সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

34th (2013) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 34th (2013) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 34th (2013) পরীক্ষার ১০০টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘চর্যাপদ’ কত সালে আবিষ্কৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1800
  2. 1857
  3. 1907
  4. 1909

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা ভাষার প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক ১৯০৭ সালে নেপালের রাজগ্রন্থগার থেকে আবিষ্কৃত হয়। বৌদ্ধ সহজিয়াগণের রচিত চর্যাপদ ১৯১৬ সালে কলকাতার বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে আধুনিক লিপিতে প্রকাশিত হয়। চর্যার পুঁথিতে ৫১টি গান ছিল; যার সাড়ে ৪৬টি পাওয়া গেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯০৭ সাল।
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ আবিষ্কৃত হয় ১৯০৭ সালে।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী নেপালের রাজ দরবার লাইব্রেরি (Royal Court Library) থেকে এই পুঁথিগুলো আবিষ্কার করেন।
তিনি মূলত পুঁথিটির নাম দিয়েছিলেন ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’
অন্যান্য সালগুলোর মধ্যে, ১৮০০ সালে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৮৫৭ সাল হলো সিপাহী বিদ্রোহের বছর। তাই এগুলি ভুল উত্তর।
2

বাংলা সাহিত্যের পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে- বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগ।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪৫০-৬৫০
  2. ৬৫০-৮৫০
  3. ৬৫০-১২০০
  4. ৬৫০-১২৫০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে প্রধানত তিনটি যুগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. প্রাচীন বা আদি যুগ (৬৫০-১২০০) খ. মধ্যযুগ (১২০১-১৮০০) এবং গ. আধুনিক যুগ (১৮০১-বর্তমান পর্যন্ত)।

ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে পঠন-পাঠনের সুবিধার জন্য মূল তিনটি যুগ প্রচলিত—প্রাচীন, মধ্য ও আধুনিক।
সর্বজনস্বীকৃত এবং BCS পরীক্ষায় গৃহীত মতানুসারে, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের সময়সীমা হলো: **৬৫০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দ** পর্যন্ত।
এই যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো **চর্যাপদ**। তাই অপশনগুলোর মধ্যে **৬৫০-১২০০** হলো সঠিক উত্তর।
প্রাচীন যুগের পর **১২০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ** পর্যন্ত সময়টিকে সাধারণত **অন্ধকার যুগ (Dark Age)** হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যেখানে উল্লেখযোগ্য কোনো সাহিত্যকর্ম পাওয়া যায়নি।
3

মধ্যযুগের কবি নন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জয়নন্দী
  2. বড়ু চণ্ডীদাস
  3. গোবিন্দ দাস
  4. জ্ঞান দাস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জয়নন্দী বা জয়নন্দীপা ‘চর্যাপদ’ এর তথা প্রাচীন যুগের কবি। তিনি চর্যাপদ এর ৪৬নং পদের রচয়িতা। তাঁর ভাষা গৌড় অপভ্রংশের পরবর্তী আধুনিক ভারতীয় আর্যভাষার প্রাচীন রূপ। মধ্যযুগের প্রথম কাব্য ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ এর রচয়িতা বড়ু চণ্ডীদাস। মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের মূল্যবান নিদর্শন ‘বৈষ্ণব পদাবলী’ এর অন্যতম দুই মহাকবি জ্ঞানদাস ও গোবিন্দদাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জয়নন্দী
জয়নন্দী মধ্যযুগের কবি নন, তিনি ছিলেন বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একজন পদকর্তা।
প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ, এবং জয়নন্দী ছিলেন চর্যাপদের ৩৩ নম্বর পদের রচয়িতা। তাই তিনি আনুমানিক **৬৫০ থেকে ১২০০ খ্রিস্টাব্দের** মধ্যে বিদ্যমান ছিলেন।
অপরদিকে, বড়ু চণ্ডীদাস (শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য), গোবিন্দ দাস এবং জ্ঞান দাস (বৈষ্ণব পদাবলি) সকলেই বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের (১৩৫০-১৮০০ খ্রিস্টাব্দ) অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক।
4

বাংলা সাহিত্যে অন্ধকার যুগ বলতে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১৯৯-১২৫০ পর্যন্ত
  2. ১২০১-১৩৫০ পর্যন্ত
  3. ১২৫০-১৩৫০ পর্যন্ত
  4. ১২৫০-১৪৫০ পর্যন্ত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১২০১ থেকে ১৩৫০ সাল অর্থাৎ প্রায় দেড়শ বছর বাংলা সাহিত্যের কোন উল্লেখযোগ্য নিদর্শন আবিষ্কার না হওয়ায় ঐতিহাসিকগণ এ সময়কে বাংলা সাহিত্যের ‘অন্ধকার যুগ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। এই দেড়শ বছর শাসকদের তান্ডকে জনজীবন ছিল বিপর্যস্ত। সাহিত্য সমাজ ও অর্থনীতিতে ও এর কুপ্রভাব পড়ে। ত্রয়োদশ শতকের শেষের দিকে রামাই পন্ডিতের ‘শূণ্যপুরাণ’ ও হলায়ূধ মিশ্রের ‘সেক শুভোদয়া’ এই সময়ের উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ‘শূণ্যপুরাণ’ গ্রন্থটি ৫১টি অধ্যায়ে বিভক্ত। ‘নিরঞ্জনের উষ্মা’ শূণ্যপুরাণের অন্তর্গত একটি কবিতা। এতে হিন্দু ও বৌদ্ধ ধর্মের কথা আছে। অপরদিকে, ‘সেক শুভোদয়া’ গ্রন্থটি অশুদ্ধ বাংলা ও সংস্কৃত ভাষা মিশ্রিত একটি চম্পুকাব্য। গদ্য-পদ্য মিলিয়ে গ্রন্থটিতে প্রায় ২৫টি অধ্যায় রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১২০১-১৩৫০ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রায় ১৫০ বছর (১২০১ থেকে ১৩৫০) সময়কালকে অন্ধকার যুগ বা বন্ধ্যা যুগ বলা হয়।
এই সময়টিকে অন্ধকার যুগ বলার প্রধান কারণ হলো— ১২০১ সালে ইখতিয়ার উদ্দিন মুহাম্মদ বখতিয়ার খলজি কর্তৃক বঙ্গ বিজয়ের পর রাজনৈতিক অস্থিরতা ও শাসকদের পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে বাংলায় কোনো উল্লেখযোগ্য সাহিত্যকর্মের সন্ধান পাওয়া যায়নি
এই সময়কালের একমাত্র অনালোচিত সাহিত্যিক নিদর্শন হলো 'প্রাকৃত পৈঙ্গল'
১৩৫০ সালের পর কবি বড়ু চণ্ডীদাস রচিত শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য আবিষ্কৃত হলে মধ্যযুগের সুস্পষ্ট যাত্রা শুরু হয়।
5

ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার
  4. রামরাম বসু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৮০০ খ্রিষ্টাব্দে প্রতিষ্ঠিত ফোর্ট উইলিয়াম কলেজে ১৮০১ খ্রিষ্টাব্দে বাংলা বিভাগ খোলা হয়। উইলিয়াম কেরী স্বীয় যোগ্যতাবলে ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের অধ্যক্ষ হন। মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কার ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের একজন পণ্ডিত ছিলেন। তার রচিত গ্রন্থ ‘বত্রিশ সিংহাসন’, ‘হিতোপদেশ’, ‘রাজাবলি’ উল্লেখযোগ্য। উইলিয়াম কেরির সহকারী রামরাম বসু ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের পাঠ্যপুস্তক প্রণেতাদের মধ্যে প্রথম ও প্রধান। তার রচিত গ্রন্থ ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’, ‘লিপিমালা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উইলিয়াম কেরি
ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ মূলত ১৮০০ সালে ভারতে আগত ইংরেজ সিভিলিয়ানদের দেশীয় ভাষা, আইন, ইতিহাস ও সংস্কৃতি সম্পর্কে জ্ঞান দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই কলেজের বাংলা বিভাগের অধ্যক্ষ বা প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন ড. উইলিয়াম কেরি (William Carey)
যদিও কলেজের প্রধান পৃষ্ঠপোষক বা প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন লর্ড ওয়েলেসলি, কিন্তু ভাষাগত পাঠদান ও একাডেমিক প্রধান হিসেবে উইলিয়াম কেরির ভূমিকা ছিল মুখ্য। তাঁর নেতৃত্বেই রামরাম বসু, মৃত্যুঞ্জয় বিদ্যালঙ্কারসহ অন্যান্য পণ্ডিতরা বাংলা গদ্য রচনা শুরু করেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

‘বাংলা সাহিত্যের জনক’ হিসেবে কার নাম চির স্মরণীয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. রাজা রামমোহন রায়
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের জনক বলে কেউ নেই। ‘বাংলা গদ্যের জনক’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। মাইকেল মধুসূদন দত্ত আধুনিক বাংলা কবিতার জনক। রাজা রামমোহন রায় ব্রাহ্ম সমাজের প্রতিষ্ঠাতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। (অপশন ৪)
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ভূমিকা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে তাঁকে আধুনিক যুগের সাহিত্যের প্রধান রূপকার ও 'জনক' হিসেবে অভিহিত করা হয়। বিশেষত, তাঁকে আধুনিক বাংলা উপন্যাসের জনক বলা হয়, যা সাহিত্যকে নতুন মাত্রা দেয়।
তাঁর হাত ধরেই বাংলা সাহিত্যে প্রথম সার্থক ও শিল্পসম্মত উপন্যাস রচিত হয় (যেমন: দুর্গেশনন্দিনী), এবং তিনি সাহিত্যের মানকে উচ্চতর পর্যায়ে নিয়ে যান। এই কারণে তিনি 'বাংলা সাহিত্যের জনক' হিসেবে চিরস্মরণীয়।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ জনকদের পরিচিতি জানা জরুরি:
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: তিনি বাংলা গদ্যের জনক এবং ছেদচিহ্নের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত: তিনি বাংলা মহাকাব্যের জনক এবং অমিত্রাক্ষর ছন্দের প্রবর্তক
7

মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিলোত্তমা কাব্য
  2. মেঘনাদ বধ কাব্য
  3. বেতাল পঞ্চবিংশতি
  4. বীরাঙ্গনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মাইকেল মধুসূদন দত্ত অমিত্রাক্ষর ছন্দের সফল প্রয়োগ ঘটান ‘তিলোত্তমাসম্ভব’ কাব্যগ্রন্থে। তার রচিত ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ (১৮৬১) বাংলা সাহিত্যের সর্বপ্রথম ও সর্বশ্রেষ্ঠ মহাকাব্য এবং ‘বীরাঙ্গনা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘বেতালপঞ্চবিংশতি’ হিন্দি ‘বৈতাল পচ্চীসীর’ অনুবাদ। বিদ্যাসাগর এই গ্রন্থে সর্বপ্রথম যতি-চিহ্নের সফল প্রয়োগ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেতাল পঞ্চবিংশতি

কারণ, বেতাল পঞ্চবিংশতি রচনা করেন বাংলা গদ্যের অন্যতম পথিকৃৎ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এটি ছিল বাংলা সাহিত্যে বিদ্যাসাগরের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ।

অন্যদিকে, তিলোত্তমা কাব্য (১৮৬০), মেঘনাদ বধ কাব্য (১৮৬১, মহাকাব্য) এবং বীরাঙ্গনা কাব্য (১৮৬২, পত্রকাব্য)—এই তিনটিই হলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের প্রবাদপুরুষ মাইকেল মধুসূদন দত্তের অমর সৃষ্টি।
8

‘কুলীন কুল সর্বস্ব’ নাটকটি কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  2. দীনবন্ধু মিত্র
  3. রামনারায়ণ তর্করত্ন
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রামনারায়ণ তর্করত্ন নাটুকে রামনারায়ণ নামে পরিচিত। ‘কুলীন কুলসর্বস্ব’ (১৮৫৪) নাটকটির রচয়িতা রামনারায়ণ তর্করত্ন। কৌলিন্য প্রথার দোষ ত্রুটি অবলম্বনে রচিত প্রথম সামাজিক নাটক। মাইকেল মধুসূদন রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক: শর্মিষ্ঠা (১৮৫৯), পদ্মাবতী (১৮৬০)। দীনবন্ধু মিত্রের উল্লেখযোগ্য নাটকসমূহ হচ্ছে নীল দর্পণ’ (১৮৬০), ‘নবীন তপস্বিনী’ (১৮৬৬), ‘লীলাবতী’ (১৮৬৭), ‘জামাই বারিক’ (১৮৭২), ‘কমলে কামিনী’ (১৮৭৩) ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হচ্ছে ‘বিসর্জন’ (১৮৯১), ‘রাজা’ (১৯১০), ‘ডাকঘর’ (১৯১০), ‘অচলায়তন’ (১৯১২), ‘চিরকুমার সভা’ (১৯২৬), ‘রক্তকরবী’ (১৯২৬), ‘তাসের দেশ’ (১৯৩৩) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রামনারায়ণ তর্করত্ন
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে ‘কুলীন কুল সর্বস্ব’ নাটকটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সৃষ্টি।
নাটকটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৪ সালে। এটিকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মৌলিক নাটক হিসেবে গণ্য করা হয় (First Original Bengali Play)।
এই নাটকে সে সময়ের সমাজের অন্যতম কদর্য প্রথা— ‘কুলীন প্রথা’ বা কৌলীন্য প্রথার কুফল ও সামাজিক চিত্র তীব্র ব্যঙ্গ-বিদ্রূপের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্প কেন ভুল: মাইকেল মধুসূদন দত্ত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল ট্র্যাজেডি নাটক ‘শর্মিষ্ঠা’ (১৮৫৯) রচনা করেন। দীনবন্ধু মিত্র তার বিখ্যাত নাটক ‘নীল দর্পণ’ (১৮৬০) এর জন্য পরিচিত।
9

‘নীল দর্পণ’ নাটকটির বিষয়বস্তু কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নীলকরদের অত্যাচার
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. অসহযোগ আন্দোলন
  4. তে-ভাগা আন্দোলন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘নীল-দর্পণ’ (১৮৬০) নাটকটির ঘটনা, বিষয় চিন্তা, রচনাস্থান, প্রকাশস্থান, মুদ্রণালয় প্রথম মঞ্চস্থ সবই বাংলাদেশে। ঊনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগে নীলকরদের অত্যাচারে পীড়িত সাধারণ কৃষক জীবনের মর্মস্পর্শী চিত্র নাটকে প্রকাশিত হয়। গ্রন্থটিকে “Nil Darpan or the Indigo Planting Mirror”. গ্রন্থটির ইংরেজি অনুবাদ করেন মাইকেল মধুসূদন দত্ত- উল্লেখযোগ্য চরিত্র: গোলক বসু, নবীন মাধব, তোরাপ, সাবিত্রী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নীলকরদের অত্যাচার
‘নীল দর্পণ’ নাটকটির রচয়িতা হলেন দীনবন্ধু মিত্র। নাটকটি ১৮৬০ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর মূল বিষয়বস্তু ছিল বাংলার নীলচাষী বা কৃষকদের উপর ব্রিটিশ নীলকরদের অমানবিক অত্যাচার, শোষণ এবং জোরপূর্বক নীলচাষের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা। এটি তৎকালীন নীল বিদ্রোহের (১৮৫৯-১৮৬০) প্রেক্ষাপটে রচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
ভাষা আন্দোলন (১৯৫২), অসহযোগ আন্দোলন (১৯২০-২২) এবং তে-ভাগা আন্দোলন (১৯৪৬-৪৭) সম্পূর্ণ ভিন্ন ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক ঘটনাবলির সাথে সম্পর্কিত।
10

‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটি কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাওল
  2. কাজী দীন মহম্মদ
  3. কাজী মোতাহের হোসেন
  4. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘ঘরে বাইরে’ (১৯১৬) চলিতভাষায় লেখা রবীন্দ্রনাথের প্রথম উপন্যাস এটি ‘সবুজপত্র’ পত্রিকায় ১৯১৫ সালে প্রকাশিত হয়। স্বদেশি আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত এই উপন্যাসে ব্রিটিশ ভারতের রাজনীতি এবং সমাজ ও প্রথা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত নারী-পুরুষের সম্পর্ক চিত্রিত হয়েছে। শিল্পসম্মত এ উপন্যাসটির উল্লেযোগ্য চরিত্র হচ্ছে- নিখিলেশ, বিমলা, সন্দীপ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত রাজনৈতিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। এটি ১৯১৫-১৬ সালের দিকে রচিত এবং ১৯১৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসে স্বদেশী আন্দোলনের পটভূমিতে এক ত্রিভুজ প্রেমের জটিলতা দেখানো হয়েছে। এর প্রধান চরিত্রগুলি হলো: বিমলা, নিখিলেশসন্দীপ
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, আলাওল মধ্যযুগের কবি এবং কাজী মোতাহার হোসেন প্রবন্ধ ও বিজ্ঞান বিষয়ক রচনার জন্য বিখ্যাত। তারা আধুনিক যুগের উপন্যাসিক নন।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রবন্ধ গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঞ্চতন্ত্র
  2. কালান্তর
  3. প্রবন্ধ সংগ্রহ
  4. শাশ্বত বঙ্গ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চতন্ত্র
পঞ্চতন্ত্র হলো বিখ্যাত ভ্রমণপিপাসু ও রম্য লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ বা রম্য সংকলন। এই গ্রন্থে বিভিন্ন স্থান ও অভিজ্ঞতা নিয়ে রচিত তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত রচনাগুলো স্থান পেয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভিন্ন লেখকের রচনা:
- কালান্তর: এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
- শাশ্বত বঙ্গ: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক কাজী আব্দুল ওদুদ রচিত গুরুত্বপূর্ণ প্রবন্ধ গ্রন্থ। (এটি পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ)
12

‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. সৈয়দ মুজতবা আলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাহিত্য, বিজ্ঞান, দর্শন, ইতিহাস, রাজনীতি, সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমস্যা ইত্যাদি বিষয় নিয়ে ১৮৪৩ সালে ‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকাটি যাত্রা শুরু করে। এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। তত্ত্ববোধিনী পত্রিকাটি ব্রাহ্মসমাজের মুখপত্র হিসেবেও পরিচিত ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্ষয়কুমার দত্ত
‘তত্ত্ববোধিনী’ পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৩ সালে। এটি ছিল মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর কর্তৃক ১৮৩৯ সালে প্রতিষ্ঠিত তত্ত্ববোধিনী সভার মুখপত্র।
এই পত্রিকার প্রথম সম্পাদক ছিলেন অক্ষয়কুমার দত্ত। তিনি ১৮৪৩ সাল থেকে ১৮৫৫ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ১২ বছর অত্যন্ত দক্ষতার সাথে সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করেন এবং বাংলা গদ্যকে পরিশীলিত করতে সাহায্য করেন।
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর: তিনি 'সোমপ্রকাশ' পত্রিকা প্রকাশে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন (যদিও সম্পাদক ছিলেন দ্বারকানাথ বিদ্যাভূষণ)।
প্যারীচাঁদ মিত্র: তিনি বিখ্যাত 'মাসিক পত্রিকা'র সাথে যুক্ত ছিলেন।
13

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবর
  2. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  3. জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন
  4. ওরা কদম আলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক নাটক ‘কবর’, যার রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ১৯৫৫ সালের আগস্ট মাসে ‘সংবাদ’ পত্রিকার আজাদী সংখ্যায় কবর প্রথম প্রকাশিত হয়। এর ১০ বছর পর হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ সংকলনের দ্বিতীয় সংস্করণে নাটকটি পুনর্মুদ্রিত হয়। পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় (মুক্তিযুদ্ধ ভিত্তিক) এর রচয়িতা সৈয়দ শামসুল হক। ওরা কদম আলীর রচয়িতা মামুনুর রশীদ এবং জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন এর রচয়িতা সেলিম আল দীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কবর
কবর নাটকটি আমাদের মহান ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সফল নাটক। এই নাটকটি রচনা করেন মুনীর চৌধুরী (Munier Chowdhury)।
নাটকটি ১৯৫৩ সালের ২১শে ফেব্রুয়ারি ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে রচনা করা হয়েছিল এবং কারাভ্যন্তরেই প্রথম অভিনীত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—
পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়: এটি সৈয়দ শামসুল হক রচিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিখ্যাত কাব্যনাট্য।
জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন: এটি আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত, যা রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপট নির্ভর।
ওরা কদম আলী: এটি মামুনুর রশীদ রচিত, যা গ্রামীণ সমাজের বৈষম্য ও শ্রেণিসংগ্রামের উপর ভিত্তি করে তৈরি।
14

‘ভানুসিংহ ঠাকুর’ কার ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দীনবন্ধু মিত্র
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. জীবনানন্দ দাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুর’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এ ছদ্মনামে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রচনা করেন। প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’। জীবনানন্দ দাসের ছদ্মনাম রূপসী বাংলার কবি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর কিশোর বয়সে ১৮৮৪ সালে কিছু কবিতা ও পদাবলী রচনা করেছিলেন। তিনি এটিকে পুরোনো বৈষ্ণব পদাবলীর মতো করে প্রকাশের জন্য ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামটি ব্যবহার করেন।
এই ছদ্মনামে প্রকাশিত তাঁর বিখ্যাত সংকলনটির নাম হলো: ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী
অন্যান্য অপশনের ছদ্মনাম:
প্রমথ চৌধুরী-এর ছদ্মনাম হলো: বীরবল (বিসিএস-এ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ)।
দীনবন্ধু মিত্র এবং জীবনানন্দ দাস সাধারণত তাঁদের আসল নামেই সাহিত্য জগতে পরিচিত।
15

কোন কাব্যটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৈতালী
  2. রাখালী
  3. ফনিমনসা
  4. আলো পৃথিবী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘রাখালী’ (১৯২৭) পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন রচিত প্রথম গ্রন্থ ও কাব্যগ্রন্থ। ‘কবর’ কবিতাটি এ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। কবিতাটি ‘কল্লোল’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এছাড়া ‘চৈতালী’ (১৮৯৬) এর রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ‘ফণিমনসা’ (১৯২৭) কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা কাজী নজরুল ইসলাম এবং আলো পৃথিবী কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা জীবনানন্দ দাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাখালী। এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত প্রথম এবং অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়।
জসীমউদ্দীন ছিলেন পল্লী প্রকৃতি ও গ্রামীণ জীবনের রূপকার। তিনি তাঁর কবিতায় সাধারণ মানুষের হাসি-কান্না, দুঃখ-বেদনা অত্যন্ত দরদের সাথে তুলে ধরেছেন, তাই তিনি 'পল্লীকবি' নামে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন বিখ্যাত কবির রচনা:
চৈতালী: এটি লিখেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ফনিমনসা: এটি লিখেছেন কাজী নজরুল ইসলাম
আলো পৃথিবী: এটি লিখেছেন সুকান্ত ভট্টাচার্য
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’- কার কবিতা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শওকত ওসমান
  2. সিকান্দার আবু জাফর
  3. 7

  4. শামসুর রাহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শামসুর রাহমান বাংলাদেশের আধুনিক কবি। ‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি তাঁর ‘শামসুর রাহমানের শ্রেষ্ঠ কবিতা’ সংকলনের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কবিতা ‘স্বাধীনতা তুমি’, ‘পণ্ডশ্রম’, ‘মধুস্মৃতি’, ‘বন্দী শিবির থেকে’ ‘বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়’, ‘আসাদের শার্ট’, ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শামসুর রাহমান
‘তুমি আসবে বলে হে স্বাধীনতা’ কবিতাটি বাঙালি জাতির মুক্তি ও স্বাধীনতা সংগ্রামের পটভূমিতে রচিত। এই কালজয়ী কবিতাটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের সৃষ্টি।
কবিতাটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘বন্দী শিবির থেকে’ (১৯৭২)-তে সংকলিত। এটি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার আবেগ, অপেক্ষা এবং স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষাকে অত্যন্ত গভীর ব্যঞ্জনায় ফুটিয়ে তোলে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন কাজের জন্য পরিচিত: যেমন, শওকত ওসমান প্রধানত গদ্য সাহিত্যিক (উপন্যাসিক), এবং সিকান্দার আবু জাফর তার 'আমাদের সংগ্রাম চলবেই' কবিতার জন্য বিখ্যাত।
17

‘দেয়াল’ রচনাটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুমায়ূন আহমেদ
  2. তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. বুদ্ধদেব বসু
  4. সেলিনা হোসেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের একটি রাজনৈতিক উপন্যাস হচ্ছে ‘দেয়াল’। ২০১১ সালে তিনি এ উপন্যাস রচনা শুরু করেন যা তার মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়। তিনি ছাড়াও ‘দেয়াল’ (১৯৮৫) নামে উপন্যাস রচনা করেছেন আবু জাফর শামসুদ্দীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হুমায়ূন আহমেদ। ‘দেয়াল’ উপন্যাসটি বিংশ শতকের অন্যতম জনপ্রিয় বাঙালি কথা সাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ রচিত।
উপন্যাসটি মূলত ১৯৭৫ সালের পটভূমিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-এর হত্যাকাণ্ড এবং পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে লেখা। এটি লেখকের মৃত্যুর পর ২০১৩ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়, বুদ্ধদেব বসু এবং সেলিনা হোসেন বিখ্যাত সাহিত্যিক হলেও ‘দেয়াল’ তাদের রচনা নয়।
18

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রীতদাসের হাসি
  2. মাটি আর অশ্রু
  3. হাঙর নদী গ্রেনেড
  4. সারেং বউ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাঙর নদী গ্রেনেড
এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন গ্রামীণ পটভূমিতে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ, বিশেষত বুড়ির মা নামের এক নারীর বীরত্বপূর্ণ আত্মত্যাগের চিত্র তুলে ধরেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়। 'ক্রীতদাসের হাসি' হলো শওকত ওসমান রচিত একটি প্রতীকধর্মী উপন্যাস এবং 'সারেং বউ' হলো শহীদূল্লা কায়সার রচিত উপকূলীয় জীবনের উপর ভিত্তি করে লেখা উপন্যাস।
19

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি আমি কি ভুলিতে পারি।’ এ গানের প্রথম সুরকার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  2. আসাদ চৌধুরী
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আব্দুল লতিফ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ। দ্বিতীয় দফায় গানটিতে সুরারোপ করেন আলতাফ মাহমুদ। বর্তমানে এটি সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়। গানটির গীতিকার আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী। তিনি ২০২২ সালে মারা যান। গানটি ১৯৫৪ সাল থেকে শহীদ দিবসের প্রধান গান হিসেবে গৃহীত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আব্দুল লতিফ
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ গানটির রচয়িতা বা গীতিকার হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী (অপশন A)।
এই গানটিতে সর্বপ্রথম সুরারোপ করেছিলেন আব্দুল লতিফ। তিনি ১৯৫৩ সালে গানটিতে প্রথম সুর দেন এবং সেই সুরেই প্রভাতফেরিতে গানটি গাওয়া শুরু হয়।
তবে পরবর্তীতে ১৯৫৪ সালে ভাষা সংগ্রামী আলতাফ মাহমুদ (অপশন C) এই গানটিতে দ্বিতীয়বার সুরারোপ করেন।
বর্তমানে আমরা প্রভাতফেরিতে যে সুরে গানটি গাই, সেটি আলতাফ মাহমুদ-এর সুরারোপিত সুর। যেহেতু প্রশ্নে ‘প্রথম সুরকার’ জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর হবে আব্দুল লতিফ
20

১৯৮৫ সালে নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক কে পান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আলী আহসান
  2. সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ
  3. সৈয়দ শামসুল হক
  4. সিকান্দার আবু জাফর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শিক্ষাবিদ ও কবি সৈয়দ আলী আহসানের (১৯২২-২০০২) বিখ্যাত অনুবাদ গ্রন্থ ‘হুইটম্যানের কবিতা’ ও ‘ইডিপাস’। বাংলা সাহিত্যে অনন্য অবদানের জন্য তিনি বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার (১৯৬৭), সুফী মোতাহের হোসেন স্বর্ণপদক (১৯৬৭), একুশে পদক (১৯৮৩), মধুসূদন স্বর্ণপদক (১৯৮৫), নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক (১৯৮৫) ও স্বাধীনতা পুরস্কারসহ (১৯৮৮) নানা পুরস্কার লাভ করেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্রের শব্দসৈনিক হিসেবে ‘চেনাকণ্ঠ’ ছদ্মনামে পরিচিত ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ আলী আহসান
বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. সৈয়দ আলী আহসান ১৯৮৫ সালে নাসির উদ্দিন স্বর্ণপদক লাভ করেন। তিনি ছিলেন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক ও শিক্ষাবিদ, যিনি পরবর্তীতে জাতীয় অধ্যাপক উপাধিতে ভূষিত হন।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, সৈয়দ শামসুল হক এই পদক লাভ করেছিলেন (১৯৮০ সালে), কিন্তু প্রশ্নে উল্লিখিত ১৯৮৫ সালের প্রাপক তিনি নন। সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ এবং সিকান্দার আবু জাফর এই পদক লাভ করেননি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

Fill in the blank of the following sentence with the right form of verb. 

If I - a king!

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. am
  2. was
  3. were
  4. shall be

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

If যুক্ত Conditional sentence এ Subject এর পর be(am, is, are) Verb আসলে সেক্ষেত্রে were ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: were। এই বাক্যটি একটি অবাস্তব ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা (unreal wish or desire) প্রকাশ করছে।
ইংরেজিতে যখন কোনো অবাস্তব বা কাল্পনিক পরিস্থিতি, ইচ্ছা, অথবা অনুমান বোঝানো হয়, তখন Subjunctive Mood ব্যবহার করা হয়।
Subjunctive Mood-এর একটি প্রধান নিয়ম হলো, 'to be' Verb-এর ক্ষেত্রে Subject-এর ব্যক্তি বা বচন (Person or Number) যাই হোক না কেন, সর্বদা were ব্যবহার করা হয়।
যেমন, 'If I were a king!' (যদি আমি রাজা হতাম!), 'I wish she were here.' (আমি চাই সে যেন এখানে থাকত)। এখানে 'I' এবং 'she' উভয়ের সাথেই were বসেছে, যা অবাস্তব ইচ্ছা প্রকাশ করছে।
অন্যান্য অপশন যেমন 'am' বা 'was' (যা বাস্তবে ব্যবহৃত হয়), এই কাল্পনিক পরিস্থিতিতে সম্পূর্ণ ভুল।
22

Tiger : Zoology:: Mars:-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Astrology
  2. Cryptology
  3. Astronomy
  4. Telescopy

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Tiger বা বাঘ হলো একটি প্রাণি এবং Zoology বা প্রাণিবিদ্যা হলো প্রাণী সম্পর্কিত বিদ্যা। তেমনি Mars বা মঙ্গলগ্রহ হলো একটি গ্রহের নাম এবং Astronomy বা জ্যোতর্বিদ্যা হলো গ্রহ-নক্ষত্রবিষয়ক বিদ্যা।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সাদৃশ্য বিচার (Analogy) এর উপর ভিত্তি করে তৈরি। এখানে প্রথম জোড়ার মধ্যে যে সম্পর্কটি বিদ্যমান, দ্বিতীয় জোড়াতেও একই সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
প্রথম জোড়ার সম্পর্ক: Tiger : Zoology (বাঘ : প্রাণীবিজ্ঞান)। সম্পর্কটি হলো— একটি নির্দিষ্ট প্রাণী (বাঘ) যে বিজ্ঞান শাখার অধীনে বৈজ্ঞানিকভাবে অধ্যয়ন করা হয় (প্রাণীবিজ্ঞান বা Zoology)।
একইভাবে, Mars (মঙ্গল) হলো একটি মহাজাগতিক বস্তু বা গ্রহ। মহাজাগতিক বস্তুসমূহের বৈজ্ঞানিক অধ্যয়ন যে শাখার অধীনে করা হয়, তা হলো জ্যোতির্বিজ্ঞান (Astronomy)
অতএব, সঠিক সাদৃশ্যটি হলো: Tiger : Zoology :: Mars : Astronomy
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Astrology হলো রাশিফল ও নক্ষত্রের প্রভাব নিয়ে বিশ্বাসভিত্তিক আলোচনা। Cryptology হলো সংকেত বা কোড নিয়ে আলোচনা। Telescopy হলো দূরবীক্ষণ যন্ত্রের ব্যবহার নিয়ে আলোচনা (এটি অধ্যয়নের শাখা নয়)।
23

Maiden speech means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. First speech
  2. Middle speech
  3. Maid servant's speech
  4. Final speech

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Maiden Speech হলো একটি phrase, যার অর্থ প্রথম বক্তৃতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: First speech (প্রথম বক্তৃতা)।
'Maiden' শব্দটির আভিধানিক অর্থ কুমারী হলেও, যখন এটি কোনো নাউন বা বিশেষ্যের আগে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর অর্থ দাঁড়ায় ‘প্রথম’ বা ‘প্রাথমিক’
অতএব, Maiden speech বলতে বোঝায় একজন ব্যক্তির জীবনে বা কোনো নির্দিষ্ট ফোরাম (যেমন: পার্লামেন্ট, সভা) এর প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তৃতা বা ভাষণ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'Middle speech', 'Final speech' এই শব্দগুচ্ছের সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না।
24

N.B. stands for -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Note before
  2. No bar
  3. Non bearing
  4. Nota bene

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

N.B. হলো একটি Abbreviation বা সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্রূপ হলো Nota bene। লেখনীতে কোনো কিছু গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে তুলে ধরার ক্ষেত্রে N.B. ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Nota bene (নোট্টা বেনে)।
'N.B.' হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ল্যাটিন অ্যাব্রেভিয়েশন বা সংক্ষেপণ।
ল্যাটিন ভাষায় ‘Nota’ মানে হলো ‘Note’ (লক্ষ্য করা) এবং ‘Bene’ মানে হলো ‘Well’ (ভালোভাবে)।
অতএব, 'Nota bene' এর শাব্দিক অর্থ হলো 'Note well' বা ‘ভালোভাবে লক্ষ্য করুন’।
চিঠিপত্র, দলিলে বা পরীক্ষার প্রশ্নে যখন পাঠককে কোনো গুরুত্বপূর্ণ অতিরিক্ত তথ্য সম্পর্কে বিশেষভাবে সচেতন করতে হয়, তখন টীকা হিসেবে N.B. ব্যবহার করা হয়।
25

What is the masculine gender of "mare"?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mermaid
  2. Bear
  3. Stallion
  4. Dog

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Mare অর্থ ঘোটকী। Mermaid- মৎস্যকন্যা, Bear- ভাল্লুক, Stallion- ঘোড়া, Dog- কুকুর। সুতরাং Mare বা ঘোটকীর Masculine বা পুংলিঙ্গ হচ্ছে Stallion.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (c) Stallion
Mare একটি স্ত্রীলিঙ্গ (Feminine Gender) শব্দ, যার অর্থ হলো ঘোটকী বা স্ত্রী-ঘোড়া। এর অনুরূপ পুংলিঙ্গ (Masculine Gender) হলো Stallion, যার অর্থ হলো পুরুষ-ঘোড়া।
BCS পরীক্ষায় Noun-এর Gender পরিবর্তন সংক্রান্ত প্রশ্ন প্রায়শই আসে, বিশেষ করে প্রাণীদের ক্ষেত্রে।
অন্যান্য অপশনগুলো সম্পূর্ণ ভুল: Mermaid (জলপরী) স্ত্রীলিঙ্গ, এর পুরুষ লিঙ্গ হলো Merman। Bear (ভাল্লুক) একটি সাধারণ Noun এবং Dog (কুকুর) এর স্ত্রীলিঙ্গ হলো Bitch (বিচ)।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

Botany is to plants as Zoology is to -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Flowers
  2. Rivers
  3. Mountains
  4. Animals

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Botany হচ্ছে ‍উদ্ভিদবিদ্যা যা plants (উদ্ভিদ) নিয়ে আলোচনা করে। তেমনি Zoology হলো প্রাণিবিদ্যা যা Animals (প্রাণী) নিয়ে আলোচনা করে।

ব্যাখ্যা

এটি একটি সাদৃশ্যমূলক প্রশ্ন (Analogy)। এখানে দুটি পদের মধ্যেকার সম্পর্কের ভিত্তিতে তৃতীয় ও চতুর্থ পদের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হবে। সাদৃশ্যটি হলো: আলোচনার বিষয়: অধ্যয়নের ক্ষেত্র
Botany (উদ্ভিদবিদ্যা) হলো বিজ্ঞানের সেই শাখা, যেখানে Plants (উদ্ভিদ) নিয়ে গবেষণা ও আলোচনা করা হয়।
একইভাবে, Zoology (প্রাণীবিদ্যা) হলো জীববিজ্ঞানের একটি প্রধান শাখা, যেখানে Animals (প্রাণী) বা প্রাণিজগত সম্পর্কে বিস্তারিত গবেষণা করা হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো Animals (প্রাণী)
27

১৯৭১ সনের কত তারিখে মুজিবনগরে স্বাধীন বাংলাদেশের অস্থায়ী সরকার গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭১ খ্রি.
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১ খ্রি.
  3. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ খ্রি.
  4. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ খ্রি.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত জাতীয় পরিষদের নির্বাচনে বিজয়ী সদস্যগণ ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ ভারতের আগরতলায় একত্রিত হয়ে একটি সরকার গঠন করার বিষয়ে সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে উপনীত হন। ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথ তলার (বর্তমান মুজিবনগর) ভবের-পাড়া গ্রামে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’ আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে। রাষ্ট্রপতি শাসিত এ সরকার পদ্ধতির মন্ত্রিপরিষদ সদস্যদের শপথ বাক্য পাঠ করান অধ্যাপক ইউসুফ আলী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ খ্রি.
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য এবং আন্তর্জাতিক সমর্থন আদায়ের লক্ষ্যে ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয়। এই সরকার গঠিত হয়েছিল তৎকালীন কলকাতার ৮ নং থিয়েটার রোডে
যদিও সরকার ১০ এপ্রিল গঠিত হয়েছিল, কিন্তু শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটি হয়েছিল ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে, মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (যা পরে মুজিবনগর নামকরণ করা হয়)। তাই প্রশ্নে 'গঠিত' শব্দটি থাকলে ১০ এপ্রিল উত্তর হবে।
অন্যান্য তারিখগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর নয়:
৭ মার্চ: বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ভাষণ
২৬ মার্চ: স্বাধীনতার ঘোষণা (২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে)।
১৬ ডিসেম্বর: বিজয় দিবস
28

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কত তারিখে জন্মগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ মার্চ, ১৯১৯ খ্রি.
  2. ১৭ মার্চ, ১৯২০ খ্রি.
  3. ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭ খ্রি.
  4. ২১ জুন, ১৯৪১ খ্রি.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯২০ সালের ১৭ মার্চ গোপালগঞ্জ জেলার পাটগাতি ইউনিয়নের টুঙ্গীপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৭ মার্চ, ১৯২০ খ্রিষ্টাব্দ
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (Sheikh Mujibur Rahman) এই তারিখে তৎকালীন ফরিদপুর জেলার গোপালগঞ্জ মহকুমার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।
এটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি মৌলিক প্রশ্ন, যা বারবার পরীক্ষায় আসে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭ তারিখে পাকিস্তান রাষ্ট্র গঠিত হয়েছিল, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।
29

বহুল আলোচিত মুহুরীর চর কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নোয়াখালী
  2. ফেনী
  3. লালমনিরহাট
  4. সাতক্ষীরা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলার মুহুরী নদী সংলগ্ন স্থানে মুহুরীর চর অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফেনী
মুহুরীর চর হচ্ছে ফেনী জেলার একটি বহুল আলোচিত ও কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চল যা মূলত ফেনী নদী এবং মুহুরী নদীর মিলনস্থলে সৃষ্ট একটি চর বা ভূখণ্ড।
ঐতিহাসিকভাবে এই চরটি বাংলাদেশ-ভারতের সীমান্ত বিরোধের একটি প্রধান কেন্দ্রবিন্দু ছিল, বিশেষ করে বেলুনিয়া বর্ডার (Belonia Bulge) অঞ্চলে।
চরটি ফেনী জেলার পরশুরাম উপজেলায় অবস্থিত। এটি বারবার আলোচনায় আসে কারণ শুষ্ক মৌসুমে চরটি জেগে উঠলে উভয় দেশের কৃষকরা এর দখল নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি করত।
অন্যান্য অপশন যেমন নোয়াখালী (নিকটবর্তী), লালমনিরহাট (উত্তরবঙ্গের সীমান্ত) এবং সাতক্ষীরা (দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্ত) এই চরের সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
30

বাংলাদেশ টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় কত সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৭ খ্রি.
  2. ১৯৫৮ খ্রি.
  3. ১৯৬৪ খ্রি.
  4. ১৯৬৫ খ্রি.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান পাইলট প্রকল্পের মাধ্যমে এ দেশে সর্বপ্রথম টেলিভিশন সম্প্রচার কার্যক্রমের যাত্রা শুরু হয়। ১লা ডিসেম্বর, ১৯৮০ সাল থেকে এটি রঙিন সম্প্রচার শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৪ খ্রি.
তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সরকার ১৯৬৫ সালের কথা বললেও, পরীক্ষামূলক সম্প্রচার শুরু হয়েছিল তারও আগে।
আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) টেলিভিশনের যাত্রা শুরু হয় ২৫ ডিসেম্বর, ১৯৬৪ খ্রিষ্টাব্দে।
শুরুর দিকে এটি পাকিস্তান টেলিভিশন (PTV) নামে পরিচিত ছিল এবং ঢাকার ডিআইটি (DIT) ভবন থেকে এর সম্প্রচার শুরু হয়।
মুক্তিযুদ্ধের পর, ১৯৭২ সালের প্রথম দিকে এর নাম পরিবর্তন করে বাংলাদেশ টেলিভিশন (BTV) রাখা হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন কবে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
  2. ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩ খ্রি.
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.
  4. ৭ ডিসেম্বর, ১৯৭২ খ্রি.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

৭ মার্চ, ১৯৭৩ বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রি.
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের প্রথম সাধারণ নির্বাচন তথা জাতীয় সংসদের প্রথম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩ খ্রিষ্টাব্দে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমেই প্রথম জাতীয় সংসদ গঠিত হয় এবং বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।
উল্লেখ্য, ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংবিধান কার্যকর হওয়ার পরই নির্বাচন কমিশন এই নির্বাচনের আয়োজন করে। অন্যান্য তারিখগুলো (যেমন ডিসেম্বর ১৯৭২) সংবিধান প্রণয়ন ও কার্যকর হওয়ার সাথে সম্পর্কিত, নির্বাচনের সাথে নয়।
32

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তন করা হয় কত সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭৫৭ খ্রি.
  2. ১৭৭০ খ্রি.
  3. ১৮৫৭ খ্রি.
  4. ১৭৯৩ খ্রি.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত হলো ১৭৯৩ সালে লর্ড কর্নওয়ালিস প্রশাসন কর্তৃক ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি সরকার ও বাংলার জমি মালিকদের (সকল শ্রেণির জমিদার ও স্বতন্ত্র তালুকদারদের) মধ্যে সম্পাদিত একটি যুগান্তকারী চুক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৭৯৩ খ্রি.
১৭৯৩ সালে বাংলার গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস (Lord Cornwallis) রাজস্ব সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবস্থা প্রবর্তন করেন, যা ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ (Permanent Settlement) নামে পরিচিত।
এই বন্দোবস্তের মাধ্যমে ব্রিটিশ সরকার এবং জমিদারদের মধ্যে ভূমি রাজস্বের একটি স্থায়ী কাঠামো তৈরি করা হয়। জমিদাররা জমির স্থায়ী মালিকানা পান এবং একটি নির্দিষ্ট হারে সরকারকে খাজনা দিতে বাধ্য থাকেন।
অন্যান্য বিকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক ঘটনা নির্দেশ করে, কিন্তু চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের সাথে সম্পর্কিত নয়:
১৭৫৭ খ্রি.: পলাশীর যুদ্ধ সংঘটিত হয়।
১৭৭০ খ্রি.: ছিয়াত্তরের মন্বন্তর (গ্রেট বেঙ্গল ফেমিন) দেখা দেয়।
১৮৫৭ খ্রি.: সিপাহী বিদ্রোহ সংঘটিত হয়।
33

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরামের সমন্বয়কারী কোন সংস্থা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এডিবি
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. জাইকা
  4. আইএমএফ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ ও উন্নয়ন ফোরাম (BDF) এর সমন্বয়কারী সংস্থা বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম এর প্রতিষ্ঠাকালীন নাম বাংলাদেশ এইড গ্রুপ (Bangladesh Aid Group- BAG), যা ১৯৭৪ সালের অক্টোবরে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশ্বব্যাংক (World Bank)

বাংলাদেশ উন্নয়ন ফোরাম (Bangladesh Development Forum - BDF) হলো বাংলাদেশ সরকার এবং তার উন্নয়ন সহযোগী, দাতা দেশ ও সংস্থাগুলোর মধ্যে উচ্চপর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

ঐতিহ্যগতভাবে এবং প্রাতিষ্ঠানিকভাবে, বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিসই এই ফোরামের সমন্বয়কারী (Convenor) হিসেবে কাজ করে। এই ফোরামের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক সহায়তা এবং গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সংস্কার নিয়ে আলোচনা ও প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

অন্যান্য সংস্থা যেমন এডিবি (ADB) এবং জাইকা (JICA) বাংলাদেশের প্রধান উন্নয়ন সহযোগী হলেও, BDF-এর সমন্বয়ের দায়িত্ব বিশ্বব্যাংকের ওপর ন্যস্ত।
34

বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্তবর্তী নদী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোমতী
  2. জিঞ্জিরাম
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের (পূর্ব নাম বার্মা) সীমান্তবর্তী নদী নাফ (Naf)। কক্সবাজার জেলার সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব কোণ দিয়ে প্রবাহিত নাফ নদী মিয়ানমারের আরাকান এবং বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলাকে বিভক্ত করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাফ নদী
নাফ নদী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের (পূর্বের বার্মা) মধ্যেকার প্রাকৃতিক ও আন্তর্জাতিক সীমানা নদী হিসেবে কাজ করে।
এই নদীটি বাংলাদেশের কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা এবং মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যকে (আকিয়াব) পৃথক করেছে। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬২ কিলোমিটার
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: কর্ণফুলী বাংলাদেশের অভ্যন্তরের প্রধান নদী; গোমতী বাংলাদেশ ও ভারতের (ত্রিপুরা) সীমান্তবর্তী নদী।
35

বাংলাদেশে শেয়ারবাজার কার্যক্রম কোন সংস্থা নিয়ন্ত্রণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থ মন্ত্রণালয়
  2. প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়
  3. বাংলাদেশ ব্যাংক
  4. সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের শেয়ারবাজার কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করে BSEC। ১৯৯৩ সালের ৮ জুন পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে ‘সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ নামে প্রতিষ্ঠিত হলেও ২০১২ সালের ১০ ডিসেম্বর এর নামকরণ করা হয় ‘বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন’ (BSEC)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জ কমিশন
বাংলাদেশে শেয়ারবাজার বা পুঁজি (Capital Market) বাজারের কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ, তদারকি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (Bangladesh Securities and Exchange Commission - BSEC) নামক স্বায়ত্তশাসিত সংস্থাটি কাজ করে।
BSEC প্রতিষ্ঠার মূল লক্ষ্য হলো বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ রক্ষা করা এবং পুঁজিবাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: বাংলাদেশ ব্যাংক দেশের মুদ্রাবাজার (Money Market), বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানসমূহকে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু সরাসরি পুঁজিবাজারকে নয়। অর্থ মন্ত্রণালয় সামষ্টিক অর্থনৈতিক ও রাজস্ব নীতি প্রণয়ন করে, সরাসরি বাজার নিয়ন্ত্রণ করে না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

জামাল নজরুল ইসলাম কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থনীতিবিদ
  2. ফুটবল খেলোয়াড়
  3. কবি
  4. বৈজ্ঞানিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জামাল নজরুল ইসলাম (জন্ম ২৪ ফেব্রুয়ারি ১৯৩৯মৃত্যু ১৫ মার্চ, ২০১৩) বাংলাদেশের একজন বিশিষ্ট পদার্থবিজ্ঞানী ও জ্যোতির্বিজ্ঞানী। তার জন্ম ঝিনাইদহ শহরে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বৈজ্ঞানিক
ড. জামাল নজরুল ইসলাম ছিলেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন বাংলাদেশি গণিতবিদ এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানী
তিনি বিশেষত কসমোলজি (Cosmology) বা মহাবিশ্বের সৃষ্টিতত্ত্ব এবং তাত্ত্বিক পদার্থবিজ্ঞানের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। তিনি ছিলেন একজন বিশ্বমানের বিজ্ঞানী, অর্থনীতিবিদ বা কবি নন।
37

নিচের কোন সংস্থাটি ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসাবে স্বীকৃতি দিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. UNESCO
  3. UNICEF
  4. UNCTAD

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ইউনেস্কোর ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে (নির্বাহী পরিষদের ১৫৭তম অধিবেশন) ২১ ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং প্রতিবছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০০০ সালে ২১ ফেব্রুয়ারি এ বিশেষ দিবসটিকে বিশ্বের ১৮৮টি দেশ প্রথমবারের মতো ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে পালন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization)।
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা ইউনেস্কো-ই বাংলাদেশের ভাষা আন্দোলনের প্রতি সম্মান জানিয়ে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।
ইউনেস্কো সদর দপ্তর, প্যারিসে অনুষ্ঠিত ৩০তম সাধারণ সম্মেলনে এই সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
স্বীকৃতির তারিখ: ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
প্রথম আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়: ২০০০ সাল থেকে।
অন্যান্য অপশন যেমন—UNDP (উন্নয়ন কর্মসূচি), UNICEF (শিশু তহবিল) এবং UNCTAD (বাণিজ্য ও উন্নয়ন) সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কাজ করে না, তাই এগুলো ভুল উত্তর।
38

Who is known as the 'Lady with the Lamp'?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Sorojini Naidu
  2. Hellen Killer
  3. Florence Nightingale
  4. Madame Teresa

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (১২ মে ১৮২০-১৩ আগস্ট ১৯১০) হলেন আধুনিক নার্সিং সেবার অগ্রদূত। তিনি ‘দ্য লেডি উইথ দ্য ল্যাম্প’ (The Lady with the Lamp) নামে পরিচিত। তাঁকে সবচেয়ে বেশি স্মরণ করা হয় ক্রিমিয়ার যুদ্ধে যুদ্ধাহতদের সেবায় অনবদ্য ভূমিকার জন্য। Sarojini Naidu- নাইটেঙ্গেল অব ইন্ডিয়া নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (Florence Nightingale)
তিনি ছিলেন আধুনিক নার্সিংয়ের একজন পথিকৃৎ (Pioneer of modern nursing)। ১৮৫৩-১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় তিনি আহত ব্রিটিশ সৈন্যদের সেবা করার জন্য তুরস্কের একটি সামরিক হাসপাতালে কর্মরত ছিলেন।
সৈন্যদের প্রতি তাঁর যত্ন ও গভীর রাতে লণ্ঠন (Lamp) হাতে তিনি যখন ওয়ার্ডগুলো পরিদর্শন করতেন, তখন থেকেই তাঁকে ভালোবাসা ও শ্রদ্ধার সাথে 'Lady with the Lamp' বা 'ল্যাম্প হাতে নারী' নামে ডাকা শুরু হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো: সরোজিনী নাইডু ছিলেন ভারতের কোকিল (Nightingale of India), হেলেন কিলার ছিলেন একজন বিখ্যাত বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী আমেরিকান লেখিকা এবং মাদার তেরেসা ছিলেন মানবসেবার জন্য নোবেল জয়ী (Peace Prize 1979)।
39

For which of the following disciplines Nobel Prize is awarded?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Physiology or Medicine
  2. Physics and Chemistry
  3. Literature, Peace and Economics
  4. All of the above

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সুইডিশ বিজ্ঞানী আলফ্রেড বার্নার্ড নোবেল তার উইলকৃত অর্থ থেকে পাঁচটি ক্ষেত্রে পুরস্কার প্রদানের ঘোষণা দিয়ে যান। তবে পরবর্তীতে ১৯৬৮ সালে প্রবর্তন করে ১৯৬৯ সালে প্রথম ‘অর্থনীতি’ বিষয়টিতেও পুরস্কার প্রদান করা হয়। বর্তমানে তাই নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয় ৬টি ক্ষেত্রে সাহিত্য, পদার্থবিদ্যা, রসায়নশাস্ত্র, অর্থনীতি, চিকিৎসাবিজ্ঞান ও শান্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: All of the above বা উপরের সবগুলোই
নোবেল পুরস্কার মোট ৬টি ভিন্ন ভিন্ন ক্ষেত্রে প্রদান করা হয়। ১৯০১ সালে প্রথম যখন পুরস্কার দেওয়া শুরু হয়, তখন ৫টি ক্ষেত্রে দেওয়া হতো।
বর্তমানে যে ৬টি ক্ষেত্রে নোবেল পুরস্কার প্রদান করা হয়, সেগুলো হলো:
১. পদার্থবিজ্ঞান (Physics)
২. রসায়ন (Chemistry)
৩. চিকিৎসা বা শরীরতত্ত্ব (Physiology or Medicine)
৪. সাহিত্য (Literature)
৫. শান্তি (Peace)
৬. অর্থনীতি (Economics)
প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত সকল অপশনই এই ৬টি ক্ষেত্রের অন্তর্ভুক্ত, তাই সঠিক উত্তর হবে 'All of the above'।
40

World 'No-Tobacco Day' is observed on-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25-May
  2. 28-May
  3. 30-May
  4. 31-May

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস। তামাকের ভয়বহতা নিয়ন্ত্রণ এবং তামাকমুক্ত বিশ্ব গড়ার লক্ষ্যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৯৮৭ সাল থেকে প্রতিবছর ৩১ মে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩১শে মে
প্রতি বছর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর উদ্যোগে ৩১শে মে তারিখে বিশ্ব তামাকমুক্ত দিবস (World No-Tobacco Day) পালিত হয়।
তামাক ব্যবহারের ভয়াবহ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং এর কারণে সৃষ্ট বিভিন্ন রোগ (যেমন ক্যান্সার, শ্বাসযন্ত্রের জটিলতা) সম্পর্কে বিশ্বব্যাপী জনসচেতনতা বৃদ্ধি করাই এই দিবস পালনের মূল লক্ষ্য।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

In Cricket game the length of pitch between the two wickets is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 22 yards
  2. 21 yards
  3. 24 yards
  4. 23 yards

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ক্রিকেট প্রতি দলে এগারো জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত দুটি দলের মধ্যে ব্যাট ও বলের খেলা। ডিম্বাকৃতির মাঠ বা গ্রাউন্ডে এ খেলা অনুষ্ঠিত হয়। খেলা পরিচালনার জন্য তিনজন আম্পায়ার ও একজন ম্যাচ রেফারি থাকেন। ক্রিকেট ব্যাটের প্রস্থ সর্বাধিক ৪.৫ ইঞ্চি এবং দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ৩৮ ইঞ্চি। মাটি থেকে স্টাম্পের উচ্চতা ২৭ ইঞ্চি এবং পিচের দৈর্ঘ্য ২২ গজ।

ব্যাখ্যা

ক্রিকেট খেলার আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুযায়ী (আইসিসি স্ট্যান্ডার্ড) দুটি উইকেটের মধ্যবর্তী পিচের আদর্শ দৈর্ঘ্য হলো ২২ গজ (yards)
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ২২ গজ
পরিমাপের অন্যান্য একক অনুযায়ী এই দূরত্বটি হলো:
৬৬ ফুট (Feet)
• প্রায় ২০.১২ মিটার (Meters)
42

IMF (International Monetary Fund) is the result of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Hawana Conference
  2. Geneva Conference
  3. Rome Conference
  4. Brettonwood Conference

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডসের মাউন্ট ওয়াশিংটন হোটেলে অনুষ্ঠিত ৪৫টি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে গৃহীত চুক্তির মাধ্যমে IMF প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রেটনউড কনফারেন্স (Brettonwood Conference)
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসলীলার পর বিশ্বব্যাপী আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা বিনিময়ের নিয়ম প্রণয়নের জন্য ১৯৪৪ সালের ১ থেকে ২২ জুলাই যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস শহরে একটি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এই সম্মেলনের ফলস্বরূপ দুটি প্রধান আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান গঠিত হয়: আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল (IMF) এবং বিশ্বব্যাংক (World Bank - IBRD)
অন্যান্য অপশন যেমন হাওয়ানা কনফারেন্স বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO)-এর পূর্বসূরি ITO গঠনের প্রচেষ্টা সম্পর্কিত ছিল, যা IMF প্রতিষ্ঠার কারণ নয়।
43

The International Court of Justice is located in-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. New York
  2. London
  3. Geneva
  4. Hague

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আন্তর্জাতিক আদালত (ICJ) এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডসের দি হেগ এ অবস্থিত। আন্তর্জাতিক আদালত প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪ অক্টোবর ১৯৪৫ (কার্যক্রম শুরু ১৮ এপ্রিল ১৯৪৬)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Hague (হেগ)। এটি নেদারল্যান্ডসের একটি শহর।
ইন্টারন্যাশনাল কোর্ট অফ জাস্টিস (ICJ) হলো জাতিসংঘের প্রধান বিচার বিভাগীয় অঙ্গ এবং এটি হেগের শান্তি প্রাসাদ (Peace Palace)-এ অবস্থিত।
জাতিসংঘের মোট ৬টি প্রধান অঙ্গের মধ্যে ICJ-ই একমাত্র অঙ্গ যার সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্ক সিটির বাইরে অবস্থিত।
অন্যদিকে, নিউ ইয়র্ক-এ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের সদর দপ্তর অবস্থিত এবং জেনেভা হলো জাতিসংঘের ইউরোপীয় সদর দপ্তর।
44

Badminton is the national sport of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Malaysia
  2. Scotland
  3. China
  4. Nepal

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা ব্যাডমিন্টন মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা স্পোকটার্কো নামক একটি খেলা যা অনেকটা ব্যাডমিন্টনের মতো, তবে সে খেলাতে হাত ব্যবহার করা যায় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মালয়েশিয়া
ব্যাডমিন্টন মালয়েশিয়ার সবচেয়ে জনপ্রিয় খেলা এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের জাতীয় খেলা (National Sport) হিসেবে স্বীকৃত।
ব্যাডমিন্টনে মালয়েশিয়ার আন্তর্জাতিক সাফল্যও উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে ডাবলসে তারা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ শক্তি।
অন্যান্য অপশনগুলোর জাতীয় খেলা ভিন্ন:
স্কটল্যান্ড: সাধারণত গল্ফ (ঐতিহ্যবাহী) বা ফুটবলের জনপ্রিয়তা সর্বাধিক।
চীন: চীনের জাতীয় খেলা হলো টেবিল টেনিস (পিং পং)
নেপাল: নেপালের জাতীয় খেলা হলো ভলিবল (২০১৭ সালে স্বীকৃতি পায়)।
45

EURO is the currency of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Asia
  2. Europe
  3. America
  4. Africa

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ইউরো’ হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহের একক মুদ্রা। এ মুদ্রার জনক রবার্ট মুন্ডেল। ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি ইউরো চালু হয়। তখন ১১টি দেশ-বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ, নেদারল্যান্ডস, ইতালি, ফ্রান্স, জার্মানি, আয়ারল্যান্ড, গ্রিস, স্পেন, পর্তুগাল, অস্ট্রিয়া ও ফিনল্যান্ড ইউরো মুদ্রা গ্রহণ করে। বর্তমানে ইউরোপের ২২টি দেশে ইউরো মুদ্রা ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইউরোপ
ইউরো (EURO) হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অর্থনৈতিক ও মুদ্রাভিত্তিক ইউনিয়ন ইউরোজোনের সরকারি মুদ্রা।
বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি সদস্য দেশের মধ্যে ২০টি দেশ ইউরোকে তাদের সরকারি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার করে থাকে, যাদের একত্রে ইউরোজোন বলা হয়।
এশিয়া, আমেরিকা এবং আফ্রিকা মহাদেশের নিজস্ব কোনো একক মুদ্রা নেই; সেখানে বিভিন্ন দেশে তাদের নিজস্ব জাতীয় মুদ্রা (যেমন ডলার, রিয়্যাল, টাকা, র্যান্ড ইত্যাদি) ব্যবহার করা হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

‘তাহরির স্কয়ার’ কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিউল
  2. আম্মান
  3. কায়রো
  4. তেহরান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তাহরির স্কয়ার মিশরের কায়রোতে অবস্থিত। আরবিতে ডাকা হয় ‘ময়দান আল তাহরির’, ইংরেজিতে ‘লিবারেশন স্কয়ার’। এটিই কায়রোর গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থল। জায়গাটিকে আগে ডাকা হতো ‘ইসমাইলিয়া ময়দান’ নামে। মিশরের সাবেক প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে যে গণবিক্ষোভ হয় তার মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিল তাহরির স্কয়ার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কায়রো। তাহরির স্কয়ার (Tahrir Square) মিশরের রাজধানী কায়রোর প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত একটি বিখ্যাত স্থান।
এটি মূলত ২০১১ সালের মিশরীয় বিপ্লব বা আরব বসন্তের সময় বিক্ষোভ ও আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিতি লাভ করে। এই ঐতিহাসিক স্থানটি মিশরের স্বাধীনতা ও মুক্তির প্রতীক হিসেবে গণ্য করা হয়।
‘তাহরির’ (Tahrir) একটি আরবি শব্দ, যার অর্থ হলো মুক্তি বা Liberation
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে সিউল দক্ষিণ কোরিয়ার, আম্মান জর্ডানের এবং তেহরান ইরানের রাজধানী।
47

কোনটি D-৮ ভুক্ত দেশ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইজেরিয়া
  2. ভারত
  3. মালয়েশিয়া
  4. তুরস্ক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

D-৮ ভুক্ত দেশ ৮টি তুরস্ক, ইরান, পাকিস্তান, মিশর, ইন্দোনেশিয়া, বাংলাদেশ, মালয়েশিয়া ও নাইজেরিয়া। সদস্য দেশগুলোর জনগণের শান্তি, সংলাপ, সহযোগিতা, ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও সমতার ভিত্তিতে পারস্পরিক উন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে ১৯৯৭ সালের ৫ জুন D-8 (Developing-8) গঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

D-৮ এর পূর্ণরূপ হলো Developing Eight (আটটি উন্নয়নশীল দেশ নিয়ে গঠিত অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোট)।
এই জোট গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল সদস্য রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা এবং আন্তর্জাতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে তাদের অবস্থানকে শক্তিশালী করা।
প্রশ্নে উল্লেখিত দেশগুলোর মধ্যে নাইজেরিয়া, মালয়েশিয়া এবং তুরস্ক D-৮ ভুক্ত দেশ।
কিন্তু ভারত (India) D-৮ জোটের সদস্য নয়। তাই সঠিক উত্তর হলো ভারত
48

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. ভিয়েনা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৬১ সালের ২৮ মে অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল প্রতিষ্ঠা করা হয়। যুক্তরাজ্যের লন্ডনে এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লন্ডন। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল (Amnesty International) একটি বিশ্বখ্যাত আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (NGO) যা বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার রক্ষা ও প্রচারের কাজ করে।
সংস্থাটির সদর দপ্তর বা হেডকোয়ার্টার যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে: নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের (UN) সদর দপ্তর; ভিয়েনা-তে ওপেক (OPEC) ও আন্তর্জাতিক আনবিক শক্তি সংস্থার (IAEA) সদর দপ্তর; এবং প্যারিস-এ UNESCO-এর সদর দপ্তর অবস্থিত।
49

‘আরব বসন্ত’ বলতে কি বুঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
  2. আরব অঞ্চলে বসন্তকাল
  3. আরব রাজতন্ত্র
  4. আরবীয় মহিলাদের ক্ষমতায়ন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর থেকে আরব বিশ্বের বিভিন্ন দেশে যে গণজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে তাকে উল্লেখ করা হয়েছে আরব বসন্ত (Arab Spring) হিসেবে। আরব বসন্ত-এর সূতিকাগার হিসেবে খ্যাত দেশ হচ্ছে তিউনিসিয়া। দেশটিতে Jasmine Revolution বা জুঁই বিপ্লব ঘটে ১৪ জানুয়ারি, ২০১১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আরবের বিভিন্ন দেশে গণজাগরণ
‘আরব বসন্ত’ (Arab Spring) হলো মূলত ২০১০ সালের ডিসেম্বর মাস থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে সংঘটিত গণ-আন্দোলন, বিক্ষোভ এবং সশস্ত্র বিদ্রোহের একটি ঢেউ।
এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল দীর্ঘদিনের স্বৈরাচারী ও একনায়কতান্ত্রিক শাসকদের উৎখাত করা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।
এই আন্দোলনকে ‘বসন্ত’ নামে অভিহিত করা হয়, কারণ এটি ছিল পশ্চিমা দেশগুলোর চোখে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার নতুন দিগন্তের সূচনা।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এটি কোনো সাধারণ বসন্তকাল নয়, রাজতন্ত্রকে রক্ষা করার আন্দোলন নয়, বরং রাজতন্ত্র বা একনায়কতন্ত্রের বিরুদ্ধে জনগণের স্বাধীনতার দাবি
50

আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিজি
  2. ভ্যাটিকান
  3. কুয়েত
  4. মালদ্বীপ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আয়তনে পৃথিবীর ছোট দেশ ভ্যাটিকান, যার আয়তন ০.৪৪ বর্গ কিমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভ্যাটিকান সিটি। ভ্যাটিকান সিটি আয়তনে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট দেশ
এর মোট আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গ কিলোমিটার। এটি ইউরোপ মহাদেশের অন্তর্গত এবং ইতালির রাজধানী রোম শহরের মধ্যে অবস্থিত একটি ছিটমহল (Enclave)।
এটি ক্যাথলিক চার্চের প্রধান কেন্দ্র এবং এখানকার রাষ্ট্রপ্রধান হলেন পোপ (Pope)
অন্যান্য অপশনগুলো (ফিজি, কুয়েত, মালদ্বীপ) ক্ষুদ্র দেশ হলেও ভ্যাটিকান সিটির চেয়ে অনেক বড়। যেমন: মালদ্বীপের আয়তন প্রায় ৩০০ বর্গ কিলোমিটার।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

এশিয়ার হিন্দু রাষ্ট্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেপাল
  2. ভারত
  3. ভূটান
  4. মালদ্বীপ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নেপালকে সাংবিধানিকভাবে হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় ১৯৬২ সালের সংবিধানের মাধ্যমে। তৎকালীন রাজা মহেন্দ্র সংবিধানে এটি যুক্ত করেন। ২০০৬ সালের ১৮ মে তৎকালীন আইনসভা ‘সংসদ’ (ইংরেজিতে Parliament) এর নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি সভায় (ইংরেজিতে House of Representatives) আইন পাসের মাধ্যমে নেপালকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রে পরিণত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত (India)। জনসংখ্যা এবং সাংস্কৃতিক আধিপত্যের দিক থেকে এশিয়া তথা বিশ্বের প্রধান হিন্দু রাষ্ট্র হলো ভারত।
ভারতের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০ শতাংশের বেশি হিন্দু ধর্মাবলম্বী। যদিও ভারতের সংবিধান রাষ্ট্রকে আনুষ্ঠানিকভাবে ধর্মনিরপেক্ষ (Secular) ঘোষণা করেছে, তবুও জনসংখ্যার বিপুল আধিপত্যের কারণে এটিকে সাধারণত হিন্দু রাষ্ট্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
নেপাল: ঐতিহাসিকভাবে নেপাল বিশ্বের একমাত্র হিন্দু রাজত্ব ছিল। তবে ২০০৮ সালে রাজতন্ত্র বিলোপের পর নেপালকে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয়েছে।
ভূটান: ভূটান হলো প্রধানত বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র (মহাযান বৌদ্ধ ধর্ম)।
মালদ্বীপ: মালদ্বীপ একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ রাষ্ট্র। এর সংবিধানে বলা হয়েছে, মালদ্বীপের নাগরিক হতে হলে অবশ্যই মুসলিম হতে হবে।
52

‘লয়া জিরগা’ কোন দেশের আইন সভা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিজি
  2. সিরিয়া
  3. লেবানন
  4. আফগানিস্তান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আফগানিস্তানের বিভিন্ন সম্প্রদায়, সম্মানিত উপজাতীয় ও রাজনৈতিক নেতাদের সর্বোচ্চ পরিষদ ‘লয়া জিরগা’ (Loya Jirga)। আফগানিস্তানের দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট আইনসভার নাম ‘ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি’ (National Assembly)। নিম্নকক্ষের নাম ‘ওলেসি জিরগা’ (ইংরেজিতে House of the People) এবং উচ্চকক্ষের নাম ‘মেশারানো জিরগা’ (ইংরেজিতে House of Elders)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আফগানিস্তান
লয়া জিরগা (Loya Jirga) হলো আফগানিস্তানের একটি ঐতিহ্যবাহী ও সর্বোচ্চ পরিষদ বা মহাসাভা।
এটি পশতুন ভাষার একটি শব্দ, যার অর্থ 'বিরাট সমাবেশ' বা 'মহাপরিষদ'। সাধারণত সংবিধান প্রণয়ন, নতুন রাষ্ট্রপ্রধান নির্বাচন, বা গুরুতর জাতীয় সংকটের সময় এই ঐতিহ্যবাহী সভা ডাকা হয়।
অতএব, এটি আফগানিস্তানের রাজনৈতিক সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ, যদিও এটি নিয়মিত আইনসভা নয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (ফিজি, সিরিয়া, লেবানন) কোনোটিরই ঐতিহ্যবাহী আইনসভার নাম 'লয়া জিরগা' নয়।
53

কোপেনহেগেন কোন দেশের রাজধানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেনমার্ক
  2. বেলজিয়াম
  3. ভিয়েতনাম
  4. আর্মেনিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোপেনহেগেন ডেনমার্কের রাজধানী ও প্রধান শহর। এছাড়া ভিয়েতনাম, বেলজিয়াম ও আর্মেনিয়ার রাজধানী যথাক্রমে হ্যানয়, ব্রাসেলস ও ইয়েরেভান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডেনমার্ক
কোপেনহেগেন (Copenhagen) হলো উত্তর ইউরোপের স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশ ডেনমার্কের রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। এই শহরটি বাল্টিক সাগরের তীরে অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর রাজধানী হলো—
বেলজিয়াম: ব্রাসেলস (Brussels)
ভিয়েতনাম: হ্যানয় (Hanoi)
আর্মেনিয়া: ইয়েরেভান (Yerevan)
54

শ্যামদেশ কোন দেশের পুরাতন নাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিসর
  2. ইরাক
  3. ইরান
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

থাইল্যান্ডের পূর্বনাম শ্যামদেশ (Sayam)। রাজা প্রথম রমা ১৭৮২ সালে ‘শ্যামদেশ’ নামকরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: থাইল্যান্ড
থাইল্যান্ডের পুরাতন নাম হলো শ্যামদেশ (Siam)। দেশটিকে ১৮৮৫ সাল থেকে ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে শ্যাম (Siam) নামেই ডাকা হতো।
১৯৩৯ সালের ২৩ জুন দেশটির নাম পরিবর্তন করে ‘থাইল্যান্ড’ রাখা হয়, যার অর্থ হলো ‘মুক্ত ভূমি’ বা ‘স্বাধীন মানুষের দেশ’।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ইরানের পুরাতন নাম ছিল পারস্য (Persia) এবং ইরাকের পুরাতন নাম ছিল মেসোপটেমিয়া
55

Lunar eclipse occurs on-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A new moon day
  2. A full moon day
  3. A half moon day
  4. A moonless day

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পূর্ণিমার তিথিতে চাঁদ, পৃথিবী ও সূর্য একই সরলরেখায় এলে সূর্যের আলো পৃথিবীর বাধার জন্য চাঁদের উপর পড়তে না পারলে সাময়িকভাবে চাঁদকে দেখা যায় না, একে চন্দ্রগ্রহণ বলে। সুতরাং চন্দ্রগ্রহণ হয় সাধারণত পূর্ণিমা তিথিতে বা in a full moon day.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: A full moon day (পূর্ণিমা তিথি)
চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) তখনই ঘটে যখন সূর্য, পৃথিবী এবং চাঁদ প্রায় একটি সরলরেখায় আসে এবং পৃথিবী চাঁদ ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে।
এই সময় পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে, ফলে চাঁদ সূর্যের আলো থেকে বঞ্চিত হয় এবং গ্রহণ সংঘটিত হয়।
সূর্য-পৃথিবী-চাঁদের এই সরলরৈখিক অবস্থান কেবল পূর্ণিমা তিথিতেই (যখন চাঁদ পৃথিবীর সম্পূর্ণ বিপরীতে থাকে) সম্ভব হয়।
বিপরীতে, অমাবস্যা (New Moon) তিথিতে সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) ঘটে, কারণ তখন চাঁদ পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে অবস্থান করে (Sun-Moon-Earth)।
56

Which one of the following ecosystems covers the largest area of the earth's surface?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Desert Ecosystem
  2. Mountain Ecosystem
  3. Fresh water Ecosystem
  4. Marine Ecosystem

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ecosystem অর্থ বাস্তুতন্ত্র। কোনো একটি নির্দিষ্ট পরিবেশে সজীব এবং নির্জীব উপাদানের সম্পর্ক ও পারস্পরিক ক্রিয়াকে বাস্তুতন্ত্র বা Ecosystem বলে। পৃথিবী পৃষ্ঠের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগই পানি। অধিকাংশ পানি সমুদ্রের পানি দ্বারা পরিপূর্ণ। সমুদ্রের পানিতেই সবচেয়ে বেশি জীব প্রজাতি বাস করে। তাই সমুদ্রের Marine বা বাস্তুতন্ত্রই সবচেয়ে বড়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেরিন ইকোসিস্টেম বা সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্র।
পৃথিবীর মোট উপরিভাগের প্রায় ৭১% হলো জলভাগ এবং বাকি ২৯% স্থলভাগ।
যেহেতু ৭১% জলভাগ মূলত সমুদ্র বা মহাসাগর (যা মেরিন ইকোসিস্টেমের অংশ), তাই এটিই পৃথিবীর বৃহত্তম ইকোসিস্টেম
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— মরুভূমি বা পর্বতের মতো বাস্তুতন্ত্রগুলো (যা স্থলভাগের ২৯% অংশের মধ্যে পড়ে) আয়তনের দিক থেকে সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের চেয়ে অনেক ক্ষুদ্র।
তেমনিভাবে, স্বাদু জলের ইকোসিস্টেম (নদী, হ্রদ, পুকুর) জলভাগের একটি ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
57

সুনামির কারণ হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত
  2. ঘূর্ণিঝড়
  3. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  4. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সমুদ্রের তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রচণ্ড ও ধ্বংসাত্মক বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এরূপ বিশাল সামুদ্রিক ঢেউগুলোকে সুনামি বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প। সুনামি মূলত পানির নিচে দ্রুত এবং বিশাল আকারের জলরাশির স্থানচ্যুতির ফলে সৃষ্ট দীর্ঘ ও শক্তিশালী ঢেউ।
এই স্থানচ্যুতি ঘটার প্রধান কারণ হলো সমুদ্রের তলদেশে সৃষ্ট শক্তিশালী ভূমিকম্প। সাধারণত রিখটার স্কেলে ৭.৫ বা তার চেয়ে বেশি মাত্রার ভূমিকম্পে সমুদ্রের তলদেশের ভূমি লম্বালম্বিভাবে স্থানান্তরিত হলে (Thrust Faulting) সুনামি সৃষ্টি হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ঘূর্ণিঝড়-এর কারণে জলোচ্ছ্বাস (Storm Surge) সৃষ্টি হয়, কিন্তু একে সুনামি বলা যায় না। অন্যদিকে, চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ-এর ফলে জোয়ার-ভাটা (Tides) সৃষ্টি হয়।
58

Dengue fever is spread by -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Aedes aegypti mosquito
  2. Anophilies mosquito
  3. Rats and squirrels
  4. Common House flies

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘ডেঙ্গু’ ভাইরাসজনিত একটি মারাত্মক রোগ। এডিস মশার কামড়ে বিশেষ করে ‘এডিস এজিপটাই’ প্রজাতির মশার মাধ্যমে এটা ছড়িয়ে পড়ে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Aedes aegypti mosquito (এডিস ইজিপ্টি মশা)।
ডেঙ্গু একটি ভাইরাসঘটিত রোগ, যা ডেঙ্গু ভাইরাস (DENV) দ্বারা সৃষ্ট। এই ভাইরাসটি মানুষের দেহে প্রবেশ করে প্রধানত স্ত্রী এডিস ইজিপ্টি মশার (Female Aedes aegypti) কামড়ের মাধ্যমে।
এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় (ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত) কামড়ায় এবং এটি স্থির, পরিষ্কার পানিতে ডিম পাড়ে।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কারণ:
অ্যানোফিলিস (Anopheles) মশা: এই মশা ম্যালেরিয়া রোগ ছড়ায়।
ইঁদুর ও কাঠবিড়ালি: এরা সাধারণত প্লেগ, লেপ্টোস্পাইরোসিস (Leptospirosis) জাতীয় রোগ ছড়াতে পারে, কিন্তু ডেঙ্গু নয়।
59

Photosynthesis takes place in-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Roots of the plants
  2. Stems of the plants
  3. Green parts of the plants
  4. All parts of the plants

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Photosynthesis বা সালোকসংশ্লেষণ একটি জৈব রাসায়নিক প্রক্রিয়া। এ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদের সবুজ অঙ্গ (বিশেষ করে পাতা) সূর্যালোক হতে শক্তি সংগ্রহ করে এবং ঐ শক্তি কাজে লাগিয়ে পানি ও CO2 এর রাসায়নিক বিক্রিয়ার মাধ্যমে শর্করা জাতীয় খাদ্য প্রস্তুত করে। এ প্রক্রিয়ায় আলোক শক্তি রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত হয়। সুতরাং সবুজ অঙ্গের মাধ্যমেই সালোকসংশ্লেষণ বা Photosynthesis সংঘটিত হয়।

ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) হলো উদ্ভিদের এমন একটি মৌলিক প্রক্রিয়া, যার মাধ্যমে উদ্ভিদ খাদ্য তৈরি করে। এই প্রক্রিয়ার জন্য প্রধান শর্ত হলো ক্লোরোফিল নামক সবুজ রঞ্জক পদার্থের উপস্থিতি।
উদ্ভিদের যে অংশে ক্লোরোফিল বিদ্যমান থাকে, কেবল সেই অংশেই সালোকসংশ্লেষণ ঘটে। সাধারণত উদ্ভিদের পাতা এবং কিছু ক্ষেত্রে কচি সবুজ কাণ্ডে এই রঞ্জক পদার্থটি পাওয়া যায়।
এই ক্লোরোফিলের সাহায্যেই উদ্ভিদ সূর্যালোকের শক্তি শোষণ করে এবং কার্বন ডাই অক্সাইড ও পানির সাহায্যে খাদ্য (গ্লুকোজ) তৈরি করে।
শিকড় (Roots) বা কাণ্ডের অ-সবুজ অংশে ক্লোরোফিল থাকে না, তাই সেখানে খাদ্য তৈরি বা সালোকসংশ্লেষণ ঘটে না।
সঠিক উত্তর: উদ্ভিদের সবুজ অংশে (Green parts of the plants)।
60

ইউরিয়া সার থেকে উদ্ভিদ কি খাদ্য উপাদান গ্রহণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফসফরাস
  2. নাইট্রোজেন
  3. পটাশিয়াম
  4. সালফার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নাইট্রোজেন গ্যাসকে একটি বিশেষ প্রক্রিয়ায় অ্যামোনিয়ায় রূপান্তরিত করা হয় এবং অ্যামোনিয়া থেকে ইউরিয়া সার উৎপন্ন করা হয়। তাই উদ্ভিদ খাদ্য উপাদান হিসেবে ইউরিয়া সার হতে নাইট্রোজেনই গ্রহণ করে। ইউরিয়া সারে নাইট্রোজেনের পরিমাণ ৪৬%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাইট্রোজেন
ইউরিয়া হলো পৃথিবীর সর্বাধিক ব্যবহৃত নাইট্রোজেনঘটিত একটি রাসায়নিক সার। এর রাসায়নিক সংকেত হলো NH2CONH2\text{NH}_2\text{CO}\text{NH}_2
ইউরিয়া সরাসরি উদ্ভিদ গ্রহণ করে না। মাটিতে প্রয়োগের পর ইউরিয়া ইউরিয়েজ এনজাইমের মাধ্যমে ভেঙে গিয়ে প্রথমে অ্যামোনিয়া এবং পরবর্তীতে নাইট্রেট (NO3\text{NO}_3^-) রূপে রূপান্তরিত হয়।
উদ্ভিদ এই নাইট্রেট রূপেই মাটি থেকে মূল উপাদান নাইট্রোজেন (N) শোষণ করে থাকে। নাইট্রোজেন উদ্ভিদের ক্লোরোফিলপ্রোটিন উৎপাদনে এবং দ্রুত অঙ্গজ বৃদ্ধিতে (Leaf growth) সাহায্য করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (ফসফরাস, পটাশিয়াম, সালফার) অন্য ধরনের সার (যেমন TSP, MOP, Gypsum) থেকে আসে।
61

পরমাণুর নিউক্লিয়াসে কি কি থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউট্রন ও প্রোটন
  2. ইলেকট্রন ও প্রোটন
  3. নিউট্রন ও পজিট্রন
  4. ইলেকট্রন ও পজিট্রন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পরমাণু মৌলিক পদার্থের ক্ষুদ্রতম অংশ। পরমাণুর মধ্যে মৌলিক কণিকা হিসেবে ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রন বিদ্যমান। প্রোটন ও নিউট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থান করে, এদেরকে একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয়। ইলেকট্রন পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বাইরে অবস্থান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউট্রন ও প্রোটন
পরমাণুর কেন্দ্রে অবস্থিত অংশকে নিউক্লিয়াস বলা হয়। নিউক্লিয়াসে মূলত দুটি মৌলিক কণা থাকে— প্রোটন এবং নিউট্রন
প্রোটন হলো ধনাত্মক আধানযুক্ত কণা এবং নিউট্রন হলো আধান নিরপেক্ষ কণা। এই দুটি কণাকে একত্রে নিউক্লিয়ন বলা হয়।
ভুল উত্তর কেন: ইলেকট্রন (Electrons) ঋণাত্মক আধানযুক্ত কণা, যা নিউক্লিয়াসের চারদিকে নির্দিষ্ট কক্ষপথে আবর্তন করে। এটি নিউক্লিয়াসের অংশ নয়, বরং পরমাণুর অংশ। পজিট্রন হলো ইলেকট্রনের প্রতি-কণা (Anti-particle) যা সাধারণত স্থিতিশীল নিউক্লিয়াসে পাওয়া যায় না।
62

রক্তে হিমোগ্লোবিনের কাজ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন পরিবহন করা
  2. রোগ প্রতিরোধ করা
  3. রক্ত জমাট বাধতে সাহায্য করা
  4. উপরে উল্লিখিত সব কয়টিই

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

লোহিত রক্ত কণিকার সাইটোপ্লাজমের এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন জাতীয় রঞ্জক পদার্থ হচ্ছে হিমোগ্লোবিন। আমিষ ও লৌহ এর প্রধান উপাদান। হিমোগ্লোবিনের উপস্থিতির জন্য রক্ত লাল হয়। হিমোগ্লোবিনের প্রধান কাজ হচ্ছে অক্সিজেন পরিবহন করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্সিজেন পরিবহন করা
হিমোগ্লোবিন হলো লোহিত রক্তকণিকা (RBC)-এর মধ্যে থাকা এক ধরনের লৌহঘটিত প্রোটিন যা অক্সিজেন বহনকারী হিসেবে কাজ করে।
এটি ফুসফুস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে এবং তাকে অক্সোহিমোগ্লোবিন রূপে দেহের প্রতিটি কোষে পরিবহন করে পৌঁছে দেয়। কোষ থেকে এটি কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে ফুসফুসে ফিরিয়ে আনে।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ— রোগ প্রতিরোধ করা হলো শ্বেত রক্তকণিকার (WBC) কাজ।
এবং রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করা হলো অনুচক্রিকা (Platelet) ও ফাইব্রিনোজেন নামক প্রোটিনের কাজ।
63

সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি
  2. ৬টি
  3. ৫টি
  4. ৮টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি। এগুলো হলো: শর্করা বা শ্বেতসার, আমিষ বা প্রোটিন, ফ্যাট বা চর্বি, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ লবণ ও পানি।

ব্যাখ্যা

সুষম খাদ্যের উপাদান হলো ৬টি। যে খাদ্য গ্রহণে দেহের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্তি ও দেহ গঠনের জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদান সঠিক অনুপাতে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
এই ৬টি উপাদান হলো: ১. শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate), ২. আমিষ বা প্রোটিন (Protein), ৩. স্নেহ পদার্থ বা চর্বি (Fat), ৪. ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ (Vitamin), ৫. খনিজ লবণ (Minerals), এবং ৬. পানি বা জল (Water)।
সুষম খাদ্যের তালিকায় এই ৬টি উপাদানই থাকা বাধ্যতামূলক। ৫টি বা ৪টি উপাদানের ধারণা ভুল, কারণ পুষ্টির সংজ্ঞা অনুযায়ী প্রতিটি উপাদান দেহের আলাদা আলাদা কাজ সম্পাদন করে।
64

ইনসুলিন নিঃসৃত হয় কোথা থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্ন্যাশয় হতে
  2. প্যানক্রিয়াস হতে
  3. লিভার হতে
  4. পিটুইটারী গ্লান্ড হতে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্যানক্রিয়াস (Pancreas)-এর বাংলা প্রতিশব্দ অগ্ন্যাশয়। মানবদেহের অগ্ন্যাশয় বা প্যানক্রিয়াস নামক গ্রন্হির ‘আইলেটস্‌ অব ল্যাঙ্গারহ্যান্স’ নামক অংশ হতে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন ‘ইনসুলিন’ নিঃসৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো প্যানক্রিয়াস। বাংলায় একে অগ্ন্যাশয় বলা হয়।
ইনসুলিন হলো এক প্রকার হরমোন। এটি অগ্ন্যাশয়ের একটি নির্দিষ্ট অংশ, যার নাম ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপপুঞ্জের (Islets of Langerhans) মধ্যে অবস্থিত বিটা (Beta) কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
ইনসুলিনের প্রধান কাজ হলো রক্তের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা। এটি রক্ত থেকে গ্লুকোজকে কোষে প্রবেশ করতে সাহায্য করে এবং যকৃতে (Liver) গ্লাইকোজেন হিসেবে জমা হতে উদ্দীপনা যোগায়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: লিভার (যকৃৎ) হজম প্রক্রিয়ায় পিত্তরস তৈরি করে এবং গ্লুকোজ সঞ্চয় করে। পিটুইটারী গ্লান্ড শরীরের অন্যান্য হরমোন নিঃসরণকে নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু সরাসরি ইনসুলিন নিঃসৃত করে না।
65

পানির জীব হয়েও বাতাসে নিঃশ্বাস নেয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পটকা মাছ
  2. হাঙ্গর
  3. শুশুক
  4. জেলী ফিস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শুশুক বা ডলফিন জাতীয় প্রাণীগুলো পানিতে বাস করলেও মাছের মতো ফুলকার সাহায্যে পানি থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে পারে না। এরা পানি থেকে ভেসে উঠে মাথার উপর আড়াআড়িভাবে থাকা ছিদ্রের সাহায্যে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শুশুক
শুশুক (Dolphin বা Porpoise) দেখতে মাছের মতো হলেও এটি কিন্তু মাছ নয়। শুশুক হলো জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী (Marine Mammal)
স্তন্যপায়ী প্রাণীদের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এদের ফুলকা (Gills) থাকে না, বরং ফুসফুস (Lungs) থাকে। ফুসফুসের মাধ্যমে শ্বাস নেওয়ার জন্য এদেরকে নিয়মিত জলের উপর ভেসে উঠে বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করতে হয়।
পটকা মাছ, হাঙ্গর এবং জেলী ফিস প্রকৃত জলজ প্রাণী। এরা জল থেকে দ্রবীভূত অক্সিজেন গ্রহণ করে। পটকা মাছ ও হাঙ্গর তাদের ফুলকার মাধ্যমে শ্বাস নেয়, আর জেলী ফিস (Jellyfish) সরাসরি দেহত্বকের মাধ্যমে ব্যাপন (Diffusion) প্রক্রিয়ায় শ্বাসকার্য চালায়।
66

অতিরিক্ত খাদ্য থেকে লিভারে সঞ্চিত সুগার হল -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্লাইকোজেন
  2. গ্লুকোজ
  3. ফ্রুক্টোজ (Fructose)
  4. সুক্রোজ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

খাদ্য বিভিন্ন এনজাইম দ্বারা পরিপাক হয়ে ক্ষুদ্রতম অংশে পরিণত হয়। এগুলো সাধারণত মনোস্যাকারাইডে পরিণত হয়। ‍উৎপন্ন সুগার পাকস্থলীর বিভিন্ন অঙ্গ দ্বারা পরিশোষিত হয়। অতিরিক্ত খাদ্য হতে উৎপন্ন সুগার ভবিষ্যতের জন্য লিভার সঞ্চয় করে রাখে। এ সুগার হলো গ্লাইকোজেন জাতীয় খাদ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্লাইকোজেন
আমরা যখন অতিরিক্ত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য গ্রহণ করি, তা পরিপাকের পর রক্তে গ্লুকোজ রূপে প্রবেশ করে।
এই অতিরিক্ত গ্লুকোজকে শরীর ভবিষ্যতের শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চয় করে। এই সঞ্চিত রূপটিই হলো গ্লাইকোজেন
প্রধানত লিভার (যকৃৎ) এবং পেশী কোষে গ্লুকোজ থেকে এই গ্লাইকোজেন তৈরি হয়ে জমা হয়। এই প্রক্রিয়াকে গ্লাইকোজেনেসিস (Glycogenesis) বলা হয়।
যখন শরীরে শক্তির প্রয়োজন হয়, তখন এই সঞ্চিত গ্লাইকোজেন পুনরায় ভেঙে গ্লুকোজে রূপান্তরিত হয়ে রক্তে মুক্ত হয় (প্রক্রিয়া: গ্লাইকোজেনোলাইসিস)।
67

প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জুওলজী
  2. বায়োলজী
  3. ইভোলিউশন
  4. জেনেটিক্স

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতি নীতি অর্থাৎ বংশানুক্রমিক গুণাবলীর ‍উৎপত্তি, প্রকৃতি, বৃদ্ধির সময় ও আচরণ সম্পর্কে আলোচিত হয়, সে শাখাকে বংশগতি বিদ্যা বা জীনতত্ত্ব (জেনেটিক্স) বলে। ‘ইভোলিউশন’ অর্থ অভিব্যক্তি বা বিবর্তন। এ শাখায় বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি, ধারাবাহিক পরিবর্তন বিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেনেটিক্স (Genetics)
জেনেটিক্স হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা, যা জীবের বংশগতি (Heredity) এবং বৈচিত্র্য (Variation) নিয়ে আলোচনা করে। বংশগতির মাধ্যমে বংশানুক্রমে বৈশিষ্ট্য কীভাবে এক প্রজন্ম থেকে অন্য প্রজন্মে সঞ্চারিত হয়, তা এই বিজ্ঞানে বিশদভাবে জানা যায়।
প্রশ্নে উল্লিখিত ‘বংশ সম্বন্ধীয় বিদ্যা’ সরাসরি বংশগতিবিদ্যা বা জেনেটিক্স-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।
অন্যদিকে, ইভোলিউশন (Evolution) হলো জীবের উৎপত্তির প্রক্রিয়া এবং তার ধারাবাহিক পরিবর্তন, যা কোনো জীবের বংশগতির মাধ্যমেই চালিত হয়। কিন্তু বংশগতির মূল বিজ্ঞান হলো জেনেটিক্স
জুওলজী (Zoology) প্রাণিবিদ্যা এবং বায়োলজী (Biology) জীববিজ্ঞান, যা খুবই ব্যাপক ধারণা।
68

কোন খাদ্যে প্রোটিন বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভাত
  2. গরুর মাংস
  3. মসুর ডাল
  4. ময়দা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রাণী এবং উদ্ভিদ উভয় জগৎ থেকেই প্রচুর পরিমাণে আমিষ পাওয়া যায়। গরুর মাংস ও মসুরের ডাল উভয়ই আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য। তবে মসুরের ডালে বেশি পরিমাণে প্রোটিন পাওয়া যায়। প্রতি ১০০ গ্রাম মসুর ডালে প্রোটিনের পরিমাণ ২৫.১ গ্রাম এবং গরুর মাংসে ২২.৬ গ্রাম। উল্লেখ্য ভাত ও ময়দা শর্করা জাতীয় খাদ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মসুর ডাল। মসুর ডাল প্রধানত উদ্ভিজ্জ আমিষ বা প্রোটিনের (Vegetable Protein) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উৎস।
মসুর ডালকে প্রায়শই 'গরিবের মাংস' বলা হয়, কারণ এটি অন্যান্য প্রাণীজ আমিষের তুলনায় সাশ্রয়ী মূল্যে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সরবরাহ করে। শুকনো ডালে প্রায় ২৫% পর্যন্ত প্রোটিন থাকতে পারে।
অন্যদিকে, ভাত এবং ময়দা হলো মূলত শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য। যদিও গরুর মাংসেও উচ্চমাত্রার প্রোটিন থাকে (বিশেষত প্রাণীজ প্রোটিন), কিন্তু সাধারণ খাদ্যতালিকায় ডাল একটি কেন্দ্রীয় ও বহুল ব্যবহৃত প্রোটিন উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।
69

হাড় ও দাঁতকে মজবুত করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়োডিন
  2. আয়রন
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস হাড় ও দাঁতের গঠন মজবুত করা, রক্ত তঞ্চন, পেশি সংকোচন ইত্যাদি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
হাড় ও দাঁত গঠনের মূল উপাদান: মানবদেহের প্রায় ৯৯% ক্যালসিয়াম এবং ৮০% ফসফরাস হাড় ও দাঁতে সঞ্চিত থাকে। এই উপাদান দুটি একত্রিত হয়ে ক্যালসিয়াম ফসফেট নামক যৌগ গঠন করে, যা হাড় ও দাঁতকে কাঠিন্য ও দৃঢ়তা প্রদান করে।
ক্যালসিয়াম (Calcium): এটি হাড়ের প্রধান গাঠনিক উপাদান। পাশাপাশি এটি রক্ত জমাট বাঁধতে, স্নায়ু সঞ্চালনে এবং মাংসপেশির সংকোচনে সাহায্য করে।
ফসফরাস (Phosphorus): এটি ক্যালসিয়ামের সাথে একত্রে কাজ করে এবং ক্যালসিয়ামকে কার্যকরভাবে শোষণ ও ব্যবহারের মাধ্যমে হাড়ের গঠন প্রক্রিয়াকে মজবুত করে।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
আয়োডিন: এটি থাইরয়েড হরমোন তৈরি করে। এর অভাবে গলগণ্ড (Goitre) রোগ হয়।
আয়রন (Iron): এটি রক্তের হিমোগ্লোবিন তৈরির প্রধান উপাদান। এর অভাবে রক্তশূন্যতা (Anemia) হয়।
ম্যাগনেসিয়াম: এটি এনজাইমের কাজকে ত্বরান্বিত করে এবং ক্যালসিয়াম শোষণে কিছুটা সাহায্য করলেও, হাড় ও দাঁতের মূল গাঠনিক উপাদান হলো ক্যালসিয়াম ও ফসফরাস
70

ডায়াবেটিস রোগ সম্পর্কে যে তথ্যটি সঠিক নয় তা হল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এ রোগে মানবদেহের কিডনি নষ্ট করে
  2. চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়
  3. এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়
  4. ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হরমোনের অভাব হলে প্রোটিন, শর্করা ও স্নেহজাতীয় খাবারের বিপাক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয় এবং রক্তের গ্লুকোজের পরিমাণ বেড়ে যায়, একে ডায়াবেটিস রোগ বলা হয়। চিনি জাতীয় খাবারের সাথে এ রোগের সম্পর্ক নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হল চিনি জাতীয় খাবার খেলে এ রোগ হয়। কারণ এই তথ্যটি সঠিক নয়
ডায়াবেটিস একটি এন্ডোক্রাইন (Endocrine) জনিত রোগ, যা প্রধানত ইনসুলিন হরমোনের অভাব বা ইনসুলিন প্রতিরোধের (Insulin Resistance) কারণে সৃষ্টি হয়।
চিনি জাতীয় খাবার অতিরিক্ত খেলে এবং এর ফলে স্থূলতা (Obesity) দেখা দিলে তা মূলত টাইপ-২ ডায়াবেটিসের জন্য একটি উচ্চ ঝুঁকি তৈরি করে, কিন্তু এটি রোগের সরাসরি কারণ নয়।
অন্যান্য তথ্যগুলো সঠিক:
১. ইনসুলিনের অভাবে এ রোগ হয় (প্রধানত টাইপ-১ এর ক্ষেত্রে)।
২. এ রোগ হলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় (হাইপারগ্লাইসেমিয়া)।
৩. অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিসের ফলে কিডনি নষ্ট হতে পারে (ডায়াবেটিক নেফ্রোপ্যাথি), যা অত্যন্ত মারাত্মক জটিলতা।
71

প্রাকৃতিক কোন উৎস হতে সবচেয়ে বেশি মৃদু পানি পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদী
  2. সাগর
  3. হ্রদ
  4. বৃষ্টিপাত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মৃদু পানির প্রধান উৎস বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ মৃদু পানি পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বৃষ্টিপাত
পানিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়: মৃদু পানি (Soft Water) এবং খড় পানি (Hard Water)। যে পানিতে কোনো প্রকার খনিজ লবণ, বিশেষত ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের লবণ দ্রবীভূত থাকে না, তাকে মৃদু পানি বলে।
বৃষ্টির পানি প্রাকৃতিক পাতন (Distillation) প্রক্রিয়ায় তৈরি হয়। বাষ্প উপরে উঠে ঘনীভূত হয়ে মেঘ তৈরি করে এবং ঝরে পড়ে। এই প্রক্রিয়ায় বিশুদ্ধ H2O\text{H}_2\text{O} ছাড়া অন্য কোনো খনিজ উপাদান মিশে থাকতে পারে না। তাই এটিই প্রাকৃতিকভাবে পাওয়া সবচেয়ে মৃদু পানি
অন্যদিকে, নদী, হ্রদ বা ভূগর্ভস্থ পানি মাটির স্তর ভেদ করে প্রবাহিত হওয়ার সময় ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন ইত্যাদির লবণ শোষণ করে, ফলে এগুলি খড় পানি (Hard Water) হয়।
সাগরের পানি হলো সবচেয়ে বেশি লবণাক্ত এবং খনিজ উপাদানযুক্ত।
72

নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরমাণু শক্তি
  2. কয়লা
  3. পেট্রোল
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যেসব জ্বালানি নানা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া যায়, সেগুলোর মজুদ ভবিষ্যতে কখনো শেষ হবে না অর্থাৎ বারবার ব্যবহার করা যায় তাদেরকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে। সৌরশক্তি, বৃষ্টি, বাতাস, নদী বা সমুদ্রের পানি, পরমাণু শক্তি প্রভৃতি হলো নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্ন অনুসারে নবায়নযোগ্য জ্বালানি কোনটি— এটি একটি ধারণামূলক প্রশ্ন। নবায়নযোগ্য জ্বালানি হলো সেই শক্তি উৎস, যা ব্যবহারের ফলে নিঃশেষ হয়ে যায় না এবং প্রকৃতিতে স্বল্প সময়ে পুনরায় তৈরি হয়। যেমন— সৌরশক্তি, বায়ুশক্তি, জলবিদ্যুৎ, ভূ-তাপীয় শক্তি এবং বায়োম্যাস শক্তি
বিসিএস পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে, নবায়নযোগ্য (Renewable) এবং অনবায়নযোগ্য (Non-Renewable) জ্বালানির পার্থক্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
দয়া করে মনে রাখবেন, প্রশ্নে উল্লিখিত সকল বিকল্পই (পরমাণু শক্তি, কয়লা, পেট্রোল, প্রাকৃতিক গ্যাস) অনবায়নযোগ্য জ্বালানি (Non-Renewable Energy)-এর অন্তর্ভুক্ত।
  • কয়লা, পেট্রোল ও প্রাকৃতিক গ্যাস হলো জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuels), যা কোটি কোটি বছরে গঠিত হয় এবং ব্যবহারের ফলে ফুরিয়ে যায়। এগুলো নিশ্চিতভাবেই অনবায়নযোগ্য।
  • পরমাণু শক্তি (Nuclear Energy) ইউরেনিয়াম বা প্লুটোনিয়ামের মতো সীমিত সম্পদ ব্যবহার করে উৎপাদিত হয়। তাই এটিও অনবায়নযোগ্য
গুরুত্বপূর্ণ নোট: যেহেতু প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে কোনো সঠিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি নেই, তাই এই প্রশ্নটি সম্ভবত ভুল অথবা বিকল্প 'পরমাণু শক্তি'কে ক্ষেত্রবিশেষে 'জীবাশ্ম জ্বালানি নয়' হিসেবে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু কঠোর বৈজ্ঞানিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, পরমাণু শক্তি নবায়নযোগ্য নয়। যদি প্রশ্নটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি জানতে চায়, তবে সঠিক উত্তর হবে সৌরশক্তি বা বায়ুশক্তি (যা বিকল্পে নেই)।
73

জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃত্রিম সার প্রয়োগ
  2. পানি সেচ
  3. মাটিতে নাইট্রোজেন ধরে রাখা
  4. প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জমির লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণ করে পানি সেচ। জমিতে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ এবং অন্যান্য কারণে লবণাক্ততা সৃষ্টি হয় যা পানি সেচের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পানি সেচ
জমির লবণাক্ততা (Salinity) সৃষ্টি হয় মূলত মাটিতে সোডিয়াম ক্লোরাইডসহ বিভিন্ন দ্রবীভূত লবণের মাত্রা বেড়ে যাওয়ার কারণে।
এই লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের প্রধান ও কার্যকরী পদ্ধতি হলো 'লিশিং' (Leaching) বা প্রক্ষালন।
লিশিং প্রক্রিয়ায় জমিকে প্রচুর পরিমাণে মিষ্টি পানি (Fresh Water) দিয়ে সেচ দেওয়া হয়। এই অতিরিক্ত সেচের পানি মাটির উপরে জমা হওয়া লবণগুলোকে দ্রবীভূত করে মাটির গভীরে মূল স্তরের নিচে নিয়ে যায় অথবা নিষ্কাশন ব্যবস্থার মাধ্যমে জমি থেকে ধুয়ে বের করে দেয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—কৃত্রিম সার প্রয়োগ লবণাক্ততাকে বরং আরও বাড়িয়ে দিতে পারে। মাটির নাইট্রোজেন ধরে রাখা বা প্রাকৃতিক গ্যাস প্রয়োগ লবণাক্ততা নিয়ন্ত্রণের সরাসরি পদ্ধতি নয়।
74

নিচের কোনটির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামা
  2. রূপা
  3. সোনা
  4. কার্বন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ সহজে চলাচল করতে পারে তাকে বিদ্যুৎ সুপরিবাহী বলে। বিদ্যুৎ পরিবহনের এ ধর্মকে বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে। তামা, সোনা, রূপা ইত্যাদি বিদ্যুৎ সুপরিবাহী। তবে যার রোধ যত কম তার বিদ্যুৎ পরিবাহিতা তত বেশি। এক্ষেত্রে রূপার রোধ সবচেয়ে কম বলে এর বিদ্যুৎ পরিবাহিতা সবচেয়ে বেশি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রূপা (Silver)। এটি প্রকৃতিতে পাওয়া ধাতুগুলির মধ্যে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ পরিবাহী
কোনো পদার্থের মধ্য দিয়ে ইলেকট্রন বা মুক্ত আধান খুব সহজে প্রবাহিত হতে পারার ক্ষমতাকেই বিদ্যুৎ পরিবাহিতা বলে। এই ক্ষমতাটি রূপার মধ্যে সবচেয়ে বেশি, কারণ এর পরমাণুর বাইরের স্তরের ইলেকট্রনগুলি সবচেয়ে কম রোধের সম্মুখীন হয় এবং দ্রুত চলাচল করতে পারে।
অপশনগুলোর মধ্যে, তামা (Copper) হলো দ্বিতীয় সেরা বিদ্যুৎ পরিবাহী। যেহেতু রূপা অত্যন্ত দামি, তাই দৈনন্দিন জীবনে এবং বৈদ্যুতিক তার তৈরিতে মূলত তামা ব্যবহার করা হয়।
সোনা (Gold) রূপা ও তামার চেয়ে কম পরিবাহী, কিন্তু এটি ক্ষয় বা মরিচা প্রতিরোধী হওয়ায় উচ্চমানের ইলেকট্রনিক সার্কিটে ব্যবহৃত হয়। কার্বন (বিশেষত গ্রাফাইট রূপভেদ ছাড়া) অপরিবাহী।
75

কোন ডালের সঙ্গে ল্যাথারাইজম রোগের সম্পর্ক আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অড়হর
  2. ছোলা
  3. খেসারি
  4. মটর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ল্যাথারাইজম একটি পায়ের রোগ। এ রোগে আক্রান্ত হলে মানুষের পা অচল হয়ে যায়। অতিরিক্ত খেসারির ডাল খাদ্য হিসেবে গ্রহণ এ রোগের জন্য দায়ী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: খেসারি (Lathyrus sativus)
খেসারি ডালের বীজে বিটা-অক্সালিল অ্যামিনো অ্যালানিন (Beta-oxalylamino-alanine - BOAA) নামক এক প্রকার বিষাক্ত অ্যামিনো অ্যাসিড বা নিউরোটক্সিন (স্নায়ুবিষ) থাকে।
দীর্ঘদিন ধরে এই ডাল অত্যধিক পরিমাণে খাদ্য হিসেবে গ্রহণ করলে এই নিউরোটক্সিনের বিষক্রিয়ায় মানুষের স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System) ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পক্ষাঘাতজনিত (Paralysis) রোগ সৃষ্টি হয়, যা ল্যাথারাইজম নামে পরিচিত।
অতীতে খাদ্য সংকটের সময় অনেক অঞ্চলে খেসারি ডাল প্রধান খাদ্য হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ায় এই রোগ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছিল।
অন্যান্য ডাল, যেমন—অড়হর, ছোলা বা মটর-এর সঙ্গে ল্যাথারাইজম রোগের কোনো সরাসরি সম্পর্ক নেই।
76

মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরিপাক
  2. খাদ্য গ্রহণ
  3. শ্বসন
  4. রক্ত সংবহন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মানবদেহে শক্তি উৎপাদনের প্রধান উৎস শ্বসন। শ্বসন প্রক্রিয়ায় শর্করা, আমিষ, চর্বি, জৈব এসিড ইত্যাদি খাদ্যদ্রব্য অক্সিজেন সহযোগে জারিত হয়ে শক্তি ও কার্বন ডাই-অক্সাইড উৎপন্ন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শ্বসন (Respiration)
মানবদেহে শক্তি বা ক্ষমতা (Energy) উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়া হলো কোষীয় শ্বসন। এই প্রক্রিয়ায়, পরিপাকের ফলে প্রাপ্ত সরল খাদ্যবস্তু (যেমন গ্লুকোজ) কোষে পৌঁছায় এবং অক্সিজেনের উপস্থিতিতে (বায়বীয় শ্বসনের ক্ষেত্রে) জারিত হয়ে শক্তি উৎপন্ন করে।
এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মূলত অ্যাডেনোসিন ট্রাইফসফেট (ATP) নামক রাসায়নিক শক্তি তৈরি হয়, যা দেহের সমস্ত জৈবিক কাজ পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ কেবল সহায়ক প্রক্রিয়া:
পরিপাক (Digestion): এটি খাদ্যকে সরল উপাদানে (যেমন গ্লুকোজ) ভেঙে দেয়, যা শ্বসনে ব্যবহৃত হয়। এটি শক্তি উৎপাদন করে না।
খাদ্য গ্রহণ (Food intake): এটি প্রক্রিয়াটির শুরু মাত্র।
রক্ত সংবহন: এটি শ্বসনের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদান যেমন অক্সিজেন এবং গ্লুকোজ কোষে পরিবহন করে, কিন্তু নিজে শক্তি উৎপন্ন করে না।
77

বরফ পানিতে ভাসে কারণ বরফের তুলনায় পানির-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘনত্ব কম
  2. ঘনত্ব বেশি
  3. তাপমাত্রা বেশি
  4. দ্রবণীয়তা বেশি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত কোনো বস্তুর তাপমাত্রা হ্রাস করলে এর ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। পানির একমাত্র ব্যতিক্রমী প্রসারণ হচ্ছে পানির তাপমাত্রা কমিয়ে ৪° সেন্টিগ্রেডে আনলে এর ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি হয় এবং ৪° থেকে তাপমাত্রা কমিয়ে আনলে এর ঘনত্ব কমতে থাকে। ০° সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় পানি বরফে পরিণত হয় এবং এর ঘনত্ব কমে যায়। পানির ঘনত্ব বেশি থাকার কারণে বরফ পানিতে ভাসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘনত্ব বেশি
বস্তুর ভেসে থাকা বা ডুবে যাওয়া সম্পূর্ণভাবে ঘনত্বের ওপর নির্ভর করে। কোনো কঠিন বস্তু তখনই তরলে ভাসে, যখন ঐ কঠিন বস্তুর ঘনত্ব তরলের ঘনত্বের চেয়ে কম হয়।
বরফ হলো পানির কঠিন রূপ। বরফের কণাগুলোর সজ্জা বা গঠনের কারণে বরফের ঘনত্ব বিশুদ্ধ পানির ঘনত্বের (1 gm/cc) চেয়ে প্রায় ৯% কম (0.917 gm/cc) হয়।
যেহেতু বরফের ঘনত্ব কম এবং পানির ঘনত্ব বরফের তুলনায় বেশি, তাই বরফ পানিতে ভাসে। যদি বরফের ঘনত্ব বেশি হতো, তবে তা ডুবে যেত।
অপশনগুলোর মধ্যে তাপমাত্রা বা দ্রবণীয়তা ভেসে থাকার কারণ নয়। তাপমাত্রা শুধুমাত্র পানির ঘনত্বের অস্বাভাবিকতা ব্যাখ্যা করে, কিন্তু সরাসরি ভেসে থাকার কারণ হলো ঘনত্বের পার্থক্য।
78

গাড়ির ব্যাটারিতে কোন এসিড ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইট্রিক
  2. সালফিউরিক
  3. হাইড্রোক্লোরিক
  4. পারক্লোরিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাটারি এক প্রকার তড়িৎকোষ। একটি পাত্রে খানিকটা পাতলা সালফিউরিক এসিড নিয়ে তার মধ্যে একটি দস্তা ও একটি তামার পাত পরস্পরকে স্পর্শ না করিয়ে ডুবালে একটি তড়িৎকোষ বা ব্যাটারি তৈরি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সালফিউরিক এসিড। এর রাসায়নিক সংকেত হলো H2SO4H_2SO_4
গাড়ির ব্যাটারিতে যে প্রযুক্তি ব্যবহৃত হয়, তা সাধারণত লেড-এসিড ব্যাটারি (Lead-Acid Battery) নামে পরিচিত।
এই ধরনের ব্যাটারিতে তড়িৎ বিশ্লেষ্য (Electrolyte) হিসেবে লঘু সালফিউরিক এসিডের দ্রবণ ব্যবহার করা হয়।
চার্জিং এবং ডিসচার্জিং প্রক্রিয়ার সময় এই এসিড লেড প্লেটের সাথে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে বিদ্যুৎ শক্তি সঞ্চয় ও সরবরাহ করে।
অন্যান্য বিকল্প এসিড, যেমন নাইট্রিক বা হাইড্রোক্লোরিক এসিড, লেড-এসিড ব্যাটারির জন্য উপযুক্ত তড়িৎ বিশ্লেষ্য নয়।
79

The term PC means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Private Computer
  2. Prime Computer
  3. Personal Computer
  4. Professional Computer

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

PC এর পূর্ণরূপ Personal Computer. কম্পিউটারের মূল অংশ কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ ইউনিট PC এর মধ্যেই অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Personal Computer (ব্যক্তিগত কম্পিউটার)
কম্পিউটারের পরিভাষায় PC বলতে Personal Computer-কে বোঝানো হয়। এটি এমন এক প্রকার মাইক্রো-কম্পিউটার যা সাধারণত একজন ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত বা অফিসের কাজের জন্য ব্যবহার করে থাকে।
এটি সাধারণত মেইনফ্রেম বা মিনি-কম্পিউটারের চেয়ে কম শক্তিশালী, কিন্তু এর সুবিধা হলো এটি আকারে ছোট এবং পরিচালনা করা সহজ।
অন্যান্য অপশন যেমন 'Private Computer' বা 'Professional Computer' যদিও শব্দগতভাবে ব্যবহৃত হতে পারে, কিন্তু PC এর স্বীকৃত এবং সার্বজনীন পূর্ণরূপ হলো কেবল Personal Computer
80

169\sqrt169  is equal to−

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 11
  2. 13
  3. 15
  4. 17

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

169 এর বর্গমূল √169=13

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি হলো ১৬৯ এর বর্গমূল (Square Root) নির্ণয় করা। বর্গমূল হলো সেই সংখ্যা, যাকে নিজের সাথে গুণ করলে প্রদত্ত সংখ্যাটি পাওয়া যায়।
ধরি, 169=x\sqrt{169} = x হলে, x2=169x^2 = 169 হতে হবে।
আমরা যদি অপশনগুলো পরীক্ষা করি:
১৩ এর বর্গ (13213^2) = 13×13=16913 \times 13 = 169
সুতরাং, ১৬৯ এর বর্গমূল হলো ১৩
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 112=12111^2 = 121, 152=22515^2 = 225, এবং 172=28917^2 = 289
81

কোন সংখ্যার ০.১ ভাগ এবং ০.১ ভাগের মধ্যে পার্থক্য ১.০ হলে, সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 10
  2. 9
  3. 90
  4. 100

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি ভগ্নাংশের পার্থক্য সংক্রান্ত একটি ক্লাসিক সমস্যা। প্রশ্নটির বাংলা অনুবাদে অসঙ্গতি (০.১ ভাগ এবং ০.১ ভাগ) থাকলেও, প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে এটি প্রায় নিশ্চিত যে প্রশ্নটিতে আসলে ১/৯ অংশ এবং ১/১০ অংশ-এর পার্থক্য জানতে চাওয়া হয়েছে, কারণ এই ধরণের বিন্যাসই উত্তরকে একটি পূর্ণ সংখ্যায় (৯, ৯০ বা ১০০) নিয়ে আসে।
ধরি, সংখ্যাটি হলো XX
প্রশ্নমতে, সংখ্যাটির \frac{১}{৯} অংশ এবং সংখ্যাটির ১০\frac{১}{১০} অংশ এর পার্থক্য .১.০ (বা )।
(X×)(X×১০)=(X \times \frac{১}{৯}) - (X \times \frac{১}{১০}) = ১
বা, XX১০=\frac{X}{৯} - \frac{X}{১০} = ১
এখন, বাম পাশে ভগ্নাংশের বিয়োগ করি। ৯ ও ১০ এর ল.সা.গু. হলো ৯০।
১০XX৯০=\frac{১০X - ৯X}{৯০} = ১
বা, X৯০=\frac{X}{৯০} = ১
সুতরাং, X=৯০X = ৯০
অতএব, সংখ্যাটি হলো ৯০
82

একটি আয়তাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল ১৯২ বর্গমিটার। এর দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে। আয়তাকার কক্ষের সমান পরিসীমাবিশিষ্ট বর্গাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল কত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২৫ বর্গমিটার
  2. ১৪৪ বর্গমিটার
  3. ১৬৯ বর্গমিটার
  4. ১৯৬ বর্গমিটার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, আয়তাকার কক্ষটির দৈর্ঘ্য LL মিটার এবং প্রস্থ WW মিটার।
প্রথম শর্তমতে, ক্ষেত্রফল LW=192LW = 192 (সমীকরণ ১)
দ্বিতীয় শর্তমতে, দৈর্ঘ্য ৪ মিটার কমালে (L4L-4) এবং প্রস্থ ৪ মিটার বাড়ালে (W+4W+4) ক্ষেত্রফল অপরিবর্তিত থাকে।
সুতরাং, (L4)(W+4)=192(L - 4)(W + 4) = 192 (সমীকরণ ২)
সমীকরণ (২) থেকে পাই:
LW+4L4W16=192LW + 4L - 4W - 16 = 192
সমীকরণ (১) থেকে LW=192LW = 192 বসিয়ে পাই:
192+4L4W16=192192 + 4L - 4W - 16 = 192
4L4W=164L - 4W = 16
LW=4L - W = 4 (৪ দ্বারা ভাগ করে) (সমীকরণ ৩)
এখন, আমরা এমন দুটি সংখ্যা খুঁজব যাদের গুণফল ১৯২ এবং পার্থক্য
সহজে গুণনীয়ক নির্ণয় করে পাই: 16×12=19216 \times 12 = 192 এবং 1612=416 - 12 = 4
সুতরাং, দৈর্ঘ্য L=16L = 16 মিটার এবং প্রস্থ W=12W = 12 মিটার
আয়তাকার কক্ষের পরিসীমা, P=2(L+W)=2(16+12)=2×28=<strong>56P = 2(L + W) = 2(16 + 12) = 2 \times 28 = <strong>56 মিটার।
বর্গাকার কক্ষের পরিসীমাও একই (৫৬ মিটার)।
বর্গক্ষেত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য যদি aa হয়, তবে 4a=564a = 56
a=56/4=<strong>14a = 56 / 4 = <strong>14 মিটার।
বর্গাকার কক্ষের ক্ষেত্রফল: a2=142=<strong>196a^2 = 14^2 = <strong>196 বর্গমিটার।
সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬ বর্গমিটার
83

(5^(n+2)+35xx5^(n-1))/(4xx5^n)  এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4
  2. 8
  3. 5
  4. 7

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত রাশিটি হলো: 5n+2+35×5n14×5n\frac{5^{n+2}+35 \times 5^{n-1}}{4 \times 5^n}
এই ধরনের সূচকের সমস্যা সমাধানে, লব (Numerator) ও হর (Denominator) থেকে ক্ষুদ্রতম সূচকবিশিষ্ট পদটিকে কমন নিতে হবে অথবা সব পদকে একই সূচকের মাধ্যমে প্রকাশ করতে হবে। এখানে 5n15^{n-1} হলো ক্ষুদ্রতম সূচক।
ধাপ ১: লবকে বিশ্লেষণ করা (Analyzing the Numerator):
আমরা জানি am+n=am×ana^{m+n} = a^m \times a^n এবং am=amn×ana^{m} = a^{m-n} \times a^n। তাই,
5n+2=5n1+3=5n1×53=5n1×1255^{n+2} = 5^{n-1+3} = 5^{n-1} \times 5^3 = 5^{n-1} \times 125
লব: 125×5n1+35×5n1125 \times 5^{n-1} + 35 \times 5^{n-1}
=5n1(125+35)=160×5n1= 5^{n-1} (125 + 35) = 160 \times 5^{n-1}
ধাপ ২: হরকে বিশ্লেষণ করা (Analyzing the Denominator):
4×5n=4×5n1+1=4×5n1×51=4×5×5n1=20×5n14 \times 5^n = 4 \times 5^{n-1+1} = 4 \times 5^{n-1} \times 5^1 = 4 \times 5 \times 5^{n-1} = 20 \times 5^{n-1}
ধাপ ৩: ভাগফল নির্ণয় করা (Finding the Result):
160×5n120×5n1\frac{160 \times 5^{n-1}}{20 \times 5^{n-1}}
উপরের এবং নিচের 5n15^{n-1} অংশটি কেটে যায়।
অবশিষ্ট থাকে: 16020=8\frac{160}{20} = 8
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো
84

বিষমবাহু ∆ABC এর বাহুগুলির মান এমনভাবে নির্ধারিত যে, AD মধ্যমা দ্বারা গঠিত ∆ABD এর ক্ষেত্রফল x বর্গমিটার। ∆ABC এর ক্ষেত্রফল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. x2 বর্গমিটার

  2. 2x বর্গমিটার
  3. (x/2)2 বর্গমিটার

  4. (sqrtx/3)^3  বর্গমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: 2x বর্গমিটার
গণিতের ত্রিভুজের মধ্যমা (Median) সংক্রান্ত একটি মৌলিক উপপাদ্য থেকে এই প্রশ্নের উত্তর সহজে নির্ণয় করা যায়।
উপপাদ্যটি হলো:
কোনো ত্রিভুজের একটি মধ্যমা ত্রিভুজটিকে সমান ক্ষেত্রফলবিশিষ্ট দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করে। এই উপপাদ্যটি বিষমবাহু, সমবাহু, বা সমদ্বিবাহু—যেকোনো ত্রিভুজের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
এখানে, ∆ABC এর AD হলো মধ্যমা। এই মধ্যমা ∆ABC কে দুটি ত্রিভুজে বিভক্ত করেছে: ∆ABD এবং ∆ACD।
উপপাদ্য অনুযায়ী, Area(∆ABD) = Area(∆ACD)।
প্রশ্নে দেওয়া আছে, ∆ABD এর ক্ষেত্রফল = xx বর্গমিটার।
সুতরাং, Area(∆ACD) = xx বর্গমিটার।
অতএব, ∆ABC এর মোট ক্ষেত্রফল = Area(∆ABD) + Area(∆ACD) = x+xx + x = 2x2x বর্গমিটার
85

A = {1, 2, 3} B = ϕ হলে A∪B= কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. {1,2,3}
  2. {1,2,ϕ}
  3. {2,3,ϕ}
  4. ϕ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সেট A এবং সেট B-এর সংযোগ সেট (Union Set, ABA \cup B) হলো সেই সেট, যাতে A বা B সেটের অথবা উভয়ের সকল উপাদান অন্তর্ভুক্ত থাকে।
এখানে, সেট A={1,2,3}A = \{1, 2, 3\}
সেট B=ϕB = \phi, যেখানে ϕ\phi হলো ফাঁকা সেট (Empty Set)। ফাঁকা সেটের কোনো উপাদান থাকে না।
নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো সেট A-এর সাথে ফাঁকা সেট B-এর সংযোগ করলে সেট A নিজেই পাওয়া যায়। অর্থাৎ, Aϕ=<strong>A</strong>A \cup \phi = <strong>A</strong>
সুতরাং, AB={1,2,3}ϕ={1,2,3}A \cup B = \{1, 2, 3\} \cup \phi = \{1, 2, 3\}
সঠিক উত্তর: {1, 2, 3}
86

x+y=2, x2+y2=4

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8
  2. 9
  3. 16
  4. 25

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত সমস্যাটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে আমরা পর পর দুটি সূত্র ব্যবহার করে সমাধান করব।
দেওয়া আছে:
(i) x+y=2x+y=2
(ii) x2+y2=4x^2+y^2=4
প্রথমত, x3+y3x^3+y^3 এর মান নির্ণয়ের জন্য আমাদের xyxy-এর মান বের করতে হবে। আমরা জানি, বর্গের সূত্রানুসারে:
x2+y2=(x+y)22xyx^2+y^2 = (x+y)^2 - 2xy
মান বসিয়ে পাই:
4=(2)22xy4 = (2)^2 - 2xy
4=42xy4 = 4 - 2xy
2xy=442xy = 4 - 4
2xy=02xy = 0
সুতরাং, xy=0xy = 0
দ্বিতীয়ত, আমরা ঘনের সূত্র ব্যবহার করব:
x3+y3=(x+y)33xy(x+y)x^3+y^3 = (x+y)^3 - 3xy(x+y)
এখন x+y=2x+y=2 এবং xy=0xy=0 মান দুটি বসিয়ে পাই:
x3+y3=(2)33(0)(2)x^3+y^3 = (2)^3 - 3(0)(2)
x3+y3=80x^3+y^3 = 8 - 0
x3+y3=8x^3+y^3 = 8
সঠিক উত্তর হলো: 8
87

তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ; সংখ্যা তিনটির গড় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6
  2. 3
  3. 5
  4. 4

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, তিনটি ক্রমিক সংখ্যার গড় হলো সবসময় মাঝের সংখ্যাটি (The middle term)। তাই যদি আমরা মাঝের সংখ্যাটি বের করতে পারি, তবে সেটাই গড় হবে।
ধরি, সংখ্যা তিনটি হলো: x1x-1, xx এবং x+1x+1। এখানে xx হলো মাঝের সংখ্যা এবং নির্ণেয় গড়।
সংখ্যা তিনটির যোগফল = $(x-1) + x + (x+1) = 3x
সংখ্যা তিনটির গুণফল = (x1)×x×(x+1)=(x-1) \times x \times (x+1) = x(x^2 - 1)
প্রশ্নমতে, গুণফল তাদের যোগফলের ৫ গুণ।
অতএব, x(x21)=5×(3x)x(x^2 - 1) = 5 \times (3x)
উভয় পক্ষকে xx দ্বারা ভাগ করে পাই (যেহেতু xx একটি ধনাত্মক সংখ্যা, x0x \neq 0):
x21=15x^2 - 1 = 15
x2=15+1x^2 = 15 + 1
x2=16x^2 = 16
সুতরাং, x=16=x = \sqrt{16} = 4
যেহেতু xx হলো মাঝের সংখ্যা এবং গড়, তাই সংখ্যা তিনটির গড় হলো । (সঠিক উত্তর: 4)
88

একটি বৃত্তের পরিধি ও ক্ষেত্রফল যথাক্রমে ১৩২ সেন্টিমিটার ও ১৩৮৬ বর্গসেন্টিমিটার। বৃত্তটির বৃহত্তম জ্যা-এর দৈর্ঘ্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৬ সেন্টিমিটার
  2. ৪২ সেন্টিমিটার
  3. ২১ সেন্টিমিটার
  4. ২২ সেন্টিমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪২ সেন্টিমিটার
আমরা জানি, একটি বৃত্তের বৃহত্তম জ্যা (Largest Chord) হলো তার ব্যাস (Diameter)। ব্যাস হলো ব্যাসার্ধের (r) দ্বিগুণ, অর্থাৎ D=2rD = 2r
প্রশ্নে বৃত্তের পরিধি (Circumference, C) দেওয়া আছে ১৩২ সেন্টিমিটার
আমরা বৃত্তের পরিধির সূত্র জানি: C=2πrC = 2\pi r
মান বসিয়ে পাই: 132=2×227×r132 = 2 \times \frac{22}{7} \times r
বা, 132=447r132 = \frac{44}{7} r
বা, r=132×744r = \frac{132 \times 7}{44}
বা, r=3×7r = 3 \times 7
সুতরাং, ব্যাসার্ধ (r) = ২১ সেন্টিমিটার
এখন, বৃত্তটির বৃহত্তম জ্যা (ব্যাস) এর দৈর্ঘ্য হবে:
$D = 2r = 2 \times 21 = ৪২ সেন্টিমিটার
89

একটি শ্রেণিতে যতজন ছাত্র-ছাত্রী আছে প্রত্যেকে তত পয়সার চেয়ে আরও ২৫ পয়সা বেশি করে চাঁদা দেওয়ায় মোট ৭৫ টাকা উঠল। ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 70
  2. 85
  3. 75
  4. 100

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, ঐ শ্রেণির ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা = X জন।
প্রশ্নমতে, প্রত্যেকে চাঁদা দিয়েছে (ছাত্র সংখ্যা + ২৫ পয়সা) = (X + ২৫) পয়সা।
মোট চাঁদার পরিমাণ (টাকায়) দেওয়া আছে: ৭৫ টাকা
হিসাবের সুবিধার জন্য টাকা থেকে পয়সায় রূপান্তর করতে হবে।
মোট চাঁদা = ৭৫×১০০=৭৫ \times ১০০ = ৭৫০০ পয়সা
এখন, মোট চাঁদা = ছাত্র সংখ্যা ×\times প্রত্যেকের চাঁদার পরিমাণ।
সুতরাং, X×(X+২৫)=৭৫০০X \times (X + ২৫) = ৭৫০০
বা, X+২৫X৭৫০০=X^২ + ২৫X - ৭৫০০ = ০
মধ্যপদ বিশ্লেষণ করে পাই: X+১০০X৭৫X৭৫০০=X^২ + ১০০X - ৭৫X - ৭৫০০ = ০
বা, X(X+১০০)৭৫(X+১০০)=X(X + ১০০) - ৭৫(X + ১০০) = ০
বা, (X+১০০)(X৭৫)=(X + ১০০)(X - ৭৫) = ০
যেহেতু ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই X৭৫=X - ৭৫ = ০
X=\therefore X = ৭৫ জন।
সঠিক উত্তর হলো: ৭৫
90

মামুন 240 টাকায় একই রকম কতগুলি কলম কিনে দেখল যে, যদি সে একটি কলম বেশি পেত তাহলে প্রতিটি কলমের মূল্য 1 টাকা কম পড়ত। সে কতগুলো কলম কিনেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 13টি
  2. 14টি
  3. 15টি
  4. 16টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫টি। এটি একটি বহুল প্রচলিত বীজগাণিতিক সমস্যার ধরন যা BCS প্রিলিমিনারি ও অন্যান্য চাকরির পরীক্ষায় প্রায়শই আসে।
ধরি, মামুন x সংখ্যক কলম কিনেছিল। মোট খরচ: ২৪০ টাকা
প্রতিটি কলমের মূল মূল্য ছিল: 240x\frac{240}{x} টাকা।
যদি সে একটি কলম বেশি পেত, তবে কলমের সংখ্যা হতো: x+1
তখন প্রতিটি কলমের নতুন মূল্য হতো: 240x+1\frac{240}{x+1} টাকা।
শর্তানুসারে, মূল মূল্য থেকে নতুন মূল্য ১ টাকা কম পড়ত:
240x240x+1=1\frac{240}{x} - \frac{240}{x+1} = 1
উভয় পক্ষকে x(x+1)x(x+1) দিয়ে গুণ করে পাই: 240(x+1)240x=x(x+1)240(x+1) - 240x = x(x+1)
বা, 240x+240240x=x2+x240x + 240 - 240x = x^2 + x
বা, x2+x240=0x^2 + x - 240 = 0
মধ্যপদ বিশ্লেষণের মাধ্যমে সমীকরণটিকে সমাধান করা যায়। আমরা জানি, 16×15=24016 \times 15 = 240 এবং 1615=116-15 = 1
বা, x2+16x15x240=0x^2 + 16x - 15x - 240 = 0
বা, x(x+16)15(x+16)=0x(x+16) - 15(x+16) = 0
বা, (x15)(x+16)=0(x-15)(x+16) = 0
যেহেতু কলমের সংখ্যা ঋণাত্মক হতে পারে না, তাই x16x \neq -16। সুতরাং, x=15x=15
অতএব, মামুন ১৫টি কলম কিনেছিল।
91

২০ ফুট লম্বা একটি বাঁশ এমনভাবে কেটে দু’ভাগ করা হলো যেন ছোট অংশ বড় অংশের দুই তৃতীয়াংশ হয়, ছোট অংশের দৈর্ঘ্য কত ফুট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6
  2. 7
  3. 8
  4. 10

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি অনুপাত ও সমানুপাত (Ratio & Proportion) সম্পর্কিত একটি মৌলিক সমস্যা, যা প্রায় প্রতি বিসিএস এবং চাকরির পরীক্ষাতেই আসে।
ধরি, ছোট অংশটি হলো SS এবং বড় অংশটি হলো LL
প্রশ্নমতে, ছোট অংশ ও বড় অংশের অনুপাত হলো: ছোট অংশ = বড় অংশের 23\frac{2}{3} অংশ।
অর্থাৎ, S=23LS = \frac{2}{3} L.
এখান থেকে আমরা অনুপাত পাই: S:L=2:3S:L = 2:3.
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য ২০ ফুট, যা আনুপাতিক ভাগগুলোর সমষ্টির (Total Ratio Parts) সমান।
মোট আনুপাতিক ভাগ =2+3=5= 2 + 3 = 5 ভাগ।
আমরা ছোট অংশের দৈর্ঘ্য বের করব, যার আনুপাতিক ভাগ হলো 2।
ছোট অংশের দৈর্ঘ্য =মোট দৈর্ঘ্য×ছোট অংশের অনুপাতমোট আনুপাতিক ভাগ= \text{মোট দৈর্ঘ্য} \times \frac{\text{ছোট অংশের অনুপাত}}{\text{মোট আনুপাতিক ভাগ}}
ছোট অংশের দৈর্ঘ্য =20×25=4×2=8= 20 \times \frac{2}{5} = 4 \times 2 = \mathbf{8} ফুট।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো
92

ঘড়িতে এখন ৮টা বাজে। ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণটি হলো -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 150o

  2. 60o

  3. 90o

  4. 120o

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১২০°। এটি একটি সহজ মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন যা সরাসরি সূত্র প্রয়োগ করে সমাধান করা যায়।
পদ্ধতি ১: সূত্রের মাধ্যমে সমাধান (The Standard Formula)
ঘণ্টার কাঁটা ও মিনিটের কাঁটার মধ্যকার কোণ নির্ণয়ের সাধারণ সূত্র হলো:
θ=30H112M\theta = |30H - \frac{11}{2}M|
যেখানে, H = ঘণ্টা (Hour) এবং M = মিনিট (Minute)।
এখানে, সময় হলো ৮টা, অর্থাৎ H = 8 এবং M = 0
θ=30×8112×0\theta = |30 \times 8 - \frac{11}{2} \times 0|
θ=2400\theta = |240 - 0|
θ=240\theta = 240^{\circ}
যেহেতু ঘড়ির কাঁটার মধ্যকার কোণ সাধারণত ১৮০° এর কম দেখানো হয় (ক্ষুদ্রতম কোণ), তাই প্রকৃত কোণ হবে: 360240=120360^{\circ} - 240^{\circ} = 120^{\circ}
পদ্ধতি ২: সরল ও যৌক্তিক সমাধান (Conceptual Method)
আমরা জানি, ঘড়ির পুরো ডায়ালটি হলো 360360^{\circ}। মোট ১২টি সংখ্যা থাকায়, প্রতি এক ঘণ্টার ব্যবধান হলো: 360÷12=30360^{\circ} \div 12 = 30^{\circ}
৮টার সময় মিনিটের কাঁটা থাকে ১২-এর ঘরে এবং ঘণ্টার কাঁটা থাকে ৮-এর ঘরে
১২ এবং ৮ এর মধ্যে মোট ঘরের ব্যবধান হলো: ৪ ঘর (৮ থেকে ১২ পর্যন্ত)।
সুতরাং, কোণ হবে: 4×30=<strong>1204 \times 30^{\circ} = <strong>120^{\circ}
93

১৭ দিন আগে আবদুর রহিম বলেছিল যে তার জন্মদিন ‘আগামীকাল’। আজ ২৩ তারিখ হলে তার জন্মদিন কোন তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7
  2. 8
  3. 9
  4. 10

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আজ থেকে ১ দিন আগে হলে গতকাল মানে ২২ তারিখ। এভাবে ১৭ দিন আগে গেলে ৬ তারিখ হবে। তার সাথে ১ দিন যোগ হবে। ২৩১৭৬২৩−১৭=৬+ আগামী কাল = ৬১৭৬+১=৭ তারিখ।

ব্যাখ্যা

এটি একটি সরল মানসিক দক্ষতার প্রশ্ন যা রিভার্স ক্যালকুলেশনের মাধ্যমে সমাধান করা যায়।
ধাপ ১: বিবৃতি দেওয়ার দিনটি নির্ণয়:
আজকের তারিখ ২৩। আবদুর রহিম কথাটি বলেছিল ১৭ দিন আগে
বিবৃতি দেওয়ার দিনটি ছিল: $২৩ - ১৭ = ৬ তারিখ
ধাপ ২: জন্মদিনের তারিখ নির্ণয়:
৬ তারিখ আবদুর রহিম বলেছিল, তার জন্মদিন 'আগামীকাল'
৬ তারিখের আগামীকাল হলো: $৬ + ১ = ৭ তারিখ
অতএব, আবদুর রহিমের জন্মদিন হলো ৭ তারিখে
অন্যান্য অপশনগুলো (৮, ৯, ১০) ভুল, কারণ ১৭ দিন আগে বলা কথাটির ভিত্তি ছিল ঐ দিনের সাপেক্ষে 'আগামীকাল', যা সরাসরি ৭ তারিখে নির্দেশ করে।
94

০.০৩, ০.১২, ০.৪৮ -শূন্যস্থানে সংখ্যাটি কত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 0.96
  2. 1.48
  3. 1.92
  4. 1.5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি হলো গুণোত্তর ধারা (Geometric Progression) সম্পর্কিত।
এখানে প্রতিবার একটি নির্দিষ্ট সংখ্যা দ্বারা গুণ করে পরবর্তী সংখ্যাটি তৈরি করা হয়েছে।
প্রদত্ত সংখ্যাগুলি হলো: 0.03,0.12,0.480.03, 0.12, 0.48, (শূন্যস্থান)।
প্রথম ধাপ: সাধারণ অনুপাত (Common Ratio, rr) নির্ণয়:
দ্বিতীয় পদ / প্রথম পদ =0.12/0.03=4= 0.12 / 0.03 = 4
তৃতীয় পদ / দ্বিতীয় পদ =0.48/0.12=4= 0.48 / 0.12 = 4
সুতরাং, এই ধারার সাধারণ অনুপাত (rr) হলো
দ্বিতীয় ধাপ: পরবর্তী পদ নির্ণয়:
পরবর্তী পদটি হবে পূর্ববর্তী পদের সাথে সাধারণ অনুপাত 4 এর গুণফল।
চতুর্থ পদ = তৃতীয় পদ ×\times
চতুর্থ পদ = 0.48×40.48 \times 4
চতুর্থ পদ = 1.921.92
সঠিক উত্তর হলো: ১.৯২
95

ইদানীং আপনার মনে হচ্ছে সংসারে আপনার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে। আপনি এমন অবস্থায় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খুবই হতাশাবোধ করবেন
  2. বন্ধুদের সাথে বিষয়টি আলাপ করবেন
  3. সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন
  4. ক্ষোভ ও দুঃখ প্রকাশ করে মন খারাপ করবেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পারিবারিক সমস্যা একান্তই পারিবারিক। হতাশা, দুঃখ, ক্ষোভ বা বন্ধুদের সাথে আলোচনা করে এর সমাধান সম্ভব নয়। তাই এই সমস্যার সমাধানের জন্য সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগী হওয়াই বাঞ্ছনীয়।

ব্যাখ্যা

এটি মানসিক দক্ষতা ও নৈতিকতা সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন। যখন কেউ মনে করেন যে সংসারে তার গুরুত্ব হ্রাস পাচ্ছে, তখন একটি ইতিবাচক ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নেওয়া আবশ্যক।
সঠিক উত্তর হলো: সংসারের প্রতি গভীর মনোযোগ দেবেন। এটি একমাত্র সক্রিয় (Proactive) এবং গঠনমূলক (Constructive) সমাধান। গুরুত্ব হ্রাস পেলে হতাশ না হয়ে বরং নিজের সম্পৃক্ততা ও যত্ন বৃদ্ধি করলে সম্পর্ক উন্নত হয় এবং গুরুত্ব পুনরুদ্ধার হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— হতাশাবোধ করা, ক্ষোভ প্রকাশ করা বা বন্ধুদের সাথে আলাপ করা—এগুলো সবই নেতিবাচক (Negative) বা প্রতিক্রিয়াশীল (Reactive) আচরণ। এই ধরনের আচরণ পারিবারিক সমস্যা সমাধানে ব্যর্থ হয় এবং পরিস্থিতি আরও খারাপ করতে পারে।
96

আমার কক্ষে এক বৃদ্ধ দম্পতি ও তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রত্যেকে দুইজন করে সন্তানসহ আমার কক্ষে প্রবেশ করলেন। আমার কক্ষে মোট কতজন লোক হ’ল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 9
  2. 10
  3. 11
  4. 12

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি সরল গাণিতিক ধাঁধা (Logical Puzzle)। মোট লোকসংখ্যা বের করার জন্য প্রতিটি অংশকে আলাদাভাবে হিসাব করতে হবে এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, প্রশ্নকর্তাকে হিসাবের মধ্যে আনতে হবে।
১. প্রশ্নকর্তা/আমি (Narrator): প্রশ্নটি যেহেতু 'আমার কক্ষে' দিয়ে শুরু হয়েছে, তাই আমি নিজে কক্ষে উপস্থিত আছি। = ১ জন
২. বৃদ্ধ দম্পতি: এক দম্পতি মানে স্বামী ও স্ত্রী। = ২ জন
৩. অন্যান্য দম্পতি: তাদের সাথে দুই দম্পতি প্রবেশ করেছেন। দুই দম্পতি মানে ×=২ \times ২ = ৪ জন। = ৪ জন
৪. সন্তান: এই দুই দম্পতির প্রত্যেকে দুইজন করে সন্তানসহ এসেছেন। অর্থাৎ, দম্পতি ×\times ২ জন সন্তান/দম্পতি = ৪ জন
সুতরাং, মোট লোকসংখ্যা = (আমি) + (বৃদ্ধ দম্পতি) + (অন্যান্য দম্পতি) + (সন্তান)
মোট লোকসংখ্যা = ১ + ২ + ৪ + ৪ = ১১ জন
যেহেতু মোট সংখ্যা ১১, তাই সঠিক উত্তরটি হলো (গ)।
যারা উত্তর ১০ মনে করেন, তারা সাধারণত 'আমি' (প্রশ্নকর্তাকে) গণনা করতে ভুলে যান। এই ধরনের প্রশ্নে সর্বদা প্রশ্নকর্তার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।
97

ক খ এর পুত্র। খ এবং গ পরস্পর বোন। ঘ হচ্ছে গ এর মা, চ, ঘ এর পুত্র। চ এর সংগে ক এর সম্পর্ক কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক এর মামা চ
  2. ক এর খালু চ
  3. চ এর নানা ক
  4. ক এর চাচা চ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের সম্পর্কের সমস্যা সমাধানে স্টেপ-বাই-স্টেপ বিশ্লেষণ করলে সহজে উত্তর পাওয়া যায়।
১. প্রশ্নে বলা হয়েছে, ক হচ্ছে খ এর পুত্র। (অর্থাৎ, খ হলো ক এর মা বা বাবা।)
২. এরপর বলা হয়েছে, খ এবং গ পরস্পর বোন। (অর্থাৎ, খ হলো ক এর মা, এবং গ হলো ক এর মাসি।)
৩. এরপর বলা হয়েছে, ঘ হচ্ছে গ এর মা। যেহেতু খ এবং গ পরস্পর বোন, তাই ঘ হলো খ এরও মা। (অর্থাৎ, ঘ হলো ক এর নানী।)
৪. সর্বশেষ বলা হয়েছে, চ, ঘ এর পুত্র। যেহেতু ঘ এর সন্তানরা হলো খ (কন্যা), গ (কন্যা) এবং চ (পুত্র), তাই চ হলো খ এর ভাই।
৫. যেহেতু খ হলো ক এর মা এবং চ হলো খ এর ভাই, সেহেতু চ হলো ক এর মামা
সুতরাং, চ এর সংগে ক এর সম্পর্ক হলো: ক এর মামা চ
98

প্রাণদ : জল :: মহীজ : ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সম্বর
  2. গ্রহ
  3. নিঃসর্গ
  4. অশ্ব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মহীজ শব্দের অর্থ মঙ্গলগ্রহ এর ইংরেজি প্রতিশব্দ Mars। সুতরাং মহীজের সমার্থক গ্রহ।

ব্যাখ্যা

এটি একটি শব্দগত সাদৃশ্য (Analogy) বিষয়ক প্রশ্ন। এখানে প্রথম জোড়ার মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান, সেই একই সম্পর্ক দ্বিতীয় জোড়ার মধ্যে স্থাপন করতে হবে।
প্রথম জোড়া: প্রাণদ : জল। এখানে সম্পর্কটি হলো গুণ (Attribute) : বস্তু (Object)
'প্রাণদ' শব্দের অর্থ হলো যা প্রাণ দান করে বা জীবন রক্ষা করে। আমরা জানি, জল জীবন রক্ষাকারী তাই জলকে 'প্রাণদ' বলা হয়। (জল হলো প্রাণদ)।
দ্বিতীয় জোড়া: মহীজ : ?। এখানেও একই সম্পর্ক অনুসরণ করতে হবে— বস্তু এমন হবে, যা 'মহীজ' গুণযুক্ত।
'মহীজ' শব্দটি এসেছে 'মহী' (পৃথিবী/ভূগোল) এবং 'জ' (জাত/জন্ম) থেকে। এর অর্থ হলো 'পৃথিবী থেকে উৎপন্ন' বা 'ভূ-জাত'
বিকল্পগুলির মধ্যে, গ্রহ (Planet) হলো মহাজাগতিক বস্তু যা পৃথিবী বা মহী থেকে জাত বলে বিবেচিত হয়। এই সাদৃশ্য অনুযায়ী, সঠিক উত্তরটি হবে গ্রহ
অতএব, প্রাণদ : জল :: মহীজ : গ্রহ (জল জীবনদাতা :: গ্রহ পৃথিবীজাত)।
99

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. T, X
  2. X, T
  3. S, T
  4. T, B

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উক্তস্থান দ্বয়ে EY বসালে যথার্থ হয়। সেক্ষেত্রে উত্তর হবে ASSEMBLY.

ব্যাখ্যা

এটি একটি অক্ষর ধারার (Letter Series) প্রশ্ন। এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দিতে, আপনাকে প্রদত্ত অক্ষরগুলোর ক্রম এবং তাদের মধ্যে থাকা গাণিতিক সম্পর্ক অথবা অ্যালফাবেটিকাল স্কিপিং প্যাটার্নটি খুঁজে বের করতে হবে।
ধরে নেওয়া যাক, চিত্রে অক্ষরগুলো ইংরেজি বর্ণমালার পেছনের দিক থেকে (রিভার্স অর্ডার) একটি বিশেষ ক্রম অনুসরণ করে সাজানো হয়েছে, যেখানে কিছু অক্ষর বাদ দেওয়া হয়েছে এবং বাদ পড়া অক্ষরগুলোই উত্তর হিসেবে চাওয়া হয়েছে।
পূর্ণ রিভার্স ক্রমটি হলো: Z, Y, X, W, V, U, T, S, R, Q....
চিত্রে যে ক্রমটি দেওয়া হয়েছে, তা হলো (সম্ভাব্য): Z, Y, W, V, U, S, R, Q....
এই ক্রমটি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, দুটি স্থানে অক্ষর বাদ পড়েছে:
১. Y এর পরে X বাদ পড়েছে, এবং সরাসরি W দেওয়া হয়েছে।
২. U এর পরে T বাদ পড়েছে, এবং সরাসরি S দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু প্রশ্নচিহ্ন দুটি বর্ণমালার ক্রমানুসারে বাদ পড়া অক্ষর দুটিকে নির্দেশ করছে, তাই ক্রমানুসারে বাদ পড়া অক্ষর দুটি হলো: X এবং T
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো X, T
100

একটি পঞ্চভুজের সমষ্টি -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪ সমকোণ
  2. ৬ সমকোণ
  3. ৮ সমকোণ
  4. ১০ সমকোণ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

একটি বহুভুজের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি নির্ণয়ের সূত্র হলো:
(n2)×180(n-2) \times 180^\circ, যেখানে nn হলো বহুভুজের বাহুর সংখ্যা।
পঞ্চভুজের বাহু সংখ্যা n=5n=5
অতএব, পঞ্চভুজের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি =(52)×180=3×180=540= (5-2) \times 180^\circ = 3 \times 180^\circ = 540^\circ
প্রশ্নে সমষ্টিটি সমকোণে জানতে চাওয়া হয়েছে। আমরা জানি, ১ সমকোণ = 9090^\circ
সমকোণে প্রকাশ করতে হলে 540540^\circ কে 9090^\circ দিয়ে ভাগ করতে হবে: 540÷90=6540 \div 90 = 6
সুতরাং, একটি পঞ্চভুজের অন্তঃস্থ কোণগুলোর সমষ্টি হলো ৬ সমকোণ। (সঠিক উত্তর: ৬ সমকোণ)

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “34th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 34th (2013) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

34th (2013) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 34th (2013) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।