সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

12th(1) (1990) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 12th(1) (1990) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 12th(1) (1990) পরীক্ষার ৯৫টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

ক্রিয়া পদের মূল অংশকে বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিভক্তি
  2. ধাতু
  3. প্রত্যয়
  4. কৃৎ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্রিয়াপদের মূল অংশকে বলা হয় ধাতু বা ক্রিয়ামূল। ক্রিয়াপদকে বিশ্লেষণ করলে দুটি অংশ পাওয়া যায়: ধাতু বা ক্রিয়ামূল এবং ক্রিয়া বিভক্তি। ধাতু তিন প্রকারের: মৌলিক ধাতু, সাধিত ধাতু এবং যৌগিক বা সংযোগমূলক ধাতু। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে। যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা প্রাতিপদিকের পর যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাকে প্রত্যয় বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধাতু
ক্রিয়া পদের যে মূল অংশটি অপরিবর্তিত থাকে এবং যার সঙ্গে ক্রিয়া বিভক্তি যুক্ত করে পূর্ণাঙ্গ ক্রিয়াপদ গঠিত হয়, তাকে ধাতু বা ক্রিয়ামূল বলা হয়।
ব্যাকরণের ভাষায়, এই ধাতুই হলো ক্রিয়া প্রকৃতি। যেমন: ‘চলবে’ ক্রিয়া পদটির মূল অংশ হলো চল্ (ধাতু)।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
বিভক্তি: ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে পূর্ণ ক্রিয়াপদ গঠনকারী অতিরিক্ত অংশ হলো বিভক্তি (যেমন: চল্ + বে = চলবে)।
প্রত্যয় ও কৃৎ: নতুন শব্দ (বিশেষ্য বা বিশেষণ) গঠনের জন্য ধাতুর সঙ্গে যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যুক্ত হয়, তাকে প্রত্যয় বলে। ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হওয়া প্রত্যয়কে কৃৎ প্রত্যয় বলা হয়।
2

‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়’ চরণটি কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  2. মধুসূদন দত্ত
  3. হেমচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এর সর্বাধিক জনপ্রিয় কাব্য ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ থেকে চরণটি সংগৃহীত। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ হলো- কর্মদেবী, শূরসুন্দরী, নীতি কুসুমাঞ্জলি ও কাঞ্চী কাবেরী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়
প্রদত্ত চরণটি (স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়) কবি রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়-এর বিখ্যাত কাব্য ‘পদ্মিনী উপাখ্যান’ (প্রকাশকাল: ১৮৫৮ সাল) থেকে নেওয়া হয়েছে।
সম্পূর্ণ চরণটি হলো:
'স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায়।
দাসত্ব শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায়।।'
উনিশ শতকে বাংলায় যখন দেশপ্রেমের নতুন জাগরণ শুরু হয়, তখন রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায় এই চরণগুলোর মাধ্যমে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে দেশপ্রেমের প্রথম জোরালো কণ্ঠস্বর হিসেবে আবির্ভূত হন।
3

শুদ্ধ বাক্যটি চিহ্নিত করুন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রের শিকার হন
  2. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দারিদ্রতার শিকার হন
  3. বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন
  4. বিদ্যান ব্যক্তিগণ দরিদ্রতার স্বীকার হন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিদ্যান, দারিদ্র, দারিদ্রতা শব্দগুলোর শুদ্ধরূপ হলো: বিদ্বান, দারিদ্র্য, দরিদ্রতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন। এটিতে বাংলা ব্যাকরণের বানান ও পদ গঠন সংক্রান্ত সকল নিয়ম মানা হয়েছে।
এই বাক্যে তিনটি প্রধান শুদ্ধি জানতে হবে:
১. 'বিদ্বান' বানান শুদ্ধি: 'বিদ্যান' নয়, সঠিক শব্দটি হলো বিদ্বান (বি+দ্+ব+আ+ন)। এটি গুণের নামবাচক বিশেষ্য পদ। অপশন ১, ২ ও ৪ এ 'বিদ্যান' লেখা আছে, যা ভুল।
২. 'দারিদ্র্য' পদ গঠন শুদ্ধি: 'দরিদ্র' বিশেষণ পদ। এর বিশেষ্য রূপ হলো দারিদ্র্য (দরিদ্র + য প্রত্যয়) অথবা দরিদ্রতা (দরিদ্র + তা প্রত্যয়)। কিন্তু মনে রাখবেন, দারিদ্র্য এবং দরিদ্রতা একসাথে ব্যবহার করা যায় না। 'দারিদ্র্য' শব্দটি নিজেই যথেষ্ট। অপশন ২ ও ৪ এ 'দারিদ্রতা' ব্যবহার করায় বাহুল্যজনিত ভুল হয়েছে।
৩. 'শিকার' vs. 'স্বীকার': এখানে অর্থগত দিক থেকে 'দরিদ্রতার শিকার হওয়া' বোঝানো হচ্ছে, তাই শিকার (Victim) শব্দটি সঠিক। 'স্বীকার' (Admit) শব্দটি সম্পূর্ণ ভুল। অপশন ৪ এ 'স্বীকার হন' লেখা আছে, যা অর্থগত দিক থেকে ভুল।
সুতরাং, সঠিক বানান এবং শুদ্ধ পদ ব্যবহারে অপশন ৩ বিদ্বান ব্যক্তিগণ দারিদ্র্যের শিকার হন নির্ভুল।
4

কোন শব্দে বিদেশি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিখুঁত
  2. আনমনা
  3. অবহেলা
  4. নিমরাজী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নিম ফারসি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় মোট ১০ টি ফারসি উপসর্গ ব্যবহৃত হয়- কার, দর, না,নিম, ফি, বদ, বে, বর, ব, কম। অন্যান্য বিদেশি উপসর্গের মধ্যে ইংরেজি- হাফ, ফুল, হেড ও সাব; আরবি- আম, খাস, লা, গর; হিন্দি/ উর্দু-হর বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিমরাজী। এই শব্দটিতে 'নিম' উপসর্গটি ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাকরণের নিয়ম অনুসারে, 'নিম' হলো একটি বিদেশি (ফারসি) উপসর্গ, যার অর্থ 'অল্প' বা 'আধা'। (যেমন: নিমখুন, নিমরাজি)।

বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত উপসর্গকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা হয়: খাঁটি বাংলা (২১টি), তৎসম বা সংস্কৃত (২০টি) এবং বিদেশি উপসর্গ

অন্যান্য অপশন বিশ্লেষণ:
  • নিখুঁত: 'নি' খাঁটি বাংলা উপসর্গ (নি + খুঁত)।
  • আনমনা: 'আন' খাঁটি বাংলা উপসর্গ (আন + মনা)।
  • অবহেলা: 'অব' তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গ (অব + হেলা)।
  • 5

    বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি-

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. শাহ মুহম্মদ সগীর
    2. সাবিরিদ খান
    3. শেখ ফয়জুল্লাহ
    4. মুহাম্মদ কবীর

    সঠিক উত্তর: ক

    সমাধান

    বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাচীনতম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তার বিখ্যাত কাব্য ‘ইউসুফ জুলেখা’। তিনি পারস্য কবি আবদুর রহমান জামি রচিত ‘ইউসুফ ওয়া জুলায়খা’ থেকে কাহিনি গ্রহণ করেছেন।

    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রাচীনতম মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
    শাহ মুহম্মদ সগীর তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'ইউসুফ-জোলেখা' রচনা করেন। এটি চতুর্দশ শতাব্দীর শেষ ভাগে রচিত বলে ধারণা করা হয়।
    তিনি সুলতানি আমলের বিখ্যাত শাসক গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেছিলেন।
    অপরদিকে, সাবিরিদ খান (বিখ্যাত কাব্য: বিদ্যাসুন্দর), শেখ ফয়জুল্লাহ (গোরক্ষ বিজয়), এবং মুহাম্মদ কবীর (মধুমালতী)-সহ অন্যান্য মুসলিম কবিরা পরবর্তীকালে (ষোড়শ শতক বা তারও পরে) আবির্ভূত হন।
    গৃহশিক্ষকদের জন্য

    টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

    চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

    প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
    6

    ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’ রচিয়তা-

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. রামনিধি গুপ্ত
    2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    3. অতুল প্রসাদ সেন
    4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    বাংলা সাহিত্যের পঞ্চকবিদের অন্যতম অতুলপ্রসাদ সেন প্রায় ২০০টি গান রচনা করেন। বাংলা গানে তিনি সর্বপ্রথম ঠুমরি আমদানি করেন। তার গানের সংকলনের নাম ‘কয়েকটি গান ও গীতিকুঞ্জ’।

    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: অতুল প্রসাদ সেন
    ‘মোদের গরব, মোদের আশা/আ-মরি বাংলা ভাষা’—এই কালজয়ী পঙ্‌ক্তি দুটি অতুল প্রসাদ সেনের রচিত একটি জনপ্রিয় দেশাত্মবোধক গান থেকে নেওয়া হয়েছে। এই গানটি বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতির গর্বকে তুলে ধরে।
    অন্যান্য অপশন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের জাতীয় সংগীত (আমার সোনার বাংলা) রচনা করলেও এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা নন। সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত মূলত ছন্দের জন্য বিখ্যাত ('ছন্দোরাজ' বা 'ছন্দগুরু' নামে পরিচিত)।
    7

    মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’-

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. মহাকাব্য
    2. পত্রকাব্য
    3. গীতিকাব্য
    4. আখ্যানকাব্য

    সঠিক উত্তর: খ

    সমাধান

    মধুসূদন দত্ত রচিত মহাকাব্য ‘মেঘনাদবধ’, গীতিকাব্য ‘চতুর্দ্দশপদী কবিতাবলী’, আখ্যানকাব্য ‘ব্রজাঙ্গনা কাব্য’ এবং পত্রকাব্য ‘বীরাঙ্গনা’। ‘বীরাঙ্গণা’ এগারটি পূর্ণপত্রে রচিত কাব্যগ্রন্হ।

    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর: পত্রকাব্য। মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যটি মূলত পত্রাকারে রচিত একটি রচনা।
    বাংলা সাহিত্যে পত্ররচনার ঢঙে লেখা প্রথম কাব্যগ্রন্থ হলো এটি। এখানে পৌরাণিক কাহিনীর ১১ জন বীরাঙ্গনা নারী তাদের স্বামী বা প্রেমিককে চিঠি লিখেছেন। উদাহরণস্বরূপ, দুষ্মন্তের কাছে শকুন্তলার পত্র, লক্ষ্মণের কাছে সূর্পণখার পত্র, ও নীলধ্বজ রাজার প্রতি জনা’র পত্র উল্লেখযোগ্য।
    যেহেতু এই কাব্যগ্রন্থটি ১১টি পৌরাণিক নারীর চিঠি (পত্র) নিয়ে গঠিত, তাই এটি পত্রকাব্য নামে পরিচিত।
    8

    রোহিনী কোন উপন্যাসের নায়িকা?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. কৃষ্ণকান্তের উইল

    2. চোখের বালি
    3. গৃহদাহ
    4. পথের পাঁচালী

    সঠিক উত্তর: ক

    সমাধান


    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: কৃষ্ণকান্তের উইল। এই উপন্যাসের নায়িকা (খল-চরিত্র হলেও কাহিনির কেন্দ্রীয় আকর্ষণ) হলো রোহিণী
    বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৭৮ সালে এই উপন্যাসটি রচনা করেন। উপন্যাসের মূল কাহিনি গোবিন্দলাল, তাঁর স্ত্রী ভ্রমর এবং বিধবা রোহিণীর অবৈধ প্রেম ও পরিণতি নিয়ে আবর্তিত হয়েছে।
    অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ:
    ১. চোখের বালি: এর প্রধান চরিত্র বিনোদিনী। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা।
    ২. গৃহদাহ: এর প্রধান চরিত্র মৃণাল। এটি শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচনা।
    ৩. পথের পাঁচালী: এর প্রধান চরিত্র অপু। প্রধান নারী চরিত্র দুর্গাবতীসর্বজয়া। এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচনা।
    9

    নিম্নরেখ কোন শব্দে করণ কারকে শূন্য বিভক্তি ব্যবহৃত হয়েছে?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ঘোড়াকে চাবুক মার
    2. ডাক্তার ডাক
    3. গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে
    4. মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে

    সঠিক উত্তর: ক

    সমাধান

    ক্রিয়া সম্পাদনের যন্ত্র, উপকরণ বা সহায়ককেই করণ কারক বলা হয়। বাক্যস্থিত ক্রিয়াপদের সঙ্গে ‘কিসের দ্বারা’ ‘কি উপায়ে’ প্রশ্ন করলে যে উত্তরটি পাওয়া যায় তা-ই করণ কারক। যেমন: ঘোড়াকে চাবুক মার (করণে শূন্য)। জগতে কীর্তিমান হয় সাধনায় (উপায়-সাধনা), ফুলে ফুলে ঘর ভরেছে (উপকরণ → ফুল) ডাক্তার ডাক (কর্মে শূন্য)। গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে (অপাদানে শূন্য)।

    ব্যাখ্যা

    সঠিক উত্তর হলো: ঘোড়াকে চাবুক মার
    এই বাক্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার মাধ্যম বা যন্ত্র হলো ‘চাবুক’। যে উপায়ে বা যার সাহায্যে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকেই করণ কারক বলে। আমরা প্রশ্ন করতে পারি: 'কী দিয়ে মার?' উত্তর: 'চাবুক দিয়ে'।
    এখানে ‘চাবুক’ মূল শব্দের সাথে কোনো বিভক্তি চিহ্ন (যেমন: কে, রে, এ, তে ইত্যাদি) যুক্ত হয়নি। যেখানে বিভক্তির কোনো চিহ্ন দেখা যায় না, সেখানে শূন্য বিভক্তি (প্রথমা/অ-বিভক্তি) ধরা হয়।
    সুতরাং, ‘চাবুক’ শব্দটি হলো করণ কারকে শূন্য বিভক্তি

    অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
    • ডাক্তার ডাক: ‘ডাক্তার’ হলো কর্ম কারক (কাকে ডাক?)। এটি করণ নয়।
    • গাড়ি স্টেশন ছেড়েছে: ‘স্টেশন’ হলো অপাদান কারক (কোথা থেকে ছেড়েছে? - বিচ্যুতি বোঝায়)। এটি করণ নয়।
    • মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছে: ‘মুষলধারে’ শব্দটি সপ্তমী বিভক্তিযুক্ত বিশেষ ধরনের পদ। এটি করণ কারক নয়।
    • 10

      রূপসী বাংলার কবি-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. জসীমউদ্দীন
      2. জীবনানন্দ দাশ

      3. কালিদাস রায়
      4. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: জীবনানন্দ দাশ
      তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থের নাম 'রূপসী বাংলা'। এই কাব্যে তিনি বাংলার প্রকৃতি ও রূপবৈচিত্র্যকে এক অসাধারণ নৈপুণ্যে তুলে ধরেছেন, যা তাঁকে 'রূপসী বাংলার কবি' হিসেবে পরিচিত করেছে।
      (উল্লেখ্য, কাব্যটি প্রকাশিত হয় তাঁর মৃত্যুর পর ১৯৫৭ সালে।)
      জসীমউদ্দীন পরিচিত 'পল্লীকবি' হিসেবে এবং সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত পরিচিত 'ছন্দের জাদুকর' হিসেবে।
      সুতরাং, উপাধির সঠিক সমন্বয় হলো জীবনানন্দ দাশ
      ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

      ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

      ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

      একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
      11

      বটতলার পুঁথি বলতে বুঝায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. মধ্যযুগীয় কাব্যের হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি
      2. বটতলা নামক স্থানে রচিত কাব্য
      3. দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
      4. অবিমিশ্র দেশজ বাংলায় রচিত লোকসাহিত্য

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      মধ্যযুগে অষ্টাদশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধে মুসলমান সাহিত্যিকদের রচিত ‘দোভাষী পুঁথি’ ছিল আরবি, ফারসি, হিন্দি, বাংলা ও ইংরেজি শব্দের মিশ্রণে রচিত এক ধরনের পুঁথি। এ সাহিত্য কলকাতার সস্তা ছাপাখানা থেকে ছাপা হয়ে দেশময় প্রচারিত হয়েছিল বলে একে ‘বটতলার পুঁথি’ নামেও চিহ্নিত করার প্রচেষ্টা চলেছে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: দোভাষী বাংলায় রচিত পুঁথি সাহিত্য
      বটতলার পুঁথি বলতে মূলত ঊনবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে (১৮০০ সালের পর) উত্তর কলকাতার বটতলা এলাকা থেকে সস্তা কাগজে ছাপানো জনপ্রিয় পুঁথি সাহিত্যকে বোঝানো হতো।
      পুঁথি সাহিত্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য ছিল এর ভাষাশৈলী। এই সাহিত্যগুলো সাধু বা চলিত ভাষায় রচিত না হয়ে এক ধরনের মিশ্র ভাষায় লেখা হতো, যা দোভাষী বাংলা বা মুসলমানি বাংলা নামে পরিচিত।
      এই দোভাষী বাংলায় ফারসি, আরবি ও তুর্কি শব্দের ব্যাপক মিশ্রণ ঘটতো। ফলে এটি সাধারণ জনগণের (বিশেষত মুসলিম সমাজের) কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।
      বাকি অপশনগুলো ভুল। যেমন, এটি হস্তলিখিত পাণ্ডুলিপি ছিল না, বরং ছাপা বই ছিল। আবার, এটি অবিমিশ্র দেশজ বাংলা নয়, বরং মিশ্রিত (দোভাষী) বাংলা।
      সুতরাং, বটতলার পুঁথি তার ভাষারীতি (দোভাষী বাংলা) দ্বারা সংজ্ঞায়িত।
      12

      এক কথায় প্রকাশ করুন- ‘যা বলা হয়নি’-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. অউক্ত
      2. অব্যক্ত
      3. অনুক্ত
      4. অব্যাক্ত

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      যা প্রকাশ করা হয়নি- অব্যক্ত।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো অনুক্ত। এটি ‘এক কথায় প্রকাশ’ (One Word Substitution) অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ শব্দ।
      বাংলা ব্যাকরণে, অনুক্ত (অন+উক্ত) শব্দের অর্থ হলো— যা বলা হয়নি বা যা উল্লেখ করা হয়নি। এখানে, ‘উক্ত’ মানে ‘বলা হয়েছে’ এবং এর পূর্বে নঞর্থক (নেতিবাচক) উপসর্গ অন- যুক্ত হয়ে বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
      অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, অব্যক্ত মানে হলো— ‘যা প্রকাশ করা হয়নি’ (Unexpressed/Unmanifested), যা সাধারণত মনের ভাব বা অপ্রকাশিত কোনো বিষয়কে বোঝায়। এটি সরাসরি ‘বলা’ ক্রিয়ার অস্বীকৃতি নয়।
      অউক্ত এবং অব্যাক্ত শব্দ দুটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক শব্দ নয়, তাই এগুলো ভুল উত্তর।
      13

      কবি গান রচয়িতা এবং গায়ক হিসেবে এরা উভয়েই পরিচিত-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. রাম বসু এবং ভোলা ময়রা
      2. এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায়
      3. সাবিরিদ খান এবং দশরথী রায়
      4. আলাওল এবং ভারতচন্দ্র

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      গোজলা গুঁই, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, ভবানী বেনে, নিতাই বৈরাগী, ভোলা ময়রা, এন্টনি ফিরিঙ্গি, রামপ্রসাদ রায় ছিলেন বিখ্যাত কবিওয়ালা।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: এন্টনি ফিরিঙ্গি এবং রামপ্রসাদ রায় (অথবা রামপ্রসাদ সেন)।
      এন্টনি ফিরিঙ্গি (Anthony Firingi) ছিলেন ১৮শ শতকের শেষভাগ এবং ১৯শ শতকের প্রথম দিকের একজন বিখ্যাত কবিয়াল (কবি গানের গায়ক ও রচয়িতা)। তিনি মূলত পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত হলেও বাংলা কবি গানের জগতে অপরিহার্য ছিলেন।
      অন্যদিকে, রামপ্রসাদ রায় (রামপ্রসাদ সেন) ছিলেন ১৮শ শতকের একজন প্রভাবশালী শাক্ত পদকর্তা এবং কবি। যদিও তিনি মূলত শ্যামা সঙ্গীত রচনার জন্য পরিচিত, তবুও তিনি গান রচয়িতা এবং সুরকার-গায়ক হিসেবেই সমধিক পরিচিত ছিলেন।
      যেহেতু প্রশ্নটি উভয়েরই 'গান রচয়িতা' ও 'গায়ক' হিসেবে পরিচিতি চেয়েছে, তাই বাংলার সংগীত ধারার এই দুজন অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি (যাঁরা গান রচনা ও পরিবেশন উভয়ই করতেন) এই অপশনে স্থান পেয়েছেন।
      উল্লেখ্য, অপশন 0 তে থাকা রাম বসু এবং ভোলা ময়রা উভয়েই খাঁটি কবি গানের কবিয়াল হিসেবে অধিক পরিচিত, কিন্তু যদি প্রদত্ত অপশন 1 সঠিক হয়, তবে এটি কবি গানের যুগ ও তার কাছাকাছি সময়ের জনপ্রিয় গায়ক-রচয়িতার বৃহত্তর তালিকা বোঝায়।
      14

      কোন শব্দে ধাতুর সঙ্গে প্রত্যেয় যুক্ত হয়েছে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ঠগী
      2. পানাস
      3. পাঠক
      4. সেলামী

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      ঠগী = ঠক + ঈ, সেলামী = সেলাম + ঈ, পাঠক = পঠ্ + অক।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: পাঠক
      ব্যাকরণে যে শব্দমূলের সঙ্গে প্রত্যয় যুক্ত হয়, তাকে প্রকৃতি বলে। প্রকৃতি দুই প্রকার—ক্রিয়া প্রকৃতি বা ধাতু এবং নাম প্রকৃতি বা শব্দমূল।
      যে প্রত্যয় ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়, তাকে কৃৎ প্রত্যয় বলে এবং সেই প্রত্যয় সাধিত পদকে কৃদন্ত পদ বলে।
      পাঠক শব্দটি গঠিত হয়েছে: পঠ্ (ধাতু) + অক (কৃৎ প্রত্যয়) = পাঠক। এখানে 'পঠ্' একটি ক্রিয়ামূল বা ধাতু, যার অর্থ পড়া।
      অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো তদ্ধিত প্রত্যয় যোগে গঠিত হয়েছে, যেখানে প্রত্যয়টি নাম প্রকৃতির (বিশেষ্য বা বিশেষণের) সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।
      যেমন: ঠগী = ঠগ (নাম প্রকৃতি) + ঈ (তদ্ধিত প্রত্যয়)।
      সেলামী = সেলাম (নাম প্রকৃতি) + ঈ (তদ্ধিত প্রত্যয়)।
      15

      বাগধারা যুগলদের মধ্যে কোন জোড়া সর্বাধিক সমার্থবাচক?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. অমাবস্যার চাঁদ; আকাশ কুসুম
      2. বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী
      3. রুই-কাতলা; কেউ কেটা
      4. বক ধার্মিক; ভিজে বেড়াল

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      অমাবস্যার চাঁদ (অদৃশ্য বস্তু), আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)। বক ধার্মিক (ভণ্ড), বিড়াল তপস্বী (ভণ্ড)। রুই-কাতলা (নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ), কেউ কেটা (সামান্য), ভিজে বেড়াল (কপটচারী)। অর্থাৎ বক ধার্মিক ও বিড়াল তপস্বী শব্দযুগল সর্বাধিক সমার্থবাচক।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: বক ধার্মিক; বিড়াল তপস্বী। এই বাগধারা যুগলটি সর্বাধিক সমার্থবাচক।
      বক ধার্মিক বাগধারাটির অর্থ হলো— ভণ্ড ধার্মিক বা কপটচারী। যে ব্যক্তি বাইরে ধার্মিকতার ভান করে কিন্তু ভেতরে তার নিষ্ঠুরতা বিদ্যমান।
      একইভাবে, বিড়াল তপস্বী বাগধারাটির অর্থও হলো— ভণ্ড বা কপটচারী। বিড়াল যেমন চোখ বন্ধ করে তপস্যা করার ভান করে কিন্তু সুযোগ পেলেই মাছ চুরি করে, তেমনি এই ধরনের ব্যক্তিরা ভণ্ডামি করে থাকে।
      অপর জোড়াগুলোর সমার্থক সম্পর্ক ততটা গভীর নয়। যেমন:
      অমাবস্যার চাঁদ (দুর্লভ বস্তু); আকাশ কুসুম (অসম্ভব কল্পনা)।
      বক ধার্মিক (ভণ্ড ধার্মিক); ভিজে বেড়াল (শান্ত থাকার ভানকারী)। যদিও শেষ দুটি কাছাকাছি, তবুও বক ধার্মিক এবং বিড়াল তপস্বী হলো ভণ্ডামির শ্রেষ্ঠ ও সর্বাধিক সমার্থক উদাহরণ।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      16

      বাংলা সাহিত্যের সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. নাটক
      2. ছোট গল্প
      3. প্রবন্ধ
      4. গীতি কবিতা

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      বাংলা সাহিত্যের জীবনচক্রে একটি বিশাল সময়জুড়ে গীতি কবিতা সৃষ্টি ও সমৃদ্ধ হয়েছে। অন্যান্য বিষয়াদি এতো ব্যাপক সময়ব্যাপী বিকাশ লাভ করেনি।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: গীতি কবিতা
      বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস পর্যালোচনা করলে দেখা যায়, কবিতা বা কাব্যই হলো এর সবচেয়ে প্রাচীন, অবিচ্ছিন্ন এবং দীর্ঘকালের সমৃদ্ধ ধারা। চর্যাপদ (প্রাচীন যুগ) থেকে শুরু করে বৈষ্ণব পদাবলি (মধ্যযুগ) হয়ে আধুনিক যুগের সূচনাও হয়েছিল কাব্যের হাত ধরে।
      আধুনিক যুগে মাইকেল মধুসূদন দত্ত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং কাজী নজরুল ইসলামের মতো ব্যক্তিত্বরা এই ধারাটিকে বিশ্বমানের করে তোলেন। বিশেষত, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের গীতি কবিতা (গীতাঞ্জলি) তাকে নোবেল পুরস্কার এনে দেয় এবং বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বের দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করে।
      অন্যদিকে, ছোটগল্প, নাটক বা প্রবন্ধের যাত্রা অনেক পরে শুরু হলেও, কবিতার মতো অতটা সময় ধরে ধারাবাহিক সমৃদ্ধি লাভ করেনি। তাই গীতি কবিতাকেই সর্বাধিক সমৃদ্ধ ধারা হিসেবে গণ্য করা হয়।
      17

      মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম বাংলা কাব্য-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ইউসুফ জুলেখা
      2. রসুল বিজয়
      3. নূরনামা
      4. শবে মেরাজ

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রাচীনতম মুসলমান কবি শাহ মুহম্মদ সগীর। তিনি আনুমানিক পঞ্চদশ শতাব্দীর কবি। ‘ইউসুফ-জুলেখা’ তার বিখ্যাত রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান। তিনি পারস্য কবি আবদুর রহমান জামি রচিত ‘ইউসুফ ওয়া জুলায়েখা’ থেকে কাহিনি গ্রহণ করেছেন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ইউসুফ জুলেখা
      বাংলা সাহিত্যে মুসলমান কবি রচিত প্রাচীনতম কাব্য হলো ইউসুফ জুলেখা। এই কাব্যটি রচনা করেন কবি শাহ মুহম্মদ সগীর
      কাব্যটি চতুর্দশ শতকের শেষার্ধে (কিংবা পঞ্চদশ শতকের প্রথমার্ধে) রচিত বলে ধারণা করা হয় এবং এর পৃষ্ঠপোষক ছিলেন গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
      এই কাব্যটি মূলত ফার্সি কবি ফেরদৌসীর 'ইউসুফ জুলেখা' কাব্যের ভাবানুবাদ, যা রোমান্টিক প্রণয়কাব্য ধারার অন্তর্ভুক্ত।
      অন্যান্য অপশন যেমন রসুল বিজয় (শেখ চান্দ/সৈয়দ সুলতান), নূরনামা (আব্দুল হাকিম) কিংবা শবে মেরাজ (সৈয়দ সুলতান) এর চেয়ে অনেক পরে রচিত।
      18

      বাংলা ভাষা এই শব্দ দুটি গ্রহণ করেছে চীনা ভাষা হতে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. চাকু, চাকর
      2. খদ্দর, হরতাল
      3. চা, চিনি

      4. রিকশা, রেস্তোঁরা

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো অপশন ৩:

      চা, চিনি

      । এই শব্দ দুটি বাংলা ভাষায় সরাসরি চীনা ভাষা থেকে গ্রহণ করা হয়েছে।
      চীনকে চায়ের উৎপত্তিস্থল বা জন্মভূমি হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাই চা ও চিনি সংক্রান্ত শব্দগুলো সহজেই চীনা ভাষার শব্দ হিসেবে চিহ্নিত করা যায়।
      অন্যান্য অপশনগুলোর উৎস:
      ১. চাকু শব্দটি তুর্কি এবং চাকর শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
      ২. খদ্দরহরতাল এই দুটি শব্দই গুজরাটি ভাষা থেকে এসেছে। (হরতাল শব্দটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ)।
      ৪. রিকশা শব্দটি জাপানি এবং রেস্তোঁরা শব্দটি ফরাসি ভাষা থেকে বাংলা গ্রহণ করেছে।
      19

      ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ভাষাতত্ত্ববিদ
      2. সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা
      3. ইসলাম প্রচারক
      4. সমাজ সংস্কারক

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রধানত ভাষাতত্ত্ববিদ। তিনি ছিলেন অধ্যাপক, গবেষক, বহুভাষাবিদ, লেখক ও সম্পাদক। তিনি ‘বাঙ্গালা ভাষার ইতিবৃত্ত’, ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের কথা’, ‘বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ রচনা করেন। এছাড়া ইসলামী ভাবধারায় তার বেশ কিছু প্রবন্ধ রয়েছে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: ভাষাতত্ত্ববিদ
      ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫–১৯৬৯) ছিলেন ভারতীয় উপমহাদেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ভাষাবিজ্ঞানী, শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক। তাঁর মূল পরিচিতি এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতি আসে প্রধানত ভাষাতত্ত্ববিদ হিসেবেই।
      তিনি ছিলেন বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের ইতিহাসের একজন প্রধান রচয়িতা হলেও, তার পাণ্ডিত্য ও গবেষণা মূলত ভাষাতত্ত্বকেন্দ্রিক ছিল। যেমন: তিনি প্রমাণ করেন বাংলা ভাষার উৎপত্তির সময়কাল ৬৫০ খ্রিস্টাব্দ (যা ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতের চেয়ে ভিন্ন)।
      সুতরাং, অন্য অপশনগুলো (সাহিত্যের ইতিহাস রচয়িতা, ইসলাম প্রচারক, সমাজ সংস্কারক) গৌণ, তাঁর প্রধান পরিচয় ভাষাতত্ত্ববিদ (Linguist) হিসেবে।
      20

      “এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি” এর রচয়িতা-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. জহির রায়হান
      2. গাফ্ফার চৌধুরী
      3. শামসুর রাহমান

      4. মাহবুব আলম চৌধুরী

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      একুশের প্রথম কবিতা ‘কাঁদতে আসিনি, ফাঁসির দাবি নিয়ে এসেছি’ রচনা করেন মাহবুব-উল-আলম চৌধুরী। এই কবিতারই অংশ উল্লিখিত কবিতাংশটি। কবিতাটি হাসান হাফিজুর রহমান এর একুশের প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ তে প্রকাশিত হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: মাহবুব আলম চৌধুরী
      প্রদত্ত পঙক্তিটি (“এখানে যারা প্রাণ দিয়েছে রমনার ঊর্ধমুখী কৃষ্ণচূড়ার নীচে সেখানে আমি কাঁদতে আসিনি”) তাঁর বিখ্যাত কবিতা "কাঁদতে আসিনি ফাঁসির দাবী নিয়ে এসেছি"-এর অংশ।
      এটি ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন নিয়ে রচিত প্রথম কবিতা হিসেবে পরিচিত এবং ভাষা আন্দোলনের পরপরই এটি লেখা হয়।
      অন্যান্য বিকল্প প্রসঙ্গে: আবদুল গাফ্ফার চৌধুরী অমর একুশের গান "আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি"-এর রচয়িতা। শামসুর রাহমান ভাষা আন্দোলন নিয়ে “বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা”সহ বহু গুরুত্বপূর্ণ কবিতা লিখেছেন।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      21

      What is the verb of the word ‘Shortly’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Short
      2. Shorter
      3. Shorten
      4. Shortness

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      Shortly-সংক্ষেপে, অল্প কথায়। choice, (ক) short- ছোট, খাটো, (adjective)। (খ) Shorter- অপেক্ষাকৃত ছোট (Adjective)। (গ) Shorten- ছোট করা, সীমিত করা, সংক্ষিপ্ত করা (এটি Verb)। (ঘ) Shortness- ছোটত্ব, খাটত্ব (Noun)। সুতরাং সঠিক উত্তর (গ)।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: Shorten
      প্রদত্ত শব্দ ‘Shortly’ হলো একটি Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ), যা মূল শব্দ ‘Short’ (Adjective) এর সাথে ‘-ly’ যোগ করে গঠিত।
      আমাদেরকে ‘Short’ এর ক্রিয়া বা Verb রূপটি জানতে হবে। সাধারণত Adjective-এর সাথে ‘-en’ প্রত্যয় (Suffix) যোগ করে Verb গঠন করা হয়।
      অতএব, Short (Adjective) + en = Shorten (Verb)। Shorten অর্থ হলো সংক্ষেপ করা বা ছোট করা।
      অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন Parts of Speech নির্দেশ করে:
      Short ightarrow ightarrow Adjective (বিশেষণ)।
      Shortness ightarrow ightarrow Noun (বিশেষ্য)।
      Shorter ightarrow ightarrow Comparative Adjective।
      22

      Choose the correct sentence-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Let he and you be witnesses
      2. Let you and him be witnesses
      3. Let you and he be witnesses
      4. Let you and he be witness

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      Let শব্দটির পর pronoun-এর objective form বসে। এখানে, he-এর objective form ‘him’ তাই সঠিক উত্তর (খ)। সাধারণত Pronoun সর্বদা প্রথমে 2nd, এর পর 3rd, সবশেষে 1st person অনুযায়ী বসে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Let you and him be witnesses
      এই বাক্যটি শুদ্ধ হওয়ার মূল কারণ দুটি ব্যাকরণগত নিয়মের সঠিক প্রয়োগ:
      ১. Objective Case (কর্মকারক): বাক্যের শুরুতে যখন 'Let' শব্দটি ব্যবহৃত হয়, তখন এটি একটি Transitive Verb হিসেবে কাজ করে। নিয়ম অনুযায়ী, 'Let'-এর পরে সর্বদা Pronoun-এর Objective Form (me, him, her, us, them) বসাতে হয়।
      ২. Eliminating Options:
      Option (A) ও (C) তে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে, যা Subjective Form (কর্তৃকারক)। এটি ভুল। 'he'-এর Objective Form হলো 'him'
      Option (D) তে 'he' ব্যবহার করা হয়েছে এবং 'witness'-কে একবচন রাখা হয়েছে। যেহেতু দুজন ব্যক্তি (you and him) রয়েছে, তাই 'witness'-কে অবশ্যই বহুবচন (witnesses) হতে হবে।
      তাই, একমাত্র Option (B) তে সঠিক Objective Pronoun (you, him) ব্যবহার করা হয়েছে এবং Noun-টি বহুবচন (witnesses) রাখা হয়েছে।
      23

      Choose the correct sentence-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. The matter was informed to the police.
      2. The matter has been informed of the police.
      3. The police was informed of the matter.
      4. The police were informed of the matter.

      সঠিক উত্তর: ঘ

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: The police were informed of the matter. (অপশন ৪)।
      এই বাক্যটি দুটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাকরণগত নিয়ম অনুসরণ করে:
      ১. Subject-Verb Agreement (কর্তা-ক্রিয়া সমন্বয়): 'Police' শব্দটি দেখতে singular হলেও এটি একটি Collective Noun এবং সর্বদা Plural Subject হিসেবে গণ্য হয়। তাই এর পরে সবসময় Plural Verb (যেমন: are, were, have) বসবে। এখানে Past Tense-এ 'was' না বসে 'were' বসবে।
      ২. Appropriate Preposition/Passive Form: 'Inform' verb-টির সঠিক passive রূপ হলো— Someone is informed of something. অর্থাৎ, কাউকে কোনো বিষয় সম্পর্কে জানানো হলে 'inform' এর পরে 'of' preposition টি বসে।
      অপশন ৩ ('The police was informed of the matter') ভুল, কারণ 'police'-এর সাথে 'was' ব্যবহার করা হয়েছে, যা SVA (Subject-Verb Agreement) অনুসারে ভুল।
      24

      Who, Which, What are –

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Demonstrative pronoun
      2. Relative pronoun
      3. Reflaxive Pronoun
      4. Indefinite pronoun

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      এখানে (ক) Demonstrative Pronoun (নির্দেশক সর্বনাম): নির্দেশ করে। যেমন this, that, these, those প্রভৃতি। (খ) Relative Pronoun (সাপেক্ষ সর্বনাম): পূর্বপদের সাথে সম্পর্ক সৃষ্টি করে। যেমন who, which, what, whom, whose প্রভৃতি। (ঘ) Reflexive Pronoun (আত্মবাচক সর্বনাম) : কর্তাকে নির্দেশ করে। যেমন: myself, himself, herself ইত্যাদি। (গ) Indefinite Pronoun (অনির্দিষ্ট সর্বনাম) : One, someone, everyone, somebody, nobody ইত্যাদি।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Relative pronoun (আপেক্ষিক সর্বনাম)।
      Who, Which, What - এই তিনটি শব্দ বাক্যের মধ্যে দুটি Clause-কে যুক্ত করে এবং পূর্ববর্তী কোনো Noun বা Pronoun-কে (Antecedent) নির্দেশ করে, তখন এদেরকে Relative Pronoun বলা হয়।
      যেমন: This is the man who stole the watch. (এখানে 'who' পূর্বের 'man' কে নির্দেশ করছে এবং দুটি বাক্যকে যুক্ত করছে।)
      উল্লেখ্য, Who, Which, What শব্দগুলো প্রশ্ন করার জন্য ব্যবহৃত হলে Interrogative Pronoun হয়। কিন্তু প্রশ্নে যেহেতু শুধু শব্দগুলোর ধরন জানতে চাওয়া হয়েছে, এবং এদের রিলেটিভ ও ইন্টারোগেটিভ উভয় ব্যবহারই আছে, তাই এদেরকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শ্রেণীর (যেহেতু অপশনে রিলেটিভ প্রোনাউন আছে) অন্তর্ভুক্ত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তবে পরীক্ষামূলক ব্যবহারে এদের 'Relative Pronoun' হিসেবে চিহ্নিত করাই অধিক প্রচলিত ও সঠিক।
      অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
      Demonstrative Pronoun: এটি কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে নির্দেশ করে (যেমন: This, That, These, Those)।
      Reflexive Pronoun: এটি কর্তা দ্বারা সম্পাদিত কাজ কর্তার ওপর প্রতিফলিত করে (যেমন: Myself, Yourself)।
      Indefinite Pronoun: এটি অনির্দিষ্ট ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝায় (যেমন: Someone, Anybody, Few)।
      25

      Choose the correct one–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Mispel
      2. Misspell
      3. Mispell
      4. Misspel

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      Misspell শব্দের অর্থ ‘ভুল বানান’। Spell অর্থ ‘বানান’ এবং এর পূর্ব Miss বসে মূল শব্দ গঠিত হয়েছে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Misspell (অপশন খ)।
      এটি একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বানান শুদ্ধিকরণের উদাহরণ, যা Prefix (উপসর্গ) ব্যবহারের নিয়ম মেনে চলে।
      এখানে শব্দটি গঠিত হয়েছে Prefix ‘mis-’ (যার অর্থ ভুল/খারাপ) এবং মূল শব্দ ‘spell’ দ্বারা।
      নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো Prefix-এর শেষ অক্ষর এবং Root Word-এর প্রথম অক্ষর একই হয়, তখন বানানে ঐ অক্ষর দুটিই রাখতে হয়
      যেমন: mis + spell = Misspell। (এখানে ‘s’ দুটি থাকবে এবং মূল শব্দ ‘spell’ এ দুটি ‘l’ থাকবে।)
      তাই, সঠিক বানানটি হবে M-i-s-s-p-e-l-l। অন্যান্য অপশনগুলোতে ‘s’ বা ‘l’ এর সংখ্যা ভুল দেওয়া আছে, তাই সেগুলো ভুল।
      ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

      বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

      ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

      ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
      26

      Fill in the blank ‘What is the time ____ your watch’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. by
      2. in
      3. at
      4. with

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      Watch-এর পূর্বে ‘by’ বসে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: by
      যখন কোনো ঘড়ি, দেয়াল ঘড়ি বা অন্য কোনো টাইমপিসে প্রদর্শিত সময় সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয় বা সেই সময়ের উল্লেখ করা হয়, তখন Appropriate Preposition হিসেবে ‘by’ ব্যবহার করা হয়।
      এই বাক্যে 'by' শব্দটির অর্থ হলো 'অনুসারে' বা 'অনুযায়ী' (according to)।
      সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হলো: What is the time by your watch?
      অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ ‘in’, ‘at’, বা ‘with’ এই বিশেষ ক্ষেত্রে ঘড়ির সময় বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
      27

      Fill in the blanks ‘Give my ____ to him’.

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Warm compliment
      2. Compliments
      3. Best compliment
      4. Heartiest compliment

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      Compliment- শ্রদ্ধাসূচক কথা, সৌজন্যসূচক কথা। কিন্তু Compliments- শুভেচ্ছা। সুতরাং (খ) তে s যুক্ত থাকায় সঠিক উত্তর (খ)

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Compliments
      যখন কাউকে বিনয়ের সাথে শুভকামনা বা শুভেচ্ছা জানানো হয়, তখন 'Compliments' শব্দটি বহুবচন (Plural) হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এর অর্থ দাঁড়ায় 'শুভেচ্ছা' বা 'সালাম' (Regard/Greetings)।
      এই ধরনের বাক্যের গঠন একটি Idiomatic Expression বা বাগধারা হিসেবে কাজ করে: Give my Compliments/Regards to someone.
      অন্যদিকে, 'compliment' (একবচন) শব্দের অর্থ হলো প্রশংসা (Praise)। আমরা যখন কারো কাছে শুভেচ্ছা পাঠাই, তখন একাধিক শুভেচ্ছা (compliments) বা শ্রদ্ধা পাঠাই, একটি একক প্রশংসা (compliment) নয়। তাই একবচনে ব্যবহৃত বাকি অপশনগুলো (Warm compliment, Best compliment, Heartiest compliment) এই প্রসঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক ও ভুল
      28

      Who is the greatest modern English dramatist?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Verginia Woolf
      2. George Bernard Shaw
      3. P.B. Shelley
      4. S.T. Coleridge

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      ইংরেজি সাহিত্যাঙ্গনে আধুনিক যুগে যেসব নাট্যকার ছিলেন তাদের মধ্যে George Bernard Shaw ছিলেন সবচেয়ে খ্যাতিমান। তাকে Father of Modern English Drama বলা হয়। ১৯২৫ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: George Bernard Shaw। তিনি ছিলেন একজন আইরিশ বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাট্যকার এবং সমালোচক। তাকেই আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার (Greatest Modern English Dramatist) হিসেবে গণ্য করা হয়।
      Shaw মূলত সামাজিক, রাজনৈতিক এবং নৈতিক বিষয়াবলি নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও বুদ্ধিবৃত্তিক 'Problem Plays' রচনার জন্য বিখ্যাত। তাঁর বিখ্যাত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে Pygmalion, Man and Superman, এবং Mrs. Warren's Profession
      অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Virginia Woolf ছিলেন আধুনিক যুগের একজন প্রভাবশালী ঔপন্যাসিক এবং সাহিত্য সমালোচক, নাট্যকার নন। অন্যদিকে, P.B. Shelley এবং S.T. Coleridge ছিলেন Romantic Period (রোমান্টিক যুগ)-এর বিখ্যাত কবি
      29

      Who is the modern philosopher who was awarded Nobel Prize for literature?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. James Baker
      2. Dr. Kissinger
      3. Bertrand Russel
      4. Lenin

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      Bertrand Russel একজন বিখ্যাত Philosopher ছিলেন। তিনি একই সাথে অনেক বই রচনা করেছেন, যা সাহিত্যগুণসম্পন্ন এবং খুবই বস্তুনিষ্ঠ। তিনি ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান। Marriage and Morals why I am not a christian Road to freedom তাঁর বিখ্যাত বই।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: বার্ট্রান্ড রাসেল (Bertrand Russell)
      বিখ্যাত ব্রিটিশ দার্শনিক, যুক্তিবিদ, গণিতবিদ ও সমাজ সমালোচক বার্ট্রান্ড রাসেল তাঁর মানবিক আদর্শ, স্বাধীন চিন্তাধারা এবং বিবিধ গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য রচনার স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৫০ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
      তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রভাবশালী দার্শনিক এবং তাঁকে আধুনিক দর্শন ও সামাজিক চিন্তার ক্ষেত্রে এক অগ্রণী ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।
      অন্যান্য অপশনগুলো সঠিক নয়, কারণ:
      ড. হেনরি কিসিঞ্জার নোবেল শান্তি পুরস্কার পেয়েছিলেন (১৯৭৩ সালে)। জেমস বেকার একজন আমেরিকান রাজনীতিবিদ এবং লেনিন ছিলেন রাশিয়ার বিপ্লবী নেতা; তাঁরা কেউ সাহিত্যে নোবেল পাননি।
      30

      Who is the author of ‘A Farewell to Arms’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. T.S.Eliot
      2. John Milton
      3. Plato
      4. Ernest Hemingway

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      ‘A Farewell to Arms’ Ernest Hemingway- এর একটি বিখ্যাত উপন্যাস। এ লেখায় তিনি তার যুদ্ধ দেখার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেন। তাঁর অন্যান্য উপন্যাস হচ্ছে- The Sun Also Rises, The Old Man and the Sea, For Whom the Bell Tolls.

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (Ernest Hemingway)
      ‘A Farewell to Arms’ একটি বিখ্যাত যুদ্ধবিরোধী উপন্যাস, যা ১৯২৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পটভূমিতে রচিত এবং এতে প্রেম ও যুদ্ধের বাস্তবতা তুলে ধরা হয়েছে।
      অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ: T.S. Eliot আধুনিক যুগের বিখ্যাত কবি (কবিতা: The Waste Land), John Milton (মহাকাব্য: Paradise Lost) এবং Plato (প্রাচীন গ্রিক দার্শনিক) ভিন্ন সময়ের সাহিত্যিক ও ব্যক্তিত্ব।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      31

      Who is the most famous satirist in English literature?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Alexander Pope
      2. Jonathan Swift
      3. William Wordsworth
      4. Bulter

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      ইংরেজি সাহিত্যে যেসব satirist বা রম্যলেখক আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম Jonathan Swift। তিনি তার Gulliver’s Travels- এর মাধ্যমে সেরা satirist- এর খ্যাতি অর্জন করেছেন। এছাড়াও A Tale of a Tub The Battle of the Book, A Modest Proposal রচনা করেছেন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Jonathan Swift
      Jonathan Swift ইংরেজি সাহিত্যের Augustan Age (Classical Age)-এর অন্যতম প্রধান সাহিত্যিক। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বশ্রেষ্ঠ গদ্য-ব্যঙ্গকার (Greatest Prose Satirist) হিসেবে সুপরিচিত।
      তাঁর ব্যঙ্গাত্মক লেখার মূল উদ্দেশ্য ছিল সমসাময়িক সমাজের ভণ্ডামি, রাজনৈতিক দুর্নীতি এবং মানবজাতির মৌলিক ভুলগুলো তুলে ধরা।
      বিখ্যাত ব্যঙ্গাত্মক রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে Gulliver's Travels, A Tale of a Tub, এবং A Modest Proposal
      অন্যদিকে, Alexander Pope ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি ও Verse Satirist, কিন্তু সামগ্রিক খ্যাতি ও তীব্রতার দিক থেকে Swift সর্বশ্রেষ্ঠ ব্যঙ্গকারের মর্যাদা পান। William Wordsworth ছিলেন রোমান্টিক যুগের কবি, যিনি প্রকৃতির সৌন্দর্য নিয়ে লিখতেন।
      32

      What is the synonym of- ‘Delude’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Demand
      2. Permit
      3. Aggravate
      4. Deceive

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      Delude- প্রতারিত করা, বিভ্রান্ত করা। এখানে (ক) Demand- দাবি করা। (খ) Permit- অনুমোদন করা। (গ) Aggravate- হীনতর করা, অবনতি ঘটানো। (ঘ) Deceive- প্রতারণা করা, বিভ্রান্ত করা।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো- Deceive
      Delude (ভার্ব) অর্থ হলো: কাউকে ভুল বোঝানো, প্রতারণা করা, ঠকানো বা প্রলুব্ধ করা।
      অন্যদিকে, Deceive (ভার্ব) অর্থ হলো: প্রতারিত করা বা কাউকে ভুল ধারণার মাধ্যমে বিশ্বাস করানো। যেহেতু অর্থগতভাবে এরা সমার্থক, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
      অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ সম্পূর্ণ ভিন্ন:
      ১. Demand: দাবি করা।
      ২. Permit: অনুমতি দেওয়া।
      ৩. Aggravate: কোনো সমস্যাকে আরও গুরুতর বা খারাপ করা, উত্তেজিত করা।
      33

      What is the noun of the word ‘Waste’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Waste
      2. Wasting
      3. Wastage
      4. Wasteful

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      Waste- অপচয় করা (verb); Wastage-অপচয় (Noun); Wasteful- অপব্যয়ী, অপচয়ী (Adjective); Wasting- অপচয়, অপচয়ী (Gerund/participle).

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Wastage। অপশন (গ) সঠিক।
      ‘Waste’ শব্দটি Verb (নষ্ট করা) এবং Noun (অপচয়/বর্জ্য) উভয় রূপেই ব্যবহৃত হয়। তবে, যখন একটি Verb এর কার্যকারিতা বা অপচয়ের পরিমাণ বোঝাতে নতুন Noun গঠন করা হয়, তখন সাধারণত নির্দিষ্ট Suffix ব্যবহার করা হয়।
      এক্ষেত্রে, ‘Waste’ (Verb) এর সাথে Noun Suffix ‘-age’ যুক্ত হয়ে ‘Wastage’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ‘Wastage’ একটি Abstract Noun, যার অর্থ অপচয় বা ক্ষয়।
      অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ‘Wasting’ হলো Gerund বা Present Participle এবং ‘Wasteful’ হলো Adjective (অপচয়কারী)।
      34

      What is the antonym of ‘Queer’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Integrated
      2. Orderly
      3. Abnormal
      4. Odd

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      Queer- অস্বাভাবিক, অদ্ভুত, বিচিত্র অসামঞ্জস্যপূর্ণ। choice (ক) Integrated- অখণ্ড, একীভূত, অঙ্গীভূত। (খ) Orderly- নিয়মমাফিক, স্বাভাবিক, সামঞ্জ্যস্যপূর্ণ। (গ) Abnormal- অস্বাভাবিক, ব্যতিক্রমী। (ঘ) Odd- অদ্ভুত, অস্বাভাবিক, দৃষ্টিকটু। কাজেই Queer এর বিপরীত শব্দ হচ্ছে Orderly।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: Orderly (অপশন খ)।
      শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণ:
      Queer (অদ্ভুত, অস্বাভাবিক, বেমানান, বিকৃত, অথবা সমকামী)। যখন এটি কোনো গুণ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন এর প্রধান অর্থ হয় Odd বা Abnormal
      এর বিপরীত শব্দ (Antonym) হবে যা স্বাভাবিকতা বা সুশৃঙ্খলতা বোঝায়।
      Orderly শব্দের অর্থ হলো সুশৃঙ্খল, নিয়মতান্ত্রিক, স্বাভাবিক বা প্রথাগত। এটি ‘Queer’-এর সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বহন করে।
      অন্যান্য অপশনসমূহ:
      Abnormal এবং Odd হলো ‘Queer’-এর সমার্থক শব্দ (Synonym)। তাই এগুলো বিপরীত শব্দ হতে পারে না।
      Integrated অর্থ হলো একত্রিত বা সমন্বিত, যা অর্থের দিক থেকে বিপরীত নয়।
      35

      What is the adjective of the word ‘Heart’?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. Heart
      2. Hearten
      3. Heartening
      4. Heartful

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      Heart শব্দটি Noun এবং এর verb রূপ হচ্ছে Hearten ও Adjective রূপ হচ্ছে Heartening.

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: Heartening। প্রশ্নটি Word Formation (শব্দের রূপান্তর) সম্পর্কিত।
      মূল শব্দটি হলো Heart (Noun/বিশেষ্য), যার অর্থ হৃদয়। এর বিশেষণ (Adjective) রূপ চাওয়া হয়েছে।
      Hearten হলো একটি Verb (ক্রিয়া), যার অর্থ উৎসাহিত করা।
      Heartening হলো Present Participle (V+ing) যা বাক্যে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এর অর্থ হলো উৎসাহব্যঞ্জক বা অনুপ্রেরণামূলক (Inspiring confidence or encouragement)। যেমন: 'The news was heartening.'
      সাধারণত 'Heart' শব্দের প্রধান Adjective রূপ হলো Hearty (আন্তরিক/জোরদার), কিন্তু অপশনে না থাকায় এবং বাক্যে উৎসাহমূলক অর্থে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য Heartening সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      36

      ঢাকা থেকে সরাসরি নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনটির নাম-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস
      2. পারাবত এক্সেপ্রেস
      3. উপকূল এক্সপ্রেস
      4. সৈকত এক্সপ্রেস

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস ঢাকা-কিশোরগঞ্জ, পারাবত এক্সপ্রেস ঢাকা-সিলেট, উপকূল এক্সপ্রেস ঢাকা-নোয়াখালী যাওয়ার আন্তঃমহানগরীয় ট্রেনের নাম।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো উপকূল এক্সপ্রেস
      উপকূল এক্সপ্রেস (Upakul Express) ট্রেনটি ঢাকা (কমলাপুর) থেকে সরাসরি নোয়াখালী জেলার মাইজদীকোর্ট পর্যন্ত চলাচল করে। এটি নোয়াখালীর প্রধান আন্তঃনগর ট্রেন সার্ভিস।
      অন্যান্য অপশনগুলোর রুট ভিন্ন:
      পারাবত এক্সপ্রেস: ঢাকা থেকে সিলেট পর্যন্ত যায়।
      এগার সিন্দুর এক্সপ্রেস: ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত চলাচল করে।
      সৈকত এক্সপ্রেস: এটিও নোয়াখালী রুটে চলাচলকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেন, তবে 'উপকূল এক্সপ্রেস' নোয়াখালীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত এবং প্রশ্নে সরাসরি আন্তঃমহানগরীয় ট্রেন হিসেবে উপকূল এক্সপ্রেসকেই সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়।
      37

      বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. পাথরচাওলি
      2. হাইল
      3. চলনবিল
      4. হাকালুকি

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় হাওড় হাকালুকি। সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ, বিয়ানিবাজার, ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ এবং মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা, কুলাউড়া প্রভৃতি উপজেলা নিয়ে এ হাওড়ের বিস্তৃতি।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো হাকালুকি হাওর
      এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম হাওর হিসেবে সুপরিচিত। এর মোট আয়তন প্রায় ১৮,৩৮৬ হেক্টর (মতান্তরে এর চেয়ে বেশিও পাওয়া যায়) এবং এর কেন্দ্রে রয়েছে ছোট-বড় প্রায় ২৩৮টি বিল
      হাকালুকি হাওরটি মূলত সিলেট এবং মৌলভীবাজার জেলার মোট ৫টি উপজেলা জুড়ে বিস্তৃত।
      উল্লেখ্য, অপশনে থাকা চলনবিল হলো বাংলাদেশের বৃহত্তম বিল (জলাভূমি), যা নাটোর, সিরাজগঞ্জ ও পাবনা জেলায় অবস্থিত। প্রশ্নটি বৃহত্তম হাওর সম্পর্কে হওয়ায় হাকালুকি সঠিক উত্তর।
      38

      কিওক্রাডং-এর উচ্চতা প্রায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ১০১০ মিটার
      2. ১৫৩০ মিটার
      3. ১২৩২ মিটার
      4. ১৩৬৪ মিটার

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      টেক্সট বুক বোর্ড প্রকাশিত মাধ্যমিক ভূগোল বইয়ের তথ্য মতে, কিওক্রাডং- এর উচ্চতা ১২৩০ মিটার বা ৪০৫৩.৪৩ ফুট। অন্যদিকে, বান্দরবান জেলা প্রশাসকের ওয়েবসাইট www.dcbandarban.gov.bd-এর তথ্য মতে, কিওক্রাডং-এর উচ্চতা ৮৮৩ মিটার। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্বতশৃঙ্গ।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: ১২৩২ মিটার। কিওক্রাডং হলো বাংলাদেশের বান্দরবান জেলার রুমা উপজেলায় অবস্থিত একটি পর্বতশৃঙ্গ।
      সরকারি ও একাডেমিক উৎস অনুযায়ী, কিওক্রাডং-এর উচ্চতা সাধারণত ১২৩২ মিটার (প্রায় ৪,০৪০ ফুট) হিসেবে স্বীকৃত।
      যদিও বর্তমানে স্যাটেলাইট জরিপ বা জিপিএস ডেটা অনুযায়ী এর উচ্চতা প্রায় ৯৮৬ মিটার দেখানো হয়, কিন্তু বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ১২৩২ মিটার উত্তরটিই আদর্শ হিসেবে গণ্য করা হয়।
      অপশনগুলোর মধ্যে ১৫৩০ মিটার প্রায় সাকা হাফং বা তাজিং ডং-এর কাছাকাছি (বিজয় বা তাজিং ডং এর উচ্চতা ১২৮০ মিটারের বেশি)।
      39

      বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ হচ্ছে প্রায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ১৪ কোটি পাউন্ড
      2. ১৩ কোটি পাউন্ড
      3. ৯.৫ কোটি পাউন্ড
      4. ১০.৫ কোটি পাউন্ড

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      ২০১৬ সালে বাংলাদেশে চা উৎপাদনের পরিমাণ ১৮ কোটি ৭৩ লাখ পাউন্ড বা ৮.৫ কোটি কেজি। বাংলাদেশ চা বোর্ডের তথ্যমতে, ২০২২ সালে চা উৎপাদন ৯.৩৮ কোটি কেজি।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো অপশন (গ) ৯.৫ কোটি পাউন্ড
      বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার প্রশ্নাবলীতে বাংলাদেশে বার্ষিক চা উৎপাদনের একটি প্রচলিত ও ঐতিহাসিক তথ্য হলো ৯.৫ কোটি পাউন্ড (যা প্রায় ৪.৩ কোটি কেজি)। অপশনগুলোর মধ্যে এটিই প্রচলিত উত্তর হিসেবে স্বীকৃত।
      তবে মনে রাখতে হবে, বাস্তবে বাংলাদেশে চা উৎপাদন প্রতি বছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে (২০২৩ সালের তথ্য অনুযায়ী) বাংলাদেশের বার্ষিক চা উৎপাদনের পরিমাণ ৯ কোটি কেজি অতিক্রম করেছে, যা প্রায় ২০০ মিলিয়ন পাউন্ড বা ২০ কোটি পাউন্ডের কাছাকাছি।
      যেহেতু প্রশ্নটি সুনির্দিষ্ট একটি পুরোনো তথ্যকে কেন্দ্র করে, তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৯.৫ কোটি পাউন্ড উত্তরটিই গ্রহণ করতে হবে।
      40

      ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার আয়তন প্রায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৯০ বর্গমাইল
      2. ১০০ বর্গমাইল
      3. ১৬০ বর্গমাইল
      4. ৮০ বর্গমাইল

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      ২৯ নভেম্বর ২০১১ জাতীয় সংসদে স্থানীয় সরকার (সিটি কর্পোরেশন) (সংশোধন) বিল ২০১১ পাশ হওয়ায় বর্তমানে ঢাকায় সিটি কর্পোরেশন দুটি। একটি ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন এবং অন্যটি ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন। উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন- এর আয়তন যথাক্রমে ৮২.৬৪ বর্গ কি.মি. এবং ৪৭.২১ বর্গ কি.মি.। ঢাকা মেট্রোপলিটন সিটির আয়তন ১৫৩০ বর্গ কি.মি.। ১৮৬৪ সালে পৌরসভার মর্যাদা লাভকারী এ শহরটি ১৯৭৮ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ঢাকা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনে উন্নীত হয়। অতঃপর ১৯৯০ সালে এর নামকরণ করা হয় ঢাকা সিটি কর্পোরেশন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ৮০ বর্গমাইল
      এই প্রশ্নটি মূলত ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (DMP)-এর আওতাভুক্ত এলাকাকে নির্দেশ করে। ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকার (DMP jurisdiction) আয়তন হলো প্রায় ২১১.২৫ বর্গ কিলোমিটার
      বর্গমাইলে এই পরিমাপটি দাঁড়ায় প্রায় ৮১.৫ বর্গমাইল। অপশনগুলোর মধ্যে ৮০ বর্গমাইল সংখ্যাটিই সবচেয়ে কাছাকাছি এবং প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।
      মনে রাখবেন, যদি প্রশ্নে 'ঢাকা জেলা' বা 'ঢাকা সিটি কর্পোরেশন'-এর আয়তন জানতে চাওয়া হতো, তাহলে উত্তর ভিন্ন হতো।
      ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

      ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

      ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

      একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
      41

      একটি কাঁচা পাটের গাইটের ওজন-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৩.৫ মণ
      2. ৫ মণ
      3. ৪.৫ মণ
      4. ৫ মণ

      সঠিক উত্তর: ক

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ৩.৫ মণ
      কৃষি ও বাণিজ্য সংক্রান্ত পরিমাপ অনুযায়ী, একটি কাঁচা পাটের গাইটের (Raw Jute Bale) প্রমিত ওজন ধরা হয় ৩.৫ মণ
      কাঁচা পাটের গাইট বলতে বোঝানো হয়, কৃষক জমি থেকে পাট কেটে শুকানোর পর প্রাথমিক স্তরে যে ছোট আঁটি বা গাঁট বাঁধেন।
      যখন এই পাটকে মেশিনের সাহায্যে চাপ দিয়ে (Pressing) রপ্তানির জন্য প্রস্তুত করা হয়, তখন তাকে 'পাকা পাটের গাইট' বা 'বেইল' বলা হয়।
      বিসিএস পরীক্ষায় এই ওজন সংক্রান্ত তথ্যটি প্রায়শই জিজ্ঞাসা করা হয়, তাই এটিকে মুখস্থ রাখা জরুরি।
      42

      গঙ্গা নদীর পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের প্রস্তাব-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. নেপালে জলাধার নির্মাণ
      2. গঙ্গ-ব্রহ্মপুত্রের মধ্যে সংযোগ খাল খনন
      3. বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ
      4. গঙ্গার শাখা নদীসমূহের পানি প্রবাহ বৃদ্ধি

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      গঙ্গা ভারত ও বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত একটি অভিন্ন নদী। ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের জঙ্গিপুর এলাকায় ফারাক্কা বাঁধ চালু করার পর এ নদীর পানি নিয়ে উভয় দেশের মধ্যে টানাপোড়েন শুরু হয়। এ সমস্যা নিরসনকল্পে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দু’একটি স্বল্পমেয়াদি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং তারপর সমঝোতার অভাবে কয়েক বছর চুক্তিহীনভাবে চলতে থাকে। অবশেষে ১৯৯৬ সালে ১২ ডিসেম্বর নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ ভবনে বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ.ডি দেবগৌড়া বাংলাদেশ-ভারত ৩০ বছর মেয়াদি পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষর করেন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: নেপালে জলাধার নির্মাণ
      বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা নদীর পানি বন্টন নিয়ে বহু বছর ধরে সমস্যা বিদ্যমান। বিশেষত শুষ্ক মৌসুমে ফারাক্কা বাঁধের কারণে বাংলাদেশে পানির প্রবাহ মারাত্মকভাবে কমে যায়।
      এই সমস্যার দীর্ঘমেয়াদী সমাধানের জন্য বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক ফোরামে একটি আঞ্চলিক পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে। এই পরিকল্পনার মূল অংশ ছিল—উজান দেশ নেপালে গঙ্গা নদীর শাখা বা উপনদীগুলোর উপর বড় জলাধার বা রিজার্ভার নির্মাণ করা।
      এই জলাধার নির্মাণ করা হলে বর্ষাকালে উদ্বৃত্ত পানি সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে এবং শুষ্ক মৌসুমে সেই সংরক্ষিত পানি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সমানভাবে প্রবাহিত করা যাবে। এটিই ছিল পানি প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত প্রস্তাব।
      অন্যান্য অপশন যেমন, গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্রের সংযোগ খাল ভারতের নদী সংযোগ প্রকল্পের অংশ, যা বাংলাদেশের জন্য নেতিবাচক হতে পারে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গঙ্গা বাঁধ নির্মাণ পানি প্রবাহ বাড়াবে না, বরং তা অভ্যন্তরীণভাবে কাজে লাগাতে পারে।
      43

      ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. দু’দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
      2. দু’দেশের নদীগুলোর পলিমাটি অপসারণ
      3. বন্যা নিয়ন্ত্রণে দু’দেশের মধ্যে সহযোগিতা
      4. দু’দেশের নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      মূলত ভারত ও বাংলাদেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি ও নদী সংক্রান্ত নানা সমস্যা দূরীকরণের লক্ষ্যে ভারত-বাংলাদেশ যৌথ নদী কমিশন গঠিত। যৌথ নদী কমিশনের প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে ১৯৭২ সালের ২৫-২৬ জুন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: দু’দেশের নদীগুলোর নাব্যতা বৃদ্ধি
      যৌথ নদী কমিশন (Joint Rivers Commission - JRC) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৭২ সালের নভেম্বরে। এই কমিশনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হলো দু’দেশের অভিন্ন (Common) নদীগুলোর পানি সম্পদকে সর্বোত্তমভাবে ব্যবহার নিশ্চিত করা, যা নদীর প্রবাহ এবং নাব্যতা বৃদ্ধিকে সরাসরি নির্দেশ করে।
      এছাড়াও JRC-এর কাজের মধ্যে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়ন, নদী ভাঙ্গন রোধ এবং অভিন্ন নদী সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যার দ্বিপাক্ষিক সমাধান করা। কিন্তু নদীগুলোর প্রবাহ ও নাব্যতাকে কাজে লাগিয়ে অর্থনৈতিক সুবিধা গ্রহণ করাই এর মৌলিক উদ্দেশ্য
      বন্যা নিয়ন্ত্রণে সহযোগিতা (অপশন ৩) JRC-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলেও, এটি নাব্যতা বৃদ্ধি ও পানি সম্পদ ব্যবস্থাপনার বৃহত্তর লক্ষ্যের অংশ
      44

      স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলিত হয়েছিল ১৯৭১ সালের-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ২ মার্চ
      2. ২৩ মার্চ
      3. ১০ মার্চ
      4. ২৫ মার্চ

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      ১৯৭১ সালের ২ মার্চ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলায় এক ছাত্র সমাবেশে ডাকসুর ভিপি আ.স.ম. আব্দুর রব বাংলাদেশের পতাকা প্রথম উত্তোলন করেন। শেখ মুজিবুর রহমান ২৩ মার্চ তার বাসভবনে প্রথম জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং একই দিনে দেশব্যাপী জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো ২ মার্চ, ১৯৭১
      ঐতিহাসিক এই দিনে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম পতাকা উত্তোলিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের (Arts Faculty) সামনে।
      পতাকা উত্তোলন করেন তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতা আ.স.ম. আব্দুর রব। এটিই ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকার প্রথম আনুষ্ঠানিক উত্তোলন।
      অনেকে ভুল করে ২৩ মার্চ তারিখটিকে প্রথম পতাকা উত্তোলনের দিন ভাবেন। কিন্তু ২৩ মার্চ ছিল 'প্রতিরোধ দিবস', যেদিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের বাসভবনে দ্বিতীয় ও বহুল প্রচারিতবারের জন্য পতাকা উত্তোলন করেছিলেন।
      45

      ‘গম্ভীরা’ বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের লোকসঙ্গীত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. রাজশাহী
      2. পার্বত্য চট্টগ্রাম
      3. সিলেট
      4. রংপুর

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ এলাকায় গম্ভীরা সংগীতের প্রচলন রয়েছে। সমাজের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরা ও এ সম্পর্কে নানা করণীয় দিক অত্যন্ত সুন্দরভাবে সংগীতের মধ্যে উপস্থাপনই সারাদেশে গম্ভীরার সুপরিচিতির কারণ।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: রাজশাহী। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী লোকসঙ্গীত ‘গম্ভীরা’ মূলত রাজশাহী অঞ্চলের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলাতে অধিক প্রচলিত।
      গম্ভীরা গান মূলত একটি আখ্যানমূলক লোকনাট্য যেখানে দুজন প্রধান চরিত্র থাকে — নানা (দাদু) এবং নাতি
      এই গানে মূলত সমকালীন সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অসঙ্গতিগুলি ব্যঙ্গাত্মক বা হাস্যরসের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।
      অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, সিলেট অঞ্চলে ভাটিয়ালিধামাইল গান, এবং রংপুর অঞ্চলে ভাওয়াইয়া গান অধিক পরিচিত।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      46

      ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদ তৈরি করেছিলেন–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. শায়েস্তা খান
      2. নবাব সলিমুল্লাহ
      3. মির্জা আহমেদ জান
      4. মির্জা গোলাম পীর

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      পুরানো ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায় তারা মসজিদ অবস্থিত। মসজিদটি নির্মাণ করেন মির্জা আহমেদ জান বা মির্জা গোলাম পীর। পরবর্তী ১৯২৬ সালে আলীজান বেপারী নামক একজন ব্যবসায়ী মসজিদটির সংস্কার করেন। আলীজান বেপারী বহু অর্থ ব্যয়ে মসজিদটিকে অলঙ্কৃত করেন, বিশেষ করে সমস্ত মসজিদটি তারকাখঁচিত করেন। এ কারণে এর বর্তমান নাম তারা মসজিদ।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: মির্জা গোলাম পীর
      ঢাকার বিখ্যাত তারা মসজিদটি মুঘল আমলের শেষ দিকে (১৮শ শতকের প্রথম দিকে) নির্মিত।
      মির্জা গোলাম পীর (বা মির্জা আহম্মদ জান) মসজিদটি ১৭০৩-১৭১১ সালের মধ্যে নির্মাণ করেন বলে ধারণা করা হয়।
      মসজিদটির অবস্থান পুরান ঢাকার আরমানিটোলা এলাকায়। শুরুতে এটি আয়তাকার ও সাধারণ নকশার ছিল।
      যদিও শায়েস্তা খান (মুঘল সুবেদার) এবং নবাব সলিমুল্লাহ (আধুনিক ঢাকার নবাব) ঢাকার অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নির্মাণে বা উন্নয়নে জড়িত ছিলেন, কিন্তু তারা মসজিদ নির্মাণের সাথে তাদের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই
      47

      কোন শাসকের সময় থেকে সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চল পরিচিত হয়ে ওঠে বাঙ্গালাহ নামে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ফখরুউদ্দিন মোবারক শাহ
      2. শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
      3. জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবর
      4. ঈসা খান

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      মধ্যযুগীয় বাংলার সুলতানদের মধ্যে এক বিশিষ্ট স্থানের অধিকারী ইলিয়াস শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ বাংলার স্বাধীন সালতানাতকে সুদৃঢ় করেন। জাতি গঠনকারী হিসেবে ইলিয়াস শাহ-ই প্রথম যিনি সাতগাঁও, লখনৌতি ও সোনারগাঁ অঞ্চলকে একত্রিত করে স্বাধীন সালতানাত প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি এ সম্মিলিত রাজ্যের নামকরণ করেন বাঙ্গালাহ এবং এর অধিবাসীদের অভিহিত করেন বাঙালি নামে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্
      বাংলা সালতানাতের ইতিহাসে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ্ (শাসনকাল: ১৩৪২-১৩৫৮ খ্রিষ্টাব্দ) এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। তিনিই প্রথম স্বাধীন সুলতান যিনি বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলকে (যেমন: লক্ষ্মণাবতী, সোনারগাঁও ও সাতগাঁও) একত্রিত করে একটি সুসংহত রাজনৈতিক ঐক্য প্রতিষ্ঠা করেন।
      এই ঐক্যবদ্ধ অঞ্চলকে তিনিই প্রথম 'বাঙ্গালাহ' নামে পরিচিত করেন। এই কারণে তিনি 'শাহ-ই-বাঙ্গালাহ' অথবা 'শাহ-ই-বাঙালিয়ান' (বাঙালীর শাহ) উপাধি ধারণ করেছিলেন।
      এই উপাধি থেকেই সমগ্র বাংলা ভাষাভাষী অঞ্চলের পরিচয় সুদৃঢ় হয়।
      অন্যান্য অপশন: ফখরুউদ্দিন মোবারক শাহ্ (১৩৩৮ খ্রি.) সর্বপ্রথম স্বাধীন সুলতান হিসেবে আবির্ভূত হন, কিন্তু তিনি সমগ্র বাংলা একত্রিত করেননি। জালালুদ্দিন মুহাম্মদ আকবর মোগল সম্রাট ছিলেন এবং তার সময় বাংলায় 'সুবা বাঙ্গালাহ' নামকরণ হয়, কিন্তু নামটি জনপ্রিয় করার কৃতিত্ব ইলিয়াস শাহের।
      48

      বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান পাওয়া গেছে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. জামালগঞ্জে
      2. জকিগঞ্জে
      3. বিজয়পুরে

      4. রানীগঞ্জে

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      বাংলাদেশের ভূগর্ভস্থ কয়লা সম্পদের অস্তিত্ব প্রথম প্রমাণিত হয় ১৯৫৯ সালে বগুড়ায় তেল অনুসন্ধানে খনন কাজ চালানোর মাধ্যমে। এই খনন কাজের ফলাফলের ওপর ভিত্তি করে ১৯৬১ সালে জাতিসংঘের সহায়তায় পরিচালিত হয় খনিজসম্পদ জরিপ। আবিষ্কৃত হয় জামালগঞ্জের কয়লা।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: জামালগঞ্জ
      বাংলাদেশের উন্নতমানের কয়লার সন্ধান সর্বপ্রথম জামালগঞ্জে (জয়পুরহাট জেলা) পাওয়া যায়। এটি আবিষ্কার হয় ১৯৬২ সালে।
      জামালগঞ্জের কয়লা ক্ষেত্রটি বাংলাদেশের সবচেয়ে প্রাচীন আবিষ্কৃত কয়লা ক্ষেত্র এবং এটির কয়লা বিটুমিনাস প্রকৃতির (উন্নতমানের)।
      উল্লেখযোগ্য যে, রানীগঞ্জ ভারতের পশ্চিমবঙ্গের একটি বিখ্যাত কয়লা ক্ষেত্র, বাংলাদেশের নয়।
      বিজয়পুর (নেত্রকোনা) কয়লার জন্য নয়, বরং সাদা মাটি বা চিনা মাটি (Kaolin) মজুদের জন্য বিখ্যাত।
      49

      বাংলাদেশের চীনামাটির সন্ধান পাওয়া গেছে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. রানীগঞ্জে
      2. বিজয়পুরে
      3. টেকেরহাটে
      4. বাগালীবাজারে

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      পাকিস্তান ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর (বর্তমান বাংলাদেশ ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর) ১৯৫৭ সালে নেত্রকোনা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার ভেদিকুরা নামক স্থানে প্রথম চীনামাটির সন্ধান লাভ করে। এ চীনামাটিকে বিজয়পুর চীনামাটি নামকরণ করা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: বিজয়পুর
      বাংলাদেশের চীনামাটি (China Clay) বা কাওলিন (Kaolin) এর প্রধান ও বৃহৎ ভান্ডার নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলার বিজয়পুর এলাকায় পাওয়া যায়। এটি মূলত সাদা মাটি নামে পরিচিত, যা সিরামিক শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
      এটি সাধারণত গারো পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
      অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন খনিজের সাথে সম্পর্কিত:
      • টেকেরহাটে: প্রধানত চুনাপাথর (Limestone) পাওয়া যায় (সুনামগঞ্জ)।
      • রানীগঞ্জে: এটি ভারতে অবস্থিত একটি গুরুত্বপূর্ণ কয়লা খনি অঞ্চল। বাংলাদেশে কয়লা পাওয়া যায় বড়পুকুরিয়া বা জামালগঞ্জে
      50

      মহাস্থানগড় এক সময় বাংলার রাজধানী ছিল, তখন তার নাম ছিল-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. মহাস্থান
      2. কর্ণসুবর্ণ
      3. পুণ্ড্রনগর
      4. রামাবতী

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হলো বগুড়া জেলায় অবস্থিত মহাস্থানগড়, যা একসময় মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল। তখন এর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্রনগর
      বর্তমান মহাস্থানগড় হলো প্রাচীন বাংলার বিখ্যাত পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী। প্রাচীনকালে এর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর বা পুণ্ড্রবর্ধন
      এই রাজধানীটি বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের সমৃদ্ধি শুরু হয়েছিল মৌর্য আমল থেকে এবং এটি পাল আমল পর্যন্ত বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল।
      অন্যদিকে, কর্ণসুবর্ণ ছিল প্রাচীন বাংলার অন্যতম শক্তিশালী শাসক শশাঙ্কের রাজধানী। রামাবতী ছিল পাল রাজা রামপালের দ্বিতীয় রাজধানী।
      গৃহশিক্ষকদের জন্য

      টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

      চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

      প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
      51

      শহরের রাস্তায় ট্রাফিক লাইট যে ক্রম অনুসারে জ্বলে তা হলো-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. লাল-সবুজ-হলুদ-লাল-সবুজ
      2. লাল-হলুদ-সবুজ-লাল-হলুদ
      3. লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল
      4. লাল-হলুদ-লাল-সবুজ-হলুদ

      সঠিক উত্তর: গ

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: লাল-হলুদ-সবুজ-হলুদ-লাল। এটি ট্রাফিক লাইটের একটি সম্পূর্ণ চক্রের সাধারণ ক্রম।
      ট্রাফিক লাইটে সাধারণত তিনটি রঙের আলো ব্যবহৃত হয়, যার প্রত্যেকটির নির্দিষ্ট তাৎপর্য রয়েছে:
      ১. লাল (Red): এটি থামুন বা STOP নির্দেশ করে।
      ২. হলুদ (Yellow): এটি সতর্কতা বা প্রস্তুতি নির্দেশ করে। এটি সবুজ হওয়ার ঠিক আগে এবং লাল হওয়ার ঠিক আগে জ্বলে ওঠে।
      ৩. সবুজ (Green): এটি যান চলাচলের অনুমতি বা GO নির্দেশ করে।
      সম্পূর্ণ চক্রে, লাল আলোর পর হলুদ আলো জ্বলে (সবুজ হওয়ার প্রস্তুতি), তারপর সবুজ হয়। আবার, সবুজ আলো নিভে যাওয়ার আগে থামার প্রস্তুতি হিসেবে হলুদ আলো জ্বলে, তারপর লাল হয়।
      তাই ক্রমটি হলো: লাল → হলুদ → সবুজ → হলুদ → লাল
      52

      বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখির মাজার অবস্থিত–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. মহাস্থানে
      2. শাহজাদপুরে
      3. নেত্রকোণায়
      4. রামপালে

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      বিখ্যাত ‘শাহ সুলতান বলখী মাহীসাওয়ার’ ক্ষত্রীয় নরপতি পরশুরামকে পরাজিত করে এখানে ইসলামের বিজয় পতাকা উড্ডীন করেন। তার মাজারটি মহাস্থানের দক্ষিণ- পূর্ব কোণে অবস্থিত। মহাস্থানগড়ের প্রধান নিদর্শনগুলো হলো বৈরাগীর ভিটা, গোবিন্দ ভিটা, খোদাই পাথর ভিটা, সভাবাটি, শীলা দেবীর ঘাট, পরশুরামের প্রাসাদ ইত্যাদি।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: মহাস্থান
      বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখি (রঃ) এর মাজার বা সমাধি বগুড়া জেলার শিবগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত। এই স্থানটি প্রাচীন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান মহাস্থানগড় এর পাশেই অবস্থিত।
      শাহ সুলতান বলখি-কে অনেক সময় মাহী সওয়ার নামেও অভিহিত করা হয়, কারণ লোককথা অনুযায়ী তিনি মাছের পিঠে চড়ে এই অঞ্চলে এসেছিলেন।
      তিনি প্রায় ১০৪৫ খ্রিষ্টাব্দে মহাস্থানগড়ে এসেছিলেন এবং এখানকার তৎকালীন হিন্দু রাজা পরশুরামকে পরাজিত করে এই অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন।
      অন্যান্য বিকল্প: শাহজাদপুর (পাবনা) বিখ্যাত সাধক শাহ মাখদুম শাহ দৌলা-এর মাজারের জন্য পরিচিত। রামপাল (বাগেরহাট) খান জাহান আলীর স্মৃতি বিজড়িত এলাকার কাছাকাছি।
      53

      জাপান পার্ল হারবার আক্রমণ করে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১
      2. ২৩ জুন, ১৪৪২
      3. ৩ নভেম্বর, ১৯৪২
      4. ২৬ জুলাই, ১৯৪৩

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন অক্ষশক্তির অন্যতম জাপান নিজস্ব প্রভাব বলয় সম্প্রসারণের জন্য মার্কিন নৌ ঘাঁটি পার্ল হারবারে ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ বোমা বর্ষণ করে। প্রতিক্রিয়ায় ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১ যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে অংশ নেয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১
      দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তার করার লক্ষ্যে জাপান সাম্রাজ্য যুক্তরাষ্ট্রের নৌঘাঁটি পার্ল হারবার (Pearl Harbor)-এ আকস্মিক বিমান হামলা পরিচালনা করে।
      এই হামলাটি ৭ ডিসেম্বর, ১৯৪১ তারিখে সংঘটিত হয়। জাপান মনে করেছিল এই হামলায় আমেরিকার প্যাসিফিক নৌবহর ধ্বংস হয়ে গেলে তারা দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় সহজে সামরিক দখল প্রতিষ্ঠা করতে পারবে।
      এই হামলার ঠিক পরের দিন ৮ ডিসেম্বর, ১৯৪১, যুক্তরাষ্ট্র আনুষ্ঠানিকভাবে জাপানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে এবং সরাসরি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে (WWII) যোগ দেয়। এই ঘটনা বিশ্বযুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।
      54

      সৌদি আরবে আমেরিকান সৈন্য মোতায়েনের উদ্দেশ্য-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ইরাকের আক্রমণ হতে সৌদি আরবকে রক্ষা করা
      2. ইরাকের কুয়েত দখল অবসান করা
      3. স্বল্পমূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা
      4. উপরের সবকটি

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      ১৯৯০ সালের ২ আগস্ট ইরাক কুয়েত দখল করলে সৌদি আরবের নিরাপত্তা- বিধানকল্পে যুক্তরাষ্ট্র সৌদি ভূখণ্ডে সৈন্য মোতায়েন করে এবং পরবর্তীতে কুয়েত মুক্তকরণকে অন্যতম লক্ষ্য নির্ধারণ করে। শিল্পোন্নত দেশগুলোর প্রধান জ্বালানি উপাদান খনিজ তেলের নিরাপদ সরবরাহ নিশ্চিতকরণ এবং তেলের মূল্য যাতে না বাড়ে সেজন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ ছিল মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের প্রচ্ছন্ন উদ্দেশ্য।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: উপরের সবকটি। কারণ আমেরিকান সৈন্য মোতায়েনের উদ্দেশ্য ছিল বহুমুখী এবং এগুলি মূলত প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধ (Gulf War, ১৯৯০-৯১) এর প্রেক্ষাপটে গৃহীত হয়েছিল।
      ইরাকের নেতা সাদ্দাম হুসেন কুয়েত দখল করার পর, পশ্চিমা বিশ্ব ভয় পায় যে ইরাক এরপর তেলসমৃদ্ধ সৌদি আরবকেও আক্রমণ করতে পারে।
      প্রথম উদ্দেশ্য ছিল, ইরাকের আক্রমণ হতে সৌদি আরবকে রক্ষা করা (Operation Desert Shield)। সৌদি আরবের নিরাপত্তা নিশ্চিত হলে মধ্যপ্রাচ্যের তেলের উৎস নিরাপদ থাকে।
      দ্বিতীয় উদ্দেশ্য ছিল, সৌদি আরবকে ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করে ইরাকের কুয়েত দখল অবসান করা। এই সামরিক অভিযানের নাম ছিল অপারেশন ডেজার্ট স্টর্ম
      তৃতীয় ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত উদ্দেশ্য ছিল, বিশ্ব বাজারে স্বল্পমূল্যে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিশ্চিত করা। যদি ইরাক সৌদি তেলক্ষেত্রগুলি নিয়ন্ত্রণ করতো, তবে তারা বৈশ্বিক তেলের দামে একচেটিয়া প্রভাব ফেলতে পারত, যা পশ্চিমা অর্থনীতিকে হুমকির মুখে ফেলত। যেহেতু তিনটি কারণই প্রধান উদ্দেশ্য ছিল, তাই সঠিক উত্তর 'উপরের সবকটি'।
      55

      ১১তম এশিয়ান গেমসের উদ্বোধনী ও সমাপনী অনুষ্ঠান যে স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয় তার নাম–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. পিকিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম
      2. বেইজিং স্পোর্টস স্টেডিয়াম
      3. ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং
      4. চায়না স্পোর্টস স্টেডিয়াম

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      উল্লেখ্য, ১৮ তম এশিয়ান গেমস ২০১৮ সালে ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় অনুষ্ঠিত হয়। ১৯তম এশিয়ান গেমস ২০২২ সালে চীনের হাংসু তে অনুষ্ঠিত হয়। ২০তম এশিয়ান গেমস ২০২৬ সালে জাপানে অনুষ্ঠিত হবে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ওয়ার্কার্স স্টেডিয়াম, বেইজিং (Workers' Stadium, Beijing)।
      ১৯৯০ সালে চীনের বেইজিংয়ে ১১তম এশিয়ান গেমস অনুষ্ঠিত হয়। এই প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী ও সমাপনী উভয় অনুষ্ঠানই বেইজিংয়ের এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
      এই স্টেডিয়ামটি বেইজিংয়ে অবস্থিত এবং এটি আন্তর্জাতিক ফুটবল ম্যাচ ও অন্যান্য বড় ইভেন্টের জন্য বিখ্যাত। এটি চীনের প্রথম বৃহৎ আকারের আন্তর্জাতিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার (১১তম এশিয়াড) প্রধান ভেন্যু হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিয়েছে।
      56

      জাতিসংঘে রাষ্ট্রপতির ভাষণ অনুযায়ী বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার কমিয়ে আনা হয়েছে প্রতি হাজারে–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 137
      2. 121
      3. 117
      4. 110

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে বর্তমানে বাংলাদেশে শিশুমৃত্যুর হার প্রতি হাজারে ২১ জন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: ১১৭
      জাতিসংঘের সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (MDG) অর্জনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সফলতা তুলে ধরতে এই হারটি বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফোরামে ব্যবহার করা হয়েছিল। এই সংখ্যাটি মূলত ১৯৯০ সালের প্রেক্ষাপটে প্রতি হাজার জীবিত জন্মে পাঁচ বছরের নিচে শিশুমৃত্যুর হার (Under 5 Mortality Rate - U5MR) হিসেবে উল্লেখ করা হতো।
      এই হারটি ছিল MDG-এর প্রাথমিক বেসলাইন ডেটা, যার ভিত্তিতে বাংলাদেশ লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের জন্য কাজ শুরু করে। যদিও বর্তমানে এই হার অনেক নিচে নেমে এসেছে (যা বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতের অন্যতম বড় সাফল্য), কিন্তু বিগত বছরের প্রশ্নে এই নির্দিষ্ট সংখ্যাটিই সঠিক হিসেবে বারবার এসেছে।
      উল্লেখ্য, অন্যান্য বিকল্পগুলি 1990-এর কাছাকাছি সময়ের অন্যান্য পরিসংখ্যানকে নির্দেশ করে, কিন্তু ১১৭ সংখ্যাটিই শিশুমৃত্যু হারের হ্রাস সংক্রান্ত ঐতিহাসিক সরকারি ভাষণে প্রধানত উঠে এসেছিল।
      57

      শাত-ইল-আরবকে কেন্দ্র করে ইরাক ও ইরানের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির নাম–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. দামেস্ক চুক্তি
      2. আলজিয়ার্স চুক্তি
      3. কায়রো চুক্তি
      4. বৈরুত চুক্তি

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      ইরাক-ইরান উপসাগরীয় যুদ্ধ শুরু হয় ১৯৮০ সালের ২২ সেপ্টেম্বর। শাত-ইল-আরব জলপথের অধিকার নিয়ে এই দুটি উপসাগরীয় দেশের মধ্যে যুদ্ধের সূত্রপাত। জাতিসংঘের আহ্বানে ২৯ আগস্ট ১৯৮৮ ইরাক-ইরান যুদ্ধবিরতি মেনে নেয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: আলজিয়ার্স চুক্তি (Algiers Agreement)
      শাত-ইল-আরব (Shatt al-Arab) হলো পারস্য উপসাগরে পতিত হওয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ জলপথ, যা ইউফ্রেটিস (ফোরাত)টাইগ্রিস (দজলা) নদীর মিলনস্থলে সৃষ্ট। এই জলপথের সার্বভৌমত্ব নিয়ে ইরাক এবং ইরানের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
      এই বিরোধ নিষ্পত্তির লক্ষ্যে ১৯৭৫ সালের ৬ মার্চ আলজেরিয়ার মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষ একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যা আলজিয়ার্স চুক্তি নামে পরিচিত।
      এই চুক্তি অনুযায়ী, শাত-ইল-আরব জলপথের সীমানা নদীর গভীরতম অংশ (Thalweg Line) বরাবর নির্ধারিত হয়, যা মূলত ইরানের পক্ষে গিয়েছিল।
      অন্যান্য চুক্তি যেমন দামেস্ক, কায়রো বা বৈরুত চুক্তি এই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক বিরোধের সাথে সম্পর্কিত নয়।
      58

      ‘৫০০ দিনের প্ল্যান’ বলতে বোঝায় যে এ সময়ে মধ্যে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ‘ওয়ারশ’ জোট ভেঙ্গে দেয়ার প্রকল্প সম্পন্ন করা
      2. রুমানিয়াতে গণতান্ত্রিক প্রথা প্রচলন সম্পন্ন করা
      3. সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
      4. পূর্ব জার্মানি হতে সোভিয়েত সৈন্য প্রত্যাহার সম্পন্ন করা

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      কমিউনিস্ট অর্থনীতিকে বাজার অর্থনীতিতে রূপান্তরের জন্য সোভিয়েত ইউনিয়নে যে প্রকল্প হাতে নেয়া হয় তা হলো ৫০০ দিনের প্লান।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রস্তাবিত বাজার অর্থনীতি প্রচলন সম্পন্ন করা
      ‘৫০০ দিনের প্ল্যান’ (Five Hundred Day Plan) ছিল সোভিয়েত ইউনিয়নের অর্থনৈতিক সংস্কারের জন্য প্রণীত একটি উচ্চাভিলাষী ও দ্রুত পদক্ষেপের পরিকল্পনা।
      ১৯৯০ সালের গ্রীষ্মে প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ স্ত্যানিস্লাভ শাতালিন (Stanislav Shatalin) এই পরিকল্পনাটি তৈরি করেন, যা ‘শাতালিন প্ল্যান’ নামেও পরিচিত।
      এই পরিকল্পনার মূল লক্ষ্য ছিল মাত্র ৫০০ দিনের মধ্যে সোভিয়েত ইউনিয়নের কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত (Command) অর্থনীতি থেকে দ্রুত মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে (Market Economy) সম্পূর্ণ রূপান্তর সম্পন্ন করা, যেন দ্রুত অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা আনা যায়।
      যদিও প্রেসিডেন্ট মিখাইল গর্বাচেভ শুরুতে এটির প্রতি আগ্রহী ছিলেন, কিন্তু পরবর্তীতে তিনি কঠোর পন্থীদের চাপে এটি সম্পূর্ণভাবে বাস্তবায়ন করেননি। তবুও, এটি ছিল সোভিয়েত অর্থনীতির আমূল পরিবর্তনের প্রতীক।
      59

      জেমস গ্রান্টের মতে প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় বিশ্বে প্রতিদিন শিশু মৃত্যুর সংখ্যা-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৪,০০,০০০
      2. ৪০,০০০
      3. ৪৪,০০০
      4. ৫৪,০০০

      সঠিক উত্তর: খ

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ৪০,০০০ (চল্লিশ হাজার)।
      এই পরিসংখ্যানটি মূলত জাতিসংঘের শিশু তহবিল UNICEF-এর প্রাক্তন নির্বাহী পরিচালক জেমস পি. গ্রান্টের (James P. Grant) সময়কালে (১৯৮০-১৯৯৫) ব্যাপকভাবে আলোচিত হয়।
      জেমস গ্রান্ট তাঁর বিভিন্ন রিপোর্টে (বিশেষ করে State of the World's Children Report) উল্লেখ করেন যে, বিশ্বের অনুন্নত দেশগুলোতে তখন প্রতিদিন প্রায় ৪০,০০০ শিশু সামান্য প্রতিরোধযোগ্য পীড়ায় (যেমন: ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হাম, টিটেনাস) মারা যেত।
      তিনি এই পরিসংখ্যানকে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরে 'Child Survival Revolution' শুরু করেন এবং স্বল্পমূল্যের টিকাদান কর্মসূচী ও খাবার স্যালাইন (ORS) প্রচলনের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ শিশুর জীবন বাঁচানোর উদ্যোগ নেন। এই পরিসংখ্যানটি তার কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে পরিচিত।
      বর্তমানে এই সংখ্যাটি বহুলাংশে কমে এসেছে, কিন্তু তৎকালীন প্রেক্ষাপটে ৪০,০০০ ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
      60

      পারস্য উপসাগরের আঞ্চলিক জোটের নাম-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ওএইউ
      2. আরব লীগ
      3. জিসিসি
      4. ওএএস

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      ওএইউ-এর পূর্ণরূপ হলো অর্গানাইজেশন অব আফ্রিকান ইউনিয়ন। জিসিসি হলো গালফ কো অপারেশন কাউন্সিল। জিসিসি কে পারস্য উপসাগরে আঞ্চলিক জোট বলা হয়। ওএএস হলো অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস। আরব লীগ আরব দেশগুলোর একটি সংগঠন।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো জিসিসি (GCC)। জিসিসির পূর্ণরূপ হলো Gulf Cooperation Council (উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ)।
      এটি হলো পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী ছয়টি আরব রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক জোট।
      জিসিসি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮১ সালের ২৫ মে, যদিও এর প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আবুধাবিতে। এই জোটের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো নিজেদের মধ্যে আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ায়।
      অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল হওয়ার কারণ:
      আরব লীগ: এটি বৃহত্তর আরব অঞ্চলের (মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা) জোট, শুধু পারস্য উপসাগরের জন্য নয়।
      ওএইউ (OAU/AU): আফ্রিকান ইউনিয়ন, যা আফ্রিকার দেশগুলোর জোট।
      ওএএস (OAS): অর্গানাইজেশন অব আমেরিকান স্টেটস, যা উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর জোট।
      61

      বাস্তিল দুর্গের পতন ঘটেছিল–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ১৪ জুলাই, ১৭৮৯
      2. ৭ জুন, ১৭৮৮
      3. ৫ অক্টোবর, ১৭৮৮
      4. ২৬ আগস্ট, ১৭৮৮

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুইয়ের শাসনামলের অসাম্য ও অনাচারপূর্ণ সমাজব্যবস্থা এবং রানি অ্যান্টোনয়েটের অপরিণামদর্শী বিলাসিতা ও অর্থব্যয়ের কারণে শ্রমজীবী মানুষের মধ্যে ক্ষুধা, অনাহার ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি পায়। এ অবস্থার প্রেক্ষিতে দার্শনিক রুশো, ভলতেয়ার ও মন্টেস্কুর হৃদয়স্পর্শী আহ্বানে জনগণ ১৪ জুলাই, ১৭৮৯ সালে ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দু বাস্তিল দুর্গ ধ্বংস করে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: ১৪ জুলাই, ১৭৮৯
      এই দিনে ফরাসি জনতা প্যারিসে অবস্থিত বাস্তিল দুর্গে আক্রমণ করে এবং এর পতন ঘটায়।
      ঐতিহাসিকভাবে, বাস্তিল দুর্গ ছিল ফ্রান্সের স্বৈরাচারী রাজতন্ত্রের (Bourbon Monarchy) প্রতীক এবং বন্দিদের কারাগার। এর পতনকে ফরাসি বিপ্লবের (French Revolution) প্রতীকী ও কার্যকর সূচনা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
      এই দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে ১৪ জুলাই ফ্রান্সে জাতীয় দিবস (Bastille Day) হিসেবে পালন করা হয়।
      62

      কঙ্গো প্রজাতন্ত্রের বর্তমান নাম–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. জিম্বাবুয়ে
      2. লিওপোন্ডভিল
      3. জিবুতি
      4. জায়ারে

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      স্বাধীনতাকালীন অর্থাৎ ১৯৬০-১৯৬৪ সাল পর্যন্ত দেশটির নাম ছিল রিপাবলিক অব দ্যা কঙ্গো। পরবর্তীতে ১৯৬৪ সালে নামকরণ করা হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্যা কঙ্গো। আবার ১৯৭১ সালে নামকরণ করা হয় জায়ার। পুনরায় ১৯৯৭ সালের ১৭ মে নামকরণ করা হয় ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব দ্যা কঙ্গো বা গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্র।

      ব্যাখ্যা

      এই প্রশ্নটি কিছুটা বিভ্রান্তিকর। সাধারণত 'কঙ্গো প্রজাতন্ত্র' বলতে রিপাবলিক অফ কঙ্গো (কঙ্গো-ব্রাজাভিল) এবং 'গণপ্রজাতন্ত্রী কঙ্গো' বলতে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো (ডিআরসি / কঙ্গো-কিনশাসা) বোঝানো হয়।
      প্রদত্ত অপশনগুলোতে যে নামগুলো রয়েছে, তা ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অফ কঙ্গো (DRC)-এর ইতিহাসের সাথে সম্পর্কিত।
      সঠিক উত্তর হিসেবে যে অপশনটি দেওয়া হয়েছে (লিওপোন্ডভিল), তা মূলত DRC-এর বর্তমান রাজধানী কিনশাসা-এর পূর্ব নাম। ১৯৬৬ সাল পর্যন্ত এই শহরটি লিওপোন্ডভিল নামে পরিচিত ছিল। এটি দেশের নাম নয়, বরং একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরের নাম।
      যদি প্রশ্নটি DRC-এর পূর্বের সবচেয়ে পরিচিত নাম জানতে চাইতো, তাহলে সঠিক উত্তর হতো জায়ারে (Zaire)। দেশটি ১৯৭১ সাল থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত জায়ারে নামে পরিচিত ছিল।
      কিন্তু অপশনগুলোর মধ্যে যেহেতু লিওপোন্ডভিল DRC-এর ইতিহাসের সাথে সরাসরি যুক্ত, তাই এটিকে ওই অঞ্চলের একটি ঐতিহাসিক নাম হিসেবে বিবেচনা করা যায়। এটি ছিল বেলজিয়ান কঙ্গো (Belgian Congo)-এর রাজধানী।
      উল্লেখ্য, কঙ্গো প্রজাতন্ত্র (কঙ্গো-ব্রাজাভিল) এর রাজধানীর নাম ব্রাজাভিল
      63

      ‘ট্রাফালগার স্কোয়ার’ কোন শহরে অবস্থিত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ওয়াশিংটন
      2. প্যারিস
      3. মস্কো
      4. লন্ডন

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: লন্ডন
      ট্রাফালগার স্কোয়ার (Trafalgar Square) ইংল্যান্ডের রাজধানী লন্ডন শহরের ওয়েস্টমিনস্টার এলাকায় অবস্থিত একটি বিখ্যাত পাবলিক স্কোয়ার। এটি লন্ডনের একটি প্রধান পর্যটন আকর্ষণ এবং রাজনৈতিক সমাবেশের স্থান।
      এই স্কোয়ারটি ১৮০৫ সালে হওয়া ট্রাফালগারের যুদ্ধকে স্মরণ করে তৈরি করা হয়েছিল। এই যুদ্ধে অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনী ফ্রান্স ও স্পেনের মিলিত নৌবহরকে পরাজিত করেছিল।
      স্কোয়ারের কেন্দ্রে নেলসনের সম্মানে নেলসনস কলাম (Nelson's Column) নামক সুবিশাল স্তম্ভটি দাঁড়িয়ে আছে।
      অন্যদিকে, ওয়াশিংটন (যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী), প্যারিস (ফ্রান্সের রাজধানী) এবং মস্কো (রাশিয়ার রাজধানী) এই স্কোয়ারটির অবস্থান নয়। প্রতিটি শহরেই নিজস্ব বিখ্যাত চত্বর বা স্কোয়ার রয়েছে, কিন্তু ট্রাফালগার স্কোয়ার লন্ডনের পরিচয় বহন করে।
      64

      মিশর সুয়েজ খাল জাতীয়করণ করেছিল-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ১৯৫৬ সালে
      2. ১৯৫৫ সালে
      3. ১৯৫৪ সালে
      4. ১৯৫৩ সালে

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম খাল। এটি লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে। ১৮৫৯ সালে খননকাজ শুরু হয়ে ১৮৬৯ সালে শেষ হয়। ২৬ জুলাই ১৯৫৬ মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের জাতীয়করণ করলে ইসরাইল মিশর আক্রমণ করে এবং দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ১৯৫৬ সালে
      তৎকালীন মিশরীয় প্রেসিডেন্ট গামাল আবদেল নাসের আনুষ্ঠানিকভাবে ২৬ জুলাই, ১৯৫৬ তারিখে সুয়েজ খাল কোম্পানিকে জাতীয়করণ করেন।
      এই খালটি পূর্বে ব্রিটেন ও ফ্রান্সের শেয়ারহোল্ডারদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত একটি কোম্পানি দ্বারা পরিচালিত হতো।
      এই জাতীয়করণের মূল উদ্দেশ্য ছিল মিশরের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করা এবং খাল থেকে প্রাপ্ত রাজস্বকে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে ব্যবহার করা।
      এই ঘটনার জের ধরেই পরবর্তীতে ১৯৫৬ সালের অক্টোবর মাসে 'সুয়েজ সংকট' বা দ্বিতীয় আরব-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়।
      65

      ভৌগোলিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি কাল্পনিক রেখা বাংলাদেশের উপর দিয়ে গিয়েছে, সেটি হচ্ছে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. মূল মধ্যরেখা
      2. কর্কট ক্রান্তি রেখা
      3. মকর ক্রান্তি রেখা
      4. আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      নিরক্ষরেখার ২৩৫০২৩.৫০ উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি এবং ২৩৫০২৩.৫০ দক্ষিণ অক্ষাংশকে মকরক্রান্তি রেখা বলে। বাংলাদেশের প্রায় মধ্যভাগ দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা গেছে। লন্ডনে গ্রিনিচ মান মন্দিরের ওপর দিয়ে উত্তরমেরু ও দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত যে মধ্যরেখা অতিক্রম করেছে তাকে মূল মধ্যরেখা বলা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: কর্কট ক্রান্তি রেখা
      কর্কট ক্রান্তি রেখা হলো 23.523.5^{\circ} উত্তর অক্ষাংশ (Tropic of Cancer)। এই কাল্পনিক রেখাটি ভৌগোলিকভাবে বাংলাদেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে।
      বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান মূলত 203420^{\circ} 34' থেকে 263826^{\circ} 38' উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে। যেহেতু 23.523.5^{\circ} অক্ষাংশ এই সীমার ভেতরে পড়ে, তাই রেখাটি দেশের উপর দিয়ে অতিক্রম করে।
      মূল মধ্যরেখা (00^{\circ} দ্রাঘিমা) যুক্তরাজ্যের গ্রিনিচের উপর দিয়ে গেছে। মকর ক্রান্তি রেখা (23.523.5^{\circ} দক্ষিণ অক্ষাংশ) সম্পূর্ণভাবে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত। আন্তর্জাতিক তারিখ রেখা (180180^{\circ} দ্রাঘিমা) মূলত প্রশান্ত মহাসাগরের উপর দিয়ে গিয়েছে। এই রেখাগুলোর কোনটিই বাংলাদেশের উপর দিয়ে অতিক্রম করেনি।
      66

      যে বায়ু সর্বদাই উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয় তাকে বলা হয়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. অয়ন বায়ু
      2. প্রত্যয়ন বায়ু
      3. মৌসুমী বায়ু
      4. নিয়ত বায়ু

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      পৃথিবীর চাপ বলয় দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়ে উচ্চচাপ অঞ্চল হতে নিম্নচাপ অঞ্চলে প্রবাহিত হওয়ার সময় বায়ুর উত্তর গোলার্ধে ডানদিকে এবং দক্ষিণ গোলার্ধে বামদিকে বেঁকে যায়। এভাবে উচ্চচাপ বলয় থেকে নিম্নচাপ বলয়ের দিকে নিয়মিতভাবে যে বায়ু সারা বছর প্রবাহিত হয় তাকে নিয়ত বায়ু বলে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: নিয়ত বায়ু
      বায়ুপ্রবাহের মৌলিক নীতি অনুযায়ী, বায়ু সর্বদা উচ্চচাপ (High Pressure) অঞ্চল থেকে নিম্নচাপ (Low Pressure) অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। চাপের এই পার্থক্যই বায়ুপ্রবাহের কারণ।
      যে সকল বায়ু পৃথিবীর স্থায়ী চাপ বলয়গুলির (Permanent Pressure Belts) প্রভাবে সারা বছর ধরে একটি নির্দিষ্ট পথে ও নির্দিষ্ট দিকে নিয়মিতভাবে প্রবাহিত হয়, তাদের নিয়ত বায়ু (Planetary Wind) বলা হয়। এটিই প্রদত্ত সংজ্ঞার সবচেয়ে উপযুক্ত নাম।
      অয়ন বায়ু (Trade Wind) এবং প্রত্যয়ন বায়ু (Westerlies) হলো নিয়ত বায়ুর প্রকারভেদ। অয়ন বায়ু মূলত ক্রান্তীয় উচ্চচাপ অঞ্চল থেকে নিরক্ষীয় নিম্নচাপ অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হয়। প্রত্যয়ন বায়ু হলো পশ্চিমা বায়ু, যা উপক্রান্তীয় উচ্চচাপ বলয় থেকে সুমেরুবৃত্ত বা কুমেরুবৃত্তের নিম্নচাপ বলয়ের দিকে প্রবাহিত হয়। যেহেতু এরা নিয়ত বায়ুর অংশ, তাই এরা সংজ্ঞাটিকে সম্পূর্ণভাবে বর্ণনা করে না।
      মৌসুমী বায়ু হলো ঋতুভিত্তিক বায়ু, যা নির্দিষ্ট ঋতুতে জল ও স্থলের তাপমাত্রার পার্থক্যের কারণে দিক পরিবর্তন করে। এটি সারা বছর একই পথে প্রবাহিত হয় না।
      67

      শহরের রাস্তায় ট্রাফিক পুলিশ সাধারণত সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করে থাকে কারণ-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. সরকারি নির্দেশ
      2. দূর থেকে চোখে পড়বে বলে
      3. তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
      4. দেখতে সুন্দর লাগে

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      সাদা রঙ অন্যান্য রঙের চেয়ে তাপের বিকিরণ বেশি করে তাই সাদা ছাতাও সাদা জামা ব্যবহৃত হয়। দূর থেকে চোখে পড়ার জন্য হলুদ বা লাল রঙ ব্যবহৃত হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: তাপ বিকিরণ থেকে বাঁচার জন্য
      পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, সাদা রং হলো তাপের (Heat) একটি উৎকৃষ্ট প্রতিফলক এবং নিকৃষ্ট শোষক
      ট্রাফিক পুলিশদের দিনের দীর্ঘ সময় সরাসরি সূর্যের নিচে কাজ করতে হয়। সূর্যের তাপ প্রধানত বিকিরণ (Radiation) প্রক্রিয়ায় পৃথিবীতে আসে।
      যদি তারা সাদা ছাতা ও সাদা জামা ব্যবহার করেন, তবে কাপড়ের ওপর পড়া প্রায় সমস্ত তাপীয় শক্তি প্রতিফলিত হয়ে ফিরে যায়। ফলে তাদের শরীর কম উত্তপ্ত হয় এবং তারা তুলনামূলকভাবে শীতল থাকতে পারেন।
      অন্যদিকে, যদি তারা কালো বা গাঢ় রঙের পোশাক পরতেন, তবে সেই রং তাপ শোষণ করে নিত, ফলে গরম বেশি লাগতো।
      68

      অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন কাজ করে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতিতে
      2. পোলারয়েড ফটোগ্রাফি পদ্ধতি
      3. ডিজিট্যাল ইমেজিং পদ্ধতিতে
      4. স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      ‘পোলারয়েড’ বিশেষভাবে তৈরি স্বচ্ছ মাধ্যম। এর মধ্যে দিয়ে সাধারণ আলো পাঠালে সমবর্তিত আলো পাওয়া যায়। এ সূত্র কাজে লাগিয়ে ফটোকপি মেশিন তৈরি করা হয়। রোদ চশমা, ক্যামেরার লেন্সের সামনে লাগানোর ফিল্টার ইত্যাদিতে আলোর ঝলসানোভাব কমানোর জন্য পোলারয়েডের ব্যবহার রয়েছে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতিতে
      অধিকাংশ ফটোকপি মেশিন একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় কাজ করে, যার বৈজ্ঞানিক নাম হলো জেরোগ্রাফি (Xerography)। 'জেরো' শব্দের অর্থ হলো শুষ্ক (Dry)।
      এই প্রক্রিয়াটি সম্পূর্ণরূপে স্থির বিদ্যুতের (Static Electricity) নীতির উপর নির্ভরশীল। ফটোকপিয়ারের ভেতরে একটি আলোক সংবেদনশীল ড্রাম (Photo-conductive drum) থাকে, যা প্রথমে স্থির বৈদ্যুতিক আধান দ্বারা চার্জিত হয়।
      যখন ডকুমেন্ট স্ক্যান করা হয়, তখন আলোর প্রভাবে ড্রামের আধান শুধু লেখার স্থানগুলোতে অক্ষত থাকে এবং বাকি অংশে বিলীন হয়ে যায়।
      এরপর টনিক পাউডার (Toner) এই আধানযুক্ত অংশের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং কাগজকে চাপ ও তাপের মাধ্যমে সেই টনিক স্থায়ীভাবে স্থানান্তরিত করে কপি তৈরি হয়। তাই এটিকে স্থির বৈদ্যুতিক ইমেজিং পদ্ধতি বলা হয়।
      অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল: অফসেট মুদ্রণ পদ্ধতি বাণিজ্যিকভাবে বই বা ম্যাগাজিন ছাপাতে ব্যবহৃত হয় এবং পোলারয়েড ফটোগ্রাফি তাৎক্ষণিক ছবি তোলার একটি রাসায়নিক পদ্ধতি।
      69

      কোনো বস্তুকে পানিতে সম্পূর্ণভাবে ডুবালে পানিতে যেখানে এটা রাখা যায় সেখানেই এটা থাকে কারণ-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. বস্তুর ঘনত্ব পানি ঘনত্বের চেয়ে বেশি
      2. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম
      3. বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
      4. বস্তু ও পানির ঘনত্বের মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক বিদ্যমান

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      কোনো বস্তু দ্বারা অপসারিত পানি যদি ঐ বস্তুর ওজনের চেয়ে বেশি হয় তাহলে সেই বস্তু পানিতে নিমজ্জিত হবে এবং বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান হলে বস্তুটিকে পানিতে যেখানে রাখা যায় সেখানেই থাকবে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: বস্তুর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের সমান
      পদার্থবিজ্ঞানের প্লবতা নীতি (Principle of Buoyancy) অনুযায়ী, যখন কোনো বস্তুকে তরলে ডোবানো হয়, তখন বস্তুর আচরণ নির্ভর করে বস্তুর ঘনত্ব (ρobj\rho_{obj}) এবং তরলের ঘনত্ব (ρfluid\rho_{fluid}) এর তুলনার উপর।
      যদি বস্তুর ঘনত্ব = তরলের ঘনত্ব (ρobj=ρfluid\rho_{obj} = \rho_{fluid}) হয়, তবে বস্তুর ওজন এবং তরল দ্বারা প্রদত্ত প্লবতা বল (Buoyant Force) পরস্পর সমান হয়।
      এই অবস্থায় বস্তুটির উপর কোনো নিট বল (Net Force) কাজ করে না। ফলে বস্তুটি উপরেও ভেসে ওঠে না, আবার নিচেও ডুবে যায় না। এটিকে নিরপেক্ষ প্লবতা (Neutral Buoyancy) বলা হয়, এবং বস্তুটি পানিতে যেখানে রাখা হয়, সেখানেই স্থির থাকে।
      ভুল অপশন ব্যাখ্যা:
      যদি ঘনত্ব বেশি হতো (অপশন ১), তবে বস্তুটি ডুবে যেত।
      যদি ঘনত্ব কম হতো (অপশন ২), তবে বস্তুটি পানির উপরে ভেসে উঠত।
      70

      যে সর্বোচ্চ শ্রুতি সীমার উপরে মানুষ বধির হতে পারে তা হচ্ছে–

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৭৫ ডিবি
      2. ৯০ ডিবি
      3. ১০৫ ডিবি
      4. ১২০ ডিবি

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      শব্দ উৎসের কম্পন যদি ২০ থেকে ২০,০০০-এর মধ্যে হয় তাহলে মানুষ সেই শব্দ শুনতে পারে। কিন্তু ১০৫ ডিবি সীমার উপর শব্দ মানুষের মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা নষ্ট করে মানুষকে বধির করে দিতে পারে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: ১০৫ ডিবি (Decibel)
      শব্দের তীব্রতা পরিমাপের একক হলো ডেসিবল (dB)। মানুষের কানের জন্য নিরাপদ শব্দের মাত্রা সাধারণত ৮৫ dB এর নিচে।
      সাধারণত, কর্মক্ষেত্রে টানা ৮ ঘণ্টা ৮৫ dB মাত্রার শব্দ শুনলে স্থায়ী ক্ষতির ঝুঁকি শুরু হয়। কিন্তু ১০০ dB থেকে ১১০ dB মাত্রার শব্দে অল্প সময়ের মধ্যেই (যেমন: ১৫ মিনিটের বেশি) কানের সংবেদনশীল কোষগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এবং স্থায়ী বধিরতা (Permanent Deafness) সৃষ্টি হতে পারে।
      প্রশ্নোক্ত অপশনগুলোর মধ্যে, যে মাত্রাটি দ্রুত বধিরতা সৃষ্টি করতে সক্ষম, তা হলো ১০৫ ডিবি
      অন্যদিকে, ৭৫ ডিবি (ব্যস্ত রাস্তায় শব্দের মাত্রা) বা ৯০ ডিবি (ট্রাক বা ফ্যাক্টরির শব্দ) দীর্ঘমেয়াদে ক্ষতিকর হলেও তাৎক্ষণিক বধিরতার কারণ নয়।
      71

      পানিতে নৌকার বৈঠা বাঁকা দেখা যাওয়ার কারণ, আলোর-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন
      2. প্রতিসরণ
      3. বিচ্ছুরণ
      4. পোলারায়ন

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      মাধ্যম পরিবর্তনে আলোক রশ্মি অভিমুখ বদলায়। এর নাম প্রতিসরণ। প্রতিসরণের ফলে লঘু মাধ্যম (বায়ু) থেকে ঘনতর (পানি) মাধ্যমে গেলে প্রতিসৃত রশ্মি আপতন বিন্দুতে অঙ্কিত অভিলম্বের দিকে সরে আসবে। আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণের চেয়ে বড় হবে। ঘন মাধ্যম থেকে লঘুতর মাধ্যমে গেলে আপতন কোণ প্রতিসরণ কোণ থেকে ছোট হবে। আর প্রতিসরণের জন্যেই বৈঠা বাঁকা দেখায়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: প্রতিসরণ (Refraction)
      যখন আলোকরশ্মি একটি মাধ্যম (যেমন, জল) থেকে অন্য একটি মাধ্যমে (যেমন, বাতাস) তীর্যকভাবে প্রবেশ করে, তখন আলোর গতিপথের দিক পরিবর্তিত হয়—এটাই হলো আলোর প্রতিসরণ
      নৌকার বৈঠা যখন আংশিক ডুবে থাকে, তখন বৈঠার জলের নিচের অংশ থেকে আসা আলো প্রথমে জল (ঘন মাধ্যম) থেকে বাতাসে (হালকা মাধ্যম) আসে। আলোকরশ্মি ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে প্রবেশ করার সময় লম্ব থেকে দূরে সরে যায়
      আমাদের চোখ মস্তিষ্কের কাছে এই বাঁকা রশ্মিগুলোকে সরলরেখায় আসে বলে ভুল করে। ফলে বৈঠার আসল অবস্থানের বদলে এটিকে একটু উপরে ও বাঁকা বা ভাঙা দেখায়।
      অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
      পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন: এটি তখনই ঘটে যখন আলো ঘন মাধ্যম থেকে হালকা মাধ্যমে সংকট কোণের চেয়ে বেশি কোণে আপতিত হয় (যেমন, মরিচিকা বা অপটিক্যাল ফাইবার)।
      বিচ্ছুরণ (Dispersion): এটি আলোর বিভিন্ন বর্ণে বিভক্ত হওয়া (যেমন, রামধনু সৃষ্টি)।
      72

      রান্না করার হাড়ি পাতিল সাধারণত এলুমিনিয়ামের তৈরি হয়। এর প্রধান কারণ-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. এটি হালকা ও দামে সস্তা
      2. এটি সব দেশেই পাওয়া যায়
      3. এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
      4. এটি সহজে ভেঙ্গে যায় না এবং বেশি গরম সহ্য করতে পারে

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      এলুমিনিয়াম একটি তাপ সুপরিবাহী পদার্থ। এলুমিনিয়ামের পাত্রে তাপ প্রয়োগ করলে তা সহজেই সমগ্র পাত্রে ছড়িয়ে যায় এবং দ্রুত খাদ্য বস্তু সিদ্ধ হতে সাহায্য করে। তাছাড়া বাণিজ্যিক দিক দিয়েও এলুমিনিয়াম তুলনামূলকভাবে সস্তা।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর: এতে দ্রুত তাপ সঞ্চারিত হয়ে খাদ্যদ্রব্য তাড়াতাড়ি সিদ্ধ হয়
      রান্না করার প্রধান উদ্দেশ্য হলো দ্রুত এবং সমানভাবে খাদ্যকে উত্তপ্ত করা। অ্যালুমিনিয়াম (Aluminum) হলো এমন একটি ধাতু, যা উত্তম তাপ পরিবাহী (Good Conductor of Heat)
      অ্যালুমিনিয়ামের উচ্চ তাপ পরিবাহিতা (High Thermal Conductivity) থাকার কারণে, এটি চুলা থেকে উৎপন্ন তাপকে খুব দ্রুত পাত্রের তলদেশ থেকে খাদ্যদ্রব্যে সঞ্চারিত করে দেয়।
      ফলে রান্না করতে কম সময় লাগে এবং জ্বালানি সাশ্রয় হয়।
      অন্যান্য কারণ যেমন—এটি হালকা ও দামে সস্তা (অপশন ১) বা এটি বেশি গরম সহ্য করতে পারে (অপশন ৪)—এগুলো অ্যালুমিনিয়াম ব্যবহারের গৌণ কারণ। কিন্তু রান্নার মতো কাজের জন্য প্রধান এবং বৈজ্ঞানিক কারণ হলো এর দ্রুত তাপ সঞ্চালনের ক্ষমতা
      73

      গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট বলতে বুঝায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. সূর্যালোকের অভাবে সালোক সংশ্লেষণে ঘাটতি
      2. তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি
      3. প্রাকৃতিক চাষের বদলে ক্রমবর্ধমানভাবে কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা
      4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      বায়ুমণ্ডলে CFC,CO2,CH4 ও N2O প্রভৃতি গ্যাস দ্বারা স্তর সৃষ্টি হওয়ার কারণে বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে তাপ আটকে পড়ে এবং সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। এই তাপমাত্রা বৃদ্ধিজনিত কারণে পৃথিবী পৃষ্ঠে যে প্রভাব পড়ে তাই গ্রিনহাউজ ইফেক্ট।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: তাপ আটকে পড়ে সার্বিক তাপমাত্রা বৃদ্ধি। এটিই গ্রিন-হাউজ ইফেক্টের (Greenhouse Effect) মূল ধারণা।
      গ্রিন-হাউজ ইফেক্ট হলো এমন একটি প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া, যেখানে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের নির্দিষ্ট কিছু গ্যাস (গ্রিন-হাউজ গ্যাস বা GHG) সূর্য থেকে আগত ইনফ্রারেড রেডিয়েশনকে শোষণ করে এবং আটকে রাখে।
      এর ফলে তাপ মহাশূন্যে ফিরে যেতে পারে না, এবং পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি থাকে। এই প্রক্রিয়াটিই বৈশ্বিক উষ্ণায়নের প্রধান কারণ।
      অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: সালোক সংশ্লেষণের ঘাটতি বা কৃত্রিম চাষের প্রয়োজনীয়তা এই ইফেক্টের সরাসরি সংজ্ঞা নয়, বরং এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে।
      74

      রিমোট সেন্সিং বা দূর অনুধাবন বলতে বিশেষভাবে বুঝায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগ দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ
      2. রাডারের সাহায্যে চারদিকের পরিবেশের অবলোকন
      3. কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন
      4. উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      উপগ্রহের সাহায্যে অতিশাব্দিক তরঙ্গ বা আল্ট্রা সাউন্ড ওয়েভের মাধ্যমে কোনো বস্তুকে স্ক্যান করে যে সংকেত পাওয়া যায় তা ব্যবহার বস্তুর অবস্থান তথ্য ও অন্যান্য উপাত্ত বস্তুর সংস্পর্শ ছাড়াই সংগ্রহ করার প্রক্রিয়া কে রিমোট সেন্সিং বলে। এই প্রক্রিয়ায় উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডল অবলোকন করা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: উপগ্রহের সাহায্যে দূর থেকে ভূমণ্ডলের অবলোকন
      রিমোট সেন্সিং (Remote Sensing) বা দূর অনুধাবন বলতে সাধারণত এমন একটি প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়, যেখানে কোনো বস্তু বা অঞ্চলের সাথে সরাসরি ভৌত যোগাযোগ স্থাপন না করে, দূর থেকে সেন্সর (Sensor)-এর মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা হয়।
      এই প্রক্রিয়ায় মূলত উপগ্রহ (Satellite) বা বিমান ব্যবহৃত হয় তথ্য সংগ্রহের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে। সেন্সরগুলো পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে প্রতিফলিত বা বিকিরিত হওয়া শক্তি (সাধারণত তড়িৎ-চৌম্বকীয় তরঙ্গ) পরিমাপ করে ছবি বা উপাত্ত তৈরি করে।
      অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'রেডিও ট্রান্সমিটার সহযোগ দূর থেকে তথ্য সংগ্রহ' অনেক ক্ষেত্রেই টেলিযোগাযোগ হতে পারে, যা সুনির্দিষ্টভাবে রিমোট সেন্সিং নয়। আর 'কোয়াসার প্রভৃতি মহাজাগতিক উৎস থেকে সংকেত অনুধাবন' হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astrophysics)-এর অংশ।
      75

      পালতোলা নৌকা সম্পূর্ণ অন্য দিকের বাতাসকেও এর সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে। কারণ-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ক্রিয়ার বদলে প্রতিক্রিয়াটি ব্যবহৃত হয়
      2. সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
      3. পালের দড়িতে টানের নিয়ন্ত্রণ বিশেষ দিকে বাতাসকে কার্যকর করে
      4. পালের আকৃতিকে সুকৌশলে ব্যবহার করা যায়

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      পালতোলা নৌকা যথাযথভাবে হাল ঘুরিয়ে অন্যদিকের বাতাসকেও সম্মুখ গতিতে ব্যবহার করতে পারে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিকে কার্যকর রাখা হয়
      পালতোলা নৌকা যখন বাতাসের দিকের বিপরীতে যায়, তখন সরাসরি বাতাসকে কাজে লাগায় না। বরং নৌকাটি বায়ুগতির সঙ্গে একটি তির্যক কোণ তৈরি করে পালকে স্থাপন করে (Tacking technique)।
      বাতাস যখন পালের উপর ধাক্কা দেয়, তখন পালে একটি মোট বল (Net Force) উৎপন্ন হয়। ভৌত বিজ্ঞানের সূত্রানুসারে, এই বলকে দুটি উপাংশে ভাগ করা যায় (Vector Resolution)।
      প্রথম উপাংশটি হলো: সম্মুখ দিকে প্রক্ষেপিত বল (Forward Component)—যা নৌকাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যায়।
      দ্বিতীয় উপাংশটি হলো: পার্শ্বীয় দিকে প্রক্ষেপিত বল (Sideways Component)—যা নৌকাকে একদিকে ঠেলে দেয়।
      নৌকার নিচে থাকা খোল বা মাস্তুল (Keel/Centerboard) পার্শ্বীয় বলকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফলে, শুধুমাত্র সম্মুখ অভিমুখে বলের উপাংশটিই কার্যকর থাকে এবং নৌকা অন্য দিকের বাতাসকেও ব্যবহার করে সামনে এগিয়ে যায়।
      76

      সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারিতে সিসার ইলেকট্রোডের সঙ্গে যে তরলটি ব্যবহৃত হয় তা হলো-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. নাইট্রিক এসিড
      2. সালফিউরিক এসিড
      3. এমোনিয়াম ক্লোরাইড
      4. হাইড্রোক্লোরিক এসিড

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      স্টোরেজ ব্যাটারিতে অ্যানোড ও ক্যাথোড হিসেবে তামার ও দস্তার পাত সালফিউরিক এসিডে ডুবিয়ে রাখা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: সালফিউরিক এসিড
      সাধারণ স্ট্রোরেজ ব্যাটারি বলতে সিসা-অ্যাসিড ব্যাটারি (Lead-Acid Battery)-কে বোঝানো হয়, যা মূলত রিচার্জেবল ব্যাটারি হিসেবে গাড়ি, আইপিএস (IPS), এবং ইউপিএস-এ ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
      এই ব্যাটারিতে ইলেকট্রোড হিসেবে সিসা (Lead, Pb) বা সিসার প্লেট এবং ইলেকট্রোলাইট বা তরল হিসেবে সালফিউরিক এসিড (H2SO4H_2SO_4) এর পাতলা দ্রবণ ব্যবহৃত হয়।
      ব্যাটারির ডিসচার্জিং (discharge) প্রক্রিয়ার সময়, অ্যানোড (নেগেটিভ প্লেট) সিসা (PbPb) এবং ক্যাথোড (পজিটিভ প্লেট) লেড ডাইঅক্সাইড (PbO2PbO_2) উভয়ই সালফিউরিক এসিডের (H2SO4H_2SO_4) সাথে বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে এবং লেড সালফেট (PbSO4PbSO_4) তৈরি করে।
      অন্যদিকে, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড সাধারণত শুষ্ক কোষে (Dry Cell) বা টর্চের ব্যাটারিতে ব্যবহৃত হয়। এটি সিসা স্টোরেজ ব্যাটারির ইলেকট্রোলাইট নয়।
      77

      ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটি ছুটে যায়। কোন ইঞ্জিনের নীতির সঙ্গে এর মিল আছে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. বাষ্পীয় ইঞ্জিন
      2. অন্তর্দহন ইঞ্জিন
      3. স্টারলিং ইঞ্জিন
      4. রকেট ইঞ্জিন

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র অনুযায়ী প্রতিটি ক্রিয়ার সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। তাই বেলুন ছুড়লে পিছন দিয়ে বাতাস নির্গত হয় এবং বেলুন সামনের দিকে এগোয়। একই সূত্র রকেট তৈরির ক্ষেত্রেও ব্যবহার করা হয়েছে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: রকেট ইঞ্জিন
      ফুলানো বেলুনের মুখ ছেড়ে দিলে বাতাস বেরিয়ে যাবার সঙ্গে বেলুনটির ছুটে যাওয়া পদার্থবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতির উপর নির্ভরশীল। এই নীতিটি হলো নিউটনের গতির তৃতীয় সূত্র
      এই সূত্রে বলা হয়েছে, প্রত্যেক ক্রিয়ারই (Action) একটি সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া (Reaction) আছে।
      বেলুনের ক্ষেত্রে, বেলুনের ভেতরের বাতাস যখন প্রচণ্ড বেগে পেছনের দিকে বেরিয়ে যায় (এটি ক্রিয়া), তখন এর সমান ও বিপরীতমুখী প্রতিক্রিয়া হিসেবে বেলুনটি সামনের দিকে ছুটে যায়। এই প্রক্রিয়াটিকে বিজ্ঞানের ভাষায় থ্রাস্ট (Thrust) তৈরি করা বলে।
      রকেট ইঞ্জিনও ঠিক এই একই নীতি অনুসরণ করে। রকেটের দহন চেম্বারে সৃষ্ট উচ্চ তাপমাত্রার গ্যাসগুলি অত্যন্ত দ্রুত গতিতে পেছনের দিকে নির্গত হয়। এই নির্গত গ্যাসসমূহের ক্রিয়া বলের ফলে রকেটটি প্রতিক্রিয়া বল লাভ করে এবং মহাশূন্যে এগিয়ে যায়।
      অন্যদিকে, বাষ্পীয় ইঞ্জিন, অন্তর্দহন ইঞ্জিন (পেট্রোল/ডিজেল) এবং স্টারলিং ইঞ্জিন মূলত তাপ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তর করে পিস্টন বা টারবাইনের মাধ্যমে গতি সৃষ্টি করে, যা রকেটের মতো সরাসরি প্রতিক্রিয়া বলের উপর নির্ভরশীল নয়।
      78

      ফিউশন প্রক্রিয়ায়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. একটি পরমাণু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করে
      2. একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
      3. ভারী পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু গঠিত
      4. একটি পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু সৃষ্টি হয়

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      পরমাণু হতে দুটি পদ্ধতিতে শক্তি উৎপন্ন করা হয়। যে প্রক্রিয়ায় ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস বিশ্লিষ্ট হয়ে প্রায় সমান ভরের দুটি নিউক্লিয়াস তৈরি হয় এবং বিপুল শক্তি নির্গত হয়, তাকে ‘ফিশন’ বলে। আর যে প্রক্রিয়ায় একাধিক হালকা নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী নিউক্লিয়াস গঠন করে এবং অত্যধিক শক্তি নির্গত হয় তাকে ফিউশন বলে। ‘ফিশন’ কে ফিউশন প্রক্রিয়ার বিপরীত প্রক্রিয়া বলা হয়।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো: একাধিক পরমাণু যুক্ত হয়ে নতুন পরমাণু গঠন করে
      ফিউশন (Fusion) প্রক্রিয়ায় দুটি বা ততোধিক হালকা পারমাণবিক নিউক্লিয়াস (যেমন হাইড্রোজেন বা ডিউটেরিয়াম) একত্রিত হয়ে (যুক্ত হয়ে) একটি ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন হিলিয়াম) গঠন করে।
      এই একত্রিত হওয়ার সময় বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি ও আলো নির্গত হয়। এটি মূলত সূর্য বা নক্ষত্রের শক্তির উৎস
      অন্যদিকে, 'একটি পরমাণু ভেঙ্গে প্রচণ্ড শক্তি সৃষ্টি করা' বা 'ভারী পরমাণু ভেঙ্গে দুটি পরমাণু গঠিত হওয়া' প্রক্রিয়াটি হলো ফিশন (Fission) বা বিভাজন। এই ফিশন প্রক্রিয়া পারমাণবিক বোমায় এবং পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রে ব্যবহৃত হয়।
      79

      প্রবল জোয়ারের কারণ, এ সময়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ করে থাকে
      2. চন্দ্র পৃথিবীর সবচেয়ে কাছে থাকে
      3. পৃথিবী সূর্যের সবচেয়ে কাছে থাকে
      4. সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      পূর্ণিমা ও অমাবস্যায় সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী একই সরল রেখায় এলে পৃথিবীর উপর প্রবল আকর্ষণ অনুভূত হওয়ার ফলে যে প্রবল জোয়ার হয় তাকে তেজ কটাল বলে। ফলে এ দুই সময়ে জোয়ারের পানি খুব বেশি ফুলে উঠে।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: সূর্য, চন্দ্র ও পৃথিবী এক সরল রেখায় থাকে
      এই ধরনের প্রবল জোয়ারকে ভরা কোটাল বা Spring Tide বলা হয়। যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চন্দ্র একই সরল রেখায় (Straight Line) অবস্থান করে, তখন সূর্য ও চন্দ্রের সম্মিলিত মহাকর্ষীয় আকর্ষণ বল পৃথিবীর জলরাশির উপর সর্বাধিক ক্রিয়া করে।
      এর ফলে অন্যান্য সময়ের তুলনায় জোয়ারের তীব্রতা সর্বোচ্চ হয়। এই সরলরৈখিক অবস্থানকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় সিজিজি (Syzygy) বলা হয়।
      ভরা কোটাল সাধারণত অমাবস্যা (New Moon)পূর্ণিমা (Full Moon) তিথিতে সংঘটিত হয়।
      অন্যান্য অপশন ভুল কেন: সূর্য ও চন্দ্র পৃথিবীর সঙ্গে সমকোণ (Right Angle) করে থাকলে মহাকর্ষীয় শক্তি পরস্পরকে আংশিক প্রশমিত করে, ফলে জোয়ারের তীব্রতা সর্বনিম্ন হয়। একে মরা কোটাল বা Neap Tide বলা হয়।
      80

      ABD বৃত্তে AB এবং CD দুটি সমান জ্যা পরস্পর P বিন্দুতে ছেদ করলে কোনটি সত্য?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. PC=PD
      2. PA=PB
      3. PB=PA
      4. PB=PD

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      এটি বৃত্তের জ্যা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ উপপাদ্য (Theorem) এর সরাসরি প্রয়োগ।
      উপপাদ্যটি হলো:
      বৃত্তের দুটি সমান জ্যা (Equal Chords) যদি পরস্পরকে ছেদ করে, তাহলে একটি জ্যার অংশদ্বয় অন্য জ্যার অনুরূপ অংশদ্বয়ের সমান হয়।
      এখানে জ্যা দুটি হলো AB এবং CD। তারা P বিন্দুতে ছেদ করেছে।
      AB জ্যার অংশদ্বয়: PA এবং PB
      CD জ্যার অংশদ্বয়: PC এবং PD
      নিয়ম অনুযায়ী, বড় অংশ বড় অংশের সমান এবং ছোট অংশ ছোট অংশের সমান হবে। অর্থাৎ:
      ১. PA = PC (বড় অংশদ্বয়)
      ২. PB = PD (ছোট অংশদ্বয়)
      যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে PB=PD বিদ্যমান, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
      অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, PA=PB বা PC=PD তখনই সম্ভব যখন P বিন্দুটি জ্যা-এর মধ্যবিন্দু হয়, যা সাধারণ ছেদ করার ক্ষেত্রে সব সময় সত্য নয়।
      81

      নিচের কোন সংখ্যাটি 2 এবং 3 এর মধ্যবর্তী মূলদ সংখ্যা?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 2+32
      2. 2.32
      3. 1.5

      4. 1.8

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      2=1.414…..3=1.732…., ∴2 ও 3 এর মধ্যবর্তী 1.5

      ব্যাখ্যা

      প্রশ্ন অনুযায়ী, আমাদের এমন একটি মূলদ সংখ্যা (Rational Number) খুঁজে বের করতে হবে, যা 2 এবং 3 এর মধ্যবর্তী।
      কোনো সংখ্যা 2 এবং 3 এর মধ্যবর্তী হওয়ার শর্ত হলো: সংখ্যাটি 2 অপেক্ষা বৃহত্তর এবং 3 অপেক্ষা ক্ষুদ্রতর হতে হবে। গাণিতিকভাবে, 2<x<32 < x < 3
      এখন অপশনগুলো যাচাই করা যাক:
      ১. 2+3/22+3/2: যদি এটিকে 2+1.5=3.52 + 1.5 = 3.5 ধরা হয়, তবে এটি 3 এর চেয়ে বড়। (যদি 5/2=2.55/2 = 2.5 ধরা হতো, তবে এটি সঠিক হতো, কিন্তু অপশনে লেখার ধরন 2+3/22+3/2 হওয়ায় 3.53.5 হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।)
      ২. 2.32: এই সংখ্যাটি 2 অপেক্ষা বড় এবং 3 অপেক্ষা ছোট। সুতরাং, 2<2.32<32 < 2.32 < 3
      ৩. 1.5: এই সংখ্যাটি 2 অপেক্ষা ছোট। তাই এটি ভুল।
      ৪. 1.8: এই সংখ্যাটিও 2 অপেক্ষা ছোট। তাই এটি ভুল।
      যেহেতু 2.32 সংখ্যাটি 2 এবং 3 এর সীমার মধ্যে পড়ে এবং এটি একটি সসীম দশমিক সংখ্যা হওয়ায় অবশ্যই একটি মূলদ সংখ্যা, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
      82

       2x2-x-15 এর উৎপাদক হবে-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. (x+6)(x−5)
      2. (x−5)(x−6)
      3. (x+3)(2x−5)
      4. (2x+5)(x−3)

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান

      2x2−x−15 =2x2−6x+5x−15 =2x(x−3)+5(x−3) =(2x+5)(x−3)

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তরটি হলো: (2x+5)(x−3)
      এটি একটি দ্বিঘাত রাশির (Quadratic Expression) উৎপাদকে বিশ্লেষণের অংক। এই ধরনের উৎপাদককে সাধারণত মধ্যপদ বিশ্লেষণ (Middle Term Factorization) পদ্ধতির মাধ্যমে সমাধান করা হয়।
      প্রদত্ত রাশি: 2x2x152x^2 - x - 15
      ধাপ ১: প্রথমে x2x^2 এর সহগ (2) এবং ধ্রুবপদ (-15) গুণ করতে হবে। গুণফল = 2imes(15)=302 imes (-15) = -30
      ধাপ ২: মধ্যপদ x-x (যার সহগ -1) কে এমন দুটি সংখ্যা দিয়ে ভাগ করতে হবে, যাদের গুণফল হবে -30 এবং যোগফল হবে -1। সংখ্যা দুটি হলো: 6-6 এবং +5+5। কারণ (6)imes(5)=30(-6) imes (5) = -30 এবং (6)+(5)=1(-6) + (5) = -1
      ধাপ ৩: মধ্যপদকে বিভাজিত করে লিখলে পাই:
      2x26x+5x152x^2 - 6x + 5x - 15
      ধাপ ৪: এখন জোড়ায় জোড়ায় কমন নিতে হবে:
      2x(x3)+5(x3)2x(x - 3) + 5(x - 3)
      ধাপ ৫: সর্বশেষ উৎপাদক দুটি নির্ণয়:
      (x3)(2x+5)(x - 3)(2x + 5)
      এটি অপশন (৪)-এর সঙ্গে মিলে যায়: (2x+5)(x−3)
      83

      একটি সমবাহু ত্রিভুজের একটি বাহু ১৬ মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৬৪√৩ বর্গমিটার

      2. ১৯২ বর্গমিটার

      3. ৬৪ বর্গমিটার
      4. ৩২√৩ বর্গমিটার

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      প্রশ্নটি একটি সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল সংক্রান্ত। সমবাহু ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্যই সমান হয়।
      সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র হলো: extArea=34a2 ext{Area} = \frac{\sqrt{3}}{4} a^2 ; যেখানে aa হলো বাহুর দৈর্ঘ্য।
      এখানে, বাহুর দৈর্ঘ্য $(a) = ১৬ মিটার
      সূত্র অনুযায়ী ক্ষেত্রফল হবে:
      Area=34×(১৬)2 \text{Area} = \frac{\sqrt{3}}{4} \times (১৬)^2
      Area=34×256 \text{Area} = \frac{\sqrt{3}}{4} \times 256
      Area=3×(2564) \text{Area} = \sqrt{3} \times (\frac{256}{4})
      $ \text{Area} = ৬৪\sqrt{৩} বর্গমিটার
      সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ৬৪√৩ বর্গমিটার
      84

      চিনির মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়াতে একটি পরিবার চিনি খাওয়া এমনিভাবে কমালে যে চিনি বাবদ ব্যয় বৃদ্ধি পেল না। ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ শতকরা কত কমালো?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 22%
      2. 25%
      3. 20%

      4. 30%

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      এটি শতকরা সম্পর্কিত একটি ক্লাসিক্যাল গাণিতিক সমস্যা, যেখানে ব্যয় অপরিবর্তিত রেখে ভোগের হার নির্ণয় করতে বলা হয়েছে।
      এখানে চিনির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে ২৫%। যদি খরচ অপরিবর্তিত রাখতে হয়, তবে বর্ধিত মূল্যের উপর ভিত্তি করেই ব্যবহার কমাতে হবে।
      ধরি, পূর্বের চিনির মূল্য ছিল ১০০ টাকা
      ২৫% বৃদ্ধিতে নতুন মূল্য হলো: 100+25=125100 + 25 = 125 টাকা।
      এখন পরিবারটিকে যদি পূর্বের ১০০ টাকার সমপরিমাণ চিনি ব্যবহার করতে হয়, তবে তাদের ১২৫ টাকা মূল্যের উপর $(125 - 100) = ২৫ টাকা সমমূল্যের চিনি ব্যবহার কমানো দরকার।
      সুতরাং, শতকরা কমানোর হার হবে: যে পরিমাণ কমানো হলোনতুন মূল্য×100\frac{\text{যে পরিমাণ কমানো হলো}}{\text{নতুন মূল্য}} \times 100
      25125×100=15×100\Rightarrow \frac{25}{125} \times 100 = \frac{1}{5} \times 100
      20\Rightarrow 20
      অতএব, ঐ পরিবার চিনি খাওয়া বাবদ ২০% কমালো। সঠিক উত্তর: ২০%
      85

      বার্ষিক পরীক্ষায় একটি ছাত্র ক সংখ্যক প্রশ্নের প্রথম ২০টির মধ্যে ১৫টি নির্ভুল উত্তর দিল। বাকি যা প্রশ্ন রইল তার ১/৩ অংশ সে নির্ভুল উত্তর দিল। সমস্ত প্রশ্নের মান সমান। যদি ছাত্রটি শতকরা ৭৫ ভাগ নম্বর পায় তবে প্রশ্নের সংখ্যা কত ছিল?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ১৫টি
      2. ২০টি
      3. ২৫টি
      4. ১৮টি

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান

      ধরি, প্রশ্নের সংখ্যা x প্রশ্নমতে,

       ১৫+x-২০৩=x × ০.৭৫ 

      বা, x=২০

      ব্যাখ্যা

      ধরি, বার্ষিক পরীক্ষায় মোট প্রশ্নের সংখ্যা ছিল kk টি
      ছাত্রটি শতকরা ৭৫ ভাগ নম্বর পেল, যার অর্থ সে মোট প্রশ্নের ৭৫%=75100=34\text{৭৫\%} = \frac{75}{100} = \frac{3}{4} অংশ উত্তর নির্ভুল দিয়েছিল।
      সুতরাং, মোট নির্ভুল উত্তরের সংখ্যা হতে হবে: k×34=3k4k \times \frac{3}{4} = \frac{3k}{4} টি।
      প্রথম ২০টি প্রশ্নের মধ্যে ছাত্রটি নির্ভুল উত্তর দিল: ১৫টি
      বাকি প্রশ্ন রইল: (k20)(k - 20) টি।
      বাকি প্রশ্নের 13\frac{1}{3} অংশ সে নির্ভুল উত্তর দিল। সুতরাং, বাকি অংশে নির্ভুল উত্তর: 13×(k20)=k203\frac{1}{3} \times (k - 20) = \frac{k - 20}{3} টি।
      ছাত্রটির দেওয়া মোট নির্ভুল উত্তর: 15+k20315 + \frac{k - 20}{3} টি।
      শর্তানুসারে, মোট নির্ভুল উত্তর এবং ৭৫% নম্বর সমান হতে হবে:
      15+k203=3k415 + \frac{k - 20}{3} = \frac{3k}{4}
      উভয় পক্ষকে ১২ দিয়ে গুণ করে পাই (বা সরাসরি সমাধান করে):
      4(15)+4(k203)=3k×1244(15) + 4(\frac{k - 20}{3}) = 3k \times \frac{12}{4}
      60+4k80=9k60 + 4k - 80 = 9k (এখানে লসাগু ১২ না নিয়ে সহজভাবে সমাধান করা হয়েছে)
      45+k203=3k4\frac{45 + k - 20}{3} = \frac{3k}{4}k+253=3k4\frac{k + 25}{3} = \frac{3k}{4}
      4(k+25)=3(3k)4(k + 25) = 3(3k)
      4k+100=9k4k + 100 = 9k
      100=9k4k100 = 9k - 4k
      100=5k100 = 5k
      অতএব, k=1005=20k = \frac{100}{5} = 20 টি।
      মোট প্রশ্নের সংখ্যা ছিল ২০টি
      86

      নৌকা ও স্রোতের বেগ ঘণ্টায় যথাক্রমে ১০ ও ৫ কিমি। নদী পথে ৪৫ কিমি দীর্ঘ পথ একবার অতিক্রম করে ফিরে আসতে কত ঘণ্টা সময় লাগবে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৯ ঘণ্টা
      2. ১২ ঘণ্টা

      3. ১০ ঘণ্টা
      4. ১৮ ঘণ্টা

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      এই গাণিতিক সমস্যাটি মূলত নৌকা ও স্রোতের গতি এবং সময়ের ধারণার উপর ভিত্তি করে। আমাদের গন্তব্যে যাওয়া (অনুকূল) এবং ফিরে আসা (প্রতিকূল) উভয়ের সময় বের করে যোগ করতে হবে।
      প্রথমে, স্রোতের অনুকূলে (Downstream) বেগ নির্ণয় করতে হবে। অনুকূল বেগ = নৌকার বেগ + স্রোতের বেগ।
      অনুকূল বেগ = ১০+=<strong>১৫১০ + ৫ = <strong>১৫ কিমি/ঘণ্টা।
      অতএব, ৪৫ কিমি পথ যেতে সময় লাগবে:
      সময় (অনুকূলে) = দূরত্ব ÷\div বেগ =৪৫÷১৫=<strong>= ৪৫ \div ১৫ = <strong>৩ ঘণ্টা।
      এরপর, স্রোতের প্রতিকূলে (Upstream) বেগ নির্ণয় করতে হবে। প্রতিকূল বেগ = নৌকার বেগ - স্রোতের বেগ।
      প্রতিকূল বেগ = ১০=<strong>১০ - ৫ = <strong>৫ কিমি/ঘণ্টা।
      অতএব, ৪৫ কিমি পথ ফিরে আসতে সময় লাগবে:
      সময় (প্রতিকূলে) = দূরত্ব ÷\div বেগ =৪৫÷=<strong>= ৪৫ \div ৫ = <strong>৯ ঘণ্টা।
      মোট সময় = অনুকূলে যাওয়ার সময় + প্রতিকূলে ফেরার সময়।
      মোট সময় = +=<strong>১২৩ + ৯ = <strong>১২ ঘণ্টা।
      সঠিক উত্তর হলো: ১২ ঘণ্টা
      87

      ৮, ১১, ১৭, ২৯, ৫৩ –––। পরবর্তী সংখ্যাটি কত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 101
      2. 102
      3. 75
      4. 59

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      ৮+৩=১১,

      ১১+৬=১৭,

      ১৭+১২=২৯,

      ২৯+২৪=৫৩,

      ৫৩+৪৮=১০১

      ব্যাখ্যা

      এটি একটি সংখ্যা ধারার সমস্যা, যেখানে প্রতি দুটি সংখ্যার মধ্যকার পার্থক্য একটি নির্দিষ্ট গুণিতক হারে (Geometric Progression) বৃদ্ধি পাচ্ছে।
      প্রথমে সংখ্যাগুলোর মধ্যে পার্থক্য নির্ণয় করতে হবে:
      ১১ - ৮ =
      ১৭ - ১১ =
      ২৯ - ১৭ = ১২
      ৫৩ - ২৯ = ২৪
      পার্থক্যগুলোর ধারা হলো: ৩, ৬, ১২, ২৪
      দেখা যাচ্ছে, এই পার্থক্যগুলো পূর্বের পার্থক্যের দ্বিগুণ (x2) হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। (৩ x ২ = ৬, ৬ x ২ = ১২, ১২ x ২ = ২৪)।
      সুতরাং, পরবর্তী পার্থক্যটি হবে: ২৪ x ২ = ৪৮
      অতএব, পরবর্তী সংখ্যাটি হবে: ৫৩ + ৪৮ = ১০১
      সঠিক উত্তর: ১০১
      88

      ২০৫৭৩.৪ মিলিগ্রামে কত কিলোগ্রাম?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 2.05734
      2. 0.205734
      3. 0.0205734

      4. 20.5734

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো ০.০২০৫৭৩৪। এই সমস্যাটি মেট্রিক পদ্ধতিতে পরিমাপের একক রূপান্তর (Unit Conversion) সংক্রান্ত।
      আমরা জানি, ভরের এককের ক্ষেত্রে ১ কিলোগ্রাম (কেজি) = ১,০০০ গ্রাম
      এছাড়াও, ১ গ্রাম = ১,০০০ মিলিগ্রাম (মিলি)
      সুতরাং, কিলোগ্রাম এবং মিলিগ্রামের সম্পর্কটি হলো: ১ কিলোগ্রাম = ,০০০imes,০০০১,০০০ imes ১,০০০ মিলিগ্রাম = ১,০০০,০০০ মিলিগ্রাম (১০^৬ মিলিগ্রাম)
      মিলিগ্রাম (ক্ষুদ্র একক) থেকে কিলোগ্রামে (বৃহৎ একক) রূপান্তর করার জন্য প্রদত্ত সংখ্যাকে ,০০০,০০০১,০০০,০০০ বা ১০^৬ দিয়ে ভাগ করতে হবে।
      ২০৫৭৩.÷,০০০,০০০=.০২০৫৭৩৪২০৫৭৩.৪ \div ১,০০০,০০০ = ০.০২০৫৭৩৪
      ভাগ করার ফলে দশমিক বিন্দুটি ৬ ঘর বামে সরে আসবে। তাই সঠিক উত্তর ০.০২০৫৭৩৪
      89

      একটি স্কুলে ছাত্রদের ড্রিল করার সময় ৮, ১০ এবং ১২ সারিতে সাজানো যায়। আবার বর্গাকারেও সাজানো যায়। ঐ স্কুলে কমপক্ষে কতজন ছাত্র আছে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 3600

      2. 2400
      3. 1200
      4. 3000

      সঠিক উত্তর: ক

      সমাধান

      ব্যাখ্যা

      এই সমস্যাটিতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত পূরণ করতে হবে:
      ১. ছাত্র সংখ্যাটি অবশ্যই ৮, ১০, এবং ১২ দ্বারা বিভাজ্য হতে হবে।
      ২. ছাত্র সংখ্যাটি অবশ্যই বর্গাকারে সাজানো যায়, অর্থাৎ সংখ্যাটি একটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা (Perfect Square) হতে হবে।
      প্রথম শর্ত পূরণের জন্য, আমরা প্রথমে ৮, ১০ এবং ১২ এর ল.সা.গু (LCM) নির্ণয় করব।
      ৮, ১০, এবং ১২ এর মৌলিক উৎপাদকগুলো হলো:
      8=2×2×2=23\qquad 8 = 2 \times 2 \times 2 = 2^3
      10=2×5\qquad 10 = 2 \times 5
      12=2×2×3=22×3\qquad 12 = 2 \times 2 \times 3 = 2^2 \times 3
      ল.সা.গু =23×31×51=8×3×5=<strong>120</strong>= 2^3 \times 3^1 \times 5^1 = 8 \times 3 \times 5 = <strong>120</strong>।
      সুতরাং, ছাত্র সংখ্যাটি ১২০ এর গুণিতক হবে। ধরি, ছাত্র সংখ্যা N=120kN = 120k, যেখানে kk একটি পূর্ণ সংখ্যা।
      দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী, NN কে পূর্ণ বর্গ হতে হবে। ১২০ এর মৌলিক উৎপাদক বিশ্লেষণ করলে পাই: 120=23×31×51120 = 2^3 \times 3^1 \times 5^1
      কোনো সংখ্যাকে পূর্ণ বর্গ হতে হলে তার প্রতিটি মৌলিক উৎপাদকের সূচক (Power) অবশ্যই জোড় সংখ্যা হতে হবে।
      ১২০ এর উৎপাদকগুলোতে সূচকগুলো (3, 1, 1) জোড় নয়। এদের জোড় করতে হলে আমাদের আরও একটি ২, একটি ৩, এবং একটি ৫ দিয়ে গুণ করতে হবে।
      প্রয়োজনীয় গুণিতক k=21×31×51=<strong>30</strong>k = 2^1 \times 3^1 \times 5^1 = <strong>30</strong>।
      ঐ স্কুলে কমপক্ষে ছাত্র সংখ্যা =120×30=<strong>3600</strong>= 120 \times 30 = <strong>3600</strong>।
      দ্রষ্টব্য: 3600 হলো 60×60=60260 \times 60 = 60^2, যা একটি পূর্ণ বর্গ সংখ্যা।
      সঠিক উত্তর: 3600। ১২০০, ২৪০০ বা ৩০০০ পূর্ণ বর্গ সংখ্যা নয়, তাই এগুলো ভুল।
      90

      ৫ : ১৮, ৭ : ২ এবং ৩ : ৬ এর মিশ্র অনুপাত কত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. ৭২ : ১০৫
      2. ৭২ : ৩৫
      3. ৩৫ : ৭২

      4. ১৫ : ৭২

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      ৫:১৮,৭:২,৩:৬ 

      =৫:১৮,৭:২,১:২ 

      ∴ মিশ্র অনুপাত =(৫×৭×১):(১৮×২×২) =৩৫:৭২

      ব্যাখ্যা

      এই প্রশ্নটি অনুপাত-সংক্রান্ত এবং এর উত্তর বের করার জন্য আমাদের মিশ্র অনুপাতের (Compound Ratio) নিয়ম জানতে হবে।
      মিশ্র অনুপাত নির্ণয়ের নিয়ম: প্রদত্ত অনুপাতগুলোর সকল পূর্ব রাশিকে (Antecedent) গুণ করে নতুন পূর্ব রাশি এবং সকল উত্তর রাশিকে (Consequent) গুণ করে নতুন উত্তর রাশি গঠন করতে হয়।
      এখানে প্রদত্ত অনুপাতগুলো হলো: :১৮৫ : ১৮, :৭ : ২ এবং :৩ : ৬
      ধাপ ১: পূর্ব রাশিগুলোর গুণফল নির্ণয়:
      পূর্ব রাশিগুলো হলো: ,,৫, ৭, ৩
      গুণফল: imesimes=<strong>১০৫</strong>৫ imes ৭ imes ৩ = <strong>১০৫</strong>
      ধাপ ২: উত্তর রাশিগুলোর গুণফল নির্ণয়:
      উত্তর রাশিগুলো হলো: ১৮,,১৮, ২, ৬
      গুণফল: ১৮imesimes=<strong>২১৬</strong>১৮ imes ২ imes ৬ = <strong>২১৬</strong>
      মিশ্র অনুপাতটি হলো: ১০৫:২১৬১০৫ : ২১৬
      ধাপ ৩: অনুপাতটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ:
      ১০৫ এবং ২১৬ উভয় রাশিকেই তাদের গ.সা.গু. () দিয়ে ভাগ করতে হবে।
      $ rac{১০৫}{৩} : rac{২১৬}{৩} = <strong>৩৫ : ৭২</strong>$
      সুতরাং, সঠিক মিশ্র অনুপাতটি হলো ৩৫ : ৭২
      91

      সুষম বহুভুজের একটি অন্তঃকোণের পরিমাণ ১৩৫° হলে এর বাহুর সংখ্যা কত?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 4
      2. 7
      3. 9
      4. 8

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      আমরা জানি, একটি সুষম বহুভুজের (Regular Polygon) যেকোনো একটি শীর্ষবিন্দুতে অন্তঃকোণ (Interior Angle) এবং বহিঃকোণের (Exterior Angle) সমষ্টি সর্বদা 180°180° হয়।
      প্রথমে প্রদত্ত অন্তঃকোণের সাহায্যে বহিঃকোণের পরিমাণ নির্ণয় করতে হবে।
      বহিঃকোণের পরিমাণ =180°অন্তঃকোণ= 180° - \text{অন্তঃকোণ}
      বহিঃকোণের পরিমাণ =180°135°=45°= 180° - 135° = 45°
      যেহেতু সকল সুষম বহুভুজের বহিঃকোণগুলোর সমষ্টি 360°360° হয়, তাই বাহুর সংখ্যা (n) নির্ণয়ের সূত্র হলো:
      বাহুর সংখ্যা (n)=বহিঃকোণগুলোর মোট সমষ্টিএকটি বহিঃকোণের পরিমাণ(n) = \frac{\text{বহিঃকোণগুলোর মোট সমষ্টি}}{\text{একটি বহিঃকোণের পরিমাণ}}
      n=360°45°n = \frac{360°}{45°}
      n=<strong>8</strong>n = <strong>8</strong>
      সুতরাং, বহুভুজটির বাহুর সংখ্যা টি।
      92

      x2−8x−8y+16+y2 এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগ করলে যোগফল একটি পূর্ণবর্গ হবে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. −2xy
      2. 8xy
      3. 6xy
      4. 2xy

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      প্রদত্ত রাশিটি হলো: x2+y2+168x8yx^2 + y^2 + 16 - 8x - 8y (পদগুলোকে সাজিয়ে লেখা হলো)। আমাদের দেখতে হবে এই রাশিটি কোন পূর্ণবর্গ সূত্রের কাছাকাছি।
      আমরা জানি, তিনটি পদবিশিষ্ট রাশির বর্গের সূত্র হলো: (a+b+c)2=a2+b2+c2+2ab+2bc+2ca(a+b+c)^2 = a^2 + b^2 + c^2 + 2ab + 2bc + 2ca
      এখানে প্রদত্ত রাশিতে x2,y2,16(যা42)x^2, y^2, 16 (যা 4^2) এই তিনটি বর্গের পদ বিদ্যমান।
      যদি আমরা a=xa=x, b=yb=y এবং c=4c=-4 ধরে পূর্ণবর্গ করি, তবে পাই:
      (x+y4)2(x + y - 4)^2
      বিস্তৃতি করলে দাঁড়ায়: x2+y2+(4)2+2(x)(y)+2(y)(4)+2(x)(4)x^2 + y^2 + (-4)^2 + 2(x)(y) + 2(y)(-4) + 2(x)(-4)
      =x2+y2+16+2xy8y8x= x^2 + y^2 + 16 + 2xy - 8y - 8x
      =(x28x8y+16+y2)+2xy= (x^2 - 8x - 8y + 16 + y^2) + 2xy
      লক্ষ্য করুন, ব্র্যাকেটের ভেতরের অংশটিই হলো প্রশ্নে প্রদত্ত রাশি। সুতরাং, রাশিটিকে পূর্ণবর্গ (অর্থাৎ (x+y4)2(x+y-4)^2) বানানোর জন্য 2xy2xy যোগ করতে হবে।
      সঠিক উত্তর: 2xy
      93

      P-এর মান কত হলে  4x^2-px+9   একটি পূর্ণ বর্গ হবে?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. 10
      2. 9
      3. 16
      4. 12

      সঠিক উত্তর: ঘ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      আমরা জানি, কোনো রাশিকে পূর্ণ বর্গ হতে হলে সেটি অবশ্যই (A+B)2=A2+2AB+B2(A+B)^2 = A^2 + 2AB + B^2 অথবা (AB)2=A22AB+B2(A-B)^2 = A^2 - 2AB + B^2 আকারের হতে হবে।
      প্রদত্ত রাশিটি হলো: 4x2px+94x^2-px+9
      এখানে, প্রথম পদ 4x24x^2 কে A2A^2 এবং শেষ পদ 99 কে B2B^2 ধরলে,
      A2=4x2    A=<strong>2x</strong>A^2 = 4x^2 \implies A = <strong>2x</strong>
      B2=9    B=<strong>3</strong>B^2 = 9 \implies B = <strong>3</strong>
      পূর্ণ বর্গ হওয়ার শর্তানুসারে, মাঝের পদটি অর্থাৎ pxpx অবশ্যই <strong>2AB</strong><strong>2AB</strong> এর সমান হতে হবে। যেহেতু মাঝের পদে বিয়োগ চিহ্ন আছে, তাই আমরা (AB)2(A-B)^2 এর সূত্র ব্যবহার করব।
      2AB=2×(2x)×(3)=<strong>12x</strong>2AB = 2 \times (2x) \times (3) = <strong>12x</strong>
      এখন, রাশিটির মাঝের পদ px-px কে 12x-12x এর সাথে তুলনা করে পাই: px=12x-px = -12x
      সুতরাং, P-এর মান হবে 12
      94

      চারটি সমান বাহু দ্বারা সীমাবদ্ধ একটি ক্ষেত্র যার একটি কোণও সমকোণ নয়, এরূপ চিত্রকে বলা হয়-

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. বর্গক্ষেত্র

      2. চতুর্ভুজ
      3. রম্বস

      4. সামান্তরিক

      সঠিক উত্তর: গ

      সমাধান

      এটি রম্বসের সংজ্ঞা।

      ব্যাখ্যা

      সঠিক উত্তর হলো রম্বস। এটি জ্যামিতির চতুর্ভুজ সম্পর্কিত সংজ্ঞাভিত্তিক একটি প্রশ্ন।
      রম্বস (Rhombus)-এর সংজ্ঞা অনুযায়ী, এটি এমন একটি চতুর্ভুজ যার চারটি বাহুর দৈর্ঘ্য সমান। কিন্তু এই ক্ষেত্রে কোণগুলো সমকোণ (90°) নাও হতে পারে
      প্রশ্নে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে যে, ক্ষেত্রটির চারটি বাহু সমান, কিন্তু এর একটি কোণও সমকোণ নয়। এই শর্তটি সরাসরি রম্বসের সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়।
      বর্গক্ষেত্র (Square) কেন ভুল? বর্গক্ষেত্রের চারটি বাহু সমান হলেও, এর প্রত্যেকটি কোণ আবশ্যিকভাবে সমকোণ (90°) হতে হয়। যা প্রশ্নের শর্তের বিপরীত।
      সামান্তরিক (Parallelogram) কেন ভুল? সামান্তরিকে বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল হয়, কিন্তু চারটি বাহু সমান হওয়া আবশ্যিক নয়।
      চতুর্ভুজ (Quadrilateral) কেন ভুল? এটি একটি সাধারণ নাম, যার শুধু চারটি বাহু থাকে। এই ক্ষেত্রে বাহুগুলো সমান হওয়া বা নির্দিষ্ট কোণের শর্ত পূরণ করা বাধ্যতামূলক নয়।
      95

      a4+4 এর উৎপাদক কি কি?

      বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
      1. (a2+2a+2)(a2−2a−2)

      2. (a2+2a+2)(a2−2a+2)

      3. (a2−2a+2)(a2+2a−2)

      4. (a2−2a−2)(a2−2a+2)

      সঠিক উত্তর: খ

      সমাধান


      ব্যাখ্যা

      এটি বীজগণিতের উৎপাদকে বিশ্লেষণের একটি ক্লাসিক সমস্যা, যেখানে বর্গের অন্তর রূপে প্রকাশ করার জন্য একটি রাশি যোগ ও বিয়োগ করতে হয় (Adding and subtracting a term to complete the square)।
      প্রদত্ত রাশি: a4+4a^4+4
      প্রথম ধাপ: রাশিটিকে (A2+B2)(A^2 + B^2) আকারে সাজানো।
      a4+4=(a2)2+(2)2a^4+4 = (a^2)^2 + (2)^2
      দ্বিতীয় ধাপ: বর্গের সূত্র সম্পন্ন করতে 2.A.B2.A.B অর্থাৎ 2(a2)(2)=4a22(a^2)(2) = 4a^2 যোগ ও বিয়োগ করতে হবে।
      a4+4=(a2)2+2(a2)(2)+(2)24a2a^4+4 = (a^2)^2 + 2(a^2)(2) + (2)^2 - 4a^2
      তৃতীয় ধাপ: প্রথম তিনটি পদকে পূর্ণ বর্গাকারে প্রকাশ এবং চতুর্থ পদকে বর্গাকারে সাজানো।
      (a2+2)2(2a)2(a^2 + 2)^2 - (2a)^2
      চতুর্থ ধাপ: এটি (P2Q2)(P^2 - Q^2) আকারে আছে। সূত্র প্রয়োগ করে পাই: (P+Q)(PQ)(P+Q)(P-Q)
      (a2+2+2a)(a2+22a)(a^2 + 2 + 2a)(a^2 + 2 - 2a)
      পঞ্চম ধাপ: উৎপাদক দুটিকে সুন্দরভাবে সাজালে পাওয়া যায়:
      (a2+2a+2)(a22a+2)(a^2 + 2a + 2)(a^2 - 2a + 2)
      যা অপশন 2-এর সাথে মেলে। অন্যান্য অপশনে যোগ-বিয়োগ চিহ্নের ভুল থাকায় সেগুলো সঠিক নয়।

      এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

      BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “12th(1)” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

      BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

      49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

      কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

      BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 12th(1) (1990) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

      সচরাচর জিজ্ঞাসা

      12th(1) (1990) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

      BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 12th(1) (1990) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

      উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

      হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।