সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

45th (2023) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 45th (2023) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 45th (2023) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ১৯৯টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘ধ্বনি’ সম্পর্কে নিচের কোন বাক্যটি সঠিক নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানুষের ভাষার মূলে আছে কতগুলো ধ্বনি
  2. ধ্বনি দৃশ্যমান
  3. ধ্বনি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয়
  4. অর্থবোধক ধ্বনিগুলোই মানুষের বিভিন্ন ভাষার বাগ্‌ধ্বনি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ধ্বনি নির্দেশক চিহ্নকে বর্ণ বলে। বর্ণ দৃশ্যমান, ধ্বনি দৃশ্যমান নয়।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটিতে ‘ধ্বনি’ (Phoneme/Sound) সম্পর্কে ভুল বা অসঠিক বাক্যটি জানতে চাওয়া হয়েছে।
ধ্বনি হলো মানুষের মুখনিঃসৃত বাতাসের মাধ্যমে বাহিত এক প্রকার তরঙ্গ, যা মানুষের বাগ্‌যন্ত্রের সাহায্যে সৃষ্ট হয়। এটি শুধুমাত্র শ্রবণীয় (Audible)
যেহেতু ধ্বনি একটি বায়বীয় তরঙ্গ, তাই একে দেখা যায় না বা এটি দৃশ্যমান নয়। দৃশ্যমান হলো ধ্বনির লিখিত রূপ – বর্ণ (Letter)
সুতরাং, ‘ধ্বনি দৃশ্যমান’ বাক্যটি সঠিক নয়। এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যদিকে, মানুষের ভাষার মূলে ধ্বনি আছে (১), এটি উচ্চারণীয় ও শ্রবণীয় (৩), এবং অর্থবোধক ধ্বনিকেই বাগ্‌ধ্বনি বলে (৪) – এই বাক্যগুলো সম্পূর্ণরূপে সঠিক।
2

স্বরাস্ত অক্ষরকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একাক্ষর
  2. মুক্তাক্ষর
  3. বদ্ধাক্ষর
  4. যুক্ষাক্তর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্বরাস্ত অক্ষর বা মুক্তাক্ষর: যেসব অক্ষর স্বরধ্বনিজাত বা অক্ষরের শেষে একটি স্বরধ্বনি থাকে, তাকে স্বরাস্ত অক্ষর বা মুক্তাক্ষর বলে। যেমন, ‘দা’>দ-আ; ‘কা’>ক-আ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

অক্ষর বা দল হলো বাগ্‌যন্ত্রের এক প্রচেষ্টায় বা এক ধাক্কায় উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিসমষ্টি। গঠনের ভিত্তিতে অক্ষরকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: মুক্তাক্ষর (Open Syllable) এবং বদ্ধাক্ষর (Closed Syllable)।
যে অক্ষরের শেষে স্বরধ্বনি (Vowel) থাকে বা স্বরধ্বনি দিয়ে শেষ হয়, তাকে মুক্তাক্ষর বা স্বরাস্ত অক্ষর বলা হয়। এ ধরনের অক্ষর উচ্চারণের সময় শ্বাসের প্রবাহ বাধাহীনভাবে শেষ হয়।
যেমন: 'মা' (মা), 'যা' (যা), 'বই' (বো + ই)। এই সব ক্ষেত্রে শেষ ধ্বনিটি স্বর।
প্রশ্নে যেহেতু স্বরাস্ত অক্ষর (যে অক্ষর স্বরধ্বনিতে শেষ হয়) জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হলো মুক্তাক্ষর
অপরদিকে, যে অক্ষরের শেষে ব্যঞ্জনধ্বনি থাকে, তাকে বদ্ধাক্ষর বা ব্যঞ্জনাস্ত অক্ষর বলে। যেমন: 'বদ' (ব + দ্), 'জল' (জ + ল্)।
3

শুদ্ধ বানানের গুচ্ছ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
  2. শিরোশ্ছেদ, দারিদ্র, সমীচিন
  3. শিরঃশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমিচীন
  4. শিরচ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানের গুচ্ছটি হলো অপশন (ক): শিরশ্ছেদ, দরিদ্রতা, সমীচীন
১. শিরশ্ছেদ: এটি বিসর্গ সন্ধির নিয়মে শুদ্ধ। নিয়ম: বিসর্গের পর যদি চ, ছ থাকে, তবে বিসর্গের স্থানে 'শ' হয়। (শিরঃ + ছেদ = শিরশ্ছেদ)। তাই 'শিরোশ্ছেদ', 'শিরঃশ্ছেদ' অথবা 'শিরচ্ছেদ' ভুল।
২. দরিদ্রতা: এটি শুদ্ধ। 'দরিদ্র' শব্দের সাথে 'তা' প্রত্যয় যোগ হয়ে দরিদ্রতা শব্দটি গঠিত হয়। মনে রাখতে হবে, দারিদ্র্য (য-ফলা) এবং তা প্রত্যয় একসাথে ব্যবহার করা যায় না। যেমন, 'দারিদ্রতা' সম্পূর্ণ অশুদ্ধ। কিন্তু অপশন ২-এ শুধু 'দারিদ্র' দেওয়া আছে, যা নিজেও একটি ভুল শব্দ (সঠিক হবে দারিদ্র্য)।
৩. সমীচীন: এটি শুদ্ধ বানান। এর অর্থ হলো সঠিক বা উপযুক্ত। এই বানানে দুটি ক্ষেত্রেই দীর্ঘ-ঈ কার (ী) ব্যবহৃত হয়। (অপশন ২ এবং ৩-এ 'সমীচিন' বা 'সমিচীন' দেওয়া আছে, যা অশুদ্ধ)।
4

আরবি ‘কলম’ শব্দটি ‘কলমোস’ শব্দ থেকে এসেছে। ‘কলমোস’ কোন ভাষার শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাঞ্জাবি
  2. ফরাসি
  3. গ্রিক
  4. স্পেনিশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আরবি কলম শব্দটি গ্রিক প্রাচীন গ্রীস শব্দ কলোমাস থেকে এসেছে। যার অর্থ লম্বা ঘাস জাতীয় উদ্ভিদ। মূলত এসকল ঘাসের নলাকৃতির কাণ্ড শুকিয়ে তা দিয়ে কলম হিসেবে লেখার কাজে ব্যবহার করা হতো বলে আরবিতে কলোমাস শব্দটি থেকে কলম শব্দটির উদ্ভব হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্রিক
আরবি ভাষার ‘কলম’ (Qalam) শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষার ‘Kalamos’ শব্দ থেকে, যার অর্থ হলো ‘নল’ বা ‘সরু শলাকা’ (Reed)। প্রাচীনকালে নল বা শলাকা ব্যবহার করে লেখা হতো, তাই লেখার উপকরণ হিসেবে শব্দটি ব্যবহৃত হতো।
অতএব, আরবি ‘কলম’ এর উৎস শব্দটি অর্থাৎ ‘কলমোস’ (Kalamos) হলো গ্রিক (Greek) ভাষার শব্দ।
এটি শব্দভাণ্ডারের বিদেশি শব্দ (আরবি) ক্যাটাগরির একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।
5

‘ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও’। মন্তব্যটি কোন ভাষা-চিন্তকের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. সুকুমার সেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ড. সুকুমার সেন বলেছেন, “ভাষার মধ্য দিয়া আদিম মানুষের সামাজিক প্রবৃত্তির প্রথম অঙ্কুর প্রকাশ পাইয়াছিল। ভাষার মধ্য দিয়াই সেই সামাজিক প্রবৃত্তি নানা দিকে নানাভাবে প্রসারিত হইয়া আদিম নরকে পশুত্বের অন্ধজড়তা হইতে উদ্ধার করিয়া তাহাকে মননশীল করিয়াছে। প্রকৃতির দাসত্ব হইতে মুক্তি পাইয়া মানুষ প্রকৃতির প্রভুত্বের অধিকারী হইয়াছে। ভাষা চিন্তার শুধু বাহনই নয়, চিন্তার প্রসূতিও।”ভাষার মাধ্যমেই মানুষ সভ্যতা, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে ধারণ, লালন এবং বহন করে চলেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সুকুমার সেন
বাংলা ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাতাত্ত্বিক, সাহিত্য সমালোচক এবং বহুভাষাবিদ ড. সুকুমার সেন এই তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্যটি করেছিলেন।
তিনি বোঝাতে চেয়েছিলেন যে, ভাষা শুধুমাত্র তৈরি হওয়া চিন্তাকে প্রকাশ করে না (বাহন), বরং এটি চিন্তা সৃষ্টির মূল ভিত্তি (প্রসূতি/উৎস) হিসাবে কাজ করে। অর্থাৎ, ভাষা ছাড়া মানুষ সুসংগঠিতভাবে চিন্তা করতে পারে না।
অন্যান্য অপশনে থাকা সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, মুহম্মদ শহীদুল্লাহ প্রমুখও প্রখ্যাত ভাষাবিদ হলেও, উক্তিটি বিশেষভাবে সুকুমার সেনের সাথে সম্পর্কিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

সর্বপ্রথম বাংলা ভাষার ব্যাকরণ রচনা করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানোএল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. রামেন্দ্র সুন্দর ত্রিবেদী
  4. নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রথম বাংলা ব্যাকরণ প্রকাশিত হয় ১৭৪৩ সালে পর্তুগিজ ভাষায়। এর লেখক ছিলেন মানোএল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও। তাঁর বাংলা-পর্তুগিজ অভিধানের ভূমিকা অংশ হিসেবে তিনি এটি রচনা করেন। এরপর ১৭৭৮ সালে প্রকাশিত হয় নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড প্রণীত ইংরেজি ভাষায় রচিত পূর্ণাঙ্গ একটি বাংলা ব্যাকরণ। বইটির নাম ‘এ গ্রামার অব দি বেঙ্গল ল্যাঙ্গুয়েজ’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মানোএল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও
বাংলা ভাষার উপর রচিত প্রথম ব্যাকরণ হলো পর্তুগিজ মিশনারি মানোএল দ্য আস্‌সুম্পসাঁও-এর লেখা।
এটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন শহর থেকে প্রকাশিত হয়। ব্যাকরণটির নাম ছিল— Vocabulario em Idioma Bengalla e Portuguez dividido em duas partes
যদিও গ্রন্থটি পর্তুগিজ ও ল্যাটিন ভাষায় লেখা ছিল, কিন্তু এর শেষে বাংলা ভাষার একটি ব্যাকরণ অংশ সংযুক্ত ছিল এবং এটিই বাংলা ভাষার প্রথম প্রকাশিত ব্যাকরণ গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
ভুল উত্তর প্রসঙ্গে: রাজা রামমোহন রায় বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ— 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' (১৮২৬) রচনা করেন। এটি প্রথম নয়, তবে বাংলা ভাষায় রচিত প্রথম ব্যাকরণ।
নাথানিয়েল ব্রাসি হ্যালহেড ইংরেজি ভাষায় রচিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ— 'A Grammar of the Bengali Language' (১৭৭৮) রচনা করেন।
7

উচ্চারণের রীতি অনুযায়ী নিচের কোনটি উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

স্বরধ্বনিগুলো উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান ও ঠোঁটের আকৃতির ভিত্তিতে শ্রেণিবিন্যাস করা হয়। জিহ্বার অবস্থানের ভিত্তিতে স্বরধ্বনি তিন প্রকার—সম্মুখ, কেন্দ্রীয় ও পশ্চাৎ
জিহ্বার উচ্চতা অনুযায়ী স্বরধ্বনি চার প্রকার—উচ্চ, উচ্চমধ্য, নিম্নমধ্য ও নিম্ন
প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি। যখন কোনো স্বরধ্বনি উচ্চারণ করার সময় জিহ্বার সামনের অংশ সক্রিয় থাকে এবং জিহ্বা মাঝখান থেকে সামান্য ওপরে থাকে, তখন তাকে উচ্চমধ্য-সম্মুখ স্বরধ্বনি বলে।
এখানে, ‘এ’ হলো সেই ধ্বনি। এর উচ্চারণে জিহ্বা সামনে থাকে (সম্মুখ) এবং মধ্যম উচ্চতায় থাকে (উচ্চমধ্য)।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: হলো নিম্ন, কেন্দ্রীয় স্বরধ্বনি। হলো নিম্নমধ্য, পশ্চাৎ স্বরধ্বনি। হলো উচ্চমধ্য, পশ্চাৎ স্বরধ্বনি।
8

‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পান-ব্যবসায়ী
  2. পর্ণকার
  3. তামসিক
  4. বারুই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তাম্বুলিক শব্দের অর্থ পান- ব্যবসায়ী, পর্ণকার, বারুই। তামসিক শব্দের অর্থ মেঘাচ্ছন্ন।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সমার্থক শব্দ বিষয়ক। ‘তাম্বুলিক’ অর্থ হলো পান বিক্রেতা বা যিনি পান ব্যবসা করেন।
বাকি অপশনগুলোর মধ্যে—
পান-ব্যবসায়ী (সরাসরি অর্থ) এবং বারুই (পান-চাষি বা পান ব্যবসায়ী সম্প্রদায়) ‘তাম্বুলিক’ শব্দের সরাসরি সমার্থক।
পর্ণকার শব্দের অর্থও পান বিক্রেতা (পর্ণ = পাতা বা পান)। তাই এটিও সমার্থক।
কিন্তু তামসিক শব্দের অর্থ হলো অন্ধকার, অজ্ঞানতা বা তমোগুণ সম্পর্কিত। এর সঙ্গে পানের বা ব্যবসার কোনো সম্পর্ক নেই।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো তামসিক
9

‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক।’– বাক্যটিতে কোন প্রকারের অব্যয় পদ ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদান্বয়ী অব্যয়
  2. অনুসর্গ অব্যয়
  3. অনন্বয়ী অব্যয়
  4. অনুকার অব্যয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে অব্যয় পদের সঙ্গে বাক্যের অন্যান্য পদের কোনো সম্বন্ধ থাকে না, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে। যেমন- ‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক।’ এখাানে ‘ভারি’ হচ্ছে অনন্বয়ী অব্যয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনন্বয়ী অব্যয়
যে অব্যয় পদগুলো বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সম্পর্ক না রেখে স্বাধীনভাবে কেবল বক্তার মনোভাব (আনন্দ, বিষাদ, বিস্ময়, প্রশংসা, ঘৃণা) প্রকাশ করে, তাকে অনন্বয়ী অব্যয় বলে।
প্রদত্ত বাক্যে ‘তুমি তো ভারি সুন্দর ছবি আঁক’ – এই অংশে ‘তো’ পদটি ব্যবহার করে বক্তা বিস্ময় বা প্রশংসা প্রকাশ করছেন। এই ‘তো’ শব্দটি বাক্যের অন্য কোনো পদের সঙ্গে সরাসরি ব্যাকরণগত সম্পর্ক স্থাপন করেনি, তাই এটি অনন্বয়ী অব্যয়।
উদাহরণস্বরূপ: ‘আহা’, কী চমৎকার দৃশ্য! (এখানে ‘আহা’ অনন্বয়ী অব্যয়)।
ভুল অপশন কেন:
পদান্বয়ী অব্যয় (সমুচ্চয়ী অব্যয়): এগুলো দুটি পদ বা বাক্যকে যুক্ত করে (যেমন: এবং, ও, অথবা)। এই বাক্যে সেই কাজ হচ্ছে না।
অনুসর্গ অব্যয়: এগুলো বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের পরে বসে বিভক্তির মতো কাজ করে (যেমন: দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক)।
10

নিচের কোনটি যৌগিক শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রবীণ
  2. জেঠামি
  3. সরোজ
  4. মিতালি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও প্রচলিত অর্থের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই, অর্থাৎ একই রকম, সেসব শব্দকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন: বাংলা ‘মিতালি’ শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ‘মিতার ভাব, বন্ধুত্ব’ (‘মিতা’ শব্দের পর ‘ভাব’- অর্থে তদ্ধিত প্রত্য ‘আলি’ -যোগে ‘মিতালি’ হয়েছে); শব্দটি এই অর্থেই একই; ফলে ‘মিতালি’ বাংলাতে যৌগিক শব্দ। এরকম- গায়ক = গৈ + অক – অর্থ হলো গান করে যে ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিতালি
বাংলা ভাষায় অর্থগতভাবে শব্দ তিন প্রকার: যৌগিক, রূঢ় বা রূঢ়ি এবং যোগরূঢ়
যৌগিক শব্দ (Compound Word): যে শব্দের আভিধানিক বা মূল অর্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ একই থাকে, তাকে যৌগিক শব্দ বলে।
মিতালি: শব্দটি ‘মিতা’ (বন্ধু) এবং ‘আলি’ (ভাব) প্রত্যয়যোগে গঠিত। এর আভিধানিক অর্থ ‘বন্ধুর ভাব বা বন্ধুত্ব’। ব্যবহারিক ক্ষেত্রেও এটি বন্ধুকে বোঝায়। তাই এটি যৌগিক শব্দ
অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন ভুল:
সরোজ: এর আভিধানিক অর্থ হলো 'সরোবরে জন্মায় যা' (যেমন: শ্যাওলা, মাছ)। কিন্তু এটি নির্দিষ্টভাবে শুধু ‘পদ্মফুল’ অর্থে ব্যবহৃত হয়। তাই এটি একটি যোগরূঢ় শব্দ
প্রবীণ: এর মূল অর্থ 'প্রকৃষ্ট রূপে বীণা বাজান যিনি'। কিন্তু ব্যবহারিক অর্থে এটি ‘অভিজ্ঞ বা বৃদ্ধ’ বোঝায়। মূল অর্থ থেকে সরে গিয়ে এটি একটি বিশেষ অর্থে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই এটি রূঢ়ি শব্দ
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।’– বাক্যটিতে কয়টি ভুল আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. ভুল নেই

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘সুনামীর তান্ডবে অনেকেই সর্বশান্ত হয়েছে।’ এখানে তিনটি ভুল রয়েছে। সুনামী, তান্ডব, সর্বশান্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিনটি। বাক্যটিতে মূলত তিনটি স্থানে অশুদ্ধি রয়েছে, যার মধ্যে দুটি গুরুতর (বানান/অর্থগত ভুল এবং বাহুল্য দোষ) এবং একটি বানান সংক্রান্ত।

ভুলগুলো নিচে চিহ্নিত করা হলো:
১. ‘সুনামীর তান্ডব’ (বাহুল্য দোষ): ‘সুনামি’ নিজেই একটি ভয়ংকর প্রাকৃতিক দুর্যোগ বা ধ্বংসাত্মক ঘটনা। তাই এর সঙ্গে ‘তান্ডব’ শব্দটি ব্যবহার করলে বাহুল্য দোষ সৃষ্টি হয়। শুদ্ধ প্রয়োগ হবে— ‘সুনামির কারণে...’ অথবা ‘সুনামির তান্ডবলীলায়...’।
২. ‘সর্বশান্ত’ (বানান/অর্থগত ভুল): এখানে শব্দটি হওয়া উচিত ‘সর্বস্বান্ত’। ‘সর্বস্বান্ত’ (সর্বস্ব + অন্তঃ) শব্দের অর্থ হলো সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হওয়া। ‘সর্বশান্ত’ বলতে কোনো কিছু থেকে শান্ত হওয়া বোঝায়, যা এখানে অর্থহীন ও ভুল।
৩. ‘সুনামীর’ (বানান ভুল): বর্তমানে অধিকাংশ ক্ষেত্রে ‘সুনামি’ বানানটি হ্রস্ব ই-কার (ি) দিয়ে লেখা হয় (সুনামি)। দীর্ঘ ঈ-কার দিয়ে লেখা হলেও প্রচলিত বানানের দিক থেকে এটি ত্রুটিপূর্ণ।

অতএব, বাক্যটিতে তিনটি ভুল বিদ্যমান।
12

কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপপদ
  2. প্রাতিপদিক
  3. প্রপদ
  4. পূর্বপদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদকে উপপদ বলে। বিভক্তহীন শব্দকে প্রাতিপদিক শব্দ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপপদ
বাংলা ব্যাকরণে যখন কৃৎ প্রত্যয় (কৃদন্ত পদ) সাধিত পদের পূর্বে অন্য কোনো পদ বসে, তখন সেই পূর্ববর্তী পদটিকে উপপদ বলা হয়। এই উপপদ এবং কৃদন্ত পদ মিলে যে সমাস হয়, তাকে উপপদ তৎপুরুষ সমাস বলে।
উদাহরণস্বরূপ, ‘জল দেয় যে = জলদ’ (মেঘ)। এখানে ‘জল’ হলো উপপদ এবং ‘দ’ (দাতা/দেয়) হলো কৃদন্ত পদের অংশ।
তেমনি, ‘পঙ্কে জন্মায় যা = পঙ্কজ’ (পদ্ম)। এখানে ‘পঙ্ক’ হলো উপপদ
প্রাতিপদিক (Pratipadik) হলো বিভক্তিহীন নামশব্দের মূল অংশ (যেমন: কলম)। এটি কৃদন্ত পদের পূর্ববর্তী পদ নয়।
পূর্বপদ হলো যেকোনো সমাসের প্রথম অংশ, কিন্তু এর নির্দিষ্টতা নেই যে পরের অংশটি অবশ্যই কৃদন্ত হবে।
13

‘তোমার নাম কী?’– এখানে ‘কী’ কোন প্রকারের শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রশ্নবাচক
  2. অব্যয়
  3. সর্বনাম
  4. বিশেষণ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে সর্বনাম দ্বারা কোনো কিছু জানতে চাওয়া হয় তাকে প্রশ্নবাচক সর্বনাম বলে। যেমন- তোমার নাম কী? এখানে কী হচ্ছে প্রশ্নবাচক সর্বনাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সর্বনাম (Pronoun)।
যে পদ বাক্যে বিশেষ্য বা নাম পদের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়, তাকে সর্বনাম পদ বলে।
আলোচ্য বাক্যে, 'তোমার নাম কী?’—এখানে 'কী' শব্দটি আসলে ব্যক্তির নাম (বিশেষ্য) সম্পর্কে জানতে চাইছে। অর্থাৎ এটি সেই নাম পদের স্থান দখল করে প্রশ্নটি তৈরি করছে।
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো শব্দ প্রশ্ন করার সময় বিশেষ্য পদের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে প্রশ্নসূচক সর্বনাম পদ বলা হয়। তাই 'কী' এখানে সর্বনাম পদ।
যদিও এটি একটি প্রশ্নবাচক শব্দ, তবে ব্যাকরণগতভাবে এর পদ পরিচয় হলো সর্বনাম। তাই 'প্রশ্নবাচক' সরাসরি পদ প্রকরণ নির্দেশ করে না।
14

‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক নয় নিচের কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুটিল
  2. জটিল
  3. বক্র
  4. গরল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সরল শব্দের বিপরীত শব্দ- কুটিল, জটিল, বক্র। গরলের বিপরীত শব্দ হচ্ছে অমৃত।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোনটি ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ নয়
‘সরল’ শব্দটি তিনটি ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং এর বিপরীতে তিনটি ভিন্ন শব্দ ব্যবহার করা যায়:
১. স্বভাবগত সরলতা: সরল (সৎ, অকপট) এর বিপরীত হলো কুটিল (বদান্য, শঠ)।
২. বিষয়গত সরলতা: সরল (সহজ) এর বিপরীত হলো জটিল (কঠিন)।
৩. জ্যামিতিক সরলতা: সরল (সোজা) এর বিপরীত হলো বক্র (বাঁকা)।
অতএব, কুটিল, জটিল, এবং বক্র—এই তিনটিই ‘সরল’ শব্দের বিপরীতার্থক।
কিন্তু, ‘গরল’ শব্দের অর্থ হলো বিষ বা হলাহল। এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো ‘অমৃত’
যেহেতু গরল, সরল শব্দের বিপরীত নয়, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
15

‘Rank’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ
  2. পদমর্যাদা
  3. মাত্রা
  4. উচ্চতা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Rank-শব্দের বাংলা পরিভাষা পদমর্যাদা। Post-শব্দের বাংলা পরিভাষা পদ। Dimension-শব্দের বাংলা পরিভাষা মাত্রা। Height-শব্দের বাংলা পরিভাষা উচ্চতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পদমর্যাদা
'Rank' শব্দটি সাধারণত সামরিক, প্রশাসনিক বা সামাজিক ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর স্তর (Grade), মান বা অবস্থান (Status) নির্দেশ করে। এর মাধ্যমে সেই পদের ক্ষমতা এবং গুরুত্বের মাত্রা প্রকাশ পায়।
পদমর্যাদা (Status/Dignity of Post) শব্দটি Rank-এর ভাবার্থ এবং ব্যবহারিক অর্থ উভয়ই সঠিকভাবে প্রকাশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'পদ' (Post/Designation) শুধু একটি অবস্থান বোঝায়, কিন্তু তার মান বা স্তর বোঝায় না। 'মাত্রা' (Dimension) এবং 'উচ্চতা' (Height) শব্দগুলো এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  2. যতীন্দ্র মোহন বাগচী
  3. প্রফুল্ল মোহন বাগচী
  4. প্রণয়ভূষণ বাগচী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৩৮ সালে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতী অনুবাদ সংগ্রহ/আবিষ্কার করে প্রকাশ করেন। প্রবোধচন্দ্র বাগচীর মতে, চর্যাপদের নাম ‘চর্যাশ্চর্যবিনিশ্চয়’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রবোধচন্দ্র বাগচী
ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী চর্যাপদের তিব্বতি অনুবাদ প্রকাশ করেন। এটি ১৯৩৮ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়।
মূলত, তিব্বতি অনুবাদটি মুনিদত্ত রচিত চর্যাগীতিকোষ-বৃত্তি বা টীকার তিব্বতি অনুবাদ। প্রবোধচন্দ্র বাগচী এই অনুবাদটি সংগ্রহ করে প্রকাশ করেন।
এই তিব্বতি অনুবাদটি আবিষ্কৃত হওয়ার ফলে চর্যাপদের দুর্বোধ্য পদগুলির অর্থ উদ্ধারে এবং চর্যার ভাষাতাত্ত্বিক তাৎপর্য নির্ধারণে ব্যাপক সুবিধা হয়।
17

‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যের রচয়িতা জয়দেব কার সভাকবি ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শশাঙ্কদেবের
  2. লক্ষ্মণ সেনের
  3. যশোবর্মনের
  4. হর্ষবর্ধনের

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জয়দেব বৈষ্ণব পদাবলির আদি কবি এবং লক্ষ্মণ সেনের সভাকবি ছিলেন। জয়দেব বাঙালি কবি ছিলেন কিন্তু পদ রচনা করেছিলেন সংস্কৃত ভাষায়। এই জন্য তাকে পদাবলির সংস্কৃত ভাষার আদি কবি বলা হয়। তাঁর বিখ্যাত বৈষ্ণব পদাবলির কাব্য- ‘গীতগোবিন্দম্’। এটি বৈষ্ণব ধারার/ বৈষ্ণব পদাবলির প্রথম কাব্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লক্ষ্মণ সেনের
জয়দেব ছিলেন সেন বংশের শেষ স্বাধীন ও বিখ্যাত রাজা লক্ষ্মণ সেনের (আনুমানিক ১১৭৮–১২০৬ খ্রি.) সভাকবি।
তিনি ছিলেন রাজা লক্ষ্মণ সেনের সভার পাঁচজন বিখ্যাত পণ্ডিত বা ‘পঞ্চরত্ন’-এর অন্যতম।
তাঁর রচিত অমর কাব্য ‘গীতগোবিন্দ’ হলো রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক একটি লিরিক্যাল কাব্য, যা বাংলা সাহিত্যের বৈষ্ণব পদাবলি ধারায় গভীর প্রভাব ফেলেছিল।
18

কবি যশোরাজ খান বৈষ্ণবপদ রচনা করেন কোন ভাষায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রজবুলি
  2. বাংলা
  3. সংস্কৃত
  4. হিন্দি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কবি যশোরাজ খান গৌড়ের শাসক হুসেন শাহের রাজত্বকালের কবি ছিলেন। পীতাম্বর দাসের রচিত ‘রসমঞ্জরী’ গ্রন্থে যশোরাজ খানের একটি ব্রজবুলি পদ সংকলিত রয়েছে। পদটি যশোরাজ খান রচিত শ্রীকৃষ্ণমঙ্গল কাব্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রজবুলি
মধ্যযুগের অন্যতম বিখ্যাত বৈষ্ণব পদকর্তা কবি যশোরাজ খান তাঁর অধিকাংশ পদ ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন।
বৈষ্ণব পদাবলি সাহিত্যে সাধারণত দুটি প্রধান ভাষা ব্যবহৃত হতো—একটি হলো বিশুদ্ধ বাংলা এবং অন্যটি হলো ব্রজবুলি
ব্রজবুলি হলো মূলত মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার সংমিশ্রণে সৃষ্ট একটি কৃত্রিম সাহিত্যিক ভাষা, যা রাধা-কৃষ্ণের লীলা কীর্তনের জন্য খুবই উপযোগী ছিল।
19

নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
  2. সাবিরিদ খাঁ
  3. সৈয়দ সুলতান
  4. সৈয়দ নূরুদ্দীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন। তিনি মধ্যযুগীয় ধর্ম সাহিত্যের কবি। তার কাব্যগুলো হলো দাকায়েফুল হেকায়েক, কেয়ামতনামা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৈয়দ নূরুদ্দীন
তিনি যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন।
সৈয়দ নূরুদ্দীন মূলত ধর্মতত্ত্বমূলক বা শিক্ষামূলক কাব্য রচনা করেন। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো আহকামুস সালাত (নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় নিয়মাবলি নিয়ে রচিত), যা কোনো যুদ্ধকাব্য নয়।
অন্যদিকে, সৈয়দ সুলতান এবং সাবিরিদ খাঁ উভয়েই রসুলবিজয় কাব্যধারার কবি। রসুলবিজয় মূলত ইসলামিক নবীদের জীবনীর ওপর ভিত্তি করে লেখা হলেও, এতে যুদ্ধ ও সংগ্রামের বিবরণ থাকে, তাই এটি যুদ্ধকাব্যের অংশ হিসেবে গণ্য হয়।
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ বিখ্যাত প্রণয়কাব্য লাইলী মজনু-এর রচয়িতা। তবে প্রশ্নের প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সৈয়দ নূরুদ্দীনই একমাত্র কবি, যার প্রধান পরিচিতি বা রচনা যুদ্ধকাব্য থেকে একেবারেই ভিন্ন।
20

কোনটি কবি জৈনুদ্দিনের কাব্যগ্রন্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রসুল বিজয়
  2. মক্কা বিজয়
  3. রসুলচরিত

  4. মক্কানামা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কবি জৈনুদ্দিনের যুদ্ধকাব্য রসুল বিজয়। এটি যুদ্ধবিষয়ক একটি কাহিনীকাব্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রসুল বিজয়
মধ্যযুগের অন্যতম কবি জৈনুদ্দিনের একমাত্র পরিচিত ও বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো রসুল বিজয়
কবি জৈনুদ্দিন ছিলেন পঞ্চদশ শতকের শেষের দিকে (১৪৭৪-১৪৮১ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলার স্বাধীন সুলতান ইউসুফ শাহের রাজসভার কবি।
কাব্যগ্রন্থটি একটি বিজয়ের উপাখ্যানমূলক কাব্য। এটি মূলত নবী হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবনচরিত এবং ইসলাম প্রচারের কাহিনি নিয়ে রচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন কবির রচনা: যেমন, 'মক্কা বিজয়' কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা হলেন শেখ ফয়জুল্লাহ
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিনয় ঘোষ
  2. সুবিনয় ঘোষ
  3. বিনয় ভট্টাচার্য
  4. বিনয় বর্মণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিনয় ঘোষ বিশ শতকের একজন বাঙালি সমাজবিজ্ঞানী, সাহিত্য সমালোচক, সাহিত্যিক, লোকসংস্কৃতি সাধক, চিন্তাবিদ ও গবেষক। ইতিহাস ও রাজনীতি সম্পর্কিত পর্যালোচনায় বিশেষ কৃতিত্বের অধিকারী। তিনি “বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হটির রচয়িতা। এ গ্রন্হটি ৩টি খণ্ডে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বিনয় ঘোষ
“বিদ্যাসাগর ও বাঙালি সমাজ” গ্রন্হটির রচয়িতা হলেন বিশিষ্ট গবেষক, ঐতিহাসিক ও সমাজতত্ত্ববিদ ড. বিনয় ঘোষ (Dr. Binoy Ghosh)।
এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জীবন, সমাজ সংস্কারে তাঁর ভূমিকা এবং উনিশ শতকের বাঙালি সমাজের উপর তাঁর প্রভাবের একটি গভীর ও প্রামাণ্য বিশ্লেষণমূলক গ্রন্থ।
বিনয় ঘোষ বিশেষভাবে উনিশ ও বিশ শতকের বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাসের উপর গবেষণার জন্য বিখ্যাত।
22

প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাাজা রামমোহন রায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রথম সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাকে বাংলা গদ্যের প্রথম শিল্পী বলে আখ্যায়িত করেছেন। গীতার বনবাস ও শকুন্তলা গ্রন্হে তার গদ্য সাহিত্যের পরিপূর্ণ রূপ ফুটে উঠেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
বাংলা গদ্যের প্রাথমিক সূচনা হয়েছিল ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পণ্ডিতদের হাতে, যেমন— মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার বা রামরাম বসু। তবে তাঁদের গদ্য ছিল অমার্জিত, শিথিল ও সাহিত্যগুণ বর্জিত।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর প্রথম ব্যক্তি, যিনি বাংলা গদ্যকে সাহিত্যিক মর্যাদা দান করেন। তিনি গদ্যে সঠিক যতিচিহ্ন (Punctuation) ব্যবহারের প্রচলন করেন, বাক্যে গতি ও সুশৃঙ্খলতা আনেন এবং সংস্কৃত নির্ভর এক মার্জিত শৈলী (সাধু গদ্য) তৈরি করেন।
এই কারণে বিদ্যাসাগরকে বাংলা ভাষার প্রথম সার্থক বা সাহিত্যিক গদ্যের স্রষ্টা এবং বাংলা গদ্যের জনক বলা হয়। তাঁর গদ্যের প্রথম সার্থক সৃষ্টি হলো— 'শকুন্তলা' (১৮৫৪)।
অন্যদিকে, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক এবং তিনি বাংলা গদ্যকে আরও গতিশীল ও মননশীল করে তুলেছিলেন।
23

প্যারীচাঁদ মিত্রের ‘আলালের ঘরের দুলাল’ প্রথম গ্রন্হাকারে প্রকাশিত হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮৫৮ সালে
  2. ১৯৭৮ সালে
  3. ১৮৪৮ সালে
  4. ১৮৬৮ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্যারীচাঁদ মিত্রের প্রথম গ্রন্হ ‘আলালের ঘরের দুলাল’। গ্রন্হটি ১৯৫৪ খ্রিষ্টাব্দ থেকে মাসিক পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়ে ১৮৫৮ খ্রিষ্টাব্দে গ্রন্হাকারে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮৫৮ সালে
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ প্যারীচাঁদ মিত্র (ছদ্মনাম: টেকচাঁদ ঠাকুর) রচিত ‘আলালের ঘরের দুলাল’ উপন্যাসটি প্রথমে ১৮৫৫ সাল থেকে ১৮৫৭ সাল পর্যন্ত মাসিক পত্রিকা-য় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়।
পরবর্তীকালে এটি পাঠকের বিপুল আগ্রহে ১৮৫৮ সালে প্রথম গ্রন্হাকারে প্রকাশিত হয়। এই প্রকাশনাটি বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে একটি যুগান্তকারী ঘটনা।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল উপন্যাস হিসেবে পরিচিত এবং এতে আলালী ভাষা বা চলিত রীতির সফল প্রয়োগ করা হয়েছিল।
24

শচীন, দামিনী ও শ্রীবিলাস রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন উপন্যাসের চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুরঙ্গ
  2. চার অধ্যায়
  3. নৌকাডুবি
  4. ঘরে বাইরে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘চতুরঙ্গ’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি সাধুভাষায় লিখিত রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস। চতুরঙ্গ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: জ্যাঠামশাই, শচীশ, দামিনী এবং শ্রীবিলাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো চতুরঙ্গ
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত ‘চতুরঙ্গ’ উপন্যাসের (মতান্তরে এটি একটি দীর্ঘ গল্প) প্রধান ও কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো— শচীশ (প্রশ্নে 'শচীন' বলা হলেও মূল চরিত্র শচীশ), দামিনী এবং শ্রীবিলাস
উপন্যাসটির মূলভাব শচীশের বৈরাগ্য, দামিনীর জীবনবোধ এবং শ্রীবিলাসের আত্মত্যাগের মাধ্যমে ফুটে উঠেছে।
অন্যান্য বিখ্যাত উপন্যাসগুলির প্রধান চরিত্রগুলো হলো: চার অধ্যায়-অতীন ও এলা; নৌকাডুবি-রমেশ, হেমনলিনী ও কমলা; ঘরে বাইরে-নিখিলেশ, বিমলা ও সন্দীপ।
25

‘তুমি মা কল্পতরু আমরা সব পোষাগরু’– এই কবিতাংশটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
  2. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
এই বিখ্যাত কবিতাংশটি বাংলা সাহিত্যের সন্ধিযুগের শ্রেষ্ঠ কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্তের লেখা। তিনি ছিলেন আধুনিক যুগের প্রারম্ভের কবি, যিনি পুরাতন রীতি ও আধুনিক রীতির মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরি করেছিলেন।
ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত সমাজ সচেতনতা, ব্যঙ্গ-বিদ্রূপ এবং হাস্যরস সৃষ্টির মাধ্যমে কবিতায় তৎকালীন সমাজ জীবনের অসঙ্গতি তুলে ধরতেন। আলোচ্য চরণটিতে তিনি কল্পতরুর (দাতা/প্রভাবশালী ব্যক্তি) চারপাশের তোষামোদকারী ও সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের (‘পোষাগরু’) উপর তীব্র কটাক্ষ করেছেন।
অন্যান্য রচয়িতাগণ (যেমন: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় বা হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়) প্রধানত আখ্যায়িকা কাব্য রচনায় মনোযোগ দিয়েছিলেন, তাদের রচনায় এমন ধারার সমাজ-কেন্দ্রিক ব্যঙ্গাত্মক উক্তি বিরল।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

মীর মশাররফ হোসেনের কোন গ্রন্হের উপজীব্য হিন্দু মুসলমানের বিরোধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গো-জীবন
  2. ইসলামের জয়
  3. এর উপায় কী
  4. বসন্তকুমারী নাটক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মীর মশাররফ হোসেনের 'গো-জীবন' (১৮৮৯) একটি প্রবন্ধ পুস্তিকা। প্রবন্ধটির মূল বক্তব্য হলো, কৃষিনির্ভর অর্থনীতিতে যে কোনো কারণেই হোক গো-হত্যা অনুচিত। স্বীয় বক্তব্যের সমর্থনে লেখক ধর্মগ্রন্থ এবং প্রাত্যাহিক বাস্তব অভিজ্ঞতা থেকে নানা যুক্তি ও তথ্য পরিবেশন করেছেন। হিন্দু ও মুসলমান এই দুই ধর্মাবলম্বীদের ঐক্যবদ্ধ করার মানসেই মশাররফ হোসেন এ প্রবন্ধ রচনা করেন। প্রবন্ধটি তৎকালে মুসলিম ধর্মীয় নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের মধ্যে যথেষ্ট প্রতিক্রিয়ার জন্ম দেয়। এ কারণে ‘আখবারে এসলামিয়া' (১৮৮৪) পত্রিকা প্রতিবাদ প্রকাশ করে এবং লেখককে পরে মামলাতে জড়িয়ে পড়তে হয়। অবশেষে তা মৌলবাদী মুসলিমদের প্রবল চাপের মুখে তিনি 'গো-জীবন' প্রত্যাহার করতে বাধ্য হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গো-জীবন
মীর মশাররফ হোসেনের রচিত প্রবন্ধগ্রন্থ 'গো-জীবন' (১৮৮৯)-এর মূল উপজীব্য ছিল হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ বা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি। তিনি এই গ্রন্থে গো-কোরবানি (গরু জবাই) বন্ধের পক্ষে মত দিয়েছিলেন।
হিন্দু-মুসলমানের মধ্যে সম্প্রীতি রক্ষার উদ্দেশ্যে রচিত হলেও, গরুর মাংস ভক্ষণ বর্জন করার আহ্বানের জন্য বইটি মুসলিম সমাজে তীব্র সমালোচনার শিকার হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্নধর্মী রচনা:
'বসন্তকুমারী নাটক' হলো মীর মশাররফ হোসেনের প্রথম নাটক। এটি হিন্দু-মুসলমানের বিরোধ নিয়ে লেখা নয়।
27

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কত বয়সে ছোটগল্পকার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ বছর
  2. ১২ বছর

  3. ১৪ বছর
  4. ১৬ বছর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গল্পগুচ্ছের প্রথম গল্পটির নাম ‘ঘাটের কথা’। এটি প্রকাশিত হয় ভারতী পত্রিকার কার্তিক ১২৯১ সংখ্যায়। তার আগে একই পত্রিকার ১২৮৪ বঙ্গাব্দের (১৮৭৭ খ্রিষ্টাব্দ) শ্রাবণ-ভাদ্র সংখ্যায় প্রকাশিত হয় রবীন্দ্রনাথের ‘ভিখারিণী’ গল্পটি। এখন পর্যন্ত যতদূর জানা যায়, এটিই তাঁর লেখা প্রথম গল্প, যা কোনো সাময়িকপত্রে প্রকাশিত হয়েছিল। গল্পটি রচনাকালে রবীন্দ্রনাথের বয়স ছিল মাত্র ১৬ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬ বছর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ মে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর লেখা প্রথম প্রকাশিত ছোটগল্পের নাম হলো 'ভিখারিনী'
গল্পটি ১৮৭৭ সালে (১২৮৪ বঙ্গাব্দ) প্রকাশিত হয়। এই সময় তাঁর বয়স ছিল ১৮৭৭১৮৬১=<strong>১৬বছর</strong>১৮৭৭ - ১৮৬১ = <strong>১৬ বছর</strong>
অন্যান্য অপশন (১০ বছর, ১২ বছর, ১৪ বছর) ভুল, কারণ এই বয়সে তিনি কবিতা বা প্রবন্ধ লিখলেও, ছোটগল্পকার হিসেবে তাঁর আত্মপ্রকাশ ঘটে ১৬ বছর বয়সে 'ভিখারিনী' গল্পের মাধ্যমে।
এই গল্পটি 'ভারতী' পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, যা তাঁর ছোটগল্পকার জীবনের সূচনা করে।
28

নিচের কোনটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের গল্পগ্রন্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইছামতি
  2. মেঘমল্লার
  3. মৌরিফুল
  4. যাত্রাবদল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের উল্লেখযোগ্য গল্পগ্রন্থ: মেঘমল্লার, মৌরিফুল, যাত্রাবদল, জন্ম ও মৃত্যু, উপলখণ্ড, কিন্নর দল প্রভৃতি। ‘ইছামতি’ তাঁর একটি উল্লেখযোগ্য উপন্যাস। ‘ইছামতি’ উপন্যাসের জন্য ১৯৫১ সালে মরণোত্তর রবীন্দ্র পুরস্কার লাভ করেন তিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইছামতি
কারণ ইছামতি হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এটি কোনো গল্পগ্রন্থ নয়।
প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য তিনটি বিকল্প— মেঘমল্লার, মৌরিফুল, এবং যাত্রাবদল— এগুলো সবই বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ (Short Story Collection)।
তিনি প্রধানত প্রকৃতির নিবিড় সৌন্দর্য, সহজ সরল জীবনযাত্রা এবং গ্রাম বাংলার সাধারণ মানুষের জীবনভিত্তিক সাহিত্য রচনার জন্য বিখ্যাত। ইছামতি উপন্যাসের পটভূমিও ছিল নদীকেন্দ্রিক গ্রামীণ জীবন।
29

‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি কাজী নজরুল ইসলামের কোন গ্রন্থ থেকে সংকলিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুগ-বাণী
  2. রুদ্র-মঙ্গল
  3. দুর্দিনের যাত্রী
  4. রাজবন্দির জবানবন্দি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের ‘রুদ্র-মঙ্গল’ প্রবন্ধ গ্রন্হটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি তাঁর ‘রুদ্র-মঙ্গল’ গ্রন্হ থেকে সংকলিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রুদ্র-মঙ্গল
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রগতিশীল ও বিপ্লবী প্রবন্ধগুলোর সংকলন হলো রুদ্র-মঙ্গল। এই গ্রন্থটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়।
বিখ্যাত প্রবন্ধ ‘আমার পথ’ (যা মূলত পথনির্দেশক চেতনা ও সত্যের মহিমাকে তুলে ধরে) এই রুদ্র-মঙ্গল গ্রন্থেই সংকলিত হয়েছে।
বাকি বিকল্পগুলোও নজরুলের প্রবন্ধগ্রন্থ হলেও (যেমন যুগ-বাণী, দুর্দিনের যাত্রী) ‘আমার পথ’ প্রবন্ধটি সরাসরি রুদ্র-মঙ্গল থেকেই সংকলিত।
30

‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী কাকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে
  2. জসীম উদ্দীনকে
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে তপোবন-প্রেমিক বলেছেন। তপোবন-প্রেমিক রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নদীর গতিতে জীবনের গতি খুঁজেছেন। উল্লেখ্য তিনি নদীকেই মনুষ্যত্বের প্রতীক ভেবেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে
মোতাহের হোসেন চৌধুরী রচিত ‘জীবন ও বৃক্ষ’ প্রবন্ধে তিনি প্রকৃতিকে দু’ভাবে দেখেছেন— এক. ইউরোপীয় দৃষ্টিকোণ (যা শুধু সৌন্দর্য ও উপযোগিতা খোঁজে), এবং দুই. ভারতীয় দৃষ্টিকোণ।
তিনি বলেছেন, ভারতীয় সংস্কৃতিতে প্রকৃতিকে কেবল সৌন্দর্য হিসেবে দেখা হয়নি, বরং ‘তপোবন’ বা আধ্যাত্মিক সাধনার স্থান হিসেবে দেখা হয়েছে। এই তপোবনের ধারণাটি আধুনিক সাহিত্যে যিনি সবচেয়ে গভীর ও সার্থকভাবে প্রকাশ করেছেন, তিনি হলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
তাই মোতাহের হোসেন চৌধুরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে বিশেষভাবে ‘তপোবন-প্রেমিক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন।
অন্যান্য লেখকেরা প্রকৃতিপ্রেমী হলেও এই প্রবন্ধের প্রেক্ষাপটে তপোবনের ধারণার সঙ্গে তাঁদের এমন প্রত্যক্ষ যোগসূত্র নেই।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস’– এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান কাকে বুঝিয়েছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ নাসেরকে
  2. শেখ কামালকে
  3. শেখ হাসিনাকে
  4. শেখ রেহানাকে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘আমি যখন জেলে যাই তখন ওর বয়স মাত্র কয়েক মাস’– এখানে ‘ওর’ বলতে শেখ মুজিবুর রহমান শেখ কামালকে বুঝিয়েছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ কামালকে
এই বিখ্যাত উক্তিটি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ 'অসমাপ্ত আত্মজীবনী'-তে উল্লেখ করেছেন।
শেখ কামাল জন্মগ্রহণ করেন ৫ আগস্ট, ১৯৪৯ সালে। বঙ্গবন্ধু ১৯৪৯ সালের শেষের দিকে বা ১৯৫০ সালের প্রথম দিকে একটি দীর্ঘ সময়ের জন্য কারারুদ্ধ হন। সেই সময় শেখ কামাল-এর বয়স ছিল মাত্র কয়েক মাস। বঙ্গবন্ধু এই উক্তি দ্বারা সেই সময়ের কথা উল্লেখ করেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ শেখ হাসিনা (জন্ম: ১৯৪৮) তখন শিশু হলেও তাঁর বয়স কয়েক মাসের বেশি ছিল। শেখ রেহানা (জন্ম: ১৯৫৭) এবং শেখ নাসের (বঙ্গবন্ধুর ভাই) এই সময়ের সাথে সম্পর্কিত নন।
32

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গাইবান্ধায়
  2. বগুড়ায়
  3. ঢাকায়
  4. সিরাজগঞ্জে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৪৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধার গোহাটি গ্রামে (মামাবাড়ি) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈত্রিক নিবাস বগুড়া। পিতা বদিউজ্জামান মোহাম্মদ ইলিয়াস ও মাতা বেগম মরিয়ম ইলিয়াস। তাঁর পিতা মুসলিম লীগের পার্লামেন্টারি সেক্রেটারি ছিলেন। তাঁর একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘সংস্কৃতির ভাঙ্গা সেতু’। ‘রেইনকোট’ গল্পটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক ছোটগল্প। আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ১৯৯৭ সালের ৪ জানুয়ারি ঢাকায় (ক্যান্সারে আক্রান্ত হয়ে) মৃত্যুবরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গাইবান্ধায়
আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪৩ সালের ১২ই ফেব্রুয়ারি তৎকালীন বৃহত্তর রংপুর জেলার (বর্তমানে গাইবান্ধা জেলা) সাঘাটা উপজেলার গোটিয়া গ্রামে।
তিনি মূলত ঢাকা শহরে বসবাস ও কর্মজীবন অতিবাহিত করলেও তার জন্মস্থান গাইবান্ধা। অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। তিনি বগুড়া বা সিরাজগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেননি।
33

মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তিত ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ প্রকৃত পক্ষে বাংলা কোন ছন্দের নব-রুপায়ন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বরবৃত্ত ছন্দ
  2. অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
  3. মাত্রাবৃত্ত ছন্দ
  4. গৈরিশ ছন্দ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অক্ষরবৃত্ত ছন্দ বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত প্রধান তিনটি ছন্দের একটি। অন্য দুটি হলো স্বরবৃত্ত ছন্দ এবং মাত্রাবৃত্ত ছন্দ। অক্ষরবৃত্ত ছন্দে লেখা কবিতাগুলোর মূলপর্ব সাধারণত ৮ বা ১০ হয়। কাব্যে যে ছন্দে চরণদ্বয়ের অন্ত্যবর্ণের মিল থাকে না, তাকে অমিত্রাক্ষর ছন্দ বলে। অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রকৃত পক্ষে অক্ষরবৃত্ত ছন্দের নবরূপ। যা ঊনবিংশ শতাব্দীর শেষভাগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত প্রবর্তন করেছিলেন। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত পদ্মাবতী নাটকের ২য় অঙ্কের ২য় গর্ভাঙ্কে মধুসূদন সর্বপ্রথম অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রয়োগ করেছিলেন। এই ছন্দকে মিশ্রকলাবৃত্ত, তানপ্রধান ছন্দ ইত্যাদি নামেও অভিহিত করা হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্ষরবৃত্ত ছন্দ
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ১৮৬০ সালে বাংলা সাহিত্যে ‘অমিত্রাক্ষর ছন্দ’ (Blank Verse) প্রবর্তন করেন। এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দেরই আধুনিক ও শৃঙ্খলমুক্ত একটি রূপায়ন।
প্রচলিত বাংলা পয়ার ছন্দে (যা অক্ষরবৃত্তের মূল রূপ) প্রতি লাইনে ১৪ অক্ষর থাকত এবং লাইনের শেষে অন্ত্যমিল (rhyme) থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।
কিন্তু মধুসূদন যখন অমিত্রাক্ষর ছন্দ প্রবর্তন করেন, তখন তিনি অক্ষরবৃত্তের ১৪ অক্ষরের চাল ও পর্ব বিন্যাসকে ঠিক রেখে কেবল অন্ত্যমিল বা Rhyme-এর বাধ্যবাধকতাটি তুলে দেন। ফলে এটি অক্ষরবৃত্ত ছন্দের একটি নব-রুপায়ন হিসেবে গণ্য হয়, যেখানে প্রতিটি পঙ্‌ক্তি স্বাধীনভাবে চলতে পারে।
অন্যান্য ছন্দ: স্বরবৃত্ত ছন্দ ছন্দের গতি বা ঝোঁকের (stress) ওপর নির্ভরশীল এবং মাত্রাবৃত্ত ছন্দ ধ্বনি বা মাত্রার দৈর্ঘ্যের (mora) ওপর নির্ভরশীল, তাই এগুলি অমিত্রাক্ষরের ভিত্তি নয়।
34

‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শামসুর রাহমান
  3. হাসান হাফিজুর রহমান
  4. আহসান হাবিব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নাগরিক কবি শামসুর রাহমান রচিত উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ: বন্দী শিবির থেকে (১৯৭২), নিরালোকে দিব্যরথ (১৯৬৮) উদ্ভট উটের পিঠে চলেছে স্বদেশ (১৯৮২), আদিগন্ত নগ্ন পদধ্বনি (১৯৭৪), প্রথম গান, দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (১৯৬০), দুঃসময়ের মুখোমুখি (১৯৭৩), বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে (১৯৭৭), এক ফোঁটা কেমন অনল (১৯৮৬), বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় (১৯৮৮) প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: শামসুর রাহমান
‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান
তিনি ছিলেন নাগরিক জীবন ও বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রধান রূপকারদের অন্যতম। তাঁর কবিতায় যুদ্ধ, প্রেম, দেশাত্মবোধ ও গণতান্ত্রিক চেতনার প্রতিফলন দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ এই কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা নন। সৈয়দ শামসুল হক সব্যসাচী লেখক হিসেবে পরিচিত এবং আহসান হাবিবহাসান হাফিজুর রহমানও আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ কবি, কিন্তু আলোচ্য গ্রন্থের রচয়িতা শামসুর রাহমান
35

“দুর্দিনের দিনলিপি” স্মৃতিগ্রন্থটি কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল ফজল
  2. আবদুল কাদির
  3. জাহানারা ইমাম
  4. মুশতারি শফী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আবুল ফজল রচিত আত্মকাহিনী: ১. দুর্দিনের দিনলিপি (১৯৭২); ২. রেখাচিত্র (১৯৬৬); ৩. লেখকের রোজনামচা (১৯৬৯)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবুল ফজল
আবুল ফজল ছিলেন একজন প্রখ্যাত সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য। তাঁর রচিত বিখ্যাত স্মৃতিগ্রন্থগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো “দুর্দিনের দিনলিপি”
স্মৃতিগ্রন্থটিতে তিনি তাঁর জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ ও সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, জাহানারা ইমাম এর বিখ্যাত স্মৃতিগ্রন্থ হলো 'একাত্তরের দিনগুলি' এবং মুশতারি শফী এর স্মৃতিগ্রন্থ হলো 'স্বাধীনতা আমার রক্তঝরা দিনগুলি'। তাই তারা ভুল উত্তর।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

She insisted on ––– leaving the house.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. he
  2. him
  3. himself
  4. his

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Insist on এর পর সর্বদা Possessive form ব্যবহৃত হয়। সুতরাং সঠিক উত্তর She insisted on his leaving the house.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: his। বাক্যটি সম্পূর্ণ হবে এভাবে— She insisted on his leaving the house।
এর কারণ হলো, বাক্যে ‘leaving’ শব্দটি Gerund হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Gerund হলো Verb-এর সাথে -ing যোগ হয়ে যখন এটি Noun বা বিশেষ্যের কাজ করে। এই Gerund-এর পূর্বে যদি কোনো Pronoun ব্যবহার করতে হয়, তবে সেই Pronoun-টি অবশ্যই Possessive Adjective বা সম্বন্ধবাচক রূপে থাকতে হবে।
নিয়মটি হলো: Preposition + Possessive Adjective + Gerund
এখানে, Preposition হলো ‘on’, এবং Gerund হলো ‘leaving’ (যা ‘his departure’ বা তার প্রস্থানকে নির্দেশ করছে)। তাই এর আগে ‘he’ (কর্তৃবাচক), ‘him’ (কর্মবাচক) বা ‘himself’ (আত্মবাচক) না বসে Possessive রূপ his বসবে।
উদাহরণ: Do you mind my smoking here? (এখানে ‘me’ smoking হবে না)।
37

The phrase “Achilles’ heel” means––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a strong point
  2. a strong solution
  3. a weak point
  4. a permanent solution

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Achilles heel একটি idioms and Phrase এর অর্থ -weak point.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (c) a weak point (একটি দুর্বল দিক)
“Achilles’ heel” একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা (Idiom), যার অর্থ হলো দুর্বলতা বা মরণফাঁদ (vulnerable spot)
এই বাগধারাটির উৎপত্তি গ্রিক পুরাণ (Greek Mythology) থেকে। গ্রিক বীর Achilles-কে অমর করার জন্য তাঁর মা তাঁকে Styx (স্টিক্স) নদীতে ডুবিয়েছিলেন। কিন্তু মা তাঁকে গোড়ালি (heel) ধরে রেখেছিলেন, ফলে শুধুমাত্র গোড়ালি অংশটিই একমাত্র অরক্ষিত ও দুর্বল থেকে যায়। ট্রয়ের যুদ্ধে তীরবিদ্ধ হয়ে তিনি সেখানেই নিহত হন।
সুতরাং, এই শব্দটি যেকোনো ব্যক্তি বা বিষয়ের প্রধান দুর্বলতা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
38

He does not adhere ––– any principle.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. by
  2. in
  3. at
  4. to

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Adhere to (sth)- লেগে থাকা, অটল থাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো to। এটি একটি Appropriate Preposition-এর উদাহরণ।
Adhere শব্দের অর্থ হলো 'দৃঢ়ভাবে লেগে থাকা', 'অটল থাকা' বা 'মেনে চলা'।
নিয়ম অনুযায়ী, Adhere ভার্বটির পরে সবসময় to নামক স্থির অনুসর্গ (Fixed Preposition) বসে।
অর্থাৎ, Adhere to = মেনে চলা।
সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হবে: He does not adhere to any principle (সে কোনো নীতি মেনে চলে না)।
অন্যান্য অপশন যেমন 'by', 'in', বা 'at' এখানে ভুল, কারণ এরা 'adhere' শব্দের সাথে স্থিরভাবে যুক্ত নয়।
39

Millennium is a period of–––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 100 year
  2. 1000 year
  3. 1 million year
  4. 1 million year

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Millennium: a period of 1,000 years.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: 1000 year
ইংরেজি শব্দ Millennium দ্বারা এক হাজার (১০০০) বছরের সময়কালকে বোঝানো হয়।
শব্দটির উৎপত্তি লাতিন ভাষায়, যেখানে ‘Mille’ অর্থ ‘হাজার’ (Thousand) এবং ‘Annus’ অর্থ ‘বছর’ (Year)।
তাই, Millenium = 1000 years.
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 100 year বলতে Century (শতাব্দী) বোঝানো হয়, যা একটি অত্যন্ত প্রচলিত শব্দ। এই ধরনের এককগুলি প্রায়শই পরীক্ষায় আসে।
40

Identify the passive form of the following sentence : Who has broken this jug?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. By whom has this jug been broken?
  2. By whom has this jug broken?
  3. By whom this jug has been broken?
  4. Whom has this gug been broken?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Who যুক্ত Interrogative Sentence কে passive করার নিয়ম-By whom + auxiliary verb + Subject + v3 + ? সুতরাং, সঠিক উত্তর- By whom has this jug been broken?

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (A) By whom has this jug been broken?
এটি একটি Interrogative Sentence এবং Present Perfect Tense-এ রয়েছে।
Active Voice-এ কোনো প্রশ্নবোধক বাক্য যদি 'Who' দ্বারা শুরু হয়, তাহলে Passive Voice-এ তা 'By whom' দ্বারা শুরু হয়।
Present Perfect Tense-এর Passive Structure হলো: Auxiliary Verb (has/have) + Object + been + V3 (Past Participle)।
এখানে Active Sentence-এর Object ('this jug') হলো Singular, তাই 'has' ব্যবহৃত হবে।
সঠিক Passive Structure: By whom + has/have + Object + been + V3 + ?
এই নিয়ম অনুযায়ী, Who has broken this jug? ightarrow ightarrow By whom has this jug been broken?

অন্যান্য অপশন ভুল কেন?
অপশন (B) এ 'been' নেই। (By whom has this jug broken?)। Present Perfect Passive-এ 'been' আবশ্যক।
অপশন (C) এ বাক্যের গঠন ভুল। (By whom this jug has been broken?)। এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের সঠিক গঠন নয়। প্রশ্নবোধক বাক্যে auxiliary verb (has) অবশ্যই subject (this jug)-এর আগে বসবে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

Identify the correct sentence:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. She speaks English like English
  2. She speaks the English like English
  3. She speaks the English like the English
  4. She speaks English like the English

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভাষার পূর্বে article বসে না, কিন্তু জাতির পূর্বে article the বসে। সঠিক উত্তর- She speaks English like the English.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: She speaks English like the English। কারণ এই বাক্যটিতে Article ব্যবহারের নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করা হয়েছে।
নিয়ম হলো, কোনো ভাষা বোঝাতে সেই ভাষার নামের আগে সাধারণত 'the' বসে না। তাই 'She speaks English' অংশটি সঠিক।
কিন্তু, যখন কোনো নির্দিষ্ট দেশের সব মানুষকে বা জাতির মানুষদের বোঝানো হয়, তখন তাদের নামের আগে 'the' বসাতে হয়। যেমন— the English (ইংরেজ জাতি), the French (ফরাসি জাতি), the Poor (গরিব লোকেরা)।
এখানে, 'like the English' দ্বারা বোঝানো হচ্ছে 'ইংরেজদের মতো' বা 'Native English Speakers'-দের মতো।
ভুল উত্তর (a), (b) ও (c)-তে বাক্যের প্রথম অংশে 'the English' ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভাষাকে নির্দেশ করার কারণে ভুল। যদি বাক্যটি হতো 'She speaks the English language...', তবে 'the' বসত। কিন্তু শুধুমাত্র 'English' বলতে ভাষা বোঝালে 'the' বসে না।
42

When one makes a promise, one must not go ––– on it.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. forward
  2. back
  3. by
  4. around

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Go back on একটি group verb. এর অর্থ প্রত্যাহার করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: back
কারণ, 'go back on' একটি বহুল ব্যবহৃত Phrasal Verb (বাগধারা/গুচ্ছ ক্রিয়া) যার অর্থ হলো—প্রতিজ্ঞা বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করা (To fail to keep a promise or agreement).
পুরো বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: 'যখন কেউ একটি প্রতিশ্রুতি দেয়, তখন তার সেটা ভঙ্গ করা উচিত নয়।'
সুতরাং, শূন্যস্থানে 'back' বসিয়ে বাক্যটি সম্পূর্ণ করতে হবে:
When one makes a promise, one must not go back on it.
অন্যান্য অপশনগুলো এই প্রসঙ্গে অর্থপূর্ণ হয় না। যেমন: 'go forward' (এগিয়ে যাওয়া), 'go by' (অনুসরণ করা বা সময় অতিবাহিত হওয়া), এবং 'go around' (চারপাশে ঘোরা বা সকলের জন্য যথেষ্ট হওয়া)।
43

I can′t put up with him any more. Here “put up with” means:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. To protect
  2. To terminate
  3. To tolerate
  4. To prevent

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Put up with- tolerate or endure something.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি অত্যন্ত কমন এবং গুরুত্বপূর্ণ Phrasal Verb (গুরুত্বপূর্ণ বাগধারা/ক্রিয়াপদ গুচ্ছ) এর অর্থ জানতে চেয়েছে।
Put up with একটি ফ্রেজাল ভার্ব, যার অর্থ হলো to tolerate বা to endure (সহ্য করা বা মেনে নেওয়া)।
বাক্যটির অর্থ: 'I can't put up with him any more' অর্থাৎ 'আমি তাকে আর সহ্য করতে পারছি না।'
অপশনগুলোর মধ্যে, (C) To tolerate এর অর্থই হলো 'সহ্য করা'। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— To protect (রক্ষা করা), To terminate (শেষ করা), এবং To prevent (প্রতিরোধ করা) — বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
44

The synonyms of ‘altitude’ is–––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. height
  2. width
  3. length
  4. depth

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Altitude- এর অর্থ উচ্চতা. Height এর অর্থও উচ্চতা।

ব্যাখ্যা

Altitude (নাউন) শব্দটির অর্থ হলো কোনো স্থান বা বস্তুর ভূপৃষ্ঠ বা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে উল্লম্ব দূরত্ব বা উচ্চতা। এটি সাধারণত বিমান চালনা (Aviation) বা ভূগোলে ব্যবহৃত হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, height (নাউন) শব্দটির অর্থও হলো উচ্চতা বা খাড়া পরিমাপ।
সুতরাং, ‘altitude’ এর সঠিক প্রতিশব্দ বা synonym হলো height (অপশন ক)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন মাত্রার পরিমাপ নির্দেশ করে:
width (প্রস্থ), length (দৈর্ঘ্য), এবং depth (গভীরতা)। Depth বস্তুত Altitude-এর বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym).
45

This could have worked if I ____ been more far- sighted.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have
  2. had
  3. might
  4. would

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Could have সর্বদাই ব্যবহৃত হয় If + sub + had + past participle এই form এ। এখানে If phrase দ্বারা হতে পারত এমন ঘটনা বুঝায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো had
এটি ইংরেজি গ্রামারের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ— Third Conditional (তৃতীয় শর্তমূলক বাক্য)-এর উদাহরণ। এই বাক্যটি দ্বারা অতীতে ঘটে যাওয়া এমন একটি অবস্থার কথা বলা হয়, যা পূরণ হলে ফল অন্যরকম হতে পারত।
Third Conditional-এর গঠন হলো:
If-Clause: If + Subject + Past Perfect (had + V3)
Main Clause: Subject + Modal Perfect (would/could/might have + V3)
প্রদত্ত বাক্যের Main Clause হলো 'This could have worked' (Modal Perfect), তাই If-Clause অবশ্যই Past Perfect হতে হবে।
If I ____ been more far-sighted. এখানে 'been' হলো V3 (Past Participle)। এটিকে Past Perfect-এ রূপান্তর করতে 'had' যোগ করতে হবে।
সঠিক বাক্য: 'This could have worked if I had been more far-sighted.' (আমি যদি আরও দূরদর্শী হতাম, তবে এটি কাজ করতে পারত।)
অন্যান্য অপশন যেমন 'have' (Present Perfect) বা 'might/would' (Modal) এই কাঠামোর সাথে মানানসই নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

What may be considered courteous in one culture may be−arrogant in another. Here the underlined word “arrogant” means–––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. rude
  2. gracious
  3. coarse
  4. pretentious

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

arrogant অর্থ অহংকারী- অহংকারী উদ্ধত। এর Synonym হলো rude.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (a) rude
প্রদত্ত বাক্যের গঠন অনুসারে, ‘courteous’ (শিষ্টাচারপূর্ণ, বিনয়ী) এর বিপরীত অর্থ বা নেতিবাচক আচরণ হিসেবে ‘arrogant’ (দাম্ভিক, উদ্ধত) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। কারণ এক সংস্কৃতিতে যা শিষ্টাচার, অন্য সংস্কৃতিতে তা অভদ্র বা অসম্মানজনক হতে পারে।
Arrogant অর্থ হলো এমন আচরণ যা নিজের শ্রেষ্ঠত্ব জাহির করে এবং অন্যদের প্রতি অসম্মানজনক বা অপমানজনক
অপশনগুলোর মধ্যে:
(a) rude: অর্থ অভদ্র, অশিষ্ট বা অসম্মানজনক। আচরণের দিক থেকে courteous-এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হিসেবে rude এবং arrogant-এর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ সমার্থক হিসেবে rude-ই উপযুক্ত।
(b) gracious: এর অর্থ বিনয়ী বা দয়ালু, যা ‘courteous’-এর সমার্থক। এটি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না, তাই ভুল।
(d) pretentious: অর্থ ভানকারী বা বাহ্যিক আড়ম্বরপূর্ণ। এটি অহংকারের একটি বৈশিষ্ট্য হলেও, সরাসরি অশালীন বা অভদ্র আচরণ বোঝানোর জন্য rude বেশি শক্তিশালী শব্দ।
47

Identify the imperative sentence:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Shut up!
  2. Shahin is playing football.
  3. I shall cook dinner now.
  4. What is your name?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে বাক্যের সাহায্যে আদেশ, অনুরোধ, নির্দেশনা, নিষেধ কিংবা উপদেশ প্রকাশ করা হয় তাকে Imperative Sentence বলে। এখানে নিষেধ অর্থে Shut up! বাক্যটি Imperative.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Shut up!
কারণ, যে বাক্য দ্বারা আদেশ (Command), অনুরোধ (Request), উপদেশ (Advice) অথবা নিষেধ (Prohibition) বোঝানো হয়, তাকে Imperative Sentence (অনুজ্ঞাসূচক বাক্য) বলে।
এই ধরনের বাক্যে সাধারণত কর্তা (Subject - You) উহ্য থাকে এবং বাক্যটি সরাসরি মূল Verb (ক্রিয়ার মূল রূপ) দিয়ে শুরু হয়। 'Shut up!' একটি সরাসরি আদেশ বোঝাচ্ছে, তাই এটি ইমপারেটিভ সেন্টেন্স।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন:
  • Shahin is playing football. / I shall cook dinner now.: এগুলো সাধারণ বিবৃতি বা তথ্য প্রদান করে, তাই Assertive/Declarative Sentence
  • What is your name?: এটি প্রশ্নবোধক বাক্য, তাই Interrogative Sentence
48

“Black Death” is the name of a ––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. fever
  2. black fever
  3. plague pandemic
  4. death of black people

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Black Death [1346-1351] বলতে একটি Bubonic Plague -কে বোঝানো হয়। এই মহামৃত্যুর পর্বে ইউরোপে প্রায় ২০ কোটি মানুষ মারা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্লেগ মহামারি (plague pandemic)
“Black Death” বলতে ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ মহামারিকে বোঝায়, যা মূলত প্লেগ (Plague) রোগ দ্বারা সৃষ্ট। এটি বিশেষত ইউরোপে ১৩৪৭ থেকে ১৩৫১ সালের মধ্যে ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়ে এবং মহাদেশের জনসংখ্যার প্রায় এক-তৃতীয়াংশ ধ্বংস করে দেয়।
এই রোগ দ্রুত সংক্রমণশীল হওয়ায় একে 'Pandemic' (মহামারি) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। এই প্লেগে আক্রান্ত হলে রোগীর চামড়ায় কালো কালো দাগ দেখা যেত, যা থেকেই এই রোগের নামকরণ হয় 'Black Death'
অন্যান্য অপশন যেমন— 'fever' বা 'death of black people' সঠিক নয়, কারণ এটি একটি নির্দিষ্ট ব্যাকটেরিয়া (Yersinia pestis) দ্বারা সৃষ্ট মারাত্মক সংক্রামক ব্যাধি
49

The train is running ––– forty miles an hour.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. on
  2. to
  3. at
  4. for

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

speed (গতি) বুঝাতে run এর পর at হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: at
নিয়ম অনুযায়ী, কোনো কিছু যখন নির্দিষ্ট গতি (Speed) বা হার (Rate)-এ চলে বা সংঘটিত হয়, তখন তার পূর্বে Preposition হিসেবে 'at' ব্যবহার করতে হয়।
এখানে, ট্রেনের গতি ৪০ মাইল প্রতি ঘণ্টা বোঝানো হয়েছে, যা একটি নির্দিষ্ট হার। তাই বাক্যটি হবে: The train is running at forty miles an hour.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'on' সাধারণত কোনো পৃষ্ঠতলের (Surface) ওপর বোঝাতে, 'to' গন্তব্যের দিকে বোঝাতে এবং 'for' কারণ বা সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। গতি বা হার বোঝাতে এরা ব্যবহৃত হয় না।
50

He divided the money ––– the two children.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. between
  2. over
  3. among
  4. in between

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দুই জনের মধ্যে ভাগ করা বুঝাতে Between ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: between
এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ Preposition-এর ব্যবহার সংক্রান্ত প্রশ্ন। নিয়ম হলো, যখন কোনো কিছু ঠিক দুটি ব্যক্তি বা বস্তুর মধ্যে ভাগ করে দেওয়া বা সম্পর্ক বোঝানো হয়, তখন between ব্যবহৃত হয়।
এখানে বাক্যে বলা হয়েছে ‘He divided the money ––– the two children’ (সে টাকাটা দুটি শিশুর মধ্যে ভাগ করে দিলো)। যেহেতু স্পষ্টভাবে দুটি শিশু (two children) উল্লেখ করা হয়েছে, তাই সঠিক Preposition হবে between
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ among ব্যবহৃত হয় যখন ব্যক্তি বা বস্তুর সংখ্যা তিন বা ততোধিক হয়। (যেমন: He divided the money among the thirty students)।
over (উপরে) এবং in between (সাধারণত দুইয়ের মধ্যবর্তী স্থান বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এই ধরণের বিভাজন/বণ্টনের ক্ষেত্রে অপ্রাসঙ্গিক) এখানে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

No one can ––– that he is clever.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. defy
  2. deny
  3. admire
  4. denounce

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

deny- অস্বীকার করা। অর্থ অনুসারে এখানে deny হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো deny (অস্বীকার করা)
বাক্যটিতে বলা হচ্ছে, কেউ অস্বীকার করতে পারবে না যে সে চালাক (clever)। অর্থাৎ, তার চালাকি একটি প্রতিষ্ঠিত সত্য যা কেউ মিথ্যা প্রমাণ করতে বা মানতে অস্বীকার করতে পারে না।
Deny (Verb) এর অর্থ হলো: to state that something is not true; to refuse to admit or accept. এই অর্থে, বাক্যটির সঠিক রূপ হবে: No one can deny that he is clever.

অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
defy: এর অর্থ হলো 'প্রকাশ্যে বিরোধিতা করা', 'উপেক্ষা করা' বা 'অমান্য করা'। (যেমন: He defied the rule.) এটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
admire: এর অর্থ 'প্রশংসা করা'। এটি বাক্যের কাঠামোর সঙ্গে যায় না এবং অর্থের দিক থেকে বিপরীত।
denounce: এর অর্থ হলো 'প্রকাশ্যে নিন্দা করা' বা 'ভুল প্রমাণ করা'। এখানে নিন্দা করার সুযোগ নেই।
52

Choose the right form of verb: 

The boy (to lie) on the floor yesterday.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. lies
  2. lied
  3. lay
  4. layed

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

lie – শুয়ে থাকা। এর past form lay এবং past participle form laid। বাক্যের শেষে Yesterday আছে তাই past হিসেবে lay হবে।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নোক্ত বাক্যে "yesterday" শব্দটি ব্যবহার হওয়ায় বাক্যটি অবশ্যই Simple Past Tense (সাধারণ অতীতকাল) হবে।
সঠিক ভার্ব ফর্ম নির্বাচন করার জন্য আমাদের প্রথমে বুঝতে হবে এখানে 'Lie' (শুয়ে থাকা) নাকি 'Lay' (শুয়ে দেওয়া/রাখা) কোনটি ব্যবহৃত হচ্ছে।
"The boy... on the floor" অর্থ হলো ছেলেটি মেঝেতে শুয়ে ছিল বা বিশ্রাম নিচ্ছিল। এই অর্থে ব্যবহৃত ভার্বটি হলো Intransitive (অকর্মক) ভার্ব Lie (অর্থ: শুয়ে থাকা)।
Lie (শুয়ে থাকা) ভার্বটির Principal Parts হলো: Present: Lie, Past: Lay, Past Participle: Lain
যেহেতু এখানে Simple Past Tense-এর প্রয়োজন, তাই Lie-এর Past Form lay বসবে।
সঠিক বাক্যটি হলো: The boy lay on the floor yesterday.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: lies (Present Tense), lied (মিথ্যা বলা অর্থে Lie-এর Past Tense), এবং layed (ব্যাকরণগতভাবে ভুল শব্দ, রাখা অর্থে Lay-এর Past Tense হলো Laid)।
53

She played on the flute. Passive form is –––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The flute was played by ger.
  2. The flute was played on by her.
  3. The flute was played to her.
  4. The flute was being played by her.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

passive voice এর ক্ষেত্রে active voice এর object, subject হবে, active voice এর tense এবং object অনুসারে auxiliary verb বসে। মূল Verb এর past participle হয় এবং তারপর by বসে। সুতরাং সঠিক উত্তর- The Flute was played on by her

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: The flute was played on by her. (Option 2)।
প্রদত্ত Active বাক্যটি (She played on the flute) হলো Simple Past Tense-এ। এর গঠন: Subject + V2 + Object (বা Prepositional Phrase)।
Simple Past Tense-এর Passive রূপান্তরের মূল সূত্র হলো: Object + was/were + V3 + by + Subject (Objective form)
এখানে ক্রিয়াটি হলো 'played on', যা একটি Prepositional Verb (বা Group Verb)। এটি একটি অখণ্ড অংশ। Voice Change-এর সময় এই ধরনের verb-এর সাথে থাকা preposition-টি V3-এর পরই বসাতে হবে। এটিকে বাদ দেওয়া যাবে না।
সুতরাং, সঠিক Passive রূপান্তর হলো: The flute (Object) + was (Auxiliary V) + played (V3) + on (Fixed Preposition) + by (Preposition) + her (Subject)।
Option 1 ('The flute was played by her') ভুল, কারণ এখানে 'on' preposition-টি বাদ দেওয়া হয়েছে।
Option 4 ('The flute was being played by her') ভুল, কারণ এটি Past Continuous Tense-এর Passive গঠন।
54

Antonym for Adieu–––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Farewell
  2. Good bye
  3. Hello
  4. Valediction

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Adieu অর্থ বিদায়। Good bye, farewell এবং Valediction এর Synonym. Antonym হবে Hello.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Hello (অভিবাদন/স্বাগতম)
Adieu শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো 'বিদায়' বা 'শেষ বিদায়' (Goodbye/Farewell)। শব্দটি আক্ষরিকভাবে A Dieu (to God) বা ঈশ্বরের কাছে সোপর্দ করা বোঝায়।
যেহেতু **Adieu** হলো বিদায়সূচক শব্দ, তাই এর বিপরীত শব্দ বা Antonym হবে অভ্যর্থনা বা আগমনসূচক শব্দ। অপশনগুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Hello শব্দটিই (যা 'শুভেচ্ছা/স্বাগতম' বোঝায়) বিপরীত অর্থ বহন করে।
অন্যান্য অপশন যেমন— Farewell, Good bye এবং Valediction (বিদায় ভাষণ) হলো Adieu শব্দের সমার্থক শব্দ (Synonyms)।
55

‘Walk fast lest you should miss the train’. This is a––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Simple sentence
  2. Compound sentence
  3. Complex sentence
  4. Interrogative sentence

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

"Walk fast lest you should miss the train." বাক্যটিতে "Walk fast" হলো principal clause এবং "Lest you should miss the train" হল suborinate clause. Complex sentence একটি principal clause এর সাথে এক বা একাধিক suborinate clause এর সমন্বয়ে গঠিত হয়। উপরোক্ত বাক্যটিতে "lest you should miss the train" হলো adverbial clause of purpose. এটি complex sentence হবে। বাক্যটি compound sentence হতে পারতো যদি বাক্যটি এমন হতো - "Walk fast or you will miss the train."

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Complex sentence (জটিল বাক্য)
প্রদত্ত বাক্যটিতে ‘lest’ নামক একটি Subordinating Conjunction (অধীনস্থ সংযোগ) ব্যবহার করা হয়েছে।
যেহেতু এই বাক্যটিতে একটি Principal Clause (Walk fast) এবং একটি Subordinate Clause (lest you should miss the train) বিদ্যমান, তাই এটি একটি Complex Sentence
Complex Sentence-এর মৌলিক বৈশিষ্ট্য হলো: এতে অবশ্যই একটি প্রধান খণ্ডবাক্য (Independent Clause) থাকবে যা স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে এবং অন্তত একটি অধীনস্থ খণ্ডবাক্য (Dependent Clause) থাকবে যা অর্থ প্রকাশের জন্য প্রধান খণ্ডবাক্যের উপর নির্ভরশীল।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ: এটি Simple Sentence নয়, কারণ এতে একাধিক Finite Verb রয়েছে (walk, should miss)। এটি Compound Sentence নয়, কারণ এটি Coordinating Conjunction (For, And, Nor, But, Or, Yet, So) দিয়ে দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত করেনি।
56

A number of singers in a church is called––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Choir
  2. Cast
  3. Claque
  4. Clump

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

A group of singers who perform together is called a choir or chorus.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Choir (কোয়্যার)। Choir বলতে সাধারণত চার্চ বা কনসার্টে গান পরিবেশনকারী সংগঠিত গায়ক দলকে বোঝানো হয়।
এটি একটি Collective Noun (সমষ্টিবাচক বিশেষ্য) যা নির্দিষ্ট করে গায়ক দলের সমাবেশকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়:
Cast: একটি নাটক বা সিনেমার অভিনেতা-অভিনেত্রীর দল
Claque: টাকা দিয়ে ভাড়া করা করতালিদাতা দল (যারা পারফরম্যান্সে হাততালি দেয়)।
Clump: জড়ো হওয়া বা জমাট বাঁধা বস্তু, বিশেষত গাছপালা বা মাটির ঢেলা।
57

Put the right word in the blank. 

“He reached the ––– of his literary carrer.”

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. abattoir
  2. acme
  3. admonish
  4. abdicate

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

acme অর্থ শীর্ষ, চূড়া, কোনো অবস্থানের শীর্ষ বা সর্বোচ্চ অবস্থা বোঝায়। Abdicated অর্থ পদ বা সিংহাসন ত্যাগ করা।Admonish অর্থ তিরস্কার করা বা বকা দেওয়া এখানে carrer এর শীর্ষে আছে বোঝাতে acme হবে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ হলো, ‘তিনি তাঁর সাহিত্য জীবনের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছেছিলেন।’
Option (B) acme (উচ্চারণ: অ্যাকমি)-এর অর্থ হলো: 'সর্বোচ্চ শিখর', 'পরিপূর্ণতা', 'চরম উৎকর্ষ' বা 'Zenith'। এই শব্দটিই বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণতা দেয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো acme
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ প্রসঙ্গ অনুসারে ভুল:
abattoir: কসাইখানা।
admonish: তিরস্কার করা বা বকা দেওয়া।
abdicate: সিংহাসন বা দায়িত্ব ত্যাগ করা (যেমন: The king abdicated his throne)।
58

Anger may be compared ––– fire.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to
  2. within
  3. against
  4. into

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Compare to – অসম বস্তুর মধ্যে তুলনা করা। Anger may be compared to fire. Compare with-একই জাতীয় জিনিসের তুলনা করা Nazrul can be compared with shelley.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (to)। কারণ এখানে 'compared to' (তুলনা করা) এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে।

Preposition-এর নিয়ম অনুসারে, যখন দুটি ভিন্নধর্মী বস্তু বা ধারণার মধ্যে উপমা (Simile/Metaphor) বা সাদৃশ্য দেখানোর জন্য তুলনা করা হয়, তখন Compare-এর পরে 'to' বসে।

এখানে, 'Anger' (রাগ - একটি বিমূর্ত ধারণা) কে 'fire' (আগুন - একটি জড় বস্তু) এর সাথে তুলনা করা হয়েছে তার ধ্বংসাত্মক বা উত্তাপের প্রকৃতি বোঝানোর জন্য। যেহেতু এগুলি ভিন্নধর্মী, তাই সঠিক ব্যবহার compared to fire

অন্যদিকে, দুটি একই রকম জিনিসের মধ্যে (যেমন, দুটি গাড়ির তুলনা, বা দুই কবির কাজের তুলনা) সাদৃশ্য বা বৈসাদৃশ্য দেখতে compare with ব্যবহার করা হয়। (Example: Compare Shakespeare with Milton).
59

Choose the correct sentence:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. He discussed the matter.
  2. He discussed about the mater.
  3. He discussed on the matter.
  4. None of the above.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Discuss verb এর সাথে কখনই preposition হিসেবে about/on বসে না। discuss এর পর object বসবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (A) He discussed the matter.
কারণ 'discuss' শব্দটি একটি Transitive Verb (সকর্মক ক্রিয়া)। Transitive Verbs (সকর্মক ক্রিয়া)-এর পরে সাধারণত সরাসরি Object বসে, কোনো Preposition (যেমন: about, on, for) বসে না।
'Discuss' শব্দটির অর্থ হলো 'কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করা' (to talk about)। যেহেতু 'about' বা 'on' এই অর্থটির মধ্যেই নিহিত আছে, তাই 'discuss'-এর পরে এদের ব্যবহার করলে বাক্যটি Superfluous (অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহারজনিত ভুল) হয়ে যায়।
সুতরাং, অপশন (B) “discussed about” এবং অপশন (C) “discussed on” ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
60

Identify the correct spelt word.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Horroscope
  2. Pneumonia
  3. Occasion
  4. Embarass

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

occasion, horroscope, embarass এর শুদ্ধরূপ যথাক্রমে Ocassion, Horoscope, Embarrass.

ব্যাখ্যা

সঠিকভাবে বানান করা শব্দটি হলো: Pneumonia
এটি একটি রোগ (নিউমোনিয়া), যার শুরুতে 'P' অক্ষরটি silent বা অনুচ্চারিত থাকে। সঠিক বানানটি হলো P-N-E-U-M-O-N-I-A।
অন্যান্য অপশনগুলিতে ভুল বানান রয়েছে, যেগুলোর সঠিক রূপ নিম্নরূপ:
১. Horroscope (ভুল) → সঠিক বানান: Horoscope। (এখানে একটি 'r' ও একটি 'o' হবে, ডাবল হবে না।)
২. Embarass (ভুল) → সঠিক বানান: Embarrass। (সঠিক বানানে ডাবল ‘r’ এবং ডাবল ‘s’ ব্যবহৃত হয়।)
৩. Occasion → এই বানানটিও সঠিক (O-C-C-A-S-I-O-N)। তবে BCS পরীক্ষায় সাধারণত একটিই উত্তর চিহ্নিত করতে বলা হয়। যেহেতু 'Horroscope' ও 'Embarass' নিশ্চিতভাবে ভুল এবং 'Pneumonia' প্রশ্নে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই এটিকে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
61

Meteorology is related to––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. concrete slabs

  2. motor vehicles
  3. weather forecasting
  4. motor neurone disease

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

study of weather forecasting = meteorology.

ব্যাখ্যা

Meteorology (আবহাওয়াবিদ্যা) হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডল (Atmosphere) এবং বায়ুমণ্ডলীয় ঘটনাবলী পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ ও ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে আবহাওয়ার পূর্বাভাস (Weather Forecasting) প্রদান করে।
এই বিজ্ঞান আবহাওয়ার বিভিন্ন উপাদান যেমন—বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা, বায়ুচাপ, আর্দ্রতা ইত্যাদি নিয়ে গবেষণা করে।
সুতরাং, আবহাওয়াবিদ্যার প্রধান কাজই হলো আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো সম্পূর্ণ ভিন্ন ক্ষেত্র নির্দেশ করে। যেমন—motor neurone disease হলো একটি স্নায়বিক রোগ, যা জীববিজ্ঞানের (Biology) অন্তর্গত।
62

Who is not a Victorian poet?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Alfred Tennyson
  2. Robert Browning

  3. William Wordsworth
  4. Matthew Arnold

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

William Wordsworth রোমান্টিক যুগের কবি। তার Perfect to Lyrical Ballads (1798) প্রকাশের পর থেকে রোমান্টিক যুগ শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো William Wordsworth
কারণ William Wordsworth (১৭৭০–১৮৫০) সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের (Romantic Age) অন্যতম প্রধান কবি। তিনি তার বন্ধু S. T. Coleridge-এর সাথে যৌথভাবে 'Lyrical Ballads' (১৭৯৮) প্রকাশ করে আনুষ্ঠানিকভাবে রোমান্টিক যুগের সূচনা করেন।
অন্যদিকে, বাকি তিনজন কবি— Alfred Tennyson, Robert Browning এবং Matthew Arnold— প্রত্যেকেই ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Age: ১৮৩৭–১৯০১) প্রধান কবি ও সাহিত্যিক হিসেবে পরিচিত। Tennyson এই যুগের প্রধান কবি (Poet Laureate) ছিলেন।
63

Which of the following novels was written by George Orwell?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1984

  2. Brave New World

  3. A clockwork Orange

  4. For Whom the Bell Tolls

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

George Orwell এর বিখ্যাত উপন্যাস ‘1984’ এতে স্বৈরতন্ত্রের অধীনে মুক্তচিন্তার দুঃসহ জীবন আলোচিত হয়েছে। Brave New World - Aldous Huxley A clockwork orange- Anthony Burgess For Whom the Bell Tolls- Ernest Hemingway

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো 1984। এটি ব্রিটিশ লেখক জর্জ অরওয়েল (George Orwell) এর লেখা একটি বিখ্যাত ডিস্টোপিয়ান (Dystopian) বা ভবিষৎ পৃথিবীর ভীতিকর চিত্র সম্বলিত উপন্যাস।
জর্জ অরওয়েল এর আসল নাম হলো এরিক আর্থার ব্লেয়ার (Eric Arthur Blair)। এই উপন্যাসটি ১৯৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি আধুনিক সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং বহুবার পরীক্ষিত একটি নাম।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, Brave New World লিখেছেন Aldous Huxley, A clockwork Orange লিখেছেন Anthony Burgess এবং For Whom the Bell Tolls লিখেছেন Ernest Hemingway
64

The poem “To his Coy Mistress” Was written by:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Andrew Marvell
  2. John Donne
  3. George Herbert
  4. Henry Vaughan

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

To his coy Mistress- Andrew Marvell. মেটাফিজিক্যাল ধারার এ কবি তার বিখ্যাত কবিতার ‘Coy Mistress’ অর্থে সম্ভবত কাব্য রচনার ক্রিয়াকেই বুঝিয়েছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Andrew Marvell
“To his Coy Mistress” কবিতাটি বিখ্যাত Metaphysical Poet, Andrew Marvell (১৬২১ – ১৬৭৮) কর্তৃক রচিত।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি ক্লাসিক কবিতা, যেখানে কবি তার লাজুক প্রেমিকাকে (Coy Mistress) সময় নষ্ট না করে জীবন উপভোগ করতে উৎসাহিত করেন।
এই কবিতার মূল ভাবনাটি হলো লাতিন উক্তি 'Carpe Diem' (Seize the Day/সময়কে কাজে লাগাও)।
অন্যান্য কবি, যেমন—John Donne, George Herbert, এবং Henry Vaughan, তারাও Metaphysical Poets গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত হলেও, এই কালজয়ী কবিতাটি একমাত্র Andrew Marvell-এর রচনা।
65

The character, Elizabeth Bennett, appears in the novel––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Pride and Prejudice

  2. Tess of the D′llrberville

  3. Wuthering Heights

  4. Jane Eyre

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Jane Austen ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম নারী নক্ষত্র যিনি পুরুষ প্রধান সাহিত্য সমাজকে স্বীয় ব্যক্তিত্বে নিয়ন্ত্রণ করেছিলেন। তার বিদ্রোহী মন্ত্রে উজ্জীবিত তার উপন্যাসের নারী চরিত্র Elizabeth Bennett. Pride and Prejudice উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র Elizabeth যার বিয়ে করা অথবা না করার সিদ্ধান্তহীনতা ঘিরে উপন্যাসটি আবর্তিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Pride and Prejudice
চরিত্র Elizabeth Bennett (এলিজাবেথ বেনেট) হলো বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক Jane Austen (জেন অস্টেন) রচিত Pride and Prejudice উপন্যাসের কেন্দ্রীয়, প্রাণবন্ত এবং বুদ্ধিদীপ্ত নায়িকা।
এটি ১৮১৩ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল বিষয়বস্তু হলো অহংকার (Pride) ও সামাজিক কুসংস্কার/পক্ষপাত (Prejudice)।
এলিজাবেথ এবং প্রধান পুরুষ চরিত্র Fitzwilliam Darcy (ফিটজউইলিয়াম ডার্সি)-এর সম্পর্ক এই উপন্যাসের ভিত্তি।
অন্যান্য অপশনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ: Tess of the D′llrberville লিখেছেন Thomas Hardy; Wuthering Heights লিখেছেন Emily Brontë; এবং Jane Eyre লিখেছেন Charlotte Brontë। এই চরিত্রগুলো এদের নিজ নিজ উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র।
66

Don Juan was composed by–––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W B Yeats
  2. E.B. Browning
  3. George Gordon Byron
  4. Alexander Pope

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Lord Byron এর সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতার নাম ‘Don Juan’ এডভেঞ্জার ও ফ্যান্টাসি দিয়ে পরিপূর্ণ এ কবিতার Don Juan এর জীবন ও ভাবনা উঠে এসেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: George Gordon Byron
Don Juan একটি দীর্ঘ, অসম্পূর্ণ ব্যঙ্গাত্মক মহাকাব্য (satirical epic poem) যা রোমান্টিক যুগের (Romantic Period) অন্যতম প্রধান কবি George Gordon Byron (Lord Byron) কর্তৃক রচিত।
এই রচনাটি ১৮১৯ সাল থেকে ১৮২৪ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর অন্যতম সেরা সাহিত্যকর্ম হিসেবে বিবেচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা ভিন্ন সাহিত্য যুগের প্রতিনিধিত্ব করেন। যেমন: W B Yeats আধুনিক যুগের (Modern Period), E.B. Browning ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Period) এবং Alexander Pope অগাস্টান বা নিওক্লাসিক্যাল যুগের (Augustan Age) কবি।
67

‘Ulysses is a poem written by––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Robert Browning
  2. Wordsworth
  3. S.T. Coleridge
  4. Alfred Tennyson

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ulysses কবিতাটি লিখেছেন -Alfred Tennyson Ulysses উপন্যাস লিখেছেন -James Joyce

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Alfred Tennyson
‘Ulysses’ কবিতাটি লিখেছেন ব্রিটিশ কবি Lord Alfred Tennyson (১৮০৯–১৮৯২)। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের Victorian Period (ভিক্টোরিয়ান যুগ)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ছিলেন।
এই কবিতাটি একটি বিখ্যাত ড্রামাটিক মনোলগ (Dramatic Monologue) বা নাট্যধর্মী স্বগতোক্তি, যেখানে গ্রিক পুরাণের নায়ক ইউলিসিস জীবনের শেষ সময়ে এসেও নতুন অ্যাডভেঞ্চারে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ করেন। এর বিখ্যাত লাইন হলো: “To strive, to seek, to find, and not to yield.”
অন্যান্য অপশনসমূহ: Wordsworth এবং Coleridge ছিলেন Romantic Age-এর কবি। Robert Browning-ও ভিক্টোরিয়ান যুগের হলেও, ‘Ulysses’ তাঁর লেখা নয়; তাঁর বিখ্যাত ড্রামাটিক মনোলগ হলো ‘My Last Duchess’।
68

Who wrote the poem ‘Ozymandias’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Hardy
  2. Robert Frost
  3. P.B Shelley
  4. Edmund Spenser

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Ozymandias কবিতাটি লিখেছেন P.B Shelley এর বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিদ্বয় My name is Ozymandias, King of Kings; Look on my Works, ye Mighty, and despair!

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: P.B Shelley (পি.বি. শেলী)
'Ozymandias' কবিতাটি রচনা করেন বিখ্যাত রোমান্টিক কবি Percy Bysshe Shelley
এটি একটি সনেট (Sonnet), যা ক্ষমতার ক্ষণস্থায়ীতা এবং মানুষের অহংকার (Hubris)-কে ফুটিয়ে তোলে। কবিতায় মিশরীয় ফারাও দ্বিতীয় রামসেস (Ramses II)-এর বিশাল কিন্তু ধ্বংসপ্রাপ্ত মূর্তির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Thomas Hardy ছিলেন Victorian/Modern যুগের কবি, Robert Frost ছিলেন 20th শতাব্দীর আমেরিকান কবি এবং Edmund Spenser ছিলেন Elizabethan যুগের কবি।
69

Clym Yeobringht is the protagonist of the novel––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. David Copperfield
  2. A passage of India
  3. Adam Bede
  4. The Return of the Native

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Clym Yeobright চরিত্রটি Thomas Hardy’ র Return of the Native উপন্যাসে এসেছে। এই উপন্যাসের মূল চরিত্র Egdon Heath- গ্রাম। Yeobright এর হিথে ফিরে আসাই ইঙ্গিত হয়ে এসেছে উপন্যাস জুড়ে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: The Return of the Native। এটি বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক Thomas Hardy-এর একটি অন্যতম প্রধান উপন্যাস, যা ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র (Protagonist) হলো Clym Yeobright। তিনি প্যারিস থেকে তার জন্মস্থান ডরচেস্টার এলাকার কাল্পনিক স্থান Egdon Heath-এ ফিরে আসেন এবং তার শিক্ষকের পেশা ছেড়ে জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করার চেষ্টা করেন।
অপশনগুলোর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র/উপন্যাস:

- David Copperfield: এই উপন্যাসের স্রষ্টা Charles Dickens, যিনি ইংরেজি সাহিত্যের ভিক্টোরিয়ান যুগের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক। এর নায়কও David Copperfield

- A passage of India: এই উপন্যাসের লেখক E.M. Forster (Modern Age)। এর প্রধান চরিত্র Dr. Aziz

- Adam Bede: এর লেখক George Eliot (উপনাম, আসল নাম Mary Ann Evans)। এটিও ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কাজ।
70

Desdemona is a character in the following Shakespearean play:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Macbeth
  2. Othello
  3. Hamlet
  4. King Lear

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Desdemona এবং তার রুমাল Othello নাটকের নাটকীয় কেন্দ্র। স্বামীর সন্দেহের পাত্রী সতী Desdemona আমাদের সতীময়না’র সমতূল্য সম্ভবত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Othello (ওথেলো)
উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি 'Othello, the Moor of Venice' নাটকের প্রধান নারী চরিত্র হলেন ডেজডিমোনা (Desdemona)
তিনি নাটকের নায়ক ওথেলো-এর স্ত্রী, যাকে ভিলেন ইয়াগো (Iago)-এর কুটিল প্ররোচনায় ওথেলো তার সতীত্ব নিয়ে সন্দেহ করে এবং গভীর ঈর্ষা (Jealousy) বশত তাকে হত্যা করে। এটি শেক্সপিয়রের অন্যতম শক্তিশালী ট্র্যাজেডি।
অন্যান্য বিকল্পের চরিত্র: Macbeth নাটকের প্রধান নারী চরিত্র Lady Macbeth; Hamlet নাটকের প্রধান নারী চরিত্র Ophelia; এবং King Lear নাটকের তিন মেয়ে Cordelia, Goneril, এবং Regan চরিত্রগুলো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
71

‘ভারত ছাড়’ আন্দোলন শুরু হয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯১৭ সালে

  2. ১৯২৭ সালে
  3. ১৯৩৭ সালে
  4. ১৯৪২ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৪২ সালে মহাত্মা গান্ধীর মাধ্যমে ‘ভারত ছাড়’ আন্দোলনের যাত্রা শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪২ সালে। ব্রিটিশদের ভারত থেকে বিতাড়িত করার লক্ষ্যে মহাত্মা গান্ধী এই আন্দোলন শুরু করেন।
ভারত ছাড় আন্দোলন (Quit India Movement) শুরু হয়েছিল ১৯৪২ সালের ৮ আগস্ট। এটি ছিল ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের শেষ ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গণ-অভ্যুত্থান।
এই আন্দোলনের সময় ব্রিটিশ সরকার দ্রুত সব শীর্ষ নেতাকে (যেমন গান্ধীজি, নেহরু) গ্রেফতার করে, ফলে আন্দোলনটি স্বতঃস্ফূর্তভাবে জনগণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
অন্যান্য তারিখগুলো ভুল, কারণ ১৯১৭ সালে গান্ধীজি চম্পারণ সত্যাগ্রহ শুরু করেন এবং ১৯২৭ সালের মূল ঘটনা ছিল সাইমন কমিশন ঘোষণা।
72

‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ গঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৫০ সালে
  3. ১৯৫২ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১ম রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ১ অক্টোবর, ১৯৪৭। ২য় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ২ মার্চ, ১৯৪৮। সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয় ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৫২ সালে
তবে ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ দুইবার গঠিত হয়। প্রশ্নে মূলত আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বের কমিটিকেই নির্দেশ করা হয়।
১৯৫২ সালের ২৭শে জানুয়ারি পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দিন ঢাকায় এক জনসভায় ঘোষণা করেন, উর্দু হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘোষণার প্রতিবাদে ছাত্রসমাজ ফুঁসে ওঠে।
এর ফলস্বরূপ, ১৯৫২ সালের ৩০শে জানুয়ারি ঢাকার বার লাইব্রেরি হলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সর্বদলীয় সভায় নতুন করে ‘সর্বদলীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম কমিটি’ পুনর্গঠিত হয়।
এই কমিটিই মূলত ৪ ফেব্রুয়ারি বিক্ষোভ এবং ২১ ফেব্রুয়ারি ধর্মঘট ও রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করে, যা ভাষা আন্দোলনের চূড়ান্ত রূপ প্রদান করে।
73

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাষ্ট্রপতি
  2. স্পীকার
  3. চীফ হুইপ
  4. প্রধানমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭২ (১) নং অনুচ্ছেদে সরকারী বিজ্ঞপ্তি-দ্বারা রাষ্ট্রপতি সংসদ আহ্বান, স্থগিত ও ভঙ্গ করিবেন এবং সংসদ আহ্বানকালে রাষ্ট্রপতি প্রথম বৈঠকের সময় ও স্থান নির্ধারণ করিবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাষ্ট্রপতি। এটি বাংলাদেশের সংবিধানের একটি মৌলিক বিধান।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৭২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান, স্থগিতকরণ (Prorogue) এবং বিলোপ (Dissolution) করার ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির হাতে ন্যস্ত।
রাষ্ট্রপতি সাধারণত প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করেন, তবে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত ও আদেশ জারি করেন তিনিই।
স্পীকার শুধুমাত্র অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন, সভার কার্যক্রম পরিচালনা করেন এবং শৃঙ্খলা রক্ষা করেন। তিনি অধিবেশন আহ্বান করার ক্ষমতা রাখেন না।
74

ঐতিহাসিক ‘ছয়-দফা’ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৬
  2. ২৩ মার্চ ১৯৬৬
  3. ২৬ মার্চ ১৯৬৬
  4. ৩১ মার্চ ১৯৬৬

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধ শেখ মুজিবুর ৫-৬ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৬ সালে ছয় দফা ঘোষণা করেন। কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা ঘোষণা করেন ২৩ মার্চ ১৯৬৬ সালে।

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ছয় দফার দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় **১৯৬৬ সালের ৫ ফেব্রুয়ারি** (অপশন ক) পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে। এই তারিখে বঙ্গবন্ধু ছয় দফার খসড়া পেশ করেন।
তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এই ৬ দফাকে পুস্তিকা আকারে 'আমাদের বাঁচার দাবি ছয় দফা' শিরোনামে জাতির সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা ও প্রকাশ করেন **১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ**।
পরীক্ষায় যখন 'আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা' জানতে চাওয়া হয়, তখন সঠিক উত্তর হয় **২৩ মার্চ ১৯৬৬**।
৫ ফ্রেব্রুয়ারি ১৯৬৬: এটি প্রস্তাব পেশের তারিখ।
২৩ মার্চ ১৯৬৬: এটি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও পুস্তিকা প্রকাশের তারিখ।
75

‘পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ’ প্রতিষ্ঠকালীন সাধারণ সম্পাদক -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ মুজিবুর রহমান

  2. শামছুল হক
  3. আতাউর রহমান খান
  4. আবুল হাশিম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২৩ জুন ১৯৪৯ সালে। সভাপতি- মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, সাধারণ সম্পাদক- শামসুল হক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- শেখ মুজিবুর রহমান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শামছুল হক
পূর্ব পাকিস্তান আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ২৩ জুন, ১৯৪৯ সালে ঢাকার রোজ গার্ডেনে
প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটিতে শামছুল হক-কে প্রথম সাধারণ সম্পাদক (General Secretary) নির্বাচিত করা হয়।
এই দলের প্রতিষ্ঠাকালীন সভাপতি (President) ছিলেন: মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী
শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রতিষ্ঠাকালীন কমিটির অন্যতম যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (Joint Secretary), সাধারণ সম্পাদক নন। পরবর্তীতে তিনি সাধারণ সম্পাদক হন।
76

‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’ কথাটি সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ : ২
  2. অনুচ্ছেদ : ৩
  3. অনুচ্ছেদ : ৪
  4. অনুচ্ছেদ : ৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২ নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় সীমানার অন্তর্ভুক্ত হইবে। ৩ নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা। ৪ (১) নং অনুচ্ছেদ- প্রজাতন্ত্রের জাতীয় সঙ্গীত আমার সোনার বাংলা’র প্রথম দশ চরণ। ৫ (১) নং প্রজাতন্ত্রের রাজধানী ঢাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: অনুচ্ছেদ : ৩
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগে রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতিসমূহ বর্ণিত আছে। এর অন্তর্গত অনুচ্ছেদ ৩-এ সরাসরি বলা হয়েছে— ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা বাংলা’। এটি আমাদের ভাষা আন্দোলনের (১৯৫২) চূড়ান্ত সাংবিধানিক স্বীকৃতি।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো:
অনুচ্ছেদ ২: প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় এলাকা (The territory of the Republic)।
অনুচ্ছেদ ৪: জাতীয় সঙ্গীত, পতাকা ও প্রতীক (National anthem, flag and emblem)।
অনুচ্ছেদ ৫: রাজধানী (The Capital)।
77

ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানবলি পঞ্চম তফসিল- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানে ৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ, ষষ্ঠ তফসিল- স্বাধীনতার ঘোষণা, সপ্তম তফসিল- স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চম তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে (Fifth Schedule) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণটি অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে এই ভাষণকে সংবিধানে যোগ করা হয়।
78

বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী “কোর্ট অব রেকর্ড” হিসাবে গণ্য-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লেবার কোর্ট
  2. হাই কোর্ট
  3. সুপ্রীম কোর্ট
  4. জজ কোর্ট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে সুপ্রীম কোর্টকে কোর্ট অব রেকর্ড বলা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুপ্রীম কোর্ট
বাংলাদেশের সংবিধানের ১০৮ নং অনুচ্ছেদে সরাসরি উল্লেখ করা হয়েছে যে, সুপ্রিম কোর্ট হবে একটি ‘কোর্ট অব রেকর্ড’ (Court of Record)।
‘কোর্ট অব রেকর্ড’ বলতে এমন আদালতকে বোঝায় যার সকল রায় বা কার্যবিবরণী স্থায়ী রেকর্ড হিসেবে রাখা হয় এবং যা নিম্ন আদালতে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণযোগ্য
এছাড়াও, কোর্ট অব রেকর্ড হিসেবে সুপ্রিম কোর্ট তার অবমাননাকারীকে (Contempt of Court) শাস্তি প্রদান করার বিশেষ ক্ষমতা রাখে।
সুপ্রিম কোর্ট বলতে আপিল বিভাগ এবং হাই কোর্ট বিভাগ উভয়কেই বোঝানো হয়। তাই অপশনগুলোর মধ্যে সুপ্রীম কোর্ট-ই সর্বাপেক্ষা সঠিক। (হাই কোর্ট হলো সুপ্রিম কোর্টের একটি বিভাগ মাত্র, কিন্তু সাংবিধানিক মর্যাদা সুপ্রিম কোর্টের।)
79

বাংলাদেশে মোট কতটি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ (ছয়) টি
  2. ৭ (সাত) টি
  3. ৮ (আট) টি
  4. ৯ (নয়) টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এ পর্যন্ত ৮টি পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। প্রথম পঞ্চবার্ষিক ১৯৭৩-৭৮, ৮ম পঞ্চবার্ষিক জুলাই ২০২০-জুন ২০২৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ (আট) টি
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর থেকে এ পর্যন্ত মোট আটটি (৮টি) পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।
সর্বশেষ পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনাটি হলো অষ্টম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা। এই পরিকল্পনার মেয়াদকাল হলো ২০২০-২০২৫ অর্থবছর।
পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা হলো ৫ বছরের জন্য নির্ধারিত জাতীয় লক্ষ্য পূরণের একটি কৌশলগত অর্থনৈতিক ফ্রেমওয়ার্ক। পরিকল্পনা কমিশন এই পরিকল্পনা প্রণয়ন করে থাকে।
80

বাংলাদেশের কয়টি জেলার সাথে ‘সুন্দরবন’ সংযুক্ত আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ (চার) টি
  2. ৫ (পাঁচ) টি
  3. ৬ (ছয়) টি
  4. ৭ (সাত) টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৫টি জেলার সাথে সুন্দরবন যুক্ত আছে। খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী, বরগুনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ (পাঁচ) টি
সুন্দরবন হলো পৃথিবীর বৃহত্তম অখণ্ড ম্যানগ্রোভ বন, যা মূলত খুলনা বিভাগে অবস্থিত।
প্রশাসনিকভাবে বাংলাদেশের ৫টি জেলার অংশবিশেষ সুন্দরবন বনের আওতাভুক্ত।
জেলাগুলো হলো: খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, পটুয়াখালী এবং বরগুনা
অনেক সময় প্রিলিমিনারি প্রশ্নে কেবল প্রধান তিনটি (খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা) জেলার কথা উল্লেখ করা হয়, কিন্তু সরকারি ও ভৌগোলিক হিসাবে সুন্দরবন মোট ৫টি জেলার সাথে সংযুক্ত (পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার অল্প কিছু অংশও এর অন্তর্ভুক্ত)।
৪ (চার) টি অপশনটি ভুল, কারণ এতে পটুয়াখালী বা বরগুনা বাদ পড়ে যায়। সঠিক তথ্য অনুযায়ী ৫টি জেলা অন্তর্ভুক্ত।
81

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর কোন সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ (দুই) নম্বর
  2. ৩ (তিন) নম্বর
  3. ৫ (পাঁচ) নম্বর
  4. ৪ (চার) নম্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ২ নং সেক্টরে ছিল- নোয়াখালী, কুমিল্লা জেলার আখাউড়া, ঢাকা, ফরিদপুরের অংশ বিশেষ সেক্টর কমান্ডার ছিলেন- মেজর খালেদ মোশাররফ ও এ. টি. এম. হায়দার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ২ (দুই) নম্বর সেক্টর
মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকা শহর এবং এর পার্শ্ববর্তী অঞ্চল, কুমিল্লা ও নোয়াখালী জেলার অধিকাংশ এলাকা ২ (দুই) নম্বর সেক্টরের অন্তর্ভুক্ত ছিল।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে ১৯৭১ সালের ১১টি সেক্টর এবং একটি বিশেষ এলাকা (১০ নং সেক্টর) গঠন করা হয়েছিল। ঢাকা শহর কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়ায় এটি ২ নং সেক্টরের প্রধান অপারেশনাল এলাকা ছিল।
এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর খালেদ মোশাররফ (এস ফোর্স কমান্ডার হিসেবে), যিনি আহত হওয়ার পর মেজর এ টি এম হায়দার দায়িত্ব নেন। এই সেক্টরের অধীনেই ঢাকার বিখ্যাত ‘ক্র্যাক প্লাটুন’ গেরিলা আক্রমণ পরিচালনা করত।
82

‘জয় বাংলা’ কে জাতীয় স্লোগান হিসাবে মন্ত্রিসভায় কত তারিখে অনুমোদন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ মার্চ, ২০২২
  2. ৩ মার্চ, ২০২২
  3. ৪ মার্চ, ২০২২

  4. ৫ মার্চ, ২০২২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘জয় বাংলা’ ছিল মুক্তিযুদ্ধের প্রধান স্লোগান। তাই এ স্লোগানের সম্মানে ২ মার্চ, ২০২২ মন্ত্রিসভা জাতীয় স্লোগান হিসাবে ঘোষণা করে ও সর্বস্তরে ব্যবহারের অনুমতি দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ মার্চ, ২০২২
২০২২ সালের ২ মার্চ তারিখে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটিকে ‘জাতীয় স্লোগান’ হিসেবে অনুমোদন দেওয়া হয়।
এটি ছিল একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সাংবিধানিক পদাধিকারী, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (সরকারি, বেসরকারি) বক্তৃতার শেষে বাধ্যতামূলকভাবে ‘জয় বাংলা’ স্লোগানটি ব্যবহার করতে হবে।
83

বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন কবে গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ এপ্রিল ১৯৭২
  2. ৭ এপ্রিল ১৯৭২
  3. ৮ এপ্রিল ১৯৭২
  4. ৯ এপ্রিল ১৯৭২

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রাষ্ট্রপতির ৩৪ নং আদেশবলে ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ এপ্রিল ১৯৭২
মহান মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশের সরকারি কর্মকর্তা নিয়োগ ও পদোন্নতির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনার জন্য রাষ্ট্রপতির আদেশ নং ৩৪/১৯৭২ (President’s Order No. 34 of 1972) অনুযায়ী ১৯৭২ সালের ৮ এপ্রিল তারিখে বাংলাদেশ সরকারী কর্ম কমিশন (Bangladesh Public Service Commission - BPSC) গঠিত হয়।
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে মনে রাখতে হবে যে, বিপিএসসি একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এটি যদিও সংবিধান প্রণয়নের আগে গঠিত হয়েছিল, তবে সংবিধানে একে স্থান দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য তারিখগুলো (৬, ৭, ৯ এপ্রিল) সঠিক নয়, তবে তারিখগুলো কাছাকাছি হওয়ায় প্রশ্নটি প্রায়শই বিভ্রান্তি তৈরি করে। সঠিক তারিখটি ৮ এপ্রিল সুনির্দিষ্টভাবে মনে রাখা জরুরি।
84

‘e- TIN’ চালু করা হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১৫ সালে
  4. ২০১৬ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

e-TIN (Electronic Transmitter Identification Number) চালু হয় ২০১৩ সালে। Online ভিত্তিক কর প্রদানের লক্ষ্যে সরকার এটি চালু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২০১৩ সালে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) বাংলাদেশে কর ব্যবস্থাকে আধুনিক ও সহজ করার লক্ষ্যে ১ জুলাই, ২০১৩ তারিখ থেকে ইলেকট্রনিক করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর বা e-TIN ব্যবস্থা চালু করে।
এর আগে করদাতাদের ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) নিতে হতো, যা e-TIN চালুর মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বাতিল হয়ে যায়। e-TIN প্রক্রিয়ার ফলে ঘরে বসেই সহজে এবং অল্প সময়ে TIN সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা সম্ভব হয়।
85

কত সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনটি প্রবর্তন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০১৩ সালে
  2. ২০১৪ সালে
  3. ২০১২ সালে
  4. ২০১১ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থপাচার প্রতিরোধ করার জন্য সরকার ২০১২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রবর্তন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১২ সালে
বাংলাদেশে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে কার্যকর আইন হলো 'মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২'। তাই প্রবর্তনের বছর হিসেবে এটিই সর্বজনস্বীকৃত।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ২০০২ সালে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন প্রণীত হয়। পরবর্তীতে এটি ২০০৯ এবং সর্বশেষ ২০১২ সালে সংশোধন ও প্রতিস্থাপন করা হয়।
86

দেশের কোন জেলায় সর্ববৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. ফেনী
  3. নরসিংদী
  4. ময়মনসিংহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দেশের প্রথম সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করা হয় ময়মনসিংহ। যার উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৫০MWp । বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় সৌর বিদ্যুৎ প্রকল্প তিস্তা সোলার লিমিটেড। যার উৎপাদন ক্ষমতা ২০০MWp। ১৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি নির্মিত হয়। প্রশ্নের অপশনে ফেনী ও ময়মনসিংহ উভয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৫০MWp। তথ্যসূত্র: National Database of Renewable Energy.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ময়মনসিংহ
দেশের সর্ববৃহৎ একক সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রটি ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুরে অবস্থিত। এই কেন্দ্রটির উৎপাদন ক্ষমতা হলো ২০০ মেগাওয়াট (AC)
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে এটি বাণিজ্যিকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে এবং বর্তমানে এটিই দেশের সবচেয়ে বড় সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো (চট্টগ্রাম, ফেনী, নরসিংদী) ছোট সৌর প্রকল্প অথবা অন্য কোনো বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বিখ্যাত হলেও সর্ববৃহৎ সৌর কেন্দ্রটি ময়মনসিংহে অবস্থিত।
87

বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. কুমিল্লা
  3. চট্টগ্রাম
  4. গাজীপুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বনজসম্পদ সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য সরকার চট্টগ্রামে বন গবেষণা কেন্দ্র ১৯৫৫ সালে স্থাপন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: চট্টগ্রাম
বাংলাদেশে বন গবেষণা কেন্দ্রটি মূলত বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI) নামে পরিচিত। এটি চট্টগ্রামের ষোলোশহরে অবস্থিত।
এই ইনস্টিটিউটটি দেশের বনজ সম্পদ এবং পরিবেশ সংরক্ষণে অত্যাধুনিক বৈজ্ঞানিক গবেষণা পরিচালনা করে থাকে।
এটি প্রতিষ্ঠা করা হয় ১৯৭৩ সালে, তবে এর যাত্রা শুরু হয় ব্রিটিশ আমলে (১৯৪৮) ইস্ট বেঙ্গল ফরেস্ট রিসার্চ ল্যাবরেটরি হিসেবে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, গাজীপুরে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম কৃষি গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI), যা প্রায়ই পরীক্ষায় আসে।
88

বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চাঁদপুর
  2. ফরিদপুর
  3. ময়মনসিংহ
  4. ভোলা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহে অবস্থিত। ইলিশ গবেষণা কেন্দ্র- চাঁদপুর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের মৎস্য প্রজাতি গবেষণার মূল কেন্দ্র হলো বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (BFRI)। এই ইনস্টিটিউটের প্রধান সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার্স ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। মৎস্য সম্পদের গবেষণা ও উন্নয়নের জন্য এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ কেন্দ্র।
BFRI এর আওতায় বিভিন্ন অঞ্চলের জলজ পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে একাধিক গবেষণা কেন্দ্র ও উপকেন্দ্র থাকলেও, কেন্দ্রীয় মৎস্য প্রজাতি গবেষণাগার ময়মনসিংহেই অবস্থিত।
89

বাংলাদেশের প্রধান খনিজ সম্পদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কয়লা
  2. প্রাকৃতিক গ্যাস
  3. চুনাপাথর
  4. চীনামাটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের খনিজ সম্পদ গুলোর মধ্যে রয়েছে- কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস, চুনাপাথর, সিলিকা বালি ইত্যাদি তবে প্রধান খনিজ সম্পদ হলো প্রাকৃতিক গ্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রাকৃতিক গ্যাস
বাংলাদেশে প্রাপ্ত খনিজ সম্পদগুলোর মধ্যে প্রাকৃতিক গ্যাস হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং দেশের প্রধান বাণিজ্যিক শক্তি উৎস
দেশের প্রায় ৭০% থেকে ৭৫% জ্বালানি চাহিদা সরাসরি প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে মেটানো হয়। এটি মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার কারখানা (ইউরিয়া), শিল্প এবং আবাসিক খাতে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—কয়লা, চুনাপাথর বা চীনামাটি গুরুত্বপূর্ণ হলেও, অর্থনৈতিক গুরুত্ব ও জাতীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে প্রাকৃতিক গ্যাসের অবস্থান শীর্ষে।
90

ইউরিয়া সারের কাঁচামাল কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. মিথেন গ্যাস
  4. ইলমেনাইট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল মিথেন গ্যাস। ইউরিয়া উদ্ভিদের নাইট্রোজেন সরবরাহ করে এবং উদ্ভিদের বৃদ্ধি সাধন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিথেন গ্যাস। যদিও ইউরিয়া সারের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে সাধারণত প্রাকৃতিক গ্যাস (Natural Gas) ব্যবহার করা হয়, কিন্তু প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল রাসায়নিক উপাদান হলো মিথেন গ্যাস (CH4\text{CH}_4)।
ইউরিয়া উৎপাদনের জন্য অ্যামোনিয়া (NH3\text{NH}_3) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2\text{CO}_2) প্রয়োজন। অ্যামোনিয়া উৎপাদনের জন্য যে হাইড্রোজেনের প্রয়োজন হয়, তা মূলত স্টিম মিথেন রিফর্মিং (SMR) প্রক্রিয়ায় মিথেন গ্যাস থেকে সংগ্রহ করা হয়।
সুতরাং, রাসায়নিকভাবে মিথেন গ্যাসই হলো ইউরিয়া সারের উৎপাদনের মূল ভিত্তি। যদি অপশনে প্রাকৃতিক গ্যাস এবং মিথেন গ্যাস উভয়ই থাকে, তবে মিথেন গ্যাস আরও বেশি নির্দিষ্ট উত্তর হিসেবে গণ্য হবে, কারণ এটিই প্রক্রিয়াটির মূল রাসায়নিক কাঁচামাল।
অন্যান্য অপশন যেমন, চুনাপাথর (ক্যালসিয়াম কার্বনেট, CaCO3\text{CaCO}_3) সিমেন্ট শিল্পে ব্যবহৃত হয় এবং ইলমেনাইট হলো টাইটানিয়ামের আকরিক। এগুলি ইউরিয়া উৎপাদনে সরাসরি ব্যবহৃত হয় না।
91

কোনটি বিচার বিভাগের কাজ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইনের প্রয়োগ

  2. আইনের ব্যাখ্যা
  3. সংবিধানের ব্যাখ্যা
  4. সংবিধান প্রণয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সংবিধান প্রণয়ন করে গণপরিষদ বা আইন পরিষদ। আইন পরিষদ সংবিধান সংশোধনও করে থাকে। বিচার বিভাগ সংবিধান ও আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করে এবং আইন অনুযায়ী অপরাধীর শাস্তি প্রদান করে। সংবিধান প্রণয়ন বিচার বিভাগের কাজ নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংবিধান প্রণয়ন
গণতন্ত্রে সরকার ব্যবস্থাকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: শাসন বিভাগ (Executive), আইন বিভাগ (Legislature) এবং বিচার বিভাগ (Judiciary)।
বিচার বিভাগের প্রধান কাজগুলো হলো: আইনের প্রয়োগ নিশ্চিত করা, আইনের অস্পষ্টতা দূর করতে আইনের ব্যাখ্যা প্রদান করা, এবং সংবিধানের রক্ষাকর্তা হিসেবে সংবিধানের ব্যাখ্যা দেওয়া ও মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা।
অন্যদিকে, সংবিধান প্রণয়ন বা আইন প্রণয়ন হলো আইন বিভাগের (জাতীয় সংসদ) প্রধান কাজ। বিচার বিভাগ সরাসরি কোনো নতুন আইন বা সংবিধান তৈরি করতে পারে না।
92

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ কত সালে জারি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৮০ সালে
  2. ১৯৮১ সালে
  3. ১৯৮৫ সালে
  4. ১৯৯১ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ জারি করা হয় ১৯৮৫ সালে। পরিবারের প্রতিটি সদস্যের আইনগত সমস্যার বিচার নিষ্পত্তি সম্পর্কিত অধ্যাদেশ এটি। এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ৫টি বিষয়ে বিচার কার্য সম্পাদন করে থাকে। যথা: বিবাহ বিচ্ছেদ, দাম্পত্য সম্পর্ক পুনরুদ্ধার, মোহরানা, ভরণপোষণ এবং অভিভাকত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৮৫ সালে।
পারিবারিক আদালত অধ্যাদেশ (The Family Courts Ordinance) বাংলাদেশে ১৯৮৫ সালে জারি হয়। এই অধ্যাদেশটি মূলত পরিবার সম্পর্কিত বিরোধ যেমন— বিবাহবিচ্ছেদ, দেনমোহর, ভরণপোষণ এবং সন্তানের অভিভাবকত্ব সংক্রান্ত বিষয়গুলো দ্রুত ও কার্যকরভাবে নিষ্পত্তির জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই আইনটি বাংলাদেশের মুসলিম পারিবারিক আইন অধ্যাদেশ, ১৯৬১ এর সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে আদালত প্রতিষ্ঠার ভিত্তি হলো ১৯৮৫ সালের অধ্যাদেশটি।
93

‘গণহত্যা যাদুঘর’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. চট্টগ্রাম
  3. কুমিল্লা
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গণহত্যা যাদুঘর খুলনায় অবস্থিত। এ যাদুঘরের নাম ‘১৯৭১ গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও যাদুঘর’। ২০১৪ সালের ১৭ মে খুলনায় এ যাদুঘর যাত্রা শুরু করে। দেশের একমাত্র গণহত্যা যাদুঘর খুলনায় স্থাপনের কারণ হলো চুকনগর বদ্ধভূমি খুলনায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খুলনা
বাংলাদেশে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সংঘটিত গণহত্যার স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণ এবং গবেষণার উদ্দেশ্যে 'গণহত্যা নির্যাতন আর্কাইভ ও জাদুঘর' (Genocide Torture Archive and Museum) প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এই জাদুঘরটি খুলনার সাউথ সেন্ট্রাল রোডে অবস্থিত এবং এটিই দেশের প্রথম গণহত্যা বিষয়ক আর্কাইভ ও জাদুঘর।
এটি প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য ছিল, মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত গণহত্যা ও বধ্যভূমিগুলোর তথ্য সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা।
94

নভেরা আহমেদের পরিচয় কী হিসাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবি
  2. নাট্যকার
  3. কণ্ঠশিল্পী
  4. ভাস্কর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের অন্যতম আধুনিক ভাস্কর নভেরা আহমেদ। তিনি ১৯৩৯ সালে জন্মগ্রহণ করে। তাঁর অন্যতম প্রধান ভাস্কর্য গুলো চাইল্ড ফিলোসফার, কাউ অ্যান্ড টু ফিগার্স। তিনি ২০১৫ সালে প্যারিসে মৃত্যুবরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাস্কর। নভেরা আহমেদ (১৯৩৯-২০১৫) ছিলেন বাংলাদেশের ভাস্কর্য শিল্পের একজন পথপ্রদর্শক
তিনিই বাংলাদেশের আধুনিক ভাস্কর্য চর্চার প্রথম নারী ভাস্কর হিসেবে পরিচিত এবং তাকে বিমূর্ত ভাস্কর্য (Abstract Sculpture) ধারার অন্যতম প্রবক্তা মনে করা হয়।
১৯৬০-এর দশকে ভাস্কর্যকে বাংলাদেশে শিল্প হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে তার অবদান অনস্বীকার্য। অন্য বিকল্পগুলো (কবি, নাট্যকার, কণ্ঠশিল্পী) তাঁর প্রধান পরিচয়ের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়।
95

আয়তনে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় জেলা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. বরিশাল
  3. চট্টগ্রাম
  4. ময়মনসিংহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আয়তনে বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা রাঙ্গামাটি। এর আয়তন ৬১১৬ বর্গকিলোমিটার। এ জেলা ২০ জুন ১৮৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রাঙ্গামাটি। এটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের একটি জেলা এবং আয়তনের দিক থেকে এটিই দেশের সবচেয়ে বড় জেলা
রাঙ্গামাটির মোট আয়তন প্রায় ৬,১১৬.১৩ বর্গ কিলোমিটার
অনেকে চট্টগ্রাম বা কক্সবাজারকে সবচেয়ে বড় মনে করলেও, এই দুটি জেলা রাঙ্গামাটির চেয়ে ছোট। যেমন: চট্টগ্রাম জেলার আয়তন প্রায় ৫,২৮২.৯২ বর্গ কিলোমিটার।
96

কোন এলাকাকে ‘Marine Protected Area’ (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
  2. পটুয়াখালী ও বরগুনা
  3. হিরন পয়েন্ট
  4. সেন্টমার্টিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘Marine Protected Area’ (MPA) ঘোষণা করা হয়েছে সেন্টমার্টিন এবং এর আশে পাশের এলাকাকে। প্রবাল দ্বীপের সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য হ্রাস রোধে সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগরের ৭০ মিটার গভীর সমুদ্রের ১৭৪৩ বর্গ কি.মি. এলাকা কে MPA ঘোষণা করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন এবং এর আশেপাশের এলাকা
বাংলাদেশ সরকার সেন্টমার্টিন দ্বীপ এবং এর চারপাশে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের একটি বিশাল অংশকে 'মেরিন প্রোটেকটেড এরিয়া' (MPA) বা সংরক্ষিত সামুদ্রিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে।
এই ঘোষণার মূল উদ্দেশ্য হলো দ্বীপটির চারপাশে থাকা বিরল প্রবাল প্রাচীর, সামুদ্রিক কচ্ছপ, ডলফিন এবং অন্যান্য বিপন্ন জলজ জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ করা।
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে সেন্টমার্টিন সংলগ্ন এই এলাকাকে MPA ঘোষণা করে।
ঘোষিত এই MPA-এর মোট আয়তন হলো ১,৭৪৩৬ বর্গ কিলোমিটার (১৭,৪৩৬ বর্গ কিমি), যা বাংলাদেশের বৃহত্তম MPA
97

বাংলাদেশের ভৌগলিক নির্দেশক পণ্য কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯ (নয়) টি
  2. ১০ (দশ) টি
  3. ১৭ (সতেরো) টি
  4. ১২ (বার) টি

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭ (সতেরো) টি
এই প্রশ্নটি যখন প্রণয়ন করা হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে নিবন্ধিত ভৌগলিক নির্দেশক (Geographical Indication - GI) পণ্যের সংখ্যা ছিল ১৭টি। তবে এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং পণ্যের সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে।
ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্যের স্বীকৃতি প্রদান করে শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (DIP)। এই স্বীকৃতির মাধ্যমে পণ্যটির উৎস ও গুণগত মান নিশ্চিত হয় এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের স্বকীয়তা তুলে ধরা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা বাংলাদেশের GI পণ্যের সঠিক পরিসংখ্যান প্রতিফলিত করে না, যা পরীক্ষার সময় অনুযায়ী হালনাগাদ করতে হয়।
98

ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ‘মনিপুরী’ বাংলাদেশের কোন জেলায় বেশি বসবাস করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. মৌলভীবাজার
  3. হবিগঞ্জ
  4. সুনামগঞ্জ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মনিপুরী উপজাতিদের আদি নিবাস ভারতের মনিপুর রাজ্যে। বর্তমানে তারা বৃহত্তর সিলেট, ঢাকার তেজগাঁও, মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, শ্রীমঙ্গল কুলাউড়া ও বড়লেখা, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটে এবং সুনামগঞ্জের ছাতকে বসবাস করে। গৃহগণনা ও জনশুমারি-২০২২ অনুযায়ী সবচেয়ে বেশী মনিপুরী বসবাস করে মৌলভীবাজারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৌলভীবাজার। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী ‘মনিপুরী’রা প্রধানত বাংলাদেশের বৃহত্তর সিলেট অঞ্চলে বসবাস করে।
যদিও সিলেট বিভাগের সব জেলাতেই তাদের উপস্থিতি রয়েছে, তবে এদের সবচেয়ে বেশি ও ঘনবসতিপূর্ণ অঞ্চল হলো মৌলভীবাজার জেলা।
বিশেষ করে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ, কুলাউড়া এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলাগুলোতে মনিপুরী পল্লী ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রগুলো অবস্থিত। এই কারণেই মৌলভীবাজারকে তাদের প্রধান বাসস্থান হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
সিলেট জেলাও একটি বড় বসতি এলাকা হলেও, সংখ্যাগত দিক থেকে মৌলভীবাজারের অবস্থান শীর্ষে।
99

বাংলাদেশের ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা কোন সময়ে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ জুন থেকে ১৬ জুন, ২০২২
  2. ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
  3. ১৫ জুলাই থেকে ২১ জুলাই, ২০২২
  4. ২০ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই, ২০২২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ১৫ জুন ২০২২ থেকে ২১ জুন ২০২২ পর্যন্ত। এটি দেশের প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি। এটি ২০২১ সালে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও করোনার কারণে ২০২২ সালে অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ জুন থেকে ২১ জুন, ২০২২
এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ জাতীয় জনশুমারি ও গৃহ গণনা (প্রথমে এটি জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২১ নামে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু করোনার কারণে পিছিয়ে যায়)।
জনশুমারি কার্যক্রমটি মোট ৭ দিন ধরে পরিচালিত হয়। মূল শুমারির কাজ শুরু হয় ১৫ জুন, ২০২২ তারিখে এবং শেষ হয় ২১ জুন, ২০২২ তারিখে।
এই শুমারিতে প্রথমবারের মতো ডিজিটাল পদ্ধতি (ট্যাবলেট) ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি (জুলাই মাস বা অন্য তারিখ) বিভ্রান্তিকর। ১৫ জুন থেকে ২১ জুন তারিখটি শুমারি সপ্তাহ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছিল।
100

কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য গত ২০২০ সালে প্রবর্তিত পুরস্কারের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
  2. বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড
  3. বাংলাদেশ ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
  4. বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কূটনৈতিক ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ২০২০ সালে বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড প্রর্বতন করা হয়। বঙ্গবন্ধুর শান্তিকামী কূটনৈতিক দর্শনকে পুনরুজ্জীবিত করার জন্য এ পুরস্কার প্রবর্তন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বাংলাদেশ সরকার ২০২০ সালে এই পুরস্কার প্রবর্তন করে।
এটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে কূটনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য প্রদান করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড) নামে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, তবে দাপ্তরিক ও সঠিক নামটি হলো 'বঙ্গবন্ধু ডিপ্লোমেটিক অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স'।
এটি মূলত বাংলাদেশে কর্মরত বিদেশি কূটনীতিক এবং বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের দেওয়া হয়।
101

বাংলাদেশ সদস্য নয় :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ILO
  2. SAARC
  3. NATO
  4. BIMSTEC

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ ILO, SAARC, BIMSTEC এর সদস্য কিন্তু NATO এর সদস্য নয়। SAARC এর উদ্যোক্তা বাংলাদেশ। BIMSTEC এর সদর দপ্তর বাংলাদেশে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো NATO। কারণ বাংলাদেশ এই সামরিক জোটের সদস্য নয়।
NATO (North Atlantic Treaty Organization) হলো একটি সামরিক জোট। এটি মূলত উত্তর আমেরিকা (USA, Canada) এবং ইউরোপের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত, যারা সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করে। বাংলাদেশ এই জোটের ভৌগোলিক বা রাজনৈতিক অংশীদার নয়।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি তিনটি সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা ও সক্রিয় সদস্য বাংলাদেশ:
SAARC (সার্ক): দক্ষিণ এশিয়ার আঞ্চলিক অর্থনৈতিক জোট। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
BIMSTEC (বিমসটেক): বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী দেশগুলোর অর্থনৈতিক সহযোগিতা ফোরাম। বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠাতা সদস্য।
ILO: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা)। বাংলাদেশ এর সদস্য।
102

ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল কখন প্রথম অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1929
  2. 1930
  3. 1931
  4. 1932

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফিফা বিশ্বকাপ সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে উরুগুয়েতে। এ বিশ্বকাপে চ্যাম্পিয়ন হয় স্বাগতিক উরুগুয়ে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৩০
ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট প্রথম অনুষ্ঠিত হয় ১৯৩০ সালে। এই টুর্নামেন্টের আয়োজক দেশ ছিল উরুগুয়ে
প্রতিযোগিতায় স্বাগতিক দেশ উরুগুয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়। তারা ফাইনালে প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে।
অন্যান্য সালগুলি (১৯২৯, ১৯৩১, ১৯৩২) প্রথম বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হওয়ার তারিখ নয়।
103

কোন দেশে সমুদ্র বন্দর নাই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালদ্বীপ
  2. নেপাল
  3. গ্রীস
  4. ভেনেজুয়েলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দক্ষিণ এশিয়ার ল্যান্ডলক দেশ ভুটান, আফগানিস্তান, এবং নেপাল। দেশগুলোর কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। গ্রীস ভূমধ্যসাগরে অবস্থিত, মালদ্বীপ ভারত মহাসাগরে এবং ভেনিজুয়েলা ক্যারবীয় সাগরের উপকূলে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেপাল। নেপাল একটি ভূ-বেষ্টিত দেশ (Landlocked Country)।
ভূ-বেষ্টিত দেশ বলতে এমন দেশকে বোঝায় যার কোনো সরাসরি সমুদ্র উপকূল বা জলপথ নেই। নেপাল উত্তরে চীন (তিব্বত) এবং দক্ষিণে, পূর্বে ও পশ্চিমে ভারত দ্বারা বেষ্টিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, মালদ্বীপ একটি দ্বীপরাষ্ট্র এবং এর সমুদ্র বন্দর আছে। গ্রীস (ভূমধ্যসাগরের তীরে) এবং ভেনেজুয়েলা (ক্যারিবীয় সাগরের তীরে) উভয়েরই বিশাল সমুদ্র উপকূল এবং গুরুত্বপূর্ণ বন্দর রয়েছে।
104

কোথায় ঐতিহাসিক ট্রয় নগর অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইটালী
  2. গ্রীস
  3. তুরস্ক

  4. ফ্রান্স

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ট্রয় নগরীর অবস্থান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। এই নগরীকে কেন্দ্র করে বিখ্যাত ট্রোজান যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ট্রয় নগরী বর্তমান তুরস্কের উত্তর-পশ্চিম অংশে, এজিয়ান সাগরের উপকূলে এবং দারদানেলিস প্রণালীর (Dardanelles Strait) প্রবেশমুখে অবস্থিত।
প্রাচীন গ্রিক ও রোমান ঐতিহাসিকদের মতে, ট্রয় নগরীর অবস্থান ছিল আনাতোলিয়া (Anatolia) অঞ্চলে, যা আধুনিক তুরস্কের অংশ।
ট্রয় নগরী প্রধানত বিখ্যাত গ্রিক কবি হোমার রচিত মহাকাব্য 'ইলিয়াড' এবং 'ওডিসি'-তে বর্ণিত ট্রয়ের যুদ্ধের জন্য।
105

ক্ষুদ্রতম মহাদেশ :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অস্ট্রেলিয়া

  2. ইউরোপ
  3. আফ্রিকা
  4. দক্ষিণ আমেরিকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্ষুদ্রতম মহাদেশ ওশেনিয়া। ওশেনিয়া বলতে অস্ট্রেলিয়াকেও বুঝানো হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অস্ট্রেলিয়া। আয়তনের দিক থেকে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের ক্ষুদ্রতম মহাদেশ
অস্ট্রেলিয়াকে সাধারণত ওশেনিয়া (Oceania) অঞ্চলের প্রধান ভূমি হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি একমাত্র মহাদেশ যা একটিমাত্র দেশ দ্বারা গঠিত।
আয়তন ও জনসংখ্যার ভিত্তিতে অস্ট্রেলিয়া বিশ্বের সপ্তম এবং সবচেয়ে ছোট মহাদেশ
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে আফ্রিকা (২য় বৃহত্তম), ইউরোপ (৬ষ্ঠ বৃহত্তম) এবং দক্ষিণ আমেরিকা (৪র্থ বৃহত্তম)।
106

কোথায় আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোকিও
  2. ম্যানিলা
  3. ভারত
  4. নেপাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (IRRI) এর সদর দপ্তর অবস্থিত ফিলিপাইনের ম্যানিলায়। এটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ম্যানিলা
আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (International Rice Research Institute - IRRI) ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার কাছে অবস্থিত লস ব্যানোস (Los Baños), লেগুনা অঞ্চলে অবস্থিত।
এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম কৃষি গবেষণা কেন্দ্র, যা মূলত ধান উৎপাদন ও এর গুণগত মান উন্নয়নে কাজ করে।
IRRI আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬০ সালে, যা এশিয়ায় কৃষি বিপ্লবে (Green Revolution) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
107

কোথায় ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. প্যারিস
  3. ব্রাসেলস
  4. ফ্রাঙ্কফুর্ট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় (ইসিবি) ইউরোজোনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এর সদর দপ্তর জার্মানির ফ্রাঙ্কফুটে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ফ্রাঙ্কফুর্ট
ইউরোপীয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক (European Central Bank – ECB) জার্মানির অর্থনৈতিক কেন্দ্র ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে অবস্থিত। এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) ১৯টি সদস্য রাষ্ট্রের মুদ্রা 'ইউরো' পরিচালনার জন্য গঠিত আর্থিক প্রতিষ্ঠান।
ECB মূলত ইউরোজোনের মুদ্রানীতি (Monetary Policy) প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকে। এটি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়:
ব্রাসেলস (বেলজিয়াম): এখানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) প্রধান নির্বাহী সংস্থা ইউরোপীয় কমিশনNATO এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
প্যারিস (ফ্রান্স): এখানে UNESCO এবং OECD (Organisation for Economic Co-operation and Development) এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
108

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিচার্ড নিক্সন
  2. বিল ক্লিনটন
  3. কেনেডি
  4. ডনাল্ড ট্রাম্প

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট ছিলেন ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি রিপাবলিকান দল থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডনাল্ড ট্রাম্প। তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ৪৫তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ডনাল্ড ট্রাম্পের মেয়াদকাল ছিল **২০১৭ সালের ২০ জানুয়ারি** থেকে **২০২১ সালের ২০ জানুয়ারি** পর্যন্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ:
বিল ক্লিনটন ছিলেন ৪২তম প্রেসিডেন্ট।
রিচার্ড নিক্সন ছিলেন ৩৭তম প্রেসিডেন্ট।
জন এফ. কেনেডি ছিলেন ৩৫তম প্রেসিডেন্ট।
109

TIFA এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Trade for International Finance Agreement.
  2. Trade and Inviestment form America
  3. Trade and Investment Framework Agreement
  4. Treaty for International Free Area

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

TIFA এর পূর্ণরূপ Trade and Investment Framework Agreement. এটি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ক একটি চুক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Trade and Investment Framework Agreement। অপশন (গ) হলো সঠিক উত্তর।
TIFA এর বাংলা পূর্ণরূপ হলো— বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কাঠামো চুক্তি
এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) এবং অন্য কোনো দেশের (যেমন: বাংলাদেশ) মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি দ্বিপক্ষীয় চুক্তি। এই চুক্তির মূল লক্ষ্য হলো দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সহজীকরণ করার জন্য একটি নিয়মিত আলোচনার প্লাটফর্ম তৈরি করা।
110

ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্ত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1970
  2. 1972
  3. 1975
  4. 1977

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭৫ সালে কথিত গণভোটের মাধ্যমে ভারত সিকিম দখল করে তাদের রাজ্য হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে সিকিম একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৫
সিকিম মূলত ১৯৫০ সাল থেকে ভারতের একটি আশ্রিত রাজ্য (Protectorate) হিসেবে ছিল। কিন্তু এই অঞ্চলের রাজতান্ত্রিক শাসনের অবসান ঘটিয়ে ভারতের অঙ্গরাজ্য হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয় ১৯৭৫ সালে।
১৯৭৫ সালের এপ্রিলে সিকিমে একটি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জনগণ রাজতন্ত্র বিলোপ করে ভারতের সঙ্গে সম্পূর্ণ একীভূত হওয়ার পক্ষে রায় দেয়।
এই গণভোটের ফলস্বরূপ, ভারতীয় পার্লামেন্ট ১৯৭৫ সালের ১৬ মে তারিখে ৩৬তম সংবিধান সংশোধনী আইন (36th Amendment Act) পাশ করে।
এই সংশোধনী অনুযায়ী, সিকিমকে ভারতের ২২তম রাজ্য হিসেবে পূর্ণাঙ্গ মর্যাদা দেওয়া হয়।
সুতরাং, ভারত কর্তৃক সিকিম সংযুক্তির বছর হলো ১৯৭৫
111

২০২২ সালে G-20 শীর্ষ বৈঠক কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বালী
  2. সিংগাপুর
  3. জাকার্তা
  4. ম্যানিলা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৫-১৬ নভেম্বর, ২০২২ ইন্দোনেশিয়ার বালীতে G-20 এর ১৭তম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনের স্লোগান ছিল “Recover Together Recover Stronger”.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বালী
২০২২ সালে অনুষ্ঠিত G-20 শীর্ষ সম্মেলনটি ছিল সংস্থাটির ১৭তম বৈঠক। এই সম্মেলনটি ২০২২ সালের ১৫-১৬ নভেম্বর ইন্দোনেশিয়ার বালী দ্বীপে অনুষ্ঠিত হয়।
এই সম্মেলনে প্রধান আলোচ্য বিষয় ছিল বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যসেবা।
বালী ইন্দোনেশিয়ার একটি শহর হলেও, সম্মেলনটি জাকার্তা বা অন্যান্য বিকল্প স্থানে অনুষ্ঠিত হয়নি।
112

চীন-ভারত যুদ্ধ কত সালে সংঘটিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1959
  2. 1960
  3. 1962
  4. 1963

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০ অক্টোবর-২১ নভেম্বর, ১৯৬২ সালে সংঘটিত হয় চীন-ভারত যুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬২ সাল।
চীন ও ভারতের মধ্যে এই সীমান্ত সংঘাতটি Sino-Indian War বা চীন-ভারত যুদ্ধ নামে পরিচিত। এটি শুরু হয় অক্টোবর ২০, ১৯৬২ তারিখে এবং চীন কর্তৃক একতরফা যুদ্ধবিরতি ঘোষণার মাধ্যমে নভেম্বর ২১, ১৯৬২ তারিখে শেষ হয়।
যুদ্ধের মূল কারণ ছিল হিমালয় অঞ্চলের বিতর্কিত সীমান্ত — বিশেষ করে আকসাই চীন (Aksai Chin) এবং বর্তমান অরুণাচল প্রদেশ (তৎকালীন NEFA) এর মালিকানা নিয়ে বিরোধ।
অন্যান্য অপশনগুলি (১৯৫৯, ১৯৬০, ১৯৬৩) এই যুদ্ধের প্রস্তুতির বা পরবর্তী সময়ের ঘটনা, কিন্তু সরাসরি যুদ্ধ সংঘটিত হয় ১৯৬২ সালে।
113

পৃথিবীর গভীরতম স্থান:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ম্যারিয়ানা ট্রেন্চ
  2. ডেড সী
  3. বৈকাল হ্রদ
  4. লোহিত সাগর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত ম্যারিয়ানা ট্রেন্চ পৃথিবীর গভীরতম স্থান। যার গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ম্যারিয়ানা ট্রেন্চ (Mariana Trench)। এটি প্রশান্ত মহাসাগরের পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
এটিই পৃথিবীর মহাসাগরগুলোর মধ্যে গভীরতম স্থান।
ম্যারিয়ানা ট্রেন্চের গভীরতম স্থানটির নাম হলো চ্যালেঞ্জার ডিপ (Challenger Deep)। এই স্থানের আনুমানিক গভীরতা প্রায় ১১,০৩৪ মিটার বা প্রায় ১১ কিলোমিটার।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: ডেড সী (Dead Sea) হলো পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠের নিম্নতম স্থান (উপকূলের দিক থেকে), কিন্তু এটি গভীরতম সামুদ্রিক স্থান নয়। বৈকাল হ্রদ হলো পৃথিবীর গভীরতম স্বাদু জলের হ্রদ।
114

‘বেল্ট অ্যান্ড রোড’ কার্যক্রম শুরু হয়:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০০ সাল

  2. 7

  3. ২০১৬ সাল
  4. ২০১৩ সাল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২০১৩ সালে চীন সরকার One Belt One Road প্রকল্পটি গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৩ সাল
‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (Belt and Road Initiative - BRI) হলো চীনের একটি বৈশ্বিক অবকাঠামো উন্নয়ন কৌশল। চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং ২০১৩ সালের সেপ্টেম্বরে কাজাখস্তানে এই প্রকল্পটি প্রথম ঘোষণা করেন।
প্রাথমিকভাবে এর দুটি অংশ ঘোষণা করা হয়:
১. ‘সিল্ক রোড ইকোনমিক বেল্ট’ (স্থলপথ): যা মধ্য এশিয়া ও ইউরোপের সাথে চীনের সংযোগ স্থাপন করবে।
২. ‘টুয়েন্টি ফার্স্ট সেঞ্চুরি মেরিটাইম সিল্ক রোড’ (জলপথ): যা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপের সাথে চীনের সামুদ্রিক যোগাযোগ স্থাপন করবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে চীন এশিয়া, ইউরোপ ও আফ্রিকার প্রায় ৬০টিরও বেশি দেশকে যুক্ত করে বাণিজ্য ও অবকাঠামো নেটওয়ার্ক তৈরি করতে চায়।
115

বান্দা আচেহ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. থাইল্যান্ড
  3. ফিলিপাইন
  4. কম্বোডিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইন্দোনেশিয়ার আচেহ প্রদেশের রাজধানী বান্দা আচেহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইন্দোনেশিয়া
বান্দা আচেহ (Banda Aceh) হলো ইন্দোনেশিয়ার সর্বপশ্চিমে অবস্থিত আচেহ (Aceh) প্রদেশের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর।
এটি সুমাত্রা (Sumatra) দ্বীপের উত্তর-পশ্চিম প্রান্তে অবস্থিত।
বান্দা আচেহ আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিতি লাভ করে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর সংঘটিত প্রলয়ঙ্করী সুনামি (Indian Ocean Tsunami)-র কারণে, যেখানে এই শহরটি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
116

ফেসবুকের সদর দফতর :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিয়াটল
  2. ক্যালিফোর্নিয়া
  3. ওয়াশিংটন
  4. নিউইয়র্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মেটা প্লাটফর্ম ইনকর্পোরেশন, যা আগে ফেসবুক ইন কর্পোরেশন নামে পরিচিত ছিল, এর সদর দপ্তর মেনলো পার্ক, ক্যালিফোর্নিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক্যালিফোর্নিয়া
ফেসবুকের (যা বর্তমানে এর মূল কোম্পানি Meta Platforms, Inc. এর অধীনে পরিচালিত হয়) সদর দপ্তর হলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের মেনলো পার্কে (Menlo Park) অবস্থিত। এটি বিশ্বের প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের কেন্দ্র সিলিকন ভ্যালি অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত।
ফেসবুক প্রতিষ্ঠা করেছিলেন মার্ক জাকারবার্গ এবং তার সহপাঠীরা ২০০৪ সালে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: সিয়াটল-এ Amazon এবং Microsoft-এর মতো বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সদর দপ্তর রয়েছে। ওয়াশিংটন হলো যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী।
117

‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কানাডা
  2. পশ্চিম আফ্রিকা

  3. নর্থ আমেরিকা
  4. অস্ট্রেলিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

The Great Victoria Desert দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়াতে অবস্থিতি একটি মরুভূমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অস্ট্রেলিয়া
‘ভিক্টোরিয়া ডিজার্ট’ বা এর পুরো নাম গ্রেট ভিক্টোরিয়া ডেজার্ট (Great Victoria Desert) হলো অস্ট্রেলিয়ার বৃহত্তম মরুভূমি। এটি পশ্চিম অস্ট্রেলিয়া এবং দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ার বিশাল অংশজুড়ে বিস্তৃত।
এই মরুভূমির নামকরণ করা হয়েছিল ব্রিটেনের রাণী ভিক্টোরিয়ার নামানুসারে, যিনি ১৮৩৭ সাল থেকে ১৯০১ সাল পর্যন্ত শাসন করেছিলেন।
কানাডা এবং নর্থ আমেরিকা শীতল আবহাওয়ার জন্য পরিচিত। অন্যদিকে, পশ্চিম আফ্রিকায় বিশ্বের বৃহত্তম উষ্ণ মরুভূমি সাহারা অবস্থিত, কিন্তু সেখানে ভিক্টোরিয়া ডেজার্ট নেই।
118

কোনটি প্রাচীন সভ্যতা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেসোপটেমিয়া
  2. গ্রিস
  3. রোম
  4. সিন্ধু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টাইগ্রীস ও ইউফ্রেটিস নদীর তীরে গড়ে উঠেছিল বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতা মেসোপটেমিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেসোপটেমিয়া
সভ্যতার ইতিহাসে প্রাচীনতম এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সভ্যতাগুলোর মধ্যে মেসোপটেমিয়া অন্যতম। এটি আনুমানিক ৪০০০-৩৫০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দে (খ্রিস্টপূর্ব) মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয়দের মাধ্যমে বিকাশ লাভ করে। তাই এটিকে ‘সভ্যতার সূতিকাগার’ (Cradle of Civilization) বলা হয়।
সিন্ধু সভ্যতাও (আনুমানিক ৩৩০০ খ্রিষ্টপূর্বাব্দ) অত্যন্ত প্রাচীন হলেও, মেসোপটেমিয়ার সুমেরীয় সভ্যতাকে সাধারণত প্রাচীনতম হিসেবে ধরা হয়।
অন্যদিকে, গ্রিস এবং রোম হলো 'ধ্রুপদী' বা ক্লাসিক্যাল সভ্যতা। এগুলি মেসোপটেমিয়া এবং মিশরীয় সভ্যতার কয়েক হাজার বছর পরে পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে।
119

নোবেল বিজয়ী নারী কয়জন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫০ জন
  2. ৫৭ জন
  3. ০৩ জন
  4. ০৭ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শিকাগো ট্রিবিউন ২০২১ অনুসারে, মোট নারী নোবেল বিজয়ী ৫৭ জন। নোবেল পুরস্কার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট অনুসারে, ২০২২ সাল পর্যন্ত নারীদেরকে মোট ৬১ বার নোবেল পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ম্যারি কুরি দুইবার নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হয়েছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫৭ জন
নোবেল পুরস্কারের অফিসিয়াল তথ্য (২০২৩ সাল পর্যন্ত) অনুযায়ী, ১৯০১ সাল থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৫৯টি নোবেল পুরস্কার ৫৭ জন স্বতন্ত্র নারীকে প্রদান করা হয়েছে।
পুরস্কারের সংখ্যা (৫৯) ও বিজয়ী নারীর সংখ্যা (৫৭) ভিন্ন হওয়ার কারণ হলো, মাদাম মেরি কুরি (Marie Curie) পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন—এই দুটি ভিন্ন শাখায় দুইবার নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন ৫০ জন বা ০৩ জন, নোবেল পুরস্কারের বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী ভুল।
120

তিব্বত একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উপত্যকা
  2. উপদ্বীপ
  3. দ্বীপ
  4. মরুভুমি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী স্থানকে সাধারণত উপত্যকা বলা হয়। তিব্বতের পূর্ব দিকে হেনতুয়াং পর্বতমালা দক্ষিণে কাংতিসি পর্বত থাকায় এটি একটি উপত্যকা হিসেবে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপত্যকা (Valley)। যদিও ভূ-প্রকৃতি অনুযায়ী তিব্বত বিশ্বের সর্বোচ্চ ও বৃহত্তম মালভূমি (Plateau) হিসেবে পরিচিত, কিন্তু অপশনে 'মালভূমি' না থাকায় এবং তিব্বত উচ্চ পর্বতশ্রেণি (হিমালয়, কুনলুন) দ্বারা বেষ্টিত একটি বিশাল অঞ্চল হওয়ায়, এটিকে অনেক সময় উচ্চ উপত্যকা বা বেসিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, উপত্যকাকে (০) সঠিক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তিব্বতকে সাধারণত 'পৃথিবীর ছাদ' (Roof of the World) বলা হয় এবং এর গড় উচ্চতা প্রায় ৪,৫০০ মিটার (১৪,৭৬৪ ফুট)।
এটি কোনোভাবেই উপদ্বীপ (তিনদিক জলবেষ্টিত), দ্বীপ (চারদিক জলবেষ্টিত) বা ঐতিহ্যবাহী মরুভূমি নয়।
121

‘Elephant Pass’ অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. থাইল্যান্ড

  2. দক্ষিণ আফ্রিকা
  3. শ্রীলঙ্কা
  4. মালয়শিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Elephant Pass শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ প্রদেশে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শ্রীলঙ্কা
‘Elephant Pass’ (এলিফ্যান্ট পাস) হলো শ্রীলঙ্কার উত্তর অংশে অবস্থিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও কৌশলগত সংকীর্ণ ভূখণ্ড (isthmus)।
এটি শ্রীলঙ্কার মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে উত্তরের জাফনা উপদ্বীপকে সংযুক্ত করেছে, তাই এটিকে ‘জাফনার প্রবেশদ্বার’ বলা হয়।
শ্রীলঙ্কা সরকার এবং বিচ্ছিন্নতাবাদী দল LTTE (Liberation Tigers of Tamil Eelam)-এর মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে এই পাসের দখল নিয়ে তীব্র সংঘাত চলেছিল। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে এই সামরিক গুরুত্বের কারণেই এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
122

কোন দেশটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাইপ্রাস
  2. আলজেরিয়া
  3. ইস্টোনিয়া
  4. মাল্টা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

EU এর সদস্য দেশ ২৭টি। দেশগুলো হলো: ফিনল্যান্ড, লাটভিয়া, হাঙ্গেরি, ফ্রান্স, ক্রোয়েশিয়া, নেদারল্যান্ডস, এস্তোনিয়া, বেলজিয়াম, স্লোভেনিয়া, ইতালি, সুইডেন, গ্রিস, লুক্সেমবার্গ, রোমানিয়া, বুলগেরিয়া, পর্তুগাল, সাইপ্রাস, জার্মানি, স্লোভাকিয়া, লিথুনিয়া, মাল্টা, স্পেন, অস্ট্রেলিয়া, আয়ারল্যান্ড। অপরদিকে আলজেরিয়া উত্তর আফ্রিকার দেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আলজেরিয়া (Algeria)। আলজেরিয়া একটি উত্তর আফ্রিকার দেশ এবং এটি ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) সদস্য নয়।
আলজেরিয়া আফ্রিকান ইউনিয়ন (AU)-এর সদস্য এবং ভৌগোলিকভাবে এটি ইউরোপের বাইরে অবস্থিত।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি তিনটি দেশ—সাইপ্রাস, ইস্টোনিয়া এবং মাল্টা—তিনটিই ইউরোপ মহাদেশের অংশ এবং এগুলো EU-এর পূর্ণ সদস্য। এদের মধ্যে সাইপ্রাস, এস্তোনিয়া ও মাল্টা ২০০৪ সালে ঐতিহাসিক সম্প্রসারণের মাধ্যমে EU-তে যোগদান করে।
123

কোন নদীটির উৎপত্তিস্থান বাংলাদেশে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্ণফুলি
  2. নাফ
  3. মেঘনা
  4. হালদা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হালদার উৎপত্তিস্থল পার্বত্য চট্টগ্রামের বাটনাতলী পাহাড়। এর অবস্থান মানিকছড়ি উপজেলার বাটনাতলী ইউনিয়নের পাহাড়ী গ্রাম সালদা। সালদার পাহাড়ী ঝর্ণা থেকে নেমে আসা ছড়া সালদা থেকে হালদা নামকরণ করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হালদা। বাংলাদেশে উৎপত্তি হওয়া নদীগুলোর মধ্যে হালদা অন্যতম।
হালদা নদীটির উৎপত্তিস্থল হলো বাংলাদেশের খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলার বাটনা রসিকনগর পাহাড়ি অঞ্চল। নদীটির সম্পূর্ণ অংশই বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত।
হালদা নদীটি চট্টগ্রামের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি কর্ণফুলী নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।
এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র হিসেবে বিশেষভাবে পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর উৎপত্তি:
কর্ণফুলি: এই নদীটির উৎপত্তিস্থল ভারতের মিজোরামের লুসাই পাহাড়। এটি আন্তর্জাতিক নদী।
মেঘনা: এটি মূলত সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোত। এই শাখা নদীগুলোর উৎপত্তিস্থল ভারতের মনিপুর রাজ্যে
নাফ: এটি বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমান্ত সৃষ্টিকারী নদী। এর উৎপত্তিস্থল মূলত মিয়ানমারের আরাকান পর্বতমালায়
124

পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন কোথায় অবস্থান করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পানির উপরিভাগে
  2. পানির মধ্যভাগে
  3. পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
  4. পানির তলদেশে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পানির উপরিভাগে অক্সিজেন বেশি হওয়ার কারণ দুটি। যথা: i. বাতাস থেকে অক্সিজেন পানিতে দ্রবীভূত হয়। ii. পানিতে অবস্থিত ফাইটোপ্লাঙ্কটন ফটোসিনথেসিস প্রক্রিয়ায় O2 তৈরী করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পানির আন্তঃআণবিক স্থানে
যখন কোনো গ্যাস (যেমন অক্সিজেন) কোনো তরলে (যেমন পানি) দ্রবীভূত হয়, তখন গ্যাসের অণুগুলো পানির অণুগুলোর মাঝে থাকা খুব ছোট ফাঁকা জায়গা বা আন্তঃআণবিক স্থানে (Intermolecular Space) প্রবেশ করে অবস্থান করে।
এই দ্রবীভূত অক্সিজেনকে ইংরেজিতে Dissolved Oxygen (DO) বলা হয়, যা জলজ প্রাণীর (মাছ, জলজ উদ্ভিদ) শ্বাস-প্রশ্বাসের জন্য অত্যাবশ্যক। অক্সিজেন অণুগুলো পানির অণুর সাথে কোনো রাসায়নিক বন্ধন তৈরি করে না, বরং ভৌতভাবে এর মাঝে অবস্থান করে।
অন্যান্য অপশন যেমন উপরিভাগ, মধ্যভাগ বা তলদেশ একটি নির্দিষ্ট স্থানের বর্ণনা দেয়, কিন্তু অণুগতভাবে অক্সিজেন দ্রবীভূত হয় আন্তঃআণবিক স্থানে, যা পানির সর্বত্রই বিদ্যমান থাকতে পারে।
125

গ্রীন হাউস গ্যাসের কোন গ্যাস বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  2. মিথেন
  3. সিএফসি
  4. নাইট্রাস অক্সাইড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ওজোন স্তরে ক্ষতি হয় এমন সামগ্রীর উৎপাদন মন্ট্রিল প্রটোকলে ‘Phase out’ ঘোষণা করায় CFF-11 এর উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিএফসি (CFC)
সিএফসি (ক্লোরোফ্লুরোকার্বন) একটি অত্যন্ত শক্তিশালী গ্রীন হাউস গ্যাস হলেও, এর উৎপাদন ও ব্যবহার বিশ্বজুড়ে উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে।
এর প্রধান কারণ হলো ওজোন স্তর ক্ষয়ের জন্য এটি দায়ী। ওজোন স্তর রক্ষায় ১৯৮৭ সালে মন্ট্রিল প্রোটোকল স্বাক্ষরিত হওয়ার পর থেকে আন্তর্জাতিকভাবে এর ব্যবহার বন্ধের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ফলস্বরূপ, বায়ুমণ্ডলে এর ঘনত্ব বর্তমানে বৃদ্ধি পাচ্ছে না বরং স্থিতিশীল বা ধীরে ধীরে কমছে
অন্যদিকে, কার্বন ডাইঅক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড—এই তিনটি গ্যাসই শিল্পায়ন, জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার এবং কৃষিকাজের কারণে প্রতি বছরই তীব্র হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।
126

বাংলাদেশে সিডর কখন আঘাত হানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫ নভেম্বর ২০০৭
  2. ১৬ নভেম্বর ২০০৭
  3. ১৭ নভেম্বর ২০০৭
  4. ১৮ নভেম্বর ২০০৭

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাইক্লোন সিডর ১৫ নভেম্বর, ২০০৭ সালে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলে আঘাত হানে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ নভেম্বর ২০০৭
ঘূর্ণিঝড় সিডর (Cyclone Sidr) ২০০৭ সালের ১৫ নভেম্বর (বৃহস্পতিবার) সন্ধ্যায় বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম উপকূলীয় অঞ্চলে ভয়াবহ আঘাত হানে।
এটি আঘাত হানার সময় বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ২২৩ কিমি পর্যন্ত। সিডরের প্রভাবে প্রায় ১৫ ফুট (৪.৫ মিটার) উচ্চতার জলোচ্ছ্বাস সৃষ্টি হয়, যা উপকূলীয় জেলা বরগুনা, পটুয়াখালী ও বাগেরহাটকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
অন্যান্য তারিখগুলো সিডরের আঘাত হানার সঠিক তারিখ নয়।
127

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা কত নটিক্যাল মাইল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫০ নটিক্যাল মাইল

  2. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  3. ২৫০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩০০ নটিক্যাল মাইল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট মহীসোপান ৩৫৪ নটিক্যাল মাইল। তার মধ্যে ২০০ নটিক্যাল মাইল অর্থনৈতিক সমুদ্রসীমা যা সমুদ্রসীমা আইন ১৯৮২ দ্বারা নির্ধারিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২০০ নটিক্যাল মাইল
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, প্রতিটি উপকূলীয় রাষ্ট্র সমুদ্র উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল পর্যন্ত অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে। এই অঞ্চলকে Exclusive Economic Zone (EEZ) বা একচ্ছত্র অর্থনৈতিক অঞ্চল বলা হয়।
এই সীমার মধ্যে উপকূলীয় রাষ্ট্রটির মাছ ধরা, খনিজ সম্পদ আহরণ এবং পরিবেশ সংরক্ষণের পূর্ণ অধিকার থাকে। এটি ১৯৮২ সালের সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS) দ্বারা স্বীকৃত।
128

নিচের কোনটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ গ্যাস ক্ষেত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. তিতাস
  4. হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট গ্যাসক্ষেত্র ২৮টি। এর মধ্যে সর্ববৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র হলো তিতাস গ্যাস ক্ষেত্র। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় অবস্থিত। এটি থেকে দৈনিক ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস আহরণ করা হয়। এতে কূপসংখ্যা ২৭ টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিতাস। বাংলাদেশের আবিষ্কৃত গ্যাস ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে প্রমাণিত মজুদের ভিত্তিতে তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটিই সর্ববৃহৎ
তিতাস গ্যাস ক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে কুমিল্লার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আবিষ্কৃত হয়। এটি বর্তমানে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (BGFCL) দ্বারা পরিচালিত হয়।
প্রাথমিকভাবে, তিতাসের মোট প্রমাণিত মজুদের পরিমাণ ছিল প্রায় ৭.৫ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (TCF), যা এটিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। যদিও বর্তমানে বিবিয়ানা উৎপাদন ক্ষমতা ও মজুদের দিক থেকে কাছাকাছি, কিন্তু ঐতিহ্যগতভাবে ও অধিকাংশ প্রিলিমিনারি পরীক্ষার মান অনুযায়ী তিতাস সর্ববৃহৎ ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন— বাখরাবাদ ও হবিগঞ্জও গুরুত্বপূর্ণ গ্যাস ক্ষেত্র, কিন্তু মজুদের দিক থেকে এগুলো তিতাসের চেয়ে ছোট।
129

ভূমিকম্প সংঘটন বিন্দুর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে বলে –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফোকাস
  2. এপিসেন্টার
  3. ফ্রাকচার
  4. ফল্ট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভূমিকম্প উৎপাদনের সম্ভাবনা দুইটি টেকটোনিক প্লেটের মধ্যবর্তী স্থানে সবচেয়ে বেশি যাকে বলে ফল্ট। ভূমিকম্প ভূগর্ভের যেখানে উৎপাদিত হয় তাকে Centre বলে। এই বিন্দু বরাবর সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠের স্থানকে বলে এপিসেন্টার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এপিসেন্টার (Epicenter)
ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলের (ফোকাস বা হাইপোসেন্টার) ঠিক সরাসরি উপরে ভূপৃষ্ঠস্থ বিন্দুকে এপিসেন্টার বা উপকেন্দ্র বলা হয়।
ভূমিকম্পের উৎপত্তির পর যে তরঙ্গগুলো সৃষ্টি হয়, তা এপিসেন্টারে সবার আগে পৌঁছায়। ফলে এপিসেন্টারেই ভূমিকম্পের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি সবচেয়ে বেশি অনুভূত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ফোকাস (Focus) বা হাইপোসেন্টার হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরে সেই নির্দিষ্ট বিন্দু, যেখানে শিলার ফাটল সৃষ্টি হয় এবং ভূমিকম্পের সূচনা ঘটে।
ফল্ট (Fault) হলো ভূপৃষ্ঠের দুর্বল স্থান বা ফাটল রেখা, যেখানে দুটি শিলাস্তর বিপরীত দিকে সরে যায়।
130

বিশ্বব্যাপী নিচের কোন অর্থনৈতিক খাত থেকে সবচাইতে বেশি গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরিবহন
  2. বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন
  3. ভবন নির্মাণ
  4. শিল্প

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

IPCC এর রিপোর্ট অনুযায়ী বিদ্যুৎ ও তাপশক্তি উৎপাদনে ২৫%, চাষাবাদ, পশুপালন, বৃক্ষ নিধন মিলে ২৪%, বিভিন্ন কলকারখানা অর্থাৎ শিল্প খাত হতে ২১%, পরিবহন হতে ১৪% এবং অন্যান্য আরো কিছু উৎস থেকে গ্রিন হাউস গ্যাস নির্গত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদন (Electricity and Heat Production)
আন্তর্জাতিক জলবায়ু সংস্থা (IPCC, EPA) এবং পরিবেশ বিষয়ক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউজ গ্যাস (GHG) নির্গমনের প্রায় ২৫% থেকে ৩৫% আসে এই খাত থেকে।
এর প্রধান কারণ হলো বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনের জন্য কয়লা (Coal), প্রাকৃতিক গ্যাস ও তেল-এর মতো জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuels) দহন। জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানোর ফলেই বিপুল পরিমাণে কার্বন ডাই অক্সাইড (CO2\text{CO}_2) নির্গত হয়।
অন্যান্য খাত যেমন—শিল্প (প্রায় ২০%-২২%) এবং পরিবহন (প্রায় ১৪%-১৬%) গুরুত্বপূর্ণ হলেও, এককভাবে বিদ্যুৎ ও তাপ উৎপাদনই বিশ্বব্যাপী গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের সবচেয়ে বড় উৎস
131

উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘড়ির কাটার বিপরীতে
  2. ঘড়ির কাটার দিকে
  3. সোজা
  4. কোনটাই সঠিক নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উত্তর গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয় ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে। দক্ষিণ গোলার্ধে ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড়ের বায়ু প্রবাহিত হয় ঘড়ির কাটার দিকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘড়ির কাটার বিপরীতে
পৃথিবীর আবর্তন গতির কারণে সৃষ্ট কোরিওলিস বলের প্রভাবে বায়ুপ্রবাহ উত্তর গোলার্ধে ডান দিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বাম দিকে বেঁকে যায়।
ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় হলো একটি নিম্নচাপ কেন্দ্র (Low Pressure System)। এখানে বাতাস কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয়।
যখন বাতাস নিম্নচাপ কেন্দ্রের দিকে ধাবিত হয় এবং কোরিওলিস বলের প্রভাবে ডান দিকে বেঁকে যায়, তখন উত্তর গোলার্ধে ঘূর্ণনটি ঘড়ির কাঁটার বিপরীতে বা বামাবর্তে (Counter-clockwise) হয়।
এর বিপরীতে, উত্তর গোলার্ধে উচ্চচাপ বলয়ে (Anti-cyclone) বাতাস ঘড়ির কাঁটার দিকে প্রবাহিত হয়।
132

সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) কেলাসের গঠন কীরূপ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির
  2. দেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার
  3. সংঘবদ্ধ-ঘনকাকার
  4. সংঘবদ্ধ ষড়কৌণিক আকার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনকাকৃতির (Face-Centered Cubic - FCC)
সোডিয়াম ক্লোরাইড (NaCl) কেলাসকে সাধারণত লবণ শিলা কাঠামো (Rock Salt Structure) বলা হয়। এটি রসায়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি কাঠামো।
এই কাঠামোতে, অপেক্ষাকৃত বড় ক্লোরাইড আয়ন (extCl ext{Cl}^-) গুলি ঘনকের পৃষ্ঠতল কেন্দ্রিক ঘনক (FCC) জালি গঠন করে।
অন্যদিকে, অপেক্ষাকৃত ছোট সোডিয়াম আয়ন (extNa+ ext{Na}^+) গুলি ঘনকের সমস্ত অষ্টতলকীয় ফাঁকা স্থান (Octahedral Voids) দখল করে।
দেহ-কেন্দ্রিক ঘনকাকার (BCC) কাঠামো সাধারণত extCsCl ext{CsCl} (সিজিয়াম ক্লোরাইড) বা অনেক ধাতব পদার্থের ক্ষেত্রে দেখা যায়, যেখানে extNaCl ext{NaCl} এর জন্য FCC কাঠামোই প্রযোজ্য।
133

নিচের কোনটি প্রাইমারি দূষক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. SO3

  2. N2O5

  3. NO
  4. HNO3

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে সকল পদার্থ পরিবেশের ভৌত, রাসায়নিক এবং জৈবিক উপাদান সমূহের এমন প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ পরিবর্তন করে যা ক্ষতির কারণ হয় তাকে দূষক বলে। যে সকল দূষক সরাসরি উৎস থেকে আসে তাদের প্রাইমারি দূষক বলে। যেমন: CO2,CO,NO,SO2 ইত্যাদি। অপরদিকে প্রাইমারি দূষক থেকে উৎপাদিত দূষকগুলোকে সেকেন্ডারি দূষক বলে। যেমন: O3,SO3,N2O5 ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: NO (নাইট্রিক অক্সাইড)। এটি একটি প্রাইমারি দূষক

প্রাইমারি দূষক (Primary Pollutant) হলো সেইসব দূষক, যা সরাসরি উৎস থেকে (যেমন— শিল্পকারখানার চিমনি বা যানবাহনের ধোঁয়া থেকে) বায়ুমণ্ডলে নির্গত হয়। উদাহরণস্বরূপ, কার্বন মনোক্সাইড (CO), সালফার ডাইঅক্সাইড (SO2SO_2), এবং নাইট্রিক অক্সাইড (NO)

অন্যদিকে, সেকেন্ডারি দূষক (Secondary Pollutant) হলো সেগুলি, যা বায়ুমণ্ডলে প্রাইমারি দূষকগুলি নিজেদের মধ্যে বা বায়ুমণ্ডলের অন্যান্য উপাদানের (যেমন— সূর্যরশ্মি, জলীয় বাষ্প, অক্সিজেন) সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে উৎপন্ন হয়।

প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য অপশনগুলি যেমন— SO3SO_3 (সালফার ট্রাইঅক্সাইড), N2O5N_2O_5 (ডাইনাইট্রোজেন পেন্টাক্সাইড), এবং HNO3HNO_3 (নাইট্রিক অ্যাসিড), সবই হলো সেকেন্ডারি দূষক। উদাহরণস্বরূপ, SO2SO_2 বায়ুতে অক্সিডাইজড হয়ে SO3SO_3 তৈরি করে এবং NO2NO_2 জলীয় বাষ্পের সাথে বিক্রিয়া করে HNO3HNO_3 তৈরি করে (যা অম্লবৃষ্টির অন্যতম কারণ)।
134

HPLC এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. High pressure liquid chromatography
  2. High power liquid chromatography
  3. High plant liquid chromatography
  4. High performance liquid chromatography

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

HPLC এর পূর্ণরূপ High performance liquid chromatography. পূর্বে এটি High pressure liquid chromatography নামে পরিচিত ছিল। এটি কোনো মিশ্রণের প্রতিটি উপাদানকে আলাদা করে নির্দেশ ও পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (৪) High Performance Liquid Chromatography
HPLC হলো আধুনিক রসায়ন ও জৈব প্রযুক্তিতে ব্যবহৃত একটি অত্যন্ত উন্নত বিশ্লেষণ পদ্ধতি (Analytical Technique)
এর প্রধান কাজ হলো কোনো জটিল মিশ্রণের উপাদানগুলিকে দ্রুত, সঠিকভাবে ও উচ্চ দক্ষতার (High Performance) সাথে আলাদা করা, শনাক্ত করা এবং পরিমাণ নির্ণয় করা।
এই পদ্ধতিতে তরল কলাম ক্রোমাটোগ্রাফির চেয়ে অনেক বেশি চাপ ব্যবহার করা হয় বলে অনেকে ভুল করে এটিকে High Pressure Liquid Chromatography মনে করেন। কিন্তু এর অফিসিয়াল পূর্ণরূপ হলো High Performance Liquid Chromatography
135

নিচের কোনটি সিরামিক উপাদানের প্রধান কাঁচামাল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. SiO2

  2. Na2CO3

  3. Fe2O3

  4. NaNO3

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সিরামিক হলো একটি অজৈব ও অধাতব কঠিন পদার্থ যা অতি উচ্চ তাপে শক্ত করে তৈরি হয়। সিলিকন ডাই অক্সাইড (SiO2) বা সিলিকা সিরামিক উৎপাদনের অন্যতম মূল উপকরণ। সিরামিক মূলত চীনা মাটি বা সাদা মাটির সাথে ফেলস্পার (K2O.Al2O3.6SiO2) এবং সিলিকা (SiO2) মিশিয়ে প্রস্তুত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: SiO₂ (সিলিকন ডাই-অক্সাইড)
সিরামিক উপাদান, যেমন—চীনামাটি, পোর্সেলিন এবং টাইলস—সাধারণত অজৈব, অধাতব উপাদান দিয়ে গঠিত হয়।
সিরামিকের মূল গাঠনিক উপাদান হলো সিলিকেটস (Silicates), যা মূলত সিলিকা বা সিলিকন ডাই-অক্সাইড (SiO2SiO_2) খনিজরূপে পাওয়া যায়। এটি বালি (Sand) এবং কাদামাটি (Clay)-এর প্রধান রাসায়নিক উপাদান।
সিরামিক উৎপাদনে SiO2SiO_2 এর সাথে ক্যাওলিন (যা অ্যালুমিনিয়াম সিলিকেট) এবং ফেল্ডস্পার জাতীয় খনিজ যোগ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে Na2CO3Na_2CO_3 (সোডিয়াম কার্বনেট) মূলত কাঁচ শিল্পে গলনাঙ্ক কমানোর জন্য ব্যবহৃত হয়, সিরামিকের প্রধান কাঁচামাল হিসেবে নয়।
136

সানস্ক্রিন লোশন তৈরিতে কোন ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Na2O

  2. ZnO
  3. Al2O3

  4. CuO

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সূর্যের ক্ষতিকর আল্ট্রা ভায়োলেট বা অতি ‍বেগুনি রশ্মি থেকে রক্ষা পেতে সানস্ক্রিনে ZnO এর ন্যানো পার্টিকেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত সানস্ক্রিনে ZnO এর পাউডার মিশ্রিত করলে সাদা রং ধারণ করে। কিন্তু ন্যানো পার্টিকেল হিসেবে ব্যবহার করলে ZnO এর সাদা রং আর দেখা যায়না, সেটা স্বচ্ছ হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ZnO (জিঙ্ক অক্সাইড)
সানস্ক্রিন লোশনে প্রধানত দুই ধরনের UV ব্লকার ব্যবহার করা হয়: ১. রাসায়নিক ব্লকার (যেমন: অক্সিবেনজোন) এবং ২. মিনারেল বা ফিজিক্যাল ব্লকার। জিঙ্ক অক্সাইড (ZnO) একটি মিনারেল ব্লকার
ঐতিহ্যগতভাবে, জিঙ্ক অক্সাইড ব্যবহার করলে ত্বকে একটি সাদা আস্তরণ পড়ত। কিন্তু বর্তমানে এটিকে ন্যানো পার্টিকেল (আকার <100 ন্যানোমিটার) আকারে প্রস্তুত করা হয়। ক্ষুদ্র আকারের কারণে এটি ত্বকের উপর সাদা আস্তরণ তৈরি না করে স্বচ্ছ দেখায়, অথচ এটি UVA এবং UVB উভয় প্রকার ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি প্রতিফলিত করতে সক্ষম।
আরেকটি বহুল ব্যবহৃত ন্যানো পার্টিকেল হলো টাইটানিয়াম ডাইঅক্সাইড (extTiO2 ext{TiO}_2), যা সানস্ক্রিনে প্রায়শই ZnO-এর সাথে ব্যবহার করা হয়।
137

মানুষের দেহকোষে ক্রোমোজমের সংখ্যা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৪টি
  2. ৪২টি
  3. ৪৬টি
  4. ৪৮টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোষস্থ নিউক্লিয়াসে অবস্থিত অনুলিপন ক্ষমতা সম্পন্ন, রঙ ধারণকারী এবং নিউক্লিওপ্রোটিন দ্বারা গঠিত যে সব সূত্রাকৃতির ক্ষুদ্রাঙ্গ বংশগতীয় উপাদান ধারণ ও প্রকরণ করে তাদের ক্রোমোজোম বলে। মানব দেহের ৪৬টি অর্থাৎ ২৩ জোড়া ক্রোমোজোম থাকে। এদের ২২ জোড়া বা ৪৪ টি নারী পুরুষে নির্বিশেষে একই রকম। এদের বলে অটোজোম। বাকি এক জোড়া নারী ও পুরুষে আলাদা হয়। এদের বলে সেক্স ক্রোমোজম। মানব দেহে দুই ধরনের সেক্স ক্রোমোজোম থাকে যথা- X এবং Y ক্রোমোজোম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪৬টি
মানুষের দেহকোষে (Somatic Cell) মোট ২৩ জোড়া ক্রোমোজম থাকে। যেহেতু এক জোড়ায় দুটি, তাই মোট ক্রোমোজমের সংখ্যা হলো 23×2=4623 \times 2 = 46টি।
এই ৪৬টি ক্রোমোজমের মধ্যে ৪৪টি (২২ জোড়া) হলো অটোজোম (Autosome), যা দেহের বৈশিষ্ট্য বহন করে। বাকি ২টি (১ জোড়া) হলো সেক্স ক্রোমোজম (Sex Chromosome), যা লিঙ্গ নির্ধারণ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (৪৪, ৪২, ৪৮) ভুল, কারণ ৪৪টি ক্রোমোজম কেবলমাত্র অটোজোম সংখ্যা নির্দেশ করে, কিন্তু দেহকোষে সেক্স ক্রোমোজমও (২টি) অন্তর্ভুক্ত থাকে।
138

সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বিজাতীয় খাদ্যের অনুপাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ : ১ : ১
  2. ৪ : ২ : ২
  3. ৪ : ২ : ৩
  4. ৪ : ৩ : ২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

খাদ্যের ৬টি উপাদান শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ এবং পানি যে খাদ্যে সুষম মাত্রায় মিশ্রিত থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে। সুষম খাদ্যে শর্করা, আমিষ ও চর্বির অনুপাত হয় ৪ : ১ : ১। অর্থাৎ সুষম খাদ্যে আমিষ ও চর্বি সমান পরিমাণে থাকবে এবং শর্করা থাকবে তার চারগুণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪ : ১ : ১
একটি সুষম খাদ্যে (Balanced Diet) প্রধানত তিনটি ম্যাক্রোনিউট্রিয়েন্ট বা মুখ্য খাদ্য উপাদানের (শর্করা, আমিষ ও চর্বি) প্রয়োজন হয়। এদের মধ্যে, আমাদের শরীরের শক্তির প্রধান উৎস হলো শর্করাজাতীয় খাদ্য (Carbohydrate)
তাই শর্করাকে খাদ্যের তালিকায় সবচেয়ে বেশি পরিমাণে রাখা হয় (৪ অংশ)।
অন্যদিকে, দেহের গঠন, ক্ষয়পূরণ, এবং এনজাইম ও হরমোন তৈরির জন্য প্রয়োজন আমিষ (Protein)। আর চর্বি (Fat) সংরক্ষিত শক্তি, ফ্যাটে দ্রবণীয় ভিটামিন শোষণ এবং কোষপর্দা গঠনে সহায়তা করে। এই দুটি উপাদানের প্রয়োজন তুলনামূলকভাবে কম এবং প্রায় সমান।
স্বীকৃত আদর্শ অনুপাত তাই শর্করা : আমিষ : চর্বি = ৪ : ১ : ১। অর্থাৎ মোট খাদ্যের ৫৬%-৬০% শর্করা, ১৫%-২০% আমিষ এবং ১৫%-২০% চর্বি থাকবে।
139

মানুষের শরীরের রক্তের গ্রুপ কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চারটি
  2. পাঁচটি
  3. তিনটি
  4. দুইটি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রক্তের লোহিত কণিকায় এন্টিজেন এবং রক্তরসে এন্টিবডির উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির উপর ভিত্তি করে রক্তকে ৪ টি গ্রুপে ভাগ করা হয়। যথা- A, B, O এবং AB। O গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা বলা হয়। O গ্রুপের রক্ত যে কোন ব্যক্তির (O, A, B ও AB গ্রুপধারী) শরীরে দেওয়া যায়। AB গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা বলা হয়। AB গ্রুপধারী ব্যক্তি যে কোন গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করতে পারে। রক্তের গ্রুপ আবিষ্কার করেন কার্ল ল্যান্ড স্টেইনার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: চারটি
মানবদেহের রক্তকে প্রধানত ABO সিস্টেমের মাধ্যমে শ্রেণীবিন্যাস করা হয়। ABO সিস্টেম অনুযায়ী রক্তের প্রধান গ্রুপ বা শ্রেণি হলো ৪টি
এই চারটি গ্রুপ হলো: A, B, AB, এবং O
রক্তের শ্রেণিবিভাগ অ্যান্টিজেন এবং অ্যান্টিবডির উপস্থিতির ওপর নির্ভর করে করা হয়। রক্তের লোহিত কণিকায় (RBC) থাকা অ্যান্টিজেন A বা অ্যান্টিজেন B এর উপস্থিতির মাধ্যমেই এই চারটি গ্রুপের সৃষ্টি হয়।
মনে রাখবেন, রক্তের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাজন পদ্ধতি হলো Rh ফ্যাক্টর। Rh ফ্যাক্টর যুক্ত হলে প্রতিটি গ্রুপ আবার পজিটিভ (+) বা নেগেটিভ (-) হতে পারে (যেমন: A+, A-, B+, B- ইত্যাদি)। কিন্তু মূল গ্রুপের সংখ্যা চারটিই
140

আর্সেনিকের পারমাণবিক সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 33
  2. 38
  3. 36
  4. 44

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো মৌলের একটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসে উপস্থিত প্রোটনের সংখ্যাকে ঐ মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা বলা হয়। পর্যায় সারণীর চতুর্থ পর্যায়ের ১৫ নং গ্রুপের মৌল আর্সেনিক, এর পারমাণবিক সংখ্যা ৩৩। এর প্রতীক As.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩৩। আর্সেনিক (Arsenic)-এর প্রতীক হলো As
পারমাণবিক সংখ্যা হলো কোনো মৌলের নিউক্লিয়াসে বিদ্যমান প্রোটন সংখ্যা। এই সংখ্যাটি মৌলের রাসায়নিক ধর্ম নির্ধারণ করে।
পর্যায় সারণি অনুযায়ী, আর্সেনিক হলো ৩৩তম মৌল, যা পিরিয়ড ৪ এবং গ্রুপ ১৫-তে (নাইট্রোজেন গ্রুপ) অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা নির্দেশ করে: যেমন, ৩৬ হলো ক্রিপটন (Kr), ৩৮ হলো স্ট্রনশিয়াম (Sr), এবং ৪৪ হলো রুথেনিয়াম (Ru)
141

উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্রের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ট্যাকোমিটার
  2. অ্যালটিমিটার
  3. ওডোমিটার
  4. অডিওমিটার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

● অলটিমিটার - উচ্চতা পরিমাপক যন্ত্র। ● ওডোমিটার - মোটরগাড়ির গতি পরিমাপক যন্ত্র। ● ট্যাকোমিটার - উড়োজাহাজের গতি পরিমাপক যন্ত্র। ● অডিওমিটার - শব্দের তীব্রতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ট্যাকোমিটার (Tachometer)
ট্যাকোমিটার হলো এমন একটি যন্ত্র যা উড়োজাহাজের ইঞ্জিনের বা অন্য কোনো ঘূর্ণায়মান শ্যাফটের প্রতি মিনিটে ঘূর্ণনের সংখ্যা (Revolutions Per Minute- RPM) পরিমাপ করে। একটি উড়োজাহাজের নিরাপদ গতি এবং ইঞ্জিন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে এই ঘূর্ণন গতি নির্ণয় করা অপরিহার্য।
উল্লেখ্য, উড়োজাহাজের ভূমির সাপেক্ষে প্রকৃত গতি (Airspeed) পরিমাপ করার জন্য এয়ারস্পিড ইন্ডিকেটর (Airspeed Indicator) ব্যবহৃত হয়। তবে প্রশ্নে যেহেতু যন্ত্রগুলোর মধ্যে ট্যাকোমিটার রয়েছে যা গতি বা ঘূর্ণন সংক্রান্ত, তাই এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর (পরীক্ষকের উদ্দেশ্য অনুযায়ী)।
ভুল উত্তর কেন?
অ্যালটিমিটার উড়োজাহাজের সমুদ্র সমতল থেকে উচ্চতা (Altitude) পরিমাপ করে।
ওডোমিটার সাধারণত ভূমিতে চালিত যানবাহনের অতিক্রান্ত দূরত্ব (Distance) পরিমাপ করে।
অডিওমিটার শব্দের তীব্রতা বা মানুষের শ্রবণ ক্ষমতা পরিমাপ করার যন্ত্র।
142

টেলিভিশনে যে তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রেডিও ওয়েভ
  2. অবলোহিত রশ্মি
  3. আলট্রা ভায়োলেট
  4. দৃশ্যমান রশ্মি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টেলিভিশনে মূলত মাইক্রোওয়েভ তরঙ্গ ব্যবহৃত হয় যার তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পাল্লা 10−1m থেকে 10−3m , তবে অপশনে মাইক্রোওয়েভ না থাকায় উত্তর হবে রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গ। রেডিও ওয়েভের মাধ্যমেও টেলিভিশন তরঙ্গ প্রচার করা হয়। এক্ষেত্রে শব্দ ফ্রিকুয়েন্সি মডুলেশন এবং ছবি এমপ্লিচিউড মডুলেশনের মাধ্যমে রেডিও ওয়েভে প্রেরণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

টেলিভিশন সিগনাল সম্প্রচার এবং রিসিভ করার জন্য তড়িৎ চৌম্বকীয় তরঙ্গ (Electromagnetic Wave) ব্যবহৃত হয়। এই তরঙ্গটি হলো রেডিও ওয়েভ (Radio Wave)
রেডিও তরঙ্গ সবচেয়ে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের হয়, ফলে এটি সহজে বাঁধা অতিক্রম করে দূরবর্তী স্থানে পৌঁছাতে পারে। এ কারণেই টেলিভিশন (TV), রেডিও এবং মোবাইল ফোন যোগাযোগে এই তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
টেলিভিশন সম্প্রচারে সাধারণত VHF (Very High Frequency) এবং UHF (Ultra High Frequency) ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়, যা রেডিও তরঙ্গের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য অপশন যেমন অবলোহিত রশ্মি (Infrared) সাধারণত রিমোট কন্ট্রোল ডিভাইস, ফাইবার অপটিক বা তাপ প্রেরণে ব্যবহৃত হয়, সম্প্রচারে নয়।
143

অণুজীব বিজ্ঞানের জনক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবার্ট কক্‌
  2. লুইস পাস্তুর
  3. এডওয়ার্ড জেনার
  4. এন্টনি ভন লিউয়েনহুক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হল্যান্ডের বিজ্ঞানী এন্টনি ভন লিউয়েন হুককে অণুজীব বিজ্ঞানের জনক বলা হয়। তিনি অণুবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করে ১৬৭৫ সালে সেটা দিয়ে ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন। এছাড়াও তিনি মাংসপেশী, লোহিত রক্ত কণিকা, শুক্রাণু ইত্যাদির বর্ণনা দেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এন্টনি ভন লিউয়েনহুক (Antoni van Leeuwenhoek)
এন্টনি ভন লিউয়েনহুককে অণুজীব বিজ্ঞানের জনক (Father of Microbiology) বলা হয়, কারণ তিনিই সর্বপ্রথম ১৬৭৬ সালে নিজের তৈরি উন্নত অণুবীক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে এককোষী জীব বা অণুজীব (যা তিনি 'অ্যানিম্যালকিউলস' নামে অভিহিত করেন) পর্যবেক্ষণ ও বর্ণনা করেন।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞানীগণ:
১. লুইস পাস্তুর (Louis Pasteur): তিনি আধুনিক অণুজীব বিজ্ঞানের জনক (Father of Modern Microbiology) এবং প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন (যেমন জলাতঙ্কের টিকা)। তিনি পাস্তুরায়ন পদ্ধতি আবিষ্কার করেন।
২. রবার্ট কক্‌ (Robert Koch): তিনি জীবাণু তত্ত্ব প্রতিষ্ঠা করেন এবং যক্ষ্মা (Tuberculosis) ও কলেরা রোগের জীবাণু আবিষ্কার করেন।
৩. এডওয়ার্ড জেনার (Edward Jenner): তিনি গুটিবসন্তের টিকা আবিষ্কার করেন, তাই তাঁকে রোগ-প্রতিরোধ বা অনাক্রম্যতাবিজ্ঞানের জনক (Father of Immunology) বলা হয়।
144

বাতাস একটি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ
  2. প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ
  3. ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ
  4. অ্যান্টিফেরোচুম্বকীয় পদার্থ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে সকল পদার্থকে অসম চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপন করলে পদার্থটি অপেক্ষাকৃত দুর্বলতর অঞ্চল হতে সবলতর অঞ্চলের দিকে দুর্বলভাবে গতিশীল হয় তাদের প্যারাচৌম্বক পদার্থ বলে। এই সকল পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা ক্ষীণভাবে আকৃষ্ট হয়। যেমন- অ্যালুমিনিয়াম, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, প্লাটিনাম, টিন ইত্যাদি কঠিন পদার্থ: কপার সালফেট, ফেরিক ক্লোরাইড প্রভৃতি যৌগ ও তাদের দ্রবণ এবং অক্সিজেন, বাতাস ইত্যাদি গ্যাসীয় পদার্থ প্যারাচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ। প্যারাচৌম্বক পদার্থের ধর্মকে প্যারাচৌম্বকত্ব বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ (Paramagnetic Substance)
বাতাস মূলত নাইট্রোজেন (N₂) (যা ডায়াচুম্বকীয়) এবং অক্সিজেন (O₂) (যা প্যারাচুম্বকীয়) গ্যাস দ্বারা গঠিত।
যদিও নাইট্রোজেন বায়ুর প্রধান উপাদান, কিন্তু অক্সিজেনের আণবিক গঠনে (Molecular structure) বিজোড় ইলেকট্রন (unpaired electrons) থাকার কারণে এটি তীব্রভাবে প্যারাচুম্বকীয় ধর্ম প্রদর্শন করে।
মিশ্রণ হিসাবে, বায়ুর সামগ্রিক চৌম্বকীয় প্রবণতা (Magnetic Susceptibility) ধনাত্মক ও ক্ষুদ্র হয়। তাই বাতাস বাহ্যিক চৌম্বক ক্ষেত্র দ্বারা সামান্যভাবে আকৃষ্ট হয় এবং একে প্যারাচুম্বকীয় পদার্থ হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, ফেরোচুম্বকীয় পদার্থ (যেমন: লোহা) চুম্বক দ্বারা অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে আকৃষ্ট হয়, যা বাতাসের ক্ষেত্রে ঘটে না।
আর ডায়াচুম্বকীয় পদার্থ (যেমন: জল, তামা) চুম্বক দ্বারা বিকর্ষিত হয়, যা বাতাসের ক্ষেত্রেও সত্য নয়।
145

বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি গ্যাসটি হল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাইঅক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. হাইড্রোজেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের সবচেয়ে বেশি যে গ্যাসটি পাওয়া তা হলো হাইড্রোজেন। মহবিশ্বের সকল নক্ষত্র মূলত হাইড্রোজেন গ্যাস দ্বারাই তৈরী। বিজ্ঞানীরা ধারণা করছেন, মহাবিশ্বের যত পরমাণু আছে তার ৯০% ই হাইড্রোজেন পরমাণু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাইড্রোজেন
বিশ্ব ব্রহ্মাণ্ডের (Universe) উপাদানগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় হাইড্রোজেন গ্যাস। ধারণা করা হয়, মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় ৭৫% ভরই হলো হাইড্রোজেন।
হাইড্রোজেনই মহাবিশ্বের নক্ষত্র, গ্যালাক্সি এবং গ্যাস মেঘের প্রধান জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। এই গ্যাসই নক্ষত্রের কেন্দ্রে পারমাণবিক ফিউশন (Nuclear Fusion) ঘটিয়ে শক্তি উৎপাদন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—অক্সিজেন, কার্বন-ডাইঅক্সাইড ও নাইট্রোজেন পৃথিবীতে প্রচুর পরিমাণে থাকলেও মহাবিশ্বের সামগ্রিক ভরের তুলনায় এগুলি নগণ্য।
146

GPU -এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Graph Processing Unit
  2. Graphic Processing Unit
  3. Graphics Processing Unit
  4. Geographical Processing Unit

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

GPU -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Graphics Processing Unit.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (গ) Graphics Processing Unit
GPU-এর পূর্ণরূপ হলো Graphics Processing Unit। এটি কম্পিউটারের একটি বিশেষায়িত ইলেকট্রনিক সার্কিট, যা গ্রাফিক্স (ছবি, ভিডিও এবং অ্যানিমেশন) দ্রুত তৈরি ও রেন্ডার করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে।
সাধারণত জটিল গাণিতিক অপারেশন (যেমন: গেমিং, ভিডিও এডিটিং, এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI) পরিচালনার জন্য এটি CPU-এর পাশাপাশি কাজ করে।
বিসিএস পরীক্ষায় এই ধরনের পূর্ণরূপে অনেক সময় 'Graphic' (একবচন) নাকি 'Graphics' (বহুবচন) হবে, তা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়। মনে রাখতে হবে, স্ট্যান্ডার্ড পূর্ণরূপটি হলো Graphics Processing Unit
147

নিচের কোনটি ALU -এর আউটপুট রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Register
  2. ROM
  3. Flags
  4. Output Unit

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ALU হলো Processor এর অংশ। Processor এর তিনটি ভাগ: i. Arithmatic Logic Unit (ALU). ii. Control Unit. iii. Memory Unit. ALU এর প্রক্রিয়াকৃত তথ্য Memory Unit এ যায় যা অনেকগুলো Register এর সারি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Register (রেজিস্টার)
ALU (Arithmetic Logic Unit) হলো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU)-এর মূল অংশ যা গাণিতিক (যোগ, বিয়োগ) এবং যৌক্তিক (Logical) অপারেশনগুলো সম্পন্ন করে।
ALU যখন কোনো গণনা শেষ করে, তখন সেই ফলাফলগুলো অতি দ্রুততার সাথে অস্থায়ীভাবে সংরক্ষণের প্রয়োজন হয়। এই দ্রুততম অভ্যন্তরীণ মেমরি হলো রেজিস্টার
রেজিস্টার হলো CPU-এর অভ্যন্তরে অবস্থিত ক্ষুদ্র কিন্তু দ্রুততম স্টোরেজ এলাকা যা ডেটা বা নির্দেশাবলি প্রক্রিয়াকরণের সময় ধরে রাখে।
বিশেষত, ALU-এর ফলাফল সংরক্ষণের জন্য প্রায়শই Accumulator Register (অ্যাকিউমুলেটর) ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
Flags: এটি ALU অপারেশনের ফলাফল নির্দেশ করে (যেমন: ফলাফল শূন্য কিনা, কোনো ওভারফ্লো হয়েছে কিনা), কিন্তু এটি মূল আউটপুট ডেটা সংরক্ষণ করে না।
ROM: এটি স্থায়ী প্রোগ্রাম বা ফার্মওয়্যার (যেমন BIOS) সংরক্ষণ করে, ALU-এর ক্ষণস্থায়ী ফলাফল নয়।
Output Unit: এটি মনিটর বা প্রিন্টারের মতো বহির্গামী ডিভাইস, যা ফলাফলকে ব্যবহারকারীর কাছে প্রদর্শন করে, ALU-এর তাৎক্ষণিক অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ নয়।
148

DBMS -এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Data Backup Management System
  2. Database Management Service
  3. Database Management System
  4. Data of Binary Mangement System

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

DBMS -এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Database Management System.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Database Management System
DBMS হলো এমন একটি সফটওয়্যার সিস্টেম যা ব্যবহারকারীদের ডাটাবেজে তথ্য তৈরি, সংরক্ষণ, পরিবর্তন (Update) এবং অ্যাক্সেস করার সুবিধা প্রদান করে। এটি একটি সুসংগঠিত পদ্ধতিতে বিশাল পরিমাণ তথ্য নিরাপদে ব্যবস্থাপনার জন্য অত্যাবশ্যক।
অপশনগুলোর মধ্যে 'Database Management Service' বা 'Data Backup Management System' ভুল, কারণ এটি কোনো সার্ভিস (Service) বা শুধু ব্যাকআপ সিস্টেম নয়, এটি একটি পূর্ণাঙ্গ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (System)
149

2 কিলোবাইট মেমোরি address করার জন্য কতটি address লাইন দরকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 14

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

কম্পিউটার মেমোরির কোনো অবস্থান (location) অ্যাড্রেস করার জন্য যে পরিমাণ অ্যাড্রেস লাইন বা তারের প্রয়োজন হয়, তা নির্ভর করে মোট মেমোরির আকারের ওপর। এর মূল সূত্রটি হলো:
Total Memory Addressable (M) = 2N2^N, যেখানে N হলো অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা (Number of Address Lines)।
এখানে প্রদত্ত মেমোরির আকার হলো ২ কিলোবাইট (KB)
আমরা জানি, 11 কিলোবাইট = 2102^{10} বাইট (বা 1024 বাইট)।
সুতরাং, 22 কিলোবাইট = 2imes1extKB2 imes 1 ext{ KB} = 21imes2102^1 imes 2^{10} বাইট।
সূচকের নিয়ম অনুযায়ী, 21imes210=2(1+10)=2112^1 imes 2^{10} = 2^{(1+10)} = 2^{11} বাইট।
যেহেতু মেমোরির আকার 2112^{11} বাইট, তাই সূত্রানুসারে, অ্যাড্রেস লাইনের সংখ্যা N=11N = 11
অতএব, ২ কিলোবাইট মেমোরি অ্যাড্রেস করার জন্য ১১টি অ্যাড্রেস লাইন দরকার।
150

(2FA)16 এই হেক্সাডেসিমেল সংখ্যাটিকে অক্টালে রূপান্তর করুন:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. (762)8

  2. (1372)8

  3. (228)8

  4. (1482)8

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

হেক্সাডেসিমেল (Hex) সংখ্যাকে অক্টাল (Octal) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য সাধারণত দুটি ধাপ অনুসরণ করা হয়: ১. হেক্সাডেসিমেল থেকে বাইনারি এবং ২. বাইনারি থেকে অক্টাল

ধাপ ১: হেক্সাডেসিমেল \rightarrow বাইনারি (৪ বিট করে):
হেক্সাডেসিমেলের প্রতিটি অঙ্কের জন্য ৪টি বাইনারি বিট লিখতে হবে।
  • (2)16 = 0010
  • (F)16 = 1111 (কারণ F মানে 15)
  • (A)16 = 1010 (কারণ A মানে 10)
  • সম্পূর্ণ বাইনারি সংখ্যাটি হলো: 0010 1111 1010

    ধাপ ২: বাইনারি \rightarrow অক্টাল (৩ বিট করে):
    প্রাপ্ত বাইনারি সংখ্যাটিকে ডানদিক থেকে বামদিকে ৩টি করে বিট নিয়ে দল তৈরি করতে হবে।
    • ডান থেকে বামে দল তৈরি: 001 | 011 | 111 | 010
    • 001 = 1
    • 011 = 3
    • 111 = 7
    • 010 = 2
    • সুতরাং, (2FA)16(2FA)_{16} এর অক্টাল মান হলো (1372)8(1372)_8

      অন্যান্য অপশনগুলি ভুল, কারণ রূপান্তরের ক্ষেত্রে ৩-বিট ও ৪-বিট গ্রুপিং-এর নিয়ম অনুসরণ করা হয়নি।

      এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

      BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “45th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

      BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

      49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

      কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

      BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 45th (2023) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

      সচরাচর জিজ্ঞাসা

      45th (2023) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

      BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 45th (2023) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

      উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

      হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।