সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

44th (2022) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 44th (2022) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 44th (2022) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘ইতরবিশেষ’ বলতে বোঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুর্বৃত্ত
  2. চালাকি

  3. পার্থক্য
  4. অপদার্থ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইতরবিশেষ একটি বিশেষ্য পদ যার অর্থ পার্থক্য। অপরদিকে দুর্বৃত্ত বলতে বোঝায় দুষ্ট স্বভাব, দুর্জন, দুশ্চরিত্র, দুরাত্মা। চালাকি শব্দের অর্থ চাতুরী, ধূর্তামি, ফন্দি। অপদার্থ শব্দের অর্থ অসার, অযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পার্থক্য
‘ইতরবিশেষ’ শব্দটি একটি দ্বন্দ্ব সমাসজাত শব্দ। ব্যাকরণগতভাবে এটি ‘ইতর ও বিশেষ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
‘ইতর’ বলতে বোঝায় সাধারণ বা নিম্নশ্রেণির এবং ‘বিশেষ’ বলতে বোঝায় অসাধারণ বা উচ্চশ্রেণির। এই দুই বিপরীত শব্দের একত্রীকরণে ভেদাভেদ বা পার্থক্য বোঝানো হয়।
অতএব, ‘ইতরবিশেষ’ কথাটির অর্থ হলো ভেদাভেদ বা পার্থক্য করা
অন্যান্য অপশন যেমন—দুর্বৃত্ত, চালাকি বা অপদার্থ এই অর্থ প্রকাশ করে না।
2

নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির দৃষ্টান্ত কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গো + অক্ষ = গবাক্ষ
  2. পৌ + অক = পাবক
  3. বি + অঙ্গ = বঙ্গ

  4. যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে সন্ধি কোন নিয়ম অনুসারে হয় না তাকে নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে। কতগুলো নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধি হলো: কুল + অটা = কুলটা, গো + অক্ষ = গবাক্ষ, প্র + ঊঢ় = প্রৌঢ়, অন্য + অন্য = অন্যান্য, মার্ত + অণ্ড = মার্তণ্ড, শুদ্ধ + ওদন = শুদ্ধোদন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গো + অক্ষ = গবাক্ষ। এটি নিপাতনে সিদ্ধ স্বরসন্ধির (Exceptionally proved Vowel Sandhi) উদাহরণ।
নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি কী? ব্যাকরণের সাধারণ নিয়ম মেনে যে সন্ধিগুলো সাধিত হয় না, বরং ব্যতিক্রম বা বিশেষ নিয়মে গঠিত হয়, তাদের নিপাতনে সিদ্ধ সন্ধি বলে।
সাধারণ স্বরসন্ধির (অয়াদি সন্ধি) নিয়ম অনুযায়ী, 'ও'-কারের পর অন্য স্বরধ্বনি (যেমন: 'অ') থাকলে তা 'অব্' হওয়ার কথা। সেই হিসেবে 'গো + অক্ষ' হয়ে যাওয়ার কথা ছিল 'গভাক্ষ'।
কিন্তু এখানে নিয়ম না মেনে সম্পূর্ণ ভিন্নভাবে 'আ' ধ্বনি এসে রূপটি হয়েছে 'গবাক্ষ', তাই এটি ব্যতিক্রম বা নিপাতনে সিদ্ধ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
১. পৌ + অক = পাবক: এটি নিয়মানুযায়ী অয়াদি স্বরসন্ধি (ঔ + অ = আব্)।
২. যতি + ইন্দ্র = যতীন্দ্র: এটি নিয়মানুযায়ী দীর্ঘ স্বরসন্ধি (ই + ই = ঈ)।
3

‘চাঁদের অমাবস্যা’ উপন্যাসের যুবক-শিক্ষকের নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবদুল কাদের
  2. খতির মিয়া
  3. আক্কাস আলী
  4. আরেফ আলী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৬৪) উপন্যাসে আরেফ আলী নামের এক স্কুল মাস্টারকে অবলম্বন করে মানুষের অন্তজীবনের জটিলতা উল্লেখ প্রসঙ্গে সামন্ত-সমাজ প্রভাবিত গ্রামীণ জীবনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আরেফ আলী
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘চাঁদের অমাবস্যা’ (১৯৬৪)।
এই উপন্যাসের প্রধান চরিত্র এবং যুবক শিক্ষকটির নাম হলো আরেফ আলী
আরেফ আলী একটি মর্মান্তিক খুনের ঘটনা দেখে ফেলায় তার নৈতিক বিবেক ও মানসিক দ্বন্দ্ব এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
4

‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’ পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিদ্যাপতি
  2. গোবিন্দদাস
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. কৃষ্ণদাস কবিরাজ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মরণ রে, তুঁহু মম শ্যাম সমান-- চরণটির রচয়িতা বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তিনি যৌবনকালের প্রথম দিকে ‘ভানুসিংহ’ ছদ্মনামে লিখতেন। উক্ত চরণটি ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী হতে নেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘মরণ রে তুঁহু মম শ্যাম সমান।’—এই বিখ্যাত পঙ্‌ক্তিটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের লেখা। এটি তাঁর বৈষ্ণব পদাবলীর অনুসরণে রচিত একটি বিখ্যাত গান/কবিতার অংশ।
কবিতাটিতে কবি মৃত্যু বা মরণকে (তুঁহু) নিজের আরাধ্য দেবতা শ্যাম (শ্রীকৃষ্ণ) বা প্রিয়তমের রূপে কল্পনা করেছেন, যেখানে মৃত্যু আর প্রিয়তমের মধ্যে কোনো পার্থক্য নেই। এটি কবির গভীর দার্শনিক ভাবনার প্রকাশ।
যদিও এই পঙ্‌ক্তিটিতে ব্রজবুলি ভাষার প্রভাব রয়েছে (যেমন: তুঁহু, মম), এটি মধ্যযুগের কবি বিদ্যাপতি বা গোবিন্দদাসের লেখা নয়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এই ভাষা ব্যবহার করে ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ রচনা করেছিলেন।
5

‘আনোয়ারা’ উপন্যাসের রচয়িতার নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ মুজতবা আলী
  2. কাজী আবদুল ওদুদ
  3. নজিবর রহমান
  4. রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আনোয়ারা (১৯১৪) বাঙ্গালী ঔপন্যাসিক মোহাম্মদ নজিবর রহমান রচিত একটি কালজয়ী সামাজিক উপন্যাস। এটি তাঁর রচিত প্রথম ও সর্বাধিক সার্থক উপন্যাস। ‘সতীর সর্বস্ব পতি, সতী শুধু পতিময়, বিধাতার প্রেমরাজ্যে সতত সতীর জয়।’ এটাই উপন্যাসের মূল বক্তব্য। আনোয়ারা, নুরল এসলাম ছাড়াও খাদেম, আজিমুল্লা, গোলাপ জান ইত্যাদি এই উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নজিবর রহমান
নজিবর রহমান সাহিত্যরত্ন (১৮৬০-১৯২৩) রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক উপন্যাস হলো ‘আনোয়ারা’। উপন্যাসটি ১৯১৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
তৎকালীন মুসলিম সমাজে রক্ষণশীলতা ও আধুনিকতার দ্বন্দ্বের মধ্যে আদর্শনিষ্ঠ পারিবারিক ও সামাজিক জীবন কেমন হওয়া উচিত, তা এই উপন্যাসে দেখানো হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
সৈয়দ মুজতবা আলী বিখ্যাত রম্যরচনাকার ও ভ্রমণকাহিনী লেখক (যেমন: দেশে-বিদেশে)।
রোকেয়া সাখাওয়াৎ হোসেন ছিলেন নারী জাগরণের অগ্রদূত এবং তার প্রধান রচনা: অবরোধবাসিনী, সুলতানার স্বপ্ন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

নিচের কোন বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমি কারও সাতেও নেই, সতেরোতেও নেই।
  2. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
  3. তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
  4. সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম।

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অন্যান্য অপশন গুলোর শুদ্ধরূপ হলো: (ক) আমি কারও সাতেও নেই, পাঁচেও নেই, (খ) আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত এবং (ঘ) সারাজীবন ভূতের বেগার খেটে মরলাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: তার দু’চোখ অশ্রুতে ভেসে গেল।
এই বাক্যটি প্রয়োগগত দিক থেকে সম্পূর্ণ শুদ্ধ এবং অর্থপূর্ণ।
ভুল বাক্য ১ (প্রবাদগত ভুল): 'আমি কারও সাতেও নেই, সতেরোতেও নেই।'
শুদ্ধ প্রবাদটি হলো: 'সাতেও নেই, পাঁচেও নেই' (অর্থাৎ, নিরপেক্ষ বা কোনো বিষয়ে জড়িত না থাকা)। এখানে 'সতেরো' শব্দটি ভুলভাবে ব্যবহৃত হয়েছে।
ভুল বাক্য ২ (বানান ও বাহুল্যজনিত ভুল): 'আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।'
শুদ্ধ প্রয়োগ হবে 'সপরিবারে আমন্ত্রিত'। 'স্বপরিবার' (নিজের পরিবার) শব্দটি ব্যবহার না করে, সাধারণত 'সপরিবারে' (পরিবারসহ) ব্যবহার করাই বাংলা ব্যাকরণে অধিক গ্রহণযোগ্য। 'স্ব' উপসর্গটি এখানে বাহুল্য দোষ তৈরি করে।
ভুল বাক্য ৪ (বাগধারার ভুল): 'সারা জীবন ভূতের মজুরি খেটে মরলাম।'
শুদ্ধ বাগধারাটি হলো: 'ভূতের বেগার খাটা' (অর্থাৎ, কোনো ফল বা পারিশ্রমিক ছাড়া নিরর্থক পরিশ্রম করা)। এখানে 'মজুরি' শব্দটি বাগধারাকে বিকৃত করেছে।
7

নিচের কোনটি যৌগিক বাক্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দোষ স্বীকার করলে তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না।
  2. তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন।
  3. ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী।
  4. মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন।

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পরস্পর নিরপেক্ষ দুই বা ততোধিক সরল বা মিশ্র বাক্য যখন সংযোজক, বিয়োজক এবং সংকোচক অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয় তখন তাকে যৌগিক বাক্য বলে। যেমন: সে বলতে চায় তথাপি সে বলে না, ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী, তুমি মিথ্যা বলছো, সুতরাং তোমার পাপ হবে প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ছেলেটি চঞ্চল তবে মেধাবী। (অপশন ৩)
যৌগিক বাক্য (Compound Sentence): যে বাক্যে একাধিক স্বাধীন বা সরল বাক্য কোনো সংযোজক, বিয়োজক, বা বিরোধার্থক অব্যয় (Coordinating Conjunction) দ্বারা যুক্ত হয়ে একটি পূর্ণ বাক্য গঠন করে, তাকে যৌগিক বাক্য বলে।
এখানে, 'ছেলেটি চঞ্চল' একটি স্বাধীন বাক্য এবং 'ছেলেটি মেধাবী' আরেকটি স্বাধীন বাক্য। এই দুটি বাক্য 'তবে' (একটি বিরোধার্থক অব্যয়) দ্বারা যুক্ত হয়েছে। তাই এটি যৌগিক বাক্য
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
অপশন ১ ('দোষ স্বীকার করলে তোমাকে শাস্তি দেওয়া হবে না'): এটি জটিল বাক্য, কারণ এটি সাপেক্ষ শব্দ (যদি/তাহলে) দ্বারা যুক্ত হয়েছে এবং এতে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও একটি অপ্রধান খণ্ডবাক্য আছে।
অপশন ২ ও ৪ ('তিনি বেড়াতে এসে কেনাকাটা করলেন।' এবং 'মহৎ মানুষ বলে সবাই তাঁকে সম্মান করেন।'): এই বাক্যগুলিতে একটি মাত্র সমাপিকা ক্রিয়া (করলেন/সম্মান করেন) আছে, তাই এগুলো সরল বাক্য
8

ধ্বনি-পরিবর্তনের নিয়মে কোনটি বর্ণ-বিপর্যয় এর দৃষ্টান্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রতন
  2. কবাট
  3. পিচাশ
  4. মুলুক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শব্দের মধ্যে দুটি ব্যঞ্জনের পরস্পর পরিবর্তন ঘটলে তাকে ধ্বনি বিপর্যয় বলে। যেমন: বাক্‌স > বাস্‌ক, রিক্‌সা > রিস্‌কা, লাফ > ফাল, পিশাচ > পিচাশ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পিচাশ
কারণ এটি বর্ণ-বিপর্যয় (Metathesis) বা ধ্বনি-বিপর্যয়-এর একটি নিখুঁত উদাহরণ।
বর্ণ-বিপর্যয় হলো যখন শব্দের মধ্যে পাশাপাশি অবস্থিত দুটি ধ্বনি বা বর্ণ স্থান পরিবর্তন করে।
মূল শব্দটি হলো পিশাচ। এখানে /শ/ ধ্বনিটি /চ/ ধ্বনির আগে ছিল। কিন্তু পরিবর্তন হয়ে শব্দটি হলো পিচাশ, যেখানে ধ্বনি দুটি স্থান পরিবর্তন করেছে (পিশা > পিচাশ)।
অন্যান্য বহুল প্রচলিত উদাহরণ: রিক্সা > রিস্কা, বাক্স > বাস্ক
9

‘অর্ধচন্দ্র’ কথাটির অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অমাবস্যা
  2. গলাধাক্কা দেওয়া
  3. কাছে টানা
  4. কাস্তে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অমাবস্যা হচ্ছে কৃষ্ণপক্ষের শেষ তিথি এবং এর আরেকটি অর্থ হচ্ছে ঘোর অন্ধকার রাত্রি। অর্ধচন্দ্র একটি বাগধারা যার অর্থ হলো গলাধাক্কা দেওয়া। কাছে টানা বলতে বোঝায় কাউকে নিকটে টানা। কাস্তে হলো একটি যন্ত্র যা শস্য কাটার কাজে ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গলাধাক্কা দেওয়া
অর্ধচন্দ্র একটি প্রচলিত বাগধারা। যখন কাউকে ঘাড়/গলা ধরে ধাক্কা দিয়ে সরিয়ে দেওয়া হয়, তখন হাতটি বাঁকা হয়ে অর্ধচন্দ্রের মতো আকার ধারণ করে। এই ধারণা থেকেই বাগধারাটির উৎপত্তি।
অতএব, ‘অর্ধচন্দ্র’ বাগধারাটির অর্থ হলো কাউকে গলাধাক্কা দিয়ে অপমানজনকভাবে বের করে দেওয়া বা অপসারণ করা
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— অমাবস্যা (চাঁদের একটি দশা), কাছে টানা (আলিঙ্গন বা কাছে আসার আহ্বান) এবং কাস্তে (কৃষি যন্ত্র) — বাগধারাটির অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
10

‘হরতাল’ কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পর্তুগিজ
  2. হিন্দি
  3. গুজরাটি
  4. ফরাসি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত শব্দ: আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম ইত্যাদি। হিন্দি ভাষা থেকে আগত শব্দ: পানি, কাহিনি, ছিনতাই, টহল ইত্যাদি। গুজরাটি ভাষা থেকে আগত শব্দ: খদ্দর, হরতাল ইত্যাদি। ফরাসি ভাষা থেকে আগত শব্দ: কার্তুজ, কুপন, ডিপো, রেস্তোরা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— গুজরাটি
‘হরতাল’ শব্দটি সরাসরি গুজরাটি ভাষা থেকে বাংলা ভাষায় এসেছে। এটি একটি বিদেশি শব্দ
গুজরাটি ভাষায় ‘হর’ অর্থ ‘সব’ এবং ‘তাল’ অর্থ ‘তালা বা বন্ধ’। অর্থাৎ, ‘হরতাল’ মানে হলো ‘সব দোকান বন্ধ’
ভারতীয় উপমহাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় মহাত্মা গান্ধী সর্বপ্রথম এটি রাজনৈতিক প্রতিবাদ অর্থে ব্যবহার শুরু করেন। গুজরাটি শব্দভাণ্ডার থেকে এই শব্দটি পরবর্তীতে বাংলাসহ অন্যান্য ভারতীয় ভাষায় প্রবেশ করে এবং এটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত হয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কোনটি ‘জিগীষা’র সম্প্রসারিত প্রকাশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জানিবার ইচ্ছা
  2. জয় করিবার ইচ্ছা
  3. হনন করিবার ইচ্ছা
  4. যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জানিবার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা, হনন করিবার ইচ্ছা = জিঘাংসা, যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা = যুগুপ্সা, জয় করার ইচ্ছা = জিগীষা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জয় করিবার ইচ্ছা
জিগীষা (Jigisha) হলো সংস্কৃতমূলক শব্দ, যার মূল অর্থ হলো জয়ের আকাঙ্ক্ষা বা জয় করিবার তীব্র ইচ্ছা
ব্যাকরণে এটি ‘এক কথায় প্রকাশ’ বা ‘সম্প্রসারিত প্রকাশ’ হিসেবে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক প্রকাশ নিম্নরূপ:
জানিবার ইচ্ছা = জিজ্ঞাসা
হনন করিবার ইচ্ছা = জিঘাংসা (খুবই গুরুত্বপূর্ণ)।
যুদ্ধ করিবার ইচ্ছা = যূযুৎসা
12

নিচের কোনটি তৎসম শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পছন্দ
  2. হিসাব
  3. ধূলি
  4. শৌখিন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে তাকে তৎসম শব্দ বলে। কয়েকটি তৎসম শব্দ হলো: চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, ধূলি, মনুষ্য ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো— ধূলি। এটি একটি তৎসম শব্দ
তৎসম শব্দ: যেসব শব্দ সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে কোনো রকম পরিবর্তন ছাড়াই বাংলা ভাষায় গৃহীত হয়েছে, তাদের তৎসম শব্দ বলে। 'তৎ' অর্থ ‘তার’ (সংস্কৃত), আর 'সম' অর্থ ‘সমান’।
যেমন: ধূলি, চন্দ্ৰ, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, মনুষ্য, ধর্ম, আকাশ।
অন্যান্য অপশনগুলো বিদেশি শব্দ:
পছন্দ: এটি ফারসি (Persian) ভাষার শব্দ।
হিসাব: এটি আরবি (Arabic) ভাষার শব্দ।
শৌখিন: এটিও আরবি ভাষার শব্দ (মূল শব্দ: শওক/শওকীন)।
13

নিচের কোনটি বাংলা ‘ধাতু’র দৃষ্টান্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কহ্‌
  2. কথ্‌
  3. বুধ্‌
  4. গঠ্‌

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা ধাতুগুলো হচ্ছে: আঁক্‌, কহ্‌, কাট্‌, কর্‌, কাঁদ্, কিন্, খা, গড়্, ঘষ্, দেখ্, ধর্, পড়, বাঁধ্, বুঝ্, রাখ্, শুন্, থাক্, হাস্। সংস্কৃত ধাতু হলো: অঙ্ক্, কথ্, কৃৎ, কৃ, ক্রন্দ্, ক্রী, খাদ্, গঠ্, ঘৃষ্, দৃশ্, ধৃ, পঠ্, বন্ধ্, বুধ্, র্‌ক্ষ, শ্রু, স্থা, হস্‌।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কহ্‌
বাংলা ব্যাকরণে ধাতু (Root) প্রধানত তিন প্রকার: মৌলিক (বাংলা ধাতু), সাধিত ধাতু এবং যৌগিক ধাতু। এই প্রশ্নে মৌলিক ধাতুর মধ্যে কোনটি বাংলা ধাতু সেটি জানতে চাওয়া হয়েছে।
বাংলা ধাতু (বা তদ্ভব ধাতু): যে সব ধাতু বাংলা ভাষার নিজস্ব সম্পদ, অথবা সংস্কৃত থেকে প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে বাংলায় এসেছে। এগুলি সাধারণত খাঁটি বাংলা শব্দ থেকে উৎপত্তি লাভ করে। যেমন: হাঁক, কাঁদ, নাচ, ধর্, কহ্‌ (বলা অর্থে)।
সংস্কৃত ধাতু (বা তৎসম ধাতু): যে সব ধাতু সরাসরি সংস্কৃত ভাষা থেকে অপরিবর্তিত অবস্থায় বাংলায় এসেছে। যেমন: কৃ (করা), গম্ (যাওয়া), বুধ (জানা), কথ্‌, বুধ্‌, গঠ্‌ ইত্যাদি।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, কথ্‌, বুধ্‌, ও গঠ্‌ হলো সংস্কৃত বা তৎসম ধাতু। অন্যদিকে, কহ্‌ হলো বাংলা বা তদ্ভব ধাতু (যার অর্থ: বলা)। তাই এটিই সঠিক দৃষ্টান্ত।
14

ইসলাম ও সুফিমতের প্রভাবে ভারতবর্ষে ঘটেছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বর্ণবাদদের পুনরুত্থান
  2. রাষ্ট্রবিপ্লব
  3. চিন্তাবিপ্লব
  4. অভিবাসন বিপ্লব

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এগার শতাব্দীতে ভারতীয় উপমহাদেশে ইসলামের আবির্ভাবের ফলে এ উপমহাদেশে মানুষের মধ্যে চিন্তাশক্তির ব্যাপক পরিবর্তন ঘটে। বিশেষ করে সুফি-মাশায়েখগণের ইসলাম প্রচারের ফলে নিম্নবর্গের হিন্দুসহ অন্যান্য ধর্মের মানুষের মধ্যে চিন্তশক্তির বিপ্লব ঘটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চিন্তাবিপ্লব
ভারতবর্ষে ইসলামের আগমন ঘটেছিল প্রধানত দুইজন ধারকের মাধ্যমে: প্রথমত, শাসক ও সৈনিক এবং দ্বিতীয়ত, সুফি সাধক ও দরবেশদের মাধ্যমে। এই প্রশ্নের প্রেক্ষিতে সুফি সাধকদের প্রভাবই মুখ্য।
সুফিমত (Mysticism) মূলত সাম্য, মানবতাবাদ ও একত্ববাদের ওপর জোর দেয়। এর আগে ভারতীয় সমাজে বর্ণপ্রথা ও কঠোর আচার-অনুষ্ঠান প্রচলিত ছিল।
সুফিবাদ যখন সমাজের সাধারণ মানুষের মধ্যে এর মানবিক দর্শন প্রচার করে, তখন তা সনাতন ধর্মের কঠোরতা ও বর্ণপ্রথাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করে। এর ফলে সমাজে এক গভীর ধর্মীয় ও দার্শনিক পরিবর্তন আসে, যা চিন্তাবিপ্লব নামে পরিচিত।
এতে হিন্দু-মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহাবস্থান এবং নতুন সাহিত্য, শিল্প ও স্থাপত্যের জন্ম হয় (যেমন: ভক্তিবাদ)।
15

শুদ্ধ বানান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুমুর্ষু
  2. মূমুর্ষূ
  3. মুমূর্ষু
  4. মূমূর্ষু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ষত্ব বিধি অনুসারে ই-স্বর ও উ-স্বরের পর ইচ্ছা অর্থে সন প্রত্যয়ের ‘স’ পরিবর্তিত হয়ে প্রত্যয়ান্ত শব্দে 'ষ' হয়। যেমন: মুমূর্ষু।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো: মুমূর্ষু। (অপশন ৩)
বাংলা বানানের নিয়ম অনুযায়ী, যেসব শব্দে একই বর্ণের সঙ্গে হ্রস্ব-উ (ু) এবং দীর্ঘ-ঊ (ূ) কারের ব্যবহার থাকে, সেগুলোতে প্রায়শই ভুল হয়ে থাকে। ‘মুমূর্ষু’ শব্দটি হলো — মরিবার ইচ্ছা বা আকাঙ্ক্ষা; অর্থাৎ মুমূর্ষু মানে হলো ‘মৃত্যু পথযাত্রী’ বা ‘মরণাপন্ন’।
‘মুমূর্ষু’ বানানে তিনটি উ-কার ব্যবহৃত হয় এবং এর ক্রমটি হলো: হ্রস্ব (ু), দীর্ঘ (ূ), হ্রস্ব (ু)
বিশ্লেষণ: মু (ম+হ্রস্ব-উ) + মূ (ম+দীর্ঘ-ঊ) + র্ষু (ষ+হ্রস্ব-উ)।
সুতরাং, সঠিক ক্রম: মু (ছোট উ), মূ (বড় ঊ), র্ষু (ছোট উ)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

নিচের কোনটি ‘অগ্নি’র সমার্থক শব্দ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বহ্নি
  2. আবীর
  3. বায়ুসখা
  4. বৈশ্বানর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্নির কয়েকটি সমার্থক শব্দ হলো: আগুন, বহ্নি, অনল, পাবক, বায়ুসখা, বৈশ্বানর, দাহন ইত্যাদি। অপরদিকে আবীর হলো একপ্রকার রক্তবর্ণ চূর্ণ বিশেষ যাহা হোলি বা বসন্তোৎসবে পরস্পরকে রঞ্জিত করিবার জন্য ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: আবীর। কারণ এটি ‘অগ্নি’ বা আগুনের সমার্থক শব্দ নয়।
আবীর শব্দের অর্থ হলো লাল রঞ্জক গুঁড়ো বা ফাগ, যা সাধারণত হোলি উৎসবে রং হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, প্রশ্নে দেওয়া বাকি তিনটি শব্দ—বহ্নি, বায়ুসখা এবং বৈশ্বানর হলো অগ্নি শব্দের প্রধান সমার্থক শব্দ। বায়ুসখা (বাতাসের বন্ধু) বলা হয় কারণ বায়ু আগুনকে আরও দ্রুত প্রজ্বলিত করতে সাহায্য করে।
17

‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’ এই উক্তিটি নিচের কোন পারিভাষিক অলংকার দ্বারা শোভিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অপহ্নুতি
  2. যমক
  3. অর্থোন্নতি
  4. অভিযোজন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উপমেয়কে অস্বীকার করে উপমানকে প্রতিষ্ঠিত করাকে অপহ্নুতি অলঙ্কার বলে। যেমন: অশ্রু নয় অভ্র সুকঠিন; দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অপহ্নুতি
অপহ্নুতি অলংকার-এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো—এখানে উপমেয় (যা তুলনা করা হচ্ছে) বস্তুটিকে অস্বীকার বা গোপন করে তার স্থলে উপমান (যার সাথে তুলনা করা হচ্ছে) বস্তুটিকে প্রতিষ্ঠা করা হয়। অর্থাৎ, প্রথমে 'না/নয়' দিয়ে অস্বীকার করে পরে ভিন্ন কিছু প্রতিষ্ঠা করা হয়।
উক্ত বাক্যে বলা হয়েছে, ‘দেশের যত নদীর ধারা জল না, ওরা অশ্রুধারা।’
এখানে, নদীর ধারার জল (উপমেয়) হওয়াকে অস্বীকার করা হয়েছে এবং এটিকে অশ্রুধারা (উপমান) হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
যেহেতু এখানে অস্বীকার (না/নয়) এবং প্রতিষ্ঠা (অশ্রুধারা)—এই দুটি অংশই বর্তমান, তাই এটি অপহ্নুতি অলংকার (Concealment)।
18

‘যথারীতি’ কোন সমাসের দৃষ্টান্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অব্যয়ীভাব
  2. দ্বিগু
  3. বহুব্রীহি
  4. দ্বন্দ্ব

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পূর্বপদে অব্যয়যোগে নিষ্পন্ন সমাসে যদি অব্যয়ের অর্থই প্রাধান্য থাকে, তবে তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। কয়েকটি অব্যয়ীভাব সমাস হলো: যথারীতি, যথাসাধ্য, যথাবিধি, যথাযোগ্য, উপকণ্ঠ, উপকূল, নিরামিষ, নির্জল, উপশহর ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অব্যয়ীভাব সমাস
অব্যয়ীভাব সমাস-এ পূর্বপদে অব্যয় (উপসর্গ) যুক্ত থাকে এবং সেই অব্যয়ের অর্থই প্রধান হয়ে ওঠে। ‘যথারীতি’ শব্দটির ব্যাসবাক্য হলো—‘রীতিকে অতিক্রম না করে’। এখানে 'যথা' অব্যয়টি ‘অতিক্রম না করে’ বা ‘অনুসারে’ অর্থ প্রকাশ করছে এবং সেই অর্থের প্রাধান্যই রক্ষিত হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্প কেন ভুল:
দ্বিগু সমাস: এখানে সংখ্যাবাচক শব্দ থাকতে হয় (যেমন: তেমাথা)।
দ্বন্দ্ব সমাস: এখানে উভয় পদের অর্থই সমান প্রাধান্য পায় (যেমন: মা-বাবা)।
বহুব্রীহি সমাস: এখানে ব্যাসবাক্যের কোনো পদের অর্থ প্রধান না হয়ে অন্য কোনো অর্থ বোঝায় (যেমন: দশানন = দশটি আনন যার)।
19

‘মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি’ কথাটি সংকোচন করলে হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তন্ময়
  2. মন্ময়
  3. মৃন্ময়
  4. চিন্ময়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মৃন্ময় শব্দের অর্থ হচ্ছে আত্মবাদী, আত্মপ্রকাশক। চিন্ময় একটি বিশেষণ পদ যার অর্থ জ্ঞানময়, চৈতন্যময়। অপরদিকে মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি বাক্যটির সংকোচন করলে হয় মৃন্ময়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৃন্ময়। এটি বাংলা ব্যাকরণের বাক্য সংকোচন বা এককথায় প্রকাশ অংশের একটি উদাহরণ।
মৃত্তিকা দিয়ে তৈরি—এই বাক্যটিকে এক কথায় প্রকাশ করলে শব্দটি হয় মৃন্ময়। এখানে ‘মৃত্তিকা’ (মাটি) শব্দের সঙ্গে ‘ময়’ প্রত্যয় যুক্ত হয়েছে। এই ‘ময়’ প্রত্যয়টি ‘নির্মিত’ বা ‘তৈরি’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে:
তন্ময়: এর অর্থ হলো—তাতে লীন বা মগ্ন।
মন্ময়: এর অর্থ হলো—মন দিয়ে তৈরি।
চিন্ময়: এর অর্থ হলো—চিৎ বা জ্ঞান দিয়ে গঠিত; জ্ঞানময়।
20

‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের উপাস্য ‘চণ্ডী’ কার স্ত্রী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জগন্নাথ
  2. বিষ্ণু
  3. প্রজাপতি
  4. শিব্

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘চণ্ডীমঙ্গল’ চণ্ডী নামক লৌকিক-পৌরাণিক দেবীর পূজা প্রচারের কাহিনি অবলম্বনে লিখিত কাব্য। চণ্ডী ছিলেন পৌরাণিক দেবতা শিবের স্ত্রী। চণ্ডীমঙ্গলের দুটি উপাখ্যান রয়েছে। একটি ব্যাধ দম্পতি কালকেতু ও ফুল্লরার কাহিনি এবং দ্বিতীয় উপাখ্যানের নায়ক ধনপতি সদাগর, অন্যান্য প্রধান চরিত্র তার দুই স্ত্রী লহনা ও খুল্লনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শিব্
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে রচিত মঙ্গলকাব্যের একটি অন্যতম প্রধান শাখা হলো ‘চণ্ডীমঙ্গল’। এই কাব্যের উপাস্য দেবী চণ্ডী হলেন হিন্দু পুরাণ অনুসারে মহাদেবের (শিব) পত্নী এবং দেবী দুর্গা বা পার্বতীরই অপর একটি রূপ।
মঙ্গলকাব্যের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল লোকসমাজে এই বিশেষ দেবীর (যেমন: মনসা, চণ্ডী) মাহাত্ম্য প্রচার ও পূজা প্রতিষ্ঠা করা। যেহেতু চণ্ডী দেবী দুর্গা বা পার্বতীর রূপ, তাই তিনি শিবের স্ত্রী হিসেবেই পরিচিত।
অন্যান্য বিকল্প— বিষ্ণু (যার স্ত্রী লক্ষ্মী) বা জগন্নাথ— চণ্ডী মঙ্গলকাব্যের কেন্দ্রীয় উপাস্য নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ কোথা থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেপালের রাজদরবার থেকে
  2. গোয়ালঘর থেকে
  3. পাঠশালা থেকে
  4. কান্তজীর মন্দির থেকে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের প্রথম কাব্য হিসেবে শ্রীকৃষ্ণকীর্তন স্বীকৃত। ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে (১৩১৬ বঙ্গাব্দে) বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ পশ্চিমবঙ্গের বাঁকুড়া জেলার কাকিল্যা গ্রামে শ্রী দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর থেকে শ্রীকৃষ্ণকীর্তনের পুঁথি আবিষ্কার করেন। ১৯১৬ খ্রিষ্টাব্দে (১৩২৩ বঙ্গাব্দ) বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে বসন্তরঞ্জন রায়ের সম্পাদনায় পুঁথিটি ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন’ নামে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গোয়ালঘর থেকে
বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের আদি নিদর্শন ‘শ্রীকৃষ্ণকীর্তন কাব্য’ ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে বাঁকুড়া জেলার কাঁকিল্যা গ্রামের দেবেন্দ্রনাথ মুখোপাধ্যায়ের বাড়ির গোয়ালঘর বা বারান্দা থেকে উদ্ধার করা হয়।
এই কাব্যটি উদ্ধার করেন প্রখ্যাত গবেষক বসন্তরঞ্জন রায় বিদ্বদ্বল্লভ
উল্লেখ্য, নেপালের রাজদরবার থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন ‘চর্যাপদ’ (১৮৮৭ খ্রিস্টাব্দে, হরপ্রসাদ শাস্ত্রী)। তাই এই বিকল্পটি ভুল।
22

বিদ্যাপতি মূলত কোন ভাষার কবি ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মারাঠি
  2. হিন্দি
  3. মৈথিলি
  4. গুজরাটি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মিথিলার কবি বিদ্যাপতি বাঙালি না হয়েও অথবা বাংলায় কবিতা রচনা না করেও বাংলা সাহিত্যের উল্লেখযোগ্য নাম। তিনি ‘মৈথিল কোকিল’ ও ‘অভিনব জয়দেব’ নামে খ্যাত। তাঁর অন্যান্য উপাধি ছিল- নব কবিশেখর, কবিরঞ্জন, কবিকণ্ঠহার, পণ্ডিত ঠাকুর, সদুপাধ্যায়, রাজপণ্ডিত ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মৈথিলি
বিদ্যাপতি (আনু. ১৩৫২ – ১৪৪৮) ছিলেন মধ্যযুগের একজন অত্যন্ত প্রভাবশালী ভারতীয় কবি। তিনি মূলত মৈথিলি ভাষার শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত।
বিদ্যাপতি ভারতের বিহার এবং নেপালের সীমান্তবর্তী মিথিলা অঞ্চলে জন্মগ্রহণ করেন এবং তাঁর কাব্যচর্চার প্রধান ক্ষেত্র ছিল মৈথিলি ভাষা।
যদিও তিনি মৈথিলি ভাষায় লিখতেন, বাংলা সাহিত্যে তিনি বৈষ্ণব পদাবলি ধারায় ব্রজবুলি ভাষায় পদ রচনা করে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন। বৈষ্ণব পদাবলির প্রবর্তক হিসেবে তাকেই গণ্য করা হয়।
অন্যান্য ভাষা (মারাঠি, হিন্দি, গুজরাটি) তাঁর সাহিত্য রচনার প্রধান মাধ্যম ছিল না।
23

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে।’ এই মনোবাঞ্ছাটি কার?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভবানন্দের
  2. ভাঁড়ুদত্তের
  3. ঈশ্বরী পাটুনীর
  4. ফুল্লরার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর আঠার শতকের শ্রেষ্ঠ কবি। ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’ মনোবাঞ্ছাটি করেছিলেন ঈশ্বরী পাটনী। মনোবাঞ্ছাটি পাওয়া যায় ভারতচন্দ্র রায়গুণাকরের ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে। ১৭৫২ সালে অন্নদামঙ্গল রচিত হয়। দেবী অন্নদাকে উদ্দেশ্য করে ঈশ্বরী পাটনী উল্লিখিত উক্তিটি করেন। ‘ভাডু দত্ত’, ‘ফুল্লরা’ চন্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ঈশ্বরী পাটুনীর
উক্তিটি মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘অন্নদামঙ্গল’ বা ‘অন্নপূর্ণা মঙ্গল’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
ঈশ্বরী পাটুনী ছিলেন একজন দরিদ্র মাঝি বা পাটুনি পত্নী। তিনি দেবী অন্নপূর্ণাকে নদী পার করিয়ে দেন। দেবী যখন তাঁকে বর চাইতে বলেন, তখন ক্ষুধা ও দারিদ্র্যে জর্জরিত পাটুনী অত্যন্ত সরলভাবে এই মনোবাঞ্ছাটি করেন—যা তৎকালীন সাধারণ বাঙালির জীবনসংগ্রামের প্রতিচ্ছবি।
অন্যান্য অপশনগুলো একই ধারার কাব্য থেকে এলেও এই উক্তিটির সাথে সম্পর্কিত নয়। যেমন, ফুল্লরা (কালকেতুর স্ত্রী) চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের চরিত্র। ভাঁড়ুদত্তও চণ্ডীমঙ্গলের খল চরিত্র।
24

নিচের কোন ব্যক্তি ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী আব্দুল ওদুদ
  2. এস ওয়াজেদ আলি
  3. আবুল ফজল
  4. আবদুল কাদির

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন ধর্মীয় ও সামাজিক কুসংস্কারবিরোধী একটি প্রগতিশীল আন্দোলন। ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল হুসেনের নেতৃত্বে ঢাকায় মুসলিম সাহিত্য সমাজ নামে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সমাজ তাদের মুখপত্র হিসেবে ‘শিখা’ নামে একটি পত্রিকা প্রকাশ করত, যার প্রতিটি সংখ্যায় লেখা থাকত ‘জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব’। বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন গঠিত হয় কয়েকজন আলোকিত মানুষের উদ্যোগে। তাঁদের মধ্যে ছিলেন আবুল হুসেন, কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল ফজল, কাজী আবদুল ওদুদ, আবদুল কাদির প্রমুখ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এস ওয়াজেদ আলি
‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলন বা ‘শিখা গোষ্ঠী’ ছিল ঢাকাভিত্তিক একটি প্রগতিশীল সাহিত্য আন্দোলন, যা ১৯২৬ সালে ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজ-এর মাধ্যমে শুরু হয়েছিল।
এই আন্দোলনের মূল উদ্দেশ্য ছিল যুক্তি, বিজ্ঞান ও মানবতাবাদের মাধ্যমে সমাজের গোঁড়ামি ও কুসংস্কার দূর করে মানুষের বুদ্ধিবৃত্তির মুক্তি ঘটানো।
এই আন্দোলনের প্রধান ব্যক্তিরা হলেন— কাজী আব্দুল ওদুদ (সভাপতি), আবুল ফজল (সম্পাদক), আবদুল কাদির এবং মোহাম্মদ মোতাহার হোসেন চৌধুরী। এঁদের সবাই সরাসরি এই আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, এস ওয়াজেদ আলি একজন প্রখ্যাত প্রাবন্ধিক হলেও তিনি ‘বুদ্ধির মুক্তি’ বা ‘শিখা’ আন্দোলনের সরাসরি সদস্য ছিলেন না। তিনি মূলত কলকাতা ও ইউরোপে অবস্থান করতেন এবং মুসলিম সমাজের সংস্কার ও আধুনিকতা নিয়ে কাজ করতেন, কিন্তু সাংগঠনিকভাবে এই গোষ্ঠীর অংশ ছিলেন না।
25

নিচের কোন কাব্য কাজী নজরুল ইসলামের উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষের বাঁশী
  2. অগ্নি-বীণা
  3. সিন্ধু-হিন্দোল
  4. চক্রবাক

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রেম, মানবতা ও বিদ্রোহের কবি নজরুল রচিত- ‘বিষের বাঁশী’ কাব্যগ্রন্থ প্রকাশ করেন কবি নিজেই। সে বছরই সরকার গ্রন্থটি নিষিদ্ধ করে। এটি নজরুলের প্রথম নিষিদ্ধকৃত গ্রন্থ। এ গ্রন্থের কবিতাগুলো বিদ্রোহাত্মক ও জাগরণমূলক। বন্দী-বন্দনা, শিকল-পরা গান, চরকার গান, জাতের নামে বজ্জাতি, সত্য-মন্ত্র ইত্যাদি গ্রন্থের উল্লেখযোগ্য কবিতা। নজরুল ইসলামের কবিতার বলিষ্ঠতা, যৌবনের উদ্দাম শক্তি, উদার মানবিকতা ও সামাজিক সচেতনতা এবং গীতি প্রতিভার সমস্ত বৈশিষ্ট্য এই কাব্যে পরিস্ফুট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিষের বাঁশী
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন মূলত দ্রোহ ও প্রেমের কবি, তবে তাঁর কাব্যে সনাতন বাংলা ও ভারতীয় ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ছিল। তিনি হিন্দু-মুসলিম নির্বিশেষে সকল ঐতিহ্যকে গ্রহণ করে এক উদারনৈতিক (Liberal) ভাবধারা সৃষ্টি করেন।
‘বিষের বাঁশী’ (১৯২৪) কাব্যগ্রন্থে সরাসরি পরাধীনতা ও ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ প্রকাশিত হয়। এর মূল সুর ছিল—সাম্য ও মুক্তি। এই সাম্য ও মানবতার আহ্বানই তাঁর ঐতিহ্যভাবনার মূল ভিত্তি, যেখানে তিনি জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে ঔপনিবেশিক শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করার ঐতিহ্যকে ধারণ করেছেন। তাই এটিকে তাঁর উদারনৈতিক ঐতিহ্যভাবনার ধারক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
বিখ্যাত ‘ফাঁসির মঞ্চে গেয়ে গেল যারা’ কবিতাটি এই কাব্যের অন্তর্গত, যা স্বাধীনতার জন্য আত্মবলিদানের ঐতিহ্যকে তুলে ধরে।
অন্যদিকে, ‘অগ্নি-বীণা’ (১৯২২) মূলত প্রলয় ও বিদ্রোহের তীব্র প্রকাশ, আর ‘চক্রবাক’ (১৯২৯) রোমান্টিক প্রকৃতির। ‘সিন্ধু-হিন্দোল’ (১৯২৭) কাব্যে হিন্দু-মুসলিম ঐতিহ্যের মিলন বা সমন্বয়ী ভাবধারা আরও বেশি স্পষ্ট, যদিও প্রশ্নে প্রদত্ত উত্তরে ‘বিষের বাঁশী’ সঠিক হিসেবে বিবেচিত।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

নিচের কোনটি বিশ শতকের পত্রিকা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শনিবারের চিঠি
  2. বঙ্গদর্শন
  3. তত্ত্ববোধিনী
  4. সংবাদ প্রভাকর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘শনিবারের চিঠি’ ১৯২৪ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়। প্রথম দিকে এটি সাপ্তাহিক পরে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। যোগানন্দ দাস ছিলেন একাধারে উক্ত পত্রিকার প্রথম সম্পাদক, প্রকাশক ও মুদ্রাকর। শনিবারের চিঠি'র প্রাণপুরুষ ছিলেন কবি-সাহিত্যিক সজনীকান্ত দাস। ‘সংবাদ প্রভাকর’ সাপ্তাহিক সংবাদপত্র হিসেবে ১৮৩১ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয়। কবি ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন এর সম্পাদক। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ১৮৭২ খ্রিষ্টাব্দে মাসিক ‘বঙ্গদর্শন’ প্রকাশিত হয়। ১৮৪৩ সালের ১৬ আগস্ট অক্ষয়কুমার দত্তের সম্পাদনায় তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা প্রথম প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শনিবারের চিঠি
বিশ শতক বলতে বোঝায় ১৯০১ থেকে ২০০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে। শনিবারের চিঠি পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯২৪ সালে। তাই এটি বিশ শতকের পত্রিকা।
অন্যদিকে, বাকি তিনটি পত্রিকা ঊনবিংশ শতকে (১৮০১-১৯০০) প্রকাশিত হয়:
১. বঙ্গদর্শন: প্রকাশকাল ১৮৭২ সাল (সম্পাদক: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়)।
২. তত্ত্ববোধিনী: প্রকাশকাল ১৮৪৩ সাল (সম্পাদক: অক্ষয়কুমার দত্ত)।
৩. সংবাদ প্রভাকর: প্রকাশকাল ১৮৩১ সাল (সম্পাদক: ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত)।
27

নিচের কোনটি উপন্যাস নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিবারাত্রির কাব্য
  2. শেষের কবিতা
  3. পল্লী-সমাজ
  4. কবিতার কথা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘দিবারাত্রির কাব্য’ মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস, ‘শেষের কবিতা’ রবীন্দ্রনাথের কাব্যধর্মী উপন্যাস এবং শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস ‘পল্লী-সমাজ’। ‘কবিতার কথা’ বিংশ শতাব্দীর অন্যতম প্রধান বাঙ্গালী কবি জীবনানন্দ দাশের প্রথম প্রবন্ধগ্রন্থ যা তার মৃত্যুর পর প্রথম প্রকাশিত হয়েছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কবিতার কথা। এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি জীবনানন্দ দাশের লেখা একটি প্রবন্ধগ্রন্থ (Collection of critical essays on poetry)।
কবিতার কথা গ্রন্থটি প্রকাশিত হয় ১৯৫২ সালে। এটিই তাঁর একমাত্র প্রবন্ধের সংকলন, যেখানে তিনি কবিতা ও কাব্যতত্ত্ব নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বাকি তিনটি বিকল্পই বিখ্যাত উপন্যাস:
  • দিবারাত্রির কাব্য: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত (উপন্যাস)
  • শেষের কবিতা: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত (উপন্যাস)
  • পল্লী-সমাজ: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত (উপন্যাস)
28

‘বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য’ গ্রন্থ কে রচনা করেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দীনেশচন্দ্র সেন
  2. গোপাল হালদার
  3. আহমদ শরীফ
  4. সুকুমার সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ প্রাবন্ধিক আহমদ শরীফ রচিত প্রবন্ধ ‘বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য’। তাঁর রচিত অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ বিচিত চিন্তা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি চিন্তা, বিশ শতকের বাঙালী, বাঙলা বাঙালী বাঙালীত্ব। ‘বাংলা একাডেমির সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ তাঁর সম্পাদিত গ্রন্থ। ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ সুকুমার সেনের সবচেয়ে বিখ্যাত বই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আহমদ শরীফ
‘বাঙালী ও বাঙলা সাহিত্য’ গ্রন্থটি রচনা করেন প্রখ্যাত পণ্ডিত ও সমালোচক ড. আহমদ শরীফ। এটি বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস ও সমালোচনা বিষয়ক একটি আকর গ্রন্থ
ড. আহমদ শরীফ ছিলেন বিশ শতকের অন্যতম প্রধান সাহিত্য সমালোচক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক
প্রচলিত অন্যান্য বিকল্পগুলো কেন ভুল:
দীনেশচন্দ্র সেন: তিনি রচনা করেছেন বাংলা সাহিত্যের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ইতিহাস গ্রন্থ— ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ (১৮৯৬)। এই দুটি বই প্রায়ই পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।
সুকুমার সেন: তিনি রচনা করেন ‘বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস’ (পাঁচ খণ্ডে প্রকাশিত)।
29

‘মনোরমা’ বঙ্কিমচন্দ্রের কোন উপন্যাসের চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষ্ণকান্তের উইল
  2. দুর্গেশনন্দিনী
  3. মৃণালিনী
  4. বিষবৃক্ষ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা উপন্যাসের জনক সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় কর্তৃক ‘মৃণালিনী’ (১৮৬৯) উপন্যাসটি তুর্কি সেনাপতি ইখতিয়ার উদ্দিন মুহম্মদ বিন বখতিয়ার খলজীর বাংলা আক্রমণের পটভূমিতে রচিত। এটি বঙ্কিমচন্দ্রের তৃতীয় উপন্যাস। মগধের রাজপুত্র হেমচন্দ্রের সঙ্গে মৃণালিনীর প্রণয় এবং দেশরক্ষার জন্য হেমচন্দ্রের সংকল্প ও ব্যর্থতার সঙ্গে এক রহস্যময়ী নারী মনোরমার কাহিনি এ উপন্যাসের মূল কথা। কৃষ্ণকান্তের উইল এর অন্তর্গত চরিত্র হলো: গোবিন্দলাল, হরলাল, কৃষ্ণকান্ত, রোহিনী, ভ্রমর, নিশাকর। বিষবৃক্ষ উপন্যাসের উল্লেখযোগ্য চরিত্র- নগেন্দ্রনাথ, সূর্যমুখী, কুন্দনন্দিনী, হীরা। তিলোত্তমা, আয়েশা, বিমলা বঙ্কিমের দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাসের অন্তর্গত চরিত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৃণালিনী
‘মনোরমা’ চরিত্রটি ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের তৃতীয় উপন্যাস ‘মৃণালিনী’ (প্রকাশকাল: ১৮৬৯)-এর প্রধান নারী চরিত্র। এটি একটি ঐতিহাসিক উপন্যাস, যা হেমচন্দ্রমৃণালিনীর প্রেমের পাশাপাশি মনোরমার ট্র্যাজেডি তুলে ধরেছে।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল, কারণ:
কৃষ্ণকান্তের উইল: প্রধান চরিত্র— গোবিন্দলালরোহিণী
দুর্গেশনন্দিনী: প্রধান চরিত্র— জগৎসিংহ, আয়েশাতিলোত্তমা
বিষবৃক্ষ: প্রধান চরিত্র— সূর্যমুখীকুন্দনন্দিনী
30

‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের কোন কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খেয়া
  2. মানসী
  3. কল্পনা
  4. সোনার তরী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘মানসী’ (১৮৯০) রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যকলার পূর্ণপ্রতিষ্ঠামূলক কাব্যগ্রন্থ। তাই কবি বুদ্ধদেব বসু ‘মানসী’ কাব্যকে রবীন্দ্র-কাব্যের অনুবিশ্ব বলেছেন। ‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি রবীন্দ্রনাথের এই কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মানসী। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মানসী কাব্যগ্রন্থ (প্রকাশকাল: ১৮৯০) তাঁর কাব্যজীবনে এক যুগসন্ধিক্ষণ সৃষ্টি করে। এই গ্রন্থেই প্রথম তাঁর কবিতার স্বকীয়তা ও শিল্পসুষমা পূর্ণাঙ্গভাবে প্রকাশ পায়।
‘ব্যক্ত প্রেম’ ও ‘গুপ্ত প্রেম’ কবিতা দুটি এই কাব্যের অন্তর্ভুক্ত। মানসী কাব্যগ্রন্থে রোমান্টিক প্রেম, মনস্তত্ত্ব এবং ব্যক্তি হৃদয়ের গভীর অনুভূতি প্রধান বিষয় হিসেবে উঠে এসেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সোনার তরী (১৮৯৪) প্রতীকবাদী চেতনার জন্য বিখ্যাত এবং এর মূল সুর জীবন ও মৃত্যুর দার্শনিকতা। কল্পনা (১৯০০) ও খেয়া (১৯০৬) পরবর্তীকালের কাব্যগ্রন্থ, যেখানে প্রেম অপেক্ষা আধ্যাত্মিক ও প্রকৃতি প্রেম বেশি গুরুত্ব পেয়েছে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘অভীক’ রবীন্দ্রনাথের কোন গল্পের নায়ক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নষ্টনীড়
  2. নামঞ্জুর গল্প
  3. রবিবার
  4. ল্যাবরেটরি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘অভীক’ এবং ‘বিভা’ রবীন্দ্রনাথের রবিবার গল্পের নায়ক ও নায়িকা চরিত্র। ‘নষ্টনীড়’ গল্পের চরিত্র- চারু, অমল ও ভূপতি। ‘ল্যাবরেটরি’ গল্পের অন্যতম প্রধান চরিত্র সোহিনী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: রবিবার
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম জনপ্রিয় ছোটগল্প ‘রবিবার’-এর প্রধান পুরুষ চরিত্র হলো অভীক এবং প্রধান নারী চরিত্র হলো বিভা
এই গল্পে আধুনিক নাগরিক সমাজের জটিলতা, জীবনের অস্থিরতা এবং সম্পর্কের গভীর দার্শনিক দিক তুলে ধরা হয়েছে।
ভুল উত্তরগুলি কেন:
‘নষ্টনীড়’ গল্পের প্রধান চরিত্র হলো চারুলতা, তার স্বামী ভূপতি এবং দেবর অমল
‘ল্যাবরেটরি’ গল্পের প্রধান নারী চরিত্র সোহিনী এবং পুরুষ চরিত্র নন্দকিশোর মল্লিক
32

‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ কার রচিত পঙ্‌ক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজনীকান্ত সেন
  2. ইসমাইল হোসেন সিরাজী
  3. কামিনী রায়
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্য জগতে ‘জনৈক বঙ্গ মহিলা’ নামে পরিচিত কবি কামিনী রায় ‘পরার্থে’ কবিতায় বলেছেন, পরের কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত রাখাই মানবজনমের সার্থকতা। তাঁর রচিত পঙ্‌ক্তি- ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: কামিনী রায়
উদ্ধৃত পঙ্‌ক্তি দুটি – ‘সকলের তরে সকলে আমরা/প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।’ – মহীয়সী কবি কামিনী রায় রচিত।
এটি তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘আলো ও ছায়া’ (প্রকাশ: ১৮৮৯) এর অন্তর্গত ‘উপকার’ নামক কবিতার অংশ। এই পঙ্‌ক্তির মাধ্যমে কবি মানব সমাজে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আত্মত্যাগের গুরুত্ব তুলে ধরেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো: রাজনীকান্ত সেন দেশাত্মবোধক গানের জন্য, ইসমাইল হোসেন সিরাজী জাতীয়তাবাদী লেখার জন্য এবং দ্বিজেন্দ্রলাল রায় ঐতিহাসিক নাটক ও দেশাত্মবোধক গানের জন্য বিখ্যাত।
33

‘খোকা’ ও ‘রঞ্জু’ মাহমুদুল হক এর কোন উপন্যাসের চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কালো বরফ
  2. খেলাঘর
  3. অনুর পাঠশালা
  4. জীবন আমার বোন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘জীবন আমার বোন’ প্রথম প্রকাশ পায় ১৯৭৬ সালে; এর লেখক মাহমুদুল হক। জাহিদুল কবির খোকা নামের এক আপাত নির্লিপ্ত ও জীবন-পলাতক মানুষকে কেন্দ্রে স্থাপন করে মাহমুদুল হক উপন্যাসটি লিখেছেন। এ উপন্যাসের অপর চরিত্র ‘রঞ্জু’। ‘কালো বরফ’, ‘খেলাঘর’ এবং অনুর পাঠশালা উপন্যাসের রচয়িতাও মাহমুদুল হক। এদের মধ্যে কালো বরফ দেশভাগের পটভূমিভিত্তিক এবং খেলাঘর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক। চরিত্রসমূহ: কালো বরফ → আব্দুল খালেক। খেলাঘর → ইয়াকুব, টুনু, রেহানা। অনুর পাঠশালা → কিশোর অনু (নায়ক), কিশোরী সরুদাসী (নায়িকা)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো জীবন আমার বোন
ঔপন্যাসিক মাহমুদুল হক রচিত এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো খোকা। উপন্যাসে খোকার প্রেমিকা ও গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বচরিত্র হিসেবে রঞ্জু চরিত্রটি এসেছে।
মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একজন যুবকের (খোকা) জীবন ও মানসিক টানাপোড়েন এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য।
অন্যান্য অপশন যেমন— কালো বরফ এবং খেলাঘর-ও মাহমুদুল হক-এর বিখ্যাত উপন্যাস, কিন্তু উল্লিখিত চরিত্র দুটি ‘জীবন আমার বোন’ উপন্যাসের অংশ।
34

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর লেখা নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবর
  2. বহিপীর
  3. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়
  4. ওরা কদম আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত নাটক- বহিপীর, উজানে মৃত্যু, সুড়ঙ্গ, তরঙ্গভঙ্গ। ‘কবর’ (১৯৫৩) মুনীর চৌধুরী রচিত ভাষা আন্দোলন ভিত্তিক একাঙ্ক নাটক। সৈয়দ শামসুল হক রচিত কাব্য নাটক ‘পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়’। মামুনুর রশীদের নাটক ‘ওরা কদম আলী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বহিপীর। এটি কালজয়ী সাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর রচিত একমাত্র পূর্ণাঙ্গ নাটক।
বহিপীর নাটকটি ১৯৫৮ সালে প্রকাশিত হয়। এটি সমাজের কুসংস্কার ও ধনী-গরিবের সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে রচিত।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে— কবর নাটকটি রচনা করেন মুনীর চৌধুরী (ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে); পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায় কাব্যনাটকটি রচনা করেন সৈয়দ শামসুল হক (মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক); এবং ওরা কদম আলী নাটকটি রচনা করেন মমুনুর রশীদ
35

মীর মশাররফ হোসেনের ‘বিষাদসিন্ধু’ একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মহাকাব্য
  2. ইতিহাস গ্রন্থ
  3. উপন্যাস
  4. ইতিহাস-আশ্রিত জীবনীগ্রন্থ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মীর মশাররফ হোসেন (১৮৪৭-১৯১১) রচিত ‘বিষাদসিন্ধু’ (১৮৮৫-৯১) একটি ইতিহাস আশ্রিত মহাকাব্যধর্মী উপন্যাস। হাসান ও হোসেনের সঙ্গে দামেস্ক অধিপতি মাবিয়ার একমাত্র পুত্র এজিদের কারবালা প্রান্তরের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ এবং ইমাম হাসান-হোসেনের করুণ মৃত্যুকাহিনি ‘বিষাদসিন্ধু’গ্রন্থে বর্ণিত মূল বিষয়। মূল ঘটনার ঐতিহাসিক সত্যতা থাকলেও গ্রন্থটিতে ইতিহাসের অন্ধ অনুসরণ করা হয় নি। ‘বিষাদসিন্ধু’ উপন্যাসটি ‘মহরম পর্ব’ (১৮৮৫), ‘উদ্ধার পর্ব’ (১৮৮৭) ও ‘এজিদ-বধ পর্ব’ (১৮৯১) এই তিনটি পর্বে সম্পন্ন হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপন্যাস
মীর মশাররফ হোসেনের (১৮৪৭–১৯১২) রচিত ‘বিষাদসিন্ধু’ হলো কারবালার মর্মান্তিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক উপন্যাস
যদিও এই গ্রন্থে ঐতিহাসিক ঘটনা (কারবালার ট্র্যাজেডি) স্থান পেয়েছে, এর মূল আঙ্গিক এবং সাহিত্যিক গঠন হলো উপন্যাস। এটি কাল্পনিক চরিত্র, সংলাপ এবং আখ্যানের মাধ্যমে কাহিনি ফুটিয়ে তুলেছে, যা একে নিছক ইতিহাস গ্রন্থ হতে ভিন্নতা দিয়েছে।
এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মুসলিম রচিত উপন্যাস হিসেবেও গণ্য করা হয়।
এটি মহাকাব্য নয়, কারণ মহাকাব্য পদ্যে রচিত হয় এবং এর নির্দিষ্ট গঠনশৈলী রয়েছে। বিষাদসিন্ধু গদ্যে রচিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

‘By and large’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. everywhere
  2. very large
  3. mostly
  4. far away

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

By and Large একটি Idioms and phrase যার english meaning হয় Mostly যার বাংলা অর্থ প্রধানত/ সাধারণত।

ব্যাখ্যা

‘By and large’ হলো ইংরেজি ভাষার একটি বহুল ব্যবহৃত Idiom (বাগধারা)
এই বাগধারাটির অর্থ হলো 'generally' (সাধারণত), 'for the most part' (অধিকাংশ ক্ষেত্রে), অথবা 'on the whole' (মোটের উপর)।
দত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 'mostly' শব্দটি 'By and large'-এর অর্থের সাথে সরাসরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
যেমন: By and large, the movie was a success. (মোটামুটিভাবে, সিনেমাটি সফল ছিল)।
অন্যান্য অপশন যেমন 'everywhere' (সবখানে) বা 'very large' (খুব বড়) এই বাগধারাটির অর্থ প্রকাশ করে না।
37

‘He could not win but learnt a lot’ Which part of speech is the word ‘but’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. an adverb
  2. a verb
  3. an adjective
  4. a conjunction

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

And, or, but, yet, however, only etc. হলো coordinating conjunction যা দুই বা ততোধিক সমশ্রেণির clause কে যুক্ত করে। সে অনুযায়ী প্রশ্নে but হবে a conjunction.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a conjunction
প্রদত্ত বাক্যে ‘He could not win’ এবং ‘(he) learnt a lot’ দুটি স্বাধীন বাক্যংশ (Independent Clauses) রয়েছে।
‘but’ শব্দটি এই দুটি বাক্যংশকে যুক্ত করেছে এবং তাদের মধ্যে বৈসাদৃশ্য (contrast) ফুটিয়ে তুলেছে।
যে শব্দ দুটি শব্দ, দুটি পদগুচ্ছ (phrase), বা দুটি বাক্যংশ/বাক্য (clauses/sentences)-কে যুক্ত করে, তাকে Conjunction (সংযোজক অব্যয়) বলা হয়।
এখানে ‘but’ হলো একটি Coordinating Conjunction, যা দুটি সমান গুরুত্বের অংশকে যুক্ত করে। তাই এটি একটি Conjunction।
38

Select the appropriate preposition: 

‘Are you doing’ anything special ____ the weekend?’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. at
  2. with
  3. on
  4. for

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাপ্তাহিক ছুটির দিন বোঝাতে weekend ব্যবহৃত হয়, এর পূর্বে preposition হিসেবে at এবং on দুটোই ব্যবহৃত হতে পারে। American English এ on ব্যবহৃত হয় এবং British English এ at ব্যবহৃত হয়। আমরা যেহেতু, writing এর ক্ষেত্রে British English অনুসরণ করি তাই at হবে সঠিক উত্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: at
'at the weekend' হলো সময় নির্দেশক একটি বহুল ব্যবহৃত Prepositional Phrase, যা সাধারণত ব্রিটিশ ইংরেজিতে (British English) সপ্তাহের শেষ দুই দিনের (শনি ও রবি) বিশেষ পরিকল্পনা বা কাজ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
যেমন: What are you doing at the weekend?
অন্যদিকে, 'on the weekend' ব্যবহার করা হয় আমেরিকান ইংরেজিতে (American English)। যেহেতু বিসিএস পরীক্ষাগুলোতে সাধারণত ব্রিটিশ ইংরেজি অনুসরণ করা হয়, তাই ‘at’ সঠিক উত্তর হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'with', 'on' (আমেরিকান ইংরেজিতে সঠিক হলেও ব্রিটিশ রীতির জন্য 'at' কে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে), এবং 'for' এই বাক্যটিতে সময় নির্দেশক হিসেবে অনুপযোগী।
39

What is the plural form of ‘sheep’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. sheeps
  2. sheep
  3. shepes
  4. sheepses

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Sheep এর plural ‘sheep’ হবে। কিছু কিছু noun আছে যেগুলোর singular ও plural form একই যেমন: Aircraft, cod, deer, fish, cattle, series ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: sheep
কিছু Noun আছে, যাদের singular (একবচন) এবং plural (বহুবচন) উভয় রূপই একই। এই Noun-গুলিকে সাধারণত Zero Plural (অপরিবর্তিত বহুবচন) Noun বলা হয়।
‘Sheep’ শব্দটি এই নিয়মের অন্তর্ভুক্ত। অর্থাৎ, একটি ভেড়াকে যেমন ‘sheep’ বলা হয়, তেমনি একাধিক ভেড়াকেও ‘sheep’ বলা হয়।
উদাহরণস্বরূপ: One sheep is grazing. / Five sheep are grazing.
অন্যান্য অপশন যেমন— 'sheeps', 'shepes', 'sheepses' ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল
40

‘To get along with’ means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to adjust
  2. to interest
  3. to accompany
  4. to walk

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

To get along with একটি phrasal verb যার অর্থ তাল মিলানো, সুসম্পর্ক করা। তাই সঠিক উত্তর হবে to adjust.

ব্যাখ্যা

‘To get along with’ হলো একটি বহুল ব্যবহৃত Phrasal Verb। এর মূল অর্থ হলো কারো সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, বন্ধুত্বপূর্ণ হওয়া অথবা কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে মানিয়ে নেওয়া বা খাপ খাইয়ে নেওয়া।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 'to adjust' (অপশন ক) এর বাংলা অর্থ হলো 'মানিয়ে নেওয়া' বা 'খাপ খাওয়ানো'। এটিই ‘To get along with’-এর অর্থের সবচেয়ে কাছাকাছি ও সঠিক প্রতিশব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'to interest' (আগ্রহী করা), 'to accompany' (সঙ্গ দেওয়া), এবং 'to walk' (হাঁটা) এই Phrasal Verb-টির অর্থের সঙ্গে কোনোভাবে সম্পর্কিত নয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো to adjust
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

The synonym for ‘panoramic’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. scenic
  2. narrow
  3. limited
  4. restricted

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Panoramic এর বাংলা অর্থ দূর-দৃশ্য বা চিত্র সংক্রান্ত। এটার synonym হলো scenic যার অর্থ দৃশ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: scenic
Panoramic শব্দের অর্থ হলো— দিগন্ত বিস্তৃত, সুদূরপ্রসারী বা চারপাশের বিস্তৃত দৃশ্য দেখা যায় এমন।
Option (A) scenic শব্দের অর্থ হলো— মনোরম বা প্রাকৃতিক দৃশ্যযুক্ত। যেহেতু একটি মনোরম দৃশ্য (scenic view) সাধারণত বিস্তৃত ও চারপাশের এলাকাকে কভার করে, তাই অর্থের দিক থেকে এটিই 'panoramic'-এর নিকটতম প্রতিশব্দ (Synonym)
অন্যদিকে, 'narrow' (সংকীর্ণ), 'limited' (সীমিত), এবং 'restricted' (বাধাগ্রস্ত/সীমিত) শব্দগুলো 'panoramic'-এর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে। এগুলো সবই Antonym
42

The antonym for ‘slothful’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. playful
  2. sluggish
  3. energetic
  4. quarrelsome

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Slothful এর বাংলা অর্থ অলস যার antonym হবে energetic এর অর্থ কর্মঠ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: energetic
Slothful শব্দটি একটি Adjective, যার অর্থ হলো অলস, কুঁড়ে, বা কর্মবিমুখ (Lacking energy or enthusiasm to work)।
‘Slothful’ এর বিপরীত শব্দ (Antonym) হবে এমন একটি শব্দ যা কর্মঠ বা উদ্যমী অর্থ প্রকাশ করে।
অপশন (c) energetic এর অর্থ হলো শক্তিশালী, উদ্যমী বা কর্মঠ (Full of energy or enthusiasm), যা 'slothful' এর সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, sluggish (ধীরগতির বা অলস) হলো 'slothful' এর সমার্থক শব্দ (Synonym)। তাই এটি উত্তর হতে পারে না।
playful (খেলোয়াড়সুলভ) এবং quarrelsome (ঝগড়াটে) অপ্রাসঙ্গিক।
43

What is the verb form of the word ‘ability’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. capable
  2. inability
  3. enable
  4. unable

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Ability একটি noun যার verb form হলো enable এবং adjective form হলো able. সাধারণত ‘en’ prefix যোগে verb গঠিত হয়। যেমন: ensure, enlarge, enforce, enlighten etc.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: enable
শব্দের রূপান্তর (Transformation of Words) অনুযায়ী, ‘ability’ শব্দটি হলো একটি Noun (বিশেষ্য), যার অর্থ সক্ষমতা বা ক্ষমতা।
এর Verb (ক্রিয়া) রূপটি হলো Enable, যার অর্থ কাউকে ক্ষমতা দেওয়া বা কোনো কিছু করতে সক্ষম করা।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, capable শব্দটি হলো Adjective (বিশেষণ); inability শব্দটি Noun (অক্ষমতা); এবং unable শব্দটি Adjective (অসমর্থ)।
44

The word ‘equivocation’ refers to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. stating like an author
  2. two contradictory things in the same statement
  3. free expression of opinions
  4. a true statement

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Equivocation মানে হলো বাকচাতুরী বা ব্যাঙ্গোক্তি সুতরাং এটা হবে Two contradictory things in the same statement.

ব্যাখ্যা

Equivocation (ইকুইভোকেশন) শব্দটি মূলত দ্ব্যর্থতা (ambiguity) বোঝায়। এর অর্থ হলো অস্পষ্ট বা দ্বিমুখী ভাষা ব্যবহার করা, যাতে একই বাক্যে বা বক্তব্যে দুটি পরস্পরবিরোধী (contradictory) অর্থ বা ব্যাখ্যা থাকতে পারে।
এই কৌশল সাধারণত সত্য গোপন করার জন্য অথবা কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেওয়া এড়িয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার করা হয়।
সঠিক উত্তরটি হলো Option (2) two contradictory things in the same statement (একই বাক্যে দুটি পরস্পরবিরোধী বিষয়), যা Equivocation এর সংজ্ঞার সাথে সরাসরি মিলে যায়।
অন্যান্য অপশন যেমন 'a true statement' বা 'free expression' সরাসরি ভুল, কারণ Equivocation ছলনা বা অস্পষ্টতা নির্দেশ করে।
45

Which of the following words is spelt correctly?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. authoratative
  2. autheritative
  3. authoritative
  4. authoratative

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সঠিক বানান Authoritative যার অর্থ প্রামাণিক; পাণ্ডিত্যপূর্ণ; কর্তৃত্বপূর্ণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (গ) authoritative
এই বানানটিই নির্ভুল। শব্দটির অর্থ হলো কর্তৃত্বপূর্ণ, প্রামাণ্য বা নির্ভরযোগ্য। শব্দটি এসেছে authority (কর্তৃপক্ষ) রুট থেকে।
ভুল বানানগুলো সাধারণত 'i' এবং 'a' এর ভুল ব্যবহারের কারণে তৈরি হয়। যেমন:
• author**a**tative: ভুল, কারণ এখানে 'i' এর বদলে 'a' ব্যবহার করা হয়েছে।
• auth**e**ritative: ভুল, কারণ 'author' (অথর) অংশটি সঠিকভাবে লেখা হয়নি।
সঠিক গঠন: A-U-T-H-O-R-I-T-A-T-I-V-E
এই শব্দে 'I' দুটি স্থানে ব্যবহৃত হয়েছে, যার মধ্যে দ্বিতীয় 'I' টিই ভুল করার প্রধান কারণ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

Find out the active form of the sentence: 

‘By whom can our country be saved?’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Who can save our country?
  2. Our country has been saved by who?
  3. Who save our country?
  4. Who will save our country?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Passive হিসেবে [By whom + aux (tense অনুযায়ী) + subject (object থেকে প্রাপ্ত) + VPP?] structure থাকলে active করার নিয়ম: Who + aux [Tense অনুযায়ী] + verb + object. নিয়ম অনুযায়ী সঠিক উত্তর হবে

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Who can save our country? (অপশন: 1)।
প্রদত্ত বাক্যটি হলো একটি Interrogative Sentence এবং Passive Voice-এ আছে। এর Active রূপান্তর করার জন্য কিছু মৌলিক নিয়ম অনুসরণ করতে হবে:
১. ‘By whom’ দ্বারা শুরু হওয়া Passive Voice-এর Active রূপান্তরের সময় ‘By whom’ পরিবর্তিত হয়ে ‘Who’ হয়। কারণ, Active Voice-এ Who ছিল Subject হিসেবে এবং Passive Voice-এ সেটি Agent হিসেবে By whom হয়েছে।
২. বাক্যটিতে Modal Auxiliary Verb ‘can’ ব্যবহার করা হয়েছে। Passive Voice-এ Modal + be + V3 (can be saved) হয়। Active Voice-এ এর রূপান্তর হবে Modal + V1 (can save)।
৩. Passive-এর Object (our country) Active-এর Object হিসেবেই থাকবে।
৪. সঠিক Active Structure হবে: Who + Modal + V1 + Object?
অর্থাৎ: Who can save our country?
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সেগুলোতে টেন্স (Tense) বা Modal-এর ভুল ব্যবহার করা হয়েছে (যেমন: has been saved বা will save)।
47

Identify the correct passive form: 

‘Do not close the door.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Let not the door close.
  2. Let not the door be closed.
  3. Let not the door close.
  4. Let not door closed.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Imperative sentence এ passive করতে Do not এর পরিবর্তে Let not + sub + be + v3. সুতরাং সঠিক উত্তর হবে Let not the door be closed.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি ('Do not close the door.') একটি নিষেধসূচক অনুজ্ঞা বা Imperative (Prohibitive) Sentence। এই ধরনের বাক্যকে Passive করার জন্য একটি নির্দিষ্ট কাঠামো অনুসরণ করতে হয়।
নিয়ম: Negative Imperative বাক্যের Passive রূপান্তর করার জন্য Let not + Object + be + Past Participle (V3) কাঠামোটি ব্যবহার করা হয়।
এখানে, Active বাক্যে Object হলো ‘the door’ এবং মূল ক্রিয়া হলো ‘close’, যার V3 ফর্ম হলো ‘closed’
নিয়মটি প্রয়োগ করলে পাওয়া যায়: Let not + the door + be + closed.
সঠিক উত্তর: Let not the door be closed. (অপশন B)
অন্যান্য অপশনগুলি (যেমন: ‘Let not the door close.’) ভুল, কারণ Passive Voice-এর অপরিহার্য অংশ ‘be + V3’ কাঠামোটি সেখানে অনুপস্থিত।
48

Sitting happily, the chicken laid eggs. The underlined part is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. noun clause
  2. subordinate clause
  3. independent clause
  4. coordinate clause

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Sitting happily, the chicken laid eggs’ sentence টির Sitting happily অংশটুকু subordinate clause. কারণ এটি Principal clause ‘the chicken laid eggs’ ছাড়া পরিপূর্ণ অর্থ প্রকাশ করতে অসমর্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Subordinate Clause
প্রদত্ত বাক্যে, 'the chicken laid eggs' হলো মূল বা স্বাধীন বাক্যংশ (Independent Clause)।
'Sitting happily' অংশটি মূল বাক্যংশের ওপর নির্ভরশীল এবং এটি মুরগিটি কী অবস্থায় ডিম পাড়ছিল তা বর্ণনা করছে। তাই এটি একটি নির্ভরশীল কাঠামো (Dependent structure)।
ব্যাকরণগতভাবে, 'Sitting happily' হলো একটি Participial Phrase কারণ এতে কোনো Finite Verb (সমাপিকা ক্রিয়া) বা সুস্পষ্ট Subject নেই। যেহেতু এটি Main Clause-কে মডিফাই করছে, এটি একটি Adverbial (ক্রিয়া বিশেষণ) হিসেবে কাজ করে।
BCS সহ বিভিন্ন চাকরির পরীক্ষায়, যে নির্ভরশীল অংশটি (Dependent Part) বাক্যের প্রধান অংশকে (Main Part) মডিফাই করে কিন্তু নিজে স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তাকে বৃহত্তর অর্থে Subordinate Clause (নির্ভরশীল খণ্ডবাক্য) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, বিশেষ করে যখন 'Phrase' অপশনে অনুপস্থিত থাকে।
অন্যদিকে, Noun Clause বাক্যে Noun-এর কাজ করে, Independent Clause স্বাধীনভাবে অর্থ প্রকাশ করে এবং Coordinate Clause দুটি সমান গুরুত্বপূর্ণ বাক্যংশকে (and, but, or) দ্বারা যুক্ত করে—যা এখানে প্রযোজ্য নয়।
49

What kind of noun is ‘river’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Material
  2. Collective
  3. Proper
  4. Common

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যেসব noun নির্দিষ্ট কোনো কিছুকে না বুঝিয়ে একটি নির্দিষ্ট শ্রেণির ব্যক্তি বা বস্তুর প্রত্যেকের সাধারণ নাম বোঝায় তাদেরকে common noun বলে। যেমন: Man, flower, girl, bird, fish, river ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Common Noun (জাতিবাচক বিশেষ্য)
কারণ, 'river' শব্দটি দ্বারা কোনো নির্দিষ্ট একটি নদীকে না বুঝিয়ে, নদী শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত যেকোনো নদীকে সাধারণভাবে বোঝানো হয়। যে Noun দ্বারা একই শ্রেণি বা জাতির সকল ব্যক্তি, স্থান বা বস্তুকে বোঝায়, তাকেই Common Noun বলে।
যেমন: যদি বলা হয় Padma, তবে সেটি Proper Noun (নির্দিষ্ট নাম)। কিন্তু পদ্মাকে যে নামে ডাকা হয় (river), সেই নামটি হলো Common Noun
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: Proper Noun নির্দিষ্ট নাম বোঝায়; Material Noun পদার্থ বা উপাদান বোঝায় (যেমন: Water); এবং Collective Noun কোনো সমষ্টি বা দলকে বোঝায় (যেমন: Fleet, Army)।
50

Identify the right tense: 

‘My father ___ before I came’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. would be leaving
  2. had been leaving
  3. had left
  4. will leave

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অতীতকালের দুটি কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকলে তাদের মধ্যে যেটি আগে ঘটেছিল সেটির past perfect tense হয় এবং যেটি পরে হয়েছিল সেটির simple past tense হয়। এক্ষেত্রে, before এবং after conjunction হিসেবে ব্যবহৃত হলে ‘before’ এর পূর্বে past perfect এবং পরে past indefinite হয়। after এর ক্ষেত্রে past perfect পরে এবং past indefinite পূর্বে হয়। Structure: sub + had + v3 + before + sub + v2. Structure: sub + v2 + after + sub + had + v3. সুতরাং সঠিক উত্তর হবে had left.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: (c) had left
এই বাক্যটি Sequence of Tenses বা টেন্সের ধারাবাহিকতার নিয়ম মেনে চলে। যখন অতীতে দুটি কাজ সংঘটিত হয় এবং একটি কাজ অন্যটির আগে শেষ হয়, তখন এই নিয়মটি প্রযোজ্য।
নিয়ম: যে কাজটি তুলনামূলকভাবে আগে ঘটেছিল, তা Past Perfect Tense (Subject + had + V3) হবে। আর যে কাজটি পরে ঘটেছিল, তা Simple Past Tense (Subject + V2) হবে।
এখানে, ‘My father leaving’ (বাবার চলে যাওয়া) কাজটি ‘I came’ (আমার আসার) কাজটির আগে ঘটেছে।
অতএব, প্রথম অংশটি Past Perfect হবে: My father had left। দ্বিতীয় অংশটি Simple Past হবে: I came
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: ‘will leave’ ভবিষ্যৎ কাল হওয়ায় ভুল; ‘would be leaving’ অথবা ‘had been leaving’ এই প্রসঙ্গে সঠিক নয় কারণ ‘leave’ একটি মুহূর্তের কাজ, যা সাধারণত Continuous Tense-এ ব্যবহৃত হয় না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

Which of the following words is spelt incorrectly?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. reminescence
  2. glycerin
  3. idiosyncrasy
  4. lexicography

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভুল বানান reminescence. সঠিক বানান হবে reminiscence (স্মৃতিচারণ বা পূর্ব স্মৃতি)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) reminescence, কারণ বানানটি ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
শব্দটির সঠিক বানান হলো: reminiscence। এর অর্থ হলো স্মৃতিচারণ, স্মৃতি বা অতীত স্মরণ।
ভুলটি হয়েছে ‘mini’ অংশে। শব্দের বানানটি হবে R E M I N I S C E N C E, যেখানে ভুল বানানে 'I' এর বদলে 'E' ব্যবহার করা হয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলোর বানান সম্পূর্ণ সঠিক:
১. glycerin (গ্লিসারিন) - সঠিক।
২. idiosyncrasy (স্বকীয়তা, খামখেয়াল) - সঠিক।
৩. lexicography (অভিধান প্রণয়নবিদ্যা) - সঠিক।
52

The controlling sentence of a paragraph is known as-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. content modulator
  2. terminator
  3. thesis statement
  4. topic sentence

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

একটি paragraph এর প্রধান idea টি যে বাক্যের দ্বারা প্রকাশিত হয় তাকে বলে Topic sentence. এটি সাধারণত কোন paragraph এর প্রথমে লেখা হয়। এ কারণেই Topic sentence কে মাঝে মাঝে paragraph এর controlling idea হিসেবে অভিহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Topic Sentence। একটি অনুচ্ছেদের (Paragraph) মূলভাব বা প্রধান যুক্তি যে বাক্য দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়, তাকে Topic Sentence বা মুখ্য বাক্য বলে। এটি অনুচ্ছেদের বক্তব্যকে ধারণ করে এবং পুরো অনুচ্ছেদটি কী নিয়ে আলোচনা করবে তার একটি রোডম্যাপ হিসেবে কাজ করে।
Topic Sentence-এর অবস্থান সাধারণত অনুচ্ছেদের প্রথমেই হয়ে থাকে। এটি পাঠকদের প্রস্তুত করে যে তারা কী পড়তে চলেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
- Thesis Statement: এটি হলো একটি সম্পূর্ণ প্রবন্ধ বা রচনার (Essay/Paper) মূল নিয়ন্ত্রক বাক্য, যা রচনার কেন্দ্রীয় যুক্তিকে তুলে ধরে। এটি একটি নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদের নিয়ন্ত্রক নয়।
- Terminator: এটি সাধারণত অনুচ্ছেদের শেষ বা সমাপ্তি নির্দেশ করে, নিয়ন্ত্রণ করে না।
53

Choose the correct comparative form of the sentence: 

‘Very few boys are as industrious as Zaman.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Zaman is one of the most industrious boys.
  2. Zaman is more industrious than most other boys.
  3. Zaman is really industrious like other boys.
  4. Zaman is as industrious as other boys.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Positive degree তে plural অর্থাৎ very few থাকলে comparative form হবে, Sub + Verb + comparative form of the positive form + than most other + extension.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি হলো Positive Degree-তে এবং এটি ‘Very few’ দিয়ে শুরু হয়েছে। বাক্যের গঠন অনুযায়ী, এটি Comparative Degree-তে রূপান্তরের একটি সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে।
নিয়ম: Positive Degree-তে যদি ‘Very few’ থাকে, তবে Comparative Degree-তে রূপান্তরের সময় than most other অথবা than many other ব্যবহার করতে হয়।
গঠন: New Subject (পরের অংশ) + Verb + Adjective এর Comparative Form + than most other + বাক্যের প্রথম অংশের বাকি অংশ।
এখানে, New Subject = Zaman; Comparative Form = more industrious; এবং এরপর বসবে than most other boys
অতএব, সঠিক উত্তর হলো: Zaman is more industrious than most other boys. (অপশন ২)
ভুল বিশ্লেষণ: অপশন ১ (Zaman is one of the most industrious boys) বাক্যটির Superlative Form। যেহেতু প্রশ্নে Comparative ফর্ম চাওয়া হয়েছে, তাই এটি উত্তর হবে না। অপশন ৩ ও ৪ ভুল গঠন অনুসরণ করেছে।
54

Identify the appropriate preposition: 

Your opinion is identical ____ mine.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. for
  2. in
  3. with
  4. by

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Identical with মানে হলো কারো মতামতের সাথে নিজের মতামতের মিল হওয়া। তাই এখানে with হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: with
এটি একটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়) সংক্রান্ত প্রশ্ন। Identical (অভিন্ন, হুবহু এক) শব্দটি সর্বদা তার সাদৃশ্য বা মিল বোঝাতে with গ্রহণ করে।
বাক্যটির সম্পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায়: 'আপনার মতামত আমার মতামতের হুবহু অনুরূপ (Identical with mine)।'
অন্যান্য অপশনগুলো (for, in, by) এই ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। 'Identical' এর সাথে 'to' বা 'with' ব্যবহৃত হতে পারে, তবে তুলনা বা মিল বোঝাতে with খুবই প্রচলিত এবং সঠিক।
55

The Word ‘vital’ is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. noun
  2. adverb
  3. adjective
  4. verb

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Vital হলো adjective. সাধারণত suffix ‘al’ যোগে শব্দগুলো adjective হয়। যেমন: Political, Special, Social ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Adjective
Vital শব্দটি একটি বিশেষণ (Adjective)। এর অর্থ হলো গুরুত্বপূর্ণ, অপরিহার্য বা প্রাণবন্ত
যে শব্দগুলো কোনো Noun বা Pronoun-এর দোষ, গুণ, অবস্থা, বা পরিমাণ নির্দেশ করে, তাদের Adjective বলে।
উদাহরণস্বরূপ: This information is vital (এই তথ্যটি গুরুত্বপূর্ণ)।
Adverb হতে হলে সাধারণত এর শেষে -ly যুক্ত হয় (যেমন: vitally)। এটি ক্রিয়া বা বিশেষণকে modify করে।
Noun বা Verb হিসেবে এটি ব্যবহৃত হয় না, বরং Noun এর পূর্বে বসে তাকে modify করে, যা Adjective এর কাজ।
56

Francis Bacon is an illustrious-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. essayist
  2. dramatist
  3. novelist
  4. journalist

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Francis Bacon ছিলেন Elizabethan যুগের একজন ইংরেজ রাজনীতিবিদ, দার্শনিক ও সরকারি আইনজীবী। সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন গদ্য সাহিত্যিক। তিনি Essay বা প্রবন্ধ রচনার ক্ষেত্রে খ্যাতি অর্জন করেন। তাঁকে ‘Father of English Essay’ বলা হয়। তাঁর অধিকাংশ প্রবন্ধের শুরুতে ‘of’ শব্দটি আছে। Of Truth, Of Death, Of Marriage and Single life ইত্যাদি তাঁর কিছু বিখ্যাত Essay.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: essayist
Francis Bacon (ফ্রান্সিস বেকন) হলেন ইংরেজি সাহিত্যের প্রথম দিককার অত্যন্ত প্রভাবশালী একজন লেখক। তিনি মূলত তাঁর অসাধারণ গদ্য রচনা এবং প্রজ্ঞাভিত্তিক প্রবন্ধের (Essays) জন্য বিখ্যাত।
সাহিত্যের এই শাখায় তাঁর অবদান এতটাই গভীর যে তাঁকে 'Father of English Essay' (ইংরেজি প্রবন্ধের জনক) বলা হয়। তিনি ফরাসি লেখক Michel de Montaigne-এর দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে ইংরেজিতে প্রবন্ধ রচনা জনপ্রিয় করেন।
তাঁর প্রবন্ধগুলো (যেমন: Of Studies, Of Truth, Of Riches) aphoristic (সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থপূর্ণ) এবং নৈতিক উপদেশে পূর্ণ ছিল।
তিনি dramatist, novelist, বা journalist ছিলেন না। তাঁর মূল পরিচয় দার্শনিক এবং সাহিত্যিক হিসেবে, যেখানে 'essayist' শব্দটি সর্বাধিক প্রযোজ্য।
57

‘Sweet are the uses of adversity’ is quoted from shakespear’s-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Julias Caesar
  2. Macbeth
  3. Comedy of Errors
  4. As you Like it

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার William Shakespeare রচিত As you Like it নামক নাটকের দ্বিতীয় অংশের প্রথম দৃশ্যে Duke Senior নামক চরিত্র প্রশ্নে উল্লিখিত সংলাপটি বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো—As you Like it
এই বিখ্যাত উক্তিটি (‘Sweet are the uses of adversity’) ইংরেজি সাহিত্যের কালজয়ী নাট্যকার William Shakespeare-এর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক কমেডি নাটক As You Like It থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই উক্তিটি নাটকটির কেন্দ্রীয় চরিত্র Duke Senior-এর মুখ থেকে শোনা যায়। এর মাধ্যমে বোঝানো হয় যে, বিপদ বা প্রতিকূলতার (Adversity) মধ্যেও কিছু ভালো দিক বা কল্যাণকর ব্যবহার লুকিয়ে থাকে, যা জীবনকে আরও মিষ্টি করে তোলে।
58

Alexander Pope’s ‘Essay on Man’ is a-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. novel
  2. treatise
  3. short story
  4. poem

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের Neo Classical যুগের Augustan Period এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি Alexander Pope. তাঁর রচিত An Essay on Man নামক রচনাটির শুরুতে Essay থাকলেও এটি মূলত একটি কবিতা। এই কবিতায় তিনি তাঁর স্বভাবসুলভ ব্যঙ্গবিদ্রুপের ভাষা ত্যাগ করে মানবীয় দর্শনের কথা ফুটিয়ে তুলেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Poem (কবিতা)
Alexander Pope এর 'Essay on Man' মূলত একটি দার্শনিক কাব্য (philosophical poem)। এটি চারটি ভাগে (epistles) বিভক্ত এবং এটি মানব প্রকৃতি, নৈতিকতা ও বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে মানুষের অবস্থান নিয়ে লেখা একটি গভীর আলোচনা।
সাহিত্যিক দিক থেকে এর রূপ গদ্য নয়, এটি পদ্য বা ভার্স (verse) আকারে রচিত। তাই এর সঠিক সাহিত্যিক ধরণ হলো Poem
অনেকে এটিকে Treatise (প্রবন্ধ বা সন্দর্ভ) মনে করতে পারেন, কারণ এর বিষয়বস্তু দার্শনিক; কিন্তু যেহেতু এটি কবিতার ছন্দে লেখা হয়েছে (বিশেষত **Heroic Couplet**), তাই এর মূল শ্রেণীবিভাগ Poem
59

“Life’s but a walking shadow, a poor player, That struts and frets his hour upon the stage, And then is heard no more.” These memorable lines in Shakespearen tragedy are spoken by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Lady Macbeth
  2. Banquo
  3. Duncan
  4. Macbeth

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

William Shakespeare রচিত অন্যতম বিখ্যাত ট্রাজেডি Macbeth. এই নাটকের চরিত্র Macbeth উল্লিখিত সংলাপটি বলেন যখন তাঁর স্ত্রী Lady Macbeth আত্মহত্যা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Macbeth
এই অবিস্মরণীয় লাইনগুলি বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার William Shakespeare রচিত ট্র্যাজেডি 'Macbeth' নাটকের অংশ।
নাটকের Act V, Scene 5-এ এই উক্তিটি আসে, যখন Macbeth তার স্ত্রী Lady Macbeth-এর মৃত্যুর সংবাদ শোনেন। জীবনের প্রতি চরম বিতৃষ্ণা, হতাশা এবং অর্থহীনতা প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি এই সোলিলোকিটি (Soliloquy) উচ্চারণ করেন।
এখানে জীবনকে তিনি 'a walking shadow' (চলন্ত ছায়া) এবং 'a poor player' (দুর্বল অভিনেতা) এর সাথে তুলনা করেছেন, যে মঞ্চে কিছু সময়ের জন্য দম্ভ করে কিন্তু তারপর আর তার অস্তিত্ব থাকে না।
অন্যান্য চরিত্র যেমন Lady Macbeth এই দৃশ্য আসার আগেই মারা যান। Duncan এবং Banquo নাটকের অনেক আগেই Macbeth-এর হাতে নিহত হন, তাই এই উক্তি করার সুযোগ তাদের ছিল না।
60

“All changed, changed utterly: A terrible beauty is born.” This extract is taken from W.B. Yeats poem titled-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. No second Troy
  2. Easter 1916
  3. The Second Coming
  4. The Wild Swans at Coole

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯১৬ সালে আয়ারল্যান্ডে ব্রিটিশ সরকারের বিরুদ্ধে একটি বিদ্রোহ হয়, যার ফলস্বরূপ বেশ কয়েকজন আইরিশ জাতীয়তাবাদীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল যাদের Yeats ব্যক্তিগতভাবে জানতেন, তাদেরকে উদ্দেশ্য করে W.B. Yeats কবিতাটি রচিত করেন। উল্লিখিত পঙ্‌ক্তিগুলো এই কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

এই বিখ্যাত উদ্ধৃতিটি (Quotation) আইরিশ কবি W.B. Yeats-এর লেখা অন্যতম শ্রেষ্ঠ রাজনৈতিক কবিতা "Easter 1916" থেকে নেওয়া হয়েছে।
১৯১৬ সালের এপ্রিল মাসে ডাবলিনে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে যে ইস্টার রাইজিং (Easter Rising) নামে বিদ্রোহ সংঘটিত হয়, সেটির বীরত্ব ও মর্মান্তিক পরিণতি বর্ণনা করতেই কবি এই লাইনটি ব্যবহার করেন।
লাইনটির অর্থ হলো, ভয়ংকর রক্তক্ষয় ও পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে একটি 'ভয়ঙ্কর সৌন্দর্য' (terrible beauty) বা নতুন জাতীয়তাবাদী চেতনার জন্ম হয়েছে।
বাকি অপশনগুলোর মধ্যে 'The Second Coming' কবিতাটির বিখ্যাত লাইন হলো— "Things fall apart; the centre cannot hold..." এটিও পরীক্ষায় খুব বেশি আসে।
61

The poetic drama ‘Murder in the Cathedral’ was written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Harold Pinter
  2. G.B. Shaw
  3. T.S. Eliot
  4. Samuel Beckett

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

T.S. Eliot একজন কবি, প্রাবন্ধিক, প্রকাশক, নাট্যকার, সাহিত্য সমালোচক এবং সম্পাদক ছিলেন। Murder in the Cathedral ছিল T.S. Eliot এর সবচেয়ে সফল Play. T.S. Eliot রচিত আরো কিছু সাহিত্যকর্ম- The Love Song of J. Alfred Prufrock (1915), The Waste Land (1922), Four Quartets (1943), Murder in the Cathedral (1935).

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: T.S. Eliot (টি. এস. এলিয়ট)
'Murder in the Cathedral' হলো T.S. Eliot রচিত একটি বিখ্যাত Poetic Drama (কাব্যিক নাটক)
এটি ১৯৩৫ সালে প্রকাশিত হয় এবং নাটকটির পটভূমি হলো ইংল্যান্ডের Archbishop Thomas Becket-এর হত্যাকাণ্ড।
T.S. Eliot হলেন আধুনিক যুগের (Modern Period) অন্যতম প্রভাবশালী কবি এবং নাট্যকার, যিনি ১৯৪৮ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: G.B. Shaw ছিলেন একজন আইরিশ নাট্যকার, যিনি বাস্তবধর্মী নাটক (যেমন- Pygmalion) এর জন্য বিখ্যাত।
আর Samuel Beckett ছিলেন Absurd Drama বা অ্যাবসার্ড নাটকের অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব (যেমন- Waiting for Godot).
62

‘All for Love’ is a drama written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Dryden
  2. William Congreve
  3. John Bunyan
  4. Francis Bacon

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Father of Modern English Criticism নামে বিখ্যাত ইংরেজ সাহিত্যিক Jhon Dryden এর লিখিত Heroic Tragedy হলো All for Love. ক্লিওপেট্রা ও এন্টনির একে অপরের জন্য প্রাণ দেওয়া নিয়ে এই নাটকের কাহিনি রচিত। ‘Love for Love’ drama টির রচয়িতা William Congreve.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: John Dryden (জন ড্রাইডেন)।
‘All for Love; or, The World Well Lost’ নাটকটি লেখা হয়েছিল ১৬৭৭ সালে। এটি একটি Neoclassical Tragedy (নব্য-ধ্রুপদী ট্র্যাজেডি)।
এটি William Shakespeare-এর বিখ্যাত নাটক ‘Antony and Cleopatra’-এর উপর ভিত্তি করে রচিত, কিন্তু এটি সম্পূর্ণ Blank Verse (অমিত্রাক্ষর ছন্দে) লেখা।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
William Congreve: তিনি ছিলেন কমেডির জন্য বিখ্যাত (যেমন: The Way of the World)। তিনি ড্রামাটি লেখেননি।
John Bunyan: তিনি The Pilgrim’s Progress-এর লেখক, যা ধর্মীয় রূপকধর্মী সাহিত্য।
Francis Bacon: তিনি ছিলেন প্রখ্যাত প্রবন্ধকার ও দার্শনিক (Essays)। তিনি নাটকের জন্য বিখ্যাত ছিলেন না।
63

Caliban is an important character from Shakespear’s-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Hamlet
  2. The Tempest
  3. Macbeth
  4. Othello

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Shakespeare এর রচিত শেষ নাটক The Tempest এর অন্যতম চরিত্র Caliban. এটি একটি অর্ধ-মানব অর্ধ-দানব প্রকৃতির সত্তা। সে Prospero এর ভৃত্য হিসেবে থাকে। এই নাটকের আরোও কিছু চরিত্র- Prospero, Ariel, Miranda, Ferdinand, Alonso.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: The Tempest
Caliban চরিত্রটি উইলিয়াম শেক্সপিয়রের বিখ্যাত রোমান্টিক কমেডি নাটক “The Tempest”-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্র।
Caliban হলো ওই দ্বীপের আদি বাসিন্দা, যাকে জাদুকর Prospero ক্রীতদাস হিসেবে ব্যবহার করতেন। চরিত্রটিকে মূলত প্রাকৃতিক শক্তি বা বিকৃত মানবতার প্রতীক হিসেবে দেখানো হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
Hamlet: এর প্রধান চরিত্র হলো Prince Hamlet, Ophelia এবং Claudius
Macbeth: এর প্রধান চরিত্র হলো স্কটিশ জেনারেল Macbeth এবং Lady Macbeth
Othello: এর প্রধান চরিত্র হলো Othello, Desdemona এবং Iago
64

‘Caesar and Cleopatra’ is-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a tragedy by William Shakespeare
  2. a poem by Lord Byron
  3. a play by Bernard Shaw
  4. a novel by S.T. Coleridge

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আধুনিক ইংরেজি সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ নাট্যকার George Bernard Shaw রচিত একটি নাটক Caesar and Cleopatra. এ নাটকে রানি ক্লিওপেট্রাও রোমান সম্রাট জুলিয়াস সিজার এর মধ্যে কাল্পনিক সম্পর্ক দেখানো হয়েছে। অপরদিকে ‘Antony and Cleopatra’ drama টি William Shakespeare এর রচিত বিখ্যাত ট্রাজেডি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: (c) a play by Bernard Shaw
‘Caesar and Cleopatra’ একটি বিখ্যাত ঐতিহাসিক নাটক, যা আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ' (George Bernard Shaw) রচনা করেন।
এই নাটকে জুলিয়াস সিজার এবং মিশরের কিশোরী রানি ক্লিওপেট্রা-র প্রথম সাক্ষাতের পটভূমি ও সম্পর্ক তুলে ধরা হয়েছে। এটি ১৮৯৮ সালে লেখা হয় এবং বার্নার্ড শ'য়ের প্রথম সফল নাটকগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: William Shakespeare ‘Julius Caesar’ এবং ‘Antony and Cleopatra’ লিখলেও এই নির্দিষ্ট শিরোনামের নাটকটি তার লেখা নয়। Lord Byron এবং S.T. Coleridge মূলত কবি ছিলেন।
65

Who wrote the picaresque novel titled ‘Tom Jones’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Samuel Richardson
  2. Horace Walpole
  3. Henry Fielding
  4. Laurence Sterne

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের উপন্যাস এর জনক Henry Fielding রচিত অন্যতম উপন্যাস Tom Jones. একে Picaresque Novel বলা হয়। এ ধরনের উপন্যাসে সমাজের নিচু শ্রেণি থেকে উঠে আসা নায়কের বর্ণনা দেওয়া হয়। যে তার বুদ্ধিমত্তা দিয়ে সমাজে টিকে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Henry Fielding
বিখ্যাত পিকাৰেষ্ক (picaresque) ঘরানার উপন্যাস ‘The History of Tom Jones, a Foundling’ বা সংক্ষেপে ‘Tom Jones’ রচনা করেন ইংরেজ লেখক Henry Fielding। এটি ১৭৪৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি সাহিত্যের ইতিহাসের অন্যতম প্রভাবশালী উপন্যাস হিসেবে বিবেচিত।
পিকাৰেষ্ক উপন্যাস হলো এমন এক ধরনের সাহিত্য, যেখানে সমাজের নিম্ন স্তরের একজন ভবঘুরে বা চতুর নায়ককে (pícaro) কেন্দ্র করে গল্প আবর্তিত হয়, যেখানে সে বিভিন্ন মজার ও বিপদসংকুল পরিস্থিতিতে পড়ে। Henry Fielding এই ঘরানার অন্যতম শ্রেষ্ঠ লেখক।
অন্যান্য বিকল্প: Samuel Richardson হলেন ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম আদি ঔপন্যাসিক, যিনি ‘Pamela’‘Clarissa’-এর মতো পত্র-আকারের (epistolary) উপন্যাসের জন্য বিখ্যাত। Horace Walpole হলেন প্রথম Gothic Novel, ‘The Castle of Otranto’-এর লেখক।
66

The story of ‘Moby Dick’ centres on-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a mermaid
  2. a whale
  3. a crocodile
  4. a shark

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মার্কিন সাহিত্যিক Herman Melville লিখিত কালজয়ী উপন্যাস Moby Dick একটি স্পার্ম তিমিকে নিয়ে, যে উপন্যাসের নায়ক Ahab এর পা হাঁটু থেকে কামড়ে নিয়েছিলো। Ahab এর প্রতিশোধের কাহিনিই বর্ণিত হয়েছে উপন্যাসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: a whale (একটি তিমি)।
বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক হারম্যান মেলভিল (Herman Melville) রচিত মহাকাব্যিক উপন্যাস হলো ‘Moby Dick’ (মোবি ডিক)। এই উপন্যাসের মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে Moby Dick নামক এক বিশাল সাদা তিমি মাছকে কেন্দ্র করে।
উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হলেন ক্যাপটেন আহাব (Captain Ahab), যিনি এই তিমি মাছটির (Moby Dick) উপর প্রতিশোধ নিতে চান কারণ তিমিটি তার একটি পা কেড়ে নিয়েছিল।
অতএব, গল্পটির কেন্দ্রবিন্দু হলো এই সাদা তিমিটি
67

‘He prayeth best, who loveth best.’ Who said it?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Milton
  2. John Donne
  3. Lord Byron
  4. S.T. Coleridge

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রোমান্টিক যুগের অন্যতম কবি S.T. Coleridge এর লিখিত বিখ্যাত কবিতা The Rime of the Ancient Mariner. প্রশ্নে উল্লিখিত লাইনটি এই কবিতা থেকেই নেয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: S.T. Coleridge (স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ)।
এই বিখ্যাত উক্তিটি (He prayeth best, who loveth best) তাঁর মহাকাব্যিক কবিতা ‘The Rime of the Ancient Mariner’-এর সমাপ্তি অংশে বলা হয়েছে।
কবিতাটির মূল উপজীব্য হলো প্রকৃতির প্রতি প্রেম ও সম্মান দেখানো। উদ্ধৃত বাক্যটির মাধ্যমে কবি এই নৈতিক শিক্ষাটি দেন যে, স্রষ্টার সৃষ্টিকে যে সবচেয়ে বেশি ভালোবাসে, তার প্রার্থনাই শ্রেষ্ঠ।
S.T. Coleridge ইংরেজি সাহিত্যের Romantic Period-এর অন্যতম প্রধান কবি ছিলেন। তিনি কল্পনার ব্যবহার, বিশেষত অতিপ্রাকৃত (Supernatural) বিষয়ের জন্য বিখ্যাত।
অন্যান্য অপশন, যেমন John Milton (Epic Poet) এবং John Donne (Metaphysical Poet) সম্পূর্ণ ভিন্ন সাহিত্য যুগের হওয়ায় এই উক্তিটি তাদের নয়।
68

‘Paradise Lost’ attempted to-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. justify the ways of man to God.
  2. show that Satan and God have equal power.
  3. justify the ways of God to man.
  4. explain why both good and evil are necessary.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

John Milton রচিত বিখ্যাত মহাকাব্য Paradise Lost. এতে আদি পুরুষ ও আদি নারী এর স্বর্গ থেকে বিতাড়িত হবার কাহিনির মাধ্যমে মানুষের প্রতি ঈশ্বরের ন্যায় বিচার প্রতিপন্ন করেছে। তাই বলা হয়, এই মহাকাব্যটি Attempted to Justify the ways of God to Man.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: justify the ways of God to man
মহাকবি John Milton (জন মিল্টন) রচিত মহাকাব্য Paradise Lost-এর মূল উদ্দেশ্য বা থিম হলো— ঈশ্বরের (God’s) ঐশ্বরিক বিধান এবং মানুষের সৃষ্টি ও পতনের ক্ষেত্রে ঈশ্বরের ভূমিকা মানুষের কাছে যৌক্তিক প্রমাণ করা।
কাব্যের শুরুতে (Book 1) কবি নিজেই তার উদ্দেশ্য বর্ণনা করেছেন: “To assert Eternal Providence, / And justify the ways of God to men.”
অপশন 'justify the ways of man to God' ভুল, কারণ মহাকাব্যের মূল ফোকাস হলো God’s Providence, যা মানুষের কাছে যৌক্তিক প্রমাণ করার চেষ্টা করা হয়েছে।
69

“Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud! I fall upon the thorns of life! I bleed!” The extract is taken from P.B. Shelley’s poem-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The Cloud
  2. To a Skylark
  3. Ode to the West Wind
  4. Adonais

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রোমান্টিক যুগের Revolutionary Poet হিসেবে বিখ্যাত P.B. Shelley রচিত Ode to the West Wind কবিতা থেকে প্রদত্ত পঙ্‌ক্তিগুলো চয়িত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত অংশটি ('Oh, lift me as a wave, a leaf, a cloud! I fall upon the thorns of life! I bleed!') নেওয়া হয়েছে রোমান্টিক যুগের বিখ্যাত কবি P.B. Shelley-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা "Ode to the West Wind" থেকে।
এটি কবিতার পঞ্চম ও শেষ স্তবক (Stanza V)-এর অংশ। এই অংশে কবি ব্যক্তিগত হতাশা ও দুঃখকে (I fall upon the thorns of life! I bleed!) প্রকৃতির অদম্য শক্তির (West Wind) সাথে মিশিয়ে দিতে চেয়েছেন, যাতে তিনি নতুনভাবে উদ্দীপিত হতে পারেন।
কবিতার মূল থিম হলো—ধ্বংসের মধ্যেই নতুন সৃষ্টির বীজ লুকিয়ে থাকে। কবি প্রার্থনা করছেন, West Wind যেন তার চিন্তাভাবনাকে বিশ্বের আনাচে-কানাচে ছড়িয়ে দেয়, ঠিক যেমনভাবে বাতাস পাতা ও মেঘকে চালিত করে।
অন্যান্য অপশন যেমন The Cloud, To a Skylark, এবং Adonais সবই শেলীর লেখা বিখ্যাত কবিতা হলেও, জীবন-যন্ত্রণার এত তীব্র অভিব্যক্তি এবং 'thorns of life'-এর সরাসরি উল্লেখ শুধুমাত্র Ode to the West Wind-এ পাওয়া যায়।
70

Who wrote the short story ‘The Ant and the Grasshopper’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Guy de Maupassant
  2. W. Somerest Maugham
  3. J.K. Rawlings
  4. O’Henry

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিখ্যাত উপন্যাসিক ও ছোটগল্প লেখক W.S. Maugham এর রূপকথা ধর্মী শিক্ষামূলক গল্প The Ant and the Grasshopper. সুসময়ে সঞ্চয়ের শিক্ষা দেওয়া হয়েছে এ গল্পে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: W. Somerset Maugham
W. Somerset Maugham (উইলিয়াম সমারসেট মঘাম) ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক এবং ছোটগল্পকার। তার বিখ্যাত ছোটগল্প সংকলন ‘Cosmopolitans’-এর অংশ হিসেবে ১৯২৪ সালে এই গল্পটি প্রকাশিত হয়।
এই গল্পটি হলো প্রাচীন গ্রিক ফেইবলিস্ট Aesop-এর ‘The Ant and the Grasshopper’ উপকথাটির আধুনিক নৈতিক বিশ্লেষণ। গল্পে পরিশ্রমী ভাই জর্জ র‍্যামসে (Ant) এবং অলস ভাই টম র‍্যামসে (Grasshopper)-এর জীবনের বৈপরীত্য তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ লেখক হলেও এই গল্পের রচয়িতা নন। O’Henry তার ক্লাইম্যাক্সের জন্য বিখ্যাত (যেমন: The Gift of the Magi), এবং Guy de Maupassant ফরাসি সাহিত্যের বিখ্যাত ছোটগল্পকার (যেমন: The Necklace)। J.K. Rawlings হ্যারি পটার সিরিজের জন্য সুপরিচিত আধুনিক ঔপন্যাসিক।
71

বাংলাদেশের সংবিধানের রক্ষক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতীয় সংসদ
  2. শাসন বিভাগ
  3. সুপ্রিম কোর্ট
  4. আইন মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সংবিধান হলো বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আইন। সংবিধানের ৯৪নং অনুচ্ছেদে সুপ্রিম কোর্ট প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে এবং ১০৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে আইনের প্রশ্নে কোনো ব্যাখ্যার দরকার হলে রাষ্ট্রপতি সুপ্রিম কোর্টের শরণাপন্ন হবেন। তাই বলা যায়, বাংলাদেশে সংবিধানের অভিভাবক, রক্ষক বা ব্যাখ্যাকারক সুপ্রিম কোর্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। এটি সংবিধানের অভিভাবক (Guardian) এবং চূড়ান্ত ব্যাখ্যাকারক হিসেবে কাজ করে।
বাংলাদেশের সংবিধানের ষষ্ঠ ভাগে বিচার বিভাগ নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বিচারিক পর্যালোচনার (Judicial Review) মাধ্যমে নিশ্চিত করে যে, আইনসভা (জাতীয় সংসদ) বা নির্বাহী বিভাগ কর্তৃক গৃহীত কোনো পদক্ষেপ যেন সংবিধানের সাথে সাংঘর্ষিক না হয়।
সংবিধানের ১০২ নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্ট জনগণের মৌলিক অধিকার রক্ষার্থে রিট জারি করতে পারে, যা সংবিধানের রক্ষক হিসেবে এর ভূমিকাকে নিশ্চিত করে।
জাতীয় সংসদ আইন তৈরি করে, শাসন বিভাগ সেই আইন প্রয়োগ করে, কিন্তু সেই আইন ও প্রয়োগ সংবিধানসম্মত কিনা, তা পরীক্ষা করে সুপ্রিম কোর্ট
72

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপি
  3. গৌড়
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রাচীন সভ্যতার নিদর্শনের দিক থেকে পুণ্ড্রই ছিল প্রাচীন বাংলার সবচেয়ে প্রাচীন ও সমৃদ্ধ জনপদ। পুণ্ড্র রাজ্যের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর যা বর্তমানে মহাস্থানগড় নামে পরিচিত, এটি বর্তমানে বাংলাদেশের বগুড়ায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্র
বাংলার ইতিহাস অনুযায়ী, পুণ্ড্র হলো সর্বপ্রাচীন জনপদ। এটি মূলত বাংলার উত্তর অংশে (বর্তমানে রাজশাহী ও বগুড়া অঞ্চল) প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
পুণ্ড্র জনপদটি মৌর্য শাসনামলের পূর্ব থেকেই বিদ্যমান ছিল। এর অস্তিত্ব খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতকেও পাওয়া যায়। এই জনপদের রাজধানীর নাম ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমানে বগুড়ার মহাস্থানগড় নামে পরিচিত।
ঐতিহাসিকদের মতে, প্রাচীন সংস্কৃত সাহিত্য 'ঐতরেয় আরণ্যক'-এ পুণ্ড্রদের নাম উল্লেখ রয়েছে, যা এর প্রাচীনত্ব প্রমাণ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, গৌড় জনপদ রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও এটি পুণ্ড্রের তুলনায় অনেক পরে আবির্ভূত হয়। তাম্রলিপি ছিল গুরুত্বপূর্ণ বন্দর ও জনপদ, আর হরিকেল ছিল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত, যা পুণ্ড্রের অনেক পরে গঠিত হয়।
73

বাংলাদেশের বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্গ
প্রাচীনকালে বৃহত্তর ঢাকা অঞ্চলটি বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল। বঙ্গ জনপদটি মূলত বর্তমান বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চল (যেমন: ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ/বিক্রমপুর, ফরিদপুর) এবং দক্ষিণ-পূর্বাংশের কিছু অংশ জুড়ে বিস্তৃত ছিল।
বঙ্গ জনপদেরই একটি অংশ ছিল বিক্রমপুর, যা প্রাচীন বাংলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কেন্দ্র ছিল। বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা এই বিক্রমপুরের পার্শ্ববর্তী হওয়ায় এটি বঙ্গ জনপদের অংশ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অঞ্চলে অবস্থিত: পুণ্ড্র ছিল উত্তরবঙ্গ বা বরেন্দ্র অঞ্চলে (যেমন বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী)। সমতট ছিল দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে (যেমন কুমিল্লা, নোয়াখালী)। আর হরিকেল ছিল পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে (যেমন সিলেট ও চট্টগ্রাম)।
74

কোন শাসকদের আমলে বাংলাভাষী অঞ্চল ‘বাঙ্গালা’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৌর্য
  2. গুপ্ত
  3. পাল
  4. মুসলিম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাধীন সুলতানি শাসন ১৩৩৮–১৫৩৮ সাল পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। এই সময় বাঙলায় মুসলিম শাসন প্রতিষ্ঠিত ছিল। শামসউদ্দিন ইলিয়াস শাহ ১৩৫২ সালে পুরো বাংলা অধিকার করেন। তার সময় থেকেই ‘বাঙ্গালা’ নামটি শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুসলিম শাসকরা। মধ্যযুগে সুলতানি আমলের শাসকগণ বাংলাভাষী অঞ্চলকে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক ও ভৌগোলিকভাবে একত্রিত করে 'বাঙ্গালাহ' (Bangalah) বা 'বাঙ্গালা' নামে পরিচিত করে তোলেন।
বিশেষভাবে, ১৩৪২ সালে শামসুদ্দিন ইলিয়াস শাহ স্বাধীন সুলতানি প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই বাংলার বিভিন্ন জনপদ (যেমন: গৌড়, বঙ্গ, রাঢ়, সমতট) একত্রিত করে নিজেকে ‘শাহ-ই-বাঙ্গালাহ’ (Shah-i-Bangalah) উপাধি দেন। তাঁর আমলেই এই অঞ্চলের একটি একক ভৌগোলিক নাম হিসেবে 'বাঙ্গালা' নামটি স্থায়ী পরিচয় লাভ করে।
মৌর্য, গুপ্ত বা পাল আমলে বাংলা ছোট ছোট জনপদ, যেমন: পুন্ড্র, গৌড়, বঙ্গ, সমতট ইত্যাদি নামে বিভক্ত ছিল। তখন 'বাঙ্গালা' নামে কোনো একক অঞ্চলের অস্তিত্ব ছিল না।
75

বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শশাঙ্ক
  2. মুর্শিদ কুলি খান
  3. সিরাজউদ্দৌল্লা
  4. আব্বাস আলী খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মুঘল সম্রাট কর্তৃক নিযুক্ত বাংলার শেষ সুবেদার ছিলেন মুর্শিদ কুলী খান। পরবর্তীতে তিনি বাংলার সুবেদার নিযুক্ত হন ১৭১৭ সালে। তাঁর উপাধি ছিল জাফর খান। তিনিই বাংলার প্রথম স্বাধীন নবাব। শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রথম স্বাধীন ও সার্বভৌম রাজা। সিরাজউদ্দৌল্লা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুর্শিদ কুলি খান
মুর্শিদ কুলি খান মূলত মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেব কর্তৃক বাংলার দিওয়ান (রাজস্ব আদায়কারী) হিসেবে নিযুক্ত হন। পরবর্তীতে ১৭১৭ সালে তিনি বাংলার সুবাদার বা নবাব হিসেবেও দায়িত্ব পান।
মুঘল সাম্রাজ্যের কেন্দ্রীয় দুর্বলতার সুযোগে তিনি কার্যত বাংলার ক্ষমতা স্বাধীনভাবে পরিচালনা করতে শুরু করেন, যদিও তিনি নামে মুঘল সম্রাটের অনুগত ছিলেন। রাজস্ব দিল্লিতে পাঠানো প্রায় বন্ধ করে দেন এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
এ কারণে তাকেই বাংলার প্রথম স্বাধীন/স্বতন্ত্র নবাব বলা হয়। তিনি তার রাজধানী ঢাকা থেকে মুর্শিদাবাদে স্থানান্তর করেন।
অন্যান্য অপশন প্রসঙ্গে: শশাঙ্ক ছিলেন বাংলার প্রাচীন যুগের শাসক (গৌড়ের রাজা, নবাব নন)। সিরাজউদ্দৌল্লা ছিলেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব (পলাশীর যুদ্ধ)।
76

চীনদেশের কোন ভ্রমণকারী গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আগমন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিউয়েন সাং
  2. ফা হিয়েন
  3. আই সিং
  4. এঁদের সকলেই

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফা-হিয়েন পাঁচ শতকের সূচনায় তিনি ভারত ভ্রমণ করেন। এ সময় বাংলায় গুপ্ত যুগের শাসনামল ছিল। হিউয়েন-সাং ৬৩৮ খ্রিষ্টাব্দের দিকে বাংলায় আসেন। সে সময় উত্তর ভারতে হর্ষবর্ধন, বাংলায় শশাঙ্ক এবং আসামে ভাস্করবর্মণ শাসন করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফা হিয়েন (Fa Hien)
ফা হিয়েন চীনা বৌদ্ধ সন্ন্যাসী ও পরিব্রাজক ছিলেন। তিনি পঞ্চম শতকের শুরুতে (আনুমানিক ৩৯৯-৪১৪ খ্রিষ্টাব্দ) ভারতে আসেন। এটিই ছিল প্রাচীন ভারতে গুপ্ত সাম্রাজ্যের স্বর্ণযুগ।
ফা হিয়েন গুপ্ত সম্রাট দ্বিতীয় চন্দ্রগুপ্তের (বিক্রমাদিত্য) রাজত্বকালে ভারত সফর করেন এবং প্রায় দুই বছর বাংলার প্রাচীন বন্দর তাম্রলিপ্তিতে (Tamralipti) অবস্থান করেন।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, হিউয়েন সাং (Hiuen Tsang) সপ্তম শতকে (পাল-পূর্ববর্তী/শশাঙ্ক আমলে) এবং আই সিং (I-Tsing) সপ্তম শতকের শেষদিকে বাংলায় আসেন। তাই তাঁরা গুপ্তযুগে বাংলাদেশে আসেননি।
77

বঙ্গভঙ্গের কারণে কোন নতুন প্রদেশ সৃষ্টি হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পূর্ববঙ্গ ও বিহার
  2. পূর্ববঙ্গ ও আসাম
  3. পূর্ববঙ্গ ও উড়িষ্যা
  4. পূর্ববঙ্গ ও পশ্চিমবঙ্গ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রিটিশ সরকারের শাসন করার নীতি ছিল ‘বিভেদ ও শাসন নীতি’ (Divide and Rule Policy)। এই নীতির ফলশ্রুতিতে লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালে ১৬ অক্টোবর বাংলা প্রদেশকে ভাগ করে দুটি প্রদেশ গঠন করে ইতিহাসে যা বঙ্গভঙ্গ নামে পরিচিত। বঙ্গভঙ্গের ফলে পূর্ববঙ্গ ও আসাম নামে দুটি নতুন প্রদেশের সৃষ্টি হয়।

ব্যাখ্যা

বঙ্গভঙ্গ কার্যকর করা হয় ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর
তৎকালীন বড়লাট লর্ড কার্জন প্রশাসনিক সুবিধার জন্য এই বিশাল প্রদেশটিকে ভাগ করার সিদ্ধান্ত নেন।
বঙ্গভঙ্গের ফলে বাংলা প্রদেশকে দুটি প্রধান প্রশাসনিক অঞ্চলে বিভক্ত করা হয়:
১. পূর্ববঙ্গ ও আসাম (East Bengal and Assam): এই নতুন প্রদেশটি ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী বিভাগ এবং আসাম প্রদেশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল। এর রাজধানী ছিল ঢাকা
২. পশ্চিমবঙ্গ (West Bengal): এটি পশ্চিমবঙ্গ, বিহার ও উড়িষ্যা নিয়ে গঠিত ছিল। এর রাজধানী ছিল কলকাতা
যেহেতু প্রশ্নটি বঙ্গভঙ্গের কারণে সৃষ্ট নতুন প্রদেশটি জানতে চেয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো: পূর্ববঙ্গ ও আসাম
78

‘তমদ্দুন মজলিশ’ কে প্রতিষ্ঠা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাজী শরিয়তউল্লাহ

  2. শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক
  3. আবুল কাশেম
  4. মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তমদ্দুন মজলিসের প্রতিষ্ঠাতা প্রিন্সিপাল আবুল কাশেম। ভারত বিভাগের পরপরই ১৯৪৭ সালের ১লা সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম ঢাকায় তমদ্দুন মজলিস প্রতিষ্ঠা করেন। [সূত্র: প্রফেসর মোজাম্মেল হক (পৌরনীতি ও সুশাসন ২য় পত্র)]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবুল কাশেম
তমদ্দুন মজলিশ হলো ভাষা আন্দোলনের সূচনাপর্বে গঠিত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন।
এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক আবুল কাশেম কর্তৃক ১ সেপ্টেম্বর ১৯৪৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই সংগঠনটিই সর্বপ্রথম পাকিস্তান সৃষ্টির পর রাষ্ট্রভাষা হিসেবে বাংলার জোরালো দাবি তোলে এবং ভাষা আন্দোলনের প্রথম সংগঠিত ধাপ হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক যুক্তফ্রন্ট গঠন ও লাহোর প্রস্তাবের জন্য বিখ্যাত; মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী আওয়ামী মুসলিম লীগ ও ন্যাপ প্রতিষ্ঠার জন্য পরিচিত; এবং হাজী শরিয়তউল্লাহ ছিলেন ফরায়েজি আন্দোলনের নেতা।
79

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটি কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. জহির রায়হান
  3. আবদুল গাফফার চৌধুরী
  4. কাজী নজরুল ইসলাম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ গানটির রচয়িতা আবদুল গাফফার চৌধুরী। প্রথম সুরকার আব্দুল লতিফ, বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ। আবদুল গাফফার চৌধুরী ১৯ মে, ২০২২ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আবদুল গাফফার চৌধুরী
‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ — এটি ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে রচিত একটি কালজয়ী গান। এর রচয়িতা (গীতিকার) হলেন প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলামিস্ট আবদুল গাফফার চৌধুরী
তিনি ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারির হত্যাকাণ্ডের পর ২২ ফেব্রুয়ারি রাতে এটি রচনা করেন। গানটি প্রথমে একটি কবিতাকারে প্রকাশিত হয়েছিল ‘দৈনিক আল-হেলাল’ পত্রিকায়।
বাকি বিকল্পগুলি ভিন্ন ক্ষেত্রে পরিচিত: মুনীর চৌধুরী ছিলেন ভাষা সংগ্রামী ও প্রখ্যাত নাট্যকার, জহির রায়হান ছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক ও সাহিত্যিক, এবং কাজী নজরুল ইসলাম হলেন বাংলাদেশের জাতীয় কবি।
80

কোন দেশ বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিয়েরা লিওন

  2. লাইবেরিয়া
  3. নামিবিয়া
  4. হাইতি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ শান্তিরক্ষী মিশনের সদস্যদের অনুপ্রেরণায় ২০০২ সালের ১২ ডিসেম্বর আমাদের ভাষা আন্দোলনের সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে সিয়েরা লিওন বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম সরকারি ভাষা হিসেবে ঘোষণা দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিয়েরা লিওন
পশ্চিম আফ্রিকার রাষ্ট্র সিয়েরা লিওন (Sierra Leone) বাংলা ভাষাকে তাদের অন্যতম রাষ্ট্রভাষা (Official Language) হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
এর প্রধান কারণ হলো, সিয়েরা লিওনে দীর্ঘ গৃহযুদ্ধের (Civil War) সময় জাতিসংঘ শান্তি মিশনে অংশ নেওয়া বাংলাদেশের সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের অসাধারণ অবদান।
বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা সেখানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন। তাদের আত্মত্যাগ ও অবদানের প্রতি সম্মান জানাতে সেদেশের প্রেসিডেন্ট আহমেদ তেজান কাব্বাহ (Ahmad Tejan Kabbah) ডিসেম্বর ২০০২ বা ২০০৩ সালে (নির্দিষ্ট তারিখ নিয়ে কিছুটা বিতর্ক আছে, তবে বছরটি গুরুত্বপূর্ণ) বাংলাকে দ্বিতীয় ভাষা হিসেবে মর্যাদা দেওয়ার ঘোষণা দেন।
81

বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20
  2. 48
  3. 25
  4. 32

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়-২০১৯ অনুযায়ী বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ গোষ্ঠীর সংখ্যা মোট ৫০টি। ২০১৯ সালের আগে প্রকাশিত গেজেট অনুযায়ী ৪৮টি। আদিবাসী ফোরামের তথ্যমতে ৪৫টি। জনশুমারি ২০২২ এর প্রাথমিক ফলাফল অনুযায়ী ৫০টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৪৮
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক স্বীকৃত ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর সংখ্যা নিয়ে কিছুটা ভিন্নতা থাকলেও, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং বিভিন্ন সরকারি নথিপত্র অনুসারে এই সংখ্যা ৪৮। এটিই বিসিএস সহ অধিকাংশ প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য গ্রহণযোগ্য উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
২০১১ সালের আদমশুমারি অনুসারে, বাংলাদেশে মোট ২৭টি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীকে চিহ্নিত করা হয়েছিল। তবে পরবর্তীকালে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় গঠিত আদিবাসী সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউট-এর তালিকা অনুযায়ী এই সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ৪৮/৫০ এ পৌঁছেছে।
যদি অপশনে ৪৮ এবং ৫০ উভয়ই থাকে, তবে সবচেয়ে সাম্প্রতিক তথ্য (৫০) সঠিক হবে। কিন্তু যদি শুধুমাত্র ৪৮ থাকে, তবে সেটিই উত্তর হবে, যেমনটি এখানে হয়েছে।
82

নিম্নের কোন পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সবুজপত্র
  2. শনিবারের চিঠি
  3. কল্লোল
  4. ধূমকেতু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ধূমকেতু কাজী নজরুল ইসলাম সম্পাদিত একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা, যা ১৩২৯ বঙ্গাব্দের ২৬ শ্রাবণ (১৯২২ সালের ১১ আগস্ট) প্রথম প্রকাশিত হয়। পত্রিকাটি শুরুতে ফুলস্কেপ কাগজের চার পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো এবং পরে আট পৃষ্ঠায় মুদ্রিত হতো। পত্রিকাটির সর্বশেষ সংস্করণ ১৯২৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়েছিল। এর প্রথম সংখ্যায় নজরুলের কবিতা ‘ধূমকেতু’ প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাকে আশীর্বাদ করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর লিখেছিলেন, “কাজী নজরুল ইসলাম কল্যাণীয়েষু, আয় চলে আয়রে ধূমকেতু। আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু, দুর্দিনের এই দুর্গশিরে উড়িয়ে দে তোর বিজয় কেতন।” পত্রিকার প্রথম পাতার শীর্ষে এই বাণী লিখা থাকতো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধূমকেতু
কাজী নজরুল ইসলাম কর্তৃক সম্পাদিত এবং ১৯২২ সালের ১১ আগস্ট প্রকাশিত হয় অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু'। এটি ছিল বাংলা সাহিত্যে এক বিপ্লবী কণ্ঠস্বর।
এই পত্রিকাটির প্রকাশনা উপলক্ষ্যে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আশীর্বাণী পাঠিয়েছিলেন। তাঁর সেই বিখ্যাত আশীর্বাণীর অংশটি ছিল:
“আয় চলে আয়, রে ধূমকেতু।
আঁধারে বাঁধ অগ্নিসেতু।।”
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে: 'সবুজপত্র' (সম্পাদক প্রমথ চৌধুরী) চলিত রীতির প্রবর্তন ঘটায়; 'শনিবারের চিঠি' (সম্পাদক সজনীকান্ত দাস) কল্লোলগোষ্ঠীর তীব্র সমালোচক ছিল; এবং 'কল্লোল' ছিল আধুনিক সাহিত্যিকদের একটি গুরুত্বপূর্ণ মুখপত্র, তবে এর সাথে রবীন্দ্রনাথের এমন সরাসরি আশীর্বাণীর সম্পর্ক ছিল না।
83

বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকে কয়টি তারকা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২টি
  2. ৩টি
  3. ৪টি
  4. ৫টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ৪(৩) অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রজাতন্ত্রের জাতীয় প্রতীকে উভয় পাশে ধানের শীষবেষ্টিত পানিতে ভাসমান জাতীয় ফুল শাপলা, তাহার শীর্ষদেশে পাটগাছের আট পরস্পর সংযুক্ত পাতা, তাহার উভয় পাশে দুইটি করে মোট চারটি তারকা থাকবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪টি
বাংলাদেশের জাতীয় প্রতীকের কেন্দ্রে রয়েছে পানিতে ভাসমান শাপলা ফুল। এই শাপলা ফুলের ওপরে এবং নিচে প্রতীকের অন্যান্য উপাদানগুলো সন্নিবেশিত।
প্রতীকের কেন্দ্রে শাপলার ওপরে পরস্পর সংযুক্ত তিনটি পাটপাতা এবং পাটপাতার দুই পাশে দুটি করে মোট চারটি তারকা রয়েছে।
এই ৪টি তারকা দ্বারা স্বাধীন বাংলাদেশের ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে উল্লিখিত রাষ্ট্রের চার মূলনীতিকে (জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র, গণতন্ত্র ও ধর্মনিরপেক্ষতা) বোঝানো হয়েছে।
84

বাঙালির মুক্তির সনদ ‘ছয় দফা’ কোন তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫৪
  2. ২২ মার্চ ১৯৫৮
  3. ২০ এপ্রিল ১৯৬২
  4. ২৩ মার্চ ১৯৬৬

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর এক সম্মেলনে আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘৬ দফা দাবি’ পেশ করেন। ২৩ ফেব্রুয়ারি শেখ মুজিবুর রহমান বিরোধীদলীয় সম্মেলনে ৬ দফা পেশ করেন। ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ছয় দফা উত্থাপন করা হয় লাহোর প্রস্তাবের সাথে মিল রেখে। প্রতি বছর ৭ জুন বাংলাদেশে ‘৬ দফা দিবস’ পালন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২৩ মার্চ ১৯৬৬। এটি বাঙালির মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তারিখ।
ছয় দফা কর্মসূচির প্রণেতা ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। তিনি ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে প্রথম এই দাবিগুলো উত্থাপন করেন।
তবে ৬ দফার আনুষ্ঠানিক প্রকাশনা, পুস্তিকা আকারে বিতরণ এবং প্রচার শুরু হয় ২৩ মার্চ, ১৯৬৬ তারিখে। এই দিনে বঙ্গবন্ধু তাঁর ঐতিহাসিক পুস্তিকা ‘আমাদের বাঁচার দাবী: ৬ দফা কর্মসূচী’ প্রকাশ করেন, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাঙালির মুক্তির সনদ’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
অন্যান্য অপশনসমূহ এই প্রেক্ষাপটে ভুল: ১৯৫৪ সালের তারিখটি যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ১৯৫৮ সালের তারিখটি আইয়ুব খানের সামরিক শাসন জারির পরের ঘটনা।
85

‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’ জাতির পিতা কবে এই ঘোষণা দেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৬ মার্চ ১৯৭১
  2. ৭ মার্চ ১৯৭১
  3. ৩ মার্চ ১৯৭১
  4. ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৭ মার্চ, ১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেন। সেই ভাষণেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ ১৯৭১
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) প্রায় ১০ লক্ষ জনতার সামনে এই ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন।
এই ভাষণে তিনি বাঙালির স্বাধীনতা ও মুক্তির ডাক দেন এবং সশস্ত্র সংগ্রামের জন্য চূড়ান্ত প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশনা দেন। এই ভাষণটিকে কার্যত স্বাধীনতার ঘোষণা হিসেবেই বিবেচনা করা হয়, যদিও ২৬ মার্চ তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন।
২৬ মার্চ ১৯৭১ তারিখটি হচ্ছে আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিবস এবং পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী কর্তৃক 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু হওয়ার দিন।
১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ তারিখটি হচ্ছে বিজয় দিবস, যেদিন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে।
86

বাংলাদেশে জুম চাষ কোথায় হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বান্দরবান
  2. ময়মনসিংহ
  3. রাজশাহী
  4. দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জুম চাষ হলো এক ধরনের স্থানান্তরিত কৃষিপদ্ধতি। কোন স্থানে জঙ্গল কেটে পুড়িয়ে চাষ করা হয়। আবার সেখানে উর্বরতা কমে গেলে অন্য জায়গায় একইভাবে চাষ করা হয়। এটাই জুম চাষ। পার্বত্য তিন জেলায় জুম চাষ করা হয়। বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বান্দরবান। বাংলাদেশে জুম চাষ (Jhum cultivation) প্রধানত পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে প্রচলিত।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিনটি জেলা হলো— রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি এবং বান্দরবান। এই তিনটি জেলাতেই প্রধানত জুম চাষ করা হয়।
জুম চাষ হলো এক ধরণের স্থানান্তরভিত্তিক কৃষি পদ্ধতি (Shifting Cultivation)। যেখানে পাহাড়ি এলাকার বন পুড়িয়ে বা কেটে পরিষ্কার করে সাময়িকভাবে ফসল ফলানো হয় এবং উর্বরতা কমে গেলে স্থান পরিবর্তন করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (ময়মনসিংহ, রাজশাহী, দিনাজপুর) বাংলাদেশের সমতল ভূমির জেলা, যেখানে এ ধরনের কৃষি পদ্ধতি প্রচলিত নয়।
87

বাংলাদেশের কোন জেলায় সবচেয়ে বেশি চা বাগান রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. পঞ্চগড়
  4. মৌলভীবাজার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সর্বপ্রথম বাণিজ্যিকভাবে চা বাগান প্রতিষ্ঠিত হয় সিলেটের মালনীছড়ায় ১৮৫৪ সালে। বাংলাদেশে বর্তমানে ১৬৭টি চা বাগান রয়েছে। সবচেয়ে বেশি (৯১টি) চা বাগান মৌলভীবাজারে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মৌলভীবাজার। বাংলাদেশের চা শিল্পের রাজধানী বা সর্বাধিক চা বাগান সমৃদ্ধ জেলা হলো মৌলভীবাজার
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট চা বাগানের সংখ্যা (নিবন্ধিত) প্রায় ১৬৮টি। এর মধ্যে শুধুমাত্র মৌলভীবাজার জেলাতেই রয়েছে ৯২টি বৃহৎ চা বাগান।
এই কারণে, মৌলভীবাজারকে বাংলাদেশের 'চা বাগান কন্যা' বা 'টি ক্যাপিটাল' বলা হয়।
অনেকে সিলেট উত্তর ভাবলেও, সিলেট বিভাগ চা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত হলেও, জেলার সংখ্যাগত দিক থেকে মৌলভীবাজার এগিয়ে। পঞ্চগড় উত্তরবঙ্গে নতুন চা অঞ্চল হিসেবে দ্রুত প্রসারিত হচ্ছে।
88

‘ধর্মীয় স্বাধীনতা’ বাংলাদেশ সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অনুচ্ছেদ ৩৮
  2. অনুচ্ছেদ ৫০
  3. অনুচ্ছেদ ৪১
  4. অনুচ্ছেদ ১০০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অনুচ্ছেদ ৪১: ধর্মীয় স্বাধীনতা। অনুচ্ছেদ ৩৮: সংগঠনের স্বাধীনতা। অনুচ্ছেদ ৫০: রাষ্ট্রপতির মেয়াদ। অনুচ্ছেদ ১০০: সুপ্রীম কোর্টের আসন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ৪১
বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই অনুচ্ছেদটি অন্তর্ভুক্ত। অনুচ্ছেদ ৪১ অনুযায়ী, প্রত্যেক নাগরিকের স্বেচ্ছামত ধর্ম অবলম্বন, পালন ও প্রচারের অধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকার নিয়ন্ত্রিত হয় জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে।
ভুল বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
অনুচ্ছেদ ৩৮: এটি নাগরিকদের সমিতি বা সংঘ গঠন করার স্বাধীনতা সংক্রান্ত।
অনুচ্ছেদ ৫০: এটি মূলত রাষ্ট্রপতির কার্যকাল সংক্রান্ত বিধান।
অনুচ্ছেদ ১০০: এটি সুপ্রিম কোর্টের স্থায়ী আসন এবং উহার অধিবেশন সংক্রান্ত বিধান।
89

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনগণনা) কবে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি (জনগণনা) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। সর্বশেষ ষষ্ঠ আদমশুমারি (জনশুমারি ও গৃহগণনা) অনুষ্ঠিত হয় ১৫-২১ জুন, ২০২২।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর (১৯৭১) দেশের প্রথম জনগণনা বা আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে।
এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকারি জনশুমারি, যা ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে পরিচালিত হয়েছিল।
ঐতিহাসিকভাবে বাংলাদেশ, পাকিস্তান আমলের (১৯৫১, ১৯৬১) শুমারির বাইরে এসে নিজস্ব উদ্যোগে এই শুমারি সম্পন্ন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
90

বাংলাদেশের জিডিপি (GDP) তে কোন খাতের অবদান সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষি
  2. শিল্প
  3. বাণিজ্য
  4. সেবা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের GDP এর প্রধান খাত সেবা খাত। GDP তে সেবা খাতের অবদান ৫১.৪৪%। শিল্প খাতের অবদান ৩৭.০৭%। কৃষি খাতের অবদান ১১.৫০%। [অর্থনৈতিক সমিক্ষা-২০২২]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেবা খাত (Services)
বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালক হিসেবে বর্তমানে জিডিপিতে (GDP) সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে সেবা খাত।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাতের অবদান সাধারণত ৫০%-এর বেশি থাকে। এটিই দেশের বৃহত্তম খাত।
দ্বিতীয় বৃহত্তম অবদানকারী খাত হলো শিল্প খাত (Industry), যার অবদান প্রায় ৩৭% থেকে ৪০%।
তুলনামূলকভাবে, কৃষি খাতের অবদান সর্বনিম্ন (প্রায় ১২% থেকে ১৪%)। দেশের অর্থনৈতিক কাঠামোর আধুনিকায়নের ফলে কৃষির অবদান ক্রমশ কমছে এবং সেবা ও শিল্পের অবদান বাড়ছে।
দত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'বাণিজ্য' খাতটি সাধারণত সেবা খাতের অন্তর্ভুক্ত হিসেবে গণ্য করা হয়, যা এই খাতের আধিপত্যকে আরও শক্তিশালী করে।
91

২০২০-২০২১ অর্থবছরে জিডিপি (GDP) প্রবৃদ্ধির হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5.68%
  2. 9.94%
  3. 7.66%
  4. 6.94%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভিত্তিবছর ২০১৫-১৬ ধরে ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২২ বাংলাদেশে পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) ২০২০-২১ অর্থবছরের চূড়ান্ত GDP’র খাতওয়ারি অবদান ও প্রবৃদ্ধির হার এবং মাথাপিছু আয় প্রকাশ করে। এ হিসাব অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৬.৯৪%। উল্লেখ্য যে, অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৬.৯৪%
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) চূড়ান্ত হিসাবে, ২০২০-২০২১ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP) প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৬.৯৪%
এটি ছিল ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের (৫.৬৬%/৫.৬৬%) তুলনায় উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, যা বিশ্বব্যাপী কোভিড-১৯ মহামারীর প্রথম ধাক্কা সামলে ওঠার ইঙ্গিত দেয়।
বাকি বিকল্পগুলোর মধ্যে ৫.৬৬%/৫.৬৮% ছিল ২০১৯-২০২০ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার এবং ৭.৬৬% ছিল ২০১৮-২০১৯ অর্থবছরের প্রবৃদ্ধির হার (যা ছিল মহামারীর পূর্বের স্বাভাবিক উচ্চ হার)।
92

বিশ্বব্যাংক কবে বাংলাদেশকে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জুন ২০১৪
  2. ১ জুন ২০১৫
  3. ১ জুলাই ২০১৫
  4. ১ জুলাই ২০১৬

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব দেশের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ৪৬ ডলার থেকে শুরু করে ৪ হাজার ১২৫ পর্যন্ত সেসব দেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় রাখে বিশ্বব্যাংক। ১ জুলাই, ২০১৫ বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এই নিম্নসীমা অতিক্রম করায় বিশ্বব্যাংক বাংলাদেশকে নিম্ন মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে তালিকাভুক্ত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১ জুলাই ২০১৫
বিশ্বব্যাংক প্রতি বছর ১ জুলাই তারিখে পূর্ববর্তী বছরের মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে বিশ্বের দেশগুলোর অর্থনৈতিক শ্রেণিবিভাগ হালনাগাদ করে।
বাংলাদেশ ২০১৫ সালে নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশ (Lower-Middle Income Country - LMIC) হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়। এই তালিকাভুক্তির জন্য বার্ষিক মাথাপিছু মোট জাতীয় আয় (GNI per capita) ,০৪৬থেকে১,০৪৬ থেকে ৪,১২৫-এর মধ্যে থাকতে হয়।
যে দেশগুলো এই সীমার মধ্যে আসে, তারা ১ জুলাই থেকে LMIC হিসেবে পরিচিত হয়।
১ জুন ২০১৫ অপশনটি ভুল, কারণ বিশ্বব্যাংকের এই ধরনের আনুষ্ঠানিক অর্থনৈতিক তালিকাভুক্তি সবসময় ১ জুলাই তারিখে শুরু হয়, যা তাদের নতুন অর্থবছর শুরুর দিন।
93

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ কী ধরনের স্যাটেলাইট হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কমিউনিকেশন স্যাটেলাইট
  2. ওয়েদার স্যাটেলাইট
  3. আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
  4. ন্যাভিগেশন স্যাটেলাইট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ হবে আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট। এটি ভূপৃষ্ঠ থেকে ৩০০ থেকে ৪০০ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থান করবে। এই স্যাটেলাইটটি আবহাওয়া নজরদারি বা নিরাপত্তা সংক্রান্ত কাজে ব্যবহৃত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট
বাংলাদেশ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-২ (BB-2) হবে একটি ভূ-পর্যবেক্ষণ বা আর্থ অবজারভেশন স্যাটেলাইট (Earth Observation Satellite)। এই ধরনের স্যাটেলাইটকে রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইটও বলা হয়।
এর প্রধান কাজ হবে বাংলাদেশের কৃষি, জলবায়ু পরিবর্তন, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং বিশেষ করে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার জন্য প্রয়োজনীয় উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি ও তথ্য সরবরাহ করা।
প্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১ ছিল একটি যোগাযোগ স্যাটেলাইট যা টেলিভিশন সম্প্রচার ও টেলিযোগাযোগে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু দ্বিতীয়টির ব্যবহার সম্পূর্ণ ভিন্ন হবে।
94

কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 44
  2. 47
  3. 102
  4. 103

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ৪৪(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সংবিধানের তৃতীয় ভাগের অধিকারসমূহ বলবৎ করার জন্য সংবিধানের ১০২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী হাইকোর্ট বিভাগের নিকট মামলা করার অধিকারের নিশ্চয়তা দান করা হলো। তাই কোনো নাগরিকের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘিত হলে সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী তিনি মামলা করতে পারবেন। অনুচ্ছেদ ৪৪: মৌলিক অধিকার বলবৎকরণ। অনুচ্ছেদ ৪৭: কতিপয় আইনের হেফাজত। অনুচ্ছেদ ১০৩: আপীল বিভাগের এখতিয়ার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনুচ্ছেদ ১০২
বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (Fundamental Rights) মৌলিক অধিকারসমূহ নিশ্চিত করা হয়েছে। এই অধিকার লঙ্ঘিত হলে প্রতিকার পাওয়ার জন্য প্রধান সাংবিধানিক বিধান হলো অনুচ্ছেদ ১০২
অনুচ্ছেদ ১০২ অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ (High Court Division) রিট (Writ) জারির মাধ্যমে নাগরিকের মৌলিক অধিকার বলবৎ করতে পারে। এটিই মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের চূড়ান্ত সাংবিধানিক প্রতিকার।
অনুচ্ছেদ ৪৪: এটি নাগরিকদের মৌলিক অধিকার বলবৎ করার জন্য হাইকোর্ট বিভাগে মামলা করার অধিকারটি নিশ্চিত করে (Right to move the High Court)। কিন্তু যে ক্ষমতার বলে হাইকোর্ট প্রতিকার দেয়, তা বর্ণিত আছে অনুচ্ছেদ ১০২-এ। তাই মামলা করার বিধান হিসেবে ১০২-ই সর্বাধিক প্রাসঙ্গিক ও সঠিক উত্তর।
অনুচ্ছেদ ৪৭: এই অনুচ্ছেদে মৌলিক অধিকারের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন বাতিল বা সংশোধনের বিধান রয়েছে।
অনুচ্ছেদ ১০৩: এটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের আপিল বিচার সংক্রান্ত এখতিয়ার নিয়ে আলোচনা করে।
95

বাংলাদেশের সরকার পদ্ধতি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এককেন্দ্রিক
  2. যুক্তরাষ্ট্রীয়
  3. রাজতন্ত্র
  4. রাষ্ট্রপতিশাসিত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ একটি গণপ্রজাতান্ত্রিক ও এককেন্দ্রিক রাষ্ট্র। এই রাষ্ট্রের সকল ক্ষমতার মালিক জনগণ। বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা সংসদীয় পদ্ধতির।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এককেন্দ্রিক (Unitary)
বাংলাদেশের সংবিধানের মাধ্যমে যে সরকার পদ্ধতি গৃহীত হয়েছে, তার প্রকৃতি বা কাঠামো হলো এককেন্দ্রিক
সংবিধানের প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, “বাংলাদেশ একটি একক, স্বাধীন ও সার্বভৌম প্রজাতন্ত্র” (Bangladesh is a unitary, independent and sovereign Republic)। এই ‘একক’ বা ‘Unitary’ শব্দটিই নিশ্চিত করে যে বাংলাদেশের সরকার ব্যবস্থা এককেন্দ্রিক।
এককেন্দ্রিক সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্রের হাতেই সকল ক্ষমতা ন্যস্ত থাকে এবং দেশের সকল প্রশাসন কেন্দ্রীয় সরকারের অধীনে পরিচালিত হয়। বাংলাদেশে কোনো প্রদেশ বা অঙ্গরাজ্যের স্বাধীন অস্তিত্ব নেই।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রীয় (Federal) সরকার ব্যবস্থায় কেন্দ্র ও প্রদেশের মধ্যে ক্ষমতার সুনির্দিষ্ট বণ্টন থাকে (যেমন: ভারত বা যুক্তরাষ্ট্র)। এটি বাংলাদেশে প্রযোজ্য নয়।
যদিও বাংলাদেশের সরকারের রূপ সংসদীয় (Parliamentary), এর প্রকৃতি কিন্তু এককেন্দ্রিক। এটি রাষ্ট্রপতিশাসিত (Presidential) সরকার নয়।
96

BSTI এর পূর্ণ অভিব্যক্তি কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Bangladesh Salt Testing Institute
  2. Bangladesh Strategic Training Institute
  3. Bangladesh Standards and Testing Institution
  4. Bangladesh Society for Telecommunication and Information

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Bangladesh Standards and Testing Institution (BSTI) বাংলাদেশ সরকারের শিল্প মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি স্বায়ত্বশাসিত সংস্থা যা মূলত সেবা ও পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করে থাকে। BSTI এর অনুমোদন ছাড়া কোনো পণ্য বিক্রি করা দণ্ডনীয় অপরাধ। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৫ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো Bangladesh Standards and Testing Institution
BSTI হলো বাংলাদেশের একটি জাতীয় মান নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা, যা পণ্যের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ এবং পরিমাপ পদ্ধতির মান নির্ধারণের জন্য গঠিত।
অপশন ২ (Bangladesh Strategic Training Institute) এবং অপশন ৪ (Bangladesh Society for Telecommunication and Information) হলো বিভ্রান্তিমূলক উত্তর। যেকোনো পরীক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের পূর্ণাঙ্গ রূপ জেনে রাখা আবশ্যক।
97

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে কতজন মুক্তিযোদ্ধাকে ‘বীর বিক্রম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ জন
  2. ৬৮ জন
  3. ১৭৫ জন
  4. ৪২৬ জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর প্রকাশিত গেজেট অনুসারে ৬৭৬ জনকে চারটি ক্যাটাগরিতে মুক্তিযুদ্ধের খেতাব দেওয়া হয়। এদের মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন এবং বীর প্রতীক ৪২৬ জন। সম্প্রতি ৬ জুন, ২০২১ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হত্যা মামলায় দণ্ডিত ৪ খুনির খেতাব বাতিল করে প্রজ্ঞাপন জারি করে। এর ফলে বর্তমানে বীর উত্তম হয় ৬৭ জন, বীর বিক্রম হয় ১৭৪ জন এবং বীর প্রতীক হয় ৪২৪ জন। বর্তমানে খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ৬৭২ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭৫ জন
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বের জন্য মোট ৪টি খেতাব প্রদান করা হয় এবং তৃতীয় সর্বোচ্চ খেতাব হলো ‘বীর বিক্রম’।
মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব প্রদর্শনের জন্য মোট ৬৭৬ জন মুক্তিযোদ্ধাকে এই চারটি খেতাবে ভূষিত করা হয়েছিল।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
৭ জন: এটি সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর শ্রেষ্ঠ’ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
৬৮ জন: এটি দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব ‘বীর উত্তম’ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
৪২৬ জন: এটি সর্বনিম্ন খেতাব ‘বীর প্রতীক’ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা।
98

মুজিবনগর সরকারের ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাজউদ্দিন আহমেদ
  2. এ এইচ এম কামরুজ্জামান
  3. সৈয়দ নজরুল ইসলাম
  4. এম মনসুর আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এ এইচ এম কামরুজ্জামান
মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার জন্য গঠিত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, সেখানে এ এইচ এম কামরুজ্জামান-কে ত্রাণ ও পুনর্বাসন মন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল।
এই সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল, কারণ:
তাজউদ্দিন আহমেদ ছিলেন প্রধানমন্ত্রী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রী।
সৈয়দ নজরুল ইসলাম ছিলেন উপ-রাষ্ট্রপতিঅস্থায়ী রাষ্ট্রপতি
এম মনসুর আলী ছিলেন অর্থ, শিল্প ও বাণিজ্য মন্ত্রী
99

কোনটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গ্রন্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যথার দান
  2. দোলনচাঁপা
  3. শিউলি মালা
  4. সোনার তরী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দোলনচাঁপা কবি কাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ। তার অন্য কাব্যগ্রন্থসমূহ হলো ব্যথার দান, শিউলি মালা, অগ্নিবীণা (কবির প্রথম কাব্যগ্রন্থ), সঞ্চিতা, বিষের বাশী ইত্যাদি। সোনার তরী রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সোনার তরী। কারণ এটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত কোনো গ্রন্থ নয়।
'সোনার তরী' বিখ্যাত বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ যা ১৮৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যদিকে, ব্যথার দান (গল্পগ্রন্থ), দোলনচাঁপা (কাব্যগ্রন্থ) এবং শিউলি মালা (গল্পগ্রন্থ) — এই তিনটি গ্রন্থই আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্যকর্ম।
100

UNESCO কত তারিখে ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮ নভেম্বর ১৯৯৯
  2. ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
  3. ১৯ নভেম্বর ২০০১
  4. ২০ নভেম্বর ২০০১

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর সর্বসম্মতিক্রমে UNESCO এর ৩০তম সম্মেলনে একুশে ফেব্রুয়ারিকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়া হয়। ২০০০ সাল থেকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয়ে আসছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯
জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি বিষয়ক সংস্থা UNESCO (United Nations Educational, Scientific and Cultural Organization)-এর ৩০তম সাধারণ অধিবেশনে এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
১৯৯৯ সালের ১৭ নভেম্বর ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত সাধারণ অধিবেশনেই বাংলাদেশের এই প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং ২১ ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করা হয়।
সুতরাং, বিকল্পগুলোর মধ্যে ১৭ নভেম্বর ১৯৯৯ সঠিক তারিখ।
101

কোন দেশ থেকে ‘আরব বসন্ত’ এর সূচনা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিশর
  2. তিউনিশিয়া
  3. লিবিয়া
  4. সিরিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০১০ সালের ১৭ ডিসেম্বর তিউনিশিয়ার রাজধানী তিউনিশে মোঃ বুয়াজ্জিজি নামে ২৬ বছরের এক ফল বিক্রেতা প্রশাসনের দুর্নীতি আর বেকারত্বের জীবনে ক্ষুব্ধ হয়ে নিজের গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দিলে গণবিক্ষোভ শুরু হয়। এর ২৭ দিনের মাথায় স্বৈরশাসক জয়নুল আবেদিন বেন আলীর পতনের মাধ্যমে আরব বসন্তের সূচনা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিউনিশিয়া
‘আরব বসন্ত’ (Arab Spring) ছিল আরব বিশ্বের কয়েকটি দেশে সংঘটিত এক ধারাবাহিক সরকারবিরোধী গণ-আন্দোলন ও বিদ্রোহ।
২০১০ সালের ডিসেম্বর মাসে তিউনিশিয়াতেই এই বিপ্লবের সূচনা হয়। ঐ বছর ১৭ ডিসেম্বর, তিউনিশিয়ার সিদি বাউজিদ শহরের ফল বিক্রেতা মোহাম্মদ বুয়াজিজি (Mohamed Bouazizi) পুলিশের হয়রানি ও দুর্নীতির প্রতিবাদে নিজের শরীরে আগুন ধরিয়ে দেন (আত্মাহুতি)।
বুয়াজিজির এই আত্মাহুতিই ছিল আরব বসন্তের মূল অনুঘটক (catalyst)। এর ফলে সৃষ্ট তীব্র গণবিক্ষোভের মুখে তিউনিশিয়ার দীর্ঘদিনের প্রেসিডেন্ট জাইন এল আবিদিন বেন আলীর পতন ঘটে ২০১১ সালের জানুয়ারিতে।
তিউনিশিয়ার এই সাফল্যের পরই মিশর, লিবিয়া, সিরিয়া, ইয়েমেনসহ অন্যান্য আরব দেশে স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে গণ-বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
102

কোন সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2010
  2. 2012
  3. 2014
  4. 2016

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্রিমিয়া সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত একটি অঞ্চল ছিল। ১৯৫৪ সালে সাবেক সোভিয়েত নেতা নিকিতা ক্রুশ্চেভ ক্রিমিয়া উপদ্বীপটি উপহার হিসেবে ইউক্রেনকে লিখে দেন। পরবর্তীতে ক্রিমিয়া নিয়ে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে যুদ্ধ সংঘটিত হয় এবং ১৮ই মার্চ ২০১৪ সালে রাশিয়া ইউক্রেনের নিকট হতে ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে দখল করে নেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০১৪ সাল।
রাশিয়া ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসের শেষের দিকে ইউক্রেনের স্বশাসিত অঞ্চল ক্রিমিয়া উপদ্বীপ দখল করা শুরু করে এবং মার্চ মাসে একে রাশিয়ার সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
এই দখলের মূল কারণ ছিল ইউক্রেনের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ভিক্টর ইয়ানুকোভিচের ক্ষমতাচ্যুতি (Euromaidan Revolution)। এই ঘটনার পর রাশিয়া ক্রিমিয়ায় সামরিক হস্তক্ষেপ করে এবং স্থানীয় পার্লামেন্টের মাধ্যমে একটি বিতর্কিত গণভোটের আয়োজন করে, যেখানে ক্রিমিয়ার জনগণ রাশিয়ার সাথে যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট দেয়।
এই দখলদারিত্বের পর জাতিসংঘ ও পশ্চিমা বিশ্ব একে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করে এবং রাশিয়ার ওপর কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।
অন্যান্য অপশন (২০১০, ২০১২, ২০১৬) ভুল, কারণ এই সময়ে ক্রিমিয়া নিয়ে মূল সংঘাত শুরু হয়নি।
103

কোন দেশটি ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশি রাষ্ট্র নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গায়ানা

  2. বলিভিয়া
  3. ব্রাজিল
  4. কলম্বিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দক্ষিণ আমেরিকার সমাজতান্ত্রিক দেশ ভেনিজুয়েলা। এর রাজধানী কারাকাস। বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে মুদ্রাস্ফীতির দেশ ভেনিজুয়েলা। এর প্রতিবেশি দেশ হলো গায়ানা, কলম্বিয়া, ব্রাজিল। বলিভিয়া ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশি রাষ্ট্র নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বলিভিয়া

ভেনিজুয়েলা দক্ষিণ আমেরিকার উত্তর উপকূলে অবস্থিত একটি রাষ্ট্র। এর স্থল সীমান্ত মোট তিনটি রাষ্ট্রের সাথে যুক্ত।

প্রতিবেশি রাষ্ট্রগুলো হলো: পশ্চিমে ও দক্ষিণ-পশ্চিমে কলম্বিয়া, দক্ষিণে ব্রাজিল এবং পূর্বে গায়ানা

অন্যদিকে, বলিভিয়া দক্ষিণ আমেরিকার কেন্দ্রে অবস্থিত একটি ভূ-বেষ্টিত (Landlocked) দেশ। বলিভিয়ার সঙ্গে ভেনিজুয়েলার কোনো সরাসরি সীমান্ত নেই।

ফলে প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বলিভিয়া ভেনিজুয়েলার প্রতিবেশি রাষ্ট্র নয়।
104

বিগত কপ-২৬ কোন শহরে অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. প্যারিস
  3. গ্লাসগো
  4. ব্রাসেলস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৩১ অক্টোবর থেকে ১৩ নভেম্বর, ২০২১ যুক্তরাজ্যের স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে কপ-২৬ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে কপ-২৭ অনুষ্ঠিত হয় শারম আল শেখ, মিশরে এবং ২০২৩ সালে কপ-২৮ অনুষ্ঠিত হবে সংযুক্ত আরব আমিরাতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্লাসগো
জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত সম্মিলিত জাতিপুঞ্জের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন (UNFCCC)-এর ২৬তম সম্মেলন, যা কপ-২৬ (COP-26) নামে পরিচিত, সেটি ২০২১ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত স্কটল্যান্ডের গ্লাসগো শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখার লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জোর দেওয়া হয়।
উল্লেখ্য, প্যারিস অপশনে থাকা কপ-২১ (COP-21) সম্মেলনটি ছিল ২০১৫ সালে, যেখানে জলবায়ু সংক্রান্ত ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়।
105

বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পাদিত গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি কখন শেষ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2040
  2. 2026
  3. 2024

  4. 2030

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে ৩০ বছর মেয়াদি গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী দেবগৌড়া এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। চুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশের পানি পাওয়ার কথা ৩৫ হাজার কিউসেক কিন্তু ভারত দেয় ৯ হাজার কিউসেক। চুক্তিটি ২০২৬ সালে শেষ হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০২৬
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গার পানি বণ্টন চুক্তিটি (Ganga Water Sharing Treaty) স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬ সালে।
এই চুক্তিটি স্বাক্ষরের দিন থেকে ৩০ বছরের জন্য কার্যকর করা হয়েছিল।
সুতরাং, চুক্তির মেয়াদ শেষ হবে: ১৯৯৬ সাল + ৩০ বছর = ২০২৬ সালে।
এই চুক্তিটি নবায়নযোগ্য, অর্থাৎ ২০২৬ সালের পর উভয় পক্ষ চাইলে এটি আবার নতুন করে চুক্তিবদ্ধ হতে পারবে।
106

কোন দেশকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইতালি
  2. জার্মানি
  3. পোলান্ড
  4. ইউক্রেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পূর্ব ইউরোপের দেশ এবং ইউরোপের ২য় বৃহত্তম দেশ ইউক্রেন। এর রাজধানী কিয়েভ। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কি। ইউরোপের বৃহত্তম খাদ্যশস্যের যোগানদাতা হওয়ায় ইউক্রেনকে ইউরোপের রুটির ঝুড়ি বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইউক্রেন
ইউক্রেন পূর্ব ইউরোপের একটি প্রধান কৃষিপ্রধান দেশ। এই দেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চল জুড়ে রয়েছে পৃথিবীর অন্যতম উর্বর মাটি, যা কৃষ্ণমৃত্তিকা (Chernozem) নামে পরিচিত।
এই উর্বর ভূমিতে প্রচুর পরিমাণে গম, ভুট্টা, বার্লি ও সূর্যমুখী উৎপাদিত হয়। ঐতিহাসিক কাল থেকেই ইউক্রেন ইউরোপের বিশাল অংশের খাদ্যশস্যের চাহিদা মেটায়, যার ফলে এটিকে 'ইউরোপের রুটির ঝুড়ি' (Breadbasket of Europe) উপাধি দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্প: জার্মানি বা ইতালি শিল্প এবং উন্নত অর্থনীতির জন্য বিখ্যাত, খাদ্যশস্য উৎপাদনে তাদের ভূমিকা ইউক্রেনের মতো এত গুরুত্বপূর্ণ নয়।
107

গণতন্ত্রের ধারণা উৎসারিত হয় প্রথম কোন দেশে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র

  2. প্রাচীন গ্রীস
  3. প্রাচীন রোম
  4. প্রাচীন ভারত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভূমধ্যসাগরকে কেন্দ্র করে ১৩০০-১২০০ খ্রিস্টপূর্বে গ্রিক সভ্যতা গড়ে উঠে। প্রাচীন গ্রিসে প্রথম গণতন্ত্রের ধারণা পাওয়া যায় এথেন্সে। এথেন্স শহরে চূড়ান্ত গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন যুবরাজ পেরিক্লিস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রাচীন গ্রীস। মূলত গ্রীসের অন্যতম নগর-রাষ্ট্র এথেন্সে (Athens) খ্রিস্টপূর্ব ৫ম শতকে সর্বপ্রথম গণতন্ত্রের ধারণা ও এর প্রয়োগ শুরু হয়।
গণতন্ত্র বা 'Democracy' শব্দটি গ্রীক শব্দ 'Demos' (জনগণ) এবং 'Kratos' (শাসন বা ক্ষমতা) থেকে এসেছে, যার সম্মিলিত অর্থ জনগণের শাসন।
এথেন্সে যে গণতন্ত্র প্রচলিত ছিল, তা ছিল প্রত্যক্ষ গণতন্ত্র (Direct Democracy), যদিও সেখানে দাস, নারী ও বিদেশিদের ভোটাধিকার ছিল না। আধুনিক গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে এই প্রাচীন ধারণাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্র বা প্রাচীন রোম (যেখানে প্রথমে প্রজাতন্ত্র ছিল) অনেক পরে এই গণতান্ত্রিক ধারণাটির আধুনিক ও প্রতিনিধিত্বমূলক কাঠামো প্রদান করে, কিন্তু উৎসের দিক থেকে গ্রীস-ই প্রথম।
108

নিচের কোন দেশটি ডি-৮ এর সদস্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জর্দান
  2. ইরান
  3. মিশর
  4. মালয়েশিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মুসলিম উন্নয়নশীল দেশগুলোর জোট ডি-৮ (Developing-8)। তুরস্কের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিমউদ্দিন এরবাকান এর উদ্যোগে ১৯৯৭ সালে ইস্তাম্বুলে ডি-৮ প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদস্য দেশ ৮টি। যথা: বাংলাদেশ, পাকিস্তান, মালয়েশিয়া, নাইজেরিয়া, ইরান, তুরস্ক, মিশর ও ইন্দোনেশিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জর্দান (Jordan)। জর্দান ডি-৮ (D-8) বা Developing 8 (আটটি উন্নয়নশীল মুসলিম দেশ) এর সদস্য নয়।
D-8 গঠনের প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও বাণিজ্য বৃদ্ধি করা।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ইরান, মিশর এবং মালয়েশিয়া ডি-৮ এর সদস্য রাষ্ট্র, কিন্তু জর্দান এই জোটের অন্তর্ভুক্ত নয়।
109

World Economic Forum এর বাৎসরিক অধিবেশন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যারিস
  2. জুরিখ
  3. দাভোস
  4. বার্ন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

World Economic Forum ১৯৭১ সালের ২৪ জানুয়ারি জার্মান প্রকৌশলী ও অর্থনীতিবিদ Claus Schwab কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিবছর সুইজারল্যান্ডের পর্বতময় এলাকা দাভোসে এর বার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ২০১৫ সালে WEF এর সম্মেলনে ৪র্থ শিল্প বিপ্লব এর ধারণা দেয়া হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দাভোস (Davos)
ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (World Economic Forum – WEF) এর বাৎসরিক অধিবেশন প্রতি বছর জানুয়ারি মাসে সুইজারল্যান্ডের দাভোস (Davos) শহরে অনুষ্ঠিত হয়।
এটি একটি উচ্চ আল্পাইন রিসর্ট এলাকা এবং এই সম্মেলন বিশ্বব্যাপী 'দাভোস সম্মেলন' নামেই পরিচিত।
WEF হলো একটি অলাভজনক ফাউন্ডেশন যা বিশ্বের প্রধান রাজনৈতিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক এবং অন্যান্য নেতৃবৃন্দকে বৈশ্বিক এজেন্ডা তৈরির জন্য একত্রিত করে।
110

তাসখন্দ চুক্তি কোন দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

  2. ভারত ও আফগানিস্তান
  3. পাকিস্তান ও ভারত
  4. আফগানিস্তান ও সোভিয়েত ইউনিয়ন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তাসখন্দ চুক্তি হলো ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খান এর মধ্যে স্বাক্ষরিত একটি শান্তি চুক্তি। ঐতিহাসিক এই চুক্তির ফলে ১৯৬৫ সালের পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে রক্তক্ষয়ী ১৭ দিনের যুদ্ধের অবসান ঘটে। তাসখন্দ চুক্তি সম্পাদিত হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬। চুক্তিটি রাশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আলেক্সি কোসিগিনির মধ্যস্থতায় সম্পন্ন হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাকিস্তান ও ভারত
১৯৬৫ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ সমাপ্ত করার লক্ষ্যে শান্তি আলোচনা হিসেবে এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।
তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যস্থতায় চুক্তিটি স্বাক্ষর করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী লাল বাহাদুর শাস্ত্রী এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খান
চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১০ জানুয়ারি, ১৯৬৬ সালে, উজবেকিস্তানের রাজধানী তাসখন্দে (তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ)। এই চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশ যুদ্ধবিরতি এবং সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহারে সম্মত হয়।
111

প্রথাগতভাবে বছরের কোন দিন জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
  2. অক্টোবর মাসের প্রথম মঙ্গলবার
  3. আগস্ট মাসের শেষ সোমবার
  4. অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতিসংঘের মূল কার্যক্রম পরিচালনা করে সাধারণ পরিষদ। এর অপর নাম আলোচনা পরিষদ/নির্বাহী পরিষদ। জাতিসংঘ সনদের ২০নং অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রতিবছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার প্রথাগতভাবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বার্ষিক অধিবেশন শুরু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) কার্যপ্রণালী বিধির (Rules of Procedure) নিয়ম অনুযায়ী, সাধারণ পরিষদের বার্ষিক নিয়মিত অধিবেশন প্রথাগতভাবে প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসের তৃতীয় মঙ্গলবার শুরু হয়। এই তারিখটি নির্দিষ্ট, যদি না ওই সপ্তাহের আগে বা পরে কোনো সরকারি ছুটি থাকে।
এই বার্ষিক অধিবেশন সাধারণত নিউ ইয়র্ক সিটিতে অবস্থিত জাতিসংঘ সদর দপ্তরে অনুষ্ঠিত হয় এবং এটি কয়েক সপ্তাহ ধরে চলতে পারে।
112

কোন দুটি আরব রাষ্ট্র ক্যাম্প ডেভিড (Camp David) চুক্তি স্বাক্ষরের ফলশ্রুতিতে ইসরাইলের সঙ্গে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জর্দান ও মিশর
  2. কুয়েত ও বাহরাইন
  3. লিবিয়া ও ওমান
  4. তিউনিসিয়া ও আলজেরিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭৮ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত এবং ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাখেম বেগিন এর মধ্যে ক্যাম্প ডেভিড চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এ চুক্তি অনুসারে ইসরায়েল মিশরকে অধিকৃত সিনাই উপত্যকা ফিরিয়ে দিবে এবং মিশর ইসরায়েলকে স্বীকৃতি প্রদান করবে। এই চুক্তির ফলে জর্দান ও ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে। ফলাফল আরব লীগ এবং ওআইসি থেকে মিশরকে বহিষ্কার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জর্দান ও মিশর। তবে এর প্রেক্ষাপট বুঝতে হবে।
মিশর (Egypt) হলো প্রথম আরব রাষ্ট্র যেটি ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির (Camp David Accords, ১৯৭৮) ফলস্বরূপ ১৯৭৯ সালে ইসরাইলের সঙ্গে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করে এবং পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
ক্যাম্প ডেভিড চুক্তির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল ইসরাইল ও আরব রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে চলমান সংঘাতের অবসান ঘটানো।
জর্দান (Jordan) হলো দ্বিতীয় আরব রাষ্ট্র যারা ইসরাইলের সঙ্গে ওয়াদি আরাবা শান্তিচুক্তি (Wadi Araba Treaty) এর মাধ্যমে ১৯৯৪ সালে পূর্ণ কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে।
এই প্রশ্নটি প্রায়শই প্রথম বা প্রথম দুটি রাষ্ট্র জানতে চায় যারা ইসরাইলকে স্বীকৃতি দিয়েছিল। ঐতিহাসিক ও প্রথাগতভাবে, সেই দুটি রাষ্ট্র হলো মিশর ও জর্দান
অন্যান্য বিকল্প রাষ্ট্রগুলো, যেমন কুয়েত ও বাহরাইন, অনেক পরে ২০২০ সালের আব্রাহাম চুক্তি (Abraham Accords)-এর মাধ্যমে সম্পর্ক স্থাপন করে, যা ক্যাম্প ডেভিডের প্রত্যক্ষ ফল নয়।
113

কখন এবং কোথায় International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৮, ফ্রান্স
  2. ১৯৪৯, সুইজারল্যান্ড
  3. ১৯৬১, রোম
  4. ১৯৫২, লন্ডন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

IUCN প্রকৃতি ও প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণে বিশ্বব্যাপী কাজ করে। ১৯৪৭ সালে আবহাওয়া কনভেনশনের প্রেক্ষাপটে ফ্রান্সে ১৯৪৮ সালে IUCN গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর গ্লান্ড, সুইজারল্যান্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৮, ফ্রান্স
International Union for Conservation of Nature (IUCN) প্রতিষ্ঠিত হয় ৫ অক্টোবর, ১৯৪৮ সালে।
এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের কাছে ফঁতেব্লু (Fontainebleau) নামক স্থানে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এটি প্রকৃতি সংরক্ষণ এবং জীববৈচিত্র্যের টেকসই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বিশ্বের সবচেয়ে পুরাতন এবং বৃহত্তম একটি বৈশ্বিক পরিবেশবাদী সংস্থা।
উল্লেখ্য, প্রতিষ্ঠা ফ্রান্স হলেও বর্তমানে এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের গ্ল্যান্ডে (Gland, Switzerland) অবস্থিত।
114

‘নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি’ কোন দেশের সাথে সংশ্লিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিয়েতনাম
  2. উত্তর কোরিয়া
  3. চীন

  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আক্রমণ করার পূর্বেই আক্রমণ, চীনের আগ্রাসী কূটনৈতিক আচরণ যা Wolf Warrior Diplomacy বা নেকড়ে যোদ্ধা কূটনীতি হিসেবে পরিচিত। চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ঈ চীনের ওপর পশ্চিমা কূটনৈতিক আক্রমণের বিরুদ্ধে আগ্রাসী জবাব দেয়ার জন্য তার অধঃস্তনদের উদ্দীপ্ত করতে চীনা নেকড়ে যোদ্ধা সিনেমার কথা খেয়াল রেখে তার মতো Wolf Warrior হতে বলেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চীন
‘নেকড়েযোদ্ধা কূটনীতি’ (Wolf Warrior Diplomacy) হলো একুশ শতকের দ্বিতীয় দশকে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কর্তৃক গৃহীত এক আক্রমণাত্মক, মুখর এবং সোশ্যাল মিডিয়া-নির্ভর কূটনৈতিক কৌশল।
এর মূল উদ্দেশ্য হলো, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে চীনের ভাবমূর্তি বা স্বার্থের ওপর যেকোনো সমালোচনার বিরুদ্ধে চীনা কূটনীতিকরা যেন দ্রুত এবং তীব্র ভাষায় সরাসরি প্রতিক্রিয়া জানান। এই কৌশলের মাধ্যমে চীন বিশ্বকে দেখাতে চায় যে তারা আর পশ্চিমা শক্তির সমালোচনার জবাবে নীরব থাকবে না।
এই কূটনৈতিক ধারণাটি চীনা রাষ্ট্রপতি শি জিনপিংয়ের অধীনে বিশেষ জনপ্রিয়তা লাভ করে এবং এটি তাদের পূর্ববর্তী নেতা দেং শিয়াওপিংয়ের 'ক্ষমতা গোপন করো, সঠিক সময়ের জন্য অপেক্ষা করো' (Hide your strength, bide your time) নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত।
115

নিচের কোন দেশটি ASEAN জোটভুক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাওস
  2. হংকং
  3. ভিয়েতনাম
  4. কম্বোডিয়া

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬৭ সালের ৮ই আগস্ট দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সংস্থা ASEAN (Association of South-East Asian Nations) গঠিত হয়। এর সদর দপ্তর জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া। এর বর্তমান সদস্য ১০টি। যথা: ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া, ফিলিপাইন, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, ব্রুনাই, কম্বোডিয়া, লাওস, ভিয়েতনাম ও মিয়ানমার। (মনে রাখার কৌশল– MTV এর FILM দেখলে BCS পাস করা যায়।)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হংকং
হংকং একটি স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র নয়, এটি গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের একটি বিশেষ প্রশাসনিক অঞ্চল (Special Administrative Region - SAR)। আঞ্চলিক জোট ASEAN (Association of Southeast Asian Nations) শুধুমাত্র দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রসমূহকে নিয়ে গঠিত।
অন্যদিকে, লাওস, ভিয়েতনাম এবং কম্বোডিয়া দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বাধীন রাষ্ট্র এবং এশিয়ান জোটের পূর্ণ সদস্য।
116

মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ (Concert for Bangladesh)’ কোথায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্ক
  2. বোস্টন
  3. লন্ডন
  4. ক্যানবেরা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭১ সালের ১ আগস্ট নিউইয়র্ক সিটির ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে বাংলাদেশের শরণার্থীদের জন্য ত্রাণ তহবিল সংগ্রহ এবং সচেতনতার উদ্দেশ্যে ভারতীয় সেতারবাদক পণ্ডিত রবিশঙ্কর এবং তার বন্ধু বিটলস ব্যান্ড দলের লিড গিটারবাদক জর্জ হ্যারিসন ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ এর আয়োজন করেন। এতে প্রায় ৪০ হাজার দর্শক উপস্থিত ছিল। এ কনসার্ট হতে প্রায় আড়াই লাখ ডলার তহবিল সংগ্রহ হয়। উক্ত কনসার্টে সঙ্গীত পরিবেশন করেন বব ডিলান, এরিক ক্ল্যাপটন, জর্জ হ্যারিসন, বিলি প্রিস্টন, লিয়ন রাসেল, ব্যাড ফিঙ্গার এবং রিঙ্গো রকস্টার প্রমুখ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউইয়র্ক
মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১লা আগস্ট ভারতের লক্ষ লক্ষ শরণার্থীর সাহায্যার্থে বিশ্বের ইতিহাসে সর্বপ্রথম বৃহৎ আকারে চ্যারিটি কনসার্ট হিসেবে ‘কনসার্ট ফর বাংলাদেশ’ অনুষ্ঠিত হয়।
এই কনসার্টটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক শহরের ম্যাডিসন স্কোয়ার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
কনসার্টটির প্রধান উদ্যোগক্তা ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত বিটলস ব্যান্ডের সদস্য জর্জ হ্যারিসন (George Harrison) এবং ভারতীয় সেতার শিল্পী পণ্ডিত রবি শঙ্কর
অন্যান্য বিকল্প (বোস্টন, লন্ডন, ক্যানবেরা) ভুল, কারণ কনসার্টটি নির্দিষ্টভাবে নিউইয়র্ক শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
117

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য পদ কত সময়ের জন্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ বছর
  2. ১ বছর

  3. ২ বছর
  4. ৪ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৪৬ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডনে নিরাপত্তা পরিষদের কার্যক্রম শুরু হয়। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫টি। ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদ গঠিত। অস্থায়ী সদস্যগণ ২ বছরের জন্য মনোনীত হয়। অস্থায়ী সদস্যদের মধ্যে প্রতিবছর ৫জন সদস্য নির্বাচিত হয় এবং ৫জন সদস্যের মেয়াদ শেষ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ বছর
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ (UNSC)-এর মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য।
এই ১০টি অস্থায়ী সদস্য দেশ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক ২ বছরের মেয়াদের জন্য নির্বাচিত হয়।
অস্থায়ী সদস্য নির্বাচনের সময় ভৌগোলিক ভারসাম্য নিশ্চিত করা হয় এবং কোনো সদস্য টানা দুবার নির্বাচিত হতে পারে না। প্রতি বছর পাঁচটি করে অস্থায়ী সদস্য দেশ অবসর নেয় এবং নতুন পাঁচটি দেশ নির্বাচিত হয়।
118

আন্তর্জাতিক আদালতের একজন বিচারক কয় বছরের জন্য নির্বাচিত হন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাত বছর
  2. তিন বছর
  3. চার বছর
  4. নয় বছর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৪৫ সালের ২৬ জুন International Court of Justice গঠিত হয়। এটি জাতিসংঘের অন্যতম অঙ্গসংস্থা। এর সদর দপ্তর নেদারল্যান্ডের হেগ শহরে। ICJ এর বিচারক সংখ্যা ১৫ জন। বিচারকদের মেয়াদকাল ৯ বছর। এর সভাপতির মেয়াদ ৩ বছর। এর বর্তমান সভাপতি জোয়ান ডনোগুহ (যুক্তরাষ্ট্র)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নয় বছর (৯)
আন্তর্জাতিক আদালতের (International Court of Justice - ICJ) সংবিধি (Statute) অনুযায়ী, এই আদালতের বিচারকেরা ৯ বছরের জন্য নির্বাচিত হন। তাঁরা পুনর্নির্বাচিত হতে পারেন।
এই আদালতের বিচারকদের নির্বাচন করে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (General Assembly) এবং নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council)। উভয় পরিষদে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (absolute majority) অর্জন করা আবশ্যক।
অনেকে ৩ বছর বা ৭ বছরকে সঠিক মনে করতে পারেন। ৩ বছর মেয়াদে নির্বাচন হয় না, বরং প্রতি তিন বছর পর মোট ১৫ জন বিচারকের মধ্যে ৫ জন বিচারককে (মোট বিচারকের এক-তৃতীয়াংশ) নতুনভাবে নির্বাচিত করা হয়, যাতে আদালতের কাজ নিরবচ্ছিন্ন থাকে।
119

বাংলাদেশের প্রেক্ষিত পরিকল্পনার (Perspective Plan) সময়সীমা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০২১-২০৩০
  2. ২০২৪-২০৩২
  3. ২০২১-২০৪১
  4. ২০২২-২০৫০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদ (এনইসি) এ দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা গৃহীত হয়। এর মেয়াদ ২০২১-২০৪১। এটি তৈরি করেছে সাধারণ অর্থনীতি বিভাগ (জিইডি) এর উদ্দেশ্য হলো দারিদ্র্য দূরীকরণ, সুশাসন সুসংহতকরণ এবং বাংলাদেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধিশালী দেশ হিসেবে বিশ্বের বুকে আত্মপ্রকাশ করা। উল্লেখ্য, প্রথম প্রেক্ষিত পরিকল্পনার মেয়াদকাল ছিলো: ২০১০-২০২১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০২১-২০৪১। এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা (Perspective Plan) এবং এর সময়সীমা ২০ বছর।
এই পরিকল্পনার মূল উদ্দেশ্য হলো ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ ও উচ্চ-আয়ের দেশে (High Income Country) পরিণত করা, যা ‘ভিশন ২০৪১’ নামে সুপরিচিত।
এই দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য সরকার ধারাবাহিক পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা গ্রহণ করে, যার প্রথমটি হলো অষ্টম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা (২০২১-২০২৫)
120

২০২২ সালে কোন দেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. সুইজারল্যান্ড
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ জাতিসংঘ শান্তি বিনির্মাণ বা Peacebuilding Commission (PBC)-এর সভাপতি নির্বাচিত হয় বাংলাদেশ। জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা এ দায়িত্ব পালন করবেন। এর মধ্য দিয়ে জাতিসংঘ PBC’র প্রথম নারী সভাপতি হলেন রাবাব ফাতিমা। ২০ ডিসেম্বর ২০০৫ জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও নিরাপত্তা পরিষদের যৌথ রেজ্যুলেশনের মাধ্যমে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি নিয়ে PBC গঠিত হয়। এছাড়া শান্তিরক্ষী প্রেরণকারী প্রথম পাঁচটি দেশ ও সর্বোচ্চ আর্থিক সাহায্যকারী পাঁচটি দেশের মোট ১০ জনও এ কমিশনের সদস্য। উল্লেখ্য, বর্তমানে সবচেয়ে বেশি শান্তিরক্ষী বাহিনী পাঠিয়ে থাকে বাংলাদেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বাংলাদেশ
২০২২ সালের জন্য বাংলাদেশ জাতিসংঘের শান্তিস্থাপন কমিশনের (Peacebuilding Commission - PBC) সভাপতি নির্বাচিত হয়েছিল।
২০২২ সালে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত রাবাব ফাতিমা কমিশনের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
শান্তিস্থাপন কমিশনের সভাপতি নির্বাচিত হওয়া আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাকে তুলে ধরে।
121

বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি
  2. সাভার, ঢাকা
  3. সীতাকুণ্ড, চট্টগ্রাম
  4. বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের প্রথম কয়লাভিত্তিক বিদ্যুকেন্দ্র দিনাজপুর জেলাধীন পার্বতীপুর উপজেলার অন্তর্গত বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। ২০০৬ সালে এটি উৎপাদনে আসে। বর্তমানে এর উৎপাদন সক্ষমতা ৫২৫ মেগাওয়াট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বড়পুকুরিয়া, দিনাজপুর
বড়পুকুরিয়া তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র হলো বাংলাদেশের প্রথম কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। এটি দিনাজপুরের পার্বতীপুরে অবস্থিত।
এই কেন্দ্রটি ২০০৬ সালের ২৭ অক্টোবর পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করে এবং এটি সম্পূর্ণরূপে দেশীয় কয়লার ওপর নির্ভরশীল।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে কাপ্তাই (রাঙ্গামাটি) হলো দেশের একমাত্র জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র। সীতাকুণ্ড বা সাভারে দেশের প্রথম কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবস্থিত নয়।
122

কোন ধরনের শিলায় জীবাশ্ম থাকার সম্ভাবনা রয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আগ্নেয় শিলা
  2. রূপান্তরিত শিলা
  3. পাললিক শিলা
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পলি সঞ্চিত হয়ে যে শিলা গঠিত হয়েছে তাকে পাললিক শিলা বলে। পাললিক শিলার বৈশিষ্ট্য: (১) এটি একটি স্তরীকৃত শিলা। (২) নরম ও হালকা। (৩) সহজেই ক্ষয়প্রাপ্ত। (৪) একমাত্র এই শিলার মধ্যে জীবাশ্ম দেখা যায়। (৫) ছিদ্র দেখা যায়। উদাহরণ: বেলে পাথর, কয়লা, শেল, চুনাপাথর, কাঁদা পাথর, কেওলিন, ডলোমাইট প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: পাললিক শিলা
পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) গঠিত হয় পলি বা বিভিন্ন জৈব ও অজৈব পদার্থ স্তরে স্তরে সঞ্চিত হয়ে। যখন উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ এই পলিস্তরের মধ্যে আটকে পড়ে, তখন তা ভূ-অভ্যন্তরে কম তাপ ও চাপে হাজার হাজার বছর ধরে শক্ত হয়ে জীবাশ্মে (Fossil) পরিণত হয়।
অন্যান্য শিলা কেন নয়? আগ্নেয় শিলা (Igneous Rock) গঠিত হয় গলিত ম্যাগমা বা লাভা শীতল ও কঠিন হয়ে। এখানে উচ্চ তাপমাত্রার কারণে কোনো জৈব বস্তু টিকে থাকতে পারে না।
একইভাবে, রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rock) উচ্চ তাপ ও চাপ প্রয়োগের ফলে সৃষ্টি হয়, যা এর গঠন পরিবর্তন করে এবং এতে থাকা কোনো পূর্বের জীবাশ্মকে ধ্বংস করে ফেলে বা বিকৃত করে দেয়।
123

নিচের কোন দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস দেওয়া সম্ভব নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বন্যা
  2. ভূমিকম্প
  3. ঘূর্ণিঝড়
  4. খরা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রায় এক ডজন ছোট-বড় প্লেট টেকটোনিক দ্বারা আমাদের এই ভূ-ত্বক গঠিত। এই টেকটোনিক প্লেটগুলোর আপেক্ষিক স্থান পরিবর্তনের সময় এদের সীমান্ত অঞ্চলে প্রবল পীড়নের সৃষ্টি হয়। উক্ত পীড়ন যখন বড়সড় চ্যুতির সৃষ্টি করে এবং এর অন্তর্নিহিত শক্তি বের করে দেয়ার চেষ্টা করে ঠিক তখনই আমাদের এই ভূ-পৃষ্ঠ কেঁপে ওঠে। ভাসমান অবস্থায় থাকে বলে এই প্লেটগুলো অনবরত একে অপরের সাথে ঘর্ষণ খেতে থাকে, কখনো একটি প্লেট অপরটির উপরে উঠে যায়, কখনো বা নিচে চলে যায়, কখনো আবার একে অপর থেকে দূরে সরে চলে যায়। অর্থাৎ কখন ঠিক কী ঘটবে এবং সঞ্চিত পীড়নের পরিমাণ কেমন হবে আগে থেকে নিশ্চিতভাবে এর কিছুই বলা যায় না। ফলে ভিন্ন ভিন্ন সম্ভাব্যতার কারণে ভূমিকম্পের কার্যকরী পূর্বাভাস দেয়া সম্ভব নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভূমিকম্প (Earthquake)
ভূমিকম্প হলো পৃথিবীর অভ্যন্তরে সৃষ্ট একটি আকস্মিক দুর্যোগ। এটি সাধারণত ভূ-পৃষ্ঠের নিচে টেকটোনিক প্লেটের হঠাৎ সঞ্চালনের ফলে সৃষ্টি হয় এবং এটি সংঘটিত হওয়ার ঠিক আগে কোনো সুস্পষ্ট বায়ুমণ্ডলীয় বা ভূতাত্ত্বিক লক্ষণ দেখা যায় না।
এ কারণে বিজ্ঞানীরা আজ পর্যন্ত ভূমিকম্পের স্থান, সময় ও তীব্রতা সঠিকভাবে পূর্বাভাস (Prediction) দেওয়ার কোনো নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আবিষ্কার করতে পারেননি।
অন্যদিকে, বন্যা (Flood), ঘূর্ণিঝড় (Cyclone), এবং খরা (Drought)—এগুলো বায়ুমণ্ডলীয় বা জলবায়ুগত কারণে সৃষ্টি হয়। স্যাটেলাইট ডেটা, আবহাওয়ার মডেল ও হাইড্রোলজিক্যাল বিশ্লেষণ ব্যবহার করে এসব দুর্যোগের কার্যকর পূর্বাভাস (Forecasting) দেওয়া সম্ভব হয়।
124

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রের কোন স্তরটি বেশি ব্যয়বহুল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পূর্বপ্রস্তুতি
  2. সাড়াদান
  3. প্রশমন
  4. পুনরুদ্ধার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুর্যোগের দীর্ঘস্থায়ী হ্রাস এবং দুর্যোগ পূর্বপ্রস্তুতিকেই দুর্যোগ প্রশমন বলে। মজবুত পাকা ভবন নির্মাণ, শস্য বহুমুখীকরণ, ভূমি ব্যবহারে বিপর্যয় হ্রাসের কৌশল নির্ধারণ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, শক্ত অবকাঠামো নির্মাণ, কম ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় লোক স্থানান্তর; প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো গঠন ইত্যাদি কার্যক্রম দুর্যোগ প্রশমনের আওতাভুক্ত। দীর্ঘস্থায়ী দুর্যোগ প্রশমন ব্যয়বহুল হলেও সরকার সীমিত সম্পদের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে বেড়িবাঁধ নির্মাণ, নদী খনন, আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ, বনায়ন ইত্যাদি কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। [উৎস : মা.ভূ-২২১ পৃষ্ঠায়]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রশমন (Mitigation)
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রে প্রশমন বলতে বোঝায় সেই সকল দীর্ঘমেয়াদী পদক্ষেপ, যা দুর্যোগের স্থায়ী ঝুঁকি হ্রাস করে। উদাহরণস্বরূপ, নদীর তীরে স্থায়ী বাঁধ নির্মাণ, নতুন করে শক্তিশালী ভবন নির্মাণ কোড চালু করা, অথবা পুরোনো অবকাঠামো সংস্কার (Retrofitting) করা।
এই কাজগুলো মূলত পুঁজি-নিবিড় (Capital Intensive) এবং বিশাল পরিকাঠামো উন্নয়নের সাথে জড়িত। তাই তাৎক্ষণিক সাড়াদান বা পূর্বপ্রস্তুতির চেয়ে প্রশমন স্তরেই দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়।
যদিও পুনরুদ্ধার (Recovery) স্তরটিও খুব ব্যয়বহুল, কিন্তু প্রশমন পদক্ষেপগুলো গৃহীত হলে ভবিষ্যতে পুনরুদ্ধারের খরচ অনেক কমে আসে। তাই বিশেষজ্ঞরা সাধারণত প্রশমন স্তরকেই সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিনিয়োগ হিসেবে চিহ্নিত করেন।
125

কোনটি নবায়নযোগ্য সম্পদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাকৃতিক গ্যাস
  2. চুনাপাথর
  3. বায়ু
  4. কয়লা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব প্রাকৃতিক সম্পদ পুনরায় ব্যবহারযোগ্য সেগুলোকে নবায়নযোগ্য সম্পদ বলে। যেমন: বায়ু, সূর্যালোক, নদীস্রোত, সমুদ্রস্রোত ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বায়ু
বায়ু হলো একটি নবায়নযোগ্য সম্পদ (Renewable Resource)। নবায়নযোগ্য সম্পদ বলতে সেই প্রাকৃতিক সম্পদকে বোঝায়, যা ব্যবহারের ফলে সহজে নিঃশেষ হয় না এবং প্রকৃতিতে স্বল্প সময়ের মধ্যে পুনরায় পূরণ বা উৎপাদিত হয়।
বায়ুশক্তি (Wind Power) হলো প্রকৃতির একটি অফুরন্ত উৎস, যা মানুষ যত ব্যবহার করুক না কেন, তা ফুরিয়ে যায় না। একই ক্যাটাগরির অন্যান্য সম্পদ হলো সৌরশক্তি, জলবিদ্যুৎ, এবং ভূতাপীয় শক্তি
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত প্রাকৃতিক গ্যাস, কয়লা এবং চুনাপাথর হলো অনবায়নযোগ্য সম্পদ (Non-Renewable Resource)। কারণ এগুলো একবার ব্যবহার করলে তা নিঃশেষ হয়ে যায় এবং প্রকৃতিতে পুনরায় সৃষ্টি হতে লক্ষ লক্ষ বছর সময় লাগে।
126

নিচের কোনটি বাংলাদেশের বৃহত্তম গ্যাসক্ষেত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাখরাবাদ
  2. হরিপুর
  3. তিতাস

  4. হবিগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গ্যাসের মজুদের ভিত্তিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্র তিতাস। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে এটির উৎপাদনরত কূপসংখ্যা ২২টি। উল্লেখ্য, ঢাকা শহরে গ্যাস সরবরাহ করা হয় এখান থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিতাস
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে এবং ঐতিহাসিকভাবে বৃহৎ গ্যাসক্ষেত্র হিসেবে তিতাস সবচেয়ে পরিচিত। এই গ্যাসক্ষেত্রটি ১৯৬২ সালে আবিষ্কৃত হয় এবং এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার তিতাস নদীর তীরবর্তী এলাকায় অবস্থিত। এটিই বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান গ্যাস সরবরাহকারী ক্ষেত্র।
যদিও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে বিবিয়ানা গ্যাসক্ষেত্রকে প্রমাণিত মজুদের ভিত্তিতে বৃহত্তম বলে ধরা হয় (যা বিকল্পে নেই), প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সাধারণ জ্ঞানে তিতাসকে অন্যতম বৃহৎ এবং ঐতিহ্যবাহী ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
অন্যান্য বিকল্প: হরিপুর হলো বাংলাদেশের প্রথম আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র (১৯৫৫)। বাখরাবাদ এবং হবিগঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ হলেও মজুদের দিক থেকে তিতাসের চেয়ে ছোট।
127

বাংলাদেশে ‘জি-কে’ প্রকল্প একটি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদী নিয়ন্ত্রণ প্রকল্প
  2. জলবিদ্যুৎ প্রকল্প
  3. সেচ প্রকল্প
  4. জল পরিবহন প্রকল্প

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

গঙ্গা-কপোতাক্ষ (G-K) সেচ প্রকল্প বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ও পুরাতন সেচ প্রকল্প। ৪টি জেলা (কুষ্টিয়া, মাগুরা, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ) এর ১৩টি উপজেলা জুড়ে এই প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ১৯৫৪-৫৫ সালে। সর্বশেষ সংস্কার কাজটি ১৯৯৩ সালে শেষ হয়।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে 'জি-কে' প্রকল্প বলতে বোঝায় গঙ্গা-কপোতাক্ষ সেচ প্রকল্প (Ganges-Kobadak Irrigation Project)
এটি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান ও ঐতিহ্যবাহী সেচ প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা এবং মাগুরা জেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে পানি সরবরাহ করা হয়।
এই প্রকল্পটি গঙ্গা নদীর ওপর নির্ভরশীল এলাকায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে। তাই সঠিক উত্তর হলো: সেচ প্রকল্প
128

COP 26-এ COP মানে কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কনফারেন্স অব প্যারিস
  2. কনফারেন্স অব দ্য পাওয়ার
  3. কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
  4. কনফারেন্স অব দ্য প্রটোকল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু সম্মেলনের নাম কনফারেন্স অব দ্যা পার্টিস বা COP। ১৯৯৫ সালে প্রথম কপ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় বার্লিনে। সেই থেকে UNFCCC প্রতিবছর কপ আয়োজন করে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কনফারেন্স অব দ্য পার্টিস
COP এর পূর্ণরূপ হলো Conference of the Parties (পার্টিস-এর সম্মেলন)।
এখানে ‘পার্টিস’ (Parties) বলতে বোঝানো হয় সেইসব দেশ, যারা জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় জাতিসংঘের মূল চুক্তি UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)-তে স্বাক্ষর করেছে।
এই স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর বার্ষিক সভাই হলো COP। যেমন, COP 26 ছিল এই চুক্তির অধীনে অনুষ্ঠিত ছাব্বিশতম বার্ষিক সম্মেলন।
129

বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির চ্যালেঞ্জ নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘন ঘন বন্যা
  2. সমুদ্র দূষণ
  3. ত্রুটিপূর্ণ সমূদ্র শাসন
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্লু ইকোনমি বলতে মূলত সমুদ্র অর্থনীতিকে বোঝায়। ঘন ঘন বন্যা হওয়া অভ্যন্তরীণ নদী ব্যবস্থাপনার সমস্যা।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি বাংলাদেশের ব্লু-ইকোনমির প্রত্যক্ষ চ্যালেঞ্জ (Direct Challenges) সম্পর্কে জানতে চেয়েছে। ব্লু-ইকোনমি বা নীল অর্থনীতি বলতে সমুদ্র সম্পদকে কাজে লাগিয়ে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন বোঝায়।
সঠিক উত্তর: ঘন ঘন বন্যা
ঘন ঘন বন্যা বাংলাদেশের স্থলভিত্তিক অবকাঠামো, কৃষি ও নদী শাসন-এর জন্য প্রধান চ্যালেঞ্জ। কিন্তু এটি সরাসরি বঙ্গোপসাগরের গভীরে থাকা খনিজ সম্পদ আহরণ বা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণের প্রধান বাধা নয়।
অপরদিকে, সমুদ্র দূষণ (বিশেষ করে প্লাস্টিক ও শিল্পবর্জ্য) সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। এছাড়া, ত্রুটিপূর্ণ সমুদ্র শাসন (দুর্বল নজরদারি, অবৈধ মাছ শিকার, এবং সমুদ্র সম্পদ আহরণের আধুনিক প্রযুক্তির অভাব) ব্লু-ইকোনমি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে প্রধান ও প্রত্যক্ষ চ্যালেঞ্জ হিসেবে গণ্য হয়।
130

ডাউকি ফল্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর বাংলাদেশের কোন নদী তার গতিপথ পরিবর্তন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রহ্মপুত্র নদী

  2. পদ্মা নদী
  3. কর্ণফুলি নদী
  4. মেঘনা নদী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্রহ্মপুত্র নদের উৎপত্তিস্থল হিমালয়ের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবর। এরপর তিব্বত ও আসামের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে কুড়িগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে এবং ১৭৮৭ সালে ডাউকি ফল্ট বরাবর একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের পর ব্রহ্মপুত্র নদের গতিপথ পরিবর্তন হয়ে যমুনা নামে নতুন একটি নদীর সৃষ্টি হয় যেটি গোয়ালন্দে এসে পদ্মা নদীর সাথে মিলিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রহ্মপুত্র নদী
ডাউকি ফল্ট (Dawki Fault) হলো বাংলাদেশ ও ভারতের মেঘালয় রাজ্যের সীমান্ত সংলগ্ন একটি বিশাল ভূ-চ্যুতি (Fault) রেখা। এটি পৃথিবীর অন্যতম সক্রিয় টেকটোনিক অঞ্চল।
ঐতিহাসিক তথ্য অনুসারে, ১৭৮৭ সালে ডাউকি ফল্ট বরাবর সংঘটিত একটি প্রচণ্ড ভূমিকম্পের ফলে ব্রহ্মপুত্র নদের প্রধান গতিপথে এক বিশাল পরিবর্তন আসে।
ভূমিকম্পের ফলে ভূমি উপরে উঠে আসায় (Uplift) নদীটি পূর্বের পথ, যা পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নামে পরিচিত ছিল (ময়মনসিংহের পাশ দিয়ে প্রবাহিত), তা ছেড়ে পশ্চিম দিকে নতুন পথে প্রবাহিত হতে শুরু করে।
এই নতুন গতিপথটিই বর্তমানে যমুনা নদী নামে পরিচিত। মূলত, ১৭৮৭ সালের ভূমিকম্পই যমুনার বর্তমান প্রবাহকে স্থায়ী রূপ দেয়।
131

সুপরিবাহী পদার্থে Valence Band এবং conduction band-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলাদা থাকে
  2. ওভারল্যাপ থাকে
  3. অনেক দূরে থাকে
  4. কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওভারল্যাপ থাকে
পদার্থের তড়িৎ পরিবাহিতা ব্যাখ্যা করার জন্য যে ব্যান্ড তত্ত্ব ব্যবহার করা হয়, সেখানে মূলত দুটি স্তরের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ: Valence Band (যোজন ব্যান্ড) এবং Conduction Band (পরিবহন ব্যান্ড)
সুপরিবাহী (Conductor) পদার্থের ক্ষেত্রে, যোজন ব্যান্ড (Valence Band) এবং পরিবহন ব্যান্ড (Conduction Band) একে অপরের সাথে ওভারল্যাপ বা মিশে থাকে।
এই ওভারল্যাপের ফলে যোজন ব্যান্ডে থাকা ইলেকট্রনগুলো সামান্য শক্তি ছাড়াই (এমনকি কক্ষ তাপমাত্রায়) খুব সহজেই পরিবহন ব্যান্ডে চলে যেতে পারে এবং মুক্ত ইলেকট্রন হিসেবে বিদ্যুৎ পরিবহনে অংশ নিতে পারে।
তাই এদের রোধ কম এবং পরিবাহিতা বেশি হয়।
132

ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলভার ব্রোমাইডের
  2. অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইডের
  3. সিলভার ক্লোরাইডের
  4. সিলভার ফ্লোরাইডের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ফটোগ্রাফিক প্লেটে আবরণ থাকে সিলভার ব্রোমাইডের। সিলভার ব্রোমাইড একটি রাসায়নিক যৌগ যাতে একটি ব্রোমাইড আয়ন বা লিগ্যান্ড রয়েছে এবং এর সংকেত হচ্ছে AgBr.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলভার ব্রোমাইড
ফটোগ্রাফিক প্লেট বা ফিল্মের মূল উপাদান হলো আলোক সংবেদনশীল (photosensitive) রাসায়নিক যৌগ। এই যৌগটিকে **ইমালসন (Emulsion)** বলা হয়, যা মূলত **সিলভার হ্যালাইড** দিয়ে তৈরি।
এই ইমালসনে প্রধানত ব্যবহৃত হয় **সিলভার ব্রোমাইড (Silver Bromide - AgBr)**। এটি আলোর প্রতি অত্যন্ত সংবেদনশীল।
যখন কোনো বস্তুর উপর থেকে আসা আলো ফটোগ্রাফিক প্লেটের উপর পড়ে, তখন AgBr আলোক শক্তি শোষণ করে এবং রাসায়নিকভাবে বিয়োজিত হয়ে **রূপা (Silver)**-তে রূপান্তরিত হয়, যা প্লেটে একটি সুপ্ত প্রতিবিম্ব (Latent Image) সৃষ্টি করে।
অন্যান্য অপশন যেমন সিলভার ক্লোরাইড (AgCl) এবং সিলভার ফ্লোরাইড (AgF) কিছুটা আলোক সংবেদনশীল হলেও, ছবি তোলার জন্য **সিলভার ব্রোমাইড** সবচেয়ে বেশি কার্যকর এবং আদর্শ যৌগ হিসেবে বিবেচিত হয়।
133

বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের কোন খাদ্য উপাদান বৃদ্ধি পায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইট্রোজেন
  2. পটাশিয়াম
  3. অক্সিজেন
  4. ফসফরাস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে নাইট্রোজেন। বাতাসের নাইট্রোজেন পানিতে মিশে মাটিতে শোষিত হওয়ার পরে মাটির উর্বরতা বৃদ্ধি করে। নাইট্রেট (NO3−) আয়ন হিসাবে উদ্ভিদ সাধারণত মাটি থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। বজ্রবৃষ্টির ফলে মাটিতে উদ্ভিদের খাদ্য উপাদান নাইট্রোজেনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। কারণ আকাশে বিদ্যুৎক্ষরণের সময় নাইট্রোজেন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয়ে নাইট্রোজেনের অক্সাইডসমূহ উৎপন্ন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাইট্রোজেন
বজ্রপাত বা বজ্রবৃষ্টির সময় বায়ুমণ্ডলে অত্যধিক তাপ ও বিদ্যুৎ শক্তির সৃষ্টি হয়। এই উচ্চ শক্তি বায়ুমণ্ডলের নিষ্ক্রিয় নাইট্রোজেন গ্যাস (N2N_2) এবং অক্সিজেন (O2O_2)-কে একত্রিত করে নাইট্রোজেন অক্সাইড (Nitrogen Oxides) তৈরি করে।
এই নাইট্রোজেন অক্সাইড বৃষ্টির জলের সাথে মিশে দুর্বল নাইট্রিক অ্যাসিড (HNO3HNO_3) গঠন করে এবং অ্যাসিড বৃষ্টি হিসেবে মাটিতে নেমে আসে।
মাটিতে আসার পর এই নাইট্রিক অ্যাসিড মাটির ক্ষারীয় পদার্থের সাথে বিক্রিয়া করে নাইট্রেট (Nitrate) লবণে পরিণত হয়। উদ্ভিদ সরাসরি এই নাইট্রেট লবণ শোষণ করে এবং নিজেদের বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেনের চাহিদা পূরণ করে।
এটি বায়ুমণ্ডলীয় নাইট্রোজেন সংবন্ধন (Atmospheric Nitrogen Fixation) প্রক্রিয়ার একটি অংশ।
134

ফলিক এসিডের অন্য নাম কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন বি ১২
  2. ভিটামিন বি ৬
  3. ভিটামিন বি ১
  4. ভিটামিন বি ৯

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি ৯ হচ্ছে ভিটামিন বি এর একটি রূপ যা প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট ও পানিতে দ্রবণীয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভিটামিন বি ৯। ফলিক এসিড হলো পানিতে দ্রবণীয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বি-কমপ্লেক্স ভিটামিন। এটি ১৯৪১ সালে আবিষ্কৃত হয়।
এই ভিটামিনটি মূলত রক্তের লোহিত কণিকা তৈরি (Red Blood Cell production) এবং কোষের ডিএনএ সংশ্লেষণের (DNA Synthesis) জন্য অপরিহার্য।
অন্যান্য অপশনগুলোর রাসায়নিক নাম নিম্নরূপ, তাই সেগুলো ভুল উত্তর:
ভিটামিন বি ১: থায়ামিন (Thiamine)
ভিটামিন বি ৬: পাইরিডক্সিন (Pyridoxine)
ভিটামিন বি ১২: সায়ানোকোবালামিন (Cyanocobalamin)
135

যে কারণে শৈশব-অন্ধত্ব হতে পারে তা হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এইচআইভি/এইডস
  2. ম্যালেরিয়া
  3. হাম
  4. যক্ষ্মা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হাম হলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হয়, তা থেকে শিশুদের মৃত্যু হবার ঝুঁকি থাকে। হামের সংক্রমণে শিশুদের ফুসফুসে ও মস্তিষ্কে প্রদাহ, শ্রুতিহানি এমনকি অন্ধত্বের শিকার হতে পারে। এই কারণে হামে আক্রান্ত সমস্ত শিশুকে ২৪ ঘণ্টা পর দুই মাত্রায় সম্পূরক ভিটামিন এ দেয়া হয়, যাতে হামের কারণে সৃষ্ট ভিটামিন এর অভাব পূরণ হয় (যা অপুষ্টিতে না ভোগা শিশুদেরও হতে পারে) এবং চোখের ক্ষতি বা অন্ধত্ব প্রতিরোধ করা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাম (Measles)। হাম হলো একটি ভাইরাসজনিত অত্যন্ত সংক্রামক রোগ যা শিশুদের ক্ষেত্রে মারাত্মক হতে পারে।
হামের ফলে সৃষ্ট অন্যতম প্রধান জটিলতা হলো চোখের সংক্রমণ বা কর্ণিয়ার ক্ষতি। বিশেষ করে যেসব শিশু একই সাথে ভিটামিন ‘এ’ এর অভাবে ভোগে, হাম তাদের চোখের কর্ণিয়াকে স্থায়ীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে (কেরাটোমালয়েশিয়া), যা শেষ পর্যন্ত শৈশব-অন্ধত্বের কারণ হয়।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) অনুযায়ী, হাম (Measles) বিশ্বজুড়ে শৈশব-অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান প্রতিরোধযোগ্য কারণ।
অন্যান্য অপশনগুলো—এইচআইভি/এইডস, ম্যালেরিয়া বা যক্ষ্মা—চোখের জটিলতা সৃষ্টি করলেও, হামের মতো এত ব্যাপক হারে সরাসরি শৈশব-অন্ধত্বের প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচিত নয়।
136

শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল দিতে হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বছরে একবার
  2. বছরে দুইবার
  3. বছরে তিনবার
  4. এর কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয় বছরে দুইবার। শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর উপকারিতা- ১. শিশুর রাতকানা ও অন্ধত্ব রোগ প্রতিরোধ করে। ২. শিশুর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বছরে দুইবার (Twice a year)।
বাংলাদেশে জাতীয় ভিটামিন 'এ' প্লাস ক্যাম্পেইন-এর আওতায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের ভিটামিন এ ক্যাপসুল খাওয়ানো হয়।
এই ক্যাম্পেইন সাধারণত বছরে দু'টি ধাপে পরিচালিত হয় (যেমন: জানুয়ারী/ফেব্রুয়ারী এবং জুন/জুলাই)। এই দুইবার ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে শিশুদের শরীরে ভিটামিন এ-এর ঘাটতি পূরণ করা হয় এবং তাদেরকে রাতকানা রোগ সহ অন্যান্য রোগ থেকে রক্ষা করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ক্যাম্পেইনের সরকারি নীতি অনুযায়ী বছরে নির্দিষ্টভাবে দুইবারই এই ক্যাপসুল বিতরণ করা হয়।
137

ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতার জন্য তার যে গঠন দায়ী তা হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিল্লি
  2. ফ্ল্যাজেলা
  3. শীথ
  4. ক্যাপসুলস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ফ্ল্যাজেলা ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতা বা গতিবিধি বা চলাচলে সহায়তা করে। এটি কোষের পৃষ্ঠের সাথে বিশেষভাবে কোষের ঝিল্লি বা সাইটোপ্লাজমের সাথে লেগে থাকে এবং গতিশীলতাকে উৎসাহিত করে। প্রোক্যারিওটে ফ্ল্যাজেলা গঠন সহজ এবং এতে মূলত তিনটি অংশ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ফ্ল্যাজেলা (Flagella)
ফ্ল্যাজেলা হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বাইরে অবস্থিত দীর্ঘ, সূক্ষ্ম, চুলের মতো উপাঙ্গ যা ব্যাকটেরিয়ার গতিশীলতা (Motility) বা চলনে সাহায্য করে। এটি অনেকটা নৌকার হাল (Propeller) বা ইঞ্জিনের মতো কাজ করে, যা ব্যাকটেরিয়াকে তরল মাধ্যমে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যেতে সাহায্য করে।
অন্যদিকে, পিল্লি (Pili) হলো ফ্ল্যাজেলার চেয়েও ছোট ও অসংখ্য সূক্ষ্ম লোমশ গঠন। এগুলি সাধারণত ব্যাকটেরিয়াকে কোনো তলে সংযুক্ত হতে এবং যৌন জনন (Conjugation) এর মাধ্যমে জিনগত পদার্থ আদান-প্রদানে সাহায্য করে, তবে চলনে নয়।
ক্যাপসুলস (Capsules) হলো ব্যাকটেরিয়ার কোষ প্রাচীরের বাইরে একটি প্রতিরক্ষামূলক আবরণ, যা ব্যাকটেরিয়াকে শুকিয়ে যাওয়া বা ফ্যাগোসাইটোসিসের হাত থেকে রক্ষা করে, এটি গতিশীলতার জন্য দায়ী নয়।
138

‘কেপলার-৪৫২বি’ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি মহাকাশযান
  2. পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
  3. সূর্যের মতো একটি নক্ষত্র
  4. NASA-এর অত্যাধুনিক টেলিস্কোপ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কেপলার- ৪৫২বি হল স্বীকৃত তথা পৃথিবীর প্রায় সমান আকৃতিবিশিষ্ট একটি গ্রহবিশেষ। সম্ভবত এটি একটি শিলাময় গ্রহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পৃথিবীর মতো একটি গ্রহ
কেপলার-৪৫২বি (Kepler-452b) হলো সৌরজগতের বাইরে আবিষ্কৃত একটি গ্রহ, যা এক্সোপ্ল্যানেট নামে পরিচিত। এটিকে ‘পৃথিবীর পুরোনো কাজিন’ (Earth’s Older Cousin) বলা হয়।
২০১৫ সালের ২৩ জুলাই, NASA এর কেপলার স্পেস টেলিস্কোপ এই গ্রহটি আবিষ্কার করে। গ্রহটি এমন একটি অঞ্চলে অবস্থিত, যেখানে তাপমাত্রা তরল জলকে ধরে রাখার জন্য উপযুক্ত। এই অঞ্চলকে জ্যোতির্বিজ্ঞানের ভাষায় গোল্ডিলকস জোন (Goldilocks Zone) বা বাসযোগ্য অঞ্চল বলা হয়।
যেহেতু প্রশ্নটিতে সরাসরি গ্রহটির পরিচয় জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই এটি একটি মহাকাশযান বা টেলিস্কোপ নয়। নক্ষত্র হলো কেপলার-৪৫২, যাকে এটি প্রদক্ষিণ করে।
139

ধারালো যন্ত্রপাতি জীবাণুমুক্ত করার ভাল পদ্ধতি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বয়লিং
  2. বেনজিন ওয়াশ
  3. ফরমালিন ওয়াশ
  4. কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাস্থ্যসেবায় ব্যবহৃত বেশিরভাগ চিকিত্সা এবং অস্ত্রোপচারের ডিভাইসগুলি যেমন: স্ক্যাল্পেল, হাইপোডার্মিক সূঁচ এবং কৃত্রিম পেসমেকার কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন অথবা রাসায়নিকভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হয়। যেমন: ইথিলিন অক্সাইড গ্যাস ১৯৫০ সাল থেকে তাপ এবং আর্দ্রতা-সংবেদনশীল চিকিৎসা যন্ত্রের জন্য ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়াও নিম্ন-তাপমাত্রার জীবাণুমুক্তকরণ ব্যবস্থা (যেমন: বাষ্পযুক্ত হাইড্রোজেন পারক্সাইড, পেরাসেটিক এসিড নিমজ্জন, ওজোন) তৈরি করা হয়েছে এবং চিকিত্সা ডিভাইসগুলোকে জীবাণুমুক্ত করতে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন (Chemical Sterilization)।
ধারালো যন্ত্রপাতি যেমন—অস্ত্রোপচারের সরঞ্জাম বা স্ক্যালপেল (Scalpel) অত্যন্ত সূক্ষ্ম হয়। এগুলো যদি উচ্চ তাপমাত্রায় (যেমন: অটোক্লেভে) দীর্ঘ সময় ধরে রাখা হয়, তবে ধাতব অংশের ক্ষয়সাধন হতে পারে অথবা যন্ত্রপাতির ধার কমে যেতে পারে।
এই ধরনের সূক্ষ্ম যন্ত্রপাতি সম্পূর্ণভাবে জীবাণুমুক্ত করার জন্য সাধারণত রাসায়নিক পদ্ধতি (যেমন: গ্লুটারালডিহাইড বা পারঅ্যাসেটিক অ্যাসিডের সলিউশন) ব্যবহার করা হয়। এটি তাপের ক্ষতি ছাড়াই কার্যকরভাবে ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস এবং স্পোরকে ধ্বংস করতে পারে।
বয়লিং (Boiling) শুধুমাত্র জীবাণুনাশক (Disinfection) পদ্ধতি, সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্তকরণের (Sterilization) জন্য যথেষ্ট নয়, কারণ ব্যাকটেরিয়ার স্পোর এতে নষ্ট হয় না।
ফরমালিন ওয়াশ ধীরগতি সম্পন্ন এবং এর বিষাক্ততা বেশি, তাই ধারালো যন্ত্রপাতির জন্য এটি আদর্শ নয়।
তাই, ধারালো যন্ত্রপাতির তীক্ষ্ণতা বজায় রেখে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করার জন্য কেমিক্যাল স্টেরিলাইজেশন-ই সর্বোত্তম আধুনিক পদ্ধতি।
140

সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. R3NH+

  2. SO3−Na+

  3. R2NH2+

  4. COO−Na+

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাবানের রাসায়নিক সংকেত- C17H35COONa. অর্থাৎ সাবানের আয়নিক গ্রুপ হলো COO−Na+

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: COO−Na⁺
সাবান হলো মূলত উচ্চতর ফ্যাটি অ্যাসিডের সোডিয়াম (Na) বা পটাশিয়াম (K) লবণ। যখন দীর্ঘ শিকলযুক্ত ফ্যাটি অ্যাসিডকে ক্ষারের (যেমন: NaOH বা KOH) সাথে বিক্রিয়া করানো হয়, তখন সাবান তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়াকে সাপোনিফিকেশন (Saponification) বলা হয়।
সাবানের সাধারণ সংকেত হলো R-COO-Na\text{R-COO-Na}, যেখানে R হলো দীর্ঘ অ্যালকাইল গ্রুপ।
পানিতে দ্রবীভূত হলে এই লবণটি আয়নিত হয়ে কার্বক্সিলিক অ্যানায়ন (R-COO\text{R-COO}^-) এবং সোডিয়াম ক্যাটায়ন (Na+\text{Na}^+) তৈরি করে। এই দুটি মিলেই সাবানের আয়নিক গ্রুপটি তৈরি হয়, যা COO−Na+\text{COO−Na}^+ আকারে প্রকাশ করা হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন?
অপশন SO3Na+\text{SO}_3−\text{Na}^+ সাধারণত ডিটারজেন্টের (Detergent) ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। ডিটারজেন্ট হলো দীর্ঘ শিকলযুক্ত অ্যালকাইল সালফোনিক অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ।
141

কোন জোড়াটি বেমানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কাচ
  2. হোমিওপ্যাথি : হ্যানিম্যান
  3. ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক
  4. এনাটমি : ভেসলিয়াস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে শুধুমাত্র ব্যাকটেরিয়া: রবার্ট হুক জোড়াটি বেমানান। কারণ ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেন বিজ্ঞানী অ্যান্টনি ফন লিউয়েন হুক। তিনি সর্বপ্রথম ১৬৭৫ খ্রিষ্টাব্দে বৃষ্টির পানির মধ্যে নিজের তৈরি সরল অণুবীক্ষণযন্ত্রের নিচে ব্যাকটেরিয়া পর্যবেক্ষণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্যাকটেরিয়া : রবার্ট হুক। এই জোড়াটিই বেমানান (Mismatched)।
কারণ, ব্যাকটেরিয়া বা জীবাণু প্রথম পর্যবেক্ষণ ও আবিষ্কার করেন অ্যান্টন ভ্যান লিউয়েনহুক (Anton van Leeuwenhoek) ১৬৭৬ সালে। তিনি প্রাণীকোষ (Animalcules) হিসেবে এগুলোকে চিহ্নিত করেন।
অন্যদিকে, রবার্ট হুক ১৬৬৫ সালে 'কোষ' (Cell) আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
বাকি জোড়াসমূহ সঠিক:
১. যক্ষ্মার জীবাণু : রবার্ট কাচরবার্ট কাচ ১৮৮২ সালে যক্ষ্মার জীবাণু (টিউবারকল ব্যাসিলাস) আবিষ্কার করেন, যা সঠিক।
২. হোমিওপ্যাথি : হ্যানিম্যানস্যামুয়েল হ্যানিম্যান আধুনিক হোমিওপ্যাথির জনক, যা সঠিক।
৩. এনাটমি : ভেসলিয়াসঅ্যান্ড্রিয়াস ভেসলিয়াস আধুনিক অ্যানাটমির জনক হিসেবে পরিচিত, যা সঠিক।
142

এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং হরমোন এর মৌলিক উপাদান-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রোটিন
  2. ক্যালসিয়াম
  3. ভিটামিন
  4. লবণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এনজাইম বা উৎসেচক হচ্ছে প্রোটিন দিয়ে গঠিত এক প্রকার অরগানিক ক্যাটালিস্ট (জৈব অনুঘটক)। দেহে অ্যান্টিজেনের উপস্থিতিতে প্রত্যুত্তর হিসেবে অ্যান্টিবডি নামক ইংরেজি ওয়াই (Y) আকৃতির প্রতিরক্ষামূলক প্রোটিন জাতীয় পদার্থ তৈরি হয়। অধিকাংশ হরমোন প্রোটিন দিয়ে গঠিত। যেমন: ইনসুলিন, হিমোগ্লোবিন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো প্রোটিন। এনজাইম, অ্যান্টিবডি এবং বেশিরভাগ হরমোন - এই তিনটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জৈব অণুর প্রধান ও মৌলিক উপাদান হলো প্রোটিন (Protein)

এনজাইম (Enzyme): সব এনজাইমই প্রকৃতিতে প্রোটিন এবং এরা জৈব-অনুঘটক (Biological Catalyst) হিসেবে কাজ করে, দেহের রাসায়নিক বিক্রিয়াকে দ্রুত করে।

অ্যান্টিবডি (Antibody): অ্যান্টিবডি (ইমিউনোগ্লোবিউলিন) বিশেষ ধরনের প্রোটিন অণু যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করে এবং রোগ সৃষ্টিকারী ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

হরমোন (Hormone): অধিকাংশ হরমোনই হয় প্রোটিন (যেমন: ইনসুলিন, গ্রোথ হরমোন) বা অ্যামাইনো অ্যাসিডের ডেরিভেটিভ দিয়ে গঠিত। কিছু হরমোন অবশ্য লিপিড (স্টেরয়েড) থেকে তৈরি হয়, কিন্তু সামগ্রিকভাবে প্রোটিন হলো এদের অন্যতম মৌলিক উপাদান।

অন্যদিকে, ক্যালসিয়াম হলো একটি খনিজ উপাদান (হাড় ও দাঁতের জন্য প্রয়োজনীয়), ভিটামিন হলো অল্প পরিমাণে প্রয়োজনীয় জৈব যৌগ, এবং লবণও খনিজ উপাদান—এগুলো মৌলিক কাঠামোগত উপাদান নয়।
143

পরম শূন্য তাপমাত্রা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৭৩° সেন্টিগ্রেড
  2. -২৭৩° ফারেনহাইট
  3. O° সেন্টিগ্রেড
  4. O° কেলভিন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পরম শূন্য (Absolute Zero) হচ্ছে এই মহাবিশ্বের সম্ভাব্য সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। তাপমাত্রামাপক যন্ত্রে এর মান হচ্ছে O° কেলভিন অথবা -২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড বা -৪৬০° ফারেনহাইট। মহাবিশ্বে এর থেকে কম তাপমাত্রা হওয়া সম্ভব নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: O° কেলভিন
তাপগতিবিদ্যার নিয়মানুসারে, যে তাপমাত্রায় কোনো বস্তুর কণাগুলির (অণু বা পরমাণু) গতিশক্তি সর্বনিম্ন বা প্রায় শূন্য হয়ে যায়, তাকে পরম শূন্য তাপমাত্রা (Absolute Zero Temperature) বলা হয়।
কেলভিন স্কেলে এই সর্বনিম্ন তাপমাত্রাকে ০ কেলভিন (0 K) ধরা হয়, যা সকল প্রকার গ্যাসের আয়তন তাত্ত্বিকভাবে শূন্য হয়ে যাওয়ার নির্দেশক।
সেন্টিগ্রেড স্কেলে পরম শূন্য তাপমাত্রার মান হলো ২৭৩.১৫°সেন্টিগ্রেড</strong>(বাপ্রায়-২৭৩.১৫° সেন্টিগ্রেড</strong> (বা প্রায় -২৭৩° সেন্টিগ্রেড$)।
অন্যদিকে, O° সেন্টিগ্রেড হলো জলের হিমাঙ্ক, যা 273.15K273.15 K-এর সমান। তাই কেলভিন স্কেলের শূন্যকেই পরম শূন্য তাপমাত্রা হিসাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়।
144

আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অসীম
  2. শূন্য
  3. অতি ক্ষুদ্র
  4. অনেক বড়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

একটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ শূন্য। এটা যে কোন পরিমাণের বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং শোষণ করতে পারে। একটি আদর্শ বিভব উৎসের মাঝের বিদ্যুৎ প্রবাহ সম্পূর্ণভাবে বহিঃস্থ বর্তনীর মাধ্যমে নির্ণয় করা যেতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শূন্য (Zero)।
একটি আদর্শ ভোল্টেজ উৎস (Ideal Voltage Source) হলো এমন একটি উৎস, যা এর টার্মিনালগুলোতে সব সময় একটি নির্দিষ্ট ও ধ্রুব ভোল্টেজ সরবরাহ করে, তা লোড পরিবর্তন হোক বা না হোক।
যদি কোনো ভোল্টেজ উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধ (Internal Resistance) থাকে, তবে উৎস থেকে কারেন্ট (I) প্রবাহিত হলে এই রোধের কারণে একটি ভোল্টেজ ড্রপ (Voltage Drop) তৈরি হয় (Vdrop=I×rinternalV_{drop} = I \times r_{internal})।
এই ভোল্টেজ ড্রপের কারণে উৎসের টার্মিনাল ভোল্টেজ সবসময় তার তড়িচ্চালক শক্তির (EMF) চেয়ে কম হয়। কিন্তু যেহেতু উৎসটি আদর্শ, তাই ভোল্টেজ ড্রপ হওয়া চলবে না।
টার্মিনাল ভোল্টেজকে তড়িচ্চালক শক্তির (EMF) সমান রাখার জন্য অবশ্যই অভ্যন্তরীণ রোধের মান শূন্য হতে হবে।
(Vterminal=EMFI×<strong>0</strong>=EMFV_{terminal} = EMF - I \times <strong>0</strong> = EMF)
অন্যদিকে, অসীম হলো আদর্শ কারেন্ট উৎসের অভ্যন্তরীণ রোধের মান।
145

নিচের কোনটি Structured Query Language নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Java
  2. MySQL
  3. Oracle
  4. উপরের সবগুলো

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Java হচ্ছে Programming language, এটি Structured Query Language (SQL) নয়। অন্যদিকে MySQL হচ্ছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ডাটাবেজ Management সফটওয়্যার। কিন্তু এটি কোনো Language নয়। Oracle এক ধরনের Object Relational Database Management System যা Oracle কর্পোরেশন নামক যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক একটি কোম্পানি বাজারজাত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপরের সবগুলো। এর কারণ হলো, অপশনগুলোতে যা দেওয়া আছে তার কোনোটিই সরাসরি 'Structured Query Language' (SQL) নামক ভাষাটি নয়।
SQL হলো একটি ডোমেইন-নির্দিষ্ট ভাষা যা রিলেশনাল ডেটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) ডেটা পরিচালনা ও সংজ্ঞা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়।
Java: এটি হলো একটি হাই-লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা (High-Level Programming Language) যা অ্যাপ্লিকেশন ও সফটওয়্যার তৈরির জন্য ব্যবহৃত হয়। এটি SQL নয়।
MySQL এবং Oracle: এগুলো হলো জনপ্রিয় RDBMS (Relational Database Management System) সফটওয়্যার বা ডেটাবেস ভেন্ডরের নাম। এই সিস্টেমগুলো ডেটাবেস পরিচালনার জন্য SQL ব্যবহার করে, কিন্তু এরা নিজেরা 'SQL' নামক ভাষাটি নয়।
যেহেতু প্রশ্নটি জানতে চেয়েছে কোনটি SQL ভাষাটি নয়, এবং অপশনগুলোতে দেওয়া সবগুলোই (Java একটি প্রোগ্রামিং ভাষা এবং MySQL/Oracle হলো RDBMS সিস্টেম) SQL ভাষা থেকে ভিন্ন, তাই উপরের সবগুলো সঠিক উত্তর।
146

ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Hostname কে IP Address এ অনুবাদ করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. PTP Server
  2. Firewall
  3. DNS Server
  4. Gateway

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Domain Name System (DNS) হলো এমন একটি প্রযুক্তি যা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ওয়েবসাইট এবং ইন্টারনেটের অন্যান্য স্থানে পরিচালিত করে। DNS রেজুলিউশনের প্রক্রিয়াতে একটি হোস্ট নেইম (উদাহরণ: www.example.com) কম্পিউটার-বান্ধব আইপি ঠিকানায় (উদাহরণ: 192.168.1.1) রূপান্তর করে। যখন কোন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী কোন ওয়েবপৃষ্ঠা লোড করতে চান, তখন DNS Server হোস্টনাম এর পরিবর্তে একটি আইপি ঠিকানা দেয়, যার প্রেক্ষিতে ব্যবহারকারী নির্দিষ্ট সাইটে পৌঁছাতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো DNS Server। DNS এর পূর্ণরূপ হলো Domain Name System
ইন্টারনেট যোগাযোগ ব্যবস্থায় Hostname (যেমন: www.example.com) হলো মানুষের সহজে মনে রাখার জন্য ব্যবহৃত একটি নাম। কিন্তু কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বা সার্ভারগুলি এই নাম বোঝে না, তারা বোঝে শুধুমাত্র সংখ্যাভিত্তিক ঠিকানা—যাকে IP Address (যেমন: 203.0.113.45) বলা হয়।
DNS Server হলো সেই সার্ভার, যা ইন্টারনেটের ফোনবুক হিসেবে কাজ করে। এটি এই Hostname-কে তার সংশ্লিষ্ট IP Address-এ অনুবাদ করে (Name Resolution) এবং ব্যবহারকারীকে সঠিক সার্ভারের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
ফায়ারওয়াল (Firewall): এর কাজ হলো নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক ফিল্টার করা এবং বহিরাগত অননুমোদিত প্রবেশ থেকে সুরক্ষা প্রদান করা।
গেটওয়ে (Gateway): এটি দুটি ভিন্ন প্রোটোকল ব্যবহারকারী নেটওয়ার্কের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে এবং ডেটা আদান-প্রদানে সাহায্য করে, তবে নামের অনুবাদ করে না।
147

নিচের কোন মডেলটি Cloud Computing সেবা প্রদানকারীগণ ব্যবহার করে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. CaaS
  2. IaaS
  3. PaaS
  4. SaaS

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: CaaS
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা প্রদানকারীগণ (যেমন AWS, Azure, Google Cloud) প্রধানত তিনটি মৌলিক (Primary) সেবা মডেল ব্যবহার করে, যা ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের ভিত্তি হিসেবে বিবেচিত। এই তিনটি মডেল হলো— IaaS (Infrastructure as a Service), PaaS (Platform as a Service) এবং SaaS (Software as a Service)।
CaaS (যা সাধারণত Container as a Service হিসেবে পরিচিত) হলো ক্লাউড সার্ভিসের একটি বিশেষায়িত রূপ (Specialized service), কিন্তু এটি IaaS, PaaS বা SaaS-এর মতো মৌলিক সেবা প্রদান মডেলের অন্তর্ভুক্ত নয়। তাই প্রশ্ন অনুযায়ী, CaaS প্রধান মডেল হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
148

অ্যামাজন এর ক্লাউড প্লাটফর্ম কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Azure
  2. AWS
  3. Cloudera
  4. উপরের সবগুলো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্লাউড কম্পিউটিং এ যেসব আন্তর্জাতিক পরিষেবা নেতৃত্ব দিচ্ছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস (Amazon Web Services- AWS)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো AWS
AWS এর পূর্ণরূপ হলো Amazon Web Services। এটি বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তি কোম্পানি অ্যামাজন (Amazon) এর মালিকানাধীন একটি ক্লাউড কম্পিউটিং প্ল্যাটফর্ম।
ক্লাউড কম্পিউটিং সেবার ক্ষেত্রে বিশ্বব্যাপী এটিই সবচেয়ে বৃহৎ ও প্রভাবশালী প্ল্যাটফর্ম হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Azure হলো মাইক্রোসফট (Microsoft) কোম্পানি কর্তৃক পরিচালিত ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম। অন্যদিকে, Cloudera মূলত ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও অ্যানালিটিকস সম্পর্কিত সফটওয়্যার সেবাদাতা কোম্পানি।
149

নিচের কোন সাইবার আক্রমণ সংঘটিত হলে গ্রাহক নিজ Computer System ব্যবহার করতে পারেন না এবং Computer System কে ব্যবহার-উপযোগী করতে অর্থ দাবি করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Phishing
  2. Denial of Service
  3. Ransomware
  4. Man-in-The-Middle

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Phishing: ফিশিং হচ্ছে এমন একটা পদ্ধতি যা ব্যবহার করে ইউজারের ব্যক্তিগত অথবা স্পর্শকাতর তথ্য পাওয়া যায়। যেমন: ব্যাংক অথবা ক্রেডিড কার্ডের তথ্য। Denial of Service: এর ধরনের অ্যাটাক হলো কোনো সিস্টেমের কোনো রিসোর্স বা সেবার (Service) প্রকৃত ব্যবহারকারীদের বাধা দেয়ার একটি কৌশল। Ransomware: এটা এক ধরনের ম্যালওয়্যার যা একটি কম্পিউটার ডিভাইসকে আক্রান্ত করার পর ব্যবহারকারীকে তার মেশিনে প্রবেশ করা থেকে বিরত রাখে এবং ব্যবহাকারীর প্রবেশগম্যতা সীমাবদ্ধ করে দেয় এবং সীমাবদ্ধতা দূর করার জন্য ব্যবহাকারী কাছ থেকে মুক্তিপণ (অর্থ) দাবি করে। Man-in-The-Middle: এটি অ্যাটাক হলো এক ধরনের গোপন আক্রমণ, যেখানে আক্রমণকারীরা একটি বিদ্যমান কথোপকথন বা ডেটা স্থানান্তরকে বাধা দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Ransomware (র্যানসামওয়্যার)
র্যানসামওয়্যার হলো এক প্রকারের ম্যালওয়্যার (Malware) বা ক্ষতিকারক সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যারটি আপনার কম্পিউটারে প্রবেশ করে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফাইল, ডকুমেন্ট বা পুরো সিস্টেমটিকে এনক্রিপ্ট (Encrypt) করে ফেলে, যার ফলে আপনি সেটিতে প্রবেশ করতে বা ব্যবহার করতে পারেন না।
এই এনক্রিপ্টেড সিস্টেম বা ফাইলগুলো ডিক্রিপ্ট করে ব্যবহার-উপযোগী করার বিনিময়ে হ্যাকাররা সাধারণত ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ (মুক্তিপণ বা Ransom) দাবি করে। প্রশ্নের বর্ণনা এই প্রক্রিয়াটির সঙ্গেই হুবহু মিলে যায়।

অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
Phishing: এটি ছদ্মবেশে ব্যবহারকারীর সংবেদনশীল তথ্য (যেমন: পাসওয়ার্ড) চুরি করার চেষ্টা করে, কিন্তু সিস্টেম অকেজো করে না।
Denial of Service (DoS): এটি কোনো সার্ভারে অতিরিক্ত ট্র্যাফিক বা অনুরোধ পাঠিয়ে সেটিকে সাময়িকভাবে ডাউন বা অকেজো করে দেয়, কিন্তু গ্রাহকের ব্যক্তিগত কম্পিউটার ব্লক করে মুক্তিপণ দাবি করে না।
Man-in-The-Middle (MiTM): এই আক্রমণে হ্যাকার দুইজন যোগাযোগকারীর মাঝখানে অবস্থান নিয়ে তাদের যোগাযোগ বা তথ্য চুরি করে, কিন্তু সিস্টেম ব্লক করার মূল উদ্দেশ্য থাকে না।
150

SCSI এর পূর্ণরূপ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Small Computer System Interface
  2. Small Computer Software Interface
  3. Small Computer Storage Interface
  4. Small Computer Standard Interface

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

SCSI এর পূর্ণরূপ হলো: Small Computer System Interface. এটি সরাসরি কম্পিউটার এবং বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইসের মধ্যে ডাটা আদান-প্রদানে ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অপশন (ক) Small Computer System Interface
SCSI (উচ্চারণ: 'স্কাজি') হলো কম্পিউটার হার্ডওয়্যারের জন্য ব্যবহৃত একটি স্ট্যান্ডার্ড ইন্টারফেস। এটি মূলত বিভিন্ন পেরিফেরাল ডিভাইস (যেমন: হার্ড ড্রাইভ, স্ক্যানার, টেপ ড্রাইভ, সিডি রম) কম্পিউটারের সাথে দ্রুত ডেটা আদান-প্রদানের জন্য সংযুক্ত করতে ব্যবহৃত হয়।
এটি সাধারণত প্যারালাল ইন্টারফেস স্ট্যান্ডার্ড ব্যবহার করে তৈরি হয়েছিল, যদিও আধুনিক সিস্টেমগুলোতে এর ব্যবহার কমে এসেছে।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “44th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 44th (2022) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

44th (2022) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 44th (2022) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।