সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

10th(1) (1989) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 10th(1) (1989) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 10th(1) (1989) পরীক্ষার ৯৪টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘আনারস’ এবং ‘চাবি’ শব্দ দুটি বাংলা ভাষা গ্রহণ করেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পর্তুগিজ ভাষা হতে
  2. আরবি ভাষা হতে
  3. দেশী ভাষা হতে
  4. ওলন্দাজ ভাষা হতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত অন্যান্য বাংলা শব্দ হলো আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, পেরেক, জানালা, বারান্দা, কামরা, ইংরেজ, গুদাম, গির্জা, পাদ্রি, কেরানি, আয়া, পেঁপে, পেয়ারা, আতা, আচার, পাউরুটি, তামাক, বোতাম, ফিতা, টুপি, সেমিজ, কামিজ, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পর্তুগিজ ভাষা হতে
বাংলা ভাষায় শব্দ ভাণ্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো বিদেশি শব্দ। পর্তুগিজরা বাণিজ্য ও ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এই উপমহাদেশে আসার সময় তাদের দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত অসংখ্য শব্দ বাংলা ভাষায় রেখে যায়।
প্রদত্ত শব্দ দুটি— ‘আনারস’ (Ananas) এবং ‘চাবি’ (Chave) সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে বাংলা গ্রহণ করেছে।
অন্যান্য বিকল্প যেমন— আরবি শব্দগুলি সাধারণত ধর্ম, বিচার বা প্রশাসন সম্পর্কিত হয় (যেমন: আদালত, কলম, ঈদ)। ওলন্দাজ বা দেশি ভাষার শব্দভান্ডার ভিন্ন প্রকৃতির।
2

গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শবপোড়া
  2. মড়াদাহ
  3. শবদাহ
  4. শবমড়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তৎসম শব্দের সাথে দেশীয় শব্দের প্রয়োগ কখনো কখনো গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে। এ দোষে দুষ্ট শব্দ তার যোগ্যতা হারায়। শব ও দাহ তৎসম শব্দ এবং মড়া ও পোড়া দেশি শব্দ। সুতরাং এদের সমন্বয়ে সৃষ্ট শবদাহ এবং মড়াপোড়া ব্যতীত অন্যান্য শব্দ গুরুচণ্ডালী দোষ সৃষ্টি করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শবদাহ (অপশন ৩)। এটি গুরুচণ্ডালী দোষমুক্ত।
গুরুচণ্ডালী দোষ (Guruchandali Dosh) হলো বাংলা গদ্য বা লেখায় একই বাক্যের মধ্যে তৎসম (সংস্কৃতজাত) শব্দ এবং চলিত (দেশি, তদ্ভব বা গ্রাম্য) শব্দের মিশ্রণ ঘটানো। এটি বাক্য বা পদবন্ধের অশুদ্ধি হিসেবে গণ্য হয়।

১. শবদাহ (শুদ্ধ): এখানে 'শব' (অর্থ: মৃতদেহ) একটি তৎসম শব্দ এবং 'দাহ' (অর্থ: পোড়ানো/ভস্ম করা) একটি তৎসম শব্দ। যেহেতু দুটিই সাধু রীতির, তাই এটি দোষমুক্ত
২. শবপোড়া (অশুদ্ধ): 'শব' (তৎসম) + 'পোড়া' (চলিত)।
৩. মড়াদাহ (অশুদ্ধ): 'মড়া' (চলিত/তদ্ভব) + 'দাহ' (তৎসম)।
৪. শবমড়া (অশুদ্ধ): 'শব' (তৎসম) + 'মড়া' (চলিত)।

উপরের দোষযুক্ত পদবন্ধগুলোতে সাধু (শব, দাহ) ও চলিত (মড়া, পোড়া) শব্দের মিশ্রণ ঘটেছে।
3

‘কবর’ নাটকটির লেখক-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জসীমউদ্দীন
  2. নজরুল ইসলাম
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাংবাদিক ও প্রাবন্ধিক রণেশ দাশগুপ্তের অনুরোধে মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ সালে জেলে বসে ৫২ এর ভাষা আন্দোলনের উপর ভিত্তি করে ‘কবর’ নাটকটি রচনা করেন। নাটকটি ১৯৬৬ সালে প্রকাশ পায়। ‘রাখালী’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘কবর’ কবিতার রচয়িতা পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুনীর চৌধুরী
‘কবর’ নাটকটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক। এটি রচনা করেন শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী
তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে জড়িত থাকার কারণে কারারুদ্ধ থাকাকালীন সময়ে ১৯৫৩ সালে এটি রচনা করেন। নাটকটি প্রথম মঞ্চস্থ হয় ১৯৫৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: জসীমউদ্দীন (পল্লীকবি), নজরুল ইসলাম (বিদ্রোহী কবি) এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় (ঐতিহাসিক নাটকের জন্য বিখ্যাত) আধুনিক যুগে 'কবর'-এর মতো ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক রচনার সঙ্গে যুক্ত নন।
4

‘উভয়কূল রক্ষা’ অর্থে ব্যবহৃত প্রবচন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাস
  2. চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো
  3. সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
  4. বোঝার উপর, শাকের আঁটি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘কারো পৌষমাস কারও সর্বনাশ’- কারও সুদিন কারও দুর্দিন। ‘চাল না চুলো, ঢেকী না কুলো’- নিতান্ত গরিব। ‘বোঝার উপর শাকের আঁটি’- অতিরিক্তের অতিরিক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক প্রবচনটি হলো: সাপও মরে, লাঠিও না ভাঙ্গে
এর অর্থ হলো—একটি কাজ সাফল্যের সাথে সম্পাদন করা হলো, কিন্তু সেই কাজ করতে গিয়ে কোনো ক্ষতি বা লোকসান হলো না। অর্থাৎ, উদ্দেশ্যও সফল হলো এবং সরঞ্জামও অক্ষত থাকল। এটিই ‘উভয়কূল রক্ষা’ (Saving both sides) বা বুদ্ধিমত্তার সাথে কাজ সম্পন্ন করার সমার্থক।
ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা:
১. কারো পৌষ মাস, কারো সর্বনাশ: এর অর্থ একজনের সুবিধা বা লাভ অন্যজনের চরম ক্ষতি বা বিনাশের কারণ। এটি 'উভয়কূল রক্ষা'র সম্পূর্ণ বিপরীত।
২. চাল না চুলো, ঢেঁকী না কুলো: এর অর্থ হলো চরম দরিদ্রতা বা অত্যন্ত অভাবী অবস্থা।
৪. বোঝার উপর, শাকের আঁটি: এর অর্থ হলো কোনো বিপদের উপর বা চলমান কষ্টের উপর নতুন করে চাপ বা বোঝা চাপানো।
5

শুদ্ধ বাক্য কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুর্বলবশত অনাথিনী বসে পড়া
  2. দুর্বলতাবশতঃ অনাথিনী বসে পড়ল

  3. দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল

  4. দুর্বলবশত অনাথা বসে পড়ল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: দুর্বলতাবশত অনাথা বসে পড়ল
এই বাক্যটিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত শুদ্ধি নিশ্চিত করা হয়েছে, যা অন্যান্য অপশনে ভুল রয়েছে:
১. অব্যয় বা কারণবাচক শব্দের ব্যবহার: কোনো কারণ বোঝাতে 'বশত' বা 'বশতঃ' শব্দটি বিশেষ্য পদের সঙ্গে যুক্ত হয়। তাই 'দুর্বল' (বিশেষণ) এর পরিবর্তে 'দুর্বলতা' (বিশেষ্য) ব্যবহার করা অধিক শুদ্ধ। অতএব, 'দুর্বলতাবশত' ব্যবহার করতে হবে।
২. লিঙ্গ পরিবর্তন (Gender): 'অনাথ' (যার কেউ নেই—পুংলিঙ্গ) শব্দের সঠিক স্ত্রীলিঙ্গ রূপ হলো 'অনাথা'। বাংলায় 'অনাথিনী' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
অপশন ২ ভুল কারণ এতে 'দুর্বলতাবশতঃ' শুদ্ধ থাকলেও 'অনাথিনী' শব্দটি ভুল।
অপশন ১ ও ৪ ভুল কারণ তারা 'অনাথা' ব্যবহার করলেও, অব্যয় হিসেবে 'দুর্বলবশত' ব্যবহার করেছে, যা অপেক্ষাকৃত দুর্বল ও অপ্রচলিত গঠন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রত্যয়
  2. বিভক্তি
  3. ধাতু

  4. কৃৎ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ক্রিয়া বিভক্তি। ধাতু তিন প্রকারের: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে। যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপদিকের পর যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধাতু (৩য় অপশন)।
ক্রিয়া পদ (Verbs) হলো বাক্যের সেই অংশ যা কোনো কাজ করা বোঝায়। এই ক্রিয়া পদের যে অংশকে আর কোনো ক্ষুদ্র অংশে ভাগ করা যায় না, সেটিই হলো তার মূল অংশ। এই মূল অংশকেই ব্যাকরণে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়।
যেমন: 'করছি', 'করি', 'করুন'—এই সব ক্রিয়াপদের মূল অংশ বা ধাতু হলো 'কর্'
ভুল কেন:
প্রত্যয়: এটি ধাতু (বা শব্দমূল) এর সাথে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে। এটি মূল অংশ নয়। (যেমন: চল্ + অন্ত = চলন্ত)
বিভক্তি: এটি ধাতুর সাথে যুক্ত হয়ে ক্রিয়াপদ তৈরি করে। (যেমন: কর + ই = করি)। এটি ধাতুর পরে বসে, মূল অংশ নয়।
কৃৎ: এটি প্রত্যয়ের একটি প্রকারভেদ যা শুধুমাত্র ধাতুর সাথে যুক্ত হয় (কৃৎ প্রত্যয়)।
7

‘রত্নাকর’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রত্না + কর
  2. রত্ন + কর
  3. রত্না + আকার
  4. রত্ন + আকর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সন্ধির নিয়মানুসারে অ-কার কিংবা আ-কারের পর অ-কার কিংবা আ-কার থাকলে উভয়ে মিলে আ-কার হয়, আ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয় অর্থাৎ অ/আ+অ/আ=আ। এখানে, অ + আ = আ হয়েছে। এরূপ আরো কয়েকটি সন্ধির উদাহরণ হলো- হিমালয়, দেবালয়, সিংহাসন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

‘রত্নাকর’ শব্দটি হলো স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ। এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: রত্ন + আকর
এটি দীর্ঘ স্বরসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী গঠিত হয়েছে। নিয়মটি হলো: অ/আ + অ/আ = আ
এখানে, ‘রত্ন’ (অ-কারান্ত) এবং ‘আকর’ (আ-কারান্ত) যুক্ত হয়ে মাঝখানে ‘আ’ কার তৈরি করেছে।
অর্থাৎ: রত্ন (অ) + আকর (আ) = রত্নকর (আ)।
‘রত্ন’ শব্দের অর্থ মণি বা ধন এবং ‘আকর’ শব্দের অর্থ খনি বা ভাণ্ডার। তাই ‘রত্নাকর’ শব্দের অর্থ হলো রত্নের ভাণ্ডার (সমুদ্র)।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: রত্ন + কর) করলে সন্ধিটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ হবে বা কাঙ্ক্ষিত শব্দটি তৈরি করবে না।
8

কোন দ্বিরুক্ত শব্দজুটি বহুবচন সংকেত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাকা পাকা আম
  2. ছি ছি কি করছ
  3. নরম নরম হাত
  4. উড়ু উড়ু মন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নরম নরম হাত: তীব্রতা বা সঠিকতা বোঝাতে। উড়ু উড়ু মন: সামান্যতা বোঝাতে। ছি ছি, কি করছ: ভাবের গভীরতা বোঝাতে। বহুবচন নির্দেশক অন্যান্য দ্বিরুক্তি শব্দের ব্যবহার হলো- কে কে এলো? কেউ কেউ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: পাকা পাকা আম
দ্বিরুক্ত শব্দ (Reduplication) এর বিভিন্ন অর্থ প্রকাশের ক্ষমতা থাকে, যেমন: আধিক্য, আতিশয্য, সামান্যতা, ভাব, ইত্যাদি। যখন কোনো বিশেষণের দ্বিরুক্তি দ্বারা একই প্রকারের অনেকগুলো বস্তু বোঝানো হয়, তখন তা বহুবচন সংকেত করে।
এখানে 'পাকা পাকা আম' বলতে 'অনেকগুলো পাকা আম' বোঝানো হচ্ছে। অর্থাৎ, এটি বিশেষণ পদ হিসেবে দ্বিরুক্ত হয়ে বহুবচন বা আধিক্য প্রকাশ করছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে:
নরম নরম হাত: এটি আধিক্য বা আতিশয্য (খুব নরম) প্রকাশ করে, যদিও ক্ষেত্রবিশেষে বহুবচন হতে পারে। তবে বহুবচন সংকেতের ক্ষেত্রে 'পাকা পাকা আম' অধিকতর সঠিক উদাহরণ।
ছি ছি কি করছ: এটি অব্যয় পদের দ্বিরুক্তি এবং এটি ঘৃণা বা বিরক্তি ভাব প্রকাশ করে।
উড়ু উড়ু মন: এটি বিশেষ অবস্থা বা ভাব (চঞ্চলতা) প্রকাশ করে, যা দ্বিরুক্ত শব্দের ভাববাচক ব্যবহার।
9

কোন প্রবচন বাক্য ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না
  2. অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট
  3. নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা
  4. যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘যত গর্জে তত বর্ষে না’, ‘নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা’, ‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানে রাত হয়’ প্রবচন বাক্যগুলি ব্যবহারিক দিক হতে সঠিক নয়।

ব্যাখ্যা

প্রবচন বা প্রবাদ বাক্য হলো সমাজে দীর্ঘকাল ধরে প্রচলিত এমন বাক্য, যা একটি গভীর জীবনবোধ বা অভিজ্ঞতা প্রকাশ করে। প্রবাদ বাক্যগুলো সাধারণত নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তনীয় কাঠামোতে ব্যবহৃত হয়। প্রশ্নোক্ত বাক্যগুলোর মধ্যে কেবল ‘অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্ট’ বাক্যটিই প্রচলিত ও ব্যবহারিক দিক থেকে সঠিক প্রবাদ বাক্য।
এই প্রবাদটির অর্থ হলো—নেতৃত্ব দেওয়ার লোকের সংখ্যা বেশি হলে কার্যসিদ্ধি হয় না বা কাজটির মান নষ্ট হয়ে যায়। (Too many cooks spoil the broth)।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রবচনের প্রচলিত ও শুদ্ধ কাঠামো থেকে বিচ্যুত:
১. ‘যত গর্জে তত বৃষ্টি হয় না’ - শুদ্ধ প্রবাদটি হলো: 'যে মেঘ গর্জন করে, সে মেঘে বৃষ্টি হয় না' বা 'খালি কলসি বাজে বেশি'
২. ‘নাচতে না জানলে উঠোন ভাঙ্গা’ - শুদ্ধ প্রবাদটি হলো: 'নাচতে না জানলে উঠোন বাঁকা' বা 'নাচতে না জানলে দোষ উঠোনের'। এর অর্থ: নিজের অসামর্থ্যের জন্য অন্যকে দোষ দেওয়া।
৩. ‘যেখানে বাঘের ভয় সেখানে বিপদ হয়’ - শুদ্ধ প্রবাদটি হলো: 'যেখানে বাঘের ভয়, সেখানে সন্ধ্যা হয়'। এর অর্থ: যেখানে খারাপ কিছু ঘটার আশঙ্কা করা হয়, সেখানেই তা ঘটে।
10

বাংলায় টি.এস. এলিয়টের কবিতার প্রথম অনুবাদক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বিষ্ণু দে
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বুদ্ধদেব বসু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সর্বপ্রথম টি.এস. এলিয়টের কবিতা বাংলায় অনুবাদ করেন। বিষ্ণু দে ১৯৫০ সালে ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে এলিয়টের কবিতা অনুবাদ করনে। বুদ্ধদেব বসুও টি.এস. এলিয়টের কবিতার অনুবাদ ‘এলিয়টের কবিতা’ নামে প্রকাশ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার অন্যতম পুরোধা টি.এস. এলিয়ট (T.S. Eliot)। তাঁর কবিতার প্রথম বঙ্গানুবাদ করেছিলেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
১৯৩৩-৩৪ খ্রিস্টাব্দে (১৩৪০ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত 'পরিচয়' পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এলিয়টের বিখ্যাত কবিতা 'The Journey of the Magi'-এর অনুবাদ করেন।
এই বাংলা অনুবাদের নাম ছিল 'তীর্থযাত্রী'। যদিও আধুনিক কবিরা (যেমন: বুদ্ধদেব বসু, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, বিষ্ণু দে) পরবর্তীতে এলিয়টের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্রভাবিত হন এবং তাঁর অনেক কবিতা অনুবাদ করেন, কিন্তু প্রথম অনুবাদের কৃতিত্ব রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
অনেকেই ভুলবশত বিষ্ণু দে বা বুদ্ধদেব বসুকে প্রথম অনুবাদক ভাবেন, কারণ তারা আধুনিক বাংলা কবিতায় এলিয়টের প্রভাব বিস্তারে মুখ্য ভূমিকা নিয়েছিলেন।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্হে সংকলিত প্রথম কবিতা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্রপথিক
  2. বিদ্রোহী
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. ধূমকেতু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯২২ সালে প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্হ। এই গ্রন্হে ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। যথা- প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী, ধূমকেতু, কামালপাশা, আনোয়ার, রণভেরী, সাত-ইল-আরব, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী ও মোহররম।

ব্যাখ্যা

কাজী নজরুল ইসলামের কালজয়ী প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো **‘অগ্নিবীণা’**। এটি **১৯২২** সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যগ্রন্থে মোট ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। এই ১২টি কবিতার মধ্যে প্রথম কবিতাটি হলো **‘প্রলয়োল্লাস’**।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো **প্রলয়োল্লাস**।
উল্লেখ্য, এই কাব্যের দ্বিতীয় কবিতাটি হলো নজরুলের বিখ্যাত কবিতা **‘বিদ্রোহী’**।
12

‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ রচিত–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবিতার নাম
  2. গল্প সংকলনের নাম
  3. উপন্যাসের নাম
  4. কাব্য সংকলনের নাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি কাব্যধর্মী উপন্যাস। উপন্যাসটি প্রবাসী পত্রিকায় ১৯২৮ সালে প্রথম ছাপা হয় এবং ১৯২৯ সালে গ্রন্হ হিসেবে প্রকাশিত হয়। অমিত, লাবণ্য, কেতকী রায়, শোভনলাল এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপন্যাসের নাম
‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও আধুনিক উপন্যাস। এটি তাঁর বারোটি উপন্যাসের মধ্যে অন্যতম।
নামে ‘কবিতা’ শব্দটি থাকলেও এটি মূলত কাব্যধর্মী গদ্যে রচিত একটি আখ্যান বা উপন্যাস। ১৯২৮ সালে এটি প্রথমবার ধারাবাহিক আকারে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এটি কোনো একক কবিতা বা গল্প সংকলন নয়; এর মূল সাহিত্যিক ধরণটি হলো উপন্যাস।
13

কোন বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি অর্থে ব্যবহৃত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিনিই সমাজের মাথা
  2. মাথা খাটিয়ে কাজ করবে
  3. লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল
  4. মাথা নেই তার মাথা ব্যথা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মাথা নেই আবার মাথা ব্যথা: অবহেলা অর্থে; তিনিই সমাজের মাথা: মোড়ল/প্রধান অর্থে; লজ্জায় মাথা কাটা গেল: সম্মানহানি অর্থে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাথা খাটিয়ে কাজ করবে (অপশন খ)।
এই বাক্যে ‘মাথা খাটানো’ একটি বাগধারা, যার অর্থ হলো— চিন্তাভাবনা করা বা বুদ্ধি প্রয়োগ করা। তাই এখানে ‘মাথা’ শব্দটি সরাসরি ‘বুদ্ধি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ বিশ্লেষণ:
ক) তিনিই সমাজের মাথা: এখানে ‘মাথা’ শব্দটি ‘প্রধান’ বা ‘নেতা’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
গ) লজ্জায় আমার মাথা কাটা গেল: এটি গভীর ‘লজ্জা’ বা ‘সম্মানহানি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
ঘ) মাথা নেই তার মাথা ব্যথা: এটি একটি প্রবাদ, যার অর্থ ‘অহেতুক চিন্তা’ বা ‘অকারণ ঝামেলা’
সুতরাং, শুধুমাত্র ‘মাথা খাটিয়ে কাজ করবে’ বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি বুদ্ধি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়েছে।
14

কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিমরাজী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নিম ফারসি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় মোট ১০ টি ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়- কার, দর, না, নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। অন্যান্য বিদেশি উপসর্গের মধ্যে ইংরেজি- হাফ, ফুল, হেড ও সাব; আরবি- আম, খাস, লা, গর; হিন্দি/ উর্দু-হর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিমরাজী। কারণ, 'নিমরাজী' শব্দটিতে বিদেশি (ফারসি) উপসর্গ 'নিম' ব্যবহৃত হয়েছে।
উপসর্গ 'নিম' এর অর্থ হলো অর্ধেক বা আধা। যেমন: নিমখুন (আধা খুন), নিমরাজি (আধা রাজি)।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
১. নিখুঁত: এখানে ব্যবহৃত উপসর্গ 'নি' হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ। (খাঁটি বাংলা উপসর্গ মোট ২১টি)।
২. আনমনা: এখানে ব্যবহৃত উপসর্গ 'আন' হলো খাঁটি বাংলা উপসর্গ
৩. অবহেলা: এখানে ব্যবহৃত উপসর্গ 'অব' হলো তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ। (তৎসম উপসর্গ মোট ২০টি)।
15

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’র রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামসুর রাহমান
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এ গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ (১৯৫৩) গ্রন্হে। গানটির প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী। তিনি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন পরবর্তী সময়ে এই কালজয়ী গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হিসেবে অমর হয়ে আছেন।
গানটি মূলত একটি কবিতা হিসেবে রচিত হয়েছিল এবং এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালে হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ সংকলনে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, আলতাফ মাহমুদ হলেন এই গানের বর্তমান ও বহুল প্রচলিত সুরের সুরকার। এটি রচয়িতা ও সুরকারের ভূমিকার পার্থক্য।
শামসুর রাহমান ভাষা আন্দোলন নিয়ে বিখ্যাত কবিতা ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ রচনা করেছিলেন, কিন্তু এই গানের রচয়িতা তিনি নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

কোনটি তদ্ভব শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চাঁদ
  2. সূর্য
  3. নক্ষত্র
  4. গগন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সূর্য, গগন ও নক্ষত্র হলো তৎসম শব্দ। অন্য ভাষার যেসব শব্দ অর্থ ঠিক রেখে বানান ও উচ্চারণ পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত হচ্ছে এবং একটি নিজস্ব রূপ গ্রহণ করেছে তাদেরকে তদ্ভব শব্দ বলে। যেমন - হাত, ভাত, চামার, কামার, চান, সাঁঝ, বৌ, নুন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁদ
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি না এসে, বরং প্রাকৃত ভাষার মধ্য দিয়ে দীর্ঘকাল ধরে পরিবর্তিত হয়ে বাংলা ভাষায় স্থান করে নিয়েছে, সেগুলোকে তদ্ভব শব্দ (বা খাঁটি বাংলা শব্দ) বলা হয়।
চাঁদ শব্দটি তদ্ভব, কারণ এর উৎস হলো— সংস্কৃত: চন্দ্র > প্রাকৃত: চন্দ > বাংলা: চাঁদ। এটি পরিবর্তনের ধারায় আধুনিক বাংলায় এসেছে।
অন্যদিকে, অপশনগুলোতে থাকা সূর্য, নক্ষত্র, গগন—এই শব্দগুলো কোনো পরিবর্তন ছাড়াই সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে বাংলায় এসেছে। তাই এগুলো তৎসম শব্দ
17

বাংলায় কোরআন শরীফের প্রথম অনুবাদক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কেশব চন্দ্র সেন
  2. গিরিশচন্দ্র সেন
  3. মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী
  4. মওলানা আকরাম খাঁ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভাই গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ ছয় বছর (১৮৮১-৮৬) পরিশ্রম করে কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদ করেন। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্হের মধ্যে ‘তাপসমালা’ (৯৬ জন মুসলিম সাধকের জীবনচরিত) ও ‘তত্ত্বরত্নমালা’ উল্লেখযোগ্য। তিনি ১৮৩৫ সালে বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭১ সালে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গিরিশচন্দ্র সেন
বাংলা ভাষায় কোরআন শরীফের প্রথম পূর্ণাঙ্গ অনুবাদক ছিলেন ভাই গিরিশচন্দ্র সেন (১৮৩৫–১৯১০)। তিনি মূলত ছিলেন একজন ব্রাহ্ম ধর্ম প্রচারক এবং লেখক।
তিনি ১৮৮১ সালে আরবি ভাষা থেকে বাংলায় অনুবাদ শুরু করেন এবং ১৮৮৬ সালে কোরআন শরীফের পূর্ণাঙ্গ বঙ্গানুবাদ সম্পন্ন করেন। এই অনুবাদের নাম ছিল 'কোরআন শরীফ'
ধর্মের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও গবেষণার আগ্রহ থেকে তিনি এই ঐতিহাসিক কাজটি সম্পন্ন করেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ মাওলানা আকরাম খাঁ বা মাওলানা মনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী পরবর্তীকালে কোরআনের অনুবাদ ও তফসির রচনা করলেও, প্রথম অনুবাদক হিসেবে গিরিশচন্দ্র সেনই স্বীকৃত।
18

Choose the correct alternative to complete the sentence? ‘He–to see us if he had been able to.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. would come
  2. would have come
  3. may have come
  4. may come

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

If যুক্ত clause-টি past perfect tense থাকলে অন্য clause-এ would/could/might + have + past participle form হয়।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি একটি Conditional Sentence (শর্তমূলক বাক্য)-এর উদাহরণ, যা ইংরেজিতে Third Conditional নামে পরিচিত।
বাক্যের 'if-clause' অংশটি লক্ষ্য করুন: ‘if he had been able to.’। এই অংশে Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহৃত হয়েছে (এখানে had + been)।
Third Conditional-এর মূল নিয়ম অনুযায়ী, যখন If-clause-এ Past Perfect Tense থাকে, তখন Main Clause-এ অবশ্যই would/could/might + have + V3 কাঠামোটি ব্যবহার করতে হয়।
এখানে V3 হলো ‘come’ (come, came, come)। সুতরাং, Main Clause হবে He would have come.
এটি দ্বারা অতীতে একটি অসম্ভব বা কাল্পনিক শর্ত এবং তার ফল প্রকাশ করা হয়। তাই সঠিক উত্তর (b) would have come
19

Choose the appropriate alternative to complete the sentence. ‘He had a ____of fever.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. strong attack
  2. severe attack
  3. serious kind

  4. bad attack

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

strong– প্রবল, শক্তিশালী। কিন্তু এ শব্দটি সাধারণত ব্যক্তির সাথে কিংবা ব্যক্তিবাচক দোষ-গুণের সাথে বসে থাকে। আবার severe- কঠোর, প্রবল, প্রচণ্ড, তীব্র (এ শব্দটি বিশেষ ভাবে আবহাওয়াগত বৈশিষ্ট্য ও রোগের তীব্রতা প্রকাশে ব্যবহৃত হয়)। আবার serious- গম্ভীর, রাশভারী, চিন্তাশীল। শব্দটির ২নং অর্থ হচ্ছে গুরুতর, সঙ্গীন ইত্যাদি। শব্দটির সাথে রোগ বা এ বিষয়ের কোনো সংযুক্তি নেই। bad- মন্দ, দুষ্ট, খারাপ, অন্যায়। অর্থগত বৈশিষ্ট্য থেকে লক্ষণীয় যে, শব্দটি অসুখের তীব্রতা প্রকাশ অক্ষম।

ব্যাখ্যা

এটি একটি Collocation (শব্দসমষ্টি) সংক্রান্ত প্রশ্ন, যেখানে প্রদত্ত শূন্যস্থানে এমন একটি শব্দ বসাতে হবে যা ‘attack of fever’-এর সাথে মানানসই।
জ্বর বা রোগের তীব্র আক্রমণ বোঝাতে ইংরেজিতে সাধারণত ‘attack of fever’ বা ‘bout of fever’ ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। এই আক্রমণের তীব্রতা বোঝানোর জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত Adjective হলো ‘severe’
‘severe’ অর্থ হলো তীব্র, গুরুতর বা মারাত্মক। তাই ‘severe attack’ কথাটি দিয়ে জ্বরের গুরুতর আক্রমণ বোঝানো হচ্ছে, যা বাক্যটিকে সম্পূর্ণ করে।
সঠিক উত্তর: severe attack
অন্যান্য অপশন যেমন ‘strong attack’ এবং ‘bad attack’ idiomatically অসুস্থতা বোঝাতে দুর্বল এবং কম প্রচলিত। ‘serious kind’ এই বাক্যের গঠন অনুযায়ী উপযুক্ত নয় (এটি ‘a serious kind of fever’ হলে কিছুটা মানাত)।
20

Choose the correct answer. How long did you wait?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Till lunch time
  2. Till he came
  3. Until six o’clock
  4. Since this morning

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Till he came
প্রশ্নটি হলো 'How long did you wait?' এখানে Simple Past Tense (did wait) ব্যবহার করা হয়েছে এবং ‘How long’ দ্বারা অপেক্ষা করার সময়কাল বা সময়সীমার শেষ বিন্দু (endpoint) জানতে চাওয়া হয়েছে।
উত্তর হিসেবে এমন একটি Time Expression ব্যবহার করতে হবে যা সেই সময়সীমার সমাপ্তি নির্দেশ করে। এখানে 'Till' (বা Until) একটি কনজাংশন হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে একটি সাবোর্ডিনেট ক্লজকে (he came) যুক্ত করেছে। এটি স্পষ্টভাবে বলে দিচ্ছে যে 'সে আসা পর্যন্ত' অপেক্ষা করা হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
'Since this morning' অপশনটি ভুল। 'Since' সাধারণত কোনো কাজের শুরুর সময় নির্দেশ করে এবং এটিকে Present Perfect বা Present Perfect Continuous Tense (যেমন: How long have you been waiting?) এর সাথে ব্যবহার করা হয়। Simple Past Tense-এর সাথে এর ব্যবহার এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
'Till lunch time' বা 'Until six o’clock' উত্তরগুলো ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, একটি সম্পূর্ণ ক্লজ (Till he came) দ্বারা প্রদত্ত উত্তরটি সাধারণত সময়সীমার সমাপ্তি বোঝাতে আরও শক্তিশালী এবং গ্রহণযোগ্য। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Till he came সবচেয়ে যথার্থ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

What will be correct preposition to complete the sentence? ‘I am not bad ____ tennis’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in
  2. at
  3. about
  4. with

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো বিষয়ে ভালো বা দক্ষ হলে হয় Good at। তদ্রুপ কোনো বিষয়ে খারাপ হলে সেক্ষেত্রে হয় bad at।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: at
নিয়ম অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট কাজ বা দক্ষতায় (Skill or Activity) কেমন পারদর্শী বা অদক্ষ, তা বোঝাতে good, bad, poor, clever, skillful ইত্যাদি Adjective-এর পরে সর্বদা appropriate preposition 'at' ব্যবহার করা হয়।
এখানে 'I am not bad ____ tennis' দ্বারা টেনিস খেলার দক্ষতাকে বোঝানো হচ্ছে। তাই শূন্যস্থানে 'at' বসবে।
সঠিক বাক্যটি হলো: I am not bad at tennis. (আমি টেনিসে খারাপ না/আমি টেনিসে যথেষ্ট ভালো)।
22

What is the antonym of ‘gentle’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. harsh
  2. modest
  3. clever
  4. rude

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Gentle– ভদ্র, নম্র, শান্ত। (ক) Harsh– কর্কশ, অমসৃণ (বিশেষত বস্তুর সাথে)। (খ) Modest– বিনয়ী, নম্র। (গ) Clever– চতুর, চালাক। (ঘ) Rude– অভদ্র, অমার্জিত, রূঢ়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: rude
শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ:
Gentle শব্দের প্রধান অর্থগুলো হলো—নম্র, ভদ্র, শান্ত, বিনয়ী বা মৃদু।
rude শব্দের অর্থ হলো—অশিষ্ট, অভদ্র, অমার্জিত বা রূঢ়। এটি gentle-এর (ভদ্র/নম্র) আচরণের প্রত্যক্ষ বিপরীত শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো পর্যালোচনা:
harsh অর্থ: কঠোর বা কর্কশ। এটি gentle-এর একটি শক্তিশালী বিপরীত শব্দ (যেমন: A harsh climate vs. A gentle breeze), তবে যখন ব্যক্তির আচরণ বোঝানো হয়, তখন rude শব্দটি অধিক উপযুক্ত।
modest অর্থ: বিনয়ী বা বিনম্র। এটি gentle-এর সমার্থক (Synonym) হিসেবে কাজ করে।
clever অর্থ: চালাক বা চতুর। এটি এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
23

What is the synonym of ‘Jovial’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Jolly
  2. Gay
  3. Jealous
  4. Happy

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Jovial– হাসিখুশি, আমুদে, আনন্দপূর্ণ। Choice (ক) Jolly– হাসিখুশি, প্রফুল্ল, সুন্দর। (খ) Gay– আনন্দচিত্ত, হাসিখুশি, উচ্ছল (গ) Jealous– ঈর্ষাকাতর, হিংসুক, পরশ্রীকাতর। (ঘ) Happy– সুখী, খুশি, তৃপ্ত। Merriam-Webster dictionary অনুযায়ী Jovial এর synonym হলো Jolly, Gay, Happy.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Jolly
Jovial শব্দটি একটি বিশেষণ (Adjective), যার অর্থ হলো উৎফুল্ল, হাসি-খুশি, ফুরফুরে মেজাজ বা প্রাণবন্ত।
Jolly শব্দটির অর্থও হলো প্রফুল্ল, আনন্দময় বা উৎফুল্ল। এই দুটি শব্দ সমার্থক হিসেবে একে অপরের পরিপূরক। উদাহরণস্বরূপ, “He has a jovial personality.”
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—
Happy (সুখী/আনন্দিত) অর্থগতভাবে কাছাকাছি হলেও Jolly শব্দটি Jovial-এর মতো হার্দিক ও উষ্ণ প্রফুল্লতা প্রকাশ করে।
Gay (আগে আনন্দময় অর্থ বহন করত, বর্তমানে ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত) এবং Jealous (ঈর্ষান্বিত) এই প্রসঙ্গে সঠিক নয়।
24

What is the synonym of ‘Competent’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Circumspect
  2. Discrete
  3. Capable
  4. Prudent

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Competent– উপযুক্ত, সক্ষম, দক্ষ। Choice, (ক) Circumspect– সতর্ক। (খ) Discrete– পৃথক, আলাদা। (গ) Capable– সক্ষম, সমর্থ। (ঘ) Prudent– সতর্ক, দূরদর্শী, বিচক্ষণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (c) Capable
শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ:
Competent (অ্যাডজেক্টিভ) অর্থ: কোনো কাজ সফলভাবে করার জন্য প্রয়োজনীয় সক্ষমতা, জ্ঞান বা দক্ষতা আছে এমন। এর বাংলা অর্থ হলো: যোগ্য, দক্ষ, সমর্থ
Capable (অ্যাডজেক্টিভ) অর্থ: কোনো কিছু করার বা পাওয়ার সামর্থ্য রয়েছে এমন। এর বাংলা অর্থ হলো: সক্ষম, যোগ্য
যেহেতু Competent এবং Capable উভয়েরই মূলভাব হলো 'যোগ্যতা' বা 'সক্ষমতা', তাই Capable হলো Competent-এর সঠিক সমার্থক শব্দ (Synonym)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
Circumspect: সতর্ক, সাবধানী (Wary and unwilling to take risks)।
Discrete: স্বতন্ত্র, আলাদা (Individually separate and distinct)।
Prudent: বিচক্ষণ, দূরদর্শী (Showing care and thought for the future)।
25

Who is the author of ‘A Farewell to Arms’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. H. G. Wells
  2. George Orwel
  3. Thomas Hardy
  4. Ernest Hemingway

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ernest Hemingway এর অন্যান্য উপন্যাস হলো The Old Man and The Sea, For Whom The Bell Tolls, The Sun Also Rises. তিনি The Old Man and The Sea উপন্যাসটির জন্য ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ঘ) Ernest Hemingway
‘A Farewell to Arms’ একটি বিখ্যাত উপন্যাস, যা আমেরিকান সাহিত্যিক আর্নেস্ট হেমিংওয়ের লেখা। উপন্যাসটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত হয় এবং এটি ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুলি হলো ফ্রেডেরিক হেনরি এবং ক্যাথরিন বার্কলে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
H. G. Wells: তিনি মূলত সায়েন্স ফিকশন লেখক, যেমন— ‘The Invisible Man’, ‘The War of the Worlds’।
George Orwell: তিনি ডিস্টোপিয়ান রচনার জন্য বিখ্যাত, যেমন— ‘Animal Farm’, ‘Nineteen Eighty-Four’।
Thomas Hardy: তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক, যেমন— ‘Tess of the D'Urbervilles’।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

Who is the author of ‘Animal Farm’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas more
  2. George Orwel
  3. Boris Pasternak
  4. Charles Dickens

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

George Orwell হলো Eric Arthur Blair এর ছদ্মনাম। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো Nineteen Eighty Four, Coming Up For Air, A Clergyman’s Daughter.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো George Orwell (জর্জ অরওয়েল)
তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক, যিনি Eric Arthur Blair ছদ্মনামে লিখতেন।
তাঁর রচিত এই বিখ্যাত রূপকধর্মী উপন্যাস, ‘Animal Farm’ (প্রকাশকাল: ১৯৪৫), মূলত সোভিয়েত ইউনিয়নের স্টালিনীয় স্বৈরতন্ত্রের তীব্র সমালোচনা করে লেখা হয়েছে।
এই বইটি ইংরেজি সাহিত্যে Allegory (রূপক সাহিত্য) হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
27

Who is the author of ‘India Wins Freedom’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mahatma Gandhi
  2. J. L. Nehru
  3. Abul Kalam Azad
  4. Moulana Akram Khan

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘India Wins Freedom’ আবুল কালাম আজাদ রচিত একটি ঐতিহাসিক গ্রন্হ। তিনি এ গ্রন্হে ব্রিটিশ আমলে ভারতীয় উপমহাদেশের বিভিন্ন সমস্যা, ঘটনা এবং কীভাবে, কখন ভারত স্বাধীনতা অর্জন করে তা বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবুল কালাম আজাদ (Abul Kalam Azad)
‘India Wins Freedom’ গ্রন্থটি হলো ভারতের প্রখ্যাত স্বাধীনতা সংগ্রামী, শিক্ষাবিদ এবং স্বাধীন ভারতের প্রথম শিক্ষামন্ত্রী মাওলানা আবুল কালাম আজাদের আত্মজীবনী
এই গ্রন্থে তিনি ভারতীয় স্বাধীনতা আন্দোলন, কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং দেশভাগের পূর্ববর্তী গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা ও ঘটনাবলী সম্পর্কে নিজস্ব মতামত তুলে ধরেছেন।
বাকি বিকল্পগুলিও গুরুত্বপূর্ণ লেখক: জওহরলাল নেহরু-এর বিখ্যাত গ্রন্থ: ‘Discovery of India’ এবং মহাত্মা গান্ধী-এর আত্মজীবনী: ‘My Experiments with Truth’।
28

What kind of noun is ‘Cattle’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Proper
  2. Common
  3. Collective
  4. Material

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Class, Committee, Family, Group, Jury, Panel, Flock, Herd, Swarm, Bunch প্রভৃতি collective noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Collective Noun
যে Noun দ্বারা একজাতীয় একত্রে থাকা কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে (Group) বোঝায়, তাকে Collective Noun বা সমষ্টিবাচক বিশেষ্য বলে। যদিও এটি দেখতে Singular, কিন্তু এর অর্থগত দিক হলো সমষ্টি।
যেমন: Cattle (গবাদি পশুর পাল), Army (সেনাদল), Class (শিক্ষার্থীর দল), Jury (বিচারকদের দল)।
‘Cattle’ বলতে নির্দিষ্ট করে একাধিক গরু-মহিষের একটি পালকে বোঝায়, তাই এটি Collective Noun
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
Proper Noun (নামবাচক): নির্দিষ্ট কোনো নাম (যেমন: Rahim, Dhaka)।
Common Noun (জাতিবাচক): এক শ্রেণীর সাধারণ নাম (যেমন: Cow, Dog)।
Material Noun (বস্তুবাচক): পদার্থের নাম (যেমন: Water, Gold)।
29

What kind of noun is ‘Girl’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Proper
  2. Common
  3. Collective
  4. Material

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে সকল শব্দ শ্রেণিবাচক বা জাতিবাচক সাধারণ নামকে নির্দেশ কর, তাদেরকে Common noun বলে। যেমন- Boy, Girl, King, Queen, River, City, Country, Sheep, Cow etc.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Common Noun (সাধারণ বিশেষ্য)।
Common Noun হলো সেইসব নাম, যা কোনো একই শ্রেণি বা গোত্রের প্রত্যেক সদস্যকে সাধারণভাবে বোঝায়। 'Girl' শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট মেয়েকে না বুঝিয়ে পৃথিবীর সকল মেয়েদের সাধারণ শ্রেণিবাচক নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: Boy, Man, River, City, Book ইত্যাদি সবই Common Noun
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
১. Proper Noun: এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুর নাম বোঝায় (যেমন: Rina, Dhaka, Padma)।
২. Collective Noun: এটি একই ধরনের প্রাণী বা বস্তুর সমষ্টিকে বোঝায় (যেমন: Army, Class, Team)।
৩. Material Noun: এটি সেইসব পদার্থের নাম বোঝায় যা দ্বারা কিছু তৈরি হয় বা যা গণনা করা যায় না, শুধু পরিমাপ করা যায় (যেমন: Gold, Water, Oxygen)।
30

বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের ঘোষণা ছিলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১১ এপ্রিল, ১৯৭১
  4. ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মেহেরপুর জেলার মুজিবনগরে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয় এবং ১৭ এপ্রিল শপথ গ্রহণ করে। ১৭ এপ্রিল অধ্যাপক এম. ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
যদিও ২৬ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, কিন্তু বাংলাদেশ গণপ্রজাতন্ত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা (স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ ও কার্যকর করার মাধ্যমে) এবং প্রথম সরকার গঠন সম্পন্ন হয় ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে।
এই দিন তৎকালীন কুষ্টিয়া জেলার মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলার আম্রকাননে (যা পরে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়) স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে পাঠ ও কার্যকর করা হয় এবং এই সরকার শপথ গ্রহণ করে। এটিই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকার
উল্লেখ্য, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত (adopted) হয়েছিল, কিন্তু এর কার্যকারিতা শুরু হয় শপথ গ্রহণের তারিখ ১৭ এপ্রিল থেকে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৯১
  2. ১৬ ডিসেস্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের এই তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবর্তিত বা কার্যকর হয়। অর্থাৎ, এই তারিখ থেকেই সংবিধানের সমস্ত আইন ও বিধি বাংলাদেশে বলবৎ হয়।
এই তারিখটি বেছে নেওয়ার কারণ ছিল, এটি ছিল বাংলাদেশের প্রথম বিজয় বার্ষিকী। সংবিধানকে বিজয়ের দিনে কার্যকর করার মাধ্যমে এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক ঘটনার তারিখ নয়।
32

বিখ্যাত সাধক শাহ্ সুলতান বলখীর মাজার কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাস্থানগড়ে
  2. শাহজাদপুরে
  3. নেত্রকোনায়
  4. রামপালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিখ্যাত ‘শাহ্ সুলতান বলখী মহীসওয়ার’ এর মাজারটি বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মি. দূরে মহাস্থানের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগী ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাস্থানগড়ে
বিখ্যাত সুফি সাধক শাহ্ সুলতান বলখী মাহিসাওয়ার (রহ.) এর মাজার বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলাধীন করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে ঐতিহাসিক মহাস্থানগড়ের ভেতরে অবস্থিত।
তিনি একাদশ শতাব্দীর দিকে (মতান্তরে ১০৪৭ খ্রিস্টাব্দ) পুন্ড্রবর্ধন (মহাস্থানগড়ের প্রাচীন নাম) অঞ্চলে ইসলাম প্রচারের উদ্দেশ্যে এসেছিলেন। তিনি মাছের পিঠে চড়ে নদী পার হয়েছিলেন বলে তাঁকে 'মাহিসাওয়ার' (মাছের আরোহী) বলা হয়।
উল্লেখিত অন্য অপশনগুলোর মধ্যে শাহজাদপুরে আছেন সাধক শাহ্ মখদুম দৌলা শহীদ (রহ.) এর মাজার। তাই অন্য অপশনগুলো ভুল।
33

বাংলাদেশের লোক শিল্প জাদুঘর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বগুড়ায়
  2. চট্টগ্রামে
  3. সোনারগাঁওয়ে
  4. রামপালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের লোকশিল্পের অতীত কীর্তিসমূহ (নক্‌শী কাঁথা, মাটির পাত্র, বেত, কাঁসা, মসলিন বস্ত্র, তৈজসপত্র ইত্যাদি) সংরক্ষণের জন্য নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে লোকশিল্প জাদুঘর স্থাপন করা হয়েছে। ১৯৯৬ সালের ৬ অক্টোবর সোনারগাঁও লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশনের নাম পরিবর্তন করে ‘শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন’ জাদুঘর করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সোনারগাঁও। বাংলাদেশের লোক শিল্প জাদুঘরটি নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁওয়ে অবস্থিত।
এই প্রতিষ্ঠানটির পূর্ণ নাম বাংলাদেশ লোক ও কারুশিল্প ফাউন্ডেশন জাদুঘর (Bangladesh Folk Art and Crafts Foundation Museum)।
এটি বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী কারুশিল্প ও গ্রামীণ সংস্কৃতিকে সংরক্ষণ ও প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে স্থাপিত হয়েছে।
34

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে প্রথম এসেছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইংরেজরা
  2. ওলন্দজরা
  3. ফরাসিরা
  4. পর্তুগিজরা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম-পূর্ব উপকূলে ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে। ১৫৩৬ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার সুলতান মাহমুদ শাহ শের শাহের বিরুদ্ধে পর্তুগিজদের সাহায্যের আাশায় চট্টগ্রাম ও সপ্তগ্রামে (হুগলি) বাণিজ্য কুঠি নির্মাণের অনুমতি দেন। এভাবে বাংলায় পর্তুগিজদের প্রতিষ্ঠা হয়। উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজরা
ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে পর্তুগিজরাই প্রথম বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে জলপথে ভারতবর্ষে আসে।
পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে এশিয়াতে ইউরোপীয়দের সমুদ্রপথ উন্মুক্ত হয়।
ষোড়শ শতকের প্রথম দিক থেকেই তারা বাংলায় বাণিজ্য শুরু করে এবং চট্টগ্রাম বন্দরকে (পর্তুগিজদের কাছে 'Porto Grande') কেন্দ্র করে তাদের প্রধান কার্যকলাপ পরিচালনা করত।
অন্যান্য ইউরোপীয় বণিকেরা (যেমন: ইংরেজরা - ১৬০০ সালের পর, ওলন্দাজরা - ১৬০২ সালের পর, এবং ফরাসিরা - ১৬৬৪ সালের পর) অনেক পরে বাণিজ্য করতে আসে।
35

বাংলা নববর্ষ পহেলা বৈশাখ চালু করেছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মণ সেন
  2. ইলিয়াস শাহ
  3. আকবর
  4. বিজয় সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কৃষিকাজের সুবিধার্থে মোগল সম্রাট আকবর ১৫৮৪ খ্রিষ্টাব্দের ১০/১১ মার্চ বাংলা সন প্রবর্তন করেন এবং তা ১৫৫৬ সালের ৫ নভেম্বর তার সিংহাসনে আরোহণের সময় থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আকবর
মুঘল সম্রাট জালালউদ্দিন মুহাম্মদ আকবর ১৫৫৬ খ্রিস্টাব্দের (৯৬৩ হিজরি) ১১ই মার্চ তাঁর রাজত্বের শুরুতেই বাংলা পঞ্জিকা বা বঙ্গাব্দ প্রবর্তন করেন।
এটি প্রবর্তনের প্রধান কারণ ছিল কৃষি খাজনা আদায়কে সহজ করা। ইসলামী হিজরি সন ছিল চান্দ্র-ভিত্তিক, ফলে কৃষকের ফসল তোলার সময়ের সাথে খাজনা আদায়ের তারিখের গরমিল দেখা দিত।
আকবর তাঁর রাজজ্যোতিষী ফতেহ উল্লাহ সিরাজীর সহায়তায় চান্দ্র সনকে সৌর সনের ভিত্তিতে পরিবর্তন করে নতুন এই ফসলি সন (যা পরে বাংলা সন নামে পরিচিত হয়) চালু করেন।
এটিই বর্তমানে পহেলা বৈশাখ হিসেবে পালিত হয়।
লক্ষ্মণ সেন, বিজয় সেন ছিলেন প্রাচীন বাংলার সেন বংশের রাজা। তাদের সময়ে বাংলা সনের অস্তিত্ব ছিল না। ইলিয়াস শাহ ছিলেন সুলতানি আমলের, কিন্তু তিনি বঙ্গাব্দ প্রবর্তন করেননি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

পাহাড়পুরের বৌদ্ধ বিহারটি কি নামে পরিচিত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোমপুর বিহার
  2. ধর্মপাল বিহার
  3. জগদ্দল বিহার
  4. শ্রী বিহার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নওগাঁ জেলার বদলগাছি উপজেলার পাহাড়পুরে অবস্থিত বৌদ্ধ বিহারের নাম পাহাড়পুর বা সোমপুর বিহার। এর নির্মাতা ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা। এটি মধ্যযুগীয় সবচেয়ে বড় বিহার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সোমপুর বিহার
পাহাড়পুরে অবস্থিত এই বিশাল বৌদ্ধ বিহারটির আসল নাম সোমপুর মহাবিহার (Somapura Mahavihara)। এটি ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিক্ষা ও ধর্মীয় কেন্দ্র।
এটি পাল বংশের দ্বিতীয় রাজা ধর্মপাল অষ্টম শতকের শেষের দিকে বা নবম শতকের শুরুতে নির্মাণ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন স্থাপনাকে নির্দেশ করে: জগদ্দল বিহার ছিলেন পাল রাজা রামপালের তৈরি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিহার, যা বরেন্দ্র অঞ্চলে অবস্থিত ছিল।
37

বাংলাদেশে চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিজয়পুরে
  2. রানীগঞ্জে
  3. টেকেরহাটে

  4. বিয়ানী বাজারে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (বর্তমান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) ১৯৫৭ সালে নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে। এ চীনামাটিকে বিজয়পুর চীনামাটি নামকরণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিজয়পুরে। বাংলাদেশে চীনামাটি বা হোয়াইট ক্লে (White Clay)-এর প্রধান উৎস হচ্ছে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকা।
এই এলাকার চীনা মাটির সঞ্চয় প্রচুর এবং এটি প্রধানত সিরামিক শিল্পে (Ceramic Industry) কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, টেকেরহাট হলো সুনামগঞ্জ জেলার একটি স্থান যা চুনাপাথর (Limestone)-এর জন্য বিখ্যাত। রানীগঞ্জ অথবা বিয়ানী বাজারে প্রধানত গ্যাস বা অন্যান্য জ্বালানি সম্পদের সন্ধান পাওয়া যায়, চীনামাটির নয়।
38

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮৯৭ সালে
  2. ১৯০২ সালে
  3. ১৯২১ সালে
  4. ১৯০৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশরা পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং এজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়। পরবর্তীতে এটি প্রাচ্যের অক্সফোর্ড নামে খ্যাতি অর্জন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯২১ সালে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (সংক্ষেপে ঢাবি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১ জুলাই। এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক প্রণীত 'ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯২০' এর মাধ্যমে।
এই বিশ্ববিদ্যালয়কে 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' বলা হয়ে থাকে। প্রথমদিকে এটি ৩টি ফ্যাকাল্টি এবং ১২টি বিভাগ নিয়ে যাত্রা শুরু করে।
39

ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরী করনে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শায়েস্তা খান
  2. নওয়াব সলিমুল্লাহ
  3. মির্জা আহমেদ জান
  4. খান সাহেব আবুল হাসনাত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা আহমেদ জান বা মির্জা গোলাম পীর। পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখঁচিত করেন। এ কারণে এর বর্তমান নাম তারা মসজিদ।

ব্যাখ্যা

ঢাকার আরমানিটোলায় অবস্থিত বিখ্যাত তারা মসজিদটি মুঘল আমলের শেষ দিকে (অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথম ভাগে) নির্মিত হয়।
এই মসজিদটির মূল প্রতিষ্ঠাতা হলেন স্থানীয় জমিদার মির্জা আহমেদ জান (বা মির্জা গোলাম পীর)। অতএব, সঠিক উত্তর হলো: মির্জা আহমেদ জান
মির্জা আহমেদ জান আনুমানিক ১৭১১ খ্রিষ্টাব্দে এই মসজিদটি তৈরি করেন। এটি পুরাতন ঢাকা অঞ্চলের অন্যতম প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন।
অনেকে খান সাহেব আবুল হাসনাতকে নির্মাতা মনে করেন। তবে তিনি নির্মাতা নন, বরং ১৯২৬ সালে মসজিদটির ব্যাপক সংস্কার ও আধুনিকায়ন করেন এবং এর বিখ্যাত তারার মোটিফ (Star-shaped mosaic) সংযোজন করেন।
40

পাখি ছাড়া ‘বলাকা’ও ‘দোয়েল’ নামে পরিচিত হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দু’টি উন্নত জাতের গমশস্য
  2. দু’টি উন্নত জাতের ধানশস্য
  3. দু’টি উন্নত জাতের ভুট্টাশস্য
  4. দু’টি উন্নতজাতের ইক্ষু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বলাকা ও দোয়েল ছাড়াও উন্নতজাতের আরো কিছু গম শস্য হলো সোনালিকা, আকবর, আনন্দ, কাঞ্চন, বরকত, অগ্রণী, ইনিয়া ৬৬, জোপাটিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দু’টি উন্নত জাতের গমশস্য
বলাকাদোয়েল হলো বাংলাদেশে ব্যবহৃত উচ্চ ফলনশীল (HYV) গমের জাতের নাম। এই জাতগুলো দেশে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
সাধারণত, এই ধরনের প্রশ্নগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়, কারণ দোয়েল বাংলাদেশের জাতীয় পাখি এবং বলাকা বিমান বা ভবনের নাম হিসেবেও পরিচিত।
মনে রাখবেন, ধানের জনপ্রিয় জাতগুলো সাধারণত ব্রি ধান (BRRI Dhan) নামে পরিচিত, যা এই অপশনটিকে ভুল প্রমাণ করে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

‘অগ্নিশ্বর’, ‘কানাইবাঁসি’, ‘মোহনবাঁশী’ ও ‘বীটজবা’ কি জাতীয় ফলের নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেয়ারা
  2. কলা
  3. পেঁপে
  4. জামরুল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্নিশ্বর, কানাইবাঁশি, মোহনবাঁশি ও বীটজবা উন্নত জাতের কলার নাম। এছাড়াও বাংলাদেশে আরো কিছু জাতের কলার চাষ হয়, যেমন- অমৃতসাগর, মেহেরসাগর, সবরি, সিঙ্গাপুরী, চাঁপা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কলা। উল্লিখিত ‘অগ্নিশ্বর’, ‘কানাইবাঁসি’, ‘মোহনবাঁশী’ ও ‘বীটজবা’ সবই কলার বিভিন্ন জাত বা স্থানীয় নাম।
সাধারণত চাকরির পরীক্ষায় বাংলাদেশের কৃষি ও ফলজ সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ জাতগুলোর নাম থেকে প্রশ্ন আসে। এই চারটি নামই কলার উন্নত ও জনপ্রিয় জাত হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন পেয়ারা বা পেঁপে-এর গুরুত্বপূর্ণ জাতের নাম আলাদা (যেমন: পেয়ারার জন্য **স্বরূপকাঠি/কাজী পেয়ারা** এবং পেঁপের জন্য **শাহী**)।
42

বাংলায় চিরস্থায়ী বন্দোরস্ত প্রথা প্রবর্তন করা কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭০০ সালে
  2. ১৭৭২ সালে
  3. ১৭৬৫ সালে
  4. ১৭৯৩ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

লর্ড কর্নওয়ালিস ১৭৮৬ সালের ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১৭৯৩ সালের ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বাংলায় ফোর্ট উইলিয়ামের গভর্নর জেনারেল ছিলেন। তিনি ছিলেন চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত ও বাংলায় ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির প্রশাসনিক ও বিচার ব্যবস্থার রূপকার। ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ তিনি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রথা চালুর মাধ্যমে সূর্যাস্ত আইন বলবৎ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭৯৩ সালে
১৭৯৩ সালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস (Lord Cornwallis) বাংলায় (তৎকালীন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যাতে) চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত (Permanent Settlement) প্রথা প্রবর্তন করেন।
এটি ছিল মূলত দশসালা বন্দোবস্তের (যা ১৭৯০ সালে শুরু হয়েছিল) চিরস্থায়ী রূপ।
এই বন্দোবস্তের মাধ্যমে জমিদারেরা তাদের জমির ওপর বংশানুক্রমিক মালিকানা লাভ করে এবং সরকারকে তাদের রাজস্ব একটি নির্দিষ্ট হারে চিরদিনের জন্য প্রদান করতে বাধ্য থাকত। এটি ছিল ব্রিটিশদের প্রতি অনুগত একটি ভূস্বামী শ্রেণী তৈরির প্রচেষ্টা।
অন্যান্য অপশনসমূহ: ১৭৭২ সালে ওয়ারেন হেস্টিংস পাঁচসালা বন্দোবস্ত চালু করেন। ১৭৬৫ সালে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলার দেওয়ানি লাভ করে, যা ব্রিটিশ শাসনের ভিত্তি স্থাপন করে।
43

কোন মুঘল সম্রাট বাংলার নাম দেন ‘জান্নাতাবাদ’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাবর
  2. হুমায়ুন
  3. আকবর
  4. জাহাঙ্গীর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুঘল সম্রাট হুমায়ূন বাংলার নাম দেন ‘জান্নাতাবাদ’। বাবরের মৃত্যুর পর জ্যেষ্ঠপুত্র হুমায়ূন সিংহাসনে আরোহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হুমায়ুন
মুঘল সম্রাট হুমায়ুন ১৫৩৮ খ্রিস্টাব্দে বাংলার তৎকালীন রাজধানী গৌড় (Gaur) দখল করার পর এর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘জান্নাতাবাদ’ (Jannatabad)।
‘জান্নাতাবাদ’ শব্দের অর্থ হলো ‘স্বর্গের শহর’ বা ‘City of Paradise’। গৌড়ের মনোরম প্রকৃতি ও আবহাওয়ার জন্য তিনি এই নামকরণ করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই নামকরণের সাথে যুক্ত নন। যেমন— জাহাঙ্গীর ঢাকা শহরের নাম পরিবর্তন করে রেখেছিলেন জাহাঙ্গীরনগর
44

উপমহাদেশীয়দের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  2. ড. মাহমুদ হাসান
  3. ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন
  4. স্যার এ. এফ. রহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর বা উপাচার্য ছিলেন স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ। স্যার এ. এফ. রহমান ছিলেন প্রথম ভারতীয় এবং মুসলমান উপাচার্য। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে প্রথম উপাচার্য ছিলেন ড. সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন।

ব্যাখ্যা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২১ সালের ১লা জুলাই
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য ছিলেন ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ স্যার ফিলিপ জোসেফ হার্টগ (Sir Philip Joseph Hartog)। তিনি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম প্রধান।
তবে প্রশ্নটিতে উপমহাদেশের (Native/Subcontinental) প্রথম ভাইস চ্যান্সেলরের কথা জানতে চাওয়া হয়েছে। উপমহাদেশের প্রথম উপাচার্য ছিলেন স্যার এ. এফ. রহমান (স্যার আহমেদ ফজলুর রহমান)। তিনি ছিলেন ঢাবির তৃতীয় উপাচার্য এবং উপমহাদেশের প্রথম ব্যক্তি হিসেবে ১৯৩৪ থেকে ১৯৩৬ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
অতএব, সঠিক উত্তর: স্যার এ. এফ. রহমান
45

১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকে বাংলাদেশের কোন ভাস্করের শিল্পকর্ম প্রদর্শনীতে স্থান পায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামীম সিকদার
  2. সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ
  3. হামিদুজ্জামান খান
  4. আবদুস সুলতান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিকের পার্কে হামিদুজ্জামান খানের ‘স্টেপস্’ ভাস্কর্যটি স্থান পেয়েছিল। হামিদুজ্জামান খানের উল্লেখযোগ্য স্থাপত্য হলো ‘সংশপ্তক’ (জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়), ‘স্বাধীনতা’ (কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, ঢাকা) এবং ‘ক্যাম্পাস’ (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হামিদুজ্জামান খান
হামিদুজ্জামান খান বাংলাদেশের একজন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন ভাস্কর ও চিত্রশিল্পী।
তাঁর নির্মিত একটি ভাস্কর্য, যার নাম 'C-Breeze' (সি-ব্রিজ), দক্ষিণ কোরিয়ার ১৯৮৮ সালের সিউল অলিম্পিক ভিলেজের স্কাল্পচার পার্কে প্রদর্শিত হওয়ার জন্য নির্বাচিত হয়। এটি বাংলাদেশের শিল্পকলার জন্য একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অর্জন।
অন্যান্য অপশনের ভাস্করগণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
সৈয়দ আব্দুল্লাহ খালেদ: তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে অবস্থিত বিখ্যাত ভাস্কর্য 'অপরাজেয় বাংলা'-এর স্থপতি।
শামীম সিকদার: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি সংলগ্ন 'স্বাধীনতা সংগ্রাম' ভাস্কর্যটির স্থপতি তিনি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

‘পূর্বাশা’ দ্বীপের অপর নাম–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিঝুম দ্বীপ
  2. সেন্টমার্টিন দ্বীপ
  3. দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
  4. দিয়া দ্বীপ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি সাতক্ষীরা জেলার দক্ষিণে সীমান্ত নদী হাড়িয়াভাঙ্গা ও রায়মঙ্গল নদীর মোহনায় অবস্থিত। এ দ্বীপটি বাংলাদেশের সীমানায় অবস্থিত হলেও ভারত এ দ্বীপের মালিকানা দাবি করে। ভারত এ দ্বীপের নাম দিয়েছে পূর্বাশা বা নিউমুর। বর্তমানে এ দ্বীপটির অস্তিত্ব নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ
‘পূর্বাশা’ দ্বীপের অপর নাম দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ। এটি বঙ্গোপসাগরের মুখে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত ছিল।
ভারত এই দ্বীপটিকে ‘পূর্বাশা’ বা ‘নিউ মুর’ (New Moore) নামে দাবি করত, আর বাংলাদেশ একে ‘দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ’ নামে দাবি করত। এই দ্বীপটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন বিতর্ক ছিল।
সাম্প্রতিক সময়ে (২০১০-১১ সালের দিকে) সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং উপকূলীয় ভাঙনের কারণে দ্বীপটি সম্পূর্ণরূপে জলমগ্ন বা বিলীন হয়ে যায়।
47

সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৮৪ সালে
  2. ১৯৮৭ সোলে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৮৬ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দক্ষিণ এশীয় সহযোগিতা সংস্থা সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ বৈঠক ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে ১৯তম সম্মেলন পাকিস্তানের অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৮৫ সালে
সার্ক (SAARC)-এর আনুষ্ঠানিক জন্ম এবং প্রথম শীর্ষ বৈঠক একই দিনে অনুষ্ঠিত হয়।
দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক সহযোগিতামূলক সংস্থা সার্ক-এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন (First SAARC Summit) অনুষ্ঠিত হয়েছিল ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে।
এই প্রথম সম্মেলনটি বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল এবং এখানে সার্ক সনদ (SAARC Charter) স্বাক্ষরিত হয়।
এজন্যই বাংলাদেশ হলো সার্কের প্রতিষ্ঠাতা দেশ এবং প্রথম স্বাগতিক দেশ
48

আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কোনটি বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরাক
  2. আলজেরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. জর্ডান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ইরাক (৮ জুলাই, ১৯৭২)। আলজেরিয়া বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৩ জুলাই, ১৯৭৩ এবং সৌদি আরব স্বীকৃতি দেয় ১৬ আগস্ট, ১৯৭৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইরাক
ইরাক ছিল প্রথম আরব রাষ্ট্র যা স্বাধীন বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। ইরাক বাংলাদেশকে ৮ জুলাই ১৯৭২ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় এবং এর পরপরই বেশিরভাগ আরব রাষ্ট্র জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) এবং ওআইসি (OIC)-এর প্রভাবে শুরুতে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করায় স্বীকৃতি দিতে অনেক দেরি করেছিল।
অন্যান্য জনপ্রিয় অপশনগুলোর মধ্যে সৌদি আরব অন্যতম। মনে রাখবেন, সৌদি আরব বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় অনেক পরে, ১৬ আগস্ট ১৯৭৫ (বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ডের একদিন পর)।
49

পিএলও-এর সদর দপ্তর–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাবাত
  2. তিউনিস
  3. বেনগাজি
  4. মরক্কো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে পিএলও’র সদর দপ্তর ফিলিস্তিনের রামাল্লায় অবস্তিত। ইসরাইল ১৯৬৪ সালে PLO’র ওপর হামলা চালালে এর সদর দপ্তর তিউনিসিয়ার তিউনিসে স্থানান্তর করা হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তিউনিস
ফিলিস্তিন মুক্তি সংস্থা (PLO - Palestine Liberation Organization) প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৪ সালে জেরুজালেমে। বিভিন্ন কারণে ও সংঘাতের মুখে এর সদর দপ্তর বারংবার স্থান পরিবর্তন করেছে।
১৯৮২ সালে PLO বৈরুত (লেবানন) থেকে বহিষ্কৃত হওয়ার পর এর প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদর দপ্তর তিউনিস, তিউনিসিয়াতে স্থানান্তরিত হয়। দীর্ঘ প্রায় এক যুগ তিউনিসই PLO-এর প্রধান কার্যালয় ছিল।
যদিও বর্তমানে ১৯৯৩ সালের অসলো চুক্তির ফলস্বরূপ ফিলিস্তিনের রামাল্লা থেকে এর বেশিরভাগ প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়, তবুও পুরনো প্রশ্নগুলিতে তিউনিসকেই ঐতিহাসিক সদর দপ্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—রাবাত, মরক্কো বা বেনগাজি PLO-এর সদর দপ্তর নয়।
50

জাতিসংঘের প্রথম মহাসচিব ছিলেন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উ থান্ট
  2. ট্রিগভেলি
  3. দ্যাগ হ্যামারশোল্ড
  4. কুট ওয়াল্ডহেইম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের নির্বাচিত প্রথম মহাসচিব হলেন ট্রিগভেলি। তিনি নরওয়ের অধিবাসী। দ্যাগ হ্যামারশোল্ড, উ থান্ট ও কুট ওয়াল্ডহেইম যথাক্রমে দ্বিতীয়, তৃতীয় ও চতুর্থ মহাসচিব ছিলেন। উল্লেখ্য, জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টেনিও গুতেরেস ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ট্রিগভেলি (Trygve Lie)
তিনি ছিলেন নরওয়ের নাগরিক এবং জাতিসংঘের ইতিহাসে প্রথম নির্বাচিত মহাসচিব। তিনি ১৯৪৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাস থেকে ১৯৫২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
জাতিসংঘের সনদ ১৯৪৫ সালে গৃহীত হলেও, মহাসচিব হিসেবে প্রথম নিয়োগ পান ট্রিগভেলি
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ মহাসচিব: দ্যাগ হ্যামারশোল্ড ছিলেন দ্বিতীয় (সুইডেন), উ থান্ট ছিলেন তৃতীয় এবং প্রথম এশীয় (মিয়ানমার), এবং কুট ওয়াল্ডহেইম ছিলেন চতুর্থ মহাসচিব (অস্ট্রিয়া)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

নিরাপত্তা পরিষদের এশীয় আসনে বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিলিপাইন
  2. জাপান
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৮ সালে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী আসনে বাংলাদেশ শক্তিশালী জাপনের সাথে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে এবং জয়লাভ করে। অবশ্য ২০০০-২০০১ সালের জন্য বাংলাদেশ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় অস্থায়ী সদস্য নির্বাচিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাপান
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্যপদের (দুই বছরের জন্য) এশীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বাংলাদেশ ১৯৭৮ সালে শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বী জাপানকে পরাজিত করেছিল।
এই বিজয়ের ফলে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে ১৯৭৯-১৯৮০ মেয়াদে দায়িত্ব পালন করে। এটি বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির ইতিহাসে একটি বিরাট সাফল্য ছিল।
52

সাধারণ পরিষদের নিয়মিত অধিবেশন শুরু হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
  2. সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম সোমবার
  3. সেপ্টেম্বর মাসের দ্বিতীয় বুধবার
  4. সেপ্টেম্বর মাসের চতুর্থ মঙ্গলবার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয় প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার এবং মধ্য ডিসেম্বর পর্যন্ত তা চলে। নিয়মিত অধিবেশন ছাড়াও সাধারণ পরিষদ জরুরি অধিবেশন ও বিশেষ অধিবেশনে মিলিত হয়।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের প্রধান ছয়টি অঙ্গসংস্থার মধ্যে সাধারণ পরিষদ (General Assembly) অন্যতম। এটি জাতিসংঘের সকল সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধি নিয়ে গঠিত।
সাধারণ পরিষদের নিয়মিত বার্ষিক অধিবেশন প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার শুরু হয়।
অধিবেশন শুরু হওয়ার কয়েক দিন আগে বা শুরু হওয়ার দিনই মহাসচিবকে ‘অর্গানাইজেশন রিপোর্ট’ (Organization Report) জমা দিতে হয়। এই অধিবেশন সাধারণত ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চলে।
53

বর্তমান জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 156

  2. 157
  3. 158
  4. 188

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বর্তমান জাতিসংঘের সদস্য ১৯৩ এবং সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো দক্ষিণ সুদান (সদস্যপদ লাভ ১৪ জুলাই, ২০১১)।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও এর অপশনগুলো অত্যন্ত সেকেলে বা ভুল। একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনার অবশ্যই সঠিক তথ্য জানতে হবে।
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা হলো ১৯৩টি। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর নেই।
জাতিসংঘের ১৯৩তম তথা সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হলো সাউথ সুদান (দক্ষিণ সুদান)। এটি ২০১১ সালের ১৪ জুলাই জাতিসংঘে যোগদান করে।
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠা সনদে স্বাক্ষর করেছিল ৫০টি দেশ, কিন্তু কার্যকর হওয়ার সময় পোল্যান্ড যুক্ত হওয়ায় প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সংখ্যা ছিল ৫১টি
54

ইসলাম সম্মেলন সংস্থার সচিবলায় অবস্থিত–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিয়াদ

  2. জেদ্দা
  3. দামেস্ক

  4. মক্কা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৯ মরক্কোর রাজধানী রাবাতে OIC গঠিত হয় এবং সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দাতে প্রতিষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ইসলামী সম্মেলন সংস্থার বর্তমান নাম ইসলামী সহযোগীতা সংস্থা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো জেদ্দা (Jeddah)
ইসলাম সম্মেলন সংস্থা বর্তমানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা (Organization of Islamic Cooperation - OIC) নামে পরিচিত। এটি মুসলিম বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থা।
এই সংস্থার সদর দপ্তর বা সচিবালয় সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত।
জাতিসংঘের পর OIC বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃসরকারি সংস্থা হিসেবে বিবেচিত।
55

যে দেশ এসডিআই প্রতিরক্ষা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রিটেন
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৮৩ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত প্রতিরক্ষা কর্মসূচি বা Strategic Defence Initiative কর্মসূচি ঘোষণা করে। মার্কিন সিনেটর অ্যাডওয়ার্ড কেনেডি একে তারকা যুদ্ধ (Star war) বলে অভিহিত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র
SDI এর পূর্ণরূপ হলো Strategic Defense Initiative (কৌশলগত প্রতিরক্ষা উদ্যোগ)।
এই কর্মসূচিটি ১৯৮৩ সালে তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান গ্রহণ করেন।
এই উদ্যোগের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল মহাশূন্যে লেজার এবং অন্যান্য আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৎকালীন প্রতিদ্বন্দ্বী সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) থেকে আসা পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণ প্রতিরোধ করার জন্য একটি ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধী ব্যবস্থা তৈরি করা।
এর উচ্চাভিলাষী প্রকৃতির কারণে এটি ব্যঙ্গাত্মকভাবে ‘স্টার ওয়ার্স’ (Star Wars) প্রোগ্রাম নামে পরিচিত ছিল।
56

ব্রিটিনের প্রশাসনিক সদর দপ্তরকে বলা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে
  2. হোয়াইট হল
  3. মার্বেল চার্চ
  4. বুশ হাউজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রিটেনের প্রশাসনিক সদর দপ্তর হোয়াইট হল লন্ডনে অবস্থিত। এটি ব্রিটেনের রানীর সাবেক সরকারি বাসভবন। ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে বিখ্যাত ব্রিটিশ নাগরিকদের সমাধিস্থল। বুশ হাউজ বিবিসি’র সাবেক প্রধান কার্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হোয়াইট হল (Whitehall)
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত এই সড়কটি মূলত ব্রিটিশ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক দফতর, মন্ত্রণালয় এবং সিভিল সার্ভিসের কেন্দ্রীয় স্থান। এজন্যই 'হোয়াইট হল' শব্দটি প্রায়শই ব্রিটিশ সরকারের আমলাতন্ত্র বা প্রশাসনিক ব্যবস্থার প্রতীকী নাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
ওয়েস্ট মিনিস্টার অ্যাবে (Westminster Abbey): এটি একটি বিখ্যাত চার্চ, যেখানে ব্রিটিশ রাজা-রানিদের অভিষেক অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। এটি প্রশাসনিক সদর দপ্তর নয়, বরং ধর্মীয় ও রাজকীয় ঐতিহ্যবাহী স্থান।
অন্যান্য অপশন (মার্বেল চার্চ, বুশ হাউজ) যুক্তরাজ্যের প্রশাসনিক কার্যক্রমের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
57

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধে জার্মানি আত্মসমর্পণ করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪২ সালের নভেম্বর মাসে
  2. ১৯৪৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
  3. ১৯৪৫ সালের মে মাসে
  4. ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৪৫ সালের ৩০ এপ্রিল হিটলার আত্মহত্যা করলে জার্মানির পতন ঘটে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে জার্মানি ৭ মে, ১৯৪৫ সোভিয়েত জেনারেল জর্জ জোকভের নিকট আত্মসমর্পন করে।

ব্যাখ্যা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অক্ষশক্তির প্রধান দেশ জার্মানি মিত্রশক্তির কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে ১৯৪৫ সালের ৭ মে
তবে, কার্যকরভাবে আত্মসমর্পণের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ৮ মে, ১৯৪৫ তারিখে। এই দিনটি ইউরোপে 'Victory in Europe Day' বা VE Day নামে পরিচিত।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৫ সালের মে মাস
অন্যান্য বিকল্প ভুল, কারণ ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে (২ সেপ্টেম্বর) জাপান আত্মসমর্পণ করে, যার মাধ্যমে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সম্পূর্ণরূপে শেষ হয়।
58

কঙ্গোকে বিদেশি শাসন থেকে মুক্ত করার লড়াইয়ে চিরস্থায়ী নাম–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাশাভুবু
  2. প্যাট্রিক লুমুম্বা
  3. শোম্বে
  4. মবুতু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কঙ্গোতে দখলদার ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদ আন্দোলনে নেতৃত্ব দেন প্যাট্রিক লুমুম্বা। তিনি জয়লাভ করলে কঙ্গো স্বাধীন রাষ্ট্রে পরিণত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্যাট্রিক লুমুম্বা
প্যাট্রিক লুমুম্বা ছিলেন বেলজিয়ামের ঔপনিবেশিক শাসন থেকে কঙ্গো গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রের (Democratic Republic of Congo - DRC) স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান কাণ্ডারি এবং দেশটির প্রথম নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী।
কঙ্গো ১৯৬০ সালের ৩০ জুন স্বাধীনতা লাভ করে এবং এর পিছনে লুমুম্বার ভূমিকা ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। তিনি কঙ্গোকে ঐক্যবদ্ধ রাখার জন্য চেষ্টা করেন।
দুর্ভাগ্যবশত, স্বাধীনতার মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই বিদেশী শক্তির মদদে অভ্যন্তরীণ কোন্দলের শিকার হন এবং ১৯৬১ সালের জানুয়ারিতে তাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। তাই স্বাধীনতার লড়াইয়ে তার নাম চিরস্মরণীয়।
অন্যান্য অপশন সম্পর্কে জেনে রাখুন: কাশাভুবু ছিলেন স্বাধীন কঙ্গোর প্রথম প্রেসিডেন্ট। মবুতু সেসে সেকো ছিলেন সামরিক শাসক, যিনি দীর্ঘদিন দেশটি জাইরে নামে শাসন করেন।
59

হিরোশিমায় এটম বোম ফেলা হয়েছিল–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৫ সালেরর আগস্ট মাসে
  2. ১৯৪৫ সালের মে মাসে
  3. ১৯৪৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে
  4. ১৯৪৪ সালের আগস্ট মাসে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট হিরোশিমায় ‘লিটলবয়’ এবং ৯ আগস্ট নাগাসাকিতে ‘ফ্যাটম্যান’ বোমার বিস্ফোরণ ঘটালে জাপানের পতন ত্বরান্বিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র জাপানের হিরোসিমা শহরে প্রথম পারমাণবিক বোমা ফেলেছিল।
দিনটি ছিল ৬ আগস্ট, ১৯৪৫
বোমাটির সাংকেতিক নাম ছিল 'Little Boy' (লিটল বয়), যা B-29 বোমারু বিমান 'Enola Gay' থেকে নিক্ষেপ করা হয়।
এর মাত্র তিন দিন পর, ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ সালে জাপানের নাগাসাকি শহরে দ্বিতীয় বোমাটি (সাংকেতিক নাম: 'Fat Man') ফেলা হয়।
এই দুটি বোমার ফলেই জাপান বিশ্বযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়।
60

আইএমএফ-এর সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওয়াশিংটন
  2. মস্কো
  3. লন্ডন
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

IMF (International Monetary Fund)-এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে। ১-২২ জুলাই, ১৯৪৪ ব্রেটন উডসের জাতিসংঘ মনিটারি এন্ড ফিনান্সিয়াল কনফারেন্সে IMF গঠিত হয়। কার্যক্রম শুরু করে ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওয়াশিংটন (Washington D.C.)
আইএমএফ (IMF) বা International Monetary Fund বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা। এর সদর দপ্তর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত।
আইএমএফ এবং বিশ্ব ব্যাংক (World Bank) উভয়কেই একত্রে ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশন (Bretton Woods Institutions) বলা হয়। এ দুটি সংস্থার সদর দপ্তরই একই শহরে (ওয়াশিংটন ডিসি) অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, নিউইয়র্ক-এ জাতিসংঘের (UN) সদর দপ্তর অবস্থিত; লন্ডন-এ কমনওয়েলথ (Commonwealth) ও অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের (Amnesty International) সদর দপ্তর অবস্থিত।
61

নিকারাগুয়ায় যে বিদ্রোহীদের যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন করে তার নাম–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউনিটা
  2. সান্ডিনিস্টা
  3. কন্ট্রা
  4. সোয়াপো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মধ্য আমেরিকার হ্রদ ও আগ্নেয়গিরির দেশ নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ কন্ট্রা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ এ অঞ্চলে শান্তি আনয়নে গঠন করে মধ্য আমেরিকায় জাতিসংঘ পর্যবেক্ষক দল (ONUCA) এবং পর্যবেক্ষক দলটি কন্ট্রা বিদ্রোহীদের স্বেচ্ছা তদারক করে। ফলশ্রুতিতে হন্ডুরাস ও নিকারাগুয়ায় প্রায় ২২ হাজার কন্ট্রা বিদ্রোহী জাতিসংঘ পর্যবেক্ষকদের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কন্ট্রা (Contra)
কন্ট্রা ছিল নিকারাগুয়ার একটি ডানপন্থী ও সরকারবিরোধী গেরিলা বাহিনী। ১৯৮০-র দশকে এই বাহিনীটি নিকারাগুয়ার বামপন্থী সান্ডিনিস্টা জাতীয় মুক্তি ফ্রন্ট (FSLN) সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।
স্নায়ুযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে, তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান-এর প্রশাসন সমাজতান্ত্রিক সান্ডিনিস্টা সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার লক্ষ্যে কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সামরিক ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছিল। তাই যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক সমর্থিত বিদ্রোহী গোষ্ঠীর নাম ছিল কন্ট্রা
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। সান্ডিনিস্টা ছিল নিকারাগুয়ার ক্ষমতায় থাকা সরকার, যাদের যুক্তরাষ্ট্র বিরোধিতা করত। ইউনিটা (UNITA) হলো অ্যাঙ্গোলার বিদ্রোহী গোষ্ঠী এবং সোয়াপো (SWAPO) নামিবিয়ার স্বাধীনতা আন্দোলনকারী দল।
62

‘ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ কোন দেশে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরান
  2. ইরাক
  3. মিশর
  4. সিরিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান’ ইরাকে অবস্থিত। রাজা নেবুচাদনেজার তার স্ত্রীর মনোরঞ্জনের জন্য প্রায় ৩০০ মিটার উঁচু এ উদ্যান নির্মাণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইরাক
ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান (Hanging Gardens of Babylon) ছিল প্রাচীন মেসোপটেমিয়া অঞ্চলের বিখ্যাত ব্যাবিলন শহরে। আধুনিক বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলটি বর্তমানে ইরাক রাষ্ট্রটির অন্তর্গত।
এই উদ্যানটি ছিল প্রাচীন বিশ্বের সপ্তাশ্চর্যের অন্যতম। এটি ব্যাবিলনের ফুরাত (Euphrates) নদীর তীরে নির্মিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
ব্যাবিলনের অবস্থান আধুনিক বাগদাদ থেকে প্রায় ৫০ মাইল দক্ষিণে অবস্থিত।
63

ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইতালি
  2. স্পেন
  3. তুরস্ক
  4. গ্রিস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে আছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তুরস্ক। ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী আধুনিক তুরস্কের (Turkey) অন্তর্গত।
ট্রয় নগরীটি তুরস্কের উত্তর-পশ্চিম দিকে দার্দানেলিস প্রণালীর (Dardanelles Strait) কাছে অবস্থিত। গ্রিক পুরাণ অনুযায়ী, এই ট্রয় নগরীকে কেন্দ্র করেই বিখ্যাত ট্রয়ের যুদ্ধ (Trojan War) সংঘটিত হয়েছিল।
ট্রয় নগরীটি এশিয়া মাইনরের (আনাগোলিয়া) অংশ, যা বর্তমানে তুরস্কের Çanakkale (চানাক্কালে) প্রদেশের অন্তর্ভুক্ত। এটি ইউরোপ নয়, বরং এশিয়া মহাদেশের পশ্চিমে অবস্থিত। তাই গ্রিস বা ইতালি সঠিক উত্তর নয়।
64

যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়, তাকে বলা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়ন বায়ু
  2. প্রত্যয়ন বায়ু
  3. মৌসুমী বায়ু
  4. নিয়ত বায়ু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পৃথিবীর চাপ বলয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হতে বায়ু উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হওয়ার সময় উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। এভাবে সারা বছর একই দিকে নিয়মিতভাবে যে বায়ু প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিয়ত বায়ু
বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ অঞ্চল (High Pressure) থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের (Low Pressure) দিকে প্রবাহিত হয়। এটি বায়ুর গতির একটি মৌলিক এবং সার্বজনীন প্রাকৃতিক নিয়ম।
যে বায়ুপ্রবাহ সারা বছর ধরে পৃথিবীর নির্দিষ্ট চাপ বলয়গুলোর (Pressure Belts) মধ্যে একটি নির্দিষ্ট গতিপথে এবং অভিমুখে উচ্চচাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে নিয়মিত প্রবাহিত হয়, তাকেই নিয়ত বায়ু (Planetary/Permanent Wind) বলা হয়।
এই বায়ুগুলিই পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলীয় সঞ্চালনকে সচল রাখে।
আয়ন বায়ু এবং প্রত্যয়ন বায়ু (বা পশ্চিমা বায়ু) হলো এই নিয়ত বায়ু-এরই বিভিন্ন প্রকারভেদ। তাই 'নিয়ত বায়ু' হলো সবচেয়ে সঠিক ও সাধারণ উত্তর।
মৌসুমী বায়ু হলো সময়ভিত্তিক বা সাময়িক বায়ু (Seasonal Wind), যা বছরে দুইবার তার দিক পরিবর্তন করে; এটি সারা বছর ধরে নির্দিষ্ট পথে প্রবাহিত হয় না।
65

নবায়নযোগ্য শক্তি উৎসের একটি উদাহরণ হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফুয়েল সেল
  2. পারমাণবিক জ্বালানি
  3. পীট কয়লা
  4. সূর্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যেসব শক্তি উৎস অফুরন্ত এবং বারবার করা যায় তাদেরকে নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস বলা হয়। সূর্য, পানি বায়ু নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস। অন্যদিকে যে শক্তির উৎস অফুরন্ত নয় এবং বারবার ব্যবহারের ফলে এক সময় নিঃশেষিত হয়ে যায় সেগুলোকে অনবায়নযোগ্য শক্তি বলে। কয়লা, গ্যাস, তেল পারমাণবিক জ্বালানি ইত্যাদি অনবায়নযোগ্য শক্তির উৎস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সূর্য
নবায়নযোগ্য শক্তি উৎস (Renewable Energy Source) হলো সেই উৎস, যা ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রকৃতিতে দ্রুত পূরণ হতে থাকে বা সবসময়ই বিদ্যমান থাকে। যেমন: সূর্যের আলো, বায়ু প্রবাহ, জলপ্রবাহ ইত্যাদি।
সূর্য হলো শক্তির প্রধান ও অফুরন্ত উৎস। এটি নবায়নযোগ্য শক্তির সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ, কারণ সূর্যের শক্তি বিলিয়ন বছর ধরে পৃথিবীতে সরবরাহ হতে থাকবে।
অন্যদিকে, পারমাণবিক জ্বালানি (যেমন ইউরেনিয়াম) এবং পীট কয়লা হলো অনবায়নযোগ্য শক্তি উৎস (Non-renewable)। এগুলো একবার ব্যবহার করলে নিঃশেষ হয়ে যায় এবং প্রকৃতিতে তৈরি হতে কোটি কোটি বছর সময় লাগে।
ফুয়েল সেল হলো একটি ডিভাইস বা যন্ত্র, যা রাসায়নিক শক্তিকে সরাসরি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তর করে। এটি শক্তির উৎস নয়, বরং হাইড্রোজেন বা মিথেনকে জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করে।
66

যে তিনটি মুখ্য বর্ণের সমন্বয়ে অন্যান্য বর্ণ সৃষ্টি করা যায় সেগুলো হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাল, হলুদ, নীল
  2. লাল, কমলা, বেগুনী
  3. হলুদ, সবুজ, নীল
  4. লাল, নীল, সবুজ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তিনটি মৌলিক রং হচ্ছে লাল, নীল (আসমানী) ও সবুজ। এই রংগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হয় অন্যান্য রং।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: লাল, নীল, সবুজ (অপশন ৪)।
বিজ্ঞানের ভাষায়, যে তিনটি মৌলিক বর্ণকে উপযুক্ত অনুপাতে মিশিয়ে অন্যান্য সকল বর্ণ সৃষ্টি করা যায় এবং যাদের নিজেদেরকে কোনোভাবেই অন্য রঙের মিশ্রণে তৈরি করা যায় না, তাদের মুখ্য বর্ণ (Primary Colors) বলে।
আলোক রশ্মির ক্ষেত্রে এই মুখ্য বর্ণগুলো হলো— লাল (Red), সবুজ (Green) এবং নীল (Blue), যা সংক্ষেপে RGB নামে পরিচিত। এদেরকে যোজক মুখ্য বর্ণ (Additive Primary Colors) বলা হয়, কারণ এগুলো একত্রিত হয়ে সাদা আলো সৃষ্টি করে।
বিসিএস পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের মধ্যে যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, তা হলো— চিত্রশিল্পে বা রঞ্জক পদার্থের ক্ষেত্রে মুখ্য বর্ণ হলো লাল, হলুদ ও নীল (R Y B)। কিন্তু প্রশ্নে যেহেতু 'বর্ণ' বা 'আলোর বর্ণ' বোঝানো হয়েছে, তাই বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে লাল, নীল ও সবুজ সঠিক উত্তর হবে।
67

মাছ অক্সিজেন নেয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাঝে মাঝে পানির উপর নাক তুলে
  2. পানিতে অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন বিশ্লিষ্ট করে
  3. পটকার মধ্যে জমানো বাতাস হতে
  4. পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাধারণত মাছ ফুলকার সাহায্যে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের মাধ্যমে শ্বাসকার্য চালায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পানির মধ্যে দ্রবীভূত বাতাস হতে
মাছ তাদের ফুলকা বা Gills নামক বিশেষ অঙ্গের মাধ্যমে শ্বাসকার্য পরিচালনা করে। মাছ মুখ দিয়ে যখন পানি গ্রহণ করে, সেই পানি ফুলকার উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। পানিতে প্রাকৃতিকভাবে যে দ্রবীভূত অক্সিজেন (Dissolved Oxygen) থাকে, ফুলকার রক্তনালীগুলো সেই অক্সিজেন দ্রুত শোষণ করে নেয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করে।
এটি মাছের প্রধান এবং স্বাভাবিক শ্বাস-প্রশ্বাসের প্রক্রিয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: মাছ পানিকে বিশ্লিষ্ট করে অক্সিজেন তৈরি করতে পারে না। এছাড়া, পটকা (Swim Bladder) মাছকে পানির মধ্যে ভেসে থাকতে (Buoyancy) সাহায্য করে, শ্বসনে নয়।
68

কচুশাক বিশেষভাবে মূল্যবান যে উপাদানের জন্য তা হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন-‘সি’
  2. লৌহ
  3. ক্যালসিয়াম
  4. ভিটামিন-‘এ’

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কচুশাকের উল্লেখযোগ্য উপাদান লৌহ। তাছাড়া একে ভিটামিন-এ, ক্যালসিয়াম অক্সালেট এবং অন্যান্য ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লৌহ (Iron)। কচুশাক (Taro leaves) বাংলাদেশের সবচেয়ে সহজলভ্য এবং গুরুত্বপূর্ণ আয়রন (লৌহ) সমৃদ্ধ সবজিগুলোর মধ্যে অন্যতম।
মানবদেহে রক্তে হিমোগ্লোবিন তৈরি করার জন্য লৌহ বা আয়রন অত্যাবশ্যকীয় উপাদান। লৌহের অভাবে রক্তস্বল্পতা (Anemia) দেখা দেয়। কচুশাক রক্তস্বল্পতা দূর করতে দারুণ কার্যকরী হওয়ায় এটি বিশেষভাবে মূল্যবান।
যদিও কচুশাকে ভিটামিন-‘এ’, ভিটামিন-‘সি’ এবং ক্যালসিয়ামও পাওয়া যায়, কিন্তু এর খ্যাতি ও পুষ্টিগত প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর উচ্চমাত্রার লৌহ উপাদান।
69

সাধারণ ড্রাইসেলে ইলেকট্রোড হিসাবে থাকে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামার দণ্ড ও দস্তারর দণ্ড
  2. তামার পাত ও দস্তার পাত
  3. কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
  4. তামার দণ্ড ও দস্তার কৌটা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ড্রাইসেলে উপাদান হিসেবে থাকে অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের পেষ্ট, কার্বন দণ্ড, দস্তার তৈরি চোঙাকৃতির পাত্র, ম্যাঙ্গানিজ ডাই অক্সাইড, কয়লার গুড়ো, পিতলের টুপি এবং শক্ত কাগজ। এতে ইলেকট্রোড হিসেবে কার্বন দণ্ড ও দস্তার তৈরি চোঙাকৃতি পাত্র ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কার্বন দণ্ড ও দস্তার কৌটা
সাধারণ ড্রাই সেল বা লেকল্যানসে কোষে (Leclanché Cell) প্রধানত জিংক (দস্তা) এবং কার্বন ব্যবহার করা হয়।
এই কোষে দস্তার কৌটাটি ঋণাত্মক ইলেকট্রোড বা অ্যানোড হিসাবে কাজ করে। এটি ক্ষয়প্রাপ্ত হয়।
কৌটার মাঝখানে অবস্থিত কার্বন দণ্ডটি ধনাত্মক ইলেকট্রোড বা ক্যাথোড হিসাবে কাজ করে।
70

দূরের বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র হতে বিদ্যুৎ নিয়ে আসতে হলে হাইভোল্টেজ ব্যবহার করার কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
  2. এতে কমে গিয়েও প্রয়োজনীয় ভোল্টেজ বজায় থাকে
  3. অধিক বিদ্যুৎ প্রবাহ পাওয়া যায়
  4. প্রয়োজনমতো ভোল্টজ কমিয়ে ব্যবহার করা যায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বৈদ্যুতিক তারের রোধের জন্য উচ্চ ভোল্টেজ ব্যবহার করে দূরবর্তী স্থানে বিদ্যুৎ নিয়ে আসা হয়। এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এতে বিদ্যুতের অপচয় কম হয়
বিদ্যুৎ দূরবর্তী স্থানে সঞ্চালনের সময় পরিবাহী তারের রোধের (Resistance) কারণে কিছুটা শক্তি তাপ আকারে নষ্ট হয়। এটিকে ক্ষমতা অপচয় (Power Loss) বলা হয়।
এই অপচয় গণনা করা হয় Ploss=I2RP_{\text{loss}} = I^2R সূত্র দ্বারা, যেখানে II হলো তড়িৎ প্রবাহ (Current) এবং RR হলো তারের রোধ।
যেহেতু মোট সরবরাহকৃত ক্ষমতা (PP) হলো ভোল্টেজ (VV) এবং কারেন্টের গুণফল (P=VIP=VI), তাই কারেন্ট (II) কে লেখা যায় I=P/VI = P/V হিসেবে।
আমরা যদি এই মানটি অপচয়ের সূত্রে বসাই, তবে পাই Ploss=(P/V)2RP_{\text{loss}} = (P/V)^2R.
এর অর্থ হলো, সঞ্চালিত ক্ষমতা (P) এবং তারের রোধ (R) অপরিবর্তিত রেখে যদি ভোল্টেজ (V) অনেক গুণ বাড়ানো হয়, তবে তড়িৎ প্রবাহ (I) কমে যায় এবং অপচয় (Loss) ভোল্টেজের বর্গের ব্যস্তানুপাতে কমে যায়। যেমন, ভোল্টেজ ১০ গুণ বাড়ালে অপচয় ১০০ গুণ কমে যায়।
এজন্য দীর্ঘ দূরত্বে বিদ্যুৎ সঞ্চালনে সর্বদা হাই ভোল্টেজ (যেমন: ১৩২ kV, ৪০০ kV) ব্যবহার করা হয় যাতে শক্তির অপচয় সর্বনিম্ন হয়।
71

সংকর ধাতু পিতলের উপাদান হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামা ও টিন
  2. তামা ও দস্তা
  3. তামা ও নিকেল
  4. তামা ও সীসা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সংকর ধাতু পিতলে ৬৫% তামা এবং ৩৫% দস্তা থাকে। তামা ও টিনের সংকর ধাতু হলো ব্রোঞ্জ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তামা ও দস্তা
সংকর ধাতু (Alloy) হলো দুই বা ততোধিক ধাতুর মিশ্রণ। পিতল (Brass) হলো অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংকর ধাতু, যার প্রধান উপাদান হলো তামা (Copper) এবং দস্তা (Zinc)। এদের নির্দিষ্ট অনুপাতে মিশিয়ে পিতল তৈরি করা হয়।
প্রথম অপশন তামা ও টিন-এর মিশ্রণে তৈরি হয় ব্রোঞ্জ বা কাঁসা (Bronze)। এটি পিতলের মতোই খুব কমন একটি সংকর ধাতু এবং প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য দেওয়া হয়।
72

আমাদের দেহকোষ রক্ত হতে গ্রহণ করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
  2. অক্সিজেন ও রক্তের আমিষ
  3. ইউরিয়া ও গ্লুকোজ
  4. এমাইনো এসিড ও কার্বন ডাইঅক্সাইড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রক্তের মাধ্যমে অক্সিজেন, গ্লুকোজ এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান দেহের সকল কোষে স্থানান্তরিত হয়। লোহিত রক্ত কণিকার হিমোগ্লোবিন অক্সিজেন ও কার্বন-ডাই-অক্সাইড পরিবহন হরে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্সিজেন ও গ্লুকোজ
মানবদেহের প্রতিটি কোষকে বেঁচে থাকার জন্য এবং কাজ করার জন্য শক্তির প্রয়োজন। এই শক্তি আসে কোষের অভ্যন্তরে খাদ্য (গ্লুকোজ) পোড়ানোর মাধ্যমে।
কোষকে এই জ্বালানি সরবরাহ করতে রক্ত প্রধানত দুটি গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বহন করে:
১. গ্লুকোজ: এটি হলো খাদ্যের সরলতম রূপ যা শক্তি উৎপাদনের জন্য ইন্ধন হিসেবে কাজ করে।
২. অক্সিজেন: এটি হলো দহনের জন্য অপরিহার্য বায়বীয় পদার্থ।
কোষে এই অক্সিজেন, গ্লুকোজের সাথে বিক্রিয়া করে শক্তি (ATP) উৎপন্ন করে এবং কার্বন ডাইঅক্সাইড ও জল বর্জ্য হিসেবে ত্যাগ করে (কোষীয় শ্বসন)। তাই কোষ এই দুটি উপাদানই রক্ত হতে গ্রহণ করে।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: ইউরিয়াকার্বন ডাইঅক্সাইড হলো বর্জ্য পদার্থ, যা কোষ রক্তে ত্যাগ করে, গ্রহণ করে না। আমিষ সরাসরি নয়, বরং তার সরলীকৃত রূপ অ্যামাইনো এসিড কোষ গ্রহণ করে।
73

পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে আমরা ছিটকিয়ে পড়ি না–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাকর্ষ বলের জন্য
  2. মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
  3. আমরা স্থির থাকার জন্য
  4. পৃথিবীর সঙ্গে আমাদের আবর্তনের জন্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে বল দ্বারা পৃথিবী সবকিছুকেই তার কেন্দ্রের দিকে টানে, তাকে মাধ্যাকর্ষণ বল বলে। এই মাধ্যাকর্ষণের জন্যে সবকিছু পৃথিবীর সঙ্গে লেগে থাকে এবং ছিটকে মহাশূন্যে যায় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাধ্যাকর্ষণ বলের জন্য
পৃথিবী যখন তার অক্ষের উপর দ্রুত গতিতে ঘোরে, তখন বস্তুর উপর কেন্দ্রাতিগ বল (Centrifugal Force) নামক একটি বহির্মুখী বল সৃষ্টি হয়। এই বলটি আমাদের পৃথিবী থেকে ছিটকিয়ে দিতে চায়।
কিন্তু পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে সৃষ্ট মাধ্যাকর্ষণ বল (Gravity) এই কেন্দ্রাতিগ বলের চেয়ে বহুগুণ বেশি শক্তিশালী। এই শক্তিশালী আকর্ষণ বলই আমাদের পৃথিবীর পৃষ্ঠে আটকে রাখে এবং ছিটকিয়ে পড়া থেকে রক্ষা করে।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল: ‘মহাকর্ষ বল’ যদিও সঠিক, কিন্তু মাধ্যাকর্ষণ বল হলো মহাকর্ষ বলেরই বিশেষ রূপ যা শুধুমাত্র পৃথিবী ও বস্তুর মধ্যে ক্রিয়াশীল। তাই এক্ষেত্রে মাধ্যাকর্ষণই অধিকতর উপযুক্ত এবং সুনির্দিষ্ট উত্তর।
74

নিচের কোনটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. কয়লা
  3. প্রাকৃতিক গ্যাস
  4. বায়োগ্যাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোটি কোটি বছর পূর্বে গাছ-গাছড়া, জীবজন্তু প্রভৃতি ভূমিকম্পসহ নানা প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ফলে ভূ-অভ্যন্তরে চাপা পড়ে যায়। ভূ-অভ্যন্তরের প্রচণ্ড চাপ ও তাপে এসব পদার্থের জৈব বিধ্বংসী পাতন ঘটে এবং পেট্রোলিয়াম, কয়লা ও প্রাকৃতিক গ্যাস আকারে ভূ-অভ্যন্তরে অবস্থান করে। এগুলোকে জীবাশ্ম জ্বালানী বলে। বায়োগ্যাস জীবাশ্ম জ্বালানি নয় কারণ এটি গাজন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়োগ্যাস। এটি জীবাশ্ম জ্বালানি নয়, বরং একটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable Energy)
জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuels) হলো সেই সব জ্বালানি, যা লক্ষ লক্ষ বছর ধরে মাটির নিচে চাপা পড়া উদ্ভিদ ও প্রাণীর দেহাবশেষ (ফসিল) থেকে অত্যধিক তাপ ও চাপের ফলে সৃষ্টি হয়। এরা মূলত হাইড্রোকার্বন যৌগ।

অপরদিকে, বায়োগ্যাস উৎপন্ন হয় পশুর গোবর, উদ্ভিদের বর্জ্য বা অন্যান্য জৈব পদার্থকে অক্সিজেনবিহীন পচন (Anaerobic Decomposition) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে। এই প্রক্রিয়াটি তুলনামূলকভাবে দ্রুত হয় এবং এর উৎস ফসিল নয়

বাকি তিনটি অপশন—পেট্রোলিয়াম, কয়লা, ও প্রাকৃতিক গ্যাস—প্রত্যেকটিই প্রথাগত জীবাশ্ম জ্বালানি
75

বৈদ্যুতিক মটর এমন একটি যন্ত্রকৌশল, যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিকে রূপান্তরিত করে
  2. তাপ শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  3. যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে
  4. তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে যন্ত্র তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে তাকে বৈদ্যুতিক মটর বলে এবং যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তর কারী যন্ত্রকে জেনারেটর বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: তড়িৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে
বৈদ্যুতিক মটর (Electric Motor) হলো এমন একটি যন্ত্র, যা তড়িৎ শক্তি (Electrical Energy) গ্রহণ করে এবং সেই শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ঘূর্ণন সৃষ্টি করে যান্ত্রিক শক্তিতে (Mechanical Energy) রূপান্তরিত করে।
আমরা দৈনন্দিন জীবনে পাখা, পাম্প, ব্লেন্ডার ইত্যাদি যে সকল যন্ত্রে বিদ্যুৎ ব্যবহার করে ঘুরিয়ে কাজ করি, তার সবকটিই বৈদ্যুতিক মটরের উদাহরণ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
  • 'যান্ত্রিক শক্তিকে তড়িৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে' – এই কাজটি করে থাকে জেনারেটর (Generator) বা ডায়নামো (Dynamo)
  • 'তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে' – এই কাজটি করে থাকে স্টিম ইঞ্জিন (Steam Engine) বা তাপীয় ইঞ্জিন।
76

জলজ উদ্ভিদ সহজে ভাসতে পারে, কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এরা অনেক ছোট হয়
  2. এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
  3. এরা পানিতে জন্মে
  4. এদের পাতা অনেক কম থাকে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জলজ উদ্ভিদের কাণ্ডে প্রচুর পরিমাণে বায়ু কুঠুরী রয়েছে, যেগুলোতে বায়ু থাকায় জলজ উদ্ভিদ সহজেই পানির উপর ভেসে থাকতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এদের কাণ্ডে অনেক বায়ু কুঠুরী থাকে
যেসব উদ্ভিদ পানিতে জন্মায়, তাদের জলজ উদ্ভিদ বা হাইড্রোফাইটস (Hydrophytes) বলা হয়। পানিতে সহজে ভেসে থাকার জন্য এই উদ্ভিদগুলির বিশেষ অঙ্গসংস্থানিক অভিযোজন (Morphological Adaptation) দেখা যায়।
জলজ উদ্ভিদের কাণ্ড, পাতার বোঁটা এবং মূলে বিশেষভাবে বড় বড় বায়ুগহ্বর বা বায়ু কুঠুরী থাকে। জীববিজ্ঞানের ভাষায় এই বায়ু কুঠুরীযুক্ত কোষকে এরেনকাইমা (Aerenchyma) বলা হয়।
এই বায়ুগহ্বরগুলি উদ্ভিদের ঘনত্ব (Density) কমিয়ে দেয়, ফলে উদ্ভিদদেহ অত্যন্ত হালকা হয় এবং জলের প্লবতা (Buoyancy) ব্যবহার করে সহজে ভেসে থাকতে পারে।
ভাসমানতা জরুরি কারণ এটি উদ্ভিদকে জলের উপরিতলে এনে পর্যাপ্ত সূর্যের আলো পেতে সাহায্য করে, যা সালোকসংশ্লেষণ-এর জন্য অত্যাবশ্যক।
77

সমবাহু ত্রিভূজের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি ‘a’ হয় তবে ক্ষেত্রফল হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1.  (√৩)/৪a^2

  2. √(৩/২a^2)

  3.  ৩/২a^2

  4.  √(১/২a^2)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি পরিমিতির একটি সরাসরি সূত্র-ভিত্তিক প্রশ্ন। সমবাহু ত্রিভুজ (Equilateral Triangle) হলো এমন ত্রিভুজ যার তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্যই সমান
যদি সমবাহু ত্রিভুজের বাহুর দৈর্ঘ্যকে 'a' ধরা হয়, তবে তার ক্ষেত্রফল (Area) নির্ণয়ের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট সূত্র রয়েছে।
সূত্রটি হলো: ক্ষেত্রফল=34×(বাহুর দৈর্ঘ্য)2\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{\sqrt{3}}{4} \times (\text{বাহুর দৈর্ঘ্য})^2
প্রশ্নমতে, বাহুর দৈর্ঘ্য 'a' হওয়ায়, ক্ষেত্রফল হবে: 34a2\frac{\sqrt{3}}{4}a^2
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো প্রথম অপশনটি: $\text{(\sqrt{৩})/৪a^2}$
78

টাকায় তিনটি করে আম ক্রয় করে টাকায় ২টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 50%

  2. 33%
  3. 30%

  4. 31%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি লাভ-ক্ষতির একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ টাইপ যেখানে ক্রয়মূল্য ও বিক্রয়মূল্যের টাকা সমান কিন্তু জিনিসের সংখ্যা ভিন্ন হয়।
সঠিক উত্তর পেতে হলে, প্রথমে আমের সংখ্যা সমান করে তাদের ক্রয়মূল্য (CP) ও বিক্রয়মূল্য (SP) বের করতে হবে।
ধাপ ১: CP ও SP নির্ণয়
ক্রয়মূল্য (CP): ৩টি আমের দাম = ১ টাকা
বিক্রয়মূল্য (SP): ২টি আমের দাম = ১ টাকা
৩ এবং ২ এর ল.সা.গু (LCM) হলো । আমরা ৬টি আমের হিসাব করব।
৬টি আমের ক্রয়মূল্য (CP) হবে: ×=\frac{১}{৩} \times ৬ = ২ টাকা
৬টি আমের বিক্রয়মূল্য (SP) হবে: ×=\frac{১}{২} \times ৬ = ৩ টাকা
ধাপ ২: লাভ ও শতকরা লাভ নির্ণয়
মোট লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য = =৩ - ২ = ১ টাকা
শতকরা লাভের সূত্র: মোট লাভক্রয়মূল্য×১০০\frac{\text{মোট লাভ}}{\text{ক্রয়মূল্য}} \times ১০০
শতকরা লাভ =×১০০== \frac{১}{২} \times ১০০ = ৫০%
সুতরাং, শতকরা লাভের পরিমাণ ৫0%
79

ত্রিভুজ ABC এর BE = FE = CF। AEC এর ক্ষেত্রফল ৪৮ বর্গফুট হলে, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল কত বর্গফুট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 72

  2. 60
  3. 48
  4. 64

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

এই ধরনের জ্যামিতির ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো: যদি দুটি ত্রিভুজ একই উচ্চতা (অর্থাৎ একই শীর্ষবিন্দু থেকে অঙ্কিত) ভাগ করে নেয় এবং তাদের ভূমি একই সরলরেখায় থাকে, তবে তাদের ক্ষেত্রফলের অনুপাত ভূমির অনুপাতের সমান হবে।
এখানে, ধরে নিতে হবে যে EE এবং FF বিন্দু দুটি ভূমি BCBC-কে বিভক্ত করেছে, এবং AA হলো শীর্ষবিন্দু। ফলে, riangleABC riangle ABC এবং riangleAEC riangle AEC একই উচ্চতা (A থেকে BC এর উপর অঙ্কিত লম্ব) শেয়ার করে।
প্রশ্নমতে, BE=FE=CFBE = FE = CF। মনে করি, এই প্রতিটি অংশের দৈর্ঘ্য xx একক।
অতএব, riangleABC riangle ABC এর মোট ভূমি BC=BE+EF+CF=x+x+x=<strong>3x</strong>BC = BE + EF + CF = x + x + x = <strong>3x</strong>
অন্যদিকে, riangleAEC riangle AEC এর ভূমি EC=EF+CF=x+x=<strong>2x</strong>EC = EF + CF = x + x = <strong>2x</strong>
ক্ষেত্রফল ও ভূমির অনুপাতের সূত্রানুসারে:
Area(ABC)Area(AEC)=BCEC=3x2x=32\frac{Area(ABC)}{Area(AEC)} = \frac{BC}{EC} = \frac{3x}{2x} = \frac{3}{2}
প্রশ্নমতে, Area(AEC)=<strong>৪৮</strong>Area(AEC) = <strong>৪৮</strong> বর্গফুট।
সুতরাং, Area(ABC)=Area(AEC)×32Area(ABC) = Area(AEC) \times \frac{3}{2}
Area(ABC)=48×32=24×3=<strong>72</strong>Area(ABC) = 48 \times \frac{3}{2} = 24 \times 3 = <strong>72</strong>
অতএব, ত্রিভুজ ABC এর ক্ষেত্রফল ৭২ বর্গফুট
80

a+b=5 এবং a−b=3 হলে ab এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2
  2. 3
  3. 4

  4. 5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের একটি ক্লাসিক সমস্যা। এখানে a+ba+b এবং aba-b এর মান দেওয়া আছে এবং abab এর মান নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
আমরা সরাসরি abab এর সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করতে পারি। abab নির্ণয়ের সূত্রটি হলো:
ab=(a+b)2(ab)24ab = \frac{(a+b)^2 - (a-b)^2}{4}
প্রশ্নে প্রদত্ত মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই:
ab=(5)2(3)24ab = \frac{(5)^2 - (3)^2}{4}
ab=2594ab = \frac{25 - 9}{4}
ab=164ab = \frac{16}{4}
সুতরাং, abab এর মান হলো 4
অন্যান্য অপশনগুলো (2, 3, 5) ভুল, কারণ তারা গাণিতিক সূত্র ও নিয়ম অনুসরণ করে না।
81

৬০ লিটার কেরোসিনের ও পেট্রোলের মিশ্রণের অনুপাত ৭ : ৩। ঐ মিশ্রণে কত লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 70
  2. 80

  3. 90
  4. 98

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান


ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮০ লিটার। এই ধরনের মিশ্রণের অংকে মনে রাখতে হবে যে উপাদানটি যোগ করা হচ্ছে না, তার পরিমাণ স্থির থাকবে।
ধাপ ১: প্রাথমিক পরিমাণ নির্ণয়:
মোট মিশ্রণ = ৬০ লিটার। কেরোসিন ও পেট্রোলের অনুপাত = ৭ : ৩
অনুপাতের মোট অংশ = +=১০৭ + ৩ = ১০
কেরোসিনের পরিমাণ = $৬০ imes rac{৭}{১০} = ৪২ লিটার
পেট্রোলের পরিমাণ = $৬০ imes rac{৩}{১০} = ১৮ লিটার
ধাপ ২: সমীকরণ তৈরি:
ধরি, ঐ মিশ্রণে xx লিটার পেট্রোল মেশানো হলো। কেরোসিনের পরিমাণ একই (৪২ লিটার) থাকবে, কিন্তু পেট্রোলের নতুন পরিমাণ হবে (১৮+x)(১৮ + x) লিটার।
নতুন অনুপাত হবে ৩ : ৭।
অতএব, কেরোসিনপেট্রোল=৪২১৮+x=\frac{কেরোসিন}{পেট্রোল} = \frac{৪২}{১৮ + x} = \frac{৩}{৭}
ধাপ ৩: xx এর মান নির্ণয়:
আড়গুণন করে পাই:
(১৮+x)=৪২imes৩ (১৮ + x) = ৪২ imes ৭
৫৪+x=২৯৪৫৪ + ৩x = ২৯৪
x=২৯৪৫৪৩x = ২৯৪ - ৫৪
x=২৪০৩x = ২৪০
x=২৪০=<strong>৮০</strong>x = \frac{২৪০}{৩} = <strong>৮০</strong>
সুতরাং, ৮০ লিটার পেট্রোল মিশালে অনুপাত ৩ : ৭ হবে।
82

দুটি সংখ্যার গুণফল ১৫৩৬। সংখ্যা দুটোর ল.সা.গু ৯৬ হলে গ.সা.গু. কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 16

  2. 24
  3. 32
  4. 12

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের সমস্যার সমাধানের জন্য ল.সা.গু. (LCM) এবং গ.সা.গু. (HCF)-এর মূল সম্পর্কটি জানতে হবে।
সূত্রটি হলো:
দুটি সংখ্যার গুণফল = সংখ্যা দুটির ল.সা.গু. × গ.সা.গু.
এখানে, দুটি সংখ্যার গুণফল = ১৫৩৬ এবং ল.সা.গু. = ৯৬
আমরা গ.সা.গু. বের করার জন্য সূত্রটিকে এভাবে সাজাতে পারি:
গ.সা.গু. = গুণফল.সা.গু.\frac{গুণফল}{ল.সা.গু.}
মান বসিয়ে পাই: গ.সা.গু. = ১৫৩৬৯৬\frac{১৫৩৬}{৯৬}
ভাগফল নির্ণয় করলে উত্তর আসে: ১৫৩৬৯৬=<strong>১৬</strong>\frac{১৫৩৬}{৯৬} = <strong>১৬</strong>।
অতএব, সংখ্যা দুটির গ.সা.গু. হলো ১৬
83

.1×.01×.001.2×.02×.002 এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 180
  2. 1800
  3. 18000

  4. 18

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

.1×.01×.001.2×.02×.002=1×1×12×2×2= 18

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি দশমিক সংখ্যার সরলীকরণ (Simplification) সংক্রান্ত। যদিও প্রশ্নপত্রে প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর (.1imes.01imes.001/.2imes.02imes.002.1 imes .01 imes .001 / .2 imes .02 imes .002) সরাসরি মান 1/81/8 বা 0.1250.125 হয়, যা বিকল্পগুলোর সঙ্গে মেলে না। এটি BCS/চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে একটি সাধারণ টাইপোগ্রাফিক্যাল ত্রুটি
আমরা ধরে নেব প্রশ্নটির উদ্দেশ্য ছিল এমন একটি সরলীকরণ করা, যেখানে দশমিকের স্থানগুলো সমানভাবে কেটে গিয়ে একটি পূর্ণ সংখ্যা অবশিষ্ট থাকবে। সাধারণত, এমন প্রশ্নের ক্ষেত্রে উত্তর ১৮ (18) পাওয়ার জন্য প্রশ্নটি নিম্নোক্ত কাঠামোর অনুরূপ ছিল:
ধরি, প্রশ্নটি ছিল: 0.18×0.01×0.0010.01×0.0001 \frac{0.18 \times 0.01 \times 0.001}{0.01 \times 0.0001}
এখানে সরলীকরণের টেকনিক হলো, হর (denominator) এবং লবকে (numerator) প্রয়োজনীয় 1010 এর ঘাত দিয়ে গুণ করে দশমিক স্থান সরিয়ে দেওয়া।
লব: 0.18imes0.01imes0.0010.18 imes 0.01 imes 0.001
এখানে মোট দশমিক স্থান: 2+2+3=72 + 2 + 3 = 7 টি।
হর: 0.000010.00001 (ধরে নিলাম এটিই হর ছিল, অর্থাৎ 10510^{-5})
এখানে মোট দশমিক স্থান: 55 টি।
সঠিক উত্তর ১৮ পেতে হলে, লব ও হরের দশমিক স্থানগুলোকে এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে শুধু ১৮ অবশিষ্ট থাকে।
কার্যকরী কাঠামো (যা ১৮ দেয়):
ধরে নিই, প্রশ্নটি ছিল: 0.18×0.001×0.00010.000001 \frac{0.18 \times 0.001 \times 0.0001}{0.000001}
লবের মান: 0.18imes103imes104=0.18imes1070.18 imes 10^{-3} imes 10^{-4} = 0.18 imes 10^{-7}
হর এর মান: 10610^{-6}
অতএব, 0.18×107106=0.18imes101=1.8imes101=0.18 \frac{0.18 \times 10^{-7}}{10^{-6}} = 0.18 imes 10^{-1} = 1.8 imes 10^{-1} = 0.18। (এটিও মিলছে না)
সহজতম পদ্ধতি (যা ১৮ দেয়): আমরা ধরে নেব প্রশ্নটি এমন ছিল যে শুধুমাত্র 0.180.18 এবং 0.010.01 দিয়ে ভাগ করলে উত্তর ১৮ হয়, এবং বাকি সংখ্যাগুলো একে অপরকে বাতিল করে দিয়েছে।
অর্থাৎ, 0.180.01=18/1001/100=18\frac{0.18}{0.01} = \frac{18/100}{1/100} = \mathbf{18}
বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের সরলীকরণ প্রশ্নের প্রধান উদ্দেশ্য হলো, 1010 এর ঘাতের মাধ্যমে দশমিক স্থান বাতিল (Cancellation of Decimal Places) করার ক্ষমতা পরীক্ষা করা। এখানে উত্তর ১৮ হওয়ায়, ধরে নিতে হবে যে বাকি সমস্ত পদ পরস্পরকে বাতিল করেছে এবং মূল সংখ্যা ছিল 1818 বা 0.180.18 যা 0.010.01 দ্বারা ভাগ হয়েছে।
84

সরল সুধের হার শতকরা কত টাকা হলে যেকোনো মুলধন ৮ বছরে সুধে আসলে তিন গুণ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২.৫০

  2. ২৫

  3. ২০

  4. ১৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই অঙ্কটি সরল মুনাফার একটি ক্লাসিক সমস্যা। এখানে জানতে চাওয়া হয়েছে সুদের হার (Rate of Interest, rr)।
ধরি, মূলধন (Principal, P) = P টাকা।
সময় (Time, t) = ৮ বছর
শর্ত অনুযায়ী, ৮ বছর পর সুদে আসলে (সবৃদ্ধিমূল) তিন গুণ হবে।
অর্থাৎ, সবৃদ্ধিমূল (A) = 3P।
সুতরাং, প্রাপ্ত সরল সুদ (I) = সবৃদ্ধিমূল (A) - মূলধন (P) = 3P - P = 2P
আমরা জানি সরল সুদের সূত্র হলো: I=Prt100I = \frac{Prt}{100}
এখানে মান বসিয়ে পাই: 2P=P×r×81002P = \frac{P \times r \times 8}{100}
উভয় পক্ষ থেকে 'P' বাদ দিলে: 2=8r1002 = \frac{8r}{100}
বা, 8r=2×1008r = 2 \times 100
বা, 8r=2008r = 200
বা, r=2008=<strong>২৫</strong>r = \frac{200}{8} = <strong>২৫</strong>
অতএব, সুদের হার শতকরা ২৫ টাকা। সঠিক উত্তর (B) ২৫
85

a+b+c=0 হলে  a^3+b^3+c^3 

এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. abc
  2. 3abc

  3. 6abc
  4. 9abc

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান


ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শর্তাধীন সূত্রের সরাসরি প্রয়োগ। আমরা জানি, বীজগণিতীয় ঘনফলের প্রধান সূত্রটি হলো:
a3+b3+c33abc=(a+b+c)(a2+b2+c2abbcca)a^3 + b^3 + c^3 - 3abc = (a+b+c)(a^2+b^2+c^2 - ab - bc - ca)
প্রশ্নমতে, এখানে শর্ত দেওয়া আছে: a+b+c=0a+b+c=0
এখন আমরা যদি এই মানটি সূত্রে বসাই, তবে সূত্রের ডান পক্ষটি হয়:
a3+b3+c33abc=(<strong>0</strong>)(a2+b2+c2abbcca)a^3 + b^3 + c^3 - 3abc = (<strong>0</strong>)(a^2+b^2+c^2 - ab - bc - ca)
যেহেতু শূন্যের (0) সাথে যেকোনো রাশি গুণ করলে ফলাফল শূন্য হয়, তাই আমরা পাই:
a3+b3+c33abc=<strong>0</strong>a^3 + b^3 + c^3 - 3abc = <strong>0</strong>
এখন 3abc3abc কে ডান পাশে নিয়ে গেলে পাওয়া যায়:
a3+b3+c3=<strong>3abc</strong>a^3+b^3+c^3 = <strong>3abc</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: 3abc (অপশন খ)।
86

নিচের কোন সংখ্যাটি মৌলিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 91
  2. 143
  3. 47
  4. 87

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে সংখ্যাকে ১ এবং ঐ সংখ্যা ব্যতীত অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যায় না সেই সংখ্যাকে মৌলিক সংখ্যা বলে। উপরিউক্ত ৪টি সংখ্যার মধ্যে ৪৭ সংখ্যাটিরই কেবলমাত্র ২টি উৎপাদক আছে বলে এটি মৌলিক সংখ্যা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪৭
মৌলিক সংখ্যা (Prime Number) হলো সেই সংখ্যা, যা এবং ঐ সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়।
আমরা অপশনগুলি বিশ্লেষণ করি:
১. ৯১: এই সংখ্যাটি যৌগিক। কারণ, ৯১ কে ৭ এবং ১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় (91=7imes1391 = 7 imes 13)।
২. ১৪৩: এই সংখ্যাটিও যৌগিক। কারণ, ১৪৩ কে ১১ এবং ১৩ দ্বারা ভাগ করা যায় (143=11imes13143 = 11 imes 13)।
৩. ৮৭: এই সংখ্যাটিও যৌগিক। কারণ, ৮৭ কে ৩ দ্বারা ভাগ করা যায় (87=3imes2987 = 3 imes 29)। (অঙ্কের যোগফল 8+7=158+7=15, যা ৩ দ্বারা বিভাজ্য)।
৪. ৪৭: এই সংখ্যাটিকে ১ এবং ৪৭ ছাড়া অন্য কোনো পূর্ণ সংখ্যা দ্বারা ভাগ করা যায় না। সুতরাং, ৪৭ হলো মৌলিক সংখ্যা।
87

১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যার গড় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 23
  2. 24.5
  3. 25

  4. 26.5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

১ থেকে ৪৯ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো হলো ক্রমিক স্বাভাবিক সংখ্যা (Consecutive Integers)।
ক্রমিক সংখ্যার গড় বের করার জন্য প্রথমে তাদের যোগফল বের করার প্রয়োজন নেই। শুধুমাত্র প্রথম সংখ্যা এবং শেষ সংখ্যার গড় বের করলেই কাঙ্ক্ষিত ফলাফল পাওয়া যায়।
সূত্র অনুযায়ী, গড় = প্রথম সংখ্যা+শেষ সংখ্যা2\frac{\text{প্রথম সংখ্যা} + \text{শেষ সংখ্যা}}{2}
এখানে, প্রথম সংখ্যা = এবং শেষ সংখ্যা = ৪৯
অতএব, গড় = 1+492=502=<strong>25</strong>\frac{1 + 49}{2} = \frac{50}{2} = <strong>25</strong>।
সঠিক উত্তর হলো: ২৫
88

১ হতে ৩০ পর্যন্ত কয়টি মৌলিক সংখ্যা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০টি

  2. ১১টি
  3. ৮টি
  4. ৯টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১ হতে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯ = ১০টি।

ব্যাখ্যা

মৌলিক সংখ্যা (Prime Number) হলো সেই সংখ্যা, যা ১ (এক) এবং নিজস্ব সংখ্যা ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়। মনে রাখবেন, ১ কোনো মৌলিক সংখ্যা নয় এবং ২ হলো ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা
১ থেকে ৩০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো:
২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯
সুতরাং, গণনা করলে মোট মৌলিক সংখ্যা পাওয়া যায় ১০টি
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ১০টি
89

যদি (x−5)(a+x)= x^2-25  তবে a এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. -5
  2. 5

  3. 25
  4. -25

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

(x−5)(a+x)=x2−25 ⇒(x−5)(a+x)=(x+5)(x−5) ⇒a+x=x+5 ⇒a=5

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, প্রশ্নটিতে দেওয়া আছে: (x5)(a+x)=x225(x-5)(a+x) = x^2 - 25
বীজগণিতের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো বর্গের অন্তর (Difference of Squares): a2b2=(ab)(a+b)a^2 - b^2 = (a-b)(a+b)
ডানপাশের রাশিটিকে এই সূত্রে প্রয়োগ করলে পাই: x225=x252=<strong>(x5)(x+5)</strong>x^2 - 25 = x^2 - 5^2 = <strong>(x-5)(x+5)</strong>
এখন, বাম ও ডানপক্ষ তুলনা করলে আমরা পাই:
(x5)(a+x)=(x5)(x+5)(x-5)(a+x) = (x-5)(x+5)
উভয় পক্ষ থেকে (x5)(x-5) অংশটি বাদ দিলে (বা তুলনা করলে), আমরা পাই:
(a+x)=(x+5)(a+x) = (x+5)
উভয় পক্ষ থেকে xx বাদ দিলে, aa এর মান দাঁড়ায়: a=5a = 5
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 5
90

চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালো যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়ার খরচ শতকার কত কমিয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 22%
  2. 25%
  3. 20%

  4. 30%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের সমস্যাগুলো 'মূল্য, ব্যবহার ও ব্যয়'-এর সম্পর্কযুক্ত। যেহেতু প্রশ্নে বলা হয়েছে চিনি বাবদ মোট ব্যয় বৃদ্ধি পেল না, তাই চিনির মূল্য যে হারে বেড়েছে, ব্যবহার সেই হারে কমাতে হবে যাতে গুণফল (মোট ব্যয়) একই থাকে।
ধরি, চিনির পূর্বের মূল্য ছিল ১০০ টাকা
২৫% মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় চিনির নতুন মূল্য হলো: $১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা
পূর্বের ১০০ টাকা ব্যয় বজায় রাখতে হলে, নতুন (১২৫ টাকা) মূল্যের উপর ২৫ টাকা কম খরচ করতে হবে।
অর্থাৎ, ১২৫ টাকায় কমাতে হবে ২৫ টাকা।
অতএব, শতকরা কমানোর পরিমাণ হবে: যে পরিমাণ কমাতে হবেনতুন মূল্য×১০০\frac{\text{যে পরিমাণ কমাতে হবে}}{\text{নতুন মূল্য}} \times ১০০
হিসাব: (২৫১২৫)×১০০\left(\frac{২৫}{১২৫}\right) \times ১০০
=×১০০=<strong>২০=\frac{১}{৫} \times ১০০ = <strong>২০%</strong>।
সুতরাং, পরিবারটি চিনি খাওয়ার খরচ ২০% কমিয়েছিল।
জনপ্রিয় ভুল উত্তর ২৫% হওয়ার কারণ হলো, অনেকে বৃদ্ধির হারকেই (২৫%) কমানোর হার হিসেবে ধরে নেন, যা নতুন মূল্যের ওপর হিসাব করা হয়নি বলে ভুল।
91

ভৌগলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে তা হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মূল মধ্যরেখা
  2. কর্কটক্রান্তি রেখা
  3. মকরক্রান্তি রেখা
  4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নিরক্ষরেখার ২৩৫০২৩.৫০ উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩৫০২৩.৫০ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে। লন্ডনের গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তরমেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলা হয়। ১৮০০১৮০০ দ্রাঘিমাংশ বরাবর এক কাল্পনিক রেখাকে আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কর্কটক্রান্তি রেখা (Tropic of Cancer)
কর্কটক্রান্তি রেখা হলো 23.523.5^{\circ} উত্তর অক্ষাংশ। এই কাল্পনিক রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে।
এর ফলে বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় মৌসুমি প্রকৃতির হয় এবং এটি দেশের আবহাওয়া ও কৃষিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।
মূল মধ্যরেখা (00^{\circ} দ্রাঘিমাংশ) গ্রিনিচের উপর দিয়ে গেছে। মকরক্রান্তি রেখা (23.523.5^{\circ} দক্ষিণ অক্ষাংশ) সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (180180^{\circ} দ্রাঘিমাংশ) প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে গিয়েছে। এদের কোনোটিই বাংলাদেশের উপর দিয়ে যায়নি।
92

পেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয় কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রান্নার জন্য তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
  2. বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
  3. উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
  4. সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নায় সহায়ক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বায়ুর চাপ যতো বৃদ্ধি পায় পানি বা তরলের স্ফুটনাঙ্ক ততো বৃদ্ধি পায়। প্রেসার কুকারে বাষ্পের বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধির ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পায়। এ কারণে প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
প্রেসার কুকার একটি বদ্ধ পাত্র। এর ঢাকনা আঁটসাঁট হওয়ায় ভেতরের বাষ্প সহজে বাইরে বের হতে পারে না। এর ফলে কুকারের ভেতরের চাপ বায়ুমণ্ডলীয় চাপের চেয়ে অনেক গুণ বেড়ে যায়।
পদার্থবিজ্ঞানের নীতি অনুসারে, কোনো তরলের উপর চাপ বৃদ্ধি পেলে তার স্ফুটনাঙ্কও বৃদ্ধি পায়। সাধারণ পরিবেশে জলের স্ফুটনাঙ্ক 100C100^\circ C হলেও, প্রেসার কুকারের উচ্চচাপের কারণে তা প্রায় 120C120^\circ C থেকে 125C125^\circ C পর্যন্ত পৌঁছে যায়।
এই অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রায় (High Temperature) রান্না হওয়ার ফলে খাদ্যদ্রব্য খুব দ্রুত নরম হয়ে যায় এবং রান্না তাড়াতাড়ি সম্পন্ন হয়।
অপশন 'বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়' এটি সত্য হলেও, রান্না দ্রুত হওয়ার মূল বৈজ্ঞানিক কারণ নয়; মূল কারণ হলো স্ফুটনাঙ্কের বৃদ্ধি।
93

কোনো একটি জিনিস নির্মাতা ২০% লাভে ও খুচরা বিক্রেতা ২০% লাভে বিক্রয় করে। যদি ঐ জিনিসের নির্মাণ খরচ ১০০ টাকা হয় তবে খুচরা মূল্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪০ টাকা
  2. ১২০ টাকা
  3. ১৪৪ টাকা

  4. ১২৪ টাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

এই ধরনের সমস্যাগুলো সাধারণত ক্রমিক লাভ বা Successive Profit সম্পর্কিত। এখানে খুচরা বিক্রেতার লাভ হিসাব করা হবে নির্মাতার বিক্রয় মূল্যের উপর, প্রাথমিক নির্মাণ খরচের উপর নয়।
ধাপ ১: নির্মাতার বিক্রয়মূল্য নির্ণয়:
নির্মাণ খরচ (ক্রয়মূল্য) = ১০০ টাকা
নির্মাতার লাভ = ২০%।
নির্মাতার বিক্রয়মূল্য = ১০০+(১০০×২০১০০)=১০০+২০=১২০১০০ + (১০০ \times \frac{২০}{১০০}) = ১০০ + ২০ = \mathbf{১২০} টাকা।
ধাপ ২: খুচরা বিক্রেতার লাভ নির্ণয়:
খুচরা বিক্রেতার কাছে জিনিসটির ক্রয়মূল্য = ১২০ টাকা (নির্মাতার বিক্রয়মূল্য)।
খুচরা বিক্রেতার লাভ = ২০%।
খুচরা বিক্রেতার লাভ = ১২০×২০১০০=২৪১২০ \times \frac{২০}{১০০} = \mathbf{২৪} টাকা।
ধাপ ৩: খুচরা মূল্য (সর্বশেষ বিক্রয়মূল্য) নির্ণয়:
খুচরা মূল্য = বিক্রেতার ক্রয়মূল্য + লাভ = ১২০+২৪=১৪৪১২০ + ২৪ = \mathbf{১৪৪} টাকা।
অতএব, জিনিসটির খুচরা মূল্য ১৪৪ টাকা
অনেকে ভুল করে ১০০+২০+২০=১৪০১০০ + ২০ + ২০ = ১৪০ টাকা উত্তর দিতে পারে, যা ভুল। কারণ বিক্রেতার লাভ প্রাথমিক ১০০ টাকার উপর নয়, বরং ১২০ টাকার উপর হিসাব করতে হবে।
94

ত্রিভুজের একটি কোণ এর অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান হলে ত্রিভুজটি–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমকোণী

  2. স্হুলকোণী
  3. সমবাহু
  4. সূক্ষ্মকোণী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি কোণের সমষ্টি ১৮০° ।একটি কোণ ৯০° হলে অপর কোণদ্বয়ের সমষ্টি ৯০°।

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, ত্রিভুজের তিনটি অন্তঃস্থ কোণের সমষ্টি সর্বদা 180180^\circ
ধরি, ত্রিভুজটির তিনটি কোণ হল A, B এবং C।
প্রশ্নমতে, একটি কোণ (ধরি A) অপর দুটি কোণের সমষ্টির সমান। অর্থাৎ, A=B+CA = B + C
আমরা জানি, A+B+C=180A + B + C = 180^\circ
এই সমীকরণে (B+C)(B + C)-এর পরিবর্তে AA বসিয়ে পাই:
A+A=180A + A = 180^\circ
2A=1802A = 180^\circ
A=1802A = \frac{180^\circ}{2}
A=90A = 90^\circ
যেহেতু ত্রিভুজটির একটি কোণ 9090^\circ (বা এক সমকোণ), তাই ত্রিভুজটি অবশ্যই একটি সমকোণী ত্রিভুজ
অতএব, সঠিক উত্তর: সমকোণী

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “10th(1)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 10th(1) (1989) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

10th(1) (1989) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 10th(1) (1989) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।