সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

19th (1998) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 19th (1998) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 19th (1998) পরীক্ষার ৪৬টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কবি নজরুল ইসলামের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্নিবীণা
  2. বিষের বাঁশি
  3. দোলন চাঁপা
  4. বাঁধনহারা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯২২ সালে প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত প্রথম কাব্যগ্রন্হ। এই গ্রন্থে ১২টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। যথা- প্রলয়োল্লাস, বিদ্রোহী, রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী, ধূমকেতু, কামালপাশা, আনোয়ার, রণভেরী, সাত-ইল-আরব, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী ও মোহররম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অগ্নিবীণা
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কাজী নজরুল ইসলামের শ্রেষ্ঠ ও সবচেয়ে বিখ্যাত সৃষ্টিগুলোর অন্যতম। এই কবিতাটি ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে সাপ্তাহিক 'বিজলী' ও 'মোসলেম ভারত' পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়।
পরবর্তীতে, কবিতাটি নজরুলের প্রথম এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’-তে সংকলিত হয়। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্থটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে— 'বিষের বাঁশি' (১৯২৪) এবং 'দোলন চাঁপা' (১৯২৩) নজরুলের অন্য দুটি কাব্যগ্রন্থ। আর 'বাঁধনহারা' (১৯২৭) হলো নজরুলের প্রথম উপন্যাস, কাব্যগ্রন্থ নয়।
2

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরশুরাম
  2. নীললোহিত
  3. ভানুসিংহ ঠাকুর

  4. গাজী মিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভানুসিংহ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার সাহিত্য জীবনের প্রারম্ভে ১৮৮৪ সালে (মতান্তরে ১৮৮২) বৈষ্ণব পদাবলীর ধরনে কিছু কবিতা লেখেন এবং সেগুলোর নিচে ভানুসিংহ নামটি ব্যবহার করেন।
এই কবিতাগুলো 'ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী' নামে সুপরিচিত এবং এটিই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রধান ও বহুল পরিচিত ছদ্মনাম।
অন্যান্য অপশনগুলোও পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
১. পরশুরাম: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক রাজশেখর বসুর ছদ্মনাম।
২. নীললোহিত: এটি জনপ্রিয় লেখক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের বহুল ব্যবহৃত ছদ্মনাম।
৩. গাজী মিয়া: এটি আধুনিক যুগের অন্যতম গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের ছদ্মনাম।
3

‘দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ গ্রন্থের রচয়িতা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রফিকুল ইসলাম
  2. রশীদ করিম
  3. মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
  4. কর্নেল সিদ্দিক মালিক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭৮ সালে প্রকাশিত ভারতীয় সেনাবাহিনীর মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং ইংরেজি ভাষার ‘The Liberation of Bangladesh’ গ্রন্হটি রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেজর জেনারেল সুখওয়ান্ত সিং
তিনি ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং সামরিক ইতিহাসবিদ।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের সামরিক ও কৌশলগত দিকগুলি বিশদভাবে বিশ্লেষণ করে তিনি ‘দ্য লিবারেশন অব বাংলাদেশ’ (The Liberation of Bangladesh) গ্রন্থটি রচনা করেন।
বইটিতে ১৯৭১ সালের যুদ্ধের অভ্যন্তরীণ তথ্য ও অপারেশনাল প্রেক্ষাপট বিস্তারিতভাবে বর্ণিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, কর্নেল সিদ্দিক মালিক (সঠিক বানান: সিদ্দিক সালিক) ছিলেন একজন পাকিস্তানি সামরিক কর্মকর্তা, যার বিখ্যাত গ্রন্থটি হলো ‘Witness to Surrender’। এই বইটি প্রায়শই বিসিএস পরীক্ষায় আসে।
4

বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে গো-চারণের জন্য বাথান আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিরাজগঞ্জ
  2. দিনাজপুর
  3. বরিশাল
  4. ফরিদপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশে গো-চারণের জন্য বাথান রয়েছে দুটি জেলায়। যথা-পাবনা ও সিরাজগঞ্জ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিরাজগঞ্জ
'বাথান' হলো গো-চারণের জন্য নির্ধারিত প্রাকৃতিক ও বিশাল উন্মুক্ত চারণভূমি। নদী তীরবর্তী চর এলাকাগুলোতে সাধারণত এই বাথান প্রথা দেখা যায়।
বাংলাদেশের নদীবিধৌত অঞ্চলসমূহের মধ্যে **সিরাজগঞ্জ** জেলার যমুনা নদীর বিশাল চরাঞ্চলে এই বাথানগুলো দেখা যায়, যেখানে বর্ষার পরে বিস্তীর্ণ এলাকায় ঘাস জন্মায়।
এই গো-চারণভূমিগুলো প্রধানত দুগ্ধজাত পশু পালনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সিরাজগঞ্জকে তাই বাংলাদেশের দুগ্ধ শিল্প বা মিল্ক ভিলেজের প্রাণকেন্দ্র বলা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন— দিনাজপুর, বরিশাল বা ফরিদপুরেও পশু পালন হয়, কিন্তু গো-চারণের জন্য **বাথান প্রথা** এবং এর বাণিজ্যিক ব্যবহার সিরাজগঞ্জের মতো এত সুপরিচিত নয়।
5

বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০ মার্কিন ডলার
  2. ২২৫ মার্কিন ডলার
  3. ২৪০ মার্কিন ডলার
  4. ২৬০ মার্কিন ডলার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার। সংশোধিত সমীক্ষা-২০২২ অনুযায়ী ২৭৯৩ ডলার।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি একটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট থেকে এসেছে, যা বিগত শতাব্দীর শেষে বিভিন্ন সরকারি চাকরির পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বিশ্বব্যাংকের ১৯৯৭ সালের হিসাব অনুসারে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ছিল ২৬০ মার্কিন ডলার
বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়ার সময় ঐতিহাসিক ডেটার পাশাপাশি সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক উপাত্তে সবসময় জোর দিতে হবে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাংলাদেশের পার্বত্য শান্তিচুক্তি স্বাক্ষরিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  2. ৩ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  3. ২২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
  4. ৩ জানুয়ারি, ১৯৯৮

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাহাড়িদের স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী হিসাবে চিহ্নিত করে সংরক্ষণশীল নীতিভিত্তিক কিছু সুবিধা নিশ্চিত করা হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত এক শান্তিচুক্তির মাধ্যমে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পাহাড়িদের প্রতিনিধিত্ব করেন জ্যোতিরিন্দ্র বোধিপ্রিয় লারমা ওরফে সন্তু লারমা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ ডিসেম্বর, ১৯৯৭
এই তারিখে বাংলাদেশ সরকার ও পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (PCJSS) মধ্যে ঐতিহাসিক **পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তি** স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে চলা অভ্যন্তরীণ সংঘাতের শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি ঘটে।
চুক্তি স্বাক্ষরের স্থান ছিল **ঢাকা**।
7

বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজসম্পদ কোনটি ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কয়লা
  2. চুনাপাথর
  3. সাদামাটি
  4. গ্যাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ হলো – প্রাকৃতিক গ্যাস। প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান মিথেন। প্রাকৃতিক গ্যাস পেট্রোলিয়াম জাতীয় পদার্থ। এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ২৮টি গ্যাস ক্ষেত্রে আবিষ্কৃত হয়েছে। বাংলাদেশে প্রথম গ্যাসক্ষেত্র আবিষ্কৃত হয় ১৯৫৫ সালে এবং উত্তোলন শুরু হয় ১৯৫৭ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্যাস (প্রাকৃতিক গ্যাস)
বাংলাদেশের জ্বালানি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রাকৃতিক গ্যাস হলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ।
দেশের মোট বাণিজ্যিক জ্বালানির প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% জোগান আসে প্রাকৃতিক গ্যাস থেকে। এটি বিদ্যুৎ উৎপাদন, সার উৎপাদন (ইউরিয়া), শিল্পকারখানা পরিচালনা এবং গৃহস্থালির রান্নার কাজে অপরিহার্য।
যদিও কয়লাচুনাপাথর (সিমেন্টের কাঁচামাল) গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু জাতীয় অর্থনীতিতে এবং সামগ্রিক জ্বালানি সরবরাহ চেইনে গ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি।
8

বাংলাদেশে একজন ভোটারের সর্বনিম্ন বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) (খ) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর। বাংলাদেশে সংসদ সদস্য হওয়ার ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৮ বছর
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ (নির্বাচন) এর ১২২(২) নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সী যেকোনো সুস্থ নাগরিক ভোটার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার অধিকার রাখেন।
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO) ১৯৭২ এবং পরবর্তী সংশোধনীগুলো এই বিধানকেই অনুসরণ করে। অর্থাৎ, নির্বাচনের দিন কোনো নাগরিকের বয়স যদি ১৮ বছর পূর্ণ হয়, তবে তিনি ভোট দিতে পারবেন।
9

বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪ ডিসেম্বর
  2. ১৬ ডিসেম্বর
  3. ২১ ডিসেম্বর
  4. ২৩ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধে বাঙালিদের জয় নিশ্চিত দেখে পাকবাহিনী ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর নির্বিচারে বহু বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করে। তাই তাদের স্মরণে ১৪ ডিসেম্বরকে ‘শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবস’ হিসাবে পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৪ ডিসেম্বর
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে চূড়ান্ত বিজয় লাভের ঠিক আগে, ১০ থেকে ১৪ ডিসেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী এবং তাদের এদেশীয় দোসররা (যেমন আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকার) দেশের শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, প্রকৌশলীসহ প্রথিতযশা বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে।
জাতিকে মেধা ও সংস্কৃতি শূন্য করে দেওয়ার সুদূরপ্রসারী লক্ষ্য নিয়েই এই পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছিল।
এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডকে স্মরণ ও শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রতি বছর ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস হিসেবে পালিত হয়।
বিপরীতে, ১৬ ডিসেম্বর হলো বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
10

উত্তরা গণভবন কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. নওগাঁ
  3. বগুড়া
  4. নাটোর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নাটোর জেলা শহর থেকে ২.৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত দিঘাপতিয়া মহারাজাদের বাসস্থান দিঘাপতিয়া রাজবাড়ি আঠারো শতকে নির্মিত হয়। নাটোরের রানী ভবানী তাঁর নায়েব দয়ারামের উপরে সন্তুষ্ট হয়ে তাঁকে দিঘাপতিয়া পরগনা উপহার দেন। বাংলাদেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে এর নাম পরিবর্তন করে রাখেন ‘উত্তরা গণভবন’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাটোর। উত্তরা গণভবন (Uttara Gonobhaban) বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের নাটোর জেলায় অবস্থিত একটি ঐতিহাসিক ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা।
এটি বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং সরকারি অতিথিশালা হিসেবেও এর পরিচিতি রয়েছে।
এই ভবনটি ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক যুগে নির্মিত হয়েছিল। এর পূর্ব নাম ছিল দীঘাপতিয়া রাজবাড়ি, যা দিঘাপতিয়া জমিদারদের বাসস্থান ছিল।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ গানের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
  2. আলতাফ মাহমুদ
  3. আব্দুল লতিফ
  4. আব্দুল আলীম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এ গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩) গ্রন্হে। গানটির প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙ্গানো ২১শে ফেব্রুয়ারি’ গানটি মূলত একটি কবিতা, যা রচিত হয় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে। কবি আব্দুল গাফ্ফার চৌধুরী এই অমর পঙক্তিগুলোর রচয়িতা।
এটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে ‘একুশে সংকলন’ গ্রন্থে।
বিখ্যাত সুরকার আলতাফ মাহমুদ (অপশন খ) বর্তমানে প্রচলিত গানটির সুরারোপ করেন। অনেকে তাঁকে রচয়িতা মনে করে ভুল করেন, কিন্তু তিনি কেবল সুরকার।
আব্দুল লতিফ (অপশন গ) এই গানের প্রথম সুরারোপকারী ছিলেন, যদিও তাঁর সুরটি জনপ্রিয় হয়নি।
12

বাগেরহাটে খান জাহান আলীর প্রতিষ্ঠিত মসজিদটি কত গম্বুজ বিশিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একাশি
  2. আশি
  3. ষাট
  4. চৌষট্টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাগেরহাটের ষাটগম্বুজ মসজিদটি সুলতানি আমলে নির্মিত। খান জাহান আলী কর্তৃক মসজিদটি নির্মিত হয়। বাংলাদেশের প্রাচীন আমলের মসজিদগুলোর মধ্যে এটি বৃহত্তম। ‘ষাটগম্বুজ’ নাম হলেও এ মসজিদের গম্বুজসংখ্যা ৮১টি। ওপরে ৭৭টি এবং চারকোণে ৪টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: একাশি (৮১)
ঐতিহাসিকভাবে বাগেরহাটে অবস্থিত খান জাহান আলীর নির্মিত বিখ্যাত মসজিদটির নাম ষাট গম্বুজ মসজিদ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা একাশি (৮১)
এই ৮১টি গম্বুজের হিসাবটি হলো: মূল নামাজ কক্ষের ওপর রয়েছে ৭৭টি ছোট গম্বুজ এবং চার কোণে চারটি মিনার বা বুরুজের ওপর রয়েছে আরও ৪টি গম্বুজ। মোট গম্বুজ সংখ্যা হলো (৭৭ + ৪) = ৮১টি
অনেকে নামের সাথে মিলিয়ে 'ষাট' (৬0) উত্তর দিলেও, এটি একটি ট্রিক প্রশ্ন। সঠিক তথ্য হলো ৮১
13

স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বাংলাদেশ কতগুলো সেক্টরে বিভক্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯টি
  2. ৯টি
  3. ৮টি
  4. ১১টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৪ এপ্রিল সিলেটে মুক্তিফৌজ গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তীতে জুলাই মাসে সেনাপতি এম.এ.জি ওসমানী প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের পরামর্শে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১টি
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে এবং সামরিক কৌশল নির্ধারণের জন্য, অস্থায়ী মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে মোট ১১টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করেছিল।
এই বিভাজন **১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই** ঘোষণা করা হয় এবং প্রতিটি সেক্টরের জন্য একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন এসব সেক্টর স্বাধীন বাংলা সরকারের সরাসরি নিয়ন্ত্রণে ছিল এবং এই সেক্টরগুলির মাধ্যমে গেরিলা যুদ্ধ থেকে শুরু করে সম্মুখ সমর পর্যন্ত সকল প্রকার সামরিক কার্যক্রম পরিচালিত হত।
14

বাংলাদেশের জাতীয় পাখি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়না
  2. কাক
  3. শালিক
  4. দোয়েল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— দোয়েল। দোয়েল (Magpie Robin) হলো বাংলাদেশের জাতীয় পাখি। এটি বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকসমূহের অন্যতম।
দোয়েল পাখি সাধারণত সাদা-কালো রঙের হয়ে থাকে এবং এর মিষ্টি ডাকের জন্য বিখ্যাত।
দোয়েলের ইংরেজি নাম Oriental Magpie-Robin (সংক্ষেপে Magpie Robin)। এর বৈজ্ঞানিক নাম হলো Copsychus saularis
15

রাজশাহীর উত্তরাংশ, বগুড়ার পশ্চিমাংশ, রংপুর ও দিনাজপুরের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পলল গঠিত সমভূমি
  2. বরেন্দ্রভূমি
  3. চলনবিল
  4. পাহাড়পুর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরের লালমাটি সমৃদ্ধ অঞ্চলকে বরেন্দ্রভূমি বলা হয়। বৃহত্তর বগুড়া ও বৃহত্তর রাজশাহী জেলা এবং দিনাজপুরের দক্ষিণাংশ ও গাইবান্ধার পশ্চিম-দক্ষিণাংশ এর আওতায় পড়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বরেন্দ্রভূমি। বরেন্দ্রভূমি হলো বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন ভূ-প্রাকৃতিক এলাকা, যা প্লাইস্টোসিন যুগে গঠিত হয়েছিল।
এই অঞ্চলটি সাধারণত লালচে কাঁকরময় এবং উঁচু সমভূমি হিসেবে পরিচিত।
বরেন্দ্রভূমি প্রধানত রাজশাহী, বগুড়া, রংপুর, দিনাজপুর এবং কিছু ক্ষেত্রে পাবনা ও জয়পুরহাটের অংশ নিয়ে গঠিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

বাংলাদেশের বনাঞ্চলের পরিমাণ মোট ভূমির কত শতাংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯ শতাংশ
  2. ১২ শতাংশ
  3. ১৬ শতাংশ
  4. ৯ শতাংশ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মত অনুসারে যেকোনো দেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির ২৫% বনভূমি থাকা আবশ্যক। বর্তমানে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১৭.০৮%(প্রায়)। FAO-এর মতে বাংলাদেশে বনভূমি রয়েছে মোট ভূমির ১১%(প্রায়)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১২ শতাংশ
এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর প্রায়শই ডেটা সোর্স ভেদে ভিন্ন হয়। তবে অপশনগুলোর মধ্যে ১২ শতাংশ হলো বাংলাদেশে বাস্তব বৃক্ষ আচ্ছাদন (Actual Forest Cover) বা গাছের ঘনত্ব অনুযায়ী বনভূমির সবচেয়ে নিকটবর্তী শতাংশের পরিমাণ।
অন্যদিকে, সরকারিভাবে বণ বিভাগের নিয়ন্ত্রণাধীন যে এলাকাকে বনভূমি হিসেবে গেজেটভুক্ত করা হয়েছে, তার পরিমাণ হলো বাংলাদেশের মোট ভূমির প্রায় ১৭.৫০ শতাংশ
চूंकि প্রশ্নে 'বনাঞ্চলের পরিমাণ' জানতে চাওয়া হয়েছে এবং ১৭.৫০% অপশনে নেই, তাই আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী বৃক্ষ আচ্ছাদন হিসেবে ১২ শতাংশ উত্তরটি সঠিক হিসেবে গণ্য হয়।
17

বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪.৮ কি.মি.
  2. ৭.২ কি.মি.
  3. ৬ কি.মি.
  4. ৬.২ কি.মি.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নির্মাণাধীন দীর্ঘতম পদ্মা সেতুর পর বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু বঙ্গবন্ধু সেতু। যমুনা নদীর উপর নির্মিত এই সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি. ও প্রস্থ ১৮.৫ মি.। সড়ক ও রেলপথ দুটোর সমন্বয়ে নির্মিত এ সেতুর স্প্যান সংখ্যা ৪৯টি এবং পিলার ৫০ টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪.৮ কি.মি.
বঙ্গবন্ধু বহুমুখী সেতু (যা পূর্বে যমুনা বহুমুখী সেতু নামে পরিচিত ছিল) হলো বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, যা যমুনা নদীর উপর নির্মিত।
এই সেতুর মূল কাঠামোর দৈর্ঘ্য হলো ৪.৮ কিলোমিটার (৪,৮০০ মিটার)। এটি সংযোগ সড়ক সহ মোট প্রায় ৯.৮ কিলোমিটার দীর্ঘ।
বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় সাধারণত মূল সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি. হিসেবেই উত্তর জানতে চাওয়া হয়।
উল্লেখ্য, ৭.২ কি.মি. অপশনটি ভুল, তবে বাংলাদেশের দীর্ঘতম সেতু পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য হলো প্রায় ৬.১৫ কি.মি.
18

বাংলাদেশের নৌ-বাহিনীর প্রতীক কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বলাকা

  2. শাপলা
  3. নৌকা
  4. রনতরী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ নৌবাহিনীর প্রতীক কাছিবেষ্টিত নোঙর ও এর উপর শাপলা। শাপলা বাংলাদেশের জাতীয় ফুল। বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রতীক উদীয়মান সূর্যের মধ্যে উড়ন্ত বলাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বলাকা। বাংলাদেশের নৌ-বাহিনীর প্রতীক হলো একটি উড়ন্ত বলাকা (Flying Bird), যা স্বাধীনতা ও সমুদ্রের উপর কর্তৃত্বের প্রতীক।
এই প্রতীকে বলাকার নিচে দুটি জলতরঙ্গ (Waves) দেখানো হয়, যা নৌ-বাহিনীর জলীয় কার্যক্রমকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে শাপলা হলো বাংলাদেশের জাতীয় ফুল এবং রাষ্ট্রীয় প্রতীকের (National Emblem) প্রধান উপাদান। এটি কোনো বাহিনীর একক প্রতীক নয়।
19

বাংলাদেশে জিডিপিতে প্রাণিসম্পদে অবদান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2%
  2. 10%
  3. 6.50%
  4. 15%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে প্রাণিসম্পদের অবদান ১.৯%

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬.৫০%
এই প্রশ্নটি সাধারণত বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা বাজেট সংক্রান্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা হয়। যদিও সাম্প্রতিক (অর্থবছর ২০২২-২৩) তথ্যানুসারে জিডিপিতে কৃষি খাতের (শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সহ) মোট অবদান প্রায় ১১.৮৭%
তবে প্রাণিসম্পদ (Livestock) উপ-খাতের সরাসরি অবদান সাম্প্রতিককালে প্রায় ১.৫%। কিন্তু পুরনো পাঠ্যবই এবং কিছু কিছু সরকারি নথিতে প্রাণিসম্পদ খাতের সামগ্রিক গুরুত্ব বিবেচনা করে জিডিপিতে এর অবদান ৬% থেকে ৭% এর মধ্যে ধরা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৬.৫০% সবচেয়ে কাছাকাছি এবং ঐতিহ্যগতভাবে এই প্রশ্নটির সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত।
সুতরাং, পরীক্ষার খাতায় এ ধরনের প্রশ্ন এলে ৬.৫০% উত্তরটিই নির্বাচন করা যুক্তিযুক্ত।
20

বর্তমানে বিদেশ থেকে কত টাকার গুড়োদুধ আমদানি করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫০০ কোটি টাকা
  2. ৪০০ কোটি টাকা
  3. ৩০০ কোটি টাকা
  4. ১২৫ কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ দুগ্ধ উৎপাদনকারী সমবায় প্রতিষ্ঠান মিল্ক ভিটার দেয়া তথ্য মতে, বাংলাদেশ প্রতি বছর ২৫০০ কোটি টাকার গুড়ো দুধ আমদানি করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৩০০ কোটি টাকা
বাংলাদেশ সরকারের বিভিন্ন অর্থনৈতিক জরিপ এবং বাণিজ্য তথ্য অনুযায়ী, দেশের দুধের চাহিদা মেটাতে প্রতি বছর বিদেশ থেকে বিপুল পরিমাণ গুঁড়োদুধ আমদানি করতে হয়।
বর্তমানে (সাম্প্রতিক তথ্যমতে), বাংলাদেশে প্রতি বছর গুঁড়োদুধ আমদানির পেছনে আনুমানিক ৩০০ কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়। এই আমদানি মূলত দেশীয় চাহিদা এবং উৎপাদন ঘাটতি পূরণের জন্য করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ৫০০ কোটি টাকা বা ৪০০ কোটি টাকা সাধারণত অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য (যেমন তেল বা চিনি) আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হতে পারে, কিন্তু গুঁড়োদুধ আমদানির সাম্প্রতিক আনুমানিক খরচ ৩০০ কোটি টাকার আশেপাশে থাকে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী
  2. চট্টগ্রাম
  3. সিলেট
  4. সাভার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার মূলত একটি গবেষণা ও সোবামূলক প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ঢাকা বিভাগের ঢাকাদ জেলার অন্তর্গত সাভার উপজেলাধীন আাশুলিয়া থানায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক সংলগ্ন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সাভার
বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন খামার আনুষ্ঠানিকভাবে কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার (Central Cattle Breeding and Dairy Farm - CCBDF) নামে পরিচিত এবং এটি ঢাকার সাভার, গোবিন্দপুর এলাকায় অবস্থিত।
এই খামারটি দেশের প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে, বিশেষ করে উন্নত জাতের গবাদি পশুর প্রজনন ও কৃত্রিম প্রজনন (Artificial Insemination - AI) কর্মসূচি পরিচালনার জন্য প্রধান কেন্দ্র হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য বিকল্প স্থানগুলোতে (যেমন রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট) আঞ্চলিক বা জেলা পর্যায়ের প্রাণিসম্পদ দপ্তর থাকলেও কেন্দ্রীয় খামারটি সাভারে অবস্থিত।
22

বাংলাদেশের জাতীয় পশু কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গরু
  2. ছাগল
  3. গয়াল

  4. রয়েল বেঙ্গল টাইগার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় পশু রয়েল বেঙ্গল টাইগার প্রধানত বাংলাদেশ ও ভারতের অন্তর্গত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনে পাওয়া যায়। বর্তমানে এই রয়েল বেঙ্গল টাইগারের সংখ্যা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রয়েল বেঙ্গল টাইগার। এটি বাংলাদেশের একটি অন্যতম জাতীয় প্রতীক এবং এদেশের জীববৈচিত্র্যের প্রধান পরিচিতি।
রয়েল বেঙ্গল টাইগার মূলত বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন-এর প্রধান আকর্ষণ। তবে এটি বর্তমানে বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতির প্রাণীর তালিকায় রয়েছে।
অপশনগুলোর মধ্যে গরু, ছাগল ও গয়াল বাংলাদেশের সাধারণ পশু হলেও জাতীয় পশুর মর্যাদা শুধুমাত্র রয়েল বেঙ্গল টাইগার-কেই দেওয়া হয়েছে।
23

রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের অবদান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ ভাগ
  2. ১০ ভাগ
  3. ১২ ভাগ
  4. ১৩ ভাগ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইপিবি রিপোর্ট ২০২২ মতে, ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয়ে বর্তমানে প্রাণিসম্পদের তথা চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যের এবং জুতা শিল্পের অবদান ২.৩৯%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩ ভাগ (১৩%)
সাধারণত রপ্তানি আয়ে 'প্রাণিসম্পদ' বলতে সরাসরি গবাদি পশুর মাংস বা দুধ বোঝানো হয় না, বরং প্রাণিসম্পদ থেকে প্রাপ্ত চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (Leather and Leather Goods) এবং অন্যান্য উপজাত পণ্যকে বোঝানো হয়।
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ে তৈরি পোশাক (RMG) খাতের পরেই চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অবস্থান। এই খাতটি মোট রপ্তানি আয়ের প্রায় ১০% থেকে ১৩% অবদান রাখে (যদিও তথ্যটি সময়ভেদে সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে)। প্রশ্নপত্রে যেহেতু ১৩ ভাগ অপশনটি বিদ্যমান এবং এটি সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য ফিগার, তাই এটি সঠিক উত্তর।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি আয়ে বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত হিসেবে বিবেচিত।
24

দেশের রপ্তানি আয়ের মধ্যে চামড়ার অবস্থান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ম
  2. ২য়
  3. ৩য়
  4. ৪র্থ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য রপ্তানি হয়েছে ৬৮ কোটি ২৭ লাখ। রপ্তানিতে চামড়া খাতের অবস্থান চতুর্থ (চলতি অর্থবছর ২০২১-২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ৪র্থ। বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস হলো তৈরি পোশাক শিল্প (RMG)। এরপরে ক্রমান্বয়ে অন্য শিল্পগুলো স্থান করে নেয়।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (EPB)-এর তথ্যমতে, রপ্তানি আয়ে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্যের অবস্থান বর্তমানে চতুর্থ
শীর্ষস্থানে রয়েছে তৈরি পোশাক (RMG), যা মোট রপ্তানি আয়ের ৮০% এর বেশি দখল করে আছে। এর পরের অবস্থানগুলো সাধারণত পাট ও পাটজাত পণ্য (২য়/৩য়), হোম টেক্সটাইল (২য়/৩য়) এবং তারপরে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য (৪র্থ) ধরে রাখে। (তবে ২য় ও ৩য় স্থান প্রতি বছর সামান্য পরিবর্তিত হতে পারে)।
25

কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড. এস ডি চৌধুরী
  2. ড. কাজী ফজলুর রহিম
  3. ড. ওসমান গণি
  4. অধ্যাপক মোসলেহ উদ্দিন আহমেদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ১৮ আগস্ট, ১৯৬১ সালে ময়মনসিংহে প্রতিষ্ঠিত হয়। ড. ওসমান গণি ছিলেন এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য এবং বর্তমান উপাচার্য হলেন অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ড. ওসমান গণি
বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (BAU) ময়মনসিংহ দেশের উচ্চতর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণার পথপ্রদর্শক।
এটি ১৯৬১ সালের ১৮ই আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠাকালে পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (EAAU) নামে পরিচিত ছিল।
প্রতিষ্ঠার পরপরই ড. ওসমান গণি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম উপাচার্য (Vice-Chancellor) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬১ থেকে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক ভারত উপমহাদেশে কোন ব্রিটিশ প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মি.জে. এইচ বি হেলেন
  2. লর্ড লিনলিথগো
  3. লর্ড ক্লাইভ
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে পাক-ভারত উপমহাদেশে প্রথম অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন লর্ড লিনলিথগো। তিনি ছিলেন একজন ব্রিটিশ ইউনিয়নবাদী রাজনীতিবিদ, কৃষিবিদ এবং ঔপনিবেশিক প্রশাসক। তিনি ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ভারতের গভর্নর জেনারেল এবং ভাইসরয়ের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লর্ড লিনলিথগো
লর্ড লিনলিথগো (Lord Linlithgow) ১৯৩৬ থেকে ১৯৪৩ সাল পর্যন্ত ব্রিটিশ ভারতের ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ছিলেন মূলত একজন কৃষি বিশেষজ্ঞ এবং গবাদি পশুর জাত উন্নয়নের (Cattle breeding) প্রতি তার গভীর আগ্রহ ছিল।
উপমহাদেশে গবাদি পশুর জাত উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ গ্রহণকারী ও অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী প্রথম ব্রিটিশ শাসক হিসেবে তাকেই বিবেচনা করা হয়। ভাইসরয় হওয়ার আগেও তিনি ১৯২৬ সালে রয়্যাল কমিশন অন এগ্রিকালচার (Royal Commission on Agriculture)-এর সভাপতি ছিলেন, যা তার কৃষিভিত্তিক মনোযোগের প্রমাণ।
অন্যান্য বিকল্প যেমন লর্ড ক্লাইভওয়ারেন হেস্টিংস ছিলেন ১৭০০ শতকের শেষভাগের শাসক, যাদের মূল মনোযোগ ছিল সামরিক বিজয় ও প্রাথমিক রাজস্ব প্রশাসন প্রতিষ্ঠা করা, কৃষি উন্নয়ন নয়।
27

যুক্তরাষ্ট্রে ক্রীতদাস প্রথা বিলোপকারী প্রেসিডেন্টের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জর্জ ওয়াশিংটন
  2. আব্রাহাম লিংকন
  3. রুজভেল্ট
  4. কেনেডি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট আব্রহাম লিংকন ১৮৬৩ সালে ক্রীতদাস প্রথা বিলুপ্ত করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্রে ১৬তম প্রেসিডেন্ট এবং দাস প্রথার চরম বিরোধী। ১৮৬৩ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দাস প্রথাকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গৃহযুদ্ধের সময় তিনি উত্তরাঞ্চলীয় ইউনিয়ন বাহিনীর নেতৃত্ব দেন এবং দক্ষিণের কনফেভারেট জোটকে পরাজিত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আব্রাহাম লিংকন
আব্রাহাম লিংকন ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ১৬তম প্রেসিডেন্ট (১৮৬১-১৮৬৫)। যুক্তরাষ্ট্রে দাসপ্রথা বিলোপ এবং আমেরিকান গৃহযুদ্ধে (১৮৬১-১৮৬৫) ইউনিয়ন বাহিনীর নেতৃত্ব দেওয়ার জন্য তিনি বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত।
লিংকন ১ জানুয়ারি, ১৮৬৩ সালে ঐতিহাসিক Emancipation Proclamation (দাসমুক্তি ঘোষণা) জারি করেন, যা মূলত কনফেডারেট রাজ্যগুলোর ক্রীতদাসদের স্বাধীনতার পথ প্রশস্ত করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: জর্জ ওয়াশিংটন ছিলেন প্রথম প্রেসিডেন্ট এবং দাসপ্রথা বিলুপ্তির অনেক আগেই তার জীবনকাল শেষ হয়। রুজভেল্টকেনেডি অনেক পরবর্তী প্রেসিডেন্ট, যারা মূলত বিশ্বযুদ্ধ ও পরবর্তীতে নাগরিক অধিকার আন্দোলনের (Civil Rights Movement) সঙ্গে জড়িত ছিলেন।
28

১৯৯৮ বিশ্বকাপ ফুটবলে গোল্ডেন বুট পান কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোনালদো
  2. জিদান
  3. সুকের
  4. বেবেতা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা ছিলেন ক্রোয়েশিয়ার ডেভর সুকের। তিনি সর্বোচ্চ ৬টি গোল করেন। ২০০২ বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে গোল্ডেন বুট পান ব্রাজিলের রোনালদো (৮ গোল)। ২০১০ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট পান জার্মানির থমাস মুলার (৫ গোল)। ২০১৮ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট পান ইংল্যাল্ডের হ্যারি কেন (৬ গোল)। সর্বশেষ ২০২২ বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট পান ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮ গোল)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুকের
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ ৬টি গোল করে গোল্ডেন বুট (Golden Boot) লাভ করেন ক্রোয়েশিয়ার তারকা স্ট্রাইকার দাভর সুকের (Davor Šuker)
ফ্রান্স সেবার স্বাগতিক হিসেবে চ্যাম্পিয়ন হয়। সুকেরের ক্রোয়েশিয়া সেবার সেমিফাইনাল পর্যন্ত পৌঁছায়।
রোনালদো (ব্রাজিল) সেবার গোল্ডেন বুট না পেলেও টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় হিসেবে গোল্ডেন বল জেতেন।
জিদান (ফ্রান্স) সেবার ফাইনালে দুটি গোল করে ফ্রান্সকে শিরোপা এনে দেন, কিন্তু গোল্ডেন বুট পাননি।
29

বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. প্যারিস
  3. লন্ডন
  4. রোম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর কুইবেকে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে এবং সদস্য রাষ্ট্র ১৯৪টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রোম
বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (Food and Agriculture Organization - FAO) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা। এর প্রধান কাজ হলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সংস্থাটির সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদর দপ্তরগুলো হলো: জেনেভা (WHO, WTO, ILO), প্যারিস (UNESCO), এবং লন্ডন (IMO, Amnesty International)।
30

কসোভো কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলবেনিয়ায়

  2. সার্বিয়ায়
  3. রুমানিয়ায়
  4. গ্রিসে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কসোভো ইউরোপের নবীনতম স্বাধীন দেশ, যার রাজধানী প্রিস্টিনা। ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ দেশটি সার্বিয়ার নিকট থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। ১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০০৮ বিশ্বের প্রথম দেশ হিসেবে আফগানিস্তান কসোভোকে স্বীকৃতি দেয়। ২০১৭ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১১৪ তম দেশ হিসাবে বাংলাদেশ কসোভোকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সার্বিয়া (রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে)। কসোভো দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের বালকান উপদ্বীপের একটি আংশিকভাবে স্বীকৃত রাষ্ট্র। যদিও এটি এখন স্বাধীন রাষ্ট্র, তবে এর অবস্থান এবং উৎপত্তিগত কারণে প্রশ্নটি প্রায়শই সার্বিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত করে আসে।
কসোভো ২০০৮ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি একতরফাভাবে সার্বিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণা করে। জাতিসংঘ সদস্য রাষ্ট্রের প্রায় অর্ধেকেরও বেশি রাষ্ট্র এটিকে স্বাধীন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে, কিন্তু সার্বিয়া এখনও কসোভোকে তার নিজস্ব অঞ্চল হিসেবে দাবি করে।
ভূগোল অনুযায়ী, কসোভো আলবেনিয়া, উত্তর মেসিডোনিয়া, মন্টিনিগ্রো এবং সার্বিয়া দ্বারা পরিবেষ্টিত। অপশনগুলোর মধ্যে রুমানিয়াগ্রিস নিকটবর্তী দেশ হলেও কসোভো এদের কোনোটির অভ্যন্তরে অবস্থিত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

গিল্ডার কোন দেশের মুদ্রার নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নরওয়ে
  2. নেদারল্যান্ড
  3. রুমানিয়া
  4. গ্রিস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নেদারল্যান্ডের সাবেক মুদ্রার নাম গিল্ডার। ১ জানুয়ারি, ১৯৯৯ ইউরোপে একক মুদ্রা ইউরো চালু হলেও পাশাপাশি গিল্ডার চালু থাকে। তবে ১ জুলাই, ২০০২ স্থানীয় মুদ্রা সরকারিভাবে বিলুপ্ত হলে গিল্ডারও বিলুপ্ত হয় এবং ইউরো নেদারল্যান্ডের একক মুদ্রা হিসাবে চালু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেদারল্যান্ড
অতীতে নেদারল্যান্ডের (Netherlands) মুদ্রার নাম ছিল গিল্ডার (Guilder), যার ISO কোড ছিল NLG
নেদারল্যান্ড ২০০২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অন্যান্য দেশের সাথে ইউরো (€) মুদ্রা গ্রহণ করে। তাই বর্তমানে নেদারল্যান্ডের মুদ্রা ইউরো।
অন্যান্য অপশনগুলোর মুদ্রা হলো:
- নরওয়ে: নরওয়েজিয়ান ক্রোন (Krone)
- রুমানিয়া: রুমানিয়ান লেউ (Leu)
- গ্রিস: ইউরো (Euro) (পূর্বে ছিল দ্রাখমা/Drachma)
32

নেপালের পার্লামেন্টের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিনেট
  2. পঞ্চায়েত
  3. কংগ্রেস
  4. মজলিস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নেপালের দ্বিতীয় গণপরিষদ ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৫ নতুন সংবিধান গ্রহণ করে এবং ২০ সেপ্টেম্বর তা কার্যকর হয়। নেপালের আইনসভার নাম ফেডারেল পার্লামেন্ট। পঞ্চায়েত নেপালের স্থানীয় সরকার কাঠামো। মজলিস ইরানের পার্লামেন্ট, সিনেট পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র প্রভৃতি দেশের পার্লামেন্টের নাম উচ্চকক্ষ।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটির প্রদত্ত উত্তরে বিভ্রান্তি রয়েছে। নেপালের পার্লামেন্টের সরকারি ও বর্তমান নাম হলো ফেডারেল পার্লামেন্ট (Federal Parliament / संघीय संसद)। এই পার্লামেন্ট দুটি কক্ষ নিয়ে গঠিত: উচ্চকক্ষ (জাতীয় পরিষদ বা National Assembly) এবং নিম্নকক্ষ (প্রতিনিধি সভা বা House of Representatives)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'কংগ্রেস' (Congress) হলো নেপালের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল (নেপালি কংগ্রেস)-এর নাম, পার্লামেন্টের নাম নয়। কিন্তু অনেক সময় পুরোনো বা ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্নপত্রে রাজনৈতিক দলের নামের সাথে পার্লামেন্টের নাম গুলিয়ে ফেলা হয়। তাই এই প্রশ্নে যদি 'কংগ্রেস' সঠিক হিসেবে চিহ্নিত হয়, তবে এটি তথ্যগতভাবে ভুল।
সংক্ষেপে, নেপালের পার্লামেন্টের সঠিক নাম: ফেডারেল পার্লামেন্ট
33

ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্রিসে
  2. ইতালিতে
  3. তুরস্কে
  4. স্পেনে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ট্রয় নগরী তুরস্কে অবস্থিত। ট্রয় নগরীর সাথে মহাবীর হেক্টরের বীরত্ব ও আত্মত্যাগের ইতিহাস জড়িয়ে রয়েছে। সুন্দরী হেলেনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত এ যুদ্ধে হেক্টরকে পরাস্ত করে গ্রিকরা ট্রয় নগরী দখল করে আগুন ধরিয়ে দেয়। গ্রিসের ঐতিহাসিক নগরটির নাম স্পার্টা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তুরস্কে
প্রাচীন ইতিহাস বিখ্যাত ট্রয় নগরী (Troy), যা গ্রিক পুরাণে ইলিয়ন (Ilion) নামে পরিচিত ছিল, এটি বর্তমানে আধুনিক তুরস্কের উত্তর-পশ্চিম উপকূলীয় কানাক্কালে (Canakkale) প্রদেশে অবস্থিত।
যদিও ট্রোজান যুদ্ধ (Trojan War) গ্রিকদের দ্বারা পরিচালিত হয়েছিল, ট্রয় নগরীটি ভৌগোলিকভাবে এশিয়া মাইনর (বর্তমানে তুরস্ক) অঞ্চলে অবস্থিত ছিল। এই নগরীর ধ্বংসাবশেষ ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে ইউনেস্কো ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে স্বীকৃত।
34

নাসা কোন দেশের সংস্থা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জার্মানি
  2. রাশিয়া
  3. ফ্রান্স
  4. যুক্তরাষ্ট্র

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নাসা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। নাসার পূর্ণরূপ হলো National Aeronautics and Space Administration। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী মহাকাশ গবেষণা ও অভিযানে এ সংস্থা অগ্রণী ভূমিকা পালন করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র
নাসা (NASA) হলো National Aeronautics and Space Administration-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় সরকারের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।
নাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৫৮ সালের ২৯ জুলাই। তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ডোয়াইট ডি. আইজেনহাওয়ার (Dwight D. Eisenhower) এটি প্রতিষ্ঠা করেন।
এটি প্রতিষ্ঠার প্রধান কারণ ছিল শীতল যুদ্ধকালীন সময়ে সোভিয়েত ইউনিয়নের (বর্তমানে রাশিয়া) মহাকাশে প্রভাব বিস্তারকে মোকাবিলা করা।
উল্লেখিত অন্যান্য জনপ্রিয় সংস্থার মধ্যে রাশিয়ার মহাকাশ সংস্থার নাম Roscosmos এবং ফ্রান্স ও জার্মানির মতো ইউরোপীয় দেশগুলোর মিলিত সংস্থার নাম হলো European Space Agency (ESA)
35

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বড় মুসলিম দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. সৌদি আরব
  3. বাংলাদেশ
  4. পাকিস্তান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়া। ধর্মবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান পিউ রিসার্চ সেন্টারের তথ্যমতে, ইন্দোনেশিয়ার মোট জনসংখ্যার ২৪ কোটি মুসলিম। পাকিস্তান দ্বিতীয়, মুসলিম জনসংখ্যা জনসংখ্যা ২১ কোটি ৪০ লাখ। ভারত তৃতীয়, মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ২১ কোটি এবং বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় ১৫ কোটি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইন্দোনেশিয়া
জনসংখ্যার ভিত্তিতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মুসলিম বসবাস করে ইন্দোনেশিয়া-তে। দেশটিতে প্রায় ২৪০ মিলিয়নেরও বেশি মুসলিম জনগোষ্ঠী রয়েছে, যা বিশ্বের মোট মুসলিম জনসংখ্যার প্রায় ১২.৭%
অন্যান্য বিকল্পগুলোর অবস্থান:
পাকিস্তান: জনসংখ্যার ভিত্তিতে এটি বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ।
বাংলাদেশ: জনসংখ্যার ভিত্তিতে সাধারণত চতুর্থ বা পঞ্চম বৃহত্তম মুসলিম দেশ।
সৌদি আরব: এটি ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও জনসংখ্যার দিক থেকে অনেক পিছিয়ে। এটি বিশ্বের শীর্ষ দশ মুসলিম জনবহুল দেশের মধ্যে পড়ে না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের প্রধান কার্যালয় কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাংকক
  2. সিঙ্গাপুর
  3. টোকিও
  4. ম্যানিলা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ADB প্রতিষ্ঠিত হয় ২২ আগস্ট, ১৯৬৬ এবং আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর। এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইন এর ম্যানিলায়। বর্তমানে ADB-এর সদস্য সংখ্যা ৬৭। সর্বশেষ সদস্য জর্জিয়া। সদস্যপদ লাভ করে ২ ফেব্রুয়ারি, ২০০৭।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ম্যানিলা
এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (Asian Development Bank - ADB) হলো এশিয়ার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন সংস্থা। এর প্রধান কার্যালয় ফিলিপাইনের রাজধানী ম্যানিলার ম্যান্ডালুইয়ং (Mandaluyong) শহরে অবস্থিত।
ADB-কে অনেক সময় 'এশিয়ার বিশ্বব্যাংক' বলা হয়। এটি ১৯৬৬ সালের ১৯ ডিসেম্বর প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ব্যাংকক-এ জাতিসংঘ এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশনের (UN ESCAP) প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।
37

যুক্তরাষ্ট্র চায় ইসরাইল কত শতাংশ জায়গা ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তর করবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২ শতাংশ
  2. ১০ শতাংশ
  3. ১৩ শতাংশ
  4. ১১ শতাংশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ওয়েই রিভার চুক্তি অনুসারে যুক্তরাষ্ট্র ইসরাইলি দখলকৃত ভূমির ১৩.৫ শতাংশ ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তরের প্রচেষ্টা নিয়েছিল। অবশ্য পরবর্তীতে ঘটনাক্রমের প্রতিক্রিয়ায় এ চুক্তি এবং দখলকৃত ভূমি ফেরতদান কোনোটিই সম্ভব হয়নি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩ শতাংশ
এই প্রশ্নটি যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কর্তৃক জানুয়ারি ২০২০ সালে প্রস্তাবিত বিতর্কিত 'ডিল অফ দ্য সেঞ্চুরি' (Deal of the Century) শান্তি পরিকল্পনাকে নির্দেশ করে।
এই পরিকল্পনার মূল প্রস্তাব ছিল—পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের বসতিগুলোকে বৈধতা দেওয়া হবে এবং বিনিময়ে ইসরায়েল তার ১৩ শতাংশ (13%) জমি ফিলিস্তিনিদের কাছে হস্তান্তর করবে। মূলত, এটি একটি ভূখণ্ড বিনিময়ের (Land Swap) প্রস্তাব ছিল, যাতে ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীরের মোট ভূখণ্ডের প্রায় ৮৭ শতাংশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে পেত।
ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষ এই পরিকল্পনা সম্পূর্ণরূপে প্রত্যাখ্যান করে দেয়, কারণ এতে তাদের দাবি অনুযায়ী পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি।
38

সাস্প্রতিককালে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত কোন কৃষিবিজ্ঞানী বাংলাদেশ সফর করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রফেসর ড. আব্দুল সালাম
  2. প্রফেসর নরম্যান বোরলগ
  3. ড. আব্দুল কাদের
  4. ড. স্বামিনাথন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রফেসর নরম্যান বোরলগ একজন কৃষিবিজ্ঞানী হলেও তিনি ১৯৭০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। গমের ওপর গবেষণায় তিনি কিছুদিন ভারত ও পাকিস্তানে কাটান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো প্রফেসর নরম্যান বোরলগ। তিনি একজন আমেরিকান কৃষিবিজ্ঞানী ও মানবতাবাদী, যিনি বিশ্বের কোটি কোটি মানুষকে দুর্ভিক্ষ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করেন।
তিনি উচ্চ ফলনশীল (High-Yielding) ও রোগ প্রতিরোধী গমের জাত উদ্ভাবন করেন এবং এর প্রয়োগের মাধ্যমে এশিয়া ও ল্যাটিন আমেরিকায় খাদ্য উৎপাদন বিপুল পরিমাণে বাড়িয়ে দেন। এই যুগান্তকারী কাজের জন্য তাঁকে 'সবুজ বিপ্লবের জনক' (Father of the Green Revolution) বলা হয়।
তাঁর এই অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ১৯৭০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার (Nobel Peace Prize) প্রদান করা হয়। তিনি কৃষি গবেষণার প্রয়োজনে বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ সফর করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, প্রফেসর ড. আব্দুল সালাম ছিলেন একজন পাকিস্তানি তাত্ত্বিক পদার্থবিদ (Physics Nobel, 1979) এবং ড. স্বামিনাথন (M. S. Swaminathan) ভারতে সবুজ বিপ্লবের মূল ব্যক্তি হলেও তিনি নোবেল পুরস্কার পাননি।
39

গ্রিন হাউজ ইফেক্টের পরিণতিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুতর ক্ষতি কি হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
  2. বৃষ্টিপাত কমে যাবে
  3. সাইক্লোনের প্রবণতা বাড়বে
  4. উত্তাপ অনেক বেড়ে যাবে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্রিন হাউজের প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বায়ুমণ্ডলে তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী গ্যাসের পরিমাণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের অধিকাংশ নিমজ্জিত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিম্নভূমি নিমজ্জিত হবে
গ্রিন হাউজ ইফেক্টের প্রধান পরিণতি হলো বৈশ্বিক উষ্ণায়ন (Global Warming)। এই উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ দ্রুত গলতে শুরু করে
বরফ গলার কারণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায় (Sea Level Rise)। বিশেষজ্ঞদের মতে, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা মাত্র ১ মিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২০% থেকে ৩০% ভূমি সরাসরি পানির নিচে চলে যেতে পারে।
যেহেতু বাংলাদেশ পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ অঞ্চল এবং এর বিশাল একটি অংশ সমুদ্র সমতল থেকে মাত্র কয়েক মিটার উপরে অবস্থিত, তাই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলস্বরূপ নিম্নভূমি নিমজ্জিত হওয়াই বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে গুরুতর, দীর্ঘমেয়াদী এবং অস্তিত্বের সংকট সৃষ্টিকারী ক্ষতি।
অন্যান্য অপশন যেমন—উত্তাপ বৃদ্ধি, বৃষ্টিপাত কমে যাওয়া, বা ঘূর্ণিঝড়ের প্রবণতা বাড়া—এগুলোও ক্ষতি বটে, কিন্তু ভূমি হারানোর মতো ভয়াবহ পরিণতি (যা লক্ষ লক্ষ মানুষকে জলবায়ু উদ্বাস্তুতে পরিণত করবে) সবচেয়ে গুরুতর। তাই নিমজ্জনই মুখ্য ক্ষতি।
40

ওজোন স্তরের ফাটলের জন্য মুখ্যত দায়ী কোন গ্যাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্লোরোফ্লোরো কার্বন
  2. কার্বন মনোক্সাইড
  3. কার্বন ডাইঅক্সাইড
  4. মিথেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্লোরোফ্লোরো কার্বন বায়ুমন্ডলের ওজোনস্তরে পৌঁছে ওজোনের সঙ্গে বিক্রিয়া করে অক্সিজেনে পরিণত করে (CFC+O3→O2+…….)। এর ফলে ওজোনস্তর হালকা বা ফুটো হয়ে যায়। এ ফাটল দিয়ে মহাজাগতিক বিভিন্ন রশ্মি পৃথিবীতে এসে জীবজগতের ক্ষতিসাধন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ক্লোরোফ্লোরো কার্বন (CFC)
CFC হলো ওজোন স্তর ক্ষয়কারী প্রধান গ্যাস। এই গ্যাসটি বায়ুমণ্ডলের উপরের স্তর স্ট্যাটোস্ফিয়ারে পৌঁছানোর পর সূর্যের অতিবেগুনী রশ্মির প্রভাবে ভেঙে গিয়ে ক্লোরিন পরমাণু মুক্ত করে।
একটি ক্লোরিন পরমাণু হাজার হাজার ওজোন অণুকে (O3O_3) ভেঙে দিতে সক্ষম, যার ফলে ওজোন স্তরের ঘনত্ব কমে যায় বা ফাটলের সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, কার্বন ডাইঅক্সাইড এবং মিথেন হলো মুখ্যত গ্রিনহাউস গ্যাস, যা বৈশ্বিক উষ্ণায়নের জন্য প্রধানত দায়ী, কিন্তু ওজোন স্তর ক্ষয়কারী গ্যাস নয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

কোনো দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য বনাঞ্চল প্রয়োজন মোট ভূমির–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ শতাংশ
  2. ২০ শতাংশ
  3. ২৫ শতাংশ
  4. ৩০ শতাংশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পরিবেশ বিশেষজ্ঞদের মত অনুসারে, যেকোনো দেশের ভারসাম্য রক্ষার জন্য মোট ভূমির ২৫% বনভূমি থাকা আবশ্যক। বর্তমানে বাংলাদেশে বনভূমির পরিমাণ সরকারি হিসাব অনুযায়ী ১৭.০৮% (প্রায়)। FAO-এর মতে বাংলাদেশে বনভূমি রয়েছে মোট ভূমির ১১% (প্রায়)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৫ শতাংশ
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এবং পরিবেশ বিজ্ঞানীদের দ্বারা গৃহীত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের পরিবেশগত স্থিতিশীলতা এবং ভারসাম্য রক্ষার জন্য সে দেশের মোট ভূমির কমপক্ষে ২৫ শতাংশ বনভূমি থাকা আবশ্যক।
এই ২৫% বনভূমি থাকলে পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ এবং কার্বন ডাই অক্সাইডের শোষণ ঠিকভাবে হয়, যা সামগ্রিক জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
42

বহুমূত্র রোগে কোন হরমোনের দরকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইনসুলিন
  2. থাইরক্সিন
  3. এনড্রোজেন
  4. এস্ট্রোজেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অগ্ন্যাশয়ের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোন রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমায়। রক্তে এই ইনসুলিন হরমোন কমে গেলে গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায় যাকে হাইপারগ্লাইসেমিয়া বলে। এর ফলে ঘন ঘন ক্ষুধা, পিপাসা ও প্রস্রাবের চাপ লাগে যাকে ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ বলে। এই রোগের জন্য ইনসুলিন হরমোন চামড়ার নিচে দেওয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইনসুলিন। বহুমূত্র রোগ বা ডায়াবেটিস মেলিটাস (Diabetes Mellitus) হলো এমন একটি রোগ, যেখানে শরীরে প্রয়োজনীয় ইনসুলিন তৈরি হয় না বা ইনসুলিন সঠিকভাবে কাজ করতে পারে না।
ইনসুলিন (Insulin) হরমোনটি অগ্নাশয়ের (Pancreas) আইলেটস অফ ল্যাঙ্গারহ্যান্সের বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে কোষে শক্তি উৎপাদনে সাহায্য করা।
যদি ইনসুলিনের অভাব হয়, তবে রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায় এবং তা প্রস্রাবের মাধ্যমে বেরিয়ে যায়, এই অবস্থাকেই বহুমূত্র রোগ বলা হয়। তাই এই রোগের চিকিৎসায় বাইরে থেকে ইনসুলিন সরবরাহ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: থাইরক্সিন হরমোনটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং এটি বিপাক (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে। অন্যদিকে, এনড্রোজেনএস্ট্রোজেন হলো যথাক্রমে পুরুষ ও নারীর যৌন হরমোন।
43

ভায়াগ্রা কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি জলপ্রপাত
  2. নতুন একটি ঔষধ
  3. সাড়া জাগানো চলচ্চিত্রের নাম
  4. নতুন জাহাজের নাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সিলডেনাফিল সাইট্রেট যা ভায়াগ্রা এবং অন্যান্য বাণিজ্যিক নামে বিক্রি হয়ে থাকে এমন একটি ঔষুধ যা পুরুষের ধ্বজভঙ্গের (ইরেকটাইল ডিসফাংশান) ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। এছাড়াও হৃদপিণ্ডের ধমনীর উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় ও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি ফাইজার কোম্পানির বিজ্ঞানী এন্ড্রু বেল, ডেভিড ব্রাউন এবং নিকোলাস টেরেট ১৯৯৮ তে আবিষ্কার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নতুন একটি ঔষধ (Option 1)।
ভায়াগ্রা (Viagra) হলো একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔষধ, যা মূলত পুরুষদের যৌন অক্ষমতা (Erectile Dysfunction - ED) বা পুরুষত্বহীনতা চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এটি সিলডেনাফিল সাইট্রেট (Sildenafil Citrate) নামক রাসায়নিক উপাদান দিয়ে তৈরি, যা রক্তনালী প্রসারিত করে রক্তপ্রবাহ বাড়াতে সাহায্য করে।
এটি মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি Pfizer দ্বারা তৈরি এবং ১৯৯৮ সালে বাজারে আসে। এটি কোনো জলপ্রপাত, চলচ্চিত্র বা জাহাজের নাম নয়, তাই অন্যান্য অপশনগুলো ভুল।
44

ক্লোনিং পদ্ধতিতে জন্মগ্রহণকারী ভেড়ার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেনী
  2. টমি
  3. শেলী
  4. ডলি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্কটল্যান্ডের এডিনবরার রোসলিন ইনস্টিটিউটের সামনে ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই ক্লোন ভেড়া ডলির জন্ম হয়। রোসলিন ইনস্টিটিউটের ভ্রূণতত্ত্ববিদ ড. আয়ান উইলমুট ভেড়াটিকে ক্লোন করেন। ১৯৯৭ সালে ডলির জন্মের বিষয়টি ঘোষণা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বিকল্প (৪) ডলি (Dolly)
ডলি হলো বিশ্বের প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী (ভেড়া), যাকে কোনো পূর্ণবয়স্ক দেহকোষ (Adult Somatic Cell) থেকে সফলভাবে ক্লোন করা হয়েছিল।
এই যুগান্তকারী ক্লোনিং প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয় ১৯৯৬ সালের ৫ জুলাই। এটি জীব প্রযুক্তির ইতিহাসে একটি বিশাল মাইলফলক।
গবেষণাটি স্কটল্যান্ডের রোজলিন ইনস্টিটিউটে সম্পন্ন হয় এবং এর নেতৃত্বে ছিলেন বিজ্ঞানী ড. ইয়ান উইলমুট (Dr. Ian Wilmut)
45

প্রাণীর মলমূত্র থেকে ব্যাকটেরিয়ার সাহয্যে ফারমেন্টেশন প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইথেন
  2. এমোনিয়া
  3. মিথেন
  4. বিউটেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্তন্যপায়ী প্রাণীর মূত্রে ‘ইউরিয়া’ নামক জৈব পদার্থ থাকে। ব্যাকটেরিয়ার মাধ্যমে ‘ফারমেন্টেশন’ প্রক্রিয়ায় মিথেন উৎপন্ন হয়। ঈস্ট, ব্যাকটেরিয়া প্রভৃতি এনজাইমের প্রভাবে জৈব পদার্থের রাসায়নিক পরিবর্তনের নাম ‘ফারমেন্টেশন’ বা ‘গাঁজন’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মিথেন (Methane)
প্রাণীর মলমূত্র, গোবর এবং অন্যান্য পচনশীল জৈব পদার্থ বাতাসের অনুপস্থিতিতে (Oxygen absent) ব্যাকটেরিয়ার সাহায্যে যে জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় পচে যায়, তাকে ফারমেন্টেশন বা অবাত শ্বসন (Anaerobic Digestion) বলা হয়।
এই প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন গ্যাসকে বায়োগ্যাস (Biogas) বলা হয়। বায়োগ্যাসের প্রধান ও দাহ্য উপাদান হলো মিথেন গ্যাস (extCH4 ext{CH}_4), যা বায়োগ্যাসের প্রায় ৫০% থেকে ৭০% পর্যন্ত থাকে। এটি একটি মূল্যবান জ্বালানি গ্যাস।
অ্যামোনিয়া (Ammonia) সাধারণত নাইট্রোজেনযুক্ত পদার্থের পচনের ফলে তৈরি হয়, কিন্তু এটি বায়োগ্যাসের প্রধান জ্বালানি উপাদান নয়। ইথেনবিউটেন ভিন্ন রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হয় এবং এরা বায়োগ্যাসে নগণ্য পরিমাণে থাকে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

কম্পিউটার সফট্ওয়ারের জগতে নামকরা প্রতিষ্ঠান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অলিভেটি
  2. আইবিএম
  3. মাইক্রোসফট্
  4. অ্যাপেল ম্যাকিনটশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত বিশ্বের সবচেয়ে বড় সফটওয়্যার কোম্পানির নাম মাইক্রোসফট। এটি একটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক বহুজতিক কম্পিউটার প্রযুক্তি (হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার) উৎপাদনকারী কোম্পানী। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রেডমন্ড ওয়াশিংটনে অবস্থিত। এর প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মাইক্রোসফট্ (Microsoft)
মাইক্রোসফট্ কর্পোরেশন হলো বিশ্বের সফটওয়্যার শিল্পের দিক থেকে সর্বাপেক্ষা প্রভাবশালী ও নামকরা প্রতিষ্ঠান। তারা প্রধানত ব্যক্তিগত কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেম (Windows OS) এবং জনপ্রিয় অফিস অ্যাপ্লিকেশন স্যুট (MS Office) তৈরির জন্য বিশ্বজুড়ে সুপরিচিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, আইবিএম (IBM) ঐতিহাসিক দিক থেকে হার্ডওয়্যার (মেইনফ্রেম কম্পিউটার) এবং পরবর্তীতে ব্যবসায়িক সেবার জন্য বিখ্যাত। অ্যাপল ম্যাকিনটশ (Apple Macintosh) হলো হার্ডওয়্যার এবং তাদের নিজস্ব ইকোসিস্টেমের (macOS) জন্য পরিচিত, কিন্তু বিশ্বব্যাপী সফটওয়্যারের বাজারে মাইক্রোসফটের আধিপত্য তুলনামূলকভাবে বেশি।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “19th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 19th (1998) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

19th (1998) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 19th (1998) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।