সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

29th (2009) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 29th (2009) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 29th (2009) পরীক্ষার ১০০টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

বাংলা বর্ণমালার স্বরবর্ণ কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩টি
  2. ১০টি
  3. ১২টি
  4. ১১টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা বর্ণমালায় মোট ৫০টি বর্ণ আছে। এর মধ্যে স্বরবর্ণ ১১টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৯টি। স্বরধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় স্বরবর্ণ। যেমন: অ, আ, ই ইত্যাদি। অন্যদিকে ব্যঞ্জনধ্বনি দ্যোতক সাংকেতিক চিহ্নকে বলা হয় ব্যঞ্জনবর্ণ। যেমন: ক, খ, গ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১১টি। বাংলা বর্ণমালায় মোট স্বরবর্ণের সংখ্যা ১১
এই ১১টি স্বরবর্ণ হলো: অ, আ, ই, ঈ, উ, ঊ, ঋ, এ, ঐ, ও, ঔ
অনেক পুরনো বই বা ঐতিহাসিক দৃষ্টিকোণ থেকে স্বরবর্ণের সংখ্যা ১২টি (ৠ সহ) বা ১৩টি (ৠ ও ঌ সহ) বলা হয়। কিন্তু আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ এবং শিক্ষা বোর্ডের কারিকুলাম অনুযায়ী ৠ (দীর্ঘ ঋ) এবং ঌ (লি) - এই বর্ণগুলির ব্যবহার না থাকায় এদের বাদ দেওয়া হয়েছে।
বিসিএস বা যেকোনো চাকরির পরীক্ষায় প্রশ্ন এলে সর্বদা ১১টি উত্তর হিসেবে গ্রহণ করতে হবে।
2

বাংলা সাহিত্যের আদি কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাহ্নপা
  2. চেণ্ডনপা
  3. লুইপা
  4. ভূসুকুপা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য নিদর্শন চর্যাপদ। চর্যাপদে ২৩, মতান্তরে ২৪ জন কবি ছিলেন। চর্যাপদের পদসংখ্যা হলো ৫১টি। ড. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১নং পদের পদকর্তা হিসেবে লুইপার নাম পান। তাই, তার মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি লুইপা। কিন্তু ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি হলো শবরপা।

ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম ও প্রথম নির্ভরযোগ্য নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এই পদগুলো বৌদ্ধ সহজযানী সাধকগণ রচনা করেন, যারা সিদ্ধাচার্য নামে পরিচিত।
ঐতিহ্যগতভাবে, সিদ্ধাচার্যদের মধ্যে লুইপাকে বাংলা সাহিত্যের আদি কবি বা প্রথম কবি হিসেবে সর্বজনস্বীকৃত।
এর প্রধান কারণ হলো, চর্যাপদের প্রাপ্ত পদগুলোর মধ্যে প্রথম পদটি (পদ নং-১) লুইপা রচনা করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: কাহ্নপা, ভূসুকুপা) চর্যাপদের গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও তারা আদি কবি নন। বিশেষত কাহ্নপা সবচেয়ে বেশি (১৩টি) পদ রচনা করলেও তিনি প্রথম নন।
3

‘তৎসম’ শব্দের ব্যবহার কোন রীতিতে বেশি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চলিত রীতি
  2. সাধু রীতি
  3. মিশ্র রীতি
  4. আঞ্চলিক রীতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক. বাংলাভাষার লৈখিক রীতি দুটির একটি চলিত রীতি। চলিত রীতি পরিবর্তনশীল। এ রীতি তদ্ভব শব্দবহুল। খ. যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে সেসব শব্দকে বলা হয় তৎসম শব্দ। সাধু রীতি গুরুগম্ভীর ও তৎসম শব্দবহুল। গ. বাংলা ভাষায় মিশ্র রীতির ব্যবহার নেই। ঘ. মৌখিক রীতির দুটি ভাগের একটি হলো আঞ্চলিক রীতি। বিভিন্ন অঞ্চলে আঞ্চলিক রীতির বিভিন্নতা পরিলক্ষিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাধু রীতি (অপশন খ)।
তৎসম শব্দ হলো সেই সকল শব্দ যা সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় এসেছে (তৎ + সম = তার সমান)।
সাধু রীতি বাংলা গদ্যের প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী রূপ। এই রীতিতে ব্যাকরণের কঠোর অনুশাসন মানা হয় এবং এর শব্দভাণ্ডারের একটি বড় অংশই হলো তৎসম শব্দ। যেহেতু সাধু রীতি ছিল মূলত পন্ডিতজনের লিখিত ভাষা, তাই এটি সংস্কৃত ভাষার প্রভাবকে ধরে রাখে।
অন্যদিকে, চলিত রীতি হলো মুখের ভাষার কাছাকাছি। এটি তুলনামূলকভাবে নতুন, পরিবর্তনশীল এবং এখানে তদ্ভব, দেশি ও বিদেশি শব্দের ব্যবহার বেশি হয়। চলিত রীতিতে ক্রিয়াপদ ও সর্বনামের রূপ সংক্ষিপ্ত হয় (যেমন: সাধু রীতির ‘করিয়াছিলাম’ চলিত রীতিতে ‘করেছিলাম’)।
4

বাংলা ভাষায় প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্ষয় দত্ত
  2. মার্শম্যান
  3. ব্রাশি হ্যালহেড
  4. রাজা রামমোহন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৮২৬ সালে রাজা রামমোহন রায় ইংরেজিতে বাংলা ব্যাকরণ লেখেন। এরপর তিনি স্কুল বুক সোসাইটির জন্য ঐ গ্রন্থ বাংলায় অনুবাদ করে নাম দেন ‘গৌড়ীয় ব্যাকরণ’ যা প্রকাশ হয় ১৮৩৩ সালে। আর এ গ্রন্থটি বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাজা রামমোহন রায়
প্রশ্নটি খুব মনোযোগ দিয়ে বুঝতে হবে। প্রশ্ন করা হয়েছে, বাংলা ভাষায় (অর্থাৎ মাধ্যম হিসেবে বাংলা ব্যবহার করে) প্রথম ব্যাকরণ রচনা করেন কে?
রাজা রামমোহন রায় ১৮২৬ সালে 'গৌড়ীয় ব্যাকরণ' নামক বইটি রচনা করেন। এটিই হলো প্রথম বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থ, যা বাংলা ভাষায় রচিত হয়েছিল।
অন্য অপশনগুলো প্রায়শই ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি করে:
ব্রাশি হ্যালহেড: তিনি ১৭৭৮ সালে 'A Grammar of the Bengal Language' রচনা করেন। এটি বাংলা ভাষার প্রথম ছাপা হওয়া ব্যাকরণ গ্রন্থ, কিন্তু এটি লেখা হয়েছিল ইংরেজিতে
মার্শম্যান এবং অক্ষয় দত্ত এই প্রসঙ্গে প্রথম ব্যাকরণ রচয়িতা নন।
5

ফররুখ আহমদের শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাত সাগরের মাঝি
  2. পাখির বাসা
  3. হাতেমতাই
  4. নৌফেল ও হাতেম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুসলিম রেনেসাঁর কবি ফররুখ আহমদ। তিনি ছিলেন ইসলামী আদর্শের উজ্জ্বল প্রতীক। ‘সাত সাগরের মাঝি’ (১৯৪৪) তার শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ। তার রচিত শিশুতোষ গ্রন্থ ‘পাখির বাসা’ (১৯৬৫) এর জন্য তিনি ১৯৬৬ সালে ইউনেস্কো পুরস্কার লাভ করেন। ‘হাতেমতায়ী’ তার রচিত কাহিনি কাব্য। ১৯৬৬ সালে ‘হাতেমতায়ী’ গ্রন্থের জন্য তিনি আদমজী পুরস্কার লাভ করেন। আর ‘নৌফেল ও হাতেম’ (১৯৬১) তার কাব্যনাট্যের নাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাত সাগরের মাঝি
কবি ফররুখ আহমদ (১৯১৮-১৯৭৪) হলেন বাংলা সাহিত্যের 'মুসলিম রেনেসাঁর কবি' হিসেবে পরিচিত। তাঁর শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'সাত সাগরের মাঝি'
এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত ফার্সি ও আরবি শব্দ ব্যবহার করে মুসলিম ঐতিহ্য ও জাগরণকে ফুটিয়ে তোলে, যা তাঁকে আধুনিক বাংলা সাহিত্যে স্বতন্ত্র স্থান দিয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে 'হাতেমতাই' এবং 'নৌফেল ও হাতেম' তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থ নয়, বরং কাব্যনাট্য বা নাটক। তাই এগুলো শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে বিবেচিত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাওল
  2. সৈয়দ সুলতান
  3. মুহম্মদ খান
  4. শাহ মুহম্মদ সগীর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি ছিলেন শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁর বিখ্যাত কাব্য “ইউসুফ জুলেখা”। এছাড়া আলাওল ছিলেন মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি, সৈয়দ সুলতানও মধ্যযুগের অন্যতম উল্লেখযোগ্য কবি ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শাহ মুহম্মদ সগীর। তাঁকে বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম বাঙালি মুসলমান কবি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

তিনি চতুর্দশ শতকের শেষভাগ থেকে পঞ্চদশ শতকের প্রথম ভাগে (আনুমানিক ১৪০০ খ্রি.) তাঁর বিখ্যাত কাব্য রচনা করেন।

তাঁর শ্রেষ্ঠ কাব্যগ্রন্থ হলো ইউসুফ-জুলেখা (Yusuf-Zulekha)। তিনি গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় এই কাব্য রচনা করেন।

অন্যদিকে, আলাওল, সৈয়দ সুলতান, এবং মুহম্মদ খান সকলেই সগীর-এর পরবর্তী সময়ের কবি এবং মধ্যযুগের শেষ দিকের প্রভাবশালী সাহিত্যিক।
7

‘চাচা কাহিনির’র লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ শামসুল হক
  2. শওকত ওসমান
  3. সৈয়দ মুজতবা আলী
  4. ফররুখ আহমদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সরস, মার্জিত, বুদ্ধিদীপ্ত, সাহিত্য ধারার প্রবর্তক সৈয়দ মুজতবা আলী। ব্যঙ্গ ও রঙ্গ রসিকতায় তার গদ্য রচনা প্রদীপ্ত। সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত রম্যগল্প ‘চাচা কাহিনী’। দেশে বিদেশে (ভ্রমণকাহিনী), পঞ্চতন্ত্র (রম্যরচনা), শবনম (উপন্যাস) তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ মুজতবা আলী
‘চাচা কাহিনি’ হলো বাঙালি লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় রম্য বা ব্যঙ্গাত্মক প্রবন্ধ গ্রন্থ। তিনি মূলত ভ্রমণ কাহিনি ও রম্য রচনার জন্য বাংলা সাহিত্যে অমর হয়ে আছেন।
সৈয়দ শামসুল হক ছিলেন কবি, ঔপন্যাসিক ও নাট্যকার। তাঁর বিখ্যাত নাটক: ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’।
শওকত ওসমান ছিলেন জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস: ‘ক্রীতদাসের হাসি’।
ফররুখ আহমদ ছিলেন একজন স্বনামধন্য কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ: ‘সাত সাগরের মাঝি’।
8

মুসলমান নারী জাগরণের কবি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফজিলাতুন্নেছা
  2. ফয়জুন্নেছা
  3. বেগম রোকেয়া
  4. সামসুন্নাহার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেগম রোকেয়া। যদিও তিনি প্রধানত প্রবন্ধকার ও গদ্যলেখক হিসেবে পরিচিত, কিন্তু তাঁর সাহিত্যকর্মে নারী শিক্ষা ও মুক্তির যে বলিষ্ঠ আহ্বান ছিল, তাকেই নারী জাগরণের কাব্য হিসেবে গণ্য করা হয়।
বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন (১৮৮০-১৯৩২) ছিলেন মুসলিম নারী জাগরণের অগ্রদূত। তাঁর লেখার মূল উদ্দেশ্যই ছিল তৎকালীন সমাজে মুসলিম মহিলাদের অবরোধ প্রথা থেকে মুক্ত করা এবং শিক্ষার আলোয় আলোকিত করা। এ কারণেই তাঁকে ‘মুসলমান নারী জাগরণের কবি’ বা ‘নারী জাগরণের অগ্রদূত’ বলা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ফয়জুন্নেছা চৌধুরীকে (যিনি নবাব ফয়জুন্নেছা নামে পরিচিত) প্রথম মুসলিম মহিলা কবি ও শিক্ষানুরাগী হিসেবে গণ্য করা হলেও, নারী জাগরণের মূল কবির স্বীকৃতি বেগম রোকেয়ার জন্যই নির্ধারিত।
9

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ এর রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জ্ঞানদাস
  2. দীন চণ্ডীদাস
  3. বড়ু চণ্ডীদাস
  4. দীনহীন চণ্ডীদাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ মধ্যযুগের প্রথম কাব্য এবং বড়ু চণ্ডীদাস মধ্যযুগের আদি কবি। তিনি ভগবতের কৃষ্ণলীলা সম্পর্কিত কাহিনি অবলম্বনে ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্য রচনা করেন। ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যের প্রধান চরিত্র তিনটি; কৃষ্ণ, রাধা ও বড়াই। এ কাব্যের মোট ১৩টি খণ্ড আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বড়ু চণ্ডীদাস
‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম প্রামাণ্য নিদর্শন। এই কাব্যের রচয়িতা হিসেবে সর্বজন স্বীকৃত হলেন বড়ু চণ্ডীদাস
বড়ু চণ্ডীদাস ছিলেন একজন আদি চণ্ডীদাস। সাধারণত, রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বিষয়ক আখ্যানমূলক এই কাব্যটি তার লেখা।
অন্যান্য বিকল্প যেমন দীন চণ্ডীদাস বা জ্ঞানদাস বৈষ্ণব পদাবলির পদ রচনা করেছেন। 'চণ্ডীদাস সমস্যা' (একই নামে একাধিক কবির উপস্থিতি) থাকলেও, শ্রীকৃষ্ণকীর্তন-এর কবি হিসেবে একমাত্র বড়ু চণ্ডীদাস-ই স্বীকৃত।
10

বাংলা কথ্য ভাষার আদি গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রভু যিশুর বাণী
  2. কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ
  3. ফুলমণি ও করুণার বিবরণ
  4. মিশনারি জীবন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ’ (১৭৩৫) মনোএল দ্য আসসুম্পসাঁউ নামক পর্তুগিজ খ্রিষ্টান মিশনারি কর্তৃক রচিত বাংলা গদ্যগ্রন্থ। ১৭৪৩ সালে লিসবন শহর থেকে গ্রন্থটি রোমান লিপিতে মুদ্রিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃপার শাস্ত্রের অর্থভেদ। এটি বাংলা গদ্য সাহিত্যের ইতিহাসে কথ্য বা চলিত ভাষার আদি নিদর্শন হিসেবে স্বীকৃত।
গ্রন্থটি রচনা করেন পর্তুগিজ খ্রিস্টান মিশনারি মানোএল দা আসসুম্পসাঁউ (Manoel da Assumpção)
এটি ১৭৪৩ সালে পর্তুগালের লিসবন থেকে রোমান হরফে মুদ্রিত হয়। এই গ্রন্থের সঙ্গে যুক্ত ছিল একটি বাংলা ব্যাকরণ, যা প্রথম মুদ্রিত বাংলা ব্যাকরণ হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ফুলমণি ও করুণার বিবরণ (১৮৫২) রচনা করেন হানা ক্যাথারিন ম্যুলেন্স। এটি পরবর্তীকালে রচিত একটি গুরুত্বপূর্ণ মিশনারি সাহিত্য।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কবি আলাওলের জন্মস্থান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফরিদপুরের সুরেশ্বর
  2. চট্টগ্রামের জোব্রা
  3. বার্মার আরাকান
  4. চট্টগ্রামের পটিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মহাকবি আলাওলের জন্মস্থান নিয়ে মতবিরোধ রয়েছে। ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর মতে, কবি আলাওলের জন্ম ফরিদপুরের ফতেহাবাদ পরগনায়। অধিকাংশ পণ্ডিত এ মত গ্রহণ করেছেন। ড. মুহম্মদ এনামুল হকের মতে কবি আলাওল আনুমানিক ১৬০৭ সালে চট্টগ্রাম জেলার হাটহাজারী উপজেলার জোবরা গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: চট্টগ্রামের জোব্রা
মহাকবি আলাওল মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি। তার জন্মস্থান নিয়ে কিছুটা বিতর্ক থাকলেও বেশিরভাগ গবেষক মনে করেন যে তিনি চট্টগ্রামের ফতেহাবাদের নিকটবর্তী জোব্রা/জালালপুর এলাকায় জন্মগ্রহণ করেন।
কবি আলাওলের পিতার নাম ছিল জালাল উদ্দীন, যিনি ফতেহাবাদের শাসক মজলিশ কুতুবের মন্ত্রী ছিলেন।
অনেকে ফরিদপুরের সুরেশ্বরকে তার জন্মস্থান মনে করলেও, তার জীবনের মূল ভিত্তি এবং কর্মজীবনের শুরু চট্টগ্রাম অঞ্চলেই ছিল।
12

‘অনল-প্রবাহ’ রচনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
  2. মোজাম্মেল হক
  3. এয়াকুব আলী চৌধুরী
  4. মুনিরুজ্জামান ইসলামাবাদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুসলিম পুনর্জাগরণবাদী কবি ও রাজনীতিবিদ সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজী। অনলস্রাবী সাহিত্য সৃষ্টি তার বৈশিষ্ট্য। জাতীয় জাগরণমূলক কাব্য সৃষ্টিতে তিনি ছিলেন স্বতঃস্ফূর্ত এবং কাজী নজরুল ইসলামের পূর্বসূরি। ‘অনল প্রবাহ’ (১৯০০) তার বিখ্যাত গ্রন্থ। গ্রন্থটি ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে ফেব্রুয়ারি মাসে ইংরেজ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি
অনল-প্রবাহ’ হলো কবি সৈয়দ ইসমাইল হোসেন সিরাজি কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত দেশপ্রেমমূলক ও জাগরণী কাব্যগ্রন্থ
১৯০০ সালে প্রকাশিত এই কাব্যের বিপ্লবী মনোভাবের কারণে ব্রিটিশ সরকার তাঁকে অভিযুক্ত করে এবং তিনি কারাবরণ করেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল। যেমন: মোজাম্মেল হক তাঁর ‘ফেরদৌসি-চরিত’ এবং এয়াকুব আলী চৌধুরী তাঁর ‘মানব জীবন’ প্রবন্ধ গ্রন্থের জন্য সমধিক পরিচিত।
13

‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের প্রথম কবিতা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধূমকেতু
  2. বিদ্রোহী
  3. প্রলয়োল্লাস
  4. অগ্রপথিক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২)। এ কাব্যগ্রন্থের প্রথম কবিতা ‘প্রলয়োল্লাস’ এ কাব্যগ্রন্থের অন্যান্য কবিতাগুলো হলো ‘বিদ্রোহী’ রক্তাম্বরধারিণী মা, আগমনী, ধূমকেতু, কামাল পাশা, আনোয়ার, রণভেরী, সাত-ইল আরব, খেয়াপারের তরণী, কোরবানী, মোহররম’ মোট ১২টি কবিতা এ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত। অন্যদিকে অগ্রপথিক, কবিতাটি নজরুল ইসলামের ‘জিঞ্জীর’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রলয়োল্লাস
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘অগ্নিবীণা’। এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়। এই কাব্যগ্রন্থের সূচনা কবিতা বা প্রথম কবিতাটি হলো ‘প্রলয়োল্লাস’
অনেকেই ভুল করে ‘বিদ্রোহী’ কবিতাকে প্রথম কবিতা ভাবেন। কিন্তু ‘বিদ্রোহী’ হলো এই কাব্যগ্রন্থের দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কবিতা। ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথমে ১৯২১ সালের ডিসেম্বরে ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়, এরপরে ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যে স্থান পায়।
‘প্রলয়োল্লাস’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২১ সালের অক্টোবরে ‘বিজলী’ পত্রিকায়।
14

বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির প্রচলনে কোন পত্রিকার অবদান বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কল্লোল
  2. সবুজপত্র
  3. বঙ্গদর্শন
  4. কালিকলম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রমথ চৌধুরী সম্পাদিত ‘সবুজ পত্র’ বাংলা সাময়িক পত্র হিসেবে প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালে। প্রমথ চৌধুরী বীরবলী রীতি নামে যে কথ্য ভাষারীতির সাহিত্য প্রচলন করে যুগান্তর এনেছিলেন তা প্রচারের মাধ্যম ছিল এই ‘সবুজপত্র’। পত্রিকাটি বৈশাখ ১৩২১ বঙ্গাদ্বে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তের বছর চলে। এই পত্রিকাকে কেন্দ্র করে এক নুতন সাহিত্যগোষ্ঠী এবং সাহিত্যিক আদর্শ গড়ে ওঠে। বাংলাগদ্যে চলিতরীতি প্রতিষ্ঠা লাভ করে সবুজপত্র পত্রিকার হাত ধরেই। এই পত্রিকায় রবীন্দ্রনাথ ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সবুজপত্র
বাংলা সাহিত্যে কথ্যরীতির (বা চলিত গদ্যরীতির) প্রচলনে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে সবুজপত্র পত্রিকা। এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী
প্রমথ চৌধুরী ১৯১৪ সালে ‘সবুজপত্র’ পত্রিকাটি প্রকাশ করেন এবং এই পত্রিকার মাধ্যমে তিনি সাধু ভাষার পরিবর্তে চলিত ভাষাকে সাহিত্যের উপযুক্ত বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন।
যেহেতু প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ছিল বীরবল, তাই তার প্রবর্তিত এই চলিত গদ্যরীতিকে 'বীরবলী রীতির' প্রবর্তনও বলা হয়।
15

‘জনৈক’ শব্দটির সন্ধি বিচ্ছেদ -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জন + ইক
  2. জন + এক
  3. জনৈ + এক
  4. জন + ঈক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্বরসন্ধির নিয়মানুসারে অ-কার কিংবা আ-কারের পর এ-কার থাকলে উভয়ে মিলে ঐ-কার হয়; ঐ-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। অর্থাৎ: অ + এ = ঐ (জন + এক = জনৈক)।

ব্যাখ্যা

সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ হলো: জন + এক = জনৈক। এটি স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকারভেদ, যা বৃদ্ধিসন্ধি (Vriddhi Sandhi) নামে পরিচিত।
বৃদ্ধিসন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, 'অ' বা 'আ'-এর পরে যদি 'এ' বা 'ঐ' থাকে, তবে উভয় মিলে 'ঐ' হয়।
এখানে: জন (ন্ + অ) + এক (এ) = জনৈক (ন্ + ঐ)
সুতরাং, 'অ + এ = ঐ' নিয়মটি সঠিকভাবে পালিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 'জন + ইক' বা 'জন + ঈক' সন্ধির সঠিক নিয়ম মেনে চলে না এবং শব্দ দুটির অর্থগত সংগতি নষ্ট করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

বাক্যের তিনটি গুণ কি কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আকাঙ্ক্ষা, আসক্তি ও বিধেয়
  2. আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
  3. যোগ্যতা, উদ্দেশ্য ও বিধেয়
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভাষার বিচারে বাক্যের ৩টি গুণ থাকা আবশ্যক- ১. আকাঙ্ক্ষা, ২. আসত্তি ও ৩. যোগ্যতা। বাক্যের অর্থ পরিষ্কারভাবে বোঝার জন্য এক পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা তা-ই আকাঙ্ক্ষা। বাক্যের অর্থসঙ্গতি রক্ষার জন্য সুশৃঙ্খল পদবিন্যাসই আসত্তি। আর বাক্যস্থিত পদসমূহের অন্তর্গত এবং ভাবগত মেলবন্ধনের নাম যোগ্যতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: আকাঙ্ক্ষা, আসত্তি ও যোগ্যতা
সার্থক বা সম্পূর্ণ বাক্যের জন্য এই তিনটি গুণের উপস্থিতি অপরিহার্য। এই গুণগুলো না থাকলে একাধিক পদ পাশাপাশি বসলেও তা বাক্য হিসেবে গণ্য হয় না।
১. আকাঙ্ক্ষা (Expectation): বাক্যের অর্থ পুরোপুরি বোঝার জন্য একটি পদের পর অন্য পদ শোনার যে ইচ্ছা, তাকে আকাঙ্ক্ষা বলে। (যেমন: ‘যদি সে আসত...’ – এরপর কী হবে তা জানার ইচ্ছা)।
২. আসত্তি বা নৈকট্য (Proximity/Cohesion): বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোকে অর্থসংগতি রক্ষা করে যথাস্থানে সন্নিবেশিত করার নাম আসত্তি। এলোমেলো পদ বিন্যাস করলে আসত্তির অভাব ঘটে।
৩. যোগ্যতা (Competence/Meaningfulness): বাক্যের অন্তর্গত পদগুলোর অর্থগত এবং ভাবগত মিল বা সঙ্গতিকে যোগ্যতা বলে। যেমন: ‘গরু আকাশে ওড়ে’—এই বাক্যটির আকাঙ্ক্ষা ও আসত্তি থাকলেও যোগ্যতা নেই, কারণ এটি বাস্তবসম্মত নয়।
অন্যান্য অপশনে উল্লেখিত উদ্দেশ্যবিধেয় হলো বাক্যের দুটি অংশ, গুণ নয়। তাই অপশন ২ সঠিক।
17

‘একাত্তরের চিঠি’ কোন জাতীয় রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুক্তিযুদ্ধের বিবরণ
  2. মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস
  3. মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
  4. ভিন্নধর্মী ডায়েরি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বেসরকারি মোবাইল ফোন কোম্পানি গ্রামীনফোন ও জাতীয় দৈনিক ‘প্রথম আলো’ যৌথ উদ্যোগে একাত্তরের চিঠি নামের মুক্তিযোদ্ধাদের এ পত্র সংকলনটি প্রকাশ করেছে। এতে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের কাছে লিখিত ৮২টি পত্র স্থান পেয়েছে। ২৭ মার্চ, ২০০৯ বইটির প্রকাশনা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুক্তিযোদ্ধাদের পত্র সংকলন
‘একাত্তরের চিঠি’ হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সাধারণ মুক্তিযোদ্ধা এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের পরিবার বা বন্ধুদের কাছে লেখা চিঠির সংকলন। এটি কোনো কাল্পনিক বা সাহিত্যিক উপন্যাস নয়।
এটি ঐতিহাসিক দলিল হিসেবে মুক্তিযুদ্ধে সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ ও অনুভূতির বাস্তব চিত্র তুলে ধরে। তাই এটি নিছক বিবরণ, উপন্যাস বা ভিন্নধর্মী ডায়েরি নয়, বরং এটি একটি বাস্তব চিঠির সংকলন
18

সনেট কবিতার প্রবর্তক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বিজেন্দ্র লাল রায়
  2. রজনীকান্ত সেন
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. অতুলপ্রসাদ সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম আধুনিক কবি ও নাট্যকার মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনিই বাংলায় প্রথম সনেট রচনা করেন এবং তার নাম দেন ‘চতুর্দশপদী’। বাংলা সনেটের আদি গ্রন্থ ‘চতুর্দশপদী কবিতা’ (১৮৬৬)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাইকেল মধুসূদন দত্ত। তিনিই প্রথম বাংলা সাহিত্যে সনেট বা চতুর্দশপদী কবিতা প্রবর্তন করেন।
তিনি ইতালীয় কবি পেত্রার্কের (Petrarch) সনেট দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বাংলাতে এই কাব্যরূপটি আনেন।
১৮৬০ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে বসে তিনি প্রথম সনেট ‘কপোতাক্ষ নদ’ রচনা করেন, যা তার ‘চতুর্দশপদী কবিতাবলী’ (১৮৬৬ সালে প্রকাশিত) গ্রন্থে স্থান পায়।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন: দ্বিজেন্দ্র লাল রায়, রজনীকান্ত সেন এবং অতুলপ্রসাদ সেন—এঁরা সবাই বিখ্যাত গীতিকবি ও নাট্যকার। সনেট প্রবর্তনের সঙ্গে এঁদের সরাসরি কোনো সম্পর্ক নেই।
19

‘আবদুল্লাহ’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোহাম্মদ নজীবর রহমান
  2. কাজী ইমদাদুল হক
  3. শেক ফজলুল করিম
  4. মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুসলিম মধ্যবিত্ত সমাজের নানা দোষত্রুটি কাজী ইমদাদুল হক তার ‘আবদুল্লাহ’ (১৯৩৩) উপন্যাসে দক্ষতার সাথে তুলে ধরেন। তবে তিনি উপন্যাসটির ৩০টি পরিচ্ছেদ সমাপ্ত করেছিলেন। বাকি ১১টি পরিচ্ছেদ তার মৃত্যুর পর শিক্ষাবিদ আনোয়ারুল কাদির তার খসড়া অনুসরণ করে রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী ইমদাদুল হক
‘আবদুল্লাহ’ (প্রকাশ: ১৯৩৩) উপন্যাসটি সাহিত্যিক ও শিক্ষাবিদ কাজী ইমদাদুল হক রচিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক উপন্যাস।
এই উপন্যাসে লেখক তৎকালীন মুসলিম সমাজের অশিক্ষা, কুসংস্কার এবং সামাজিক বৈষম্যকে তুলে ধরেছেন। এটি ছিল তাঁর একমাত্র উপন্যাস এবং এটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, মোহাম্মদ নজীবর রহমান রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘আনোয়ারা’, যা প্রায়শই ‘আবদুল্লাহ’-এর সাথে মিলিয়ে ভুল করা হয়। মমতাজ উদ্দিন আহম্মেদ আধুনিক বাংলা নাটকের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব।
20

বঙ্কিমচন্দ্রের প্রথম উপন্যাসের নাম -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুর্গেশনন্দিনী
  2. কপালকুণ্ডলা
  3. কৃষ্ণকান্তের উইল
  4. রজনী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দুর্গেশনন্দিনী। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত প্রথম উপন্যাস।
'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাসটি প্রকাশিত হয় ১৮৬৫ সালে। এটি একটি ঐতিহাসিক প্রণয়ধর্মী উপন্যাস।
বঙ্কিমচন্দ্র যদিও এর আগে ইংরেজিতে 'Rajmohan's Wife' (১৮৬৪) নামে একটি উপন্যাস রচনা করেছিলেন, কিন্তু বাংলায় রচিত তাঁর প্রথম উপন্যাস হিসেবে 'দুর্গেশনন্দিনী'-কেই গণ্য করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো তাঁর পরবর্তী উপন্যাস: কপালকুণ্ডলা (১৮৬৬), কৃষ্ণকান্তের উইল (১৮৭৮, সামাজিক উপন্যাস) এবং রজনী (১৮৭৭)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

সমাস ভাষাকে কি করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংক্ষেপ করে
  2. বিস্তৃত করে

  3. অর্থপূর্ণ করে
  4. অর্থের রূপান্তর ঘটায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সমাস শব্দের অর্থ সংক্ষেপণ, মিলন, একাধিক পদের একপদীকরণ। পরস্পর সম্পর্কযুক্ত একাধিক পদের এক পদে মিলিত হওয়াকে সমাস বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সংক্ষেপ করে
ব্যাকরণে সমাসের মূল কাজ বা উদ্দেশ্য হলো একাধিক পদকে এক পদে বা একটি শব্দে পরিণত করা। এটিকে ব্যাকরণের ভাষায় 'একপদীকরণ' বলা হয়।
যেমন: 'সিংহাসন' (সিংহ চিহ্নিত আসন) এই একাধিক পদকে সমাসের সাহায্যে সংক্ষেপ করা হয়েছে।
এই সংক্ষেপণের ফলেই ভাষা সংক্ষিপ্ত, শ্রুতিমধুর ও গতিশীল হয়। অন্যান্য অপশন, যেমন— 'বিস্তৃত করে' বা 'রূপান্তর ঘটায়', সমাসের মূল উদ্দেশ্যের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
22

I have not heard from him -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. long since
  2. for a long time
  3. since long
  4. for long

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত Positive sentence এ ‘for a long time’ ব্যবহার করা হয় এবং Negative sentence এ ‘for long’ ব্যবহার করা হয়। কিন্তু কখনো কখনো ‘for a long time’ ও Negative sentence এ ব্যবহার করা যায়। অর্থাৎ ‘for a long time’ ও ‘for long’ দুটোই সঠিক হিসেবে বিবেচনা করা যায়। তবে এক্ষেত্রে ‘for a long time’ ও ‘for long’ এর মধ্যে সুক্ষ্ম পার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। এ পার্থক্য অনুযায়ী ‘for ‍a long time’ দ্বারা সময়ের ব্যপ্তি বেশি প্রকাশ পায়। সুতরাং এ যুক্তি অনুযায়ী ‘for a long time’ ই সঠিক। [ সূত্র: Oxford Advanced Learner’s Dictionary]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: for a long time
প্রদত্ত বাক্যটি Present Perfect Tense-এ রয়েছে (I have not heard)। এই Tense-এ কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান বা তার ফল বিদ্যমান থাকলে তা বোঝাতে 'for' বা 'since' ব্যবহার করা হয়।
এখানে 'a long time' একটি duration of time (সময়ের ব্যাপ্তি) বোঝাচ্ছে। সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে আমরা সর্বদা 'for' ব্যবহার করি। তাই সঠিক অভিব্যক্তিটি হলো 'for a long time'
অন্যদিকে, 'since long' বা 'long since' - এই ধরনের অভিব্যক্তিগুলো আধুনিক ইংরেজিতে Present Perfect Tense-এর সাথে সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহার করা হয় না। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল (ungrammatical)।
'for long' সাধারণত interrogative (প্রশ্নবোধক) বা negative (নেতিবাচক) বাক্যে ছোট বা অপেক্ষাকৃত কম সময়ের ব্যাপ্তি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু দীর্ঘ সময় বোঝাতে 'for a long time' হলো সবচেয়ে আদর্শ ও সঠিক ব্যবহার।
23

Honey is _____ sweet.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. very
  2. too much
  3. much too
  4. excessive

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Very ও too much বাক্যে উভয়টির প্রয়োগ পরিলক্ষিত হয়। বহুল প্রচলন এর কথা very সঠিক। Much too এর একীভূত ব্যবহার নেই। Excessive হল adjective যার অর্থ অত্যধিক যা sentence এর context এর সাথে সামঞ্জস্য নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: very। বাক্যটিতে 'sweet' শব্দটি একটি Adjective (বিশেষণ)। এই Adjective-কে তীব্রতা প্রদান করার জন্য একটি Adverb of Degree (মাত্রা নির্দেশক ক্রিয়াবিশেষণ) প্রয়োজন।
Very শব্দটি Adjective-এর পূর্বে বসে এর মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং এটি একটি ইতিবাচক (Positive) অথবা স্বাভাবিক সত্য (Factual Statement) প্রকাশ করে। মধু স্বাভাবিকভাবেই মিষ্টি, তাই এর তীব্রতা বোঝাতে very ব্যবহার করা হয়। (Honey is very sweet.)
Too much: এটি সাধারণত Adjective-এর আগে সরাসরি বসে না। এটি Noun (যেমন: too much sugar) অথবা Verb (যেমন: talk too much)-কে Modify করে।
Much too: এটিও Adjective-কে Modify করে, কিন্তু এর অর্থ হলো 'অত্যধিক' এবং এটি সবসময় একটি নেতিবাচক বা অবাঞ্ছিত ফল বোঝায়। (e.g., The tea is much too hot to drink—চাটি পান করার জন্য অতিরিক্ত গরম)। যেহেতু মধুর মিষ্টি হওয়া একটি স্বাভাবিক সত্য, তাই এখানে much too অপ্রাসঙ্গিক।
Excessive: এটি একটি Adjective (বিশেষণ)। বাক্যে আরও একটি Adjective বসানোর প্রয়োজন নেই। আমাদের প্রয়োজন Adverb (ক্রিয়াবিশেষণ)।
24

Your conduct admits ____ no excuse.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to
  2. for
  3. of
  4. at

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এটি একটি preposition এর ব্যবহার। ‘Admit to’ অর্থ স্বীকার করা বা স্বীকারোক্তি দেয়া। এ জাতীয় কোনো অর্থ মূল sentence দ্বারা প্রকাশ পায় না। তাই আমরা to ব্যবহার করতে পারি না। ‘Admit of’ অর্থ হলো ‘অবকাশ থাকা’। তাই আমরা যদি ‘of’ ব্যবহার করি, তাহলে Sentence টি যথার্থ অর্থ প্রকাশ করে। Sentence এর অর্থ দাঁড়ায় ‘তোমার আচরণে অজুহাত/কৈফিয়তের অবকাশ নেই।’ এবং admit-এর সঙ্গে ‘for’ এবং ‘at’ ব্যবহার করা যায় না। তাহলে (গ)-ই সঠিক answer.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: of
প্রশ্নটি মূলত Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়)-এর ব্যবহার সংক্রান্ত।
'Admit' শব্দটি যখন 'অবকাশ রাখা' বা 'সুযোগ দেওয়া' অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এটি 'of' Preposition গ্রহণ করে।
এখানে বাক্যটির অর্থ হলো: "তোমার আচরণে কোনো অজুহাতের অবকাশ নেই" (Your conduct admits of no excuse)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
- Admit to: এর অর্থ হলো 'দোষ স্বীকার করা' (e.g., He admitted to the crime) অথবা 'কোথাও প্রবেশ বা ভর্তি হওয়া' (e.g., admitted to the hospital)। যা এই বাক্যের অর্থের সাথে মেলে না।
25

He had a ____ headache.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. strong
  2. acute
  3. serious
  4. bad

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এটি একটি ‘collocation’ সমস্যা। সংক্ষেপে collocation হলো ভাষার শব্দ চয়নের যথার্থতা ও এক শব্দের সাথে অন্য শব্দের মানানসই ব্যবস্থা। এ কারণেই আমরা ইচ্ছেমতো একটি শব্দের পাশে আরেকটি শব্দ ব্যবহার করতে পারি না। যেমন: ‘weather permitting’ এর পরিবর্তে ‘weather allowing’ বললে ভুল হবে, যদিও allow এবং permit এর অর্থ প্রায় এক। কারণ এটা ভাষার internal melody কে নষ্ট করে। ঠিক এভাবে headache এর সাথে ‘bad’ adjective-ই বেশি খাপ খায় এবং natural মনে হয়। ‘strong’ ও ‘serious’ natural হয় না। সুতরাং option (ঘ)-ই সঠিক answer.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: bad। বাক্যটি হবে: He had a bad headache. (তার খুব খারাপ/তীব্র মাথাব্যথা ছিল।)
এটি Collocation (শব্দগুচ্ছের স্বাভাবিক সহাবস্থান) সংক্রান্ত প্রশ্ন। Collocation হলো দুটি বা ততোধিক শব্দের স্বাভাবিক জোড়, যা ইংরেজি ভাষাভাষীরা নিয়মিত ব্যবহার করেন।
মাথাব্যথা (headache) বা অন্য কোনো তীব্র ব্যথা বোঝাতে সাধারণত severe, terrible, or bad এই শব্দগুলো ব্যবহৃত হয়।
Strong: 'Strong' শব্দটি সাধারণত শক্তি, ক্ষমতা বা কফি/চায়ের ঘনত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (যেমন: strong wind, strong coffee), কিন্তু ব্যথার তীব্রতা বোঝাতে এটি ব্যবহার করা হয় না। তাই 'strong headache' ভুল।
Acute: 'Acute' শব্দের অর্থ তীব্র বা হঠাৎ শুরু হওয়া। এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে ব্যবহৃত হলেও সাধারণ ইংরেজিতে বা Collocation-এর ক্ষেত্রে 'bad' বা 'severe' বেশি প্রচলিত। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'bad' হলো সবচেয়ে সরল ও গ্রহণযোগ্য Collocation।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

I shall no ____ the examination this year.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. give
  2. appear at
  3. sit
  4. go for

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করার ক্ষেত্রে Appear at বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো appear at
বাংলায় 'পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা' বা 'পরীক্ষায় উপস্থিত হওয়া' অর্থে appear at phrasal verb-টি ব্যবহার করা হয়। এটি একটি অত্যন্ত আনুষ্ঠানিক বা ফরমাল (Formal) অভিব্যক্তি।
সুতরাং, বাক্যটির সঠিক অর্থ দাঁড়ায়: 'আমি এই বছর আর পরীক্ষায় উপস্থিত হব না।'
অন্যান্য অপশন ভুল কেন?
give: 'Give' সাধারণত শিক্ষক বা পরীক্ষক ব্যবহার করেন (যেমন: The teacher gives the exam/marks)। পরীক্ষার্থী কখনো পরীক্ষা 'give' করে না।
sit: 'Sit' বা 'Sit for' ব্যবহার করা যায় ('I shall sit the examination' or 'I shall sit for the examination' - বিশেষত British English-এ)। তবে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে appear at হলো সবচেয়ে উপযুক্ত এবং প্রথাগতভাবে ব্যবহৃত Phrasal Verb যা 'উপস্থিত হওয়া' অর্থ প্রকাশ করে। শুধু 'sit' এখানে ব্যাকরণগতভাবে অসম্পূর্ণ, কারণ এটি সাধারণত ট্রানজিটিভ (transitive) ভার্ব হিসেবে বসে বা এর পর 'for' বসে।
go for: এর অর্থ হলো কোনো কিছুর চেষ্টা করা বা অর্জন করতে যাওয়া, যা এই প্রসঙ্গে বেমানান।
27

They travelled to Savar-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. on foot
  2. by walking
  3. on their feet
  4. by foot

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

On foot হলো একটি phrase যার অর্থ হলো ‘পায়ে হেঁটে’। এ অর্থে ‘on foot’ ছাড়া অন্য কোনো expression ব্যবহার করা যাবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: on foot
কারণ কোনো ব্যক্তি যখন হেঁটে (walking) এক স্থান থেকে অন্য স্থানে ভ্রমণ করে, তখন মোড অব ট্রান্সপোর্ট হিসেবে on foot ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি Idiomatic Expression (বাগধারা বা সেট ফ্রেজ)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
by foot: এটি ভুল ব্যবহার। 'by' সাধারণত যানবাহন (bus, car, train) এর আগে বসে।
by walking: এই ফ্রেজটি mode of transport বোঝাতে ব্যবহৃত হয় না।
on their feet: এর অর্থ হলো 'দাঁড়িয়ে থাকা' বা 'খুব ব্যস্ত থাকা', ভ্রমণের পদ্ধতি নয়।
28

He said that he ____ be unable to come.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. will
  2. shall
  3. should
  4. would

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এটি sequence tense জনিত সমস্যা। Reporting verb past tense এ থাকলে Indirect speech এর Reported অংশকেও একইভাবে Past tense এ পরিবর্তন করতে হবে। এখানে shall/will কে tense এর পরিবর্তনের আওতায় কর্তানুসারে would করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: would
প্রদত্ত বাক্যটি Indirect Speech (পরোক্ষ উক্তি)-এর অংশ। যখন কোনো বাক্যে Reporting Verb হিসেবে Past Tense-এর শব্দ (যেমন: said, told, asked) ব্যবহার করা হয়, তখন Reported Speech-এর Tense-এও পরিবর্তন আসে। একে Sequence of Tenses-এর নিয়ম বলা হয়।
নিয়ম অনুযায়ী, Direct Speech-এ ব্যবহৃত Future Tense-এর Modal Auxiliary 'will' Indirect Speech-এ 'would'-এ পরিবর্তিত হয়।
মূল Direct Sentence-টি এমন হতে পারত: He said, “I will be unable to come.”।
এই 'will' পরিবর্তিত হয়ে পরোক্ষ উক্তিতে 'would' হবে।
'will' এবং 'shall' ভুল, কারণ Reporting Verb 'said' (Past Tense) থাকার কারণে এখানে Present বা Future Tense-এর Modal ব্যবহার করা যাবে না।
29

Neither Rini nor Simi ____ qualified for the job.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. are
  2. is
  3. were
  4. had

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দুটোর ‘কোনটাই না’ এমন বোঝাতে neither .... nor বসে। এক্ষেত্রে verb বসবে ২য় subject অনুসারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: is (অপশন খ)।
এটি Subject-Verb Agreement (কর্তা-ক্রিয়া সমন্বয়) সংক্রান্ত একটি মৌলিক প্রশ্ন। যখন দুটি Subject কে Neither... nor... অথবা Either... or... দ্বারা যুক্ত করা হয়, তখন Verb টি সর্বদা দ্বিতীয় Subject (অর্থাৎ Verb এর নিকটবর্তী Subject) অনুসারে বসে। একে Rule of Proximity বলা হয়।
এখানে, Verb এর নিকটবর্তী Subject হলো Simi, যা একটি Singular Subject
তাই, Singular Subject এর জন্য Singular Verb 'is' ব্যবহার করা হবে।
সঠিক বাক্যটি হলো: Neither Rini nor Simi is qualified for the job.
অন্যান্য অপশন যেমন— 'are' এবং 'were' হলো Plural Verb, যা এই নিয়মের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
30

He said that he ____ the previous day.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. has come
  2. had come
  3. came
  4. arrived

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Reported speech present perfect, past perfect হয়েছে। Simple past, past perfect এ পরিণত হয়েছে। এ জন্য has come পরিবর্তিত হয়ে had come হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: had come
বাক্যটি Indirect Speech (Reported Speech)-এ আছে, যেখানে Reporting Verb (said) টি Past Tense-এ রয়েছে।
Narration-এর Sequence of Tenses-এর নিয়ম অনুযায়ী, Reporting Verb Past Tense হলে Reported Speech-এর Tense অবশ্যই পরিবর্তন করতে হয়।
এখানে 'the previous day' (পূর্বের দিন) শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। এই শব্দটি নির্দেশ করে যে Direct Speech-এ এটি 'Yesterday' ছিল এবং Reported Speech-এর Tense ছিল Simple Past
নিয়ম: Direct Speech-এর Simple Past Tense বা Present Perfect Tense, Indirect Speech-এ সবসময় Past Perfect Tense-এ (had + V3) পরিবর্তিত হয়।
অতএব, He said that he had come the previous day বাক্যটিই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

He watched the boat ____ down the river.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to float
  2. floating
  3. was floating
  4. had floated

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো simple sentence এ দুটি main verb ব্যবহার করা যায় না। তাই একটি verb এর সাথে ing যোগ করতে হয় অথবা verb-টির পূর্বে to বসাতে হয়। উল্লেখ্য, উদ্দেশ্য বোঝাতে verbটির পূর্বে to বসাতে হয়। অর্থাৎ infinitive ব্যবহার করা হয়। উপরিউক্ত sentence এ কোনো উদ্দেশ্য বোঝায় না। এছাড়া ‘watch’ verb এর পর ‘to’ ব্যবহার করা হয় না। এরূপ আরো কিছু verb হলো make, let, see প্রভৃতি। to float ভুল, floating ঠিক। কারণ এখানে verb এর সাথে ing যোগ করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: floating
এটি Verbs of Perception (উপলব্ধি/প্রত্যক্ষ করার ক্রিয়া) সংক্রান্ত নিয়ম। যখন watch, see, hear, notice, feel, observe ইত্যাদি Verb of Perception এর পরে Object থাকে, তখন এর পরের Verb টি হয় Present Participle (V+ing) অথবা Bare Infinitive (V1)
গঠন: Subject + Verb of Perception + Object + V+ing (or V1)
এখানে 'He watched the boat' এর পরে চলমান কোনো কাজ বোঝাতে floating (Present Participle) ব্যবহার করা হয়েছে। এটি বোঝায় যে তিনি নৌকাটিকে নদীতে ভাসতে থাকা অবস্থায় দেখছিলেন।
যদি অপশনে 'float' (Bare Infinitive) থাকত, তবে সেটিও সঠিক হতো, তবে 'floating' চলমানতা বা প্রক্রিয়াটিকে বেশি জোর দেয়।
অন্যান্য অপশন ভুল:
'to float': Verbs of Perception এর পরে সাধারণত Full Infinitive (to+V1) ব্যবহৃত হয় না। এর পরিবর্তে Bare Infinitive (V1) বা Participle (V+ing) ব্যবহৃত হয়।
'was floating' বা 'had floated': এগুলো Finite Verb, কিন্তু বাক্যের গঠনের জন্য এখানে Non-finite Verb (Participle) প্রয়োজন।
32

Sky' is to 'bird' as 'water' is to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. feather
  2. fish
  3. boat
  4. lotus

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Sky এ যেমন bird, water এ তেমন fish বিচরণ করে।

ব্যাখ্যা

এটি একটি সাদৃশ্য বিচার (Analogy) বা তুলনামূলক সম্পর্ক নির্ণয়ের প্রশ্ন। এখানে প্রথম জোড়ার মধ্যে যে সম্পর্ক বিদ্যমান, দ্বিতীয় জোড়ার মধ্যেও একই সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে।
প্রথম জোড়াটি হলো: 'Sky' (আকাশ) : 'bird' (পাখি)। এদের সম্পর্ক হলো— আকাশ হলো পাখির বিচরণক্ষেত্র বা আবাসস্থল
একইভাবে, 'water' (জল) এর সাথে সম্পর্কযুক্ত হবে এমন কিছু, যা জলে বিচরণ করে বা যার আবাসস্থল জল।
অপশনগুলোর মধ্যে, শুধুমাত্র 'fish' (মাছ)-ই হলো সেই প্রাণী যা জলে বাস করে। তাই জল (water) এবং মাছ (fish) একই আবাসস্থল সম্পর্ক অনুসরণ করে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: fish (মাছ)। (উল্লেখ্য: lotus জলে জন্মায়, কিন্তু 'পাখি:আকাশ' এর সাথে 'মাছ:জল'-এর সম্পর্কটিই সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ এবং যৌক্তিক।
33

Good' is to 'bad' as 'white' is to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. dark
  2. black
  3. grey
  4. ebony

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এটিও একটি Analogy. এখানে Good (ভালো) এর বিপরীত শব্দ bad (খারাপ)। ঠিক তেমনিভাবে ‘white’ (সাদা) এর বিপরীত শব্দ ‘black’ (কালো)। তাহলে, option black-ই সঠিক।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Analogy (সাদৃশ্য বিচার) এর অন্তর্গত। অ্যানালজির ক্ষেত্রে প্রথম জোড়ার মধ্যে যে সম্পর্ক থাকে, দ্বিতীয় জোড়ার ক্ষেত্রেও ঠিক একই সম্পর্ক স্থাপন করতে হয়।
প্রথম জোড়ায়, 'Good' (ভালো) হলো 'Bad' (খারাপ)-এর বিপরীত শব্দ (Antonym)
সুতরাং, আমরা দ্বিতীয় জোড়ার জন্য 'White' (সাদা)-এর বিপরীত শব্দ খুঁজব। 'White'-এর সরাসরি বিপরীত শব্দ হলো 'Black' (কালো)
অন্যান্য অপশন যেমন 'dark' (অন্ধকারাচ্ছন্ন) বা 'grey' (ধূসর) সম্পর্কিত হলেও, কালারের ক্ষেত্রে Antonym হিসেবে 'black' হলো সবচেয়ে শক্তিশালী ও সঠিক সম্পর্ক।
34

Botany' is to 'plants' as 'Zoology' is to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. flowers
  2. trees
  3. dear
  4. animals

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Botany (উদ্ভিদবিদ্যা) plants (উদ্ভিদ) নিয়ে আলোচনা করে। তদ্রূপ, Zoology (প্রাণিবিদ্যা) animals বা প্রাণিদের নিয়ে আলোচনা করে। তাহলে option animals ঠিক।

ব্যাখ্যা

এটি একটি সাদৃশ্য বিচার (Analogy) প্রশ্ন, যেখানে প্রথম দুটি শব্দের মধ্যেকার সম্পর্কটি পরের দুটি শব্দের মধ্যে স্থাপন করতে হবে।
Botany (উদ্ভিদবিজ্ঞান) হলো plants (উদ্ভিদ) নিয়ে গবেষণার বিজ্ঞান।
একইভাবে, Zoology (প্রাণিবিজ্ঞান) হলো animals (প্রাণী) বা প্রাণিজগত নিয়ে গবেষণার বিজ্ঞান।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো animals
অন্যান্য অপশন যেমন—flowers, trees ইত্যাদি হলো উদ্ভিদের নির্দিষ্ট অংশ বা প্রকারভেদ, যা Botany-র আওতাভুক্ত। কিন্তু Zoology-র সামগ্রিক আলোচনার বিষয় হলো প্রাণী (animals)
35

The bad news struck him like a bolt from the__

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. sky
  2. heavens
  3. firmament
  4. blue

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘Bolt from the blue’ একটা idiom, যার অর্থ বিনা মেঘে বজ্রপাত। প্রদত্ত Sentence এর অর্থ হচ্ছে দুঃসংবাদটি (bad news) তাকে বিনা মেঘে বজ্রপাতের মতোই আঘাত (Struck) করলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: blue
এই প্রশ্নটি মূলত একটি বহুল প্রচলিত Idiom (বাগধারা) বা phrase এর অংশ।
সঠিক বাগধারাটি হলো “A bolt from the blue”
এই বাগধারাটির অর্থ হলো 'আকস্মিক বা অপ্রত্যাশিত ঘটনা' অথবা 'বজ্রপাতের মতো আঘাত' (A sudden and unexpected event or piece of news)।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: খারাপ খবরটি তাকে আকস্মিক আঘাত হানলো/বজ্রপাতের মতো আঘাত হানলো
ব্যাখ্যা: যখন আকাশ মেঘমুক্ত ও নীল (blue) থাকে, তখন বিদ্যুৎ চমকানো বা বজ্রপাত (bolt) আশা করা যায় না। তাই নীল আকাশ থেকে বজ্রপাত হওয়া বোঝায় সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত কোনো ঘটনা।
অন্যান্য অপশন যেমন 'sky', 'heavens', বা 'firmament' দিয়ে এই Standard English Idiom গঠিত হয় না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

When one is 'pragmatic' he is being-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. wasteful
  2. productive
  3. practical
  4. fussy

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Pragmatic- ব্যবহারিক; wasteful- অপচয় ঘটায় এমন productive- উৎপাদন শীল, practical- ব্যবহারিক, fussy- অস্থির/অতিব্যস্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো practical
Pragmatic (অ্যাডজেক্টিভ) অর্থ হলো: কোনো বিষয় বা সমস্যা সমাধানের জন্য তত্ত্ব বা আদর্শের চেয়ে বাস্তবসম্মত, যুক্তিসঙ্গত ও কার্যকরী পদ্ধতির ওপর জোর দেওয়া বা ব্যবহারিক হওয়া।
অপশনগুলোর মধ্যে practical-এর অর্থ হলো 'ব্যবহারিক' বা 'কার্যোপযোগী'।
তাই 'pragmatic' এবং 'practical' একে অপরের সঠিক প্রতিশব্দ (Synonym)
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন: wasteful (অপচয়কারী), productive (উৎপাদনশীল), এবং fussy (খুঁতখুঁতে বা অতিরিক্ত সতর্ক)।
37

"Into the ____ of death rode the six hundred".

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. city
  2. tunnel
  3. road
  4. valley

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এটি ইংরেজ কবি Alfred Tennyson এর ‘The Charge of the Light Brigade’ কবিতার দুটি লাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: valley। বাক্যটি হলো, “Into the valley of death rode the six hundred.”।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত একটি লাইন, যা ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি Alfred, Lord Tennyson-এর কালজয়ী কবিতা “The Charge of the Light Brigade” থেকে নেওয়া হয়েছে।
কবিতাটি ক্রিমিয়ান যুদ্ধ (Crimean War)-এর সময় ১৮৫৪ সালে সংগঠিত ব্যালাক্লাভার যুদ্ধ-এর একটি করুণ ও ব্যর্থ সামরিক অভিযানের উপর ভিত্তি করে লেখা।
এখানে 'Valley of Death' (মৃত্যুর উপত্যকা) একটি বিখ্যাত রূপক হিসাবে ব্যবহৃত হয়েছে, যা সৈন্যরা যে মারাত্মক বিপদসংকুল এলাকায় প্রবেশ করেছিল তা নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'city', 'tunnel', 'road'— সাহিত্যের এই নির্দিষ্ট কোটেশনটির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
38

"To be or not to be, that is the ____."

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. meaning
  2. question
  3. answer
  4. issue

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এই quotation টি ইংরেজ নাট্যকার William Shakespeare এর Hamlet নাটকের অন্তর্গত। এটি Hamlet এর একটি বিখ্যাত Soliloquy. Soliloquy হচ্ছে মঞ্চে কথা বলার জন্য অভিনেতার একটি dramatic technique।

ব্যাখ্যা

এই উক্তিটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত এবং William Shakespeare (উইলিয়াম শেক্সপিয়র)-এর শ্রেষ্ঠ ট্র্যাজেডি 'Hamlet' (হ্যামলেট) নাটকের অংশ।
উক্তিটি করেছেন নাটকের প্রধান চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট (Prince Hamlet) যখন তিনি জীবনের অস্তিত্ব (To be) এবং আত্মহত্যা বা অনস্তিত্ব (not to be) নিয়ে গভীরভাবে দ্বিধান্বিত ছিলেন।
এই সলিলোকি (Soliloquy) বা স্বগতোক্তির মূল কথা হলো: বাঁচা নাকি মরা – এটাই হলো মানব জীবনের কেন্দ্রীয় প্রশ্ন (Question)
সঠিক এবং সম্পূর্ণ উক্তিটি হলো: "To be or not to be, that is the question." এখানে 'question' শব্দটি উক্তিটির ভাবগত ও ব্যাকরণগত দিক থেকে একমাত্র সঠিক উত্তর। অন্য বিকল্পগুলো (meaning, answer, issue) এই উক্তিটির মূল সুরের সাথে মানানসই নয়।
39

"I have a ____ that one day this nation will live out the true meaning of its creed that all men are created equal."

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. desire
  2. hope
  3. dream
  4. wish

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনের নেতা মার্টিন লুথার কিং এর। তিনি ২৮ আগস্ট ১৯৬৩ সালে ওয়াশিংটন ডিসির লিংকন মেমোরিয়ালে ২ লাখ ৫০ হাজার লোকের সামনে দাঁড়িয়ে বক্তৃতা প্রদানকালে এ উক্তিটি করেন। যেহেতু এটি একটি উক্তি, অতএব এখানে Option (গ) dream-কেই আমাদের ব্যবহার করতে হবে। Question এর ক্ষেত্রে শব্দ change করার কোনো অবকাশ নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো dream
প্রদত্ত বাক্যটি হলো বিখ্যাত আমেরিকান মানবাধিকার নেতা মার্টিন লুথার কিং জুনিয়র (Martin Luther King Jr.)-এর ঐতিহাসিক ভাষণ 'I Have a Dream'-এর অংশ।
তিনি ১৯৬৩ সালের ২৮ আগস্ট ওয়াশিংটন ডিসিতে এই ভাষণটি প্রদান করেছিলেন। এটি বর্ণবৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে একটি প্রতীকী ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ দলিল।
বাক্যটির সঠিক এবং ঐতিহাসিক রূপটি হলো:
"I have a dream that one day this nation will live out the true meaning of its creed that all men are created equal."
এখানে desire, hope বা wish শব্দগুলো ব্যাকরণগতভাবে বসালেও, যেহেতু এটি একটি ঐতিহাসিক উক্তি, তাই মূল উক্তিটির শব্দ dream ব্যবহার করাই একমাত্র সঠিক। এটি একটি Fill in the blanks হলেও এর ভিত্তি হলো সাধারণ জ্ঞান ও ইতিহাস।
40

Who wrote the two famous novels, 'David Copperfield' and 'The Tale of two Cities'?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Hardy
  2. Jane Austen
  3. George Eliot
  4. Charles Dickens

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এ বিখ্যাত উপন্যাসদ্বয় Charles Dickens-এর লেখা। তার লেখা মোট উপন্যাস ২১টি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ‘Oliver Twist’ এবং ‘Great Expectations’. Thomas Hardy ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম উপন্যাসিক। তার সেরা উপন্যাস Tess of the d'Urbervilles. Jane Austen ছিলেন একজন মহিলা Writer; তার অন্যতম উপন্যাস Pride and Prejudice. George Eliot এর অন্যতম উপন্যাস Silas Marner.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Charles Dickens। তিনি Victorian Period (১৮৩৭-১৯০১)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং সামাজিক সমালোচক ছিলেন।
'David Copperfield' (প্রকাশকাল: 1850) উপন্যাসটিকে ডিকেন্স তাঁর নিজের জীবনের দুঃখ-কষ্টের ওপর ভিত্তি করে লিখেছেন, তাই এটি তাঁর Autobiographical Novel হিসেবে সুপরিচিত।
'A Tale of Two Cities' (প্রকাশকাল: 1859) উপন্যাসটি French Revolution-এর প্রেক্ষাপটে লেখা, যার শুরুটা প্যারিস ও লন্ডনে হয়েছিল। এই উপন্যাসের প্রথম লাইনটি সাহিত্যে খুবই বিখ্যাত: “It was the best of times, it was the worst of times...”
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: Thomas Hardy (Victorian/Naturalist, বিখ্যাত: Tess of the d’Urbervilles), Jane Austen (Romantic Period, বিখ্যাত: Pride and Prejudice), এবং George Eliot (Victorian, বিখ্যাত: Middlemarch)।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

Who wrote the plays, 'The Tempest' and 'The Mid Summer Night's Dream?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Ben Johnson
  2. Christopher Marlowe
  3. John Dryden
  4. William Shakespeare

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উল্লিখিত নাটকদ্বয় (Plays) William Shakespeare এর লেখা। তার অন্যান্য নাটকের মধ্যে রয়েছে The Comedy of Errors, Twelfth Night, As You Like It, Hamlet, Julius Caesar, King Lear, Macbeth, Othelo, Romeo and Juliet, The Merchant of Venice.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: William Shakespeare। তিনি ইংরেজি সাহিত্যের সর্বকালের সেরা নাট্যকার, কবি এবং অভিনেতা হিসেবে পরিচিত।

প্রশ্নে উল্লেখিত দুটি নাটকই, অর্থাৎ 'The Tempest' এবং 'A Midsummer Night's Dream', উইলিয়াম শেক্সপিয়রের অমর সৃষ্টি। 'The Tempest' তাঁর অন্যতম শেষ রোম্যান্সধর্মী নাটক, আর 'A Midsummer Night's Dream' তাঁর অন্যতম জনপ্রিয় কমেডি।

অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: Christopher Marlowe এবং Ben Jonson ছিলেন শেক্সপিয়রের সমসাময়িক হলেও তাঁরা ভিন্ন ঘরানার নাটক লিখেছেন (যেমন: *Doctor Faustus*, *Volpone*)। John Dryden ছিলেন পরবর্তী যুগের (Restoration Period) কবি ও সমালোচক।
42

বাংলা একাডেমি কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৫৫ খ্রি.
  2. ১৩৫৫ বঙ্গাব্দ
  3. ১৯৫২ খ্রি.
  4. ১৩৫২ বঙ্গাব্দ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা, প্রচার ও প্রসারের লক্ষ্যে বাংলাদেশের জাতীয় প্রতিষ্ঠান বাংলা একাডেমি ৩ ডিসেম্বর, ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় তৎকালীন পূর্ববাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন বর্ধমান হাউসে। বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম মহাপরিচালক ড. মাযহারুল ইসলাম। ১৯৬০ সাল থেকে কবিতা, শিক্ষা ও গবেষণার জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: (ক) ১৯৫৫ খ্রি.
বাংলা ভাষার গবেষণা, সাহিত্যচর্চা ও প্রসারের লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়।
এটি গঠিত হয় মূলত ঐতিহাসিক বর্ধমান হাউসে (তৎকালীন পাকিস্তানের পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর বাসভবন)।
অপশন ১৯৫২ খ্রি. ভুল, কারণ এটি ছিল মহান ভাষা আন্দোলনের বছর। এই আন্দোলনের পথ ধরেই ১৯৫৫ সালে একাডেমি প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
43

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯১১ সালে
  2. ১৯২১ সালে
  3. ১৯৩১ সালে
  4. ১৯৪১ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯২০ সালে ভারতীয় বিধান পরিষদে গৃহীত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুসারে ১৯২১ সালের ১ জুলাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম চ্যান্সেলর লর্ড ডানডাস (জেসিআই) এবং প্রথম ভাইস চ্যান্সেলর পি জে (ফিলিপ জোসেফ) হার্টজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯২১ সালে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (Dhaka University) আনুষ্ঠানিকভাবে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করে ১৯২১ সালের ১লা জুলাই। এটি মূলত ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ সরকারের আমলে, বঙ্গভঙ্গ রদের (১৯১১) পর ঢাকাবাসীর দাবির প্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এই বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রায়শই 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' (Oxford of the East) নামে অভিহিত করা হয়, যা বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে মাইলফলক।
44

বাংলাদেশে কয়টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪টি
  2. ২৪টি
  3. ৩৪টি
  4. ৫০টি
  5. Blank 

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

বাংলাদেশে একাডেমিক কার্যক্রম চলছে এমন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৫৩টি।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি একটি পরিবর্তনশীল সাধারণ জ্ঞানের অংশ। প্রশ্নে দেওয়া অপশনগুলো (১৪টি, ২৪টি, ৩৪টি, ৫০টি) বর্তমান প্রেক্ষাপটে সঠিক নয়
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী (২০২৪ সালের প্রথম দিক পর্যন্ত), বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা (সাধারণ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, কৃষি, ভেটেরিনারি, বিশেষায়িত) হলো ৫৬টি
যদি বিশেষভাবে শুধুমাত্র সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় গণনা করা হয়, তাহলে সংখ্যাটি সামান্য কম হতে পারে। তবে পরীক্ষায় ৫৬টি বা ৬০টির কাছাকাছি সংখ্যাগুলোই সঠিক হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
শিক্ষাবিষয়ক পরিসংখ্যান সবসময় পরিবর্তনশীল হওয়ায়, পরীক্ষার পূর্বে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (UGC) ওয়েবসাইট থেকে সঠিক সংখ্যাটি যাচাই করা অত্যন্ত জরুরি। যেহেতু প্রশ্নে সঠিক অপশন দেওয়া নেই, তাই বর্তমান সংখ্যাটিই উত্তর হিসেবে গৃহীত হবে।
45

বঙ্গভঙ্গের সময় ভারতের গভর্নর জেনারেল কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়েলেসলি
  3. লর্ড ডালহৌসি
  4. লর্ড মাউন্টব্যাটেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লর্ড কার্জন
বঙ্গভঙ্গ (Partition of Bengal) কার্যকর হয় ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর। এই সময়কালে (১৮৯৯-১৯০৫) ভারতের গভর্নর জেনারেল এবং ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন (Lord Curzon)
প্রশাসনিক সুবিধার্থে তিনি এই বিভাজনের প্রস্তাব করেন, যা ছিল মূলত 'Divide and Rule' নীতির অংশ। বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে বাংলা প্রদেশকে দু'ভাগে ভাগ করা হয়: পূর্ববঙ্গ ও আসাম এবং পশ্চিমবঙ্গ
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন প্রেক্ষাপটে গুরুত্বপূর্ণ:
লর্ড ওয়েলেসলি: তিনি ১৭৯৮ সালে 'সহায়ক চুক্তির' (Subsidiary Alliance) প্রবর্তন করেন।
লর্ড ডালহৌসি: তিনি ১৮৪৮ সালে 'স্বত্ববিলোপ নীতি' (Doctrine of Lapse) চালু করেন এবং ১৮৫৩ সালে ভারতে রেলওয়ের সূচনা করেন।
লর্ড মাউন্টব্যাটেন: তিনি ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের সর্বশেষ ভাইসরয় এবং ১৯৪৭ সালে ভারত ভাগের সময় ভারতের দায়িত্বে ছিলেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেখ মুজিবুর রহমান
  2. জেনারেল আতাউল গনি ওসমানি
  3. তাজউদ্দিন আহমদ
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগরে গঠিত বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্তক্রমে ১১ এপ্রিল ১৯৭১ জেনারেল আতাউল গণি ওসমানীকে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি ‍নিযুক্ত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জেনারেল আতাউল গনি ওসমানি (General M. A. G. Osmani)।
তিনি ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের সময় গঠিত অস্থায়ী মুজিবনগর সরকারের অধীনে সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান সেনাপতি (Commander-in-Chief)
যদিও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক (Supreme Commander), কিন্তু সামরিক অভিযানের প্রকৃত কমান্ডিং দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল ওসমানি
তাজউদ্দিন আহমদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।
47

পার্বত্য চট্টগ্রামে কয়টি জেলা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৫টি
  3. ৭টি
  4. ৯টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আশির দশকের প্রথমদিকে দেশব্যাপী প্রশাসনিক সংস্কারের অংশ হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রামকে ৩টি স্বতন্ত্র জেলায় বিভক্ত করা হয়। জেলাগুলো হচ্ছে- ১. রাঙামাটি, ২. খাগড়াছড়ি, ৩. বান্দরবান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) ৩টি
ঐতিহাসিকভাবে পার্বত্য চট্টগ্রাম (Chittagong Hill Tracts - CHT) তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল।
জেলা তিনটি হলো: রাঙ্গামাটি (Rangamati), বান্দরবান (Bandarban), এবং খাগড়াছড়ি (Khagrachari)।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের জন্য বিশেষ প্রশাসনিক আইন (CHT Regulation 1900) বিদ্যমান, যা এই অঞ্চলকে দেশের অন্যান্য জেলা থেকে স্বাতন্ত্র্য দিয়েছে।
48

মুক্তিযুদ্ধের সময় বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি
  2. ৭টি
  3. ১১টি
  4. ১৪টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জেনারেল এম. এ. জি ওসমানী আনুষ্ঠানিকভাবে সশস্ত্র বাহিনী এবং মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করে মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার সামরিক কৌশল হিসেবে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সমগ্র ভৌগোলিক এলাকাকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১টি
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে সামরিক কৌশলগত ও প্রশাসনিক সুবিধার জন্য গোটা বাংলাদেশকে ১১টি (Eleven) সেক্টরে ভাগ করা হয়েছিল।
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল তারিখে মুজিবনগর সরকার গঠিত হয় এবং এপ্রিলেই এই বিভাজন প্রক্রিয়া শুরু হয়, যা জুলাই মাসের মধ্যে সুসংগঠিত রূপ নেয়।
এই সেক্টরগুলোর নেতৃত্বে ছিলেন সেক্টর কমান্ডারগণ। একমাত্র ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ-কমান্ডোদের জন্য এবং এর কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: ৪টি বা ৭টি সেক্টর ছিল না। ১৪টি অপশনটি সাধারণত উপ-সেক্টরগুলোর (উপ-সেক্টর ছিল ৬৪টিরও বেশি) সংখ্যা নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি করতে ব্যবহার করা হয়।
49

টেকনাফ কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মা
  2. যমুনা
  3. নাফ
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাফ নদীর তীরে অবস্থিত টেকনাফ কক্সবাজার জেলার একটি উপজেলা। বাংলাদেশের সর্ব দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে এ উপজেলাটির অবস্থান। মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশকে (কক্সবাজার) পৃথক করেছে এ নদীটি। এ নদীর দৈর্ঘ্য ৫৬ কিমি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নাফ
টেকনাফ বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণ-পূর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপজেলা যা কক্সবাজার জেলার অন্তর্ভুক্ত। এই উপজেলাটি মূলত নাফ নদীর পশ্চিম তীরে অবস্থিত।
নাফ নদী বাংলাদেশ এবং মিয়ানমারের (বার্মা) মধ্যে একটি প্রাকৃতিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত রেখা হিসেবে কাজ করে। নদীর পূর্ব পাড়ে মিয়ানমার এবং পশ্চিম পাড়ে বাংলাদেশ অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: পদ্মাযমুনা বাংলাদেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের প্রধান নদী। কর্ণফুলী নদীর তীরে চট্টগ্রাম শহর অবস্থিত।
50

বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মুজিবনগর
  3. সাতগ্রাম
  4. চৌদ্দগ্রাম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের সবচেয়ে ছোট ইউনিয়ন। টেকনাফ থেকে ৪৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্টমার্টিন ইউনিয়ন (অপশন: সেন্টমার্টিন)।
এটি বাংলাদেশের সর্বদক্ষিণে অবস্থিত কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলায় অবস্থিত।
জনসংখ্যা এবং আয়তন—উভয় দিক থেকেই সেন্টমার্টিন বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন পরিষদ হিসেবে পরিচিত। সেন্টমার্টিন ইউনিয়নের মোট আয়তন প্রায় ৮ বর্গ কিমি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: মুজিবনগর বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম উপজেলা (ইউনিয়ন নয়), সাতগ্রাম এবং চৌদ্দগ্রাম এই প্রশ্নের জন্য অপ্রাসঙ্গিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

বাংলাদেশকে প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. শ্রীলংকা
  3. মায়ানমার
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে ভারত বাংলাদেশকে প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে।
ভারত সরকার কর্তৃক এই স্বীকৃতি প্রদানের ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরও গতিশীল করে তোলে।
52

বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতির নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  2. তাজউদ্দীন আহমদ
  3. শেখ মুজিবুর রহমান
  4. ক্যাপটেন মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বঙ্গবন্ধু শেখ ‍মুজিবুর রহমানকে তার অবর্তমানে রাষ্ট্রপতি এবং সশস্ত্র বাহিনী ও মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক করে সরকার গঠন করা হয়। সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী। ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ছিলেন মুজিবনগর সরকারের অর্থমন্ত্রী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: শেখ মুজিবুর রহমান
১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) জারি করা হয়। এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
বঙ্গবন্ধুকে রাষ্ট্রপতি, সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপ-রাষ্ট্রপতি (বঙ্গবন্ধুর অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি) এবং তাজউদ্দীন আহমদকে প্রধানমন্ত্রী করে ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১ সালে মুজিবনগরে (তৎকালীন মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলা) বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার শপথ গ্রহণ করে।
অপশনগুলোর মধ্যে তাজউদ্দীন আহমদ ছিলেন প্রথম প্রধানমন্ত্রী এবং সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন প্রথম উপ-রাষ্ট্রপতি ও অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি। ক্যাপটেন মনসুর আলী ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী।
53

সুলতানী আমলে বাংলার রাজধানীর নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনারগাঁ

  2. জাহাঙ্গীরনগর
  3. ঢাকা
  4. গৌড়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুলতানী আমলে (১৩৩৮-১৩৫২) খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার রাজধানী ছিল সোনারাগাঁও আর (১৪১৮-১৫৬৫) খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বাংলার রাজধানী ছিল গৌড়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হিসেবে প্রশ্নে ঢাকা উল্লেখ থাকলেও, এটি ঐতিহাসিকভাবে একটি ভ্রান্ত বা অস্পষ্ট প্রশ্ন। কারণ, সুলতানী আমলে (১৩৩৮-১৫৩৮ খ্রি.) বাংলার প্রধান রাজধানী ছিল মূলত দুটি শহর:
১. গৌড় (Gaur), যা পূর্বে লখনৌতি (Lakhnauti) নামে পরিচিত ছিল। এটি ছিল স্বাধীন সুলতানদের প্রধান প্রশাসনিক কেন্দ্র।
২. পান্ডুয়া (Pandua), যা ফিরোজাবাদ নামে পরিচিত ছিল। এটিও কয়েকটি শক্তিশালী সুলতানী রাজবংশের (যেমন ইলিয়াস শাহী) রাজধানী ছিল।
অপরদিকে, ঢাকা শহরটি বাংলার রাজধানী হিসেবে প্রতিষ্ঠা পায় মুঘল আমলে (১৬১০ খ্রি.), যখন সুবেদার ইসলাম খান এটিকে রাজধানী করেন এবং সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে জাহাঙ্গীরনগর নামকরণ করেন।
প্রশ্নটির অপশনগুলোর মধ্যে গৌড় সুলতানি আমলের সঠিক রাজধানী। তবে যদি প্রশ্নটি প্রাচীন বাংলার মুসলিম শাসনামলের সকল পর্যায়ের প্রশাসনিক কেন্দ্র হিসেবে ঢাকা বা জাহাঙ্গীরনগরকে ইঙ্গিত করে থাকে, তাহলেই কেবল ঢাকা উত্তর হিসেবে বিবেচ্য হতে পারে। কিন্তু কঠোরভাবে সুলতানি আমলের জন্য গৌড় (অপশন ৪) বা সোনারগাঁ (অপশন ১) অপেক্ষাকৃত বেশি সঠিক ছিল।
54

ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড মাউন্টব্যাটেন
  3. লর্ড বেন্টিঙ্ক
  4. লর্ড ওয়াভেল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

লর্ড মাউন্টব্যাটেন (মেয়াদকাল ১৯৪৫-১৯৪৭) ভারতবর্ষকে ভেঙে ১৪ আগস্ট, ১৯৪৭ পাকিস্তান এবং ১৫ আগস্ট, ১৯৪৭ ভারত নামে ‍দুটি রাষ্ট্র গঠন করেন। ভারতবর্ষের স্বাধীনতার পর তার ভাইসরয় উপাধি বিলুপ্ত হয়ে গভর্নর জেনারেল উপাধিতে রূপান্তরিত হয়। ফলে তিনি ভারতের শেষ ভাইসরয় ও প্রথম গভর্নর জেনারেলে পরিণত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লর্ড মাউন্টব্যাটেন (Lord Mountbatten)। তিনি ১৯৪৬ সালের মার্চ মাসে ভারতে আসেন এবং ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর অধীনেই ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ক্ষমতা হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় এবং ভারত স্বাধীনতা লাভ করে। এ কারণে তাঁকে স্বাধীন ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেলও বলা হয় (পরে তিনি রাজী গোপালাচারীর কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন)।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, লর্ড কার্জন বঙ্গভঙ্গের (১৯০৫) জন্য এবং লর্ড বেন্টিঙ্ক ব্রিটিশ ভারতের প্রথম গভর্নর জেনারেল হিসেবে (১৮৩৩) ও সতীদাহ প্রথা রদ করার জন্য বিখ্যাত ছিলেন। লর্ড ওয়াভেল ছিলেন মাউন্টব্যাটেনের পূর্বসূরি ভাইসরয়।
55

দক্ষিণ তালপট্টি কোন নদীর মোহনায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাফ
  2. তেতুলিয়া
  3. আড়িয়াল খাঁ
  4. হাড়িয়াভাঙ্গা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দক্ষিণ তালপট্টি একটি দ্বীপ। এ দ্বীপটি হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত। দ্বীপটি বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর উপজেলার অন্তর্ভুক্ত বঙ্গোপসাগরের অগভীর সামুদ্রিক মহীসোপান এলাকায় অবস্থিত। বর্তমানে এটি বিলুপ্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাড়িয়াভাঙ্গা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি (South Talpatti Island) বঙ্গোপসাগরের মোহনায় হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর চ্যানেলে অবস্থিত ছিল। এই নদীটি বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে আন্তর্জাতিক সীমানা নির্দেশকারী নদীর অংশ।
ভারতে এই দ্বীপটি নিউ মুর (New Moore) বা পূর্বাশা নামে পরিচিত ছিল এবং এটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক বিরোধের অন্যতম কারণ ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, নাফ নদী বাংলাদেশ ও মিয়ানমারের সীমানা নির্ধারণ করে, আর তেঁতুলিয়া বা আড়িয়াল খাঁ নদীর সাথে দক্ষিণ তালপট্টির কোনো সম্পর্ক নেই।
56

গৌড়ের সোনা মসজিদ কার আমলে নির্মিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ
  2. হোসেন শাহ্
  3. শায়েস্তা খাঁ
  4. ঈশা খাঁ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গৌড়ের সোনা মসজিদ নির্মিত হয় হোসেন শাহ-এর আমলে। তার পুরো নাম আলাউদ্দিন হোসেন শাহ। তিনি হোসেন শাহী বংশের শাসক ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হোসেন শাহ্। গৌড়ের সোনা মসজিদ বলতে সাধারণত ছোট সোনা মসজিদ-কে বোঝানো হয়, যা বর্তমানে বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় অবস্থিত।
এই মসজিদটি হোসেন শাহ্ উপাধিপ্রাপ্ত সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহের (১৪৯৩–১৫১৯ খ্রি.) আমলে নির্মিত হয়।
মসজিদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৪৯৩ খ্রিষ্টাব্দে এবং শেষ হয় ১৫২৫ খ্রিষ্টাব্দে। এর নির্মাতা ছিলেন হোসেন শাহের সেনাপতি বা ওয়ালী ওয়ালী মোহাম্মদ
শায়েস্তা খাঁ ছিলেন মোগল সুবাদার, যিনি ঢাকায় (যেমন লালবাগ কেল্লা) বিভিন্ন স্থাপত্য নির্মাণ করেন। তিনি গৌড়ের স্থাপত্যের সাথে যুক্ত ছিলেন না।
ফখরুদ্দিন মোবারক শাহ ছিলেন ১৩৩৮ সালের বাংলার স্বাধীন সুলতান, যার সময়কাল ছোট সোনা মসজিদ নির্মাণের অনেক আগে।
57

আইএলও-র সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. জেনেভা
  3. নিউইয়র্ক
  4. দিল্লী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জেনেভা সুইজারল্যান্ডে অবস্থিত একটি বিখ্যাত শহর। ILO ছাড়াও জেনেভায় WHO, WTO, ITU, WMO, WIPO, UNHCR, UNCTAD, ITC, OHCHR, UNITAR, UNRISD, জাতিসংঘ মানবাধিকার কাউন্সিল, রেডক্রস, বিশ্ব স্কাউট সংস্থা, ISO, IAS, IPU; লন্ডনে IMO, EBRD, Amnesty International এবং নিউইয়র্কে UNICEF, UNDP, UNFPA, UNIFEM, United Nations এর সদর দপ্তর অবস্থিত। দিল্লিতে অবস্থিত SAARC Documentation Centre ও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেনেভা। আইএলও (ILO)-এর পূর্ণরূপ হলো International Labour Organization বা আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা।
এই সংস্থার প্রধান উদ্দেশ্য হলো আন্তর্জাতিকভাবে শ্রম মান প্রতিষ্ঠা করা এবং শ্রমিকদের অধিকার, কর্মসংস্থান ও সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আইএলও প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯১৯ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ভার্সাই চুক্তির অধীনে। এটি জাতিসংঘের একমাত্র ত্রিপক্ষীয় সংস্থা (সরকার, নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক প্রতিনিধি)।
অপরদিকে, নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের (UN) সদর দপ্তর এবং লন্ডন হলো কমনওয়েলথের সদর দপ্তর।
58

এসকাপের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাংকক
  2. সিঙ্গাপুর
  3. দিল্লী
  4. কলম্বো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (ESCAP) এর সদর দপ্তর ১৯৪৭ সালে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রতিষ্ঠা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্যাংকক (Bangkok)।
ESCAP এর পূর্ণরূপ হলো Economic and Social Commission for Asia and the Pacific (এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কমিশন)। এটি জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিষদের (ECOSOC) অধীনে পরিচালিত পাঁচটি আঞ্চলিক কমিশনের মধ্যে অন্যতম।
সংস্থাটি এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কাজ করে এবং এর সদর দপ্তর থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো (সিঙ্গাপুর, দিল্লী, কলম্বো) গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও ESCAP-এর সদর দপ্তর নয়।
59

ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. ব্রাসেলস
  3. বন
  4. প্যারিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসকে ইউরোপের রাজধানী বলা হয়। এছাড়াও ব্রাসেলসে রয়েছে ইউরোপিয়ান পার্লামেন্ট, কাউন্সিল অব মিনিস্টারস্‌, ইউরোপিয়ান কমিশন এর সদর দপ্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রাসেলস (Brussels)
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) প্রধান প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সদর দপ্তর বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে অবস্থিত। ব্রাসেলসকে প্রায়শই 'ইউরোপের রাজধানী' হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়, কারণ ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান তিনটি প্রতিষ্ঠান – ইউরোপীয় কমিশন, ইউরোপীয় কাউন্সিল এবং ইউরোপীয় পার্লামেন্টের সচিবালয় – এখানেই অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, লন্ডন হলো যুক্তরাজ্যের রাজধানী, যারা ২০২০ সালে (Brexit এর মাধ্যমে) ইইউ থেকে বেরিয়ে গেছে। প্যারিস (ফ্রান্সের রাজধানী) এবং বন (জার্মানির সাবেক রাজধানী) ইইউ-এর গুরুত্বপূর্ণ শহর হলেও সদর দপ্তর নয়।
60

East London কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইংল্যান্ডে
  2. জার্মানিতে
  3. আমেরিকায়
  4. দক্ষিণ আফ্রিকায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দক্ষিণ আফ্রিকায় অবস্থিত বাফেলো (Buffalo) নদীর তীরবর্তী শহর East London. ইংল্যান্ডের স্যার হ্যারি স্মিথ (Sir Harry Smith) এ নামকরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দক্ষিণ আফ্রিকায়
সাধারণত আমরা লন্ডন (London) বলতে ইংল্যান্ডের রাজধানী শহরটিকে বুঝি। কিন্তু প্রশ্নটি যখন সুনির্দিষ্টভাবে ‘East London’ নামে আসে, তখন এটি দক্ষিণ আফ্রিকার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহরকে নির্দেশ করে।
ইস্ট লন্ডন হলো দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ (Eastern Cape) প্রদেশের একটি প্রধান সমুদ্রবন্দর এবং শিল্প নগরী। এটি বাফেলো নদী (Buffalo River)-র তীরে অবস্থিত।
ভুল অপশন: অনেক পরীক্ষার্থী বিভ্রান্ত হয়ে ইংল্যান্ডকে সঠিক উত্তর ধরে নেয়, যা ভুল। ইংল্যান্ডের রাজধানীর নাম শুধু লন্ডন
61

সবচেয়ে শক্তিশালী সৌরচুল্লি তৈরি করা হয়েছে কোন দেশে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. ভারত
  3. জাপান
  4. নেপাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্বের সর্ববৃহৎ ও শক্তিশালী সৌরচুল্লী বর্তমানে ভারতের ভাদলা সোলার পার্ক। প্রায় ১৪ হাজার একর জমির উপর নির্মিত এই সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের মোট উৎপাদন ক্ষমতা ২২৪৫ মেগাওয়াট। এটি ২০২০ সালের ২০ মার্চ থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র (USA)
যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ও শক্তিশালী সৌরচুল্লি বা সৌর তাপীয় কেন্দ্র (Solar Thermal Facility/CSP Plant) তৈরি করেছে। এই ধরনের চুল্লিগুলি বৃহৎ সংখ্যক আয়নার মাধ্যমে সূর্যের আলো এক বিন্দুতে কেন্দ্রীভূত করে উচ্চ তাপমাত্রা সৃষ্টি করে, যা গবেষণায় বা বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যবহৃত হয়।
যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে অবস্থিত আইভানপা সোলার পাওয়ার ফ্যাসিলিটি (Ivanpah Solar Power Facility) একটি বিখ্যাত বৃহৎ CSP প্ল্যান্ট, যা যুক্তরাষ্ট্রের সৌরশক্তির ক্ষেত্রে অগ্রগতির প্রমাণ দেয়।
প্রযুক্তিগত গবেষণা ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন পরীক্ষামূলক চুল্লি (যেমন: NSTTF) তৈরির ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম।
62

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জর্জ বুশ
  2. হিলারী ক্লিনটন
  3. রবার্ট গেইট
  4. কন্ডালিসা রাইস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি জন ব্লিনকেন। ২০২১ সালের ২৬ জানুয়ারি ৭১তম পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ তথ্য: এই প্রশ্নটি যদিও একটি পুরোনো পরীক্ষার অংশ, তবে প্রশ্নে 'বর্তমান' পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম জানতে চাওয়া হয়েছে। BCS পরীক্ষার জন্য সবসময় আপনাকে সর্বশেষ (Current) তথ্য জানতে হবে।
বর্তমানে (২০২৪ সাল অনুযায়ী) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম হলো অ্যান্টনি ব্লিনকেন (Antony Blinken)। তিনি প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন প্রশাসনের অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন।
প্রদত্ত অপশনগুলো সবই পুরোনো তথ্য:
জর্জ বুশ: তিনি ছিলেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট (২০০১–২০০৯)।
হিলারী ক্লিনটন: তিনি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী (২০০৯–২০১৩, ওবামা প্রশাসন)।
রবার্ট গেইট: তিনি ছিলেন সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী (২০০৬–২০১১, বুশ ও ওবামা প্রশাসন)।
কন্ডালিসা রাইস: তিনি ছিলেন সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী (২০০৫–২০০৯, বুশ প্রশাসন)।
63

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনিয়া গান্ধী
  2. ড. মনমোহন সিং
  3. মমতা ব্যানার্জী
  4. রাহুল গান্ধী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি ২৬ মে, ২০১৪ ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার শপথ গ্রহণ করেন এবং ৩০ মে, ২০১৯ দ্বিতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন। সোনিয়া গান্ধী ভারতীয় জাতীয় কংগ্রেস দলের বর্তমান সভানেত্রী। মমতা ব্যানার্জী ভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী।

ব্যাখ্যা

ভারতের বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর নাম হলো নরেন্দ্র দামোদরদাস মোদি। তিনি ২০১৪ সাল থেকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন এবং ২০১৯ সালের নির্বাচনেও জয়ী হয়ে দ্বিতীয়বারের মতো প্রধানমন্ত্রী হন।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ড. মনমোহন সিং ছিলেন নরেন্দ্র মোদির পূর্ববর্তী প্রধানমন্ত্রী (২০০৪-২০১৪)।
সোনিয়া গান্ধী ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নেত্রী এবং রাহুল গান্ধী কংগ্রেসের বর্তমান গুরুত্বপূর্ণ নেতা। মমতা ব্যানার্জী পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।
64

জাতিসংঘের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লন্ডন
  2. নিউইয়র্ক
  3. প্যারিস
  4. মস্কো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের সদর দপ্তর নিউইয়র্কে অবস্থিত। এছাড়াও নিউইয়র্কে ইউনিসেফ (UNICEF), ইউএনডিপি (UNDP), ইউএনএফপিএ (UNFPA), ইউনিফেম (UNIFEM) এর সদর দপ্তর রয়েছে। রাশিয়ার মস্কোয় রয়েছে CSTO (Collective Security Treaty Organization) এর সদর দপ্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউইয়র্ক
জাতিসংঘের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক সিটির ম্যানহাটনে অবস্থিত।
জাতিসংঘ (United Nations) একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা যা বিশ্বে শান্তি ও সহযোগিতা স্থাপনের জন্য ২৪ অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
যদিও প্রথম সাধারণ অধিবেশন লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, স্থায়ী সদর দপ্তর হিসেবে নিউইয়র্ককেই বেছে নেওয়া হয়।
অন্যান্য জনপ্রিয় ভুল অপশনগুলোর মধ্যে প্যারিস হলো UNESCO-এর সদর দপ্তর এবং মস্কো কোনো প্রধান আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর নয়।
65

সার্কের সচিবালয় কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিল্লী
  2. ইসলামাবাদ
  3. কাঠমান্ডু
  4. ঢাকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৬ জানুয়ারি, ১৯৮৭ নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে সার্ক সচিবালয় প্রতিষ্ঠা করা হয়। এছাড়া কাঠমান্ডুতে রয়েছে সার্ক যক্ষ্মা কেন্দ্র। দিল্লিতে রয়েছে SAARC Documentation Centre ও সার্ক বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামাবাদে রয়েছে। SAARC Human Resource Development Centre আর ঢাকায় অবস্থিত SAARC Agricultural Information Centre.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কাঠমান্ডু
সার্কের (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) স্থায়ী সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
সার্কের সচিবালয় ১৯৮৭ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়।
অনেকে ভুল করে ঢাকা উত্তর করেন, কারণ সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয় বা প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ঢাকায় (৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫), কিন্তু এর প্রশাসনিক কেন্দ্র বা সচিবালয় কাঠমান্ডুতে
66

খাদ্য ও কৃষি সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্কে
  2. রোমে
  3. জেনেভায়
  4. অটোয়ায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) এর প্রধান কার্যালয় ইতালির রোমে অবস্থিত। এছাড়া রোমে IFAD ও WFP এর সদর দপ্তর অবস্থিত। FAO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৬ অক্টোবর, ১৯৪৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রোম, ইতালি
খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO - Food and Agriculture Organization) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা, যার প্রধান কার্যালয় ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
এই সংস্থার মূল কাজ হলো বিশ্বের সকল মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্যের যোগান নিশ্চিত করা এবং ক্ষুধা ও অপুষ্টি দূরীকরণে কাজ করা।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সংস্থার সদর দপ্তর বহন করে:
নিউইয়র্ক: জাতিসংঘের সদর দপ্তর (UN HQ)।
জেনেভা: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা (ILO) সহ বহু সংস্থার সদর দপ্তর।
67

ডেভিস কাপ কোন খেলায় দেয়া হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যাডমিন্টন
  2. লন টেনিস
  3. টেবিল টেনিস
  4. ক্রিকেট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ডেভিস কাপ লন টেনিস খেলার প্রতিযোগিতা। ১৯০০ সালে Dwight Devis এই কাপের প্রচলন করেন। লন টেনিসের অন্যান্য কাপগুলো হলো উইম্বলডন, অস্ট্রেলিয়ান ওপেন, ফ্রেঞ্চ ওপেন, ইউএস ওপেন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লন টেনিস
ডেভিস কাপ হলো পুরুষদের আন্তর্জাতিক টেনিস প্রতিযোগিতা। এটিকে টেনিসের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ দলগত ইভেন্ট হিসেবে গণ্য করা হয়।
এটি ১৯০০ সালে শুরু হয়েছিল এবং এর নামকরণ করা হয় টুর্নামেন্টের প্রতিষ্ঠাতা ডুইট এফ ডেভিস-এর নামানুসারে, যিনি পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ সচিব (Secretary of War) হয়েছিলেন।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে ব্যাডমিন্টনের জন্য থমাস কাপ (পুরুষ) ও উবার কাপ (নারী) এবং ক্রিকেটের জন্য আইসিসি বিশ্বকাপ বা অ্যাশেজ গুরুত্বপূর্ণ ট্রফি।
68

অন্ধদের জন্য লিখনরীতির উদ্ভাবন করেন -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রেইল
  2. কপার্নিকাস
  3. ডেভিটবোর
  4. টমাস আলভা এডিসন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ফ্রান্সের নাগরিক লুইস ব্রেইল (Louis Braille) অন্ধ লোকদের লেখা-পড়ার সুবিধার জন্য ব্রেইল (Braille) নামক বিশ্বব্যাপী ব্যবহৃত একটি পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। লুইস ব্রেইল নিজেও একজন অন্ধ ব্যক্তি ছিলেন। তিনি তিন বছর বয়সে একটি দুর্ঘটনার কারণে অন্ধ হয়ে যান এবং অন্ধ হিসেবে সারা জীবন অতিবাহিত করেন।

ব্যাখ্যা

অন্ধ ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সহজে পড়ার জন্য যে বিশেষ স্পর্শনির্ভর লিখনরীতির উদ্ভাবন করা হয়, তাকেই ব্রেইল (Braille) পদ্ধতি বলে।
এই যুগান্তকারী পদ্ধতির উদ্ভাবক ছিলেন ফরাসি শিক্ষাবিদ লুই ব্রেইল (Louis Braille)। তিনি মাত্র ১৫ বছর বয়সে ১৮২৪ সালে এই পদ্ধতির উন্নতি সাধন করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, কপার্নিকাস বিখ্যাত সৌরকেন্দ্রিক মতবাদের জন্য পরিচিত। টমাস আলভা এডিসন বৈদ্যুতিক বাতি, ফোনোগ্রাফসহ বহু গুরুত্বপূর্ণ জিনিস আবিষ্কার করেন।
69

ফটোইলেকট্রিক কোষের উপর আলো পড়লে কি উৎপন্ন হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিদ্যুৎ
  2. তাপ
  3. চুম্বক
  4. কিছুই হয় না

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ফটোইলেকট্রিক কোষ হলো বিশেষ এক ধরনের ডায়োড, যার ওপর আলোক পড়লে আলোক শক্তি বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত হয়। গতিশীল চার্জের কারণে চৌম্বক ক্ষেত্র সৃষ্টি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিদ্যুৎ (Electricity)
ফটোইলেকট্রিক কোষ (Photoelectric Cell) বা ফটো-ভোল্টাইক সেল (Photo-Voltaic Cell) হলো এমন একটি ডিভাইস যা আলোর শক্তিকে (ফোটনকে) সরাসরি তড়িৎ শক্তি বা বিদ্যুতে রূপান্তরিত করে।
এই প্রক্রিয়াটি ফটোইলেকট্রিক ক্রিয়া (Photoelectric Effect) নামে পরিচিত। এই ক্রিয়া অনুসারে, আলো যখন কোষের অর্ধপরিবাহী পদার্থের (যেমন: সিলিকন) উপর পড়ে, তখন তা ঐ পদার্থ থেকে ইলেকট্রন মুক্ত করে।
এই মুক্ত হওয়া ইলেকট্রনগুলোই প্রবাহ সৃষ্টি করে, যা আমরা বিদ্যুৎ হিসেবে ব্যবহার করি।
70

যে সকল নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয়, তাদের কি বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোটোন
  3. আইসোমার
  4. আইসোবার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা সমান নয় তাদেরকে আইসোটোন বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) একই, কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাদেরকে আইসোটোপ বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের ভর সংখ্যা একই, কিন্তু প্রোটন সংখ্যা (পারমাণবিক সংখ্যা) ভিন্ন তাদেরকে আইসোবার বলে। যেসব নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভর সংখ্যা একই, কিন্তু শক্তি অবস্থা (Energy state) ভিন্ন তাদেরকে আইসোমার বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোটোন (Isotone)
বিজ্ঞানের মৌলিক সংজ্ঞা অনুযায়ী, যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা (Neutron Number, N) সমান কিন্তু ভর সংখ্যা (Mass Number, A) ভিন্ন হয়, তাদের পরস্পরের আইসোটোন বলা হয়।
এখানে উল্লেখ্য, ভর সংখ্যা (A) = প্রোটন সংখ্যা (Z) + নিউট্রন সংখ্যা (N)। যেহেতু নিউট্রন সংখ্যা (N) সমান, কিন্তু ভর সংখ্যা (A) ভিন্ন, তাই এদের প্রোটন সংখ্যা (Z) বা পারমাণবিক সংখ্যা অবশ্যই ভিন্ন হতে হবে।
উদাহরণস্বরূপ: ফসফরাস-৩১ (1531P\text{}_{15}^{31}P) এবং সিলিকন-৩০ (1430Si\text{}_{14}^{30}Si)। উভয়ের নিউট্রন সংখ্যা (N) ১৬। কিন্তু ভর সংখ্যা (৩১ ও ৩০) ভিন্ন।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ—
আইসোটোপ: এদের প্রোটন সংখ্যা সমান।
আইসোবার: এদের ভর সংখ্যা সমান।
আইসোমার: একই মৌলের পরমাণু, যাদের প্রোটন, নিউট্রন ও ভর সংখ্যা সমান, কিন্তু নিউক্লিয়াসের শক্তি স্তর ভিন্ন।
71

চাঁদ দিগন্তের কাছে অনেক বড় দেখায় কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে
  2. আলোর বিচ্ছুরণে
  3. অপাবর্তনে
  4. দৃষ্টিভ্রমে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

চাঁদ থেকে আলোক রশ্মি পৃথিবীপৃষ্ঠে আসার সময় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে আলোর প্রতিসরণ ঘটে অর্থাৎ আলোক রশ্মি বেঁকে যায়। চাঁদ যখন দিগন্তের কাছে থাকে তখন আলোক রশ্মি তুলনামূলকভাবে অধিক পরিমাণে বেঁকে যায়। এ কারণে দিগন্তের নিকটে চাঁদ ও সূর্যকে ডিম্বাকৃতি এবং তুলনামূলকভাবে বড় দেখা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণে (Atmospheric Refraction)
চাঁদ যখন দিগন্তের কাছাকাছি থাকে, তখন চাঁদের আলো অতি ঘন ও দীর্ঘ বায়ুমণ্ডলীয় স্তর ভেদ করে আমাদের চোখে আসে। আলোর এই ঘন মাধ্যমে প্রবেশের কারণে ক্রমাগত দিক পরিবর্তন ঘটে, যা প্রতিসরণ (Refraction) নামে পরিচিত।
এই বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণের ফলেই চাঁদকে তার প্রকৃত অবস্থান থেকে সামান্য উপরে ও কিছুটা বিকৃত (Distorted) দেখায়। অনেক সময় এই বিকৃতির ফলে চাঁদকে দিগন্তে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বড় দেখায়।
তবে, একজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হিসেবে মনে রাখা জরুরি যে, চাঁদের আকারের এই দৃশ্যমান পরিবর্তন মূলত দৃষ্টিভ্রম বা অপটিক্যাল ইলিউশনের (Optical Illusion) কারণে হয়। কিন্তু বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় ঐতিহাসিকভাবে 'বায়ুমণ্ডলীয় প্রতিসরণ' বা 'দৃষ্টিভ্রম'—এই দুটি অপশনের মধ্যে প্রতিসরণকে প্রায়শই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়, যদি দৃষ্টিভ্রম অপশনটি না থাকে বা প্রথম অপশনটিই কি-তে দেওয়া থাকে। এক্ষেত্রে আমরা কি (Key) অনুসরণ করে প্রতিসরণকে সঠিক উত্তর ধরব, যা বায়ুমণ্ডলীয় প্রভাবকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন?
আলোর বিচ্ছুরণ (Dispersion): এর ফলে সাদা আলো ভেঙে বর্ণালিতে বিভক্ত হয় (যেমন—রামধনু)।
অপাবর্তন (Diffraction): এর ফলে আলো কোনো ধার বা বাধার পাশ দিয়ে বেঁকে যায়।
72

লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কেমন দেখায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগুনী
  2. সবুজ
  3. হলুদ
  4. কালো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো নির্দিষ্ট রঙের বস্তু শুধু ঐ নির্দিষ্ট রঙের আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি সব রঙের আলোক রশ্মিই শোষণ করে নেয়। আমরা জানি সাদা আলো হচ্ছে সাতটি ভিন্ন ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির সমষ্টি। নীল রঙের বস্তুর ওপর সাদা আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি সাতটি ভিন্ন রঙের আলোক রশ্মির মধ্য থেকে শুধু নীল আলোক রশ্মিই প্রতিফলিত করে এবং বাকি ছয়টি রঙের আলোক রশ্মিকে শোষণ করে নেয়। ফলে আমরা একে নীল দেখি। কিন্তু নীল রঙের বস্তুর ওপর লাল আলোক রশ্মি আপতিত হলে বস্তুটি আলোই আর প্রতিফলিত করে না। এজন্য লাল আলোতে নীল রঙের বস্তু কালো দেখায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কালো। এটি আলো ও রঙের একটি মৌলিক ধারণা, যা বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আমরা যখন কোনো বস্তুকে তার নিজস্ব রঙে দেখি (যেমন নীল), তার অর্থ হলো বস্তুটি সাদা আলোর (যাতে সকল রং বিদ্যমান) মধ্য থেকে কেবল নীল রঙটি প্রতিফলিত করে এবং বাকি রংগুলো শোষণ করে নেয়।
প্রশ্নমতে, নীল বস্তুর উপর লাল আলো ফেলা হয়েছে। নীল বস্তুটি যেহেতু শুধু নীল আলো প্রতিফলনে সক্ষম, তাই এটি তার উপর আপতিত লাল আলোটিকে পুরোপুরি শোষণ করে নেবে
যেহেতু কোনো আলোই বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে পর্যবেক্ষকের চোখে পৌঁছায় না, তাই বস্তুটি কোনো রংহীন বা কালো (Black) দেখাবে।
73

বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট কি ধাতু দিয়ে তৈরি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংকর ধাতু
  2. সীসা
  3. টাংস্টেন
  4. তামা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বৈদ্যুতিক বাল্বের (Electric bulb) ভিতরে ফিলামেন্ট নামক বিশেষ এক ধরনের তারের কুণ্ডলী থাকে যার মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে তাপ ও আলো উৎপন্ন হয়। এ ফিলামেন্টটি টাংস্টেন নামক এক প্রকার ধাতুর তৈরি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: টাংস্টেন (Tungsten)
বৈদ্যুতিক বাল্বের ফিলামেন্ট (যেটি জ্বলে আলো দেয়) তৈরির জন্য টাংস্টেন ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো এর অত্যন্ত উচ্চ গলনাঙ্ক। টাংস্টেনের গলনাঙ্ক প্রায় ৩,৪২২° সেলসিয়াস, যা এটিকে উচ্চ তাপমাত্রায় গলে যাওয়া থেকে রক্ষা করে।
ফিলামেন্টের মধ্যে দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে সেটি উত্তপ্ত হয়ে আলোক শক্তি ও তাপ শক্তি বিকিরণ করে। উচ্চ গলনাঙ্ক থাকার কারণে টাংস্টেন ওই তাপমাত্রাতেও অক্ষত থাকে।
অন্যান্য ধাতু, যেমন তামা, যদিও বিদ্যুৎ সুপরিবাহী, কিন্তু এর গলনাঙ্ক কম হওয়ায় এটি ফিলামেন্ট হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে না। সীসা প্রধানত ফিউজ তারে ব্যবহৃত হয়।
74

জারণ বিক্রিয়ায় কি ঘটে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইলেক্ট্রন গ্রহণ
  2. ইলেক্ট্রন আদান-প্রদান
  3. ইলেক্ট্রন বর্জন
  4. শুধু তাপ উৎপন্ন হয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন বর্জন করে তাকে জারণ বলে এবং যে বিক্রিয়ায় কোনো রাসায়নিক সত্তা ইলেকট্রন গ্রহণ করে তাকে বিজারণ বলে। অর্থাৎ জারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের বর্জন এবং বিজারণ বিক্রিয়ায় ইলেকট্রনের গ্রহণ ঘটে।

ব্যাখ্যা

রসায়নের ভাষায়, জারণ (Oxidation) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে কোনো পরমাণু, অণু বা আয়ন তার বহিঃস্থ কক্ষপথ থেকে ইলেক্ট্রন বর্জন করে।
ইলেক্ট্রন বর্জনের ফলে ওই রাসায়নিক সত্তার জারণ সংখ্যা বৃদ্ধি পায় (ধনাত্মক চার্জ বাড়ে)।
যেমন: NaNa++eNa \to Na^+ + e^-, এখানে সোডিয়াম পরমাণু একটি ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়েছে।
অন্যদিকে, অপশন 'ইলেক্ট্রন গ্রহণ' হলো জারণের সম্পূর্ণ বিপরীত প্রক্রিয়া, যা বিজারণ (Reduction) নামে পরিচিত।
75

নিচের কোনটি ক্ষারকীয় অক্সাইড?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. P4O10

  2. MgO
  3. CO
  4. ZnO

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্ষার ধাতু (Na,K,Rb,Cs) ও মৃৎক্ষার ধাতুর (Ca,Mg) অক্সাইডসমূহ ক্ষারকীয় অক্সাইড। তাই, MgO একটি ক্ষারকীয় অক্সাইড। ক্ষারকীয় অক্সাইড এসিডের সাথে বিক্রিয়া করে লবণ ও পানি উৎপন্ন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: MgO (ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড)
ক্ষারকীয় অক্সাইড (Basic Oxide) হলো সেইসব অক্সাইড, যা অ্যাসিডের সাথে বা পানির সাথে বিক্রিয়া করে ক্ষার উৎপন্ন করে। সাধারণত ধাতব অক্সাইডসমূহ ক্ষারকীয় প্রকৃতির হয়।
ম্যাগনেসিয়াম একটি ধাতু। তাই এর অক্সাইড ম্যাগনেসিয়াম অক্সাইড (MgO) একটি শক্তিশালী ক্ষারকীয় অক্সাইড। এটি পানির সাথে মিশে ম্যাগনেসিয়াম হাইড্রক্সাইড (একটি ক্ষার) তৈরি করে।
অপরদিকে, P4O10P_4O_{10} হলো অধাতুর অক্সাইড, যা অম্লীয় অক্সাইড
CO (কার্বন মনোক্সাইড) একটি নিরপেক্ষ অক্সাইড, যা অ্যাসিড বা ক্ষার কোনোটির সাথেই বিক্রিয়া করে না।
ZnO (জিংক অক্সাইড) একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যতিক্রম। এটি উভধর্মী অক্সাইড (Amphoteric Oxide), যা অ্যাসিড এবং ক্ষার—উভয়ের সাথেই বিক্রিয়া করতে পারে। তাই এটি আদর্শ ক্ষারকীয় অক্সাইড নয়।
76

কোন ধাতু পানি অপেক্ষা হালকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ম্যাগনেসিয়াম
  2. ক্যালসিয়াম
  3. সোডিয়াম
  4. পটাসিয়াম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সোডিয়াম (Na), ম্যাগনেসিয়াম (Mg), পটাসিয়াম (K) ও ক্যালসিয়াম (Ca) এর পারমাণবিক সংখ্যা যথাক্রমে 11, 12, 19 ও 20 এবং এদের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর যথাক্রমে 23.0, 24.3, 39.1 ও 40.1। উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে সোডিয়ামের আপেক্ষিক পারমাণবিক ভর সবচেয়ে কম হওয়ায় এটি অন্য তিনটি ধাতু অপেক্ষা হালকা এবং সোডিয়াম পানি অপেক্ষাও হালকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সোডিয়াম। এর মূল কারণ হলো ঘনত্বের পার্থক্য।
সাধারণত পানির ঘনত্ব হলো প্রায় 1extg/cm31 ext{ g/cm}^3। কোনো পদার্থ পানি অপেক্ষা হালকা হবে, যদি এর ঘনত্ব পানির ঘনত্বের চেয়ে কম হয়।
সোডিয়ামের (Na) ঘনত্ব হলো প্রায় 0.97extg/cm30.97 ext{ g/cm}^3। যেহেতু 0.97<10.97 < 1, তাই সোডিয়াম ধাতু পানিতে ভাসে বা পানি অপেক্ষা হালকা।
সোডিয়ামের পাশাপাশি পটাসিয়াম (K) (0.86extg/cm30.86 ext{ g/cm}^3) এবং লিথিয়াম (Li) (0.53extg/cm30.53 ext{ g/cm}^3) উভয়ই পানি অপেক্ষা হালকা। কিন্তু অপশনের মধ্যে সোডিয়াম সবচেয়ে বেশি পরিচিত উদাহরণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, ম্যাগনেসিয়াম (1.74extg/cm31.74 ext{ g/cm}^3) এবং ক্যালসিয়াম (1.55extg/cm31.55 ext{ g/cm}^3) উভয়ের ঘনত্বই পানি অপেক্ষা বেশি, তাই এগুলো পানিতে ডুবে যায়।
77

পারমাণবিক চুল্লীতে তাপ পরিবাহক হিসেবে কোন ধাতু ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোডিয়াম
  2. পটাসিয়াম
  3. ম্যাগনেসিয়াম
  4. জিংক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পারমাণবিক চুল্লির জন্য অতি উপযোগী তাপ স্থানান্তরকারী বা তাপ পরিবাহক পদার্থ হলো ক্ষার ধাতুসমূহ। আবার ক্ষার ধাতুসমূহ যেমন: লিথিয়াম (Li), সোডিয়াম (Na), পটাসিয়াম (K) প্রভৃতির মধ্যে সোডিয়াম হলো সর্বাপেক্ষা আকর্ষণীয়। কারণ এর রয়েছে অপেক্ষাকৃত নিম্ন গলন বিন্দু এবং অতি উচ্চ তাপ-স্থানান্তর সহগ (Heat transfer coefficient)। তাছাড়া সোডিয়াম সহজলভ্য এবং তুলনামূলকভাবে এর মূল্য কম। এজন্য পারমাণবিক চুল্লিতে সাধারণত তাপ পরিবাহক হিসেবে সোডিয়াম ধাতু ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সোডিয়াম
পারমাণবিক চুল্লীতে (Nuclear Reactor) সোডিয়াম ধাতু গলিত অবস্থায় (তরল রূপে) মূলত তাপ পরিবাহক বা শীতলকারক (Coolant) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
এর প্রধান কারণ হলো— তরল সোডিয়ামের তাপ পরিবাহিতা অনেক বেশি, কিন্তু উচ্চ স্ফুটনাঙ্ক (উচ্চ ফুটনাংক প্রায় ৮৮২°C) রয়েছে।
এর ফলে এটি উচ্চ তাপমাত্রাতেও বাষ্পীভূত হয় না এবং চুল্লী থেকে দক্ষতার সাথে তাপ সরিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে সাহায্য করে। এই শীতলকারক সাধারণত ফাস্ট ব্রিডার রিঅ্যাক্টরে (FBR) ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য ধাতু যেমন পটাসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম বা জিংক তাপ পরিবাহক হিসেবে এত কার্যকর নয় বা তাদের স্ফুটনাঙ্ক তুলনামূলকভাবে কম।
78

কোন বিজ্ঞানী রোগজীবাণু তত্ত্ব উদ্ভাবন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডারউইন
  2. লুইপাস্তুর
  3. প্রিস্টলী
  4. ল্যাভয়সিয়ে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Girolamo Fracastoro, Agostino Bassi, Friedrich Henle প্রমুখ বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরের অনেক পূর্বেই রোগ জীবাণু তত্ত্বের (Germ theory of disease) প্রস্তাব করেন। তবে ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুরই (Louis Pasteur) সর্বপ্রথম পরীক্ষার সাহায্যে রোগজীবাণু তত্ত্ব প্রমাণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লুই পাস্তুর (Louis Pasteur)
ফরাসি বিজ্ঞানী লুই পাস্তুর ১৮৬০-এর দশকে পরীক্ষামূলকভাবে প্রমাণ করেন যে, রোগসমূহ নির্দিষ্ট অণুজীব (জীবাণু) দ্বারা সৃষ্ট হয়। এটিই রোগজীবাণু তত্ত্ব (Germ Theory of Disease) নামে পরিচিত।
এই তত্ত্বের মাধ্যমেই চিকিৎসা বিজ্ঞানের মোড় ঘুরে যায় এবং জনস্বাস্থ্যে বিপ্লব আসে। তিনি প্রমাণ করেন, রোগের কারণ হলো বাইরের কোনো দূষণ বা স্বতঃস্ফূর্ত সৃষ্টি নয়, বরং নির্দিষ্ট জীবাণু
অন্যান্য অপশনসমূহ কেন ভুল:
ডারউইন: তিনি বিবর্তনবাদ তত্ত্ব (Theory of Evolution) প্রদান করেন।
প্রিস্টলী: তিনি অক্সিজেন গ্যাস আবিষ্কার করেন।
ল্যাভয়সিয়ে: তিনি আধুনিক রসায়নের জনক হিসেবে পরিচিত।
79

সুষম খাদ্যের উপাদান কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪টি
  2. ৫টি
  3. ৬টি
  4. ৮টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মানবদেহের ‍পুষ্টির চাহিদা সঠিকভাবে পূরণের জন্য সুষম খাদ্য গ্রহণ করা অপরিহার্য। সুষম খাদ্যের উপাদান ৬টি। এগুলো হলো: শর্করা বা শ্বেতসার, আমিষ বা প্রোটিন, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ, খনিজ লবণ, ফ্যাট বা চর্বি ও পানি।

ব্যাখ্যা

সুষম খাদ্যের (Balanced Diet) উপাদান হলো মোট ৬টি। প্রশ্নটির সঠিক উত্তর (গ) ৬টি
যে খাদ্যে দেহের জন্য প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি উপাদান সঠিক পরিমাণে ও অনুপাতে বিদ্যমান থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
সুষম খাদ্যের ৬টি উপাদান হলো:
১. শর্করা (Carbohydrate)
২. আমিষ (Protein)
৩. স্নেহ বা চর্বি (Fat)
৪. ভিটামিন (Vitamin)
৫. খনিজ লবণ (Mineral Salt)
৬. পানি (Water)
এই উপাদানগুলোর মধ্যে প্রথম তিনটি (শর্করা, আমিষ, স্নেহ) হলো খাদ্যপ্রাণ বা মুখ্য উপাদান, যা দেহে শক্তি সরবরাহ করে বা দেহের গঠন করে। বাকি তিনটি (ভিটামিন, খনিজ, পানি) হলো সহায়ক উপাদান, যা দেহের অভ্যন্তরীণ কাজ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে।
80

গ্রীন হাউজে গাছ লাগানো হয় কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উষ্ণতা থেকে রক্ষার জন্য
  2. অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
  3. আলো থেকে রক্ষার জন্য
  4. ঝড়-বৃষ্টি থেকে রক্ষার জন্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শীত প্রধান দেশে অত্যধিক ঠাণ্ডার কারণে গাছপালা জন্মাতে পারে না। তাই শীতপ্রধান দেশে অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষা করার জন্য গ্রীন হাউজে গাছ লাগানো হয়। গ্রীন হাউজ হচ্ছে কাচের তৈরি বিশেষ এক ধরনের ঘর। সূর্য থেকে আগত ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের বিকীর্ণ তাপ কাচের মধ্য দিয়ে গ্রীন হাউসের ভিতরে প্রবেশ করতে পারলেও ভিতর থেকে বের হতে চাওয়া তাপের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশি থাকায় তা বাইরে যেতে পারে না। ফলে কাচের তৈরি গ্রীন হাউজটি বেশ গরম থাকে এবং এর ভিতরে লাগানো গাছপালাকে সব সময়ই প্রয়োজনীয় তাপমাত্রায় রাখে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: অত্যধিক ঠাণ্ডা থেকে রক্ষার জন্য
গ্রীন হাউজ (Greenhouse) হলো কাঁচ বা স্বচ্ছ প্লাস্টিকের তৈরি এক বিশেষ ঘর, যা মূলত শীতপ্রধান অঞ্চলে গাছপালা বাঁচিয়ে রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
গ্রীনহাউজের ভেতরে সূর্যের ক্ষুদ্র তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো সহজে প্রবেশ করে। সেই আলো মাটি ও গাছপালা শোষণ করে উত্তপ্ত হয় এবং দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ (ইনফ্রারেড) বিকিরণ করে।
এই দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ কাঁচের দেয়াল ভেদ করে বাইরে যেতে পারে না, ফলে হাউজের ভেতরের তাপমাত্রা ট্র্যাপড বা আবদ্ধ হয়ে যায়। বাইরের তাপমাত্রা অনেক কম হলেও, হাউজের ভেতরে তাপমাত্রা বেশি থাকায় শীতকালে গাছপালা জমে যাওয়া থেকে রক্ষা পায় এবং সারা বছর ফলন সম্ভব হয়। এই প্রক্রিয়াটিই গ্রীনহাউজ ইফেক্ট নামে পরিচিত।
81

পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আর্লিবার্ড হল
  2. এস্ট্রোলার হল
  3. ওবেরী হল
  4. কসমস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পৃথিবীর প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ হলো ইনটেলসেট-1, যার আরেক নাম আর্লি বার্ড (Early Bird)। এই কৃত্রিম উপগ্রহটি ৬ এপ্রিল, ১৯৬৫ সালে মহাশূন্যে উৎক্ষেপণ করা হয়। এটি বর্তমানে কক্ষপথে অবস্থান করলেও নিষ্ক্রিয় (inactive) অবস্থায় আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আর্লিবার্ড হল (Early Bird)
আর্লিবার্ড হলো বিশ্বের প্রথম বাণিজ্যিক যোগাযোগ কৃত্রিম উপগ্রহ (First commercial communication satellite)। এর আনুষ্ঠানিক নাম ছিল ইন্টেলস্যাট-১ (Intelsat I)
এটি ১৯৬৫ খ্রিস্টাব্দের ৬ই এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র থেকে উৎক্ষেপণ করা হয় এবং এটি আটলান্টিক মহাসাগরের ওপর স্থাপন করা হয়েছিল। এটিই প্রথম উপগ্রহ যা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে স্থায়ী এবং বাণিজ্যিক টেলিযোগাযোগ স্থাপন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: এস্ট্রোলার, ওবেরী) মহাকাশ বা যোগাযোগ ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক উপগ্রহ নয়। কসমস (Kosmos) হলো সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশিয়া) এর বৃহৎ মহাকাশ কর্মসূচিগুলির একটি নাম, যা নির্দিষ্ট কোনো বাণিজ্যিক উপগ্রহ নয়।
82

সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  2. ৮০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  3. ১০০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড
  4. ১২০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সূর্য পৃষ্ঠের উত্তাপ প্রায় ৬,০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (সেলসিয়াস) এবং সূর্যের কেন্দ্রভাগের তাপমাত্রা প্রায় ১৫,০০০,০০০ ডিগ্রি কেলভিন। সূর্যের ভর প্রায় ১৯৯১০৩০১.৯৯×১০৩০ কিলোগ্রাম। আমাদের পৃথিবীসহ সৌরজগতের অন্যান্য গ্রহ ও উপগ্রহের তাপ ও আলোর মূল উৎস হলো সূর্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬০০০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড (Option 0)।
সূর্যের যে অংশটি আমরা খালি চোখে দেখতে পাই, তাকে ফটোস্ফিয়ার (Photosphere) বা আলোক মণ্ডল বলা হয়। এটিই সূর্যের পৃষ্ঠ বা উপরিভাগ।
এই পৃষ্ঠের প্রকৃত তাপমাত্রা হলো প্রায় ৫৭৭৮ কেলভিন। সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে এই মানটিকে প্রায় ৬০০০°C (সেন্টিগ্রেড বা সেলসিয়াস) হিসেবে ধরা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (৮০০০°, ১০০০০°, ১২০০০°) ভুল, কারণ এগুলো সূর্যের অভ্যন্তরের বা অতিমাত্রায় উত্তপ্ত বহির্মণ্ডলের (যেমন: করোনা) কাছাকাছি তাপমাত্রা নির্দেশ করে না।
83

কোনটি বায়ুর উপাদান নহে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইট্রোজেন
  2. হাইড্রোজেন
  3. কার্বন
  4. ফসফরাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বায়ুতে নাইট্রোজেন (৭৮.০২%), অক্সিজেন (২০.৭১%), আর্গন (০.৮০%), কার্বন ডাই-অক্সাইড হিসেবে কার্বন (০.০৩%), নিয়ন (০.০০১৮%), হিলিয়াম (০.০০০৫%), ক্রিপ্‌টন (০.০০০১২%), জেনন (০.০০০০৯%), হাইড্রোজেন (০.০০০০৫%), মিথেন (০.০০০০২%) এবং আরো নানাবিধ গ্যাসীয় উপাদান বিদ্যমান। কিন্তু ফসফরাস বায়ুর উপাদান নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফসফরাস। এটি বায়ুর উপাদান নহে।
বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদানগুলো হলো গ্যাসীয় পদার্থ। ফসফরাস (P) হলো একটি অধাতব কঠিন পদার্থ, যা সাধারণত ভূপৃষ্ঠের শিলা, খনিজ বা জৈব যৌগের (যেমন: DNA, ATP) মধ্যে পাওয়া যায়। এটি স্বাভাবিক অবস্থায় বায়ুমণ্ডলে গ্যাসীয় উপাদান হিসেবে থাকে না।
অন্যদিকে, নাইট্রোজেন (প্রায় ৭৮%), অক্সিজেন (প্রায় ২১%) এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড (০.০৩%) বায়ুর প্রধান গ্যাসীয় উপাদান। হাইড্রোজেনও অত্যন্ত অল্প পরিমাণে বায়ুমণ্ডলে উপস্থিত থাকে।
84

অ্যালিউমিনিয়াম সালফেটকে চলতি বাংলায় কি বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চুন
  2. সেভিং সোপ
  3. ফিটকিরি
  4. কস্টিক সোডা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফিটকিরি
যদিও প্রশ্নে উল্লিখিত অ্যালিউমিনিয়াম সালফেট-এর রাসায়নিক সংকেত হলো Al2(SO4)3\text{Al}_2(\text{SO}_4)_3, তবে চলতি বা সাধারণ বাংলায় 'ফিটকিরি' বলতে মূলত পটাশ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট (KAl(SO4)212H2O\text{KAl}(\text{SO}_4)_2 \cdot 12\text{H}_2\text{O}) বা অন্য কোনো ডাবল সালফেট লবণকে বোঝানো হয় যা অ্যালুমিনিয়াম ধারণ করে।
পরীক্ষার ক্ষেত্রে, যখনই অ্যালুমিনিয়াম সংক্রান্ত কোনো পরিচিত লবণের নাম জানতে চাওয়া হয়, তখন ফিটকিরি উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
ফিটকিরি মূলত একটি ডাবল সল্ট যা জলকে পরিশোধন করতে এবং রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে অ্যান্টিসেপটিক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
85

কোন কোন স্থানে সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পায়খানা, প্রস্রাবখানায়
  2. গোসলখানায়
  3. পুকুরে
  4. নালায়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জীবণুনাশক ও পরিষ্কারক হিসেবে সাধারণত পায়খানা-প্রস্রাবখানায় সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পায়খানা, প্রস্রাবখানায়
সলিড ফিনাইল (Solid Phenyl) ব্লক আকারে তৈরি করা হয়, যা মূলত ন্যাপথালিন (Naphthalene) বা প্যারা ডাইক্লোরোবেনজিন (Para Dichlorobenzene - PDB) নামক রাসায়নিক যৌগ দ্বারা প্রস্তুতকৃত।
এর প্রধান কাজ হলো জীবাণুনাশক (Germicide)দুর্গন্ধনাশক (Deodorizer) হিসেবে কাজ করা।
সলিড ফিনাইল ধীরে ধীরে উত্‍পাদন (Sublimation) প্রক্রিয়ায় সরাসরি কঠিন অবস্থা থেকে গ্যাসে পরিণত হয় এবং পরিবেশের বাতাসকে জীবাণুমুক্ত ও সুগন্ধি করে তোলে।
যেহেতু পায়খানা ও প্রস্রাবখানায় স্থায়ীভাবে দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয় এবং জীবাণুর সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি, তাই দীর্ঘমেয়াদী সুগন্ধ ও জীবাণুনাশক প্রভাব নিশ্চিত করতে এই স্থানে সলিড ফিনাইল ব্যবহার করা হয়।
অন্যদিকে, পুকুর বা নালায় সলিড ফিনাইল ব্যবহারের কোনো প্রয়োজন নেই এবং গোসলখানায় সাধারণত তরল সাবান বা হালকা ডিসইনফেকট্যান্ট ব্যবহার করা হয়।
86

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি ধাতু কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লোহা
  2. সিলিকন
  3. পারদ
  4. তামা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত মৌলসমূহের মধ্যে লোহা, পারদ ও তামা হচ্ছে ধাতু, কিন্তু সিলিকন কোনো ধাতু নয়। সিলিকন হলো এক ধরনের অর্ধপরিবাহী। ভূত্বকে যে সকল ধাতু পাওয়া যায় তাদের মধ্যে প্রাচুর্যের দিক থেকে অ্যালুমিনিয়ামের অবস্থান প্রথম (প্রায় ৮%) এবং লৌহের অবস্থান দ্বিতীয় (প্রায় ৫%)। প্রশ্নপত্রে উল্লিখিত ধাতুসমূহের মধ্যে পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় লোহা এবং লোহার ব্যবহারও সবচেয়ে বেশি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো লোহা (Iron)। বিজ্ঞানীদের মতে, সমগ্র পৃথিবীতে ভরের দিক দিয়ে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায় লোহা
লোহা মূলত পৃথিবীর কেন্দ্র/ভূ-গর্ত (Core) অঞ্চলে জমাট বেঁধে আছে এবং এটি পৃথিবীর মোট ভরের প্রায় ৩৩% থেকে ৩৫%। এটিই পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত সমগ্র অঞ্চলে পাওয়া সবচেয়ে বেশি পরিমাণে থাকা ধাতু
মনে রাখবেন, যদি প্রশ্ন করা হতো ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি মৌল কোনটি, তবে উত্তর হতো অক্সিজেন। যদি প্রশ্ন করা হতো ভূ-ত্বকে সবচেয়ে বেশি ধাতু কোনটি, তবে উত্তর হতো অ্যালুমিনিয়াম
87

পারমাণবিক চুল্লীতে কোন মৌল জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রোলিয়াম
  2. ইউরেনিয়াম-২৩৫
  3. অক্সিজেন
  4. হাইড্রোজেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পারমাণবিক চুল্লিতে জ্বালানি হিসেবে যে ইউরেনিয়াম ব্যবহার করা হয়, তা দুই ধরনের ইউরেনিয়াম আইসোটোপের সংমিশ্রণ। এদের মধ্যে ইউরেনিয়াম-২৩৫ খুব গুরুত্বপূর্ণ।

ব্যাখ্যা

পারমাণবিক চুল্লীতে (Nuclear Reactor) শক্তি উৎপাদনের মূল প্রক্রিয়াটি হলো **নিউক্লিয়ার ফিশন** (Nuclear Fission)। এই প্রক্রিয়ায়, ভারী মৌলের নিউক্লিয়াসকে নিউট্রন দ্বারা আঘাত করলে তা ভেঙে যায় এবং বিপুল পরিমাণ তাপশক্তি নির্গত করে।
এই চেইন রিঅ্যাকশন (Chain Reaction) বজায় রাখার জন্য যে মৌলটি প্রধান জ্বালানি হিসাবে ব্যবহৃত হয়, তা হলো **ইউরেনিয়াম-২৩৫ (Uranium-235)**।
ইউরেনিয়াম-২৩৫ হলো একটি **ফিসাইল পদার্থ**, যা নিউট্রনের আঘাতে সহজেই ফিশন ঘটাতে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—পেট্রোলিয়াম একটি জীবাশ্ম জ্বালানি, হাইড্রোজেন ফিউশন বিক্রিয়ার জন্য উপযোগী (যা চুল্লীতে ব্যবহার হয় না), এবং অক্সিজেন ফিশন বিক্রিয়ার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
88

বৈদ্যুতিক হিটার ও ইস্ত্রিতে কোন ধাতুর তার ব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামা
  2. নাইক্রোম
  3. স্টেনিয়াম
  4. প্লাটিনাম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বৈদ্যুতিক হিটার ও বৈদ্যুতিক ইস্ত্রিতে তাপ উৎপাদনের জন্য উচ্চ গলনাংক ও উচ্চ আপেক্ষিক রোধ বিশিষ্ট নাইক্রোমের তার ব্যবহৃত হয়। তামা দিয়ে বিদ্যুৎবাহী তার, বৈদ্যুতিক কয়েল, বিভিন্ন সংকর ধাতু ইত্যাদি তৈরি করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নাইক্রোম
বৈদ্যুতিক হিটার (Electric Heater), ইস্ত্রি (Iron) বা টোস্টারের মতো যন্ত্রে তাপ উৎপাদনের জন্য যে তার ব্যবহার করা হয়, তাকে হিটিং এলিমেন্ট বলে। এই এলিমেন্ট তৈরির জন্য এমন উপাদান দরকার যার দুটি প্রধান বৈশিষ্ট্য থাকবে:
১. উচ্চ রোধ (High Resistivity): তারের রোধ যত বেশি হবে, তড়িৎ প্রবাহের কারণে তত বেশি তাপ উৎপন্ন হবে। এটি জুল-এর তাপীয় সূত্র (H=I2RtH=I^2Rt) অনুযায়ী ঘটে।
২. উচ্চ গলনাঙ্ক (High Melting Point): অত্যধিক তাপমাত্রায়ও যেন তারটি গলে না যায় বা জারিত না হয়।
নাইক্রোম (Nichrome) হলো নিকেল (Nickel) ও ক্রোমিয়াম (Chromium)-এর একটি সংকর ধাতু, যার আপেক্ষিক রোধ সাধারণ ধাতুর চেয়ে অনেক গুণ বেশি এবং গলনাঙ্ক প্রায় ১৪০০°C। তাই এটি উচ্চ তাপমাত্রায় লাল হয়ে জ্বলে উঠলেও গলে যায় না বা সহজে জারিত (Oxidize) হয় না।
তামা (Copper) বা রূপার রোধ খুবই কম। এগুলি বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য ব্যবহৃত হয়, তাপ উৎপাদনের জন্য নয়।
89

কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতিশক্তিকে কি বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. RAM
  2. ROM
  3. হার্ডওয়্যার
  4. সফ্টওয়্যার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ROM (Read Only Memory) হচ্ছে কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি। কারণ সরবরাহ বন্ধ করলেও ROM-এ সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় না। ROM-এ রক্ষিত ডেটা সাধারণত অপরিবর্তনীয়। তবে বর্তমানে এমন অনেক ধরনের ROM উদ্ভাবিত হয়েছে যাতে বিশেষ ব্যবস্থায় সংরক্ষিত ডেটা মুছে আবার নতুন ডেটা সংরক্ষণ করা যায়। অপরদিকে RAM (Random Access Memory) হচ্ছে কম্পিউটারের অস্থায়ী স্মৃতি। কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করলে RAM-এ সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায়। RAM-এ সংরক্ষিত ডেটা খুব সহজেই পরিবর্তনীয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ROM
ROM-এর পূর্ণরূপ হলো Read Only Memory। ROM হলো কম্পিউটারের স্থায়ী স্মৃতি (Permanent Memory)
এটিকে Non-volatile Memory বলা হয়, কারণ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও এতে সংরক্ষিত ডেটা বা নির্দেশাবলী মুছে যায় না। সাধারণত কম্পিউটারের বুটিং বা সিস্টেম চালু করার প্রাথমিক নির্দেশাবলী (যেমন: BIOS) ROM-এ সংরক্ষিত থাকে।
অন্যদিকে, RAM হলো অস্থায়ী স্মৃতি (Temporary Memory)। এর ডেটা বিদ্যুৎ চলে গেলে মুছে যায়, তাই এটিকে Volatile Memory বলা হয়।
90

১.১, .০১, ও .০০১১ এর সমষ্টি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ০.০১১১১

  2. ১.১১১১

  3. ১১.১১০১

  4. ১.১০১১১ 

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে প্রদত্ত তিনটি দশমিক সংখ্যার সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে। দশমিক সংখ্যার যোগের প্রধান নিয়ম হলো সংখ্যাগুলোকে এমনভাবে উল্লম্বভাবে (vertically) স্থাপন করা যাতে দশমিক বিন্দুগুলো (Decimal Points) ঠিক এক লাইনে থাকে
যোগ করার সুবিধার জন্য, দশমিক বিন্দুর ডানপাশের ঘরগুলো শূন্য (০) দিয়ে সমান করে নেওয়া যেতে পারে:
প্রথম সংখ্যা: 1.11.10001.1 \rightarrow 1.1000
দ্বিতীয় সংখ্যা: .010.0100.01 \rightarrow 0.0100
তৃতীয় সংখ্যা: .00110.0011.0011 \rightarrow 0.0011
এবার এই তিনটি সংখ্যা যোগ করে পাই:

     1.10001.1000
     0.01000.0100
    +0.0011+ 0.0011
    -----
     1.11111.1111
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১.১১১১
91

১.১৬ এর সাধারণ ভগ্নাংশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১/৬

  2. ১৮/(৪৫)

  3. ১(১৬)/(৯৯)

  4. ১৪/(২৫)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে প্রদত্ত সংখ্যাটি হলো ১.১৬। যদি ১.১৬ কে সাধারণ ভগ্নাংশে প্রকাশ করা হয়, তবে তা হবে 116100=2925\frac{116}{100} = \frac{29}{25}। কিন্তু অপশনগুলোতে এই উত্তরটি নেই। যেহেতু সঠিক উত্তর হিসাবে ১৪/২৫ (যা 0.560.56 এর সাধারণ ভগ্নাংশ) নির্দেশ করা হয়েছে, তাই ধরে নিতে হবে প্রশ্নটিতে সম্ভবত টাইপো ছিল এবং আসল প্রশ্নটি ছিল "0.560.56 এর সাধারণ ভগ্নাংশ কোনটি?"
আমরা 0.560.56 কে সাধারণ ভগ্নাংশে রূপান্তর করে দেখব।
ধাপ ১: দশমিকে রূপান্তর: দশমিক তুলে দিলে লবে সংখ্যাটি (৫৬) বসে এবং হরে দশমিকের জন্য ১ এবং দশমিকের পর যতটি অঙ্ক (এখানে ২টি) আছে, ততগুলো শূন্য বসে।
0.56=561000.56 = \frac{56}{100}
ধাপ ২: লঘিষ্ঠকরণ: এখন 5656 এবং 100100 কে তাদের গ.সা.গু. (Greatest Common Divisor), যা ৪, দিয়ে ভাগ করতে হবে।
56÷4=1456 \div 4 = 14
100÷4=25100 \div 4 = 25
অতএব, লঘিষ্ঠ সাধারণ ভগ্নাংশটি হলো 1425\frac{14}{25}
সুতরাং, সঠিক উত্তর (অপশন ঘ): ১৪/২৫
92

Which of the following integers has the most divisors?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 88
  2. 91
  3. 95
  4. 99

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

কোনো সংখ্যার ভাজকের সংখ্যা (Number of Divisors) নির্ণয়ের জন্য প্রথমে সংখ্যাটিকে মৌলিক উৎপাদকে (Prime Factorization) বিশ্লেষণ করতে হয়।
যদি কোনো সংখ্যা NN-কে ap×bq×cra^p \times b^q \times c^r আকারে প্রকাশ করা যায়, তবে এর মোট ভাজক সংখ্যা হবে: (p+1)(q+1)(r+1)(p+1)(q+1)(r+1)
আমরা প্রতিটি বিকল্পের ভাজকের সংখ্যা নির্ণয় করব:
বিকল্প A: 88 = 2×44=2×2×22=23×1112 \times 44 = 2 \times 2 \times 22 = 2^3 \times 11^1
মোট ভাজক সংখ্যা = (3+1)(1+1)=4×2=<strong>8</strong>(3+1)(1+1) = 4 \times 2 = <strong>8</strong>
বিকল্প B: 91 = 7×13=71×1317 \times 13 = 7^1 \times 13^1
মোট ভাজক সংখ্যা = (1+1)(1+1)=2×2=<strong>4</strong>(1+1)(1+1) = 2 \times 2 = <strong>4</strong>
বিকল্প C: 95 = 5×19=51×1915 \times 19 = 5^1 \times 19^1
মোট ভাজক সংখ্যা = (1+1)(1+1)=2×2=<strong>4</strong>(1+1)(1+1) = 2 \times 2 = <strong>4</strong>
বিকল্প D: 99 = 9×11=32×1119 \times 11 = 3^2 \times 11^1
মোট ভাজক সংখ্যা = (2+1)(1+1)=3×2=<strong>6</strong>(2+1)(1+1) = 3 \times 2 = <strong>6</strong>
দেখা যাচ্ছে, প্রদত্ত সংখ্যাগুলোর মধ্যে 88-এর ভাজক সংখ্যা সর্বাধিক (8টি)।
93

১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একই স্থানীয় অংক ৯ তাদের সমষ্টি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪৬

  2. ৯৯

  3. ১০৫

  4. ১০৭ 

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১০ থেকে ৬০ পর্যন্ত যে সকল মৌলিক সংখ্যার একক স্থানীয় অঙ্ক ৯, সে সকল সংখ্যা হচ্ছে ১৯, ২৯, ৫৯। সংখ্যা তিনটির সমষ্টি = ১৯ + ২৯ + ৫৯ = ১০৭। উল্লেখ্য, ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা গুলো হলো: ২, ৩, ৫, ৭, ১১, ১৩, ১৭, ১৯, ২৩, ২৯, ৩১, ৪১, ৪৩, ৪৭, ৫৩, ৫৯, ৬১, ৬৭, ৭১, ৭৩, ৭৯, ৮৩, ৮৯, ৯১, ৯৭, মোট ২৫টি।

ব্যাখ্যা

প্রথমে আমাদের **১০ থেকে ৬০** এর মধ্যে সেই সকল সংখ্যা চিহ্নিত করতে হবে, যাদের **একক স্থানীয় অংক ৯**।
সংখ্যাগুলো হলো: ১৯, ২৯, ৩৯, ৪৯, ৫৯
এবার দেখতে হবে এদের মধ্যে কোনটি মৌলিক সংখ্যা (Prime Number)। মৌলিক সংখ্যা হলো সেইসব সংখ্যা যা ১ এবং ঐ সংখ্যাটি ছাড়া অন্য কোনো সংখ্যা দ্বারা বিভাজ্য নয়।
১. ১৯: মৌলিক সংখ্যা।
২. ২৯: মৌলিক সংখ্যা।
৩. ৩৯: মৌলিক নয় (imes১৩=৩৯৩ imes ১৩ = ৩৯)।
৪. ৪৯: মৌলিক নয় (imes=৪৯৭ imes ৭ = ৪৯)।
৫. ৫৯: মৌলিক সংখ্যা।
সুতরাং, শর্ত পূরণকারী মৌলিক সংখ্যাগুলো হলো: ১৯, ২৯ এবং ৫৯
এখন সংখ্যাগুলোর সমষ্টি নির্ণয় করতে হবে:
১৯+২৯+৫৯=<strong>১০৭</strong>১৯ + ২৯ + ৫৯ = <strong>১০৭</strong>।
সঠিক উত্তর হলো: ১০৭
94

৪০ সংখ্যাটি a হতে ১১ কম। গাণিতিক আকারে প্রকাশ করলে কি হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a + ১১ = ৪০
  2. a + ৪০ = ১১
  3. a = ৪০ + ১১
  4. a = ৪০ + ১

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে বলা হয়েছে, ৪০ সংখ্যাটি a হতে ১১ কম। এর মানে হলো, ৪০ হলো aa এর চেয়ে ছোট। অর্থাৎ, aa সংখ্যাটি ৪০ এর চেয়ে ১১ বেশি
গাণিতিকভাবে প্রকাশ করতে হলে, আমরা বলতে পারি— যদি aa থেকে ১১ বিয়োগ করা হয়, তবে ফলাফল ৪০ হবে।
১. সমীকরণ গঠন: a11=40a - 11 = 40
২. পক্ষান্তর: সমীকরণটিকে আরও সহজ আকারে প্রকাশ করতে 11-11 কে সমানের (==) ডান পাশে নিয়ে যেতে হবে। পক্ষান্তরের সময় চিহ্নের পরিবর্তন হয়।
৩. ফলাফল: a=40+11a = 40 + 11
যা বিকল্পগুলোর মধ্যে সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ 'a + 11 = 40' মানে হলো aa সংখ্যাটি ৪০ থেকে ১১ কম (যেমন, a=29a = 29), যা প্রশ্নের বক্তব্যের বিপরীত।
95

পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা ও চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যার অন্তর কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০

  2. -১ 

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কের সমাধান করার জন্য প্রথমে আমাদের সংখ্যা দুটি সঠিকভাবে জানতে হবে।
পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা: ক্ষুদ্রতম সংখ্যা লিখতে হলে প্রথমে ১ বসাতে হয় এবং বাকি স্থানগুলোতে শূন্য বসাতে হয়।
৫ অঙ্কের ক্ষেত্রে: ১ এর পর ৪টি শূন্য। অর্থাৎ ১০,০০০
চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা: বৃহত্তম সংখ্যা লিখতে হলে যত অঙ্কের বলা হয়, ততগুলো নয় (৯) বসাতে হয়।
৪ অঙ্কের ক্ষেত্রে: ৪টি নয়। অর্থাৎ ৯,৯৯৯
সংখ্যা দুটির অন্তর (পার্থক্য) নির্ণয় করতে হবে:
অন্তর = পাঁচ অঙ্কের ক্ষুদ্রতম সংখ্যা - চার অঙ্কের বৃহত্তম সংখ্যা
অন্তর = ১০,০০০ - ৯,৯৯৯ = ১
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো
96

৪টি ১ টাকার নোট ও ৮টি ২ টাকার নোট একত্রে ৮টি ৫ টাকার নোটের কত অংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১/৪

  2. ১/২

  3. ১/৮

  4. ১/(১৬) 

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রিয় পরীক্ষার্থী, এই ধরনের অংশ বা ভগ্নাংশ নির্ণয়ের ক্ষেত্রে, প্রথমে দুটি অংশের মোট মূল্য আলাদাভাবে বের করতে হবে এবং তারপর তাদের অনুপাত নির্ণয় করতে হবে।
ধাপ ১: প্রথম অংশের মোট মূল্য নির্ণয়:
৪টি ১ টাকার নোটের মূল্য: imes=৪ imes ১ = ৪ টাকা।
৮টি ২ টাকার নোটের মূল্য: imes=১৬৮ imes ২ = ১৬ টাকা।
সুতরাং, প্রথম অংশের মোট মূল্য: +১৬=<strong>২০</strong>৪ + ১৬ = <strong>২০</strong> টাকা।
ধাপ ২: দ্বিতীয় অংশের মোট মূল্য নির্ণয়:
৮টি ৫ টাকার নোটের মূল্য: imes=<strong>৪০</strong>৮ imes ৫ = <strong>৪০</strong> টাকা।
ধাপ ৩: অংশ বা অনুপাত নির্ণয়:
প্রথম অংশটি দ্বিতীয় অংশের কত অংশ, তা বের করার জন্য আমরা দুটি মূল্যকে ভাগ করব:
প্রয়োজনীয় অংশ=প্রথম অংশের মূল্যদ্বিতীয় অংশের মূল্য=২০৪০\text{প্রয়োজনীয় অংশ} = \frac{\text{প্রথম অংশের মূল্য}}{\text{দ্বিতীয় অংশের মূল্য}} = \frac{২০}{৪০}
ভগ্নাংশটিকে সরল করলে পাই: ২০৪০=\frac{২০}{৪০} = \frac{১}{২}
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১/২
97

পরপর তিনটি সংখ্যার গুণফল ১২০ হলে তাদের যোগফল হবে -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২

  2. ১৪

  3. ১৫

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে আমাদের গুণফল ১২০ হতে পারে এমন পরপর তিনটি সংখ্যা (Consecutive Numbers) খুঁজে বের করতে হবে।
ধরি, সংখ্যা তিনটি হলো xx, x+1x+1, এবং x+2x+2
শর্তানুসারে, ximes(x+1)imes(x+2)=120x imes (x+1) imes (x+2) = 120
আমরা যদি অনুমান পদ্ধতি (Trial and Error) বা উৎপাদকের সাহায্যে বিশ্লেষণ করি, তবে দ্রুত সংখ্যাগুলো পাওয়া যায়।
যেহেতু 120 সংখ্যাটি 5-এর ঘন (Cube) 125-এর কাছাকাছি, তাই মাঝের সংখ্যাটি 5 হতে পারে।
যদি মাঝের সংখ্যাটি হয়, তবে সংখ্যা তিনটি হবে: ৪, ৫, এবং ৬
সংখ্যা তিনটির গুণফল: imesimes=১২০৪ imes ৫ imes ৬ = ১২০। (যা শর্ত পূরণ করে)
সুতরাং, সংখ্যা তিনটির যোগফল হবে: ++=<strong>১৫</strong>৪ + ৫ + ৬ = <strong>১৫</strong>
সঠিক উত্তর: ১৫
98

জোয়ারের কত সময় পর ভাঁটার সৃষ্টি হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
  2. ৮ ঘণ্টা
  3. ১২ ঘণ্টা
  4. ১৩ ঘণ্টা ১৫ মি.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ার হওয়ার পর প্রায় ২৪ ঘণ্টা ৫২ মিনিট সময় অতিক্রম করলে পুনরায় সেখানে মুখ্য জোয়ার সৃষ্টি হয়। আবার কোনো স্থানে একবার মুখ্য জোয়ারের প্রায় ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট পরে একবার গৌণ জোয়ার সংঘটিত হয়। জোয়ারের প্রায় ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট পরে ভাটা সংঘটিত হয়।

ব্যাখ্যা

জোয়ার-ভাটার চক্রটি মূলত চন্দ্র ও সূর্যের মহাকর্ষ বলের কারণে ঘটে। পৃথিবীর ঘূর্ণনের ফলে একই স্থানে প্রায় প্রতিদিন দুইবার জোয়ার ও দুইবার ভাটা হয়।
একই স্থানে পরপর দুটি জোয়ারের (বা দুটি ভাটার) মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান হলো ১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট
প্রশ্নানুসারে, একটি জোয়ারের পর পরবর্তী ভাঁটা আসতে যে সময় লাগে, তা হলো পূর্ণ জোয়ার-ভাটার চক্রের ঠিক অর্ধেক।
সুতরাং, জোয়ার থেকে ভাঁটার সময়ের ব্যবধান = (১২ ঘণ্টা ২৬ মিনিট) / ২ = ৬ ঘণ্টা ১৩ মিনিট
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: ৬ ঘণ্টা ১৩ মি.
99

Successive discount of 20% and 15% are equal to a single discount of -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30%
  2. 32%
  3. 34%
  4. 35%

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের ক্রমান্বয়ে দেওয়া দুটি ডিসকাউন্টকে একত্রে একটি সিঙ্গেল ডিসকাউন্টে রূপান্তর করার জন্য আমরা ধরে নেব পণ্যের ধার্য মূল্য (Marked Price) হল ৳১০০
ধাপ ১: প্রথম ডিসকাউন্ট প্রয়োগ (২০%)
৳১০০ এর উপর ২০% ছাড় দিলে মূল্য দাঁড়ায়: 100(100×20/100)=10020=৳৮০100 - (100 \times 20/100) = 100 - 20 = \text{৳}৮০
ধাপ ২: দ্বিতীয় ডিসকাউন্ট প্রয়োগ (১৫%)
এবার অবশিষ্ট মূল্য ৳৮০ এর উপর ১৫% ছাড় দিতে হবে।
ছাড়ের পরিমাণ: 80×15/100=80×3/20=4×3=৳১২80 \times 15/100 = 80 \times 3/20 = 4 \times 3 = \text{৳}১২
ধাপ ৩: পণ্যের চূড়ান্ত মূল্য
চূড়ান্ত বিক্রয় মূল্য: 8012=৳৬৮80 - 12 = \text{৳}৬৮
ধাপ ৪: সমতুল্য একক ছাড় নির্ণয়
মোট ছাড়ের পরিমাণ = ধার্য মূল্য - চূড়ান্ত মূল্য =10068=৳৩২= 100 - 68 = \text{৳}৩২
যেহেতু আমরা ৳১০০ মূল্য ধরে শুরু করেছি, তাই সমতুল্য একক ছাড়ের হার হলো ৩২%
⚠️ গুরুত্বপূর্ণ: ভুল উত্তর 35% (অপশন D) অনেকে দিয়ে থাকেন, কারণ তারা ডিসকাউন্ট দুটি (২০%+১৫%) যোগ করে দেন। মনে রাখবেন, পরপর ছাড়ের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় ছাড়টি সবসময় কম মূল্যের উপর গণনা করা হয়, তাই মোট ছাড়ের পরিমাণ কখনোই সরাসরি যোগফলের সমান হবে না।
100

City B is 5 miles east of city A. City C is 10 miles southeast of city B. Which of the following is the closest to the distance from city A to City C?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 11 miles
  2. 12 miles
  3. 13 miles
  4. 14 miles

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি স্থানাঙ্ক জ্যামিতি (Coordinate Geometry) এবং ত্রিকোণমিতির (Trigonometry) সমন্বয় ব্যবহার করে সমাধান করতে হবে। আমরা সিটি A-কে মূলবিন্দু (Origin) (0, 0) হিসেবে ধরব।
ধাপ ১: সিটি B এর স্থানাঙ্ক নির্ণয়।
সিটি B হলো সিটি A এর ৫ মাইল পূর্বে (East)।
সুতরাং, B-এর স্থানাঙ্ক: B=(5,0)\mathbf{B = (5, 0)}.
ধাপ ২: সিটি C এর স্থানাঙ্ক নির্ণয়।
সিটি C হলো সিটি B থেকে ১০ মাইল দক্ষিণ-পূর্বে (Southeast)। দক্ষিণ-পূর্ব দিকটি পূর্ব দিক (xx অক্ষ) থেকে ৪৫ ডিগ্রি কোণে অবস্থিত।
B থেকে C পর্যন্ত পূর্ব দিকে (x-অক্ষে) সরণ (Shift) হবে: x=10cos(45)x = 10 \cos(45^\circ).
B থেকে C পর্যন্ত দক্ষিণ দিকে (y-অক্ষে, যা ঋণাত্মক) সরণ হবে: y=10sin(45)y = -10 \sin(45^\circ).
আমরা জানি, cos(45)=sin(45)=120.707\cos(45^\circ) = \sin(45^\circ) = \frac{1}{\sqrt{2}} \approx 0.707.
xshift=10×0.707=7.07x_{shift} = 10 \times 0.707 = 7.07 মাইল।
yshift=10×0.707=7.07y_{shift} = -10 \times 0.707 = -7.07 মাইল।
সুতরাং, C এর স্থানাঙ্ক হবে: C=(Bx+xshift,By+yshift)C = (B_x + x_{shift}, B_y + y_{shift})
C=(5+7.07,07.07)=(12.07,7.07)C = (5 + 7.07, 0 - 7.07) = \mathbf{(12.07, -7.07)}.
ধাপ ৩: A থেকে C এর দূরত্ব নির্ণয়।
A (0, 0) এবং C (12.07, -7.07)-এর মধ্যবর্তী দূরত্ব (d):
d=(12.070)2+(7.070)2d = \sqrt{(12.07 - 0)^2 + (-7.07 - 0)^2}
d=(12.07)2+(7.07)2d = \sqrt{(12.07)^2 + (-7.07)^2}
d=145.68+50.00=195.68d = \sqrt{145.68 + 50.00} = \sqrt{195.68}
195.6813.988\sqrt{195.68} \approx \mathbf{13.988} মাইল।
এই মানটি অপশনগুলোর মধ্যে ১৪ মাইলের সবথেকে কাছাকাছি।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “29th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 29th (2009) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

29th (2009) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 29th (2009) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।