সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

10th(2) (2014) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার 10th(2) (2014) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে NTRCA (Teacher Registration)-এর 10th(2) (2014) পরীক্ষার ১০০টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

'ষড়ঋতু' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষড় + ঋতু
  2. ষড়ু + ঋতু
  3. ষট + ঋতু
  4. ষট্‌ + ঋতু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ষড়ঋতু' শব্দের সন্ধিবিচ্ছেদ- ষট্‌ + ঋতু 

• ব্যঞ্জন ধ্বনিসমূহের যে কোনাে বর্গের অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির পর যে কোনাে বর্গের ঘােষ অল্পপ্রাণ ও ঘােষ মহাপ্রাণ ধ্বনি কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ তালব্য ধ্বনি, (য > জ), ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ধ্বনি (ব), ঘােষ কম্পনজাত দন্তমূলীয় ধ্বনি (র) কিংবা ঘােষ অল্পপ্রাণ ওষ্ঠ ব্যঞ্জনধ্বনি (ব) থাকলে প্রথম অঘােষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি ঘােষ অল্পপ্রাণরূপে উচ্চারিত হয়। 
বাক্ + দান = বাগদান
ষট্ + যন্ত্র = ষড়যন্ত্র
উৎ + ঘাটন = উদ্‌ঘাটন
উৎ + যােগ = উদ্যোগ
উৎ +বন্ধন = উদ্বন্ধন
তৎ + রূপ = তদ্রূপ 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (ঘ) ষট্‌ + ঋতু। এটি বাংলা ব্যাকরণের ব্যঞ্জন সন্ধি-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
নিয়ম (অঘোষ ধ্বনির ঘোষ ধ্বনিতে পরিবর্তন): কোনো বর্গের অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি (ক্‌, চ্‌, ট্‌, ত্‌, প্‌) এর পরে যদি কোনো স্বরধ্বনি (এখানে ) থাকে, তবে প্রথম ধ্বনিটি তার নিজের বর্গের তৃতীয় ধ্বনি বা ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনিতে পরিবর্তিত হয়।
এখানে, ট্‌ হলো ট-বর্গের প্রথম ধ্বনি (অঘোষ)। স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়ায় ট্‌ পরিবর্তিত হয়ে ট-বর্গের তৃতীয় ধ্বনি ড্‌ (ড়) তে রূপান্তরিত হয়।
সুতরাং, ষট্‌ + ঋতু \rightarrow ষড্ + ঋতু \rightarrow ষড়ঋতু
অন্যান্য অপশন যেমন 'ষড় + ঋতু' ভুল, কারণ সন্ধিবিচ্ছেদের প্রথম অংশটি সবসময় অঘোষ ধ্বনি (ট্‌) দিয়ে শেষ হবে, ঘোষ ধ্বনি (ড়) দিয়ে নয়।
2

বাক্যে কোন যতি চিহ্নের প্রয়োগে থামার প্রয়োজন নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইফেন
  2. ড্যাস
  3. সেমিকোলন
  4. কোলন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে প্রকাশ করার জন্য বাক্য উচ্চারণের সময় বাক্যের মাঝে ও শেষে বিরতি দিতে হয়।
এই বিরতির পরিমাণ প্রয়োজন অনুযায়ী কম-বেশি হয়ে থাকে। আবার বাক্য উচ্চারণের সময় বিভিন্ন আবেগের জন্য উচ্চারণ বিভিন্ন হয়ে থাকে।

বাক্যটি লেখার সময় এই বিরতি ও আবেগের ভিন্নতা প্রকাশ করার জন্য যেই চিহ্নগুলো ব্যবহার করা হয়, তাদেরকে বিরাম চিহ্ন বা যতি চিহ্ন বা ছেদ চিহ্ন বলে।

হাইফেন এর বিরতিকাল - হাইফেন এর জন্য থামার প্রয়োজন নেই।
- ইলেক বা লোপ চিহ্নের জন্য ও থামার প্রয়োজন নেই।
- কমা - ১ (এক) বলতে যে সময় প্রয়োজন।
- সেমিকোলন - ১ বলার দ্বিগুণ সময়।
- দাঁড়ি - এক সেকেন্ড
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন - এক সেকেন্ড। ইত্যাদি।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাইফেন
হাইফেন বা সংযোগ চিহ্নের প্রয়োগে বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট করতে বা সংযোগ রক্ষা করতে ব্যবহার করা হলেও এর জন্য থামার কোনো প্রয়োজন নেই। এটি কেবল দুটি শব্দাংশকে যুক্ত করে। উদাহরণ: মা-বাবা, ভাই-বোন।
অন্যদিকে, অন্যান্য যতি চিহ্ন, যেমন— সেমিকোলন, কোলন, ড্যাস, ইত্যাদি বাক্যে অর্থ পরিষ্কার করার জন্য বা শ্বাস নেওয়ার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিরতি দাবি করে।
বিরতিহীন চিহ্ন হিসেবে হাইফেন এবং ইলেক বা লোপ চিহ্ন (Apostrophe/Elision mark) পরিচিত।
3

This collar is too limp এর অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এই কলারটি বড্ড শক্ত
  2. এই কলারটি বড্ড খসখসে
  3. এই কলারটি বড্ড নরম
  4. এই কলারটি বড্ড দৃঢ়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

This collar is too limp এর অর্থ- এই কলারটি বড্ড নরম

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সরাসরি শব্দার্থ (Vocabulary) এবং অনুবাদের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। এখানে মূল শব্দটি হলো limp
Limp শব্দটির অর্থ হলো শিথিল, নরম বা দৃঢ়তাহীন। এটি সাধারণত কোনো কিছুর স্থিতিস্থাপকতা বা কাঠিন্য হারানোর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় (যেমন: A limp handshake, a limp flag)।
সুতরাং, “This collar is too limp” বাক্যটির সঠিক বাংলা অনুবাদ হলো “এই কলারটি বড্ড নরম”।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: শক্ত (Stiff), খসখসে (Rough) এবং দৃঢ় (Firm) শব্দগুলো limp-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
4

'বক্তব্য'-এর প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. √বক + তব্য
  2. √বক্ত + ব্য
  3. √বক্ত + অব্য
  4. √বচ্‌ + তব্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বক্তব্য (বিশেষণ) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = √বচ্‌ + তব্য
অর্থ: 
- বলতে হবে বা বলার যোগ্য এমন। 
- আলোচ্য, উল্লেখ্য। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: √বচ্‌ + তব্য
'বক্তব্য' শব্দটি একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ। কৃৎ প্রত্যয় সর্বদা ক্রিয়ামূল বা প্রকৃতির সাথে যুক্ত হয়।
এখানে প্রকৃতি বা ক্রিয়ামূল হলো √বচ্‌ (অর্থ: বলা বা বক্তব্য রাখা)। এর সাথে তব্য প্রত্যয়টি যুক্ত হয়ে 'বক্তব্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে।
√বচ্‌ + তব্য = বক্তব্য। এই প্রত্যয়টি (তব্য) সাধারণত যোগ্যতা বা ভবিষ্যৎ নির্দেশক অর্থ প্রকাশ করে (যা বলার যোগ্য বা বলা আবশ্যক)।
অন্যান্য অপশনে ব্যবহৃত √বক বা √বক্ত বাংলা ব্যাকরণে 'বক্তব্য' শব্দের সঠিক প্রকৃতি বা ধাতু হিসেবে স্বীকৃত নয়।
5

'উপভাষা' কোন সমাসের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তৎপুরুষ সমাস
  2. কর্মধারয় সমাস
  3. অব্যয়ীভাব সমাস
  4. বহুব্রীহি সমাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপভাষা' অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। 
• পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়ের অর্থের প্রাধান্য থাকে তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।

• সাদৃশ অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস হলো:
ভাষার সদৃশ =উপভাষা, 
বনের সদৃশ =উপবন,
শহরের সদৃশ= উপশহর, গ্রহের তুল্য /সদৃশ= উপগ্রহ। 


উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অব্যয়ীভাব সমাস
যে সমাসে পূর্বপদটি অব্যয় হয় এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধানরূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে।
এখানে, 'উপভাষা' শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো: ভাষার সদৃশ
এই শব্দে 'উপ' একটি অব্যয়। যখন 'উপ' অব্যয়টি সাদৃশ্য (similarity) অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তা অব্যয়ীভাব সমাস নির্দেশ করে। এখানে 'উপ' এর অর্থই প্রধান, যা ভাষার সাদৃশ্য বোঝাচ্ছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ:
তৎপুরুষ সমাসে পরপদের অর্থ প্রধান (যেমন: রাজপথ = পথের রাজা)।
কর্মধারয় সমাসে বিশেষণ বা বিশেষ্য ভাবাপন্ন পদের পরপদের অর্থ প্রধান (যেমন: নীলপদ্ম = নীল যে পদ্ম)।
বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য বা তৃতীয় একটি অর্থ প্রধান হয় (যেমন: দশানন = যার দশটি আনন)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. প্রমথ চৌধুরী
  3. প্যারীচাঁদ মিত্র
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হলেন প্রমথ চৌধুরী।
- প্রমথ চৌধুরীর সাহিত্যিক ছদ্মনাম ছিল বীরবল।
- 'বীরবলের হালখাতা' তাঁর প্রথম চলিত রীতিতে লিখিত গ্রন্থ।
- এটি ১৯০২ সালে প্রথম 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।
- প্রমথ চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত সবুজপত্র পত্রিকা (১৯১৪) চলিত রীতি প্রবর্তনে মূল ভূমিকা পালন করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রমথ চৌধুরী। তিনি বাংলা সাহিত্যে চলিত গদ্যরীতির প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
প্রমথ চৌধুরী তার সম্পাদিত 'সবুজপত্র' (প্রকাশকাল: ১৯১৪) পত্রিকার মাধ্যমে চলিত ভাষাকে সাহিত্য রচনার মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাধু রীতির কাঠিন্য দূর করে সাহিত্যকে সাধারণ মানুষের কাছাকাছি নিয়ে আসেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে:
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: তিনি বাংলা সাধু গদ্যরীতির প্রবর্তক এবং আধুনিক বাংলা গদ্যের জনক।
- প্যারীচাঁদ মিত্র: তিনি আলালী ভাষার (চলিত রীতির আদিরূপ, কিছুটা মিশ্রিত) প্রবর্তক। তার বিখ্যাত গ্রন্থ 'আলালের ঘরের দুলাল'।
- বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়: তিনি মূলত প্রথম সফল বাংলা ঔপন্যাসিক ও সাহিত্য সমালোচক।
7

'পৃথিবী'-এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূধর
  2. অবনী
  3. ধরিত্রী
  4. ধরণি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• পৃথিবী শব্দের সমার্থক শব্দ: বসুন্ধরা, ভূবন, বিশ্ব, সংসার, অদিতি, অবনী, ক্ষিতি, পৃথ্বী, ধরা, ধরণি, ধরিত্রী, বসুমতি, দুনিয়া, মর্ত ধরা, ভূ ইত্যাদি।

• 'ভূধর' শব্দের অর্থ - পর্বত। 
• পর্বত - গিরি, শৈল, পাহাড়, ভূধর, নগ, অচল, শৃঙ্গধর, অগ, ক্ষিতিধর, পৃথিবীধর, পৃথ্বীধর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভূধর
ভূধর শব্দটির অর্থ হলো পর্বত বা পাহাড়। যেহেতু 'ভূ' অর্থ পৃথিবী এবং 'ধর' অর্থ ধারণ করে, তাই ভূধর মানে পৃথিবীকে ধারণ করে থাকা পর্বত।
অন্যদিকে, অপশনে দেওয়া অবনী, ধরিত্রী, এবং ধরণি—এই তিনটি শব্দই 'পৃথিবী' শব্দের সমার্থক শব্দ।
যেহেতু প্রশ্নে 'পৃথিবী' এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি, তা জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই 'পর্বত' অর্থ বহনকারী ভূধর সঠিক উত্তর।
8

কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
  2. দরিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
  3. দারিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
  4. দরিদ্র্যতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি অনুসারে, সঠিক শব্দ = দরিদ্রতা বা দারিদ্র্য 
তাই সঠিক বাক্যটি হবে, দরিদ্রতা বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা। 
বা দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (ক) দারিদ্র্য বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা।
বাংলা বানানের শুদ্ধি অনুসারে, 'দরিদ্র' (Poor - বিশেষণ) শব্দটি থেকে দুটি সঠিক বিশেষ্য (Noun) পদ গঠিত হতে পারে: ১. দারিদ্র্য (Poverty) এবং ২. দরিদ্রতা (Poverty)।
যেহেতু 'দারিদ্র্য' শব্দের মধ্যেই '্য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে বিশেষ্য রূপ গঠন করেছে, তাই এর সাথে নতুন করে আবার 'তা' প্রত্যয় (যেমন: দারিদ্র্যতা) যুক্ত করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল। এটি প্রত্যয়জনিত দ্বিরুক্তি দোষ সৃষ্টি করে।
তাই অপশন (গ) এবং (ঘ) 'দারিদ্র্যতা' বা 'দরিদ্র্যতা' অশুদ্ধ। অপশন (খ) 'দরিদ্র্য' বানানটিও অশুদ্ধ। শুধুমাত্র 'দারিদ্র্য' শব্দটি এখানে শুদ্ধ রূপে ব্যবহৃত হয়েছে।
9

শকুনি মামা - এর অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুৎসিত মামা
  2. সৎ মামা
  3. কুচক্রী লোক
  4. পাতানো মামা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শকুনি মামা - এর অর্থ- কুচক্রী লোক বা অনিষ্টকর আত্মীয়। 
উদাহরণ: শকুনি মামাদের কাছ থেকে যত দূরে থাকবে ততই মঙ্গল। 

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বাংলা বাগধারা (Idioms) অংশ থেকে এসেছে। বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ যার আক্ষরিক অর্থ দিয়ে মূল অর্থ বোঝা যায় না, কিন্তু এটি বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
শকুনি মামা বাগধারাটির উৎস হলো মহাকাব্য মহাভারতের চরিত্র শকুনি। দুর্যোধনের মামা শকুনি ছিলেন একজন অত্যন্ত কুচক্রী, অনিষ্টকারী এবং কূটবুদ্ধিসম্পন্ন ব্যক্তি। তার চক্রান্তেই কৌরব ও পাণ্ডবদের মধ্যে সংঘাত সৃষ্টি হয়।
তাই, বাংলায় শকুনি মামা বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি অন্যের ক্ষতি করার জন্য সর্বদা ফন্দি আঁকেন বা ষড়যন্ত্র করেন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো কুচক্রী লোক (Option 3)।
অন্যান্য অপশনগুলো (কুৎসিত মামা, সৎ মামা, পাতানো মামা) শুধুমাত্র আক্ষরিক বা অপ্রাসঙ্গিক অর্থ, যা বাগধারার মূল ভাব প্রকাশ করে না।
10

To err is human-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানুষ মাত্রই মানবিক গুণসম্পন্ন
  2. মানুষ মরণশীল
  3. মানুষ মাত্রই ভুল করে
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Err অর্থ ভুল করা। সুতরাং To err is human এর অনুবাদ হবে - মানুষ মাত্রই ভুল করে।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।

ব্যাখ্যা

To err is human একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি প্রবাদ (Proverb)।
এখানে ‘Err’ শব্দটি ক্রিয়া (verb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হলো ভুল করা বা দোষ করা
তাই এর যথার্থ ভাবানুবাদ হলো 'মানুষ মাত্রই ভুল করে' (অপশন ৩)।
এটি একটি মৌলিক অনুবাদ হওয়ায় এর আভিধানিক অর্থ জানলেই সঠিক উত্তর চিহ্নিত করা যায়। অন্য অপশনগুলো এই প্রবাদটির মূল অর্থ বহন করে না, যেমন: 'মানুষ মরণশীল' এর ইংরেজি হলো 'Man is mortal'।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

 তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি—

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যৌগিক বাক্য
  2. মিশ্র বাক্য
  3. সরল বাক্য
  4. সাধারণ বাক্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• 'তার বয়স বেড়েছে, কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি'— বাক্যটি একটি যৌগিক বাক্য। 

• পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য মিলিত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করলে তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
• যৌগিক বাক্যের অন্তর্গত নিরপেক্ষ বাক্যগুলো এবং, ও, কিন্তু, অথবা, অথচ, বরং, তথাপি প্রভৃতি অব্যয় যোগে সংযুক্ত বা সমন্বিত থাকে। যেমন-
- তার বয়স বেড়েছে কিন্তু বুদ্ধি বাড়েনি।
- তিনি সৎ কিন্তু কৃপণ।
- সত্য কথা বলিনি তাই বিপদে পড়েছি।
- তার বয়স হয়েছে কিন্তু বুদ্ধি হয়নি।
- মেঘ গর্জন করে, তবে ময়ূর নিত্য করে।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, ড. হায়াৎ মামুদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যৌগিক বাক্য
যে বাক্যে পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বাক্য কোনো সমন্বয়ী অব্যয় (Coordinating Conjunction) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি সম্পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য (Compound Sentence) বলে।
প্রদত্ত বাক্যে— 'তার বয়স বেড়েছে' এটি একটি সম্পূর্ণ সরল বাক্য এবং 'বুদ্ধি বাড়েনি' এটিও একটি সরল বাক্য। এই দুটি বাক্য 'কিন্তু' অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
যেহেতু 'কিন্তু', 'এবং', 'ও', 'অথবা', 'অথচ', 'বরং', 'তবুও', 'তাও' ইত্যাদি হলো সমন্বয়ী অব্যয়, তাই এটি একটি যৌগিক বাক্য
12

 জল পড়ে, পাতা নড়ে – নিম্নরেখ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্তায় শূন্য
  2. অপাদানে শূন্য
  3. কর্মে শূন্য
  4. করণে শূন্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জল পড়ে, পাতা নড়ে – নিম্নরেখ শব্দটি কর্মে শূন্য বিভক্তি।

কর্মকারক
সংজ্ঞা : কর্তা যাকে আশ্রয় করে বা অবলম্বন করে ক্রিয়া সম্পাদন করে তাকে বল হয় কর্মকারক।
যেমন, সেলিম বই পড়ে- এ বাক্যের কর্ম হলাে বই। কারণ বইকে আশ্রয় করে কর্তা এখানে কাজ সম্পাদন করেছে।
কর্মকারকের বিভিন্ন বিভক্তির ব্যবহার।
ক) প্রথমা বা শূন্য অ বিভক্তি :
ডাক্তার ডাক।
আমাকে এক খানা বই দাও। (দ্বিকর্মক ক্রিয়ার মূখ্য কর্ম)
রবীন্দ্রনাথ পড়লাম, নজরুল পড়লাম, এর সুরাহা খুঁজে পেলাম না।(গ্রন্থ অর্থে বিশিষ্ট প্রয়ােগ)।
খ) দ্বিতীয়া বা কে বিভক্তি : তাকে বল।
রে বিভক্তি : ‘আমারে তুমি করিবে ত্রাণ, এ নহে মাের প্রার্থনা।
গ) ষষ্ঠী বা র বিভক্তি : তােমার দেখা পেলাম না।
ঘ) সপ্তমীর এ বিভক্তি : জিজ্ঞাসিবে জনে জনে।' (বীপ্সায়)।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কর্তায় শূন্য বিভক্তি।
ক্রিয়াকে 'কে' বা 'কারা' দিয়ে প্রশ্ন করলে যে উত্তর পাওয়া যায়, সেটিই কর্তা কারক। এখানে ক্রিয়া হলো 'পড়ে'। কে পড়ে? উত্তর হলো— জল। যেহেতু 'জল' নিজেই ক্রিয়ার কাজটি সম্পন্ন করছে, তাই এটি কর্তা কারক
শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন যুক্ত না থাকলে তাকে শূন্য বিভক্তি বা প্রথমা বিভক্তি বলে। 'জল' শব্দটির সাথে কোনো বিভক্তি যুক্ত নেই।
অনেকে ভুলবশত এই ধরনের অকর্মক ক্রিয়ার কর্তাকে কর্ম মনে করতে পারেন (বিশেষত পুরোনো গাইড বইয়ে এমন ভুল দেখা যায়)। কিন্তু 'পড়ে' ক্রিয়াটি এখানে অকর্মক হওয়ায়, 'জল' কখনোই কর্মকারক হতে পারে না। কর্মকারক নির্ণয়ের জন্য 'কী' বা 'কাকে' দিয়ে প্রশ্ন করতে হয়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
13

'যা বলা হয়নি' এক কথায় প্রকাশ কী হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অকথ্য
  2. অনুক্ত
  3. নির্বাক
  4. মূক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যা বলা হয়নি' এক কথায় প্রকাশ = অনুক্ত

অনুরূপভাবে, 
যা প্রকাশ/ব্যক্ত করা হয়নি = অব্যক্ত।
যা বলা হয়েছে = উক্ত।
যা পূর্বে কখনো হয়নি = অভূতপূর্ব।
যা পূর্বে ছিলো এখন নেই = ভূতপূর্ব।
যা পূর্বে দেখা যায়নি = অদৃষ্টপূর্ব।
যা পূর্বে শোনা যায়নি = অশ্রুতপূর্ব।

উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা-ড. সৌমিত্র শেখর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুক্ত
বাংলা ব্যাকরণে, 'এক কথায় প্রকাশ' (One Word Substitution) অংশে 'যা বলা হয়নি'-এর জন্য ব্যবহৃত শব্দটি হলো অনুক্ত। এটি গঠিত হয়েছে অন + উক্ত (উক্ত = বলা হয়েছে) যোগে, যা নেতিবাচক অর্থ প্রকাশ করে।
অকথ্য: এর অর্থ হলো 'যা বলা উচিত নয়' বা 'যা বলার অযোগ্য'। এটি 'যা বলা হয়নি'-এর সমার্থক নয়।
নির্বাক/মূক: এই শব্দগুলোর অর্থ হলো 'যে কথা বলতে পারে না' (অর্থাৎ যার কথা বলার ক্ষমতা নেই)। এটি কোনো কিছু 'না বলার' ভাব প্রকাশ করে না, বরং কথা বলার অক্ষমতা প্রকাশ করে।
14

'অন্ধজনে দেহ আলো।'- বাক্যে 'অন্ধজনে' কোন কারকে কোন বিভক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্মে ৭মী
  2. কর্মে ২য়া
  3. সম্প্রদানে ৭মী
  4. সম্প্রদানে ৪র্থী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• যাকে স্বত্ব ত্যাগ করে দান, অর্চনা, সাহায্য ইত্যাদি করা হয় তাকে ( সংস্কৃত ব্যাকরণ অনুযায়ী) সম্প্রদান কারক বলে। বস্তু নয়-ব্যক্তিই সম্প্রদান কারক।
সপ্তমী বা এ বিভক্তিযুক্ত কতগুলো সম্প্রদান কারকের উদাহরণ হলো :

- সৎপাত্রে কন্যা দান কর,
- সমিতিতে চাঁদা দাও,
- অন্ধজনে দেহ আলো।

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সম্প্রদানে ৭মী
যখন কাউকে কোনো কিছু স্বত্ব ত্যাগ করে বা নিঃশর্তভাবে দান, অর্চনা, বা সাহায্য করা হয়, তখন সেই গ্রহীতা পদটি সম্প্রদান কারক হয়।
এখানে, 'আলো দেহ' (আলো দাও) ক্রিয়াটি অন্ধ ব্যক্তির উদ্দেশ্যে করা হচ্ছে এবং এই দানের ক্ষেত্রে মালিকানা বা স্বত্ব ত্যাগ করা হয়েছে। তাই 'অন্ধজনে' হলো সম্প্রদান কারক
শব্দটির শেষে 'জনে' রয়েছে, যেখানে 'ন' এর সাথে 'এ' বিভক্তি যুক্ত আছে। বাংলা ব্যাকরণে 'এ', 'তে', 'য়' ইত্যাদি চিহ্নগুলো সপ্তমী বিভক্তি (৭মী) হিসেবে গণ্য হয়।
সুতরাং, 'অন্ধজনে' পদটি সম্প্রদানে ৭মী বিভক্তি
উল্লেখ্য, এটি কর্ম কারক নয়। কারণ কর্ম কারকে ক্রিয়ার ফল যার ওপর পড়ে, সে মুখ্য বিষয় হয়। কিন্তু এখানে দানের উদ্দেশ্য বা গ্রহীতা মুখ্য। এটি সম্প্রদান কারকের একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
15

'A to Z' কথাটি কোন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সম্পূর্ণভাবে
  2. সারাক্ষণ
  3. শেষ পর্যন্ত
  4. মৃত্যু অবধি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

A to Z' একটি ইংরেজি বাগ্‌ধারা। 
এর অর্থ - 'সম্পূর্ণভাবে'
তাই, 'A to Z' কথাটি 'সম্পূর্ণভাবে' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে

ব্যাখ্যা

এটি মূলত একটি ইংরেজি বাগ্‌ধারা (Idiom) যা বাংলা ভাষায় বহুল প্রচলিত।
'A to Z' বলতে বর্ণমালার প্রথম অক্ষর A থেকে শেষ অক্ষর Z পর্যন্ত বোঝানো হয়। এর ভাবার্থ হলো কোনো কিছুর আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত বা সম্পূর্ণরূপে।
সুতরাং, 'A to Z' কথাটি 'সম্পূর্ণভাবে' অর্থে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: আমি কাজটি A to Z সম্পন্ন করেছি (আমি কাজটি সম্পূর্ণরূপে সম্পন্ন করেছি)।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'সারাক্ষণ', 'শেষ পর্যন্ত', বা 'মৃত্যু অবধি' সময়কাল নির্দেশ করে, কিন্তু সম্পূর্ণতা নির্দেশ করে না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা কীসের ওপর নির্ভর করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষয়ের ওপর
  2. ভাবের ওপর
  3. বিন্যাসের ওপর
  4. ভাষার ওপর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অনুবাদ হলো কোনো বক্তব্য বা রচনাকে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায়  রূপান্তরিত করা। 
- রচনার বক্তব্য বিষয়ের পরিবর্তন না করে ভাষাগত পরিবর্তনই অনুবাদ বা তর্জমা বলে বিবেচিত। 
অনুবাদ কাজকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। 
যথা: 
- আক্ষরিক অনুবাদ 
- ভাবানুবাদ 

আক্ষরিক অনুবাদে প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করা হয়, অন্যদিকে ভাবানুবাদে ভাষায় স্থিত মূল ভাবকে অক্ষুন্ন রাখা হয়। 
তাই বলা যায় অনুবাদ কোন প্রকারের হবে তা নির্ভর করে ভাবের ওপর।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাবের ওপর
অনুবাদ মূলত দুই প্রকারের হতে পারে: আক্ষরিক অনুবাদ (Literal Translation) এবং ভাবানুবাদ (Sense/Idiomatic Translation)।
অনুবাদক যখন উৎসভাষার প্রতিটি শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহার করে হুবহু রূপান্তর ঘটান, তখন তাকে আক্ষরিক অনুবাদ বলে। এই পদ্ধতিতে মূল বক্তব্য বা ভাব often বিঘ্নিত হয়।
অন্যদিকে, যখন অনুবাদক শব্দের প্রতিশব্দ ব্যবহারের চেয়ে মূল বক্তব্যের ভাব, তাৎপর্য, বা রস অক্ষুণ্ণ রাখার ওপর জোর দেন, তখন তাকে ভাবানুবাদ বলা হয়।
যেহেতু অনুবাদকের মূল লক্ষ্যই হলো উৎসভাষার ভাব বা Essence লক্ষ্যভাষায় কতটা সফলভাবে প্রতিস্থাপন করা হবে, সেই সিদ্ধান্তের ওপরই অনুবাদের প্রকারভেদ নির্ভর করে। অর্থাৎ, অনুবাদক ভাবের দিকে গুরুত্ব দেবেন নাকি শব্দের দিকে, সেটাই প্রধান নির্ণায়ক।
17

সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে তাকে বলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাগ্বিধি
  2. সমার্থক শব্দ
  3. ভিন্নার্থক শব্দ
  4. বিপরীতার্থক শব্দ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাগ্বিধি বা বাগ্‌বিধি' বাগ্‌ধারা এর অপর নাম, যা সাধারণ অর্থের বাইরে যা বিশিষ্ট অর্থ প্রকাশ করে থাকে। 

বাগ্‌বিধি  (বিশেষ্য) 
- সংস্কৃত শব্দ 
- প্রকৃতি প্রত্যয় = বাক্‌+বিধি
অর্থ: 
- কথা বলার ধরণ, 
- বাক্য প্রয়োগের রীতি, 
- কোনো শব্দ বা শব্দসমষ্টির বিশেষ অর্থে ব্যবহার। 
- বাগ্‌ধারা। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বাগ্বিধি
যে শব্দ বা শব্দসমষ্টি সাধারণ বা আভিধানিক অর্থের বাইরে গিয়ে একটি বিশিষ্ট, বিশেষ বা লোকসিদ্ধ অর্থ প্রকাশ করে, তাকে বাগ্‌ধারা বা বাগ্বিধি বলা হয়।
উদাহরণস্বরূপ: 'অন্ধের যষ্টি' এর সাধারণ অর্থ 'একজন অন্ধ মানুষের লাঠি', কিন্তু এর বিশিষ্ট অর্থ হলো— 'একমাত্র অবলম্বন'
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
সমার্থক শব্দ: একই বা প্রায় কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে।
বিপরীতার্থক শব্দ: বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
18

'উৎকর্ষ' শব্দের বিপরীত শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উৎকৃষ্ট
  2. অপকৃষ্ট
  3. নিকৃষ্ট
  4. অপকর্ষ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উৎকর্ষ '- শব্দের বিপরীত শব্দ অপকর্ষ।

গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ:
'সৌম্য' শব্দের বিপরীত শব্দ - 'উগ্র'
'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত 
'অনুমেয়' এর বিপরীত শব্দ - অননুমেয় 
'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ -  বিরত 
'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত 
'দরদি' এর বিপরীত শব্দ-নির্দয় 
'উদ্ধত' এর বিপরীত শব্দ-বিনীত 
'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ-মৃদু / সৌম্য 
'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ-বিনয় 

উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অপকর্ষ (Option D)।
শব্দের শ্রেণী ও অর্থের সামঞ্জস্য রেখে বিপরীত শব্দ নির্বাচন করা আবশ্যক। 'উৎকর্ষ' হলো একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ হলো শ্রেষ্ঠত্ব বা উন্নত অবস্থা।
এর বিপরীতে, 'অপকর্ষ' হলো সেই বিশেষ্য পদ, যা অবনতি, পতন বা নিকৃষ্টতাকে বোঝায়। তাই বিশেষ্য পদের বিপরীতে বিশেষ্য পদ ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'উৎকৃষ্ট' হলো বিশেষণ পদ (excellent), যার বিপরীত শব্দ হতে পারত 'নিকৃষ্ট' বা 'অপকৃষ্ট' (inferior)।
19

কোন শব্দটি 'সাগর' শব্দটির সমার্থক শব্দ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জলধি
  2. পাথার
  3. অর্ণব
  4. ভূপতি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাগর' শব্দের সমার্থক শব্দ: সমুদ্র, রত্নাকর, জলধি, সিন্ধুই, বারিধি, বারীশ, উদধি, অর্ণব, অম্বুধি, তোয়নিধি, বারীশ, পয়োধি, পারাবার, জলনিধি, নীলাম্বু, পাথার, পয়োনিধি, জলধর, অম্বুনিধি, বারীন্দ্র ইত্যাদি।

অন্যদিকে, 
'ভূপতি' এর সমার্থক শব্দ সমূহ: প্রভু, শাসক, মালিক, পতি, কান্ত, রাজা, নৃপতি,ভূপতি।

উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি হলো 'সাগর'-এর সমার্থক শব্দ কোনটি নয়।
'সাগর' শব্দের অর্থ হলো সমুদ্র, রত্নাকর বা পারাবার। অপশনগুলোতে থাকা জলধি (জলের আধার), পাথার এবং অর্ণব—এই তিনটি শব্দই 'সাগর'-এর সমার্থক শব্দ।
অন্যদিকে, 'ভূপতি' শব্দের অর্থ হলো ভূমির অধিপতি বা রাজা (নৃপতি, শাসক, নরপতি)।
যেহেতু ভূপতি 'সাগর'-এর সমার্থক নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
20

কোন বানানটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উষা
  2. কিংবদন্তি
  3. আমীন
  4. বিদেশী
  5. একাধিক সঠিক

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি অনুসারে, সঠিক বানান সমূহ- উষা, কিংবদন্তি, বিদেশি, আমিন। 
একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো। 

• আমিন (বিশেষ্য) 
- আরবি শব্দ 
অর্থ: যে ব্যক্তি জমি জরিপ ও পরিমাপ করে; তত্ত্বাবধায়ক। 
আবার, 
• আমিন (অব্যয়, বিশেষ্য) 
- আরবি শব্দ 
অর্থ: প্রার্থনা পূর্ণ হোক এমন উক্তি। 

• বিদেশি (বিশেষণ) 
- বাংলা শব্দ 
অর্থ: অন্যদেশের দেশের অধিবাসী, বিদেশ সম্বন্ধীয়। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

ব্যাখ্যা

প্রিয় পরীক্ষার্থী, বানান শুদ্ধির এই প্রশ্নটিতে বাংলা একাডেমি প্রমিত বাংলা বানান বিধি অনুসারে একাধিক সঠিক উত্তর বিদ্যমান। তাই প্রশ্নটি পরীক্ষার হলে বাতিল করা হয়েছিল।
সঠিক বানান সমূহ হলো: উষা এবং কিংবদন্তি। এই দুটি বানানই প্রমিত বাংলা বানানে শুদ্ধ।
অন্যদিকে, অপশন ৩-এ থাকা বিদেশী বানানটি অতৎসম শব্দ হিসেবে ভুল। অতৎসম বা তদ্ভব শব্দের বানানে সর্বদা হ্রস্ব ই-কার (ই) ব্যবহৃত হয়। তাই সঠিক বানান হলো বিদেশি
অপশন ২-এ থাকা আমীন বানানটিও ভুল; সঠিক বানান হলো আমিন (হ্রস্ব ই-কার)।
যেহেতু উষা ও কিংবদন্তি উভয়ই সঠিক, তাই এক্ষেত্রে সঠিক উত্তর হবে একাধিক সঠিক
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

বাংলায় যতি বা ছেদ চিহ্ন কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০টি
  2. ১১টি
  3. ১২টি
  4. ১৩টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা ভাষায় যতি বা ছেদ চিহ্ন ১৩ টি। 

যথা:
- কমা,
- সেমিকোলন,
- দাড়ি,
- প্রশ্নবোধক চিহ্ন,
- বিস্ময় চিহ্ন,
- হাইফেন
- ড্যাশ,
- কোলন
- উদ্ধরণ চিহ্ন/উদ্ধারচিহ্ন,
- বন্ধনী
- বিন্দু
- ত্রিবিন্দু
- বিকল্প চিহ্ন

উৎস: বাংলাভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি , নবম-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩টি
বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (নবম-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ) অনুযায়ী, বাংলা ভাষায় মোট যতি বা ছেদ চিহ্নের সংখ্যা হলো ১৩টি
এই ১৩টি চিহ্ন বাক্যের অর্থ সুস্পষ্ট করতে এবং পড়ার সময় পাঠকের বিশ্রাম বা বিরামের জন্য ব্যবহৃত হয়।
গুরুত্বপূর্ণ এই ১৩টি চিহ্ন হলো: কমা, সেমিকোলন, দাঁড়ি, প্রশ্নবোধক চিহ্ন, বিস্ময় চিহ্ন, হাইফেন, ড্যাশ, কোলন, উদ্ধরণ চিহ্ন, বন্ধনী, বিন্দু, ত্রিবিন্দু এবং বিকল্প চিহ্ন।
22

কোন শব্দটির কোনো স্ত্রীবাচক শব্দ হয় না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অজ
  2. নর
  3. কবিরাজ
  4. কবি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কিছু শব্দ আছে তা কেবল পুরুষকে নির্দেশ করে এদেরকে নিত্য পুরুষবাচাক শব্দ বলে
যেমন - কবিরাজ, কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী ইত্যাদি।

আবার কিছু শব্দ আছে যা কেবল স্ত্রীবাচক এদেরকে নিত্য স্ত্রীবাচাক শব্দ বলে
যেমন - সতীন, সৎমা, সধবা ইত্যাদি। 

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি  (২০১৯ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কবিরাজ
বাংলা ব্যাকরণের লিঙ্গান্তরের নিয়মানুসারে, কিছু বিশেষ্য পদ আছে যা কেবল পুরুষ জাতিকে বোঝায় এবং এদেরকে স্ত্রীবাচক শব্দে রূপান্তরিত করা যায় না। এদেরকে নিত্য পুরুষবাচক শব্দ বলা হয়।
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে কবিরাজ শব্দটি একটি নিত্য পুরুষবাচক শব্দ। যেমন: কৃতদার, অকৃতদার, ঢাকী, রাষ্ট্রপতি, খোকা ইত্যাদি শব্দও এই শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর স্ত্রীবাচক রূপ রয়েছে: অজ (ছাগল, পুরুষ) → অজা (স্ত্রী ছাগল), নরনারী, এবং কবিমহিলা কবি/কবিপত্নী
23

'মতৈক্য' শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মতঃ + এক
  2. মতঃ + ঐক্য
  3. মত + এক
  4. মত + ঐক্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মতৈক্য শব্দের সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ মত + ঐক্যএটি স্বরসন্ধির উদাহরণ।
 সূত্র: অ/আ+এ/ঐ = ঐ

একই সূত্রের আরও কিছু উদাহরণ: 
- তথৈব = তথা+এব
- জন+এক= জনৈক
- মহা+ঐশ্বর্য= মহৈশ্বর্য

উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, অষ্টম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মত + ঐক্য
এটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যা মূলত বাংলা ব্যাকরণে সংস্কৃতের বৃদ্ধি সন্ধি (Vriddhi Sandhi) সূত্র অনুসরণ করে।
সূত্র: শব্দের শেষে যদি 'অ' বা 'আ' ধ্বনি থাকে এবং তার পরে যদি 'ঐ' বা 'এ' ধ্বনি থাকে, তবে উভয়ে মিলে 'ঐ' কারে পরিণত হয়।
মত + ঐক্য = (ত এর ভেতরের 'অ' + 'ঐ') = = মতৈক্য।
ভুল উত্তর কেন:
যে সকল অপশনে 'মতঃ' (বিসর্গ) ব্যবহার করা হয়েছে, তা ভুল। কারণ 'মতৈক্য' একটি স্বর ও স্বরের মিলন (স্বরসন্ধি), এখানে বিসর্গ সন্ধির কোনো সূত্র প্রযোজ্য নয়। এছাড়াও, 'মত + এক' হলে 'মতেক' (Motek) শব্দটি গঠিত হতো, 'মতৈক্য' নয়।
24

'রাজপথ'-এর ব্যাসবাক্য কোনটি হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পথের রাজা
  2. রাজার পথ
  3. রাজা নির্মিত পথ
  4. রাজাদের পথ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রাজপথ'-এর ব্যাসবাক্য = পথের রাজা।

• সমস্যমান পদের বিভক্তি ও সন্নিহিত অনুসর্গ লােপ পেয়ে যে সমাস হয়, তার নাম তৎপুরুষ সমাস।
- এই সমাসে পরপদের অর্থ প্রাধান্য পায়।
- বিভক্তি লােপ পাওয়া তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ:

দুঃখকে প্রাপ্ত = দুঃখপ্রাপ্ত
ছেলেকে ভুলানাে = ছেলে-ভুলানাে
মামার বাড়ি = মামাবাড়ি
ধানের খেত = ধানখেত
পথের রাজা = রাজপথ
গােলায় ভরা = গােলাভরা
গাছে পাকা = গাছপাকা
অকালে মৃত্যু = অকালমৃত্যু।

উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক ব্যাসবাক্য হলো: পথের রাজা। এর ফলে গঠিত সমাসবদ্ধ পদটি হলো রাজপথ
এটি ষষ্ঠী তৎপুরুষ সমাস-এর উদাহরণ। তৎপুরুষ সমাসে সাধারণত সমস্যমান পদের মাঝখান থেকে বিভক্তি ('র' বা 'এর') লােপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়।
এখানে 'পথের' পদের 'এর' বিভক্তি লোপ পেয়েছে এবং 'পথ' (পরপদ) অর্থটি প্রধান। ব্যাকরণগতভাবে, 'রাজ' (রাজা) শব্দটি এখানে শ্রেষ্ঠত্ব বা প্রধানত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে, অর্থাৎ যে পথটি শ্রেষ্ঠ বা প্রধান, তাই রাজপথ
অন্যান্য বিকল্প (যেমন: রাজার পথ) সাধারণত সরাসরি অর্থ প্রদান করলেও, তৎপুরুষ সমাসের এই বিশেষ ক্ষেত্রে (যেখানে 'রাজ' শব্দটি প্রধান অর্থে ব্যবহৃত হয়) 'পথের রাজা'-ই প্রামাণ্য উত্তর।
25

চলতি রীতির শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শুষ্ক
  2. শুকনা
  3. তুলা
  4. তুলো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তুলা' এর কথ্য বা চলতি রূপ হচ্ছে 'তুলো'
এখানে 'তুলা' অর্থ কার্পাস বা শিমুল প্রভৃতি ফলের মধ্যকার সাদা আঁশ যা থেকে সুতা উৎপাদিত হয়। 

 অন্যদিকে, 
'শুকনা' সংস্কৃত শব্দ, এর চলতি রীতি বা চলিত রূপ =শুকনো 
'শুষ্ক' সংস্কৃত শব্দ।
'তুলা' সংস্কৃত শব্দ, এর চলতি রীতি বা চলিত রূপ = তোলা 
এখানে, 'তোলা' অর্থ = উত্তোলন করা। 

উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তুলো
বাংলা ভাষার দুটি প্রধান রীতি হলো—সাধু রীতি এবং চলিত রীতি। চলিত রীতির শব্দগুলো অপেক্ষাকৃত সংক্ষিপ্ত, সহজবোধ্য এবং কথ্য রূপের কাছাকাছি হয়।
এখানে, 'তুলা' শব্দটি হলো সাধু রীতির একটি বিশেষ্য পদ (অর্থ: কার্পাস বা শিমুল ফল থেকে পাওয়া আঁশ)। এই 'তুলা' শব্দটিরই কথ্য বা চলতি রূপ হলো 'তুলো'। তাই এটিই চলতি রীতির শব্দ।
অন্য অপশনগুলির বিশ্লেষণ:
 » শুষ্ক: এটি একটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ যা সাধু রীতির অন্তর্গত। এর চলিত রূপ হলো 'শুকনো'
 » শুকনা: এটি একটি অপ্রচলিত সাধু রূপ। এর চলতি রীতির শব্দও 'শুকনো' (যেমন: শুকনা পাতা \rightarrow শুকনো পাতা)।
 » তুলা: এটি সাধু রীতির শব্দ (অর্থ: কার্পাস)। এর চলতি রূপ 'তুলো'
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

The correct spelling is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. humouros
  2. humourious
  3. humorous
  4. humorious

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক বানান - Humorous.
এর অর্থ - রসাত্মক; সরস; হাস্যরসাত্মক; রসিকতাপূর্ণ; সকৌতুক।

Source: Accessible Dictionary

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (c) humorous
এই শব্দের অর্থ হলো 'রসাত্মক', 'হাস্যরসাত্মক' বা 'কৌতুকপূর্ণ'। শব্দটি 'humor' (রস) এর সাথে বিশেষণসূচক প্রত্যয় '-ous' যুক্ত করে তৈরি হয়েছে।
পরীক্ষায় সাধারণত humourious এবং humorious এই ভুল বানানগুলো বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। মনে রাখবেন, সঠিক বানানে R এর পরে কোনো অতিরিক্ত I বা O আসে না।
27

What is the adjective of 'child'?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Childly
  2. Childish
  3. Children
  4. Childhood
  5. Childhoodly

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Child এর Adjective form হিসেবে childlike; childish; childly তিনটি শব্দ পাওয়া যায়।
সে অনুসারে খ) Childly  ও গ) Childish দুইটিই সুঠিক উত্তর হয়।
অপশনে দ্বৈত উত্তর থাকায় বাতিল করা হয়েছে।
----------------------------
Child (noun) - অজাত বা নবজাত মানবশিশু; বালক বা বালিকা; (যেকোনো বয়সের) পুত্র বা কন্যা।
Childhood (noun) - বাল্য; শৈশব।
Childly - (adjective) - Having the character of a child; belonging, or appropriate, to a child.
Childish (adjective) - বালসুলভ; চপল।
Children (noun) - Child এর plural form.

Source: Accessible Dictionary & Collins Dictionary

ব্যাখ্যা

'Child' শব্দটি হলো একটি বিশেষ্য পদ (Noun)। এর বিশেষণ বা Adjective রূপ হিসেবে সাধারণত childish এবং childlike ব্যবহৃত হয়।
যদিও 'Childly' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক Adjective (শিশুসুলভ, ইতিবাচক অর্থে) এবং 'Childish' (বালসুলভ, সাধারণত নেতিবাচক অর্থে—যেমন অপরিণত আচরণ) উভয়ই অপশনে ছিল, Childish হলো সবচেয়ে প্রচলিত বিশেষণ রূপ।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো Childish
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
Children হলো Child এর বহুবচন (Plural Noun)।
Childhood হলো বিশেষ্য (Noun), যার অর্থ শৈশব বা বাল্যকাল। -hood যুক্ত হয়ে সাধারণত Abstract Noun তৈরি হয়।
28

The man is so weak that he cannot walk. (Simple)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The man is too weak to walk.
  2. The man is so weak to walk.
  3. The man is too weak for him to walk.
  4. The man is so weak for him to walk

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Complex sentence এ যদি so + adjective + that + subject + cannot/could not + verb থাকে,
সেক্ষেত্রে simple sentence এ too + adjective + to + verb এর base form বসে।

এক্ষেত্রে sentence এর structure টি affirmative হলেও, বাক্যের অর্থ নেতিবাচক হয়।

ব্যাখ্যা

এটি একটি বাক্য রূপান্তরের (Transformation of Sentence) প্রশ্ন। প্রদত্ত বাক্যটি হলো Complex sentence, যা Simple sentence-এ রূপান্তর করতে হবে।
Complex sentence-এ যখন 'so + adjective/adverb + that + subject + cannot/could not + verb' কাঠামো ব্যবহার করে কোনো কাজের অক্ষমতা বোঝানো হয়, তখন Simple sentence-এ রূপান্তরের জন্য 'too + adjective/adverb + to + verb base form' কাঠামো ব্যবহৃত হয়।
সূত্র: So...that cannot \rightarrow too...to.
এখানে, 'The man is so weak that he cannot walk' বাক্যটিকে এই সূত্র অনুযায়ী রূপান্তর করলে দাঁড়ায়: The man is too weak to walk.
এটিই একমাত্র সঠিক কাঠামো। অপশন ১, ২, এবং ৩ ভুল, কারণ এগুলোতে নিয়ম অনুযায়ী 'too...to' কাঠামো সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়নি বা অপ্রয়োজনীয় শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে।
29

What have you bought? (Passive)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. What are bought by you?
  2. What is bought by you?
  3. What are being bought by you?
  4. What has been bought by you?

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো interrogative sentence যদি What দিয়ে শুরু হয় তাহলে passive voice- এ রুপান্তর করার structure হবে :
what + auxiliary verb + verb এর past participle +  by + sub?.
এখানে active voice এর sentence টি present perfect tense এ থাকায় passive voice এর sentence টি ও present perfect tense এ হবে।

সুতরাং, প্রদত্ত বাক্যের সঠিক passive form হবে - What has been bought by you?

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত Active Sentence: What have you bought?। বাক্যটি Present Perfect Tense-এ আছে এবং এটি একটি Interrogative Sentence, যা 'What' দ্বারা শুরু হয়েছে।
'What' দ্বারা শুরু হওয়া Present Perfect Tense-এর Active বাক্যকে Passive-এ পরিবর্তন করার সাধারণ কাঠামো হলো:
What + has/have + been + Verb (Past Participle) + by + Object (of Active Sentence)?
এখানে 'What' বস্তুবাচক অবজেক্ট হিসেবে কাজ করায় একে সাধারণত Singular ধরা হয় এবং এর পর 'has' ব্যবহৃত হয়। 'bought' (V3) অপরিবর্তিত থাকে এবং Active-এর Subject ('you') Passive-এ অবজেক্ট হিসেবে 'by you' হয়ে বসে।
সুতরাং, সঠিক Passive Form হলো: What has been bought by you?
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা টেন্স পরিবর্তনকে সঠিকভাবে অনুসরণ করেনি। যেমন: 'What are bought' (Simple Present Passive) এবং 'What are being bought' (Present Continuous Passive) সম্পূর্ণ ভুল।
30

Only Rina can do this sum. (Negative)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Only Rina cannot do this sum.
  2. Rina cannot do this sum.
  3. None but Rina can do this sum.
  4. Any one but Rina can do this sum.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• Only দিয়ে ব্যক্তিকে নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে None but বসে।
• আর Only দিয়ে বস্তু বা ধারণাকে নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে Nothing but বসে।
• আর Only দিয়ে বয়স/ সংখ্যা ইত্যাদি নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে Not more than বসে।

এখানে যেহেতু only দিয়ে ব্যক্তি নির্দেশ করছে তাই সঠিক Negative form হবে - None but Rina can do this sum.

ব্যাখ্যা

মূল বাক্যটি হলো: Only Rina can do this sum. (শুধুমাত্র রিনা এই অঙ্কটি করতে পারে)।
অর্থ অপরিবর্তিত রেখে Negative করার জন্য Transformation of Sentences এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন Only দ্বারা কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করা হয়, তখন Negative করার সময় Only এর পরিবর্তে বাক্যের শুরুতে None but বসে।
এখানে 'Rina' একজন ব্যক্তি, তাই Only এর পরিবর্তে None but ব্যবহার করা সঠিক।
সঠিক Negative রূপটি হলো: None but Rina can do this sum. (অপশন ৩)।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: Rina cannot do this sum) বাক্যের অর্থ পরিবর্তন করে ফেলে, যা Transformation of Sentences এর ক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

All love flower. (Interrogative)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Who does not love flower?
  2. Who do not love flower?
  3. Who did not love flower?
  4. Do all love flower?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Everybody/everyone/all যদি বাক্যের sub হয় তবে একে interrogative করার সময়
who+ Doesn’t/didn’t + Verb এর base form হয়।
এবং Affirmative বাক্যকে interrogative করার সময় negative করতে হয়।

সুতরাং, বাক্যটির সঠিক interrogative form হবে- Who does not love flower?

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Transformation of Sentences (বাক্য রূপান্তর)-এর একটি অপরিহার্য নিয়ম সম্পর্কিত। বাক্যের অর্থ পরিবর্তন না করে Affirmative Sentence-কে Interrogative Sentence-এ রূপান্তর করতে হবে।
Universal Subject Rule: যদি Assertive বাক্যটি All, Every, অথবা Everybody দ্বারা শুরু হয় (Universal Affirmative), তবে সেটিকে Interrogative করার সময় বাক্যটিকে অবশ্যই Negative Interrogative আকারে প্রকাশ করতে হয়।
এর জন্য যে কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়, তা হলো: Who + Auxiliary Verb (Negative Form) + Verb (Base Form) + Object...?
মূল বাক্যটি ('All love flower') Simple Present Tense-এ আছে। Subject হিসেবে 'All/Everybody' থাকলেও Interrogative-এ 'Who' ব্যবহার করার কারণে Auxiliary Verb হিসেবে Does not (Doesn't) ব্যবহৃত হবে, কারণ Who কে সিঙ্গুলার হিসেবে গণ্য করা হয়।
সঠিক রূপান্তরটি হলো: Who does not love flower? (কে ফুল ভালোবাসে না? এর অর্থ হলো সবাই ফুল ভালোবাসে।)
বিকল্প B ('Who do not love flower?') ভুল, কারণ Who এর পরে do নয়, বরং does বসে (Third Person Singular Rule)। বিকল্প C ভুল, কারণ এটি Past Tense ব্যবহার করেছে।
32

Cock and bull story' means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a fable
  2. a false story
  3. a wonderful story
  4. a tragedy

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Cock and bull story

English Meaning: an implausible story used as an explanation or excuse. অর্থাৎ, a false story.

Bangla Meaning: আষাঢ়ে গল্প / আজগুবি গল্প।


Ex. Sentence: Nobody believes this cock and bull story about the sacking incident

Bangla Meaning: কেউই বরখাস্তের ঘটনা নিয়ে আষাঢ়ে গল্প বিশ্বাস করে না

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Idiom and Phrase থেকে এসেছে।
'Cock and bull story' এই ফ্রেজটির অর্থ হলো আজগুবি গল্প বা আষাঢ়ে গল্প (Bangla Meaning)। এটি এমন একটি গল্প যা বিশ্বাসযোগ্য নয়, যা সাধারণত কোনো অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো: an implausible or unbelievable story.
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'a false story' (একটি মিথ্যা গল্প) হলো সবচেয়ে সঠিক অর্থ।
অন্যান্য অপশন, যেমন 'a fable' (একটি উপকথা) বা 'a wonderful story' (একটি চমৎকার গল্প), মূল অর্থ প্রকাশ করে না।
33

 "Apple of one's eye" means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. extremely favorite
  2. apple like eye
  3. big eye
  4. apple coloured eye

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

The apple of one's eye


English Meaning: 1. a person of whom one is extremely fond and proud;

Bangla Meaning: চোখের মণি


English Meaning: 2. one that is highly cherished.

Bangla Meaning: প্রিয় বস্তু বা ব্যক্তি


Ex. Sentence: The little girl was the apple of her grandmother's eye.

Bangla Meaning: ছোটো মেয়েটি তার দাদীর চোখের মণি ছিল।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত ইডিয়মটি হলো “Apple of one's eye”। এর অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি বা বস্তু যাকে কেউ অত্যন্ত ভালোবাসে, যত্ন করে এবং গর্ববোধ করে। বাংলায় এর প্রতিশব্দ হলো “চোখের মণি” বা “অত্যন্ত প্রিয় ব্যক্তি/বস্তু”।
অপশনগুলোর মধ্যে, “extremely favorite” (অত্যন্ত প্রিয়) অর্থটিই মূল ইডিয়মের অর্থের সাথে হুবহু মিলে যায়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'apple like eye' বা 'big eye' ভুল, কারণ Idioms and Phrases-এর ক্ষেত্রে অর্থের আক্ষরিক (Literal) অনুবাদ গ্রহণ করা যায় না; সবসময় আলঙ্কারিক (Figurative) অর্থ বিবেচনা করতে হয়।
34

 What is the meaning of 'white elephant"?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. An elephant of white colour
  2. A black marketer
  3. A very costly or troublesome possession
  4. A hoarder

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

White elephant    
English Meaning: something that has cost a lot of money but has no useful purpose.

Bangla Meaning: দামী কিন্তু তেমন কাজের নয় এমন    

Ex. Sentence: This is a white elephant department of the government.

Bangla Meaning: সরকারের এই বিভাগটি কোনো কাজেরই না অথচ এর পেছনে অনেক টাকা খরচ হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩, A very costly or troublesome possession
'White elephant' হলো একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা (Idiom)। এর আভিধানিক অর্থ সাদা হাতি হলেও, ইডিয়ম হিসেবে এর অর্থ হলো— যে জিনিস কিনতে বা রাখতে অনেক খরচ হয় কিন্তু সেটি কোনো কাজে লাগে না বা অনেক ভোগান্তির সৃষ্টি করে।
এর উৎপত্তি থাইল্যান্ড (সাবেক শ্যাম বা Siam) থেকে। কিং অফ সিয়াম যখন কোনো সভাসদকে শাস্তি দিতে চাইতেন, তখন তাকে একটি সাদা হাতি উপহার দিতেন। যেহেতু সাদা হাতি পবিত্র এবং একে বিক্রয় করা বা কাজ করানো যেত না, তাই এটি পোষার খরচ বহন করতে গিয়ে ওই সভাসদ আর্থিকভাবে দেউলিয়া হয়ে যেতেন। এভাবে এটি দামী ও ঝামেলাপূর্ণ সম্পত্তির প্রতীক হয়ে ওঠে।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'An elephant of white colour' হলো এর আক্ষরিক (Literal) অর্থ, কিন্তু বাগধারাটির প্রকৃত অর্থ নয়। 'A black marketer' বা 'A hoarder' সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
35

What a nice scenery it is! (Assertive)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. It is very nice scenery.
  2. It is a very nice scenery.
  3. It is a great scenery.
  4. The scenery is very nice.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- প্রথমে Subject + Verb (এখানে It is) বসবে। 
- What ‍a পরে Adjective (এখানে nice) থাকলে what এর পরিবর্তে very, এবং what ‍a পরে Noun থাকলে what এর পরিবর্তে great বসে। 
তাই সঠিক উত্তর (খ) It is a very nice scenery.

ব্যাখ্যা

এটি একটি Exclamatory sentence (বিস্ময়সূচক বাক্য) থেকে Assertive sentence (বিবৃতিমূলক বাক্য)-এ রূপান্তরের প্রশ্ন। এই ধরনের রূপান্তরের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম অনুসরণ করতে হয়।
প্রদত্ত বাক্যটি 'What a/an... Subject + Verb!' এই কাঠামোতে রয়েছে।
১. Assertive বাক্যটি শুরু হবে Subject (It) ও Verb (is) দিয়ে। অর্থাৎ, It is...
২. 'What a/an' এর পরিবর্তে বাক্যের ধরন অনুযায়ী a very অথবা a great বসাতে হয়।
৩. যদি What a/an এর পরে কোনো Adjective (বিশেষণ) থাকে (যেমন: nice), তবে a very ব্যবহৃত হয়।
৪. যদি What a/an এর পরে সরাসরি কোনো Noun (বিশেষ্য) থাকে (যেমন: What a blunder!), তবে a great ব্যবহৃত হয়।
এই প্রশ্নে, 'What a' এর পরে Adjective 'nice' থাকায়, সঠিক রূপান্তরটি হবে: It is a very nice scenery. (অপশন খ)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ (ক) তে আর্টিকেল 'a' বাদ দেওয়া হয়েছে এবং (গ) তে Noun-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত 'a great' বসানো হয়েছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

Everybody should ________ their old parents.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. look at
  2. look after
  3. look up
  4. look into

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Look at - দেখো; দেখুন; তাকাও।
look after somebody/something - যত্ন নেওয়া; খেয়াল রাখা; দেখাশোনা করা।
Look up - কোন কিছু খুজে বের করা।
Look into - তদন্ত করা

সুতরাং অর্থ অনুসারে look after হবে।

Source: Accessible Dictionary by Bangla Academy

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো look after। কারণ এটি একটি Phrasal Verb যার অর্থ হলো 'যত্ন নেওয়া', 'দেখাশোনা করা' বা 'খেয়াল রাখা' (to take care of or attend to)।
বাক্যটির অর্থ অনুযায়ী, সকলেরই তাদের বয়স্ক পিতামাতার যত্ন নেওয়া উচিত। এক্ষেত্রে 'should' (উচিত) এর পরে এই অর্থটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
look at মানে 'তাকানো';
look up মানে 'খুঁজে বের করা' (বিশেষত ডিকশনারিতে); এবং
look into মানে 'তদন্ত করা'।
সুতরাং, অর্থের সামঞ্জস্য রক্ষার্থে look after সঠিক।
37

The patient will ______ soon.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. come in
  2. come off
  3. come round
  4. come by

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Come round অর্থ আরোগ্য লাভ করা। 
তাই Context অনুসারে শূন্যস্থানে Come round বসালে বাক্যটি যথার্থ অর্থ প্রকাশ করে।

----------------------------
Come round
(ক) সোজা পথের পরিবর্তে ঘুরে আসা;
(খ) অনানুষ্ঠানিক সাক্ষাৎকারে আসা;
(গ) পুনরায় আসা;
(ঘ) আরোগ্য লাভ করা; সংজ্ঞা ফিরে পাওয়া;
(ঙ) মত পরিবর্তন করে অন্য মত গ্রহণ করা।

Come in 
(ক) (জোয়ার সম্বন্ধে) ফুলে ওঠা: The tides will soon come in.
(খ) সময়োপযোগী হওয়া;
(গ) চালু হওয়া;
(ঘ) (ক্রিকেট ব্যাটসম্যান সম্বন্ধে) উইকেটে তার অবস্থান গ্রহণ করা;
(ঙ) দৌড়ের ফলাফলে স্থান লাভ করা;
(চ) নির্বাচিত হওয়া; ক্ষমতাসীন হওয়া;
(ছ) আয় হিসেবে গৃহীত হওয়া;
(জ) ভূমিকা পালন করা; ভূমিকা থাকা।

Come off
(ক) সংঘটিত হওয়া;
(খ) সফল বা ফলপ্রসূ হওয়া;
(গ) (ব্যক্তি সম্বন্ধে) অগ্রসর হওয়া; নিজেকে প্রতিপন্ন করা।

Come by something
(ক) চেষ্টার মাধ্যমে পাওয়া: His wealth was honestly come by.
(খ) (হঠাৎ করে আঘাত ইত্যাদি) পাওয়া: How did you come by the injury? 

Source: Accessible Dictionary By Bangla Academy

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো come round। এটি একটি Phrasal Verb।
Come round-এর একাধিক অর্থ থাকলেও, যখন কোনো অসুস্থ ব্যক্তি (The patient) প্রসঙ্গে এটি ব্যবহৃত হয়, তখন এর প্রধান অর্থ হয় 'আরোগ্য লাভ করা' বা 'সংজ্ঞা ফিরে পাওয়া' (to recover or regain consciousness)।
বাক্যের Context অনুসারে, রোগী শীঘ্রই আরোগ্য লাভ করবে (will recover soon) বোঝানোর জন্য come round ব্যবহার করাই যুক্তিযুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ বাক্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়:
Come off: সংঘটিত হওয়া বা সফল হওয়া।
Come by: চেষ্টার মাধ্যমে কিছু লাভ করা।
Come in: প্রবেশ করা বা চালু হওয়া।
38

None of the students _______ a car.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have
  2. have got
  3. has
  4. own

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Oxfordlearners Dictionary, Cliffs TOFEL, Cambridge ইত্যাদি উৎস অনুসারে,
1. none + of the + singular noun + singular verb.
2. none + of the + plural countable noun + plural verb.
অর্থাৎ, দুই ধরনের ব্যবহারই রয়েছে।

তবে, Cambridge dictionary এর মতে,
- informal speaking এর ক্ষেত্রে লোকজন অনেক সময় none of এর পরে plural verb ব্যবহার করে।
- তবে, formal English এ 'none of' subject হলে singular verb ব্যবহার করা হয়।

Ex:
- None of that surprises me.
- Indeed, none of his novels is well shaped or well written.
- None of the products have been tested on animals and all the bottles are recyclable. (informal)

ইংরেজি গ্রামারের ক্ষেত্রে formal নিয়মকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া বাঞ্জনীয়।
অতএব, এখানে গ) has অধিক যুক্তিপূর্ণ।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Subject-Verb Agreement (কর্তা-ক্রিয়ার সম্পর্ক) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম থেকে এসেছে।
ইংরেজি ব্যাকরণের formal নিয়ম অনুযায়ী, 'None' (যার অর্থ 'একটিও নয়' বা 'Not one') সর্বদাই singular subject হিসেবে গণ্য হয়।
None of the + Plural Noun Structure-এ, ভার্বটি singular হওয়া বাধ্যতামূলক।
এখানে 'None of the students' Subject হলেও, মূল কর্তা হলো 'None'। তাই এর জন্য singular verb প্রয়োজন।
Option-গুলোর মধ্যে 'has' হলো singular verb। অন্য ভার্বগুলো ('have', 'have got', 'own') plural, তাই সেগুলো ভুল।
সঠিক বাক্যটি হলো: None of the students has a car.
39

Would you mind ________ the window?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. open
  2. to open
  3. to opening
  4. opening

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিনীত অনুরোধ প্রকাশে would you mind বাক্যের শুরুতে বসে এবং এর structure : 
Would you mind + verb + ing + বাকি অংশ।

আবার কোনো বাক্যে mind,can not help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, get used to, worth ইত্যাদি শব্দসমূহের পর কোনো verb বসলে সেই verb এর সাথে  ing যুক্ত হয়। 

সুতরাং, সঠিক উত্তর ঘ) opening .

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Right Forms of Verb এবং Gerund ব্যবহারের মৌলিক নিয়মের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
বাক্যের শুরুতে বিনীত অনুরোধ (Polite Request) প্রকাশের জন্য যখন Would you mind ব্যবহৃত হয়, তখন এরপরে আসা মূল ক্রিয়াপদটির সাথে অবশ্যই -ing যুক্ত করতে হয়। ব্যাকরণের ভাষায় এটিকে Gerund বলা হয়।
সঠিক কাঠামোটি হলো: Would you mind + Gerund (V-ing) + বাকি অংশ।
সুতরাং, 'Would you mind' এর পরে 'open' না বসে opening বসবে।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'open' (base form), 'to open' (infinitive) অথবা 'to opening' (ভুল মিশ্রণ) এই কাঠামোর সাথে সম্পূর্ণরূপে বেমানান।
40

 Choose the correct verb to complete the sentence. You had better _____ a doctor.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to see
  2. see
  3. saw
  4. seen

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত had এর পরে Verb এর Past Participle বসে।
তবে had থাকা সত্ত্বেও had better এর পর Verb এর base form বসবে; কারণ had better একটি Modal Auxiliary Verb.
যেমন- You had better leave the country. (তোমার বরং দেশ ত্যাগ করাই ভালো।)

had better = বরং ভালো।
You had better see a doctor.
- তুমি বরং একজন ডাক্তার দেখালে ভালো হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো see। কারণ, had better একটি সেমি-মোডাল (Semi-Modal) অক্সিলিয়ারি ভার্ব হিসেবে কাজ করে।
নিয়ম অনুযায়ী, had better, would rather, must, can, could, shall, should, will, would, may, might ইত্যাদির পরে সর্বদা ভার্বের Base Form (V1) বা মূল রূপ বসে।
এখানে 'see' হলো মূল রূপ। তাই সঠিক বাক্যটি হবে: You had better see a doctor. (তোমার বরং একজন ডাক্তার দেখালে ভালো হবে।)
অন্যান্য অপশন যেমন— 'to see' (Infinitive), 'saw' (Past form) এবং 'seen' (Past Participle form) এই কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

No sooner had the thief seen the police-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. than he ran away
  2. than he run away
  3. than he had run away
  4. when he run away

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাক্যে No sooner had ...... than , scarcely had ........... when , hardly had ........ when থাকলে এর প্রথম অংশ Past Perfect এবং Verb এর Past Participle হয় এবং ২য় অংশে Past Indefinite হয় ।

উল্লেখ্য,
no sooner থাকলে than, scarcely থাকলে when, hardly থাকলে when আসে - এ বিষয়টি মনে রাখতে হবে।

যেমন:
No sooner had the thief seen the police than he ran away.
Hardly had the train stopped before we got down.
Scarcely had we started when it began to rain.

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি Inversion এবং Tense Consistency সম্পর্কিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। যখন কোনো বাক্যে No sooner had... দিয়ে শুরু হয়, তখন এটি দ্বারা দুটি কাজ প্রায় সাথে সাথে ঘটেছিল বোঝায়।
এই কাঠামোর সঠিক ব্যবহার হলো: No sooner had + Subject + V3 (Past Perfect Tense) + than + Subject + V2 (Past Indefinite Tense)
প্রশ্নানুসারে, প্রথম অংশ: 'No sooner had the thief seen the police-' (Past Perfect)। এর মানে হলো, চোর পুলিশকে দেখার সাথে সাথেই...
দ্বিতীয় অংশে Past Indefinite এবং than বসবে।
সঠিক উত্তর (A) than he ran away। এখানে 'ran' হল 'run'-এর Past Form (V2)।
বাকি বিকল্পগুলো ভুল। (D) ভুল কারণ No sooner এর সাথে সবসময় than ব্যবহৃত হয়, when নয়। (B) এবং (C) ভুল কারণ এরা Past Indefinite Tense-এর সঠিক ব্যবহার করেনি।
42

He is working hard-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. as he can shine in life
  2. that he can shine in life
  3. to shining in life
  4. so that he can shine in life

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

He is working hard so that he can shine in life.
- তিনি কঠোর পরিশ্রম করছেন যাতে তিনি জীবনে উন্নতি করতে পারেন।

অর্থগত দিক থেকে পরের অংশে as বা that বসানো ভুল, তাই ক) ও খ) সঠিক নয়।
আর to এর পরে verb এর base form বসাতে হয় কিন্তু গ) অপশনে to এর পর verb+ing রয়েছে তাই এটিও ভুল।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি একটি Completing Sentence-এর উদাহরণ। এখানে কঠোর পরিশ্রম করার উদ্দেশ্য (Purpose) বোঝাতে হবে।
উদ্দেশ্য বোঝানোর জন্য 'so that' (যাতে) এই Conjunction Phrase-টি ব্যবহৃত হয়। এর গঠন হলো:
Principal Clause + so that + Subordinate Clause (Subject + can/may/might + Verb Base Form...)
এখানে Principal Clause হলো 'He is working hard' (Present Continuous Tense)। তাই পরের অংশে 'can/may' ব্যবহৃত হবে। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: 'He is working hard so that he can shine in life' ।
বিকল্প ক) ও খ) (as/that) ব্যাকরণগতভাবে এই ধরনের উদ্দেশ্য বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
বিকল্প গ) 'to shining in life' ভুল। কারণ, 'to' এর পরে সাধারণত Verb-এর Base Form (V1) বসে (যেমন: to shine), V-ing ফর্ম নয়। তাই এটি ভুল।
সঠিক উত্তর: so that he can shine in life
43

রানী ছবি আঁকে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Rani draw a picture.
  2. Rani drew a picture.
  3. Rani is drawing a picture.
  4. Rani draws a picture.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

"রানী ছবি আঁকে।" - এ বাক্যটি দ্বারা সাধারণ বর্তমান বা present indifinite tense নির্দেশ করছে। 
Present indifinite tense এর ক্ষেত্রে subject - 3rd person singular number হলে verb এর শেষে s/es যুক্ত হয়।
Rani যেহেতু এখানে 3rd person singular number তাই সঠিক অনুবাদ হবে - Rani draws a picture.

ব্যাখ্যা

বাংলা বাক্যটি—"রানী ছবি আঁকে।"—এটি একটি সাধারণ বর্তমান কাল বা Present Indefinite Tense নির্দেশ করছে।
Present Indefinite Tense-এর গঠন অনুযায়ী, Subject যদি Third Person Singular Number (যেমন: Rani, He, She, It, Rana ইত্যাদি) হয়, তবে Verb-এর শেষে s বা es যুক্ত হয়।
এক্ষেত্রে, Subject 'Rani' হলো Third Person Singular Number এবং Verb হলো 'draw'। তাই সঠিক অনুবাদ হবে Rani draws a picture
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
"Rani draw a picture।" - এখানে Verb-এর সাথে 's' যুক্ত না হওয়ায় এটি ভুল।
"Rani drew a picture।" - এটি Past Indefinite Tense-এর অনুবাদ।
"Rani is drawing a picture।" - এটি Present Continuous Tense-এর অনুবাদ।
44

লোকটি হাসতে হাসতে আমার কাছে আসলো।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The man comes to me by laugh.
  2. The man came to me by laugh.
  3. The man came to me laughing.
  4. The man coming to me laugh.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাচতে নাচতে, হাসতে হাসতে, কাদতে কাদতে, ইত্যাদি প্রকাশ করা অর্থে present participle বসে ।
তাই, "লোকটি হাসতে হাসতে আমার কাছে আসলো।" - বাক্যটির সঠিক ইংরেজি অনুবাদ The man came to me laughing.

Source: Applied English Grammar and Composition by P. C. Das

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাংলা বাক্যটি হলো: লোকটি হাসতে হাসতে আমার কাছে আসলো।
এই বাক্যটিতে 'আসলো' (came) হলো মূল ক্রিয়া, যা Past Tense-এ আছে। আর 'হাসতে হাসতে' কাজটি আসার সাথে সাথে ঘটছিল, অর্থাৎ এটি একটি Simultaneous Action (একই সাথে সংঘটিত কাজ)।
বাংলায় যখন 'V-তে V-তে' (যেমন: নাচতে নাচতে, হাসতে হাসতে, কাঁদতে কাঁদতে) দ্বারা কোনো দুটি কাজ একই সাথে ঘটছে বোঝানো হয়, তখন ইংরেজিতে সেই অংশটি অনুবাদের জন্য সর্বদা Present Participle (V+ing) ব্যবহার করা হয়।
সঠিক অনুবাদ কাঠামো: Main Clause (Subject + Past Verb) + Participle (V+ing).
এই কাঠামো অনুযায়ী, সঠিক অনুবাদ হলো: The man came to me laughing. (Option C)।
অন্যান্য অপশনে 'by laugh' অথবা ভুল Tense ('comes') ব্যবহার করা হয়েছে, যা ইংরেজিতে Simultaneous Action প্রকাশের জন্য ভুল পদ্ধতি।
45

সে কি গতকাল এসেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Did he come yesterday?
  2. Did he came yesterday?
  3. Had he come yesterday?
  4. Has he come yesterday?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমরা যদি বাক্যটিকে এভাবে চিন্তা করি - "সে গতকাল এসেছে।" তাহলে সহজেই বুঝা যায় এটি past indifinite tense বুঝাচ্ছে।
অর্থাৎ, এর ইংরেজি হবে He came yestreday.

এখন যদি বাক্যটিকে প্রশ্নবোধক করা হয়, অর্থাৎ, "সে কি গতকাল এসেছে?" - এভাবে বলা হয় তাহলে বাক্যটির পূর্বে auxiliary verb হিসেবে did যুক্ত হবে এবং did যেহেতু past form নির্দেশ করছে তাই came - verb টি আর past form এ থাকবে না, অর্থাৎ, present form (come) হিসেবে বসবে।

সুতরাং, সঠিক অনুবাদ হবে - Did he come yesterday?

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাংলা বাক্যটি হলো: সে কি গতকাল এসেছে? এখানে 'গতকাল' শব্দটি নির্দিষ্টভাবে অতীতের সময়কে নির্দেশ করছে।
যদি কোনো বাক্যে yesterday, ago, last week, last year ইত্যাদি নির্দিষ্ট অতীত নির্দেশক শব্দ থাকে, তবে সেটি অবশ্যই Past Indefinite Tense হবে।
Past Indefinite Tense-এর প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন হলো: Did + Subject + Verb এর Base Form (V1) + Extension + ?
এখানে Subject (সে) = He এবং Verb এর Base Form (আসা) = come
সঠিক গঠন অনুসারে অনুবাদ হবে: Did he come yesterday?
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
Option 1 ("Did he came yesterday?") ভুল, কারণ 'did' ব্যবহার করার পর মূল Verb অবশ্যই Base Form (come)-এ বসবে, কিন্তু এখানে came (V2) ব্যবহার করা হয়েছে।
Option 3 ("Has he come yesterday?") ভুল, কারণ Present Perfect Tense-এর সাথে কখনোই নির্দিষ্ট অতীত নির্দেশক শব্দ (যেমন: yesterday) ব্যবহার করা যায় না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Death is better than insult.
  2. Death is preferable to dishonour.
  3. Dishonour is preferable than death.
  4. Death is acceptable than dishonour.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Preferable - more desirable or suitable; better; best.
অর্থাৎ, কোনকিছু অধিকতর পছন্দ বোঝাতে preferable to ব্যাবহৃত হয়৷

preferable একটি comparative quantifier বলে এর আগে more বা পরে than ব্যবহৃত হয় না।

তাই, সঠিক অনুবাদ হবে - Death is preferable to dishonour.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাংলা বাক্যটি হলো: অপমানের চেয়ে মৃত্যু শ্রেয়।
এখানে 'শ্রেয়' শব্দটি অধিকতর পছন্দ বা আকাঙ্ক্ষিত অর্থ প্রকাশ করে, যার সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো Preferable
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, Preferable শব্দটি নিজেই একটি তুলনামূলক বিশেষণ (Comparative Adjective), যার অর্থ 'অধিকতর পছন্দনীয়'। তাই এর সাথে অতিরিক্ত More বা Than ব্যবহার করা হয় না।
নিয়মটি হলো: Preferable -এর পরে সর্বদা To (Preposition) ব্যবহৃত হয়, Than নয়।
Option 1 ভুল, কারণ এখানে 'better than' ব্যবহার করা হয়েছে, যা 'শ্রেয়' শব্দের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করে না।
Option 3 এবং 4 ব্যাকরণগতভাবে ভুল, কারণ এগুলোতে 'preferable' এর পরে 'than' ব্যবহার করা হয়েছে।
সঠিক অনুবাদে 'অপমান'-এর জন্য dishonour শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে এবং 'preferable to' এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। সুতরাং, সঠিক উত্তর: Death is preferable to dishonour.
47

বাংলাদেশ একটি নদীবহুল দেশ।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Bangladesh is a riverine country.
  2. Bangladesh is a country of river.
  3. Bangladesh is surrounded by river.
  4. Bangladesh is situated by river.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নদীবহুল এর ইংরেজি প্রতিশব্দ হচ্ছে - Riverine.
তাই সঠিক অনুবাদ হচ্ছে - Bangladesh is a riverine country.

ব্যাখ্যা

সঠিক অনুবাদটি হলো: Bangladesh is a riverine country.
কারণ 'নদীবহুল' (Nodibohul) একটি বিশেষ বিশেষণ, যার সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো 'Riverine'
অন্যান্য অপশন যেমন, 'Bangladesh is a country of river' অথবা 'Bangladesh is surrounded by river' সরাসরি ব্যাকরণগতভাবে ভুল না হলেও, 'নদীবহুল' শব্দটির ভাবার্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করতে পারে না এবং ইংরেজির স্বাভাবিক ব্যবহার অনুযায়ী 'riverine' শব্দটিই এখানে আবশ্যক।
48

আমার যদি পাখির মতো ডানা থাকত!

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. If I would have the wings of a bird!
  2. Had I the wings of a bird!
  3. I wish that I would have the wings of a bird!
  4. If I could fly like a bird !

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘আমার যদি পাখির মত ডানা থাকত’ বাক্যটির সঠিক ইংরেজী অনুবাদ হলো:
- Would that I had the wings of bird!
অথবা Had I the wings of a bird!

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি (আমার যদি পাখির মতো ডানা থাকত!) একটি অবাস্তব বা অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা (Unreal Wish or Past Unreal Conditional) প্রকাশ করছে, যা বর্তমানে সম্ভব নয়।
অপূর্ণ আকাঙ্ক্ষা বা শর্ত প্রকাশের জন্য সাধারণত তিনটি কাঠামো ব্যবহৃত হয়:
১. If + Subject + Simple Past (V2) (যেমন: If I had the wings of a bird!)
২. Would that + Subject + Simple Past (V2) (যেমন: Would that I had the wings of a bird!)
৩. Inversion Form: Had + Subject + Object/Complement (যেমন: Had I the wings of a bird!)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, Had I the wings of a bird! এই Inversion Structure-টি ব্যবহার করে সঠিকভাবে আকাঙ্ক্ষাটি প্রকাশ করা হয়েছে। তাই এটিই সঠিক অনুবাদ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
- Option A (If I would have...) ভুল কারণ Unreal Conditional-এ 'if' ক্লজে 'would' ব্যবহার করা হয় না।
- Option C (I wish that I would have...) কিছুটা অর্থ প্রকাশ করলেও, ব্যাকরণগতভাবে 'I wish I had...' অথবা ইনভার্সন ফর্মটি বেশি সঠিক ও আদর্শ।
49

মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. It is raining heavily.
  2. It rains continuously.
  3. It is raining cats and dogs.
  4. It has been raining seriously.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Cats and dogs (Idiom) = মুষলধারে।
মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে। = It is raining cats and dogs.

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি একটি প্রবাদ বা বাগধারা (Idiom) সম্পর্কিত অনুবাদের প্রশ্ন। বাংলা বাক্যটি হলো: 'মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছে।'
বাংলায় 'মুষলধারে বৃষ্টি হওয়া' অর্থ হলো অত্যন্ত প্রবলভাবে বা অবিরাম বর্ষণ হওয়া।
এর সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা হলো 'to rain cats and dogs'
যেহেতু বাংলা বাক্যটি Present Continuous Tense-এ আছে ('হচ্ছে'), তাই সঠিক ইংরেজি অনুবাদও Present Continuous Tense-এ হবে: It is raining cats and dogs.
অপশন A ('It is raining heavily.') আক্ষরিকভাবে সঠিক হলেও, বাগধারা জনিত অনুবাদের ক্ষেত্রে 'cats and dogs' সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলি বাক্যের কাল (Tense) বা সঠিক ভাব প্রকাশ করতে পারেনি।
50

সে সাঁতার কাটতে জানে না।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He does not know how to swim.
  2. He does not know to swim.
  3. He donot knows how to swim.
  4. He cannot know to swim

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sentence টি Present Indefinite Tense হওয়ায় Subject ‘He’ (3rd person singular number) এর সাথে does বসবে।
এবং know how থাকলে verb in infinitive (to + verb) হয়।
যেমন:` Bill knows how to play tennis well.

সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে ক) - He does not know how to swim.

Source: Cliff’s Toefl

ব্যাখ্যা

সঠিক অনুবাদটি হলো: He does not know how to swim.
বাংলা বাক্যটি (সে সাঁতার কাটতে জানে না) একটি সাধারণ অক্ষমতা বা দক্ষতা না জানা বোঝাচ্ছে, যা Present Indefinite Tense-এর নেতিবাচক বাক্য।
Tense এবং Subject-Verb Agreement: Subject 'সে' (He) হলো Third Person Singular Number। Present Indefinite Tense-এ একে নেতিবাচক করতে 'does not' Auxiliary Verb ব্যবহার করতে হয়।
(যেমন, Option 2 'He donot knows' ভুল, কারণ 'donot' বলে কোনো শব্দ নেই এবং 'knows' শুধু Affirmative বাক্যে বসে।)
'Know how to' Structure: কোনো কিছু করার পদ্ধতি বা কৌশল জানা বা না জানা বোঝাতে 'know' verb-এর পরে অবশ্যই 'how to + Verb (Infinitive)' কাঠামোটি ব্যবহার করতে হয়।
(যেমন, Option 1 'He does not know to swim' ভুল, কারণ এখানে 'how' অনুপস্থিত।)
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

বাংলার শেষ নবাব সিরাজউদ্দৌলা কোন যুদ্ধে পরাজিত হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পলাশীর যুদ্ধে
  2. সিপাহী বিদ্রোহে
  3. বক্সারের যুদ্ধে
  4. কর্নাটকের যুদ্ধে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন সিরাজউদ্দৌলা।
- তিনি ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজদের নিকট পলাশী যুদ্ধে পরাজিত হন। এর ফলে বাংলার স্বাধীনতার সমাপ্তি ঘটে।
- বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব মুর্শিদকুলি খান।

(সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হল: পলাশীর যুদ্ধে
বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব সিরাজউদ্দৌলা ১৭৫৭ সালের ২৩ শে জুন ইংরেজ সেনাপতি রবার্ট ক্লাইভের নেতৃত্বাধীন বাহিনীর হাতে পলাশীর যুদ্ধে পরাজিত হন।
এই পরাজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় স্বাধীন নবাবী শাসনের অবসান ঘটে এবং ভারতবর্ষে ইংরেজ শাসনের ভিত্তি স্থাপিত হয়।
অন্যদিকে, বক্সারের যুদ্ধ (১৭৬৪) ইংরেজদের ক্ষমতাকে আরও সুসংহত করে এবং সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭) ছিল ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে ভারতীয় সেনাদের প্রথম বড় বিদ্রোহ।
52

বাংলাদেশে বাস নেই এমন উপজাতির নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাঁওতাল
  2. মাওরি
  3. মুরং
  4. গারো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- মাওরি নিউজিল্যান্ডের একটি উপজাতি সম্প্রদায়ের নাম।
অপরদিকে,
 সাঁওতাল, মুরং, গারো সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী। 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাওরি। মাওরি সম্প্রদায় হলো নিউজিল্যান্ডের একটি আদিবাসী গোষ্ঠী, যারা বাংলাদেশে বসবাস করে না।
অপরদিকে, প্রদত্ত অন্য তিনটি বিকল্প—সাঁওতাল, মুরং (ম্রো) এবং গারো—সম্প্রদায় বাংলাদেশে বসবাসকারী প্রধান ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
সাঁওতালরা মূলত রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চলে, গারোরা ময়মনসিংহ ও টাঙ্গাইল অঞ্চলে এবং মুরংরা (ম্রো) বান্দরবান ও রাঙ্গামাটির পাহাড়ি অঞ্চলে বসবাস করে।
53

Bkash কোন ব্যাংকের জয়েন্ট ভেঞ্চার হিসেবে কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. গ্রামীণ ব্যাংক
  3. জনতা ব্যাংক
  4. ডাচ-বাংলা ব্যাংক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- মোবাইল ব্যাংকিং সেবা দেওয়ার ক্ষেত্রে নেতৃত্বের ভূমিকা রয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'বিকাশ'। 
 
অপরদিকে, 
২০১০ সালে ডাচ বাংলা ব্যাংক বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং চালু করে।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠানের নাম- রকেট।

উৎসঃ ব্র্যাক ব্যাংক ও ডাচ বাংলা ব্যাংকের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্র্যাক ব্যাংক
বিকাশ (Bkash) মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (MFS) প্রদানের জন্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এটি মূলত ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড-এর একটি সাবসিডিয়ারি (সহযোগী প্রতিষ্ঠান) হিসেবে কাজ করে।
বিকাশ ২০১১ সালে ব্র্যাক ব্যাংক এবং যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক 'মানি ইন মোশন' (Money in Motion)-এর যৌথ উদ্যোগে যাত্রা শুরু করে, যার মূল লক্ষ্য ছিল আর্থিক সেবাবঞ্চিত মানুষের কাছে সহজে ব্যাংকিং সেবা পৌঁছে দেওয়া।
উল্লেখ্য, ডাচ-বাংলা ব্যাংক হলো সেই প্রতিষ্ঠান যা বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোবাইল ব্যাংকিং সেবা (পরবর্তীতে রকেট নামে পরিচিত) চালু করেছিল।
54

সবচেয়ে হালকা গ্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইড্রোজেন
  2. হিলিয়াম
  3. নাইট্রোজেন
  4. আর্গন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হাইড্রোজেন হচ্ছে সবচেয়ে হালকা গ্যাস। 

- হাইড্রোজেন গ্যাস একটি গ্রিন এনার্জি, যাকে দাহ্য করা হলে শুধুমাত্র পানি উৎপন্ন করে, তাই এটা পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়।
- হাইড্রোজেন গ্যাস দাহ্য কিন্তু দহনে সাহায্য করে না। 

হাইড্রোজেন গ্যাসের বৈশিষ্ট্যসমূহ- 
১. বিশুদ্ধ হাইড্রোজেন, বর্ণহীন, স্বাদহীন, গন্ধহীন।
২. জলে প্রায় অদ্রাব্য গ্যাস।
৩. হাইড্রোজেন সবচেয়ে হালকা মৌল।
৪. বাতাস হাইড্রোজেন এর চেয়ে ১৪.৪ গুণ ভারী।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হাইড্রোজেন। এটি শুধুমাত্র সবচেয়ে হালকা গ্যাসই নয়, এটি পর্যায় সারণীর সবচেয়ে হালকা মৌল
হাইড্রোজেনের (H) পারমাণবিক সংখ্যা ১ এবং এর আণবিক ভর খুবই কম। এই কারণে এটি প্রকৃতিতে পাওয়া সমস্ত গ্যাসের মধ্যে সবচেয়ে হালকা।
হিলিয়াম (He) হচ্ছে দ্বিতীয় হালকা গ্যাস। এটি সাধারণত বেলুন বা এয়ারশিপে ব্যবহৃত হয় কারণ এটি হালকা হলেও অদাহ্য (জ্বলে না)।
অন্যদিকে, নাইট্রোজেন (N2N_2) এবং আর্গন (Ar) উভয়ই হাইড্রোজেনের তুলনায় অনেক বেশি ভারী গ্যাস।
55

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিল গেটস
  2. টিম বানার্স লি
  3. মার্ক জুকারবার্গ
  4. এন্ডি গ্রোড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম 'ফেসবুক'-এর প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন মার্ক জুকারবার্গ। 

- মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পূর্ণ নাম হলো “Mark Elliot Zuckerberg” যার জন্ম হয়েছিল ১৪ই মে, ১৯৮৪ সালে।
- Facebook বিশ্বের সবচেয়ে বড় ইন্টারনেট ভিত্তিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম।
- ২০০৩ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে দ্বিতীয়বর্ষে থাকাকালীন জাকারবার্গ “ফেসম্যাশ” নামে একটি প্রোগ্রাম লিখেছিলেন।  
- ৪ই ফেব্রুয়ারি ২০০৪ এ ফেসবুক যাত্রা শুরু করে।  
- ফেসবুকের সদরদপ্তর- মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। 

সূত্র: Facebook Website [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মার্ক জুকারবার্গ। তিনি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম ‘ফেসবুক’ (Facebook)-এর প্রতিষ্ঠাতা।
ফেসবুক যাত্রা শুরু করে ৪ঠা ফেব্রুয়ারি ২০০৪ সালে। এটি শুরুর সময় মার্ক জুকারবার্গ হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নরত ছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু ভুল উত্তর:
- বিল গেটস: তিনি মাইক্রোসফট (Microsoft) কর্পোরেশনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।
- টিম বানার্স লি: তিনি ইন্টারনেট প্রোটোকল ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (WWW) এর উদ্ভাবক।
- এন্ডি গ্রোড: তিনি সেমিকন্ডাক্টর চিপ কোম্পানি ইনটেল (Intel)-এর সাবেক প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ছিলেন।
56

বাংলাদেশের কোন জেলার সাথে ভারত এবং মিয়ানমারের সীমান্ত রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কক্সবাজার
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. রাঙামাটি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের সাথে ২টি দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে।
- একটি ভারত এবং অপরটি মিয়ানমার।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সাথে বাংলাদেশের ৩২টি জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- ভারতের সাথে ৩০টি এবং মিয়ানমারের সাথে ৩টি।
- মিয়ানমারের সাথে সীমান্ত থাকা জেলাগুলো হলো - কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান।
- ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের একমাত্র জেলা রাঙামাটি।

উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙামাটি। এটিই বাংলাদেশের একমাত্র জেলা যা একইসাথে উত্তর ও পূর্ব দিকে ভারতের (মিজোরাম ও ত্রিপুরা রাজ্য) এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিয়ানমারের সাথে আন্তর্জাতিক সীমান্ত ভাগ করে।
বাংলাদেশের মোট ৩২টি জেলার আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। এর মধ্যে ৩০টি জেলা ভারতের সাথে এবং মাত্র ৩টি জেলা মিয়ানমারের সাথে সীমান্তযুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: কক্সবাজারবান্দরবান শুধুমাত্র মিয়ানমারের সাথে সীমান্তযুক্ত। খাগড়াছড়ি শুধুমাত্র ভারতের সাথে সীমান্তযুক্ত।
57

কোন রক্ত গ্রুপকে সার্বিক গ্রহীতা বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A রক্ত গ্রুপকে
  2. B রক্ত গ্রুপকে
  3. AB রক্ত গ্রুপকে
  4. O রক্ত গ্রুপকে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

AB রক্ত গ্রুপকে সার্বিক গ্রহীতা বলা হয়।

- রক্তের লোহিত রক্ত কণিকায় বিভিন্ন এন্টিজেনের উপস্থিত অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তকে যে সকল গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে তাদের ব্লাড গ্রুপ (Blood Group) বলে।
- ব্লাড গ্রুপ চারটি। যথা : A, B, AB এবং O।
- AB-কে সর্বজনীন গ্রহীতা এবং O-কে সর্বজনীন দাতা বলা হয়।
- ব্লাড গ্রুপ পজেটিভ বা নেগেটিভ হয় রক্তের লোহিত কণিকায় প্লাজমা মেমব্রেনে Rh ফ্যাক্টরের উপস্থিতি-অনুপস্থিতির ওপর ভিত্তি করে।
- যদি কোন ব্যক্তির রক্তের লোহিত কণিকায় ‘Rh এগ্লুটিনোজেন’ নামক বিশেষ উপাদান থাকে, তবে ঐ ব্যক্তির রক্তের গ্রুপ পজেটিভ।
- ‘Rh এগুটিনোজেন’ না থাকলে রক্তের গ্রুপ নেগেটিভ হবে।

সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: AB রক্ত গ্রুপকে
সার্বিক গ্রহীতা (Universal Recipient) হলো সেই রক্ত গ্রুপ, যা সকল প্রকার রক্ত গ্রুপ (A, B, AB, O) থেকে নিরাপদে রক্ত গ্রহণ করতে পারে।
AB রক্ত গ্রুপের লোহিত কণিকায় A এবং B উভয় ধরনের অ্যান্টিজেন বিদ্যমান থাকে, কিন্তু এর রক্তরসে কোনো অ্যান্টিবডি (অ্যান্টি-A বা অ্যান্টি-B) থাকে না
অ্যান্টিবডি না থাকার কারণে, অন্য যেকোনো গ্রুপ থেকে রক্ত এলে তা গ্রহীতার রক্তের সাথে মিশে জমাট বাঁধতে পারে না (Agglutination হয় না)।
অন্যদিকে, O রক্ত গ্রুপকে সার্বিক দাতা বলা হয় কারণ এতে কোনো অ্যান্টিজেন থাকে না, ফলে এটি যেকোনো ব্যক্তিকে দান করা যেতে পারে।
58

ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা কোন নদী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. সুরমা
  4. মেঘনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রহ্মপুত্র নদ: 
-  এ নদ হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের নিকটে মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে তিব্বতের উপর দিয়ে পূর্ব দিকে ও পরে আসামের ভিতর দিয়ে পশ্চিম দিকে প্রবাহিত হয়েছে।
অতঃপর ব্রহ্মপুত্র কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এরপর দেওয়ানগঞ্জের কাছে দক্ষিণ-পূর্বে বাঁক নিয়ে ময়মনসিংহ জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে ভৈরববাজারের দক্ষিণে মেঘনায় পতিত হয়েছে।
-  ধরলা ও তিস্তা ব্রহ্মপুত্রের প্রধান উপনদী এবং বংশী ও শীতলক্ষ্যা প্রধান শাখানদী ৷

যমুনা :
- ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে ব্রহ্মপুত্রের শাখা যমুনা নদী নামে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নাম ধারণ করে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে প্রবাহিত হয়।
- করতোয়া ও আত্রাই যমুনার প্রধান উপনদী। ধলেশ্বরী এর শাখানদী এবং ধলেশ্বরীর শাখানদী বুড়িগঙ্গা ৷

উৎস: নবম-দশম শ্রেণি, ভূগোল ও পরিবেশ দশম অধ্যায়। 

 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: যমুনা
তিব্বতের মানস সরোবর থেকে উৎপন্ন ব্রহ্মপুত্র নদ কুড়িগ্রাম জেলার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। ময়মনসিংহ জেলার দেওয়ানগঞ্জের কাছে এসে নদীটি হঠাৎ দক্ষিণ-পূর্বে বাঁক নেয় এবং এর মূল শাখাটি দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে যমুনা নাম ধারণ করে।
অতএব, বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর ব্রহ্মপুত্রের প্রধান শাখা নদী হলো যমুনা, যা পরে দৌলতদিয়ার কাছে গঙ্গার (পদ্মা) সাথে মিলিত হয়েছে।
পদ্মা: এটি গঙ্গা নদীর নাম যা বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর ধারণ করে। এটি যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়।
মেঘনা: এটি সুরমা-কুশিয়ারার মিলিত প্রবাহ এবং এটি চাঁদপুরের কাছে পদ্মা (যমুনা + গঙ্গা) নদীর সাথে মিলিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়।
59

নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে কোন সার প্রস্তুত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টিএসপি
  2. সবুজ সার
  3. পটাশ
  4. ইউরিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে ইউরিয়া সার প্রস্তুত করা হয়। 

- ইউরিয়া একটি নাইট্রোজেন সংবলিত রাসায়নিক সার, যা ব্যাপক হারে ফসলের জমিতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
- ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ থাকে ৪৬%।
- ইউরিয়া সার নাইট্রোজেন সরবরাহ করে থাকে যা শিকড়ের বৃদ্ধি বিস্তাররে সহায়তা করে থাকে।
- গাছের ও শাকসবজির পর্যাপ্ত পরিমাণ পাতা, ডালপালা ও কান্ড উৎপাদনে সাহায্য করে থাকে।
- ইউরিয়া সার ক্লোরোফিল উৎপাদনের মাধ্যমে গাছপালাকে গাঢ় সবুজ বর্ণ প্রদান করে থাকে।
- গাছের কুশি উৎপাদনসহ ফলের আকার বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।
- উদ্ভিদের শর্করা ও প্রোটিন উৎপাদনে সহায়তা করে থাকে।
- এছাড়াও গাছের অন্যান্য সব আবশ্যক উপাদানের পরিশোষণের হার বাড়িয়ে থাকে।

সূত্র: কৃষি বাতায়ন ওয়েবসাইট [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইউরিয়া
ইউরিয়া সার প্রস্তুত করতে কাঁচামাল হিসেবে নাইট্রোজেন গ্যাস (extN2 ext{N}_2) ব্যবহার করা হয়। প্রথমে, বায়ুমণ্ডলের নাইট্রোজেনকে হাইড্রোজেন গ্যাসের (extH2 ext{H}_2) সাথে উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় বিক্রিয়া করিয়ে অ্যামোনিয়া (extNH3 ext{NH}_3) তৈরি করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি হ্যাবার-বশ (Haber-Bosch) পদ্ধতি নামে পরিচিত।
পরবর্তীতে, এই অ্যামোনিয়া এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (extCO2 ext{CO}_2) ব্যবহার করে ইউরিয়া (extNH2extCONH2 ext{NH}_2 ext{CONH}_2) সার তৈরি করা হয়।
ইউরিয়া হলো সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত নাইট্রোজেনঘটিত রাসায়নিক সার, যেখানে শতকরা ৪৬ ভাগ নাইট্রোজেন থাকে।
অন্যদিকে, টিএসপি সারে ফসফরাস (P) এবং পটাশ সারে পটাশিয়াম (K) উপাদান থাকে, যা নাইট্রোজেন গ্যাস থেকে সরাসরি প্রস্তুত করা হয় না।
60

বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20.01%
  2. 21.01%
  3. 20.71%
  4. 21.71%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ ২০.৭১%। 

- বায়ুমণ্ডলে বিভিন্ন ধরণের গ্যাসের সমন্বয়ে গঠিত ।
- নাইট্রোজেন (৭৮%), অক্সিজেন (২১%) বায়ুমণ্ডলের প্রধান গ্যাস যা মোট গ্যাসের প্রায় ৯৯% দখল করে আছে।  
- বাকি ১% অধিকার করে আছে আর্গন (০.৯৩%), কার্বন-ডাই-অক্সাইড (০.০৩%), নিয়ন (০.০০১৮%), হিলিয়াম, ওজোন, হাইড্রোজেন, মিথেন প্রভৃতি।
- বায়ুমণ্ডল গঠনকারী উপাদানগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা- গ্যাসীয়, জলীয়বাষ্প এবং ধূলিকণা।   

সূত্র: ১০৫ পৃষ্ঠা, ভূগোল ১ম পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০.৭১%
যদিও সাধারণ হিসেবে বায়ুমণ্ডলে অক্সিজেনের পরিমাণ ২১% (বা ২০.৯৫%) ধরা হয়, কিন্তু বৈজ্ঞানিকভাবে সবচেয়ে সূক্ষ্ম পরিমাপ হলো ২০.৭১%
NTRCA সহ অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে যদি ২১% এবং ২০.৭১% উভয়ই অপশনে থাকে, তবে ২০.৭১% কে অধিকতর নির্ভুল উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা উচিত।
ভুল অপশনগুলো কেন ভুল: অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ২০.০১%, ২১.০১%, ২১.৭১%) সঠিক পরিমাপ থেকে যথেষ্ট দূরে, অথবা কেবল বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে। মনে রাখতে হবে, বায়ুমণ্ডল মূলত নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন দ্বারা গঠিত।
61

বাংলাদেশের বর্তমান রাষ্ট্রপতি এডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ কততম রাষ্ট্রপতি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬তম
  2. ১৭তম
  3. ২০তম
  4. ১৯তম
  5. ২১তম

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি মোঃ জিল্লুর রহমান সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকাকালে ১৪ মার্চ ২০১৩ থেকে জনাব মোঃ আবদুল হামিদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২০ মার্চ ২০১৩ তারিখে রাষ্ট্রপতি জনাব জিল্লুর রহমান মৃত্যুবরণ করলে তিনি সে দিন থেকে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। 
- ২২ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৩ তারিখে বাংলাদেশের ২০ তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
- জনাব আবদুল হামিদ ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে ধারাবাহিকভাবে দ্বিতীয় মেয়াদে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। 
 
উৎস : রাষ্ট্রপতি কার্যালয়ের ওয়েবসাইট
 
 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২১তম। যদিও প্রশ্নে মো. আব্দুল হামিদকে 'বর্তমান' রাষ্ট্রপতি বলা হয়েছে, প্রশ্নটি পুরনো।
তবে এডভোকেট মো. আব্দুল হামিদ পরপর দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। প্রথমবার তিনি ২০তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন (২৪ এপ্রিল ২০১৩)।
পরবর্তীতে, তিনি দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচিত হন এবং ২৪ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। সাংবিধানিক ধারাক্রম অনুসারে তাঁকে ২১তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে গণ্য করা হয়।
উল্লেখ্য, মো. আব্দুল হামিদের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ২৪ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন শপথ গ্রহণ করেন।
62

দেশে বর্তমানে মোট উপজেলার সংখ্যা কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৮৭টি
  2. ৪৫৬টি
  3. ৪৭১টি
  4. ৪৬৫টি
  5. ৪৯৫টি

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, তাই তা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। 
বাংলাদেশে বর্তমানে উপজেলার সংখ্যা ৪৯৫টি।
সর্বশেষ ২৬ জুলাই ২০২১ প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটির সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়।
এগুলো হলো:
- ঈদগাঁও উপজেলা : কক্সবাজার
- ডাসার উপজেলা : মাদারীপুর
- মধ্যনগর উপজেলা : সুনামগঞ্জ।

(তথ্যসূত্র: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট ও দৈনিক যুগান্তর)

ব্যাখ্যা

এটি একটি সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান সংক্রান্ত প্রশ্ন হওয়ায় এর তথ্য সময়ের সাথে পরিবর্তিত হয়। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলো বর্তমান তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক নয়।
বাংলাদেশে বর্তমানে (২০২৩/২০২৪ অনুযায়ী) মোট উপজেলার সংখ্যা হলো ৪৯৫টি
সর্বশেষ ২৬ জুলাই ২০২১ তারিখে প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাস সংক্রান্ত জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটি (নিকার) সভায় নতুন তিনটি উপজেলার অনুমোদন দেওয়া হয়। এগুলো হলো: কক্সবাজারের ঈদগাঁও, মাদারীপুরের ডাসার এবং সুনামগঞ্জের মধ্যনগর। এই তিনটি যুক্ত হওয়ার পরই মোট সংখ্যা ৪৯৫-এ উন্নীত হয়।
প্রশ্নপত্রে দেওয়া অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ৪৮৭টি, ৪৭১টি) পুরোনো বা বাতিল হওয়া তথ্য নির্দেশ করে, তাই সেগুলো ভুল।
63

পঞ্চম টি-20 বিশ্বকাপ ক্রিকেটে মোট কয়টি দেশ অংশ নিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০টি
  2. ১৬টি
  3. ১৪টি
  4. ১২টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন, তাই তা বাতিল করা হয়েছে। 
- ২০২২ সালের আইসিসি অষ্টম টি ২০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে অস্ট্রেলিয়ায়। 
- সপ্তম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন হয় অস্ট্রেলিয়া।

উৎস : চ্যানেল আই রিপোর্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬টি। যদিও প্রশ্নটি পুরোনো, আন্তর্জাতিক ক্রীড়া ইভেন্টের প্রশ্ন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পঞ্চম টি-২০ বিশ্বকাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্টটি ২০১৪ সালে বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
সেই আসরে মোট ১৬টি দেশ অংশ নিয়েছিল। এটি সেই সময় পর্যন্ত অংশগ্রহণকারী দেশের সর্বোচ্চ সংখ্যা ছিল।
উল্লেখ্য, পরবর্তীতে ২০টি দল অংশ নেয় ২০২৪ সালের বিশ্বকাপ থেকে।
64

চট্টগ্রামের নাম 'ইসলামাবাদ' কে রাখেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসলাম খান
  2. শায়েস্তা খান
  3. ঈশা খা
  4. মীর জুমলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- মীরজুমলার মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান বাংলার সুবাদার নিযুক্ত হন। তাঁর সুবাদারী শাসনকাল দুপর্বে বিভক্ত ছিল। প্রথম দফায় ১৬৬৪ থেকে ১৬৭৮ খ্রি: পর্যন্ত এবং শেষে ১৬৭৯ থেকে ১৬৮৮ খ্রি: পর্যন্ত তিনি বাংলার সুবাদার ছিলেন।
শায়েস্তা খানের কীর্তি-
- চট্টগ্রাম জয় করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ।
- সন্দ্বীপ ও চট্টগ্রাম অধিকার করে আরাকানি জলদস্যুদের সম্পূর্ণরূপে উৎখাত করেন।
- তিনি বাংলা থেকে ইংরেজদের বিতাড়িত করেন।
- তাঁর আমলে নির্মিত স্থাপত্য কর্মের মধ্যে ছােট কাটারা, লালবাগ কেল্লা, বিবি পরির সমাধিসৌধ, হােসেনী দালান, সফি খানের মসজিদ, বুড়িগঙ্গার মসজিদ, চক মসজিদ প্রভৃতি উল্লেখযােগ্য।

উৎস: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, ৯ম-১০ম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ) এবং বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, এসএসসি(উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শায়েস্তা খান
মোঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে চট্টগ্রাম অধিকার করেন। তিনি আরাকানি মগ ও ফিরিঙ্গি জলদস্যুদের কবল থেকে চট্টগ্রামকে মুক্ত করেন।
এই বিজয়ের স্মৃতিকে অমর করে রাখতে এবং প্রশাসনিক সুবিধার্থে তিনি চট্টগ্রামের নাম পরিবর্তন করে ইসলামাবাদ রাখেন। তাঁর শাসনকাল ছিল মুঘল বাংলার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ সময়।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
- ইসলাম খান: ইনি বাংলার সুবাদার ছিলেন এবং তিনি ঢাকার নাম পরিবর্তন করে জাহাঙ্গীরনগর রাখেন।
- মীর জুমলা: ইনিও সুবাদার ছিলেন, তবে আসাম ও কুচবিহার জয়ই তাঁর প্রধান কীর্তি, চট্টগ্রাম নয়।
- ঈশা খাঁ: তিনি ছিলেন বারো ভূঁইয়াদের প্রধান এবং তিনি মুঘলদের বিরুদ্ধে স্বাধীনতা রক্ষা করেছিলেন।
65

কত সালে হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রথা আইন চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1756
  2. 1856
  3. 1885
  4. 1895

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ব্রিটিশ ভারতের ১৮৫৬ সালে লর্ড ডালহৌসি বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তন করেন।
- বিধবা বিবাহ আইন প্রবর্তনের ক্ষেত্রে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ব্যাপক প্রচেষ্টা চালান। তিনি হিন্দু সমাজে বিধবা বিবাহ প্রচলনের পাশাপাশি বহুবিবাহ ও বাল্যবিবাহ নিষিদ্ধকরণে সংগ্রাম করেন।
- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর তার ছেলের বিয়ে দেন একজন বিধবা'র সাথে।

(তথ্যসূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৮৫৬ সাল। এই আইনটির পূর্ণ নাম ছিল— হিন্দু বিধবা পুনর্বিবাহ আইন, ১৮৫৬ (Hindu Widows' Remarriage Act, 1856)
এই আইনটি ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড ক্যানিংয়ের শাসনামলে আনুষ্ঠানিকভাবে পাস হয়। তবে এর খসড়া প্রণয়নের কাজ শুরু হয়েছিল লর্ড ডালহৌসির সময়েই।
বাংলা তথা ভারতের সমাজ সংস্কার আন্দোলনে এই আইন প্রবর্তনের ক্ষেত্রে পণ্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং অগ্রণী।
66

জাতীয় স্মৃতিসৌধে কয়টি ফলক আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত। এই জাতীয় স্মৃতিসৌধের ফলক সাতটি। স্বাধীনতা আন্দোলনের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়ের জন্য স্মৃতিসৌধে ফলক সংখ্যা ৭টি রাখা হয়েছে। 
পর্যায় গুলো হলো:
- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
- ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
- ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
- ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
- ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
- ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
- ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।

জাতীয় তথ্য বাতায়ন ও সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭টি। বাংলাদেশের জাতীয় স্মৃতিসৌধ সাভারে অবস্থিত এবং এর ফলক সংখ্যা সাতটি (৭)
এই সাতটি ফলক বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সাতটি ঐতিহাসিক পর্যায়কে প্রতীকী রূপ দেয়। এই পর্যায়গুলো হলো:
১. ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন;
২. ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন;
৩. ১৯৫৬ সালের শাসনতন্ত্র আন্দোলন;
৪. ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলন;
৫. ১৯৬৬ সালের ছয় দফা আন্দোলন;
৬. ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থান এবং
৭. ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (৫, ৬ বা ৯) বিভ্রান্তিকর, কারণ স্মৃতিসৌধের নকশা কঠোরভাবে এই সাতটি ঐতিহাসিক ঘটনাপ্রবাহের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
67

বাংলাদেশের বিজ্ঞান জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকার শাহবাগে
  2. ঢাকার ইসলামপুরে
  3. ঢাকার আগারগাঁয়ে
  4. সোনারগাঁয়ে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশের বিজ্ঞান জাদুঘর ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত। 
- জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা। 
- তদানীন্তন পাকিস্তান সরকার ২৬ এপ্রিল, ১৯৬৫ সালে এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর আত্মপ্রকাশ করে। 
- প্রতিষ্ঠানটি অনানুষ্ঠানিক বিজ্ঞান শিক্ষা কেন্দ্র হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।
 
উৎস : বিজ্ঞান জাদুঘর ওয়েবসাইট
 
 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩: ঢাকার আগারগাঁয়ে
বাংলাদেশের একমাত্র জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘর (National Museum of Science and Technology) ঢাকার আগারগাঁওয়ে অবস্থিত।
এটি একটি স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা যা সাধারণ মানুষের মধ্যে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ঢাকার শাহবাগে অবস্থিত হলো জাতীয় জাদুঘর, যা প্রায়শই শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান জাদুঘরের সাথে গুলিয়ে ফেলে, কিন্তু দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
68

সূর্য কিরণ থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন 'এ'
  2. ভিটামিন 'বি'
  3. ভিটামিন 'ই'
  4. ভিটামিন 'ডি'

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সূর্য কিরণ থেকে ভিটামিন 'ডি'  পাওয়া যায়। 

- ভিটামিন ডি চর্বিতে দ্রবণীয়, যা শরীরের ক্যালসিয়াম, ফসফেট ইত্যাদির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে।
- ভিটামিন ডি হাড়ের কাঠামো তৈরি এবং ঘনত্ব বৃদ্ধিতে প্রভূত ভূমিকা রাখে।
- প্রাণিজ ও উদ্ভিদজাত স্টেরল ও ফাইটোস্টেরল থেকে সূর্যালোকের অতি বেগুনি রশ্মি দ্বারা রূপান্তরিত হয়ে দেহে ভিটামিন ডি তৈরি হয়।
- ভিটামিন ডি-২ ও ভিটামিন ডি-৩ মানবদেহে থাকে।
- শিশুদের মধ্যে ভিটামিন ডি’র অভাবে রিকেটস রোগ (হাড় বাঁকা ), পেশি খিঁচুনি, শ্বাস-প্রশ্বাসের সমস্যা, হাপানি, চর্মরোগ হয় এবং এসব শিশুর দেহে ক্যালসিয়ামের স্বল্পতাও দেখা দেয়।
- ভিটামিন ডি’র তীব্র অভাব থাকলে শিশুর মস্তিষ্কের খুলি, পায়ের হাড় নরম হয়ে বা বাঁকা হয়ে যায়।
- শরীরে ভিটামিন ডি’র চাহিদার ৮০ শতাংশের বেশি আসে ত্বকে পতিত সূর্যরশ্মি থেকে। আর খাদ্যের মধ্যে স্যামন, সার্ডিন, টুনা ইত্যাদি সামুদ্রিক মাছ, মাশরুম, সেদ্ধ ডিম, টকদই, গরুর কলিজায় প্রচুর ভিটামিন ডি পাওয়া যায়।

সূত্র: National Institute of Medicine [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভিটামিন ‘ডি’
সূর্য রশ্মির অতি বেগুনি রশ্মি (UV rays) আমাদের ত্বকের উপর পড়লে দেহে ভিটামিন ডি সংশ্লেষিত হয়। এটি মানুষের দেহে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের শোষণ এবং বিপাকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ভিটামিন ডি এর অভাবে হাড় দুর্বল হয়ে যায়। তাই হাড়ের কাঠামো তৈরি এবং ঘনত্ব বৃদ্ধিতে সূর্যের আলো অপরিহার্য।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন কাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ:
- ভিটামিন ‘এ’: দৃষ্টিশক্তি, ত্বক এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য প্রয়োজনীয়।
- ভিটামিন ‘বি’: এটি একটি কমপ্লেক্স গ্রুপ, যা শক্তি উৎপাদন ও স্নায়ুতন্ত্রের কাজে লাগে।
- ভিটামিন ‘ই’: এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।
69

বাংলাদেশের বৃহত্তম তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র অবস্থিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভেড়ামারা
  2. সিদ্ধিরগঞ্জ
  3. গোয়ালপাড়া
  4. আশুগঞ্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- দেশের সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ও সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র “পায়রা তাপবিদ্যুৎ” কেন্দ্র উদ্বোধন হয় - ২১ মার্চ ২০২২ সালে।
- এর অবস্থান পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে।
- পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে। ৯ জুন ২০১৪ এই সংক্রান্ত চুক্তি হয়েছিল।
- এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৬।
- এটি ১,০০০ একর জমির উপর নির্মিত।
- এই কেন্দ্র থেকে প্রতিদিন ১৩২০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা রয়েছে।
 
এর পূর্বে, কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ছিল বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের অবস্থান। 
যেহেতু অপশনে পায়রা তাপবিদ্যুৎ এর অবস্থান দেওয়া ছিল না, তাই ভেড়ামারাকে সঠিক উত্তর হিসেবের না দেওয়া হয়েছে। 

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি যখন সেট করা হয়েছিল, তখন প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ভেড়ামারা (কুষ্টিয়া) ছিল দেশের বৃহৎ বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোর অন্যতম, এবং তাই এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়েছে।
তবে শিক্ষক নিবন্ধনের পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনার বর্তমান তথ্য জানা অত্যাবশ্যক।
বর্তমানে (২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী) বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র হলো পায়রা ১৩২০ মেগাওয়াট তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র
পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি অবস্থিত পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ধানখালীতে। এটি বাংলাদেশ ও চীনের যৌথ উদ্যোগে নির্মিত।
অপশনে থাকা অন্যান্য কেন্দ্রগুলো (যেমন সিদ্ধিরগঞ্জ - নারায়ণগঞ্জ, আশুগঞ্জ - ব্রাহ্মণবাড়িয়া) গুরুত্বপূর্ণ হলেও এগুলোর উৎপাদন ক্ষমতা পায়রা বা ভেড়ামারার চেয়ে তুলনামূলকভাবে কম।
সুতরাং, অপশনে পায়রা না থাকলে, ঐতিহাসিক প্রশ্নে ভেড়ামারা (ইনফ্রাস্ট্রাকচার স্থাপনা বিবেচনায়) সঠিক উত্তর হবে।
70

কীসের সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রতিফলন
  2. প্রতিধ্বনি
  3. প্রতিসরণ
  4. প্রতিসরণাঙ্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রতিধ্বনির সাহায্যে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়। 

- কোন শব্দ উৎস থেকে শব্দ করা হলে তা কোন কঠিন তলে বাধাপ্রাপ্ত হয়ে আবার যদি শব্দের উৎসের নিকট ফিরে আসে, তখন সেই শব্দের পুনরাবৃত্তি শোনা যায়, শব্দের এই পুনরাবৃত্তিকেই শব্দের প্রতিধ্বনি বলে।
- প্রতিধ্বনি শোনার জন্য মূলধ্বনি ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য ০.১ সেকেন্ড হওয়া প্রয়োজন।
শব্দের প্রতিধ্বনিকে কাজে লাগিয়ে সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করা হয়।
হাইড্রোফোন নামে এক রকমের যন্ত্রের সাহায্যে মূল শব্দ এবং প্রতিধ্বনির মধ্যে সময়ের ব্যবধান নিখুঁতভাবে পাওয়া যায়।

প্রতিধ্বনির ব্যবহারসমূহ- 
১. হিমশৈল জাহাজের অস্তিত্ব নির্ণয়ে
২. বিভিন্ন মাধ্যমে শব্দের বেগ নির্ণয়ে
৩. পাতলা পাতের পুরুত্ব নির্ণয়ে
৪. ক্ষতিকারক অণুজীব ধ্বংস করতে প্রতিধ্বনি ব্যবহার করা হয়
৫. সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয় করবার ক্ষেত্রে। 

সূত্র: National Ocean Service [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য যে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিটি ব্যবহার করা হয়, তা হলো শব্দের প্রতিধ্বনি (Echo)
জাহাজ বা অন্য কোনো জলযান থেকে সমুদ্রের তলদেশে তীব্র শব্দ তরঙ্গ পাঠানো হয়। এই তরঙ্গ সমুদ্রের তলদেশে আঘাত করে যখন আবার উৎসের দিকে ফিরে আসে, তখন তাকে প্রতিধ্বনি বলা হয়।
মূল শব্দ পাঠানো এবং প্রতিধ্বনি ফিরে আসার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান (t) এবং জলে শব্দের বেগ (v) নিখুঁতভাবে পরিমাপ করা হয়। এই উপাত্ত ব্যবহার করে 2d=v×t2d = v \times t সূত্র দ্বারা গভীরতা (d) নির্ণয় করা হয়। এই প্রযুক্তিকে SONAR বলা হয়।
অন্যান্য বিকল্প যেমন প্রতিফলন (শব্দের যেকোনো তলে আঘাত করে ফিরে আসা) বা প্রতিসরণ (শব্দের গতিপথ পরিবর্তন) গভীরতা নির্ণয়ের জন্য সরাসরি ব্যবহৃত হয় না, বরং প্রতিধ্বনিই হলো শব্দের প্রতিফলনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া যা সময়ের ব্যবধান পরিমাপে সক্ষম।
71

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পান কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯১৩ সালে
  2. ১৯১২ সালে
  3. ১৯১১ সালে
  4. ১৯৩১ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম ১৮৬১ সালের ৭ মে (১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫ বৈশাখ) কলকাতার জোড়াসাঁকোর অভিজাত ঠাকুর পরিবারে।
তাঁর পিতা মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং পিতামহ প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুর।
এই পরিবারের পূর্বপুরুষ পূর্ববঙ্গ থেকে ব্যবসায়ের সূত্রে কলকাতায় গিয়ে বসবাস শুরু করেন।

 - রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ২ বার ঢাকায় আসেন। 
- ১৮৮৯ সালে প্রথমবার এবং ১৯২৬ সালে দ্বিতীয়বার 
- ১৯২৬ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়রের  কার্জন হলে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর  প্রথম বক্তৃতা দেন।  
- ১৯২৬ সালের ১৩ই ফেব্রুয়ারি তিনি দ্বিতীয় বক্তৃতা প্রদান করেন।  

- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৫ সালে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক নাইটহুড উপাধি লাভ করেন। পরবর্তীতে ১৯১৯ সালে তা ফিরিয়ে দেন।
- ১৯১৩ সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান।
- ১৯১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি. লিট. উপাধি প্রদান করেন।
- ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে ডি. লিট. উপাধি প্রদান করেন।

[উৎস : বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা - ড. সৌমিত্র শেখর, বাংলাপিডিয়া]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯১৩ সালে
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে তাঁর অনবদ্য কাব্যগ্রন্থ 'গীতাঞ্জলি'-এর ইংরেজি অনুবাদ (Song Offerings)-এর জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি, প্রথম এশীয় এবং প্রথম ইউরোপের বাইরের সাহিত্যিক, যিনি এই সর্বোচ্চ আন্তর্জাতিক সম্মান অর্জন করেন।
অন্যান্য সালগুলো (১৯১২, ১৯১১, ১৯৩১) এই পুরস্কার লাভের সঠিক তারিখ নয়।
72

পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কক্সবাজার
  2. চট্টগ্রাম
  3. বরিশাল
  4. ফেনী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- পারকী, পতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত চট্টগ্রামে অবস্থিত।
- কক্সবাজার বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত। লাবনী, হিমছড়ি, ইনানী, সাবরাং ইত্যাদি বিচ কক্সবাজারে অবস্থিত‌।
- কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত পটুয়াখালীতে অবস্থিত।

উৎস: সংশ্লিষ্ট জেলার সরকারি ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চট্টগ্রামপতেঙ্গা সমুদ্র সৈকত বাংলাদেশের প্রধান বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত। এটি কর্ণফুলী নদীর মোহনায়, বঙ্গোপসাগরের কোল ঘেঁষে তৈরি হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে: কক্সবাজার হলো বিশ্বের দীর্ঘতম প্রাকৃতিক সমুদ্র সৈকত, এবং বরিশাল বা ফেনী তে পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ কোনো সমুদ্র সৈকত নেই।
পতেঙ্গা সৈকত চট্টগ্রাম শহরের সবচেয়ে কাছের এবং জনপ্রিয় সমুদ্র সৈকত।
73

সূর্য উদয়ের দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাপান
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. চীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- সূর্যোদয়ের দেশ : জাপান
- নিশীথ সূর্যের দেশ : নরওয়ে
- ম্যাপল পাতার দেশ : কানাডা
- সকাল বেলার শান্তি : কোরিয়া।

(তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জাপান
জাপানকে 'সূর্য উদয়ের দেশ' (Land of the Rising Sun) বলা হয়। জাপানি ভাষায় দেশটির নাম হলো ‘নিহন’ বা ‘নিপ্পন’, যার আক্ষরিক অর্থ হলো ‘সূর্যের উৎস’ বা ‘যেখান থেকে সূর্যের উদয় হয়’। প্রাচীন চীনা নথিপত্র এবং জাপানের ভৌগোলিক অবস্থান (চীনের পূর্ব দিকে) অনুযায়ী এই নামটি এসেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন পরিচিতির জন্য বিখ্যাত: যেমন থাইল্যান্ড হলো শ্বেত হাতির দেশ, এবং চীন হলো মধ্য রাজ্যের দেশ (Middle Kingdom)।
74

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ জুন
  2. ৫ জুলাই
  3. ৫ আগস্ট
  4. ৫ মার্চ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' পালিত হয় ৫ জুন।
- 'বিশ্ব বাঘ দিবস' পালিত হয় ২৯ জুলাই।
- 'বিশ্ব পর্যটন দিবস' পালিত হয় ২৭ সেপ্টেম্বর।
- 'বিশ্ব পানি দিবস' পালিত হয় ২২ মার্চ।
- 'বিশ্ব মরুকরণ ও খরা প্রতিরোধ দিবস' পালিত হয় ১৭ জুন।
- 'বিশ্ব ধরিত্রী দিবস' পালিত হয় ২২ এপ্রিল।

উৎসঃ জাতিসংঘের ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫ জুন। প্রতি বছর এই দিনটিকে 'বিশ্ব পরিবেশ দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
১৯৭২ সালে জাতিসংঘের তত্ত্বাবধানে সুইডেনের স্টকহোমে জাতিসংঘের মানব পরিবেশ সম্মেলন (UN Conference on the Human Environment) অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলন শুরু হয়েছিল ৫ জুন তারিখে।
এই দিনটিকে স্মরণ করে ১৯৭৪ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী পরিবেশের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়ে আসছে।
75

 দুইটি সরলরেখা পরস্পর সমাপতিত হলে, সমাধান সংখ্যা কত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অসংখ্য
  2. সমাধান নেই
  3. একটি
  4. দুইটি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- দুইটি সরলরেখা সমান্তরাল হলে কোন বিন্দুতে ছেদ করবে না। 
- দুইটি সরলরেখা আড়াআড়ি ভাবে সর্বোচ্চ ১ টি বিন্দুতে ছেদ করতে পারে।
- দুইটি সরলরেখা পরস্পরের উপর আপতিত হলে উক্ত রেখা দুইটি অসংখ্য বিন্দুতে মিলিত হয়।

একটি সরলরেখার উপর আর একটি সরলরেখা আপতিত হলে সরলরেখা দুইটি একই হয়ে যায়।
এরুপ ক্ষেত্রে অসংখ্য সমাধান পাওয়া যায়।

এক্ষেত্রে , অপশন ক) সঠিক উত্তর।

ব্যাখ্যা

দুই চলকবিশিষ্ট রৈখিক সমীকরণ জোটের (System of Linear Equations) ক্ষেত্রে সমাধান সংখ্যা নির্ভর করে রেখা দুটির পারস্পরিক অবস্থানের উপর।
যখন দুইটি সরলরেখা পরস্পর সমাপতিত (Coincident) হয়, তখন রেখা দুটি অভিন্ন হয়ে যায়। অর্থাৎ, একটি রেখার প্রতিটি বিন্দু অন্য রেখাটিরও বিন্দু।
যেহেতু একটি সরলরেখার উপর অসংখ্য বিন্দু থাকে এবং দুটি রেখা প্রতিটি বিন্দুতে মিলিত হয়, তাই এদের সমাধান সংখ্যা হয় অসংখ্য
অন্যদিকে, যদি রেখা দুটি সমান্তরাল (Parallel) হয়, তবে কোনো সমাধান থাকে না (সমাধান নেই)।
যদি রেখা দুটি ছেদ করে (Intersect), তবে মাত্র একটি সমাধান পাওয়া যায়।
76

ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. πr2\pi r^2

  2. (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
  3. ভূমি × উচ্চতা
  4. 2πr2\pi r

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = (1/2) × ভূমি × উচ্চতা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (1/2) × ভূমি × উচ্চতা
এটি হলো যেকোনো সাধারণ ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের মৌলিক সূত্র, যেখানে ভূমি (Base) এবং ভূমি সংশ্লিষ্ট উচ্চতা (Height) জানা থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
  • πr2\pi r^2: এটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র।
  • ভূমি × উচ্চতা: এটি সামান্তরিক বা আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র।
  • 2πr2\pi r: এটি বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের সূত্র।
77

 চিত্রে xy এবং wz দুটো সমান্তরাল সরলরেখা, PQ তাদের ছেদক। সেক্ষেত্রে ∠a + ∠b এর মান নিচের কোনটি?


বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 90°
  2. 120°
  3. 180°
  4. 360°

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

 প্রশ্ন: চিত্রে xy এবং wz দুটো সমান্তরাল সরলরেখা, PQ তাদের ছেদক। সেক্ষেত্রে ∠a + ∠b এর মান নিচের কোনটি?
 

সমাধান:
 প্রদত্ত চিত্রে xy এবং wz দুটো সমান্তরাল সরলরেখা, PQ তাদের ছেদক।
 ∠a + ∠b = 180°

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত সমান্তরাল সরলরেখা ও ছেদক সম্পর্কিত জ্যামিতির একটি মৌলিক উপপাদ্য (Theorem) থেকে নেওয়া।
চিত্রে, xy এবং wz হলো দুটো সমান্তরাল সরলরেখা এবং PQ হলো তাদের ছেদক।
কোণ ∠a এবং ∠b হলো ছেদকের একই পাশের অন্তঃস্থ কোণ (Consecutive Interior Angles)।
জ্যামিতির সূত্র অনুযায়ী, দুটি সমান্তরাল সরলরেখাকে একটি ছেদক ছেদ করলে, ছেদকের একই পাশের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি সর্বদা ১৮০° (বা দুই সমকোণ) হয়।
অতএব, ∠a + ∠b = 180°। এটি একটি অপরিহার্য জ্যামিতিক ধর্ম।
অন্যান্য অপশন যেমন 90°, 120°, বা 360° এই বিশেষ জ্যামিতিক ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
78

চিত্রে ΔABC এর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য a এবং b । বাহু দুইটির অন্তর্ভুক্ত কোণ θ। সেক্ষেত্রে ΔABC এর ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. \frac{1}{2} ab \sin\theta

  2. \frac{1}{2} ab \sin^2\theta

  3. ab \cos\theta

  4. \frac{1}{2} ab \cos^2\theta

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্ন: চিত্রে ΔABC এর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য a এবং b । বাহু দুইটির অন্তর্ভুক্ত কোণ θ। সেক্ষেত্রে ΔABC এর ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হবে- 
 

সমাধান: 
চিত্রে ΔABC এর দুই বাহুর দৈর্ঘ্য a এবং b ।
বাহু দুইটির অন্তর্ভুক্ত কোণ  ।
ΔABC এর ক্ষেত্রফল  = (1/2) ab sinθ

ব্যাখ্যা

যখন কোনো ত্রিভুজের দুটি সন্নিহিত বাহুর দৈর্ঘ্য (aa এবং bb) এবং তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ (θ\theta) জানা থাকে, তখন ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য ত্রিকোণমিতিক সূত্রটি ব্যবহার করা হয়।
এই সূত্র অনুযায়ী, ক্ষেত্রফল হয়: দুই বাহুর গুণফল ও তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণের সাইন (sin) মানের অর্ধেক
অর্থাৎ, ক্ষেত্রফল=12absinθ\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2} ab \sin\theta। এটি একটি সরাসরি সূত্র যা পরিমিতি এবং ত্রিকোণমিতি উভয়ের ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন cosθ\cos\theta অথবা sin2θ\sin^2\theta ব্যবহার করে ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র ত্রুটিপূর্ণ এবং এই প্রসঙ্গে প্রযোজ্য নয়।
79

 10 মিটার প্রস্থবিশিষ্ট নদীর তীরে অবস্থিত একটি টাওয়ারের উচ্চতা 10√3 মিটার হলে, অপর তীরে টাওয়ারের অবনতি কোণ কত ডিগ্রি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 90°
  2. 60°
  3. 45°
  4. 30°

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন: 10 মিটার প্রস্থবিশিষ্ট নদীর তীরে অবস্থিত একটি টাওয়ারের উচ্চতা 10√3 মিটার হলে, অপর তীরে টাওয়ারের অবনতি কোণ কত ডিগ্রি?

সমাধান: 
 
মনেকরি 
নদীর প্রস্থ AB =10 মিটার
টাওয়ারের উচ্চতা BC = 10√3 মিটার
ΔBAC এ 
tanθ = BC/AB 
tanθ = 10√3 /10
tanθ = √3
tanθ = tan60°
θ = 60°

ব্যাখ্যা

এটি ত্রিকোণমিতির উচ্চতা ও দূরত্ব সম্পর্কিত একটি সমস্যা। অবনতি কোণ এবং উন্নতি কোণ এক্ষেত্রে সমান হয় (একান্তর কোণ)।
ধরি, নদীর প্রস্থ (ভূমি, ABAB) = 1010 মিটার এবং টাওয়ারের উচ্চতা (লম্ব, BCBC) = 10310\sqrt{3} মিটার
টাওয়ারের শীর্ষবিন্দু থেকে অপর তীরের অবনতি কোণ θ\theta হলে, আমরা টাওয়ারের উচ্চতা ও নদীর প্রস্থের অনুপাত ব্যবহার করব, যা ট্যানজেন্ট (tan) অনুপাতের মাধ্যমে নির্ণয় করা হয়।
সূত্র: tanθ=লম্ব/ভূমি\tan\theta = \text{লম্ব} / \text{ভূমি}
tanθ=BC/AB\tan\theta = BC / AB
tanθ=103/10\tan\theta = 10\sqrt{3} / 10
tanθ=3\tan\theta = \sqrt{3}
আমরা জানি, tan60=3\tan 60^{\circ} = \sqrt{3}
সুতরাং, θ=60\theta = 60^{\circ}
অতএব, অপর তীরে টাওয়ারের অবনতি কোণ 6060^{\circ}
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: 30,4530^{\circ}, 45^{\circ}) ভুল, কারণ 3030^{\circ} হতে হলে অনুপাত 1/31/\sqrt{3} হতে হতো এবং 4545^{\circ} হতে হলে অনুপাত 11 (10/1010/10) হতে হতো।
80

 বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ 60° হলে, বৃত্তস্থ কোণ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 60°
  2. 30°
  3. 180°
  4. 120°

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন: বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ  60° হলে, বৃত্তস্থ কোণ কত?

সমাধান:
- বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ কেন্দ্রস্থ কোণের অর্ধেক।
- বৃত্তের একই চাপের উপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ।
- বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান কেন্দ্রস্থ কোণ  60° হলে, বৃত্তস্থ কোণ 30°

ব্যাখ্যা

প্রিয় শিক্ষকবৃন্দ, এটি বৃত্তের জ্যামিতি অংশের একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য সম্পর্কিত প্রশ্ন।
উপপাদ্য অনুযায়ী, বৃত্তের একই চাপের ওপর দণ্ডায়মান বৃত্তস্থ কোণ (Inscribed Angle) সর্বদা কেন্দ্রস্থ কোণের (Central Angle) অর্ধেক হয়।
প্রশ্নমতে, কেন্দ্রস্থ কোণের মান দেওয়া আছে 6060^{\circ}
অতএব, বৃত্তস্থ কোণ হবে: $\frac{\text{কেন্দ্রস্থ কোণ}}{2} = \frac{60^{\circ}}{2} = 30^{\circ}
অপশন '60°' ভুল, কারণ এটি কেন্দ্রস্থ কোণের মান, বৃত্তস্থ কোণের নয়। কেন্দ্রস্থ কোণ বৃত্তস্থ কোণের দ্বিগুণ হবে।
81

 বৃত্তের ব্যাসার্ধ 5 একক হলে, বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10π
  2. 20π
  3. 25π

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন: বৃত্তের ব্যাসার্ধ 5 একক হলে, বৃত্তের ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক? 

সমাধান: 
বৃত্তের ব্যসার্ধ r = 5 একক
∴ বৃত্তের ক্ষেত্রফল = πr2 বর্গ একক
                             = π × (5)2
                             = 25π বর্গ একক

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বৃত্তের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের একটি মৌলিক প্রশ্ন। বৃত্তের ক্ষেত্রফল পরিমাপের জন্য একটি নির্দিষ্ট সূত্র ব্যবহার করা হয়।
যদি বৃত্তের ব্যাসার্ধকে rr ধরা হয়, তবে বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো: A=πr2A = \pi r^2 বর্গ একক।
প্রশ্নমতে, বৃত্তের ব্যাসার্ধ (rr) হলো 5 একক
মান বসিয়ে পাই: ক্ষেত্রফল A=π×(5)2A = \pi \times (5)^2 বর্গ একক।
সুতরাং, A=π×25=<strong>25πA = \pi \times 25 = <strong>25\pi বর্গ একক।
মনোযোগ দিন, অপশন 10π10\pi হলো বৃত্তের পরিধি (Circumference), যার সূত্র C=2πr=2π(5)=10πC = 2\pi r = 2\pi(5) = 10\pi
82

50° এর পূরক কোণ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 130130^\circ
  2. 220220^\circ
  3. 4040^\circ
  4. 310310^\circ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রশ্ন: 50° এর পূরক কোণ কোনটি?

সমাধান: 
আমরা জানি,
দুটি কোণের যোগফল 90° হলে তাকে বলে পূরক কোণ। 
50° এর পূরক কোণ =( 90° - 50°) = 40°

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি জ্যামিতির কোণ (Angle) সংক্রান্ত একটি মৌলিক ধারণা থেকে এসেছে।
পূরক কোণ (Complementary Angle) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যখন দুটি কোণের যোগফল 9090^\circ বা এক সমকোণ হয়, তখন একটি কোণকে অন্যটির পূরক কোণ বলা হয়।
এখানে প্রদত্ত কোণটি হলো 5050^\circ
সুতরাং, 5050^\circ এর পূরক কোণ হবে: <br/><br/>90^\circ - 50^\circ = 40^\circ$।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো 4040^\circ (অপশন ৩)।
বাকি অপশনগুলো (যেমন: 130130^\circ) ভুল, কারণ 5050^\circ এর সাথে যোগ করলে 180180^\circ বা সম্পূরক কোণ হয়, 9090^\circ নয়।
83

 সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 60° হলে, অপর কোণটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30°
  2. 120°
  3. 40°

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্ন: সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ 60° হলে, অপর কোণটি কত?

সমাধান: 
সমকোণী ত্রিভূজের একটি সমকোণ = 90°
২য় কোণ = 60°
∴ ৩য় কোণ = 180° - (90° + 60°)
                   =  180° - 150°
                   = 30°

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, একটি সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ সর্বদা 90°90° (সমকোণ) হয়।
ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি সর্বদা 180°180°
প্রশ্নে, দুটি কোণের মান জানা আছে: 90°90° এবং 60°60°
সুতরাং, অপর কোণটি হবে: 180°(90°+60°)=180°150°=30°180° - (90° + 60°) = 180° - 150° = 30°
সঠিক উত্তর হলো: 30°30°
84

log5 (√5 .35) =কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5/6
  2. 1/3
  3. 1/6
  4. 1

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


= log5(51/2.51/3)
= log5{5{(1/2) + (1/3)}
= log5{5(3 + 2)/6}
=  log555/6
= (5/6) log55
= (5/6) .1
= 5/6

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সমাধান করার জন্য সূচক (Indices) এবং লগারিদম (Logarithms) এর মৌলিক নিয়মগুলি জানতে হবে।
১. প্রথমে রুটের মানগুলোকে সূচক আকারে প্রকাশ করি:
5=51/2\sqrt{5} = 5^{1/2} এবং 53=51/3\sqrt[3]{5} = 5^{1/3}
এখন রাশিটি হলো: log5(51/251/3)\log_{5} (5^{1/2} \cdot 5^{1/3})
২. সূচকের গুণের সূত্র প্রয়োগ করি (aman=am+na^m \cdot a^n = a^{m+n}): যেহেতু ভিত্তি (Base) একই (৫), তাই পাওয়ারগুলো যোগ হবে।
log5(5(1/2)+(1/3))=log5(5(3+2)/6)=log555/6\log_{5} (5^{(1/2) + (1/3)}) = \log_{5} (5^{(3+2)/6}) = \log_{5} 5^{5/6}
৩. এবার লগারিদমের পাওয়ার সূত্রটি ব্যবহার করি (logaMr=rlogaM\log_a M^r = r \log_a M)। পাওয়ার (৫/৬) সামনে চলে আসবে।
log555/6=56log55\log_{5} 5^{5/6} = \frac{5}{6} \log_{5} 5
৪. লগারিদমের মৌলিক সূত্রানুসারে logaa=1\log_a a = 1। তাই, log55=1\log_{5} 5 = 1
সুতরাং, 561=5/6\frac{5}{6} \cdot 1 = \mathbf{5/6}
সঠিক উত্তর: 5/6 (অপশন ক)।
85

 9x+3 = 27x+1 হলে, x এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2
  2. -3
  3. 9
  4. 3

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন:  9x + 3 = 27x + 1 হলে, x এর মান কত?

সমাধান: 
9x + 3 = 27x + 1
(32)x + 3 = (33)x + 1
32x + 6 = 33x + 3
2x + 6 = 3x + 3
3x - 2x = 6 - 3
x = 3

ব্যাখ্যা

এটি সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা। সূচকের ক্ষেত্রে, যখন দুটি রাশি সমান হয় এবং তাদের ভিত্তি (Base) ভিন্ন, তখন সমাধানের জন্য ভিত্তিগুলোকে একই সংখ্যায় রূপান্তর করতে হয়।
প্রথমত, আমরা ভিত্তি 99 এবং 2727 কে 33 এর শক্তিতে প্রকাশ করব। আমরা জানি, 9=329 = 3^2 এবং 27=3327 = 3^3
মূল সমীকরণটি দাঁড়ায়: (32)x+3=(33)x+1(3^2)^{x+3} = (3^3)^{x+1}
সূচকের সূত্র $\(a^m)^n = a^{mn}\$ প্রয়োগ করে পাই: 32(x+3)=33(x+1)3^{2(x+3)} = 3^{3(x+1)}, যা 32x+6=33x+33^{2x+6} = 3^{3x+3}
ভিত্তি একই (3) হওয়ায়, আমরা সূচক দুটিকে সমান ধরে নিতে পারি: 2x+6=3x+32x + 6 = 3x + 3
এই সরল সমীকরণটি সমাধান করলে পাই: 63=3x2x6 - 3 = 3x - 2x, অর্থাৎ x=3x = 3। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 3
86

(2-1 + 5-1)-1 এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7
  2. 10/7
  3. 3
  4. 7/10

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন:  (2 -1 + 5 -1) -1 এর মান কত?

সমাধান: 
{(1/2 )+ (1/5)} -1
={(5 + 2)/10} - 1
=(7/10) - 1
= 1/(7/10)
= 1 × (10/7)
= 10/7

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য সূচকের মৌলিক নিয়ম an=1ana^{-n} = \frac{1}{a^n} জানতে হবে।
ধাপ ১: ব্র্যাকেটের ভেতরের অংশ সমাধান: আমরা জানি, ঋণাত্মক সূচক থাকলে তা উল্টে যায়। তাই, 21=122^{-1} = \frac{1}{2} এবং 51=155^{-1} = \frac{1}{5}
সুতরাং, বন্ধনীর ভেতরের যোগফল হলো: 12+15\frac{1}{2} + \frac{1}{5}। ল.সা.গু (L.C.M) হলো 10
$\( \frac{1}{2} + \frac{1}{5} = \frac{5 + 2}{10} = \frac{7}{10} \)$
ধাপ ২: সম্পূর্ণ রাশি সমাধান: এখন সম্পূর্ণ রাশিটি দাঁড়াল (710)1\left(\frac{7}{10}\right)^{-1}
আবার, ঋণাত্মক সূচকের (1-1) নিয়ম অনুযায়ী, ভগ্নাংশটি উল্টে যাবে।
(710)1=1710=1×107=<strong>107</strong>\left(\frac{7}{10}\right)^{-1} = \frac{1}{\frac{7}{10}} = 1 \times \frac{10}{7} = <strong>\frac{10}{7}</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 10/7 (অপশন খ)।
87

 x2 - y2, (x + y)2, x3 + y3 এর গ.সা.গু কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. x - y

  2. x + y

  3. (x2 - y2)(x3 + y3)

  4. (x - y) (x + y)2 (x2 - xy + y2)

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন: x2 - y2, (x + y)2, x3 + y3  এর গ.সা.গু কত?

সমাধান:
১ম রাশি = x2 - y2
               = (x + y)(x - y)
২য় রাশি =(x + y)2
               =(x + y)(x + y) 
৩য় রাশি =x3 + y3
               = (x + y)(x2 - xy + y2)
               
নির্ণেয় গ.সা.গু = x + y

ব্যাখ্যা

এই ধরনের বীজগাণিতিক রাশির গ.সা.গু (গরিষ্ঠ সাধারণ গুণনীয়ক) নির্ণয়ের জন্য প্রথমে প্রতিটি রাশিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হবে।
১ম রাশি: x2y2=(x+y)(xy)x^2 - y^2 = (x + y)(x - y)
২য় রাশি: (x+y)2=(x+y)(x+y)(x + y)^2 = (x + y)(x + y)
৩য় রাশি: x3+y3=(x+y)(x2xy+y2)x^3 + y^3 = (x + y)(x^2 - xy + y^2)
গ.সা.গু হলো সেই সাধারণ গুণনীয়ক বা ফ্যাক্টর, যা সকল রাশির মধ্যে বিদ্যমান। উপরের উৎপাদক বিশ্লেষণ থেকে দেখা যায়, একমাত্র (x+y)(x + y) রাশিটিই তিনটি রাশিতেই সাধারণভাবে উপস্থিত।
অতএব, নির্ণেয় গ.সা.গু হলো x+yx + y
88

 দুইটি সংখ্যার যোগফল 56, যদি সংখ্যা দুইটির অনুপাত 3 : 1 হয়, তবে সংখ্যা দুইটির গুণফল নিচের কোনটি হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 14
  2. 42
  3. 168
  4. 588

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার যোগফল 56, যদি সংখ্যা দুইটির অনুপাত 3 : 1 হয়, তবে সংখ্যা দুইটির গুণফল নিচের কোনটি হবে?

সমাধান:
ধরি,
একটি সংখ্যা 3x
অপর সংখ্যা x 

প্রশ্নমতে,
3x + x = 56
4x = 56
x = 14

একটি সংখ্যা = 42
অপর সংখ্যা = 14

সংখ্যা দুইটির গুণফল= 42 × 14 = 588

ব্যাখ্যা

প্রশ্ন অনুযায়ী, সংখ্যা দুইটির অনুপাত হলো 3:13:1। তাই আমরা সংখ্যা দুটিকে 3x3x এবং xx ধরে নিতে পারি।
তাদের যোগফল 5656 দেওয়া আছে। শর্তানুযায়ী, 3x+x=563x + x = 56, যা থেকে আমরা পাই 4x=564x = 56
xx এর মান হবে 56÷4=<strong>14</strong>56 \div 4 = <strong>14</strong>
সুতরাং, প্রথম সংখ্যাটি =3×14=<strong>42</strong>= 3 \times 14 = <strong>42</strong> এবং দ্বিতীয় সংখ্যাটি =1imes14=<strong>14</strong>= 1 imes 14 = <strong>14</strong>
সংখ্যা দুইটির গুণফল হবে 42×14=<strong>588</strong>42 \times 14 = <strong>588</strong>
বিকল্প ১৪ ও ৪২ সঠিক নয়, কারণ এগুলো গুণফল নয়, বরং সংখ্যা দুটি।
89

1 + 1/3 + 1/9 + .................. ধারাটির প্রথম ৫টি পদের সমষ্টি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 121/81
  2. 119/81
  3. 81/121
  4. -121/81

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্ন: 1 + 1/3 + 1/9 + .................. ধারাটির প্রথম ৫টি পদের সমষ্টি কত? 

সমাধান: 
এখানে 
১ম পদ a  = 1
সাধারণ অনুপাত r  = (1/3) ÷ 1
                              = 1/3

প্রথম ৫টি পদের সমষ্টি = a(1 - rn)/(1 - r )
                                    = 1{1 - (1/3)5}/{1 - 1/3}
                                    = 1{(243 - 1)/343}/(2/3)
                                    = (242/243)/(2/3)
                                    = (242/243) × (3/2)
                                    = 121/81

ব্যাখ্যা

এটি একটি গুণোত্তর ধারা (Geometric Series)। গুণোত্তর ধারার ক্ষেত্রে, যেকোনো পদের সাথে তার পূর্ববর্তী পদের অনুপাত সর্বদা সমান থাকে।
এখানে, প্রথম পদ a=<strong>1</strong>a = <strong>1</strong>
সাধারণ অনুপাত r=1/31=<strong>1/3</strong>r = \frac{1/3}{1} = <strong>1/3</strong>.
যেহেতু সাধারণ অনুপাত r<1|r| < 1 (অর্থাৎ, 1/3<11/3 < 1), তাই প্রথম nn সংখ্যক পদের সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: Sn=a(1rn)1rS_n = \frac{a(1 - r^n)}{1 - r}
এখানে, n=5n = 5, তাই আমরা বসাবো:
S5=1(1(1/3)5)11/3S_5 = \frac{1(1 - (1/3)^5)}{1 - 1/3}
S5=11/2432/3S_5 = \frac{1 - 1/243}{2/3}
S5=(2431)/2432/3=242/2432/3S_5 = \frac{(243 - 1)/243}{2/3} = \frac{242/243}{2/3}
ভাগকে গুণ আকারে লিখলে, S5=242243×32S_5 = \frac{242}{243} \times \frac{3}{2}
লঘিষ্ঠকরণ করলে, S5=12181S_5 = \frac{121}{81}
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 121/81
90

 a = √3 + √2 হলে, a3 + 3a + 3a-1 + a-3 এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8√2
  2. 16√2
  3. 18√3
  4. 24√3

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

 প্রশ্ন: a = √3 + √2 হলে, a3 + 3a + 3a- 1 + a- 3  এর মান কত?

সমাধান: 
দেয়া আছে,
a = √3 + √2
1/a = 1/(√3 + √2)
1/a = 1(√3 - √2)/(√3 + √2)(√3 - √2)
1/a = (√3 - √2)/(√3)2 - (√2)2
1/a = (√3 - √2)/(3 - 2)
1/a = (√3 - √2)

a + 1/a = √3 + √2 + √3 - √2 = 2√3

প্রদত্ত রাশি = a3 + 3a + 3a- 1 + a- 3
                  =  a3 + 1/a3 + 3a + 31/a
                   = (a + 1/a)3 - 3.a.(1/a)(a + 1/a) + 3(a + 1/a)
                    =( 2√3)3 - 0 
                    = 8 × 3√3 = 24√3

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত বীজগণিতের একটি পরিচিত ঘন নির্ণয়ের সূত্র (a+b)3(a+b)^3 এর প্রয়োগ। প্রথমে আমাদের a+a1a + a^{-1} এর মান বের করতে হবে, যেখানে a1=1aa^{-1} = \frac{1}{a}
দেওয়া আছে, a=3+2a = \sqrt{3} + \sqrt{2}
সুতরাং, a1=13+2a^{-1} = \frac{1}{\sqrt{3} + \sqrt{2}}। আমরা নিচে 32\sqrt{3} - \sqrt{2} দ্বারা গুণ করে হরকে মূলদ সংখ্যায় পরিণত করি (Rationalization):
a1=13+2×3232=32(3)2(2)2=3232=32a^{-1} = \frac{1}{\sqrt{3} + \sqrt{2}} \times \frac{\sqrt{3} - \sqrt{2}}{\sqrt{3} - \sqrt{2}} = \frac{\sqrt{3} - \sqrt{2}}{(\sqrt{3})^2 - (\sqrt{2})^2} = \frac{\sqrt{3} - \sqrt{2}}{3 - 2} = \sqrt{3} - \sqrt{2}
এখন a+a1a + a^{-1} এর মান নির্ণয় করি:
a+a1=(3+2)+(32)=3+3=<strong>23</strong>a + a^{-1} = (\sqrt{3} + \sqrt{2}) + (\sqrt{3} - \sqrt{2}) = \sqrt{3} + \sqrt{3} = <strong>2\sqrt{3}</strong>
প্রদত্ত রাশিটি হলো: a3+3a+3a1+a3a^3 + 3a + 3a^{-1} + a^{-3}। এই রাশিটিকে আমরা সাজিয়ে লিখলে পাই:
a3+3a+3a+1a3a^3 + 3a + \frac{3}{a} + \frac{1}{a^3}
আমরা জানি, (x+y)3=x3+3x2y+3xy2+y3(x+y)^3 = x^3 + 3x^2y + 3xy^2 + y^3
এখানে x=ax=a এবং y=1ay=\frac{1}{a} ধরলে, রাশিটি সরাসরি (a+1a)3(a + \frac{1}{a})^3 বা <strong>(a+a1)3<strong>(a + a^{-1})^3 এর সূত্র।
অতএব, প্রদত্ত রাশির মান = (a+a1)3=(23)3(a + a^{-1})^3 = (2\sqrt{3})^3
(23)3=23×(3)3=8×(33)=<strong>243(2\sqrt{3})^3 = 2^3 \times (\sqrt{3})^3 = 8 \times (3\sqrt{3}) = <strong>24\sqrt{3}
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা a+a1a + a^{-1} এর সঠিক ঘনফল (Cube) উপস্থাপন করে না।
91

 ax = b, by = c, cz = a হলে, নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. x+y+z=ax + y + z = a
  2. xyz=axyz = a
  3. b=ayzb = a^{yz}
  4. a=axyza = a^{xyz}

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন: ax = b, by = c, cz = a  হলে, নিচের কোন সম্পর্কটি সঠিক?

সমাধান: 
দেয়া আছে 
ax = b, by = c, cz = a 

এখানে,
cz = a 
( by)z = a 
byz = a
(ax)yz = a
axyz = a
a = axyz 

ব্যাখ্যা

এটি সূচক সম্পর্কিত একটি চেইন প্রতিস্থাপন (Chain Substitution) সমস্যা। আমরা প্রদত্ত সমীকরণগুলি ব্যবহার করে aa এর সাথে aa এর সম্পর্ক স্থাপন করব।
দেওয়া আছে:
1. ax=ba^x = b
2. by=cb^y = c
3. cz=ac^z = a
আমরা শেষ সমীকরণ (cz=ac^z = a) থেকে শুরু করি।
ধাপ ১: cc এর মান (byb^y) বসিয়ে পাই:
(by)z=a(b^y)^z = a
byz=a\Rightarrow b^{yz} = a
ধাপ ২: এবার bb এর মান (axa^x) বসিয়ে পাই:
(ax)yz=a(a^x)^{yz} = a
ধাপ ৩: সূচকের গুণনের সূত্র ((am)n=amn (a^m)^n = a^{mn} ) ব্যবহার করে পাই:
axyz=a\Rightarrow a^{x \cdot y \cdot z} = a
সুতরাং, সঠিক সম্পর্কটি হলো a=axyza = a^{xyz}। এটি বিকল্প (3)-এ আছে।
92

 √m + 1/√m = 2 হলে, √m - 1/√m = কত? 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 0
  2. 2\sqrt{2}
  3. 2
  4. 4

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্ন: √m + 1/√m = 2 হলে, √m - 1/√m = কত? 

সমাধান: 
দেয়া আছে,
√m + 1/√m = 2 

আমরা জানি,
(√m - 1/√m)2 =(√m + 1/√m)2 - 4.√m . (1/√m)
                        = 22 - 4 
                         = 0

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সমাধানের জন্য বীজগণিতের অনুসিদ্ধান্তের সরাসরি প্রয়োগ করতে হবে। আমরা জানি, দুটি রাশির যোগফল ও বিয়োগফলের বর্গের মধ্যে সম্পর্কযুক্ত সূত্রটি হলো: (ab)2=(a+b)24ab (a-b)^2 = (a+b)^2 - 4ab
এখানে, রাশি দুটি হলো a=ma = \sqrt{m} এবং b=1/mb = 1/\sqrt{m}
প্রদত্ত মান: m+1/m=2\sqrt{m} + 1/\sqrt{m} = 2
সূত্র প্রয়োগ করে পাই:
(m1/m)2=(m+1/m)24m(1/m) (\sqrt{m} - 1/\sqrt{m})^2 = (\sqrt{m} + 1/\sqrt{m})^2 - 4 \cdot \sqrt{m} \cdot (1/\sqrt{m})
মান বসিয়ে পাই: (2)241 (2)^2 - 4 \cdot 1
=44=0= 4 - 4 = 0
যেহেতু (m1/m)2=0(\sqrt{m} - 1/\sqrt{m})^2 = 0, তাই বর্গমূল করলে m1/m=0\sqrt{m} - 1/\sqrt{m} = 0 হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 0
93

 মুনাফার হার ৮% হলে, ৫০০ টাকার ৪ বছরের মুনাফা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩২ টাকা
  2. ১৬০ টাকা
  3. ৪০ টাকা
  4. ২০ টাকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন: মুনাফার হার ৮% হলে, ৫০০ টাকার ৪ বছরের মুনাফা কত?

সমাধান: 
১০০ টাকার ১ বছরের মুনাফা ৮ টাকা 
১ টাকার ১ বছরের মুনাফা ৮/১০০ টাকা 
৫০০ টাকার ৪ বছরের মুনাফা (৮ × ৫০০ × ৪)/১০০ টাকা 
                                             = ১৬০ টাকা

ব্যাখ্যা

এটি সরল মুনাফার একটি সরাসরি প্রশ্ন। সরল মুনাফা (Simple Interest) নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত সূত্রটি হলো: I=Prn100I = \frac{Prn}{100}
এখানে, আসল বা মূলধন (P) = ৫০০ টাকা, মুনাফার হার (r) = ৮%, এবং সময় (n) = ৪ বছর
সূত্রে মান বসিয়ে পাই: মুনাফা I=৫০০××১০০I = \frac{৫০০ \times ৮ \times ৪}{১০০} টাকা।
গণনা করলে, $I = ৫ \times ৮ \times ৪ = ১৬০ টাকা
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১৬০ টাকা
94

 ক্রয়মূল্য ৩৫০ টাকা হলে, ১২% লাভে বিক্রয়মূল্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১২ টাকা
  2. ৩৬২ টাকা
  3. ৩৯২ টাকা
  4. ৩৮৬ টাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রশ্ন: ক্রয়মূল্য ৩৫০ টাকা হলে, ১২% লাভে বিক্রয়মূল্য কত?

সমাধান
১২% লাভে
ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১২) = ১১২ টাকা 
ক্রয়মূল্য ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১২/১০০ টাকা 
ক্রয়মূল্য ৩৫০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১১২ × ৩৫০)/১০০ টাকা 
                                                        = ৩৯২ টাকা

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি লাভ-ক্ষতি সংক্রান্ত। লাভ বা ক্ষতি সবসময় ক্রয়মূল্যের (Cost Price - CP) উপর হিসাব করা হয়।
যেহেতু ১২% লাভ হয়েছে, এর অর্থ হলো, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য হবে (১০০ + ১২) = ১১২ টাকা
ঐকিক নিয়মে, ক্রয়মূল্য ৩৫০৩৫০ টাকা হলে, বিক্রয়মূল্য হবে:
textবিক্রয়মূল্য=textক্রয়মূল্যtimesfrac(১০০+textলাভেরহার)১০০\\text{বিক্রয়মূল্য} = \\text{ক্রয়মূল্য} \\times \\frac{(১০০ + \\text{লাভের হার})}{১০০}
মান বসালে পাই: ৩৫০timesfrac(১০০+১২)১০০=৩৫০timesfrac১১২১০০৩৫০ \\times \\frac{(১০০ + ১২)}{১০০} = ৩৫০ \\times \\frac{১১২}{১০০}
সহজ করে গুণ করলে, $৩.৫ \\times ১১২ = ৩৯২ টাকা। তাই সঠিক উত্তরটি হলো ৩৯২ টাকা
অন্য অপশনগুলো ভুল: ১১২ টাকা হলো ১০০১০০ টাকার পণ্যে ১২%১২\% লাভে বিক্রয়মূল্য, যা ৩৫০৩৫০ টাকার বিক্রয়মূল্য নয়।
95

 লাভক্ষতির হিসাবে- 

i) লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায় 

ii) ২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে, ক্ষতির পরিমাণ ১০ টাকা 

iii) ১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৫১০ টাকা

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. i
  2. ii
  3. iii
  4. i,ii,iii

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্ন: লাভক্ষতির হিসাবে-
 i) লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায়
ii) ২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে, ক্ষতির পরিমাণ ১০ টাকা
iii) ১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৫১০ টাকা

সমাধান: 
সঠিক উত্তর : ক 
লাভক্ষতির হিসাবে- 
i) লাভ বা ক্ষতিকে শতকরায় প্রকাশ করা যায় (সঠিক)

ii) ২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে, ক্ষতির পরিমাণ ১০ টাকা
১০% ক্ষতি  হলে 
১০০ টাকায় ক্ষতি হয় = ১০ টাকা 
১ টাকায় ক্ষতি হয় = ১০/১০০ টাকা 
২০০ টাকায় ক্ষতি হয় = (১০ × ২০০)/১০০ টাকা 
                                 = ২০ টাকা 

iii) ১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৫১০ টাকা

১০% লাভে
ক্রয়মূল্য  ১০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = (১০০ + ১০) টাকা = ১১০ টাকা 
ক্রয়মূল্য  ১ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১০/১০০ টাকা 
ক্রয়মূল্য ৫০০ টাকা হলে বিক্রয়মূল্য = ১১০ × ৫০০/১০০ টাকা 
                                                         = ৫৫০ টাকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো i। লাভ-ক্ষতির অঙ্কগুলিতে শুধুমাত্র প্রথম বিবৃতিটিই সঠিক।
বিবৃতি i (সঠিক): লাভ বা ক্ষতিকে সর্বদা শতকরায় প্রকাশ করা যায়। এই শতকরা সাধারণত ক্রয়মূল্যের (Cost Price) উপর ভিত্তি করে গণনা করা হয়।
বিবৃতি ii (ভুল): ২০০ টাকায় ১০% ক্ষতি হলে ক্ষতির পরিমাণ ১০ টাকা নয়।
ক্ষতি = ২০০ টাকার ১০% = ২০০×১০১০০=<strong>২০২০০ \times \frac{১০}{১০০} = <strong>২০ টাকা।
বিবৃতি iii (ভুল): ১০% লাভে ৫০০ টাকার পণ্যের বিক্রয়মূল্য ৫১০ টাকা নয়।
বিক্রয়মূল্য = ক্রয়মূল্য + লাভ।
লাভ = ৫০০ টাকার ১০% = ৫০০×১০১০০=<strong>৫০৫০০ \times \frac{১০}{১০০} = <strong>৫০ টাকা।
সুতরাং, বিক্রয়মূল্য = ৫০০+৫০=<strong>৫৫০৫০০ + ৫০ = <strong>৫৫০ টাকা।
96

৭ জন লোক একদিনে একটি কাজের ১/৭ অংশ করে। ৭ দিনে একজন লোক ঐ কাজের কত অংশ করতে পারবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১/৪৯ অংশ
  2. ১/১৪ অংশ
  3. ১/৭ অংশ
  4. সম্পূর্ণ কাজ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রশ্ন: ৭ জন লোক একদিনে একটি কাজের ১/৭ অংশ করে। ৭ দিনে একজন লোক ঐ কাজের কত অংশ করতে পারবে?

সমাধান: 
৭ জন লোক ১ দিনে করে ১/৭ অংশ কাজ 
১ জন লোক ১ দিনে করে ১/ ৭ × ৭ অংশ কাজ 
১ জন লোক ৭ দিনে করে ৭/( ৭ × ৭) অংশ কাজ
                                      = ১/৭ অংশ কাজ

ব্যাখ্যা

এটি ঐকিক নিয়মের (Unitary Method) একটি সরল অংক। লোক সংখ্যা এবং দিনের সংখ্যার সাথে কাজের পরিমাণের সম্পর্ক নির্ণয় করে সমাধান করতে হবে।
ধাপ ১: ১ জন লোক ১ দিনে কতটুকু কাজ করে?
৭ জন লোক ১ দিনে কাজ করে = ১/৭ অংশ
সুতরাং, ১ জন লোক ১ দিনে কাজ করবে = (১/৭) ÷ ৭ = ১/৪৯ অংশ কাজ। (লোক সংখ্যা কমলে কাজের পরিমাণ আনুপাতিক হারে কমবে।)
ধাপ ২: ৭ দিনে ১ জন লোক কতটুকু কাজ করবে?
১ জন লোক ১ দিনে কাজ করে = ১/৪৯ অংশ
সুতরাং, ১ জন লোক ৭ দিনে কাজ করবে = (১/৪৯) × ৭ = ৭/৪৯ অংশ কাজ।
ধাপ ৩: সরলীকরণ
কাজটির পরিমাণ = ৭/৪৯ = ১/৭ অংশ
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১/৭ অংশ
অনেকেই ভুলবশত /৪৯১/৪৯ অংশকে উত্তর মনে করেন, যা কেবলমাত্র ১ জন লোক ১ দিনে করে থাকে।
97

২৫ : ৮১ দ্বিভাজিত অনুপাত কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮১ : ২৫
  2. ৫ : ৯
  3. ২৫/২ : ৮১/২
  4. ৯ : ৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রশ্ন: ২৫ : ৮১ দ্বিভাজিত অনুপাত কোনটি?

সমাধান: 
দ্বিভাজিত অনুপাত: কোন অনুপাতের পূর্ব ও উত্তর রাশির বর্গমূলের অনুপাতকে তার দ্বিভাজিত অনুপাত বলা হয় 
২৫ : ৮১ দ্বিভাজিত অনুপাত =√২৫ : √৮১ = ৫ : ৯

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি অনুপাত-সংক্রান্ত একটি মৌলিক ধারণা, যা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় প্রায়ই আসে।
দ্বিভাজিত অনুপাত (Sub-duplicate Ratio) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, কোনো অনুপাতের পূর্ব রাশি এবং উত্তর রাশির বর্গমূলের অনুপাতকে তার দ্বিভাজিত অনুপাত বলা হয়।
প্রদত্ত অনুপাত: ২৫:৮১২৫ : ৮১
সুতরাং, দ্বিভাজিত অনুপাত হবে পূর্ব রাশি ২৫ এর বর্গমূল এবং উত্তর রাশি ৮১ এর বর্গমূলের অনুপাত।
sqrt২৫:sqrt৮১=:\\sqrt{২৫} : \\sqrt{৮১} = ৫ : ৯
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৫ : ৯
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: ৮১:২৫৮১ : ২৫ হলো প্রদত্ত অনুপাতটির ব্যস্ত অনুপাত (Inverse Ratio)।
98

 ১/৪, ৩/১৬, ৯/২০ এর সাধারণ গুণিতক নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১/৪
  2. ৪/৯
  3. ৯/২০
  4. ৯/৪

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন: ১/৪, ৩/১৬, ৯/২০ এর সাধারণ গুণিতক নিচের কোনটি?

সমাধান:
এখানে,
১,৩,৯ এর ল.সা.গু = ৯
৪,১৬,২০ এর গ.সা.গু = ৪

১/৪, ৩/১৬, ৯/২০ এর সাধারণ গুণিতক = ৯/৪

ব্যাখ্যা

ভগ্নাংশের সাধারণ গুণিতক বা ল.সা.গু (Least Common Multiple) নির্ণয়ের একটি নির্দিষ্ট সূত্র রয়েছে। এই সূত্র অনুযায়ী, কোনো ভগ্নাংশের ল.সা.গু হলো—
(ভগ্নাংশগুলোর লবগুলোর ল.সা.গু / হরগুলোর গ.সা.গু) ।
এখানে ভগ্নাংশগুলো হলো: /,/১৬,/২০১/৪, ৩/১৬, ৯/২০
১. লবগুলোর ল.সা.গু: লব হলো ১, ৩, ৯। এদের ল.সা.গু হলো
২. হরগুলোর গ.সা.গু: হর হলো ৪, ১৬, ২০। এদের গ.সা.গু হলো সেই বৃহত্তম সংখ্যা যা ৪, ১৬ এবং ২০ কে ভাগ করতে পারে, যা হলো
সুতরাং, সাধারণ গুণিতক বা ল.সা.গু হবে: \frac{৯}{৪}
বিকল্পগুলোর মধ্যে ৯/৪ সঠিক উত্তর, যা বিকল্প -তে রয়েছে।
99

১৫০ এর ১০% কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1.5
  2. 150
  3. 10
  4. 15

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্ন: ১৫০ এর ১০% কত?

সমাধান:
১৫০ এর ১০%
= ১৫০ এর ১০/১০০
= ১৫

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি শতকরা (Percentage) নির্ণয়ের একটি মৌলিক ধারণা। শতকরা মানে হলো প্রতি ১০০-এর মধ্যে কত। তাই, ১০% মানে হলো 10÷10010 \div 100
১৫০ এর ১০% নির্ণয়ের জন্য আমরা ১৫০ কে 10100\frac{10}{100} দ্বারা গুণ করব।
গণনা পদ্ধতি: 150×10100150 \times \frac{10}{100}
আমরা সহজেই লব ও হরের শূন্যগুলো কেটে দিতে পারি: 150×110=15150 \times \frac{1}{10} = 15
সঠিক উত্তর হলো ১৫
অন্যান্য বিকল্প ভুল: ১.৫ হলো ১৫০ এর ১%, এবং ১০ হলো শুধু শতকরা হারটি, ফলাফল নয়।
100

১৯৫২ সাল বাংলাদেশের ইতিহাসে যে জন্য বিখ্যাত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুক্তিযুদ্ধ
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. গণঅভ্যুত্থান
  4. আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাঙালির ‍মুক্তি সংগ্রামের প্রথম ঘটনা হলো ভাষা আন্দোলন। 
- ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়েই বাঙালি জাতীয়তাবোধের উন্মেষ ঘটে।
- ভাষার আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ১৯৪৭ সালে এবং চূড়ান্ত রূপ লাভ করে ১৯৫২ সালে।
 
উৎস : বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় : নবম-দশম শ্রেণী

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাষা আন্দোলন
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানে রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে ছাত্র জনতা আন্দোলন করে। এই দিন পুলিশের গুলিতে সালাম, বরকত, রফিক, জব্বারসহ অনেকে শহীদ হন। তাই ১৯৫২ সাল ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপের জন্য বিখ্যাত।
অন্যান্য সালগুলিও গুরুত্বপূর্ণ:
  • মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৭১ সালে
  • গণঅভ্যুত্থান সংঘটিত হয় ১৯৬৯ সালে
  • আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয় ১৯৬৮ সালে

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

NTRCA (Teacher Registration) প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “10th(2)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

কেন NTRCA (Teacher Registration)-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 10th(2) (2014) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

10th(2) (2014) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার 10th(2) (2014) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।