সমাধান
সমাধান
💼
NTRCA - School Level

General Knowledge (School)

NTRCA (Teacher Registration) · NTRCA - School Level — বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক পেজে।

নিচে NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার NTRCA - School Level বিষয়ের "General Knowledge (School)" অধ্যায়ের বাছাইকৃত ১৫০টি বহুনির্বাচনি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ। সবই বিনামূল্যে।

1

'পোস্টাল কোড' কী নির্দেশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাপকের এলাকা
  2. ডাকবিভাগের নাম
  3. পোস্ট অফিসের নাম
  4. প্রেরকের এলাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বর্তমানে বাংলাদেশ ডাক বিভাগ ডাক যোগাযোগের সুবিধার্থে পোস্টাল কোডের প্রচলন করেছে।
- এটি পোস্ট অফিসের নাম নির্দেশ করে।
তাই দেশের মধ্যে চিঠিপত্র প্রেরণের সময় খামের উপর পোস্টাল কোড ব্যবহার করতে হয়।

উৎসঃ ভাষা - শিক্ষা, ড. হায়াৎ মামুদ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পোস্ট অফিসের নাম
পোস্টাল কোড (Postal Code) হলো আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি সংখ্যা বা অক্ষরভিত্তিক পদ্ধতি, যা চিঠিপত্র এবং প্যাকেজ বিতরণের জন্য কোনো একটি নির্দিষ্ট ডাকঘর (Post Office) চিহ্নিত করতে ব্যবহৃত হয়।
বাংলাদেশে এই কোডটি ৪ ডিজিটের হয়ে থাকে। এর প্রধান কাজ হলো ডাক বিভাগকে চিঠি বাছাই এবং দ্রুত গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য সুনির্দিষ্ট রুট নির্ধারণে সাহায্য করা।
অন্যান্য বিকল্প— 'প্রাপকের এলাকা' বা 'প্রেরকের এলাকা' ঠিকানা হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও, কোডটি সরাসরি পোস্ট অফিসের কর্মক্ষেত্র নির্দেশ করে, যা এর মূল উদ্দেশ্য।
2

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪° ৩০' থেকে ২৮°৩৪′ দক্ষিণ অক্ষাংশ
  2. ৮০°৩৪' থেকে ৪০°৯০' পশ্চিম দ্রাঘিমাংশ
  3. ৩৪°২৫' থেকে ২৮°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ
  4. ৮৮°০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান
• বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বাংলাদেশ অবস্থিত।
• এদেশ প্রায় ২০°৩৪' উত্তর থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ এবং ৮৮°০১' পূর্ব থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
• বাংলাদেশের মাঝ বরাবর পূর্ব-পশ্চিমে কর্কটক্রান্তি রেখা অতিক্রম করেছে। ফলে এদেশ ক্রান্তীয় অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
• ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতাপ্রাপ্ত বাংলাদেশের স্থলভাগ ভারত ও মিয়ানমার দ্বারা বেষ্টিত। পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি ও কুচবিহার জেলা এবং আসাম ও মেঘালয়, পূর্বে আসাম ও ত্রিপুরা রাজ্য এবং মিয়ানমার অবস্থিত। আর দক্ষিণে রয়েছে বিস্তৃত বঙ্গোপসাগর।   

তথ্যসূত্র: ভূগোল ও পরিবেশ, এস এস সি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন ৪: ৮৮°০১' থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ
বাংলাদেশ এশিয়া মহাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত। এর ভৌগোলিক অবস্থান নির্ধারণ করা হয় প্রধানত দুটি স্থানাঙ্কের মাধ্যমে—উত্তর অক্ষাংশ (North Latitude) এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশ (East Longitude)
দ্রাঘিমাংশ অনুসারে বাংলাদেশ প্রায় ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২° ৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত। যেহেতু বাংলাদেশ গ্রিনিচের পূর্ব দিকে অবস্থিত, তাই এটি সর্বদা পূর্ব দ্রাঘিমাংশে থাকবে।
এছাড়াও, এটি প্রায় ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত বিস্তৃত।
অপশন ১ ও ২ ভুল, কারণ ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের অবস্থান দক্ষিণ অক্ষাংশ বা পশ্চিম দ্রাঘিমাংশে নয়।
3

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. সমতট
  3. রাঢ়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পুন্ড্র জনপদ
• প্রাচীন বাংলার অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদের নাম পুন্ড্র। পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
• পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
• সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়। এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ,রাজশাহী ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।
• পুন্ড্র রাজ্যের উত্তর অংশের নাম বরেন্দ্র, বরেন্দ্রী অথবা বরেন্দ্রভূমি ছিল। রাজশাহী অঞ্চলকে এখনও বরেন্দ্র বলা হয়ে থাকে।
• ক্রমবর্ধমান সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পুন্ড্র ৫ম-৬ষ্ঠ শতকে পুন্ড্র বর্ধন নামে পরিচিত হয়। গুপ্ত যুগে (৪র্থ- ৬ষ্ঠ শতকে) পুন্ড্র নগর ছিল গুপ্তদের প্রাদেশিক রাজধানী।
• পুন্ড্র জনপদে একটি উন্নত নগর সভ্যতা ছিল। প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক দিয়ে পুন্ড্রই ছিল বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ রাজ্য।

অন্যদিকে,              
• সমতট - কুমিল্লা , নোয়াখালী , ত্রিপুরা। 
• হরিকেল -  সিলেট , চট্রগ্রাম, পার্বত্য চট্রগ্রাম।
▪ রাঢ় - সম্ভবত বর্তমান ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি বড় অংশ এর অন্তর্ভুক্ত ছিল।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ স্টাডিজ, বিবিএস প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়; বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি ও বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পুণ্ড্র
ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে পুণ্ড্রই হলো বাংলার (বর্তমান বাংলাদেশসহ) সর্বপ্রাচীন ও সবচেয়ে সমৃদ্ধ জনপদ।
এর রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমান বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। মহাস্থানগড়ের ধ্বংসাবশেষ প্রমাণ করে যে এই জনপদটি কমপক্ষে খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতক বা তারও আগে (মৌর্য যুগে) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
অন্যান্য জনপদ যেমন— সমতট (কুমিল্লা-নোয়াখালী), হরিকেল (সিলেট-চট্টগ্রাম) এবং রাঢ় (পশ্চিমবঙ্গ) পুণ্ড্রের পরে অথবা একই সময়ে হলেও অপেক্ষাকৃত কম প্রাচীন হিসেবে বিবেচিত।
4

বিলোনিয়া সীমান্ত কোন জেলার অন্তর্গত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফেনী
  2. নিলফামারী
  3. পঞ্চগড়
  4. জয়পুরহাট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• বাংলাদেশের বাণিজ্যনগরী হিসাবে পরিচিত চট্টগ্রাম বিভাগের অন্যতম একটি জেলা ফেনী
• এ জেলার অন্তর্গত পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে রয়েছে বাংলাদেশের ১১তম স্থলবন্দর বিলোনিয়া স্থলবন্দর।

তথ্যসূত্র: যুগান্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফেনী
বিলোনিয়া সীমান্ত বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের ফেনী জেলার অন্তর্গত।
এটি মূলত বিলোনিয়া স্থলবন্দর নামে পরিচিত, যা ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার উত্তর সীমান্তে অবস্থিত।
এই স্থলবন্দরটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সাব্রুম মহকুমার সঙ্গে সংযুক্ত এবং এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি পয়েন্ট।
অন্যান্য অপশন যেমন নিলফামারী, পঞ্চগড় এবং জয়পুরহাট দেশের উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত হওয়ায় বিলোনিয়া সীমান্তের সাথে এদের কোনো সম্পর্ক নেই।
5

আকাশের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লুব্ধক
  2. সূর্য
  3. প্রক্সিমাসেন্টারাই
  4. ধ্রুবতারা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• লুব্ধক পৃথিবীর আকাশের উজ্জ্বলতম তারা।
• লুব্ধক এত উজ্জ্বল দুটি কারণে- এর স্বকীয় উজ্জ্বলতা এবং এর অবস্থান পৃথিবীর খুবই নিকটে।
• এটি একটি জোড়া বা যুগ্মতারা।
• লুব্ধক বলতে মূলত 'সিরিয়াস' (Sirius) তারাটিকে বোঝায়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

পৃথিবীর আকাশ থেকে খালি চোখে দৃশ্যমান উজ্জ্বলতম নক্ষত্র হলো লুব্ধক (Sirius)।
লুব্ধক হলো ক্যানিস মেজর তারামণ্ডলের আলফা তারা। এর আপাত উজ্জ্বলতার কারণ হলো এর নিজস্ব উজ্জ্বলতা অনেক বেশি এবং এটি পৃথিবীর নিকটবর্তী (প্রায় ৮.৬ আলোকবর্ষ দূরে)।
সূর্যও একটি নক্ষত্র, এবং এটিই আমাদের নিকটতম ও সবচেয়ে উজ্জ্বল নক্ষত্র। কিন্তু সাধারণ জ্ঞানমূলক প্রশ্নে যখন বিভিন্ন দূরবর্তী তারার সাথে তুলনা করা হয়, তখন সূর্যকে বাদ দিয়ে আকাশের অন্যান্য নক্ষত্রের মধ্যে লুব্ধককেই সবচেয়ে উজ্জ্বল ধরা হয়।
প্রক্সিমা সেন্টরাই: এটি সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র, কিন্তু উজ্জ্বলতম নয়।
ধ্রুবতারা: এটি দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়, এটি উজ্জ্বলতার দিক থেকে লুব্ধকের চেয়ে অনেক পিছিয়ে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

পৃথিবীতে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বর্ণ
  2. হীরা
  3. সিলভার
  4. প্লাটিনাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ধাতু দেখতে চকচকে। একে আঘাত করলে টুনটুন শব্দ হয়। ধাতু তাপ ও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী।
- সবচেয়ে ভারী মূল্যবান ধাতু প্লাটিনাম।
- সবচেয়ে হালকা ধাতু লিথিয়াম।

উৎস: রসায়ন বিজ্ঞান, নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো প্লাটিনাম। প্লাটিনাম (Platinum) মূলত এর দুষ্প্রাপ্যতা, স্থিতিশীলতা এবং শিল্পে এর ব্যাপক ব্যবহারের কারণে সবচেয়ে মূল্যবান ধাতু হিসেবে বিবেচিত হয়।
প্লাটিনাম সাধারণত গয়না ছাড়াও উচ্চ তাপমাত্রায় ব্যবহৃত ল্যাবরেটরির সরঞ্জাম, এবং বিশেষত গাড়ির অনুঘটক কনভার্টারে (Catalytic Converter) ব্যবহৃত হয়। এর ক্ষয় প্রতিরোধ ক্ষমতা স্বর্ণ বা সিলভারের চেয়েও বেশি।
যদিও স্বর্ণ ঐতিহ্যগতভাবে মূল্যবান, আন্তর্জাতিক বাজারে অনেক সময় প্লাটিনামের দাম স্বর্ণকে ছাড়িয়ে যায়।
বি. দ্র. হীরা (Diamond) কোনো ধাতু নয়; এটি কার্বনের একটি অধাতব রূপ, তাই এটি এই প্রশ্নের উত্তরের আওতাভুক্ত নয়।
7

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লালখান
  2. লালপুর
  3. রাজশাহী
  4. বগুড়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান লালপুর, নাটোর
• বাংলাদেশের উষ্ণতম মাস এপ্রিল।
• বাংলাদেশের শীতলতম মাস জানুয়ারি।
• বাংলাদেশের উষ্ণতম জেলা রাজশাহী।
• বাংলাদেশের শীতলতম জেলা সিলেট।
• বাংলাদেশের শীতলতম স্থান শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার।

তথ্যসূত্র: বাংলিপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লালপুর, যা নাটোর জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের এ পর্যন্ত রেকর্ড করা উষ্ণতম স্থান
আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই স্থানেই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে।
অনেকে ভুল করে রাজশাহী কে উষ্ণতম স্থান মনে করেন। মনে রাখবেন, রাজশাহী হলো উষ্ণতম জেলা, কিন্তু উষ্ণতম নির্দিষ্ট স্থান হলো লালপুর
8

বাঙালির দৈহিক গড়নে সবচেয়ে বেশি মিল রয়েছে কোন জাতিগোষ্ঠীর সাথে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোঙ্গলয়েড
  2. অস্ট্রালয়েড
  3. ককেশয়েড
  4. নিগ্রয়েড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অস্ট্রোলয়েড
- অস্ট্রোলয়েড  প্রাচীন বাংলায় একটি নৃ-গোষ্ঠী। নৃতত্ত্ববিদগণ এদেরকে আদি অস্ট্রেলীয় বলে  মনে করেন। এ জনগোষ্ঠীকে অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয়ও বলা হয়।
- প্রাচীন সাহিত্যে এরা নিষাদ নামে পরিচিত। পন্ডিতদের মতে, অস্ট্রোলয়েডদের আদি বাসস্থান মধ্য ভারত থেকে শুরু করে দক্ষিণ ভারত এবং সিংহল থেকে অস্ট্রেলিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল।
- কাল পরিক্রমায় তাদের একটি দল আদি বাসস্থান ত্যাগ করে বাংলায় অভিবাসন করে। 
এছাড়াও,
-  নেগ্রিটো: প্রস্তরযুগে প্রাচীন ভারতের আদিম মানুষ। বাংলার প্রাচীনতম বং জনগোষ্ঠীর পরবর্তীতে আসে নেগ্রিটো জনগোষ্ঠী।
- বাংলাদেশে বসবাসকারী উপজাতির বড় অংশ হলো মঙ্গোলয়েড।
- প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অস্ট্রালয়েড। নৃতত্ত্ববিদদের মতে, বাঙালি জাতির দৈহিক গড়ন ও নৃতাত্ত্বিক পরিচয়ের প্রধান ভিত্তি হলো অস্ট্রালয়েড জনগোষ্ঠী।
এরা মূলত প্রাগৈতিহাসিক যুগে মধ্য ভারত থেকে বাংলায় অভিবাসন করা অস্ট্রিক বা অস্ট্রো-এশীয় ভাষাভাষী মানুষ। এই গোষ্ঠীটি প্রাচীন বাংলায় নিষাদ নামেও পরিচিত ছিল।
বাঙালিদের মধ্যে কালো ত্বক, ঢেউ খেলানো চুল এবং মাঝারি গড়নের যে বৈশিষ্ট্য দেখা যায়, তার বেশিরভাগই অস্ট্রালয়েডদের দান।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:
মোঙ্গলয়েড: এই জনগোষ্ঠী প্রধানত বাংলাদেশের পাহাড়ি অঞ্চলের উপজাতিদের মধ্যে (যেমন: চাকমা, মারমা) দেখতে পাওয়া যায়, যারা সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালির দৈহিক গড়ন থেকে ভিন্ন।
ককেশয়েড: এই গোষ্ঠীর মানুষজন মূলত আর্যদের মাধ্যমে বাংলায় প্রবেশ করে এবং স্থানীয় জনসংখ্যার সাথে মিশ্রিত হয়, কিন্তু মৌলিক দৈহিক গড়নের ভিত্তি অস্ট্রালয়েড।
9

প্রাচীন বাংলার প্রথম স্বাধীন শাসকের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কনিস্ক
  2. শশাংক
  3. ধর্মপাল
  4. গোপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- সপ্তম শতকের প্রারম্ভে বাংলার প্রথম স্বাধীন নৃপতি শশাঙ্ক উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন যা ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত।
- এই রাজ্যের রাজধানী ছিলো মুর্শিদাবাদ জেলার নিকটবর্তী কর্ণসুবর্ণ।
- উত্তর বাংলা থেকে উড়িষ্যা পর্যন্ত স্বাধীন গৌড়রাজ্যের বিস্তৃতি ছিলো।
- ৫৯৪-৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত শশাঙ্ক গৌড়রাজ্য শাসন করেন।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শশাংক। তাঁকে প্রাচীন বাংলার প্রথম সম্পূর্ণ স্বাধীন ও সার্বভৌম শাসক হিসেবে গণ্য করা হয়।
শশাংক সপ্তম শতকের প্রারম্ভে (৫৯৪ - ৬৩৭ খ্রিস্টাব্দ) উত্তর বাংলায় একটি শক্তিশালী স্বাধীন রাজ্য গড়ে তোলেন, যা ইতিহাসে ‘গৌড়রাজ্য’ নামে পরিচিত ছিল।
ঐতিহাসিকদের মতে, গৌড়ের রাজধানী ছিল কর্ণসুবর্ণ
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: গোপাল ছিলেন পাল বংশের প্রতিষ্ঠাতা, এবং ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ শাসক। তাঁদের রাজত্বকাল শশাঙ্কের অনেক পরে শুরু হয়েছিল। কনিস্ক ছিলেন কুষাণ বংশের শাসক, যা বাংলা অঞ্চলের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
10

ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়:
- পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী : খাজা নাজিমউদ্দিন
- পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী : নুরুল আমিন
- পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেল : গোলাম মুহাম্মদ।
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য : সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খাজা নাজিমুদ্দীন
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময়কালে খাজা নাজিমউদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী (Prime Minister) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। তিনি ১৯৫১ সালের অক্টোবরে লিয়াকত আলী খানের মৃত্যুর পর এই পদে আসীন হন।
উল্লেখ থাকে যে, খাজা নাজিমউদ্দীন ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বরে মোহাম্মদ আলী জিন্নাহর মৃত্যুর পর পাকিস্তানের গভর্নর জেনারেলের পদও অলংকৃত করেছিলেন, কিন্তু ১৯৫১ সালে তিনি প্রধানমন্ত্রী হন।
নুরুল আমিন ছিলেন তখন পূর্ব বাংলার (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) মুখ্যমন্ত্রী। ভাষা আন্দোলনে তার ভূমিকা ছিল বিতর্কিত এবং কঠোর দমনমূলক।
লিয়াকত আলী খান ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, যিনি ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর নিহত হন, তাই ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের সময় তিনি ক্ষমতায় ছিলেন না।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

বাংলাদেশের সংবিধানে কয়টি তফসিল রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সংবিধানে আরও ৩টি তফসিল সংযোজন করা হয়।
- ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে সংযোজন করা হয়।
- বাংলাদেশের সংবিধানে মোট ৭টি তফসিল আছে।
- প্রথম তফসিলঃ অন্যান্য বিধান সত্ত্বেও কার্যকর আইন।
- দ্বিতীয় তফসিলঃ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন বর্তমানে বিলুপ্ত।
- তৃতীয় তফসিলঃ শপথ ও ঘোষণা।
- চতুর্থ তফসিলঃ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী।
- পঞ্চম তফসিলঃ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণ।
- ষষ্ঠ তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণা।
- সপ্তম তফসিলঃ স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭টি। বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে ৭টি তফসিল (Schedule) রয়েছে।
সংবিধান প্রণয়নের সময় মূলত ৪টি তফসিল ছিল। কিন্তু পরবর্তীকালে পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে সংবিধানে ৩টি ঐতিহাসিক দলিল অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যার ফলে তফসিলের সংখ্যা ৭টিতে উন্নীত হয়।
এই সংযোজিত তফসিলগুলো সরাসরি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত:
১. পঞ্চম তফসিল: ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ
২. ষষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চ, ১৯৭১)।
৩. সপ্তম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (১০ এপ্রিল, ১৯৭১)।
12

বাংলাদেশে VAT চালু হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জুলাই, ১৯৮৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯০
  3. ১ জুলাই, ১৯৯১
  4. ১ জুলাই, ১৯৯২

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- বাংলাদেশের প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax, মূল্য সংযোজন কর) চালু হয় - ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে
- বাংলাদেশ সরকারের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় আসে আয়কর থেকে।

তথ্যসূত্র: অর্থনীতি ২য় পত্র, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি, প্রফেসর মোস্তাফিজুর রহমান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ জুলাই, ১৯৯১
VAT এর পূর্ণরূপ হলো Value Added Tax বা মূল্য সংযোজন কর। এটি একটি পরোক্ষ কর যা পণ্য বা সেবার মূল্যের সাথে যুক্ত হয়।
বাংলাদেশে এই গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কারটি প্রবর্তন করা হয় ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই। এটি বাংলাদেশে রাজস্ব আদায়ের পদ্ধতিকে আধুনিকীকরণে বড় ভূমিকা রাখে।
13

ভাষা শহিদদের স্মরণে ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা‘ ভাস্কর্যটির ভাস্কর কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৃণাল হক
  2. শামীম শিকদার
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. নভেরা আহমেদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- জননী ও গর্বিত বর্ণমালা ভাস্কর্যটি ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক।
- এটি অবস্থিত শাহবাগের পরীবাগে।
- এর ভাস্কর মৃণাল হক। 

তথ্যসূত্র: ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) মৃণাল হক
ভাষা শহিদদের স্মরণে নির্মিত আবেগপূর্ণ এই ভাস্কর্যটির নাম ‘জননী ও গর্বিত বর্ণমালা‘
এটি ঢাকা শহরের শাহবাগের পরীবাগে অবস্থিত এবং এটি ভাষা আন্দোলনের চেতনার প্রতীক হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য বিকল্পে উল্লেখিত ভাস্করগণও বাংলাদেশের ইতিহাসে অত্যন্ত সুপরিচিত:
- শামীম শিকদার: তাঁর বিখ্যাত কাজ হলো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন 'স্বাধীনতার সংগ্রাম'
- হামিদুজ্জামান খান: তাঁর বিখ্যাত কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে 'স্বাধীনতা' (গুলিস্তান), 'স্মৃতির মিনার' (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়)।
14

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকী অনুষ্ঠান কত তারিখে শুরু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ মার্চ, ২০২০
  2. ১৭ মার্চ, ২০১৯
  3. ১৭ মার্চ, ২০২১
  4. ১৭ মার্চ, ২০২২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুজিববর্ষ
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী পালনের জন্য ঘোষিত বর্ষই হলো মুজিববর্ষ। ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ বঙ্গবন্ধু গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ তার জন্মের ১০০ বছর হয়। এই সময়কে স্মরণীয় করে রাখতেই পরবর্তী ১ বছর রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে দেশে এবং কিছু দেশ ও সংস্থার উদ্যোগে আন্তর্জাতিকভাবেও “মুজিববর্ষ” পালিত হচ্ছে।

নিম্নে মুজিববর্ষ সম্পর্কে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে আলোকপাত করা হল -
সময়কালঃ ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ১৬ ডিসেম্বর, ২০২১ সাল পর্যন্ত।
প্রথমে ১৭ মার্চ, ২০২০ থেকে ২৬শে মার্চ, ২০২১ সাল পর্যন্ত সময়কে ‍মুজিববর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে, বৈশ্বিক করোনা মহামারির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকার সম্প্রতি ‍‘মুজিববর্ষ’ এর সময়সীমা পুনঃনির্ধারণ করে।
মুজিববর্ষ ঘোষণা করা হয় – ১২ জানুয়ারি, ২০১৯ তারিখে।
মুজিববর্ষ পালনের উদ্দেশ্যে একটি ‘‘জাতীয় কমিটি’’ গঠিত হয় যার সভাপতি হচ্ছেন – মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা। আবার, ‘জন্মশতবার্ষিকী উদ্‌যাপন বাস্তবায়ন কমিটি’র সভাপতি হচ্ছেন – জাতীয় অধ্যাপক মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
মুজিববর্ষের ক্ষণগণনা শুরু হয় – ১০ জানুয়ারি, ২০২০ তারিখ থেকে।
১৭ মার্চ, ২০২০ তারিখে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির নাম – মুক্তির মহানায়ক। এই উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাঠ করা কবিতাটির নাম – “বাবা”। কবিতাটির রচয়িতা – বঙ্গবন্ধুর কনিষ্ঠাকন্যা শেখ রেহানা। এতে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী ভাষণ প্রদান করেন।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৭ মার্চ, ২০২০
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী হলো মুজিববর্ষ। তিনি ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। সেই হিসাবে, তার জন্মের ১০০ বছর পূর্তি হয় ২০২০ সালের ১৭ মার্চ
এই ঐতিহাসিক দিনে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী অনুষ্ঠান বা মুজিববর্ষের আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা হয়েছিল।
বাকি বিকল্পগুলি ভুল, কারণ ২০১৯ সালে শতবর্ষ পূর্ণ হয়নি এবং ২০২১ সাল জন্মশতবার্ষিকীর শুরুর বছর ছিল না।
15

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেমিটেন্সের অর্থ প্রেরণ করেন কোন দেশের প্রবাসীরা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. সৌদি আরব
  4. আরব আমিরাত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

⇨ প্রবাসীদের প্রেরিত অর্থের সিংহভাগই আসে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ থেকে।
⇨ ২০২১-২২ অর্থবছরে জুলাই-ফেব্রুয়ারি সময়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে - সৌদি আরব থেকে।
⇨ দ্বিতীয় - মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, তৃতীয় - যুক্তরাজ্য।
⇨ ইউরােপিয়ান দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে রয়েছে - যুক্তরাজ্য।
⇨ ২০২২ (ফেব্রুয়ারি) সালে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২,০২,২৬৭ জনকে প্রবাসী হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
⇨ সবচেয়ে বেশি জনশক্তি প্রেরণ করা হয় - সৌদি আরব (১,২৭,১৮৭ জন যা মােট অভিবাসনের ৭৪.০৮%), দ্বিতীয় – সংযুক্ত আরব আমিরাতে (২৭,৪৭০ জন)।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৌদি আরব
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্স পেয়ে থাকে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো থেকে, কারণ বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রবাসী জনশক্তি এই অঞ্চলে কাজ করতে যায়।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহের মধ্যে সর্বাধিক রেমিট্যান্স এসেছে সৌদি আরব থেকে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও তারা শীর্ষস্থানে নেই। যেমন: যুক্তরাষ্ট্র সাধারণত দ্বিতীয় বা তৃতীয় স্থানে থাকে এবং যুক্তরাজ্য ইউরােপীয় দেশসমূহের মধ্যে শীর্ষে থাকে, কিন্তু সামগ্রিকভাবে সৌদি আরবের চেয়ে নিচে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের তথ্যমতে, মোট অভিবাসনের ৭৪.০৮% জনশক্তি পাঠানো হয়েছিল শুধুমাত্র সৌদি আরবে
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

প্রাণঘাতী নভেল করোনা ভাইরাস সর্বপ্রথম কোথায় শনাক্ত করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীনের উহানে
  2. চীনের সাংহাইতে
  3. চীনের বেইজিংয়ে
  4. ইতালির লোম্বার্ডিতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বিষয়ে চীনা সরকার সর্বপ্রথম বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে অবহিত করে।
- ১১ জানুয়ারী ২০২০ চীনের উহানে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী মারা যায়।
- ১৩ জানুয়ারি চীনের বাহিরে থাইল্যান্ডে সর্বপ্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী চিহ্নিত হয়। এই রোগী উহান থেকে থাইল্যান্ডে এসেছিল।
- ২ ফেব্রুয়ারি চীনের বাহিরে ফিলিপাইনে প্রথম করোনা রোগী মারা যায়। এই রোগীও উহান থেকে ফিলিপাইন গিয়েছিলো।
- বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয় ৮ মার্চ এবং প্রথম রোগী মারা যায় ১৮ মার্চ।
- ৩০ জানুয়ারি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ইস্যুতে বিশ্বে স্বাস্থ্য জরুরি অবস্থা জারি করে।
- ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২০ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই রোগের নামকরণ করে COVID-19।
- বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১১ মার্চ COVID-19 কে মহামারি হিসেবে চিহ্নিত করে।

তথ্যসূত্র: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— চীনের উহানে
বিশ্বজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী নভেল করোনা ভাইরাস (COVID-19) সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয় চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে
চীন সরকার সর্বপ্রথম ৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ তারিখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে (WHO) এই ভাইরাসের সংক্রমণ সম্পর্কে অবহিত করেছিল।
অন্যান্য অপশন যেমন সাংহাই বা বেইজিং চীনে অবস্থিত হলেও সেগুলোর সাথে ভাইরাসটির উৎপত্তিস্থলের কোনো সম্পর্ক নেই। ইতালি বা লোম্বার্ডি হচ্ছে চীন ব্যতীত প্রথম দিকে ইউরোপের অন্যতম সংক্রমণ কেন্দ্র, উৎপত্তিস্থল নয়।
17

বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫২টি
  2. ৫৪টি
  3. ৫৭টি
  4. ৫৮টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশ হিমালয় থেকে উৎসরিত ৩টি বৃহৎ নদী: গঙ্গা, ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনার পলল দ্বারা সৃষ্টি হয়েছে। এটি পৃথিবীর একটি অন্যতম বৃহৎ বদ্বীপ।
- বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রায় ৪০৫টি নদী প্রবাহিত হচ্ছে।
- এ নদীগুলোর মধ্যে ৫৭টি হচ্ছে আন্তঃসীমান্ত নদী যার মধ্যে ৫৪টি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন এবং ৩টি বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
- আবহমানকাল ধরে নদীমাতৃক বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের জীবন ও জীবিকা আবর্তিত হচ্ছে এসকল নদীর পানিকে ঘিরে।
- এ তিনটি নদীর অববাহিকার মোট আয়তন প্রায় ১.৭২ মিলিয়ন বর্গকিলোমিটার, যার মাত্র ৭ শতাংশ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত। এসকল নদীর অন্যান্য অববাহিকাভূক্ত দেশ হচ্ছে ভারত, নেপাল, ভূটান ও চীন।

তথ্যসূত্র: যৌথ নদী কমিশন ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫৪টি
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে অভিন্ন নদীর সংখ্যা সংক্রান্ত এই প্রশ্নটি ভূগোল ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক উভয়ের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যৌথ নদী কমিশনের (Joint River Commission - JRC) তথ্য অনুসারে, বাংলাদেশে মোট আন্তঃসীমান্ত (Trans-boundary) নদীর সংখ্যা হলো ৫৭টি
এই ৫৭টি আন্তঃসীমান্ত নদীর মধ্যে ৫৪টি নদী ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে অভিন্ন।
বাকি ৩টি নদী বাংলাদেশ ও মায়ানমারের মধ্যে অভিন্ন।
18

NATO কবে গঠিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৭ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৯ সালে
  4. ১৯৫০ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- NATO এর পূর্ণরূপ North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
- NATO প্রধানত একটি সামরিক জোট যা ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়।
- ন্যটোর প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ১২টি।
- ন্যাটোর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০টি।
- উত্তর মেসিডোনিয়া ন্যটোর সর্বশেষ সদস্য।
- তুরস্ক ও আলবেনিয়া ন্যাটোভুক্ত মুসলিম দেশ।
- ন্যাটোর সদরদপ্তর বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে অবস্থিত।
- বর্তমান মহাসচিব জেনস স্টলেনবার্গ।

তথ্যসূত্র; ন্যাটো ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৪৯ সালে
NATO এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization বা উত্তর আটলান্টিক চুক্তি সংস্থা।
এটি মূলত পশ্চিমা দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি সামরিক জোট, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য সালগুলো ভুল, কারণ ১৯৪৯ সালের আগে বা পরে এটি গঠিত হয়নি। বিশেষ করে ১৯৫০ সালে কোরিয়ান যুদ্ধ শুরু হয়েছিল, কিন্তু ন্যাটো তার আগেই গঠিত হয়ে যায়।
19

পাটের জিনোম কে আবিস্কার করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জগদীশ চন্দ্র বসু
  2. ড. কুদরত-ই-খুদা
  3. লিউয়েন হুক
  4. ড. মাকসুদুল আলম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ড. মাকসুদুল আলম ছিলেন একজন বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ।
- তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল উদ্যমী গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
- ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে পাটের জিনোম সিকোয়েন্স আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।

তথ্যসূত্র; বিবিসি এবং ডয়েচ ভেলে

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ড. মাকসুদুল আলম। তিনি ছিলেন একজন প্রখ্যাত বাংলাদেশী জিনতত্ত্ববিদ
তার নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (BJRI) এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে পাটের জিন নকশা (Genome Sequence) উন্মোচিত হয়।
উল্লেখ্য, ২০১০ সালের ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এই আবিষ্কারের ঘোষণা দেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: জগদীশ চন্দ্র বসু উদ্ভিদের সংবেদনশীলতা নিয়ে গবেষণা করেন। ড. কুদরত-ই-খুদা ছিলেন বিখ্যাত রসায়নবিদ ও শিক্ষাবিদ। লিউয়েন হুক অণুবীক্ষণ যন্ত্রের জন্য পরিচিত।
20

বাংলাদেশের শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৩ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৭ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হয়
২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি অনুসারে,
নতুন শিক্ষা কাঠামোয় নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত মাধ্যমিক শিক্ষা স্তর হিসেবে বিবেচিত হবে। 
এই স্তরের শিক্ষাশেষে শিক্ষার্থীরা সামর্থ্য অনুযায়ী উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন ধারায় যাবে, নয়তো অর্জিত বৃত্তিমূলক শিক্ষার ভিত্তিতে বা আরো বৃত্তিমূলক শিক্ষার মাধ্যমে জীবিকার্জনের পথে যাবে।
 
মাধ্যমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য নিম্নরূপ :
- শিক্ষার্থীর অন্তর্নিহিত মেধা ও সম্ভাবনার পরিপূর্ণ বিকাশে সাহায্য করা ।
- কর্মজগতে অংশগ্রহণের জন্য, বিশেষ করে দেশের অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে, একটি পর্যায়ের প্রয়োজনীয় দক্ষতাসম্পন্ন ব্যক্তিরূপে শিক্ষার্থীকে তৈরি করা ।
- মানসম্পন্ন শিক্ষাদান করে প্রাথমিক স্তরে প্রাপ্ত মৌলিক জ্ঞান সম্প্রসারিত ও সুসংহত করা। এর ফলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে মানসম্পন্ন উচ্চশিক্ষার ভিত শক্ত হবে।
- বিভিন্নরকমের মাধ্যমিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক, নৃতাত্ত্বিক ও অন্যান্য পিছিয়ে পড়া গোষ্ঠীর মধ্যে বৈষম্য দূর করার লক্ষ্যে প্রচেষ্টা চালানো। 
- পিছিয়ে পড়া অঞ্চলগুলোর জন্যও যতদিন প্রয়োজন বিশেষ পদক্ষেপের মাধ্যমে শিক্ষার অগ্রগতি সমর্থন করা ।
- নির্ধারিত বিষয়ে সকল ধারায় অভিন্ন শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যসূচি প্রণয়ন এবং বাস্তবায়ন করা।
 
তথ্যসূত্র; ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতি

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২০১০ সালে
বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক গঠিত একটি উচ্চপর্যায়ের শিক্ষা কমিশনের সুপারিশে এই গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০ প্রণয়ন ও গৃহীত হয়।
এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল শিক্ষা ব্যবস্থাকে আধুনিক, মানসম্পন্ন ও যুগোপযোগী করে তোলা, যেখানে প্রাথমিক শিক্ষাকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত এবং মাধ্যমিক শিক্ষাকে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত সম্প্রসারণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়।
অন্যান্য সালগুলো (২০১৩, ২০১৫, ২০১৭) নীতিটির বাস্তবায়ন বা পরবর্তী সময়ে সংশ্লিষ্ট আইনের সংশোধনের সাথে জড়িত, কিন্তু মূল নীতি প্রণয়নের বছর ২০১০
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

SDG এর পূর্নরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Successful Development Goals
  2. Successive Development Goals
  3. Sustainable Development Goals
  4. Sustantial Development Goals

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জাতিসংঘের উদ্যোগে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার আদলে ২০১৬-২০৩০ সময়ের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্যে ১৭টি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDG) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর মধ্যে SDG এর ১৪ নং লক্ষ্যমাত্রায় মহাসাগর, সমুদ্র এবং সামুদ্রিক সম্পদ সংরক্ষণ ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলা হয়েছে।
 
টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDG):
- SDG - এর পূর্ণরূপ Sustainable Development Goals বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য।
- SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল। এতে মোট ১৭টি বৈশ্বিক লক্ষ্য (Goals) এর আওতায় ১৬৯টি টার্গেট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। 

লক্ষ্যমাত্রাসমূহ হলো:
- দারিদ্র্য নির্মূল
- ক্ষুধামুক্তি
- সুস্বাস্থ্য
- মানসম্মত শিক্ষা
- লিঙ্গ সমতা
- বিশুদ্ধ পানি ও স্যানিটেশন
- সাশ্রয়ী ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি
- উপযুক্ত কাজ ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি
- শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো
- বৈষম্য হ্রাস
- টেকসই শহর ও জনগণ
- পরিমিত ভোগ ও উৎপাদন
- জলবায়ু বিষয়ে পদক্ষেপ
- সামুদ্রিক বাস্তুসংস্থান
- স্থলভাগের জীবন
- শান্তি, ন্যায়বিচার ও শক্তিশালী প্রতিষ্ঠান এবং
- অভিষ্টের জন্যে অংশীদারিত্ব।

তথ্যসূত্র: SDG ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

SDG-এর পূর্ণরূপ হলো Sustainable Development Goals
বাংলায় এটি টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট বা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা নামে পরিচিত।
জাতিসংঘের উদ্যোগে এই লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মূল উদ্দেশ্য হলো অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত ক্ষেত্রে ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
অন্য অপশনগুলো যেমন Successful, Successive বা Sustantial শব্দগুলো এই বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে অর্থপূর্ণ নয় এবং ভুল উত্তর।
22

আলুর একটি জাতের নাম -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপালী
  2. ডায়মন্ড
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিসাইল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• আলুর উন্নত জাত:- হিরা, আইলসা, পেট্রোনিস, মুল্টা, ডায়মন্ড, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরী, সিন্দুরী, চমক, ধীরা, গ্রানোলা, ক্লিওপেট্রা ও চিনেলা।
• তুলার উন্নত জাত:- রুপালী ও ডেলফোজ।
• ড্রামহেড, গ্রীন এক্সপ্রেস ও গোল্ডেন ক্রস হচ্ছে উন্নত জাতের বাঁধাকপি।
• উন্নত জাতের ধান:- ময়না,হীরা,মালা,ইরাটম,চান্দিনা,ব্রিশাইল,সুফলা,হরিধান।

তথ্যসূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডায়মন্ড। ডায়মন্ড হলো আলু বা পট্যাটোর একটি উন্নত ও জনপ্রিয় জাত।
কৃষি তথ্য সার্ভিস অনুযায়ী, আলুর উন্নত জাতগুলোর মধ্যে ডায়মন্ড ছাড়াও হিরা, কার্ডিনাল, মন্ডিয়াল, কুফরীচমক অন্যতম।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ফসলের উন্নত জাত নির্দেশ করে:
রূপালী: এটি উন্নত জাতের তুলা
ড্রামহেড: এটি উন্নত জাতের বাঁধাকপি
ব্রিশাইল: এটি বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (BRRI) কর্তৃক উদ্ভাবিত উন্নত জাতের ধান
23

পরিবেশ ও জীবদেহের সম্পর্ক বিষয়ক বিদ্যাকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়োলজি
  2. সোসিওলজি
  3. এনভায়রনমেন্ট
  4. ইকোলজি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- পরিবেশের সাথে জীবদেহের সম্পর্ক সম্বন্ধীয় বিজ্ঞানকে ইকোলোজি  বলে। 
- ইকোলজি হলো বাস্তুসংস্থান।
- একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের জীব ও জড় উপাদানের পারস্পরিক ক্রিয়াকলাপ আদান-প্রদান ও একাত্মতার মাধ্যমে সুপ্রতিষ্ঠিত আন্তঃসম্পর্ককে ইকোলজি বলে।
- ইকোলজি শব্দটি গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ বাড়ি সংক্রান্ত আলোচনা।
- কোনো নির্দিষ্ট স্থানে উদ্ভিদ ও প্রাণীর সম্মিলিত অবস্থান যা পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে তাই মূলত ইকোলজি।
- Ernest Haeckel নামক জার্মান বিজ্ঞানী সর্বপ্রথম ১৮৬৯ সালে Ecology শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- ইকোলজি হল জীববিজ্ঞানের একটি শাখা। 

তথ্যসূত্র: পরিবেশ বিজ্ঞান, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইকোলজি (Ecology)
ইকোলজি হলো জীববিজ্ঞানের এমন একটি শাখা, যা জীবদেহ এবং তাদের চারপাশের পরিবেশের মধ্যেকার পারস্পরিক সম্পর্ক এবং মিথস্ক্রিয়া নিয়ে আলোচনা করে। এটি বাস্তুসংস্থান বিদ্যা নামেও পরিচিত।
এনভায়রনমেন্ট (Environment) মানে কেবল পরিবেশ। এটি কোনো বিদ্যার নাম নয়।
বায়োলজি (Biology) হলো জীব বিজ্ঞান, যা সমস্ত জীবন্ত প্রাণী ও তাদের জীবন নিয়ে আলোচনা করে, তবে এটি পরিবেশের সাথে সম্পর্কের উপর সরাসরি ফোকাস করে না।
সোসিওলজি (Sociology) হলো সমাজ বিজ্ঞান, যা মানব সমাজ ও তাদের আচার-আচরণ নিয়ে আলোচনা করে—এর সাথে জীব ও পরিবেশের সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত নয়।
24

ব্রেক্সিট কার্যকর হয় কত তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ ‍ডিসেম্বর, ২০১৯
  2. ১ জানুয়ারি, ২০২০
  3. ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  4. ১ মার্চ, ২০২০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• ব্রেক্সিট হলো ‘ব্রিটিশ এক্সিট’ বা যুক্তরাজ্যের ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন থেকে বের হয়ে যাওয়া।
২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি ব্রেক্সিট কার্যকরের মাধ্যমে ৪৭ বছরের সম্পর্কের অবসান ঘটিয়ে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করে।
• ২০১৬ সালের ২৩শে জুন যুক্তরাজ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটে ৫২ শতাংশ জনগণ ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ত্যাগ করার পক্ষে ভোট দেয়।
• এতে ২০১৯ সালের ২৯শে মার্চ ব্রেক্সিট তারিখ নির্ধারিত হলেও তা দুই দফায় বৃদ্ধি করে সর্বশেষ ৩১ জানুয়ারি ২০২০ কার্যকর হয়।
• এর আগে ১৯৭৩ সালে যুক্তরাজ্য ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে যোগ দেয়।

যেহেতু ৩১ জানুয়ারি মধ্যরাত থেকে ব্রেক্সিট কার্যকর ধরা হয়, তাই সঠিক উত্তর হিসাবে ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ গ্রহণযোগ্য হবে।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা।

ব্যাখ্যা

ব্রেক্সিট (Brexit) হলো 'ব্রিটিশ এক্সিট'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার মাধ্যমে যুক্তরাজ্য (United Kingdom) ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) থেকে বেরিয়ে আসে।
যুক্তরাজ্য আনুষ্ঠানিকভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগ করে ২০২০ সালের ৩১ জানুয়ারি রাতে (GMT সময় রাত ১১ টায়)।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইনগত হিসাব অনুযায়ী, এটি কার্যকরের সময় ৩১ জানুয়ারি পার হয়ে যাওয়ায় পর দিন অর্থাৎ ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ তারিখটি কার্যকর তারিখ হিসেবে প্রশ্নে গ্রহণযোগ্য।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
অন্যান্য তারিখগুলো যেমন— ১ ডিসেম্বর ২০১৯ বা ১ জানুয়ারি ২০২০ হলো ব্রেক্সিট কার্যকরের পূর্বের নির্ধারিত তারিখ, যা আলোচনার মাধ্যমে বারবার পিছানো হয়েছিল।
25

পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতমালা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিমালয় পর্বতমালা
  2. আল্পস পর্বতমালা
  3. আন্দিজ পর্বতমালা
  4. আলাস্কা পর্বতমালা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো দক্ষিণ আমেরিকার আন্দিজ পর্বতমালা।
- এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৭ হাজার কিলোমিটার।
- এটি দক্ষিণ আমেরিকার সাতটি দেশজুড়ে বিস্তৃত।
- দ্বিতীয় দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী হলো উত্তর আমেরিকার রকি পর্বতমালা।
- হিমালয় পর্বতমালায় বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট অবস্থিত।

তথ্যসূত্র: ওয়ার্ল্ড অ্যাটলাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আন্দিজ পর্বতমালা। এটিই পৃথিবীর দীর্ঘতম পর্বতশ্রেণী
এই পর্বতমালাটি দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমাংশে দীর্ঘ ৭ হাজার কিলোমিটারের বেশি পথ জুড়ে বিস্তৃত এবং এটি মোট সাতটি দেশ অতিক্রম করেছে।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, হিমালয় পর্বতমালা বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ (মাউন্ট এভারেস্ট) ধারণ করলেও দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি আন্দিজের চেয়ে ছোট।
আল্পস পর্বতমালা ইউরোপে এবং আলাস্কা পর্বতমালা উত্তর আমেরিকায় অবস্থিত এবং এগুলি দৈর্ঘ্যে আন্দিজের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে ছোট।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

২০২১ সালে অস্কার পুরস্কারপ্রাপ্ত শ্রেষ্ঠ চলচিত্র হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যারাসাইট
  2. নোম্যাডল্যান্ড
  3. সিনারি
  4. ম্যারেজ স্টোরি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২০২১ সালে ৯৩তম অস্কারজয়ী আমেরিকান চলচ্চিত্র নোম্যাডল্যান্ড।
- সেরা অভিনেতা অ্যান্থনি হপকিন্স।
- সেরা অভিনেত্রী ফ্রান্সিস ম্যাকডোরম্যান্ড।
- সেরা পরিচালক ক্লোয়ি ঝাঁও।

তথ্যসূত্র: অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস (অস্কার) এর ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নোম্যাডল্যান্ড
এটি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত ৯৩তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডস (অস্কার)-এর শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র হিসেবে পুরস্কৃত হয়েছিল।
এই চলচ্চিত্রের পরিচালক ছিলেন ক্লোয়ি ঝাঁও, যিনি প্রথম এশীয় নারী হিসেবে সেরা পরিচালকের পুরস্কার জেতেন।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, প্যারাসাইট ২০১৯ সালের (৯০তম অস্কার, ২০২০ সালে প্রদানকৃত) শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র ছিল এবং ম্যারেজ স্টোরি একই বছর কয়েকটি বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিল।
27

কোন দেশ আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মরক্কো
  2. লিবিয়া
  3. তিউনিসিয়া
  4. ইয়েমেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ইয়েমেন মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ।
- ১৯৯০ সালে ইয়েমেন আরব প্রজাতন্ত্র (উত্তর ইয়েমেন) এবং গণপ্রজাতন্ত্রী ইয়েমেন (দক্ষিণ ইয়েমেন) দেশ দুইটিকে একত্রিত করে ইয়েমেন প্রজাতন্ত্র গঠন করা হয়।
- সানা’আ ইয়েমেন প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
- ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর। এটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বাব এল মান্দেব প্রণালীর মাধ্যমে বিচ্ছিন্ন।

অন্যদিকে,
মরক্কো, তিউনিসিয়া ও লিবিয়া আফ্রিকা মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত দেশ।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইয়েমেন
ইয়েমেন ভৌগোলিকভাবে মধ্যপ্রাচ্যের একটি দেশ এবং এটি এশিয়া মহাদেশের অন্তর্ভুক্ত।
এটি আরব উপদ্বীপের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশে অবস্থিত। ইয়েমেনের পশ্চিমে লোহিত সাগর এবং দক্ষিণে এডেন উপসাগর, যার মাধ্যমে দেশটি আফ্রিকা মহাদেশ থেকে বিচ্ছিন্ন।
অন্যদিকে, মরক্কো, লিবিয়া, এবং তিউনিসিয়া তিনটি দেশই উত্তর আফ্রিকা মহাদেশের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
28

একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাকিব আল হাসান
  2. তামিম ইকবাল
  3. মোহাম্মদ আশরাফুল
  4. লিটন দাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বাংলাদেশের হয়ে একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংসে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হলেন লিটন দাস
- ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে তিনি ১৪৩ বলে ১৭৬ রান করেন যা বাংলাদেশের যেকোন ব্যাটসম্যানের পক্ষে সর্বাধিক।
- এর আগের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংস ছিলো তামিম ইকবালের (১৫৮ রান)।

তথ্যসূত্র: ডেইলি স্টার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: লিটন দাস
একদিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে (ODI) বাংলাদেশের পক্ষে সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত ইনিংসের রেকর্ডটি বর্তমানে লিটন দাসের দখলে।
তিনি ২০২০ সালের ৬ মার্চ সিলেটে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ১৪৩ বলে ১৭৬ রানের একটি অসাধারণ ইনিংস খেলেন।
এই ইনিংসটি খেলার মাধ্যমে তিনি পূর্ববর্তী রেকর্ডধারী তামিম ইকবালের (১৫৮ রান) রেকর্ডটি ভঙ্গ করেন।
29

আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত হয় কোন তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ মার্চ
  2. ১০ এপ্রিল
  3. ৫ জুন
  4. ১০ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ৮ মার্চ আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
- ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮ মার্চ। প্রতি বছর এই তারিখে বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক নারী দিবস (International Women's Day) পালিত হয়।
এটি নারী সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক এবং রাজনৈতিক অর্জনগুলোকে উদযাপন করার জন্য নির্ধারিত।
অন্যান্য অপশনে থাকা গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবসগুলো হলো:
- ৫ জুন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day)।
- ১০ ডিসেম্বর: বিশ্ব মানবাধিকার দিবস (World Human Rights Day)।
- ১০ এপ্রিল: এটি বাংলাদেশের কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় দিবস হলেও আন্তর্জাতিকভাবে এই দিনে বিশেষ কোনো বিশ্ব দিবস পালিত হয় না (যেমন, বিশ্ব হোমোপ্যাথি দিবস)।
30

জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্যে
  2. চীনে
  3. যুক্তরাষ্ট্রে
  4. জাপানে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

• জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (UNU) টোকিও, জাপানে অবস্থিত।
• ১৯৭২ সালে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
• বিশ্বের প্রায় ১২ টি দেশে UNU ক্যাম্পাসের কার্যক্রম চালু আছে।
• জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ১৯৬৯ সালের বার্ষিক প্রতিবেদন, জাতিসংঘের মহাসচিব উ থান্ট এর আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব উত্থান করেন।

তথ্যসূত্র: UNU অফিশিয়াল ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জাপানে
জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয় (United Nations University - UNU)-এর সদর দপ্তর বা প্রধান কার্যালয় জাপানের টোকিও শহরে অবস্থিত। এটি বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের একটি গবেষণা ও শিক্ষামূলক প্রতিষ্ঠান।
এটি কোনো ডিগ্রি প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান নয়, বরং এটি জাতিসংঘের একটি 'থিঙ্ক ট্যাঙ্ক' (Think Tank) হিসেবে কাজ করে।
যদিও যুক্তরাষ্ট্র, চীন বা যুক্তরাজ্যে এর আঞ্চলিক কেন্দ্র ও গবেষণা কার্যক্রম চালু আছে, তবুও এর মূল কেন্দ্র (Headquarters) টোকিওতে
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুতুবদিয়া
  2. ভোলা
  3. মহেশখালি
  4. সেন্টমার্টিন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ী দ্বীপ হলো মহেশখালী
- এই দ্বীপে আদিনাথ পাহাড় রয়েছে।
- এছাড়া এখানে আদিনাথ মন্দির রয়েছে।
- মহেশখালী দ্বীপেই মাতারবাড়ী বিদ্যুৎকেন্দ্র ও গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মিত হচ্ছে।

অন্যদিকে,
- দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ হলো সেন্টমার্টিন বা নারিকেল জিঞ্জিরা।
- কুতুবদিয়া দ্বীপে বাতিঘর রয়েছে।
- সন্দ্বীপে প্রাচীনকালে বাণিজ্যিক জাহাজ নির্মাণ হতো।

তথ্যসূত্র: জাতীয় তথ্য বাতায়ন

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মহেশখালী
মহেশখালী হলো বাংলাদেশের একমাত্র দ্বীপ, যেখানে পাহাড়ের উপস্থিতি দেখা যায়। এটি কক্সবাজার জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা।
এই দ্বীপে বিখ্যাত আদিনাথ পাহাড় এবং আদিনাথ মন্দির অবস্থিত, যা এর পাহাড়ি বৈশিষ্ট্যকে নিশ্চিত করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন কারণে গুরুত্বপূর্ণ:
    •  সেন্টমার্টিন: এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island), যা 'নারিকেল জিঞ্জিরা' নামেও পরিচিত।
    •  ভোলা: এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম দ্বীপ (Largest Island)।
    •  কুতুবদিয়া: এটি প্রাচীন বাতিঘরের (Lighthouse) জন্য বিখ্যাত।
32

বাংলাদেশের যে জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হবিগঞ্জ
  2. মৌলভীবাজার
  3. সিলেট
  4. কুড়িগ্রাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশে বাণিজ্যিকভাবে প্রথম চা বাগান গড়ে উঠে সিলেটের মালিনীছড়ায় ১৮৫৪ সালে।
- বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ডের অধীনে মোট ১৬৭টি চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে।
- সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। জেলাটিতে মোট ৯১টি চা বাগান রয়েছে।
- অন্যান্য জেলার মধ্যে হবিগঞ্জে ২৫টি, চট্টগ্রামে ২১টি, সিলেটে ১৯টি, পঞ্চগড়ে ৮টি, রাঙামাটিতে ২টি এবং ঠাকুরগাঁও জেলায় ১টি চা বাগান রয়েছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ চা বোর্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মৌলভীবাজার। এই জেলাটি বাংলাদেশের 'চায়ের রাজধানী' নামে পরিচিত।
বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, মৌলভীবাজার জেলায় বর্তমানে মোট ৯১টি নিবন্ধিত চা বাগান ও টি এস্টেট রয়েছে, যা দেশের সব জেলার মধ্যে সর্বোচ্চ সংখ্যা।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জেলাগুলোর মধ্যে হবিগঞ্জে ২৫টি এবং সিলেট জেলায় ১৯টি চা বাগান রয়েছে।
অনেকে ভুলবশত সিলেটকে সর্বোচ্চ মনে করেন, কারণ সিলেটেই প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান (মালিনীছড়া) স্থাপিত হয়েছিল, কিন্তু বর্তমানে সংখ্যায় মৌলভীবাজার এগিয়ে আছে।
33

ভাষা শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুস সালাম
  2. রফিক উদ্দিন
  3. আবুল বরকত
  4. সকলেই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের শহিদদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ছিলেন আবুল বরকত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
- ২১শে ফেব্রুয়ারির মিছিলে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। তাকে আজিমপুর কবরস্থানে দাফন করা হয়।
অন্যদিকে,
- আব্দুস সালাম ছিলেন সরকারের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারি।
- শফিউর রহমান ছিলেন ঢাকা হাইকোর্টের হিসাবরক্ষণ শাখার কেরানি।
- আবদুল জব্বার ছিলেন ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও উপজেলার পাঁচুয়া গ্রামের এক কৃষক পরিবারের সন্তান।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আবুল বরকত
আবুল বরকত ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের অন্যতম শহিদ। গুলিবিদ্ধ হওয়ার সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র ছিলেন।
তিনি ২১শে ফেব্রুয়ারির মিছিলে গুলিবিদ্ধ হন এবং পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, আব্দুস সালাম ছিলেন সরকারের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী। রফিক উদ্দিন ঢাকার বাদামতলী কমার্শিয়াল প্রেসের কর্মচারী ছিলেন।
34

বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. গাজীপুর
  3. যশোর
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র চালু হওয়ার পর তথ্য-প্রযুক্তিতে অগ্রগতির জন্য ২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যশোর জেলাকে ‘বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা’ হিসেবে ঘোষণা দেন।
• সে সময় তিনি ‘ন্যাশনাল ই-সার্ভিস সিস্টেম’-এর উদ্বোধন করেন। এ সিস্টেমের আওতায় যশোর জেলার ২৩২টি সরকারি দপ্তরে যেকোনো সেবার জন্য অনলাইনে আবেদন করা যায়।

তথ্যসূত্র: bdembassyusa.org ও প্রথম আলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো যশোর
২০১২ সালের ২০ ডিসেম্বর, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথ্য-প্রযুক্তিতে অভূতপূর্ব অগ্রগতির স্বীকৃতিস্বরূপ যশোর জেলাকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল জেলা’ হিসেবে ঘোষণা করেন।
এর আগে ২০১০ সালের সেপ্টেম্বরে যশোরে জেলা ই-সেবাকেন্দ্র চালু হয়েছিল, যা অনলাইন সেবাকে ত্বরান্বিত করে।
35

স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ পুরস্কার ২০২০ লাভ করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আজিজুর রহমান
  2. ফেরদৌসী মজুমদার
  3. কালীপদ দাস
  4. জাফর ওয়াজেদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

▪ জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে দেশের নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০’ দিচ্ছে সরকার।
▪ পুরস্কারের জন্য মনোনীত বিশিষ্ট ব্যক্তিরা হলেন স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের জন্য বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুর রউফ (মরণোত্তর), আনোয়ার পাশা (মরণোত্তর) ও আজিজুর রহমান
▪ চিকিৎসাবিদ্যায় অধ্যাপক ডা. মো. উবায়দুল কবীর চৌধুরী ও অধ্যাপক ডা. এ কে এম এ মুক্ তাদির।‌
▪ সাহিত্যে মুক্তিযোদ্ধা এস এম রইজ উদ্দিন আহম্মদ এবং সংস্কৃতিতে কালীপদ দাস ও ফেরদৌসী মজুমদার।
▪ শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের ভারতেশ্বরী হোমস্ এবার স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আজিজুর রহমান
২০২০ সালে সরকার মোট নয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২০ প্রদান করে।
এই পুরস্কারের 'স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ' ক্যাটাগরিতে মোট চারজন মনোনীত হন। তারা হলেন: বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, অবসরপ্রাপ্ত কমান্ডার আবদুর রউফ (মরণোত্তর), আনোয়ার পাশা (মরণোত্তর) এবং আজিজুর রহমান
অন্য অপশনগুলির মধ্যে ফেরদৌসী মজুমদারকালীপদ দাস সংস্কৃতি ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার লাভ করেন, তাই তারা শুধুমাত্র স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ পুরস্কারের জন্য মনোনীত হননি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেয়া হয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৩ মার্চ ১৯৭১
  2. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯
  3. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৭
  4. ২৩ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

▪ ২৩শে ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ সালে রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করে।
▪ ১৯৬৯ সালে ২২ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমানসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলার সকল বন্দীকে মুক্তি দিতে বাধ্য হয়।
▪ ১৯৬৯ সালে ৫ ডিসেম্বর সোহরাওয়ার্দীর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আওয়ামী লীগের এক জনসভায় শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের নাম রাখেন ‘বাংলাদেশ’। 
▪ ৩ মার্চ, ১৯৭১ সালে ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি নূরে আলম সিদ্দিকীর সভাপতিত্বে পাঁচদফা স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহজাহান সিরাজ।
▪ ঐদিনই বঙ্গবন্ধুকে 'জাতির জনক' উপাধি দেন ডাকসুর ভিপি আ.স.ম আব্দুর রব।
▪ ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়, নবম-দশম শ্রেণি, আওয়ামীলীগের ওয়েবসাইট, mujib100.gov.bd

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
এই দিনে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা থেকে মুক্তিলাভের পর তৎকালীন ছাত্রনেতা তোফায়েল আহমেদ (কেন্দ্রীয় ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের পক্ষ থেকে) ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) এক বিশাল ছাত্র সমাবেশে লাখো শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে শেখ মুজিবুর রহমানকে 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি প্রদান করেন।
২৩ মার্চ ১৯৭১ তারিখে স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করা হয় এবং এর সঙ্গে এই উপাধি প্রদানের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
১৯৬৬ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তারিখটি ছয় দফা আন্দোলনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও, 'বঙ্গবন্ধু' উপাধি প্রদানের তারিখ এটি নয়।
37

সবার জন্য শিক্ষা' স্লোগানটি বাংলাদেশে প্রচলিত কোন মুদ্রা বহন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ টাকা
  2. ২ টাকা
  3. ৫ টাকা
  4. ১০ টাকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২ টাকার মুদ্রায় 'সবার জন্য শিক্ষা' স্লোগানটি রয়েছে।
- ১ টাকার মুদ্রায় 'পরিকল্পিত পরিবার' ও 'সবার জন্য খাদ্য' স্লোগানটি রয়েছে।

উৎস : বাংলাদেশ ব্যাংক ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২ টাকা
বাংলাদেশে প্রচলিত ২ টাকার মুদ্রায় (কয়েন ও নোট উভয়ক্ষেত্রেই) জনশিক্ষা কর্মসূচির প্রচারের অংশ হিসেবে 'সবার জন্য শিক্ষা' স্লোগানটি মুদ্রিত থাকে। এই স্লোগানটি দেশের প্রাথমিক ও গণশিক্ষাকে উৎসাহিত করার জন্য ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য মুদ্রায় ভিন্ন স্লোগান রয়েছে, যেমন— ১ টাকার মুদ্রায় 'পরিকল্পিত পরিবার' এবং 'সবার জন্য খাদ্য' স্লোগানটি দেখা যায়।
38

চাকমা জনগোষ্ঠীর লোকসংখ্যা সর্বাধিক কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি জেলায়
  2. খাগড়াছড়ি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. সিলেট জেলায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- পরিসংখ্যান, পরিচিতি ও প্রভাবের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী হচ্ছে চাকমা ।
- চাকমারা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম তথা রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলায় বসবাস করে।
-  সবচেয়ে বেশি সংখ্যক চাকমা বসবাস করে রাঙামাটি জেলায়। 
- পিতৃসূত্রীয় পরিবারে চাকমারা প্রধানত জুমচাষে অভ্যস্ত।
- গ্রামের হেডম্যান এবং সার্কেলের রাজা (চাকমা রাজা) তাদের রাজনৈতিক সংগঠনে নেতৃত্ব প্রদান করেন।
- বৌদ্ধধর্মে বিশ্বাসী চাকমা সম্প্রদায়ে সাম্প্রতিককালে দৃশ্যমান সামাজিক পরিবর্তনের ছোঁয়া লেগেছে।

উৎস : সমাজ বিজ্ঞান ২য় পত্র, এইচএসসি প্রোগ্রাম; উন্মুক্ত বিশবিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

চাকমা জনগোষ্ঠী হলো জনসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশের বৃহত্তম ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
এরা প্রধানত বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে (রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান) বসবাস করে।
এই তিন জেলার মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক চাকমা জনগোষ্ঠীর বসতি হলো রাঙ্গামাটি জেলায়। প্রায় ৫০% এরও বেশি চাকমা এই জেলাতেই বাস করে। তাই সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি জেলায় (অপশন ০)।
খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান জেলাতেও চাকমাদের বসবাস রয়েছে, তবে তাদের লোকসংখ্যা রাঙ্গামাটির চেয়ে উল্লেখযোগ্য হারে কম। সিলেট পার্বত্য চট্টগ্রামের বাইরের একটি জেলা, যেখানে চাকমাদের প্রধান আবাস নেই।
39

মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের উপর গণহত্যা চালানোর অভিযোগে আইসিজেতে মামলা দায়ের করে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গাম্বিয়া
  2. সেনেগাল
  3. সৌদি আরব
  4. কুয়েত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

▪ রোহিঙ্গা ইস্যুতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালত বা (আইসিজে)'তে মামলা দায়ের করে।
▪ আদালত ২৩ জানুয়ারি ২০২০ মিয়ানমারের প্রতি চার দফা অন্তর্বর্তী আদেশ জারি করে।
▪ এতে গণহত্যা বন্ধ, গণহত্যার ষড়যন্ত্র বা উস্কানি বন্ধ, গণহত্যার আলামত সংরক্ষণ এবং চার মাসের মধ্যে আদেশ পালনের অগ্রগতি সম্পর্কে জানানোর কথা বলা হয়।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গাম্বিয়া
পশ্চিম আফ্রিকার ক্ষুদ্র মুসলিম প্রধান দেশ গাম্বিয়া ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক ন্যায়বিচার আদালতে (ICJ) এই মামলা দায়ের করে।
গাম্বিয়া মূলত ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (OIC) পক্ষ থেকে এই মামলাটি করেছিল এবং অভিযোগ আনে যে মিয়ানমার সরকার ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশন (Genocide Convention) লঙ্ঘন করেছে।
অন্যান্য বিকল্প (সেনেগাল, সৌদি আরব, কুয়েত) মুসলিম প্রধান দেশ হলেও, তারা সরাসরি এই মামলাটি দায়ের করেনি। মামলা দায়েরের মূল কাজটি করেছিল গাম্বিয়া
40

রাশিয়া ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২
  2. ২৪ মার্চ ২০২২
  3. ২৪ জানুয়ারি ২০২২
  4. ২৪ এপ্রিল ২০২২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

▪ রাশিয়া গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২ ইউক্রেনে সামরিক হামলা শুরু করে।
▪ এই হামলার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাতের সূত্রপাত ঘটে।
▪ ইউক্রেন কর্তৃক ন্যাটোতে যোগদানের তৎপরতার প্রেক্ষাপটে রাশিয়ার তার নিরাপত্তাগত স্বার্থে ইউক্রেনে আক্রমণ করে। এই যুদ্ধ এখনো চলমান রয়েছে।
▪ ইউক্রেনকে যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিমা দেশগুলো আর্থিক ও সামরিক সহায়তা প্রদান করছে। একইসময়ে রাশিয়ার উপর তেল-গ্যাসসহ বহুমুখী অবরোধ আরোপ করা হয়।

তথ্যসূত্র: বিবিসি বাংলা এবং প্রথম আলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২২। রাশিয়া এই দিন ইউক্রেনে পূর্ণাঙ্গ সামরিক অভিযান শুরু করে। এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপের ভূখণ্ডে সংঘটিত হওয়া সবচেয়ে বড় সামরিক সংঘাত।
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইউক্রেনকে 'বি-সামরিকীকরণ''নাৎসিমুক্ত' করার লক্ষ্য নিয়ে এই হামলার নির্দেশ দেন।
এই সংঘাতের মূল প্রেক্ষাপট ছিল ইউক্রেনের পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোতে (NATO) যোগদানের প্রচেষ্টা, যা রাশিয়া তার নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) এর সদস্য সংখ্যা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫৪টি
  2. ১৭৪টি
  3. ১৬৪টি
  4. ১৮৪টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা বা WTO
▪ WTO (World Trade Organisation) ১ জানুয়ারি ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
▪ পূর্বসূরী সংস্থা - General Agreement on Tariffs and Trade (GATT)।
সদস্য সংখ্যা - ১৬৪টি দেশ
▪ সর্বশেষ সদস্য - আফগানিস্তান (২৯ জুলাই, ২০১৬ সাল); পর্যবেক্ষক - ২৫টি।
▪ সদরদপ্তর - জেনেভা, সুইজারল্যান্ড।
▪ Ngozi Okonjo-Iweala বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সপ্তম মহাপরিচালক। তিনি ১ মার্চ ২০২১ সালে দায়িত্ব গ্রহন করেন। তিনি প্রথম মহিলা এবং প্রথম আফ্রিকান হিসেবে মহাপরিচালকের দায়িত্ব পালন করে। তার মেয়াদ ৩১ আগস্ট ২০২৫-এ শেষ হবে।
▪ WTO - এর সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত গ্রহণকারী অঙ্গ ‘Ministerial Conference’ এবং এটি ২ বছর পর পর অনুষ্ঠিত হয়।
▪ WTO এর ১২তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন (MC12) ১২ থেকে ১৭ জুন ২০২২ সালে জেনেভায় WTO এর সদরদপ্তরে অনুষ্ঠিত হয়। 
▪ এছাড়া বানিজ্য বিরোধ নিষ্পত্তি ও বানিজ্য নীতি পর্যবেক্ষণকারী অঙ্গ হচ্ছে ‘General Council Meeting’। 

তথ্যসূত্র: WTO ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের নিয়মাবলী নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। এর বর্তমান ও সঠিক সদস্য সংখ্যা হলো ১৬৪টি
WTO প্রতিষ্ঠিত হয় ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ সালে, যা এর পূর্বসূরী সংস্থা GATT-কে (General Agreement on Tariffs and Trade) প্রতিস্থাপন করে।
সদস্যপদ সংখ্যা ১৬৪টি নিশ্চিত করেছে এর সর্বশেষ সদস্য আফগানিস্তান, যেটি ২৯ জুলাই, ২০১৬ সালে যুক্ত হয়।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (১৫৪টি, ১৭৪টি, ১৮৪টি) বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বর্তমান সদস্য সংখ্যার সঠিক তথ্য বহন করে না।
42

'কিয়েভ' কোন দেশের রাজধানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুমানিয়া
  2. পোল্যান্ড
  3. ইউক্রেন
  4. স্পেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• ইউক্রেন বা উক্রাইনা পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র।
• রাশিয়ার পরে এটি ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র।
• কিয়েভ ইউক্রেনের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইউক্রেন। ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি বৃহৎ রাষ্ট্র।
কিয়েভ (Kyiv) শহরটি ইউক্রেনের রাজধানী এবং দেশটির বৃহত্তম শহর।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্পগুলোর রাজধানী হলো— রুমানিয়া (বুখারেস্ট), পোল্যান্ড (ওয়ারশ), এবং স্পেন (মাদ্রিদ)। আন্তর্জাতিক ভূগোলের এই মৌলিক তথ্যগুলো NTRCA পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
43

অ্যান্তোনিও গুতেরেস জাতিসংঘের কততম মহাসচিব?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. দশম
  4. একাদশ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• জাতিসংঘের বর্তমান ও ৯ম মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস পর্তুগালের নাগরিক।
• ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি তিনি জাতিসংঘের ৯ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
• এর পূর্বে ২০০৫ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত তিনি জাতিসংঘের শরনার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
• অ্যান্তোনিও গুতেরেস ১৯৯৫-২০০২ সময়ে পর্তুগালের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।


তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নবম (৯ম)
অ্যান্তোনিও গুতেরেস (António Guterres) ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জাতিসংঘের ৯ম মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি ইউরোপের দেশ পর্তুগালের নাগরিক।
অন্যান্য অপশনগুলি (অষ্টম, দশম, একাদশ) সঠিক নয়। অষ্টম মহাসচিব ছিলেন দক্ষিণ কোরিয়ার বান কি-মুন
44

ইংল্যান্ডের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরিস জনসন
  2. লিজ ট্রাস
  3. ঋষি সুনাক
  4. টনি ব্লেয়ার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব নেন ঋষি সুনাক। ২৫ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নেওয়ার আমন্ত্রণ জানান রাজা।
• এর পর বাকিংহ্যাম প্যালেসের ১৮৪৪ রুমে রাজা তৃতীয় চার্লসের সঙ্গে দেখা করেন ঋষি। রাজার আমন্ত্রণ গ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বগ্রহণ করেন তিনি। 
• ৪২ বছর বয়সি ঋষি যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে ৫৭তম প্রধানমন্ত্রী।
• গত দুই শতকের মধ্যে সবচেয়ে কম বয়সি প্রধানমন্ত্রীও তিনি। তা ছাড়া প্রথম সাদা চামড়াবিহীন ও প্রথম এশিয়ান-ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঋষি সুনাক।      

তথ্যসূত্র: যুগান্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন গ) ঋষি সুনাক
তিনি ২০২২ সালের ২৫ অক্টোবর যুক্তরাজ্যের ৫৭তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি কনজারভেটিভ পার্টির নেতা।
লিজ ট্রাস ছিলেন ঋষি সুনাক-এর পূর্বসূরি। তিনি মাত্র ৪৪ দিন দায়িত্ব পালনের পর পদত্যাগ করেন, যা যুক্তরাজ্যের ইতিহাসে স্বল্পতম সময়ের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব।
বরিস জনসন লিজ ট্রাস-এর পূর্বসূরি ছিলেন, যিনি কোভিড-১৯ মহামারী এবং অন্যান্য বিতর্কের কারণে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
45

গোবি মরুভূমি কোন মহাদেশে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আফ্রিকা
  2. দক্ষিণ আমেরিকা
  3. এশিয়া
  4. ইউরোপ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত একটি বিশাল মরুভূমি।
• মরুভূমিটির অবস্থান মঙ্গোলিয়া ও চীন - দুই দেশে বিস্তৃত।
• মরুভূমিটি আনুমানিক ১৩ লক্ষ (১২ লক্ষ ৯৫ হাজার) বর্গকিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট।

• বিখ্যাত কিছু মরুভূমির অবস্থান - 
- থর মরুভূমি : ভারত ও পাকিস্তান।
- গোবি মরুভূমি : চীন ও মঙ্গোলিয়া
- মোজাবে মরুভূমি : যুক্তরাষ্ট্র
- সাহারা মরুভূমি : আফ্রিকা

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো **এশিয়া**। গোবি মরুভূমি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এবং এশিয়ার সবচেয়ে বড় মরুভূমি।
এই বিশাল মরুভূমিটি মধ্য এশিয়ায় অবস্থিত এবং প্রধানত দুটি দেশের মধ্যে বিস্তৃত: **চীন** (উত্তর অংশ) ও **মঙ্গোলিয়া** (দক্ষিণ অংশ)।
এশিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি হওয়া সত্ত্বেও এটি কিন্তু উষ্ণ মরুভূমি নয়, বরং এটি পৃথিবীর অন্যতম শীতল মরুভূমি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: **আফ্রিকায়** রয়েছে পৃথিবীর বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি - **সাহারা**, এবং **দক্ষিণ আমেরিকায়** অবস্থিত বিখ্যাত **আটাকামা মরুভূমি**।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ইন্টারনেট সিস্টেম চালু হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1995
  2. 1996
  3. 1997
  4. 1998

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশের প্রথম ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৯৬ সালে।
- কম্পিউটার থেকে কমপিউটারে তথ্য আদান-প্রদানের প্রযুক্তিকে বলা হয় ইন্টারনেট।
- ইন্টারনেট পৃথিবীর বিস্তৃত একটি বৃহত্তম কম্পিউটার নেটওয়ার্ক।
- আরপানেট দিয়ে ইন্টারনেটের প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়।
- ১৯৬৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগ একটি গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দেশের চারটি বিশ্ববিদ্যালয়কে পরীক্ষামূলক কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে সংযুক্ত করে।
- এ নেটওয়ার্কের নাম আর্পানেট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৯৬ সাল। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ইন্টারনেটের ব্যবহার শুরু হয় এই সালেই।
যদিও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ১৯৯৩ সাল থেকেই পরীক্ষামূলকভাবে ইন্টারনেট প্রযুক্তির ব্যবহার করছিল, কিন্তু সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য সংযোগ উন্মুক্ত হয় ১৯৯৬ সালে।
প্রথম ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার (ISP) হিসেবে কাজ শুরু করে আইএসএন (Information Services Network)। এই তারিখটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (ICT) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের মধ্যে অন্যতম।
47

কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লৌহ
  2. ভিটামিন-সি
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ভিটামিন-এ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান (পৃষ্ঠা নং - ৯৪)



ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসের তালিকায় কচু শাক দেয়া আছে। তবে, কচু শাক লৌহেরও ভাল উৎস। সম্ভবত প্রচলিত উত্তর লৌহ। কিন্তু, লৌহ এবং ক্যালসিয়াম একসাথে দেয়া হলে সঠিক উত্তর নির্ধারণ করা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। যেহেতু, প্রধান উৎস হিসেবে জীববিজ্ঞান বইতে সরাসরি বলা আছে তাই এটাকেই উত্তর হিসেবে নেয়া হল। পাশপাশি সকল তথ্য দেয়া হল।
----------
লৌহ/আয়রনের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ফুলকপির পাতা, নটোশাক, নিম পাতা, ডুমুর, কাঁচা কলা, ভুট্টা, গম, বাদাম ইত্যাদি৷
ক্যালসিয়ামের উদ্ভিজ্জ উৎসঃ ডাল, তিল, গাজর, ফুলকপি, পালংশাক, কচুশাক, লাল শাক, বাধাকপি ইত্যাদি৷
উৎসঃ বিজ্ঞান নবম-দশম শ্রেণী
যদিও, এখানে লিস্টে নাম দেয়া হয়নি। তবে, কচু শাক লৌহের ভাল উৎস কোন সন্দেহ নেই। যাইহোক, দুইটা রেফারেন্সেরই দিক থেকে চিন্তা করলে ক্যালসিয়ামকে বাদ দেয়া যাচ্ছে না।

ব্যাখ্যা

কচুশাক (Taro leaves) হলো একটি অত্যন্ত পুষ্টিকর সবজি যা বাংলাদেশের গ্রাম এবং শহরে সহজলভ্য।
এটি সাধারণত দুটি প্রধান উপাদানের জন্য বিশেষভাবে মূল্যবান: লৌহ (Iron) এবং ক্যালসিয়াম (Calcium)
লৌহের অভাবজনিত রক্তাল্পতা দূরীকরণে কচুশাক অত্যন্ত কার্যকরী। কিন্তু নবম-দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বইয়ের রেফারেন্স অনুযায়ী, ক্যালসিয়ামের প্রধান উৎসগুলোর তালিকায় কচুশাকের নাম বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।
যেহেতু প্রশ্নটি 'বিশেষভাবে মূল্যবান' উপাদান জানতে চেয়েছে এবং রেফারেন্সে ক্যালসিয়ামকে প্রধান উৎস হিসেবে দেখানো হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে ক্যালসিয়াম
ক্যালসিয়াম মানবদেহের হাড় ও দাঁত গঠনে এবং রক্ত জমাট বাঁধতে অপরিহার্য।
48

ক্যান্সার সংক্রান্ত বিদ্যাকে বলে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টিউমারোলজি
  2. অকোলজি
  3. অঙ্কোলজি
  4. সাইটোলজি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- Oncology হল ক্যান্সার বিষয়ক বিদ্যা। 
- একজন অনকোলজিস্ট হলেন একজন ডাক্তার যিনি ক্যান্সারের চিকিৎসা করেন এবং ক্যান্সারে আক্রান্ত একজন ব্যক্তির চিকিৎসা সেবা প্রদান করেন। 
- একজন oncologist কে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞও বলা যেতে পারে।

Source.cancer.net

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অঙ্কোলজি (Oncology)। অঙ্কোলজি হলো চিকিৎসা বিজ্ঞানের সেই বিশেষ শাখা যেখানে ক্যান্সার রোগ নিয়ে গভীরভাবে গবেষণা করা হয়। এর মধ্যে ক্যান্সারের কারণ, রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা পদ্ধতি (যেমন কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি) এবং প্রতিরোধ কৌশল অন্তর্ভুক্ত।
- একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞকে বলা হয় অনকোলজিস্ট (Oncologist)
- অপশনগুলোর মধ্যে, সাইটোলজি (Cytology) হলো কোষ (Cell) সম্পর্কিত বিদ্যা বা কোষবিদ্যা।
- টিউমারোলজি (Tumorology) বলতে টিউমার (অস্বাভাবিক শারীরিক বৃদ্ধি) সংক্রান্ত আলোচনাকে বোঝালেও, ক্যান্সারের সামগ্রিক বিদ্যাকে সাধারণত অঙ্কোলজি নামেই অভিহিত করা হয়।
49

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর সদর দপ্তর অবস্থিত -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্টকহোম
  2. নাইরোবি
  3. হেগ
  4. বৈরুত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী (UNEP)
▪ UNEP - এর পূর্ণরূপ United Nations Environment Programme বা জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচী।
▪ প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি নিরাপদ ও সুন্দর পৃথিবী নির্মাণের উদ্দেশ্যে পরিবেশগত এজেন্ডা নির্ধারণ ও বাস্তবায়নে UNEP নেতৃত্ব দিয়ে যাচ্ছে।
▪ প্রতিষ্ঠাকাল: ৫ জুন, ১৯৭২ সাল।
▪ সদস্য সংখ্যা: জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩টি দেশ কর্তৃক অনুমোদিত।
সদরদপ্তর: নাইরোবি, কেনিয়া
▪ বর্তমান নির্বাহী পরিচালক: ইনগার এন্ডারসেন (ডেনমার্ক)।
 
তথ্যসূত্র: UNEP ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাইরোবি, কেনিয়াজাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এর সদর দপ্তর পূর্ব আফ্রিকার দেশ কেনিয়ার রাজধানী নাইরোবিতে অবস্থিত।
UNEP হলো জাতিসংঘের প্রথম সংস্থা, যার সদর দপ্তর গ্লোবাল সাউথের (আফ্রিকা/এশিয়া/ল্যাটিন আমেরিকা) কোনো দেশে স্থাপন করা হয়। এটি ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও UNEP-এর সদর দপ্তর নয়। যেমন, স্টকহোম (সুইডেন) হলো যেখানে ১৯৭২ সালে প্রথম জাতিসংঘ মানব পরিবেশ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। হেগ (নেদারল্যান্ডস) হলো আন্তর্জাতিক বিচারালয় (ICJ) এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (ICC) সদর দপ্তর।
50

শর্করা জাতীয় খাদ্য যে কাজে ব্যয় হয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেহের বৃদ্ধির জন্য
  2. ক্ষয়রোধের জন্য
  3. পুষ্টির অভাব পূরণে
  4. হাড় গঠনে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Carbohydrates serve as energy sources and as essential structural components in organisms; in addition, part of the structure of nucleic acids, which contain genetic information, consists of carbohydrate.

অর্থাৎ, শর্করা জাতীয় খাদ্য দেহে শক্তি যোগানো এবং জীবের অপরিহার্য কাঠামোগত উপাদান হিসেবে কাজ করে।

তাই সঠিক উত্তর হবে ক) দেহের বৃদ্ধির জন্য 

সূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

শর্করা জাতীয় খাদ্য বা কার্বোহাইড্রেট দেহে তাৎক্ষণিক শক্তি প্রদানের প্রধান উৎস। এটি দেহের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে।
তবে, শর্করা কেবল শক্তিই যোগায় না, এটি কোষের অপরিহার্য কাঠামোগত উপাদান (যেমন: নিউক্লিক অ্যাসিড, গ্লাইকোলিপিড) হিসেবেও কাজ করে।
এই কাঠামোগত ভূমিকা পালনের মাধ্যমে শর্করা পরোক্ষভাবে কোষ বিভাজন, কোষের গঠন এবং সামগ্রিকভাবে দেহের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। যদিও আমিষ (প্রোটিন) হলো দেহের প্রধান গঠনকারী খাদ্য, প্রশ্নটিতে দেওয়া বিকল্পগুলির মধ্যে শর্করার কাঠামোগত ভূমিকার নিরিখে ‘দেহের বৃদ্ধির জন্য’ বিকল্পটি সঠিক হিসাবে গণ্য হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো: ক্ষয়রোধ এবং দেহের গঠন ও মেরামত মূলত প্রোটিন (আমিষ)-এর কাজ। হাড় গঠনে প্রধানত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D প্রয়োজন হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিস্কৃত বাংলায় প্রথম সফটওয়্যার এর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইলিপ
  2. আইসাইট
  3. আইডট
  4. আইলাইট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• বাংলা বিজয় কী-বোর্ডের উদ্ভাবক হলেন- মোস্তফা জব্বার।
• দৃষ্টিহীনদের জন্য আবিষ্কৃত বাংলা প্রথম সফটওয়্যার হল- আই সাইট।

তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আইসাইট (Eye Sight)
দৃষ্টিহীন বা অন্ধদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা বাংলা প্রথম সফটওয়্যারটির নাম হলো আইসাইট। এটি মূলত একটি স্ক্রিন রিডার সফটওয়্যার, যা কম্পিউটারে থাকা বাংলা টেক্সট বা অক্ষরগুলোকে ভয়েসের মাধ্যমে (Text-to-Speech) ব্যবহারকারীকে পড়ে শোনাতে সক্ষম।
এটি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্ভাবন।
52

বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে কোন মেমোরি থেকে তথ্য চলে যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ROM
  2. Secondary storage
  3. RAM
  4. কোনটি নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে মেমরির তথ্য মুছে যায় তাকে উদ্বায়ী স্মৃতি বা ভোলাটাইল মেমরি বলে। যেমন: RAM 
• RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। 
• তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
• বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।

তথ্যসূত্র: কম্পিউটার শিক্ষা, এসএসসি প্রোগ্রাম, উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো RAM
RAM-এর পূর্ণরূপ হলো Random Access Memory। এটি হলো কম্পিউটারের উদ্বায়ী বা অস্থায়ী (Volatile) মেমোরি। এর অর্থ হলো, যতক্ষণ পর্যন্ত কম্পিউটার বিদ্যুৎ সংযোগের মাধ্যমে চালু থাকে, ততক্ষণই কেবল এটি তথ্য ধরে রাখে।
একবার বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে, RAM থেকে সঞ্চিত সকল তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে মুছে যায় বা চলে যায়।
অপরদিকে, ROM (Read Only Memory) এবং Secondary storage হলো অনুদবায়ী বা স্থায়ী (Non-Volatile) মেমোরি। বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকলেও তারা তথ্য ধরে রাখতে পারে। তাই এই অপশনগুলো ভুল।
53

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা করোনা ভাইরাসের দাপ্তরিক নাম দিয়েছে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. করোনা-১
  2. কোভিড-১৯
  3. করোনা ভাইরাস
  4. SARS-COV-1
  5. SARS-CoV-2

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অপশনে সঠিক উত্তর নেই।
• ২০১৯ সালের শেষদিকে চীন থেকে একটি প্রাণঘাতী ভাইরাস সারা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে যার নাম - করোনা ভাইরাস।
• করোনা ভাইরাসের আনুষ্ঠানিক নাম নির্ধারণ করা হয় - SARS-CoV-2 বা severe acute respiratory syndrome coronavirus 2
• বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি নির্ধারণ করে।
• ভাইরাসটির পূর্ব নাম ছিল - 2019 novel coronavirus
• এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে যে রোগটি হয় তার আনুষ্ঠানিক নাম - COVID-19

তথ্যসূত্র: WHO Website.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কোভিড-১৯
ভাইরাসটি মূলত ২০১৯ সালের নভেম্বরে বা ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়ায়, এর রোগটির নামকরণ করা হয় COVID-19
এখানে CO (Corona), VI (Virus), D (Disease) এবং 19 (2019 সাল) বোঝায়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০২০ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি এই নামটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করে।
যদিও প্রশ্নটিতে ভাইরাসের নাম জানতে চাওয়া হয়েছে, কিন্তু COVID-19 হলো ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট রোগের দাপ্তরিক নাম। পরীক্ষার ক্ষেত্রে, WHO কর্তৃক নির্ধারিত এই রোগের নামটিই সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়, যখন ভাইরাসের প্রকৃত নাম (SARS-CoV-2) অপশনে অনুপস্থিত থাকে।
54

কোন হরমোনের অভাবে গলগন্ড রোগের সৃষ্টি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. থাইরক্সিন
  2. ইনিসুলিন
  3. গ্লুকাগন
  4. করটিসোল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি হলে গলগণ্ড হতে পারে। 
- থাইরয়েড গ্রন্থি থাইরক্সিন (thyroxine - T4) এবং ট্রাই-আয়োডোথাইরোনিন(triiodothyronine -T3) নামক হরমোন তৈরি করে, যা বিপাক এবং শক্তি উৎপাদন সহ - অনেক শারীরিক ক্রিয়াকলাপে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
- গলগন্ড প্রায়শই থাইরয়েড হরমোনের অত্যধিক বা কম উৎপাদনের কারণে থাকে ।

উৎস : www.moh.gov.sa

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: থাইরক্সিন
গলগণ্ড (Goitre) রোগটি সাধারণত থাইরয়েড গ্রন্থির স্ফীতির কারণে হয়ে থাকে। থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত প্রধান হরমোন হলো থাইরক্সিন (Thyroxine)
এই হরমোন উৎপাদন এবং বিপাক নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। থাইরক্সিন উৎপাদনের জন্য আয়োডিন অত্যাবশ্যক।
শরীরে আয়োডিনের বা থাইরক্সিনের ঘাটতি দেখা দিলে থাইরয়েড গ্রন্থি এই ঘাটতি পূরণের চেষ্টায় অতিরিক্ত ফুলে যায়, যার ফলে গলগণ্ড রোগের সৃষ্টি হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন রোগের সঙ্গে জড়িত: ইনসুলিন-এর অভাবে ডায়াবেটিস (Diabetes) হয়। গ্লুকাগন রক্তে শর্করা বাড়াতে সাহায্য করে এবং করটিসোল একটি স্ট্রেস হরমোন যা অ্যাডরেনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়।
55

GIS - এর পূর্ণরুপ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Geographic Information System
  2. Geographical Information System
  3. Geographic Integrated System
  4. Geological Integrated System

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

• GIS হচ্ছে এমন এক ব্যবস্থা যা ভৌগোলিক বা পারিসরিক তথ্য সমন্বয়, সংরক্ষণ, সম্পাদনা, বিশ্লেষণ এবং বিভিন্নভাবে তা উপস্থাপন করার কাজ করে থাকে।
• রোজার টমলিনসন সর্বপ্রথম ১৯৬৩ সালে Geographic Information System ডেভেলপ করা শুরু করেন।
• এইজন্য রোজার টমলিনসনকে GIS ব্যবস্থার জনক বলা হয়।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) Geographic Information System
GIS হলো একটি কম্পিউটারাইজড ব্যবস্থা যা ভৌগোলিক তথ্য (যেমন পৃথিবীর উপরিতলের বিভিন্ন স্থান, বৈশিষ্ট্য ও ঘটনা) সংগ্রহ, সংরক্ষণ, বিশ্লেষণ, নিয়ন্ত্রণ ও উপস্থাপন করতে পারে।
এটি সাধারণত পরিবেশগত পর্যবেক্ষণ, নগর পরিকল্পনা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা, দুর্যোগ মোকাবিলা এবং সামরিক কার্যক্রমের জন্য অপরিহার্য।
56

স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করে কত জন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বঙ্গবন্ধু সরকার মোট চারটি বীরত্বসূচক সামরিক খেতাব প্রদান করেন। খেতাবপ্রাপ্তদের মোট সংখ্যা ছিল ৬৭৬ জন
এই খেতাবগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন (চতুর্থ সর্বোচ্চ) খেতাব হলো 'বীরপ্রতীক'।
খেতাবপ্রাপ্তদের বিভাজন হলো: বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন), বীরউত্তম (৬৮ জন), বীরবিক্রম (১৭৫ জন) এবং বীরপ্রতীক (৪২৬ জন)।
সুতরাং, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য প্রাথমিকভাবে ৪২৬ জন 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করেন।
অন্য অপশনগুলো হলো: ৭ জন (বীরশ্রেষ্ঠ), ৬৮ জন (বীরউত্তম) এবং ১৭৫ জন (বীরবিক্রম) - যা ভিন্ন খেতাবের সংখ্যা।
57

বাংলাদেশের বৃহত্তম উপজেলা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্যামনগর
  2. ঘাটাইল
  3. সাভার
  4. বরকল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিভিন্ন সরকারি ওয়েবসাইটে বাগাইছড়ি ও শ্যামনগর উভয়কে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা হিসেবে দেখানো হয়েছে। 
 
রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- বাঘাইছড়ি উপজেলা বাংলাদেশের পূর্ব দক্ষিণাংশের সর্ব উত্তরে সীমান্তবর্তী একটি উপজেলা। 
- রাঙামাটি জেলা সদর হতে এর দূরত্ব ১৪৬কি.মি.। 
- এটি আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা, যার আয়তন ৭০৩ বর্গমাইল। 
- এ উপজেলার উত্তরে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য, পূর্বে মিজোরাম রাজ্য, পশ্চিমে খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলা, দক্ষিণে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলা।
 
========================== 
 
অপরদিকে, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইটের তথ্যানুসারে,
- শ্যামনগর উপজেলাটি বঙ্গোপসাগর তীরবর্তী সুন্দরবন সংলগ্ন সাতক্ষীরা জেলার অধীন একটি উপজেলা। 
- এর আয়তন ৪৮৩.১১ বর্গ কিঃমিঃ বা ১৮৬.৫২ বর্গমাইল (সুন্দরবন সহ ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিঃমিঃ বা ৭৫৯.৯৪ বর্গ মাইল )।
- আবার সুন্দরবনকে যুক্ত করলে শ্যামনগর উপজেলাটি ১৯৬৮.২৪ বর্গ কিলোমিটার আয়তন বিশিষ্ট, যার মূল ভূখন্ড ৪৮৩.১১ বর্গ কিলোমিটার এবং সুন্দরবন ১৪৮৫.১৩ বর্গ কিলোমিটার।
 
অর্থাৎ, মূল ভূখণ্ডের ভিত্তিতে বাঘাইছড়ি হলো সর্ববৃহৎ উপজেলা। 
অপশনে যদি বাঘাইছড়ি ও শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে বাঘাইছড়ি। আর যদি অপশনে শুধু শ্যামনগর থাকে, তবে সঠিক উত্তর হবে শ্যামনগর। 
 
উৎস: রাঙামাটি জেলা ওয়েবসাইট, সাতক্ষীরা জেলা ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ উপজেলা হলো রাঙামাটি জেলার বাঘাইছড়ি। এর আয়তন প্রায় ৭০৩ বর্গমাইল
তবে, এই প্রশ্নটি বেশ বিতর্কিত কারণ অনেক পুরোনো প্রশ্নপত্রে বাঘাইছড়ি অপশনে না থাকলে সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর-কে সর্ববৃহৎ হিসেবে ধরা হয়।
শ্যামনগর উপজেলার মূল ভূখণ্ডের আয়তন কম হলেও, সুন্দরবনের অংশ (প্রায় ১৪৮৫ বর্গ কিলোমিটার) যুক্ত করলে এর মোট আয়তন দাঁড়ায় ১৯৬৮ বর্গ কিলোমিটার (প্রায় ৭৫৯ বর্গমাইল)।
সাধারণত, মূল ভূখণ্ডের ভিত্তিতে বাঘাইছড়িই হলো সর্ববৃহৎ উপজেলা। কিন্তু যেহেতু অপশনে বাঘাইছড়ি নেই এবং পরীক্ষক সুন্দরবনসহ আয়তন বিবেচনা করেছেন, তাই সঠিক উত্তর হবে শ্যামনগর
58

বাংলাদেশের কোন জেলা দুই দেশের সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খাগড়াছড়ি
  2. বান্দরবান
  3. রাঙামাটি
  4. কুমিল্লা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা মোট ৩২টি। তার মধ্যে -
- ভারতের সাথে ৩০টি জেলার এবং
- মিয়ানমারের সাথে ৩টি (কক্সবাজার, রাঙ্গামাটি ও বান্দরবান) জেলার সীমান্ত রয়েছে।
- রাঙ্গামাটি একমাত্র জেলা যার সাথে ভারত ও মিয়ানমার উভয় দেশের সীমান্ত রয়েছে।

তথ্যসূত্র:- জাতীয় তথ্য বাতায়ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙামাটি
রাঙামাটি বাংলাদেশের একমাত্র জেলা, যা একইসাথে দুইটি প্রতিবেশী দেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দ্বারা বেষ্টিত।
এই জেলাটি পূর্বে মিয়ানমারের (চিন রাজ্য) এবং উত্তর-পূর্বে ভারতের (ত্রিপুরা ও মিজোরাম রাজ্য) সাথে সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।
যদিও বান্দরবান জেলাও ভারত ও মিয়ানমার—উভয় দেশের সীমান্ত স্পর্শ করে, কিন্তু ঐতিহাসিকভাবে এবং অধিকাংশ চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নে রাঙ্গামাটিকেই এই ধরনের প্রশ্নের একমাত্র উত্তর হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
59

বাংলার প্রাচীন স্থান মহাস্থানগড় এর অবস্থান কোথায় ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুন্সিগঞ্জে
  2. কুমিল্লায়
  3. বগুড়ায়
  4. ফরিদপুরে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রবর্ধন অন্যতম।
- এ জনপেদর রাজধানী ছিলো বর্তমান বগুড়া জেলায় অবস্থিত পুন্ড্রনগর বা মহাস্থানগড়
- পরবর্তীতে মৌর্য এবং গুপ্ত শাসনামলেও বাংলার রাজধানী ছিলো পুন্ড্রনগর।
- বাংলার প্রাচীন জনপদগুলোর মধ্যে পুন্ড্রনগর ছিলো সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং এখানে প্রাপ্ত শিললিপি বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরনো বলে স্বীকৃত।

সূত্রঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বগুড়ায় (অপশন ৩)।
মহাস্থানগড় হলো বাংলার প্রাচীনতম জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম পুন্ড্রবর্ধন-এর রাজধানী।
প্রাচীনকালে এর নাম ছিল পুন্ড্রনগর। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
এখানে প্রাপ্ত প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনগুলো খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতাব্দী পর্যন্ত প্রাচীন বলে ধারণা করা হয়, যা বাংলার প্রাচীন ইতিহাস বুঝতে সাহায্য করে।
60

SMOG হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিগারেটের ধোঁয়া
  2. কুয়াশা
  3. কালধোঁয়া
  4. দূষিত বাতাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

SMOG হচ্ছে এক ধরণের দূষিত বাতাস। 

- ধোঁয়া ও কুয়াশা মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- ‘SMOG’ শব্দটি SMOKE ও FOG শব্দ দুটো থেকে এসেছে।
- মোটরগাড়ি, কলকারখানার ধোঁয়া, কলকারখানার বর্জ্য, ধূলিকণা ইত্যাদি মিলে SMOG সৃষ্টি হয়।
- SMOG অবস্থায় বেশিক্ষণ বিরাজ করলে ফুসফুসে সমস্যা দেখা দেয়।
- এই ধোঁয়ায় অবস্থিত বিভিন্ন গ্যাস বৃষ্টির পানির সাথে মিশে এসিড বৃষ্টি ঘটায় এবং মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি করে। মাটির অম্লত্ব বৃদ্ধি পেলে তাতে উদ্ভিদ সহজে জন্মে না।
- SMOG শ্বাস-প্রশ্বাসের সাথে ফুসফুসে প্রবেশ করে এবং মানবদেহে ক্যান্সার, হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস প্রভৃতি মারাত্মক রোগ সৃষ্টি করে।

সূত্র- National Geographic Society [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দূষিত বাতাস
SMOG শব্দটি মূলত দুটি ইংরেজি শব্দ— SMOKE (ধোঁয়া) এবং FOG (কুয়াশা) —এর সমন্বয়ে গঠিত।
শিল্পাঞ্চল বা মোটরগাড়ি অধ্যুষিত অঞ্চলে যখন কুয়াশার সঙ্গে গাড়ির ধোঁয়া, কারখানার বর্জ্য ও অন্যান্য রাসায়নিক উপাদান মিশে গিয়ে মারাত্মক বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে, তখন তাকে SMOG বা ধোঁয়াশা বলা হয়।
এই দূষিত বাতাস স্বাস্থ্যের জন্য চরম ক্ষতিকর এবং ফুসফুসের রোগ, যেমন হাঁপানিব্রঙ্কাইটিস সৃষ্টি করে।
61

রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খাদ্য পরিবহন করা
  2. হরমোন বহন করা
  3. রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা
  4. অক্সিজেন পরিবহন করা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রক্তে হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন পরিবহণে সাহায্য করে। 

- হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ ফুসফুস থেকে অক্সিজেন নিয়ে তা শরীরের বিভিন্ন কোষে ছড়িয়ে দেয়া।
- এর ফলে জীবিত কোষগুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে।
- এছাড়া হিমোগ্লোবিন কোষ থেকে কার্বন ডাই-অক্সাইড বের করে দেয়। 
- হিমোগ্লোবিন বর্ণহীন রক্তকে লাল করে থাকে।

সূত্র- National Library of Medicine Website [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: অক্সিজেন পরিবহন করা
হিমোগ্লোবিন হলো রক্তের লোহিত কণিকায় (Red Blood Cells) অবস্থিত একটি আয়রনযুক্ত প্রোটিন। এই প্রোটিনটিই রক্তের লাল রঙের জন্য দায়ী।
এর প্রধান কাজ হলো ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে তা শরীরের প্রতিটি কোষে পৌঁছে দেওয়া। সেখানে অক্সিজেন ব্যবহার হওয়ার পর হিমোগ্লোবিন কার্বন ডাই-অক্সাইড কোষ থেকে গ্রহণ করে পুনরায় ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে।
অন্যান্য ভুল অপশনগুলি হলো:
খাদ্য পরিবহন: এটি মূলত রক্তরসের (Plasma) কাজ।
হরমোন বহন: এটিও রক্তরসের মাধ্যমে সম্পন্ন হয়।
রক্ত জমাট বাঁধা: এটি মূলত প্লেটলেটস (Platelets) এবং ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিনের কাজ।
62

সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' দেশের নাম পাওয়া যায় যে গ্রন্থে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইন-ই-আকবরী
  2. বাঙালির ইতিহাস
  3. ঐতরেয় আরণ্যক
  4. রঘুবংশ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- আবুল ফজল রচিত 'আকবরনামা' গ্রন্থের শেষ খন্ড "আইন-ই-আকবরী"তে দেশবাচক শব্দ হিসাবে প্রথম 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায়।
- জাতি বা উপজাতি অর্থে 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ পাওয়া যায় প্রথম ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে।
- মহাকবি কালিদাসের "রঘুবংশ" কাব্যে বঙ্গের অবস্থান ও সীমানা সম্পর্কে বলা হয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্ব পরিচয় এবং বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইন-ই-আকবরী
ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, মুঘল সম্রাট আকবরের সভাকবি আবুল ফজল রচিত বিখ্যাত গ্রন্থ 'আকবরনামা'-র শেষ খণ্ড হলো আইন-ই-আকবরী
এই গ্রন্থেই দেশবাচক শব্দ হিসেবে সর্বপ্রথম 'বঙ্গ' শব্দের ব্যবহার লক্ষ্য করা যায়, যা আধুনিক বাংলা অঞ্চলের ইতিহাসের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ঐতরেয় আরণ্যক গ্রন্থে 'বঙ্গ' শব্দের উল্লেখ থাকলেও, সেখানে এটি শুধু একটি জাতি বা উপজাতি অর্থে ব্যবহৃত হয়েছিল, দেশ বা অঞ্চল অর্থে নয়।
63

চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাংগ্রেন
  2. বিজু
  3. তনচংগা
  4. নও উৎসব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

-চাকমাদের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানকে বলা হয়  বিজু উৎসব। এ উৎসব বাংলা সনের শেষ মাস চৈত্রে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
- বাংলা বছরের শেষ দুই দিন ও নববর্ষের প্রথম দিন বিজু পালন করা হয়। 
- চাকমা  বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী জনগোষ্ঠী। তারা নিজেদেরকে চাঙমা বলে।
- পার্বত্য চট্টগ্রামের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলেই তাদের প্রধান বসতি।
- চাকমারই বাংলাদেশের বৃহত্তম বৌদ্ধ জনগোষ্ঠী। 

সূত্র: বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

চাকমা জনগোষ্ঠী পার্বত্য চট্টগ্রামে বসবাসকারী বাংলাদেশের বৃহত্তম আদিবাসী সম্প্রদায়।
তাদের বর্ষবরণ উৎসব বিজু নামে পরিচিত।
এ উৎসবটি বাংলা বছরের শেষ দুই দিন (চৈত্র মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ) এবং নববর্ষের প্রথম দিন (পহেলা বৈশাখ) —মোট তিন দিন ধরে পালিত হয়।
সাংগ্রেন হলো মারমা (Marma) এবং রাখাইন (Rakhain) সম্প্রদায়ের বর্ষবরণ উৎসব। তাই এটি ভুল উত্তর।
বিজু উৎসবের তিন দিনের ভিন্ন ভিন্ন নাম রয়েছে: প্রথম দিন ফুল বিজু, দ্বিতীয় দিন মূল বিজু এবং তৃতীয় দিন গজ্যাপজ্যা দিন
64

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা কত নম্বর সেক্টরের অধীন ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ নং সেক্টর
  2. ৩ নং সেক্টর
  3. ২ নং সেক্টর
  4. ১০ নং সেক্টর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর
- মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে-১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিলো।
- নৌ-বাহিনীর অধীনে ছিল-১০ নং সেক্টর (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর)
-১০ নং সেক্টরে কোনো সেক্টর কমান্ডার ছিল না

- চট্টগ্রাম-১নং সেক্টর
- ঢাকা-২ নং সেক্টর
- রাজশাহী-৭ নং সেক্টর
- মুজিব নগর-৮ নং সেক্টর
- সুন্দরবন-৯ নং সেক্টর

সূত্র: ঢাকা বিভাগের ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২ নং সেক্টর
- মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকা এবং ঢাকা জেলার কিছু অংশ, কুমিল্লা ও ফরিদপুর জেলার অংশবিশেষ নিয়ে ২ নং সেক্টর গঠিত হয়েছিল।
- এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন প্রথমে মেজর খালেদ মোশাররফ এবং পরে মেজর এ.টি.এম. হায়দার
- অন্যদিকে, ১ নং সেক্টরের অধীনে ছিল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য চট্টগ্রাম। ৩ নং সেক্টরের অধীনে ছিল ব্রাহ্মণবাড়িয়া, হবিগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ জেলার অংশবিশেষ। আর ১০ নং সেক্টর ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য (সকল নদী ও বঙ্গোপসাগর), যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল না।
65

জাপানের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাইকা
  2. ডিএফআইডি
  3. ডানিডা
  4. ওসিডি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন-সহযোগী হলো জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন এজেন্সি (জাইকা)
- আর উন্নয়ন-সহযোগীদের মধ্যে অন্যতম বিশ্বস্ত বন্ধু হলো জাইকা।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জাপান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
- ২০২২ সালে বাংলাদেশ-জাপান সম্পর্কের ৫০ বছর হয়।

সূত্র:  JICA & Japan Embassy in Bangladesh

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জাইকা (JICA)
JICA এর পূর্ণরূপ হলো Japan International Cooperation Agency। জাপান এই সংস্থার মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে (যেমন বাংলাদেশ) অবকাঠামোগত উন্নয়ন, কারিগরি সহায়তা এবং মানবসম্পদ উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা প্রদান করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন দেশের বা ভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার নাম:
ডিএফআইডি (DFID): এটি ছিল যুক্তরাজ্যের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা (বর্তমানে FCDO এর অংশ)।
ডানিডা (DANIDA): এটি ডেনমার্কের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা।
ওসিডি (OECD): এটি মূলত অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও উন্নয়ন সংস্থা, যা কোনো একক দেশের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা নয়।
66

বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানিকগঞ্জ
  2. রংপুর
  3. ঢাকা
  4. পাবনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢাকা অবস্থিত।
- বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান।
- ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো’র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
- বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালে এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই)।

- পাটের অঞ্চল ভিত্তিক কৃষি গবেষণার জন্য মানিকগঞ্জে পাটের কেন্দ্রীয় কৃষি পরীক্ষণ স্টেশন।
- রংপুর, ফরিদপুর, কিশোরগঞ্জ ও চান্দিনায় (কুমিল্লা) চারটি আঞ্চলিক পাট গবেষণা কেন্দ্র।
- তারাবো (নারায়নগঞ্জ), মনিরামপুর (যশোর) ও কলাপাড়ায় (পটুয়াখালী) তিনটি পাট গবেষণা উপকেন্দ্র।
-  নশিপুরে (দিনাজপুর) একটি পাট বীজ উৎপাদন ও গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে।

সূত্র: বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ঢাকা। বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Jute Research Institute - BJRI)-এর প্রধান কার্যালয় ঢাকায় অবস্থিত।
এটি দেশের অন্যতম প্রাচীন গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ইংরেজ শাসন আমলে ১৯০৪ সালে স্যার আর.এস. ফিনলো’র নেতৃত্বে ঢাকায় প্রথম পাটের গবেষণা শুরু হয়।
বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৪ সালের এ্যাক্টের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিজেআরআই) হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
বিকল্প স্থানগুলো যেমন মানিকগঞ্জ, রংপুর, পাবনা ইত্যাদিতে পাটের কেন্দ্রীয় বা আঞ্চলিক কৃষি পরীক্ষণ স্টেশন এবং উপকেন্দ্র রয়েছে, কিন্তু মূল ইনস্টিটিউটটি ঢাকায় অবস্থিত।
67

SPARRSO কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিল্প মন্ত্রণালয়
  2. শিক্ষা মন্ত্রণালয়
  3. পরিবেশ মন্ত্রণালয়
  4. প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো) প্রযুক্তি ভিত্তিক বহুমাত্রিক গবেষণা ও প্রয়োগ বিষয়ে একটি সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠান।
- ১৯৮০ সালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিভাগের অধীন স্পারসো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠানটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন স্থানান্তর করা হয়।
- ১৯৯১ সালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের ২৯ নম্বর আইন দ্বারা স্পারসোকে সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হয়।
- ১৯৯৫ সালে গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশে ও বিদেশে মহাকাশ সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য স্পারসোকে “ন্যাশনাল ফোকাল পয়েন্ট” নির্ধারণ করা হয়।
 - সাভারে অবস্থিত ১ টি আঞ্চলিক দূর অনুধাবন কেন্দ্রের (RRSC) সমন্বয়ে স্পারসোর কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

সূত্র: বাংলাদেশ  মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান (স্পারসো)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়
SPARRSO (বাংলাদেশ মহাকাশ গবেষণা ও দূর অনুধাবন প্রতিষ্ঠান) হলো বাংলাদেশের মহাকাশ গবেষণা সংক্রান্ত প্রধান সংস্থা।
এটি ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও, ১৯৮৫ সালে এটিকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Defence) অধীনে স্থানান্তর করা হয়। মহাকাশ গবেষণা এবং দূর অনুধাবন কার্যক্রম দেশের নিরাপত্তা ও কৌশলগত তথ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ।
অন্যান্য বিকল্প—শিল্প, শিক্ষা, বা পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের সাথে SPARRSO-এর সরাসরি প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ যুক্ত নয়।
68

NATO কোন ধরনের জোট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থনৈতিক
  2. পরিবেশগত
  3. রাজনৈতিক
  4. সামরিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ন্যাটো হলো বিশ্বের অন্যতম  শক্তিশালী ও বড় সামরিক জোট
- পুরো নাম নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন।
- সদস্য হলো ৩০টি দেশ।
- ২০২০ সালে সর্বশেষ দেশ হিসেবে ন্যাটোতে যোগ দেয় নর্থ ম্যাসোডোনিয়া । 
- ১৯৪৯ সালে মাত্র ১২টি দেশ নিয়ে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়।
- প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিল যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, বেলজিয়াম, কানাডা, ডেনমার্ক, ফ্রান্স, আইসল্যান্ড, ইতালি, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও পর্তুগাল।
- প্রাথমিক উদ্দেশ্য হলো সকল সদস্যকে রাজনৈতিক ও সামরিক দিক দিয়ে সহায়তা করা এবং নিরাপত্তার বিষয়টি দেখা। 
- ন্যাটো  প্রতিষ্ঠিত হওয়ার মূল লক্ষ্য বর্তমান রাশিয়া ও সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নকে প্রতিহত করতে। 

-  ১৯৯২ সালের বসনিয়া যুদ্ধের মাধ্যমে ন্যাটো প্রথম কোনো সামরিক অভিযানে অংশ নেয়।
- ১৯৯৯ সালে কসোভো যুদ্ধে বিমান বাহিনীর মাধ্যমে দ্বিতীয় অভিযানে নামে তারা।
- আর তৃতীয় অভিযান শুরু করে ২০০১ সালে আফগানিস্তানে। 

সূত্র: North Atlantic Treaty Organization

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সামরিক
NATO-এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization (নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন)। এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী একটি সামরিক জোট
ন্যাটোর প্রধান উদ্দেশ্য হলো সম্মিলিত প্রতিরক্ষা (Collective Defence) প্রদান করা। এর মানে হলো, জোটভুক্ত কোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে, তা সকল সদস্যের ওপর আক্রমণ বলে গণ্য হবে। এই নীতিটি আর্টিকেল ৫-এ বর্ণিত আছে।
যদিও ন্যাটো রাজনৈতিক পরামর্শ ও সহযোগিতার প্ল্যাটফর্ম হিসেবেও কাজ করে, এর মূল ভিত্তি এবং পরিচালনা পদ্ধতি সম্পূর্ণ সামরিক প্রকৃতির, যা সদস্য দেশগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করে।
অন্যান্য অপশন যেমন 'অর্থনৈতিক' (যেমন EU) বা 'পরিবেশগত' (যেমন UNEP) এর সাথে ন্যাটোর প্রাথমিক উদ্দেশ্য মেলে না।
69

ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার সীমানা চিহ্নিত লাইন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডুরান্ড লাইন
  2. র‍্যাডক্লিফ লাইন
  3. এলওসি
  4. ম্যাজিনো লাইন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

'ডুরান্ড লাইন' স্যার হেনরি মার্টিমার ডুরান্ড কর্তৃক ১৮৯৬ সালে তৎকালীন ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত সীমারেখা। ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এটি পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখা।

অন্যদিকে,
- লাইন অব কন্ট্রোল (এলওসি) বা নিয়ন্ত্রণ রেখা  ভারত ও পাকিস্তানের সীমান্ত বিভক্তকারী রেখা।
- ম্যাজিনো লাইন ফ্রান্সের সাথে জার্মানিকে বিভক্তকারী  সীমারেখা।
- ভারত-চীনের সীমানা চিহ্নিতকরণ রেখার নাম ম্যাকমোহন লাইন।

উৎস : ব্রিটানিকা 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডুরান্ড লাইন। এই সীমারেখাটি স্যার হেনরি মার্টিমার ডুরান্ড কর্তৃক ১৮৯৬ সালে তৎকালীন ব্রিটিশ ভারত এবং আফগানিস্তানের মধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
বর্তমানে এটি পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে সীমান্ত রেখা হিসেবে পরিচিত। প্রশ্নটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে 'ভারত ও আফগানিস্তানের মধ্যকার' উল্লেখ করায়, ডুরান্ড লাইনই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য সীমারেখা:
- র‍্যাডক্লিফ লাইন: ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার সীমানা রেখা। এটি ১৯৪৭ সালে স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ কর্তৃক চিহ্নিত হয়।
- এলওসি (লাইন অব কন্ট্রোল): কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা।
- ম্যাজিনো লাইন: ফ্রান্স ও জার্মানির মধ্যকার প্রতিরক্ষা সীমারেখা।
70

বাংলাদেশ স্কয়ার' কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাইবেরিয়া
  2. কঙ্গো
  3. সোমালিয়া
  4. সুদান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- 'বাংলাদেশ স্কয়ার' লাইবেরিয়ায় অবস্থিত।
- এটি একটি শিক্ষা এবং বিনোদন কেন্দ্র। এখানে বৃত্তিমূলক কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র আছে, বাচ্চাদের জন্য আছে খেলার মাঠ।

উৎস : United Nations Office for the Coordination of Humanitarian Affairs

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লাইবেরিয়া। আফ্রিকান রাষ্ট্র লাইবেরিয়ার রাজধানী মনরোভিয়ার টেম্পল অফ জাস্টিস-এর কাছেই এই ‘বাংলাদেশ স্কয়ার’ অবস্থিত।
এটি মূলত একটি শিক্ষা, বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ এবং বিনোদন কেন্দ্র, যা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন (UNMIL)-এ কর্মরত বাংলাদেশের সৈন্যদের প্রচেষ্টায় এবং পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকারের অর্থায়নে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটি লাইবেরিয়ার দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের পর দেশটির পুনর্গঠনে বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ অবদানের প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
71

বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ জুলাই
  2. ৫ জুন
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর
  4. ১২ এপ্রিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ৫ জুন বিশ্ব পরিবেশ দিবস।
- ২০২২ সালের প্রতিপাদ্য হচ্ছে, একটাই পৃথিবী #OnlyOneEarth।

Source: United Nations ও worldenvironmentday.global

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫ জুন। প্রতি বছর ৫ জুন সারা বিশ্বে বিশ্ব পরিবেশ দিবস (World Environment Day) পালিত হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ ১৯৭২ সালে সুইডেনের স্টকহোমে অনুষ্ঠিত প্রথম মানব পরিবেশ সম্মেলনের মাধ্যমে এই দিনটিকে বিশ্ব পরিবেশ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।
প্রথম বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হয় ১৯৭৪ সালে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো বৈশ্বিক পরিবেশ সুরক্ষার জন্য গণসচেতনতা সৃষ্টি করা।
অন্যান্য তারিখগুলো (১০ জুলাই, ২৪ সেপ্টেম্বর, ১২ এপ্রিল) পরিবেশ দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়, বরং এগুলি পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়েছে।
72

সংবিধানের ১৫ অনুচ্ছেদের বিষয়বস্তু কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা
  2. সুযোগের সমতা
  3. জাতীয় সংস্কৃতি
  4. মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অনুচ্ছেদ ১৫: মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা
রাষ্ট্রের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হইবে পরিকল্পিত অর্থনৈতিক বিকাশের মাধ্যমে উৎপাদনশক্তির ক্রমবৃদ্ধিসাধন এবং জনগণের জীবনযাত্রার বস্তুগত ও সংস্কৃতিগত মানের দৃঢ় উন্নতিসাধন, যাহাতে নাগরিকদের জন্য নিম্নলিখিত বিষয়সমূহ অর্জন নিশ্চিত করা যায়: 
(ক) অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসহ জীবনধারণের মৌলিক উপকরণের ব্যবস্থা; 
(খ) কর্মের অধিকার, অর্থাৎ কর্মের গুণ ও পরিমাণ বিবেচনা করিয়া যুক্তিসঙ্গত মজুরীর বিনিময়ে কর্মসংস্থানের নিশ্চয়তার অধিকার; 
(গ) যুক্তিসঙ্গত বিশ্রাম, বিনোদন ও অবকাশের অধিকার; এবং 
(ঘ) সামাজিক নিরাপত্তার অধিকার, অর্থাৎ বেকারত্ব, ব্যাধি বা পঙ্গুত্বজনিত কিংবা বৈধব্য, মাতাপিতৃহীনতা বা বার্ধক্যজনিত কিংবা অনুরূপ অন্যান্য পরিস্থিতিজনিত আয়ত্তাতীত কারণে অভাবগ্রস্ততার ক্ষেত্রে সরকারী সাহায্যলাভের অধিকার৷

উৎস : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

ব্যাখ্যা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগের রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিতে ১৫ থেকে ২৩ অনুচ্ছেদগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সঠিক উত্তরটি হলো মৌলিক প্রয়োজনের ব্যবস্থা (Option 3)। এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র নাগরিকদের জন্য অন্ন, বস্ত্র, আশ্রয়, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক উপকরণগুলির ব্যবস্থা নিশ্চিত করবে।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলো হলো:
অনুচ্ছেদ ১৮: জনস্বাস্থ্য ও নৈতিকতা (অপশন ০)।
অনুচ্ছেদ ১৯: সুযোগের সমতা (অপশন ১)।
অনুচ্ছেদ ২৩: জাতীয় সংস্কৃতি (অপশন ২)।
73

বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম কবে প্রথম শুরু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ২০০১ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- দেশের বয়োজ্যেষ্ঠ দুস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম অথবা উপার্জনে অক্ষম বয়স্ক জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা বিধানে ও পরিবার ও সমাজে মর্যাদা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে  ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন  করা হয়। 
-  ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৫৭ লক্ষ ০১ হাজার বয়স্ক ব্যক্তিকে জনপ্রতি মাসিক ৫০০ টাকা হারে ভাতা প্রদান করা হবে।
- চলতি ২০২২-২৩ অর্থ বছরে এ খাতে বরাদ্দ রয়েছে ৩৪৪৪.৫৪ কোটি টাকা। 

সূত্র: সমাজসেবা অধিদফতর, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৮ সালে
বাংলাদেশে বয়স্ক ভাতা কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৭-৯৮ অর্থ বছরে প্রবর্তন করা হয়। যেহেতু এই কর্মসূচির বাস্তবায়ন ১৯৯৮ সালে শুরু হয়, তাই প্রশ্নে বছর হিসেবে ১৯৯৮ গ্রহণ করা হয়।
এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশের প্রবীণ, দুঃস্থ ও স্বল্প উপার্জনক্ষম বয়োজ্যেষ্ঠ জনগোষ্ঠীর সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং পরিবার ও সমাজে তাদের মর্যাদা বৃদ্ধি করা।
74

বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা কবে প্রণীত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১১ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১৩ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ২০১১ সালের ৩১ মে তারিখে যে জাতীয় স্বাস্থ্যনীতিটি জাতীয় সংসদে অনুমোদিত হয়।
- ১৯৮২ সালের জাতীয় ওষুধনীতি প্রনয়ণ হয়েছিল।
- ওষুধনীতির মতো ১৯৯০ সালের প্রস্তাবিত প্রথম জাতীয় স্বাস্থ্যনীতির প্রাণপুরুষও ছিলেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। 

সূত্র: স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০১১ সালে
বাংলাদেশের জাতীয় স্বাস্থ্য নীতিমালা (National Health Policy) ২০১১ সালের ৩১ মে তারিখে জাতীয় সংসদে অনুমোদিত ও প্রণীত হয়। এটি স্বাস্থ্য খাতে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
এই নীতিমালায় দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা, পুষ্টি, এবং রোগ প্রতিরোধের উপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
বাকি অপশনগুলি (২০১০, ২০১২, ২০১৩) এই নির্দিষ্ট নীতিমালার প্রণয়নের তারিখ নয়।
75

Seven Sisters' কোন দেশে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. পাকিস্তান
  3. মিয়ানমার
  4. ভুটান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সাতটি রাজ্য আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, অরুণাচল, মণিপুর, নাগাল্যান্ড ও মিজোরাম।
- এই সাত রাজ্যকে বলা হয় সাত বোন।
- ১৯৭২ সালে ত্রিপুরার সাংবাদিক জ্যোতিপ্রকাশ সাইকিয়া প্রথম রেডিওতে ‘সেভেন সিস্টার’ বা সাত বোন কথাটি বলেন।
- এরপর তিনি একটি বইও লেখেন ল্যান্ড অব সেভেন সিস্টারস নামে। সেই থেকে উত্তর-পূর্বাঞ্চল হয়ে গেল সাত বোন।
- ভারতের সেভেন সিস্টারস খ্যাত রাজ্যগুলাের মধ্যে বাংলাদেশের সীমান্ত সংলগ্ন নয় মণিপুর, নাগাল্যান্ড এবং অরুণাচল রাজ্য।

সূত্র:  ওয়ার্ল্ড এটলাস ও প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত (Option 0)
সেভেন সিস্টার্স (Seven Sisters) হলো ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত সাতটি রাজ্যকে একত্রে দেওয়া একটি ভৌগোলিক উপাধি। এই সাতটি রাজ্য ভারতের মূল ভূখণ্ডের সাথে শুধুমাত্র একটি সরু করিডর (শিলিগুড়ি করিডর) দ্বারা সংযুক্ত।
এই সাতটি রাজ্য হলো: ১. আসাম (Assam), ২. মেঘালয় (Meghalaya), ৩. ত্রিপুরা (Tripura), ৪. অরুণাচল প্রদেশ (Arunachal Pradesh), ৫. মণিপুর (Manipur), ৬. নাগাল্যান্ড (Nagaland), এবং ৭. মিজোরাম (Mizoram)
অন্যান্য বিকল্প: পাকিস্তান, মিয়ানমার এবং ভুটান ভারতের প্রতিবেশী দেশ হলেও সেভেন সিস্টার্স এই দেশগুলোর অংশ নয়।
76

আগরতলা মামলা প্রত্যাহার করা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
  2. ২০ মার্চ, ১৯৬৯
  3. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭০
  4. ৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৮

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- গণআন্দোলনের মুখে শেষ পর্যন্ত আইয়ুব সরকার ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয় এবং শেখ মুজিবসহ সকল বন্দিকে নিঃশর্ত মুক্তি দেয়া হয়।
- পরদিন ২৩ ফেব্রুয়ারি ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে এক বিশাল জনসভায় শেখ মুজিবর রহমানসহ মামলায় অভিযুক্তদের এক গণসম্বর্ধনা দেয়া হয় এবং শেখ মুজিবকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।

- উল্লেখ্য, আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা  পাকিস্তান সরকার ১৯৬৮ সালের জানুয়ারি মাসে আওয়ামী লীগ প্রধান  শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে সেনাবাহিনীর কয়েকজন কর্মরত ও প্রাক্তন সদস্য এবং ঊর্ধ্বতন সরকারি অফিসারদের বিরুদ্ধে যে মামলা দায়ের করে তা আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত।

সূত্র: Banglapedia

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৯
১৯৬৯ সালের গণআন্দোলনের প্রবল চাপে এবং ছাত্র-জনতার উত্তাল বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন সামরিক শাসক প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান সরকার আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য) প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য হয়।
মামলা প্রত্যাহারের এই তারিখটি ছিল ১৯৬৯ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি। এই দিনেই শেখ মুজিবুর রহমানসহ মামলার সকল অভিযুক্তকে নিঃশর্ত মুক্তি দেওয়া হয়।
77

বাংলাদেশে সরকারি EPZ মোট কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭টি
  2. ৮টি
  3. ৯টি
  4. ১০টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশে সরকারি EPZ মোট ৮টি।
- বাংলাদেশে ১৯৮০ সালে সংসদ প্রণীত একটি আইনের ভিত্তিতে ১৯৮৩ সালে প্রথম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় চট্টগ্রামের পতেঙ্গায়।
- দ্বিতীয়টি প্রতিষ্ঠিত হয় এর দশ বছর পর, ১৯৯৩ সালে ঢাকার সাভারে। এছাড়া মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী আরও ছয়টি ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।
- রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা (ইপিজেড)  রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।

সূত্র: Banglapedia

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৮টি
বর্তমানে বাংলাদেশে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষ (BEPZA) দ্বারা পরিচালিত সরকারি এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (EPZ) এর সংখ্যা হলো ৮টি
এই ৮টি সরকারি ইপিজেড হলো: চট্টগ্রাম, সাভার (ঢাকা), মংলা, উত্তরা, ঈশ্বরদী, কুমিল্লা, কর্ণফুলী ও আদমজী
উল্লেখ্য, ইপিজেড হলো রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানাদি স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিশেষ এলাকা।
78

মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
  2. তাজউদ্দিন আহম্মদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. খন্দকার মোস্তাক আহমেদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

সূত্র: Banglapedia

ব্যাখ্যা

মুজিবনগর সরকার বা প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী (Finance Minister) ছিলেন ক্যাপ্টেন এম. মনসুর আলী
তিনি মন্ত্রিসভায় অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। তাই বিকল্প (A) সঠিক।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পদসমূহ:
তাজউদ্দিন আহম্মদ: তিনি ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী
সৈয়দ নজরুল ইসলাম: তিনি ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতি এবং বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি
খন্দকার মোস্তাক আহমেদ: তিনি ছিলেন পররাষ্ট্র, আইন ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী
79

বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭৯ সালে
  2. ১৯৭২ সালে
  3. ১৯৭৩ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ১৮৭২ সালে বাংলার প্রথম আদমশুমারি পরিচালিত হয়।
- ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি পরিচালিত হয়।
- সর্বশেষ ২০২২ সালে দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি পরিচালিত হয়।
- এটিই বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি।

সূত্র: বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশে জনসংখ্যা, আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং জনমিতি সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহের জন্য প্রথম জাতীয় আদমশুমারি বা জনশুমারি পরিচালিত হয় ১৯৭৪ সালে
এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রথম আদমশুমারি, যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার মাত্র তিন বছর পর সম্পন্ন হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ১৯৭২ বা ১৯৭৩ সালে শুমারির প্রস্তুতি চললেও স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রশাসনিক জটিলতার কারণে তা শুরু করা সম্ভব হয়নি।
80

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 130
  2. 131
  3. 137
  4. 140

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অনুচ্ছেদ- ১৩০: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষক।
অনুচ্ছেদ- ১৩১: প্রজাতন্ত্রের হিসাব-রক্ষার আকার ও পদ্ধতি।
অনুচ্ছেদ- ১৩৭: সরকারি কর্ম কমিশন গঠন।
অনুচ্ছেদ- ১৪০: সরকারি কর্ম কমিশনের দ্বায়িত্ব।

সূত্র: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অনুচ্ছেদ ১৩৭। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্দশ ভাগে (অনুচ্ছেদ ১৩৭ থেকে ১৪১) সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission - PSC) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১৩৭ এ বলা হয়েছে: 'আইনের বিধানাবলি সাপেক্ষে প্রজাতন্ত্রের জন্য এক বা একাধিক কর্ম কমিশন থাকিবে।' এই অনুচ্ছেদের মাধ্যমেই সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি/NTRCA) গঠনের বিধান দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো:
অনুচ্ছেদ ১৩০: অস্থায়ী মহা হিসাব-নিরীক্ষকের ক্ষমতা।
অনুচ্ছেদ ১৪০: সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি।
81

নবায়নযোগ্য শক্তি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তেল
  2. গ্যাস
  3. কয়লা
  4. সমুদ্রের ঢেউ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) যে কোন উৎস থেকে প্রাপ্ত শক্তি নিজেই পুনরায় শক্তির উৎস।
- নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস- সৌরশক্তি, সমুদ্রের ঢেউ, জলবিদ্যুৎশক্তি বা বাতাসের শক্তি।

- জীবাশ্ম জ্বালানি (তেল, গ্যাস, এবং কয়লা) নবায়নযোগ্য শক্তির সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী।

সূত্র: Banglapedia

ব্যাখ্যা

নবায়নযোগ্য শক্তি (Renewable Energy) হলো সেই শক্তির উৎস, যা ব্যবহারের ফলে সহজে নিঃশেষ হয় না এবং যা প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া দ্বারা বারবার পুনর্গঠিত বা পূরণ হতে পারে।
যেমন: সৌরশক্তি, বায়ু শক্তি, জলবিদ্যুৎ, এবং সমুদ্রের ঢেউ
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে তেল, গ্যাস এবং কয়লা হলো জীবাশ্ম জ্বালানি। এগুলো অনবায়নযোগ্য শক্তি (Non-renewable Energy), কারণ একবার ব্যবহার করলে এগুলো ফুরিয়ে যায় এবং এদের পুনর্গঠনে মিলিয়ন বছর সময় লাগে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো সমুদ্রের ঢেউ
82

ইতিহাসের জনক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেরোডোটাস
  2. এরিস্টটল
  3. ওয়াশিংটন
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- গ্রিক ঐতিহাসিক হেরোডোটাসকে ইতিহাসের জনক বলা হয়। 
- তিনি সর্বপ্রথম গ্রিক হিস্টরিয়া (Historia) শব্দটি ব্যবহার করেন। 
- তার মতে ইতিহাস হলো যা সত্যিকার অর্থে ছিলো বা সংঘটিত হয়েছিলো তা অনুসন্ধান করা ও লেখা।

উৎসঃ বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হেরোডোটাস। তিনি ছিলেন একজন প্রাচীন গ্রিক ঐতিহাসিক, যিনি ইতিহাসের জনক হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
তিনি পশ্চিমা সভ্যতার প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ 'দ্য হিস্টোরিস' (The Histories) রচনা করেন।
হেরোডোটাস সর্বপ্রথম গ্রিক শব্দ 'হিস্টোরিয়া' (Historia) ব্যবহার করেন, যার অর্থ হলো অনুসন্ধান করা বা গবেষণা করা। তার পদ্ধতিগত অনুসন্ধান ও লেখার কারণেই তাকে এই উপাধি দেওয়া হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচিত:
- এরিস্টটল: তিনি জীববিদ্যা (Biology) ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানের (Political Science) জনক।
- ওয়াশিংটন ও নিউইয়র্ক: এরা ইতিহাস বা বিজ্ঞানের জনক নন।
83

টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট কবে গৃহীত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর
  2. ২০১৬ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর
  3. ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
  4. ২০১৫ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ২০১৫ সনের ২৫ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭০তম অধিবেশনে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট ‘২০৩০ এজেন্ডা’ গৃহীত হয়।
-টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (SDGs) এ ১৭টি অভীষ্ট এবং এর ১৬৯টি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সূত্র: জাতিসংঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর
টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (Sustainable Development Goals - SDGs) হলো বিশ্বের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের গৃহীত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশ্বিক কর্মসূচি, যা ‘২০৩০ এজেন্ডা’ নামেও পরিচিত।
এই অভীষ্টগুলো ২০১৫ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সত্তরতম (৭০তম) অধিবেশনে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয়।
84

ওয়াটার লু' যুদ্ধক্ষেত্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেলজিয়াম
  2. জাপান
  3. জার্মানি
  4. ইংল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

-  ১৮১৫ সালের ১৮ জুন বেলজিয়ামের ওয়াটারলু নামক স্থানে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্টের বাহিনী ও সম্মিলিত ব্রিটিশ-প্রুশিয়ান বাহিনীর মধ্যে সংগঠিত হয়  ওয়াটারলুর যুদ্ধ।
- এ যুদ্ধের মধ্য দিয়ে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়নের চূড়ান্ত পরাজয় হয় এবং নেপোলিয়ন শাসনের অবসান ঘটে।

সূত্র: Britannica

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেলজিয়াম
ঐতিহাসিক ওয়াটারলুর যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৮১৫ সালের ১৮ জুন। যুদ্ধক্ষেত্রটি বেলজিয়ামের ব্রাসেলস শহরের দক্ষিণে অবস্থিত ওয়াটারলু নামক স্থানে অবস্থিত।
এই যুদ্ধে ফরাসি সম্রাট নেপোলিয়ন বোনাপার্ট-এর নেতৃত্বাধীন বাহিনী সম্মিলিত ব্রিটিশ (ওয়েলিংটন ডিউক) ও প্রুশিয়ান বাহিনীর কাছে চূড়ান্তভাবে পরাজিত হন।
এটি ছিল নেপোলিয়নের শেষ যুদ্ধ, যার মধ্য দিয়ে তাঁর শাসনের অবসান ঘটে।
85

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম কোন মন্ত্রণালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
  2. মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়
  3. স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়
  4. শিক্ষা মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ১৯৫৯ সালে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এই সেবা প্রথম চালু হয়।
- বর্তমানে দেশব্যাপী সিটি কর্পোরেশন ও জেলা পর্যায়ের ৯০টি সরকারি বেসরকারি হাসপাতালে সমাজসেবা অধিদফতরের মাধ্যমে সেবা কার্যক্রম চালু আছে। এছাড়াও উপজেলা পর্যায়ে ৩৪২টি উপজেলায় উপজেলা রোগী কল্যাণ সমিতির মাধ্যমে এ কার্যক্রমটি সম্প্রসারণ করা হয়েছে।

সূত্র: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়
হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম মূলত রোগীদের শারীরিক চিকিৎসার পাশাপাশি তাদের মানসিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধানে সহায়তা প্রদানের একটি উদ্যোগ। এই সেবাটি সমাজসেবা অধিদফতর-এর মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
যেহেতু সমাজসেবা অধিদফতর সরাসরি সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে, তাই হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রম এই মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণাধীন।
অন্যান্য বিকল্প: স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় হাসপাতালগুলোর স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা সংক্রান্ত দিক দেখাশোনা করে, কিন্তু রোগীদের সামাজিক সেবা প্রদান এই মন্ত্রণালয়ের মূল কাজ নয়।
86

স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করেন কত জন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও বীরত্বের জন্যে ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর বঙ্গবন্ধু সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি বীরত্বসূচক খেতাব বা উপাধি প্রদান করে।
এগুলো হলো:
- সর্বোচ্চ খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরউত্তম : ৬৮ জন
- তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব বীরবিক্রম : ১৭৫ জন
- চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব বীরপ্রতীক : ৪২৬জন।

==================
উল্লেখ্য,
- গত ৬ জুন ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু হত্যার চার আসামীর মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্যে প্রদত্ত খেতাব বাতিল করে।
এরা হলেন:
- লে. কর্নেল শরিফুল হক ডালিম (বীর উত্তম)
- লে. কর্নেল নূর চৌধুরী (বীর বিক্রম)
- লে. এ এম রাশেদ চৌধুরী (বীর প্রতীক)
- নায়েক সুবেদার মোসলেম উদ্দিন খান (বীর প্রতীক)।

অর্থ্যাৎ, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য বর্তমানে ৬৭২ জনের খেতাব বহাল রয়েছে।
এর মধ্য,
- বীরশ্রেষ্ঠ : ৭জন
- বীর উত্তম: ৬৭ জন
- বীরবিক্রম : ১৭৪ জন
- বীরপ্রতীক : ৪২৪ জন

(তথ্যসূত্র: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়, বাংলাপিডিয়া এবং প্রথম আলো)

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর মোট ৬৭৬ জন ব্যক্তিকে চারটি বীরত্বসূচক রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয়।
এই খেতাবগুলোর মধ্যে চতুর্থ সর্বোচ্চ খেতাব হলো বীরপ্রতীক
বঙ্গবন্ধু সরকার কর্তৃক ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী, স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্য ৪২৬ জন ব্যক্তি 'বীরপ্রতীক' উপাধি লাভ করেন, যা প্রদত্ত খেতাবগুলোর মধ্যে সংখ্যায় সর্বাধিক।
অন্যান্য অপশনগুলো যথাক্রমে: ৭ জন (বীরশ্রেষ্ঠ), ৬৮ জন (বীরউত্তম), এবং ১৭৫ জন (বীরবিক্রম) খেতাবপ্রাপ্তের সংখ্যা।
87

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. গৌড়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় পুণ্ড্র জনপদকে।
- পুন্ড্র ‘জন’ বা জাতি এ জনপদ গঠন করেছিল। পুন্ড্ররা বঙ্গসহ অন্যান্য জাতিগোষ্ঠীর নিকটজন ছিল।
- পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর।
- এটি বাংলার প্রাচীনতম জনপদ।
- বর্তমান বগুড়া শহরের অদূরে করতোয়া নদীর তীরে পুন্ড্রনগর অবস্থিত। পরবর্তী কালে এর নাম মহস্থানগড় হয়।
- সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (খ্রি. পু. ২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীনসত্তা হারায়।
- এ রাজ্যের বিস্তৃতি বর্তমান বগুড়া, রংপুর ও দিনাজপুর পর্যন্ত ছিল।

এছাড়াও প্রাচীন বাংলার আরো জনপদ সমূহ হচ্ছে:
- বঙ্গ
- বরেন্দ্র
- সমতট
- হরিকেল
- রাঢ়
- চন্দ্রদ্বীপ
- তাম্রলিপ্ত
- গঙ্গারিডাই
- গৌড় প্রভৃতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো পুণ্ড্র
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড্র জনপদই ছিল সবচেয়ে প্রাচীনতম ও সমৃদ্ধ
পুণ্ড্রনগর ছিল এই রাজ্যের রাজধানী, যা বর্তমানে বগুড়া জেলার অদূরে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত। এটি করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
প্রাচীন শিলালিপি ও ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, পুণ্ড্র জনপদের অস্তিত্ব খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক (সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের সময়কাল) থেকেই প্রমাণিত হয়। তাই এটিকে বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য বিকল্প যেমন তাম্রলিপ্ত (একটি বন্দর জনপদ), গৌড় (বিশেষত শশাঙ্কের আমলে শক্তিশালী), এবং হরিকেল (পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলার জনপদ) এর তুলনায় পুণ্ড্র প্রাচীনতার দিক থেকে অগ্রগামী।
88

বাঙালি জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্রাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. ভোট চীন
  4. অস্ট্রিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের আদি অধিবাসীদের মধ্যে প্রাচীনতম হলো অস্ট্রিক
প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো- অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়।
উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে।

উৎসঃ বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অস্ট্রিক। নৃ-তাত্ত্বিকদের মতে, বাঙালি জাতির সংমিশ্রণে মোট চারটি প্রাচীন জনগোষ্ঠীর ভূমিকা রয়েছে: অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয় (মঙ্গলয়েড)।
এই চারটি গোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী হলো বাংলাদেশের তথা সমগ্র বাঙালি জাতির আদি অধিবাসীদের মধ্যে অন্যতম প্রাচীন এবং প্রধান অংশ। বাঙালি জাতির প্রধান রক্তধারাটি এই অস্ট্রিক গোষ্ঠী থেকেই এসেছে।
অন্যান্য জনগোষ্ঠী যেমন দ্রাবিড় (যারা সিন্ধু সভ্যতায় ভূমিকা রেখেছিল), নেগ্রিটো (আফ্রিকা থেকে আগত, যাদের উপস্থিতি প্রায় বিলুপ্ত) এবং ভোটচীনীয় (যারা প্রধানত পূর্বাঞ্চলে বসতি স্থাপন করে) বাঙালি জাতি গঠনে অবদান রাখলেও, প্রধান অংশটি অস্ট্রিক
89

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৬ দফা ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের ____

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানুয়ারি মাসে
  2. ফেব্রুয়ারি মাসে
  3. জুলাই মাসে
  4. আগস্ট মাসে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি লাহোরে একটি সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও প্রতিরক্ষার দাবি সংবলিত একটি কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইতিহাসে এটিই ৬ দফা কর্মসূচি নামে পরিচিত।
- পরবর্তীতে ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ সালে লাহোরের এক সংবাদ সম্মেলনে শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ৬ দফা দাবি ঘোষণা করেন।
- ৬ দফা দাবিকে বাঙালি জাতির ‘মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনেকার্টা’ হিসাবে পরিচিত। ছয় দফা দাবি ঐতিহাসিক ‘লাহোর প্রস্তাব’ এর ভিত্তিতে রচিত।

উৎস : বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ৬ দফা কর্মসূচিটি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের দাবি সংবলিত একটি রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনা।
এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি। এই ঘোষণাটি করা হয়েছিল পশ্চিম পাকিস্তানের লাহোরে, সম্মিলিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে।
যেহেতু ৫ তারিখ ফেব্রুয়ারি মাসে, তাই প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ফেব্রুয়ারি মাসে সঠিক উত্তর।
90

'সংগ্রাম' ও 'প্রত্যাশা' কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধানের প্রজাতি
  2. পাখির প্রজাতি
  3. বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
  4. বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর দুটি যুদ্ধ বিমান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- চীনে নবনির্মিত নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধজাহাজ ‘সংগ্রাম’ ও ‘প্রত্যাশা’।
- নৌবাহিনীর জন্য নবনির্মিত জাহাজ বানৌজা সংগ্রাম ও বানৌজা প্রত্যাশা’র প্রতিটির দৈর্ঘ্য ৯০ মিটার এবং প্রস্থ ১১ মিটার। জাহাজ দুটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ২৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলতে সক্ষম।
- নৌবাহিনীর জন্য গণচীনে নির্মিত দুটি করভেট নির্মাণের লক্ষ্যে চীনের শিপ বিল্ডিং অ্যান্ড অফশোর ইন্টারন্যাশনাল কোম্পানি লিমিটেডের সঙ্গে ২০১৫ সালের ২৯ সেপ্টেম্বরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। 
- ২০১৬ সালের ৯ আগস্ট জাহাজ দুটির স্টিল কাটিং এর মাধ্যমে নির্মাণকাজ শুরু হয় এবং ২০১৯ সালের ২৮ মার্চ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তর করে। 
 
উৎস: প্রথম আলো 
 

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— বাংলাদেশ নৌবাহিনীর দুটি যুদ্ধ জাহাজ
'সংগ্রাম' (BNS Sangram) এবং 'প্রত্যাশা' (BNS Prottasha) হলো বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য চীনের উচাং শিপইয়ার্ডে নবনির্মিত দুটি আধুনিক করভেট শ্রেণির যুদ্ধ জাহাজ

এগুলো সমুদ্রপথে টহল, নজরদারি এবং সামুদ্রিক প্রতিরক্ষার সক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এই জাহাজ দুটি ২০১৯ সালে নৌবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়।

অন্যান্য বিকল্প যেমন 'ধানের প্রজাতি' বা 'পাখির প্রজাতি' সম্পূর্ণ ভুল, কারণ নামটি সরাসরি সামরিক সরঞ্জামের নাম হিসেবে পরিচিত।
91

AIDS রোগের জন্য নিচের কোন ভাইরাসটি দায়ী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. SARS
  2. র‍্যাবিস
  3. HIV
  4. ইবোলা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- AIDS রোগের পূর্ণনাম- Acquired Immune Deficiency Syndrome
- Human immunodeficiency virus বা HIV নামক ভাইরাস এই রোগ সৃষ্টির জন্য দায়ী।
-  HIV এমনই ভয়ংকর জাতের ভাইরাস যে এ ভাইরাস মানুষের শরীরে অনুপ্রবেশ করার পর তার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়। 
- ফলে HIV আক্রান্ত রোগী যে কোনো সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হতে পারে এবং যা তাকে ধীরে ধীরে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়।

উৎস: নবম দশম শ্রেণির জীববিজ্ঞান বোর্ড বই

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: HIV
AIDS (Acquired Immune Deficiency Syndrome) একটি মারাত্মক রোগ, যার জন্য দায়ী ভাইরাসটির নাম হলো HIV (Human Immunodeficiency Virus)।
এই ভাইরাসটি মূলত মানুষের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্য দায়ী শ্বেত রক্তকণিকা (T-লিম্ফোসাইট)-কে আক্রমণ করে ধীরে ধীরে নষ্ট করে দেয়।
ফলস্বরূপ, আক্রান্ত ব্যক্তি সাধারণ রোগেও মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং তার মৃত্যু ঘটে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন রোগের জন্য দায়ী:
- SARS: এটি Severe Acute Respiratory Syndrome বা তীব্র শ্বাসযন্ত্রের রোগের কারণ।
- র‍্যাবিস: এটি জলাতঙ্কের জন্য দায়ী, যা মূলত উষ্ণ রক্তের প্রাণীর কামড়ের মাধ্যমে ছড়ায়।
- ইবোলা: এটি ইবোলা ভাইরাস ডিজিজ (EVD) সৃষ্টি করে, যা রক্তক্ষরণজনিত জ্বর বা হেমোরেজিক ফিভারের জন্য পরিচিত।
92

কোথায় প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেনমার্ক
  2. কেনিয়া
  3. বেইজিং
  4. মেক্সিকো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ১৯ জুন থেকে ২ জুলাই, ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটিতে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
- জাতিসংঘ নারীদের নিয়ে চারটি বিশ্ব সম্মেলনের আয়োজন করেছে।
- প্রথম সম্মেলন ১৯৭৫ সালে মেক্সিকো সিটি,
- দ্বিতীয় সম্মেলন ১৯৮০ সালে কোপেনহেগেন,
- তৃতীয় সম্মেলন ১৯৮৫ সালে নাইরোবি এবং
- চতুর্থ সম্মেলন ১৯৯৫ সালে বেইজিংয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
 
উৎস: জাতিসংঘের অফিশিয়াল সাইট (unwomen.org)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেক্সিকো
জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রথম বিশ্ব নারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালের ১৯ জুন থেকে ২ জুলাই পর্যন্ত মেক্সিকো সিটিতে।
অন্যান্য অপশনগুলো পরবর্তী সম্মেলনগুলোর স্থান নির্দেশ করে, যা NTRCA পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
- ডেনমার্ক (কোপেনহেগেন): এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন (১৯৮০)।
- কেনিয়া (নাইরোবি): এটি ছিল তৃতীয় বিশ্ব নারী সম্মেলন (১৯৮৫)।
- বেইজিং (চীন): এটি ছিল চতুর্থ ও বিশ্বব্যাপী সবচেয়ে আলোচিত নারী সম্মেলন (১৯৯৫)।
93

মুজিবনগর সরকারের রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. খন্দকার মোশতাক আহমেদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের অস্থায়ী প্রবাসী/মুজিবনগর সরকার গঠিত হয়। এই সরকার ১৭ এপ্রিল বর্তমান মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে শপথ গ্রহণ করে।
মুজিবনগর সরকার ছিলো রাষ্ট্রপতিশাসিত সরকার ব্যবস্থা। এই সরকারের প্রধান ছিলেন রাষ্ট্রপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তার অনুপস্থিতিতে উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন।
মুজিবনগর মন্ত্রিসভার মোট সদস্য ছিলো ছয়জন।
মুজিবনগর সরকারের মন্ত্রিসভা:
- রাষ্ট্রপতি : বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
- উপরাষ্ট্রপতি ও ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি : সৈয়দ নজরুল ইসলাম
- প্রধানমন্ত্রী : তাজউদ্দিন আহমেদ
- অর্থ ও বাণিজ্যমন্ত্রী : এম মনসুর আলী
- স্বরাষ্ট্র, ত্রাণ, পুনর্বাসন ও কৃষিমন্ত্রী : এএইচএম কামরুজ্জামান
- পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী : খন্দকার মোশতাক আহমেদ।

(তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা : নবম-দশম শ্রেণী এবং স্বাধীনতা যুদ্ধের দলিলপত্র : তৃতীয় খণ্ড : পৃষ্ঠা-১৩, ১৯)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, তা গঠিত হয়। এই সরকার ছিল রাষ্ট্রপতিশাসিত
সংবিধান অনুযায়ী, এই সরকারের রাষ্ট্রপতি (Head of State) ছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। যদিও মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন, তবুও সাংবিধানিক প্রধান হিসেবে তিনিই ছিলেন রাষ্ট্রপতি।
বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে, উপরাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। অন্যদিকে, তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন এই সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং খন্দকার মোশতাক আহমেদ ছিলেন পররাষ্ট্র ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী।
94

ইউনেস্কোর কততম সম্মেলনে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩১তম
  2. ৩২তম
  3. ৩৩তম
  4. ৩৪তম
  5. ৩০তম

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

২১ ফেব্রুয়ারির আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি:
- প্রতি বছর ২১ ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালিত হয়।
- ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম অধিবেশনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব পাস হয়।
- ২০০০ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি থেকে পৃথিবীর ১৮৮টি দেশে এই দিনটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালন শুরু হয়।

- ২০০৭ সালের ১৬ মে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে একটি প্রস্তাব উত্থাপন হয় যেখানে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর প্রতি ২১শে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের আহবান জানানো হয় এবং একই প্রস্তাবে ২০০৮ সালকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা বর্ষ ঘোষণা করা হয়।
- পরবর্তীতে ২০১০ সালে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৬৫তম অধিবেশনে ২১শে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের প্রস্তাব পাস হয়।

তথ্যসূত্র: ইউনেস্কো ও জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩০তম অধিবেশন
ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।
এই প্রস্তাবের প্রধান উদ্যোক্তা ছিল বাংলাদেশ এবং এতে সমর্থন দিয়েছিল মোট ২৮টি দেশ।
অন্যান্য অপশনগুলো (৩১তম, ৩২তম, ৩৩তম, ৩৪তম) ভুল, কারণ আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি লাভ ঘটে ১৯৯৯ সালের ৩০তম সম্মেলনে।
95

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় সাফল্যের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে কোন সংস্থা পুরস্কৃত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. EU
  2. IDB
  3. ADB
  4. IFRC

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আইএফআরসি (IFRC) দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় অসাধারণ সাফল্যের জন্য শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করে।
২০১৬ সালে শেখ হাসিনার হাতে  ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন আইএফআরসি-এর মহাসচিব আলহাজআস সাই।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন আইএফআরসি এর এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলেরপরিচালক জেভিয়ার ক্যাসেলানোস এবং বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান হাফিজআহমেদ মজুমদার ও ভাইস চেয়ারম্যান সাংসদ হাবিবে মিল্লাত।

অনুষ্ঠানে ২০২৫ সালের মধ্যে বিশ্বের ১০০ কোটি দুর্যোগ পীড়িত জনগোষ্ঠীকে অধিক দুর্যোগ-সহনশীল করে গড়ে তোলার বৈশ্বিক প্রচেষ্টায় শেখ হাসিনার ভূমিকার প্রশংসা করেন আলহাজ আস সাই।
 
উৎস: বিডিনিউজ২৪

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো IFRC (ইন্টারন্যাশনাল ফেডারেশন অফ রেড ক্রস এবং রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটিজ)।
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় নেতৃত্বদান এবং অসাধারণ সাফল্যের জন্য ২০১৬ সালে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়।
সংস্থাটির মহাসচিব আলহাজ আস সাই প্রধানমন্ত্রীর হাতে এই ক্রেস্ট ও সনদ তুলে দেন।
অন্যান্য সংস্থা যেমন ADB (এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক), IDB (ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক) এবং EU (ইউরোপীয় ইউনিয়ন) মূলত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও রাজনৈতিক জোটের সঙ্গে সম্পর্কিত; তারা সাধারণত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার মতো মানবিক ইস্যুতে সরাসরি এই ধরনের বৈশ্বিক পুরস্কার প্রদান করে না।
96

'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' এর উৎক্ষেপণ দ্বারা বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্যাটেলাইট দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৭ তম
  2. ৪৭ তম
  3. ৫৭ তম
  4. ৬৭ তম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।

উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪ : ১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২ : ১৪ মিনিট

স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা।

সূত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫৭ তম
বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ 'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১' (Bangabandhu Satellite-1) উৎক্ষেপণ করা হয় ১১ মে ২০১৮ তারিখে (বাংলাদেশ সময় ১২ মে ২০১৮ ভোররাত ২:১৪ মিনিট)।
এই সফল উৎক্ষেপণের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বে নিজস্ব স্যাটেলাইট থাকা ৫৭তম দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে এবং স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ৩৭ তম, ৪৭ তম বা ৬৭ তম সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
97

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ মার্চ
  2. ৫ অক্টোবর
  3. ১০ ডিসেম্বর
  4. ২৪ সেপ্টেম্বর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস পালিত হয়।
- ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘ কর্তৃক ৩০টি ধারা সম্বলিত সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহিত হয়।
- চুক্তি স্বাক্ষরের দিন ১০ ডিসেম্বরকে প্রতিবছর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

(তথ্যসূত্রঃ জাতিসংঘ ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১০ ডিসেম্বর। ১৯৪৮ সালের এই দিনে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র (Universal Declaration of Human Rights - UDHR) গৃহীত হয়।
এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি গ্রহণের দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্বব্যাপী বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক দিবস নির্দেশ করে:
৮ মার্চ: আন্তর্জাতিক নারী দিবস।
৫ অক্টোবর: বিশ্ব শিক্ষক দিবস (UNESCO কর্তৃক)।
98

SMS-এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Short Message Service
  2. Short Mail Service
  3. Simple Message Service
  4. Simple Mail Service

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- SMS – এর পূর্ণরূপ Short Message Service. 
- দ্বিতীয় প্রজন্মের মোবাইল ফোন থেকে (Short Message Service) ও MMS (Multimedia Message Service) সার্ভিস শুরু হয়।
 
সূত্রঃ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, এইচএসসি, বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Short Message Service। এটি ০ নং অপশনে রয়েছে।
SMS হলো মূলত দ্বিতীয় প্রজন্মের (2G) মোবাইল নেটওয়ার্কে ব্যবহৃত একটি প্রমিত যোগাযোগ পরিষেবা, যা মোবাইল ফোন ব্যবহারকারীদের সর্বাধিক ১৬০ অক্ষরের (ল্যাটিন বর্ণমালা ব্যবহার করে) সংক্ষিপ্ত লিখিত বার্তা আদান-প্রদানে সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশন যেমন Short Mail Service বা Simple Mail Service ভুল, কারণ এটি কখনোই সরাসরি 'Mail' বা ইমেইল সার্ভিস ছিল না; এটি একটি স্বতন্ত্র 'Message Service' হিসেবে তৈরি।
99

বিগ এ্যাপেল কোন শহরের নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নতুন দিল্লি
  2. ইলামাবাদ
  3. নিউইয়র্ক
  4. শিকাগো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিউইয়র্ক শহরের অনেক উপনাম আছে।
যেমন - ‘দ্যা সিটি দ্যাট নেভার স্লিপ্‌স’ অথবা ‘গথাম’।
- তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে - ‘দ্যা বিগ এপল’।

উৎসঃ ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউইয়র্ক
নিউইয়র্ক (New York) শহরের বিখ্যাত উপনাম হলো 'দ্যা বিগ অ্যাপল' (The Big Apple)। এই নামটি মূলত ১৯২০-এর দশকে নিউইয়র্কের ঘোড়দৌড়ের সার্কিটকে বোঝাতে ব্যবহৃত হতো এবং পরবর্তীকালে এটি পুরো শহরের একটি আইকনিক উপনাম হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায়।
নিউইয়র্কের সংস্কৃতি, ব্যবসা এবং সাফল্যের প্রতীক হিসেবে এই নামটি ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে নতুন দিল্লি (ভারত), ইসলামাবাদ (পাকিস্তান) এবং শিকাগো (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) এর কোনোটিই 'দ্যা বিগ অ্যাপল' নামে পরিচিত নয়।
100

IMF এর সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. নিউইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. রোম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- জাতিসংঘের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আইএমএফ (IMF- International Monetary Fund)।
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৭ সালে।
- এর সদরদপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিলিনা জর্জিয়েভা।
- আইএমএফের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন ক্রিস্টিন লাগার্দ।
- আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপিনাথ।

উৎসঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ওয়াশিংটন ডিসি
আইএমএফ (IMF)-এর পূর্ণরূপ হলো International Monetary Fund (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)। এটি জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত আর্থিক প্রতিষ্ঠান, যা ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি (Washington D.C.)-তে অবস্থিত।
ভুল বিকল্পগুলোর মধ্যে, নিউইয়র্ক-এ জাতিসংঘের মূল সদর দপ্তর এবং জেনেভা-তে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ও বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর রয়েছে।
101

শ্রীলংকার মুদ্রার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডলার
  2. পাউন্ড
  3. টাকা
  4. রুপী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- দেশের নাম - শ্রীলঙ্কা
- রাষ্ট্রীয়/প্রশাসনিক নাম - Democratic Socialist Republic of Sri Lanka
- রাজধানী - শ্রী জয়াবর্ধানেপুরা কোট্টে (Sri Jayawardenepura Kotte)
- মুদ্রার নাম - রুপী
- রাষ্ট্রীয় ভাষা - সিনহালা (Sinhala)
- সংসদের নাম - পার্লামেন্ট

উৎসঃ ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রুপী। শ্রীলঙ্কার সরকারি মুদ্রার নাম হলো শ্রীলঙ্কান রুপী (LKR), যা প্রতিবেশী দেশ ভারতের মতো একই নামে পরিচিত।
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও সাধারণ জ্ঞান অংশে দেশ, রাজধানী ও মুদ্রা সম্পর্কিত প্রশ্নগুলো NTRCA পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন দেশের মুদ্রা। যেমন: টাকা (বাংলাদেশ), ডলার (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি) এবং পাউন্ড (যুক্তরাজ্য, মিশর ইত্যাদি)।
102

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. হামিদুর রহমান
  4. হাশেম খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনের বর্তমান রূপটির রূপকার শিল্পী কামরুল হাসান।
- বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি রয়েছে তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি।
- ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান রূপটি সরকারিভাবে গৃহীত হয়। 
- ‘জাতীয় পতাকা’ গাঢ় সবুজ রঙের হবে এবং ১০:৬ দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের আয়তক্ষেত্রাকার সবুজ রঙের মাঝখানে একটি লাল বৃত্ত থাকিবে।
- মানচিত্র খচিত বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইন হিসেবে বিবেচ্য করা হয় শিব নারায়ণ দাসকে। 

তথ্যসূত্র:- বাংলাদেশের ইতিহাস ও বিশ্বসভ্যতা, নবম-দশম শ্রেণি এবং বাংলাপিডিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শিল্পী কামরুল হাসান
তিনি বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার বর্তমান যে রূপটি (মানচিত্রবিহীন) রয়েছে, তার ডিজাইন করেন। এই ডিজাইনটি ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি গৃহীত হয় এবং ১৭ জানুয়ারি সরকারিভাবে কার্যকর হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেও পতাকার ডিজাইনের সাথে সরাসরি যুক্ত নন। যেমন জয়নুল আবেদিন ছিলেন বাংলাদেশের শিল্পাচার্য এবং হামিদুর রহমান ছিলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের অন্যতম স্থপতি।
103

UNESCO বাংলাদেশের কোন ধরনের গানকে Heritage of Humanity (মানবতার ধারক)হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবি গান
  2. বাউল গান
  3. লালন গান
  4. ভাওয়াইয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানবতার ইতিহাসে এই বাউল সংগীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনায় ইউনেস্কো ২০০৫ সালে একে “Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity” হিসেবে ঘোষনা দেয়। 
পরবর্তীতে ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত Intergovernmental Committee’র তৃতীয় অধিবেশনে বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে Intangible Cultural Heritage of Humanity হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
 
(তথ্যসূত্র: www.bncu.gov.bd)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বাউল গান। বাউল গান হচ্ছে আধ্যাত্মিক সাধনা ও জীবন দর্শনের উপর ভিত্তি করে রচিত বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান লোকসংগীত ধারা।
এই সঙ্গীতের অপরিসীম সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যগত গুরুত্ব বিবেচনা করে ইউনেস্কো (UNESCO) একে স্বীকৃতি প্রদান করে।
প্রাথমিকভাবে ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বাউল গানকে ‘Masterpiece of the Oral and Intangible Heritage of Humanity’ হিসেবে ঘোষণা করে।
পরবর্তীতে, ২০০৮ সালে ইউনেস্কোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সুরক্ষা সংক্রান্ত তালিকায় বাংলাদেশের বাউল সংগীতকে আনুষ্ঠানিকভাবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন কবি গান বা ভাওয়াইয়া বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ লোকসংগীত হলেও, আন্তর্জাতিকভাবে ইউনেস্কোর Heritage of Humanity স্বীকৃতি পেয়েছে একমাত্র বাউল গান
104

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হালদা নদী
  2. চলন বিল
  3. পশুর নদী
  4. মেঘনা নদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হলো হালদা নদী। 
- এটি চট্টগ্রাম জেলায় অবস্থিত।
- এটি একটি মৎস্য অভয়াশ্রম।
- মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে সরকার হালদা নদীকে বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ ঘোষণা করেছে।

(সূত্রঃ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ওয়েবসাইট)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হালদা নদী
হালদা নদী বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত। এটি বিশ্বের একমাত্র জোয়ার-ভাটার নদী, যেখানে সরাসরি রুই, কাতলা, মৃগেল ও কালিবাউশ সহ কার্প জাতীয় মাছেরা ডিম ছাড়ে।
এপ্রিল থেকে জুন মাসের মাঝামাঝি সময়ে (বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ) ভারী বৃষ্টিপাত ও মেঘের গর্জনের পর এই নদীতে মাছের ডিম ছাড়ার মহোৎসব শুরু হয়, যা এটিকে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো মৎস্য সম্পদের উৎস হলেও (যেমন চলন বিল বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল), কোনোটিই প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র নয়।
105

নাগরিকের প্রধান কর্তব্য হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাষ্ট্রের সেবা করা
  2. রাষ্ট্রের আইন মেনে চলা
  3. নিয়মিত কর প্রদান করা
  4. রাষ্ট্রের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- কর্তব্য হলো সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের পালনীয় কতগুলো দায়িত্ব।
অধ্যাপক হ্যারল্ড জে. লাস্কি এর মতে,
- “কর্তব্য বলতে ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রের সর্বাঙ্গণ কল্যাণের জন্যে কোন কিছু করা বা না করার অধিকারকে বুঝায়।”
- রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের প্রধান কর্তব্য হলো আনুগত্য প্রদর্শন।
অন্যান্য কর্তব্যের মধ্যে রয়েছে:
- আইন মান্য করা
- নিয়মিত কর প্রদান করা
- সততার সাথে ভোটাধিকার প্রয়োগ করা
- রাষ্ট্রের সেবা করা
- রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় না করা
- সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচন করা প্রভৃতি।

(তথ্যসূত্র: পৌরনীতি ও সুশাসন : প্রথমপত্র: একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণী : মো. মোজাম্মেল হক)

ব্যাখ্যা

নাগরিকের কর্তব্য বলতে বোঝায় সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকদের পালনীয় কতগুলো দায়িত্ব। এই কর্তব্যগুলো আইনগত ও নৈতিক উভয় প্রকার হতে পারে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদের মতে, রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের প্রধান ও মৌলিক কর্তব্য হলো আনুগত্য বা বিশ্বস্ততা প্রকাশ করা। নাগরিকের আনুগত্যই রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব এবং স্থিতিশীলতার মূল ভিত্তি।
একবার নাগরিক আনুগত্য প্রকাশ করলে, সেই আনুগত্যের ফলস্বরূপ রাষ্ট্রের আইন মেনে চলতে, নিয়মিত কর প্রদান করতে এবং রাষ্ট্রের সেবা করতে সে বাধ্য থাকে। তাই অন্যান্য বিকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও, সেগুলো আনুগত্যের অধীনস্থ গৌণ কর্তব্য
106

প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় কোন ধাতু?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লোহা
  2. দস্তা
  3. পটাশিয়াম
  4. অ্যালুমিনিয়াম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অ্যালুমিনিয়াম ধাতু প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি ধাতু পাওয়া যায়। 


অ্যালুমিনিয়াম হালকা, টেকসই এবং কার্যকরী ধাতু। আমরা যে বাড়িতে থাকি, আমরা যে অটোমোবাইল চালাই, ট্রেন এবং বিমান যা আমাদেরকে দীর্ঘ দূরত্ব অতিক্রম করে নিয়ে যায়, আমরা প্রতিদিন যে মোবাইল ফোন এবং কম্পিউটার ব্যবহার করি তাতে, আমাদের ফ্রিজের ভিতরের তাকগুলিতে এবং আধুনিক অবস্থায় আমরা অ্যালুমিনিয়াম পেতে পারি। 


অ্যালুমিনিয়ামের ধর্মসমূহ- 

১. অ্যালুমিনিয়াম তাপ এবং বৈদ্যুতিক  সুপরিবাহী। 

২. হালকা কিন্তু টেকসই। 


অ্যালুমিনিয়ামের ব্যবহার-

১. বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইনে।  

২. ট্রানজিস্টর এবং সিপিইউতে অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহৃত হয়। 


সূত্র- ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অ্যালুমিনিয়াম। এটি শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিজ্ঞানভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান।
পৃথিবীর ভূত্বকে (Earth's Crust) প্রকৃতিতে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে যে ধাতু পাওয়া যায়, সেটি হলো অ্যালুমিনিয়াম (Al)। এটি ভূত্বকের মোট ভরের প্রায় ৮.১% দখল করে। এর প্রধান আকরিক হলো বক্সাইট
অ্যালুমিনিয়াম হালকা, টেকসই এবং মরিচা প্রতিরোধী হওয়ায় এটি বিমান নির্মাণ, প্যাকেজিং এবং বৈদ্যুতিক ট্রান্সমিশন লাইনে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে লোহা (Iron) হলো দ্বিতীয় সর্বাধিক প্রাপ্ত ধাতু, যার পরিমাণ প্রায় ৫%। তাই লোহা উত্তর হবে না। দস্তাপটাশিয়াম তুলনামূলকভাবে কম পরিমাণে পাওয়া যায়।
107

গাড়ির ব্যাটারিতে ব্যবহৃত এসিড কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফসফরিক এসিড (H3PO4H_3PO_4)

  2. নাইট্রিক এসিড (HNO3HNO_3)

  3. হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HClHCl)
  4. সালফিউরিক এসিড (H2SO4H_2SO_4)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- গাড়ীর ব্যাটারিতে সালফিউরিক এসিড ব্যবহৃত হয়। 
- বাসাবাড়ির আইপিএস (IPS) বা গাড়ির ব্যাটারির অত্যাবশ্যকীয় উপাদান হলাে সালফিউরিক অ্যাসিড (H2SO4)।
- সালফিউরিক এসিড ব্যাটারি এসিড নামে পরিচিত।

সূত্র:  ব্রিটানিকা ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সালফিউরিক এসিড (H2SO4H_2SO_4)
গাড়ি, আইপিএস (IPS) এবং ইউপিএস (UPS)-এ ব্যবহৃত সাধারণ ব্যাটারিগুলো হলো লেড-এসিড ব্যাটারি (Lead-Acid Battery)। এই ব্যাটারিগুলোতে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করা হয়।
সালফিউরিক এসিডকে ইংরেজিতে Sulphuric Acid বলা হয় এবং এটি 'ব্যাটারি এসিড' (Battery Acid) নামেও পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: নাইট্রিক এসিড (HNO3HNO_3), হাইড্রোক্লোরিক এসিড (HClHCl) বা ফসফরিক এসিড (H3PO4H_3PO_4) সাধারণত গাড়ির ব্যাটারিতে ইলেকট্রোলাইট হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
108

ফোকেটিং (Folketing) কোন দেশের আইনসভা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেলজিয়াম
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. ডেনমার্ক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ডেনমার্কের আইনসভার নাম ফোকেটিং
- অন্যদিকে, নরওয়ের আইনসভার নাম স্টারটিং।
- ফিনল্যান্ডের আইনসভা : এডুসকু্টা।

তথ্যসূত্র: সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর আইনসভা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডেনমার্ক। ডেনমার্কের জাতীয় আইনসভার নাম হলো ফোকেটিং (Folketing)
এটি সাধারণত এক কক্ষবিশিষ্ট হয়ে থাকে এবং এর কাজ ডেনমার্কের সংবিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়ন করা।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে নরওয়ের আইনসভার নাম হলো স্টারটিং (Storting) এবং ফিনল্যান্ডের আইনসভার নাম এডুসকু্টা (Eduskunta)
109

বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এপিকালচার
  2. মেরিকালচার
  3. সেরিকালচার
  4. পিসিকালচার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাণিজ্যিকভাবে মৌমাছি পালনকে এপিকালচার বলে। 

- মৌমাছিপালন (Apiculture)  উন্নত পদ্ধতিতে মৌমাছির (Apis spp.) লালন-পালন ও মৌচাকের যত্নের মাধ্যমে তাদের তৈরি মধু আহরণ ও সংরক্ষণ। মৌমাছি পালনের মাধ্যমে মধু ও অন্যান্য উপজাতের বাণিজ্যিক উৎপাদন সম্ভব হয়।
- বাণিজ্যিক হিসেবে বাংলাদেশে Apis cerana indica সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মৌমাছি প্রজাতি। 

সূত্র- বাংলাপিডিয়া ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো এপিকালচার। বাণিজ্যিকভাবে বা উন্নত পদ্ধতিতে মৌমাছি পালন, পরিচর্যা ও তাদের উৎপাদিত মধু আহরণ প্রক্রিয়াকে এপিকালচার (Apiculture) বলা হয়।
এপিকালচার-এর মাধ্যমে শুধুমাত্র মধুই নয়, মৌচাকের মোম এবং অন্যান্য উপজাতও বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা হয়। Apis হলো মৌমাছির একটি প্রজাতিগত নাম।
অন্যান্য অপশনগুলো বিভিন্ন ধরনের চাষ পদ্ধতিকে নির্দেশ করে:
      - মেরিকালচার (Mariculture): সামুদ্রিক পরিবেশে মাছ, শেলফিশ বা শৈবালের চাষ।
      - সেরিকালচার (Sericulture): রেশম মথ পালনের মাধ্যমে রেশম উৎপাদন।
      - পিসিকালচার (Pisciculture): নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে মাছ চাষ
110

কোনটি স্থানীয় সরকার নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৌরসভা
  2. পল্লী বিদ্যুৎ
  3. সিটি কর্পোরেশন
  4. উপজেলা পরিষদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- স্থানীয় সরকার বলতে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে বুঝায়। 
- ২০০৮ সালের মে মাসে জারিকৃত অধ্যাদেশ অনুযায়ী বর্তমানে বাংলাদেশের গ্রামাঞ্চলে তিন স্তর বিশিষ্ট এবং শহরাঞ্চলে দুই স্তর বিশিষ্ট স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা বিদ্যমান। 
- স্তরগুলো হলো- গ্রাম পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও জেলা পরিষদ এবং শহর পর্যায়ে পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন।

উৎসঃ পৌরনীতি ও সুশাসন, প্রফেসর মোঃ মোজাম্মেল হক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পল্লী বিদ্যুৎ
স্থানীয় সরকার (Local Government) বলতে সেই সব প্রতিষ্ঠানকে বোঝানো হয়, যা একটি নির্দিষ্ট স্থানীয় এলাকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের দ্বারা পরিচালিত এবং স্থানীয় সমস্যা সমাধানে ভূমিকা রাখে। যেমন—শিক্ষা, স্বাস্থ্য, রাস্তাঘাট ইত্যাদি।
বাংলাদেশে প্রধানত দুই ধরনের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা চালু আছে: গ্রামীণ ও শহর ভিত্তিক।
অপরদিকে, পল্লী বিদ্যুৎ (সাধারণত পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (REB) এর আওতাভুক্ত সমিতি) হলো একটি স্বায়ত্তশাসিত বা আধা-সরকারি ইউটিলিটি সার্ভিস সংস্থা, যা বিদ্যুৎ উৎপাদন বা বিতরণের কাজে নিয়োজিত। এটি স্থানীয় জনগণের শাসন বা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকে না, তাই এটি স্থানীয় সরকার নয়।
বাকি বিকল্পগুলো—পৌরসভা (শহর), সিটি কর্পোরেশন (মহানগর) এবং উপজেলা পরিষদ (গ্রামীণ)—প্রত্যেকটিই বাংলাদেশের আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা।
111

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য কে পাঠ করান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধান বিচারপতি
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. স্পিকার
  4. চিফ হুইপ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের তৃতীয় তফসিল অনুযায়ী,
- রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- স্পিকারকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপ মন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।
- সংসদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান স্পিকার।
- প্রধান বিচারপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশের সংবিধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্পিকার
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় তফসিল (Third Schedule) অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের স্পিকার মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে (President) শপথ বাক্য পাঠ করান। এটি সংবিধানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যতিক্রমী বিধান।
সাধারণত অনেকে ভুল করে মনে করেন যে প্রধান বিচারপতি শপথ পাঠ করান। কিন্তু প্রধান বিচারপতিকে (অপশন ক) এবং প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী প্রমুখদের শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি নিজেই।
সুতরাং, রাষ্ট্রপতিকে শপথ দেন কেবল স্পিকার, যা তাকে অনন্য ক্ষমতা প্রদান করে।
112

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ কোন দেশের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ।
'বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট' - ১ ' ফ্রান্সের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে।
উৎক্ষেপণ সময়ঃ
১১ মে ২০১৮ যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় বিকাল ৪:১৪ মিনিট
অর্থাৎ ১২ মে ২০১৮ বাংলাদেশ সময় ভোররাত ২:১৪ মিনিট
স্থানঃ
যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল-এ অবস্থিত কেনেডি স্পেস সেন্টারের লঞ্চ প্যাড LC-39A থেকে Falcon 9 (Block 5) লঞ্চ ভেহিকেল এর মাধ্যমে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১ মহাকাশে নির্দিষ্ট কক্ষপথের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ উৎক্ষেপণের মাধ্যমে ৫৭তম দেশ হিসেবে স্যাটেলাইটের অভিজাত ক্লাবে যুক্ত হলো বাংলাদেশের নাম।
মন্ত্রণালয়/বিভাগঃ ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় (ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ)
বাস্তবায়নকারী সংস্থাঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন
বাস্তবায়নকালঃ ১ জুলাই, ২০১৪ হতে ৩১ ডিসেম্বর, ২০১৮ পর্যন্ত
প্রাক্কলিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৯৬৭.৯৫ কোটি টাকা
সংশোধিত প্রকল্প ব্যয়ঃ ২৭৬৫.৬৬ কোটি টাকা
নির্মাণ সংস্থাঃ বিশ্বের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটটি নির্মাণ করেছে। উৎক্ষেপণ করা হয় SpaceX এর Falcon 9 উৎক্ষেপণযানের মাধ্যমে।
Thales এর চুক্তিমূল্যঃ ১৯০৮.৭৫ কোটি টাকা

সুত্রঃ বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফ্রান্স
বাংলাদেশের প্রথম ভূস্থির যোগাযোগ ও সম্প্রচার উপগ্রহ বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ নির্মাণ করেছে ফ্রান্সের অন্যতম খ্যাতনামা স্যাটেলাইট নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠান Thales Alenia Space France
কাজেই, এই স্যাটেলাইটটি ফ্রান্সের সহায়তায় নির্মিত হয়েছে।
অনেকে ভুল করে যুক্তরাষ্ট্র (USA) উত্তর দেন। মনে রাখবেন, এটি যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা (কেনেডি স্পেস সেন্টার) থেকে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল, কিন্তু এর নির্মাণের দায়িত্বে ছিল ফ্রান্স।
113

বাংলাদেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম কোথায় অবস্থিত ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পটুয়াখালী
  2. সুনামগঞ্জ
  3. কক্সবাজার
  4. চট্টগ্রাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- সাগরের পাহাড়, গুহা, তলদেশ উঁচু নিচু আর এলোমেলো সাগর পথ পাড়ি দিতে দুই ঘন্টা সময় ব্যয় করতে হবে।
- এমন  এ্যাডভেঞ্চার ভ্রমণ বিনোদনের জন্য দেশে প্রথমবারের মতো ফিস ওয়ার্ল্ড এ্যাকুরিয়াম হয়েছে কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায়। যা কক্সবাজারের পর্যটন শিল্পে সংযোজন হয়েছে বিনোদনের নতুন ধাপ।
- বেসরকারিভাবে এটি তৈরি করেন রেডিয়েন্ট গ্রুপ।
- এটি মালেশিয়ার টেকনিক্যাল প্রকৌশলির সহায়তায় নির্মিত হয়েছে। 
- এই এ্যাকুরিয়ামে বঙ্গোপসাগরের থাকা বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য সংক্ষণ করা হয়েছে। 
- অচেনা এবং বিলুপ্ত প্রায় অনেক মাছও রয়েছে। সাগরের বিলুপ্ত মাছ বিভিন্ন প্রাণী সংরক্ষণে একটি জাদুঘরও করা হচ্ছে। 
- কক্সবাজারে স্থাপিত এটিই হচ্ছে দেশের প্রথম সামুদ্রিক ফিস এ্যাকুরিয়াম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কক্সবাজার। দেশের প্রথম ফিশ ওয়ার্ল্ড একুরিয়াম (Fish World Aquarium) কক্সবাজার শহরের ঝাউতলায় অবস্থিত।
এটি বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পে সংযোজিত হওয়া একটি নতুন বিনোদনের ধাপ। এটি বেসরকারিভাবে রেডিয়েন্ট গ্রুপ তৈরি করেছে।
এটি দেশের প্রথম এবং একমাত্র সামুদ্রিক ফিস এ্যাকুরিয়াম, যেখানে বঙ্গোপসাগরের বিভিন্ন প্রজাতির সামুদ্রিক মৎস্য সংরক্ষণ করা হয়েছে।
114

শেখ হাসিনা সেনানিবাস কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বটেশ্বর, সিলেট
  2. ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ
  3. লেবুখালী, পটুয়াখালী
  4. ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম 'শেখ হাসিনা সেনানিবাস' এর অবস্থান পটুয়াখালী জেলার লেবুখালীতে।
- সেনাবাহিনীর ৯টি ডিভিশনের আওতায় দেশে ৩০টি সেনানিবাস থাকলেও এতদিন দক্ষিণাঞ্চলের উপকূলীয় এলাকায় কোনো সেনানিবাস ছিল না। দক্ষিণাঞ্চলের ছয়টি জেলায় বড় ধরনের কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলে ২০০ কিলোমিটার দূরের যশোর সেনানিবাসের সহায়তা নিতে হতো।

তথ্যসূত্র: দৈনিক সমকাল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লেবুখালী, পটুয়াখালী
এটি দেশের ৩১তম এবং দক্ষিণাঞ্চলের প্রথম সামরিক ঘাঁটি। এটি মূলত বরিশাল ও পটুয়াখালী অঞ্চলের প্রতিরক্ষা ও দুর্যোগ মোকাবিলা সক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য স্থাপন করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো দেশের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সেনানিবাসের অবস্থান নির্দেশ করে:
বটেশ্বর, সিলেট: এখানে সিলেট সেনানিবাস অবস্থিত।
ঘাটাইল, মানিকগঞ্জ: সঠিক স্থানটি হলো ঘাটাইল, টাঙ্গাইল। এখানে ঘাটাইল সেনানিবাস অবস্থিত।
ভাটিয়ারি, চট্টগ্রাম: এখানে বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমি (BMA) এবং ভাটিয়ারি সেনানিবাস অবস্থিত।
115

ই-৮ পৃথিবীর কোন ধরনের ৮ টি দেশকে নির্দেশ করে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সবচেয়ে দরিদ্র ৮ টি দেশ
  2. সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ
  3. সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ
  4. সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- 'ই - ৮' হচ্ছে পৃথিবীর সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী আটটি দেশ। এক্ষেত্রে চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের নাম সর্বাগ্রে। 
- অন্যদিকে-
'ডি - ৮' উন্নয়নশীল ৮টি দেশের জোট।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সবচেয়ে পরিবেশ দূষণকারী ৮ টি দেশ
'ই-৮' (E-8) বলতে Environmental Eight বা পরিবেশগত দিক থেকে সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউস গ্যাস নিঃসরণকারী আটটি দেশকে নির্দেশ করে।
এই আটটি দেশ বিশ্বব্যাপী কার্বন নিঃসরণের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশের (৬৫%) জন্য দায়ী। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে— চীন, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত, রাশিয়া, জাপান, জার্মানি, কানাডা এবং যুক্তরাজ্য
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'সবচেয়ে উন্নত ৮ টি দেশ' বা 'সবচেয়ে শিল্পোন্নত ৮ টি দেশ' বলতে সাধারণত G7 (বা পূর্বে G8) জোটকে বোঝানো হয়, যার উদ্দেশ্য অর্থনৈতিক সহযোগিতা।
116

কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. RAM
  2. ROM
  3. হার্ডডিস্ক
  4. অপারেটিং সিস্টেম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- RAM এবং ROM হলো কম্পিউটারের প্রধান মেমোরি। - তবে ROM স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি এবং RAM হল অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি।
- বিদ্যুৎ চলে গেলে ROM এর তথ্য মুছে যায় না তাই এটি নন-ভোলাটাইল মেমোরি।
- অন্যদিকে DRAM (Dynamic RAM) এবং SRAM (Static RAM) এর তথ্য বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এরা ভোলাটাইল মেমোরি।

উৎসঃ কম্পিউটার শিক্ষা – এসএসসি প্রোগ্রাম : উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ROM। ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory
এই মেমোরিতে যে ডেটা একবার সংরক্ষণ করা হয়, তা কেবল পড়া যায়, পরিবর্তন করা যায় না (কিছু বিশেষ প্রক্রিয়া ছাড়া)। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলেও বা বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও ROM-এর তথ্য মুছে যায় না
যেহেতু বিদ্যুৎ চলে গেলেও তথ্য সুরক্ষিত থাকে, তাই ROM কে স্থায়ী মেমোরি বা নন-ভোলাটাইল মেমোরি (Non-Volatile Memory) বলা হয়।
অন্য অপশন RAM (Random Access Memory) হলো অস্থায়ী মেমোরি বা ভোলাটাইল মেমোরি। বিদ্যুৎ চলে গেলে RAM-এ থাকা সকল ডেটা মুছে যায়।
হার্ডডিস্ক হলো সেকেন্ডারি বা সহায়ক মেমোরি, যা বিশাল পরিমাণ ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রধান মেমোরি (Primary Memory)-এর মধ্যে ROM স্থায়ী।
117

ব্রিটিশ উপনিবেশ না হয়েও নিচের কোনটি কমনওয়েলথের সদস্য দেশ ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুদান
  2. ইয়েমেন
  3. মোজাম্বিক
  4. সিয়েরালিওন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• Commonwealth:
- ১৯৪৯ সালে ঐতিহাসিক লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে আধুনিক কমনওয়েলথের যাত্রা শুরু হয়।
- লন্ডন ঘোষণার দিনটিকে অর্থাৎ মার্চের দ্বিতীয় সোমবারকে প্রতিবছর কমনওয়েলথ দিবস পালন করা হয়।
- কমনওয়েলথের বর্তমান - প্রধান রাজা তৃতীয় চার্লস।
- এর সচিবালয় অবস্থিত মার্লবোরো হাউজ, লন্ডন, যুক্তরাজ্য।
- কমনওয়েলথের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৬ টি।
- সর্বশেষ সদস্য দেশ গ্যাবন ও টোগো।
- বাংলাদেশ‌ কমনওয়েলথের সদস্য পদ লাভ করে ১৮ এপ্রিল, ১৯৭২ সালে।
- ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ না হয়েও কোন দেশগুলো কমনওয়েলথের সদস্য- রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবন ও টোগো।

সূত্রঃ কমনওয়েলথ ওয়েবসাইট]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মোজাম্বিক
সাধারণত কমনওয়েলথ গঠিত হয় ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ বা ডোমিনিয়ন রাষ্ট্রসমূহকে নিয়ে।
তবে, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার এবং অর্থনৈতিক সুবিধাদির কারণে কিছু দেশ ব্রিটেনের উপনিবেশ না হয়েও এর সদস্যপদ লাভ করেছে।
মোজাম্বিক ছিল পর্তুগালের সাবেক উপনিবেশ। এটি ১৯৯৫ সালে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে।
বর্তমানে মোট চারটি দেশ ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ না হয়েও কমনওয়েলথের সদস্য: রুয়ান্ডা, মোজাম্বিক, গ্যাবনটোগো
অন্যদিকে, সিয়েরালিওন ছিল ব্রিটেনের সাবেক উপনিবেশ এবং এটি কমনওয়েলথের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। সুদান বা ইয়েমেন কমনওয়েলথের সদস্য নয়।
118

টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনের সময়কাল নিচের কোনটি ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১০ - ২০২৫
  2. ২০২০ - ২০৩০
  3. ২০১৬ - ২০৩০
  4. ২০১৬ - ২০৩৫

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০১৫ সালে জাতিসংঘ ১৫ বছর মেয়াদি আরো একটি লক্ষ্যমাত্রা হাতে নেয়, যার প্রধান ও একমাত্র উদ্দেশ্য হচ্ছে, বিশ্বে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে ১৭টি উল্লেখযোগ্য ও সময়োপযোগী লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়
SDGs-এর মেয়াদ ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল।
এতে মোট ১৭টি লক্ষ্যমাত্রা ও ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে ।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘের ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০১৬ - ২০৩০
জাতিসংঘ ২০১৫ সালে বিশ্বব্যাপী শান্তি, সমৃদ্ধি এবং পরিবেশগত ভারসাম্য নিশ্চিত করার লক্ষ্যে টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Sustainable Development Goals - SDGs) গ্রহণ করে।
এসডিজিএস (SDGs) হলো পূর্ববর্তী সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDGs, ২০০০-২০১৫) সমাপ্তির পর গৃহীত নতুন ১৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা।
এই লক্ষ্যমাত্রাগুলোর বাস্তবায়নকাল শুরু হয় ১লা জানুয়ারি, ২০১৬ থেকে এবং তা শেষ হবে ২০৩০ সাল নাগাদ।
অন্যান্য বিকল্পগুলো (যেমন: ২০২৫, ২০৩৫) এসডিজি অর্জনের নির্ধারিত সময়কাল নয়।
119

দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন কোনটি ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. ময়মনসিংহ
  3. কুমিল্লা
  4. নোয়াখালী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- বাংলাদেশে বর্তমানে সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা ১২টি।
- দেশের সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন- ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশন (১২তম)।
- সিটি কর্পোরেশনের মেয়রকে শপথ বাক্য পাঠ করান মাননীয় প্রধানমন্ত্রী।
- স্থাপিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৮খ্রিঃ

উৎস: স্থানীয় সরকার বিভাগ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ময়মনসিংহ। এটি বাংলাদেশের দ্বাদশ (১২তম) এবং সর্বশেষ সিটি কর্পোরেশন।
ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশন প্রতিষ্ঠিত হয় ১৪ অক্টোবর ২০১৮ খ্রিষ্টাব্দে।
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট সিটি কর্পোরেশনের সংখ্যা ১২টি
অন্যান্য অপশন যেমন সিলেট ও কুমিল্লা পুরানো সিটি কর্পোরেশন। নোয়াখালী এখনও সিটি কর্পোরেশন হিসেবে স্বীকৃত নয়, এটি জেলা শহর।
120

বিশ্ব অটিজম দিবস কবে পালন করা হয় ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ অক্টোবর
  2. ২৯ জানুয়ারি
  3. ২ এপ্রিল
  4. ৯ জুলাই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- জাতিসংঘ ঘােষিত বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস পালিত হয় - ২ এপ্রিল। 
- বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়।
- দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘এমন বিশ্ব গড়ি অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তির প্রতিভা বিকশিত করি।’

সূত্র: কালেরকণ্ঠ পত্রিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো **২ এপ্রিল**। জাতিসংঘ ২০০৭ সালের ১৮ ডিসেম্বর ৬২/১৩৯ প্রস্তাবের মাধ্যমে ২ এপ্রিল দিনটিকে 'বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস' (World Autism Awareness Day) হিসেবে ঘোষণা করে।
বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দিবসটি পালন করা হয়। এই দিবস পালনের প্রধান লক্ষ্য হলো অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন ব্যক্তিদের অধিকার নিশ্চিত করা এবং তাদের প্রতি সমাজের সচেতনতা ও সংবেদনশীলতা বৃদ্ধি করা।
দ্রষ্টব্য: ৫ অক্টোবর দিনটি 'বিশ্ব শিক্ষক দিবস' হিসেবে পালিত হয়, যা শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি ভুল তথ্য (Distractor)।
121

বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সীমান্ত কোনটি ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
  2. ভারত - পাকিস্তান সীমান্ত
  3. পাকিস্তান - চীন সীমান্ত
  4. মিয়ানমার - থাইল্যান্ড সীমান্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বাংলাদেশের সাথে ভারত ও মিয়ানমারের সীমান্ত সংযোগ রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট ৫১৩৮ কিলোমিটার সীমারেখা রয়েছে।
- বাংলাদেশের সর্বমোট স্থলসীমা ৪৪২৭ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশের সাথে মিয়ানমারের সীমানা ২৭১ কিলোমিটার (২৮০ কিলোমিটার মাধ্যমিক ভূগোল)।
- বাংলাদেশের উপকূলের দৈর্ঘ্য ৭১১ কিলোমিটার।
- বাংলাদেশ ও ভারতের সীমারেখার দৈর্ঘ্য ৪১৫৬ কিলোমিটার।
উৎসঃ বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ এর ওয়েবসাইট।

বাংলাদেশ-ভারত মোট সীমানা ৪১৫৬ কি.মি।
source: dlrs.gov.bd

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত - বাংলাদেশ সীমান্ত
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যবর্তী স্থল সীমানা বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম সীমান্ত হিসেবে পরিচিত।
বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (BGB) এবং ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই সীমান্তের মোট দৈর্ঘ্য হলো ৪,১৫৬ কিলোমিটার
ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বিশ্বের দীর্ঘতম অরক্ষিত সীমান্তের মধ্যে অন্যতম।
122

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাকটিকেট বিশ্বের কোন দেশ প্রকাশ করেছে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. যুক্তরাজ্য
  3. ভারত
  4. কানাডা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ইউনেস্কো ১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর, ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের মর্যাদা দেয়।
- পরবর্তীতে ২০০০ সালে ১৮৮ টি দেশে সম্মিলিতভাবে এ দিবসটি পালিত হয়।
- আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতাে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাক টিকেট প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র

তথ্যসূত্র: দৈনিক জনকণ্ঠ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের স্বীকৃতি পাওয়ার পর, দিবসটি উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের ছবি সম্বলিত ডাকটিকেট প্রকাশ করে যুক্তরাষ্ট্র (USA)
এটি ছিল বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলন ও সংস্কৃতির প্রতি আন্তর্জাতিক সম্মানের একটি বড় দৃষ্টান্ত।
অন্যান্য দেশ যেমন যুক্তরাজ্য, ভারত বা কানাডা ডাকটিকেট প্রকাশ করলেও, প্রথম প্রকাশকারী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের নামই ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
123

ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তির আওতায় বিশ্বের কোন দুটি দেশ ‘ইউরো’ চালু করতে বাধ্য নয় ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেদারল্যান্ডস ও যুক্তরাজ্য
  2. নিউজিল্যান্ড ও ডেনমার্ক
  3. ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
  4. সুইডেন ও বেলজিয়াম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৮টি দেশের মধ্যে ২০ টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু রয়েছে। 
- এছাড়া আরও ৭টি দেশ রয়েছে যারা কোনো না কোনো সময়ে ইউরো চালু করতে বাধ্য। 
- তবে ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য এক্ষেত্রে কখনোই ইউরো চালু করতে বাধ্য নয়।

তথ্যসূত্র: ইউরোপীয় ইউনিয়ন ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ডেনমার্ক ও যুক্তরাজ্য
ইউরোপীয় ইউনিয়নের চুক্তি (যেমন: মাastricht Treaty, ১৯৯২) অনুযায়ী, জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাধারণত বাধ্যতামূলকভাবে ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করতে হয়।
তবে, ডেনমার্ক এবং যুক্তরাজ্য (United Kingdom) চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় এই বাধ্যবাধকতা থেকে বিশেষ অব্যাহতি (Opt-out Clause) লাভ করেছিল। তাই তারা কখনোই ইউরো চালু করতে বাধ্য ছিল না।
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য ২০২০ সালে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) ত্যাগ করেছে (Brexit), ফলে বর্তমানে তাদের আর চুক্তির অধীনে ইউরো চালু করার কোনো প্রশ্নই নেই।
124

বঙ্গবন্ধু সেতুতে যান চলাচল শুরু হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ১৯৯৯ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- বঙ্গবন্ধু সেতু ১৯৯৮ সালের জুনে উন্মুক্ত করা হয়। 
- এই সেতুর যমুনা নদীর পূর্ব পাড়ের ভুয়াপুর এবং পশ্চিম পাড়ে সিরাজগঞ্জকে সংযুক্ত করেছে।
 - এটি ১৯৯৮ সালে নির্মাণকালীন সময়ে পৃথিবীর ১১তম বৃহত্তম সেতু এবং বর্তমানে এটি দক্ষিণ এশিয়ার ৬ষ্ঠ বৃহত্তম সেতু। 
- এটি যমুনা নদীর উপর দিয়ে নির্মিত যা বাংলাদেশের প্রধান তিনটি সেতুর একটি এবং পানি প্রবাহের উপর ভিত্তি করে বিশ্বের পঞ্চম বৃহত্তম।
- বঙ্গবন্ধু সেতু যা বাংলাদেশের পূর্ব এবং পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে কৌশলগত সেতুবন্ধন তৈরী করেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৯৮ সালে
বঙ্গবন্ধু সেতু (পূর্বনাম: যমুনা বহুমুখী সেতু) ১৯৯৮ সালের জুনে আনুষ্ঠানিকভাবে যান চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয়।
এই সেতুটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে পূর্বাঞ্চলের কৌশলগত যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
তৎকালীন সময়ে এটি ছিল বিশ্বের ১১তম বৃহত্তম সেতু
অন্যান্য সালগুলো (১৯৯৭, ১৯৯৯, ২০০১) সঠিক নয়, কারণ সেতুর উদ্বোধন এবং যান চলাচল শুরু হয় নির্ধারিত সময়ে, যা ছিল ১৯৯৮ সাল
125

২০১৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপে ‘গোল্ডেন বল’ লাভকারী লুকা মডরিচ কোন দেশের নাগরিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. ব্রাজিল
  4. ক্রোয়েশিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ২০১৮ সালে ফিফা বিশ্বকাপে 'গােল্ডেন বল' লাভকারী লুকা মডরিচ ক্রোয়েশিয়ার নাগরিক।
- লুকা মডরিচ - FIFA The Best এবং UEFA বর্ষসেরা (২০১৮) নির্বাচিত হন।

তথ্যসূত্র: ফিফা ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্রোয়েশিয়া
২০১৮ ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup) অনুষ্ঠিত হয়েছিল রাশিয়ায়। এই বিশ্বকাপে অসাধারণ পারফরম্যান্সের জন্য ক্রোয়েশিয়ার অধিনায়ক লুকা মডরিচ (Luka Modrić) টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে ‘গোল্ডেন বল’ পুরস্কার লাভ করেন। যদিও তার দল ক্রোয়েশিয়া ফাইনালে ফ্রান্সের কাছে ৪-২ গোলে হেরে রানার্স-আপ হয়েছিল।
অন্যান্য অপশন যেমন ফ্রান্স ছিল চ্যাম্পিয়ন, ব্রাজিলজার্মানি এই আসরের গুরুত্বপূর্ণ দল হলেও, গোল্ডেন বল জেতেন ক্রোয়েশিয়ার মডরিচ।
126

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন জনপদের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গ
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. গৌড়
  4. সমতট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• প্রাচীন যুগে বাংলা কোন একক বা অখণ্ড রাষ্ট্র ছিলো না। সমগ্র বাংলা তখন কতগুলো ছোট ছোট অংশে বিভক্ত ছিলো। এসব ছোট ছোট অংশ জনপদ নামে পরিচিত। প্রাচীন শিলালিপি ও সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলায় প্রায় ষোলটি জনপদের উল্লেখ পাওয়া যায়।
• প্রাচীন বাংলার জনপদসমূহের মধ্যে সবচেয়ে সমৃদ্ধ ও প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে বিবেচনা করা হয় পুণ্ড্র জনপদকে।
- বলা হয়ে থাকে যে পুন্ড্র বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তোলে। 
- বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী এবং দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে পুণ্ড্র নামের জনগোষ্ঠী এই জনপদ গড়ে তুলেছিলো।
- পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী ছিলো বগুড়া জেলার মহাস্থানগড় বা পুণ্ড্রনগর।
- এখানে বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন শিলালিপি পাওয়া গেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্রবর্ধন (বা পুণ্ড্র)।
প্রাচীনকালে বাংলা একক কোনো রাষ্ট্র ছিল না। এটি ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল, যা জনপদ নামে পরিচিত। এই জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন জনপদকেই সবচেয়ে প্রাচীন এবং সমৃদ্ধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এই জনপদটি বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী এবং দিনাজপুর অঞ্চল জুড়ে বিস্তৃত ছিল। ঐতিহাসিকদের মতে, এই জনপদটি খ্রিষ্টপূর্ব চতুর্থ শতকের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
অন্যান্য অপশন যেমন— বঙ্গ, গৌড়, সমতট— এগুলোও গুরুত্বপূর্ণ জনপদ, কিন্তু এদের মধ্যে পুণ্ড্রবর্ধনই সবচেয়ে পুরোনো।
127

আকাশ নীল দেখায় কারণ নীল রঙের -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তরঙ্গ দৈর্ঘ্য বেশি
  2. বিক্ষেপণ বেশি
  3. প্রতিফলন বেশি
  4. শোষণ বেশি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম সে আলোর বিক্ষেপণ তত বেশি।
- নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য কম বলের বিক্ষেপণ বেশি। যার ফলে বায়ুমন্ডলের ধূলিকণায় বিক্ষিপ্ত নীল আলো ছড়ায় বলে আকাশ নীল দেখায়।
- বায়ুমণ্ডল না থাকলে আকাশ কালো দেখাত কারণ সে ক্ষেত্রে আলোক রশ্মির বিক্ষেপণ হতো না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিক্ষেপণ বেশি। এটি আলোর 'রেলে বিক্ষেপণ' (Rayleigh Scattering) নীতির ফল।
রেলে বিক্ষেপণ নীতি অনুসারে, যে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত কম, বায়ুমণ্ডলের ধূলিকণা বা গ্যাসীয় কণা দ্বারা সেই আলোর বিক্ষেপণ (Scattering) তত বেশি হয়।
দৃশ্যমান আলোর মধ্যে নীল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) সবচেয়ে কম (বেগুনি আলোর পরেই)। তাই সূর্যালোক যখন বায়ুমণ্ডল ভেদ করে, তখন নীল আলো সর্বাধিক বিক্ষিপ্ত হয়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে। এই বিক্ষিপ্ত নীল আলো ছড়ানোর কারণেই আকাশকে নীল দেখায়।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি হলে বিক্ষেপণ কম হতো (যেমন লাল আলো)। প্রতিফলন বা শোষণ এক্ষেত্রে আকাশের নীল রঙের প্রধান কারণ নয়।
128

২০১৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন কে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অলিভার হার্ট
  2. জ্যাঁ তিরোল
  3. রবার্ট জে শিলারল
  4. উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ২০১৮ সালে ১২ ব্যক্তিকে নােবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।
- জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রযুক্তি কীভাবে অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে তা গবেষণার জন্য উইলিয়াম ডি নর্ডহাউস এবং পল মাইকেল রােমারকে যৌথভাবে অর্থনীতিতে নােবেল পুরস্কার দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: নোবেল ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উইলিয়াম ডি নর্ডহাস ও পল মাইকেল রোমার
তাঁরা জলবায়ু পরিবর্তন (Climate Change) এবং প্রযুক্তি কীভাবে দীর্ঘমেয়াদি সামষ্টিক অর্থনীতিকে প্রভাবিত করে, সে বিষয়ে গবেষণা করার জন্য যৌথভাবে ২০১৮ সালে অর্থনীতিতে এই সম্মানজনক পুরস্কার পান।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন বছর ও গবেষণার জন্য পুরস্কার পেয়েছিলেন। উদাহরণস্বরূপ, অলিভার হার্ট এবং রবার্ট জে শিলার (Shiller) হলেন অর্থনীতির পূর্ববর্তী নোবেল বিজয়ী।
129

কোন সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা দেওয়া হয়েছে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৯ - ২০ সালকে
  2. ২০২০ - ২১ সালকে
  3. ২০২১ - ২২ সালকে
  4. ২০২২ - ২৩ সালকে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

- ‘মুজিব বর্ষ’ হলো বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী (জন্ম ১৭ মার্চ, ১৯২০)।
- মুজিব বর্ষের সময়কাল ১৭ মার্চ ২০২০—১৭ মার্চ ২০২১।
- ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
- এর ক্ষণগণনা শুরু হয় ১০ জানুয়ারি ২০২০ থেকে।
- ২০২০ সাল বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ।
- সরকারিভাবে বছরটি মুজিব বর্ষ হিসেবে উদ্‌যাপিত হচ্ছে। অত্যন্ত আনন্দের কথা যে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ শুধু বাংলাদেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে না, জাতিসংঘ শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থাও (ইউনেসকো) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। 
এর ফলে বাংলাদেশ ইউনেসকোর সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশের সঙ্গে যৌথভাবে কিংবা ইউনেসকো সদস্যভুক্ত যেকোনো দেশ আলাদাভাবে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবর্ষ উদ্‌যাপন করতে পারবে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০২০ - ২১ সালকে
‘মুজিব বর্ষ’ হলো জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে ঘোষিত বিশেষ সময়কাল।
বঙ্গবন্ধুর জন্ম তারিখ ১৭ মার্চ, ১৯২০। সেই হিসেবে তাঁর জন্মশতবর্ষ শুরু হয় ১৭ মার্চ ২০২০ তারিখে এবং শেষ হয় ১৭ মার্চ ২০২১ তারিখে।
সরকারিভাবে এই পুরো সময়কালকে মুজিব বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল, যা বিকল্পে '২০২০ - ২১ সালকে' হিসেবে দেখানো হয়েছে।
130

জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ এপ্রিল, ১৯৪২ সালে
  2. ১৭ জুন, ১৯৪৩ সালে
  3. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
  4. ১৫ জানুয়ারি, ১৯৪০ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী জাপান, জার্মানি ও ইতালিকে একত্রে অক্ষশক্তি বলা হয়।
জাপান ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে পার্ল হারবারে অবস্থিত মার্কিন নৌঘাঁটি আক্রমণ করে।
এজন্য ১৯৪১ সালের ৮ ডিসেম্বর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে।

উৎসঃ এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে
পার্ল হারবার হলো যুক্তরাষ্ট্রের হাওয়াই অঙ্গরাজ্যে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নৌঘাঁটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় প্রশান্ত মহাসাগরে মিত্রশক্তিকে দুর্বল করার উদ্দেশ্যে, অক্ষশক্তির অন্যতম প্রধান দেশ জাপান অতর্কিতে এই ঘাঁটিতে বিমান ও নৌ হামলা চালায়।
এই আক্রমণের ফলস্বরূপ পরের দিন অর্থাৎ ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশগ্রহণ করে। এটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম প্রধান টার্নিং পয়েন্ট ছিল।
131

বায়ুমণ্ডলে কোন গ্যাস সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায় ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শুষ্ক বাতাসে ৭৮.০৯% নাইট্রোজেন,২০.৯৫% অক্সিজেন, ০.৯৩% আর্গন, ০.০৩% কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং সামান্য পরিমাণে অন্যান্য গ্যাস থাকে।
বাতাসে এছাড়াও পরিবর্তনশীল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে যার গড় প্রায় ১%।

উৎস: অষ্টম শ্রেণির বিজ্ঞান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাইট্রোজেন। বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় উপাদানের মধ্যে নাইট্রোজেনই সর্বাধিক পরিমাণে পাওয়া যায়।
শুষ্ক বাতাসের মোট আয়তনের প্রায় ৭৮.০৯% হলো নাইট্রোজেন (N₂)।
দ্বিতীয় সর্বাধিক গ্যাস হলো অক্সিজেন (O₂), যার পরিমাণ প্রায় ২০.৯৫%
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন: কার্বন ডাইঅক্সাইড (০.০৩%) এবং হাইড্রোজেন (অতি নগণ্য) খুবই কম পরিমাণে থাকে, তাই সেগুলো সঠিক উত্তর নয়।
132

ইউয়ান কোন দেশের মুদ্রা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিয়ানমার
  2. ভিয়েতনাম
  3. থাইল্যান্ড
  4. চীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- ভুটানের মুদ্রার নাম গুলট্রাম।
- ভিয়েতনামের মুদ্রার নাম 'ডং'।
- চীন মুদ্রার নাম ইউয়ান।
- নেপালের মুদ্রার নাম নেপালিজ রুপি।

সূত্র: সংশ্লিষ্ট দেশের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চীন। চীনের মুদ্রার অফিসিয়াল নাম হলো রেনমিনবি (Renminbi - RMB), যার মৌলিক একক হলো ইউয়ান (Yuan)। ইউয়ানকে সাধারণত ¥ চিহ্ন দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ:
মিয়ানমার এর মুদ্রা: কিয়াট (Kyat)
ভিয়েতনাম এর মুদ্রা: ডং (Dong)
থাইল্যান্ড এর মুদ্রা: বাত (Baht)
133

ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেক্সিকো
  2. জাপান
  3. ইতালি
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- ভিসুভিয়াস পর্বত (ইতালীয়: Monte Vesuvio, লাতিন ভাষায়: Mons Vesuvius) ইতালির নেপলস উপসাগরীয় অঞ্চলের একটি আগ্নেয়গিরি।
- নেপলস থেকে ৯ কিলোমিটার পূর্বে সমুদ্রউপকূলের খুব কাছে এর অবস্থান।

তথ্যসূত্র: ব্রিটানিকা

ব্যাখ্যা

ভিসুভিয়াস আগ্নেয়গিরিটি দক্ষিণ ইতালির কাম্পানিয়া অঞ্চলে, নেপলস উপসাগরের পূর্বে অবস্থিত। এটি পৃথিবীর অন্যতম বিখ্যাত এবং বিপজ্জনক আগ্নেয়গিরি।
সঠিক উত্তর: ইতালি
ভিসুভিয়াসের ভয়াবহ অগ্ন্যুৎপাতের ফলেই ৭৯ খ্রিস্টাব্দে বিখ্যাত রোমান শহর পম্পেই (Pompeii) সম্পূর্ণরূপে ধ্বংস হয়ে গিয়েছিল।
অন্যান্য অপশন যেমন জাপান (ফুজি), মেক্সিকো এবং রাশিয়াতে ভিন্ন ভিন্ন আগ্নেয়গিরি থাকলেও, ভিসুভিয়াস একমাত্র ইতালির একটি পর্বত।
134

কচু খেলে গলা চুলকায় কারণ কচুতে আছে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যালসিয়াম অক্সালেট
  2. ক্যালসিয়াম কার্বনেট
  3. ক্যালসিয়াম ফসফেট
  4. ক্যালসিয়াম সালফেট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কচু নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
১) কচুর শাকে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ, বি, সি,ক্যালসিয়াম ও লৌহ। ভিটামিন এ জাতীয় খাদ্য রাতকানা প্রতিরোধ করে আর ভিটামিন সি শরীরের ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। তাই শিশুদের ছোট বেলা থেকেই কচুর শাক খাওয়ানো উচিত।
২) কচুতে আছে আয়রন, যা রক্ত শূন্যতা প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।
৩) কচুতে আছে নানা রকমের ভিটামিন যা গর্ভবতী মা ও শিশুর জন্য দারুন উপকারি।
৪) কচুর ডাঁটায় প্রচুর পরিমানে পানি থাকে,তাই গরমের সময় কচুর ডাঁটায় রান্না করে খেলে শরীরের পানির ঘাটতি পূরণ হয়।
৫) কচুর শাকে পর্যাপ্ত পরিমানে আঁশ থাকে যা হজমে সহায়তা করে।
৬) কচুতে আছে প্রচুর ফাইবার, ফোলেট ও থায়ামিন যা মানব শরীরের জন্য অনেক দরকারি উপাদান।
৭) কচু খেলে রক্তের কোলেস্টরল কমে তাই উচ্চরক্ত চাপের রোগীদের জন্য ওল কচুর রস বেশ উপকারী।
8) নিয়মিত কচু খেলে কোলন ক্যান্সার ও ব্রেষ্ট ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে।
৯) কচু শাক বা কচু খেলে অনেক সময় গলা চুলকায়; কারণ কচুতে ক্যালসিয়াম অক্সলেট আছে।

উৎসঃ নবম-দশম শ্রেণীর বিজ্ঞান বই ও পত্রিকার স্বাস্থ্য সংক্রান্ত প্রতিবেদন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ক্যালসিয়াম অক্সালেট
কচুর (Taro) ডাটা বা শাকে যে রাসায়নিক লবণটি উপস্থিত থাকে, তা হলো ক্যালসিয়াম অক্সালেট
এই লবণটি কচুর কোষে অত্যন্ত সূক্ষ্ম, ছুঁচালো র‍্যাফাইডস (Raphides) নামক ক্রিস্টাল আকারে থাকে।
যখন আমরা কাঁচা বা অপর্যাপ্ত রান্না করা কচু খাই, তখন এই তীক্ষ্ণ ক্রিস্টালগুলো মুখ ও গলার ভেতরের মিউকাস মেমব্রেনে আঘাত করে এবং তীব্র জ্বালা ও চুলকানির সৃষ্টি করে।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন ক্যালসিয়াম কার্বনেট বা ক্যালসিয়াম সালফেট মানবদেহের জন্য প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়ামের লবণ হলেও, গলা চুলকানোর মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার জন্য তারা দায়ী নয়।
135

জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কোন দেশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. চীন
  3. বাংলাদেশ
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

World Population Prospects 2022: 
জুলাই ২০২২ এ জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিভাগ World Population Prospects 2022 শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে।
প্রতিবেদন অনুসারে –
- জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর শীর্ষ তিন দেশ –
১. চীন (১৪২৬ মিলিয়ন);
২. ভারত (১৪১২ মিলিয়ন) ও
৩. যুক্তরাষ্ট্র (৩৩৭ মিলিয়ন)।

- জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান - অষ্টম (১৭০ মিলিয়ন)।
- জনসংখ্যার ঘনত্বে বিশ্বের শীর্ষ দেশ - মোনাকো (২৪,৪৭৬ জন/বর্গ কিমি)।
- জনসংখ্যার ঘনত্বে বাংলাদেশের অবস্থান - ষষ্ঠ (১,৩১৫ জন/বর্গ কিমি)
- সার্কভুক্ত দেশের মধ্যে জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি – মালদ্বীপ (চতুর্থ) (১,৭৪৬ জন/বর্গ কিমি)।
- ২০৫০ সালে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশ হবে ভারত, দ্বিতীয় চীন।
- ২০৫০ সালে বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২০৪ মিলিয়ন।

সূত্র: লাইভ এমসিকিউ সাম্প্রতিক সমাচার, সেপ্টেম্বর ২০২২

ব্যাখ্যা

জনসংখ্যার হিসাবটি সাধারণত জাতিসংঘের World Population Prospects রিপোর্টের ভিত্তিতে করা হয়। পুরোনো বা ঐতিহ্যবাহী হিসাব অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় দেশ হলো চীন
২০২২ সালের জাতিসংঘ প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীন (প্রায় ১৪২৬ মিলিয়ন) ছিল তালিকার শীর্ষে এবং ভারত (প্রায় ১৪১২ মিলিয়ন) ছিল দ্বিতীয় স্থানে। তাই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হলো: চীন
উল্লেখ্য, ভারত বর্তমানে (২০২৩ সালের মাঝামাঝি থেকে) চীনকে অতিক্রম করে বিশ্বের সবচেয়ে জনবহুল দেশের মর্যাদা লাভ করেছে। কিন্তু প্রশ্নটি যখন তৈরি হয়েছিল বা ২০২২ সালের তথ্য অনুযায়ী চীন-ই প্রথম ছিল।
136

মহাস্থানগড়' কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কপোতাক্ষ
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. করতোয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে মহাস্থানগড় সুমহান ঐতিহ্যের সাক্ষী হয়ে আজও দাঁড়িয়ে আছে। 
- ১৮৭৯ সালে প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের ঐতিহাসিক নিদর্শন আবিষ্কার করেন ব্রিটিশ প্রত্নতত্ত্ববিদ আলেকজান্ডার কানিংহ্যাম।
- মহাস্থানগড় বাংলাদেশের একটি অন্যতম প্রাচীন পুরাকীর্তি।
- প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী মহাস্থানগড়ের নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।
- এখানে মৌর্য, গুপ্ত, পাল, সেন সাম্রাজ্যের প্রচুর নিদর্শন পাওয়া গেছে। 

- ২০১৫ সাল থেকে সার্ক কালচারাল সেন্টার সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে কোনো একটি প্রাচীন ঐতিহ্যবাহী অঞ্চলকে সার্কের রাজধানী হিসেবে ঘোষণা করে আসছে। সার্কভুক্ত দেশগুলোর ইংরেজি নামের আদ্যক্ষরের ভিত্তিতে দেশগুলোর স্থান বেছে নেওয়া হচ্ছে।
- বাংলাদেশের প্রাচীন জনপদ বগুড়ার মহাস্থানগড় সার্কের সাংস্কৃতিক রাজধানী- ২০১৭ হিসেবে চূড়ান্ত স্বীকৃতি পেল। 

সূত্র:  বাংলাপিডিয়া ও প্রথম আলো

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো করতোয়া
মহাস্থানগড় বাংলাদেশের বগুড়া জেলায় অবস্থিত একটি অতি প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান। এটি মূলত প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন রাজ্যের রাজধানী পুণ্ড্রনগর।
ঐতিহাসিক এই স্থানটি বগুড়া শহর থেকে প্রায় ১৩ কিলোমিটার উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। নদীটি এই প্রাচীন জনপদের প্রতিরক্ষামূলক অংশ হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করত।
137

থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লিরা
  2. ক্রোনা
  3. বাথ
  4. রিংগিত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- থাইল্যান্ডের মুদ্রার নাম Thai baht.
- কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম  Bank of Thailand.

Source: Bank of Thailand

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (গ) বাথ
থাইল্যান্ডের সরকারি মুদ্রার নাম হলো থাই বাথ (Thai Baht)। থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম Bank of Thailand
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন দেশের মুদ্রা:
লিরা: তুরস্ক (Turkey) ও লেবাননের (Lebanon) মুদ্রা।
ক্রোনা: সুইডেন (Sweden) ও চেক প্রজাতন্ত্রের (Czech Republic) মুদ্রা।
রিংগিত: মালয়েশিয়ার (Malaysia) মুদ্রা।
138

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 330
  2. 340
  3. 350
  4. 360

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা ৩৫০ ( সরাসরি ৩০০ আসন + সংরক্ষিত মহিলা আসন ৫০)।

- বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ ৩০০ সদস্য বিশিষ্ট সর্বোচ্চ আইন পরিষদ।
- প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে প্রতি আসন থেকে একজন করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
- সাধারণত প্রতি ৫ বছর অন্তর এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

- ৩রা জুলাই, ২০১১ তারিখে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী অনুযায়ী সংরক্ষিত মহিলা আসন সংখ্যা ৪৫ হতে বাড়িয়ে ৫০ করা হয়েছে।
- বাংলাদেশের সংবিধানে সর্বোচ্চ আইন পরিষদকে বাংলায় ‘জাতীয় সংসদ’ এবং ইংরেজিতে ‘হাউজ অব্ দ্য নেশন’ বলা হয়েছে।

 সূত্র:  জাতীয় সংসদ ও বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩৫০
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা হলো ৩৫০ জন
এই মোট সদস্য সংখ্যা দুটি ভাগে বিভক্ত:
  • সরাসরি নির্বাচিত আসন: ৩০০টি। এই সদস্যরা প্রাপ্তবয়স্ক ভোটারের সরাসরি ভোটের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
  • সংরক্ষিত মহিলা আসন: ৫০টি। এই আসনে নির্বাচিত মহিলা সদস্যরা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না, বরং ৩০০ জন নির্বাচিত সংসদ সদস্যের ভোটের মাধ্যমে আনুপাতিক হারে নির্বাচিত হন।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন ৩৩০, ৩৪০ বা ৩৬০ সঠিক নয়, কারণ সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের মোট সদস্য সংখ্যা হলো সরাসরি ৩০০ আসন এবং সংরক্ষিত ৫০ আসন, যার যোগফল ৩৫০
139

“ছিয়াত্তরের মন্বন্তর” বলা হয় বাংলা কোন সনকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1176
  2. 1186
  3. 1770
  4. 1776

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

- ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামক দুর্ভিক্ষ ঘটেছিল বাংলা সন ১১৭৬-এ (১৭৭০ খ্রিস্টাব্দে)
- তখন ছিল আঠারো শতকের চরম অর্থনৈতিক মন্দার বছর।
- সে বছর অত্যধিক বৃষ্টিপাত ও বন্যার গ্রাস থেকে কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারে নি।
- তদুপরি ভূমিরাজস্ব ব্যবস্থা এবং খাদ্যবাজারে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্যের ফলে অবস্থার চরম অবনতি ঘটে।
- অথচ ব্রিটিশরাজের কোম্পানি শাসকরা পুরো বিষয়টিকে প্রাকৃতিক বিপর্যয় বলে দাবি করে।

- কিন্তু ভিন্ন সাক্ষ্য থেকে জানা যায় যে, ১৭৬৮ সনে আদায়কৃত রাজস্ব ১৫.২১ মিলিয়ন রুপির চেয়ে ১৭৭১ সনের আদায়কৃত রাজস্বের পরিমাণ ৫,২২,০০০ রুপি বেশি ছিল, অথচ এর আগের বছরেই ঘটে যায় দুর্ভিক্ষ।
- এভাবে, কোম্পানি শাসনের সহযোগিতায়, খাদ্যশস্যের বাজার থেকে মুনাফা লুট এবং অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার কারণে জনমানুষের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে। 
- জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ, প্রায় ১০ মিলিয়ন মানুষ দুর্ভিক্ষে মারা যায়।

 সূত্র: বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১১৮৬। ঐতিহাসিক 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর' নামক ভয়াবহ দুর্ভিক্ষটি ঘটেছিল বাংলা সন ১১৭৬ সালে
এই মন্বন্তরটি বাংলার ইতিহাসের সবচেয়ে মারাত্মক দুর্ভিক্ষগুলোর মধ্যে অন্যতম, যেখানে প্রায় এক-তৃতীয়াংশ মানুষ মৃত্যুবরণ করে।
বাংলা সন ১১৭৬-এর শেষের দিকে এর প্রভাব শুরু হয় এবং ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তা স্থায়ী হয়।
অপশনগুলোর মধ্যে ১৭১০ বা ১৭৭৬ খ্রিস্টাব্দ দুটিই ভুল, কারণ ছিয়াত্তরের মন্বন্তরটি ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শাসনকালে ঘটেছিল।
140

বাংলাদেশের একমাত্র মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

- বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মৎস্যচাষ পরিকল্পনা, সমন্বয় ও গবেষণার জন্য ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা সংস্থা।
- ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হলেও জনবল সংগ্রহ ও উন্নয়ন অবকাঠামো গড়ে তোলার পর যথার্থ কাজ শুরু হয়েছে ১৯৮৬ সাল থেকে।

- রাজধানী ঢাকা থেকে ১২০ কিলোমিটার উত্তরে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় ইনস্টিটিউটের প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
- প্রশাসনিকভাবে এটি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন একটি স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান।
- পরিবেশ এবং মৎস্য সম্পদের প্রকৃতি অনুযায়ী দেশের ৫টি এলাকায় ইনস্টিটিউটের ৫টি গবেষণা কেন্দ্র ও ৫টি উপকেন্দ্র রয়েছে।
- এগুলো হলো-
1. ময়মনসিংহে অবস্থিত স্বাদুপানি কেন্দ্র,
2. চাঁদপুরে অবস্থিত নদী কেন্দ্র,
3. খুলনার পাইকগাছায় অবস্থিত লোনাপানি কেন্দ্র,
4. কক্সবাজারে অবস্থিত সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্র এবং
5. বাগেরহাটে অবস্থিত চিংড়ি গবেষণা কেন্দ্র।

- উপকেন্দ্র ৫টি হলো-
১। রাঙ্গামাটিতে কাপ্তাই লেক উপকেন্দ্র,
২।সান্তাহারে প্লাবনভূমি উপকেন্দ্র,
৩।যশোরে স্বাদুপানি উপকেন্দ্র,
৪।পটুয়াখালীর খেপুপাড়ায় অবস্থিত নদী উপকেন্দ্র এবং
৫।সৈয়দপুরে অবস্থিত স্বাদুপানি উপকেন্দ্র।

- ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রম এসব কেন্দ্র ও উপকেন্দ্রের মাধ্যমে সম্পাদিত হয়ে থাকে। মৎস্যসম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবন ইনস্টিটিউটের গবেষণা কার্যক্রমের মূল লক্ষ্য। 

সূত্র: বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ও বাংলাপিডিয়া

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের একমাত্র জাতীয় মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (Bangladesh Fisheries Research Institute - BFRI) এর প্রধান কার্যালয় ময়মনসিংহে অবস্থিত।
এটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU) সংলগ্ন এলাকায় স্থাপন করা হয়েছে।
এই স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় গবেষণা সংস্থাটি মৎস্য সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহার ও উৎপাদন বৃদ্ধির আধুনিক প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে ১৯৮৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ঢাকা, ফরিদপুর বা খুলনাতে এর কোনো প্রধান কার্যালয় নেই, বরং সেখানে এর আঞ্চলিক গবেষণা কেন্দ্র বা উপকেন্দ্র রয়েছে।
141

সোয়াইন ফ্লু ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এশিয়া
  2. মেক্সিকো
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. আফ্রিকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সোইয়ইন ফ্লু ভাইরাসটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল মেক্সিকোতে, এপ্রিল, ২০০৯ সালে। পরবর্তীতে, এই রোগটি অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।

- সোয়াইন ফ্লু হচ্ছে মানবদেহের ইনফ্লুয়েঞ্জার ভাইরাসের মতোই এক ধরনের ভাইরাস, যা প্রধানত শূকরের দেহে দ্রুত বংশবিস্তার করতে পারে।
এই ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস টাইপ A (H1N1)
- বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা ২০০৯-এর জুন মাসে বিশ্বের ৭৪টি দেশে নতুন H1N1 ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের উপস্থিতির কারণে এই রোগের সাম্প্রতিক অবস্থাকে বিশ্বব্যাপী মহামারি বলে চিহ্নিত করেছে।
- মানুষ, শূকর ও পাখির সংমিশ্রণে উদ্ভব হওয়া ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাসের এই রূপটি সম্পর্কে ধারণা করা হয় এটি শূকরের মাধ্যমে মানুষকে আক্রান্ত করেছে।
- সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হওয়ার উপসর্গের মধ্যে জ্বর হওয়া, মাথা ব্যথা, গলা ও শরীর ব্যথা, শ্বাস কষ্ট, ক্ষুধামান্দ্য ও আলস্যবোধ করা, ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি অন্যতম। 
- ২০০৯ সালের ১৮ জুন বাংলাদেশে প্রথম সোয়াইন ফ্লু রোগী শনাক্ত করা হয়। 

সূত্র: WHO Website [লিঙ্ক]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেক্সিকো
সোয়াইন ফ্লু (Swine Flu) ভাইরাসটি, যা আনুষ্ঠানিকভাবে Influenza A H1N1 নামে পরিচিত, সেটি সর্বপ্রথম শনাক্ত করা হয়েছিল ২০০৯ সালের এপ্রিল মাসে উত্তর আমেরিকার দেশ মেক্সিকোতে
ভাইরাসটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার কারণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ২০০৯ সালের জুন মাসে এটিকে বিশ্বব্যাপী মহামারি (Pandemic) হিসেবে ঘোষণা করে।
এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং আফ্রিকা এই ভাইরাসের উৎপত্তিস্থল নয়; বরং মেক্সিকো থেকে ভাইরাসটি পরবর্তীকালে অন্যান্য দেশে ছড়িয়ে পড়ে।
142

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২২ কোথায় অনুষ্ঠিত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাতার
  2. বাহরাইন
  3. দুবাই
  4. আবুধাবি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আসর:
- ২০১৮ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ রাশিয়ায় (ইউরোপ) অনুষ্ঠিত হয়।
- ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর কাতারে (এশিয়ায়) অনুষ্ঠিত হবে ২২তম ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপের আসর। এর মাধ্যমে প্রথমবারের মতো কোন মুসলিম দেশে ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হতে হচ্ছে।
- ২০২৬ সালে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজক যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো (উত্তর আমেরিকা)।

উৎস : ফিফা ওয়েবসাইট

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কাতার
২২তম ফিফা পুরুষ ফুটবল বিশ্বকাপ ২০২২ সালের ২১ নভেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের দেশ কাতারে অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ছিল ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসে প্রথমবার যখন কোনো মুসলিম বা আরব দেশে এই টুর্নামেন্টের আয়োজন করা হয়েছিল।
অপশনগুলোতে থাকা বাহরাইন, দুবাই ও আবুধাবি মধ্যপ্রাচ্যের দেশ হলেও তারা আয়োজক ছিল না। দুবাই ও আবুধাবি হলো সংযুক্ত আরব আমিরাতের শহর।
143

বাংলাদেশের সরকারি আয়ের প্রাধান উৎস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়কর
  2. মূল্য সংযোজন কর
  3. আমদানি শুল্ক
  4. বিক্রয় কর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

• মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট):
- বাংলাদেশ সরকারের আয়ের সবচেয়ে বড় খাত হলো মূল্য সংযোজন কর (ভ্যাট)।
- বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT- Value Added Tax মূল্য সংযোজন কর) চালু হয়- ১ জুলাই, ১৯৯১ সালে।
- ভ্যাট বা মূসক একটি পরোক্ষ কর।
- ভ্যাট থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়।

• বাংলাদেশের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান খাত সমূহ:
- প্রথম : মূল্য সংযোজন কর 
- দ্বিতীয় : আয়কর 
- তৃতীয় : সম্পূরক শুল্ক
- চতুর্থ : আমদানি শুল্ক

উৎস: এনবিআরের ওয়েবসাইট ও বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা-২০২২।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সরকারের সরকারি রাজস্ব আয়ের প্রধান বা বৃহত্তম উৎস হলো মূল্য সংযোজন কর (VAT/মূসক)
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) এর তথ্য অনুযায়ী, সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের প্রায় ৪০ শতাংশেরও বেশি আসে এই খাত থেকে। তাই এটিই আয়ের প্রধান উৎস।
দ্বিতীয় বৃহত্তম উৎস হলো আয়কর এবং তৃতীয় বৃহত্তম উৎস হলো সম্পূরক শুল্ক (Supplementary Duty)।
144

শীতকালে বাংলাদেশের কোনটি সবচেয়ে শীতলতম জেলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনাজপুর
  2. বগুড়া
  3. শেরপুর
  4. গাজীপুর

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো দিনাজপুর। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে দিনাজপুর বাংলাদেশের উত্তরতম জেলাগুলোর মধ্যে পড়ে এবং এটি হিমালয়ের পাদদেশের কাছাকাছি অবস্থিত।
শীতকালে (বিশেষত জানুয়ারি মাসে) উত্তর দিক থেকে আসা শীতল বায়ু প্রবাহের কারণে এবং সমুদ্রের প্রভাব থেকে বহু দূরে অবস্থান করায়, দিনাজপুর অঞ্চলে তাপমাত্রা বাংলাদেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম থাকে। এটি প্রায়শই দেশের শীতলতম স্থান হিসেবে রেকর্ড করা হয়।
145

২০১৮ সালে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু কত? [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৮ বছর
  2. ৭২ বছর
  3. ৭৮ বছর
  4. ৮২ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনের সঠিক উত্তর ৭২ বছর।
তবে, এটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন হওয়ায় বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।

বর্তমানে প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে - 

- মোট জনসংখ্যা- ১৭ কোটি ৮০ লক্ষ।
- জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার- ১.৩৭ %
- জনসংখ্যার ঘনত্ব- ১১৪০/বর্গ কি.মি.
- গড় আয়ু/প্রত্যাশিত আয়ুষ্কাল- ৭২.৮ বছর।
- স্বাক্ষরতার হার (৭ বছরের অধিক)-৭৫.২% 
- প্রাথমিকে ভর্তির হার (২০২০ সাল নাগাদ)-৯৭.৮১% 
- পুরুষ ও নারীর অনুপাত-১০২ : ১০০

 তথ্যসূত্র: অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি ছিল ২০১৮ সালের শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার জন্য তৈরি করা একটি তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন। সেই সময়ে প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এর তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ু ছিল ৭২ বছর। তাই অপশন (খ) সঠিক।
শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় যেহেতু সবসময় সর্বশেষ তথ্য ও পরিসংখ্যান জিজ্ঞাসা করা হয়, তাই এই ধরনের তারিখভিত্তিক তথ্য এখন অপ্রাসঙ্গিক।
আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, যেকোনো পরীক্ষায় সর্বশেষ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অথবা BBS প্রতিবেদন অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের গড় আয়ুষ্কাল কত— সেই তথ্যটি।
বর্তমানে (অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২৪ অনুযায়ী, মার্চ ২০২৪ পর্যন্ত) বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল হলো ৭২.৮ বছর
146

স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. তাজউদ্দিন আহমদ
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. আতাউর রহমান খান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্বাধীন বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন - শেখ মুজিবুর রহমান।

• সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন।
• সংসদ নেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন।
• বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান।
• বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত।
• বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

তথ্যসূত্র:- সংসদ সচিবালয় ও আওয়ামী লীগ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের নির্বাচিত প্রথম প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
তিনি ১৯৭২ সালের ১২ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং সংসদীয় পদ্ধতির সরকার পুনঃপ্রবর্তন করেন।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গঠিত মুজিবনগর সরকারের (অস্থায়ী সরকার) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমদ। প্রশ্নটি 'নির্বাচিত' বা স্বাধীনতা-পরবর্তী প্রথম প্রধানমন্ত্রী জানতে চাওয়ায় সঠিক উত্তর হবে শেখ মুজিবুর রহমান
অপরদিকে, সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি (বা উপ-রাষ্ট্রপতি)।
147

বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রথম জাতিসংঘে যোগদান করে কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

 জাতিসংঘ:
- বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘে যোগদান করে - ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশ জাতিসংঘের - ১৩৬ তম সদস্য।
- জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন - ২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে।
- বাংলাদেশকে প্রথম জাতিসংঘ সংস্থায় সদস্যরূপে স্বাগত জানায় - বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

তথ্যসূত্র: জাতিসংঘ ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে যোগদান করে ১৭ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৪ সালে
জাতিসংঘে যোগদানের জন্য বাংলাদেশ আবেদন করেছিল স্বাধীনতার পরপরই ১৯৭২ সালে, কিন্তু তখন একটি সদস্য রাষ্ট্রের (চীন) ভেটোর কারণে তা সম্ভব হয়নি।
১৯৭২ এবং ১৯৭৩ সাল ছিল সদস্যপদ প্রাপ্তির চেষ্টার বছর, কিন্তু চূড়ান্ত অনুমোদন আসে ১৯৭৪ সালে যখন পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় এবং ভেটোর সমস্যা মিটে যায়। তাই অন্যান্য অপশনগুলি ভুল।
148

২০১৮ সালে ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের মানব উন্নয়ন সূচক কত? [তৎকালীন সাম্প্রতিক প্রশ্ন]

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২৬টি
  2. ১৩৬টি
  3. ১৩৯টি
  4. ১৪৫টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনের সঠিক উত্তর - ১৩৬ টি।
বর্তমানে এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ নয়।

বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
মানব উন্নয়ন সূচক:

- UNDP প্রকাশিত সর্বশেষ মানব উন্নয়ন সূচক-২০২১-২২ অনুসারে শীর্ষ দেশ

- সুইজাল্যান্ড (প্রথম)।

- দ্বিতীয় দেশ- নরওয়ে।

- সর্বনিম্ন দেশ-দক্ষিণ সুদান-১৯১ তম।

- বাংলাদেশের অবস্থান-১২৯ তম ৷

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সাম্প্রতিক সময়ের নয়, বরং পূর্ববর্তী পরীক্ষার প্রশ্ন। কিন্তু মানব উন্নয়ন সূচক (HDI) সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ।
২০১৯ সালে প্রকাশিত জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (UNDP) মানব উন্নয়ন রিপোর্ট (HDR) অনুযায়ী, ২০১৮ সালের তথ্য অনুসারে ১৮৯টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৩৬তম
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১৩৬টি হলো তৎকালীন সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন ১২৬, ১৩৯ বা ১৪৫ সেই সময়ে বাংলাদেশের সঠিক অবস্থান ছিল না।
149

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিলের সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্ক
  2. টোকিও
  3. রোম
  4. ওয়াশিংটন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

- জাতিসংঘের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান আইএমএফ (IMF- International Monetary Fund)
- এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর।
- এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৪৭ সালে।

- এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে।
- আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ১২তম ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিলিনা জর্জিয়েভা।
- আইএমএফের প্রথম নারী ব্যবস্থাপনা পরিচালক ছিলেন ক্রিস্টিন লাগার্দ।
- আইএমএফের প্রধান অর্থনীতিবিদ গীতা গোপিনাথ।

উৎসঃ আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের ওয়েবসাইট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ওয়াশিংটন। আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF – International Monetary Fund) জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান, যা আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং দারিদ্র্য কমাতে সহায়তা করে।
এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি (Washington D.C.) তে অবস্থিত।
এই সংস্থাটি ১৯৪৪ সালের ব্রেটন উডস কনফারেন্সের ফলস্বরূপ তৈরি হয় এবং এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা হয় ১৯৪৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই সংস্থার সদর দপ্তর নয়। যেমন, নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের সদর দপ্তর।
150

রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে নেতৃত্ব প্রদানকারী অন্যতম জেনারেল কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুং মই
  2. উথান
  3. সুচি
  4. মাউং মাউং

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে নেতৃত্ব প্রদানকারী অন্যতম জেনারেল - মুই মং।

- মিয়ানমারে মুসলিম জনসাধারণের উপর একযোগে গণহত্যা ও অবর্ণনীয় নির্যাতন চালাচ্ছে সেদেশের সেনাবাহিনী, সরকারের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসীগোষ্ঠী ও মুসলিমবিদ্বেষী উগ্রপন্থী হিংস্র বৌদ্ধরা।
- “অহিংসা পরম ধর্ম” এবং “জীব হত্যা মহাপাপ” প্রভৃতি বুলি মুখে আওড়িয়ে তারা নিরীহ মুসলমানদের উপর নির্বিচারে ইতিহাসের বর্বরতম জঘন্য হত্যাকান্ড চালাচ্ছে।
- বিশেষ করে মিয়ানমারের তারা রাখাইন রাজ্যে মুসলিম জনসাধারণকে তাদের বসতভিটা থেকে চিরতরে উৎখাত করতে চরম নির্যাতন ও ব্যাপক হত্যাকান্ড চালাচ্ছে।
- রাখাইন রাজ্যের মংডু ও আকিয়াব এলাকায় চালিয়েছে গণহত্যা ও লুটতরাজ।

তথ্যসূত্র্য: নৈনিক ইনকিলাব।

ব্যাখ্যা

রোহিঙ্গা মুসলিম নিধনে নেতৃত্ব প্রদানকারী অন্যতম জেনারেল হলেন মুং মই (বা মুই মং)। তিনি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর (Tatmadaw) উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা হিসেবে রাখাইন রাজ্যে এই বর্বর অভিযানে নেতৃত্ব দেন।
এই প্রশ্নটি মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে মুসলিম গণহত্যার ঘটনা সংক্রান্ত। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে এই বর্বরতার জন্য প্রধানত সামরিক জান্তার প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইংকে (Min Aung Hlaing) দায়ী করা হয়, প্রশ্নে উল্লিখিত মুং মই নামটি স্থানীয় বা আঞ্চলিক কমান্ডারদের নাম হিসেবে আসতে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, সুচি (আং সান সু চি) ছিলেন স্টেট কাউন্সেলর এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, জেনারেল নন। যদিও তিনি এই গণহত্যায় নীরব ভূমিকা পালনের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে সমালোচিত।

এই অধ্যায়ের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

এই পেজে বাছাইকৃত ১৫০টি প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হয়েছে (মোট ৫৯৩টির মধ্যে)। প্র্যাকটিস মোডে এক-একটি করে উত্তর দিয়ে সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি ট্র্যাক করুন।

NTRCA - School Level-এর অন্যান্য অধ্যায়

Bangla (School)৬৬৭ প্রশ্নEnglish (School)৬৫৩ প্রশ্নMathematics (School)৭৪৪ প্রশ্নবাগধারা ও প্রবাদ প্রবচন৩ প্রশ্নশতকরা, লাভ-ক্ষতি ও সুদকষা৭ প্রশ্নসমার্থক ও বিপরীতার্থক শব্দ৩ প্রশ্নRight forms of Verb১ প্রশ্নইতিহাস ও সভ্যতা১ প্রশ্নবানান শুদ্ধি ও এককথায় প্রকাশ৩ প্রশ্নবাংলা সাহিত্যের ইতিহাস (সংক্ষিপ্ত)১১ প্রশ্নপরিমিতি ও ত্রিকোণমিতি১১ প্রশ্নজ্যামিতি (রেখা, কোণ, ত্রিভুজ, চতুর্ভুজ, বৃত্ত)১ প্রশ্নঅনুপাত ও সমানুপাত১ প্রশ্নলিঙ্গ ও বচন পরিবর্তন৩ প্রশ্নTranslation from Bengali to English১ প্রশ্নসমার্থক ও বিপরীত শব্দ১ প্রশ্নকারক, বিভক্তি ও সমাস১১ প্রশ্নবীজগণিত (মান নির্ণয়, উৎপাদক, সূচক)৬ প্রশ্নলগারিদম ও সূচক (Logarithms & Indices)৯ প্রশ্নসন্ধি ও প্রত্যয়২০ প্রশ্ন

কেন NTRCA (Teacher Registration)-এর জন্য “General Knowledge (School)” অধ্যায়টি গুরুত্বপূর্ণ?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষার NTRCA - School Level অংশে “General Knowledge (School)” থেকে প্রায় প্রতিবারই প্রশ্ন আসে। বিগত সালের প্রশ্নের ধরন বুঝে নিয়মিত অনুশীলন করলে এই অধ্যায়ের নম্বর নিশ্চিত করা সহজ হয় — এই পেজের বাছাইকৃত প্রশ্নগুলো ঠিক সেই প্রস্তুতির জন্যই সাজানো।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

"General Knowledge (School)" অধ্যায় থেকে কেমন প্রশ্ন আসে?

NTRCA (Teacher Registration) নিয়োগ পরীক্ষায় NTRCA - School Level বিষয়ের "General Knowledge (School)" অধ্যায় থেকে নিয়মিত MCQ আসে। এই পেজে বিগত সালের ও বাছাইকৃত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এক জায়গায় দেওয়া হয়েছে — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ। প্রশ্ন, অপশন, সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা — সবই লগইন ছাড়াই বিনামূল্যে দেখা যায়। টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করতে চাইলে একটি ফ্রি অ্যাকাউন্ট দিয়ে প্র্যাকটিস মোডে যান।