সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

13th(1) (1991) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 13th(1) (1991) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 13th(1) (1991) পরীক্ষার ৯৮টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘গোঁফ- খেজুরে’ – এই বাগধারাটির অর্থ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আরামপ্রিয়া
  2. উদাসীন
  3. নিতান্ত অলস
  4. পরমুখাপেক্ষী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গোঁফ-খেজুরে বাগধারাটি একটি সমাসবদ্ধ শব্দ। এর ব্যাসবাক্য- গোঁফে খেজুর পড়ে থাকলেও খায় না যে। এটি মধ্যপদলোপী বহুব্রীহি সমাস। অত্যন্ত অলস ব্যক্তি বোঝাতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

‘গোঁফ-খেজুরে’ বাগধারাটি দ্বারা এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যে নিতান্ত অলসতা বা চরম কর্মবিমুখতার কারণে সামান্য কাজটিও করতে চায় না।
ধারণা করা হয়, একজন ব্যক্তি যদি গোঁফের উপর রাখা একটি খেজুর (ফল) খাওয়ার জন্য হাত তোলার কষ্টটুকুও স্বীকার না করে, বরং জিভ দিয়ে চেটে খাওয়ার চেষ্টা করে—তবে সে চরম অলস।
বাগধারাটির এই রূপক অর্থটি সরাসরি নিতান্ত অলস ভাবটিকে প্রকাশ করে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: নিতান্ত অলস (অপশন ৩)। যদিও ‘আরামপ্রিয়া’ কিছুটা কাছাকাছি অর্থ বহন করে, কিন্তু ‘গোঁফ-খেজুরে’ বাগধারাটি অলসতার চরম মাত্রা বোঝায়, তাই নিতান্ত অলস শব্দটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
2

কোন দুটি অঘোষ ধ্বনি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চ ছ

  2. ড ঢ
  3. ব ভ
  4. দ ধ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চ ছ। এটি ধ্বনিবিজ্ঞানের একটি মৌলিক প্রশ্ন, যেখানে ধ্বনিকে কণ্ঠনালীতে স্বরতন্ত্রী কম্পিত হওয়া বা না হওয়ার ভিত্তিতে দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
১. অঘোষ ধ্বনি (Voiceless): যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয় না, তাদের অঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গীয় ব্যঞ্জনের প্রথম ও দ্বিতীয় ধ্বনিগুলো অঘোষ হয়।
২. ঘোষ ধ্বনি (Voiced): যে ধ্বনি উচ্চারণের সময় স্বরতন্ত্রী কম্পিত হয়, তাদের ঘোষ ধ্বনি বলে। বর্গীয় ব্যঞ্জনের তৃতীয় ও চতুর্থ ধ্বনিগুলো ঘোষ হয়।
এখানে, 'চ' হলো চ-বর্গের প্রথম ধ্বনি এবং 'ছ' হলো চ-বর্গের দ্বিতীয় ধ্বনি। নিয়ম অনুযায়ী, এই দুটিই অঘোষ ধ্বনি
অন্যদিকে, ড, ঢ (ট-বর্গের ৩য় ও ৪র্থ), ব, ভ (প-বর্গের ৩য় ও ৪র্থ) এবং দ, ধ (ত-বর্গের ৩য় ও ৪র্থ) এই সবগুলিই ঘোষ ধ্বনি
3

কোন বাক্যে ‘ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়’ প্রবাদটির বিশেষ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কাজে লেগে যাও
  2. ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল
  3. ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, কি খাবে বল
  4. ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, নিজের পায়ে দাঁড়াও

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ঢাক ঢাক গুড় গুড় বাগধারাটির অর্থ লুকোচুরি। ঢাক ঢাক গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথা বল- বাক্যটিতেই শুধু এই অর্থ প্রকাশ পেয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড় করে কি লাভ, আসল কথাটি বল
‘ঢাক্ ঢাক্ গুড় গুড়’ একটি বিশেষ ধরনের প্রবাদ বা বাগধারা। এর আভিধানিক অর্থ হল— কোনো বিষয় গোপন করা, ইতস্তত করা অথবা আসল কথা চেপে রেখে ভূমিকা করা
প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে কোন বাক্যে এই প্রবাদটির বিশেষ অর্থ (লাক্ষণিক অর্থ) প্রকাশ পেয়েছে।
এখানে ‘আসল কথাটি বল’ অংশটির মাধ্যমে বোঝানো হচ্ছে যে, কথা লুকানোর চেষ্টা না করে বা ইতস্তত না করে মূল বিষয়টি সরাসরি বলো। তাই এই বাক্যেই প্রবাদটির বিশেষ অর্থটি সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলিতে প্রবাদটিকে ব্যবহার করা হলেও তার প্রয়োগটি অর্থের দিক থেকে যথাযথ বা সম্পূর্ণ নয়।
4

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসের প্রধান দুটি চরিত্রের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনী
  2. মধুসূদন ও কুমুদিনী
  3. গোবিন্দলাল ও রোহিনী

  4. সুরেশ ও অচেলা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গোবিন্দলাল ও রোহিনী
‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ উপন্যাসটির কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন জমিদার গোবিন্দলাল এবং সুন্দরী কিন্তু উচ্চাভিলাষী বিধবা নারী রোহিনী। উপন্যাসের মূল ট্র্যাজেডি এই দুটি চরিত্রের জীবনকে কেন্দ্র করেই আবর্তিত হয়েছে।
যদিও গোবিন্দলালের স্ত্রী ভ্রমর উপন্যাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও করুণ চরিত্র, কিন্তু কাহিনীর চালিকাশক্তি ও দ্বন্দ্বের প্রধান দুই কেন্দ্র হলো গোবিন্দলাল ও রোহিনী
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন উপন্যাসের চরিত্র: নগেন্দ্রনাথ ও কুন্দনন্দিনীবঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’ উপন্যাসের চরিত্র। মধুসূদন ও কুমুদিনীরবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের চরিত্র।
5

‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’- এক কথায় কি হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অপূর্ব
  2. অদৃষ্টপূর্ব
  3. অভূতপূর্ব
  4. ভূতপূর্ব

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যা পূর্বে দেখা যায়নি- অদৃষ্টপূর্ব; যা পূর্বে কখনো ঘটেনি- অভূতপূর্ব; যা পূর্বে ছিল এখন নেই- ভূতপূর্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ভূতপূর্ব (বিকল্প ৪)।
বাংলা ব্যাকরণের ‘এক কথায় প্রকাশ’ অনুযায়ী, ‘যা পূর্বে ছিল এখন নেই’— এর সঠিক ও প্রচলিত এককথায় প্রকাশ হলো ভূতপূর্ব
এখানে ‘ভূত’ শব্দের অর্থ হলো অতীত বা যা হয়ে গেছে। যেমন: ভূতপূর্ব রাষ্ট্রপতি, ভূতপূর্ব শিক্ষক।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
১. অপূর্ব: যা পূর্বে (আগে) দেখা যায়নি।
২. অদৃষ্টপূর্ব: যা আগে দেখা যায়নি (যা পূর্বে দেখা যায়নি)।
৩. অভূতপূর্ব: যা পূর্বে কখনো ঘটেনি বা হয়নি। (এই তিনটি শব্দই প্রায় সমার্থক এবং এরা ‘ভূতপূর্ব’ এর বিপরীত অর্থ বহন করে।)
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

কোন বাক্যে সমুচ্চয়ী অভ্যয় ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধন অপেক্ষা মান বড়
  2. তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না
  3. ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে
  4. লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ধন অপেক্ষা মান বড় (অনুসর্গ অব্যয়)। তোমাকে দিয়ে কিছু হবে না (অনুসর্গ অব্যয়)। ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে (অনুকার অব্যয়)। লেখা পড়া কর, নতুবা ফেল করবে (সমুচ্চয়ী অব্যয়)। যে অব্যয় পদ একটি বাক্যের অথবা বাক্যস্থিত একটি পদের সাথে অন্য একটি পদের সংযোজন, বিয়োজন বা সংকোচন ঘটায়, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় বলে। যেমন: লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লেখাপড়া কর, নতুবা ফেল করবে
যে অব্যয় পদ একাধিক পদ, বাক্যাংশ বা দুটি স্বাধীন বাক্যকে যুক্ত, বিযুক্ত বা সংকুচিত করে, তাকে সমুচ্চয়ী অব্যয় (Conjunction) বলে।
উক্ত বাক্যে 'নতুবা' শব্দটি দুটি বাক্যাংশকে (লেখাপড়া কর; ফেল করবে) যুক্ত করেছে এবং একটি বিকল্প বা অন্যথা নির্দেশ করেছে। তাই 'নতুবা' একটি সমুচ্চয়ী অব্যয় (নির্দিষ্টভাবে, বিয়োজক সমুচ্চয়ী অব্যয়)।
অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
১. ধন অপেক্ষা মান বড়: এখানে 'অপেক্ষা' শব্দটি তুলনাবাচক অব্যয় বা অনন্বয়ী অব্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, এটি কোনো বাক্যকে যুক্ত করেনি।
২. ঢং ঢং ঘণ্টা বাজে: এখানে 'ঢং ঢং' শব্দটি কোনো ধ্বনির অনুকরণ করছে, তাই এটি অনুকার অব্যয় বা ধ্বন্যাত্মক অব্যয়
7

কোন সালে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1951
  2. 1961
  3. 1971
  4. 1981

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৮৬১ সালের ৭ই মে, ১২৬৮ বঙ্গাব্দের ২৫শে বৈশাখ কলকাতার জোড়াসাঁকোতে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৬১ সালে তার জন্মের শতবর্ষ এবং ২০১১ সালে সার্ধশতবর্ষ পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬১
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর জন্মগ্রহণ করেন ১৮৬১ সালের ৭ মে (২৫শে বৈশাখ, ১২৬৮ বঙ্গাব্দ)।
তাঁর জন্ম-শতবার্ষিকী (Birth Centenary) হলো জন্মগ্রহণের ঠিক ১০০ বছর পর।
সুতরাং, ১৮৬১ + ১০০ = ১৯৬১ সালে তাঁর জন্ম-শতবার্ষিকী পালিত হয়।
অন্যান্য সালগুলো যেমন—১৯৫১ (৯০ বছর), ১৯৭১ (১১০ বছর) বা ১৯৮১ (১২০ বছর) তাঁর জন্ম-শতবার্ষিকীর বছর নয়।
8

ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য কোন কাব্যের উপজীব্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জিঞ্জির- কাজী নজরুল ইসলাম
  2. সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
  3. দিলরুবা – আবদুল কাদির
  4. নূরনামা – আবদুল হাকিম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জিঞ্জির: বিদ্রোহের সুর; সাত সাগরের মাঝি: ইসলামের ইতিহাস ও ঐতিহ্য; দিলরুবা: প্রেমপ্রধান; নূরনামা: বাংলা ভাষার গুণকীর্তন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সাত সাগরের মাঝি – ফররুখ আহমদ
কবি ফররুখ আহমদ ছিলেন মুসলিম রেনেসাঁস বা মুসলিম ঐতিহ্যের পুনর্জাগরণের কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর কাব্যের প্রধান উপজীব্য ছিল ইসলামের গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস ও ঐতিহ্য, বিশেষত মধ্যপ্রাচ্যের সমৃদ্ধ অতীত।
তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'সাত সাগরের মাঝি' (১৯৪৪)-তে তিনি মুসলিম ঐতিহ্যের প্রতীক 'সিন্দাবাদ'-এর মাধ্যমে পরাধীন মুসলিম জাতির জাগরণ কামনা করেছেন এবং ইসলামী ঐতিহ্যকে ফুটিয়ে তুলেছেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল। কাজী নজরুল ইসলামের 'জিঞ্জির' কাব্যের মূল সুর বিদ্রোহ, প্রেম ও সাম্য। আবদুল কাদির মূলত কবিতাবিষয়ক প্রবন্ধ ও কবিতা সংকলনের জন্য পরিচিত।
9

‘অনল প্রবাহ’ রচনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী

  2. মোজাম্মেল হক
  3. এয়াকুব আলী চৌধুরী
  4. মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী
‘অনল প্রবাহ’ হলো মূলত একটি কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯০০ সালে প্রকাশিত হয়। এই রচনার মধ্য দিয়ে সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে জাতীয় জাগরণের ভাব সৃষ্টি করতে চেয়েছিলেন।
তিনি ছিলেন মুসলিম সাহিত্যিকদের মধ্যে প্রথম যিনি ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রতিবাদী ও বিপ্লবী সাহিত্য রচনা করেন।
এই কাব্যের বিপ্লবী চেতনার কারণে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে কারাদণ্ডও প্রদান করেছিল।
10

কোন বাক্যে সমাপিকা ক্রিয়া ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমি ভাত খাচ্ছি
  2. আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব
  3. আমি দুপুরে ভাত খাই
  4. তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক ও গ তে খাচ্ছি ও খাই ক্রিয়াপদ দিয়ে বাক্যের অর্থের পরিসমাপ্তি ঘটেছে, তাই এরা সমাপিকা ক্রিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আমি ভাত খাচ্ছি
যে ক্রিয়া দ্বারা বাক্যের অর্থ সম্পূর্ণরূপে প্রকাশিত হয় এবং বক্তার বক্তব্য শেষ হয়, তাকে সমাপিকা ক্রিয়া (Finite Verb) বলে। এখানে ‘খাচ্ছি’ ক্রিয়াটি দ্বারা বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ প্রকাশ পেয়েছে, তাই এটি সমাপিকা ক্রিয়া।
অন্যান্য বিকল্পগুলোতে অসমাপিকা ক্রিয়া (Non-finite Verb) ব্যবহৃত হয়েছে।
আমি ভাত খেয়ে স্কুলে যাব: এখানে ‘খেয়ে’ ক্রিয়াটি অসমাপিকা, কারণ এটি শোনার পর আরও কিছু শোনার আকাঙ্ক্ষা থেকে যায়। বাক্যটি শেষ হয়েছে ‘যাব’ সমাপিকা ক্রিয়ার মাধ্যমে।
তাড়াতাড়ি ভাত খেয়ে ওঠ: এখানেও ‘খেয়ে’ অসমাপিকা এবং ‘ওঠ’ হলো সমাপিকা ক্রিয়া।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

জীবনানন্দ দাশের রচিত কাব্যগ্রন্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধূসর পাণ্ডুলিপি
  2. নাম রেখেছি কোমল গান্ধার
  3. একক সন্ধ্যায় বসন্ত
  4. অন্ধকারে একা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জীবনানন্দ দাশের অন্যান্য কাব্যগ্রন্হগুলো হলো- ঝরাপালক, বনলতা সেন, মহাপৃথিবী, সাতটি তারার তিমির, রূপসী বাংলা ও বেলা অবেলা কালবেলা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধূসর পাণ্ডুলিপি। এটি কবি জীবনানন্দ দাশের রচিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ, যা প্রকাশিত হয় ১৯৩৬ সালে।
এটি জীবনানন্দ দাশের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ এবং বাংলা আধুনিক কবিতার অন্যতম শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। এই কাব্যের মূল বিষয়বস্তু প্রকৃতি, প্রেম এবং নির্জনতা।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
নাম রেখেছি কোমল গান্ধার: এটি রচিত বুদ্ধদেব বসু-এর।
একক সন্ধ্যায় বসন্ত: এটি রচিত বিষ্ণু দে-এর।
অন্ধকারে একা: এটি রচিত সুধীন্দ্রনাথ দত্ত-এর।
উপরে উল্লিখিত চারজন কবিই 'পঞ্চপাণ্ডব' গোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন, তাই তাদের কাজ নিয়ে প্রায়শই পরীক্ষায় বিভ্রান্তি তৈরি হয়।
12

‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ এ উক্তিটির প্রকৃত তাৎপর্য হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আদিবাসী মানুষ অরণ্য জনপদে বাস করে
  2. বনের পশু বনে থাকতেই ভালোবাসে
  3. জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর
  4. প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য আদি ও অকৃত্রিম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘বন্যেরা বনে সুন্দর, শিশুরা মাতৃক্রোড়ে’ বাক্যটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ‘পালামৌ’ থেকে সংগৃহীত। প্রতিটি জীবই তার স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর এটি বোঝাতেই উপমাটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

এই উক্তিটি বাংলা সাহিত্যের একটি বহুল প্রচলিত ও গভীর দার্শনিক তাৎপর্যপূর্ণ প্রবাদ। এর মাধ্যমে একটি সর্বজনীন সত্য তুলে ধরা হয়েছে।
উক্তিটির দুটি অংশ: প্রথম অংশে বন্যপ্রাণীর জন্য বন এবং দ্বিতীয় অংশে শিশুদের জন্য মায়ের কোল—এই দুটি ভিন্ন উদাহরণ ব্যবহার করা হয়েছে। প্রতিটি উদাহরণই নির্দেশ করে যে, যখন কোনো বস্তু বা প্রাণী তার নিজস্ব ও প্রত্যাশিত পরিবেশে থাকে, তখনই সে পরিপূর্ণতা লাভ করে এবং সবচেয়ে বেশি সুন্দর দেখায়।
তাই এর প্রকৃত ও গভীর তাৎপর্য হলো: জীবমাত্রই স্বাভাবিক অবস্থানে সুন্দর (অপশন ৩)। এটি কেবল বন বা শিশুর সৌন্দর্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি জীবনের একটি মূলনীতি
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন, কেবল বনের পশু বা প্রকৃতির রূপ-সৌন্দর্য) এই উক্তির সর্বজনীন তাৎপর্যকে প্রকাশ করতে ব্যর্থ, কারণ তারা শুধু আংশিক সত্য তুলে ধরে।
13

কোন বাক্যে নাম পুরুষের ব্যবহার করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওরা কি করে
  2. আপনি আসবেন
  3. আমরা যাচ্ছি
  4. তোরা খাসনে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওরা কি করে?- নাম পুরুষ (তুচ্ছার্থে)। আপনি আসবেন?- মধ্যম পুরুষ (সম্মানার্থে)। আমরা যাচ্ছি- উত্তম পুরুষ। তোরা খাসনে- মধ্যম পুরুষ (তুচ্ছার্থে)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওরা কি করে (অপশন ক)।
বাংলা ব্যাকরণে বক্তা, শ্রোতা বা অন্য কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়কে নির্দেশ করার জন্য সর্বনাম পদের রূপভেদকে পুরুষ (Person) বলে। পুরুষ তিন প্রকার—উত্তম, মধ্যম ও নাম পুরুষ।
নাম পুরুষ (Third Person): বক্তা (উত্তম পুরুষ) ও শ্রোতা (মধ্যম পুরুষ) ছাড়া অন্য যে কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা বিষয়ের নাম বা সর্বনামকে নাম পুরুষ বলে। যেমন: সে, তারা, তিনি, ওরা, এটি, ঐসব ইত্যাদি।
প্রদত্ত বাক্যে ‘ওরা’ সর্বনামটি নাম পুরুষের উদাহরণ, তাই বাক্যটি নাম পুরুষের ব্যবহার নির্দেশ করছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: ‘আমরা’ হলো উত্তম পুরুষ (First Person)। ‘আপনি’ এবং ‘তোরা’ হলো মধ্যম পুরুষ (Second Person)।
14

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়-এর দৃষ্টান্ত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘর থেকে ছাড়া - ঘড়ছাড়া
  2. অরুণের মতো রাঙা- অরুণরাঙা
  3. হাসিমাখা মুখ- হাসিমুখ
  4. ক্ষণ ব্যাপিয়া স্থায়ী- ক্ষণস্থায়ী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঘরছাড়া- পঞ্চমী তৎপুরুষ; অরুণরাঙা- উপমান কর্মধারয়; ক্ষণস্থায়ী- ২য়া তৎপুরুষ। মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস এর আরও কিছু উদাহরণ হলো পলান্ন, প্রীতিভোজ, সিংহাসন, ঘিভাত, ধর্মঘট, স্মৃতিসৌধ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাসিমাখা মুখ- হাসিমুখ
এটি মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস (Madhya-padalopi Karmadharay Samas)-এর একটি প্রকৃষ্ট উদাহরণ।
যে কর্মধারয় সমাসে বিগ্রহ বাক্যের মাঝের এক বা একাধিক পদ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এখানে 'হাসিমাখা মুখ' বিগ্রহ বাক্যের মাঝের পদ 'মাখা' লোপ পেয়ে সমস্ত পদ 'হাসিমুখ' গঠিত হয়েছে।
কর্মধারয় সমাসে সাধারণত পরপদের অর্থই প্রাধান্য পায়।
ভুল উত্তরগুলো বিশ্লেষণ:
১. ঘর থেকে ছাড়া - ঘড়ছাড়া: এখানে 'থেকে' (বিচ্যুতির বিভক্তি) লোপ পাওয়ায় এটি পঞ্চমী তৎপুরুষ সমাস
২. অরুণের মতো রাঙা- অরুণরাঙা: এখানে উপমান (অরুণ) এবং সাধারণ ধর্ম (রাঙা) আছে। এটি উপমান কর্মধারয় সমাস
৪. ক্ষণ ব্যাপিয়া স্থায়ী- ক্ষণস্থায়ী: এটি সাধারণত দ্বিতীয়া তৎপুরুষ-এর অন্তর্ভুক্ত হতে পারে, তবে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় নয়।
15

কোনটি ঐতিহাসিক নাটক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শর্মিষ্ঠা
  2. রাজসিংহ
  3. পলাশীর যুদ্ধ
  4. রক্তাক্ত প্রান্তর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘শর্মিষ্ঠা’ মধুসূদন দত্ত রচিত পৌরাণিক নাটক; ‘রাজসিংহ’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ঐতিহাসিক উপন্যাস; ‘পলাশীর যুদ্ধ’ নবীন চন্দ্র সেন রচিত ঐতিহাসিক কাব্যগ্রন্হ; ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ নিয়ে মুনীর চৌধুরী রচিত ঐতিহাসিক নাটক। মুনীর চৌধুরী রচিত অন্যান্য নাটক হলো- কবর, মানুষ, মুখরা রমণী বশীকরণ, কেউ কিছু বলতে পারে না ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রক্তাক্ত প্রান্তর
রক্তাক্ত প্রান্তর নাটকটি রচনা করেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ, নাট্যকার ও বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী
এটি ঐতিহাসিক নাটক কারণ এর পটভূমি ১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ। এই যুদ্ধে মারাঠাদের সঙ্গে আফগানদের যুদ্ধ হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন প্রকৃতির:
শর্মিষ্ঠা: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচিত প্রথম বাংলা নাটক, যা একটি পৌরাণিক নাটক (Mythological Drama)।
রাজসিংহ: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক উপন্যাস (উপন্যাস, নাটক নয়)।
পলাশীর যুদ্ধ: এটি কায়কোবাদ রচিত একটি বিখ্যাত মহাকাব্য
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবল প্রকাশ ঘটেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাকাব্যে
  2. নাটকে
  3. পত্রকাব্যে
  4. সনেটে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যে সনেটের প্রবর্তক, অমিত্রাক্ষর ছন্দের রূপকার, প্রথম সার্থক নাট্যকার, প্রথম পত্রকাব্যকার, প্রথম সার্থক মহাকাব্য রচয়িতা ও প্রথম প্রহসন রচয়িতা। মধুসূদনের ‘চর্তুদ্দশপদী কবিতাবলী’ গ্রন্হে ১০২ টি সনেট রয়েছে। মাইকেল মধুসূদন দত্ত তার প্রবল দেশপ্রেম প্রকাশ করেছেন সনেটের মাধ্যমে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সনেট। মাইকেল মধুসূদন দত্তের দেশপ্রেম প্রবলভাবে প্রকাশ পেয়েছে তার 'চতুর্দশপদী কবিতাবলী' (১৮৬৬) গ্রন্থে সংকলিত সনেটগুলোতে।
ফ্রান্সে অবস্থানকালে রচিত এই সনেটগুলোতে তিনি স্বদেশ এবং স্বভাষার প্রতি গভীর আকর্ষণ ও অনুরাগ প্রকাশ করেন।
বিশেষ করে 'বঙ্গভাষা' নামক বিখ্যাত সনেটটিতে তিনি ইউরোপীয় সাহিত্য নিয়ে ব্যস্ত থাকার জন্য অনুশোচনা প্রকাশ করে স্বদেশের প্রতি প্রবল ভালোবাসা ও ফেরার আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করেছেন, যা তার দেশপ্রেমের প্রবলতম প্রকাশ
যদিও তার মহাকাব্য (যেমন: মেঘনাদবধ কাব্য) বাংলা সাহিত্যের জন্য বিশাল অর্জন, এর মূল উপজীব্য হলো পৌরাণিক ট্র্যাজেডি—সরাসরি দেশপ্রেম নয়।
17

‘মোসলেম ভারত’ নামক সাহিত্য পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মীর মশাররফ হোসেন
  2. মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ
  3. মোজাম্মেল হক
  4. রেয়াজুদ্দীন আহমদ মাশহাদী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মোজাম্মেল হক ‘মোসলেম ভারত’, ‘লহরী’ ও ‘শান্তিপুর মাসিক সাহিত্য পত্রিকা’ সম্পাদনা করেন। মীর মশাররফ হোসেন সম্পাদিত পত্রিকা ‘আজিজন্নেহার’ ও ‘হিতকরী’। মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ সম্পাদিত পত্রিকা ‘ইসলাম প্রচারক’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মোজাম্মেল হক
বিশ শতকের মুসলিম সমাজ, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে এগিয়ে নিতে যে কয়েকটি পত্রিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল, ‘মোসলেম ভারত’ (১৯২০) তার মধ্যে অন্যতম।
যদিও 'মোসলেম ভারত' পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন আফসার উদ্দীন আহমদ, কিন্তু অনেক সময় সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অপশন অনুযায়ী মোজাম্মেল হক-কে এই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তিনি এই সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী মুসলিম সাহিত্যিক ও সাংবাদিক ছিলেন।
উল্লেখ্য, মীর মশাররফ হোসেন ছিলেন আজিজন নেহারহিতকরী পত্রিকার সম্পাদক।
মুন্সী মোহাম্মদ রেয়াজুদ্দীন আহমদ ছিলেন ইসলাম প্রচারক পত্রিকার সম্পাদক।
18

বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের কোন দুটি বানানই শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাতি/হাতী
  2. নারি/নারী
  3. জাতি/জাতী
  4. দাদি/দাদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা একাডেমির বাংলা বানান রীতি অনুযায়ী একই শব্দের দুটি বানানই শুদ্ধ; এমন কিছু শব্দ: অন্তঃস্থ/অন্তস্থ; পাখি/পাখী; বাড়ি/বাড়ী; বাঁশি/বাঁশী; রজনি/রজনী; শ্রেণি/শ্রেণী; সূচী/সূচি; হাতি/হাতী; স্বামি/স্বামী; কলস/কলশ; কুটির/কুটীর; কুমির/কুমীর; গাড়ি/গাড়ী; তরণি/তরণী; দীঘি/দিঘী; দাদি/দাদী। সতুরাং ক ও ঘ দুটি উত্তরই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাতি/হাতী
বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান (২০১২) অনুযায়ী, তৎসম (সংস্কৃত) ভিন্ন অন্য সকল শব্দে (তদ্ভব, দেশি, বিদেশি, মিশ্র) সাধারণত দীর্ঘ-ঈকার (ী) পরিহার করে হ্রস্ব-ইকার (ি) ব্যবহারের নিয়ম চালু করা হয়।
তবে কিছু অত্যন্ত প্রচলিত শব্দ রয়েছে যা ঐতিহাসিকভাবে দীর্ঘ-ঈকার দিয়ে লেখা হতো। বাংলা একাডেমি সেসব ক্ষেত্রে ঐতিহ্য ও আধুনিকতা বজায় রাখতে উভয় বানানকেই শুদ্ধ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
হাতি/হাতী (তদ্ভব শব্দ 'হস্তি' থেকে আগত) এমন একটি শব্দ, যেখানে ই-কার ও ঈ-কার উভয় বানানই শুদ্ধ।
অন্যান্য অপশন: জাতি (কেবল ই-কার), নারি (কেবল নারী, ঈ-কার তৎসম শব্দ হওয়ায়) এবং দাদি (আধুনিক মতে ই-কার শুদ্ধ, যদিও দাদি/দাদী উভয়ই প্রচলিত)। কিন্তু পরীক্ষার জন্য 'হাতি/হাতী' হলো সর্বাধিক প্রচলিত এবং স্বীকৃত দ্বৈত-শুদ্ধ বানানের উদাহরণ।
19

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ নামক উপন্যাসের উপজীব্য-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাঝি-মাল্লার সংগ্রামশীল জীবন
  2. জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ
  3. চাষী-জীবনের করুণ চিত্র
  4. চরবাসীদের দুঃখী-জীবন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৩৬ সালে প্রকাশিত ‘পদ্মানদীর মাঝি’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত উপন্যাস। জেলে জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখের বাস্তব চিত্র এতে অঙ্কিত হয়েছে। উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র হলো কুবের, কপিলা, মালা, হোসেন মিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত কালজয়ী উপন্যাস ‘পদ্মানদীর মাঝি’ (প্রকাশ: ১৯৩৬) পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলেদের জীবন ও তাদের সমাজব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে লেখা।
উপন্যাসের মূল উপজীব্য কেবল মাঝি-মাল্লাদের সংগ্রাম বা দুঃখ নয়, বরং তাদের দারিদ্র্য, প্রেম, কুসংস্কার, কামনা-বাসনা এবং তাদের সম্পর্কের জটিলতাসহ সুখ-দুঃখের এক বিচিত্র ও পূর্ণাঙ্গ চিত্র তুলে ধরা। এই কারণে, ‘জেলে-জীবনের বিচিত্র সুখ-দুঃখ’ উত্তরটি উপন্যাসের থিমকে সবচেয়ে সঠিকভাবে প্রতিফলিত করে।
অন্যান্য অপশন যেমন ‘মাঝি-মাল্লার সংগ্রামশীল জীবন’ আংশিকভাবে সঠিক হলেও, এটি উপন্যাসের সামগ্রিক জীবনবোধ ও ব্যাপকতাকে প্রকাশ করতে পারে না। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই উপন্যাসটি মার্কসীয় জীবনবোধ দ্বারা প্রভাবিত এবং এতে শোষিত মানুষের জীবন উঠে এসেছে।
20

‘শৈবাল দীঘিরে কহে উচ্চ করি শির; লিখে রেখ, একবিন্দু দিলেম শিশির।’ এ অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রতিদান
  2. প্রত্যুপকার
  3. অকৃতজ্ঞতা
  4. অসহিষ্ণুতা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত ‘ক্ষুদ্রের দম্ভ’ নামক ২ পঙ্‌ক্তির অণুকবিতা। এটিতে ক্ষুদ্রের দাম্ভিকতা বা অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেয়েছে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত পঙ্‌ক্তিটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত উক্তি। এর রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম
এই পঙ্‌ক্তিটির মধ্য দিয়ে কবি সমাজের সেই শ্রেণির মানুষকে তুলে ধরেছেন, যারা সামান্য উপকার করেও অহংকার করে এবং যার কাছ থেকে উপকার পেয়েছে তার মূল অবদানকে অস্বীকার করে।
এখানে দীঘি হলো মহৎ আশ্রয়দাতা এবং শৈবাল হলো অহংকারী নগণ্য ব্যক্তি। দীঘির বিশালতার কাছে শৈবালের দেওয়া 'একবিন্দু শিশির' (সামান্য উপকার) সম্পূর্ণ তুচ্ছ।
শৈবাল নিজের তুচ্ছ কাজকে বড় করে জাহির করে দীঘির বিশাল অবদানকে সম্পূর্ণ ভুলে যাচ্ছে। এই মনোভাবকে বাংলায় অকৃতজ্ঞতা বা কৃতঘ্নতা বলা হয়।
তাই, এই অংশটুকুর মূল প্রতিপাদ্য হলো অকৃতজ্ঞতা (সঠিক উত্তর: ৩)। অন্য অপশনগুলি (প্রতিদান, প্রত্যুপকার) এখানে মূল ভাব প্রকাশ করে না; কারণ শৈবালের আচরণটি উপকার করা নয়, বরং অহংকার ও অস্বীকারের।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

Select the answer of the word ‘stagflagation′.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. controlled prices
  2. economic slow down
  3. a disintegrating government
  4. cultural dullness

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Stagflagation- অর্থনৈতিক মন্দা (যে সময়ে মুদ্রাস্ফীতি হয় কিন্তু উৎপাদন বাড়ে না)। মূলত Stagnation (নিস্ক্রিয় অবস্থা, অচলাবস্থা) ও Inflation – (মুদ্রাস্ফীতি)- এই দুটি শব্দের মিলনে Stagflagation-শব্দটি গঠিত। এখানে Controlled price- নিয়ন্ত্রিত মূল্য। Economic slow down- অর্থনৈতিক মন্দা। A disintegrating government- একটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ সরকার। Cultural dullness – সাংস্কৃতিক মন্দা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: economic slow down (অর্থনৈতিক স্থবিরতা/মন্দা)
Stagflation (স্ট্যাগফ্লেশন) হলো একটি অর্থনৈতিক পরিভাষা যা দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত: Stagnation (স্থবিরতা/মন্দা) এবং Inflation (মুদ্রাস্ফীতি)
যখন একটি দেশের অর্থনীতিতে প্রবৃদ্ধি বা উৎপাদন কমে যায় (বেকারত্ব বৃদ্ধি পায় বা economic slow down হয়), কিন্তু একই সাথে দ্রব্যমূল্য অস্বাভাবিক হারে বাড়তে থাকে (Inflation), তখন সেই অস্বাভাবিক পরিস্থিতিকে Stagflation বলা হয়।
এটি সাধারণত একটি অর্থনৈতিক সংকটের নির্দেশক, কারণ প্রচলিত নীতি দ্বারা মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে বেকারত্ব বাড়ে এবং বেকারত্ব কমাতে গেলে মুদ্রাস্ফীতি বাড়ে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'economic slow down' বা অর্থনৈতিক স্থবিরতা হচ্ছে Stagflation এর প্রধান অংশ (Stagnation)।
22

What is the meaning of the word ‘scuttle’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to tease
  2. abandon
  3. Pile up
  4. gossip

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Scuttle শব্দটির ৬টি ভিন্ন অর্থ রয়েছে। (i) Noun হিসেবে- কয়লার ঝুড়ি, (ঘরের মধ্যে) অগ্নিকুণ্ডে কয়লা সরবরাহের পাত্র বিশেষ। (ii) Noun হিসেবে- ঢাকনাওয়ালা ছোট ছিদ্র (জাহাজে, বাড়ির ছাদে)। (iii) Noun হিসেবে – দ্রুত প্রস্থান, পলায়ন। (iv) Verb হিসেবে - তড়িঘড়ি পালানো, দ্রুত পরিত্যাগ করা। (v) Verb হিসেবে- কপাটিকা খুলে দেয়া। (vi) Verb হিসেবে – ফুটো করা , ফুটো করে জাহাজ ডুবিয়ে দেয়া। এখানে (ক) To tease – উত্যক্ত করা, বিরক্ত করা। Abandon- পরিত্যাগ করা, ছেড়ে দেয়া। Pile up- স্তুপ করা, জমা করা। Gossip- খোশগল্প করা, চুটকি রচনা করা। অতএব scuttle এর অর্থের সাথে Abandon এর মিল রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: abandon
Scuttle শব্দটি সাধারণত দুটি প্রধান অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রথমত, দ্রুত দৌড়ে যাওয়া বা ছুটে যাওয়া (to run hurriedly), এবং দ্বিতীয়ত, কোনো পরিকল্পনা বা প্রকল্পকে দ্রুত বাতিল বা পরিত্যাগ করা (to deliberately stop/abandon a plan)।
এছাড়া, এর আরেকটি বহুল ব্যবহৃত অর্থ হলো জাহাজের তলায় ইচ্ছাকৃতভাবে গর্ত করে জাহাজটিকে ডুবিয়ে দেওয়া।
এখানে অপশনগুলোর মধ্যে ‘abandon’ (পরিত্যাগ করা/বাতিল করা) শব্দটি অর্থের দিক থেকে ‘scuttle’ এর সাথে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্য অপশনগুলো যেমন: ‘to tease’ (বিরক্ত করা), ‘Pile up’ (জমা করা), এবং ‘gossip’ (গুজব করা) অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন।
23

What is the meaning of the word ‘stanch’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to reinforce
  2. be weak
  3. smooth out
  4. put an end to

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Stanch- রোধ করা, বন্ধ করা, শেষ করা। To reinforce- শক্তিশালী করা, ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, দৃঢ়তর করা। Be weak – দুর্বল হওয়া। Smooth out- মসৃণ করা, সমান করা। Put an end to- সাঙ্গ করা, শেষ করা, যবনিকা পাত করা। অর্থাৎ stanch এর অর্থের সাথে put an end to এর মিল রয়েছে।

ব্যাখ্যা

Stanch (স্ট্যাঞ্চ) শব্দটি একটি Verb, যার প্রধান অর্থ হলো কোনো কিছুর প্রবাহ (বিশেষ করে তরল বা রক্তপাত) বন্ধ করা বা ঠেঁকানো
উদাহরণস্বরূপ: 'The doctors managed to stanch the bleeding' (ডাক্তাররা রক্তপাত বন্ধ করতে সক্ষম হয়েছিলেন)।
এর সমার্থক শব্দ (Synonyms) হলো: Stop, check, halt, or suppress।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 'put an end to' (কোনো কিছুর পরিসমাপ্তি ঘটানো বা বন্ধ করা) শব্দটি অর্থের দিক থেকে Stanch-এর সবচেয়ে নিকটবর্তী।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে। যেমন: reinforce (শক্তিশালী করা), smooth out (মসৃণ করা)। তাই সঠিক উত্তর হলো put an end to
24

What is the meaning of the word ‘belated’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. complaining
  2. off hand
  3. weak
  4. tardy

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Belated- অতিশয় ধীরে চলা, খুব দেরিতে আসা, অতিশয় ধীর, মন্হর। Complaining –অভিযোগ করার মত। Off hand – তাৎক্ষণিক, উপস্থিত, পূর্বচিন্তা ছাড়া। Weak- দুর্বল, বলহীন। Tardy- ধীর, অতিশয় মন্হর। তাই belated এর প্রতিশব্দ Tardy.

ব্যাখ্যা

‘Belated’ শব্দটির অর্থ হলো ‘যা সময়ের পর ঘটেছে’ বা বিলম্বিত (Coming or happening later than should have been the case).
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ‘tardy’ শব্দের অর্থ হলো বিলম্বিত বা দেরি করা (Delayed or delaying beyond the expected time)। তাই, ‘belated’ শব্দের সঠিক সমার্থক শব্দ হলো tardy
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
Complaining: অভিযোগ করা।
Off hand: অপ্রস্তুতভাবে, বিনা প্রস্তুতিতে।
Weak: দুর্বল।
25

What is the meaning of the word ‘sequences’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to follow
  2. round up
  3. withdraw
  4. question closely

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sequences- ক্রমসমূহ, পরস্পরসমূহ আনুক্রমিক বিষয়াবলি। To follow – অনুসরণ করা, ক্রম অনুসরণ করা। Round up – একক করা, পূর্ণসংখ্যায় নিয়ে আসা। Withdraw- উত্তোলন করা, তুলে নেয়া। Question closely- ঘনিষ্ঠভাবে/দৃঢ়ভাবে প্রশ্ন করা।

ব্যাখ্যা

Sequences শব্দটি noun হিসেবে ব্যবহার হলে এর অর্থ হয় ‘ধারাবাহিকতা’ বা ‘পর্যায়ক্রম’।
তবে Verb হিসেবে এর অর্থ হলো ‘পরপর আসা’ বা ‘অনুসরণ করা’ (To arrange in a sequence; to follow in order)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘to follow’ শব্দের অর্থ হলো ‘অনুসরণ করা’ বা ‘পিছনে আসা’, যা sequences শব্দের অর্থের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো: round up (একত্রিত করা), withdraw (প্রত্যাহার করা বা তুলে নেওয়া) এবং question closely (গভীরভাবে জেরা করা)। এগুলি প্রদত্ত শব্দের অর্থের সাথে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

What is the meaning of the word ‘euphemism’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. vague idea
  2. inoffensive expression
  3. verbal play
  4. wise saying

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Euphemism- সুভাষণ, মধুর ভাষণ, পরিবর্তিত শব্দের দ্বারা ধ্বনি মাধুর্য, বর্ধন (যেমন মৃত্যুর পরিবর্তে পরলোক গমন। এখানে vague idea- অস্পষ্ট ধারণা। in-offensive expression- শালীন অভিব্যক্তি। verbal play- বিবৃতিমূলক/বাচনিক নাটক। wise saying – জ্ঞানগর্ভ প্রবাদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: inoffensive expression (শ্রুতিকটু নয় এমন অভিব্যক্তি)।
Euphemism (ইউফেমিজম) শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে। এর আভিধানিক অর্থ হলো 'good speaking' বা 'মিষ্টি করে কথা বলা'
Euphemism হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে কোনো কঠোর, অপ্রীতিকর, অপমানজনক বা সরাসরি বলা বিব্রতকর এমন শব্দ বা বাক্যাংশের পরিবর্তে নরম, ভদ্র বা গ্রহণযোগ্য শব্দ ব্যবহার করা হয়। এটি মূলত শব্দের তীব্রতা কমিয়ে আনে।
যেমন: কাউকে 'Old' (বৃদ্ধ) না বলে ‘senior citizen’ (প্রবীণ নাগরিক) বলা একটি ইউফেমিজম।
অতএব, 'euphemism'-এর সবচেয়ে কাছাকাছি ও সঠিক অর্থ হলো inoffensive expression
27

Anything ‘Pernicious’ tends to injure or destroy. Something which has no such harmful effect is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. innocuous
  2. innocent
  3. immaculate
  4. salutary

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মূল sentence –এ বলা হয়েছে যে, Pernicious অর্থ ‘যা ক্ষতি করে বা ধ্বংস করে’ এবং যা অহিতকর বা ক্ষতি করে না তা কি জানতে চাওয়া হয়েছে। এখন প্রদত্ত Option –এর মধ্যে ‘innocuous’ –এর অর্থ ‘এমন কিছু যা কোনো অনিষ্ট করে না’।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দ Pernicious-এর অর্থ হলো—অত্যন্ত ক্ষতিকর, মারাত্মক বা ধ্বংসাত্মক (Causing great harm or damage, often in a way that is not easily noticed)।
সুতরাং, এর বিপরীত শব্দ হবে এমন কিছু যা ক্ষতিকর নয় বা নিরাপদ
সঠিক উত্তর হলো innocuous (অপশন: A)। Innocuous মানে হলো নির্দোষ বা ক্ষতিকর নয় (Harmless)। এটি সরাসরি Pernicious-এর বিপরীত অর্থ প্রদান করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—
Innocent মানে নির্দোষ বা নিষ্পাপ (Not guilty)। এটি নৈতিকতার সাথে সম্পর্কিত, ক্ষতির মাত্রার সাথে নয়।
Immaculate মানে ত্রুটিহীন বা নির্মল (Perfectly clean or faultless)।
Salutary মানে স্বাস্থ্যকর বা উপকারী (Beneficial)। যদিও এটি ক্ষতিকর নয়, তবে innocuous (নিছক ক্ষতি করে না) শব্দটি 'Pernicious' (মারাত্মক ক্ষতি করে) এর সবচেয়ে নিকটতম বিপরীতার্থক শব্দ।
28

Do not worry, English grammar is not- to understand. Which of the following best fits in the blank space?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. so difficult
  2. very difficult
  3. too difficult

  4. difficult enough

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো too difficult
এই বাক্যটি একটি সুনির্দিষ্ট Adverbial Structure (ক্রিয়াবিশেষণ কাঠামো) অনুসরণ করে। কাঠামোটি হলো: too + adjective/adverb + to + V1 (Infinitive)
সাধারণত, 'too... to' কাঠামোটি কোনো কিছুর মাত্রা অতিরিক্ত বোঝায়, যার ফলে কাজটি করা সম্ভব হয় না (যেমন: too hot to drink = এত গরম যে পান করা যায় না)।
কিন্তু যখন এটিকে 'not' দ্বারা নেতিবাচক করা হয় (যেমন: not too difficult), তখন এর অর্থ দাঁড়ায়, 'খুব বেশি কঠিন নয়' বা 'সহজে পরিচালনাযোগ্য/বোঝা সম্ভব'।
বাক্যটির প্রথম অংশ 'Do not worry' (চিন্তা করো না) থাকার কারণে দ্বিতীয় অংশে নিশ্চিত করতে হবে যে এটি সহজে শেখা যায়। তাই, 'English grammar is not too difficult to understand' কাঠামোটিই অর্থগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো এই Infinitive (to understand)-এর সাথে ব্যাকরণগতভাবে বা অর্থগতভাবে মানানসই নয়।
29

We (not have) a holiday since the beginning of the year. -which of the following verb forms best completes the above sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. did not have
  2. have not had
  3. are not having
  4. had not had

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

since/for + time থাকলে বাক্যটিতে Present Perfect/Present Perfect Continuous Tense হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: have not had। এটি Present Perfect Tense-এর একটি উদাহরণ।
বাক্যটিতে ব্যবহৃত ফ্রেজটি হলো since the beginning of the year (বছরের শুরু থেকে)। Since শব্দটি নির্দেশ করে যে কাজটি অতীতকালের একটি নির্দিষ্ট বিন্দু থেকে শুরু হয়ে বর্তমানকাল পর্যন্ত চলমান বা বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত।
যেহেতু এই সময়কালটি বর্তমান পর্যন্ত বিস্তৃত, তাই এখানে Present Perfect Tense (Subject + have/has + V3) ব্যবহার করতে হবে।
এখানে Subject (We) এর সাথে have বসবে এবং মূল verb ‘have’ (পাওয়া/অভিজ্ঞতা করা অর্থে) এর Past Participle Form হলো had
নেগেটিভ ফর্মে বাক্যটি দাঁড়ায়: We + have + not + had (V3) a holiday…।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: did not have (Simple Past) সুনির্দিষ্ট অতীত সময়ের জন্য ব্যবহৃত হয়; are not having (Present Continuous) বর্তমানে চলমান কাজ বোঝায়; এবং had not had (Past Perfect) অতীতের দুটি কাজের মধ্যে আগে সম্পন্ন হওয়া কাজটি বোঝায়।
30

If I were you, I (handle) the situation more carefully. -Which of the following verb forms best completes the above sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. would handle

  2. will handle
  3. handle
  4. would have handled

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Conditional sentence- এ If দ্বারা সূচিত Clause টিতে ‘were’ থাকলে অপর Clause টিতে would/could/might + verb word ব্যবহার করতে হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: would handle
এটি Conditional Sentence-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম, যা **Second Conditional** নামে পরিচিত। **Second Conditional** এমন একটি কাল্পনিক বা অসম্ভব অবস্থা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যা বর্তমান বা ভবিষ্যতে ঘটা অসম্ভব।
Second Conditional-এর গঠন হলো:
If + Subordinate Clause (Past Simple/Subjunctive) + Main Clause (Subject + would/could/might + V1)
এখানে, If clause-এ ব্যবহৃত হয়েছে 'If I **were** you' (Past Subjunctive Tense)।
সুতরাং, Main clause-এ অবশ্যই **would + Verb এর Base Form (V1)** বসাতে হবে।
তাই, সঠিক বাক্যটি হবে: If I were you, I would handle the situation more carefully।
এখানে would have handled (অপশন D) ভুল, কারণ এটি Third Conditional-এর গঠন (If + Past Perfect থাকলে)।
এবং will handle (অপশন B) ভুল, কারণ এটি First Conditional-এর গঠন (If + Present Simple থাকলে)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

It’s time (you realize) your mistakes. Which of the following clause best fits in the above sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. you realized
  2. that you realize
  3. you would realize
  4. you have realized

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

It’s time, It is ligh time etc. Sentence এর শুরুতে থাকলে Principle verb past form এ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: you realized (অপশন 0)।
এটি ইংরেজি ব্যাকরণের Subjunctive Mood বা Unreal Past সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। এই ধরনের বাক্যের মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, কাজটি ইতোমধ্যে করা উচিত ছিল বা এখনই করার উপযুক্ত সময়।
নিয়ম অনুসারে, যখন কোনো বাক্যে ‘It’s time’, ‘It is high time’, অথবা ‘It is about time’ এর পর একটি Subject (যেমন: you, we, he) ব্যবহৃত হয়, তখন এর পরের Clause এর Verb-টি অবশ্যই Simple Past Tense (V2) এ হবে।
Structure: It’s time + Subject + V2 (Past Indefinite Tense)
প্রদত্ত বাক্যে: It’s time + you (Subject) + realized (V2)।
অন্যান্য অপশনগুলো (that you realize, you would realize, you have realized) এই কাঠামোর সাথে সংগতিপূর্ণ নয়।
32

We have recently entered __ an agreement with the Inland Co-operative Society. -Which of the following best fits in the blank space?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. no preposition
  2. upon
  3. in
  4. into

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভেতরে প্রবেশ করা বা আসা বোঝাতে enter –এর পর কোনো preposition বসে না। অধিকার লাভ করার ক্ষেত্রে enter-এর পর on/upon বসে। নথিভুক্ত করার ক্ষেত্রে enter- এর পর in বসে এবং চুক্তিতে সম্মত হওয়া বোঝাতে enter – এর পর into বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: into
এখানে 'enter' শব্দটি প্রবেশ করা অর্থে ব্যবহৃত হয়নি, বরং কোনো চুক্তি বা আলোচনায় অংশগ্রহণ বা শুরু করা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
যখন 'enter' শব্দটি কোনো চুক্তি (agreement), আলোচনা (discussion), বা জোট (alliance) শুরু করা বা তাতে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রবেশ করা বোঝায়, তখন এটি সর্বদা 'into' প্রিপজিশন গ্রহণ করে। এটিকে এক ধরনের Phrasal Verb বা Appropriate Preposition হিসেবে গণ্য করা হয়।
Enter into an agreement (চুক্তি শুরু করা/চুক্তি করা) একটি সুনির্দিষ্ট বাক্যাংশ।
যদি 'enter' শব্দটি কোনো স্থানে শারীরিক প্রবেশ বোঝাত (যেমন: ঘরে ঢোকা), তবে কোনো প্রিপজিশনের প্রয়োজন হতো না। যেমন: He entered the room (No preposition).
33

The boy from the village said, “I __ starve than beg.” -Which of the following best completes the above sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. better
  2. rather
  3. would rather
  4. would better

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Rather → বরং মূল sentence টি এরূপ আমি বরং না খেয়ে থাকবো, তবুও ভিক্ষা করবো না। gap এ would rather বসালেই এরূপ অর্থ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: would rather
কারণ, যখন দুইটি কাজের মধ্যে তুলনামূলকভাবে একটিকে অন্যটির চেয়ে বেশি পছন্দ করা হয় (preference), তখন সেই বাক্যটি প্রকাশ করতে 'would rather... than...' কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়।
এর সাধারণ গঠনটি হলো: Subject + would rather + V1 (Base Form) + than + V1 (Base Form)
প্রদত্ত বাক্যে, ‘starve’ (অনাহারে থাকা) এবং ‘beg’ (ভিক্ষা করা)—এই দুটি কাজের মধ্যে তুলনামূলক পছন্দের কথা বলা হয়েছে।
সুতরাং, শূন্যস্থানে would rather বসাতে হবে।
সম্পূর্ণ বাক্যটি হবে: The boy from the village said, “I would rather starve than beg.” (গ্রামের ছেলেটি বলল, আমি বরং ভিক্ষা করার চেয়ে অনাহারে থাকব।)
ভুল কেন: শুধু 'rather' বা 'better' ব্যবহার করলে এই ধরনের তুলনামূলক পছন্দের কাঠামোটি সম্পূর্ণ হয় না। 'would better' এই কাঠামোতে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
34

It is too difficult to ‘tolearte’ bad temper for long. -Which of the following phrases best replaces ‘tolerate’ in the above sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. cope up with
  2. put up with
  3. stand up for
  4. pull on with

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Tolerate- সহ্য করা, সওয়া মেনে নেয়া। এখানে Cope with- তাল মেলানো। Put up with- সহ্য করা, বিনা প্রতিবাদে মেনে নেয়া। Stand up for- সমর্থন করা, পক্ষ গ্রহণ করা। Pull on with- টান দেয়া, শোষণ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) put up with
Tolerate শব্দের অর্থ হলো কোনো কিছু সহ্য করা, মেনে নেওয়া বা নীরবে সহ্য করে যাওয়া
Phrasal verb-এর মধ্যে 'put up with'-এর অর্থও ঠিক একই — to tolerate or endure (সহ্য করা)
সুতরাং, 'It is too difficult to tolerate bad temper' বাক্যটিতে 'tolerate'-এর সঠিক প্রতিশব্দ হিসেবে 'put up with' ব্যবহার করা যায়।
ভুল কেন:
(ক) cope up with: এই বাক্যটি ভুল। সঠিক Phrasal verb হলো 'cope with' (মানিয়ে নেওয়া বা মোকাবিলা করা)। এর অর্থ 'tolerate'-এর মতো শুধু সহ্য করা নয়।
(গ) stand up for: এর অর্থ হলো সমর্থন করা বা পক্ষ নেওয়া (e.g., We must stand up for justice)।
(ঘ) pull on with: এটি সাধারণত 'continue with difficulty' বা এগিয়ে যাওয়ার অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা সহ্যের অর্থে প্রযোজ্য নয়।
35

I have never seen such a slow coach like you, this small work has taken you three full months. - What does the idiom’ a slow coach’ mean?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. an irrespomnsible person
  2. a careless person
  3. an unthoughtful person
  4. a very lazy person

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Slow coach- ধীর প্রকৃতির লোক, অলস লোক, সময় অপচয়কারী ব্যক্তি। এখানে an irresponsible person – দায়িত্ব জ্ঞানহীন লোক। a careless person – বেপরোয়া লোক। an unthoughtful person হঠকারী ব্যক্তি, অচিন্ত্যপূর্ব/অচিন্ত্যশীল ব্যক্তি। a very lazy person- অত্যন্ত অলস ব্যক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: a very lazy person
'A slow coach' বাগধারাটির অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি, যিনি কাজ করতে বা সিদ্ধান্ত নিতে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি ধীরগতি সম্পন্ন (Tardy or dilatory), প্রায়শই অলসতা বা মন্থরতার কারণে।
প্রশ্নপত্রে দেওয়া বাক্যটি ('this small work has taken you three full months') এই ধীরগতি সম্পন্ন প্রকৃতিকেই নির্দেশ করে। কেউ যদি ছোট কাজ করতে ৩ মাস সময় নেয়, তবে তাকে খুব অলস ব্যক্তি বা slow worker বলা যায়।
অতএব, অপশনগুলোর মধ্যে a very lazy person অর্থটিই এই বাগধারার মূল ভাব (core meaning) প্রকাশ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন irresponsible (দায়িত্বজ্ঞানহীন) বা careless (অমনোযোগী) ব্যক্তির ধীরগতিকে নির্দেশ করে না, বরং তাদের কাজের গুণগত মান বা নৈতিক ত্রুটিকে নির্দেশ করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

‘The rainbow’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a poem by Wordsworth
  2. a short story by Somerst Maugham
  3. a novel by D.H. Lawrence
  4. a verse by Coleridge

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

D.H. Lawrence এর অন্যান্য উপন্যাসগুলোর মধ্যে The White Peacock, Women in Love, Sons and Lovers, Lady Chatterley’s Lover উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a novel by D.H. Lawrence
‘The Rainbow’ হলো বিখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক D.H. Lawrence (ডেভিড হারবার্ট লরেন্স)-এর লেখা একটি সুপরিচিত উপন্যাস। এটি ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসের প্রধান থিম হলো প্রেম, আকাঙ্ক্ষা এবং শিল্পায়নের যুগে মানুষের সম্পর্কের জটিলতা।
D.H. Lawrence ছিলেন বিশ শতকের Modern Period-এর একজন গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক। তিনি যৌনতা ও সামাজিক বিধিনিষেধ নিয়ে খোলামেলা লেখার জন্য সুপরিচিত ছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: Wordsworth এবং Coleridge হলেন Romantic Period-এর কবি, এবং Somerset Maugham যদিও কথাসাহিত্যিক, তিনি ‘The Rainbow’ লেখেননি।
37

‘Tom Jones’ by Henry Fielding was first published in-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. the 1st half of 19th century
  2. the 2nd half of 18th century
  3. the 1st half of 18th century
  4. the 2nd half of 19th century

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Henry Fielding কে ইংরেজি উপন্যাসের জনক বলা হয়। তার ছদ্মনাম Captain Hercules Vinegar. তার বিখ্যাত উপন্যাস হলো Tom Jones, Amelia এবং Joseph Andrews.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: the 1st half of 18th century
'The History of Tom Jones, a Foundling' (সংক্ষেপে 'Tom Jones') উপন্যাসটি Henry Fielding (হেনরি ফিল্ডিং)-এর মাস্টারপিস। এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৭৪৯ সালে
সতেরোশো ঊনপঞ্চাশ (১৭৪৯) সালটি ১৮শ শতকের (18th Century) অন্তর্ভুক্ত।
১৮শ শতকের সময়কাল হলো ১৭০১ সাল থেকে ১৮০০ সাল পর্যন্ত। এর প্রথমার্ধ (1st half) হলো ১৭০১ থেকে ১৭৫০ সাল পর্যন্ত। যেহেতু ১৭৪৯ সাল এই সময়সীমার মধ্যে পড়ে, তাই এটি ১৮শ শতকের প্রথমার্ধে প্রকাশিত হয়।
38

The literary work ‘Kubla Khan’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a history by Vincent Smith
  2. a verse by Coleridge
  3. a drama by Oscar Wilde
  4. a short story by Somerst Maugham

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

S. T. Coleridge ইংরেজি সাহিত্যের Romantic যুগের একজন বিখ্যাত কবি। William Wordsworth এর সাথে যৌথভাবে ‘Lyrical Ballads’ রচনার মাধ্যমে Romantic যুগের সূচনা করেন। তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘The Rime of the Ancient Mariner’, ‘Bibliographia Literaria’, ‘Christabell’, ‘Kubla Khan’, ‘Ode to Dejection’ উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a verse by Coleridge
‘Kubla Khan’ হলো ব্রিটিশ রোমান্টিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি Samuel Taylor Coleridge (S.T. Coleridge) রচিত একটি বিখ্যাত ও অসম্পূর্ণ কবিতা (verse/fragment)।
কবিতাটির পূর্ণ নাম হলো: Kubla Khan; or, A Vision in a Dream: A Fragment। কবি নিজেই এটিকে স্বপ্ন-প্রসূত রচনা হিসেবে অভিহিত করেছেন।
কবিতাটিতে মঙ্গোল সম্রাট কুবলাই খানের আদেশে নির্মিত “Xanadu” প্রাসাদের বিবরণ দেওয়া হয়েছে। এটি ১৮১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: Vincent Smith হলেন ঐতিহাসিক, Oscar Wilde ছিলেন নাট্যকার এবং Somerset Maugham বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও ছোটগল্পকার।
39

T.S Eliot was born in-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Ireland
  2. England
  3. Wales
  4. USA

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

T.S Eliot এর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো- ‘The Waste Land’, ‘The Hollowmen’, ‘Murder in the Cathedral’, ‘The Family Reunion’, ‘The Cocktail Party’. তিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরষ্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: USA (United States of America)
বিখ্যাত মডার্নিস্ট কবি Thomas Stearns Eliot (T.S. Eliot) ১৮৮৮ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর আমেরিকার Missouri অঙ্গরাজ্যের St. Louis শহরে জন্মগ্রহণ করেন।
অনেকেই ভুলবশত ইংল্যান্ডকে সঠিক উত্তর ভাবেন কারণ তিনি ১৯১৪ সালে ইংল্যান্ডে চলে আসেন এবং ১৯২৭ সালে তিনি ব্রিটিশ নাগরিকত্ব লাভ করেন ও অ্যাংলিকান চার্চে ধর্মান্তরিত হন। কিন্তু তার জন্মস্থান ছিল আমেরিকা
40

What was the real name of the great American short writer, ‘O Henry?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Samuel L.Clemen
  2. William Sydney Porter
  3. Fitz-James O’Brien
  4. William Huntington Wright

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

William Sydney Porter এর বিখ্যাত সাহিত্যকর্ম হলো- ‘The Gift of the Magi’, ‘Sixes and Sevens’, ‘Roads of Destiny’, ‘Rolling Stone’. ‘The Four Million’.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (খ) William Sydney Porter
বিখ্যাত আমেরিকান ছোটগল্পকার William Sydney Porter আন্তর্জাতিক সাহিত্য জগতে তাঁর ছদ্মনাম ‘O Henry’ নামেই সুপরিচিত।
O Henry তাঁর গল্পগুলিতে 'Surprise Ending' বা অপ্রত্যাশিত শেষের জন্য অত্যন্ত বিখ্যাত।
উল্লেখ্য, প্রথম অপশনে থাকা Samuel L. Clemens হলেন আরেকজন বিখ্যাত আমেরিকান লেখক, যিনি Mark Twain ছদ্মনামে লিখতেন। এটিও বিসিএস পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন নগর কোন স্থানে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়নামতি
  2. বিক্রমপুর
  3. মহাস্থানগড়
  4. পাহাড়পুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সর্বাপেক্ষা প্রাচীন শহর হলো পুণ্ড্রবর্ধন। আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর পূর্বে এটি ছিল অত্র অঞ্চলের বিখ্যাত শহর ও বাণিজ্য কেন্দ্র। ১৮৭৯ সালে প্রত্নতত্ত্ববিদ স্যার আলেকজান্ডার ক্যানিংহাম এ নগর সভ্যতার ধ্বংসাবশেষ শনাক্ত করেন। এর বর্তমান নাম মহাস্থানগড়। বর্তমান বগুড়া শহর থেকে ১০ কিমি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে এর অবস্থান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহাস্থানগড়
প্রাচীন বাংলায় প্রাপ্ত শিলালিপি ও সাহিত্যিক তথ্য অনুযায়ী, পুণ্ড্রবর্ধন ছিল বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন এবং বৃহত্তম জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম। এই পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমান বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত।
বর্তমানে এই প্রাচীন পুণ্ড্রনগরকেই মহাস্থানগড় নামে অভিহিত করা হয়। মহাস্থানগড়ের প্রাচীনত্ব খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতাব্দী (মৌর্য আমল) পর্যন্ত বিস্তৃত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোও গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন স্থান হলেও সেগুলোর ঐতিহাসিক তাৎপর্য ভিন্ন:
ময়নামতি: এটি ছিল দেব বংশের (৭ম-৮ম শতক) রাজধানী এবং একটি বৌদ্ধ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান, যা কুমিল্লায় অবস্থিত।
বিক্রমপুর: এটি ছিল সেন বংশের রাজধানী এবং মুন্সিগঞ্জ জেলার অন্তর্ভুক্ত প্রাচীন অঞ্চল।
পাহাড়পুর: এটি মূলত নওগাঁ জেলার সোমপুর মহাবিহারের জন্য বিখ্যাত, যা পাল রাজা ধর্মপাল নির্মাণ করেন।
42

১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি তারিখে তৎকালীন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নুরুল আমিন
  2. লিয়াকত আলী খান
  3. মোহাম্মদ আলী
  4. খাজা নাজিমুদ্দীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২৭ জানুয়ারি, ১৯৫২ তৎকালীন পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী খাজা নাজিমুদ্দীন কর্তৃক পল্টন ময়দানে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে পুনরায় উর্দুর কথা ঘোষিত হলে ভাষা আন্দোলন বেগবান হয়ে ওঠে এবং ২১ ফেব্রুয়ারির আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে। খাজা নাজিমুদ্দীন ১৭ অক্টোবর, ১৯৫১ থেকে ১৭ এপ্রিল, ১৯৫৩ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খাজা নাজিমুদ্দীন
১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি যখন ভাষা আন্দোলন চরম আকার ধারণ করে, তখন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খাজা নাজিমুদ্দীন
তিনি ১৯৫১ সালের ১৭ অক্টোবর তারিখে পাকিস্তানের দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ১৯৫৩ সালের ১৭ এপ্রিল পর্যন্ত এই পদে বহাল ছিলেন।
ভাষা আন্দোলনের মূল পটভূমি তৈরি হয় যখন খাজা নাজিমুদ্দীন ১৯৫২ সালের ২৬ জানুয়ারি পল্টন ময়দানে ঘোষণা করেন যে, উর্দুই হবে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা। এই ঘোষণার প্রতিবাদেই ২১ ফেব্রুয়ারির রক্তক্ষয়ী ঘটনা ঘটে।
নুরুল আমিন: তিনি তৎকালীন পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন এবং ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের সময় তিনিই সরকারের প্রধান নির্বাহী হিসেবে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন না।
লিয়াকত আলী খান: তিনি ছিলেন পাকিস্তানের প্রথম প্রধানমন্ত্রী, কিন্তু ১৯৫১ সালের ১৬ অক্টোবর তিনি আততায়ীর গুলিতে নিহত হন। তাই ১৯৫২ সালের ফেব্রুয়ারিতে তিনি দায়িত্বে ছিলেন না।
43

পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন কবে প্রণীত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৪৭ সালে
  4. ১৯৫৪ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাকিস্তান শাসনামলে ভূমি আইনের উপর যে সব গুরুত্বপূর্ণ বিধিবদ্ধ আইন প্রণীত হয়, তন্মধ্যে ১৯৫০ সালের জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন      (Estate Acquisition and Tenancy Act 1950) উল্লেখযোগ্য। ১৯৫০ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি এই আইনটি পূর্ব বাংলার আইনসভা কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ঐ সালের ১৬ মে পাকিস্তানের তৎকালীন গভর্নর জেনারেলের সম্মতিক্রমে আইনের মর্যাদা লাভ করে। এ আইনে ১৫২ টি ধারা রয়েছে, যা পাঁচটি অংশ ও ১৯টি অধ্যায়ে বিভক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৫০ সালে। আইনটির পূর্ণ নাম হলো 'পূর্ববঙ্গ জমিদারি দখল ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০' (East Bengal Estate Acquisition and Tenancy Act, 1950)।
এই আইনের মাধ্যমে পূর্ববঙ্গ তথা বর্তমান বাংলাদেশে প্রাচীনকাল থেকে চলে আসা জমিদারি প্রথা এবং ব্রিটিশদের প্রবর্তিত চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত আনুষ্ঠানিকভাবে বাতিল করা হয়।
আইনটি পাস হলেও জমিদারি অধিগ্রহণ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হতে আরও কয়েক বছর সময় লেগেছিল। এটি ছিল স্বাধীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের উদ্যোগে গ্রহণ করা প্রথম গুরুত্বপূর্ণ ভূমি সংস্কার আইন।
44

প্রাচীন গৌড় নগরীর অংশবিশেষ বাংলাদেশের কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুষ্টিয়া
  2. বগুড়া
  3. কুমিল্লা
  4. চাঁপাইনবাবগঞ্জ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাচীন যুগে বাংলা অখণ্ড কোনো রাজ্য ছিল না। ভিন্ন ভিন্ন নামে খণ্ডে খণ্ডে বিভিন্ন জনপথে বিভক্ত ছিল সমগ্র বাংলা। গৌড় জনপদের সীমানা ছিল রাজশাহী, নওগাঁ, নাটোর, মালদহ, পশ্চিম দিনাজপুর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
প্রাচীন গৌড় নগরীর অবস্থান ভারত ও বাংলাদেশের সীমান্ত জুড়ে। এর প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মালদহ জেলায় এবং এক-তৃতীয়াংশ বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।
ঐতিহাসিক এই নগরীটি প্রাচীন বাংলার বহু ক্ষমতাধর রাজ্যের রাজধানী ছিল। সপ্তম শতকে বাংলার প্রথম স্বাধীন ও শক্তিশালী শাসক শশাঙ্ক গৌড়কে রাজধানী করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন প্রাচীন স্থানের সাথে সম্পর্কিত:
বগুড়া: প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী মহাস্থানগড় অবস্থিত।
কুমিল্লা: প্রাচীন সমতট অঞ্চলের অংশ, এখানে শালবন বিহার অবস্থিত।
45

আওয়ামী লীগের ছয়-দফা কোন সালে পেশ করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৬৫ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৬৮ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্বশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা নামে পরিচিত ‘৬ দফা দাবি’ পেশ করেন। ১৯৬৬ সালের ২৩ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ‘৬ দফা দাবি’ উত্থাপন করা হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গণআন্দোলন শুরু হলে পুলিশের গুলিতে বিভিন্ন স্থানে ১১ জন বাঙালি নিহত হন। এ জন্য প্রতি বছর ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬৬ সাল
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের স্বায়ত্তশাসন ও অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি পেশ করেন।
ছয়-দফা মূলত ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ সালে পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর জাতীয় সম্মেলনে উত্থাপিত হয়েছিল। তবে এটিকে আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের কর্মসূচি হিসেবে ঘোষণা করা হয় ১৮ মার্চ, ১৯৬৬ সালে।
এই দাবিগুলো ছিল তৎকালীন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের শোষণ ও বৈষম্যের বিরুদ্ধে পূর্ব পাকিস্তানের 'বাঁচার দাবি' বা স্বাধিকার আন্দোলনের মূল ভিত্তি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৫২ সালে
  2. ১৯৫৩ সালে
  3. ১৯৫৪ সালে
  4. ১৯৫৫ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রখ্যাত আইনজীবী মাদার বখশ এবং প্রফেসর ইতরাত হোসেন জুবেরীর প্রচেষ্টায় ১৯৫৩ সালের ৩১ মার্চ প্রাদেশিক আইনসভায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা আইন পাশ হয় এবং একই বছরের ৬ জুলাই প্রফেসর ইতরাত হোসেন জুবেরীকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৫৩ সালে
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫৩ সালের ৬ জুলাই
এটি পূর্ব বাংলায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর প্রতিষ্ঠিত দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। দীর্ঘদিনের দাবি ও আন্দোলনের ফলস্বরূপ রাজশাহী ইউনিভার্সিটি অ্যাক্ট, ১৯৫৩-এর অধীনে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা নির্দেশ করে। যেমন: ১৯৫২ সাল ভাষা আন্দোলনের বছর, এবং ১৯৫৪ সাল যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনের বছর।
47

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ – গানটির সুরকার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবদুল লতিফ
  2. আবদুল আহাদ
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. মাহমুদুন্নবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গানটির গীতিকার আব্দুল গাফফার চৌধুরী এবং প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং বর্তমানে এটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আলতাফ মাহমুদ
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচয়িতা (গীতিকার) হলেন আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী। তিনি এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে রচনা করেন।
গানটির প্রথম সুরারোপ করেন আবদুল লতিফ। তবে বর্তমানে আমরা যে সুরটি শুনে থাকি, সেটি পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে সুরারোপ করেন প্রখ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে এই সুরটিই অধিক জনপ্রিয় ও স্বীকৃত।
48

জাতীয় স্মৃতিসৌধের স্থপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হামিদুর রহমান
  2. তানভির কবির
  3. মাইনুল হোসেন
  4. মাযহারুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হামিদুর রহমান কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের, তানভীর কবির মুজিবনগর স্মৃতিসৌধের এবং মাযহারুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের স্থপতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাইনুল হোসেন (অপশন গ)।
জাতীয় স্মৃতিসৌধ হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া বীরদের স্মরণে নির্মিত বাংলাদেশের জাতীয় স্থাপত্য।
এর নকশা প্রণয়ন করেন প্রখ্যাত স্থপতি সৈয়দ মাইনুল হোসেন
এটি সাভারের নবীনগরে অবস্থিত এবং ১৯৮২ সালে উদ্বোধন করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, হামিদুর রহমান ছিলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের (১৯৫২) মূল নকশাবিদ, আর মাযহারুল ইসলাম ছিলেন বাংলাদেশের আধুনিক স্থাপত্যের পথিকৃৎ।
49

বীরশ্রেষ্ঠ পদক প্রাপ্তদের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাত

  2. আট
  3. ছয়
  4. পাঁচ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অসীম বীরত্ব ও সাহসিকতা প্রদর্শণ এবং আত্মত্যাগের জন্য ৭ জন সূর্যসন্তানকে ‘বীরশ্রেষ্ঠ’ খেতাব দেয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাত (৭)
বীরশ্রেষ্ঠ হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব, যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অতুলনীয় সাহস ও আত্মত্যাগের জন্য প্রদান করা হয়। এই পদকটি এ পর্যন্ত মোট সাত জন মুক্তিযোদ্ধাকে দেওয়া হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধ-সম্পর্কিত এই সংখ্যাটি বিসিএস সহ সকল চাকরির পরীক্ষার জন্য একটি আবশ্যিক প্রশ্ন।
50

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিপাহী

  2. ল্যান্সনায়েক
  3. লেফটেন্যান্ট
  4. ক্যাপ্টেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিপাহী। বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের পদবি ছিল সিপাহী
তিনি ছিলেন ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের (৪র্থ বেঙ্গল) সদস্য এবং ৪নং সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন।
১৯৭১ সালের ২৮ অক্টোবর তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের অন্তর্গত ঢালি সীমান্তের আম্বাসা এলাকায় শহীদ হন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, ল্যান্সনায়েক পদবি ছিল বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের। বাকি পদবিগুলো (লেফটেন্যান্ট, ক্যাপ্টেন) ছিল অফিসারের পদবি, যা তিনি ধারণ করেননি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস কবে পালন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪ ডিসেম্বর
  2. ১৩ ডিসেম্বর
  3. ১২ ডিসেম্বর
  4. ১১ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে পরাজয় নিশ্চিত জেনে বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করতে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবী হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসেবে পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৪ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ের ঠিক দু'দিন আগে ১৪ ডিসেম্বর পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় সহযোগী আল-বদর ও আল-শামস বাহিনী পূর্বপরিকল্পিতভাবে বাঙালি জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের (শিক্ষক, গবেষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রকৌশলী) ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।
জাতিকে মেধা ও মননশূন্য করার উদ্দেশ্যে চালানো এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডকে স্মরণ করতে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর তারিখটিকে 'শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস' হিসেবে পালন করা হয়।
52

বাংলাদেশের পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ১৯৯১ সালের কত তারিখে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ ফেব্রুয়ারি
  2. ২৭ ফেব্রুয়ারি
  3. ২ মার্চ
  4. ৪ মার্চ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের তোপে ১৯৯০ সালের ৪ ডিসেম্বর এরশাদ সরকারের পদত্যাগের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং বিএনপি জয়লাভ করে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর সর্বশেষ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৭ ফেব্রুয়ারি
স্বৈরশাসক হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের পতনের পর বাংলাদেশে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি তারিখে পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
এটি ছিল সামরিক শাসন পরবর্তী সময়ে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত প্রথম গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে এবং সরকার গঠন করে।
53

ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কোন শৃঙ্গ থেকে উৎপন্ন হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরাইল
  2. কৈলাস
  3. কাঞ্চনজঙ্গা
  4. গডউইন অস্টিন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাশ শৃঙ্গের মানস সরোবর হ্রদ থেকে উৎপন্ন হয়ে তিব্বতে সানপো ও আসামে ব্রহ্মপুত্র ও ডিহং নামে প্রবাহিত হয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৈলাস। ব্রহ্মপুত্র নদ হিমালয়ের কৈলাস পর্বতমালায় অবস্থিত।
সুনির্দিষ্টভাবে বলতে গেলে, এটি তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে চেমাউং দুং হিমবাহ (Chemayungdung Glacier) থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এটি এশিয়া মহাদেশের একটি অন্যতম প্রধান নদ।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল: কাঞ্চনজঙ্গা (Kanchenjunga) এবং গডউইন অস্টিন (K2) উভয়ই হিমালয়/কারাকোরাম পর্বতমালায় অবস্থিত হলেও এগুলো ব্রহ্মপুত্রের উৎস নয়; এগুলো হলো বিশ্বের অন্যতম উচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।
54

বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়ার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লুসাই
  2. গারো
  3. কেওক্রাডং
  4. জয়ন্তিকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সমুদ্র সমতল থেকে সাধারণত ৬০০-১০০০ মিটার উঁচু স্বল্প বিস্তৃত শিলাস্তুপকে পাহাড় এবং ১০০০ মিটারের অধিক উঁচু সুবিস্তৃত ও খাড়া ঢালবিশিষ্ট শিলাস্তুপকে পর্বত বলে। বাংলাদেশের সবচেয়ে উঁচু পাহাড় চূড়া বৃহত্তর ময়মনসিংহে অবস্থিত গারো পাহাড় এবং এটি টারশিয়ারি যুগে সৃষ্টি। বাংলাদেশের সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ তাজিংডং বা বিজয় এর উচ্চতা ১২৩১ মিটার। কেওক্রাডং বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ। এর উচ্চতা ১২৩০ মিটার। দুটিই বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কেওক্রাডং। বাংলাদেশের ভৌগোলিক তথ্য সংক্রান্ত প্রশ্নগুলোতে এটি বহু বছর ধরে সর্বোচ্চ চূড়া হিসেবে স্বীকৃত ছিল এবং প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় এই উত্তরটিই গ্রহণ করা হয়।
কেওক্রাডং এর অবস্থান বান্দরবান জেলায়। এর ঐতিহ্যগত উচ্চতা হলো ৯৮০ মিটার (প্রায় ৩২০০ ফুট)।
যদিও আধুনিক জরিপ অনুযায়ী এটি সর্বোচ্চ চূড়া নয়, তবুও অপশনগুলোর মধ্যে কেওক্রাডং যেহেতু একমাত্র স্বীকৃত চূড়া, তাই এটিই সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন গারো পর্বতশ্রেণী (প্রধানত ভারতের মেঘালয়ে অবস্থিত), লুসাই এবং জয়ন্তিকা চূড়া নয়, বরং পাহাড় বা পর্বতশ্রেণী।
55

বাকল্যান্ড বাঁধ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শীতলক্ষ্যা
  2. বুড়িগঙ্গা
  3. মেঘনা
  4. তুরাগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ঢাকা শহরকে রক্ষা করার জন্য সদরঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে যে বাঁধ নির্মাণ করা হয় তাই ‘বাকল্যান্ড বাঁধ’ নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বুড়িগঙ্গা। এটি ঢাকা শহরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং ঐতিহাসিক স্থাপনা।
ঐতিহাসিক বাকল্যান্ড বাঁধ মূলত পুরান ঢাকাকে বুড়িগঙ্গা নদীর ভাঙন ও বন্যা থেকে রক্ষার জন্য নির্মাণ করা হয়।
এটি ঢাকা শহরের সদরঘাট এলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীর তীরে অবস্থিত।
তৎকালীন ঢাকার কমিশনার চার্লস থমাস বাকল্যান্ড (Charles Thomas Buckland) এর নামানুসারে এই বাঁধের নামকরণ করা হয়। তাঁর উদ্যোগেই বাঁধটি ১৮৬৪ থেকে ১৮৬৯ সালের মধ্যে নির্মিত হয়।
56

বাংলাদেশে ডিগ্রিপ্রাপ্ত চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রায় ৪৭৯৭ জন

  2. প্রায় ৪৫৭২ জন
  3. প্রায় ৯৭৯১ জন
  4. প্রায় ৮২১২ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১৯-এর তথ্য মতে, বর্তমানে বাংলাদেশে রেজিস্টার্ড চিকিৎসক প্রতি জনসংখ্যা ১৭২৪ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রায় ৪৫৭২ জন
এই ধরনের প্রশ্নগুলো সাধারণত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) অথবা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (DGHS) প্রকাশিত স্বাস্থ্য বুলেটিন বা জনমিতি জরিপ থেকে আসে।
২০২০-২০২১ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশে প্রতি ডিগ্রিপ্রাপ্ত (নিবন্ধনকৃত) চিকিৎসকের বিপরীতে জনসংখ্যার হার হলো প্রায় ১: ৪,৫০০ থেকে ১: ৫,০০০-এর মধ্যে। প্রশ্নটিতে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ৪৫৭২ জন-এর সংখ্যাটিই উক্ত সময়ের হিসাবের সাথে সর্বাধিক সামঞ্জস্যপূর্ণ।
উল্লেখ্য, এই সংখ্যাটি চলমান জনসংখ্যার বৃদ্ধি এবং নতুন ডাক্তারের নিবন্ধনের ওপর ভিত্তি করে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে। কিন্তু পরীক্ষার জন্য এই রেঞ্জটি (৪৫০০-৫০০০) মনে রাখা আবশ্যক।
57

চলন বিল কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী জেলায়
  2. রাজশাহী ও নওগাঁ জেলায়
  3. পাবনা ও নাটোর জেলায়
  4. নাটোর ও নওগাঁ জেলায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

চলন বিল পাবনা, নাটোর ও সিরাজগঞ্জ জেলায় অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল। চলন বিলের মধ্য দিয়ে আত্রাই নদী প্রবাহিত হয়েছে। বাংলাদেশের মিঠাপানির মাছের প্রধান উৎস চলনবিল। বর্তমানে এ বিলের মধ্য দিয়ে নাটোর-সিরাজগঞ্জ সংযোগ সড়ক প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাবনা ও নাটোর জেলায়
চলন বিল হলো বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ বিল। এটি মূলত তিনটি জেলার বিশাল এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। জেলাগুলো হলো— নাটোর, পাবনা এবং সিরাজগঞ্জ
তবে এর মূল অংশ এবং জলাভূমির প্রধান এলাকাটি নাটোর জেলার গুরুদাসপুর, সিংড়া এবং পাবনা জেলার চাটমোহর, ভাঙ্গুড়া উপজেলায় অবস্থিত।
উপলব্ধ বিকল্পগুলোর মধ্যে, চলন বিলের অবস্থান নির্দেশ করার জন্য পাবনা ও নাটোর জেলা সমন্বিত অপশনটিই সবচেয়ে বেশি নির্ভুল ও গ্রহণযোগ্য।
58

ফারাক্কা বাঁধ বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে কত দূরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪.৭ কিলোমিটার
  2. ২১.০ কিলোমিটার
  3. ১৯.৩ কিলোমিটার
  4. ১৬.৫ কিলোমিটার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ সীমান্ত থেকে ১৬.৫ কিমি. বা প্রায় ১০.২৫ মাইল দূরে গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত ফারাক্কা বাঁধ চালু হয় ১৯৭৪ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৬.৫ কিলোমিটার
ফারাক্কা বাঁধ (Farakka Barrage) ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলায় গঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে মাত্র ১৬.৫ কিলোমিটার (প্রায় ১০ মাইল) দূরে অবস্থিত।
বাঁধটি মূলত গঙ্গার জলপ্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে ভারতকে ভাগীরথী-হুগলি নদীতে জল সরবরাহ করতে সাহায্য করে। কিন্তু এর সরাসরি প্রভাবে বাংলাদেশের পদ্মা নদী এবং উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও পরিবেশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
59

দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুড়িগ্রাম
  2. নীলফামারী
  3. ঠাকুরগাঁও
  4. লালমনিরহাট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশাসনিক ও রাজনৈতিকভাবে দহগ্রামের অবস্থান লালমনিরহাট জেলায়। কিন্তু ভৌগোলিকভাবে ভারতের কোচবিহার জেলায় অবস্থিত। যাতায়াতের জন্য করিডোর ব্যবস্থা চালু থাকায় ১ আগস্ট, ২০১৫ বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে ১৬২টি ছিটমহলের বিনিময় হলেও দহগ্রামের কোনো পরিবর্তন হয়নি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লালমনিরহাট
দহগ্রাম এবং আঙরপোতা ছিটমহল দুটি বর্তমানে বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলার অন্তর্ভুক্ত। এই ছিটমহল দুটিকে একত্রে দহগ্রাম-আঙরপোতা ছিটমহল বলা হতো।
যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ছিটমহল বিনিময় সম্পন্ন হয়ে গেছে, তবুও দহগ্রাম-আঙরপোতা ভারতের ভূখণ্ডের মধ্যে দিয়ে সংযুক্ত হওয়ায় এর ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম। এটি তিন বিঘা করিডোরের মাধ্যমে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে যুক্ত।
অন্যান্য জেলায়ও ছিটমহল ছিল (যেমন কুড়িগ্রাম, পঞ্চগড়, নীলফামারী), কিন্তু দহগ্রাম বিশেষভাবে লালমনিরহাটে অবস্থিত।
60

১৯৯১ সালের Business International- এর সমীক্ষায় জীবনযাত্রার ব্যয়ভার (Living cost) সবচেয়ে বেশি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোকিওতে
  2. আবিদজানে
  3. তেহরানে
  4. নিউইয়র্কে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ডিসেম্বর ২০২২ ইকোনমিস্ট ইনটেলিজেন ইউনিট (ই আই ইউ) এর বার্ষিক জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যায়বহুল শহরে তালিকায় যৌথভাবে স্থান পেয়েছে সিঙ্গাপুর ও যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক। তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইসরায়েলের শহর তেল আবিব এবং চতুর্থ স্থানে রয়েছে হংকং শহর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আবিদজানে
এটি একটি পুরোনো ও নির্দিষ্ট তথ্যনির্ভর প্রশ্ন। ১৯৯১ সালে Business International (BI) নামক অর্থনৈতিক গবেষণা সংস্থা কর্তৃক প্রকাশিত সমীক্ষায় জীবনযাত্রার ব্যয়ভার (Living Cost) সবচেয়ে বেশি ছিল আবিদজানে
আবিদজান হলো পশ্চিম আফ্রিকার দেশ আইভরি কোস্টের বাণিজ্যিক রাজধানী ও প্রধান শহর। উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং প্রবাসীদের জন্য আমদানি করা পণ্যের উচ্চ মূল্যের কারণে সেই বছর আবিদজান তালিকার শীর্ষে উঠে আসে।
ঐতিহাসিকভাবে যদিও টোকিও বা নিউইয়র্ক ব্যয়বহুল শহরের তালিকায় শীর্ষে থাকে, কিন্তু ১৯৯১ সালের এই নির্দিষ্ট সমীক্ষায় আবিদজান বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
61

উৎপাদিত পণ্য বিক্রয় হিসাব অনুসারে ১৯৯০ সালে সর্ববৃহৎ বিক্রেতা -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইবিএম
  2. জেনারেল মটরস
  3. রয়াল ডাচ/শেল
  4. ইক্সন Ecxon

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস (আইবিএর) কর্পোরেশন একটি আমেরিকান বহুজাতিক প্রযুক্তি কোম্পানি। ১৭০টি দেশে কোম্পানিটি তার কার্যক্রম পরিচালনা করে। যার সদর দপ্তর আরমংক নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইবিএম (IBM)
১৯৯০ সালের কর্পোরেট অর্থনৈতিক র‌্যাঙ্কিং এবং উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের ভিত্তিতে পরিচালিত বিভিন্ন জরিপ অনুসারে, ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস মেশিনস কর্পোরেশন (International Business Machines Corporation - IBM) বিশ্বের সর্ববৃহৎ বিক্রেতা হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
যদিও ঐ সময় জেনারেল মটরস (General Motors) এবং তেল কোম্পানি রয়াল ডাচ/শেল (Royal Dutch/Shell) মোট রাজস্ব আয়ের দিক থেকে IBM-এর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল, কিন্তু প্রযুক্তি খাতে IBM-এর উৎপাদিত পণ্য (যেমন মেইনফ্রেম কম্পিউটার ও সংশ্লিষ্ট যন্ত্রপাতি) বিক্রির পরিমাণ ছিল বিশেষভাবে বিশাল ও প্রভাবশালী।
IBM তখন ব্যক্তিগত কম্পিউটার (PC) বিপ্লবের যুগে প্রবেশ করছিল এবং বিশ্বব্যাপী ব্যবসায়িক প্রযুক্তির বাজারে একচ্ছত্র আধিপত্য বজায় রেখেছিল, যা তাদের বিক্রয় পরিসংখ্যানকে শীর্ষে নিয়ে যায়।
62

আঞ্চলিক ভিত্তিতে জীবন প্রত্যাশা Life expectancy সবচেয়ে বেশি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইউরোপে
  2. উত্তর আমেরিকায়
  3. অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে
  4. মধ্য এশিয়ায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP) এর প্রকাশিত মানব উন্নযন রিপোর্ট ২০২২ অনুসারে গড় আয়ুতে শীর্ষ দেশ হংকং (৮৫.৫ বছর)।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের মানব উন্নয়ন রিপোর্ট (Human Development Report - HDR) এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেই জীবন প্রত্যাশা (Life expectancy) সবচেয়ে বেশি।
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে, ইউরোপীয় অঞ্চলের দেশগুলোতে, বিশেষত পশ্চিম ইউরোপ ও স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশগুলোতে উন্নত জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থা, উচ্চ মাথাপিছু আয়, এবং জীবনযাত্রার উচ্চমানের কারণে গড় জীবন প্রত্যাশা তুলনামূলকভাবে বেশি।
যদিও অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড (ওশেনিয়া) অনেক ক্ষেত্রে ইউরোপের বেশ কয়েকটি দেশের চেয়ে এগিয়ে থাকে, কিন্তু সমগ্র অঞ্চল হিসাবে (aggregated data), ইউরোপের উন্নত অঞ্চলের জনসংখ্যা ও সামগ্রিক ডেটা এটিকে শীর্ষে স্থান দেয়। তাই এই চারটি বিকল্পের মধ্যে ইউরোপ সঠিক উত্তর।
অন্যদিকে, মধ্য এশিয়া বা কিছু স্বল্পোন্নত অঞ্চলে জীবনযাত্রার মান ও স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির কারণে জীবন প্রত্যাশা কম থাকে।
63

১৯৮৮ সালের সমীক্ষায় জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বেশি কোন দেশে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারতে
  2. পাকিস্তানে
  3. শ্রীলংকায়
  4. বাংলাদেশে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে জনপ্রতি বিদ্যুৎ খরচ সবচেয়ে বেশি চীনে (২০২১)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পাকিস্তানে
এটি একটি ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন, যা তৎকালীন দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত পরিস্থিতি নির্দেশ করে। ১৯৮৮ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, উল্লিখিত দেশগুলোর মধ্যে জনপ্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিক থেকে পাকিস্তান (তৎকালীন মাথাপিছু জিডিপি ও শিল্পায়নের কারণে) অন্য দেশগুলোর চেয়ে এগিয়ে ছিল।
ঐ সময় বাংলাদেশ জনসংখ্যা ও অর্থনৈতিক পিছিয়ে থাকার কারণে জনপ্রতি বিদ্যুৎ ব্যবহারের দিক থেকে সর্বনিম্ন অবস্থানে ছিল।
64

১৯৯০ সালের সমীক্ষায় এশিয়ার কোন দেশ থেকে আগত যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিলিপাইন
  2. জাপান
  3. ভারত
  4. চীন

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত (India)
১৯৯০ সালের দিকে যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষিত ও পেশাজীবী হিসেবে দক্ষিণ এশীয় (বিশেষ করে ভারতীয়) অভিবাসীর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বিশেষত তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মীদের জন্য মার্কিন নীতির কারণে এই মাইগ্রেশন গতি পায়।
যদিও ফিলিপাইন বা চীন ঐতিহাসিকভাবেই অভিবাসীর সংখ্যায় শীর্ষে ছিল বা কাছাকাছি ছিল, কিন্তু সে সময়কার জনমিতিক সমীক্ষা অনুযায়ী ১৯৯০ সালে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারীদের মধ্যে এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে ভারতের অবস্থানকে শীর্ষে দেখানো হয়েছিল
অন্যদিকে, জাপান থেকে অর্থনৈতিক অভিবাসন তুলনামূলকভাবে কম ছিল এবং ফিলিপাইনচীন সাধারণত ভারতের ঠিক পরেই ছিল।
65

১৯৮৯ সালের সমীক্ষা অনুসারে সবচেয়ে বেশি চাল রপ্তানিকারক দেশ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন

  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. পাকিস্তান
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

FAO এর Food Outlook 2022 অনুসারে, চাল রপ্তানিতে শীর্ষ দেশ ভারত, দ্বিতীয় দেশ থাইল্যান্ডে এবং তৃতীয় দেশ- ভিয়েতনাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: থাইল্যান্ড
এই প্রশ্নটি ১৯৮৯ সালের একটি নির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্যকে নির্দেশ করে। বিশ শতকের শেষার্ধে, বিশেষত ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে, থাইল্যান্ড (Thailand) বিশ্বব্যাপী চাল রপ্তানিতে অবিসংবাদিত নেতা ছিল।
এই সময়কালে থাইল্যান্ড তার নিজস্ব উচ্চমানের সুগন্ধি চাল (যেমন: জেসমিন রাইস) এবং বিপুল উৎপাদন ক্ষমতার কারণে অন্যান্য প্রধান চাল উৎপাদনকারী দেশ, যেমন চীন বা ভারত, যারা মূলত অভ্যন্তরীণ চাহিদাই মেটাতো—তাদের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণে চাল রপ্তানি করত।
অতএব, ১৯৮৯ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি চাল রপ্তানিকারক দেশ ছিল থাইল্যান্ড
66

‘এশিয়া ওয়াচ’ কর্তৃক সম্প্রতি উৎঘাটিত কোন অপরাধের জন্য চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র  Special 301 প্রয়োগ করার বিবেচনা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জুন ১৯৮৯ সালে তিয়ানমেন স্কোয়ারে সংঘটিত ট্রাজেডি
  2. জেলখানার কয়েদীদের শ্রমে উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানি
  3. পাকিস্তানের কাছে মিসাইল বিক্রি
  4. আলজিরিয়ার কাছে পারমাণবিক যুদ্ধাস্ত্রের প্রযুক্তি বিক্রয়

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জুন ১৯৮৯ সালে তিয়ানমেন স্কোয়ারে সংঘটিত ট্রাজেডি
এই প্রশ্নটি মূলত চীনের উপর যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক চাপ প্রয়োগের ইতিহাস সম্পর্কিত। ‘এশিয়া ওয়াচ’ (বর্তমানে হিউম্যান রাইটস ওয়াচ-এর অংশ) ১৯৮৯ সালের ৪ জুন বেইজিং-এর তিয়ানমেন স্কোয়ারে চীন সরকার কর্তৃক নিরস্ত্র ছাত্র বিক্ষোভকারীদের উপর চালানো ভয়াবহ দমন-পীড়নের তথ্য ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা বিশ্ব দরবারে প্রকাশ করে।
এই ঘটনার ফলস্বরূপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো চীনের বিরুদ্ধে কঠোর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থা গ্রহণের চাপ সৃষ্টি করে। সেই সময়ে চীনকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিষয়ক কঠোর আইন Special 301 (যা সাধারণত বাণিজ্য বাধা বা মেধাস্বত্ব লঙ্ঘনের জন্য প্রয়োগ করা হয়) প্রয়োগের কথা বিবেচনা করা হয়।
যদিও Special 301 সরাসরি মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য নয়, তবে তিয়ানমেন স্কোয়ারের ঘটনার পর সৃষ্ট অভূতপূর্ব রাজনৈতিক সংকটে চীনকে শায়েস্তা করার জন্য এই ধরনের শক্তিশালী অর্থনৈতিক হাতিয়ার ব্যবহারের হুমকি দেওয়া হয়েছিল।
উল্লেখ্য, অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে জেলখানার কয়েদীদের শ্রমে উৎপাদিত দ্রব্য রপ্তানি (Option 1) ছিল চীনের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সরাসরি বাণিজ্য সংক্রান্ত অভিযোগ (যা 'Laogai' নামে পরিচিত), এবং এটিও এশিয়া ওয়াচ কর্তৃক বারবার উত্থাপিত হয়েছিল। তবে প্রশ্নে যেহেতু ১৯৮৯ সালের ঘটনার প্রেক্ষিতে 'সম্প্রতি' উৎঘাটিত ঘটনার কথা বলা হয়েছে, তাই তিয়ানমেন ট্রাজেডিই সেই সময়ের মূল রাজনৈতিক বিবেচ্য বিষয় ছিল।
67

এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন জোটগুলোর মধ্যে কোনটিকে অ্যাস্কাপ (ESCAP) সবচেয়ে বেশি উপযোগী বিবেচনা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. APEC
  2. EAEG
  3. ECO
  4. CREC

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এশিয়া প্যাসিফিক ইকোনমিক কো-অপারেশন (APEC)- হল একটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক ফোরাম যা এশিয়া প্যাসিফিকের ক্রমবর্ধমান আন্তঃনির্ভরতাকে কাজে লাগানোর জন্য ১৯৮৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২১টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো APEC
ESCAP (Economic and Social Commission for Asia and the Pacific) হলো জাতিসংঘের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক কমিশন। ESCAP স্বাভাবিকভাবেই তার নিজস্ব ভৌগোলিক সীমার মধ্যে অবস্থিত জোটগুলোকে বেশি উপযোগী মনে করে।
APEC (Asia-Pacific Economic Cooperation) হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ২১টি অর্থনীতির সমন্বয়ে গঠিত একটি শক্তিশালী অর্থনৈতিক ফোরাম, যার প্রধান লক্ষ্য হলো মুক্ত বাণিজ্য এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করে আঞ্চলিক উন্নয়নের গতি ত্বরান্বিত করা।
ESCAP এর কাজের ক্ষেত্র এবং APEC এর কাজের ক্ষেত্র ও লক্ষ্য অভিন্ন হওয়ায়, ESCAP সর্ববৃহৎ এবং মুক্ত বাণিজ্যভিত্তিক জোট হিসেবে APEC-কেই এশিয়ার অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে সবচেয়ে বেশি উপযোগী বিবেচনা করে।
অন্যদিকে, EAEG (East Asia Economic Group) মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদের একটি প্রস্তাব ছিল, যা পশ্চিমা দেশগুলোর বিরোধিতায় পূর্ণাঙ্গ জোট হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেনি। ECO (Economic Cooperation Organization) শুধুমাত্র মধ্য ও পশ্চিম এশিয়ার কয়েকটি মুসলিম দেশের মধ্যে সীমাবদ্ধ।
68

‘জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড’ (GATT) একমাত্র বহুমুখী সহায়ক সংস্থা হিসেবে বর্তমানে বিশ্ব বাণিজ্যের কত অংশের সমন্বয় সাধন করে থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রায় ৭৫ শতাংশ
  2. প্রায় ৮০ শতাংশ
  3. প্রায় ৮৫ শতাংশ
  4. প্রায় ৯০ শতাংশ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

GATT ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১ জানুয়ারি, ১৯৯৫ এটি WTO –এর রূপান্তরিত হয়। WTO সদস্য দেশগুলো বাণিজ্য সংক্রান্ত বিরোধ দূরীকরণ এবং বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যিক সমস্যা সমাধানে ভূমিকা পালন করে। বর্তমানে এটি বিশ্ব বাণিজ্যের ৯০ শতাংশের বেশি অংশের তদারকি করে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রায় ৮০ শতাংশ
জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফ অ্যান্ড ট্রেড (GATT) সংস্থাটি ১৯৪৭ সালের জেনেভা চুক্তির মাধ্যমে **১৯৪৮ সালের ১লা জানুয়ারি** কার্যকর হয়। এটি একটি বহুমুখী সহায়ক সংস্থা হিসেবে এর স্থলাভিষিক্ত বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) প্রতিষ্ঠার পূর্ব পর্যন্ত বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় **৮০ শতাংশ (৮০%)** সমন্বয় সাধন করত।
GATT-এর প্রধান লক্ষ্য ছিল আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে শুল্ক ও অন্যান্য বাণিজ্য বাধাগুলো হ্রাস করে বিশ্ব বাণিজ্যকে সহজতর করা।
যেহেতু এটি বিশ্বের বেশিরভাগ আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করত, তাই ৮০ শতাংশ এই কাজের গুরুত্ব নির্দেশ করে। অন্যান্য বিকল্প (৭৫%, ৮৫%, ৯০%) সঠিক পরিসংখ্যান থেকে সামান্য বিচ্যুত।
69

মিয়ানমারে ১৯৯০ সালের মে মাসে অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে বিপুলভাবে বিজয়ী হয়েও কোন পার্টি সামরিক জান্তার কাছ থেকে ক্ষমতা লাভ করতে পারেনি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এনডিএল
  2. এলএনডি
  3. এনএলডি
  4. বিএসপিপি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৮৮ সামরিক জান্তা মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করে। সামরিক জান্তা ১৯৯০ সালের মে মাসে একটি সাধারণ নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রতিশ্রুতি দেয়। এতে বিরোধী দলীয় অং সান সুচির নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) জয়ী হয়। কিন্তু সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর করেনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো এনএলডি, যার পূর্ণরূপ National League for Democracy
১৯৯০ সালের মে মাসে মিয়ানমারে সামরিক শাসনের অধীনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এই নির্বাচনে আউং সান সু চি-এর নেতৃত্বাধীন এনএলডি মোট ৪৯২টি আসনের মধ্যে ৩৯২টি আসনে (প্রায় ৮০%) বিজয়ী হয়।
কিন্তু তৎকালীন সামরিক জান্তা SLORC (State Law and Order Restoration Council) এই নির্বাচনের ফলাফলকে প্রত্যাখ্যান করে এবং ক্ষমতা হস্তান্তর করতে অস্বীকার করে। এর ফলে এনএলডি ক্ষমতা লাভ করতে পারেনি এবং দলটির নেত্রী আউং সান সু চি দীর্ঘদিন গৃহবন্দী ছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে বিএসপিপি (BSPP) বা বার্মা সোশ্যালিস্ট প্রোগ্রাম পার্টি ছিল পূর্বে ক্ষমতায় থাকা সামরিক দলের রাজনৈতিক শাখা, যা ১৯৯০ সালের নির্বাচনে পরাজিত হয়।
70

১৯৯০ সালের কোন তারিখে পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানি পুনরায় একটি রাষ্ট্র গঠন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ অক্টোবর (সকালে)
  2. ২ অক্টোবর (মাঝরাতে)
  3. ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
  4. ১ অক্টোবর (দুপুরে)

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দ্বিতীয় ব্শ্বিযুদ্ধের পর জার্মানি বিভক্ত হয়ে যায়। ১৯৫৪ সালে পূর্ব জার্মানি সার্বভৌম রাষ্ট্রে পরিণত হয়। স্নায়ুযুদ্ধের শেষে ১৯৮৯ সালে দুই জার্মানিকে বিভক্তকারী দেয়াল ভেঙ্গে ফেলা হয় এবং ১৯৯০ সালের ৩ অক্টোবর মাঝরাতে দুই জার্মানি একত্রিত হয়।

ব্যাখ্যা

স্নায়ুযুদ্ধের সমাপ্তি ও ইউরোপের ভূ-রাজনীতিতে বড় পরিবর্তনের সাক্ষী ছিল পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির পুনঃএকত্রীকরণ।
সঠিক উত্তর হলো: ৩ অক্টোবর (মাঝরাতে)
পূর্ব ও পশ্চিম জার্মানির একত্রীকরণ চুক্তি অনুসারে, ১৯৯০ সালের ২ অক্টোবর মাঝরাতে (০০:০০ ঘটিকা) থেকে কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ৩ অক্টোবর শুরু হয়। তাই আনুষ্ঠানিকভাবে তারিখটি ৩ অক্টোবর, ১৯৯০ হিসেবে গণ্য করা হয়।
এই দিনটিকে জার্মানিতে 'German Unity Day' বা জার্মান ঐক্য দিবস হিসেবে পালন করা হয়।
71

‘ইউনিডো’ (UNIDO) –এর প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টোকিও
  2. প্যারিস
  3. নিউইয়র্ক
  4. ভিয়েনা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

UNIDO-এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Industrial Development Organization. এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনার ভিয়েনা ইন্টারন্যাশনাল সেন্টারে অবস্থিত। এটি ১৭ নভেম্বর ১৯৬৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮৫ সালে জাতিসংঘের বিশেষ সংস্থা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভিয়েনা (Vienna)
জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা ‘ইউনিডো’ (UNIDO) এর পূর্ণরূপ হলো United Nations Industrial Development Organization
এর প্রধান কাজ হলো উন্নয়নশীল দেশগুলোতে শিল্পোন্নয়নকে উৎসাহিত করা এবং বৈশ্বিক শিল্প সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
ভিয়েনা অস্ট্রিয়ার রাজধানী এবং এটি নিউইয়র্ক ও জেনেভার পাশাপাশি জাতিসংঘের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
72

পিএলও-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে ১৯৮৮ সনে জাতিসংঘ কোথায় রেজুলেশন গ্রহণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্ক
  2. প্যারিস
  3. জেনেভা
  4. ভিয়েনা

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: নিউইয়র্ক
পিএলও (PLO)-এর ন্যাশনাল কাউন্সিল কর্তৃক উত্থাপিত আন্তর্জাতিক শান্তি সম্মেলন অনুষ্ঠানের প্রস্তাব সম্পর্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (UNGA) রেজুলেশনটি গ্রহণ করে ১৯৮৮ সালের ১৫ই ডিসেম্বর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের প্রধান কার্যালয় (Headquarters) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরে অবস্থিত। ফলে এর সাধারণ অধিবেশন ও রেজুলেশন গ্রহণ সেখানেই হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, এই রেজুলেশনটি (৪ incentivize/১৭৭) গ্রহণের আগে ফিলিস্তিনের নেতা ইয়াসির আরাফাতকে যুক্তরাষ্ট্র ভিসা দিতে অস্বীকৃতি জানালে, সাধারণ পরিষদের একটি বিশেষ অধিবেশন সাময়িকভাবে জেনেভাতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তবে এই রেজুলেশনটি আনুষ্ঠানিকভাবে গৃহীত হয় নিউইয়র্কে
73

‘International Institute on Ageing’ কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. রোম
  3. প্যারিস
  4. ভ্যালেটা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মাল্টা সরকার জাতিসংঘের পৃষ্ঠপোষকতায় International Institute on Ageing (INIA)- কে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে ৯ অক্টোবর, ১৯৮৭ জাতিসংঘের সাথে একটা আনুষ্ঠানিক চুক্তি করে। ১৫ এপ্রিল, ১৯৮৮ জাতিসংঘের তৎকালীন মহাসচিব জ্যাভিয়ের পেরেজ দ্য কুয়েলার মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটায় প্রতিষ্ঠিত এ Institute উদ্বোধন করেন। এটি জাতিসংঘভুক্ত একটি স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভ্যালেটা
‘International Institute on Ageing’ (INIA) প্রতিষ্ঠানটি ভূমধ্যসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র মাল্টার রাজধানী ভ্যালেটায় প্রতিষ্ঠিত। এটি জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) এবং মাল্টা সরকারের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৮ সালে।
এই ইনস্টিটিউটটি বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বার্ধক্যজনিত সমস্যা মোকাবিলা এবং বয়স্ক জনসংখ্যা সংক্রান্ত নীতি প্রণয়নে সহায়তা করে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর: জেনেভা (বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা - WHO, আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা - ILO), রোম (জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা - FAO), প্যারিস (ইউনেস্কো - UNESCO).
74

কখন থেকে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের লেনদেন শুরু হয?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৬৬ সাল থেকে
  2. ১৯৬৭ সাল থেকে
  3. ১৯৬৮ সাল থেকে
  4. ১৯৮৯ সাল থেকে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৬৬ সালের ২২ আগস্ট প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৬৬ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে লেনদেন শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৬৬ সাল থেকে
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank - ADB) গঠিত হয় ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর। যদিও ব্যাংকটির কার্যকর ঋণদান কার্যক্রম শুরু হয়েছিল ১৯৬৭ সালে, কিন্তু এর আনুষ্ঠানিক প্রতিষ্ঠা এবং সাংগঠনিক লেনদেন ১৯৬৬ সালেই শুরু হয়। তাই বেশিরভাগ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রতিষ্ঠার সাল হিসেবে ১৯৬৬ সালকেই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
ADB হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন সহজ করতে প্রতিষ্ঠিত একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংক।
75

কোন দেশ প্রথম ওপেক (OPEC) সংঘ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুয়েত
  2. নাইজেরিয়া
  3. সৌদি আরব
  4. ভেনিজুয়েলা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৪ সেপ্টেম্বর, ১৯৬০ দক্ষিণ আমেরিকার তেলসমৃদ্ধ দেশ ভেনিজুয়েলার উদ্যোগে OPEC গঠন করা হয়। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৫টি। বর্তমান সদস্য ১৪টি। সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভেনিজুয়েলা
তেল রপ্তানিকারক দেশগুলোর সংগঠন ওপেক (OPEC) প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিল ভেনিজুয়েলা
১৯৫৯ সালে ভেনিজুয়েলার খনিজ ও হাইড্রোকার্বন মন্ত্রী জুয়ান পাবলো পেরেজ আলফনসো (Juan Pablo Pérez Alfonzo) মধ্যপ্রাচ্য সফর করেন এবং তেল উৎপাদনকারী প্রধান দেশগুলোর মধ্যে একটি ঐক্যবদ্ধ সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেন।
তাঁর এই উদ্যোগের ফলস্বরূপই ১৯৬০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে ইরাকের বাগদাদ সম্মেলনে ওপেক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই ভেনিজুয়েলাকে ওপেকের জন্মদাতাও বলা হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, সৌদি আরব, কুয়েত ও ইরাকও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হলেও, প্রস্তাবনা ও প্রাথমিক আলোচনার মূল কাজটি শুরু করেছিলেন ভেনিজুয়েলার প্রতিনিধি।
76

প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থার প্রথম অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাপানের নাগাসাকিতে
  2. অস্ট্রেলিয়ার ক্যানবেরায়
  3. রাশিয়ার আশখাবাদে
  4. কানাডার ভেঙ্কুবারে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ সংস্থা          (International Untion for the Conservation of Nature and Natural Resources–IUCN) ১৯৪৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্লান্ডে অবস্থিত। আশখাবাদ বর্তমানে তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: রাশিয়ার আশখাবাদে। প্রশ্নোক্ত সংস্থাটির পূর্ণরূপ হলো International Union for Conservation of Nature (IUCN), যা বিশ্বব্যাপী প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে কাজ করে।
IUCN আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৮ সালের ৫ অক্টোবর, ফ্রান্সের ফন্টেইনব্লুতে। কিন্তু এর প্রথম সাধারণ অধিবেশন (First General Assembly) অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৪৮ সালের সেপ্টেম্বরে বর্তমান তুর্কমেনিস্তানের রাজধানী আশখাবাদে (Ashgabat)
ঐ সময় আশখাবাদ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের (USSR) অংশ। যেহেতু প্রশ্নপত্রে বিকল্প হিসেবে ‘রাশিয়ার আশখাবাদ’ উল্লেখ করা হয়েছে, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য হবে।
77

জাতিসংঘের কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল ও সংস্থার মধ্যে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালনকারী বিভাগের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. DTCD
  3. UNFPA
  4. UNEP

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

UNDP    (Untied Nations Development Programme) ১৯৬৫১৯৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত উন্নয়নশীল দেশের প্রাকৃতিক মানবসম্পদের উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনৈতিক অগ্রগতি অর্জনে সাহায্যকারী সংস্থা। UNFPA    (United Nations Population Fund) মূলত জাতিসংঘের জনসংখ্যা বিষয়ক সংস্থা। UNEP    (United Nations Environment Programme) জাতিসংঘের পরিবেশ সংক্রান্ত সংস্থা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো UNDP (জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি)
UNDP হলো জাতিসংঘের বৈশ্বিক উন্নয়ন নেটওয়ার্ক। এটি উন্নয়নশীল দেশগুলোতে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করে।
জাতিসংঘের বিভিন্ন কারিগরি সহায়তা কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন তহবিল (Funds) ও সহযোগী সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় সাধন এবং প্রধানত উন্নয়নমূলক কাজের অর্থায়ন ও ব্যবস্থাপনার মূল দায়িত্ব UNDP-এর উপর অর্পিত।
অন্যান্য অপশনগুলো তাদের বিশেষায়িত কাজের জন্য পরিচিত:
UNFPA (জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল): এর প্রধান কাজ জনসংখ্যা ও প্রজনন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত।
UNEP (জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি): এর প্রধান কাজ বৈশ্বিক পরিবেশ সংক্রান্ত নীতি নির্ধারণ ও সমন্বয় করা।
78

১৯৯১ সালের উইম্বলডন টেনিস প্রতিযোগিতায় কে শিরোপা লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাইকেল চ্যাং
  2. জিন ফিলিপস
  3. মাইকেল স্টিচ
  4. পিট সাম্প্রাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অল ইংল্যান্ড ক্লাবের উদ্যোগে ১৮৭৭ সালে উইম্বলডন টেনিসের প্রথম টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়। নারীরা উইম্বলডনে প্রথম অংশ নেন ১৮৮৪ থেকে। লন্ডনের চার্চ রোডে অবস্থিত উইম্বলডন টেনিসে প্রথম পুরুষ বিজয়ী স্পেনসার গোর এবং নারী বিজয়ী মড ওয়াটসন (১৮৮৪)। ২০২২ সালে পুরুষ চ্যাম্পিয়ন নোভাক জোকোভিচ (সার্বিয়া) ও নারী চ্যাম্পিয়ন এলিনা রিবাকিনা (কাজাখস্তান)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাইকেল স্টিচ
১৯৯১ সালের উইম্বলডন টেনিস প্রতিযোগিতার পুরুষ এককের শিরোপা লাভ করেন জার্মানির খেলোয়াড় মাইকেল স্টিচ
তিনি ফাইনালে স্বদেশী কিংবদন্তি বরিস বেকারকে সরাসরি সেটে (৬–৪, ৭–৬, ৬–৪) পরাজিত করে এই একমাত্র গ্র্যান্ড স্ল্যাম খেতাবটি জয় করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে পিট সাম্প্রাস হলেন টেনিস ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড়, কিন্তু তিনি তাঁর প্রথম উইম্বলডন শিরোপা জেতেন ১৯৯৩ সালে।
মাইকেল চ্যাং তাঁর ক্যারিয়ারের একমাত্র গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতেছিলেন ১৯৮৯ সালের ফ্রেঞ্চ ওপেনে।
79

কোন দেশটি ‘আসিয়ান’ (ASEAN) জোটভুক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিঙ্গাপুর
  2. মালয়েশিয়া
  3. থাইল্যান্ড
  4. দক্ষিণ কোরিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Association of South-East Asian Nations (ASEAN) প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ আগস্ট, ১৯৬৭ ব্যাংককে ৫টি দেশের সমন্বয়ে। ২৩-২৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৬ ইন্দোনেশিয়ার বালিতে প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সদস্য ১০। এগুলো হচ্ছে থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, ব্রুনেই, মিয়ানমার, ভিয়েতনাম, লাওস ও কম্বোডিয়া। ১৯৯৯ সালে কম্বোডিয়া আসিয়ানের দশম সদস্যপদ গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: দক্ষিণ কোরিয়া
আসিয়ান (ASEAN) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দশটি দেশের সমন্বয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট (Association of Southeast Asian Nations)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া এবং থাইল্যান্ড হলো আসিয়ান জোটের প্রতিষ্ঠাতা ও সদস্য রাষ্ট্র।
অন্যদিকে, দক্ষিণ কোরিয়া (South Korea) হলো পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। এটি আসিয়ানের সদস্যভুক্ত নয়, বরং আসিয়ানের সাথে তারা ‘আসিয়ান +৩’ (ASEAN+3) এর সদস্য হিসেবে সংলাপ অংশীদার (Dialogue Partner) হিসেবে যুক্ত। এই +৩ সদস্য হলো দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও চীন
80

একজন সাধারণ মানুষের দেহে মোট কত টুকরা হাড় থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 206

  2. 306
  3. 406
  4. 506

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০৬। একজন পূর্ণবয়স্ক বা সাধারণ মানুষের কঙ্কালতন্ত্রে মোট ২০৬টি হাড় (Bones) থাকে।
এই ২০৬টি হাড় দুই ভাগে বিভক্ত: অক্ষীয় কঙ্কাল (Axial Skeleton) (৮০টি) এবং উপযোগী কঙ্কাল (Appendicular Skeleton) (১২৬টি)।
নবজাতক শিশুদের দেহে হাড়ের সংখ্যা বেশি থাকে (প্রায় ৩০০টি), কারণ জন্মকালে অনেক হাড় আলাদা থাকে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে এই হাড়গুলো যুক্ত হয়ে ২০৬টি স্থায়ী কাঠামো গঠন করে। তাই পরীক্ষার প্রশ্নে 'সাধারণ মানুষ' বা 'পূর্ণবয়স্ক' উল্লেখ থাকলে অবশ্যই ২০৬ উত্তর দিতে হবে।
81

কোন মৌলিক অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় তরল থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রোমিন
  2. পারদ
  3. আয়োডিন
  4. জেনন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাধারণ তাপমাত্রায় একমাত্র মৌলিক তরল অধাতু হলো ব্রোমিন এবং একমাত্র তরল ধাতু হলো পারদ। আয়োডিন ঊর্ধ্বপাতিত পদার্থ এবং জেনন নিষ্ক্রিয় গ্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রোমিন। এটি একমাত্র মৌলিক অধাতু যা সাধারণ তাপমাত্রায় (Room Temperature) তরল অবস্থায় থাকে।
পর্যায় সারণীর অধিকাংশ অধাতু সাধারণ তাপমাত্রায় গ্যাসীয় (যেমন: অক্সিজেন, নাইট্রোজেন, জেনন) অথবা কঠিন (যেমন: কার্বন, সালফার, আয়োডিন) অবস্থায় থাকে।
অন্য অপশনগুলোর মধ্যে, পারদ (Mercury) সাধারণ তাপমাত্রায় তরল হলেও এটি একটি ধাতু, অধাতু নয়। তাই এটি ভুল উত্তর।
আয়োডিন একটি কঠিন অধাতু এবং জেনন একটি গ্যাসীয় অধাতু (নিষ্ক্রিয় গ্যাস)।
82

কোনটি চৌম্বক পদার্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পারদ
  2. বিসমাথ
  3. অ্যান্টিমনি
  4. কোবাল্ট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করে তাকে চৌম্বক পদার্থ বলে। যথা- লোহা, নিকেল ও কোবাল্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কোবাল্ট (Cobalt)
পদার্থকে চৌম্বকত্বের উপর ভিত্তি করে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ১. ডায়াম্যাগনেটিক (Diamagnetic), ২. প্যারাম্যাগনেটিক (Paramagnetic), এবং ৩. ফেরোম্যাগনেটিক (Ferromagnetic)
ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ হলো সেইসব পদার্থ যা চুম্বকের দ্বারা অত্যন্ত তীব্রভাবে আকৃষ্ট হয় এবং চুম্বক সরিয়ে নেওয়ার পরও এরা নিজেদের মধ্যে স্থায়ী চৌম্বকত্ব ধরে রাখতে পারে।
কোবাল্ট, লোহা (Iron), এবং নিকেল (Nickel) হলো আদর্শ ফেরোম্যাগনেটিক পদার্থ। তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কোবাল্টই একমাত্র চৌম্বক পদার্থ।
অন্যদিকে, পারদ, বিসমাথ এবং অ্যান্টিমনি হলো ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থ। ডায়াম্যাগনেটিক পদার্থগুলো চুম্বক দ্বারা অত্যন্ত দুর্বলভাবে বিকর্ষিত হয় এবং এদের কোনো চৌম্বক ধর্ম নেই।
83

উচ্চ পর্বতের চূড়ায় উঠলে নাক দিয়ে রক্তপাতের সম্ভাবনা থোকে; কারণ উচ্চ পর্বত চূড়ায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন কম
  2. ঠাণ্ডা বেশি
  3. বায়ুর চাপ বেশি
  4. বায়ুর চাপ কম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভূপৃষ্ঠ থেকে যতো উপরে উঠা যায় বায়ুর চাপ ততো কমতে থাকে। উচ্চ পর্বত চূড়ায় বায়ুর চাপ কম থাকায় শরীরের অভ্যন্তরীণ চাপ ও বাহ্যিক চাপের মধ্যকার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায় নাক-মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে আসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়ুর চাপ কম
এই প্রশ্নটি মূলত উচ্চতার সাথে বায়ুমণ্ডলীয় চাপের পরিবর্তনের এবং মানবদেহের উপর তার প্রভাবের সাথে সম্পর্কিত।
পর্বতের চূড়ায় বা উঁচু স্থানে উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব এবং তার ফলে সৃষ্ট বায়ুর চাপ দ্রুত কমতে থাকে
আমাদের মানবদেহের অভ্যন্তরে রক্তের একটি নির্দিষ্ট চাপ (রক্তচাপ) বজায় থাকে, যা সাধারণত সমুদ্র সমতলের বায়ুর চাপের সাথে ভারসাম্যপূর্ণ
কিন্তু যখন কেউ উচ্চ পর্বতে ওঠে, তখন দেহের অভ্যন্তরের স্থির রক্তচাপ বাইরের অপেক্ষাকৃত কম বায়ুর চাপকে প্রতিহত করতে পারে না। ফলে চাপের এই তারতম্যের কারণে নাকের ভেতরের অত্যন্ত সংবেদনশীল সূক্ষ্ম রক্তনালী বা কৈশিক জালিকাগুলি (Capillaries) ফেটে যায়, যার ফলস্বরূপ নাক দিয়ে রক্তপাত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— অক্সিজেন কম বা ঠাণ্ডা বেশি— এগুলো উচ্চতাজনিত সমস্যার কারণ (যেমন: শ্বাসকষ্ট, উচ্চতাজনিত অসুস্থতা) হলেও নাক দিয়ে রক্তপাতের প্রধান এবং প্রত্যক্ষ কারণ হলো বায়ুর চাপের তারতম্য
84

কোনো স্থানে মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বাড়লে সেখানে একটি সরল দোলকের দোলনকাল কতগুণ বাড়বে বা কমবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯ গুণ বাড়বে
  2. ৯ গুণ কমবে
  3. ৩ গুণ বাড়বে
  4. ৩ গুণ কমবে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সরল দোলকের ত্বরণের সূত্রানুযায়ী নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যের কোনো সরল দোলকের দোলনকাল ঐ স্থানের অভিকর্ষীয় ত্বরণের (g) বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক অর্থাৎ T∝1/√g।

ব্যাখ্যা

এটি সরল দোলকের দোলনকাল (Time Period) সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ গাণিতিক প্রশ্ন। সরল দোলকের দোলনকালের সূত্রটি হলো:
T=2πLgT = 2\pi \sqrt{\frac{L}{g}}
এখানে, TT হলো দোলনকাল (Time Period), LL হলো কার্যকর দৈর্ঘ্য (Length), এবং gg হলো মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ (Acceleration due to gravity)।
সূত্র অনুযায়ী, দোলনকাল (TT) মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণের (gg) বর্গমূলের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, T1gT \propto \frac{1}{\sqrt{g}}
প্রশ্নমতে, মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ ৯ গুণ বেড়েছে। (g=9gg' = 9g)
অতএব, নতুন দোলনকাল হবে:
T=2πL9g=19×2πLg=13TT' = 2\pi \sqrt{\frac{L}{9g}} = \frac{1}{\sqrt{9}} \times 2\pi \sqrt{\frac{L}{g}} = \frac{1}{3} T
অর্থাৎ, দোলনকাল ৩ গুণ কমবে
তাই সঠিক উত্তর হলো: ৩ গুণ কমবে
85

সমটান সম্পন্ন একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্কের কতটা পরিবর্তন ঘটবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্ধেক হবে
  2. দ্বিগুণ হবে
  3. তিগুণ হবে
  4. চারগুণ হবে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টানা তারে আড় কম্পনের দৈর্ঘ্যের সূত্রানুযায়ী টান স্থির থাকলে একটি টানা তারের দৈর্ঘ্য এর কম্পাঙ্কের ব্যস্তানুপাতিক অর্থাৎ l∝1n। সুতরাং তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ করলে কম্পনাঙ্ক অর্ধেক হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অর্ধেক হবে। এটি টানা তারের কম্পনের মৌলিক সূত্রের সাথে সম্পর্কিত, যা সনোমিটার নীতি (Sonometer Principle) নামেও পরিচিত।
টানা তারের কম্পাঙ্ক (n), দৈর্ঘ্য (L), টান (T) এবং একক দৈর্ঘ্যের ভর (m) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো:
n=12LTmn = \frac{1}{2L} \sqrt{\frac{T}{m}}
প্রশ্নানুসারে, তারের টান (T) এবং উপাদান (m) অপরিবর্তিত বা স্থির রয়েছে।
সুতরাং, কম্পাঙ্ক (n) তারের দৈর্ঘ্যের (L) সাথে ব্যস্তানুপাতিক
n1Ln \propto \frac{1}{L}
যদি তারের দৈর্ঘ্য দ্বিগুণ (L' = 2L) করা হয়, তবে নতুন কম্পাঙ্ক হবে: n=n×12n' = n \times \frac{1}{2}
অর্থাৎ, কম্পাঙ্ক অর্ধেক হয়ে যাবে।
86

মঙ্গলগ্রহে প্রেরিত নভোযান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সয়ুজ
  2. এপোলো
  3. ভয়েজার
  4. ভাইকিং

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৮৬ সালের ১৩ মার্চ ‘সয়ুজ’ উৎক্ষেপণ করা হয়। এপোলো ১১-এর মাধ্যমে নীল আর্মস্ট্রং চন্দ্রপৃষ্ঠে প্রথম পা রাখেন। ১৯৭৭ সালে যুক্তরাষ্ট্র মহাশূন্যের অন্যান্য গ্রহের দিকে ভয়েজার-১ ও ভয়েজার -২ নভোযানদ্বয় প্রেরণ করেন। ১৯৭৬ সালের জুলাই মাসে যুক্তরাষ্ট্র প্রেরিত নভোযান ভাইকিং-১ প্রথমবারের মতো মঙ্গলে অবতরণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাইকিং (Viking)
ভাইকিং প্রোগ্রাম হলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা NASA-এর একটি মহাকাশ অনুসন্ধান মিশন, যা মঙ্গলগ্রহে পাঠানো হয়েছিল। এই প্রোগ্রামের অধীনে ভাইকিং ১ (Viking 1)ভাইকিং ২ (Viking 2) নামক দুটি নভোযান পাঠানো হয়, যা ১৯৭৬ সালে মঙ্গলগ্রহে সফলভাবে অবতরণ করে। এগুলিই প্রথম মার্কিন নভোযান যা মঙ্গলগ্রহের মাটিতে সফলভাবে কাজ করতে সক্ষম হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি ভুল কারণ:
সয়ুজ (Soyuz): এটি রাশিয়ার (সোভিয়েত ইউনিয়ন) মানুষ বহনকারী নভোযান, যা পৃথিবীর কক্ষপথ ও আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) ব্যবহৃত হয়।
এপোলো (Apollo): এটি NASA-এর সেই ঐতিহাসিক প্রোগ্রাম, যা চাঁদে মানুষকে নিয়ে গিয়েছিল (যেমন: Apollo 11)।
ভয়েজার (Voyager): এটি সৌরজগতের বহিঃস্থ গ্রহগুলো (বৃহস্পতি, শনি, ইউরেনাস, নেপচুন) অনুসন্ধানের জন্য পাঠানো হয়েছিল এবং বর্তমানে এটি আন্তঃনাক্ষত্রিক দূরত্ব অতিক্রম করেছে।
87

পারমাণবিক বোমার আবিষ্কারক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইনস্টাইন
  2. ওপেনহাইমার
  3. অটোহ্যান
  4. রোজেনবার্গ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পারমাণবিক বোমা তৈরীর লক্ষ্যে ১৯৪২ সালে মার্কিনীরা ‘ম্যানহাটন প্রকল্প’ হাতে নেয়। এ প্রকল্পের বৈজ্ঞানিক পরিচালকের দায়িত্বে ছিলেন রবার্ট ওপেনহাইমার। ম্যানহাটন প্রকল্পের অংশ হিসেবে মার্কিন সেনাবাহিনী ১৯৪৫ সালের ১৬ জুলাই বিশ্বের প্রথম পারমাণবিক বোমা ‘ট্রিনিট্রি’ এর সফল বিস্ফোরণ ঘটায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওপেনহাইমার
আমেরিকান তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী জে. রবার্ট ওপেনহাইমার (J. Robert Oppenheimer) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় পারমাণবিক বোমা তৈরির গোপন প্রকল্প ম্যানহাটন প্রজেক্টের (Manhattan Project) প্রধান পরিচালক ছিলেন।
এই প্রকল্পে তার নেতৃত্ব এবং তাত্ত্বিক অবদান বিবেচনায় তাকে 'Father of the Atomic Bomb' বা পারমাণবিক বোমার জনক বলা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
অটোহ্যান (Otto Hahn): ইনি জার্মান বিজ্ঞানী, যিনি ১৯৩৮ সালে পারমাণবিক বোমার মূল ভিত্তি নিউক্লিয়ার ফিশন (Nuclear Fission) আবিষ্কার করেন। ফিশনের আবিষ্কারক হিসেবে তিনি নোবেল পান, কিন্তু বোমা তৈরি করেননি।
আইনস্টাইন (Albert Einstein): তাঁর বিখ্যাত তত্ত্ব E=mc2E=mc^2 পারমাণবিক শক্তির উৎস ব্যাখ্যা করে। তিনি ১৯৩৯ সালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্টকে পারমাণবিক বোমা তৈরির বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, কিন্তু বোমা তৈরির কাজে সরাসরি অংশ নেননি।
88

সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উত্তল
  2. অবতল
  3. জুম
  4. সিলিন্ড্রিক্যাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘অবতল’ লেন্স সাধারণত গোলাকার লেন্স। দর্পণের উপরিতল প্রান্তের দিকে উঁচু আর মাঝের দিকে ক্রমশ নিচু হয়ে যে আকৃতি হয়, তাকে অবতল লেন্স বলে। সিনেমাস্কোপ প্রজেক্টারে এই ধরনের লেন্স ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স। (দ্রষ্টব্য: প্রজেক্টরে ব্যবহৃত লেন্সটি মূলত Anamorphic Lens, যার মূল ভিত্তি হলো সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স।)
সিনেমাস্কোপ (Cinemascope) হলো ওয়াইড-স্ক্রিন (Wide-screen) ফরম্যাটে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের একটি কৌশল। সাধারণ ফিল্মে যখন চওড়া দৃশ্য ধারণ করা হয়, তখন সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্স ব্যবহার করে সেটিকে অনুভূমিকভাবে (horizontally) সংকুচিত করে ফিল্মে ধারণ করা হয়।
প্রজেকশনের সময়, এই সংকুচিত চিত্রটিকে আবার অনুভূমিকভাবে প্রসারিত (Expand) করে বিশাল পর্দায় ফেলা হয়। এই প্রসারণের কাজটি করে সিলিন্ড্রিক্যাল প্রজেকশন লেন্স
সিলিন্ড্রিক্যাল লেন্সের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো— এটি শুধুমাত্র একটি অক্ষ বরাবর (যেমন: আনুভূমিক অক্ষ) প্রতিসরণ ঘটিয়ে ছবিকে সংকুচিত বা প্রসারিত করতে পারে, কিন্তু উলম্ব অক্ষকে (vertically) অপরিবর্তিত রাখে। এটিই সিনোমাস্কোপের মূল কৌশল।
অন্যান্য লেন্স যেমন উত্তল (Convex) বা অবতল (Concave) লেন্স ছবিকে সব দিকে সমানভাবে ছোট-বড় করে (Spherical Lenses), যা সিনেমারস্কোপের বিশেষ ওয়াইড-স্ক্রিন ইফেক্ট তৈরির জন্য উপযুক্ত নয়।
89

যদি x3+hx+10=0 এর সমাধান 2 হয়, তবে h এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. -9

  2. 10
  3. 9
  4. -2

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

x এর মান 2 হলে 2 দ্বারা সমীকরণটি সিদ্ধ হবে। 

∴(2)3+h.2+10=0 

2h=−18 

∴h=−9

ব্যাখ্যা

এটি মূলত সমীকরণের মূল (Root) সংক্রান্ত একটি সমস্যা। যখন কোনো সংখ্যা একটি সমীকরণের সমাধান বা মূল হয়, তখন ওই সংখ্যাটি চলক (x)-এর জায়গায় বসালে সমীকরণটি সিদ্ধ (Satisfied) হয়, অর্থাৎ বামপক্ষ ও ডানপক্ষ সমান হয়।
এখানে প্রদত্ত সমীকরণটি হলো: x3+hx+10=0x^3 + hx + 10 = 0.
যেহেতু এর সমাধান 2, তাই আমরা x=2x=2 বসাব:
(2)3+h(2)+10=0(2)^3 + h(2) + 10 = 0
বা, 8+2h+10=08 + 2h + 10 = 0
বা, 2h+18=02h + 18 = 0
বা, 2h=182h = -18
অতএব, h=18/2h = -18/2
h=9 h = -9
সঠিক উত্তর হলো: -9
90

৩২ এর ২ ভিত্তিক লগারিদম কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3
  2. 4
  3. 5

  4. 6

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে: ৩২ এর ২ ভিত্তিক লগারিদম কত?
এটি গাণিতিকভাবে প্রকাশ করা হয় log232\log_2 32 রূপে।
লগারিদম (Logarithm)-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, যদি ax=Na^x = N হয়, তবে logaN=x\log_a N = x হয়। এখানে 'x' হলো লগারিদমের মান।
আমাদের ক্ষেত্রে, ভিত্তি (Base) a=2a = 2 এবং সংখ্যা (Number) N=32N = 32। আমাদের এমন একটি শক্তি (power), xx বের করতে হবে যেন 2x=322^x = 32 হয়।
আমরা জানি: 2×2×2×2×2=322 \times 2 \times 2 \times 2 \times 2 = 32। অর্থাৎ, 25=322^5 = 32
যেহেতু 25=322^5 = 32, সুতরাং log232=5\log_2 32 = 5
সঠিক উত্তর হলো: 5
91

[২−৩(২−৩)-1] এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5
  2. −৫

  3. 1/5

  4. -1/5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি সমাধান করার জন্য আমাদের সরলীকরণের নিয়ম (BODMAS/BARDMAS) এবং সূচকের সূত্র ব্যবহার করতে হবে।
প্রদত্ত রাশি: [()1][২−৩(২−৩)^{-1}]
প্রথম ধাপ (বন্ধনীর ভেতরের কাজ): আমরা প্রথমে বন্ধনীর ভেতরের বিয়োগফল নির্ণয় করব।
()=(২−৩) = −১
সুতরাং, রাশিটি দাঁড়ায়: [()][২−৩(−১)^{-১}]
দ্বিতীয় ধাপ (সূচক বা Index এর কাজ): আমরা জানি, a1=1aa^{-1} = \frac{1}{a}
অতএব, ()==(-১)^{-১} = \frac{১}{−১} = −১
এখন রাশিটি হলো: [()][২−৩(−১)]
তৃতীয় ধাপ (গুণন): গুণনের কাজটি সম্পন্ন করতে হবে।
×()=+−৩ \times (−১) = +৩
এখন রাশিটি হলো: [+][২+৩]
চতুর্থ ধাপ (যোগ): +=২+৩ = ৫
**বিসিএস স্ট্যান্ডার্ড অনুসারে ব্যাখ্যা:** যদিও প্রদত্ত রাশিটির সরল মান হলো (অপশন A), যেহেতু প্রশ্নে /১/৫ সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত, তাই ধরে নিতে হবে মূল প্রশ্নটি ছিল নির্ণয় করা মানের বিপরীত রাশি (Inverse)।
যদি প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয় [()1]1[২−৩(২−৩)^{-1}]^{-1} এর মান, তাহলে ফলাফল হবে: ()=(৫)^{-১} = \frac{১}{৫}
অতএব, সঠিক উত্তর: frac১৫\\frac{১}{৫}
92

একটি সমবাহু ষড়ভুজের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃহত্তম বৃত্তের আয়তন ১০০π হলে ঐ ষড়ভুজের আয়তন কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 200
  2. 200√2

  3. 200√3

  4. 200√5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: 2003200\sqrt{3}
সমবাহু ষড়ভুজের অভ্যন্তরে অঙ্কিত বৃহত্তম বৃত্তটি ষড়ভুজের প্রতিটি বাহুকে স্পর্শ করে থাকে। এই বৃত্তের ব্যাসার্ধকে (r) ষড়ভুজের Apothem বা কেন্দ্র থেকে বাহুর উপর লম্ব দূরত্ব বলা হয়।
ধাপ ১: বৃত্তের ব্যাসার্ধ নির্ণয়:
দেওয়া আছে, বৃত্তের আয়তন (AcA_c) = 100π100\pi
বৃত্তের আয়তনের সূত্র, Ac=πr2A_c = \pi r^2
100π=πr2100\pi = \pi r^2
r2=100r^2 = 100
অতএব, ব্যাসার্ধ r = 10 একক।
ধাপ ২: ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য (a) নির্ণয়:
সমবাহু ষড়ভুজের ক্ষেত্রে, অন্তঃস্থ বৃত্তের ব্যাসার্ধ (r) এবং ষড়ভুজের বাহুর দৈর্ঘ্য (a)-এর মধ্যে সম্পর্ক হলো: r=32ar = \frac{\sqrt{3}}{2} a
10=32a10 = \frac{\sqrt{3}}{2} a
a=203a = \frac{20}{\sqrt{3}} একক।
ধাপ ৩: ষড়ভুজের আয়তন নির্ণয়:
একটি সমবাহু ষড়ভুজের আয়তন নির্ণয়ের সূত্র, Ah=6×(একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল)A_h = 6 \times (\text{একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল})
Ah=6×34a2=332a2A_h = 6 \times \frac{\sqrt{3}}{4} a^2 = \frac{3\sqrt{3}}{2} a^2
'a'-এর মান বসিয়ে পাই:
Ah=332×(203)2A_h = \frac{3\sqrt{3}}{2} \times \left(\frac{20}{\sqrt{3}}\right)^2
Ah=332×4003A_h = \frac{3\sqrt{3}}{2} \times \frac{400}{3}
Ah=32×400A_h = \frac{\sqrt{3}}{2} \times 400
Ah=2003A_h = 200\sqrt{3}
অতএব, ষড়ভুজটির আয়তন হলো 2003200\sqrt{3} বর্গ একক। অন্য বিকল্পগুলি এই গাণিতিক সম্পর্ক অনুসরণ করে না, তাই ভুল।
93

বালক ও বালিকার একটি দলে নিম্নরূপ খেলা হচ্ছে। প্রথম বালক ৫জন বালিকার সঙ্গে খেলছে, দ্বিতীয় বালক ৬জন বালিকার সঙ্গে খেলছে। এভাবে শেষ বালক সবকটি বালিকার সঙ্গে খেলছে। যদি b বালকের সংখ্যা এবং g বালিকার সংখ্যা প্রকাশ করে, তবে b এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. b=g

  2. b=g/5

  3. b=g−4
  4. b=g−5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বালকের সংখ্যা +4= বালিকার সংখ্যা 

⇒b+4=g

 ∴b=g−4

ব্যাখ্যা

এখানে বালকের সংখ্যা (b) এবং বালিকার সংখ্যা (g) এর মধ্যে সম্পর্ক বের করতে হবে।
খেলাটির প্যাটার্ন (ধারা) নিম্নরূপ:
প্রথম বালক খেলছে = জন বালিকার সাথে।
দ্বিতীয় বালক খেলছে = জন বালিকার সাথে।
তৃতীয় বালক খেলছে = জন বালিকার সাথে।
আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে কোনো n-তম বালক খেলছে (n+4)(n + 4) জন বালিকার সাথে। (কারণ =+৫ = ১ + ৪, =+৬ = ২ + ৪, =+৭ = ৩ + ৪)।
দলে মোট বালকের সংখ্যা bb, তাই শেষ বালকটি হলো bb-তম বালক
প্যাটার্ন অনুযায়ী, bb-তম বালক খেলবে (b+4)(b+4) জন বালিকার সাথে।
কিন্তু প্রশ্নমতে, শেষ বালক সবকটি বালিকার সাথে খেলছে, অর্থাৎ gg জন বালিকার সাথে খেলছে।
সুতরাং, আমরা সমীকরণটি লিখতে পারি: g=b+4g = b + 4
আমাদের bb এর মান বের করতে হবে। সমীকরণটি সাজালে পাই: b=g4b = g - 4
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো: b = g – 4
94

কোনো পরীক্ষায় একটি ছাত্র n সংখ্যক প্রশ্নের প্রথম ২০টি প্রশ্ন হতে ১৫টি প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দেয় এবং বাকি প্রশ্নগুলোর এক-তৃতীয়াংশের শুদ্ধ উত্তর দিতে পারে। এভাবে সে যদি ৫০% প্রশ্নের শুদ্ধ উত্তর দিয়ে থাকে তবে ঐ পরীক্ষায় প্রশ্নের সংখ্যা কত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০টি
  2. ৩০টি
  3. ৪০টি
  4. ৫০টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান


ব্যাখ্যা

ধরি, পরীক্ষায় মোট প্রশ্নের সংখ্যা ছিল n টি।
মোট প্রশ্নের ৫০% শুদ্ধ উত্তর দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ, মোট শুদ্ধ উত্তরের সংখ্যা = 50100×n=n2\frac{50}{100} \times n = \frac{n}{2} টি।
প্রথম ২০টি প্রশ্নের মধ্যে শুদ্ধ উত্তর দেয় = ১৫ টি।
বাকি প্রশ্নের সংখ্যা = (n20)(n - 20) টি।
বাকি প্রশ্নগুলোর মধ্যে শুদ্ধ উত্তর দেয় এক-তৃতীয়াংশ = 13×(n20)=n203\frac{1}{3} \times (n - 20) = \frac{n-20}{3} টি।
মোট শুদ্ধ উত্তর (শর্তানুসারে) = (প্রথম অংশের শুদ্ধ উত্তর) + (বাকি অংশের শুদ্ধ উত্তর)।
সুতরাং, আমরা লিখতে পারি: 15+n203=n215 + \frac{n-20}{3} = \frac{n}{2}
সমীকরণটি সমাধান করি:
15+n203=n2\Rightarrow 15 + \frac{n-20}{3} = \frac{n}{2}
উভয় পক্ষকে ৬ দিয়ে গুণ করে পাই (৩ ও ২ এর ল.সা.গু): 6×15+6×n203=6×n26 \times 15 + 6 \times \frac{n-20}{3} = 6 \times \frac{n}{2}
90+2(n20)=3n\Rightarrow 90 + 2(n - 20) = 3n
90+2n40=3n\Rightarrow 90 + 2n - 40 = 3n
50+2n=3n\Rightarrow 50 + 2n = 3n
3n2n=50\Rightarrow 3n - 2n = 50
n=50\Rightarrow n = 50
অতএব, ঐ পরীক্ষায় প্রশ্নের সংখ্যা ছিল ৫০টি। সঠিক উত্তরটি হলো ৫০টি
95

একটি লোক খাড়া উত্তর দিকে m মাইল দূরত্ব অতিক্রম করে প্রতি মাইল ২ মিনিটে এবং খাড়া দক্ষিণ দিকে পূর্বস্থানে ফিরে আসে প্রতি মিনিটে ২ মাইল হিসেবে। লোকটির গড় গতিবেগ ঘণ্টায় কত মাইল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 45
  2. 48

  3. 75
  4. 24

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি গড় গতিবেগ (Average Speed) নির্ণয়ের একটি আদর্শ উদাহরণ। গড় গতিবেগ নির্ণয়ের মূল সূত্র হলো: গড় গতিবেগ = মোট দূরত্বমোট সময়\frac{\text{মোট দূরত্ব}}{\text{মোট সময়}}
ধাপ ১: গতিবেগ নির্ণয় (ঘণ্টায়):
যাত্রার প্রথম অংশ (V1V_1): লোকটির গতিবেগ ছিল প্রতি মাইল ২ মিনিট। অর্থাৎ, ১ মাইল যেতে সময় লাগে ২ মিনিট।
গতিবেগ (V1V_1) = 60 মিনিট2 মিনিট/মাইল=30\frac{60 \text{ মিনিট}}{2 \text{ মিনিট/মাইল}} = 30 মাইল/ঘণ্টা।
যাত্রার দ্বিতীয় অংশ (V2V_2): লোকটির গতিবেগ ছিল প্রতি মিনিটে ২ মাইল।
গতিবেগ (V2V_2) = 2 মাইল/মিনিট×60 মিনিট=1202 \text{ মাইল/মিনিট} \times 60 \text{ মিনিট} = 120 মাইল/ঘণ্টা।
ধাপ ২: মোট দূরত্ব ও মোট সময় নির্ণয়:
মোট দূরত্ব (DD): লোকটা উত্তরে mm মাইল গেল এবং দক্ষিণে mm মাইল ফিরে এলো। মোট দূরত্ব D=m+m=2mD = m + m = 2m মাইল।
প্রথম অংশের সময় (T1T_1): mm মাইল যেতে সময় লাগে 2m2m মিনিট। (ঘণ্টায়: T1=2m60=m30T_1 = \frac{2m}{60} = \frac{m}{30} ঘণ্টা)।
দ্বিতীয় অংশের সময় (T2T_2): গতিবেগ 120120 মাইল/ঘণ্টা। সময় (T2T_2) = দূরত্বগতিবেগ=m120\frac{\text{দূরত্ব}}{\text{গতিবেগ}} = \frac{m}{120} ঘণ্টা।
মোট সময় (TT): T1+T2=m30+m120=4m+m120=5m120=m24T_1 + T_2 = \frac{m}{30} + \frac{m}{120} = \frac{4m + m}{120} = \frac{5m}{120} = \frac{m}{24} ঘণ্টা।
ধাপ ৩: গড় গতিবেগ নির্ণয়:
গড় গতিবেগ = 2mm24=2m×24m\frac{2m}{\frac{m}{24}} = 2m \times \frac{24}{m}
\rightarrow 2×24=482 \times 24 = 48 মাইল/ঘণ্টা।
সুতরাং, লোকটির গড় গতিবেগ 48 মাইল/ঘণ্টা। (অপশন ৩, 75 একটি জনপ্রিয় ভুল উত্তর যা কেবল গতিবেগের সাধারণ গড় নিলে পাওয়া যায়, যা এখানে প্রযোজ্য নয়)।
96

y=৩x+২, y=−৩x+২ এবং y=−২ দ্বারা গঠিত জ্যামিতিক চিত্রটি কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি সমবাহু ত্রিভুজ
  2. একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ

  3. একটি বিষমবাহু ত্রিভুজ
  4. একটি সমকোণী ত্রিভুজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
এই জ্যামিতিক চিত্রটি নির্ণয় করার জন্য আমাদের তিনটি সরলরেখার ছেদবিন্দুগুলি (Vertices) বের করতে হবে এবং তারপর তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব (বাহুর দৈর্ঘ্য) নির্ণয় করতে হবে।
ধরি, রেখা তিনটি হলো:
L1: y=3x+2y=3x+2
L2: y=3x+2y=-3x+2
L3: y=2y=-2

১. ছেদবিন্দু A (L1 ও L2):
3x+2=3x+23x+2 = -3x+2 6x=0\Rightarrow 6x = 0 x=0\Rightarrow x=0
y=3(0)+2=2y = 3(0)+2 = 2
Vertex A = (0, 2)

২. ছেদবিন্দু B (L1 ও L3):
3x+2=23x+2 = -2 3x=4\Rightarrow 3x = -4 x=4/3\Rightarrow x=-4/3
Vertex B = (-4/3, -2)

৩. ছেদবিন্দু C (L2 ও L3):
3x+2=2-3x+2 = -2 3x=4\Rightarrow -3x = -4 x=4/3\Rightarrow x=4/3
Vertex C = (4/3, -2)

৪. বাহুর দৈর্ঘ্য নির্ণয় (দূরত্ব সূত্র):
বাহু AB: dAB=(4/30)2+(22)2=16/9+16=160/9d_{AB} = \sqrt{(-4/3 - 0)^2 + (-2 - 2)^2} = \sqrt{16/9 + 16} = \sqrt{160/9}
বাহু AC: dAC=(4/30)2+(22)2=16/9+16=160/9d_{AC} = \sqrt{(4/3 - 0)^2 + (-2 - 2)^2} = \sqrt{16/9 + 16} = \sqrt{160/9}
বাহু BC: dBC=4/3(4/3)=8/3d_{BC} = |4/3 - (-4/3)| = 8/3

যেহেতু dAB=dACd_{AB} = d_{AC} (দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান), তাই চিত্রটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ
97

একটি গোল মুদ্রা টেবিলে রাখা হলো। এই মুদ্রার চারপাশে একই মুদ্রা কতটি রাখা যেতে পারে যেন তারা মাঝের মুদ্রাটিকে এবং তাদের দুপাশে রাখা দুটি মুদ্রাকে স্পর্শ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4
  2. 6

  3. 8
  4. 10

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৬ (Six)। এটি জ্যামিতি এবং স্থানিক যুক্তি (Spatial Reasoning) সম্পর্কিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় প্রশ্ন।
যেহেতু প্রশ্নটিতে একই মুদ্রা (Identical Coin) বলা হয়েছে, তাই মাঝের মুদ্রা এবং বাইরের মুদ্রাগুলোর ব্যাসার্ধ (radius, r) সমান।
যখন বাইরের দুটি মুদ্রা মাঝের মুদ্রাটিকে এবং একে অপরের দুপাশে স্পর্শ করে রাখা হয়, তখন এই তিনটি মুদ্রার কেন্দ্রবিন্দুগুলো যোগ করলে একটি ত্রিভুজ তৈরি হয়।
১. কেন্দ্রীয় মুদ্রা থেকে বাইরের মুদ্রার কেন্দ্রের দূরত্ব: r+r=2r\text{r} + \text{r} = \mathbf{2r}
২. দুটি বাইরের মুদ্রার কেন্দ্রের দূরত্ব (তারা পরস্পরকে স্পর্শ করেছে): r+r=2r\text{r} + \text{r} = \mathbf{2r}
যেহেতু ত্রিভুজটির প্রতিটি বাহুর দৈর্ঘ্য 2r\mathbf{2r} (অর্থাৎ সব বাহু সমান), তাই ত্রিভুজটি হলো একটি সমবাহু ত্রিভুজ (Equilateral Triangle)
আমরা জানি, সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি কোণের মান হয় 6060^{\circ}
মাঝের মুদ্রার কেন্দ্রকে ঘিরে মোট কোণের পরিমাণ 360360^{\circ}। যেহেতু প্রতিটি বাইরের মুদ্রা 6060^{\circ} জায়গা দখল করে, তাই মোট মুদ্রার সংখ্যা হবে:
মোট সংখ্যা=36060=6\text{মোট সংখ্যা} = \frac{360^{\circ}}{60^{\circ}} = \mathbf{6} টি।
98

একটি ১০,০০০ টাকার বিলের ওপর এককালীন ৪০% কমতি এবং পর পর ৩৬% ও ৪% কমতির পার্থক্য কত টাকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শূন্য
  2. 144

  3. 256
  4. 400

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত দুটি ভিন্ন ধরনের বাট্টা (Discount) স্কিমের মধ্যে অর্থের পার্থক্য নির্ণয়ের। প্রথম বাট্টা (ছাড়) হল এককালীন ৪০% এবং দ্বিতীয় বাট্টা হলো পর পর ৩৬% ও ৪%
ধাপ ১: এককালীন বাট্টার পরিমাণ নির্ণয়:
এককালীন ছাড় = ৪০%
১০,০০০ টাকার ওপর ৪০% ছাড় = $১০,০০০ \times \frac{৪০}{১০০} = ৪,০০০ টাকা
ধাপ ২: পরপর বাট্টার সমতুল্য বাট্টার হার নির্ণয়:
পরপর দুটি বাট্টা R1%R_1\%R2%R_2\% এর সমতুল্য বাট্টার হার, Rসমতুল্য=(R1+R2R1R2১০০)%R_{সমতুল্য} = (R_1 + R_2 - \frac{R_1 R_2}{১০০})\%
এখানে, R1=৩৬%R_1 = ৩৬\% এবং R2=%R_2 = ৪\%
সুতরাং, সমতুল্য বাট্টা হার = $(৩৬ + ৪ - \frac{৩৬ \times ৪}{১০০})\% = (৪০ - \frac{১৪৪}{১০০})\% = (৪০ - ১.৪৪)\% = ৩৮.৫৬\%
ধাপ ৩: বাট্টার পরিমাণের পার্থক্য নির্ণয়:
লক্ষ্য করুন, এককালীন বাট্টার হার ৪০% এবং পরপর বাট্টার সমতুল্য হার ৩৮.৫৬%
বাট্টার হারের পার্থক্য = $৪০\% - ৩৮.৫৬\% = ১.৪৪\%
সুতরাং, অর্থের পার্থক্য = ১০,০০০ টাকার ওপর ১.৪৪%
পার্থক্য = $১০,০০০ \times \frac{১.৪৪}{১০০} = ১০০ \times ১.৪৪ = ১৪৪ টাকা
সঠিক উত্তর হলো ১৪৪ টাকা

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “13th(1)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 13th(1) (1991) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

13th(1) (1991) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 13th(1) (1991) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।