clouds' is-","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: a day dreamer Have one’s head in the clouds English Meaning: (of a person) out of touch with reality / daydreaming. Bangla Meaning: পরিস্থিতি সম্পর্কে পুর্ণ ধারণা না রাখা / আকাশ কুসুম কল্পনা। Ex. Sentence: He's always got his head in the clouds. Bangla Meaning: সে সর্বদাই দিবা-স্বপ্নে বিভোর থাকে। সুতরাং A person whose head is in the clouds is - day dreamer. প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Idiom (বাগধারা) থেকে এসেছে। বাগধারাটি হলো 'Have one’s head in the clouds' । এই বাগধারাটির অর্থ হলো: বাস্তবে মনোযোগ না দিয়ে সবসময় দিবাস্বপ্ন (daydreaming) দেখা বা অবাস্তব কল্পনা করা (Out of touch with reality)। বাংলায় এর অর্থ— আকাশ কুসুম কল্পনা করা। সুতরাং, 'A person whose head is in the clouds' বলতে বোঝায় এমন একজনকে যিনি সবসময় দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকেন, অর্থাৎ 'a day dreamer' । অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'proud' (গর্বিত), 'an aviator' (বিমানচালক) — এই বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে সরাসরি স"}}},{"@type":"ListItem","position":47,"item":{"@type":"Question","name":"
I do not think you will have any difficulty ___ a driving license.
","text":"
I do not think you will have any difficulty ___ a driving license.
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: in getting Difficulty (noun) - the fact of not being easy to do or understand অর্থাৎ কোনো কিছু করা কষ্টকর বোঝানোর জন্য difficulty in ব্যবহৃত হয় এবং নিয়মানুযায়ী difficulty in এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। যেমন: difficulty in breathing, difficulty in learning etc. তাই সঠিক অপশনটি হবে - in getting. Complete sentence: I do not think you will have any difficulty i n getting a driving license. সঠিক উত্তর হলো: in getting (Option B)। কারণ, difficulty (অসুবিধা বা কষ্ট) শব্দটি যখন কোনো কাজ সম্পাদনে বাধা বোঝায়, তখন এটি একটি নির্দিষ্ট Prepositional Structure মেনে চলে। নিয়মটি হলো: difficulty + in + Gerund (V+ing) । এখানে difficulty একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, এবং এরপর অবশ্যই সঠিক preposition in এবং verb-এর Gerund রূপ (getting) বসবে। অন্যান্য অপশন যেমন 'to get' (Infinitive) বা 'get' (Base form) ব্যবহারের গ্রামাটিক্যাল সুযোগ নেই, এবং 'for getting' অপশনটি ভুল কারণ 'difficulty' এর সাথে"}}},{"@type":"ListItem","position":48,"item":{"@type":"Question","name":"
I decided to go ___ with my friend as I needed some exercise.
","text":"
I decided to go ___ with my friend as I needed some exercise.
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: for a walk Go for a walk অর্থ হাঁটতে যাওয়া। তাই শূন্যস্থানে for a walk বসালেই বাক্যটি শুদ্ধ হবে। সম্পূর্ণ বাক্য - I decided to go for a walk with my friend as I needed some exercise. এই বাক্যে একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজ (Fixed Phrase) ব্যবহার করতে হবে। ইংরেজিতে 'হাঁটতে যাওয়া' বোঝাতে স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ হলো 'Go for a walk' । 'Go for a walk' বাক্যাংশটি একটি রিক্রিয়েশনাল বা স্বল্পকালীন কার্যকলাপ বোঝায়। বাক্যের ভাবার্থ অনুযায়ী (ব্যায়ামের জন্য হাঁটা দরকার), শূন্যস্থানে 'for a walk' বসালেই বাক্যটি সম্পূর্ণ ও শুদ্ধ হবে। অন্যান্য অপশন যেমন 'to a walk' অথবা 'for walking' এই প্রেক্ষাপটে ব্যাকরণগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বা ফ্রেজের ভুল প্রয়োগ।"}}},{"@type":"ListItem","position":49,"item":{"@type":"Question","name":"
If I had known you were coming -
","text":"
If I had known you were coming -
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: I would have gone to the station If + Sub + Present perfect = 3rd conditional. যেহেতু sentence টি 3rd conditional তাই এর ২য় clause এ - Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension হবে। Structure: If + Sub + Present perfect + Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension. সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - I would have gone to the station. Complete Sentence: If I had known you were coming, I would have gone to the station. এটি একটি Conditional Sentence (শর্তসাপেক্ষ বাক্য) এর উদাহরণ। প্রথম ক্লজটি (Subordinate Clause) লক্ষ্য করুন: If I had known you were coming । এই অংশে Past Perfect Tense (Subject + had + V3) ব্যবহার করা হয়েছে। যদি 'If' যুক্ত ক্লজে Past Perfect Tense থাকে, তবে বাক্যটি Third Conditional (তৃতীয় শর্ত) হিসেবে বিবেচিত হয়। এই শর্তটি এমন কাজ বোঝায় যা অতীতে ঘটেনি এবং এখন তা পরিবর্তন করা অসম্ভব। Third Conditional-এর মেইন ক"}}},{"@type":"ListItem","position":50,"item":{"@type":"Question","name":"
Which is the correct sentence?
","text":"
Which is the correct sentence?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: Each boy and each girl has a pen. Each boy and each girl has a pen - is the correct sentence. - Each যুক্ত দুইটি noun/pronoun কে and দ্বারা connect করল বা And দ্বারা যুক্ত দুটি noun এর পূর্বে each থাকলে verb singular হয়। - Each হচ্ছে distributive pronoun যা প্রত্যেক কে আলাদা করে বোঝায়। সঠিক উত্তর হলো: Each boy and each girl has a pen. (অপশন ৩) এটি Subject-Verb Agreement (SVA) এর একটি মৌলিক নিয়ম। যখন দুটি Singular Noun কে 'and' দ্বারা যুক্ত করা হয়, এবং তাদের প্রত্যেকের আগে যদি 'Each' বা 'Every' শব্দটি থাকে, তখন Subject টি দেখতে Plural মনে হলেও Verb টি অবশ্যই Singular হবে। এখানে, 'Each boy and each girl' দ্বারা প্রতিটি ছেলে এবং প্রতিটি মেয়েকে আলাদাভাবে (distributively) বোঝানো হয়েছে, তাই Singular Verb 'has' ব্যবহার করতে হবে। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা Plural Verb (have, are having) ব্যবহার করেছে, যা এই নিয়মের পরিপন্থী।"}}},{"@type":"ListItem","position":51,"item":{"@type":"Question","name":"
বরেন্দ্র বলতে বুঝায় কোনটি?
","text":"
বরেন্দ্র বলতে বুঝায় কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: উত্তর বঙ্গ • বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী উত্তর বঙ্গের প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের সঙ্গে সমবিস্তৃত একটি প্রাচীন ভৌগোলিক অঞ্চল, যা প্লিস্টোসিন যুগীয় ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত। - বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। - কানিংহাম বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাই অঞ্চলের মধ্যবর্তী ভূভাগ নির্দিষ্ট করেন। - তবকাত-ই-নাসিরীতে বারিন্দকে গঙ্গার পূর্ব দিকে লখনৌতি রাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সূত্র: বাংলাপিডিয়া সঠিক উত্তরটি হলো উত্তর বঙ্গ । প্রাচীন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল হলো বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী। ঐতিহাসিকভাবে বরেন্দ্র জনপদটি ছিল প্রধানত উত্তর বঙ্গের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। এটি মূলত বর্তমান রাজশাহী , চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, এবং দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল। বরেন্দ্র অঞ্চলটি ছিল প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রের একটি অংশ এবং প্লিস্টোসিন যুগের ভূগঠন বা"}}},{"@type":"ListItem","position":52,"item":{"@type":"Question","name":"
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
","text":"
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: বাইগার • বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। • বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইয়ে তাঁর গ্রাম নিয়ে লিখেছেন, ‘বাইগার নদীর তীর ঘেঁষে ছবির মতো সাজানো সুন্দর একটি গ্রাম। সে গ্রামটির নাম টুঙ্গিপাড়া। বাইগার নদী এঁকে বেঁকে গিয়ে মিশেছে মধুমতি নদীতে। এই মধুমতি নদীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।’ সূত্র: শেখ মুজিব আমার পিতা গ্রন্থ। সঠিক উত্তর হলো বাইগার নদী। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া গ্রামটি সরাসরি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর রচিত ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে টুঙ্গিপাড়া হলো সেই গ্রাম যা ‘ বাইগার নদীর তীর ঘেঁষে ছবির মতো সাজানো’ রয়েছে। বিকল্পগুলোতে থাকা মধুমতি নদীটি ভুল উত্তর, যদিও বাইগার নদীটি পরবর্তীতে মধুমতি নদীতে মিশেছে। প্রশ্নে গ্রামটি ঠিক কোন নদীর তীরে অবস্থিত জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর বাইগার ।"}}},{"@type":"ListItem","position":53,"item":{"@type":"Question","name":"
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
","text":"
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 11 • বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি। - মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন। - তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের বীর উত্তম। - ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়। সূত্র: কুড়িগ্রাম জেলার ওয়েবসাইট সঠিক উত্তরটি হলো ১১ নং সেক্টর । তারামন বিবি ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে অন্যতম। তিনি মূলত ১১ নং সেক্টরের অধীনে কুড়িগ্রামের শংকর মাধবপুর এলাকায় যুদ্ধ করেছিলেন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল মেঘালয়ের তুরা এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান (অল্প সময়ের জন্য), এবং পরবর্তীতে প্রধানত মেজর আবু তাহের বীর উত্তম । অপশনের অন্যান্য সেক্টরগুলো (৮, ৯, ১০) ভিন্ন অঞ্চলকে নির্দেশ করে। যেমন, ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ-সেক্টর, যার"}}},{"@type":"ListItem","position":54,"item":{"@type":"Question","name":"
পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?
","text":"
পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ফরমিক এসিড - মৌমাছি, পিঁপড়া কামড় দিলে জ্বলে, ফুলে যায় কারণ এদের কামড়ে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়। - ফরমিক অ্যাসিড এর সংকেত H-COOH উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী সঠিক উত্তর হলো: ফরমিক এসিড । পিঁপড়া বা মৌমাছি যখন কামড়ায় বা হুল ফোটায়, তখন তাদের বিষথলি থেকে আমাদের ত্বকের নিচে ফরমিক এসিড (Formic Acid) প্রবেশ করে। এই এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H-COOH । এই এসিডটিই জ্বালা-যন্ত্রণা, লাল হওয়া এবং ফুলে যাওয়ার প্রধান কারণ। ফরমিক এসিডের অপর নাম মিথানয়িক এসিড (Methanoic Acid) । অন্যান্য এসিডগুলি ভুল কারণ: - অক্সালিক এসিড: সাধারণত টমেটো, পালংশাক বা চায়ের মধ্যে পাওয়া যায়। - সাইট্রিক এসিড: লেবু, কমলালেবুসহ বিভিন্ন টকজাতীয় ফলে পাওয়া যায়।"}}},{"@type":"ListItem","position":55,"item":{"@type":"Question","name":"
বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার কোনটি?
","text":"
বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: বাংলা একাডেমি পুরষ্কার • বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার। - বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। - ১৯৬০ সালে এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। - বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। - প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। - প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন। • স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার - স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। - মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে। সূত্র: বাংলা একাডেমি ও বাংলাপিডিয়া সঠিক উত্তর হলো: বাংলা একাডেমি পুরস্কার । এটি"}}},{"@type":"ListItem","position":56,"item":{"@type":"Question","name":"
দহগ্রাম ছিটমহলটি কোন জেলার অর্ন্তগত?
","text":"
দহগ্রাম ছিটমহলটি কোন জেলার অর্ন্তগত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: লালমনিরহাট • লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। - এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত। - ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়। সূত্র: লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট সঠিক উত্তর হলো লালমনিরহাট । দহগ্রাম ছিটমহল এবং এর সাথে যুক্ত আঙ্গরপোতা ছিটমহলটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত ছিল। ঐতিহাসিকভাবে, এই ছিটমহলটি ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত ছিল। ছিটমহলটি বর্তমানে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে 'তিন বিঘা করিডোর' নামক প্যাসেজ ডোরটির মাধ্যমে।"}}},{"@type":"ListItem","position":57,"item":{"@type":"Question","name":"
রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
","text":"
রাশিয়ার মুদ্রার নাম কী?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: রুবল • রাশিয়ার মুদ্রার নাম রুবল । - রিংগিত মালেশিয়ার মুদ্রার নাম। - লিরা তুরস্কের মুদ্রার নাম। - সুইডেনের মুদ্রার নাম সুইডিশ ক্রোনা। সূত্র: ব্রিটানিকা সঠিক উত্তর হলো রুবল । রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ এবং এর সরকারি মুদ্রার নাম রাশিয়ান রুবল (Russian Ruble) । অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো: - রিংগিত: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার মুদ্রা। - লিরা: এটি প্রধানত তুরস্কের মুদ্রা (Turkish Lira)। - ক্রোনা: এটি সুইডেন (Swedish Krona) সহ উত্তর ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের মুদ্রা।"}}},{"@type":"ListItem","position":58,"item":{"@type":"Question","name":"
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
","text":"
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: পতঙ্গবাহিত চিকনগুনিয়া পতঙ্গবাহিত রোগ। চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী। চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে। লক্ষণ- সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। চিকিৎসা- চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই"}}},{"@type":"ListItem","position":59,"item":{"@type":"Question","name":"
বাংলা নববর্ষে পহলে বৈশাখ চালু করেন?
","text":"
বাংলা নববর্ষে পহলে বৈশাখ চালু করেন?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: আকবর • কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)। - হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়। সূত্র: বাংলাপিডিয়া সঠিক উত্তর হলো: আকবর । বাংলা নববর্ষ এবং পহেলা বৈশাখ মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল। সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন। তবে এই নতুন সন কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে, যা ছিল ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ । অন্যান্য অপশন: লক্ষ্মন সেন এবং বিজয় সেন ছিলেন সেন বংশের শাসক। ইলিয়াস শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতান। এদের কেউই বাংলা সন প্রবর্তনের সাথে যুক্ত ছিলেন না।"}}},{"@type":"ListItem","position":60,"item":{"@type":"Question","name":"
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?
","text":"
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: লর্ড কার্জন • লর্ড কার্জন (১৮৯৮-১৯০৫) ভাইসরয় থাকাকালীন সময়ে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়। - রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দিলিতে তাঁর রাজ্যাভিষেক দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করা। - বিভক্তির আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ও বাংলার পুনরেকত্রীকরণের দিন ধার্য হয় ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল। সূত্র: বাংলাপিডিয়া সঠিক উত্তর হলো: লর্ড কার্জন । ভাইসরয় লর্ড কার্জন -এর শাসনকাল (১৮৯৮-১৯০৫) চলাকালীন সময়ে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়। তাঁর এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা এবং 'ভাগ করো ও শাসন করো' (Divide and Rule) নীতিকে জোরদার করা। অন্যান্য জনপ্রিয় অপশনগুলো ভুল, কারণ: - লর্ড হার্ডিঞ্জ: তিনি বঙ্গভঙ্গ রদ করার সময় (১৯১১) ভারতের ভাইসরয় ছিলেন। - লর্ড ক্যানিং: তিনি সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭) এবং প্রথম ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য পরিচিত। - লর্ড ওয়েলেসলী: তিনি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি (Subsidiary Alliance) প্রবর্তনের জন্য বিখ্যাত।"}}},{"@type":"ListItem","position":61,"item":{"@type":"Question","name":"
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?
","text":"
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ২১টি • ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে। - উল্লেখ্য, যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা। এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। - যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল। সূত্র: বাংলাপিডিয়া সঠিক উত্তর হলো ২১টি । ১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট (United Front) একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে। এটিই ছিল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার। এই ২১ দফার ভিত্তিতেই যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা আইনসভার নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। এই ২১ দফা ছিল মূলত পূর্ব বাংলার মানুষে"}}},{"@type":"ListItem","position":62,"item":{"@type":"Question","name":"
মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন?
","text":"
মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 1969 • ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে। • ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। • ১৯৬৯ সালে ৫ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আওয়ামী লীগের এক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ’। সূত্র: mujib100.gov.bd সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৯ সাল । ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। এই সমাবেশে লাখো জনতার উপস্থিতিতে তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ (কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে) শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন। অন্যান্য সালগুলো এই ঘটনার সাথে সরা"}}},{"@type":"ListItem","position":63,"item":{"@type":"Question","name":"
বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
","text":"
বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: সিলেট • বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। - মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়। - সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়। সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলার ওয়েবসাইট। সঠিক উত্তরটি হলো সিলেট । বাংলাদেশে মণিপুরী আদিবাসী সম্প্রদায় প্রধানত বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এই অঞ্চলে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল এবং সিলেট শহরের আশেপাশে তাদের জনবসতি বেশি দেখা যায়। মণিপুরী নাচ বা মণিপুরী নৃত্যকলা তাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা প্রধানত ধর্মীয় উৎসব, বিশেষ করে রাসলীলা উপলক্ষে পরিবেশন করা হয়। সুতরাং, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্য বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অন্য অঞ্চলগুলি (যেমন: ময়মনসিংহ, রাজশাহী) সাধারণত গারো, সাঁওতাল বা অন্যান্য আদিবাসী গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নাচের জন্য পরিচিত।"}}},{"@type":"ListItem","position":64,"item":{"@type":"Question","name":"
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
","text":"
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: হৃৎপিন্ডের রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়। স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে । আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়। হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে। হার্ট ব্লক: হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে । হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ"}}},{"@type":"ListItem","position":65,"item":{"@type":"Question","name":"
নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
","text":"
নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: দুধ - শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য দুধ অপরিহার্য। দুধ পুষ্টিকর খাদ্যসমূহের অন্যতম। - পুষ্টিগুণের বিবেচনায় এটি আদর্শ খাদ্য। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ক্লোরিন) ও পানি খাদ্যের সকল উপাদানই দুধে বিদ্যমান। - দুধের গড় উপাদানে আছে ৮৭.৬% পানি, ৩.৭% চর্বি, ৩.২% প্রোটিন, ৪.২% ল্যাকটোজ ও ০.৭২% খনিজ, ভিটামিন বি-১২ (২৬.১%)। - একশ মিলিলিটার দুধ থেকে ৬৫.৩ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। - এছাড়া দুধে আয়রনের পরিমাণ ০.২৭ মিলিগ্রাম। সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট, National Library of Medicine. সঠিক উত্তর হলো: দুধ । দুধকে আদর্শ খাদ্য বলার প্রধান কারণ হলো—এতে খাদ্যের সকল উপাদান (প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ ও পানি) সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান । এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে নবজাতক ও শিশুদের জন্য। ভাত মূলত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট), যা দ্রুত শক্তি যোগায়। এটি আদর্শ খাদ্য নয় কারণ এতে প্রোটিন ও ফ্যাটের অভাব থাকে। মাছ প্"}}},{"@type":"ListItem","position":66,"item":{"@type":"Question","name":"
ভারী পানির সংকেত কোনটি?
","text":"
ভারী পানির সংকেত কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: D₂O - পানির সংকেত হলো H 2 O এবং ভারি পানির সংকেত হলো D 2 O। - পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন। - ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। - প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়। সূত্রঃ মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি। সঠিক উত্তর হলো: D₂O । ভারী পানি (Heavy Water) হলো হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (Deuterium - D) এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত যৌগ। সাধারণ পানিতে হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম - H) ব্যবহার হলেও ভারী পানিতে হাইড্রোজেনের পরিবর্তে তুলনামূলক ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ব্যবহৃত হয়। তাই এর সংকেত D₂O । সাধারণত পানির সংকেত হলো H₂O , যা প্রোটিয়াম (H) এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: H₂SO₄ হলো সালফিউরিক অ্যাসিড এবং NH₄ হলো অ্যামোনিয়াম মূলক।"}}},{"@type":"ListItem","position":67,"item":{"@type":"Question","name":"
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
","text":"
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ইন্টারনেট কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে। ইন্টারনেট এর ব্যবহার : ১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা । ২. তথ্য সংরক্ষণ করা। ৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা। ৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। ৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। ৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। ৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি। সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়। কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে বা একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে বিশ্বব্যাপী জালিকা ব্যবহৃত হয়, তাকেই ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়। এটি হল Interconnected Network -এর সংক্ষিপ্ত রূপ। ইন্টারনেট হলো বিশ্বের কোটি কোটি কম্পিউটার, সার্ভার এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ইন্টারনেট । অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন: ইন্টারকম হলো একটি বদ্ধ স্থানে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্য"}}},{"@type":"ListItem","position":68,"item":{"@type":"Question","name":"
মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
","text":"
মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: মেহেরপুর • মুজিব নগর বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। • ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রসিদ্ধ বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের হেডকোয়াটার্স স্থাপিত হয়। - ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের সাথে মিল রেখে এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর। সূত্র: মেহেরপুর জেলার ওয়েবসাইট সঠিক উত্তর হলো: মেহেরপুর । মুজিবনগর বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় স্থান। এটি বর্তমানে মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত। মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি মেহেরপুর জেলার তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা নামে পরিচিত ছিল। ১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) এই স্থানেই ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সাথে মিল রেখে বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়।"}}},{"@type":"ListItem","position":69,"item":{"@type":"Question","name":"
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?
","text":"
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: তৈরী পোশাক • বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদাশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র তৈরী পোশাক । • ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। - এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। - ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল। সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও প্রথম আলো সঠিক উত্তর হলো তৈরী পোশাক (Readymade Garments - RMG) । এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং একক বৃহত্তম রপ্তানি খাত । বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তৈরী পোশাক খাত প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে চলেছে। ঐতিহাসিকভাবে পাট একসময় প্রধান রপ্তানি পণ্য হলেও, এর গুরুত্ব বর্তমানে তৈরী পোশাকের তুলনায় অনেক কম। হিমায়িত মৎস্য বা চা প্রধান রপ্তানি পণ্যের তালিকায় থাকলেও, এদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ তৈরী পোশাকের ধারেকাছেও নয়।"}}},{"@type":"ListItem","position":70,"item":{"@type":"Question","name":"
জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
","text":"
জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: গামা রশ্মি - জীবজগতের জন্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গামা রশ্মি। - গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। - বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর। (তথ্যসূত্র: নাসা ওয়েবসাইট) সঠিক উত্তর হলো গামা রশ্মি (Gamma Ray) । কারণ: তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) মধ্যে গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) সবচাইতে কম এবং ফলস্বরূপ এর শক্তি (Energy) ও ভেদন ক্ষমতা (Penetration Power) সবচেয়ে বেশি। উচ্চ ভেদন ক্ষমতার কারণে গামা রশ্মি মানবদেহের গভীরতম টিস্যু ভেদ করে কোষের DNA -কে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে ক্যান্সার বা জেনেটিক মিউটেশনের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হয়। আলফা (Alpha) এবং বিটা (Beta) রশ্মি ক্ষতিকর হলেও এদের ভেদন ক্ষমতা গামা রশ্মির তুলনায় যথেষ্ট কম। আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি সাধারণত ত্বকের উপরিভাগ এবং চোখকে প্রভাবিত করে, কিন্তু গামা রশ্মির মতো অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্"}}},{"@type":"ListItem","position":71,"item":{"@type":"Question","name":"
ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
","text":"
ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: CFC - ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান। - সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ। - এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। - এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে। - এছাড়াও N 2 O, NO, CH 4 , BCF, CH 3 Br, CCl 4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত। উৎস : উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র। সঠিক উত্তর হলো CFC (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান রাসায়নিক পদার্থ হলো CFC । CFC অত্যন্ত স্থিতিশীল হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে পৌঁছায়। সেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে গিয়ে ক্লোরিন (Cl) পরমাণু মুক্ত করে। এই ক্লোরিন পরমাণু অনুঘটক (Catalyst) হিসেবে কাজ করে ওজোন ($O_3$) অণুর সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে এবং এটিকে অক্সিজেনে ($O_2$) পরিণত করে। একটি ক্লোরিন পরমাণু বহু বছর ধরে হাজার হাজার ওজোন অণু ভেঙে"}}},{"@type":"ListItem","position":72,"item":{"@type":"Question","name":"
BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
","text":"
BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ড. আখতার হামিদ খান • ড. আখতার হামিদ খান বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর প্রতিষ্ঠা এবং পল্লী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সফল নেতৃত্ব দানের জন্য সমগ্র বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত। বিশেষ করে পল্লী উন্নয়নের কার্যকর মডেল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে। • বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। • বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। • পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে। সূত্র: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) ড. আখতার হামিদ খান । ড. আখতার হামিদ খান ছিলেন একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী, যিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ প"}}},{"@type":"ListItem","position":73,"item":{"@type":"Question","name":"
২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
","text":"
২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ইংল্যান্ড • ২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। - চ্যাম্পিয়ন দল ছিল পাকিস্তান। - ভারত ছিল রার্নাস আপ দল। সূত্র: espncricinfo সঠিক উত্তর হলো: ইংল্যান্ড । ২০১৭ সালের আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি (ICC Champions Trophy) ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এটি ছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর। এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন শিরোপা অর্জন করে। ভারত ছিল রানার্স-আপ দল।"}}},{"@type":"ListItem","position":74,"item":{"@type":"Question","name":"
গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
","text":"
গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: যুক্তরাজ্য • গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্য অবস্থিত। - Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি। - বাংলাদেশের সাথে GMT এর পার্থক্য +৬ ঘন্টা। সূত্র: Britannica ও greenwichmeantime.com গ্রিনিচ মান মন্দিরটি (Royal Observatory, Greenwich) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত। এই স্থানটি আন্তর্জাতিকভাবে মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) হিসেবে স্বীকৃত। মূল মধ্যরেখার দ্রাঘিমাংশ ০ ডিগ্রি । পৃথিবীর সকল দেশের সময় এই গ্রিনিচ মান মন্দিরের সাপেক্ষে গ্রিনিচ মিন টাইম (GMT) অনুযায়ী গণনা করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাজ্য ।"}}},{"@type":"ListItem","position":75,"item":{"@type":"Question","name":"
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
","text":"
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: বেলজিয়াম • বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত। - বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫ জুন, ১৮১৫ সালে। - ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম। - এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। - পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল। - তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন) উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা। বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি ইউরোপের পশ্চিমের রাষ্ট্র বেলজিয়ামে অবস্থিত। এই যুদ্ধ ১৮১৫ সালের ১৫ জুন ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সাথে সম্মিলিত ইউরোপীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়। এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন, যা বিশ্ব ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা। অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—রাশিয়া, ব্রাজিল, লণ্ডন এই বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থান নয়।"}}},{"@type":"ListItem","position":76,"item":{"@type":"Question","name":"
১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে?
","text":"
১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ৯ ঘণ্টায় প্রশ্ন: ১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে? সমাধান: ১৫ জন লোক একটি কাজ করে ৩ ঘণ্টায় ১ জন লোক একটি কাজ করে ৩ × ১৫ ঘণ্টায় ৫ জন লোক একটি কাজ করে (৩ × ১৫)/৩ ঘণ্টায় = ৯ ঘণ্টায় এটি ঐকিক নিয়মের (Unitary Method) একটি ক্লাসিক সমস্যা, যা সময় ও কাজের সাথে সম্পর্কিত। এখানে লোকসংখ্যা এবং কাজ শেষ করার সময়ের মধ্যে ব্যস্ত সম্পর্ক (Inverse Proportion) বিদ্যমান। অর্থাৎ, লোকসংখ্যা কমলে সময় বেশি লাগবে এবং লোকসংখ্যা বাড়লে সময় কম লাগবে। প্রথমে, ১ জন লোকের কাজটি শেষ করতে কত সময় লাগবে তা বের করতে হবে। যেহেতু লোক কমছে, সময় গুণ হবে: ১৫ জন লোক কাজটি শেষ করে = ৩ ঘণ্টায় ১ জন লোক কাজটি শেষ করবে = $৩ \\times ১৫$ = ৪৫ ঘণ্টায় সুতরাং, ৫ জন লোক কাজটি শেষ করবে = $৪৫ / ৫$ = ৯ ঘণ্টায় । যেহেতু সমস্যাটি ব্যস্তানুপাতিক (Inversely Proportional), সরাসরি ভাগ করে (যেমন $১৫/৫=৩$ ঘণ্টা) উত্তর বের করলে ভুল হবে। তাই অন্য অপশনগুলো ভুল।"}}},{"@type":"ListItem","position":77,"item":{"@type":"Question","name":"
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
","text":"
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ৬০ বছর প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত? সমাধান: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (৪০ × ২) বছর = ৮০ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (৩৫ × ২) বছর = ৭০ বছর পুত্রের বয়স = (৭০ - ৫০) বছর = ২০ বছর পিতার বয়স = (৮০ - ২০) বছর = ৬০ বছর এই প্রশ্নটি গড় (Average) সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা যা প্রায়শই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। সমাধানটি ধাপে ধাপে করা যাক: ধাপ ১: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি নির্ণয়। গড় ৪০ বছর হওয়ায়, সমষ্টি হবে: $৪০ \\times ২ = ৮০ $ বছর। ধাপ ২: মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের সমষ্টি নির্ণয়। গড় ৩৫ বছর হওয়ায়, সমষ্টি হবে: $৩৫ \\times ২ = ৭০ $ বছর। ধাপ ৩: পুত্রের বয়স নির্ণয়। আমরা জানি, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স ৭০ বছর এবং মাতার বয়স ৫০ বছর। সুতরাং, পুত্রের বয়স = $৭০ - ৫০ = ২০ $ বছর। ধাপ ৪: পিতার বয়স নির্ণয়। পিতা ও পুত্রের মোট বয়স ৮০ বছর এবং পুত্রে"}}},{"@type":"ListItem","position":78,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
","text":"
একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ১৯ : ২৫ প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত? সমাধান: ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা, ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ২৪) = ৭৬ টাকা ∴ বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্য এর অনুপাত = ৭৬ : ১০০ = ১৯ : ২৫ এটি লাভ-ক্ষতি সংক্রান্ত অনুপাতের একটি মৌলিক প্রশ্ন। এখানে বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত নির্ণয় করতে বলা হয়েছে। ধরি, ক্রয়মূল্য (CP) = ৳১০০ । যেহেতু দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়েছে, তাই বিক্রয়মূল্য (SP) হবে: $১০০ - ২৪ = ৳৭৬ । বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্যের অনুপাত হলো: SP : CP = ৭৬ : ১০০ । এই অনুপাতটিকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করতে হলে, আমরা উভয় সংখ্যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করব। $৭৬ \\div ৪ = ১৯$ এবং $১০০ \\div ৪ = ২৫$। সুতরাং, সঠিক অনুপাতটি হলো ১৯ : ২৫ ।"}}},{"@type":"ListItem","position":79,"item":{"@type":"Question","name":"
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত?
","text":"
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 36 প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত? সমাধান: আমরা জানি দুইটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. ৪৮ × অপর সংখ্যা = ১২ × ১৪৪ অপর সংখ্যা = (১২ × ১৪৪)/৪৮ = ৩৬ এই প্রশ্নটি ল.সা.গু. (LCM) এবং গ.সা.গু. (HCF)-এর মৌলিক সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরি। গণিতের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটি হলো: দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যাদ্বয়ের ল.সা.গু. $\\times$ গ.সা.গু. । এখানে, ল.সা.গু. = ১৪৪ এবং গ.সা.গু. = ১২ । একটি সংখ্যা = ৪৮ । যদি অপর সংখ্যাটি 'ক' হয়, তাহলে আমরা লিখতে পারি: $\\text{৪৮} \\times \\text{ক} = \\text{১৪৪} \\times \\text{১২}$ বা, $\\text{ক} = \\frac{১৪৪ \\times ১২}{৪৮}$ প্রথমে ১২ দিয়ে ৪৮ কে ভাগ করলে হয় ৪। তাই, $\\text{ক} = \\frac{১৪৪}{৪}$ $ ext{ক} = \\text{৩৬}$। সুতরাং, অপর সংখ্যাটি হলো ৩৬ , যা অপশন (B)-তে রয়েছে।"}}},{"@type":"ListItem","position":80,"item":{"@type":"Question","name":"
৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
","text":"
৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 69 প্রশ্ন: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত? সমাধান: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭ ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১ নির্ণেয় গড় = (৯৭ + ৪১)/২ = ৬৯ এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য প্রথমে ৪০ এবং ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুটি চিহ্নিত করতে হবে। ১. ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা : আমরা ১০০ থেকে পিছন দিকে গুণন করতে থাকি। ৯৯, ৯৮ বিভাজ্য। ৯৭ অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই এটি বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা। ২. ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা : ৪০ এর পরের সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪২, ৪৩...। এদের মধ্যে ৪১ হলো ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা। ৩. নির্ণেয় গড়: গড় হলো সংখ্যাদ্বয়ের যোগফলকে তাদের সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা। গড় = $\\frac{\\text{বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা} + \\text{ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা}}{২}$ ৪. মান বসিয়ে পাই: গড় = $\\frac{৯৭ + ৪১}{২} = \\frac{১৩৮}{২} = \\mathbf{৬৯}$। ৫. স"}}},{"@type":"ListItem","position":81,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?
","text":"
একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ৪৮ টাকা প্রশ্ন: একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত? সমাধান: ধরি, খাতাটি ৩৬ টাকা বিক্রি করলে ক্ষতি হয় ক টাকা ক্রয়মূল্য = (৩৬ + ক) টাকা খাতাটি ৭২ টাকা বিক্রি করলে লাভ হয় ২ক টাকা ক্রয়মূল্য = (৭২ - ২ক) টাকা প্রশ্নমতে, ৩৬ + ক = ৭২ - ২ক ক + ২ক = ৭২ - ৩৬ ৩ক = ৩৬ ক = ১২ ক্রয়মূল্য = (৩৬ + ১২) টাকা = ৪৮ টাকা এটি লাভ-ক্ষতির একটি মৌলিক কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক সমস্যা যা প্রায়শই NTRCA পরীক্ষায় আসে। ধরি, খাতাটি ৩৬ টাকায় বিক্রয় করায় ক্ষতি হয় $K$ টাকা। অতএব, ক্রয়মূল্য (CP) হবে: $CP = 36 + K$। আবার, ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে লাভ হয় ক্ষতির দ্বিগুণ , অর্থাৎ $2K$ টাকা। অতএব, ক্রয়মূল্য হবে: $CP = 72 - 2K$। যেহেতু উভয় ক্ষেত্রেই ক্রয়মূল্য একই, তাই আমরা সমীকরণটি লিখতে পারি: $36 + K = 72 - 2K$ সমীকরণের সমাধান: $K + 2K = 72 - 36$ $3K = 36$ $K = 12$ টাকা। সুতরাং, ক্রয়মূল্য = $36 + K = 36 + 12 = 48 $ টাকা। অথবা, $72 - 2K = 72 -"}}},{"@type":"ListItem","position":82,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত?
","text":"
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 8 প্রশ্ন: একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত? সমাধান: ১ম রাশি = ৪ ৩য় রাশি = ১৬ আমরা জানি, (মধ্য রাশি) ২ = ১ম রাশি × ৩য় রাশি বা, (মধ্য রাশি) ২ = ৪ × ১৬ বা, মধ্য রাশি = √৬৪ = ৮ এই প্রশ্নটি ক্রমিক সমানুপাত (Continued Proportion) সম্পর্কিত। ক্রমিক সমানুপাতের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি তিনটি রাশি $a, b, c$ হয় এবং তারা সমানুপাতে থাকে, তবে তাদের সম্পর্ক হবে $a:b = b:c$, যেখানে $b$ হলো মধ্য সমানুপাতী। এই সম্পর্ক থেকে আমরা পাই, প্রান্তীয় রাশিদ্বয়ের গুণফল = মধ্য সমানুপাতীর বর্গ। অর্থাৎ, $b^2 = a \\times c$ অথবা, $b = \\sqrt{a \\times c}$। এখানে, ১ম রাশি ($a$) = ৪ এবং ৩য় রাশি ($c$) = ১৬ । সুতরাং, মধ্য সমানুপাতী = $\\sqrt{৪ \\times ১৬} = \\sqrt{৬৪} = ৮ ।$"}}},{"@type":"ListItem","position":83,"item":{"@type":"Question","name":"
শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে?
","text":"
শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 7 প্রশ্ন: শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে? সমাধান: ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা ১ টাকার ১ বছরের মুনাফা ২৭৩/(৬৫০ × ৬) টাকা ১০০ টাকার ১ বছরের মুনাফা (২৭৩ × ১০০)/(৬৫০ × ৬) টাকা = ৭ টাকা এই প্রশ্নটি সরল সুদের (Simple Interest) হার নির্ণয়ের। আমরা সরল সুদের মৌলিক সূত্রটি ব্যবহার করে সমাধান করব। সরল সুদের মূল সূত্রটি হলো: $I = \\frac{PRN}{100}$ , যেখানে— I = মোট মুনাফা (Interest) = ২৭৩ টাকা P = আসল (Principal) = ৬৫০ টাকা N = সময় (Number of years) = ৬ বছর R = মুনাফার হার (Rate of Interest) = ? হার (R) বের করার জন্য আমরা সূত্রটি পুনর্বিন্যাস করি: $R = \\frac{100I}{PN}$ । মান বসিয়ে পাই: $R = \\frac{100 \\times 273}{650 \\times 6}$ গণনা করলে, $R = \\frac{27300}{3900}$ $R = ৭ $। সুতরাং, মুনাফার হার ৭% ।"}}},{"@type":"ListItem","position":84,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে?
","text":"
একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ২ দিন প্রশ্ন: একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে? সমাধান: ক ৩ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ ক ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৩ অংশ খ ৬ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৬ অংশ ক ও খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির = (১/৩) + (১/৬) অংশ = (২ + ১)/৬ = ৩/৬ অংশ = ১/২ ক ও খ ১/২ অংশ কাজ করে ১ দিনে ক ও খ ১ অংশ (সম্পূর্ন) কাজ করে (১ × ২)/১ দিনে = ২ দিনে এটি একটি সময় ও কাজের (Time and Work) সমস্যা। এই ধরনের অঙ্কে প্রথমে ১ দিনের কাজের পরিমাণ বের করে নিতে হয়। ক এর কাজের হার: ক ৩ দিনে কাজটি করে। তাই ক ১ দিনে করে কাজের $\\frac{1}{3}$ অংশ। খ এর কাজের হার: খ ৬ দিনে কাজটি করে। তাই খ ১ দিনে করে কাজের $\\frac{1}{6}$ অংশ। ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে কাজের পরিমাণ: $\\frac{1}{3} + \\frac{1}{6} = \\frac{2+1}{6} = \\frac{3}{6} = \\frac{1}{2}$ অংশ। অর্থাৎ, ক ও খ একত্রে $\\frac{1}{2}$ অংশ কাজ করে ১ দিনে। সম্পূর্ণ (১ অংশ) কাজ করতে সময় লাগবে: $1 \\div \\frac{1}{2} = 1"}}},{"@type":"ListItem","position":85,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
","text":"
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: ২৭ বর্গমিটার প্রশ্ন: একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত? সমাধান: ধরি, আয়তকার বাগানেরপ্রস্থ = x মিটার আয়তকার বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩x মিটার প্রশ্নমতে, ২( x + ৩x) = ২৪ বা, ৪x = ১২ ∴ x = ৩ আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = (৩ × ৩) × ৩ বর্গমিটার = ২৭ বর্গমিটার প্রশ্নে বলা হয়েছে আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার । ধরি, প্রস্থ = $x$ মিটার। তাহলে দৈর্ঘ্য = $৩x$ মিটার। আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = $২ \\times (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)$। সুতরাং, $২(x + ৩x) = ২৪$ বা, $২(৪x) = ২৪$ বা, $৮x = ২৪$ $ herefore x = ৩$ মিটার (প্রস্থ)। দৈর্ঘ্য = $৩x = ৩ \\times ৩ = ৯$ মিটার। এখন, বাগানটির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য $\\times$ প্রস্থ = $৯ \\times ৩ = ২৭$ বর্গমিটার । অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ২৭ বর্গমিটার ।"}}},{"@type":"ListItem","position":86,"item":{"@type":"Question","name":"
4√x = 0.1 হলে, x =কত?
","text":"
4√x = 0.1 হলে, x =কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 0.0001 সমাধান: x 1/4 = 0.1 x = (0.1) 4 x = 0.0001 প্রদত্ত সমস্যাটি সূচক (Indices) সংক্রান্ত। আমাদের দেওয়া আছে: $\\sqrt[4]{x} = 0.1$ সূচকের সূত্র অনুযায়ী, $n$ তম মূলকে (n-th root) আমরা $1/n$ পাওয়ার হিসাবে লিখতে পারি। অর্থাৎ, $\\sqrt[n]{a} = a^{1/n}$। সুতরাং, আমরা লিখতে পারি: $x^{1/4} = 0.1$ এখন $x$-এর মান বের করার জন্য, আমরা উভয় পক্ষকে $4$ ঘাত (power of 4) দ্বারা গুণ করব। $\\left(x^{1/4}\\right)^4 = (0.1)^4$ $x = (0.1) \\times (0.1) \\times (0.1) \\times (0.1)$ দশমিক গুণনের ক্ষেত্রে, আমরা দশমিক বিন্দুগুলো উপেক্ষা করে গুণফল নির্ণয় করব ($1 \\times 1 \\times 1 \\times 1 = 1$)। এরপর দশমিকের পর মোট যতগুলো অঙ্ক আছে, গুণফলের ডানদিক থেকে ততগুলো অঙ্ক বামে দশমিক বসাতে হবে। এখানে মোট চারটি দশমিক স্থান রয়েছে। অতএব, $x = 0.0001$। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ $0.1^1=0.1$, $0.1^2=0.01$ এবং $0.1^3=0.001$।"}}},{"@type":"ListItem","position":87,"item":{"@type":"Question","name":"
কোন শর্তে logaa = 1?
","text":"
কোন শর্তে logaa = 1?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: $a > 0, a \\neq 1$ log a a = 1 হবে, যখন a > 0, a ≠ 1 লগারিদম (Logarithm) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি $\\text{log}_a x = y$ হয়, তবে ভিত্তি $a$ এবং মান $x$ এর উপর কিছু মৌলিক শর্ত আরোপ করা হয়। ভিত্তি $a$ এর ক্ষেত্রে প্রধানত দুটি শর্ত প্রযোজ্য: ১. ভিত্তি $a$ অবশ্যই শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে: $a > 0$ । (ঋণাত্মক সংখ্যার লগারিদম সাধারণত বাস্তব সংখ্যা পদ্ধতিতে সংজ্ঞায়িত নয়।) ২. ভিত্তি $a$ কখনোই 1 হতে পারবে না: $a \\neq 1$ । (যদি $a=1$ হয়, তবে $\\text{log}_1 1$ এর মান অনির্দিষ্ট হয়ে যায়।) যেহেতু প্রশ্নে $\\text{log}_a a = 1$ দেওয়া হয়েছে, এটি তখনই সত্য হবে যখন ভিত্তি $a$ লগারিদমের মৌলিক শর্তগুলি পূরণ করবে। সুতরাং, সঠিক শর্তটি হলো $a > 0$ এবং $a \\neq 1$ ।"}}},{"@type":"ListItem","position":88,"item":{"@type":"Question","name":"
(√3)x+1 = (3√3)2x-1হলে, x =কত?
","text":"
(√3)x+1 = (3√3)2x-1হলে, x =কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 5 সমাধান: (3 1/2 ) x + 1 = (3 1/3 ) 2x - 1 3 (x + 1)/2 = 3 (2x - 1)/3 (x + 1)/2 = (2x - 1)/3 4x - 2 = 3x + 3 4x - 3x = 3 + 2 x = 5 এটি সূচকের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার, যেখানে উভয় পক্ষের ভিত্তি (Base) সমান করে x এর মান নির্ণয় করতে হবে। প্রদত্ত সমীকরণটি হলো: $(\\sqrt{3})^{x+1} = (\\sqrt[3]{3})^{2x-1}$ । প্রথমেই রুট চিহ্নগুলোকে ভগ্নাংশীয় শক্তিতে (Fractional Power) রূপান্তর করতে হবে। আমরা জানি, $\\sqrt{a} = a^{1/2}$ এবং $\\sqrt[3]{a} = a^{1/3}$। অতএব, সমীকরণটি দাঁড়ায়: $(3^{1/2})^{x+1} = (3^{1/3})^{2x-1}$। সূচকের সূত্রানুসারে, $(a^m)^n = a^{mn}$। তাই পাওয়ারগুলো গুণ হয়ে যাবে: $3^{\\frac{x+1}{2}} = 3^{\\frac{2x-1}{3}}$ । যেহেতু উভয় পক্ষের ভিত্তি সমান (Basis = 3), তাই তাদের সূচকগুলিও সমান হবে: $\\frac{x+1}{2} = \\frac{2x-1}{3}$ এখন বজ্রগুণ (Cross-multiplication) করে পাই: $3(x+1) = 2(2x-1)$। $3x + 3 = 4x - 2$ x কে একপাশে ও ধ্রুবক সংখ্যাকে অন্যপাশে নিয়ে গেলে পাই: $3 + 2 = 4x - 3x$, অর্থাৎ $x"}}},{"@type":"ListItem","position":89,"item":{"@type":"Question","name":"
x + 1/x = 5 হলে, x/(x2 + x + 1) এর মান কত?
","text":"
x + 1/x = 5 হলে, x/(x2 + x + 1) এর মান কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 1/6 প্রশ্ন: x + 1/x = 5 হলে, x/(x 2 + x + 1) এর মান কত? সমাধান: দেয়া আছে, x + 1/x = 5 (x 2 + 1)/x = 5 x 2 + 1 = 5x x/(x 2 + x + 1) = x/(5x + x) =x/6x = 1/6 এই ধরনের বীজগণিতীয় মান নির্ণয়ের সমস্যার সমাধান করার জন্য প্রথমে প্রদত্ত তথ্যকে সরল করে নিতে হবে। দেওয়া আছে: $x + \\frac{1}{x} = 5$ যদি আমরা বামপক্ষে ল.সা.গু করি, তবে পাই: $\\frac{x^2 + 1}{x} = 5$ বজ্রগুণন করে পাই: $x^2 + 1 = 5x$ । এটি আমাদের মূল প্রতিস্থাপন সূত্র। এখন যে রাশিটির মান নির্ণয় করতে হবে, সেটি হলো: $\\frac{x}{x^2 + x + 1}$ ভগ্নাংশের হরে (denominator) আমরা $x^2 + 1$ অংশটি দেখতে পাচ্ছি। সেখানে আমরা $5x$ বসিয়ে দেব। অতএব, $\\frac{x}{(x^2 + 1) + x} = \\frac{x}{5x + x}$ সরল করলে পাই: $\\frac{x}{6x}$। এখানে লব ও হর উভয়কেই $x$ দ্বারা ভাগ করা যায়। চূড়ান্ত মান হলো: $\\frac{1}{6}$ । অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে সরাসরি $1/6$ মানটি নিশ্চিতভাবে পাওয়া যাচ্ছে।"}}},{"@type":"ListItem","position":90,"item":{"@type":"Question","name":"
x = 1 + √3 হলে x3 = কত?
","text":"
x = 1 + √3 হলে x3 = কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 10 + 6√3 প্রশ্ন: x = 1 + √3 হলে x 3 = কত? সমাধান: x = 1 + √3 x 3 = (1 + √3) 3 = 1 3 + 3.1 2 .√3 + 3.1.(√3) 2 + (√3) 3 = 1 + 3√3 + 9 + 3√3 = 10 + 6√3 এটি বীজগাণিতিক মান নির্ণয়ের একটি ক্লাসিক প্রশ্ন, যেখানে ঘন (Cube) এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে। প্রদত্ত মান, $x = 1 + \\sqrt{3}$। আমাদের $x^3$ এর মান বের করতে হবে, অর্থাৎ $(1 + \\sqrt{3})^3$ নির্ণয় করতে হবে। আমরা সূত্র ব্যবহার করব: $(a+b)^3 = a^3 + 3a^2b + 3ab^2 + b^3$ এখানে $a=1$ এবং $b=\\sqrt{3}$। $x^3 = (1 + \\sqrt{3})^3$ $= 1^3 + 3(1)^2(\\sqrt{3}) + 3(1)(\\sqrt{3})^2 + (\\sqrt{3})^3$ পাওয়ারের হিসাব করলে পাই: $1 + 3\\sqrt{3} + 3(3) + 3\\sqrt{3}$ (মনে রাখবেন, $(\\sqrt{3})^2 = 3$ এবং $(\\sqrt{3})^3 = 3\\sqrt{3}$) $= 1 + 3\\sqrt{3} + 9 + 3\\sqrt{3}$ এখন সাধারণ সংখ্যাগুলি যোগ করি ($1 + 9 = 10 $) এবং মূলের সংখ্যাগুলি যোগ করি ($3\\sqrt{3} + 3\\sqrt{3} = 6\\sqrt{3} $) সুতরাং, সঠিক মানটি হলো: $10 + 6\\sqrt{3}$ , যা চতুর্থ অপশনে দেওয়া আছে।"}}},{"@type":"ListItem","position":91,"item":{"@type":"Question","name":"
(17)0x= কত?
","text":"
(17)0x= কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: $x$ প্রশ্ন: (17) 0 x = কত? সমাধান: (17) 0 x = 1 × x = x সূচকের মৌলিক সূত্র অনুযায়ী, শূন্য ভিন্ন (non-zero) যেকোনো রাশির ঘাত বা শক্তি (Power) যদি শূন্য (0) হয়, তবে তার মান 1 হয়। এই সূত্রকে Zero Power Rule বলা হয়। অর্থাৎ, যদি $a \\ne 0$ হয়, তবে $a^0 = 1$। এখানে, প্রশ্নে প্রদত্ত রাশিটি হলো $(17)^0x$। সূত্রের প্রয়োগে আমরা পাই: $(17)^0 = 1$। অতএব, $(17)^0x = 1 \\times x = x $। ভুল উত্তর যেমন: '17x' (Option 0) ভুল, কারণ এটি $17^1$ হিসাবে ধরে নেওয়া হয়েছে।"}}},{"@type":"ListItem","position":92,"item":{"@type":"Question","name":"
tanθ = √3 হলে cosθ = কত?
","text":"
tanθ = √3 হলে cosθ = কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: $ 1/2 $ প্রশ্ন: tanθ = √3 হলে cosθ = কত? সমাধান : দেয়া আছে, tanθ = √3 tanθ = tan60° θ = 60° cosθ = cos60° = 1/2 প্রশ্নানুসারে, আমাদের কাছে দেওয়া আছে $tan\\theta = \\sqrt{3}$। ত্রিকোণমিতির আদর্শ মান সারণী অনুসারে, আমরা জানি যে $tan60^\\circ$ এর মান হলো $ \\sqrt{3} $। সুতরাং, আমরা লিখতে পারি $tan\\theta = tan60^\\circ$। উভয় পক্ষ থেকে tan বাদ দিলে আমরা পাই: $ \\theta = 60^\\circ $। এখন আমাদের $cos\\theta$ এর মান বের করতে হবে। $ \\theta $ এর মান বসিয়ে পাই $cos\\theta = cos60^\\circ$। আদর্শ মান সারণী অনুযায়ী, $cos60^\\circ$ এর মান হলো $1/2$ । অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো $1/2$ (অপশন গ)। অন্যান্য অপশনগুলো ত্রিকোণমিতির ভিন্ন স্ট্যান্ডার্ড অ্যাঙ্গেলের মান নির্দেশ করে।"}}},{"@type":"ListItem","position":93,"item":{"@type":"Question","name":"
যদি a + b + c = 5 এবং a2 + b2 + c2 = 9 হয়, তবে ab + bc + ca = কত?
","text":"
যদি a + b + c = 5 এবং a2 + b2 + c2 = 9 হয়, তবে ab + bc + ca = কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 8 প্রশ্ন: যদি a + b + c = 5 এবং a 2 + b 2 + c 2 = 9 হয়, তবে ab + bc + ca = কত? সমাধান: a + b + c = 5 a 2 + b 2 + c 2 = 9 আমরা জানি, (a + b + c) 2 = a 2 + b 2 + c 2 + 2(ab + bc + ca) 5 2 = 9 + 2(ab + bc + ca) 25 = 9 + 2(ab + bc + ca) 25 - 9 = 2(ab + bc + ca) 16 = 2(ab + bc + ca) ab + bc + ca = 8 এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য আমাদের বীজগণিতের একটি মৌলিক সূত্র ব্যবহার করতে হবে, যা হলো: $(a + b + c)^2$ এর সূত্র । আমরা জানি: $$(a + b + c)^2 = a^2 + b^2 + c^2 + 2(ab + bc + ca)$$ প্রশ্নে প্রদত্ত মানগুলো হলো: $a + b + c = 5 $ $a^2 + b^2 + c^2 = 9 $ মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই: $$(5)^2 = 9 + 2(ab + bc + ca)$$ এখন সরলীকরণ করলে: $$25 = 9 + 2(ab + bc + ca)$$ $$25 - 9 = 2(ab + bc + ca)$$ $$16 = 2(ab + bc + ca)$$ সুতরাং, $$ab + bc + ca = \\frac{16}{2} = 8$$ । অন্যান্য অপশন যেমন ১৬ হলো $2(ab + bc + ca)$ এর মান, যা সম্পূর্ণ উত্তর নয়।"}}},{"@type":"ListItem","position":94,"item":{"@type":"Question","name":"
তলের মাত্রা কয়টি?
","text":"
তলের মাত্রা কয়টি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 2টি বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা প্রত্যেকটিকে বস্তুর মাত্রা বলে। সাধারন অর্থে কোন ত্রিমাত্রিক দৃশ্যমান অংশকে তল বলে। তলের শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্ত আছে তাই তল দ্বিমাত্রিক। সঠিক উত্তর হলো: ২টি । জ্যামিতির মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, কোনো বস্তুর অবস্থান বা পরিমাণ বোঝাতে যে কয়টি স্বাধীন স্থানাঙ্কের প্রয়োজন হয়, তাকে তার মাত্রা (Dimension) বলে। সাধারণত মাত্রা তিনটি—দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা। তল হলো একটি দ্বিমাত্রিক (Two-dimensional) ধারণা। তলের শুধু দৈর্ঘ্য (Length) এবং প্রস্থ (Width) থাকে, কিন্তু কোনো উচ্চতা (Height) বা গভীরতা থাকে না। অন্যদিকে, ৩টি মাত্রা হলো ঘনবস্তুর (যেমন: ইট, বাক্স)। ৪টি মাত্রা সাধারণত পদার্থবিজ্ঞানে সময়কে নিয়ে স্থান-কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।"}}},{"@type":"ListItem","position":95,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
","text":"
একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 64 প্রশ্ন: একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.? সমাধান: মনেকরি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা h = 8 সে.মি. সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. আমরা জানি, ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল = 1/2 ×( সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের যোগফল )× সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের মধ্যবর্তী দুরত্ব = (1/2) × (7 + 9) × 8 = 16 × 8/2 = 64 সঠিক উত্তর হলো: ৬৪ বর্গ সে.মি.। ট্রাপিজিয়ামের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্রটি হলো: $A = \\frac{1}{2} \\times (a_1 + a_2) \\times h$ যেখানে, $a_1$ এবং $a_2$ হলো সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য, এবং $h$ হলো উচ্চতা। এই প্রশ্ন অনুযায়ী, সমান্তরাল বাহুদ্বয় $(a_1, a_2)$ = 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি., এবং উচ্চতা $(h)$ = 8 সে.মি.। সুতরাং, ক্ষেত্রফল $A = \\frac{1}{2} \\times (9 + 7) \\times 8$ $A = \\frac{1}{2} \\times 16 \\times 8$ $A = 8 \\times 8 = 64$ বর্গ সে.মি.। যারা ২৪ বা ৯৬ উত্তর দিয়েছেন, তারা সম্ভবত সূত্র প্"}}},{"@type":"ListItem","position":96,"item":{"@type":"Question","name":"
a2 - c2 - 2ab + b2 এর সঠিক উৎপাদক কোনটি?
","text":"
a2 - c2 - 2ab + b2 এর সঠিক উৎপাদক কোনটি?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: (a - b - c) (a - b + c) প্রশ্ন: a 2 - c 2 - 2ab + b 2 এর সঠিক উৎপাদক কোনটি? সমাধান: a 2 - 2ab + b 2 - c 2 = (a - b) 2 - c 2 = (a - b + c)(a - b - c) প্রদত্ত রাশিটি হলো: $a^2 - c^2 - 2ab + b^2$। উৎপাদক বিশ্লেষণের জন্য প্রথমে পদগুলিকে সাজিয়ে নিতে হবে যাতে সূত্র প্রয়োগ করা যায়। আমরা $a^2$, $-2ab$, এবং $b^2$ পদ তিনটি একসাথে আনি কারণ এটি একটি পূর্ণবর্গের সূত্র তৈরি করে: $a^2 - 2ab + b^2 - c^2$ আমরা জানি, $a^2 - 2ab + b^2 = (a - b)^2 $। এখন রাশিটি $ (a - b)^2 - c^2 $ আকারে দাঁড়ালো। এটি বর্গের অন্তরফল (Difference of Squares) সূত্র: $X^2 - Y^2 = (X + Y)(X - Y)$ এর রূপে আছে। এখানে $X = (a - b)$ এবং $Y = c$। সুতরাং, উৎপাদক বিশ্লেষণ হবে: $\\left ( (a - b) + c \\right ) \\left ( (a - b) - c \\right )$ ফলাফল: $(a - b + c)(a - b - c)$ । যা বিকল্প (২) এর সঙ্গে মিলে যায়। তাই এটি সঠিক উত্তর।"}}},{"@type":"ListItem","position":97,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি বৃত্তের ব্যাস 26 সে.মি. হলে এর পরিধি কত?
","text":"
একটি বৃত্তের ব্যাস 26 সে.মি. হলে এর পরিধি কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 26π সে.মি. প্রশ্ন: একটি বৃত্তের ব্যাস 26 সে.মি. হলে এর পরিধি কত? সমাধান : বৃত্তের ব্যাস = 26 সে.মি. বৃত্তের ব্যাসার্ধ r = 26/2 = 13সে.মি. বৃত্তের পরিধি =2πr সে.মি. = 2 × π × 13 = 26π সে.মি বৃত্তের পরিধি নির্ণয়ের জন্য দুটি সূত্র ব্যবহার করা যায়: পরিধি (C) = 2πr (যখন ব্যাসার্ধ r দেওয়া থাকে) অথবা পরিধি (C) = πD (যখন ব্যাস D দেওয়া থাকে)। এখানে, বৃত্তের ব্যাস (D) দেওয়া আছে = 26 সে.মি. । সরাসরি ব্যাস ব্যবহার করে পাই: পরিধি = $\\pi \\times D$ সুতরাং, পরিধি = $\\pi \\times 26 = 26\\pi$ সে.মি। যদি আপনি প্রথমে ব্যাসার্ধ নির্ণয় করেন: ব্যাসার্ধ (r) = ব্যাস/2 = 26/2 = 13 সে.মি। এরপর সূত্র প্রয়োগ করলে: পরিধি = $2\\pi r = 2 \\times \\pi \\times 13 = 26\\pi$ সে.মি। অন্যান্য অপশন যেমন $13\\pi$ (যা ব্যাসার্ধ $\\times \\pi$) এবং $52\\pi$ (যা $2D \\times \\pi$) ভুল উত্তর।"}}},{"@type":"ListItem","position":98,"item":{"@type":"Question","name":"
ABC সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
","text":"
ABC সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: (√3/4)x² প্রশ্ন: ABC সমবাহু ত্রিভুজের প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত? সমাধান: সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য x হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল = (√3/4)x 2 এটি পরিমিতির একটি সরাসরি সূত্র নির্ভর প্রশ্ন। যে ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান, তাকে সমবাহু ত্রিভুজ বলা হয়। সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি $a$ হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো: ক্ষেত্রফল, $A = \\frac{\\sqrt{3}}{4} a^2$ প্রশ্নানুসারে, বাহুর দৈর্ঘ্য $x$ ধরা হয়েছে। সুতরাং, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল হবে: $A = \\frac{\\sqrt{3}}{4} x^2$ যা বিকল্প (B) বা $(\\sqrt{3}/4)x^2$ এর সাথে মিলে যায়।"}}},{"@type":"ListItem","position":99,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি চর্তুভুজের চারটি কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?
","text":"
একটি চর্তুভুজের চারটি কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 135° প্রশ্ন: একটি চর্তুভুজের চারটি কোণের অনুপাত 1 : 2 : 2 : 3 হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ কত? সমাধান: আমরা জানি, চতুর্ভুজের চার কোণের সমষ্টি = 360° চার কোণের অনুপাত = 1 : 2 : 2 : 3 অনুপাতগুলোর সমষ্টি = 1 + 2 + 2 + 3 = 8 সুতরাং বৃহত্তম কোণ = 3/8 × 360° = 135° আমরা জানি, যে কোনো চতুর্ভুজের চারটি অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি হলো 360° । চারটি কোণের অনুপাত দেওয়া আছে: 1 : 2 : 2 : 3 । প্রথমে আমাদের অনুপাতগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে: $1 + 2 + 2 + 3 = 8$। বৃহত্তম কোণটি বের করতে হলে অনুপাতের মধ্যে যে সংখ্যাটি সবচেয়ে বড় (অর্থাৎ 3 ), সেটিকে মোট সমষ্টির ভগ্নাংশ হিসেবে ধরে মোট কোণের সমষ্টি (360°) দিয়ে গুণ করতে হবে। অতএব, বৃহত্তম কোণ = $\\frac{3}{8} \\times 360^{\\circ}$। গণনা করলে পাওয়া যায়: $\\frac{3}{8} \\times 360^{\\circ} = 3 \\times 45^{\\circ} = 135^{\\circ}$। সঠিক উত্তর: 135° ।"}}},{"@type":"ListItem","position":100,"item":{"@type":"Question","name":"
একটি রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
","text":"
একটি রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
","acceptedAnswer":{"@type":"Answer","text":"সঠিক উত্তর: 24 প্রশ্ন: একটি রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.? সমাধান: আমরা জানি, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে। অর্থাৎ রম্বসের কর্ণদ্বয় ৪টি সমকোণী ত্রিভুজ উৎপন্ন করে। রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি. পিথাগোরাসের নিয়মানুসারে, ৫ ২ = ৩ ২ + ৪ ২ অর্থাৎ, অপর অর্ধ কর্ণদ্বয়েরদ্বয়ের দৈর্ঘ্য হবে যথাক্রমে ৩ সে.মি. এবং ৪ সে.মি. সুতরাং কর্ণদ্বয় হবে যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৮ সে.মি. আমরা জানি, রম্বসের ক্ষেত্রফল = 1/2 × কর্ণদ্বয়ের গুণফল = 1/2 × ৬ × ৮ = ২৪ বর্গ সে.মি. সঠিক উত্তরটি হলো ২৪ বর্গ সে.মি.। ধাপ ১: রম্বসের ধর্ম জানা। আমরা জানি, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে। যখন কর্ণদ্বয় পরস্পরকে ছেদ করে, তখন চারটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। এই সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হলো রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য (এখানে ৫ সে.মি. ), এবং অন্য দুটি বাহু হলো কর্ণদ্বয়ের অর্ধেক (half diagonals)। ধাপ ২: কর্ণদ্বয় নির্ণয়। যেহেতু বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি., এবং এটি"}}}]}
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন
14th(1) (2017) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান
NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার 14th(1) (2017) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।
নিচে NTRCA (Teacher Registration)-এর 14th(1) (2017) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।
1
‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থের রচয়িতার নাম-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ
বিদ্যাপতি
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ঘ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ইংরেজিতে একটি বই লিখেন 'বাঙলা ভাষার উৎপত্তি ও বিকাশ' নামে। - ইংরেজিতে এই গ্রন্থটির নাম হলো : 'The Origin and Development of the Bengali Language'। - সংক্ষেপে এটিকে বলা হয় ODBL এবং এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত।
উৎস : লাল নীল দীপাবলী, হুমায়ুন আজাদ।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত ‘বাংলা ভাষার উদ্ভব ও বিকাশ’ গ্রন্থটি (ইংরেজি অনুবাদ) মূলত প্রখ্যাত ভাষাতাত্ত্বিক ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি।
তিনি ১৯২৬ সালে তাঁর পিএইচডি থিসিস হিসেবে গ্রন্থটি ইংরেজিতে রচনা করেন।
গ্রন্থটির মূল ইংরেজি নাম হলো: 'The Origin and Development of the Bengali Language'। এটি সংক্ষেপে ODBL নামে পরিচিত এবং বাংলা ভাষার ইতিহাস ও কাঠামো নিয়ে রচিত এটি সবচেয়ে প্রামাণ্য গ্রন্থ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যের জনক হিসেবে পরিচিত। বিদ্যাপতি মধ্যযুগের মৈথিলি কবি এবং বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা সাহিত্যের সার্থক ঔপন্যাসিক।
2
বাংলা সাহিত্য চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক কে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
প্যারীচাঁদ মিত্র
খ
মোহিতালাল মজুমদার
গ
বিহারীলাল চক্রবর্তী
মাইকেল মধুসূদন দত্ত
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• বাংলা সাহিত্য চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
• চতুর্দশপদী (Sonnet) হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে। - এর বৈশিষ্ট হল যে এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর থাকবে। - এর প্রথম আট চরণের স্তবককে অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে ষষ্টক বলে। - অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে। - বাংলায় চতুর্দশপদী কবিতার জনক - মাইকেল মধুসূদন দত্ত। - বাংলা সাহিত্যের প্রথম সনেট সংকলন চতুর্দশপদী কবিতাবলী। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৬ সালে। - ইতালীয় কবি পেত্রার্ক ও শেক্সপিয়ারের অনুকরণে এসব সনেট রচনা করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য ধারার চতুর্দশপদী কবিতা বা সনেট প্রবর্তন করেন।
ইতালীয় কবি পেত্রার্ক এবং ইংরেজ কবি শেক্সপিয়রের অনুকরণে তিনি মূলত এই কবিতাগুলো রচনা করেন।
চতুর্দশপদী কবিতা (Sonnet) হলো ১৪টি চরণ বিশিষ্ট এক বিশেষ ধরনের কবিতা, যেখানে সাধারণত প্রতিটি চরণে ১৪টি করে অক্ষর থাকে।
তিনি ১৮৬০ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে বসে সনেট রচনা শুরু করেন। তার প্রথম সনেট হলো বঙ্গভাষা।
তার প্রথম সনেট সংকলনটির নাম চতুর্দশপদী কবিতাবলী, যা ১৮৬৬ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন কারণে বিখ্যাত:
- প্যারীচাঁদ মিত্র: বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘আলালের ঘরের দুলাল’ রচয়িতা।
- বিহারীলাল চক্রবর্তী: বাংলা গীতিকবিতার জনক বা ‘ভোরের পাখি’ নামে পরিচিত।
3
‘চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হয় কত সালে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
1909
খ
1798
1907
ঘ
1709
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
চর্যাপদ বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন। - ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে এর পুথি আবিষ্কার করেন। - চর্যাপদের সাথে আরও দুটি বই - ডাকার্ণব ও দোহাকোষ যেগুলো নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে চর্যাপদের সাথে আবিষ্কৃত হয়। - তাঁরই সম্পাদনায় ৪৭ (সাড়ে ৪৬)টি পদবিশিষ্ট পুথিখানি 'হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষৎ কর্তৃক প্রকাশিত হয়। - তিনি পুথির সূচনায় একটি সংস্কৃত শ্লোক থেকে নামের যে ইঙ্গিত পান তাতে এটি চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয় নামেও পরিচিত হয়। - তবে সংক্ষেপে এটি ‘বৌদ্ধগান ও দোহা’ বা ‘চর্যাপদ’ নামেই অভিহিত হয়ে থাকে।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ১৯০৭। চর্যাপদ হলো বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের আদি নিদর্শন।
এটি ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক নেপাল রাজদরবারের গ্রন্থাগার থেকে আবিষ্কৃত হয়।
তিনি চর্যাপদের সাথে আরও দুটি পুথি—ডাকার্ণব ও দোহাকোষ—আবিষ্কার করেন।
4
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ কী ধরণের রচনা?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ছোটগল্প
কাব্যনাটক
গ
উপন্যাস
ঘ
পত্রপন্যাস
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যনাট্য | - এখানে মুক্তিযুদ্ধকে মহাকাব্যিক ব্যঞ্জনায় তুলে ধরা হয়েছে। - নাটকটিতে ১৯৭১ সালের বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হওয়ার সময়কালে একটি প্রত্যন্ত গ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে | - পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় মূলত মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি |
• তাঁর রচিত অন্যান্য কাব্যনাট্য - নুরুলদীনের সারাজীবন, - এখানে এখন, - গণনায়ক, - বাংলার মাটি বাংলার জল ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কাব্যনাটক।
‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’ রচনাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক সৈয়দ শামসুল হক রচিত।
এটি একটি কাব্যনাট্য (Verse Drama) অর্থাৎ এটি গদ্যের পরিবর্তে পদ্য বা কবিতার ছন্দে রচিত।
এই নাটকের মূল উপজীব্য হলো ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ। নাটকটিতে যুদ্ধের সময়কালের একটি প্রত্যন্ত গ্রামের ছবি এবং মুক্তিযোদ্ধাদের আগমনের পদধ্বনি তুলে ধরা হয়েছে।
এটি কোনো সাধারণ ছোটগল্প বা উপন্যাস নয়, বরং এর রচনারীতি নাটকীয় এবং কাব্যিক।
5
বাংলা গদ্যের জনক বলা হয় কাকে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
খ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
গ
প্যারীচাঁদ মিত্র
ঘ
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপধ্যায়
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
বাংলা গদ্যের জনক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। - তিনি বাংলা গদ্যে যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন। - বাংলা গদ্য প্রবাহ সমৃদ্ধির জন্য তিনি ‘উচ্চবচন ধ্বনিতরঙ্গ’ ও ‘অনতিলক্ষ্য ছন্দঃস্রোত’ সৃষ্টি করেন। - তিনি বাংলা গদ্যকে গতিশীল করে প্রাণদান করেছেন। - বিদ্যাসাগর বাংলা গদ্যে সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশে সুবোধ্য ও শিল্প গুণান্বিত করে তোলেন। - বাংলা গদ্যকে তিনি সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও সর্বভাব প্রকাশক্ষম করেছিলেন বলেই বিদ্যাসাগরকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং লাল নীল দীপাবলি, হুমায়ুন আজাদ।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর।
বাংলা গদ্য সাহিত্যে তাঁর অবদান অবিস্মরণীয়। ১৮৫০ সালের পরে তিনি যখন গদ্য রচনা শুরু করেন, তখন বাংলা গদ্যের কোনো সুনির্দিষ্ট রূপ ছিল না।
তিনি বাংলা গদ্যে প্রথম যতি বা বিরামচিহ্নের প্রবর্তন করেন, যার ফলে গদ্যের বাক্যগুলো সহজে বোধগম্য ও সুস্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বিদ্যাসাগর তাঁর রচনায় সুললিত শব্দবিন্যাস, পদবিভাগ ও যতিসন্নিবেশ ঘটিয়ে বাংলা গদ্যকে সাহিত্য গুণসম্পন্ন ও গতিশীল করে তোলেন। এই অনন্য অবদানের জন্যই তাঁকে বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
আধুনিক বাংলা অভিধান অনুসারে, তাসের ঘর (বিশেষ্য) অর্থ: তাস দিয়ে তৈরি ঘর। (বিশেষণ) আলংকারিক অর্থ: অত্যন্ত ক্ষণস্থায়ী ও ভঙ্গুর।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা বাগধারা (Idioms) সম্পর্কিত।
'তাসের ঘর' বলতে তাস বা খেলার কার্ড দিয়ে তৈরি ঘরকে বোঝানো হয়। আমরা জানি, তাস দিয়ে তৈরি ঘর অত্যন্ত ভঙ্গুর এবং সামান্য আঘাতেই তা ভেঙে যায়।
আলংকারিক অর্থে বা বাগধারা হিসেবে, 'তাসের ঘর' স্থায়িত্বহীনতা বা ক্ষণস্থায়ীত্বকে নির্দেশ করে। অর্থাৎ, যা অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী, যার কোনো ভিত্তি নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ক্ষণস্থায়ী।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'ভন্ড', 'সর্বনাশ' বা 'তামাশা' এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত নয়।
7
কমা (Comma)- এর বাংলা কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
পূর্ণচ্ছেদ
খ
দৃষ্টান্তছেদ
পাদচ্ছেদ
ঘ
অর্ধচ্ছেদ
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
accessible dictionary অনুসারে,
পাদচ্ছেদ (noun) comma. পূর্ণচ্ছেদ (noun) (grammar) full stop
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: পাদচ্ছেদ।
কমা (Comma) হলো বাংলা বিরাম চিহ্নের মধ্যে স্বল্প বিরতির জন্য ব্যবহৃত চিহ্ন, যার বাংলা প্রতিশব্দ হলো পাদচ্ছেদ।
অন্যান্য অপশনগুলোর প্রতিশব্দ জেনে রাখা জরুরি:
পূর্ণচ্ছেদ: এর অর্থ হলো দাঁড়ি (।), যা বাক্যের সমাপ্তি নির্দেশ করে।
অর্ধচ্ছেদ: এর অর্থ হলো সেমিকোলন (;), যা কমা অপেক্ষা বেশি বিরতি নির্দেশ করে।
8
কোনটি নিত্য সমাসের উদাহরণ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
অন্যগৃহ
খ
মিলের অভাব
গ
স্ত্রী’র অভাব
ঘ
প্রকৃষ্ট গতি
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
নিত্য সমাস: যে সমাসে সমস্যমান পদগুলো নিত্য সমাসবদ্ধ থাকে, ব্যাসবাক্যের দরকার হয় না, তাকে নিত্য সমাস বলে। শুধু সমস্তপদের ব্যাখ্যা দিতে হয়। যেমন: অন্য গ্রাম = গ্রামান্তর, তুমি আমি ও সে = আমরা, দুই এবং নব্বই = বিরানব্বই। তেমনিভাবে, - গৃহান্তর - অন্যগৃহ নিত্য সমাসের উদাহরণ। - সমস্তপদের শেষে ‘অন্তর’ থাকলে ব্যাসবাক্যে ‘অন্য’ হবে। যেমন: দেশান্তর = অন্য দেশ। - সমস্তপদের শেষে ‘মাত্র/খানা’ থাকলে ‘কেবল’ হবে। যেমন: শয়নমাত্র = কেবল শয়ন।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ-নবম দশম শ্রেণি (২০১৯)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: অন্যগৃহ।
নিত্য সমাস (Nitya Shomash) এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—এই সমাসে সমস্যমান পদগুলো সবসময় সমাসবদ্ধ থাকে এবং প্রচলিত অর্থে এর কোনো ব্যাসবাক্য হয় না। শুধু সমস্তপদের ব্যাখ্যা দেওয়া হয়।
যেমন: অন্য গৃহ = গৃহান্তর। এখানে সমস্তপদটি হলো 'গৃহান্তর', আর 'অন্য গৃহ' হলো তার ব্যাখ্যা বা বিশ্লেষণ। প্রশ্নপত্রে অনেক সময় বিশ্লেষণের অংশটিই উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হয়।
নিত্য সমাসের অন্যান্য জনপ্রিয় উদাহরণগুলো হলো: আমরা (তুমি, আমি ও সে), কালান্তর (অন্য কাল), দেশান্তর (অন্য দেশ)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন সমাসের উদাহরণ: মিলের অভাব = অমিল (নঞ তৎপুরুষ সমাস), প্রকৃষ্ট গতি = প্রগতি (প্রাদি সমাস)।
9
কোন বানানটি শুদ্ধ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
মুহুর্ত
খ
ডাষ্টবিন
গ
দারিদ্রতা
দূষণীয়
ঙ
নূপুর
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
শুদ্ধ বানান = দূষণীয়, নূপুর। একাধিক উত্তর থাকায় প্রশ্নটি বাতিল করা হলো।
অন্যান্য বানানের শুদ্ধ রূপ -
• ডাস্টবিন (বিশেষ্য) (বিদেশি শব্দে 'ষ' ব্যবহৃত হয় না) - ইংরেজি শব্দ। অর্থ: জঞ্জাল ফেলার আধার।
• দারিদ্রতা বানানটি অশুদ্ধ। সঠিক বানান সম্বলিত এরূপ শব্দ হলো দরিদ্র, দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে দূষণীয় এবং নূপুর উভয় বানানই শুদ্ধ। একাধিক শুদ্ধ বানান থাকায় সাধারণত এই প্রশ্নটি বাতিল হয়। তবে যেহেতু পরীক্ষায় একটি উত্তর নির্বাচন করতে হয়, আমরা শুদ্ধ বানানের নিয়মগুলো আলোচনা করব:
১. দূষণীয়: এটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ। ণত্ব বিধান অনুসারে, ঋ, র, ষ এর পরে মূর্ধন্য 'ণ' হয়। যেহেতু এখানে 'ষ' আছে, তাই দূষণীয় (দুষণ + ঈয়) বানানে 'ণ' ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি শুদ্ধ।
২. নূপুর: এই বানানে দীর্ঘ 'ঊ' কার ব্যবহৃত হয় (নূপুর = পায়ের অলংকার)। এটিও একটি শুদ্ধ বানান।
৩. ডাষ্টবিন: এটি অশুদ্ধ। 'ডাস্টবিন' একটি বিদেশি শব্দ (Dustbin)। বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, বিদেশি শব্দের ক্ষেত্রে কখনো মূর্ধন্য 'ষ' ব্যবহৃত হয় না। শুদ্ধ বানান: ডাস্টবিন।
৪. দারিদ্রতা: এটি অশুদ্ধ। 'দারিদ্র্য' শব্দটি নিজেই বিশেষ্য (Poverty/দরিদ্রতা) হিসেবে শুদ্ধ। একই সাথে 'তা' প্রত্যয় যোগ করে 'দারিদ্রতা' লেখা বাহুল্য দোষের সৃষ্টি করে। শুদ্ধ রূপ হলো— দরিদ্র (বিশেষণ) অথবা দারিদ্র্য (বিশেষ্য)।
10
‘অগ্নি’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
হুতাশন
খ
কৃশানু
গ
বায়ুসখা
দ্যুতি
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
অগ্নি/আগুন' এর সামর্থক শব্দ = অনল, বহ্নি, হুতাশন, কৃশানু পাবক, দহন, সর্বভুক, , পিঙ্গল, হিমারতি, বায়ুসখা, শুচি ইত্যাদি। 'দ্যুতি' = রশ্মি এর সমার্থক শব্দ। রশ্মি এর অন্যান্য সমার্থক শব্দ = আভা, কিরণ, আলোক, প্রভা, বিভা, অংশু ইত্যাদি।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি বাংলা ভাষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ – সমার্থক শব্দ থেকে নেওয়া হয়েছে।
অগ্নি (আগুন) এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সমার্থক শব্দগুলো হলো: হুতাশন, কৃশানু, বায়ুসখা (বায়ু যার বন্ধু), অনল, বহ্নি, পাবক, এবং দহন।
সুতরাং, বিকল্প ক, খ এবং গ (হুতাশন, কৃশানু, বায়ুসখা) সবাই 'অগ্নি' এর সমার্থক শব্দ।
অন্যদিকে, দ্যুতি শব্দের অর্থ হলো উজ্জ্বলতা, আলো, বা আভা। এটি রশ্মি বা আলোক এর সমার্থক শব্দ। যেহেতু প্রশ্নে ‘অগ্নি’ এর সমার্থক শব্দ নয় কোনটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো দ্যুতি।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য
ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন
ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।
• কাজী নজরুল ইসলামের সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধসপ্তাহিক পত্রিকা ধূমকেতু (১৯২২)। - ধূমকেতু পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথের বাণী ছাপা হয়েছিল - "আয় চলে আয় রে ধূমকেতু/ আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু-"। - ধূমকেতুর পূজা সংখ্যায় (২৬শে সেপ্টেম্বর ১৯২২) 'আনন্দময়ীর আগমনে' প্রকাশিত হলে পত্রিকাটি ব্রিটিশ সরকার দ্বারা বাজেয়াপ্ত হয় এবং তিনি গ্রেফতার হন।
• কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত অন্যান্য পত্রিকা - - ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) পত্রিকার প্রধান পরিচালক ছিলেন কাজী নজরুল ইসলাম, এটি ১৯২৫ সালে প্রকাশিত হয়। - 'দৈনিক নবযুগ' পত্রিকাটি কাজী নজরুল ইসলাম কমরেড মুজাফ্ফর আহমদ এর সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেন ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর এবং বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কাজী নজরুল ইসলাম।
ধূমকেতু একটি অর্ধসাপ্তাহিক পত্রিকা যা ১৯২২ সালের ১১ আগস্ট প্রকাশিত হয়। এর প্রকাশক ছিলেন আফজলুল হক। তবে এর সম্পাদক ছিলেন আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
নজরুল 'ধূমকেতু' পত্রিকাকে 'অগ্নিবীণা'র প্রতিচ্ছবি হিসেবে বর্ণনা করেছিলেন। এই পত্রিকায় প্রকাশিত 'আনন্দময়ীর আগমনে' কবিতাটির জন্য ব্রিটিশ সরকার পত্রিকাটি বাজেয়াপ্ত করে এবং নজরুলকে গ্রেফতার করা হয়।
12
কোনটি তৎসম শব্দ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
কিংবদন্তি
খ
হাতি
গ
চাঁদ
ঘ
তেঁতুল
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
কিংবদন্তি (বিশেষ্য) - সংস্কৃত বা তৎসম শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = কিম্+√বদ্+অন্তি অর্থ: - লোক পরম্পরায় শ্রুত কাহিনি - গুজব
অন্যদিকে, হাতি = সংস্কৃত শব্দ হস্তী থেকে উদ্ভূত তদ্ভব শব্দ। চাঁদ = সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে উদ্ভূত তদ্ভব শব্দ। তেঁতুল = সংস্কৃত শব্দ তিন্তিড়ী থেকে উদ্ভূত তদ্ভব শব্দ।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো কিংবদন্তি।
বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডারের উৎপত্তির দিক থেকে যে সকল শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে এবং যার কোনো রূপ পরিবর্তন হয়নি, তাদের তৎসম শব্দ বলা হয়।
কিংবদন্তি শব্দটি (সংস্কৃত: কিম্+√বদ্+অন্তি) সরাসরি তৎসম শব্দ হিসেবে বাংলায় ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, প্রশ্নে দেওয়া অন্যান্য অপশনগুলো তদ্ভব শব্দ:
• হাতি শব্দটি সংস্কৃত শব্দ হস্তী থেকে পরিবর্তিত হয়েছে। • চাঁদ শব্দটি সংস্কৃত শব্দ চন্দ্র থেকে পরিবর্তিত হয়েছে। • তেঁতুল শব্দটি সংস্কৃত শব্দ তিন্তিড়ী থেকে পরিবর্তিত হয়েছে। এগুলো প্রাকৃত ভাষার মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় আসায় এদের তদ্ভব শব্দ বলা হয়।
13
স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে কী বলে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ফলা
কার
গ
ধ্বনি
ঘ
অক্ষর
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে 'কার' বলে। - স্বরবর্ণে কার আছে ১০ টি। - 'অ' স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ নেই। তাই 'অ' একটি নিলীন বর্ণ।
• ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে ফলা বলে। - ব্যঞ্জনবর্ণে ফলা আছে মোট ৬ টি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কার।
বাংলা ব্যাকরণে স্বরবর্ণের যখন সংক্ষিপ্ত বা সংকেত রূপ ব্যঞ্জনবর্ণের সাথে যুক্ত হয়ে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে কার বলা হয়।
যেমন: 'ক' + 'আ' = 'কা'। এখানে 'আ' স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (া) ব্যবহার করা হয়েছে, যা একটি কার।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
ফলা: এটি হলো ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপ (যেমন: ম-ফলা, য-ফলা)।
ধ্বনি: ভাষার ক্ষুদ্রতম একক হলো ধ্বনি, যা উচ্চারিত হয়।
অক্ষর: শব্দ বা শব্দের অংশ, যা একবারে উচ্চারিত হয়।
14
"উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ"- এখানে ‘উদ্যম বিহনে’ কোন কারকে কোন বিভক্তি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
কর্তৃকারকে ৭মী
অধিকরণে ৭মী
গ
অপাদানে ১মা
ঘ
কর্মে ৭মী
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• অধিকরণ কারক: ক্রিয়ার আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। আধার বলতে ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার স্থান, কাল ও ভাবকে বােঝায়। অর্থাৎ ক্রিয়া সম্পাদনের কাল এবং আধারকে বলা হয় অধিকরণ কারক। বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথায়, কখন ও কোনাে বিষয় বােঝাতে অধিকরণ কারক হয়। অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি অর্থাৎ এ, য়, তে ইত্যাদি বিভক্তি যুক্ত হয়। যেমন- আধার (স্থান) : আমরা প্রতিদিন কলেজে যাই। কাল (সময়) সকালে সূর্য উঠবে।
• 'উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ' - বাক্যে অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির প্রয়োগ ঘটেছে। বাক্যটি ক্রিয়া নিষ্পন্ন হওয়ার কালকে বোঝাচ্ছে। কিন্তু -এ বিভক্তি যুক্ত হইয়েছে। তাই বাক্যটি = অধিকরণে সপ্তমী বিভক্তি প্রকাশ করে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: অধিকরণে সপ্তমী।
'উদ্যম বিহনে কার পুরে মনোরথ'—এই বাক্যে ‘উদ্যম বিহনে’ পদটি দ্বারা 'মনোরথ পূর্ণ হওয়ার' ক্রিয়ার অবস্থা, শর্ত বা আধারকে বোঝানো হয়েছে।
যে কারক ক্রিয়া সম্পাদনের কাল, স্থান বা অবস্থাকে নির্দেশ করে, তাকে অধিকরণ কারক (Locative Case) বলে।
এখানে উদ্যম না থাকা অবস্থায় (শর্ত/অবস্থা) কোনো কাজ সম্পন্ন হয় না, যা অধিকরণ কারকের একটি প্রকারভেদ ভাবাধিকরণ-এর উদাহরণ।
যেহেতু 'বিহনে' অব্যয়টি এখানে সপ্তমী বিভক্তির (এ, তে) সমতুল্য হয়ে শর্ত বা ভিত্তি বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি।
অন্যান্য কারক ভুল, কারণ এটি কর্তা (কর্তৃ), কর্ম (কর্মে) বা স্থান/কাল থেকে বিচ্যুতি (অপাদানে) বোঝাচ্ছে না।
15
বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এর এক কথায় প্রকাশ কর-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
বীরভোগ্যা
খ
রত্মগর্ভা
বীরপ্রসূ
ঘ
স্বর্ণমাতা
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী- এর এক কথায় প্রকাশ = বীরপ্রসূ
নারী সম্পর্কিত কিছু বাক্য সংকোচন: যে নারীর স্বামীও নেই সন্তানও নেই = অবীরা যে নারী বীর = বীরাঙ্গনা। যে নারী অন্য কারও প্রতি আসক্ত হয়না = অনন্যা। যে নারী কখনো সূর্যকে দেখে নাই = অসূর্যম্পশ্যা। যে নারীর হাসি সুন্দর = সুস্মিতা/সুহাসিনী। যে নারীর হাসি কুটিলতাবর্জিত = শুচিস্মিতা।
উৎস: ভাষা শিক্ষা, হায়াৎ মামুদ।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: বীরপ্রসূ।
এক কথায় প্রকাশ অনুযায়ী, ‘বীর সন্তান প্রসব করে যে নারী’ তাকে বীরপ্রসূ বলা হয়। এখানে ‘বীর’ (নায়ক/সাহসী) এবং ‘প্রসূ’ (প্রসবকারিণী) শব্দ দুটির সংযোগ ঘটেছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
রত্মগর্ভা: যার গর্ভে রত্ন বা মূল্যবান কিছু জন্মায়। সাধারণত অত্যন্ত গুণবান বা মহামূল্যবান সন্তানের জননীকে রত্মগর্ভা বলা হয়। এটি বীরপ্রসূ-র সমার্থক হলেও প্রশ্নটিতে সরাসরি ‘বীর সন্তান’ উল্লেখ থাকায় বীরপ্রসূ সবচেয়ে সঠিক।
বীরভোগ্যা: যে নারী বীর কর্তৃক ভোগ্যা বা উপভোগ্যা (এটি সাধারণত সাহিত্যের প্রেক্ষাপটে ব্যবহৃত)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
বাংলা ভাষার ব্যকরণ, নবম-দশম শ্রেণি অনুসারে, 'দীপ্যমান' শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় হলো √দীপ্ + শানচ্ (মান)। এটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ। 'শানচ্' প্রত্যয়যোগে গঠিত আরো শব্দ হলো- চলমান, বর্ধমান ইত্যাদি।
আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি অনুসারে, দীপ্যমান (বিশেষণ) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় -√দীপ্ + মান (শানচ্) অর্থ: উজ্জ্বল, জ্বলন্ত, ভাস্বর।
ব্যাখ্যা
সঠিক প্রকৃতি ও প্রত্যয় হলো √দীপ্ + শানচ্। 'দীপ্যমান' শব্দটি সংস্কৃত কৃৎপ্রত্যয় যোগে গঠিত।
এখানে প্রকৃতি বা মূল ধাতু হলো √দীপ্, যার অর্থ দীপ্তি পাওয়া বা উজ্জ্বল হওয়া।
যে প্রত্যয়টি যুক্ত হয়েছে, সেটি হলো শানচ্। শানচ্ প্রত্যয়যোগে গঠিত হলে মূল শব্দের শেষে সাধারণত '-মান' অংশটি থাকে (যেমন: চল্ + শানচ্ = চলমান)।
অন্যান্য অপশনগুলি ভুল, কারণ তারা হয় ভুল ধাতু (যেমন: √দীপ্য বা √দিপ) অথবা ভুল প্রত্যয় (যেমন: মান, মানচ, শামচ) ব্যবহার করেছে। প্রত্যয় হিসেবে শুধু 'মান' ব্যবহার করা ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়, এর মূল নাম 'শানচ্'।
17
‘ক্রিয়ার কাল ও পুরুষ’ ব্যাকরণের কোন অংশে আলোচিত হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ধ্বনিতত্ত্বে
রূপতত্ত্বে
গ
বাক্যতত্ত্বে
ঘ
অর্থতত্ত্বে
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি। যথা: - ধ্বনিতত্ত্ব, - শব্দতত্ত্ব বা রূপতত্ত্ব, - বাক্যতত্ত্ব বা পদক্রম ও - অর্থতত্ত্ব।
রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব: ব্যাকরণে শব্দ বা পদের আলোচনাকে বলে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব।
এর আলোচ্য বিষয় হলো: - শব্দগঠন, - প্রত্যয়, - উপসর্গ, - পদপরিচয়, - ক্রিয়া, - লিঙ্গ, - পুরুষ, - বচন, - শব্দ ও ধাতুরূপ, - সমাস, - কারক।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: রূপতত্ত্বে।
বাংলা ব্যাকরণের আলোচ্য বিষয় চারটি: ধ্বনিতত্ত্ব, রূপতত্ত্ব, বাক্যতত্ত্ব এবং অর্থতত্ত্ব। এর মধ্যে রূপতত্ত্ব বা শব্দতত্ত্ব শব্দ এবং পদের গঠনগত দিক নিয়ে আলোচনা করে।
ক্রিয়াপদ একটি বিশেষ পদ, এবং ক্রিয়ার কাল (Tense) এবং পুরুষ (Person) ক্রিয়াপদের বিভিন্ন রূপভেদ নির্দেশ করে। যেহেতু এটি শব্দের (পদের) রূপ বা গঠনের অংশ, তাই এটি রূপতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়।
ধ্বনিতত্ত্ব ধ্বনি ও ধ্বনি সংযোগ (যেমন সন্ধি) নিয়ে আলোচনা করে।
বাক্যতত্ত্ব বাক্যের গঠন, পদের সঠিক বিন্যাস (পদক্রম) ও বাচ্য নিয়ে আলোচনা করে।
18
শরীর>শরীল- শব্দটিতে ধ্বনি পরিবর্তনের কোন ধরণের নিয়ম প্রযোজ্য?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
সমীভবন
বিষমীভবন
গ
অসমীভবন
ঘ
ধ্বনিবিপর্যয়
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
ভাষার পরিবর্তন ধ্বনির পরিবর্তনের সাথে সম্পৃক্ত। ধ্বনি পরিবর্তন নানা প্রক্রিয়ায় সম্পন্ন হয়।
• বিষমীভবন (Dissimilation) : দুটো সমবর্ণের একটির পরিবর্তনকে বিষমীভবন বলে। যেমন – শরীর > শরীল, লাল > নাল ইত্যাদি।
অন্যদিকে, • অসমীকরণ (Dissimilation) : একই ঘরের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে যখন স্বরধ্বনি যুক্ত হয় তখন তাকে বলে অসমীকরণ। যেমন – ধপ + ধপ > ধপাধপ, টপ + টপ > টপাটপ ইত্যাদি।
• ধ্বনি বিপর্যয়: শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন – ইংরেজি বাক্স > বাংলা বাস্ক, জাপানি রিক্সা » বাংলা রিস্কা ইত্যাদি। অনুরুপ – পিশাচ > পিচাশ, লাফ > ফাল।
• সমীভবন: শব্দমধ্যস্থ দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে অল্প-বিস্তর সমতা লাভ করে। এ ব্যাপারকে বলা হয় সমীভবন। যেমন: জন্ম > জম্ম, কাঁদনা > কান্না।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: বিষমীভবন।
বিষমীভবন (Dissimilation): শব্দের মধ্যে থাকা একই ধরনের দুটি ধ্বনির (বা সমবর্ণের) একটির পরিবর্তন হয়ে গেলে তাকে বিষমীভবন বলে। এটি মূলত উচ্চারণের সুবিধার জন্য ঘটে থাকে।
প্রশ্নোক্ত উদাহরণ: শরীর > শরীল। এখানে দুটি 'র' ধ্বনির একটি পরিবর্তিত হয়ে 'ল' ধ্বনিতে রূপ নিয়েছে। এটি বিষমীভবনের সরাসরি উদাহরণ।
অন্যদিকে, সমীভবন হলো দুটি ভিন্ন ধ্বনি একে অপরের প্রভাবে সমতা লাভ করা (যেমন: কর্ম>কম্ম, কাঁদনা>কান্না)।
অসমীভবন হলো একই ধরনের শব্দের পুনরাবৃত্তি দূর করার জন্য মাঝখানে স্বরধ্বনি যুক্ত হওয়া (যেমন: টপ টপ > টপা টপ)।
ধ্বনি বিপর্যয় হলো শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের স্থান পরিবর্তন করা (যেমন: বাক্স > বাস্ক)।
19
‘দূর্যোগ’- এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
দুহঃ+যোগ
দুঃ+যোগ
গ
দুর+যোগ
ঘ
দুরঃ+যোগ
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
‘দূর্যোগ’- এর সঠিক সন্ধিবিচ্ছেদ = দুঃ+যোগ
• অ ও আ ভিন্ন অন্য অন্য স্বরের পরে বিসর্গ থাকলে, এবং তার সঙ্গে অ আ বর্গীয় ঘোষ অল্পপ্রান ও ঘোষ মহাপ্রান নাসিল্যধ্বনি কিংবা য, র, ল, ব, হ-এর সন্ধি হলে বিসর্গ স্থানে র-হয়। যেমন- নিঃ+আকার = নিরাকার আশী+বাদ = আশীর্বাদ ইত্যাদি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: দুঃ+যোগ। এটি বিসর্গ সন্ধির (Visarga Sandhi) একটি উদাহরণ।
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম (র-জাত): অ ও আ ভিন্ন অন্য কোনো স্বরের (যেমন: ই, উ) পরে যদি বিসর্গ (ঃ) থাকে এবং তার সঙ্গে কোনো ঘোষ ধ্বনি (বর্গের ৩য়, ৪র্থ, ৫ম বর্ণ) অথবা য, র, ল, ব, হ যুক্ত হয়, তবে বিসর্গ স্থানে 'র' বা 'রেফ' (র্) হয়।
এখানে, দুঃ (উ-কার পরে বিসর্গ) + যোগ (য) = দূর্যোগ। বিসর্গটি 'র'-তে পরিবর্তিত হয়ে 'য'-এর উপর রেফ সৃষ্টি করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: দুহঃ+যোগ, দুর+যোগ) ভুল, কারণ বিসর্গ সন্ধিতে বিসর্গযুক্ত পদটিই সন্ধির প্রথম অংশ হিসেবে থাকে (যেমন: দুঃ, নিঃ)।
20
উপকণ্ঠ- শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
কণ্ঠের সমীপে
খ
কণ্ঠের সদৃশ
গ
উপ যে কণ্ঠ
ঘ
কণ্ঠ পর্যন্ত
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
উপকণ্ঠ- শব্দটির সঠিক ব্যাসবাক্য = কণ্ঠের সমীপে। এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ।
অব্যয়ীভাব সমাস যে সমাসের পূর্বপদে অব্যয় থাকে এবং অব্যয়ের অর্থ প্রধানরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে বলা হয় অব্যয়ীভাব সমাস। - অন্যভাবে বলা যায়, পূর্বপদে অব্যয়যােগে নিষ্পন্ন সমাসে অর্থের প্রাধান্য থাকলে, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। - অব্যয়ীভাব সমাসের ব্যাসবাক্যে অব্যয় উল্লেখ হয় না, কেবল অব্যয়ের অর্থযােগে ব্যাসবাক্যটি গঠিত হয়। যেমন- জানু পর্যন্ত লম্বিত = আজানুলম্বিত (কাছে), মরণ পর্যন্ত = আমরণ ইত্যাদি। বিভিন্ন অর্থে অব্যয়ীভাব সমাস ব্যবহৃত হয় -
সামীপ্য (উপ) : কূলের সমীপে = উপকূল, নগরীর সমীপে = উপনগরী, শহরের সমীপে = উপশহর, কণ্ঠের সমীপে = উপকণ্ঠ, অক্ষির সমীপে =সমক্ষ, ক্ষুদ্র মহাদেশ =উপমহাদেশ ইত্যাদি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কণ্ঠের সমীপে।
উপকণ্ঠ শব্দটি অব্যয়ীভাব সমাস-এর উদাহরণ। এই সমাসে পূর্বপদে (প্রথম পদ) একটি অব্যয় পদ বসে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়।
এখানে পূর্বপদ হলো 'উপ'। 'উপ' অব্যয়টি সামীপ্য (Nearness/Proximity) অর্থ প্রকাশ করে।
তাই উপকণ্ঠ-এর ব্যাসবাক্য হয় 'কণ্ঠের সমীপে' (কণ্ঠের কাছাকাছি)। অন্যান্য অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ: কূলের সমীপে = উপকূল; নগরীর সমীপে = উপনগরী।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
তামার বিষ' বাগ্ধারাটির অর্থ- অর্থের কুপ্রভাব উদাহরণ - তোমাকে তামার বিষে পেয়েছে বলে মানুষকে মানুষ বলে মনে কর না।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: অর্থের কু-প্রভাব।
বাগধারাটি হলো 'তামার বিষ'। এখানে 'তামা' অর্থ সম্পদ বা অর্থ এবং 'বিষ' অর্থ ক্ষতিকারক বা মন্দ প্রভাব। সুতরাং, অর্থ বা ধন-সম্পদের কারণে মানুষের মধ্যে যে খারাপ বা নীতিভ্রষ্ট প্রভাব দেখা যায়, তাকেই 'তামার বিষ' বলা হয়। এটি অর্থের নেতিবাচক দিক নির্দেশ করে।
যেমন: 'তামার বিষে পেয়েছে বলে মানুষকে মানুষ বলে মনে কর না।'
অন্যান্য অপশন যেমন 'অর্থের অভাব' (দারিদ্র্য) কিংবা 'অর্থের প্রাচুর্য্য' (সম্পদের আধিক্য) সরাসরি এই বাগধারাটির অর্থ প্রকাশ করে না। 'অর্থের অহংকার' এর একটি বিশেষ ফল হতে পারে, কিন্তু বাগধারাটি সামগ্রিক কু-প্রভাব বোঝায়।
22
প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ কে লেখেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
রামমোহন রায়
ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড
গ
উইলিয়াম কেরী
ঘ
সুনীতিকুমার চট্টোপধ্যায়
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• বাংলা ভাষার প্রথম ব্যাকরণ গ্রন্থ রচয়িতা নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহেড৷ - তার রচিত গ্রন্থটির নাম 'এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ' (১৭৭৮)। গ্রন্থটি মূলত ইংরেজী ভাষায় রচিত। - তবে দৃষ্টান্ত দেবার সময় এর কিছু অংশ বাংলা লিপিতে মুদ্রিত হয়।
• মনে রাখতে হবে, প্রথম বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন (পর্তুগিজ ভাষায়) - মনোএল দা আসুসাম্পসাঁউ (ভোকাবুলারিও এম ইদিওমা বেনগল্লা ই পোরতুগিজ) । প্রথম বাংলা ব্যাকরণগ্রন্থ রচনা করেন (মূলত ইংরেজী ভাষায়) - নাথিনিয়েল ব্রাশি হ্যালহেড (এ গ্রামার অফ দি বেঙ্গলি ল্যাঙ্গুয়েজ)। বাঙালি রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ (বাংলায়) - গৌড়ীয় ব্যাকরণ (রামমোহন রায়)।
উৎস: বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস, মাহবুবুল হক এবং বাংলাপিডিয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড।
পরীক্ষার ক্ষেত্রে, যখন জিজ্ঞাসা করা হয় 'প্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ কে লেখেন?', তখন সাধারণত ন্যাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেডের লেখাটিকে বোঝানো হয়।
তিনি ১৭৭৮ সালে 'A Grammar of the Bengal Language' নামে একটি গ্রন্থ রচনা করেন। এই গ্রন্থটি মূলত ইংরেজী ভাষায় রচিত হলেও এতে বাংলা ভাষার উদাহরণ দিতে প্রথমবার বাংলা অক্ষর ব্যবহৃত হয়।
রামমোহন রায়: তিনি ছিলেন প্রথম বাঙালি, যিনি বাংলায় বাংলা ব্যাকরণ রচনা করেন ('গৌড়ীয় ব্যাকরণ', ১৮২৬/১৮৩৩)।
উইলিয়াম কেরী: তিনি বাংলা ভাষার জন্য ব্যাকরণ ও অভিধান রচনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখলেও, প্রথম ব্যাকরণটির রচয়িতা নন।
23
বাংলা ভাষায় সংস্কৃত উপসর্গ কয়টি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
২২টি
খ
২১টি
২০টি
ঘ
২৩টি
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• উপসর্গ ৩ প্রকার। যথা- বাংলা উপসর্গ, তৎসম উপসর্গ এবং বিদেশী উপসর্গ।
বাংলা উপসর্গের মধ্যে আ, সু, বি, নি এই চারটি উপসর্গ তৎসম শব্দেও পাওয়া যায়। বাংলা ও সংস্কৃত উপসর্গের মধ্যে পার্থক্য এই যে, যে শব্দটির সঙ্গে উপসর্গ যুক্ত হয় সেই শব্দটি বাংলা হলে উপসর্গটি বাংলা আর সেই শব্দটি তৎসম হলে উপসর্গটিও তৎসম হয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: ২০টি।
বাংলা ভাষায় মূলত তিন প্রকার উপসর্গ পাওয়া যায়: ১. খাঁটি বাংলা উপসর্গ, ২. তৎসম (সংস্কৃত) উপসর্গ এবং ৩. বিদেশি উপসর্গ।
তৎসম উপসর্গগুলো হলো সেই সকল উপসর্গ, যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এই তৎসম উপসর্গের সংখ্যা হলো ২০টি।
বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে ২১টি হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা। এই সংখ্যাটি অনেক পরীক্ষার্থী ভুলবশত সংস্কৃত উপসর্গের উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করেন।
অতএব, প্রশ্নে সংস্কৃত উপসর্গ জানতে চাওয়ায়, সঠিক সংখ্যাটি হবে ২০টি।
24
উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহে কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
৪ ভাগে
খ
৩ ভাগে
গ
৫ ভাগে
ঘ
৬ ভাগে
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
উৎস/উৎপত্তি বিবেচনায় বাংলা শব্দভান্ডারকে চারভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা, - তৎসম, - তদ্ভব, - দেশি, - বিদেশি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ)।
উল্লেখ্য, মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ বইয়ের ২০১৯ সংস্করণে উৎস বিবেচনায় শব্দকে ৫ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। এটি ভুল তথ্য। কেননা, বাংলা একাডেমি অভিধান অনুসারে, শব্দের উৎস বিবেচনায় ৪ শ্রেণিতে বিভক্ত হিসাবে দেখানো হয়েছে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ৪ ভাগে। উৎপত্তি বা উৎস অনুসারে বাংলা শব্দভান্ডারকে প্রধানত চার ভাগে ভাগ করা হয়। এই শ্রেণিবিভাগটি বাংলা একাডেমি এবং জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) অনুমোদিত সর্বশেষ ব্যাকরণ বই অনুযায়ী স্বীকৃত।
এই চারটি ভাগ হলো: তৎসম (Sanskrit unchanged), তদ্ভব (Sanskrit evolved), দেশি (Indigenous), এবং বিদেশি (Foreign).
উল্লেখ্য, পুরোনো কিছু ব্যাকরণে অর্ধ-তৎসম শব্দকে পঞ্চম ভাগ হিসেবে দেখানো হলেও, আধুনিক ও প্রমিত ব্যাকরণ অনুসারে এই বিভাজনটি আর ব্যবহৃত হয় না। NTRCA বা অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য চার ভাগ উত্তরটিই সর্বজনীনভাবে সঠিক হিসেবে গৃহীত।
25
‘ইংরেজি’ শব্দটি কোন ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
তুর্কি
খ
গ্রীক
গ
ফারসি
পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
‘ইংরেজি’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে।
ইংরেজি (বিশেষ্য) - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। অর্থ: ইংরেজদের ভাষা। English.
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজ।
বাংলা শব্দভান্ডারে যেসব বিদেশি শব্দ স্থান পেয়েছে, তার মধ্যে পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দও উল্লেখযোগ্য। আধুনিক বাংলা অভিধান (বাংলা একাডেমি) অনুসারে, ‘ইংরেজি’ শব্দটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে নেওয়া হয়েছে, যা দিয়ে ইংরেজদের ভাষাকে বোঝানো হয়।
এটি সাধারণত পর্তুগিজদের মাধ্যমে এদেশে আগত শব্দগুলোর একটি।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য
বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।
• বিশ্বাস রাখা অর্থে faith এর সাথে appropriate preposition হিসাবে in হয় এবং hope এর সাথে for হয়। - তাই সঠিক উত্তর হবে - She had faith in & hopes for the future.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: She had faith in & hopes for the future. (অপশন D)
এই বাক্যটি মূলত Appropriate Preposition-এর ব্যবহার সম্পর্কিত। দুটি ভিন্ন Noun (Faith এবং Hopes) একটি কমন Object (the future) গ্রহণ করছে, কিন্তু তাদের জন্য প্রয়োজনীয় Preposition ভিন্ন।
১. Faith (বিশ্বাস) শব্দের সাথে সর্বদা Appropriate Preposition হিসাবে in ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: We have faith in his abilities.
২. Hopes (আশা) শব্দের সাথে সর্বদা Appropriate Preposition হিসাবে for ব্যবহৃত হয়। উদাহরণ: They have hopes for a better future.
অতএব, Sentence-টিকে সঠিকভাবে গঠন করতে faith-এর পরে in এবং hopes-এর পরে for ব্যবহার করা অপরিহার্য।
27
She argued ____ me about the marriage.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
with
খ
for
গ
to
ঘ
from
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
সঠিক উত্তর হবে - with argue with - মতের অমিল বা ভিন্নমত পোষণ করা; ঝগড়া করা / To engage in an argument or quarrel with someone. অর্থাৎ কারো সাথে কোনো বিষয়ে মতের অমিল হলে বা ভিন্ন মত প্রকাশ করে তর্কে জড়ালে argue এর সাথে preposition হিসাবে with ব্যবহৃত হয়। Complete sentence: She argued with me about the marriage.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো with। এটি একটি Fixed Preposition-এর ব্যবহার।
Argue with মানে হলো কোনো ব্যক্তির সাথে সরাসরি মতের অমিল হওয়া বা ঝগড়া করা। এখানে 'me' (ব্যক্তি) এর সাথে তর্কের কথা বলা হয়েছে, তাই Argue-এর পর with বসবে।
বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায়: বিবাহের ব্যাপারে সে আমার সাথে তর্ক করেছিল।
অন্যান্য Preposition যেমন 'for', 'to', বা 'from' এখানে ব্যক্তির সাথে বিতর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না, তাই এগুলো ভুল।
28
Choose the appropriate meaning of the idiom 'Swan Song'.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
first work
last work
গ
middle work
ঘ
early work
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
The idiom `Swan Song' means - last work.
Swansong
English Meaning: the final performance or activity of a person's career / last work.
Bangla Meaning: শেষ কর্ম / রচনা।
Ex. Sentence: ‘The Tempest' is known as Shakespeare's Swansong.
Bangla Meaning: ‘দ্যা টেম্পেস্ট’ কে শেক্সপিয়ারের শেষ কীর্তি / রচনা বলা হয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: last work (শেষ কাজ/রচনা)।
ইডিয়াম 'Swan Song'-এর বাংলা অর্থ হলো 'শেষ কীর্তি' বা 'শেষ রচনা'।
পুরাতন গ্রিক মিথ অনুসারে, রাজহাঁস (Swan) মারা যাওয়ার ঠিক আগে সবচেয়ে মধুর গানটি গেয়ে থাকে। তাই, 'Swan Song' দ্বারা কোনো ব্যক্তি, শিল্পী বা সাহিত্যিকের জীবনের সর্বশেষ এবং শ্রেষ্ঠ কাজটিকে বোঝানো হয়।
যেমন: ‘The Tempest’ is known as Shakespeare's Swansong. (অর্থ: ‘দ্যা টেম্পেস্ট’ কে শেক্সপিয়ারের শেষ এবং সম্ভবত শ্রেষ্ঠ কীর্তি বলা হয়)।
অন্যান্য অপশন যেমন 'first work', 'middle work' বা 'early work' সম্পূর্ণ ভুল, কারণ এগুলো সমাপ্তি বা শেষ নির্দেশ করে না।
29
শিশুটি হাসতে হাসতে আমার কাছে এলো-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
The baby come to me to laughing
The baby came to me laughing
গ
The baby came to me in laughing
ঘ
The baby come to me by laughing
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
শিশুটি হাসতে হাসতে আমার কাছে এলো - এই বাক্যটির সঠিক অনুবাদ হবে - The baby came to me laughing.
হাসতে হাসতে, কাঁদতে কাঁদতে ইত্যাদি চলমান কাজ প্রকাশ করা অর্থে সব সময় present participle (verb + ing) হয়। যেহেতু বাক্যটিতে হাসতে হাসতে এলো দ্বারা একটি চলমান sense বোঝানো হয়েছে তাই verb, laugh এর সাথে ing যুক্ত হয়েছে।
ব্যাখ্যা
সঠিক অনুবাদটি হলো: The baby came to me laughing (Option 2)।
বাংলা বাক্যটিতে দুটি কাজ একই সাথে সম্পন্ন হয়েছে: ১. শিশুটি এলো (Main Action), ২. হাসতে হাসতে (Simultaneous Action)।
যেহেতু 'এলো' শব্দটি অতীত কালের (Past Tense) নির্দেশ করে, তাই মূল ভার্ব হবে came (come-এর Past form)।
বাংলায় 'হাসতে হাসতে', 'কাঁদতে কাঁদতে' বা 'খেলতে খেলতে' ইত্যাদি দ্বারা বোঝানো চলমান, একইসাথে ঘটা কাজ প্রকাশ করতে ইংরেজি অনুবাদে সাধারণত Present Participle (V + ing) ব্যবহার করা হয়।
এখানে laughing শব্দটি Adverbial Participle হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা মূল ভার্বকে (came) মডিফাই করছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: অপশন 0 ও 3-এ 'come' ব্যবহার করা হয়েছে, যা অতীত কাল নির্দেশ করে না। অপশন 2 ও 4-এ 'in laughing' বা 'by laughing' এর ব্যবহার ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং এই সেন্স প্রকাশ করে না।
সুতরাং বোঝা যাচ্ছে, প্রশ্ন প্রদত্ত অপশন গুলোর মধ্যে কেবল মাত্র Friendly শব্দটি Inimical এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে - Friendly.
Source: Accessible Dictionary.
ব্যাখ্যা
শব্দটি হলো 'Inimical', যা একটি Adjective। এর অর্থ হলো বৈরী, প্রতিকূল, ক্ষতিকর বা বিরোধী (hostile, adverse, detrimental)।
যেহেতু আমাদের বিপরীত শব্দ বা Antonym জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এমন একটি শব্দ খুঁজতে হবে যা বন্ধুত্বপূর্ণ বা সহায়ক অর্থ প্রকাশ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে:
• Friendly এর অর্থ হলো বন্ধুত্বপূর্ণ বা বন্ধুসুলভ, যা 'Inimical' এর সরাসরি বিপরীত।
• Hostile হলো 'Inimical'-এর একটি প্রতিশব্দ (Synonym)।
• Indifferent (উদাসীন) এবং Angry (ক্রুদ্ধ) অর্থগতভাবে অপ্রাসঙ্গিক।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো অপশন (B) Friendly।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
When, as, till, until ইত্যাদি যখন সময় অর্থে ব্যবহৃত হয় তখন এগুলোর পুর্বে past form থাকলে পরের অংশে past indefinite এবং past perfect tense দুইটির ব্যবহারই শুদ্ধ।
যেমন: We waited until she had finished speaking. এখানে until এর আগের অংশে past indefinite tense এবং পরের অংশে past perfect tense ব্যবহৃত হয়েছে। আবার, We played until it got dark. এখানে, until এর আগে এবং পরে উভয় ক্ষেত্রেই past indefinite tense ব্যবহৃত হয়েছে।
সুতরাং, He waited until the plane - এর পর took off / had taken off দুটিই শুদ্ধ হবে। উভয় ক্ষেত্রেই বাক্যের অর্থ হবে - বিমানটি উড্ডয়ন না হওয়া পর্যন্ত তিনি অপেক্ষা করেন।
সূত্র: Merriam-webster Dictionary এবং Longman Dictionary.
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি Sequence of Tense (ক্রিয়ার কাল অনুক্রম) এবং 'until' এর সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত।
বাক্যের প্রথম অংশ 'He waited' হলো Past Indefinite Tense।
Rule: যখন until, till, as, when ইত্যাদি সংযোগকারী অব্যয় সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় এবং তাদের পূর্বের ক্লজটি Past Tense-এ থাকে, তখন পরের ক্লজটি সেই কাজটি নির্দেশ করে, যা সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত প্রধান ক্লজের কাজটি চলছিল। এক্ষেত্রে পরের ক্লজটি Past Indefinite (took off) অথবা Past Perfect (had taken off) Tense-এ হতে পারে। উভয় ব্যবহারই ব্যাকরণগতভাবে শুদ্ধ।
যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে 'had taken off' (Past Perfect) Tense-টি সঠিক গঠন এবং অর্থ প্রকাশ করছে, তাই এটিই উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন, 'take off' (Present Form) বা 'did not take off' (অর্থ এবং কাল অনুক্রমে ভুল) গ্রহণযোগ্য নয়।
32
My uncle arrived while I ___ the dinner.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
would cook
খ
had cooked
গ
cook
was cooking
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
While দ্বারা দুইটি বাক্যাংশ যুক্ত হলে, While এর পূর্বে অংশ টি past indefinite এ হলে, এরপরের অংশে past continuous tense হয়। সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - was cooking. সম্পূর্ণ বাক্যটি - My uncle arrived while I was cooking the dinner.
ব্যাখ্যা
এটি Tense নির্ধারণের একটি মৌলিক প্রশ্ন, যা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন While দ্বারা দুটি ক্লজ যুক্ত হয়, তখন যে কাজটি আগে থেকে চলছিল এবং দীর্ঘ সময় ধরে হচ্ছিল, সেটিতে Past Continuous Tense ব্যবহার করা হয়। আর যে কাজটি চলমান কাজটিকে হঠাৎ এসে বাধা দেয় বা সেই সময় ঘটে, সেটিতে Past Indefinite Tense ব্যবহার করা হয়।
এখানে, 'My uncle arrived' (আমার কাকা এসে পৌঁছালেন) হলো Past Indefinite Tense-এ থাকা interrupting action।
সুতরাং, 'I ___ the dinner' এই চলমান কাজটি অবশ্যই Past Continuous Tense হবে।
Past Continuous Tense এর গঠন: Subject + was/were + Verb (ing). 'I'-এর জন্য সঠিক ফর্মটি হলো was cooking।
সম্পূর্ণ বাক্যটি দাঁড়ায়: My uncle arrived while I was cooking the dinner.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: had cooked (Past Perfect) হতো যদি রান্না কাকা আসার আগেই শেষ হয়ে যেত; cook (Present/Base form) Past Tense-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
33
Which is the correct sentence?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
I shall avail the opportunity
খ
I shall avail of the opportunity
গ
I shall avail for the opportunity
I shall avail myself of the opportunity
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
- Avail oneself of the opportunity অর্থ -কাজে লাগানো বা ( সুযোগের) সদ্ব্যবহার করা। - Enjoy, avail, absent ইত্যাদি verb গুলোর পর subject অনুযায়ী reflexive pronoun বসাতে হয়। তাই সঠিক উত্তর হচ্ছে - I shall avail myself of the opportunity
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি Reflexive Pronoun ব্যবহারের একটি ক্লাসিক উদাহরণ। যখন 'Avail' verb-টি 'সুযোগের সদ্ব্যবহার করা' বা 'উপকার লাভ করা' অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এর পরে অবশ্যই একটি Reflexive Pronoun (myself, yourself, himself ইত্যাদি) বসাতে হয়।
ব্যাকরণের সঠিক গঠনটি হলো: Subject + avail + Reflexive Pronoun + of + Object।
এখানে Subject হলো 'I', তাই সঠিক Reflexive Pronoun হবে 'myself' এবং এর পর preposition হিসেবে 'of' বসবে।
অতএব, সঠিক বাক্যটি হলো: I shall avail myself of the opportunity।
অন্যান্য অপশনগুলোতে (যেমন: I shall avail the opportunity বা I shall avail of the opportunity) প্রয়োজনীয় Reflexive Pronoun-এর ব্যবহার না থাকায় তা ভুল।
34
___ mother arose in her.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
A
The
গ
An
ঘ
No Article
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
___ mother arose in her দ্বারা বোঝা যাচ্ছে যে বাক্যটিতে mother - মাতৃত্ব অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বা মাতৃস্নেহ নির্দেশ করেছে। সুতরাং, mother দ্বারা মা না বুঝিয়ে মাতৃতে বা মাতৃস্নেহ বোঝালে অর্থাৎ বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করলে এর পূর্বে article হিসাবে the বসবে। তাই, সঠিক উত্তর হবে - The. সম্পূর্ণ বাক্য - The mother arose in her.
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটি হলো: ___ mother arose in her. এখানে 'mother' শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট মাকে বোঝানো হচ্ছে না, বরং এটি একটি সাধারণ নামপদ হওয়া সত্ত্বেও মাতৃত্ব বা মাতৃস্নেহ (Maternal Instinct) নামক গুণ বা বৈশিষ্ট্যকে নির্দেশ করছে।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Common Noun (সাধারণ বিশেষ্য) দ্বারা তার inherent quality বা অন্তর্নিহিত গুণ প্রকাশ করা হয়, তখন তার পূর্বে Definite Article 'The' বসে।
যেমন: The beast (পশুর বৈশিষ্ট্য) was dead in him. The statesman (নেতৃত্বের গুণাবলি) must be wise.
সুতরাং, 'mother' (মাতৃত্ব অর্থে) এর পূর্বে The বসবে।
সঠিক উত্তর: The। সম্পূর্ণ বাক্যটি হলো: The mother arose in her.
35
Jerry was deprived of motherly affection. Here the word `motherly' is -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
an adverb
an adjective
গ
a noun
ঘ
none
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Jerry was deprived of motherly affection. Here the word 'motherly' is - an adjective.
Noun + ly = Adjective হয়। প্রশ্নে উল্লেখিত Motherly শব্দটির মূল শব্দ হচ্ছে Mother যা একটি Noun এবং এর শেষে ly যুক্ত হয়ে motherly, adjective হয়েছে।
এছাড়া এখানে affection noun কে modify করার কারণে এটি adjective.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: an adjective (একটি বিশেষ্য পদ)।
প্রশ্নোক্ত বাক্যে, 'motherly' শব্দটি ঠিক তার পরের শব্দ 'affection' (স্নেহ/মমতা), যা একটি Noun, তাকে বিশেষায়িত করছে বা তার গুণ প্রকাশ করছে। যে শব্দ Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করে, তাকেই Adjective বলা হয়।
এছাড়াও, এটি একটি মৌলিক ব্যাকরণগত সূত্র অনুসরণ করে: Noun + ly = Adjective হয়। এখানে 'mother' হলো Noun, যার সাথে 'ly' যুক্ত হয়ে 'motherly' শব্দটি একটি Adjective-এ রূপান্তরিত হয়েছে।
অনেকে Adjective-এর শেষে 'ly' দেখেই ভুল করে Adverb মনে করতে পারেন। কিন্তু Adverb সাধারণত Verb, Adjective অথবা অন্য Adverb-কে modify করে, Noun-কে নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
Panic seized me. The passive form will be - I was seized with panic.
প্রশ্ন প্রদত্ত বাক্যটি past indefinite tense এ আছে। Past indefinite যুক্ত বাক্যকে passive করার নিয়ম -
- Active এর object প্রথমে + Tense অনুযায়ী auxiliary verb + মূল verb এর past participle form +by + Active এর subject + extension.
- কিন্তু active voice এ cover, crowd, seize, fill, know ইত্যাদি verb গুলো থাকলে, Passive voice এর verb এর past participle এর পর by এর পরিবর্তে with বসে।
সুতরাং সঠিক উত্তর, I was seized with panic.
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত Active Voice বাক্যটি, 'Panic seized me' হলো Past Indefinite Tense-এ।
Passive Voice করার সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী: Active Object (me) → Passive Subject (I), এরপর Tense অনুযায়ী Auxiliary Verb (was) এবং মূল Verb (seize)-এর Past Participle (seized) বসবে।
তবে, Seize, Know, Cover, Fill, Contain, Interest ইত্যাদি Verb গুলো Passive করার সময় সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী 'by' এর পরিবর্তে নির্দিষ্ট Preposition (Fixed Preposition) ব্যবহার করা হয়।
Seized verb-টির সাথে সর্বদা 'with' preposition বসে।
সুতরাং, সঠিক Passive রূপটি হলো: I was seized with panic।
37
The singular form of 'criteria' is-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
criterion
খ
criterium
গ
criterii
ঘ
criterius
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
Criteria এর singular form হচ্ছে - Criterion. Criterion অর্থ বিচারের মাপকাঠি; মানদণ্ড।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: criterion।
'Criteria' শব্দটি একটি ল্যাটিন বা গ্রিক উৎসের শব্দ, যা মূলত Plural Form (বহুবচন)।
যে সকল গ্রিক শব্দ -on দিয়ে শেষ হয় (যেমন criterion), সেগুলোর বহুবচন সাধারণত -a দিয়ে শেষ হয় (যেমন criteria)।
Criterion অর্থ হলো মানদণ্ড বা বিচারের মাপকাঠি। এটিকে Singular হিসেবে ব্যবহার করা হয়, যার Plural রূপ হলো Criteria।
38
The second world war________Broke _______ September 1939
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
out
খ
through
গ
away
ঘ
in
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
সঠিক উত্তর হবে - out.
Break out হচ্ছে একটি Phrase. কোনো কিছু ছড়িয়ে পড়া অর্থে Break out ব্যবহৃত হয়।
Break out
English Meaning: If something dangerous or unpleasant breaks out, it suddenly starts.
Bangla Meaning: খারাপ কিছু হঠাৎ ছড়িয়ে পড়া / প্রাদুর্ভাব
Ex. Sentence: War broke out in 1914.
Bangla Meaning: ১৯১৪ সালে যুদ্ধ শুরু হয়েছিল।
ব্যাখ্যা
এটি একটি Phrasal Verb সংক্রান্ত প্রশ্ন। Phrasal Verb-এর সঠিক ব্যবহার জানতে পারলেই এই ধরনের উত্তর করা সহজ।
বাক্যের অর্থ অনুযায়ী, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ (The second world war) ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে হঠাৎ শুরু হয়েছিল।
কোনো যুদ্ধ, মহামারি, বা খারাপ কিছু হঠাৎ শুরু হওয়া বা ছড়িয়ে পড়া বোঝাতে 'Break out' Phrasal Verb টি ব্যবহৃত হয়। যেহেতু বাক্যটি অতীতকালের, তাই এর Past form 'Broke out' ব্যবহার করা হয়েছে।
সঠিক উত্তর তাই out।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
Break through: এর অর্থ কোনো বাধা অতিক্রম করা বা সফলতা লাভ করা। Break away: এর অর্থ দল বা সংগঠন থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া। Break in: এর অর্থ জোর করে প্রবেশ করা বা (কথাবার্তায়) বাধা দেওয়া।
39
He will come in no time. Here the idiom `in no time' means-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
never in future
soon
গ
not in future
ঘ
not ever
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
He will come in no time. Here the idiom `in no time' means - soon.
In (less than) no time
English Meaning: very quickly or very soon.
Bangla Meaning: খুব শীঘ্র / অচিরে / অবিলম্বে।
Ex. Sentence: The book has sold 30,000 copies in no time
Bangla Meaning: বইটি ত্রিশ হাজার কপি বিক্রি হয়েছে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটি হলো: He will come in no time. এখানে 'in no time' একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইডিয়ম (Idiom)।
'In no time' ইডিয়মটির অর্থ হলো— খুব দ্রুত, অল্প সময়ের মধ্যে, সঙ্গে সঙ্গে, বা অবিলম্বে (very quickly/soon)।
যেহেতু 'in no time' দ্বারা সময়ের অনুপস্থিতি বোঝায়, তাই এটি দ্রুততা প্রকাশ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে 'soon' অর্থ 'শীঘ্রই' বা 'তাড়াতাড়ি', যা মূল ইডিয়মটির অর্থের সাথে সম্পূর্ণ সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'never in future', 'not in future', বা 'not ever' বলতে দীর্ঘ সময় বা কাজটি কখনোই না হওয়া বোঝায়, যা ভুল।
40
I am entitled ____ a share of the profit. The correct preposition is -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
to
খ
for
গ
from
ঘ
into
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
I am entitled ____ a share of the profit. The correct preposition is - to.
Entitled to (অধিকারী) - অর্থাৎ entitled এর সাথে appropriate preposition হিসাবে to বসে।
সম্পূর্ণ বাক্য - I am entitled to a share of the profit.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো to। এটি একটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়)-এর উদাহরণ।
Entitled শব্দটি সর্বদা to অনুসরণ করে যখন এর অর্থ দাঁড়ায় ‘কোনো কিছুতে অধিকার বা দাবি থাকা’।
Entitle to (অধিকারী হওয়া)। সম্পূর্ণ বাক্যটি হলো: I am entitled to a share of the profit (আমি মুনাফার একটি অংশের অধিকারী)।
অন্যান্য preposition (for, from, into) এই ক্ষেত্রে অর্থগতভাবে entitled এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় এবং এই অর্থ প্রকাশ করে না।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য
ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন
ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।
What kind of verb is the word 'went' in the sentence: "The dog went mad"?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Transitive verb
খ
Causative verb
গ
Factitive verb
Copulative verb
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
"The dog went mad" এই বাক্যে 'went' হচ্ছে একটি Copulative verb. Copulative verb হচ্ছে এমন verb যা subject এবং subjective complement এর মাঝে একটি link বা সম্পর্ক তৈরী করার জন্য আসে। - এর দ্বারা কোনো action বোঝায় না বরং 'হওয়া', 'পরিণত হওয়া' এরূপ অর্থ প্রকাশ করে। - Copulative verb এর অপর নাম liking verb.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: Copulative verb (কপুলেটিভ ভার্ব)।
Copulative verb কে Linking Verb বা সংযোগকারী ক্রিয়াও বলা হয়। এই Verb গুলো বাক্যের Subject-এর সাথে Subjective Complement (কর্তা সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য) এর একটি সংযোগ স্থাপন করে।
প্রদত্ত বাক্যে, 'The dog' হলো Subject এবং 'mad' (পাগল) হলো Subjective Complement যা কুকুরের অবস্থা বর্ণনা করছে। 'went' শব্দটি এই Subject এবং Complement-এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করছে এবং 'হওয়া' বা 'পরিণত হওয়া' (became) অর্থ প্রকাশ করছে, কোনো সরাসরি অ্যাকশন বা কাজ নয়।
Transitive verb: যে Verb-এর Object প্রয়োজন হয় (যেমন: He writes a letter).
Factitive verb: যে Transitive Verb-এর Direct Object থাকা সত্ত্বেও বাক্য সম্পূর্ণ হয় না এবং Object-এর অবস্থা বোঝানোর জন্য Object Complement প্রয়োজন হয় (যেমন: We made him captain).
42
The correct translation of "দুঃখের প্রয়োজনীয়তা মধুর" is-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
Sweet are the uses of adversity.
খ
Sweet is the uses of adversity.
গ
Sweet uses of adversity.
ঘ
Sweet do not uses the adversity.
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
দুঃখের প্রয়োজনীয়তা মধুর - Sweet are the uses of adversity.
এখানে, Sweet = adjective are = verb the uses of adversity = subject.
এটি মূলত ছিল - the uses of adversity are sweet. কখনো কখনো adjective/adverb এর উপর গুরুত্ব প্রদানের জন্য বাক্যের শুরুতেই adjective/adverb ব্যবহৃত হয়। আর এখানে subject এর headword হচ্ছে uses, যা plural. তাই verb হিসেবে is না হয়ে are হবে।
এরূপ আরো কিছু উদাহরণ: - Foolish is he who tells lies and cheats people. - Here comes the bus.
ব্যাখ্যা
সঠিক অনুবাদটি হলো: Sweet are the uses of adversity.
এই অনুবাদটি একটি বিখ্যাত প্রবাদ বা Idiomatic Translation, যার বাংলা ভাবানুবাদ হলো 'দুঃখের প্রয়োজনীয়তা মধুর' বা 'বিপদের ফল/শিক্ষা মধুর'।
এই প্রবাদটি মূলত William Shakespeare-এর 'As You Like It' নাটক থেকে নেওয়া।
এখানে মূল ব্যাকরণগত বিষয়টি হলো Subject-Verb Agreement এবং Inversion (বিপরীতক্রম)। বাক্যটির স্বাভাবিক গঠন (Normal Order) হলো: The uses of adversity are sweet.
বাক্যে জোর দেওয়ার জন্য Adjective (Sweet) কে শুরুতে আনা হয়েছে। ফলে, বাক্যের Verb (are) Subject (the uses of adversity)-এর আগে বসেছে।
Subject হলো 'the uses of adversity', যেখানে Headword হলো 'uses', যা একটি Plural (বহুবচন) শব্দ। Subject বহুবচন হওয়ায় Verb হিসেবে অবশ্যই 'are' ব্যবহৃত হবে।
অপশন B (Sweet is the uses of adversity) ভুল, কারণ বহুবচন Subject (uses) এর সাথে একবচন Verb (is) ব্যবহার করা হয়েছে।
43
The antonym of 'Honorary' is-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Literary
খ
Honorable
Salaried
ঘ
Official
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Honorary (adjective) English meaning: Holding a title or place without rendering service or receiving reward; as, an honorary member of a society. Bangla meaning: পদমর্যাদা, উপাধি) নিয়মমাফিক শর্তাদি পূরণ না-করা সত্ত্বেও সম্মানজ্ঞাপনের জন্য প্রদত্ত; সম্মানসূচক; সাম্মানিক, অবৈতনিক/মানদ পদ বা উপাধির অধিকারী; সাম্মানিক।
সুতরাং বোঝা যাচ্ছে - Honorary অর্থ অবৈতনিক এবং salaried অর্থ বেতন সংবলিত। তাই, The antonym of 'Honorary' is - Salaried.
Source: Accessible Dictionary.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো Salaried।
Honorary (অনারারি) শব্দটি একটি Adjective যার অর্থ হলো অবৈতনিক, সাম্মানিক বা বিনা বেতনে কোনো পদ বা উপাধি ধারণ করা। যেমন: Honorary Chairman (সম্মানসূচক চেয়ারম্যান)।
অপরদিকে, Salaried (স্যালারাইড) শব্দটির অর্থ হলো বেতনভুক্ত, বেতনপ্রাপ্ত বা যারা নিয়মিত বেতন পান।
যেহেতু Honorary এর মূল অর্থ 'বেতনহীন' এবং Salaried এর মূল অর্থ 'বেতনযুক্ত', তাই তারা একে অপরের বিপরীত শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Literary (সাহিত্যিক), Honorable (সম্মানজনক) এবং Official (দাপ্তরিক) শব্দগুলোর সাথে 'অবৈতনিক'-এর কোনো বিপরীত সম্পর্ক নেই। Honorable শব্দটি অর্থের দিক থেকে Honorary-এর কাছাকাছি, বিপরীত নয়।
44
A person who treats mental illness is called-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
a psychiatrist
খ
a psychologist
গ
a therapist
ঘ
a psychoanalyst
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
A person who treats mental illness is called- Psychiatrist.
প্রশ্ন প্রদত্ত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে -
A psychologist - a scientist who studies and is trained in psychology / someone who studies the human mind and human emotions and behaviour, and how different situations have an effect on people.
A therapist - someone whose job is to treat a particular type of mental or physical illness or disability, usually with a particular type of therapy.
A psychoanalyst - a person who examines or treats people using psychoanalysis (= a mental health treatment that works by trying to examine the unconscious mind)
Source: Cambridge Dictionary.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: a psychiatrist।
একজন Psychiatrist হলেন একজন মেডিকেল ডাক্তার (MD) যিনি মানসিক অসুস্থতা (Mental Illness) নির্ণয়, চিকিৎসা এবং প্রতিরোধের জন্য বিশেষভাবে প্রশিক্ষিত। যেহেতু তাদের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ডিগ্রি রয়েছে, তাই তারা রোগীর চিকিৎসার জন্য ওষুধ (medication) প্রেসক্রাইব করতে পারেন, যা অন্য পেশাজীবীরা সাধারণত করতে পারেন না।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—
A psychologist: ইনি মানসিক বিজ্ঞান (Psychology) নিয়ে গবেষণা করেন এবং সাধারণত কাউন্সেলিং বা টক থেরাপির মাধ্যমে মানুষের আচরণগত ও আবেগীয় সমস্যা নিয়ে কাজ করেন। এরা সাধারণত ওষুধ দেন না।
A therapist: এটি একটি সাধারণ শব্দ, যা বিভিন্ন ধরনের মানসিক বা শারীরিক চিকিৎসার জন্য থেরাপি প্রদানকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
A psychoanalyst: ইনি সিগমুন্ড ফ্রয়েডের পদ্ধতি ব্যবহার করে রোগীর অচেতন মন (unconscious mind) বিশ্লেষণ করে চিকিৎসা করেন।
45
No article is used before
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
a pronoun
খ
an adjective
গ
a noun
ঘ
an adverb
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
Adjective, noun এবং adverb - এর পূর্বে Article বসে কিন্তু pronoun এর পূর্বে article বসে না। যেমন: Article + Noun - a boy. Article + Adjective + Noun - A good boy. Article + Adverb + Adjective + Noun - A very good boy.
কিন্তু pronoun এর পূর্বে কোনো article বসে না। যেমন: A he. An he, The he ইত্যাদি হয় না।
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হলো a pronoun (সর্বনাম)। আর্টিকেল (a, an, the) সাধারণত Noun (বিশেষ্য) বা Noun Phrase-এর পূর্বে বসে সেটিকে নির্দিষ্ট বা অনির্দিষ্ট করে।
আর্টিকেল Adjective, Noun এবং Adverb এর পূর্বে বসতে পারে, যদি তারা Noun-কে নির্দেশ করে।
যেমন: A boy (Noun-এর পূর্বে), A good boy (Adjective ও Noun-এর পূর্বে), A very good boy (Adverb, Adjective ও Noun-এর পূর্বে)।
কিন্তু Pronoun (সর্বনাম), যা নিজেই Noun-এর পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তার পূর্বে সরাসরি কোনো আর্টিকেল বসে না। উদাহরণস্বরূপ: The he, A she, An they - এই ব্যবহারগুলো ভুল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
English Meaning: (of a person) out of touch with reality / daydreaming.
Bangla Meaning: পরিস্থিতি সম্পর্কে পুর্ণ ধারণা না রাখা / আকাশ কুসুম কল্পনা।
Ex. Sentence: He's always got his head in the clouds.
Bangla Meaning: সে সর্বদাই দিবা-স্বপ্নে বিভোর থাকে।
সুতরাং A person whose head is in the clouds is - day dreamer.
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি গুরুত্বপূর্ণ Idiom (বাগধারা) থেকে এসেছে। বাগধারাটি হলো 'Have one’s head in the clouds'।
এই বাগধারাটির অর্থ হলো: বাস্তবে মনোযোগ না দিয়ে সবসময় দিবাস্বপ্ন (daydreaming) দেখা বা অবাস্তব কল্পনা করা (Out of touch with reality)। বাংলায় এর অর্থ— আকাশ কুসুম কল্পনা করা।
সুতরাং, 'A person whose head is in the clouds' বলতে বোঝায় এমন একজনকে যিনি সবসময় দিবাস্বপ্নে বিভোর থাকেন, অর্থাৎ 'a day dreamer'।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'proud' (গর্বিত), 'an aviator' (বিমানচালক) — এই বাগধারার অন্তর্নিহিত অর্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
47
I do not think you will have any difficulty ___ a driving license.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
to get
in getting
গ
for getting
ঘ
get
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Difficulty (noun) - the fact of not being easy to do or understand অর্থাৎ কোনো কিছু করা কষ্টকর বোঝানোর জন্য difficulty in ব্যবহৃত হয় এবং নিয়মানুযায়ী difficulty in এর পর verb এর সাথে ing যুক্ত হয়। যেমন: difficulty in breathing, difficulty in learning etc.
তাই সঠিক অপশনটি হবে - in getting. Complete sentence: I do not think you will have any difficulty in getting a driving license.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: in getting (Option B)।
কারণ, difficulty (অসুবিধা বা কষ্ট) শব্দটি যখন কোনো কাজ সম্পাদনে বাধা বোঝায়, তখন এটি একটি নির্দিষ্ট Prepositional Structure মেনে চলে।
নিয়মটি হলো: difficulty + in + Gerund (V+ing)।
এখানে difficulty একটি noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, এবং এরপর অবশ্যই সঠিক preposition in এবং verb-এর Gerund রূপ (getting) বসবে।
অন্যান্য অপশন যেমন 'to get' (Infinitive) বা 'get' (Base form) ব্যবহারের গ্রামাটিক্যাল সুযোগ নেই, এবং 'for getting' অপশনটি ভুল কারণ 'difficulty' এর সাথে 'for' বসে না।
48
I decided to go ___ with my friend as I needed some exercise.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
to a walk
খ
for walking
for a walk
ঘ
walk
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Go for a walk অর্থ হাঁটতে যাওয়া। তাই শূন্যস্থানে for a walk বসালেই বাক্যটি শুদ্ধ হবে। সম্পূর্ণ বাক্য - I decided to go for a walk with my friend as I needed some exercise.
ব্যাখ্যা
এই বাক্যে একটি বহুল ব্যবহৃত ফ্রেজ (Fixed Phrase) ব্যবহার করতে হবে। ইংরেজিতে 'হাঁটতে যাওয়া' বোঝাতে স্ট্যান্ডার্ড ফ্রেজ হলো 'Go for a walk'।
'Go for a walk' বাক্যাংশটি একটি রিক্রিয়েশনাল বা স্বল্পকালীন কার্যকলাপ বোঝায়।
বাক্যের ভাবার্থ অনুযায়ী (ব্যায়ামের জন্য হাঁটা দরকার), শূন্যস্থানে 'for a walk' বসালেই বাক্যটি সম্পূর্ণ ও শুদ্ধ হবে।
অন্যান্য অপশন যেমন 'to a walk' অথবা 'for walking' এই প্রেক্ষাপটে ব্যাকরণগতভাবে অগ্রহণযোগ্য বা ফ্রেজের ভুল প্রয়োগ।
49
If I had known you were coming -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
I would go to the station
খ
I has gone to the station
I would have gone to the station
ঘ
I would be going to the station
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
If + Sub + Present perfect = 3rd conditional. যেহেতু sentence টি 3rd conditional তাই এর ২য় clause এ - Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension হবে। Structure: If + Sub + Present perfect + Sub + would/could/might + have + verb এর past participle + extension.
সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর হবে - I would have gone to the station. Complete Sentence: If I had known you were coming, I would have gone to the station.
ব্যাখ্যা
এটি একটি Conditional Sentence (শর্তসাপেক্ষ বাক্য) এর উদাহরণ।
প্রথম ক্লজটি (Subordinate Clause) লক্ষ্য করুন: If I had known you were coming। এই অংশে Past Perfect Tense (Subject + had + V3) ব্যবহার করা হয়েছে।
যদি 'If' যুক্ত ক্লজে Past Perfect Tense থাকে, তবে বাক্যটি Third Conditional (তৃতীয় শর্ত) হিসেবে বিবেচিত হয়। এই শর্তটি এমন কাজ বোঝায় যা অতীতে ঘটেনি এবং এখন তা পরিবর্তন করা অসম্ভব।
Third Conditional-এর মেইন ক্লজ (Main Clause) এর গঠন হলো: Subject + would/could/might + have + Verb এর Past Participle (V3)।
এখানে 'go' এর V3 হলো 'gone'। তাই সঠিক উত্তরটি হবে: I would have gone to the station।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা থার্ড কন্ডিশনালের স্ট্রাকচার অনুসরণ করেনি। যেমন: 'I would go to the station' অপশনটি Second Conditional এর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
50
Which is the correct sentence?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Each boy and each girl have a pen.
খ
Each boy and each girl are having a pen.
Each boy and each girl has a pen.
ঘ
Each boy and each were heaving a pen.
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Each boy and each girl has a pen - is the correct sentence.
- Each যুক্ত দুইটি noun/pronoun কে and দ্বারা connect করল বা And দ্বারা যুক্ত দুটি noun এর পূর্বে each থাকলে verb singular হয়। - Each হচ্ছে distributive pronoun যা প্রত্যেক কে আলাদা করে বোঝায়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: Each boy and each girl has a pen. (অপশন ৩)
এটি Subject-Verb Agreement (SVA) এর একটি মৌলিক নিয়ম। যখন দুটি Singular Noun কে 'and' দ্বারা যুক্ত করা হয়, এবং তাদের প্রত্যেকের আগে যদি 'Each' বা 'Every' শব্দটি থাকে, তখন Subject টি দেখতে Plural মনে হলেও Verb টি অবশ্যই Singular হবে।
এখানে, 'Each boy and each girl' দ্বারা প্রতিটি ছেলে এবং প্রতিটি মেয়েকে আলাদাভাবে (distributively) বোঝানো হয়েছে, তাই Singular Verb 'has' ব্যবহার করতে হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা Plural Verb (have, are having) ব্যবহার করেছে, যা এই নিয়মের পরিপন্থী।
গৃহশিক্ষকদের জন্য
টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে
চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।
• বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী উত্তর বঙ্গের প্রাচীন জনপদ পুন্ড্র বা পুন্ড্রবর্ধনের সঙ্গে সমবিস্তৃত একটি প্রাচীন ভৌগোলিক অঞ্চল, যা প্লিস্টোসিন যুগীয় ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত। - বরেন্দ্র জনপদ বলতে রাজশাহী,চাঁপাইনবাবগঞ্জ, দিনাজপুর এই অংশকে বোঝায়। - কানিংহাম বরেন্দ্রর সীমানা পশ্চিমে গঙ্গা ও মহানন্দা, পূর্বে করতোয়া, দক্ষিণে পদ্মা এবং উত্তরে কুচবিহার ও তরাই অঞ্চলের মধ্যবর্তী ভূভাগ নির্দিষ্ট করেন। - তবকাত-ই-নাসিরীতে বারিন্দকে গঙ্গার পূর্ব দিকে লখনৌতি রাজ্যের একটি অংশ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো উত্তর বঙ্গ। প্রাচীন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভৌগোলিক অঞ্চল হলো বরেন্দ্র বা বরেন্দ্রী।
ঐতিহাসিকভাবে বরেন্দ্র জনপদটি ছিল প্রধানত উত্তর বঙ্গের একটি বিস্তীর্ণ অংশ। এটি মূলত বর্তমান রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বগুড়া, এবং দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
বরেন্দ্র অঞ্চলটি ছিল প্রাচীন জনপদ পুন্ড্রবর্ধন বা পুন্ড্রের একটি অংশ এবং প্লিস্টোসিন যুগের ভূগঠন বারিন্দ ভূভাগে অবস্থিত।
অন্যান্য অপশন যেমন পূর্ববঙ্গ বলতে সাধারণত বর্তমান বাংলাদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গ বলতে ভারতের বাংলাভাষী অংশকে বোঝানো হয়, যা বরেন্দ্র অঞ্চলের মূল সংজ্ঞার সাথে মেলে না।
52
বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি কোন নদীর তীরে অবস্থিত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
মধুমতি
বাইগার
গ
কুমার
ঘ
ভৈরব
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• বঙ্গবন্ধুর গ্রামটি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত।
• বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর বই ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইয়ে তাঁর গ্রাম নিয়ে লিখেছেন, ‘বাইগার নদীর তীর ঘেঁষে ছবির মতো সাজানো সুন্দর একটি গ্রাম। সে গ্রামটির নাম টুঙ্গিপাড়া। বাইগার নদী এঁকে বেঁকে গিয়ে মিশেছে মধুমতি নদীতে। এই মধুমতি নদীর অসংখ্য শাখা নদীর একটি বাইগার নদী।’
সূত্র: শেখ মুজিব আমার পিতা গ্রন্থ।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো বাইগার নদী।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান টুঙ্গিপাড়া গ্রামটি সরাসরি বাইগার নদীর তীরে অবস্থিত।
বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা তাঁর রচিত ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ বইয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন, যেখানে তিনি উল্লেখ করেন যে টুঙ্গিপাড়া হলো সেই গ্রাম যা ‘বাইগার নদীর তীর ঘেঁষে ছবির মতো সাজানো’ রয়েছে।
বিকল্পগুলোতে থাকা মধুমতি নদীটি ভুল উত্তর, যদিও বাইগার নদীটি পরবর্তীতে মধুমতি নদীতে মিশেছে। প্রশ্নে গ্রামটি ঠিক কোন নদীর তীরে অবস্থিত জানতে চাওয়া হয়েছে, যার সঠিক উত্তর বাইগার।
53
তারামন বিবি কোন সেক্টরে যুদ্ধ করেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
8
খ
9
গ
10
11
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• বাংলাদেশের দুইজন বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত নারী মুক্তিযোদ্ধার একজন কুড়িগ্রামের তারামন বিবি। - মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি কুড়িগ্রাম জেলায় নিজ গ্রাম শংকর মাধবপুরে ছিলেন। - তিনি ১১ নং সেক্টরে যুদ্ধ করেছেন যার সেক্টর কমান্ডার ছিলেন আবু তাহের বীর উত্তম। - ১৯৯৫ সালের ১৯শে ডিসেম্বর এক অনাড়ম্বর পরিবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে তারামন বিবিকে বীরত্বের পুরস্কার তাঁর হাতে তুলে দেয়া হয়।
সূত্র: কুড়িগ্রাম জেলার ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো ১১ নং সেক্টর। তারামন বিবি ছিলেন বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত দুইজন নারী মুক্তিযোদ্ধার মধ্যে অন্যতম। তিনি মূলত ১১ নং সেক্টরের অধীনে কুড়িগ্রামের শংকর মাধবপুর এলাকায় যুদ্ধ করেছিলেন। এই সেক্টরের সদর দপ্তর ছিল মেঘালয়ের তুরা এবং সেক্টর কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর জিয়াউর রহমান (অল্প সময়ের জন্য), এবং পরবর্তীতে প্রধানত মেজর আবু তাহের বীর উত্তম। অপশনের অন্যান্য সেক্টরগুলো (৮, ৯, ১০) ভিন্ন অঞ্চলকে নির্দেশ করে। যেমন, ১০ নং সেক্টর ছিল একমাত্র নৌ-সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভূখণ্ড ছিল না।
54
পিঁপড়ার কামড়ে কোন এসিড থাকে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
অক্সালিক এসিড
খ
সাইট্রিক এসিড
ফরমিক এসিড
ঘ
নাইট্রিক এসিড
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
- মৌমাছি, পিঁপড়া কামড় দিলে জ্বলে, ফুলে যায় কারণ এদের কামড়ে মূলত ফরমিক এসিড নিঃসৃত হয়। - ফরমিক অ্যাসিড এর সংকেত H-COOH
উৎসঃ বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণী
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ফরমিক এসিড।
পিঁপড়া বা মৌমাছি যখন কামড়ায় বা হুল ফোটায়, তখন তাদের বিষথলি থেকে আমাদের ত্বকের নিচে ফরমিক এসিড (Formic Acid) প্রবেশ করে। এই এসিডের রাসায়নিক সংকেত হলো H-COOH।
এই এসিডটিই জ্বালা-যন্ত্রণা, লাল হওয়া এবং ফুলে যাওয়ার প্রধান কারণ। ফরমিক এসিডের অপর নাম মিথানয়িক এসিড (Methanoic Acid)।
অন্যান্য এসিডগুলি ভুল কারণ:
- অক্সালিক এসিড: সাধারণত টমেটো, পালংশাক বা চায়ের মধ্যে পাওয়া যায়।
- সাইট্রিক এসিড: লেবু, কমলালেবুসহ বিভিন্ন টকজাতীয় ফলে পাওয়া যায়।
55
বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
২১শে পদক
খ
স্বাধীনতা দিবস পুরষ্কার
বাংলা একাডেমি পুরষ্কার
ঘ
শিশু একাডেমি পুরষ্কার
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলাদেশের সাহিত্যে সর্বোচ্চ পুরষ্কার। - বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ক্ষেত্রে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। - ১৯৬০ সালে এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়। - বাংলা সাহিত্যের ১০টি শাখায় এ পুরস্কার প্রদান করা হয়। - প্রতিটি পুরস্কারের মূল্যমান ৩,০০,০০.০০ (তিন লক্ষ) টাকা। - প্রতি বছর মাসব্যাপী আয়োজিত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ও অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পুরস্কার প্রাপ্তদের পুস্কারের অর্থমূল্যের চেক, সম্মাননা পত্র ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করেন।
• স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার - স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার। - মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সর্বোচ্চ স্বীকৃতি স্বরূপ ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ সরকার এ পুরস্কার প্রবর্তন করে।
সূত্র: বাংলা একাডেমি ও বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: বাংলা একাডেমি পুরস্কার। এটি বাংলাদেশের সাহিত্যে প্রদত্ত সর্বোচ্চ পুরস্কার হিসেবে স্বীকৃত।
বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার প্রদান করা হয় বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সামগ্রিক অবদানের জন্য লেখকদের সৃজনী প্রতিভার স্বীকৃতি স্বরূপ। এটি ১৯৬০ সালে প্রবর্তন করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও সর্বোচ্চ সাহিত্য পুরস্কার নয়:
স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার: এটি বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পুরস্কার (Highest State Award), কিন্তু এটি শুধুমাত্র সাহিত্যের জন্য সীমাবদ্ধ নয়।
একুশে পদক: এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় পদক, যা শিল্প, সাহিত্য, শিক্ষা, সাংবাদিকতা সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
56
দহগ্রাম ছিটমহলটি কোন জেলার অর্ন্তগত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
পঞ্চগড়
খ
কুড়িগ্রাম
লালমনিরহাট
ঘ
নীলফামারী
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• লালমনিরহাট জেলাধীন পাটগ্রাম উপজেলার সীমান্তবর্তী ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ছিটমহল ছিল দহগ্রাম ও আঙ্গরপোতা। - এ ছিটমহলের সাথে তৎকালীন পাকিস্তানের মূল ভূখন্ডের যোগাযোগের জন্য একটি ‘প্যাসেজ ডোর’ এর ব্যবস্থা রাখা হয়েছিল, যা বর্তমানে ‘তিন বিঘা করিডোর’ নামে পরিচিত। - ২০১৫ সালের ছিটমহল মিনিময় চুক্তির মাধ্যমে দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্ত হয়।
সূত্র: লালমনিরহাট জেলার ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো লালমনিরহাট।
দহগ্রাম ছিটমহল এবং এর সাথে যুক্ত আঙ্গরপোতা ছিটমহলটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্গত ছিল।
ঐতিহাসিকভাবে, এই ছিটমহলটি ভারতের অভ্যন্তরে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিচ্ছিন্ন ভূখণ্ড হিসেবে পরিচিত ছিল।
ছিটমহলটি বর্তমানে বাংলাদেশের মূল ভূখন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে 'তিন বিঘা করিডোর' নামক প্যাসেজ ডোরটির মাধ্যমে।
সঠিক উত্তর হলো রুবল। রাশিয়া বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ এবং এর সরকারি মুদ্রার নাম রাশিয়ান রুবল (Russian Ruble)।
অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:
- রিংগিত: এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ মালয়েশিয়ার মুদ্রা।
- লিরা: এটি প্রধানত তুরস্কের মুদ্রা (Turkish Lira)।
- ক্রোনা: এটি সুইডেন (Swedish Krona) সহ উত্তর ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের মুদ্রা।
58
চিকনগুনিয়া রোগটি কোন মাধ্যম বাহিত রোগ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
পানিবাহিত
পতঙ্গবাহিত
গ
বায়ুবাহিত
ঘ
রক্তবাহিত
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
চিকনগুনিয়া পতঙ্গবাহিত রোগ। চিকুনগুনিয়া রোগটির জন্য Aedes aegypti মশাটি দায়ী।
চিকুনগুনিয়া ভাইরাসজনিত রোগ। মশার মাধ্যমে এই ভাইরাস মানুষের মধ্যে ছড়ায়। ১৯৫২ সালে তানজানিয়ার দক্ষিণাঞ্চলে সর্বপ্রথম এই রোগ ছড়ানোর কথা জানা যায়। সেখানকার কিমাকোন্ডি ভাষা থেকে চিকুনগুনিয়া নামটি এসেছে। স্থানীয়ভাবে এর অর্থ হলো ‘মোচড়ানো’। রোগীর শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা হওয়ায় এই রোগের এমন নাম হয়েছে।
লক্ষণ- সংক্রামক মশা কামড়ানোর চার থেকে সাত দিনের মধ্যে দেহে চিকুনগুনিয়ার উপসর্গ দেখা যায়। এটি হলে সাধারণত হঠাৎ করে তীব্র জ্বর (১০৪° ফারেনহাইট) শুরু হয়। সেই সাথে শরীরের অস্থি সন্ধিতেও ব্যথা অনুভূত হয়। এছাড়া চিকুনগুনিয়ার আর যেসব লক্ষণ দেখা যায় তার মধ্যে রয়েছে, মাংস পেশি ও মাথা ব্যথা, বমি বমি ভাব, ক্লান্তি ও চামড়ায় ফুসকুড়ি। অস্থি সন্ধির ব্যথা খুব তীব্র হতে পারে যা কয়েক দিন থেকে কয়েক সপ্তাহ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে।
চিকিৎসা- চিকুনগুনিয়া ভাইরাস সংক্রমণের চিকিৎসা মূলত উপসর্গভিত্তিক। এর কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। আক্রান্ত ব্যক্তিকে বিশ্রাম নিতে হবে, প্রচুর পানি ও তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে এবং প্রয়োজনে জ্বর ও ব্যথার জন্য প্যারাসিটামল ট্যাবলেট এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে ওষুধ খেতে হবে।
সূত্র: ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো পতঙ্গবাহিত। চিকনগুনিয়া একটি ভাইরাসজনিত রোগ যা মূলত মশার মাধ্যমে মানুষের দেহে ছড়ায়। মশা একটি পতঙ্গ, তাই এই রোগকে পতঙ্গবাহিত রোগ বলা হয়।
এই রোগের জন্য দায়ী মশা হলো Aedes aegypti (এডিস ইজিপ্টি)। এই মশা দিনের বেলায় কামড়ায়। অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—পানিবাহিত (কলেরা, ডায়রিয়া), বায়ুবাহিত (হাম, ইনফ্লুয়েঞ্জা), বা রক্তবাহিত (হেপাটাইটিস সি) রোগের জন্য প্রযোজ্য, কিন্তু চিকনগুনিয়ার প্রধান মাধ্যম হলো পতঙ্গ (মশা)।
59
বাংলা নববর্ষে পহলে বৈশাখ চালু করেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
লক্ষ্মন সেন
খ
ইলিয়াস শাহ
আকবর
ঘ
বিজয় সেন
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• কৃষিকাজের সুবিধার্থেই মুগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে (৫ নভেম্বর ১৫৫৬)। - হিজরি চান্দ্রসন ও বাংলা সৌরসনকে ভিত্তি করে বাংলা সন প্রবর্তিত হয়। নতুন সনটি প্রথমে ‘ফসলি সন’ নামে পরিচিত ছিল, পরে তা বঙ্গাব্দ নামে পরিচিত হয়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: আকবর।
বাংলা নববর্ষ এবং পহেলা বৈশাখ মূলত মুঘল সম্রাট আকবরের রাজস্ব আদায় প্রক্রিয়াকে সহজ করার উদ্দেশ্যে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি প্রথমে 'ফসলি সন' নামে পরিচিত ছিল।
সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিস্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন। তবে এই নতুন সন কার্যকর হয় তাঁর সিংহাসন-আরোহণের সময় থেকে, যা ছিল ৫ নভেম্বর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দ।
অন্যান্য অপশন: লক্ষ্মন সেন এবং বিজয় সেন ছিলেন সেন বংশের শাসক। ইলিয়াস শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতান। এদের কেউই বাংলা সন প্রবর্তনের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
60
কার সময়ে বঙ্গভঙ্গ হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
লর্ড কার্জন
খ
লর্ড হার্ডিঞ্জ
গ
লর্ড ক্যানিং
ঘ
লর্ড ওয়েলেসলী
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
• লর্ড কার্জন (১৮৯৮-১৯০৫) ভাইসরয় থাকাকালীন সময়ে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়। - রাজা পঞ্চম জর্জ ১৯১১ সালের ডিসেম্বর মাসে দিলিতে তাঁর রাজ্যাভিষেক দরবারে বঙ্গভঙ্গ রদ করা। - বিভক্তির আনুষ্ঠানিক পরিসমাপ্তি ও বাংলার পুনরেকত্রীকরণের দিন ধার্য হয় ১৯১২ সালের ১ এপ্রিল।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: লর্ড কার্জন।
ভাইসরয় লর্ড কার্জন-এর শাসনকাল (১৮৯৮-১৯০৫) চলাকালীন সময়ে ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয়। তাঁর এই পদক্ষেপের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করা এবং 'ভাগ করো ও শাসন করো' (Divide and Rule) নীতিকে জোরদার করা।
অন্যান্য জনপ্রিয় অপশনগুলো ভুল, কারণ:
- লর্ড হার্ডিঞ্জ: তিনি বঙ্গভঙ্গ রদ করার সময় (১৯১১) ভারতের ভাইসরয় ছিলেন।
- লর্ড ক্যানিং: তিনি সিপাহী বিদ্রোহ (১৮৫৭) এবং প্রথম ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালনের জন্য পরিচিত।
- লর্ড ওয়েলেসলী: তিনি অধীনতামূলক মিত্রতা নীতি (Subsidiary Alliance) প্রবর্তনের জন্য বিখ্যাত।
61
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের কয় দফা ছিল?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
৬টি
খ
১১টি
২১টি
ঘ
৮টি
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে এবং এটিকে নির্বাচনী ইশতেহারের অর্ন্তভুক্ত করে।
- উল্লেখ্য, যুক্তফ্রণ্ট ১৯৫৪ সালের ৮-১২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত পূর্ব বাংলার আইনসভার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য গঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দল সমুহের নির্বাচনী মোর্চা। এ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে। - যুক্তফ্রন্ট প্রধানত পূর্ব বাংলার চারটি বিরোধী দল নিয়ে গঠিত হয়েছিল। এ চারটি দল হলো আওয়ামী লীগ, কৃষক শ্রমিক পার্টি, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো ২১টি।
১৯৫৪ সালের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য ১৯৫৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তফ্রন্ট (United Front) একটি একুশ দফা কর্মসূচি প্রণয়ন করে। এটিই ছিল তাদের নির্বাচনী ইশতেহার।
এই ২১ দফার ভিত্তিতেই যুক্তফ্রন্ট ১৯৫৪ সালের পূর্ব বাংলা আইনসভার নির্বাচনে তৎকালীন ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে শোচনীয়ভাবে পরাজিত করে নিরঙ্কুশ বিজয় লাভ করে। এই ২১ দফা ছিল মূলত পূর্ব বাংলার মানুষের অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মুক্তির সনদ।
62
মহান নেতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত সালে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি লাভ করেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
1970
1969
গ
1968
ঘ
1966
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে।
• ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়। • ১৯৬৯ সালে ৫ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আওয়ামী লীগের এক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ’।
সূত্র: mujib100.gov.bd
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৯ সাল।
ঐতিহাসিক আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর ১৯৬৯ সালের ২৩শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
এই সমাবেশে লাখো জনতার উপস্থিতিতে তৎকালীন ডাকসু ভিপি তোফায়েল আহমেদ (কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে) শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করেন।
অন্যান্য সালগুলো এই ঘটনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়, তবে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ৬-দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেন এবং ১৯৭০ সালে অনুষ্ঠিত হয় সাধারণ নির্বাচন।
63
বাংলাদেশে মণিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের ঐতিহ্য?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
সিলেট
খ
ময়মনসিংহ
গ
রাজশাহী
ঘ
কুষ্টিয়া
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
• বর্তমানে মণিপুরীরা বৃহত্তর সিলেটে বসবাস করছে। - মণিপুরী (The Manipuris) বাংলাদেশের অন্যতম আদিবাসী সম্প্রদায়। - সিলেট শহর ও শহরতলি, মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল, কুলাউড়া ও বড়লেখা থানা, হবিগঞ্জের চুনারঘাট এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে এদের বসবাস লক্ষ্য করা যায়।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও সিলেট জেলার ওয়েবসাইট।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো সিলেট। বাংলাদেশে মণিপুরী আদিবাসী সম্প্রদায় প্রধানত বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে। এই অঞ্চলে মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল এবং সিলেট শহরের আশেপাশে তাদের জনবসতি বেশি দেখা যায়।
মণিপুরী নাচ বা মণিপুরী নৃত্যকলা তাদের সংস্কৃতির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যা প্রধানত ধর্মীয় উৎসব, বিশেষ করে রাসলীলা উপলক্ষে পরিবেশন করা হয়।
সুতরাং, মণিপুরী নাচের ঐতিহ্য বাংলাদেশের সিলেট অঞ্চলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত। অন্য অঞ্চলগুলি (যেমন: ময়মনসিংহ, রাজশাহী) সাধারণত গারো, সাঁওতাল বা অন্যান্য আদিবাসী গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী নাচের জন্য পরিচিত।
64
করোনারী থ্রম্বসিস অসুখটি-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
যকৃতের
হৃৎপিন্ডের
গ
অগ্ন্যাশয়ের
ঘ
কিডনীর
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
রক্তে কোলেস্টেরলের আধিক্য হৃদরোগের আশংকা বাড়ায়। স্বাভাবিক মাত্রা থেকে রক্তে কোলেস্টেরল বেশি হলে রক্তনালীর অন্তঃপ্রাচীরের গাত্রে কোলেস্টেরল ও ক্যালসিয়াম জমা হয়ে রক্ত নালি গহ্বর সংকুচিত হয়। ফলে ধমনির প্রাচীরের স্থিতিস্থাপকতা কমে যায় এবং শক্ত হয়ে যায়— এ অবস্থাকে ধমনির কাঠিন্য বা Arteriosclerosis বলে ।
আর্টারিওস্ক্লেরোসিস এর কারণে ধমনির প্রাচীরে ফাটল দেখা দিতে পারে। ধমনিগাত্রের ফাটল দিয়ে রক্ত ক্ষরণ হয়ে জমাট বাঁধার কারণে রক্ত প্রবাহ বাধা প্রাপ্ত হয়।
হৃদপিন্ডের করোনারি রক্তনালিকায় রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে করোনারি থ্রম্বোসিস বলে এবং মস্তিকের রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধলে তাকে সেরিব্রাল থ্রম্বোসিস বলে। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ঘটতে পারে।
হার্ট ব্লক: হৃদপিন্ডের স্পন্দন প্রবাহ উৎপাদন ত্রুটিপূর্ণ হলে বা উৎপন্ন প্রবাহ সঠিক পথে পরিবাহিত না হলে তাকে হৃদ অবরোধ বা হার্ট ব্লক বলে । হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিন্ডের করোনারি ধমনি কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে হৃদপেশির রক্ত সরবরাহ বন্ধ হয়ে গিয়ে যে রোগ সৃষ্টি হয় তাকে হার্ট অ্যাটাক বলে । হার্ট ফেইলিউর: হৃদপিন্ডের অ্যাট্রিয়াম অথবা ভেন্ট্রিকল অথবা উভয়ের সংকোচন ক্ষমতা লোপ পাওয়াকে হার্ট ফেলিওর বলে।
উৎস : হৃদপিণ্ডের যত কথা, এসএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: হৃৎপিন্ডের।
করোনারি থ্রম্বোসিস (Coronary Thrombosis) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে হৃৎপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনীর ভেতরে রক্ত জমাট বাঁধে (thrombus সৃষ্টি হয়)।
এই জমাট বাঁধা রক্তের কারণে হৃদপেশিতে রক্ত চলাচল মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হয়, যার ফলে হার্ট অ্যাটাক হতে পারে।
শব্দটির উৎসগত অর্থ দেখলেই বোঝা যায়: 'Coronary' শব্দটি সরাসরি হৃৎপিন্ডের ধমনী সংক্রান্ত। তাই যকৃত, কিডনি বা অগ্ন্যাশয়ের সঙ্গে এই রোগের সম্পর্ক নেই।
65
নিচের কোনটিকে আদর্শ খাদ্য বলে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ভাত
খ
মাছ
দুধ
ঘ
ফল
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
- শিশুর বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যের জন্য দুধ অপরিহার্য। দুধ পুষ্টিকর খাদ্যসমূহের অন্যতম। - পুষ্টিগুণের বিবেচনায় এটি আদর্শ খাদ্য। প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ (ক্যালসিয়াম, ফসফরাস ও ক্লোরিন) ও পানি খাদ্যের সকল উপাদানই দুধে বিদ্যমান। - দুধের গড় উপাদানে আছে ৮৭.৬% পানি, ৩.৭% চর্বি, ৩.২% প্রোটিন, ৪.২% ল্যাকটোজ ও ০.৭২% খনিজ, ভিটামিন বি-১২ (২৬.১%)। - একশ মিলিলিটার দুধ থেকে ৬৫.৩ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়। - এছাড়া দুধে আয়রনের পরিমাণ ০.২৭ মিলিগ্রাম।
সূত্র: বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট, National Library of Medicine.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: দুধ। দুধকে আদর্শ খাদ্য বলার প্রধান কারণ হলো—এতে খাদ্যের সকল উপাদান (প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, স্নেহপদার্থ, ভিটামিন, অজৈব লবণ ও পানি) সঠিক অনুপাতে বিদ্যমান। এটি একটি সম্পূর্ণ পুষ্টিকর খাবার, বিশেষ করে নবজাতক ও শিশুদের জন্য।
ভাত মূলত শর্করা (কার্বোহাইড্রেট), যা দ্রুত শক্তি যোগায়। এটি আদর্শ খাদ্য নয় কারণ এতে প্রোটিন ও ফ্যাটের অভাব থাকে।
মাছ প্রোটিন ও ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের ভালো উৎস, কিন্তু এতে অন্যান্য উপাদান অপ্রতুল।
ফল ভিটামিন, মিনারেল এবং ফাইবারের উৎস হলেও, এতে প্রোটিন ও ফ্যাটের পরিমাণ কম থাকে।
66
ভারী পানির সংকেত কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
H₂O
খ
H₂SO₄
গ
NH₄
D₂O
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
- পানির সংকেত হলো H2O এবং ভারি পানির সংকেত হলো D2O। - পানিতে উপস্থিত থাকে প্রোটিয়াম এবং অক্সিজেন। - ভারি পানিতে উপস্থিত থাকে ডিউটেরিয়াম এবং অক্সিজেন। - প্রোটিয়াম, ডিউটেরিয়াম এবং ট্রিটিয়াম হলো হাইড্রোজেনের তিনটি আইসোটোপ। সাধারণভাবে হাইড্রোজেন বলতে প্রোটিয়ামকেই বোঝায়।
সূত্রঃ মাধ্যমিক রসায়ন বোর্ড বই, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: D₂O।
ভারী পানি (Heavy Water) হলো হাইড্রোজেনের আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম (Deuterium - D) এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত যৌগ। সাধারণ পানিতে হাইড্রোজেন (প্রোটিয়াম - H) ব্যবহার হলেও ভারী পানিতে হাইড্রোজেনের পরিবর্তে তুলনামূলক ভারী আইসোটোপ ডিউটেরিয়াম ব্যবহৃত হয়। তাই এর সংকেত D₂O।
সাধারণত পানির সংকেত হলো H₂O, যা প্রোটিয়াম (H) এবং অক্সিজেন দ্বারা গঠিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: H₂SO₄ হলো সালফিউরিক অ্যাসিড এবং NH₄ হলো অ্যামোনিয়াম মূলক।
67
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে কী বলা হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ইন্টারকম
ইন্টারনেট
গ
ই-মেইল
ঘ
ইন্টারস্পীড
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে তথ্য আদান-প্রদান প্রযুক্তিকে ইন্টারনেট বলে।
ইন্টারনেট এর ব্যবহার : ১. দ্রুত ফাইল বা তথ্যের আদান প্রদান করা । ২. তথ্য সংরক্ষণ করা। ৩. ই-কমার্স ব্যবহার করা। ৪. তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষা করা। ৫. ঘরে বসে ক্রয়-বিক্রয় করা। ৬. ব্যক্তিগত বা সমষ্টিগতভাবে বুলেটিন বোর্ড গঠন করা যায়। ৭. মেসেজ বা ই-মেইল আদান প্রদান করা ইত্যাদি।
সূত্র: ৭৩ পৃষ্ঠা, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি প্রোগ্রাম, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
কম্পিউটার থেকে কম্পিউটারে বা একাধিক নেটওয়ার্কের মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের জন্য যে বিশ্বব্যাপী জালিকা ব্যবহৃত হয়, তাকেই ইন্টারনেট (Internet) বলা হয়। এটি হল Interconnected Network-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
ইন্টারনেট হলো বিশ্বের কোটি কোটি কম্পিউটার, সার্ভার এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইসগুলোর মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্ক। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ইন্টারনেট।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন: ইন্টারকম হলো একটি বদ্ধ স্থানে অভ্যন্তরীণ যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত সিস্টেম। ই-মেইল হলো ইন্টারনেটের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদানের একটি সেবা, এটি স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রযুক্তি নয়। ইন্টারস্পীড প্রযুক্তিগতভাবে সুনির্দিষ্ট কোনো নাম নয়।
68
মুজিব নগর কোন জেলায় অবস্থিত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
যশোর
খ
কুষ্টিয়া
মেহেরপুর
ঘ
চুয়াডাঙ্গা
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• মুজিব নগর বর্তমানে মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত।
• ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রসিদ্ধ বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকারের হেডকোয়াটার্স স্থাপিত হয়। - ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল বৈদ্যনাথতলা আম্র কাননে অস্থায়ী সরকারের মন্ত্রিপরিষদ শপথ গ্রহণ করে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে অস্থায়ী সরকারের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়। ফলে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর নামের সাথে মিল রেখে এ স্থানের নামকরণ করা হয় মুজিবনগর।
সূত্র: মেহেরপুর জেলার ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: মেহেরপুর।
মুজিবনগর বাংলাদেশের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় স্থান। এটি বর্তমানে মেহেরপুর জেলার অন্তর্গত।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এটি মেহেরপুর জেলার তৎকালীন বৈদ্যনাথতলা নামে পরিচিত ছিল।
১০ এপ্রিল ১৯৭১ সালে গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) এই স্থানেই ১৭ এপ্রিল ১৯৭১ তারিখে শপথ গ্রহণ করে।
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামের সাথে মিল রেখে বৈদ্যনাথতলাকে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়।
69
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
পাট
তৈরী পোশাক
গ
হিমায়িত মৎস্য
ঘ
চা
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদাশিক মুদ্রা অর্জনকারী ক্ষেত্র তৈরী পোশাক।
• ইপিবির তথ্যানুযায়ী, বিদায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে ৪ হাজার ২৬১ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছে। - এই রপ্তানি তার আগের বছরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ বেশি। - ২০২০-২১ অর্থবছরে ৩ হাজার ১৪৬ কোটি ডলারের তৈরি পোশাক রপ্তানি হয়েছিল।
সূত্র: রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) ও প্রথম আলো
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো তৈরী পোশাক (Readymade Garments - RMG)। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি এবং একক বৃহত্তম রপ্তানি খাত।
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে এই খাত থেকে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, তৈরী পোশাক খাত প্রতি বছর রেকর্ড পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে চলেছে।
ঐতিহাসিকভাবে পাট একসময় প্রধান রপ্তানি পণ্য হলেও, এর গুরুত্ব বর্তমানে তৈরী পোশাকের তুলনায় অনেক কম। হিমায়িত মৎস্য বা চা প্রধান রপ্তানি পণ্যের তালিকায় থাকলেও, এদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ তৈরী পোশাকের ধারেকাছেও নয়।
70
জীব জগতের জন্য সবচাইতে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
আলফা রশ্মি
খ
বিটা রশ্মি
গামা রশ্মি
ঘ
আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মী
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
- জীবজগতের জন্যে সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গামা রশ্মি। - গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে কম হওয়ায় এর ভেদন ক্ষমতাও সবচেয়ে বেশি। পারমাণবিক বিস্ফোরণে গামা রশ্মি নির্গত হয়। - বিটা ও আলফা রশ্মি গামা রশ্মির তুলনায় কম ক্ষতিকর।
(তথ্যসূত্র: নাসা ওয়েবসাইট)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো গামা রশ্মি (Gamma Ray)।
কারণ: তড়িৎ চুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) মধ্যে গামা রশ্মির তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) সবচাইতে কম এবং ফলস্বরূপ এর শক্তি (Energy) ও ভেদন ক্ষমতা (Penetration Power) সবচেয়ে বেশি।
উচ্চ ভেদন ক্ষমতার কারণে গামা রশ্মি মানবদেহের গভীরতম টিস্যু ভেদ করে কোষের DNA-কে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে, যার ফলে ক্যান্সার বা জেনেটিক মিউটেশনের মতো মারাত্মক স্বাস্থ্য ঝুঁকি সৃষ্টি হয়।
আলফা (Alpha) এবং বিটা (Beta) রশ্মি ক্ষতিকর হলেও এদের ভেদন ক্ষমতা গামা রশ্মির তুলনায় যথেষ্ট কম। আল্ট্রাভায়োলেট (UV) রশ্মি সাধারণত ত্বকের উপরিভাগ এবং চোখকে প্রভাবিত করে, কিন্তু গামা রশ্মির মতো অভ্যন্তরীণ অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ভেদ করতে পারে না।
71
ওজন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
CO₂
খ
SO₂
গ
CO
CFC
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
- ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের মধ্যে CFC হলো প্রধান। - সিএফসি হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বনের সংক্ষিপ্ত রূপ। - এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে। - এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। - এই ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে। - এছাড়াও N2O, NO, CH4, BCF, CH3Br, CCl4 ইত্যাদি ওজোন স্তর ক্ষয়কারী পর্দাথের অন্তর্ভূক্ত।
উৎস : উচ্চ-মাধ্যমিক রসায়ন ২য় পত্র।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো CFC (ক্লোরোফ্লোরো কার্বন)। ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য দায়ী প্রধান রাসায়নিক পদার্থ হলো CFC।
CFC অত্যন্ত স্থিতিশীল হওয়ায় এটি বায়ুমণ্ডলের স্ট্র্যাটোস্ফিয়ার স্তরে পৌঁছায়। সেখানে সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে এটি ভেঙে গিয়ে ক্লোরিন (Cl) পরমাণু মুক্ত করে।
এই ক্লোরিন পরমাণু অনুঘটক (Catalyst) হিসেবে কাজ করে ওজোন (O3) অণুর সাথে দ্রুত বিক্রিয়া করে এবং এটিকে অক্সিজেনে (O2) পরিণত করে। একটি ক্লোরিন পরমাণু বহু বছর ধরে হাজার হাজার ওজোন অণু ভেঙে দিতে পারে, যার ফলে ওজোন স্তরে ফাটল বা পাতলা অংশের সৃষ্টি হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর ভূমিকা ভিন্ন: CO2 হলো প্রধান গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বিশ্ব উষ্ণায়নের জন্য দায়ী। SO2 প্রধানত অ্যাসিড বৃষ্টির জন্য দায়ী। CO (কার্বন মনোক্সাইড) একটি বিষাক্ত গ্যাস।
72
BARD- এর প্রতিষ্ঠাতা কে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
জনাব আব্দুল হামিদ খান
ড. আখতার হামিদ খান
গ
জনাব আলতাফ হামিদ খান
ঘ
অধ্যক্ষ আব্দুল লতিফ খান
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• ড. আখতার হামিদ খান বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) এর প্রতিষ্ঠা এবং পল্লী উন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার সফল নেতৃত্ব দানের জন্য সমগ্র বিশ্বে অত্যন্ত সমাদৃত। বিশেষ করে পল্লী উন্নয়নের কার্যকর মডেল উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে তাঁর অবদান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।
• বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড) ১৯৫৯ সালের ২৭ মে পল্লী উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি প্রশিক্ষণ, গবেষণা ও প্রায়োগিক গবেষণা পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে যাত্রা শুরু করে। • বার্ড স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের অধীন একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান। • পল্লী উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বার্ড ১৯৮৬ সালে ‘স্বাধীনতা পদক’ লাভ করে।
সূত্র: বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (বার্ড)
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) ড. আখতার হামিদ খান।
ড. আখতার হামিদ খান ছিলেন একজন প্রখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী, যিনি ১৯৫৯ সালের ২৭ মে বাংলাদেশের কুমিল্লায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন।
পল্লী উন্নয়নে তাঁর উদ্ভাবিত কার্যকর পদ্ধতি, যা 'কুমিল্লা মডেল' নামে পরিচিত, তা বিশ্বব্যাপী সমাদৃত এবং দারিদ্র্য বিমোচন ও গ্রামীণ স্বনির্ভরতার ক্ষেত্রে মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো BARD প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নন। BARD প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ড. আখতার হামিদ খানের অবদান একক ও প্রধান।
73
২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ভারত
ইংল্যান্ড
গ
অস্ট্রেলিয়া
ঘ
নিউজিল্যান্ড
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• ২০১৭ সালে আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হয়। - চ্যাম্পিয়ন দল ছিল পাকিস্তান। - ভারত ছিল রার্নাস আপ দল।
সূত্র: espncricinfo
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ইংল্যান্ড।
২০১৭ সালের আই.সি.সি চ্যাম্পিয়ন ট্রফি (ICC Champions Trophy) ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এটি ছিল আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অষ্টম আসর।
এই টুর্নামেন্টের ফাইনালে পাকিস্তান ভারতকে ১৮০ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত করে প্রথমবার চ্যাম্পিয়ন শিরোপা অর্জন করে। ভারত ছিল রানার্স-আপ দল।
74
গ্রিনিচ মান মন্দির কোথায় অবস্থিত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
চীন
খ
জাপান
গ
রাশিয়া
যুক্তরাজ্য
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• গ্রিনিচ মান মন্দির যুক্তরাজ্য অবস্থিত। - Greenwich Mean Time (GMT) একটি আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে প্রণীত সময় পদ্ধতি। - বাংলাদেশের সাথে GMT এর পার্থক্য +৬ ঘন্টা।
সূত্র: Britannica ও greenwichmeantime.com
ব্যাখ্যা
গ্রিনিচ মান মন্দিরটি (Royal Observatory, Greenwich) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
এই স্থানটি আন্তর্জাতিকভাবে মূল মধ্যরেখা (Prime Meridian) হিসেবে স্বীকৃত। মূল মধ্যরেখার দ্রাঘিমাংশ ০ ডিগ্রি।
পৃথিবীর সকল দেশের সময় এই গ্রিনিচ মান মন্দিরের সাপেক্ষে গ্রিনিচ মিন টাইম (GMT) অনুযায়ী গণনা করা হয়। তাই সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাজ্য।
75
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
রাশিয়া
খ
ব্রাজিল
গ
লণ্ডন
বেলজিয়াম
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্র বেলজিয়াম অবস্থিত। - বিখ্যাত 'ওয়াটার লু' যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৫ জুন, ১৮১৫ সালে। - ওয়াটার লু যুদ্ধের যুদ্ধক্ষেত্র ছিল বেলজিয়াম। - এই যুদ্ধে পরাজিত হন ফরাসি বীর নেপোলিয়ন বোনাপার্ট। - পরাজয়ের ফলে তাঁকে সেন্ট হেলেনা দ্বীপে নির্বাসনে দেওয়া হয়েছিল। - তিনি ১৮২১ সালে মৃত্যুবরণ করেন। - ওয়াটার লুর যুদ্ধে বিজয়ী সেনাপতির নাম - আর্থার ওয়েলেসলি (ডিউক অব ওয়েলিংটন)
উৎস: এনসাইক্লোপিডিয়া অব ব্রিটানিকা।
ব্যাখ্যা
বিখ্যাত ওয়াটারলু যুদ্ধক্ষেত্রটি ইউরোপের পশ্চিমের রাষ্ট্র বেলজিয়ামে অবস্থিত।
এই যুদ্ধ ১৮১৫ সালের ১৫ জুন ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের সাথে সম্মিলিত ইউরোপীয় বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়।
এই যুদ্ধে নেপোলিয়ন চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন, যা বিশ্ব ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—রাশিয়া, ব্রাজিল, লণ্ডন এই বিখ্যাত যুদ্ধক্ষেত্রের অবস্থান নয়।
76
১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
৬ ঘণ্টায়
খ
৫ ঘণ্টায়
গ
৩ ঘণ্টায়
৯ ঘণ্টায়
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
প্রশ্ন: ১৫ জন লোক একটি কাজ শেষ করে ৩ ঘণ্টায়। ৫ জন লোক ঐ কাজ কত সময়ে শেষ করবে?
সমাধান: ১৫ জন লোক একটি কাজ করে ৩ ঘণ্টায় ১ জন লোক একটি কাজ করে ৩ × ১৫ ঘণ্টায় ৫ জন লোক একটি কাজ করে (৩ × ১৫)/৩ ঘণ্টায় = ৯ ঘণ্টায়
ব্যাখ্যা
এটি ঐকিক নিয়মের (Unitary Method) একটি ক্লাসিক সমস্যা, যা সময় ও কাজের সাথে সম্পর্কিত।
এখানে লোকসংখ্যা এবং কাজ শেষ করার সময়ের মধ্যে ব্যস্ত সম্পর্ক (Inverse Proportion) বিদ্যমান। অর্থাৎ, লোকসংখ্যা কমলে সময় বেশি লাগবে এবং লোকসংখ্যা বাড়লে সময় কম লাগবে।
প্রথমে, ১ জন লোকের কাজটি শেষ করতে কত সময় লাগবে তা বের করতে হবে। যেহেতু লোক কমছে, সময় গুণ হবে:
১৫ জন লোক কাজটি শেষ করে = ৩ ঘণ্টায়
১ জন লোক কাজটি শেষ করবে = ৩×১৫ = ৪৫ ঘণ্টায়
সুতরাং, ৫ জন লোক কাজটি শেষ করবে = ৪৫/৫ = ৯ ঘণ্টায়।
যেহেতু সমস্যাটি ব্যস্তানুপাতিক (Inversely Proportional), সরাসরি ভাগ করে (যেমন ১৫/৫=৩ ঘণ্টা) উত্তর বের করলে ভুল হবে। তাই অন্য অপশনগুলো ভুল।
77
পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
৫০ বছর
৬০ বছর
গ
৪০ বছর
ঘ
৮৫ বছর
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর এবং মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স ৫০ বছর হলে, পিতার বয়স কত?
সমাধান: পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৪০ বছর পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (৪০ × ২) বছর = ৮০ বছর
মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর মাতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি = (৩৫ × ২) বছর = ৭০ বছর
পুত্রের বয়স = (৭০ - ৫০) বছর = ২০ বছর পিতার বয়স = (৮০ - ২০) বছর = ৬০ বছর
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি গড় (Average) সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা যা প্রায়শই শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় আসে। সমাধানটি ধাপে ধাপে করা যাক:
ধাপ ১: পিতা ও পুত্রের বয়সের সমষ্টি নির্ণয়। গড় ৪০ বছর হওয়ায়, সমষ্টি হবে: ৪০×২=<strong>৮০</strong> বছর।
ধাপ ২: মাতা ও ঐ পুত্রের বয়সের সমষ্টি নির্ণয়। গড় ৩৫ বছর হওয়ায়, সমষ্টি হবে: ৩৫×২=<strong>৭০</strong> বছর।
ধাপ ৩: পুত্রের বয়স নির্ণয়। আমরা জানি, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স ৭০ বছর এবং মাতার বয়স ৫০ বছর। সুতরাং, পুত্রের বয়স = ৭০−৫০=<strong>২০</strong> বছর।
ধাপ ৪: পিতার বয়স নির্ণয়। পিতা ও পুত্রের মোট বয়স ৮০ বছর এবং পুত্রের বয়স ২০ বছর। সুতরাং, পিতার বয়স = ৮০−২০=<strong>৬০</strong> বছর।
অতএব, পিতার বয়স ৬০ বছর। এই কারণে বিকল্প (২) সঠিক।
78
একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
১৯ : ২৫
খ
২৪ : ২৫
গ
২০ : ২৫
ঘ
১৮ : ২৫
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
প্রশ্ন: একটি দ্রব্য ক্রয় করে ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হলো। বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত কত?
সমাধান: ধরি, ক্রয়মূল্য ১০০ টাকা,
২৪% ক্ষতিতে বিক্রয়মূল্য = (১০০ - ২৪) = ৭৬ টাকা
∴ বিক্রয়মূল্য ও ক্রয়মূল্য এর অনুপাত = ৭৬ : ১০০ = ১৯ : ২৫
ব্যাখ্যা
এটি লাভ-ক্ষতি সংক্রান্ত অনুপাতের একটি মৌলিক প্রশ্ন। এখানে বিক্রয়মূল্য এবং ক্রয়মূল্যের অনুপাত নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
ধরি, ক্রয়মূল্য (CP) = ৳১০০।
যেহেতু দ্রব্যটি ২৪% ক্ষতিতে বিক্রয় করা হয়েছে, তাই বিক্রয়মূল্য (SP) হবে: $১০০ - ২৪ = ৳৭৬।
এই অনুপাতটিকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করতে হলে, আমরা উভয় সংখ্যাকে ৪ দিয়ে ভাগ করব। ৭৬÷৪=১৯ এবং ১০০÷৪=২৫।
সুতরাং, সঠিক অনুপাতটি হলো ১৯ : ২৫।
79
দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
18
36
গ
12
ঘ
24
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ১৪৪ এবং গ.সা.গু ১২। একটি সংখ্যা ৪৮ হলে অপরটি কত?
সমাধান: আমরা জানি দুইটি সংখ্যার গুণফল = ল.সা.গু. × গ.সা.গু. ৪৮ × অপর সংখ্যা = ১২ × ১৪৪ অপর সংখ্যা = (১২ × ১৪৪)/৪৮ = ৩৬
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি ল.সা.গু. (LCM) এবং গ.সা.গু. (HCF)-এর মৌলিক সূত্রের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
গণিতের গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটি হলো: দুইটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যাদ্বয়ের ল.সা.গু. × গ.সা.গু.।
এখানে, ল.সা.গু. = ১৪৪ এবং গ.সা.গু. = ১২। একটি সংখ্যা = ৪৮।
যদি অপর সংখ্যাটি 'ক' হয়, তাহলে আমরা লিখতে পারি:
৪৮×ক=১৪৪×১২
বা, ক=৪৮১৪৪×১২
প্রথমে ১২ দিয়ে ৪৮ কে ভাগ করলে হয় ৪। তাই, ক=৪১৪৪
extক=৩৬।
সুতরাং, অপর সংখ্যাটি হলো ৩৬, যা অপশন (B)-তে রয়েছে।
80
৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
61
69
গ
71
ঘ
73
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যাদ্বয়ের গড় কত?
সমাধান: ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা = ৯৭ ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা = ৪১
নির্ণেয় গড় = (৯৭ + ৪১)/২ = ৬৯
ব্যাখ্যা
এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য প্রথমে ৪০ এবং ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা দুটি চিহ্নিত করতে হবে।
১. ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা: আমরা ১০০ থেকে পিছন দিকে গুণন করতে থাকি। ৯৯, ৯৮ বিভাজ্য। ৯৭ অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়, তাই এটি বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা।
২. ৪০ হতে ১০০ এর মধ্যবর্তী ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা: ৪০ এর পরের সংখ্যাগুলো হলো ৪১, ৪২, ৪৩...। এদের মধ্যে ৪১ হলো ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা।
৩. নির্ণেয় গড়: গড় হলো সংখ্যাদ্বয়ের যোগফলকে তাদের সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা। গড় = ২বৃহত্তমমৌলিকসংখ্যা+ক্ষুদ্রতমমৌলিকসংখ্যা
৪. মান বসিয়ে পাই: গড় = ২৯৭+৪১=২১৩৮=৬৯।
৫. সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৬৯।
81
একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
৬০ টাকা
৪৮ টাকা
গ
২৪ টাকা
ঘ
১২ টাকা
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: একটি খাতা ৩৬ টাকায় বিক্রয় করলে যত ক্ষতি হয় ৭২ টাকায় বিক্রয় করলে তার দ্বিগুণ লাভ হয়, খাতাটির ক্রয়মূল্য কত?
একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
12
8
গ
14
ঘ
20
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: একটি ক্রমিক সমানুপাতের ১ম ও ৩য় রাশি যথাক্রমে ৪ ও ১৬ হলে, এর মধ্য সমানুপাতী কত?
সমাধান: ১ম রাশি = ৪ ৩য় রাশি = ১৬
আমরা জানি, (মধ্য রাশি)২ = ১ম রাশি × ৩য় রাশি বা, (মধ্য রাশি)২ = ৪ × ১৬ বা, মধ্য রাশি = √৬৪ = ৮
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি ক্রমিক সমানুপাত (Continued Proportion) সম্পর্কিত। ক্রমিক সমানুপাতের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি তিনটি রাশি a,b,c হয় এবং তারা সমানুপাতে থাকে, তবে তাদের সম্পর্ক হবে a:b=b:c, যেখানে b হলো মধ্য সমানুপাতী।
এই সম্পর্ক থেকে আমরা পাই, প্রান্তীয় রাশিদ্বয়ের গুণফল = মধ্য সমানুপাতীর বর্গ। অর্থাৎ, b2=a×c অথবা, b=a×c।
এখানে, ১ম রাশি (a) = ৪ এবং ৩য় রাশি (c) = ১৬।
সুতরাং, মধ্য সমানুপাতী = ৪×১৬=৬৪=<strong>৮</strong>।
83
শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
7
খ
6.5
গ
6
ঘ
8
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
প্রশ্ন: শতকরা কত টাকা হার মুনাফার ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা হবে?
সমাধান: ৬৫০ টাকার ৬ বছরের মুনাফা ২৭৩ টাকা ১ টাকার ১ বছরের মুনাফা ২৭৩/(৬৫০ × ৬) টাকা ১০০ টাকার ১ বছরের মুনাফা (২৭৩ × ১০০)/(৬৫০ × ৬) টাকা = ৭ টাকা
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি সরল সুদের (Simple Interest) হার নির্ণয়ের। আমরা সরল সুদের মৌলিক সূত্রটি ব্যবহার করে সমাধান করব।
সরল সুদের মূল সূত্রটি হলো: I=100PRN, যেখানে—
I = মোট মুনাফা (Interest) = ২৭৩ টাকা
P = আসল (Principal) = ৬৫০ টাকা
N = সময় (Number of years) = ৬ বছর
R = মুনাফার হার (Rate of Interest) = ?
হার (R) বের করার জন্য আমরা সূত্রটি পুনর্বিন্যাস করি: R=PN100I।
মান বসিয়ে পাই: R=650×6100×273
গণনা করলে, R=390027300
R=<strong>৭</strong>। সুতরাং, মুনাফার হার ৭%।
84
একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
৫ দিন
খ
৪ দিন
গ
৩ দিন
২ দিন
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
প্রশ্ন: একটি কাজ ‘ক’ ৩ দিনে ‘খ’ ৬ দিনে করতে পারে। ক ও খ একত্রে কাজটি কত দিনে করতে পারে?
সমাধান: ক ৩ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ ক ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৩ অংশ
খ ৬ দিনে করতে পারে কাজটির ১ অংশ খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির ১/৬ অংশ
ক ও খ ১ দিনে করতে পারে কাজটির = (১/৩) + (১/৬) অংশ = (২ + ১)/৬ = ৩/৬ অংশ = ১/২ ক ও খ ১/২ অংশ কাজ করে ১ দিনে ক ও খ ১ অংশ (সম্পূর্ন) কাজ করে (১ × ২)/১ দিনে = ২ দিনে
ব্যাখ্যা
এটি একটি সময় ও কাজের (Time and Work) সমস্যা। এই ধরনের অঙ্কে প্রথমে ১ দিনের কাজের পরিমাণ বের করে নিতে হয়।
ক এর কাজের হার: ক ৩ দিনে কাজটি করে। তাই ক ১ দিনে করে কাজের 31 অংশ।
খ এর কাজের হার: খ ৬ দিনে কাজটি করে। তাই খ ১ দিনে করে কাজের 61 অংশ।
ক ও খ একত্রে ১ দিনে করে কাজের পরিমাণ: 31+61=62+1=63=21 অংশ।
অর্থাৎ, ক ও খ একত্রে 21 অংশ কাজ করে ১ দিনে।
সম্পূর্ণ (১ অংশ) কাজ করতে সময় লাগবে: 1÷21=1×2=2 দিন।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ২ দিন।
85
একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
২৭ বর্গমিটার
খ
৩০ বর্গমিটার
গ
১৮ বর্গমিটার
ঘ
৯ বর্গমিটার
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
প্রশ্ন: একটি আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার, বাগানটির ক্ষেত্রফল কত?
সমাধান: ধরি, আয়তকার বাগানেরপ্রস্থ = x মিটার আয়তকার বাগানের দৈর্ঘ্য = ৩x মিটার
প্রশ্নমতে, ২( x + ৩x) = ২৪ বা, ৪x = ১২ ∴ x = ৩ আয়তাকার বাগানের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = (৩ × ৩) × ৩ বর্গমিটার = ২৭ বর্গমিটার
ব্যাখ্যা
প্রশ্নে বলা হয়েছে আয়তাকার বাগানের দৈর্ঘ্য এর প্রস্থের তিনগুণ এবং পরিসীমা ২৪ মিটার।
ধরি, প্রস্থ = x মিটার। তাহলে দৈর্ঘ্য = ৩x মিটার।
আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা = ২×(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)।
সুতরাং, ২(x+৩x)=২৪ বা, ২(৪x)=২৪ বা, ৮x=২৪ hereforex=৩ মিটার (প্রস্থ)।
দৈর্ঘ্য = ৩x=৩×৩=৯ মিটার।
এখন, বাগানটির ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য × প্রস্থ = ৯×৩=<strong>২৭ বর্গমিটার।
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ২৭ বর্গমিটার।
86
4√x = 0.1 হলে, x =কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
0.1
খ
0.01
গ
0.001
0.0001
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
সমাধান: x1/4 = 0.1 x = (0.1)4 x = 0.0001
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত সমস্যাটি সূচক (Indices) সংক্রান্ত। আমাদের দেওয়া আছে: 4x=0.1
সূচকের সূত্র অনুযায়ী, n তম মূলকে (n-th root) আমরা 1/n পাওয়ার হিসাবে লিখতে পারি। অর্থাৎ, na=a1/n।
সুতরাং, আমরা লিখতে পারি: x1/4=0.1
এখন x-এর মান বের করার জন্য, আমরা উভয় পক্ষকে 4 ঘাত (power of 4) দ্বারা গুণ করব।
(x1/4)4=(0.1)4
x=(0.1)×(0.1)×(0.1)×(0.1)
দশমিক গুণনের ক্ষেত্রে, আমরা দশমিক বিন্দুগুলো উপেক্ষা করে গুণফল নির্ণয় করব (1×1×1×1=1)। এরপর দশমিকের পর মোট যতগুলো অঙ্ক আছে, গুণফলের ডানদিক থেকে ততগুলো অঙ্ক বামে দশমিক বসাতে হবে। এখানে মোট চারটি দশমিক স্থান রয়েছে।
অতএব, x=0.0001।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 0.11=0.1, 0.12=0.01 এবং 0.13=0.001।
87
কোন শর্তে logaa = 1?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
a>0
খ
a=1
a>0,a=1
ঘ
a=0,a>2
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
log<sub>a</sub>a = 1 হবে, যখন a > 0, a ≠ 1
ব্যাখ্যা
লগারিদম (Logarithm) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি logax=y হয়, তবে ভিত্তি a এবং মান x এর উপর কিছু মৌলিক শর্ত আরোপ করা হয়।
ভিত্তি a এর ক্ষেত্রে প্রধানত দুটি শর্ত প্রযোজ্য:
১. ভিত্তি a অবশ্যই শূন্যের চেয়ে বড় হতে হবে: a>0। (ঋণাত্মক সংখ্যার লগারিদম সাধারণত বাস্তব সংখ্যা পদ্ধতিতে সংজ্ঞায়িত নয়।)
২. ভিত্তি a কখনোই 1 হতে পারবে না: a=1। (যদি a=1 হয়, তবে log11 এর মান অনির্দিষ্ট হয়ে যায়।)
যেহেতু প্রশ্নে logaa=1 দেওয়া হয়েছে, এটি তখনই সত্য হবে যখন ভিত্তি a লগারিদমের মৌলিক শর্তগুলি পূরণ করবে।
এটি বীজগাণিতিক মান নির্ণয়ের একটি ক্লাসিক প্রশ্ন, যেখানে ঘন (Cube) এর সূত্র ব্যবহার করতে হবে।
প্রদত্ত মান, x=1+3। আমাদের x3 এর মান বের করতে হবে, অর্থাৎ (1+3)3 নির্ণয় করতে হবে।
আমরা সূত্র ব্যবহার করব: (a+b)3=a3+3a2b+3ab2+b3 এখানে a=1 এবং b=3।
x3=(1+3)3
=13+3(1)2(3)+3(1)(3)2+(3)3
পাওয়ারের হিসাব করলে পাই: 1+33+3(3)+33 (মনে রাখবেন, (3)2=3 এবং (3)3=33)
=1+33+9+33
এখন সাধারণ সংখ্যাগুলি যোগ করি (1+9=<strong>10</strong>) এবং মূলের সংখ্যাগুলি যোগ করি (33+33=<strong>63</strong>)
সুতরাং, সঠিক মানটি হলো: 10+63, যা চতুর্থ অপশনে দেওয়া আছে।
91
(17)0x= কত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
17x
খ
17
x
ঘ
1
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
প্রশ্ন: (17)0 x = কত?
সমাধান: (17)0 x = 1 × x = x
ব্যাখ্যা
সূচকের মৌলিক সূত্র অনুযায়ী, শূন্য ভিন্ন (non-zero) যেকোনো রাশির ঘাত বা শক্তি (Power) যদি শূন্য (0) হয়, তবে তার মান 1 হয়। এই সূত্রকে Zero Power Rule বলা হয়।
অর্থাৎ, যদি a=0 হয়, তবে a0=1।
এখানে, প্রশ্নে প্রদত্ত রাশিটি হলো (17)0x।
সূত্রের প্রয়োগে আমরা পাই: (17)0=1।
অতএব, (17)0x=1×x=<strong>x</strong>।
ভুল উত্তর যেমন: '17x' (Option 0) ভুল, কারণ এটি 171 হিসাবে ধরে নেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন ১৬ হলো 2(ab+bc+ca) এর মান, যা সম্পূর্ণ উত্তর নয়।
94
তলের মাত্রা কয়টি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
2টি
খ
3টি
গ
4টি
ঘ
6টি
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
বস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা প্রত্যেকটিকে বস্তুর মাত্রা বলে। সাধারন অর্থে কোন ত্রিমাত্রিক দৃশ্যমান অংশকে তল বলে। তলের শুধু দৈর্ঘ্য ও প্রস্ত আছে তাই তল দ্বিমাত্রিক।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ২টি।
জ্যামিতির মৌলিক ধারণা অনুযায়ী, কোনো বস্তুর অবস্থান বা পরিমাণ বোঝাতে যে কয়টি স্বাধীন স্থানাঙ্কের প্রয়োজন হয়, তাকে তার মাত্রা (Dimension) বলে। সাধারণত মাত্রা তিনটি—দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা।
তল হলো একটি দ্বিমাত্রিক (Two-dimensional) ধারণা। তলের শুধু দৈর্ঘ্য (Length) এবং প্রস্থ (Width) থাকে, কিন্তু কোনো উচ্চতা (Height) বা গভীরতা থাকে না।
অন্যদিকে, ৩টি মাত্রা হলো ঘনবস্তুর (যেমন: ইট, বাক্স)। ৪টি মাত্রা সাধারণত পদার্থবিজ্ঞানে সময়কে নিয়ে স্থান-কাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
95
একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
24
64
গ
96
ঘ
100
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
প্রশ্ন: একটি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা 8 সে.মি. এবং সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি. হলে এর ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
সমাধান: মনেকরি ট্রপিজিয়ামের উচ্চতা h = 8 সে.মি. সমান্তরাল বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 9 সে.মি. এবং 7 সে.মি.
আমরা জানি, যে কোনো চতুর্ভুজের চারটি অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি হলো 360°।
চারটি কোণের অনুপাত দেওয়া আছে: 1 : 2 : 2 : 3।
প্রথমে আমাদের অনুপাতগুলোর সমষ্টি বের করতে হবে: 1+2+2+3=8।
বৃহত্তম কোণটি বের করতে হলে অনুপাতের মধ্যে যে সংখ্যাটি সবচেয়ে বড় (অর্থাৎ 3), সেটিকে মোট সমষ্টির ভগ্নাংশ হিসেবে ধরে মোট কোণের সমষ্টি (360°) দিয়ে গুণ করতে হবে।
অতএব, বৃহত্তম কোণ = 83×360∘।
গণনা করলে পাওয়া যায়: 83×360∘=3×45∘=135∘। সঠিক উত্তর: 135°।
100
একটি রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
24
খ
60
গ
12
ঘ
48
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
প্রশ্ন: একটি রম্বসের প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 5 সে.মি.। রম্বসটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সে.মি.?
সমাধান:
আমরা জানি, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখন্ডিত করে। অর্থাৎ রম্বসের কর্ণদ্বয় ৪টি সমকোণী ত্রিভুজ উৎপন্ন করে।
রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি. পিথাগোরাসের নিয়মানুসারে, ৫২ = ৩২ + ৪২
অর্থাৎ, অপর অর্ধ কর্ণদ্বয়েরদ্বয়ের দৈর্ঘ্য হবে যথাক্রমে ৩ সে.মি. এবং ৪ সে.মি.
সুতরাং কর্ণদ্বয় হবে যথাক্রমে ৬ সে.মি. এবং ৮ সে.মি.
আমরা জানি, রম্বসের ক্ষেত্রফল = 1/2 × কর্ণদ্বয়ের গুণফল
= 1/2 × ৬ × ৮
= ২৪ বর্গ সে.মি.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো ২৪ বর্গ সে.মি.।
ধাপ ১: রম্বসের ধর্ম জানা। আমরা জানি, রম্বসের কর্ণদ্বয় পরস্পরকে সমকোণে সমদ্বিখণ্ডিত করে। যখন কর্ণদ্বয় পরস্পরকে ছেদ করে, তখন চারটি সমকোণী ত্রিভুজ তৈরি হয়। এই সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ হলো রম্বসের বাহুর দৈর্ঘ্য (এখানে ৫ সে.মি.), এবং অন্য দুটি বাহু হলো কর্ণদ্বয়ের অর্ধেক (half diagonals)।
ধাপ ২: কর্ণদ্বয় নির্ণয়। যেহেতু বাহুর দৈর্ঘ্য ৫ সে.মি., এবং এটি একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ, আমরা পিথাগোরাসের ত্রয়ী (Pythagorean Triplet) (৩, ৪, ৫) ব্যবহার করতে পারি।
সুতরাং, অর্ধ-কর্ণদ্বয়ের দৈর্ঘ্য হবে যথাক্রমে ৩ সে.মি. এবং ৪ সে.মি.।
অতএব, সম্পূর্ণ কর্ণদ্বয় হবে: d1=3×2=<strong>৬সে.মি.</strong> এবং d2=4×2=<strong>৮সে.মি.</strong>
ক্ষেত্রফল = 21×6×8=248=<strong>২৪</strong> বর্গ সে.মি।
101
সাধুরীতিতে কোন পদটি দীর্ঘরূপ হয় না?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
বিশেষ্য
খ
ক্রিয়া
অব্যয়
ঘ
সর্বনাম
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
ন ব্যয় = অব্যয়।
- যার ব্যয় বা পরিবর্তন হয় না, অর্থাৎ যা অপরিবর্তনীয় শব্দ তাই অব্যয়।
- অব্যয় শব্দের সাথে কোনাে বিভক্তিচিহ্ন যুক্ত হয় না, সেগুলাের একবচন বা বহুবচন হয় না এবং সেগুলাের স্ত্রী ও পুরুষবাচকতা নির্ণয় করা যায় না।
- যে পদ সর্বদা অপরিবর্তনীয় থেকে কখনাে বাক্যের শােভা বর্ধন করে, কখনাে একাধিক পদের, বাক্যাংশের বা বাক্যের সংযােগ বা বিয়ােগ সম্বন্ধ ঘটায়, তাকে অব্যয় পদ বলে।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
উল্লেখ্য, মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০২২ সংস্করণ) অনুসারে, অব্যয় কে শব্দের শ্রেণিবিভাগ থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: অব্যয় পদ।
বাংলা ভাষার সাধু ও চলিত এই দুটি প্রধান রীতির মধ্যে ক্রিয়া পদ (যেমন: করিয়াছিল → করেছিল) এবং সর্বনাম পদ (যেমন: তাহাদিগকে → তাদের) এর রূপের পরিবর্তনই প্রধান ও লক্ষণীয়। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ্য পদেও বিভক্তির পূর্ণরূপ ব্যবহৃত হয়।
কিন্তু অব্যয় পদ (যেমন: এবং, অথবা, যদি) প্রকৃতিগতভাবেই অপরিবর্তনীয়। এই পদটির নাম থেকেই বোঝা যায়—'অব্যয়' অর্থ যার কোনো ব্যয় বা পরিবর্তন নেই।
এ কারণে ভাষারীতির পরিবর্তন হলেও, অর্থাৎ সাধু বা চলিত রীতির ব্যবহার হলেও অব্যয় পদের দীর্ঘরূপ বা হ্রস্বরূপ তৈরি হয় না; এটি সর্বদা একই থাকে।
102
নিচের কোন বানানটি শুদ্ধ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
বাল্মিকী
খ
বাল্মিকি
বাল্মীকি
ঘ
বাল্মীকী
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
শুদ্ধ বানান = বাল্মীকি
বাল্মীকি (বিশেষ্য) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = বাল্মীক+ই অর্থ: রামায়ণের প্রণেতা কবি ও মুনি, আদিকবি।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক বানানটি হলো বাল্মীকি। এটি একটি সংস্কৃত শব্দ, যা দিয়ে রামায়ণের প্রণেতা কবি ও মুনিকে বোঝানো হয়।
বাংলা বানান রীতি এবং সংস্কৃত শব্দমূল অনুযায়ী, এই শব্দটির মধ্যবর্তী অংশে দীর্ঘ ঈ-কার (মী) এবং শব্দের শেষে হ্রস্ব ই-কার (কি) ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন— 'বাল্মিকী', 'বাল্মিকি' বা 'বাল্মীকী'— দীর্ঘ ঈ-কার এবং হ্রস্ব ই-কারের ভুল প্রয়োগের কারণে অশুদ্ধ হয়েছে।
103
‘শকুনি মামা‘- এর অর্থ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
কুৎসিত মামা
খ
সৎ মামা
কুচক্রী মামা
ঘ
পাতানো মামা
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
শকুনি মামা - এর অর্থ- কুচক্রী লোক বা অনিষ্টকর আত্মীয়। উদাহরণ: শকুনি মামাদের কাছ থেকে যত দূরে থাকবে ততই মঙ্গল।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: কুচক্রী মামা।
বাংলায় ‘শকুনি মামা’ বাগধারাটি দ্বারা এমন আত্মীয় বা ব্যক্তিকে বোঝানো হয় যিনি অত্যন্ত ষড়যন্ত্রকারী, অনিষ্টকারী এবং কলহ সৃষ্টিকারী।
এই বাগধারাটির উৎস মহাকাব্য মহাভারত। দুর্যোধনের মামা শকুনি ছিলেন কৌরবদের প্রধান কুচক্রী উপদেষ্টা, যার প্ররোচনায় পাশাখেলা সংঘটিত হয় এবং ফলস্বরূপ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ শুরু হয়।
সুতরাং, শকুনি মামা বলতে অনিষ্টকর আত্মীয় বা ধ্বংসাত্মক পরিকল্পনা সৃষ্টিকারী ব্যক্তিকে বোঝায়।
104
‘সংশয়‘- এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
নির্ভয়
প্রত্যয়
গ
বিস্ময়
ঘ
দ্বিধা
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• সংশয় শব্দের বিপরীত শব্দ প্রত্যয়। - 'বিস্ময়' শব্দটির বিপরীত শব্দ স্বাভাবিক। - নির্ভয় শব্দের বিপরীত শব্দ ভয়।
উৎস: ভাষা-শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ।
ব্যাখ্যা
প্রশ্নোক্ত ‘সংশয়’ শব্দের অর্থ হলো—সন্দেহ, দ্বিধা বা অনিশ্চয়তা।
এর ঠিক বিপরীত ভাব প্রকাশ করে ‘প্রত্যয়’ শব্দটি, যার অর্থ—দৃঢ় বিশ্বাস, আস্থা বা নিশ্চয়তা। তাই বিপরীত শব্দ হিসেবে প্রত্যয় সঠিক।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর বিশ্লেষণ:
নির্ভয়: এর বিপরীত শব্দ হলো ভয় বা ভীরু।
বিস্ময়: এর বিপরীত শব্দ হলো স্বাভাবিক বা অবিস্ময়।
দ্বিধা: এটি সংশয়-এর সমার্থক শব্দ, বিপরীত শব্দ নয়।
105
‘বক্তব্য‘- এর সঠিক প্রকৃতি প্রত্যয় কোনটি
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
√বক্+তব্য
খ
√বক্ত+অব্য
গ
√বক্ত+ব্য
√বচ্+তব্য
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
বক্তব্য (বিশেষণ) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = √বচ্ + তব্য অর্থ: - বলতে হবে বা বলার যোগ্য এমন। - আলোচ্য, উল্লেখ্য।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: √বচ্ + তব্য।
‘বক্তব্য’ শব্দটি হলো একটি কৃৎ প্রত্যয় সাধিত শব্দ। কৃৎ প্রত্যয় হলো সেই প্রত্যয় যা প্রকৃতির (ক্রিয়ামূল) পরে যুক্ত হয়।
এখানে প্রকৃতি বা ক্রিয়ামূল হলো √বচ্ (যার অর্থ 'বলা' বা 'to speak')।
এর সাথে তব্য (যা যোগ্য বা কর্তব্য অর্থে ব্যবহৃত হয়) কৃৎ প্রত্যয় যুক্ত হয়ে শব্দটি গঠিত হয়েছে। সংস্কৃত ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, √বচ্ + তব্য = বক্তব্য।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ব্যাকরণগতভাবে ‘বক্ত’ বা ‘বক্’ মূল ধাতু বা প্রকৃতি হিসেবে ব্যবহৃত হয় না; এর মূল ধাতু হলো √বচ্।
106
‘উপকারীর অপকার করে যে‘- নিচের কোনটি শুদ্ধ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
কৃতজ্ঞ
খ
বেঈমান
কৃতঘ্ন
ঘ
কৃতগ্ন
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
উপকারীর অপকার করে যে-কৃতঘ্ন উপকারীর উপকার স্বীকার করে যে- কৃতজ্ঞ উপকারীর উপকার যে স্বীকার করে না-অকৃতজ্ঞ
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কৃতঘ্ন। বাংলা ব্যাকরণে একাধিক পদকে একটি পদে প্রকাশ করার রীতিকে 'এককথায় প্রকাশ' বলে।
যে ব্যক্তি উপকারীর উপকার স্বীকার না করে বরং অপকার করে, তাকে কৃতঘ্ন বলা হয়। এখানে 'ঘ্ন' দ্বারা ক্ষতি বা বিনাশ বোঝানো হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো দেখুন:
কৃতজ্ঞ: যিনি উপকারীর উপকার স্বীকার করেন (অর্থাৎ যিনি উপকারী)। এটি সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
বেঈমান: এর অর্থ বিশ্বাসঘাতক বা অসৎ, যা একটি সাধারণ শব্দ। কিন্তু 'উপকারীর অপকার করে যে'—এর জন্য নির্দিষ্ট পারিভাষিক শব্দটি হলো কৃতঘ্ন।
কৃতগ্ন: এটি কৃতঘ্ন শব্দের একটি ভুল বানান।
107
ব্যাকরণের কোন অংশে কারক সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়েছে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ধ্বনিতত্ত্বে
খ
অর্থতত্ত্বে
বাক্যতত্ত্বে
ঘ
রূপতত্ত্বে
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
বাক্যতত্ত্বে বাক্য নিয়ে আলোচনা করা হয়। বাক্যের নির্মাণ এবং এর গঠন বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়। বাক্যের মধ্যে পদ ও বর্গ কীভাবে বিন্যস্ত থাকে,বাক্যতত্ত্বে তা বর্ননা করা হয়।
বাক্যতত্ত্বের অন্যান্য আলোচ্য বিষয়: - কারক বিশ্লেষণ, - বাক্যের যোগ্যতা, - বাক্যের উপাদান লোপ, - যতিচিহ্ন প্রভৃতি।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি (২০২১ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: বাক্যতত্ত্বে।
ব্যাকরণের যে অংশে বাক্য বা পদবিন্যাস নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকে বাক্যতত্ত্ব (Syntax) বলা হয়। কারক হলো বাক্যের অন্তর্গত ক্রিয়াপদের সঙ্গে বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের সম্পর্ক নির্ণয়। যেহেতু কারক সরাসরি বাক্যের গঠন ও পদবিন্যাস নিয়ে কাজ করে, তাই এর আলোচনা স্থান পায় বাক্যতত্ত্বের অধীনে।
বাক্যতত্ত্বের মূল আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে রয়েছে: বাক্যের উপাদান, বাক্যসংযোজন, বাক্যবিন্যাস, কারক বিশ্লেষণ, বাচ্য ও উক্তি, যতিচিহ্ন প্রভৃতি।
অন্যদিকে, ধ্বনিতত্ত্বে আলোচনা করা হয় ধ্বনি, বর্ণ ও সন্ধি নিয়ে; রূপতত্ত্বে আলোচনা করা হয় শব্দ/পদ গঠন, সমাস ও প্রত্যয় নিয়ে এবং অর্থতত্ত্বে আলোচনা করা হয় শব্দের অর্থ, অর্থের পরিবর্তন ও বাক্যের ভাবার্থ নিয়ে।
108
বাড়ী বা রাস্তার নম্বরের পর নিচের কোন চিহ্নটি বসে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
দাঁড়ি
খ
সেমিকোলন
গ
কোলন
কমা
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
কমা (,) এর ব্যবহার: ১) বাক্য সুস্পষ্ট করতে বাক্যকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করে প্রতিটি ভাগের মাঝে কমা বসে। যেমন- সুখ চাও, সুখ পাবে বই পড়ে। ২) পরস্পর সম্পর্কিত একাধিক বিশেষ্য বা বিশেষণ পদ একসঙ্গে ব্যবহৃত হলে শেষ পদটি ছাড়া প্রতিটির পরে কমা বসে। যেমন- ১৬ ডিসেম্বর আমাদের মন সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, ভালবাসা, আনন্দে ভরে থাকে। ৩) সম্বোধনের পরে কমা বসে। যেমন- রশিদ, এদিকে এসো। ৪) জটিল বাক্যের প্রত্যেকটি খন্ডবাক্যের পরে কমা বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, সেই সুখ লাভ করে। ৫) কোন বাক্যে উদ্ধৃতি থাকলে, তার আগের খন্ডবাক্যের শেষে কমা (,) বসে। যেমন- আহমদ ছফা বলেন, ‘মানুষের উপর বিশ্বাস হারানো পাপ।’ তুমি বললে, ‘আমি কালকে আবার আসবো।’ ৬) মাসের তারিখ লেখার সময় বার ও মাসের পর কমা বসে। যেমন- ২৫ বৈশাখ, ১৪১৮, বুধবার। ৭) ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নাম্বার বা রাস্তার নামের পর কমা বসে। যেমন- ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা- ১০০০। 8) ডিগ্রী পদবি লেখার সময় কমা ব্যবহৃত হয়। যেমন- ডক্টর মুহম্মদ এনামুল হক, এম,এ, পি-এইচ,ডি।
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি (২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: কমা (,)।
বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী, ঠিকানা লেখার সময় বাড়ির নাম্বার বা রাস্তার নামের পর কমা (,) বসে। এটি বিরাম চিহ্নের একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার, যা বাক্যের বিভিন্ন অংশকে সুস্পষ্টভাবে আলাদা করতে সাহায্য করে।
উদাহরণস্বরূপ: ৬৮, নবাবপুর রোড, ঢাকা- ১০০০। এখানে ৬৮ (বাড়ি নম্বর) এর পরে এবং নবাবপুর রোড (রাস্তার নাম) এর পরে কমা ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য চিহ্নের ব্যবহার:
দাঁড়ি (।): বাক্যের সমাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
সেমিকোলন (;): দুটি ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত স্বতন্ত্র বাক্যাংশকে যুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
কোলন (:): উদাহরণ, তালিকা বা ব্যাখ্যার পূর্বে ব্যবহৃত হয়।
109
‘সূর্য‘- এর প্রতিশব্দ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
সুধাংশু
খ
শশাঙ্ক
গ
বিধু
আদিত্য
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• 'সূর্য' এর প্রতিশব্দ 'আদিত্য' 'সূর্য' এর অন্যান্য প্রতিশব্দ - রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, দিবাবসু, অর্ক, ভানু, তপন, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অংশু, প্রভাকর, কিরণমালী, অরুণ, মিহির, দিনপতি ইত্যাদি।
অন্যদিকে, সুধাংশু, শশাঙ্ক, বিধু = 'চাঁদ' এর প্রতিশব্দ।
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: আদিত্য।
'আদিত্য' শব্দটি 'সূর্য'-এর অন্যতম প্রতিশব্দ। 'সূর্য'-এর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিশব্দ হলো: রবি, সবিতা, দিবাকর, দিনমনি, দিননাথ, তপন, ভানু, ভাস্কর, মার্তণ্ড, অর্ক ইত্যাদি।
অন্যদিকে, বিকল্পগুলিতে থাকা সুধাংশু, শশাঙ্ক এবং বিধু—এই তিনটি শব্দই 'চাঁদ'-এর প্রতিশব্দ। এই প্রতিশব্দগুলো প্রায়ই পরীক্ষায় ভুল করার জন্য ব্যবহার করা হয়, তাই এদের পার্থক্য জানা জরুরি।
110
‘ভিক্ষুকটা যে পেছনে লেগেই রয়েছে, কি বিপদ!‘- এ বাক্যের ‘কী‘ এর অর্থ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
বিরক্তি
খ
রাগ
গ
ভয়
ঘ
হুমকি
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
‘কী বিপদ, লোকটা যে পিছু ছাড়ে না।’—এখানে অব্যয়টি ব্যবহৃত হয়েছে বিরক্তি প্রকাশে। তেমনিভাবে, 'ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!' বাক্যের অব্যয় পদটি (কী) 'বিরক্তি' অর্থ প্রকাশ করে।
সূত্র- বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যে, ‘ভিক্ষুকটা যে পেছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!’— এখানে বক্তা একটি দীর্ঘস্থায়ী ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলছেন। এই ধরনের পরিস্থিতিতে যে মানসিক চাপ বা অসহিষ্ণুতা তৈরি হয়, তা প্রকাশ করার জন্য ‘কী বিপদ!’ অংশটি ব্যবহৃত হয়েছে।
ব্যাকরণে, ‘কী’ অব্যয় পদটি যখন কোনো বিশেষ ভাব বা আবেগকে তীব্রতা দিতে ব্যবহৃত হয়, তখন তা প্রায়শই বিরক্তি (Annoyance) অর্থ প্রকাশ করে। এটি দ্বারা সমস্যার প্রতি ক্লান্তি ও অসহায়ত্ব প্রকাশ পায়।
অন্যান্য অপশন যেমন— রাগ, ভয় বা হুমকি এখানে প্রযোজ্য নয়, কারণ বাক্যের মূল সুরটি হলো একটি বিরক্তিকর পরিস্থিতি থেকে মুক্তি না পাওয়ার হতাশা, যা বিরক্তির সমার্থক।
মূর্খ বানানটি ভুল আছে। এছাড়া, শ্রেষ্ঠ (বিশেষণ) - অতি উৎকৃষ্ট; উত্তম; প্রধানতম; সর্বপ্রধান। শ্রেষ্ঠতর (অশুদ্ধ) (বিশেষণ) - উত্তমতর; উৎকৃষ্টতর।
সূত্র: বাংলা একাডেমি অভিধান।
শ্রেষ্ঠতর (অশুদ্ধ) - এটার কারণ হচ্ছে 'শ্রেষ্ঠ' এর সঙ্গে 'তর' এর ব্যবহার বাহুল্য হয়ে যাবে। শ্রেষ্ঠ নিজেই অতিশয়ার্থবাচক (superlative). প্রশ্নটি হায়াৎ মামুদের বই থেকে সরাসরি নেয়া হয়েছে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো (খ) বিদ্বান মূর্খ অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ।
এই বাক্যটিতে যে ব্যাকরণগত ভুলটি রয়েছে, তাকে বাহুল্য দোষ (Pleonasm) বলা হয়।
১. **বানান শুদ্ধি:** প্রশ্নে ব্যবহৃত 'মুর্খ' এর শুদ্ধ বানান হলো মূর্খ। এছাড়া অপশন (ক)-এ 'বিদ্যান' লেখা হয়েছে, যার শুদ্ধ রূপ বিদ্বান।
২. **শ্রেষ্ঠতর বর্জন:** 'শ্রেষ্ঠ' শব্দটি নিজেই অতিশয় অর্থ বহন করে, অর্থাৎ এটি 'সর্বোচ্চ উত্তম' বা 'Best' অর্থ বোঝায়। তাই এর সাথে তুলনা বোঝাতে 'তর' প্রত্যয় যুক্ত করলে তা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হয়ে যায়।
৩. তুলনামূলক বাক্যে (যেখানে 'অপেক্ষা' ব্যবহৃত হয়), যদি এমন কোনো বিশেষণ ব্যবহার করা হয় যা ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত গুণ নির্দেশ করে (যেমন: শ্রেষ্ঠ), তবে তার সঙ্গে অতিরিক্ত তুলনামূলক প্রত্যয় (তর/তম) যুক্ত করার প্রয়োজন হয় না। তাই 'শ্রেষ্ঠতর' এর পরিবর্তে শুধু 'শ্রেষ্ঠ' ব্যবহার করা সঠিক।
বাংলা ভাষার সাধু রীতির বৈশিষ্ঠ্যঃ (ক) বাংলা লেখ্য সাধু রীতি সুনির্ধারিত ব্যাকরণের নিয়ম অনুসরণ করে চলে এবং এর পদবিন্যাস সুনিয়ন্ত্রিত ও সুনির্দিষ্ট। (খ) এ রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। (গ) সাধু রীতি নাটকের সংলাপ ও বক্তৃতার অনুপযোগী। (ঘ) এ রীতিতে সর্বনাম ও ক্রিয় পদ এক বিশেষ গঠনপদ্ধতি মেনে চলে।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণী।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: নাটকে।
বাংলা ভাষার সাধু রীতির প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এটি গুরুগম্ভীর, তৎসম শব্দবহুল এবং এর সর্বনাম ও ক্রিয়াপদগুলি পূর্ণাঙ্গ ও সুনির্দিষ্ট ব্যাকরণ অনুসরণ করে।
কিন্তু নাটকের সংলাপ বা বক্তৃতার জন্য এমন গুরুগম্ভীর ও দীর্ঘ পদ (যেমন: 'তাহারা করিয়াছিল') ব্যবহার করলে তা স্বাভাবিকতা হারায়। সংলাপ অবশ্যই সহজ, স্বচ্ছন্দ ও গতিশীল হতে হয়, যা চলিত ভাষার (Colloquial Style) প্রধান বৈশিষ্ট্য।
এই কারণে, সাধু রীতি নাটকের সংলাপ এবং বক্তৃতার ক্ষেত্রে সাধারণত অনুপযোগী বা বর্জনীয়।
অন্যদিকে, কবিতা, গান এবং ছোটগল্পে (ঐতিহাসিকভাবে) সাধু ভাষার ব্যবহার প্রচলিত ছিল, যদিও বর্তমানে চলিত ভাষার ব্যবহারই বেশি জনপ্রিয়।
113
‘অন্তরঙ্গ‘- এর বিপরীত শব্দ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
শত্রুতা
খ
সম্পর্কহীন
বহিরঙ্গ
ঘ
বৈরীভাব
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
‘অন্তরঙ্গ' এর বিপরীত শব্দ- বহিরঙ্গ
গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিপরীত শব্দ: 'অনুরক্ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরক্ত 'সৌম্য' শব্দের বিপরীত শব্দ -'উগ্র' 'অনুমেয়' এর বিপরীত শব্দ - অননুমেয় 'নিয়ত' এর বিপরীত শব্দ - বিরত 'প্রবিষ্ট' এর বিপরীত শব্দ - প্রস্থিত 'দরদি' এর বিপরীত শব্দ-নির্দয় 'উগ্র' এর বিপরীত শব্দ-মৃদু / সৌম্য 'ঔদ্ধত্য' এর বিপরীত শব্দ-বিনয়
উৎস: ভাষা- শিক্ষা, ড. হায়াৎ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: বহিরঙ্গ। বিপরীত শব্দ বা 'বিপরীতার্থক শব্দ' হলো একটি শব্দের সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশকারী শব্দ।
'অন্তরঙ্গ' শব্দের অর্থ হলো — ঘনিষ্ঠ, ভেতরের বা অভ্যন্তরীণ (Internal/Intimate)।
এর বিপরীতে, 'বহিরঙ্গ' শব্দের অর্থ হলো — বাহ্যিক, বাইরের দিক বা অগভীর (External).
অন্যদিকে, শত্রুতা, সম্পর্কহীন বা বৈরীভাব শব্দগুলো 'অন্তরঙ্গ'-এর অর্থের দিক থেকে বিপরীত হলেও, শব্দগুলোর মধ্যে ভাবগত মিল এবং শব্দগঠনের দিক থেকে 'অঙ্গ' প্রত্যয়যুক্ত 'বহিরঙ্গ' হলো সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।
114
কোনটি শুদ্ধ বানান?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
মুহুর্ত
খ
মূহুর্ত
মুহূর্ত
ঘ
মুহূর্তূ
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
মুহূর্ত (বিশেষ্য) - সংস্কৃত শব্দ। - প্রকৃতি প্রত্যয় = √হুর্চ্ছ্+ত অর্থ: - দিবানিশির ৩০ ভাগের ১ ভাগ, আটচল্লিশ মিনিট। - অতি অল্প সময়।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: মুহূর্ত (অপশন গ)। এটি একটি তৎসম শব্দ।
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, 'মুহূর্ত' বানানে প্রথম বর্ণের সাথে হ্রস্ব উ-কার (ু) এবং দ্বিতীয় বর্ণের সাথে দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) ব্যবহৃত হয়। অর্থাৎ, মু (ছোট উ) এবং হূ (বড় ঊ)।
মুহূর্ত শব্দের সঠিক বর্ণবিন্যাস হলো: ম্ + উ + হ্ + ঊ + র্ + ত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: ১. মুহুর্ত: এখানে দ্বিতীয় 'হ'-এর সাথেও হ্রস্ব উ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা অশুদ্ধ। ২. মূহুর্ত: প্রথম বর্ণে দীর্ঘ ঊ-কার ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল। ৩. মুহূর্তূ: শেষে অতিরিক্ত দীর্ঘ ঊ-কার যুক্ত হয়েছে।
115
কোন বাংলা পদের সাথে সন্ধি হয় না?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক্রিয়া
খ
অব্যয়
গ
বিশেষ্য
ঘ
বিশেষণ
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
সন্ধি' শব্দের অর্থ মিলন।
• সন্ধির কতিপয় উদ্দেশ্য : - সন্ধি মাধ্যমে ধ্বনির মিলন হয়। - নতুন শব্দ তৈরি করা হয়। - উচ্চারণে সহজতা আসে।
• সন্ধির ক্ষেত্রে বর্জনীয় : - বাংলা ক্রিয়াপদের সাথে সন্ধি করা যায় না। - খাঁটি বাংলা শব্দের সাথে বিসর্গ সন্ধি করা যায় না। - খাটি বাংলা শব্দের সাথে তৎসম শব্দের সন্ধি করা যায় না। এতে গুরুচণ্ডালী দোষ হয়।
উৎসঃ ভাষা শিক্ষা-ড. হায়াৎ মাহমুদ
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ক্রিয়া।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, খাঁটি বাংলা ক্রিয়াপদের সাথে সাধারণত সন্ধি হয় না। সন্ধির মূল উদ্দেশ্য হলো দুটি ধ্বনির মিলন ঘটিয়ে উচ্চারণকে সহজ ও শ্রুতিমধুর করা, যা মূলত তৎসম (সংস্কৃত থেকে আগত) শব্দে এবং বাংলা বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয় পদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
ক্রিয়াপদ বা Verb-এর মূল হলো ধাতু, এবং ক্রিয়াপদের গঠন প্রক্রিয়া সন্ধির মাধ্যমে হয় না, বরং এটি প্রত্যয় যোগে গঠিত হয় (যেমন: কর + ইতেছ = করিতেছে)।
অপরদিকে, বিশেষ্য (যেমন: বিদ্যা + আলয় = বিদ্যালয়), বিশেষণ (যেমন: মহৎ + আশয় = মহাংশয়), এবং অব্যয় (যেমন: প্রতি + অহ = প্রত্যহ) পদের সাথে সন্ধি হয়ে থাকে।
116
‘হাতে দূর্বা গজানো‘ বাগধারাটির অর্থ কী?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
ছন্নছাড়া
খ
অলুক্ষণে
আলসেমির লক্ষণ
ঘ
অতিশয় দূর্বল
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
হাড়ে দুর্বা গজানো: অত্যন্ত অলস হওয়া উড়নচণ্ডী: অমিতব্যয়ী। কুঁড়ের বাদশা: খুব অলস।
ব্যাখ্যা
এই বাগধারাটি চরম অলসতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। কল্পনা করা হয়, কেউ যদি এতই অলস হয় যে তার হাত দীর্ঘদিন ধরে নড়াচড়া না করে একই জায়গায় স্থির থাকে, তবে সেখানে দূর্বা ঘাস গজাতে পারে।
সুতরাং, ‘হাতে দূর্বা গজানো’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো অত্যন্ত অলস হওয়া বা আলসেমির লক্ষণ।
বিকল্পগুলোর মধ্যে 'আলসেমির লক্ষণ' হলো সবচেয়ে সঠিক ব্যাখ্যা (Option 3)।
অন্যান্য বিকল্প যেমন 'ছন্নছাড়া' (অগোছালো), 'অলুক্ষণে' (খারাপ/অমঙ্গল সূচক) এবং 'অতিশয় দূর্বল' (শারীরিক দুর্বলতা) - এগুলো আলস্যের ধারণার সাথে সম্পর্কিত নয়।
117
‘শুভক্ষণে জন্ম যার‘- এক কথায় কী হবে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক্ষণজন্মা
খ
শুভজন্মা
গ
জন্মাধীর
ঘ
শুভজন্মকাল
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
‘শুভক্ষণে জন্ম যার‘- এক কথায় বলে = ক্ষণজন্মা
কিছু এক কথায় প্রকাশ- - যা আঘাত পায়নি = অনাহত। - যা আহুত হয় নি = অনাহুত। - যে সকল অত্যাচারই সয়ে যায় = সর্বংসহা
উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি এককথায় প্রকাশ (One-word substitution) অংশ থেকে নেওয়া হয়েছে।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি বা ঘটনার জন্ম হয় কোনো শুভ বা গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তে, তখন সেই ব্যক্তিকে বোঝাতে 'শুভক্ষণে জন্ম যার' এর এককথায় প্রকাশ হলো ক্ষণজন্মা।
এখানে 'ক্ষণ' শব্দটি আক্ষরিক অর্থে মুহূর্ত বোঝালেও, এর দ্বারা একটি বিশেষ বা গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল বোঝানো হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'শুভজন্মা' বা 'শুভজন্মকাল' বাংলা ব্যাকরণে এই নির্দিষ্ট ভাবটিকে প্রকাশ করার জন্য গৃহীত বা প্রচলিত শব্দ নয়।
উৎস: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি (২০১৯ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: ডাইনী। কারণ এটি একটি নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ।
বাংলা ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে, যেসব বিশেষ্য শব্দ কেবল নারীদেরই বোঝায় এবং যাদের কোনো প্রচলিত পুরুষবাচক শব্দ নেই, তাদের নিত্য স্ত্রীবাচক শব্দ বলা হয়। এদের লিঙ্গান্তর করা যায় না। যেমন: ডাইনী, সপত্নী, বিধবা, কুলটা, সতীন, ইত্যাদি।
অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলোর পুরুষবাচক শব্দ বা ভিন্ন লিঙ্গে ব্যবহারের সুযোগ আছে:
দাত্রী (স্ত্রীবাচক) এর পুরুষবাচক শব্দ হলো দাতা।
তাদৃশী (স্ত্রীবাচক) এর পুরুষবাচক শব্দ হলো তাদৃশ।
বাদী শব্দটি ক্ষেত্রবিশেষে উভয় লিঙ্গে ব্যবহৃত হলেও, এটি নিত্য স্ত্রীবাচক নয়। এর প্রচলিত পুরুষবাচক রূপ বাদক বা ক্ষেত্রবিশেষে বাদক/বাদিনী রূপে পাওয়া যায়।
119
নিচের কোনটি ‘সৃষ্টি‘- এর প্রকৃতি ও প্রত্যয়?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
সৃষ্ + টি
খ
সৃশ্ + তি
সৃজ্ + তি
ঘ
স্রী + ষ্টি
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
সৃষ্টি‘- এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় = √সৃজ্ + তি নিকটতম সঠিক উত্তর হিসেবে সৃজ্ + তি গ্রহণযোগ্য।
সৃষ্টি (বিশেষ্য) - সংস্কৃত শব্দ - প্রকৃতি প্রত্যয় = √সৃজ্ + তি অর্থ: - নতুন কোনো কিছুর উৎপাদন - নির্মাণ - বিশ্বজগৎ - শিল্প - স্বভাব - রচনা - উৎপাদিত বা নির্মিত বস্তু - সূত্রপাত
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: সৃজ্ + তি।
বাংলা ব্যাকরণে প্রকৃতি বলতে শব্দের মূল বা অংশকে বোঝায়, যার সাথে প্রত্যয় যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি হয়। এটি দুই প্রকার: নাম প্রকৃতি এবং ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু।
‘সৃষ্টি’ শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ, যা কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত। এক্ষেত্রে, ‘সৃজ্’ হলো ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু, যার অর্থ সৃষ্টি করা বা নির্মাণ করা।
নিয়ম অনুযায়ী, √সৃজ্ (ধাতু) এর সাথে তি (কৃৎ প্রত্যয়) যুক্ত হয়ে ‘সৃষ্টি’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। (সৃজ্ + তি = সৃষ্টি)।
অন্যান্য বিকল্পগুলোতে মূল ধাতু (প্রকৃতি) যেমন—‘সৃষ্’, ‘সৃশ্’ অথবা প্রত্যয় ‘টি’, ‘ষ্টি’ ভুলভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা ব্যাকরণসম্মত নয়।
120
নীলাম্বর কোন সমাস?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
দ্বন্দ্ব
খ
তৎপুরুষ
কর্মধারয়
ঘ
অব্যয়ীভাব
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
যেখানে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- নীল যে অম্বর = নীলাম্বর। নীল যে আকাশ = নীলাকাশ। নীল যে পদ্ম = নীলপদ্ম। রক্ত যে কমল = রক্তকমল।
অতিরিক্ত আলোচনাঃ যে সমাসে পূর্ব বা পর কোন পদের অর্থ না বুঝিয়ে তৃতীয় কোন অর্থ প্রকাশ করে তাকে বহুব্রীহি সমাস বলে। যেমনঃ নীল অম্বর যার = নীলাম্বর। দশ আনন যার = দশানন। পদ্ম নাভিতে যার = পদ্মনাভ।
উৎসঃ বাংলা ভাষার ব্যাকরণ, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর: কর্মধারয়। যে সমাসে বিশেষণ বা বিশেষণভাবাপন্ন পদের সাথে বিশেষ্য বা বিশেষ্যভাবাপন্ন পদের সমাস হয় এবং পরপদের অর্থই প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে।
'নীলাম্বর'-এর ব্যাসবাক্য হলো: নীল যে অম্বর। এখানে 'নীল' (বিশেষণ) দ্বারা 'অম্বর' (বিশেষ্য, যার অর্থ আকাশ বা বস্ত্র) কে বিশেষিত করা হয়েছে। যেহেতু পরপদ 'অম্বর'-এর অর্থই প্রধান, তাই এটি কর্মধারয় সমাস।
কিন্তু, যদি এর ব্যাসবাক্য করা হতো 'নীল অম্বর যার' (যার নীল আকাশ/বস্ত্র), তবে সেটি তৃতীয় কোনো অর্থ (যেমন: কোনো দেবতা বা ব্যক্তি) প্রকাশ করত এবং তখন তা বহুব্রীহি সমাস হতো। তবে সাধারণত প্রশ্নে বহুব্রীহির ইঙ্গিত না থাকলে কর্মধারয়কেই প্রাধান্য দিতে হবে।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ: ১. দ্বন্দ্ব সমাস-এ দুটি পদেরই অর্থ প্রধান হয়। ২. তৎপুরুষ সমাস-এ পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায়। ৩. অব্যয়ীভাব সমাস-এ পূর্বপদে অব্যয় বসে এবং তার অর্থই প্রধান হয়।
অপাদান কারক: যা থেকে কোনাে কিছু উৎপত্তি, বিচ্যুত, জাত, গৃহীত, আরম্ভ, দূরীভূত ও রক্ষিত হয়, তাকে বলা হয় অপাদান কারক। - বাক্যের ক্রিয়াপদকে কোথা হতে, কি থেকে, কিসের থেকে ইত্যাদি প্রশ্ন করলে উত্তরে যে কারক পাওয়া যায়, তা-ই হলাে অপাদান কারক।
অপাদান কারকে বিভিন্ন বিভক্তির প্রয়ােগ -
- এ বনে বাঘের ভয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি - মেঘ থেকে বৃষ্টি হয় = অপাদান কারকে ৫মী বিভক্তি - তিলে তৈল হয় = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি - তিথির চেয়ে বিথী বড় = অপাদান কারকে ষষ্ঠী বিভক্তি - পরাজয়ে ডরে না বীর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি - বিপদে মাের রক্ষা কর = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি - লােভে পাপ পাপে মৃত্যু = অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি - ছাদ থেকে পানি পড়ে = অপাদান কারকে৫মী বিভক্তি
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ২য় পত্র, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: অপাদান কারকে ৭মী বিভক্তি।
কারক নির্ণয়ের ক্ষেত্রে ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করতে হয়। এখানে ক্রিয়াপদ হলো 'হয়' (উৎপন্ন হয়)। প্রশ্ন: 'কোথা হতে তৈল উৎপন্ন হয়?' উত্তর: 'তিলে' হতে।
যেখান থেকে কোনো কিছু উৎপন্ন (Produced), জাত (Born), বিচ্যুত (Separated), বা আরম্ভ (Started) হয়, তাকে অপাদান কারক বলা হয়। যেহেতু তেল তিল থেকে উৎপন্ন হয়, তাই 'তিলে' পদটি অপাদান কারক।
বিভক্তি নির্ণয়: 'তিলে' শব্দটির শেষে 'এ' বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, যা সপ্তমী বিভক্তি (এ, য়, তে) হিসেবে গণ্য।
122
নিচের কোনটি শুদ্ধ?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ষ্ণ = ষ্ + ণ
খ
ষ্ণ = ষ + ঞ
গ
ষ্ণ = ষ + ন
ঘ
ষ্ণ = ষ + ঙ
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
একাধিক বর্ণ যুক্ত হয়ে যুক্তবর্ণ তৈরি হয়। যুক্ত হওয়া বর্ণগুলোকে দেখে কখনো সহজে চেনা যায়, কখনো সহজে চেনা যায় না। এদিক দিয়ে যুক্তবর্ণ দুই রকম: স্বচ্ছ ও অস্বচ্ছ।
সূত্র: বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি, নবম-দশম শ্রেণি, ২০২২ সংস্করণ।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) ষ্ণ = ষ্ + ণ।
যুক্তবর্ণগুলো সাধারণত দুটি বর্ণের সমন্বয়ে গঠিত হয়। এর মধ্যে কিছু যুক্তবর্ণ সহজে চেনা যায় (স্বচ্ছ), এবং কিছু যুক্তবর্ণের গঠন সহজে বোঝা যায় না (অস্বচ্ছ)।
'ষ্ণ' হলো একটি অস্বচ্ছ যুক্তবর্ণ। এটি গঠিত হয় 'ষ' এবং 'ণ' এর সংযোগে। তবে মনে রাখতে হবে, প্রথম বর্ণটিতে অবশ্যই হসন্ত (্) চিহ্ন থাকবে। তাই এর সঠিক বিশ্লেষণ হলো: ষ্ + ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো (ষ + ঞ, ষ + ন, ষ + ঙ) সম্পূর্ণ ভুল, কারণ এদের সংযুক্তিতে ষ্ণ তৈরি হয় না।
123
মৌলিক শব্দ কোনটি?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
আকাশ
খ
শীতল
গ
ঢাকাই
ঘ
কান্না
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
গঠনগত দিক থেকে শব্দকে ২ শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। যথা - মৌলিক শব্দ ও সাধিত শব্দ।
মৌলিক শব্দ: যেসব শব্দকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙ্গা যায় না, তাদেরকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন - গোলাপ, নাক, লাল, চাঁদ ইত্যাদি।
আকাশ = মৌলিক শব্দ শীতল, ঢাকাই = প্রত্যযোগে গঠিত সাধিত শব্দ কান্না = সন্ধিযোগে গঠিত সাধিত শব্দ
উৎস: মাধ্যমিক বাংলা ব্যাকরণ (২০১৯ ও ২০২১ সংস্করণ)।
ব্যাখ্যা
গঠনগত দিক থেকে বাংলা শব্দকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ।
মৌলিক শব্দ (Root Word): যেসব শব্দকে আর বিশ্লেষণ বা বিভাজন করা যায় না এবং ভাঙার পর খন্ডিত অংশগুলোর কোনো আলাদা অর্থ পাওয়া যায় না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন— গোলাপ, নাক, লাল, আকাশ ইত্যাদি।
এখানে, আকাশ শব্দটিকে ভাঙা যায় না বা ভাঙলেও তার আলাদা কোনো অর্থ পাওয়া যায় না। তাই এটি মৌলিক শব্দ।
অপরদিকে, অন্য অপশনগুলো সাধিত শব্দ। এদেরকে বিশ্লেষণ করা যায়। যেমন:
শীতল = শীত + ল (প্রত্যয়যোগে গঠিত)
ঢাকাই = ঢাকা + আই (প্রত্যয়যোগে গঠিত)
কান্না = কাঁদ + না / ক্রন্দন (এটি সাধিত শব্দ, যা প্রকৃতি ও প্রত্যয় বা সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হতে পারে)।
124
‘পেয়ারা‘ কোন ভাষা থেকে আগত?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
হিন্দি
খ
উর্দু
গ
গ্রীক
পর্তুগিজ
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
পেয়ারা (বিশেষ্য) - পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ। অর্থ: ক্রান্তীয় বা উপক্রান্তীয় অঞ্চলে চাষ করা হয় এমন মাঝারি আকৃতির চিরহরিৎ উদ্ভিদের অসংখ্য ছোট বীজবিশিষ্ট গোলাকৃতির ফল।
উৎস: আধুনিক বাংলা অভিধান, বাংলা একাডেমি।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজ।
বাংলা ভাষার শব্দ ভান্ডার মূলত তৎসম, অর্ধ-তৎসম, তদ্ভব, দেশি এবং বিদেশি শব্দ দ্বারা গঠিত। প্রশ্নোক্ত ‘পেয়ারা’ শব্দটি বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত এবং এটি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে।
পর্তুগিজরা ভারতবর্ষে বাণিজ্য করতে আসার সময় তাদের সাথে ফল, আসবাবপত্র ও বিভিন্ন দ্রব্যের নাম নিয়ে এসেছিল, যা কালক্রমে বাংলা ভাষার অংশ হয়ে গেছে। যেমন— আনারস, আলমারি, বালতি, চাবি ইত্যাদি।
125
How did you come by you must watch? Here ‘come by‘ means-
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
quicken
get
গ
mend
ঘ
lose
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Come by
English Meaning: manage to acquire or obtain.
Bangla Meaning: পাওয়া / অর্জন করা
Ex. Sentence: The remoteness of the region makes accurate information hard to come by.
Bangla Meaning: ওই এলাকা অনেক দূরে হওয়ায় সঠিক তথ্য পাওয়া দুরুহ।
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে -
ক) quicken - ত্বরান্বিত করা
খ) get - হওয়া/ পাওয়া
গ) mend - মেরামত করা
ঘ) lose - হারিয়ে ফেলা
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে যে, প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Get শব্দটি ‘come by এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে।
তাই সঠিক উত্তর - get
ব্যাখ্যা
Phrasal verb 'come by' এর অর্থ হলো কোনো কিছু পাওয়া, অর্জন করা বা অর্জিত হওয়া (obtain/acquire)। এটি প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যটিতে 'তুমি এটি কীভাবে পেলে/অর্জন করলে?' এই অর্থ প্রকাশ করছে।
অপশনগুলোর মধ্যে 'get' শব্দের অর্থও হলো পাওয়া বা অর্জন করা। তাই, 'get' হলো 'come by' এর সঠিক প্রতিশব্দ।
অন্যান্য অপশন যেমন: 'quicken' (ত্বরান্বিত করা), 'mend' (মেরামত করা) এবং 'lose' (হারানো) সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এগুলো সঠিক নয়।
126
The children who play near the garden water the saplings. Here 'water' is a___.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
noun
খ
adjective
verb
ঘ
adverb
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
• কিছু কিছু word noun এবং verb উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। - Water - noun এবং verb উভয় হিসেবে ব্যবহৃত হওয়া একটি শব্দ। - প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে Water একটি verb. - কারন এর দ্বারা পানি দেয়া অর্থাৎ কার্য সম্পাদন বোঝানো হয়েছে।
• Noun হিসাবে Water এর উদাহরণ - The water of this lake is pure
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটির গঠন হলো: Subject (The children who play near the garden) + Verb (water) + Object (the saplings)।
এখানে 'water' শব্দটি 'পানি দেওয়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, শিশুদের দ্বারা চারাগাছে পানি দেওয়ার কাজটি (Action) সম্পন্ন হচ্ছে। যেহেতু এটি বাক্যের মূল কাজ বা ক্রিয়া নির্দেশ করছে, তাই এটি একটি Verb (ক্রিয়াপদ)।
যদি 'water' শব্দটি তরল পদার্থ বা জল বোঝাত, তবে তা Noun হতো (যেমন: The water is cold)। কিন্তু বাক্যের পজিশন ও ফাংশন অনুযায়ী এটি Noun, Adjective বা Adverb নয়।
127
The word 'ambiguous' is the synonym of___.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
alien
খ
certain
dubious
ঘ
dangerous
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Ambiguous - অনিশ্চিত অর্থ বা অভিপ্রায়বিশিষ্ট
প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - ক) alien - বিদেশী ব্যক্তি, অর্থাৎ যে দেশে বাস করেন সে দেশের নাগরিক নন; বহিরাগত; পরদেশী; ভিনদেশী। খ) certain - নিশ্চিত; সন্দেহাতীত। গ) dubious - সন্দেহপূর্ণ; সন্দিগ্ধ ঘ) dangerous - বিপজ্জনক; বিপৎসংকুল।
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে dubious শব্দটি Ambiguous এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে - dubious.
Source: Bangla Academy Dictionary.
ব্যাখ্যা
'Ambiguous' শব্দের অর্থ হলো অনিশ্চিত, দ্ব্যর্থক, অস্পষ্ট বা সন্দেহপূর্ণ। অর্থাৎ যার একাধিক অর্থ থাকতে পারে বা যা স্পষ্ট নয়।
অপশনগুলোর মধ্যে, 'dubious' শব্দের অর্থ হলো সন্দিগ্ধ বা সন্দেহপূর্ণ। যেহেতু 'ambiguous' এবং 'dubious' উভয়ই অনিশ্চয়তা বা সন্দেহের ভাব প্রকাশ করে, তাই তারা একে অপরের সমার্থক শব্দ (synonym)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ হলো: 'alien' (বিদেশী/বহিরাগত), 'certain' (নিশ্চিত—যা 'ambiguous'-এর বিপরীতার্থক), এবং 'dangerous' (বিপজ্জনক)। এই শব্দগুলো অর্থের দিক থেকে সঠিক নয়।
128
The antonym of the word 'dishearten' is---
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
discourage
encourage
গ
develop
ঘ
ameliorate
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Dishearten - হতাশ করা; নিরুৎসাহিত করা
প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশন গুলোর মধ্যে - ক) discourage - নিরুৎসাহিত করা; নিরুদ্যম করা বা আত্মবিশ্বাস কমিয়ে দেওয়া; দমিয়ে দেওয়া খ) encourage - উৎসাহিত করা; সাহস দেওয়া; আশ্বস্ত করা গ) develop - পূর্ণতর; পক্বতর হওয়া ঘ) ameliorate - অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো হওয়া; অপেক্ষাকৃত উন্নত বা ভালো করা।
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে encourage শব্দটি Dishearten এর বিপরীত প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে - encourage.
Source: Bangla Academy Dictionary.
ব্যাখ্যা
শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ: Dishearten শব্দের বাংলা অর্থ হলো হতাশ করা, মনোবল ভেঙে দেওয়া বা নিরুৎসাহিত করা।
সুতরাং, এর বিপরীত শব্দ (Antonym) হবে উৎসাহিত করা, সাহস দেওয়া বা মনোবল বৃদ্ধি করা।
অপশনগুলোর মধ্যে—
ক) Discourage: নিরুৎসাহিত করা। (এটি সমার্থক শব্দ)।
খ) Encourage: উৎসাহিত করা বা সাহস যোগানো। (এটিই সঠিক বিপরীত শব্দ)।
গ) Develop: উন্নত করা।
ঘ) Ameliorate: উন্নত করা বা ভালো করা।
অতএব, Dishearten এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো encourage।
129
What is the synonymous word of 'augment'
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Beautify
Increase
গ
Segment
ঘ
Calm
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Augment - বাড়া; বৃদ্ধি পাওয়া; বর্ধিত হওয়া; বাড়ানো; বৃদ্ধি/সমৃদ্ধ করা
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে Increase শব্দটি Augment এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে - Increase.
Source: Bangla Academy Dictionary.
ব্যাখ্যা
Augment শব্দটির অর্থ হলো 'বৃদ্ধি করা', 'বাড়ানো' বা 'বর্ধিত করা'। এটি একটি Verb, যার মূল ধারণা হলো কোনো কিছুর পরিমাণ, তীব্রতা বা শক্তি বৃদ্ধি করা।
প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলোর মধ্যে, Increase শব্দটির অর্থও হলো 'বৃদ্ধি করা' বা 'বাড়ানো'। তাই Increase হলো Augment-এর সঠিক সমার্থক শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে: Beautify (সুন্দর করা), Segment (খণ্ড বা অংশ), এবং Calm (শান্ত বা স্থির)।
130
I saw him going to market. (Compoud)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
I saw him and he was going to market
খ
I saw him who was going to market
গ
I saw him to go to market
ঘ
I go to market which he was
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
• Compound sentence এ দুই বা ততোধিক principal clause বা co-ordinate clause থাকে। এছাড়া Compound sentence এ সাধারণত and, or, but, yet, so, therefore, otherwise, else, both --- and , either --- or , neither — nor, not only --- but also ইত্যাদি co-ordinating conjunction দ্বারা দুইটি principal clause যুক্ত থাকে।
অপশনে উল্লেখিত sentence গুলোর মধ্যে কেবল মাত্র - I saw him and he was going to market -বাক্যটিতে দুইটি clause রয়েছে এবং and দ্বারা যুক্ত হয়েছে। তাই সঠিক compound sentence - I saw him and he was going to market
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটি, 'I saw him going to market', হলো একটি Simple Sentence কারণ এখানে একটি মাত্র Finite Verb ('saw') আছে।
এই বাক্যটিকে Compound Sentence এ রূপান্তরিত করতে হলে দুটি প্রধান (Principal) Clause কে একটি Coordinating Conjunction দ্বারা যুক্ত করতে হবে।
Coordinating Conjunction গুলোর মধ্যে প্রধান হলো FANBOYS (For, And, Nor, But, Or, Yet, So)।
সঠিক উত্তর: I saw him and he was going to market। এখানে 'I saw him' এবং 'he was going to market' দুটি স্বতন্ত্র (Independent) Clause, যা 'and' দ্বারা যুক্ত হয়েছে।
অন্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: 'I saw him who was going to market' এটি একটি Complex Sentence, কারণ এটি Subordinating Conjunction ('who') ব্যবহার করেছে।
131
I helped her solve the problem. (Passive)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
She was helped solve them problem
খ
The problem was solved by me
গ
Her problem was solved by me
She was helped to solve the problem by me
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
Help/See + object + infinitive/bare infinitive থাকলে passive voice এর বেলায় help/see এর জায়গায় এদের v3 form হবে এবং Help/see/teach এর পর ব্যক্তি বা বস্তু থাকলে verb এর base form বসে অথবা to + verb বসে। structure: obj.কে sub + was + verb3 + to + verb + obj + by + sub এর objective form হয়। সুতরাং নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - She was helped to solve the problem by me।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: She was helped to solve the problem by me।
এটি Voice Change-এর একটি বিশেষ নিয়ম। মূল Active বাক্যে (I helped her solve the problem) মূল verb (helped)-এর পরে একটি Object (her) এবং একটি Bare Infinitive (solve) ব্যবহৃত হয়েছে। Bare Infinitive হলো 'to' ছাড়া infinitive form (যেমন: solve, see, make)।
নিয়ম: Help, See, Make, Bid ইত্যাদি Verb-গুলোর পর যদি Bare Infinitive ব্যবহৃত হয়, তবে Passive Voice করার সময় Bare Infinitive-এর পূর্বে বাধ্যতামূলকভাবে 'to' বসাতে হয়।
অন্য অপশনগুলো ভুল কারণ তারা Passive-এ 'to solve' ব্যবহার করেনি অথবা বাক্যটির মূল অর্থ পরিবর্তন করেছে।
132
Jerry was only four years old. (Negative)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Jerry was not four years old
Jerry was not more than four years old
গ
No one but Jerry was four years old
ঘ
None but Jerry was four years old
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Only যুক্ত affirmative sentence কে negative করার নিয়ম- • Only দিয়ে বয়স/ সংখ্যা ইত্যাদি নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে Not more than বসে।
• Only দিয়ে ব্যক্তিকে নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে None but বসে + বাকি অংশ। • আর Only দিয়ে বস্তু বা ধারণাকে নির্দেশ করলে, Negative করতে হলে Only এর পরিবর্তে Nothing but বসে।
প্রশ্নে যেহেতু only দিয়ে ব্যক্তির বয়স কে নির্দেশ করছে তাই সঠিক Negative form হবে - Jerry was not more than four years old.
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি Transformation of Sentences (Affirmative to Negative) এর একটি মৌলিক এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম থেকে এসেছে।
অ্যাফারমেটিভ বাক্যে যখন Only শব্দটি বয়স (Age) বা সংখ্যা (Number) নির্দেশ করে, তখন তাকে নেগেটিভ (Negative) বাক্যে রূপান্তর করতে Only-এর পরিবর্তে Not more than ব্যবহার করা হয়।
মূল বাক্যে, 'only' শব্দটি জেরি'র বয়স ('four years') নির্দেশ করছে। তাই নিয়ম অনুযায়ী, সঠিক নেগেটিভ ফর্ম হবে: "Jerry was not more than four years old।" (অপশন ২)
অন্যান্য অপশন যেমন None but (অপশন ৪) শুধুমাত্র তখনই ব্যবহৃত হয়, যখন Only কোনো ব্যক্তিকে নির্দেশ করে। এখানে বয়স নির্দেশ করায় এটি ভুল।
133
Where there is a will there is_____.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
a path
খ
many ways
a way
ঘ
a well-wisher
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Where there is a will there is a way.
- এটি একটি প্রবাদ বাক্য।
- অর্থ - ইচ্ছা থাকলেই উপায় হয়।
ব্যাখ্যা
এটি একটি বহুল প্রচলিত Proverb (প্রবাদ বাক্য)। প্রবাদ বাক্যগুলি সাধারণত Fixed Phrases হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এগুলোর কোনো অংশ পরিবর্তন করা যায় না।
সঠিক প্রবাদটি হলো: "Where there is a will, there is a way"।
এর বাংলা অর্থ: "ইচ্ছা থাকলে উপায় হয়"।
অন্যান্য অপশন যেমন 'a path' বা 'many ways' ব্যাকরণগতভাবে সঠিক মনে হলেও, প্রবাদের কাঠামোর মধ্যে 'a way' শব্দটিই অপরিহার্য এবং এটিই standard usage।
134
The carry coal to -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Narayangonj
Newcastle
গ
Lahore
ঘ
England
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• The carry coal to - Newcastle.
English Meaning: to supply something to a place or person that already has a lot of that particular thing.
Bangla Meaning: তেলা মাথায় তেল দেওয়া।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো Newcastle। সম্পূর্ণ বাগধারাটি হলো To carry coals to Newcastle।
এর বাংলা অর্থ হলো তেলা মাথায় তেল দেওয়া (To supply something to a place that already has plenty) বা এমন কাজ করা যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় বা অর্থহীন।
ঐতিহাসিকভাবে, Newcastle ছিল ইংল্যান্ডের প্রধান কয়লা উৎপাদন কেন্দ্র। তাই সেই শহরে কয়লা নিয়ে যাওয়া বাহুল্য মাত্র।
135
Orthita as well as Obhinibesh (to be)____ attending the party.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
are
is
গ
have been
ঘ
been
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
as well as দ্বারা দুইটি বাক্য যুক্ত হলে verb as well as এর পুর্বে যে subject থাকে তার number/person অনুযায়ী হয়। প্রশ্নে উল্লেখিত বাক্যে as well as এর পুর্বে subject "Orthita" Third person singular হওয়ায় এবং sentence টি present continuous tense এ থাকায় শূন্যস্থানে is বসবে। Complete Sentence: Orthita as well as Obhinibesh is attending the party.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো is। কারণ এই বাক্যটি Subject-Verb Agreement এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসরণ করে।
যখন দুটি Subject (যেমন: Orthita এবং Obhinibesh) as well as দ্বারা যুক্ত হয়, তখন Verb টি সর্বদা as well as এর পূর্বে থাকা Subject অনুযায়ী বসে।
এখানে as well as এর পূর্বে Subject হলো Orthita, যা Third Person Singular Number।
যেহেতু বাক্যটি Present Continuous Tense নির্দেশ করছে ('attending' থাকায়), তাই singular subject Orthita এর জন্য auxiliary verb হিসাবে is ব্যবহার করতে হবে।
যদি এখানে 'are' ব্যবহার করা হতো, তবে এটি Orthita এর সাথে Agreement হারাতো। 'have been' বা 'been' Tense এর দৃষ্টিকোণ থেকে ভুল।
136
Alice went to market with a view to (to purchase)_____ a dress.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
purchase
খ
purchased
গ
purchases
purchasing
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
কোনো বাক্যে mind, cannot help, could not help, with a view to, look forward to, be used to, worth ইত্যাদি শব্দ সমূহের পর কোনো verb বসলে সেই verb এর সাথে ing যুক্ত করতে হয়। অর্থাৎ with a view to + Verb+ ing যেহেতু প্রদত্ত প্রশ্নে with a view to আছে এবং এরপর verb এর সাথে ing যুক্ত হবে।
সুতরাং সঠিক উত্তর - purchasing. সম্পূর্ণ বাক্যটি হবে - Alice went to market with a view to purchasing a dress.
ব্যাখ্যা
এটি Right Forms of Verb এবং Gerund সম্পর্কিত একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
কিছু Phrase/Idiom আছে, যেগুলোর শেষে 'to' থাকা সত্ত্বেও, সেই 'to' টি Infinitive 'to' হিসেবে কাজ না করে বরং Preposition হিসেবে কাজ করে। এই ধরনের Preposition-এর পর সবসময় Gerund (Verb + ing) ব্যবহৃত হয়।
প্রদত্ত বাক্যে 'with a view to' Phrase-টি ব্যবহৃত হয়েছে। এই Phrase-এর অর্থ হলো 'উদ্দেশ্যে'।
নিয়ম অনুযায়ী: with a view to + V + ing।
তাই, শূন্যস্থানে Verb এর সাথে 'ing' যুক্ত করে purchasing বসাতে হবে।
সুতরাং, (A) purchase (Base form), (B) purchased (Past form), এবং (C) purchases (Present third person singular) ভুল।
সঠিক উত্তর হলো: purchasing।
137
Rome was not built in a day. (Active)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
The Romans did not build Rome in a day
খ
People were not build Rome in a day
গ
The Romans were not build Rome in a day
ঘ
A day was not build by Rome
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
“Rome was not built in a day.” - এখানে subject ‘Rome’ কিন্তু object দেয়া নেই বা object টা এখানে উহ্য আছে। - Rome সাম্রাজ্য যেহেতু Roman রা তৈরি করেছে, তাই active করার সময় subject হিসেবে The Romans ব্যবহার করতে হবে। - এ ধরনের past indefinite tense এ থাকা negative passive বাক্যকে Active বাক্যে রূপান্তর করার structure হবে - structure: sub + did not + v1 + sub কে obj + ex.
সুতরাং, নিয়মানুযায়ী সঠিক উত্তর - The Romans did not build Rome in a day।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটি, 'Rome was not built in a day,' হলো Passive Voice-এ Past Indefinite Tense-এর Negative বাক্য।
Active Voice-এ রূপান্তরের সময় প্রথমে দেখতে হবে, কাজটি কার দ্বারা সম্পন্ন হয়। যেহেতু Rome সাম্রাজ্য Roman-দের দ্বারা তৈরি হয়েছে, তাই Active বাক্যে implied subject হিসেবে ‘The Romans’ (অথবা 'People') ব্যবহার করতে হবে।
Past Indefinite Tense-এর Negative Passive-কে Active-এ রূপান্তরের নিয়ম: Active Structure: Subject + did not + V1 (Base Form) + Object + Extension.
এখানে, Sub (The Romans) + did not + V1 (build) + Obj (Rome) + Extension (in a day)।
সুতরাং, সঠিক Active রূপটি হলো: The Romans did not build Rome in a day।
138
Money is sweeter than honey. (Negative)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
Honey is not so sweet as money
খ
Money is not as sweet as honey
গ
Nothing is as sweet as money and honey
ঘ
Honey is not sweeter than money
সঠিক উত্তর: ক
সমাধান
Sentence এ যদি দুইটি জিনিসের মধ্যে তুলনা বোঝায় তবে এই ধরণের বাক্যকে negative করতে হলে এই structure অনুসরণ করতে হয় - ২য় subject + verb + not + so + adjective + as + ১ম subject. অর্থাৎ, - প্রথমে Object কে subject - auxiliary verb এবং তারপর not বসে - than এর পরিবর্তে so বসে - adjective - এরপর as বসে - subject বসে object হিসাবে।
সুতরাং, নিয়মানুসারে সঠিক উত্তর - Honey is not so sweet as money সঠিক।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো (A): Honey is not so sweet as money.
মূল বাক্যটি (Money is sweeter than honey) হলো Comparative Degree-এ থাকা একটি Affirmative Sentence। এর অর্থ হলো: 'টাকা মধুর চেয়েও বেশি মিষ্টি' (Money > Honey)।
অর্থের পরিবর্তন না ঘটিয়ে Comparative Degree-এর বাক্যকে Negative করতে হলে সাধারণত তাকে Positive Degree-এর রূপে রূপান্তরিত করা হয়।
এই রূপান্তরের নিয়মটি হলো: ১. বাক্যের ২য় Subject কে প্রথমে আনতে হবে (Honey)। ২. এরপর Auxiliary Verb (is) এবং not বসাতে হবে। ৩. Adjective-এর Positive রূপ (sweet) ব্যবহার করতে হবে এবং এর দুই পাশে so...as অথবা as...as বসাতে হবে। ৪. সবশেষে ১ম Subject (money) বসাতে হবে।
সুতরাং, সঠিক গঠন: Honey + is + not + so/as + sweet + as + money.
অপশন (B) (Money is not as sweet as honey) ভুল, কারণ এটি অর্থ পরিবর্তন করে দেয়। এর অর্থ দাঁড়ায়: 'টাকা মধুর মতো মিষ্টি নয়' (Honey ≥ Money), যা মূল অর্থের বিপরীত।
139
Upoma came here late. Here 'late' is____
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
adjective
adverb
গ
verb
ঘ
noun
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
• Upoma came here late. Here 'late' is an adverb. - কারণ এখানে late শব্দটি came শব্দটিকে modify করেছে। - তাই late একটি adverb কারন যেসব শব্দ verb কে modify করে তাদেরকে adverb বলে।
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: adverb (অপশন খ)।
প্রশ্নোক্ত বাক্যে (Upoma came here late), 'came' শব্দটি হলো Verb (ক্রিয়া)।
'late' শব্দটি এই Verb-টিকে (came) modify করেছে এবং কাজটির সময় নির্দেশ করছে (কখন এসেছিল?)।
যে শব্দ Verb, Adjective, বা অন্য Adverb-কে modify করে, তাকেই Adverb বলে।
এটি Adjective নয়, কারণ এটি কোনো Noun বা Pronoun-কে বিশেষায়িত করছে না।
140
He gave me a dress which was expensive. (Simple)
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
He gave me a dress expensive
খ
He gave me a dress and is was expensive
গ
He gave me a expensive dress
He gave me an expensive dress
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
- He gave me a dress which was expensive - ব্যাকটি একটি complex sentence. কারন এতে একটি principal clause এবং একটি subordinate clause আছে। - - - - Simple sentence এ একটি মাত্র Finite verb থাকে। - তাই সঠিক উত্তর হবে, He gave me an expensive dress.
ব্যাখ্যা
মূল বাক্যটি: 'He gave me a dress which was expensive.' এটি একটি Complex Sentence কারণ এখানে দুটি Finite Verb (gave এবং was) এবং একটি Subordinate Clause ('which was expensive') রয়েছে।
Simple Sentence-এ একটিমাত্র Finite Verb এবং একটি মাত্র Clause (Principal Clause) থাকে। Clause-কে ছোট করে Phrase বা Word-এ পরিণত করাই হলো Transformation-এর মূল কাজ।
এখানে, 'which was expensive' অংশটি 'dress' noun-টিকে বিশেষিত করছে। একে Simple করার জন্য আমরা Adjective (expensive) -টিকে Noun-এর পূর্বে বসাবো।
কিন্তু 'expensive'-এর আগে Vowel Sound থাকায় A-এর পরিবর্তে An ব্যবহৃত হবে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: He gave me an expensive dress।
অন্যান্য অপশন ভুল: 'He gave me a expensive dress' ভুল কারণ 'expensive'-এর আগে 'a' বসে না, 'an' বসে। অন্য অপশনগুলোতে বাক্যের গঠনগত ত্রুটি রয়েছে।
141
A wearer knows where____
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
a man goes
খ
he is right
the shoe pinches
ঘ
the pain disturbs
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
Wearer - পরিধানকারী। Where the shoe pinches - ঠিক কোথায় অসুবিধা/কষ্ট/নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দুঃখকষ্ট ইত্যাদি উপলব্ধি করা; ভুক্তভোগী হওয়া। সুতরাং, শূন্যস্থানে the shoe pinches বসালে বাক্যের অর্থ পূর্ণতা পাবে। Complete Sentence: A wearer knows where the shoe pinches.
ব্যাখ্যা
এই প্রশ্নটি মূলত একটি বহুল প্রচলিত Proverb (প্রবাদ) বা Idiom (বাগধারা) এর অংশ।
সম্পূর্ণ প্রবাদটি হলো: A wearer knows where the shoe pinches.
এই প্রবাদটির অর্থ হলো: ভুক্তভোগীই বোঝে তার কষ্ট কোথায়। অর্থাৎ, যিনি কোনো একটি সমস্যার মধ্য দিয়ে যান, কেবল তিনিই সেই সমস্যার গভীরতা এবং তীব্রতা বুঝতে পারেন। অন্য কেউ সেটি অনুভব করতে পারে না।
এখানে 'where the shoe pinches' অংশটির অর্থ হলো 'ঠিক কোথায় কষ্ট বা সমস্যা'—যা শুধুমাত্র পরিধানকারী (wearer) বা ভুক্তভোগীই জানে।
অন্য অপশনগুলো (a man goes, he is right, the pain disturbs) ব্যাকরণগতভাবে বসানো গেলেও বাক্যটিকে কোনো অর্থবহ প্রবাদে পরিণত করে না, তাই সেগুলো ভুল।
142
তুমি কি জানো সে কোথায় থাকে?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Do you where does he live?
খ
Do you know where he live?
গ
Do you know where he is live?
Do you know where he lives?
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
• তুমি কি জানো সে কোথায় থাকে? - এর সঠিক translations হচ্ছে - Do you know where he lives?
এখানে Do you know হচ্ছে Principal Clause (Interrogative) আর Where he lives হচ্ছে Know এর Object বিধায় Sub-ordinate Clause (Noun Clause). Sub-ordinate Clause সর্বদা Assertive Form এ বসে। অর্থাৎ Auxiliary Verb – Subject এর আগে বসবে না। তাই সঠিক উত্তর (ঘ)।
ব্যাখ্যা
সঠিক অনুবাদটি হলো: Do you know where he lives?
এটি একটি Complex Sentence (জটিল বাক্য)। এই বাক্যে দুটি অংশ রয়েছে:
১. Principal Clause (প্রধান অংশ): Do you know (প্রশ্নবোধক বাক্য)
২. Subordinate Clause (Noun Clause): where he lives (এই অংশটি 'know' ভার্বের Object হিসেবে কাজ করছে।)
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো প্রশ্নবোধক প্রধান বাক্যের সঙ্গে Noun Clause যুক্ত হয়, তখন সাব-অর্ডিনেট ক্লজটিকে অবশ্যই Assertive Form (হ্যাঁ-বোধক/সাধারণ বিবৃতিমূলক গঠন) অনুসরণ করতে হয়।
Assertive Form এর গঠন: WH-word + Subject + Verb. এখানে প্রশ্নবোধক (Interrogative) গঠন যেমন: 'where does he live' ব্যবহার করা যাবে না।
এছাড়াও, এটি Simple Present Tense এবং Subject (he) Third Person Singular হওয়ায় Verb এর সাথে '-s' যুক্ত হবে। তাই 'he live' না হয়ে 'he lives' হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা Assertive Form নিয়মটি অনুসরণ করেনি অথবা Subject-Verb Agreement ভঙ্গ করেছে।
143
তোমার বাবা কী করেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
What is your father?
খ
What does your father?
গ
What your father does?
ঘ
What is your father doing?
What does your father do?
সঠিক উত্তর: ঙ
সমাধান
তোমার বাবা কী করেন? - এটি একটি WH-question এবং present indefinite tense এ আছে। - এই ধরণের বাক্য গঠনের structure হচ্ছে - What + verb + subject. তাই নিয়মানুসারে সঠিক বাক্য - What is your father?
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো: What does your father do?।
বাংলা বাক্যটি— 'তোমার বাবা কী করেন?' — দ্বারা পেশা বা স্থায়ী কর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে। বাংলা ক্রিয়া 'করেন' Present Indefinite Tense নির্দেশ করে।
Present Indefinite Tense-এর WH-Question গঠনের সঠিক কাঠামো হলো: WH word + do/does + Subject + V1 (Main Verb)।
এখানে, Subject ('your father') থার্ড পারসন সিঙ্গুলার হওয়ায় Auxiliary Verb হিসেবে does ব্যবহৃত হবে এবং মূল ভার্ব হবে do।
ভুল অপশনগুলো কেন বাদ:
- What is your father?: যদিও এটি কথোপকথনে ব্যবহৃত হয়, তবে 'কী করেন' এর চেয়ে 'তোমার বাবা কে/কী?' (পেশা জানতে) এমন অর্থ প্রকাশ করে, যা ব্যাকরণগতভাবে কম নির্ভুল।
- What does your father?: এখানে Auxiliary Verb 'does' ব্যবহার হলেও মূল Verb do টি অনুপস্থিত।
- What is your father doing?: এটি Present Continuous Tense, যার অর্থ 'তোমার বাবা এখন কী করছেন?', যা মূল বাক্যের অর্থের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
144
How Karim has solved the problems_____?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
really nice
খ
actually wonderful
astounds us all
ঘ
are really difficult
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - astounds us all. astounds refers to amaze one with something. শূন্যস্থানে astounds us all বসালে বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায় - করিম যেভাবে সমস্যার সমাধান করেছেন তা আমাদের সবাইকে অবাক করেছে।
ব্যাখ্যা
এই বাক্যের প্রধান Subject হলো: How Karim has solved the problems। এটি একটি সম্পূর্ণ Noun Clause (বিশেষ্য স্থানীয় খণ্ড বাক্য)।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Noun Clause বাক্যের সাবজেক্ট হিসেবে কাজ করে, তখন সাবজেক্টটিকে Singular (একবচন) হিসেবে গণ্য করা হয়।
সুতরাং, সাবজেক্টের পরে অবশ্যই Singular Verb ব্যবহার করতে হবে (Subject-Verb Agreement বা SVA নীতি)।
অপশন (C) astounds us all-তে 'astound' ক্রিয়াটির সাথে 's' যোগ করা হয়েছে, যা Singular Verb-এর রূপ (যেমন: he goes, she sings)। 'astound' অর্থ বিস্মিত করা বা অবাক করা। এটি বসলে বাক্যটি সম্পূর্ণ হয় এবং অর্থগত দিক থেকেও সঠিক থাকে।
অন্যদিকে, অপশন (A) ও (B) (really nice, actually wonderful) কোনো ক্রিয়াপদ ছাড়াই অপূর্ণ রয়েছে। অপশন (D) 'are really difficult' -তে Plural Verb (are) ব্যবহার করা হয়েছে, যা Singular Subject-এর জন্য ভুল।
145
What is the noun form of include?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
Includement
Inclusion
গ
Inclution
ঘ
Includeness
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
Include (verb transitive) অন্তর্ভুক্ত/অন্তর্গত/অন্তর্বর্তী করা এর noun form inclusion - অন্তর্ভুক্তি।
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - Includement, Inclution, Includeness বলে কোনো শব্দ হয় না।
Source: Bangla Academy Dictionary.
ব্যাখ্যা
Verb হিসেবে 'include'-এর অর্থ হলো 'অন্তর্ভুক্ত করা' বা 'যোগ করা'।
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Verb-কে Noun-এ পরিবর্তন করা হয়, তখন সাধারণত নির্দিষ্ট Suffix (প্রত্যয়) ব্যবহার করা হয়।
'include'-এর সঠিক Noun Form হলো Inclusion, যার বাংলা অর্থ 'অন্তর্ভুক্তি' বা 'যোগদান'।
অন্যান্য অপশন যেমন—Includement, Inclution, এবং Includeness—ইংরেজি ব্যাকরণে বৈধ শব্দ হিসেবে গণ্য হয় না।
146
The synonym of 'abandon' is____
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
try
খ
join
গ
keep with
leave
সঠিক উত্তর: ঘ
সমাধান
Abandon - ছেড়ে যাওয়া, পরিত্যাগ করা,পরিত্যক্ত
প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে - ক) try - চেষ্টা করা; খ) join - মিলিত বা সংযুক্ত করা দুটি জিনিস বা প্রান্তকে দড়ি, রেখা, সেতু দ্বারা সংযুক্ত করা গ) keep with - সম্পর্ক/বন্ধুত্ব বজায় রেখে চলা/ তাল রাখা ঘ) leave - কোনো স্থান ত্যাগ করে যাওয়া
সুতরাং, বোঝা যাচ্ছে প্রশ্নে উল্লেখিত অপশন গুলোর মধ্যে leave শব্দটি Abandon এর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করে। তাই সঠিক উত্তর হবে - leave.
Source: Bangla Academy Dictionary.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো leave।
শব্দটির অর্থ: Abandon (অ্যাব্যান্ডন) একটি Verb, যার অর্থ হলো— কোনো কিছু ছেড়ে যাওয়া, পরিত্যাগ করা, বা কাউকে চিরতরে ছেড়ে দেওয়া।
Leave শব্দের অর্থও হলো— কোনো স্থান ত্যাগ করা বা চলে যাওয়া। তাই, 'Abandon' এবং 'Leave' সমার্থক।
অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো হলো:
ক) try: চেষ্টা করা (সম্পর্কিত নয়)।
খ) join: যোগ দেওয়া বা সংযুক্ত হওয়া (এটি 'Abandon' এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে)।
গ) keep with: সাথে রাখা বা সম্পর্ক বজায় রাখা (এটিও বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে)।
147
A____________ in time saves nine.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
money
খ
penny
stitch
ঘ
saving
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
শূন্যস্থানের সঠিক উত্তর হবে titch - A stitch in time saves nine হচ্ছে একটি proverb যার অর্থ সময়ের এক ফোঁড় অসময়ের দশ ফোঁড়। - It refers to timely action.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো stitch।
এটি ইংরেজি ভাষার একটি অত্যন্ত পরিচিত প্রবাদ (Proverb): A stitch in time saves nine.
এই প্রবাদটির অর্থ হলো—সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়। অর্থাৎ, সময়মতো ছোট একটি কাজ করে ফেললে ভবিষ্যতে অনেক বড় ঝামেলা বা অতিরিক্ত শ্রম এড়ানো যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো (money, penny, saving) এই প্রবাদের অর্থ বা কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়, তাই এগুলি ভুল।
148
A man is known by the______ he keeps.
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
words
company
গ
contribution
ঘ
relatives
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
শূন্যস্থানে সঠিক উত্তর হবে - company
এটি একটি প্রবাদ।
A man is known by the company he keeps.
বাংলা অর্থঃ সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায়।
ব্যাখ্যা
প্রদত্ত বাক্যটি একটি বহুল পরিচিত ইংরেজি প্রবাদ বা Proverb। সঠিক প্রবাদটি হলো: A man is known by the company he keeps.
এর বাংলা অর্থ হলো: সঙ্গ দেখে লোক চেনা যায় বা 'সৎ সঙ্গে স্বর্গবাস, অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ'।
সুতরাং, শূন্যস্থান পূরণের জন্য 'company' শব্দটি ব্যবহার করাই সঠিক।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'words', 'contribution', বা 'relatives' বসালে প্রবাদটির সঠিক অর্থ এবং গঠন বজায় থাকে না।
149
সে সাঁতারাতে জানে না -
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
He does not know swim.
খ
He does not know to swimming.
He does not know how to swim.
ঘ
He don't know swimming.
সঠিক উত্তর: গ
সমাধান
সে সাঁতরাতে জানে না - Sentence টি Present Indefinite Tense হওয়ায় Subject ‘He’ (3rd person singular number) এর সাথে does বসবে। এবং know how থাকলে verb in infinitive (to + verb) হয়।
সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে - He does not know how to swim.
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তরটি হলো: He does not know how to swim. (Option C).
বাংলা বাক্যটি—'সে সাঁতরাতে জানে না'—একটি Present Indefinite Tense-এর নেতিবাচক বাক্য।
Subject-Verb Agreement: এখানে Subject হলো ‘সে’ (He), যা Third Person Singular Number। তাই, নেতিবাচক বাক্যে Auxiliary Verb হিসেবে does not ব্যবহৃত হবে। (ফলে Option D—He don't know—বাদ)।
Know + Skill Structure: যখন কোনো কাজ করার দক্ষতা বা Skill জানানোর কথা বলা হয় (যেমন সাঁতার কাটা), তখন 'know' ভার্বের পরে অবশ্যই how to + V1 (Infinitive) এই গঠনটি ব্যবহৃত হয়।
সুতরাং, সঠিক গঠনটি হলো: Subject + does not know + how to + V1. (অপশন A এবং B এই how to স্ট্রাকচারটি অনুসরণ করেনি, তাই ভুল।)
150
১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে জাতিসংঘের মহাসচিব কে ছিলেন?
বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
ক
কফি আনান
উ থান্ট
গ
দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
ঘ
বুট্রোস ঘালি
সঠিক উত্তর: খ
সমাধান
- মিয়ানমারের উ থান্ট ছিলেন জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব।
- তিনি বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধচলাকালীন জাতিসংঘের মহাসচিব পদে ছিলেন। - উল্লেখ্য, নবম ও বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের অ্যান্তোনিও গুতেরেস।
উৎসঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট
ব্যাখ্যা
সঠিক উত্তর হলো উ থান্ট। তিনি মিয়ানমারের (তৎকালীন বার্মা) নাগরিক ছিলেন এবং ১৯৬১ সাল থেকে ১৯৭২ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের তৃতীয় মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন (১৯৭১) সময়ে তিনিই ছিলেন জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পদে আসীন। যুদ্ধকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং শরণার্থীদের সহায়তা নিয়ে তাঁর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
অন্যান্য বিকল্প ভুল: কফি আনান (ঘানা) ১৯৯৭-২০০৬, বুট্রোস ঘালি (মিশর) ১৯৯২-১৯৯৬ এবং দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন) ১৯৫৩-১৯৬১ সালে দায়িত্ব পালন করেন। কেউই ১৯৭১ সালে দায়িত্বে ছিলেন না।
এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন
NTRCA (Teacher Registration) প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “14th(1)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।
কেন NTRCA (Teacher Registration)-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?
NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 14th(1) (2017) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।
সচরাচর জিজ্ঞাসা
14th(1) (2017) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?
NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার 14th(1) (2017) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।
উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?
হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।