সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

27th (2005) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 27th (2005) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 27th (2005) পরীক্ষার ১০০টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

কোনটি উপন্যাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নতুন চাঁদ
  2. কন্যাকুমারী
  3. গড্ডলিকা
  4. নেমেসিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘নতুন চাঁদ’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কাব্যগ্রন্থ, ‘কন্যাকুমারী’ আবদুর রাজ্জাক কর্তৃক রচিত উপন্যাস, ‘গড্ডলিকা’ রাজশেখর বসুর গল্পগ্রন্থ এবং ‘নেমেসিস’ নুরুল মোমেনের বিখ্যাত নাটক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কন্যাকুমারী। এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় লেখক বিমল কর রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস

বিমল কর ছিলেন পশ্চিমবঙ্গের একজন খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার। তাঁর উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে 'তিমিরবিলাস', 'আসলে ও ছায়া' এবং 'গ্রহণ' বিশেষভাবে পরিচিত।

অন্যদিকে, অন্য অপশনগুলোর সাহিত্যিক পরিচয় ভিন্ন:
১. গড্ডলিকা: এটি বিখ্যাত সাহিত্যিক প্রেমেন্দ্র মিত্রের লেখা একটি জনপ্রিয় গল্পগ্রন্থ (ছোটগল্প সংকলন)।
২. নেমেসিস: এটি শক্তিমান নাট্যকার নূরুল মোমেনের রচিত বিখ্যাত নাটক (প্লে)। এটি তার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি।
৩. নতুন চাঁদ: এটি কাজী নজরুল ইসলামের লেখা একটি কবিতা সংকলন
2

লৌকিক কাহিনির প্রথম রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাওল
  2. কোরেশী মগন
  3. দৌলত কাজী
  4. সৈয়দ সুলতান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুখে মুখে রচিত লোককাহিনী বা লৌকিক কাহিনীর প্রথম রচয়িতা দৌলত কাজী। এর মূল ভিত্তি কল্পনা। স্বর্গ-মর্ত্য পাতাল পর্যন্ত গল্পের আখ্যানের সীমানা বিস্তৃত। দেব-দৈত্য জীন-পরী, রাক্ষস- খোক্ষস, রাজা-প্রজা, মাধু-সন্নাসী, পীর বিষয় নিয়ে লৌকিক কাহিনী রচিত হয়। দৌলক কাজীর উল্লেখযোগ্য গ্রন্থের নাম ‘সীতময়না-লেরেচন্দ্রানী।’ ১৬ শতকের কবি দৈলত কাজী কাব্যটি রচনা শুরু করলেও তাঁর মৃত্যুর পর শেষ করেন আলাওল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দৌলত কাজী
দৌলত কাজী ছিলেন মধ্যযুগের আরাকান রাজসভার প্রথম কবি যিনি ফার্সি ও হিন্দি ধারার অনুকরণে রোমান্টিক বা লৌকিক প্রণয়কাব্য রচনা শুরু করেন।
তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থের নাম হলো 'সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাণী'। এই কাব্যটি বাংলা সাহিত্যে প্রথম মানবীয় প্রণয়োপখ্যান বা লৌকিক কাহিনির সার্থক সূচনা করে।
তিনি কাব্যটি শুরু করলেও অসমাপ্ত রেখে যান। পরে আরাকান রাজসভার আরেক বিখ্যাত কবি মহাকবি আলাওল এটি সমাপ্ত করেন।
আলাওল শ্রেষ্ঠ রোমান্টিক কবি হলেও তিনি এই ধারার প্রথম রচয়িতা নন।
সৈয়দ সুলতান ধর্মীয় সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত (যেমন: নবী বংশ)।
3

সাপ্তাহিক ‘সুধাকর’-এর সম্পাদক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুন্সি মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ
  2. মুন্সি মোহাম্মদ মেহের উল্লাহ
  3. শেখ আব্দুর রহিম
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাপ্তাহিক 'সুধাকর' (১৮৯৪), মাসিক ‘মিহির’ (১৮৯২), মাসিক ‘হাফেজ’, 'মোসলেম ভারত' প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেন শেখ আবদুর রহিম। 'মুসলমান' (১৮৮৪), সাপ্তাহিক 'নব সুধাকর' (১৯৮৫), 'ইসলাম' (১৮৮৫) ইত্যাদি পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ। মাসিক 'নূর' (১৯১৯) ও সাপ্তাহিক 'সুলতান' (১৯২৩) পত্রিকা সম্পাদনা করেন ইসমাইল হোসেন সিরাজী এবং মুন্সী মেহেরুল্লাহ ছিলেন ধর্মপ্রচারক । তিনি কোনো পত্রিকা সম্পাদনা করেননি। তিনি 'খ্রিষ্টান ধর্মের অসারতা' নামে একটি প্রচার পুস্তিকা প্রকাশ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ আব্দুর রহিম
সাপ্তাহিক সুধাকর পত্রিকাটি ১৮৮৯ সালে প্রকাশিত হয়। মুসলিম সাহিত্যিকদের দ্বারা পরিচালিত নবজাগরণের এটি একটি অন্যতম প্রধান মুখপত্র ছিল।
পত্রিকাটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন মুন্সি মোহাম্মদ মেহের উল্লাহ এবং সম্পাদক ছিলেন শেখ আব্দুর রহিম
পরবর্তীতে, মুন্সি মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ সম্পাদিত ‘মিহির’ পত্রিকার সাথে এটি একীভূত হয়ে ‘মিহির ও সুধাকর’ নামে প্রকাশিত হয়। মুন্সি মোহাম্মদ রিয়াজউদ্দিন আহমদ ছিলেন এই পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক হলেও এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না:
ইসমাইল হোসেন সিরাজী ছিলেন বিখ্যাত বাঙালি মুসলিম কবি ও ঔপন্যাসিক। তার বিখ্যাত উপন্যাস রায় নন্দিনী
4

মাসিক ‘মোহম্মদী’ কোন সালে প্রকাশিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯২৬

  2. ১৯২৭

  3. ১৯২৮

  4. 1929

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯২৭ সাল।
মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘মোহম্মদী’ ১৯২৭ সালের অগাস্ট মাস থেকে প্রকাশিত হওয়া শুরু করে। এটি ছিল মূলত বাঙালি মুসলমান সমাজের সাহিত্য, সংস্কৃতি ও রাজনৈতিক ভাবধারা প্রকাশের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম।
এই পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন মাওলানা মুহম্মদ আকরম খাঁ
প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলেও পরবর্তীতে এটি মাসিক পত্রিকায় রূপান্তরিত হয়।
5

কোন পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে প্রকাশিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কালিকলম
  2. প্রগতি
  3. কল্লোল
  4. সবুজপত্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কল্লোল
'কল্লোল' পত্রিকাটি ১৯২৩ সালে (১৩৩০ বঙ্গাব্দে) প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকার মূল সম্পাদনায় ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ এবং গোপালচন্দ্র রায়
'কল্লোল' পত্রিকাকে কেন্দ্র করেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত ঘটে এবং এটি 'কল্লোল যুগ' নামে পরিচিত। এই যুগের লেখকরা রবীন্দ্র-পরবর্তী সাহিত্যধারা সৃষ্টিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর প্রকাশকাল নিচে উল্লেখ করা হলো:
১. সবুজপত্র: এটি ১৯১৪ সালে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী
২. কালিকলম: এটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটিও কল্লোল গোষ্ঠীরই একটি শাখা পত্রিকা ছিল।
৩. প্রগতি: এটি ১৯২৭ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধদেব বসু
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয় কোন পত্রিকাটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অরণি
  2. পরিচয়
  3. নবশক্তি
  4. ক্রান্তি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চল্লিশের দশকের কিরণ শঙ্কর সেনগুপ্তের সম্পাদনায় ‘ক্রান্তি’ পত্রিকাটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হয়। ‘পরিচয়’ পত্রিকার সম্পাদক বিষ্ণু দে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক্রান্তি
ক্রান্তি হলো একটি প্রগতিশীল সাহিত্য পত্রিকা, যা ঢাকা থেকে প্রকাশিত হতো। এর সম্পাদক ছিলেন প্রখ্যাত কবি ও সাংবাদিক সিকান্দার আবু জাফর
মুক্তিযুদ্ধের সময় রচিত ‘আমাদের সংগ্রাম চলবেই’ গানটির রচয়িতা হিসেবেও তিনি বিখ্যাত।
অন্যদিকে, অপশনে থাকা বাকি তিনটি পত্রিকা—অরণি, পরিচয় এবং নবশক্তি—এগুলো সবই কলকাতা থেকে প্রকাশিত সাহিত্য সাময়িকী ছিল।
7

গ্রিক শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তুফান
  2. লুঙ্গী
  3. কুশন
  4. দাম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দাম' হচ্ছে গ্রিক শব্দ। 'তুফান', 'লুঙ্গী' ও 'কুশন' যথাক্রমে আরবি, বর্মি ও ইংরেজি শব্দ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দাম। 'দাম' শব্দটি বাংলা ভাষায় আগত একটি গ্রিক শব্দ
'দাম' শব্দটি মূলত প্রাচীন গ্রিক শব্দ ‘দ্রাখমা’ (Drachma) থেকে এসেছে, যার অর্থ ছিল মুদ্রা বা মূল্য। এটি পর্তুগিজ ভাষার মাধ্যমেও বাংলাতে প্রবেশ করে থাকতে পারে, তবে ব্যাকরণগতভাবে এটিকে গ্রিক ভাষার শব্দ হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর উৎস:
তুফান: এটি ফারসি (মতান্তরে আরবি) শব্দ।
লুঙ্গী: এটি বর্মি বা বার্মিজ শব্দ।
কুশন: এটি ইংরেজি (Cushion) শব্দ।
8

বাংলা ভাষায় কয়টি খাঁটি বাংলা উপসর্গ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উনিশ
  2. কুড়ি
  3. একুশ
  4. বাইশি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে ২১টি। এগুলো হচ্ছে- অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আব, আন, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা। এবং সংস্কৃত উপসর্গের সংখ্যা ২০টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো একুশ (২১)। বাংলা ভাষায় মোট তিন প্রকার উপসর্গ রয়েছে: খাঁটি বাংলা উপসর্গ, তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ এবং বিদেশি উপসর্গ।
এদের মধ্যে খাঁটি বাংলা উপসর্গ বা তদ্ভব উপসর্গের সংখ্যা হলো নির্দিষ্টভাবে ২১টি। এই সংখ্যাটি ব্যাকরণে অপরিবর্তনীয় এবং বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
অনেক পরীক্ষার্থী ভুলবশত খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যাকে তৎসম উপসর্গের সংখ্যা কুড়ি (২০) এর সাথে গুলিয়ে ফেলে। মনে রাখতে হবে, তৎসম উপসর্গ ২০টি এবং খাঁটি বাংলা উপসর্গ ২১টি
9

‘শিশুরাজ্যে এই মেয়েটি একটি ছোটখাট বর্গির উপদ্রব বলিলেই হয়।’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গল্পের সংলাপ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একরাত্রি
  2. শুভা
  3. সমাপ্তি
  4. পোস্টমাস্টার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংলাপটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'সমাপ্তি' ছোটগল্পের নায়িকা 'মৃন্ময়ী' সম্পর্কে লেখকের উক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ‘সমাপ্তি’। এই বিখ্যাত উক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সমাপ্তি’ গল্পের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংলাপ।
এই উক্তিটি করেছিলেন গল্পের অন্যতম চরিত্র অপূর্ব'র দাদা। তিনি অপূর্বের হবু স্ত্রী মৃন্ময়ী সম্পর্কে এই মন্তব্যটি করেন। মৃন্ময়ী ছিল প্রকৃতির মতো বাঁধনহারা, চঞ্চল এবং বালিকা সুলভ আচরণের অধিকারী। তার এই দুরন্তপনাকেই দাদা 'ছোটখাট বর্গির উপদ্রব' বলে উল্লেখ করেন, কারণ সে শিশুদের খেলাধুলা ও শান্তি বিঘ্নিত করত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: ‘শুভা’ গল্পে প্রধানত বধির বালিকা শুভার নিঃসঙ্গ জীবনের চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। ‘পোস্টমাস্টার’ গল্পে রতন এবং পোস্টমাস্টারের মানবিক সম্পর্ক প্রাধান্য পেয়েছে।
10

বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
  2. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
  3. বাংলা সাহিত্যের কথা
  4. বাংলা সাহিত্যের রূপরেখা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— বঙ্গভাষা ও সাহিত্য। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ।
এই ইতিহাস গ্রন্থটি রচনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। গ্রন্থটি ১৮৯৬ খ্রিষ্টাব্দে (মতান্তরে ১৮৯৮) প্রথম প্রকাশিত হয়।
এটি প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমেই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস চর্চা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়।
বাকি বিকল্পগুলিও বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস গ্রন্থ, তবে সেগুলো পরবর্তী সময়ে রচিত হয়েছে। যেমন: 'বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস' রচনা করেন ড. সুকুমার সেন এবং 'বাংলা সাহিত্যের কথা' রচনা করেন ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কত খ্রিস্টাব্দে শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘জগত্তারিণী’ পদক লাভ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯১৬

  2. ১৯২৩

  3. ১৯৩৩

  4. ১৯০৩ 

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অপরাজেয় কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তার সামগ্রিক সাহিত্যকর্মের জন্য কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯২৩ সালে 'জগত্তারিণী' স্বর্ণপদক এবং ১৯৩৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ডি লিট' উপাধি লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ
শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় তাঁর অসাধারণ সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯২৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ‘জগত্তারিণী স্বর্ণপদক’ (Jagattarini Swarna Padak) লাভ করেন। এটি তাঁর জীবনকালের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক সম্মাননা।
অন্যান্য সালগুলো এই পুরস্কারের জন্য সঠিক নয়। যেমন, ১৯৩৩ সালটি তাঁর জীবনে অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্মাননার বছর—এই বছর তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডিলিট (D.Litt.) উপাধি লাভ করেন।
12

রাজা রামমোহন রচিত বাংলা ব্যাকরণের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাগধীয় ব্যাকরণ
  2. গৌড়ীয় ব্যাকরণ
  3. মাতৃভাষা ব্যাকরণ
  4. ভাষা ও ব্যাকরণ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাজা রামমোহন রায় প্রথম বাঙালি হিসেবে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮৩৩) রচনা করেন। তার অন্যান্য রচনা হচ্ছে 'বেদান্তসার' (১৮১৫), 'ভট্টাচার্যের সহিত বিচার' (১৮১৭), 'সহমরণ বিষয়ক প্রবর্তক ও নিবর্তকের সম্বাদ' (১৮১৮) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: গৌড়ীয় ব্যাকরণ
বাংলা ভাষার প্রথম বাঙালি ব্যাকরণ রচয়িতা হলেন রাজা রামমোহন রায়। তিনি ১৮৩৩ সালে এই ব্যাকরণটি প্রকাশ করেন, যার নাম ছিল গৌড়ীয় ব্যাকরণ
উল্লেখ্য, ১৮২৬ সালে তিনি প্রথমে এই ব্যাকরণটি ইংরেজিতে রচনা করেন, যার শিরোনাম ছিল ‘Grammar of the Bengali Language’। এটিকেই পরিমার্জন ও বাংলা রূপ দিয়ে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' নামে প্রকাশ করা হয়।
অতএব, বাঙালির লেখা প্রথম বাংলা ব্যাকরণের নাম হলো গৌড়ীয় ব্যাকরণ
13

‘মেছো’ শব্দের প্রকৃতি-প্রত্যয় কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাছ + ও
  2. মেছ + ও
  3. মাছি + উয়া > ও
  4. মাছ + উয়া > ও

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাছ + উয়া > ও
‘মেছো’ শব্দটি হলো একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ। কারণ এর প্রকৃতি বা মূল শব্দটি হলো নাম প্রকৃতি (Noun) – মাছ
যে প্রত্যয় নাম প্রকৃতির শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে তদ্ধিত প্রত্যয় বলে। এখানে ‘উয়া’ প্রত্যয়টি ‘মাছ’ শব্দের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, যার মাধ্যমে জীবিকা বা সংশ্লিষ্টতা বোঝানো হয়েছে।
প্রক্রিয়া: মাছ (প্রকৃতি) + উয়া (প্রত্যয়) = মাছুয়া।
চলিত বা শিষ্ট উচ্চারণে মাছুয়া শব্দটি পরিবর্তিত হয়ে মেছো রূপ লাভ করেছে। এটি স্বর পরিবর্তনের একটি বিশেষ দৃষ্টান্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা হয় ভুল প্রকৃতি (যেমন: ‘মেছ’, ‘মাছি’) ব্যবহার করেছে অথবা ব্যাকরণসম্মত প্রত্যয় (যেমন: শুধু ‘ও’) ব্যবহার করেনি।
14

কোন সন্ধিটি নিপাতনে সিদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাক্ + দান = বাগদান
  2. উৎ + ছেদ = উচ্ছেদ
  3. পর + পর = পরস্পর
  4. সম + সার = সংসার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো নিয়ম অনুসরণ না করে যখন সন্ধি সাধিত হয় তখন তাকে নিপাতনে সিদ্ধ বলে। উপরিউক্ত সন্ধিগুলোর মধ্যে 'পর + পর = পরস্পর' ছাড়া অন্য সন্ধিগুলো ব্যাকরণের সুনির্দিষ্ট নিয়ম মেনে সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: পর + পর = পরস্পর
যে সকল সন্ধি ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম (স্বর, ব্যঞ্জন বা বিসর্গ) অনুসরণ না করে ব্যতিক্রমী বা বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি (Exceptional Sandhi) বলে।
এই ক্ষেত্রে 'পর + পর' কোনো নিয়মিত নিয়ম না মেনে ব্যতিক্রমীভাবে 'পরস্পর' (অর্থ: একের পর এক) হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো কিন্তু নিয়মিত সন্ধির উদাহরণ। যেমন—
১. বাগদান (বাক্ + দান): নিয়মিত ব্যঞ্জন সন্ধি (বর্গের প্রথম ধ্বনি স্থানে তৃতীয় ধ্বনি)।
২. উচ্ছেদ (উৎ + ছেদ): নিয়মিত ব্যঞ্জন সন্ধি (ত/দ এর পর ছ থাকলে চ্ছ হয়)।
৪. সংসার (সম্ + সার): নিয়মিত ব্যঞ্জন সন্ধি (ম্ এর পর য, র, ল, ব, শ, ষ, স, হ থাকলে ম্ স্থানে ং বা অনুস্বার হয়)।
15

বাংলা মৌলিক নাটকের যাত্রা শুরু হয় কোন নাট্যকারের হাতে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মধুসূদন দত্ত
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. জ্যোতিন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. রামনারায়ণ তর্করত্ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উনিশ শতকের গোড়ার দিকে সংস্কৃত নাটকের অনুবাদ শুরু হলেও তারাচরণ শিকদারের 'ভদ্রার্জুন' (১৮৫২) ও রামনারায়ণ তর্করত্নের 'কুলীনকুল সর্বস্ব' (১৮৫৪) নাটক থেকে প্রকৃতপক্ষে বাংলা মৌলিক নাট্যসাহিত্যের সূত্রপাত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রামনারায়ণ তর্করত্ন
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মৌলিক সামাজিক নাটক হিসেবে স্বীকৃত হলো 'কুলীন কুলসর্বস্ব', যা ১৮৫৪ সালে প্রকাশিত হয়।
এই নাটকটি রচনা করেন রামনারায়ণ তর্করত্ন। তিনি তার এই কাজের জন্য ‘নাটুকে রামনারায়ণ’ নামেও পরিচিত ছিলেন এবং বাংলা নাটকের জনক হিসেবেও তাকে সম্মান দেওয়া হয়।
অন্যান্য বিকল্প: মধুসূদন দত্ত (মাইকেল মধুসূদন দত্ত) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ট্র্যাজেডি 'শর্মিষ্ঠা' (১৮৫৯) এবং প্রথম সার্থক প্রহসন 'একেই কি বলে সভ্যতা' রচনার জন্য বিখ্যাত।
দীনবন্ধু মিত্র তার বিখ্যাত কৃষকদের দুঃখ নিয়ে লেখা ঐতিহাসিক নাটক 'নীলদর্পণ' (১৮৬০) এর জন্য পরিচিত। যদিও তাদের ভূমিকা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু প্রথম মৌলিক নাটক এসেছে রামনারায়ণের হাত ধরে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয়___।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপমিত
  2. উপমান
  3. উপমেয়
  4. রূপক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপমান' শব্দের অর্থ 'তুলনীয় বস্তু'। অর্থাৎ প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে অন্য কোনো পরোক্ষ বস্তুর তুলনা করা হলে ঐ প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে 'উপমেয়' বলা হয়। পক্ষান্তরে , যার সাথে উপমা দেয়া হয় বা তুলনা করা হয় তাকে 'উপমান' বলে। যেমন - 'পদ্মআঁখি' শব্দটিতে পদ্মের সাথে আখিঁর উপমা দেয়া হয়েছে। সুতরাং 'পদ্ম' উপমান এবং আঁখি' উপমেয়। 'উপমান' ও 'উপমেয়' পদের সমাস হলে যদি উপমেয়ের অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয় তাকে উপমিত সমাস হলে। যেমন - পুরুষ সিংহের ন্যায় = পুরুষসিংহ এবং যে স্থলে উপমান ও উপমেয় সমাস হয়েছে এবং উভয়ের মধ্যে অভেদ কল্পনা করা হয়েছে তাকে রূপক সমাস বলে। যেমন- ফুল রূপ কুমারী = ফুলকুমারী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপমেয়
ব্যাকরণের তুলনামূলক আলোচনা এবং কর্মধারয় সমাসের সংজ্ঞায় চারটি বিষয় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: উপমেয়, উপমান, সাধারণ ধর্ম এবং তুলনাবাচক শব্দ
উপমেয় (Upomeyo): যাকে বা যে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে তুলনা করা হয়, সেটিই হলো উপমেয়। প্রশ্ন অনুসারে, প্রত্যক্ষ বস্তুটি হলো উপমেয়। (যেমন: মুখটি, যখন বলা হয় মুখ চন্দ্রের ন্যায়। এখানে 'মুখ' হলো উপমেয়।)
উপমান (Upoman): যার সাথে বা যে পরোক্ষ বস্তুর সাথে তুলনা করা হয়, তাকে উপমান বলা হয়। (যেমন: মুখ চন্দ্রের ন্যায় - এখানে 'চন্দ্র' হলো উপমান। এটি ভুল উত্তর।)
উপমিতরূপক কর্মধারয় সমাসের প্রকারভেদ, যা উপমেয় ও উপমানের মিশ্রণ থেকে তৈরি হয়।
17

‘পাখি সব করে রব রাতি পোহাইল’ পঙ্‌ক্তির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামনারায়ণ তর্করত্ন
  2. বিহারী লাল
  3. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  4. মদনমোহন তর্কালংকার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পংক্তিটির রচয়িতা মদনমোহন তর্কালঙ্কার (১৮১৭-১৮৫৮)। 'শিশু শিক্ষা' (১ম ও ২য় ভাগ -১৮৪৯ এবং ৩য় ভাগ-১৮৫০) নামক শিশুতোষ গ্রন্থ রচনা করে বিশেষ খ্যাতি অর্জন করেন। 'পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল, পংক্তিটি এ গ্রন্থের প্রথমভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মদনমোহন তর্কালংকার। এই বিখ্যাত ও বহুল প্রচলিত পঙ্‌ক্তিটি তাঁর রচিত শিশুতোষ পাঠ্যপুস্তক ‘শিশু শিক্ষা’ (তৃতীয় ভাগ) থেকে নেওয়া হয়েছে।
মদনমোহন তর্কালংকার উনিশ শতকের অন্যতম সেরা শিক্ষাবিদ ছিলেন এবং ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের সঙ্গে নারীশিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অন্যান্য অপশনগুলি সঠিক নয়, কারণ: বিহারী লাল চক্রবর্তীকে বাংলা গীতিকাব্যের ‘ভোরের পাখি’ বলা হয়। কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার রচিত বিখ্যাত কাব্য হলো ‘সদ্ভাব শতক’
18

‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’-এর রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিকানদার আবু জাফর
  2. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  3. ফররুখ আহমদ
  4. আহসান হাবীব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি'- আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত কাব্যগ্রন্থ, প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে। এ লেখকের অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হচ্ছে 'সাতনরী হার', ‘কখনও রং কখনও সুর’, ‘কমলের চোখ’, ‘সহিষ্ণু প্রতিক্ষা’, ‘প্রেমের কবিতা’, ‘নির্বাচিত কবিতা’ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ হলো কবি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ-এর লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বহুল পঠিত একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে।
এই কাব্যগ্রন্থে কবি ঐতিহ্য, ভাষা এবং সংগ্রামী জীবনের কথা রূপকের মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছেন, যা আধুনিক বাংলা সাহিত্যে তাকে এক বিশেষ পরিচিতি দিয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোও (সিকানদার আবু জাফর, ফররুখ আহমদ, আহসান হাবীব) বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি, কিন্তু আলোচ্য কাব্যগ্রন্থটি তাদের কারও লেখা নয়।
19

‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য করতে পারতেন না-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্কিমচন্দ্র
  2. সৈয়দ মুজতবা আলী
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. প্রমথনাথ বিশী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘জ্যাঠামি’ শব্দের অর্থ বাচালতা, পাকামি, অকালপক্বতা ইত্যাদি আর ‘ন্যাকামি’ শব্দের অর্থ - সারল্য বা সাধুতার ভানকারী, অজ্ঞতার ভান ইত্যাদি। বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষার প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী ছিলেন মার্জিত নাগরিক রুচি, প্রখর বুদ্ধিদীপ্ত ও অপূর্ব বাক-চাতুর্যের অধিকারী। সাহিত্যের উদ্দেশ্য সম্পর্কে তার মত হলো- ‘সাহিত্যের উদ্দেশ্য হচ্ছে সকলকে আনন্দ দান করা, কারও মনোরঞ্জন নয়। সাহিত্য ছেলের হাতের খেলনাও নয়, গুরুর হাতের বেতও নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রমথ চৌধুরী
প্রমথ চৌধুরী ছিলেন বাংলা সাহিত্যে ‘চলতি ভাষা’ বা ‘বীরবলী রীতির’ প্রবর্তক। তিনি বুদ্ধির মুক্তি এবং মুক্ত চিন্তার ধারক ছিলেন।
এই উক্তিটি অর্থাৎ ‘জীবনে জ্যাঠামি ও সাহিত্যে ন্যাকামি’ সহ্য না করতে পারা মূলত তাঁর সাহিত্যের প্রতি কৃত্রিমতা (Affectation) বর্জন করার দৃষ্টিভঙ্গিকে নির্দেশ করে। তিনি মনে করতেন, গদ্য সাহিত্য হবে সহজ, সতেজ এবং প্রগল্ভতা বর্জিত।
অন্যান্য অপশন যেমন বঙ্কিমচন্দ্র সাহিত্য সম্রাট নামে পরিচিত, আর সৈয়দ মুজতবা আলী রম্যরচনা ও ভ্রমণ কাহিনীর জন্য বিখ্যাত। এই নির্দিষ্ট উক্তিটি তাঁদের দার্শনিক মতের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত নয়।
20

‘এ মাটি সোনার বাড়া’-এ উদ্ধৃতিতে ‘সোনা’ কোন অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশেষণের অতিশায়ন
  2. রূপবাচক বিশেষণ
  3. উপাদান বাচক বিশেষণ
  4. বিধেয় বিশেষণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশেষণ পদ যখন দুই বা ততোধিক বিশেষ্য পদের মধ্যে গুণ, অবস্থা, পরিমাণ প্রভৃতি বিষয়ে তুলনায় একের উৎকর্ষ বা অপকর্ষ বুঝিয়ে থাকে তাকে 'বিশেষণের অতিশায়ন' বলে। ‘এ মাটি সোনার বাড়া’ শব্দটি খাঁটি বাংলা শব্দের অতিশায়ন। এখানে মাটিকে সোনার চেয়ে বড় বা মূল্যবান মনে করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশেষণের অতিশায়ন
ব্যাকরণে যখন দুটি বস্তুর মধ্যে গুণ বা অবস্থার তুলনা করা হয় এবং তুলনার মাধ্যমে একটিকে অন্যটির চেয়ে শ্রেষ্ঠ বা নিকৃষ্ট প্রমাণ করা হয়, তখন তাকে বিশেষণের অতিশায়ন বা তুলনা বোঝানো হয়।
এখানে, ‘এ মাটি সোনার বাড়া’ বলতে বোঝানো হয়েছে ‘এই মাটি সোনা অপেক্ষা শ্রেষ্ঠ বা উন্নত’। বাক্যে ‘সোনা’ শব্দটি উপাদান বাচক বিশেষ্য হলেও, ‘সোনার বাড়া’ এই পুরো অংশটি বিশেষণ রূপে মাটিকে অতি উচ্চ মাত্রায় তুলনা করছে। অর্থাৎ, মাটি যে অতিশয় মূল্যবান, তা বোঝাতে ‘সোনা’-কে তুলনার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যা বিশেষণের অতিশায়ন বা শ্রেষ্ঠত্বসূচক তুলনা নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এখানে সোনা শুধুমাত্র রূপ বা উপাদান হিসেবে বর্ণিত নয়, বরং তুলনার মানদণ্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা অতিশায়নের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

What would have happened if ___?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The bridge is broken
  2. The bridge would break
  3. The bridge had broken
  4. The bridge had been broken

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাধারণত অতীতের কোনো action অথবা event যদি পরস্পর সম্পর্কিতভাবে ঘটে সেক্ষেত্রে model verb হিসেবে 'would have' ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে would have..... if ...... structure নিম্নরূপে- sub + would have + past participle form of verb + if + 2nd sub + had + past participle from of verb + .... যেমন --- What would have happend if I had seen the advertisement in time? প্রদত্ত sentence এ ‘What would have happened if the bridge had broken’ দ্বারা বোঝানো হয়েছে তারা ব্রিজটা সহজেই পেরিয়ে এসেছে। কিন্তু যদি ভেঙ্গে পড়ত তাহলে কি ঘটত? হয়তো তারা অনেকেই আহত হতো। কিন্তু কিছুই ঘটেনি।

ব্যাখ্যা

এটি Conditional Sentence (শর্তমূলক বাক্য)-এর একটি প্রশ্ন। বাক্যটির প্রথম অংশ (Main Clause) হলো: “What would have happened if ___?”
Main Clause-এ would have + V3 (Perfect Conditional) ব্যবহৃত হওয়ায় এটি নিশ্চিতভাবে Third Conditional (তৃতীয় শর্ত)-এর কাঠামো।
Third Conditional ব্যবহৃত হয় অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো অবাস্তব বা অসম্ভব শর্তের ফলাফল বোঝাতে। এর সঠিক কাঠামো হলো: If + Past Perfect Tense, Perfect Conditional Tense (Subject + would/could/might + have + V3)
অতএব, If-Clause-এ অবশ্যই Past Perfect Tense (had + V3) ব্যবহার করতে হবে। অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র 'The bridge had broken' এই শর্ত পূরণ করে।
সঠিক উত্তর: What would have happened if the bridge had broken?
অন্যান্য অপশন যেমন 'The bridge is broken' (Present) এবং 'The bridge would break' (যা সেকেন্ড কন্ডিশনালের কাঠামোও নয়), তা Sequence of Tenses এর নিয়ম ভঙ্গ করে এবং বাক্যটিকে ভুল করে তোলে।
22

Explain the meaning of ‘Bring to pass’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Cause to destroy
  2. Cause to happen
  3. Cause to carry out
  4. Cause to convince

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Bring to pass' -অর্থ হচ্ছে কোনো কিছু ঘটা। ' cause to destroy ' দ্বারা 'ধ্বংস হওয়া 'cause to carry out' বলতে কোনো কিছু সম্পাদন করা এবং ‘cause to convince’ দ্বারা কোনো কিছু স্বমতে নিয়ে আসা এবং 'cause to happen' দ্বারা কোনো কিছু ঘটানোকে বোঝায়।

ব্যাখ্যা

'Bring to pass' হলো একটি গুরুত্বপূর্ণ Phrasal Verb বা বাগধারা, যার অর্থ হলো 'কোনো কিছু ঘটাতে সাহায্য করা' বা 'কোনো ঘটনাকে বাস্তবে রূপ দেওয়া'।
এটি সাধারণত পূর্বের কোনো পরিকল্পনা বা ভবিষ্যদ্বাণী সফল করার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।
সঠিক উত্তর: Cause to happen (ঘটাতে সাহায্য করা)।
অন্যান্য অপশন যেমন 'Cause to destroy' (ধ্বংস করা) এবং 'Cause to convince' (দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করানো) সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তাই এগুলো ভুল।
23

Which of the following sentences is the correct one?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Paper is made of wood
  2. Paper is made from wood
  3. Paper is made by wood
  4. Paper is made on wood

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোন কিছু থেকে directly তৈরী হওয়া বুঝাতে made of এবং কোন কিছু রূপান্তরিত তৈরি হওয়াকে বুঝাতে made from বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Paper is made from wood। (Option B)
এটি Preposition-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, যা নির্দেশ করে যে কোনো বস্তু তৈরির সময় তার মূল উপাদানটি দৃশ্যত বা রাসায়নিকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে কিনা
যখন কোনো বস্তু তৈরি হওয়ার পর তার মূল উপাদানকে ভৌতভাবে বা চাক্ষুষভাবে চেনা যায় না (অর্থাৎ রাসায়নিক পরিবর্তন ঘটে), তখন 'made from' ব্যবহৃত হয়। যেমন: কাঠ থেকে কাগজ তৈরি হলে কাঠকে আর চেনা যায় না, তাই 'made from' বসবে।
যদি মূল উপাদানটি ভৌতভাবে অপরিবর্তিত থাকে এবং সহজেই চেনা যায় (Physical Change), তবে 'made of' ব্যবহৃত হয়। যেমন: The chair is made of wood (চেয়ারের মধ্যে কাঠ সহজেই চেনা যায়)।
24

The word bounty is closest in meaning to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. generosity
  2. familiar
  3. dividing line
  4. sympathy

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

bounty 'generous' word টির অর্থ হচ্ছে liberal, bountiful, nobel ইত্যাদি; 'familiar' word -টির অর্থ হচ্ছে well known, intimate, domestic, common ইত্যাদি এবং sympathy শব্দটির অর্থ হচ্ছে community of feeling, compassion, pity ইত্যাদি। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে generosity.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দটি হলো Bounty। এই শব্দের মূল অর্থ হলো প্রাচুর্য, প্রচুর পরিমাণ, বা উদারভাবে প্রদত্ত পুরস্কার বা অনুদান।
Bounty শব্দটির প্রধান অর্থগুলোর মধ্যে রয়েছে 'Generosity' (উদারতা) বা 'Abundance' (প্রচুর)।
অপশনগুলোর মধ্যে, Generosity শব্দের অর্থ হলো উদারতা, যা Bounty শব্দের ধারণাগত (conceptual) অর্থের সঙ্গে সরাসরি মিলে যায়। সুতরাং, এটিই Closest in Meaning।
অন্য অপশনগুলো অর্থগতভাবে ভুল: Familiar মানে পরিচিত; Dividing line মানে বিভাজন রেখা; এবং Sympathy মানে সহানুভূতি। এদের কোনোটিই Bounty এর সমার্থক নয়।
25

Give the correct passive form of ‘My teacher embodies all the good qualities’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. All the good qualities are embodied by my teacher.
  2. All the good qualities are embodied in my teacher.
  3. All the good qualities are embodied to my teacher.
  4. All the good qualities are embodied on my teacher.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এ Sentence দ্বারা বুঝানো হয়েছে যে তার teacher সকল প্রকার ভালো গুণাবলী বাস্তব রূপদান করে বা নিজের মধ্যে ধারণ করে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। তাই passive করার সময় 'embodied in ' ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: All the good qualities are embodied in my teacher.
এই প্রশ্নটি Passive Voice Transformation-এর ব্যতিক্রমী নিয়ম থেকে এসেছে, যেখানে ভার্বের অর্থ অনুযায়ী Appropriate Preposition (উপযুক্ত Preposition) ব্যবহার করতে হয়, প্রচলিত 'by' ব্যবহার করা যায় না।
Active বাক্যটি Present Indefinite Tense-এ আছে: My teacher (Subject) + embodies (Verb) + all the good qualities (Object)।
Passive করার সময়, Object (all the good qualities) সামনে আসে। এরপর Tense অনুযায়ী 'be' verb (এখানে 'are') এবং Verb-এর Past Participle ফর্ম (embodied) বসে।
কিন্তু, 'embody' ভার্বের অর্থ ‘অন্তর্ভুক্ত করা’ বা ‘মূর্ত করা’। Passive ফর্মে এটি সবসময় 'in' প্রিপোজিশন গ্রহণ করে, অর্থাৎ 'embodied in' ব্যবহৃত হয়।
তাই সঠিক গঠনটি হলো: All the good qualities + are + embodied + in + my teacher.
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

Choose the correct indirect speech- She asked me, ‘Are you happy in your new job?’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. She asked me if I was happy in my new job
  2. She asked me if I have been happy in my new job
  3. She asked me whether I am happy in my new job
  4. She asked me if I had been happy in my new job

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Direct Narration -এ Reported Speech যদি Interrogative sentence হয় তাহলে- Reporting verb -কে ask, demand , enquire wonder ইত্যাদিতে পরিবর্তন করে নিতে হয় ; -Question -এর উত্তর যদি 'yes' 'No' দিয়ে দেয়া সম্ভব হয় তাহলে Reported Speech -এর আগে conjunction if এবং ক্ষেত্র বিশেষে 'whether' বসে। - Reported Speech কে Indirect করার সময় Assertive করে নিতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: She asked me if I was happy in my new job
এটি একটি Interrogative Sentence (প্রশ্নবোধক বাক্য) যা Auxiliary Verb ('Are') দিয়ে শুরু হয়েছে।
নিয়ম ১ (Conjunction): Auxiliary verb দিয়ে শুরু হওয়া প্রশ্নবোধক বাক্যের ক্ষেত্রে Indirect Speech-এ Reporting Verb (asked) এর পর Linker বা Conjunction হিসেবে if অথবা whether ব্যবহৃত হয়।
নিয়ম ২ (Tense Change): যেহেতু Reporting Verb (‘asked’) Past Tense-এ আছে, তাই Reported Speech-এর Tense অবশ্যই এক ধাপ পিছনে যাবে। Direct Speech-এ Present Simple Tense ('Are you happy') আছে, যা Indirect Speech-এ Past Simple Tense-এ পরিবর্তিত হবে ('I was happy')।
নিয়ম ৩ (Structure Change): Indirect Speech-এ প্রশ্নবোধক বাক্যটি Assertive Sentence-এর রূপে রূপান্তরিত হয় (Subject + Verb + Object)। তাই ‘Are you happy’ পরিবর্তিত হয়ে ‘I was happy’ হবে।
ভুল অপশন বিশ্লেষণ: অপশন (২)-এ Tense পরিবর্তন করা হয়নি ('am happy'), অপশন (৩)-এ ভুল Tense (Past Perfect) ব্যবহার করা হয়েছে, এবং অপশন (১)-ও ভুল Tense ব্যবহার করেছে।
27

The meaning of the word ‘Obese’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. very fat
  2. ugly
  3. tardy
  4. obnoxious

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Obese' বলতে বোঝায় 'very fat' বা, ‘abnormally fat'; ‘ugly’ -শব্দটির অর্থ হচ্ছে – ‘unpleasant to look at’ or other senses, ill-natured ইত্যাদি। ‘trady’ এর অর্থ হচ্ছে ‘slow’, ‘sluggish’, ‘late’ ইত্যাদি। এবং 'obnoxious'-এর অর্থ হচ্ছে objectionable, offensive ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

‘Obese’ (উচ্চারণ: অবিস) শব্দটি হলো একটি বিশেষণ, যার বাংলা অর্থ হলো স্থূলকায়, অত্যন্ত মেদবহুল বা অতিরিক্ত মোটা
বিশেষ করে যখন অতিরিক্ত চর্বি জমার কারণে স্বাস্থ্যের ঝুঁকি তৈরি হয়, তখন এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘very fat’ (খুব মোটা) শব্দটিই ‘Obese’ এর সরাসরি ও সঠিক সমার্থক (Synonym)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন: ugly (বিশ্রী), tardy (ধীর/বিলম্বিত), এবং obnoxious (বিরক্তিকর/জঘন্য)।
28

A person who writes about his own life writes–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a diary
  2. a biography
  3. an autobiography
  4. a chronicle

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

autobigraphy', বলতে বোঝায় the story of a person's life written by that person; ‘diary’ বলতে বোঝায় a book in which one writes about one's daily experiences, records one's private thoughts etc; 'biography' বলতে বোঝায় the story of a person's life written by somebody else; এবং 'chronicle' বলতে বোঝায় a record of historical events in the order in which they happended. সুতরাং উপরের ৪টি word -এর অর্থ বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে, ‘biography’ এবং 'autobigraphy' দ্বারা জীবনকাহিনি লেখাকে বোঝায়। তবে 'biography' দ্বারা বোঝায় অন্য লোকের দ্বারা জীবনকাহিনি লেখানো এবং 'autobiography' দ্বারা নিজেই নিজের জীবনকাহিনি লেখাকে বোঝায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো an autobiography (আত্মজীবনী)। ইংরেজিতে এটি একটি আদর্শ One Word Substitution
এই শব্দটিকে ভাঙলে এর অর্থ স্পষ্ট বোঝা যায়:
Auto (অটো) = Self (নিজে)
Bio (বায়ো) = Life (জীবন)
Graphy (গ্রাফি) = Writing (লেখা)
সুতরাং, কোনো ব্যক্তি যখন নিজের জীবনের কাহিনি নিজেই লেখেন, তখন তাকে Autobiography বলে।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
a biography (জীবনী): কারো জীবনীর ইতিহাস যখন অন্য কোনো ব্যক্তি লেখেন, তখন তাকে জীবনী বা Biography বলে।
a diary (ডায়েরি): এটি হলো প্রতিদিনের ব্যক্তিগত চিন্তা বা ঘটনাবলির দৈনিক বিবরণ, যা সম্পূর্ণ জীবনীর বদলে ছোট সময়ের তথ্যাদি ধারণ করে।
a chronicle (ইতিহাস/ঘটনাপঞ্জি): এটি হলো ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলির ধারাবাহিক রেকর্ড, যা সাধারণত ব্যক্তিগত জীবনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
29

Which of the following sentences is correct?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Why have you done this?
  2. Why you had done this?
  3. Why you have done this?
  4. Why did you done this?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sentence টি প্রশ্নবোধক না হলে হতো ‘You have done this’। এসব sentence কে why দ্বারা interrogative করতে হলে নিচের sentence অনুযায়ী করতে হবে। Why + auxiliary verb + subject + principle verb + objective or others. সুতরাং why have you done this sentence টি সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: Why have you done this? (অপশন ক)।
এটি একটি Direct Interrogative Sentence (প্রত্যক্ষ প্রশ্নবোধক বাক্য)। Direct Wh-Question-এর সাধারণ গঠন হলো: Wh-word + Auxiliary Verb + Subject + Main Verb + Object?
অপশন (ক) বাক্যটি Present Perfect Tense-এর সঠিক প্রশ্নবোধক কাঠামো অনুসরণ করেছে: Why (Wh-word) + have (Auxiliary) + you (Subject) + done (V3) + this?
অপশন (খ) (Why you had done this?) এবং অপশন (গ) (Why you have done this?) ভুল। কারণ, প্রত্যক্ষ প্রশ্নবোধক বাক্যে Auxiliary Verb অবশ্যই Subject-এর আগে বসাতে হয়। এই গঠনটি (Wh-word + Subject + Verb) সাধারণত Indirect Interrogative Sentence (Reported Speech)-এ ব্যবহৃত হয়।
অপশন (ঘ) (Why did you done this?) ভুল। কারণ, যখন Past Indefinite Tense-এ Auxiliary Verb হিসেবে Did ব্যবহৃত হয়, তখন Main Verb-এর সর্বদা Base Form (V1) বসাতে হয়। 'Done' হলো V3। বাক্যটি শুদ্ধ হলে হতো: 'Why did you do this?'
30

What will be the correct preposition to complete the sentence? ‘I am not good ___ translation’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. at
  2. in
  3. about
  4. with

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Good' -এর পরে সাধারণত 'at' preposition ব্যবহৃত হলে বোঝায় 'able to do something well'. with preposition বসলে বোঝায় capable when using dealing with etc. যেমন- She is very good with children. সুতরাং উপরিউক্ত sentence এর জন্য 'at' appropriate preposition.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (a) at
নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো ব্যক্তি কোনো নির্দিষ্ট দক্ষতা (skill) বা কোনো কাজে পারদর্শী (proficient) বা অপটু (not good) তা বোঝানো হয়, তখন good/bad/clever/expert শব্দগুলোর পরে at প্রিপজিশনটি ব্যবহৃত হয়।
এখানে ‘translation’ একটি দক্ষতা বা কাজকে নির্দেশ করছে। তাই বাক্যটি হবে: ‘I am not good at translation’ (আমি অনুবাদে ভালো নই)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

Which is the noun of the word ‘beautiful’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Beauty
  2. Beautify
  3. Beauteous
  4. Beautifully

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Beauty' word টি noun; ‘Beautify’ word টি verb ; 'Beauteous ' হচ্ছে adjective এবং 'Beautifully ' হচ্ছে adverb.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (A) Beauty
Beautiful একটি Adjective (বিশেষণ পদ), যার অর্থ সুন্দর। যখন কোনো শব্দের বিশেষণ রূপকে বিশেষ্য (Noun) রূপে পরিবর্তন করা হয়, তখন শব্দটির গঠনগত পরিবর্তন আসে।
Beautiful-এর Noun বা বিশেষ্য রূপ হলো Beauty, যার অর্থ সৌন্দর্য বা লাবণ্য।
অন্যান্য অপশনগুলোর পদ (Parts of Speech) হলো:
Beautify: এটি Verb বা ক্রিয়াপদ (সুন্দর করা)।
Beauteous: এটি একটি Adjective, যা Beautiful-এর সমার্থক (সাধারণত কাব্যে বা সাহিত্যে ব্যবহৃত হয়)।
Beautifully: এটি Adverb বা ক্রিয়াবিশেষণ (সুন্দরভাবে)।
32

Fill in the blank with appropriate preposition. ‘Hurry up! we have to go ___ five minutes.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in
  2. on
  3. by
  4. for

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Sentence টিতে বলা হয়েছে ৫ মিনিট সময় আছে, এর মধ্যে বা ৫ মিনিটের পূর্বে অবশ্য পৌঁছতে হবে। এক্ষেত্রে 'in' appropriate হবে না, কেননা নির্দিষ্ট কোনো সময় বা কোনো সময়ের মধ্যে বোঝাতে সাধারণত 'in' হয়। যেমন - I will come in an hour. তারিখ বা সময় বোঝাতে 'on' ব্যবহৃত হয়। যেমন- Meet me on Monday. 'by' দ্বারা নির্দিষ্ট সময়ের পূর্বে বোঝায়, যেমন - I will come by 5 pm. এ Sentence দ্বারা বোঝাচ্ছে আমি বিকেল ৫টার আগেই আসব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: by
কারণ ‘by’ প্রিপজিশনটি সাধারণত কোনো কাজের সর্বশেষ সময়সীমা বা ডেডলাইন (Deadline) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো, ‘ঐ সময়ের মধ্যে’ বা ‘ঐ সময়ের পরে নয়’।
বাক্যটির অর্থ: “তাড়াতাড়ি করো! আমাদের পাঁচ মিনিটের মধ্যে (অর্থাৎ পাঁচ মিনিট শেষ হওয়ার আগেই/সময়সীমা পার হওয়ার আগে) যেতে হবে।”
আমরা যদি 'in' ব্যবহার করি (we have to go in five minutes), তবে এর অর্থ দাঁড়ায়—পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার পর আমাদের যাত্রা শুরু করতে হবে। কিন্তু 'Hurry up!' (তাড়াতাড়ি করো) শব্দটি নির্দেশ করে যে সময়সীমাটি খুবই জরুরি এবং অপেক্ষা করার সুযোগ নেই, বরং তার আগেই কাজটি শেষ করতে হবে। তাই ডেডলাইন বোঝাতে by সবচেয়ে উপযুক্ত।
33

Identify the imperative sentence.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. I shall go to college
  2. Matin is singing a song
  3. Stand up
  4. It has been raining since morning

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Stand up (৩ নং অপশন)।
যে বাক্য দ্বারা আদেশ (Command), অনুরোধ (Request), উপদেশ (Advice), কিংবা নিষেধ (Prohibition) প্রকাশ করা হয়, তাকেই Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) বলা হয়।
এই ধরনের বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো, এটি সাধারণত মূল Verb (ক্রিয়াপদ) দিয়ে শুরু হয় এবং বাক্যের কর্তা ‘You’ সাধারণত উহ্য (understood) থাকে।
যেমন: Stand up (অর্থ: You stand up – তুমি দাঁড়াও)। এটি একটি সরাসরি আদেশ প্রকাশ করছে, তাই এটি ইমপারেটিভ বাক্য।
ভুল অপশনগুলো কেন ভুল:
১. I shall go to college: এটি কর্তা (Subject) দিয়ে শুরু হয়েছে এবং এটি একটি Assertive Sentence (বিবৃতিমূলক বাক্য)।
২. Matin is singing a song: এটিও Assertive Sentence
৪. It has been raining since morning: এটিও Assertive Sentence
34

Fill in the gap with the suitable word. To stay healthy, we must plan to have a balanced ___.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. diet
  2. food
  3. drink
  4. environment

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উপরিউক্ত Sentence -এ balanced adjective টির সাথে diet হওয়াই সম্ভব; কারণ স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য শুধু খাদ্য (food) , পানীয় (drink), বা পরিবেশ (environment) নয়, প্রয়োজন সুষম খাদ্যাভ্যাস বা ডায়েট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো diet। কারণ ‘Balanced’ শব্দটি diet শব্দের সাথে একটি নির্দিষ্ট Collocation (পদবন্ধ) তৈরি করে।
স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের জন্য আমরা যখন সুষম খাদ্যের পরিকল্পনা করি, তখন তাকে Balanced diet বা সুষম খাদ্য তালিকা বলা হয়।
Diet বলতে একজন ব্যক্তির সামগ্রিক খাদ্যাভ্যাস বা পরিকল্পিত খাদ্য গ্রহণকে বোঝায়। তাই স্বাস্থ্য রক্ষার ক্ষেত্রে Balanced diet হলো সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রমিত ইংরেজি পদবন্ধ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, food শব্দটি সাধারণ হলেও এক্ষেত্রে 'balanced' এর সঙ্গে diet-ই সঠিক প্রয়োগ। drink এবং environment এই বাক্যের অর্থের সঙ্গে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন।
35

Choose the correct alternative and mark its letter on your answer sheet. The rich should not look down ___ the poor.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. at
  2. for
  3. towards
  4. upon

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

look at' অর্থাৎ তাকানো, look towards অর্থ- মুখোমুখি অবস্থায় বা বিপরীতে অবস্থান করা। 'look down upon' অর্থ ঘৃণা করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (d) upon। কারণ বাক্যটিতে একটি নির্দিষ্ট Phrasal Verb (Group Verb) ব্যবহার করা হয়েছে।
Look down upon (অথবা Look down on) একটি সুনির্দিষ্ট বাগধারা, যার অর্থ হলো কাউকে তুচ্ছ জ্ঞান করা, ঘৃণা করা বা কাউকে নিজের চেয়ে নিচু মনে করা।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: ধনীদের উচিত নয় দরিদ্রদের তুচ্ছ জ্ঞান করা।
অন্যান্য অপশনগুলো এই প্রসঙ্গে ভুল অর্থ প্রকাশ করে:
Look at: মানে কোনো কিছুর দিকে তাকানো বা দৃষ্টিপাত করা।
Look for: মানে খোঁজা বা সন্ধান করা।
Look towards: মানে কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্যের দিকে তাকানো।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

I took a map with me, as I didn’t want to ___ my way on the journey.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. loose
  2. lose
  3. lost
  4. loss

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উপরিউক্ত sentence টি infinitive হওয়ায় এর structure হবে to + base form of verb অর্থাৎ verb -এর present form -এর পূর্বে to infinitive গঠিত হয়। generally decide, refuse, plan hope, deserve, promise etc verb এর পর to + verb বা infinitive বসে।

ব্যাখ্যা

বাক্যটিতে ব্যবহৃত কাঠামোটি হলো: 'didn’t want to ___ my way'। এখানে 'to'-এর পরে সর্বদা **Verb-এর Base Form (V1)** বসাতে হবে, কারণ এটি একটি Infinitve (to + V1) Structure।
সঠিক উত্তর হলো: lose
Lose (/luːz/) হলো একটি Verb যার অর্থ 'হারানো', 'ভুল করা' বা 'কোনো কিছু খুঁজে পেতে ব্যর্থ হওয়া'। এখানে সঠিক Idiomatic Expression হলো 'to lose one’s way' (পথ হারিয়ে ফেলা)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ:
  • Loose: এটি মূলত একটি Adjective (/luːs/) যার অর্থ 'ঢিলে' বা 'বন্ধনমুক্ত'। এটি Verb এর স্থানে বসতে পারে না।
  • Lost: এটি 'lose'-এর Past Tense বা Past Participle (V2/V3)। V1 এর স্থানে এটি ব্যবহৃত হবে না।
  • Loss: এটি একটি Noun (ক্ষতি)। বাক্যের গঠন অনুযায়ী Noun-এর পরিবর্তে V1 প্রয়োজন।
37

Every driver must be held ___ his own actions.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. responsible for
  2. responsible to
  3. liable to
  4. blamed for

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অধস্তন ঊর্ধ্বতন কোনো কর্তৃপক্ষের নিকট কাজের জন্য দায়ী বা কোনো লোক অন্য কোনো লোকের কাছে কাজের জন্য দায়ী থাকলে সাধারণত 'responsible to' ব্যবহার করা হয়। যেমন- The Director is directly responsible to the president. অপরপক্ষে কোনো কাজের দায়ভার যখন যে কাজ করে তার ওপরই বর্তায়, তখন 'be held responsible for' ব্যবহৃত হয়। যেমন - Sumi is mentally ill and can't be held responsible for her actions. 'liable to' দ্বারা কোনো দায়-দায়িত্বকে বোঝায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো responsible for। এটি একটি Appropriate Preposition বা Idiomatic Expression-এর উদাহরণ।
Responsible শব্দটি যখন কোনো ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ **কারো কাজের জন্য দায়ী** থাকে, তখন তার সাথে সাধারণত for ব্যবহৃত হয়। এখানে Driver-কে তার own actions (নিজের কর্মের) জন্য দায়ী থাকার কথা বলা হচ্ছে।
যেমন: He is responsible for the accident.
(সে দুর্ঘটনার জন্য দায়ী।)
responsible to ব্যবহার করা হয় যখন কেউ কোনো ব্যক্তি, কর্তৃপক্ষ বা প্রতিষ্ঠানের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে।
(Example: You are responsible to the Headmaster.)
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: 'liable to' অর্থ কোনো কিছুতে দণ্ডিত হওয়ার বা গুরুতর ক্ষতির শিকার হওয়ার সম্ভাবনা। এটি এখানে উপযুক্ত নয়। 'blamed for' সাধারণত সরাসরি দোষারোপের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু 'held' এর সাথে responsible for ই সবচেয়ে মানানসই গঠন।
38

‘Through thick and thin’ means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. under all conditions
  2. to make thick and thin
  3. not clear in understanding
  4. of great density

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Through thick and thin' - এর অর্থ in spite of all the difficulties বা যা কিছুই ঘটুক না কেন। এখানে Under all conditions বলতে ‘যে কোন অবস্থার মধ্যে বোঝায়’। সুতরাং এটাই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: under all conditions
‘Through thick and thin’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি Idiom (বাগধারা) যার অর্থ হলো— ভালো-মন্দ, বিপদ-আপদ বা সুখে-দুঃখে সব পরিস্থিতিতে কারো পাশে থাকা বা লেগে থাকা।
বাগধারাটি মূলত যেকোনো প্রকারের বাধা বা প্রতিকূলতা উপেক্ষা করে সমর্থন বজায় রাখার বা অধ্যবসায়ের ইঙ্গিত দেয়।
Option (A) 'under all conditions' (সকল পরিস্থিতিতে) সরাসরি এই বাগধারার অর্থ বহন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন: 'to make thick and thin' বা 'of great density' সরাসরি শব্দের আভিধানিক অর্থ (Literal Meaning) খোঁজার চেষ্টা করে, যা বাগধারার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
39

‘Prior to’ means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. after
  2. before
  3. immediately
  4. during the period of

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Prior to' -এর অর্থ হচ্ছে পূর্ববর্তী, পূর্বতন, পূর্বে, আগে ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

‘Prior to’ একটি Prepositional Phrase, যার বাংলা অর্থ হলো ‘পূর্বে’ বা ‘আগে’
এটি কোনো নির্দিষ্ট ঘটনা, সময় বা তারিখের পূর্ববর্তী মুহূর্তকে বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: 'Prior to the meeting, we reviewed the agenda' (সভার আগে আমরা কার্যসূচি পর্যালোচনা করেছিলাম)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘before’ শব্দটির অর্থও হলো ‘পূর্বে’ বা ‘আগে’। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যদিকে, ‘after’ এর অর্থ ‘পরে’ এবং ‘during the period of’ অর্থ ‘সময়কালে’, যা বিপরীত বা ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
40

Nobody knocked him down; it was an–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. incident
  2. occurrence
  3. accident
  4. event

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

knock down→ আঘাতে কোন কিছুর বা কোন ব্যক্তি পড়ে যাওয়া। এখানে বাক্যটির অর্থ কেউ তাকে ফেলেনি। এটা একটা দুর্ঘটনা। সাধারণত ঘটনা বোঝাতে incident আর দুর্ঘটনা বা mishap বলতে accident ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: (c) accident (দুর্ঘটনা)।
বাক্যটির অর্থ হলো: 'কেউ তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়নি; এটা ছিল একটি—'। বাক্যটির প্রথম অংশ ('Nobody knocked him down') নিশ্চিত করছে যে কাজটি ইচ্ছাকৃত ছিল না
যে ঘটনাটি অনিচ্ছাকৃতভাবে (unintentionally) ঘটে এবং যার ফলে সাধারণত ক্ষতি বা আঘাত হয়, তাকে accident বলা হয়। তাই অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে পড়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে 'accident' ব্যবহার করাই যৌক্তিক ও সঠিক।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, incident (ঘটনা) বা occurrence (ঘটা) হলো সাধারণ বা নিরপেক্ষ ঘটনা নির্দেশক। event হলো কোনো গুরুত্বপূর্ণ বা সুপরিকল্পিত অনুষ্ঠান/ঘটনা। এই প্রেক্ষাপটে, অনিচ্ছাকৃত ক্ষতির জন্য accident-ই উপযুক্ত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

বাংলাদেশ কত সালে ইসলামী সম্মেলন সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। কমনওয়েলথ, NAM, আইএমএফ, আইএলও, ইউনেস্কো প্রভৃতি সংস্থার সদস্যপদ বাংলাদেশ লাভ করে ১৯৭২ সালে। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ FAO, WMO, UPU -এর সদস্যপদ লাভ করে। উল্লেখ্য, ২৮ জুন, ২০১১ ইসলামী সম্মেলন সংস্থার নাম পরিবর্তন করে ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা রাখা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালের ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওআইসি শীর্ষ সম্মেলনে (OIC Summit) যোগদান করে সদস্যপদ লাভ করে।
এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও সুদৃঢ় হয়। বিশেষত, সম্মেলনের ঠিক আগে, ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি, পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
১৯৭২ সালে বাংলাদেশ কমনওয়েলথজাতিসংঘের বিভিন্ন সহযোগী সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে, কিন্তু ওআইসি নয়। তাই অন্যান্য অপশন ভুল।
42

NIPORT কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পোলট্রি ফার্ম বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  2. জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  3. নদীবন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
  4. বন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

NIPORT জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান। ১৯৭৭ সালে মধ্যম পর্যায়ে প্রোগ্রাম ম্যানেজার বা কর্মসূচি ব্যবস্থাপকদের প্রশিক্ষণদানের জন্য ‘ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব পপুলেশন ট্রেনিং’ (NIPOT) স্থাপন করা হয়। পরে এ সংস্থাটিকে আরও সম্প্রসারণ করা হয় এবং এর নতুন নাম করা হয় ‘National Institute of Population Rescarch and Training’ (NIPORT)। নদী বন্দর বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ‘নদী গবেষণা ইনস্টিটিউট’ River Research Institute (RRI).

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জনসংখ্যা বিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান
NIPORT-এর পূর্ণরূপ হলো National Institute of Population Research and Training
এর বাংলা নাম হলো জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
এই প্রতিষ্ঠানটি মূলত দেশের জনসংখ্যা, পরিবার পরিকল্পনা এবং মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য (Maternal and Child Health) সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা পরিচালনা ও প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে এটিই সঠিক।
অন্যান্য অপশনগুলো (পোলট্রি ফার্ম, নদীবন্দর বা বন্দর বিষয়ক) NIPORT-এর কর্মক্ষেত্রের বাইরে।
43

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’ বলা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ নং অনুচ্ছেদে
  2. ২১ (২) নং অনুচ্ছেদে
  3. ২৭ নং অনুচ্ছেদে
  4. ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগের ১০নং অনুচ্ছেদে ‘সমাজতন্ত্র ও শোষণমুক্তি’ ২১(২) নং অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত ব্যক্তির কর্তব্য সম্পর্কে বলা হয়েছে। তৃতীয় ভাগের ২৭নং অনুচ্ছেদে ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ এবং ২৮(২)নং অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার বিষয়ে বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৮ (২) নং অনুচ্ছেদে
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই বিষয়টি স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। ২৮ নং অনুচ্ছেদ মূলত নাগরিকগণের বৈষম্য নিষিদ্ধকরণ সংক্রান্ত।
অনুচ্ছেদ ২৮ এর (২) উপ-অনুচ্ছেদটিতে সরাসরি বলা হয়েছে: ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।’ এটি বাংলাদেশের নারী অধিকারের সাংবিধানিক মূল ভিত্তি।
অপরদিকে, ২৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে: সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী।
১০ নং অনুচ্ছেদে বলা আছে: জাতীয়তা।
২১ (২) নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব সম্পর্কিত বিধান রয়েছে, যা এক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক।
44

UNDP রিপোর্ট সেপ্টেম্বর ২০০৫ সাল মোতাবেক বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৪৪ ডলার
  2. ৭৭০ ডলার
  3. ১০৭০ ডলার
  4. ১৭৭০ ডলার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২: ● বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা→ ১৬ কোটি ৯১ লক্ষ ● জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার→ ১.৩৭% ● জনসংখ্যার ঘনত্ব→ ১১৪০ জন ● মাথাপিছু জাতীয় আয়→ ২৮২৪ জলার ● জিডিপির প্রবৃদ্ধির হার→ ৭.২৫%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৭৭০ ডলার। এই প্রশ্নটি ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার রিপোর্টের সাথে সম্পর্কিত।
২০০৫ সালের সেপ্টেম্বর মাসে প্রকাশিত UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)-এর মানব উন্নয়ন রিপোর্ট (Human Development Report, HDR) ২০০৫ অনুযায়ী, ওই সময়ে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় (ক্রয়ক্ষমতার সমতা বা PPP ভিত্তিতে) ছিল $১৭৭০ ডলার
অন্যান্য অপশন যেমন $৪৪৪ ডলার, এটি ছিল প্রায় সেই সময়ের কাছাকাছি সময়ে বাংলাদেশের সরকারি হিসাব অনুযায়ী সাধারণ (Nominal) মাথাপিছু আয়। ইউএনডিপি (UNDP) বা বিশ্বব্যাংক যখন ক্রয়ক্ষমতার সমতা (PPP - Purchasing Power Parity) ব্যবহার করে তখন আয় অনেক বেশি দেখায়, যা জীবনযাত্রার মানের প্রকৃত তুলনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
45

স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদানের জন্যে ‘বীরপ্রতীক’ উপাধি লাভ করে কতজন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য মোট ৬৭৬ জনকে বীরত্বসূচক উপাধি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে ৭ জনকে বীরশ্রেষ্ঠ, ৬৮ জনকে বীর উত্তম, ১৭৫ জনকে বীর বিক্রম এবং ৪২৬ জনকে বীর প্রতীক উপাধি প্রদান করা হয়। ৪২৬ জন বীরপ্রতীকের মধ্যে ক্যাপ্টেন সিতারা বেগম (সেনাবাহিনী, ২নং সেক্টর) এবং মোসাম্মৎ তারামন বেগম (গণবাহিনী, ১১ নং সেক্টর) এ দুজন হলেন নারী বীর প্রতীক। জুন, ২০২১ এ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে জারীকৃত প্রজ্ঞাপনে ১ জন বীর উত্তম, ১ জন বীর বিক্রম ও ২ জন বীর প্রতীক এর খেতাব বাতিল করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে অসাধারণ বীরত্ব ও আত্মত্যাগের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ সরকার মোট ৪টি ক্যাটাগরিতে খেতাব প্রদান করে। খেতাবগুলোর সর্বনিম্ন স্তর হলো বীরপ্রতীক
স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরপ্রতীক খেতাব লাভ করেন মোট ৪২৬ জন
খেতাবপ্রাপ্ত মোট মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা ৬৭৬ জন। খেতাবগুলোর তালিকা নিম্নরূপ:
১. বীরশ্রেষ্ঠ: ৭ জন
২. বীর উত্তম: ৬৮ জন
৩. বীর বিক্রম: ১৭৫ জন
৪. বীর প্রতীক: ৪২৬ জন
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশের ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনাজপুর
  2. গোপালপুর
  3. পাকশী
  4. ঈশ্বরদী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পাবনা জেলার ঈশ্বরদীতে 'বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট' অবস্থিত। ১৯৩১ সালে ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল 'ইক্ষু চারা পরীক্ষা কেন্দ্র' নামে একটি প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে একটি জাতীয় স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়ে নাম ধারণ করেছে ‘বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’। যা বর্তমান নামে পরিবর্তন করা হয় ১ নভেম্বর, ২০১৫ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঈশ্বরদী
পূর্ণাঙ্গভাবে প্রতিষ্ঠানটির নাম হলো বাংলাদেশ ইক্ষু গবেষণা ইনস্টিটিউট (BSRI)
এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রাচীন কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, যা মূলত ইক্ষু বা আখের চাষ, উৎপাদন এবং উন্নত মান অর্জনে গবেষণা করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো (দিনাজপুর, গোপালপুর, পাকশী) এই গবেষণা প্রতিষ্ঠানের মূল কেন্দ্র নয়।
47

রাজারবাগ পুলিশ লাইনে ‘দুর্জয়’ ভাস্কর্যটির শিল্পী কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুর রহমান
  2. মৃণাল হক
  3. শামিম শিকদার
  4. নভেরা আহমেদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দুর্জয়' ভাস্কর্যটির শিল্পী মৃণাল হক। তার অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম হচ্ছে মতিঝিল বিমান অফিসের সামনের 'বলাকা' এবং রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের 'গোল্ডেন জুবিলি টাওয়ার'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৃণাল হক
রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সে অবস্থিত এই ভাস্কর্যটির নাম ‘দুর্জয়’। এটি মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রতিরোধ এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইন্সের বীরত্বপূর্ণ লড়াইয়ের স্মারক হিসেবে নির্মিত।
মৃণাল হক বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের একজন অন্যতম প্রধান শিল্পী। তাঁর অন্যান্য জনপ্রিয় ভাস্কর্য হলো—রাজু ভাস্কর্য (টিএসসি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়), জননী ও গর্বিত বর্ণমালা (পুলিশ সদর দপ্তর)।
অন্যান্য শিল্পী: হামিদুর রহমান হলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি। শামিম শিকদার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বোপার্জিত স্বাধীনতা ভাস্কর্যটির শিল্পী। নভেরা আহমেদ বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য শিল্পের অন্যতম পথিকৃৎ।
48

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সাবমেরিন কেবলস অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপন করার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে কত দূরত্বের ব্যয় বহন করতে হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭০০ কিমি
  2. ৫৭০ কিমি
  3. ৩০০ কিমি
  4. ১৭০ কিমি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২৭ মার্চ ২০০৪ দুবাইয়ে বাংলাদেশ সরকার সাবমেরিন ক্যাবলের নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। ১৪টি দেশের ১৬টি টেলিকম প্রতিষ্ঠানের সমন্বয়ে গঠিত কনসোর্টিয়াম দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া-মধ্যপ্রাচ্য পশ্চিম ইউরোপ -৪ (SEA-ME-WE-4) এর সাথে এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করে তথ্যপ্রযুক্তির সুপার হাইওয়েতে । ফ্রান্সের মার্সাই থেকে সিঙ্গাপুর পর্যন্ত ২২ হাজার কিলোমিটার দীর্ঘ এ সংযোগ লাইনে বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য ১ হাজার ২৪০ কিলোমিটার। বাংলাদেশ কক্সবাজারে এ নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হয়। ঢাকা ও চট্টগ্রামের মধ্যে ফাইবার অপটিক ক্যাবল সংযোগ রয়েছে। তাই চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার স্থাপনের জন্য ১৭০ কিমি দূরত্বের ব্যয় সরকারকে বহন করতে হয়। ২১ মে ২০০৬ সাবমেরিন ক্যাবল উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ তথ্যপ্রযুক্তির এ মহাসরকে যুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭০ কিমি
বাংলাদেশ সরকার আন্তর্জাতিক সাবমেরিন কেবলস কনসোর্টিয়াম SEA-ME-WE 4-এ যুক্ত হওয়ার পর এই কেবলের একমাত্র ল্যান্ডিং স্টেশন কক্সবাজার থেকে দেশের মূল জাতীয় ট্রান্সমিশন ব্যাকবোন চট্টগ্রাম পর্যন্ত অপটিক্যাল ফাইবার সংযোগ স্থাপন করে।
এই অভ্যন্তরীণ সংযোগের মোট দূরত্ব হলো প্রায় ১৭০ কিলোমিটার (নির্দিষ্টভাবে ১৭১ কিমি), যার অবকাঠামো স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের ব্যয়ভার সরকার বহন করে। এই ১৭০ কিমি দূরত্বই প্রশ্নের মূল প্রতিপাদ্য।
উল্লেখ্য, ৫৭০ কিমি বা ৭০০ কিমি হলো আন্তর্জাতিক কেবলের মোট দীর্ঘ পথ, যা চট্টগ্রাম-কক্সবাজারের অভ্যন্তরীণ সংযোগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়।
49

রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাসে অবস্থিত মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিস্তম্ভের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিজয়স্তম্ভ
  2. বিজয়কেতন
  3. স্বাধীনতা সোপান
  4. রক্ত সোপান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রক্ত সোপান
মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভটি গাজীপুর জেলার রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস-এ অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সামরিক ঐতিহ্য এবং স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগের প্রতীক বহন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন স্মৃতিস্তম্ভের নাম। যেমন, বিজয়কেতন স্মৃতিস্তম্ভটি মুন্সিগঞ্জ পুলিশ লাইন-এ অবস্থিত।
50

বাংলাদেশের পোস্টাল একাডেমি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. ঢাকা
  3. চট্টগ্রাম
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ডাক বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের প্রশিক্ষণ দানের লক্ষ্যে ১৯৮৬ সালে রাজশাহীতে একটি পোস্টাল একাডেমি স্থাপন করা হয়েছে। ডাক বিভাগের পুরনো ঐতিহ্য এবং নিদর্শনসমূহ সংরক্ষণের লক্ষ্যে ৯ সেপ্টেম্বর, ১৯৬৬ সালে ঢাকা জিপিওতে একটি পোস্টাল মিউজিয়াম চালু হয়, যা ১৯৮০ সালের ৩০ জানুয়ারি পূর্ণাঙ্গ পোস্টাল মিউজিয়াম হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাজশাহী
বাংলাদেশের ডাক বিভাগের উচ্চতর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হলো পোস্টাল একাডেমি, বাংলাদেশ (PAB)। এটি রাজশাহী শহরে অবস্থিত।
পোস্টাল একাডেমিটি মূলত ডাক বিভাগের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রশিক্ষণের জন্য প্রতিষ্ঠিত। এটি ১৯৮৬ সালে রাজশাহী শহরে যাত্রা শুরু করে।
ঢাকা অপশনে অনেক প্রশাসনিক প্রতিষ্ঠান থাকলেও পোস্টাল একাডেমি রাজশাহীতে অবস্থিত, যা প্রায়শই প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে থাকে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

প্রস্তাবিত পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য কত কিমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5.03
  2. 6.03
  3. 4.8
  4. 6.8
  5. Blank

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কিলোমিটার। এর আগে এ সেতুর দৈর্ঘ্য ছিল ৫.৮ কিলোমিটার। এখন দু'প্রান্তের সংযোগ সড়কসহ এ সেতুর দৈর্ঘ্য ১২.১৬ কিলোমিটার। পদ্মাসেতু দোতলা, এর উপরে চার লেনের সড়ক, নিচে রেল। সেতুর প্রস্থ ১৮.১০ মিটার (পূর্বে ছিল ২৫ মিটার)।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি পুরোনো বা বিকল্পগুলোতে সঠিক উত্তর অনুপস্থিত। তবে বিসিএস পরীক্ষায় এখন সর্বদা সেতুর **চূড়ান্ত ও প্রকৃত দৈর্ঘ্য** চাওয়া হয়।
পদ্মা বহুমুখী সেতুর (Padma Multipurpose Bridge) মূল সেতুর দৈর্ঘ্য হলো ৬.১৫ কিলোমিটার (৬,১৫০ মিটার)। এটি রেল ও সড়কপথ উভয়ের জন্যই নির্মিত হয়েছে।
প্রশ্নের বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনোটিই ৬.১৫ কিমি নয়। ৬.০৩ কিমি একটি পুরোনো বা ভুল তথ্য হিসেবে বাজারে প্রচলিত ছিল, কিন্তু সঠিক তথ্যটি হলো ৬.১৫ কিমি
সেতুর মোট পিলার সংখ্যা হলো ৪২টি এবং স্প্যান সংখ্যা ৪১টি
সংযোগ সড়ক (Link Road) সহ সেতুর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ৯.৮৩ কিলোমিটার
52

বাংলাদেশে সর্বপ্রথম কোন মহিলা টেস্টটিউব শিশুর মা হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পারভীন ফাতেমা
  2. ফিরোজা বেগম
  3. রওশন জাহান
  4. কানিজ ফাতেমা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৩০ মে ২০০১ ধানমণ্ডির সেন্ট্রাল হসপিটালে জন্মলাভ করে হীরা, মণি ও মুক্তা নামে ৩টি টেস্ট টিউব শিশু। এদের বাবা-মা ছিলেন আবু হানিফ ও ফিরোজা বেগম এবং এ প্রকল্পের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ডা. পারভীন ফাতেমা ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফিরোজা বেগম
বাংলাদেশে সর্বপ্রথম টেস্টটিউব শিশুর মা হওয়ার বিরল সম্মান অর্জন করেন ফিরোজা বেগম। তিনি ২০০০ সালের ২৯ মে (কোনো কোনো সোর্স ৩০ মে উল্লেখ করে) ঢাকার একটি ক্লিনিকে একইসঙ্গে তিনটি কন্যা সন্তানের (ত্রিপ্লেটস) জন্ম দেন।
বাচ্চা তিনটির নাম রাখা হয়: হীরা, মণি, ও মুক্তা। এটি ছিল বাংলাদেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী অর্জন।
অপশনে থাকা পারভীন ফাতেমা ছিলেন সেই চিকিৎসা দলের প্রধান, যিনি এই প্রক্রিয়ার সফল নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি মা নন, বরং সফল চিকিৎসক।
53

বাংলাদেশ জাতীসংঘের কততম সদস্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩৬ তম
  2. ১৩৭ তম
  3. ১৩৮ তম
  4. ১৩৯ তম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য। ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯তম অধিবেশনে ৩টি দেশ সদস্যপদ লাভ করে। এগুলো হচ্ছে – ‘বাংলাদেশ’, ‘গ্রানাডা’ এবং ‘গিনি বিসাউ’। এর পূর্বে জাতিসংঘের সদস্য দেশ ছিল ১৩৫টি। ১৯৭৪ সালের সদস্যপদ লাভকারী দেশ ৩টি নিয়ে জাতিসংঘের সদস্য সংখ্যা দাড়ায় ১৩৮টিতে। তবে বর্ণক্রমানুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬তম, গ্রানাডা ১৩৭ তম এবং গিনি বিসাউ ১৩৮তম সদস্যপদ লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) ১৩৬ তম
বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের সদস্যপদ লাভ করে। সদস্য হিসেবে এটি ছিল ১৩৬ তম দেশ।
জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে (29th session of the General Assembly) বাংলাদেশকে সদস্য হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
ঐ দিন বাংলাদেশ ছাড়াও গ্রানাডা (১৩৫তম) এবং গিনি-বিসাউ (১৩৭তম) সদস্যপদ লাভ করে। তবে জাতিসংঘের সদস্যভুক্তির তালিকায় একই দিনে প্রবেশ করায় বিভিন্ন উৎস ১৩৬ তম হিসেবেই বাংলাদেশকে গণ্য করে, কারণ গ্রানাডা সামান্য আগে আসায় ১৩৫তম স্থান পায়।
অন্যান্য অপশন (১৩৭ তম, ১৩৮ তম, ১৩৯ তম) ভুল তথ্য নির্দেশ করে।
54

কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তানভীর কবীর
  2. হামিদুর রহমান
  3. হামিদুজ্জামান
  4. অস্কার বাদল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির ভাষা শহিদদের স্মরণে ১৯৫২ -এর ২৩ ফেব্রুয়ারি প্রথম শহিদ মিনার স্থাপিত হলেও এর স্থায়িত্ব ছিল কম। তারপর হামিদুর রহমানের নকশা ও পরিকল্পনায় ১৯৫৭ সালের নভেম্বর মাসে দ্বিতীয় বারের মতো শহিদ মিনারের নির্মাণ কাজ শুরু হয় এবং ১৯৫৮ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি উদ্ধোধন করা হয়। এরপর বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর পূর্বের নকশা অনুযায়ী শিল্পী হামিদুর রহমান স্থপতি এম এস জাফরের সঙ্গে মিলিতভাবে স্বাধীন বাংলাদেশে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার পুননির্মাণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হামিদুর রহমান
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের মূল নকশাকার (স্থপতি) হলেন শিল্পী হামিদুর রহমান। তিনি ১৯৫৬ সালে এই মিনারটির নকশা প্রণয়ন করেন, যা ছিল শহীদদের আত্মত্যাগের প্রতীকী প্রকাশ।
এই নকশা বাস্তবায়নে তাঁকে সহযোগিতা করেন ভাস্কর নভেরা আহমেদ। তাঁরা এই স্থাপত্যকে এমনভাবে রূপ দেন, যেখানে মা ও সন্তানের প্রতীকী রূপ ফুটিয়ে তোলা হয়।
অন্যান্য অপশন: হামিদুজ্জামান হলেন আধুনিক যুগের বিখ্যাত ভাস্কর, যিনি অপরাজেয় বাংলা (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) এবং মুক্তিযোদ্ধা (জল্লাদখানা বধ্যভূমি স্মৃতিসৌধ)-এর স্থপতি হিসেবে পরিচিত। তাঁর সাথে প্রায়ই কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের স্থপতির নাম গুলিয়ে ফেলা হয়।
55

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম বাংলাদেশী সভাপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বি এ সিদ্দিকী
  2. খাজা ওয়াসিউদ্দিন
  3. হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
  4. শমসের মবিন চৌধুরী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৩৯তম অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। এ সময় সাধারণ পরিষদের বেশ কটি অধিবেশনে তিনি ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে সভাপতিত্ব করেন। ১৯৮৬ সালের ১৬ ডিসেম্বর তিনি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৪১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলাদেশী সভাপতি হলেন হুমায়ুন রশীদ চৌধুরী
তিনি জাতিসংঘের ৪১তম সাধারণ অধিবেশন (৪৬তম নয়) (১৯৮৬-১৯৮৭) এর সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এটি বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গর্বের বিষয় ছিল।
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে সাধারণত এক বছরের জন্য সদস্য রাষ্ট্রগুলো থেকে একজন নির্বাচিত হন, যিনি সেই সময়কালে রাষ্ট্রপ্রধানের মর্যাদা লাভ করেন।
অন্যান্য অপশন যেমন বি এ সিদ্দিকী, খাজা ওয়াসিউদ্দিন এবং শমসের মবিন চৌধুরী বাংলাদেশের কৃতি কূটনীতিক ও সামরিক ব্যক্তিত্ব হলেও তারা কেউ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি ছিলেন না।
56

স্বাধীনতা যুদ্ধে অবদান রাখার জন্য কতজন মহিলাকে বীরপ্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ জন
  2. ৭ জন
  3. ২ জন
  4. ৬ জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার দু'জন মহিলাকে বীর প্রতীক খেতাবে ভূষিত করে। তারা হচ্ছেন ক্যাপ্টেন সেতারা বেগম (সেনাবাহিনী, ২নং সেক্টর) এবং মোসাম্মৎ তারামন বেগম (গণবাহিনী, ১১নং সেক্টর)। ক্যাপ্টেন সেতারা বেগমকে ঐ সময় চিহ্নিত করা হলেও, তারামন বেগমকে দীর্ঘ ২৪ বছর পর ডিসেম্বর ১৯৯৫-এ চিহ্নিত করা হয়। ১৯ ডিসম্বের ১৯৯৫ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে তারামন বেগমকে বীর প্রতীক খেতাব প্রদান করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ জন
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য সাহসিকতা ও বীরত্বের জন্য সর্বমোট দু'জন মহিলাকে বীর প্রতীক উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
এই দু'জন বীরাঙ্গনা হলেন:
১. ডা. সিতারা বেগম (সেক্টর-২ এর অধীনে একটি ফিল্ড হাসপাতালে চিকিৎসা সেবার জন্য)।
২. তারামন বিবি (১১ নং সেক্টরের অধীনে সশস্ত্র যুদ্ধে অংশগ্রহণ করার জন্য)।
মোট ৬৭৬ জনকে স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বসূচক খেতাব দেওয়া হয়, যার মধ্যে নারী মুক্তিযোদ্ধা কেবল এই ২ জনই বীর প্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত।
57

কর্মসংস্থান ব্যাংক প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1998
  2. 1995
  3. 1996
  4. 2001

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শিক্ষিত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ১৯৯৮ সালের ৩০ জুন প্রতিষ্ঠিত হয় কর্মসংস্থান ব্যাংক। এর সদর দপ্তর ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত। এটি রাষ্ট্র পরিচালিত একটি প্রতিষ্ঠান। এতে রয়েছে ১৫ সদস্যবিশিষ্ট একটি পরিচালনা পরিষদ। চেয়ারম্যান সরকার কর্তৃক নিয়ন্ত্রিত থাকবেন। শেয়ার মালিকরা ৫ জন পরিচালক নির্বাচন করতে পারবেন। ৪০০ কোটি টাকা মূলধন নিয়ে এ ব্যাংক যাত্রা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৮
কর্মসংস্থান ব্যাংক (Karmasangsthan Bank) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৮ সালের ২০ জুন। তবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ থেকে।
এই ব্যাংকটি মূলত কর্মসংস্থান ব্যাংক আইন, ১৯৯৮ এর অধীনে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটি বাংলাদেশের বিশেষায়িত রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক, যার প্রধান উদ্দেশ্য হলো শিক্ষিত বেকার যুবক-যুবতীদের আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগিতা করা।
58

লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের কততম স্থানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম
  2. ৭ম
  3. ৮ম
  4. ১০ম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

UNFPA-এর জনসংখ্যা বিষয়ক রিপোর্ট ২০০৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের ৭ম জনসংখ্যার দেশ এবং UNFPA- এর জনসংখ্যা রিপোর্ট ২০০৫- এ বাংলাদেশের অবস্থান দাঁড়ায় অষ্টমে। সর্বশেষ ২০২২ সালের UNFPA রিপোর্ট মতে বাংলাদেশ বিশ্বের অষ্টম জনসংখ্যার দেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ম
জাতিসংঘের 'World Population Prospects 2022' (যা বর্তমানে বিসিএস পরীক্ষার জন্য স্ট্যান্ডার্ড রেফারেন্স) অনুযায়ী, লোকসংখ্যার দিক থেকে বাংলাদেশ বিশ্বের ৮ম স্থানে রয়েছে।
২০২৩ সালের মাঝামাঝি সময়ের হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশের বর্তমান জনসংখ্যা প্রায় ১৭.৪ কোটি (UNFPA estimate)।
59

সেন্ট মার্টিন দ্বীপের আয়তন কত বর্গ কিলোমিটার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8
  2. 10
  3. 12
  4. 14

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। দ্বীপটির স্থানীয় নাম ‘নারিকেল জিঞ্জিরা’। এর অবস্থান-টেকনাফ, কক্সবাজার (নাফ নদীর মোহনায়)।

ব্যাখ্যা

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন সম্পর্কিত তথ্য বিভিন্ন উৎসে সামান্য ভিন্ন হলেও, বিসিএস পরীক্ষার জন্য স্বীকৃত উত্তর হলো প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার
এটি সাধারণত ৭.৫ থেকে ৯ বর্গ কিলোমিটারের মধ্যে পরিমাপ করা হয়। অপশনের মধ্যে ৮ বর্গ কিলোমিটার (ক) সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রথাগতভাবে গৃহীত সঠিক উত্তর।
60

বাংলাদেশে পরমাণু শক্তি কমিশন গঠিত হয় কোন সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1972
  2. 1973
  3. 1975
  4. 1997

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের একমাত্র পরমাণু শক্তি গবেষণা ও উন্নয়ন প্রতিষ্ঠান ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৭৩ সাল।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দূরদর্শী পরিকল্পনা অনুযায়ী, পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ১৯৭৩ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রপতির আদেশবলে (P. O. 15 of 1973) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন (Bangladesh Atomic Energy Commission - BAEC) গঠিত হয়।
এটি ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার পর দেশের বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য নেওয়া অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
61

২০০৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে সর্বপ্রথম কোন হারিকেনটি আঘাত হানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেনিস
  2. ক্যাটরিনা
  3. আইভান
  4. রিটা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০০৫ সালের ২৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঙ্গরাজ্য লুইজিয়ানার 'গ্র্যান্ড ইল' এলাকায় প্রথম আঘাত হানে ঘূর্ণিঝড় 'ক্যাটরিনা'।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্যাটরিনা। যদিও ২০০৫ সালে এর আগে হারিকেন ডেনিস জুলাই মাসে আঘাত হেনেছিল, কিন্তু 'দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলে' ব্যাপক ধ্বংসাত্মক হিসেবে সর্বপ্রথম যে হারিকেনটি আঘাত হানে এবং আন্তর্জাতিকভাবে আলোচিত হয়, তা হলো হারিকেন ক্যাটরিনা
হারিকেন ক্যাটরিনা ২০০৫ সালের আগস্ট মাসের ২৯ তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের উপসাগরীয় অঞ্চলের লুইজিয়ানা (বিশেষত নিউ অরলিন্স), মিসিসিপি এবং আলাবামায় আঘাত হানে। এটি ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে অন্যতম মারাত্মক ও ব্যয়বহুল প্রাকৃতিক দুর্যোগ।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
ডেনিস (Dennis): এটি ২০০৫ সালের জুলাই মাসে আঘাত হেনেছিল। ক্যাটরিনার চেয়ে এর তীব্রতা কম ছিল।
আইভান (Ivan): এটি ২০০৪ সালের হারিকেন, যা ২০০৫ সালের প্রশ্নের সাথে প্রাসঙ্গিক নয়।
রিটা (Rita): এটি ক্যাটরিনার পরে ২০০৫ সালের সেপ্টেম্বরে আঘাত হেনেছিল।
62

মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল অর্জন করার কথা কোন সময়ে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১০ সালে
  2. ২০১৫ সালে
  3. ২০২০ সালে
  4. ২০২৫ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোল (MDG) ২০০০ সালে অনুষ্ঠিত সহস্রাব্দ উন্নয়ন সম্মেলনে গৃহীত ঐতিহাসিক 'সহস্রাব্দ উন্নয়ন ঘোষণা' । যাতে বিশ্ববাসীর জন্য ২০১৫ সালের মধ্যে অর্জনযোগ্য আটটি লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়। এ লক্ষ্যগুলো হলো ১. চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূলকরণ, ২. সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা- অর্জন, ৩. নারী -পুরুষ সমতা অর্জন ও নারীর ক্ষমতায়নে উৎসাহ দান, ৪. শিশু মৃত্যুর হার হ্রাসকরণ, ৫. মাতৃস্বাস্থ্যের উন্নয়ন, ৬. এইচআইভি/ এইডস, ম্যালেরিয়া ও অন্যান্য রোগ নির্মূল, ৭. পরিবেশগত স্থিতিশীলতা নিশ্চিতকরণ, ৮. সার্বিক উন্নয়নের জন্য বিশ্বব্যাপী অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২০১৫ সালে
জাতিসংঘের Millennium Summit-এ ২০০০ সালে সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (Millennium Development Goals - MDG) গ্রহণ করা হয়।
এই লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য নির্ধারিত সময়সীমা ছিল ১৫ বছর, অর্থাৎ ২০০১ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত। এই লক্ষ্যগুলোর মাধ্যমে দারিদ্র্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং পরিবেশ সংক্রান্ত ৮টি প্রধান চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করার অঙ্গীকার করা হয়েছিল।
তাই MDG অর্জন করার সময়সীমা হলো ২০১৫ সাল
63

কোন দেশটি স্ক্যানডিনেভিয়ার অন্তর্ভুক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেনমার্ক
  2. ফিনল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ডস
  4. যুক্তরাষ্ট্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্ক্যান্ডিনেভিয়া' হচ্ছে ইউরোপ মহাদেশের উত্তরাঞ্চলের একটি এলাকার নাম। স্ক্যান্ডিনেভিয়া বলতে ৫ টি দেশ বুঝায়। এগুলো হচ্ছে: ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, নরওয়ে এবং সুইডেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেদারল্যান্ডস
নেদারল্যান্ডস উত্তর-পশ্চিম ইউরোপের একটি দেশ, যা বেনেলুক্স (Benelux) জোটের অন্তর্ভুক্ত। এটি স্ক্যানডিনেভিয়ার অংশ নয়।
ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক দিক থেকে স্ক্যানডিনেভিয়া অঞ্চলে প্রধানত তিনটি দেশ অন্তর্ভুক্ত: ডেনমার্ক, নরওয়ে এবং সুইডেন
যদিও ফিনল্যান্ড স্ক্যানডিনেভিয়ান উপদ্বীপের অংশ নয়, তবুও অনেক আন্তর্জাতিক প্রশ্নে এটিকে ডেনমার্ক ও অন্যান্য দেশের সাথে একই অঞ্চলে (বৃহত্তর নর্ডিক অঞ্চল) অন্তর্ভুক্ত ধরা হয়। কিন্তু নেদারল্যান্ডস এই দুই অঞ্চলের কোনোটিরই সদস্য নয়।
64

মুসলমান প্রধান না হয়েও কোন দেশটি ইসলামী সহযোগিতা সংস্থার সদস্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইজেরিয়া
  2. লেবানন
  3. নাইজার
  4. উগান্ডা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation) মূলত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশের সংগঠন। উপরিউক্ত দেশগুলোর মধ্যে মুসলমানদের সংখ্যা নাইজেরিয়ায় ৬৪%, লেবাননে ৫৭%, নাইজারে ৯৭% এবং উগান্ডায় ৩৬% ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উগান্ডা
ইসলামী সহযোগিতা সংস্থা (OIC)-এর মোট সদস্য দেশ ৫৭টি। সাধারণত মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশগুলোই এর সদস্য হয়, তবে কিছু দেশ ব্যতিক্রম আছে যাদের মুসলিম জনসংখ্যা কম হলেও তারা সদস্য।
উগান্ডা একটি স্পষ্ট ব্যতিক্রম। উগান্ডার মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮৪-৮৫% খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী এবং মুসলিম জনসংখ্যা মাত্র ১৪-১৬%। উগান্ডা ১৯৭৪ সালে OIC-এর সদস্যপদ লাভ করে।
অন্যদিকে, নাইজেরিয়া, লেবানন এবং নাইজার এই তিনটি দেশেই মুসলিম জনসংখ্যা সংখ্যাগরিষ্ঠ অথবা উল্লেখযোগ্যভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ (নাইজেরিয়াতে প্রায় ৫০% এর বেশি, নাইজারে প্রায় ৯৮%, এবং লেবাননে প্রায় ৬০%)।
65

কিউবায় ক্ষেপণাস্ত্র সঙ্কটের সময় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিচার্ড এম নিক্সন
  2. জন এফ কেনেডি
  3. লিন্ডন বেইনস জনসন
  4. হ্যারি এস ট্রুম্যান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জন এফ কেনেডি ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট। তিনি আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় সঙ্কট মোকাবিলা করেন ১৯৬২ সালের কিউবার ক্ষেপনাস্ত্র সংকট। কিউবায় সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ক্ষেপণাস্ত্র মোতায়েন করলে এই সঙ্কটের সৃষ্টি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জন এফ কেনেডি (John F Kennedy)।
কিউবার ক্ষেপণাস্ত্র সংকট বা Cuban Missile Crisis সংঘটিত হয়েছিল অক্টোবর ১৯৬২ সালে। এই সময়ে জন এফ কেনেডি (JFK) ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৩৫তম প্রেসিডেন্ট (১৯৬১–১৯৬৩)।
এই ১৩ দিনের সংকটকে স্নায়ুযুদ্ধের (Cold War) ইতিহাসে সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্ত হিসেবে গণ্য করা হয়, যখন বিশ্ব পারমাণবিক যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গিয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: হ্যারি এস ট্রুম্যান (১৯৪৫-৫৩) এবং রিচার্ড নিক্সন (১৯৬৯-৭৪) সংকটের সময়ের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না। লিন্ডন বেইনস জনসন প্রেসিডেন্ট হন কেনেডির মৃত্যুর পর (১৯৬৩)।
66

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রেসিডেন্ট ১২ বছর ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হ্যারি এস ট্রুম্যান
  2. ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট
  3. জেমস মনরো
  4. তথ্যটি সঠিক নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বেশি সময় ক্ষমতায় ছিলেন ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত ৩২তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। তিনি তিন মেয়াদে ১৯৩৩ থেকে ১৯৪৫ পর্যন্ত ১২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। তার সময়েই শুরু হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ। হ্যারি এস ট্রুম্যান ডেমোক্র্যাট দল থেকে নির্বাচিত যুক্তরাষ্ট্রের ৩৩তম প্রেসিডেন্ট। তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৪৫ -১৯৫৩ সাল পর্যন্ত ২ মেয়াদে ৮ বছর। তার আদেশেই হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে পারমাণবিক হামলা চালানো হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt)
তিনি ছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র প্রেসিডেন্ট, যিনি পরপর চারবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন।
তার প্রথম নির্বাচন ছিল ১৯৩২ সালে। তিনি ১৯৩৩ সালের ৪ মার্চ থেকে ১৯৪৫ সালের ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ১২ বছর ১ মাস ৮ দিন ক্ষমতায় ছিলেন। প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সংবিধানের ২২তম সংশোধনী পাশের পর বর্তমানে একজন প্রেসিডেন্ট সর্বোচ্চ দুটি মেয়াদে (৮ বছর) ক্ষমতায় থাকতে পারেন।
এই সংশোধনী আনার কারণই ছিলেন ফ্রাঙ্কলিন রুজভেল্ট, যিনি নজিরবিহীনভাবে চার মেয়াদে নির্বাচিত হন।
67

ভারতীয় লোকসভার নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 543
  2. 545
  3. 414
  4. 540

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দ্বি-কক্ষ বিশিষ্ট ভারতীয় কেন্দ্রীয় পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষের নাম লোকসভা। ভারতের সংবিধান অনুযায়ী লোকসভার আসন সংখ্যা হতে পারবে সর্বোচ্চ ৫৫২। তবে বর্তমান লোকসভার সদস্য সংখ্যা ৫৪৫। এর মধ্যে নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা ৫৪৩ এবং অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য সংরক্ষিত ২টি আসনে রাষ্ট্রপতির মনোনীত অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান প্রার্থী প্রতিনিধিত্ব করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫৪৩ জন। ভারতের কেন্দ্রীয় আইনসভার নিম্নকক্ষের নাম হলো লোকসভা (Lok Sabha), যা সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়।
বর্তমানে লোকসভার সর্বোচ্চ সদস্য সংখ্যা ৫৫০ জন নির্ধারিত। তবে বর্তমানে কার্যকর নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা হলো ৫৪৩ জন
পূর্বে লোকসভায় ৫৪৩ জন নির্বাচিত এবং রাষ্ট্রপতি কর্তৃক ২ জন অ্যাংলো-ইন্ডিয়ান মনোনীত সদস্যসহ মোট ৫৪৫ জন সদস্য ছিলেন।
কিন্তু ২০২০ সালের ১০৪তম সংবিধান সংশোধনী (104th Constitutional Amendment) এর মাধ্যমে অ্যাংলো-ইন্ডিয়ানদের জন্য এই ২ টি মনোনয়ন আসন বাতিল করা হয়েছে। তাই এখন প্রশ্নটি ‘নির্বাচিত সদস্য সংখ্যা’ জানতে চাইলে সঠিক উত্তর হবে ৫৪৩
68

কোন দেশের মহিলারা সর্বপ্রথম ভোটাধিকার লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  2. নিউজিল্যান্ড
  3. বাহামা
  4. সুইজারল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে ১৮৯৩ সালে নিউজিল্যান্ডে নারীর ভোটাধিকার স্বীকৃত হয়। ভোটাধিকার প্রাপ্তির শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে এ দেশে ১৯৯৩ সালে রাজনৈতিক দলে নেতৃত্বের আনুপাতিক আইন পাস হয়। এই আইনে নিউজিল্যান্ডে পার্লামেন্টে নারীর ৩০ ভাগ আসন নিশ্চিত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রে মহিলারা ভোটাধিকার লাভ করে ১৯২০ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউজিল্যান্ড। বিশ্বের প্রথম স্বশাসিত দেশ হিসেবে নিউজিল্যান্ড ১৮৯৩ সালে মহিলাদের ভোটাধিকার (suffrage) প্রদান করে।
১৮৯৩ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর নিউজিল্যান্ডের গভর্নর লর্ড গ্লাসগো এই আইনটিতে স্বাক্ষর করেন এবং আইনটি কার্যকর হয়। এই সফল আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সমাজকর্মী কেট শেপার্ড (Kate Sheppard)
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯২০ সালে ১৯তম সংশোধনীর মাধ্যমে এবং সুইজারল্যান্ডের মহিলারা অত্যন্ত দেরিতে ১৯৭১ সালে পূর্ণ ভোটাধিকার লাভ করেন।
69

রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি নুমো (Chemical Weapons Convention) কোন সালে স্বাক্ষরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1990
  2. 1993
  3. 1996
  4. 1999

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৩ সালে রাসায়নিক অস্ত্র কনভেনশন (Chemical Weapons Convention) স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তিতে রাসায়নিক অস্ত্রের উন্নয়ন, উৎপাদন, মজুদ ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা ও এসব ধ্বংস করার ব্যবস্থা রয়েছে। এই চুক্তি ১৯৯৭ সালে থেকে কার্যকর করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৩
রাসায়নিক অস্ত্র চুক্তি (Chemical Weapons Convention - CWC) হলো একটি বহুপাক্ষিক আন্তর্জাতিক চুক্তি, যার মাধ্যমে রাসায়নিক অস্ত্রের উৎপাদন, মজুত ও ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
এই চুক্তিটি ১৩ জানুয়ারি, ১৯৯৩ সালে প্যারিসে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করা হয়। চুক্তিটি কার্যকর হয় এর চার বছর পর, ২৯ এপ্রিল, ১৯৯৭ সালে।
প্রশ্নে 'স্বাক্ষরিত হয়' জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক সালটি হলো ১৯৯৩
অন্যান্য সালগুলো (১৯৯০, ১৯৯৬, ১৯৯৯) এই চুক্তি স্বাক্ষরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
70

কোন পরিষদের সুপারিশক্রমে জাতিসংঘে নতুন সদস্য গ্রহণ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অছি পরিষদ
  2. সাধারণ পরিষদ
  3. নিরাপত্তা পরিষদ
  4. অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জাতিসংঘের নতুন সদস্য গ্রহণ করা হয় সাধারণ পরিষদের সদস্যদের ভোটের মাধ্যমে। তবে চূড়ান্তভাবে সদস্য গ্রহণের পূর্বে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সুপারিশের প্রয়োজন হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিরাপত্তা পরিষদ
জাতিসংঘ সনদের ৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে, কোনো রাষ্ট্রকে জাতিসংঘে নতুন সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার প্রক্রিয়াটি দুটি প্রধান ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমত, নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council) সদস্যপদ লাভের জন্য সুপারিশ করে।
নিরাপত্তা পরিষদের এই সুপারিশের পর, দ্বিতীয় ধাপে সাধারণ পরিষদ (General Assembly) উপস্থিত ও ভোটদানকারী সদস্যদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সদস্যপদ অনুমোদন (Approval) করে।
যেহেতু প্রশ্নে 'সুপারিশক্রমে' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তাই এর প্রাথমিক ও মূল দায়িত্বে থাকা পরিষদটি হলো নিরাপত্তা পরিষদ
যদি নিরাপত্তা পরিষদ সুপারিশ করতে অস্বীকার করে (যেমন কোনো স্থায়ী সদস্য ভেটো দিলে), তবে সাধারণ পরিষদ ঐ রাষ্ট্রের সদস্যপদ অনুমোদন করতে পারে না।
71

কোন মুসলিম মনীষী সর্বপ্রথম নোবেল পুরস্কার পান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইয়াসির আরাফাত
  2. নাগীব মাহফুজ
  3. আনোয়ার সাদাত
  4. প্রফেসর আব্দুস সালাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭৮ সালে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত প্রথম মুসলিম হিসেবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। পাকিস্তানের প্রফেসর আবদুস সালাম পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান ১৯৭৯ সালে। মিসরের নাগীব মাহফুজ সাহিত্যে ১৯৮৮ সালে এবং ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট ইয়াসির আরাফাত ১৯৯৪ সালে শান্তিতে এই পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আনোয়ার সাদাত
আনোয়ার সাদাত (Muhammad Anwar al-Sadat) ছিলেন মিশরের রাষ্ট্রপতি। তিনি সর্বপ্রথম মুসলিম হিসেবে শান্তিতে (Peace) নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
তিনি ১৯৭৮ সালে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিনের (Menachem Begin) সাথে যৌথভাবে এই সম্মাননা পান, যা মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, সাহিত্যিক নাগীব মাহফুজ মুসলিম হিসেবে দ্বিতীয় নোবেল বিজয়ী (সাহিত্য, ১৯৮৮)। প্রফেসর আব্দুস সালাম (পদার্থবিজ্ঞান, ১৯৭৯) হলেন বিজ্ঞান শাখায় প্রথম মুসলিম নোবেল বিজয়ী, যদিও তিনি আহমদিয়া মুসলিম হিসেবে গণ্য। আর ইয়াসির আরাফাত (শান্তি, ১৯৯৪) পুরস্কার পান আরও পরে।
72

বাদশা ফাহাদের পর সৌদি বাদশা কে হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খালেদ
  2. ফয়সাল
  3. আব্দুল আজিজ
  4. আবদুল্লাহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১ আগস্ট, ২০০৫ বাদশা ফাহাদ বিন আবদুল আজিজের মৃত্যুর পর নতুন বাদশা হন তার বৈমাত্রেয় ভাই যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন আবদুল আজিজ এবং নতুন ক্রাউন প্রিন্স মনোনীত হন প্রয়াত বাদশার আপন ভাই ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রী সুলতান বিন আবদুল আজিজ। উল্লেখ্য, বাদশাহ আবদুল্লাহ (২৩ জানুয়ারি, ২০১৫ ) মারা যাওয়ার পর নতুন বাদশাহ হিসেবে সিংহাসনে বসেন সালমান বিন আবদুল আজিজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আব্দুল্লাহ
সৌদি আরবের শাসক ছিলেন বাদশাহ ফাহাদ বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ। তিনি ১৯৮২ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত শাসন করেন।
২০০৫ সালের ১লা আগস্ট তাঁর মৃত্যুর পর, সৌদি রাজতন্ত্রের প্রথা অনুযায়ী তাঁর সৎভাই যুবরাজ আবদুল্লাহ বিন আব্দুল আজিজ আল সৌদ সিংহাসনে আরোহণ করেন এবং বাদশাহ আব্দুল্লাহ হিসেবে পরিচিত হন।
বাদশাহ আব্দুল্লাহ ২০০৫ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত সৌদি আরবের বাদশা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
73

অক্সফাম (Oxfam) এর সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্ক
  2. ক্যামেনিক্স
  3. লন্ডন
  4. হেগ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অক্সফাম (Oxfam) ব্রিটেনের বিখ্যাত আন্তর্জাতিক স্বেচ্ছাসেবী দাতব্য সংস্থা। ১৯৪২ সালে প্রতিষ্ঠিত সংস্থাটির সদর দপ্তর লন্ডনে অবস্থিত। বর্তমানে এর সদর দপ্তর কেনিয়ার নাইরোবিতে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লন্ডন
অক্সফাম (Oxfam) হলো একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা, যা ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণে কাজ করে। এর পূর্ণরূপ হলো Oxford Committee for Famine Relief
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ১৯৪২ সালে এটি যুক্তরাজ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। অক্সফামের মূল অঙ্গসংস্থা (Oxfam GB)-এর সদর দপ্তর ঐতিহাসিকভাবে অক্সফোর্ড (যুক্তরাজ্যের একটি শহর, যা লন্ডনের কাছে) বা লন্ডনে অবস্থিত এবং বেশিরভাগ প্রচলিত পরীক্ষামূলক প্রশ্নে লন্ডনকেই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘ (UN)-এর সদর দপ্তর এবং হেগ হলো আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ)-এর সদর দপ্তর, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
74

কোনটি বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে উপনিবেশবাদের নিগড় থেকে মুক্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হংকং
  2. ম্যাকাউ

  3. বাংলাদেশ
  4. শ্রীলংকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে পর্তুগাল তাঁর উপনিবেশ 'ম্যাকাউ' ১৯৯৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর মধ্য রাতে চীনের কাছে হস্তান্তর করে এবং ২০ ডিসেম্বর থেকে ম্যাকাউর ওপর চীনের পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়। ব্রিটিশ উপনিবেশ হংকং চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয় ১৯৯৭ সালের ৩০ জুন মধ্যরাতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ম্যাকাউ। বিংশ শতাব্দী বলতে ১৯০১ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়কে বোঝায়। এই শতাব্দীর শেষভাগে উপনিবেশবাদের কবল থেকে মুক্ত হওয়া সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ দুটি অঞ্চল ছিল হংকং এবং ম্যাকাউ।
ম্যাকাউ অঞ্চলটি ছিল পর্তুগালের উপনিবেশ। ১৯৯৯ সালের ২০শে ডিসেম্বর এটি চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়। এটিই ছিল বিংশ শতাব্দীর শেষভাগে ঘটে যাওয়া বিশ্বের অন্যতম প্রধান উপনিবেশিক ক্ষমতা হস্তান্তর।
অন্যদিকে, হংকং ছিল যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ। এটি ১৯৯৭ সালের ১লা জুলাই চীনের কাছে হস্তান্তরিত হয়। যদিও এটিও শেষভাগের ঘটনা, তবে ম্যাকাউ (১৯৯৯) এর চেয়ে অপেক্ষাকৃত আগে ঘটেছে।
বাংলাদেশ (স্বাধীনতা ১৯৭১) এবং শ্রীলংকা (স্বাধীনতা ১৯৪৮) বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের বহু আগেই স্বাধীনতা লাভ করেছিল, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
75

নিচের কোন চুক্তিটি যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুমোদিত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এবিএম চুক্তি (ABM)
  2. সল্ট-১ চুক্তি (SALT-1)
  3. সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
  4. স্টার্ট-২ চুক্তি (START-2)

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ABM Treaty (Anti Ballistic Missile) ১৯৭২ সালের ৩ আগস্ট মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয়। SALT-1 (Strategic Arms Limitation Talks) ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭২ মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করে। ১৮ জুন, ১৯৭৯ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার ও সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট লিওনিদ ব্রেজনভের মধ্যে স্বাক্ষরিত SALT-2 চুক্তিটি মার্কিন সিনেটে অনুমোদন লাভ করেনি। START-2 (Strategic Arms Reduction Treaty) চুক্তি মার্কিন সিনেটে অনুমোদিত হয় ২৬ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৭।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সল্ট-২ চুক্তি (SALT-2)
SALT-2 চুক্তিটি (Strategic Arms Limitation Talks II) ১৯৭৯ সালের ১৮ জুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার এবং সোভিয়েত নেতা লিওনিদ ব্রেজনেভ ভিয়েনাতে স্বাক্ষর করেন।
কিন্তু চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র ছয় মাস পর ১৯৭৯ সালের ডিসেম্বরে সোভিয়েত ইউনিয়ন যখন আফগানিস্তান আক্রমণ করে, তখন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
এই ঘটনার প্রতিবাদে প্রেসিডেন্ট কার্টার যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট থেকে চুক্তিটি অনুমোদনের জন্য প্রত্যাহার করে নেন। ফলে এটি কার্যকর হতে পারেনি। যদিও উভয় পক্ষই বেশ কিছুদিন চুক্তির শর্তাদি মেনে চলেছিল।
অন্যদিকে, ABM (১৯৭২), SALT-1 (১৯৭২) এবং START-2 (১৯৯৩) যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে অনুমোদিত হয়েছিল।
76

Amnesty International কত সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1977
  2. 1978
  3. 1981

  4. 1979

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আন্তর্জাতিক সেবাধর্মী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন 'অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল' ২৮ মে, ১৯৬১ সালে ব্রিটিশ আইনজ্ঞ পিটার বেনেনসন প্রতিষ্ঠা করেন। এর সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। এ সংস্থা সেবাধর্মী কার্যক্রমের জন্য ১৯৭৭ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করে। বর্তমানে এই সংস্থার মহাসচিব ফ্রান্সের Agnes Callamard.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৭৭ সাল।
Amnesty International (অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল) একটি বিশ্বখ্যাত বেসরকারি সংস্থা, যা সারা বিশ্বে মানবাধিকার লঙ্ঘন রোধ, বিশেষ করে রাজনৈতিক বন্দীদের মুক্তি ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে কাজ করে।
সংস্থাটি তাদের এই অসামান্য কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৭৭ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার (Nobel Peace Prize) লাভ করে।
এছাড়াও, সংস্থাটি ১৯৭৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার পুরস্কার লাভ করেছিল।
77

START-2 কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টিভিতে সম্প্রচারিত একটি সিরিয়াল
  2. বাণিজ্য সংক্রান্ত একটি চুক্তি
  3. কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
  4. এর কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৯৩ সালের ৩ জানুয়ারি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়ার মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র বিশেষত দূর পাল্লার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র আগামী ১০ বছরের মধ্যে (১৯৯৩-২০০২) দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস করার লক্ষ্যে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। রাশিয়ার মস্কোতে এ চুক্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ (সিনিয়র) এবং রাশিয়ার পক্ষে স্বাক্ষর করেন সে দেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলেৎসিন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি
START-2-এর পূর্ণরূপ হলো Strategic Arms Reduction Treaty II
এটি ছিল স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) পরবর্তী সময়ে যুক্তরাষ্ট্র (USA) এবং রাশিয়ান ফেডারেশন-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত দ্বিতীয় কৌশলগত অস্ত্র হ্রাস সংক্রান্ত চুক্তি।
এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য ছিল উভয় পক্ষের কৌশলগত পারমাণবিক ওয়ারহেড (Strategic Nuclear Warhead) ও ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা কমানো এবং নিরস্ত্রীকরণের মাধ্যমে বৈশ্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
এই চুক্তিটি ১৯৯৩ সালের ৩ জানুয়ারি মস্কোতে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ (George H. W. Bush) এবং রুশ প্রেসিডেন্ট বরিস ইয়েলৎসিন (Boris Yeltsin)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
78

আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (ARF) এর সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 21
  2. 22
  3. 23
  4. 26

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ARF-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২৭। সর্বশেষ সদস্য পদ লাভ করে শ্রীলংকা ২০০৭ সালের ১ আগস্ট। আসিয়ান রিজিওয়ান ফোরামের (এআরএফ) ২৬তম সদস্য দেশ বাংলাদেশ। ২০০৬ সালের ২৮ জুলাই বাংলাদেশ সদস্যপদ লাভ করে। ARF প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালের ২৫ জুলাই। এর সদর দপ্তর ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ।

ব্যাখ্যা

আসিয়ান রিজিওনাল ফোরাম (ARF) হল এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত আলোচনার প্রধান মঞ্চ। এটি ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
পরীক্ষায় যদিও ২৩ উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে (অপশন ৩), বর্তমানে ARF-এর সদস্য সংখ্যা হল ২৭টি
পরীক্ষায় যদি ২৭ অপশন না থাকে এবং প্রশ্নে সাম্প্রতিকতা না চাওয়া হয়, তাহলে প্রশ্নে ত্রুটি থাকার সম্ভাবনা থাকে। তবে সর্বশেষ ও সঠিক তথ্য অনুযায়ী, ARF-এর মোট সদস্য ২৭
সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ১০টি আসিয়ান সদস্য এবং ১৭টি ডায়ালগ পার্টনার ও অন্যান্য দেশ, যেমন: ভারত, চীন, জাপান, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং বাংলাদেশ
79

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ কত বছর ক্ষমতায় ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১ বছর
  2. ২২ বছর
  3. ২৪ বছর
  4. ২৫ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৮১ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ বছর ক্ষমতায় থাকার পর স্বেচ্ছায় পদত্যাগের পর বিশ্বে তিনি মহান নেতা হিসেবে সম্মানিত হচ্ছেন । তিনি তার মেধা, প্রজ্ঞাকে কাজে লাগিয়ে ৭০ দশকের কৃষিপ্রধান দরিদ্র মালয়েশিয়াকে শিল্পভিত্তিক মধ্য আয়ের দেশে পরিণত করে বিশ্বে ঈর্ষণীয় সাফল্য দেখিয়েছেন। উল্লেখ্য, ১০ মে, ২০১৮ তিনি পুনরায় দেশটির প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন। ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ সালে তিনি পদত্যাগ করেন। অর্থাৎ মোট ২৪ বছর ক্ষমতায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২২ বছর
ড. মাহাথির মোহাম্মদ মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে দায়িত্ব পালন করেন।
তার প্রথম ও রেকর্ড-দীর্ঘ মেয়াদে তিনি ক্ষমতায় ছিলেন ১৯৮১ সালের ১৬ জুলাই থেকে ২০০৩ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত, যা মোট ২২ বছর ৩ মাস ১৫ দিন। এই রেকর্ড মেয়াদের সংখ্যাটিই সাধারণত পরীক্ষায় চাওয়া হয়।
80

ইরাকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি কোন সম্প্রদায়ের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুন্নি
  2. শিয়া
  3. কুর্দি
  4. খ্রিস্টান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইরাকের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবুদল লতিফ রশিদ এবং প্রধানমন্ত্র মোহাম্মদ শিয়া সাব্বার আল সুদানি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কুর্দি
ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট জালাল তালাবানি ছিলেন জাতিগতভাবে একজন কুর্দি। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ইরাকের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন আধুনিক ইরাকের প্রথম অ-আরব প্রেসিডেন্ট এবং কুর্দিস্তান প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন (PUK)-এর প্রতিষ্ঠাতা নেতা।
ইরাকের ক্ষমতা ভাগাভাগির (Power Sharing) ঐতিহ্য অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট পদটি সাধারণত কুর্দি সম্প্রদায়ের সদস্যের জন্য বরাদ্দ থাকে। প্রধান শিয়া আরব এবং সুন্নি আরব সম্প্রদায় হলো ইরাকের মূল জনগোষ্ঠী, কিন্তু কুর্দিরা জাতিগতভাবে স্বতন্ত্র এবং ইরাকের উত্তরের একটি বড় অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করে।
81

কোন ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রোল ইঞ্জিনে
  2. ডিজেল ইঞ্জিনে
  3. রকেট ইঞ্জিনে
  4. বিমান ইঞ্জিনে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মোটর গাড়ির যে প্রকোষ্ঠে বায়ু ও পেট্রোল মিশ্রিত করা হয় তাই হলো কার্বুরেটর। বায়ু ও পেট্রোলের মিশ্রণ তৈরি হওয়ার পরে এটিকে দহন প্রকোষ্ঠে পাঠিয়ে দেয়া হয়। সব ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না। শুধু পেট্রোল ইঞ্জিনে এটি থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পেট্রোল ইঞ্জিনে
কার্বুরেটরের মূল কাজ হলো পেট্রোল এবং বাতাসকে সঠিক অনুপাতে মিশ্রিত করে বাষ্পাকারে ইঞ্জিন সিলিন্ডারে সরবরাহ করা। এই মিশ্রণটি স্পার্ক প্লাগের সাহায্যে প্রজ্বলিত হয়। এটি পেট্রোল ইঞ্জিনের (Otto Cycle) একটি মৌলিক অংশ।
অন্যদিকে, ডিজেল ইঞ্জিনে কার্বুরেটর থাকে না। ডিজেল ইঞ্জিনে বাতাসকে অতিরিক্ত চাপে সংকুচিত করে উত্তপ্ত করা হয় এবং সেই উত্তপ্ত বাতাসের মধ্যে ফিউল ইনজেক্টরের মাধ্যমে ডিজেল প্রবেশ করানো হয়, ফলে তা নিজে থেকেই জ্বলে ওঠে (সংকোচন প্রজ্বলন বা Compression Ignition)।
রকেট বা বিমান ইঞ্জিনে (জেট ইঞ্জিন) অত্যন্ত আধুনিক ফুয়েল ইনজেকশন সিস্টেম ব্যবহৃত হয়, যা কার্বুরেটরের চেয়ে বহুগুণ কার্যকর এবং উচ্চ প্রযুক্তিসম্পন্ন।
82

মানুষের হৃৎপিণ্ডে কতটি প্রকোষ্ঠ থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুটি
  2. চারটি
  3. ছয়টি
  4. আটটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানুষের হৃৎপিণ্ড সম্পূর্ণভাবে চারটি প্রকোষ্ঠে বিভক্ত। উপরের দুটি পাতলা প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম অলিন্দ এবং নিচের দুটি পুরু প্রাচীরযুক্ত ডান ও বাম নিলয়। অন্যদিকে ব্যাঙের হৃদপিণ্ডে প্রকোষ্ঠ থাকে-৩টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চারটি। মানুষের হৃৎপিণ্ড মোট চারটি প্রকোষ্ঠ বা চেম্বার নিয়ে গঠিত, যা রক্ত সঞ্চালনের জন্য অত্যাবশ্যকীয়।
এই চারটি প্রকোষ্ঠকে দুটি প্রধান ভাগে ভাগ করা হয়:
১. উপরের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় অলিন্দ (Atrium), এবং
২. নিচের দুটি প্রকোষ্ঠকে বলা হয় নিলয় (Ventricle)
সুতরাং, মানুষের হৃৎপিণ্ডে থাকে— ডান অলিন্দ, বাম অলিন্দ, ডান নিলয় এবং বাম নিলয়
বাম অলিন্দ এবং বাম নিলয় সবসময় অক্সিজেনযুক্ত রক্ত (Oxygenated Blood) এবং ডান অলিন্দ ও ডান নিলয় সবসময় কার্বন ডাই অক্সাইডযুক্ত রক্ত (Deoxygenated Blood) বহন করে।
83

প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়, কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রান্নার জন্য শুধু তাপ নয় চাপও কাজে লাগে
  2. বদ্ধ পাত্রে তাপ সংরক্ষিত হয়
  3. উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়
  4. সঞ্চিত বাষ্পের তাপ রান্নার সহায়ক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হওয়ার কারণ উচ্চচাপ প্রয়োগে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। প্রেসার কুকারে বাষ্পের বহির্গমন নিয়ন্ত্রণ করার মাধ্যমে অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধির ফলে পানির স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পেয়ে ১৩০০ সেন্টিগ্রেড পর্যন্ত পৌঁছে । এ কারণে প্রেসার কুকারে রান্না তাড়াতাড়ি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: উচ্চচাপে তরলের স্ফুটনাংক বৃদ্ধি পায়। এটি প্রেসার কুকারে দ্রুত রান্নার মূল বৈজ্ঞানিক কারণ।
সাধারণ অবস্থায় (১ অ্যাটমোস্ফিয়ার চাপ) জল 100C100^{\circ}C তাপমাত্রায় ফুটতে শুরু করে। এই তাপমাত্রার উপরে জলীয় বাষ্পে রূপান্তরিত হয় এবং তাপমাত্রা আর বাড়ে না।
প্রেসার কুকারে পাত্রটি সম্পূর্ণ বদ্ধ থাকে। রান্নার সময় যে বাষ্প তৈরি হয়, তা বের হতে না পারায় পাত্রের অভ্যন্তরে চাপ অনেক বৃদ্ধি পায়
পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, চাপ বৃদ্ধি পেলে তরলের স্ফুটনাঙ্কও (Boiling Point) বৃদ্ধি পায়। ফলে প্রেসার কুকারের ভেতরের জল 100C100^{\circ}C-এর পরিবর্তে 120C120^{\circ}C থেকে 125C125^{\circ}C তাপমাত্রায় ফুটতে পারে।
এই অতিরিক্ত উচ্চ তাপমাত্রার কারণে খাদ্যদ্রব্য দ্রুত নরম হয়ে যায় এবং রান্না তাড়াতাড়ি শেষ হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: তাপ সংরক্ষণ বা বাষ্প কাজে লাগা) সহায়ক হলেও স্ফুটনাঙ্ক বৃদ্ধি পাওয়া-ই হলো রান্নার দ্রুততার প্রধান কারণ।
84

বিলিরুবিন তৈরি হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিত্তথলিতে
  2. কিডনীতে
  3. প্লীহায়
  4. যকৃতে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিলিরুবিন হচ্ছে পিত্তরসের কমলা রঙের প্রধান রঞ্জক পদার্থ। হিমোগ্লোবিনের প্রধান দুটি উপাদান- প্রোটিন অংশ গ্লোবিন ও লৌহযুক্ত অংশ হিম (heme)। হিম ভেঙে শেষ পর্যন্ত বিলিরুবিনের পরিণত হয়। পিত্তের বর্ণের জন্য দায়ী বিলিরুবিন। বিলিরুবিন তৈরি হয় প্লীহায়। রক্তে বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা ০.২-০.৮ মিগ্রাম/ডেসিলিটার। রক্তে বিলিরুবিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়াকে জন্ডিস বা পাণ্ডুরোগ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্লীহায় (Spleen)।
বিলিরুবিন হলো একটি হলুদ রঞ্জক পদার্থ যা মূলত পুরাতন ও ক্ষতিগ্রস্ত লোহিত রক্তকণিকা (RBC) ভেঙে যাওয়ার ফলে সৃষ্টি হয়।
দেহের রেটিকিউলোএন্ডোথেলিয়াল সিস্টেমের অংশ হিসেবে প্লীহা পুরাতন লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংসের প্রধান স্থান হিসেবে কাজ করে। এই ধ্বংস প্রক্রিয়া থেকেই বিলিরুবিন তৈরি হয়। এজন্য প্লীহাকে ‘RBC-এর গোরস্থান’ বলা হয়।
যকৃৎ (Liver): বিলিরুবিন প্লীহায় তৈরি হলেও তা পরে যকৃতে এসে প্রক্রিয়াজাত (Conjugation) হয় এবং পিত্তরসের মাধ্যমে দেহ থেকে নির্গত হওয়ার জন্য প্রস্তুত হয়। তাই যকৃৎ উৎপত্তির স্থান নয়, প্রক্রিয়াজাতকরণের স্থান।
পিত্তথলি (Gallbladder): এটি শুধুমাত্র যকৃতে তৈরি হওয়া পিত্ত (যার মধ্যে বিলিরুবিন থাকে) সঞ্চয় করে।
85

মানুষের গায়ের রং কোন উপাদানের উপর নির্ভর করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেলানিন
  2. থায়ামিন
  3. ক্যারোটিন
  4. হিমোগ্লোবিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মানুষের ত্বকে দুটি স্তর আছে। এর বাইরেরটি বহিঃত্বক বা 'এপিডারমিস' এবং ভেতরেরটিকে বলে অন্তঃত্বক বা 'ডারমিস'। বহিঃত্বককে আবার কয়েকটি স্তরে ভাগ করা যায়। এর মধ্যে সবচেয়ে ভেতরেরটির নাম 'স্ট্র্যাটাম বেসাল' (Stratum basale)। এই স্তরে কতগুলো বিশেষ ধরনের কোষ আছে- এদের বলে 'মেলানোসাইট' (Melanocyte)। মেলানোসাইটগুলোর মধ্যে আছে রঞ্জক কণা ‘মেলানিন’। গাঢ় রঙের এই কণাগুলোই ত্বকের কালো রঙের জন্য দায়ী। যাদের ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ খুব বেশি তাদের গায়ের রঙ কালো। ত্বকে মেলানিনের পরিমাণ কম থাকলে গায়ের রঙ ফর্সা হয়। ভিটামিন B_1 এর অপর নাম থায়ামিন। ক্যারোটিন এর ধরনের আনস্যাচুরেটেড হাইড্রোকার্বন যা শুধু উদ্ভিত দেহে তৈরি হয়। হিমোগ্লোবিন এক ধরনের প্রোটিন যা প্রায় সকল মেরুদণ্ডী প্রাণির লোহিত রক্ত কণিকায় পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেলানিন। মানুষের গায়ের রং, চুলের রং এবং চোখের মণির রং প্রধানত ত্বকে উপস্থিত মেলানিন নামক পিগমেন্ট বা রঞ্জক উপাদানের পরিমাণের উপর নির্ভর করে।
মেলানিন তৈরি হয় ত্বকের এপিডার্মিস স্তরে অবস্থিত মেলানোসাইট নামক বিশেষ কোষ থেকে। এই পিগমেন্টের উৎপাদন যত বেশি হয়, গায়ের রং তত গাঢ় বা কালো হয়।
মেলানিন শুধু রং নির্ধারণ করে না, এটি ত্বককে অতিবেগুনি রশ্মি (UV-রশ্মি) থেকে রক্ষা করতে প্রকৃতি প্রদত্ত সানস্ক্রিন হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: থায়ামিন হলো ভিটামিন B1; ক্যারোটিন হলো উদ্ভিজ্জ রঞ্জক যা বেশি গ্রহণ করলে ত্বক হলুদাভ হতে পারে; এবং হিমোগ্লোবিন রক্তে অক্সিজেন পরিবহন করে (যা রক্তকে লাল রং দেয়)।
86

বাদুড় অন্ধকারে চলাফেরা করে কিভাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তীক্ষ্ম দৃষ্টসম্পন্ন চোখের সাহায্যে
  2. ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে
  3. সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে
  4. অলৌকিকভাবে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করে তার প্রতিধ্বনির মাধ্যমে বাদুড় পথ চলে। বাদুড় চলার সময় ক্রমাগত উচ্চ কম্পাঙ্কের শব্দোত্তর তরঙ্গ সৃষ্টি করে এবং সেই শব্দ এটির সামনের বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে বাদুড়ের কানে ফিরে আসে। সৃষ্ট শব্দোত্তর তরঙ্গ ও প্রতিধ্বনি শোনার মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান এবং প্রতিফলিত শব্দের প্রকৃতি থেকে বাদুড় সহজেই প্রতিবন্ধকের অবস্থান ও আকৃতি সম্বন্ধে ধারণা করতে পারে। ফলে পথ চলার সময় বাদুড় সেই প্রতিবন্ধকতা পরিহার করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৃষ্ট শব্দের প্রতিধ্বনি শুনে। এই প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানের ভাষায় ইকোলোকেশন (Echolocation) বা প্রতিধ্বনি নীতি বলা হয়।
বাদুড় মুখ বা নাক দিয়ে উচ্চ কম্পাঙ্কের অতিশব্দ (Ultrasonic Sound) বা আল্ট্রাসনিক তরঙ্গ উৎপন্ন করে, যা মানুষের শ্রবণ ক্ষমতার বাইরে।
এই শব্দ তরঙ্গ সামনে থাকা কোনো বস্তুতে (যেমন: শিকার, গাছ, দেয়াল) বাধা পেয়ে আবার বাদুড়ের কানে প্রতিধ্বনি হিসেবে ফিরে আসে।
বাদুড় সেই প্রতিধ্বনি বিশ্লেষণ করে অতি দ্রুত বস্তুর অবস্থান, দূরত্ব, আকার এবং গতিবিধি নির্ভুলভাবে নির্ণয় করতে পারে এবং নিরাপদে চলাফেরা করতে সক্ষম হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, 'তীক্ষ্ম দৃষ্টসম্পন্ন চোখের সাহায্যে' ভুল, কারণ বাদুড় অন্ধকারে চোখে দেখতে পায় না। 'ক্রমাগত শব্দ উৎপন্নের মাধ্যমে অবস্থান নির্ণয় করে' অপশনটি অসম্পূর্ণ; শুধু শব্দ উৎপাদন যথেষ্ট নয়, বরং প্রতিধ্বনি শোনা আবশ্যক।
87

গাছের খাদ্য তালিকায় আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. N, P, K, S ও Zn
  2. Na, P, K, S ও Zn
  3. N, B, K, S ও Al
  4. N, P, K, S ও Al

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উদ্ভিদের সার্বিক বৃদ্ধির প্রয়োজনে দশটি খনিজ উপাদান বিশেষ দরকারি। এগুলো হচ্ছে -কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H), অক্সিজেন (O), নাইট্রোজেন (N), ফসফরাস (P), পটাশিয়াম (K), ক্যালসিয়াম (Ca), সালফার (S), ম্যাগনেসিয়াম (Mg) এবং লোহা (Fe)। উপরোক্ত প্রশ্নের (ক) তালিকায় সবগুলোই এই দশ প্রকার খনিজের মধ্যে রয়েছে। সুতরাং সঠিক উত্তর (ক)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: N, P, K, S ও Zn। এই উপাদানগুলি উদ্ভিদের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বেঁচে থাকার জন্য অত্যাবশ্যকীয় (Essential Elements)।
উদ্ভিদের জন্য মোট ১৭টি অত্যাবশ্যকীয় উপাদান রয়েছে। এগুলোকে প্রধানত ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Macro-nutrients) এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Micro-nutrients) এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
N (নাইট্রোজেন), P (ফসফরাস) এবং K (পটাশিয়াম) হলো প্রধান ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Primary Macronutrients)। এগুলি প্রচুর পরিমাণে প্রয়োজন হয়।
S (সালফার) হলো গৌণ ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট। Zn (জিঙ্ক) হলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা স্বল্প পরিমাণে প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রদত্ত তালিকায় সকল অত্যাবশ্যকীয় উপাদানের মিশ্রণ রয়েছে।
অন্যান্য অপশনে থাকা Na (সোডিয়াম) এবং Al (অ্যালুমিনিয়াম) উদ্ভিদের অত্যাবশ্যকীয় ১৭টি উপাদানের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই বিকল্পগুলি সঠিক নয়।
88

নিচের কোনটি DNA এর নাইট্রোজেন বেস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউরাসিল
  2. গোয়ানিন
  3. পিরিডক্সিন
  4. অ্যাসপারাজিন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গোয়ানিন
DNA (Deoxyribonucleic acid) হলো জীবের বংশগতির ধারক ও বাহক। DNA মূলত তিনটি উপাদানের সমন্বয়ে গঠিত: শর্করা (ডিঅক্সিরাইবোজ), ফসফেট এবং নাইট্রোজেনঘটিত ক্ষারক বা বেস
DNA তে মোট চারটি প্রধান নাইট্রোজেন বেস পাওয়া যায়। এগুলো হলো: ১. অ্যাডিনিন (Adenine – A), ২. গোয়ানিন (Guanine – G), ৩. সাইটোসিন (Cytosine – C) এবং ৪. থাইমিন (Thymine – T)
অপশনগুলোর মধ্যে গোয়ানিন (G) হলো ডিএনএ-এর সঠিক নাইট্রোজেন বেস।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ইউরাসিল (U) থাকে শুধুমাত্র RNA-তে। পিরিডক্সিন হলো ভিটামিন B6 এবং অ্যাসপারাজিন একটি অ্যামিনো অ্যাসিড, যা DNA গঠনের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
89

নিচের কোনটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. meson
  2. neutron
  3. proton
  4. electron

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পদার্থের পরমাণুর কেন্দ্রে রয়েছে নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াস গঠিত হয় প্রোটন (proton) এবং নিউট্রনের (Netron) সমন্বয়ে। ইলেকট্রন, নিউট্রন ও প্রোটনকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকে। প্রোটনের চার্জ পজেটিভ এবং ইলেকট্রনের চার্জ নেগেটিভ। একটি পরমাণুতে ইলেকট্রন ও প্রোটন সংখ্যা সমান থাকে এবং এজন্য পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়। অপরপক্ষে মেসন (Meson) এক ধরনের অস্থিত মৌলিক কণিকা যা কসমিক রশ্মিতে এবং পরমাণু কেন্দ্রের বিভাজনে পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত ক্ষুদ্র ও ভারী অংশটি হলো নিউক্লিয়াস। নিউক্লিয়াসে সাধারণত দুটি মৌলিক কণা বিদ্যমান থাকে: প্রোটন (ধনাত্মক চার্জযুক্ত) এবং নিউট্রন (চার্জ নিরপেক্ষ)।
কিন্তু ইলেকট্রন (ঋণাত্মক চার্জযুক্ত) নিউক্লিয়াসের বাইরে বিভিন্ন কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান অবস্থায় থাকে।
অতএব, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের অংশ নয়, বরং এটি নিউক্লিয়াসকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়।
উল্লেখ্য, মেসন হলো এমন এক প্রকার সাব-এটমিক কণা যা নিউক্লিয়াসের অভ্যন্তরে শক্তিশালী নিউক্লিয় বলের মাধ্যমে প্রোটন ও নিউট্রনকে একত্রে ধরে রাখতে সাহায্য করে, কিন্তু এটি প্রোটন বা নিউট্রনের মতো নিউক্লিয়াসের মৌলিক উপাদান হিসেবে গণ্য নয়।
90

৪ টাকায় ৫টি করে কিনে ৫ টাকায় ৪টি করে বিক্রয় করলে শতকরা কত লাভ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৫%

  2. ৪৮.৫০%

  3. ৫২.৭৫% 

  4. ৫৬.২৫% 

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি লাভ-ক্ষতির একটি বহুল পরিচিত ও গুরুত্বপূর্ণ প্যাটার্ন। এই ধরনের অংকে প্রথমে ক্রয় ও বিক্রয়ের একক সংখ্যা সমান করে নিতে হবে।
ধাপ ১: ক্রয়মূল্য (CP) নির্ণয়:
৪ টাকায় কেনা হয় = ৫টি
∴ ১টি পণ্যের ক্রয়মূল্য = \frac{৪}{৫} টাকা।
ধাপ ২: বিক্রয়মূল্য (SP) নির্ণয়:
৫ টাকায় বিক্রি করা হয় = ৪টি
∴ ১টি পণ্যের বিক্রয়মূল্য = \frac{৫}{৪} টাকা।
ধাপ ৩: লাভ নির্ণয়:
লাভ = বিক্রয়মূল্য - ক্রয়মূল্য = \frac{৫}{৪} - \frac{৪}{৫} টাকা।
লসাগু (৪, ৫) = ২০।
লাভ = ২৫১৬২০=২০\frac{২৫ - ১৬}{২০} = \frac{৯}{২০} টাকা।
ধাপ ৪: শতকরা লাভ নির্ণয়:
শতকরা লাভ = (মোট লাভক্রয়মূল্য×১০০)\left( \frac{\text{মোট লাভ}}{\text{ক্রয়মূল্য}} \times ১০০ \right)
শতকরা লাভ = (/২০/×১০০)=(২০××১০০)\left( \frac{৯/২০}{৪/৫} \times ১০০ \right) = \left( \frac{৯}{২০} \times \frac{৫}{৪} \times ১০০ \right)
শতকরা লাভ = (৪৫৮০×১০০)=(১৬×১০০)=(×.২৫)%\left( \frac{৪৫}{৮০} \times ১০০ \right) = \left( \frac{৯}{১৬} \times ১০০ \right) = \left( ৯ \times ৬.২৫ \right)\%
সঠিক উত্তর: ৫৬.২৫%
91

যদি একটি কাজ ৯ জন লোক ১২ দিনে করতে পারে, অতিরিক্ত ৩ জন লোক নিয়োগ করলে কাজটি কতদিনে শেষ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০

  2. ১২  

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি ঐকিক নিয়মের কাজ ও সময়ের (Work and Time) একটি সমস্যা। এখানে লোক সংখ্যা বাড়লে কাজ শেষ করার সময় কমে যায়, তাই এটি বিপরীত সম্পর্কযুক্ত অনুপাতের (Inverse Proportion) উদাহরণ।
ধরি, প্রথম ক্ষেত্রে লোক সংখ্যা M1M_1 এবং সময় D1D_1 এবং দ্বিতীয় ক্ষেত্রে লোক সংখ্যা M2M_2 এবং সময় D2D_2। যেহেতু কাজের পরিমাণ অপরিবর্তিত, তাই আমরা লিখতে পারি:
M1×D1=M2×D2M_1 \times D_1 = M_2 \times D_2
এখানে, M1=<strong></strong>M_1 = <strong>৯</strong> জন, D1=<strong>১২</strong>D_1 = <strong>১২</strong> দিন।
অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করা হয়েছে জন। সুতরাং, নতুন লোক সংখ্যা M2=+=<strong>১২</strong>M_2 = ৯ + ৩ = <strong>১২</strong> জন।
মান বসিয়ে পাই: ×১২=১২×D2৯ \times ১২ = ১২ \times D_2
বা, D2=×১২১২D_2 = \frac{৯ \times ১২}{১২}
অতএব, D2=<strong></strong>D_2 = <strong>৯</strong> দিন।
সঠিক উত্তর হলো
92

শিক্ষা সফরে যাওয়ার জন্য ২৪০০ টাকায় বাস ভাড়া করা হলো এবং প্রত্যেক ছাত্র/ছাত্রী সমান ভাড়া বহন করবে ঠিক হলো। অতিরিক্ত ১০ জন ছাত্র/ছাত্রী যাওয়ায় প্রতি জনের ভাড়া ৮ টাকা কমে গেল। বাসে কতজন ছাত্র/ছাত্রী গিয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪০

  2. ৪৮

  3. ৫০

  4. ৬০ 

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই সমস্যাটি ঐকিক নিয়মের মাধ্যমে ভাড়ার তারতম্য সংক্রান্ত। এখানে মোট ভাড়া ২৪০০ টাকা স্থির, কিন্তু ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা বাড়ায় মাথাপিছু ভাড়ার পরিমাণ কমে গেছে।
ধরি, প্রথমে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ছিল XX জন
তখন প্রতি জনের ভাড়া ছিল: ২৪০০X\frac{২৪০০}{X} টাকা।
অতিরিক্ত ১০ জন যাওয়ায় মোট ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা হলো (X+১০)(X + ১০) জন
এখন প্রতি জনের ভাড়া হলো: ২৪০০(X+১০)\frac{২৪০০}{(X + ১০)} টাকা।
শর্তমতে, ভাড়ার পার্থক্য ৮ টাকা:
২৪০০X২৪০০(X+১০)=\frac{২৪০০}{X} - \frac{২৪০০}{(X + ১০)} = ৮
সমীকরণটি সরল করলে পাওয়া যায়: X+১০X৩০০০=X^২ + ১০X - ৩০০০ = ০
(X+৬০)(X৫০)=(X + ৬০)(X - ৫০) = ০
সুতরাং, প্রাথমিক ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা $X = ৫০ জন
প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, বাসে কতজন ছাত্র/ছাত্রী গিয়েছিল (অর্থাৎ, পরিবর্তিত সংখ্যা)।
বাসে যাওয়া ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা = $X + ১০ = ৫০ + ১০ = ৬০ জন
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৬০
93

পিতা, মাতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৭ বছর। আবার পিতা ও পুত্রের বয়সের গড় ৩৫ বছর। মাতার বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৮ বছর
  2. ৪৫ বছর
  3. ৪৮ বছর
  4. ৪১ বছর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি মৌলিক গাণিতিক গড় (Average) নির্ণয়ের সমস্যা। এই ধরনের অঙ্কে মোট সমষ্টি (Sum) বের করার মাধ্যমেই সমাধান করতে হয়।
ধাপ ১: পিতা, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স নির্ণয়:
এখানে সদস্য সংখ্যা = ৩ জন। বয়সের গড় = ৩৭ বছর।
সুতরাং, মোট বয়স = ৩৭×=১১১ বছর৩৭ \times ৩ = \text{১১১ বছর}
ধাপ ২: পিতা ও পুত্রের মোট বয়স নির্ণয়:
এখানে সদস্য সংখ্যা = ২ জন। বয়সের গড় = ৩৫ বছর।
সুতরাং, মোট বয়স = ৩৫×=৭০ বছর৩৫ \times ২ = \text{৭০ বছর}
ধাপ ৩: মাতার বয়স নির্ণয়:
(পিতা, মাতা ও পুত্রের মোট বয়স) থেকে (পিতা ও পুত্রের মোট বয়স) বিয়োগ করলেই মাতার বয়স পাওয়া যাবে।
মাতার বয়স = (১১১ - ৭০) বছর = ৪১ বছর
সঠিক উত্তর হলো: ৪১ বছর
94

যদি (x−y)2=14 এবং xy=2 হয় তবে x2+y2= কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 12
  2. 14
  3. 16
  4. 18

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধানের জন্য বীজগণিতের মান নির্ণয়ের অনুসিদ্ধান্ত ব্যবহার করতে হবে।
প্রদত্ত মানগুলি হলো: (xy)2=14(x−y)^2 = 14 এবং xy=2xy = 2
আমাদের নির্ণয় করতে হবে x2+y2x^2+y^2 এর মান।
x2+y2x^2+y^2 এর অনুসিদ্ধান্ত হলো: x2+y2=(xy)2+2xyx^2+y^2 = (x-y)^2 + 2xy অথবা x2+y2=(x+y)22xyx^2+y^2 = (x+y)^2 - 2xy
যেহেতু প্রশ্নে (xy)2(x-y)^2 এর মান দেওয়া আছে, তাই আমরা প্রথম অনুসিদ্ধান্তটি ব্যবহার করব।
মান বসিয়ে পাই: x2+y2=<strong>14+2(2)</strong>x^2+y^2 = <strong>14 + 2(2)</strong>
বা, x2+y2=14+4x^2+y^2 = 14 + 4
অতএব, $x^2+y^2 = 18
সঠিক উত্তর হলো অপশন (ঘ) 18
95

বৃত্তের ব্যাস তিনগুণ বৃদ্ধি করলে ক্ষেত্রফল কতগুণ বৃদ্ধি পাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4
  2. 9
  3. 12
  4. 16

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

বৃত্তের ক্ষেত্রফলের সূত্র হলো A=πr2A = \pi r^2, যেখানে rr হলো ব্যাসার্ধ (radius)।
আমরা জানি, বৃত্তের ব্যাস (DD) হলো ব্যাসার্ধের দ্বিগুণ, অর্থাৎ D=2rD = 2r। সুতরাং, ব্যাস বা ব্যাসার্ধকে যতগুণ বৃদ্ধি করা হবে, ক্ষেত্রফল তার বর্গের (Square) সমানুপাতে বৃদ্ধি পাবে।
প্রশ্নমতে, ব্যাস বৃদ্ধি করা হয়েছে ৩ গুণ। যদি ব্যাস ৩ গুণ বৃদ্ধি পায়, তবে ব্যাসার্ধও ৩ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
নতুন ব্যাসার্ধ, r=3rr' = 3r
নতুন ক্ষেত্রফল, A=π(r)2=π(3r)2=π(9r2)=9(πr2)A' = \pi (r')^2 = \pi (3r)^2 = \pi (9r^2) = 9 (\pi r^2)
যেহেতু A=πr2A = \pi r^2, তাই A=9AA' = 9A
অতএব, ক্ষেত্রফল ৯ গুণ বৃদ্ধি পাবে।
96

একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজের দৈর্ঘ্য 12 সেমি হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ সেমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 36
  2. 56
  3. 48
  4. 72

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: 36
যেহেতু এটি একটি সমদ্বিবাহু সমকোণী ত্রিভুজ, তাই এর ভূমি (Base) এবং উচ্চতা (Height) সমান হবে।
ধরি, ত্রিভুজটির সমান বাহুদ্বয়ের দৈর্ঘ্য aa সেমি।
আমরা জানি, সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুসারে:
(ভূমি)2+(উচ্চতা)2=(অতিভুজ)2(\text{ভূমি})^2 + (\text{উচ্চতা})^2 = (\text{অতিভুজ})^2
বা, a2+a2=122a^2 + a^2 = 12^2
বা, 2a2=1442a^2 = 144
বা, a2=1442=72a^2 = \frac{144}{2} = 72
এখন, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো:ক্ষেত্রফল=12×ভূমি×উচ্চতা\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2} \times \text{ভূমি} \times \text{উচ্চতা}
বা, ক্ষেত্রফল=12a2\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2} a^2
মান বসিয়ে পাই: ক্ষেত্রফল=12×72=36\text{ক্ষেত্রফল} = \frac{1}{2} \times 72 = 36 বর্গ সেমি।
97

 ১^২+২^২+৩ ^২+.....৫০ ^২   = কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৫৭২৫

  2. ৪২৯২৫

  3. ৪৫৫০০

  4. ৪৭২২৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি হলো প্রথম n সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি নির্ণয়ের একটি সমস্যা। এখানে n=50n = 50
প্রথম nn সংখ্যক স্বাভাবিক সংখ্যার বর্গের সমষ্টি (Sum of Squares) নির্ণয়ের সূত্র হলো: Sn=n(n+1)(2n+1)6S_n = \frac{n(n+1)(2n+1)}{6}
এখানে, n=50n = 50 হওয়ায়, সমষ্টি হবে:
S50=50(50+1)(2×50+1)6S_{50} = \frac{50(50+1)(2 \times 50+1)}{6}
S50=50×51×1016S_{50} = \frac{50 \times 51 \times 101}{6}
উপরের রাশিটি সরল করলে পাই:
502=25;62=3\frac{50}{2} = 25; \frac{6}{2} = 3
513=17\frac{51}{3} = 17
অতএব, S50=25×17×101S_{50} = 25 \times 17 \times 101
25×17=42525 \times 17 = 425
425×101=42925425 \times 101 = 42925
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৪২৯২৫
98

৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যার অন্তর হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8
  2. 12
  3. 18
  4. 140

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৬০ ও ৮০ এর মধ্যে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ মৌলিক সংখ্যা হচ্ছে যথাক্রমে ৬১ ও ৭৯। ∴ এ দুটি সংখ্যার অন্তর হবে (৭৯ - ৬১) = ১৮।

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধানের জন্য প্রথমে আমাদের ৬০ থেকে ৮০ এর মধ্যবর্তী সকল মৌলিক সংখ্যাগুলো (Prime Numbers) চিহ্নিত করতে হবে।
৬০ ও ৮০ এর মধ্যবর্তী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, এবং ৭৯
এই সেটটির মধ্যে বৃহত্তম মৌলিক সংখ্যা (Largest Prime) হলো ৭৯
এই সেটটির মধ্যে ক্ষুদ্রতম মৌলিক সংখ্যা (Smallest Prime) হলো ৬১
অন্তর (Difference) নির্ণয়ের সূত্র হলো: (বৃহত্তম সংখ্যা - ক্ষুদ্রতম সংখ্যা)।
অন্তর = ৭৯৬১=<strong>১৮৭৯ - ৬১ = <strong>১৮
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১৮
99

সর্বাপেক্ষা ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. রঞ্জন রশ্মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তরঙ্গের মধ্যে সমদশায় কম্পনশীল দুটি কণিকার ন্যূনতম দূরত্ব হলো তরঙ্গদৈর্ঘ্য। তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে উচ্চভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি বিকিরিত হয়। এদের মধ্যে আলফা ও বিটা রশ্মি হচ্ছে মূলত যথাক্রমে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক চার্জযুক্ত কণা, কোনো তরঙ্গ নয়; ফলে এদের কোনো তরঙ্গ দৈর্ঘ্য নেই। গামা ও রঞ্জন রশ্মি হলো তড়িৎ চুম্বকীয় তরঙ্গ যেখানে গামা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10^(-11) মি. এর কম এবং রঞ্জন রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য 10^11 থেকে 10^8 মি. এর মধ্যে। তাই এখানে সবচেয়ে ছোট তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের বিকিরণ হচ্ছে গামা রশ্মি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গামা রশ্মি
পদার্থবিজ্ঞানে, বিকিরণ বা রশ্মির তরঙ্গ দৈর্ঘ্য (Wavelength) যত ছোট হয়, তার কম্পাঙ্ক (Frequency) এবং শক্তি (Energy) তত বেশি হয়।
গামা রশ্মি (Gamma Ray) হলো তড়িৎ চৌম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) মধ্যে থাকা সর্বোচ্চ শক্তি সম্পন্ন বিকিরণ এবং এই কারণেই এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সর্বনিম্ন। এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সাধারণত 101210^{-12} মিটার বা তারও কম হয়ে থাকে।
অন্যদিকে, রঞ্জন রশ্মি (X-ray) উচ্চ শক্তি সম্পন্ন হলেও এর তরঙ্গ দৈর্ঘ্য গামা রশ্মির চেয়ে কিছুটা বড়।
আলফা ও বিটা রশ্মি মূলত কোনো তড়িৎ চৌম্বকীয় বিকিরণ নয়, বরং এগুলো হলো চার্জযুক্ত কণা (Particle Radiation)। তাই তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের এই তুলনার ক্ষেত্রে এরা প্রযোজ্য নয়।
100

এক ব্যবসায়ী একটি পন্যের মুল ২৫% বাড়ালো, অতঃপর বর্ধিত মুল্য থেকে ২৫% কমালো।সর্বশেষ মুল্য সর্বপ্রথম মুল্যের তুলনায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৫% কমানো হয়েছে
  2. ৬.২৫% কমানো হয়েছে
  3. ৬.২৫% বাড়ানো হয়েছে
  4. ৫% বাড়ানো হয়েছে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কে, যখন একই শতাংশ হার প্রথমে বাড়ানো হয় এবং পরে কমানো হয় (বা উল্টো), তখন সর্বদা মোটের ওপর ক্ষতি বা হ্রাস ঘটে। এটি একটি ক্লাসিক শতকরা ও লাভ-ক্ষতির সমস্যা।
ধরি, পণ্যটির সর্বপ্রথম মূল্য ছিল ১০০ টাকা
প্রথম ধাপ (২৫% বৃদ্ধি):
২৫% বাড়ানোর পর মূল্য = 100+(100imes25/100)=100+25=125100 + (100 imes 25/100) = 100 + 25 = 125 টাকা।
দ্বিতীয় ধাপ (২৫% হ্রাস):
বর্ধিত মূল্য (১২৫ টাকা) থেকে ২৫% কমানো হলো।
কমবে = 125imes25/100=125imes1/4=31.25125 imes 25/100 = 125 imes 1/4 = 31.25 টাকা।
সর্বশেষ মূল্য:
সর্বশেষ মূল্য = 12531.25=93.75125 - 31.25 = 93.75 টাকা।
মোট পরিবর্তন:
সর্বশেষ মূল্য সর্বপ্রথম মূল্যের (১০০ টাকা) চেয়ে কম।
পরিবর্তন = 10093.75=6.25100 - 93.75 = 6.25 টাকা।
সুতরাং, সর্বশেষ মূল্য সর্বপ্রথম মূল্যের তুলনায় ৬.২৫% কমানো হয়েছে। (কারণ ভিত্তি মূল্য ১০০ টাকা ধরা হয়েছে)।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “27th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 27th (2005) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

27th (2005) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 27th (2005) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।