সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

16th(1) (1994) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 16th(1) (1994) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 16th(1) (1994) পরীক্ষার ৯৬টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

কোন গ্রন্থটি ঢাকা হতে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘনাদবধ কাব্য
  2. দুর্গেশনন্দিনী
  3. নীলদর্পণ
  4. অগ্নিবীণা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা গ্রন্হ দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটক। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত নাটকটিতে বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত A Native ছদ্মনামে নাটকটি The Indigo Planting Mirror নামে অনুবাদ করেন। দীনবন্ধু মিত্র রচিত অন্যান্য নাটকের মধ্যে কমলে কামিনী, লীলাবতী, নবীন তপস্বিনী, জামাই বারিক, উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নীলদর্পণ
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে নীলদর্পণ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নাটক। এটি ১৮৬০ সালে (১২৬৭ বঙ্গাব্দ) দীনবন্ধু মিত্রের ছদ্মনামে ঢাকা শহর থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল। এটি ঢাকার বাঙ্গলা যন্ত্র প্রেস থেকে মুদ্রিত হয়।
এটি ঢাকা থেকে প্রকাশিত হওয়া প্রথম দিকের অন্যতম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ যা পরবর্তীতে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং বাংলার আধুনিক নাটকের ক্ষেত্রে এক যুগান্তকারী পরিবর্তন আনে।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ: মেঘনাদবধ কাব্য (মাইকেল মধুসূদন দত্ত, ১৮৬১) এবং দুর্গেশনন্দিনী (বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, ১৮৬৫) দুটিই কলকাতা থেকে প্রকাশিত। অগ্নিবীণা (কাজী নজরুল ইসলাম, ১৯২২) কাব্যগ্রন্থটিও কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়।
2

‘পথিক তুমি কি পথ হারাইয়াছ?’ কথাটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  3. মীর মোশাররফ হোসেন
  4. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চরণটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ থেকে সংগৃহীত। উপন্যাসের নায়িকা কপালকুণ্ডলা নায়ক নবকুমারকে উদ্দেশ্য করে কথাটি বলেছিল। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক সংলাপ। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
এই বিখ্যাত সংলাপটি তাঁর কালজয়ী ঐতিহাসিক রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
উপন্যাসটির অন্যতম প্রধান চরিত্র নবকুমার সমুদ্র উপকূলে পথ হারিয়ে কপালকুণ্ডলাকে উদ্দেশ্য করে এই প্রশ্নটি করেছিলো।
এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম জনপ্রিয় উক্তি হিসেবে পরিচিত।
3

‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব।’ -এই উক্তিটি কোন পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সওগাত
  2. মোহাম্মদী
  3. সমকাল
  4. শিখা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯২৬ সালে ঢাকায় মুক্তবুদ্ধি সম্পন্ন লেখকরা গঠন করেন ‘ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ’। তারা মনে করতেন ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। সংগঠনটির মুখপাত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘শিখা’ পত্রিকা। তাই পত্রিকার প্রতিটি সংখ্যায় কথাটি লেখা থাকত। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের প্রাণপুরুষ আবুল হোসেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো শিখা। এই উক্তিটি ছিল মুসলিম সাহিত্য সমাজ কর্তৃক ১৯২৬ সালে ঢাকা থেকে প্রকাশিত শিখা পত্রিকার মূল মন্ত্র।
এই পত্রিকার মূল লক্ষ্য ছিল যুক্তিবাদ ও মানবতাবাদকে প্রতিষ্ঠা করা। এই আন্দোলনটি পরবর্তীতে 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' (Movement for the Liberation of Intellect) নামে পরিচিত হয়।
উক্তিটির মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, যেখানে জ্ঞান চর্চা থেমে যায় (সীমাবদ্ধ) এবং চিন্তাভাবনা স্থবির হয়ে পড়ে (আড়ষ্ট), সেখানে সমাজের অগ্রগতি বা মুক্তি অসম্ভব। এই আদর্শকে তুলে ধরতেই উক্তিটি পত্রিকার প্রতি সংখ্যায় লেখা থাকতো।
4

প্রত্যয়গত ভাবে শুদ্ধ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উৎকর্ষতা
  2. উৎকর্ষ
  3. উৎকৃষ্ট
  4. উৎকৃষ্টতা

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উৎকৃষ্ট
এই প্রশ্নটি মূলত প্রত্যয়জনিত দ্বিত্ব বা বাহুল্য দোষ (Redundancy due to double suffixes) সংক্রান্ত।
শব্দটির মূল শুদ্ধ বিশেষ্য রূপ হলো উৎকর্ষ (Excellence)। এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যোগ করলে বাহুল্য দোষ ঘটে। তাই 'উৎকর্ষতা' অশুদ্ধ
অন্যদিকে, উৎকৃষ্ট শব্দটি একটি বিশেষণ (Adjective), যার অর্থ 'সর্বোত্তম' বা 'সবচেয়ে ভালো'। এটি প্রত্যয়গতভাবে সম্পূর্ণ শুদ্ধ
'উৎকৃষ্টতা' শব্দটি অশুদ্ধ, কারণ 'উৎকৃষ্ট' নিজেই চূড়ান্ত গুণ নির্দেশ করে। এর সাথে অতিরিক্ত 'তা' প্রত্যয় যোগ করা ব্যাকরণগতভাবে ভুল এবং বাহুল্য দোষে দুষ্ট
5

‘অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি কোন অর্থে ব্যবহৃত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেতিবাচক
  2. বিয়োগান্ত
  3. নঞর্থক
  4. অজানা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘অচিন’ শব্দের ‘অ’ উপসর্গটি নঞর্থক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ‘অ’ উপসর্গটি অভাব অর্থে প্রকাশ পেয়েছে অচিন, অজানা, অথৈ শব্দগুলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: নঞর্থক
যেসব উপসর্গ শব্দের পূর্বে বসে তার অর্থকে সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে বা ‘নেই’ অর্থ প্রকাশ করে, ব্যাকরণে তাকে নঞর্থক (Negation) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে বলা হয়।
এখানে ‘অচিন’ (অ + চিন) শব্দের অর্থ হলো: যা চেনা নয় বা অপরিচিত
উপসর্গ ‘অ’ মূল শব্দ ‘চিন’ (পরিচিত) এর অর্থকে negated করে দিয়েছে। এই ধরনের নেতিবাচক অর্থ প্রকাশকারী উপসর্গকে সুনির্দিষ্টভাবে নঞর্থক বলা হয়।
‘নেতিবাচক’ যদিও সঠিক অর্থে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু ব্যাকরণগত পরিভাষা হিসেবে নঞর্থক অধিকতর গ্রহণযোগ্য এবং পরীক্ষার জন্য সঠিক।
অন্যান্য উদাহরণ: +কাল = অকাল (কাল নয়), +নাচার = অনাচার (আচার নয়), +জানা = অজানা (জানা নয়)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

যা চিরস্থায়ী নয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অস্থায়ী
  2. ক্ষণিক
  3. ক্ষণস্থায়ী
  4. নশ্বর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যা চিরস্থায়ী নয় = নশ্বর, যা স্থায়ী নয় = অস্থায়ী, যা ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী = ক্ষণস্থায়ী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নশ্বর
‘যা চিরস্থায়ী নয়’—এই বাক্যটির দ্বারা বোঝানো হয় যা ধ্বংসশীল, যার বিনাশ অবশ্যম্ভাবী বা যা মরণশীল। এই ভাবটিকে এককথায় প্রকাশ করার জন্য নশ্বর শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত এবং ব্যাকরণগতভাবে সুনির্দিষ্ট।
নশ্বর (Perishable/Mortal): এর অর্থ হলো যা ধ্বংসপ্রাপ্ত হবেই (যেমন মানবদেহ বা জাগতিক সম্পদ)। এটি চিরস্থায়ীর (শাশ্বত/Eternal) বিপরীত অর্থ বহন করে।
ক্ষণস্থায়ী/ক্ষণিক/অস্থায়ী: এই শব্দগুলো মূলত সময়ের স্বল্পতাকে নির্দেশ করে (যা অল্প সময় থাকে), কিন্তু নশ্বর শব্দটি বিশেষভাবে বিনাশ বা মরণশীলতার ভাবকে প্রকাশ করে, যা 'চিরস্থায়ী নয়'—এই ধারণার পূর্ণতা দেয়। তাই পরীক্ষায় এটিই সেরা উত্তর হিসেবে গণ্য হয়।
7

Intellectual শব্দের বাংলা অর্থ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বুদ্ধিমান
  2. মননশীল
  3. বুদ্ধিজীবী
  4. মেধাবী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Intellectual- শব্দের অর্থ বুদ্ধিজীবী, মনীষী। ‘বুদ্ধিমান’, ও ‘মেধাবী’-এর ইংরেজি intelligent, learned, wise। ‘মননশীল’-এর ইংরেজি thoughtful, reflective।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (৩) বুদ্ধিজীবী
Intellectual শব্দটি Adjective ও Noun—দু'ভাবেই ব্যবহৃত হতে পারে।
Adjective হিসেবে অর্থ: জ্ঞানভিত্তিক, মননশীল বা বুদ্ধিগত
Noun হিসেবে অর্থ: একজন ব্যক্তি যিনি উচ্চতর মানসিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় নিযুক্ত থাকেন
এই Noun-এর সবচেয়ে সঠিক ও প্রচলিত বাংলা প্রতিশব্দ হলো বুদ্ধিজীবী
অন্যান্য অপশনগুলো কিছুটা কাছাকাছি হলেও অর্থের গভীরতায় ভিন্ন। যেমন: বুদ্ধিমান (Intelligent) হলো যার বুদ্ধি আছে; মননশীল (Thoughtful/Reflective) হলো যিনি চিন্তা করেন; মেধাবী (Meritorious/Talented) হলো যিনি অসাধারণ মেধার অধিকারী। কিন্তু সমাজের যে বিশেষ শ্রেণী জ্ঞানচর্চা করে, তাদেরকে একত্রে বুদ্ধিজীবী (Intellectual) বলা হয়।
8

‘অবমূল্যায়ন’ ও ‘অবদান’ শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটি সম্পর্কে কোন মন্তব্যটি ঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শব্দ দুটিতে উপসর্গটি মোটামুটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  2. শব্দ দুটিতে উপসর্গটি একই অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  3. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু রকম
  4. দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ আপতবিচারে ভিন্ন হলেও আসল এক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

একই উপসর্গ শব্দের সামনে বসে বিভিন্ন রূপ অর্থ প্রকাশ করে। যেমন- অব উপসর্গ অবমূল্যায়ন শব্দে হীনতা অর্থে এবং অবদান শব্দে সম্যক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: দুটি শব্দে উপসর্গটির অর্থ দু রকম। উপসর্গ (Prefix) সাধারণত মূল শব্দের অর্থ পরিবর্তন করে বা অর্থের সংকোচন/সম্প্রসারণ ঘটায়।
১. ‘অবমূল্যায়ন’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গটির অর্থ: এখানে ‘অব’ উপসর্গটি হীনতা, বিপরীত বা নিন্দা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
যেমন: মূল্যায়ন (সঠিক বিচার) এর বিপরীত—অবমূল্যায়ন (নিচু করে দেখা বা মূল্য কমিয়ে দেওয়া)।
২. ‘অবদান’ শব্দে ‘অব’ উপসর্গটির অর্থ: এখানে ‘অব’ উপসর্গটি বিশেষ বা সম্মুখ দিক অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
‘অবদান’ বলতে উত্তম বা বিশেষ দান বা কৃতিত্ব বোঝায়, যা সম্পূর্ণ ইতিবাচক অর্থ বহন করে।
যেহেতু একটি শব্দে নেতিবাচক (হীনতা) এবং অন্যটিতে ইতিবাচক (বিশেষ) অর্থ প্রকাশ পাচ্ছে, তাই বলতে হবে শব্দ দুটিতে ‘অব’ উপসর্গটির অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন বা দু রকম
9

কবি কাজী নজরুল ইসলাম ‘সঞ্চিতা’ কাব্যটি কাকে উৎসর্গ করেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বারীন্দ্রকুমার ঘোষ
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. বীরজাসুন্দরী দেবী
  4. মুজাফফর আহমদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলাম তার ‘সঞ্চিতা’ কাব্যগ্রন্হটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর বিখ্যাত কাব্যসংকলন ‘সঞ্চিতা’ কাব্যটি (প্রকাশকাল: ১৯২৮) বাংলা সাহিত্যের আরেক দিকপাল বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-কে উৎসর্গ করেছিলেন।
নজরুল যখন কাব্যটি রবীন্দ্রনাথকে উৎসর্গ করেন, তখন নজরুল ছিলেন প্রায় মধ্যগগনে। এই উৎসর্গ ছিল দুই মহাকবির প্রতি পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার নিদর্শন।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই গ্রন্থের উৎসর্গীকরণ এর সাথে সম্পর্কিত নয়। যেমন, মুজাফফর আহমদ ছিলেন নজরুলের রাজনৈতিক বন্ধু; তাঁকে নজরুল তাঁর ‘সর্বহারা’ কাব্যটি উৎসর্গ করেন।
10

কোন উপন্যাসটির রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষবৃক্ষ
  2. গণদেবতা
  3. আরণ্যক
  4. ঘরে-বাইরে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলি হলো- করুণা, বৌ-ঠাকুরাণীর হাট, রাজর্ষি, চোখের বালি, নৌকাডুবি, গোরা, চতুরঙ্গ, যোগাযোগ, শেষের কবিতা, দুই বোন, চার অধ্যায় ও মালঞ্চ। বিষবৃক্ষ, গণদেবতা ও আরণ্যক উপন্যাসের রচয়িতা যথাক্রমে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘরে-বাইরে। এই বিখ্যাত উপন্যাসটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত।
ঘরে-বাইরে উপন্যাসটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। এই উপন্যাসে তিনটি প্রধান চরিত্র হলো – নিখিলেশ, বিমলা এবং সন্দীপ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন সাহিত্যিকের রচনা:
বিষবৃক্ষ উপন্যাসটি লিখেছেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম দিকপাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
গণদেবতা এবং এর ধারাবাহিক উপন্যাস পঞ্চগ্রাম রচনা করেছেন তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
আরণ্যক বাংলা সাহিত্যের জনপ্রিয় কথাসাহিত্যিক বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়-এর রচনা।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘রোহিনী’ চরিত্রটি কোন উপন্যাসে পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চরিত্রহীন
  2. গৃহদাহ
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল

  4. সংশপ্তক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃষ্ণকান্তের উইল
রোহিনী চরিত্রটি ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের অমর সৃষ্টি ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (প্রকাশ: ১৮৭৮) উপন্যাসের একটি কেন্দ্রীয় চরিত্র।
রোহিনী একজন অত্যন্ত জটিল ও ট্র্যাজিক চরিত্র। এই উপন্যাসে বিষপানে তার মৃত্যু ঘটে, যা উপন্যাসের প্রধান চরিত্র গোবিন্দলালকে পতন এবং শেষ পর্যন্ত ভ্রমরের মৃত্যুর দিকে চালিত করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
চরিত্রহীন এবং গৃহদাহ উপন্যাস দুটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা। সংশপ্তক লিখেছেন শহীদুল্লা কায়সার
12

জীবনানন্দ দাশের জন্মস্থান কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরিশাল জেলা
  2. ফরিদপুর জেলা
  3. ঢাকা জেলা
  4. রাজশাহী জেলা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্র-উত্তর আধুনিক বাংলা কবিতায় পঞ্চপাণ্ডবের একজন ছিলেন জীবনানন্দ দাশ। তাঁর জন্ম ১৮৯৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি বরিশাল জেলার ধানসিঁড়ি নদীর তীরে এক ব্রাহ্ম পরিবারে। প্রতিভাবান এই কবি কলকাতায় ট্রামের নিচে পড়ে আহত হন এবং ২২ অক্টোবর ১৯৫৪ মারা যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বরিশাল জেলা
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশ (Jibanananda Das) ১৮৯৯ সালের ১৭ই ফেব্রুয়ারি তত্কালীন ব্রিটিশ ভারতের বরিশাল জেলায় জন্মগ্রহণ করেন।
তাঁর পিতার নাম সদানন্দ দাশ এবং মায়ের নাম কুসুমকুমারী দাশ (যিনি নিজেও একজন কবি ছিলেন)।
বরিশালের ব্রজমোহন (বি.এম.) স্কুলে এবং ব্রজমোহন কলেজে তিনি শিক্ষাজীবন অতিবাহিত করেন। তাঁর জীবনের একটি বড় অংশ বরিশালেই কেটেছিল, যে কারণে তাঁর কবিতায় বরিশালের প্রকৃতি এবং বাংলার রূপ বিশেষভাবে প্রতিফলিত হয়েছে।
13

‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’- এই পংক্তিটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. শেখ ফজলুল করিম
  4. শামসুর রহমান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হিন্দু-মুসলমানের সম্প্রীতিতে বিশ্বাসী লেখক হিসেবে পরিচিত শেখ ফজলুল করিমের (১৮৮২-১৯৩৬) ‘স্বর্গ-নরক’, কবিতার চরণ এটি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ ফজলুল করিম
প্রদত্ত পংক্তিটি (‘মানুষেরই মাঝে স্বর্গ-নরক, মানুষেতে সুরাসুর’) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত নীতিমূলক উক্তি, যা কবি শেখ ফজলুল করিমের রচনা।
এই উক্তিটির মূল ভাব হলো—স্বর্গ, নরক বা দেবত্ব ও অসুরত্ব কোনো কিছুই বাইরে নেই, সবকিছু মানুষের মনের মধ্যেই বিদ্যমান। মানুষের ভালো কাজের ফলই স্বর্গ এবং খারাপ কাজের ফলই নরক।
অন্যান্য অপশন যেমন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম বা শামসুর রহমান আধুনিক যুগের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও, এই নির্দিষ্ট চরণটি শেখ ফজলুল করিমের চিরায়ত বাণী হিসেবে পরিচিত।
14

সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার পার্থক্য–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাক্যের সরল ও জটিল রূপে
  2. শব্দের রূপগত ভিন্নতায়
  3. তৎসম ও অর্ধতৎসম শব্দের ব্যবহারে
  4. ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাধু রীতিতে ব্যবহৃত সর্বনাম ও ক্রিয়াপদ চলিত রীতিতে পরিবর্তিত ও সহজতর রূপ লাভ করে । যেমন- ভাষা রীতি সর্বনাম বিশেষ্য ক্রিয়া সাধু: তাহারা ভাত খাইতেছিল চলিত: তারা ভাত খাচ্ছিল সাধুরীতি তৎসম শব্দবহুল এবং চলিতরীতি তদ্ভব শব্দবহুল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদের রূপগত ভিন্নতায়
সাধু ভাষা ও চলিত ভাষার মধ্যে সবচেয়ে বড় এবং কাঠামোগত পার্থক্য হল ক্রিয়াপদ (Verb)সর্বনাম পদ (Pronoun) এর রূপগত ভিন্নতায়।
সাধু ভাষায় ক্রিয়াপদ ও সর্বনাম পদ পূর্ণাঙ্গ বা দীর্ঘ রূপে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ‘করিতেছে’, ‘তাহাদের’), পক্ষান্তরে চলিত ভাষায় তা সংক্ষিপ্ত বা সংক্ষিপ্ত রূপে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ‘করছে’, ‘তাদের’)।
অন্যান্য পার্থক্য যেমন তৎসম শব্দের ব্যবহার (অপশন ৩) বা বাক্যের জটিলতা থাকলেও, ব্যাকরণগতভাবে মূল পার্থক্যটি ক্রিয়া ও সর্বনাম পদের রূপগত পরিবর্তনেই নিহিত। এ কারণেই চলিত ভাষা গতিশীল ও সহজবোধ্য
15

সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম বাংলা অনুবাদ কে করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোলাম মোস্তফা
  2. ফররুখ আহমদ
  3. ভাই গিরিশচন্দ্র সেন
  4. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভাই গিরিশচন্দ্র সেন দীর্ঘ ছয় বছর (১৮৮১-৮৬) পরিশ্রম করে কুরআন শরীফের প্রথম বঙ্গানুবাদ করেন। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থের মধ্যে ‘তাপসমালা’ (৯৬ জন মুসলিম সাধকের জীবনচরিত) ও ‘তত্ত্বরত্নমালা’ উল্লেখযোগ্য তিনি ১৮৩৫ সালে বর্তমান নরসিংদী জেলার পাঁচদোনা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৮৭১ সালে ব্রাহ্মমতে দীক্ষিত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ভাই গিরিশচন্দ্র সেন (বিকল্প ৩)।
তিনি ছিলেন ব্রাহ্ম সমাজের একজন অন্যতম প্রচারক এবং অসাধারণ পণ্ডিত। তিনি ১৮৮১ সালে পবিত্র কুরআন শরীফের বাংলা অনুবাদ শুরু করেন এবং ১৮৮৬ সালে তা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করেন।
এটিই সমগ্র পবিত্র কুরআনের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাংলা অনুবাদ। ধর্মীয় বিদ্বেষের ঊর্ধ্বে উঠে সাহিত্য ও জ্ঞানের প্রতি তাঁর অসামান্য অবদান বাঙালি সংস্কৃতিতে এক মাইলফলক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘সমকাল’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোহাম্মদ আকরম খাঁ
  2. তফাজ্জল হোসেন
  3. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  4. সিকান্দার আবু জাফর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিকান্দার আবু জাফর
বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কালের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ‘সমকাল’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক ছিলেন কবি ও সাহিত্যিক সিকান্দার আবু জাফর
তিনি ১৯৫৭ সালের প্রথম দিকে এই মাসিক সাহিত্য পত্রিকাটি প্রকাশ করা শুরু করেন, যা পরবর্তীকালে বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার বিকাশে বিশেষ ভূমিকা রাখে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পাদক ও তাদের পত্রিকা:
তফাজ্জল হোসেন (মানিক মিয়া): তিনি পূর্ব পাকিস্তানের অন্যতম প্রভাবশালী দৈনিক পত্রিকা ‘দৈনিক ইত্তেফাক’-এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক হিসেবে সুপরিচিত।
মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন: তিনি বিখ্যাত সাহিত্য পত্রিকা ‘সওগাত’-এর সম্পাদক ছিলেন।
মোহাম্মদ আকরম খাঁ: তিনি ‘দৈনিক আজাদ’ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।
17

‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. খান মুহাম্মদ মঈনুউদ্দীন
  4. মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন
‘সওগাত’ ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাসিক পত্রিকা যা অবিভক্ত বাংলার মুসলিম সাহিত্যিকদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছিল। এটি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এর প্রতিষ্ঠাতা ও প্রথম সম্পাদক ছিলেন মোহাম্মদ নাসিরুদ্দীন (১৮৮৮–১৯৯০)। তিনি তার জীবদ্দশায় মুসলিম সমাজ ও সাহিত্যে নবজাগরণ সৃষ্টিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন ‘ধূমকেতু’‘লাঙ্গল’ পত্রিকার সম্পাদক। আবুল কালাম শামসুদ্দীন যুক্ত ছিলেন ‘দৈনিক আজাদ’ পত্রিকার সাথে।
18

Which of the following is a correct proverb?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Fools rush in where angels fear to tread.
  2. Fools rush in where an angel fears to tread.
  3. A fools rushes in where an angle fears to tread
  4. Fools rush in where the angels fear to tread.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

proverb টিতে parallesim ব্যবহার হয়েছে। সে কারণে প্রথম verb plural হলে পরের verb ও plural হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Fools rush in where angels fear to tread.
এটি ইংরেজি সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত প্রবাদ (Proverb), যার বাংলা অর্থ হলো— 'বোকারা যেখানে দেবতারাও যেতে ভয় পায়, সেখানে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়' অথবা 'অল্পবিদ্যা ভয়ঙ্করী' (Ignorant people act confidently where wise people hesitate)।
প্রবাদটি বিখ্যাত ইংরেজ কবি Alexander Pope-এর লেখা ‘An Essay on Criticism’ (১৭১১) শীর্ষক রচনায় প্রথম ব্যবহৃত হয়েছিল।
প্রবাদ বাক্যের কাঠামো (Structure) সর্বদা নির্দিষ্ট ও অপরিবর্তিত থাকে। এখানে কোনো আর্টিকেল (Article), বচন (Number) বা Tense পরিবর্তন করা যায় না।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: অপশন ২ (where an angel...) এবং অপশন ৪ (where the angels...) এই প্রবাদটির ঐতিহাসিকভাবে গৃহীত রূপ নয়। অপশন ৩-এ ('A fools rushes in where an angle fears...') ব্যাকরণগত (Grammatical) ও বানানগত (Spelling) উভয় ধরনের গুরুতর ভুল রয়েছে।
19

The correct passive of ‘Sheila was writing a letter’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A letter was writing by Sheila
  2. A letter was being writing by Sheila
  3. A letter was being written by Sheila
  4. A letter was been written by Sheila

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাক্যটি past continuous tense বলে এর passive রূপ হবে sub (ob) + was + being + v. (p.p) by + ob (sub). Structure অনুযায়ী সঠিক রূপটি রয়েছে (গ) তে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: A letter was being written by Sheila
প্রদত্ত বাক্যটি 'Sheila was writing a letter' হলো Past Continuous Tense-এর Active Voice
Past Continuous Tense-এর Active Voice-কে Passive Voice-এ রূপান্তরের জন্য প্রধান সূত্রটি হলো:
Object (Subject Form) + was/were + being + V3 + by + Subject (Object Form)
এই নিয়মানুসারে, Object ('a letter') টি Subject রূপে আসে। Singular হওয়ায় এর সাথে 'was' বসে। Continuous Voice-এর জন্য 'being' যোগ হয় এবং মূল Verb ('write') এর Past Participle Form (V3) 'written' বসে।
অতএব, সঠিক রূপান্তরটি হবে: A letter was being written by Sheila
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা Tense বা V3 ব্যবহারের নিয়ম মানেনি। যেমন: অপশন (B) তে 'being' ব্যবহার হলেও V3 (written) এর পরিবর্তে V4 (writing) ব্যবহার করা হয়েছে।
20

Which of the following sentences correct?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. One of my friends are a lawyer
  2. One of my friends is a lawyer
  3. One of my friend is a lawyer
  4. One of my friends are lawyers

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

One of the এর পর সব সময় plural countable noun বসে। কিন্তু one শব্দটির কারণে পরবর্তী verbটি singular হয়ে যায়। কারণ এর অর্থ দাঁড়ায় ‘অনেকের মধ্যে একজন’। যে কারণে সঠিক উত্তর (খ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: One of my friends is a lawyer। (Option 2)
এটি Subject-Verb Agreement এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম। এই কাঠামোর মূল Subject হলো 'One', যা Singular।
নিয়মটি হলো: One of the + Plural Noun + Singular Verb
এখানে, 'my friends' হলো Plural Noun (কারণ অনেক বন্ধুর মধ্যে একজন), কিন্তু বাক্যের কর্তা 'One' হওয়ায় Verb অবশ্যই Singular (is) হবে।
অপশন ১ ও ৪ ভুল, কারণ Singular Subject (One)-এর পর Plural Verb (are) ব্যবহার করা হয়েছে।
অপশন ৩ ভুল, কারণ 'One of' এর পরে Noun অবশ্যই Plural হতে হবে (friend এর বদলে friends হওয়া উচিত)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

The word ‘ecological’ is related to––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. atmosphare
  2. pollution
  3. environment
  4. demography

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Ecological- অর্থ বাস্তুবিদ্যা সংক্রান্ত/পরিবেশ দূষণ সংক্রান্ত। সুতরাং বিষয়টি অবশ্যই পরিবেশের সাথে সম্পৃক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: environment (পরিবেশ)
‘Ecological’ শব্দটি এসেছে ‘Ecology’ (বাস্তুবিদ্যা) থেকে। Ecology হলো জীব ও তার পারিপার্শ্বিক পরিবেশের (Environment) মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক এবং মিথস্ক্রিয়া অধ্যয়নের বিজ্ঞান।
অতএব, ‘ecological’ (বাস্তুসংস্থানগত) শব্দটি সরাসরি পরিবেশের সাথে যুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— atmosphare (বায়ুমণ্ডল) বা pollution (দূষণ) পরিবেশের অংশ হলেও, বাস্তুবিদ্যা (Ecology) সম্পূর্ণ পরিবেশতন্ত্রকেই বোঝায়, তাই environment উত্তরটিই সর্বাপেক্ষা উপযুক্ত।
22

The synonym of ‘genesis’ is––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. introduction
  2. preface
  3. beginning
  4. foreword

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Genesis- সূচনা, প্রারম্ভিক বিন্দু। কাজেই এর synonym হবে beginning.

ব্যাখ্যা

Genesis (জেনেসিস) শব্দটির অর্থ হলো—উৎস, উৎপত্তি, শুরু, সূচনা বা সৃষ্টি।
শব্দটির ব্যবহারিক অর্থ অনুসারে, যখন কোনো কিছুর শুরু বোঝানো হয়, তখন এটিকে Genesis বলা হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে beginning শব্দের অর্থ হলো—শুরু বা আরম্ভ। তাই এটিই Genesis-এর সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো যদিও শুরুর সঙ্গে সম্পর্কিত, কিন্তু এগুলোর নির্দিষ্ট ব্যবহার রয়েছে:
Introduction: এটি সাধারণত কোনো রচনা, বক্তব্য বা বিষয়ের আনুষ্ঠানিক সূচনা।
Preface/Foreword: এই দুটি সাধারণত কোনো বইয়ের শুরুতে লেখক বা অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক লেখা ভূমিকা বা মুখবন্ধকে বোঝায়। এগুলোর চেয়ে Beginning শব্দটি 'Genesis'-এর ব্যাপক অর্থ (উৎপত্তি/সৃষ্টি) বহন করে।
23

The word ‘homogeneous’ means––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. of the same kind
  2. of the same place
  3. of the same race
  4. of the same density

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Homogeneous- সমজাতীয়/সমজাতিক।

ব্যাখ্যা

‘Homogeneous’ শব্দটি এসেছে গ্রিক ভাষা থেকে। এটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত: উপসর্গ ‘Homo-’ এবং মূল শব্দ ‘genos’ (Kind/Race)।
‘Homo-’ উপসর্গের অর্থ হলো ‘Same’ বা ‘একই’ এবং ‘genos’-এর অর্থ হলো ‘Kind’ বা ‘প্রকার’।
সুতরাং, homogeneous শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো ‘composed of parts or elements that are all of the same kind’ (যা একই ধরনের উপাদান বা অংশ দ্বারা গঠিত)।
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ‘of the same kind’
অন্যান্য অপশনগুলো (of the same place, of the same race, of the same density) নির্দিষ্ট অর্থে ব্যবহৃত হয় এবং homogeneous-এর সাধারণ অর্থ প্রকাশ করে না।
24

The word ‘imbibe’ means––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to learn
  2. to tinge
  3. to drink
  4. to acquire

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Imbibe- পান করা, শুষে নেওয়া, হজম করা। যার অন্য অর্থ to drink.

ব্যাখ্যা

‘Imbibe’ (ইমবাইব) একটি ইংরেজি শব্দ যার প্রাথমিক এবং আভিধানিক অর্থ হলো কোনো তরল পান করা, বিশেষ করে অ্যালকোহল।
এটির মূল অর্থ দাঁড়ায় **To drink (পান করা)**।
রূপক অর্থে, এটি কোনো ধারণা বা জ্ঞানকে **শোষণ করা** বা **আত্মস্থ করা** বোঝাতেও ব্যবহৃত হতে পারে (যেমন: Imbibe knowledge)।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, **‘to drink’** শব্দটিই হলো ‘imbibe’ এর সরাসরি ও মূল অর্থ, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন ‘to learn’ (শেখা) বা ‘to acquire’ (অর্জন করা) রূপক অর্থে কাছাকাছি হলেও, সরাসরি প্রতিশব্দ হিসেবে **‘to drink’** সবচেয়ে উপযোগী।
25

Something which is obnoxious means that it is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. very dangerous
  2. very pleasant
  3. very ugly
  4. very unpleasant

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Obnoxious- আপত্তিকর, নোংরা, অস্বস্তিকর। এখানে (ঘ) very unpleasant এর অর্থও অস্বস্তিকর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: very unpleasant
Obnoxious শব্দটি একটি Adjective, যার অর্থ হলো অত্যন্ত অপ্রীতিকর, বিরক্তিকর, আপত্তিকর বা ঘৃণার্হ (Extremely unpleasant or offensive)।
সুতরাং, যে জিনিসটি Obnoxious, সেটি অবশ্যই very unpleasant (খুবই অপ্রীতিকর)।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'very pleasant' হলো Obnoxious-এর সরাসরি বিপরীত শব্দ (Antonym)। 'very dangerous' (খুব বিপজ্জনক) বা 'very ugly' (খুব কুৎসিত) শব্দটি অপ্রীতিকর হতে পারে, কিন্তু এগুলি Obnoxious শব্দের মূল অর্থকে সঠিকভাবে প্রকাশ করে না।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

A pilgrim is a person who undertakes a journey to a-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. holy place
  2. a mosque
  3. a bazar
  4. a new country

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

pilgrim- শব্দটির অর্থ ‘তীর্থযাত্রী’। আর তীর্থযাত্রা কোনো পবিত্র স্থানের লক্ষ্যেই হয়। এই উত্তর holy place বা পবিত্র স্থান হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: holy place
Pilgrim (তীর্থযাত্রী/তীর্থযাত্রী) শব্দের অর্থ হলো এমন একজন ব্যক্তি, যিনি ধর্মীয় বিশ্বাস বা ভক্তির কারণে কোনো পবিত্র স্থান (holy place) বা তীর্থক্ষেত্রের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ পথ যাত্রা করেন।
যেমন: মক্কায় হজ (Hajj) করতে যাওয়া মুসলিম ব্যক্তি, বা তীর্থে যাওয়া হিন্দু বা খ্রিস্টান ব্যক্তিরা 'Pilgrim' হিসেবে পরিচিত।
অন্যদিকে, 'a mosque' (একটি মসজিদ) হলো একটি নির্দিষ্ট পবিত্র স্থান। কিন্তু Pilgrim-এর যাত্রার গন্তব্য সাধারণ অর্থে যে কোনো ধর্মীয় স্থান হতে পারে, তাই holy place শব্দটি সবচেয়ে বেশি প্রযোজ্য।
'a bazar' (একটি বাজার) বা 'a new country' (একটি নতুন দেশ) শব্দের সাথে তীর্থযাত্রার কোনো সরাসরি ধর্মীয় সম্পর্ক নেই, তাই বিকল্পগুলো ভুল।
27

The antonym of ‘indifference’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ardour
  2. compassion
  3. anxiety
  4. concern

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Indifference - অনীহা, নিস্পৃহা, উদাসীনতা। ardour - উৎসাহ, ব্যাকুলতা, আবেগ, স্পৃহা। compassion - করুণা, সমবেদনা। anxiety- উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা। concern - উদ্বেগ, সম্পৃক্ততা। কাজেই অর্থগত দিক থেকে বিপরীতধর্মী বলে। difference এর antonym হবে ardour.

ব্যাখ্যা

‘Indifference’ শব্দের অর্থ হলো উদাসীনতা, অনীহা, আগ্রহের অভাব বা মনোযোগের ঘাটতি। অর্থাৎ, কোনো কিছুর প্রতি আবেগহীন থাকা।
এই শব্দের বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym) হিসেবে এমন একটি শব্দকে গ্রহণ করতে হবে যা তীব্র আবেগ, প্রবল উৎসাহ বা গভীর আগ্রহ প্রকাশ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে, ‘Ardour’ (আর্ডর) শব্দের অর্থ হলো প্রবল আবেগ, তীব্র উৎসাহ, বা ভক্তি। এটিই উদাসীনতা (Indifference)-এর সরাসরি বিপরীত ভাব প্রকাশ করে। অতএব, এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে— Compassion (সহানুভূতি), Anxiety (উদ্বেগ) এবং Concern (আগ্রহ/উদ্বেগ) কিছুটা মানসিক অবস্থার সাথে সম্পর্কিত হলেও, Indifference-এর চরম বিপরীত হিসেবে Ardour-ই সবচেয়ে উপযুক্ত।
28

Three Score is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. thirty times
  2. three hundred times
  3. three times twenty
  4. more than three

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Three Score - ষাট, ৬০। thirty times - ৩০ গুণ। three hundred times - ৩০০ গুণ। three times twenty- ষাট, ৬০(২০ + ২০ + ২০)। more than three- ৩ এর অধিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: three times twenty
কারণ, ইংরেজি ভাষায় Score শব্দটি একটি বিশেষ ও প্রাচীন পরিমাপক একক হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ হলো কুড়ি (২০) বা ২০টির সমষ্টি।
অতএব, Three Score বলতে বোঝায় ২০ এর তিন গুণ। অর্থাৎ 3×20=603 \times 20 = 60
সুতরাং, প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে three times twenty (২০ এর তিন গুণ) সঠিক উত্তর।
29

An Ordinance is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a book
  2. an arms factory
  3. a news paper journal
  4. a law

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ordinance - অধ্যাদেশ, বিশেষ ক্ষমতা বলে প্রণীত আইন। কাজেই এটি (ঘ) এর law বা আইন এর সমার্থক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a law (একটি আইন)
Ordinance (অর্ডিন্যান্স) শব্দের অর্থ হলো অধ্যাদেশ। এটি সাধারণত নির্বাহী বিভাগ (রাষ্ট্রপতি/গভর্নর) কর্তৃক জারি করা এক ধরনের সাময়িক আইন
যখন জাতীয় সংসদের অধিবেশন থাকে না এবং জরুরি ভিত্তিতে আইন প্রণয়নের প্রয়োজন হয়, তখন রাষ্ট্রপতি তাঁর সাংবিধানিক ক্ষমতাবলে এই অধ্যাদেশ জারি করতে পারেন।
অধ্যাদেশ জারি হওয়ার পর এটি সংসদ কর্তৃক প্রণীত আইনের সমতুল্য ক্ষমতা বহন করে। তবে এর কার্যকারিতা স্থায়ী নয়; সংসদ বসার পর একে অনুমোদন করাতে হয়।
30

Something that is ‘fresh’ is something–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. recently printed or published
  2. in fairly good condition
  3. disrespectful
  4. pleasant

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Fresh- টাটকা, তাজা, ভালো অবস্থা, সমৃদ্ধ। in fairly good condition বলতেও বেশ ভালো অবস্থাকেই বুঝায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: in fairly good condition
Fresh শব্দটি প্রধানত তিনটি অর্থে ব্যবহৃত হয়:
১. Not stale or spoiled (টাটকা): যেমন— A fresh loaf of bread. এই অর্থে, এটি 'in fairly good condition' বা 'ভালো অবস্থায় আছে' বোঝায়, যা বাসি বা নষ্ট হয়নি। এটিই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সঠিক ও ব্যাপক অর্থ।
২. New or recent (নতুন/সাম্প্রতিক): যেমন— A fresh idea. অপশন (A) 'recently printed or published' এই অর্থের একটি নির্দিষ্ট উদাহরণ মাত্র।
৩. Pleasant and clean (মনোরম): যেমন— Fresh air.
অপশন (C) 'disrespectful' (বেয়াদব/অশালীন) শব্দটি 'fresh'-এর একটি পুরোনো বা অপ্রচলিত (dated/informal US) অর্থ, যা BCS পরীক্ষার ক্ষেত্রে সাধারণত গ্রাহ্য হয় না।
যেহেতু 'fresh' বলতে কোনো বস্তুর গুণগত মান অক্ষুণ্ণ থাকা বোঝায়, তাই in fairly good condition হলো সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

Shakespeare is known mostly for his-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. poetry
  2. novels
  3. autobiography
  4. plays

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Shakespeare যে পরিচয়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিত তা হলো তিনি একজন নাট্যকার । নাট্যকার হিসেবেই তিনি সাহিত্য জগতে সবচেয়ে খ্যাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Plays (নাটক)
William Shakespeare (উইলিয়াম শেক্সপিয়র) ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ নাট্যকার (Playwright) হিসেবে পরিচিত।
তাঁর সৃষ্টিকর্মের মূল ভিত্তি হলো মোট ৩৭টি নাটক, যার মধ্যে ট্র্যাজেডি, কমেডি এবং হিস্টোরিক্যাল নাটক রয়েছে। তাঁর বিখ্যাত ট্র্যাজেডিগুলো (যেমন: Hamlet, Macbeth) বিশ্বজুড়ে সমাদৃত।
যদিও শেক্সপিয়র ১৫৪টি সনেটসহ (কবিতা) কিছু বিখ্যাত আখ্যানমূলক কবিতাও লিখেছেন, কিন্তু সাহিত্যে তাঁর পরিচিতির প্রধান কারণ হলো তাঁর কালজয়ী নাটকগুলো।
তিনি কোনো উপন্যাস (Novels) বা আত্মজীবনী (Autobiography) রচনা করেননি।
32

A person who writes about his own life writes-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a chronicle
  2. an autobiography
  3. a diary
  4. a biography

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Autobiography এর অর্থ আত্মজীবনী। কোনো লেখক যখন তার নিজ জীবন সম্পর্কে লিখেন তখন সেটা হবে autobiography.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো an autobiography
কারণ শব্দটির তিনটি মূল অংশ রয়েছে: Auto শব্দের অর্থ হলো 'Self' (নিজে), Bio শব্দের অর্থ 'Life' (জীবন), এবং Graphy অর্থ 'Writing' (লেখা)।
অতএব, যখন কোনো ব্যক্তি নিজে তার জীবন সম্পর্কে লেখে বা রচনা করে, তখন তাকে Autobiography (আত্মজীবনী) বলা হয়।
অপরদিকে, যখন অন্য কোনো ব্যক্তি একজনের জীবন সম্পর্কে লেখে, তখন তাকে বলা হয় Biography (জীবনী)
Chronicle হলো সময়ানুক্রমিক ঐতিহাসিক ঘটনার বিবরণ, আর Diary হলো দৈনন্দিন ব্যক্তিগত দিনলিপি বা ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা লেখার খাতা।
33

In which century was the Victorian period?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 17th century
  2. 18th century
  3. 19th century
  4. 20th century

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে victorian age শুরু হয়েছে ১৮৩২ সালে, সে কারণে এর সমস্ত লেখাই 19th century এর অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯শ শতক (19th century)
ভিক্টোরিয়ান পিরিয়ড (Victorian Period) ইংল্যান্ডের ইতিহাসে রানি ভিক্টোরিয়ার শাসনকালকে নির্দেশ করে। এটি শুরু হয়েছিল ১৮৩৭ সালে (যখন তিনি সিংহাসনে আরোহণ করেন) এবং শেষ হয় ১৯০১ সালে (তার মৃত্যুতে)।
যেহেতু ১৮০০-এর দশক (১৮০১ থেকে ১৯০০ সাল পর্যন্ত) হলো ১৯শ শতক, তাই ভিক্টোরিয়ান যুগের সম্পূর্ণ সময়কাল (১৮৩৭-১৯০১) ১৯শ শতকের অন্তর্ভুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ১৭শ শতক মানে ১৬০০-এর দশক, ১৮শ শতক মানে ১৭০০-এর দশক, এবং ২০শ শতক মানে ১৯০০-এর দশক।
34

A fantasy is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. an imaginary story
  2. a funny film
  3. a history record
  4. a real-life event

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Fantasy - অলিক, অবাস্তব, কাল্পনিক গল্প। কাজেই এটি ‘an imaginary story’-এর সমার্থক। কারণ imaginary অর্থও কাল্পনিক।

ব্যাখ্যা

Fantasy (ফ্যান্টাসি) শব্দটির অর্থ হলো এমন কোনো গল্প বা ধারণা যা সম্পূর্ণভাবে কাল্পনিক (Imaginary) বা বাস্তবের বাইরে। এতে প্রায়শই জাদু (magic), অতিপ্রাকৃত ঘটনা বা অসম্ভব পরিস্থিতি অন্তর্ভুক্ত থাকে।
সুতরাং, 'A fantasy is–' এর সঠিক উত্তর হলো an imaginary story (একটি কাল্পনিক গল্প)
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'a real-life event' বা 'a history record' হলো বাস্তব ঘটনা, যা ফ্যান্টাসির সম্পূর্ণ বিপরীত।
35

বাংলায় ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে কারা প্রথম এসেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইংরেজরা
  2. ফরাসিরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. পর্তুগিজরা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পঞ্চদশ শতকের শেষভাগে পর্তুগিজ দেশীয় নাবিক ভস্কো-দা-গামা আফ্রিকার পশ্চিম পূর্ব উপকূল ঘুরে বরাবর সমুদ্রপথে ভারতবর্ষে আসার পথ আবিষ্কার করেন। ১৫১৪ খ্রিষ্টাব্দে পর্তুগিজ বণিকগণ উড়িষ্যার অন্তর্গত পিপলি নামক স্থানে সর্বপ্রথম বাণিজ্য কুঠি স্থাপন করে । উল্লেখ্য, ১৬০২ সালে ওলন্দাজরা, ১৬০০ সালে ইংরেজরা এবং ১৬৬৪ সালে ফরাসিরা বাংলায় আগমন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজরা। ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে তারাই প্রথম জলপথে এশিয়া এবং উপমহাদেশে বাণিজ্য করার জন্য এসেছিল।
পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-ডা-গামা ১৪৯৮ সালের ২৭ মে (মতান্তরে ২০ মে) ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে ইউরোপের সঙ্গে ভারতের সরাসরি জলপথের বাণিজ্যিক যোগাযোগ স্থাপিত হয়।
পর্তুগিজদের পরে ক্রমান্বয়ে ওলন্দাজ (ডাচ), ইংরেজ ও ফরাসিরা ভারতে আসে।
অন্যান্য বিকল্প (ইংরেজ, ফরাসি, ওলন্দাজ) পর্তুগিজদের আগমনের অনেক পরে উপমহাদেশে তাদের বাণিজ্যিক ঘাঁটি স্থাপন করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অ্যামেনিয়া
  2. সুপার ফসফেট
  3. টিএসপি
  4. ইউরিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জিয়া সার কারখানা (বর্তমান নাম আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ লি.) ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। তিতাস গ্যাস ব্যবহার করে পরিচালিত এ কারখানাতে ইউরিয়াসহ প্যাকিং -এর লাইনিং এবং পলিথিন পেপার উৎপাদন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: **ইউরিয়া**।
জিয়া সার কারখানা (Zia Fertilizer Factory Ltd. - ZFFL) বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান।
এই কারখানাটি মূলত প্রাকৃতিক গ্যাসকে কাঁচামাল হিসেবে ব্যবহার করে ইউরিয়া সার উৎপাদন করে, যা দেশের কৃষিখাতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: **টিএসপি (TSP)** সার তৈরি হয় সাধারণত চট্টগ্রাম টিএসপি কমপ্লেক্স লিমিটেডে। অ্যামোনিয়া হলো ইউরিয়া তৈরির একটি মধ্যবর্তী রাসায়নিক উপাদান, সরাসরি সার নয়। ইউরিয়া হলো নাইট্রোজেন সমৃদ্ধ সার।
37

‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ এর গীতিকার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মরহুম আলতাফ মাহমুদ
  2. মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু
  3. ড. মনিরুজ্জামান
  4. মরহুম ড. আবু হেনা মোস্তফা কামাল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নজরুল ইসলাম বাবু রচিত ‘সব কটা জানালা খুলে দাও না’ গানটির কণ্ঠশিল্পী সাবিনা ইয়াসমিন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মরহুম নজরুল ইসলাম বাবু। এই গানটি বাংলাদেশের অন্যতম বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গান।
মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা পরবর্তী প্রেক্ষাপটে রচিত এই গানটি জাতীয় আবেগকে গভীরভাবে স্পর্শ করে।
গানটির গীতিকার হিসেবে নজরুল ইসলাম বাবু পরিচিত হলেও, এর সুরকার ছিলেন কিংবদন্তী শিল্পী আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল এবং গানটিতে প্রথম কণ্ঠ দেন সাবিনা ইয়াসমিন
বিসিএস পরীক্ষার জন্য বিখ্যাত দেশাত্মবোধক গানগুলোর গীতিকার, সুরকার ও শিল্পী— এই ত্রয়ী সম্পর্কে ধারণা রাখা অত্যন্ত জরুরি।
38

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. হাসেম খান
  4. হামিদুর রহমান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানচিত্র খচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাস। বর্তমান জাতীয় পতাকার ডিজাইন করেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। কামরুল হাসান বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকেরও ডিজাইন করেন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যায়ের বটতলায় এক ছাত্রসভায় ২ মার্চ, ১৯৭১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কামরুল হাসান
যদিও ১৯৭১ সালের ২রা মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় প্রথম যে পতাকাটি উত্তোলন করা হয়, সেটির নকশা করেন শিবনারায়ণ দাস (যার কেন্দ্রে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল)।
তবে স্বাধীনতার পর, ১৯৭২ সালের ১৭ই জানুয়ারি সরকারিভাবে জাতীয় পতাকার যে আনুষ্ঠানিক নকশা ও মাপ চূড়ান্ত করা হয়, সেটির ডিজাইনার ছিলেন কিংবদন্তী চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। এই নকশাটিতেই কেন্দ্র থেকে মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়। তাই বর্তমান ও সরকারিভাবে স্বীকৃত পতাকার ডিজাইনার হিসেবে কামরুল হাসান-কে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ: হামিদুর রহমান ছিলেন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের প্রধান স্থপতি। জয়নুল আবেদিন ছিলেন বাংলাদেশের শিল্পাচার্য।
39

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় সংবিধানের কত নম্বর সংশোধনীর মাধ্যমে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10
  2. 11
  3. 12
  4. 13

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন লাভের মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপরিবর্তিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২ নম্বর সংশোধনী
বাংলাদেশের সংবিধানে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকারের পরিবর্তে সংসদীয় শাসনব্যবস্থা চালু হয় ১৯৯১ সালের দ্বাদশ সংশোধনী (১২তম)-এর মাধ্যমে। এটি পাস হয় ৬ আগস্ট, ১৯৯১ এবং কার্যকর হয় ১৮ সেপ্টেম্বর, ১৯৯১
এই সংশোধনীকে Referendum Act-এর মাধ্যমে গণভোটে পাস করানো হয়, যেখানে জনগণ রাষ্ট্রপতি শাসিত পদ্ধতির পরিবর্তে সংসদীয় পদ্ধতির পক্ষে রায় দেয়।
এর ফলে বাংলাদেশের সরকার প্রধান হন প্রধানমন্ত্রী, এবং রাষ্ট্রপতি হন রাষ্ট্রের প্রতীকী প্রধান (Constitutional Head)।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ: ১০ম সংশোধনী মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন সংক্রান্ত; ১১শ সংশোধনী বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদের প্রধান বিচারপতির পদে ফিরে যাওয়া সংক্রান্ত; এবং ১৩শ সংশোধনী তত্ত্বাবধায়ক সরকার (Caretaker Government) সংক্রান্ত।
40

কোন নগরীতে মোঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গৌড়
  2. সোনারগাঁও
  3. ঢাকা
  4. হুগলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সম্রাট জাহাঙ্গীর সিংহাসনে আরোহণ করে ইসলাম খান চিশতীকে বাংলা অধিকারে প্রেরণ করেন। ইসলাম খান ১৬১০ সালে মুসা খানকে পরাজিত করে বাংলা অধিকার করেন এবং ঢাকার নামকরণ করেন ‘জাহাঙ্গীর নগর’। তিনি এ সময় রাজমহল থেকে ঢাকায় রাজধানী স্থানান্তর করেন। উল্লেখ্য, ঢাকাকে ১৬১০ সালের পর ১৯০৫ সালে দ্বিতীয় বার, ১৯৪৭ সালে তৃতীয় বার ও ১৯৭১ সালে চতুর্থ বার রাজধানী করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঢাকা
মুঘল আমলে সুবে বাংলার রাজধানী হিসেবে ঢাকা নগরী পরিচিত ছিল। মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে সুবে বাংলার সুবেদার ইসলাম খান চিশতি এই রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
তিনি সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর। ঢাকা সুবে বাংলার প্রশাসনিক ও বাণিজ্যিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে এবং মুঘল সাম্রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রদেশ হয়ে ওঠে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, গৌড় ছিল সুলতানি আমলে বাংলার দীর্ঘকালীন রাজধানী, আর সোনারগাঁও ছিল বাংলার বারো ভূঁইয়াদের নেতা ঈসা খাঁ’র প্রশাসনিক কেন্দ্র। হুগলী ছিল মুঘল আমলের একটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য বন্দর।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

স্বাধীন বাংলাদেশে ১০০ টাকার নোট কবে প্রথম চালু করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৬ মার্চ, ১৯৭২
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৪ মার্চ, ১৯৭২
  4. ৪ জানুয়ারী, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে প্রথম নোট চালু হয় ৪ মার্চ, ১৯৭২ । এ সময় প্রথম ১ টাকা ও ১০০ টাকার নোট বাজারে ছাড়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৪ মার্চ, ১৯৭২
স্বাধীনতার পর ৪ মার্চ, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রথম প্রাতিষ্ঠানিকভাবে নতুন নকশার ব্যাংকনোট চালু করে। এদিন ১ টাকা, ৫ টাকা, ১০ টাকা এবং ১০০ টাকা—এই চারটি মূল্যের নোট একই সাথে বাজারে ছাড়া হয়।
প্রথম ১০০ টাকার নোটে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ছিল।
42

স্বাধীন বাংলাদেশকে কখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র স্বীকৃতি দান করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২৪ জানুয়ারি, ১৯৭২
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  4. ৪ এপ্রিল, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ ভুটান। ভুটান এবং ভারত ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। তবে ভুটান ভারতের দুই-তিন ঘণ্টা আগে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিয়ে তারবার্তা পাঠায়। এছাড়াও আরব ভূখণ্ড মধ্যে প্রথম ইরাক, প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় সেনেগাল এবং প্রথম ইউরোপীয় দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয় পূর্ব জার্মানি (১১ জানুয়ারি, ১৯৭২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৪ এপ্রিল, ১৯৭২

বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (USA) তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সন ও হেনরি কিসিঞ্জারের নেতৃত্বে পাকিস্তানের পক্ষাবলম্বন করে। ফলে তারা অন্যান্য পশ্চিমা দেশের তুলনায় বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দিতে অনেক দেরি করে।

স্বাধীনতার প্রায় চার মাস পর, ১৯৭২ সালের ৪ এপ্রিল, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতিগুলোর মধ্যে ৪ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে যুক্তরাজ্য (UK) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
43

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি কখন পাস হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯২ সালে
  2. ১৯৯৩ সালে
  3. ১৯৯১ সালে
  4. ১৯৯০ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭ নভেম্বর, ১৯৮২ সাল থেকে কার্যকরী স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ ও উপজেলা পুনর্গঠন) অধ্যাদেশ ১৯৮২ বলে প্রথমে উন্নীত থানা পরিষদ গঠন করা হয় এবং থানা পর্যায়ে বিকেন্দ্রীভূত প্রশাসনিক ব্যবস্থা প্রবর্তিত হয়। পরবর্তীতে অবশ্য উন্নীত থানা পরিষদকে উপজেলা পরিষদে রূপান্তরিত করা হয়। ১৯৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৯২ সালে উপজেলা ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘোষণা করে। ৩০ জুন, ২০০৮ রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার (উপজেলা পরিষদ) অধ্যাদেশ জারি করেন। এ অধ্যাদেশের আলোকেই ২২ জানুয়ারি, ২০০৯ অনুষ্ঠিত হয় তৃতীয় উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। দেশে সর্বশেষ পঞ্চম উপজেলা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯২ সালে
১৯৮২ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার অন্যতম স্তর হিসেবে উপজেলা ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন (প্রথম নির্বাচন হয় ১৯৮৫ সালে)।
১৯৯০ সালে এরশাদ সরকারের পতনের পর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (BNP) সরকার এই ব্যবস্থাটি বাতিল করার সিদ্ধান্ত নেয়।
জাতীয় সংসদে ১৯৯২ সালের নভেম্বর মাসে ‘উপজেলা বাতিল’ বিলটি পাস হয় এবং এর মাধ্যমে এই প্রশাসনিক স্তরটি সাময়িকভাবে বিলুপ্ত করা হয়।
44

ঢাকা পৌরসভা কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০৬ সালে
  2. ১৮৬৪ সালে
  3. ১৯১৯ সালে
  4. ১৯৪০ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুঘল আমলে কোতোয়ালের এবং ব্রিটিশ আমলে পৌরসভার ওপর ঢাকা শহর পরিচালনা ও ব্যবস্থাপনার ভার ন্যস্ত হয়। এ লক্ষ্যে ১ আগস্ট, ১৮৬৪ সালে ঢাকা পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ঢাকা পৌরসভাকে ৩০ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৮ সালে ‘পৌর কর্পোরেশন’ এবং ১৯৯০ সালে ‘সিটি কর্পোরেশন’ নামকরণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮৬৪ সালে
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনামলে ১৮৬৪ সালের ২রা আগস্ট ঢাকা পৌরসভা (Dhaka Municipality) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন আইন অনুযায়ী এটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
ঢাকা পৌরসভা ছিল তৎকালীন ভারতের অন্যতম প্রাচীন পৌরসভাগুলোর মধ্যে একটি এবং এটি বর্তমান ঢাকা শহরের স্থানীয় সরকার কাঠামোর ভিত্তি স্থাপন করে।
উল্লেখ্য, অবিভক্ত বাংলার প্রথম পৌরসভা প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৪ সালে হুগলিতে
45

লালবাগের কেল্লা স্থাপন করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শায়েস্তা খান
  2. শাহ সুজা
  3. টিপু সুলতান
  4. ইসলাম খান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দর্শনীয় স্থানগুলোর অন্যতম হলো লালবাগ দুর্গ। এর পূর্বনাম ছিল আওরঙ্গবাদ দুর্গ। সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র সুবাদার শাহাজাদা আজম ১৬৭৮ খ্রিষ্টাব্দে এ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করেন এবং সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৮২ সালে তা সম্পন্ন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শায়েস্তা খান
যদিও লালবাগ কেল্লার নির্মাণ কাজ শুরু করেছিলেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র ও সুবেদার শাহজাদা মুহাম্মদ আজম শাহ (১৬৭৮ সালে), কিন্তু তিনি কেল্লার কাজ শেষ করার আগেই মারাঠা বিদ্রোহ দমনের জন্য ঢাকা ছেড়ে চলে যান।
পরবর্তীতে ঢাকা প্রদেশের সুবেদার (১৬৮০-১৬৮৮) হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে শায়েস্তা খান কেল্লার অসমাপ্ত কাজ চালিয়ে যান। তাই স্থাপনের মূল কৃতিত্ব তাঁর হাতেই ন্যস্ত।
ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর মধ্যে শায়েস্তা খান কর্তৃক নির্মিত স্থাপনাগুলো বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ শাহ সুজা (আওরঙ্গজেবের ভাই) ছিলেন এর আগের সুবেদার এবং টিপু সুলতান ছিলেন দক্ষিণ ভারতের শাসক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতে কোন বিষয়টি প্রধানভাবে আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলার প্রকৃতির কথা
  2. বাংলার মানুষের কথা
  3. বাংলার ইতিহাসের কথা
  4. বাংলার সংস্কৃতির কথা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতা ১৯০৫ সালে ‘বঙ্গদর্শন’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। ২৫ চরণবিশিষ্ট এ কবিতাটির প্রথম ১০ চরণ বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে গৃহীত হয় ১৯৭১ সালের এপ্রিলে যা জাতীয় সংসদে পাস হয় ১৩ জানুয়ারি, ১৯৭২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলার প্রকৃতির কথা
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি'—এর রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। এই গানটি রচিত হয়েছে বাংলার সবুজ-শ্যামল প্রকৃতির সৌন্দর্য, উদারতা ও ঐশ্বর্যকে কেন্দ্র করে।
যদিও এটি একটি দেশপ্রেমমূলক গান, কিন্তু প্রধানভাবে এর প্রতিটি চরণে ক্ষেত, নদী, আকাশ, বাতাস, ফাগুনের আমের বন, জলের ঢেউ ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকৃতির বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এই প্রকৃতিই দেশমাতৃকার প্রতীক হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন ইতিহাস, মানুষ বা সংস্কৃতি অবশ্যই এর সঙ্গে যুক্ত, তবে গানের মূল আখ্যানবস্তু বা উপজীব্য হলো প্রাকৃতিক সৌন্দর্য
47

বাংলাদেশের লাগা উত্তরে অবস্থিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেপাল ও ভুটান
  2. পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
  3. পশ্চিমবঙ্গ ও কুচবিহার
  4. পশ্চিমবঙ্গ ও আসাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের লাগা উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম অবস্থিত। এছাড়াও দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর; পূর্বে আসাম, ত্রিপুরা, মিজোরাম, এবং পশ্চিমে পশ্চিমবঙ্গ অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম
বাংলাদেশ উত্তর, পূর্ব ও পশ্চিম - এই তিন দিক থেকে সম্পূর্ণরূপে ভারতের বিভিন্ন রাজ্য দ্বারা পরিবেষ্টিত। শুধু দক্ষিণ-পূর্ব দিকে মিয়ানমার এবং দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।
বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলে সরাসরি সীমান্তবর্তী ভারতীয় রাজ্যগুলো হলো— পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal), মেঘালয় (Meghalaya) এবং আসাম (Assam)
বিকল্প ১-এ থাকা নেপাল ও ভুটান ভারতের উত্তরে অবস্থিত হলেও, বাংলাদেশের সঙ্গে এদের কোনো সরাসরি স্থলসীমান্ত নেই। এরা পশ্চিমবঙ্গের সংকীর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর (চিকেন নেক) দ্বারা বিচ্ছিন্ন। তাই এই অপশনটি ভুল।
48

অভ্যন্তরীন কন্টেইনার ডিপো কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. ঢাকা
  3. মংলা
  4. খুলনা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম ও বৃহত্তম অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো (Inland Container Depot) চট্টগ্রামে অবস্থিত। ১৯৮৭ সালে ঢাকার কমলাপুরে দ্বিতীয় ICD প্রতিষ্ঠা করা হয়। সে হিসেবে চট্টগ্রাম ও ঢাকা দুটি উত্তরই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চট্টগ্রাম
যদিও 'অভ্যন্তরীণ কন্টেইনার ডিপো' (Inland Container Depot - ICD) বলতে সাধারণত দেশের অভ্যন্তরে বন্দর থেকে দূরে অবস্থিত ডিপোকে বোঝায় (যেমন ঢাকার কমলাপুর ICD), তবুও বাংলাদেশের কন্টেইনার হ্যান্ডলিং-এর প্রধান কেন্দ্র এবং অধিকাংশ বেসরকারি কন্টেইনার ডিপো (যা অফ-ডক নামে পরিচিত) চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দরের আশেপাশে অবস্থিত।
বাংলাদেশের মোট কনটেইনারের প্রায় ৯৮% হ্যান্ডলিং হয় চট্টগ্রাম বন্দর ও এর সংলগ্ন ডিপোগুলো দিয়ে। এই ডিপোগুলো বন্দরেরই বর্ধিত সুবিধা হিসেবে কাজ করে। এই কারণে বৃহত্তর অর্থে প্রধান কন্টেইনার ডিপো স্থাপনাটির অবস্থান চট্টগ্রাম
ঢাকাতে অবস্থিত কমলাপুর রেলওয়ে কন্টেইনার ডিপো মূলত অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহনে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু আয়তন ও কার্যক্ষমতার দিক দিয়ে চট্টগ্রামই প্রধান কেন্দ্র।
49

জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী জনসংখ্যার দিক দিয়ে বাংলাদেশের স্থান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সপ্তম
  2. অষ্টম
  3. নবম
  4. দশম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

UNFPA- এর জনসংখ্যা বিষয়ক রিপোর্ট ১৯৯৪ অনুযায়ী বাংলাদেশ বিশ্বের নবম জনসংখ্যার দেশ ছিল। UNFPA- এর জনসংখ্যা রিপোর্টে ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশের অবস্থান অষ্টম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নবম (Ninth)
এই প্রশ্নটি একটি সুনির্দিষ্ট ঐতিহাসিক তথ্যের ভিত্তিতে তৈরি। জাতিসংঘের জনসংখ্যা সংক্রান্ত ১৯৯৪ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল নবম। সেই সময় বাংলাদেশের জনসংখ্যা ছিল প্রায় ১১.৫০ কোটি।
বিসিএস পরীক্ষায় অনেক সময় পুরোনো বা গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রিপোর্ট থেকে সরাসরি তথ্য জানতে চাওয়া হয়, তাই প্রশ্নের সালে বা উৎসের দিকে মনোযোগ দেওয়া জরুরি।
50

১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ঢাকার মোট কতগুলো সড়কের নামকরণ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৭টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মৃতিকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য ১৯৯৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর ঢাকার ৫টি সড়কের নতুন নামকরণ করা হয়। তাছাড়াও বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ নির্মিত হয়েছে ঢাকার মিরপুরে। এর স্থপতি মোস্তাফা হারুন কুদ্দুস হিলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫টি। অপশন (খ) সঠিক।
১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৩ তারিখে তৎকালীন ঢাকা সিটি কর্পোরেশন (DCC) মুক্তিযুদ্ধে শহীদ হওয়া পাঁচজন (৫টি) শ্রেষ্ঠ বুদ্ধিজীবীর স্মৃতিকে অম্লান করে রাখতে ঢাকার মোট পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কের নামকরণ করে।
এই নামকরণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্মরণীয় করে রাখা হয়।
যে পাঁচজন বুদ্ধিজীবীর নামে সড়কের নামকরণ করা হয়, তারা হলেন: শহীদুল্লাহ কায়সার, ড. মুনীর চৌধুরী, ড. ফজলে রাব্বি, অধ্যাপক জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা এবং ড. গোবিন্দ চন্দ্র দেব
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

বাংলাদেশের ১৯৯৪-৯৫ সালের বাজেটে শিক্ষা খাতে বরাদ্দের পরিমাণ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১,৮২৪ কোটি টাকা
  2. ১,৮৪২ কোটি টাকা
  3. ১,৮৭৬ কোটি টাকা
  4. ১,৮৬৭ কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০২২-২৩ অর্থবছরে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ দেয়া হয় ৮১,৪৪৯ কোটি টাকা, যা মোট বাজেটের ১২.১ শতাংশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১,৮৭৬ কোটি টাকা
বাংলাদেশের ১৯৯৪-৯৫ অর্থবছরের বাজেট ছিল তৎকালীন অর্থমন্ত্রী এম সাইফুর রহমান কর্তৃক উত্থাপিত। এটি ছিল দেশের ২৪তম বাজেট।
এই বাজেটে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছিল ১,৮৭৬ কোটি টাকা
বাজেটে শিক্ষা খাতে এত বৃহৎ অঙ্কের বরাদ্দ দেওয়ার মূল কারণ ছিল নিরক্ষরতা দূরীকরণ ও প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করার প্রচেষ্টা জোরদার করা।
52

উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড মিন্টো
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  4. লর্ড ওয়াভেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপমহাদেশের সর্বশেষ গভর্নর জেনারেল লর্ড মাউন্টব্যাটেন ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৭ সালে থেকে ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ সাল পর্যন্ত শেষ ব্রিটিশ ‘ভাইসরয়’ এবং ১৫ আগস্ট ১৯৪৭ থেকে ২১ জুন ১৯৪৮ পর্যন্ত বিভাগোত্তর ভারত ডোমিনিয়নের প্রথম ‘গভর্নর জেনারেল’ পদে দায়্ত্বি পালন করেন। উল্লেখ্য, উপমহাদেশের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে ওয়ারেন হেস্টিংস ২০ অক্টোবর ১৮৭৪ থেকে ১ ফেব্রুয়ারি ১৮৭৫ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লর্ড মাউন্টব্যাটেন। তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেল।
১৯৪৭ সালের মার্চ মাসে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তার তত্তাবধানেই ভারত স্বাধীনতা আইন, ১৯৪৭ কার্যকর হয়, যার মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের অবসান ঘটে।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন উপমহাদেশকে ভারত ও পাকিস্তান নামে দুটি স্বাধীন রাষ্ট্রে বিভক্ত করার দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে লর্ড ওয়াভেল ছিলেন মাউন্টব্যাটেনের পূর্বসূরি (১৯৪৩-৪৭) এবং লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের (১৯০৫) জন্য এবং লর্ড মিন্টো ১৯০৯ সালের মর্লি-মিন্টো সংস্কারের জন্য পরিচিত, যা অনেক আগের ঘটনা।
53

বাংলাদেশের দীর্ঘতম রেলসেতু কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভৈরব সেতু
  2. হার্ডিঞ্জ সেতু
  3. ব্রহ্মপুত্র সেতু
  4. তিস্তা সেতু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৮ সালের ২৩ জুন যমুনা বহুমুখী সেতুর উদ্বোধনের পর থেকে এটি বাংলাদেশের সড়ক সহ দীর্ঘতম রেল সেতুর মর্যাদা লাভ করে। এ সেতুতে মিটার গেজ ও ব্রড গেজ উভয় ট্রেন চলাচলের ব্যবস্থা রয়েছে। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি.। তবে একক দীর্ঘতম রেলসেতু হলো হার্ডিঞ্জ ব্রিজ। পাবনা জেলায় অবস্থিত হার্ডিঞ্জ সেতুর দৈর্ঘ্য ৫৮৯৪ ফুট (১৭৯৮.৩২ মিটার)। হার্ডিঞ্জ ব্রিজ নির্মাণ শুরু হয় ১৯১২ সালে এবং নির্মাণকাজ শেষ হয় ১৯১৫ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হার্ডিঞ্জ সেতু (Hardinge Bridge)
ঐতিহাসিকভাবে এবং বহু নির্বাচনী প্রশ্নের প্রচলিত মান অনুযায়ী, বাংলাদেশের সবচেয়ে দীর্ঘতম রেলসেতু হলো হার্ডিঞ্জ সেতু। এটি পাবনা জেলার ঈশ্বরদী ও কুষ্টিয়া জেলার ভেড়ামারার মাঝে পদ্মা নদীর উপর নির্মিত।
এই সেতুটির দৈর্ঘ্য হলো ১,৭৯৮.৩২ মিটার বা প্রায় ১.৮ কিলোমিটার। সেতুটির নির্মাণ কাজ ১৯০৯ সালে শুরু হয়ে ৪ মার্চ, ১৯১৫ সালে চালু হয়।
সেতুটি যেহেতু গঙ্গা/পদ্মা নদীর উপর নির্মিত এবং এটি শুধু রেল চলাচলের জন্য ডেডিকেটেড ছিল (যা ব্রিটিশ আমলে তৈরি), তাই এটিকেই দীর্ঘতম রেলসেতু হিসেবে ধরা হয়। (যদিও বঙ্গবন্ধু সেতুর রেললাইন দীর্ঘতম, কিন্তু সেটির কাঠামো বহু-উদ্দেশ্যমূলক)।
54

চাকমা শরণার্থীদের দ্বিতীয় দফায় ১ম দিন অর্থাৎ ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে কতজন বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৮৭ জন
  2. ৩৭৫ জন
  3. ৩৫৭ জন
  4. ৩৭৮ জন

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৩৭৫ জন
চাকমা শরণার্থীদের প্রত্যাবর্তনের দ্বিতীয় দফা শুরু হয় ২১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে। এই দিনে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের বিভিন্ন শরণার্থী শিবির থেকে প্রথম ধাপে ৩৭৫ জন শরণার্থী বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেন।
প্রথম দফায় প্রায় ৫,০০০ শরণার্থী ১৯৯৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে প্রত্যাবর্তন শুরু করেছিল। দ্বিতীয় দফার এই প্রত্যাবর্তনের মাধ্যমে শরণার্থী সংকট নিরসনের প্রচেষ্টা বেগবান হয়, যা পরবর্তীতে ১৯৯৭ সালের শান্তি চুক্তির পথ প্রশস্ত করে।
55

Asia Pacific Economic Co-operation (APEC) ফোরামের নভেম্বর, ১৯৯৩-এ অনুষ্ঠিত বৈঠকে কোন সদস্য দেশের সরকার প্রধান অনুপস্থিত ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালয়েশিয়া
  2. ফিলিপাইন
  3. অস্ট্রেলিয়া
  4. জাপান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৯৩ সালে অ্যাপেকের শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে। অন্যসব সদস্য দেশ এতে উপস্থিত থাকলেও জাপান অনুপস্থিত ছিল। উল্লেখ্য, APEC- এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৬-১৯ নভেম্বর ২০২২; ব্যাংকক, থাইল্যান্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মালয়েশিয়া
APEC (Asia Pacific Economic Co-operation) ফোরামের প্রথম শীর্ষ সম্মেলন বা ইকোনমিক লিডার্স মিটিং অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৯৩ সালের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে
ঐ বৈঠকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ড. মাহাথির মোহাম্মদ আনুষ্ঠানিকভাবে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি এটিকে বয়কট করেন।
মাহাথির মোহাম্মদ মনে করতেন যে, এই ফোরামটি পাশ্চাত্য দেশ, বিশেষত আমেরিকার, অর্থনৈতিক স্বার্থ চরিতার্থ করার একটি মঞ্চ। তিনি এর পরিবর্তে পূর্ব এশীয় অর্থনৈতিক ককাস (East Asia Economic Caucus - EAEC) গঠনের পক্ষে ছিলেন, যেখানে পশ্চিমা দেশগুলোর কোনো প্রভাব থাকবে না। এই ঐতিহাসিক অনুপস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে অত্যন্ত আলোচিত ছিল।
56

গিরিজা প্রসাদ কৈরালা কত তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ৯ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১০ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১১ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গিরিজা প্রাসাদ কৈরালা নেপালি কংগ্রেস পার্টির (NCP) প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ১৯৯১ থেকে NCP- এর অভ্যন্তরীণ কোন্দল শুরু হয় এবং ১৯৯৪ সালের ১০ জুলাই দলের সিনিয়র নেতা গণেশ মনসিং তার অনুসারীরাসহ কৈরালার ওপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করেন। উল্লেখ্য, বর্তমানে নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্পকমল দাহাল প্রচন্ড (২৫ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে বর্তমান)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১০ জুলাই, ১৯৯৪
নেপালের অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা গিরিজা প্রসাদ কৈরালা (Girija Prasad Koirala) অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক কোন্দল এবং আস্থা সংকটের কারণে তাঁর মন্ত্রিসভার পতনের সম্মুখীন হন। ফলস্বরূপ, তিনি ১০ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এটি ছিল তার প্রথম মেয়াদের (১৯৯১-১৯৯৪) সমাপ্তি। তাঁর পদত্যাগের পর নেপালে মধ্যবর্তী নির্বাচনের পথ প্রশস্ত হয়।
57

Hubble Telescope – এর ত্রুটি সংশোধনকল্পে মহাশূন্যে কোন নভোযানে নভোচারীগণকে প্রেরণ করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Challanger
  2. Endeavour
  3. Pathfinder
  4. Apollo

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Endeavour
হাবল স্পেস টেলিস্কোপ (HST) ১৯৯০ সালের এপ্রিলে উৎক্ষেপণ করা হয়। তবে এর প্রধান আয়নায় 'স্ফেরিক্যাল অ্যাবেরেশন' (Spherical Aberration) নামক একটি মারাত্মক ত্রুটি ধরা পড়ে, যার ফলে এটি থেকে ঝাপসা ছবি আসছিল।
এই ত্রুটি সংশোধনকল্পে ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসে যে মহাকাশ মিশনটি (Servicing Mission 1) পরিচালনা করা হয়, তার নাম ছিল STS-61। এই মিশনে নভোচারীদের বহনকারী নভোযানটি ছিল স্পেস শাটল Endeavour (এনডেভার)
নভোচারীরা সফলভাবে হাবল টেলিস্কোপে COSTAR (Corrective Optics Space Telescope Axial Replacement) যন্ত্রটি স্থাপন করেন, যার মাধ্যমে টেলিস্কোপের দৃষ্টিশক্তি ফিরে আসে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, Challanger ১৯৮৬ সালে দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয় এবং Apollo ছিল চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন।
58

রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকার কবে শপথ গ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রুয়ান্ডার হুতু ও তুতসি সম্প্রদায়ের বিরোধ ১৯৯৪ সালের এপ্রিল থেকে চরমে ওঠে। এপ্রিল থেকে জুলাইয়ের মধ্যে কমপক্ষে ৫ লক্ষ রুয়ান্ডার অধিবাসী নিহত হয় । ১৯ জুলাই, ১৯৯৪ হুতু নেতা প্যাস্তুইর বিজিমুংগু রাজধানী দখল করে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯ জুলাই, ১৯৯৪
১৯৯৪ সালের রুয়ান্ডার গণহত্যা সমাপ্তির পর রুয়ান্ডার প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট (RPF) সামরিকভাবে দেশটি নিয়ন্ত্রণ নেয়। এরপর একটি জাতীয় ঐক্য সরকার (National Unity Government) গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
প্যাট্রিয়টিক ফ্রন্ট সরকারের প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন পাস্তুর বিজিমুঙ্গু (Pasteur Bizimungu) এবং প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন ফাউস্টিন টোয়াগিরামুঙ্গু (Faustin Twagiramungu)
এই নতুন সরকার ১৯৯৪ সালের ১৯ জুলাই শপথ গ্রহণ করে এবং রুয়ান্ডার রক্তাক্ত ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।
59

পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত তিউনিসিয়ায় নির্বাসিত জীবন ছেড়ে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে কবে গাজা ভূখণ্ডে আসেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১২ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১৩ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কায়রো চুক্তি অনুসারে ১৭ মে, ১৯৯৪ পিএলও পশ্চিম তীর ও গাজা এলাকার নিয়ন্ত্রণ পায়। ১ জুলাই, ১৯৯৪ ইয়াসির আরাফাত গাজা ভূখণ্ডে আসেন। ফিলিস্তিনি মুক্তি সংগ্রামের অবিসংবাদিত নেতা ইয়াসির আরাফাত ১১ নভেম্বর, ২০০৪ মৃত্যুবরণ করেন প্যারিসের পার্সি মিলিটারি ট্রেনিং হাসপাতালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ জুলাই, ১৯৯৪
১৯৯৩ সালে ঐতিহাসিক অসলো চুক্তি (Oslo Accords) স্বাক্ষরের মাধ্যমে ইসরায়েল ও পিএলও গাজা ভূখণ্ড এবং জেরিকো অঞ্চলে সীমিত ফিলিস্তিনি স্বশাসন (Palestinian Self-Rule) প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়।
এই চুক্তির সফল বাস্তবায়নের জন্য ১৯৯৪ সালের মে মাসে কায়রো চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা স্বশাসনের রোডম্যাপ তৈরি করে।
এই চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর পিএলও চেয়ারম্যান ইয়াসির আরাফাত দীর্ঘ ২৭ বছরের নির্বাসিত জীবন (তিউনিসিয়া থেকে) শেষে ১ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে স্থায়ীভাবে বসবাসের উদ্দেশ্যে গাজা ভূখণ্ডে ফিরে আসেন। এটি ছিল ফিলিস্তিনিদের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আবেগপূর্ণ মুহূর্ত।
60

জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের লক্ষ্যে কবে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন একটি ঐতিহাসিক ঘোষণায় স্বাক্ষর করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ২৫ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৭ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৯৪ সালের ২৬ অক্টোবর আকাবা মরু এলাকায় জর্ডান ও ইসরাইলের মধ্যে এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তির মাধ্যমে মূলত ৪৬ বছর ধরে চলা যুদ্ধাবস্থার অবসান ঘটানো হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৬ জুলাই, ১৯৯৪
এই দিনটিকে 'ওয়াশিংটন ডিক্লারেশন' (Washington Declaration) নামে অভিহিত করা হয়। এটি জর্ডান এবং ইসরাইলের মধ্যে ৪৬ বছরের যুদ্ধাবস্থার আনুষ্ঠানিক অবসানের পথে প্রথম পদক্ষেপ ছিল।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটনের উপস্থিতিতে জর্ডানের বাদশাহ হোসেন বিন তালাল এবং ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী ইসহাক রবিন এই ঘোষণাপত্রে স্বাক্ষর করেন।
এটি পরে পূর্ণাঙ্গ জর্ডান-ইসরায়েল শান্তি চুক্তি (Wadi Araba Treaty) স্বাক্ষরের ভিত্তি স্থাপন করে।
61

বি-৫২ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এক ধরনের যাত্রীবাহী বিমান
  2. এক বিশেষ ধরনের হেলিকপ্টার
  3. এক ধরনের বোমারু বিমান
  4. ভূমি হতে শূন্যে নিক্ষেপণযোগ্য এক ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বি-৫২ একটি বৃহদাকার বোমারু বিমান। বিমানটি ভেতরে ৮টি এবং ডানায় ২২টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র নিয়ে উড়তে পারে। এটি শত্রুপক্ষের রাডারকে ফাঁকি দিতে পারে। ব্যাপক আক্রমণের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়। এর প্রস্তুতকারী দেশ যুক্তরাষ্ট্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এক ধরনের বোমারু বিমান
B-52 এর পূর্ণাঙ্গ নাম হলো Boeing B-52 Stratofortress। এটি যুক্তরাষ্ট্রের তৈরি একটি বৃহৎ, দূরপাল্লার, সাবসনিক, জেট-চালিত কৌশলগত বোমারু বিমান।
এটি মার্কিন বিমান বাহিনী (USAF) দ্বারা ব্যবহৃত হয়। ১৯৫০ এর দশকে শীতল যুদ্ধের সময় এটি প্রথম চালু করা হয়েছিল।
বি-৫২ বিমানটি বহু ধরনের সামরিক মিশন পরিচালনা করতে সক্ষম, বিশেষত পারমাণবিক বা প্রচলিত অস্ত্র বহনে এটি অত্যন্ত কার্যকর। এর মূল কাজ হলো দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতে বোমা নিক্ষেপ করা, তাই এটি বোমারু বিমান হিসেবে পরিচিত।
62

‘Straw vote’ বলতে কি বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Unofficial poll of public opinion
  2. Poll based on random representations
  3. ‘Yes-No’ vote
  4. Manipulated elections

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Straw vote’ বলতে সাধারণত Unofficial poll of public opinion-কে বুঝায়। Poll based on random representations বলতে প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোট। Yes-No vote-দ্বারা হ্যাঁ-না ভোট এবং Manipulated elections বলতে নিয়ন্ত্রিত বা প্রভাব বিস্তার করা নির্বাচন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Unofficial poll of public opinion (বেসরকারি বা অনানুষ্ঠানিক জনমত জরিপ)।
Straw vote বা ‘স্ট্র ভোট’ হলো এক ধরনের অনানুষ্ঠানিক জরিপ (Informal Poll) যা দ্রুত ও সহজে জনগণের সাধারণ মনোভাব বা কোনো নির্দিষ্ট ইস্যু সম্পর্কে জনমত যাচাই করার জন্য গ্রহণ করা হয়।
এটি কোনো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি বা পরিসংখ্যানের ওপর ভিত্তি করে তৈরি নয়। এর মাধ্যমে কেবল বাতাসে কোন দিকে হাওয়া বইছে বা জনসাধারণের সাধারণ আগ্রহ কেমন, তা বোঝা যায়। এটি নির্বাচনের প্রকৃত পূর্বাভাস বা ফল নির্দেশ করে না।
সুতরাং, অপশন (১) Unofficial poll of public opinion হলো এর সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক সংজ্ঞা।
অন্যদিকে, অপশন (২) Poll based on random representations হলো সাধারণত Opinion Poll-এর বৈশিষ্ট্য, যা বৈজ্ঞানিক নমুনার ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়। 'Straw vote' ততটা নির্ভরযোগ্য হয় না।
63

‘Rotary International’ কবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০৩ সালে
  2. ১৯০৫ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯১২ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানবকল্যাণমুখী সমাজ উন্নয়নমূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা রোটারি ইন্টারন্যাশনাল ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯০৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। মার্কিন আইনজীবী পল পার্সি হ্যারিস যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগোতে এটি প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ইলিনয় রাজ্যে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯০৫ সালে
মানবসেবামূলক আন্তর্জাতিক সংস্থা ‘Rotary International’ প্রতিষ্ঠিত হয় সুনির্দিষ্টভাবে ১৯০৫ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি
এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো শহরে (Chicago, Illinois, USA) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন আইনজীবী পল হ্যারিস (Paul Harris) এবং তার তিনজন ঘনিষ্ঠ বন্ধু। তাদের লক্ষ্য ছিল সমাজের বিভিন্ন পেশাজীবীদের একত্রিত করে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন ও সেবামূলক কাজ করা।
64

বার্লিনের দেয়াল কত সালে নির্মিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৬ সালে
  2. ১৯৪৮ সালে
  3. ১৯৬১ সালে
  4. ১৯৬২ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর ১৯৪৯ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে দুই জার্মানির প্রকাশ ঘটে। ১৯৬১ সালে দুই জার্মানিকে বিভক্তকারী দেয়াল নির্মাণ করা হয়। সাবেক সোভিয়েত সরকারের আর্থিক সহায়তায় পূর্ব জার্মানি সরকার এ দেয়াল নির্মাণ করে। এর উচ্চতা ছিল ১০ ফুট। দুই জার্মানির একত্রীকরণের পদক্ষেপ হিসেবে ১৯৮৯ সালে এ দেয়াল ভেঙে ফেলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬১ সালে
স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন সময়ে পূর্ব জার্মানির সরকার (GDR) রাজধানী বার্লিন শহরের মাঝখানে এই দেয়াল নির্মাণ করে।
দেয়াল নির্মাণের প্রধান কারণ ছিল, পূর্ব বার্লিন এবং এর আশেপাশে থাকা উচ্চশিক্ষিত জনগোষ্ঠীর পশ্চিম বার্লিনের দিকে ব্যাপক হারে দেশত্যাগ (Exodus) বা ‘Brain Drain’ ঠেকানো।
এই দেয়ালটি নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছিল ১৯৬১ সালের ১৩ আগস্ট এবং এটি দীর্ঘ ২৮ বছর ধরে জার্মানি তথা বিশ্বকে বিভক্তির প্রতীক হিসেবে দাঁড় করানো ছিল।
65

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) কবে হতে এর কার্যক্রম শুরু করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৫ সাল হতে
  2. ১৯৪৬ সাল হতে
  3. ১৯৪৭ সাল হতে
  4. ১৯৪৮ সাল হতে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৪৪ সালের ব্রেটন উড্স (Bretton) সম্মেলনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক আনুষ্ঠানিভাবে ১৯৪৫ সালে IMF প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৪৭ সালের ১ মার্চ IMF এর কার্যক্রম শুরু হয়। এটির সদর দপ্তর ওয়াশিংটনে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৭ সাল হতে

আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) ১৯৪৪ সালে **ব্রিটন উডস সম্মেলন**-এর মাধ্যমে গঠিত হলেও, এর কার্যক্রম শুরু করার তারিখটি বিভ্রান্তিকর হতে পারে।

আনুষ্ঠানিকভাবে আইএমএফ-এর চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর সম্পন্ন হয় **২৭ ডিসেম্বর, ১৯৪৫** সালে। এই তারিখে এটিকে আইনগতভাবে প্রতিষ্ঠিত বলে গণ্য করা হয়।

তবে, বিশ্বব্যাপী মুদ্রাবাজার স্থিতিশীল রাখা ও সদস্য দেশগুলোকে ঋণ প্রদানের উদ্দেশ্যে IMF বাস্তবে আর্থিক লেনদেন ও **কার্যক্রম শুরু করে ১লা মার্চ, ১৯৪৭** সাল হতে।

যেহেতু প্রশ্নটিতে 'কার্যক্রম শুরু' (Start of Operations) এর কথা বলা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো ১৯৪৭
66

NATO কবে প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৭ সালের ৪ আগস্ট
  2. ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
  3. ১৯৫০ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি
  4. ১৯৫১ সালের ৪ মে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কমিউনিজম তথা ওয়ারশ জোট রোধকল্পে ধনতান্ত্রিক দেশসমূহের সামরিক জোট NATO ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল গঠিত হয়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ৩০। এর প্রতিষ্ঠাকালীন সদর দপ্তর ছিল যুক্তরাজ্যের লন্ডনে। NATO-এর বর্তমান সদর দপ্তর ব্রাসেলস (বেলজিয়াম)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল
এটি একটি সামরিক জোট (Military Alliance) এবং এর পূর্ণরূপ হলো North Atlantic Treaty Organization
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর স্নায়ুযুদ্ধ (Cold War) চলাকালীন সময়ে পশ্চিমা দেশগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডি.সি.তে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
প্রতিষ্ঠাকালে এর সদস্য সংখ্যা ছিল ১২টি
67

ইয়াল্টা কনফারেন্স কবে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৩৩ সালে
  2. ১৯৪৩ সালে
  3. ১৯৪৫ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে সোভিয়েত ইউনিয়নের ক্রিমিয়ার ইয়াল্টা শহরে এ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে তৎকালীন রুশ নেতা স্ট্যালিন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট রুজভেল্ট ও ব্রিটিশ নেতা চার্চিল অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৫ সালে
ইয়াল্টা কনফারেন্স (Yalta Conference) দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চূড়ান্ত সময়ে ৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি ১৯৪৫ সালে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল মিত্রশক্তির (Allied Powers) প্রধান তিন নেতার (বিগ থ্রি) সর্বশেষ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।
এই কনফারেন্সে প্রধানত জার্মানির ভবিষ্যৎ, পোল্যান্ডের স্বাধীনতা এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই সম্মেলনের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। যেমন: ১৯৪৩ সালে তেহরান সম্মেলন (Tehran Conference) অনুষ্ঠিত হয় এবং ১৯৪৭ সাল ভারতের স্বাধীনতা ও শীতল যুদ্ধ (Cold War)-এর সূত্রপাতের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
68

১৯৯৪-এ নববর্ষের দিনে কার নেতৃত্বাধীন বাহিনী কাবুল শহর আক্রমণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মজিবুল্লাহ
  2. আহমেদ শাহ মাসুদ
  3. আবদুর রশীদ দোস্তাম
  4. গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ার

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আবদুর রশীদ দোস্তাম
আফগান গৃহযুদ্ধের সময়, বিশেষত ১৯৯৪ সালের ১লা জানুয়ারি (নববর্ষের দিন), আফগানিস্তানের ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা মুজাহিদিন দলগুলোর মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ শুরু হয়।
এই আক্রমণকারী জোটের প্রধান দুই নেতা ছিলেন: উজবেক মিলিশিয়া নেতা আবদুর রশীদ দোস্তাম এবং পশতুনের শক্তিশালী নেতা গুলবুদ্দীন হেকমতিয়ার
তারা যৌথভাবে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বুরহানুদ্দিন রব্বানি এবং তার সামরিক কমান্ডার আহমেদ শাহ মাসুদের নেতৃত্বাধীন সরকারের ওপর সামরিক হামলা শুরু করেন, যা কাবুলে ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ সৃষ্টি করে।
উল্লেখ্য, আহমেদ শাহ মাসুদ ছিলেন আক্রান্ত পক্ষের প্রধান প্রতিরক্ষা কৌশলবিদ এবং মজিবুল্লাহ ১৯৯২ সালেই ক্ষমতাচ্যুত হন।
69

১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে অনুষ্ঠিত রাশিয়ার পার্লামেন্টের নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাশিয়া’স চয়েস
  2. লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
  3. স্যোশ্যাল ডেমোক্রেটিক পার্টি
  4. দ্য কমিউনিস্ট পার্টি

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি
সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে যখন নতুন সংবিধানের অধীনে রাশিয়ার প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন (ফেডারেল অ্যাসেম্বলি) অনুষ্ঠিত হয়, তখন চরম জাতীয়তাবাদী দল লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (Liberal Democratic Party - LDPR) অপ্রত্যাশিতভাবে সবচেয়ে বেশি দলীয় তালিকাভুক্ত ভোট লাভ করে।
এই দলের নেতা ছিলেন বিতর্কিত রাজনীতিবিদ ভ্লাদিমির ঝিরিনোভস্কি (Vladimir Zhirinovsky)। LDPR প্রায় ২২.৯% পপুলার ভোট পেয়ে প্রথম স্থানে ছিল।
যদিও সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক একক আসন জিতেছিল রাশিয়া’স চয়েস (Russia’s Choice), কিন্তু দলীয় তালিকা ভোটে বৃহৎ চমক সৃষ্টি করেছিল LDPR। তাই প্রশ্নে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে আত্মপ্রকাশের বিষয়টি LDPR-কেই নির্দেশ করে।
70

১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোলদাতা কারা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্টইচকভ ও রোবের্তো
  2. সালেনকো ও আর্ডেসন
  3. সালেনকো ও স্টইচকভ
  4. আর্ডেসন ও রোবের্তো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০২২ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলে সর্বোচ্চ গোল করেছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে (৮টি)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অপশন ৩, সালেনকো ও স্টইচকভ
১৯৯৪ সালের বিশ্বকাপ ফুটবল অনুষ্ঠিত হয় যুক্তরাষ্ট্রে। এই বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলদাতা (গোল্ডেন বুট জয়ী) হিসেবে দুজন খেলোয়াড় যুগ্মভাবে শীর্ষে ছিলেন।
তারা হলেন রাশিয়ার ফরোয়ার্ড ওলেগ সালেরকো (Oleg Salenko) এবং বুলগেরিয়ার ফরোয়ার্ড হ্রিস্টো স্টইচকভ (Hristo Stoichkov)
উভয়েই টুর্নামেন্টে মোট ৬টি করে গোল করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: রোবের্তো ব্যাজিও (ইতালি) ৫টি গোল করেছিলেন। আর্ডেসন নামের কোনো শীর্ষ গোলদাতা ছিলেন না।
71

১৯৬৫ সালের আগে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য সংখ্যা কত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫টি
  2. ৬টি
  3. ১১টি
  4. ১০টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৬৫ সালের আগে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ছিল ১১টি (৫টি স্থায়ী ও ৬টি অস্থায়ী)। ১৯৬৩ সালে সনদের ২৩ নং ধারা সংশোধন করে অস্থায়ী সদস্য ১০- এ উন্নীত করা হয় যা ১৯৬৫ সালে কার্যকর করা হয়। বর্তমানে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য ১৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১টি
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC) ১৯৪৬ সালে যখন প্রথম গঠিত হয়, তখন এর মোট সদস্য সংখ্যা ছিল ১১টি
এই ১১টি সদস্যের মধ্যে ৫টি ছিল স্থায়ী সদস্য (Permanent Members) এবং ৬টি ছিল অস্থায়ী সদস্য (Non-Permanent Members)
১৯৬৩ সালে জাতিসংঘ সনদের ২৩ অনুচ্ছেদ সংশোধন করা হয় এবং অস্থায়ী সদস্য সংখ্যা ৬টি থেকে বাড়িয়ে ১০টি করা হয়। এই সংশোধনী কার্যকর হয় ১লা জানুয়ারি ১৯৬৫ সালে।
যেহেতু প্রশ্নটি ১৯৬৫ সালের 'আগে'-র সদস্য সংখ্যা জানতে চেয়েছে, তাই সঠিক সংখ্যাটি হলো ১১টি
বিখ্যাত অপশন ১৫টি হলো ১৯৬৫ সালের পর থেকে বর্তমান সদস্য সংখ্যা (৫ স্থায়ী + ১০ অস্থায়ী)।
72

গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে কবে দেশের ক্ষমতা দখল করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ২২ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ২৩ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ২৪ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গাম্বিয়ার সেনাবাহিনী ১৯৯৪ সালের ২২ জুলাই অভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের ক্ষমতা দখল করে। ২৬ জুলাই ক্যাপ্টেন (অব.) ইয়াহিয়া এ.জে.জে জাম্মেহ নিজেকে দেশের প্রধান হিসেবে ঘোষণা করেন এবং বিদ্যমান ১৯৭০ সালের সংবিধান স্থগিত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২২ জুলাই, ১৯৯৪। এই তারিখে গাম্বিয়ার সামরিক বাহিনীর লেফটেন্যান্ট ইয়াহিয়া জাম্মেহ-এর (Yahya Jammeh) নেতৃত্বে একটি সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখল করা হয়।
এই অভ্যুত্থানটি ব্লাডলেস ক্যু নামে পরিচিত, যার ফলে গাম্বিয়ার প্রথম প্রেসিডেন্ট স্যার দাউদা জাওয়ারা (Sir Dawda Jawara)-এর ২৯ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।
এই অভ্যুত্থানের পর থেকে গাম্বিয়ার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয় এবং ইয়াহিয়া জাম্মেহ একনায়ক হিসেবে ২০১৭ সাল পর্যন্ত দেশ শাসন করেন।
73

নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা কবে নিজেকে নাইজেরিয়ার প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ জুন, ১৯৯৪
  2. ১১ জুন, ১৯৯৪
  3. ১ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১২ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জেনারেল সানি আবাচা ১৯৯৩ সালের ১৭ নভেম্বর নাইজেরিয়ার ক্ষমতা দখল করেন। ১৯৯৪ সালের ৭ জুন বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা একটি বিশাল জনসভায় সানি আবাচাকে অস্বীকার করে নিজেকে প্রেসিডেন্ট বলে ঘোষণা করেন। এই মাসেই তিনি গ্রেফতার হন এবং ট্রায়ালের পর ডিসেম্বরে দেশটির ফেডারেল কোর্ট দেশের জাতীয় ও নিরাপত্তার স্বার্থে আবিওলাকে জেলে প্রেরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ জুন, ১৯৯৪
নাইজেরিয়ার বিরোধী নেতা মাসুদ আবিওলা (Moshood Abiola) ১৯৯৩ সালের ১২ জুন অনুষ্ঠিত প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হন। কিন্তু সামরিক শাসক জেনারেল ইব্রাহিম বাবাঙ্গিদা সেই নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করে দেন।
নির্বাচন বাতিল হওয়ার ঠিক এক বছর পূর্তির আগে, ১৯৯৪ সালের জুন মাসে, আবিওলা এক বিশাল জনসমাবেশে নিজেকে নাইজেরিয়ার বৈধ প্রেসিডেন্ট হিসেবে ঘোষণা করেন, যা ইতিহাসে 'Epetedo Proclamation' নামে পরিচিত।
এই ঘোষণার তারিখটি ছিল ৭ জুন, ১৯৯৪
এই ঘোষণার কয়েকদিন পরই তাকে সামরিক সরকার গ্রেপ্তার করে এবং তিনি ১৯৯৮ সালে কারাগারেই মৃত্যুবরণ করেন।
74

উপকূলে কোনো একটি স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে ব্যবধান হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রায় ১২ ঘণ্টা
  2. প্রায় ২৪ ঘণ্টা
  3. প্রায় ৬ ঘণ্টা
  4. চাঁদের তিথি অনুসারে ভিন্ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উপকূলে একটি জোয়ারের সময়সীমা ৬ ঘণ্টা এবং ভাটার সময়সীমা ৬ ঘণ্টা। সুতরাং একটি জোয়ারের আর একটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান ১২ ঘণ্টা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রায় ১২ ঘণ্টা (নির্দিষ্টভাবে বললে ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট)।
জোয়ার-ভাটার কারণ: প্রধানত চাঁদ এবং আংশিকভাবে সূর্যের মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বলের কারণে পৃথিবীর জলরাশির স্ফীতি ঘটে, যার ফলে জোয়ার সৃষ্টি হয়।
পৃথিবী তার অক্ষের ওপর একবার আবর্তন করতে ২৪ ঘণ্টা সময় নেয়। কিন্তু চাঁদও পৃথিবীর চারপাশে কক্ষপথে ঘুরতে থাকে। এর ফলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে জোয়ার ফিরে আসতে অতিরিক্ত কিছু সময় লাগে।
জোয়ার-ভাটা চক্রটি ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিটে সম্পন্ন হয়। এই ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিটের মধ্যে দুটি মুখ্য জোয়ার এবং দুটি গৌণ জোয়ার সৃষ্টি হয়।
সুতরাং, পরপর দুটি জোয়ারের মধ্যে সময়ের ব্যবধান হয়: (24extঘণ্টা52extমিনিট)/2=<strong>12extঘণ্টা26extমিনিট(24 ext{ ঘণ্টা } 52 ext{ মিনিট}) / 2 = <strong>12 ext{ ঘণ্টা } 26 ext{ মিনিট}
প্রশ্নে অপশন হিসেবে 'প্রায় ১২ ঘণ্টা' থাকায় এটিই সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
75

ধুমকেতু শুমেকার লেভী-৯ এর ভাঙ্গা টুকরোটি কবে বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫ জুলাই, ১৯৯৪
  2. ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
  3. ১৭ জুলাই, ১৯৯৪
  4. ১৮ জুলাই, ১৯৯৪

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬ জুলাই, ১৯৯৪
ধূমকেতু শুমেকার-লেভি ৯ (Shoemaker–Levy 9) মূলত ২৪টিরও বেশি টুকরোতে বিভক্ত ছিল। বৃহস্পতির শক্তিশালী মাধ্যাকর্ষণ বলের কারণে এটি ভেঙে যায়।
এই ধূমকেতুর প্রথম এবং সবচেয়ে বড় টুকরোগুলো বৃহস্পতি গ্রহে আঘাত হানে ১৬ জুলাই, ১৯৯৪ তারিখে। এই সংঘর্ষ চলেছিল টানা এক সপ্তাহ ধরে (জুলাই ১৬ থেকে জুলাই ২২)।
এটিই ছিল মানুষের দ্বারা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করা সৌরজগতের দুটি মহাজাগতিক বস্তুর মধ্যকার প্রথম মহাকর্ষীয় সংঘর্ষের ঘটনা। তাই পরীক্ষার জন্য তারিখটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
76

আবহাওয়া ৯০% আর্দ্রতা মানে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা ৯০%
  2. ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প
  3. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
  4. বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃষ্টিপাতের সময়ের ৯০%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো এলাকার বায়ুমণ্ডলে প্রকৃতপক্ষে যতখানি জলীয় বাষ্প আছে এবং যতখানি জলীয় বাষ্প থাকতে পারে তার শতকরা অনুপাতই হলো আপেক্ষিক আর্দ্রতা। আবহাওয়ায় ৯০% আর্দ্রতা বলতে বুঝায় বায়ু যতখানি জলীয় বাষ্প ধারণ করতে পারে তার ৯০% জলীয় বাষ্প রয়েছে।

ব্যাখ্যা

আবহাওয়াতে আর্দ্রতা বলতে সাধারণত আপেক্ষিক আর্দ্রতা (Relative Humidity - RH) বোঝানো হয়। আপেক্ষিক আর্দ্রতা হলো বাতাসের জলীয় বাষ্প পরিমাপের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক।
আপেক্ষিক আর্দ্রতার সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি হলো কোনো নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসে থাকা জলীয় বাষ্পের প্রকৃত পরিমাণ এবং একই তাপমাত্রায় বাতাস সর্বোচ্চ যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প ধারণ করতে পারে (সম্পৃক্ত অবস্থা), তার অনুপাত। এই অনুপাতকে শতকরা হিসাবে প্রকাশ করা হয়।
সুতরাং, আবহাওয়া ৯০% আর্দ্রতা মানে হলো— ঐ নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ তার সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতার বা সম্পৃক্ত অবস্থার ৯০%
সঠিক উত্তর: (গ) বাতাসে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ সম্পৃক্ত অবস্থায় ৯০%
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ (ক) বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আর্দ্রতার একটি ফলাফল মাত্র, সংজ্ঞা নয়। (খ) ১০০ ভাগ বাতাসে ৯০ ভাগ জলীয় বাষ্প বলতে পরম আর্দ্রতা (Absolute Humidity) বোঝাতে পারে, যা তাপমাত্রা ও সম্পৃক্ততার ওপর নির্ভর করে না, তাই এটি আপেক্ষিক আর্দ্রতার সঠিক ব্যাখ্যা নয়।
77

নাড়ীর স্পন্দন প্রবাহিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধমনির ভেতর দিয়ে
  2. শিরার ভেতর দিয়ে
  3. স্নায়ুর ভেতর দিয়ে
  4. ল্যাকটিয়ালের ভেতর দিয়ে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হৃৎপিণ্ড থেকে অক্সিজেনবাহী রক্ত শরীরের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে ধমনির মধ্য দিয়ে। এর গতি থাকে বেশি। তাই ধমনির মধ্যেই নাড়ির স্পন্দন অনুভূত হয়। শিরার ভিতর দিয়ে কার্বন ডাই-অক্সাইডবাহী রক্ত হৃৎপিণ্ডে ফিরে আসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ধমনির ভেতর দিয়ে
নাড়ীর স্পন্দন (Pulse) হলো হৃদপিণ্ড কর্তৃক রক্ত পাম্প করার ফলে ধমনির স্থিতিস্থাপক প্রাচীরে যে তরঙ্গাকৃতির চাপ সৃষ্টি হয়, তার বহিঃপ্রকাশ।
হৃদপিণ্ড যখন প্রতিবার রক্তকে দেহের বিভিন্ন অংশে সরবরাহ করার জন্য সংকুচিত হয় (Systole), তখন এই রক্ত উচ্চচাপে ধমনির ভেতর দিয়ে প্রবাহিত হয় এবং স্পন্দন সৃষ্টি করে।
শিরা (Vein) শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ থেকে রক্তকে হৃদপিণ্ডের দিকে ফিরিয়ে আনে। শিরার ভেতরে রক্তের চাপ অনেক কম থাকে, তাই শিরার ভেতর দিয়ে স্পন্দন বা পালস প্রবাহিত হয় না।
স্নায়ু (Nerve) রক্ত বা স্পন্দন পরিবহন করে না, এটি কেবল স্নায়বিক সংকেত পরিবহন করে।
ল্যাকটিয়াল (Lacteal) ক্ষুদ্রান্ত্রের ভিলাইতে অবস্থিত লসিকাবাহিকা, যা চর্বি শোষণে সহায়তা করে।
78

চাঁদে কোনো শব্দ করলে তা শোনা যাবে না কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চাঁদে কোনো জীব নাই তাই
  2. চাঁদে কোনো পানি নাই তাই
  3. চাঁদে বায়ুমণ্ডল নাই তাই
  4. চাঁদের মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণজনিত ত্বরণ অপেক্ষা কম তাই।

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পৃথিবীতে বায়ুস্তর শব্দ সঞ্চালনের মাধ্যম হিসেবে কাজ করে। শব্দ সঞ্চালনার জন্য মাধ্যম প্রয়োজন। চাঁদে বায়ুস্তর নেই, যার ফলে পাশাপাশি অবস্থিত দুজন লোক যত জোরেই কথা বলুক না কেন চাঁদে তা শুনতে পাবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: চাঁদে বায়ুমণ্ডল নাই তাই
শব্দ হলো এক প্রকার তরঙ্গ, যা সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম (যেমন: বায়ু, জল বা কঠিন পদার্থ) ব্যবহার করে। এটি যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave)।
চাঁদে পৃথিবীর মতো কোনো ঘন বায়ুমণ্ডল নেই। চাঁদের পৃষ্ঠদেশ একটি প্রায় বায়ুশূন্য (Vacuum) স্থান।
যেহেতু শব্দের কম্পন বা শক্তি বহন করার জন্য কোনো মাধ্যম অনুপস্থিত, তাই চাঁদে কেউ চিৎকার করলেও সেই শব্দ শোনা যাবে না।
79

রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. গামা রশ্মি
  3. বিটা রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর মৃদু রঞ্জন রশ্মি বা X-ray নির্গত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মৃদু রঞ্জন রশ্মি
পুরোনো দিনের রঙিন টেলিভিশনগুলো ক্যাথোড রে টিউব (CRT) প্রযুক্তিতে চলত। এই টিউবের ভেতরে ইলেকট্রন গান থেকে নির্গত দ্রুতগামী ইলেকট্রনগুলো অত্যন্ত উচ্চ ভোল্টেজ (প্রায় ২০-৩০ কিলোভোল্ট) দ্বারা ত্বরাণ্বিত হয়ে পর্দার ভেতরের ফসফর স্তরে আঘাত করত।
এই উচ্চ গতিতে আঘাতের ফলস্বরূপ একটি পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়া হিসেবে অল্প পরিমাণে মৃদু রঞ্জন রশ্মি (Soft X-ray) নির্গত হতো। টেলিভিশন প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো অবশ্য এখন সুরক্ষার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন— গামা রশ্মি বা বিটা রশ্মি সাধারণত তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত হয় এবং কসমিক রশ্মি মহাজাগতিক উৎস থেকে আসে। এগুলি ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে তৈরি হয় না। আধুনিক টেলিভিশনে (LED/LCD) এই রঞ্জন রশ্মি নির্গমনের ঝুঁকি নেই।
80

পানির জীব হয়েও বাতাসে নিশ্বাস নেয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. শুশুক
  4. জেলী ফিস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘শুশুক’ বা ‘ডলফিন’ পানিতে বাস করলেও অন্যান্য মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। এটি পানি থেকে ভেসে উঠে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে। পটকা মাছ, হাঙ্গর ও জেলী ফিস পানিতে ফুলকার সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শুশুক (ডলফিন)
শুশুক (Dolphin), তিমি (Whale) বা শীল (Seal)—এরা দেখতে মাছের মতো হলেও মাছ নয়, এরা হলো স্তন্যপায়ী প্রাণী (Mammals)
স্তন্যপায়ী প্রাণীর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এরা ফুলকার (Gills) পরিবর্তে ফুসফুসের (Lungs) সাহায্যে শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে।
তাই এদের বেঁচে থাকার জন্য নিয়মিত জলের ওপরে উঠে এসে সরাসরি বাতাস থেকে অক্সিজেন (O₂) সংগ্রহ করতে হয়।
অন্যদিকে, পটকা মাছ, হাঙ্গর, এবং জেলী ফিস হলো জলজ প্রাণী। এরা ফুলকার মাধ্যমে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে, তাই এদের বাতাসের প্রয়োজন হয় না।
81

পিট কয়লার বৈশিষ্ট হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাটির অনেক গভীরে থাকে
  2. ভিজা ও নরম
  3. পাহাড়ি এলাকায় পাওয়া যায়
  4. দহন ক্ষমতা কয়লার তুলনায় অধিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘পিট কয়লা’ তুলনামূলকভাবে নিম্নমানের কয়লা। এর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি ভেজা ও নরম। বিটুমিনাস কয়লা সবচেয়ে উন্নতমানের।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ভিজা ও নরম
কয়লার উৎপত্তির প্রথম ধাপ হলো পিট (Peat)। উদ্ভিদ বা গাছপালা মাটির নিচে চাপা পড়ে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে প্রথমে পিটে পরিণত হয়।
পিট কয়লার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এতে জলীয় অংশের পরিমাণ ৫০% এরও বেশি থাকে, যার ফলে এটি ভিজা ও নরম হয়। এর কার্বনের পরিমাণ মাত্র ৪০% এর কম এবং তাপ উৎপাদন ক্ষমতাও কম।
অন্যদিকে, মাটির অনেক গভীরে এবং উচ্চ চাপ ও তাপমাত্রায় সৃষ্টি হয় অ্যানথ্রাসাইট (Anthracite) বা বিটুমিনাস (Bituminous) জাতীয় উচ্চমানের কয়লা।
পিট কয়লার দহন ক্ষমতা অন্যান্য কয়লার (যেমন লিগনাইট, বিটুমিনাস) তুলনায় অনেক কম
82

আধুনিক মুদ্রণ ব্যবস্থায় ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরাবার বড় কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কম্পিউটার
  2. অফসেট পদ্ধতি
  3. ফটো লিথোগ্রাফী
  4. প্রসেস ক্যামেরা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুদ্রণ একটা প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি প্রধান গঠন বা মাপদণ্ড থেকে লেখা ও ছবির প্রতিলিপি তৈরি করা হয়। কাঠের টুকরোয় মুদ্রণের সূচনা ঘটে চীনে প্রায় ২২০ খ্রিষ্টাব্দে। মুদ্রণ করার সবচেয়ে সাধারণ উপাদন কাগজ। এছাড়াও প্রায়শই ধাতু, প্লাস্টিক, কাপড় ও যৌগিক পদার্থের ওপর ও করা হয়। তাই ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজন ফুরিয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফটো লিথোগ্রাফী (Photo Lithography)
ঐতিহ্যবাহী মুদ্রণ ব্যবস্থায় (যেমন লেটারপ্রেস) প্রতিটি অক্ষর তৈরির জন্য ধাতুনির্মিত চলনশীল অক্ষর (Movable Type) ব্যবহার করা হতো। এই পদ্ধতি অত্যন্ত শ্রমসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ ছিল।
ফটো লিথোগ্রাফী হলো এমন একটি কৌশল, যেখানে অক্ষর বা চিত্রসমূহকে প্রথমে আলোক সংবেদনশীল ফিল্মে বা প্লেটে ছবি (Photo) আকারে আনা হয়। এর ফলে প্লেটে সরাসরি ছাপার জন্য ধাতুনির্মিত অক্ষরের আর প্রয়োজন হয় না, বরং একটি ফ্ল্যাট সারফেস প্লেট ব্যবহার করা যায়। এটিই ধাতুনির্মিত অক্ষরের প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে আসার প্রধান কারণ।
যদিও কম্পিউটার আধুনিক মুদ্রণ প্রক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে (ডিজাইন ও ডিজিটাল আউটপুট), এবং অফসেট পদ্ধতি সবচেয়ে জনপ্রিয় মুদ্রণ কৌশল (যেখানে প্লেট থেকে রাবার ব্ল্যাঙ্কেটে কালি যায়), কিন্তু অক্ষরকে ধাতু থেকে মুক্ত করার মূল প্রযুক্তিগত ধাপটি হলো ফটো লিথোগ্রাফী
83

ডিজিটাল টেলিফোনের প্রধান বৈশিষ্ট্য-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিজিটাল সিগন্যাল বার্তা প্রেরণ
  2. বোতাম টিপে ডায়াল করা
  3. অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যাবহার
  4. নতুন ধরনের মাইক্রোফোন

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডিজিটাল সিগন্যাল বার্তা প্রেরণ
টেলিফোন সিস্টেমকে অ্যানালগ (Analog) বা ডিজিটাল (Digital) বলা হয় প্রধানত তার সিগন্যাল প্রেরণের পদ্ধতির উপর ভিত্তি করে।
ডিজিটাল টেলিফোন সিস্টেমে ব্যবহারকারীর কণ্ঠস্বরকে প্রথমে বাইনারি কোডে (১ ও ০) রূপান্তরিত করা হয়। এই ডিজিটাল সিগন্যাল ডেটা আকারে প্রেরিত হয়, যা অ্যানালগ সিগন্যালের চেয়ে শব্দের গুণমান উন্নত করে এবং দূরবর্তী ট্রান্সমিশনে ত্রুটির সম্ভাবনা কমায়।
অন্যদিকে, অ্যানালগ টেলিফোনে মানুষের কণ্ঠস্বরকে সরাসরি বৈদ্যুতিক তরঙ্গ (Electrical Wave) বা ভোল্টেজের পরিবর্তন আকারে প্রেরণ করা হয়।
অন্যান্য অপশন, যেমন বোতাম টিপে ডায়াল করা (পুশ বাটন ডায়ালিং), অ্যানালগ ও ডিজিটাল উভয় ফোনেই ব্যবহার করা যায়। অপটিক্যাল ফাইবার একটি ট্রান্সমিশন মিডিয়াম, যা অ্যানালগ বা ডিজিটাল উভয় সিগন্যালই বহন করতে পারে; এটি ডিজিটাল টেলিফোনের সংজ্ঞায়িত বৈশিষ্ট্য নয়।
84

দু ব্যক্তি একত্রে একটি কাজ ৮দিনে করত পারে । প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি ১২ দিনে করতে পারে । দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকি কাজটি কত দিনে করতে পারবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০ দিনে
  2. ২২ দিনে
  3. ২৪ দিনে

  4. ২৬ দিনে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের কাজ ও সময়ের অঙ্ক সমাধানের জন্য আমাদের প্রথমে জানতে হবে, এক দিনে কে কতটুকু কাজ করতে পারে। এটিকে 'দৈনিক কাজের অংশ' বা 'Efficiency' বলা হয়।
ধরি, দুই ব্যক্তি একত্রে কাজটি সম্পন্ন করতে সময় নেয় TমোটT_{মোট} দিন এবং প্রথম ব্যক্তি কাজটি সম্পন্ন করতে সময় নেয় TT_{১} দিন। আমাদের দ্বিতীয় ব্যক্তির সময় TT_{২} নির্ণয় করতে হবে।
ধাপ ১: সম্মিলিত ও একক দিনের কাজ নির্ণয়:
দু'জন একত্রে কাজটি করে ৮ দিনে
সুতরাং, দু'জন একত্রে ১ দিনে কাজ করে = 1/81/8 অংশ।
প্রথম ব্যক্তি একাকী কাজটি করে ১২ দিনে
সুতরাং, প্রথম ব্যক্তি একাকী ১ দিনে কাজ করে = 1/121/12 অংশ।
ধাপ ২: দ্বিতীয় ব্যক্তির একক দিনের কাজ নির্ণয়:
দ্বিতীয় ব্যক্তি ১ দিনে কাজ করে = (দু’জনের ১ দিনের কাজ) - (প্রথম ব্যক্তির ১ দিনের কাজ)
=1/81/12= 1/8 - 1/12
ধাপ ৩: ল.সা.গু. করে বিয়োগ:
৮ ও ১২ এর ল.সা.গু. হলো ২৪
=(32)/24=1/24= (3 - 2)/24 = 1/24 অংশ।
ফলাফল:
দ্বিতীয় ব্যক্তি একাকী ১ দিনে কাজ করে 1/241/24 অংশ।
সুতরাং, সম্পূর্ণ কাজ (১ অংশ) করতে দ্বিতীয় ব্যক্তির সময় লাগবে ২৪ দিন
সঠিক উত্তর: ২৪ দিনে
85

৫০০ টাকার ৪ বছরের সুদ এবং ৬০০ টাকার ৫ বছরের সুদ একত্রে ৫০০ টাকা হলে সুদের হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5%
  2. 6%
  3. 10%

  4. 12%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, সরল সুদ নির্ণয়ের মৌলিক সূত্রটি হলো: I=PTR100I = \frac{PTR}{100} (যেখানে P = আসল, T = সময়, R = সুদের হার)।
ধরি, নির্ণেয় সুদের হার (R) হলো R%
প্রথম ক্ষেত্রে: আসল P1=500P_1 = 500 টাকা, সময় T1=4T_1 = 4 বছর।
প্রথম ক্ষেত্রের সুদ (I1I_1) = 500×4×R100=20R\frac{500 \times 4 \times R}{100} = 20R টাকা।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রে: আসল P2=600P_2 = 600 টাকা, সময় T2=5T_2 = 5 বছর।
দ্বিতীয় ক্ষেত্রের সুদ (I2I_2) = 600×5×R100=30R\frac{600 \times 5 \times R}{100} = 30R টাকা।
প্রশ্নমতে, এই দুটি সুদ একত্রে ৫০০ টাকা।
অর্থাৎ, I1+I2=500I_1 + I_2 = 500
20R+30R=50020R + 30R = 500
বা, 50R=50050R = 500
বা, R=50050=10R = \frac{500}{50} = 10
সুতরাং, সুদের হার হলো ১০%। (যা অপশন ৩-এ রয়েছে)
86

কোন লঘিষ্ট সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফল ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 89
  2. 141

  3. 248
  4. 170

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্নে যখন কোনো ক্ষুদ্রতম/লঘিষ্ঠ সংখ্যা নির্ণয় করতে বলা হয় যা একাধিক সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য, তখন আমাদের সেই সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু. (LCM) নির্ণয় করতে হয়।
এখানে, ২৪, ৩৬, এবং ৪৮ দ্বারা বিভাজ্য ক্ষুদ্রতম সংখ্যাটি হবে এদের ল.সা.গু।
ধাপ ১: ল.সা.গু নির্ণয়:
২৪, ৩৬, এবং ৪৮ এর ল.সা.গু নির্ণয়ের জন্য মৌলিক উৎপাদকে বিশ্লেষণ করি:
24=23×324 = 2^3 \times 3
36=22×3236 = 2^2 \times 3^2
48=24×348 = 2^4 \times 3
অতএব, ল.সা.গু. = 24×32=16×9=1442^4 \times 3^2 = 16 \times 9 = 144
এর অর্থ হলো ১৪৪ হলো ক্ষুদ্রতম সংখ্যা, যা ২৪, ৩৬ এবং ৪৮ দ্বারা সম্পূর্ণভাবে বিভাজ্য।
ধাপ ২: নির্ণেয় সংখ্যা খুঁজে বের করা:
প্রশ্নমতে, নির্ণেয় সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে যোগফলটি ১৪৪ হবে।
ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি = XX
তাহলে, X+3=144X + 3 = 144
X=1443=141X = 144 - 3 = 141
সুতরাং, নির্ণেয় লঘিষ্ঠ সংখ্যাটি হলো ১৪১
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ১৪১ এর চেয়ে ছোট কোনো সংখ্যা থেকে ৩ যোগ করলে তা ১৪৪ বা ১৪৪ এর গুণিতক হবে না।
87

দুটি ত্রিভুজের মধ্যে কোন উপাদানগুলো সমান হওয়া সত্ত্বেও ত্রিভুজ দুটি সর্বসম নাও হতে পারে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুই বাহু অন্তর্ভুক্ত কোণ
  2. দুই কোণ ও এক বাহু
  3. তিন কোণ
  4. তিন বাহু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুইটি ত্রিভুজের মধ্যে একটির দুইটি বাহু ও তাদের অন্তর্ভুক্ত কোণ যথাক্রমে অপরটির দুটি বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণের সমান হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হবে। (বাহু-কোণ-বাহু সর্বসমতা)। দুইটি ত্রিভুজের মধ্যে একটির দুটি কোণ ও একটি বাহু যথাক্রমে অপরটির দুইটি কোণ ও অনুরূপ বাহুর সমান হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হবে। (কোণ-কোণ-বাহু সর্বসমতা)। দুইটি ত্রিভুজের মধ্যে একটির তিনটি বাহু যথাক্রমে অপরটির তিনটি বাহুর সমান হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হবে। (বাহু-বাহু-বাহু সর্বসমতা)। দুইটি সমকোণী ত্রিভুজের মধ্যে একটি অতিভুজ ও অপর একটি বাহু যথাক্রমে অন্যটির অতিভুজ ও অপর একটি বাহুর সমান হলে ত্রিভুজ দুটি সর্বসম হবে। (সমকোণ-অতিভুজ-বাহু সর্বসমতা)। দুটি ত্রিভুজ সর্বসম হলে- তাদের অনুরূপ বাহুবলি পরস্পর সমান হবে। তাদের অনুরূপ কোণগুলি পরস্পর সমান হবে। তাদের ক্ষেত্রফল পরস্পর সমান হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিন কোণ
গণিতে দুটি ত্রিভুজ সর্বসম (Congruent) হওয়ার অর্থ হলো তাদের আকার (Shape) এবং আয়তন (Size) উভয়ই হুবহু এক হবে। অর্থাৎ, একটি ত্রিভুজকে তুলে এনে অন্যটির উপর বসালে পুরোপুরি মিলে যাবে।
যখন দুটি ত্রিভুজের শুধু তিনটি কোণ সমান হয় (অর্থাৎ AAA শর্ত), তখন ত্রিভুজ দুটিকে সদৃশকোণী বা সদৃশ (Similar) বলা হয়। সদৃশ ত্রিভুজগুলোর আকৃতি এক হলেও এদের বাহুর দৈর্ঘ্য ভিন্ন হতে পারে (অর্থাৎ আয়তন ভিন্ন হতে পারে)। উদাহরণস্বরূপ, ৬০°, ৬০°, ৬০° কোণবিশিষ্ট একটি ছোট সমবাহু ত্রিভুজ এবং ৬০°, ৬০°, ৬০° কোণবিশিষ্ট একটি অনেক বড় সমবাহু ত্রিভুজ সর্বসম নয়, কিন্তু তারা সদৃশ।
যেহেতু তিন কোণ (AAA) সমান হলেও ত্রিভুজ দুটির আয়তন ভিন্ন হতে পারে, তাই এই শর্তটি সর্বসমতার গ্যারান্টি দেয় না, বরং সদৃশতার গ্যারান্টি দেয়।
অন্যান্য শর্তগুলো (দুই বাহু অন্তর্ভুক্ত কোণ, দুই কোণ ও এক বাহু, তিন বাহু) সর্বসমতার জন্য আবশ্যকীয় এবং পর্যাপ্ত শর্ত।
88

a∶b=4∶7 এবং b∶c=5∶6 হলে a∶b∶c= কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4 ∶ 7 ∶ 6
  2. 20 ∶ 35 ∶ 24
  3. 20 ∶ 35 ∶ 42

  4. 24 ∶ 35 ∶ 30

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

a∶b=4∶7=20∶35 

b∶c=5∶6=35∶42 

∴a∶b∶c=20∶35∶42

ব্যাখ্যা

এই ধরনের যৌগিক অনুপাতের (Compound Ratio) ক্ষেত্রে, আমাদের লক্ষ্য হলো যে পদটি উভয় অনুপাতের মধ্যে সাধারণ (Common) আছে, সেটিকে সমান করা। এখানে সাধারণ পদটি হলো b
প্রথম অনুপাত: ab=47a∶b = 4∶7
দ্বিতীয় অনুপাত: bc=56b∶c = 5∶6
এখানে b এর মান একবার 7 এবং একবার 5। 7 এবং 5 এর ল.সা.গু (LCM) হলো 7imes5=<strong>35</strong>7 imes 5 = <strong>35</strong>
১. a∶b কে 35 এ আনতে 7 কে 5 দ্বারা গুণ করতে হবে। তাই অনুপাতের উভয় পদকে 5 দ্বারা গুণ করি:
ab=(4imes5)(7imes5)=<strong>2035</strong>a∶b = (4 imes 5) ∶ (7 imes 5) = <strong>20 ∶ 35</strong>
২. b∶c কে 35 এ আনতে 5 কে 7 দ্বারা গুণ করতে হবে। তাই অনুপাতের উভয় পদকে 7 দ্বারা গুণ করি:
bc=(5imes7)(6imes7)=<strong>3542</strong>b∶c = (5 imes 7) ∶ (6 imes 7) = <strong>35 ∶ 42</strong>
এখন b এর মান উভয় ক্ষেত্রেই 35 হওয়ায়, আমরা সহজেই তিনটি পদকে একত্রিত করতে পারি: abc=<strong>203542</strong>a∶b∶c = <strong>20 ∶ 35 ∶ 42</strong>।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: 20 ∶ 35 ∶ 42
89

(a^2+b^2-c^2+2ab)/(a^2-b^2+c^2+2ac)= কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a+b+c

  2.  (a+b-c)/(a-b+c)

  3.  (a-b+c)/(a+b-c)

  4.  (a+b-c)/(a+b+c)

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি একটি সরলীকরণ (Simplification) সংক্রান্ত বীজগণিতীয় সমস্যা। এই ধরনের অঙ্ক সমাধানের মূল কৌশল হলো রাশিমালাকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ (Factorization) করা।
প্রদত্ত রাশিটি হলো: a2+b2c2+2aba2b2+c2+2ac\frac{a^2+b^2-c^2+2ab}{a^2-b^2+c^2+2ac}
ধাপ ১: লব (Numerator) এর সরলীকরণ:
আমরা জানি, a2+2ab+b2=(a+b)2a^2+2ab+b^2 = (a+b)^2। লবের প্রথম তিনটি পদকে এই সূত্রে সাজানো যায়:
লব =(a2+2ab+b2)c2=(a+b)2c2= (a^2+2ab+b^2) - c^2 = (a+b)^2 - c^2
এখন, x2y2=(xy)(x+y)x^2-y^2=(x-y)(x+y) সূত্র প্রয়োগ করে পাই:
লব =<strong>(a+bc)(a+b+c)</strong>= <strong>(a+b-c)(a+b+c)</strong>
ধাপ ২: হর (Denominator) এর সরলীকরণ:
হর =a2+c2+2acb2= a^2+c^2+2ac - b^2 (পদগুলোকে সাজিয়ে)
হর =(a2+2ac+c2)b2=(a+c)2b2= (a^2+2ac+c^2) - b^2 = (a+c)^2 - b^2
এখন, x2y2x^2-y^2 সূত্র প্রয়োগ করে পাই:
হর =<strong>(a+cb)(a+c+b)</strong>= <strong>(a+c-b)(a+c+b)</strong>। (যেখানে a+cb=ab+ca+c-b = a-b+c এবং a+c+b=a+b+ca+c+b = a+b+c)
ধাপ ৩: ভাগফল নির্ণয়:
সম্পূর্ণ রাশি =(a+bc)(a+b+c)(ab+c)(a+b+c)= \frac{(a+b-c)(a+b+c)}{(a-b+c)(a+b+c)}
উভয় পক্ষ থেকে (a+b+c) বাতিল করলে (যদি a+b+c0a+b+c \neq 0 হয়), আমরা পাই:
ফল =a+bcab+c= \frac{a+b-c}{a-b+c}
যা অপশন (খ) বা Index 1 এর সাথে মিলে যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ তারা উৎপাদকে বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রাপ্ত সঠিক অনুপাত প্রকাশ করে না।
90

a+b+c=9, a2+b2+c2=29 হলে ab+bc+ca এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 52
  2. 46
  3. 26
  4. 22

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ab+bc+ca ⇒(a+b+c)2−(a2+b2+c2)2 ⇒81−292 ⇒26

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কের সমাধান করার জন্য আমাদের অবশ্যই (a+b+c)2(a+b+c)^2 এর সূত্রটি জানতে হবে। এটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সূত্রগুলির মধ্যে একটি।
আমরা জানি: <strong>(a+b+c)2=a2+b2+c2+2(ab+bc+ca)</strong><strong>(a+b+c)^2 = a^2+b^2+c^2 + 2(ab+bc+ca)</strong>
অথবা, 2(ab+bc+ca)=(a+b+c)2(a2+b2+c2)2(ab+bc+ca) = (a+b+c)^2 - (a^2+b^2+c^2)
এখন প্রদত্ত মানগুলি বসাই:
a+b+c=9a+b+c = 9 এবং a2+b2+c2=29a^2+b^2+c^2 = 29
2(ab+bc+ca)=(9)2292(ab+bc+ca) = (9)^2 - 29
2(ab+bc+ca)=81292(ab+bc+ca) = 81 - 29
2(ab+bc+ca)=522(ab+bc+ca) = 52
সুতরাং, ab+bc+ca=522=<strong>26</strong>ab+bc+ca = \frac{52}{2} = <strong>26</strong>
সঠিক উত্তরটি হলো: 26 (অপশন ৩)।
91

নিম্নলিখিত চারটি সংখ্যার মধ্যে কোনটির ভাজক সংখ্যা বিজোড়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2048
  2. 512
  3. 1024

  4. 48

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০২৪
একটি সংখ্যার ভাজক (Divisors) সংখ্যা বিজোড় হওয়ার একমাত্র গাণিতিক শর্ত হলো, সংখ্যাটি অবশ্যই একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা (Perfect Square) হতে হবে।
কারণ, যখন কোনো সংখ্যাকে মৌলিক উৎপাদকের গুণফল হিসেবে প্রকাশ করা হয় (N=p1a1p2a2...N = p_1^{a_1} p_2^{a_2}...), তখন যদি সমস্ত সূচক (a1,a2...a_1, a_2...) জোড় সংখ্যা হয়, তবে সংখ্যাটি পূর্ণবর্গ হয়।
যদি সূচকগুলি জোড় হয়, তবে ভাজক সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র (a1+1)(a2+1)...(a_1+1)(a_2+1)... অনুযায়ী, প্রতিটি পদই বিজোড় হবে। বিজোড় সংখ্যার গুণফল সর্বদা বিজোড় হয়।
এখানে,
১০২৪ =210= 2^{10}। যেহেতু 1010 একটি জোড় সংখ্যা, তাই ১০২৪ হলো (25)2=322(2^5)^2 = 32^2, অর্থাৎ একটি পূর্ণবর্গ সংখ্যা
এর ভাজক সংখ্যা হবে (10+1)=11(10+1) = 11, যা বিজোড়।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (2048=2112048=2^{11}, 512=29512=2^9, 48=24×3148=2^4 \times 3^1) পূর্ণবর্গ নয়, তাই তাদের ভাজক সংখ্যা জোড় হবে।
92

‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ গ্রন্থের সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাসান হাফিজুর রহমান
  2. বেগম সুফিয়া কামাল
  3. মুনীর চৌধুরী
  4. আবুল বরকত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। ১৬ খণ্ডে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিল পত্র’ টিও তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্হগুলো হলো- আর্ত শব্দাবলী, অন্তিম শরের মতো, যখন উদ্যত সঙ্গীন, শোকার্ত তরবারী, বিমুখ প্রান্তর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাসান হাফিজুর রহমান
‘একুশে ফেব্রুয়ারী’ হলো ভাষা আন্দোলন নিয়ে প্রকাশিত প্রথম সংকলন। এটি প্রকাশিত হয় মার্চ, ১৯৫৩ সালে।
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস ও সাহিত্য তুলে ধরতে এই সংকলনটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। এর মূল সম্পাদক ছিলেন প্রখ্যাত কবি ও সাহিত্যিক হাসান হাফিজুর রহমান। রাজনৈতিক কারণে সংকলনটি নামহীনভাবে (বেনামে) প্রকাশিত হয়েছিল।
অন্যান্য অপশন: আবুল বরকত ছিলেন ভাষা শহীদ। মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনের ওপর রচিত কালজয়ী নাটক ‘কবর’-এর রচয়িতা।
93

চতুর্ভুজের চার কোণের অনুপাত ১ : ২ : ২ : ৩ হলে বৃহত্তম কোণের পরিমাণ হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০°
  2. ১১৫°
  3. ১৩৫°

  4. ২২৫°

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, যে কোনো চতুর্ভুজের চারটি অন্তঃকোণের সমষ্টি সর্বদা 360360^{\circ}
এখানে কোণগুলোর অনুপাত দেওয়া আছে :::১ : ২ : ২ : ৩। আমরা ধরে নেই কোণগুলো হলো যথাক্রমে x,2x,2xx, 2x, 2x এবং 3x3x
প্রশ্নমতে, কোণগুলোর সমষ্টি 360360^{\circ} হবে।
$\(x + 2x + 2x + 3x\) = 360^{\circ}$
বা, 8x=3608x = 360^{\circ}
বা, x=3608x = \frac{360^{\circ}}{8}
সুতরাং, x=45x = 45^{\circ}
এখানে বৃহত্তম কোণটি হলো অনুপাতের সর্বোচ্চ অংশ (33), অর্থাৎ 3x3x
বৃহত্তম কোণের পরিমাণ =3x=3×45=135= 3x = 3 \times 45^{\circ} = 135^{\circ}
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ১৩৫°
94

কর্কটক্রান্তি রেখা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশের উত্তর সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
  2. বাংলাদেশের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে গিয়েছে
  3. বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
  4. বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে অবস্থিত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মানচিত্র অনুযায়ী ঝিনাইদহ, ঢাকা, কুমিল্লার উপর দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা চলে গিয়েছে যা দেশের মোটামুটি মধ্যভাগে অবস্থিত। কর্কটক্রান্তি রেখার অবস্থান ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলাদেশের মধ্যখান দিয়ে গিয়েছে
কর্কটক্রান্তি রেখা হলো নিরক্ষরেখা থেকে উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ (Latitude) বরাবর কল্পিত একটি রেখা।
বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান ২০^{\circ}৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬^{\circ}৩৮' উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে।
যেহেতু ২৩.৫° উত্তর অক্ষাংশ এই সীমার ঠিক মধ্যবর্তী স্থানে পড়ে, তাই কর্কটক্রান্তি রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই রেখা দেশকে প্রায় গ্রীষ্মকালীন ও উপ-গ্রীষ্মকালীন অংশে বিভক্ত করেছে।
এই রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় ৭টি জেলার উপর দিয়ে অতিক্রম করেছে, যা প্রমাণ করে এটি মাঝখান দিয়েই গিয়েছে। তাই উত্তর বা দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে যাওয়া বা অনেক দূরে থাকা—এই অপশনগুলো ভুল।
95

বৃত্তের পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3
  2. ২২/৭

  3. ২৫/৯
  4. প্রায় ৫

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বৃত্তের পরিধি ২πr এবং ব্যাস ২r 

∴ পরিধি : ব্যাস 

= ২πr :২r 

=π:১

=π=২২/৭

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২২/৭। এটি বৃত্তের একটি মৌলিক সংজ্ঞাভিত্তিক প্রশ্ন।
একটি বৃত্তের পরিধি (Circumference, CC) এবং ব্যাস (Diameter, DD) এর অনুপাতকে একটি ধ্রুবক সংখ্যা দিয়ে প্রকাশ করা হয়, যাকে π\pi (পাই) বলা হয়।
গণিতের সূত্র অনুযায়ী, যদি বৃত্তের ব্যাসার্ধ rr হয়, তবে পরিধি (CC) হবে 2πr2\pi r এবং ব্যাস (DD) হবে 2r2r
অতএব, পরিধি ও ব্যাসের অনুপাত = CD=2πr2r=π\frac{C}{D} = \frac{2\pi r}{2r} = \mathbf{\pi}
π\pi এর দশমিক মান হলো 3.1415926...\mathbf{3.1415926...} এবং এর আনুমানিক ভগ্নাংশ মান হলো ২২/৭। যেহেতু অপশনে সরাসরি π\pi নেই, তাই ২২/৭ উত্তর হিসেবে সঠিক।
অন্যান্য অপশন (৩, ২৫/৯, প্রায় ৫) ভুল, কারণ এগুলো π\pi এর মানের কাছাকাছি হলেও সঠিক অনুপাত নির্দেশ করে না।
96

একজন দোকান্দার  ৭ ১/২%  ক্ষতিতে একটি দ্রব্য বিক্রয় করল। যদি দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ১০% কম হতো এবং বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হতো, তাহলে তার ২০% লাভ হতো। দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০ টাকা
  2. ২০০ টাকা
  3. ৩০০ টাকা
  4. ৪০০ টাকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের লাভ-ক্ষতির অঙ্কগুলি সমাধানে ক্রয়মূল্য (Cost Price - CP) ধরে নিয়ে কাজ করলে দ্রুত ফল পাওয়া যায়।
ধরি, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য (CP) = X টাকা

১ম ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য (SP1):
ক্ষতি: ৭১/%=.%৭ ১/২\% = ৭.৫\%
SP1=CPক্ষতি=X0.075X=0.925X\text{SP1} = \text{CP} - \text{ক্ষতি} = X - 0.075X = \textbf{0.925X} টাকা।

২য় ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য (CP2):
ক্রয়মূল্য ১০% কম হলে, CP2=X0.10X=0.90X\text{CP2} = X - 0.10X = \textbf{0.90X} টাকা।

২য় ক্ষেত্রে বিক্রয়মূল্য (SP2):
নতুন ক্রয়মূল্যের উপর লাভ: ২০%।
SP2=CP2+CP2 এর ২০%\text{SP2} = \text{CP2} + \text{CP2} \text{ এর } ২০\%
SP2=0.90X+(0.90X×0.20)\text{SP2} = 0.90X + (0.90X \times 0.20)
SP2=0.90X+0.18X=1.08X\text{SP2} = 0.90X + 0.18X = \textbf{1.08X} টাকা।

শর্তানুসারে সমীকরণ গঠন:
প্রশ্নমতে, বিক্রয়মূল্য ৩১ টাকা বেশি হয়েছে, অর্থাৎ SP2SP1=৩১\text{SP2} - \text{SP1} = ৩১
.০৮X.৯২৫X=৩১১.০৮X - ০.৯২৫X = ৩১
.১৫৫X=৩১০.১৫৫X = ৩১
X=৩১.১৫৫X = \frac{৩১}{০.১৫৫}
X=৩১×১০০০১৫৫X = \frac{৩১ \times ১০০০}{১৫৫}
X=৩১×২০৩১X = \frac{৩১ \times ২০}{৩১} (যেহেতু ১৫৫=৩১×১৫৫ = ৩১ \times ৫ এবং ১০০০/=২০০১০০০/৫ = ২০০)
X=২০০X = \textbf{২০০} টাকা।

অতএব, দ্রব্যটির ক্রয়মূল্য ২০০ টাকা

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “16th(1)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 16th(1) (1994) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

16th(1) (1994) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 16th(1) (1994) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।