সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

20th (1998) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 20th (1998) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 20th (1998) পরীক্ষার ৯৪টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘পদ’ বলতে কি বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবিতার চরণ
  2. যে কোনো শব্দ
  3. প্রত্যয়ান্ত শব্দ বা ধাতু
  4. বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাধারণ অর্থে বাক্যে ব্যবহৃত প্রত্যেকটি শব্দই এক একটি পদ। কিন্তু বাক্যে ব্যবহার হওয়া মাত্র শব্দসমূহে বিভক্তি যুক্ত হয়। যে শব্দে বিভক্তি দেখা যায় না সেটিতে শূন্য বিভক্তি থাকে। তাই ব্যাকরণের দৃষ্টিকোণ থেকে বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতুকেই পদ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিভক্তিযুক্ত শব্দ ও ধাতু
ব্যাকরণে ‘পদ’ হলো সেই সমস্ত শব্দ বা শব্দমূল (ধাতু) যা বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা লাভ করে। এই যোগ্যতা অর্জনের জন্য শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হওয়া অত্যাবশ্যক।
শব্দের সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে বলা হয় নাম পদ (যেমন: বিশেষ্য, বিশেষণ), আর ধাতুর সঙ্গে বিভক্তি যুক্ত হলে তাকে বলা হয় ক্রিয়া পদ
যেমন: ‘বই’ একটি শব্দ। যখন এটি বাক্যে ব্যবহৃত হয়— ‘আমি বইটি পড়ি’, তখন ‘বইটি’ পদ হিসেবে গণ্য হয়। এখানে ‘বই’ এর সাথে ‘টি’ (এক প্রকার বিভক্তি বা নির্দেশক) যুক্ত হয়েছে।
শব্দ যখন বিভক্তি হারিয়ে বাক্যে ব্যবহৃত হয় (যেমন: ছেলে খেলে), তখন সেখানে শূণ্য বিভক্তি আছে বলে ধরা হয়।
অন্যদিকে, ‘যে কোনো শব্দ’ (Option 1) পদ নয়। শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হওয়ার জন্য বিভক্তি গ্রহণ করে, তখনই তা পদে পরিণত হয়।
2

ঠোঁট-কাটা বলতে কি বুঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অহংকার
  2. স্পষ্টভাষী
  3. মিথ্যাবাদী
  4. পক্ষপাতদুষ্ট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ঠোঁট-কাটা’ শব্দের অর্থ কাউকে কোনো কিছু বলতে দ্বিধাবোধ করে না এমন, স্পষ্টবক্তা বা স্পষ্টবাদী। ‘পক্ষপাতদুষ্ট’ বলতে বোঝায় একচোখা বা এক পক্ষের প্রতি অনুরক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্পষ্টভাষী
ঠোঁট-কাটা একটি বহুল ব্যবহৃত বাগধারা। এর আভিধানিক অর্থ হলো যে ব্যক্তি কোনো প্রকার রাখঢাক বা ভয় না করে নিজের মতামত বা সত্য কথা সরাসরি ও স্পষ্টভাবে বলে দেয়।
অতএব, যে ব্যক্তি স্পষ্ট করে কথা বলে, তাকেই 'ঠোঁট-কাটা' বলা হয়। এটি সাধারণত সরাসরি কথা বলার অভ্যাসের কারণে হয়, যা কখনও কখনও অভদ্রতা হিসেবে গণ্য হতে পারে, কিন্তু এর মূল অর্থ হলো সোজাসাপটা কথা বলা
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন – অহংকার, মিথ্যাবাদী বা পক্ষপাতদুষ্ট – এই বাগধারাটির অর্থ প্রকাশ করে না।
3

‘বিষাদ-সিন্ধু’ কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কায়কোবাদ
  2. মীর মশাররফ হোসেন
  3. মোজাম্মেল হক
  4. ইসমাইল হোসেন সিরাজী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। কারবালার বিষাদময় কাহিনী অবলম্বনে রচিত ‘বিষাদ-সিন্ধু’ মীর মশাররফ হোসেনের শ্রেষ্ঠ উপন্যাস। উপন্যাসটিতে তিনটি পর্ব আছে। ‘মহরম পর্ব’, ‘উদ্ধার পর্ব’ ও ‘এজিদবধ পর্ব’। তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো উদাসীন পথিকের মনের কথা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মীর মশাররফ হোসেন
বিষাদ-সিন্ধু তাঁর রচিত সবচেয়ে বিখ্যাত উপন্যাস। এটি কারবালার প্রান্তরের বিষাদময় ঘটনা অবলম্বনে রচিত। এটি তিনটি পর্বে (মহরম পর্ব, উদ্ধার পর্ব ও এজিদ বধ পর্ব) ১৮৮৫ থেকে ১৮৯১ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়।
বিষাদ-সিন্ধুকে অনেকে বাংলা সাহিত্যের প্রথম সফল মুসলিম রচিত উপন্যাস হিসেবে গণ্য করেন।
অন্যান্য অপশনের লেখকদের মধ্যে কায়কোবাদ ছিলেন মহাকাব্য রচয়িতা (মহাশ্মশান), এবং ইসমাইল হোসেন সিরাজী জাতীয়তাবাদী লেখক হিসেবে পরিচিত।
4

কোনটি কাব্যগ্রন্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেষ প্রশ্ন
  2. শেষ লেখা

  3. শেষের কবিতা
  4. শেষের পরিচয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেষ লেখা। এটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত একটি কাব্যগ্রন্থ
'শেষ লেখা' হলো তাঁর মৃত্যুর কিছুদিন পূর্বে রচিত কবিতাগুলোর সংকলন, যা ১৯৪১ সালে প্রকাশিত হয়। এটি কবির জীবনের শেষ কাব্যগ্রন্থ হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ধরনের রচনা: 'শেষের কবিতা' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস। এটি কাব্য নয়, গদ্য রচনা।
'শেষের পরিচয়' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অসমাপ্ত উপন্যাস
উল্লেখ্য, 'শেষ প্রশ্ন' রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের আরেক দিকপাল শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস
5

নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজবন্দীর জবানবন্দী
  2. ব্যথার দান

  3. অগ্নিবীণা
  4. নবযুগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্যথার দান
কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ হলো ‘ব্যথার দান’। এটি একটি গল্পগ্রন্থ, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
অনেক পরীক্ষার্থী ভুলবশত তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ ‘অগ্নিবীণা’ (১৯২২) কে প্রথম গ্রন্থ মনে করেন। কিন্তু সামগ্রিক হিসাবে ‘ব্যথার দান’ প্রথমে প্রকাশিত হয়েছিল।
রাজবন্দীর জবানবন্দী হলো নজরুলের একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ এবং নবযুগ ছিল একটি দৈনিক পত্রিকা যার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন তিনি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

কোনটি শামসুর রহমানের রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিরন্তন ঘণ্টা ধ্বনি
  2. নির্জন স্বাক্ষর
  3. নিরালোকে দিব্যরথ
  4. নির্বাণ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শামসুর রহমানের কাব্যগ্রন্থের মধ্যে- প্রথম গান দ্বিতীয় মৃত্যুর আগে (প্রথম কাব্যগ্রন্থ), রৌদ্র করোটিতে, বিধ্বস্ত নীলিমা, বন্দী শিবির থেকে, বাংলাদেশ স্বপ্ন দ্যাখে, উদ্ভট উটের পিঠে চলছে স্বদেশ, এক ফোঁটা কেমন অনল, বুক তার বাংলাদেশের হৃদয়, নিরালোকে দিব্যরথ, না বাস্তব না দুঃস্বপ্ন উল্লেখযোগ্য। অক্টোপাস, অদ্ভুত আঁধার এক, নিয়ত মন্তাজ এবং এলো সে অবেলায় তার রচিত উপন্যাস। স্মৃতির শহর এবং কালের ধূলোয় লেখা তার আত্মস্মৃতিমূলক গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নিরালোকে দিব্যরথ (অপশন গ)। এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমানের রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ।
শামসুর রাহমান ছিলেন বিশ শতকের দ্বিতীয়ভাগে আবির্ভূত আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম পুরোধা।
উল্লেখযোগ্য ভুল উত্তর: নির্জন স্বাক্ষর কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন বাংলা সাহিত্যের 'পঞ্চপাণ্ডব' এর অন্যতম কবি বুদ্ধদেব বসু
7

‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান’ -এখানে টাপুর টুপুর কোন ধরনের শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অবস্থাবাচক শব্দ
  2. বাক্যালঙ্কার শব্দ
  3. ধ্বন্যাত্মক শব্দ
  4. দ্বিরুক্ত শব্দ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে শব্দ অব্যক্ত রব, শব্দ বা ধ্বনির অনুকরণে গঠিত হয় তাকে অনুকার বা ধ্বন্যাত্মক শব্দ বলে। যেমন: কুহু কুহু (কোকিলের রব), টাপুর টুপুর (বৃষ্টির পতনের শব্দ), হু হু (বাতাস প্রবাহের শব্দ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ধ্বন্যাত্মক শব্দ
যে শব্দগুলি কোনো প্রাণী, বস্তু বা প্রাকৃতিক ঘটনার স্বাভাবিক ধ্বনিকে সরাসরি অনুকরণ করে তৈরি হয়, তাদের ধ্বন্যাত্মক শব্দ বা অনুকৃতি শব্দ বলা হয়।
প্রদত্ত উদাহরণে, 'বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর' বাক্যে 'টাপুর টুপুর' শব্দটি বৃষ্টির পতনের ধ্বনিকে হুবহু অনুকরণ করছে। তাই এটি একটি বিশুদ্ধ ধ্বন্যাত্মক শব্দ
এটি অবশ্যই একটি দ্বিরুক্ত শব্দ (শব্দটির পুনরাবৃত্তি ঘটেছে), তবে যেহেতু এর মূল কাজ ধ্বনি অনুকরণ করা, তাই অপশনসমূহের মধ্যে 'ধ্বন্যাত্মক শব্দ' উত্তরটিই সবচেয়ে বেশি সঠিক ও মৌলিক পরিচয় বহন করে।
8

কোনটি দ্বন্দ্ব সমাসের উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিংহাসন
  2. ভাই-বোন

  3. কানাকানি
  4. গাছপাকা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভাই-বোন
যে সমাসে সমস্যমান প্রত্যেকটি পদের (Component words) অর্থ প্রধান রূপে প্রতীয়মান হয়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। এই সমাসে সাধারণত সমস্যমান পদগুলো ‘ও’, ‘এবং’, ‘আর’ — এই অব্যয় পদগুলোর দ্বারা যুক্ত থাকে।
ব্যাসবাক্য: ভাই ও বোন। যেহেতু এখানে ‘ভাই’ এবং ‘বোন’—উভয়ের অর্থই সমানভাবে প্রধান, তাই এটি দ্বন্দ্ব সমাস
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
১. সিংহাসন: সিংহ চিহ্নিত আসন (মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস)।
৩. কানাকানি: কানে কানে যে কথা (ব্যতিহার বহুব্রীহি সমাস)।
৪. গাছপাকা: গাছে পাকা (সপ্তমী তৎপুরুষ সমাস)।
9

‘যা সহজে অতিক্রম করা যায় না’ -এ বাক্যাংশের সংক্ষিপ্ত রূপ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনতিক্রম্য
  2. অলঙ্ঘ্য
  3. দূরতিক্রম্য
  4. দুর্গম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যা অতিক্রম করা যায় না- অনতিক্রম্য; যা লঙ্ঘন করা যায় না- অলঙ্ঘ্য; যা সহজে অতিক্রম করা যায় না- দূরতিক্রম্য; যেখানে সহজে গমন করা যায় না- দুর্গম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দূরতিক্রম্য
বাংলা ব্যাকরণে ‘যা সহজে অতিক্রম করা যায় না’ – এই বাক্যাংশটিকে সংক্ষেপে দূরতিক্রম্য বলা হয়।
এখানে ‘দুর্’ উপসর্গটি ‘কষ্টে’ বা ‘সহজে নয়’ (difficultly) এই ভাবটি প্রকাশ করে। অতএব, দূর + অতিক্রম্য = দূরতিক্রম্য (যা কষ্টে অতিক্রম করা যায়)।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
  • অনতিক্রম্য: যা একেবারেই অতিক্রম করা যায় না। (Absolute impossibility)
  • অলঙ্ঘ্য: যা লঙ্ঘন করা যায় না (যেমন: আইন বা সীমানা)।
  • দুর্গম: যেখানে সহজে গমন (যাওয়া) করা যায় না। এটি স্থানের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
10

‘ব্যাঙের সর্দি’ -অর্থ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোগ বিশেষ
  2. সম্ভাব্য ঘটনা
  3. অসম্ভব ঘটনা
  4. প্রতারণা

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অসম্ভব ঘটনা
‘ব্যাঙের সর্দি’ বাগধারাটির দ্বারা এমন কিছু বোঝানো হয় যা প্রাকৃতিকভাবে বা বাস্তবিক অর্থে ঘটা অসম্ভব
ব্যাঙ যেহেতু সাধারণত ভেজা ও শীতল স্থানে বাস করে এবং সর্দি মূলত শ্বাসযন্ত্রের শুষ্কতার কারণে হয়, তাই জলচর বা উভচর প্রাণীর সর্দি হওয়া একটি অবাস্তব কল্পনা
তাই বাগধারাটির অর্থ দাঁড়ায় অলীক বা অসম্ভব ঘটনা
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘সংশপ্তক’ কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. শহীদুল্লাহ কায়সার
  3. জহির রায়হান
  4. শওকত ওসমান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লা কায়সার রচিত ‘সংশপ্তক’ একটি মহাকাব্যিক উপন্যাস। এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র: রাবু, জাহেদ, হুরমতি, রমজান ইত্যাদি। তার আরেকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘সারেং বৌ’। ‘রাজবন্দীর রোজনামচা’ তার বিখ্যাত স্মৃতিকথা এবং ‘পেশোয়ার থেকে তাশখন্দ’ তার ভ্রমণকাহিনী। শহীদুল্লা কায়সার ছিলেন আরেকজন বিখ্যাত ঔপন্যাসিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান এর বড় ভাই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শহীদুল্লাহ কায়সার
‘সংশপ্তক’ উপন্যাসটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সাংবাদিক শহীদুল্লাহ কায়সার রচিত। এটি ১৯৬৫ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু হলো গ্রামীণ জীবন, সমাজ পরিবর্তন ও মানুষের টিকে থাকার সংকল্প।
‘সংশপ্তক’ শব্দের অর্থ হলো— যে প্রতিজ্ঞা করেছে, যুদ্ধে হয় জয়ী হবে নতুবা মৃত্যুবরণ করবে; অর্থাৎ মৃত্যু নিশ্চিত জেনেও যে যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক হলেও তাদের প্রধান কাজগুলো ভিন্ন:
মুনীর চৌধুরী: তিনি নাটকের জন্য বিখ্যাত। যেমন— কবররক্তাক্ত প্রান্তর
জহির রায়হান: তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হাজার বছর ধরেবরফ গলা নদী
শওকত ওসমান: তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ক্রীতদাসের হাসিজননী
12

‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ প্রথম সংকলনের সম্পাদক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শওকত ওসমান
  2. জহির রায়হান
  3. আব্দুল গণি হাজারী
  4. হাসান হাফিজুর রহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হাসান হাফিজুর রহমানের সম্পাদনায় একুশের প্রথম সাহিত্য সংকলন ছিল ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ ১৯৫৩ সালে প্রকাশিত হয়। ১৬ খণ্ডে প্রকাশিত ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ: দলিল পত্র’ টিও তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়। তার রচিত কাব্যগ্রন্হগুলো হলো- আর্ত শব্দাবলী, অন্তিম শরের মতো, যখন উদ্যত সঙ্গীন, শোকার্ত তরবারী, বিমুখ প্রান্তর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত প্রথম সাহিত্য সংকলনটির নাম ছিল ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’
এটি প্রকাশিত হয় ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে (প্রথম বার্ষিকীর কিছু পরে)। এই সংকলনটির প্রকাশক ছিলেন পুঁথিপত্র প্রকাশনী
এই সংকলনের সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও কবি হাসান হাফিজুর রহমান। সংকলনটি ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম সাহিত্যিক দলিল, যা আন্দোলনের চেতনাকে তুলে ধরে।
13

‘নদী ও নারী’ কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী আব্দুল ওদুদ
  2. আবুল ফজল
  3. শামসুদ্দিন আবুল কালাম
  4. হুমায়ুন কবির

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হুমায়ুন কবির

‘নদী ও নারী’ হলো প্রখ্যাত বাঙালি সাহিত্যিক, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিবিদ হুমায়ুন কবির (১৯০৬-১৯৬৯) রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস।

এই উপন্যাসে তিনি প্রধানত পদ্মা নদীর তীরবর্তী মানুষের জীবন, তাদের সংগ্রাম ও প্রকৃতির সাথে নারীর সম্পর্কের গভীর চিত্র তুলে ধরেছেন।

অন্যান্য বিকল্প: কাজী আব্দুল ওদুদ (শাশ্বত বঙ্গ), আবুল ফজল (মাটির পৃথিবী) এবং শামসুদ্দিন আবুল কালাম (কাঁশবনের কন্যা) প্রত্যেকেই বিখ্যাত সাহিত্যিক, কিন্তু 'নদী ও নারী' তাদের রচনা নয়।
14

কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্নিকোণ
  2. মরুশিখা
  3. মরুসূর্য
  4. রাঙাজবা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের সঙ্গীতবিষয়ক গ্রন্থ রাঙাজবা। মরুশিখা হলো যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের কাব্যগ্রন্থ। মরুসূর্য হলো আ.ন.ম. বজলুর রশীদ রচিত কাব্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙাজবা
রাঙাজবা (১৯৩৩) বিখ্যাত জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি গ্রন্থ। এটি মূলত শিশু-কিশোর উপযোগী একটি কবিতার সংকলন (juvenile collection) হিসেবে প্রকাশিত হয়েছিল।
অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো অন্যান্য লেখকের রচনা:
অগ্নিকোণ: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি বিখ্যাত গল্পগ্রন্থ।
মরুশিখা: এটি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্তের লেখা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ।
মরুসূর্য: এই শিরোনামটি সরাসরি কাজী নজরুল ইসলামের কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ নয়। এই ধরনের নাম সাধারণত অন্য লেখকদের (যেমন: আহসান হাবীব) ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে, যা নজরুলকে বোঝায় না।
15

‘আত্মঘাতী বাঙালি’ কার রচিত গ্রন্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক মিত্র

  2. দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
  3. নীরদচন্দ্র চৌধুরী
  4. অতুল সুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নীরদচন্দ্র চৌধুরী রচিত বাংলা প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে ‘বাঙালী জীবনে রমণী’, ‘আমার দেশ আমার শতক’, ‘আমার দেবোত্তর সম্পত্তি’, ‘আত্মঘাতী বাঙালি’ ও ‘আত্মঘাতী রবীন্দ্রনাথ’উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো নীরদচন্দ্র চৌধুরী। ‘আত্মঘাতী বাঙালি’ (The Self-Destructing Bengali) গ্রন্থটি তাঁর বিখ্যাত এবং বহুল আলোচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
এই গ্রন্থে লেখক বাঙালি জাতির বহু চারিত্রিক দুর্বলতা এবং ঐতিহাসিক আত্মঘাতী প্রবণতা নিয়ে তীব্র বিশ্লেষণ করেছেন, যা সেই সময়ে অত্যন্ত বিতর্ক সৃষ্টি করেছিল।
গ্রন্থটি ১৯৭৩ সালে প্রকাশিত হয়। নীরদচন্দ্র চৌধুরী তীক্ষ্ণ লেখনী ও controversial মতামত প্রদানের জন্য সুপরিচিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্হ কে রচনা করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. বিনয় ঘোষ
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. রাধারমণ মিত্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ আখতারুজ্জামান ইলিয়াস রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ। ‘চিলেকোঠার সেপাই’ ও ‘খোয়াবনামা’ তার বিখ্যাত উপন্যাস। তার রচিত গল্পগ্রন্থের মধ্যে ‘দুধেভাতে উৎপাত’, ‘অন্য ঘরে অন্য স্বর’, ‘খোঁয়ারি’, ‘দোজখের ওম’ উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষভাগের একজন প্রভাবশালী বাংলাদেশি কথাসাহিত্যিক। তাঁর উপন্যাস ও গল্পে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন, শ্রেণিদ্বন্দ্ব এবং মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপট অত্যন্ত শক্তিশালীভাবে উঠে এসেছে।
‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ গ্রন্হটি মূলত তাঁর রচিত প্রবন্ধের সংকলন। এতে তিনি সংস্কৃতি, সমাজ, রাজনীতি ও সাহিত্য নিয়ে গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, এই প্রশ্নের একটি জনপ্রিয় বিভ্রান্তিকর বিকল্প হলো মোতাহের হোসেন চৌধুরী, যিনি 'সংস্কৃতি কথা' প্রবন্ধের জন্য বিখ্যাত। কিন্তু ‘সংস্কৃতির ভাঙা সেতু’ রচনা করেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
17

কাক ভূষণ্ডির অর্থ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ষড়যন্ত্রকারী
  2. বাকসর্বস্ব
  3. দীর্ঘ প্রতীক্ষমাণ
  4. দীর্ঘায়ু ব্যক্তি

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দীর্ঘায়ু ব্যক্তি
বাগধারাটির আভিধানিক অর্থ হচ্ছে অতিশয় দীর্ঘজীবী ব্যক্তি বা চিরঞ্জীব
এই বাগধারাটির উৎপত্তি হিন্দু পৌরাণিক কাহিনী থেকে। পুরাণ মতে, কাক ভূষণ্ডি ছিলেন একজন ঋষি, যিনি কাকের রূপে বহু যুগ ধরে বেঁচে ছিলেন এবং বারবার পৃথিবীর সৃষ্টি ও ধ্বংস প্রত্যক্ষ করেছিলেন।
তাই, যখন কেউ অস্বাভাবিকভাবে দীর্ঘ জীবন লাভ করে, তখন তাকে 'কাক ভূষণ্ডি' বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ষড়যন্ত্রকারী, বাকসর্বস্ব) এই বাগধারাটির সঠিক অর্থ বহন করে না।
18

নিত্য মূর্ধণ্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কষ্ট
  2. উপনিষৎ

  3. কল্যাণীয়েষু
  4. আষাঢ়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কতগুলো শব্দে স্বভাবতই মূর্ধণ্য-ষ বসে। যেমন: আষাঢ়, ঊষা, ঈষৎ, পাষণ্ড, পাষাণ, ভাষা, শোষণ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আষাঢ়
যেসব তৎসম শব্দে (সংস্কৃত শব্দে) ষ-ত্ব বিধানের (নিয়ম অনুযায়ী 'ষ' ব্যবহারের) কোনো কারণ বা সূত্র না থাকলেও স্বভাবতই মূর্ধণ্য-ষ (ষ) বিদ্যমান থাকে, তাদের নিত্য মূর্ধণ্য-ষ যুক্ত শব্দ বা স্বভাবতই 'ষ' যুক্ত শব্দ বলা হয়।
‘আষাঢ়’ শব্দটি একটি তৎসম শব্দ এবং এটি নিয়মের তোয়াক্কা না করে স্বাভাবিকভাবেই 'ষ' গ্রহণ করে। তাই এটি নিত্য মূর্ধণ্য-ষ শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— কষ্ট, উপনিষৎ— এগুলো ষ-ত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম মেনেই গঠিত হয়েছে। যেমন: কষ্ট (এখানে ট-বর্গীয় ধ্বনির পূর্বে মূর্ধণ্য-ষ বসেছে, যা ষ-ত্ব বিধানের সাধারণ নিয়ম)।
19

EXCITE:CALM

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. restrain : compose
  2. agitate : trouble
  3. upset : preturb
  4. stimulate : cool down

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Excite- উত্তেজিত করা, Calm- শান্ত। সুতরাং শব্দ দুটি Antonymous. Option তিনটির শব্দ জোড়া গুলো পরস্পর Synonymous। সুতরাং Stimulate- উত্তেজিত করা; Cool down- শান্ত করা।

ব্যাখ্যা

এই সাদৃশ্য (Analogy) প্রশ্নটিতে, প্রথম শব্দটি (EXCITE) দ্বিতীয় শব্দটির (CALM) বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
EXCITE অর্থ উত্তেজিত করা বা আলোড়িত করা, এবং CALM অর্থ শান্ত করা বা ধীর করা। অর্থাৎ, তাদের মধ্যে বিপরীত সম্পর্ক বিদ্যমান।
সঠিক বিকল্পটিও একই বিপরীত সম্পর্ক অনুসরণ করবে।
বিকল্প ৪: stimulate : cool down। এখানে Stimulate (উৎসাহিত/উত্তেজিত করা) হলো Cool down (শান্ত/নিস্তেজ করা)-এর বিপরীতার্থক শব্দ।
অন্যদিকে, বিকল্প ২ (agitate : trouble) এবং বিকল্প ৩ (upset : preturb) হলো সমার্থক শব্দ (Synonyms), যা মূল সম্পর্কের সাথে মেলে না।
20

DELAY:EXPEDITE

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. related : halt
  2. block : obstruct
  3. drag : procrastinate
  4. detain : dispatch

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Delay- বিলম্বিত করা; Expedite- ত্বরান্বিত করা। সুতরাং এ শব্দ দুটি Antonymous। Option এ Detain - আটকে রাখা, Dispatch - প্রেরণ করা। বাকি option গুলোর প্রায় সবই পরস্পর synonymous।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত এনালজি (Analogy) এর মূল জোড়ায়, DELAY (বিলম্ব করা) এবং EXPEDITE (দ্রুত সম্পন্ন করা) এর মধ্যে সম্পর্কটি হলো বিপরীতার্থক (Antonym)
আমাদেরকে এমন একটি অপশন খুঁজে বের করতে হবে, যেখানে প্রথম শব্দটি দ্বিতীয় শব্দটির বিপরীত অর্থ বহন করে।
সঠিক উত্তর: detain : dispatch
এখানে Detain মানে হলো কাউকে আটকে রাখা বা বিলম্বিত করা (Delay)
আর Dispatch মানে হলো দ্রুত কোনো কিছু পাঠিয়ে দেওয়া বা সম্পন্ন করা (Expedite)। সুতরাং, এই জোড়াও বিপরীতার্থক
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
block : obstruct: এগুলি হলো সমার্থক শব্দ (Synonyms), যার অর্থ বাধা দেওয়া।
drag : procrastinate: 'Drag' (টানা/ধীর করা) এবং 'procrastinate' (বিলম্ব করা) অর্থগতভাবে কাছাকাছি, কিন্তু বিপরীত নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

ANARCHY:GOVERNMENT

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. penury : wealth
  2. chaos : disorder
  3. monarchy : republic
  4. verbosity : words

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সরকারের অভাবে যেমন অরাজকতা (Anarchy) সৃষ্টি হয় তেমনি সম্পদের (wealth) অভাবে দারিদ্র্য (penury) আসে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত Analogy টি হলো: ANARCHY : GOVERNMENT
এখানে সম্পর্কটি হলো 'Absence of the Second Term'।
ANARCHY (অরাজকতা/নৈরাজ্য) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে GOVERNMENT (সরকার) বা শাসনের সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি দেখা যায়।
আমরা এবার অপশনগুলোর সম্পর্ক পরীক্ষা করব:
সঠিক উত্তর (A) penury : wealthPenury (চরম দারিদ্র্য) হলো wealth (সম্পদ)-এর সম্পূর্ণ অনুপস্থিতি বা অভাব। এটি মূল Analogy-এর সম্পর্ককে নিখুঁতভাবে অনুসরণ করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
(B) chaos : disorder: দুটি শব্দই সমার্থক (Synonyms)।
(C) monarchy : republic: দুটিই ভিন্ন ধরনের শাসন ব্যবস্থা (Forms of Government)। সম্পর্কটি অনুপস্থিতি বা বিপরীত নয়।
(D) verbosity : words: Verbosity মানে অতিরিক্ত শব্দ বা কথার ব্যবহার (Excessive use of words)। এটি 'Words'-এর অনুপস্থিতি নয়।
22

VACCINE:PREVENT

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. wound : heal
  2. victim : attend
  3. antidote : counteract
  4. diagnosis : cure

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Vaccine এর কাজ হচ্ছে রোগ প্রতিরোধ করা। তদ্রূপ Antidote (রোগ প্রতিরোধক ওষুধ) রোগের বিস্তারকে ব্যর্থ করে (counteract).

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি একটি Analogy (সাদৃশ্য বিচার)-এর উদাহরণ। Analogy সমাধানের জন্য প্রথমে প্রদত্ত জোড়টির মধ্যে সঠিক সম্পর্কটি চিহ্নিত করতে হবে।
VACCINE : PREVENT এর সম্পর্ক হলো: [Item] is used to [Action/Function]. অর্থাৎ, VACCINE (টিকা) ব্যবহার করা হয় কোনো রোগকে PREVENT (প্রতিরোধ) করতে।
এই সম্পর্কটি খুঁজে দেখতে হবে কোন অপশনে বিদ্যমান।
সঠিক উত্তর হলো (C) antidote : counteract। এখানে, ANTIDOTE (প্রতিষেধক/বিষনাশক) ব্যবহার করা হয় বিষের ক্রিয়াকে COUNTERACT (প্রতিরোধ বা নিষ্ক্রিয়) করতে। টিকার মতো Antidote-ও একটি ক্ষতিকর বস্তুর প্রভাবকে নষ্ট করে দেয়।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
A. wound : heal: আঘাত (Wound) নিজে প্রতিরোধক নয়, বরং এটি আরোগ্য লাভ (Heal) করার একটি প্রক্রিয়া। টিকার মতো এটি কোনো এজেন্ট নয়।
B. victim : attend: ভুক্তভোগী (Victim) হলো ব্যক্তি, এবং তাকে পরিচর্যা করা (Attend) হলো কাজ। এটি Agent-Function সম্পর্ক প্রকাশ করে না।
D. diagnosis : cure: রোগ নির্ণয় (Diagnosis) একটি প্রক্রিয়া, আর নিরাময় (Cure) হলো ফল। Diagnosis নিজে Cure করে না।
23

____ glass is, for all practical purposes, a solid, its molecular structure is that of a liquid.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Because
  2. Since
  3. Although
  4. If

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুটি clause যুক্ত এধরনের বাক্যের প্রতিটি clause থেকে Key words সনাক্ত করে এদের সম্পর্ক নির্ণয় করতে হয়। Key word(s) সাধারণত Object এর স্থলে ব্যবহৃত Adjective বা Adverb. এখানে ১ম Clause টির Key words হচ্ছে ‘Solid’ এবং ২য় টির Key words হচ্ছে ‘Liquid’ উভয়ের সম্পর্ক বিপরীতধর্মী। সুতরাং এরা Contrast বা বৈপরীত্য প্রকাশ করেছে। এ ধরনের Contrast indicating conjunction হচ্ছে Although/Though/Even though ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Although (যদিও)।
এই বাক্যটিতে দুটি সম্পূর্ণ বিপরীতধর্মী ধারণা বা বৈসাদৃশ্য (Contradictory/Contrasting ideas) প্রকাশ করা হয়েছে। প্রথম অংশে বলা হচ্ছে কাঁচ কার্যত একটি কঠিন পদার্থ (solid), কিন্তু দ্বিতীয় অংশে বলা হচ্ছে এর আণবিক গঠন তরলের (liquid) মতো।
যখন দুটি পরস্পর বিরোধী বাক্যংশকে যুক্ত করতে হয়, তখন আমরা Concessive Conjunctions (যেমন: Although, Though, Even though) ব্যবহার করি।
Although এর অর্থ হলো 'যদিও' বা 'সত্ত্বেও', যা এই বাক্যের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
সঠিক বাক্যটি দাঁড়ায়: Although glass is, for all practical purposes, a solid, its molecular structure is that of a liquid. (যদিও কাঁচ কার্যত একটি কঠিন পদার্থ, তবুও এর আণবিক কাঠামো তরলের মতো।)
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
Because/Since কারণ (Reason) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
If শর্ত (Condition) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। এদের কোনোটিই বৈসাদৃশ্য প্রকাশ করে না।
24

An intensive search was conducted by the detective to locate those criminals, who-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have had escaped
  2. had escaped
  3. are escaping
  4. have been escaping

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এখানে Who দ্বারা দুটি clause যুক্ত হয়েছে। প্রথম clause টিতে যেহেতু past tense ব্যবহৃত হয়েছে কাজেই অপর clause টিতেও past tense ব্যবহার করা আবশ্যক। এখানে শুধু had escaped. তাই past tense ব্যবহার করা হয়েছে (had), অপর তিনটিতে present tense ব্যবহার করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Sequence of Tenses (Tense-এর ধারাবাহিকতা) এবং Past Perfect Tense-এর সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত।
বাক্যটিতে দুটি প্রধান অংশ রয়েছে: ১. An intensive search was conducted... (তল্লাশি চালানো হয়েছিল - Simple Past) এবং ২. ...those criminals, who- (অপরাধীরা যারা পালিয়ে গিয়েছিল)।
নিয়ম অনুযায়ী, অতীতে যখন দুটি কাজ সংঘটিত হয়, তখন যে কাজটি তুলনামূলকভাবে আগে সম্পন্ন হয়, সেই কাজটি Past Perfect Tense (Subject + had + V3) এ লিখতে হয় এবং যে কাজটি পরে হয়, তা Simple Past Tense-এ লিখতে হয়।
এখানে, প্রথমে অপরাধীরা পালিয়ে গিয়েছিল, এবং তার পরে গোয়েন্দা তাদের খুঁজে বের করার জন্য তল্লাশি চালিয়েছিলেন।
যেহেতু 'পালিয়ে যাওয়া' (escaped) কাজটি তল্লাশির (was conducted) আগে হয়েছে, তাই শূন্যস্থানে অবশ্যই Past Perfect Tense বসবে।
সঠিক উত্তর: had escaped (Past Perfect Tense)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: 'are escaping' (Present Continuous) বা 'have been escaping' (Present Perfect Continuous) অতীতের ঘটনার ধারাবাহিকতার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
25

The intellectual can no longer be said to live ____ the margine of society.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. against
  2. beyond
  3. inside
  4. before

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

The margine of society বলতে এখানে সমাজের সীমারেখা বোঝানো হয়েছে। বাক্যটির অর্থ হল “বুদ্ধিজীবীরা সমাজের উর্ধ্বে বাস করতে পারে না” তাই beyond বসবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: beyond
Beyond শব্দটি সাধারণত কোনো কিছুর সীমার বাইরে, সীমানা অতিক্রম করে বা ঊর্ধ্বে বোঝাতে ব্যবহৃত হয় (meaning: further away than, or surpassing the limits of)।
এখানে বাক্যটির অর্থ হলো, বুদ্ধিজীবীদের আর সমাজের কেবল প্রান্তসীমায় (at the margin) অবস্থানকারী হিসেবে বিবেচনা করা যায় না, বরং তারা সেই সীমার বাইরে বা তার ঊর্ধ্বে চলে গেছেন। অর্থাৎ, তাদের প্রভাব সমাজের মূল স্রোতে ঢুকে গেছে।
যদি আমরা 'against', 'inside' বা 'before' ব্যবহার করি, তবে তা বাক্যের কাঠামোগত বা ভাবগত অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না। 'Inside the margin' সাধারণত ব্যবহার হয় না, এবং 'against the margin' বিরোধীতা বোঝায়, যা এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

According to the conditions of my scholarship, after finishing my degree-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. my education will be employed the University
  2. employment will be given to me by the University
  3. the University will employ me
  4. I will be employed of the University

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে মূল Sentence এ Subject অনুপস্থিত কাজেই gap এ প্রদত্ত clause এর subject থাকতে হবে। (ক) তে subject grammatical error (ঘ) তে subject ঠিক হলেও clause টিতে of থাকায় ভুল। তাই the University will employ me যথার্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: the University will employ me। এটি একটি বাক্যের সঠিক সমাপ্তি এবং ব্যাকরণগতভাবে ত্রুটিমুক্ত বাক্য গঠন নিশ্চিত করে।
বাক্যটির শুরুতে একটি শর্তমূলক ক্লজ (Conditional Clause) এবং একটি পার্টিসিপিয়াল ফ্রেজ (Participial Phrase) রয়েছে: 'According to the conditions of my scholarship, after finishing my degree—'
এই ধরনের Sentence Completion প্রশ্নের ক্ষেত্রে, প্রথমত দেখতে হয় যেন কোনো Dangling Modifier (বিচ্ছিন্ন বা ঝুলন্ত বাক্যাংশ) তৈরি না হয়। যদিও 'after finishing my degree' ফ্রেজটির কর্তা (Subject) হলো 'I', কিন্তু অপশনগুলোর মধ্যে এমন একটি উত্তর বেছে নিতে হবে যা সম্পূর্ণভাবে ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং অর্থের দিক থেকে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
ভুল অপশনগুলো কেন ভুল:

১. 'employment will be given to me by the University': এটি একটি Dangling Modifier-এর উদাহরণ। 'after finishing my degree' ফ্রেজটির কর্তা 'I' হলেও, কমার পরে মূল বাক্যের কর্তা হিসেবে আছে 'employment' (কর্মসংস্থান)। কর্মসংস্থান নিজে ডিগ্রি শেষ করতে পারে না। তাই এটি ভুল।

২. 'my education will be employed the University' এবং 'I will be employed of the University': এই অপশনগুলোতে Preposition-এর ভুল ব্যবহার রয়েছে। 'employed of' ব্যাকরণগতভাবে ভুল; সঠিক ব্যবহার হলো 'employed by' (কারও দ্বারা নিযুক্ত হওয়া)।

৩. 'the University will employ me': এই অপশনটি Active Voice-এ আছে এবং চুক্তির শর্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে নিয়োগ করবে—এই ভাবটি স্পষ্ট ও ব্যাকরণগতভাবে সঠিকভাবে প্রকাশ করে। এটিই প্রদত্ত অপশনগুলির মধ্যে সেরা পছন্দ।
27

If a substance is cohesive, it tends to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. retain heat
  2. bend without much difficulty
  3. stick together
  4. break easily

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Cohesive - দৃঢ়ভাবে একত্রে লেগে থাকে এমন। এখন, Retain heat - তাপ অব্যাহত রাখা। Bend without too much difficulty - খুব বেশি কাঠিন্য ছাড়াই বাঁকা হয়। Stick together - একত্রে লেগে থাকা। Break easily - সহজেই ভেঙে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: stick together (একসঙ্গে লেগে থাকা)
পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল কাজ করে, তাকে সংশক্তি বল (Cohesion) বলা হয়। এই বলের প্রভাবে একই পদার্থের অণুগুলো একে অপরকে আকর্ষণ করে।
যদি একটি পদার্থ cohesive (সংশক্তিপূর্ণ) হয়, তার মানে হলো এর অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ অনেক বেশি। ফলে পদার্থটির মৌলিক প্রবণতা হলো ভেঙে না গিয়ে একসঙ্গে লেগে থাকা
উদাহরণস্বরূপ, পারদ (Mercury) একটি অত্যন্ত সংশক্তিপূর্ণ তরল, যার ফলে এটি কাঁচের গায়ে লেগে না থেকে গোলাকার ফোঁটা তৈরি করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: তাপ ধরে রাখা (retain heat) পদার্থের আপেক্ষিক তাপের বৈশিষ্ট্য, এবং সহজে বেঁকে যাওয়া (bend easily) পদার্থের স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity) বা নমনীয়তার সঙ্গে সম্পর্কিত।
28

He stopped his car ___ when the light truned red.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. abruptly
  2. equitably
  3. ambiguously
  4. incisively

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Abruptly - হঠাৎ করে, আকস্মিকভাবে, আচমকা। Equitably - ন্যায় সঙ্গতভাবে। Ambiguously -দ্ব্যর্থপূর্ণভাবে। Incisively- তীক্ষ্মভাবে। প্রশ্নে যেহেতু লালবাতি দেখে গাড়ি থামনোর কথা বলা হয়েছে, তাই abruptly সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: abruptly
বাক্যটিতে একটি Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ) প্রয়োজন, যা stopped (থামানো) ক্রিয়াটিকে বিশেষভাবে বর্ণনা করবে। অর্থাৎ, কীভাবে গাড়িটি থামানো হয়েছিল?
ট্র্যাফিক লাইট লাল হয়ে গেলে গাড়ি সাধারণত হঠাৎ বা তাড়াতাড়ি থামাতে হয়। এই আকস্মিক থামানোর ভাবটি প্রকাশ করে abruptly শব্দটি।
Abruptly অর্থ হলো: হঠাৎ করে, আকস্মিকভাবে বা ত্বরিত গতিতে (suddenly or quickly).
বাক্যের অর্থ দাঁড়ায়: যখন লাইট লাল হয়ে গেল, সে তার গাড়িটি হঠাৎ করে থামিয়ে দিল
ভুল উত্তর কেন:
- equitably (ন্যায্যভাবে) বা ambiguously (অস্পষ্টভাবে) অথবা incisively (তীক্ষ্ণভাবে) থামানোর কাজের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
29

The influence of the technological revolution in ––and ––the ––concentration of wealth and power in the hands of the few should worry us all.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Proliferating–diminishing
  2. Undermining–neutralizing
  3. Accelerating–intensifying
  4. Aggravating–demolishing.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Double blanks যুক্ত বাক্যে and দ্বারা blank দুটি যুক্ত থাকলে blank দুটিতে synonym বা near-synonym ব্যবহার করতে হয়। Proliferating- ক্রমবর্ধমান, দ্রুত বর্ধমান, দ্রুত বাড়ছে এমন। Diminishing– ক্রম হ্রাসমান। এরা পরস্পর Antonymous. Undermining– ক্রমশ দুর্বল হচ্ছে এমন। Neutralizing– ক্রম নিষ্ক্রিয়মান। এদের অর্থ প্রায় কাছাকাছি। Accelerating – বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন, দ্রুততর হচ্ছে এমন। Intensifying – বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন, তীব্রতর হচ্ছে এমন। এরাও Synonymous. Aggravating – প্রকোপ বৃদ্ধি পাচ্ছে এমন, শোচনীয়তর হচ্ছে এমন। Demolishing – ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে এমন। এরা Synonymous নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (C) Accelerating–intensifying
এই Sentence Completion প্রশ্নটির উত্তর দেওয়ার জন্য বাক্যের Context বা ভাবগত অর্থ বোঝা অত্যন্ত জরুরি। বাক্যটির মূল বক্তব্য হলো: প্রযুক্তিগত বিপ্লবের প্রভাবে সম্পদ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ (concentration of wealth and power) মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের হাতে দ্রুত বাড়ছে, যা আমাদের উদ্বিগ্ন করা উচিত ("should worry us all")।
যেহেতু ফলাফলটি উদ্বেগের, তাই ব্ল্যাঙ্ক দুটিতে এমন শব্দ বসাতে হবে যা এই কেন্দ্রীকরণের প্রক্রিয়াকে বৃদ্ধি বা তীব্রতা বৃদ্ধি নির্দেশ করে। এই ক্ষেত্রে শব্দ দুটির মধ্যে Parallelism (সমান্তরালতা) বজায় রাখা প্রয়োজন।
Blank 1 (Accelerating): প্রযুক্তিগত বিপ্লবের প্রভাব এই কেন্দ্রীভবনের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে (accelerating) - যা গতির বৃদ্ধি বোঝায়।
Blank 2 (Intensifying): এই কেন্দ্রীভবনকে তীব্রতর করছে (intensifying) - যা শক্তির বৃদ্ধি বা প্রভাবের তীব্রতা বোঝায়।
অপশন (C) এই নেতিবাচক এবং ক্রমবর্ধমান প্রক্রিয়াকে সঠিক ভাবে প্রকাশ করে।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ (A) Proliferating (বৃদ্ধি) এবং diminishing (হ্রাস) পরস্পরবিরোধী। (B) Undermining বা Neutralizing দ্বারা কেন্দ্রীকরণকে দুর্বল করা বোঝায়, যা উদ্বেগের কারণ নয়।
30

Few people would care to take the negative side of the proposition that the women of the world are – and –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. admired–provkoked

  2. oppressed– scorned
  3. rebuked–regaled
  4. slighted–celebrated

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

And দ্বারা দুটি blank যুক্ত থাকায় অবশ্যই Synonym ব্যবহার করতে হবে। Admire (d) প্রশংসা করা, বিমুগ্ধ হওয়া। Provoke (d) অবহেলিত, তাচ্ছিল্য করা হয় এমন। এরা Synonymous. Oppressed - নিপিড়ীত, অত্যাচারিত, অবহেলিত। Scorned - অবহেলিত, তাচ্ছিল্য করা। এরা Synonymous. Rebuked- তিরস্কৃত। Regaled- পরিতৃপ্ত, সুখি, আনন্দিত। এরা Antonymous. Slighted- উপেক্ষিত, অবজ্ঞাকৃত। Celebrated- প্রসিদ্ধ, খ্যাত, শ্রদ্ধা ও সম্মান আছে এমন। এরা Synonymous নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: oppressed– scorned
বাক্যটির অর্থ বোঝার জন্য প্রথমে মূল অংশটি বিশ্লেষণ করতে হবে: 'Few people would care to take the negative side of the proposition that...'। এর অর্থ হলো—খুব কম লোকই এই ধারণার নেতিবাচক দিকটি নিয়ে বিতর্ক করবে। অর্থাৎ, বাক্যটির মূল বক্তব্যটি একটি সার্বজনীনভাবে স্বীকৃত নেতিবাচক বাস্তবতা তুলে ধরছে।
মূল প্রপোজিশনটি হলো: 'the women of the world are – and –' (বিশ্বের নারীরা X এবং Y)। যেহেতু প্রপোজিশনটি এমন একটি বাস্তবতা যা অস্বীকার করার মতো মানুষ কম, তাই X এবং Y দুটোই এমন শব্দ হবে যা নারীর সামাজিক দুর্বলতা বা দুর্দশা নির্দেশ করে।
Oppressed অর্থ নির্যাতিত বা নিপীড়িত
Scorned অর্থ ঘৃণিত বা অবজ্ঞা করা
এই দুটি শব্দই নেতিবাচক অর্থ বহন করে এবং নারীর সামাজিক অবস্থান বা বঞ্চনার সমান্তরাল বর্ণনা দেয়।
অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলোতে নেতিবাচক ও ইতিবাচক শব্দের মিশ্রণ আছে (যেমন: admired–provoked; rebuked–regaled; slighted–celebrated), যা বাক্যের মূল ভাবনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। তাই, একমাত্র oppressed– scorned জোড়টিই প্রাসঙ্গিকভাবে সঠিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

Anger, even when it is___has one virtue, it overcome–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. sinful–sloth
  2. inevitable – desire
  3. unnecessary – malice
  4. intense – hate

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এ বাক্যে দুটি clause আছে- (১) it is- (২) it overcomes এরা even when দ্বারা যুক্ত। Althouth/though/even though/even when প্রভৃতি দ্বারা দুটি বিপরীত অর্থবোধক ধারণা যুক্ত হয়। সুতরাং শূন্যস্থান দুটোর একটিতে Negative idea এবং অপরটিতে Positive idea ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে ব্যবহৃত শব্দ দুটি হবে অর্থগত দিক দিয়ে বিপরীতধর্মী। এখানে, Sinful- পাপপূর্ণ। Sloth- আলস্য, ঢিলেমি। Inevitable - অনতিক্রম্য, অনিবার্য, যা বর্জন করা অসম্ভব। Desire - আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন, আশা। Unnecessary - অপ্রয়োজনীয়, অহেতুক, অকারণ। Malice - বিদ্বেষ, অশুভ কামনা। Intense - তীব্র, উদগ্র, প্রবল। Hate - ঘৃণা।

ব্যাখ্যা

এটি একটি Contextual Fill-in-the-Blanks প্রশ্ন। এখানে বাক্যের অর্থগত ধারাবাহিকতা রক্ষা করতে হবে। বাক্যের গঠনটি হলো: 'Anger, even when it is **[X]**, has one virtue, it overcomes **[Y]**'। এর অর্থ হলো, ক্রোধের মধ্যে একটি **[X]** দিক থাকা সত্ত্বেও, এর একটি গুণ আছে যে এটি **[Y]** কে পরাস্ত করে।
প্রথম শব্দটি (X) এমন হওয়া চাই যা 'Anger'-এর একটি নেতিবাচক বা স্বাভাবিক বৈশিষ্ট্য প্রকাশ করে, যা সত্ত্বেও এর একটি গুণ থাকতে পারে। দ্বিতীয় শব্দটি (Y) এমন হওয়া চাই যা একটি নেতিবাচক আবেগ বা অভ্যাস, যাকে ক্রোধ অতিক্রম করতে পারে।
সঠিক উত্তর: inevitable – desire (অনিবার্য – আকাঙ্ক্ষা/লালসা)।
ব্যাখ্যা:
১. inevitable (অনিবার্য): রাগ বা ক্রোধকে প্রায়শই মানুষের একটি অনিবার্য (unavoidable) আবেগ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এটি প্রথম শূন্যস্থানে ব্যাকরণগতভাবে এবং অর্থগতভাবে সঠিক।
২. desire (আকাঙ্ক্ষা/লালসা): Desire বলতে সাধারণত ব্যক্তিগত অতিরিক্ত ভোগ বা আত্মকেন্দ্রিকতা বোঝায়। কিছু দার্শনিক ধারণায়, যখন ক্রোধ ন্যায়ের বা উচ্চতর লক্ষ্যের দিকে পরিচালিত হয়, তখন তা মানুষের ছোট, আত্মকেন্দ্রিক desire (লালসা/ক্ষুদ্র আকাঙ্ক্ষা)-কে দমন বা পরাস্ত করার শক্তি যোগায়।
সুতরাং, 'Anger, even when it is inevitable, has one virtue, it overcomes desire' বাক্যটি সম্পূর্ণ অর্থবহ হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
অপশন 'sinful – sloth' প্রখ্যাত উক্তি হলেও (যা Francis Bacon এর একটি উক্তি) প্রদত্ত অপশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। অন্যদিকে, 'unnecessary – malice' এবং 'intense – hate' লজিক্যালি দুর্বল, কারণ রাগ সাধারণত malice (দ্বেষ) বা hate (ঘৃণা)-কে অতিক্রম করে না, বরং উৎসাহিত করে।
32

The word ‘dilly dally’ means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. To dilute
  2. Wait impatiently
  3. Repeat
  4. Waste time

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

‘Dilly dally’ হলো একটি Reduplication Idiom (যেখানে শব্দ বা শব্দের অংশ পুনরাবৃত্তি হয় বা ছন্দে থাকে), যার আভিধানিক অর্থ হলো সময় নষ্ট করা, গড়িমসি করা অথবা অহেতুক দেরি করা।
এটি সাধারণত কোনো কাজ শুরু করতে বা শেষ করতে অকারণে সময়ক্ষেপণ করা বোঝায়।
এখানে অপশনগুলোর মধ্যে, ‘Waste time’ (সময় নষ্ট করা) অর্থটি সরাসরি ‘dilly dally’ এর সাথে মিলে যায়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: Waste time
33

The word ‘Euphemism’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Stating one thing like another
  2. Description of a disagreeable thing by an agreeable name
  3. Contrast of words is made in the same sentence
  4. A statement is made emphatic by verstatement

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Euphemism’- সুভাষণ, রূঢ় শব্দের পরিবর্তে সমার্থক সুন্দর শব্দ/শব্দগুচ্ছ ব্যবহার। এ অর্থের সাথে মিল রয়েছে একমাত্র অপশন Description of a disagreeable thing by an agreeable name তে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Description of a disagreeable thing by an agreeable name (অপশন ২)।
Euphemism একটি গুরুত্বপূর্ণ Figure of Speech বা অলংকারিক কৌশল। এর অর্থ হলো শ্রুতিকটু শব্দের কোমল ব্যবহার। অর্থাৎ, যখন আমরা কোনো রূঢ়, অপ্রীতিকর, বা কঠোর সত্যকে নরম, শালীন বা গ্রহণযোগ্য ভাষায় প্রকাশ করি, তখন তাকে ইউফেমিজম বলে।
উদাহরণস্বরূপ, কেউ মারা গেলে 'died' না বলে 'passed away' বলা হলো Euphemism।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
• 'Stating one thing like another' দ্বারা সাধারণত Simile/Metaphor বোঝায়।
• 'Contrast of words is made in the same sentence' দ্বারা Antithesis (বৈপরীত্য) বোঝায়।
• 'A statement is made emphatic by overstatement' দ্বারা Hyperbole (অতিশয়োক্তি) বোঝায়।
34

The passive form of the sentence ‘Some children were helping the wounded man’––

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The wounded man was helped by some children
  2. The wounded man was helping by some children
  3. The wounded man was being helped by some children
  4. The wounded man was to be helped by some children

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Rumor is the most primitive way of spreading stories–by passing them on from mouth to mouth. But civilized countries in normal times have better sources of news than rumor. They have radio, television and newspapers. In times of stress and confusion, however, rumor emerges and becomes rife. At such times different kinds of news are in competition, the press, television and radio versus the grape vine. Especially do rumors spread when war requires censorship on many important matters. The customary news sources no longer give out enough information. Since the people cannot learn through legitimate channels all that they are anxious to learn, they pick up ‘news’ wherever they can and when this happens, rumor thrives. Rumors are often repeated even by those whom do not believe the tales. There is a fascination about them. The reason is that the cleverly designed rumor gives expression to something deep in the hearts of the victims–the fears, suspicions, forbidden hopes, or daydreams which they hesitate to voice directly, Pessimistic rumors about defeat and disasters show that the people who repeat them are worried and anxious. Optimistic rumors about record production or peace soon coming paint to complacency or confidence – and often to overconfidence.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: The wounded man was being helped by some children
প্রদত্ত বাক্যটি 'Some children were helping the wounded man' হলো Past Continuous Tense-এর Active Voice
Past Continuous Tense-এর Passive Voice করার নিয়ম হলো:
Object (Subject হবে) + was/were + being + V3 (Past Participle) + by + Subject (Object হবে)
এখানে, Object হলো ‘the wounded man’ (যা Passive-এ Subject হবে), এবং এটি singular, তাই এর পরে was বসবে।
Continuous Tense-এর জন্য being এবং মূল verb ‘help’-এর V3 রূপ helped বসবে।
অতএব, গঠনটি দাঁড়ায়: The wounded man + was + being + helped + by + some children
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: অপশন A (was helped) হলো Simple Past-এর Passive, অপশন B বাক্যের গঠনগতভাবে ভুল (tense-এর পরিবর্তন হয়নি)।
35

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয় কোন তারিখ থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানুয়ারি ১০, ১৯৭৩
  2. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২
  3. নভেম্বর ৪, ১৯৭২
  4. অক্টোবর ১১, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি অস্থায়ী সংবিধান আদেশ জারির পর ২৩ জুন রাষ্ট্রপতি গণপরিষদ আদেশ জারি করেন। ১০ এপ্রিল গণপরিষদের প্রথম অধিবেশন বসে। এ অধিবেশনে খসড়া সংবিধান প্রণয়নের জন্য ৩৪ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়। এ কমিটির সভাপতি ছিলেন ড. কামাল হোসেন। এ কমিটি গণপরিষদে খসড়া সংবিধান পেশ করে ১৯৭২ সালের ১২ অক্টোবর, যা ৪ নভেম্বর গণপরিষদ কর্তৃক গৃহীত হয় এবং ১৯৭২ সালের ১৬ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭২। এই তারিখেই গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর বা প্রবর্তিত (Enforced) হয়।
সংবিধান কার্যকর করার জন্য ১৬ ডিসেম্বর তারিখটি বেছে নেওয়া হয়েছিল কারণ এই দিনটি আমাদের বিজয় দিবস
অন্যদিকে, অপশনসমূহে থাকা নভেম্বর ৪, ১৯৭২ তারিখে গণপরিষদ কর্তৃক সংবিধানটি গৃহীত (Adopted/Passed) হয়েছিল। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে এই দুটি তারিখ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক, তাই এই পার্থক্যটি মনে রাখা জরুরি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

বাংলাদেশের জেলা সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫৪টি
  2. ৩৬টি
  3. ৬৪টি
  4. ৪৪টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে প্রায় এক দশক বাংলাদেশের জেলার সংখ্যা ছিল ২০টি। সামরিক শাসক লে.জে. হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদ ক্ষমতায় আসার পর প্রশাসনিক কাজে গতিশীলতা আনতে ১৯৮৪ সালে জেলার সংখ্যা ৬৪টিতে উন্নীত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬৪টি
প্রশাসনিক সুবিধার জন্য বাংলাদেশকে মোট ৬৪টি জেলায় বিভক্ত করা হয়েছে। এটি বাংলাদেশের একটি মৌলিক ও অপরিহার্য তথ্য।
১৯৮২ সালে প্রথম রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে তৎকালীন সব মহকুমাকে জেলায় উন্নীত করার প্রক্রিয়া শুরু করেন এবং ১৯৮৪ সালের মধ্যে এই ৬৪টি জেলার চূড়ান্ত কাঠামো কার্যকর করা হয়।
অন্যান্য অপশন (৫৪টি, ৩৬টি, ৪৪টি) বাংলাদেশের প্রশাসনিক বিভাগ বা উপাত্তের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
37

বাংলাদেশের সংসদীয় ব্যবস্থা সংবিধানের কোন সংশোধনীর মাধ্যমে পুনঃপরিবর্তিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অষ্টম
  2. নবম
  3. একাদশ
  4. দ্বাদশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলে ১৯৭৫ সালে বাংলাদেশের সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে রাষ্ট্রপতি শাসিত শাসন ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়। ১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট দ্বাদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংসদীয় শাসন ব্যবস্থা পুনঃপরিবর্তিত হয়। এটি ১৮ সেপ্টেম্বর রাষ্ট্রপতির অনুমোদন পায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দ্বাদশ সংশোধনী
১৯৯১ সালের ৬ আগস্ট জাতীয় সংসদে সংবিধানের দ্বাদশ সংশোধনী বিলটি পাশ হয়। এর মূল উদ্দেশ্য ছিল বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থার (Presidential System) পরিবর্তে পুনরায় সংসদীয় সরকার ব্যবস্থা (Parliamentary System) পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।
সংসদীয় ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী হলেন সরকারের নির্বাহী প্রধান এবং রাষ্ট্রপতি হলেন সাংবিধানিক বা নামমাত্র প্রধান।
উল্লেখ্য, এর আগে চতুর্থ সংশোধনীর (১৯৭৫) মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংসদীয় ব্যবস্থা বাতিল করে রাষ্ট্রপতি শাসিত ব্যবস্থা চালু করেছিলেন।
38

বাংলার ফরায়েজী আন্দোলনের সূচনাকারী কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিতুমীর
  2. হাজী মোহাম্মদ মহসীন
  3. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  4. হাজী মোহাম্মদ দানেশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হাজী শরীয়তুল্লাহ নেতৃত্বে মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনে উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলন হলো ফরায়েজি আন্দোলন। তার মৃত্যুর পর ফরায়েজি আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তার একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া। দুদু মিয়ার বিখ্যাত উক্তি হলো “জমি থেকে খাজনা আদায় আল্লাহর আইনের পরিপন্থী”।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাজী শরীয়তুল্লাহ
ফরায়েজী আন্দোলন বাংলার ইতিহাসে ১৯শ শতকের প্রথম দিকে (১৮১৮ সাল) শুরু হওয়া একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও সামাজিক সংস্কারমূলক আন্দোলন।
এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসলাম ধর্মের 'ফরজ' (আবশ্যিক কর্তব্য) পালন করা এবং সমাজে প্রচলিত অনৈসলামিক রীতিনীতি (যেমন- পীরপূজা, মহররমের তাজিয়া ইত্যাদি) বর্জন করা। আন্দোলনের নামকরণও হয়েছে 'ফরজ' শব্দটি থেকে।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
তিতুমীর: তিনি বারাসাত বিদ্রোহ (১৮৩১) ও তরিকাহ-ই-মুহাম্মদীয়া নামক ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের নেতা ছিলেন।
হাজী মোহাম্মদ মহসীন: তিনি একজন দানশীল সমাজসেবক ছিলেন, যিনি মহসীন ফান্ডের মাধ্যমে শিক্ষা প্রসারে বিশাল অবদান রাখেন। আন্দোলনের সঙ্গে তাঁর সরাসরি যোগাযোগ নেই।
39

বাংলার প্রাচীনতম জায়গা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনারগাঁও
  2. বিক্রমপুর
  3. পুণ্ড্র
  4. গোপালগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রাচীন যুগে বাংলায় অখণ্ড কোনো রাজ্য ছিল না। ভিন্ন ভিন্ন নামে খণ্ডে খণ্ডে বিভিন্ন জনপদে বিভক্ত ছিল সমগ্র বাংলা। বাংলার প্রাচীনতম জনপদ বগুড়া জেলায় অবস্থিত, যার নাম মহাস্থানগড় (পুণ্ড্রনগর)। বগুড়া শহর থেকে ১০ কি.মি. উত্তরে করতোয়া নদীর পশ্চিম তীরে এর অবস্থান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্র
প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে যেটি সবচেয়ে প্রাচীন এবং যার কথা সবচেয়ে আগে জানা যায়, সেটি হলো পুণ্ড্র বা পুণ্ড্রবর্ধন জনপদ।
এই জনপদটি উত্তরবঙ্গে অবস্থিত ছিল এবং এটি মৌর্য সাম্রাজ্যেরও (খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতক) অনেক আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বলে মনে করা হয়।
এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
সোনারগাঁও এবং বিক্রমপুর যদিও গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন ও মধ্যযুগের স্থান, কিন্তু তারা পুণ্ড্রের তুলনায় অনেক আধুনিক। বিক্রমপুর ছিল পাল ও সেনদের প্রশাসনিক কেন্দ্র, আর সোনারগাঁও ছিল মধ্যযুগের ঈসা খাঁ’র রাজধানী।
40

মুজিবনগর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাতক্ষীরায়
  2. মেহেরপুরে
  3. চুয়াডাঙ্গায়
  4. নবাবগঞ্জে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুজিবনগর, খুলনা বিভাগের মেহেরপুর জেলায় অবস্থিত। এখানেই ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল আনুষ্ঠানিকভাবে ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’ শপথ গ্রহণ করে। উল্লেখ্য, বৈদ্যনাথতলা ইউনিয়নের ভবের পাড়া গ্রামের নাম পরিবর্তন করেই মুজিবনগর রাখা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেহেরপুর। ঐতিহাসিক মুজিবনগর মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলা (পরবর্তীতে নাম পরিবর্তন করে মুজিবনগর রাখা হয়) গ্রামে অবস্থিত।
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল এখানেই স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার (Provisional Government) শপথ গ্রহণ করে।
শপথ গ্রহণের পরই মুজিবনগর সরকারের কার্যক্রম শুরু হয় এবং এর মাধ্যমেই বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম আন্তর্জাতিক বৈধতা লাভ করে।
মেহেরপুর পূর্বে বৃহত্তর কুষ্টিয়া জেলার অংশ ছিল। চুয়াডাঙ্গা, সাতক্ষীরা এবং নবাবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) পশ্চিম সীমান্ত সংলগ্ন জেলা হলেও শপথ অনুষ্ঠানের স্থান ছিল মেহেরপুর
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি বাহিনী ঢাকার কোথায় আত্মসমর্পন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রমনা পার্কে
  2. পল্টন ময়দানে
  3. তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে
  4. ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাক বাহিনী ঢাকার তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে ভারতীয় মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আত্মসমর্পন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে। বর্তমানে এই স্থানটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যান নামে পরিচিত।
দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটে এই ময়দানেই পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করে।
পাকিস্তানের পক্ষে আত্মসমর্পণের দলিলে স্বাক্ষর করেন পূর্বাঞ্চলীয় সামরিক কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল আমির আবদুল্লাহ খান নিয়াজি
মিত্রবাহিনীর (ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ড ও বাংলাদেশ ফোর্সের যৌথ কমান্ড) পক্ষে দলিলে স্বাক্ষর করেন লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা
এই ঐতিহাসিক আত্মসমর্পণের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয় সুনিশ্চিত হয়।
42

বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির ভোটাধিকার প্রাপ্তির ন্যূনতম বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ বছর
  2. ১৮ বছর
  3. ২০ বছর
  4. ২১ বছর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদের (খ)-তে বলা হয়েছে ‘কোন ব্যক্তি সংসদের নির্বাচনের জন্য নির্ধারিত কোন নির্বাচনী এলাকায় ভোটার তালিকাভুক্ত হইবার অধিকারী হইবেন, যদি তাহার বয়স আঠার বৎসরের কম না হয়’। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে নির্বাচনে সংসদ সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণের ন্যূনতম বয়স ২৫ বছর এবং রাষ্ট্রপতি হওয়ার ন্যূনতম বয়স ৩৫ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮ বছর। এটি বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে ভোটাধিকার প্রাপ্তির সংবিধানসম্মত ন্যূনতম বয়স
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগ (নির্বাচন)-এর অনুচ্ছেদ ১২২(২) অনুযায়ী, ১৮ বছর পূর্ণ হওয়া প্রত্যেক বাংলাদেশী নাগরিক ভোটার হওয়ার এবং ভোট প্রদানের অধিকার লাভ করেন।
এই বয়সসীমা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (Representation of the People Order - RPO), 1972 দ্বারাও সমর্থিত।
অপশন ১৬ বছর ভুল কারণ এই বয়সে জাতীয় পরিচয়পত্রের জন্য তথ্য সংগ্রহ করা হলেও ভোট দেওয়ার অধিকার পাওয়া যায় না।
বিশ্বের অধিকাংশ গণতান্ত্রিক দেশেই প্রাপ্তবয়স্কতা এবং ভোটাধিকারের বয়স ১৮ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে।
43

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20
  2. 25
  3. 30
  4. 40

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় সংসদ থেকেই মহিলাদের জন্য আসন সংরক্ষণ করে রাখা হয়। সে সময় সংরক্ষিত আসন ছিল ১৫ টি। সংবিধানের চতুদর্শ সংশোধনীর মাধ্যমে ৪৫ এবং পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বর্তমানে নারীদের সংরক্ষিত আসন সংখ্যা ৫০ করা হয়েছে। সপ্তদশ সংশোধনীর মাধ্যমে সংরক্ষিত আসন আরও ২৫ বছরের জন্য সংরক্ষণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি পরীক্ষার্থীর মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে কারণ প্রদত্ত অপশন সেটটি আধুনিক তথ্য অনুযায়ী ভুল
বর্তমানে (২০২৪ সাল পর্যন্ত), বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংখ্যা হলো ৫০টি (ফিফটি)।
এই ৫০টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিধান আনা হয় সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর (২০১১) মাধ্যমে।
সংবিধানের ৬৫(৩) অনুচ্ছেদে এই সংরক্ষিত আসনের কথা বলা আছে। এই আসনে নির্বাচনের মাধ্যমে নয়, বরং সংসদের সরাসরি নির্বাচিত ৩০০ জন সদস্যের আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে নারীদের মনোনীত/নির্বাচন করা হয়।
44

বঙ্গবন্ধু সেতুর দৈর্ঘ্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪.৫ কি.মি.
  2. ৪.৮ কি.মি.
  3. ৫.২ কি.মি.
  4. ৬.২ কি.মি.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যমুনা বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম সেতু। এ সেতুর দৈর্ঘ্য ৪.৮ কি.মি. ও প্রস্থ ১৮.৫ মি.। এ সেতুর স্প্যানের সংখ্যা ৪৯টি এবং পিলার ৫০টি। পদ্মা সেতুর দৈর্ঘ্য ৬.১৫ কি.মি. নির্মাণাধীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪.৮ কিলোমিটার (৪.৮ কি.মি.)
বঙ্গবন্ধু সেতু বাংলাদেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো যা যমুনা নদীর উপর নির্মিত। এটি দেশের পূর্ব ও পশ্চিম অংশের মধ্যে সড়ক ও রেল যোগাযোগ স্থাপন করেছে।
এই সেতুটির প্রকৃত দৈর্ঘ্য হলো ৪.৮ কিলোমিটার (৪,৮০০ মিটার)। তাই বিকল্পগুলির মধ্যে ৪.৮ কি.মি. সঠিক।
অফিসিয়ালভাবে এর নাম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সেতু
45

বাংলাদেশের প্রথম ‘ইপিজেড’ কোথায় স্থাপিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাভারে
  2. চট্টগ্রামে
  3. মংলায়
  4. ঈশ্বরদীতে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম ইপিজেড ‘চট্টগ্রাম ইপিজেড’ ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের দ্বিতীয় ইপিজেড ‘ঢাকা ইপিজেড’ ঢাকার সাভারে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশে বর্তমান মোট ইপিজেড এর সংখ্যা ৮টি। সর্বশেষ ইপিজেড হলো কর্ণফুলী ইপিজেড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: চট্টগ্রামে। এটিই হলো বাংলাদেশের প্রথম রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা বা ইপিজেড (EPZ)
এই ইপিজেডটি চট্টগ্রাম এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন (CEPZ) নামে পরিচিত।
চট্টগ্রাম ইপিজেড প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৩ সালে। যদিও ইপিজেড অথরিটি (BEPZA) গঠিত হয় এর আগেই।
ইপিজেড স্থাপন ও পরিচালনার মূল উদ্দেশ্য হলো বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং রপ্তানি বৃদ্ধি করা।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলার ১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর ছবি এঁকে বিখ্যাত হন কোন শিল্পী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এস এম সুলতান
  2. জয়নুল আবেদিন
  3. কামরুল হাসান
  4. শফিউল আলম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৪৩ সালের দুর্ভিক্ষের ওপর জয়নুলের আঁকা ছবির নাম ‘ম্যডোনা ৪৩’। তিনি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ চিত্রশিল্পী এবং চারুকলা ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা। তার উল্লেখযোগ্য চিত্রকর্মের মধ্যে রয়েছে- সংগ্রাম (গরু), মইটানা, গায়ের বধূ, সাঁওতাল রমণী, মা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জয়নুল আবেদিন
শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন ১৯৪৩ সালের ভয়াবহ বাংলার দুর্ভিক্ষের (মন্বন্তরের) ওপর সিরিজ ছবি এঁকে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন। এই স্কেচগুলো বাংলার মানুষের দুর্দশা, অনাহার ও মৃত্যুর মর্মান্তিক চিত্র তুলে ধরেছিল।
তিনি মূলত কয়লা ও তুলির ব্যবহারে অত্যন্ত সরল কিন্তু শক্তিশালী ভঙ্গিতে এসব ছবি আঁকেন, যা তাকে আধুনিক শিল্পকলার ইতিহাসে এক বিশেষ স্থান করে দিয়েছে।
অন্যান্য শিল্পী: এস এম সুলতান প্রধানত কৃষকের দৈহিক শক্তি ও গ্রামীণ জীবন নিয়ে ছবি এঁকে বিখ্যাত। কামরুল হাসান (পটুয়া) বাংলাদেশের স্বাধীনতার সময় ইয়াহিয়া খানের ব্যঙ্গচিত্র এঁকে বিখ্যাত হন।
47

পার্বত্য চট্টগ্রামে শান্তিচুক্তি কবে সম্পাদিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নভেম্বর ১২, ১৯৯৭
  2. ডিসেম্বর ২, ১৯৯৭
  3. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৯৭
  4. ডিসেম্বর ২৫, ১৯৯৭

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পাহাড়িদের স্বতন্ত্র জনগোষ্ঠী হিসেবে চিহ্নিত করে সংরক্ষণশীল নীতিভিত্তিক কিছু সুবিধা নিশ্চিত করা হয় ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর সম্পাদিত এ শান্তিচুক্তির মাধ্যমে। এ চুক্তিতে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে স্বাক্ষর করেন আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ এবং পাহাড়িদের প্রতিনিধিত্ব করেন সন্তু লারমা ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডিসেম্বর ২, ১৯৯৭
ঐতিহাসিক পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তিচুক্তিটি ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তৎকালীন বাংলাদেশ সরকার এবং পাহাড়িদের প্রতিনিধিত্বকারী সংগঠন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (PCJSS)-এর মধ্যে সম্পাদিত হয়।
এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল পার্বত্য অঞ্চলে প্রায় দুই দশক ধরে চলা সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটিয়ে সেখানে স্থায়ী শান্তি, স্থিতিশীলতা এবং পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা।
এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার সময় বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন শেখ হাসিনা
অন্যান্য তারিখগুলো (নভেম্বর ১২, ডিসেম্বর ১৬, ডিসেম্বর ২৫) এই চুক্তির সাথে সংশ্লিষ্ট নয়, যদিও ডিসেম্বর ১৬ বাংলাদেশের বিজয় দিবস হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
48

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯টি
  2. ১১টি
  3. ১৫টি
  4. ১৭টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ৪ এপ্রিল সিলেটে মুক্তিফৌজ গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তী জুলাই মাসে সেনাপতি এম.এ.জি ওসমানী প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদের পরামর্শে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টর ও ৩টি ব্রিগেডে ভাগ করেন।

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধকে কৌশলগতভাবে এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য বাংলাদেশ সরকার (অস্থায়ী সরকার) ১৯৭১ সালে সমগ্র দেশকে সামরিকভাবে মোট **১১টি** অঞ্চলে ভাগ করে।
এই বিভাগটি আনুষ্ঠানিকভাবে **১৯৭১ সালের ১১ জুলাই** ঘোষণা করা হয়। প্রত্যেক সেক্টরের জন্য একজন করে সেক্টর কমান্ডার নিযুক্ত করা হয়েছিল, যারা স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা এবং গেরিলা ইউনিটগুলোকে নির্দেশনা দিতেন।
এক্ষেত্রে ৯টি, ১৫টি বা ১৭টি অপশন ভুল। সঠিক সংখ্যাটি হলো **১১**।
49

বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৪০০ বর্গমাইল
  2. ১৯৫০ বর্গমাইল
  3. ৯২৫ বর্গমাইল
  4. ২০০ বর্গমাইল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পৃথিবীর সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ বনভূমি হলো সুন্দরবন। পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের এলাকা মিলিয়ে এর আয়তন ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার। তবে বাংলাদেশ অংশের আয়াতন ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার বা ২৪০০ বর্গমাইল (তথ্য: বন অধিদপ্তর)। উল্লেখ্য, ইউনেস্কোর বিশ্বসম্পদ ও ঐতিহ্য কমিটি ১৯৯৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সুন্দরবনকে ৭৯৮তম ‘বিশ্ব ঐতিহ্য’ হিসেবে ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২৪০০ বর্গমাইল
সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। এই বনের প্রায় ৬২ শতাংশ অংশ বাংলাদেশে এবং বাকি ৩৮ শতাংশ ভারতে অবস্থিত।
বর্গ কিলোমিটার হিসাবে বাংলাদেশের অন্তর্গত সুন্দরবনের আয়তন হলো প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
আমরা জানি, ১ বর্গমাইল \approx ২.৫৯ বর্গ কিলোমিটার। এই হিসাবে ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটারকে বর্গমাইলে রূপান্তর করলে প্রায় ২৩২৪ বর্গমাইল আসে। যেহেতু অপশনে ২৪০০ বর্গমাইল রয়েছে এবং এটি সবচেয়ে কাছাকাছি, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়।
উল্লেখ্য, অনেক সময় বিসিএস পরীক্ষায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার অপশনটিও দেওয়া থাকতে পারে, যা বর্গমাইল না চাইলে সঠিক হবে।
50

বাংলাদেশ কোন সালে কমনওয়েলথ এর সদস্য পদ লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ ১৯৭২ সালের ১৮ এপ্রিল প্রথম আন্তর্জাতিক সংস্থা হিসেবে কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩২তম সদস্য এবং ১৯৭৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ সদস্য হয় জাতিসংঘের।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭২ সালে
বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভের পর পরই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজেদের অবস্থান সুদৃঢ় করার উদ্যোগ নেয়। সেই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, ১৮ এপ্রিল ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ বিশ্বের বৃহত্তম আন্তঃসরকারি জোট কমনওয়েলথ (Commonwealth) এর সদস্যপদ লাভ করে।
বাংলাদেশ কমনওয়েলথের ৩৩তম সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে যোগদান করে। সেই সময় কমনওয়েলথের মহাসচিব ছিলেন আর্নল্ড স্মিথ
অন্যান্য সালগুলো (১৯৭৩, ১৯৭৪, ১৯৭৫) আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের যোগদানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলেও কমনওয়েলথের জন্য প্রযোজ্য নয়। যেমন ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও ওআইসি’র (OIC) সদস্যপদ লাভ করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

নিম্নলিখিত কোনটির ওপর বাংলাদেশ অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন
  2. ট্রপিক অব ক্যানসার
  3. ইকুয়েটর
  4. আর্কটিক সার্কেল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ট্রপিক অব ক্যানসার বাংলা প্রতিশব্দ হলো কর্কটক্রান্তি রেখা এবং ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন হলো মকরক্রান্তি রেখা। কর্কটক্রান্তি রেখা উত্তর গোলার্ধে ২৩.৫০ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের মধ্যভাগ দিয়ে চলে গেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ট্রপিক অব ক্যানসার (কর্কটক্রান্তি রেখা)।
পৃথিবীর নিরক্ষরেখার (Equator) 23.523.5^{\circ} উত্তর অক্ষাংশকে কর্কটক্রান্তি রেখা বলা হয়। বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধে অবস্থিত এবং এর ভৌগোলিক অবস্থান 203420^{\circ}34' উত্তর অক্ষাংশ থেকে 263826^{\circ}38' উত্তর অক্ষাংশের মধ্যে।
কর্কটক্রান্তি রেখাটি বাংলাদেশের প্রায় মাঝখান দিয়ে অতিক্রম করেছে। এই অবস্থানের কারণেই বাংলাদেশের জলবায়ু ক্রান্তীয় প্রকৃতির হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ ইকুয়েটর বা নিরক্ষরেখা (00^{\circ}) এবং ট্রপিক অব ক্যাপ্রিকন বা মকরক্রান্তি রেখা (23.523.5^{\circ} দক্ষিণ) বাংলাদেশ থেকে অনেক দূরে দক্ষিণ গোলার্ধে অবস্থিত।
52

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীরউত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪২ জন
  2. ৫৮ জন
  3. ৬৮ জন
  4. ৬২ জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৪টি রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয় ৬৭৬ জনকে। তার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন, বীর প্রতীক ৪২৬ জন। উল্লেখ্য মোট বীর উত্তম ৬৯ জন।

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার মোট ৬৭৬ জনকে চারটি ক্যাটাগরিতে সামরিক খেতাব প্রদান করে।
এই চারটি খেতাবের মধ্যে বীর উত্তম (Bir Uttom) হলো দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব।
সঠিক তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৮ জনকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তাই অপশন (গ) সঠিক।
অন্যান্য অপশন (৪২, ৫৮, ৬২) সংখ্যাগুলো ভুল, কারণ তারা খেতাবপ্রাপ্তদের সঠিক সংখ্যা নির্দেশ করে না।
53

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে এক ব্যক্তি দম্ভোক্তি করে, যা বলেছিল নিম্নরূপ: ‘লোকটি এবং তার দল পাকিস্তানের শত্রু, এবার তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না।’- এ দম্ভোক্তিকারী ব্যক্তি কে ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনারেল নিয়াজী
  2. জেনারেল টিক্কা খান
  3. জেনারেল ইয়াহিয়া খান
  4. জেনারেল হামিদ খান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জেনারেল ইয়াহিয়া খান ছিলেন সামরিক শাসক ও পাকিস্তানি প্রেসিডেন্ট। পাকিস্তানের প্রথম সামরিক শাসক জেনারেল আইয়ুব খান ১৯৬৯ সালের ২৪ মার্চ ইয়াহিয়া খানের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়ে পদত্যাগ করেন। জেনারেল টিক্কা খান পাকিস্তান আমলে ১৯৭১ সালে বাংলার গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জেনারেল ইয়াহিয়া খান
১৯৭১ সালের ২৫শে মার্চ রাতে ‘অপারেশন সার্চলাইট’ শুরুর পর এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গ্রেফতার করার পর ২৬শে মার্চ তারিখে জেনারেল ইয়াহিয়া খান জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেন।
সেই ভাষণে তিনি বঙ্গবন্ধু এবং আওয়ামী লীগকে ‘পাকিস্তানের শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করেন এবং বলেন যে, তারা শাস্তি এড়াতে পারবে না। মূলত, ইয়াহিয়া খান ছিলেন সামরিক শাসক এবং সমস্ত সামরিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের প্রধান পরিকল্পনাকারী।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে জেনারেল টিক্কা খান ছিলেন পূর্ব পাকিস্তানের সামরিক গভর্নর এবং গণহত্যা পরিচালনার প্রধান সেনাপতি। জেনারেল নিয়াজী ছিলেন ১৬ ডিসেম্বর আত্মসমর্পণকারী ইস্টার্ন কমান্ডের প্রধান।
54

‘যুদ্ধই জীবন, যুদ্ধই সর্বজনীন’ -এটি কার উক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সালজার
  2. ফ্রাঙ্কো
  3. হিটলার
  4. মুসোলিনী

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হিটলার
এই বিখ্যাত উক্তিটি জার্মানির কুখ্যাত নাৎসি নেতা অ্যাডলফ হিটলারের (Adolf Hitler)। তাঁর নাৎসি মতবাদ সামরিক শক্তি এবং যুদ্ধকে অস্তিত্ব রক্ষার জন্য একটি অপরিহার্য দিক হিসেবে বিবেচনা করত।
হিটলার বিশ্বাস করতেন যে, একটি জাতির শক্তি প্রমাণ এবং টিকে থাকার জন্য যুদ্ধ হলো সর্বজনীন ও অনিবার্য প্রক্রিয়া। তাঁর আগ্রাসী নীতির মূল ভিত্তি ছিল এই উক্তিটি।
55

এশিয়ার দীর্ঘতম নদী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হোয়াংহো
  2. ইয়াংসিকিয়াং
  3. গঙ্গা
  4. সিন্ধু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এশিয়ার দীর্ঘতম নদী ইয়াংসিকিয়াং। ইয়াংসিকিয়াং এর দৈর্ঘ্য ৬৩৮০ কি.মি.; হোয়াংহো এর দৈর্ঘ্য ৫৪৬৪ কি.মি.; গঙ্গার দৈর্ঘ্য ২৬৫৫ কি.মি.; সিন্ধুর দৈর্ঘ্য ৩,১৮০ কি.মি.।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইয়াংসিকিয়াং (Yangtze River)
ইয়াংসিকিয়াং নদীটি এশিয়ার দীর্ঘতম নদী। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৬,৩০০ কিলোমিটার। এটি সম্পূর্ণভাবে চীন দেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে এবং এটিকে চীনা ভাষায় ‘চাং জিয়াং’ (Chang Jiang) নামে ডাকা হয়।
দৈর্ঘ্যের দিক থেকে এটি বিশ্বের তৃতীয় দীর্ঘতম নদী (নীল নদ ও আমাজন নদীর পরে)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
১. হোয়াংহো (Huang He) বা হলুদ নদী এশিয়ার ২য় দীর্ঘতম নদী (দৈর্ঘ্য ৫,৪৬৪ কিমি)।
২. গঙ্গা এবং সিন্ধু নদী ইয়াংসিকিয়াং-এর চেয়ে অনেক কম দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট হওয়ায় তারা উত্তর হবে না।
56

ঢাকাতে সমাপ্ত উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ ক্রিকেট প্রতিযোগিতায় কয়টি দল অংশ নেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১১টি
  4. ১২টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মিনি বিশ্বকাপ খ্যাত উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ ক্রিকেটের প্রথম আসরে তৎকালীন ৯টি টেস্ট দল– অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা ও জিম্বাবুয়ে অংশ নেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯টি
ঢাকাতে সমাপ্ত এই প্রতিযোগিতাটির পূর্ণ নাম ছিল উইলস ইন্টারন্যাশনাল কাপ ১৯৯৮ (যা পরবর্তীতে আইসিসি নকআউট ট্রফি এবং বর্তমানে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি নামে পরিচিত)।
এটি ছিল বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট। সেই সময় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের (ICC) পূর্ণ সদস্য (Test-playing) দেশ ছিল মোট ৯টি। শুধুমাত্র এই ৯টি পূর্ণ সদস্য দলই প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিল।
দলগুলো হলো: অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ, নিউজিল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, ও জিম্বাবুয়ে।
57

আমলাতন্ত্রের প্রধান প্রবক্তা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এফ.এম.মার্কস
  2. ম্যাক্সওয়েবার
  3. রবার্ট প্রেসথাস
  4. কার্ল মার্কস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের ব্যর্থতা বা অযোগ্যতার প্রেক্ষিতে সরকারের আমলাদের দ্বারা পরোক্ষভাবে রাষ্ট্র চালনাকে আমলাতন্ত্র বলে। এ আমলাতন্ত্রের প্রধান প্রবক্তা ম্যাক্সওয়েবার। অন্যদিকে কার্ল মার্কস কে বলা হয় কমিউনিজম বা গণসাম্যবাদের প্রবক্তা।

ব্যাখ্যা

আমলাতন্ত্রের (Bureaucracy) প্রধান প্রবক্তা বা জনক হলেন জার্মান সমাজবিজ্ঞানী ম্যাক্স ওয়েবার (Max Weber)
ওয়েবার আমলাতন্ত্রকে রাষ্ট্র পরিচালনার একটি 'আদর্শ মডেল' (Ideal Type) হিসেবে তুলে ধরেন, যেখানে তিনি আমলাতন্ত্রের যৌক্তিক কাঠামো, সুনির্দিষ্ট নিয়মনীতি এবং পদসোপান (Hierarchy)-এর উপর জোর দেন।
ওয়েবারের মতে, আমলাতন্ত্র আধুনিক রাষ্ট্রের শাসনযন্ত্রের মেরুদণ্ড। তার কাজের জন্যই আমলাতন্ত্র আধুনিক রাষ্ট্রবিজ্ঞানে একটি কাঠামোগত ভিত্তি পায়।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, কার্ল মার্কস সমাজতন্ত্র, দ্বন্দ্বমূলক বস্তুবাদ ও শ্রেণি সংগ্রাম তত্ত্বের জন্য বিখ্যাত। এফ.এম. মার্কস আমলাতন্ত্রের বিভিন্ন প্রকারভেদ নিয়ে গবেষণা করেছেন, কিন্তু প্রবক্তা হিসেবে ওয়েবারই স্বীকৃত।
58

সাহিত্যে ১৯৯৮ এর নোবেল পুরস্কার কে পেয়েছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অরুন্ধতি রায়
  2. সালমান রুশদী
  3. ভি এস নাইপল
  4. হোসে সারামাগো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (৪) হোসে সারামাগো (José Saramago)
তিনি ছিলেন পর্তুগালের (Portugal) একজন বিখ্যাত সাহিত্যিক। সুইডিশ একাডেমি তাঁর সাহিত্যকর্মের মাধ্যমে 'ভ্রমাত্মক বাস্তবতাকে ক্রমাগত অনুসন্ধান' করার জন্য তাকে ১৯৯৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করে।
তিনি প্রথম পর্তুগিজ-ভাষী লেখক হিসেবে এই সম্মান অর্জন করেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলির মধ্যে রয়েছে: 'Blindness' এবং 'The Gospel According to Jesus Christ'
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ভি এস নাইপল সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পান ২০০১ সালে।
59

কোন দেশটি অতীতে কখনো অন্য কোনো দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. থাইল্যান্ড
  2. মিয়ানমার
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পূর্ব এশিয়ার দেশ থাইল্যান্ড কোনো দেশের উপনিবেশে পরিণত হয়নি। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুর ব্রিটিশ উপনিবেশে এবং ইন্দোনেশিয়া ডাচ উপনিবেশে পরিণত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: থাইল্যান্ড (Thailand)
থাইল্যান্ডের পূর্ব নাম ছিল শ্যামদেশ (Siam)। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি কখনোই ইউরোপীয় শক্তির সরাসরি উপনিবেশে পরিণত হয়নি।
এর প্রধান কারণ ছিল কূটনৈতিক কৌশল। দেশটি ব্রিটিশ (যারা পশ্চিমে মিয়ানমার শাসন করত) এবং ফরাসি (যারা পূর্বে ইন্দোচীন শাসন করত) শক্তির মাঝখানে একটি 'বাফার স্টেট' (Buffer State) বা নিরপেক্ষ এলাকা হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে, বাকি দেশগুলো ঔপনিবেশিক শাসনের অধীনে ছিল:
মিয়ানমার: এটি ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
ইন্দোনেশিয়া: এটি নেদারল্যান্ডসের (ওলন্দাজ/ডাচ) উপনিবেশ ছিল।
মালয়েশিয়া: এটিও ব্রিটিশ শাসনের অধীনে ছিল।
60

ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ)-এর একক মুদ্রা কবে থেকে চালু হচ্ছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জানুয়ারী, ১৯৯৯
  2. ১ জুলাই, ১৯৯৯
  3. ১ মার্চ, ২০০০
  4. ১ জুলাই, ২০০০

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইউরোপীয় সাধারণ মুদ্রা ‘ইউরো’ প্রথম চালু হয় ১৯৯৯ সালের ১ জানুয়ারি। বর্তমানে ইইউভুক্ত ১৯টি দেশে ইউরো মুদ্রা চালু রয়েছে। উল্লেখ্য, ‘ইউরো ব্যাংক নোট’ প্রথম চালু হয় ১ জানুয়ারি, ২০০২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ জানুয়ারী, ১৯৯৯
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের (ইইউ) একক মুদ্রা ইউরো (Euro) আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে বা চালু হয় ১ জানুয়ারী, ১৯৯৯ তারিখ থেকে। এই তারিখ থেকে ইউরো অংশগ্রহণকারী দেশগুলোর ব্যাংকিং ও ডিজিটাল লেনদেনে আইনি মুদ্রা হিসেবে ব্যবহার শুরু হয়।
এই দিনটিকে ইউরোর 'প্রতিষ্ঠার তারিখ' হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও সেই সময় কোনো ব্যাংকনোট বা কয়েন বাজারে আসেনি।
61

চীনের ‘দ্বৈত অর্থনীতির’ ধারণা প্রধানত কোন বাস্তবতার নিরীখে গৃহীত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাজার অর্থনীতিকে গ্রহণযোগ্য করা
  2. মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন
  3. হংকং এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
  4. তাইওয়ানকে চীনের অন্তর্ভূক্তকরণ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

চীনের সমাজতান্ত্রিক অর্থনীতি এবং হংকং এর পুঁজিবাদী অর্থনীতির সামঞ্জস্য বিধানের লক্ষ্যে চীনে দ্বৈত অর্থনীতি অর্থাৎ এক চীন দুই নীতি চালু হয়। এছাড়া ম্যাকাও ও তাইওয়ানের একত্রীকরণকে সামনে রেখেও এ প্রক্রিয়াটিকে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হংকং এর অর্থনীতিকে সচল রাখা
চীনের এই ‘দ্বৈত অর্থনীতির’ ধারণাটি মূলত ‘এক দেশ, দুই নীতি’ (One Country, Two Systems) নামে পরিচিত। এই নীতির মূল উদ্দেশ্য ছিল, চীনের মূল ভূখণ্ডে সমাজতান্ত্রিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বলবৎ থাকলেও সদ্য চীনের অন্তর্ভুক্ত হতে যাওয়া হংকং (যা ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল) এবং ম্যাকাও (যা পর্তুগিজ উপনিবেশ ছিল) তাদের বিদ্যমান পুঁজিবাদী অর্থনৈতিক ব্যবস্থা বজায় রাখবে।
এই ব্যবস্থাটির প্রবর্তক ছিলেন চীনের সাবেক নেতা দেং শিয়াওপিং (Deng Xiaoping)
হংকং বিশ্বের অন্যতম প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র হওয়ায়, তাকে চীনের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সম্পূর্ণরূপে মিশিয়ে দিলে হংকং-এর অর্থনীতির গতিশীলতা নষ্ট হওয়ার ভয় ছিল। তাই হংকং-এর বিশেষ মর্যাদা ও অর্থনীতিকে অক্ষুণ্ণ রাখতেই এই বিশেষ নীতি (দ্বৈত অর্থনীতির ধারণা) গ্রহণ করা হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন?
মতাদর্শগত ধারণার সমন্বয় সাধন একটি বৃহত্তর উদ্দেশ্য হলেও, এর বাস্তব নিরীখে গৃহীত প্রধান কারণ ছিল হংকং-এর অর্থনৈতিক গুরুত্ব। তাইওয়ানকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে, কিন্তু তাইওয়ানের বর্তমান বাস্তবতার ভিত্তিতে এই ধারণা গৃহীত হয়নি, বরং হংকং-এর হ্যান্ডওভারের ভিত্তিতে গৃহীত হয়েছে।
62

রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহর কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাইবেরিয়া
  2. ভ্লাদিভস্টক
  3. খায়বারভস্ক
  4. বোখারা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় শহর ভ্লাদিভস্টকে রাশিয়ার রাসায়নিক ও পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। এজন্য নিরাপত্তার কারণে শহরটিকে গোপনীয় শহর হিসেবে বিবেচনা করা হয়। উল্লেখ্য, শহরটি হতে পৃথিবীর দীর্ঘতম রেলপথ ট্রান্সসাইবেরিয়ান রেলপথ শুরু হয়ে লেনিনগ্রাড পর্যন্ত বিস্তৃত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভ্লাদিভস্টক। ভ্লাদিভস্টক (Vladivostok) শহরটি রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলীয় ফেডারেল জেলার এবং প্রাইমোরস্কি ক্রাইয়ের (Primorsky Krai) প্রশাসনিক কেন্দ্র।
এটি রাশিয়ার প্রশান্ত মহাসাগরীয় নৌবাহিনীর প্রধান ঘাঁটি এবং পূর্বাঞ্চলের প্রবেশদ্বার হিসেবে পরিচিত, যা একে এই অঞ্চলের সর্ববৃহৎ শহরে পরিণত করেছে।
বিকল্পে থাকা সাইবেরিয়া হলো রাশিয়ার একটি বিশাল ভৌগোলিক অঞ্চল, কোনো শহর নয়। অন্যদিকে, বোখারা শহরটি রাশিয়ার বাইরে উজবেকিস্তানে অবস্থিত।
63

কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী কোন অঙ্গরাজ্যে সর্বাধিক বাস করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলবার্টা
  2. কুইবেক
  3. মেনিটোবা
  4. নোভাস্কোশিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কানাডার ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী সর্বাধিক সংখ্যায় বাস করে কানাডার পূর্বাঞ্চলীয় অঙ্গরাজ্য কুইবেক এ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কুইবেক (Quebec)। কানাডার ১০টি অঙ্গরাজ্যের মধ্যে কুইবেকই একমাত্র প্রদেশ যেখানে ফরাসি ভাষী (ফ্রাঙ্কোফোন) জনগোষ্ঠী সংখ্যাগরিষ্ঠ।
কুইবেকের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৮০% এরও বেশি মানুষ ফরাসি ভাষায় কথা বলে এবং এটি কানাডার একমাত্র প্রদেশ যেখানে ফরাসি ভাষা হলো একমাত্র সরকারি ভাষা (Official Language)।
ঐতিহাসিকভাবে, কুইবেক ছিল একটি ফরাসি উপনিবেশ। ১৭৫৯ সালে গ্রেট ব্রিটেন নিউ ফ্রান্স জয় করলেও এখানকার ফরাসি সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত ঐতিহ্য কঠোরভাবে সংরক্ষিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন আলবার্টা, মেনিটোবা, বা নোভা স্কোশিয়াতে ফরাসি ভাষী জনগোষ্ঠী থাকলেও তারা সংখ্যালঘু। কানাডার প্রধান ফরাসি সাংস্কৃতিক কেন্দ্র হলো কুইবেক
64

কসোভো নগরীর সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের কারণ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এর রণকৌশলগত গুরুত্ব
  2. এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
  3. মুসলিম বিদ্বেষের প্রবণতা
  4. আলবেনীয়দের ঔদ্ধত্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কট্টরপন্থী সার্বগণ কসোভোতে মুসলিম নিধন করে নগরীটিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ খ্রিস্টান অধ্যুষিত অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। অন্যদিকে মুসলমানরা তাদের ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি রক্ষায় সদা সচেষ্ট। ফলে ইউরোপের অন্যতম মুসলিম প্রধান এ নগরীটির সাথে সার্বীয়দের স্পর্শকাতর সম্পর্কের সৃষ্টি হয়। অবশেষে ২০০৭ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি কসোভো বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশের সমর্থনে সার্বিয়া থেকে নিজেকে স্বাধীন ঘোষণা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এর ধর্মীয় ঐতিহ্য ও ঐতিহাসিক স্মৃতি
কসোভো অঞ্চলটি সার্বিয়ার জাতীয়তাবাদী পরিচয় ও সার্বীয় অর্থোডক্স চার্চের কাছে পবিত্র ভূমি হিসেবে বিবেচিত। ঐতিহাসিকভাবে কসোভো সার্বীয় সভ্যতার কেন্দ্র ছিল, যা সার্বীয়দের কাছে এর গুরুত্বকে স্পর্শকাতর করে তুলেছে।
এই স্পর্শকাতর সম্পর্কের প্রধান ভিত্তি হলো ১৩৮৯ সালে সংঘটিত কসোভোর যুদ্ধ (Battle of Kosovo)। এই যুদ্ধে সার্বীয়রা উসমানীয় (Ottoman) সাম্রাজ্যের কাছে পরাজিত হলেও, সার্বরা এটিকে কেবল একটি সামরিক পরাজয় হিসেবে দেখে না; বরং তারা এটিকে খ্রিস্টান ধর্ম ও সার্বীয় জাতিসত্তার জন্য আত্মোৎসর্গের প্রতীক হিসেবে স্মরণ করে।
কসোভোতে সার্বীয় অর্থোডক্স চার্চের বহু গুরুত্বপূর্ণ প্রাচীন মঠ এবং সাংস্কৃতিক স্থাপনা রয়েছে, যেমন: পেক প্যাট্রিয়ার্কেট (Peć Patriarchate) এবং ভিসোকি দেচানি (Visoki Dečani)। এই ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্নগুলির কারণেই সার্বীয়দের কাছে কসোভো 'সার্বিয়ার হৃদপিণ্ড' তুল্য এবং অবিচ্ছেদ্য অংশ।
অন্যান্য বিকল্পগুলি (রণকৌশলগত গুরুত্ব বা মুসলিম বিদ্বেষ) সংঘাতের সহযোগী কারণ হতে পারে, কিন্তু মূল সংবেদনশীলতা ঐতিহাসিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের উপর প্রতিষ্ঠিত।
65

আফগানিস্তানের কোন শহরে তালিবানরা ইরানের কূটনীতিবিদদের হত্যা করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জালালাবাদ
  2. মাজার-ই-শরীফ
  3. হেরাট
  4. কান্দাহার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই-শরীফে তালেবানদের ক্ষমতায় থাকাকালীন সময়ে এ হত্যাযজ্ঞ ঘটে। যদিও সুদক্ষ ইরানি নেতৃত্বের মাধ্যমে ইরান দুদেশের মধ্যে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে সক্ষম হয়। বর্তমানে আফগানিস্তান এর ক্ষমতা তালেবানদের হাতে রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মাজার-ই-শরীফ
১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসে তালিবান যোদ্ধারা আফগানিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর মাজার-ই-শরীফ দখল করার পর সেখানে অবস্থিত ইরানের কনস্যুলেটে প্রবেশ করে।
তারা কনস্যুলেটে কর্মরত ৮ জন কূটনীতিবিদ এবং ১ জন সাংবাদিকসহ মোট ৯ জন ইরানিকে নির্মমভাবে হত্যা করে।
এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিকভাবে বহু আলোচিত এবং এর ফলে ইরান ও তৎকালীন তালিবান সরকারের মধ্যে সামরিক উত্তেজনা চরম পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
66

উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর ভৌগলিক সীমারেখার বৈশিষ্ট্য কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জ্যামিতিক সীমারেখা
  2. ঔপনিবেশিক সীমারেখা
  3. উপজাতিক ভিত্তিক সীমারেখা
  4. অচিহ্নিত সীমারেখা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আলজেরিয়া, তিউনিশিয়া, মিশর, সুদান, লিবিয়া ইত্যাদি দেশগুলো উত্তর আফ্রিকা অঞ্চলে অবস্থিত। বিস্তীর্ণ এ অঞ্চলে বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত পর্বত বা নদী না থাকায় মরুভূমির ওপর দিয়ে জ্যামিতিক সরলরেখা টেনে সীমা নির্ধারণ করা হয়। এটাই এ অঞ্চলের ভৌগোলিক সীমারেখার প্রধান বৈশিষ্ট্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জ্যামিতিক সীমারেখা
উত্তর আফ্রিকার দেশগুলোর (যেমন: মিশর, লিবিয়া, সুদান, আলজেরিয়া) অধিকাংশ ভৌগোলিক সীমারেখা তৈরি হয়েছিল ইউরোপীয় ঔপনিবেশিক শক্তিবর্গের দ্বারা।
১৮৮৪-১৮৮৫ সালে অনুষ্ঠিত বার্লিন সম্মেলন (Berlin Conference) এর পর, উপনিবেশিক শক্তিগুলো প্রাকৃতিক ভূসংস্থান, নদী, অথবা জাতিগত জনসংখ্যার বিন্যাসের তোয়াক্কা না করে শুধুমাত্র ম্যাপের ওপর স্কেল ব্যবহার করে সরলরেখায় এই সীমানাগুলো টেনেছিল।
যখন কোনো সীমারেখা অক্ষাংশ (Latitude) বা দ্রাঘিমাংশ (Longitude) অনুসরণ করে বা সরল গণিতিক সূত্র মেনে টানা হয়, তখন তাকে জ্যামিতিক সীমারেখা (Geometric Boundary) বলা হয়। সাহারা মরুভূমির উপর দিয়ে টানা উত্তর আফ্রিকার সীমানাগুলো এর অন্যতম প্রধান উদাহরণ।
ঔপনিবেশিক সীমারেখা হলো এই সীমানা সৃষ্টির কারণ; আর জ্যামিতিক সীমারেখা হলো তার ভৌগোলিক বৈশিষ্ট্য
67

কোন দেশে প্রথম আণবিক বোমা ফেলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. ইতালি
  3. জার্মানি
  4. জাপান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশ্বের প্রথম আণবিক বোমা (পারমাণবিক বোমা বা এটম বোমা) ফেলা হয় জাপানের হিরোশিমা নগরীতে। ‘লিটল বয়’ নামক এ বোমাটি ১৯৪৫ সালের ৬ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র ‘এ নোলা গে’ নামক বোমারু বিমানের মাধ্যমে নিক্ষেপ করে। উল্লেখ্য, বিশ্বের দ্বিতীয় এবং সর্বশেষ আণবিক বোমা ‘ফ্যাটম্যান’ ১৯৪৫ সালের ৯ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক জাপানের নাগাসাকি নগরীতে নিক্ষিপ্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাপান
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (WWII) চূড়ান্ত পর্যায়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ১৯৪৫ সালের আগস্ট মাসে জাপানের দুটি শহরের ওপর আণবিক বোমা নিক্ষেপ করে।
প্রথম আণবিক বোমাটি ফেলা হয় ৬ আগস্ট, ১৯৪৫ তারিখে জাপানের হিরোসিমা শহরে। দ্বিতীয় বোমাটি ফেলা হয় এর তিন দিন পর ৯ আগস্ট, ১৯৪৫ তারিখে নাগাসাকি শহরে।
এর ফলে জাপান নিঃশর্ত আত্মসমর্পণে বাধ্য হয় এবং বিশ্বের ইতিহাসে এটিই একমাত্র ঘটনা যেখানে যুদ্ধে আণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ জার্মানি বা ইতালি নয়, বরং জাপানের বিরুদ্ধেই আণবিক বোমার ব্যবহার ঘটেছিল।
68

নিম্নলিখিত কোন আঞ্চলিক/আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানটির সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. SAARC
  2. APEC
  3. ADB
  4. CIRDAP

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঢাকায় CIRDAP, IJSG, BIMSTEC এর সদর দপ্তর অবস্থিত। অন্যদিকে ADB এর সদর দপ্তর ম্যানিলা, APEC এর সদর দপ্তর সিঙ্গাপুর এবং SAARC এর সদর দপ্তর কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো CIRDAP (সেন্টার অন ইন্টিগ্রেটেড রুরাল ডেভেলপমেন্ট ফর এশিয়া অ্যান্ড দ্য প্যাসিফিক)।
CIRDAP হলো এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের গ্রামীণ উন্নয়নের জন্য গঠিত একটি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সংস্থা। এর সদর দপ্তর বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
অন্যান্য বিকল্পের সদর দপ্তর:
১. SAARC (সার্ক): সদর দপ্তর কাঠমান্ডু, নেপাল।
২. APEC (অ্যাপেক): সদর দপ্তর সিঙ্গাপুর
৩. ADB (এডিবি): সদর দপ্তর ম্যানিলা, ফিলিপাইন।
69

সার্ক কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭৫ সালে
  2. ১৯৮৫ সালে
  3. ১৯৮৭ সালে
  4. ১৯৯০ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শ্রীলংকা সফরে গিয়ে সর্বপ্রথম দক্ষিণ এশিয়ার দেশ গুলো নিয়ে একটি আঞ্চলিক সংস্থা গঠনের প্রতি গুরুত্বারোপ করেন এবং ১৯৮০ সালের মে মাসে তিনি লিখিত প্রস্তাব দেন। ১৯৮২ সালের ২ আগস্ট ভারতের নয়াদিল্লিতে ৭টি দেশে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। অবশেষে ১৯৮৫ সালের ৭-৮ ডিসেম্বর ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে ১৪ দফা ঢাকা ঘোষণার মধ্য দিয়ে সার্কের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৮৫ সালে
সার্ক (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে।
এই সংস্থার প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকাতে। সার্ক গঠনের মূল উদ্যোগটি গ্রহণ করেছিলেন বাংলাদেশের তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান
প্রতিষ্ঠাকালীন এর সদস্য সংখ্যা ছিল ৭টি। পরবর্তীতে ২০০৭ সালে আফগানিস্তান যুক্ত হলে বর্তমানে সদস্য সংখ্যা দাঁড়ায় ৮টি
70

কোন দেশের একজন উপ-প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি বরখাস্ত হয়েছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিঙ্গাপুর
  2. থাইল্যান্ড
  3. ইন্দোনেশিয়া
  4. মালয়েশিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এক সময় মাহাথির মোহাম্মদের খুব ঘনিষ্ঠ অনুসারি ছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। কিন্তু রাজনৈতিক মতপার্থক্যের জের ধরে মাহাথির ২ সেপ্টেম্বর, ১৯৯৮ উপ-প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে আনোয়ার ইব্রাহিমকে বরখাস্ত করেন। ১৯৯৯ সালে দুর্নীতি ও সমকামিতার দায়ে তাকে জেলহাজতে প্ররণ করা হয়। ২০০৪ সালে তিনি ছাড়া পান। ২০০৮ সালে দেশের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে পিপলস জাস্টিস পার্টির নেতৃত্ব দেন তিনি। এর পর নাজিব রাজাকের সময়ে ২০১৫ সালে নতুন করে সমকামিতার অভিযোগে আনোয়ার ইব্রাহিমকে আবারো জেলে পাঠানো হয়। ১৬ মে, ২০১৮ রাজার নির্দেশে নিঃশর্ত মুক্তি লাভ করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। মালেশিয়ার বর্তমান প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম (২০২২-বর্তমান)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মালয়েশিয়া
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মালয়েশিয়ার রাজনৈতিক পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থিতিশীল ছিল। ঘন ঘন সরকার পরিবর্তন এবং দুর্নীতির অভিযোগের কারণে মন্ত্রী, এমনকি উপ-প্রধানমন্ত্রী পদেও রদবদল বা বরখাস্তের ঘটনা ঘটেছে।
যদিও প্রশ্নে নির্দিষ্ট উপ-প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করা হয়নি, তবে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল সাবরি ইয়াকুবের সরকার ভেঙে যাওয়ার আগে বা মুহিউদ্দিন ইয়াসিন সরকারের আমলে এ ধরনের বরখাস্তের ঘটনাগুলি আন্তর্জাতিক খবরে স্থান পেয়েছিল।
সুতরাং, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অভ্যন্তরীণ সমস্যার কারণে মালয়েশিয়ার কোনো উপ-প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক সময়ে বরখাস্ত হয়েছেন (বা সরকার পরিবর্তন হওয়ায় পদ হারিয়েছেন)—এটিই সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক তথ্য।
71

ইউরোপের কোন দেশে সম্প্রতি জাতিসত্তা সংঘাতের সমস্যাটির সমাপ্তি হয়েছে। একটি শান্তি চুক্তির মাধ্যমে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্কটল্যান্ড
  2. আয়ারল্যান্ড
  3. নেদারল্যান্ড
  4. সুইজারল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গ্রেট ব্রিটেনের অন্যতম অঙ্গরাজ্য আয়ার‌ল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ অবসানে ১০ এপ্রিল, ১৯৯৮ ব্রিটিশ সরকার ও আয়ারল্যান্ডের ৭টি গেরিলা গোষ্ঠীর মধ্যে স্বাক্ষরিত হয় ‘Good Friday Treaty’ নামক শান্তি চুক্তি। এর মাধ্যমে আয়ারল্যান্ডে দীর্ঘস্থায়ী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান ঘটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আয়ারল্যান্ড। প্রশ্নটিতে মূলত উত্তর আয়ারল্যান্ডে (Northern Ireland) চলতে থাকা দীর্ঘদিনের জাতিসত্তা সংঘাতের কথা বলা হয়েছে।
উত্তর আয়ারল্যান্ডের এই সংঘাতটি, যা 'The Troubles' নামে পরিচিত, সেটি প্রোটেস্ট্যান্ট (ব্রিটিশ সরকারের পক্ষে, ইউনিয়নবাদী) এবং ক্যাথলিক (আয়ারল্যান্ডের পক্ষে, জাতীয়তাবাদী) সম্প্রদায়ের মধ্যে চলছিল।
এই সংঘাতের সমাপ্তি ঘটে ঐতিহাসিক বেলফাস্ট চুক্তি বা গুড ফ্রাইডে চুক্তি (Good Friday Agreement) স্বাক্ষরের মাধ্যমে।
এই চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৮ সালের ১০ এপ্রিল। এই চুক্তির ফলে উত্তর আয়ারল্যান্ডে স্ব-শাসন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সশস্ত্র সংঘাতের অবসান ঘটে।
72

জাতিসংঘের বর্তমান মহাসচিব কোন মহাদেশের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এশিয়া
  2. আফ্রিকা
  3. ইউরোপ
  4. দক্ষিণ আমেরিকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৩ অক্টোবর, ২০১৬ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অনুমোদনের মধ্যদিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিশ্ব সংস্থাটির নবম মহাসচিব নিযুক্ত হন ইউরোপ মহাদেশের পর্তুগালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী অ্যান্টনিও গুতেরেস। তিনি ১ জানুয়ারি, ২০১৭ মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। অন্যদিকে এশিয়া মহাদেশ থেকে মহাসচিব হয়েছিলেন উ থান্ট (মিয়ানমার), বান কি মুন (দক্ষিণ কোরিয়া); ইউরোপ মহাদেশ থেকে ট্রাইগভেলাই (নরওয়ে), দ্যাগ হ্যামারশোল্ড (সুইডেন) ও কুর্ট ওয়াল্ড হেইম (অস্ট্রিয়া); দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশ থেকে জ্যাভিয়ার পেরেজ দ্য কুয়েলার (পেরু) এবং আফ্রিকা মহাদেশ থেকে মহাসচিব হয়েছিলেন কফি আনান (ঘানা) ও বুট্রোস বুট্রোস ঘালি (মিশর)। উল্লেখ্য, উত্তর আমেরিকা ও ওশেনিয়া মহাদেশ থেকে এখনও পর্যন্ত মহাসচিব নির্বাচিত হননি।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘের বর্তমান ও ৯ম মহাসচিব হলেন অ্যান্টোনিও গুতেরেস (António Guterres)।
তিনি পর্তুগালের নাগরিক। পর্তুগাল রাষ্ট্রটি ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত।
তিনি ২০১৭ সালের ১ জানুয়ারি প্রথম দফায় মহাসচিবের দায়িত্ব নেন এবং ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দ্বিতীয় দফায় দায়িত্ব পালন করছেন। তাঁর দ্বিতীয় দফার মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ইউরোপ
73

‘ম্যাকাও’ চীন সাগরে অবস্থিত একটি দ্বীপ যা কিনা একটি ইউরোপীয় দেশের কলোনি। ঐ ইউরোপীয় দেশটির নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেদারল্যান্ড
  2. স্পেন
  3. পর্তুগাল
  4. ইউকে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৫৫৭ সালে ম্যাকাও পর্তুগিজদের দখলে আসে। দীর্ঘ সাড়ে ৪০০ বছর পর ১৯৯৯ সালে ম্যাকাও চীনের নিকট হস্তান্তর করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো পর্তুগাল
ম্যাকাও (Macao) ছিল পর্তুগালের একটি উপনিবেশ। ১৬শ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে শুরু করে প্রায় ৪৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে এটি পর্তুগিজদের নিয়ন্ত্রণে ছিল।
১৯৯৯ সালের ২০ ডিসেম্বর, পর্তুগাল আনুষ্ঠানিকভাবে ম্যাকাওকে চীনের কাছে হস্তান্তর করে। এর মাধ্যমে এশিয়া মহাদেশে ইউরোপীয় উপনিবেশিক শাসনের সমাপ্তি ঘটে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ইউকে (যুক্তরাজ্য) এর কলোনি ছিল হংকং, যা ১৯৯৭ সালে চীনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্পেন মূলত ফিলিপাইন ও লাতিন আমেরিকায় উপনিবেশ স্থাপন করেছিল।
74

কোন চুক্তি অনুসারে বসনিয়া সংকট সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা চুক্তি
  2. মাদ্রিদ চুক্তি
  3. ডেটন চুক্তি
  4. প্যারিস চুক্তি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তিন বছরের বলকান যুদ্ধের অবসান এবং অখণ্ড গণতান্ত্রিক বসনিয়া-হার্জেগোভিনা গঠনের লক্ষ্যে ১৯৯৫ সালের নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের ওহাইও রাজ্যে ডেটন শহরের রাইট পিটারসন বিমান ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় খসড়া শান্তি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৯৫ ফ্রান্সের প্যারিসে যুদ্ধরত বসনিয়া, সার্বিয়া ও ক্রোয়েশিয়ার মধ্যে ডেটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।

ব্যাখ্যা

বসনিয়া সংকট বা বসনিয়ান যুদ্ধ (১৯৯২-১৯৯৫) সমাধানের পথ সুগম হয়েছিল ডেটন চুক্তি (Dayton Agreement) অনুসারে।
এই চুক্তিটি ১৯৯৫ সালের নভেম্বর মাসে আমেরিকার ওহাইও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরে প্রাথমিক আলোচনা ও চুক্তির মাধ্যমে চূড়ান্ত হয়।
ডেটন চুক্তি আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর ফ্রান্সের প্যারিস শহরে। এই চুক্তি বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার রাজনৈতিক কাঠামোকে ফেডারেশন অব বসনিয়া অ্যান্ড হার্জেগোভিনা এবং রিপাবলিকা শ্রপস্কা—এই দুটি সত্তায় বিভক্ত করে।
অন্যান্য অপশনগুলো (জেনেভা, মাদ্রিদ, প্যারিস চুক্তি) বসনিয়া সংকটের সরাসরি শান্তি চুক্তির নাম হিসেবে পরিচিত নয়।
75

কোনটি তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লৌহ
  2. ইউরেনিয়াম
  3. প্লুটোনিয়াম
  4. নেপচুনিয়াম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভারী মৌলিক পদার্থের নিউক্লিয়াস থেকে স্বতঃস্ফুর্ত অবিরত আলফা, বিটা ও গামা রশ্মি নির্গমনের প্রক্রিয়াকে তেজস্ক্রিয়তা বলে। প্রকৃতপক্ষে যে সব মৌলের পারমাণবিক সংখ্যা ৮২-এর চেয়ে বেশি তাদেরকে তেজস্ক্রিয় পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত মৌলগুলোর মধ্যে লৌহের পারমাণবিক সংখ্যা ২৬, অন্যগুলোর ৮২ বা তার বেশি, যার ফলে শুধু লৌহই তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লৌহ (Iron)
লৌহ হলো একটি সুস্থিত বা স্থিতিশীল (Stable) ধাতু, যা প্রকৃতিতে পাওয়া যায় এবং এটি কোনো তেজস্ক্রিয় ধর্ম প্রদর্শন করে না।
অন্যদিকে, ইউরেনিয়াম (U), প্লুটোনিয়াম (Pu) এবং নেপচুনিয়াম (Np) হলো ভারী মৌল (Heavy Elements) এবং এরা প্রাকৃতিকভাবেই তেজস্ক্রিয় পদার্থ। এদের নিউক্লিয়াসগুলি অস্থায়ী হওয়ায় স্বতঃস্ফূর্তভাবে আলফা (α), বিটা (β) এবং গামা (γ) রশ্মি বিকিরণ করে।
তাই, বিকল্পগুলোর মধ্যে লৌহ তেজস্ক্রিয় পদার্থ নয়।
76

কোন বস্তুটির স্থিতিস্থাপকতা বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবার
  2. এলুমিনিয়াম
  3. লৌহ
  4. তামা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাইরে থেকে প্রযুক্ত বল অপসারিত হলে বিকৃত বস্তু যে ধর্মের ফলে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে, তাকে স্থিতিস্থাপকতা বলে এবং উক্ত বস্তুটিকে স্থিতিস্থাপক বস্তু বলে। যেসব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত বেশি অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান বেশি সেসব বস্তু বেশি স্থিতিস্থাপক। আর যে সব বস্তুর ক্ষেত্রে পীড়ন এবং বিকৃতির অনুপাত কম, অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক গুণাঙ্কের মান কম সেসব বস্তু কম স্থিতিস্থাপক। লৌহের ক্ষেত্রে অধিক পীড়ন দেয়া সত্ত্বেও বিকৃতির মান যৎসামান্য হয়। কিন্তু রবার, এলুমিনিয়াম ও তামার ক্ষেত্রে অল্প পীড়ন দিলেই বিকৃতির মান অনেক বেশি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লৌহ (বা ইস্পাত)
স্থিতিস্থাপকতা (Elasticity) হলো পদার্থের এমন একটি ধর্ম, যার কারণে বাহ্যিক বল প্রয়োগের ফলে সৃষ্ট বিকৃতি দূর হয়ে গেলে বস্তুটি তার আদি অবস্থায় ফিরে আসে। সাধারণ মানুষ ভুল করে রবারকে সবচেয়ে বেশি স্থিতিস্থাপক মনে করে, কারণ রবার বেশি প্রসারিত হয়।
কিন্তু পদার্থবিজ্ঞানের ভাষায়, যে বস্তুর বিকৃতি ঘটাতে সবচেয়ে বেশি বলের প্রয়োজন হয় বা যার ইয়াং মডুলাস (Young's Modulus)-এর মান সবচেয়ে বেশি, সেটিই বেশি স্থিতিস্থাপক।
এই মডুলাসের মান অনুযায়ী, ইস্পাত বা লৌহ, রবার, তামা এবং অ্যালুমিনিয়ামের চেয়ে বহু গুণ বেশি স্থিতিস্থাপক। লৌহের ইয়াং মডুলাস প্রায় 200imes109N/m2200 imes 10^9 N/m^2 যেখানে রবারের মান নগণ্য।
তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে লৌহের স্থিতিস্থাপকতা বেশি
77

কোন পদার্থটি চৌম্বক পদার্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাঁচা লৌহ
  2. ইস্পাত
  3. এলুমিনিয়াম
  4. কোবাল্ট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে পদার্থকে চুম্বক আকর্ষণ করতে পারে না তাকে অচৌম্বক পদার্থ বলা হয়। উপরিউক্ত পদার্থগুলোর মধ্যে শুধু এলুমিনিয়ামকেই চুম্বক আকর্ষণ করে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এলুমিনিয়াম
পদার্থকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়: ফেরোচৌম্বক (Ferromagnetic), প্যারাচৌম্বক (Paramagnetic) এবং ডায়াচৌম্বক (Diamagnetic)
যেসব পদার্থ শক্তিশালী চুম্বক দ্বারা তীব্রভাবে আকর্ষিত হয় এবং স্থায়ী চুম্বকে পরিণত করা যায়, তাদের ফেরোচৌম্বক পদার্থ বলা হয়। যেমন: কাঁচা লৌহ, ইস্পাত, কোবাল্ট এবং নিকেল
প্রশ্ন প্রদত্ত কাঁচা লৌহ, ইস্পাত ও কোবাল্ট সবই ফেরোচৌম্বক পদার্থ।
এলুমিনিয়াম হলো একটি প্যারাচৌম্বক পদার্থ। এই জাতীয় পদার্থগুলো চুম্বক দ্বারা খুব সামান্যভাবে আকর্ষিত হয়। যেহেতু সাধারণ অর্থে 'চৌম্বক পদার্থ' বলতে ফেরোচৌম্বক পদার্থকেই বোঝানো হয়, তাই এলুমিনিয়াম চৌম্বক পদার্থ নয়।
78

যে মসৃণতলে আলোর নিয়মিত প্রতিফলন ঘটে তাকে কি বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দর্পণ
  2. লেন্স
  3. প্রিজম
  4. বিম্ব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো মসৃণতলে আলো আপতিত হয়ে নির্দিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী কোনো দিকে চললে ঐ আপতন তলকে বলা হয় দর্পণ। বক্রপৃষ্ঠ স্বচ্ছ মাধ্যমের সাধারণ নাম লেন্স।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দর্পণ (Mirror)
দর্পণ হলো এমন একটি মসৃণ ও উজ্জ্বল তল, যা আলোর বেশিরভাগ অংশকে একটি নির্দিষ্ট নিয়মে নিয়মিতভাবে প্রতিফলিত করে। এই মসৃণতার জন্যই সমান্তরাল আপতিত রশ্মিগুলো প্রতিফলনের পরেও সমান্তরাল থাকে।
অপশনগুলোর ভুল ব্যাখ্যা:
লেন্স (Lens): লেন্সের প্রধান কাজ হলো আলোর প্রতিসরণ ঘটানো, প্রতিফলন নয়।
প্রিজম (Prism): এটি আলোর বিচ্ছুরণ (Dispersion) বা বর্ণালীতে বিভক্ত করার কাজে ব্যবহৃত হয়।
বিম্ব (Image): এটি আলোর প্রতিফলন বা প্রতিসরণের ফলে সৃষ্ট একটি ফলাফল, এটি প্রতিফলক তল নয়।
79

রাডারে যে তড়িৎ চৌম্বক ব্যবহার করা হয় তার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গামা রশ্মি
  2. মাইক্রোওয়েভ
  3. অবলোহিত বিকিরণ
  4. আলোক তরঙ্গ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাডারের মূলনীতি হলো ক্ষুদ্র তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের পালস ছড়িয়ে দেয়া হয় যেন বস্তু থেকে প্রতিফলিত হয়ে রাডারের গ্রাহক যন্ত্রে আসে। এ জন্য গামা রশ্মি বা মাইক্রোওয়েভ উভয়ের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য ক্ষুদ্র হলেও কম ভেদন ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোওয়েভই ব্যবহার করা হয়। অপরপক্ষে অবলোহিত বিকিরণ ও আলোক তরঙ্গের তরঙ্গদৈর্ঘ্য বেশ বড়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাইক্রোওয়েভ
রাডার (RADAR) এর পূর্ণরূপ হলো Radio Detection and Ranging। এটি এমন একটি প্রযুক্তি যা লক্ষ্যবস্তুর দূরত্ব, গতি ও অবস্থান নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়।
রাডারে সাধারণত মাইক্রোওয়েভ (Microwave) বা তুলনামূলকভাবে উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সির রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করা হয়।
মাইক্রোওয়েভ ব্যবহারের প্রধান কারণ: এটি কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Shorter Wavelength) বিশিষ্ট হওয়ায় ছোট বস্তুকেও (যেমন: প্লেন, জাহাজ) নির্ভুলভাবে সনাক্ত করতে পারে এবং বৃষ্টি, কুয়াশা বা মেঘের মধ্য দিয়েও সহজে ভেদ করে যেতে পারে
অন্যদিকে, গামা রশ্মি অত্যন্ত উচ্চ শক্তি সম্পন্ন এবং এটি চিকিৎসাবিদ্যায় ব্যবহৃত হয়। অবলোহিত বিকিরণ (Infrared) সাধারণত রিমোট কন্ট্রোল বা নাইট ভিশন ক্যামেরায় ব্যবহৃত হয়। আলোক তরঙ্গ (দৃশ্যমান আলো) কুয়াশা বা মেঘের বাধা অতিক্রম করতে পারে না, তাই রাডারে ব্যবহার হয় না।
80

মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কার করে কোন বিজ্ঞানী নোবেল পুরস্কার পান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেস
  2. গোল্ডস্টাইন
  3. রাদারফোর্ড
  4. আইনস্টাইন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আইনস্টাইন আপেক্ষিক তথ্য ও রাদারফোর্ড আণবিক নিউক্লিয়াসের মতবাদ আবিষ্কার করেন। ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস্‌ মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের জন্য ১৯৩৬ সালে পদার্থ বিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হেস
অস্ট্রিয়ান-আমেরিকান পদার্থবিজ্ঞানী ভিক্টর ফ্রান্সিস হেস (Victor Francis Hess) ১৯১২ সালে তাঁর বেলুন ফ্লাইটের মাধ্যমে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলের উপরের দিকে উচ্চ শক্তির বিকিরণ (Radiation) পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি প্রমাণ করেন যে, এই রশ্মি পৃথিবীর বাইরে মহাকাশ থেকে আসে, যা পরবর্তীকালে মহাজাগতিক রশ্মি (Cosmic Rays) নামে পরিচিত হয়।
মহাজাগতিক রশ্মি আবিষ্কারের স্বীকৃতিস্বরূপ তিনি ১৯৩৬ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

অন্যান্য বিকল্প কেন ভুল:
রাদারফোর্ড: তিনি পরমাণুর নিউক্লিয়াস আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
আইনস্টাইন: তিনি আপেক্ষিকতার তত্ত্ব প্রদানের জন্য এবং আলোক-তড়িৎ ক্রিয়া ব্যাখ্যা করার জন্য নোবেল পান (১৯২১)।
গোল্ডস্টাইন: তিনি ক্যানাল রশ্মি আবিষ্কার করেন, যা প্রোটন আবিষ্কারের ভিত্তি তৈরি করে।
81

তড়িৎশক্তি শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এমপ্লিফায়ার
  2. জেনারেটর
  3. লাউড স্পিকার
  4. মাইক্রোফোন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘এমপ্লিফায়ার’ বিবর্ধক শব্দশক্তিকে জোরালো করে। জেনারেটর যান্ত্রিকশক্তিকে বৈদ্যুতিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। লাউড স্পিকার তড়িৎশক্তিকে শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত করে এবং মাইক্রোফোন শব্দতরঙ্গকে বিদ্যুৎ প্রবাহে পরিণত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লাউড স্পিকার
লাউড স্পিকার (Loud Speaker) হলো এমন একটি যন্ত্র, যা মূলত তড়িৎশক্তিকে (Electrical Energy) কাজে লাগিয়ে যান্ত্রিক কম্পনের মাধ্যমে বায়ুস্তরে চাপ সৃষ্টি করে এবং সেই চাপকে শব্দশক্তিতে (Sound Energy) রূপান্তরিত করে।
মাইক্রোফোন (Microphone): এটি লাউড স্পিকারের ঠিক বিপরীত কাজ করে। এটি শব্দশক্তিকে গ্রহণ করে তাকে তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে।
জেনারেটর (Generator): এটি যান্ত্রিক শক্তিকে (Mechanical Energy) তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত করে।
এমপ্লিফায়ার (Amplifier): এটি কেবল তড়িৎ সংকেতের প্রাবল্য বৃদ্ধি করে; এটি সরাসরি শক্তিতে রূপান্তর ঘটায় না, বরং তড়িৎ সংকেতকে স্পিকারের জন্য উপযুক্ত শক্তিশালী সংকেতে পরিণত করে।
82

সমুদ্রের গভীরতা মাপা হয় কোন যন্ত্র দিয়ে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্যাদোমিটার
  2. জাইরো কম্পাস
  3. সাবমেরিন
  4. এনিওমিটার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পানির গভীরতা মাপার যান্ত্রিক সরঞ্জাম ফ্যাদোমিটার। এ যন্ত্রের কার্যকারিতা শব্দের প্রতিধ্বনির ওপর নির্ভরশীল। ধ্বনির উৎপত্তি থেকে ফিরে আসা প্রতিধ্বনির সময়ের পার্থক্য থেকে গভীরতা নির্ণয় করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ফ্যাদোমিটার (Fathometer)। এই যন্ত্রটি বিশেষভাবে সমুদ্র বা জলাধারের গভীরতা মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ফ্যাদোমিটার 'ইকো-সাউন্ডিং' (Echo Sounding) নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। এটি সমুদ্রের তলদেশে শব্দ তরঙ্গ পাঠিয়ে সেই শব্দ কতক্ষণে প্রতিফলিত হয়ে ফিরে আসে, তা হিসাব করে গভীরতা নির্ণয় করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভিন্ন কাজে ব্যবহৃত হয়: জাইরো কম্পাস জাহাজ বা বিমান চলাচলে দিক নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়; সাবমেরিন হলো একটি ডুবোজাহাজ (যন্ত্র নয়, একটি যানবাহন); এবং এনিওমিটার বাতাসের গতি (Wind Speed) পরিমাপের যন্ত্র।
83

কম্পিউটার কে আবিষ্কার করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উইলিয়াম অটরেড
  2. ব্লেইসি প্যাসকেল
  3. হাওয়ার্ড এইকিন
  4. অ্যাবাকাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হাওয়ার্ড এইকিন প্রথম স্বয়ংক্রিয় গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন এবং অ্যাবাকাস খ্রিষ্টপূর্ব ৪৫০-৫০০ অব্দে চীন/মিশরে ব্যবহৃত এক ধরনের গণনা যন্ত্র আবিষ্কার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো হাওয়ার্ড এইকিন (Howard Aiken)
হাওয়ার্ড এইকিন এবং IBM এর যৌথ প্রচেষ্টায় ১৯৪৪ সালে বিশ্বের প্রথম কার্যকরী ইলেকট্রোমেকানিক্যাল কম্পিউটার Mark-I (Automatic Sequence Controlled Calculator-ASCC) আবিষ্কৃত হয়। যেহেতু প্রশ্নটি আবিষ্কারক সম্পর্কে এবং বিকল্পগুলোতে চার্লস ব্যাবেজ নেই, তাই এইকিনের নামই প্রথম কার্যকরী কম্পিউটারের প্রণেতা হিসেবে বিবেচিত হবে।
অন্যদিকে, ব্লেইসি প্যাসকেল ১৬৪২ সালে প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর প্যাসকালিন (Pascaline) আবিষ্কার করেন।
উইলিয়াম অটরেড স্লাইড রুল (Slide Rule) আবিষ্কার করেন এবং অ্যাবাকাস হলো গণনা করার প্রাচীন যন্ত্র, কোনো ব্যক্তি নয়।
84

কোন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. থাইবোসিন
  2. গ্লুকাগন
  3. এড্রিনালিন
  4. ইনসুলিন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

হরমোন হচ্ছে একশ্রেণীর রাসায়নিক বস্তু, যা দেহের কোষ বা অঙ্গসমূহের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত ইনসুলিন হচ্ছে এমন এক ধরনের হরমোন, যা রক্তে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া নিয়ন্ত্রণ করে। কোনো কারণে রক্তে ইনসুলিন সরবরাহ কমে গেলে গ্লুকোজের বিপাক ক্রিয়া বিঘ্নিত হয়, যার ফলে ডায়াবেটিস রোগ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইনসুলিন। ইনসুলিন হরমোনের অভাবে বা এর কার্যকারিতা হ্রাস পেলে ডায়াবেটিস মেলিটাস রোগ হয়।

ইনসুলিনের কাজ: এই হরমোনটি মানুষের অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপপুঞ্জের (Islets of Langerhans) বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়। এর প্রধান কাজ হলো রক্তে গ্লুকোজ বা শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা এবং কোষগুলোকে শক্তি উৎপাদনের জন্য গ্লুকোজ গ্রহণ করতে সাহায্য করা।

ডায়াবেটিস: যখন ইনসুলিনের অভাব হয় বা শরীর ইনসুলিনের প্রতি সাড়া দিতে পারে না (ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স), তখন রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যায়, যা ডায়াবেটিস মেলিটাস নামে পরিচিত।

অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
  • থাইরোসিন: এটি থাইরয়েড গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয় এবং এটি বিপাক (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে। এর অভাবে গলগন্ড (Goitre) হতে পারে।
  • গ্লুকাগন: এটিও অগ্ন্যাশয় থেকে নিঃসৃত হয়, তবে এটি ইনসুলিনের বিপরীত কাজ করে, অর্থাৎ এটি রক্তে শর্করার মাত্রা বৃদ্ধি করে।
  • এড্রিনালিন: এটি দুশ্চিন্তা বা বিপদের সময় নিঃসৃত হয় (Fight or Flight hormone)।
  • 85

    বার্ষিক  ৪১/২  সরল সুদে কত টাকা বিনিয়োগ করলে ৪ বছরে তা ৮২৬ টাকা হবে?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ৪৫৮ টাকা
    2. ৬৫০ টাকা
    3. ৭০০ টাকা
    4. ৭২৫ টাকা

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    এটি সরল সুদের একটি ক্লাসিক্যাল প্রশ্ন যেখানে আসল (Principal) নির্ণয় করতে হবে। এক্ষেত্রে সুদাসল (Amount), সুদের হার (Rate) এবং সময় (Time) দেওয়া আছে।
    ধরি, আসল = P টাকা।
    বার্ষিক সুদের হার (R) = 412%=92%=4.5%4\frac{1}{2}\% = \frac{9}{2}\% = 4.5\%
    সময় (T) = ৪ বছর।
    সুদাসল (A) = ৮২৬ টাকা।
    আমরা জানি, সরল সুদের ক্ষেত্রে সুদাসল (A) = আসল (P) + সুদ (I)
    সরল সুদের সূত্র: I=PRT100I = \frac{PRT}{100}
    সুতরাং, A=P+PRT100A = P + \frac{PRT}{100} বা A=P(1+RT100)A = P(1 + \frac{RT}{100})
    এখানে, সুদের হার এবং সময়ের গুণফল (মোট সুদ) হলো: RT=4.5×4=18RT = 4.5 \times 4 = 18
    এখন মান বসিয়ে পাই:
    826=P(1+18100)826 = P (1 + \frac{18}{100})
    826=P(100+18100)826 = P (\frac{100 + 18}{100})
    826=P(118100)826 = P (\frac{118}{100})
    P=826×100118P = \frac{826 \times 100}{118}
    ১১৮ দ্বারা ৮২৬ কে ভাগ করলে ভাগফল হয়
    P=7×100=700P = 7 \times 100 = 700
    অতএব, বিনিয়োগকৃত অর্থের পরিমাণ বা আসল হলো ৭০০ টাকা(সঠিক উত্তর: ৭০০ টাকা)
    86

    পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ। ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল। পিতা ও পুত্রের বর্তমান বয়স কত?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ৫৬ এবং ১৪ বছর
    2. ৩২ এবং ৭ বছর
    3. ৩৬ এবং ৯ বছর

    4. ৪০ এবং ১০ বছর

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    ধরি, বর্তমানে পুত্রের বয়স = x বছর।
    প্রথম শর্তানুসারে, পিতার বর্তমান বয়স পুত্রের বয়সের চারগুণ।
    সুতরাং, পিতার বর্তমান বয়স = 4x বছর।
    ৬ বছর পূর্বে তাদের বয়স:
    পুত্রের বয়স ছিল = (x - 6) বছর।
    পিতার বয়স ছিল = (4x - 6) বছর।
    দ্বিতীয় শর্তানুসারে, ৬ বছর পূর্বে পিতার বয়স পুত্রের বয়সের দশগুণ ছিল।
    সমীকরণটি হবে: 4x6=10(x6)4x - 6 = 10(x - 6)
    বা, 4x6=10x604x - 6 = 10x - 60
    বা, 606=10x4x60 - 6 = 10x - 4x
    বা, 54=6x54 = 6x
    অতএব, x=546=<strong>9x = \frac{54}{6} = <strong>9
    পুত্রের বর্তমান বয়স (x) = ৯ বছর
    পিতার বর্তমান বয়স (4x) = 4×9=<strong>৩৬বছর4 \times 9 = <strong>৩৬ বছর
    সঠিক উত্তর হলো: ৩৬ এবং ৯ বছর
    87

    দুটি নল দ্বারা একটি চৌবাচ্চা ৮ মিনিটে পূর্ণ হয়। নল দুটি খুলে দেয়ার ৪ মিনিট পর প্রথম নলটি বন্ধ করে দেয়াতে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে আরো ৬ মিনিট লাগল। প্রত্যেক নল দ্বারা পৃথকভাবে চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে কত সময় লাগবে?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ১৮ এবং ১২ মিনিট
    2. ২৪ এবং ১২ মিনিট

    3. ১৫ এবং ১২ মিনিট
    4. ১০ এবং ১৫ মিনিট

    সঠিক উত্তর: খ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    এই সমস্যাটি 'কাজ ও সময়' (Work and Time) বা 'নল ও চৌবাচ্চা' সংক্রান্ত। আমরা ঐকিক নিয়মের মাধ্যমে এর সমাধান করব।
    ধরি, প্রথম নলটি দ্বারা চৌবাচ্চাটি পূর্ণ হতে সময় লাগে xx মিনিট এবং দ্বিতীয় নলটি দ্বারা পূর্ণ হতে সময় লাগে yy মিনিট
    সুতরাং, ১ মিনিটে প্রথম নলটি পূর্ণ করে 1x\frac{1}{x} অংশ এবং দ্বিতীয় নলটি পূর্ণ করে 1y\frac{1}{y} অংশ।
    প্রথম শর্ত অনুযায়ী: দুটি নল একত্রে ৮ মিনিটে পূর্ণ করে।
    1x+1y=18\frac{1}{x} + \frac{1}{y} = \frac{1}{8} (সমীকরণ-১)
    দ্বিতীয় শর্ত অনুযায়ী: নল দুটি ৪ মিনিট চলার পর প্রথম নলটি বন্ধ করা হয়।
    ৪ মিনিটে দুটি নল একত্রে পূর্ণ করে: 4×18=124 \times \frac{1}{8} = \frac{1}{2} অংশ।
    অবশিষ্ট অংশ: 112=121 - \frac{1}{2} = \frac{1}{2} অংশ।
    এই অবশিষ্ট 12\frac{1}{2} অংশ পূর্ণ করতে দ্বিতীয় নলটির আরো ৬ মিনিট সময় লেগেছে।
    সুতরাং, দ্বিতীয় নলটি (y) 12\frac{1}{2} অংশ পূর্ণ করে ৬ মিনিটে
    সম্পূর্ণ অংশ (1) পূর্ণ করতে দ্বিতীয় নলটির সময় লাগবে: 6×2=<strong>১২6 \times 2 = <strong>১২ মিনিট।
    অর্থাৎ, y=12y = 12 মিনিট।
    এখন, yy এর মান সমীকরণ-১ এ বসিয়ে পাই:
    1x+112=18\frac{1}{x} + \frac{1}{12} = \frac{1}{8}
    1x=18112=3224=124\frac{1}{x} = \frac{1}{8} - \frac{1}{12} = \frac{3 - 2}{24} = \frac{1}{24}
    সুতরাং, x=<strong>২৪x = <strong>২৪ মিনিট।
    প্রথম নলটির সময় লাগে ২৪ মিনিট এবং দ্বিতীয় নলটির সময় লাগে ১২ মিনিট। তাই সঠিক উত্তরটি হলো: ২৪ এবং ১২ মিনিট
    88

    x2+y2=8 এবং xy=7 হলে (x+y)এর মান কত?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. 14
    2. 16
    3. 22
    4. 30

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    এই সমস্যাটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের অতি সাধারণ সূত্র (অনুসিদ্ধান্ত) প্রয়োগের মাধ্যমে সমাধান করা যায়।
    আমরা জানি, বর্গের সম্প্রসারণ সূত্রটি হলো: (x+y)2=x2+2xy+y2(x+y)^2 = x^2 + 2xy + y^2
    প্রদত্ত মানগুলি ব্যবহার করার জন্য আমরা সূত্রটি সাজিয়ে লিখতে পারি: (x+y)2=(x2+y2)+2xy(x+y)^2 = (x^2 + y^2) + 2xy
    প্রশ্নে প্রদত্ত মানসমূহ বসিয়ে পাই:
    x2+y2=8x^2 + y^2 = 8 এবং xy=7xy = 7
    সুতরাং, (x+y)2=8+2(7)(x+y)^2 = 8 + 2(7)
    (x+y)2=8+14(x+y)^2 = 8 + 14
    (x+y)2=22(x+y)^2 = 22
    সঠিক উত্তর হলো: ২২
    89

    ঢাকা ও চট্টগ্রামের দূরত্ব ৩০০ কি.মি.। ঢাকা হতে একটি ট্রেন সকাল ৭টায় ছেড়ে গিয়ে বিকেল ৩টায় চট্টগ্রাম পৌঁছে। ট্রেনটির গড় গতিবেগ ঘণ্টায় কত ছিল?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ২৪.৫ কি.মি.
    2. ৩৭.৫ কি.মি.

    3. ৪২.০ কি.মি.
    4. ৪৫.০ কি.মি.

    সঠিক উত্তর: খ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    ট্রেনটির গড় গতিবেগ নির্ণয় করার জন্য আমাদের দূরত্ব এবং মোট সময় জানতে হবে।
    ধাপ ১: মোট সময় নির্ণয় (সময় = শেষ সময় - শুরু সময়)
    ট্রেনটি সকাল ৭টায় ছেড়ে বিকেল ৩টায় পৌঁছে।
    মোট সময়কাল = (সকাল ৭টা থেকে দুপুর ১২টা) + (দুপুর ১২টা থেকে বিকেল ৩টা)
    মোট সময় = ৫ ঘণ্টা + ৩ ঘণ্টা = ৮ ঘণ্টা
    ধাপ ২: গতিবেগের সূত্র প্রয়োগ
    আমরা জানি, গড় গতিবেগ = দূরত্বসময়\frac{দূরত্ব}{সময়}
    এখানে, মোট দূরত্ব = ৩০০ কি.মি.
    মোট সময় = ৮ ঘণ্টা
    ধাপ ৩: গণনা
    গড় গতিবেগ = ৩০০\frac{৩০০}{৮} কি.মি. প্রতি ঘণ্টা।
    ৩০০=<strong>৩৭.</strong>\frac{৩০০}{৮} = <strong>৩৭.৫</strong> কি.মি. প্রতি ঘণ্টা।
    সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৩৭.৫ কি.মি.
    90

    একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভূজের ভূমি ১৬ মি. এবং অপর দুটি বাহুর প্রতিটি ১০ মি. হলে ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ৩৬ ব.মি.
    2. ৪২ ব.মি
    3. ৪৮ ব.মি.

    4. ৫০ ব.মি.

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    এটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজ (Isosceles Triangle) সংক্রান্ত পরিমিতির প্রশ্ন। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে আমাদের উচ্চতা (Height) নির্ণয় করতে হবে।
    আমরা জানি, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের সমান বাহুদ্বয়ের মধ্য থেকে ভূমির উপর অঙ্কিত লম্ব ভূমিকে সমান দুই ভাগে ভাগ করে। এই লম্বটিই হলো ত্রিভুজের উচ্চতা।
    এখানে, সমান বাহু (অতিভুজ, aa) = ১০ মি. এবং ভূমি (bb) = ১৬ মি.
    ভূমির অর্ধেক (লম্ব ভূমির অংশ) = 162=<strong>৮মি.</strong>\frac{16}{2} = <strong>৮ মি.</strong>
    পিথাগোরাসের উপপাদ্য অনুযায়ী, সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে: (উচ্চতা)2^2 + (ভূমির অর্ধেক)2^2 = (সমান বাহু)2^2
    যদি উচ্চতা hh হয়, তাহলে: h2+82=102h^2 + 8^2 = 10^2
    h2+64=100h^2 + 64 = 100
    h2=10064=36h^2 = 100 - 64 = 36
    $h = \sqrt{36} = ৬ মি.
    এখন, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র: ক্ষেত্রফল A=12×ভূমি×উচ্চতাA = \frac{1}{2} \times \text{ভূমি} \times \text{উচ্চতা}
    ক্ষেত্রফল A=12×16×6A = \frac{1}{2} \times 16 \times 6
    $A = 8 \times 6 = ৪৮ ব.মি.
    সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৪৮ ব.মি. (অপশন ৩)।
    91

    দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫∶৮ । উভয়ের সাথে ২ যোগ করলে অনুপাতটি ২∶৩ হয়। সংখ্যা দুটি কি কি?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. ৭ ও ১১
    2. ১২ ও ১৮
    3. ১০ ও ২৪
    4. ১০ ও ১৬

    সঠিক উত্তর: ঘ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    দেওয়া আছে, সংখ্যা দুটির অনুপাত ৫∶৮। আমরা ধরে নিই সংখ্যা দুটি যথাক্রমে x৫x এবং x৮x
    প্রশ্নমতে, যখন উভয়ের সাথে ২ যোগ করা হয়, তখন নতুন অনুপাত হয় ২∶৩
    সুতরাং, আমরা লিখতে পারি:
    x+x+=\frac{৫x + ২}{৮x + ২} = \frac{২}{৩}
    এখন আমরা আড়াআড়ি গুণন করব:
    (x+)=(x+)৩(৫x + ২) = ২(৮x + ২)
    ১৫x+=১৬x+১৫x + ৬ = ১৬x + ৪
    ১৬x১৫x=১৬x - ১৫x = ৬ - ৪
    x=x = ২
    সংখ্যা দুটি নির্ণয়:
    প্রথম সংখ্যা = x=×=<strong>১০</strong>৫x = ৫ \times ২ = <strong>১০</strong>
    দ্বিতীয় সংখ্যা = x=×=<strong>১৬</strong>৮x = ৮ \times ২ = <strong>১৬</strong>
    সঠিক উত্তর: ১০ ও ১৬
    92

    একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ ঐ সরল রেখার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের কত গুণ?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. দ্বিগুণ
    2. তিনগুণ
    3. চারগুণ

    4. পাঁচগুণ

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    ধরি, সরল রেখাটির দৈর্ঘ্য হলো LL একক।
    এই সরল রেখার উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল (A1A_1) হবে: A1=<strong>L2</strong>A_1 = <strong>L^2</strong> বর্গ একক।
    সরল রেখাটির অর্ধেকের দৈর্ঘ্য হলো L/2L/2 একক।
    এই অর্ধেকের উপর অঙ্কিত বর্গের ক্ষেত্রফল (A2A_2) হবে: A2=(L/2)2=<strong>L2/4</strong>A_2 = (L/2)^2 = <strong>L^2/4</strong> বর্গ একক।
    এখন, প্রথম বর্গটি দ্বিতীয় বর্গের কত গুণ তা নির্ণয় করতে হলে অনুপাত বের করতে হবে: A1/A2=L2/(L2/4)=L2imes4/L2=<strong>4</strong>A_1 / A_2 = L^2 / (L^2/4) = L^2 imes 4 / L^2 = <strong>4</strong>
    সুতরাং, একটি সরল রেখার ওপর অঙ্কিত বর্গ তার অর্ধেকের ওপর অঙ্কিত বর্গের চারগুণ
    সঠিক উত্তর: চারগুণ
    93

    x ও y -এর মানের গড় ৯ এবং , z=১২ হলে, x,y এবং z এর মানের গড় কত হবে?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1. 6
    2. 9
    3. 10
    4. 12

    সঠিক উত্তর: গ

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    গড়ের মৌলিক সূত্র অনুযায়ী, মোট সংখ্যাগুলোর যোগফল বের করতে হয়।
    প্রথমত, x এবং y এর গড় দেওয়া আছে
    সুতরাং, x এবং y এর মোট যোগফল হবে: (×)=<strong>১৮</strong>(৯ \times ২) = <strong>১৮</strong>
    এরপর, আমাদের x, y এবং z এই তিনটি সংখ্যার গড় বের করতে হবে।
    এখানে z=<strong>১২</strong>z = <strong>১২</strong>
    x, y এবং z এর মোট যোগফল হবে: (x+y)+z=১৮+১২=<strong>৩০</strong>(x + y) + z = ১৮ + ১২ = <strong>৩০</strong>
    এখন এই তিনটি সংখ্যার গড় হবে: মোট যোগফলমোট সংখ্যা=৩০=<strong>১০</strong>\frac{\text{মোট যোগফল}}{\text{মোট সংখ্যা}} = \frac{৩০}{৩} = <strong>১০</strong>
    অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ১০
    94

     x/y  এর সঙ্গে কত যোগ করলে যোগফল  (2y)/x  হবে?

    বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
    1.  (2y^2-x^2)/(xy)

    2.  (x^2-2y^2)/(xy)

    3. (x^2+2y^2)/(xy)

    4.  (x^2-y^2)/(xy)

    সঠিক উত্তর: ক

    সমাধান

    ব্যাখ্যা

    এই ধরনের অঙ্কে জানতে চাওয়া হয় যে, একটি নির্দিষ্ট রাশির সঙ্গে কত যোগ করলে ফলাফল অন্য একটি রাশি হবে। এর মূল সূত্র হলো: কাঙ্ক্ষিত রাশি = (যোগফল) - (প্রদত্ত রাশি)
    এখানে প্রদত্ত রাশি হলো x/yx/y এবং যোগফল (Desired Sum) হলো (2y)/x(2y)/x
    ধরি, নির্ণেয় রাশিটি AA
    প্রশ্নমতে: xy+A=2yx\frac{x}{y} + A = \frac{2y}{x}
    বা, A=2yxxyA = \frac{2y}{x} - \frac{x}{y}
    এখন, আমরা xx এবং yy-এর ল.সা.গু (LCMLCM) বের করব, যা হলো xyxy
    A=2yyxxxyA = \frac{2y \cdot y - x \cdot x}{xy}
    বা, A=2y2x2xyA = \frac{2y^2 - x^2}{xy}
    সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো (2y² - x²)/(xy)

    এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

    BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “20th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

    BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

    49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

    কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

    BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 20th (1998) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

    সচরাচর জিজ্ঞাসা

    20th (1998) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

    BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 20th (1998) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

    উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

    হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।