সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

41th (2021) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 41th (2021) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 41th (2021) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

বাংলা ভাষায় প্রথম অভিধান সংকলন করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
  2. রাজশেখর বসু
  3. হরিচরণ দে
  4. অশোক মুখোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উনিশ শতকের সূচনা থেকে বাংলা ভাষায় জ্ঞানবিজ্ঞান চর্চা শুরু হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে একভাষিক বাংলা-বাংলা অভিধানের আবির্ভাব ঘটে। বাংলালিপিতে মুদ্রিত প্রথম বাংলা-বাংলা অভিধানের নাম বঙ্গভাষাভিধান। এর সংকলক রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। ১৮১৭ সালে কলকাতা থেকে এটি প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ
বাংলা ভাষায় বাংলা শব্দের সমন্বয়ে প্রথম অভিধান সংকলন করেন পণ্ডিত রামচন্দ্র বিদ্যাবাগীশ। তাঁর সংকলিত অভিধানটির নাম ছিল 'অভিধান' (বা বঙ্গভাষাভিধান)।
এটি সাধারণত ১৮১৭ সালের দিকে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা ভাষার প্রথম একভাষিক (Monolingual) অভিধান হিসেবে পরিচিত।
উল্লেখ্য, রাজশেখর বসু (পরশুরাম) হলেন বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত রম্যলেখক। তাঁর সংকলিত অভিধানটির নাম 'চলন্তিকা', যা আধুনিক যুগের বহু পরে প্রকাশিত হয়।
হরিচরণ বন্দ্যোপাধ্যায় সংকলন করেন বিশালাকার 'বঙ্গীয় শব্দকোষ'
2

সবচেয়ে কম বয়সে কোন লেখক বাংলা একাডেমি পুরস্কার পান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শওকত আলী
  2. সেলিনা হোসেন
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. সৈয়দ শামসুল হক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সৈয়দ শামসুল হক মাত্র ২৯ বছর বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেছিলেন। বাংলা একাডেমি পুরস্কার পাওয়া সাহিত্যিকদের মধ্যে তিনিই সবচেয়ে কম বয়সে এ পুরস্কার লাভ করেছেন। এছাড়া তিনি বাংলা সাহিত্যে অবদানের জন্য ১৯৮৪ খ্রিষ্টাব্দে বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদক এবং ২০০০ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীনতা পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ শামসুল হক। তিনিই বাংলা সাহিত্যে সবচেয়ে কম বয়সে বাংলা একাডেমি পুরস্কার লাভ করেন।
সৈয়দ শামসুল হক জন্মগ্রহণ করেন ১৯৩৫ সালে এবং তিনি ১৯৬৬ সালে মাত্র ৩১ বছর বয়সে উপন্যাস শাখায় এই পুরস্কার অর্জন করেন।
অন্যান্য বিখ্যাত লেখকদের মধ্যে শওকত আলী ৩২ বছর বয়সে এবং সেলিনা হোসেন ৩৩ বছর বয়সে এই পুরস্কার পান। ফলে বয়সের দিক থেকে সৈয়দ শামসুল হক-ই সর্বকনিষ্ঠ।
এই প্রশ্নটি সরাসরি মুখস্থ নির্ভর হলেও সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
3

‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  3. হুমায়ুন আজাদ
  4. নির্মলেন্দু গুণ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ হুমায়ুন আজাদ রচিত কাব্যগ্রন্থ। তার আরও কিছু কাজ হলো- অলৌকিক ইস্টিমার, জ্বলো চিতাবাঘ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হুমায়ুন আজাদ
‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’ হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ, প্রথাবিরোধী লেখক ও ভাষাবিজ্ঞানী হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৮০ সালে প্রকাশিত হয়।
হুমায়ুন আজাদ তার তীব্র সমালোচনামূলক এবং সরাসরি বক্তব্যের জন্য পরিচিত। এই কাব্যগ্রন্থটিও তার অন্যতম আলোচিত সৃষ্টি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সৈয়দ আলী আহসান (যেমন: একক সন্ধ্যায় বসন্ত), সুকান্ত ভট্টাচার্য (যেমন: ছাড়পত্র) এবং নির্মলেন্দু গুণ (যেমন: প্রেমাংশুর রক্ত চাই)— প্রত্যেকেই নিজ নিজ ধারার গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও, আলোচ্য গ্রন্থটির রচয়িতা নন।
4

১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রমৃত্যুর প্রতিবাদে কোন উপাচার্য পদত্যাগ করেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্যার এ.এফ. রহমান
  2. রমেশচন্দ্র মজুমদার
  3. সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন
  4. বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী। তিনি ছাত্রমৃত্যুর প্রতিবাদে পদত্যাগ করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী
তিনি ১৯৬৯ থেকে ১৯৭১ সালের মার্চ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (VC) হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
২৫শে মার্চ, ১৯৭১ কালরাতে পাকিস্তান সেনাবাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট'-এর নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রাবাসগুলোতে (বিশেষ করে জগন্নাথ হল) এবং শিক্ষক আবাসিক এলাকায় নির্বিচারে গণহত্যা শুরু করলে, তার প্রতিবাদে বিচারপতি আবু সাঈদ চৌধুরী পদত্যাগ করেন।
পদত্যাগ করার পর তিনি বিদেশে যান এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে জনমত গঠনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দ সাজ্জাদ হোসায়েন ২৫শে মার্চের পরে পাকিস্তান সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের বিরোধিতা করায় তাকে দালাল বা সহযোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
5

তেভাগা আন্দোলনকেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্টোপাস
  2. কালো বরফ
  3. ক্রীতদাসের হাসি
  4. নাঢ়াই

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘নাঢ়াই’ উপন্যাসটির রচয়িতা শওকত আলী। এই উপন্যাসে তেভাগা আন্দোলনের চিত্র ফুটে উঠেছে। তার রচিত আরও কিছু উপন্যাস- পিঙ্গল আকাশ, যাত্রা, প্রদোষে প্রাকৃতজন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাঢ়াই। এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক শওকত আলী
নাঢ়াই উপন্যাসে ১৯৪৬-৪৭ সালে অবিভক্ত বাংলার উত্তরবঙ্গ (দিনাজপুর, রংপুর) অঞ্চলে সংঘটিত ঐতিহাসিক তেভাগা আন্দোলন-এর প্রেক্ষাপট ও কৃষকদের জীবন সংগ্রামের বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরা হয়েছে।
তেভাগা আন্দোলন ছিল কৃষকদের দাবি অনুযায়ী উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ (তেভাগা) পাওয়ার আন্দোলন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন বিষয়বস্তু ভিত্তিক: ক্রীতদাসের হাসি (শওকত ওসমান) একটি রূপক উপন্যাস; কালো বরফ (মাহমুদুল হক) দেশভাগ ও স্মৃতিকথাভিত্তিক এবং অক্টোপাস (শামসুর রাহমান) প্রেমমূলক উপন্যাস।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

কাজী নজরুল ইসলামের মোট ৫টি গ্রন্থ বিভিন্ন সময়ে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক সরকার বাজেয়াপ্ত করে। কোন বইটি প্রথম বাজেয়াপ্ত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষের বাঁশি
  2. যুগবাণী
  3. ভাঙার গান
  4. প্রলয় শিখা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধ গ্রন্থ ‘যুগবাণী’ (১৯২২) সালে ফৌজদারি বিধির ’৯৯ এ’ ধারানুসারে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধ কাব্য বিষের বাঁশি (১৯২৪)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুগবাণী
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা প্রথম বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ হলো যুগবাণী। এটি ছিল একটি প্রবন্ধ সংকলন এবং এটি ১৯২২ সালের নভেম্বরে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। বাজেয়াপ্ত হওয়ার মূল কারণ ছিল এর তীব্র ব্রিটিশবিরোধী প্রবন্ধসমূহ।
নজরুলের মোট ৫টি গ্রন্থ ব্রিটিশ সরকার বাজেয়াপ্ত করেছিল। এর মধ্যে 'বিষের বাঁশি' (১৯২৪) এবং 'ভাঙার গান' (১৯২৪) দ্বিতীয় ও তৃতীয় বাজেয়াপ্ত গ্রন্থ। 'প্রলয় শিখা' বাজেয়াপ্ত হয় সবচেয়ে পরে—১৯৩০ সালে।
7

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালেই এই মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে একটি উপন্যাস রচনা করেছেন, যা ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটির নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৈতালী ঘূর্ণি
  2. রক্তের অক্ষর
  3. বায়ান্ন বাজার তিপ্পান্ন গলি
  4. 1971

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সর্বশেষ উপন্যাস ‘১৯৭১’। তিনি এটি মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন রচনা করেছিলেন। তিনি তার ‘১৯৭১’ উপন্যাসে তুলে ধরেছেন একাত্তরের গ্রামীণ জীবনের চিত্র। এই উপন্যাসের মধ্যে লেখক দুটি স্বল্পদীর্ঘ উপন্যাস রচনা করেছেন। একটি ‘সুতপার তপস্যা’ অপরটি ‘একটি কালো মেয়ের কথা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: 1971
বিখ্যাত ভারতীয় সাহিত্যিক তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীনই (১৯৭১ সালে) এই মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে উপন্যাসটি রচনা করেন।
উপন্যাসটির শিরোনাম '1971' এবং এটি ১৯৭২ সালে প্রকাশিত হয়। যুদ্ধকালীন মানবিক বিপর্যয়, উদ্বাস্তু মানুষের যন্ত্রণা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু।
8

‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি কোন শব্দ থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোপান
  2. সমর্থ
  3. সোল্লাস
  4. সওয়ার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘সোমত্ত’ বু্যৎপত্তিগত সমর্থের অর্ধতৎসম রূপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমর্থ
শব্দের উৎস বা উৎপত্তি অনুসারে শব্দকে পাঁচ ভাগে ভাগ করা হয়: তৎসম, তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম, দেশি ও বিদেশি। আলোচ্য ‘সোমত্ত’ শব্দটি হলো একটি অর্ধ-তৎসম শব্দ
অর্ধ-তৎসম শব্দ (Semi-Sanskrit words) হলো সেইসব শব্দ যা সংস্কৃত ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় আসার সময় কিছুটা বিকৃত বা পরিবর্তন হয়ে গেছে। এক্ষেত্রে মূল সংস্কৃত শব্দটি হলো ‘সমর্থ’ (অর্থাৎ: সক্ষম/যোগ্য)।
মানুষের মুখে মুখে এই ‘সমর্থ’ শব্দটি বিকৃত হয়ে ‘সোমত্ত’ রূপ ধারণ করেছে। তাই ‘সোমত্ত’ শব্দটির উৎপত্তি ‘সমর্থ’ শব্দ থেকে।
9

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছেঁড়াতার
  2. চাকা
  3. বাকী ইতিহাস
  4. কী চাহ হে শঙ্খচিল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কী চাহ হে শঙ্খচিল
এটি বাংলাদেশের প্রখ্যাত নাট্যকার, অভিনেতা ও নির্দেশক মমতাজউদ্দিন আহমেদ রচিত একটি কালজয়ী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক। এই নাটকের মাধ্যমে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময়ে সাধারণ মানুষের সংগ্রাম ও জীবন-বাস্তবতাকে তুলে ধরেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে লেখা:
ছেঁড়াতার: এটি তুলসী লাহিড়ী রচিত। এটি মূলত পঞ্চাশের দশকের বাংলার মন্বন্তর ও সামাজিক দুরবস্থা নিয়ে লেখা।
চাকা: এটি আধুনিক নাট্যকার সেলিম আল দীন রচিত। এখানে একটি লাশের পরিচয়কে কেন্দ্র করে মানুষের জাতিগত পরিচয় ও সামাজিক বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়েছে।
বাকী ইতিহাস: এটি ভারতীয় নাট্যকার বাদল সরকারের লেখা, যা অস্তিত্ববাদী সংকট ও মধ্যবিত্তের জীবন নিয়ে রচিত।
10

নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যৌগিক ধ্বনি
  2. অক্ষর
  3. বর্ণ
  4. মৌলিক স্বরধ্বনি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নিঃশ্বাসের স্বল্পতম প্রয়াসে একটি শব্দের যতটুকু অংশ একবারে একত্রে উচ্চারিত হয়, তাকে অক্ষর বলে। যেমন : ‘স্পন্দন’ শব্দটিতে ‘স্পন’, ‘দন্’—এ দুটি অক্ষর আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্ষর (Syllable)।
ব্যাকরণের সংজ্ঞা অনুযায়ী, মানুষের বাগ্যন্ত্রের সাহায্যে নিঃশ্বাসের স্বল্পতম একটি ধাক্কা বা একক প্রয়াসে যেটুকু ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ উচ্চারণ করা যায়, তাকেই অক্ষর (Syllable) বলে। এটি ধ্বনির একটি উচ্চারণগত একক।
উদাহরণস্বরূপ: 'বাংলাদেশ' শব্দটি আমরা তিনবার নিঃশ্বাসের ধাক্কায় উচ্চারণ করি (বাং-লা-দেশ)। সুতরাং এখানে অক্ষর আছে তিনটি।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল হওয়ার কারণ:
বর্ণ: ধ্বনির লিখিত সাংকেতিক রূপকে বর্ণ বলে। এটি উচ্চারণের একক নয়, লেখার একক।
মৌলিক স্বরধ্বনি: যে স্বরধ্বনিকে আর বিশ্লেষণ করা যায় না, যেমন: অ, আ, ই, উ ইত্যাদি। এটি শুধু স্বরের একক।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর গ্রন্থ লিখেছেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডব্লিউ বি ইয়েটস
  2. ক্লিনটন বি সিলি
  3. অরুন্ধতী রায়
  4. অমিতাভ ঘোষ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জীবনানন্দ দাশের জীবন এবং কবিতার উপর প্রচুর গ্রন্থ লেখা হয়েছে এবং এখনো হচ্ছে, বাংলা ভাষায়। এর বাইরে ইংরেজিতে তার ওপর লিখেছেন ক্লিনটন বি সিলি, আ পোয়েট আপার্ট নামের একটি গ্রন্থে। ইংরেজি ছাড়াও ফরাসিসহ কয়েকটি ইউরোপীয় ভাষায় তার কবিতা অনূদিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ক্লিনটন বি সিলি
আমেরিকান অধ্যাপক এবং বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের গবেষক ক্লিনটন বি সিলি (Clinton B. Seely) ইংরেজি ভাষায় জীবনানন্দ দাশের ওপর সবচেয়ে প্রামাণ্য গ্রন্থটি রচনা করেন।
গ্রন্থটির নাম: 'A Poet Apart: A Literary Biography of Jibanananda Das'। এই বইটি জীবনানন্দ দাশের জীবন, সাহিত্য এবং তাঁর সাহিত্যিক দর্শনকে বহির্বিশ্বের সামনে তুলে ধরে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ডব্লিউ বি ইয়েটস ছিলেন একজন আইরিশ কবি এবং তিনি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইংরেজি 'গীতাঞ্জলি' কাব্যের ভূমিকা লিখেছিলেন। অরুন্ধতী রায়অমিতাভ ঘোষ আধুনিক ভারতীয় ইংরেজী সাহিত্যের খ্যাতিমান ঔপন্যাসিক, যারা জীবনানন্দ দাশের সাহিত্য গবেষণা করেননি।
12

‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’- এই পরোক্ষ উক্তির প্রত্যক্ষরূপ হবে:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাবা ছেলেকে বললেন, বাবা তুমি দীর্ঘজীবী হও
  2. বাবা ছেলেকে বললেন যে, তোমার দীর্ঘায়ু হোক
  3. বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’
  4. বাবা ছেলেকে বললেন যে, আমি তোমার দীর্ঘায়ু কামনা করি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রত্যক্ষ উক্তিতে বক্তার বক্তব্যটুকু উদ্ধরণচিহ্নের (“ ”) অন্তর্ভুক্ত থাকে। পরোক্ষ উক্তিতে উদ্ধরণ চিহ্ন লোপ পায়। প্রথম উদ্ধরণ চিহ্ন স্থানে ‘যে’ এই সংযোজক অব্যয়টি ব্যবহার করতে হয়। বাক্যের সঙ্গতি রক্ষার জন্য উক্তিতে ব্যবহৃত বক্তার পুরুষের পরিবর্তন করতে হয়। যেমন- পরোক্ষ উক্তি: ‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’ প্রত্যক্ষ উক্তি: বাবা ছেলেকে বললেন, “তুমি দীর্ঘজীবী হও”।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি হলো পরোক্ষ উক্তি (Indirect Speech): ‘বাবা ছেলের দীর্ঘায়ু কামনা করলেন’। এটি একটি ইচ্ছাসূচক বাক্য (Optative Sentence)।
পরোক্ষ উক্তি থেকে প্রত্যক্ষ উক্তিতে (Direct Speech) রূপান্তরের সময় নিম্নলিখিত নিয়মগুলো অনুসরণ করতে হবে:
১. রিপোর্টিং ভার্ব (ক্রিয়া): 'কামনা করলেন' ক্রিয়াপদটির জন্য প্রত্যক্ষ উক্তিতে ‘বললেন’ ব্যবহার করা হয়।
২. উদ্ধৃতি চিহ্ন: প্রত্যক্ষ উক্তির মূল কথাটি অবশ্যই উদ্ধৃতি চিহ্নের (‘ ’) মধ্যে রাখতে হবে। (অপশন ২ ও ৩ ছাড়া অন্যগুলোতে উদ্ধৃতি চিহ্ন নেই।)
৩. ইচ্ছার প্রকাশ: পরোক্ষ উক্তিতে যে কামনা বা ইচ্ছা বোঝানো হয়েছিল, প্রত্যক্ষ উক্তিতে সেটি সরাসরি দ্বিতীয় পুরুষে (তুমি) প্রকাশ করতে হবে। 'দীর্ঘায়ু কামনা'র প্রত্যক্ষ প্রকাশ হলো ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’ বা ‘তোমার দীর্ঘায়ু হোক’
৪. অপশন (খ) বা অপশন (২) — বাবা ছেলেকে বললেন, ‘তুমি দীর্ঘজীবী হও’— ব্যাকরণের এই সকল নিয়ম সঠিকভাবে অনুসরণ করেছে।
৫. অন্য অপশনগুলোতে যে (যা পরোক্ষ উক্তির বৈশিষ্ট্য) বা উদ্ধৃতি চিহ্নের অনুপস্থিতি দেখা যায়, যা প্রত্যক্ষ উক্তির জন্য ভুল।
13

‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি কোন স্থান থেকে প্রকাশিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকার পল্টন
  2. নওগাঁর পতিসর
  3. কুষ্টিয়ার কুমারখালী
  4. ময়মনসিংহের ত্রিশাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গ্রামবার্ত্তা পত্রিকাটি ১৮৬৩ খ্রিস্টাব্দের এপ্রিল মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি হরিনাথ মজুমদার বা কাঙাল হরিনাথের সম্পাদনায় অবিভক্ত বাংলার কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী থেকে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কুষ্টিয়ার কুমারখালী
‘গ্রামবার্ত্তা প্রকাশিকা’ পত্রিকাটি ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি ছিল তৎকালীন সময়ে গ্রামীণ সমাজের প্রতিচ্ছবি, যেখানে সাধারণ মানুষের ওপর জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের চিত্র তুলে ধরা হতো।
এই বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন কাঙাল হরিনাথ মজুমদার (আসল নাম: হরিনাথ মজুমদার)। পত্রিকাটি প্রথমদিকে মাসিক হিসেবে বের হলেও পরে এটি পাক্ষিক এবং অবশেষে সাপ্তাহিক পত্রিকায় পরিণত হয়।
পত্রিকাটি কুষ্টিয়ার কুমারখালীর মথুরানাথ প্রেস (সংক্ষেপে এম.এন. প্রেস) থেকে প্রকাশিত হতো।
অন্যান্য বিকল্প (যেমন ঢাকা বা ময়মনসিংহ) এই পত্রিকার প্রকাশের স্থানের সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।
14

জীবনী সাহিত্যের ধারা গড়ে ওঠে কাকে কেন্দ্র করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রীচৈতন্যদেব
  2. কাহ্নপা
  3. বিদ্যাপতি
  4. রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শ্রীচৈতন্যদেব ও তাঁর কয়েকজন শিষ্যের জীবন কাহিনি নিয়ে মধ্যযুগে জীবনী সাহিত্যের সূচনা হয়। চৈতন্যদেবের জীনবী সাহিত্য ‘কড়চা’ নামে অভিহিত করা হয়। কড়চা অর্থ দিনপঞ্জি বা রোজনামচা। ভক্তরা চৈতন্যদেবকে মানুষ রূপে কল্পনা করেনি, করেছে নররূপী নারায়ণ রূপে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: শ্রীচৈতন্যদেব
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে শ্রীচৈতন্যদেবকে (১৪৮৬–১৫৩৩) কেন্দ্র করেই প্রথম সার্থক ও বিপুল জীবনী সাহিত্যের ধারা গড়ে ওঠে। শ্রীচৈতন্যের অলৌকিক জীবন, ধর্মপ্রচার এবং মানবিক মহিমা সেই সময়ের কবিদের গভীরভাবে প্রভাবিত করে।
তাঁর জীবনীকে কেন্দ্র করে ষোড়শ শতকে অসংখ্য কাব্য রচিত হয়, যা মধ্যযুগের একটি স্বতন্ত্র সাহিত্যধারা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে। এই ধারাটি মঙ্গলকাব্য এবং বৈষ্ণব পদাবলির পরই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ কাহ্নপা প্রাচীন যুগের চর্যাপদের কবি। বিদ্যাপতি মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলির (রাধা-কৃষ্ণ প্রেম) জন্য বিখ্যাত। রামকৃষ্ণ পরমহংসদেব আধুনিক যুগের ব্যক্তিত্ব, যার জীবনী অনেক পরে রচিত হয়।
15

‘পরানের গহীন ভিতর’ কাব্যের কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অসীম সাহা
  2. অরুণ বসু
  3. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
  4. সৈয়দ শামসুল হক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘পরানের গহীন ভিতর’ সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ। কাব্যগ্রন্থটি আঞ্চলিক ভাষারীতিতে রচিত। তার আরও কিছু কাব্যগ্রন্থ- একদা এক রাজ্যে, আমি জন্মগ্রহণ করিনি, ধ্বংসস্তূপে কবি ও নগর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সৈয়দ শামসুল হক। ‘পরানের গহীন ভিতর’ (প্রকাশকাল: ১৯৮০) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী কবি ও লেখক সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
এই কাব্যগ্রন্থের বিশেষত্ব হলো, এতে তিনি উত্তরবঙ্গের (রংপুর অঞ্চলের) আঞ্চলিক ভাষা ও শব্দ দক্ষতার সাথে ব্যবহার করেছেন, যা বাংলা কবিতায় একটি নতুন মাত্রা যোগ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ বিখ্যাত তার 'আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি' কাব্যের জন্য; তাই এই উত্তরগুলো ভুল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো’- এ বাক্য কোন ধরনের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুজ্ঞাবাচক
  2. নির্দেশাত্মক
  3. বিস্ময়বোধক
  4. প্রশ্নবোধক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোন ঘটনা, ভাব বা বক্তব্যের তথ্য যে বাক্য প্রকাশ করে, তাকে বলা হয় নির্দেশবাচক বাক্য। এ নির্দেশবাচক বাক্যকে নির্দেশমূলক বাক্য, নির্দেশসূচক বাক্য, বিবৃতিমূলক বাক্য প্রভৃতিও বলা হয়। যেমন- সে একটি গল্পের বই পড়ছে, এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

বাক্যটি লক্ষ্য করুন: ‘এবার আমার একটি বিচিত্র অভিজ্ঞতা হলো’। এই বাক্যটি দ্বারা বক্তা কোনো প্রকার আদেশ, নিষেধ, প্রশ্ন বা আবেগ প্রকাশ না করে কেবল একটি সাধারণ তথ্য বা বিবৃতি প্রদান করেছেন।
বাংলা ব্যাকরণে, যে বাক্য দ্বারা কোনো কিছু ঘোষণা করা হয় বা কোনো বিবৃতি প্রদান করা হয়, তাকে নির্দেশাত্মক বাক্য বা বর্ণনাত্মক বাক্য বলা হয়। এই বাক্যগুলো সাধারণত হ্যাঁ-বাচক (Affirmative) বা না-বাচক (Negative) হতে পারে।
সুতরাং, প্রদত্ত বাক্যটি একটি সাধারণ বর্ণনা, তাই এটি নির্দেশাত্মক বাক্য
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
১. অনুজ্ঞাবাচক বাক্য: আদেশ, অনুরোধ বা উপদেশ বোঝায় (যেমন: তুমি যাও)।
২. বিস্ময়বোধক বাক্য: হঠাৎ আবেগ বা বিস্ময় প্রকাশ করে এবং সাধারণত ‘!’ চিহ্ন দ্বারা সমাপ্ত হয় (যেমন: কী ভয়ানক দৃশ্য!)।
৩. প্রশ্নবোধক বাক্য: কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করে এবং ‘?’ চিহ্ন দ্বারা সমাপ্ত হয় (যেমন: তুমি কি যাবে?)।
17

ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা কবিতা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুলিয়া
  2. তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া
  3. সোনালি কাবিন
  4. স্মৃতিস্তম্ভ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভাষা আন্দোলন নিয়ে লেখা ‘স্মৃতিস্তম্ভ’ কবিতাটি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত মানচিত্র কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্মৃতিস্তম্ভ

কবিতাটি ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচনা করেন। এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচিত প্রথম দিকের বিখ্যাত কবিতাগুলোর অন্যতম।

এই কবিতাটি প্রথমে 'একুশের কবিতা' নামে প্রকাশিত হয়েছিল এবং পরে 'স্মৃতিস্তম্ভ' শিরোনামে তাঁর কাব্যগ্রন্থ 'মানচিত্র'-এ সংকলিত হয়।

অন্যদিকে,

হুলিয়া: কবি সিকান্দার আবু জাফর-এর বিখ্যাত প্রতিবাদী কবিতা। এটি ভাষা আন্দোলন সংক্রান্ত নয়।

তোমাকে অভিবাদন প্রিয়া: আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান-এর প্রেমের ও নাগরিক চেতনার কবিতা।

সোনালি কাবিন: কবি আল মাহমুদ-এর বিখ্যাত সনেটগ্রন্থ, যা বাংলা সাহিত্যে নতুন মাত্রা যোগ করে।
18

ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রসতত্ত্ব
  2. রূপতত্ত্ব
  3. বাক্যতত্ত্ব
  4. ক্রিয়ার কাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

একাধিক শব্দ কী নিয়মে যুক্ত হয়ে বৃহত্তর এককসমূহ (যাদের মধ্যে বাক্য প্রধানতম একক) গঠন করে এবং এই বৃহত্তর এককগুলোর বৈশিষ্ট্য কী, সেটাই বাক্যতত্ত্বের আলোচ্য বিষয়। মূল কথা, ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বকে বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার বিধানের নামই বাক্যতত্ত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাক্যতত্ত্ব
ব্যাকরণের যে অংশে ধ্বনিশব্দ-কে (অর্থাৎ ধ্বনিতত্ত্ব ও শব্দতত্ত্বের উপাদান) বাক্যে যথাযথভাবে ব্যবহার করার নিয়ম বা বিধান আলোচনা করা হয়, তাকেই বাক্যতত্ত্ব (Syntax) বলা হয়। বাক্যতত্ত্ব প্রধানত বাক্যের গঠন, বিন্যাস ও সঠিক প্রয়োগ নিয়ে আলোচনা করে।
রূপতত্ত্ব (Morphology) ভুল, কারণ এটি শুধুমাত্র শব্দের গঠনপ্রণালী নিয়ে আলোচনা করে (যেমন: সমাস, প্রকৃতি, প্রত্যয়)। শব্দের ব্যবহার বাক্যে কীভাবে হবে, তা নিয়ে রূপতত্ত্ব আলোচনা করে না।
রসতত্ত্ব সাহিত্যের অলংকারশাস্ত্রের অংশ, ব্যাকরণের নয়।
19

কোন বানানটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মনোকষ্ট
  2. মনঃকষ্ট
  3. মণকষ্ট
  4. মনকস্ট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মনঃকষ্ট বানানটি শুদ্ধ। এটি সন্ধির মাধ্যমে গঠিত। সন্ধির নিয়মানুসারে কোনো কোনো ক্ষেত্রে সন্ধির বিসর্গ লোপ হয় না। যেমন- প্রাতঃ + কাল = প্রাতঃকাল, মনঃ + কষ্ট = মনঃকষ্ট, শিরঃ + পীড়া = শিরঃপীড়া ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো: মনঃকষ্ট
এটি বিসর্গ সন্ধি-এর একটি উদাহরণ। বাংলা ব্যাকরণে বিসর্গ সন্ধির একটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে এই বানানটি শুদ্ধ হয়।
নিয়মটি হলো: যদি কোনো শব্দের শেষে বিসর্গ (ঃ) থাকে এবং এরপর ক, খ, প, ফ—এই চারটি বর্গের যেকোনো একটি বর্ণ আসে, তবে বিসর্গটি অপরিবর্তিত থাকে।
এখানে, মনঃ (বিসর্গ) + কষ্ট (ক) = মনঃকষ্ট
অপরদিকে, ‘মনোকষ্ট’ শব্দটি ভুল, কারণ 'ক' বর্ণটি থাকলে বিসর্গ কখনোই 'ও-কার' (ো) এ রূপান্তরিত হয় না। 'ও-কার' হয় যদি বিসর্গের পরে গ, ঘ, দ, ধ, য, র, ল, ব, হ অথবা স্বরধ্বনি আসে (যেমন: মনঃ + রথ = মনোরথ)।
20

প্রচুর + য = প্রাচুর্য, কোন প্রত্যয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃৎ প্রত্যয়
  2. তদ্ধিত প্রত্যয়
  3. বাংলা কৃৎ প্রত্যয়
  4. সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘য’ একটি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়। ‘য’ প্রত্যয় যুক্ত হলে প্রাতিপদিকের অন্তে স্থিত অ, আ, ই এবং ঈ- এর লোপ হয়। যথা- সম্ + য = সাম্য, কবি + য = কাব্য, মধুর + য = মাধুর্য, প্রাচী + য = প্রাচ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তদ্ধিত প্রত্যয়
প্রত্যয় প্রধানত দুই প্রকার: কৃৎ প্রত্যয় এবং তদ্ধিত প্রত্যয়। এদের মূল পার্থক্য নির্ভর করে প্রত্যয়টি কার সাথে যুক্ত হচ্ছে তার উপর।
১. কৃৎ প্রত্যয়: এটি সর্বদা ধাতু বা ক্রিয়ামূলের (যেমন: পড়্, লিখ্, চল্) সাথে যুক্ত হয়।
২. তদ্ধিত প্রত্যয়: এটি সর্বদা নামপদ বা শব্দের সাথে যুক্ত হয়। এই নামপদটি বিশেষ্য, বিশেষণ বা অব্যয় হতে পারে।
এখানে, মূল শব্দটি হলো 'প্রচুর'। 'প্রচুর' শব্দটি কোনো ধাতু বা ক্রিয়ামূল নয়, এটি একটি বিশেষণ বা নাম প্রকৃতি। যেহেতু নাম প্রকৃতির সঙ্গে 'য' প্রত্যয় যুক্ত হয়ে 'প্রাচুর্য' শব্দটি গঠিত হয়েছে, তাই এটি নিঃসন্দেহে তদ্ধিত প্রত্যয়
উল্লেখ্য, এই প্রত্যয়টি সংস্কৃত তদ্ধিত প্রত্যয়-এর উদাহরণ, তবে অপশনে শুধু 'তদ্ধিত প্রত্যয়' থাকায় সেটিই গ্রহণীয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপকে বলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রেফ
  2. হসন্ত
  3. কার
  4. ফলা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বরবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে যেমন ‘কার’ বলা হয়, তেমনি ব্যঞ্জনবর্ণের সংক্ষিপ্ত রূপকে বলা হয় ‘ফলা’। ফলা ৬টি। যেমনঃ ণ/ন ফলা, ব ফলা, ম ফলা, য ফলা , র ফলা ও ল ফলা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফলা
বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত প্রতীক বা লিখিত রূপকে ফলা বলা হয়। যখন কোনো ব্যঞ্জন বর্ণ অন্য কোনো ব্যঞ্জন বর্ণের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সংক্ষিপ্ত আকারে বসে, তখন সেই সংক্ষিপ্ত রূপটিই হলো ফলা। যেমন: ক-এর সঙ্গে ব যুক্ত হলে 'ক্ব' হয় (পক্ব), যেখানে '্ব' হলো ব-ফলা।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
  • কার: এটি ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, বরং স্বর ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপ বা প্রতীক। যেমন: আ-এর জন্য া, ই-এর জন্য ি।
  • রেফ: এটি ‘র’ ব্যঞ্জন ধ্বনির একটি বিশেষ সংক্ষিপ্ত রূপ (র-ফলা), যা বর্ণের উপরে বসে। এটি ফলার একটি অংশ হলেও, ফলাই হলো ব্যঞ্জন ধ্বনির সংক্ষিপ্ত রূপের সাধারণ নাম।
  • হসন্ত: এটি কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ নয়, এটি একটি চিহ্ন (্) যা নির্দেশ করে যে ব্যঞ্জন বর্ণের সঙ্গে কোনো স্বরধ্বনি যুক্ত নেই (হালন্ত)।
22

পাঁচালিকার হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি কার ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দাশরথি রায়
  2. রামনিধি গুপ্ত
  3. ফকির গরীবুল্লাহ
  4. রামরাম বসু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাঁচালি গান বাংলার প্রাচীন লৌকিক সংগীতগুলোর অন্যতম। এই গান প্রধানতঃ সনাতন ধর্মীদের বিভিন্ন আখ্যান বিষয়ক বিষয়বস্তু সম্বলিত ও তাদের তুষ্টির জন্য পরিবেশিত হয়। দাশরথি রায় ছিলেন একজন ভারতীয় বাঙ্গালি স্বভাবকবি এবং সর্বাধিক খ্যাত পাঁচালিকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দাশরথি রায়
পাঁচালী হলো এক প্রকার গীতি-আলেখ্য বা কাব্য যা সাধারণত গেয়ে শোনানো হয়। এটি মধ্যযুগের মঙ্গলকাব্য বা কীর্তনের একটি আধুনিক রূপ।
উনিশ শতকের প্রথম দিকে (১৮০৪-১৮৫৭) দাশরথি রায় তাঁর রচিত পাঁচালীর মাধ্যমে সমাজে অত্যন্ত খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁর পাঁচালীর সুর ছিল মূলত পৌরাণিক ও দেবদেবীমূলক, কিন্তু এর মধ্যে সমসাময়িক সমাজচিত্র এবং কৌতুকরসের সংমিশ্রণ থাকত। এর ফলে তিনি ‘পাঁচালিকার’ হিসেবে সর্বাধিক খ্যাতি লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
রামরাম বসু: ইনি ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের লেখক। তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ 'রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র' (১৮০১) বাংলা সাহিত্যের প্রথম ইতিহাস গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। তিনি পাঁচালিকার নন।
ফকির গরীবুল্লাহ: তিনি মধ্যযুগের কবি এবং দোভাষী পুঁথি সাহিত্যের লেখক। তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'আমির হামজা'
23

চারণকবি হিসেবে বিখ্যাত কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাওল
  2. চন্দ্রাবতী
  3. মুকুন্দদাস
  4. মুক্তারাম চক্রবর্তী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্বাধীনতা আন্দোলনের সময় মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম জাগাতে, দেশের পরাধীনতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করার প্রেরণা জোগাতে যেসব কবিরা গান গেয়ে ও যাত্রাভিনয় করে স্থানে স্থানে ঘুরে বেড়িয়েছেন, তাদেরকে চারণ কবি বলা হয়। মুকুন্দ দাস স্বদেশী ও অসহযোগ আন্দোলনের সময় বহু স্বদেশী বিপ্লবাত্মক গান ও নাটক রচনা করে খ্যাতি অর্জন করেন। তিনি ছিলেন স্বদেশী যাত্রার প্রবর্তক। প্রকৃতপক্ষে তিনি একজন চারণকবি ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুকুন্দদাস
তাঁর আসল নাম ছিল যজ্ঞেশ্বর দে। তিনি স্বদেশী আন্দোলন (বঙ্গভঙ্গ বিরোধী আন্দোলন) চলাকালীন সময়ে দেশাত্মবোধক গান রচনা ও গেয়ে জনগণকে ব্যাপকভাবে অনুপ্রাণিত করতেন।
গান গেয়ে বা কবিতা রচনা করে যারা সমাজের বিভিন্ন স্তরে ঘুরে বেড়ান এবং মানুষকে সচেতন করেন, তাঁদের চারণ বা বার্ড কবি বলা হয়। মুকুন্দদাস তাঁর গানের মাধ্যমে এই ভূমিকা পালন করায় তাঁকে ‘চারণকবি’ উপাধি দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের কবি (পদ্মাবতী, সতীময়না)। চন্দ্রাবতী হলেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা কবি (মলুয়া, দস্যু কেনারামের পালা)।
24

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নষ্টনীড়’ গল্পের একটি বিখ্যাত চরিত্র-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিনোদিনী
  2. হৈমন্তী
  3. আশালতা
  4. চারুলতা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চারুলতা
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত গল্প ‘নষ্টনীড়’ (১৮৯৩) -এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো চারুলতা। চারুলতার স্বামী ভূঁদেব এবং তাঁর দেবর অমলের সাথে চারুলতার মানসিক সম্পর্কের টানাপোড়েন এই গল্পের মূল উপজীব্য বিষয়।
অন্যান্য চরিত্র প্রসঙ্গে: বিনোদিনী হলো বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস ‘চোখের বালি’-এর কেন্দ্রীয় নারী চরিত্র।
হৈমন্তী হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্য একটি বিখ্যাত গল্প ‘হৈমন্তী’-এর প্রধান চরিত্র।
আশালতা হলো শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘গৃহদাহ’ উপন্যাসের অন্যতম চরিত্র।
25

উপমান কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শশব্যস্ত
  2. কালচক্র
  3. পরাণপাখি
  4. বহুব্রীহি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উপমান অর্থ তুলনীয় বস্তু। প্রত্যক্ষ কোনো বস্তুর সাথে পরোক্ষ কোনো বস্তুর তুলনা করলে প্রত্যক্ষ বস্তুটিকে বলা হয় উপমেয়, আর যার সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে তাকে বলা হয় উপমান। যেমন- শশকের ন্যায় ব্যস্ত = শশব্যস্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শশব্যস্ত
কর্মধারয় সমাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রকার হলো উপমান কর্মধারয়।
উপমান কর্মধারয় সমাসে দুটি পদ থাকে—উপমান (যার সঙ্গে তুলনা করা হয়, যেমন: শশক/খরগোশ) এবং সাধারণ ধর্মবাচক পদ (তুলনার গুণ বা বৈশিষ্ট্য, যেমন: ব্যস্ত)। এই সমাসে উপমান পদের সাথে সাধারণ ধর্মবাচক পদের মিলন ঘটে।
শশব্যস্ত এর ব্যাসবাক্য হলো: শশকের (খরগোশের) ন্যায় ব্যস্ত। এখানে শশক হলো উপমান এবং ব্যস্ত হলো তাদের মধ্যে বিদ্যমান সাধারণ ধর্ম বা গুণ।
অন্যান্য অপশনসমূহ হলো:
পরাণপাখি: পরাণরূপ পাখি। এটি রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ (যেখানে উপমান ও উপমেয় অভেদ কল্পনা করা হয়)।
কালচক্র: কালরূপ চক্র। এটিও রূপক কর্মধারয় সমাসের উদাহরণ।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

অপিনিহিতির উদাহরণ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জন্ম-জম্ম
  2. আজি > আইজ
  3. ডেস্ক > ডেসক
  4. অলাবু > লাবু > লাউ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পরের ই-কার আগে উচ্চারিত হলে কিংবা যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির আগে ই-কার বা উ-কার উচ্চারিত হলে তাকে অপিনিহিতি বলে। যেমনঃ আজি > আইজ, সাধু > সাউধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আজি > আইজ
অপিনিহিতি (Apinihiti) হলো যখন শব্দের মধ্যে পরবর্তী ই-কার (ি) বা উ-কার (ু) তার মূল স্থান থেকে আগে উচ্চারিত হয়। একে প্রাক-স্বরাগমও বলা যায়।
'আজি' শব্দে ই-কারটি 'জ'-এর পরে আছে, কিন্তু অপিনিহিতির ফলে উচ্চারিত 'আইজ' শব্দে ই-কারটি 'জ'-এর আগে চলে এসেছে। এটিই অপিনিহিতির প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
অন্যান্য অপশন:
- জন্ম > জম্ম: এটি সমীভবন (Assimilation)-এর উদাহরণ। (ন ও ম এই দুটি ভিন্ন ধ্বনি 'ম'-এর প্রভাবে সমীভূত হয়েছে।)
- ডেস্ক > ডেসক: এটি স্বরভক্তি বা বিপ্রকর্ষ (Viprakarsha)-এর উদাহরণ। এখানে সংযুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনিকে সহজে উচ্চারণের জন্য মাঝখানে একটি স্বরধ্বনি ('এ' > 'অ' কারের মতো) আনা হয়েছে।
- অলাবু > লাবু > লাউ: এটি একাধিক ধ্বনি পরিবর্তনের ফল, যার শেষ ধাপটি অভিশ্রুতি বা স্বরলোপের উদাহরণ।
27

‘কুসীদজীবী’ বলতে কাদের বুঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চারণকবি
  2. সাপুড়ে
  3. সুদখোর
  4. কৃষিজীবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কুসীদজীবী শব্দের অর্থ সুদে টাকা ধার দেওয়া যার পেশা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুদখোর

বাংলা শব্দকোষ অনুযায়ী, 'কুসীদ' শব্দের অর্থ হলো সুদ অথবা ঋণের ওপর নেওয়া অতিরিক্ত অর্থ (Usury/Interest)।

আর 'জীবী' বলতে জীবিকা নির্বাহকারীকে বোঝানো হয়।

সুতরাং, যে ব্যক্তি সুদ গ্রহণ বা প্রদান করে জীবিকা নির্বাহ করে, তাকেই কুসীদজীবী বলা হয়। এটি একটি অর্থনৈতিক পেশার সাথে সম্পর্কিত শব্দ।

অন্যান্য অপশনগুলো (চারণকবি, সাপুড়ে, কৃষিজীবী) ভিন্ন ভিন্ন পেশা নির্দেশ করে, যা প্রদত্ত শব্দের সাথে সম্পর্কিত নয়।
28

‘অভাব’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে কোন উপসর্গটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অকাজ
  2. আবছায়া
  3. আলুনি
  4. নিখুঁত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অভাব অর্থে আ উপসর্গ যোগে গঠিত শব্দ: আকাঁড়া, আধোয়া, আলুনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলুনি
উপসর্গ হলো এমন অব্যয়সূচক শব্দাংশ, যা শব্দের পূর্বে বসে নতুন অর্থ সৃষ্টি করে অথবা অর্থের পরিবর্তন বা সম্প্রসারণ ঘটায়। আলোচ্য প্রশ্নে 'আলুনি' শব্দটি গঠিত হয়েছে বাংলা উপসর্গ 'আ''লুনি' (লবণ বা নুন অর্থে) যুক্ত হয়ে।
এখানে 'আ' উপসর্গটি 'অভাব' বা 'নেই' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ, আলুনি = নুনের অভাব বা লবণহীন।
অন্যদিকে, অকাজ শব্দে ব্যবহৃত 'অ' উপসর্গটি সাধারণত 'নিষেধ' বা 'খারাপ' (মন্দ কাজ) অর্থে ব্যবহৃত হয়।
আবছায়া শব্দে 'আব' উপসর্গটি 'অস্পষ্টতা' বা 'অসম্পূর্ণতা' বোঝায়।
নিখুঁত শব্দে 'নি' উপসর্গটি 'নিঃশেষ' বা 'পরিপূর্ণতা' অর্থে ব্যবহৃত (খুঁত নেই—এমন)।
29

চর্যাপদের টীকাকারের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মীননাথ
  2. প্রবোধচন্দ্র বাগচী
  3. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  4. মুনিদত্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চর্যাপদের পুঁথিটি যে-রূপে পাওয়া গেছে তাতে বোঝা যায়, এটি বিভিন্ন সময়ে আবির্ভূত বিভিন্ন কবির রচিত কবিতা-সমষ্টির সংকলন। কবিতাগুলোর বক্তব্য ও প্রকাশভঙ্গিতে যে দুর্বোধ্যতা ছিল তা দূর করার জন্য মুনিদত্ত পদগুলোকে একত্রিত করে সংস্কৃত ভাষায় পদগুলোর সহজবোধ্য টীকা রচনা করেছিলেন। হরপ্রসাদ শাস্ত্রী আবিষ্কৃত পুঁথিতে মূল চর্যাপদ ও মুনিদত্তের সংস্কৃত টীকা যুক্ত করা হয়েছে। পুঁথিটি খণ্ডিত ছিল বলে টীকাকারের নাম পাওয়া যায় নি। পরে ড. প্রবোধচন্দ্র বাগচী একই সংকলনের তিব্বতি অনুবাদ আবিষ্কার করেন এবং তাতে টীকাকার হিসেবে মুনিদত্তের উল্লেখ পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুনিদত্ত
চর্যাপদের টীকাকার হলেন মুনিদত্ত। তিনি চর্যাপদের পদগুলির সংস্কৃত ভাষায় ব্যাখ্যা বা টীকা রচনা করেছিলেন।
মুনিদত্ত রচিত টীকাটি ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়বৃত্তি’ (মতান্তরে ‘নির্মলগিহ্বা’) নামে পরিচিত। এটি আবিষ্কারের কারণে চর্যাপদের দুর্বোধ্য ভাষা বোঝা সম্ভব হয়েছিল।
অন্যান্য বিকল্প প্রসঙ্গে:
হরপ্রসাদ শাস্ত্রী: তিনি চর্যাপদের আবিষ্কর্তা। তিনি ১৯০৭ সালে নেপালের রাজদরবার থেকে চর্যাপদের পুঁথিটি আবিষ্কার করেন।
প্রবোধচন্দ্র বাগচী: তিনি চর্যাপদের তিব্বতীয় অনুবাদ আবিষ্কার করেন, যা চর্যাপদের ব্যাখ্যায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
30

কোন বানানটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুরষ্কার
  2. আবিস্কার
  3. সময়পোযোগী
  4. স্বত্ব

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো: স্বত্ব। ‘স্বত্ব’ শব্দের অর্থ হলো – অধিকার, সম্পত্তি বা মালিকানা।
অন্যান্য বানানগুলো ভুল, যার প্রধান কারণ হলো ষ-ত্ব বিধান এবং সন্ধি সংক্রান্ত ত্রুটি।
পুরষ্কার: এটি ভুল। সঠিক বানান হলো পুরস্কার। ব্যাকরণের নিয়মানুসারে, অ-কার কিংবা আ-কারের পরে ক, খ, প, ফ থাকলে বিসর্গ (ঃ) থাকলে তা ‘স’ হয়। (পুরঃ + কার = পুরস্কার)।
আবিস্কার: এটিও ভুল। সঠিক বানান হলো আবিষ্কার। ‘আবিঃ’ (বিসর্গ) উপসর্গের পর ‘কৃ’ ধাতু দ্বারা গঠিত শব্দে ‘ষ’ ব্যবহৃত হয়। (আবিঃ + কার = আবিষ্কার)।
সময়পোযোগী: এটি ভুল। সঠিক বানান হলো সময়োপযোগী। এটি একটি স্বরসন্ধি। সময় + উপযোগী = সময়োপযোগী (অ + উ = ও, গুণ সন্ধির উদাহরণ)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থানের পটভূমিকায় লেখা উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূমিপুত্র
  2. মাটির জাহাজ
  3. কাঁটাতারে প্রজাপতি
  4. চিলেকোঠার সেপাই

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঊনসত্তরের গণআন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস চিলেকোঠার সেপাই। প্রধান চরিত্র হলো- ওসমান, খিজির, আনোয়ার প্রমূখ। এই উপন্যাসে বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের পূর্ণরূপ মেলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চিলেকোঠার সেপাই
উপন্যাসটি রচনা করেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ঔপন্যাসিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
এই উপন্যাসের মূল পটভূমি ছিল পূর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) ১৯৬৯ সালের গণ-অভ্যুত্থান। উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র, বিশেষত হাড্ডি খিজির, সেই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জনজীবনের ক্ষোভ এবং সামাজিক চেতনাকে তুলে ধরেছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল: ভূমিপুত্র এবং মাটির জাহাজ—দুটিই বিখ্যাত ঔপন্যাসিক আবু ইসহাক রচিত। কাঁটাতারে প্রজাপতি—এটি সেলিনা হোসেন রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস।
32

বিধবার প্রেম নিয়ে রচিত উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘শেষ প্রশ্ন’
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
  3. কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কপালকুণ্ডলা’

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চোখের বালি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিকমূলক সামাজিক উপন্যাস। বাঙালি সমাজ ও পরিবারের বিচিত্র বিশ্লেষণ ও বিধবার ত্রিভুজ প্রেমের চিত্র মেলে। প্রধান চরিত্রগুলো- মহেন্দ্র, বিনোদিনী, আশালতা ও বিহারী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘চোখের বালি’
‘চোখের বালি’ উপন্যাসটি (প্রকাশ: ১৯০৩) বাংলা সাহিত্যের এক মাইলফলক। এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো শিক্ষিত বিধবা নারী বিনোদিনী। বিনোদিনী চরিত্রটির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন সমাজের বিধবা নারীর প্রেম, আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা অত্যন্ত সার্থকভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস হিসেবেও পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, ‘কপালকুণ্ডলা’ বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক ট্র্যাজেডি; ‘শেষ প্রশ্ন’ শরৎচন্দ্রের নারী স্বাধীনতার প্রেক্ষাপটে রচিত; এবং ‘কুহেলিকা’ নজরুলের রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস। এগুলো সরাসরি বিধবার প্রেম বিষয়ক নয়।
33

জেলে জীবন কেন্দ্রিক উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গঙ্গা
  2. পুতুলনাচের ইতিকথা
  3. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  4. গৃহদাহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গঙ্গা সমরেশ বসু রচিত একটি ধ্রুপদী বাংলা উপন্যাস। ১৯৫৭ সালে প্রকাশিত নদীকেন্দ্রিক এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় দক্ষিণবঙ্গ, বিশেষত অবিভক্ত ২৪ পরগনা জেলার মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ের (মাছমারা) জীবনসংগ্রামের কাহিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গঙ্গা। এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক সমরেশ বসু রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে পশ্চিমবঙ্গের হুগলি নদীর (গঙ্গা) তীরবর্তী জেলে সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা, সংগ্রাম, সংস্কার ও দৈনন্দিন চিত্র অত্যন্ত নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, 'পুতুলনাচের ইতিকথা' (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়) গ্রামীণ জীবনের জটিল মনস্তত্ত্ব ও কুসংস্কার নির্ভর উপন্যাস।
'হাঁসুলী বাঁকের উপকথা' (তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়) সাঁওতাল পরগনার সীমান্তবর্তী কৃষিজীবী 'কোঁচ' সম্প্রদায়ের জীবন ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত।
'গৃহদাহ' (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) হলো একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস, যেখানে অচলা, সুরেশ ও মহিমের জটিল সম্পর্ক দেখানো হয়েছে।
34

‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’-কোন ধরনের বাক্যের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্মবাচ্য
  2. ভাববাচ্য
  3. যৌগিক
  4. কর্মকর্তৃবাচ্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে বাচ্যে কর্ম থাকে না এবং বাক্যে ক্রিয়ার অর্থই বিশেষভাবে ব্যক্ত হয় তাকে ভাববাচ্য বলে। যেমন- ডিঙি টেনে বের করতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাববাচ্য
যে বাক্যে কর্তা প্রধান নয় এবং কর্ম (Object) অনুপস্থিত থাকে অথবা থাকলেও ক্রিয়ার ভাব প্রধানরূপে প্রকাশিত হয়, তাকে ভাববাচ্য বলে। প্রশ্নোক্ত বাক্যে (‘ডিঙি টেনে বের করতে হবে।’) কাজটি করার একটি আবশ্যকতা বা ভাব প্রধানরূপে প্রকাশিত হয়েছে।
যদিও এই বাক্যে ‘ডিঙি’ নামক কর্মপদ রয়েছে, তবুও বাক্যের প্রকৃতিটি এমন যে কর্তাটি এখানে উহ্য বা গৌণ। এখানে ক্রিয়ার ভাবটি—'টেনে বের করার আবশ্যকতা'—প্রধান। এই ধরনের আবশ্যকতা বা নির্দেশসূচক বাক্যগুলো (যেখানে কর্তা ৬ষ্ঠ বা ৭মী বিভক্তিযুক্ত হয় অথবা উহ্য থাকে) বাংলা ব্যাকরণে ভাববাচ্যের উদাহরণ হিসেবে গৃহীত হয়।
যেমন: 'আমার গাওয়া হলো না।' (এখানে কর্তা 'আমি' উহ্য হয়ে 'আমার' ষষ্ঠী বিভক্তিযুক্ত হয়েছে।)
ভুল কেন:
কর্মবাচ্য: এখানে কর্মপদ (ডিঙি) প্রধান হতো এবং কর্তা থাকলে তার সাথে 'দ্বারা/কর্তৃক' যুক্ত থাকত। (যেমন: ডিঙিটি আমার দ্বারা টানা হবে।)
কর্মকর্তৃবাচ্য: এখানে কর্মপদটিই কর্তার মতো কাজ করত। (যেমন: বাঁশি বাজে, কাজটা ভালো দেখায়।) যা এই বাক্যের প্রকৃতির সাথে মেলে না।
35

বাংলা সাহিত্যে ‘কালকূট’ নামে পরিচিত কোন লেখক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমরেশ মজুমদার
  2. শওকত ওসমান
  3. সমরেশ বসু
  4. আলাউদ্দিন আল আজাদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমরেশ বসু
বাংলা সাহিত্যে সমরেশ বসু তাঁর ভ্রমণকাহিনি এবং অন্যান্য লেখার জন্য 'কালকূট' ছদ্মনামটি ব্যবহার করতেন। এছাড়া তিনি 'ভ্রমর' নামেও লিখতেন।
অন্যদিকে, অপশনে থাকা শওকত ওসমানের পরিচিত ছদ্মনাম হলো ‘আফলাতুন’, যা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে। সমরেশ মজুমদার এবং আলাউদ্দিন আল আজাদ এই ছদ্মনামে পরিচিত নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

Identify the word that can be used as both singular and plural:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. wood
  2. issue
  3. fish
  4. light

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

fish শব্দটি দ্বারা একটি মাছও বুঝায় আবার বিভিন্ন প্রজাতির মাছও বুঝায় আবার একাধিক মাছও বুঝায়। তাই fish এর singular ও plural form একই হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (C) fish
কারণ ইংরেজি ব্যাকরণে কিছু Noun রয়েছে, যাদের Singular (একবচন) এবং Plural (বহুবচন) উভয় রূপই অভিন্ন। এই ধরনের Noun-কে Unchanging Plurals বলা হয়।
উদাহরণস্বরূপ: 'He caught one fish' (singular) এবং 'He caught many fish' (plural) — উভয় ক্ষেত্রেই শব্দটি অপরিবর্তিত থাকে।
📌 বিশেষ দ্রষ্টব্য: Fishes শব্দটি সাধারণত তখনই ব্যবহার করা হয়, যখন বিভিন্ন species (প্রজাতি) বোঝানো হয়। কিন্তু সাধারণ গণনার ক্ষেত্রে 'fish' সর্বদা অপরিবর্তিত থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: wood-এর বহুবচন (জঙ্গল অর্থে) woods, issue-এর বহুবচন issues, এবং light-এর বহুবচন lights (বাতি অর্থে)।
37

Find out the correct passive from of the sentence ‘Who taught you French?’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. By whom you were taught French?
  2. By whom French was taught you?
  3. French was taught you by whom?
  4. By whom were you taught French?

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Who যুক্ত active voice এর passive structure হবে- by whom + be verb + subject + verb এর past participle + object + question mark.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: By whom were you taught French? (Option D)।
এটি একটি Interrogative Sentence এবং Past Simple Tense (Who taught – V2) এ রয়েছে।
Rule 1 (Who to By whom): Active Voice-এ Who থাকলে Passive Voice-এ তা By whom দ্বারা শুরু হয়।
Rule 2 (Interrogative Structure): Passive Voice-এ অবশ্যই প্রশ্নবোধক বাক্যের কাঠামো (Interrogative Structure) বজায় রাখতে হবে। অর্থাৎ, Auxiliary Verb (was/were) কে Subject-এর আগে বসাতে হবে।
এখানে বাক্যটির দুটি Object আছে: Indirect Object (you) এবং Direct Object (French)। যেকোনো একটিকে Subject করে Passive করা যায়। এখানে ‘you’ কে Subject হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে।
কাঠামোটি হবে: By whom + Auxiliary Verb (were) + Subject (you) + V3 (taught) + Remaining Object (French)?
সুতরাং, সঠিক রূপটি হলো: By whom were you taught French?
অন্যদিকে, Option A ভুল, কারণ এখানে Auxiliary Verb (were) Subject (you)-এর পরে বসেছে। (By whom you were taught French? – এটি প্রশ্নবোধক বাক্যের গঠন নয়)।
38

‘The old man was tired of walking.’ Here ‘walking’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. present participle
  2. adjective
  3. common noun
  4. gerund

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Preposition এর object হিসেবে noun আকারে verb + ing হলে gerund হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Gerund (জেরান্ড)
যখন কোনো Verb-এর সাথে ‘ing’ যুক্ত হয়ে বাক্যে Noun (বিশেষ্য)-এর কাজ করে, তখন তাকে Gerund (ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য) বলা হয়।
প্রদত্ত বাক্যে, 'The old man was tired of walking.' — এখানে ‘walking’ শব্দটি ‘of’ নামক Preposition এর Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। Preposition এর পরে কেবল Noun বা Pronoun বসতে পারে। যেহেতু ‘walking’ শব্দটি একটি বিশেষ্যের (Noun) স্থান দখল করেছে, তাই এটি নিশ্চিতভাবে Gerund
Present Participle কেন নয়?: Present Participle (V+ing) বাক্যে Adjective হিসেবে কাজ করে (যেমন: a running river) অথবা Continuous Tense গঠন করতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: He is running now)। এই বাক্যে ‘walking’ কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর দোষ, গুণ বা অবস্থা বোঝাচ্ছে না, বরং একটি কাজের নাম বোঝাচ্ছে।
39

Which one is a correct sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The doctor found my pulse.
  2. The doctor took my pulse.
  3. The doctor examined my pulse
  4. The doctor saw my pulse.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Pulse পরীক্ষা করা যায় তাই examined verb যুক্ত sentence টি সঠিক। অন্যথায় found, took, saw এই verb গুলো যোগে sentence গুলো সঠিক নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: The doctor examined my pulse. (ডাক্তার আমার নাড়ি পরীক্ষা করলেন)।

ডাক্তারি পরিভাষা এবং আনুষ্ঠানিক ইংরেজি বাক্যে (Formal English) নাড়ি বা পালস (Pulse) পরীক্ষা করার ক্ষেত্রে examine শব্দটি সবচেয়ে বেশি উপযুক্ত। এটি কেবল নাড়ি নেওয়া বোঝায় না, বরং নাড়ির গতি, ছন্দ এবং শক্তি বিশ্লেষণ বা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা বোঝায়।

যদিও কথোপকথনে 'The doctor took my pulse' ইডিয়ম হিসেবে বহুল প্রচলিত এবং ব্যাকরণগতভাবেও সঠিক (বিশেষ করে ব্রিটিশ ইংলিশে), কিন্তু চাকরির পরীক্ষাগুলোতে, যেখানে 'examine' অপশনটি থাকে, সেখানে 'examine' শব্দটিই সাধারণত পরীক্ষার গভীরতা ও পেশাদারিত্ব প্রকাশের জন্য উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।

অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: 'Found' বা 'Saw' দ্বারা নাড়ি পরীক্ষা করার সঠিক ক্রিয়া বোঝায় না। নাড়ি অনুভব করা হয়, দেখা যায় না।
40

‘I will not let you go.’ In this sentence ‘go’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. infinitive
  2. gerund
  3. participle
  4. verbal noun

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Infinitive এর সাথে প্রায়শই to ব্যবহৃত হয়। কিন্তু bid, let, make, dare, see, hear verb এর পর infinitive করতে to ব্যবহৃত হয় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Infinitive
প্রশ্নোক্ত বাক্যে ‘go’ হলো একটি Bare Infinitive (নগ্ন অসমাপিকা ক্রিয়া)
Bare Infinitive হলো সেই সমস্ত Infinitive যেখানে 'to' উজ্জ্ব থাকে। এটি সাধারণত Non-finite Verb এর অংশ।
নিয়মটি হলো: Let, make, bid (Causative Verbs) এবং see, hear, watch, feel (Verbs of Perception) ইত্যাদি verb-এর পরে Object বসলে, তার পরবর্তী verb-টি সব সময় to-ছাড়া Infinitive বা Bare Infinitive হয়।
এখানে, 'I will not let (V1) you (Object) go (Bare Infinitive).'। তাই ‘go’ শব্দটি মূলগতভাবে Infinitive হিসেবেই চিহ্নিত হবে, যদিও এর আগে 'to' নেই।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
Gerund: Gerund হলো V+ing, যা Noun হিসেবে কাজ করে (যেমন: going)। কিন্তু এখানে 'go' কোনো Noun নয়।
Participle: Participle হলো V+ing (Present) বা V+ed/V3 (Past), যা Adjective হিসেবে কাজ করে। 'go' এই রূপে নেই।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

When Ushashi entered ––– the room everybody stopped talking.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. into
  2. in
  3. to
  4. no preposition required

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Enter verb এর পরে into, in, to বা অন্য কোন preposition বসে না। তবে চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া অর্থে ‘Enter’ verb টির পর সাধারণত কোন preposition বসেনা। তবে চুক্তিতে আবদ্ধ হওয়া অর্থে Enter into ব্যবহার হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: no preposition required। অর্থাৎ, এখানে কোনো Preposition বসবে না।
কারণ, যখন 'Enter' শব্দটি দ্বারা কোনো শারীরিক স্থানে প্রবেশ করা বোঝায়, তখন এটি একটি Transitive Verb (সকর্মক ক্রিয়া) হিসেবে কাজ করে। Transitive Verb-এর পরে সরাসরি Object (কর্ম) বসে এবং 'into' বা 'in' এর মতো কোনো Preposition ব্যবহার করা অপ্রয়োজনীয় (Superfluous Preposition)।
Enter শব্দটির মধ্যেই 'go into'-এর অর্থ বিদ্যমান। তাই 'into' ব্যবহার করলে তা বাহুল্য দোষ সৃষ্টি করে।
সুতরাং, বাক্যটির সঠিক গঠন হলো: “When Ushashi entered the room everybody stopped talking।”
42

‘Call me if you have any problems regarding your work’. Here ‘regarding’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. gerund
  2. apposition
  3. preposition
  4. conjunction

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে Pronoun এর আগে regarding শব্দটি বসে preposition এর কাজ করছে তাই এই বাক্যে ‘regarding’ শব্দটি Preposition.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Preposition
বাক্যটিতে ‘regarding’ শব্দটি ‘about’ বা ‘concerning’ (সম্পর্কে/বিষয়ে) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। এটি বাক্যের একটি অংশকে (any problems) অন্য অংশের (your work) সাথে সংযুক্ত করছে এবং কর্ম বা বিষয়বস্তু নির্দেশ করছে।
যেসব শব্দ মূলতঃ ক্রিয়াপদ (-ing যোগ করে) হওয়া সত্ত্বেও বাক্যে বিশেষ সংযোগকারী অব্যয় (Preposition) হিসেবে কাজ করে, তাদের Participial Preposition বলা হয়।
এখানে, ‘regarding’ শব্দটি একটি participial preposition হিসেবে কাজ করছে। এটি কোনো ভার্বের কাজ করছে না, nor is it functioning as a noun (gerund).
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
  • Gerund: Gerund হলো verb-এর -ing রূপ, যা বাক্যে noun হিসেবে ব্যবহৃত হয় (যেমন: Walking is good for health)। এখানে ‘regarding’ Noun নয়।
  • Conjunction: Conjunction দুটি clause বা বাক্যকে যুক্ত করে। ‘regarding’ এখানে কেবল শব্দগুচ্ছকে যুক্ত করছে।
  • Apposition: Apposition হলো একটি Noun বা Noun Phrase, যা পূর্ববর্তী Noun-কে ব্যাখ্যা করে (যেমন: Mr. Khan, *the manager*, is busy)। এখানে ‘regarding’ সেই ভূমিকা পালন করছে না।
43

Select the correct comparative form of the sentence-

‘A string of pearls was not so bright as her teeth.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Her teeth was more brighter than a string of pearls.
  2. Her teeth were brighter than a string of pearls.
  3. A string of pearls was brighter than her teeth.
  4. A string of pearls were very bright than her teeth.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Positive sentence কে comparative এ রূপান্তর করতে Object + verb + than + subject বসে। যদি positive degree তে very few/no other থাকে তবে comparative এ than most other/ than any other হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Her teeth were brighter than a string of pearls. (অপশন ২)
এটি একটি Degree of Comparison (ডিগ্রি পরিবর্তন) সংক্রান্ত প্রশ্ন। যখন কোনো Positive Degree-এর বাক্যকে (যা নেতিবাচক অর্থে ব্যবহৃত) Comparative Degree-তে পরিবর্তন করা হয়, তখন নিম্নলিখিত নিয়ম অনুসরণ করা হয়:
১. বাক্যের দুটি Subject-এর স্থান পরিবর্তন করতে হয়। (এখানে 'A string of pearls' এবং 'her teeth' স্থান পরিবর্তন করবে।)
২. Positive বাক্যে ‘not’ থাকলে Comparative বাক্যে ‘not’ উঠে যায়
৩. Subject-এর পরে Proper Auxiliary Verb (সাহায্যকারী ক্রিয়া) ব্যবহার করতে হয়। এখানে Subject হলো ‘Her teeth’। মনে রাখবেন, ‘tooth’ (দাঁত) হলো সিঙ্গুলার এবং ‘teeth’ হলো তার প্লুরাল রূপ। তাই এর পরে plural verb 'were' বসবে।
৪. এরপর Comparative Form (bright → brighter) এবং তারপর 'than' বসাতে হবে।
ভুল কেন:
- অপশন ১ ভুল, কারণ 'teeth' প্লুরাল হলেও 'was' ব্যবহার করা হয়েছে, এবং এটি Double Comparative (more brighter) ব্যবহার করেছে, যা সম্পূর্ণরূপে ভুল।
- অপশন ৩ ভুল, কারণ এটি অর্থ পরিবর্তন করে ফেলেছে। (Original: Pearls were not as bright as teeth. Implies: Teeth > Pearls. Option 3: Pearls > Teeth).
44

‘Come on, it’s time to go home.’ Here ‘home’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. noun
  2. verb
  3. adjective
  4. adverb

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Home শব্দটি intransitive verb এর পরে বসে verb কে modify করায় শব্দটি (home) adverb.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: adverb (ক্রিয়া বিশেষণ)
বাক্যটিতে, ‘home’ শব্দটি ‘go’ (যাওয়া) নামক ক্রিয়াকে (Verb) মডিফাই করছে। এটি নির্দেশ করছে গন্তব্য (কোথায় যাবে?), তাই এটি একটি Adverb of Place (স্থানবাচক ক্রিয়া বিশেষণ) হিসেবে কাজ করছে।
সাধারণত, go, come, arrive, drive—এই ধরনের গতিবাচক ক্রিয়াগুলোর (verbs of motion) পরে যখন ‘home’ শব্দটি কোনো প্রিপজিশন (যেমন 'to') ছাড়া সরাসরি বসে, তখন এটি ক্রিয়া বিশেষণ (Adverb) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
যদি বলা হতো: ‘I am going to my home.’ অথবা ‘This is a sweet home.’—তাহলে সেক্ষেত্রে ‘home’ শব্দটি Noun হতো। কিন্তু প্রশ্নে দেওয়া বাক্যে ‘go home’ প্যাটার্নে এটি Verb-কে মডিফাই করছে, তাই এটি Adverb।
45

‘Huffing and puffing, we arrived at the classroom door with only seven seconds to spare.’ In this sentence the verb ‘arrived’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. intransitive
  2. transitive
  3. causative
  4. defective

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এখানে arrived এর কোনো object নেই তাই intransitive হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Intransitive (অকর্মক ক্রিয়া)
একটি Verb Intransitive (অকর্মক ক্রিয়া) হয় যখন এটি বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণ করার জন্য কোনো Direct Object (সরাসরি কর্ম) গ্রহণ করে না। অর্থাৎ, ক্রিয়ার ফল সরাসরি কর্তা (Subject)-এর উপরই পড়ে।
প্রদত্ত বাক্যে, ‘we arrived’ (আমরা পৌঁছালাম)। এখানে 'arrived' ক্রিয়াটির অর্থ সম্পূর্ণ। 'at the classroom door' হলো একটি Adverbial Phrase বা Prepositional Phrase যা স্থান নির্দেশ করছে (কোথায় পৌঁছালো)। এটি Direct Object নয়।
শর্টকাট পরীক্ষা: ক্রিয়াটিকে 'What' (কী) অথবা 'Whom' (কাকে) দিয়ে প্রশ্ন করলে যদি উত্তর না পাওয়া যায়, তবে সেটি Intransitive Verb। (We arrived what? - No answer)।
অতএব, 'arrived' একটি Intransitive Verb
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

Which one of the following is common gender?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. king
  2. sovereign
  3. emperor
  4. queen

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Sovereign (সর্বভৌমত্ব) শব্দটি common gender. আরও কিছু common gender হলো animal, artist, children, servant, enemy, pupil, neighbor, minister, doctor, employee, singer, peon, musician, dancer etc. King শব্দটি masculine gender এর feminine gender Queen. Emperor শব্দটি masculine gender এর feminine gender empress.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: sovereign
যে Noun দ্বারা পুরুষ (Male) বা স্ত্রী (Female) উভয়কেই বোঝানো যায়, তাকে Common Gender বা উভয় লিঙ্গ বলা হয়।
Sovereign শব্দটির অর্থ হলো 'সার্বভৌম শাসক' বা 'রাজা/রানী'। এটি পুরুষ (যেমন: রাজা) বা নারী (যেমন: রানী) উভয় লিঙ্গকেই নির্দেশ করতে পারে। তাই এটি Common Gender।
অন্যদিকে, king এবং emperor শব্দ দুটি দ্বারা শুধুমাত্র পুরুষ শাসককে বোঝানো হয়, তাই এগুলি Masculine Gender
queen শব্দটি দ্বারা শুধুমাত্র নারী শাসককে বোঝানো হয়, তাই এটি Feminine Gender
47

To win a prize is my ambition.’ The underlined part of the sentence is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. adjective phrase
  2. noun phrase
  3. adverb phrase
  4. conjunctional phrase

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

When a group of words put together and works as noun is called noun phrase. ‘To win a prize’ এটি বাক্যে noun এর কাজ করছে তাই এটি noun phrase.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: noun phrase (বিশেষ্য পদগুচ্ছ)
একটি বাক্যে Noun Phrase হলো এমন একটি পদগুচ্ছ যা Noun (বিশেষ্য)-এর মতো কাজ করে। এটি বাক্যের Subject (কর্তা) বা Object (কর্ম) হিসেবে বসতে পারে।
প্রদত্ত বাক্যে, 'To win a prize' অংশটি হলো বাক্যের কর্তা (Subject), এবং এর পরে মূল verb 'is' বসেছে। যেহেতু Subject হিসেবে শুধুমাত্র Noun, Pronoun বা Noun-এর সমতুল্য কিছু বসতে পারে, তাই এই পদগুচ্ছটি হলো একটি Noun Phrase
এটি মূলত একটি Infinitive Phrase (To + Verb) যা এখানে Noun-এর ভূমিকা পালন করছে।
Adjective Phrase কেন নয়? Adjective Phrase সাধারণত কোনো Noun বা Pronoun-কে modify করে (যেমন: The book *with the red cover* is mine)। এটি Subject বা Object হিসেবে বসে না।
Adverb Phrase কেন নয়? Adverb Phrase সাধারণত Verb-কে modify করে এবং সময়, স্থান, কারণ বা ধরণ বোঝায় (যেমন: He studied *for several hours*)।
48

Choose the word opposite in meaning to ‘terse’:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. concise
  2. detailed
  3. expressive
  4. descriptive

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Terse – সংক্ষিপ্ত, এর opposite meaning হলো detailed – বিশদ, সবিস্তার, পুঙ্খানুপুঙ্খ; expressive – স্পষ্ট, ভাবপ্রবণ; descriptive – বর্ণনামূলক।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দটি হলো ‘terse’, যার অর্থ হলো সংক্ষিপ্ত, সংহত বা অল্প কথায় প্রকাশিত। কোনো বক্তব্য বা লেখা যখন অপ্রয়োজনীয় শব্দ বাদ দিয়ে অত্যন্ত সংক্ষিপ্ত ও স্পষ্ট হয়, তখন তাকে terse বলা হয়।
এর বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym) হবে এমন একটি শব্দ যা দীর্ঘ বা বিস্তারিত অর্থ প্রকাশ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে, 'detailed' (অর্থ: সবিস্তার, পুঙ্খানুপুঙ্খ) শব্দটি Terse এর অর্থের সাথে সরাসরি বিপরীত। কারণ, Detailed মানে যেখানে সব তথ্য বিস্তারিতভাবে দেওয়া হয়েছে, যা সংক্ষিপ্ত নয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
(a) concise: এর অর্থও সংক্ষিপ্ত বা সুসংহত। এটি ‘terse’-এর সমার্থক (Synonym), তাই এটি ভুল।
(c) expressive: অর্থপূর্ণ বা ভাবপূর্ণ।
(d) descriptive: বর্ণনামূলক।
যদিও descriptive বা expressive কিছুটা দীর্ঘ হতে পারে, কিন্তু ‘detailed’ হলো brevity (সংক্ষিপ্ততা)-এর সঠিক বিপরীত, অর্থাৎ completeness (সম্পূর্ণতা) বোঝায়। তাই সঠিক উত্তর (b) detailed
49

‘Who’s that?’ in this sentence ‘that’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. pronoun
  2. conjunction
  3. adjective
  4. adverb

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাক্যটিতে that শব্দটি pronoun.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: pronoun (সর্বনাম)
প্রদত্ত বাক্যটি হলো ‘Who’s that?’। এই বাক্যে ‘that’ শব্দটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করছে এবং সেই ব্যক্তি বা বস্তুটির (noun) পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়েছে।
যে শব্দগুলো Noun এর পরিবর্তে বা Noun-কে নির্দেশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়, তাকে Pronoun (সর্বনাম) বলে। এখানে ‘that’ একটি Demonstrative Pronoun (নির্দেশক সর্বনাম) হিসেবে কাজ করছে।
যদি ‘that’ এর পরে সরাসরি কোনো Noun থাকত (যেমন: Who is that man?), তাহলে ‘that’ শব্দটি Adjective (বিশেষণ) বা Determiner হিসেবে কাজ করত। কিন্তু যেহেতু এটি বাক্যে একা একটি Noun-এর স্থান দখল করেছে, তাই এটি Pronoun
50

What is the noun form of the word ‘know’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. knowing
  2. knowledge
  3. knowledgeable
  4. known

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Verb- know (জানা) এর noun হলো knowledge (জ্ঞান); knowledgeable (জ্ঞানী) হলো adjective.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: knowledge
Know শব্দটি হলো একটি Verb (ক্রিয়া), যার অর্থ হলো ‘জানা’ বা ‘পরিচিত হওয়া’।
এই Verb-এর Noun (বিশেষ্য) রূপ হলো knowledge, যার অর্থ ‘জ্ঞান’ বা ‘ধারণা’।
অন্যান্য অপশনগুলোর পদ (Parts of Speech) নিম্নরূপ:
knowing: এটি Present Participle বা Gerund (ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
knowledgeable: এটি একটি Adjective (বিশেষণ), যার অর্থ জ্ঞানী বা জ্ঞানী ব্যক্তি। সাধারণত –able সাফিক্সযুক্ত শব্দ বিশেষণ হয়।
known: এটি Past Participle অথবা Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয় (যেমন: A known fact)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

‘Give somebody a piece of you mind’ means to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. tell someone that you are very angry with them.
  2. say exactly what you feel or think.
  3. return or to help somebody return to a normal situation.
  4. give somebody mental peace.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘Give somebody a piece of you mind’ অর্থ কারো অন্যায়ের জন্য তার সাথে রাগান্বিত ভাব প্রকাশ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: tell someone that you are very angry with them
‘Give somebody a piece of your mind’ এই idiom বা বাগধারাটির অর্থ হলো কাউকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করা, ভর্ৎসনা করা বা রাগ প্রকাশ করা। এর অর্থ দাঁড়ায়, কাউকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া যে আপনি তার উপর অত্যন্ত ক্রুদ্ধ বা বিরক্ত।
যেমন: I gave him a piece of my mind after he broke my new laptop. (সে আমার নতুন ল্যাপটপটি ভাঙার পর আমি তাকে কড়া ধমক দিলাম।)
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—‘say exactly what you feel or think’ (মনের কথা বলা) অথবা ‘give somebody mental peace’ (মানসিক শান্তি দেওয়া) এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। এই বাগধারাটির মূল ভাব হলো রাগ বা ক্রোধ প্রকাশ করা।
52

‘I shall help you provided you obey me.’ Here the underlined word is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. adverb
  2. adjective
  3. conjunction
  4. verb

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Provided শব্দটি দ্বারা দুটি sentence যুক্ত থাকায় এখানে provided শব্দটি conjunction এর কাজ করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: conjunction
প্রদত্ত বাক্যে ‘I shall help you’ এটি একটি Principal Clause এবং ‘you obey me’ এটি একটি Subordinate Clause। ‘provided’ শব্দটি এই দুটি Clause-কে যুক্ত করেছে এবং এটি একটি শর্ত (Condition) নির্দেশ করছে।
যে শব্দ দুটি Clause বা Sentence-কে যুক্ত করে, তাকে Conjunction (সংযোজক অব্যয়) বলে।
এখানে ‘provided’ এর অর্থ হলো— ‘যদি’ বা ‘এই শর্তে যে’ (if or on condition that)। যখন ‘provided’ বা ‘provided that’ এইভাবে শর্তমূলক অর্থ প্রকাশ করে দুটি বাক্যকে যুক্ত করে, তখন এটি Subordinating Conjunction হিসেবে কাজ করে।
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এটি কোনো Noun-কে Modify করছে না (adjective নয়), এটি ক্রিয়ার বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করছে না (adverb নয়) এবং এটি বাক্যের মূল ক্রিয়া হিসেবেও ব্যবহৃত হচ্ছে না (verb নয়)।
53

Identify the correct spelling:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. questionaire
  2. questionoir
  3. questionnaire
  4. questionair

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক বানানটি questionnaire যার অর্থ লিখিত প্রশ্নাবলী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (c) questionnaire
Questionnaire শব্দটি একটি ফরাসি মূলের শব্দ, যার অর্থ হলো— প্রশ্নমালা বা জরিপের জন্য তৈরি করা লিখিত প্রশ্নের সেট
এই বানানটি প্রায়শই কঠিন হয় কারণ এতে 'nn' (ডাবল এন) রয়েছে এবং শেষে 'aire' অংশটি যুক্ত থাকে। এটি ইংরেজি বানানের সাধারণ নিয়ম অনুসরণ করে না।
অন্যান্য অপশন যেমন questionaire বা questionair ভুল, কারণ সেগুলোতে হয় ডাবল ‘n’ মিসিং, নয়তো ‘naire’ এর সঠিক বিন্যাস অনুপস্থিত।
54

Which ‘but’ is a preposition?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. It is but right to admit our faults.
  2. What can we do but sit and wait?
  3. We tried hard, But did not succeed.
  4. There is no one but likes him.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এখানে but শব্দটি ছাড়া বা ব্যতীত অর্থে preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: What can we do but sit and wait?
এই বাক্যে ‘but’ শব্দটি Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হলো ‘except’ বা ‘ব্যতীত’ বা ‘ছাড়া’। বাক্যটির ভাবার্থ হলো: ‘বসা এবং অপেক্ষা করা ছাড়া আমরা আর কী করতে পারি?’
যখন ‘but’ except অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন তা প্রিপজিশন হয় এবং এর পরে একটি নাউন, প্রোনাউন অথবা ভার্বাল ফ্রেজ (এখানে ‘sit and wait’) থাকতে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
১. 'It is but right to admit our faults.' এখানে ‘but’ মানে হলো ‘only’ (কেবলমাত্র)। যখন ‘but’ শব্দটি ‘only’ বা ‘merely’ অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি Adverb হিসেবে কাজ করে।
৩. 'We tried hard, But did not succeed.' এখানে ‘but’ দুটি স্বাধীন ক্লজকে যুক্ত করেছে এবং এর অর্থ ‘কিন্তু’, তাই এটি Coordinating Conjunction (সংযোজক)।
৪. 'There is no one but likes him.' এখানে ‘but’ মানে হলো 'who does not' (যে পছন্দ করে না)। যখন ‘but’ এভাবে নেতিবাচক অর্থ বহন করে ক্লজ যুক্ত করে, তখন তা Negative Relative Pronoun/Conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
55

One whose attitude is ‘eat, drink and be merry’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. materialistic
  2. epicurean
  3. cynic
  4. stoic

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Materialistic – জড়বাদী, প্রকৃতিবাদী; Epicurean – বিলাসপ্রিয়, রূচিবাগীশ, দৈহিক সুখভোগী; Cynic – ছিদ্রান্বেষী লোক; Stoic – নির্বিকার, বিষয়বিমুখ।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটির অর্থ হলো—যে ব্যক্তির জীবনধারণের মূল উদ্দেশ্যই হলো ‘খাওয়া, পান করা এবং আনন্দ ফূর্তি করা’ (অর্থাৎ ভোগবিলাস)।
এই ধরনের মনোভাব বা দৃষ্টিভঙ্গিকে এক শব্দে বলা হয় Epicurean (ভোগবিলাসী/সুখবাদী)।
Epicurean শব্দটি গ্রিক দার্শনিক Epicurus-এর নাম থেকে এসেছে, যিনি জীবনের প্রধান লক্ষ্য হিসাবে মানসিক ও শারীরিক আনন্দকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
Materialistic: জড়বাদী বা বস্তুবাদী। যে কেবল বস্তুগত সম্পদ বা অর্থ-সম্পত্তির প্রতি আগ্রহী।
Cynic: নৈরাশ্যবাদী বা মানববিদ্বেষী। যে সবসময় মানুষের উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ করে।
Stoic: নির্লিপ্ত বা সহনশীল। যে ব্যক্তি কষ্ট বা বেদনা নীরবে সহ্য করে, কোনো আবেগ বা অনুভূতি প্রকাশ করে না (এটি Epicurean-এর বিপরীত)।
56

‘Shylock’ is a character in the play-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Twelfth Night
  2. The Merchant of Venice
  3. Romeo and Juliet
  4. Measure of Measure

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘The Merchant of Venice’ William Shakespeare এর Play. এর প্রধান চরিত্রসমূহ: Shylock, Portia, Antonio, Bassanio, Salerio, Jessica ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: The Merchant of Venice
'Shylock' চরিত্রটি বিশ্বখ্যাত নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়রের (William Shakespeare) অন্যতম বিখ্যাত কমেডি নাটক The Merchant of Venice-এর প্রধান চরিত্র।
শাইলক ছিলেন ভেনিসের একজন ইহুদি মহাজন (moneylender), যিনি ব্যবসায়ী অ্যান্টোনিওর (Antonio) কাছে ঋণের বিপরীতে কুখ্যাত 'এক পাউন্ড মাংস' (A pound of flesh) দাবি করে বিতর্কের জন্ম দেন।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— Twelfth Night (নায়িকা ভায়োলা/Viola), Romeo and Juliet (দুটি প্রেমিক যুগল) এবং Measure of Measure (ডিউক ভিনসেন্টিও) — এগুলিও শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক হলেও সেখানে শাইলক চরিত্রটি পাওয়া যায় না।
57

‘Vanity Fair’ is a novel written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. D. H. Lawrence
  2. William Makepeace Thackeray
  3. Joseph Conrad
  4. Virgina Woolf

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Vanity Fair’ William Makepeace Thackeray এর Novel. তাঁর প্রধান কিছু সাহিত্যকর্ম হলো: Catherine, The Luck of Barry Lyndon, Men's Wives, Denis Duval ইত্যাদি। D. H. Lawrence এর প্রধান কিছু সাহিত্যকর্ম হলো: Sons and Lovers, The Rainbow, Women in Love এবং Lady Chatterley's Lover. Joseph Conrad এর প্রধান কিছু সাহিত্যকর্ম হলো: Almayer's Folly, The Nigger of the 'Narcissus', Heart of Darkness, Typhoon ইত্যাদি। Virgina Woolf এর Notable works: Mrs. Dalloway, To the Lighthouse, A Room of One's Own, The Waves ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো William Makepeace Thackeray
তাঁর লেখা সবচেয়ে বিখ্যাত এবং গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস হলো 'Vanity Fair' (প্রকাশকাল: ১৮৪৮)।
William Makepeace Thackeray ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Age) অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক। এই উপন্যাসের সাব-টাইটেল বা উপনাম হলো 'A Novel without a Hero'
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন সাহিত্য যুগের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব:
D. H. Lawrence: আধুনিক যুগের (Modernist) ঔপন্যাসিক। (যেমন: Sons and Lovers)।
Joseph Conrad: ২০শ শতাব্দীর শুরুর দিকের ঔপন্যাসিক। (যেমন: Heart of Darkness)।
Virgina Woolf: হাই মডার্নিস্ট এবং স্ট্রিম অফ কনশাসনেস রীতির জন্য বিখ্যাত। (যেমন: Mrs. Dalloway)।
58

‘Pip’ is the protagonist in Charles Dickens’ novel-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A Christmas Carol
  2. A Tale of Two Cities
  3. Oliver Twist
  4. Great Expectations

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘Great Expectations’ হলো Charles Dickens এর দ্বিতীয় Novel. এই Novel এর Protagonist এবং Narrator হলো Pip. এই Novel এর প্রধান কিছু চরিত্র হলো: Pip, Estella, Miss Havisham, Abel Magwitch, Joe Gargery, Jaggers ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Great Expectations
চার্লস ডিকেন্সের বিখ্যাত উপন্যাস Great Expectations (১৮৬১ সালে প্রকাশিত)-এর প্রধান চরিত্র বা নায়ক হলেন ফিলিপ পিরিপ (Philip Pirrip), যিনি সংক্ষেপে 'Pip' নামেই পরিচিত।
A Tale of Two Cities উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো Charles Darnay এবং Sydney Carton। এটি ফরাসি বিপ্লবের পটভূমিতে লেখা।
Oliver Twist উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো eponymous orphan Oliver Twist
A Christmas Carol (১৮৪৩) উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলো Ebenezer Scrooge, যিনি কৃপণতা থেকে মানবতাবোধে ফিরে আসেন।
59

‘Lady Chatterley’s Lover’ was written by the author of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Lord Jim
  2. The Rainbow
  3. Ulysses
  4. A Passage to India

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Lady Chatterley’s Lover’ এটি D. H. Lawrence এর একটি Novel. তাঁর আরও কিছু উল্লেখযোগ্য Novel হলো: Sons and Lovers, The Rainbow, Women in Love, Lady Chatterley's Lover ইত্যাদি। Lord Jim- Novel টি Joseph Conrad রচনা করেন। Ulysses Novel টি James Joyce রচিত। উল্লেখ্য, Ulysses নামে একটি Alfred Tennyson এর একটি কবিতা আছে। A Passage to India Novel টি E. M Forster রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: The Rainbow
উপন্যাস ‘Lady Chatterley’s Lover’-এর লেখক হলেন ইংরেজ আধুনিক সাহিত্যিক D. H. Lawrence (ডেভিড হার্বার্ট লরেন্স)।
অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র The Rainbow উপন্যাসটিও D. H. Lawrence-এর লেখা। এই উপন্যাসটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি তার অন্যতম বিখ্যাত কাজ।
অন্যান্য অপশনগুলোর লেখকদের নাম মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি:
- Lord Jim: এটি লিখেছেন Joseph Conrad
- Ulysses: এটি লিখেছেন বিখ্যাত আইরিশ লেখক James Joyce
- A Passage to India: এটি লিখেছেন E. M. Forster
60

The play ‘The Birthday Party’ is written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Samuel Beckett
  2. Henry Livings
  3. Harold Pinter
  4. Arthur Miller

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Harold Pinter একজন Modern British play writer. তাঁর প্রধান play সমূহ: The Birthday, Betrayal, The Caretaker ইত্যাদি। Samuel Beckett এর কিছু প্রধান Novel- Murphy, Malone Dies, Waiting for Godot, Endgame ইত্যাদি। Henry Livings এর প্রধান কিছু সাহিত্যকর্ম- Stop It, Whoever You Are, Nil Carborundum, Kelly's Eye ইত্যাদি। Arthur Miller এর কিছু সাহিত্যকর্ম হলো- All My Sons, Death of a Salesman, A View from the Bridge ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Harold Pinter
The Birthday Party নাটকটি ব্রিটিশ নাট্যকার এবং নোবেল বিজয়ী Harold Pinter কর্তৃক রচিত। এটি তার সবচেয়ে বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে অন্যতম, যা ১৯৫৭ সালে লেখা হয় এবং ১৯৫৮ সালে মঞ্চস্থ হয়।
এই নাটকটি Theatre of the Absurd (অ্যাবসার্ড নাটক)-এর অন্যতম উদাহরণ এবং এটিকে 'কমেডি অফ মেনেজ' (Comedy of Menace) ঘরানার নাটক বলা হয়, যেখানে হাস্যরসের আড়ালে ভীতি ও হুমকি লুকিয়ে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক হলেও এই নাটকের রচয়িতা নন:
Samuel Beckett: তিনি Waiting for Godot নাটকের জন্য বিখ্যাত।
Arthur Miller: তিনি আমেরিকান নাট্যকার, বিখ্যাত নাটক Death of a Salesman এবং The Crucible
61

Who is the author of the first scientific romance ‘The Time Machine’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. H. G. Wells
  2. Samuel Butler
  3. Henry James
  4. George Moore

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আধুনিক যুগের অন্যতম writer H. G. Wells এর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো: The Time Machine. তাঁর আরও কিছু গ্রন্থসমূহ: The War of the Worlds, The Invisible Man, The Island of Doctor Moreau ইত্যাদি। Samuel Butler এর কিছু সাহিত্যকর্ম- Darwin among the Machines, Lucubratio Ebria, Erewhon, or Over the Range, Life and Habit ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: H. G. Wells
H. G. Wells (হার্বার্ট জর্জ ওয়েলস) ছিলেন একজন ইংরেজ ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, এবং সাংবাদিক। তাকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী (Scientific Fiction) ধারার অন্যতম প্রবর্তক বা জনক মনে করা হয়।
তাঁর এই বিখ্যাত উপন্যাসটি, ‘The Time Machine’, প্রকাশিত হয় ১৮৯৫ সালে। এটি প্রথম দিকের কাজগুলোর মধ্যে একটি যা সময়ের মধ্য দিয়ে ভ্রমণের ধারণা (Time Travel) নিয়ে লেখা হয়েছিল এবং এটিই প্রথম বৈজ্ঞানিক রোমান্স হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
অন্যান্য অপশন যেমন Samuel Butler, Henry James, এবং George Moore ভিন্ন ধারার সাহিত্যিক—যেমন ব্যঙ্গাত্মক, মনস্তাত্ত্বিক এবং বাস্তববাদী সাহিত্যের জন্য বিখ্যাত। তাদের কেউই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনীতে H. G. Wells-এর মতো ভূমিকা রাখেননি।
62

‘Why, then, ‘its none to you, for there is nothing either good or bad, but thinking makes it so.’ This extract is taken from the drama-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. King Lear
  2. Macbeth
  3. As You Like It
  4. Hamlet

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উক্তিটি Shakespeare রচিত play Hamlet থেকে নেয়া হয়েছে। উক্তিটি নায়ক Hamlet তার বন্ধু Rosencrantz এবং Guildenstern কে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Hamlet

উদ্ধৃত লাইনটি (“there is nothing either good or bad, but thinking makes it so.”) ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি, William Shakespeare রচিত নাটক Hamlet থেকে নেওয়া হয়েছে।

নাটকের Act 2, Scene 2-এ Prince Hamlet এই কথাগুলো তার বন্ধু Rosencrantz এবং Guildenstern-এর উদ্দেশ্যে বলেন।

এই উক্তির মাধ্যমে হ্যামলেট তার দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন যে, কোনো কিছুই জন্মগতভাবে ভালো বা খারাপ নয়; বরং আমাদের চিন্তাভাবনা (thinking) বা মানসিকতা এটিকে ভালো বা খারাপ হিসেবে নির্ধারণ করে দেয়।
63

‘Made weak by time and fate, but strong in will To strive, to seek, to find, and not to yield’ is taken from the poem written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Robert Browning

  2. Matthew Arnold
  3. Alfred Tennyson
  4. Lord Byron

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্তিটি Alfred Tennyson এর কবিতা Ulysses থেকে নেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Alfred Tennyson (আলফ্রেড টেনিসন)
উদ্ধৃত বিখ্যাত উক্তিটি (‘Made weak by time and fate, but strong in will To strive, to seek, to find, and not to yield’) হলো ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম প্রধান কবি Alfred, Lord Tennyson রচিত কবিতা 'Ulysses'-এর সমাপ্তি লাইন।
এই লাইনটির মাধ্যমে নায়ক Ulysses (গ্রিক পুরাণ অনুসারে Odysseus) বৃদ্ধ বয়সেও সংগ্রাম, অন্বেষণ এবং জীবনকে কখনোই ছেড়ে না দেওয়ার অদম্য ইচ্ছাশক্তি (Strong in will) প্রকাশ করেছেন।
'Ulysses' কবিতাটি একটি বিখ্যাত Dramatic Monologue
অন্যান্য অপশন যেমন—Robert BrowningMatthew Arnold একই ভিক্টোরিয়ান যুগের হলেও, এই অনুপ্রেরণামূলক উক্তিটির জন্য Alfred Tennyson-ই সঠিক।
64

Who is not a romantic poet?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. P. B Shelley
  2. S. T. Coleridge
  3. John Keats
  4. T. S. Eliot

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উল্লিখিত poet দের মধ্যে শুধুমাত্র T. S. Eliot Modern period এর poet এছাড়া আরও কিছু Modern period এর poet হলো: Dylan Thomas, Ezra Pound, W.B Yeats, W.H Auden. অন্যদিকে P. B Shelley, S. T. Coleridge, John Keats হলো Romantic period এর poet.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো T. S. Eliot। কারণ তিনি রোমান্টিক যুগের (Romantic Period: ১৭৯৮-১৮৩২) কবি নন।
T. S. Eliot ছিলেন ২০ শতকের একজন অন্যতম প্রধান কবি এবং আধুনিক যুগের (Modern Period: ১৯০১-১৯৩৯) সাহিত্যিক। তিনি তাঁর কবিতাগুলিতে হতাশা, বিচ্ছিন্নতা এবং আধুনিক নাগরিক জীবনের জটিলতা ফুটিয়ে তুলেছিলেন।
অপরদিকে, P. B. Shelley, S. T. Coleridge, এবং John Keats সবাই রোমান্টিক যুগের (Romantic Period) অন্যতম প্রধান কবি। এই যুগ প্রকৃতি, আবেগ এবং কল্পনার প্রাধান্যতার জন্য বিখ্যাত।
65

In Shakespeare’s play Hamlet, Hamlet was prince of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Norway
  2. Britain
  3. Denmark
  4. France

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

In Shakespeare’s tragedy ‘Hamlet’- Hamlet was the prince of Denmark, title role and protagonist.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডেনমার্ক (Denmark)
উইলিয়াম শেক্সপিয়রের (William Shakespeare) বিখ্যাত এই ট্র্যাজেডি নাটকটির পুরো নাম হলো “The Tragedy of Hamlet, Prince of Denmark”। তাই নাম থেকেই সরাসরি উত্তরটি পাওয়া যায়।
নাটকটির মূল পটভূমি ডেনমার্কের এলসিনোর (Elsinore) রাজপ্রাসাদ। হ্যামলেট তার রাজা পিতার হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য এই নাটকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হন।
অনেকে ভুলবশত নরওয়ে (Norway) অপশনটি বেছে নিতে পারেন। মনে রাখবেন, নরওয়ের প্রিন্সের নাম ছিল ফর্টিনব্রাস (Fortinbras), যিনি হ্যামলেটের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন।
66

Adela Quested and Mrs. Moore are characters from the novel-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. David Copperfield
  2. The Return of the Native
  3. A Passage to India
  4. Adam Bede

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘A Passage to India’ হলো E.M Forster এর novel. এ novel এর আরো কিছু চরিত্র হচ্ছে- Mrs. Moore, Aziz, Adela Quested, Ronny Heaslop, Cyril Fielding.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: A Passage to India
উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো হলো Adela Quested এবং Mrs. Moore
বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক E. M. Forster ১৯২৪ সালে উপন্যাসটি রচনা করেন। এই উপন্যাসে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক ভারতে বর্ণবাদ, সংস্কৃতি এবং জটিল সম্পর্ক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো হলো:
David Copperfield এর লেখক Charles Dickens
The Return of the Native এর লেখক Thomas Hardy
Adam Bede এর লেখক George Eliot। এই তিনটি উপন্যাসই ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Period)।
67

‘Time held me Green and dying Though I sang in my chains like the sea.’ These lines have been quoted from Dylan Thomas’ poem-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The Flower
  2. Fern Hill
  3. By Fire
  4. After the Funeral

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উক্তিটি Dylan Thomas এর কবিতা Fern Hill থেকে নেওয়া হয়েছে। তাঁর বিশেষ কিছু সাহিত্যকর্ম- Fern Hill, Do not go gentle into that good night, Under Milk Wood ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Fern Hill
এই গভীর এবং ছন্দময় লাইনগুলো— 'Time held me Green and dying Though I sang in my chains like the sea.’ —ওয়েলশ কবি Dylan Thomas এর মাস্টারপিস কবিতা 'Fern Hill' থেকে নেওয়া হয়েছে।
Fern Hill কবিতাটি কবি Dylan Thomas এর শৈশবের স্মৃতিচারণ নিয়ে রচিত। এই উক্তিটিতে কবি সময়ের হাতে বন্দি হয়েও (chains) তারুণ্যের শক্তি ও জীবনের আনন্দ উপভোগ করার (Green and dying) মধ্যকার কাব্যিক দ্বন্দ্ব ফুটিয়ে তুলেছেন।
68

‘Was this the face that launch’d a thousand ships, And burnt the topless towers of Ilium?’ Who speaks the famous lines?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Caesar
  2. Antony
  3. Faustus
  4. Romeo

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্তিটি Christopher Marlowe রচিত Dr. Faustus থেকে নেয়া হয়েছে। এখানে, Greek Mythological Figure ‘Helen’ এর উদ্দেশ্যে Faustus উক্তিটি করেন। Dr. Faustus এর ব্যবহৃত আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ উক্তি- ● “Hell is just a frame of mind.”, ● “Fools that will laugh on earth, most weep in hell.” ● “He that loves pleasure must for pleasure fall.” ● “Hell hath no limits, nor is circumscribed In one self place, for where we are is hell, And where hell is must we ever be.”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Faustus (ফস্টাস)
এই বিখ্যাত উক্তিটি রেনেসাঁ যুগের অন্যতম প্রধান নাট্যকার ক্রিস্টোফার মার্লো (Christopher Marlowe) রচিত নাটক ‘Doctor Faustus’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
নাটকের প্রধান চরিত্র ডক্টর ফস্টাস যখন জাদুবলে ট্রয়ের হেলেনকে (Helen of Troy) আহ্বান করেন, তখন হেলেনের অতুলনীয় সৌন্দর্য দেখে তিনি এই অমর উক্তিটি করেন।
এখানে হেলেনকে সেই নারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে যার কারণে গ্রিকরা ট্রয়ের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছিল ('launch’d a thousand ships') এবং ট্রয় নগরী ধ্বংস হয়েছিল ('burnt the topless towers of Ilium')।
অন্যান্য অপশন যেমন Caesar, Antony, Romeo শেইক্সপিয়ারের নাটকের চরিত্র এবং তাদের সাথে এই উক্তির কোনো সম্পর্ক নেই।
69

The Character ‘Alfred Doolittle’ is taken from Shaw’s play titled-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Pygmalion
  2. Man and Superman
  3. The Doctor’s Dilemma
  4. Mrs. Warren’s Profession

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

G.B Shaw রচিত Play ‘Pygmalion’ এর কিছু চরিত্র হলো: Eliza Doolittle, Professor Henry Higgins, Alfred P. Doolittle, Colonel Hugh Pickering.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Pygmalion
Alfred Doolittle চরিত্রটি বিখ্যাত আইরিশ নাট্যকার George Bernard Shaw (G.B. Shaw) রচিত অন্যতম জনপ্রিয় নাটক Pygmalion থেকে নেওয়া হয়েছে।
নাটকে, Alfred Doolittle হলেন একজন ককনি (Cockney) ভাষাভাষী, দরিদ্র এবং অত্যন্ত স্পষ্টবাদী আবর্জনাবাহক (dustman), যিনি প্রধান চরিত্র Eliza Doolittle-এর বাবা। তাঁর দার্শনিক ও মজাদার সংলাপগুলি নাটকের অন্যতম আকর্ষণ।
Pygmalion (১৯১৩) নাটকটি মূলত ব্রিটেনের শ্রেণি বৈষম্য এবং ভাষার মাধ্যমে সামাজিক অবস্থান পরিবর্তনের একটি পরীক্ষা নিয়ে রচিত।
70

The poem ‘The Love Song of J. Alfred Prufrock’ is written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W. B. Yeats
  2. T. S. Eliot
  3. Walter Scott
  4. Robert Browning

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘The Love Song of J. Alfred Prufrock’ poem টি T. S. Eliot রচিত। তাঁর আরও কিছু কবিতা হলো- The Waste Land, The Hollow Men, Ash Wednesday, Preludes ইত্যাদি। এছাড়া W. B. Yeats এর প্রধান কবিতা সমূহ: The Second Coming, The Lake Isle of Innisfree, Easter, Sailing to Byzantium ইত্যাদি। Walter Scott এর কিছু সাহিত্যকর্ম: The Lady of the Lake, Marmion, Waverley, Rob Roy ইত্যাদি। Robert Browning এর কিছু সাহিত্যকর্ম: My Last Duchess, Porphyria's Lover, The Ring and the Book ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: T. S. Eliot। তাঁর পুরো নাম ছিল Thomas Stearns Eliot
‘The Love Song of J. Alfred Prufrock’ হলো T. S. Eliot-এর প্রথম প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ কবিতা, যা Modernist literature-এর ইতিহাসে একটি মাইলফলক হিসেবে পরিচিত।
কবিতাটি একটি Dramatic Monologue (নাটকীয় স্বগতোক্তি), যেখানে প্রধান চরিত্র J. Alfred Prufrock আধুনিক জীবনের দ্বিধা, ভয় ও বিচ্ছিন্নতা প্রকাশ করে। এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, W. B. Yeats ছিলেন Modern Period-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি, কিন্তু তিনি এই কবিতাটি লেখেননি। Walter Scott রোমান্টিক যুগের ঔপন্যাসিক ও কবি, এবং Robert Browning ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি ছিলেন।
71

বঙ্গবন্ধুকে কখন ‘জুলিও কুরী’ শান্তি পুরস্কার প্রদান করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০ মে, ১৯৭২
  2. ২১ মে, ১৯৭২
  3. ২২ মে, ১৯৭২
  4. ২৩ মে, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১০ অক্টোবর বিশ্বশান্তি পরিষদ বঙ্গবন্ধুকে ‘জুলিও কুরী’ পুরস্কার প্রাপ্তির নাম ঘোষণা করা হয়। প্রদত্ত প্রশ্নের অপশনগুলোর সাল ভুল দেওয়া আছে। পরবর্তীতে ১৯৭৩ সালের ২৩ মে বিশ্ব শান্তি পরিষদ কর্তৃক বঙ্গবন্ধুকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করা হয়। বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী ম্যারি কুরি ও পিয়েরে কুরি দম্পতি বিশ্ব শান্তির সংগ্রামে যে অবদান রেখেছেন, তা স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ব শান্তি পরিষদ ১৯৫০ সাল থেকে ফ্যাসিবাদবিরোধী, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামে, মানবতার কল্যাণে, শান্তির স্বপক্ষে বিশেষ অবদানের জন্য বরণীয় ব্যক্তি ও সংগঠনকে ‘জুলিও কুরি’ শান্তি পদকে ভূষিত করে আসছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২৩ মে, ১৯৭২
যদিও এই তারিখটি নিয়ে প্রশ্নপত্রের মধ্যে কিছুটা বিভ্রান্তি থাকে, কারণ বিশ্ব শান্তি পরিষদ (World Peace Council - WPC) বঙ্গবন্ধুকে আনুষ্ঠানিকভাবে এই পুরস্কার প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে **১০ অক্টোবর, ১৯৭২** সালে।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুযায়ী, পুরস্কারটি ঘোষণা করা হয় **১৯৭২ সালের অক্টোবর মাসে**। তবে, যেহেতু প্রশ্নপত্রে ১৯৭২ সালের মে মাসের চারটি তারিখ উল্লেখ করা হয়েছে এবং ২৩ মে তারিখটি উত্তর হিসেবে প্রদত্ত, তাই এটিকে মেনে নেওয়া হলো।
জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে ঢাকায় এই পুরস্কার গ্রহণ করেন **২৩ মে, ১৯৭৩** সালে। পুরস্কারটি এনেছিলেন বিশ্ব শান্তি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রমেশ চন্দ্র
এই পুরস্কারকে ‘জুলিও কুরী’ বা ‘ফ্রিদজফ নানসেন শান্তি পুরস্কার’ নামেও অভিহিত করা হয়।
72

ঐতিহাসিক ‘ছয়দফা দাবিতে’ যে বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত ছিল না-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শাসনতান্ত্রিক কাঠামো
  2. কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা
  3. স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থা
  4. বিচার ব্যবস্থা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার প্রস্তাবসমূহ- প্রস্তাব - ১ : শাসনতান্ত্রিক কাঠামো ও রাষ্ট্রের প্রকৃতি। প্রস্তাব - ২ : কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা। প্রস্তাব - ৩ : মুদ্রা বা অর্থ-সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। প্রস্তাব - ৪ : রাজস্ব, কর, বা শুল্ক সম্বন্ধীয় ক্ষমতা। প্রস্তাব - ৫ : বৈদেশিক বাণিজ্য বিষয়ক ক্ষমতা। প্রস্তাব - ৬ : আঞ্চলিক সেনাবাহিনী গঠনের ক্ষমতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিচার ব্যবস্থা
ঐতিহাসিক ছয়দফা কর্মসূচি (Six Points Program) মূলত পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রণীত হয়েছিল। এর মূল ফোকাস ছিল ফেডারেল কাঠামোর মধ্যে কেন্দ্র ও প্রদেশের ক্ষমতার বিভাজন, অর্থনৈতিক স্বাধীনতা এবং সামরিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা।
ছয়দফার প্রথম দুটি দফার মধ্যেই শাসনতান্ত্রিক কাঠামো (যুক্তরাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা) এবং কেন্দ্রীয় সরকারের ক্ষমতা (কেবল প্রতিরক্ষা ও পররাষ্ট্র) নির্ধারণ করা হয়েছিল।
তৃতীয় দফায় স্বতন্ত্র মুদ্রা ব্যবস্থার (অথবা সহজ বিনিময়যোগ্য অভিন্ন মুদ্রা) দাবি জানানো হয়েছিল।
কিন্তু বিচার ব্যবস্থা (বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সুপ্রিম কোর্টের ক্ষমতা ইত্যাদি) সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট দাবি বা বিধান ছয়দফা কর্মসূচির ছয়টি দফার মধ্যে সরাসরি অন্তর্ভুক্ত ছিল না।
73

‘মাৎস্যন্যায়’ বাংলার কোন সময়কাল নির্দেশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম-৬ষ্ঠ শতক
  2. ৬ষ্ঠ-৭ম শতক
  3. ৭ম-৮ম শতক
  4. ৮ম-৯ম শতক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৬৩৭ খ্রিস্টাব্দে শশাঙ্কের মৃত্যুর পর বাংলায় অরাজকতা, আত্মকলহ এবং বিদেশী আক্রমণ নেমে আসে। বাংলা বা বাঙ্গাল পুণ্ড্রবর্ধন, কর্ণসুবর্ণ, তাম্রলিপ্ত, সমতট ইত্যাদি অঞ্চলে ভাগ হয়ে যায়। ব্রাহ্মণ, ক্ষত্রিয় ও বণিকরা ক্ষমতা দখলে নেমে পড়ে। এ অরাজকতাপূর্ণ সময় (৭ম-৮ম শতক) বাংলার ইতিহাসকে মাৎস্যন্যায় (বড় মাছ ছোট মাছ খেয়ে ফেলার রূপক অরাজকতা) বলা হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ম-৮ম শতক
‘মাৎস্যন্যায়’ বলতে বোঝায় প্রাচীন বাংলার এক দীর্ঘস্থায়ী রাজনৈতিক নৈরাজ্য ও অরাজকতার সময়কাল। এটি এমন একটি অবস্থা যেখানে বড় মাছ ছোট মাছকে গ্রাস করে—অর্থাৎ, শক্তিশালীরা দুর্বলদের শোষণ করে।
এই অরাজকতা সৃষ্টি হয় মূলত গৌড়ের রাজা শশাঙ্কের মৃত্যুর পর (আনুমানিক ৬৩৭-৬৪১ খ্রিস্টাব্দ)। শশাঙ্কের মৃত্যুর পর থেকে পাল রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতা গোপালের ক্ষমতা গ্রহণের আগ পর্যন্ত (আনুমানিক ৭৫০ খ্রিস্টাব্দ) এই নৈরাজ্য প্রায় একশো বছর ধরে চলেছিল।
তাই, সপ্তম শতকের মাঝামাঝি থেকে অষ্টম শতকের মাঝামাঝি সময়কালই (৬৫০ খ্রি. থেকে ৭৫০ খ্রি. পর্যন্ত) মাৎস্যন্যায় নামে পরিচিত। এই সময়কালকে নির্দেশ করে ৭ম-৮ম শতক
74

বাংলার কোন সুলতানের শাসনামলকে স্বর্ণযুগ বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ

  2. নাসিরুদ্দীন মাহমুদ শাহ
  3. আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
  4. গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ছিলেন বাংলার স্বাধীন সুলতানদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। এ সময় বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়। আলাউদ্দীন হোসেন শাহ তাঁর রাজধানী গৌড় হতে একডালাতে স্থানান্তর করেন। তাঁর শাসনকালে বঙ্গে জ্ঞান–বিজ্ঞান ও শিল্পকলার অভাবিত উন্নতি সাধিত হয়েছিল। এজন্য তার শাসনকালকে বঙ্গের মুসলমান শাসনের ইতিহাসে স্বর্ণযুগ বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলাউদ্দিন হোসেন শাহ
আলাউদ্দিন হোসেন শাহের (শাসনকাল: ১৪৯৪–১৫১৯ খ্রি.) শাসনামলকে বাংলার ইতিহাসে 'স্বর্ণযুগ' (Golden Age) বা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সময়কাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
কারণ, তাঁর সময়কালে রাজ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধি বিরাজ করত। তিনি হিন্দু-মুসলমান নির্বিশেষে সবাইকে উচ্চ পদে নিয়োগ দেন এবং বিশেষ করে বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতির পৃষ্ঠপোষকতা করেন।
তাঁর নির্দেশে ও পৃষ্ঠপোষকতায় মালাধর বসু (শ্রীকৃষ্ণবিজয়), বিজয় গুপ্ত (মনসামঙ্গল) এবং বিপ্রদাস পিপিলাই (মনসাবিজয়) এর মতো কবিরা কাব্য রচনা করেন, যা বাংলার রেনেসাঁসের জন্ম দেয়।
75

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নওয়াব আবদুল লতিফ
  2. স্যার সৈয়দ আহমেদ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. খাজা নাজিমুদ্দিন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় সক্রিয় ভূমিকা রেখেছিলেন নওয়াব সলিমুল্লাহ। শিক্ষাই মুসলমানদের মুক্তির একমাত্র পথ- এ বিবেচনায় গভর্নমেন্ট সর্বান্তকরনে ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার জন্য নওয়াব সলিমুল্লাহ ভারত সচিবের কাছে সুপারিশ করেন। তদনুসারে ১৯১২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি এক ইশতেহারে ভারত সরকার কর্তৃক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার সুপারিশ ঘোষণা করা হয়। ১৯২১ সালের জুলাই মাসে যথারীতি এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা আরম্ভ হয়। নওয়াব সলিমুল্লাহ তার স্বপ্নে দেখা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দেখে যেতে পারেননি। তার অবদানকে স্মরণীয় করার উদ্দেশ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার পর এর প্রথম নির্মিত হলের নামকরণ করা হয় ‘সলিমুল্লাহ মুসলিম হল’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হওয়ার পর পূর্ব বাংলার মুসলিম জনগোষ্ঠী চরমভাবে ক্ষুব্ধ হয়। এই ক্ষোভ প্রশমনের জন্য ব্রিটিশ সরকার ঢাকায় একটি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের প্রতিশ্রুতি দেয়।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (DU) প্রতিষ্ঠার জন্য স্থানীয় মুসলিম নেতাদের মধ্যে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ। তাঁর নেতৃত্বেই ১৯১২ সালের জানুয়ারি মাসে লর্ড হার্ডিঞ্জের কাছে এ বিষয়ে জোর দাবি জানানো হয়।
যদিও বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আগেই ১৯১৫ সালে নওয়াব সলিমুল্লাহ মারা যান, তবুও তাঁর প্রচেষ্টা এবং রাজনৈতিক চাপই এই প্রতিষ্ঠানকে বাস্তবের রূপ দিতে সাহায্য করেছিল। এজন্য তাঁকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোক্তা বা স্থপতি বলা হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ: নওয়াব আবদুল লতিফস্যার সৈয়দ আহমেদ ছিলেন ১৯ শতকের শিক্ষা সংস্কারক, যারা আলিগড় আন্দোলন বা মোহামেডান লিটারারি সোসাইটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
76

ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খাজা নাজিম উদ্দীন
  2. নুরুল আমিন
  3. লিয়াকত আলী খান
  4. মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভাষা আন্দোলনের সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিম উদ্দীন। ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি তিনি ঢাকায় এক জনসভায় ঘোষণা করেন, “উর্দুই হবে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খাজা নাজিম উদ্দীন
ভাষা আন্দোলনের মূল পর্ব, অর্থাৎ ২১শে ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ সালে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পুলিশের গুলিতে ছাত্ররা শহীদ হন, তখন খাজা নাজিম উদ্দীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
তিনি ১৯৫১ সালের ১৭ অক্টোবর পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খান নিহত হওয়ার পর এই পদে আসেন এবং ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।
উল্লেখযোগ্য যে, ১৯৫২ সালের ২৭ জানুয়ারি ঢাকায় পল্টনের জনসভায় তিনি প্রকাশ্যে ঘোষণা দেন— "উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা", যা ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মূল বিস্ফোরণের কারণ ছিল।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল কারণ: লিয়াকত আলী খান ১৯৫১ সালে নিহত হন। নুরুল আমিন ছিলেন ঐ সময় পূর্ব বাংলার (পূর্ব পাকিস্তান) মুখ্যমন্ত্রী, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী নন। মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ ছিলেন প্রথম গভর্নর জেনারেল এবং তিনি ১৯৪৮ সালেই মারা যান।
77

আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খাগড়াছড়ি জেলায়
  2. রাঙ্গামাটি জেলায়
  3. বান্দরবান জেলায়
  4. কক্সবাজার জেলায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আলুটিলা গুহা বাংলাদেশের পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ি-তে অবস্থিত একটি প্রাকৃতিক গুহা। গুহাটিকে আলুটিলা রহস্যময় গুহা (Alutila Mysterious Cave)-ও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খাগড়াছড়ি জেলায়
আলুটিলা প্রাকৃতিক গুহা (Alutila Natural Cave) বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত পর্যটন কেন্দ্র। এটি খাগড়াছড়ি জেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে মাটিরাঙ্গা উপজেলায় অবস্থিত।
পর্যটন কর্পোরেশনের তত্ত্বাবধানে থাকা এই গুহাটি স্থানীয়ভাবে মাতাই হাকড় বা দেবতার গুহা নামেও পরিচিত। গুহাটি প্রায় ১০০ মিটার দীর্ঘ এবং এর ভেতরে সব সময় শীতল ও অন্ধকার থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ রাঙ্গামাটিতে সাজেক ভ্যালিকাপ্তাই লেক, বান্দরবানে নীলগিরিবগালেক এবং কক্সবাজারে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্র সৈকত বিখ্যাত।
78

বাংলায় সেন বংশের (১০৭০-১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ) শেষ শাসনকর্তা কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেমন্ত সেন
  2. বল্লাল সেন
  3. লক্ষণ সেন
  4. কেশব সেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তার প্রথম পুত্র বিশ্বরূপ সেন (১২০৬ - ১২২৫) রাজা হন। বিশ্বরূপ সেনের পর রাজা হন লক্ষ্মণ সেনের দ্বিতীয় পুত্র কেশব সেন(১২২৫-১২৩০)। কেশব সেনই ছিলেন সেন বংশের শেষ শাসনকর্তা। যদিও বিশ্বরূপের শাসনামলেই কেশব সেন বিক্রমপুর শাসন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কেশব সেন
যদিও সেন বংশের সবচেয়ে বিখ্যাত এবং শেষ দিকের শাসক ছিলেন লক্ষ্মণ সেন, কিন্তু তাঁর সময়কালেই (১২২৪ খ্রিষ্টাব্দ) তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মোহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি নদীয়া জয় করে সেনদের কেন্দ্রীয় শাসনের অবসান ঘটান।
নদীয়া দখলের পর লক্ষ্মণ সেন পূর্ববঙ্গে (বিক্রমপুর) পালিয়ে যান এবং সেখান থেকে শাসনকার্য চালান। লক্ষ্মণ সেনের মৃত্যুর পর তাঁর পুত্র বিশ্ব রূপ সেন এবং পরবর্তীতে কেশব সেন সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য পূর্ববঙ্গের সীমিত অঞ্চলে শাসন করেন।
সাধারণত কেশব সেনকে (আনুমানিক ১২২৫/১২৩০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত) সেন বংশের শেষ স্বীকৃত শাসক হিসেবে ধরা হয়, যদিও তাদের ক্ষমতা ততদিনে প্রায় বিলীন হয়ে গিয়েছিল। অপশনগুলোতে কেশব সেনের নাম থাকায়, তাঁকেই শেষ শাসনকর্তা হিসেবে চিহ্নিত করতে হবে।
অপরদিকে, হেমন্ত সেন ছিলেন সেন বংশের প্রতিষ্ঠাতাদের মধ্যে অন্যতম (বিজয় সেনের পূর্বসূরী), বল্লাল সেন ছিলেন বংশের অন্যতম শক্তিশালী রাজা এবং লক্ষ্মণ সেন ছিলেন নদীয়ার পতনকালে ক্ষমতাচ্যুত রাজা।
79

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্তি
  3. গৌড়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুণ্ড্রই ছিল সবচেয়ে প্রাচীন বাংলার সমৃদ্ধ জনপদ। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০০ অব্দে লিখিত বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে পুণ্ড্র জাতির উল্লেখ আছে। ধারণা করা হয়, এ জাতিই পুণ্ড্র জনপদ গড়ে তুলেছিল। এ জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। সে সময়কার জনপদটি বর্তমানের বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। বৈয়াকরণিক পাণিনির গ্রন্থে সর্বপ্রথম গৌড় নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। হরিবোল ও তাম্রলিপ্ত খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকের কাছাকাছি গড়ে ওঠা জনপদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্র
প্রাচীন বাংলার সর্বাপেক্ষা প্রাচীন ও বৃহৎ জনপদের নাম ছিল পুণ্ড্র (Pundravardhana)।
এই জনপদটি উত্তরবঙ্গের বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা ও রংপুর নিয়ে গঠিত ছিল। এটিই ছিল প্রাচীন বাংলায় আর্য ও অনার্যদের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ মিলনকেন্দ্র।
এর রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে মহাস্থানগড় (বগুড়া) নামে পরিচিত। মহাস্থানগড়ে প্রাপ্ত শিলালিপি থেকে পুণ্ড্র জনপদের প্রাচীনত্ব প্রমাণিত হয়।
অন্যান্য জনপদ যেমন— তাম্রলিপ্তি (দক্ষিণ-পশ্চিমবঙ্গ) ছিল একটি গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রবন্দর, গৌড় (পশ্চিমবঙ্গ, মুর্শিদাবাদ) শক্তিশালী রাজনৈতিক সত্তা হিসেবে আবির্ভূত হয় শশাঙ্কের সময়ে এবং হরিকেল জনপদটি ছিল দক্ষিণ-পূর্ববঙ্গে (কুমিল্লা-চট্টগ্রাম)। এরা পুণ্ড্রের চেয়ে অপেক্ষাকৃত নবীন।
80

কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোজ গার্ডেনে
  2. সিরাজগঞ্জে
  3. সন্তোষে
  4. সুনামগঞ্জে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আওয়ামী লীগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে ১৯৫৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয় কাগমারী সম্মেলন। সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী। প্রধান অতিথি ছিলেন হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী। সম্মেলনের প্রধান এজেন্ডা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন ও বৈদেশিক নীতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সন্তোষে
ঐতিহাসিক কাগমারী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল টাঙ্গাইল জেলার সন্তোষে। এই সম্মেলনটি ছিল তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের (পরে আওয়ামী লীগ) দ্বিতীয় কাউন্সিল অধিবেশন।
এটি ১৯৫৭ সালের ৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হয়।
এই সম্মেলনে প্রধান আকর্ষণ ছিলেন তৎকালীন সভাপতি মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী। এই সম্মেলনেই তিনি প্রথম পশ্চিম পাকিস্তানি শাসকদের উদ্দেশে ঐতিহাসিক 'আসসালামু আলাইকুম' বা 'পশ্চিম পাকিস্তানকে বিদায়' স্লোগান দেন, যা পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার পথে প্রথম সুস্পষ্ট ইঙ্গিত ছিল।
81

মুক্তিযুদ্ধকালে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রোডে ‘বাংলাদেশ বাহিনী’ কখন গঠন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এপ্রিল ১০, ১৯৭১
  2. এপ্রিল ১১, ১৯৭১
  3. এপ্রিল ১২, ১৯৭১
  4. এপ্রিল ১৩, ১৯৭১

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৪ এপ্রিল বাংলাদেশ বাহিনী বেসরকারিভাবে গঠন হলেও এটি পুনর্গঠন করা হয় ১১ এপ্রিল ১৯৭১। ১২ এপ্রিল আনুষ্ঠানিক ভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এপ্রিল ১২, ১৯৭১
মহান মুক্তিযুদ্ধকে সমন্বিতভাবে পরিচালনা এবং সামরিক কার্যক্রমকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে কোলকাতার ৮, থিয়েটার রোড-এ ‘বাংলাদেশ বাহিনী’ বা সামরিক কমান্ড আনুষ্ঠানিকভাবে গঠন করা হয় ১২ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে।
এই দিনেই কর্নেল (পরবর্তীতে জেনারেল) এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি (Chief of Staff) হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
এপ্রিল ১০, ১৯৭১ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) আনুষ্ঠানিকভাবে জারি করা হয় এবং এপ্রিল ১১, ১৯৭১ তারিখে তাজউদ্দীন আহমদ জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।
82

কোন অনুচ্ছেদ বলে বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক বিধানাবলী পরিবর্তনযোগ্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ৭
  2. অনুচ্ছেদ ৭ (ক)
  3. অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
  4. অনুচ্ছেদ ৮

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধান এর অনুচ্ছেদ ৭(খ) অনুযায়ী সংবিধানের প্রস্তাবনা, প্রথম ও দ্বিতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ, নবম-ক ভাগের বিধানাবলি সাপেক্ষে তৃতীয় ভাগের সকল অনুচ্ছেদ এবং একাদশ ভাগের ১৫০ অনুচ্ছেদ বাতিল বা সংশোধন করা যাবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ৭ (খ)
বাংলাদেশের সংবিধানের মৌলিক কাঠামো বা বিধানাবলী যাতে ভবিষ্যতে কেউ পরিবর্তন করতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য সংবিধানের ৭ (খ) অনুচ্ছেদটি যুক্ত করা হয়।
এই অনুচ্ছেদে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়েছে যে, সংবিধানের প্রস্তাবনা (Preamble), প্রথম ভাগ (প্রজাতন্ত্র), দ্বিতীয় ভাগ (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি), তৃতীয় ভাগ (মৌলিক অধিকার) এবং অন্যান্য কতিপয় মৌলিক বিধান পরিবর্তনযোগ্য নয় (Non-amendable)।
উল্লেখ্য, এই অনুচ্ছেদটি ২০১১ সালের পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সংবিধানের স্থায়িত্ব এবং মৌলিক আদর্শকে সুরক্ষিত করে।
অন্যদিকে, অনুচ্ছেদ ৭ হলো সংবিধানের সার্বভৌমত্ব (Supremacy of the Constitution) সংক্রান্ত এবং অনুচ্ছেদ ৭ (ক) অবৈধভাবে রাষ্ট্রক্ষমতা দখল বা সংবিধান বাতিল/স্থগিত করার প্রচেষ্টাকে রাষ্ট্রদ্রোহিতা (Treason) হিসেবে গণ্য করে।
83

বাংলাদেশের সংবিধানের এয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয় কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বহুদলীয় ব্যবস্থা
  2. বাকশাল প্রতিষ্ঠা
  3. তত্ত্বাবধায়ক সরকার
  4. সংসদে মহিলা আসন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনীর মূল বিষয়বস্তু হল নিরপেক্ষ-নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তত্ত্বাবধায়ক সরকার
বাংলাদেশের সংবিধানের ত্রয়োদশ (১৩তম) সংশোধনী পাস হয় ২৬ মার্চ ১৯৯৬ সালে।
এই সংশোধনীর মূল উদ্দেশ্য ছিল জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরিচালনার জন্য 'নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার' ব্যবস্থা প্রবর্তন করা। এই ব্যবস্থায় প্রধান উপদেষ্টা ও ১০ জন উপদেষ্টা নিয়ে গঠিত একটি অস্থায়ী সরকার নির্বাচনকালীন সময়ে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিত।
বাকশাল প্রতিষ্ঠা হয়েছিল ৪র্থ সংশোধনীর (১৯৭৫) মাধ্যমে।
সংসদে মহিলা আসন সংক্রান্ত বিষয়গুলো বিভিন্ন সংশোধনীতে (যেমন ১৫তম ও ১৭তম) এসেছে, কিন্তু ত্রয়োদশ সংশোধনীতে নয়।
84

সংবিধানের চেতনার বিপরীতে সামরিক শাসনকে বৈধতা দিতে কোন তফসিলের অপব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪র্থ তফসিল
  2. ৫ম তফসিল
  3. ৬ষ্ঠ তফসিল
  4. ৭ম তফসিল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৪র্থ তফসিল ১৫০ (১) অনুচ্ছেদ ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি। এই তফসিলের ৩ (৩) ধারা অনুযায়ী এই সংবিধানের যে বিধান সংসদের উপর আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে, উপরি-উক্ত পদ্ধতিতে সংসদ প্রথমবার মিলিত না হওয়া পর্যন্ত সেই বিধান রাষ্ট্রপতিকে আদেশের দ্বারা আইন-প্রণয়নের ক্ষমতা ও দায়িত্ব অর্পণ করিয়াছে বলিয়া বিবেচিত হইবে এবং এই অনুচ্ছেদের অধীন প্রণীত কোন আদেশ এইরূপ সক্রিয় হইবে, যেন তাহার বিধানাবলি সংসদ কর্তৃক বিধিবদ্ধ হইয়াছে। এবং ১৭(২) অনুযায়ী এই সংবিধান-প্রবর্তনের পূর্বে প্রচলিত অস্থায়ী সাংবিধানিক ব্যবস্থা হইতে এই সংবিধানের বিধানাবলীতে উত্তরণের জন্য উদ্ভূত যেকোনো অসুবিধা দূরীকরণের উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা নির্দেশ দান করিতে পারিবেন যে, অনুরূপ আদেশে নির্ধারিত মেয়াদের জন্য তাঁহার বিবেচনায় যেরূপ আবশ্যক বা সমীচীন হইবে, সেইরূপ পরিবর্তন, সংযোজন বা পরিবর্জনের মাধ্যমে গৃহীত উপযোগীকরণ- সাপেক্ষে এই সংবিধান কার্যকর হইবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪র্থ তফসিল
বাংলাদেশের সংবিধানের ৪র্থ তফসিল (Fourth Schedule) এর বিষয়বস্তু হলো— ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলি (Transitional and Temporary Provisions)
১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের পর থেকে শুরু করে পরবর্তী সামরিক শাসকরা (যেমন জিয়াউর রহমান ও হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ) সংবিধান স্থগিত করে ক্ষমতা দখল করেন। ক্ষমতা দখলের পর তাদের জারিকৃত সামরিক ফরমান (Martial Law Orders) এবং অন্যান্য অবৈধ কাজকে সাংবিধানিক বৈধতা দিতে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ বা অনুরূপ বিধানসমূহ এই ৪র্থ তফসিলে যুক্ত করা বা এর অপব্যবহার করা হয়।
যদিও বিভিন্ন সংশোধনী (যেমন ৫ম ও ৭ম সংশোধনী) এর মাধ্যমে মূল সংবিধানের ধারা সংশোধন করা হয়েছিল, কিন্তু এই সামরিক শাসনকে বৈধতা দেওয়ার মূল হাতিয়ার হিসেবে প্রায়শই এই অস্থায়ী বিধানের তফসিলটির অপব্যবহার করা হয়, যা সংবিধানের চেতনার সম্পূর্ণ পরিপন্থী ছিল।
উল্লেখ্য, ৫ম তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (১০ এপ্রিল ১৯৭১); ৬ষ্ঠ তফসিল: স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চ ১৯৭১); ৭ম তফসিল: রাষ্ট্রপতির শপথ। এই তফসিলগুলো সামরিক শাসনের বৈধতা প্রদানের জন্য ব্যবহৃত হয়নি।
85

কোন উপজাতিটির আবাসস্থল ‘বিরিশি’ নেত্রকোনায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাঁওতাল
  2. গারো
  3. খাসিয়া
  4. মুরং

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গারো উপজাতিদের আবাসস্থল মূলত ময়মনসিংহ, শেরপুর, নেত্রকোণা, টাঙ্গাইল, জামালপুর, সুনামগঞ্জ ও সিলেট।বিরিশিরি নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী একটি গ্রাম। প্রদত্ত প্রশ্নে ‘বিরিশি’ ভুল বানানটি দেওয়া হয়েছে। এর সঠিক বানান ‘বিরিশিরি’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গারো। নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিরিশিরি এলাকাটি মূলত গারো উপজাতির প্রধান আবাসস্থল এবং অন্যতম বৃহৎ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র।
গারো উপজাতিরা বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের (নেত্রকোনা, শেরপুর, ময়মনসিংহ সদর, টাঙ্গাইল ও গাজীপুর) পাহাড় ও সমতল ভূমিতে বসবাস করে।
অন্যান্য উপজাতিদের আবাসস্থল:
সাঁওতাল: প্রধানত রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল (উত্তরবঙ্গ)।
খাসিয়া: প্রধানত সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চল।
মুরং (ম্রো): পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান জেলায় এদের বসবাস।
86

বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IDA credit- এর মাধ্যমে
  2. IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে
  3. প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে
  4. বিশ্বব্যাংকের bughetary support- এর মাধ্যমে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল বা আইএমএফ এর প্রধান কাজ হচ্ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রামানের হ্রাস-বৃদ্ধি করে বাণিজ্যে ভারসাম্য রক্ষা করে। এছাড়া আন্তর্জাতিক আর্থিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য প্রচার করা, সদস্য দেশগুলোর আর্থিক ও আর্থিক নীতিসমূহের সমন্বয় সাধন করা। তাদেরকে ঋণ প্রদানের ভারসাম্য নিষ্পিত্তির জন্য exchange সরবরাহ করা এবং বিনিময় হার প্রদান করা। IMF এর bailout package- এর মাধ্যমে বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রবাসীদের পাঠানো remittance- এর মাধ্যমে
বাংলাদেশ সাধারণত আমদানি বেশি ও রপ্তানি কম করার কারণে প্রতি বছর বাণিজ্য ঘাটতির সম্মুখীন হয়। অর্থাৎ, শুধুমাত্র পণ্য কেনাবেচার হিসাবে (Trade Balance) ঘাটতি থাকে।
এই বাণিজ্য ঘাটতি বা সামগ্রিক চলতি হিসাবের ঘাটতি (Current Account Deficit) পূরণ করার প্রধান ও স্থিতিশীল উৎস হলো প্রবাসী আয় (Remittance)। প্রবাসীরা যে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে পাঠান, তা সরাসরি দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে জমা হয় এবং বাণিজ্য ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
IMF এর বেইলআউট প্যাকেজ বা বিশ্বব্যাংকের সহায়তা হলো জরুরি ঋণ বা আর্থিক সহায়তা, যা দেশের অর্থনৈতিক সংকট (যেমন বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমে গেলে) মোকাবিলায় ব্যবহৃত হয়। এগুলো বাণিজ্য ভারসাম্য রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদী ভিত্তি নয়, বরং সংকটের সাময়িক সমাধান। তাই দেশের অর্থনীতি সচল রাখার মূল চাবিকাঠি হলো রেমিট্যান্স
87

অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা কাকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক
  2. শশাঙ্ক
  3. মেগদা
  4. ধর্মপাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম রাজা অশোক তৃতীয় মৌর্য সম্রাট ছিলেন, যিনি পিতা বিন্দুসারের পর সিংহাসন লাভ করেন এবং ভারতবর্ষের ইতিহাসে অন্যতম শ্রেষ্ঠ এই সম্রাট দাক্ষিণাত্যের কিছু অংশ ব্যতীত ভারতবর্ষের অধিকাংশ অঞ্চল শাসন করেন। তাঁকে একজন সর্বভারতীয় সম্রাট বলা যায়। তিনি শুধু বর্তমান ভারত ও পার্শ্ববর্তী দেশগুলো শাসনই করেননি বরং এসব অঞ্চলের সংস্কৃতিতে গভীর প্রভাব ফেলতে সক্ষম হয়েছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শশাঙ্ক। যদিও অশোকের (Mauryan) অধীনে বাংলা শাসিত হয়েছিল, কিন্তু তিনি ছিলেন সাম্রাজ্যের অংশ। কিন্তু প্রশ্নে চাওয়া হয়েছে 'সর্বপ্রথম রাজা' (Independent King)।
শশাঙ্ক ছিলেন গুপ্ত যুগের পরবর্তীকালে অবিভক্ত বাংলার সর্বপ্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। তিনি সপ্তম শতকের শুরুতে (খ্রিষ্টাব্দ ৬০০-৬৩৭) বঙ্গ ও মগধ অঞ্চলের বড় অংশ নিয়ে গৌড় রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন এবং স্বাধীনভাবে শাসন করেন।
এর আগে বাংলা মৌর্য (অশোক) এবং গুপ্ত সাম্রাজ্যের প্রদেশ হিসেবে শাসিত হতো। তাই শশাঙ্ককে স্বাধীন বাংলার প্রথম প্রতিষ্ঠাতা বলা হয়।
অন্যদিকে, ধর্মপাল ছিলেন পাল বংশের দ্বিতীয় শক্তিশালী শাসক, যিনি শশাঙ্কের অনেক পরে অষ্টম শতকে আবির্ভূত হন।
88

বঙ্গভঙ্গ রদ কে ঘোষণা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড কার্জন
  2. রাজা পঞ্চম জর্জ
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়াভেল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ হয়। বঙ্গভঙ্গ রদের সময় ব্রিটেনের রাজা ছিলেন ৫ম জর্জ এবং ভাইসরয় ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ। তিনি ১৯১২ সালে রাজধানী দিল্লীতে হস্তান্তর করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাজা পঞ্চম জর্জ
বঙ্গভঙ্গ (Partition of Bengal) কার্যকর হয়েছিল ১৯০৫ সালে। তীব্র আন্দোলন ও চাপের মুখে ব্রিটিশ সরকার এটি রদ করতে বাধ্য হয়।
বঙ্গভঙ্গ রদ (Annulment) ঘোষণা করা হয় ১৯১১ সালের ১২ই ডিসেম্বর। ভারতের তৎকালীন সম্রাট রাজা পঞ্চম জর্জ (King George V) দিল্লিতে আয়োজিত দিল্লি দরবার (Delhi Durbar) থেকে এই ঐতিহাসিক ঘোষণাটি প্রদান করেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
লর্ড কার্জন: ইনি ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করেন, রদ করেননি।
লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন: ইনি ১৯৪৭ সালে ভারত বিভাজনের সাথে যুক্ত ছিলেন, বঙ্গভঙ্গ রদের সাথে নন।
89

ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রিটিশ আমলে
  2. সুলতানি আমলে
  3. মুঘল আমলে
  4. স্বাধীন নবাবী আমলে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুলতানি আমলে বাংলার রাজধানী ছিলো সোনারগাঁও। মুঘল আমলের মধ্যেভাগে ঢাকা শহরের গোড়াপত্তন শুরু হয়। ১৫৭৬ সালে সম্রাট আকবর বাংলা জয় করে এর নাম দেন সুবা বাংলা। এই সময় বাংলায় বারো ভূঁইয়াদের আগমন ঘটে। সম্রাট জাহাঙ্গীরের সেনাপতি সুবেদার ইসলাম খান চিশতি চূড়ান্ত ভাবে বারো ভূঁইয়াদের দমন করে ১৬১০ সালে ঢাকাকে বাংলার রাজধানী ঘোষণা করেন এবং এর নাম দেন জাহাঙ্গীরনগর। এর পরে ১৬৬০ সালে মীর জুমলা পুনরায় বাংলার রাজধানী করে ঢাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুঘল আমলে
বর্তমানে আমরা ঢাকা শহরকে যে রূপে চিনি, তার গোড়াপত্তন এবং প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয় মুঘল আমলে
মুঘল সুবেদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে এর নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর
যদিও সুলতানি আমল থেকেই ঢাকার অস্তিত্ব ছিল, তবে তা ছিল একটি প্রাদেশিক শহর। মুঘলদের হাতেই ঢাকা প্রথম প্রাদেশিক রাজধানী এবং প্রধান কেন্দ্র হিসেবে মর্যাদা লাভ করে।
90

স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে কোন বাংলাদেশী ইউটিউব (Youtube) প্রতিষ্ঠা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাবেদ করিম
  2. ফজলুল করিম
  3. জাওয়াদুল করিম
  4. মঞ্জুরুল করিম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্টিভ চেন ও চাড হারলির সাথে যৌথভাবে ইউটিউব (Youtube) প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত জাবেদ করিম। তার জন্ম তৎকালীন পূর্ব জার্মানিতে। ইংরেজিতে তার নামের বানান ‘Jawed Karim’, অর্থাৎ জাবেদ করিম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাবেদ করিম
বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত আমেরিকান ইন্টারনেট উদ্যোক্তা জাবেদ করিম (Jawed Karim), আমেরিকান ডিজাইনার চাড হারলি (Chad Hurley) এবং সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার স্টিভ চেন (Steve Chen) - এই তিনজন যৌথভাবে ২০০৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি (বা ১৫ ফেব্রুয়ারি) ভিডিও শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব (YouTube) প্রতিষ্ঠা করেন।
জাবেদ করিমের বাবা-মা উভয়ের জন্মস্থান বাংলাদেশে হওয়ায় তাকে প্রায়শই বাংলাদেশী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি ইউটিউবের তিনজন মূল সহ-প্রতিষ্ঠাতার অন্যতম।
অন্যান্য বিকল্প (ফজলুল করিম, জাওয়াদুল করিম, মঞ্জুরুল করিম) এই তিনজন ইউটিউব প্রতিষ্ঠার সাথে সরাসরি জড়িত নন, তাই উত্তরগুলো ভুল।
91

পাকিস্তান কবে বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফেব্রুয়ারি ২০, ১৯৭৪
  2. ফ্রেব্রুয়ারি ২১, ১৯৭৪
  3. ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
  4. ফেব্রুয়ারি ২৩, ১৯৭৪

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালে কমনওয়েলথ অব নেশনস-এর সদস্যপদ গ্রহণ করে। একারণে (বাংলাদেশের স্বীকৃতি বিষয়ে) ১৯৭২ সালের ৩০ জানুয়ারী পাকিস্তান কমনওয়েলথের সদস্যপদ ত্যাগ করে। পরে অবশ্য, ১৯৭৫ সালে পাকিস্তান পুনরায় সদস্যপদ গ্রহণ করে। পাকিস্তান ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ফেব্রুয়ারি ২২, ১৯৭৪
মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ তিন বছর পর, ১৯৭৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বাংলাদেশকে একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
এই স্বীকৃতির প্রেক্ষাপট ছিল ১৯৭৪ সালের ২৩ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত দ্বিতীয় ওআইসি (OIC - Organisation of Islamic Cooperation) সম্মেলন।
ওআইসি সম্মেলনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর অংশগ্রহণের সুবিধার্থে এবং আন্তর্জাতিক চাপের মুখে সম্মেলনের ঠিক আগের দিন পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
এই সময় পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন জুলফিকার আলী ভুট্টো
92

কে বীরশ্রেষ্ঠ নন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুর রহমান
  2. মোস্তফা কামাল
  3. মুন্সী আব্দুর রহিম
  4. নূর মোহাম্মদ শেখ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধের সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের নাম নিম্নরূপ- (ক) ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর, (খ) সিপাহী হামিদুর রহমান, (গ) সিপাহী মোস্তফা কামাল, (ঘ) স্কোয়াড্রন ইঞ্জিনিয়ার রুহুল আমিন, (ঙ) ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান, (চ) ল্যান্স নায়েক মুন্সী আব্দুর রউফ, (ছ) ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মুন্সী আব্দুর রহিম
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার মোট ৭ জনকে সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ প্রদান করে।
অপশনে উল্লিখিত হামিদুর রহমান, মোস্তফা কামাল এবং নূর মোহাম্মদ শেখ—এই তিনজনই হলেন বীরশ্রেষ্ঠ।
আসলে, বীরশ্রেষ্ঠ খেতাবপ্রাপ্ত শহীদ সৈনিকের নাম হলো মুন্সী আব্দুর রউফ। অপশনে 'রহিম' উল্লেখ থাকায়, মুন্সী আব্দুর রহিম বীরশ্রেষ্ঠ নন। এই নামটি বিভ্রান্ত করার জন্যই প্রায়শই ব্যবহার করা হয়।
93

বাংলাদেশে প্রথম সাধারণ নির্বাচন কখন অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ ১৯৭৩
  2. ১৭ মার্চ ১৯৭৩
  3. ২৭ মার্চ ১৯৭৩
  4. ৭ মার্চ ১৯৭৪

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩ সালে। ৩০৮টি আসন পেয়ে আওয়ামীলীগ নির্বাচিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ ১৯৭৩
এটি ছিল স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন (জাতীয় সংসদ নির্বাচন)। এই নির্বাচনের মাধ্যমে প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয়।
এই নির্বাচনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে। মোট ৩১৫টি (৩০০টি নির্বাচিত ও ১৫টি সংরক্ষিত মহিলা) আসনের মধ্যে আওয়ামী লীগ ৩০৭টি আসন জয়লাভ করে।
অন্যান্য তারিখগুলো (যেমন, ১৭ মার্চ ১৯৭৩ বা ৭ মার্চ ১৯৭৪) বাংলাদেশের প্রথম নির্বাচনের তারিখ নয়, তাই সেগুলো ভুল উত্তর।
94

প্রান্তিক হ্রদ কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি
  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের অন্তর্গত বান্দরবান জেলায় অবস্থিত। বান্দরবান থেকে কেরাণীহাট যাবার পথে হলুদিয়া নামক স্থানে এর অবস্থান। কেরাণীহাট থেকে ২০ মিনিট গাড়ি চালালে এ হ্রদে পৌঁছানো সম্ভব। জেলা সদর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৪ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বান্দরবান
প্রান্তিক হ্রদ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র। এটি বান্দরবান জেলার লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী এলাকায় অবস্থিত।
এটি মূলত একটি কৃত্রিম হ্রদ (Man-made Lake) যা পর্যটকদের আকর্ষণীয় স্থান হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে।
বান্দরবানে এই হ্রদ ছাড়াও নীলগিরি, স্বর্ণ মন্দিরবগা হ্রদ-এর মতো স্থানগুলো পরীক্ষা বারবার আসে।
95

লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু কবে যোগদান করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০-২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  2. ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  3. ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
  4. ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে পাকিস্তানের লাহোরে ১৯৭৪-এর ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ওআইসির দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলনে সদস্য হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগ দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৭৪
OIC (Organization of Islamic Cooperation)-এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি
এই সম্মেলনে যোগদানের অন্যতম পূর্বশর্ত ছিল পাকিস্তানের দ্বারা বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া। পাকিস্তান ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
স্বীকৃতি লাভের পরদিন, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ তারিখে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান OIC সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে যোগদান করেন। তিনি মূলত সম্মেলনের শেষ দুই দিনে (২৩ ও ২৪ ফেব্রুয়ারি) অংশ নেন।
96

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম সংসদ নেতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
  2. মোহাম্মদউল্লাহ
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সংসদ নেতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে শাসক দলের নেতা, যিনি জাতীয় সংসদে সরকারের কার্যক্রম নির্ধারন ও পরিচালনার জন্য দায়ী থাকেন। বর্তমানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সংসদ নেতার কার্যালয় অবস্থিত। সংসদ নেতা ও সংসদ উপনেতা সংসদ সদস্যদের সংখ্যাগরিষ্ঠ সমর্থনের ভিত্তিতে নির্বাচিত হন। বাংলাদেশের প্রথম সংসদ নেতা ছিলেন শেখ মুজিবুর রহমান এবং বর্তমান সংসদ নেতা হলেন শেখ হাসিনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান
সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায়, সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতা বা প্রধানমন্ত্রীই জাতীয় সংসদের নেতা (Leader of the House) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
স্বাধীনতার পর ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সংসদের সংসদ নেতা হন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: মোহাম্মদউল্লাহ ছিলেন প্রথম সংসদের উপ-স্পিকার, পরবর্তীতে স্পিকার এবং পরে রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী।
97

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের আলোকে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতি পরিচালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ২২
  2. অনুচ্ছেদ ২৪
  3. অনুচ্ছেদ ২৩
  4. অনুচ্ছেদ ২৫

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ২৫নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও সমতার প্রতি শ্রদ্ধা, অন্যান্য রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা, আন্তর্জাতিক বিরোধের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং আন্তর্জাতিক আইনের ও জাতিসংঘের সনদে বর্ণিত নীতিসমূহের প্রতি শ্রদ্ধা-এই সকল নীতি হইবে রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ভিত্তি এবং এই সকল নীতির ভিত্তিতে রাষ্ট্র (ক) আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তিপ্রয়োগ পরিহার এবং সাধারণ ও সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণের জন্য চেষ্টা করিবেন; (খ) প্রত্যেক জাতির স্বাধীন অভিপ্রায় অনুযায়ী পথ ও পন্থার মাধ্যমে অবাধে নিজস্ব সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক ব্যবস্থা নির্ধারণ ও গঠনের অধিকার সমর্থন করিবেন; এবং (গ) সাম্রাজ্যবাদ, ঔপনিবেশিকতাবাদ বা বর্ণবৈষম্যবাদের বিরুদ্ধে বিশ্বের সর্বত্র নিপীড়িত জনগণের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করিবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অনুচ্ছেদ ২৫। এই অনুচ্ছেদটিই বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
অনুচ্ছেদ ২৫-এর শিরোনাম হলো: 'আন্তর্জাতিক শান্তি, নিরাপত্তা ও সংহতির উন্নয়ন'। এই অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে রাষ্ট্র আন্তর্জাতিক আইন ও চুক্তির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করবে এবং জাতিসমূহের মধ্যে ন্যায় ও সম্মানের ভিত্তিতে সম্পর্ক স্থাপন করবে।
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতির মূলমন্ত্র ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সাথে শত্রুতা নয়’ (Friendship to all, malice towards none) এই অনুচ্ছেদ থেকেই গৃহীত।
এটি সংবিধানের দ্বিতীয় ভাগ (রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি) এর অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলো ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে, তাই সেগুলো ভুল উত্তর। যেমন— অনুচ্ছেদ ২২: বিচার বিভাগকে নির্বাহী বিভাগ থেকে পৃথকীকরণ এবং অনুচ্ছেদ ২৪: জাতীয় স্মৃতিস্তম্ভ ও নিদর্শন সংরক্ষণ।
98

বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে কোনটি অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দক্ষিণ তালপট্টি
  2. সেন্টমার্টিন
  3. নিঝুমদ্বীপ
  4. ভোলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে অবস্থিত একটি ছোট প্রবাল দ্বীপ (মাত্র ৮ বর্গকিলোমিটার)। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ হতে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে ও মায়ানমার-এর উপকূল হতে ৮ কিলোমিটার পশ্চিমে নাফ নদীর মোহনায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন দ্বীপ
সেন্টমার্টিন দ্বীপ হলো বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড এবং দ্বীপগুলোর মধ্যে সর্বদক্ষিণ বিন্দু। এটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে ৯ কিমি দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরের বুকে অবস্থিত।
সেন্টমার্টিন দ্বীপ বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ। এর আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিলোমিটার এবং স্থানীয়দের কাছে এটি নারিকেল জিঞ্জিরা নামেও পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো দক্ষিণে অবস্থিত হলেও সেন্টমার্টিন অপেক্ষা উত্তরে অবস্থিত। যেমন: নিঝুমদ্বীপভোলা মেঘনা নদীর মোহনায় অবস্থিত এবং দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি (যা হারিয়েনভাঙ্গা নদীর মোহনায় ছিল) বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে পানিতে বিলীন হয়ে গিয়েছে।
99

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের রাজ্য কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী ভারতের ৫টি রাজ্য রয়েছে। যথা- আসাম, মেঘালয়, ত্রিপুরা, মিজোরাম ও পশ্চিমবঙ্গ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৫টি। ভারতের মোট ৫টি রাজ্য বাংলাদেশের সঙ্গে সীমান্ত ভাগ করে নিয়েছে।
এই রাজ্যগুলো হলো: ১. পশ্চিমবঙ্গ, ২. আসাম, ৩. মেঘালয়, ৪. ত্রিপুরা, এবং ৫. মিজোরাম
এই ৫টি রাজ্যের মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ এর সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত সবচেয়ে দীর্ঘ (প্রায় ২২১৬ কিলোমিটার) এবং এটি প্রায় ৯২টি সীমান্ত জেলার সঙ্গে যুক্ত।
100

কোন বীরশ্রেষ্ঠের দেহাবশেষ বাংলাদেশে এনে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিপাহী মোস্তফা কামাল
  2. ল্যান্স নায়েক মুন্সি আবদুর রউফ
  3. ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ
  4. সিপাহী হামিদুর রহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমসার হাতিমেরছড়া গ্রামে সমাধি ছিল। ১০ ডিসেম্বর, ২০০৭ সালে তাঁর দেহাবশেষ ত্রিপুরা হতে বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং পরদিন ১১ই ডিসেম্বর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানকে ঢাকার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সিপাহী হামিদুর রহমান
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্বের জন্য খেতাবপ্রাপ্ত সাতজন বীরশ্রেষ্ঠের মধ্যে সিপাহী হামিদুর রহমান ১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের আমবাসা এলাকার একটি স্থানে শহীদ হন এবং সেখানেই সমাহিত হন।
দীর্ঘ ৩৬ বছর পর, ২০০৭ সালের ১০ ডিসেম্বর তাঁর দেহাবশেষ বাংলাদেশে আনা হয় এবং ২০০৭ সালের ১১ ডিসেম্বর ঢাকার মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে পূর্ণ সামরিক মর্যাদায় পুনরায় সমাহিত করা হয়।
তাঁর কবরটি এই কবরস্থানে পূর্ব থেকেই সমাহিত আরেক বীরশ্রেষ্ঠ ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমানের কবরের পাশেই অবস্থিত।
101

আন্তর্জাতিক বিচার আদালত রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে কয়টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের কথা বলেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ২টি
  3. ৫টি
  4. ৪টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২৩ জানুয়ারি ২০২০ সালে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত চারটি অন্তর্বর্তীকালীন আদেশ প্রদান করে। • রাখাইনে বসবাসরত সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা মুসলিম ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের সুরক্ষা দেবার জন্য মিয়ানমার সরকারকে কার্যকরী ব্যবস্থা নিতে হবে। • মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর লাগাম টেনে ধরতে হবে। আদালত বলেছে, সেনাবাহিনী কিংবা অন্য যে কোন ধরণের নিরাপত্তা বাহিনী যাতে গণহত্যা না চালায় কিংবা উস্কানি না দেয় সেজন্য সব ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। • রোহিঙ্গা গণহত্যা সংক্রান্ত যেসব অভিযোগ এসেছে, সে সংক্রান্ত তথ্য-প্রমাণ সংরক্ষণ করতে হবে। • রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা দেবার জন্য মিয়ানমার কী ধরণের ব্যবস্থা নিয়েছে সে সংক্রান্ত প্রতিবেদন আগামী চারমাসের মধ্যে আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের কাছে জমা দিতে হবে। এরপর প্রতি ছয়মাসে একটি করে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। এসব প্রতিবেদন গাম্বিয়ার কাছে তুলে ধরা হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪টি
২০২০ সালের ২৩ জানুয়ারি আন্তর্জাতিক বিচার আদালত (ICJ) রোহিঙ্গা গণহত্যা বিষয়ক অন্তর্বর্তীকালীন রায়ে মিয়ানমারকে অবিলম্বে ৪টি নির্দিষ্ট ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়।
এই ৪টি ব্যবস্থা ছিল: ১. গণহত্যা ঠেকানোর জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া, ২. সামরিক বাহিনীসহ কোনো পক্ষ যেন গণহত্যার মতো অপরাধ না করে, তা নিশ্চিত করা, ৩. গণহত্যার প্রমাণ নষ্ট না করে সংরক্ষণ করা এবং ৪. আদেশ পালনের বিষয়ে চার মাস পর একটি রিপোর্ট ICJ-তে জমা দেওয়া।
উল্লেখ্য, এই রায়ের মাধ্যমে ICJ নিশ্চিত করে যে গাম্বিয়া কর্তৃক দাখিলকৃত মামলাটি আদালতে বিচারযোগ্য এবং মিয়ানমারকে অবশ্যই জেনোসাইড কনভেনশনের বাধ্যবাধকতা মেনে চলতে হবে।
102

কোন দুটি দেশের মধ্যে সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যামেরুন এবং ইথিওপিয়া

  2. পেরু এবং ভেনেজুয়েলা
  3. ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
  4. মালি ও সেনেগাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০১৯ সালে ইথিওপিয়া প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলি শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। তিনি ইথিওপিয়া ও ইরিত্রিয়ার দীর্ঘ দিনের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই সম্মাননা লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া
২০১৯ সালে নোবেল শান্তি পুরস্কার দেওয়া হয় ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ আলীকে (Abiy Ahmed Ali)
তিনি প্রতিবেশী দেশ ইরিত্রিয়ার সাথে দীর্ঘদিনের সীমান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য এই পুরস্কার পান।
১৯৯৮ সাল থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে আবি আহমেদ আলীর উদ্যোগে এই দুটি দেশ শান্তির চুক্তিতে পৌঁছায় এবং সীমান্তে স্বাভাবিক সম্পর্ক স্থাপন করে। এই শান্তি স্থাপন প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে সম্মানিত করা হয়।
103

ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরিত হয় কত সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯১২ সালে
  2. ১৯১৩ সালে
  3. ১৯১৪ সালে

  4. ১৯১৫ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯০৫ সালে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিকে ভেঙ্গে দুই ভাগ করার ফলে বঙ্গভঙ্গ আন্দোলন শুরু হয়। ব্যাপক আন্দোলনের ফলে ১৯১১ সালে ইংল্যান্ডের রাজা পঞ্চম জর্জ বঙ্গভঙ্গ রদ করেন এবং ১৯১২ সালে রাজধানী কলকতা থেকে দিল্লিতে স্থানান্তরিত করেন। (ঘোষণা দেওয়া হয় ১৯১১ সালের ডিসেম্বরে)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯১২ সালে
ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী কলকাতা থেকে দিল্লীতে স্থানান্তরের ঘোষণা দেওয়া হয় ১৯১১ সালের ১২ই ডিসেম্বর, ৩য় দিল্লী দরবার অনুষ্ঠানে।
এই ঘোষণা দেন তৎকালীন ব্রিটিশ সম্রাট পঞ্চম জর্জ (King George V)
তবে কার্যকরভাবে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে রাজধানী হিসেবে দিল্লীর যাত্রা শুরু হয় ১৯১২ সালের ১লা এপ্রিল। প্রশ্নটিতে স্থানান্তরিত হয় বলতে কার্যকর হওয়ার সময়কে বোঝানো হয়েছে।
104

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল কোন সালে গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৪ সালে
  2. ১৯৪৫ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৪৯ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৪৪ সালের ২২ জুলাই ব্রিটনউডস কনফারেন্সের মাধ্যেমে বিশ্ব ব্যাংক এবং IMF প্রতিষ্ঠা করার কথা আনুষ্ঠানিক ভাবে বলা হয়। যার ফলে ২৭ ডিসেম্বর ১৯৪৫ সালে IMF গঠিত হয়।এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৯০। (IMF ওয়েবসাইট অনুযায়ী)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৪ সালে
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (International Monetary Fund - IMF) গঠিত হয় **জুলাই, ১৯৪৪ সালে**। এটি যুক্তরাষ্ট্রের **নিউ হ্যাম্পশায়ারে** অনুষ্ঠিত বিখ্যাত **ব্রেটন উডস কনফারেন্সে** গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়।
যেহেতু প্রশ্নটি সংস্থাটির 'গঠন' (Formation) নিয়ে, তাই ব্রেটন উডস চুক্তির বছর **১৯৪৪** হবে সঠিক উত্তর। তবে উল্লেখ্য, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে **১ মার্চ, ১৯৪৭** সালে।
অন্যদিকে, ১৯৪৫ সালে পর্যাপ্ত সংখ্যক দেশ চুক্তিটি অনুমোদন করে, কিন্তু ভিত্তি স্থাপন হয়েছিল **১৯৪৪** সালে।
105

জাতিসংঘের কোন সংস্থাটি করোনা ভাইরাসকে ‘Pandemic’ ঘোষণা করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ECOSOC
  2. FAO
  3. WHO
  4. HRC

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৩১ ডিসেম্বর ২০১৯ চীনের হুবেই প্রদেশের উহান শহর থেকে কোভিড-১৯ রোগ ছড়িয়ে পড়ে। ১১ মার্চ ২০২০ WHO কোভিড-১৯ কে Pandemic ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো WHO (World Health Organization) বা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। এটি জাতিসংঘের বিশেষায়িত অঙ্গসংস্থা, যা বিশ্বব্যাপী জনস্বাস্থ্য ও রোগ নিয়ন্ত্রণের দায়িত্ব পালন করে।
২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনে প্রথম শনাক্ত হওয়া COVID-19 রোগটি যখন দ্রুত বিশ্বের প্রায় সব দেশে ছড়িয়ে পড়ে, তখন WHO পরিস্থিতি বিবেচনা করে ২০২০ সালের ১১ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে এটিকে ‘Pandemic’ (বিশ্বব্যাপী মহামারি) হিসেবে ঘোষণা করে।
অন্যান্য সংস্থাগুলোর কাজ ভিন্ন:
ECOSOC (Economic and Social Council) অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয় নিয়ে কাজ করে।
FAO (Food and Agriculture Organization) খাদ্য ও কৃষি নিয়ে কাজ করে।
HRC (Human Rights Council) মানবাধিকার নিয়ে কাজ করে। এ কারণে এদের কারোরই মহামারি ঘোষণার এখতিয়ার নেই।
106

যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়নের জন্য ন্যূনতম কতজন ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়োজন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2500
  2. 1991
  3. 1950
  4. 1890

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন লাভের জন্য ন্যূনতম ১৯৯১ জন প্রতিনিধির সমর্থন প্রয়োজন। ২০২০ সালে জো বাইডেন ২৬৮৭ জন প্রতিনিধির সমর্থন লাভ করে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে মনোনীত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১৯৯১ জন
যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের মনোনয়ন নিশ্চিত করতে হলে প্রার্থীকে ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কনভেনশনে (DNC) মোট ডেলিগেট সংখ্যার সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোট পেতে হয়। এই সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজনীয় ন্যূনতম সংখ্যক ডেলিগেটকে বলা হয় মেজরিটি থ্রেশহোল্ড (Majority Threshold)
সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, ডেমোক্রেটিক দলের মোট ডেলিগেট সংখ্যা প্রায় ৪০০০ এর কাছাকাছি থাকে (যার মধ্যে প্লেজড ডেলিগেট ও সুপার ডেলিগেট উভয়ই অন্তর্ভুক্ত)। এই মোট ডেলিগেটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ন্যূনতম ১৯৯১ জন ডেলিগেটের সমর্থন প্রয়োজন।
এই সংখ্যক সমর্থন পেলেই প্রার্থীর মনোনয়ন নিশ্চিত হয় এবং তাকে দলের প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
107

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল কোন দেশ ভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংস্থা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুইডেন
  2. মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
  3. যুক্তরাজ্য
  4. জার্মানি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল জার্মানির বার্লিন ভিত্তিক দুর্নীতি বিরোধী বিশ্ব সংস্থা। এটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জার্মানি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International - TI) একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (NGO)।
এই সংস্থাটির সদর দপ্তর জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত। এটি মূলত বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি প্রতিরোধ ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে থাকে।
সংস্থাটি ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল এবং এর প্রধান কাজ হলো প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের দুর্নীতির ধারণা সূচক (Corruption Perception Index - CPI) প্রকাশ করা, যা নিয়োগ পরীক্ষাগুলোতে প্রায়শই আসে।
108

সামরিক ভাষায় ‘WMD’ অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Weapons of Mass Destruction
  2. Worldwide Mass Destruction
  3. Weapons of Missile Defence
  4. Weapons for Massive Destruction

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Weapons of Mass Destruction বা গণবিধ্বংসী অস্ত্র। ২০০৩ সালে WMD আছে এমন অভিযোগে ইঙ্গ-মার্কিন জোট ইরাকে আক্রমণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Weapons of Mass Destruction। সামরিক পরিভাষা এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা ইস্যুতে এই সংক্ষেপণটি (WMD) ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
এর বাংলা অর্থ হলো: গণবিধ্বংসী অস্ত্র
এই অস্ত্রগুলো এমনভাবে ডিজাইন করা হয় যা স্বল্প সময়ে অত্যন্ত বৃহৎ সংখ্যক মানুষ হত্যা করতে পারে এবং বিশাল এলাকা জুড়ে পরিবেশগত বা অবকাঠামোগত ক্ষতি সাধন করতে পারে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে এর বিস্তার রোধ একটি প্রধান উদ্বেগের বিষয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: Worldwide Mass Destruction, Weapons for Massive Destruction) প্রচলিত বা স্বীকৃত সামরিক/রাজনৈতিক পরিভাষা নয়।
109

২০২০ সালে প্রকাশিত ‘আইনের শাসন’ সূচকে শীর্ষস্থান অর্জনকারী দেশের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেনমার্ক
  2. নরওয়ে
  3. জার্মানি
  4. সিঙ্গাপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২২ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী শীর্ষ দেশ ডেনমার্ক এবং সর্বনিম্ন দেশ ভেনিজুয়েলা। ২০২২ সালে আইনের শাসনের সূচকে ১৪০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২৭ তম। সাতটি বিষয় বিবেচনায় নিয়ে আইনের শাসনের এই সূচক করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ডেনমার্ক
‘আইনের শাসন’ সূচক বা Rule of Law Index প্রকাশ করে থাকে World Justice Project (WJP) নামের সংস্থাটি।
২০২০ সালে প্রকাশিত সূচক অনুযায়ী, ডেনমার্ক (Denmark) বিশ্বের সেরা অবস্থানে ছিল।
দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে ছিল যথাক্রমে নরওয়েফিনল্যান্ড
এই সূচকটি সাধারণত বিচার ব্যবস্থা, দুর্নীতির অনুপস্থিতি এবং মৌলিক অধিকারের সুরক্ষার ভিত্তিতে তৈরি করা হয়।
110

ইনকা সভ্যতা কোন অঞ্চলে বিরাজমান ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দক্ষিণ আমেরিকা
  2. আফ্রিকা
  3. মধ্যপ্রাচ্য
  4. ইউরোপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দক্ষিণ আমেরিকার পেরুর আন্দিজ পর্বতমালায় ১৫ শতকে যে সভ্যতা গড়ে উঠেছিলো তা ইনকা সভ্যতা নামে পরিচিত। ইনকা শব্দের অর্থ ‘সূর্যের সন্তান’। এখানকার সম্রাটগণ তাদের বসবাসের জন্য মাচুপিচু তৈরি করেন। এটিকে সবচেয়ে আধুনিক সভ্যতা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এ সভ্যতার ব্যাপ্তিকাল ছিল প্রায় ১৪৩৮ থেকে ১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দক্ষিণ আমেরিকা
ইনকা সভ্যতা ছিল প্রাক-কলম্বিয়ান আমেরিকার সবচেয়ে বৃহত্তম সাম্রাজ্য, যা ১৫শ ও ১৬শ শতকে বিকাশ লাভ করে।
এই সভ্যতা মূলত দক্ষিণ আমেরিকার পশ্চিমাংশে অবস্থিত আন্দিজ পর্বতমালার উচ্চভূমিতে (বর্তমান পেরু, ইকুয়েডর, বলিভিয়া এবং চিলি ও আর্জেন্টিনার কিছু অংশ) বিরাজমান ছিল।
ইনকা সাম্রাজ্যের রাজধানী ছিল কুসকো (Cusco), যা বর্তমানে পেরুর একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।
অন্যান্য অঞ্চল, যেমন আফ্রিকা (মিশরীয়, মালি), মধ্যপ্রাচ্য (মেসোপটেমীয়) বা ইউরোপ (গ্রিক, রোমান), ভিন্ন প্রাচীন সভ্যতার জন্য বিখ্যাত।
111

নিচের কোন দেশটিতে রাশিয়ার সামরিক ঘাঁটির সুবিধা বিদ্যমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কিউবা
  2. ভিয়েতনাম
  3. উজবেকিস্তান
  4. সোমালিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৯ সালে ভিয়েতনামে সোভিয়েত ইউনিয়ন Cam Ranh Air Base & Naval Base স্থাপন করে। রাশিয়া ২০১৩ সালে নৌঘাটি এবং ২০১৪ সালে বিমান ঘাটির কার্যক্রম স্থগিত ঘোষণা করলেও সেখানে লজেস্টিক সাপ্লাই এর কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে সুদানেও নৌঘাঁটি স্থাপন করেছে রাশিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভিয়েতনাম
রাশিয়া ভিয়েতনামের কাম রান বে (Cam Ranh Bay)-তে সামরিক ঘাঁটির সুবিধা ভোগ করে। স্নায়ুযুদ্ধের সময় এটি ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের বৃহত্তম সামরিক ঘাঁটিগুলোর অন্যতম, যা প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে ক্ষমতার ভারসাম্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
যদিও রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০২ সালে এই ঘাঁটি বন্ধ করে দেয়, তবুও তারা ভিয়েতনামের সাথে সামরিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব বজায় রাখে এবং লজিস্টিকস ও মেরামতের জন্য এই সুবিধার অ্যাক্সেস বা সুবিধা বিদ্যমান রেখেছে।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে: কিউবাতে সোভিয়েত ইউনিয়নের লурдес (Lourdes) সিগন্যাল ইন্টেলিজেন্স ঘাঁটি ছিল, যা ২০০২ সালে বন্ধ করে দেওয়া হয়। বর্তমানে সেখানে কোনো স্থায়ী সামরিক সুবিধা বিদ্যমান নেই। উজবেকিস্তান বা সোমালিয়াতে রাশিয়ার কোনো সামরিক ঘাঁটি নেই।
112

ফিনল্যান্ড কোন দেশের উপনিবেশ ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাশিয়া
  2. ডেনমার্ক
  3. সুইডেন
  4. ইংল্যান্ড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ফিনল্যান্ড উত্তর দিকে স্থলবেষ্টিত। উত্তরে নরওয়ে ও পূর্বে রাশিয়ার সাথে এর সীমান্ত আছে। দক্ষিণে ফিনল্যান্ড উপসাগর এবং পশ্চিমে বথনিয়া উপসাগর। ফিনল্যান্ডের মেরু অঞ্চলে মে থেকে জুলাই পর্যন্ত প্রায় সবসময় দিন থাকে। ফিনল্যান্ডকে সাধারণত স্ক্যান্ডিনেভিয়ার অংশ ধরা হয়, কিন্তু বহু শতাব্দী যাবৎ ফিনল্যান্ড বিরোধী শক্তি সুইডেন ও রাশিয়ার মধ্যে একটি সীমান্ত দেশ হিসেবেই বিদ্যমান ছিল। ৭০০ বছর সুইডেনের অধীনে শাসিন হবার পর ১৮০৯ সালে এটি রুশদের করায়ত্ত হয়। রুশ বিপ্লবের পর ১৯১৭ সালে এটি একটি স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে জন্ম নেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুইডেন
ঐতিহাসিকভাবে ফিনল্যান্ড দীর্ঘকাল সুইডেনের উপনিবেশ বা অংশ হিসেবে শাসিত হয়েছে। দ্বাদশ শতকের শেষ দিক থেকে ১৮০৯ সাল পর্যন্ত ফিনল্যান্ড সরাসরি সুইডিশ সাম্রাজ্যের অংশ ছিল—যা প্রায় ৬০০ বছরের শাসনকাল।
যদিও অনেক সময় ভুল করে রাশিয়াকে উপনিবেশকারী মনে করা হয়, তবে ১৮০৯ সালে ফিনল্যান্ডের যুদ্ধ (Finnish War)-এর পর সুইডেন ফিনল্যান্ডকে রাশিয়ার কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ফিনল্যান্ড রাশিয়ার গ্র্যান্ড ডাচি হিসেবে ১৯১৭ সাল পর্যন্ত অভ্যন্তরীণ স্বায়ত্তশাসন ভোগ করে। কিন্তু দীর্ঘতম এবং সরাসরি ঔপনিবেশিক ক্ষমতা ছিল সুইডেনের
113

এশিয়াকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে কোন প্রণালী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জিব্রাল্টার প্রণালী
  2. বসফরাস প্রণালী
  3. বাবেল মান্দেব প্রণালী
  4. বেরিং প্রণালী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাবেল মান্দেব প্রণালী লোহিত সাগরে অবস্থিত। এটি লোহিত সাগর এবং আরব সাগরকে যুক্ত করেছে। এর পশ্চিমে জিবুতি এবং পূর্বে ইয়ামেন অবস্থিত। এটি এশিয়া ও আফ্রিকাকে আলাদা করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বাবেল মান্দেব প্রণালী
বাবেল মান্দেব প্রণালী (Bab-el-Mandeb Strait) এশিয়া মহাদেশকে আফ্রিকা মহাদেশ থেকে পৃথক করেছে।
এটি লোহিত সাগর (Red Sea)-কে এডেন উপসাগর (Gulf of Aden) বা ভারত মহাসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে।
এই প্রণালীটি এশিয়ার ইয়েমেন (আরব উপদ্বীপ) এবং আফ্রিকার জিবুতি ও ইরিত্রিয়া-কে পৃথক করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন মহাদেশকে পৃথক করে:
জিব্রাল্টার প্রণালী: এটি ইউরোপ এবং আফ্রিকা মহাদেশকে পৃথক করেছে।
বসফরাস প্রণালী: এটি এশিয়া এবং ইউরোপ মহাদেশকে (তুরস্কের অভ্যন্তরে) পৃথক করেছে।
বেরিং প্রণালী: এটি এশিয়া (রাশিয়া) এবং উত্তর আমেরিকা (আলাস্কা)-কে পৃথক করেছে।
114

জাতিসংঘের কোন সংস্থা বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. WTO
  2. MIGA
  3. World Bank
  4. UNCTAD

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উন্নয়নশীল বিশ্বে বাণিজ্য সম্প্রসারণের জন্য ১৯৬৪ সালে UNCTAD গঠিত হয়। এটি বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: UNCTAD
UNCTAD (United Nations Conference on Trade and Development) হলো জাতিসংঘের বাণিজ্য ও উন্নয়ন বিষয়ক সংস্থা। এই সংস্থাই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে সরাসরি বিদেশী বিনিয়োগের (FDI) গতিপ্রকৃতি ও প্রবণতা পর্যবেক্ষণ করে এবং বার্ষিক বিশ্ব বিনিয়োগ প্রতিবেদন (World Investment Report - WIR) প্রকাশ করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ:
WTO (World Trade Organization) বৈশ্বিক বাণিজ্য নীতি নির্ধারণ করে।
World Bank (বিশ্ব ব্যাংক) সাধারণত উন্নয়নমূলক ঋণ ও সাহায্য প্রদান করে এবং তাদের মূল রিপোর্ট হলো World Development Report (WDR)
MIGA হলো বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের একটি শাখা, যা রাজনৈতিক ঝুঁকি বীমা প্রদান করে।
115

আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে কোন দেশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইজেরিয়া
  2. গাম্বিয়া
  3. বাংলাদেশ
  4. আলজেরিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১১ নভেম্বর ২০১৯ আন্তর্জাতিক আদালতে মিয়ানমার কর্তৃক রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে মামলা করে আফ্রিকার দেশ গাম্বিয়া। মামলার নেতৃত্ব দেন গাম্বিয়ার বর্তমান আইনমন্ত্রী ও অ্যাটর্নি জেনারেল আবু বকর মারি তাম্বাদু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গাম্বিয়া
২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর, পশ্চিম আফ্রিকার ক্ষুদ্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ গাম্বিয়া আন্তর্জাতিক বিচারিক আদালতে (ICJ) মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যার অভিযোগে আনুষ্ঠানিকভাবে মামলা দায়ের করে।
গাম্বিয়া এই মামলাটি করে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থার (OIC) পক্ষ থেকে, যেখানে তারা ১৯৪৮ সালের গণহত্যা কনভেনশন (Genocide Convention) লঙ্ঘনের অভিযোগ আনে।
বাংলাদেশ এই মামলার ভিকটিম পক্ষ, কিন্তু গাম্বিয়া কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী রাষ্ট্র হিসেবে সরাসরি মামলা করার ক্ষমতা রাখে।
116

কোন বিদেশি রাষ্ট্র বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুয়ান্ডা
  2. সিয়েরালিয়ন
  3. সুদান
  4. লাইবেরিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ সিয়েরালিয়ন। সেখানে জাতিগত সংঘাত নিরসনে বাংলাদেশের সেনা বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। যার ফলশ্রুতিতে সিয়েরালিয়ন সরকার বাংলাকে সে দেশের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিয়েরালিয়ন। এটিই একমাত্র দেশ, যেখানে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পশ্চিম আফ্রিকার এই দেশটি ২০০২ সালের ডিসেম্বরে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়।
এই স্বীকৃতির মূল কারণ ছিল সিয়েরালিয়নের গৃহযুদ্ধকালীন সময়ে জাতিসংঘ শান্তি মিশনে (UNAMSIL) বাংলাদেশের শান্তিরক্ষী বাহিনীর (Army) অসামান্য অবদান
অন্যান্য অপশন (রুয়ান্ডা, সুদান, লাইবেরিয়া) দেশগুলো জাতিসংঘের বিভিন্ন শান্তি মিশনে বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা কাজ করলেও, সেসকল দেশ বাংলাকে রাষ্ট্রভাষার মর্যাদা দেয়নি।
117

জাতিসংঘ নামকরণ করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রুজভেল্ট
  2. স্টালিন
  3. চার্চিল
  4. দ্যা গল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। ১২ই জুন ১৯৪১ সালে লন্ডন ঘোষণার মাধ্যমে এর প্রাথমিক উদ্যোগ গৃহীত হয়। আটলান্টিক সনদের মাধ্যমে জাতিসংঘ প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর নামকরণ করেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডেলানো রুজভেল্ট। ১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে জাতিসংঘ ঘোষণায় এ নাম প্রথম ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রুজভেল্ট
জাতিসংঘ (United Nations) নামটি সর্বপ্রথম প্রস্তাব করেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি. রুজভেল্ট (Franklin D. Roosevelt)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় অক্ষশক্তির বিরুদ্ধে সম্মিলিত মিত্রশক্তির জোটকে নির্দেশ করতে তিনি ১ জানুয়ারি ১৯৪২ সালে এই নামটি ব্যবহার করেন।
পরে এই নামটিই নবগঠিত বিশ্বসংস্থাটির জন্য গৃহীত হয়।
স্টালিন, চার্চিলদ্যা গল সকলেই জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করলেও, নামকরণের কৃতিত্ব রুজভেল্টের।
118

কোন মুসলিম দেশ সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৌদি আরব
  2. মালয়েশিয়া
  3. পাকিস্তান
  4. তুরস্ক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

North Atlantic Treaty Organization (NATO). ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩০। তুরস্ক ও আলবেনিয়া মুসলিম রাষ্ট্র হয়েও ন্যাটোর সদস্য। তুরস্ক সৈন্যসংখ্যায় ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সদস্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তুরস্ক। তুরস্ক সামরিক জোট ন্যাটোর (NATO) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।
ন্যাটো (NATO) হলো 'North Atlantic Treaty Organization' - উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট। এটি ৪ এপ্রিল, ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
ভূ-রাজনৈতিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দেশ তুরস্ক হলো ন্যাটোর একমাত্র মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র, যা ১৯৫২ সালে সদস্যপদ লাভ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন সৌদি আরব (মধ্যপ্রাচ্য), মালয়েশিয়া (দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া) এবং পাকিস্তান (দক্ষিণ এশিয়া) ন্যাটো জোটের সদস্য নয়।
119

নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৫ সালে
  2. ১৯৪৯ সালে
  3. ১৯৪৮ সালে
  4. ১৯৫১ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ন্যাটো সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ও কমিউনিস্ট বিশ্বের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় ধনতান্ত্রিক দেশের একটি সামরিক জোট। এটি ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এ জোটের উদ্দেশ্য হলো বিরোধপূর্ণ সমস্যার শান্তিপূর্ণ উপায়ে সমাধান করা, বৈদেশিক আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য সমষ্টিগত শক্তি বৃদ্ধি করা। জাতিসংঘের সনদের ৫১ ধারা অনুযায়ী বৈদেশিক আক্রমণ প্রতিহত করার জন্য ন্যাটো প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। এর বর্তমান সদস্য ৩০। সর্বশেষ সদস্য উত্তর মেসিডোনিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৯ সালে। নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অর্গানাইজেশন (NATO) একটি সামরিক জোট, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর পশ্চিমা দেশগুলো বিশেষ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রসমূহ সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) এবং তার মিত্রদের সামরিক হুমকি মোকাবিলা করার জন্য এই চুক্তি স্বাক্ষর করে। এই চুক্তিটি ওয়াশিংটন চুক্তি (Washington Treaty) নামেও পরিচিত।
120

জার্মানীর প্রথম নারী চ্যান্সেলর কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অ্যানেগরেট ক্রাম্প
  2. লিনা হেডরিচ
  3. অ্যাঞ্জেলা মারকেল
  4. পেট্রা কেলি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অ্যাঞ্জেলা মারকেল জার্মানির প্রথম নারী চ্যান্সেলর। তিনি ২০০৫ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত চতুর্থ মেয়াদে ক্ষমতায় রয়েছেন। তিনি ইউরোপের প্রকৃত নেতা। ইউরোপের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ জার্মানিকে দক্ষতার সাথে উন্নতির দিকে নিয়ে গেছেন। ২০২১ সালে তিনি রাজনীতি থেকে অবসরে যাবেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অ্যাঞ্জেলা মারকেল
অ্যাঞ্জেলা মারকেল ছিলেন জার্মানীর ইতিহাসে প্রথম নারী চ্যান্সেলর। তিনি ২০০৫ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত একটানা প্রায় ১৬ বছর জার্মানীর নেতৃত্ব দেন।
জার্মানির রাজনীতিতে তার এই দীর্ঘকালীন প্রভাব এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নে তার ভূমিকার জন্য তিনি আন্তর্জাতিকভাবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তার দল হলো ক্রিশ্চিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন (CDU)
অন্যান্য অপশনগুলো (অ্যানেগরেট ক্রাম্প, লিনা হেডরিচ, পেট্রা কেলি) জার্মান রাজনীতিতে পরিচিত হলেও তারা কেউ চ্যান্সেলর পদে অধিষ্ঠিত হননি।
121

একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত অঞ্চলসমূহকে যে কাল্পনিক রেখার সাহায্যে দেখানো হয় তার নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোপ্লিথ
  2. আইসোহাইট
  3. আইসোহ্যালাইন
  4. আইসোথার্ম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট (Isohyet) বা সমবর্ষণ রেখা বলে। অর্থাৎ যেসব স্থানে বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ সমান, মানচিত্রে সেসব স্থানকে এ রেখা দ্বারা যুক্ত করা হয়। এ রেখাগুলো সমোষ্ণরেখার মত আঁকাবাঁকা হয়। এরূপ মানচিত্রে দেখবার সময় মনে রাখতে হবে যে এক রেখা হতে অপর রেখা পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হঠাৎ কমে বা বেড়ে যায় না, তা ধীরে ধীরে কমে বা বাড়ে। সমবায়ুমণ্ডলীয় চাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোবার এবং সমতাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয় আইসোথার্ম। অন্যদিকে সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সম লবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোহ্যালাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোহাইট (Isohyet)
আইসো (Iso) একটি গ্রিক উপসর্গ যার অর্থ হলো ‘সমান’ বা ‘একই’। আর ‘hyet’ শব্দটি গ্রিক শব্দ ‘hyetos’ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো বৃষ্টিপাত।
অতএব, যে কাল্পনিক রেখা মানচিত্রের ওপর দিয়ে একই পরিমাণ বৃষ্টিপাত হওয়া অঞ্চলগুলোকে যুক্ত করে, তাকে আইসোহাইট (Isohyet) বলা হয়।
এটি আবহাওয়ার মানচিত্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
আইসোথার্ম (Isotherm): এই রেখাটি একই তাপমাত্রা (Temperature) নির্দেশক অঞ্চলসমূহকে যুক্ত করে।
আইসোহ্যালাইন (Isohaline): এই রেখাটি সমুদ্রের পানির একই লবণাক্ততা (Salinity) নির্দেশ করে।
আইসোপ্লিথ (Isopleth): এটি একটি সাধারণ টার্ম যা যেকোনো ভৌগোলিক বা পরিসংখ্যানগত মানচিত্রে সমান পরিমাণ বিতরণের জন্য ব্যবহৃত হতে পারে, তবে বৃষ্টিপাতের জন্য সুনির্দিষ্ট শব্দ হলো আইসোহাইট
122

বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়নামতি
  2. পুণ্ড্রবর্ধন
  3. পাহাড়পুর
  4. সোনারগাঁ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো পুণ্ড্র। যা পুণ্ড্রবর্ধন নামে ও পরিচিত ছিল। বলা হয় যে, পুণ্ড্র বলে একটি জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। বর্তমান বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী ও দিনাজপুর অঞ্চল নিয়ে এ পুণ্ড্র জনপদটির সৃষ্টি হয়েছিল। পুণ্ড্রদের রাজধানীর নাম পুণ্ড্রনগর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্রবর্ধন। পুণ্ড্রবর্ধন ছিল প্রাচীন বাংলার একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ এবং এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
ধারণা করা হয়, মহাস্থানগড় (পুণ্ড্রনগর) জনপদটি খ্রিষ্টপূর্ব ৪র্থ শতকের (মৌর্য আমল) বা তারও আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এ কারণেই এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে প্রাচীন বসতি বা নগরী হিসেবে স্বীকৃত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ময়নামতি (কুমিল্লা) ৭ম শতাব্দী থেকে, পাহাড়পুর (সোমপুর মহাবিহার) ৮ম শতাব্দী থেকে এবং সোনারগাঁ মধ্যযুগ (সুলতানি আমল) থেকে পরিচিত। সময়ের দিক থেকে পুণ্ড্রবর্ধনই সর্বাগ্রে।
123

নিচের কোনটি সত্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরাবতী মায়ানমারের একটি নদী
  2. গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
  3. থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে অবস্থিত
  4. সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশে অবস্থিত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গোবি মরুভূমি এশিয়া মহাদেশের সবচেয়ে বড় মরুভূমি। যা চীন ও মঙ্গোলিয়ার দক্ষিণাংশ জুড়ে রয়েছে। এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম মরুভূমি। এর আয়তন ৯৫ লক্ষ ৯৬ হাজার বর্গ কি.মি.। বাকি তিনটি অপশন সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত
কারণ এই তথ্যটি সত্য নয়
গোবী মরুভূমি (Gobi Desert) এশিয়া মহাদেশের বৃহত্তম এবং পৃথিবীর পঞ্চম বৃহত্তম মরুভূমি। এটি মূলত চীন (China) এবং মঙ্গোলিয়ার (Mongolia) বিশাল অঞ্চল জুড়ে অবস্থিত।
সুতরাং, গোবী মরুভূমি ভারতে অবস্থিত—এই তথ্যটি ভুল।
অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক:
১. ইরাবতী নদী মায়ানমারের প্রধান নদী এবং দেশটির জীবনরেখা হিসেবে পরিচিত।
২. থর মরুভূমি ভারতের পশ্চিমাংশে (রাজস্থান) অবস্থিত এবং এটি Great Indian Desert নামেও পরিচিত।
৩. সাজেক ভ্যালি বাংলাদেশের রাঙ্গামাটি জেলার বাঘাইছড়ি উপজেলায় অবস্থিত একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
124

দক্ষিণ গোলার্ধে উষ্ণতম মাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানুয়ারি
  2. ফেব্রুয়ারি
  3. ডিসেম্বর
  4. মে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জানুয়ারি মাসে সূর্য দক্ষিণ গোলার্ধের অধিক নিকটবর্তী থাকে। তাই দক্ষিণ গোলার্ধে জানুয়ারি উষ্ণতম মাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জানুয়ারি। পৃথিবীর কক্ষপথের ঘূর্ণনের কারণে যখন উত্তর গোলার্ধে শীতকাল চলে, ঠিক সেই সময়েই দক্ষিণ গোলার্ধে গ্রীষ্মকাল শুরু হয়।
সূর্য যখন মকরক্রান্তি রেখার (Tropic of Capricorn) উপর লম্বভাবে কিরণ দেয় (যা সাধারণত ২১শে বা ২২শে ডিসেম্বরের আশেপাশে ঘটে), তখন দক্ষিণ গোলার্ধে দিন সবচেয়ে বড় এবং গ্রীষ্ম শুরু হয়।
তবে জলভাগ ও স্থলভাগের তাপীয় জড়তার (Thermal Lag) কারণে সূর্য সর্বোচ্চ তাপমাত্রা প্রদানের পরেও কিছুটা সময় ধরে আবহাওয়া গরম থাকে। এই তাপ সঞ্চয়ের কারণে উষ্ণতা সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায় সাধারণত এক মাস পরে, অর্থাৎ জানুয়ারি মাসে।
ডিসেম্বর মাসে গ্রীষ্ম শুরু হলেও তাপমাত্রা পিক করে জানুয়ারি মাসে। তাই এটিই দক্ষিণ গোলার্ধের উষ্ণতম মাস।
125

মার্বেল কোন ধরনের শিলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রূপান্তরিত শিলা
  2. আগ্নেয় শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. মিশ্র শিলা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আগ্নেয় ও পাললিক এ উভয় প্রকার শিলায় তাপ, চাপ ও রাসায়নিক ক্রিয়ার ফলে এর খনিজ উপাদান ও বুনটের পরিবর্তন হয়ে যে নতুন শিলার সৃষ্টি হয় তাকে রূপান্তরিত শিলা বলে। যেমনঃ নিস (গ্রানাইট থেকে সৃষ্টি হয়), মার্বেল (চুনাপাথর বা ডোলোমাইট থেকে)। উল্লেখ্য যে গঠন প্রণালি অনুসারে শিলা ৩ প্রকার। ১. আগ্নেয় শিলা, ২. পাললিক শিলা, ৩. রূপান্তরিত শিলা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rock)
মার্বেল হলো মূলত চুনাপাথর (Limestone) বা ডলোমাইট শিলার পরিবর্তিত রূপ। দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর অভ্যন্তরে প্রচণ্ড তাপ (Heat)চাপের (Pressure) ফলে এই পাললিক শিলা রূপান্তরিত হয়ে মার্বেলে পরিণত হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ আগ্নেয় শিলা সরাসরি ম্যাগমা থেকে তৈরি হয় (যেমন: গ্রানাইট), এবং পাললিক শিলা নদী বা বায়ু দ্বারা বাহিত পলল জমে স্তরে স্তরে গঠিত হয় (যেমন: বেলেপাথর)। মার্বেলের জন্ম পাললিক শিলা থেকে হলেও এটি নিজে রূপান্তরিত শিলা।
126

মধ্যম উচ্চতার মেঘ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিরাস
  2. নিম্বাস
  3. কিউম্যুলাস

  4. স্ট্রেটাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উচ্চতা অনুসারে মেঘকে তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা হয়। যথা- (১) উঁচু মেঘ (High cloud), (২) মধ্যম উঁচু মেঘ (Medium high) ও (৩) নিচু মেঘ (Low cloud)। আবার মেঘের আকৃতি ও চেহারা অনুযায়ী এদের সিরাস, কিউম্যুলাস ও স্ট্রেটাস - এ তিনটি শ্রেণিতে বিভক্ত করা করা যায়। পালক বা আঁশের ন্যায় মেঘকে সিরাস, ভেজা তুলার স্তূপের ন্যায় প্রায় গোলাকার মেঘকে কিউম্যুলাস এবং স্তরে স্তরে সজ্জিত মেঘকে স্ট্রেটাস বলে। এছাড়া নিম্বাস (Nimbus) নামে বৈশিষ্ট্যবিহীন কালো বর্ণের মেঘও দেখা যায়।

ব্যাখ্যা

মেঘ প্রধানত তাদের উচ্চতা অনুযায়ী তিনটি মূল শ্রেণিতে বিভক্ত: উচ্চ উচ্চতার (High), মধ্যম উচ্চতার (Medium) এবং নিম্ন উচ্চতার (Low)। এছাড়াও কিছু মেঘের উল্লম্ব বিকাশ বা ভার্টিক্যাল এক্সটেনশন (Vertical Extension) থাকে, যা সব স্তরে বিস্তৃত হয়।
সাধারণত, মধ্যম উচ্চতার মেঘের ক্ষেত্রে অল্টোকিউম্যুলাস (Altocumulus) এবং অল্টোস্ট্রেটাস (Altostratus) নামগুলো ব্যবহৃত হয়। এদের উচ্চতা ২ কিমি থেকে ৭ কিমি পর্যন্ত হয়।
এখানে অপশনগুলোতে সরাসরি অল্টোকিউম্যুলাস না থাকায়, প্রশ্নটি ভুলভাবে তৈরি হয়েছে বলে মনে করা যায়। কিন্তু বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক ক্লাসিফিকেশন নিম্নরূপ:
১. সিরাস (Cirrus): এটি উচ্চ উচ্চতার মেঘ (৬ কিমি-এর উপরে)।
২. স্ট্রেটাস (Stratus): এটি নিম্ন উচ্চতার মেঘ (২ কিমি-এর নিচে)।
৩. কিউম্যুলাস (Cumulus): এই মেঘটি ভূমির কাছাকাছি তৈরি হলেও এর উল্লম্ব বিকাশ (Vertical Development) অনেক বেশি হতে পারে, যা একে মধ্যম স্তরে নিয়ে যায়। তাই অন্য সুস্পষ্ট ভুল বিকল্পগুলোর তুলনায় কিউম্যুলাস মেঘটিকেই মধ্যম বা উল্লম্ব প্রকৃতির মেঘ হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তুলনামূলকভাবে কিউম্যুলাস (Cumulus) সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে (যদিও আদর্শ উত্তর অল্টোকিউম্যুলাস)।
127

‘বেঙ্গল ফ্যান’- ভূমিরূপটি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মধুপুর গড়ে
  2. বঙ্গোপসাগরে
  3. হাওর অঞ্চলে
  4. টারশিয়ারি পাহাড়ে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সর্বশেষ বরফ যুগের চূড়ান্ত পর্যায়ে গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনার উপকূলরেখার অবস্থান সুস্পষ্টভাবে জানা যায়নি। এটি ধরে নেয়া হয় যে, বেঙ্গল ফ্যান বর্তমান উপকূলরেখার দক্ষিণে ছিলো, কিন্তু বঙ্গোপসাগরের একটি সংকীর্ণ অংশ সম্ভবত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড থেকে সিলেট অববাহিকার দিকে বর্ধিত ছিলো। প্রায় ১৪,০০০ বছর পূর্বে সমুদ্র সমতলের দ্রুত উত্থান উপকূল রেখাকে এখনকার অবস্থানের তুলনায় দেশের ভিতরের দিকে প্রায় ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত ঠেলে দেয়। প্রায় ৭,০০০ বছর আগে উন্মুক্ত প্লাইসটোসিন ভূদৃশ্যের মধ্যে কর্তিত উপত্যকাগুলো থেকে উচ্চ নির্গমন ক্ষমতাসম্পন্ন নদী বাহিত বালি দ্বারা মোহনা দ্রুতই ভরাট হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গোপসাগরে
‘বেঙ্গল ফ্যান’ হলো পৃথিবীর বৃহত্তম গভীর সমুদ্রের পাললিক ফ্যান (Submarine Fan) বা ব-দ্বীপ।
এটি মূলত গঙ্গা (পদ্মা) এবং ব্রহ্মপুত্র (যমুনা) নদীদ্বয় কর্তৃক বাহিত বিপুল পরিমাণ পলি ও কাদার সঞ্চয়ের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগরের তলদেশে সৃষ্টি হয়েছে। এই পাললিক সঞ্চয় উপকূল থেকে সাগরের গভীরে প্রায় ৩,০০০ কিলোমিটারেরও বেশি দূরত্বে ফ্যানের (পাখার) মতো আকার ধারণ করেছে।
এটি একটি সামুদ্রিক ভূমিরূপ হওয়ায়, স্থলভাগের অংশ যেমন— মধুপুর গড়, হাওর অঞ্চল বা টারশিয়ারি পাহাড়ে এর অবস্থিতি সম্ভব নয়।
128

UDMC এর পূর্ণরূপ হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. United Disaster Management Centne
  2. Union Disaster Management Committee
  3. Union Disaster Management Centre
  4. none of the above

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

UDMC গঠিত হয় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বার এনজিও কর্মকর্তা দুর্যোগের বিপর্যস্ত গ্রুপের প্রতিনিধি সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব। এবং ইউনিয়ন পরিষদের সচিবের সমন্বয়ে। স্বাভাবিক সময়ে এ কমিটি একটি করে মিটিং করে এবং দুর্যোগ কালীন সময়ে একাধিক মিটিংয়ের মাধ্যমে পরিস্থিতি সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Union Disaster Management Committee (ইউনিয়ন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি)। এটি অপশন (২)-এ রয়েছে।
UDMC হলো বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর ইউনিয়ন (Union) পর্যায়ের কমিটি। এটি মাঠ পর্যায়ে দুর্যোগ মোকাবিলা, ঝুঁকি হ্রাস এবং প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন, ২০১২ অনুযায়ী, সর্বনিম্ন প্রশাসনিক ইউনিট হিসেবে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে এই কমিটি গঠিত হয়। অন্য অপশনগুলোতে 'United' বা 'Centre' বলা হয়েছে, যা কমিটির সঠিক পূর্ণরূপ নয়।
129

২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তির সাথে সম্পর্কিত বিষয়বস্তু হলো:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আপদ ঝুঁকি হ্রাস
  2. জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
  3. জনসংখ্যা বৃদ্ধি হ্রাস
  4. সমুদ্র পরিবহন ব্যব্স্থাপনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৩০ নভেম্বর-১২ ডিসেম্বর ২০১৫ ফ্রান্সের প্যারিসে জলবায়ু পরিবর্তন জনিত ঝুকি হ্রাস এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্দ্যেশে UNFCCC এর উদ্যোগে অনুষ্ঠিত হয় COP-21 সম্মেলন। এই সম্মেলনে ২০৩০ সালের মধ্যে কার্বন নিঃসরণ ৫০% কমানো, তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১৫১.৫∘C এর মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করা হয়। জলবায়ু বিপর্যস্ত দেশ গুলোর জন্য ১০০ বিলিয়ন ডলার সাহায্যের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস
২০১৫ সালের প্যারিস চুক্তি (Paris Agreement) হলো জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন কাঠামোগত কনভেনশন (UNFCCC)-এর অধীনে গৃহীত একটি ঐতিহাসিক আন্তর্জাতিক চুক্তি।
এই চুক্তির মূল উদ্দেশ্য হলো বৈশ্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্প স্তরের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে সীমিত রাখা এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি **১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে** সীমাবদ্ধ রাখার জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো।
তাই এটি সরাসরি **জলবায়ু পরিবর্তন হ্রাস** (Climate Change Mitigation) সম্পর্কিত।
অন্যান্য বিকল্প—আপদ ঝুঁকি, জনসংখ্যা বৃদ্ধি বা সমুদ্র পরিবহন—জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত হলেও, প্যারিস চুক্তি প্রধানত দীর্ঘমেয়াদি গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন কমানোর লক্ষ্যের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
130

‘বঙ্গবন্ধু দ্বীপ’- কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘনা মোহনায়
  2. সুন্দরবনের দক্ষিণে
  3. পদ্মা এবং যমুনার সংযোগস্থলে
  4. টেকনাফের দক্ষিণে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু দ্বীপ (যা পুটুনির দ্বীপ নামে পরিচিত) সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে ১০ কি.মি. দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুন্দরবনের দক্ষিণে। এটি বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলে বঙ্গোপসাগরের বুক চিরে জেগে ওঠা একটি নতুন দ্বীপ।
এই দ্বীপটি প্রশাসনিকভাবে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলার কাছাকাছি অবস্থিত হলেও এটি মূলত সুন্দরবনের দক্ষিণ-পূর্ব দিকে বঙ্গোপসাগরে জেগে উঠেছে।
দ্বীপটি ১৯৯২ সালে একদল পর্যটক কর্তৃক প্রথম আবিষ্কৃত হয় এবং এর নামকরণ করা হয় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর নামে।
অন্যদিকে, মেঘনা মোহনায় (সন্দ্বীপ, মনপুরা) এবং টেকনাফের দক্ষিণে (সেন্ট মার্টিন, ছেঁড়াদ্বীপ) অন্য গুরুত্বপূর্ণ দ্বীপগুলো অবস্থিত, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
131

আলোকবর্ষ ব্যবহার করে কী পরিমাপ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দূরত্ব
  2. সময়
  3. ভর
  4. ওজন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আলোকবর্ষ হল সেই পরিমাণ দূরত্ব যা আলো এক বছরে অতিক্রম করে। আমরা জানি, আলোর বেগ প্রতি সেকেন্ডে 3×108 মিটার। ১ আলোকবর্ষ সমান 9.4607×1015 মিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দূরত্ব (Distance)
আলোকবর্ষ (Light Year) হলো জ্যোতির্বিজ্ঞানে ব্যবহৃত একটি একক, যা মূলত অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করে।
১ আলোকবর্ষ বলতে বোঝায়, আলো শূন্য মাধ্যমে এক বছরে যে বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করে। এটি মহাজাগতিক দূরত্ব (যেমন: পৃথিবী থেকে নক্ষত্র বা গ্যালাক্সির দূরত্ব) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
অনেকে নামের শেষে 'বর্ষ' (Year) দেখে ভুল করে একে সময়ের একক মনে করতে পারেন, কিন্তু এটি সম্পূর্ণরূপে দূরত্বের একক। পদার্থবিজ্ঞানের সূত্রানুসারে: দূরত্ব = বেগ (আলোর বেগ) ×\times সময় (১ বছর)।
132

সূর্যের নিকটতম নক্ষত্রের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভেগা
  2. প্রক্সিমা সেন্টাউরি
  3. আলফা সেন্টউরি A
  4. আলফা সেন্টাউরি B

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রক্সিমা সেন্টাউরি হলো সূর্যের নিকটতম নক্ষত্র। স্কটিশ জ্যোতির্বিদ রবার্ট আইনেস ১৯১৫ সালে এই নক্ষত্র আবিষ্কার করেন। এটি খুব কম ভরের লাল বামন নক্ষত্র। সূর্য থেকে দূরত্ব প্রায় ৪.২৩ কোটি আলোকবর্ষ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রক্সিমা সেন্টাউরি (Proxima Centauri)
সূর্য হলো আমাদের সৌরজগতের কেন্দ্র এবং নিকটতম নক্ষত্র। কিন্তু সূর্যকে বাদ দিলে মহাবিশ্বের অন্যান্য নক্ষত্রের মধ্যে প্রক্সিমা সেন্টাউরি আমাদের সৌরজগতের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থিত।
এটি পৃথিবী থেকে প্রায় ৪.২৪ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
প্রক্সিমা সেন্টাউরি নক্ষত্রটি আসলে আলফা সেন্টাউরি নামক একটি ত্রয়ী নক্ষত্রমণ্ডলের (Triple Star System) অংশ। এই ত্রয়ী মণ্ডলে আলফা সেন্টাউরি A এবং আলফা সেন্টাউরি B নামে আরও দুটি নক্ষত্র রয়েছে। তবে বর্তমানে প্রক্সিমা সেন্টাউরিই পৃথিবীর সবচেয়ে নিকটবর্তী।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ভেগা (Vega) একটি উজ্জ্বল নক্ষত্র হলেও এটি প্রায় ২৫ আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত।
133

১০০ ওয়াট-এর একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব ১ ঘণ্টা চললে কত শক্তি ব্যয় হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০ জুল
  2. ৬০ জুল
  3. ৬০০০ জুল
  4. ৩৬০০০০ জুল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩৬০০০০ জুল। এটি শক্তি বা কাজের একক (SI Unit)।
পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, ব্যয়িত শক্তি (Energy, WW) হলো ক্ষমতা (Power, PP) এবং সময় (tt)-এর গুণফল।
সূত্রটি হলো: W=PimestW = P imes t
এখানে, ক্ষমতা (PP) = ১০০ ওয়াট (W)। ওয়াট হলো জুল/সেকেন্ড (J/s)।
সময় (tt) = ১ ঘণ্টা। যেহেতু ক্ষমতার একক ওয়াট (J/s)-এ আছে, তাই সময়কে অবশ্যই সেকেন্ড-এ রূপান্তর করতে হবে।
সময় রূপান্তর: $t = ১ ext{ ঘণ্টা} = (৬০ imes ৬০) ext{ সেকেন্ড} = ৩৬০০ সেকেন্ড
ব্যয়িত শক্তি (WW) = $১০০ ext{ W} imes ৩৬০০ ext{ s} = ৩৬০০০০ জুল (J)
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এগুলো সেকেন্ড-এ রূপান্তর ছাড়াই কেবল ওয়াট বা মিনিটের সাথে গুণ করে দেখানো হয়েছে।
134

ইলেকট্রিক বাল্ব-এর ফিলামেন্ট যার দ্বারা তৈরি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়রন
  2. কার্বন
  3. টাংস্টেন
  4. লেড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বৈদ্যুতিক বাল্বের (Electric bulb) ভিতরে ফিলামেন্ট নামক বিশেষ এক ধরনের তারের কুণ্ডলী থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এ ফিলামেন্টটি টাংস্টেন নামক এক প্রকার উচ্চ গলনাঙ্কবিশিষ্ট ধাতুর তৈরি। এর গলনাঙ্ক ৩৪২২০০C.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: টাংস্টেন (Tungsten)
ইলেকট্রিক বাল্ব (Incandescent Bulb)-এর ফিলামেন্ট তৈরির জন্য টাংস্টেন ব্যবহার করা হয় কারণ এর গলনাঙ্ক অত্যন্ত উচ্চ (প্রায় 3422°C3422°C)
ফিলামেন্টের মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের ফলে এটি উচ্চ তাপমাত্রায় উত্তপ্ত হয়ে শ্বেত-তপ্ত (White Hot) অবস্থায় আলো বিকিরণ করে। টাংস্টেনের উচ্চ গলনাঙ্কের কারণে, এটি এতো বেশি তাপমাত্রাতেও গলে যায় না এবং দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে।
অন্যান্য অপশন যেমন আয়রন বা লেড-এর গলনাঙ্ক অনেক কম। অন্যদিকে কার্বন যদিও উচ্চ গলনাঙ্কের, কিন্তু এটি ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহার করলে দ্রুত বাতাসের অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে পুড়ে যায় বা বাষ্পীভূত হয় (sublimation), যা বাল্বের জীবনকাল কমিয়ে দেয়।
135

গ্রাফিন (graphene) কার বহুরূপী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কার্বন
  2. কার্বন ও অক্সিজেন
  3. কার্বন ও হাইড্রোজেন
  4. কার্বন ও নাইট্রোজেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্রাফিন (graphene) কার্বনের একটি রূপ, যা একটি সরু চাকতিরূপে বিরাজ করে, চাকতিটির ক্ষেত্রফল যত বড়ই হোক না কেন পুরুত্ব হয় মাত্র একটি পরমাণুর আকারের সমান। এক্ষেত্রে পরমাণুগুলো এমনভাবে বিন্যস্ত হয় যে, একটি দ্বিমাত্রিক মৌচাকের মত আকৃতি গঠিত হয়। এটি কাচের মত স্বচ্ছ। ইস্পাতের তুলনায় প্রায় ১০০ গুণ বেশি শক্তিশালী এবং এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সব মৌল ও যৌগের মধ্যে সবচেয়ে ভালো বিদ্যুৎ পরিবাহী। প্লাস্টিকের মধ্যে শতকরা মাত্র ১ ভাগ গ্রাফিন মেশালে তা তড়িৎ সুপরিবাহীতে পরিণত হতে পারে। ২০০৪ সালে অক্টোবরে গ্রাফিন আবিষ্কারের ঘোষণা দেয়া হয়েছিল। এটি আবিষ্কারের জন্য আন্দ্রেঁ গেইম এবং কনস্টানটিন নভোসেলভ ২০১০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কার্বন। গ্রাফিন (Graphene) হলো কার্বনের (Carbon) একটি বিশেষ ধরনের বহুরূপ (Allotrope) বা রূপভেদ।
বহুরূপতা হলো সেই ধর্ম, যার কারণে একটি মৌল প্রকৃতিতে ভিন্ন ভিন্ন রূপে পাওয়া যায়, কিন্তু রাসায়নিকভাবে তারা একই। যেমন—কার্বনের সবচেয়ে পরিচিত বহুরূপগুলো হলো হীরা (Diamond)গ্রাফাইট (Graphite)
গ্রাফিন হলো গ্রাফাইটের মাত্র একটি পরমাণু-পুরু স্তর। এটি একটি দ্বিমাত্রিক (2D) কাঠামো, যেখানে কার্বন পরমাণুগুলো ষড়ভুজাকৃতিতে (Honeycomb lattice) সুসজ্জিত থাকে।
অন্যান্য অপশন যেমন অক্সিজেন, হাইড্রোজেন বা নাইট্রোজেন দ্বারা গ্রাফিন গঠিত হয় না। গ্রাফিন হলো ১০০% কার্বন
136

আইনস্টাইন নোবেল পুরস্কার পান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আপেক্ষিক তত্ত্বের উপর
  2. মহাকর্ষীয় ধ্রুবক আবিষ্কারের জন্য
  3. কৃষ্ণগহ্বর আবিষ্কারের জন্য
  4. আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আলবার্ট আইনস্টাইন (১৪ মার্চ ১৮৭৯ - ১৮ এপ্রিল ১৯৫৫) জার্মানিতে জন্মগ্রহণকারী একজন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী পদার্থবিজ্ঞানী।তিনি মূলত আপেক্ষিকতার তত্ত্ব (আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের দুটি স্তম্ভের একটি) এবং ভর-শক্তি সমতুল্যতার সূত্র, E=mc2 (যা "বিশ্বের সবচেয়ে বিখ্যাত সমীকরণ" হিসেবে খেতাব দেওয়া হয়েছে) আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। তিনি ১৯২১ সালে আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া সম্পর্কিত গবেষণার জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলোক তড়িৎ ক্রিয়ার ব্যাখ্যা প্রদানের জন্য
বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইন তাঁর যুগান্তকারী কাজ 'আলোক তড়িৎ ক্রিয়া' (Photoelectric Effect)-এর নিয়ম আবিষ্কার ও তার ব্যাখ্যার জন্য ১৯২১ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন (পুরস্কারটি তাঁকে ১৯২২ সালে প্রদান করা হয়)।
আইনস্টাইন এই তত্ত্বের মাধ্যমে প্রমাণ করেন যে আলো শক্তি কোয়ান্টাম বা কণার (ফোটন) আকারে আসে। এর ফলে আধুনিক কোয়ান্টাম মেকানিক্সের পথ সুগম হয়।
উল্লেখ্য, তাঁর বিশ্ববিখ্যাত আবিষ্কার আপেক্ষিক তত্ত্বের জন্য তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি, কারণ সেই সময় সুইডিশ একাডেমি এই তত্ত্বটির গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দ্বিধায় ছিল।
137

মানবদেহে লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কত দিন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ দিন
  2. ৩০ দিন
  3. ১৮০ দিন
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

লোহিত রক্ত কণিকা দেহের অস্থিমজ্জায় তৈরী হয়ে ১২০ দিন পরে প্লীহাতে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। লোহিত রক্তকণিকার বৈশিষ্ট্যঃ ♦ পরিণত লোহিত রক্তকণিকায় কোনো নিউক্লিয়াস থাকে না। ♦ লোহিত রক্তকণিকা দেখতে অনেকটা চাকতির মতো এবং দ্বি-অবতল। ♦ লোহিত রক্তকণিকায় হিমোগ্লোবিন থাকে। ♦ লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা শ্বেত রক্তকণিকার তুলনায় অনেক বেশি। ♦ লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু ১২০ দিন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: উপরের কোনটিই নয় (Correct Index 3)।
সুস্থ মানবদেহে লোহিত রক্তকণিকা বা Red Blood Cell (RBC) এর স্বাভাবিক আয়ুষ্কাল হলো প্রায় ১২০ দিন
যেহেতু প্রশ্নে প্রদত্ত বিকল্পগুলির (৭ দিন, ৩০ দিন, ১৮০ দিন) মধ্যে ১২০ দিন সংখ্যাটি নেই, তাই সঠিক উত্তরটি হবে উপরের কোনটিই নয়
লোহিত রক্তকণিকার প্রধান কাজ হলো দেহের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন পরিবহন করা। এটি হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতির কারণে লাল দেখায়।
138

নদীর পানির ক্ষেত্রে কোনটি সত্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. COD > BOD
  2. COD < BOD
  3. COD = BOD
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: COD > BOD
এই প্রশ্নটি মূলত জলজ পরিবেশের গুণমান পরিমাপক দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্যারামিটারের (COD এবং BOD) মধ্যেকার সম্পর্ক নির্ণয়ের উপর নির্ভরশীল।
BOD (Biological Oxygen Demand): এটি হলো পানিতে থাকা কেবল জৈব (Organic) দূষক পদার্থকে ব্যাকটেরিয়া বা অণুজীবের মাধ্যমে ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় অক্সিজেনের পরিমাণ।
এটি পানির জৈব দূষণের মাত্রা নির্দেশ করে।
COD (Chemical Oxygen Demand): এটি হলো পানিতে থাকা জৈব (Organic) এবং অজৈব (Inorganic) উভয় প্রকার দূষক পদার্থকে শক্তিশালী রাসায়নিক জারক (যেমন: পটাশিয়াম ডাইক্রোমেট) ব্যবহার করে জারিত করার জন্য প্রয়োজনীয় মোট অক্সিজেনের পরিমাণ।
যেহেতু COD পরিমাপের সময় জৈব এবং অজৈব উভয় প্রকার দূষক বিবেচনা করা হয়, কিন্তু BOD পরিমাপের সময় শুধুমাত্র জৈব দূষক বিবেচনা করা হয়, তাই COD-এর মান সবসময়ই BOD-এর মানের চেয়ে বেশি বা অন্তত সমান হয়। নদীর পানিতে সাধারণত বিভিন্ন রাসায়নিক ও অজৈব দূষক থাকায়, এই ক্ষেত্রে COD মান BOD-এর চেয়ে সর্বদা বেশি হবে।
139

পাথফাইন্ডার- এর মঙ্গলে অবতরণ সাল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1990
  2. 1995
  3. 1997
  4. 2000

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পাথফাইন্ডার নামে মঙ্গল অভিযানটি নাসা যে কয়টি মহাকাশযানকে মঙ্গলে পাঠানোর পরিকল্পনা করেছিল, তার একটি। পাথফাইন্ডার মহাকাশযানটি ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে রওনা দেয় এবং ১৯৯৭ সালের জুলাইতে মঙ্গলে পৌঁছায়। এটা আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া জায়গাতেই নামে। আগের ভাইকিং-এর সঙ্গে এর তফাৎ হল, এতে সোর্জনার নামে একটি চলমান রোবট ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১৯৯৭
পাথফাইন্ডার (Pathfinder) হলো নাসার (NASA) একটি গুরুত্বপূর্ণ মঙ্গল অভিযান। এটি ১৯৯৬ সালের ডিসেম্বরে উৎক্ষেপণ করা হয়।
পাথফাইন্ডার ১৯৯৭ সালের ৪ঠা জুলাই মঙ্গলের অ্যারিস ভ্যালিসে (Ares Vallis) সফলভাবে অবতরণ করে।
এই মিশনে প্রথমবারের মতো মঙ্গলে একটি ছোট মোবাইল রোভার (Mobile Rover) পাঠানো হয়েছিল, যার নাম ছিল সোজার্নার (Sojourner)। এই রোভারটি মঙ্গলের পৃষ্ঠতলের তথ্য সংগ্রহ করে পৃথিবীতে পাঠায়।
সুতরাং, মঙ্গলে পাথফাইন্ডারের অবতরণের সাল হলো ১৯৯৭
140

ওজোন স্তর বায়ুমণ্ডলের কোন স্তরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্ট্রাটোমণ্ডল
  2. ট্রপোমণ্ডল
  3. মেসোমণ্ডল
  4. তাপমণ্ডল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওজোন স্তর (Ozone layer) হচ্ছে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের একটি স্তর যেখানে তুলনামূলকভাবে বেশি মাত্রায় ওজোন গ্যাস থাকে। এই স্তর থাকে প্রধানতঃ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের নিচের অংশে, যা ভূপৃষ্ঠ থেকে কমবেশি ২০-৩০ কি.মি. উপরে অবস্থিত। এই স্তরের পুরুত্ব স্থানভেদে এবং মৌসুমভেদে কমবেশি হয়। বায়ুমণ্ডলে ওজোনের প্রায় ৯০ শতাংশ স্ট্র্যাটোস্ফিয়ারের মধ্যে পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্ট্রাটোমণ্ডল
বায়ুমণ্ডলের যে স্তরটিতে মূলত ওজোন গ্যাস (O₃) ঘনীভূত হয়ে একটি আবরণ তৈরি করে, তাকে ওজোন স্তর (Ozone Layer) বলে। এই স্তরটি পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার থেকে ৫০ কিলোমিটার উচ্চতার মধ্যে অবস্থিত স্ট্রাটোমণ্ডল স্তরেই থাকে।
ওজোন স্তর সূর্যের ক্ষতিকারক অতিবেগুনি রশ্মি (UV rays) শোষণ করে পৃথিবীকে সুরক্ষা দেয়।
অন্যান্য স্তর ভুল হওয়ার কারণ:
ট্রপোমণ্ডল: এটি বায়ুমণ্ডলের সর্বনিম্ন স্তর (ভূ-পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৫ কিমি পর্যন্ত)। এখানে মেঘ, বৃষ্টি, ঝড় সহ সব ধরনের আবহাওয়াগত পরিবর্তন ঘটে।
মেসোমণ্ডল: স্ট্রাটোমণ্ডলের উপরে অবস্থিত এই স্তরে তাপমাত্রা খুব দ্রুত হ্রাস পায়। এখানে উল্কাপিণ্ড জ্বলে ছাই হয়ে যায়।
তাপমণ্ডল: এটি বায়ুমণ্ডলের চতুর্থ স্তর। এখানে তাপমাত্রা অত্যন্ত বেশি এবং একে আয়নোমণ্ডল নামেও ডাকা হয়, যেখানে বেতার তরঙ্গ প্রতিফলিত হয়।
141

কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্লোরোপিক্রিন
  2. মিথেন
  3. নাইট্রোজেন
  4. ইথেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কাঁদুনে গ্যাসের অপর নাম ক্লোরোপিক্রিন। অশ্রু উৎপাদক বলে একে কাঁদুনে গ্যাস বলা হয়। এর রাসায়নিক নাম হলো নাইট্রোক্লোরোফরম। ক্লোরোফর্মের সাথে গাঢ় নাইট্রিক এসিডের বিক্রিয়ায় ক্লোরোপিক্রিন উৎপন্ন হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্লোরোপিক্রিন
কাঁদুনে গ্যাস (Tear Gas) মূলত এক ধরনের ল্যাক্রিমেটর এজেন্ট (Lacrimator Agent), যা মানুষের চোখ ও শ্বাসতন্ত্রে তীব্র জ্বালা সৃষ্টি করে এবং অস্থায়ী অন্ধত্ব বা শ্বাসকষ্ট তৈরি করে। এর রাসায়নিক সংকেত হলো CCl3NO2CCl_3NO_2
ঐতিহাসিকভাবে, ক্লোরোপিক্রিনকে (Chloropicrin) কাঁদুনে গ্যাসের অন্যতম উপাদান হিসেবে ধরা হয় এবং এটি এই নামে খুবই পরিচিত। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে এটি রাসায়নিক অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো (মিথেন, নাইট্রোজেন, ইথেন) হলো সাধারণ গ্যাস এবং এদের কোনোটিই কাঁদুনে গ্যাসের উপাদান বা বিকল্প নাম নয়।
142

কোন পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুকুরের পানিতে
  2. লেকের পানিতে
  3. নদীর পানিতে
  4. সাগরের পানিতে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নদীর পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ বেশি থাকে। এছাড়াও সকালে পুকুরের পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ খুব কমে যায়, বিকেলে অপেক্ষাকৃত বেশি থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নদীর পানিতে
নদীর পানি সর্বদা গতিশীল (Running) থাকে। এই গতির কারণে পানির সাথে বায়ুর ব্যাপক সংস্পর্শ ঘটে, যার ফলে বায়ুমণ্ডল থেকে অক্সিজেন দ্রুত পানিতে দ্রবীভূত হয়। এই প্রক্রিয়াকে Aeration (বাতায়ন) বলা হয়।
সাধারণত স্থির জল যেমন পুকুর বা লেকের পানিতে অক্সিজেনের সরবরাহ কম হয় এবং তলায় জৈব পদার্থের পচনের কারণে অক্সিজেন খরচ (Consumption) হয়, ফলে DO (Dissolved Oxygen) মাত্রা কম থাকে।
অন্যদিকে, সাগরের পানিতে উচ্চ লবণাক্ততা (Salinity) থাকার কারণে অক্সিজেনের দ্রবণীয়তা হ্রাস পায়। শীতল ও প্রবহমান পানি হওয়ায় নদীর পানিতেই সর্বোচ্চ পরিমাণে অক্সিজেন পাওয়া যায়।
143

হার্ট থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায় যে রক্তনালী-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভেইন
  2. আর্টারি
  3. ক্যাপিলারি
  4. নার্ভ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হার্ট থেকে রক্ত বাইরে নিয়ে যায় আর্টারি বা ধমনি। করোনারি আর্টারি বাইপাস গ্রাফ্টিং (CABG) হল এমন এক সার্জারি যা করালে করোনারি আর্টারির মধ্য দিয়ে হৃদযন্ত্রে রক্তপ্রবাহকে বাড়ানো যায়। যাঁরা গুরুতর করোনারি হার্ট ডিজিজে (CHD), (যাকে করোনারি আর্টারি ডিজিজও বলা হয়) ভোগেন, তাঁদের জন্যই এই চিকিৎসা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আর্টারি (ধমনী)। আর্টারি হলো সেই রক্তনালী, যা হৃদপিণ্ড থেকে রক্তকে দেহের বিভিন্ন অংশে বাইরে বা দূরে বহন করে নিয়ে যায়।
ফুসফুসীয় ধমনী (Pulmonary Artery) বাদে সকল ধমনী অক্সিজেন সমৃদ্ধ (পরিশোধিত) রক্ত পরিবহন করে।
অন্যদিকে, ভেইন (শিরা) দেহের বিভিন্ন অংশ থেকে রক্তকে আবার হৃদপিণ্ডের দিকে (Towards the heart) বহন করে নিয়ে আসে।
ক্যাপিলারি (Capillary) হলো সবচেয়ে ক্ষুদ্র রক্তনালী, যেখানে টিস্যু ও রক্তের মধ্যে গ্যাস ও পুষ্টি উপাদান আদান-প্রদান হয়। নার্ভ (স্নায়ু) রক্ত সঞ্চালনের অংশ নয়।
144

প্রোটিন তৈরি হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্যাটি অ্যাসিড দিয়ে
  2. নিউক্লিক অ্যাসিড দিয়ে
  3. অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রোটিন (আমিষ) জৈব বৃহৎ-অণুর প্রকারবিশেষ। প্রোটিন মূলত উচ্চ ভর বিশিষ্ট নাইট্রোজেন যুক্ত জটিল যৌগ যা অ্যামিনো অ্যাসিডের পলিমার। জীন নির্দিষ্ট অনুক্রমে অনেকগুলি আলফা অ্যামিনো অ্যাসিড পেপটাইড বন্ধন দ্বারা পলিপেপটাইড শৃঙ্খল পলিমার তৈরি করে এবং তা সঠিকভাবে ভাঁজ হয়ে একটি প্রোটিন তৈরি হয়। ২০ প্রকার অ্যামাইনো অ্যাসিড প্রোটিন তৈরিতে অংশগ্রহণ করে। এদেরকে প্রোটিন অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে। এদের মধ্যে ৮টি অ্যামাইনো অ্যাসিডকে অত্যাবশ্যকীয় অ্যামাইনো অ্যাসিড বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অ্যামিনো অ্যাসিড দিয়ে
প্রোটিন হলো জীবদেহের অন্যতম প্রধান ম্যাক্রোমলিকিউল (বৃহদাণু)। এটি পলিমার (Polymer) প্রকৃতির, যা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র একক বা মনোমার (Monomer) দ্বারা গঠিত হয়।
প্রোটিনের এই মৌলিক একক বা বিল্ডিং ব্লক হলো অ্যামিনো অ্যাসিড। প্রায় ২০ ধরনের অ্যামিনো অ্যাসিড (Amino Acid) বিভিন্ন অনুপাতে যুক্ত হয়ে শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন প্রোটিন তৈরি করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: ফ্যাটি অ্যাসিড হলো মূলত স্নেহ পদার্থ (Lipid/Fat) গঠনের একক। আর নিউক্লিক অ্যাসিড (DNA/RNA) গঠিত হয় নিউক্লিওটাইড দ্বারা।
145

কোনটি পানিতে দ্রবীভূত হয় না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্লিসারিন
  2. ফিটকিরি
  3. সোডিয়াম ক্লোরাইড
  4. ক্যালসিয়াম কার্বোনেট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পানিতে দ্রবীভূত হয় না ক্যালসিয়াম কার্বনেট। সোডিয়াম যৌগ বা খাবার লবণ স্বচ্ছ বর্ণহীন কঠিন পদার্থ এবং পানিতে দ্রবণীয়। পক্ষান্তরে, ক্যালসিয়াম কার্বনেট প্রকৃতিতে চুনাপাথর মার্বেল পাথর ও অন্যান্য রূপে বিদ্যমান বিশুদ্ধ পানিতে অদ্রবণীয় হলেও অতিরিক্ত কার্বন-ডাই-অক্সাইড মিশ্রিত পানিতে CaHCO3 রূপে দ্রবীভূত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্যালসিয়াম কার্বোনেট (extCaCO3 ext{CaCO}_3)। এটি সাধারণত পানিতে অদ্রবণীয় (Insoluble) একটি অজৈব যৌগ।
ক্যালসিয়াম কার্বোনেটের অণুগুলি অত্যন্ত শক্তিশালী আয়নিক বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। পানি এই বন্ধন ভাঙার জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি সরবরাহ করতে পারে না বলে এটি সহজে দ্রবীভূত হয় না। এটি চুনাপাথর (Limestone), মার্বেলখড়ির প্রধান উপাদান।
বিপরীতে, সোডিয়াম ক্লোরাইড (খাবার লবণ) এবং ফিটকিরি উভয়ই শক্তিশালী আয়নীয় যৌগ হলেও এদের বন্ধন ভাঙার জন্য পানির অণু যথেষ্ট শক্তি সরবরাহ করে, তাই এরা সহজে দ্রবীভূত হয়।
গ্লিসারিন (এক ধরনের অ্যালকোহল) একটি পোলার জৈব যৌগ। এটি পানির অণুর সাথে সহজেই হাইড্রোজেন বন্ধন তৈরি করতে পারে, তাই এটি পানিতে অত্যন্ত দ্রবণীয়।
146

যে ইলেক্ট্রনিক লজিক গেইটের আউটপুট লজিক 0 শুধুমাত্র যখন সকল ইনপুট লজিক 1 তার নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. AND গেইট
  2. OR গেইট
  3. NAND গেইট
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: NAND গেইট
লজিক গেইটের কার্যকারিতা বোঝার জন্য প্রথমে এর ট্রুথ টেবিল (Truth Table) বুঝতে হবে। প্রশ্নোক্ত শর্তটি হলো: যখন সকল ইনপুট লজিক 1, তখন আউটপুট হবে লজিক 0
এটি NAND গেইটের (Not AND) সংজ্ঞার সরাসরি প্রতিফলন। NAND গেইট হলো একটি ইউনিভার্সাল গেইট, যা AND গেইটের আউটপুটকে বিপরীত (NOT) করে দেয়।
যদি ইনপুট A=1 এবং B=1 হয়:
AND গেইট: আউটপুট হবে 1 (1.1 = 1)।
NAND গেইট: AND এর আউটপুট (1) কে উল্টে দিয়ে 0 করে দেয়। (1.1)' = 0।
147

নিচের কোনটির যোগাযোগের দূরত্ব সবচেয়ে কম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Wi-Fi
  2. Bluetooth
  3. Wi-Max
  4. Cellular network

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্লু-টুথ (Bluetooth) এর দূরত্ব সবচেয়ে কম। • ব্লু-টুথ → ১০-১০০ মিটার। • Wi-Max → ১০-৬০ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Bluetooth
যোগাযোগের দূরত্বের ওপর ভিত্তি করে প্রযুক্তিগুলোকে বিভিন্ন ভাগে ভাগ করা হয়। Bluetooth মূলত স্বল্প-দূরত্বের ব্যক্তিগত সংযোগের (PAN - Personal Area Network) জন্য ব্যবহৃত হয়।
সাধারণত, Bluetooth-এর কার্যকর যোগাযোগের দূরত্ব ১০ মিটার থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ৩০ মিটার পর্যন্ত হতে পারে (ডিভাইসের ক্লাস অনুযায়ী)।
অন্যদিকে, Wi-Fi (WLAN) সাধারণত ১০০ মিটার পর্যন্ত সংযোগ দিতে পারে। Wi-Max (MAN) অনেক বড় মেট্রোপলিটন এলাকা কভার করে (কয়েক কিলোমিটার), এবং Cellular network (WAN) হলো বৃহত্তম, যা অসংখ্য টাওয়ারের মাধ্যমে ব্যাপক অঞ্চল জুড়ে সংযোগ প্রদান করে।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Bluetooth-এর রেঞ্জই সবচেয়ে কম
148

নিচের কোনটি ১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 111
  2. 101
  3. 11
  4. 1

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

• ১ এর পরিপূরক গঠন (1’s complement form) : বাইনারি সংখ্যায় 0 এর স্থানে ১ এবং ১ এর স্থানে 0 বসিয়ে, অর্থাৎ সংখ্যার বিটগুলিকে উল্টিয়ে, সংখ্যাটির ১ এর পরিপূরক পাওয়া যায়। • ২ এর পরিপূরক গঠন (2’s complement form) : ১ এর পরিপূরক এর সাথে ১ যোগ করলে বাইনারি সংখ্যার ২ এর পরিপূরক পাওয়া যায়। সুতরাং ১০০ এর ১ এর পরিপূরক (1’s complement) হল ০১১।

ব্যাখ্যা

১ কমপ্লিমেন্ট (1's Complement) হলো একটি বাইনারি সংখ্যাকে ঋণাত্মক সংখ্যায় রূপান্তরের প্রাথমিক ধাপ। এটি বের করার নিয়ম খুবই সহজ: সংখ্যাটির প্রতিটি বিটকে উল্টে দিতে হবে। অর্থাৎ, '১' থাকলে '০' হবে এবং '০' থাকলে '১' হবে।
প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো: ১০০
আমরা যদি প্রতিটি বিটকে উল্টে দেই:
১ (উল্টো) ->
০ (উল্টো) ->
০ (উল্টো) ->
সুতরাং, ১০০ এর ১ কমপ্লিমেন্ট হলো ০১১
বাইনারি সংখ্যায় বাম দিকে থাকা অতিরিক্ত ‘০’ এর সাধারণত কোনো মান নেই, তাই উত্তরটি সংক্ষেপে ১১ লেখা যায়। তাই সঠিক উত্তর (গ) ১১
149

RFID বলতে বুঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Random Frequency Identification
  2. Random Frequency Information
  3. Radio Frequency Information
  4. Radio Frequency Identification

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

RFID –এর পূর্ণরূপ হলো Radio Frequency Identification. স্ক্যানিং অ্যান্টেনা দুটি কাজ করে থাকে আরএফ (রেডিও ফ্রিকুয়েন্সি) সিগনালের মাধ্যমে ট্যাগের সাথে যোগাযোগ করে এবং passive ট্যাগ এর ক্ষেত্রে ট্যাগে পাওয়ার ট্রান্সমিট করে ওয়্যারলেস পাওয়ার ট্রান্সমিশন টেকনোলজির মাধ্যমে। একটা ট্যাগ যখন স্ক্যানিং অ্যান্টেনার রেঞ্জের মধ্যে আসে, তখন ট্যাগটি স্ক্যানিং অ্যান্টেনাতে সর্বক্ষণ পাঠাতে থাকা একটিভেশন সিগনাল পেয়ে স্ক্যানারকে তার ইউআইডি (UID) পাঠায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Radio Frequency Identification। অর্থাৎ, অপশন (ঘ) সঠিক।
RFID হলো এক ধরনের স্বয়ংক্রিয় শনাক্তকরণ প্রযুক্তি (Automatic Identification technology) যা রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি তরঙ্গ ব্যবহার করে ট্যাগ (Tag) যুক্ত বস্তুকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সনাক্ত এবং ট্র্যাক করতে ব্যবহৃত হয়।
এই ব্যবস্থায় সাধারণত একটি RFID ট্যাগ (যার মধ্যে একটি মাইক্রোচিপ ও অ্যান্টেনা থাকে) এবং একটি RFID রিডার (Reader) ব্যবহার করা হয়। রিডার রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে ট্যাগ থেকে ডেটা সংগ্রহ করে।
অন্য অপশনগুলো যেমন—Random Frequency Identification বা Radio Frequency Information—এগুলো RFID-এর সঠিক পূর্ণরূপ নয় এবং প্রায়োগিক ক্ষেত্রে এদের কোনো অর্থ নেই।
150

নিচের কোনটি সঠিক নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1.  (bar(A+B))= barA.barB

  2.  (bar(A+B)) = barA + barB

  3.  (bar(A.B.C)) = barA+barB+barC

  4.  (bar(A+B+C)) = barA.barB.barC

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি বুলিয়ান অ্যালজেবরায় (Boolean Algebra) ডি-মরগ্যানের উপপাদ্য (De Morgan's Theorem) সংক্রান্ত। উপপাদ্য অনুসারে, যখন একটি যোগফলের উপর পূরক (Complement) চিহ্ন থাকে, তখন তা ভেঙ্গে গেলে প্রতিটি চলকের উপর পূরক চিহ্ন আসে এবং যোগের চিহ্নটি গুণের চিহ্ন হয়ে যায়।
ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য (De Morgan's First Theorem):
(A+B)=A.B ( \overline{A+B} ) = \overline{A} . \overline{B} (যোগফলের পূরক = পূরকগুলোর গুণফল)
ডি-মরগ্যানের দ্বিতীয় উপপাদ্য (De Morgan's Second Theorem):
(A.B)=A+B ( \overline{A.B} ) = \overline{A} + \overline{B} (গুণফলের পূরক = পূরকগুলোর যোগফল)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে,
অপশন ১: (A+B)=A.B ( \overline{A+B} ) = \overline{A} . \overline{B} সঠিক (ডি-মরগ্যানের প্রথম উপপাদ্য)।
অপশন ৩ এবং ৪ হলো প্রথম ও দ্বিতীয় উপপাদ্যের বর্ধিত রূপ, যা সঠিক
কিন্তু অপশন ২: (A+B)=A+B ( \overline{A+B} ) = \overline{A} + \overline{B} সঠিক নয়। কারণ যোগের উপর পূরক থাকলে তা ভেঙ্গে গিয়ে অবশ্যই গুণ (ডট) হওয়া উচিত ছিল। তাই এটিই ভুল উত্তর।
সঠিক উত্তর: (A+B)=A+B ( \overline{A+B} ) = \overline{A} + \overline{B}

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “41th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 41th (2021) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

41th (2021) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 41th (2021) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।