সমাধান
সমাধান
💼
NTRCA - College Level

General Knowledge (College)

NTRCA (Teacher Registration) · NTRCA - College Level — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার NTRCA - College Level বিষয়ের "General Knowledge (College)" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

বাংলাদেশে ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা-২১০০ কোন দেশের পরিকল্পনাকে অনুসরণ করে করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুইজারল্যান্ড
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. আয়ারল্যান্ড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০
• জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগজনিত ঝুঁকির কারণে কাঙ্খিত উন্নয়নের দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০' নামে একটি মহাপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে।
• পানি, জলবায়ু, পরিবেশ ও ভূমির টেকসই ব্যবস্থার দীর্ঘমেয়াদি চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করে ২০৩০ সালের মধ্যে উচ্চ মধ্যম আয়ের দেশের মর্যাদা অর্জন এবং চরম দারিদ্র্য দূরীকরণসহ ২০৪১ সালের মধ্যে একটি সমৃদ্ধ দেশের মর্যাদা অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ বাংলাদেশের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি পরিকল্পনাসমূহের সমন্বয় করবে।
• বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রাথমিকভাবে ২০৫০ পর্যন্ত মধ্যমেয়াদি ডেল্টা এজেন্ডা ঘিরে প্রণীত হলেও, তাতে ২০৫০ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদি এজেন্ডার বিষয়েও আলোকপাত করা হয়েছে।
• এ প্রেক্ষাপটে, নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার অভিজ্ঞতার আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা (Best Practice) অনুসরণে বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস্ সরকারের সার্বিক সহায়তা গ্রহণ করা হয়েছে।
• নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায় বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) বাংলাদেশ ব-দ্বীপ পরিকল্পনা ২১০০ প্রণয়ন করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেদারল্যান্ড (Netherlands)
জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকার 'বাংলাদেশ ব-দ্বীপ মহাপরিকল্পনা-২১০০' (Bangladesh Delta Plan-2100) প্রণয়ন করেছে।
এই মহাপরিকল্পনাটি প্রণয়নে নেদারল্যান্ডস সরকারের সার্বিক সহযোগিতা গ্রহণ করা হয়েছে। নেদারল্যান্ডসের ডেল্টা ব্যবস্থাপনার দীর্ঘ অভিজ্ঞতার (Dutch Delta management) আলোকে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত উত্তম চর্চা অনুসরণ করা হয়েছে।
পরিকল্পনাটি প্রণয়ন করেছে বাংলাদেশ পরিকল্পনা কমিশনের সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) নেদারল্যান্ডস্ ও স্থানীয় বিশেষজ্ঞদের সহযোগিতায়।
2

বাংলাদেশে বর্তমানে মোট কতটি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ১১টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

• বাংলাদেশে বর্তমানে মোট ১১টি শিক্ষাবোর্ড রয়েছে - 
১। বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড
২। বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
৩। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা
৪। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম
৫। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লা
৬। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, রাজশাহী 
৭। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, যশোর 
৮। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, বরিশাল 
৯। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, সিলেট 
১০। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, দিনাজপুর।
১১। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ময়মনসিংহ।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১টি
বাংলাদেশে বর্তমানে যে তিনটি ধারার শিক্ষা ব্যবস্থা চালু আছে (সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি), সেগুলোর সমন্বয়ে মোট শিক্ষাবোর্ড রয়েছে ১১টি
এই ১১টি বোর্ডের বিভাজন হলো:
১। ৯টি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড (ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা, রাজশাহী, যশোর, বরিশাল, সিলেট, দিনাজপুর, ময়মনসিংহ)।
২। ১টি বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড।
৩। ১টি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড।
সুতরাং, মোট শিক্ষাবোর্ডের সংখ্যা হলো ৯ + ১ + ১ = ১১টি
অন্যান্য অপশন (৮টি, ৯টি বা ১০টি) ভুল, কারণ ৯টি হলো কেবল সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা, কিন্তু মোট শিক্ষা বোর্ডের সংখ্যা নয়।
3

১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রদত্ত ভাষণটি ইউনেস্কো কোন তারিখে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' হিসেবে ঘোষণা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
  2. ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৭ সাল
  3. ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ সাল
  4. ৩০ শে অক্টোবর, ২০১৮ সাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ’কে বিশ্বের প্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা, ইউনেস্কো (UNESCO)।
• ভাষণটি ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য সংরক্ষণের জন্য “Memory of the World International Heritage Register'-এর তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে।
• এ পর্যন্ত এসব স্বীকৃতির মধ্যে ইউনেস্কো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণকেই প্রথম পাণ্ডুলিপিবিহীন এবং অলিখিত ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩০শে অক্টোবর, ২০১৭ সাল
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণকে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (UNESCO) এই তারিখে 'বিশ্ব প্রামাণ্য ঐতিহ্য' (World Documentary Heritage) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
এই স্বীকৃতির ফলে আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের ভিত্তি আরও সুদৃঢ় হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (নভেম্বর ২০১৭ বা ২০১৮ সালের তারিখ) বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে; সঠিক স্বীকৃতি কেবল ২০১৭ সালের অক্টোবর মাসের ৩০ তারিখেই আসে।
4

বর্ধমান হাউজ' কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. কলকাতা
  3. পশ্চিমবঙ্গ
  4. কুষ্টিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• মোগল ও ইউরোপীয় শৈলীর সংমিশ্রণে তৈরি ঢাকার ঔপনিবেশিক আমলের একটি বিখ্যাত স্থাপনা বর্ধমান হাউস।
• বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের বহু মোড় পরিবর্তনকারী ঘটনার সঙ্গে বর্ধমান হাউসের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।
• ব্রিটিশ আমলে নির্মিত এই বর্ধমান হাউসের একটি পুরোনো ছবিও পাওয়া গেল বাংলা একাডেমির কাছ থেকে।
• ব্রিটিশ আমলে শাহবাগে ঢাকার নবাবদের যত স্থাপনা ছিল, সুজাতপুর প্যালেস তার একটি। এটিই পরে বর্ধমান হাউস হয় বলে কথিত আছে। 
• ব্রিটিশ শাসন পরিষদের তিন সদস্যের একজন অবিভক্ত বাংলার বর্ধমানের মহারাজা স্যার বিজয় চাঁদ মাহতাব ১৯১৯ থেকে ১৯২৪ পর্যন্ত সময়ে কিছুকাল এই বাড়িতে থাকতেন বলে এর নাম হয় বর্ধমান হাউস। বিভিন্ন সময়ে সংস্কারের কারণে বর্ধমান হাউস তার আদিরূপ কিছুটা হারিয়েছে।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঢাকা
বর্ধমান হাউজ হলো ঢাকার একটি ঐতিহাসিক স্থাপনা, যা মোগল ও ইউরোপীয় স্থাপত্যশৈলীর সংমিশ্রণে নির্মিত। এই ভবনটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের সাথে গভীরভাবে সম্পর্কিত।
ব্রিটিশ আমলে অবিভক্ত বাংলার বর্ধমানের মহারাজা স্যার বিজয় চাঁদ মাহতাব ১৯১৯ থেকে ১৯২৪ সালের মধ্যে কিছুকাল এই বাড়িতে অবস্থান করতেন। তার নামানুসারেই এর নাম হয় বর্ধমান হাউজ
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হলো, ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর এই ভবনটিকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেয়। বর্তমানে এটি বাংলা একাডেমির প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।
অন্যান্য অপশন, যেমন কলকাতা বা পশ্চিমবঙ্গ কাছাকাছি মনে হলেও, বর্ধমান হাউসের অবস্থান ঐতিহাসিকভাবে ঢাকার শাহবাগে নিশ্চিত।
5

দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর কোথায় হওয়ার কথা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সন্দ্বীপ
  2. হাতিয়া
  3. মনপুরা
  4. সোনাদিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সোনাদিয়ায় দেশের প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর হওয়ার কথা
• সোনাদিয়া কক্সবাজার জেলাধীন মহেশখালী উপজেলার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জীববৈচিত্র্য সমৃদ্ধ একটিদ্বীপ।
• দ্বীপটির আয়তন ৯ বর্গ কিলোমিটার।
• কক্সবাজার জেলা সদর থেকে ৭ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে মহেশখালী উপজেলার কুতুবজোম ইউনিয়নে সোনাদিয়া অবস্থিত।
• প্রায় ১৪ কিলোমিটার দীর্ঘ প্রশস্থ সৈকত, সৈকত ঘেষে সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে থাকা সূউচ্চ বালিয়াড়ি, জালের  মতো ছোট-বড় অসংখ্য খাল বেষ্টিত ম্যানগ্রোভ বন, বিস্তির্ণ ল্যাগুন্যাল ম্যাডফ্ল্যাট, কেয়া-নিশিন্দার ঝোপ, বিচিত্র প্রজাতির জলচর পাখি সোনাদিয়া দ্বীপের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
• সমুদ্র সৈকতের পাশ ঘেষে অবস্থিত সোনাদিয়ার সূ-উচ্চু বালিয়াড়ির তুলনা বাংলাদেশে  নেই। সমুদ্র এবং সৈকত থেকে বালিয়াড়ির দৃশ্য অপূর্ব মনে হয়।
• সোনাদিয়ার সৈকত এবং বালিয়াড়ি বিপন্ন জলপাই বর্ণের সামুদ্রিক কাছিমের ডিম পাড়ার উপযোগী স্থান। এখানে সামুদ্রিক সবুজ কাছিমও ডিম পাড়তে আসে।
• সমুদ্র সৈকতের বেলাভূমিতে পানির কিনারা ঘেষে বিচরন করে লাল কাঁকড়া এবং প্যারাবন এলাকায় শীলা কাঁকড়া পাওয়া যায়।

তথ্যসূত্র: মহেশখালী উপজেলার ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

দেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর স্থাপনের জন্য প্রাথমিকভাবে কক্সবাজার জেলার মহেশখালী উপজেলাধীন সোনাদিয়া দ্বীপকে নির্বাচন করা হয়েছিল।
সোনাদিয়ার ভৌগোলিক অবস্থান এবং প্রাকৃতিক সুবিধা এই প্রস্তাবনার মূল ভিত্তি ছিল।
তবে পরিবেশগত উদ্বেগ এবং ভূ-রাজনৈতিক কৌশলগত কারণে পরবর্তীতে এই সোনাদিয়া প্রকল্প বাতিল ঘোষণা করা হয়।
যেহেতু প্রশ্নে 'প্রস্তাবিত' স্থানটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই মূল প্রস্তাবনা হিসেবে সোনাদিয়াই সঠিক উত্তর (অপশন ৪)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ASEAN
  2. SAFTA
  3. EU
  4. WTO

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (EU) .
- ইইউ ২৭টি ইউরোপীয় দেশের একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট । 
- এটি ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে মাস্ট্রিচ চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এটি তখন থেকে বিশ্বের বৃহত্তম ট্রেডিং ব্লকে পরিণত হয়। 

অপরদিকে, 
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) কোন অর্থনৈতিক জোট নয়।
- ইহা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্বাবধান ও নিয়ন্ত্রণ করে এবং এর প্রধান কাজ হলো বাণিজ্য যতটা সম্ভব সহজ ও প্রসার করা।
- বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা 164টি সদস্য দেশ নিয়ে গঠিত ।

উৎস : ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

বিশ্বের সবচেয়ে বড় অর্থনৈতিক জোট হলো ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)। এটি মূলত ২৭টি ইউরোপীয় দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ইউনিয়ন।
এটি কেবল মুক্ত বাণিজ্যই নিশ্চিত করে না, বরং একক মুদ্রা (ইউরো) ব্যবহার এবং শেনজেন চুক্তির মাধ্যমে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে সীমান্তমুক্ত চলাচলও নিশ্চিত করে, যা এটিকে বিশ্বের গভীরতম অর্থনৈতিক ব্লক করে তুলেছে।
EU প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৩ সালের নভেম্বরে মাস্ট্রিচট চুক্তির মাধ্যমে।
অপরদিকে, WTO (বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা): এটি একটি জোট নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য তত্ত্বাবধান ও নিয়মকানুনের দেখভাল করার জন্য গঠিত একটি বৈশ্বিক সংস্থা।
ASEAN (Association of Southeast Asian Nations)SAFTA (South Asian Free Trade Area): এগুলো আঞ্চলিক বাণিজ্য জোট হলেও আকার ও অর্থনৈতিক শক্তির দিক থেকে EU-এর চেয়ে অনেক ছোট।
7

প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা কোথায় সংরক্ষিত থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হার্ডডিস্ক
  2. RAM
  3. ক্লিপবোর্ড
  4. ROM

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রোগ্রাম থেকে কপি করা ডেটা ক্লিপবোর্ডে সংরক্ষিত থাকে। 

- ক্লিপবোর্ড র‌্যামের একটি অংশ যেখানে কোনো ডেটা অন্য কোনো স্থানে পেস্ট করার পূর্বে অস্থায়ীভাবে জমা থাকে।
- ক্লিপবোর্ড কমান্ড তিনটি – cut, copy, paste।
- যখন কোনো প্রোগ্রামের এডিট মেনু থেকে cut বা copy কমান্ড দিয়ে কোনো টেক্সট, ইমেজ বা অন্য কোনো ধরনের ডেট ফাইল সিলেক্ট করা হয়, তখন তা ক্লিপবোর্ডে জমা হয়।

সূত্র- Computer Hope Website

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্লিপবোর্ড। যখন কোনো টেক্সট, ছবি বা ফাইল প্রোগ্রাম থেকে আপনি Copy বা Cut করেন, তখন তা গন্তব্যস্থানে Paste করার জন্য সাময়িকভাবে ক্লিপবোর্ডে জমা থাকে।
ক্লিপবোর্ড হলো RAM (Random Access Memory)-এর একটি অংশ, যা অস্থায়ী মেমরি হিসেবে কাজ করে। এই ডেটা শুধুমাত্র ততক্ষণই সংরক্ষিত থাকে যতক্ষণ না আপনি নতুন কোনো ডেটা কপি করছেন অথবা কম্পিউটারটি বন্ধ করছেন।
অন্যান্য বিকল্প: হার্ডডিস্ক (Hard Disk) স্থায়ীভাবে ডেটা সংরক্ষণ করে। ROM (Read Only Memory) হলো একটি স্থায়ী চিপ, যা কম্পিউটারের বুটিং প্রক্রিয়া (BIOS) পরিচালনা করার জন্য নির্দেশাবলী সংরক্ষণ করে।
8

আলোর কণা' তত্ত্বের প্রবক্তা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইজ্যাক নিউটন
  2. অ্যালো হ্যাজেন
  3. গ্যালিলিও
  4. রামফোর্ড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- আলোর কণা তত্ত্বের প্রবক্তা স্যার আইজ্যাক নিউটন।
- তরঙ্গ তত্ত্বের প্রবক্তা হাইগেন।
- তাড়িত চৌম্বক তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েল।
- কোয়ান্টাম তত্ত্বের প্রবক্তা ম্যাক্সপ্লাঙ্ক।

উৎসঃ পদার্থ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আইজ্যাক নিউটন
স্যার আইজ্যাক নিউটন (Sir Isaac Newton) ১৭ শতাব্দীর দিকে আলোর ধর্ম ব্যাখ্যা করার জন্য 'কণা তত্ত্ব' (Corpuscular Theory) প্রদান করেন। এই তত্ত্ব অনুসারে, আলো হলো অত্যন্ত ক্ষুদ্র কণা বা করপাসকলসের (Corpuscles) সমষ্টি, যা সরলরেখায় চলে।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, গ্যালিলিও (Galileo Galilei) মূলত দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার এবং জ্যোতির্বিজ্ঞানের জন্য পরিচিত। অ্যালো হ্যাজেন সম্ভবত আল-হাজেন বা হাইগেনকে বোঝাতে ব্যবহার করা হয়েছে, যারা কণা তত্ত্বের বিপরীতে আলোর অন্যান্য তত্ত্বের প্রবক্তা।
9

কোন শহরটি 'বিগ অ্যাপেল' নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. প্যারিস
  3. সিঙ্গাপুর
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নিউইয়র্ক : বিগ অ্যাপল/গগণচুম্বি অট্টালিকার শহর।
• ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসকে সিটি অব লাভ বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিউইয়র্ক
আমেরিকার এই শহরটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত শহর, যা মূলত 'বিগ অ্যাপল' নামে পরিচিত। এই নামটি ১৯২০-এর দশকে মূলত হর্স রেসিং এবং জ্যাজ সঙ্গীত শিল্পীদের পরিভাষা থেকে জনপ্রিয়তা লাভ করে।
পরবর্তীতে এটি শহরের পর্যটন বোর্ড দ্বারা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রচার করা হয় এবং বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পায়।
অন্যান্য অপশনগুলোর উপনাম (Nicknames) হলো:
প্যারিস: এটি 'সিটি অব লাভ' (City of Love) বা 'আলোর শহর' (City of Light) নামে পরিচিত।
লন্ডন: এটি 'দ্য স্মোক' বা 'বিশ্বের রাজধানী' নামে পরিচিত।
10

আসাদগেট নামের পটভূমির সাথে জড়িত কোন সন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৭ সন
  2. ১৯৬৯ সন
  3. ১৯৫২ সন
  4. ১৯৭১ সন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি ১১ দফা দাবি আদায়ের প্রেক্ষিতে গণ-আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হয়।
• গণ-আন্দোলনটি তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে হওয়ায় ঢাকাবাসী আসাদের স্মৃতি রক্ষার্থে আইয়ুব গেটের নাম পরিবর্তন করে রাখেন আসাদগেট।
• প্রতিবছর ২০ জানুয়ারি আসাদ দিবস পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

আসাদগেট নামের পটভূমির সাথে জড়িত সনটি হলো ১৯৬৯ সন
১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি তৎকালীন স্বৈরাচারী প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খানের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানে গণ-অভ্যুত্থান চলাকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা আসাদুজ্জামান আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
এই ঘটনার প্রতিবাদে এবং আসাদের স্মৃতি রক্ষার্থে ঢাকাবাসী তাৎক্ষণিকভাবে ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ 'আইয়ুব গেট'-এর নাম পরিবর্তন করে 'আসাদগেট' রাখেন।
অন্যান্য সালগুলো যেমন—১৯৫২ (ভাষা আন্দোলন) বা ১৯৭১ (মুক্তিযুদ্ধ) স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হলেও, আসাদগেটের নাম পরিবর্তনের মূল কারণ ছিল ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারির মর্মান্তিক ঘটনা।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

ঢাকার ধোলাইখাল কে খনন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসলাম খান
  2. সরফরাজ খান
  3. মুর্শিদ কুলি খান
  4. ঈশা খান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• বাংলার মুঘল সুবাদার ইসলাম খান (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) বারোভূঁইয়াদের দমন করার উদ্দেশ্যে ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী ‘রাজমহল’ থেকে ‘ঢাকা’য় স্থানান্তর করেন।
• তৎকালীন মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নতুন নাম রাখা হয় ‘জাহাঙ্গীরনগর’।
• তিনি ১৬১১ সালে মুসা খানকে পরাজিত করার মাধ্যমে বারোভূঁইয়াদের চূড়ান্তভাবে দমন করেন। তার সময়েই সমগ্র বাংলা মুঘলদের অধীনে আসে।
• ধোলাই খাল পুরানো ঢাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি বাণিজ্যিক-আবাসিক এলাকা। ঢাকার প্রথম মুগল সুবাদার ইসলাম খান এটি খনন করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইসলাম খান
ইসলাম খান ছিলেন বাংলার প্রথম মুঘল সুবাদার। তিনি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বারোভূঁইয়াদের দমনের সুবিধা এবং প্রশাসনিক গুরুত্বের কারণে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
ঢাকাকে নতুন রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার পর তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বাণিজ্য ও যোগাযোগের সুবিধার্থে পুরাতন ঢাকার মধ্য দিয়ে বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ খাল খনন করেন, যা ধোলাই খাল নামে পরিচিত।
12

ইউনেস্কো করে সুন্দরবনকে বিশ্ব ঐতিহ্য হিসেবে ঘোষণা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৭ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের বিশ্ব ঐতিহ্যের সংখ্যা তিনটি। 
যথা - 
১) বাগেরহাট জেলার ষাটগম্বুজ মসজিদ - ১৯৮৫ সালে ৩২১ তম বিশ্ব ঐতিহ্য। 
২) নওগাঁ জেলার পাহাড়পুর বৌদ্ধবিহার - ১৯৮৫ সালে ঘোষিত ৩২২ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।
৩) সুন্দরবন - ১৯৯৭ সালে ইউনেস্কো ঘোষিত ৭৯৮ তম বিশ্ব ঐতিহ্য।

• বাংলাদেশ ইউনেস্কো এর সদস্যপদ লাভ করে ২৭ অক্টোবর, ১৯৭২ সালে।
• ইউনেস্কো এর ৩০ তম সাধারণ সভায়, ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সালে ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্ত্ররজাতিক মাতৃভাষা হিসাবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৯৭ সাল
বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনকে ইউনেস্কো (UNESCO - United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization) তার বিশ্ব ঐতিহ্য (World Heritage) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৯৭ সালে। এটি ছিল ইউনেস্কো ঘোষিত বাংলাদেশের তৃতীয় বিশ্ব ঐতিহ্য স্থান।
অন্যান্য সালগুলো (১৯৯৬, ১৯৯৮, ১৯৯৯) সঠিক নয়। তবে, ১৯৯৯ সালটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের (২১ ফেব্রুয়ারি) স্বীকৃতির সঙ্গে সম্পর্কিত, যা ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ সভায় গৃহীত হয়।
13

ভেটো' কথাটি কোন শব্দ থেকে আগত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ল্যাটিন
  2. গ্রিক
  3. ফ্রেঞ্চ
  4. ইংরেজি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- "veto"  ল্যাটিন শব্দ "vetare" থেকে আগত যার অর্থ to forbid.
-  veto শব্দটি noun বা verb অর্থে ব্যবহৃত হয় 
- Noun অর্থে - a constitutional right to reject a decision or proposal made by a lawmaking body.
- Verb অর্থে - to refuse to allow something.

Source: Oxford Dictionary, Cambridge Dictionary

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ল্যাটিন
'Veto' (ভেটো) শব্দটি হলো একটি ল্যাটিন শব্দ।
এটি ল্যাটিন শব্দ 'vetare' থেকে আগত, যার আভিধানিক অর্থ হলো 'নিষেধ করা' (To forbid)।
রাজনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, ভেটো ক্ষমতা বলতে বোঝায় কোনো প্রস্তাব বা সিদ্ধান্তকে সাংবিধানিকভাবে প্রত্যাখ্যান করার অধিকার।
(অন্যান্য বিকল্প যেমন গ্রিক, ফ্রেঞ্চ বা ইংরেজি থেকে শব্দটি সরাসরি আসেনি, বরং ল্যাটিন হলো এর মূল উৎস।)
14

ভূ-মধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে কোন প্রণালির অবস্থান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হরমুজ
  2. বসফরাস
  3. পক
  4. জিব্রাল্টার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

• ভারতকে শ্রীলংকা হতে পৃথক করেছে পক প্রণালী।
• জিব্রাল্টার প্রণালীর অবস্থান ভূমধ্যসাগর ও আটলান্টিক মহাসাগরের মধ্যে যা আটলান্টিক এবং ভূমধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং আফ্রিকা(মরক্কো) ও ইউরোপ(স্পেন) মহাদেশকে পৃথক করেছে।
• বসফরাস প্রণালী কৃষ্ণসাগর ও মর্মরসাগরকে সংযুক্ত করেছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জিব্রাল্টার প্রণালী। জিব্রাল্টার প্রণালীটি দক্ষিণ-পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর-পশ্চিম আফ্রিকার মধ্যে অবস্থিত এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভূ-মধ্যসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
এটি মহাদেশীয় বিভেদক হিসেবে ইউরোপ (স্পেন) এবং আফ্রিকা (মরক্কো) মহাদেশকে পৃথক করেছে।
অন্যান্য ভুল অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
হরমুজ প্রণালী: এটি পারস্য উপসাগর এবং ওমান উপসাগরকে সংযুক্ত করেছে।
বসফরাস প্রণালী: এটি কৃষ্ণসাগর ও মর্মর সাগরকে সংযুক্ত করেছে।
পক প্রণালী: এটি ভারত ও শ্রীলঙ্কাকে পৃথক করেছে।
15

War and Peace' উপন্যাসের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কার্ল মার্কস
  2. জেন অস্টিন
  3. মন্টেস্কু
  4. লিও টলস্টয়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

• রাশিয়ান ঔপন্যাসিক লিও টলস্টয়ের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস গুলোর মধ্যে অন্যতম হলো- War and Peace, Anna Karenina, A Confession ইত্যাদি।
• তাঁর 'War and Peace' উপন্যাসে ফ্রান্স কর্তৃক রাশিয়া দখলের কাহিনী বর্ণনা করা হয়েছে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ঘ) লিও টলস্টয়
লিও টলস্টয় ছিলেন একজন খ্যাতিমান রাশিয়ান ঔপন্যাসিক এবং দার্শনিক। তাঁর সাহিত্যকর্ম ১৯শ শতাব্দীর রাশিয়ার সামাজিক ও রাজনৈতিক পটভূমিকে ফুটিয়ে তোলে।
তাঁর মহাকাব্যিক উপন্যাস ‘War and Peace’ (যুদ্ধ ও শান্তি) ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসে নেপোলিয়ন বোনাপার্ট কর্তৃক রাশিয়া আক্রমণের ইতিহাস এবং পাঁচটি অভিজাত পরিবারের জীবনযাত্রা বর্ণনা করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কার্ল মার্কস ছিলেন একজন জার্মান দার্শনিক ('Das Kapital' রচয়িতা), জেন অস্টিন ছিলেন ইংরেজ লেখিকা ('Pride and Prejudice' রচয়িতা) এবং মন্টেস্কু ছিলেন ফরাসি দার্শনিক ('The Spirit of the Laws' রচয়িতা)। এঁরা কেউই 'War and Peace'-এর রচয়িতা নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

কোনটিতে রোবটের ব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জটিল সার্জারি চিকিৎসায়
  2. ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে
  3. নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে
  4. টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- জটিল সার্জারি চিকিৎসায় রোবট ব্যবহৃত হয়। 
- নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যবহৃত হয়। 
- টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে ন্যানো প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
- ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 


উৎস :  তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বোর্ড বই, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জটিল সার্জারি চিকিৎসায়
আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে, বিশেষ করে ন্যূনতম আক্রমণাত্মক (Minimally Invasive) ও অত্যন্ত জটিল অস্ত্রোপচারের ক্ষেত্রে সার্জিক্যাল রোবট ব্যবহার করা হয়। এই রোবটগুলি মানুষের হাতের চেয়েও বেশি সূক্ষ্মতা ও স্থিরতা প্রদান করে, যা অপারেশনের সফলতার হার বাড়ায়।
অন্যান্য অপশনগুলি ভিন্ন প্রযুক্তির ব্যবহার নির্দেশ করে:
ব্যক্তির স্বাক্ষর শনাক্তকরণে: বায়োমেট্রিক্স প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়।
নতুন জাতের বীজ উৎপাদনে: জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বা বায়োটেকনোলজি ব্যবহৃত হয়।
টেনিস বলের আকৃতি তৈরিতে: সাধারণত উন্নত শিল্প উৎপাদন প্রক্রিয়া ব্যবহৃত হলেও, সূক্ষ্ম আকৃতি নিয়ন্ত্রণে ন্যানো প্রযুক্তি (Nanotechnology) ব্যবহার হতে পারে।
17

আল আকসা' মসজিদ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিলিস্তিন
  2. ইসরাইল
  3. আলজেরিয়া
  4. সৌদি আরব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• আল আকসা মসজিদ ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম শহরে অবস্থিত।
• এটি মুসলমানদের দ্বিতীয় কিবলা নামে পরিচিত।
• ১৯৬৯ সালে ইহুদীরা এই মসজিদে আগুন ধরিয়ে দেয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইসরাইল
ঐতিহাসিকভাবে আল আকসা মসজিদ ফিলিস্তিনের জেরুজালেমে অবস্থিত হলেও, বর্তমানে এটি ইসরাইল অধিকৃত জেরুজালেম (পূর্ব জেরুজালেম)-এ অবস্থিত। জেরুজালেমের 'পুরাতন শহরে' (Old City) এই মসজিদটির অবস্থান।
এনটিআরসিএ এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় আল আকসা মসজিদের অবস্থান প্রশ্নে, যদি অপশনে জেরুজালেম, ইসরাইল, এবং ফিলিস্তিন তিনটাই থাকে, তবে সাধারণত পরীক্ষার প্রশ্নকর্তাদের দিকনির্দেশনা অনুযায়ী উত্তর দিতে হয়। তবে যেহেতু মসজিদটি বর্তমানে ইসরাইলের প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণে থাকা এলাকায় অবস্থিত, তাই ইসরাইলকে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
ফিলিস্তিন উত্তরটি ভুল নয়, তবে এটি ফিলিস্তিনিদের দাবিকৃত এলাকা নির্দেশ করে, আর ইসরাইল বর্তমান নিয়ন্ত্রণ নির্দেশ করে।
18

দেহ বৃদ্ধিকারক হরমোন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. থাইরক্সিন
  2. প্রোল্যাকটিন
  3. এড্রিনালিন
  4. সোমাটোট্রফিন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- মানুষের বৃদ্ধি হরমোন (Human Growth Hormone, HGH) সাধারণভাবে সোমাটোট্রপিন (Somatotrophin) নামে পরিচিত। 
- এটি এক ধরনের পেপটাইড হরমোন যা প্রায় ২০০ টি অ্যামিনো এসিডে গঠিত। 
- মানবদেহের বৃদ্ধির সঙ্গে জড়িত এ হরমোন শরীরে স্বাভাবিকভাবেই উৎপন্ন হয়। 
- মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থিতে এটি উৎপন্ন হয়।
-  বিশেষজ্ঞদের মতে, ৩০ বছর বয়সের পরে বৃদ্ধি হরমোনের ক্ষরণ কমে যায়। 
- পরবর্তী প্রতি ১০ বছরে ক্ষরণ প্রায় ১৪% হারে হ্রাস পায়। 
- বৃদ্ধি হরমোন যত কমবে, শরীরে ততই বয়সের ছাপ বাড়বে। 
- এ সময় দেহে বৃদ্ধি হরমোন প্রয়োগ করলে বয়সের ছাপ মিলিয়ে যাবে কিংবা ছাপ পড়ার গতি কমে যাবে।
 
উৎস: প্রাণী বিজ্ঞান, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সোমাটোট্রফিন
সোমাটোট্রফিন হরমোনটি HGH (Human Growth Hormone) বা মানুষের বৃদ্ধি হরমোন নামে পরিচিত। এটি মানবদেহের দৈহিক বৃদ্ধি এবং কোষের বিভাজন ও পুনরুৎপাদনের জন্য অপরিহার্য।
এই হরমোনটি মস্তিষ্কের পিটুইটারি গ্রন্থির (Pituitary Gland) অগ্রভাগ থেকে নিঃসৃত হয় এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গের কোষের বৃদ্ধিকে উদ্দীপিত করে।
অন্যান্য হরমোনগুলোর কাজ ভিন্ন:
- থাইরক্সিন: এটি মেটাবলিজম বা বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে।
- প্রোল্যাকটিন: এটি স্তন্যপায়ী প্রাণীদের দুগ্ধ উৎপাদনে সাহায্য করে।
- এড্রিনালিন: এটি 'Fight or Flight' হরমোন নামে পরিচিত, যা ভয় বা উত্তেজনার সময় দ্রুত রক্তচাপ বৃদ্ধি এবং হৃদস্পন্দন বাড়াতে সাহায্য করে।
19

উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে কোন প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়োমেট্রিক্স
  2. ভার্চুয়াল রিয়ালিটি
  3. ন্যানোটেকনোলজি
  4. জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উচ্চ ফলনশীল শস্য উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। 
কাঙ্খিত নতুন বৈশিষ্ট্যের সৃষ্টির জন্য কোন জীবের DNA-এর পরিবর্তন ঘটানোকে জিন প্রকৌশল বা জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বলে।


উৎসঃ উচ্চ মাধ্যমিক উদ্ভিদ বিজ্ঞান, গাজী আজমল

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং
উচ্চ ফলনশীল (High Yield) শস্য উৎপাদনে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়। এই প্রক্রিয়ায় কোনো জীবের DNA (ডিঅক্সিরাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড)-এর পরিবর্তন ঘটানো হয় যাতে ফসল দ্রুত বাড়ে, রোগ প্রতিরোধী হয় এবং ফলন বহুগুণ বৃদ্ধি পায়।
এই প্রযুক্তির মাধ্যমে সৃষ্ট শস্যকে জেনেটিক্যালি মডিফাইড অর্গানিজম (GMO) বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: বায়োমেট্রিক্স ব্যবহৃত হয় মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য (যেমন ফিঙ্গারপ্রিন্ট) শনাক্তকরণে। ভার্চুয়াল রিয়ালিটি একটি সিমুলেটেড পরিবেশ তৈরি করে। ন্যানোটেকনোলজি আণবিক স্তরের বস্তুর ক্ষুদ্রতম কারিগরি, যা সরাসরি উচ্চ ফলন নির্ধারণ করে না।
20

বাংলাদেশের সংবিধান রচনা কমিটির একমাত্র মহিলা সদস্য কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম
  2. বেগম রাজিয়া বানু
  3. বেগম মতিয়া চৌধুরী
  4. বেগম সুফিয়া কামাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠন করা হয়।
এই কমিটির,
- সভাপতি : তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেন
- একমাত্র মহিলা সদস্য : বেগম রাজিয়া বানু
- একমাত্র বিরোধীদলীয় সদস্য : সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত (ন্যাপ-মোজাফফর)।
- একমাত্র ডাক্তার সদস্য : ডাঃ ক্ষিতিশ চন্দ্র মণ্ডল।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের সংবিধান : আরিফ খান)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বেগম রাজিয়া বানু
১৯৭২ সালের ১১ এপ্রিল, বাংলাদেশের সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে তৎকালীন আইনমন্ত্রী ড. কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে মোট ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠিত হয়।
এই ৩৪ জন সদস্যের মধ্যে একমাত্র মহিলা সদস্য ছিলেন বেগম রাজিয়া বানু
অন্যান্য অপশনে উল্লিখিত ব্যক্তিত্বরা (যেমন: বেগম সুফিয়া কামাল, বেগম মতিয়া চৌধুরী) বাংলাদেশের ইতিহাসে বিখ্যাত হলেও তারা সংবিধান প্রণয়ন কমিটির সদস্য ছিলেন না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

মনপুরা-৭০' কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি উপজেলা
  2. একটি নদী বন্দর
  3. একটি উপন্যাস
  4. একটি চিত্রশিল্প

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ‘মনপুরা-৭০’ হলো শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিনের একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
তার অন্যান্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে:
- ম্যাডোনা-৪৩
- সংগ্রাম
- মইটানা
- পইন্যার মা
- নবান্ন
- দুর্ভিক্ষ
- দ্য রেবেল ক্রো প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো একটি চিত্রশিল্প
মনপুরা-৭০ হলো বাংলাদেশের কিংবদন্তী শিল্পী, যিনি শিল্পাচার্য উপাধি পেয়েছিলেন, সেই জয়নুল আবেদিন-এর আঁকা একটি বিখ্যাত চিত্রকর্ম।
এটি ১৯৭০ সালের ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে ভোলা জেলার মনপুরা অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ধ্বংসযজ্ঞের উপর ভিত্তি করে আঁকা।
22

বাংলাদেশের সংবিধান কতটি ভাষায় রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি
  2. দুইটি
  3. তিনটি
  4. চারটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধান ২টি ভাষায় রচিত (বাংলা ও ইংরেজি) 
- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সংবিধানে মোট ১৫৩ অনুচ্ছেদ রয়েছে ।
- সংবিধান হলো গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন ।
- বাংলাদেশ সংবিধান দুষ্পরিবর্তনীয়।
- এতে ১১ টি ভাগ বা অধ্যায় রয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধান প্রস্তাবনা দিয়ে শুরু এবং সাতটি তফসিল দিয়ে শেষ হয়েছে।

উৎস: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দুইটি। বাংলাদেশের সংবিধান মোট দুটি ভাষায় রচিত।
ভাষা দুটি হলো: বাংলাইংরেজি
সংবিধানের ১৫৩ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, সংবিধানের একটি অনুমোদিত ইংরেজি পাঠ (Authoritative English Text) থাকবে।
তবে শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় এই বিষয়টি খুব সূক্ষ্মভাবে খেয়াল রাখবেন: সংবিধানের বাংলা পাঠটিই এর প্রামাণিক ও মূল পাঠ (Authentic Text) হিসেবে বিবেচিত হয়। ইংরেজি পাঠটি কেবল সরকারি ব্যবহারের জন্য অনুবাদ মাত্র।
23

বাংলাদেশে কবে থেকে বয়স্কভাতা চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৬ সাল
  2. ১৯৯৭ সাল
  3. ১৯৯৮ সাল
  4. ১৯৯৯ সাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির অংশ হিসেবে সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে দেশে প্রথম বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি চালু হয়।
- শুরুতে এর ভাতা প্রাপ্তদের সংখ্যা ছিলো ৪.০৩ লক্ষ জন এবং ভাতার পরিমাণ ছিলো মাসিক ১০০ টাকা।
- চলতি ২০২১-২০২২ অর্থবছরে এসে বয়স্কভাতা গ্রহণকারীর সংখ্যা দাড়িয়েছে ৫৭ লক্ষ এবং মাসিক ভাতার পরিমাণ ৫০০ টাকা।


তথ্যসূত্র: বাজেট বক্তৃতা : ২০২১-২০২২ অর্থবছর, সমাজসেবা অধিদপ্তর ওয়েবসাইট এবং জাতীয় সামাজিক নিরাপত্তা কৌশল: বাংলাদেশ, জুলাই ২০১৫।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির (Social Safety Net Program) অংশ হিসেবে বয়স্কভাতা প্রদান কর্মসূচি প্রথম চালু হয়।
এই কর্মসূচিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে (Fiscal Year) সমাজসেবা অধিদফতরের অধীনে শুরু হয়।
প্রাপ্ত তথ্য ও অপশনগুলোর বিবেচনায়, যেহেতু ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরটি ১৯৯৭ সালের মাঝামাঝি শুরু হয়ে ১৯৯৮ সালের মাঝামাঝি শেষ হয়, তাই ক্যালেন্ডার বছর হিসেবে ১৯৯৮ সালকে (অপশন ৩) এই কর্মসূচির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়নের বছর হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে প্রচলিত।
24

নদী ছাড়া 'মহানন্দা' কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তরমুজ
  2. সরিষা
  3. আম
  4. কলা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- মহানন্দা হলো আমের একটি জাত।

আমের অন্যান্য জাতের মধ্যে রয়েছে:
- ল্যাংড়া
- ফজলি
- হাড়িভাঙ্গা
- আম্রপালি
- গোপালভোগ
- লক্ষ্মণভোগ
- সুরমা
- সূর্যপুরী
- হিমসাগর
- মোহনভোগ প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো আম
'মহানন্দা' নামটি যদিও উত্তরবঙ্গের একটি বিখ্যাত নদীর নাম, তবে এটি কৃষিবিদ্যায় আমের একটি জনপ্রিয় জাত হিসেবেও পরিচিত।
এটি সাধারণত দেরিতে পাকে এমন একটি সুস্বাদু জাত, যা চাঁপাইনবাবগঞ্জ অঞ্চলে বেশ জনপ্রিয়। তাই নদী ব্যতীত অন্য অর্থে, এটি একটি ফলজ জাতের নাম
25

বাংলাদেশে প্রথম ইপিজেড কোথায় স্থাপিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাভার
  2. চট্টগ্রাম
  3. মংলা
  4. গাজীপুর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশের মোট ইপিজেডের সংখ্যা ৯।
- সরকারি ইপিজেড ৮টি এবং বেসরকারি ১টি।
- বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড হচ্ছে চট্টগ্রাম ইপিজেড।
- ১৯৮৩ সালে এটি যাত্রা শুরু করে।
- বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ঢাকা ইপিজেড, ঢাকার সাভারে এর অবস্থান।
- বাংলাদেশের একমাত্র কৃষিভিত্তিক ইপিজেড উত্তরা ইপিজেড। এটি নীলফামারীতে অবস্থিত।
- মংলা ইপিজেড বাগেরহাট জেলায় অবস্থিত।
- আদমজী ইপিজেড নারায়ণগঞ্জে অবস্থিত।
- কর্ণফুলী ইপিজেডের অবস্থান পতেঙ্গা, চট্টগ্রাম।

উৎস: বেজা ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো চট্টগ্রাম
বাংলাদেশে প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (EPZ) হলো চট্টগ্রাম ইপিজেড। এটি ১৯৮৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
চট্টগ্রাম দেশের প্রধান বন্দর এবং বাণিজ্যিক কেন্দ্র হওয়ায় এটিকে প্রথম EPZ হিসেবে স্থাপন করা হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও তারা প্রথম EPZ নয়। যেমন: সাভার-এ অবস্থিত হলো ঢাকা ইপিজেড, যা বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

বাংলাদেশ ওয়ানডে ক্রিকেটের শততম ম্যাচে কোন দেশকে পরাজিত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাকিস্তান
  2. ভারত
  3. জিম্বাবুয়ে
  4. নিউজিল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ভারতের বিপক্ষে ওই ম্যাচে হাবিবুল বাশার সুমনের নেতৃত্বে ১০০তম ওয়ানডে ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ দল। 
- বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে সেই ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করে ২২৯ রান সংগ্রহ করে সৌরভ গাঙ্গুলীর ভারতের বিপক্ষে ১৫ রানে জয় পায় স্বাগতিকরা।

ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম জয়। 
- ১৯৯৮ সালে ভারতের হায়দ্রাবাদে কেনিয়ার বিপক্ষে পাওয়া বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়ে অধিনায়ক ছিলেন আকরাম খান। 
- ৫০তম জয়টা এসেছে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে ২০০৯ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে।  
 

- ২০১৭ সালের ১৫ থেকে ১৯ মার্চ শ্রীলংকার কলম্বোতে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ-শ্রীলংকার টেস্ট ক্রিকেট ম্যাচটি ছিল বাংলাদেশ দলের ১০০তম টেস্ট ম্যাচ। এই ম্যাচে বাংলাদেশ দল শ্রীলংকাকে চার উইকেটে পরাজিত করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো, যুগান্তর 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ভারত
বাংলাদেশ ক্রিকেট দল তাদের শততম ওয়ানডে (ODI) ম্যাচটি খেলেছিল ২০০৪ সালের ডিসেম্বরে ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে। প্রতিপক্ষ ছিল ভারত
ওই ম্যাচে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাট করে ২৩০ রানের লক্ষ্য দেয় এবং ভারতকে ২২৯ রানে অলআউট করে ১৫ রানে জয় লাভ করে।
এই জয়টি ছিল ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশের প্রথম ওয়ানডে জয়। সে সময় বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক ছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন
অন্যান্য অপশনগুলি (পাকিস্তান, জিম্বাবুয়ে, নিউজিল্যান্ড) শততম ম্যাচের প্রতিপক্ষ ছিল না, তবে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ২০০৯ সালে বাংলাদেশ তাদের ৫০তম ওয়ানডে জয় লাভ করেছিল।
27

মূল্য সংযোজন কর একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রত্যক্ষ কর
  2. পরোক্ষ কর
  3. পরিপূরক কর
  4. সমপূরক কর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- মূল্য সংযোজন কর বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর।
- মূল্য সংযোজন কর (মূসক) হচ্ছে কোন পণ্য বা সেবার ক্ষেত্রে তার উৎপাদন ও বণ্টনের প্রতিটি পর্যায় শেষে সংযোজিত মূল্যের ওপর শতকরা হারের কর। 
- বাংলাদেশে ১৯৯১-১৯৯২ অর্থবছরে অর্থাৎ ১৯৯১ সালের ১ জুলাই থেকে ভ্যাট চালু হয়।
- এখান থেকেই বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- ২০১২ সালে এটি সংশোধন করে মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক আইন-২০১২ পাশ হয় যা ১ জুলাই ২০১৯ থেকে কার্যকর হয়।

তথ্যসূত্র: জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পরোক্ষ কর
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা Value Added Tax (VAT) হলো এক প্রকার পরোক্ষ কর
পরোক্ষ কর বলা হয় কারণ এই করের বোঝা সরাসরি যিনি প্রদান করেন (যেমন বিক্রেতা/উৎপাদনকারী), তার ওপর পড়ে না। এটি পণ্য বা সেবার ওপর ধার্য করা হয় এবং চূড়ান্তভাবে ক্রেতা বা ভোক্তার কাছ থেকে বিক্রেতা এটি আদায় করে সরকারের কাছে জমা দেন। অর্থাৎ, করের ভার ভোক্তার ওপর স্থানান্তরিত হয়।
অন্যদিকে, প্রত্যক্ষ কর (Direct Tax), যেমন—আয়কর, সরাসরি ব্যক্তির আয়ের উপর বসে এবং করদাতা নিজেই সেই করের ভার বহন করেন।
28

বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কিউবা
  2. ফিলিস্তিন
  3. ইরান
  4. চীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে কিউবা। 
 
এক নজরে বিশ্বব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠাকাল - গঠনের সিদ্ধান্ত - ৪ জুলাই, ১৯৪৪ সাল
- আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা - ২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫ সাল
- কার্যক্রম শুরু - জুন, ১৯৪৬ সাল
- প্রতিষ্ঠার স্থান - নিউ হ্যাম্পশায়ার, যুক্তরাষ্ট্র
- সদস্য সংখ্যা - ১৮৯টি দেশ
(সর্বশেষ সদস্য - নাউরু; ১২ এপ্রিল, ২০১৬ সাল)
- প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য - ২৬টি
- প্রতিষ্ঠাকালীন সম্মেলন - Bretton Woods Conference
- সদরদপ্তর - ওয়াশিংটন ডি. সি, যুক্তরাষ্ট্র

উৎস: বিশ্বব্যাংক ও যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি বিভাগের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কিউবা। বিশ্বব্যাংক থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহারকারী একমাত্র দেশ হলো কিউবা।
কিউবা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৬০ সালে বিশ্বব্যাংক (World Bank) থেকে সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নেয়।
অন্যান্য দেশগুলো (ফিলিস্তিন, ইরান, চীন) বিশ্বব্যাংকের বর্তমান বা প্রাক্তন সদস্য হলেও তারা আনুষ্ঠানিকভাবে সদস্যপদ প্রত্যাহার করেনি।
29

তুরস্কের মুদ্রার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনার
  2. দিরহাম
  3. ডলার
  4. লিরা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

-  তুরস্কের মুদ্রার নাম হলো লিরা। 

রিয়াল যেসব দেশের ‍মুদ্রা:
- কাতার
- সৌদি আরব
- ওমান
- ইয়েমেন
- ইরান


পাউন্ড যেসব দেশের ‍মুদ্রা:
- মিশর
- সিরিয়া
- লেবানন
- যু্ক্তরাজ্য (পাউন্ড স্টার্লিং)

দিরহাম যেসব দেশের মুদ্রা:
- সংযুক্ত আরব আমিরাত
- মরক্কো

দিনার যেসব দেশের মুদ্রা:
- ইরাক
- কুয়েত
- জর্ডান
- বাহরাইন
- আলজেরিয়া ও
- তিউনেশিয়া


(সূত্র: ব্রিটানিকা)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লিরা। তুরস্কের জাতীয় মুদ্রার নাম হলো তুর্কি লিরা (Turkish Lira)। এই মুদ্রাটি তুরস্ক এবং আংশিকভাবে স্বীকৃত উত্তর সাইপ্রাস উভয় স্থানেই ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো বিভিন্ন দেশের মুদ্রা:
দিনার: এটি কুয়েত, ইরাক, জর্ডান, বাহরাইন, আলজেরিয়া ও তিউনেশিয়ার মুদ্রা।
দিরহাম: এটি সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) এবং মরক্কোর মুদ্রা।
ডলার: এটি যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ডসহ বহু দেশের মুদ্রা।
30

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম আরব দেশ হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৌদি আরব
  2. কুয়েত
  3. ইরাক
  4. বাহরাইন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- অন্যদিকে ইরান ও কাতার বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় যথাক্রমে ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি ও ৪ মার্চ।
- সৌদি আরব স্বীকৃতি দেয় ১৯৭৫ সালের ১৬ আগস্ট।

উৎসঃ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইরাক
ইরাক হলো প্রথম আরব রাষ্ট্র, যা স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে এটিই প্রথম স্বীকৃতি।
অন্যান্য আরব দেশের মধ্যে সৌদি আরব অনেক পরে স্বীকৃতি দেয় (১৬ আগস্ট ১৯৭৫)। কুয়েতবাহরাইন ১৯৭৪ সালে স্বীকৃতি দেয়, যা ইরাকের পরে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিপীলিকা
  2. দোয়েল
  3. পদ্মা
  4. অনুসন্ধান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন এর নাম হচ্ছে পিপীলিকা। 

- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'। 
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। 
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল। 
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি। 

সূত্র- প্রথম আলো পত্রিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পিপীলিকা
পিপীলিকা (Pipilika.com) হলো বাংলাদেশের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন, যা মূলত বাংলা ভাষাভাষী ব্যবহারকারীদের জন্য তৈরি করা হয়। এটি ২০১৩ সালের ২৭ জুন যাত্রা শুরু করে।
অন্যান্য অপশন যেমন— দোয়েল, পদ্মা, বা অনুসন্ধান — এগুলো বাংলাদেশের প্রথম সার্চ ইঞ্জিনের নাম নয়। দোয়েল হলো বাংলাদেশের তৈরি ল্যাপটপের নাম।
32

নিউজিল্যান্ডের আদিবাসী কারা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোডা
  2. আফ্রিদি
  3. জুলু
  4. মাউরি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি।
- জুলু উপজাতি বাস করে দক্ষিণ আফ্রিকায়।
- ভারতের কর্ণাটক রাজ্যের একটি উপজাতি টোডা। 

উৎসঃ সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাউরি
নিউজিল্যান্ডের আদিবাসীদের বলা হয় মাউরি। তারা পলিনেশীয় বংশোদ্ভূত এবং প্রায় ১০০০ বছর আগে নিউজিল্যান্ডে বসতি স্থাপন করে। নিউজিল্যান্ডের সংস্কৃতিতে তাদের গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব রয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অঞ্চলের আদিবাসী:
জুলু (Zulu): এরা দক্ষিণ আফ্রিকার একটি প্রধান উপজাতি।
টোডা (Toda): এরা মূলত ভারতের নীলগিরি পর্বতমালার আদিবাসী উপজাতি।
আফ্রিদি (Afridi): এরা সাধারণত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পাঠান উপজাতি হিসেবে পরিচিত।
33

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ জানুয়ারি
  2. ৮ মার্চ
  3. ৫ জুন
  4. ১০ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ৫ জুন : বিশ্ব পরিবেশ দিবস
- ৮ মার্চ : বিশ্ব নারী দিবস
- ১০ ডিসেম্বর : বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।

(সূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫ জুন। এটি হলো বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)
১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোম কনফারেন্সের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় ১৯৭৩ সালে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ৮ মার্চ হলো বিশ্ব নারী দিবস এবং ১০ ডিসেম্বর হলো বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।
34

জাতিসংঘের কততম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় ভাষণ দিয়েছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯ তম
  2. ২৯ তম
  3. ৩৬ তম
  4. ৩৯ তম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ১৩৬তম সদস্য হিসেবে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করেন।
- একই বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম ব্যক্তি হিসেবে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।
- বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কেবল ২৯তম অধিবেশনেই অংশগ্রহণ করেন।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাপিডিয়া)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৯ তম
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়। এটি ছিল সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত।
এর আট দিন পর, ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে প্রথম বাঙালি হিসেবে বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষণটি প্রদান করেন।
বঙ্গবন্ধু তার ভাষণে বিশ্ব শান্তি ও শোষিতের অধিকারের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছিলেন।
অন্যান্য অধিবেশন সংখ্যা যেমন ১৯ তম, ৩৬ তম বা ৩৯ তম এই ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
35

উরুগুয়ে রাউন্ড কোন সংস্থাটির সাথে জড়িত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IMF
  2. WTO
  3. NATO
  4. OIC

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ১৯৪৭ সাল থেকে ১৯৯৩ সাল পর্যন্ত GATT চুক্তির দুর্বলতা ও সমস্যা সমাধানের জন্য মোট ৭টি রাউন্ড সম্পন্ন হয়।
যেমন -
- Kennedy Round (১৯৬৪ - ৬৭),
- Tokyo Round (১৯৭৩ - ৭৯) ইত্যাদি।

এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে গুরত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ রাউন্ড হচ্ছে :
- Uruguay Round (১৯৮৬ - ৯৪)। 
১৫ এপ্রিল, ১৯৯৪ সালে উরুগুয়ে রাউন্ডের সমাপ্তির সময়ে GATT চুক্তি সংশোধনের মাধ্যমে নতুন আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংগঠন গঠনের সিদ্ধান্ত হয় এবং যার ফলে ১৯৯৫ সালে জন্ম হয় World Trade Organization (WTO) - এর।

উৎস: WTO ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: WTO (World Trade Organization)
উরুগুয়ে রাউন্ড ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রসার ও শুল্ক হ্রাস সংক্রান্ত একটি দীর্ঘমেয়াদী আলোচনা, যা GATT (General Agreement on Tariffs and Trade) চুক্তির অধীনে সম্পন্ন হয়েছিল।
এই রাউন্ডটি শুরু হয় ১৯৮৬ সালে এবং শেষ হয় ১৯৯৪ সালে। এই রাউন্ডের মাধ্যমেই GATT চুক্তিকে সংশোধন করে একটি স্থায়ী আন্তর্জাতিক বাণিজ্য সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, যার ফলস্বরূপ ১লা জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন উদ্দেশ্য সাধন করে—IMF হলো আন্তর্জাতিক আর্থিক স্থিতিশীলতা নিয়ে কাজ করা সংস্থা; NATO একটি সামরিক জোট এবং OIC হলো ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা। এদের কারও সাথেই উরুগুয়ে রাউন্ড সরাসরি জড়িত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা কিরূপ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাষ্ট্রপতি শাসিত
  2. সাংবিধানিক রাজতন্ত্র
  3. সংসদীয় সরকার
  4. রাজতন্ত্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থা রাষ্ট্রপতি শাসিত। 
- জর্জ ওয়াশিংটন (ফেব্রুয়ারি ২২, ১৭৩২ – ডিসেম্বর ১৪, ১৭৯৯) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম রাষ্ট্রপতি।
- হোয়াইট হাউস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতির দাপ্তরিক বাসভবন।
- এটি ওয়াশিংটন ডি. সির পেনসিলভানিয়া এভিনিউয়ে অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরকারী ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা।
যুক্তরাষ্ট্রের সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতি হলেন একাধারে রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকার প্রধান। এই পদ্ধতিটি ক্ষমতা পৃথকীকরণ (Separation of Powers) নীতির উপর প্রতিষ্ঠিত, যেখানে নির্বাহী বিভাগ (Executive), আইন প্রণয়ন বিভাগ (Congress) এবং বিচার বিভাগ (Judiciary) সম্পূর্ণ আলাদা ও স্বাধীনভাবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা (যেমন: ভারত, বাংলাদেশ) এ সরকার প্রধান আইনসভার নিকট দায়ী থাকেন এবং তিনি রাষ্ট্রপ্রধান নন। সাংবিধানিক রাজতন্ত্র (যেমন: যুক্তরাজ্য) এ রাজার প্রতীকী ক্ষমতা থাকে, যা যুক্তরাষ্ট্রে অনুপস্থিত।
37

ভূকম্পনের তীব্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যারোমিটার
  2. ফ্যাদোমিটার
  3. সিসমোগ্রাফ
  4. কম্পাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র - সিসমোগ্রাফ,
ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপার যন্ত্র - রিখটার স্কেল,
বায়ুমণ্ডলীয় চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র - ব্যারোমিটার, 
সমুদ্রের গভীরতা মাপক যন্ত্রের নাম - ফ্যাদোমিটার 

উল্লেখ্য,
- রিকটার স্কেল ও সিসমোগ্রাফ দুটাই ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
- সিসমােগ্রাফ ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপনের এবং ভূমিকম্পের উৎস খুঁজে বের করার যন্ত্র। এর সাহায্যে অন্যান্য বিস্ফোরণ, প্রচণ্ড ঝড় ইত্যাদির খোঁজ পাওয়া যায়। এছাড়া মেরু অঞ্চলের বরফের গভীরতা, খনিজ তেল ভাণ্ডার ইত্যাদিও এর সাহায্যে বের করা সম্ভব।
- অপরদিকে, ভূমিকম্পের তীব্রতা মাপা হয় রিকটার স্কেলের মাধ্যমে।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট ভূপৃষ্ঠের আন্দোলন পরিমাপ এবং এর তরঙ্গ রেকর্ড করার যন্ত্রের নাম হলো সিসমোগ্রাফ
যদিও ভূকম্পনের তীব্রতা বা মাত্রা পরিমাপের জন্য যে স্কেলটি ব্যবহৃত হয়, তার নাম হলো রিখটার স্কেল (Richter Scale)। কিন্তু যেহেতু যন্ত্রের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে এবং সিসমোগ্রাফই ভূমিকম্পের ডেটা সংগ্রহের মূল যন্ত্র, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
ব্যারোমিটার: এটি বায়ুমণ্ডলীয় চাপ পরিমাপক যন্ত্র।
ফ্যাদোমিটার: এটি সমুদ্রের গভীরতা নির্ণায়ক যন্ত্র।
কম্পাস: এটি দিক নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
38

Select the meaning of the word 'stagflation'.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. controlled prices
  2. economic slow down
  3. a disintegrating government
  4. cultural dullness

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

The meaning of the word 'stagflation' is - economic slow down.

stagflation(noun) [uncountable noun]
Bangla Meaning: শব্দটি stagnation ও inflation শব্দদ্বয়ের সন্ধিবদ্ধ রূপ-যে বিশেষ সময়সীমার মধ্যে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দেয়, কিন্তু উৎপাদন বৃদ্ধি পায় না।
English meaning: An economic situation where there is high inflation (= prices rising continuously) but no increase in the jobs that are available or in business activity.

Source: Accessible Dictionary and Oxford Learners Dictionaries.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: economic slow down (অর্থনৈতিক স্থবিরতা)
Stagflation শব্দটি মূলত দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত: Stagnation (স্থবিরতা বা মন্দা) এবং Inflation (মুদ্রাস্ফীতি)।
এর মাধ্যমে এমন একটি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিকে বোঝানো হয়, যখন একই সাথে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি (High Inflation) থাকে, কিন্তু জিডিপির প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত ধীর বা শূন্য থাকে (অর্থাৎ অর্থনৈতিক স্থবিরতা দেখা দেয়) এবং বেকারত্বের হার (Unemployment) অনেক বেশি থাকে।
সাধারণত, মূল্যস্ফীতি ঘটলে অর্থনীতি গতিশীল থাকে। কিন্তু স্ট্যাগফ্ল্যাশনে অর্থনীতি স্থবির থাকা সত্ত্বেও দাম বাড়ে। তাই 'economic slow down' উত্তরটি এই জটিল ধারণাকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (controlled prices, a disintegrating government, cultural dullness) অর্থনীতির এই বিশেষ পরিস্থিতির সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত নয়।
39

বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সহায়তাকারী দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. রাশিয়া
  3. চীন
  4. যুক্তরাষ্ট্র

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২০০৯ সালে সরকার “ভিশন-২০২১”- বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জ্বালানী ও বিদ্যুৎ খাতের উন্নয়নকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার প্রদান করে ২০২১ সালের মধ্যে ২০,০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন নিশ্চিতকরণকল্পে যুগোপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।
- এরই ধারাবাহিকতায় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে ১৩ মে ২০০৯ তারিখে একটি ‘পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার’ বিষয়ক একটি ‘সমঝোতা স্বাক্ষর’, ২১ মে ২০১০  তারিখে ‘Framework Agreement’ স্বাক্ষর  এবং ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে  রূপপুরে প্রতিটি আনুমানিক ১০০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের ক্ষমতা সম্পন্ন দু’ ইউনিট বিশিষ্ট পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন সংক্রান্ত সহযোগিতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়।

Source: rooppurnpp.gov.bd

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাশিয়া। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র (Rooppur Nuclear Power Plant) স্থাপনে বাংলাদেশকে সর্বাত্মক প্রযুক্তিগত ও আর্থিক সহায়তা প্রদানকারী দেশ হলো রাশিয়ান ফেডারেশন
২০০৯ সালে সরকারের 'ভিশন-২০২১' বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই বৃহৎ প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়।
১৩ মে ২০০৯ তারিখে বাংলাদেশ সরকার ও রাশিয়ান ফেডারেশনের মধ্যে 'পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার' বিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
মূল সহযোগিতা চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ০২ নভেম্বর ২০১১ তারিখে।
ভারত, চীন বা যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অন্যান্য অবকাঠামো বা বিদ্যুৎ প্রকল্পে অংশীদার হলেও, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের একক প্রধান সহায়তাকারী হলো রাশিয়া
40

মহান নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে কত সালে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৯ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯-এর এই দিনে বাংলার দুঃখী মানুষের বন্ধু, বিশ্বের নিপীড়িত মানুষের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নেতাকে জাতির পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞচিত্তে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
- সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমদ শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (১৯২০-১৯৭৫)  জাতির জনক এবং বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি (২৬ মার্চ ১৯৭১ থেকে ১১ জানুয়ারি ১৯৭২)। 

সূত্র:  বাংলাপিডিয়া ও যুগান্তর

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬৯ সালে
ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থান (Mass Uprising) চলাকালীন আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্ত হওয়ার পর, ১৯৬৯ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তারিখে শেখ মুজিবুর রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
তৎকালীন ডাকসুর ভিপি ও সর্বদলীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি তোফায়েল আহমেদ ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) লক্ষাধিক জনতার সামনে এই উপাধি প্রদান করেন।
অন্যান্য সালগুলোর মধ্যে ১৯৭০ সালে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়, এবং ১৯৬৬ সালে তিনি বিখ্যাত ৬ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন, যা উপাধি প্রদানের ঘটনার চেয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটের।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

 ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য কোন দুই নারীকে "বীরপ্রতীক" উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিতারা বেগম ও ময়মনা বিবি
  2. মনসুরা বিবি ও তারামন বিবি
  3. তারামন বিবি ও ময়মুনা বিবি
  4. তারামন বিবি ও সিতারা বেগম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে সাহসী ভূমিকা পালনের জন্য যে দুই নারী ‘বীরপ্রতীক’ খেতাব পেয়েছেন, তাঁদের একজন ক্যাপ্টেন ডা. সিতারা বেগম এবং অন্যজন তারামন বিবি। 

- ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পর দীর্ঘ ২৫ বছর লোকচক্ষুর অন্তরালে ছিলেন তারামন বিবি। তাঁর নাম ছিল শুধু গেজেটের পাতায়। ১৯৯৫ সালে প্রচারের আলোয় আসেন। তারামন বিবি মুক্তিবাহিনীর ১১ নম্বর সেক্টরের একটি দলের সঙ্গে ছিলেন।

- ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় আহত বা অসুস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের চিকিত্সাসেবা দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সেক্টরে হাসপাতাল বা চিকিত্সাকেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছিল। এ রকম একটি হাসপাতাল ছিল ২ নম্বর সেক্টরে। নাম ‘বাংলাদেশ হাসপাতাল’। এখানে ডা. জাফরউল্লাহ, ডা. মোবিন, ডা. আখতার, ডা. সিতারা বেগমসহ আরও অনেক চিকিৎসক, মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত ছাত্রছাত্রী ও সেবিকা নিয়োজিত ছিলেন।

সূত্র: চিরন্তন ১৯৭১, প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ঘ): তারামন বিবি ও সিতারা বেগম
মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য বাংলাদেশের মাত্র দুইজন নারীকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাবগুলোর মধ্যে অন্যতম 'বীরপ্রতীক' উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
১. ডা. সিতারা বেগম: তিনি ছিলেন ২ নং সেক্টরে প্রতিষ্ঠিত 'বাংলাদেশ হাসপাতাল'-এর একজন চিকিৎসক। তিনি যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের সেবায় নিয়োজিত ছিলেন।
২. তারামন বিবি: তিনি ছিলেন ১১ নং সেক্টরের (ময়মনসিংহ-টাঙ্গাইল) একজন নারী মুক্তিযোদ্ধা। তিনি সরাসরি গেরিলা যুদ্ধে অংশ নেন এবং সম্মুখ সমরে সাহসী ভূমিকা পালন করেন।
অন্য অপশনগুলোতে উল্লেখিত 'ময়মনা বিবি' বা 'মনসুরা বিবি' খেতাবপ্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধা নন, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
42

OPEC-এর সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিয়েনা
  2. লিবিয়া
  3. কুয়েত
  4. কাতার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- The Organization of the Petroleum Exporting Countries (OPEC) is created at the Baghdad Conference on September 10–14, 1960, by Iran, Iraq, Kuwait, Saudi Arabia and Venezuela.
-  OPEC had its headquarters in Geneva, Switzerland, in the first five years of its existence. This was moved to Vienna, Austria, on September 1, 1965.
- OPEC is a group of13 oil-exporting developing nations

- ব্রিটিশ ও মার্কিন সাতটি জ্বালানি তেল কোম্পানির একচেটিয়া ব্যবসার বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হতে ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদে জন্ম হয়েছিল ওপেকের। 

- ১৯৭৩ সালে আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলের পক্ষে সরাসরি অবস্থান নিলে ওপেক ওয়াশিংটনকে শিক্ষা দিতে আরোপ করেছিল বিখ্যাত জ্বালানি তেল নিষেধাজ্ঞা।

Source: opec.org

ব্যাখ্যা

NTRCA পরীক্ষার জন্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর মুখস্থ রাখা একটি 'মাস্ট-ডু' টপিক।
সঠিক উত্তর হলো: ভিয়েনা
OPEC (The Organization of the Petroleum Exporting Countries) এর সচিবালয় বা সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে অবস্থিত।
OPEC প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৬০ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদে। প্রতিষ্ঠার পর প্রথম ৫ বছর (১৯৬০-৬৫) এর সদর দপ্তর ছিল জেনেভা, সুইজারল্যান্ডে
১৯৬৫ সালের ১লা সেপ্টেম্বর এটিকে ভিয়েনাতে স্থানান্তর করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন লিবিয়া, কুয়েত এবং কাতার সবাই ওপেকের সদস্য রাষ্ট্র, কিন্তু সদর দপ্তরের অবস্থান নয়।
43

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্টারকম
  2. ইন্টারনেট
  3. ই-মেইল
  4. ইন্টারস্পিড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার- 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইন্টারনেট
ইন্টারনেট হলো বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত আন্তঃসংযুক্ত কম্পিউটার নেটওয়ার্কের একটি ব্যবস্থা। এটি প্রটোকল (যেমন TCP/IP) ব্যবহার করে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের একটি কম্পিউটার থেকে অন্য কম্পিউটারে দ্রুত ও নিরাপদে তথ্য, ডেটা, এবং ফাইল আদান-প্রদান করার মূল প্রযুক্তি।
অন্যান্য বিকল্পগুলো বিভ্রান্তিকর:
১. ই-মেইল (E-mail): এটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি সেবা বা অ্যাপ্লিকেশন মাত্র, এটি তথ্য আদান-প্রদানের মূল প্রযুক্তি নয়।
২. ইন্টারকম (Intercom): এটি সাধারণত স্থানীয় পর্যায়ে বা একটি ভবনের মধ্যে অভ্যন্তরীণ ভয়েস যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত ডিভাইস।
44

বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য কোন গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিএফসি
  2. মিথেন
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. নাইট্রোজেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বায়ুমণ্ডলের ওজন স্তর অবক্ষয়ের জন্য সিএফসি গ্যাসের ভূমিকা সর্বোচ্চ। 

- CFC-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন। মূলত মিথেন বা ইথেনের ক্লোরিন ও ফ্লোরিনের জাতকসমূহকে সিএফসি বলা হয়।
- গন্ধহীন, অদাহ্য, অবিষাক্ত এবং নিম্ন গলনাঙ্ক ও স্ফুটনাঙ্ক বিশিষ্ট এসব যৌগের বাণিজ্যিক নাম ফ্রেয়ন।

সিএফসি (CFC) এর ব্যবহার- 
১। কীটনাশক ও পােকামাকড় দমনের জন্য বিষাক্ত দ্রবণ তৈরিতে দ্রাবক হিসাবে CFC ব্যবহার করা হয়।
২। শ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ইনহেলার, মেডিক্যাল স্প্রে-প্রভূতি ক্ষেত্রে CFC ব্যবহার করা হয়।
৪। সার্জিক্যাল যন্ত্রপাতি পরিষ্কার করার কাজে CFC ব্যবহার করা হয়।
৫। CFC এর ফুটনাংক কম হওয়ায় বিভিন্ন ধরণের রেফ্রিজারেশন এবং শীতাতাপ নিয়ন্ত্রন ব্যবস্থায় ব্যবহার করা হয়।
৬। অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রে CFC যৌগের ব্যবহার রয়েছে।

সূত্র: United States Environmental Protection Agency [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সিএফসি (CFC)। সিএফসি-এর পূর্ণরূপ হলো ক্লোরো-ফ্লুরো-কার্বন
এই গ্যাসগুলি স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছানোর পর সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে ভেঙে যায় এবং ক্লোরিন (Chlorine) পরমাণু মুক্ত করে।
এই ক্লোরিন পরমাণুটি অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে ওজন (O3O_3) অণুকে ভেঙে অক্সিজেন (O2O_2) এ রূপান্তরিত করে, যা ওজন স্তর অবক্ষয়ের (Ozone Depletion) জন্য মূলত দায়ী। একটি ক্লোরিন পরমাণু লক্ষ লক্ষ ওজন অণুকে ধ্বংস করতে পারে।
অন্যান্য গ্যাস, যেমন কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং মিথেন, মূলত গ্রিনহাউস গ্যাস হিসেবে বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য দায়ী, কিন্তু সরাসরি ওজন স্তর ধ্বংসের প্রধান কারণ নয়।
45

বাংলাদেশে স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেলা পরিষদ
  2. উপজেলা পরিষদ
  3. ইউনিয়ন পরিষদ
  4. গ্রাম পরিষদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশের "স্থানীয় প্রশাসন" একটি প্রশাসনিক ব্যবস্থা যা সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয়।
বাংলাদেশের স্থানীয় প্রশাসন কাঠামোর স্তর তিনটি। যথা:
১. বিভাগীয় প্রশাসন (Divisional Administration)
২. জেলা প্রশাসন (District Administration)
৩. উপজেলা প্রশাসন (Upazila Administration)

অন্যদিকে, বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার কাঠামোর প্রধানস্তর তিনটি। যথা:
১। জেলা পরিষদ 
২। উপজেলা পরিষদ 
৩। ইউনিয়ন পরিষদ

অর্থাৎ,
স্থানীয় প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর - উপজেলা প্রশাসন।
স্থানীয় সরকারের সর্বনিম্ন স্তর - ইউনিয়ন  ইউনিয়ন পরিষদ।

তথ্যসূত্র:- পৌরনীতি ও নাগরিকতা, এস এস সি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপজেলা পরিষদ। এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং প্রায়শই ভুল হয় এমন একটি দিক নিয়ে তৈরি।
আপনাকে দুটি কাঠামোর পার্থক্য বুঝতে হবে:
১। স্থানীয় প্রশাসন (Local Administration): এটি সরকারের বেতনভুক্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারী দ্বারা পরিচালিত হয় (যেমন ডিসি, ইউএনও)। এর কাঠামো তিনটি স্তর নিয়ে গঠিত: বিভাগীয় প্রশাসন → জেলা প্রশাসন → উপজেলা প্রশাসন। অর্থাৎ, প্রশাসনের সর্বনিম্ন স্তর হলো উপজেলা প্রশাসন
২। স্থানীয় সরকার (Local Government): এটি নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি দ্বারা পরিচালিত হয় (যেমন চেয়ারম্যান, মেয়র)। এর কাঠামো তিনটি স্তর নিয়ে গঠিত: জেলা পরিষদ → উপজেলা পরিষদ → ইউনিয়ন পরিষদ। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন স্তর হলো ইউনিয়ন পরিষদ
যেহেতু প্রশ্নে 'স্থানীয় প্রশাসন কাঠামো' চাওয়া হয়েছে, তাই সর্বনিম্ন স্তরটি হবে উপজেলা প্রশাসন (যা অপশনে উপজেলা পরিষদ হিসেবে দেওয়া আছে)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর কোন বাহিনীতে চাকুরিরত ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেনাবাহিনী
  2. নৌবাহিনী
  3. বিমান বাহিনী
  4. পুলিশ বাহিনী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯, বরিশাল জেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে। 
- পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে ১৯৬৭ সালে যোগ দেন সেনাবাহিনীতে
- প্রশিক্ষণ শেষে ১৯৬৮ সালে ইঞ্জিনিয়ার কোরে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে যোগ দেন।
- ১৯৬৮  সালে ইঞ্জিনিয়ারিং কোরে কমিশন্ড পদ লাভ করে তিনি ১৭৩ ইঞ্জিনিয়ার ব্যাটালিয়নে যোগ দেন।
-  ১৯৭০ সালের ৩০ আগষ্ট তিনি ক্যাপ্টেন পদে উন্নীত হন।
- মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরকে ৭ নং সেক্টরের মেহেদিপুর (মালদহ জেলায়) সাবসেক্টরের কমান্ডার নিয়োগ করা হয়।
- এসময় লেফটেন্যান্ট কর্নেল কাজী নুরুজ্জামান ৭ নং সেক্টরের সেক্টর-কমান্ডার ছিলেন।
- ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হন ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীর।
- ১৫ ডিসেম্বর মেজর গিয়াস, লেফটেন্যান্ট রফিক, লেফটেন্যান্ট কাইউম একযোগে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আক্রমণ করেন।
- সকাল ১০টার মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত হয়। ক্যাপ্টেন জাহাঙ্গীরের লাশ উদ্ধার করে বিকেলে তাঁকে সোনামসজিদ প্রাঙ্গণে সমাহিত করা হয়।

সূত্র: Banglapedia & Prothom ALo

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেনাবাহিনী
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের জন্ম ৭ মার্চ ১৯৪৯ সালে। তিনি পড়াশোনা অসমাপ্ত রেখে ১৯৬৭ সালে পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি ইঞ্জিনিয়ার কোরের একজন ক্যাপ্টেন ছিলেন।
তিনি ৭ নং সেক্টরের মেহেদিপুর সাবসেক্টরের কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুক্ত করার যুদ্ধে ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে শহীদ হন।
47

বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের প্রথম প্রধানমন্ত্রী কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. এম. মনসুর আলী
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. আতাউর রহমান খান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- মুজিবনগর সরকার  মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী  সরকার।
- ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ স্বাধীনতা ঘোষণার পর ১০ এপ্রিল এ সরকার গঠিত হয়।
- ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামে বৈদ্যনাথতলা গ্রামের নামকরণ হয় মুজিবনগর।
- মুজিবনগর সরকারের কর্মকান্ড বাংলাদেশ ভূখন্ডের বাইরে থেকে পরিচালিত হয়েছিল বলে এ সরকার প্রবাসী মুজিবনগর সরকার হিসেবেও খ্যাত।

মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তাজউদ্দিন আহমদ
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল যে অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়, তা 'মুজিবনগর সরকার' নামে পরিচিত। এই সরকার ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলায় শপথ গ্রহণ করে।
এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ। তিনি অত্যন্ত সফলভাবে মুক্তিযুদ্ধকালীন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি (যদিও তিনি তখন পাকিস্তানে বন্দী ছিলেন)। উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলামএম. মনসুর আলী ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী।
48

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ এপ্রিল
  2. ৮ আগস্ট
  3. ৮ ফেব্রুয়ারি
  4. ৮ মার্চ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস
- IWD 2022 saw the campaign theme of #BreakTheBias forged by millions worldwide.

Source: internationalwomensday.com

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮ মার্চ। এই তারিখে বিশ্বব্যাপী নারীর অধিকার, সমাজে তাদের অবদান এবং লিঙ্গ সমতা অর্জনের জন্য সচেতনতা বাড়াতে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women's Day - IWD) পালিত হয়।
এই দিনটি মূলত ১৯০৮ সালে নিউইয়র্কের পোশাক শ্রমিকদের ধর্মঘটকে কেন্দ্র করে নারী শ্রমিকদের প্রতিবাদের ফসল, যা পরবর্তীতে বিশ্বজুড়ে স্বীকৃতি লাভ করে।
49

ক্রেমলিন কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
  2. ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন
  3. রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
  4. অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন ক্রেমলিন ।
- মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন While House.
- ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন  10 Downing Street.
- অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন The Lodge.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন
ক্রেমলিন (Kremlin) হলো রাশিয়ার রাজধানী মস্কোর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি সুরক্ষিত দুর্গ বা প্রাচীর ঘেরা স্থাপত্য এলাকা। এটি রাশিয়ার সরকার প্রধান তথা প্রেসিডেন্টের দাপ্তরিক বাসভবন ও কর্মস্থল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
মার্কিন প্রেসিডেন্টের সরকারি বাসভবন হলো হোয়াইট হাউজ (White House)
ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন হলো ১০ ডাউনিং স্ট্রিট (10 Downing Street)
50

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ কোন তারিখে ইউনেস্কোর “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল” রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০ অক্টোবর, ২০১৭
  2. ২৫ অক্টোবর, ২০১৭
  3. ৩১ অক্টোবর, ২০১৭
  4. ৩০ অক্টোবর, ২০১৭

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ৩০ অক্টোবর ২০১৭ খিস্টাব্দে ইউনেস্কো কর্তৃক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণকে ইউনেস্কো কর্তৃক মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্তিকরণে ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
- ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ অনন্য এবং অসাধারণ এই কারণে যে, এই ভাষণ সমগ্র বাঙালি জনগোষ্ঠীকে পাকিস্তানি শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে একতাবদ্ধ করেছিল।

Source: Jugantor

ব্যাখ্যা

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
ইউনেস্কো এই ভাষণটিকে 'ওয়ার্ল্ড ডেমোক্রেসি হেরিটেজ'-এর অংশ হিসেবে ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ খ্রিস্টাব্দে “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড ইন্টারন্যাশনাল” রেজিস্টারে অন্তর্ভুক্ত করে।
এই অন্তর্ভুক্তি প্রমাণ করে যে, ভাষণটি কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, বরং বিশ্বব্যাপী গণতন্ত্র, স্বাধীনতা এবং মানবাধিকারের জন্য একটি অসাধারণ প্রামাণ্য ঐতিহ্য। তাই, ৩০ অক্টোবর, ২০১৭ সঠিক উত্তর। অন্য তারিখগুলো বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কায়েট
  2. ডায়েট
  3. লোকসভা
  4. ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- Diet, also called (1889–1947) Imperial Diet, Japanese Kokkai (“National Assembly”), or Teikoku Gikai (“Imperial Assembly”), the national legislature of Japan.

Source: Britannica

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডায়েট (Diet)। এটি জাপানের জাতীয় আইনসভা বা পার্লামেন্টের নাম। জাপানের সংবিধানে ডায়েটকে দেশের সর্বোচ্চ ক্ষমতাধর অঙ্গ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।
জাপানের পার্লামেন্ট দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (Bicameral)। এর নিম্নকক্ষের নাম হলো হাউস অফ রিপ্রেজেনটেটিভস এবং উচ্চকক্ষের নাম হাউস অফ কাউন্সিলরস
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন দেশের সাথে সম্পর্কিত। যেমন, লোকসভা হলো ভারতের নিম্নকক্ষের নাম এবং ন্যাশনাল অ্যাসেমব্লি বিভিন্ন দেশের (যেমন: ফ্রান্স, পাকিস্তান) পার্লামেন্টের নাম।
52

পদ্মা ও মেঘনা নদীর মিলনস্থলের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোয়ালন্দ
  2. চাঁদপুর
  3. ভোলা
  4. বরিশাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- মেঘনা ভৈরবে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে মিলিত হয়ে চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হয়েছে।
-এর উপনদী হচ্ ছেব্রহ্মপুত্র, গোমতি, শীতলক্ষ্যা, ধলেশ্বরী, ডাকাতিয়া।

-আর পদ্মা ও যমুনা মিলিত হয় গোয়ালন্দে।

সূত্র: sadar.chandpur.gov.bd

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁদপুর
পদ্মা নদী ও মেঘনা নদীর সম্মিলিত জলধারা চাঁদপুর জেলা সদর এলাকায় এসে মিলিত হয়েছে। এই মিলনস্থলের পর নদীটি শুধুমাত্র মেঘনা নামেই দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
অনেকের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হয় গোয়ালন্দ নিয়ে। গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) হলো সেই স্থান, যেখানে পদ্মা নদী এবং যমুনা নদীর মিলন ঘটে। এটি সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি স্থান এবং ঘটনা।
53

বিশ্বে জ্বালানি তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সৌদি আরব
  4. ইরান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বিশ্বে জ্বালানি তেল উৎপাদনে শীর্ষ দেশ  যুক্তরাষ্ট্র (11.2 million BPD).
 - তেল উৎপাদনে শীর্ষ  ২য় ও ৩য় দেশ যথাক্রমে Russia ও Saudi Arabia.

- The United States remains the world's top oil consumer, averaging 18.7 million BPD in 2021
- China was the second-highest consumer at 15.4 million BPD.

সূত্র:
Forbes

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো যুক্তরাষ্ট্র। সাম্প্রতিক সরকারি ও বেসরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী (২০২৩-২০২৪ সালের তথ্য), শেল তেল বিপ্লবের কারণে যুক্তরাষ্ট্র (USA) বর্তমানে বিশ্বের একক বৃহত্তম অপরিশোধিত জ্বালানি তেল উৎপাদক দেশ। যুক্তরাষ্ট্র দৈনিক গড়ে প্রায় ১১-১২ মিলিয়ন ব্যারেল তেল উৎপাদন করে।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে আছে যথাক্রমে রাশিয়া এবং সৌদি আরব। যদিও ঐতিহাসিক দিক থেকে এবং রপ্তানির ক্ষেত্রে সৌদি আরবের গুরুত্ব অপরিসীম, কিন্তু উৎপাদনের তালিকায় তারা পিছিয়ে পড়েছে।
যুক্তরাজ্য এবং ইরান তেল উৎপাদনে গুরুত্বপূর্ণ হলেও তারা শীর্ষ তিন উৎপাদকের মধ্যে নেই।
54

G-7-এর একমাত্র এশিয়া দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. বার্মা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- জি-৭ এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হল গ্রুপ অফ সেভেন, বা সাতটি দেশের দল। বিশ্বের তথাকথিত উন্নত অর্থনীতির সাতটি বড় দেশ ও একটি সংস্থা নিয়ে এই জোট গঠিত।
- জোটের সদস্য দেশ হল কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং যুক্তরাষ্ট্র। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়ন এই জোটের একটি অংশ।
- রাশিয়া ১৯৯৮ সালে এই জোটে যোগ দিলে সেটা জি-৮ হয়েছিল। তবে ক্রিমিয়া দখল করার কারণে ২০১৪ সালে রাশিয়া বাদ পড়ে যায়।

- ২০২৩ সালের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন হবে হিরোশিমা, জাপান।
- ২০২২ সালের জি-৭ শীর্ষ সম্মেলন জার্মানি।

সূত্র: BBC Bangla

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাপান
G-7 (Group of Seven) হলো বিশ্বের তথাকথিত উন্নত অর্থনীতির সাতটি বড় দেশের একটি জোট।
এই জোটের মোট সদস্য দেশ হলো— কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, জাপান, যুক্তরাজ্য (UK) এবং যুক্তরাষ্ট্র (USA)।
উপরে উল্লিখিত সদস্য দেশগুলোর মধ্যে জাপান হলো একমাত্র দেশ যা এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য বিকল্পগুলো (চীন, ভারত, বার্মা) G-7 জোটের সদস্য নয়, তাই এগুলো ভুল উত্তর।
55

A person who treats mental illness is called-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a psychiatrist
  2. a psychologist
  3. a therapist
  4. a psychoanalyst

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

A person who treats mental illness is called- Psychiatrist.


প্রশ্ন প্রদত্ত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - 

A psychologist - a scientist who studies and is trained in psychology / someone who studies the human mind and human emotions and behaviour, and how different situations have an effect on people.

A therapist - someone whose job is to treat a particular type of mental or physical illness or disability, usually with a particular type of therapy.

A psychoanalyst - a person who examines or treats people using psychoanalysis (= a mental health treatment that works by trying to examine the unconscious mind)

Source: Cambridge Dictionary.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: a psychiatrist
একজন Psychiatrist হলেন একজন মেডিকেল ডাক্তার (MD) যিনি মানসিক অসুস্থতা (Mental Illness) নির্ণয়, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। যেহেতু তাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডিগ্রি রয়েছে, তাই তারা রোগীর চিকিৎসার জন্য ওষুধ (medication) প্রেসক্রাইব করতে পারেন, যা অন্য পেশাজীবীরা সাধারণত করতে পারেন না।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—
A psychologist: ইনি মানসিক বিজ্ঞান (Psychology) নিয়ে গবেষণা করেন এবং সাধারণত কাউন্সেলিং বা টক থেরাপির মাধ্যমে মানুষের আচরণগত ও আবেগীয় সমস্যা নিয়ে কাজ করেন। এরা সাধারণত ওষুধ দেন না।
A therapist: এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা বিভিন্ন ধরনের মানসিক বা শারীরিক চিকিৎসার জন্য থেরাপি প্রদানকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
A psychoanalyst: ইনি সিগমুন্ড ফ্রয়েডের পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগীর অচেতন মন (unconscious mind) বিশ্লেষণ করে চিকিৎসা করেন।
56

বরেন্দ্র বলতে বুঝায় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পূর্ববঙ্গ
  2. পশ্চিমবঙ্গ
  3. উত্তর বঙ্গ
  4. দক্ষিণবঙ্গ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী উত্তর বঙ্গের প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের সঙ্গে সমবিস্তৃত একটি প্রাচীন ভৌগোলিক অঞ্চল, যা প্লিস্টোসিন যুগীয় ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত।
- বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। 
- কানিংহাম বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাই অঞ্চলের মধ্যবর্তী ভূভাগ নির্দিষ্ট করেন।
- তবকাত-ই-নাসিরীতে বারিন্দকে গঙ্গার পূর্ব দিকে লখনৌতি রাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো উত্তর বঙ্গ। প্রাচীন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল হলো বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী।
ঐতিহাসিকভাবে বরেন্দ্র জনপদটি ছিল প্রধানত উত্তর বঙ্গের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। এটি মূলত বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, এবং দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
বরেন্দ্র অঞ্চলটি ছিল প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রের একটি অংশ এবং প্লিস্টোসিন যুগের ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত।
অন্যান্য অপশন যেমন পূর্ববঙ্গ বলতে সাধারণত বর্তমান বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ বলতে ভারতের বাংলাভাষী অংশকে বোঝানো হয়, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের মূল সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
57

রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিংগিত
  2. রুবল
  3. লিরা
  4. ক্রোনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• রাশিয়ার মুদ্রার নাম রুবল

- রিংগিত মালেশিয়ার মুদ্রার নাম।
- লিরা তুরস্কের মুদ্রার নাম।
- সুইডেনের মুদ্রার নাম সুইডিশ ক্রোনা।

সূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রুবল। রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ এবং এর সরকারি মুদ্রার নাম রাশিয়ান রুবল (Russian Ruble)
অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:
- রিংগিত: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার মুদ্রা।
- লিরা: এটি প্রধানত তুরস্কের মুদ্রা (Turkish Lira)।
- ক্রোনা: এটি সুইডেন (Swedish Krona) সহ উত্তর ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের মুদ্রা।
58

বাংলা নববর্ষে পহলে বৈশাখ চালু করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মন সেন
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. আকবর
  4. বিজয় সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট  আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)।
- হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা  বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আকবর
বাংলা নববর্ষ এবং পহেলা বৈশাখ মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল।
সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন। তবে এই নতুন সন কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে, যা ছিল ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ
অন্যান্য অপশন: লক্ষ্মন সেন এবং বিজয় সেন ছিলেন সেন বংশের শাসক। ইলিয়াস শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতান। এদের কেউই বাংলা সন প্রবর্তনের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
59

১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬টি
  2. ১১টি
  3. ২১টি
  4. ৮টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।

- উল্লেখ্য, যুক্তফ্রণ্ট  ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা। এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে।
- যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২১টি
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট (United Front) একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে। এটিই ছিল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার।
এই ২১ দফার ভিত্তিতেই যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা আইনসভার নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে।
এই ২১ দফা ছিল মূলত পূর্ব বাংলার মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির সনদ।
60

বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. কুষ্টিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। 
- মণিপুরী (The Manipuris)  বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়।
- সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সিলেট
বাংলাদেশে মণিপুরী আদিবাসী সম্প্রদায় প্রধানত বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এই অঞ্চলে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল এবং সিলেট শহরের আশেপাশে তাদের জনবসতি বেশি দেখা যায়।
মণিপুরী নাচ বা মণিপুরী নৃত্যকলা তাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা প্রধানত ধর্মীয় উৎসব, বিশেষ করে রাসলীলা উপলক্ষে পরিবেশন করা হয়।
সুতরাং, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্য বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অন্য অঞ্চলগুলি (যেমন: ময়মনসিংহ, রাজশাহী) সাধারণত গারো, সাঁওতাল বা অন্যান্য আদিবাসী গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নাচের জন্য পরিচিত।
61

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্টারকম
  2. ইন্টারনেট
  3. ই-মেইল
  4. ইন্টারস্পীড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।

ইন্টারনেট এর ব্যবহার : 
১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা ।
২. তথ্য সংরক্ষণ করা।
৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা।
৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা।
৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা।
৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়।
৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।

সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে বা একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে বিশ্বব্যাপী জালিকা ব্যবহৃত হয়, তাকেই ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়। এটি হল Interconnected Network-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ইন্টারনেট হলো বিশ্বের কোটি কোটি কম্পিউটার, সার্ভার এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ইন্টারনেট
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন: ইন্টারকম হলো একটি বদ্ধ স্থানে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত সিস্টেম। ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি সেবা, এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রযুক্তি নয়। ইন্টারস্পীড প্রযুক্তিগতভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো নাম নয়।
62

মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যশোর
  2. কুষ্টিয়া
  3. মেহেরপুর
  4. চুয়াডাঙ্গা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• মুজিব নগর বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।

• ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রসিদ্ধ বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের হেডকোয়াটার্স স্থাপিত হয়।
- ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে  অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের  সাথে মিল রেখে এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।  
 
সূত্র: মেহেরপুর জেলার ওয়েবসাইট
 
 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেহেরপুর
মুজিবনগর বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় স্থান। এটি বর্তমানে মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি মেহেরপুর জেলার তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা নামে পরিচিত ছিল।
১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) এই স্থানেই ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে শপথ গ্রহণ করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সাথে মিল রেখে বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়।
63

বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাট
  2. তৈরী পোশাক
  3. হিমায়িত মৎস্য
  4. চা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদাশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র তৈরী পোশাক

• ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে।
- এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি।
- ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল।

সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তৈরী পোশাক (Readymade Garments - RMG)। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং একক বৃহত্তম রপ্তানি খাত
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তৈরী পোশাক খাত প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে চলেছে।
ঐতিহাসিকভাবে পাট একসময় প্রধান রপ্তানি পণ্য হলেও, এর গুরুত্ব বর্তমানে তৈরী পোশাকের তুলনায় অনেক কম। হিমায়িত মৎস্য বা চা প্রধান রপ্তানি পণ্যের তালিকায় থাকলেও, এদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ তৈরী পোশাকের ধারেকাছেও নয়।
64

ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. CO₂
  2. SO₂
  3. CO
  4. CFC

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান।
- সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ।
- এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে। 
- এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়।
- এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।
- এছাড়াও N2O, NO, CH4, BCF, CH3Br, CCl4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত।

উৎস : উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো CFC (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান রাসায়নিক পদার্থ হলো CFC
CFC অত্যন্ত স্থিতিশীল হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে পৌঁছায়। সেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে গিয়ে ক্লোরিন (Cl) পরমাণু মুক্ত করে।
এই ক্লোরিন পরমাণু অনুঘটক (Catalyst) হিসেবে কাজ করে ওজোন (O3O_3) অণুর সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে এবং এটিকে অক্সিজেনে (O2O_2) পরিণত করে। একটি ক্লোরিন পরমাণু বহু বছর ধরে হাজার হাজার ওজোন অণু ভেঙে দিতে পারে, যার ফলে ওজোন স্তরে ফাটল বা পাতলা অংশের সৃষ্টি হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর ভূমিকা ভিন্ন: CO2CO_2 হলো প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী। SO2SO_2 প্রধানত অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী। CO (কার্বন মনোক্সাইড) একটি বিষাক্ত গ্যাস।
65

BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জনাব আব্দুল হামিদ খান
  2. ড. আখতার হামিদ খান
  3. জনাব আলতাফ হামিদ খান
  4. অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ড. আখতার হামিদ খান বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর প্রতিষ্ঠা এবং পল্লী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সফল নেতৃত্ব দানের জন্য সমগ্র বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত। বিশেষ করে পল্লী উন্নয়নের কার্যকর মডেল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।

• বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে।
• বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী ‍উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।
• পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।

সূত্র: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) ড. আখতার হামিদ খান
ড. আখতার হামিদ খান ছিলেন একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী, যিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন।
পল্লী উন্নয়নে তাঁর উদ্ভাবিত কার্যকর পদ্ধতি, যা 'কুমিল্লা মডেল' নামে পরিচিত, তা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও গ্রামীণ স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। BARD প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ড. আখতার হামিদ খানের অবদান একক ও প্রধান।
66

২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. ইংল্যান্ড
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. নিউজিল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• ২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়।
-  চ্যাম্পিয়ন দল ছিল পাকিস্তান।
-  ভারত ছিল রার্নাস আপ দল।

সূত্র: espncricinfo
 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইংল্যান্ড
২০১৭ সালের আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি (ICC Champions Trophy) ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এটি ছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর।
এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন শিরোপা অর্জন করে। ভারত ছিল রানার্স-আপ দল।
67

সোমপুর বিহার কে প্রতিষ্ঠা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেবপাল
  2. ধর্মপাল
  3. শশাংক
  4. রাজা গোপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন।
- ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে ‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য-ভিক্ষু-সংঘস্য’। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ধর্মপালসোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার বৌদ্ধ জ্ঞানচর্চার অন্যতম কেন্দ্র ছিল, যা বর্তমানে পাহাড়পুর বৌদ্ধ বিহার নামে পরিচিত।
পাল বংশের দ্বিতীয় এবং অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ধর্মপাল (আনুমানিক ৭৮১-৮২১ খ্রিষ্টাব্দ) এই মহাবিহারটি প্রতিষ্ঠা করেন। এটিকে পাল আমলের স্থাপত্যের একটি শ্রেষ্ঠ নিদর্শন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কারণ:
গোপাল: ইনি পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন।
দেবপাল: ইনি ধর্মপালের পুত্র এবং পাল সাম্রাজ্যের অন্যতম শক্তিশালী শাসক ছিলেন, তবে সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা নন।
শশাংক: ইনি পাল যুগের অনেক আগে গৌড়ের স্বাধীন রাজা ছিলেন।
68

লর্ড রিপন কর্তৃক গঠিত শিক্ষা কমিশনের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিপন কমিশন
  2. হাণ্টার কমিশন
  3. নাথান কমিশন
  4. লর্ড কমিশন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন হলো হান্টার কমিশন।
এটি ১৮৮২ সালে স্যার উইলিয়াম হান্টার কে প্রধান করে গঠিত হয়। এতে মোট সাতজন সদস্য ছিলেন।
কমিশনটি ব্রিটিশ ভাইসরয় লর্ড রিপনের আমলে গঠিত হয়েছিলো।

লর্ড লিটনের পদত্যাগের পর লর্ড রিপন ভারতের ভাইসরয় নিযুক্ত হন। তার শাসনকাল ১৮৮০ - ১৮৮৪ সাল।
তিনি সাম্রাজ্যবাদী নীতির বিরোধী ছিলেন এবং ভারতবাসীর আশা আকাঙ্খার প্রতি শ্রদ্ধা রেখে উদারনীতি অবলম্বন করেন।
তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি সংস্কার কাজ হচ্ছে -
- আফগান সীমান্ত সমস্যার সমাধান,
- সংবাদপত্রের স্বাধীনতা,
- শিক্ষা কমিশন গঠন (হান্টার কমিশন),
- স্থানীয় স্বায়ত্বশাসনমূলক আইন, রাজ্বস্ব ও প্রজাস্বত্ব আইন,
- ফ্যাক্টরি আইন (দৈনিক ৮ ঘন্টা কাজের নিয়ম) ইত্যাদি।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও একাদশ-দ্বাদশ শ্রেনীর ইতিহাস বই, অধ্যাপক মোঃ গোলাম মোস্তফা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হাণ্টার কমিশন (Hunter Commission)
ভাইসরয় লর্ড রিপনের শাসনকালে (১৮৮০-১৮৮৪ সাল) ১৮৮২ সালে এই কমিশন গঠন করা হয়েছিল। স্যার উইলিয়াম হাণ্টার ছিলেন এই কমিশনের প্রধান।
হান্টার কমিশন হলো ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম শিক্ষা কমিশন। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি ঘটানো।
অপশনগুলোর মধ্যে নাথান কমিশন গঠিত হয়েছিল লর্ড রিপনের অনেক পরে, ১৯১২ সালে। এটি মূলত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ করেছিল। বাকি কমিশনগুলো (রিপন কমিশন, লর্ড কমিশন) শিক্ষা সংক্রান্ত কোনো স্বীকৃত ঐতিহাসিক নাম নয়।
69

‘পারকী‘ সমুদ্র সৈকত কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. কক্সবাজার
  3. বরগুনা
  4. পটুয়াখালী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি সমুদ্র সৈকত কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চট্টগ্রাম
পারকী সমুদ্র সৈকতটি চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় অবস্থিত। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
চট্টগ্রামে অবস্থিত অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র সৈকত হলো পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত
অন্যদিকে, কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত, যা প্রায় ১২০ কিলোমিটার দীর্ঘ।
পটুয়াখালীর উল্লেখযোগ্য সৈকত হলো কুয়াকাটা, যা 'সাগর কন্যা' নামে পরিচিত।
70

বাংলা ভাষাকে বাংলাদেশ ব্যতীত যে দেশের রাষ্ট্রভাষা করা হয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোমলিয়া
  2. নেপাল
  3. সিয়েরালিওন
  4. লিবিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়। বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

উৎসঃ বিবিসি বাংলা আর্কাইভ ও ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিয়েরালিওন
২০০২ সালে পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র সিয়েরালিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষার (Official Language) মর্যাদা দেয়।
জাতিসংঘের শান্তি রক্ষা মিশনে (UN Peacekeeping Mission) সিয়েরালিওনের গৃহযুদ্ধ থামাতে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী বাহিনীর অবদানের প্রতি শ্রদ্ধা ও সম্মান জানাতেই এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, অন্যান্য বিকল্প যেমন সোমলিয়া, নেপাল বা লিবিয়াতে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা বা সরকারি ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়নি।
71

বঙ্গবন্ধু ৬-দফা দাবী পেশ করেন কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1947
  2. 1952
  3. 1966
  4. 1971

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধীদলসমূহের সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু প্রথম ছয় দফা দাবী উত্থাপন করেন।
- একই বছরের ১৮-১৯ মার্চ আওয়ামীলীগের ওয়ার্কিং কমিটির সভায় ছয়দফা গৃহিত হয় এবং
- ২৩শে মার্চ বঙ্গবন্ধু সংবাদ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করেন।
পরবর্তীতে, বঙ্গবন্ধু ছয়দফা উত্থাপনের জের ধরে গ্রেপ্তার হন।
- ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা দাবী এবং বঙ্গবন্ধুর মুক্তির দাবীতে হরতাল চলাকালে নারায়ণগঞ্জে পুলিশের গুলিতে অনেকে নিহত হয়।
- এর ফলশ্রুতিতে ৭ জুনকে ছয় দফা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৬
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি তারিখে পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে প্রথম ঐতিহাসিক ৬-দফা দাবী উত্থাপন করেন।
এই দাবির মূল লক্ষ্য ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা, যা পরবর্তীতে বাঙালির স্বাধীনতার মূলমন্ত্রে পরিণত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা নির্দেশ করে, কিন্তু ৬-দফা দাবীর বছর নয়: ১৯৪৭ (দেশ বিভাগ), ১৯৫২ (ভাষা আন্দোলন), এবং ১৯৭১ (মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা লাভ)।
72

 [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন] সম্প্রতি সুন্দরবন এলাকায় কোন নদীতে কয়লাবাহী কার্গো ডুবে যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিস্তা
  2. ভৈরব
  3. শ্যালা
  4. মধুমতি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'।
বর্তমানে এই প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বহীন।
-----------
জেনে রাখা ভালো যে, ২০১৬ সালে সুন্দরবনের অভ্যন্তরে প্রবাহিত শ্যালা নদীদে কয়লাবাহী কার্গো ডুবে গিয়েছিলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শ্যালা নদী
২০১৬ সালের ৯ ডিসেম্বর সুন্দরবন এলাকার অভ্যন্তরে প্রবাহিত শ্যালা নদীতে MV Sea Coach-1 নামক একটি কয়লাবাহী কার্গো ডুবে যায়।
এ ধরনের প্রশ্ন যেহেতু তৎকালীন সময়ে 'সাম্প্রতিক' ছিল, তাই এখন এটি ঐতিহাসিক সাধারণ জ্ঞান হিসেবে বিবেচিত হয়।
শ্যালা নদী সুন্দরবনের অভ্যন্তরের প্রধান নৌপথগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা মোংলা বন্দরকে বিভিন্ন অভ্যন্তরীণ রুটের সাথে সংযুক্ত করে। এই দুর্ঘটনার ফলে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্য ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
73

উয়ারি-বটেশ্বর প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন কোন জেলায় পাওয়া গিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গাজীপুর
  2. নরসিংদী
  3. শেরপুর
  4. ময়মনসিংহ
  5. মুন্সিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

 নরসিংদী জেলায় অবস্থিত উয়ারি-বটেশ্বর হলো বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্মতাত্ত্বিক নিদর্শন। 
 
- নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলা থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে পুরাতন ব্রক্ষ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত উয়ারী এবং বটেশ্বর গ্রাম দু’টি ছাপাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রার প্রাপ্তিস্থান হিসেবে দীর্ঘদিন থেকে পরিচিত।
- নির্মানকাল- ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ।
- গ্লাইসটোসিন যুগে গঠিত মধুপুর গড়ের পূর্ব সীমান্তে অবস্থিত এ গ্রাম দু’টিতেই নিবিড় অনুসন্ধান ও সীমিত প্রত্নতাত্ত্বিক খননে আবিষ্কৃত হয়েছে ২৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ।
- স্কুল শিক্ষক মুহাম্মদ হানিফ পাঠান উয়ারী বটেশ্বরের প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব প্রথম জনসম্মুখে তুলে ধরেন ১৯৩০ সালে।
- এর খনন কাজ শুরু হয় ২০০০ সালে।

তথ্যসূত্র : বাংলাদেশে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নরসিংদী। বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন উয়ারি-বটেশ্বর নরসিংদী জেলার বেলাব উপজেলায় অবস্থিত।
এটি মূলত দুইটি গ্রাম—উয়ারী এবং বটেশ্বর। এটি পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদ বা কয়রা নদীর তীরে অবস্থিত।
খনন কাজ থেকে জানা যায়, এটি প্রায় ২৫০০ বছরের প্রাচীন দুর্গ নগরী ছিল, যার নির্মাণকাল ৪৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ
74

বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৭৬ জন
  2. ৬৪ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে নিম্নোক্ত খেতাব প্রদান করা হয়:
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন
- বীর উত্তম - ৬৮ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৫ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৬ জন

তাদের মধ্যে খেতাবপ্রাপ্ত চারজন ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের সদস্যদের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকায় গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় তাদের খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম) [সেনাবাহিনী]
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

∴ বর্তমানে (২০২১) মুক্তিযুদ্ধের খেতাবধারীর সংখ্যা - মোট ৬৭২ জন।
- বীরশ্রেষ্ঠ - ৭ জন,
- বীর উত্তম - ৬৭ জন
- বীর বিক্রম - ১৭৪ জন
- বীর প্রতীক - ৪২৪ জন

তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রথম আলো রিপোর্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হল ১৭৫ জন
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে খেতাব প্রদান করে।
এই খেতাবগুলোর মধ্যে বীর বিক্রম খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ছিল ১৭৫ জন
অপশনগুলোতে থাকা অন্যান্য সংখ্যাগুলোও গুরুত্বপূর্ণ:
- ৬৭৬ জন: মুক্তিযুদ্ধে খেতাবপ্রাপ্ত মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা (প্রাথমিকভাবে)।
- ৪২৬ জন: বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
75

বাংলাদেশের ‘জাতীয় গ্রন্থাগার‘ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শাহবাগে
  2. গুলিস্তানে
  3. আগারগাঁও
  4. উত্তরায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার ঢাকার শেরে বাংলা নগরে আগারগাঁও এ অবস্থিত। 
- ১৯৭২ সালে পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডের একটি পরিত্যক্ত ভবনে জাতীয় গ্রন্থাগারের যাত্রা শুরু হয়। 
- ১৯৭৯ সালে সেখান থেকে সেন্ট্রাল রোডের ভাড়া বাড়িতে এবং ১৯৮৫ সালের ১ নভেম্বর শেরে বাংলা নগরে নিজস্ব ভবনে জাতীয় গ্রন্থাগার স্থানান্তরিত হয়।
 শাহবাগে গণগ্রন্থাগার এবং গুলিস্তানে জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র অবস্থিত।

(সূত্রঃ আর্কাইভস ও গ্রন্থাগার অধিদপ্তর ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আগারগাঁও। বাংলাদেশের জাতীয় গ্রন্থাগার (National Library of Bangladesh) ঢাকার শেরে বাংলা নগরের আগারগাঁও এলাকায় অবস্থিত।
জাতীয় গ্রন্থাগারটি মূলত ১৯৭২ সালে পুরাতন এলিফ্যান্ট রোডে একটি পরিত্যক্ত ভবনে যাত্রা শুরু করে। পরবর্তীতে ১৯৮৫ সালের ১ নভেম্বর এটি শেরে বাংলা নগরের নিজস্ব ভবনে স্থানান্তরিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভুল। শাহবাগে অবস্থিত হলো কেন্দ্রীয় গণগ্রন্থাগার (Public Library)।
অন্যদিকে, গুলিস্তানে অবস্থিত হলো জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্র (National Book Centre)।
76

বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতীয় সংসদ
  2. এটর্নি জেনারেল
  3. আইনমন্ত্রী
  4. প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এটর্নি জেনারেল
- রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তা, বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রধান আইনজীবী হলেন এটর্নি জেনারেল। 
- অ্যাটর্নি জেনারেল হল বাংলাদেশ সরকারের প্রধান ও মুখ্য আইন পরামর্শক এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের প্রাথমিক আইনজীবী।
- অ্যাটর্নি জেনারেল সাধারণত সম্মানিত জেষ্ঠ আইনানুজ্ঞদের মধ্য থেকে শাসিত সরকার কর্তৃক নিয়োগ প্রাপ্ত হন।
- বাংলাদেশের বর্তমান অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন এ এম আমিন উদ্দিন। তিনি ১৬তম অ্যাটর্নি জেনারেল।

এছাড়াও, 
- অ্যাটর্নি জেনারেল তার পদাধিকার বলে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের সভাপতি নির্বাচিত হন।
- অ্যাটর্নি জেনারেলকে কিছু সংখ্যক যুগ্ম অ্যাটর্নি জেনারেল, উপ অ্যাটর্নি জেনারেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল সহায়তা করেন।

উৎস : এটর্নি জেনারেলের কার্যালয়ের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো এটর্নি জেনারেল
সংবিধান অনুযায়ী, এটর্নি জেনারেল হলেন বাংলাদেশ সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা। তিনি সরকারকে আইনি বিষয়ে পরামর্শ দেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষে প্রধান আইনজীবী হিসেবে কাজ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
১. আইনমন্ত্রী: তিনি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকা রাজনৈতিক ব্যক্তি, তবে তিনি সরকারের আইনি মামলার প্রধান আইনজীবী নন।
২. প্রধান বিচারপতি: তিনি দেশের বিচার বিভাগের প্রধান এবং সুপ্রিম কোর্টের প্রধান, তিনি সরকারের আইনি পরামর্শক নন।
77

টি-২০ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের একমাত্র শত রানকারী কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাকিব
  2. মাশরাফি
  3. সাব্বির
  4. তামিম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরিয়ান - তামিম ইকবাল
২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত টি-২০ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে তিনি ১০৩ রানের ইনিংস খেলেন।
- ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান - মেহরাব হোসেন অপি।
- টেস্ট ক্রিকেটে বাংলাদেশের প্রথম সেঞ্চুরিয়ান - আমিনুল ইসলাম বুলবুল
 
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তামিম ইকবাল
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের হয়ে একমাত্র শত রানকারী ব্যাটসম্যান হলেন তামিম ইকবাল। তিনি ২০১৬ সালে ভারতে অনুষ্ঠিত আইসিসি টি-২০ বিশ্বকাপে ওমানের বিপক্ষে ১০৩* রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলেন। এটি বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে প্রথম ও একমাত্র সেঞ্চুরি।
অন্যান্য অপশন যেমন সাকিব আল হাসান বা মাশরাফি বিন মুর্তজা বাংলাদেশের ক্রিকেটে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, টি-২০ বিশ্বকাপে শতক হাঁকানোর কৃতিত্ব শুধু তামিম ইকবালের।
78

 [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন] সম্প্রতি বাংলাদেশে কোন বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীন সন্ধান পাওয়া গিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এ্যানথ্রাক্স
  2. ট্রিম্যান
  3. চিকন গুনিয়া
  4. ল্যাসা জ্বর
  5. ডায়াবেটিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'।
বর্তমানে এই প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বহীন।
তাই প্রশ্নের উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে। 
---------------
তবে সঠিক উত্তরটি জেনে রাখতে পারেন।
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর - ট্রিম্যান।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি তৎকালীন সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান-এর অন্তর্ভুক্ত ছিল। প্রশ্ন অনুসারে, বাংলাদেশে বিরল রোগে আক্রান্ত রোগীর সন্ধান বলতে মূলত 'ট্রিম্যান' (Tree Man Syndrome)-এ আক্রান্ত রোগী আবুল বাজানদারের ঘটনাকে বোঝানো হয়েছে, যা আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও প্রচারিত হয়েছিল।
বিরল এই রোগটির বৈজ্ঞানিক নাম হলো Epidermodysplasia Verruciformis (EV), যা এক প্রকার গুরুতর চর্মরোগ।
অন্যান্য অপশন যেমন এ্যানথ্রাক্স, চিকন গুনিয়া ও ল্যাসা জ্বর বাংলাদেশে দেখা গেলেও সেগুলোকে ট্রিম্যান সিনড্রোমের মতো 'বিরল রোগ' হিসেবে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়নি।
সঠিক উত্তর: ট্রিম্যান
79

বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ সর্বশেষ কোন ভাষায় অনুদিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুশ
  2. ডাচ্
  3. চীনা
  4. ফ্রেঞ্চ
  5. ত্রিপুরা (ককবরক)

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

বঙ্গবন্ধুর আত্মজীবনী মূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী‘ সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষায় অনুদিত হয়েছে। 
দীর্ঘ দুই বছরের প্রচেষ্টায় ত্রিপুরা ভাষায় (ককবরক) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ অনুবাদ করেছেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নৃবিজ্ঞান বিভাগের সপ্তম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা। তিনি ‘ককবরক’ বইটির নাম দিয়েছেন ‘পাইথাকয়া লাংমা’; এর অর্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’।
 
এ পর্যন্ত ইংরেজি, উর্দু, জাপানি, চীনা, আরবি, ফরাসি, হিন্দি, তুর্কি, নেপালি, স্প্যানিশ, অসমীয়া, ইতালীয়, মালয়, কোরীয়, রুশ, মারাঠি, গ্রীক, থাই ইত্যাদি ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছে। 
 
=====
 
অসমাপ্ত আত্মজীবনী শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী সংকলন।
- ২০১২ সালের জুনে এ বইটি প্রকাশিত হয়।
- ২০০৪ সালে শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা চারটি খাতা আকস্মিকভাবে তাঁর কন্যা বর্তমান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তগত হয়।
- খাতাগুলি অতি পুরানো, পাতাগুলি জীর্ণয় এবং লেখা প্রায়শ অস্পষ্ট।
- মূল্যবান সেই বাতাগুলি পাঠ করে জানা গেল এটি বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী, যা তিনি ১৯৬৭ সালের মাঝামাঝি সময়ে ঢাকা সেন্ট্রাল জেলে অন্তরীণ অবস্থায় লেখা শুরু করেছিলেন, কিন্তু শেষ করতে পারেননি। 
- এই লেখাগুলোকে বঙ্গবন্ধু হারিয়ে যাওয়া পূর্বোক্ত আত্মজীবনী হিসেবে সুনিশ্চিত করা হয়।
- পরে এগুলো বাংলা একাডেমির সাবেক মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় গ্রন্থাকারে অসমাপ্ত আত্মজীবনী নামে ২০১২ সালের জুনে প্রকাশ করা হয়।
- 'দি ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড'-এর পক্ষে এ গ্রন্থটি প্রকাশ করেন মহিউদ্দিন আহমেদ।

উৎস: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান; সময়নিউজ,  যুগান্তর পত্রিকা রিপোর্ট

ব্যাখ্যা

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ সর্বশেষ ত্রিপুরা ভাষা (ককবরক)-এ অনুদিত হয়েছে।
দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী যুবরাজ দেববর্মা এটি অনুবাদ করেন।
ত্রিপুরা ভাষায় বইটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘পাইথাকয়া লাংমা’
অপশনে দেওয়া চীনা, রুশ, ডাচ্ বা ফ্রেঞ্চ ভাষাগুলো পূর্বে অনুদিত হয়েছে, কিন্তু ত্রিপুরা ভাষাই এর সর্বশেষ অনুবাদ।
80

 [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন] সম্প্রতি নাসায় (NASA) কর্মরত কোন বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুবাব খান
  2. সালমান খান
  3. কামাল জিহান
  4. শিহাব কামাল
  5. ড. আনিসুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নটি তৎকালীন 'সাম্প্রতিক প্রশ্ন'।
বর্তমানে এই প্রশ্নের উত্তর গুরুত্বহীন।
তাই প্রশ্নের উত্তর তুলে দেওয়া হয়েছে। 
---------------
তবে সঠিক উত্তরটি জেনে রাখতে পারেন।
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর - রুবাব খান। 
 
রুবাব খান যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসায় কর্মরত ।
রুবাব খান ও তাঁর দল মূলত নাসায় কাজ করছেন জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ নিয়ে। 
 
উৎস : প্রথম আলো 

ব্যাখ্যা

যদিও প্রশ্নটি তৎকালীন সময়ের সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সংক্রান্ত ছিল এবং বর্তমানে এর গুরুত্ব নেই, তবুও পরীক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে সঠিক তথ্য জানা প্রয়োজন।
সঠিক উত্তর হলো রুবাব খান
ড. রুবাব খান যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্র নাসা (NASA)-য় কর্মরত একজন বাংলাদেশী জ্যোতির্বিজ্ঞানী।
তিনি ও তার দল বর্তমানে প্রধানত জেমস ওয়েব স্পেস টেলিস্কোপ (JWST) সম্পর্কিত গবেষণায় কাজ করছেন।
81

বাংলাদেশে প্রথম চায়ের চাষ হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেটের তামাবিলে
  2. সিলেটের জাফলংয়ে
  3. সিলেটের মালনী ছড়ায়
  4. সিলেটের শ্রীমঙ্গলে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বঙ্গ প্রদেশে কালো চায়ের চাষ ব্রিটিশ শাসনামলের সময় শুরু হয়েছিল।
- ইউরোপীয় ব্যবসায়ীরা ১৮৪০ সালে এই উপমহাদেশের সর্বপ্রথম চা বাগান বন্দর নগরী চট্টগ্রামে প্রতিষ্ঠা করে, যখন কলকাতা বোটানিক্যাল গার্ডেন থেকে চীনা চায়ের গাছ এনে চট্টগ্রাম ক্লাবের পাশে রোপণ করা হয়।
- ১৮৪৩ সালে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরে প্রথম চা তৈরি এবং পান করা হয়।
- বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে

উৎস : বাংলাদেশ চা বোর্ড ও বাংলাদেশ চা গবেষণা ইন্সটিটিউট ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলেটের মালনী ছড়ায়
বাংলাদেশে (তৎকালীন বঙ্গ প্রদেশে) বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা চাষ শুরু হয় ১৮৫৪ সালে সিলেটের মালনীছড়া চা বাগানে। এই বাগানটি ব্রিটিশদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি দেশের প্রাচীনতম এবং বৃহত্তম চা বাগানগুলোর মধ্যে অন্যতম।
উল্লেখ্য, এরও আগে, ১৮৪০ সালে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে (চট্টগ্রাম ক্লাবের পাশে) পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম চায়ের চারা রোপণ করা হয়েছিল, তবে বাণিজ্যিক উৎপাদনে প্রথম আসে মালনীছড়া (অপশন ২)।
অন্যান্য অপশন যেমন শ্রীমঙ্গল (অপশন ৩) বিখ্যাত হলেও এটি প্রথম বাগান নয়। শ্রীমঙ্গলকে বাংলাদেশের 'চায়ের রাজধানী' বলা হয়।
82

তৎকালীন পাকিস্তানের শিক্ষা আন্দোলন হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1956
  2. 1962
  3. 1966
  4. 1968

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন
- ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে শরিফ কমিশনের শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ পেলে ছাত্র আন্দোলন নতুন রূপ লাভ করে।
- এ প্রতিবেদনের সুপারিশে ছাত্রদের ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়।
- ফলে কঠোর আন্দোলন শুরু হয়। এ আন্দোলন 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন’ নামে পরিচিত ।
- ১৫ই আগস্ট থেকে ১০ই সেপ্টেম্বর প্রতিদিন বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
- ১৭ই সেপ্টেম্বর হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন নিহত এবং কয়েকশ’ আহত হয়।
- এ আন্দোলনের ফলে শরিফ কমিশনের সুপারিশ স্থগিত হয়।
- এই আন্দোলনের ফলে ছাত্ররা আইয়ুববিরােধী আন্দোলনের অন্যতম শক্তিতে পরিণত হয়।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬২ সাল। এই আন্দোলনটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়, যা 'বাষট্টির শিক্ষা আন্দোলন' নামে পরিচিত।
তৎকালীন সামরিক শাসক আইয়ুব খান সরকার কর্তৃক গঠিত জাতীয় শিক্ষা কমিশন (শরিফ কমিশন) এর শিক্ষা সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের প্রতিবাদে ১৯৬২ সালের আগস্ট মাসে এই আন্দোলন শুরু হয়।
এই কমিশনের সুপারিশে উচ্চশিক্ষা সীমিত করা, ডিগ্রি কোর্সের মেয়াদ দুই বছর থেকে তিন বছর করা এবং ফি বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছিল, যা ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ সৃষ্টি করে।
আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৭ই সেপ্টেম্বর, যেদিন হরতাল পালনকালে পুলিশের গুলিতে কয়েকজন ছাত্র নিহত হয়। এই দিনটিকে বর্তমানে শিক্ষা দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
অন্যান্য সালগুলো ভুল: ১৯৫৬ সালে প্রথম সংবিধান প্রণীত হয়; ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ৬-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন; এবং ১৯৬৮ সাল আগরতলা মামলা সংক্রান্ত। এগুলো শিক্ষা আন্দোলনের বছর নয়।
83

বাংলাদেশের ভিতরে ভারতের কয়টি ছিটমহল ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫৫টি
  2. ১১০টি
  3. ১১৪টি
  4. ১১১টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্থল সীমান্ত চুক্তি অনুযায়ী ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই দুই দেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় হয়।
- ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অবস্থিত মোট ছিটমহলের সংখ্যা ছিলো ১৬২ টি।
- বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে এবং ভারতের ভূখন্ডের ভিতর বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সাথে যুক্ত হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া এবং ভূগোল ও পরিবেশ ৯ম-১০ম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১১১টি
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময় প্রক্রিয়া শুরু হয় মূলত ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই। এই চুক্তিটি স্থল সীমান্ত চুক্তি (LBA) নামে পরিচিত।
এই চুক্তি অনুযায়ী, তৎকালীন সময়ে দুই দেশের মধ্যে মোট ১৬২টি ছিটমহল বিদ্যমান ছিল।
এর মধ্যে, বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানার অভ্যন্তরে ভারতের ছিটমহলের সংখ্যা ছিল ১১১টি। এই ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের সাথে যুক্ত হয়।
অন্যদিকে, ভারতের ভূখণ্ডের ভেতরে বাংলাদেশের ছিটমহলের সংখ্যা ছিল ৫১টি। এই ৫১টি ভারতের সাথে যুক্ত হয়।
১১১টি সংখ্যাটি ছিটমহল বিনিময়ের ক্ষেত্রে ভারতের মালিকানাধীন ছিটমহলের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে।
84

ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করা হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2000
  2. 2003
  3. 2004
  4. 2006

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ফেসবুকের সদর দপ্তর মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া। 

- ফেসবুক একটি আমেরিকান অনলাইন সামাজিক নেটওয়ার্ক প্রতিষ্ঠান।
- ফেসবুক ২০০৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
-  ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা হলেন মার্ক জাকারবার্গ।  

সূত্র: ফেসবুক অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০০৪ সাল।
বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক ২০০৪ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মার্ক জাকারবার্গ তার কয়েকজন সহপাঠীর সহায়তায় এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
প্রাথমিকভাবে এটি কেবল হার্ভার্ড শিক্ষার্থীদের জন্য চালু হলেও, এর দ্রুত সম্প্রসারণ ঘটে এবং এটি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয়তা লাভ করে।
85

HTML - এর পূর্ণরূপ কী ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. High Time Made up Language
  2. Hyper Test Multi Language
  3. Hyper Text Mark up Language
  4. High Teller Maximum Language

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• HTML এর পূর্ণরূপ: Hyper Text Mark-up Language
- World Wide Web (WWW) ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন বা ওয়েব পেইজে তথ্য উপস্থাপন ও ফরমেট করতে প্রোগ্রামারগণ ব্যবহার করেন HTML।
- ওয়েব পেইজে টেক্সট, অডিও, ভিডিও, গ্রাফিক্স বা অ্যানিমেশনকে সুন্দরভাবে সাজাতে বা ফরমেট করতে এই ভাষা ব্যবহার করেন।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (মুজিবুর রহমান), একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হাইপার টেক্সট মার্ক আপ ল্যাঙ্গুয়েজ (Hyper Text Mark up Language)। এটি বিকল্প (গ)-তে রয়েছে।
HTML হলো এমন একটি ভাষা যা মূলত ওয়েব পেজ তৈরি এবং ওয়েব ব্রাউজারে তথ্য প্রদর্শন করার জন্য ব্যবহৃত হয়। 'Hyper Text' বলতে বোঝায় এক ডকুমেন্ট থেকে অন্য ডকুমেন্টে দ্রুত স্থানান্তর (লিঙ্ক) এবং 'Mark up' বলতে বোঝায় তথ্যকে নির্দিষ্ট ফরমেটে সাজানো ও উপস্থাপন করা।
86

হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিল্পী হামিদুজ্জামান খান
  2. নিতুন কুণ্ডু
  3. স্থপতি এহসান খান
  4. শামীম শিকদার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- 'হাতির ঝিল‘- এর নকশার পরিকল্পনা করেন স্থপতি এহসান খান
- তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্থাপত্যে গ্র্যাজুয়েশন করেন।
- তিনি ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন। 
 
উৎস : পত্রিকা রিপোর্ট 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো স্থপতি এহসান খান
ঢাকার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিনোদন ও যোগাযোগ প্রকল্প 'হাতির ঝিল' এর নকশার পরিকল্পনা ও ডিজাইন করেন স্থপতি এহসান খান
তিনি ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন এবং পরবর্তীতে ভিত্তি স্থপতিবৃন্দ লিমিটেড-এর সহ-প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে কাজ করেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন - হামিদুজ্জামান খান (বিখ্যাত ভাস্কর), নিতুন কুণ্ডু (বিখ্যাত শিল্পী ও ভাস্কর, যেমন সাভারের স্মৃতিসৌধের ভাস্কর্য), এবং শামীম শিকদার (বিখ্যাত ভাস্কর, যেমন স্বোপার্জিত স্বাধীনতা) - এরা ভিন্ন স্থাপত্য বা ভাস্কর্য কাজের জন্য পরিচিত।
87

Big Apple- বলা হয় কোন শহরকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেলজিয়াম
  2. রোম
  3. নিউইয়র্ক
  4. গ্রেট বিট্রেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিউইয়র্ক শহরের অনেক উপনাম আছে।
যেমন - ‘দ্যা সিটি দ্যাট নেভার স্লিপ্‌স’ অথবা ‘গথাম’।
- তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে - ‘দ্যা বিগ এপল’।

উৎসঃ ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: নিউইয়র্ক (New York)। এই শহরটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং জনবহুল শহরগুলোর মধ্যে অন্যতম।
'দ্যা বিগ এপল' (The Big Apple) নামটি ১৯২০ এর দশকে ঘোড়দৌড় বিষয়ক কলামিস্টদের মাধ্যমে জনপ্রিয় হয়। পরবর্তীতে ১৯৭০ এর দশকে নিউইয়র্ক পর্যটন প্রচারে (Tourism Campaign) এই নামটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হওয়ায় এটি সুপরিচিত হয়।
নিউইয়র্কের আরও দুটি জনপ্রিয় উপনাম হলো: 'দ্যা সিটি দ্যাট নেভার স্লিপ্‌স' এবং 'গথাম'
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে: রোম শহরকে বলা হয় 'দ্যা ইটারনাল সিটি' (The Eternal City)।
88

জাপানের পার্লামেন্টের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডায়েট
  2. সীম
  3. পার্লামেন্ট
  4. মজলিস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- জাপান এশিয়ার অন্যতম ধনী রাষ্ট্র। এশিয়ার একমাত্র দেশ হিসাবে জাপান উন্নত দেশের জোট জি-৭ এর সদস্য।
- অতীতকালে জাপান Nippon বা Nihon নামে পরিচিত ছিলো।
- জাপানের পার্লামেন্টর নাম - ডায়েট।
- জাপানের পার্লামেন্ট 'ডায়েট' দুই কক্ষ বিশিষ্ট।
- উচ্চকক্ষ - হাউস অফ কাউন্সিলর (House of Councillors) - ২৪২ আসন।
- নিম্নকক্ষ - হাউস অফ রিপ্রেজেন্টেটিভস (House of Representatives) - ৪৭৫ আসন।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ডায়েট
জাপানের আইনসভার বা পার্লামেন্টের দাপ্তরিক নাম হলো কোক্কাই (Kokkai), যা ইংরেজিতে National Diet (জাতীয় ডায়েট) নামে পরিচিত। এটি বিশ্বের প্রাচীনতম আইনসভাগুলির মধ্যে অন্যতম।
জাপানের পার্লামেন্ট ডায়েট হলো দুই কক্ষবিশিষ্ট (Bicameral) – উচ্চকক্ষ (House of Councillors) এবং নিম্নকক্ষ (House of Representatives)।
অন্যান্য অপশনগুলো বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্টের নাম নির্দেশ করে:
পার্লামেন্ট: এটি একটি সাধারণ শব্দ। তবে যুক্তরাজ্য, ভারতসহ অনেক দেশে এটি ব্যবহৃত হয়।
মজলিস: এটি মধ্যপ্রাচ্য ও ইসলামি দেশগুলোর (যেমন: ইরান, মালদ্বীপ, ওমান) আইনসভার নাম।
89

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কফি উৎপাদনকারী দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. ব্রাজিল
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. ডেনমার্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বিশ্বের সবচেয়ে বেশি কফি উৎপাদনকারী দেশ হলো ব্রাজিল। 
- তারা একাই বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ কফি উৎপাদন করে।
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ কফি উৎপাদনকারী দেশ ভিয়েতনাম।

উৎস : International Coffee Organization (ICO) Website

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্রাজিল
বিশ্বের মোট কফি উৎপাদনের পরিমাণের দিক থেকে ব্রাজিল দীর্ঘদিন ধরে প্রথম স্থান অধিকার করে আছে। তারা একাই বিশ্বের মোট কফির প্রায় এক-তৃতীয়াংশ (৩০-৩৫%) উৎপাদন করে।
ব্রাজিলের উষ্ণ জলবায়ু এবং বিশাল কৃষি এলাকা কফি চাষের জন্য বিশেষভাবে উপযোগী।
উল্লেখ্য, ইন্দোনেশিয়া এবং চীন কফি উৎপাদনকারী দেশ হলেও তারা শীর্ষ উৎপাদকের তালিকায় ব্রাজিলের পরে অবস্থান করে।
90

CNN- এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Current News Network
  2. Cable News Network
  3. Control News Network
  4. Country News Network

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- CNN এর পূর্ণরূপ Cable News Network. 
- CNN একটি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদ সংস্থা।
 
উৎস : সিএনএন ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Cable News Network। এটি হলো বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত পরিচিত সংবাদ সংস্থা CNN (সিএনএন)-এর পূর্ণরূপ।
CNN হলো একটি আমেরিকান মাল্টিন্যাশনাল কেবল নিউজ চ্যানেল, যা মূলত কেবল (Cable) টিভির মাধ্যমে সংবাদ পরিবেশনের জন্য বিখ্যাত হয়ে ওঠে।
পরীক্ষায় প্রায়শই পূর্ণরূপ সংক্রান্ত প্রশ্ন আসে। এক্ষেত্রে Current News Network, Control News Network ইত্যাদি অপশনগুলো বিভ্রান্তি তৈরির জন্য ব্যবহার করা হয়, যা সঠিক নয়।
91

নিচের কোন দেশটি OPEC- এর সদস্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলজেরিয়া
  2. ফ্রান্স
  3. ইরান
  4. লিবিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

The Organization of the Petroleum Exporting Countries (OPEC) হলো বিশ্বের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর জোট।
এটি ১৯৬০ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর বাগদাদ কনফারেন্সের মাধ্যমে গঠিত হয়। OPEC এর সদরদপ্তর ভিয়েনায় অবস্থিত।

বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৩টি। এগুলো হলোঃ
ইরাক
ইরান
সৌদি আরব
কুয়েত
লিবিয়া
সংযুক্ত আরব আমিরাত
নাইজেরিয়া
আলজেরিয়া
অ্যাঙ্গোলা
নিরক্ষীয় গিনি
কঙ্গো
গ্যাবন এবং
ভেনেজুয়েলা।

কাতার ২০১৯ সালের ১ জানুয়ারি OPEC ত্যাগ করে।
এছাড়া ইকুয়েডর ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি এবং ইন্দোনেশিয়া ২০১৬ সালে OPEC ত্যাগ করে।

(সূত্রঃ OPEC ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফ্রান্স
OPEC (Organization of the Petroleum Exporting Countries) হলো বিশ্বের প্রধান তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর একটি জোট। OPEC-এর সদস্য হতে হলে দেশটিকে অবশ্যই অপরিশোধিত তেলের উল্লেখযোগ্য রপ্তানিকারক হতে হবে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে আলজেরিয়া, ইরান এবং লিবিয়া—এই তিনটি দেশই OPEC এর বর্তমান সদস্য।
অন্যদিকে, ফ্রান্স একটি উন্নত অর্থনীতি, কিন্তু এটি তেলের প্রধান রপ্তানিকারক দেশ নয় এবং ঐতিহাসিকভাবে এটি কখনো OPEC-এর সদস্য ছিল না। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
92

রেডক্রসের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লণ্ডন
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বিশ্বের দুঃস্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেডক্রস বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
- ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন।
- রেডক্রস মুসলিম বিশ্বে রেডক্রিসেন্ট এবং ইসরায়েলে রেডক্রিস্টাল নামে পরিচিত।
- সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- আন্তর্জাতিক রেডক্রস কমিটি এ পর্যন্ত শান্তিতে মোট তিনবার নোবেল পুরস্কার লাভ করে। সংস্থাটি ১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

উৎস:- রেডক্রস অ্যান্ড রেডক্রিসেন্ট মুভমেন্টের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেনেভা
বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন রেডক্রসের (International Committee of the Red Cross - ICRC) সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
সংস্থাটি ১৮৬৩ সালে সুইজারল্যান্ডের সমাজকর্মী হেনরি ডুনান্ট (Henry Dunant) প্রতিষ্ঠা করেন। এর মূল উদ্দেশ্য হলো যুদ্ধ বা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা করা।
লণ্ডন, প্যারিস বা নিউইয়র্কও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর হলেও রেডক্রসের সদর দপ্তর হিসেবে জেনেভা-ই বিশ্বজুড়ে স্বীকৃত।
93

 [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, বর্তমানে গুরুত্বহীন।] সম্প্রতি বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ক্রিকেট টেষ্ট ম্যাচে কোন ক্রিকেটার ডাবল সেঞ্চুরী করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামিম ইকবাল
  2. মুশফিকুর রহিম
  3. সাকিব আল হাসান
  4. ইমরুল কায়েস
  5. মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- মুশফিকুর রহিম ২০১৩ সালে শ্রীলংকার বিরুদ্ধে প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
এ পর্যন্ত তিনি টেস্ট ক্রিকেটে ৩টি ডাবল সেঞ্চুরি করেন।।
- সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে ১ টি করে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।

উৎসঃ ক্রিকিনফোর ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি যখন করা হয়েছিল, তখন এটি ছিল সাম্প্রতিক ঘটনার ওপর ভিত্তি করে। তবে বাংলাদেশের টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম ডাবল সেঞ্চুরি অর্জনের প্রেক্ষাপটে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
সঠিক উত্তর: মুশফিকুর রহিম। তিনিই প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে ডাবল সেঞ্চুরি করেন।
তিনি ২০১৩ সালের মার্চ মাসে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে ২০০ রান করে এই ইতিহাস সৃষ্টি করেন।
বর্তমানে মুশফিকুর রহিম বাংলাদেশের হয়ে টেস্ট ক্রিকেটে সর্বোচ্চ ৩টি ডাবল সেঞ্চুরির রেকর্ডধারী।
94

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ কবে শুরু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৪ সালে
  3. ১৯৩৯ সালে
  4. ১৯৪২ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর জার্মানি কর্তৃক পোল্যান্ড আক্রমণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির অন্তর্ভুক্ত ছিলো জার্মানি, জাপান ও ইতালি।
- মিত্রশক্তিতে ছিলো ব্রিটেন, ফ্রান্স, যুক্তরাষ্ট্র, সোভিয়েত ইউনিয়ন, চীন, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস প্রভৃতি দেশ।
- ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে যুক্তরাষ্ট্র দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সরাসরি যোগদান করে।
- ৭ মে ১৯৪৫ জার্মানি মিত্রবাহিনীর নিকট নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করে।
- ২ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ জাপান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণের মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে।

- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ তে ৩০ টিরও বেশি দেশের ১০০ মিলিয়নেরও বেশি কর্মী সরাসরি জড়িত ছিলো।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পারমাণবিক অস্ত্রের দুটি ব্যবহার হয়েছিল।
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছিল মানব ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক সংঘাত; এর ফলে ৭০ থেকে ৮৫ মিলিয়ন প্রাণহানি ঘটে, যাদের অধিকাংশই বেসামরিক নাগরিক।

তথ্যসূত্র: হিস্টোরি ডটকম এবং ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৩৯ সালে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় ১৯৩৯ সালের ১ সেপ্টেম্বর, যখন নাৎসি জার্মানি (নেতৃত্বে ছিলেন অ্যাডলফ হিটলার) পোল্যান্ড আক্রমণ করে। এর ফলস্বরূপ যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্স জার্মানির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে।
অপশন ১৯৪৫ সাল ভুল, কারণ এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তির বছর (২ সেপ্টেম্বর, ১৯৪৫)।
অন্যান্য অপশন যেমন ১৯৪৪ ও ১৯৪২ সালে যুদ্ধ শুরু হয়নি, বরং এ সময় যুদ্ধ পূর্ণ গতিতে চলমান ছিল এবং মিত্রশক্তি ধীরে ধীরে জয়লাভ করতে শুরু করেছিল।
95

২৫শে এপ্রিল ২০১৫-র ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাত্রা রিখটার স্কেলে কত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7.6
  2. 7.7
  3. 7.8
  4. 7.9

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ২৫শে এপ্রিল ২০১৫-র নেপালে আঘাত হানা ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৮। 

উৎস : United States Geological Survey (USGS) Website

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৭.৮
২৫শে এপ্রিল ২০১৫ তারিখে নেপালে আঘাত হানা এই ভয়াবহ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৭.৮
ভূমিকম্পের বৈশ্বিক জরিপ অনুযায়ী, United States Geological Survey (USGS) এই মাত্রাটি নিশ্চিত করে। এটি বিগত ৮০ বছরের মধ্যে নেপালে আঘাত হানা সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্পগুলোর মধ্যে অন্যতম ছিল, যা বিশাল প্রাণহানি ও অবকাঠামোগত ক্ষতি সাধন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৭.৬, ৭.৭, ৭.৯) সঠিক নয়, কারণ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত মাত্রা ৭.৮
96

কম্পিউটারের মূল মেমোরি তৈরী হয় কী দিয়ে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়রন
  2. সিলিকন
  3. কার্বন
  4. অ্যালুমিনিয়াম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কম্পিউটারের প্রাইমারি মেমোরি সিলিকন নামক পদার্থ দিয়ে তৈরি করা হয়। 
- সিলিকনের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি- ইলেকট্রনিক্স শিল্পে।

- আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে- ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আইসি।
- সিলিকন নামক মৌলটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়- কম্পিউটারের চিপ তৈরিতে।

- সিলিকন অন্যান্য উপাদানের তুলনায় অপেক্ষাকৃত সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায় বলে কম্পিউটারের চিপ, টানজিস্টর  সিলিকন ডায়েড, মেমোরি এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক্স সার্কিট তৈরিতে বহুলরুপে ব্যবহৃত হয়।

সূত্র: Illinois Institute of Technology Website

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলিকন। কম্পিউটারের মূল মেমোরি (যেমন RAM, ROM) এবং প্রসেসর চিপগুলি মূলত ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (IC) দ্বারা গঠিত।
এই IC বা ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট তৈরির মূল উপাদান হলো সিলিকন। এটি একটি অর্ধপরিবাহী (Semiconductor) পদার্থ, যা ইলেকট্রনিক সংকেতগুলিকে নিখুঁতভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।
ইলেকট্রনিক্সের জগতে সিলিকনের বহুল ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো— এটি তুলনামূলকভাবে সাশ্রয়ী, সহজলভ্য এবং অন্য উপাদানের সাথে সহজে ব্যবহার করা যায়।
আয়রন, কার্বন, বা অ্যালুমিনিয়াম সাধারণত মেমোরি চিপ তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়। আয়রন চুম্বকীয় পদার্থ হিসেবে হার্ড ডিস্ক বা অন্যান্য স্টোরেজে ব্যবহৃত হতে পারে, তবে মূল মেমোরি (IC) তৈরির জন্য সিলিকনই অপরিহার্য।
97

মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়েছিল কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ১২ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার গঠন করা হয়।
- মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা গ্রামে।
- শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।
- বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী করা হয় মুজিবনগরকে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র জারি করার মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, গঠন করা হয়েছিল। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই সরকারের সাংবিধানিক কাঠামো তৈরি হয় এবং প্রধানমন্ত্রীসহ মন্ত্রীদের নিয়োগ বৈধতা পায়।
বিকল্পগুলোতে থাকা ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখটি ছিল এই সরকারের শপথ গ্রহণের তারিখ। প্রশ্নটি 'গঠন' সংক্রান্ত হওয়ায়, ১০ এপ্রিলই সঠিক উত্তর।
98

২০১৪ সালের স্বাধীনতা দিবসে জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে কতজন জাতীয় সংগীত গেয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন
  2. ২ লক্ষ ৫৫ হাজার ৮৬১ জন
  3. ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৮৬১ জন
  4. ২ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৮০ জন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ২০১৪ সালের ২৬শে মার্চ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সহায়তায় লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা গাওয়া হয়৷
- ঐ দিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে ঢোকার সময় স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক গণনা অনুসারে লোক হয়েছিল ২ লাখ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন৷

- বিজয় দিবসে বিশ্বের সর্ববৃহত্‍ মানব পতাকা – জাতীয় পতাকা তৈরি করে একবার, আর স্বাধীনতা দিবসে লাখো কণ্ঠে ‘আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি...' গানটি গেয়ে আরেকবার বিশ্ব রেকর্ড গড়ে বাংলাদেশ৷

উৎস : ডয়েচেভেলে ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৬৮১ জন
২০১৪ সালের ২৬শে মার্চ, স্বাধীনতা দিবসে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের সহায়তায় এই বিশ্ব রেকর্ডটি গড়া হয়। এই ইভেন্টটি 'লাখো কণ্ঠে সোনার বাংলা' নামে পরিচিত ছিল।
ঐ দিন জাতীয় প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রবেশের সময় স্বয়ংক্রিয় যান্ত্রিক গণনা অনুসারে লোক হয়েছিল ২,৫৪,৬৮১ জন
এর মাধ্যমে বাংলাদেশ ‘একসঙ্গে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের সম্মিলিত কণ্ঠে জাতীয় সংগীত গাওয়ার’ জন্য গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড অর্জন করেছিল। অন্য অপশনগুলোতে সংখ্যা ভুল দেওয়া আছে, যা পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
99

কোন নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিস্তা
  2. করতোয়া
  3. তিতাস
  4. হালদা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হালদা নদী থেকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছের রেনুপোনা সংগ্রহ করা হয়ে থাকে। 

- হালদা নদী হলো দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র।
- প্রতিবছর এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে হালদা নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালিবাউসের মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ প্রচুর পরিমাণ ডিম ছাড়ে।
- মাছেরা মেঘলা দিনে দুপুর এবং বিকালে ডিম ছেড়ে থাকে। ডিম ছাড়ার বিশেষ সময়কে তিথি বলা হয়ে থাকে।
- ডিম ছাড়ার তিথির পূর্বেই স্থানীয় জেলে এবং ডিম সংগ্রহকারীরা নদীতে অবস্থান নেন এবং ডিম সংগ্রহ করেন।
- সংগৃহীত ডিমগুলি ফোটানোর জন্য নদীর তীরে কৃত্রিম ছোট মাটির কুয়ায় নেয়া হয় এবং কার্প পোনা উৎপাদন করা হয়।

উৎস : জাতীয় তথ্য বাতায়ন

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হালদা নদী। হালদা নদীকে বাংলাদেশের তথা দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম প্রাকৃতিক মৎস প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রতি বছর এপ্রিল থেকে জুন মাসের মধ্যে বর্ষার শুরুতে এই নদীতে রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউস-এর মতো কার্প জাতীয় মাতৃমাছ ডিম ছাড়ে। এই ডিম বা রেণুপোনা বাণিজ্যিক ভিত্তিতে সংগ্রহ করে ফোটানো হয়।
অন্যান্য নদী, যেমন—তিস্তা, করতোয়া বা তিতাস, বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ নদী হলেও এগুলোকে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কার্প জাতীয় মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করা হয় না।
100

বাংলাদেশের প্রথম ‘সার্চ ইঞ্জিন‘-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিপীলিকা
  2. ফড়িং
  3. মৌমাছি
  4. দোয়েল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিন এর নাম হচ্ছে পিপীলিকা। 

- পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের সার্চ ইঞ্জিনটি চালু হয় ২০১৩ সালে। 
- বাংলাদেশের আরেকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হচ্ছে 'চরকি'। 
- পিপীলিকা সার্চ ইঞ্জিনটি সবার জন্যই উন্মুক্ত। 
- বর্তমানে বিশ্বের জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিনটির নাম হচ্ছে গুগল। 
- সার্চ ইঞ্জিন হচ্ছে এমন এক ধরনের টুল যার সাহায্যে ইন্টারনেটে থাকা অনেক ধরনের তথ্য থেকে সহজেই যেকোনো তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
- সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ দিয়ে আমরা বিভিন্ন তথ্য জানতে পারি। 

সূত্র: প্রথম আলো পত্রিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পিপীলিকা। এটিই হলো বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেটভিত্তিক ‘সার্চ ইঞ্জিন’ (Search Engine)।
পিপীলিকা ডটকম (www.pipilika.com) নামের এই সার্চ ইঞ্জিনটি ২০১৩ সালে সবার জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
সার্চ ইঞ্জিন হলো এমন একটি প্রোগ্রাম, যার মাধ্যমে ইন্টারনেটে থাকা বিপুল তথ্যভান্ডার থেকে ব্যবহারকারীর প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে বের করা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো (ফড়িং, মৌমাছি, দোয়েল) কোনো পরিচিত বাংলাদেশি সার্চ ইঞ্জিন নয়, এগুলো কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।
101

জাতীয় শিশু দিবস কবে পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ মার্চ
  2. ২৭ মার্চ
  3. ১৭ অক্টোবর
  4. ২৭ অক্টোবর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস।
- ১৯৯৭ সালে তৎকালীন আওয়ামীলীগ সরকার ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনকে জাতীয় শিশু দিবস ঘোষণা করে।
- সেই থেকে ১৭ই মার্চ জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।
- তবে ২০০২-২০০৮ সাল পর্যন্ত দিবসটি পালিত হয়নি।

সোর্স: মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও বাংলা ট্রিবিউন।

ব্যাখ্যা

জাতীয় শিশু দিবস হলো ১৭ মার্চ। এটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর জন্মদিনকে স্মরণ করে পালিত হয়।
১৯৯৭ সালে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই দিনটিকে জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
এই দিনটি ঘোষণা করার মূল উদ্দেশ্য ছিল শিশুদের অধিকার, নিরাপত্তা এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
102

বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
  2. চট্রগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে
  3. খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে
  4. বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বাংলাদেশের প্রথম নারী উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ফারজানা ইসলাম।
- তিনি ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হন।  
- তিনি জাহাঙ্গীরনগরবিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন।

উৎস : প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে
বাংলাদেশে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের ইতিহাসে প্রথম নারী উপাচার্য হিসেবে অধ্যাপক ফারজানা ইসলামকে নিয়োগ দেওয়া হয়।
তিনি ২০১৪ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিযুক্ত হন। তিনি ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃ-বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক।
103

‘অরুণ আলো‘ ও ‘রাঙা প্রভাত‘ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  2. বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
  3. নতুন দুটি পিকনিক স্পট
  4. দুটি যাত্রীবাহী জাহাজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ‘অরুণ আলো‘ ও ‘রাঙা প্রভাত‘ হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ। 

- বিমানের ১০টি বোয়িংয়ের মধ্যে আকাশবীণা, হংসবলাকা, গাঙচিল ও রাজহংস নামে চারটি ড্রিমলাইনারের নাম পছন্দ ও বাছাই করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর আগে পালকি, অরুণ আলো, আকাশপ্রদীপ, রাঙা প্রভাত নামে চারটি বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর এবং মেঘদূত ও ময়ূরপঙ্খী নামে দুটি বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এর নামও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

উৎস : প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের দুটি উড়োজাহাজ
‘অরুণ আলো‘ এবং ‘রাঙা প্রভাত‘ হলো বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বহরে থাকা বোয়িং ৭৭৭-৩০০ ইআর মডেলের দুটি সুপরিসর উড়োজাহাজের নাম।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজে বিমানের এই উড়োজাহাজগুলোর নাম নির্বাচন করেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: নৌবাহিনীর যুদ্ধ জাহাজ, পিকনিক স্পট) ভুল, কারণ এই নামটি সরাসরি জাতীয় বিমান সংস্থার সম্পত্তিকে নির্দেশ করে।
104

FAO - এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. রোম
  3. প্যারিস
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- FAO (Food and Agricultural Organization) ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৬ সালের ১৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থার মর্যাদা লাভ করে।
- এটির সদরদপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
- FAO এর বর্তমান মহাপরিচালক চীনের কু ডংগিউ।
- বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৪টি এবং সহযোগী সদস্য ২টি। এছাড়া সংগঠন হিসেবে ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন FAO এর সদস্য।
- সংস্থাটির প্রতিষ্ঠার তারিখ ১৬ অক্টোবর প্রতিবছর বিশ্ব খাদ্য দিবস পালিত হয়।
- বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালের ১২ নভেম্বর FAO এর সদস্যপদ লাভ করে।

(তথ্যসূত্রঃ FAO ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রোম
FAO এর পূর্ণরূপ হলো Food and Agriculture Organization (জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা)।
এটি ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে:
- জেনেভা: এখানে WHO, ILO, WIPO এর মতো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর অবস্থিত।
- প্যারিস: এখানে UNESCO এবং OECD এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
- নিউইয়র্ক: এটি জাতিসংঘের প্রধান দপ্তর (UN Headquarters) এবং UNICEF এর সদর দপ্তর।
105

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)
  2. আন্তর্জাতিক রেডক্রস
  3. বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (FAO)
  4. আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আন্তর্জাতিক রেডক্রস জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা নয়। 
- জাতিসংঘের অঙ্গ এবং বিশেষায়িত কিছু সংস্থা - WHO, FAO, ICJ, World Bank, IMF, ILO, WIPO, IAEA।
- বিশ্বের দুঃস্থ মানুষের সেবায় নিয়োজিত রেডক্রস বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন।
- ১৮৬৩ সালে হেনরি ডুনান্ট রেডক্রস প্রতিষ্ঠা করেন।
- এটির সদরদপ্তর জেনেভায় অবস্থিত।
- সংস্থাটি ১৯১৭, ১৯৪৪ এবং ১৯৬৩ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে।

(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আন্তর্জাতিক রেডক্রস (International Red Cross)। এটি জাতিসংঘের কোনো অঙ্গসংস্থা বা বিশেষায়িত সংস্থা নয়।
রেডক্রস হলো বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও স্বাধীন স্বেচ্ছাসেবী মানবিক সংগঠন। এই সংস্থাটি ১৮৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এটি বিশ্বের যুদ্ধ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সাহায্যার্থে কাজ করে, কিন্তু সাংগঠনিকভাবে এটি জাতিসংঘের নিয়ন্ত্রণাধীন নয়।
অন্যদিকে, বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), বিশ্ব খাদ্য সংস্থা (FAO) এবং আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ)—এগুলো সবই জাতিসংঘের প্রধান অঙ্গ অথবা বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা হিসেবে স্বীকৃত। যেমন, আন্তর্জাতিক আদালত হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ
106

বিশ্ব পানি দিবস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ এপ্রিল
  2. ২১ মে
  3. ২২ জুন
  4. ২২ মার্চ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ২২ মার্চ : বিশ্ব পানি দিবস
- ২২ এপ্রিল : বিশ্ব ধরিত্রী দিবস
- ২২ মে : আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস
- ৩১ মে : বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস
- ৮ জুন : বিশ্ব সমুদ্র দিবস
- ৪ অক্টোবর : বিশ্ব প্রাণী দিবস।

(তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওরয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতি বছর ২২ মার্চ বিশ্বজুড়ে বিশ্ব পানি দিবস (World Water Day) হিসেবে পালিত হয়।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো মিঠা পানির গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করা এবং জলজ সম্পদ টেকসইভাবে ব্যবস্থাপনার জন্য পদক্ষেপ নেওয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভুল উত্তর:
২২ এপ্রিল: এই দিনে পালিত হয় বিশ্ব ধরিত্রী দিবস (World Earth Day)।
২১ মে/২২ মে: ২২ মে পালিত হয় আন্তর্জাতিক জীববৈচিত্র্য দিবস
107

২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি কোন দেশ ১৮ তম দেশ হিসেবে ‘ইউরো‘ মুদ্রা চালু করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্রিস
  2. মাল্টা
  3. লাটভিয়া
  4. রুমানিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলোর ২০ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু আছে।
- সম্প্রতি ক্রোয়েশিয়া ২০তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করে।

- ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রার নাম ইউরো।
- ইউরো মুদ্রার জনক হলেন রবার্ট মুন্ডেল।
- ইউরো মুদ্রা চালু হয় ১ জানুয়ারি ১৯৯৯ সালে।
- লাটভিয়া ১৮তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- লিথুনিয়া ১৯তম দেশ হিসেবে ইউরো মুদ্রা চালু করে।
- কখনো ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করবে না ডেনমার্ক ও সুইডেন।

উৎসঃ ইইউ এর ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লাটভিয়া
লাটভিয়া (Latvia) ২০১৪ সালের ১ জানুয়ারি ইউরো (Euro) মুদ্রা গ্রহণ করে এবং এটি ছিল ইউরো অঞ্চলে যুক্ত হওয়া ১৮তম দেশ।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সংহতি বাড়াতে ইউরো চালু করা হয়। এর আগে ইউরো চালু করার ক্ষেত্রে যেসব দেশ পিছিয়ে ছিল, তাদের মধ্যে লাটভিয়া অন্যতম ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন সময়ে ইউরো চালু করে। যেমন: গ্রিস (২০০১), মাল্টা (২০০৮)। অন্যদিকে, রুমানিয়া এখনো ইউরো গ্রহণ করেনি।
108

বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪‘র জন্য নির্মিত বলের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাবুলানি
  2. ব্রাজুকা
  3. ব্রাজিলা
  4. ব্রাজিলিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় - ব্রাজিলে।
- বিশ্বকাপ ফুটবল ২০১৪‘র জন্য নির্মিত বলের নাম ব্রাজুকা। 

উলেখ্য,
- ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর কাতারে অনুষ্ঠিত হয় ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আসর।
- কাতার বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম আল রিহলা (Al Rihla)। ইবনে বতুতার ভ্রমণ আর জীবনের গল্প নিয়ে যে বই লেখা, তার নামে বলটার নাম - আল রিহলা। আরবি ভাষার 'আল রিহলা'র বাংলা অর্থ 'যাত্রা' বা 'ভ্রমণ'।
- কাতার বিশ্বকাপের মাসকটের নাম La'eeb। আরবি ভাষায় La'eeb কথার অর্থ হলো বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন একজন খেলোয়াড়।

উৎস : ফিফা ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্রাজুকা
২০১৪ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ব্রাজিলে। এই বিশ্বকাপের জন্য অ্যাডিডাস (Adidas) কর্তৃক নির্মিত অফিসিয়াল ম্যাচ বলের নাম ছিল ব্রাজুকা (Brazuca)
ব্রাজুকা শব্দটি ব্রাজিলের স্থানীয় পর্তুগিজ ভাষায় ব্যবহৃত একটি অনানুষ্ঠানিক শব্দ, যা সাধারণত 'ব্রাজিলীয়ান' বা ব্রাজিলীয় জীবনধারা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য, জাবুলানি (Jabulani) ছিল এর আগের বিশ্বকাপ, অর্থাৎ ২০১০ সালের দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপের অফিসিয়াল বল।
109

বিশ্বের শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানির নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দাইউ
  2. ফিনিক্স
  3. ফোর্ড
  4. বোয়িং

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বিশ্বের শীর্ষ উড়োজাহাজ নির্মাতা কোম্পানি হলো বোয়িং। 
- ফোর্ড হচ্ছে বিশ্বের শীর্ষ স্থানীয় একটি গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি।
- বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় অনলাইন পেমেন্ট প্লাটফর্ম হলো  ফিনিক্স। 

উৎস : সংশ্লিষ্ট সংস্থার ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বোয়িং (Boeing)। এটি হলো যুক্তরাষ্ট্রের একটি বহুজাতিক কোম্পানি, যা বাণিজ্যিক উড়োজাহাজ, সামরিক বিমান, রকেট ও স্যাটেলাইট নির্মাণ করে।
বোয়িং বিশ্বের বৃহত্তম বিমান নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং শীর্ষস্থানীয় সরবরাহকারী।
অন্যদিকে, ফোর্ড (Ford) হলো মূলত একটি শীর্ষস্থানীয় গাড়ি নির্মাতা কোম্পানি এবং দাইউ (Daewoo) ছিল একটি দক্ষিণ কোরীয় শিল্পগোষ্ঠী যা মোটরযান ও ভারী শিল্পের সাথে যুক্ত ছিল।
110

নিচের কোনটি দিয়ে কম্পিউটার কমান্ড বা নির্দেশ দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিপিইউ
  2. কী-বোর্ড
  3. প্রিন্টার
  4. মনিটর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- কীবোর্ড একটি কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।  
- ইহা কম্পিউটারের একটি ইনপুট ডিভাইস।
- কী-বোর্ড দিয়ে কম্পিউটারকে কমান্ড বা নির্দেশ দেওয়া হয়। 
- ব্যবহারকারী কিবোর্ডে সংখ্যা, অক্ষর টাইপ করে থাকে।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কী-বোর্ড
কী-বোর্ড হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইনপুট ডিভাইস। ব্যবহারকারী এই ডিভাইসের মাধ্যমে অক্ষর, সংখ্যা, এবং বিশেষ কমান্ড (নির্দেশ) কম্পিউটারে প্রবেশ করিয়ে থাকে। যেমন: কোনো ফাইল সেভ করার জন্য Ctrl+S চাপা একটি নির্দেশ।
অন্যান্য অপশনগুলোর ভুল হওয়ার কারণ:
- সিপিইউ (CPU): এটি নির্দেশ গ্রহণ করে এবং সেগুলোকে প্রক্রিয়াকরণ করে, নিজে নির্দেশ দেয় না। একে কম্পিউটারের 'মস্তিষ্ক' বলা হয়।
- মনিটরপ্রিন্টার: এগুলি হলো আউটপুট ডিভাইস, যা প্রক্রিয়াজাত ফলাফল ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন করে।
111

বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো কোন প্রাণীর ‘জিনগত নকশা‘ উন্মোচন করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গরু
  2. ভেড়া
  3. ছাগল
  4. মহিষ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাণী হিসেবে প্রথম মহিষের জিন নকশা উন্মোচনে সফলতা লাভ করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।

বেসরকারি কোম্পানি লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড চীনের বেইজিং জেনোম ইনস্টিটিউটের (বিজেআই) সহায়তায় ২০১৪ সালে এই সফলতা অর্জন করে।
মহিষের জীবনরহস্য উন্মোচনের এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন বিজেআইয়ের চেয়ারম্যান জিয়ান উয়াং এবং লাল তীরের বিজ্ঞানী মো. মনিরুজ্জামান। মোট ১৪ জন বিজ্ঞানী দুই বছর তিন মাস সময় ধরে এই গবেষণাটি করেছেন।

এর আগে বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাটবিষয়ক মৌলিক ও প্রায়োগিক গবেষণা প্রকল্পের আওতায় বিজ্ঞানী মাকসুদুল আলমের নেতৃত্বে দেশি ও তোষা পাট এবং ছত্রাকের জীবনরহস্য উন্মোচিত করেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা।

সূত্র: প্রথম আলো ও অন্যান্য পত্রিকা রিপোর্ট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মহিষ। বাংলাদেশের বিজ্ঞানীরা প্রথমবারের মতো প্রাণী হিসেবে মহিষের জিনগত নকশা (Genome Sequence) উন্মোচনে সফলতা অর্জন করেন।
এই গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক অর্জনটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান লাল তীর লাইভস্টক লিমিটেড সম্পন্ন করে। তারা চীনের বেইজিং জেনোম ইনস্টিটিউটের (বিজেআই) সহায়তায় ২০১৪ সালে এই সাফল্য লাভ করেন।
মহিষের জীবনরহস্য উন্মোচনের গবেষণায় নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশের বিজ্ঞানী মো. মনিরুজ্জামান
অন্যান্য অপশন (গরু, ভেড়া, ছাগল) ভুল, কারণ প্রথম উন্মোচিত প্রাণীটি ছিল মহিষ
112

পৃথিবীকে সমান দুই অংশে ভাগ করেছে কোন রেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমাক্ষ রেখা
  2. নিরক্ষরেখা
  3. মেরু রেখা
  4. দ্রাঘিমা রেখা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- দুই মেরু থেকে সমান দূরত্বে পৃথিবীকে পূর্ব-পশ্চিমে বেষ্টন করে যে রেখা কল্পনা করা হয়েছে, তাকে নিরক্ষরেখা বলে।
- পৃথিবী গোলাকৃতির হওয়ায় এ রেখাও বৃত্তাকার।
- নিরক্ষরেখা পৃথিবীকে উত্তর ও দক্ষিণে সমান দুই ভাবে ভাগ করেছে।
- এ রেখার উত্তরে পৃথিবীর অর্ধাংশকে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণের অর্ধাংশকে দক্ষিণ গোলার্ধ বলা হয়।
- এই রেখাটির মান ০ ডিগ্রি। এখানে দিন রাত সর্বত্র সমান।
- নিরক্ষরেখার সাহায্যে উত্তর ও দক্ষিণ গোলার্ধের কোনো স্থানের কৌণিক দূরত্ব স্থির করা হয়।

উৎসঃ ভূগোল, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিরক্ষরেখা
নিরক্ষরেখা (Equator) হলো এমন একটি কাল্পনিক রেখা যা পৃথিবীর ঠিক মাঝখান দিয়ে পূর্ব-পশ্চিমে আবর্তিত হয়েছে।
এটি পৃথিবীকে সমান দুটি গোলার্ধে বিভক্ত করে— উত্তরে উত্তর গোলার্ধ এবং দক্ষিণে দক্ষিণ গোলার্ধ। এই রেখাটির মান 00^{\circ} ডিগ্রি ধরা হয়।
অন্যান্য রেখাগুলির ভূমিকা ভিন্ন:
দ্রাঘিমা রেখা (Longitude): এগুলি উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত টানা হয়। 00^{\circ} দ্রাঘিমা রেখা (মূল মধ্যরেখা) পৃথিবীকে পূর্ব ও পশ্চিম গোলার্ধে ভাগ করে, তবে প্রশ্নটি সাধারণ অর্থে পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে ভাগ করা বোঝানোয় নিরক্ষরেখা সঠিক উত্তর।
সমাক্ষ রেখা (Latitude): নিরক্ষরেখা বাদে অন্যান্য সমাক্ষ রেখাগুলি পৃথিবীকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে না, কারণ সেগুলি নিরক্ষরেখার চেয়ে ছোট বৃত্ত।
113

২০১৩ সালে UNESCO'র ঐতিহ্যের তালিকায় বাংলাদেশের কোন শিল্পকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মসলিন
  2. জামদানি
  3. নকশী কাঁথা
  4. রিকশা নকশা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বংলাদেশের সাংস্কৃতিতে জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০১৩ সালে অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র অষ্টম অধিবেশনে ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন্ শিল্পকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে।
------
সর্বশেষ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসাবে স্বীকৃতি পায় -  শীতল পাটি তৈরি শিল্প।
===============
- বাংলাদেশে ইউনেস্কো ঘোষিত অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যগুলো হলো:
- বাউল গান (২০০৮)
- জামদানি বুনন শিল্প (২০১৩)
- পহেলা বৈশাখের মঙ্গল শোভাযাত্রা (২০১৬)
- শীতল পাটি তৈরি শিল্প (২০১৭)।

(তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জামদানি। ইউনেস্কো (UNESCO) বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী জামদানি বুনন শিল্পকে ২০১৩ সালের ৪ ডিসেম্বর তাদের অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের (Intangible Cultural Heritage of Humanity) তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।
জামদানির অপরিসীম ঐতিহ্যগত গুরুত্ব এবং এর বুনন শিল্পের শৈল্পিক দক্ষতার বিবেচনায় এটি ইউনেস্কোর স্বীকৃতি লাভ করে।
এটি ছিল বাংলাদেশের দ্বিতীয় ঐতিহ্য যা ইউনেস্কোর অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান পায়। এর আগে ২০০৮ সালে বাউল গান প্রথম স্বীকৃতি পায়।
অন্যান্য অপশন যেমন—মসলিন (এটি মূলত ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য, তবে ইউনেস্কোর Memory of the World Register-এ মসলিনের ডকুমেন্টেশন অন্তর্ভুক্ত), নকশী কাঁথা এবং রিকশা নকশা গুরুত্বপূর্ণ হলেও ২০১৩ সালে ইউনেস্কোর অধরা ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়নি।
114

বাংলাদেশের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’ - এর সংগীত পরিচালক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমর দাস
  2. সুবল দাস
  3. খান আতাউর রহমান
  4. গাজী মাজহারুল আনোয়ার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

-  পূর্ব পাকিস্তান তথা বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো ‘মুখ ও মুখোশ’।
- ছবিটি পরিচালনা করেন আবদুল জব্বার খান।
- বাংলাদেশের প্রথম এই সবাক চলচ্চিত্র 'মুখ ও মুখোশ' এর সংগীত পরিচালক ছিলেন সমর দাস।
- ১৯৫৫ সালের ৩০ অক্টোবর শেষ হয় 'মুখ ও মুখোশ 'চলচ্চিত্রের শুটিং শুরু হয় । 
- মুক্তি পায় ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট।
- হীরালাল সেন পরিচালিত ‘আলী বাবা ও চল্লিশ চোর’ হলো উপমহাদেশের প্রথম নির্বাক চলচ্চিত্র।

উৎস: বাংলাপিডিয়া এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমর দাস
পূর্ব পাকিস্তান তথা বর্তমান বাংলাদেশে নির্মিত প্রথম সবাক চলচ্চিত্র হলো 'মুখ ও মুখোশ'
এই চলচ্চিত্রটি ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তি পায় এবং এর সংগীত পরিচালক ছিলেন কিংবদন্তি সুরকার সমর দাস
পরীক্ষায় প্রায়শই এর পরিচালকের নাম জানতে চাওয়া হয়। চলচ্চিত্রটির পরিচালক ছিলেন আবদুল জব্বার খান
খান আতাউর রহমান, সুবল দাস এবং গাজী মাজহারুল আনোয়ার—এঁরা সকলেই বাংলা চলচ্চিত্রের অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হলেও, এই চলচ্চিত্রের সংগীত পরিচালনার দায়িত্বে ছিলেন সমর দাস
115

বর্তমানে বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25.60%
  2. 24.50%
  3. 23.60%
  4. 26.50%
  5. 20.50%

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

• অপশনে সঠিক উত্তর না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুসারে,
 • দারিদ্রের হার ২০.৫%,
• চরম দারিদ্র্যের হার ১০.৫%
এছাড়াও
• জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি) ও যুক্তরাজ্যের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক যৌথ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দারিদ্র্য বিমোচনে বাংলাদেশের সাফল্য উল্লেখযোগ্য হলেও দেশের ২৪.৩ শতাংশ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে বসবাস করে।

উৎস:  The Business standard বাংলা ও অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি যেহেতু নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক সমীক্ষার (২০২২) উপর ভিত্তি করে তৈরি, তাই সেই সময়ের সর্বশেষ সরকারি তথ্যটি জানতে হবে।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ (যা মূলত খানার আয়-ব্যয় জরিপ - ২০১৬ এর ভিত্তিতে তৈরি) অনুসারে, বাংলাদেশে দারিদ্র্যের হার ছিল ২০.৫% এবং চরম দারিদ্র্যের হার ছিল ১০.৫%
মূল প্রশ্নে সঠিক উত্তরটি (২০.৫%) অপশনে না থাকায় প্রশ্নটি বাতিল ঘোষণা করা হলেও, পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য আপনাকে অবশ্যই সর্বশেষ সরকারি তথ্য মুখস্থ রাখতে হবে।
116

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের মেয়াদকাল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ বছর
  2. ৩ বছর
  3. ৪ বছর
  4. ৫ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• বাংলাদেশ ব্যাংক:
- প্রতিষ্ঠা লাভ করে- ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রথম গভর্নর আ ন ম হামিদুল্লাহ। 
- বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় ব্যাংক পরিচালিত হয় বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডার, ১৯৭২ অনুযায়ী।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের মেয়াদকাল - ৪ বছর।
- পরিচালনা পর্ষদের সদস্য - চেয়ারম্যানসহ ৮ জন।

উৎস: বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪ বছর
বাংলাদেশ ব্যাংক অর্ডারের (Bangladesh Bank Order), ১৯৭২ এর বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর পদে নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তির মেয়াদকাল হলো চার (৪) বছর
অন্যান্য অপশনগুলো (২, ৩ বা ৫ বছর) বিভিন্ন সরকারি উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা বা সাংবিধানিক পদের মেয়াদকাল হলেও, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বোচ্চ পদে অর্থাৎ গভর্নরের জন্য ৪ বছর নির্ধারিত।
117

বর্তমান মুজিবনগরের পূর্বনাম কী ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রবাড়ি
  2. ভবের পাড়া
  3. টুংগীপাড়া
  4. শিমুলিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• বর্তমান মুজিবনগরের পূর্বনাম ভবের পাড়া।
• মুজিবনগর মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত এটি একটি ঐতিহাসিক স্থান । 
• স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাজধানী ছিল মুজিবনগর।
মুজিবনগরের আম্রকাননে ১৭ এপ্রিল সরকারের মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিল। এই সরকারের রাষ্ট্রপতি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
• বাংলাদেশের প্রথম রাজধানীর ঐতিহ্য ধরে রাখতে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি কমপ্লেক্স।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভবের পাড়া
বর্তমান মুজিবনগর, যা মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত, এটি ১৯৭১ সালের আগে ভবের পাড়া নামে পরিচিত ছিল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন, ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ সালে এই আম্রকাননেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) শপথ গ্রহণ করে। তাই, ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনা করে এর নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো: টুংগীপাড়া হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান (গোপালগঞ্জ জেলায়)। চন্দ্রবাড়ি বা শিমুলিয়া কোনো ঐতিহাসিক রাজধানী বা সরকারের শপথ গ্রহণের স্থানের পূর্বনাম নয়।
118

বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. হবিগঞ্জ
  3. মৌলভীবাজার
  4. সুনামগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা বাগান গড়ে উঠে সিলেটের মালিনীছড়ায় ১৮৫৪ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
- সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। জেলাটিতে মোট ৯১টি চা বাগান রয়েছে।
- অন্যান্য জেলার মধ্যে হবিগঞ্জে ২৫টি, চট্টগ্রামে ২১টি, সিলেটে ১৯টি, পঞ্চগড়ে ৮টি, রাঙামাটিতে ২টি এবং ঠাকুরগাঁও জেলায় ১টি চা বাগান রয়েছে।

সূত্র:- বাংলাদেশ চা বোর্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৌলভীবাজার
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, দেশের মোট ১৬৭টি নিবন্ধিত চা বাগানের মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যক চা বাগান (প্রায় ৯১টি) রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এ কারণে মৌলভীবাজারকে ‘চা কন্যা’ বা ‘চায়ের রাজধানী’ বলা হয়।
অন্যদিকে, সিলেট অপশনটি বিভ্রান্তিকর কারণ, ১৮৫৪ সালে বাংলাদেশের (তৎকালীন ব্রিটিশ ভারতের) প্রথম চা বাগান (মালিনীছড়া) এখানেই স্থাপিত হয়, কিন্তু বর্তমানে বাগানের সংখ্যার দিক থেকে এটি (১৯টি) তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
হবিগঞ্জ জেলাতে চা বাগানের সংখ্যা ২৫টি, যা সংখ্যার দিক থেকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ।
119

পূর্বাশা দ্বীপের অপর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. দক্ষিন তালপট্টি দ্বীপ
  4. কুতুবদিয়া দ্বীপ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- পূর্বাশা বা নিউ মুর আইল্যান্ড বঙ্গোপসাগরের অবস্থিত ভারতের ছোটো জনবসতিহীন সাগরমুখী দ্বীপ।
- এটি গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র বদ্বীপ অঞ্চলের উপকূলে অবস্থিত এবং ১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ জেগে ওঠে।
- দ্বীপটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিরোধ ছিলো। ভারতে এটি নিউ মুর দ্বীপ নামে পরিচিত।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
১৯৭০ সালের প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড়ের পর বঙ্গোপসাগরের হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনার অদূরে একটি নতুন দ্বীপ জেগে ওঠে, যা বাংলাদেশে পূর্বাশা দ্বীপ বা দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নামে পরিচিত ছিল।
এই দ্বীপটি নিয়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দীর্ঘকাল ধরে বিরোধ ছিল। ভারতে এটি নিউ মুর আইল্যান্ড (New Moore Island) নামে পরিচিত।
120

লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কতদিন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২০ দিন
  2. ১০০ দিন
  3. ৮০ দিন
  4. ৬০ দিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• লোহিত রক্তকণিকার আয়ু প্রায় চার মাস অর্থাৎ ১২০ দিন।
• লোহিত রক্তকণিকা প্লীহা তে সঞ্চিত থাকে এবং তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে প্লীহা থেকে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

উৎস: বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২০ দিন
মানুষের লোহিত রক্তকণিকা বা Erythrocyte-এর গড় আয়ুষ্কাল হলো প্রায় চার মাস, যা দিন হিসেবে ১২০ দিন
লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজ হলো শরীরের কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহন করা।
১২০ দিন পর এই পুরনো কণিকাগুলো প্লীহা (Spleen) ও যকৃতে (Liver) ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়।
121

নিচের কোন বিষয়টির সাথে কম্পিউটার সম্পৃক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্যাক্স
  2. ই-মেইল
  3. টেলিফোন
  4. টেলিভিশন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• ই - মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হল ডিজিটাল বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়।
• ই - মেইল সার্ভারগুলো মেইল গ্রহণ করে এবং সংরক্ষণ করে।
•  একটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে @ চিহ্নটি।
• ১৯৭২ সালে সর্বপ্রথম ই-মেইল ঠিকানায় @ চিহ্ন ব্যবহার করা হয়।

উৎস: তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ই-মেইল। ই-মেইলের পূর্ণরূপ হলো ইলেকট্রনিক মেইল (Electronic Mail)
ই-মেইল হলো একটি ডিজিটাল বার্তা আদান-প্রদানের পদ্ধতি যা সরাসরি কম্পিউটার নেটওয়ার্ক (ইন্টারনেট) ব্যবহার করে প্রেরণ করা হয়। কম্পিউটার ছাড়া ই-মেইল ব্যবস্থা সম্ভব নয়, তাই এটি কম্পিউটারের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত।
অন্যদিকে, ফ্যাক্স, টেলিফোন এবং টেলিভিশন হলো স্বতন্ত্র প্রযুক্তি। যদিও আধুনিক যুগে এগুলো ডিজিটালাইজড, কিন্তু এদের মূল কার্যকারিতা ঐতিহ্যগতভাবে কম্পিউটার নেটওয়ার্কের উপর নির্ভরশীল ছিল না।
122

বঙ্গবন্ধু কবে ‘জুলিও কুরি’ পুরস্কার লাভ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
  2. ৭ নভেম্বর, ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ১০ ডিসেম্বর, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• ১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগো শহরে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় বঙ্গবন্ধুকে  জুলিও কুরি শান্তি পদকের জন্যে মনোনীত করা হয়।
• ১৯৭৩ সালের ২৩শে মে ঢাকায় বিশ্ব শান্তি পরিষদ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে এর তৎকালীন মহাসচিব রমেশ চন্দ্র বঙ্গবন্ধুর হাতে জুলিও কুরি শান্তি পদক তুলে দেন।

তথ্যসূত্র: কারাগারের রোজনামচা ও আওয়ামী-লীগ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০ অক্টোবর, ১৯৭২
যদিও প্রশ্নটি পুরস্কার 'লাভ' করা (receiving) নিয়ে, এই তারিখে বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকের জন্য মনোনীত করা হয়
১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর চিলির সান্টিয়াগোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব শান্তি পরিষদের সভায় এই ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল। যেহেতু পুরস্কার গ্রহণের তারিখ (২৩শে মে, ১৯৭৩) বিকল্পে নেই, তাই মনোনয়ন বা ঘোষণার তারিখটিকেই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় এই পদক গ্রহণ করেন ২৩শে মে, ১৯৭৩ তারিখে। আন্তর্জাতিক পরীক্ষায় এই দুটি তারিখের মধ্যে প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি করা হয়।
123

চিরশান্তির শহর কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. এথেন্স
  4. অসলো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• চির শান্তির শহর নামে পরিচিত রোম।
এছাড়া রোমকে পোপের শহর, সাত পাহাড়ের শহর ও নিরব শহরও বলা হয়।

উৎসঃ ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য শহরগুলোর উপনাম জানা অত্যন্ত জরুরি।
সঠিক উত্তর হলো রোম। ইতালি তথা বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন এই শহরটিকে 'চিরশান্তির শহর' বা 'The Eternal City' নামে ডাকা হয়।
ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক কারণে রোমকে বহু বছর ধরে এই নামে ডাকা হয়ে আসছে। এটি খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীদের অন্যতম তীর্থস্থান, যেখানে ভ্যাটিকান সিটি (পোপের বাস) অবস্থিত।
রোম এর অন্যান্য উপনামগুলোও মনে রাখা জরুরি: পোপের শহর, সাত পাহাড়ের শহর (City of Seven Hills) এবং নীরব শহর
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ভেনিসকে 'ভাসমান শহর' (Floating City) বা 'ক্যানেল সিটি' বলা হয়। এথেন্স গ্রিক সভ্যতার কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
124

কোন আরব দেশ বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিশর
  2. ইরাক
  3. জর্ডান
  4. কুয়েত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- এটি মধ্যপ্রাচ্যের স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ছিল।
- ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ৮ জুলাই ১৯৭২ সালে।
- ইরান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪।

 উৎস: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইরাক

ইরাক প্রথম আরব দেশ হিসেবে স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।

এই স্বীকৃতি আসে ৮ জুলাই, ১৯৭২ সালে।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে ইরাকের স্বীকৃতি বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এটি অন্যদের জন্য পথ তৈরি করে দেয়।

উল্লেখ্য, মিশরের মতো প্রভাবশালী দেশগুলো সাধারণত ১৯৭৩ সালের পর (ওআইসি সম্মেলনের পর) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
125

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ জুন
  2. ১০ আগস্ট
  3. ১০ অক্টোবর
  4. ১০ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

 ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক ৩০টি ধারা সম্বলিত সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের দিন ১০ ডিসেম্বরকে প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এছাড়াও,

- ১০ অক্টোবর : মানসিক স্বাস্থ্য দিবস
- ১৬ অক্টোবর : বিশ্ব খাদ্য দিবস
- ২০ ডিসেম্বর : আন্তজার্তিক মানব সংহতি দিবস।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১০ ডিসেম্বর। প্রতি বছর এই দিনটিকে বিশ্ব মানবাধিকার দিবস (World Human Rights Day) হিসেবে পালন করা হয়।
কারণ, ১৯৪৮ সালের এই দিনে (১০ ডিসেম্বর) জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights - UDHR) গৃহিত হয়েছিল।
অন্যান্য তারিখগুলো ভিন্ন দিবস নির্দেশ করে। যেমন, ১০ অক্টোবর হলো বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস, যা এই প্রশ্নের জন্য ভুল।
126

ভুটানের মুদ্রার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুপি
  2. রুপিয়া
  3. গুলট্রাম
  4. বাথ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম ।
এছাড়াও
- ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলংকার মুদ্রার নাম রুপি ,
- ইন্দোনেশিয়া ও মালদ্বীপের মুদ্রার নাম রুপিয়া 
- বাথ হচ্ছে থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম।

উৎস: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সরকারি ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গুলট্রাম। ভুটানের সরকারি মুদ্রার নাম হলো ভুটানিজ গুলট্রাম (BTN)
এই মুদ্রাটি ভারতীয় রুপির সাথে সমমূল্যে বিনিময়যোগ্য এবং ভুটানের অর্থনীতিতে ভারতীয় রুপিও ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
  • রুপি: ভারত, নেপাল, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার মুদ্রা।
  • রুপিয়া: এটি প্রধানত ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা। মালদ্বীপের মুদ্রার নাম মালদিভিয়ান রুফিয়া (Rufiyaa)।
  • বাথ: এটি থাইল্যান্ডের মুদ্রা।
127

জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০টি
  2. ১৯১টি
  3. ১৯২টি
  4. ১৯৩টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

-  জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯৩টি।
- সর্বশেষ সদস্য হলো দক্ষিণ সুদান।
- জাতিসংঘের অসদস্য পর্যবেক্ষক রাষ্ট্র দুইটি। 
  যথা: ভ্যাটিকান সিটি এবং ফিলিস্তিন।
- তাইওয়ান পূর্বে জাতিসংঘের সদস্য ছিলো বর্তমানে নেই।

উৎস: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা হলো ১৯৩টি। এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিত আসা তথ্য।
জাতিসংঘের সনদ কার্যকর হওয়ার সময় (২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫) প্রাথমিক সদস্য ছিল ৫১টি (পোল্যান্ডসহ)।
১৯৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যুক্ত হয়েছে দক্ষিণ সুদান (সাউথ সুদান)। দেশটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই জাতিসংঘে যোগ দেয়।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (১৯০, ১৯১, ১৯২) পুরোনো বা ভুল তথ্য নির্দেশ করে। তাই সঠিক উত্তর হলো ১৯৩টি
128

বাতাসের শহর হিসেবে পরিচিত ______

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিকাগো
  2. নিউইয়র্ক
  3. ওয়াশিংটন
  4. সিডনি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• শিকাগোর অন্য নাম Windy city বা বাতাসের শহর।
• শিকাগো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শহরগুলোর মধ্যে তৃতীয় বৃহত্তম শহর।
• ইলিনয় অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত শহরটি অফিশিয়ালি প্রতিষ্ঠিত হয় ৪ মার্চ ১৮৩৭ সালে।

উৎস: হিস্টরি.কম ও গার্ডিয়ান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শিকাগো
যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরটি এর প্রবল বাতাসের জন্য বিশ্বজুড়ে পরিচিত এবং এর ডাকনাম হলো 'Windy City' বা 'বাতাসের শহর'
১৮৯৩ সালে বিশ্ব মেলা আয়োজনের সময় এই নামটি প্রথম জনপ্রিয়তা লাভ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, নিউইয়র্ক হলো ‘বিগ অ্যাপল’, এবং সিডনি হলো ‘হারবার সিটি’ নামে পরিচিত।
129

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. ব্রাসেলস
  3. রোম
  4. প্যারিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- রোম চুক্তির মাধ্যমে ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি তথা বর্তমানের ইউরোপীয়ান ইউনিয়ন গঠিত হয়।
- ইইউর প্রতিষ্ঠাতাকালীন সদস্য দেশ ছিলো ৬টি।
- সদর দপ্তর- ব্রাসেলস, বেলজিয়াম।
- ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে ব্রিটেন ইইউ ত্যাগ করে।
- ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য সংখ্যা ২৮টি থেকে কমে বর্তমানে ২৭টি।

উৎস:- ইইউ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রাসেলস। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত।
ব্রাসেলস শহরটি ইউরোপীয় কমিশনের (European Commission) মতো ইইউর বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ নির্বাহী এবং প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
ইইউর পূর্বসূরি সংস্থা ইউরোপীয় ইকোনমিক কমিউনিটি (EEC) গঠিত হয়েছিল ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি রোম চুক্তির মাধ্যমে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে রোম ঐতিহাসিক হলেও এটি সদর দপ্তর নয়। আর লন্ডন বর্তমানে ইইউর সদস্য নয়।
130

‘লৌহমানবী’ হিসেবে খ্যাত সাবেক বিট্রিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার মৃত্যুবরণ করেন কোন তারিখ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ মার্চ, ২০১৩
  2. ১৮ মার্চ, ২০১৩
  3. ৮ এপ্রিল, ২০১৩
  4. ১৮ এপ্রিল, ২০১৩

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মার্গারেট থ্যাচার:
- মার্গারেট থ্যাচার ব্রিটেনের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
- মৃত্যুবরণ করেন-৮ এপ্রিল, ২০১৩ 
- ১৯২৫ সালের ১৩ই অক্টোবরে লিংকনশায়ারে জন্ম নেন মার্গারেট থ্যাচার।
- ১৯৭৯-১৯৯০ সাল পর্যন্ত ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মার্গারেট থ্যাচার।
- ব্রিটেনের ইতিহাসে একমাত্র নারী প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার কনজারভেটিভ পার্টি থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
- একাধারে ১৯৭৯, ১৯৮৩ এবং ১৯৮৭ সালের সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হন মার্গারেট থ্যাচার।

তথ্যসূত্র: বিবিসি নিউজ।

ব্যাখ্যা

সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচার, যিনি ‘লৌহমানবী’ (Iron Lady) হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত, তিনি দীর্ঘ রোগভোগের পর ২০১৩ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
সঠিক তারিখটি হলো ৮ এপ্রিল, ২০১৩
মার্গারেট থ্যাচার ছিলেন ব্রিটেনের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী, যিনি কনজারভেটিভ পার্টির হয়ে দায়িত্ব পালন করেন। অন্য তারিখগুলো (মার্চ, ২০১৩ অথবা ১৮ এপ্রিল, ২০১৩) সঠিক নয়।
131

‘সাবাশ বাংলাদেশ’ ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুজ্জামান
  2. মৃনাল সেন
  3. শামীম শিকদার
  4. নিতুন কুণ্ড

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ভাস্কর্য "সাবাশ বাংলাদেশ" রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত।
- ভাস্কর্যটির স্থপতি - নিতুন কুণ্ড
- ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।
- কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের সাবাশ বাংলাদেশ কবিতার নামানুসারে এটির নামকরণ করা হয়।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া ও পত্রিকা রিপোর্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিতুন কুণ্ড
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত ভাস্কর্য ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ এর স্থপতি বা শিল্পী হলেন নিতুন কুণ্ড
এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অবস্থিত এবং ১৯৯২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি শহীদ জননী জাহানারা ইমাম এটি উদ্বোধন করেন।
এটি বিখ্যাত কবি সুকান্ত ভট্টাচার্যের ‘সাবাশ বাংলাদেশ’ নামক কবিতার নামে নামকরণ করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনে উল্লিখিত শামীম শিকদার ‘স্বোপার্জিত স্বাধীনতা’ এবং হামিদুজ্জামান খান ‘মুক্তিযুদ্ধ’ ভাস্কর্যটির জন্য বিখ্যাত।
132

কোনটির সংক্রমণে যক্ষ্মা রোগ হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভাইরাস
  2. ব্যাকটেরিয়া
  3. ছত্রাক
  4. প্রোটেজোয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যক্ষ্মা সাধারণত Mycobacterium Tuberculosis নামক এক ধরনের ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
এটি জীবাণুঘটিত দীর্ঘস্থায়ী এক সংক্রামক ব্যাধি। এ রোগ TB নামেও পরিচিত।

যক্ষ্মা একটি প্রাচীন রোগ। সম্ভবত পঞ্চম শতকের প্রথম দিক থেকেই এটি মারাত্মক রোগ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। যক্ষ্মা জীবাণুর বিভিন্ন জাত গৃহপালিত পশু ও বন্যপ্রাণীদের মধ্যেও সংক্রমণ ঘটায়।

এ রোগ সচরাচর ফুসফুসের ক্ষতি করে, কিন্তু শ্বাসতন্ত্র, অস্থি ও অস্থিসন্ধি, ত্বক, লসিকাগ্রন্থি, অন্ত্র, কিডনি এবং স্নায়ুতন্ত্রও আক্রমণ করে।
শ্বাসগ্রহণের সময় জীবাণু ফুসফুসে প্রবেশ করলেই সাধারণত সংক্রমণ ঘটে। দূষিত খাদ্যগ্রহণেও সংক্রমণ ঘটতে পারে। যক্ষ্মাগ্রস্ত ব্যক্তির হাঁচি ও কাশি থেকে নির্গত কফ বা থুথুর কণাগুলি অন্যের শরীরে ও বাতাসে জীবাণু ছড়ায়। এসব জীবাণু বাতাসে, শুষ্ক কফ ও থুথুতে এবং ধূলাবালিতে দীর্ঘকাল সক্রিয় থাকে। রোগটি অন্যদের তুলনায় একই পরিবারের লোকদের মধ্যে অধিক পরিমাণে সংক্রমিত হয়ে থাকে, কেননা এক পরিবারের সদস্যরা একই বাড়িতে বসবাস করে, একই টেবিলে খাবার খায় ও পরস্পরের ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে আসে, তবে যক্ষ্মা বংশানুক্রমিক নয়।

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্যাকটেরিয়া। যক্ষ্মা বা টিবি (Tuberculosis) রোগটি মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকিউলোসিস (Mycobacterium Tuberculosis) নামক এক প্রকার ব্যাকটেরিয়ার আক্রমণে হয়।
এটি একটি সংক্রামক ব্যাধি যা সাধারণত ফুসফুসকে আক্রমণ করে, তবে এটি দেহের অন্য অংশকেও প্রভাবিত করতে পারে।
ভাইরাস (যেমন: ফ্লু, ডেঙ্গু, কোভিড-১৯) বা ছত্রাক (যেমন: দাদ, চর্মরোগ) দ্বারা সৃষ্ট রোগগুলির প্রকৃতি এবং চিকিৎসা পদ্ধতি যক্ষ্মার থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
133

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ এডভোকেট বাংলাদেশের কততম রাষ্ট্রপতি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮ তম
  2. ১৯ তম
  3. ২০ তম
  4. ২১ তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আবদুল হামিদ:
- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকাকালে ১৪ মার্চ ২০১৩ থেকে জনাব মোঃ আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২০ মার্চ ২০১৩ তারিখে রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে তিনি সে দিন থেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের ২০ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
- জনাব আবদুল হামিদ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
 
উৎস : রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২১ তম। রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ টানা দুটি মেয়াদে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
তিনি প্রথমবার ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন।
এরপর, ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে তিনি দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। সাংবিধানিক ধারাক্রম অনুসারে, তার দ্বিতীয় মেয়াদটি ২১তম হিসেবে গণনা করা হয়।
সুতরাং, প্রশ্নটি যেহেতু তার সামগ্রিক অবস্থান বা সর্বশেষ মেয়াদকে নির্দেশ করে, তাই ২১ তম সঠিক উত্তর।
134

কোন দেশটি ল্যাটিন আমেরিকার অর্ন্তভুক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রাজিল
  2. আর্জেন্টিনা
  3. পেরু
  4. পানামা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ল্যাটিন আমেরিকার অর্ন্তভুক্ত নয়-পানামা

এছাড়াও
মধ্য আমেরিকার অন্যান্য দেশগুলো হলো:
কোস্টারিকা, গুয়েতেমালা, হন্ডুরাস, মেক্সিকো, নিকারাগুয়া, পানামা।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পানামা
ল্যাটিন আমেরিকা বলতে সাধারণত আমেরিকা মহাদেশের সেই অঞ্চলগুলোকে বোঝায়, যেখানে লাতিন ভাষা (যেমন স্প্যানিশ, পর্তুগিজ) থেকে উৎপন্ন ভাষাগুলো প্রচলিত। এই অঞ্চলের মধ্যে দক্ষিণ আমেরিকা, মেক্সিকো, মধ্য আমেরিকা ও ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জ অন্তর্ভুক্ত।
ব্রাজিল (পর্তুগিজ ভাষা), আর্জেন্টিনা (স্প্যানিশ ভাষা) এবং পেরু (স্প্যানিশ ভাষা) হলো দক্ষিণ আমেরিকার বৃহৎ রাষ্ট্র এবং এরা নিশ্চিতভাবে ল্যাটিন আমেরিকার অন্তর্ভুক্ত।
অন্যদিকে, পানামা ভৌগোলিকভাবে মধ্য আমেরিকার একটি দেশ। যদিও মধ্য আমেরিকার অধিকাংশ দেশকেই ল্যাটিন আমেরিকার বৃহত্তর অংশের মধ্যে ধরা হয়, তবে যখন প্রধান দক্ষিণ আমেরিকান দেশগুলোর (ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, পেরু) সাথে তুলনা করা হয়, তখন ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পানামা (যা দুটি মহাদেশের সংযোগস্থলে অবস্থিত) উত্তর হিসেবে আলাদাভাবে চিহ্নিত হয়।
135

বাংলাদেশে প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দরটি কোথায় গড়ে তোলা হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুতুবদিয়া
  2. মংলা
  3. সোনাদিয়া
  4. মাতারবাড়ী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান


দেশে গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল ২০০৯ সালে। শুরুতে পরিকল্পনায় ছিল কক্সবাজারের সোনাদিয়া দ্বীপ। এরপর আসে পটুয়াখালীর পায়রা। সর্বশেষ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলো, সোনাদিয়া বা পায়রায় নয়, কক্সবাজারের মহেশখালী দ্বীপের মাতারবাড়ীতেই হবে গভীর সমুদ্রবন্দর।
- মাতারবাড়ি বন্দর হল বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের, কক্সবাজার জেলার, মাতারবাড়ি এলাকার প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্র বন্দর।
- কক্সবাজার জেলার মহেশখালীতে বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য আনা কয়লাবাহী জাহাজ ভেড়ানো জেটিকে সম্প্রসারণ করে পূর্ণাঙ্গ বাণিজ্যিক বন্দর হিসাবে নির্মাণ করা হবে।

- স্বাধীনতার আগে থেকেই বাংলাদেশে সমুদ্র বন্দরের সংখ্যা ছিল মাত্র দুইটি। চট্টগ্রাম এবং মংলা।
- বাংলাদেশের সব থেকে গভীরতম সমুদ্রবন্দর হচ্ছে মাতারবাড়ি সমুদ্রবন্দর।
- মহেশখালী দ্বীপের আয়তন প্রায় ১৪ বর্গকিলোমিটার। সেই সাথে মাতারবাড়ি চ্যানেলের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৪.৫ কিমি।
- ভাটার সময় গভীরতা থাকে প্রায় ১৪ মিটার। আর জোয়ারের সময় প্রাকৃতিক ভাবেই গভীরতা হয় প্রায় ১৮.৫ মিটার।
- মাতারবাড়ি বন্দরের কাজ শেষ হলে এই দ্বীপে ২৪০০০ একরের বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহৎ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিশাল বিনিয়োগ আসবে।

তথ্যসূত্র: সময় টিভি অনলাইন নিউজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাতারবাড়ী। যদিও প্রশ্নপত্রে দেওয়া বিকল্পগুলোর মধ্যে সোনাদিয়া (Sona dia) দ্বীপটি ২০০৯ সালে প্রথম প্রস্তাবিত গভীর সমুদ্রবন্দর স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে ভূ-রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক কারণে সেই পরিকল্পনা পরিবর্তিত হয়।
বর্তমানে বাংলাদেশের প্রথম গভীর সমুদ্র বন্দর হিসেবে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ও নির্মাণাধীন স্থানটি হলো কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর মাতারবাড়ী
মংলা একটি পুরাতন ও সক্রিয় সমুদ্রবন্দর, তবে এটি গভীর সমুদ্রবন্দর নয়। এটি মূলত পশুর নদীর তীরে অবস্থিত একটি নদী ও সমুদ্র বন্দর।
অতএব, বাংলাদেশে প্রস্তাবিত এবং নির্মাণাধীন গভীর সমুদ্র বন্দরের চূড়ান্ত স্থান হলো মাতারবাড়ী
136

‘ডটার অব পাকিস্তান’ বলা হয় কাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেনজির ভুট্টো
  2. শিরিন এবাদি
  3. মালালা ইউসুফজাই
  4. নূরজাহান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টো:
- বেনজির ভুট্টো প্রথমে নিজেকে ডটার অব পাকিস্তান বা পাকিস্তানের কন্যা বলে ডাকেন। 
- যখন তার রাজনৈতিক জীবনের প্রথম দিকে গণতন্ত্রকে বিজয়ী করাই ছিল লক্ষ্য, তখন তা পূর্বের প্রতিটি নারীর সফলতার প্রতীক হিসেবেই কাজ করেছে। 
- বেনজির ভুট্টো নিজেকে পাকিস্তানের কন্যা বা ডটার অব পাকিস্তান বলে আখ্যা দিয়েছেন ইন্দিরা গান্ধীকে অনুসরণ করে।
- এভাবে তিনিও পাকিস্তানের উপনামে পরিণত হয়েছিলেন।

এছাড়াও-
- ইন্দিরা গান্ধীকে ডটার অব ইন্ডিয়া নামে ডাকা হতো। যদিও তাদের রাজনৈতিক জীবন ও পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর নিউজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বেনজির ভুট্টো
বেনজির ভুট্টো ছিলেন পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী এবং মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী সরকার প্রধান।
তিনি তার রাজনৈতিক জীবনের শুরুর দিকে নিজেকে ‘ডটার অব পাকিস্তান’ বা পাকিস্তানের কন্যা হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এই উপাধি গ্রহণের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানের নারী সমাজের সফলতা ও গণতন্ত্রের প্রতীক হিসেবে নিজেকে উপস্থাপন করেন।
বেনজির ভুট্টো মূলত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীকে অনুসরণ করে এই উপাধি নিয়েছিলেন, যাকে ‘ডটার অব ইন্ডিয়া’ বলা হতো।
137

UNIX কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এক ধরণের সফটওয়্যার
  2. একটি অপারেটিং সিস্টেম
  3. একটি গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম
  4. এক ধরণের প্যাকেজ প্রোগ্রাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইউনিক্স (ইংরেজি: UNIX) একটি কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম।
এটা প্রথমে নির্মিত হয় ৬০ ও ৭০ এর দশকে বেল ল্যাবে। এর নেতৃত্বে ছিলেন কেন থমসন ও ডেনিস রিচি, তাঁরা পরে কম্পিউটার বিজ্ঞানে মৌলিক অবদানের জন্য টুরিং পুরস্কার লাভ করেন।
UNIX একটি বর্ণভিত্তিক অপারেটিং সিস্টেম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: একটি অপারেটিং সিস্টেম
UNIX (ইউনিক্স) হলো একটি শক্তিশালী, মাল্টি-ইউজার এবং মাল্টি-টাস্কিং কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম (Operating System - OS)। অপারেটিং সিস্টেম হলো সেই প্রধান সিস্টেম সফটওয়্যার যা কম্পিউটার হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং রিসোর্সগুলি পরিচালনা করে।
ইউনিক্স সাধারণত সার্ভার এবং ওয়ার্কস্টেশনে ব্যবহৃত হয়, যা এটিকে একটি নির্দিষ্ট ধরণের সফটওয়্যার (অপশন A), গ্রাফিক্স প্রোগ্রাম (অপশন C), বা প্যাকেজ প্রোগ্রাম (অপশন D) থেকে আলাদা করে, কারণ এটিই সেই বেস সিস্টেম যা অন্য সব প্রোগ্রামকে চালানোর অনুমতি দেয়।
138

নারিকা-১ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খরাসহিষ্ণু গম
  2. খরাসহিষ্ণু ধান
  3. উন্নত জাতের কলা
  4. উন্নত জাতের পেয়ারা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- নারিকা-১ হলো একধরনের খরা সহিষ্ণু ধান
- বাংলাদেশের শতকরা ৮০ ভাগ জমিতে খাদ্যশস্য উৎপাদিত হয়।
- বাংলাদেশের প্রধান ধান হচ্ছে বোরো।
- বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইরি-৮ জাতের উফশি জাতের ধান আমদানি করা হয় যা এখনও এদেশে চালু আছে।
- বাংলাদেশের উত্তরবঙ্গের মঙ্গা এলাকার জন্য উপযোগী ধান ব্রি-৩৩।
- হরিধান জাতের উচ্চ ফলনশীল ধানের আবিষ্কারক ঝিনাইদহের হরিপদ কাপালী।

উৎস: কৃষি শিক্ষা-একাদশ দ্বাদশ শ্রেণি

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খরাসহিষ্ণু ধান
নারিকা-১ (NERICA-1) হলো একটি বিশেষ জাতের খরা সহিষ্ণু ধান। এটি মূলত ধানকে আফ্রিকান ধানের (Oryza glaberrima) সাথে এশিয়ান ধানের (Oryza sativa) সংকরায়নের মাধ্যমে উদ্ভাবন করা হয়।
NERICA পূর্ণরূপ হলো NEw RIce for AfriCA (আফ্রিকার জন্য নতুন ধান)। এটি ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর ট্রপিক্যাল এগ্রিকালচার (CIAT) এবং আফ্রিকা রাইস সেন্টার (AfricaRice) দ্বারা উদ্ভাবিত।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি কম বৃষ্টিপাত বা খরার মধ্যেও ভালো ফলন দিতে সক্ষম। বাংলাদেশের মতো যেসব অঞ্চলে জলবায়ু পরিবর্তনজনিত কারণে খরা বাড়ছে, সেখানে এ ধরনের ধান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশন যেমন গম, কলা বা পেয়ারা ভুল, কারণ নারিকা একটি নির্দিষ্ট ধানের জাত
139

সুনামির (Tsunami) কারণ হল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  2. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  3. সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প
  4. ঘূর্ণিঝড়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুনামি:
সুনামি (Tsunami) ‘সুনামি’ জাপানি শব্দ। বাংলায় এর অর্থ ‘পোতাশ্রয় ঢেউ’। সাগর বা নদী বা অন্য কোন জলক্ষেত্রে ভূমিকম্পের, ভূমিধ্বসের কিংবা আগ্নেয়গিরির উদগীরণের প্রভাবে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাসকেই বলা হয় সুনামি। বিভিন্ন কারণে সুনামির সৃষ্টি হতে পারে। কারণগুলোর মধ্যে ভূমিকম্প, আগ্নেয়গিরির অগ্নূৎপাত, ভূমিধ্বস অন্যতম। তন্মধ্যে দুটি কারণ উলে­খযোগ্য হলো সমুদ্রতলের ২০-৩০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্প সংঘটন এবং টেকটোনিক পে­টের আকষ্মিক উত্থান-পতন।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্র তলদেশের ভূমিকম্প। (অপশন ৩)
সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্র বা বৃহৎ জলাধারের তলদেশে সৃষ্ট এক ধরনের বিশাল জলোচ্ছ্বাস। এটি মূলত জলরাশির মধ্যে আকস্মিক এবং দ্রুত স্থানচ্যুতির ফলে সৃষ্ট হয়।
এই স্থানচ্যুতির প্রধান কারণ হলো সমুদ্র তলদেশের শক্তিশালী ভূমিকম্প। যখন টেকটোনিক প্লেটগুলোর সংঘর্ষ বা আকস্মিক উত্থান-পতনের কারণে সমুদ্রের নিচে ভূমিকম্প হয়, তখন বিপুল পরিমাণ জলরাশি উপরে উঠে আসে এবং বিশাল ঢেউ সৃষ্টি করে, যা উপকূলে সুনামির সৃষ্টি করে।
যদিও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত এবং ভূমিধ্বসও সুনামির কারণ হতে পারে, কিন্তু বহু প্রশ্নের অপশনে ভূমিকম্প-কে প্রধান কারণ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়।
ভুল উত্তর কেন:
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ: এর প্রভাবে জোয়ার-ভাটা (Tides) সৃষ্টি হয়, সুনামি নয়।
ঘূর্ণিঝড়: এর ফলে জলোচ্ছ্বাস বা স্টর্ম সার্জ হয়, যা সুনামির চেয়ে ভিন্ন প্রকৃতির।
140

২০১৬ সালে অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিওডি জেনিরোতে
  2. টোকিওতে
  3. মেক্সিকো সিটিতে
  4. জাকার্তায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ২০১৬ সালের অলিম্পিক গেমসের আসর ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিলো।
- অলিম্পিকের পরবর্তী আসর ২০২০ সালে টোকিওতে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে তা পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস অনুষ্ঠিত হবে - ফ্রান্সের প্যারিসে।

সূত্র: অলিম্পিক গেমস ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রিওডি জেনিরোতে
২০১৬ সালের গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক গেমস (Summer Olympics) দক্ষিণ আমেরিকার প্রথম শহর হিসেবে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, টোকিওতে অলিম্পিক হওয়ার কথা ছিল ২০২০ সালে, যা COVID-19 মহামারীর কারণে পিছিয়ে ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হয়। মেক্সিকো সিটি এবং জাকার্তা ২০১৬ সালের আসরের আয়োজক ছিল না।
141

এশিয়ার নোবেল খ্যাত ম্যাগসাইসাইয়ের ২০১২ সালে বাংলাদেশ থেকে পুরষ্কৃত হয়েছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অধ্যাপক কবির চৌধুরী
  2. হুমায়ূন আহমেদ
  3. সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
  4. অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (বেলা) প্রধান নির্বাহী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান ২০১২ সালে পুরস্কারটি পান।
- নিরাপদ পরিবেশের তাগিদে আইনি সহযোগিতার ক্ষেত্রে তাঁর অদম্য সাহস ও নেতৃত্বের জন্য এই পুরস্কার দেওয়া হয়।

অন্যদিকে-
- বাংলাদেশিদের মধ্যে প্রথম ম্যাগসাইসাই পান সমাজসেবী তহরুন্নেসা আবদুল্লাহ।
- তিনি ম্যাগসাইসাই পান ১৯৭৮ সালে।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো নিউজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান
তিনি বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতির (BELA) প্রধান নির্বাহী। নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আইনি পদক্ষেপের ক্ষেত্রে অদম্য সাহস ও নেতৃত্বের জন্য তিনি ২০১২ সালে এশিয়ার নোবেল খ্যাত এই সম্মাননা লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনের ব্যক্তিত্বরা (যেমন: হুমায়ূন আহমেদ, অধ্যাপক কবির চৌধুরী) বাংলাদেশের অত্যন্ত সম্মানিত ব্যক্তি হলেও, তারা ম্যাগসাইসাই পুরস্কার লাভ করেননি।
142

২০১২ সালের UNICEF এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যু প্রতি হাজারে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪০ জন
  2. ৪৬ জন
  3. ৪৯ জন
  4. ৪১ জন
  5. ৪২ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। বর্তমানে গুরুত্বহীন।
তাই উত্তর তুলে দেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

এটি তৎকালীন সময়ের সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞানের একটি প্রশ্ন ছিল। সে সময় প্রকাশিত ২০১২ সালের UNICEF-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশু মৃত্যুর হার (Under-5 Mortality Rate - U5MR) প্রতি হাজারে ছিল ৪১ জন
এই পরিসংখ্যানটি মূলত ২০১০-২০১১ সালের স্বাস্থ্য তথ্য প্রতিফলিত করত।
তবে মনে রাখতে হবে, তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন হওয়ায় বর্তমানে এই ঐতিহাসিক তথ্যটি পরীক্ষার জন্য গুরুত্বহীন। NTRCA পরীক্ষার্থীদের সব সময় সর্বশেষ প্রকাশিত (UNICEF, WHO, বা BBS) শিশু ও মাতৃমৃত্যু হার মনে রাখতে হবে।
143

জাতিসংঘের কার্যকরী সভা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাধারণ পরিষদ
  2. নিরাপত্তা পরিষদ
  3. সচিবালয়
  4. অছি পরিষদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- জাতিসংঘের কার্যকরী সভা হলো নিরাপত্তা পরিষদ।
- নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা ১৫ টি যার মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য (যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, ব্রিটেন, রাশিয়া, চীন) এবং ১০ টি
অস্থায়ী সদস্য।
- অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয় দুই বছরের জন্যে।

সূত্র:  জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গসংস্থার মধ্যে নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) হলো সেই কার্যকরী সভা, যা আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা রক্ষার মূল দায়িত্ব পালন করে।
নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্তগুলো (Resolution) সদস্য রাষ্ট্রগুলোর জন্য বাধ্যতামূলক। এই পরিষদ যুদ্ধ বা সংঘাতের ক্ষেত্রে সামরিক হস্তক্ষেপ বা অর্থনৈতিক অবরোধ আরোপের মতো গুরুত্বপূর্ণ কার্যকরী সিদ্ধান্ত নিতে পারে, যা অন্য পরিষদগুলো পারে না।
সাধারণ পরিষদ (General Assembly) হলো নীতি প্রণয়নকারী ও প্রতিনিধিত্বমূলক অঙ্গ। এটি আলোচনা ও সুপারিশ করে, কিন্তু কার্যকরী সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিরাপত্তা পরিষদের মতো নয়।
সচিবালয় (Secretariat) হলো প্রশাসনিক অঙ্গ এবং অছি পরিষদ (Trusteeship Council) বর্তমানে নিষ্ক্রিয়।
144

কোন দেশে বাংলা দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা পেয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইভরি কোস্ট
  2. লাইবেরিয়া
  3. সিয়েরা লিওন
  4. মিশর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- সিয়েরা লিওন ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সেখানকার সম্মানসূচক সরকারি ভাষার মর্যাদা দেয়।
- বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের ভূমিকাকে চিরস্মারণীয় রাখতে বাংলা ভাষাকে সিয়েরা লিয়ন এই সম্মান জানায়।
- সিয়েরা লিয়ন পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। সিয়েরা লিওনের সাংবিধানিক নাম - সিয়েরা লিওন প্রজাতন্ত্র। রাজধানী - ফ্রিটাউন।
- দেশটিতে প্রায় ১৬টি জাতিগোষ্ঠী বসবাস করে, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা ভাষা ও রীতিনীতি।
- ইংরেজি ভাষা সিয়েরা লিওনের সরকারি ভাষা। তাছাড়া এখানে আরও প্রায় ২০টি ভাষা প্রচলিত।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা আর্কাইভ ও ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সিয়েরা লিওন
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ২০০২ সালে বাংলা ভাষাকে সম্মানসূচক দ্বিতীয় সরকারি ভাষার (Honorary Official Language) মর্যাদা দেয়।
এর প্রধান কারণ ছিল সিয়েরা লিওনে গৃহযুদ্ধ চলাকালীন জাতিসংঘ শান্তি মিশনে কর্মরত বাংলাদেশের সামরিক ও বেসামরিক শান্তিরক্ষীদের অসামান্য অবদান ও আত্মত্যাগ।
আইভরি কোস্ট, লাইবেরিয়া বা মিশরে বাংলা ভাষা এমন কোনো আনুষ্ঠানিক মর্যাদা পায়নি; এই সম্মান কেবল সিয়েরা লিওনের সঙ্গেই সম্পর্কিত।
145

মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুর্ণবাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. খন্দকার মোশতাক আহমদ
  4. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- মুজিবনগর সরকারের স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষি মন্ত্রী ছিলেন এ এইচ এম কামরুজ্জামান।
- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল অস্থায়ী প্রবাসী সরকার বা মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল এ সরকার শপথ গ্রহণ করে।
- এ সরকারের রাষ্ট্রপতি নিযুক্ত হন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম।
- প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদ।
- অর্থ ও বাণিজ্য মন্ত্রী এম মনসুর আলী।
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন খন্দকার মুশতাক আহমেদ।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণী

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেন জননেতা এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান। তিনি একই সাথে স্বরাষ্ট্র ও কৃষি মন্ত্রণালয়েরও দায়িত্বে ছিলেন।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ:
তাজউদ্দীন আহমদ: তিনি ছিলেন সরকারের প্রধানমন্ত্রী
ক্যাপ্টেন এম.মনসুর আলী: তিনি ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী
খন্দকার মোশতাক আহমদ: তিনি ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
146

স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে চরমপত্র পাঠ করতেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তোফায়েল আহমেদ
  2. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  3. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  4. এম.আর আখতার মুকুল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র প্রথম স্থাপিত হয়েছিল চট্টগ্রামের কালুরঘাটে।
- ১৯৭১ সালের ৩০ মার্চ স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রটি পাকিস্তান হানাদার বিমান বাহিনীর বোমা বর্ষণের স্বীকার হয়।
- স্বাধীন বাংলা বেতারের অত্যন্ত জনপ্রিয় দুটি অনুষ্ঠান ছিল ‘চরমপত্র’ ও ‘জল্লাদের দরবার’।
- জল্লাদের দরবার-এ জেনারেল ইয়াহিয়া খানের অমানবিক চরিত্র ও পাশবিক আচরণকে ‘কেল্লা ফতেহ খান’ চরিত্রের মাধ্যমে চিত্রিত করা হয়েছে।
- চরমপত্র সিরিজটির পরিকল্পনা করেন জাতীয় পরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নান।
- চরমপত্র পাঠ করতেন এম আখতার মুকুল।

উৎস: বাংলাদেশ ও বিশ্ব পরিচয়-নবম-দশম শ্রেণি

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এম.আর আখতার মুকুল
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মুক্তিযোদ্ধাদের অনুপ্রাণিত করতে এবং পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে মানসিকভাবে দুর্বল করতে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র থেকে দুটি অত্যন্ত জনপ্রিয় অনুষ্ঠান প্রচারিত হতো— একটি হলো ‘চরমপত্র’ এবং অন্যটি ‘জল্লাদের দরবার’
মুক্তিযুদ্ধের পুরোটা সময় জুড়ে রসরচনা ও ব্যঙ্গধর্মী চরমপত্র সিরিজটি আঞ্চলিক ভাষায় পাঠ করতেন এম. আর আখতার মুকুল। তার ব্যঙ্গাত্মক ও দৃঢ় কণ্ঠস্বর মুক্তিযোদ্ধাদের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, তোফায়েল আহমেদ বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ এবং মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক। আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী অমর একুশের গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’-এর রচয়িতা।
147

ব্রাদারহুড কোন দেশের রাজনৈতিক দল ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাকিস্তান
  2. সিরিয়া
  3. মিশর
  4. ভারত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- মুসলিম ব্রাদারহুড বা আল ইখয়ান আল মুসলিমিন হলো মধ্যপ্রাচ্যের একটি ইসলামপন্থি রাজনৈতিক সংগঠন।
- ১৯২৮ সালে হাসান আল বান্না মিশরে এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
- প্রতিষ্ঠার পর মিশর, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, লেবানন, সুদান ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে এটি দ্রুত জনপ্রিয়তা অর্জন করে।
- মিশরের ফ্রিডম এন্ড জাস্টিস পার্টি ব্রাদারহুডের রাজনৈতিক দল। এছাড়া তুরস্কের এ কে পার্টি, ফিলিস্তিনের হামাসও ব্রাদারহুডের মতাদর্শী।
- আরববিশ্বের রাজতান্ত্রিক দেশগুলোর শাসকরা ব্রাদারহুডকে তাদের জন্যে বড় ধরনের হুমকি হিসেবে দেখে। তবে কাতার ব্রাদারহুডকে সমর্থন দিয়ে থাকে।

তথ্যসূত্রঃ ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিশর
প্রশ্নোক্ত ‘ব্রাদারহুড’ বলতে মূলত মুসলিম ব্রাদারহুড (আল ইখওয়ান আল মুসলিমিন) সংগঠনকে বোঝানো হয়।
এটি ১৯২৮ সালে হাসান আল বান্না কর্তৃক মিশরে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এটি মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোতে দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এটি বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন ও প্রভাবশালী ইসলামপন্থী সংগঠন।
যদিও সিরিয়া, ফিলিস্তিন বা সুদানের মতো দেশগুলোতে এর শাখা ও প্রভাব রয়েছে, এর জন্মস্থান এবং প্রধান কেন্দ্র হলো মিশর
148

যুক্তরাষ্ট্রে কত সালে দাসপ্রথা বিলুপ্ত হয় ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮৬২ সালে
  2. ১৮৬৩ সালে
  3. ১৮৬৪ সালে
  4. ১৮৬৫ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• যুক্তরাষ্ট্রের দাসপ্রথা:
- ১৬তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি দাসপ্রথা নিষিদ্ধের ঘোষণা দেন।
- মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা নিষিদ্ধ হয়।
- আব্রাহাম লিংকনের সময় আমেরিকায় গৃহযুদ্ধ চলছিলো।
- আব্রাহাম লিংকন গেটিসবার্গ ভাষনের জন্যে বিখ্যাত।

সূত্রঃ হিস্টোরি ডটকম এবং নিউইয়র্ক টাইমস

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৮৬৩ সালে
যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট আব্রাহাম লিংকন ১৮৬১ থেকে ১৮৬৫ সাল পর্যন্ত চলা গৃহযুদ্ধের সময় ১৮৬৩ সালের ১ জানুয়ারি 'দাসপ্রথা মুক্তির ঘোষণা' বা Emancipation Proclamation জারি করেন। এই ঘোষণার মাধ্যমে কনফেডারেট রাজ্যগুলোতে থাকা সকল দাসকে মুক্তি দেওয়া হয়।
তবে, এটি সাংবিধানিকভাবে পুরোপুরি বিলুপ্ত হয় ১৮৬৫ সালের ১৮ ডিসেম্বর মার্কিন সংবিধানের ১৩তম সংশোধনী অনুমোদনের মাধ্যমে। শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় সাধারণত লিংকনের ঘোষণা (১৮৬৩) বা চূড়ান্ত বিলুপ্তি (১৮৬৫) উভয় সালই বিকল্প হিসেবে আসে। যেহেতু ১৮৬৩ সালে ঘোষণাটি কার্যকরী হয়, তাই এটিকে প্রাথমিক বিলুপ্তির সাল হিসেবে গণ্য করা হয়।
149

সোমপুর বিহারের প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেমন্ত সেন
  2. ধর্মপাল
  3. গোপাল
  4. শশাঙ্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• সোমপুর মহাবিহার:
- সোমপুর মহাবিহার প্রাচীন বাংলার একটি বৌদ্ধ বিহার।
- পাহাড়পুরএর উৎখননকৃত বিহার কমপ্লেক্সের সঙ্গে সোমপুর মহাবিহারকে অভিন্ন মনে করা হয়।
- পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল (আনু. ৭৮১-৮২১ খ্রি) এ বিহার স্থাপন করেন।
- ধ্বংসাবশেষ হতে কিছু মাটির সিল পাওয়া গেছে, যেখানে উৎকীর্ণ রয়েছে ‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য-ভিক্ষু-সংঘস্য’। 

উৎস: বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ধর্মপাল
সোমপুর মহাবিহার (যা সাধারণত পাহাড়পুর বিহার নামে পরিচিত) প্রতিষ্ঠা করেন পাল বংশের দ্বিতীয় ও অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজা ধর্মপাল। তিনি আনুমানিক ৭৮১ থেকে ৮২১ খ্রিষ্টাব্দ সময়কালে এই বিশাল বৌদ্ধ বিহারটি স্থাপন করেন।
ধ্বংসাবশেষ হতে পাওয়া সিলের পাঠে উল্লেখ আছে, ‘শ্রী-সোমপুরে-শ্রী-ধর্মপালদেব-মহাবিহারিয়ার্য-ভিক্ষু-সংঘস্য’, যা ধর্মপালের প্রতিষ্ঠার প্রমাণ দেয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল কারণ: গোপাল পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা হলেও তিনি সোমপুর প্রতিষ্ঠা করেননি। শশাঙ্ক ছিলেন গৌড়ের রাজা এবং তিনি পাল বংশের পূর্ববর্তী। হেমন্ত সেন সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতা, যা পাল যুগের পরবর্তী।
150

কোন বিভাগে জেলার সংখ্যা সর্বোচ্চ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. রাজশাহী
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বর্তমানে বাংলাদেশের বিভাগ সংখ্যা আটটি।
- ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি ১৩টি জেলা আছে।
- ঢাকা বিভাগের জেলা গুলো হলো:
ঢাকা, গাজীপুর, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ, মাদারীপুর, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, রাজবাড়ি, নরসিংদী, নারায়ণগঞ্জ, শরিয়তপুর ও টাঙ্গাইল।

উৎস: নিকারের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ঢাকা
বর্তমানে বাংলাদেশে প্রশাসনিকভাবে মোট ৮টি বিভাগ রয়েছে।
এই বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা সর্বোচ্চ, যার পরিমাণ ১৩টি
পরীক্ষায় প্রায়শই এই বিভাগগুলোর জেলা সংখ্যা জানতে চাওয়া হয়। অন্যান্য প্রধান বিভাগগুলোর জেলার সংখ্যা হলো: চট্টগ্রাম (১১টি), খুলনা (১০টি) এবং রাজশাহী (৮টি)

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ১৯১টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

কেন NTRCA (Teacher Registration)-এর জন্য “General Knowledge (College)” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার NTRCA - College Level অংশে “General Knowledge (College)” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"General Knowledge (College)" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষায় NTRCA - College Level বিষয়ের "General Knowledge (College)" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।