সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

43th (2021) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 43th (2021) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 43th (2021) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্যসৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ
  2. কোরেশী মাগন ঠাকুর
  3. সুলতান বরবক শাহ
  4. জমিদার নিজাম শাহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দৌলত উজির বাহরাম খানের লেখা থেকে জানা যায় তিনি জমিদার নিজাম শাহ্ এর পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন। তিনি নিজাম শাহ্ এর থেকেই দৌলত উজির উপাধি পেয়েছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জমিদার নিজাম শাহ
দৌলত উজির বাহরাম খান ছিলেন মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কবি, যিনি রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান ধারার জন্য বিখ্যাত। তিনি চট্টগ্রামের ফতেহাবাদের জমিদার নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন।
এই পৃষ্ঠপোষকতার ফলেই তিনি তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'লায়লী-মজনু' রচনা করতে সক্ষম হন। যেহেতু তিনি নিজাম শাহের উজির বা মন্ত্রী ছিলেন, তাই তাঁর নামের সাথে 'উজির' শব্দটি যুক্ত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ মূলত শাহ মুহম্মদ সগীরের (ইউসুফ-জুলেখা রচয়িতা) পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। কোরেশী মাগন ঠাকুর ছিলেন কবি আলাওলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক।
2

কোনটি নামধাতুর উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চ্‌ল
  2. কর্
  3. বেতা
  4. পড়ু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিশেষ্য, বিশেষণ এবং ধ্বন্যাত্মক অব্যয়ের পরে ‘আ’ প্রত্যয়যোগে যেসব ধাতু গঠিত হয়, সেগুলোকে নামধাতু বলা হয়। যেমন: বেত (বিশেষ্য) + আ (প্রত্যয়) = বেতা। অপরদিকে চ্‌ল, কর্, পড়্ এগুলো মৌলিক ধাতু বা ক্রিয়ামূলের উদাহরণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেতা
যেসব ধাতু বিশেষ্য, বিশেষণ অথবা অনুকার শব্দ বা অনুকার অব্যয়ের পরে 'আ' প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়, তাদের নামধাতু বলে। যেমন: বেত (বিশেষ্য) + আ = বেতা। এই নামধাতু থেকে ক্রিয়াপদ গঠিত হয় (যেমন: বেতানো, অর্থাৎ বেত দিয়ে আঘাত করা)।
এখানে, 'বেতা' শব্দটি এসেছে বিশেষ্য পদ 'বেত' থেকে। এটি নামপদ হওয়ায় এটি থেকে সৃষ্ট ধাতুটিকে নামধাতু বলা হয়।
অন্যদিকে, 'চ্‌ল' (চল) এবং 'কর্' (কর) হলো মৌলিক ধাতু (বা সিদ্ধ ধাতু)। এগুলোকে বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভাঙা যায় না। 'পড়ু' (পড়) মৌলিক ধাতু হলেও তা 'পড়ুক' বা 'পড়ে' ক্রিয়াপদের অংশ, এটি নামধাতু নয়।
3

হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পণ্ডিত
  2. বিদ্যাসাগর
  3. শাস্ত্রজ্ঞ
  4. মহামহোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদের আবিষ্কারক হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮৯৮ সালে ‘মহামহোপাধ্যায়’ এবং ১৯২৭ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক ডি.লিট উপাধি পান। তার আসল নাম ছিল হরপ্রসাদ ভট্টাচার্য। তাঁর জন্মস্থান নৈহাটি, পশ্চিমবঙ্গ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মহামহোপাধ্যায়
পাণ্ডিত্যপূর্ণ গবেষণা ও অসাধারণ জ্ঞানচর্চার স্বীকৃতিস্বরূপ ব্রিটিশ সরকার হরপ্রসাদ শাস্ত্রীকে 'মহামহোপাধ্যায়' উপাধিতে ভূষিত করেছিল। তিনি ১৯১১ সালে এই সম্মান লাভ করেন।
উল্লেখযোগ্য যে, পণ্ডিত উপাধিটি বিভিন্ন প্রাচীন শিক্ষকের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতো, তবে এটি হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর বিশেষ উপাধি নয়। অন্যদিকে, বিদ্যাসাগর উপাধিটি প্রদান করা হয়েছিল সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে
4

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’
  2. ‘ক্ষুধা ও আশা’
  3. ‘কর্ণফুলি’
  4. ‘ধানকন্যা’

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপজাতীদের জীবন কাহিনী অবলম্বনে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত উপন্যাস ‘কর্ণফুলী’। এটি একটি আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এটির জন্য তিনি ইউনেস্কো পুরস্কার পেয়েছিলেন। ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ আলাউদ্দিন আল আজাদের প্রথম উপন্যাস এবং এটি একটি মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস। ‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসের রচয়িতাও তিনি; ‘ধান কন্যা’ তার রচিত ছোট গল্প। যুদ্ধ ও দুর্ভিক্ষ পীড়িত সামাজিক অবস্থায় সংগ্রামী মানুষের চিত্র ‘ক্ষুধা ও আশা’ উপন্যাসে ফুটে উঠেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ‘কর্ণফুলি’
এই উপন্যাসটি লিখেছেন বিখ্যাত সাহিত্যিক আলাউদ্দিন আল আজাদ
এটি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রামের চাকমা জাতিগোষ্ঠীর জীবন, প্রকৃতি ও সংস্কৃতিকে কেন্দ্র করে রচিত হয়েছে।
নদীকে (কর্ণফুলি) কেন্দ্র করে তাদের ঐতিহ্য, জীবনসংগ্রাম এবং প্রেম-বিরহ এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘তেইশ নম্বর তৈলচিত্র’ এবং ‘ক্ষুধা ও আশা’ — দুটোই আলাউদ্দিন আল আজাদের লেখা, কিন্তু সেগুলোর বিষয়বস্তু যথাক্রমে মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ ও সামাজিক-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে তাদের জীবনধর্মী উপন্যাস হলো কেবল ‘কর্ণফুলি’।
5

‘নীল লোহিত’ কোন লেখকের ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অরুণ মিত্র
  2. সমরেশ বসু
  3. সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
  4. সমরেশ মজুমদার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় ‘নীললোহিত’, ‘সনাতন পাঠক’, ‘নীল উপাধ্যায়’ ইত্যাদি ছদ্মনাম ব্যবহার করেছেন। সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের জন্ম অধুনা বাংলাদেশের মাদারীপুরে। সমরেশ বসু ‘কালকূট’, ‘ভ্রমর’ ছদ্মনামে লিখতেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
নীল লোহিত বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক, কবি ও সাহিত্যিক সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়-এর সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত ও জনপ্রিয় ছদ্মনাম।
এই ছদ্মনামে তিনি বহু কবিতা, উপন্যাস এবং কলাম লিখেছেন, যার মধ্যে তাঁর বিখ্যাত চরিত্র নীলু বা নীললোহিত-এর ভ্রমণ কাহিনিগুলো বিশেষভাবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ, তবে তাদের ছদ্মনাম ভিন্ন। যেমন: সমরেশ বসু-র বিখ্যাত ছদ্মনাম হলো কালকূটভ্রমর
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাগযন্ত্রের অংশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বরযন্ত্র
  2. ফুসফুস
  3. দাঁত
  4. উপরের সবকটি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভাষার প্রথম প্রকাশ ঘটে মানুষের মুখে-মানুষের বাগ্‌যন্ত্রে। মানুষের বাগযন্ত্রই ভাষার প্রথম জন্মভূমি। বাগযন্ত্রের গঠন- প্রক্রিয়া ধ্বনিবিজ্ঞানের প্রথম আলোচ্য বিষয়। শরীরের উপরিভাগে অবস্থিত মধ্যচ্ছদা থেকে ঠোঁট পর্যন্ত শ্বাসবাহী যেসব বিশেষ প্রত্যঙ্গগুলি ধ্বনির উচ্চারণের সঙ্গে যুক্ত সেগুলিকে বাক্‌প্রত্যঙ্গ বা একত্রে বাগ্‌যন্ত্র (speech organ/ vocal organ) বলে। বাগ্‌যন্ত্রের এলাকা বিস্তৃত। এর মধ্যে রয়েছে ফুসফুস (lungs), শ্বাসনালি (trachea), স্বরযন্ত্র (larynx), স্বরতন্ত্র (vocal fold), জিভ (tongue), ঠোঁট (lips), নিচের চোয়াল (lower jaw), দাঁত (teeth), তালু (palate) ও গলনালি (pharynx)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপরের সবকটি (স্বরযন্ত্র, ফুসফুস, দাঁত)।
ধ্বনি উৎপাদনের কাজে ব্যবহৃত মানব দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলোকে একত্রে বাগযন্ত্র (Organs of Speech) বলা হয়।
বাগযন্ত্র একটি ব্যাপক ধারণা, যা কণ্ঠনালী থেকে শুরু করে মুখ ও নাসিকার পথ পর্যন্ত বিস্তৃত। ধ্বনি সৃষ্টি ও উচ্চারণের জন্য নিচে দেওয়া অঙ্গগুলোর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
১. ফুসফুস (Lungs): ধ্বনি উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় শ্বাসবায়ু বা শক্তির উৎস হিসেবে কাজ করে। শ্বাসবায়ু ছাড়া কোনো ধ্বনি তৈরি সম্ভব নয়।
২. স্বরযন্ত্র (Larynx): এর ভেতরে থাকে স্বরতন্ত্রী (Vocal Cords)। ফুসফুস থেকে আসা বাতাস যখন স্বরতন্ত্রীতে আঘাত করে, তখন কম্পনের সৃষ্টি হয় এবং মূল ধ্বনির জন্ম হয়। স্বরযন্ত্রকে তাই বাগযন্ত্রের কেন্দ্রবিন্দু বলা হয়।
৩. দাঁত, জিহ্বা, ঠোঁট ও তালু: এগুলো হলো উচ্চারণ অঙ্গ বা প্রত্যঙ্গ (Articulators)। স্বরযন্ত্রে সৃষ্ট ধ্বনিকে নির্দিষ্ট রূপ দেওয়ার জন্য এই অঙ্গগুলো ব্যবহার করা হয়। দাঁত (দাঁত, দন্ত্য ধ্বনি), জিহ্বা (জিহ্বামূল, তালু), এবং ঠোঁট (ওষ্ঠ্য ধ্বনি) ধ্বনির রূপ পরিবর্তন করে।
7

‘চর্যাপদে’র প্রাপ্তিস্থান কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলাদেশ
  2. নেপাল
  3. উড়িষ্যা
  4. ভুটান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘বঙ্গীয় এশিয়াটিক সোসাইটি’ প্রদত্ত দায়িত্ব পেয়ে হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৮৯৭ ও ১৮৯৮ সালে দুইবার নেপালে যান। ১৯০৭ সালে তৃতীয়বার নেপালে গিয়ে তিনি নেপালের রাজ দরবারের গ্রন্থাগার হতে ‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ নামে একটি পুঁথি আবিষ্কার করেন। এটিই ‘চর্যাপদ’ বলে পরিচিত। চর্যাপদের সাথেই ‘সরহপাদের দোহা’, ‘কৃষ্ণপাদের দোহা’ ও ‘ডাকার্ণব’ নামে আরও ৩টি বই নেপালের রাজ গ্রন্থাগার হতে আবিষ্কৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেপাল। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন।
মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত রয়্যাল এশিয়াটিক সোসাইটির লাইব্রেরি থেকে চর্যাপদের পুঁথি আবিষ্কার করেন।
এটি আবিষ্কারের পর ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ কর্তৃক ‘হাজার বছরের পুরাণ বাঙ্গালা ভাষায় রচিত বৌদ্ধ গান ও দোঁহা’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
8

কোনটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘কাঁদো নদী কাঁদো’
  2. ‘নেকড়ে অরণ্যে’
  3. ‘রাঙা প্রভাত’
  4. ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘নেকড়ে অরণ্য’ উপন্যাসে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় নারীদের উপর নির্যাতনের চিত্র ফুটিয়ে তুলেছেন জীবনবাদী কথাশিল্পী শওকত ওসমান। তাঁর মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক আরও তিনটি উপন্যাস ‘জাহান্নম হইতে বিদায়’, ‘দুই সৈনিক’ ও ‘জলাংগী’। ‘কাঁদো নদী কাঁদো’, ‘রাঙ্গা প্রভাত’ এবং ‘প্রদোষে প্রাকৃতজন’ উপন্যাসের লেখক যথাক্রমে সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ, আবুল ফজল এবং শওকত আলী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— ‘নেকড়ে অরণ্যে’
এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান রচিত একটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। এই উপন্যাসে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নির্মমতা ও পৈশাচিকতার চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আরও কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো: শামসুর রাহমানের ‘নেই’, শওকত ওসমানের ‘জাহান্নাম হইতে বিদায়’, সেলিনা হোসেনের ‘হাঙর নদী গ্রেনেড’, আনোয়ার পাশার ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (এটি অসমাপ্ত উপন্যাস)।
9

বড়>বড্ড -এটি কোন ধরনের পরিবর্তন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষমীভবন
  2. সমীভবন
  3. ব্যঞ্জনদ্বিত্ব
  4. ব্যঞ্জন-বিকৃতি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দ্বিত ব্যঞ্জন (Long Consonant) বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব: কখনো কখনো জোর দেয়ার জন্য শব্দের অন্তর্গত ব্যঞ্জনের দ্বিত্ব উচ্চারণ হয়, একে বলে দ্বিত্ব ব্যঞ্জন বা ব্যঞ্জনদ্বিত্ব। যেমন: বড় > বড্ড, পাকা > পাক্কা, সকাল > সক্কাল ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বা ব্যঞ্জন দ্বৈততা
যখন কোনো শব্দ উচ্চারণের সময় তার অর্থের উপর অতিরিক্ত জোর বা প্রাবল্য (Emphasis) বোঝাতে মাঝের কোনো ব্যঞ্জনধ্বনি দ্বিত্ব বা পুনরাবৃত্তি হয়, তখন তাকে ব্যঞ্জনদ্বিত্ব বলে।
মূল শব্দটি ছিল 'বড়'। দ্রুত বা জোর দিয়ে উচ্চারণের ফলে এটি 'বড্ড' তে রূপান্তরিত হয়েছে। এখানে মূল ধ্বনিটির পরিবর্তন হয়ে তার দ্বিত্ব (ড় > ড + ড = ড্ড) ঘটেছে।
ব্যঞ্জনদ্বিত্বের অন্যান্য পরিচিত উদাহরণ হলো: সকাল > সক্কাল (ক + ক = ক্ক), কাদা > কাদ্দা (দ + দ = দ্দ), মিথ্যা > মিচ্চা (চ + চ = চ্চ)।
অন্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: সমীভবনে দুটি ভিন্ন ধ্বনি কাছাকাছি আসে (পদ্ম>পদ্দ), এবং বিষমীভবনে দুটি একই ধ্বনি ভিন্ন হয় (শরীর>শরীল)।
10

‘গড্ডলিকা প্রবাহ’ বাগধারায় ‘গড্ডল’ শব্দের অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্রোত
  2. ভেড়া
  3. একত্র
  4. ভাসা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘গড্ডল’, ‘গড্ডর’ শব্দের স্ত্রীলিঙ্গ, যার মানে হচ্ছে ‘ভেড়া’ কিংবা ‘মেষ’। এই গড্ডল হয়েই বাংলায় ‘গাড়ল’ কথাটিও জন্মেছে। কাজেই, ‘গড্ডলিকা’ বলতে বুঝায় একটা মেষ দলে সামনে থাকা আগুয়ান মেষটিকে এবং বাকি ভেড়ারা অন্ধভাবে তাকে অনুসরণ করে আর দলটা একটি নদীর মতো বইতে বইতে এগোতে থাকে। এরই অনুপ্রেরণায় যখন কেউ অন্ধভাবে, নিজে কোনও বিবেচনা না করে, সবাই করছে দেখে কোনও কাজে নিয়োজিত হয়, তখন ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’, ‘মেষদল’, ‘ভেড়ার পাল’ এই সমস্ত কথাগুলো ব্যবহার হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভেড়া (অপশন খ)।
বাগধারাটিতে ব্যবহৃত ‘গড্ডল’ শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো ভেড়া বা মেষ
বাগধারাটির পূর্ণরূপ ‘গড্ডলিকা প্রবাহ’-এর অর্থ হলো: অন্ধ অনুকরণ বা নির্বিচারে কাউকে অনুসরণ করা।
ভেড়ার পাল যেমন সামনের ভেড়াটিকে অন্ধভাবে অনুসরণ করে (সে ভুল পথে গেলেও), তেমনি মানুষ যখন বিচার-বুদ্ধি ছাড়া অন্যকে অনুসরণ করে, তখন এই বাগধারাটি ব্যবহৃত হয়।
এখানে, ‘স্রোত’ অর্থটি আসে ‘প্রবাহ’ শব্দ থেকে, যা ‘গড্ডল’-এর অর্থ নয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারার অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামায়ণের সাত পর্ব
  2. রামায়ণে বর্ণিত বৃক্ষ
  3. রামায়ণে বর্ণিত সাতটি সমুদ্র
  4. বৃহৎ বিষয়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সপ্তকাণ্ড রামায়ণ বাগধারাটির অর্থ- বৃহৎ বিষয়। যেমন: সপ্তকাণ্ড রামায়ণ না আউড়ে আসল কথাটাই বল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বৃহৎ বিষয়
বাগধারা বা ইডিয়মের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর আভিধানিক অর্থ অপ্রধান এবং লাক্ষণিক (figurative) অর্থ প্রধান
‘সপ্তকাণ্ড রামায়ণ’ বাগধারাটি এসেছে ভারতীয় মহাকাব্য রামায়ণ থেকে। এই মহাকাব্যের পর্বগুলোকে ‘কাণ্ড’ বলা হয় এবং মোট সাতটি কাণ্ড রয়েছে (যেমন: বালকাণ্ড, অরণ্যকাণ্ড, ইত্যাদি)।
রামায়ণ অত্যন্ত বিশাল, সুদীর্ঘ ও বিস্তারিত একটি গ্রন্থ। তাই এই বাগধারাটি দিয়ে আক্ষরিক অর্থ (রামায়ণের সাত পর্ব) বোঝানো হয় না, বরং বিশাল, সুদীর্ঘ অথবা অত্যন্ত বিস্তৃত বিষয় বোঝানো হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো বাগধারাটির আভিধানিক বা শাব্দিক অর্থ প্রকাশ করে, যা এক্ষেত্রে গ্রহণযোগ্য নয়।
12

‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’ এ বাক্যটির অস্তিবাচক রূপ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাতে সমাজজীবন চলে।
  2. তাতে না সমাজজীবন চলে।
  3. তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে
  4. তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাক্যে ‘না’, ‘নয়’, ‘নহে’, ‘নি’, নেই’, ‘নাহি’, ‘নাই’ ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয়যোগে অস্তিবাচক বাক্যের বিধেয় ক্রিয়াকে (সমাপিকা ক্রিয়াকে) নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করা হয়। যেমন: নেতিবাচক বাক্য: ‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’ এর অস্তিবাচক বাক্য: তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে। অনুরূপভাবে নেতিবাচক বাক্য: মন নিচুতে নামতে চায় না। এর অস্তিবাচক বাক্য: মন নিচুতে নামতে অনিচ্ছুক।

ব্যাখ্যা

বাক্যের রূপান্তর বা ট্রান্সফরমেশন করার মূল উদ্দেশ্য হলো বাক্যের গঠনের পরিবর্তন করা, কিন্তু অর্থ বা ভাবের কোনো পরিবর্তন না করা
এখানে মূল বাক্যটি হলো ‘তাতে সমাজজীবন চলে না।’ এটি একটি নেতিবাচক (নঞর্থক) বাক্য। এর ভাবগত অর্থ হলো—তাতে সমাজজীবন সচল থাকে না, অর্থাৎ অচল হয়ে পড়ে
এই নেতিবাচক ভাবটি বজায় রেখে এটিকে অস্তিবাচক (হ্যাঁ-বাচক) করতে হলে, বাক্যের মধ্যে এমন একটি শব্দ ব্যবহার করতে হবে যা নেতিবাচক অর্থ বহন করে। এক্ষেত্রে ‘চলে না’ (Does not run) এর বিপরীত ভাব প্রকাশ করে এমন একটি অস্তিবাচক ক্রিয়া ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক রূপান্তরটি হবে: ‘তাতে সমাজজীবন অচল হয়ে পড়ে’।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ—
‘তাতে সমাজজীবন চলে’ বাক্যটির অর্থ মূল বাক্যের সম্পূর্ণ বিপরীত এবং ‘তাতে সমাজজীবন সচল হয়ে পড়ে’ বাক্যটিও বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
13

“তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে অনিবার।” -রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘অনন্ত প্রেম’
  2. ‘উপহার’
  3. ‘ব্যক্ত প্রেম’
  4. ‘শেষ উপহার’

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নে উল্লিখিত চরণ দুটি অনন্তপ্রেম কবিতার অংশ। কবিতাটি কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতায় তিঁনি নিজের যৌবন থেকে শেষ জীবন পর্যন্ত নিজের ভালোলাগা বা ভালোবাসার প্রতিটি মুহুর্তকে তুলে ধরেছেন।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত চরণটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আবেগপূর্ণ লাইন।
এই লাইনটি তাঁর ‘অনন্ত প্রেম’ নামক কবিতার অংশ। কবিতাটির মূল ভাব হলো—প্রেমিক তার প্রেমাস্পদকে শুধু এই জন্মে নয়, যুগে যুগে, জন্ম-জন্মান্তর ধরে ভালোবেসে আসছে এবং ভবিষ্যতেও বাসব।
কবিতার নামের মধ্যেই এই চিরন্তন ভালোবাসার ধারণাটি প্রতিফলিত হয়েছে, যা ‘অনন্ত’ শব্দটি দ্বারা নির্দেশিত।
এটি ‘উপহার’, ‘ব্যক্ত প্রেম’ বা ‘শেষ উপহার’ কবিতার অংশ নয়।
14

‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি।’ এ বাক্যে ‘ডেকে ডেকে’ কোন অর্থ প্রকাশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অসহায়ত্ব
  2. বিরক্তি
  3. কালের বিস্তার
  4. পৌনঃপুনিকতা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পদের দ্বিরুক্তি: দুটি পদে একই বিভক্তি প্রয়োগ করা হয়, শব্দ দুটি ও বিভক্তি অপরিবর্তিত থাকে। যেমন: পদের দ্বিরুক্তির প্রয়োগে ক্রিয়াবাচক শব্দের ব্যবহার হিসেবে: ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি পৌনঃপুনিকতার উদাহরণ। অনুরূপভাবে স্বল্পকাল স্থায়ী বোঝাতে- দেখতে দেখতে আকাশ কালো হয়ে এলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পৌনঃপুনিকতা
বাংলা ব্যাকরণে যখন একই শব্দ পরপর দুবার ব্যবহৃত হয়ে বিশেষ কোনো অর্থ প্রকাশ করে, তখন তাকে দ্বিরুক্ত শব্দ বলে। এই বাক্যে ‘ডেকে ডেকে’ শব্দটি একটি ক্রিয়াবাচক দ্বিরুক্তি
ক্রিয়াবাচক দ্বিরুক্ত শব্দে ক্রিয়াপদ বা ক্রিয়ামূলের পুনরাবৃত্তি যদি কোনো বিশেষ কাজ বারবার বা ক্রমাগত করা হয়েছে বোঝায়, তবে তা পৌনঃপুনিকতা বা ক্রমাগততা অর্থ প্রকাশ করে।
‘ডেকে ডেকে হয়রান হচ্ছি’—এর অর্থ হলো বারবার ডাকার ফলে আমি ক্লান্ত। এখানে ‘ডেকে ডেকে’ কাজটি পুনরাবৃত্তি (Repetition) বা পৌনঃপুনিকতা নির্দেশ করছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (অসহায়ত্ব, বিরক্তি) হলো ভাব বা অনুভূতি, যা ব্যাকরণগতভাবে ‘ডেকে ডেকে’ শব্দটির সরাসরি অর্থ নয়, বরং পৌনঃপুনিক কাজের ফলস্বরূপ উদ্ভূত হতে পারে।
15

‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্হের কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রফিক আজাদ
  2. শঙ্খ ঘোষ
  3. শক্তি চট্রোপাধ্যায়
  4. শামসুর রহমান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থটির কবি শঙ্খ ঘোষ (৫ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২-২১ এপ্রিল, ২০২১)। গ্রন্থটি ১৯৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। দিনগুলি রাতগুলি (১৯৫৬); এখন সময় নয় (১৯৬৭); জলই পাষাণ হয়ে আছে (২০০৪) প্রভৃতি তাঁর বিখ্যাত কয়েকটি কাব্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শঙ্খ ঘোষ
‘মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে’ কাব্যগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন ভারতের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি শঙ্খ ঘোষ
এই কাব্যগ্রন্থটি কবির অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি এবং এর মাধ্যমে আধুনিক সমাজের বস্তুবাদী মানসিকতা ও জীবনের জটিলতা তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলিও বিখ্যাত কবির নাম হলেও তারা এই বিশেষ কাব্যগ্রন্থের রচয়িতা নন। যেমন, শামসুর রহমান (বাংলাদেশের প্রধান আধুনিক কবি) বা শক্তি চট্রোপাধ্যায় (কলকাতার আরেক আধুনিক কবি)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘আসমান’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পর্তুগিজ
  2. ফরাসি
  3. আরবি
  4. ফারসি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘আসমান’ শব্দটি ফারসি ভাষা থেকে আগত। ফারসি ভাষা থেকে আগত কয়েকটি শব্দ- আইন, আফগান, খরিদ, গোয়েন্দা, কামান, কারখানা, রসিদ, হাঙ্গামা, সওদা, শুমারি ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ফারসি ভাষা।
‘আসমান’ শব্দটি একটি বিদেশি শব্দ, যার অর্থ আকাশ বা গগন। শব্দটি ফারসি (Persian) ভাষা থেকে সরাসরি বাংলা ভাষায় স্থান লাভ করেছে।
বাংলা শব্দভান্ডারে ফারসি শব্দের আগমন মূলত মুসলিম শাসন আমল ও সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ফল। ‘আসমান’ ছাড়াও জমিন, বাজার, নামাজ, রোজা ইত্যাদি বহু পরিচিত শব্দ ফারসি ভাষা থেকে এসেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: আরবি শব্দগুলো সাধারণত ধর্ম ও আদালত সংক্রান্ত (যেমন: আদালত, কলম, ইসলাম)। পর্তুগিজ শব্দগুলো সাধারণত ঘরোয়া জিনিসপত্র সংক্রান্ত (যেমন: আলপিন, আলমারি, বালতি)।
17

‘রুখের তেন্ত্তলি কুমীরে খাই’ এর অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তেজি কুমিরকে রুখে দিই
  2. বৃক্ষের শাখায় পাকা তেঁতুল
  3. গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
  4. ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই’ এর অর্থ গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়। চর্যাপদের মহিলা কবি কুক্কুরীপা রচিত ২নং পদে উক্ত কথাটি পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
এই উক্তিটি একটি প্রাচীন প্রবাদ এবং এর শাব্দিক বা আভিধানিক অর্থই সাধারণত গ্রহণ করা হয়।
শব্দ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়: 'রুখ' শব্দের অর্থ হলো বৃক্ষ বা গাছ। 'তেন্ত্তলি' মানে হলো তেঁতুল। এবং 'কুমীরে খাই' মানে কুমিরে খায়।
অতএব, সম্পূর্ণ বাক্যটির সরাসরি অর্থ দাঁড়ায়, গাছের তেঁতুল কুমিরে খায়
অন্যদিকে, ‘ভুল থেকে শিক্ষা নিতে হয়’—এটি একটি ভাবার্থ যা এই নির্দিষ্ট প্রবাদটির স্বীকৃত অর্থ নয়। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য এর শাব্দিক অর্থটিই জানা জরুরি।
18

কত সালে ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1860
  2. 1861
  3. 1865
  4. 1867

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। এটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস। তাঁর আরও কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস ‘আনন্দমঠ’, ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’, ‘বিষবৃক্ষ’ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮৬৫
বাংলা সাহিত্যের দিকপাল বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৩৮–১৮৯৪) রচিত প্রথম উপন্যাস হলো ‘দুর্গেশনন্দিনী’। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক বা সফল উপন্যাস হিসেবে স্বীকৃত।
বঙ্কিমচন্দ্র যখন ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট, তখন এই উপন্যাসটি লিখেছিলেন। এর মাধ্যমে বাংলা উপন্যাসের জগতে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
19

‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এস. ওয়াজেদ আলী
  2. আবুল হাসেম
  3. আবুল মনসুর আহমদ
  4. আবুল হুসেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ আবুল মনসুর আহমদ এর বিখ্যাত গ্রন্থ। এতে আজকের বাংলাদেশ নামে পরিচিত ভূখণ্ডটির ১৯২০ থেকে ১৯৭০ সাল পর্যন্ত ইতিহাস আছে। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্থ শেরে বাংলা থেকে বঙ্গবন্ধু, আয়না, ফুড কনফারেন্স, গালিভারের সফর নামা, আসমানি পর্দা, হুজুর কেবলা, আবে হায়াত ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আবুল মনসুর আহমদ
‘আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর’ (প্রকাশকাল: ১৯৬৮) হলো খ্যাতিমান রাজনীতিবিদ, সাংবাদিক এবং সাহিত্যিক আবুল মনসুর আহমদ-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
এই গ্রন্থটিতে তিনি ১৯০৪ সাল থেকে শুরু করে ১৯৬৪ সাল পর্যন্ত তৎকালীন বাংলার (পরবর্তীতে পূর্ব পাকিস্তান) রাজনীতি, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জীবনের এক প্রামাণ্য ইতিহাস তুলে ধরেছেন। এটি বিসিএস পরীক্ষার জন্য একটি 'অবশ্যপাঠ্য' তথ্য।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে এস. ওয়াজেদ আলী ছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক (যেমন: ভবিష్యতের বাঙালি), কিন্তু তিনি এই আত্মজীবনীর রচয়িতা নন।
20

“ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” কে এই দামাল ছেলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. কামাল পাশা
  3. চিত্তরঞ্জন দাস
  4. সুভাষ বসু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

“ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” লাইনটি বিদ্রোহী কবি নজরুল রচিত কবিতা ‘কামাল পাশা’র অন্তর্ভুক্ত। এখানে দামাল ছেলে বলতে কামাল ভাই অর্থাৎ কামাল পাশাকে বুঝিয়েছেন। কামাল পাশা কবিতাটি ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কামাল পাশা
এই বিখ্যাত উক্তিটি (কবিতার অংশ) রচনা করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম। এটি তাঁর 'কামাল পাশা' নামক একটি বিখ্যাত কবিতা/সঙ্গীতের অংশ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর যখন তুরস্ক বিদেশি শক্তির হাতে প্রায় পরাধীন হতে চলেছিল, তখন মুস্তফা কামাল পাশা তাঁর অসামান্য নেতৃত্বের মাধ্যমে তুরস্ককে রক্ষা করেন এবং পশ্চিমা সাম্রাজ্যবাদীদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ান।
নজরুল ইসলাম এই বিপ্লবী নেতৃত্ব এবং তুরস্ককে আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করার জন্য মুস্তফা কামাল পাশা-কে শ্রদ্ধা জানিয়েই “পাগলি মায়ের দামাল ছেলে” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

‘Attested’ শব্দের বাংলা পরিভাষা কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রত্যায়িত
  2. সত্যায়িত
  3. প্রত্যয়িত
  4. সত্যয়িত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Attested এর বহুল ব্যবহৃত বাংলা পারিভাষিক শব্দ হচ্ছে ‘সত্যায়িত’। সূত্র হিসেবে বাংলা একাডেমী English to Bengali dictionary উল্লেখ করা যেতে পারে। ড. শাহজান মনিরের বাংলা ব্যাকরণে attestation শব্দটির বাংলা দেয়া হয়েছে ‘সত্যায়ন’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সত্যায়িত
Attested শব্দের অর্থ হলো 'সত্য বলে প্রমাণ করা হয়েছে এমন' অথবা 'সাক্ষ্য দ্বারা সমর্থিত'। এটি মূলত কোনো দলিলের বা নথির সত্যতা যাচাই করে সীলমোহর বা স্বাক্ষর দেওয়ার প্রক্রিয়াকে বোঝায়।
বাংলা পরিভাষায়, 'Attested'-এর সঠিক প্রতিশব্দ হলো সত্যায়িত। এটি গঠিত হয়েছে সত্য + আ- + যিত প্রত্যয় যোগে, যার অর্থ সত্যতা প্রদান করা বা সত্য রূপে স্বীকৃতি দেওয়া।
অন্যদিকে, প্রত্যয়িত (অপশন ক) শব্দটি গঠিত হয়েছে প্রত্যয় (বিশ্বাস) + ইত দিয়ে, যার অর্থ 'বিশ্বাসী বা যাকে বিশ্বাস করা হয়েছে'। দাপ্তরিক পরিভাষায় এটি Attested-এর সঠিক প্রতিশব্দ নয়।
প্রত্যয়িত (অপশন গ) এবং সত্যয়িত (অপশন ঘ) হলো বাংলা বানানের ভুল প্রয়োগ, যা পরিভাষা হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়।
22

বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেগম রোকেয়া
  2. কাদম্বরী দেবী
  3. স্বর্ণকুমারী দেবী
  4. নূরুন্নাহার ফয়জুন্নেসা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক স্বর্ণকুমারী দেবী। ১৮৭৬ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস ‘দীপনির্বাণ’ প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্বর্ণকুমারী দেবী
তিনি ছিলেন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অগ্রজা (বড় বোন)। তিনি ১৮৭৬ সালে তাঁর প্রথম উপন্যাস 'দীপনির্বাণ' রচনা করেন। এর মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ হলেও এই প্রশ্নের জন্য সঠিক নয়। যেমন— বেগম রোকেয়া ছিলেন প্রধানত প্রবন্ধকার, সমাজ সংস্কারক ও নারীবাদী লেখিকা।
কাদম্বরী দেবী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ভাইয়ের স্ত্রী এবং ঠাকুর পরিবারের ঘনিষ্ঠ হলেও সাহিত্যের জন্য পরিচিত নন।
23

‘আমার দেখা নয়াচীন’ কে লিখেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাওলানা ভাসানী
  2. আবুল ফজল
  3. শহীদুল্লাহ কায়সার
  4. শেখ মুজিবুর রহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘আমার দেখা নয়াচীন’ বঙ্গব্ন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। বঙ্গবন্ধু প্রথম চীন ভ্রমণ করেন ১৯৫২ সালে একটি শান্তি সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে এবং পরবর্তীতে ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান সংসদীয় দলীয় নেতা হিসেবে চীন ভ্রমণ করেন। চীন ভ্রমণের এসব অভিজ্ঞতা থেকে তিনি একটি ডায়েরি লেখেন এবং এটির নাম দেন ‘নয়াচীন ভ্রমণ’। পরবর্তীতে এটিই ‘আমার দেখা নয়াচীন’ নামে গ্রন্থ আকারে শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় ২০২০ সালের অমর একুশে গ্রন্থ মেলায় প্রথম প্রকাশিত হয়। তার রচিত অন্যান্য গ্রন্হ অসমাপ্ত আত্মজীবনী, কারাগারের রোজনামচা, আমার কিছু কথা (প্রকাশিতব্য)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শেখ মুজিবুর রহমান
‘আমার দেখা নয়াচীন’ হলো বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান রচিত একটি ভ্রমণ কাহিনি।
তিনি ১৯৫২ সালে পাকিস্তান সরকারের প্রতিনিধি দলের সদস্য হিসেবে চীন সফর করেন। সেই সফরের অভিজ্ঞতা এবং চীনের সমাজ ও রাজনীতি নিয়ে লেখা তার এই ডায়েরিটি ২০২০ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে মাওলানা ভাসানী ছিলেন একজন প্রখ্যাত রাজনৈতিক নেতা, আবুল ফজল ছিলেন একজন খ্যাতিমান সাহিত্যিক, এবং শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন প্রথিতযশা সাংবাদিক ও লেখক। তাদের কারো লেখা নয় এই বইটি।
24

মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘মনসামঙ্গল’
  2. ‘মনসাবিজয়’
  3. ‘পদ্মাপুরাণ’
  4. ‘পদ্মাবতী’

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বরিশালের গৈলা গ্রামে জন্ম নেওয়া বিজয়গুপ্ত মঙ্গলকাব্যের অন্যতম ধারা মনসামঙ্গলের শ্রেষ্ঠ কবি। তিনি ১৪৯৪ খ্রিস্টাব্দে ‘পদ্মাপুরাণ’ নামে কাব্য রচনা করেন। ‘মনসাবিজয়’ এর রচয়িতা বিপ্রদাস পিপিলাই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পদ্মাপুরাণ
মনসামঙ্গল ধারার অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও প্রভাবশালী কবি হলেন বিজয়গুপ্ত। তিনি তাঁর রচিত মঙ্গলকাব্যের নাম দেন ‘পদ্মাপুরাণ’
মনসা দেবীর অপর নাম হলো পদ্মা বা কেতকা। এই নাম ধরেই কবি তাঁর কাব্যের নামকরণ করেছিলেন।
‘মনসাবিজয়’ নামটির ব্যবহার করেছিলেন আরেক বিখ্যাত মনসামঙ্গল কবি বিপ্রদাস পিপিলাই (চতুর্দশ শতকের শেষ দিকে)। এটিও মনসামঙ্গল কাব্যেরই অপর নাম।
25

‘জিজীবিষা’ শব্দটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জীবননাশের ইচ্ছা
  2. বেঁচে থাকার ইচ্ছা
  3. জীবনকে জানার ইচ্ছা
  4. জীবন-জীবিকার পথ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জিজীবিষা- বেঁচে থাকার ইচ্ছা। জিগীষা - বিজয়ের ইচ্ছা (প্রবল জিগীষার আত্মপ্রকাশ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেঁচে থাকার ইচ্ছা
শব্দটি মূলত সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত একটি শব্দ যা 'এক কথায় প্রকাশ'-এর (One Word Substitution) অংশ।
‘জিজীবিষা’ শব্দের মূল অর্থ হলো জীবন ধারণের বা বেঁচে থাকার তীব্র ইচ্ছা। শব্দটির ব্যুৎপত্তিগত বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: জি + সন্‌ + আ = জিজীবিষা।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, 'জীবননাশের ইচ্ছা' হলো এর সম্পূর্ণ বিপরীত ভাবার্থ। বাকি অপশনগুলো ব্যাকরণগতভাবে এই শব্দের অর্থ প্রকাশ করে না।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’ কে রচনা করেন এই কাব্যাংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  2. প্রেমেন্দ্র মিত্র
  3. সমর সেন
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্নে উল্লিখিত কাব্যাংশটি জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘মানুষের মৃত্যু’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবি তার মৃত্যুভাবনা থেকেই কবিতাটি লিখেছিলেন। কবিতাটি স্থান পেয়েছে ‘জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা’ সংকলনে। কবির মৃত্যুর কয়েকমাস পূর্বে ১৯৫৪ সালের মে মাসে এই কাব্যটি প্রথম প্রকাশিত হয়। ১৯৫৫ সালে শ্রেষ্ঠ কবিতা গ্রন্হটি ভারত সরকারের সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জীবনানন্দ দাশ
প্রদত্ত কাব্যাংশটি (‘মানুষের মৃত্যু হলে তবুও মানব থেকে যায়’) বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা।
উদ্ধৃত লাইনটি তাঁর বিখ্যাত কবিতা ‘কবির মৃত্যু’-এর অংশ। কবিতাটি ‘সাতটি তারার তিমির’ (প্রকাশ: ১৯৪৮) কাব্যগ্রন্থে সংকলিত হয়েছে।
কবিতাটির মাধ্যমে কবি বোঝাতে চেয়েছেন যে, ব্যক্তি মানুষের জীবন ক্ষণস্থায়ী হলেও, তার মানবসত্তা বা মনুষ্যত্বের আদর্শ সমাজে চিরকাল জীবিত থাকে।
অন্যান্য অপশন যেমন—সুধীন্দ্রনাথ দত্ত, প্রেমেন্দ্র মিত্র বা সমর সেন পঞ্চপাণ্ডব গোষ্ঠীর কবি হলেও, এই গভীর দার্শনিক ও প্রকৃতিঘনিষ্ঠ মানবতাবাদের প্রকাশ জীবনানন্দ দাশের সাহিত্যেই সর্বাধিক দেখা যায়।
27

ভুল বানান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূবন
  2. অন্তঃসার
  3. মুহূর্ত
  4. অদ্ভুত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভূবন শব্দের সঠিক বানান ভুবন। অন্তঃসার, মুহূর্ত এবং অদ্ভুত তিনটি বানানই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ভূবন। কারণ এটি একটি ভুল বানান।
শব্দটি তৎসম শব্দ। সংস্কৃত বা তৎসম শব্দে 'ভূবন' বলতে পৃথিবী বা জগৎ বোঝানো হয়। এই শব্দটি সর্বদা হ্রস্ব-উ কার (ু) দিয়ে লেখা হয়।
সুতরাং, ভুল বানানটি হলো ভূবন, যার শুদ্ধ রূপ হলো ভুবন
অন্যান্য অপশনগুলোর বানান শুদ্ধ:
১. অন্তঃসার: এর অর্থ অভ্যন্তরীণ উপাদান বা নির্যাস। এটি বিসর্গ সন্ধির একটি উদাহরণ এবং বানানটি সঠিক।
২. মুহূর্ত: এর অর্থ ক্ষণকাল। এই বানানে প্রথমটি হ্রস্ব-উ (মু) এবং দ্বিতীয়টি দীর্ঘ-ঊ (হূ) হয়। এটি শুদ্ধ বানান।
৩. অদ্ভুত: এর অর্থ আশ্চর্য বা আশ্চর্যজনক। এটি হ্রস্ব-উ কার (ু) দিয়ে লেখা হয় এবং বানানটি শুদ্ধ।
28

‘যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়।’ এটি কোন ধরনের বাক্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সরল বাক্য
  2. জটিল বাক্য
  3. যৌগিক বাক্য
  4. খণ্ড বাক্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্যের এক বা একাধিক আশ্রিত বাক্য পরস্পর সাপেক্ষভাবে ব্যবহৃত হয়, তাকে মিশ্র বা জটিল বাক্য বলে। যথা: যিনি বিদ্বান, তিনি সর্বত্র আদরণীয়, যে পরিশ্রম করে, সে-ই সুখ লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জটিল বাক্য (Complex Sentence)
যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ড বাক্য এবং তার ওপর নির্ভরশীল এক বা একাধিক অপ্রধান খণ্ড বাক্য (Subordinate Clause) থাকে, তাকে জটিল বাক্য বলে।
জটিল বাক্যের প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর অংশগুলো পরস্পর সাপেক্ষ বা জোড় শব্দ (Correlative Conjunctions) দ্বারা যুক্ত থাকে।
প্রদত্ত বাক্যে— ‘যিনি বিদ্বান’ (অপ্রধান খণ্ড বাক্য) এবং ‘তিনি সর্বত্র আদরণীয়’ (প্রধান খণ্ড বাক্য) অংশ দুটি ‘যিনি-তিনি’ সাপেক্ষ সর্বনাম দ্বারা যুক্ত হয়েছে। তাই এটি একটি জটিল বাক্য।
29

‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ কোন সমাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্মধারয়
  2. বহুব্রীহি
  3. অব্যয়ীভাব
  4. তৎপুরুষ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মধ্যপদলোপী কর্মধারয়: যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যপদের লোপ হয়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। যথা: চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র = চিকিৎসাশাস্ত্র। সাহিত্য বিষয়ক সভা = সাহিত্যসভা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কর্মধারয় সমাস।
‘চিকিৎসাশাস্ত্র’ পদটির ব্যাসবাক্য হলো: চিকিৎসা বিষয়ক শাস্ত্র
যে কর্মধারয় সমাসে ব্যাসবাক্যের মধ্যস্থিত পদ বা পদসমূহ লোপ পায়, তাকে মধ্যপদলোপী কর্মধারয় সমাস বলে। এক্ষেত্রে 'বিষয়ক' শব্দটি লোপ পেয়েছে।
এখানে, 'চিকিৎসা' (বিশেষ্য) এবং 'শাস্ত্র' (বিশেষ্য) পদ দুটি মিলে সমাসবদ্ধ হয়েছে এবং শাস্ত্রের অর্থই প্রধান হিসেবে গণ্য হয়েছে, যা কর্মধারয় সমাসের বৈশিষ্ট্য।
অন্যান্য বিকল্প ভুল, কারণ— তৎপুরুষ সমাসে বিভক্তি লোপ পায়; বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদের কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য একটি অর্থ বোঝায়; এবং অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদের অর্থ প্রধান হয়।
30

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৌবেরিয়া গ্রাম, নদীয়া
  2. কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা
  3. বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
  4. দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৮২০ খ্রিস্টাব্দের ২৬ সেপ্টেম্বর (১২২৭ বঙ্গাব্দের ১২ আশ্বিন, মঙ্গলবার) ব্রিটিশ ভারতের বাংলা প্রেসিডেন্সির বীরসিংহ গ্রামে ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় শর্মা জন্মগ্রহণ করেন।এই গ্রামটি অধুনা ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্তর্গত হলেও, সেই যুগে ছিল হুগলি জেলার অন্তর্ভুক্ত। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতার নাম ছিল ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় ও মাতার নাম ছিল ভগবতী দেবী। বন্দ্যোপাধ্যায় পরিবারের আদি নিবাস ছিল অধুনা হুগলি জেলার বনমালীপুর গ্রাম। ঈশ্বরচন্দ্রের পিতামহ রামজয় তর্কভূষণ ছিলেন সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে সুপণ্ডিত ব্যক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বীরসিংহ গ্রাম, মেদিনীপুর
বাংলা গদ্যের জনক এবং সমাজ সংস্কারক ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ১৮২০ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অবিভক্ত বাংলার মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবার নাম ঠাকুরদাস বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মাতার নাম ভগবতী দেবী।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিকদের জন্মস্থান, যা প্রায়শই পরীক্ষায় আসে:
কাঁঠালপাড়া গ্রাম, চব্বিশ পরগনা: এটি সাহিত্য সম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান।
দেবানন্দপুর গ্রাম, হুগলি: এটি বিখ্যাত ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের জন্মস্থান।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯২৬
  2. ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৬
  3. ১৯ মার্চ, ১৯২৬
  4. ২৬ মার্চ, ১৯২৭

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি। এই সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে সূত্রপাত হয় ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের। এটির অগ্রদূত ছিল কাজী আব্দুল ওদুদ এবং মুখপত্র ছিল ‘শিখা’ পত্রিকা। উল্লেখ্য ‘শিখা’ পত্রিকা প্রকাশিত হয় ১৯২৭ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৬
‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ ছিল তৎকালীন ঢাকার একটি প্রগতিশীল ও বুদ্ধিবৃত্তিক সংগঠন, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৯ জানুয়ারি, ১৯২৬ তারিখে। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সলিমুল্লাহ মুসলিম হল-এ প্রতিষ্ঠা লাভ করে।
এই সংগঠনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কুসংস্কার ও গোঁড়ামি থেকে সমাজকে মুক্ত করে ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’ (Liberation of Intellect) প্রতিষ্ঠা করা।
অন্যান্য তারিখগুলো (যেমন ১৯ ফেব্রুয়ারী, ১৯২৬ বা ১৯ মার্চ, ১৯২৬) প্রতিষ্ঠার তারিখ হিসেবে সঠিক নয়, যদিও এগুলো একই বছরের কাছাকাছি সময়ের অপশন।
এই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে যে সাহিত্যগোষ্ঠীর সৃষ্টি হয়, তা ‘শিখা গোষ্ঠী’ নামে পরিচিত।
32

সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘শনিবারের চিঠি’
  2. রবিবারের ডাক
  3. বিজলি
  4. বঙ্গদর্শন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘শনিবারের চিঠি’ এ পত্রিকাটি সম্পদনা করেন সজনীকান্ত দাস। ছাড়াও তিনি বঙ্গশ্রী, শারদীয়া আনন্দবাজার পত্রিকা, অলকা, প্রভৃতি পত্রিকা সম্পাদনা করেছেন। এছাড়াও চিত্রলেখা, বিজলী, যুগবাণী, যুগান্তর প্রভৃতি পত্রিকার প্রকাশনায় তার ভূমিকা ছিলো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ‘শনিবারের চিঠি’
সজনীকান্ত দাস (১৯০০–১৯৬২) ছিলেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন অন্যতম সাহিত্য সমালোচক, কবি ও সম্পাদক। তিনি মূলত তাঁর ব্যঙ্গাত্মক সাহিত্য ও তীক্ষ্ণ সমালোচনার জন্য বিখ্যাত ছিলেন।
তিনি ১৯৩২ সাল থেকে ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকার সম্পাদনার দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং এই পত্রিকাটি সম্পাদনা করেই তিনি ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন। পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যের কল্লোল গোষ্ঠী ও আধুনিকতা নিয়ে ব্যঙ্গ-বিদ্রূপমূলক সমালোচনা করত।
অন্যান্য বিকল্পের ব্যাখ্যা:
বঙ্গদর্শন: এটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় সম্পাদিত পত্রিকা (প্রকাশ: ১৮৭২)।
বিজলি: এটি ১৯২১ সালে প্রকাশিত হয়েছিল। এই পত্রিকাতেই কাজী নজরুল ইসলামের বিখ্যাত ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয়।
33

নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অ্যা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা আ-ধ্বনির উচ্চারণে জিহবা সাধারণত শায়িত অবস্থায় থাকে এবং কণ্ঠের দিকে আকৃষ্ট হয় এবং মুখের সম্মুখ ও পশ্চাৎ অংশের মাঝামাঝি বা কেন্দ্রস্থানীয় অংশে অবস্থিত বলে আ-কে কেন্দ্রীয় নিম্নাবস্থিত স্বরধ্বনি এবং বিবৃত ধ্বনিও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো:
এটি স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় জিহ্বার অবস্থান এবং মুখবিবরের উন্মুক্ততার ভিত্তিতে করা শ্রেণিবিন্যাস। মুখবিবর কতটা খোলা থাকবে তার ভিত্তিতে স্বরধ্বনি চার প্রকার: সংবৃত (Close), উচ্চ-মধ্য (Half-Close), নিম্ন-মধ্য (Half-Open), এবং বিবৃত (Open)।
যখন জিহ্বা সর্বনিম্ন অবস্থানে থাকে এবং মুখবিবর সবচেয়ে বেশি উন্মুক্ত বা খোলা হয়, তখন যে স্বরধ্বনি উচ্চারিত হয়, তাকে নিম্নবিবৃত স্বরধ্বনি (Open Vowel) বলা হয়।
বাংলায় একমাত্র ‘আ’ (a) স্বরধ্বনিটি হলো বিবৃত বা নিম্নবিবৃত
অন্যদিকে, ‘ই’ হলো উচ্চ বা সংবৃত স্বরধ্বনি এবং ‘এ’ হলো উচ্চ-মধ্য স্বরধ্বনি।
34

রবীন্দ্রনাথ কোন কারক বাদ দিতে চেয়েছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. করণ কারক
  2. সম্প্রদান কারক
  3. অপাদান কারক
  4. অধিকরণ কারক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলায় সম্প্রদান কারকের প্রয়োজন নেই, এ কথা রবীন্দ্রনাথ অনেক আগেই বলেছিলেন। নতুন ব্যাকরণে সম্প্রদান কারক বাদ দেওয়া হয়েছে। আবার সম্বন্ধ কারক বলে নতুন কারক যুক্ত করা হয়েছে। তাই আগের মতোই কারক ছয় প্রকারই আছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সম্প্রদান কারক
বাংলা ব্যাকরণে কারক ছয় প্রকার হলেও, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর সম্প্রদান কারকের স্বতন্ত্র অস্তিত্বে বিশ্বাসী ছিলেন না।
তাঁর যুক্তি ছিল, সম্প্রদান কারক মূলত কর্ম কারকেরই অন্তর্ভুক্ত। কারণ, যখন কাউকে কিছু দান করা হয় (যেমন: ভিখারিকে ভিক্ষা দাও), তখন দান গ্রহণকারী গৌণ কর্ম হিসেবেই বিবেচিত হতে পারে।
আধুনিক বাংলা ব্যাকরণেও সম্প্রদান কারককে গৌণ কর্ম হিসেবে ধরে নিয়ে আলাদাভাবে কারক হিসেবে গণ্য না করার প্রবণতা দেখা যায়।
35

কেন্তুমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিত্তিক ও তুখারিক
  2. তামিল ও দ্রাবিড়
  3. আর্য ও অনার্য
  4. মাগধী ও গৌড়ী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

হিত্তিক ও তুখারিক হচ্ছে কেন্তুমের এশীয় অঞ্চলের শাখা এবং হেল্লেনিক, ইতালো-কেল্‌টিক, টিউটোনিক বা জার্মানিক কেন্তুমের ইউরোপীয় শাখা। তামিল ও দ্রাবিড়, আর্য ও অনার্য এবং মাগধী ও গৌড়ী শতমের শাখা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হিত্তিক ও তুখারিক
ভাষার শ্রেণিবিন্যাস অনুযায়ী, ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাগোষ্ঠীকে প্রধানত দুটি শাখায় ভাগ করা হয়— ১. কেন্তুম (Centum) এবং ২. শতম (Satem)। এই বিভাজন করা হয় 'শত' (Hundred) শব্দটি বিভিন্ন ভাষায় কীভাবে উচ্চারিত হয় তার ভিত্তিতে।
কেন্তুম শাখা মূলত পশ্চিম ইউরোপীয় ভাষাগুলিকে বোঝায় (যেমন: গ্রিক, লাতিন, জার্মানিক, কেল্টিক)। কিন্তু এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা ভৌগোলিকভাবে এশিয়ার অন্তর্গত ছিল এবং কালক্রমে বিলুপ্ত হয়ে যায়। এ দুটি হলো— হিত্তিক (যা আধুনিক তুরস্ক বা এশিয়া মাইনরে প্রচলিত ছিল) এবং তুখারিক (যা মধ্য এশিয়ার তারিম উপত্যকায় প্রচলিত ছিল)।
অন্যান্য অপশনগুলি ভুল, কারণ তামিল ও দ্রাবিড় একটি স্বতন্ত্র ভাষাগোষ্ঠীর (দ্রাবিড় ভাষা পরিবার) অংশ। মাগধী ও গৌড়ী হলো ভারতীয় আর্য ভাষার প্রাকৃত রূপ, যা শতম গোষ্ঠীর অন্তর্গত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

The phrase ‘dog days’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. hot weather
  2. cold shower
  3. rain-soaked streets
  4. ice storm

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘dog days’ একটি idioms, এর আক্ষরিক অর্থ ‘কুকুর দিন’ হলেও এটি দিয়ে প্রকৃত পক্ষে ‘গ্রীষ্মের গরম দিন’ বুঝায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: hot weather
‘Dog days’ হলো একটি বহুল প্রচলিত ইংরেজি বাগধারা, যার অর্থ হলো গ্রীষ্মকালের সবচেয়ে উষ্ণতম সময়কাল বা ভীষণ গরমের দিন।
এর উৎপত্তি প্রাচীন জ্যোতির্বিদ্যা থেকে। আকাশে দৃশ্যমান Sirius নক্ষত্রটিকে 'Dog Star' বলা হয়। প্রাচীনকালে বিশ্বাস করা হতো যে, গ্রীষ্মকালে যখন এই নক্ষত্রটি সূর্যের সাথে উদিত হয়, তখন পৃথিবীর আবহাওয়া অত্যন্ত উষ্ণ হয়ে ওঠে।
ঐতিহাসিকভাবে, 'Dog Days' সাধারণত জুলাই মাসের শুরু থেকে আগস্টের মাঝামাঝি পর্যন্ত সময়কে নির্দেশ করে।
তাই, বাক্যটিতে 'hot weather' ছাড়া অন্য অপশনগুলো (যেমন: cold shower, ice storm) সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে এবং ভুল।
37

Which gender is the word ‘orphan’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. neuter
  2. feminine
  3. common
  4. masculine

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কিছু Noun আছে যেগুলো পুরুষ ও স্ত্রী দুই লিঙ্গকেই বুঝায়। সেগুলোকে বলে Common Gender. প্রশ্নে প্রদত্ত orphan দিয়ে পুরুষ ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গের শিশুকেই বুঝায় যার মা-বাবা মারা গিয়েছে। তাই এটি একটি Common Gender.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Common Gender (উভয় লিঙ্গ)
যে Noun দ্বারা পুরুষ (Masculine) এবং নারী (Feminine) উভয়কেই সাধারণভাবে বোঝানো যেতে পারে, তাকেই Common Gender বা উভয় লিঙ্গ বলা হয়।
‘Orphan’ শব্দের অর্থ হলো এতিম বা পিতৃহীন/মাতৃহীন সন্তান। এই সন্তানটি ছেলে বা মেয়ে, যেকোনো লিঙ্গেরই হতে পারে। শব্দটি কোনো নির্দিষ্ট লিঙ্গকে বোঝায় না বলে এটি Common Gender
অন্যান্য উদাহরণ: Child, Student, Teacher, Doctor, Friend, Servant, Parent, Cousin ইত্যাদি।
38

What is the noun form of the word ‘laugh’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. laughing
  2. laughable
  3. laughter
  4. laughingly

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: laughter
'Laugh' শব্দটি সাধারণত একটি Verb (ক্রিয়া) বা **Noun (বিশেষ্য)** হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। যেমন: He laughs (V) / He gave a laugh (N)।
কিন্তু, যখন 'laugh' এর মূল বা abstract Noun form চাওয়া হয়, তখন সঠিক উত্তর হয় 'laughter'
'laughter' শব্দটি laugh-এর ক্রিয়াটির ফলস্বরূপ উৎপন্ন শব্দ বা ধ্বনি-কে বোঝায়, যা একটি Abstract Noun (ভাববাচক বিশেষ্য)
(যেমন: Their laughter filled the room.)
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
  • laughing: এটি Present Participle (V+ing), যা সাধারণত Adjective (বিশেষণ) বা Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। (e.g., The laughing man)
  • laughable: এর শেষে '-able' থাকায় এটি একটি Adjective (বিশেষণ)। (অর্থ: হাস্যকর)
  • laughingly: এর শেষে '-ly' থাকায় এটি একটি Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ)
39

Identify the word which is spelt incorrectly:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. fluctuation
  2. remission
  3. ocassion
  4. decision

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অপশনে ‘ocassion’ বানানটি ভুল আছে। শব্দটির সঠিক বানান হলো ‘occasion’ যার অর্থ- উপলক্ষ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ocassion। কারণ এই বানানটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
শব্দটির সঠিক বানান হলো O-C-C-A-S-I-O-N (occasion), যার অর্থ হলো 'উপলক্ষ্য' বা 'বিশেষ ঘটনা'।
এখানে দুটি 'C' এবং একটি মাত্র 'S' ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, বাকি অপশনগুলোর বানান সম্পূর্ণ সঠিক:
১. fluctuation (সঠিক বানান। অর্থ: উত্থান-পতন বা কম্পন)
২. remission (সঠিক বানান। অর্থ: ক্ষমা বা মুক্তি)
৪. decision (সঠিক বানান। অর্থ: সিদ্ধান্ত)
40

A speech full of too many words is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a big speech
  2. maiden speech
  3. a verbose speech
  4. an unimportant speech

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘A speech full of too many words’ এর One word substitution বা এক কথায় প্রকাশ হলো ‘a verbose speech’ বা ‘বাগাড়ম্বরপূর্ণ কথা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো a verbose speech
'Verbose' (শব্দবহুল) শব্দের অর্থ হলো প্রয়োজনের অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা বা বাগাড়ম্বরপূর্ণ। যখন কোনো বক্তৃতা অতিরিক্ত শব্দে পূর্ণ থাকে এবং সংক্ষিপ্তভাবে মূল বক্তব্য তুলে ধরা হয় না, তখন তাকে A verbose speech বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ:
A big speech: এটি একটি সাধারণ বর্ণনা, যা শব্দসংখ্যার আধিক্য বোঝায় না।
Maiden speech: এর অর্থ হলো কোনো নতুন সদস্যের প্রথম বক্তৃতা (যেমন পার্লামেন্টে প্রথম বক্তৃতা)। এটি শব্দ ব্যবহারের ধরনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

Change the voice: ‘Nobody trusts a traitor.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A traitor is trusted.
  2. A traitor should not be trusted.
  3. Everybody hates a traitor.
  4. A traitor is not trusted by anybody.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রদত্ত বাক্যটিতে Subject হলো ‘Nobody’ এবং Object হলো ‘a traitor’. তাহলে Voice Change করার সময় Passive Structure হবে object as subject + negative auxiliary verb (is not) + verb এর past participle (trusted) + by + subject as object (nobody থাকায় anybody) হবে।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি Active Voice-এ Simple Present Tense-এ আছে। Active Sentenceটির Subject: Nobody, Verb: trusts, এবং Object: a traitor
Simple Present Tense-এর Passive Voice-এর মৌলিক কাঠামো হলো: Object (New Subject) + am/is/are + V3 + (by Subject)
এখানে Object হলো 'a traitor', যা নতুন Subject হবে। এটি Singular হওয়ায় auxiliary verb হিসেবে 'is' বসবে।
যেহেতু Active Voice-এর Subject 'Nobody' নেতিবাচক (negative) অর্থ প্রকাশ করে, তাই Passive Voice-এ সেই নেতিবাচক অর্থ বজায় রাখতে 'is'-এর পর 'not' এবং 'Nobody'-এর পরিবর্তে 'by anybody' ব্যবহার করতে হবে।
সঠিক Passive রূপটি হলো: A traitor is not trusted by anybody. (অপশন D)।
অন্যদিকে, অপশন A (A traitor is trusted) নেতিবাচক অর্থটিকে বাদ দেওয়ায় এটি ভুল। অপশন B অর্থ পরিবর্তন করে Modals (should) ব্যবহার করায় ভুল।
42

‘A herd of cattle is passing’ The underlined word is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. adverb
  2. adjective
  3. collective noun
  4. abstract noun

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রদত্ত বাক্যে সমজাতীয় প্রাণীর সমষ্টি (herd of cattle) বুঝানোর জন্য herd শব্দটি collective Noun হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Collective Noun (সমষ্টিবাচক বিশেষ্য)

যে Noun দ্বারা সমজাতীয় কোনো ব্যক্তি, বস্তু বা প্রাণীর সমষ্টিকে এককভাবে বোঝানো হয়, তাকে Collective Noun বলে। এটি একটি দল বা গোষ্ঠীর নাম হলেও ব্যাকরণগতভাবে একে একক (singular) হিসেবে গণ্য করা হয়।

প্রদত্ত বাক্যে, ‘A herd of cattle’ মানে ‘এক পাল গরু’। এখানে ‘herd’ শব্দটি গরুর একটি সমষ্টিকে নির্দেশ করছে। তাই এটি Collective Noun।

কেন অন্য অপশনগুলো ভুল:
Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ): এটি সাধারণত ক্রিয়া, বিশেষণ বা অন্য ক্রিয়াবিশেষণকে বিশেষায়িত করে (যেমন: slowly, very)। 'Herd' কোনো ক্রিয়া বিশেষণ নয়।
Adjective (বিশেষণ): এটি Noun-কে বিশেষায়িত করে (যেমন: tall, happy)। 'Herd' নিজে একটি নাম, বিশেষণ নয়।
Abstract Noun (ভাববাচক বিশেষ্য): এটি গুণ, অবস্থা বা ধারণার নাম যা চোখে দেখা বা স্পর্শ করা যায় না (যেমন: honesty, freedom)। 'Herd' একটি দৃশ্যমান সমষ্টি, তাই এটি Abstract Noun নয়।
43

What is the antonym for the word ‘deformation’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. distortion
  2. contortion
  3. wholeness
  4. disfigurement

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Deformation/distortion/contortion/ disfigurement এই শব্দগুলো পরস্পর সমার্থক, এদের অর্থ বিকৃতি। Wholeness অর্থ সম্পূর্ণতা, অভিন্নতা, সম্পূর্ণ ব্স্তু যা বিপরীত অর্থ প্রদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: wholeness (অপশন c)।
Deformation শব্দটি একটি নেতিবাচক অর্থ বহন করে। এর অর্থ হলো: বিকৃতি, অঙ্গহানি, আকৃতি নষ্ট হওয়া বা বিকৃত রূপ ধারণ করা।
Wholeness অর্থ হলো: পূর্ণতা, অখণ্ডতা, সুস্থতা বা বিকৃতির অনুপস্থিতি। অর্থাৎ, এটি deformation-এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। তাই এটিই সঠিক Antonym।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ deformation-এর সমার্থক বা কাছাকাছি:
distortion: বিকৃতি, ভুলভাবে উপস্থাপন। (Synonym)
contortion: মোচড়ানো, অস্বাভাবিক বাঁকানো। (Synonym)
disfigurement: কদাকার করে দেওয়া, অঙ্গহানি। (Synonym)
44

Words inscribed on a tomb is an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. epitome
  2. epithet
  3. episode
  4. epitaph

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Epitaph- সমাধিস্তম্ভ-লিপি, সমাধিস্তম্ভের উৎকীর্ণ বাণী।

ব্যাখ্যা

এটি একটি One Word Substitution (এক কথায় প্রকাশ)-এর প্রশ্ন। প্রশ্নে জানতে চাওয়া হয়েছে, কবরের উপরে বা সমাধির ফলকে খোদাই করা লেখাকে কী বলে?
সঠিক উত্তর হলো Epitaph
Epitaph (এপিটাফ): এর অর্থ হলো স্মৃতিস্তম্ভে বা কবরের উপরে লেখা বাণী বা শ্লোক (Words inscribed on a tomb in memory of the deceased).
অন্য অপশনগুলো কেন ভুল:
Epitome: এর অর্থ হলো কোনো কিছুর আদর্শ বা নিখুঁত উদাহরণ (A perfect example of a particular quality or type)। যেমন: He is the epitome of kindness.
Epithet: এর অর্থ হলো উপাধি বা বিশেষণমূলক শব্দ (A descriptive phrase expressing a quality characteristic of the person or thing mentioned)। যেমন: Alexander the Great.
Episode: এর অর্থ হলো একটি ধারাবাহিক ঘটনার পর্ব বা অংশ (An incident or a series of events).
45

What is the adjective form of the word ‘people’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. populous
  2. popular
  3. popularity
  4. popularize

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘People’ শব্দটি Noun এর Adjective form হলো populous.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: populous। এটিই ‘people’ শব্দের সরাসরি বিশেষণ (Adjective) রূপ, যা জনসংখ্যা ঘনত্ব বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
People শব্দটি যখন কোনো স্থান বা অঞ্চলের জনসংখ্যা বা জনবহুলতা নির্দেশ করে, তখন এর Adjective রূপ হয় populous। (যেমন: India is a populous country – ভারত একটি জনবহুল দেশ)।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বা ভিন্ন Part of Speech নির্দেশ করে:
Popular: এটিও Adjective, কিন্তু এর অর্থ জনপ্রিয়। এটি মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্যতা বোঝায়, জনসংখ্যা ঘনত্ব নয়।
Popularity: এটি একটি বিশেষ্য (Noun) পদ, যার অর্থ জনপ্রিয়তা।
Popularize: এটি একটি ক্রিয়া (Verb) পদ, যার অর্থ জনপ্রিয় করা।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

‘He contemplated marrying his cousin.’ Here ‘marrying’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. present participle
  2. gerund
  3. verb
  4. infinitive

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Verb এর object হিসেবে gerund বসে। তাই প্রদত্ত বাক্যে verb contemplate এর object হিসেবে ব্যবহৃত শব্দ marrying gerund হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Gerund (জেরান্ড)
Gerund হলো Verb-এর সাথে -ing যুক্ত এমন একটি শব্দ, যা বাক্যে Noun (বিশেষ্য)-এর মতো কাজ করে। Gerund বাক্যের Subject, Object, Complement, অথবা Preposition-এর Object হিসেবে বসতে পারে।
প্রদত্ত বাক্যে, 'He contemplated marrying his cousin', এখানে 'contemplated' (চিন্তা করা) হলো মূল Verb এবং 'marrying' শব্দটি এই Verb-এর Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
যেহেতু 'marrying' শব্দটি একটি Noun-এর ভূমিকা পালন করছে (কর্ম বা Object হিসেবে), তাই এটি Gerund
ভুল বিকল্প ব্যাখ্যা: Present Participle সাধারণত বাক্যে Adjective-এর মতো কাজ করে অথবা Continuous Tense তৈরি করে (যেমন: He is marrying). Verb হিসেবে এটি মূল ক্রিয়া নয়, বরং Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
47

The word ‘to genuflect’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to be genuine
  2. to reflect
  3. to bend the knee
  4. to be flexible

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Genuflect - নতজানু হয়ে কাউকে সম্মান জানানো। ‘to genuflect’- by bending one knee to the ground typically in worship or as a sign or respect.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: to bend the knee (হাঁটু ভাঁজ করা)।
শব্দটি হলো Genuflect (ক্রিয়া)। এর অর্থ হলো—শ্রদ্ধা বা উপাসনার চিহ্ন হিসেবে একটি হাঁটু মাটির কাছাকাছি এনে বসা বা নত হওয়া। এটি সাধারণত ধর্মীয় রীতিনীতি (যেমন: খ্রিস্টান চার্চে) বা অত্যন্ত সম্মানের প্রতীক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
মূল শব্দটি লাতিন: ‘Genu’ যার অর্থ হাঁটু (Knee) এবং ‘Flectere’ যার অর্থ বাঁকানো (To bend)। তাই সরাসরি এর অর্থ দাঁড়ায় হাঁটু বাঁকানো
অন্যান্য অপশন যেমন— 'to be genuine' (খাঁটি হওয়া), 'to reflect' (প্রতিফলিত হওয়া), এবং 'to be flexible' (নমনীয় হওয়া) সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ বহন করে এবং শব্দের মূল অর্থের সাথে কোনো সম্পর্কযুক্ত নয়।
48

Fill in the blank : 

‘She went to New Market ––’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. on foot
  2. on feet
  3. by foot
  4. by walking

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পায়ে হেঁটে কোথাও যাওয়া বুঝাতে on foot ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: on foot
কারণ, যখন কেউ হেঁটে চলাচল করে, তখন ইংরেজিতে সর্বদা on foot Prepositional Phrase টি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি নির্দিষ্ট বাগধারা (Idiomatic usage) যা মনে রাখতে হয়।
এই বাক্যে ‘She went to New Market’ এর পর তার ভ্রমণের মাধ্যম বোঝানো হয়েছে। হেঁটে ভ্রমণ বোঝাতে ‘on’ preposition টি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘পায়ের উপর ভর করে’।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
by foot: যানবাহনের আগে ‘by’ ব্যবহৃত হয় (by bus, by car)। কিন্তু পায়ে হেঁটে যাওয়ার ক্ষেত্রে ‘by foot’ ব্যবহার করা যায় না।
on feet: এই বাকধারায় plural form (feet) এর ব্যবহার নেই। সঠিক রূপটি হলো singular on foot
by walking: এটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ এবং অপ্রচলিত। এর পরিবর্তে on foot ব্যবহার করাই আদর্শ।
49

Fill in the gap: 

Birds fly ____ in the sky.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. random
  2. at large
  3. at a stitch

  4. are long

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুক্তভাবে আকাশে উড়া বোঝানোয় at large (স্বাধীন বা মুক্তভাবে) ব্যবহৃত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (B) at large
At large একটি গুরুত্বপূর্ণ Phrase, যার অর্থ হলো— মুক্তভাবে, স্বাধীনভাবে (freely or without confinement) অথবা পলাতক (escaped).
বাক্যটির অর্থ: পাখিরা আকাশে স্বাধীনভাবে ওড়ে। এই অর্থে 'at large' একটি Adverbial Phrase হিসেবে কাজ করে, যা বাক্যের অর্থকে সম্পূর্ণতা দেয়।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
random শব্দটি একটি Adjective (বিশেষণ) হওয়ায় এবং এর ব্যবহার ভুল হওয়ায় এটি সঠিক নয়। এখানে একটি Adverb বা Adverbial Phrase দরকার ছিল।
at a stitch কোনো প্রচলিত বা অর্থপূর্ণ ইংরেজি Idiom/Phrase নয়। 'in stitches' মানে হাসিতে ফেটে পড়া বা অত্যন্ত হাসা।
are long বাক্যটিকে ব্যাকরণগতভাবে ভুল করে দেয়।
50

Identify the correct synonym for the word ‘magnanimous’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. unkind
  2. generous
  3. revengeful
  4. friendly

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Magnanimous’ এর অর্থ উদার, মহানুভব, মহৎ এর সমার্থক শব্দ generous (উদার)। অন্যদিকে unkind - নির্দয়, revengeful - প্রতিশোধপরায়ণ, friendly- বন্ধুত্বপূর্ণ। এই শব্দগুলো ‘magnanimous’ এর সমার্থক নয়।

ব্যাখ্যা

'Magnanimous' শব্দটি এসেছে ল্যাটিন রুট 'magnus' (অর্থ: great/large) এবং 'animus' (অর্থ: mind/spirit) থেকে। তাই, এই শব্দের অর্থ হলো মহৎ, উদারচেতা, велико (বদান্য), বা ক্ষমাশীল
সঠিক উত্তর হলো (b) generous, যার অর্থ হলো উদার বা দানশীল। এটি 'magnanimous' শব্দের সবচেয়ে উপযুক্ত সমার্থক শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, 'unkind' (নিষ্ঠুর) এবং 'revengeful' (প্রতিহিংসাপরায়ণ) হলো এর বিপরীতার্থক শব্দ (Antonyms)। একজন Magnanimous ব্যক্তি কখনোই প্রতিশোধপরায়ণ হন না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

Choose the right form of verb: 

It is high time we (act) on the matter.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. are acting
  2. acted
  3. have acted
  4. could act

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

It is high time যুক্ত বাক্যের পরে Subject থাকলে Verb past indefinite হয়। যেমন: It is high time we acted on the matter. উল্লেখ্য, It is high time এর পরে Subject না থাকলে infinitive (to+verb1) হবে। তখন It is high time to act on the matter হত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: acted
কারণ, এটি Right Forms of Verbs-এর একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম। কোনো বাক্যের শুরুতে যদি It is time, It is high time অথবা It is about time থাকে, এবং এরপরে যদি একটি Subject (যেমন: we, he, she, you ইত্যাদি) থাকে, তাহলে মূল verb-টি অবশ্যই Past Indefinite Tense (V2) হবে।
এখানে 'It is high time'-এর পরে Subject হিসাবে 'we' আছে, তাই verb 'act' এর Past Form বা V2 ফর্ম acted বসাতে হবে।
অতএব, সঠিক বাক্যটি হলো: It is high time we acted on the matter.
অন্যান্য অপশন যেমন 'are acting' (Present Continuous) বা 'have acted' (Present Perfect) এই নির্দিষ্ট কাঠামোর জন্য ব্যাকরণগতভাবে ভুল
52

Identify the correct sentence:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The girl burst out tears.
  2. The girl burst into tears.
  3. The girl burst with tears.
  4. The girl bursted out tears.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Burst এর সাথে appropriate preposition হিসেবে into বসে। তাই সঠিক বাক্য হবে The girl burst into tears.

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: The girl burst into tears. (বালিকাটি কান্নায় ভেঙে পড়ল।)
কারণ, যখন কেউ হঠাৎ কান্নায় ভেঙে পড়ে বা হাসিতে ফেটে পড়ে, তখন 'burst into' এই Appropriate Prepositional Phrase-টি ব্যবহৃত হয়।
Burst into tears অর্থ হলো 'হঠাৎ কাঁদতে শুরু করা'।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
১. 'burst out tears' এবং 'burst with tears' ভুল Preposition ব্যবহার করেছে। কান্নার ক্ষেত্রে 'out' ব্যবহার করা যায়, তবে সেক্ষেত্রে গঠনটি হয় burst out crying (ক্রিয়াপদসহ) অথবা burst out laughing। কেবল 'tears' (বিশেষ্য) এর আগে into বসবে।
২. 'The girl bursted out tears.' বাক্যটিতে দুটি বড় ভুল রয়েছে। প্রথমত, 'bursted' বলে কোনো শব্দ নেই। Burst একটি Irregular Verb, যার V1, V2 এবং V3 রূপ একই: Burst – Burst – Burst। দ্বিতীয়ত, Preposition (out) এর ভুল ব্যবহার। তাই এই বাক্যটি সম্পূর্ণ ভুল।
53

The phrase ‘sine die’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. half-heartedly
  2. doubtfully
  3. fixed
  4. uncertain

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

The phrase ‘sine die’ means- indefinitely/ uncertain (অনিশ্চিত ভাবে)।

ব্যাখ্যা

‘Sine die’ হলো একটি বহুল ব্যবহৃত ল্যাটিন শব্দগুচ্ছ (Latin Phrase)
এই শব্দগুচ্ছের মূল অর্থ হলো: Sine অর্থ 'Without' (ছাড়া) এবং Die অর্থ 'Day' (দিন)।
সুতরাং, ‘sine die’ এর আক্ষরিক অর্থ হলো ‘without a day’ (কোনো দিন তারিখ ছাড়া)
ইংরেজিতে এর ভাবগত অর্থ হলো Indefinitely (অনির্দিষ্টকালের জন্য)।
সাধারণত যখন কোনো সভা বা সংসদ মুলতবি করা হয় এবং পরবর্তী সভার জন্য কোনো নির্দিষ্ট তারিখ (Fixed date) ঘোষণা করা হয় না, তখন এই শব্দটি ব্যবহার করা হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘uncertain’ (অনিশ্চিত বা স্থির নয়) শব্দটিই Indefinitely-এর সবচেয়ে কাছাকাছি অর্থ বহন করে।
অতএব, সঠিক উত্তর: uncertain
54

Fill in the blank with appropriate preposition:

Do you have any money ___ you? 

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to
  2. over
  3. in

  4. on

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোন ব্যক্তির কাছে টাকা আছে বোঝাতে preposition হিসেবে on হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো on
যখন জিজ্ঞাসা করা হয় যে কোনো ব্যক্তি তার সাথে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বস্তু (বিশেষ করে টাকা, চাবি, পরিচয়পত্র) বহন করছে কিনা বা তার পকেটে আছে কিনা, তখন Preposition হিসেবে 'on' ব্যবহার করা হয়।
এই ক্ষেত্রে, 'Do you have any money on you?' বাক্যটির অর্থ হলো: আপনার কাছে কি এই মুহূর্তে কোনো টাকা আছে (যা আপনি বহন করছেন)? এখানে 'on you' বলতে 'with you' বা 'in your possession' বোঝানো হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'in' (সাধারণত কোনো পাত্র বা বড় স্থান বোঝায়), 'to' (দিক বা গন্তব্য বোঝায়) এবং 'over' (উপরে বা সমাপ্তি বোঝায়)—এই বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান।
55

Who is not an Irish writer?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Oscar Wilde
  2. James Joyce
  3. Jonathan Swift
  4. D. H. Lawrence

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

D. H. Lawrence একজন প্রখ্যাত ও বিতর্কিত ইংরেজ সাহিত্যিক। তিনি ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ার এর ইস্টউড শহরে জন্মগ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: D. H. Lawrence
কারণ, D. H. Lawrence হলেন একজন ব্রিটিশ (English) ঔপন্যাসিক, কবি এবং প্রাবন্ধিক। তার জন্ম ইংল্যান্ডের নটিংহ্যামশায়ারে। তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো— Sons and Lovers, The Rainbow এবং Lady Chatterley's Lover
অন্যদিকে, অপশনে থাকা বাকি তিনজনই ছিলেন আইরিশ (Irish) লেখক।
Oscar Wilde, James Joyce এবং Jonathan Swift প্রত্যেকেই আয়ারল্যান্ডের রাজধানী ডাবলিনে জন্মগ্রহণ করেন এবং তারা আইরিশ সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব।
56

Who is the author of ‘Jane Eyre’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Charlotte Bronte
  2. Emily Bronte
  3. Jane Austen
  4. Mary Shelley

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Charlotte Bronte ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত নারী সাহিত্যিক। তাঁর সর্বাধিক পরিচিত উপন্যাস ‘Jane Eyre’. ১৮৪৭ সালে প্রকাশিত এই উপন্যাসটি অনেকটাই আত্মজীবনীমূলক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Charlotte Bronte
তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘Jane Eyre’ প্রথম প্রকাশিত হয় ১৮৪৭ সালে। এই উপন্যাসটি ইংরেজী সাহিত্যের ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কাজ হিসেবে স্বীকৃত।
Charlotte Bronte উপন্যাসটি প্রথমত Currer Bell ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ লেখিকা হলেও তারা ভিন্ন বিখ্যাত সৃষ্টিকর্মের জন্য পরিচিত। যেমন: Emily Bronte-এর বিখ্যাত কাজ ‘Wuthering Heights’, এবং Jane Austen-এর বিখ্যাত কাজ ‘Pride and Prejudice’
57

Which of the following novels is not written by an English writer?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A Passage to India
  2. Sons and Lovers
  3. Once Hundred Years of Solitude
  4. Pride and Prejudice

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘Once Hundred Years of Solitude’ উপন্যাসটি বিখ্যাত কলম্বিয়ান উপন্যাসিক Gabriel García Márquez কর্তৃক লিখিত। প্রশ্নের বাকি অপশনগুলোতে দেওয়া A Passage to India, Sons and Lovers এবং Pride and Prejudice উপন্যাসগুলো যথাক্রমে E. M. Forster, D. H. Lawrence এবং Jane Austen লিখেছেন। এরা সবাই ইংরেজ লেখক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Once Hundred Years of Solitude (Option C)।

কারণ এই উপন্যাসটির লেখক হলেন কলম্বিয়ার বিখ্যাত সাহিত্যিক Gabriel García Márquez (গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেজ)। তিনি ইংরেজ নন, বরং তিনি ছিলেন একজন স্প্যানিশ ভাষাভাষী লাতিন আমেরিকান লেখক, যিনি Magic Realism (জাদু বাস্তবতা) ধারার জন্য পৃথিবীজুড়ে বিখ্যাত।

অন্যদিকে, বাকি তিনটি উপন্যাসই ইংরেজ বা ব্রিটিশ লেখকদের দ্বারা রচিত:

(A) A Passage to India - লেখক: E. M. Forster (ব্রিটিশ)

(B) Sons and Lovers - লেখক: D. H. Lawrence (ব্রিটিশ)

(D) Pride and Prejudice - লেখক: Jane Austen (ব্রিটিশ)
58

Who wrote the play ‘The Way of the World’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. William Shakespeare
  2. William Congreve
  3. Ben Jonson
  4. Oscar Wilde

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

William Congreve ইংরেজি সাহিত্যের Neo-classical যুগের Augustan Period এর একজন বিখ্যাত নাট্যকার। তিনি Comedy of Manners ধারার নাটক লেখার জন্য খ্যাতিমান ছিলেন। আর এই ধারার নাটকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে প্রসিদ্ধ ‘The Way of the World’ নাটকটি। তাঁর অন্যান্য বিখ্যাত নাটকসমূহ হলো- The Double Dealer, The Old Bachelor, Love for love ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: William Congreve (উইলিয়াম কঙ্গ্রেভ)
‘The Way of the World’ নাটকটি ১৭০০ সালে রচিত। এটি ইংরেজি সাহিত্যের Restoration Period (পুনর্গঠন যুগ)-এর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত নাটক, যা Comedy of Manners ধারার সর্বশ্রেষ্ঠ উদাহরণ হিসেবে পরিচিত।
এই নাটকটি তৎকালীন সমাজের উচ্চবিত্তদের ফ্যাশন, প্রেম, বিবাহ এবং নৈতিকতা নিয়ে কৌতুকপূর্ণ বিশ্লেষণ করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ Shakespeare (এলিজাবেথান), Ben Jonson (জ্যাকোবিয়ান) এবং Oscar Wilde (আধুনিক/ভিক্টোরিয়ান যুগের শেষের দিকে) ভিন্ন সাহিত্যিক যুগের প্রতিনিধিত্ব করেন।
59

“Better to reign in Hell, than serve in Heav’n.” Who wrote this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Geoffrey Chaucer
  2. Christopher Marlowe
  3. John Milton
  4. P. B. Shelley

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

John Milton সপ্তদশ শতাব্দীর ইংরেজ মহাকবি ও যুক্তিবাদী লেখক। জীবনের একটা অংশ অন্ধ হিসেবে কাটালেও তিনি বিশ্বসাহিত্যেরই অন্যতম শ্রেষ্ঠ মহাকাব্য Paradise Lost রচনা করেছেন। প্রশ্নে প্রদত্ত “Better to reign in Hell, than serve in Heav’n.” উক্তিটি এই Paradise Lost মহাকাব্যের Book One থেকে নেওয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: John Milton
প্রদত্ত বিখ্যাত উক্তিটি (“Better to reign in Hell, than serve in Heav’n.”) মহাকবি John Milton (জন মিলটন)-এর কালজয়ী মহাকাব্য 'Paradise Lost' থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই উক্তিটি কাব্যের প্রধান খলনায়ক Satan (শয়তান) করেছিল। এর মাধ্যমে শয়তানের অহংকার এবং ঈশ্বরের প্রতি আনুগত্যের চেয়ে স্বাধীনভাবে নরকেও রাজত্ব করার আকাঙ্ক্ষা প্রকাশ পায়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ Chaucer (চসার) ছিলেন প্রাচীন ও মধ্যযুগের কবি, Marlowe (মার্লো) এলিজাবেথান যুগের এবং Shelley (শেলি) রোমান্টিক যুগের কবি। তারা এই মহাকাব্যটি লেখেননি।
60

Who is not a modern poet?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W. B. Yeats
  2. W. H. Auden
  3. John Keats
  4. T. S. Eliot

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের ১৭৯৮ থেকে ১৮৩২ সাল পর্যন্ত সময়টুকু Romantic Period নামে বিখ্যাত। আর এ যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি John Keats যিনি Poet of Beauty এবং Poet of Sensuousness নামে পরিচিত। বাকি অপশনে উল্লেখিত সবাই আধুনিক যুগের কবি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: John Keats
প্রশ্নোক্ত কবিদের মধ্যে কেবলমাত্র John Keats আধুনিক যুগের কবি নন। তিনি ছিলেন Romantic Period (রোমান্টিক যুগ)-এর (১৮০০-১৮৫০) অন্যতম প্রধান কবি।
W. B. Yeats, W. H. Auden এবং T. S. Eliot তিনজনই ২০ শতকের প্রথমার্ধের (১৯০১-১৯৪৫) অন্যতম প্রভাবশালী কবি এবং তাঁরা Modern Period (আধুনিক যুগ)-এর প্রতিনিধিত্ব করেন।
61

O’Henry was from-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Canada
  2. America
  3. England
  4. Ireland

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

O’Henry এর আসল নাম ছিলো William Sidney Porter. এই প্রখ্যাত ছোটগল্প লেখক যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলাইনা অঙ্গরাজ্যে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বিখ্যাত একটি ছোটগল্প ‘The Gift of Magi’.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: America (আমেরিকা)
O’Henry (ও’ হেনরি) ছিলেন একজন প্রখ্যাত আমেরিকান (US) ছোটগল্পকার।
তাঁর আসল নাম ছিল উইলিয়াম সিডনি পোর্টার (William Sydney Porter)
তিনি ১৮৬২ সালে উত্তর ক্যারোলিনা, আমেরিকায় জন্মগ্রহণ করেন এবং তিনি তাঁর জীবদ্দশায় ৩০০টিরও বেশি ছোটগল্প রচনা করেন।
আমেরিকার বাইরে অন্যান্য অপশন (Canada, England, Ireland) ভুল, কারণ O’Henry জন্মসূত্রে এবং কর্মজীবনে আমেরিকার নাগরিক ছিলেন।
62

Where is the setting of the play ‘Hamlet’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. England
  2. Italy
  3. France
  4. Denmark

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার William Shakespeare এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ট্রাজেডি ধারার নাটক Hamlet. এই নাটকটির কাহিনী আবর্তিত হয়েছে ডেনমার্কের রাজপরিবারকে ঘিরে। ডেনমার্কের যুবরাজ Hamlet ও তার চাচা Claudius এর মধ্যকার দ্বন্দ্ব নিয়েই এই নাটকটির কাহিনী এগিয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডেনমার্ক (Denmark)। উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক ‘Hamlet’ (পুরো নাম: The Tragedy of Hamlet, Prince of Denmark)-এর মূল পটভূমি হলো ডেনমার্কের এলসিনোর (Elsinore Castle) রাজপ্রাসাদ।
নাটকের প্রধান চরিত্র প্রিন্স হ্যামলেট ডেনমার্কের যুবরাজ ছিলেন। এই নাটকটি শেক্সপিয়রের অন্যতম সেরা ও দীর্ঘতম ট্র্যাজেডি হিসেবে বিবেচিত।
63

‘No Second Troy’ is a-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. short story
  2. novel
  3. poem
  4. drama

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নোবেলজয়ী আইরিশ কবি W.B. Yeats রচিত ‘No Second Troy’ একটি সনেট জাতীয় কবিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (poem) কবিতা
‘No Second Troy’ হলো আধুনিক যুগের অন্যতম প্রভাবশালী আইরিশ কবি W.B. Yeats (William Butler Yeats) কর্তৃক রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা।
এই কবিতাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে কবির ‘Responsibilities’ নামক কাব্যগ্রন্থে।
এই কবিতায় কবি তার দীর্ঘদিনের প্রেমিকা Maud Gonne-এর অসামান্য কিন্তু ধ্বংসাত্মক সৌন্দর্যের বর্ণনা দিয়েছেন এবং তাকে গ্রিক মিথোলজির সেই বিখ্যাত চরিত্র Helen of Troy-এর সাথে তুলনা করেছেন, যার সৌন্দর্যের জন্য ট্রয়ের যুদ্ধ সংঘটিত হয়েছিল।
64

Who is the author of the novel ‘The God of Small Things’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Hardy
  2. Jhumpa Lahiri
  3. R. K. Narayan
  4. Arundhati Roy

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারতের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সাহিত্যিক Arundhati Roy রচিত প্রথম উপন্যাস ‘The God of Small Things’. তিনি এই উপন্যাসের জন্য ১৯৯৭ সালে Man Booker Prize লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অরুন্ধতী রায় (Arundhati Roy)
তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস ‘The God of Small Things’ (১৯৯৭) আন্তর্জাতিক সাহিত্যে একটি মাইলফলক।
তিনি এই উপন্যাসের মাধ্যমেই ব্যাপক পরিচিতি লাভ করেন এবং এর জন্য ১৯৯৭ সালে সাহিত্যের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার ম্যান বুকার পুরস্কার (Man Booker Prize) লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন প্রেক্ষাপটের লেখক:
Thomas Hardy: তিনি ভিক্টোরিয়ান যুগের ইংরেজ ঔপন্যাসিক।
Jhumpa Lahiri: তিনি ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকান লেখক, যিনি ‘Interpreter of Maladies’ এর জন্য পুলিৎজার পুরস্কার পান।
R. K. Narayan: তিনি ভারতীয় ইংরেজি সাহিত্যের দিকপাল (যেমন: Malgudi Days)।
65

‘Moby Dick’ a novel, was written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Herman Melville
  2. Nathaniel Hawthorne
  3. Mark Twain
  4. William Faulkner

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মার্কিন লেখক Herman Melville লিখিত তুমুল জনপ্রিয় একটি উপন্যাস ‘Moby Dick’, এর অন্য নাম ‘The Whale’, এটি একটি তিমি মাছের বিরুদ্ধে এক নাবিকের প্রতিশোধ নেওয়ার রোমাঞ্চকর অভিযানের আখ্যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Herman Melville (হারম্যান মেলভিল)।
‘Moby Dick’ হলো আমেরিকার অন্যতম ক্লাসিক উপন্যাস, যা ১৮৫১ সালে প্রকাশিত হয়। উপন্যাসটিতে ক্লেইড নামে এক জাহাজের ক্যাপ্টেন আহাবের (Captain Ahab) সাদা তিমি (Moby Dick) শিকারের প্রতি তীব্র ও ধ্বংসাত্মক আবেশ চিত্রিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ গুরুত্বপূর্ণ আমেরিকান সাহিত্যিক হলেও, এই উপন্যাসের লেখক নন। যেমন:
Nathaniel Hawthorne: তাঁর বিখ্যাত কাজ হলো The Scarlet Letter
Mark Twain: তিনি The Adventures of Tom Sawyer এবং Adventures of Huckleberry Finn-এর জন্য বিখ্যাত।
William Faulkner: তিনি বিংশ শতাব্দীর গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যিক এবং The Sound and the Fury উপন্যাসের জন্য সুপরিচিত।
66

“If Winter comes, can Spring be far behind?” Who wrote this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. William Blake
  2. S. T. Coleridge
  3. Lord Byron
  4. P. B. Shelley

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রদত্ত পঙক্তিটি রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি P. B. Shelley রচিত Ode to the West Wind নামক Ode জাতীয় কবিতা থেকে চয়ন করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: P. B. Shelley (পি. বি. শেলী)
এই বিখ্যাত উক্তিটি শেলীর রচিত কালজয়ী কবিতা “Ode to the West Wind”-এর একদম শেষ চরণ। এই লাইনটি একটি আশাবাদী (Optimistic) বার্তা বহন করে।
উদ্ধৃতিটির অর্থ হলো, যদি কষ্ট বা দুঃখ (শীত) আসে, তবে সুখ বা আনন্দের (বসন্ত) দিন বেশি দূরে থাকতে পারে না। এটি শেলীর বিপ্লবী ও আশাবাদী চেতনার প্রতিফলন ঘটায়।
শেলী ছিলেন Romantic Period-এর অন্যতম প্রধান কবি এবং তিনি ছিলেন বিদ্রোহী (Rebel Poet) হিসেবে পরিচিত।
67

Who is the poet of the poem ‘Ozymandias’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. S. T. Coleridge
  2. P. B. Shelley
  3. William Wordsworth
  4. John Keats

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Poet of Wind নামে বিখ্যাত রোমান্টিক যুগের কবি P. B. Shelley রচিত কবিতা ‘Ozymandias’. এটি একটি সনেট জাতীয় কবিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: P. B. Shelley (Percy Bysshe Shelley)। 'Ozymandias' কবিতাটি P. B. Shelley রচিত অন্যতম বিখ্যাত সনেট। এটি ১৮১৯ সালে প্রকাশিত হয়েছিল।
এই কবিতায় তিনি প্রাচীন মিশরের ফারাও দ্বিতীয় র‍্যামসেসের (Ramesses II) বিশাল কিন্তু ধ্বংসপ্রাপ্ত মূর্তির বর্ণনা দিয়েছেন। এর মূল ভাব হলো – ক্ষমতা ও অহংকারের ক্ষণস্থায়ীত্ব (The futility of arrogance and power)।
অন্যান্য অপশনে থাকা কবিরা (Coleridge, Wordsworth, Keats) একই রোমান্টিক যুগের হলেও তাদের প্রধান কাজ ভিন্ন। যেমন: Wordsworth প্রকৃতির কবি; Keats সৌন্দর্যের কবি এবং Coleridge ফ্যান্টাসি ও অতিপ্রাকৃত বিষয়ের কবি হিসেবে পরিচিত।
68

The most famous romantic poet of English Literature is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Dryden

  2. Alexander Pope
  3. William Wordsworth
  4. T. S. Eliot

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং S.T. Coleridge রচিত Lyrical Ballads প্রকাশিত হবার সাথে সাথেই ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period শুরু হয়। অপশনের বাকি কেউই রোমান্টিক যুগের সাহিত্যিক নন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: William Wordsworth (উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ)
William Wordsworth হলেন ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period (১৭৯৮-১৮৩২) এর সবচেয়ে প্রভাবশালী এবং কেন্দ্রীয় কবি।
তাঁকে 'Poet of Nature' বা 'প্রকৃতির কবি' বলা হয় এবং তিনি তাঁর সহযোগী S. T. Coleridge এর সাথে যৌথভাবে Lyrical Ballads (১৭৯৮) কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমে রোমান্টিক যুগের সূচনা করেন।
অপশনের অন্যান্য কবিরা ভিন্ন যুগের:
John Dryden এবং Alexander Pope: এঁরা Neo-classical বা Augustan যুগের কবি।
T. S. Eliot: ইনি Modern Age এর অন্যতম প্রধান কবি।
69

___ was both a poet and a painter.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Keats
  2. Spenser
  3. William Blake
  4. John Donne

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

William Blake (1757-1827) ছিলেন একজন বহুপ্রতিভাবান শিল্পী। ‘Songs of Innocence and of Experience’ এর মত উৎকৃষ্ট কাব্য লেখার পাশাপাশি তিনি চিত্রকর্ম ও খোদাইশিল্পেও দক্ষতা দেখিয়েছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো William Blake (উইলিয়াম ব্লেক)।
তিনি ছিলেন একাধারে একজন প্রখ্যাত কবি এবং চিত্রশিল্পী (Painter)। এই দ্বৈত পরিচয়ের কারণেই তিনি ইংরেজি সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছেন।
ব্লেক তাঁর অনেক কাব্যগ্রন্থ নিজেই নকশা করে, হাতে এঁকে, এবং ছাপিয়ে প্রকাশ করতেন, যা 'Illuminated Printing' নামে পরিচিত। এটিই প্রমাণ করে তিনি কবিতা ও ছবি উভয় মাধ্যমেই সমান পারদর্শী ছিলেন।
তাঁর অন্যতম বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো Songs of Innocence and of Experience
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল কারণ: John Keats ছিলেন রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত গীতিকবি, কিন্তু চিত্রশিল্পী নন। John Donne ছিলেন মেটাফিজিক্যাল কবি এবং Spenser ছিলেন এলিজাবেথান যুগের কবি, যাঁরা চিত্রশিল্পী হিসেবে পরিচিত ছিলেন না।
70

What kind of play is ‘Julius Ceasar’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. romantic
  2. anti-romantic
  3. comedy
  4. historical

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

William Shakespeare রচিত একটি বিখ্যাত Tragedy হলো ‘Julius Caesar’। এই Tragedy এর কাহিনি ইতিহাস থেকে নেওয়া হয়েছে বলে এটিকে Historical Play ও বলা হয়। এই নাটকের ‘Julius Caesar’ ছিল রোমান সম্রাট যিনি আজ থেকে প্রায় ২০০০ হাজার বছর পূর্বে ৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোমের সম্রাট হয়েছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Historical (ঐতিহাসিক)
বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র তার নাটকগুলোকে প্রধানত তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করেছেন: Tragedies (বিয়োগান্তক), Comedies (হাস্যরসাত্মক) এবং Histories (ঐতিহাসিক)
‘Julius Caesar’ নাটকটি রোমান সাম্রাজ্যের বিখ্যাত শাসক জুলিয়াস সিজারের হত্যার প্রেক্ষাপটে রচিত। যেহেতু এটি সুনির্দিষ্টভাবে ঐতিহাসিক ঘটনা ও ব্যক্তিত্বের জীবন অবলম্বনে লেখা হয়েছে, তাই এর প্রধান শ্রেণিবিভাগ হলো Historical Play
তবে এটি রোমান ট্র্যাজেডি (Tragedy) হিসেবেও সুপরিচিত, কারণ এর প্রধান চরিত্ররা ট্র্যাজিক পরিণতি বরণ করে। কিন্তু প্রশ্নের অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে উপযুক্ত শ্রেণিবিন্যাস হলো Historical
71

প্রাচীন বাংলায় ‘সমতট’ বর্তমান কোন অঞ্চল নিয়ে গঠিত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা ও কুমিল্লা
  2. ময়মনসিংহ ও নেত্রকোণা
  3. কুমিল্লা ও নোয়াখালী
  4. ময়মনসিংহ ও জামালপুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কুমিল্লা ও নোয়াখালী। প্রাচীন বাংলায় ‘সমতট’ জনপদটি মূলত মেঘনা নদীর দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ছিল। এটি একটি নিম্নভূমি বা সমতল অঞ্চল হওয়ায় এর নাম হয়েছিল ‘সমতট’।
সমতট বর্তমানের কুমিল্লা (কুমিল্লা), নোয়াখালী, এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও চাঁদপুর জেলার কিছু অংশ নিয়ে গঠিত ছিল।
এই জনপদের রাজধানী ছিল দেবপর্বত, যা বর্তমান কুমিল্লা জেলার ময়নামতী (Mainamati)-এর কাছে অবস্থিত ছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ঢাকা অঞ্চলটি প্রাচীনকালে বঙ্গ (Banga) জনপদের অংশ ছিল এবং ময়মনসিংহ/নেত্রকোণা অঞ্চলটি সাধারণত বরেন্দ্র (Varendra) বা পুন্ড্র (Pundra) জনপদের আওতাভুক্ত ছিল।
72

বাংলাদেশ সরকার কোন খাত থেকে সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়কর
  2. ভূমিকর
  3. আমদানি-রপ্তানি শুল্ক
  4. মূল্য সংযোজন কর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে বেশি রাজস্ব আদায় হয়েছে মূল্য সংযোজন কর থেকে। এই খাত থেকে আদায় হয়েছে ১ লাখ ২৭ হাজার ৫৬৮ কোটি টাকা। ভ্যাটের পর আয়কর থেকে আদায় হয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৩২৫ কোটি টাকা। উল্লেখ্য, ভ্যাট বা মূল্য সংযোজন কর চালু হয় ১৯৯১ সালে। জাতীয় ভ্যাট দিবস ১০ ডিসেম্বর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মূল্য সংযোজন কর (মূসক বা VAT)
বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয়ের প্রধান উৎস হলো জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (NBR) কর্তৃক সংগৃহীত করসমূহ। এই করগুলোর মধ্যে একক খাত হিসেবে মূল্য সংযোজন কর (VAT/মূসক) থেকেই সরকার সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব আয় করে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) তথ্য অনুযায়ী, প্রতি অর্থবছরে আদায়কৃত মোট রাজস্বের মধ্যে সাধারণত VAT খাতটিই প্রায় এক-তৃতীয়াংশ বা তারও বেশি (৩৩%-৪০%) অবদান রাখে।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে আয়কর (Income Tax) দ্বিতীয় সর্বোচ্চ এবং আমদানি-রপ্তানি শুল্ক (Customs Duty) তৃতীয় সর্বোচ্চ রাজস্ব সংগ্রাহক খাত হিসেবে অবস্থান করে। ভূমিকর (Land Tax) সরকারের রাজস্বের একটি ক্ষুদ্র অংশ মাত্র।
অর্থাৎ, বাংলাদেশের 'প্রত্যক্ষ কর' (Direct Tax) এর মধ্যে আয়কর সর্বোচ্চ হলেও, 'পরোক্ষ কর' (Indirect Tax) হিসেবে VAT সরকারি কোষাগারে সর্বোচ্চ অর্থ যোগান দেয়।
73

বাংলাদেশের কোনটি ব্যাংক নোট নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ টাকা
  2. ১০ টাকা
  3. ৫০ টাকা
  4. ১০০ টাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের ২ ধরনের নোট আছে- সরকারি ও ব্যাংক নোট। বাংলাদেশের সরকারি নোট ৩টি- ১, ২ ও ৫ টাকার নোট। সরকারি নোটে অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। ব্যাংক নোট ৭টি- ১০, ২০, ৫০, ১০০, ২০০, ৫০০ এবং ১০০০ টাকার নোট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ টাকা
বাংলাদেশে প্রচলিত নোটগুলোকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: সরকারি নোট (Government Note) এবং ব্যাংক নোট (Bank Note)
সরকারি নোট: যে নোটগুলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় দ্বারা ইস্যু করা হয় এবং যার ওপর অর্থ সচিবের স্বাক্ষর থাকে। বর্তমানে ৳১, ৳২ এবং ৳৫ মূল্যমানের নোটগুলো সরকারি নোট। তাই, ২ টাকা ব্যাংক নোট নয়।
ব্যাংক নোট: যে নোটগুলো বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক ইস্যু করা হয় এবং যার ওপর বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের স্বাক্ষর থাকে। ৳১০ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ মূল্যমানের (৳১০০০) সকল নোট ব্যাংক নোট হিসেবে বিবেচিত।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১০ টাকা, ৫০ টাকা এবং ১০০ টাকা হলো ব্যাংক নোট।
74

বাংলাদেশে কোন সালে বয়স্ক ভাতা চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1995
  2. 1996
  3. 1997
  4. 1998

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সামাজিক নিরাপত্তা খাতের অংশ হিসেবে ১৯৯৮ সালে বয়স্কভাতা কর্মসূচি চালু করেন। ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছর হতে প্রাথমিকভাবে দেশের সকল ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিটি ওয়ার্ডে ৫ জন পুরুষ ও ৫ জন মহিলাসহ ১০ জন দরিদ্র বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে প্রতিমাসে ১০০ টাকা হারে ভাতা প্রদানের আওতায় আনা হয়। বর্তমানে প্রতি মাসে প্রতিজনকে ৬০০ টাকা করে দেওয়া হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৯৮ সাল।
বাংলাদেশে দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সমাজকল্যাণের উদ্দেশ্যে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে বয়স্ক ভাতা কর্মসূচি (Old Age Allowance Programme) ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে চালু করা হয়।
এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯৯৮ সালের জুলাই মাস থেকে কার্যকর হয়। এটি প্রবর্তন করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
শুরুর দিকে মাত্র ৪ লক্ষ বয়স্ক ব্যক্তিকে মাসিক ১০০ টাকা হারে এই ভাতা প্রদান করা হতো।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৯৯৫, ১৯৯৬, ১৯৯৭) ভুল, কারণ বয়স্ক ভাতা কর্মসূচিটি সরাসরি ১৯৯৮ সালেই কার্যকর হয়।
75

নিপোর্ট (NIPORT) কী ধরনের গবেষণা প্রতিষ্ঠান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদী গবেষণা
  2. জনসংখ্যা গবেষণা
  3. মিঠাপানি গবেষণা
  4. বন্দর গবেষণা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি কর্মসূচী ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষিণ এশিয়ার একটি আদর্শ আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান তৈরির দিকে দৃষ্টি রেখে ১৯৭৭ সালে জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট (National Institute of Population Research and Training-NIPORT) এর আত্মপ্রকাশ ঘটে। এটি স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জনসংখ্যা গবেষণা। নিপোর্ট-এর পূর্ণরূপ হলো National Institute of Population Research and Training (জাতীয় জনসংখ্যা গবেষণা ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট)।

নিপোর্ট মূলত বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা এবং জনমিতি সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ ও গবেষণা পরিচালনা করে।

এর নামের মধ্যেই 'Population Research' শব্দটি থাকায়, এটি সহজেই চিহ্নিত করা যায়। অন্য অপশনগুলো (নদী, মিঠাপানি, বন্দর গবেষণা) এর কাজের পরিধির বাইরে।
76

‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আনিসুর রহমান
  2. রহমান সোবহান
  3. নুরুল ইসলাম
  4. রওনক জাহান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ শীর্ষক গ্রন্থটির লেখক প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ রেহমান সোবহান। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক। তিনি বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টার দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি গবেষণা সংস্থা সিপিডির সভাপতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: রহমান সোবহান। তিনি বাংলাদেশের একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ, গবেষক এবং মুক্তিযুদ্ধের বুদ্ধিবৃত্তিক নেপথ্য কারিগর।
‘Untranquil Recollections: The Years of Fulfilment’ হলো ড. রহমান সোবহানের আত্মজীবনীর দ্বিতীয় খণ্ড। এই খণ্ডটিতে তিনি ১৯৫৮ সাল থেকে ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা লাভ পর্যন্ত তার জীবন ও রাজনৈতিক অর্থনীতি নিয়ে কাজ করার স্মৃতিচারণ করেছেন।
মুক্তিযুদ্ধের সময় তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের পক্ষে জনমত গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
77

‘সেকেন্ডারি মার্কেট’ কিসের সাথে সংশ্লিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রম বাজার
  2. চাকুরি বাজার
  3. স্টক মার্কেট
  4. কৃষি বাজার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্টক মার্কেট এক ধরনের এক্সচেঞ্জ যা ব্যবসায়ীদের স্টক কিনতে এবং বিক্রয় করতে পাশাপাশি কোম্পানিদের স্টক ইস্যু করার সুযোগ করে দেয়। একটি স্টক নির্দিষ্ট কোম্পানির ইক্যুইটির প্রতিনিধিত্ব করে যেখানে ঐ বিশেষ সংস্থার অংশীদারিত্ব রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্টক মার্কেট
অর্থনীতির ভাষায়, যে বাজারে ইতোমধ্যে ইস্যুকৃত সিকিউরিটিজ (শেয়ার, বন্ড ইত্যাদি) বিনিয়োগকারীদের মধ্যে কেনাবেচা হয়, তাকেই সেকেন্ডারি মার্কেট বা গৌণ বাজার বলে।
প্রথমবার যখন কোনো কোম্পানি শেয়ার ইস্যু করে, তখন সেই লেনদেন ঘটে প্রাইমারি মার্কেটে (Primary Market)। প্রাইমারি মার্কেট থেকে শেয়ার কেনার পর যখন বিনিয়োগকারীরা নিজেদের মধ্যে সেই শেয়ার কেনাবেচা করে, তখন তা সেকেন্ডারি মার্কেটে হয়ে থাকে।
অন্যান্য বিকল্প—শ্রম বাজার, চাকুরি বাজার বা কৃষি বাজারের সাথে সেকেন্ডারি মার্কেটের এই নির্দিষ্ট অর্থনৈতিক পরিভাষাটি সংশ্লিষ্ট নয়।
78

ওরাওঁ জনগোষ্ঠী কোন অঞ্চলে বসবাস করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজশাহী-দিনাজপুর
  2. বরগুনা-পটুয়াখালী
  3. রাঙামাটি-বান্দরবান
  4. সিলেট-হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওরাওঁ জনগোষ্ঠী দিনাজপুর, রংপুর, রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চলে বাস করে। এরা জড়োপাসক এবং ভাষা হচ্ছে কুড়ুখ/সাদ্রি। এদের উৎসব ফাগুয়া যা ফাল্গুন মাসের শেষ তারিখে পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রাজশাহী-দিনাজপুর। ওরাওঁ (Oraon) জনগোষ্ঠী বাংলাদেশের সমতল ভূমির অন্যতম বৃহৎ নৃগোষ্ঠী
এরা মূলত উত্তরবঙ্গের রাজশাহী, দিনাজপুর, রংপুর, বগুড়া এবং বিশেষভাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ (নাচোল) অঞ্চলে ঘনবসতিপূর্ণভাবে বসবাস করে।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:
রাঙামাটি-বান্দরবান: এই অঞ্চলটি পার্বত্য চট্টগ্রাম (CHT), যেখানে চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা, ম্রো ইত্যাদি জনগোষ্ঠী বাস করে।
সিলেট-হবিগঞ্জ: এই অঞ্চলে খাসিয়া, মনিপুরী এবং চা বাগানে বিভিন্ন ছোট নৃগোষ্ঠীর উপস্থিতি দেখা যায়।
79

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘বিকল্প সরকার’ বলতে কী বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্যাবিনেট
  2. বিরোধী দল
  3. সুশীল সমাজ
  4. লোকপ্রশাসন বিভাগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রতিনিধিত্বমূলক গণতন্ত্রে সংখ্যাগরিষ্ঠ দল যেন গণবিরোধী কাজে লিপ্ত না হয়, স্বৈরাচারী ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয় সেদিকে খেয়াল রাখে বিরোধী দল। সরকারের দুর্নীতি, দুঃশাসন ও অব্যবস্থাপনা সংসদে তুলে ধরে জনগণকে সচেতন ও প্রতিবাদীও করে তোলে বিরোধী দল। তাই বিরোধী দলকে গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থায় ‘বিকল্প সরকার’ বলা হয়। এছাড়াও এদেরকে ছায়া সরকারও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিরোধী দল
প্রতিনিধিত্বমূলক গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা, বিশেষ করে সংসদীয় গণতন্ত্রে, যে দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে সরকার গঠন করে, তার ঠিক বিপরীতে থাকে প্রধান বিরোধী দল
এই বিরোধী দলটিকে 'বিকল্প সরকার' বা 'ছায়া সরকার' (Shadow Government) বলা হয়। এর মূল কারণ হলো, বিরোধী দল সর্বদা প্রস্তুত থাকে ক্ষমতাসীন সরকারের ভুলত্রুটি ধরিয়ে দিতে এবং প্রয়োজনে নিজেরাই সরকার গঠনের জন্য নীতি ও পরিকল্পনা তৈরি করে রাখে।
বিরোধী দলের প্রধান কাজ হলো ক্ষমতাসীন দলের স্বেচ্ছাচারিতা রোধ করা এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা (Accountability) নিশ্চিত করা, যা গণতন্ত্রের ভিত্তি।
অন্যান্য অপশন যেমন— ক্যাবিনেট হলো মূল সরকারের অংশ, সুশীল সমাজ হলো অরাজনৈতিক সামাজিক সংগঠন, এবং লোকপ্রশাসন বিভাগ হলো স্থায়ী আমলাতান্ত্রিক কাঠামো, যা কোনো বিকল্প সরকার গঠন করে না।
80

‘বলাকা’ কোন ফসলের একটি প্রকার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধান
  2. গম
  3. পাট
  4. টমেটো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বলাকা একটি উন্নত গমের জাত। এছাড়াও দোয়েল, শতাব্দী, অগ্রণী, সোনালিকা, আনন্দ, আকবর, কাঞ্চন, বরকত, জোপাটিকা, ইনিয়া-৬৬ ইত্যাদি গমের উন্নত জাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গম (Wheat)
‘বলাকা’ হলো বাংলাদেশে চাষকৃত গমের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল জাত (High Yielding Variety - HYV)।
এই জাতটি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত হয়েছিল, যা দেশের উত্তরাঞ্চলে গমের ফলন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
ধানের জাতগুলো সাধারণত BRRI ধান (যেমন: ব্রি ধান ২৮, ২৯, ৩৩) নামে পরিচিত, তাই ধান উত্তর নয়। পাট ও টমেটোর জাতের নাম ভিন্ন প্রকৃতির হয়।
81

তথ্য অধিকার আইন কোন সালে চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2002
  2. 2006
  3. 2009
  4. 2011

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তথ্যের অবাধ প্রবাহ এবং জনগণের তথ্য অধিকার নিশ্চিতকরণের নিমিত্ত বিধান করিবার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার ২০০৯ সালে তথ্য অধিকার আইন পাশ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০০৯ সাল।
তথ্য অধিকার আইন, ২০০৯ বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ আইন, যা জনগণের তথ্য জানার অধিকারকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয় এবং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে।
আইনটি জাতীয় সংসদে পাশ হয় ২০০৯ সালের ২৯ মার্চ এবং গেজেট আকারে প্রকাশিত হয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হয় ২০০৯ সালের ৬ এপ্রিল
অন্যান্য সালগুলি (২০০২, ২০০৬, ২০১১) কাছাকাছি হলেও, তথ্য অধিকার আইন চালুর সঠিক সালটি হলো ২০০৯
82

মুজিবনগর সরকারের অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের দায়িত্বে কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  3. এম. মনসুর আলী
  4. এ.এইচ.এম. কামরুজ্জামান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: তাজউদ্দিন আহমেদ
তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন মুজিবনগর সরকারের প্রধানমন্ত্রী এবং মুক্তিযুদ্ধকালীন সকল প্রশাসনিক কাজের প্রধান নিয়ন্ত্রক।
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি নিজের হাতে দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ রেখেছিলেন— ১. প্রতিরক্ষা বিভাগ এবং ২. অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগ (Ministry of Economy and Planning)।
এখানে উল্লেখ্য, যদিও এম. মনসুর আলী ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী, কিন্তু সরকারের সার্বিক অর্থনীতি বিষয়ক ও পরিকল্পনা বিভাগের মূল দায়িত্বটি প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমেদের অধীনে ছিল।
83

ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আনিসুল হক
  2. সাঈদ খোকন

  3. সাদেক হোসেন খোকা
  4. মোহাম্মদ হানিফ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৯৪ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মেয়র মোহাম্মদ হানিফ। তিনি সাবেক মেয়র সাঈদ খোকনের পিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ হানিফ
ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের প্রথম সরাসরি ভোটে নির্বাচিত মেয়র ছিলেন মোহাম্মদ হানিফ
এই ঐতিহাসিক নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯৪ সালের ৩০শে জানুয়ারি। তিনি ১৯৯৪ থেকে ২০০২ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
অন্যান্য অপশন: সাদেক হোসেন খোকা ছিলেন মোহাম্মদ হানিফের পরে ঢাকা সিটি কর্পোরেশনের দ্বিতীয় নির্বাচিত মেয়র (দায়িত্বকাল ২০০২-২০১১)। আনিসুল হক ও সাঈদ খোকন ঢাকা কর্পোরেশন বিভক্ত হওয়ার (২০১১) পর যথাক্রমে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র ছিলেন (২০১৫)।
84

বাংলাদেশ সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব কার ওপর ন্যস্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাশেম খান
  2. এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
  3. আবুল বারক আলভী
  4. সমরজিৎ রায় চৌধুরী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধান হাতে লেখার দায়িত্ব ন্যস্ত ছিল শিল্পী একে.এম. আব্দুর রউফ। সংবিধানের প্রচ্ছদ অলংকরণ করেন হাশেম খান ও কামরুল হাসান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
বাংলাদেশ সংবিধানের মূল পাণ্ডুলিপি হাতে লেখার (ক্যালোগ্রাফি) দায়িত্ব এ.কে.এম. আব্দুর রউফ-এর ওপর ন্যস্ত ছিল। তিনি গণপরিষদের প্রধান ড্রাফটসম্যান (Chief Draftsman) ছিলেন।
প্রশ্নটি যেহেতু 'হাতে লেখার দায়িত্ব' সংক্রান্ত, তাই সঠিক উত্তর হবে এ.কে.এম. আব্দুর রউফ
অন্যান্য অপশনগুলোও সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়িত। যেমন: হাশেম খান ছিলেন সংবিধানের অলঙ্করণ ও অঙ্গসজ্জার দায়িত্বে।
সংবিধান হাতে লিখতে সময় লেগেছিল প্রায় ৯ মাস।
85

বাংলার প্রাচীন জনপদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. গৌড়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলার প্রাচীনতম জনপদ পুণ্ড্র। বগুড়া, রংপুর, রাজশাহী, দিনাজপুর ও ভাগীরথী নদী হতে করতোয়া নদী পর্যন্ত এর বিস্তৃতি ছিলো। পুণ্ড্রনগরের পরবর্তী নাম মহাস্থানগড়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্র (Pundra)। বাংলার প্রাচীনতম ও সর্ববৃহৎ জনপদ হিসেবে **পুণ্ড্রবর্ধন** (সংক্ষেপে পুণ্ড্র) স্বীকৃত।
ঐতিহাসিক ও প্রত্নতাত্ত্বিক প্রমাণ অনুসারে, পুণ্ড্র জনপদের রাজধানী **পুণ্ড্রনগরীর** ধ্বংসাবশেষ বর্তমানে বগুড়ার **মহাস্থানগড়ে** পাওয়া যায়। এই মহাস্থানগড়েই প্রাপ্ত খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতকের **ব্রাহ্মী শিলালিপি** এটিকে বাংলার প্রাচীনতম জনপদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে।
এই জনপদটি মূলত উত্তরবঙ্গ (বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী, রংপুর) জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
অন্যান্য জনপদ যেমন গৌড় বিখ্যাত হয়েছিল ৭ম শতকে রাজা **শশাঙ্কের** আমলে। তাম্রলিপ্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ছিল এবং হরিকেল দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় পরবর্তীকালে পরিচিতি লাভ করে।
86

বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৯(২)
  2. ২৮(২)
  3. ৩৯(১)
  4. ৩৯(২)

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অনুচ্ছেদ ২৮(২) রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারীপুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন। অনুচ্ছেদ ২৯(২) কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিক প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ বা পদ-লাভের অযোগ্য হইবেন না কিংবা সেই ক্ষেত্রে তাঁহার প্রতি বৈষম্য প্রদর্শন করা যাইবে না। অনুচ্ছেদ ৩৯(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তাদান করা হইল। অনুচ্ছেদ ৩৯(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা ও নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত-অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ-সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ-সাপেক্ষে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২৮(২) অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) অনুচ্ছেদ ২৮ হলো ধর্ম, জাতি, বর্ণ, লিঙ্গ বা জন্মস্থান ভেদে বৈষম্য নিরোধ সংক্রান্ত।
এই অনুচ্ছেদের উপ-ধারা ২৮(২) অনুযায়ী, “রাষ্ট্র ও জনজীবনের সকল স্তরে নারী-পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন।” এটি সরাসরি নারী-পুরুষের সমতা নিশ্চিত করে এবং এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
২৯(২) অনুচ্ছেদ: এটি সরকারি নিয়োগ লাভের সুযোগের সমতা নিয়ে আলোচনা করে।
৩৯(১) ও ৩৯(২) অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদগুলি যথাক্রমে চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক্ ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার সাথে সম্পর্কিত।
87

কোভিড-১৯ ভ্যাকসিন উৎপাদনে সম্প্রতি চীনের সাথে বাংলাদেশের কোন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানির চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেক্সিমকো
  2. স্কয়ার
  3. ইনসেপটা
  4. এক্‌মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

চীনের রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন দুটি প্রতিষ্ঠান চায়না ন্যাশনাল বায়োটেক গ্রুপ অব কোম্পানিজ ও চায়না সিনোফার্ম ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এবং ইনসেপ্টা র্মাসিউটিক্যালসের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করে সরকার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ইনসেপটা। এটি সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞানের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
২০২১ সালের আগস্ট মাসে বাংলাদেশের ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং চীনের Sinopharm (সিনোফার্ম)-এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের একটি ত্রিপক্ষীয় চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশে সিনোফার্মের ভ্যাকসিন বোতলজাতকরণ (Fill and Finish) এবং স্থানীয়ভাবে উৎপাদন নিশ্চিত করা। এটি ছিল বাংলাদেশে প্রথম কোনো আন্তর্জাতিক COVID-19 ভ্যাকসিনের স্থানীয় উৎপাদনের চুক্তি।
অন্যান্য কোম্পানি যেমন: বেক্সিমকো ভারতে উৎপাদিত অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা (কোভিশিল্ড) ভ্যাকসিন আমদানির দায়িত্বে ছিল, কিন্তু উৎপাদনে নয়। স্কয়ার বা এক্‌মি সরাসরি সিনোফার্মের সাথে উৎপাদনে যুক্ত ছিল না।
88

বাংলাদেশ কত সালে OIC এর সদস্যপদ লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1973
  2. 1974
  3. 1975
  4. 1976

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত OIC এর দ্বিতীয় সম্মেলনে ১৯৭৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ৩২ তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে। শেখ মুজিবুর রহমান OIC এর ২য় সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪
বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে ইসলামিক সহযোগিতা সংস্থা (OIC)-এর সদস্যপদ লাভ করে ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
ঐ বছর ২২ থেকে ২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত ২য় ওআইসি শীর্ষ সম্মেলন-এ যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের পূর্বে পাকিস্তান বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়।
অপশনগুলো কাছাকাছি হলেও ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) ও কমনওয়েলথের সদস্যপদ লাভ করে, কিন্তু OIC তে যোগ দেয় ১৯৭৪ সালে।
এই সদস্যপদ লাভের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি আরও মজবুত হয়।
89

ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ কোন সেক্টরের অধীনে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬ নম্বর
  2. ৭ নম্বর
  3. ৮ নম্বর
  4. ৯ নম্বর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৮ নম্বর সেক্টর
বীরশ্রেষ্ঠ ল্যান্স নায়েক নূর মোহাম্মদ শেখ মহান মুক্তিযুদ্ধে ৮ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন। তিনি ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস (EPR)-এর একজন সৈনিক ছিলেন।
১৯৭১ সালের ৫ সেপ্টেম্বর যশোর জেলার গোয়ালহাটি গ্রামে পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে সম্মুখ যুদ্ধে তিনি শাহাদাৎ বরণ করেন এবং এখানেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। যুদ্ধক্ষেত্রটি ৮ নম্বর সেক্টরের আওতায় ছিল।
৬, ৭ ও ৯ নম্বর সেক্টর ভিন্ন ভিন্ন ভৌগোলিক অঞ্চলে অবস্থিত ছিল এবং নূর মোহাম্মদ শেখ সেই সেক্টরগুলোর সাথে যুক্ত ছিলেন না।
90

নিম্নোক্ত কোন সালে কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1977
  2. 2008
  3. 2015
  4. 2019

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে এ যাবৎ ৫টি কৃষিশুমারী অনুষ্ঠিত হয়েছে- ১৯৭৭, ১৯৮৬, ১৯৯৭, ২০০৮ ও ২০১৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৫
বাংলাদেশে এ পর্যন্ত মোট পাঁচবার কৃষিশুমারি (Agriculture Census) অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুমারিগুলো পরিচালনার দায়িত্বে থাকে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)
বাংলাদেশে কৃষিশুমারি অনুষ্ঠিত হওয়ার বছরগুলো হলো: ১৯৭৭, ১৯৮৩-৮৪, ১৯৯৬, ২০০৮ এবং ২০১৯
উপরিউক্ত বছরগুলোর তালিকার সাথে অপশনগুলো মিলিয়ে দেখলে বোঝা যায়, ১৯৭৭, ২০০৮ এবং ২০১৯ সালে শুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু ২০১৫ সালে কোনো কৃষিশুমারি হয়নি।
বিসিএস পরীক্ষার জন্য শুমারির তারিখগুলো মুখস্থ রাখা আবশ্যিক।
91

‘ম্যানিলা’ কোন ফসলের উন্নত জাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তুলা

  2. তামাক
  3. পেয়ারা
  4. তরমুজ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘ম্যানিলা’ ও ‘সুমাত্রা’ তামাক এর উন্নতজাতের নাম। পদ্মা, মধুমালা তরমুজের উন্নত জাত। রূপালী, ডেলফোজ তুলার উন্নত জাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তামাক
ম্যানিলা (Manila) হলো তামাকের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চফলনশীল জাত। এটি মূলত ভার্জিনিয়া (Virginia) তামাকের একটি বাণিজ্যিক উপশাখা, যা সিগারেটের জন্য ব্যবহৃত ফিল্টার তামাক (Flue-cured tobacco) হিসেবে পরিচিত।
ম্যানিলা ছাড়া বাংলাদেশে তামাকের অন্য যে জাতগুলো চাষ হয়, তার মধ্যে সোনাপাতা এবং মতিহার (Motihari) উল্লেখযোগ্য।
প্রশ্নটি কৃষি সম্পর্কিত সাধারণ জ্ঞান থেকে এসেছে, যেখানে ফসলের জাত ও নাম খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
92

বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 18
  2. 19
  3. 20
  4. 21

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সংবিধানের ১২২(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশের ভোটার হওয়ার সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৮ বছর
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের পঞ্চম ভাগের প্রথম পরিচ্ছেদ-এর ১২২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বাংলাদেশে ১৮ বছর বা তার বেশি বয়সের সকল নাগরিক ভোটাধিকার লাভ করেন এবং ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার যোগ্য হন।
অতএব, বাংলাদেশে ভোটার হওয়ার জন্য সর্বনিম্ন বয়স ১৮ বছর (অপশন ক)।
93

বাংলাদেশের প্রধান আইন কর্মকর্তা হলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইনমন্ত্রী
  2. আইন সচিব
  3. অ্যাটর্নি জেনারেল
  4. প্রধান বিচারপতি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধানের ৬৪নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রধান আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অ্যাটর্নি জেনারেল
বাংলাদেশের সংবিধানের ৬৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, অ্যাটর্নি জেনারেল হলেন সরকারের প্রধান আইন কর্মকর্তা এবং সর্বোচ্চ আইনি পরামর্শদাতা। তিনি সরকারের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এবং হাইকোর্ট বিভাগ উভয় স্থানেই মামলা পরিচালনা করেন।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
আইনমন্ত্রী: তিনি হলেন নির্বাহী বিভাগের সদস্য (মন্ত্রী), আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণের দায়িত্বে থাকেন, কিন্তু তিনি প্রধান আইনি কর্মকর্তা নন।
প্রধান বিচারপতি: তিনি বিচার বিভাগের প্রধান এবং আদালত পরিচালনার দায়িত্বে থাকেন, সরকারের আইনি প্রতিনিধি নন।
94

‘নির্বাণ’ ধারণাটি কোন ধর্মবিশ্বাসের সাথে সংশ্লিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিন্দুধর্ম
  2. বৌদ্ধধর্ম
  3. খ্রিষ্টধর্ম

  4. ইহুদীধর্ম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নি উপসর্গের সাথে বাণ পদের সমন্বয়ে নির্বাণ শব্দটি গঠিত হয়েছে। নি শব্দের অর্থ না এবং বাণ শব্দের অর্থ তৃষ্ণা। অর্থাৎ নিবার্ণ শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় যে তৃষ্ণা ক্ষয়। গৌতম বুদ্ধের দিয়ে যাওয়া আর্য অষ্টাঙ্গিক মার্গ এবং চতুরার্য সত্য সঠিকভাবে মেনে চললে নিবার্ণ লাভ বা তৃষ্ণা ক্ষয় করা সম্ভব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বৌদ্ধধর্ম
নির্বাণ (Nirvana বা Nibbana) হলো বৌদ্ধ দর্শনের সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক লক্ষ্য। এটি হলো দুঃখ এবং জন্ম-মৃত্যু তথা সংসার চক্র থেকে চূড়ান্ত মুক্তি লাভ করা।
নির্বাণ মানে হলো সকল প্রকার তৃষ্ণা বা কামনা-বাসনার সম্পূর্ণ নিবৃত্তি। বৌদ্ধধর্মে, গৌতম বুদ্ধের মতে, মানুষ যতক্ষণ পর্যন্ত আকাঙ্ক্ষা (তৃষ্ণা) দ্বারা চালিত হয়, ততক্ষণ পর্যন্ত সে দুঃখের শিকার হয় এবং বারবার জন্মগ্রহণ করতে থাকে। নির্বাণ লাভে এই চক্রের অবসান ঘটে।
অন্যদিকে, হিন্দুধর্মে মুক্তির ধারণাটিকে সাধারণত মোক্ষ বা মুক্তি বলা হয়, যা নির্বাণের সমার্থক হলেও এর দার্শনিক ভিত্তি ভিন্ন। খ্রিষ্টধর্ম এবং ইহুদীধর্মে স্বর্গ বা পরিত্রাণের ধারণা রয়েছে, যা নির্বাণের ধারণার সাথে সংশ্লিষ্ট নয়।
95

একনেক (ECNEC) এর প্রধান কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধানমন্ত্রী
  2. অর্থমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রী
  4. বাণিজ্যমন্ত্রী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

একনেক (ECNEC) এর পূর্ণরূপ- Executive Committee of the National Economic Council. এর প্রধান হচ্ছে প্রধানমন্ত্রী এবং বিকল্প প্রধান অর্থমন্ত্রী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রধানমন্ত্রী
একনেক (ECNEC) এর পূর্ণরূপ হলো Executive Committee of the National Economic Council (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি)। এটি বাংলাদেশের সকল সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন এবং গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ ফোরাম।
পদাধিকার বলে, দেশের সরকার প্রধান তথা প্রধানমন্ত্রী হলেন একনেক এর সভাপতি বা প্রধান।
পরিকল্পনা মন্ত্রী বা অর্থমন্ত্রী হলেন এই কমিটির গুরুত্বপূর্ণ সদস্য, কিন্তু প্রধান নন।
96

‘রেহানা মরিয়ম নূর’ চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেরেমি চুয়া
  2. আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
  3. রাজীব মহাজন
  4. আজমেরী হক বাঁধন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রেহানা মরিয়ম নূর ২০২১ সালে নির্মিত একটি বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। চলচ্চিত্রটি পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ এবং প্রটোকল ও মেট্রোর ব্যানারে প্রযোজনা করেছেন জেরেমি চুয়া এছাড়াও সহ-প্রযোজনা করেছে সেন্সমেকারস প্রোডাকশন। এটি ৩৭ বছর বয়সী একজন সহকারী অধ্যাপকের জীবন সংগ্রামের গল্পে নির্মিত করা হয়েছে। এতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন আজমেরী হক বাঁধন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
ব্যাপক আলোচিত এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমাদৃত চলচ্চিত্র ‘রেহানা মরিয়ম নূর’ পরিচালনা করেছেন বাংলাদেশের গুণী নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ
২০২১ সালে মুক্তি পাওয়া এই ছবিটি একটি বেসরকারি মেডিকেল কলেজের শিক্ষিকার জীবন সংগ্রামের গল্প নিয়ে নির্মিত।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, আজমেরী হক বাঁধন এই চলচ্চিত্রের নাম ভূমিকায় (রেহানা মরিয়ম নূর) অভিনয় করে আন্তর্জাতিক খ্যাতি অর্জন করেন।
97

বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 81
  2. 85
  3. 87
  4. 88

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৮৭
সংবিধানের নবম ভাগ (‘বাংলাদেশের অর্থ’) এর অধীনে অনুচ্ছেদ ৮৭(১) এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রত্যেক অর্থ বছর সম্পর্কে সরকারের অনুমিত আয় ও ব্যয়ের একটি বিবৃতি সংসদে পেশ করতে হবে। এই বিবৃতিই ‘বার্ষিক আর্থিক বিবৃতি’ বা বাজেট (Budget) নামে পরিচিত।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক অনুচ্ছেদ:
অনুচ্ছেদ ৮১: এটি অর্থ বিল (Money Bill)-এর সংজ্ঞা ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে আলোচনা করে।
অনুচ্ছেদ ৮৫: এখানে সংযুক্ত তহবিল (Consolidated Fund) ও সরকারি হিসাবের অর্থ রক্ষার কথা বলা হয়েছে।
অনুচ্ছেদ ৮৮: এখানে সংসদের দায়যুক্ত ব্যয় (Charged Expenditure) এর কথা বলা হয়েছে, যা সংসদে আলোচনা হতে পারে কিন্তু ভোটে দেওয়া যায় না।
98

কোনটি সাংবিধানিক পদ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রধান নির্বাচন কমিশনার
  2. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন
  3. চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
  4. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চেয়ারম্যান, মানবাধিকার কমিশন
যেসব পদ বা প্রতিষ্ঠান সরাসরি বাংলাদেশের সংবিধানের মাধ্যমে সৃষ্টি হয়, সেগুলোকে সাংবিধানিক পদ বা প্রতিষ্ঠান বলা হয়। যেমন—নির্বাচন কমিশন, সরকারি কর্ম কমিশন (PSC), মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক (CAG) এবং অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ।
অন্যদিকে, মানবাধিকার কমিশন (NHRC) গঠিত হয়েছে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন, ২০০৯-এর মাধ্যমে। এটি একটি বিধিবদ্ধ (Statutory) বা আইনগত সংস্থা, সাংবিধানিক সংস্থা নয়।
অন্যান্য অপশনগুলো সাংবিধানিক পদ:
১. প্রধান নির্বাচন কমিশনার: সংবিধানের ১১৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠিত।
২. চেয়ারম্যান, পাবলিক সার্ভিস কমিশন: সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত।
৩. কনট্রোলার ও অডিটর জেনারেল (CAG): সংবিধানের ১২৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রকের পদ সৃষ্টি হয়েছে।
99

১৯৬৬ সালের ৬ দফার ক’টি দফা অর্থনীতি বিষয়ক ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩টি
  2. ৪টি
  3. ৫টি
  4. ৬টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩টি। ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ৬ দফার মোট ৩টি দফা সরাসরি অর্থনীতি, রাজস্ব ও মুদ্রা বিষয়ক ছিল।
৬ দফার বাকি দফাগুলো (১, ২ ও ৬) মূলত শাসনতান্ত্রিক, রাজনৈতিক ও সামরিক বিষয়ের সাথে জড়িত ছিল।
অর্থনীতি বিষয়ক ৩টি দফা হলো—
৩য় দফা (মুদ্রা ও অর্থ): পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তানের জন্য সহজে বিনিময়যোগ্য দুটি পৃথক মুদ্রা ব্যবস্থা চালু করা।
৪র্থ দফা (রাজস্ব): সকল প্রকার রাজস্ব, কর (Tax) ও শুল্ক (Duty) ধার্য ও আদায়ের ক্ষমতা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে।
৫ম দফা (বাণিজ্য): বৈদেশিক মুদ্রা ও বৈদেশিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতা আঞ্চলিক সরকারের হাতে থাকবে।
100

আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাভারত
  2. গীতা
  3. রামায়ণ
  4. বেদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আর্যদের ধর্মগ্রন্থের নাম হলো বেদ। মহাভারত সংস্কৃত ভাষায় রচিত প্রাচীন ভারতের দুটি প্রধান মহাকাব্যের অন্যতম (অপরটি হল রামায়ণ)। এই মহাকাব্যটি হিন্দুশাস্ত্রের ইতিহাস অংশের অন্তর্গত। মহাভারতের মূল উপজীব্য বিষয় হল কৌরব ও পাণ্ডবদের গৃহবিবাদ এবং কুরুক্ষেত্র যুদ্ধের পূর্বাপর ঘটনাবলি।গীতা প্রাচীন সংস্কৃত মহাকাব্য মহাভারত এর একটি অংশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেদ
আর্যদের প্রধান এবং প্রাচীনতম ধর্মগ্রন্থের নাম হলো বেদ
আর্যরা যখন ভারতীয় উপমহাদেশে বসতি স্থাপন করে, তখন তাদের দ্বারা সৃষ্ট সভ্যতা বৈদিক সভ্যতা নামে পরিচিত। এই সভ্যতার সাহিত্যিক ভিত্তিই ছিল এই বেদসমূহ।
বেদ মোট চারটি: ঋকবেদ, সামবেদ, যজুর্বেদ এবং অথর্ববেদ। এদের মধ্যে ঋকবেদ প্রাচীনতম এবং পৃথিবীর প্রাচীনতম সাহিত্যকর্মগুলোর মধ্যে অন্যতম।
অপরদিকে, মহাভারতরামায়ণ হলো মূলত মহাকাব্য (Epic)। এগুলো বেদের তুলনায় অনেক পরে রচিত হয়েছিল এবং এগুলোকে স্মৃতির (Smriti) অংশ হিসেবে গণ্য করা হয়, শ্রুতি (Shruti) হিসেবে নয়।
101

কোন রাষ্ট্রটি বিরোধপূর্ণ দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার দাবিদার নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিলিপাইন
  2. মালয়েশিয়া
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বোডিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দক্ষিণ চীন সাগরের তীরবর্তী দেশসমূহ হলো: চীন, তাইওয়ান, ফিলিপাইন, ভিয়েতনাম, মালয়েশিয়া, ব্রুনেই, সিঙ্গাপুর ও ইন্দোনেশিয়া। চীনের সাথে দক্ষিণ চীন সাগরের সীমানা নিয়ে এসব দেশের মধ্যে বিরোধ চলছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কম্বোডিয়া
দক্ষিণ চীন সাগর (South China Sea) বিশ্বের অন্যতম বিরোধপূর্ণ জলসীমা। এই জলসীমার ওপর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে মূলত চীন (গণপ্রজাতন্ত্রী চীন) ও তাইওয়ানের পাশাপাশি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার চারটি দেশ দাবি উত্থাপন করে।
দক্ষিণ চীন সাগরের জলসীমার প্রধান দাবিদার দেশগুলো হলো: চীন, তাইওয়ান, ভিয়েতনাম, ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া এবং ব্রুনেই
অন্যদিকে, কম্বোডিয়া ভৌগোলিকভাবে দক্ষিণ চীন সাগরের কাছাকাছি হলেও, এই বিরোধপূর্ণ জলসীমার ওপর এর কোনো সরকারি জলসীমার দাবি নেই। কম্বোডিয়া সাধারণত আন্তর্জাতিক ফোরামে চীনের অবস্থানকে সমর্থন করে থাকে, যা এটিকে অন্যান্য দাবিদারদের থেকে আলাদা করে।
ফিলিপাইন, মালয়েশিয়া ও ভিয়েতনাম—এই তিনটি দেশই স্প্রাটলি ও প্যারাসেল দ্বীপপুঞ্জের অংশ বা নিজেদের এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোন (EEZ) হিসেবে দাবি করে।
102

নাথু লা পাস কোন দুটি দেশকে সংযুক্ত করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত-নেপাল
  2. ভারত-পাকিস্তান
  3. ভারত-চীন
  4. ভারত-ভুটান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাথু লা পাস ভারত ও চীনের মধ্যে একমাত্র স্থল সীমান্ত পথ, যেটি হলো ভারতের সিকিম থেকে চীনের তিব্বতে যাওয়ার একমাত্র পাহাড়ী পথ। ভারত-চীন পথটি হিমালয়ের ১৪,৪২৫ ফুট উচুতে অবস্থিত। পথটিতে ভারতের সিকিম রাজ্যের সীমান্তের সঙ্গে চীনের তিব্বতের সীমান্ত মিলেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত-চীন
নাথু লা পাস (Nathu La Pass) ভারতের সিকিম রাজ্যের সাথে চীনের তিব্বত স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চলকে (Tibet Autonomous Region) সংযুক্ত করেছে।
এটি হিমালয় পর্বতমালায় অবস্থিত এবং সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে এর উচ্চতা প্রায় ৪,৩১০ মিটার (১৪,১৫০ ফুট)।
ঐতিহাসিকভাবে এটি প্রাচীন সিল্ক রুটের (Silk Route) অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাখা ছিল এবং বর্তমানে এটি ভারত ও চীনের মধ্যে বাণিজ্য আদান-প্রদানের জন্য ব্যবহৃত প্রধান সীমান্ত পথগুলির একটি।
103

জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 11
  2. 15
  3. 21
  4. 17

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২০-২২ জুন ২০১২ রিও+২০ সম্মেলনে টেকসই উন্নয়নের জন্য কৌশল নির্ধারণ করা হয়। এতে ১৭টি অভীষ্ট, ১৬৯টি সহযোগী লক্ষ্য এবং ২৪১টি সূচক নির্ধারিত হয়। SDG এর মেয়াদকাল ২০১৬ থেকে ২০৩০ সাল পর্যন্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭টি। জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়নের এই লক্ষ্যগুলো Sustainable Development Goals (SDGs) নামে পরিচিত।
এই লক্ষ্যগুলো মূলত মিলেনিয়াম ডেভেলপমেন্ট গোলস (MDGs)-এর সফলতার পর বৈশ্বিক দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং পরিবেশ সুরক্ষার জন্য গ্রহণ করা হয়।
SDG এজেন্ডা ২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘে গৃহীত হয় এবং এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি ২০১৬ থেকে কার্যকর হয়েছে। এই লক্ষ্য অর্জনের সময়সীমা ২০৩০ সাল
104

বিশ্ব মানবাধিকার দিবস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ ডিসেম্বর
  2. ১০ ডিসেম্বর
  3. ১১ ডিসেম্বর
  4. ১৩ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৪৮ সালে ১০ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের তৃতীয় অধিবেশনে সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র গৃহীত হয়। এতে মোট ৩০টি অনুচ্ছেদ রয়েছে। মানবাধিকার বিষয়ক প্রথম বৈশ্বিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৬৮ সালে ইরানের তেহরানে। প্রতি বছর ১০ ডিসেম্বর বিশ্ব মানবাধিকার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০ ডিসেম্বর
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (UN General Assembly) কর্তৃক ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর তারিখে ঐতিহাসিক ‘সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণাপত্র’ (Universal Declaration of Human Rights - UDHR) গৃহীত হয়।
এই ঘোষণাপত্রের সম্মানেই প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে এই দিনটি ‘বিশ্ব মানবাধিকার দিবস’ হিসেবে পালিত হয়।
অন্যান্য তারিখগুলো (৮ ডিসেম্বর, ১১ ডিসেম্বর, ১৩ ডিসেম্বর) এই দিবসের সাথে সম্পর্কিত নয়, এগুলো পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে।
105

World Development Report কোন সংস্থার বার্ষিক প্রকাশনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. IMF
  4. BRICS

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭৮ সাল থেকে বিশ্বব্যাংক বা International Bank for Reconstruction and Development (IBRD) ‘World Development Report’ প্রকাশ করে। অর্থনীতি, সমাজব্যবস্থা ও জীবনমাত্রার মান এই রিপোর্টে স্থান পায়। অপরদিকে, মানব উন্নয়ন সূচক বা Human Development Index ঘোষণা করে UNDP এবং World Economic Outlook Purchasing Power Parity (PPP) বা ক্রয়ক্ষমতা সূচক প্রকাশ করে IMF.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: World Bank (বিশ্বব্যাংক)
World Development Report (WDR) হলো বিশ্বব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং মর্যাদাপূর্ণ বার্ষিক প্রকাশনা। প্রতি বছর এই রিপোর্টে বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং টেকসই উন্নয়নের মতো নির্দিষ্ট একটি মূল বিষয়ের উপর বিশদ বিশ্লেষণ ও তথ্য প্রদান করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ রিপোর্ট প্রকাশ করে, যা প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে:
IMF (International Monetary Fund): এটি মূলত World Economic Outlook (WEO) এবং Global Financial Stability Report (GFSR) প্রকাশ করে।
UNDP (UN Development Programme): এটি প্রকাশ করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Human Development Report (HDR)
106

ব্যাডমিন্টন কোন দেশের জাতীয় খেলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালয়েশিয়া
  2. ইন্দোনেশিয়া
  3. চীন
  4. ইংল্যান্ড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চীনের জাতীয় খেলা → টেবিল টেনিস, ইংল্যান্ডের জাতীয় খেলা → ক্রিকেট, ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা → ব্যাডমিন্টন। মালয়েশিয়ার জাতীয় খেলা সেপাক টার্কো নামক একটি খেলা যা অনেকটা ব্যাডমিন্টনের মতো, তবে সে খেলাতে হাত ব্যবহার করা যায় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইন্দোনেশিয়া
ব্যাডমিন্টন হলো ইন্দোনেশিয়ামালয়েশিয়ার অন্যতম জনপ্রিয় খেলা, তবে এটি বিশেষভাবে ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় খেলা হিসেবে পরিচিত এবং তারা এই খেলায় বিশ্ব মঞ্চে অত্যন্ত সফল।
ব্যাডমিন্টনে ইন্দোনেশিয়ার সাফল্য আকাশচুম্বী। তারা বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ ব্যাডমিন্টন শক্তি হিসেবে বিবেচিত এবং অলিম্পিকে নিয়মিত পদক জয় করে থাকে।
অন্যান্য অপশনগুলো যদিও ব্যাডমিন্টনের জন্য পরিচিত, তবুও সেগুলো তাদের জাতীয় খেলা নয়। যেমন: চীন – টেবিল টেনিস (যদিও বাস্কেটবলও খুব জনপ্রিয়); ইংল্যান্ড – ক্রিকেট (যদিও ফুটবলের জন্ম ইংল্যান্ডে)।
107

বাংলাদেশ কোনটির সদস্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. OAS
  2. OIC
  3. BIMSTEC

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আমেরিকান অঞ্চলের জোট হলো Organization of American States (OAS). এর সদর দপ্তর হলো ওয়াশিংটন ডিসি। এর প্রতিষ্ঠাকাল ১৯৪৮ সাল। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৩৫টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো OAS (Organization of American States)। এটি মূলত উত্তর, মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোর একটি আঞ্চলিক সংগঠন, যা এশিয়া মহাদেশের কোনো দেশকে সদস্যপদ দেয় না।
OIC (Organisation of Islamic Cooperation): বাংলাদেশ ১৯৭৪ সালে এই বৃহৎ ইসলামিক আন্তর্জাতিক সংস্থাটির সদস্যপদ লাভ করে। বাংলাদেশ এর সক্রিয় সদস্য।
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation): এটি বঙ্গোপসাগর উপকূলবর্তী কয়েকটি দেশের অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংস্থা। বাংলাদেশ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর সদর দপ্তর ঢাকার গুলশানে অবস্থিত।
108

চীনের জিনজিয়াং (Xinjiang) প্রদেশের মুসলিম গোষ্ঠীর নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উইঘুর
  2. তুর্কমেন
  3. তাজিক
  4. কাজাখ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

চীনের পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিনজিয়াং এর প্রধান দুটি জাতি উইঘুর ও হান। উইঘুর জাতিগোষ্ঠী ইসলাম ধর্মাবলম্বী। সম্প্রতি উইঘুরদের নির্যাতনের জন্য চীন বিশ্বব্যাপী সমালোচিত হচ্ছে। উইঘুরদের জোরপূর্বক কমিউনিস্ট ভাবধারায় দীক্ষিতকরণ এবং কারাগারে কঠোর নির্যাতনসহ মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে চীনের বিরুদ্ধে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: উইঘুর (Uyghur)
উইঘুররা হলো চীনের উত্তর-পশ্চিম জিনজিয়াং উইঘুর স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল (Xinjiang Uyghur Autonomous Region)-এর প্রধান মুসলিম নৃগোষ্ঠী। তারা সংস্কৃতি ও জাতিগতভাবে তুর্কিক জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত।
এই অঞ্চলটি ঐতিহাসিকভাবে পূর্ব তুর্কিস্তান নামে পরিচিত ছিল। এখানকার মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ উইঘুর জনগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন করে আসছে, যার ফলস্বরূপ তারা চীন সরকারের কঠোর দমন-পীড়নের শিকার।
109

‘The lady with the Lamp’ নামে পরিচিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেলেন কেলার
  2. ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল
  3. মাদার তেরেসা
  4. সরোজিনী নাইডু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৮৫৩ থেকে ১৮৫৬ সাল পর্যন্ত ক্রিমিয়া যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এর এক পক্ষ ছিলো রাশিয়া এবং অপর পক্ষে ছিলো অটোম্যান সাম্রাজ্য এবং ফ্রান্স ও ব্রিটেন এর সমন্বয়ে গঠিত মিত্র শক্তি। যুদ্ধে রাশিয়ান সাম্রাজ্য পরাজিত হয়। এই যুদ্ধে যোদ্ধাহত মিত্র শক্তির সৈন্যদের অসামান্য সেবা প্রদানের জন্য ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেলকে ‘The Lady with the Lamp’ উপাধি প্রদান করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল (Florence Nightingale)
ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল ছিলেন একজন ব্রিটিশ নার্স, পরিসংখ্যানবিদ এবং আধুনিক নার্সিং-এর প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ১৮৫৩-১৮৫৬ সালের ক্রিমিয়ার যুদ্ধের সময় আহত সৈন্যদের সেবা করার জন্য বিখ্যাত।
রাতে হাতে প্রদীপ (Lamp) বা লণ্ঠন নিয়ে তিনি আহত সৈন্যদের দেখতে যেতেন। তার এই সেবাপরায়ণতার জন্যই তাকে 'The Lady with the Lamp' বা 'দীপ হাতে নারী' উপাধি দেওয়া হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
মাদার তেরেসা: তিনি ছিলেন একজন নোবেলজয়ী (১৯৭৯) এবং মিশনারি, যিনি ভারতের কলকাতায় দরিদ্র, অসুস্থ ও অনাথদের সেবার জন্য বিখ্যাত।
হেলেন কেলার: তিনি একজন বিখ্যাত আমেরিকান লেখিকা ও সমাজকর্মী, যিনি বাক্ ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী হওয়া সত্ত্বেও নিজের অদম্য প্রচেষ্টার মাধ্যমে বিশ্বে অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করেন।
সরোজিনী নাইডু: তিনি ছিলেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের একজন গুরুত্বপূর্ণ নেত্রী। তাকে 'ভারতের কোকিল' (The Nightingale of India) উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
110

মিয়ানমারের নির্বাসিত সরকারের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এনএলডি সরকার
  2. ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার
  3. বার্মিজ গভর্নমেন্ট ইন এক্সাইল
  4. অং সান সু চি সরকার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১ ফেব্রুয়ারি ২০২১ মিয়ানমারের সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখল করে এবং অং সান সুচির এনএলডি সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করে। সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন গড়ে তোলার লক্ষ্যে ১৬ এপ্রিল ২০২১ বিরোধীদল ও গোষ্ঠীগুলোর সমন্বয়ে গঠিত হয় জাতীয় ঐক্য সরকার (ন্যাশনাল ইউনিটি গভর্নমেন্ট)। জান্তা সরকারের আক্রমনের ফলে এ সরকার নির্বাসিত অবস্থায় থেকে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এর প্রধান করা হয় অং সান সুচি কে এবং প্রেসিডেন্ট করা হয় উইন মিন্ট কে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার। এটি মিয়ানমারের সামরিক অভ্যুত্থানের পর ক্ষমতাচ্যুত রাজনীতিবিদ ও গণতন্ত্রপন্থীদের সমন্বয়ে গঠিত নির্বাসিত সরকার

২০২১ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি সামরিক বাহিনী বেসামরিক এনএলডি (NLD) সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর, ক্ষমতাচ্যুত সংসদ সদস্য, অভ্যুত্থান-বিরোধী বিক্ষোভকারী এবং জাতিগত সংখ্যালঘুদের নিয়ে ২০২১ সালের ১৬ই এপ্রিল এই সরকার গঠিত হয়।

এর উদ্দেশ্য হলো মিয়ানমারে সামরিক শাসন (জান্টা) অপসারণ করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা।

বিগত নির্বাচনে ন্যাশনাল লীগ ফর ডেমোক্রেসি (NLD) জয়ী হলেও, সামরিক অভ্যুত্থানের পর এই NLD সহ অন্যান্য দল ও গোষ্ঠী মিলে যে বিকল্প সরকার গঠন করেছে, তার নাম ন্যাশনাল ইউনিটি সরকার (NUG)
111

আকাবা একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমুদ্র বন্দর
  2. স্থল বন্দর
  3. নদী বন্দর
  4. বিমান বন্দর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আকাবা হলো জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর এবং এটি আকাবা পোর্ট কর্পোরেশন পরিচালনা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্র বন্দর
আকাবা (Aqaba) হলো মধ্যপ্রাচ্যের দেশ জর্ডানের একমাত্র সমুদ্র বন্দর। জর্ডানের সমস্ত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মূলত এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।
এই বন্দরটি লোহিত সাগরের (Red Sea) উত্তর প্রান্তে আকাবা উপসাগরের তীরে অবস্থিত। এর কৌশলগত গুরুত্ব অনেক বেশি, কারণ এটি মিশর (Taba), ইসরায়েল (Eilat) এবং সৌদি আরবের (Haqal) বন্দরের কাছাকাছি।
112

Trafalgar Square এর অবস্থান –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাশিয়ায়
  2. ইংল্যান্ডে
  3. ফ্রান্সে
  4. চীনে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Trafalgar Square লন্ডনের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত একটি স্কয়ার। এখানে রাজনৈতিক সভা সমিতি অনুষ্ঠিত হয়। ১৮০৫ সালে সংঘটিত ব্রিটিশ নৌবাহিনী ফ্রান্সের বিরুদ্ধে বিখ্যাত ট্রাফালগারের যুদ্ধে জয়কে স্মরণীয় করে রাখতে এ নামকরণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইংল্যান্ডে
ট্রাফালগার স্কোয়ার (Trafalgar Square) হলো ইউরোপ মহাদেশে অবস্থিত যুক্তরাজ্যের (United Kingdom) রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত একটি বিখ্যাত উন্মুক্ত চত্বর (Public Square)। এটি মধ্য লন্ডনের ওয়েস্টমিনস্টার শহরের কেন্দ্রে অবস্থিত।
এই স্কোয়ারটি ১৮০৫ সালের ট্রাফালগারের যুদ্ধে (Battle of Trafalgar) ব্রিটিশ নৌবাহিনীর ঐতিহাসিক বিজয়কে স্মরণীয় করে রাখতে তৈরি করা হয়েছিল।
113

নিম্নের কোনটি জাতিসংঘের সংস্থা নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
  2. আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO)
  3. আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD)
  4. খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতিসংঘের সহযোগী সংস্থা হলো আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO), আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD), খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO)। অন্যদিকে দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সংস্থা আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)। এর সদস্য সংখ্যা ২৭টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আসিয়ান আঞ্চলিক ফোরাম (ARF)
ARF বা ASEAN Regional Forum হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর নিরাপত্তা ও সহযোগিতামূলক একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি আঞ্চলিক জোট আসিয়ানের (ASEAN) সাথে সম্পর্কিত একটি সংস্থা, যা জাতিসংঘের কোনো বিশেষায়িত সংস্থা (Specialized Agency) বা অঙ্গসংস্থা নয়।
অন্যদিকে, অপশনগুলোতে থাকা আঞ্চলিক শ্রম সংস্থা (ILO) [সঠিক নাম: আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা], আন্তর্জাতিক কৃষি উন্নয়ন তহবিল (IFAD) এবং খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) — এই সবগুলোই জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থা (UN Specialized Agencies)।
114

ইরান-ইরাক যুদ্ধবিরতির তদারকির কাজে নিয়োজিত জাতিসংঘের বাহিনী কোন নামে পরিচিত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNIMOG
  2. UNIIMOG
  3. UNGOMAP
  4. UNICEF

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৮৮ সালে ইরাক-ইরান যুদ্ধ বন্ধে জাতিসংঘ United Nations Iran-Iraq Military Observer Group (UNIIMOG) প্রেরণ করে। এই শান্তিরক্ষী মিশনে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো ১৫ জন সদস্য প্রেরণ করে আনুষ্ঠানিকভাবে শান্তিরক্ষী মিশন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: UNIIMOG
UNIIMOG এর পূর্ণরূপ হলো— United Nations Iran-Iraq Military Observer Group
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের ৬১৯ নং প্রস্তাব অনুযায়ী ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসে এই বাহিনীটি প্রতিষ্ঠিত হয়। তাদের প্রধান কাজ ছিল **ইরান এবং ইরাকের মধ্যে যুদ্ধবিরতির তদারকি, যাচাই এবং নিশ্চিতকরণ**।
এই শান্তিরক্ষা মিশনটি সফলভাবে **১৯৯১ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত** তার দায়িত্ব পালন করে।
ভুল উত্তর কেন:
UNIMOG: এটি একটি কাল্পনিক নাম বা অন্য কোনো সংক্ষিপ্ত রূপ। জাতিসংঘের মূল মিশনে এই নামে কোনো বাহিনী নেই।
UNGOMAP: এটি হলো United Nations Good Offices Mission in Afghanistan and Pakistan, যা আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সীমান্ত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য গঠিত হয়েছিল।
UNICEF: এটি জাতিসংঘের শিশু তহবিল (জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা), কোনো সামরিক বা পর্যবেক্ষক বাহিনী নয়।
115

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস কোন তারিখে পালিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫ সেপ্টেম্বর
  2. ১৫ অক্টোবর
  3. ১৫ নভেম্বর
  4. ১৫ ডিসেম্বর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস জাতিসংঘ কর্তৃক ২০০৭ সাল থেকে সদস্যভূক্ত দেশগুলোতে গণতন্ত্র সম্পর্কে আগ্রহ সৃষ্টি এবং গণতন্ত্র চর্চাকে উৎসাহিত করার জন্য প্রচলিত একটি বিশেষ দিন যা প্রতি বছর ‘১৫ সেপ্টেম্বর’ তারিখে পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৫ সেপ্টেম্বর
জাতিসংঘ (UN) ২০০৭ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর দিনটিকে আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস (International Day of Democracy) হিসেবে ঘোষণা করে।
এই দিবসটি পালনের উদ্দেশ্য হলো বিশ্বজুড়ে গণতান্ত্রিক নীতিগুলো প্রচার করা এবং জনগণের অংশগ্রহণে গণতন্ত্রের গুরুত্ব তুলে ধরা।
উল্লেখ্য, অন্যান্য তারিখগুলোর মধ্যে ১৫ অক্টোবর হলো আন্তর্জাতিক গ্রামীণ নারী দিবস (International Day of Rural Women)
116

‘ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল’ এর প্রধান কার্যালয় কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্রান্স
  2. জার্মানি
  3. নেদারল্যান্ড
  4. হাঙ্গেরি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৩ সালে জার্মানির বার্লিনে প্রতিষ্ঠিত হয় ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল। এর উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী দুর্নীতি বিরোধী প্রচারণা, দুর্নীতি হ্রাসে কার্যক্রম পরিচালনা ও তথ্য প্রদান। ডেলিয়া ফেরেইরা রুবিও হচ্ছে এর বর্তমান চেয়ারম্যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জার্মানি
ট্র্যান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল (Transparency International - TI) হলো একটি আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা (NGO), যার প্রধান কাজ হলো বৈশ্বিক দুর্নীতি রোধে কাজ করা এবং এর ওপর গবেষণা করা।
সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় বা সদর দপ্তর জার্মানির রাজধানী বার্লিনে অবস্থিত।
এটি ৯ মে ১৯৯৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
117

চীন থেকে ক্রয়কৃত বাংলাদেশ নৌবাহিনীর ডুবোজাহাজ দুটি নিম্নোক্ত কোন শ্রেণির?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কিলো-ক্লাস
  2. মিং-ক্লাস
  3. ডলফিন-ক্লাস
  4. শ্যাং-ক্লাস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০০৪ সালে বাংলাদেশ প্রথম সাবমেরিন ক্রয় করার জন্য জার্মানির সাথে চুক্তি করে। উদ্দেশ্য ছিলো সমুদ্র অর্থনীতির সুরক্ষা এবং নিজেদের সামুদ্রিক জলসীমায় প্রতিরক্ষা সক্ষমতা বাড়ানো। এজন্য জার্মানি থেকে সৈন্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। কিন্তু রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের কারণে উক্ত পরিকল্পনা বাদ যায়। ২০১২ সালে নতুন করে চীনের কাছ থেকে ২টি মিং-ক্লাস সাবমেরিন ক্রয় করার চুক্তি করা হয়। এই চুক্তি অনুসারে ২০১৯ সালে বিএনএস জয়যাত্রা এবং বিএনএস নবযাত্রা নামে দুটি সাবমেরিন বাংলাদেশ নৌবাহিনীতে যুক্ত হয়। এর ঘাঁটি কক্সবাজারে অবস্থিত। ফোর্সেস গোল ২০৩০ অনুসারে আরো ৪টি অ্যাটাকিং ক্লাস সাবমেরিন ক্রয়ের চুক্তি করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিং-ক্লাস
বাংলাদেশ নৌবাহিনীর জন্য চীন থেকে ক্রয়কৃত দুটি ডিজেল-ইলেকট্রিক অ্যাটাক সাবমেরিন (SSK) হলো Type 035G শ্রেণির। পশ্চিমা বিশ্বে এই শ্রেণির সাবমেরিনকে সাধারণত মিং-ক্লাস (Ming Class) নামে অভিহিত করা হয়।
এই দুটি সাবমেরিনের নাম হলো বিএনএস নবযাত্রা (BNS Nobojatra) এবং বিএনএস জয়যাত্রা (BNS Joyjatra)
২০১৬ সালের ১৪ নভেম্বর বাংলাদেশ এই সাবমেরিন দুটি চীনের কাছ থেকে গ্রহণ করে এবং ২০১৭ সালের ১৮ মার্চ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এগুলিকে নৌবাহিনীতে কমিশনড করেন। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ নৌবাহিনী সাবমেরিন যুগে প্রবেশ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন—কিলো-ক্লাস (রাশিয়ার তৈরি, ভারত বা আলজেরিয়া ব্যবহার করে) এবং শ্যাং-ক্লাস (চীনের পারমাণবিক সাবমেরিন) বা ডলফিন-ক্লাস (জার্মানির তৈরি, ইসরায়েল ব্যবহার করে)—এগুলি বাংলাদেশ নৌবাহিনী ব্যবহার করে না।
118

United Nations Framework Convention on Climate Change এর মূল আলোচ্য বিষয় –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জীবাশ্ম জ্বালানীর ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ
  2. গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন
  3. সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি
  4. বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়া এবং বনায়ন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯২ সালের ৯ই মে গঠিত হয় United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) যা ১৯৯৪ সালে কার্যকর হয়। বৈশ্বিক গ্রিনহাউস গ্যাসের নিঃসরণ হ্রাস ও প্রশমনের লক্ষ্যে UNFCCC প্রতিবছর Conference of the Parties (COP) সম্মেলন আয়োজন করে আসছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ ও প্রশমন

United Nations Framework Convention on Climate Change (UNFCCC) হলো বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের হুমকি মোকাবিলায় প্রণীত প্রধান আন্তর্জাতিক চুক্তি। এর মূল লক্ষ্য হলো— বায়ুমণ্ডলে গ্রিনহাউস গ্যাসের ঘনত্ব এমন একটি স্তরে স্থিতিশীল করা, যা জলবায়ু ব্যবস্থায় বিপজ্জনক মানবিক হস্তক্ষেপ রোধ করবে।

অতএব, এই কনভেনশনের সরাসরি এবং মূল আলোচ্য বিষয় হলো গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ (Emission) নিয়ন্ত্রণ ও প্রশমন (Mitigation)

অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তনের ফল, আর বৈশ্বিক মরুকরণ প্রক্রিয়ার জন্য আলাদা কনভেনশন (UNCCD) রয়েছে।
119

মায়া সভ্যতাটি আবিষ্কৃত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উত্তর আমেরিকায়

  2. দক্ষিণ আমেরিকায়
  3. মধ্য আফ্রিকায়
  4. মধ্য আমেরিকায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

খ্রিস্টপূর্ব ১০০০ অব্দে মধ্য আমেরিকার মেক্সিকো এবং গুয়েতমালা অঞ্চলে মায়া সভ্যতা গড়ে ওঠে। বিখ্যাত চিচেন ইৎজা মায়া সভ্যতার অন্যতম নিদর্শন। বিশ্বের সবচেয়ে ঘনবসতিপূর্ণ এবং সাংস্কৃতিকভাবে গতিশীল ছিলো এই মায়া সভ্যতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো মধ্য আমেরিকায়। মায়া সভ্যতাটি (Maya Civilization) প্রাচীন আমেরিকার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সভ্যতা, যা আধুনিক মেক্সিকো, গুয়েতেমালা, বেলিজ, হন্ডুরাস এবং এল সালভাদরের অংশবিশেষে বিস্তৃত ছিল।
এই অঞ্চলটি ভৌগোলিকভাবে মেসোআমেরিকা (Mesoamerica) বা মধ্য আমেরিকা নামে পরিচিত। মেসোআমেরিকান অর্থ হলো 'মধ্য-আমেরিকা'।
উত্তর আমেরিকা (কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বা দক্ষিণ আমেরিকা (ব্রাজিল, পেরু) ভৌগোলিকভাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এলাকা, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
120

জিবুতি দেশটি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এডেন উপসাগরের পাশে
  2. প্রশান্ত মহাসাগরে
  3. দক্ষিণ আমেরিকায়
  4. দক্ষিণ চীন সাগরে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এডেন উপসাগরের পশ্চিম উপকূলে অবস্থিত জিবুতি, সোমালিয়া, ইথিওপিয়া এবং ইরিত্রিয়া। এদেরকে হর্ন অফ আফ্রিকা বলা হয়। জিবুতিতে চীনের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ নৌ-ঘাঁটি রয়েছে। বাব-আল মান্দেব প্রণালী এডেন উপসাগর ও লোহিত সাগরকে সংযুক্ত করেছে এবং ইয়েমেন (এশিয়া) ও জিবুতি (আফ্রিকা) কে পৃথক করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এডেন উপসাগরের পাশে
জিবুতি (Djibouti) দেশটি পূর্ব আফ্রিকার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ‘হর্ন অফ আফ্রিকা’ অঞ্চলে অবস্থিত। এটি এডেন উপসাগর এবং লোহিত সাগরের সংযোগস্থলের একদম কাছাকাছি অবস্থিত।
জিবুতির উপকূল রেখাটি লোহিত সাগরকে ভারত মহাসাগরের সাথে যুক্ত করার প্রধান জলপথ বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর (Bab-el-Mandeb Strait) প্রবেশদ্বারে অবস্থান করায় এর ভৌগোলিক গুরুত্ব অপরিসীম।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ প্রশান্ত মহাসাগর, দক্ষিণ আমেরিকা কিংবা দক্ষিণ চীন সাগর আফ্রিকার জিবুতির অবস্থান থেকে সম্পূর্ণ বিপরীত দিকে অবস্থিত।
121

নিম্নের কোন দেশটির সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. পাকিস্তান
  3. থাইল্যান্ড
  4. মায়ানমার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারত এবং মায়ানমারের সাথে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে। বাংলাদেশের ৩টি জেলার (কক্সবাজার, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি) সাথে মায়ানমারের সীমান্ত রয়েছে। বাংলাদেশের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, মেঘালয় ও আসাম এবং পূর্বে ভারতের আসাম, ত্রিপুরা ও মিয়ানমারের আরাকান (বর্তমান নাম- রাখাইন রাজ্য) ও চিন প্রদেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মায়ানমার
বাংলাদেশের সাথে স্থলপথে আন্তর্জাতিক সীমানা রয়েছে মাত্র দুটি দেশের: একটি হলো ভারত এবং অন্যটি মায়ানমার
এই দুটি দেশের মধ্যে ভারত বাংলাদেশের উত্তরে, উত্তর-পূর্বে এবং পশ্চিমে অবস্থিত। অন্যদিকে, মায়ানমার দক্ষিণ-পূর্ব দিকে অবস্থিত।
প্রশ্নে উল্লেখিত অন্য দেশগুলোর (চীন, পাকিস্তান, থাইল্যান্ড) সাথে বাংলাদেশের কোনো সরাসরি আন্তর্জাতিক সীমানা নেই। পাকিস্তান যদিও পূর্বে (১৯৪৭-১৯৭১) পূর্ব পাকিস্তানের প্রতিবেশী ছিল, কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশে এর কোনো সীমান্ত নেই।
122

বাংলাদেশের কোন অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
  2. পশ্চিমাঞ্চল
  3. উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল
  4. উত্তর-পূর্বাঞ্চল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সিলেটের হাওড় অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর পূর্ব অঞ্চলে অবস্থিত যেখানে প্রায় প্রতি বছর আকস্মিক বন্যা হয়। দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহকে টারশিয়ারি যুগের পাহাড় বলা হয়। এই অঞ্চল এরকম পাহাড় বিশিষ্ট হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের কারণে এই অঞ্চলগুলোতে আকস্মিক বন্যা দেখা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: উত্তর-পূর্বাঞ্চল। এই অঞ্চলের প্রধান জেলাগুলো হলো সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার এবং হবিগঞ্জ
এই অঞ্চলে আকস্মিক বন্যা হওয়ার মূল কারণ হলো ভৌগোলিক অবস্থান। উত্তর-পূর্বাঞ্চলটি ভারতের মেঘালয় ও আসামের খাসিয়া-জয়ন্তিয়া পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত।
বর্ষাকালে বা প্রাক-বর্ষাকালে এসব পাহাড়ি অঞ্চলে অতিবৃষ্টি হলে, বৃষ্টির জল দ্রুত ঢাল বেয়ে বাংলাদেশের হাওর অঞ্চলের নিচু ভূমিতে নেমে আসে।
এই পানিপ্রবাহ এত দ্রুত হয় যে তা কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি করে, যা আকস্মিক বা Flash Flood নামে পরিচিত। এই বন্যা সাধারণত দীর্ঘস্থায়ী হয় না, কিন্তু বোরো ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে।
অন্যান্য অঞ্চল (দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল বা পশ্চিমাঞ্চল) সাধারণত নদীবাহিত বন্যা বা জোয়ারের বন্যায় আক্রান্ত হয়, আকস্মিক বন্যায় নয়।
123

বাংলাদেশের কোন জেলাটি কয়লা সমৃদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. কুমিল্লা
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দিনাজপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের নবাবগঞ্জ উপজেলার দিঘি পাড়া কয়লা খনিটি ১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ ভূ-তাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তর জরিপ চালিয়ে আবিষ্কার করে এবং ৫টি কূপ খনন করা হয়। ৫টি কূপে ৫০০ মিলিয়ন টন কয়লা মজুদ রয়েছে বলে প্রাথমিক ভাবে জরিপ বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এছাড়াও বড়পুকুরিয়া, মধ্যপাড়াতেও কয়লা খনি রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দিনাজপুর। বাংলাদেশের অধিকাংশ আবিষ্কৃত কয়লা ক্ষেত্র বা মজুদের অবস্থান দিনাজপুর ও এর পার্শ্ববর্তী জেলাগুলোতে।
দেশের একমাত্র উৎপাদনে থাকা কয়লা খনি, 'বড়পুকুরিয়া', দিনাজপুর জেলায় অবস্থিত।
অন্যদিকে, সিলেট প্রাকৃতিক গ্যাস এবং চুনাপাথরের জন্য বিখ্যাত। কুমিল্লা গ্যাস (তিতাস) এবং রাজশাহী অন্যান্য খনিজ সম্পদের জন্য বিশেষ পরিচিত নয়।
124

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে কোন দুর্যোগটির ঝুঁকি বৃদ্ধি পেয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূমিকম্প
  2. ভূমিধস
  3. টর্নেডো
  4. খরা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ একটি দুর্যোগপ্রবণ দেশ। প্রতিবছরই নিয়মিতভাবে এদেশে বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ আঘাত হানে। তবে সম্প্রতি বাংলাদেশে ভূমিকম্প দুর্যোগটি বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভূমিকম্প
সাম্প্রতিক সময়ে ভূতত্ত্ববিদ ও পরিবেশবিজ্ঞানীরা বারবার বাংলাদেশে একটি বড় মাত্রার ভূমিকম্পের (Magnitude 7.5 থেকে 8.5+) ঝুঁকির বিষয়ে সতর্ক করেছেন।
বাংলাদেশ তিনটি প্রধান টেকটোনিক প্লেটের (Indian, Eurasian, and Burmese) সংযোগস্থলে অবস্থিত হওয়ায় এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে ভূতাত্ত্বিক চাপ জমা হচ্ছে।
বিশেষ করে, বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ডাউকি ফল্ট (Dauki Fault) নামক ফাটল রেখাটিতে বহু বছর ধরে কোনো বড় ভূমিকম্প না হওয়ায় সেখানে শক্তির সঞ্চয় বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছেছে বলে বিজ্ঞানীরা মনে করছেন। এই কারণেই এই দুর্যোগটির ঝুঁকি অন্যান্য দুর্যোগের চেয়ে বর্তমানে বেশি আলোচিত এবং বৃদ্ধিপ্রাপ্ত।
অন্যান্য অপশন যেমন খরা বা ভূমিধস প্রতি বছরই সংঘটিত হয়, কিন্তু ভূতাত্ত্বিকভাবে ব্যাপক ধ্বংসাত্মক এবং সমগ্র দেশকে ঝুঁকিতে ফেলা এমন দুর্যোগের মধ্যে ভূমিকম্পের ঝুঁকিই সম্প্রতি সর্বোচ্চ সতর্কতার কারণ।
125

নিম্নের কোন দুর্যোগ ‘hydro-meteorological’ দুর্যোগ হিসেবে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বন্যা
  2. খরা
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. ভূমিধস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘hydro-meteorological’ দুর্যোগ হলো আবহাওয়া-জলবায়ুগত বা সামুদ্রিক দুর্যোগ। দুর্যোগগুলো হচ্ছে: বন্যা, খরা, মৌসুমী ঘূর্ণিঝড়, ভূমিধ্স বা পলিক্ষয়। অপশনে উল্লেখিত সবগুলোই ‘hydro-meteorological’ দুর্যোগ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বন্যা
Hydro-meteorological (জল-আবহাওয়া সংক্রান্ত) দুর্যোগ বলতে সেইসব প্রাকৃতিক বিপদকে বোঝায় যা জলবায়ু বা আবহাওয়া (Meteorological) এবং জলের সঞ্চালন (Hydrological) প্রক্রিয়ার কারণে সৃষ্টি হয়।
বন্যা (Flood) হলো অতিবৃষ্টি, হিমবাহ গলা জল বা সমুদ্রের জলোচ্ছ্বাসের (Storm Surge) ফলে সৃষ্ট। এই প্রক্রিয়াগুলো সরাসরি জল ও আবহাওয়ার চরম রূপের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বন্যা একটি সুস্পষ্ট hydro-meteorological দুর্যোগ।
অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় হলো মূলত একটি বায়ুমণ্ডলীয় বা আবহাওয়া সংক্রান্ত (Meteorological) ঘটনা, যা তীব্র ঝড় ও বায়ুপ্রবাহ সৃষ্টি করে।
ভূমিধস (Landslide) হলো প্রধানত ভূতাত্ত্বিক বা ভূ-প্রাকৃতিক (Geological/Geophysical) দুর্যোগ, যদিও বৃষ্টিপাত এর প্রধান ট্রিগার হিসেবে কাজ করে।
126

কোন বনাঞ্চল প্রতিনিয়ত লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পার্বত্য বন
  2. শালবন
  3. মধুপুর বন
  4. ম্যানগ্রোভ বন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশে অবস্থিত সুন্দরবন বিশ্বে একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন যা ইউনেস্কো ঘোষিত ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট হিসেবে বিশ্বের বুকে পরিচিত। এটি প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য হিসেবেও মনোনীত হয়। এটি প্রতিনিয়ত সাগরের জোয়ার-ভাটায় লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ম্যানগ্রোভ বন। ম্যানগ্রোভ বন হলো সেই ধরনের বন, যা সমুদ্র তীরবর্তী বা উপকূলীয় অঞ্চলের জোয়ার-ভাটা প্লাবিত কর্দমাক্ত ভূমিতে জন্মায়।
এই বনাঞ্চলের মাটি লবণাক্ত এবং অক্সিজেনের পরিমাণ কম থাকে। এখানকার উদ্ভিদগুলি (যেমন: সুন্দরী, গেওয়া) লবণাক্ততা সহ্য করার জন্য বিশেষ অভিযোজিত হয়। বাংলাদেশের সুন্দরবন হলো পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন।
অন্যদিকে, পার্বত্য বন (পার্বত্য চট্টগ্রাম) ও শালবন/মধুপুর বন (টাঙ্গাইল, গাজীপুর) সাধারণত উঁচু ভূমি ও স্বাদু পানির এলাকায় অবস্থিত, যা কখনোই লবণাক্ত পানি দ্বারা প্লাবিত হয় না।
127

নিম্নের কোন উপজেলাটি সবচেয়ে নদীভাঙ্গন-প্রবণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বোয়ালমারী
  2. নড়িয়া
  3. আলমডাঙ্গা
  4. নিকলি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শরীয়তপুর জেলার নড়িয়া উপজেলা পদ্মা নদীর তীরে ভাঙন প্রবণ অঞ্চলে অবস্থিত এবং পদ্মা নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় প্রতি বছর ব্যাপক ভাঙনের কবলে পতিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো নড়িয়া
নড়িয়া উপজেলাটি শরীয়তপুর জেলায় অবস্থিত এবং এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী পদ্মার ভয়াবহ ভাঙনের শিকার হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে নড়িয়ায় নদীভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে, যা গ্রাম, স্কুল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাগুলোকে গ্রাস করে নেয়।
দেশের নদীভাঙন-প্রবণ এলাকাগুলোর মধ্যে নড়িয়া বর্তমানে সবচেয়ে বেশি আলোচিত ও সংবাদ শিরোনামে থাকে।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে বোয়ালমারী (ফরিদপুর), আলমডাঙ্গা (চুয়াডাঙ্গা) এবং নিকলি (কিশোরগঞ্জ) থাকলেও, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে নদীভাঙনের তীব্রতা ও ক্ষয়ক্ষতি বিবেচনায় নড়িয়াই সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
128

বাংলাদেশের কোন দ্বীপটি প্রবাল দ্বীপ নামে খ্যাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিঝুমদ্বীপ
  2. সেন্ট মার্টিনস
  3. হাতিয়া
  4. কুতুবদিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সেন্ট মার্টিনস দ্বীপ বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত। এটি বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড থেকে প্রায় ২৩ মাইল বা ৩৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর আয়তন ৮ বর্গকিলোমিটার। এই দ্বীপে প্রচুর সামুদ্রিক প্রবাল পাওয়া যায় তাই এটিকে প্রবাল দ্বীপ বলা হয়। স্থানীয়ভাবে এই দ্বীপ নারিকেল জিঞ্জিরা নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সেন্ট মার্টিনস। এটি বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island) নামে পরিচিত।
প্রবাল হলো সামুদ্রিক পলিপস নামক ক্ষুদ্র প্রাণীর কঙ্কাল। এই কঙ্কালগুলো প্রধানত ক্যালসিয়াম কার্বনেট দিয়ে গঠিত। এই মৃত পলিপসের কঙ্কাল জমা হয়েই সেন্ট মার্টিনস দ্বীপটি সৃষ্টি হয়েছে।
সেন্ট মার্টিনস দ্বীপটি কক্সবাজার জেলার টেকনাফ উপজেলা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত। এই দ্বীপটি বাংলাদেশের ভৌগোলিক কারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং পর্যটকদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় স্থান।
129

বাংলাদেশের কোথায় প্লাইস্টোসিন কালের সোপান দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বান্দরবান
  2. কুষ্টিয়া
  3. কুমিল্লা
  4. বরিশাল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আনুমানিক ২৫০০০ বছর পূর্বে প্লাইস্টোসিন কালের সোপানসমূহ উত্থিত হওয়ার সময় এই উঁচু ভূমি গঠিত হয়। উত্তর পশ্চিমাংশের বরেন্দ্রভূমি, মধ্যভাগের মধুপুর ও ভাওয়াল গড় এবং কুমিল্লা জেলার লালমাই পাহাড় বা উঁচু ভূমি এ অঞ্চলের অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কুমিল্লা
বাংলাদেশের ভূপ্রকৃতিকে প্রধানত তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়: টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চল, প্লাইস্টোসিন যুগের সোপানসমূহ (উচ্চভূমি) এবং সাম্প্রতিককালের প্লাবনভূমি।
প্রশ্নোক্ত প্লাইস্টোসিন কালের সোপান বা উচ্চভূমি গঠিত হয়েছিল আনুমানিক ২৫,০০০ বছর আগে। এই সোপানগুলো মূলত তিনটি অঞ্চলে বিভক্ত:
১. বরেন্দ্রভূমি (উত্তর-পশ্চিমে, রাজশাহী ও নওগাঁ অঞ্চল)
২. মধুপুর ও ভাওয়ালের গড় (কেন্দ্রীয় অঞ্চল, টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ)
৩. লালমাই পাহাড় (দক্ষিণ-পূর্বে, কুমিল্লা ও ময়নামতি অঞ্চল)
লালমাই পাহাড় অঞ্চলটি কুমিল্লা শহরের কাছে অবস্থিত এবং এটিই প্লাইস্টোসিন সোপানের ক্ষুদ্রতম অংশ। তাই, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে কুমিল্লা সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশন যেমন বান্দরবান টারশিয়ারি যুগের পাহাড়ি অঞ্চলভুক্ত এবং বরিশাল সাম্প্রতিক প্লাবনভূমির অন্তর্গত।
130

‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি দেশের নাম

  2. ম্যানগ্রোভ বন
  3. একটি দ্বীপ
  4. সাবমেরিন ক্যানিয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সুন্দরবনের দুবলার চর থেকে সামান্য দক্ষিণে অবস্থিত সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড বা গঙ্গাখাত। এটি বঙ্গোপসাগরের গভীরতম খাত। এর গভীরতা প্রায় ৯০০ মিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাবমেরিন ক্যানিয়ন। এই ভৌগোলিক প্রশ্নটি বিসিএস এবং অন্যান্য চাকরির পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
‘সোয়াজ অব নো গ্রাউন্ড’ (Swatch of No Ground) হলো বঙ্গোপসাগরের তলদেশে অবস্থিত একটি গভীর সমুদ্রখাত বা ক্যানিয়ন। এর গভীরতা প্রায় ১,২০০ মিটার (৪,০০০ ফুট) পর্যন্ত হতে পারে।
এটি পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ সাবমেরিন ক্যানিয়নগুলির মধ্যে একটি। মূলত গঙ্গা-ব্রহ্মপুত্র-মেঘনা নদীর বিপুল পরিমাণ পলল সমুদ্রে বয়ে যাওয়ার সময় এই বিশেষ ভৌগোলিক গঠনের সৃষ্টি হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। এটি কোনো ম্যানগ্রোভ বন বা দ্বীপ নয়, বরং সমুদ্রের নিচে অবস্থিত একটি খাঁজ বা গিরিখাত।
131

প্রোটিন তৈরি হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্যাটি এসিড দিয়ে
  2. সাইট্রিক এসিড দিয়ে
  3. অ্যামিনো এসিড দিয়ে
  4. অক্সালিক এসিড দিয়ে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রোটিন (Protein) হল এক প্রকারের বৃহৎ জৈব অণু কিংবা বৃহদাণু, যা এক বা একাধিক দীর্ঘ অ্যামিনো অ্যাসিডের শৃঙ্খল নিয়ে গঠিত। প্রোটিনগুলি জীবদেহের ভেতরে বিশাল সংখ্যক কার্য সম্পাদন করে। যেমন: বিপাকীয় বিক্রিয়াসমূহের অনুঘটন, ডিএনএ প্রতিলিপিকরণ, উদ্দীপকের প্রতি সাড়াদান, কোষ ও জীবদেহে কাঠামো প্রদান, এক স্থান থেকে অন্যত্র বিভিন্ন অণু পরিবহন ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অ্যামিনো এসিড। প্রোটিন হলো জীবনের জন্য অপরিহার্য একটি ম্যাক্রোমলিকিউল (বৃহৎ জৈব অণু)।
এই প্রোটিনের গাঠনিক একক বা ভিত্তি হলো অ্যামিনো এসিড (Amino Acid)। অসংখ্য অ্যামিনো এসিড একে অপরের সাথে পেপটাইড বন্ধনী (Peptide Bond) দ্বারা যুক্ত হয়ে পলিপেপটাইড চেইন তৈরি করে, যা ভাঁজ হয়ে প্রোটিন অণু গঠন করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ফ্যাটি এসিড হলো চর্বি বা লিপিড-এর গাঠনিক একক। সাইট্রিক এসিড এবং অক্সালিক এসিড বিপাকীয় কাজে অংশ নেয়, কিন্তু এগুলো প্রোটিনের মনোমার নয়।
132

কোভিড-১৯ যে ধরনের ভাইরাস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. DNA
  2. DNA + RNA
  3. mRNA
  4. RNA

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভাইরাস ২ ধরনের হয়ে থাকে। DNA ও RNA ভাইরাস। কোভিড-১৯ একটি RNA ভাইরাস। এর নিউক্লিওক্যাপসিড সর্পিলাকৃতির। এর জিনোমের আকার সাধারণত ২৭ থেকে ৩৪ কিলো বেস-পেয়ার এর মধ্যে হয়ে থাকে যা এ ধরনের RNA ভাইরাসের মধ্যে সর্ববৃহৎ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: RNA (রাইবোনিউক্লিক অ্যাসিড)
কোভিড-১৯ (COVID-19) রোগের জন্য দায়ী ভাইরাসটির বৈজ্ঞানিক নাম হলো SARS-CoV-2। এই ভাইরাসটি Coronaviridae পরিবারের অন্তর্ভুক্ত।
ভাইরাসকে সাধারণত তাদের জেনেটিক উপাদানের ভিত্তিতে DNA ভাইরাস বা RNA ভাইরাস হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়। SARS-CoV-2 হলো একটি সিঙ্গেল স্ট্র্যান্ডেড RNA (ssRNA) ভাইরাস।
এতে DNA বা DNA ও RNA-এর মিশ্রণ থাকে না। এটি সরাসরি হোস্ট সেলে প্রবেশ করে নিজস্ব RNA ব্যবহার করে প্রতিলিপি তৈরি করে।
133

একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শূন্য
  2. অসীম
  3. অতিক্ষুদ্র
  4. যে কোনো মান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোষের ভেতর দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ চলার সময় কোষের অভ্যন্তরস্থ তরল ও অন্যান্য পদার্থ তড়িৎ প্রবাহকে যে বাধা প্রদান করে তাকে কোষের অভ্যন্তরীণ রোধ বলে। একটি আদর্শ তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শূন্য
তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরে তড়িৎ প্রবাহের সময় উৎসটির নিজস্ব উপাদান (যেমন ইলেকট্রোলাইট) দ্বারা যে বাধা সৃষ্টি হয়, তাকে অভ্যন্তরীণ রোধ (Internal Resistance, r) বলে।
একটি আদর্শ তড়িৎ উৎস (Ideal Voltage Source) হলো এমন একটি উৎস, যা বিদ্যুৎ প্রবাহের সময় এর অভ্যন্তরীণ কোনো শক্তির অপচয় করে না। অর্থাৎ, অভ্যন্তরীণ রোধের কারণে কোনো বিভব পতন (Vloss=IimesrV_{loss} = I imes r) হবে না।
অভ্যন্তরীণ বিভব পতন শূন্য হওয়ার একমাত্র শর্ত হলো, অভ্যন্তরীণ রোধের (r) মান শূন্য (0) হতে হবে।
অন্যদিকে, যদি উত্তরটি 'অতিক্ষুদ্র' হতো, তবে সেটি একটি বাস্তব বা ভালো মানের তড়িৎ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধকে নির্দেশ করত, আদর্শ উৎসকে নয়।
134

RFID বলতে বোঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Random Frequency Identification
  2. Random Frequency Information
  3. Radio Frequency Information
  4. Radio Frequency Identification

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আরএফআইডি (RFID) এর পূর্ণরূপ হচ্ছে Radio Frequency Identification. RFID হচ্ছে ক্রেডিট কার্ডের মত পাতলা এবং ছোট একটা ইলেকট্রনিক ডিভাইস যেটায় খুব ছোট একটি চিপ আর একটি কয়েল ও অ্যান্টেনা থাকে। চিপটি সাধারণত সর্বোচ্চ ২০০০ বাইট তথ্য ধারণ করতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Radio Frequency Identification
RFID হলো একটি অত্যাধুনিক তারবিহীন (Wireless) প্রযুক্তি। এই প্রযুক্তিতে রেডিও তরঙ্গ (Radio Waves) ব্যবহার করে ট্যাগ বা লেবেলে সংরক্ষিত তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে এবং দূর থেকে শনাক্ত (Identify) করা হয়।
এই প্রযুক্তি সাধারণত পণ্যের তালিকাভুক্তি (Inventory tracking), টোল কালেকশন এবং অ্যাক্সেস কন্ট্রোল (Access Control) সিস্টেমে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন Random Frequency Identification বা Radio Frequency Information, প্রযুক্তিগতভাবে ভুল এবং এই পরিভাষাটির সাথে সম্পর্কিত নয়।
135

কোন মাধ্যমে আলোর পালস্ ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তামার তার
  2. কো-এক্সিয়াল ক্যাবল
  3. অপটিক্যাল ফাইবার
  4. ওয়্যারলেস মিডিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অপটিক্যাল ফাইবারের কোরের ভিতর দিয়ে আলো যাবার সময় তা বার বার প্রতিফলিত হয়ে আলোর বেগে চলতে থাকে। এভাবে বরাবরই সব জায়গায় প্রতিফলিত হয়ে এর ভিতর দিয়ে আলোর সিগনাল (ডেটা) স্থানান্তরিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপটিক্যাল ফাইবার
অপটিক্যাল ফাইবার হলো ডেটা ট্রান্সমিশনের জন্য ব্যবহৃত একটি মাধ্যম, যা কাঁচ বা প্লাস্টিকের অত্যন্ত সরু তার দ্বারা গঠিত। এই মাধ্যমে তথ্যকে আলোর পালস্ (Light Pulses) বা ফোটন কণা হিসেবে প্রেরণ করা হয়।
এই মাধ্যমটি আলোর পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন (Total Internal Reflection) নামক বৈজ্ঞানিক নীতির উপর ভিত্তি করে কাজ করে। অপটিক্যাল ফাইবার সবচেয়ে দ্রুত এবং উচ্চ ব্যান্ডউইথের ডাটা ট্রান্সফার করতে সক্ষম।
অন্যদিকে, তামার তার এবং কো-এক্সিয়াল ক্যাবল বৈদ্যুতিক সংকেত (Electrical Signal) ব্যবহার করে। ওয়্যারলেস মিডিয়া (যেমন Wi-Fi, ব্লুটুথ) রেডিও তরঙ্গ ব্যবহার করে।
136

জারণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অ্যানোডে
  2. ক্যাথোডে
  3. অ্যানোড এবং ক্যাথোড উভয়টিতে
  4. বর্ণিত কোনটিতেই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অ্যানোডে
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে (Electrochemical Cell) যে তড়িদ্দ্বারে জারণ প্রক্রিয়া (Oxidation) সম্পন্ন হয়, তাকে অ্যানোড বলা হয়। জারণ প্রক্রিয়ার মূল সংজ্ঞা হলো ইলেকট্রন বর্জন করা।
যেহেতু অ্যানোডে জারণের মাধ্যমে ইলেকট্রন বর্জিত হয়, তাই ইলেকট্রনগুলো অ্যানোড থেকে পরিবাহীর মাধ্যমে ক্যাথোডের দিকে যায়।
অন্যদিকে, ক্যাথোডে সব সময় বিজারণ প্রক্রিয়া (Reduction) সম্পন্ন হয়, যার অর্থ হলো ইলেকট্রন গ্রহণ করা।
137

পানির অণু একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যারাচুম্বক
  2. ডায়াচুম্বক
  3. ফেরোচুম্বক
  4. অ্যান্টিফেরোচুম্বক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে সকল পদার্থকে চৌম্বকক্ষেত্রে স্থাপন করা হলে চুম্বকায়নকারী ক্ষেত্রের বিপরীত দিকে সামান্য চুম্বকত্ব লাভ করে তাদেরকে ডায়াচৌম্বক পদার্থ বলে। ডায়াচৌম্বক পদার্থের আচরণ তাপমাত্রার ওপর নির্ভর করে না। তামা, দস্তা, বিসমাথ, রুপা, সোনা, সীসা, কাচ, মার্বেল, পানি, হিলিয়াম, আর্গন প্রভৃতি ডায়াচৌম্বক পদার্থের উদাহরণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডায়াচুম্বক। পদার্থের চৌম্বক ধর্ম নির্ভর করে তাদের অণুর মধ্যে থাকা ইলেকট্রনগুলোর ঘূর্ণন এবং জোড়বদ্ধ অবস্থার ওপর।
ডায়াচুম্বক পদার্থ (Diamagnetic Substance): যে সকল পদার্থের অণুতে সকল ইলেকট্রন জোড়ায় জোড়ায় (Paired) থাকে এবং কোনো মুক্ত ইলেকট্রন (Unpaired Electron) অবশিষ্ট থাকে না, তাদেরকে ডায়াচুম্বক পদার্থ বলে।
পানির অণু (extH2extO ext{H}_2 ext{O}) বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এর সকল ইলেকট্রনই জোড়বদ্ধ অবস্থায় থাকে। এর ফলে অণুটির নিট চৌম্বক ভ্রামক (Net Magnetic Moment) শূন্য হয়।
ডায়াচুম্বক পদার্থগুলো শক্তিশালী চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা দুর্বলভাবে বিকর্ষিত হয়। এটিই পানির চৌম্বক ধর্মের বৈশিষ্ট্য।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন: প্যারাচুম্বক পদার্থে মুক্ত ইলেকট্রন থাকে (যেমন: অক্সিজেন), যা চুম্বক ক্ষেত্র দ্বারা দুর্বলভাবে আকর্ষিত হয়। ফেরোচুম্বক পদার্থে চুম্বকীয় আকর্ষণ অত্যন্ত তীব্র হয় (যেমন: লোহা, নিকেল)।
138

১৭O আইসোটোপের নিউট্রন সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 8
  2. 17
  3. 9
  4. 25

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন সংখ্যা (Z) ও নিউট্রন সংখ্যার (n) যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা (A) বলে। যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। প্রশ্নানুযায়ী অক্সিজেনের (O) ভরসংখ্যা হলো 17, এর প্রোটন সংখ্যা 8, ফলে এর নিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে A-Z = 17-8= 9.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: । নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য পরমাণুর ভর সংখ্যা (Mass Number) থেকে প্রোটন সংখ্যা (Proton Number) বিয়োগ করতে হয়।
এখানে আইসোটোপটি হলো:  817O~_{8}^{17}O। একটি মৌলকে যখন  ZAX ~_{Z}^{A}X~ দ্বারা প্রকাশ করা হয়, তখন:
     ক) ভর সংখ্যা (A) = ১৭ (উপরে লিখিত সংখ্যা)।
     খ) পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = ৮ (নিচে লিখিত সংখ্যা), যা প্রোটন সংখ্যা নির্দেশ করে।
নির্ণেয় নিউট্রন সংখ্যা (N) = ভর সংখ্যা (A) - প্রোটন সংখ্যা (Z)
     N=178=9N = 17 - 8 = 9
তাই  817O ~_{8}^{17}O~ আইসোটোপটির নিউট্রন সংখ্যা
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ হলো প্রোটন সংখ্যা এবং ১৭ হলো ভর সংখ্যা।
139

নিম্নের কোন রোগটি DNA ভাইরাসঘটিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডেঙ্গুজ্বর
  2. স্মলপক্স
  3. কোভিড-১৯
  4. পোলিও

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

স্মলপক্স বা গুটিবসন্ত একটি দ্বি-সূত্রক DNA ভাইরাস যা হোস্ট কোষের সাইটোপ্লাজমে প্রতিলিপন করে। বাকি গুলো RNA ভাইরাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্মলপক্স (Smallpox)। স্মলপক্স রোগটি ভেরিয়োলা ভাইরাস (Variola virus) দ্বারা সৃষ্ট। এই ভাইরাসটি হল ডাবল স্ট্র্যান্ডেড DNA ভাইরাস (dsDNA virus) এবং এটি পক্সভাইরিডি (Poxviridae) গোত্রের অন্তর্ভুক্ত।
ভাইরাসকে তাদের জেনেটিক ম্যাটেরিয়ালসের (Genetic Materials) ভিত্তিতে প্রধানত DNA ভাইরাস এবং RNA ভাইরাস—এই দুই ভাগে ভাগ করা হয়।
অন্যদিকে, বাকি তিনটি রোগ RNA ভাইরাসঘটিত:
(ক) ডেঙ্গুজ্বর: ডেঙ্গু ভাইরাস (ফ্ল্যাভিভাইরিডি গোত্র, RNA ভাইরাস)।
(খ) কোভিড-১৯: SARS-CoV-2 (করোনাভাইরিডি গোত্র, RNA ভাইরাস)।
(গ) পোলিও: পোলিও ভাইরাস (পিকোর্নাভাইরিডি গোত্র, RNA ভাইরাস)।
140

সালোকসংশ্লেষণে সূর্যের আলোর রাসায়নিক শক্তিতে পরিণত করার কর্মদক্ষতা হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 0%
  2. ১০ -১৫%
  3. ৩-৬%
  4. 100%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গাছপালার সালোকসংশ্লেষণে সাধারণত ৩-৬% এর আলোকসংশ্লিষ্ট দক্ষতার সাথে সূর্যালোকের রাসায়নিক শক্তিতে রূপান্তর করে।

ব্যাখ্যা

সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ যে পরিমাণ সূর্যের আলো বা ফোটন শক্তি ব্যবহার করে সেটিকে রাসায়নিক শক্তিতে (গ্লুকোজ) পরিণত করার সামগ্রিক কর্মদক্ষতা (Efficiency) হলো ৩% থেকে ৬%
এই কারণে, অপশন (গ) ৩-৬% হলো সঠিক উত্তর। এটি একটি খুবই কম কর্মদক্ষতা (Low Efficiency), কারণ উদ্ভিদের পাতার মাধ্যমে সূর্যালোকের মাত্র সামান্য অংশই কার্যকরভাবে সালোকসংশ্লেষণে ব্যবহৃত হয়।
বাকি অপশনগুলো সঠিক নয়। যেমন, ১০০% হওয়া সম্ভব নয়, কারণ শক্তি স্থানান্তরের ক্ষেত্রে সব সময়ই কিছু শক্তি তাপ হিসেবে অপচয় হয় (তাপগতিবিদ্যার সূত্র)। ১০-১৫% বা তার বেশি কর্মদক্ষতা সাধারণত পরিবেশে দেখা যায় না।
141

হৃদযন্ত্রের সংকোচন হওয়াকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডায়াস্টল
  2. সিস্টল
  3. ডায়াসিস্টল
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হৃদপিণ্ড অনবরত সংকোচন-প্রসারণের মাধ্যমে রক্ত প্রবাহকে ক্রমাগত সঞ্চালন করে। হৃদপিণ্ড যখন সংকুচিত হয় তখন রক্ত চাপের ফলে ধমনীতে প্রবেশ করে আবার প্রসারিত হলে রক্ত ধমনী থেকে হৃদপিণ্ডে ফিরে আসে। হৃদপিণ্ডের প্রসারণকে বলা হয় ডায়াস্টল এবং সংকোচন কে বলা হয় সিস্টল। সিস্টোল অবস্থায় রক্তের চাপকে বলা হয় সিস্টলিক চাপ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিস্টল (Systole)
হৃদপিণ্ডের কাজ করার প্রক্রিয়াটিকে কার্ডিয়াক চক্র (Cardiac Cycle) বলা হয়। এই চক্রে হৃদযন্ত্রের সংকোচন ও প্রসারণ ঘটে।
যখন হৃদপিণ্ডের পেশিগুলো সংকুচিত হয় (Contraction) এবং রক্ত দেহের ধমনীতে পাম্প করে বের করে দেয়, তখন তাকে সিস্টল বলা হয়। এটিই রক্তচাপের উপরের মানটি নির্দেশ করে (যেমন: 120 mmHg)।
বিপরীতে, যখন হৃদযন্ত্র প্রসারিত (Relaxation/Dilation) হয়ে রক্ত গ্রহণ করে এবং পূর্ণ হয়, সেই অবস্থাকে ডায়াস্টল (Diastole) বলা হয়। এটি রক্তচাপের নিচের মানটি নির্দেশ করে (যেমন: 80 mmHg)।
ডায়াসিস্টল (Diasystole) নামে কোনো স্বতন্ত্র প্রক্রিয়া নেই; এটি সাধারণত ডায়াস্টল-এরই একটি অংশ বোঝাতে পারে, কিন্তু মূল দুটি প্রক্রিয়া হলো সিস্টল ও ডায়াস্টল
142

প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইড্রোজেন
  2. নাইট্রোজেন
  3. মিথেন
  4. ইথেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রাকৃতিক গ্যাসের মূল উপাদান মিথেন হলেও এর সাথে অল্প পরিমাণ অন্যান্য প্যারাফিন হাইড্রোকার্বন যেমন: ইথেন, প্রোপেন, বিউটেন, পেন্টেন, হেক্সেন ইত্যাদি থাকে। এছাড়া আরও থাকে নাইট্রোজেন, কার্বন-ডাই-অক্সাইড ও হাইড্রোজেন সালফাইড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মিথেন
প্রাকৃতিক গ্যাস বা Natural Gas হলো একটি হাইড্রোকার্বন মিশ্রণ, যার প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো মিথেন (CH4CH_4)
বিশ্বের বেশিরভাগ প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানের মধ্যে প্রায় ৮৫% থেকে ৯৫% পর্যন্তই থাকে মিথেন গ্যাস
এই কারণে, যেকোনো পরীক্ষামূলক প্রশ্নে প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান জানতে চাইলে উত্তর সবসময় মিথেন হবে।
অন্যান্য উপাদান যেমন—ইথেন, প্রোপেন এবং বিউটেনও থাকে, তবে তা গৌণ। নাইট্রোজেন বা হাইড্রোজেন প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রধান উপাদান নয়, বরং এগুলো খুবই সামান্য পরিমাণে মিশ্রিত থাকতে পারে।
143

ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সৃষ্টির জন্য সাগরপৃষ্ঠের ন্যূনতম তাপমাত্রা কত হওয়া প্রয়োজন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৬.৫° সে.
  2. ৩৫° সে.
  3. ৩৭.৫° সে.
  4. ৪০.৫° সে.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাইক্লোন সৃষ্টির মূল দুটি কারণ হলো: (১) গভীর সমুদ্রের পানির উচ্চ তাপমাত্রা ও (২) সমুদ্রের বায়ুমণ্ডলের নিম্নচাপ সৃষ্টি। ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টির জন্য সমুদ্রের জলের তাপমাত্রা কমপক্ষে ২৬-২৭ ডিগ্রী সেলসিয়াস থাকা আবশ্যক এবং একটি নির্দিষ্ট গভীরতা (কমপক্ষে ৫০ মিটার) পর্যন্ত এ তাপমাত্রা থাকতে হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৬.৫° সে.
ক্রান্তীয় ঘূর্ণিঝড় বা ট্রপিক্যাল সাইক্লোন সৃষ্টি হওয়ার জন্য সমুদ্রের পৃষ্ঠের জলকে অন্তত ২৬.৫° সেলসিয়াস (বা প্রায় ৮০০ ফারেনহাইট) উষ্ণ হতে হয়।
এই উষ্ণ জল ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রয়োজনীয় প্রচুর জলীয় বাষ্প সরবরাহ করে। জলীয় বাষ্প ঘনীভূত হওয়ার সময় যে বিশাল পরিমাণ সুপ্ত তাপ (Latent Heat) নির্গত হয়, সেটিই নিম্নচাপ কেন্দ্র তৈরি করে এবং ঘূর্ণিঝড়কে ক্রমাগত শক্তি যোগায়।
ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টিতে শুধু পৃষ্ঠের তাপমাত্রা নয়, এই উষ্ণতা কমপক্ষে ৫০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত বিস্তৃত থাকা জরুরি। অন্যান্য বিকল্প তাপমাত্রাগুলি (৩৫° সে. বা তার বেশি) ঘূর্ণিঝড়ের জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণের চেয়ে অনেক বেশি উষ্ণ, যা সাধারণত প্রয়োজনীয় ন্যূনতম মান নয়।
144

কোন চিহ্নটি ই-মেইল ঠিকানায় অবশ্যই থাকবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. $
  2. #
  3. &
  4. @

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ই-মেইল তথা ইলেক্ট্রনিক মেইল হলো বার্তা যা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে প্রেরণ করা হয়। অ্যাট ‘@’ চিহ্ন প্রত্যেকটি SMTP- ই মেইলের অত্যাবশ্যকীয় অংশ। অথবা, ই-মেইল ঠিকানা দুইটি অংশে বিভক্ত। প্রথম অংশটি হলো ব্যবহাকারীরর নাম। তার পরে থাকে সংশ্লিষ্ট ব্যবহাকারীর প্রতিষ্ঠানের নাম। যেমন: [email protected]এই ঠিকানাটিতে abc হলো ব্যবহারকীরর নাম, cde.com হলো ব্যবহাকারীর মেইল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো @ (at sign)। একটি ই-মেইল ঠিকানার গঠনগত মান ধরে রাখতে এই চিহ্নটি অবশ্যই ব্যবহার করতে হয়।
ই-মেইল ঠিকানার দুটি প্রধান অংশ থাকে: একটি ব্যবহারকারীর নাম (User Name) এবং অন্যটি ডোমেইন নাম (Domain Name)। এই দুটি অংশকে আলাদা করার জন্যই @ চিহ্নটি অপরিহার্য।
যেমন: [email protected]; এখানে @ চিহ্নটি প্রমাণ করছে যে ব্যবহারকারী 'example' 'domain.com' নামক সার্ভারে অবস্থান করছেন।
অন্যান্য চিহ্নগুলি ($, #, &) বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হলেও ই-মেইল ঠিকানার কাঠামো (Structure) নির্ধারণে এগুলি বাধ্যতামূলক নয়।
145

নিচের কোনটি anti-virus সফটওয়্যার নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Oracle
  2. McAfee
  3. Norton
  4. Kaspersky

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

McAfee, Norton, Kaspersky, AVG, Avira, Panda, AVAST, Symantec, Cobra, ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের anti-virus সফটওয়্যার। অপরদিকে Oracle ডেটাবেজ হলো একটি একটি সর্ববৃহৎ ডেটাবেস নির্মাতা কোম্পানী। Oracle ডেটাবেজ প্রোগ্রাম একটি সর্বাধিক শক্তিশালী ডেটাবেজ প্রোগ্রাম হিসেবে পৃথিবীর সর্বত্র ব্যবহার হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Oracle। এটি একটি সুপরিচিত ডাটাবেজ ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার (DBMS) এবং এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ERP) সফটওয়্যার সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান।
এটি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নয়।
অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার হলো এক প্রকার ইউটিলিটি প্রোগ্রাম, যা কম্পিউটারকে ভাইরাস, ম্যালওয়্যার, ট্রোজান হর্স এবং অন্যান্য ক্ষতিকারক প্রোগ্রাম থেকে রক্ষা করে।
বিকল্পগুলোতে উল্লিখিত McAfee, Norton এবং Kaspersky বিশ্বের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং বহুল ব্যবহৃত অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার কোম্পানির নাম।
146

১০১১১০ বাইনারি নাম্বারের সমতুল্য ডেসিমাল নাম্বার কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 46
  2. 16
  3. 24
  4. 54

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

বাইনারি (Binary) সংখ্যাকে ডেসিমাল (Decimal) সংখ্যায় রূপান্তরের জন্য, বাইনারি সংখ্যার প্রতিটি বিটকে তার স্থানীয় মানের ভিত্তি (Power of 2) দিয়ে গুণ করে সবগুলোর যোগফল নির্ণয় করতে হয়।
প্রদত্ত বাইনারি সংখ্যাটি হলো: ১০১১১০
ডানদিক থেকে শুরু করে এদের স্থানীয় মান যথাক্রমে: 20,21,22,23,24,252^0, 2^1, 2^2, 2^3, 2^4, 2^5.
এখন রূপান্তর প্রক্রিয়া:
(101110)2=(1imes25)+(0imes24)+(1imes23)+(1imes22)+(1imes21)+(0imes20)(101110)_2 = (1 imes 2^5) + (0 imes 2^4) + (1 imes 2^3) + (1 imes 2^2) + (1 imes 2^1) + (0 imes 2^0)
=(1imes32)+(0imes16)+(1imes8)+(1imes4)+(1imes2)+(0imes1)= (1 imes 32) + (0 imes 16) + (1 imes 8) + (1 imes 4) + (1 imes 2) + (0 imes 1)
=32+0+8+4+2+0= 32 + 0 + 8 + 4 + 2 + 0
=<strong>46</strong>= <strong>46</strong>
সুতরাং, সঠিক সমতুল্য ডেসিমাল সংখ্যা হলো ৪৬
147

DNS সার্ভারের কাজ হচ্ছে ____ কে ____ address এ পরিবর্তন করা।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Email, DNS
  2. MAC Address, IP
  3. Domain name, IP
  4. Email, IP

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

DNS (Domain name system) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট ইন্টারনেটের মাধ্যমে অন্যান্য স্থানে পরিচালিত করে। এর কাজ হচ্ছে Domain Name কে IP Address এ পরিবর্তন করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Domain name, IP। অর্থাৎ, DNS সার্ভারের কাজ হচ্ছে Domain name কে IP address এ পরিবর্তন করা।
DNS এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System (বা Domain Name Service)। এটি হলো ইন্টারনেটের ফোনবুক (Phonebook)।
মানুষ সাধারণত কোনো ওয়েবসাইটের নাম (যেমন: google.com) মনে রাখে, কিন্তু কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা রাউটার এসব নাম বোঝে না। তারা শুধুমাত্র সাংখ্যিক ঠিকানা, অর্থাৎ IP address (যেমন: 142.250.192.14) বোঝে।
যখন আপনি ব্রাউজারে কোনো ডোমেইন নাম টাইপ করেন, তখন DNS সার্ভার সেই নামটিকে তার সংশ্লিষ্ট IP address-এ রূপান্তর করে, যার ফলে আপনার ডিভাইস সঠিক সার্ভারের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করতে পারে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন, MAC Address (Media Access Control Address) হলো ডিভাইসের ফিজিক্যাল ঠিকানা, যা ARP (Address Resolution Protocol) ব্যবহার করে IP থেকে MAC-এ রূপান্তর করা হয়, DNS নয়।
148

নিচের কোন ডিভাইসটি ডিজিটাল সিগন্যালকে অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তনে ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Router
  2. Switch
  3. Modem
  4. HUB

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তনের প্রক্রিয়াকে মডুলেশন (Modulation) বলে। অ্যানালগ সংকেতকে ডিজিটাল সংকেতে রূপান্তরের প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন বলে। প্রেরক বা প্রাপক হিসাবে ব্যবহৃত যে ডিভাইস বা যন্ত্র ডেটা কমিউনিকেশন সিস্টেমে মডুলেশন ও ডিমডুলেশন প্রক্রিয়ায় সাহায্যে উৎস ও গন্তব্যের মধ্যে ডেটা আদান-প্রদান করে তাকে মডেম বলা হয়। মডেম একটি ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস যা ইনপুট বা আউটপুট হিসাবে ব্যবহৃত হয়। মডেম শব্দটি মডুলেটর-ডিমডুলেটরের (Modulator Demodulator) সংক্ষিপ্ত রূপ। মডুলেটর ডিজিটাল সংকেতকে অ্যানালগ সংকেতে পরিবর্তন করে এবং এই কাজের জন্য এতে একটি ডেক (DAC-Digital to Analog Converter) নামক চিপ বা সার্কিট থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মডেম (Modem)
মডেম হলো Modulator-Demodulator এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি এমন একটি ডিভাইস যা কম্পিউটার থেকে আসা ডিজিটাল সিগন্যালকে টেলিফোন লাইনের মতো ট্রান্সমিশন মিডিয়ার জন্য উপযুক্ত অ্যানালগ সিগন্যালে পরিবর্তন করে (এই প্রক্রিয়াকে মডুলেশন বলা হয়)।
একইভাবে, এটি বাইরে থেকে আসা অ্যানালগ সিগন্যালকে কম্পিউটারের বোঝার উপযোগী ডিজিটাল সিগন্যালে পরিবর্তন করে (এই প্রক্রিয়াকে ডিমডুলেশন বলা হয়)।
অন্যান্য ডিভাইস যেমন Router (রাউটার) বিভিন্ন নেটওয়ার্কের মধ্যে ডেটা প্যাকেট স্থানান্তরে সাহায্য করে। Switch (সুইচ) ও HUB (হাব) স্থানীয় নেটওয়ার্কে (LAN) ডিভাইসগুলোকে সংযুক্ত করে, কিন্তু সিগন্যালের ধরন পরিবর্তন করার কাজটি তারা করে না।
149

নিচের কোনটি output device নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. monitor
  2. microphone
  3. printer
  4. speaker

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Microphone শব্দ তরঙ্গকে বৈদ্যুতিক তরঙ্গে রূপান্তরিত করে, এটি একটি Input device. কয়েকটি input device হচ্ছে- Keyboard, Mouse, Scanner, Light Pen, Track Ball, Touch Pad, Microphone, Web Camera, Joystick, OCR, OMR, BCR, MICR ইত্যাদি এবং কয়েকটি output device হচ্ছে- Speaker, Monitor, Printer, Plotter ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো microphone (মাইক্রোফোন)। এটি আউটপুট ডিভাইস নয়, বরং এটি একটি ইনপুট ডিভাইস (Input Device)
মাইক্রোফোন ব্যবহারকারীর মুখ থেকে শব্দ গ্রহণ করে সেই তথ্যকে ডিজিটাল সিগন্যালে রূপান্তরিত করে কম্পিউটারের ভেতরে প্রবেশ করায়। যেহেতু তথ্য সিস্টেমে প্রবেশ করে, তাই এটি ইনপুট ডিভাইস।
অন্যদিকে, অপশনে থাকা monitor (মনিটর), printer (প্রিন্টার) এবং speaker (স্পিকার) হলো প্রক্রিয়াকৃত তথ্য ব্যবহারকারীকে প্রদর্শন বা প্রদান করার যন্ত্র। তাই এরা সবাই আউটপুট ডিভাইস
150

নিচের কোনটি একটি প্রতিষ্ঠানের ওয়েব ঠিকানাকে নির্দেশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. http
  2. www
  3. URL
  4. HTML

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Uniform Resource Locator অথবা URL যা ওয়েব ঠিকানা ইন্টারনেটের মাধ্যমে কোন বিশেষ ওয়েবসাইটে পৌঁছানোর জন্য ব্যবহৃত একটি বিশেষ কোড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো URL। URL এর পূর্ণরূপ হলো Uniform Resource Locator
URL হলো ইন্টারনেটে কোনো ফাইল, পেজ বা একটি প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ ও সুনির্দিষ্ট ওয়েব ঠিকানা যা দ্বারা সেই নির্দিষ্ট রিসোর্সটি চিহ্নিত করা হয়। একটি ওয়েবসাইটের পুরো ঠিকানাটি (যেমন: https://www.example.com) একটি URL।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
http: এটি একটি প্রটোকল (Hypertext Transfer Protocol), যা তথ্য আদান-প্রদানের নিয়ম ঠিক করে, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ ঠিকানা নয়।
www: এটি World Wide Web পরিষেবার সংক্ষিপ্ত রূপ, যা URL এর একটি অংশ হতে পারে (সাব-ডোমেইন), কিন্তু এটি পুরো ঠিকানা নির্দেশ করে না।
HTML: এটি হলো Hypertext Markup Language, যা ওয়েবপেজ তৈরির জন্য ব্যবহৃত একটি ভাষা।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “43th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 43th (2021) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

43th (2021) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 43th (2021) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।