ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী সাক্ষরতার হার সর্বাধিক ঢাকা বিভাগে (৭৮.০৯%)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বরিশাল বিভাগ
সর্বশেষ জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সাক্ষরতার হারে (৭ বছর ও তার ঊর্ধ্বে) বরিশাল বিভাগ প্রথম স্থানে রয়েছে।
বরিশাল বিভাগের সাক্ষরতার হার হলো ৮০.১%। এটিই দেশের সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার।
অন্যান্য বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগ (৭৮.৩%) দ্বিতীয় এবং খুলনা বিভাগ (৭৬.৮%) তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
17

খাসিয়া গ্রামগুলো কি নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বারাং
  2. পাড়া
  3. পুঞ্জি
  4. মৌজা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

খাসিয়া নৃ-গোষ্ঠীদের গ্রামকে বলা হয় পুঞ্জি। ভূমি জরিপের ভৌগোলিক ইউনিট এবং রাজস্ব আদায়ের জন্য এক ইউনিট জমির অভিব্যক্তি হলো মৌজা। অন্যদিকে গ্রামের ক্ষুদ্র অংশকে পাড়া বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুঞ্জি
খাসিয়া নৃগোষ্ঠীর লোকেরা সাধারণত সিলেট ও মৌলভীবাজারের পাহাড়ি এলাকায় বসবাস করেন।
ঐতিহ্যগতভাবে তারা তাদের গ্রামকে পুঞ্জি নামে অভিহিত করেন।
খাসিয়াদের জীবিকার প্রধান উৎস পান চাষ, এবং এই পান বাগান সমৃদ্ধ এলাকাগুলোকে একত্রে পুঞ্জি বলা হয়। এখানকার জীবনযাত্রা পুঞ্জি কেন্দ্রিক।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'মৌজা' হলো ভূমি জরিপ সংক্রান্ত সরকারি প্রশাসনিক একক। 'পাড়া' বা 'বারাং' অন্যান্য ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর (যেমন সাঁওতাল) গ্রাম বা বসতিকে নির্দেশ করতে পারে, তবে খাসিয়াদের ক্ষেত্রে সঠিক পরিভাষা হলো পুঞ্জি
18

বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কততম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ম
  2. ৮ম
  3. ৯ম
  4. কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭ম। কিন্তু বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০২১ ও ২০২২ অনুযায়ী বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৮ম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৭ম (সপ্তম)
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) কর্তৃক প্রকাশিত বিশ্ব জনসংখ্যা প্রতিবেদন ২০০৯ অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল সপ্তম। এই তথ্যটি ২০০৯ সালের রিপোর্টের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে এবং সেই সময়ের জন্য এটি সঠিক ছিল।
তবে মনে রাখতে হবে, জনসংখ্যার র‍্যাঙ্কিং প্রতিনিয়ত পরিবর্তনশীল। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে, যা নিচে অতিরিক্ত তথ্যে দেওয়া হলো।
19

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী গড় সাক্ষরতার হার-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 61.10%
  2. 57.90%
  3. 56.80%
  4. 65.50%

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুযায়ী দেশে গড় সাক্ষরতার হার ৫৭.৯%। তবে আদমশুমারি ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬%। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী স্বাক্ষরতার হার ৭৫.২%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৫৭.৯০%
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৪ অনুসারে, দেশের গড় সাক্ষরতার হার (৭ বছর ও তদূর্ধ্ব) ছিল ৫৭.৯০%
মনে রাখতে হবে যে, অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা জনশুমারির তথ্যগুলো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য প্রযোজ্য। পরবর্তীতে প্রকাশিত সমীক্ষাগুলোতে এই হার প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হয়েছে।
20

‘ঝুম’ চাষ পদ্ধতি বাংলাদেশের কোন জেলাসমূহে দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাতক্ষীরা, যশোর, কুষ্টিয়া
  2. নাটোর, পাবনা, সিরাজগঞ্জ
  3. বগুড়া, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম
  4. চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জুম চাষ (বা ঝুম চাষ) পাহাড়ি ঢালু এলাকায় প্রচলিত এক ধরনের কৃষিপদ্ধতি। এটি মূলত জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়, আবার সেই স্থানে জমির উর্বরতা কমে গেলে পূর্বের স্থান হতে কৃষি জমি স্থানান্তরিত করে অন্যত্র আবার কৃষি জমি গড়ে তোলা হয়। এটি ভারতে পোডু, বীরা, পোনম প্রভৃতি নামে পরিচিত। রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের প্রায় ৯০ শতাংশ পাহাড়িই জুম চাষি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রামের জেলাসমূহ
‘ঝুম’ চাষ পদ্ধতি মূলত একটি আদিম কৃষি ব্যবস্থা যা পাহাড়ের ঢালে বা পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাসকারী নৃগোষ্ঠীসমূহ (যেমন: চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা) দ্বারা পরিচালিত হয়। একে ইংরেজিতে Shifting Cultivation বা স্থানান্তরিত কৃষিও বলা হয়।
এই পদ্ধতিতে পাহাড়ের বনজঙ্গল কেটে শুকিয়ে তাতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় এবং সেই ছাই (যা সারের কাজ করে) ব্যবহার করে ১-২ বছর চাষ করা হয়। মাটি উর্বরতা হারালে তারা নতুন স্থানে চলে যায়।
বাংলাদেশে এই চাষ পদ্ধতিটি কেবল পার্বত্য চট্টগ্রাম (CHT) অঞ্চল (রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, বান্দরবান) এবং চট্টগ্রামের পাহাড়ি এলাকায় দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনে থাকা জেলাগুলো (যেমন: যশোর, নাটোর, পাবনা, বগুড়া) সমতল ভূমি অঞ্চল, যেখানে এ ধরনের চাষ অসম্ভব বা অপ্রচলিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সপ্তম
  2. নবম
  3. একাদশ
  4. ত্রয়োদশ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) প্রতিবছরের মতো ২০২২ সালেও “বাংলাদেশের জনসংখ্যা ২০২২ ও বিশ্ব প্রতিবেদন” প্রকাশ করে। নিম্নে বাংলাদেশের জনসংখ্যার তথ্য দেওয়া হলো: ● মোট জনসংখ্যা: ১৬ কোটি ৭৯ লাখ। ● বৃদ্ধির হার: ০.৯%। ● গড় আয়ু: পুরুষ- ৭২ বছর, নারী-৭৫ বছর। ● জনসংখ্যায় বিশ্বে বাংলাদশের অবস্থান অষ্টম। ● জনসংখ্যায় মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। (এশিয়ায়-তৃতীয়)।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি যেহেতু জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী করা হয়েছে, তাই এর উত্তর অবশ্যই সেই সময়ের তথ্য দ্বারা নির্ধারিত হবে।
১৯৯৪ সালের সেই রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক দিয়ে বিশ্বে বাংলাদেশের স্থান ছিল নবম (৯ম)
উল্লেখ্য, এই ধরনের ঐতিহাসিক পরিসংখ্যানভিত্তিক প্রশ্ন মাঝে মাঝে পরীক্ষায় আসে, তবে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বর্তমান তথ্য জানা আবশ্যক।
22

বাংলাদেশে গ্রামের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮৫৪৫০টি
  2. ৮৪৫০০টি
  3. ৮৫৫০০টি
  4. ৮৩৯০০টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২২ সালের ৬ষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের গ্রামের সংখ্যা ৮৭৩৯১টি। ৪,৪৮৪টি ইউনিয়ন, ৫৯,৯৯০টি মৌজা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮৫৪৫০টি। এই সংখ্যাটি হলো বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক প্রকাশিত এবং বিসিএস সহ বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় বহুল ব্যবহৃত ও স্বীকৃত গ্রামের সংখ্যা।
যদিও বিভিন্ন প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস এবং সর্বশেষ আদমশুমারির কারণে গ্রামে বা Mauza-র সংখ্যা সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে, কিন্তু সাধারণত প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য ৮৫৪৫০ সংখ্যাটিকেই সঠিক হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (৮৪৫০০টি, ৮৫৫০০টি ইত্যাদি) এই সঠিক পরিসংখ্যানের কাছাকাছি হলেও, ৮৫৪৫০টি হলো পরীক্ষার্থীদের জন্য মুখস্থ রাখার মতো মূল সংখ্যা।
23

NIPORT কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পোলট্রি ফার্ম বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

NIPORT জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৭ সালে মধ্যম পর্যায়ে প্রোগ্রাম ম্যানেজার বা কর্মসূচি ব্যবস্থাপকদের প্রশিক্ষণদানের জন্য ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন ট্রেনিং’ (NIPOT) স্থাপন করা হয়। পরে এ সংস্থাটিকে আরও সম্প্রসারণ করা হয় এবং এর নতুন নাম করা হয় ‘National Institute of Population Rescarch and Training’ (NIPORT)। নদী বন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট’ River Research Institute (RRI).

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
NIPORT-এর পূর্ণরূপ হলো National Institute of Population Research and Training
এর বাংলা নাম হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত দেশের জনসংখ্যা, পরিবার পরিকল্পনা এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য (Maternal and Child Health) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সঠিক।
অন্যান্য অপশনগুলো (পোলট্রি ফার্ম, নদীবন্দর বা বন্দর বিষয়ক) NIPORT-এর কর্মক্ষেত্রের বাইরে।
24

লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্থানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ১০ম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

UNFPA-এর জনসংখ্যা বিষয়ক রিপোর্ট ২০০৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম জনসংখ্যার দেশ এবং UNFPA- এর জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০০৫- এ বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় অষ্টমে। সর্বশেষ ২০২২ সালের UNFPA রিপোর্ট মতে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনসংখ্যার দেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ম
জাতিসংঘের 'World Population Prospects 2022' (যা বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার জন্য স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স) অনুযায়ী, লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৮ম স্থানে রয়েছে।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৭.৪ কোটি (UNFPA estimate)।
25

জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

UNFPA- এর জনসংখ্যা বিষয়ক রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের নবম জনসংখ্যার দেশ ছিল। UNFPA- এর জনসংখ্যা রিপোর্টে ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নবম (Ninth)
এই প্রশ্নটি একটি সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১১.৫০ কোটি।
বিসিএস পরীক্ষায় অনেক সময় পুরোনো বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রিপোর্ট থেকে সরাসরি তথ্য জানতে চাওয়া হয়, তাই প্রশ্নের সালে বা উৎসের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৮৭ জন
  2. ৩৭৫ জন
  3. ৩৫৭ জন
  4. ৩৭৮ জন

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৩৭৫ জন
চাকমা শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের দ্বিতীয় দফা শুরু হয় ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে। এই দিনে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির থেকে প্রথম ধাপে ৩৭৫ জন শরণার্থী বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
প্রথম দফায় প্রায় ৫,০০০ শরণার্থী ১৯৯৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রত্যাবর্তন শুরু করেছিল। দ্বিতীয় দফার এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে শরণার্থী সংকট নিরসনের প্রচেষ্টা বেগবান হয়, যা পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করে।
27

পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের স্থান কততম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. দ্বাদশ
  4. চতুর্দশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

UNFPA -এর বিশ্ব জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের ৮ম জনসংখ্যার দেশ। জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৭৯ লাখ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অষ্টম (8th)
জাতিসংঘের সর্বশেষ 'World Population Prospects' এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার উপাত্ত অনুযায়ী, ২০২৪ সালের হিসাব অনুযায়ী বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের অবস্থান হলো অষ্টম
বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি ৪৫ লক্ষের বেশি। সাধারণত জনসংখ্যার এই মৌলিক তথ্যটি পরীক্ষায় সরাসরি জানতে চাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, নবম বা দশম স্থানটিও কাছাকাছি হলেও, সাম্প্রতিক অফিসিয়াল উপাত্ত অনুযায়ী অষ্টম স্থানটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর
28

২০০০ সাল নাগাল বাংলাদেশের জনসংখ্যা দাঁড়াবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০ মিলিয়ন
  2. ১২০ মিলিয়ন
  3. ১০০ মিলিয়ন
  4. ২৩০ মিলিয়ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারির অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী দেশে মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখের উপরে।

ব্যাখ্যা

এটি একটি পুরনো প্রশ্ন, যা সম্ভবত ১৯৮০ বা ১৯৯০-এর দশকে করা জনসংখ্যা প্রক্ষেপণের (Projection) ভিত্তিতে তৈরি। সেই সময়ের উচ্চ প্রক্ষেপণ অনুসারে ২০০০ সাল নাগাদ জনসংখ্যা ২০০ মিলিয়ন (২০ কোটি) হওয়ার সম্ভাবনা দেখানো হয়েছিল।
সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন ও উত্তর অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে: ২০০ মিলিয়ন
পরীক্ষার জন্য মনে রাখবেন, সরকারি আদমশুমারি অনুযায়ী ২০০১ সালে বাংলাদেশের প্রকৃত জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১২৯.৩ মিলিয়ন (১২ কোটি ৯৩ লাখ)। ফলে এই প্রশ্নটি সেই সময়ের প্রক্ষেপণের ওপর নির্ভরশীল, বাস্তবের ওপর নয়।
29

নিচের কোন বাংলাদেশীয় উপজাতির পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গারো
  2. সাঁওতাল
  3. খাসিয়া
  4. মারমা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে বসবাসকারী ৫০টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে খাসিয়া ও গারো এ দুটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো মাতৃতান্ত্রিক। বাকি সব ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর পারিবারিক কাঠামো পিতৃতান্ত্রিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাঁওতাল
সাঁওতাল উপজাতির পারিবারিক কাঠামো হলো পিতৃতান্ত্রিক (Patriarchal)। এই সমাজে বংশ পরিচয় সাধারণত পিতার দিক থেকে নির্ধারিত হয়, সম্পত্তির উত্তরাধিকার পুরুষের হাতে থাকে এবং পরিবারের প্রধান হন পুরুষ সদস্য
এর বিপরীতে, বাংলাদেশে গারো এবং খাসিয়া উপজাতির পারিবারিক কাঠামো হলো সম্পূর্ণ মাতৃতান্ত্রিক (Matriarchal)। এই সমাজে নারীরা সম্পত্তির উত্তরাধিকারী হন এবং পরিবারের মূল নিয়ন্ত্রণ থাকে মাতা বা নারী প্রধানের হাতে।
মারমা উপজাতিও সাধারণত পিতৃতান্ত্রিক হলেও, মাতৃতান্ত্রিক গারো ও খাসিয়ার বিপরীতে পিতৃতান্ত্রিক কাঠামোর উদাহরণ হিসেবে সাঁওতাল সবচেয়ে প্রথাগত এবং পরিচিত।
30

বাংলাদেশে ডিগ্রিপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রায় ৪৭৯৭ জন

  2. প্রায় ৪৫৭২ জন
  3. প্রায় ৯৭৯১ জন
  4. প্রায় ৮২১২ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯-এর তথ্য মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যা ১৭২৪ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রায় ৪৫৭২ জন
এই ধরনের প্রশ্নগুলো সাধারণত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) অথবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিন বা জনমিতি জরিপ থেকে আসে।
২০২০-২০২১ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ডিগ্রিপ্রাপ্ত (নিবন্ধনকৃত) চিকিৎসকের বিপরীতে জনসংখ্যার হার হলো প্রায় ১: ৪,৫০০ থেকে ১: ৫,০০০-এর মধ্যে। প্রশ্নটিতে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ৪৫৭২ জন-এর সংখ্যাটিই উক্ত সময়ের হিসাবের সাথে সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এই সংখ্যাটি চলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধি এবং নতুন ডাক্তারের নিবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু পরীক্ষার জন্য এই রেঞ্জটি (৪৫০০-৫০০০) মনে রাখা আবশ্যক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

জাতিসংঘে রাষ্ট্রপতির ভাষণ অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা হয়েছে প্রতি হাজারে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 137
  2. 121
  3. 117
  4. 110

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২১ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১১৭
জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG) অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতা তুলে ধরতে এই হারটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই সংখ্যাটি মূলত ১৯৯০ সালের প্রেক্ষাপটে প্রতি হাজার জীবিত জন্মে পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার (Under 5 Mortality Rate - U5MR) হিসেবে উল্লেখ করা হতো।
এই হারটি ছিল MDG-এর প্রাথমিক বেসলাইন ডেটা, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ শুরু করে। যদিও বর্তমানে এই হার অনেক নিচে নেমে এসেছে (যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় সাফল্য), কিন্তু বিগত বছরের প্রশ্নে এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই সঠিক হিসেবে বারবার এসেছে।
উল্লেখ্য, অন্যান্য বিকল্পগুলি 1990-এর কাছাকাছি সময়ের অন্যান্য পরিসংখ্যানকে নির্দেশ করে, কিন্তু ১১৭ সংখ্যাটিই শিশুমৃত্যু হারের হ্রাস সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সরকারি ভাষণে প্রধানত উঠে এসেছিল।
32
বাংলাদেশের কোন বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. খুলনা
  3. বরিশাল
  4. চট্টগ্রাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক উত্তর: বরিশাল

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী জনসংখ্যার ঘনত্ব (প্রতি বর্গকিমি) এর উপাত্ত নিচে দেওয়া হলো:

  • সর্বোচ্চ ঘনত্ব (বিভাগ): ঢাকা (২,১৫৬ জন)
  • সর্বনিম্ন ঘনত্ব (বিভাগ): বরিশাল (৬৮৮ জন)
  • সর্বোচ্চ ঘনত্ব (জেলা): ঢাকা (১০,০৬৭ জন)
  • সর্বনিম্ন ঘনত্ব (জেলা): রাঙামাটি (১০৬ জন)

সুতরাং, বরিশাল বিভাগে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে কম।

ব্যাখ্যা

জনশুমারি ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী এ তথ্য সঠিক।
জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার সবচেয়ে কমও বরিশাল বিভাগে (০.৭৯%)।
33
২০২২ সালের জনশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশের জনসংখ্যা—
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রায় উনিশ কোটি
  2. প্রায় সাড়ে ষোলো কোটি
  3. প্রায় আঠারো কোটি
  4. প্রায় সতেরো কোটি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: প্রায় সতেরো কোটি

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২-এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬,৯৮,২৮,৯১১ জন; যা প্রায় ১৬ কোটি ৯৮ লাখ বা প্রায় ১৭ কোটি। এর মধ্যে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১.১২% এবং জনসংখ্যার ঘনত্ব প্রতি বর্গকিলোমিটারে ১১১৯ জন।

ব্যাখ্যা

২০২২ সালের জনশুমারি ছিল দেশের ৬ষ্ঠ এবং প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি।
সঠিক সংখ্যা ১৬.৯৮ কোটি হওয়ায় নিকটতম অপশন হিসেবে 'প্রায় সতেরো কোটি' সঠিক।
34
বর্তমানে পৃথিবীর কোন দেশে বেশি প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৌদি আরব
  2. মালয়েশিয়া
  3. সংযুক্ত আরব আমিরাত
  4. ইতালি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সঠিক উত্তর: সৌদি আরব

জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (BMET)-এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সবচেয়ে বেশি প্রবাসী কর্মী কর্মরত রয়েছেন সৌদি আরবে। মোট জনশক্তি রপ্তানির প্রায় ৩৭-৩৮% কর্মী সৌদি আরবে অবস্থান করছেন। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে মালয়েশিয়া এবং এরপর সংযুক্ত আরব আমিরাত।

ব্যাখ্যা

সৌদি আরবে প্রায় ৩০ লাখের অধিক বাংলাদেশি কর্মী কর্মরত আছেন।
35
Demographic Dividend বলতে কী বোঝায়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিশু মৃত্যুহার হ্রাস
  2. জন্মহার শূন্যের কোটায় আনা
  3. জনসংখ্যার অধিকাংশ বেকার
  4. কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর: কর্মক্ষম বয়স গোষ্ঠীর অনুপাত বৃদ্ধি

কোনো দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক মানুষ যখন কর্মক্ষম (১৫ থেকে ৬৪ বছর বয়সী) থাকে, তখন তাকে 'ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড' বা জনমিতিক লভ্যাংশ বলা হয়। এই অবস্থায় নির্ভরশীল জনগোষ্ঠীর সংখ্যা কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর চেয়ে কম থাকে, যা অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য সহায়ক।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ বর্তমানে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ অনুযায়ী দেশের মোট জনসংখ্যার ৬৫.২৩% কর্মক্ষম (১৫-৬৪ বছর)।
এই সুবর্ণ সুযোগ কাজে লাগাতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা জরুরি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ৩৫টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন BCS Preliminary-এর জন্য “জনসংখ্যা ও আদমশুমারি” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার বাংলাদেশ বিষয়াবলি অংশে “জনসংখ্যা ও আদমশুমারি” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"জনসংখ্যা ও আদমশুমারি" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষায় বাংলাদেশ বিষয়াবলি বিষয়ের "জনসংখ্যা ও আদমশুমারি" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।