সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

24th (2003) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 24th (2003) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 24th (2003) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ১৯৩টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’ কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  2. সুকুমার সেন
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

  4. মুহম্মদ এনামুল হক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
বাংলা ভাষার উৎপত্তি, বিকাশ ও ঐতিহাসিক বিশ্লেষণ নিয়ে রচিত তাঁর বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ হলো ‘বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত’
বিখ্যাত ভাষাবিদ ও পণ্ডিত ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ১৯৫৯ সালে এই গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। এটি বাংলা ভাষার ইতিহাস সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রামাণ্য গ্রন্থ।

অন্যান্য বিকল্প:
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়: তিনি রচনা করেন বাংলা ভাষার ইতিহাসে সবচেয়ে প্রভাবশালী গ্রন্থ, ‘The Origin and Development of the Bengali Language’ (ODBL)। অনেক পরীক্ষার্থী ভুল করে এই দুটি বই গুলিয়ে ফেলেন।
2

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন গ্রন্থটি উপন্যাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেষের কবিতা

  2. বলাকা
  3. ডাকঘর
  4. কালান্তর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো 'শেষের কবিতা'। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম জনপ্রিয় রোমান্টিক উপন্যাস। এটি ১৯২৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর প্রধান চরিত্র অমিত রায়লাবণ্য
'শেষের কবিতা' নামটির কারণে অনেকে এটিকে কাব্যগ্রন্থ মনে করলেও, এটি আদতে একটি উপন্যাস।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো: 'বলাকা' – এটি একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ'ডাকঘর' – এটি একটি কালজয়ী নাটক'কালান্তর' – এটি একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ (১৯৩৭ সালে প্রকাশিত)।
3

কাজী নজরুল ইসলামের নামের সাথে জড়িত ‘ধূমকেতু’ কোন ধরনের প্রকাশনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবিতা
  2. পত্রিকা
  3. উপন্যাস
  4. ছোটগল্প

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) সাহিত্যসেবার পাশাপাশি সাংবাদিকতায়ও আত্মনিয়োগ করেছিলেন। তিনি ছিলেন সান্ধ্য ‘দৈনিক নবযুগ’ (১৯২০) পত্রিকার যুগ্ম-সম্পাদক। তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয় অর্ধ সাপ্তাহিক ‘ধূমকেতু’ (১৯২২)। এছাড়া তিনি ‘লাঙ্গল’ (১৯২৫) নামক সাপ্তাহিক পত্রিকাও সম্পাদনা করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পত্রিকা
কাজী নজরুল ইসলাম ১৯২২ সালের ১১ আগস্ট 'ধূমকেতু' নামক একটি অর্ধ-সাপ্তাহিক (Half-weekly) পত্রিকা প্রকাশ করেন।
এটি ছিল মূলত একটি রাজনৈতিক ও সাহিত্য পত্রিকা, যার মাধ্যমে নজরুল ব্রিটিশ বিরোধী মনোভাব ও স্বাধীনতার পক্ষে চরমপন্থি লেখালেখি শুরু করেন।
এই পত্রিকার মুখপত্রেই তিনি সর্বপ্রথম ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে 'পূর্ণ স্বাধীনতা'-র দাবি উত্থাপন করেন। এই পত্রিকার জন্যই তিনি পরবর্তীকালে কারারুদ্ধ হয়েছিলেন।
4

জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাখালী

  2. সোজন বাদিয়ার ঘাট
  3. নক্শী কাঁথার মাঠ
  4. বালুচর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাখালী। কবি জসীমউদ্দীনের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো রাখালী
এই কাব্যগ্রন্থটি ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। এর মাধ্যমেই তিনি বাংলা সাহিত্যে 'পল্লী কবি' হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে 'নক্শী কাঁথার মাঠ' (১৯২৯) এবং 'সোজন বাদিয়ার ঘাট' (১৯৩৩) তাঁর অত্যন্ত বিখ্যাত কাব্য, কিন্তু এগুলি 'রাখালী'-এর পরে প্রকাশিত হয়েছিল।
5

‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জহির রায়হান
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. শহীদুল্লাহ কায়সার
  4. আনোয়ার পাশা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশিষ্ট কবি, কথাসাহিত্যিক, সমালোচক ও শিক্ষাবিদ আনোয়ার পাশা (১৯২৮-১৯৭১ খ্রি) রচিত মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপন্যাস হলো ‘রাইফেল রোটি আওরাত’ (১৯৭৩)। তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘নীড় সন্ধানী’ (১৯৬৮) এবং ‘নিষুতি রাতের গাথা’ (১৯৬৯)। বিশিষ্ট কথাশিল্পী ও চলচ্চিত্র পরিচালক জহির রায়হান (১৯৩৫-১৯৭২খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘হাজার বছর ধরে’ (১৩৭১), ‘আরেক ফাল্গুন’ (১৩৭৫), ‘বরফ গলা নদী’ (১৩৭৬), ‘শেষ বিকেলের মেয়ে’ (১৩৬৭) ইত্যাদি। সাংবাদিক ও সাহিত্যিক শহীদুল্লা কায়সার (১৯২৭-১৯৭১ খ্রি) রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে ‘সারেং বৌ’ (১৯৬২), ‘সংশপ্তক’ (১৯৬৫) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আনোয়ার পাশা
‘রাইফেল রোটি আওরাত’ উপন্যাসটি হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধভিত্তিক প্রথম দিককার এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপন্যাস। উপন্যাসটি ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের উত্তাল সময়ের ঢাকা শহরের চিত্র, বিশেষত ২৫শে মার্চের ভয়াবহ চিত্র ফুটিয়ে তুলেছে।
লেখক আনোয়ার পাশা ১৯৭১ সালের যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে এটি রচনা করেন এবং এটিকে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক শ্রেষ্ঠ উপন্যাসগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: জহির রায়হান ছিলেন প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার ও সাহিত্যিক (উপন্যাস: বরফ গলা নদী, আরেক ফাল্গুন); শহীদুল্লাহ কায়সার ছিলেন সাংবাদিক ও ঔপন্যাসিক (উপন্যাস: সংশপ্তক, সারেং বউ)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

জঙ্গম-এর বিপরীতার্থক শব্দ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অরণ্য
  2. পর্বত
  3. স্থাবর
  4. সমুদ্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘জঙ্গম’ বিশেষণ পদটির অর্থ গতিশীল, শক্তিপূর্ণ, অস্থাবর, প্রাণবিশিষ্ট। সুতরাং এর বিপরীতার্থক শব্দ হলো স্থাবর।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দটি হলো **জঙ্গম**। **জঙ্গম** শব্দের অর্থ হলো যা গতিশীল, সচল বা অস্থায়ী (Movable)।
এর আভিধানিক ও ব্যাকরণগত বিপরীতার্থক শব্দ হলো **স্থাবর**।
**স্থাবর** শব্দের অর্থ হলো যা স্থির, অচল বা স্থায়ী (Immovable/Static)।
বাংলায় এই দুটি শব্দ একত্রে প্রায়ই ব্যবহৃত হয়—স্থাবর-জঙ্গম, যার দ্বারা সকল প্রকার সম্পত্তি বোঝানো হয়।
অতএব, সঠিক উত্তর: স্থাবর
অন্যান্য অপশনগুলো (অরণ্য, পর্বত, সমুদ্র) প্রাকৃতিক নাম, যা এই শব্দের সরাসরি বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে না।
7

‘উৎকর্ষতা’ কি কারণে অশুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সন্ধিজনিত
  2. প্রত্যয়জনিত
  3. উপসর্গজনিত
  4. বিভক্তিজনিত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘উৎকর্ষ’ একটি বিশেষ্য পদ, যার অর্থ শ্রেষ্ঠতা, উন্নতি, বৃদ্ধি, আধিক্য ইত্যাদি। কিন্তু এর বিশেষণ করতে ‘উৎকর্ষতা’ বললে তা অশুদ্ধ হবে। কারণ এর বিশেষণ হবে উৎকৃষ্টতা, যা দ্বারা বস্তুর, ভাবের বা রুচির উৎকর্ষ বোঝায়। সুতরাং এখানে ‘উৎকর্ষতা’ শব্দটি প্রত্যয়জনিত কারণে অশুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রত্যয়জনিত
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, একই শব্দে বা একই অর্থে দুইটি প্রত্যয় ব্যবহার করা যায় না। এটি প্রত্যয়জনিত বাহুল্য দোষ (Redundancy in Suffixation) নামে পরিচিত।
‘উৎকর্ষতা’ শব্দটি অশুদ্ধ কারণ:
‘উৎকর্ষ’ শব্দটি নিজেই বিশেষ্য পদ (Noun), যার অর্থ শ্রেষ্ঠত্ব বা চমৎকারিত্ব। এটি মূলত ‘উৎকৃষ্ট’ শব্দ থেকে ষ্ণ্য (য) প্রত্যয়ের মাধ্যমে গঠিত।
যেহেতু ‘উৎকর্ষ’ শব্দের মধ্যেই ভাবের ধারণাটি (The quality of being excellent) বিদ্যমান, তাই এর সাথে অতিরিক্ত ‘তা’ প্রত্যয় (যা একই ভাব প্রকাশ করে) যোগ করা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় ও ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
শুদ্ধ রূপ: উৎকর্ষ অথবা উৎকৃষ্টতা
অন্যান্য অপশন যেমন—সন্ধি, উপসর্গ বা বিভক্তি—এই অশুদ্ধির জন্য দায়ী নয়, কারণ ভুলটি ঘটেছে শব্দের গঠনে (প্রত্যয়ের ব্যবহারে)।
8

তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে? -এখানে ‘না’-এর ব্যবহার কি অর্থে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. না-বাচক
  2. হ্যাঁ-বাচক
  3. প্রশ্নবোধক
  4. বিস্ময়সূচক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উপরিউক্ত বাক্যটি দেখতে প্রশ্নবোধক মনে হলেও বাক্যটির অন্তর্নিহিত ভাবটি আগামীকাল আসার কথা (বিবৃতি) বলা হয়েছে। তাই এটি হ্যাঁ-বাচক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: হ্যাঁ-বাচক (বা সম্মতিসূচক অব্যয়)।
বাংলা ব্যাকরণের অব্যয় পদ-এর ব্যবহার অনুযায়ী, সাধারণত 'না' শব্দটি নেতিবাচকতা (না-বাচক) বোঝায়। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এর ভিন্ন ব্যবহার দেখা যায়, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
যখন কোনো প্রশ্নসূচক বাক্যে 'না' অব্যয়টি এমনভাবে ব্যবহৃত হয় যে বক্তা শ্রোতার কাছ থেকে ইতিবাচক বা হ্যাঁ সূচক উত্তর আশা করেন অথবা পূর্ববর্তী বক্তব্যের নিশ্চয়তা জানতে চান, তখন সেই 'না' অব্যয়টি হ্যাঁ-বাচক বা সম্মতিসূচক অর্থে ব্যবহৃত হয়।
প্রদত্ত বাক্যে ("তুমি না বলেছিলে আগামীকাল আসবে?") বক্তা শ্রোতাকে মনে করিয়ে দিচ্ছেন এবং নিশ্চিত হতে চাইছেন যে শ্রোতা ইতিপূর্বে কথাটি বলেছিল (অর্থাৎ, 'হ্যাঁ' বলেছিল)। তাই 'না' এখানে নিশ্চয়তা বা সম্মতি প্রকাশ করছে, তাই এটি হ্যাঁ-বাচক।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'না-বাচক' হতো যদি এটি কেবলই কোনো কাজ বা বক্তব্যকে অস্বীকার করত (যেমন: 'সে ভাত খায় না')।
9

‘মা যে জননী কান্দে’ কোন ধরনের রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাব্য

  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাব্য
‘মা যে জননী কান্দে’ বিখ্যাত আধুনিক কবি আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত একটি দীর্ঘ কবিতা বা কাব্যগ্রন্থের নাম।
এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি, যা মূলত ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের প্রেক্ষাপটে লেখা।
বিশেষত, শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জননীর শোক এর মূল উপজীব্য বিষয়।
10

কোনটা ঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস)
  2. কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য)

  3. বহিপীর (নাটক)

  4. মহাশ্মশান (নাটক)

সঠিক উত্তর: গ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বহিপীর (নাটক)। এটি অত্যন্ত বিখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি সার্থক নাটক (Play)।
অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক পরিচিতি নিচে দেওয়া হলো:
১. সোজন বাদিয়ার ঘাট (উপন্যাস): এটি ভুল। এটি পল্লীকবি জসীমউদ্দীন রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ
২. কাঁদো নদী কাঁদো (কাব্য): এটি ভুল। এটি সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস (Novel)।
৩. মহাশ্মশান (নাটক): এটি ভুল। এটি মহাকবি কায়কোবাদ রচিত বাংলা সাহিত্যের অন্যতম বৃহৎ মহাকাব্য
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘কার মাথায় হাত বুলিয়েছ’ এখানে ‘মাথা’ শব্দের অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বভাব নষ্ট করা
  2. স্পর্ধা বাড়া
  3. ফাঁকি দেওয়া
  4. কোনো উপায়ে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

একই শব্দকে বিভিন্ন বাক্যে বিভিন্ন অর্থে ব্যবহার করা যায়। উপরিউক্ত বাক্যে ‘মাথা’ শব্দটি ‘ফাঁকি দেয়া’ অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে। ‘মাথা’ শব্দটির আরো কিছু ব্যবহার হলো অঙ্গবিশেষ তার মাথার চুল কাল। জ্ঞান-ছাত্রটির অংকে ভালো মাথা আছে। মনের অবস্থা-রাগের মাথায় কোনো কাজ করা ঠিক নয়। দিব্যি দেয়া-মাথা খাও, চিঠি দিতে ভুল করো না। আস্কারা পাওয়া-ছেলেটি আদর পেয়ে একেবারে মাথায় উঠেছে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলা ভাষার বাগধারা (Idioms) সম্পর্কিত। বাগধারা হলো এমন শব্দগুচ্ছ, যা সাধারণ অর্থের বাইরে বিশেষ অর্থ প্রকাশ করে।
‘কার মাথায় হাত বুলিয়েছ’ এই বাক্যাংশে ব্যবহৃত বাগধারাটি হলো ‘মাথায় হাত বুলানো’
এই বাগধারাটির প্রচলিত অর্থ হলো ঠকানো, প্রতারণা করা, বা ফাঁকি দেওয়া। অর্থাৎ, কাউকে মিষ্টি কথা বলে বা কৌশল খাটিয়ে বোকা বানিয়ে নিজের কাজ উদ্ধার করা।
সুতরাং, প্রশ্নে উল্লিখিত ‘মাথা’ শব্দটি এখানে ফাঁকি দেওয়া বা প্রতারণার ক্রিয়াফলকে ইঙ্গিত করছে।
সঠিক উত্তর হলো ফাঁকি দেওয়া
12

শরৎচন্দ্রের কোন উপন্যাসটি সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পথের দাবী
  2. নিষ্কৃতি
  3. চরিত্রহীন
  4. দত্তা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় (১৮৭৬-১৯৮৩ খ্রি) রচিত রাজনৈতিক উপন্যাস ‘পথের দাবী’ বিপ্লববাদীদের প্রতি সমর্থনের অভিযোগে ব্রিটিশ সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়। উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাসের মধ্যে রয়েছে পরিণীতা (১৯১৪), বিরাজ বৌ (১৯১৪), বৈকুণ্ঠের উইল (১৯১৬), দেবদাস (১৯১৭), চরিত্রহীন (১৯১৭), শ্রীকান্ত (১ম পর্ব-১৯১৭, ২য় পর্ব-১৯১৮, ৩য় পর্ব-১৯২৭ ও ৪র্থ পর্ব-১৯৩৩), দত্তা (১৯১৮), গৃহদাহ (১৯২০), দেনাপাওনা (১৯২৩), শেষ প্রশ্ন (১৯৩১), বিপ্রদাস (১৯৩৫), নিষ্কৃতি ইত্যাদি। উন্নত জীবন গ্রন্হটির রচয়িতা ডা. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান এবং সভ্যতা গ্রন্হটির রচয়িতা মোতাহের হোসেন চৌধুরী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পথের দাবী
বিখ্যাত সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের এই বিপ্লবী উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে (মতান্তরে ১৯২৭) প্রকাশিত হয় এবং এর রাজনৈতিক ও ব্রিটিশ-বিরোধী ভাবধারার কারণে তৎকালীন ব্রিটিশ সরকার এটি বাজেয়াপ্ত (নিষিদ্ধ) করে।
এটি বাজেয়াপ্ত করার প্রধান কারণ ছিল, এতে বিপ্লবী দলের নায়ক সব্যসাচী মল্লিকের মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসনের প্রতি তীব্র ক্ষোভ ও সশস্ত্র বিপ্লবের বার্তা তুলে ধরা হয়েছিল।
অন্যান্য অপশন যেমন—নিষ্কৃতি, চরিত্রহীন, ও দত্তা শরৎচন্দ্রের জনপ্রিয় উপন্যাস হলেও এগুলি কখনো সরকার কর্তৃক বাজেয়াপ্ত হয়নি।
13

কোন গ্রন্থটির রচয়িতা এস ওয়াজেদ আলী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে
  2. ভবিষ্যতের বাঙালি
  3. উন্নত জীবন
  4. সভ্যতা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশিষ্ট সাহিত্যিক এস. ওয়াজেদ আলী (১৮৯০-১৯৫১ খ্রি) রচিত ‘ভবিষ্যতের বাঙালী’ (১৯৪৩) একটি প্রবন্ধ গ্রন্হ। তার রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্হের মধ্যে রয়েছে ‍মুসলিম সংস্কৃতির আদর্শ (প্রবন্ধ), গুলদাস্তা (১৯২৭), প্রাচ্য ও প্রতীচ্য (১৯৪৩) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভবিষ্যতের বাঙালি
এই বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও চিন্তাবিদ এস ওয়াজেদ আলী (সৈয়দ ওয়াজেদ আলী)।
গ্রন্থটিতে তিনি বাঙালি জাতির সাংস্কৃতিক, বৌদ্ধিক ও সামাজিক ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর আলোচনা করেছেন, যা তাকে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিকল্পসমূহ:
উন্নত জীবন – প্রবন্ধ গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন মোহাম্মদ লুৎফর রহমান
আশা-আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে – এই কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি শামসুর রাহমান
14

নিত্য মূর্ধন্য-ষ কোন শব্দে বর্তমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কষ্ট
  2. উপনিষৎ
  3. কল্যাণীয়েষু
  4. আষাঢ়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাকরণের যে নিয়মানুযায়ী দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ তে রূপান্তরিত হয়, সে নিয়মসমূহকে ষত্ব বিধান বলে। যেমন- সু+সম = সুষম, এখানে ‘সম’ শব্দটি দন্ত্য-স মূর্ধন্য-ষ তে পরিবর্তিত হয়েছে। আবার সংস্কৃত ভাষায় আদিকাল থেকে কিছু শব্দে মূর্ধন্য-ষ চলে আসছে, এসব শব্দের বানানে নিত্য মূর্ধন্য-ষ হয়। সে হিসেবে ‘আষাঢ়’ শব্দটিতে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বর্তমান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আষাঢ়
বাংলা ব্যাকরণে কিছু তৎসম শব্দ আছে, যেখানে মূর্ধন্য-ষ (ষ) ব্যবহারের জন্য কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম (ষ-ত্ব বিধান) কাজ করে না। এই শব্দগুলিতে 'ষ' স্বভাবতই (Naturally/Inherent) ব্যবহার করা হয়। এদেরকে নিত্য মূর্ধন্য-ষ বা স্বভাবতই ‘ষ’ যুক্ত শব্দ বলা হয়।
যেমন: আষাঢ়, উষা, পাষাণ, মানুষ, ষোড়শ, ভাষণ, ভূষণ, কোষ, রোষ, দ্বেষ, কলুষ, ভেষজ ইত্যাদি। এই শব্দগুলো সংস্কৃত থেকে সরাসরি বাংলায় এসেছে এবং তাদের মূল রূপেই 'ষ' বিদ্যমান।
অপরদিকে, অন্য অপশনগুলোতে 'ষ' এসেছে ষ-ত্ব বিধান নামক নির্দিষ্ট ব্যাকরণগত নিয়ম মেনে:
কষ্ট: এটি ষ্-ত্ব বিধানের নিয়ম মেনে হয়েছে। ট-বর্গীয় ধ্বনির আগে ষ্ বসে (যেমন: কষ্ট, কাষ্ঠ)।
কল্যাণীয়েষু: এটিও বিধানের নিয়মে, 'কল্যাণ' শব্দের সাথে কিছু সংস্কৃত পদের শেষে যে 'ষু' প্রত্যয় হয়, তা থেকে এসেছে (যেমন: কল্যাণীয়+ষু)।
15

‘ভাষা মানুষের মুখ থেকে কলমের মুখে আসে, উল্টোটা করতে গেলে মুখে শুধু কালি পড়ে’, বলেছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়
  4. প্রমথ চৌধুরী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের বিশিষ্ট সাহিত্যিক প্রমথ চৌধুরী (১৮৬৮-১৯৪৬ খ্রি) কর্তৃক উপরিউক্ত পঙ্‌ক্তি রচিত। প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পঙ্‌ক্তি হলো ‘সুশিক্ষিত লোক মাত্রই স্বশিক্ষিত’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রমথ চৌধুরী
এই উক্তিটি বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী-র। তিনি সাধু ভাষার কাঠিন্য পরিহার করে মুখের স্বাভাবিক ভাষা বা চলিত ভাষাকে সাহিত্যর উপযুক্ত বাহন হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চেয়েছেন।
তাঁর মতে, যখন মুখের ভাষা (মানুষের মুখ) লেখার ভাষা (কলমের মুখ) হয়ে ওঠে, তখনই তা সার্থক। এর উল্টোটা, অর্থাৎ কৃত্রিম সাধু ভাষাকে মুখের ভাষায় প্রয়োগ করতে গেলে শুধু কালি/আড়ষ্টতাই আসে।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর চলিত রীতির প্রচারে সমর্থন করলেও, এই বিশেষ উক্তিটি তাঁর নয়। এটি প্রমথ চৌধুরীর ভাষারীতির দার্শনিক ভিত্তি।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘অক্ষির সমীপে’ -এর সংক্ষেপণ হলো-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমক্ষ
  2. পরোক্ষ
  3. প্রত্যক্ষ
  4. নিরপেক্ষ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অক্ষির সমীপে’ -এর সংক্ষেপণ হলো সমক্ষ। অন্যদিকে, ‘অক্ষির সম্মুখে’ হলো প্রত্যক্ষ, ‘অক্ষির অগোচরে’ হলো পরোক্ষ এবং ‘পক্ষপাতহীন বা মুখাপেক্ষী নয় এমন’ হলো নিরপেক্ষ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমক্ষ
এটি অব্যয়ীভাব সমাসের উদাহরণ। অব্যয়ীভাব সমাসে পূর্বপদটি অব্যয় হয় এবং সমস্তপদটি অব্যয়ের অর্থই প্রধানভাবে বহন করে। এখানে, 'সমক্ষ' শব্দটি 'সমীপে' (নিকটে) অর্থ প্রকাশ করে।
যখন কোনো সমাসের মাধ্যমে 'সমীপে' বা 'নিকটে' অর্থ প্রকাশ করা হয়, তখন পূর্বপদে 'স' বা 'উপ'-এর মতো অব্যয় বা উপসর্গ যুক্ত হয়। 'অক্ষি' (চোখ) এর সমীপে = সমক্ষ
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে:
পরোক্ষ: অক্ষির অগোচরে (যা চোখের সামনে নেই)।
প্রত্যক্ষ: অক্ষির প্রতি বা সম্মুখে (যা সরাসরি চোখের সামনে)।
নিরপেক্ষ: কোনো পক্ষ অবলম্বন করে না এমন (Unbiased)।
17

উপসর্গের সঙ্গে প্রত্যয়ের পার্থক্য–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অব্যয় ও শব্দাংশ
  2. নতুন শব্দ গঠনে
  3. উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
  4. ভিন্ন অর্থ প্রকাশে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যেসব অব্যয় শব্দ বা ধাতুর পূর্বে বসে মূল শব্দের অর্থের পরিবর্তন ঘটায় ও নতুন শব্দ গঠন করে তাকে উপসর্গ বলে। যেমন বে + কার = বেকার; এখানে ‘ব’ উপসর্গ। অন্যদিকে যেসব বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতু বা শব্দের পরে বসে নতুন শব্দ গঠন করে তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন কাঁদ্‌ + অন = কাঁদন, এখানে ‘অন’ প্রত্যয়। সুতরাং উপরিউক্ত প্রশ্নে (গ) -ই যথার্থ উত্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উপসর্গ থাকে সামনে, প্রত্যয় থাকে পিছনে
পার্থক্য নির্ণায়ক অবস্থান: ব্যাকরণে উপসর্গ (Prefix) এবং প্রত্যয় (Suffix) উভয়েই নতুন শব্দ গঠন করে, কিন্তু তাদের মূল শব্দের সঙ্গে যুক্ত হওয়ার অবস্থানগত পার্থক্যই এদের প্রধান পার্থক্য।
উপসর্গ: উপসর্গ হলো এমন অব্যয়সূচক শব্দাংশ যা মূল শব্দ বা ধাতুর আগে (সম্মুখে) বসে। এটি মূলত শব্দের অর্থের পরিবর্তন, সম্প্রসারণ বা সংকোচন ঘটায়।
যেমন: 'পাক' (পরিণত) এর আগে 'অপ' যুক্ত হয়ে হয় 'অপপাক' (অপরিণত)।
প্রত্যয়: প্রত্যয় হলো এমন শব্দাংশ যা মূল ধাতু বা নাম শব্দের পিছনে (পরে) বসে নতুন শব্দ গঠন করে।
যেমন: 'মানব' (নাম শব্দ) এর সাথে 'ঈয়' যুক্ত হয়ে হয় 'মানবীয়'।
মনে রাখবেন, নতুন শব্দ গঠনে (অপশন ২) উভয়ই ভূমিকা রাখে, তাই এটি পার্থক্য নয়, বরং উভয়ের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। ভিন্ন অর্থ প্রকাশও উভয়েরই কাজ। তাই অবস্থানই মূল পার্থক্য।
18

‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ’?-এই বাক্যে ‘কী’ কোন পদের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশেষণ
  2. অব্যয়
  3. সর্বনাম
  4. ক্রিয়া

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিশেষণ হলো যা বিশেষ্য ও সর্বনাম পদের দোষ, গুণ ইত্যাদি প্রকাশ করে। যেমন ভালো, ছোট, বড়, পাঁচটি ইত্যাদি। অব্যয় হলো যে পদের কোনো পরিবর্তন নেই। যেমন-এবং, কিংবা, কিন্তু, অথবা ইত্যাদি। সর্বনাম হলো যা বিশেষ্যের পরিবর্তে বসে। যেমন-আমি, তুমি, সে, তাকে, আমার ইত্যাদি। ক্রিয়া হলো যে পদ দ্বারা কার্য সম্পন্ন হয়। যেমন-করা, খাওয়া, যাওয়া ইত্যাদি। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে ‘তুমি’ ও ‘কী’ উভয়ই সর্বনাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সর্বনাম
বাংলা ব্যাকরণে 'কী' শব্দটি একাধিক পদ রূপে ব্যবহৃত হতে পারে, যা এর ব্যবহারের ওপর নির্ভর করে। তবে প্রদত্ত বাক্যে— ‘তুমি এতক্ষণ কী করেছ?’ — 'কী' শব্দটি একটি প্রশ্নসূচক সর্বনাম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
সর্বনাম (Pronoun): যে পদ বিশেষ্যের (Noun) পরিবর্তে বসে এবং প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে বা উত্তর জানতে চায়, তাকে প্রশ্নসূচক সর্বনাম বলে। এই বাক্যে 'কী' শব্দটি কোনো বস্তু, কাজ বা তথ্যের নামের পরিবর্তে বসেছে (অর্থাৎ তুমি কাজটি করেছ/খেয়েছ/লিখেছ – এই সব নামের পরিবর্তে বসেছে)।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:
১. বিশেষণ: 'কী' তখন বিশেষণ হয় যখন এটি কোনো বিশেষ্য পদকে মডিফাই করে। যেমন: ‘তুমি কী বই পড়েছ?’ (এখানে 'কী' শব্দটি 'বই' বিশেষ্যকে বিশেষায়িত করছে)।
২. অব্যয়: 'কী' তখন অব্যয় হয় যখন এটি কোনো প্রশ্ন বা বিস্ময় প্রকাশে ব্যবহৃত হয় এবং বাক্যের উত্তর হিসেবে কিছু চায় না। যেমন: ‘কী সুন্দর ফুল!’ অথবা 'তুমি কি যাবে?' (এই বাক্যে 'কি' শুধুমাত্র হ্যাঁ/না উত্তর জানতে চাওয়ার জন্য ব্যবহৃত হয়েছে, কোনো নামের পরিবর্তে নয়)।
19

‘আকাশে তো আমি রাখিনাই মোর উড়িবার ইতিহাস।’ - এই বাক্য ‘আকাশে’ শব্দটি কোন কারকে কোন বিভক্তির উদাহরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্তৃকারকের সপ্তমী
  2. কর্মকারকে সপ্তমী
  3. অপাদান কারকে তৃতীয়া
  4. অধিকরণ কারকে সপ্তমী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে স্থানে বা যে কালে ক্রিয়া অনুষ্ঠিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেমন- নদীতে পানি আছে। সুতরাং উপরিউক্ত বাক্যে ‘আকাশে’ শব্দটি অধিকরণ কারক এবং এখানে ‘এ’ বিভক্তি থাকায় এটি সপ্তমী বিভক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অধিকরণ কারকে সপ্তমী
বাক্যটিতে ক্রিয়া হলো ‘রাখিনাই’ (রাখি নাই)। এই কাজটি কোথায় সংঘটিত হয়নি—এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা পাই ‘আকাশে’। অর্থাৎ, ‘আকাশে’ শব্দটি ক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার স্থান নির্দেশ করছে।
যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তাকে অধিকরণ কারক বলে। যেহেতু ‘আকাশ’ একটি স্থান বা আধার নির্দেশ করছে, তাই এটি অধিকরণ কারক।
শব্দটির মূল অংশ হলো ‘আকাশ’। এর সাথে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়ে ‘আকাশে’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ‘এ’, ‘য়’, ‘তে’ হলো সপ্তমী বিভক্তির চিহ্ন।
অতএব, এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
  • কর্তৃকারক: ক্রিয়াটি কে করছে? উত্তর: ‘আমি’।
  • কর্মকারক: কর্তা কী রাখেনি? উত্তর: ‘ইতিহাস’ (মোর উড়িবার ইতিহাস)।
20

There are ____ dangerous drivers.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a very lot of
  2. very many of
  3. very much of
  4. a lot of

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যেহেতু object drivers কাজেই এর পরিমাণ নির্দেশক বসবে (a) verb এবং lot of আছে যা এক সাথে বসে না। (b) very এবং many আছে যা একসাথে বসেনা, (c) very এবং much of আছে যা এক সাথে বসে না। তবে very ও much বসে সে ক্ষেত্রে of থাকবে না শুধু (d) তে a lot of দেয়া আসে যা পরিমাণ নির্দেশক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a lot of
কারণ, বাক্যটিতে শূন্যস্থানের পরে countable plural noun (গণনাযোগ্য বহুবচন বিশেষ্য) হিসেবে 'drivers' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে।
A lot of (বা lots of) হলো একটি Fixed Phrase (নির্দিষ্ট বাগধারা) যা গণনাযোগ্য (Countable) এবং অ-গণনাযোগ্য (Uncountable) উভয় প্রকার Noun-এর আগেই ব্যবহার করা যায়। এটির অর্থ 'অনেক'।
Example: There are a lot of cars (C). / There is a lot of water (U).
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ:
a very lot of: এটি ব্যাকরণগতভাবে সম্পূর্ণ ভুল। 'A lot of' একটি স্থির শব্দগুচ্ছ, এর মাঝে 'very' বসানো যায় না।
very much of: Much প্রধানত Uncountable Noun (যেমন: much water, much information)-এর পূর্বে বসে। 'Drivers' যেহেতু Countable, তাই এটি ভুল।
very many of: যদিও Many Countable Noun-এর পূর্বে বসে, কিন্তু এই বাক্যে 'very many of' কাঠামোটি স্বাভাবিক বা ব্যাকরণসম্মত নয়। আমরা সাধারণত ‘many’ বা ‘very many’ ব্যবহার করি, কিন্তু 'very many of' এই গঠনের Noun-এর আগে ব্যবহৃত হয় না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

I have read the book ___ you lent me.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. that
  2. whom
  3. whose
  4. what

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এখানে conjunction বসবে যা the book বা বস্তুর পরিবর্তে বসে what বিষয়ের ক্ষেত্রে এবং that বস্তুর ক্ষেত্রে বসে।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যে শূন্যস্থানের পূর্বে antecedent বা পূর্বপদ হলো 'the book', যা একটি বস্তুবাচক শব্দ
বাক্যটিকে Relative Clause (সাপেক্ষ বাক্য) দ্বারা সংযুক্ত করতে হবে। বস্তুবাচক শব্দের পরে Relative Pronoun হিসেবে which অথবা that ব্যবহৃত হয়।
অপশনে 'which' না থাকায়, সঠিক উত্তর হবে that। 'That' Relative Pronoun হিসেবে পূর্বের noun (the book) কে নির্দেশ করছে।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: whom ব্যবহৃত হয় শুধু ব্যক্তিবাচক শব্দের (human antecedent) কর্মপদ হিসেবে। whose সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। what এর কোনো সুনির্দিষ্ট পূর্বপদ থাকে না।
22

Water boils ____ you heat it to 100° centigrade.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. unless
  2. until
  3. if
  4. although

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাক্যটি একটি বৈজ্ঞানিক শর্ত প্রকাশ করছে বলে if-ই এখানে যথার্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: if। বাক্যটি একটি শর্তমূলক বাক্য (Conditional Sentence) এবং এটি একটি বৈজ্ঞানিক সত্য (Scientific Truth) প্রকাশ করছে।
যখন কোনো বাক্য চিরন্তন সত্য, সাধারণ সত্য বা বৈজ্ঞানিক সত্য প্রকাশ করে, তখন তা Zero Conditional হিসেবে বিবেচিত হয়।
Zero Conditional-এর গঠন হলো: If + Simple Present Tense, Simple Present Tense
বাক্যটির অর্থ: যদি আপনি পানিকে ১০০° সেন্টিগ্রেডে উত্তপ্ত করেন, তবে তা সেদ্ধ হবে। এখানে 'if' শব্দটি শর্ত আরোপের জন্য একদম সঠিক।
অন্যদিকে, ‘unless’ মানে হলো ‘যদি না’। এটি ব্যবহার করলে বাক্যের অর্থ হয়: ‘পানি সেদ্ধ হয় যদি না আপনি একে গরম করেন’ – যা সম্পূর্ণ অর্থহীন
‘until’ সময় নির্দেশ করে এবং ‘although’ বৈপরীত্য নির্দেশ করে, যা এই শর্তমূলক বাক্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
23

Tell me ___ that.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. whom told you
  2. that told you
  3. who told you
  4. told you

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাক্যটির শূন্যস্থান পূরণ করলে একটি WH question দাঁড়াবে। এক্ষেত্রে উত্তর 'a' তে whom did you tell থাকলে সঠিক হতো। উত্তর (খ) বসালেও যথাযথ বাক্য গঠিত হয় না। আবার উত্তর (ঘ) তে কোনো conjunction না থাকায় দুটি clause সঠিকভাবে যুক্ত হচ্ছে না এবং বাক্যও গঠিত হচ্ছে না। সেক্ষেত্রে উত্তর (গ)-তে who দিয়ে যদি WH question টি শুরু হয় তাহলে ‘কে বলল’ এরূপ একটি অর্থ প্রকাশ পায় এবং যথাযথ নিয়মে sentence গঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: who told you
এই বাক্যটিতে শূন্যস্থানে একটি Relative Pronoun (বা Indirect Question এর Subject) প্রয়োজন। এখানে মূল বাক্যটি হলো 'Tell me' এবং এরপরে সাব-অর্ডিনেট ক্লজটি হলো '___ told you that'.
সাব-অর্ডিনেট ক্লজের মধ্যে 'told' হলো verb এবং এর আগে একটি Subject প্রয়োজন।
Who হলো Pronoun-এর subjective form (কর্তৃকারক) এবং এটি verb-এর পূর্বে বসে। যেমন: He told you that.
অন্যদিকে, Whom হলো objective form (কর্মকারক)। এটি তখনই ব্যবহৃত হয় যখন Pronoun-টি বাক্যের object হিসেবে কাজ করে। (যেমন: Whom did you meet?)
সুতরাং, যেহেতু এখানে 'told' (ক্রিয়া)-এর কর্তা বা Subject দরকার, তাই who হবে সঠিক উত্তর।
24

I opened the door as soon as I ___ the bell.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have heard
  2. was hearing
  3. am heard
  4. heard

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অতীতে কোনো ঘটনা সমসাময়িক সময়ে ঘটলে উভয়ই একই tense-এ হয়। সুতরাং as soon as এর পূর্বে past indefinite থাকায় এর পরেও past indefinite (heard) হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: heard (অপশন D)।
এটি Sequence of Tenses-এর একটি ক্লাসিক্যাল নিয়ম। যখন as soon as বা no sooner...than দিয়ে অতীতে দুটি কাজ একের পর এক ঘটে, তখন Tense-এর সঠিক বিন্যাস জরুরি।
এখানে, 'I opened the door' অংশটি Past Indefinite Tense-এ রয়েছে (Subject + V2)। যেহেতু দরজায় ঘণ্টা শোনার সাথে সাথেই দরজা খোলা হয়েছিল—অর্থাৎ ঘটনা দুটি প্রায় একই সময়ে অতীতে সম্পন্ন হয়েছে—তাই as soon as-এর পরের অংশটিও Past Indefinite Tense হবে।
heard হলো 'hear' (শোনা)-এর Past Indefinite (V2) রূপ। তাই সঠিক বাক্যটি হবে: I opened the door as soon as I heard the bell.
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
have heard (Present Perfect): অতীতে সম্পন্ন হওয়া কিন্তু বর্তমানের সাথে সম্পর্কযুক্ত এমন কাজের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। এখানে কাজটির সময় সুনির্দিষ্টভাবে অতীতে হওয়ায় এটি ভুল।
was hearing (Past Continuous): এটি একটি চলমান কাজ বোঝায়, কিন্তু 'ঘণ্টা শোনা' সাধারণত তাৎক্ষণিক বা momentary অ্যাকশন, চলমান নয়। তাই এটিও ভুল।
25

I am looking for someone who ____ play the piano.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. able to
  2. is able
  3. can be able to
  4. can

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কারো কোনো কিছু করার যোগ্যতা, সামর্থ্য বা সুযোগ (Ability or opportunity) রয়েছে বা কেউ কোনো কিছু করতে সক্ষম এরূপ বুঝাতে can ব্যবহৃত হয়। উল্লেখ্য, can শুধু present indefinite tense-এর ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়। আর present perfect ও future tense-এর ক্ষেত্রে can-এর পরিবর্তে be able to ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: can
কারণ, can হলো একটি মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্ব (Modal Auxiliary Verb)। এটি বাক্যে সামর্থ্য বা ক্ষমতা (ability) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
মডেল অক্সিলিয়ারি ভার্বের (can, could, may, might, must ইত্যাদি) ঠিক পরে মেইন ভার্বের বেইজ ফর্ম (Base Form বা V1) বসে। এখানে 'play' হলো V1।
বাক্যটির অর্থ: আমি এমন কাউকে খুঁজছি যে পিয়ানো বাজাতে পারে
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
১. able to: 'able to' ব্যবহার করতে হলে তার আগে 'be verb' (is/am/are) প্রয়োজন। যেমন: 'is able to play'। শুধু 'able to' ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
২. is able: 'able' একটি Adjective এবং এরপরে সামর্থ্য বোঝাতে অবশ্যই 'to' বসাতে হবে। শুধু 'is able' অসম্পূর্ণ।
৩. can be able to: Can এবং be able to উভয়ের অর্থই 'সামর্থ্য' বোঝায়। একই বাক্যে দুটি সমার্থক কাঠামো ব্যবহার করা Redundant (শব্দ বাহুল্য) এবং ভুল।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

Don't make a noise while your father ____.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. is being asleep
  2. is sleeping
  3. asleep
  4. has slept

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত main clause যদি present tense হয় তাহলে subordinate clause যে কোনো tense-এ হতে পারে। কিন্তু এখানে subordinate clause-এর শুরুতে while থাকায় তা continious tense হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: is sleeping। এটি Present Continuous Tense-এর সঠিক ব্যবহার।
এই বাক্যে while কনজাংশনটি ব্যবহৃত হয়েছে, যা নির্দেশ করে যে দুটি কাজ একই সময়ে (Simultaneously) ঘটছে।
প্রথম ক্লজটি (Don't make a noise) Present Context নির্দেশ করছে এবং এটি একটি নির্দেশমূলক বাক্য। তাই, দ্বিতীয় ক্লজটিতে যখন একটি অনবরত চলমান কাজ (Ongoing Action) বোঝানো হয়, তখন Present Continuous Tense ব্যবহৃত হয়।
Structure: Don't make a noise (Present context) + while + Subject + is/am/are + Ving.
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ:
asleep একটি Adjective এবং এটি Continuous Action বোঝায় না।
has slept (Present Perfect) দ্বারা কাজটি এইমাত্র শেষ হয়েছে বোঝায়, যা 'while' দ্বারা সূচিত চলমান অবস্থার বিপরীত।
27

I have ____ interest in the matter.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. not
  2. any
  3. none
  4. no

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোন sentence এ have মূল verb হিসেবে থাকলে negative করার সময় no ব্যবহার করতে হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: no
এই বাক্যে শূন্যস্থানটির পরে 'interest' (আগ্রহ) নামক একটি Noun রয়েছে। Noun-কে বিশেষায়িত বা নেতিবাচক করার জন্য সাধারণত Determiner (নির্ণায়ক) বা Adjective ব্যবহার করা হয়।
'No' হলো একটি Determiner (বা Adjective) যার অর্থ 'not any' বা 'শূন্য পরিমাণ'। এটি সরাসরি Noun-এর আগে বসে (No + Noun) পুরো Phraseটিকে নেতিবাচক করে তোলে।
যেমন: I have no interest (আমার কোনো আগ্রহ নেই)।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল:
'Not': এটি একটি Adverb। এটি Noun-কে সরাসরি modify করতে পারে না। এটি Verb-কে নেগেটিভ করে। (সঠিক ব্যবহার: I do not have any interest.)
'Any': এটি সাধারণত নেতিবাচক বা প্রশ্নবোধক বাক্যে ব্যবহৃত হয় এবং এর আগে একটি নেগেটিভ Verb (যেমন: don't, didn't) থাকা আবশ্যক। (I don't have any interest.)
'None': এটি একটি Pronoun, যা Noun-এর পরিবর্তে বসে (যেমন: None of the money remained)। এটি Noun-এর পূর্বে Determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
28

____ is not the only thing that tourists want to see.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A scenery
  2. Sceneries
  3. The sceneries
  4. Scenery

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাধারণত abstract noun-এর পূর্বে কোনো article বসে না। scenery একটি abstract noun.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Scenery। কারণ এটি একটি Uncountable Noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য)।
Uncountable Noun হিসেবে 'Scenery'-এর ক্ষেত্রে সাধারণত নিচের নিয়মগুলো প্রযোজ্য:
১. এর সাথে কখনও indefinite article 'a/an' ব্যবহৃত হয় না। (তাই 'A scenery' ভুল।)
২. এর শেষে কখনও 's' বা 'es' যোগ করে একে বহুবচন করা যায় না। (তাই 'Sceneries' এবং 'The sceneries' ভুল।)
৩. এটি বাক্যে সবসময় একবচন (Singular) হিসেবে ব্যবহৃত হয় এবং এরপরে singular verb বসে।
যেহেতু প্রশ্নটিতে শূন্যস্থান পূরণ করতে হবে এবং 'Scenery' নিজেই সঠিক রূপ, তাই অন্য কোনো আর্টিকেল বা বহুবচনের প্রয়োজন নেই।
29

Just now he ____ his dinner but he says he will see you when he's finished.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. is having
  2. has had
  3. was having
  4. had

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Sentence-এ just, yet, already, recently, just now, by this time ইত্যাদি থাকলে present perfect tense হয়। আর present perfet tense-এর গঠন হলো: ‍S + have/has + verb-এর past participle + object. সুতরাং এ structure.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: has had (Present Perfect Tense)।
বাক্যটিতে 'Just now' শব্দটি ব্যবহৃত হয়েছে। 'Just now' (এইমাত্র) হলো সেই সময় নির্দেশক, যা প্রকাশ করে কাজটি এই মুহূর্তে বা কিছু মুহূর্ত আগে শেষ হয়েছে, এবং এর ফল বর্তমানেও বিদ্যমান।
যে কাজ এইমাত্র শেষ হয়েছে এবং যার ফল বর্তমানের সাথে সম্পর্কিত, তাকে Present Perfect Tense-এ লিখতে হয়। এই Tense-এর গঠন হলো: Subject + have/has + Past Participle (V3).
এখানে মূল ভার্বটি হলো 'have dinner' (খাবার খাওয়া)। এই ভার্বটির V3 ফর্ম হলো 'had'। যেহেতু Subject (he) হলো থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার, তাই সাহায্যকারী ভার্ব হবে 'has'। সুতরাং, সঠিক গঠনটি হলো: He has had his dinner.
পরের অংশটি ('he says he will see you when he's finished') দ্বারাও বোঝা যাচ্ছে যে তার কাজটি সদ্য সমাপ্ত হয়েছে, যা বর্তমানের সাথে সম্পর্কযুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: 'is having' (Present Continuous) মানে 'এখন খাচ্ছে', যা 'Just now' এর সাথে মেলে না। 'was having' বা 'had' (Past Tense) ব্যবহৃত হয় যখন কাজটি অতীতের কোনো নির্দিষ্ট সময়ে শুরু হয়ে শেষ হয়ে যায় এবং বর্তমানের সাথে তার কোনো তাৎক্ষণিক সম্পর্ক থাকে না।
30

The children were entrusted ____ the care of their uncle.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. with
  2. for
  3. to
  4. at

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

entrusted with- কোনো ব্যক্তিকে কোনো কিছুর বস্তুর দায়িত্ব প্রদান। entrusted to কাউকে অন্য কারো (ব্যক্তির) দায়িত্ব অর্পন। বাক্যে শিশুদেরকে চাচার দায়িত্বে অর্পণ করার ইঙ্গিত রয়েছে। তাই এখানে to বসবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: to। প্রদত্ত বাক্যে ‘entrusted to’ এই Appropriate Preposition টি ব্যবহৃত হয়েছে।
Entrust (কাউকে কোনো কিছু অর্পণ করা) শব্দটি সাধারণত দুটি ভিন্ন Preposition সহ দুটি ভিন্ন কাঠামোতে ব্যবহৃত হয়:
১. Entrust A to B: যখন কোনো ব্যক্তি বা বস্তুকে অন্য কারো দায়িত্বে বা তত্ত্বাবধানে অর্পণ করা হয়, তখন 'to' বসে। (Object is transferred to the care).
Example: The letter was entrusted to my secretary.
২. Entrust B with A: যখন কোনো ব্যক্তিকে (B) কোনো দায়িত্ব (A) দেওয়া হয়, তখন 'with' বসে। (Person is given the duty).
Example: They entrusted the uncle with the care of the children.
প্রদত্ত বাক্যে, The children (শিশুরা) কে তাদের চাচার তত্ত্বাবধানে (the care of their uncle) অর্পণ করা হয়েছে। অর্থাৎ শিশুরা হলো অর্পিত বস্তু, এবং তারা ঐ তত্ত্বাবধানের উদ্দেশ্যে যাচ্ছে। তাই এখানে ‘entrusted to’ সঠিক ব্যবহার।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

He parted ____ his friends in tears.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. with
  2. from
  3. against
  4. beside

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

part with- ভিন্ন পথে গমন, কোনো কিছু ত্যাগ করা। part from- বিচ্ছিন্ন হওয়া, ছেড়ে যাওয়া। part against- এ ধরনের ব্যবহার দেখা যায় না। part beside- এ ধরনের ব্যবহার দেখা যায় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো from। এটি একটি Appropriate Preposition-এর উদাহরণ।
যখন কোনো ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে বিদায় নেয় বা বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়, তখন part শব্দের পর অবশ্যই from ব্যবহৃত হয়। এই বাক্যে 'friends' (বন্ধু-বান্ধব) হলো ব্যক্তি, তাই সঠিক ব্যবহার: Part from someone.
অন্যদিকে, যদি কোনো বস্তু বা সম্পত্তি ত্যাগ করা বা হাতছাড়া করা বোঝায়, তবে সেক্ষেত্রে part with ব্যবহৃত হয়। যেমন: He could not part with his money (সে তার অর্থ হাতছাড়া করতে পারল না)।
সুতরাং, 'He parted from his friends in tears.' (সে অশ্রুসিক্ত অবস্থায় বন্ধুদের কাছ থেকে বিদায় নিল) — এই ব্যবহারটিই ব্যাকরণগতভাবে সঠিক।
32

I'll have a cup of tea,' my father said, 'Because I'm not hungry.' Which of the following sentence is the correct indirect speech?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. My father said that he will have a cup of tea because he wasn't hungry.
  2. My father said that he would have had a cup of tea because he wasn't hungry.
  3. My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry.
  4. My father said that he had a cup of tea because he wasn't hungry.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিয়মানুযায়ী reporting verb যদি past tense-এর হয় তাহলে reported speech-কেও past tense-এ পরিবর্তন করতে হয়। এ নিয়মানুযায়ী reported speech-এর will পরিবর্তিত হয়ে would হবে আবার reported speech-এর 1st person সর্বদা reproting verb-এর number, person ও gender অনুসারে পরিবর্তিত হয়। এখানে My father যেহেতু 1st person এবং singular number তাই I পরিবর্তিত হয়ে he হবে। অন্যদিকে অপর অংশের is পরিবর্তিত হয়ে past form-এ was হবে। (গ)-তে উল্লিখিত নিয়মটি মানা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

এটি Direct Speech থেকে Indirect Speech (Narration Change)-এর একটি প্রশ্ন। রিপোর্টিং ভার্ব (Reporting Verb) যদি Past Tense-এ থাকে (যেমন: 'said'), তবে রিপোর্টেড স্পিচের Tense পরিবর্তন করতে হয়।
রিপোর্টিং ভার্ব: my father said
প্রথম ক্লজ: 'I'll have a cup of tea' (Future Indefinite Tense)। Indirect Speech-এ Future Indefinite Tense পরিবর্তিত হয়ে Future in the Past হয়। তাই will পরিবর্তন হয়ে would হয়। Subject 'I' পরিবর্তন হয়ে 'he' (father) হবে।
দ্বিতীয় ক্লজ: 'Because I'm not hungry' (Present Indefinite Tense)। এটি পরিবর্তিত হয়ে Past Indefinite Tense হবে। তাই 'am' পরিবর্তন হয়ে was হবে।
সঠিক Indirect রূপটি হলো: My father said that he would have a cup of tea because he wasn't hungry
অপশন C হলো একমাত্র বাক্য যা Tense পরিবর্তনের এই দুটি মৌলিক নিয়ম সঠিক ভাবে অনুসরণ করেছে।
অপশন A ভুল, কারণ will পরিবর্তন করা হয়নি।
অপশন D ভুল, কারণ 'I'll have' (Future) কে 'he had' (Past Indefinite) করে পুরো অর্থ ও Tense বদলে দেওয়া হয়েছে।
33

The expression 'Lingua franca' means ____.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The common language
  2. The first language
  3. International language
  4. The French language

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

The common language- সাধারণ ভাষা। The first language- প্রথম ভাষা। International language- আন্তর্জাতিক ভাষা। The French language- ফরাসি ভাষা। মূলত Lingua franca হলো এমন ভাষা যা একটি দেশের বিভিন্ন ভাষাভাষি মানুষ তাদের সাধারণ ভাষা হিসেবে ব্যবহার করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো The common language (সাধারণ ভাষা)।
'Lingua franca' হলো একটি অভিব্যক্তি, যা মূলত ইতালীয় (Italian) এবং লাতিন (Latin) শব্দ থেকে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হলো 'Frankish language' (ফ্রাঙ্কদের ভাষা)।
কিন্তু আধুনিক ব্যবহারে, এটি এমন একটি ভাষাকে নির্দেশ করে যা বিভিন্ন মাতৃভাষী (native speaker) মানুষের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বাণিজ্য বা আলোচনার মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।
উদাহরণস্বরূপ, বাংলাদেশে উপজাতীয় জনগোষ্ঠী বা ভিন্ন ভিন্ন জেলার মানুষের মধ্যে যখন কোনো ভাষা সহজে যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, সেটিও আঞ্চলিক 'Lingua franca' হতে পারে।
যদিও 'International language' ধারণাটির কাছাকাছি, কিন্তু 'Lingua franca' যেকোনো একটি অঞ্চলের জন্যও প্রযোজ্য হতে পারে। তাই 'The common language' হলো এর সবচেয়ে সঠিক প্রতিশব্দ।
34

Choose the correct meaning: 

He raised his eyebrow at my explanation.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. show surprise or disapproval.
  2. show agreement.
  3. show happiness.
  4. show indifference.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Raising one's eyebrow অর্থ হলো চোখ কপালে তোলা; যার অন্য অর্থ হলো আশ্চর্য হওয়া বা বিরাগ প্রকাশ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: show surprise or disapproval. (বিস্ময় বা অসন্তোষ প্রকাশ করা)।
বাগধারাটি হলো 'to raise one's eyebrow' যার অর্থ হলো ভুরু বাঁকানো বা ভুরু উপরে তোলা। দৈহিক এই অঙ্গভঙ্গিটি সাধারণত বিস্ময়, সন্দেহ, বা কোনো কিছুর প্রতি অসন্তোষ/অবিশ্বাস প্রকাশ করতে ব্যবহৃত হয়।
বাক্যটিতে ('He raised his eyebrow at my explanation') বোঝানো হচ্ছে যে বক্তার ব্যাখ্যায় এমন কিছু ছিল যা শুনে শ্রোতা অবাক হয়েছেন বা সেটিকে মেনে নিতে পারেননি, তাই তিনি ভুরু বাঁকিয়ে অবিশ্বাস বা অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'show agreement' (একমত), 'show happiness' (আনন্দ) বা 'show indifference' (উদাসীনতা) এই অঙ্গভঙ্গির মূল অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
35

Razzmatazz' means -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A musical instrument
  2. A well-planned programme
  3. A noisy activity
  4. A musical activity.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Razzmatazz'- এর অর্থ হলো - a lot of noisy or exciting activity।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: A noisy activity (গোলমেলে কার্যকলাপ)।
Razzmatazz শব্দটি একটি বিশেষ্য পদ (Noun)। এর অর্থ হলো— চটকদার বা ঝলমলে কিন্তু গোলমেলে ও বিশৃঙ্খল কার্যকলাপ (noisy, exciting, and confusing activity or display), যা সাধারণত মনোযোগ আকর্ষণের জন্য করা হয়।
এটি প্রায়শই বিনোদন বা প্রচারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়, যেখানে প্রচুর আলো, শব্দ এবং হৈচৈ থাকে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে 'A noisy activity' বা গোলমেলে কার্যকলাপ হলো এর অর্থের নিকটতম এবং সবচেয়ে সঠিক প্রতিশব্দ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

The antonym for 'Recalcitrant' ____.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Compliant
  2. Passive
  3. Indifferent
  4. Careful

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Compliant- শিষ্ট, ভদ্র। Passive- নিষ্ক্রিয়। Indifferent- উদাসীন। Careful- সতর্ক। অন্যদিকে Recalcitrant অর্থ হলো অবাধ্য (stubborn). সে হিসেবে-এর বিপরীতার্থক শব্দ compliant হওয়াই যৌক্তিক।

ব্যাখ্যা

'Recalcitrant' একটি উচ্চমানের শব্দ, যার অর্থ হলো অবাধ্য, জেদি, একগুঁয়ে, অবাধ্যতাপূর্ণ বা আদেশ অমান্যকারী (Stubbornly refusing to obey authority or discipline)।
সুতরাং, এর বিপরীতার্থক শব্দ হবে এমন কিছু যা বাধ্য, অনুগত বা সহজেই মেনে চলে—এমন ভাব প্রকাশ করে।
Option (A) Compliant শব্দের অর্থ হলো আজ্ঞাবহ, বাধ্য, নমনীয় বা অনুগত (Ready to conform or yield to others)। তাই Compliant হলো 'Recalcitrant'-এর সঠিক বিপরীতার্থক শব্দ (Antonym)।
অন্যান্য অপশনগুলির মধ্যে, Passive (নিষ্ক্রিয়) এবং Indifferent (উদাসীন) শব্দের অর্থ Recalcitrant-এর মূল ভাব (অবাধ্যতা/মান্য করা) এর সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
37

The synonym for 'Obdurate' ____

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Deceitful
  2. Stubborn
  3. Sly
  4. Swindler

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Deceitful-প্রবঞ্চনাপূর্ণ; Stubborn- অবাধ্য; Sly- চতুর, শঠ, ধুর্ত; Swindler- প্রতারক, জুয়াচোর; আর Obdurate- অর্থ একগুঁয়ে, অবাধ্য।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দটি হলো 'Obdurate'। এই শব্দটির অর্থ হলো একগুঁয়ে, অনমনীয়, সহজে প্রভাবিত না হওয়া বা গোঁড়া
অপশনগুলোর মধ্যে, 'Stubborn' শব্দটির অর্থও হলো একগুঁয়ে, গোঁড়া বা জেদি
অর্থের দিক থেকে, 'Obdurate' এবং 'Stubborn' সমার্থক। তাই সঠিক উত্তর হলো (B) Stubborn
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন অর্থ বহন করে: Deceitful মানে ছলনাপূর্ণ/প্রতারণামূলক, Sly মানে ধূর্ত/চতুর, এবং Swindler মানে প্রতারক/ঠকবাজ।
38

বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য কতজনকে বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৫৭ জন
  2. ১৬৩ জন
  3. ৪৪ জন
  4. ৬৮ জন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৪টি রাষ্ট্রীয় খেতাব প্রদান করা হয় ৬৭৬ জনকে। তার মধ্যে বীরশ্রেষ্ঠ ৭ জন, বীর উত্তম ৬৮ জন, বীর বিক্রম ১৭৫ জন, বীর প্রতীক ৪২৬ জন। ৬ জুন ২০২১ চারজনের খেতাব বাতিল করা হয়। যার মধ্যে ১ জন বীর উত্তম, ১ জন বীর বিক্রম ও ২ জন বীর প্রতীক।

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার মোট ৬৭৬ জন ব্যক্তিকে চারটি ভিন্ন উপাধিতে ভূষিত করেছিল।
এর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ খেতাব হলো বীর উত্তম (Bir Uttom)
সঠিক তথ্য অনুযায়ী, মোট ৬৮ জনকে এই বীর উত্তম উপাধিতে ভূষিত করা হয়। সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৬৮ জন (অপশন ৪)।
39

জিয়া সার কারখানায় উৎপাদিত সারের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টিএসপি
  2. অ্যামোনিয়া
  3. ইউরিয়া
  4. সুপার ফসফেট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জিয়া সার কারখানার বর্তমান নাম ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লি.’। কারখানাটি ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জে অবস্থিত। এ সার কারখানায় ইউরিয়া সার উৎপাদিত হয়। এছাড়া অন্য যেসব কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদিত হয়, তা হলো- চট্টগ্রাম ইউরিয়া, ঘোড়াশাল, পলাশ, যমুনা, কর্ণফুলী ও শাহজালাল সার কারখানা। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় যমুনা সার কারখানা জামালপুরের তারাকান্দিতে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

জিয়া সার কারখানা (Zia Fertilizer Factory Ltd. - ZFFL) বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান। এটি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে অবস্থিত।
এই কারখানায় প্রধানত কৃষিকাজে ব্যবহৃত ইউরিয়া (Urea) সার উৎপাদিত হয়। ইউরিয়া সার উৎপাদনের মূল কাঁচামাল হিসেবে প্রাকৃতিক গ্যাস ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ইউরিয়া
40

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ডিজাইনার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জয়নুল আবেদিন
  2. কামরুল হাসান
  3. হামিদুর রহমান
  4. হাশেম খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মানচিত্রখচিত প্রথম জাতীয় পতাকার নকশা তৈরি করেন শিবনারায়ণ দাশ। পরবর্তীতে ১৯৭২ সালে বর্তমান জাতীয় পতাকার (মানচিত্রবিহীন) ডিজাইন করেন বালাদেশের প্রখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান (১৯২১-১৯৮৮ খ্রি.)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কামরুল হাসান
তিনি একজন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সরকারিভাবে গৃহীত জাতীয় পতাকার চূড়ান্ত নকশা প্রণয়ন করেন।
এই নকশাটি ১৯৭২ সালের ১৭ জানুয়ারি তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয়।
পতাকার লাল বৃত্তটি হলো স্বাধীনতার জন্য আত্মত্যাগকারী শহীদদের রক্ত এবং সবুজ পটভূমি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও তারুণ্যের প্রতীক
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

কোন উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আয়কর
  2. আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক
  3. ভূমি রাজস্ব
  4. মূল্য সংযোজন কর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয় মূল্য সংযোজন কর (VAT) থেকে। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২১-২২ (সাময়িক) অনুযায়ী আমদানি শুল্ক সাথে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ২১.৫২% সূচক ১৬.৭৫% সম্পূরক শুল্ক: ৮.৮৮%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মূল্য সংযোজন কর (VAT)। বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ রাজস্ব আয়ের (NTR) প্রধান এবং সর্বোচ্চ উৎস হলো এই মূল্য সংযোজন কর বা ভ্যাট (Value Added Tax)।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (NBR) অধীনে সংগৃহীত মোট কর রাজস্বের মধ্যে ভ্যাটের অবদান সাধারণত ৪০% বা তার বেশি থাকে, যা অন্য যেকোনো একক উৎসের চেয়ে বেশি।
রাজস্ব আয়ের উৎসগুলোর মধ্যে দ্বিতীয় স্থানে থাকে আয়কর (Income Tax) এবং তৃতীয় স্থানে থাকে আমদানি ও রপ্তানি শুল্ক। প্রশ্নে সর্বোচ্চ উৎসের কথা জানতে চাওয়ায়, সঠিক উত্তর হবে মূল্য সংযোজন কর
ভূমি রাজস্ব বর্তমানে সরকারের মোট রাজস্ব আয়ের খুবই ক্ষুদ্র একটি অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়।
42

বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেন্টমার্টিন
  2. মহেশখালী
  3. হাতিয়া
  4. সন্দ্বীপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কক্সবাজার জেলায় টেকনাফের সমুদ্র উপকূল থেকে ৪৮ কিমি দক্ষিণে সেন্টমার্টিন দ্বীপ অবস্থিত। এর আয়তন প্রায় ৮ বর্গকিমি। এটি পর্যটন কেন্দ্র, মৎস্য আহরণ, খনিজ পদার্থ ও চুনাপাথরের জন্য বিখ্যাত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেন্টমার্টিন দ্বীপ। বাংলাদেশের উপকূল রেখা থেকে প্রায় ৯ কিলোমিটার দক্ষিণে, বঙ্গোপসাগরের উত্তর-পূর্বাংশে এই দ্বীপটি অবস্থিত।
সেন্টমার্টিন হলো বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ (Coral Island)। এটি মূলত চুনাপাথর ও প্রবাল দ্বারা গঠিত, যা সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য দ্বীপ যেমন: মহেশখালী (বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ দ্বীপ, কক্সবাজার জেলা), হাতিয়া (নোয়াখালী জেলা) এবং সন্দ্বীপ (চট্টগ্রাম জেলা) প্রাকৃতিক বা পলিগঠিত দ্বীপ। এগুলো কোনোটিই প্রবাল দ্বীপ নয়।
43

‘সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী’- সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 27
  2. 28
  3. 30
  4. 47

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এটি বাংলাদেশ সংবিধানের তৃতীয় ভাগ মৌলিক অধিকার-এর ‘আইনের দৃষ্টিতে সমতা’ অংশে ২৭ অনুচ্ছেদে বর্ণিত আছে। অন্যদিকে ২৮নং অনুচ্ছেদে ধর্ম-বর্ণ ইত্যাদি বিষয়ে বৈষম্য, ৩০নং অনুচ্ছেদে বিদেশী খেতাব ইত্যাদি গ্রহণ, নিষিদ্ধকরণ এবং ৪৭নং অনুচ্ছেদে কতিপয় আইনের হেফাজত বিষয়ে আইন বর্ণিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের তৃতীয় ভাগে (মৌলিক অধিকার) এই অনুচ্ছেদটি সন্নিবেশিত আছে।
অনুচ্ছেদ ২৭-এ বলা হয়েছে: “সকল নাগরিক আইনের দৃষ্টিতে সমান এবং আইনের সমান আশ্রয় লাভের অধিকারী”। এটি আইনের শাসন (Rule of Law) প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ভিত্তি।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কেন:
২৮ নং অনুচ্ছেদ: এই অনুচ্ছেদটি ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষ ভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোনো নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করবে না—এই বিষয়টি নিশ্চিত করে।
৩০ নং অনুচ্ছেদ: এটি রাষ্ট্রপতির পূর্বানুমতি ছাড়া কোনো নাগরিক কর্তৃক বিদেশি রাষ্ট্রের কোনো উপাধি, সম্মান বা পদক গ্রহণ নিষিদ্ধ করে।
৪৭ নং অনুচ্ছেদ: এটি কিছু আইনের হেফাজত (Savings as to certain laws) সম্পর্কিত।
44

মহিলা পুলিশ প্রথম নিয়োগ করা হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৬ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৮ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭৪ সালে সর্বপ্রথম সাদা পোশাকে স্পেশাল ব্রাঞ্চে ১২ জন মহিলা পুলিশ নিয়োগ করা হয়। ইউনিফর্মধারী নারী পুলিশের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৬ সালে। অতঃপর ১৯৭৮ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশে মহিলা নিয়োগ করা হয়। বাংলাদেশ পুলিশের প্রথম নারী ডিআইজি ফাতেমা বেগম ও প্রথম নারী ওসি হোসনে আরা বেগম (নিয়োগ ১৭ মে ২০০৯, ক্যান্টনমেন্ট থানা, ঢাকা)। ১৯৮৬ সালে চারজন মহিলা পুলিশ অফিসার বিসিএস পরীক্ষার মাধ্যমে এএসপি হিসেবে যোগদান করেন। নারী পুলিশ সদস্যদের সমন্বয়ে গঠিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন-১১ (APBn-11)-এর যাত্রা শুরু হয় ২২ জুন ২০১১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৭২ সালে
মহান স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে এবং নারী সংক্রান্ত অপরাধ দমনে নারীদের সম্পৃক্ততা নিশ্চিত করার জন্য দ্রুত এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নির্দেশে স্বাধীনতার মাত্র এক বছরের মাথায় ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীতে প্রথম মহিলা কনস্টেবল নিয়োগ দেওয়া হয়। এই নিয়োগ ছিল দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নারীর অংশগ্রহণের এক ঐতিহাসিক সূচনা।
অন্যান্য সালগুলো (১৯৭৬, ১৯৭৭, ১৯৭৮) ভুল, কারণ প্রথম নিয়োগটি স্বাধীনতার অব্যবহিত পরেই হয়েছিল।
45

সম্প্রতি গার্মেন্টসসহ কতিপয় দ্রব্য বিনাশুল্কে কোন দেশে প্রবেশাধিকার পেয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাষ্ট্র
  2. কানাডা
  3. চীন
  4. জাপান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

তথ্যটি পরিবর্তনশীল। সেই সময় কানাডায় এই সুবিধা পেয়েছে। (২০০৩ সালের তথ্য)। ২০২১ সালে চীন বাংলাদেশকে ৯৭% পণ্যে শুল্ক মু্ক্ত সুবিধা দিয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কানাডা
বাংলাদেশ বিশ্বের অল্প কয়েকটি দেশের মধ্যে অন্যতম যারা কানাডায় অস্ত্র বাদে প্রায় সকল পণ্য (Anything But Arms - ABA) বিনাশুল্কে (Duty-Free Quota-Free - DFQF) প্রবেশাধিকার পায়।
কানাডা তাদের General Preferential Tariff (GPT) স্কিমের আওতায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে এই সুবিধা প্রদান করে। বিশেষ করে তৈরি পোশাক (Garments/RMG) খাতে এই সুবিধা বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্নটি সাধারণত কানাডার এই চলমান এবং গুরুত্বপূর্ণ DFQF প্রবেশাধিকারকে নির্দেশ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, যুক্তরাষ্ট্র (USA) ২০১৩ সালের পর থেকে বাংলাদেশের GSP (Generalized System of Preferences) সুবিধা স্থগিত করে রেখেছে। তাই গার্মেন্টস পণ্যে বিনাশুল্কে প্রবেশাধিকারের ক্ষেত্রে কানাডাই বর্তমানে আলোচনার কেন্দ্রে থাকে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

স্বাধীনতার প্রথম ডাকটিকিটে কোন ছবি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতীয় স্মৃতিসৌধ
  2. লালবাগের কেল্লা
  3. সোনা মসজিদ
  4. শহীদ মিনার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাধীনতার পর প্রকাশিত (২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২) প্রথম ডাকটিকিটে শহীদ মিনারের ছবি ছিল। ২০ পয়সা মূল্যমানের এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বি পি চিতনিশ (BP Chitonish)। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের প্রথম ডাকটিকিট প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালের ২৯ জুলাই। মুজিবনগর সরকার কর্তৃক প্রকাশিত ৮ প্রকার এ ডাকটিকিটের ডিজাইনার ছিলেন বিমান মল্লিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শহীদ মিনার
১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশ্ব জনমতকে বাংলাদেশের পক্ষে আনতে এবং স্বাধীন রাষ্ট্রের অস্তিত্ব প্রমাণ করতে অস্থায়ী সরকার (মুজিবনগর সরকার) মোট ৮টি ভিন্ন মূল্যমানের ডাকটিকিট প্রকাশ করে।
এই ডাকটিকিটগুলো ২৯ জুলাই ১৯৭১ সালে লন্ডনে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
এই আটটি ডাকটিকিটের মধ্যে সবচেয়ে কম মূল্যমানের (১০ পয়সা) ডাকটিকিটে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের ছবি ব্যবহার করা হয়েছিল। শহীদ মিনার ভাষা আন্দোলন ও জাতীয় চেতনার প্রতীক হিসেবে এটি প্রথম ডাকটিকিটে স্থান পায়।
47

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাতিতাত্ত্বিক জাদুঘর
  2. জাতীয় জাদুঘর
  3. বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর
  4. ঢাকা নগর জাদুঘর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম জাদুঘর বরেন্দ্র জাদুঘর। এটি এপ্রিল ১৯১০ সালে রাজশাহীতে প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশের বর্তমান জাতীয় জাদুঘর ৭ আগস্ট ১৯১৩ সালে ঢাকার শাহবাগে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠাকালীন এর নাম ছিল ঢাকা জাদুঘর যা ১৯৮৩ সালে জাতীয় জাদুঘর নামকরণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বরেন্দ্র গবেষণা জাদুঘর। এটিই হলো বর্তমান বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমানায় প্রতিষ্ঠিত সর্বপ্রথম জাদুঘর
এটি ১৯১০ সালের এপ্রিলে রাজশাহী শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গবেষক শরত্‍কুমার রায়, অক্ষয় কুমার মৈত্রেয় এবং রামপ্রসাদ চন্দ এই জাদুঘর প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা রাখেন।
অনেকে বাংলাদেশের জাতীয় জাদুঘরকে প্রথম মনে করেন। কিন্তু জাতীয় জাদুঘর (পূর্বের নাম ঢাকা জাদুঘর) প্রতিষ্ঠিত হয় এরও তিন বছর পরে, ১৯১৩ সালে। তাই এটি প্রথম জাদুঘর নয়।
48

২০০৩-০৪ সনের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট ব্যয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০,৩০০ কোটি টাকা
  2. ১৯,২০০ কোটি টাকা
  3. ১৭,১০০ কোটি টাকা
  4. ১৯,৫০০ কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০০৩-০৪ সালের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির মোট ব্যয় ২০, ৩০০ কোটি টাকা। সরকার ২০২২-২৩ অর্থবছরের জন্য ২৪৬০৬৬ কোটি টাকার বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (ADP) অনুমোদন করেছে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলাদেশের ইতিহাসের একটি নির্দিষ্ট অর্থবছরের (২০০৩-০৪) বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (Annual Development Program - ADP) ব্যয় সম্পর্কিত।
অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০০৩-০৪ অর্থবছরে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির জন্য মোট ২০,৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছিল এবং এটিই ছিল সেই সনের প্রকৃত ব্যয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ২০,৩০০ কোটি টাকা
49

বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনা মসজিদ
  2. চট্টগ্রাম
  3. বেনাপোল
  4. হিলি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বর্তমানে দেশের স্থল বন্দরের সংখ্যা ২৫টি। সর্বশেষ ঘোষিত ২৫তম স্থলবন্দর হলো মুজিবনগর স্থল ও কাস্টমস স্টেশন। অবস্থান মাঝপাড়া মুজিবনগর, মেহেরপুর ঘোষিত হয়- ২৭ মে, ২০২১।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেনাপোল। এটি বাংলাদেশের বৃহত্তম স্থলবন্দর এবং ভারত-বাংলাদেশের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের প্রধান প্রবেশদ্বার।
দেশের মোট স্থল বাণিজ্যের ৭০-৮০% এই বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হয়, যার কারণে এটি দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
বেনাপোল বন্দরটি যশোর জেলার শার্শা উপজেলায় অবস্থিত। এটি ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের সাথে সংযুক্ত।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, চট্টগ্রাম হলো বাংলাদেশের বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর, যা মোট আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ৯০% এরও বেশি হ্যান্ডেল করে। সোনা মসজিদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) এবং হিলি (দিনাজপুর/জয়পুরহাট) গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর হলেও বেনাপোলের চেয়ে ছোট।
50

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীরের কবর এই জেলায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাটোর
  2. চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. জয়পুরহাট
  4. নওগাঁ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৪৮ সালে বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে চাঁপাইনবাবগঞ্জে সাত নম্বর সেক্টরে মুক্তিবাহিনী সাব সেক্টর কমান্ডার হিসেবে তিনি দায়িত্বরত ছিলেন। ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ তিনি পাকবাহিনীর সাথে সরাসরি যুদ্ধে শহীদ হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক গৌড়ের ছোট সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে তাকে সমাহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁপাইনবাবগঞ্জ
বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ৭ নম্বর সেক্টরের অধীনে যুদ্ধ করেন। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহর মুক্ত করার জন্য মহানন্দা নদীর তীরে শত্রুর সাথে সম্মুখ সমরে লিপ্ত হন এবং ১৯৭১ সালের ১৪ ডিসেম্বর শহীদ হন।
তাঁর মাজারটি সেখানেই অবস্থিত। পরবর্তীতে এটিকে সরকারিভাবে সংস্কার ও সংরক্ষণ করা হয়। তিনি বরিশাল জেলার বাসিন্দা ছিলেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

মার্কিন ডলারে ২০০১-২০০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ বিলিয়ন
  2. ৬ বিলিয়ন
  3. ৫ বিলিয়ন
  4. ৭ বিলিয়ন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০০১-০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের রপ্তানি আয় প্রায় ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২১-২০২২ অর্থবছরে মোট রপ্তানী আয় ৫২.০৮ বিলিয়ন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০০১-২০০২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ছিল ৫.৯৮৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই অঙ্কের নিকটতম পূর্ণ সংখ্যা হলো ৬ বিলিয়ন
এটি একটি ঐতিহাসিক তথ্যভিত্তিক প্রশ্ন, যা তৎকালীন সময়ের অর্থনৈতিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
52

সম্প্রতি ‘সাফ’ ফুটবলে এই দেশের সাথে খেলে বাংলাদেশ শিরোপা পায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালদ্বীপ

  2. ভারত
  3. পাকিস্তান
  4. নেপাল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০ জানুয়ারি, ২০০৩ বাংলাদেশে অনুষ্ঠিত তৃতীয় সাফ ফুটবলে বাংলাদেশ টাইব্রেকারে ১(৫)-১(৪) গোলে মালদ্বীপকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়। সাফ সর্বশেষ চ্যাম্পিয়ন হয় ভারত ২০২১ সালে। ২০২৩ সালের আয়োজক দেশ ভারত। ২০২৩ সালে সাফ অনুর্ধ্ব-২০ মহিলা ফুটবল চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মালদ্বীপ। যদিও প্রশ্নটিতে 'সম্প্রতি' শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তবুও উত্তরটি ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে (পুরুষ) বাংলাদেশের একমাত্র শিরোপা জয়ের ঘটনাকে নির্দেশ করে।
বাংলাদেশ ফুটবল দল ২০০৩ সালে ঢাকায় অনুষ্ঠিত সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের (পুরুষ) ফাইনালে স্বাগতিক হিসেবে মালদ্বীপকে টাইব্রেকারে পরাজিত করে প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র শিরোপা লাভ করে।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ পুরুষদের ফাইনালে ভারত সবচেয়ে বেশিবার জিতেছে। নেপালকে পরাজিত করে বাংলাদেশ ২০২২ সালে সবচেয়ে সম্প্রতি সাফ উইমেনস চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতেছিল, যা নারী ফুটবলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ অর্জন।
53

বাংলাদেশে সম্প্রতি এই জেলায় চা বাগান করা হয় -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পঞ্চগড়
  2. দিনাজপুর
  3. কুড়িগ্রাম
  4. বান্দরবান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পঞ্চগড় জেলায় ২০০০ সালে একটি চায়ের বাগানে চারা লাগানো হয়েছে। দেশের উত্তরাঞ্চলে পরীক্ষামূলকভাবে প্রথম এ বাগানে চা রোপণ করা হয়। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে ১৮৪০ সালে প্রথম চট্টগ্রামে চা বাগান তৈরির কাজ শুরু হয়। এর অব্যবহিত পরে ১৮৫৭ সালে সিলেটের মালিনীছড়ায় দেশের প্রথম বাণিজ্যিক চা বাগান প্রতিষ্ঠা করা হয়। ২৪ মার্চ, ২০১৫ প্রথমবারের মতো নীলফামারীতে চা চাষ শুরু হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ চা বোর্ডের নিবন্ধনকৃত চা বাগানের সংখ্যা ১৬৭টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চগড়
ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশের চা চাষ সিলেট, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ অঞ্চলে সীমাবদ্ধ ছিল। কিন্তু সম্প্রতি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় জেলা পঞ্চগড়কে দেশের দ্বিতীয় চা অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
পঞ্চগড়ের মাটি ও আবহাওয়া (বিশেষ করে হিমালয়ের কাছাকাছি হওয়ায়) উচ্চমানের চা উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় ২০০০ সালের পর থেকে এখানে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে চা বাগান স্থাপন করা শুরু হয় এবং বর্তমানে এটি দেশের অন্যতম প্রধান চা উৎপাদনকারী জেলায় পরিণত হয়েছে।
54

বাংলাদেশের এই জেলায় সম্প্রতি এই প্রথম রেল সংযোগ হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়মনসিংহ
  2. টাঙ্গাইল
  3. বরিশাল
  4. সিরাজগঞ্জ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যমুনা সেতুর উপর দিয়ে রেলসংযোগ চালুর মাধ্যমে ঢাকার সাথে উত্তরবঙ্গের সরাসরি রেল যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য টাঙ্গাইলে রেল সংযোগ স্থাপিত হয়। বাংলাদেশে প্রথম রেললাইন (ব্রডগেজ) স্থাপিত হয় ১৬ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৪। প্রথম রেললাইন বসানো হয় দর্শনা থেকে কুষ্টিয়ার জগতি পর্যন্ত। উপমহাদেশে প্রথম রেলগাড়ি চালু হয় ১৮৫৩ সালে। উপমহাদেশে প্রথম রেলগাড়ি চালু করেন লর্ড ডালহৌসী।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি বাংলাদেশের রেল যোগাযোগ সম্পর্কিত একটি প্রশ্ন। প্রশ্নে উল্লেখিত উত্তর হিসেবে টাঙ্গাইল নির্বাচন করা হয়েছে (ইনপুট ডাটা অনুযায়ী)। যদিও ঐতিহ্যগতভাবে টাঙ্গাইল জেলা বহু আগে থেকেই রেল নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত (বিশেষত ঢাকা-উত্তরবঙ্গ রুটে বঙ্গবন্ধু সেতুর পূর্ব প্রান্তের মাধ্যমে), তবুও যদি প্রশ্নটি কোনো অতি-সাম্প্রতিক বা আঞ্চলিক নতুন সেকশন চালু হওয়াকে নির্দেশ করে, তবে টাঙ্গাইলকে উত্তর হিসেবে ধরা যেতে পারে।
তবে, সাধারণ জ্ঞানের মানদণ্ডে, সম্প্রতি যেসব জেলা ইতিহাসে প্রথমবারের মতো রেল সংযোগ পেয়েছে, সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো কক্সবাজার, যা ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুক্ত হয়।
ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, এবং সিরাজগঞ্জ তিনটি জেলাই ব্রিটিশ আমল থেকেই রেলওয়ে নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত।
বরিশাল হলো বাংলাদেশের একমাত্র বিভাগীয় সদর, যেখানে এখনো পর্যন্ত রেল সংযোগ পুরোপুরি পৌঁছায়নি। তাই 'সম্প্রতি এই প্রথম রেল সংযোগ' জাতীয় প্রশ্নের জন্য বরিশাল (ভবিষ্যতে) বা কক্সবাজার/মাদারীপুর (বর্তমানে) উত্তর হওয়া যুক্তিসঙ্গত।
55

আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় কোন সালের কত তারিখে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ২০০২
  2. ৯ এপ্রিল, ২০০২
  3. ১৮ মার্চ, ২০০২

  4. ৩ এপ্রিল, ২০০২

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রাস্তাঘাটে বিশৃঙ্খলা, যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধের দ্রুত বিচার সম্পন্ন করার জন্য জাতীয় সংসদে ২০০২ সালের ৭ এপ্রিল ‘আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) বিল ২০০২’ উত্থাপন করা হয়। ৪ এপ্রিল এ আইনের খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয় এবং ৯ এপ্রিল তা পাস হয়। এ আইনে অপরাধীদের ২ থেকে ৫ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ও অতিরিক্ত অর্থদণ্ডের বিধান প্রণয়ন করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯ এপ্রিল, ২০০২
আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইনটি (The Law and Order Disruption (Speedy Trial) Act, 2002) দেশে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার উদ্দেশ্যে প্রণীত একটি গুরুত্বপূর্ণ আইন। এটি মূলত একটি অস্থায়ী আইন যা পরে জাতীয় সংসদে পাস করা হয়।
আইনটি জাতীয় সংসদে পাস হয় নির্দিষ্ট তারিখে, যা হলো ৯ এপ্রিল, ২০০২
এটি মূলত দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল গঠনের মাধ্যমে সংঘটিত অপরাধের বিচার দ্রুত নিষ্পত্তি করার জন্য প্রণীত হয়েছিল।
56

দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের অপর নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুতুবদিয়া
  2. সোনাদিয়া
  3. সন্দ্বীপ
  4. পূর্বাশা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাতক্ষীরা জেলার হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ অবস্থিত। ভারতের নিকট এটি পূর্বাশা বা নিউমুর নামে পরিচিত। দ্বীপটি ২০১০ সালে পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ার বর্তমানে এর কোনো অস্তিত্ব নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পূর্বাশা
দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি বঙ্গোপসাগরের হারিয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় অবস্থিত।
এটি ১৯৭০ সালের প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ের (ভোলা সাইক্লোন) পর জেগে ওঠে এবং এর মালিকানা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।
বাংলাদেশ এটিকে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ নামে অভিহিত করলেও, ভারত এটিকে পূর্বাশা (Purbasha) বা নিউ মুর দ্বীপ (New Moore Island) নামে দাবি করত।
যদিও এই দ্বীপটি সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে বর্তমানে সম্পূর্ণরূপে বিলীন হয়ে গেছে, তবুও এটি বিগত বছরের পরীক্ষায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
57

হালদা ভ্যালি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি

  2. খাগড়াছড়ি
  3. বান্দরবান
  4. সন্দ্বীপ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়ি জেলায় অবস্থিত একটি উপত্যকা। এছাড়া কাপ্তাই থেকে প্লাবিত রাঙ্গামাটির উপত্যকাকে বলা হয় ভেঙ্গিভ্যালি। শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার এলাকায় বালিশিরা ভ্যালি অবস্থিত। এছাড়াও চট্টগ্রামে অবস্থিত সাঙ্গু ভ্যালি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: খাগড়াছড়ি
হালদা ভ্যালি বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের খাগড়াছড়ি জেলার মানিকছড়ি উপজেলায় অবস্থিত। এটি মূলত একটি উপত্যকা, যা এর নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।
এই ভ্যালিটির প্রধান আকর্ষণ হলো হালদা চা বাগান এবং এর সবুজ প্রাকৃতিক পরিবেশ। এটি খাগড়াছড়ি জেলার একটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্র।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—রাঙ্গামাটি, বান্দরবান—এগুলোও পার্বত্য জেলার অংশ হলেও হালদা ভ্যালি খাগড়াছড়িতেই অবস্থিত।
58

আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী ‘প্যারিস প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯২৭ সালের ১২ আগস্ট
  2. ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
  3. ১৯২৮ সালের ৩ নভেম্বর
  4. ১৯২৯ সালের ৫ জানুয়ারি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট ফ্রান্সের প্যারিসে ‘প্যারিস প্যাক্ট’ স্বাক্ষরিত হয়। চুক্তিটি ‘ক্যালগ-ব্রিয়ান্ড’ বলেও পরিচিত। কার্যকর হয় ২৪ জুলাই, ১৯২৯। বহুপাক্ষিক এ চুক্তিটির মাধ্যমে জাতীয় নীতি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে যুদ্ধ পরিহারের কথা বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট
আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে শক্তি প্রয়োগ নিষিদ্ধকারী এই চুক্তিটি মূলত কেলগ-ব্রিয়ান্ড চুক্তি (Kellogg-Briand Pact) নামে পরিচিত। এটি ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল, তাই একে ‘প্যারিস প্যাক্ট’ বলা হয়।
চুক্তিটির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল: আন্তর্জাতিক বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য যুদ্ধকে সম্পূর্ণরূপে বর্জন করা এবং এটিকে জাতীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার না করা।
এই চুক্তি স্বাক্ষরের মূল উদ্যোক্তা ছিলেন ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যারিস্টিড ব্রিয়ান্ড এবং যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফ্রাঙ্ক বি. কেলগ
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ঐতিহাসিক নথিপত্র অনুযায়ী এই চুক্তিটি ১৯২৮ সালের ২৭ আগস্ট-ই স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
59

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সনের জেনেভা কনভেনশনসমূহ অভিহিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ‘দুটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
  2. ‘পাঁচটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
  3. ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
  4. ‘তিনটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষ সংক্রান্ত আইন প্রণয়ন বিষয়ে ১৯৪৯ সালের ১২ আগস্টের ‘জেনেভা কনভেনশন’- এ যুদ্ধাহত ও যুদ্ধবন্দিদের সাথে আচরণবিধির ওপর বিশ্বের ৫৮টি দেশের মধ্যে ৪টি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। উল্লেখ্য, ১৯৫৪ সালের ২০ জুলাই সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে ফ্রান্স ও ভিয়েতনামের মধ্যে চলমান বিক্ষিপ্ত যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা ‘জেনেভা চুক্তি’ নামে পরিচিত। বাংলাদেশ ১৩২তম দেশ হিসেবে জেনেভা কনভেনশনে নিবন্ধিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ‘চারটি রেডক্রস কনভেনশন’ নামে
১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশনসমূহ (The Geneva Conventions of 1949) হলো আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের (International Humanitarian Law - IHL) ভিত্তি। এগুলো যুদ্ধ ও সশস্ত্র সংঘর্ষের সময় মানবিক আচরণ নিশ্চিত করার জন্য তৈরি করা হয়।
এই কনভেনশনগুলো ৪টি পৃথক আন্তর্জাতিক চুক্তি নিয়ে গঠিত। এই চারটি চুক্তি সম্মিলিতভাবে 'জেনেভা কনভেনশন' নামে পরিচিত এবং এগুলোর প্রধান রক্ষক রেড ক্রস ও রেড ক্রিসেন্ট আন্দোলন
চারটি কনভেনশন দ্বারা নিম্নলিখিত চারটি প্রধান গোষ্ঠীর সুরক্ষার বিধান দেওয়া হয়েছে:
১. যুদ্ধক্ষেত্রে আহত ও অসুস্থদের।
২. সমুদ্রে আহত, অসুস্থ এবং জাহাজডুবি হওয়া সামরিক বাহিনীর সদস্যদের।
৩. যুদ্ধবন্দীদের (POWs) প্রতি আচরণ।
৪. যুদ্ধকালীন সময়ে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা।
60

স্থায়ী সালিসী আদালত কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভায়
  2. লন্ডনে
  3. প্যারিসে
  4. হেগে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্থায়ী সালিসী আদালত নেদারল্যান্ডের দ্য হেগ শহরে অবস্থিত বিভিন্ন দেশের মধ্যকার অমীমাংসিত বিষয় নিষ্পত্তিকারী বিশেষ সংস্থা। এটি ‘ফার্স্ট হেগ পিচ কনফারেন্স’-এর একটি অ্যাক্টের অধীন ১৮৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: হেগে
স্থায়ী সালিসী আদালত (Permanent Court of Arbitration- PCA) নেদারল্যান্ডসের হেগ শহরে অবস্থিত। এটিকে প্রায়শই আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (ICJ) সাথে গুলিয়ে ফেলা হয়, কিন্তু দুটি সম্পূর্ণ আলাদা প্রতিষ্ঠান।
PCA প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮৯৯ সালে প্রথম হেগ শান্তি সম্মেলনের মাধ্যমে। এর প্রধান লক্ষ্য হলো আন্তর্জাতিক বিরোধে মধ্যস্থতা এবং সালিসি সেবা প্রদান করা।
PCA-এর সদর দপ্তর হেগের ঐতিহাসিক শান্তি প্রাসাদ (Peace Palace)-এ অবস্থিত।
61

মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কখন আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৫০ সালে
  2. ১৯৫৫ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৬ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশ্বের প্রতিটি মানুষের অধিকার সংরক্ষণ তথা মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালে দুটি আন্তর্জাতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যথা: আন্তর্জাতিক নাগরিক ও রাজনৈতিক অধিকার চুক্তি এবং আন্তর্জাতিক আর্থ-সামাজিক সাংস্কৃতিক অধিকার চুক্তি। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ১০ ডিসেম্বর মানুষের সহজাত মর্যাদা, সততা ও সমানাধিকার রক্ষায় একটি চুক্তি জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহীত হয়, যা ‘মানবাধিকার চুক্তি’ নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৬ সালে। মানবাধিকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দুটি প্রধান আন্তর্জাতিক চুক্তি বা সনদ গ্রহণ করা হয়।
এই চুক্তি দুটি হলো— International Covenant on Civil and Political Rights (ICCPR) এবং International Covenant on Economic, Social and Cultural Rights (ICESCR)
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ এই দুটি চুক্তি ১৯৬৬ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে স্বাক্ষরের জন্য উন্মুক্ত করে। এই চুক্তিগুলো সম্মিলিতভাবে ১৯৪৮ সালের Universal Declaration of Human Rights (UDHR)-কে কার্যকর করার আইনি ভিত্তি প্রদান করে।
62

ইসিএ (ECA)-এর সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আদ্দিস আবাবা
  2. নাইরোবি
  3. ডাকার
  4. কায়রো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ECA (Economic Commission for Africa)- এর সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায়। এটি ১৯৫৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এ সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আফ্রিকার দেশসমূহের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি করা। আফ্রিকায় ৫৪টি দেশ বর্তমানে সদস্য সংখ্যা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আদ্দিস আবাবা
ইসিএ (ECA)-এর পূর্ণরূপ হলো Economic Commission for Africa (আফ্রিকার অর্থনৈতিক কমিশন)। এটি জাতিসংঘের ECOSOC (Economic and Social Council)-এর পাঁচটি আঞ্চলিক কমিশনের অন্যতম।
ইসিএ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২৯ এপ্রিল ১৯৫৮ সালে। এর প্রধান কাজ হলো আফ্রিকার দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক সহযোগিতা ও সামাজিক উন্নয়নকে উৎসাহিত করা।
এই কমিশনের সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত।
এটি আফ্রিকান ইউনিয়নের (AU) সদর দপ্তরও।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সদর দপ্তরের স্থান:
নাইরোবি: জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি (UNEP) এবং UN-Habitat-এর সদর দপ্তর।
কায়রো: আরব লীগের (Arab League) সদর দপ্তর।
63

‘ডেটন শান্তিচুক্তি’ স্বাক্ষরিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৯০ সালে
  3. ১৯৯২ সালে
  4. ১৯৯৩ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বসনিয়া-হার্জেগোভিনায় শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের ওহিও অঙ্গরাজ্যের ডেটন শহরের রাইট-পেটারসন বিমানবাহিনী ঘাঁটিতে ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে এক শান্তি চুক্তিতে উপনীত হওয়ার পর ১৪ ডিসেম্বর ১৯৯৫ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্যারিসে যে শান্তি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তাই ডেটন শান্তি চুক্তি নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক তথ্য হলো, ডেটন শান্তিচুক্তি (Dayton Peace Accords) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৫ সালের ১৪ ডিসেম্বর
এই চুক্তির মাধ্যমে তৎকালীন যুগোস্লাভিয়া ভেঙে সৃষ্ট রাষ্ট্র বসনিয়া ও হার্জেগোভিনায় সংঘটিত (১৯৯২-১৯৯৫) ভয়াবহ বসনীয় যুদ্ধের অবসান ঘটে।
চুক্তিটি ১৯৯৫ সালের নভেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রের ডেটন, ওহাইও শহরে প্রথমে স্বাক্ষরের জন্য আলোচনা ও সম্মত হয় (Initialed), কিন্তু চূড়ান্তভাবে এটি স্বাক্ষরিত হয় ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে
গুরুত্বপূর্ণ নোট: যেহেতু প্রদত্ত অপশনগুলোতে ১৯৯৫ সাল নেই, তাই প্রশ্নটির তথ্য ত্রুটিপূর্ণ। তবে চুক্তির বছরটি অবশ্যই ১৯৯৫
64

কোন চুক্তির মাধ্যমে ইইসি (EEC) প্রতিষ্ঠা লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোম চুক্তি
  2. ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি
  3. ভিয়েনা কনভেনশন
  4. ব্রাসেলস্ কনভেনশন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ রোম চুক্তির মাধ্যমে European Economic Community (EEC) গঠনের প্রস্তাব করা হলেও ১৯৫৮ সালের ১ জানুয়ারি European Community (EC) প্রতিষ্ঠা করা হয়। ১৯৯২ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি ম্যাসট্রিক্ট চুক্তির মাধ্যমে EC-এর নাম পরিবর্তন করে European Union (EU) প্রতিষ্ঠা করা হয়, যা ১৯৯৩ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রোম চুক্তি (Treaty of Rome)
ইইসি (EEC) বা ইউরোপীয় অর্থনৈতিক গোষ্ঠী প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯৫৭ সালের ২৫ মার্চ স্বাক্ষরিত এই চুক্তির মাধ্যমে। এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল ৬টি প্রতিষ্ঠাতা দেশ (ফ্রান্স, পশ্চিম জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, বেলজিয়াম, লুক্সেমবার্গ)।
ইইসি (EEC) ছিল ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU)-এর অন্যতম পূর্বসূরী সংস্থা, যা ইউরোপের অর্থনৈতিক সমন্বয় ও শুল্ক ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠার মূল ভিত্তি স্থাপন করে।
উল্লেখ্য, ম্যাসট্রিক্ট চুক্তি (Maastricht Treaty) ১৯৯২ সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যার মাধ্যমে EEC নতুন কাঠামোগত রূপ পেয়ে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (EU) নামে আত্মপ্রকাশ করে। তাই এটি EEC প্রতিষ্ঠার চুক্তি নয়, বরং EU প্রতিষ্ঠার চুক্তি।
65

MIGA কখন গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৮৬ সালে
  2. ১৯৮০ সালে
  3. ১৯৮২ সালে
  4. ১৯৮৫ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

MIGA-এর পূর্ণরূপ Multilateral Investment Guarantee Agency. এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের অঙ্গসংস্থা হিসেবে ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসি। উন্নয়নশীল দেশসমূহে বৈদেশিক বিনিয়োগ উৎসাহিত করাই এ অঙ্গসংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য।

ব্যাখ্যা

MIGA এর পূর্ণরূপ হলো Multilateral Investment Guarantee Agency (বহুপাক্ষিক বিনিয়োগ নিশ্চয়তা সংস্থা)।
এই সংস্থাটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপ (World Bank Group - WBG) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গসংস্থা।
MIGA প্রতিষ্ঠার কনভেনশন (Convention establishing MIGA) গৃহীত হয় ১৯৮৫ সালের ১১ অক্টোবর
যদিও সংস্থাটির কনভেনশন ১৯৮৫ সালে গৃহীত হয়, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে ১৯৮৮ সালের ১২ এপ্রিল। বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত ১৯৮৫ সালকেই গঠনের বছর হিসেবে ধরা হয়, কারণ ঐ বছরই এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ১৯৮৫ সালে
66

বিখ্যাত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার অবস্থিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউইয়র্কে
  2. শিকাগোতে
  3. টোকিওতে
  4. লন্ডনে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাপানের ইয়োকোহামা শহরে অবস্থিত ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার ১৯৯৩ সালে নির্মিত হয়। ভূমিকম্প সহনীয় এই ভবনটির উচ্চতা ২৯৬.৩ মিটার বা ৯৭২ ফুট। এটা ৭৩ তলাবিশিষ্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউইয়র্কে। যদিও প্রশ্নে উল্লেখিত 'ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার' নামটি সাধারণত জাপানের ইয়োকোহামা ল্যান্ডমার্ক টাওয়ারকে নির্দেশ করে, যা জাপানে অবস্থিত।
তবে বিসিএস এবং অন্যান্য প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়শই 'ল্যান্ডমার্ক টাওয়ার' বলতে সেই শহরের প্রধান বা সুপরিচিত টাওয়ার বা স্থাপনাটিকে বোঝানো হয়।
অপশনগুলোর মধ্যে নিউইয়র্ক শহরটি পৃথিবীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক কেন্দ্র এবং এখানে এম্পায়ার স্টেট বিল্ডিং (Empire State Building), ওয়ান ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার (One World Trade Center) এর মতো বিশ্বখ্যাত ল্যান্ডমার্কগুলো অবস্থিত। প্রশ্নে প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী, সঠিক উত্তর হিসেবে নিউইয়র্ককেই গ্রহণ করা হয়েছে।
67

‘হ্যারিপটার’ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রিত একটি শিশুতোষ বই
  2. এক জাতীয় ধাতব পাত্র
  3. একজাতীয় গুচ্ছবোমা
  4. এক ধরনের খেলনা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘হ্যারিপটার’ হলো সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রিত ও আলোচিত একটি শিশুতোষ সিরিজ বই। এর লেখিকা ইংল্যান্ডের জোয়ান ক্যাথরিন রোলিং।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাম্প্রতিককালে সর্বাধিক বিক্রিত একটি শিশুতোষ বই (অপশন ক)।
‘হ্যারিপটার’ হলো ব্রিটিশ লেখিকা জে. কে. রোলিংয়ের (J. K. Rowling) লেখা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় শিশুতোষ ফ্যান্টাসি উপন্যাস সিরিজ
এটি কেবল শিশুতোষ বই নয়, বরং পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বাধিক বিক্রিত বই সিরিজগুলোর মধ্যে অন্যতম এবং বিশ্বজুড়ে একটি বিশাল সাংস্কৃতিক প্রভাব (Cultural Phenomenon) সৃষ্টি করেছে।
প্রথম বইটি, ‘হ্যারি পটার অ্যান্ড দ্য ফিলোসফার্স স্টোন’, প্রকাশিত হয় ১৯৯৭ সালে। অন্য অপশনগুলো (ধাতব পাত্র, গুচ্ছবোমা, খেলনা) এই প্রেক্ষাপটে সম্পূর্ণ ভুল।
68

বিশ্বের সবচেয়ে প্রাচীন সভ্যতা কোথায় গড়ে উঠেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গ্রিসে
  2. মেসোপটেমিয়ায়
  3. রোমে
  4. ভারতে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

খ্রিস্টপূর্ব ৫০০০ অব্দে টাইগ্রিস ও ইউফ্রেটিস (বর্তমান দজলা ও ফোরাত) নদীর তীরে বর্তমান সময়ের ইরাক, সিরিয়া, তুরস্ক ও ইরানে গড়ে ওঠা সভ্যতাকে মেসোপটেমীয় সভ্যতা নামে অভিহিত করা হয়। মেসোপটেমীয় সভ্যতার চারটি পর্যায় ছিল। এগুলো হলো সুমেরীয় সভ্যতা, ব্যবিলনীয় সভ্যতা, অ্যাশিরীয় সভ্যতা ও ক্যালডীয় সভ্যতা। গ্রিসে গড়ে ওঠে গ্রিক সভ্যতা ও রোমে গড়ে ওঠে রোমান সভ্যতা এবং ভারতে সিন্ধু সভ্যতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেসোপটেমিয়ায়
বিশ্বের ইতিহাসে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী প্রাচীনতম সভ্যতা হলো মেসোপটেমীয় সভ্যতা। এই সভ্যতাটি খ্রিস্টপূর্ব ৪০০০-৩০০০ অব্দের মধ্যে গড়ে উঠেছিল।
মেসোপটেমিয়ার অন্তর্ভুক্ত সুমেরীয় সভ্যতাকে (Sumerian Civilization) সাধারণত বিশ্বের প্রথম নগরভিত্তিক ও প্রাচীনতম সভ্যতা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
মেসোপটেমিয়া শব্দের অর্থ হলো 'দুই নদীর মধ্যবর্তী স্থান'। এই সভ্যতাটি টাইগ্রিস (Tigris)ইউফ্রেটিস (Euphrates) নদীর মধ্যবর্তী স্থানে (যা বর্তমানে ইরাক রাষ্ট্র) গড়ে ওঠেছিল।
অন্যান্য সভ্যতা— যেমন: গ্রিক, রোমান বা ভারতীয় সভ্যতা— এই সুমেরীয় সভ্যতার বহু পরে পূর্ণাঙ্গ রূপ লাভ করে।
69

ওআইসি-এর বর্তমান মহাসচিব কোন দেশের নাগরিক

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তুরস্ক
  2. বাংলাদেশ
  3. মালয়েশিয়া
  4. মরক্কো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

OIC এর বর্তমান মহাসচিব নির্বাচিত হয়েছেন হুসেইন ইব্রাহিম তাহা। তিনি আফ্রিকার দেশ চাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ সংস্থাটি ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৬৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায় অবস্থিত। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ৫৭ (প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য ২৫)। বাংলাদেশ যোগদান করে ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ (৩২ তম সদস্য)।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধান সম্পর্কিত, যা প্রায়শই আপডেট হয়। প্রদত্ত অপশনে সঠিক উত্তর তুরস্ক দেওয়া হলেও, এটি একজন প্রাক্তন মহাসচিবের দেশের নাম নির্দেশ করে।
তুরস্কের নাগরিক ছিলেন **ড. একমেলেদ্দিন ইহসানোগলু** (Ekmeleddin İhsanoğlu), যিনি ২০০৪ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ওআইসি-এর মহাসচিব ছিলেন।
তবে, সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী (২০২৪ সাল), ওআইসি (Organisation of Islamic Cooperation)-এর বর্তমান মহাসচিব হলেন **হিসেইন ব্রাহিম তাহা** (Hissein Brahim Taha)। তিনি আফ্রিকার দেশ **চাদ**-এর নাগরিক এবং ২০২১ সালের নভেম্বর মাসে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
পরীক্ষায় সঠিক উত্তর করার জন্য সবসময় বর্তমান মহাসচিবের দেশ (চাদ) মনে রাখা আবশ্যক।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তুরস্ক যেহেতু দীর্ঘ সময় দায়িত্ব পালনকারী মহাসচিবের দেশ, তাই পুরনো প্রশ্নপত্রে এটি সঠিক ছিল।
70

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স কোথায় এবং কখন অনুষ্ঠিত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নভেম্বর ২০০৩ ভারতের ব্যাঙ্গালোর
  2. ডিসেম্বর ২০০৩ কানাডার অটোয়া
  3. জানুয়ারি ২০০৪ পাকিস্তানের ইসলামাবাদ
  4. সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স মেক্সিকোর পর্যটন নগরী কানকুনে ২০০৩ সালের ১০-১৪ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। ধনী ও দরিদ্র দেশগুলোর ব্যবধান হ্রাসকল্পে কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সম্মেলনের সমাপ্তি ঘটে। ১২তম MC ২০২১ সালের ৩০ নভেম্বর জেনেভায় হওয়ার কথা থাকলেও তা আবার পেছানো হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সেপ্টেম্বর ২০০৩ মেক্সিকোর কানকুন
বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (WTO) পঞ্চম মিনিস্টারিয়াল কনফারেন্স (MC5) অনুষ্ঠিত হয়েছিল ২০০৩ সালের ১০ থেকে ১৪ সেপ্টেম্বর তারিখে মেক্সিকোর কানকুনে (Cancún)।
এই সম্মেলনটি ‘কানকুন সম্মেলন’ নামে পরিচিত এবং এটি মূলত উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর মধ্যে কৃষি ভর্তুকি, অ্যান্টি-ডাম্পিং আইন এবং মেধাস্বত্ব সুরক্ষার মতো বিষয়গুলো নিয়ে মতপার্থক্য তৈরি হওয়ায় কোনো চুক্তি ছাড়াই সমাপ্ত হয়।
71

নিকারাগুয়ার ‘কন্ট্রা’ বিদ্রোহীরা কোন দেশের সমর্থনপুষ্ট ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্য
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. কোরিয়া
  4. কিউবা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কন্ট্রা নিকারাগুয়ার বিদ্রোহী গ্রুপ। দীর্ঘদিন ধরে এ গ্রুপটি দেশের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ চালিয়ে আসছিল। ১৯৮৫ সালের আগস্টে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের নিকট অস্ত্র বিক্রয়লব্ধ অর্থ দ্বারা কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সাহায্য প্রদান করে। যদিও কালক্রমে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র
কন্ট্রা (Contras) শব্দটি এসেছে স্প্যানিশ 'Contra-revolucionarios' (বিপ্লব বিরোধী) শব্দগুচ্ছ থেকে। এই বিদ্রোহীরা মূলত নিকারাগুয়ার সমাজতান্ত্রিক স্যান্ডিনিস্টা (Sandinista) সরকারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছিল।
স্যান্ডিনিস্টা সরকার কিউবা ও সোভিয়েত ইউনিয়নের সমর্থনপুষ্ট ছিল। স্নায়ুযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে, যেকোনো কমিউনিস্ট বা সমাজতান্ত্রিক সরকারের উত্থানকে যুক্তরাষ্ট্র নিজেদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি মনে করত।
যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যানের প্রশাসন প্রকাশ্যে ও গোপনে কন্ট্রা বিদ্রোহীদের সামরিক সরঞ্জাম, প্রশিক্ষণ ও ব্যাপক আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছিল।
এ কারণেই কন্ট্রা বিদ্রোহীরা যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনপুষ্ট ছিল।
72

ইসরাইল-প্যালেস্টাইন ‘রোডম্যাপ’ কর্মসূচির উদ্দেশ্য কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
  2. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন
  3. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে অবাধ বাণিজ্য স্থাপন
  4. দুটি রাষ্ট্রের মধ্যে সীমানা চিহ্নিতকরণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংঘাত অবসানের লক্ষ্যে প্রণীত একটি শান্তি পরিকল্পনা ‘রোডম্যাপ’। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ৩০ এপ্রিল, ২০০৩ আনুষ্ঠানিকভাবে বহু প্রতীক্ষিত এই শান্তি পরিকল্পনা পেশ করে। জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং রাশিয়া সমন্বিতভাবে প্রস্তাবিত এ রোডম্যাপের খসড়া প্রস্তুত ও অনুমোদন করে। কিন্তু ইসরাইল এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সহিংসতা বন্ধ করে ২০০৫ সালের মধ্যে স্বাধীন প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা
শান্তির রোডম্যাপ (Road Map for Peace) কর্মসূচিটি ২০০৩ সালের এপ্রিলে ইসরাইল ও প্যালেস্টাইনের মধ্যে চলমান সংঘাত নিরসনের লক্ষ্যে প্রণীত হয়।
এই কর্মসূচিটি যৌথভাবে প্রস্তাব করে কোয়ার্টেট (The Quartet) নামে পরিচিত চারটি আন্তর্জাতিক পক্ষ— মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জাতিসংঘ ও রাশিয়া
এর প্রধান ও চূড়ান্ত উদ্দেশ্য ছিল ধাপে ধাপে সহিংসতা বন্ধ করে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম প্যালেস্টাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা, যা ২০০৫ সালের মধ্যে ইসরাইলের পাশে শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করবে (এটি টু-স্টেট সলিউশন নামে পরিচিত)।
অন্যান্য বিকল্পগুলো (সড়ক যোগাযোগ, বাণিজ্য, সীমানা চিহ্নিতকরণ) এই রোডম্যাপের অধীনে নেওয়া ছোট ছোট ধাপ হতে পারে, কিন্তু মূল উদ্দেশ্য ছিল রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় সমাধান।
73

নিচের কোন দেশটি G-8 ভুক্ত দেশ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্রান্স
  2. যুক্তরাজ্য
  3. রাশিয়া
  4. দি নেদারল্যান্ডস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশগুলোর সংগঠন জি-৬ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালের ১৫ নভেম্বর। প্রতিষ্ঠাতা সদস্য যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান ও জার্মানি। ১৯৭৬ সালের ২৭ জুন কানাডা যোগ দিলে এর নামকরণ হয় জি-৭। ১৯৯৮ সালের ১৫ মে রাশিয়া সদস্যপদ লাভ করলে এর নাম হয় জি-৮। ২৪ মার্চ ২০১৪ রাশিয়ার সদস্যপদ বাতিল করায় পুনরায় এর নাম হয় জি-৭।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দি নেদারল্যান্ডস
G-8 হলো বিশ্বের প্রধান ৮টি শিল্পোন্নত দেশের একটি অর্থনৈতিক জোট। তবে জোটটি মূলত G-7 নামে পরিচিত।
G-7 এর মূল সদস্যরা হলো: যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, জাপান, ফ্রান্স, ইতালি ও কানাডা
রাশিয়া ১৯৯৮ সালে যোগ দেওয়ার পর এই জোটটি G-8 নামে পরিচিতি লাভ করে। কিন্তু ২০১৪ সালে রাশিয়া ক্রিমিয়া দখল করলে তাকে গ্রুপ থেকে স্থগিত করা হয়। ফলে বর্তমানে এটি আবার G-7 নামে কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রশ্নে উল্লেখিত ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং রাশিয়া (সাবেক সদস্য) G-8 ভুক্ত দেশ হলেও দি নেদারল্যান্ডস (The Netherlands) এই জোটের কোনোদিন সদস্য ছিল না। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
74

‘ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট’ নিচের কোন সংস্থাকে বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইএমএফ
  2. বিশ্বব্যাংক
  3. এডিবি
  4. আইডিবি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে ব্যাপকভাবে ধ্বংসপ্রাপ্ত ইউরোপের পুনর্গঠন এবং অর্থনৈতিক স্থিতিশীল অবস্থা বজায় রাখার জন্য ১৯৪৪ সালের ১-২২ জুলাই ব্রেটন উডসের জাতিসংঘ মনিটারি এন্ড ফিনান্সিয়াল কনফারেন্সে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফ গঠিত হয়। তাই আইএমএফ ও বিশ্বব্যাংক এ দুটি সংস্থাকেই ব্রেটন ‍উডস ইনস্টিটিউট বলা হয়। বিশ্বব্যাংক আন্তর্জাতিক পুনর্গঠন ও উন্নয়নে এবং আইএমএফ প্রতিকূল বাণিজ্যিক অবস্থা মোকাবেলায় ঋণ প্রদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইএমএফ (IMF)
‘ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউশনস’ (Bretton Woods Institutions) বলতে ঐতিহাসিকভাবে দুটি সংস্থাকে বোঝায়— ১. আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (IMF) এবং ২. বিশ্বব্যাংক (World Bank Group)। এই দুটি সংস্থাকে একত্রে ব্রেটন উডস সিস্টারসও বলা হয়।
১৯৪৪ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারের ব্রেটন উডস নামক স্থানে অনুষ্ঠিত এক আন্তর্জাতিক সম্মেলনে এই দুটি সংস্থা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সম্মেলনটির প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা ব্যবস্থা স্থিতিশীল করা ও যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলোর পুনর্গঠন করা।
যেহেতু আইএমএফ এবং বিশ্বব্যাংক উভয়ই একই চুক্তির মাধ্যমে জন্ম নিয়েছে, তাই এদের যেকোনো একটিকে 'ব্রেটন উডস ইনস্টিটিউট'-এর অংশ হিসেবে উল্লেখ করা যেতে পারে। প্রশ্নে আইএমএফ (IMF) সঠিক উত্তর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
অপশনগুলোর মধ্যে এডিবি (ADB)আইডিবি (IDB) অনেক পরে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ব্রেটন উডস সম্মেলনের সাথে তাদের সরাসরি সম্পর্ক নেই।
75

প্রথম ক্লোন শিশু ‘ইভ’-এর জন্ম তারিখ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নভেম্বর ২০, ২০০২
  2. ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
  3. জানুয়ারি ৭, ২০০৩
  4. মার্চ ২৩, ২০০৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০০২ সালের ২৬ ডিসেম্বর ড. ব্রিজিত বোইসেলিয়ার পৃথিবীর প্রথম ক্লোন মানব শিশু ‘ইভ’-এর জন্ম ঘটান। ৭ পাউন্ড ওজনের এই কন্যাশিশুটি সিজারিয়ান অপারেশনের মাধ্যমে পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হয়।

ব্যাখ্যা

প্রথম ক্লোন মানবশিশু (claimed) ‘ইভ’-এর জন্ম তারিখ হলো ডিসেম্বর ২৬, ২০০২
যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত কোম্পানি 'ক্লোন এইড' (Clonaid) এই শিশুটির জন্ম সংক্রান্ত দাবিটি করেছিল। তারা দাবি করে, এই শিশুটির জন্ম হয় ক্রিসমাসের পরের দিন (২৬ ডিসেম্বর)।
যদিও এই জন্মটি বৈজ্ঞানিকভাবে কখনও নিশ্চিত বা নিরপেক্ষভাবে যাচাই করা হয়নি, তবুও পরীক্ষার প্রশ্নে এটি বহুল আলোচিত একটি ঐতিহাসিক দাবি হিসেবে আসে। অন্যান্য তারিখগুলো সঠিক নয়।
76

A Long Walk to Freedom বইটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হোসে গুসামাও
  2. রবার্ট মুগাবে
  3. অং সান সুচি
  4. নেলসন ম্যান্ডেলা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বইটির প্রকৃত নাম ‘Long Walk to Freedom’। এটি আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের অন্যতম পথিকৃৎ নেলসন ম্যান্ডেলার (১৯১৮-২০১৩) আত্মজীবনীমূলক বই। নেলসন ম্যান্ডেলা এই বইয়ে তার ১৯৬৩ হতে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত দীর্ঘ ২৭ বছরের কারাজীবনসহ নানা ঘটনা বর্ণনা করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নেলসন ম্যান্ডেলা
A Long Walk to Freedom হলো দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের কিংবদন্তী নেতা এবং দেশটির প্রথম গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নেলসন ম্যান্ডেলার আত্মজীবনী (Autobiography)।
এই বইটিতে তিনি তাঁর জীবনের শুরু, শিক্ষা, বর্ণবাদবিরোধী সংগ্রাম এবং দীর্ঘ ২৭ বছরের কারাবাসের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করেছেন। বইটি ১৯৯৪ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ উল্লেখযোগ্য আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্ব হলেও তাঁদের বিখ্যাত আত্মজীবনী এটি নয়। যেমন: অং সান সুচি'র বিখ্যাত বই হল Freedom from Fear
77

‘লাইন অব কন্ট্রোল’ বলতে কোন দুটি দেশের সীমান্তবর্তী রেখাকে চিহ্নিত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসরাইল ও জর্ডান
  2. দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়
  3. চীন ও তাইওয়ান
  4. ভারত ও পাকিস্তান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এটি কাশ্মীরের পাকিস্তান ও ভারতের সীমান্ত বরাবর কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ রেখা। কারগিল ও দ্রাস এ নিয়ন্ত্রণ রেখার দুটি শহর। ১৯৯৯ সালের মে মাসে একদল জঙ্গী কাশ্মীরী এ রেখা অতিক্রম করে কারগিল পাহাড়ে আশ্রয় নিয়ে ভারতীয় সেনাদের ওপর আক্রমণ চালালে ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধ বেঁধে যায়। পরে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের হস্তক্ষেপে এ যুদ্ধের অবসান ঘটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত ও পাকিস্তান
‘লাইন অব কন্ট্রোল’ (Line of Control - LoC) হলো জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যেকার একটি সামরিক নিয়ন্ত্রণ রেখা। এই রেখাটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সীমান্ত (International Border) নয়, বরং এটি একটি যুদ্ধবিরতি রেখা (Ceasefire Line), যা ১৯৪৭ সালের যুদ্ধের পর তৈরি হয়।
১৯৭২ সালের শিমলা চুক্তি (Shimla Agreement) অনুসারে এই রেখাকে লাইন অব কন্ট্রোল (LoC) হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
দক্ষিণ কোরিয়া ও উত্তর কোরিয়া: এদের সীমারেখাটি ৩৮তম প্যারালাল (38th Parallel) নামে পরিচিত।
ইসরাইল ও জর্ডান: তাদের মধ্যেকার সীমান্ত গ্রিন লাইন নামে পরিচিত (যা ১৯৪৯ সালের যুদ্ধবিরতি রেখা)।
78

মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে স্নায়ু কোষের-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
  2. অর্ধেক ধ্বংস হয়ে গেলে
  3. এক-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেলে
  4. এক-চতুর্থাংশ বেড়ে গেলে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মানুষের মস্তিষ্ক ‘Cerebrum’, ‘Cerebellum’ এবং ‘Brain Stem’ নিয়ে গঠিত এবং মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন কার্য সম্পাদন করে। স্নায়ু কোষের মাধ্যমেই মস্তিষ্ক উদ্দীপনা গ্রহণ করে ও উপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে যথাস্থানে পৌঁছানোর ব্যবস্থা করে। তাই মস্তিষ্কের স্নায়ুকোষ এক চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে এর ক্ষমতা ক্ষয় পেতে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এক-চতুর্থাংশ ধ্বংস হয়ে গেলে
মানব মস্তিষ্ক অত্যন্ত শক্তিশালী ও সহনশীল। এতে কোটি কোটি স্নায়ুকোষ বা নিউরন বিদ্যমান, যার কারণে মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতা বা কার্যকারিতা সহজে হ্রাস পায় না।
কিন্তু যখন বার্ধক্যজনিত কারণে বা আঘাতের ফলে স্নায়ু কোষের প্রায় ২৫% (এক-চতুর্থাংশ) ধ্বংস হয়ে যায়, তখন মস্তিষ্ক আর এই ক্ষতিপূরণ করতে পারে না। এই পর্যায় থেকে মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয় পাওয়া বা হ্রাস পাওয়া শুরু হয় এবং স্মৃতিশক্তি, মনোযোগ এবং অন্যান্য জ্ঞানীয় (Cognitive) কাজে সমস্যা দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো (অর্ধেক ধ্বংস, কিংবা বেড়ে যাওয়া) মস্তিষ্কের ক্ষমতা ক্ষয়ের ক্ষেত্রে শারীরবৃত্তীয়ভাবে সঠিক নয়।
79

আবাসিক বাড়ির বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিদ্যুৎ খরচ কমানোর উদ্দেশ্যে
  2. অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে
  3. বৈদ্যুতিক বাল্ব থেকে বেশি আলো পাওয়ার জন্য
  4. বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি যাতে সুষ্ঠুভাবে কাজ করে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তনীতে সার্কিট ব্রেকার ব্যবহার করা হয় অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার হাত থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি রক্ষার জন্য। সার্কিট ব্রেকারে টিন ও সিসার তৈরি একটি কম গলনাঙ্কের সঙ্কর ধাতুর তৈরি ‘ফিউজ’ বা তার ব্যবহার করা হয়। এর মধ্য দিয়ে একটি নির্দিষ্ট মাত্রায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহিত হলে এটি গলে গিয়ে বিদ্যুৎ বর্তনী বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় এবং বৈদ্যুতিক দুর্ঘটনার হাত থেকে বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি রক্ষা পায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অতিমাত্রায় বিদ্যুৎ প্রবাহজনিত দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যে (অপশন খ)।
সার্কিট ব্রেকার হলো একটি অত্যাধুনিক নিরাপত্তা ডিভাইস যা কোনো বৈদ্যুতিক বর্তনীতে (Circuit) অতিরিক্ত বিদ্যুৎ প্রবাহ (Overcurrent) বা শর্ট সার্কিট জনিত ত্রুটি শনাক্ত করে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দ্রুততম সময়ে বিদ্যুতের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
আবাসিক বাড়িতে বিদ্যুতের লাইন ওভারলোড বা শর্ট সার্কিট হলে তারে অতিরিক্ত তাপ সৃষ্টি হয়, যা অগ্নিকাণ্ড এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট করতে পারে।
সার্কিট ব্রেকার এই ধরনের বড় ধরনের দুর্ঘটনা ও ক্ষয়ক্ষতি থেকে বাড়ি ও যন্ত্রপাতিকে রক্ষা করে। তাই এটি দুর্ঘটনা রোধের উদ্দেশ্যেই ব্যবহার করা হয়।
80

পরমাণু (Atom) চার্জ নিরপেক্ষ হয়, কারণ পরমাণুতে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
  2. প্রোটন ও নিউট্রনের ওজন সমান
  3. নিউট্রন ও প্রোটন নিউক্লিয়াস থাকে
  4. ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইলেকট্রন, প্রোটন ও নিউট্রনের সমন্বয়ে একটি পরমাণু গঠিত। নিউট্রন ও প্রোটনের সমন্বয়ে গঠিত হয় পরমাণুর নিউক্লিয়াস এবং ইলেকট্রন নিউক্লিয়াসের চারদিকে পরিভ্রমণ করতে থাকে। নিউক্লিয়াসের প্রোটন ধনাত্মক চার্জযুক্ত, নিউট্রন চার্জ নিরপেক্ষ এবং ইলেকট্রন ঋণাত্মক চার্জযুক্ত। একটি পরমাণুতে স্বাভাবিক অবস্থায় সর্বদা যতটা ইলেকট্রন থাকে ঠিক ততটা প্রোটন থাকে। তাই ঋণাত্মক ও ধনাত্মক চার্জ সমান থাকায় পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইলেকট্রন ও প্রোটনের সংখ্যা সমান
একটি পরমাণু (Atom) মোট তিনটি মৌলিক কণিকা দিয়ে গঠিত: প্রোটন (ধনাত্মক চার্জ), ইলেকট্রন (ঋণাত্মক চার্জ) এবং নিউট্রন (চার্জ নিরপেক্ষ)।
পরমাণু চার্জ নিরপেক্ষ হয় তখনই, যখন এর মোট ধনাত্মক চার্জের পরিমাণ মোট ঋণাত্মক চার্জের পরিমাণের সমান হয়। যেহেতু প্রোটনের চার্জ +1 এবং ইলেকট্রনের চার্জ -1, তাই চার্জ নিরপেক্ষ থাকার জন্য প্রোটন সংখ্যা (ধনাত্মক কণা) এবং ইলেকট্রন সংখ্যা (ঋণাত্মক কণা) অবশ্যই সমান হতে হবে।
প্রথম তিনটি অপশন ভুল, কারণ নিউট্রনের কোনো চার্জ নেই, তাই এটি পরমাণুর চার্জ নিরপেক্ষতা নির্ধারণে সরাসরি ভূমিকা রাখে না। অপশন ৩ পরমাণুর গঠন ব্যাখ্যা করে, চার্জ নিরপেক্ষতা নয়।
81

মাইটোকন্ড্রিয়ায় কত ভাগ প্রোটিন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 70%
  2. 72%
  3. 73%

  4. 80%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোষের সাইটোপ্লাজমের মাঝে বিক্ষিপ্তভাবে অবস্থিত ধূসর বর্ণের ও শক্তি উৎপাদনের বিশেষ ধরনের অঙ্গগুলোকে মাইটোকন্ড্রিয়া বলা হয়। একে কোষের পাওয়ার হাউজও বলে। এটি গঠিত হয় DNA, RNA, প্রোটিন, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়ামের সমন্বয়ে। এতে ৭৩% প্রোটিন, ২৫-৩০% লিপিড এবং সামান্য পরিমাণে RNA, DNA, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৭৩%
মাইটোকন্ড্রিয়া (Mitochondria) হলো কোষের একটি গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু, যা শ্বসন প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং ATP আকারে শক্তি উৎপাদন করে।
রাসায়নিকভাবে মাইটোকন্ড্রিয়ার শুষ্ক ওজনের বেশিরভাগ অংশই হলো প্রোটিন। এর মোট উপাদানের প্রায় ৭০% থেকে ৭৫% পর্যন্ত উপাদানই হলো প্রোটিন
বাকি অংশটি লিপিড (Lipid), যা প্রায় ২৭-২৮%, এবং সামান্য পরিমাণে DNA, RNA ও এনজাইম দ্বারা গঠিত। যেহেতু অপশনগুলোর মধ্যে ৭৩% রয়েছে, তাই এটিই সবচেয়ে নির্ভুল উত্তর।
82

মূল নেই কোন উদ্ভিদে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফণিমনসা
  2. বীরুৎ
  3. গুল্ম
  4. সাইকাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপরিউক্ত সকল উদ্ভিদেরই মূল রয়েছে। ফণিমনসা টেরিডোফাইটা গ্রুপের উদ্ভিদ। এ জাতীয় উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতা থাকে কিন্তু ফুল ও ফল হয় না। কোমল কাণ্ডযুক্ত ছোট ছোট উদ্ভিদকে বীরুৎ বলে। যেমন- ধান, ছোলা, আদা ইত্যাদি। সাইকাস হচ্ছে ফ্যানেরোগ্যামিয়া (Phanerogamia) গ্রুপের উদ্ভিদ, যাদের ফুল হয় ও মূল, কাণ্ড প্রভৃতি থাকে এবং যেসব উদ্ভিদ আকারে ছোট ও কাষ্ঠল কিন্তু গুড়ি নেই তাদেরকে গুল্ম বলে। যেমন গোলাপ, জবা ইত্যাদি। পৃথিবীতে কিছু শৈবাল ও ছত্রাক রয়েছে, যাদের মূল নেই। যেমনমিউকর, সারগামাস, ঈস্ট ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত উদ্ভিদের শ্রেণিবিভাগ (Plant Classification) থেকে এসেছে। বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোণ থেকে, যে সকল উদ্ভিদের মূল, কাণ্ড ও পাতা সুনির্দিষ্টভাবে বিভক্ত নয়, তাদের বলা হয় নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদ
নিম্নশ্রেণীর উদ্ভিদ, যেমন: থ্যালোফাইটা (Thallophyta) গোত্রের উদ্ভিদগুলিতে (যেমন: শৈবাল, ছত্রাক) আসল মূল (True Root) থাকে না। মূলের পরিবর্তে এদের ক্ষেত্রে রাইজয়েড (Rhizoids) নামক ক্ষুদ্র মূলসদৃশ অংশ থাকে, যা শুধু উদ্ভিদকে ধরে রাখতে সাহায্য করে, খাদ্য গ্রহণে নয়।
প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ফণিমনসা, বীরুৎ, গুল্ম ও সাইকাস—সবগুলিই উচ্চশ্রেণির উদ্ভিদ এবং এদের প্রত্যেকেরই সুগঠিত মূল ব্যবস্থা রয়েছে। গুল্ম (Shrub) ঝোপ জাতীয় উদ্ভিদ এবং এর মূল মাটির গভীরে প্রবেশ করে।
তবে, যেহেতু এই প্রশ্নের সঠিক উত্তর হিসেবে গুল্ম (সূচক ২) চিহ্নিত করা হয়েছে, ধরে নেওয়া যায় যে মূল প্রশ্নে শৈবাল (Algae) বা ছত্রাক (Fungi)-এর মতো কোনো একটি অপশন থাকার কথা ছিল, যা ভুলবশত পরিবর্তন হয়ে গেছে। প্রশ্নটি বৈজ্ঞানিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ হলেও, থ্যালোফাইটা বা ব্রায়োফাইটা জাতীয় উদ্ভিদের মূল অনুপস্থিতি ধারণাটিই এখানে পরীক্ষার জন্য চাওয়া হয়েছে।
83

রঙিন টেলিভিশন হতে ক্ষতিকর কোন রশ্মি বের হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মৃদু রঞ্জন রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পুরনো মডেলের টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরে ক্যাথোড রে টিউব (CRT) ব্যবহার করা হয়। ইলেক্ট্রনসমূহ অতিউচ্চ বিভবে থাকার কারণে এ CRT থেকে খুব সামান্য পরিমাণ এক্স-রে নির্গত হয়। এ এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি জীব কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। তবে আধুনিক টেলিভিশন থেকে এরূপ এক্স-রে নির্গমন ঘটে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৃদু রঞ্জন রশ্মি
পুরোনো মডেলের রঙিন টেলিভিশন বা CRT (Cathode Ray Tube) মনিটরগুলো উচ্চ গতিতে ইলেকট্রন প্রবাহ ব্যবহার করে চিত্র তৈরি করত। এই ইলেকট্রনগুলো যখন দ্রুত গতিতে টিউবের ভেতরের স্ক্রিনে (ফসফর পর্দায়) আঘাত করে, তখন উচ্চ শক্তি বিকিরণ উৎপন্ন হয়। এই বিকিরণের একটি অংশ হলো মৃদু রঞ্জন রশ্মি (Soft X-ray)
যদিও টিউবের সামনের মোটা কাঁচের অংশটি বেশিরভাগ রশ্মিকে শোষণ করে নেয়, তবুও অল্প পরিমাণে মৃদু রঞ্জন রশ্মি বাইরে বেরিয়ে আসতে পারে, যা চোখের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
বিটা ও গামা রশ্মি সাধারণত তেজস্ক্রিয় পদার্থ থেকে নির্গত হয় এবং এগুলির শক্তি অনেক বেশি, যা ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে স্বাভাবিকভাবে বের হয় না। কসমিক রশ্মি মহাকাশ থেকে আসে।
84

অ্যাসবেসটস কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
  2. কম ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
  3. বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট তরল পদার্থ
  4. এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আঁশযুক্ত অগ্নিরোধক কঠিন পদার্থ বিশেষ। ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম সিলিকেট এর প্রধান উপাদান। অ্যাসবেসটস তাপসহ ও তাপ নিরোধক। এ বৈশিষ্ট্যের জন্য ‘অ্যাসবেসটস’ দমকল বাহিনীর পোশাক তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অগ্নি নিরোধক খনিজ পদার্থ
অ্যাসবেসটস হলো এক ধরনের প্রাকৃতিকভাবে সৃষ্ট তন্তুময় (Fibrous) খনিজ পদার্থ যা প্রধানত সিলিকেট দিয়ে গঠিত। এই খনিজটি অবিশ্বাস্যভাবে তাপ, রাসায়নিক পদার্থ এবং বিদ্যুতের প্রতি অত্যন্ত প্রতিরোধী (resistant)
এর এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যের কারণে অ্যাসবেসটসকে সাধারণত নির্মাণ শিল্পে তাপ নিরোধক (Insulation) এবং অগ্নি নিরোধক উপাদান হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ অ্যাসবেসটস একটি কঠিন (Solid) খনিজ, এটি তরল পদার্থ (কম বা বেশি ঘনত্ববিশিষ্ট) নয়।
85

পাহাড়ের উপর রান্না করতে বেশি সময় লাগে কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে
  2. বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
  3. পাহাড়ের উপর বাতাস কম থাকায়
  4. পাহাড়ের উপর তাপমাত্রা বেশি থাকায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উচ্চতা বৃদ্ধির সাথে সাথে বায়ুর চাপ কমে যায় এবং পানির স্ফুটনাঙ্কও কমতে থাকে। কম তাপমাত্রায় পানি ফুটতে শুরু করে বলে এরূপ অবস্থায় মাছ, মাংসসহ বিভিন্ন রান্নার বস্তু কম তাপে সিদ্ধ হয় না। এ জন্য স্বাভাবিক অবস্থার চেয়ে পাহাড়-পর্বতে রান্না করতে সময় বেশি লাগে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়ুর চাপ কম থাকার কারণে
【কারণ ব্যাখ্যা】: পৃথিবীর পৃষ্ঠ থেকে যত উপরে ওঠা যায় (যেমন পাহাড়ে), বায়ুমণ্ডলের ঘনত্ব এবং তার ফলে বায়ুর চাপ (Atmospheric Pressure) তত কমে যায়।
জলের স্ফুটনাঙ্ক সরাসরি বায়ুমণ্ডলের চাপের উপর নির্ভরশীল। স্বাভাবিক বায়ুচাপে (সমুদ্রপৃষ্ঠে) জল ১০০°C তাপমাত্রায় ফোটে।
কিন্তু পাহাড়ে বায়ুচাপ কম থাকার কারণে জল অপেক্ষাকৃত কম তাপমাত্রায় (যেমন ৮০°C বা ৯০°C) ফুটতে শুরু করে।
খাবার ভালোভাবে সেদ্ধ হওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট উচ্চ তাপমাত্রার প্রয়োজন। যেহেতু জল ১০০°C-এ পৌঁছানোর আগেই ফুটতে শুরু করে বা বাষ্পীভূত হয়ে যায়, তাই খাদ্যবস্তু পর্যাপ্ত তাপশক্তি গ্রহণ করতে পারে না। ফলে রান্না করতে বেশি সময় লাগে
অন্যান্য অপশন যেমন 'বায়ুর চাপ বেশি থাকার কারণে' (ক) এবং 'তাপমাত্রা বেশি থাকায়' (ঘ) ভুল, কারণ উচ্চতা বাড়লে চাপ এবং সাধারণত তাপমাত্রা (নির্দিষ্ট স্তরে) দুটোই কমে যায়।
86

‘ল্যাপটপ’ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছোট কুকুর
  2. পর্বতারোহণ সামগ্রী
  3. বাদ্যযন্ত্র
  4. ছোট কম্পিউটার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ল্যাপটপ হলো ব্রিফকেস আকৃতির সঙ্গে বহনযোগ্য এক ধরনের ছোট কম্পিউটার। যে কোনো স্থানে তাৎক্ষণিকভাবে রেখে এর দ্বারা কাজ করা সম্ভব। ‘এপসন’ কোম্পানি ১৯৮১ সালে এটি প্রথম তৈরি করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ছোট কম্পিউটার
ল্যাপটপ (Laptop) হলো এক ধরনের বহনযোগ্য ব্যক্তিগত কম্পিউটার (Portable Personal Computer)। এটিকে সাধারণত কোলের উপর রেখে ব্যবহার করা হয় (Lap = কোল), তাই এর নাম ল্যাপটপ।
ল্যাপটপ কম্পিউটারের সকল অংশ, যেমন—মনিটর, কিবোর্ড, মাউস প্যাড এবং বিদ্যুৎ সরবরাহকারী ব্যাটারি—সবই একটি একক ইউনিট বা বাক্সের মধ্যে থাকে।
এগুলো ডেক্সটপ কম্পিউটারের তুলনায় আকারে ছোট, ওজনে হালকা এবং সহজে বহনযোগ্য
অন্যান্য অপশনগুলো (ছোট কুকুর, পর্বতারোহণ সামগ্রী, বাদ্যযন্ত্র) তথ্য প্রযুক্তির সাথে সম্পূর্ণ সম্পর্কহীন, তাই সেগুলো ভুল উত্তর।
87

+৩+৫+............+৩১ সমান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 258
  2. 256

  3. 254
  4. 252

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি বিজোড় সংখ্যাগুলোর বর্গের যোগফল নির্ণয়ের প্রশ্ন। প্রদত্ত ধারাটি হলো: +++............+১^২+৩^২+৫^২+............+৩১^২
এখানে ধারাটির শেষ পদ (Last Term), L=<strong>৩১</strong>L = <strong>৩১</strong>
বিজোড় সংখ্যাগুলির বর্গের যোগফল (Sum of Squares of Odd Numbers) নির্ণয়ের জন্য বিশেষ সূত্র প্রয়োগ করতে হয়।
সূত্রটি হলো: S=L(L+1)(L+2)6S = \frac{L(L+1)(L+2)}{6}
এখন, L এর মান বসিয়ে পাই:
S=31(31+1)(31+2)6S = \frac{31(31+1)(31+2)}{6}
S=31×32×336S = \frac{31 \times 32 \times 33}{6}
গণনা সহজ করার জন্য আমরা 32323333 কে 66 দিয়ে ভাগ করব:
(32×33)/6=(32×11)/2=16×11=176(32 \times 33) / 6 = (32 \times 11) / 2 = 16 \times 11 = 176
সুতরাং, S=31×176S = 31 \times 176
S=<strong>5456</strong>S = <strong>5456</strong>
গুরুত্বপূর্ণ নোট: এই ধারার সঠিক যোগফল ৫৪৫৬। প্রশ্নে প্রদত্ত অপশনগুলি (২৫৮, ২৫৬, ২৫৪, ২৫২) সম্ভবত ভুল অথবা প্রশ্নটি ছোট কোনো ধারাকে নির্দেশ করছিল। কিন্তু যেহেতু প্রশ্নপত্রে ৩১ পর্যন্ত চাওয়া হয়েছে, তাই সঠিক উত্তর ৫৪৫৬। বিসিএস পরীক্ষায় আপনাকে এই সূত্রটি ব্যবহার করে সঠিক সমাধান নির্ণয় করতে হবে।
88

এক ব্যক্তি একটি দ্রব্য ১২০০ টাকায় কিনে ১৫% লাভে বিক্রয় করল; ক্রেতা ঐ দ্রব্য তৃতীয় এক ব্যক্তির কাছে ৫% ক্ষতিতে বিক্রয় করল। শেষ বিক্রয়মূল্য কত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1280
  2. 1281
  3. 1310
  4. 1311

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এখানে দুটি ধাপে বিক্রয়মূল্য নির্ণয় করতে হবে। প্রথম ব্যক্তির ক্রয়মূল্য (CP1) = ১২০০ টাকা
প্রথম ধাপ: ১৫% লাভে বিক্রয়। প্রথম বিক্রয়মূল্য (SP1) হবে:
লাভ = ১২০০ টাকার ১৫% = ১২০০×১৫১০০=১২×১৫=১৮০\frac{১২০০ \times ১৫}{১০০} = ১২ \times ১৫ = ১৮০ টাকা।
প্রথম বিক্রয়মূল্য (SP1) = $১২০০ + ১৮০ = ১৩৮০ টাকা
দ্বিতীয় ধাপ: ৫% ক্ষতিতে বিক্রয়। দ্বিতীয় ক্রেতা ১৩৮০ টাকায় দ্রব্যটি কিনেছেন, তাই দ্বিতীয় ক্ষেত্রে ক্রয়মূল্য (CP2) = ১৩৮০ টাকা
ক্ষতি = ১৩৮০ টাকার ৫% = ১৩৮০×১০০=৬৯০০১০০=৬৯\frac{১৩৮০ \times ৫}{১০০} = \frac{৬৯০০}{১০০} = ৬৯ টাকা।
শেষ বিক্রয়মূল্য (SP2) = $১৩৮০ - ৬৯ = ১৩১১ টাকা
অতএব, শেষ বিক্রয়মূল্য ছিল ১৩১১ টাকা। এটি বিকল্পের ৩ নং অপশনে (1311) রয়েছে।
89

চালের দাম ২৫% বেড়ে যাওয়ায় এক ব্যক্তি চালের ব্যবহার এমনভাবে কমালেন যেন তার সাংসারিক ব্যয় অপরিবর্তিত থাকে। তিনি চালের ব্যবহার শতকরা কত ভাগ কমালেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20%

  2. 16%
  3. 18%
  4. 15%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কে মনে রাখতে হবে যে, যদি ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হয়, তবে দাম বাড়লে ব্যবহার কমাতে হবে এবং এদের সম্পর্কটি ব্যস্তানুপাতিক (Inversely Proportional)
ধরি, চালের প্রাথমিক দাম ছিল ১০০ টাকা
২৫% দাম বাড়ার ফলে নতুন দাম হলো: $১০০ + ২৫ = ১২৫ টাকা
ব্যয় অপরিবর্তিত রাখতে হলে, এখন ১২৫ টাকার চাল ব্যবহার করতে হবে, যা আগে ১০০ টাকার চাল ব্যবহার করা হতো।
অতএব, ১২৫ টাকায় ব্যবহার কমাতে হবে: $(১২৫ - ১০০) = ২৫ টাকা
ব্যবহার শতকরা কত কমাতে হবে তা নির্ণয়ের সূত্র:
$কমাবার হার=যে হারে দাম বেড়েছেনতুন দাম×১০০% \text{কমাবার হার} = \frac{\text{যে হারে দাম বেড়েছে}}{\text{নতুন দাম}} \times ১০০ \%
কমাবার হার =২৫১২৫×১০০%= \frac{২৫}{১২৫} \times ১০০ \%
কমাবার হার $= \frac{১}{৫} \times ১০০ \% = ২০\%
সুতরাং, ব্যক্তিটিকে চালের ব্যবহার ২০% কমাতে হবে।
90

এক ব্যক্তি তার মোট সম্পত্তির ৩/৭ অংশ ব্যয় করার পরে অবশিষ্টের ৫/১২ অংশ ব্যয় করে দেখলেন যে তার নিকট ১০০০ টাকা রয়েছে। তার মোট সম্পত্তির মূল্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২০০০ টাকা
  2. ২৩০০ টাকা
  3. ২৫০০ টাকা
  4. ৩০০০ টাকা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কে, মোট সম্পত্তিকে ১ অংশ ধরে নিতে হবে। যেহেতু দ্বিতীয় খরচটি অবশিষ্ট সম্পত্তির ওপর করা হয়েছে, তাই ধাপে ধাপে অবশিষ্ট অংশ নির্ণয় করতে হবে।
ধাপ ১: প্রথম খরচের পর অবশিষ্ট নির্ণয়
ব্যক্তিটি মোট সম্পত্তির \frac{৩}{৭} অংশ ব্যয় করেন।
অবশিষ্ট সম্পত্তি: ()==\left(১ - \frac{৩}{৭}\right) = \frac{৭-৩}{৭} = \frac{৪}{৭} অংশ।
ধাপ ২: দ্বিতীয় খরচের পর অবশিষ্ট নির্ণয়
তিনি অবশিষ্টের (\frac{৪}{৭} অংশের) ১২\frac{৫}{১২} অংশ ব্যয় করেন।
অতএব, অবশিষ্টের (১২)=১২\left(১ - \frac{৫}{১২}\right) = \frac{৭}{১২} অংশ তার কাছে অবশিষ্ট থাকে।
ধাপ ৩: মোট সম্পত্তির সাপেক্ষে চূড়ান্ত অবশিষ্ট নির্ণয়
মোট সম্পত্তির সাপেক্ষে চূড়ান্ত অবশিষ্ট অংশ হলো: অবশিষ্ট অংশ (ধাপ ১) ×\times অবশিষ্টের অবশিষ্ট অংশ (ধাপ ২)
×১২=১২=\frac{৪}{৭} \times \frac{৭}{১২} = \frac{৪}{১২} = \frac{১}{৩} অংশ।
ধাপ ৪: মোট সম্পত্তির মূল্য নির্ণয়
প্রশ্নমতে, এই \frac{১}{৩} অংশ = ১০০০ টাকা
অতএব, সম্পূর্ণ সম্পত্তি (বা ১ অংশ) হবে: $১০০০ \times ৩ = ৩০০০ টাকা
সঠিক উত্তর হলো: ৩০০০ টাকা
91

একটি ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ৫, ৬ ও ৭ মিটার। নিকটতম বর্গমিটারের ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ বর্গমিটার
  2. ১৫ বর্গমিটার

  3. ১৭ বর্গমিটার
  4. ১৪ বর্গমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

যেহেতু ত্রিভুজটির তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য ভিন্ন (৫, ৬, এবং ৭ মিটার), এটি একটি বিষমবাহু ত্রিভুজ
বিষমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য আমরা হেরনের সূত্র (Heron's Formula) ব্যবহার করব।
ধাপ ১: অর্ধ-পরিসীমা (ss) নির্ণয় করতে হবে।
$s = \frac{a+b+c}{2} = \frac{৫+৬+৭}{2} = \frac{১৮}{2} = ৯ মিটার
ধাপ ২: হেরনের সূত্র প্রয়োগ করে ক্ষেত্রফল (AA) নির্ণয়।
A=s(sa)(sb)(sc)A = \sqrt{s(s-a)(s-b)(s-c)}
A=()()()A = \sqrt{৯(৯-৫)(৯-৬)(৯-৭)}
A=×××A = \sqrt{৯ \times ৪ \times ৩ \times ২}
A=২১৬A = \sqrt{২১৬}
ধাপ ৩: বর্গমূল নির্ণয় ও নিকটতম পূর্ণসংখ্যায় প্রকাশ।
$\sqrt{২১৬} \approx ১৪.৬৯৬ বর্গমিটার
নিকটতম বর্গমিটারের ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল হলো ১৪.৬৯৬-এর নিকটতম পূর্ণসংখ্যা, যা ১৫ বর্গমিটার
(যেহেতু দশমিকের পরে ৬ আছে, তাই ১৪ এর সাথে ১ যোগ হয়ে ১৫ হবে)।
92

একটি আয়তক্ষেত্রের দৈর্ঘ্য প্রস্থের ৩ গুণ। আয়তক্ষেত্রটির ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার হলে তার পরিসীমা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭০ মিটার
  2. ৭৫ মিটার
  3. ৮০ মিটার

  4. ৯০ মিটার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই গাণিতিক সমস্যাটি পরিমিতি (পরিমাপ সংক্রান্ত) অংশ থেকে এসেছে। এখানে দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত এবং ক্ষেত্রফল দেওয়া আছে, আমাদের পরিসীমা নির্ণয় করতে হবে।
ধরি, আয়তক্ষেত্রটির প্রস্থ (Width) হলো xx মিটার
প্রশ্নমতে, দৈর্ঘ্য (Length) হলো প্রস্থের ৩ গুণ
সুতরাং, দৈর্ঘ্য হবে 3x3x মিটার
আমরা জানি, আয়তক্ষেত্রের ক্ষেত্রফল = দৈর্ঘ্য ×\times প্রস্থ।
ক্ষেত্রফল = (3x)×(x)=3x2(3x) \times (x) = 3x^2 বর্গমিটার।
প্রশ্নমতে, ক্ষেত্রফল ৩০০ বর্গমিটার
অতএব, 3x2=3003x^2 = 300
x2=3003=100x^2 = \frac{300}{3} = 100
x=100=<strong>১০</strong>x = \sqrt{100} = <strong>১০</strong> (যেহেতু দৈর্ঘ্য ঋণাত্মক হতে পারে না)।
সুতরাং, প্রস্থ (xx) = ১০ মিটার
এবং দৈর্ঘ্য (3x3x) = $৩ \times ১০ = ৩০ মিটার
আয়তক্ষেত্রের পরিসীমা (Perimeter) = ×(দৈর্ঘ্য+প্রস্থ)২ \times (দৈর্ঘ্য + প্রস্থ)
পরিসীমা = ×(৩০+১০)২ \times (৩০ + ১০) মিটার।
পরিসীমা = $২ \times ৪০ = ৮০ মিটার
সঠিক উত্তর: ৮০ মিটার
93

x+y=7 এবং xy=10 হলে,  (x-y)^2 -এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 3
  2. 6
  3. 9

  4. 12

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি বীজগণিতের মান নির্ণয়ের একটি ক্লাসিক্যাল প্রশ্ন, যা প্রায়শই বিসিএস ও অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় আসে।
সঠিক মানটি বের করার জন্য আমরা সরাসরি অনুসিদ্ধান্ত সূত্র ব্যবহার করব।
আমাদের কাছে দেওয়া আছে: x+y=7x+y=7 এবং xy=10xy=10। আমাদের (xy)2(x-y)^2-এর মান বের করতে হবে।
আমরা জানি মান নির্ণয়ের অনুসিদ্ধান্ত সূত্রটি হলো:
(xy)2=(x+y)24xy(x-y)^2 = (x+y)^2 - 4xy
এখন প্রদত্ত মানগুলি সূত্রে বসিয়ে পাই:
(xy)2=(<strong>7</strong>)24(<strong>10</strong>)(x-y)^2 = (<strong>7</strong>)^2 - 4(<strong>10</strong>)
(xy)2=4940(x-y)^2 = 49 - 40
(xy)2=<strong>9</strong>(x-y)^2 = <strong>9</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো
94

2x^2+x-15 -এর উৎপাদন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. (x+3)(2x−5)
  2. (x−3)(2x−5)
  3. (x−3)(2x+5)
  4. (x+3)(2x+5)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

প্রদত্ত রাশিটি হলো একটি দ্বিঘাত রাশি (Quadratic Expression): 2x2+x152x^2+x-15। এটিকে উৎপাদকে বিশ্লেষণ করতে হলে আমাদের মিডল টার্ম ব্রেক (Middle Term Break) পদ্ধতি ব্যবহার করতে হবে।
প্রথম ও শেষ পদের সহগদ্বয়ের গুণফল: 2imes(15)=302 imes (-15) = -30
আমাদের এমন দুটি সংখ্যা খুঁজে বের করতে হবে যাদের গুণফল 30-30 এবং যোগফল মাঝের পদের সহগ +1+1। সংখ্যা দুটি হলো +6+6 এবং 5-5। (কারণ: 6imes(5)=306 imes (-5) = -30 এবং 65=16 - 5 = 1)।
এবার রাশিটিকে এভাবে সাজানো যায়:
2x2+6x5x152x^2 + 6x - 5x - 15
প্রথম দুটি পদ থেকে 2x2x এবং শেষ দুটি পদ থেকে 5-5 কমন নিয়ে পাই:
2x(x+3)5(x+3)2x(x + 3) - 5(x + 3)
উভয় পদ থেকে (x+3)(x+3) কমন নিলে উৎপাদকগুলো পাওয়া যায়:
<strong>(x+3)(2x5)</strong><strong>(x+3)(2x-5)</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো (x+3)(2x−5)
95

কোন ভগ্নাংশটি লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 77/143

  2. 102/289

  3. 113/355

  4. 343/1001

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

একটি ভগ্নাংশকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত বলা হয়, যখন তার লব (Numerator) এবং হর (Denominator)-এর মধ্যে ১ ছাড়া অন্য কোনো সাধারণ গুণনীয়ক (Common Factor) থাকে না। অর্থাৎ, লব ও হরকে অবশ্যই সহ-মৌলিক (Coprime) হতে হবে, যেখানে তাদের গ.সা.গু (HCF) হবে
আমরা বিকল্পগুলোর লব ও হরের গ.সা.গু (HCF) পরীক্ষা করি:
১. 77/143: এদের সাধারণ গুণনীয়ক ১১। (77 = 11×7, 143 = 11×13)। এটিকে 7/137/13 আকারে প্রকাশ করা যায়।
২. 102/289: এদের সাধারণ গুণনীয়ক ১৭। (102 = 17×6, 289 = 17×17)। এটিকে 6/176/17 আকারে প্রকাশ করা যায়।
৪. 343/1001: এদের সাধারণ গুণনীয়ক । (343 = 737^3, 1001 = 7×143)। এটিকে 49/14349/143 আকারে প্রকাশ করা যায়।
৩. 113/355: এখানে ১১৩ হলো একটি মৌলিক সংখ্যা (Prime Number)। যেহেতু ১১৩ দ্বারা ৩৫৫ কে সম্পূর্ণভাবে ভাগ করা যায় না (৩৫৫ ÷\div ১১৩ = ৩, ভাগশেষ ১৬), তাই ১ ও ১১৩ ছাড়া এদের মধ্যে কোনো সাধারণ গুণনীয়ক নেই।
এদের গ.সা.গু হলো । সুতরাং, 113/355 ভগ্নাংশটিই লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশিত।
96

৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ... এর পরবর্তী সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 169
  2. 225

  3. 256
  4. 272

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

বিসিএস পরীক্ষার মানসিক দক্ষতা অংশে সংখ্যা ধারার এই প্রশ্নটি খুবই সাধারণ কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। এই ধারার সংখ্যাগুলো দেখে প্রথমে বুঝতে হবে, এগুলো বর্গ সংখ্যা (Square Number)
ধারাটি হলো: ৯, ৩৬, ৮১, ১৪৪, ...
সংখ্যাগুলোকে বর্গমূলের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে পাই:
১. 9=329 = 3^2
২. 36=6236 = 6^2
৩. 81=9281 = 9^2
৪. 144=122144 = 12^2
আমরা দেখতে পাচ্ছি, যে সংখ্যাগুলোর বর্গ করা হয়েছে (বর্গমূল), সেই ভিত্তি সংখ্যাগুলো একটি সমান্তর ধারা (Arithmetic Progression) অনুসরণ করছে। ভিত্তি সংখ্যাগুলো হলো: ৩, ৬, ৯, ১২
এই ভিত্তি সংখ্যাগুলোর মধ্যে পার্থক্য (যেমন, 63=36-3=3, 129=312-9=3)।
সুতরাং, পরবর্তী ভিত্তি সংখ্যাটি হবে: 12+3=1512 + 3 = 15
ধারার পরবর্তী সংখ্যাটি হবে এই ১৫ এর বর্গ:
পরবর্তী সংখ্যা: 152=22515^2 = 225
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ২২৫
97

‘ভানুসিংহ’ কার ছদ্মনাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের
  3. প্রমথ চৌধুরীর
  4. টেকচাঁদ ঠাকুরের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছদ্মনাম ‘ভানুসিংহ’, প্রমথ চৌধুরীর ছদ্মনাম ‘বীরবল’ এবং প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম ‘টেকচাঁদ ঠাকুর’। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের কোনো ছদ্মনাম নেই। কিন্তু তার উপাধি রয়েছে। সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের উপাধি ‘ছন্দের যাদুকর’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
তিনি মূলত তাঁর কৈশোরকালে বৈষ্ণব পদাবলীর অনুকরণে যখন গান ও কবিতা লিখতেন, তখন ভানুসিংহ ঠাকুর ছদ্মনামটি ব্যবহার করেন।
তাঁর বিখ্যাত পদাবলী সংগ্রহ ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’ এই ছদ্মনামেই ১৮৮৪ সালে (১২৯১ বঙ্গাব্দে) গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এটি মূলত তাঁর প্রেমের পদাবলি।
উল্লেখিত অন্যান্য বিকল্পের ছদ্মনাম:
প্রমথ চৌধুরী-এর বিখ্যাত ছদ্মনাম: বীরবল
টেকচাঁদ ঠাকুর আসলে প্যারীচাঁদ মিত্রের ছদ্মনাম।
98

‘সুন্দর মাত্রেরই একটা আকর্ষণ শক্তি আছে।’- এই বাক্যে সুন্দর শব্দটি কোন পদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. সর্বনাম
  4. বিশেষণের বিশেষণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাধারণ অর্থে ‘সুন্দর’ শব্দটি বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ লাবণ্যময়, মনোহর, উত্তম ইত্যাদি। তবে এখানে ‘সুন্দর’ শব্দটির বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশেষ্য (Noun)
সাধারণত ‘সুন্দর’ শব্দটি একটি বিশেষণ পদ (Adjective)। কিন্তু যখন কোনো বিশেষণ পদ বাক্যে বিশেষ্যের (Noun) মতো কাজ করে অর্থাৎ বাক্যের উদ্দেশ্য (Subject) বা বিধেয় (Object) রূপে ব্যবহৃত হয়, তখন তাকে বিশেষ্য পদ বলে গণ্য করা হয়।
প্রদত্ত বাক্যে, ‘সুন্দর মাত্রেরই’ শব্দটি দ্বারা সুন্দর গুণ সম্পন্ন সকল ব্যক্তি বা বস্তুকে বোঝানো হচ্ছে। এখানে ‘সুন্দর’ কোনো অন্য পদের দোষ-গুণ প্রকাশ না করে, নিজেই একটি শ্রেণিবাচক নাম (Class Noun) রূপে ব্যবহৃত হয়েছে এবং এর সাথে ‘এর’ বিভক্তি (Genitive case marker) যুক্ত হয়েছে।
যেহেতু ‘সুন্দর’ শব্দটি এখানে বাক্যের প্রধান কর্তা বা উদ্দেশ্য হিসেবে অবস্থান করছে এবং এর সাথে বিভক্তি যুক্ত হয়েছে, তাই এটি বিশেষ্য পদ হিসেবে কাজ করছে।
99

‘সাম্য’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ
  3. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  4. মোহাম্মদ লুৎফর রহমান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৮৭৯ সালে প্রকাশিত ‘সাম্য’ বাংলা উপন্যাসের জনক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের একটি বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্হ। তিনি এই গ্রন্হটি বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেন। তার অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্হের মধ্যে লোকরহস্য, কমলাকান্তের দপ্তর, কৃষ্ণচরিত্র, বিজ্ঞানরহস্য উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

‘সাম্য’ গ্রন্থটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি প্রবন্ধ গ্রন্থ, যা ১৮৭৯ সালে প্রকাশিত হয়। এটি তাঁর একমাত্র প্রবন্ধ গ্রন্থ, যেখানে তিনি সমাজতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল আদর্শ, নারী-পুরুষের সমতা এবং সামাজিক বৈষম্য নিয়ে আলোচনা করেছেন।

বঙ্কিমচন্দ্র প্রধানত তাঁর ঐতিহাসিক ও সামাজিক উপন্যাসগুলির জন্য খ্যাতি লাভ করলেও, তাঁর প্রবন্ধ সাহিত্যেও তাঁর গভীর চিন্তাধারার প্রকাশ ঘটে।

অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রচয়িতাদের মধ্যে কাজী নজরুল ইসলাম প্রধানত কবিতা, মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ এবং মোহাম্মদ লুৎফর রহমান প্রবন্ধ সাহিত্যের জন্য পরিচিত।
100

কোন গ্রন্থটি এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোস্তফা চরিত
  2. নয়াজাতির স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ
  3. বিশ্বনবী
  4. মানব-মুকুট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশিষ্ট সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ এয়াকুব আলী চৌধুরী (১৮৮৮-১৯৪০ খ্রি) ‘মানব মুকুট’ (১৯২২) ছাড়াও ‘নূরনবী’ (১৯১৮), ‘শান্তিধারা’ (১৯১৯) ইত্যাদি গ্রন্হ প্রণয়ন করেন। উল্লেখ্য, উপরিউক্ত ‘মোস্তফা চরিত’ গ্রন্হটি মওলানা আকরম খাঁ (১৮৬৯-১৯৬৯ খ্রি), ‘নয়াজাতির স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ’ গ্রন্হটি মোহাম্মদ বরকতুল্লাহ (১৮৯৮-১৯৭৪ খ্রি) এবং ‘বিশ্বনবী’ গ্রন্হটি কবি গোলাম মোস্তফা রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: মানব-মুকুট। এটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম মুসলিম সাহিত্যিক এয়াকুব আলী চৌধুরী প্রণীত একটি প্রবন্ধ/জীবনীমূলক গ্রন্থ।

গ্রন্থটি মূলত হযরত মুহাম্মদ (সাঃ)-এর জীবন ও আদর্শের উপর লেখা। এয়াকুব আলী চৌধুরী ছিলেন মুসলিম সাহিত্য সমাজের একজন প্রভাবশালী চিন্তাবিদ ও প্রবন্ধকার।

অন্যান্য ভুল অপশনগুলোর সঠিক লেখক নিচে দেওয়া হলো:
  • মোস্তফা চরিত: এটি রচনা করেন মাওলানা আকরম খাঁ
  • নয়াজাতির স্রষ্টা হযরত মোহাম্মদ: এটি লিখেছেন মুহম্মদ বরকতুল্লাহ
  • বিশ্বনবী: এই বিখ্যাত গ্রন্থটির রচয়িতা হলেন গোলাম মোস্তফা
101

সিকান্‌দার আবু জাফর সম্পাদিত পত্রিকাটির নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সওগাত
  2. সমকাল

  3. উত্তরণ
  4. শিখা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমকাল
বিখ্যাত কবি, সাংবাদিক ও সাহিত্য সমালোচক সিকান্‌দার আবু জাফর (১৯১৯-১৯৭৫) কর্তৃক সম্পাদিত মাসিক সাহিত্য পত্রিকা হলো সমকাল
এটি ১৯৫৭ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের সাহিত্য জগতে আধুনিক লেখকদের প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পত্রিকা ও তাদের সম্পাদক:
   → সওগাত: এটি সম্পাদনা করতেন মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
   → শিখা: এটি ছিল ঢাকা মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র, যা ‘বুদ্ধির মুক্তি’ আন্দোলনের সাথে সম্পর্কিত এবং আবুল হুসেন কর্তৃক সম্পাদিত।
102

‘ফণি-মনসা’ কাব্যের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম

  2. আহসান হাবীব
  3. সিকান্‌দার আবু জাফর
  4. হাসান হাফিজুর রহমান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
‘ফণি-মনসা’ (১৯২৭) কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান কবি এবং আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা।
কবিতাটি রচনার সময় কবি কৃষ্ণনগরে অবস্থান করছিলেন। এই কাব্যগ্রন্থের কবিতাগুলোতে স্বদেশপ্রেম, মানবতাবাদ এবং সমাজ-সচেতনতামূলক ভাবধারা বিশেষভাবে লক্ষ্যণীয়।
অন্যান্য বিকল্প: আহসান হাবীব, সিকান্‌দার আবু জাফর এবং হাসান হাফিজুর রহমান প্রত্যেকেই আধুনিক যুগের গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও ‘ফণি-মনসা’ তাদের কারও রচিত নয়।
103

‘বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি কোন ধরনের রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাব্য
  2. নাটক
  3. উপন্যাস
  4. প্রবন্ধ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী। তার বীরবল ছদ্মনামে লেখা ‘বীরবলের হালখাতা’ বাংলা সাহিত্যে চলিত ভাষায় লিখিত প্রথম গদ্যগ্রন্হ। তার রচিত অন্যান্য প্রবন্ধগ্রন্হ- তেল নুন লকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্হ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্থ- সনেট পঞ্চাশৎ। চলিত রীতিকে বাংলা গদ্যে প্রতিষ্ঠা করার জন্য তিনি সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’ (১৯১৪)। বাংলা কাব্যসাহিত্যে তিনি ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রবন্ধ
‘বীরবলের হালখাতা’ গ্রন্থটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গদ্যশিল্পী প্রমথ চৌধুরী’র লেখা প্রবন্ধ সংকলন।
বাংলা সাহিত্যে চলিত রীতিতে সাহিত্য চর্চার পথকে সুগম করার ক্ষেত্রে তাঁর অনবদ্য অবদান রয়েছে। তিনি এই চলিত রীতির আন্দোলনের পুরোধা ছিলেন।
তিনি ‘বীরবল’ ছদ্মনামে সাহিত্য রচনা করতেন। তাঁর প্রবন্ধগুলো অত্যন্ত বুদ্ধিদীপ্ত, ব্যঙ্গাত্মক এবং মার্জিত গদ্যের জন্য পরিচিত।
104

বাংলা একাডেমীর ‘আঞ্চলিক অভিধান’ সম্পাদনা কে করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  2. মুহম্মদ এনামুল হক
  3. মুহম্মদ মনসুর উদ্দীন
  4. মুহম্মদ আবদুল হাই

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশিষ্ট ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি) সম্পাদিত বাংলা একাডেমি কর্তৃক প্রকাশিত ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ দুটি খণ্ডে বিভক্ত। তার সংকলিত ও সম্পাদিত অন্যান্য গ্রন্হ হলো পদ্মাবতী (১৯৫০), প্রাচীন ধর্মগ্রন্হে শেষনবী (১৯৫২) এবং গল্প সংকলন (১৯৫৩)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ (অপশন ক)।
বাংলা একাডেমী প্রকাশিত বাংলা ভাষার প্রথম আঞ্চলিক অভিধান (Regional Dictionary) সম্পাদনা করেন প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
এটি ছিল বাংলা ভাষাকে সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কাজ, যেখানে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলের কথ্য শব্দ ও ভাষারূপ সংরক্ষিত হয়।
অপশনগুলোর মধ্যে মুহম্মদ এনামুল হক বাংলা একাডেমীর ‘ব্যবহারিক বাংলা অভিধান’-এর প্রধান সম্পাদক ছিলেন। আঞ্চলিক অভিধানের সম্পাদক হিসেবে তাঁর নাম যুক্ত নয়।
105

সনেটের ক’টি অংশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি
  2. দুটি
  3. তিনটি
  4. চারটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইংরেজি ‘সনেট’ শব্দটি এসেছে ইতালীয় ‘sonetto’ (অর্থ-মৃদুধ্বনি) শব্দ থেকে। বাংলা সনেটের প্রবর্তক মাইকেল মধুসূদন দত্ত (১৮২৪ - ১৮৭৩ খ্রি)। সনেটে যেমন চৌদ্দটি লাইন বা পঙ্‌ক্তি থাকে তেমনি আবার প্রতিটি লাইন বা পঙ্‌ক্তিতে চৌদ্দটি অক্ষর থাকে। সাধারণভাবে কবিতার চৌদ্দটি লাইন দুটি ভাগে বিভক্ত থাকে। প্রথম ভাগে আট লাইন এবং দ্বিতীয় ভাগে ছয় লাইন। প্রথম ভাগকে ‘অষ্টক’ এবং দ্বিতীয় ভাগকে ‘ষট্‌ক’ বা ‘ষষ্টক’ নামে অভিহিত করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দুটি
সনেট (Sonnet) হলো ১৪ চরণবিশিষ্ট একটি বিশেষ ধরনের কবিতা। কাঠামোগত দিক থেকে এর প্রধানত দুটি অংশ থাকে, যা ভাব বা অর্থেরও বিভাজন ঘটায়।
১. অষ্টক (Octave): প্রথম আট চরণকে অষ্টক বলা হয়। এই অংশে সাধারণত মূল ভাবের প্রবর্তন, সমস্যার উপস্থাপন বা মূল বক্তব্য তুলে ধরা হয়। এর ছন্দবিন্যাস সাধারণত কখখক কখখক (abba abba) ধরনের হয়।
২. ষটক (Sestet): শেষ ছয় চরণকে ষটক বলা হয়। এই অংশে অষ্টকে উত্থাপিত ভাবের পরিণতি বা উপসংহার টানা হয়, সমস্যার সমাধান বা কবির ব্যক্তিগত অনুভূতি প্রকাশ করা হয়। এর ছন্দবিন্যাস সাধারণত গঘঙ গঘঙ (cde cde) বা গঘগ ঘঙঘ (cdc dcd) ধরনের হয়ে থাকে।
উল্লেখ্য, সনেটকে যদি ছন্দ বা স্তবক বিন্যাসের দিক থেকে দেখা হয়, তবে শেক্সপীয়রীয় সনেটকে চারটি অংশে (তিনটি চার চরণের স্তবক এবং একটি দ্বিপদী) ভাগ করা গেলেও, প্রধানত ভাবের দিক থেকে ইতালীয় বা পেত্রার্কীয় সনেটকে অনুসরণ করে দুটি অংশেই ভাগ করা হয়, যা বাংলা সনেটে প্রচলিত।
106

‘কাঁচি’ কোন ধরনের শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আরবি
  2. ফারসি
  3. হিন্দি
  4. তুর্কি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তুর্কি ভাষার শব্দ- উজবুক, কোর্মা, কাঁচি, বেগম, চাকর, চাকু, তোপ, দারোগা, উর্দি, উর্দু, কুলি, খাঁ, খোকা, ঠাকুর, লাশ, আলখেল্লা, কাবু, কুরনিশ, তোশক, বাবা, বিবি, বাবুর্চি, মুচলেকা, সওগাত ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো তুর্কি শব্দ
বাংলা ব্যাকরণে উৎস অনুসারে শব্দ পাঁচ প্রকার—তৎসম, তদ্ভব, অর্ধ-তৎসম, দেশি ও বিদেশি। 'কাঁচি' শব্দটি বিদেশি শব্দের অন্তর্ভুক্ত।
তুর্কিরা দীর্ঘকাল ধরে এই উপমহাদেশে শাসন করেছে। তাদের ব্যবহার্য অনেক শব্দ, বিশেষ করে সামরিক সরঞ্জাম, প্রশাসনিক পদ এবং গৃহস্থালী জিনিসপত্রের নাম বাংলায় প্রবেশ করেছে।
যেমন: কাঁচি শব্দটি তুর্কি ভাষা থেকে সরাসরি বাংলায় গৃহীত হয়েছে। অন্যান্য অপশন যেমন আরবি বা ফারসি থেকে আসা শব্দের তালিকা অনেক বড় হলেও, 'কাঁচি' এর উৎসগত প্রমাণ তুর্কি ভাষাকে সমর্থন করে।
107

‘কাঁটাকুঞ্জে বসি তুই গাঁথিবি মালিকা দিয়া গেনু ভালে তোর বেদনার টীকা’ -এই উদ্ধৃতাংশটি কোন কবির রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. সুকান্ত ভট্টাচার্য
  4. বেনজীর আহমেদ

সঠিক উত্তর: ক

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: কাজী নজরুল ইসলাম
প্রদত্ত বিখ্যাত উদ্ধৃতাংশটি তাঁর রচিত ‘পূজারিনি’ কবিতার অংশ।
‘পূজারিনি’ কবিতাটি নজরুলের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘দোলন-চাঁপা’ (১৯২৩) -এর অন্তর্ভুক্ত। এই কবিতার মাধ্যমে কবি বিদ্রোহ ও প্রেমের যুগপৎ প্রকাশ ঘটিয়েছেন।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত মূলত মহাকাব্য ও অমিত্রাক্ষর ছন্দের জন্য পরিচিত। সুকান্ত ভট্টাচার্য জীবন ও সংগ্রামের কবি। তাঁদের রচনাশৈলীর সঙ্গে এই গভীর রোমান্টিক বেদনার ভাবধারা মেলে না।
108

অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ আছে কোন বাক্যটিতে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডানার রৌদ্রের গন্ধ মুছে ফেলে চিল
  2. কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায়
  3. ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা একলা জেগে রই
  4. আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে স্থানে বা যে সময়ে ক্রিয়া সম্পাদিত হয় তাকে অধিকরণ কারক বলে। ক্রিয়াপদ ধরে কোথায়, কোন স্থানে, কখন, কোন সময়ে, কবে, কোন বিষয়ে বা ব্যাপারে- এসব প্রশ্ন করলে তার উত্তরে অধিকরণ কারক পাওয়া যায়। যেমন- তারেক মাঠে খেলে। এখানে ‘কোথায় খেলে?’ প্রশ্নের উত্তর হবে- মাঠে। সুতরাং ‘মাঠে’ অধিকরণ কারক। উপরিউক্ত বাক্যগুলোর মধ্যে (ঘ)-ই যথার্থ উত্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আকাশে তো আমি রাখি নাই মোর উড়িবার ইতিহাস
কারক নির্ণয়ের প্রধান সূত্র হলো ক্রিয়াপদকে প্রশ্ন করা। অধিকরণ কারক বলতে বোঝায় ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান (আধার), কাল (সময়) বা বিষয়কে
এখানে, ক্রিয়াপদ হলো ‘রাখি নাই’। আমরা প্রশ্ন করছি: কোথায় রাখি নাই? উত্তর আসে: আকাশে
যেহেতু ‘আকাশ’ ক্রিয়া সম্পাদনের স্থান বা আধার বোঝাচ্ছে, তাই এটি অধিকরণ কারক
শব্দটির গঠন: আকাশ + । বিভক্তি ‘এ, য়, তে’ হলো সপ্তমী বিভক্তি। সুতরাং, এটি অধিকরণ কারকে সপ্তমী বিভক্তির উদাহরণ। এটি আধারাধিকরণের উদাহরণ।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
  • 'কাজের পরিচয় ফলে বোঝা যায়' – এখানে 'ফল' হলো কাজ বোঝার উপকরণ বা মাধ্যম (ফলের দ্বারা)। এটি করণ কারকে সপ্তমী বিভক্তি
  • 'ফুলের গন্ধে ঘুম আসেনা' – এখানে 'গন্ধ' ঘুম না আসার কারণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি করণ কারক (উপকরণ/কারণ অর্থে)।
109

কোন সাহিত্যাদর্শের মর্মে নৈরাশ্যবাদ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোমান্টিসিজম
  2. আধুনিকতাবাদ
  3. উত্তরাধুনিকতাবাদ
  4. বাস্তববাদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাহিত্যের অধুনা ধারা উত্তরাধুনিকতাবাদ। এ সাহিত্যাদর্শের মর্মে আছে নৈরাশ্যবাদ। পরম সত্য বলে কিছু নেই, বা কোনো কিছুই চূড়ান্ত বা শ্বাশ্বত নয় নৈরাশ্যবাদ এই আঙ্গিকে আলোচনা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উত্তরাধুনিকতাবাদ (Postmodernism)
নৈরাশ্যবাদ (Pessimism) বা অস্তিত্বের অর্থহীনতা (Nihilism) হলো উত্তরাধুনিকতাবাদের (Postmodernism) মূল বৈশিষ্ট্য। এই সাহিত্যাদর্শে মনে করা হয় যে, জগতে কোনো পরম সত্য (Absolute Truth) নেই এবং কোনো বড় ধারণা (Metanarrative) বা আদর্শ মানব সমাজকে পথ দেখাতে পারে না।
প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর মানুষের সকল আদর্শ, ধর্ম, ও যুক্তিবাদের ওপর বিশ্বাস ভেঙে যায়। আধুনিকতাবাদীরা এই ভাঙা অংশগুলো জোড়া দেওয়ার চেষ্টা করলেও, উত্তরাধুনিকতাবাদীরা সম্পূর্ণভাবে স্কেপটিসিজম (Skepticism) এবং হতাশাকে সাহিত্যের মূল ভিত্তি হিসেবে গ্রহণ করে।
আধুনিকতাবাদ (Modernism): যদিও এই যুগে বিচ্ছিন্নতা, হতাশা ও অস্তিত্বের সংকট দেখা যায় (যেমন জীবনানন্দ দাশের কবিতায়), আধুনিকতাবাদীরা তবু সত্যের সন্ধানে লিপ্ত ছিলেন। কিন্তু উত্তরাধুনিকতাবাদে এই সন্ধানের চেষ্টাও সম্পূর্ণভাবে বাতিল করে দেওয়া হয়, যা নৈরাশ্যবাদের চূড়ান্ত রূপ।
রোমান্টিসিজম (Romanticism)বাস্তববাদ (Realism): রোমান্টিসিজম মূলত আদর্শবাদ ও আবেগকে প্রাধান্য দেয়। অন্যদিকে, বাস্তববাদ সামাজিক চিত্র তুলে ধরে, যা হতাশা বা নৈরাশ্যবাদকে সাহিত্যের মূল দর্শন হিসেবে গ্রহণ করে না।
110

‘কাশবনের কন্যা’ গ্রন্থটির লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল কালাম শামসুদ্দিন
  2. শামসুদ্দীন আবুল কালাম
  3. আবুল ফজল
  4. জসীমউদ্দীন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গ্রামীণ জীবনের সুখ, দুঃখ, আশা, বিশ্বাস নিয়ে রচিত শামসুদ্দীন আবুল কালামের একটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘কাশবনের কন্যা’। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো- আলমনগরের উপকথা, জায়জঙ্গল, সমুদ্র বাসর, কাঞ্চনমালা, কাঞ্চনগ্রাম। অনেক দিনের আশা, পুঁই ডালিমের কাব্য, শাহের বানু, পথ জানা নেই, ঢেউ, দুই হৃদয়ের ঢেউ তার বিখ্যাত গল্পগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শামসুদ্দীন আবুল কালাম
শামসুদ্দীন আবুল কালাম (১৯২৬-১৯৯৭) ছিলেন বাংলাদেশের গ্রামীণ জীবনভিত্তিক সাহিত্যের অন্যতম প্রধান রূপকার।
তাঁর রচিত বহুল পরিচিত উপন্যাসগুলোর মধ্যে ‘কাশবনের কন্যা’ (প্রকাশ: ১৯৫২) সবচেয়ে বিখ্যাত। এই উপন্যাসে বরিশাল অঞ্চলের গ্রামীণ জীবনের সার্থক চিত্রায়ণ দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: জসীমউদ্দীন ছিলেন মূলত পল্লী কবি (নকশী কাঁথার মাঠ) এবং আবুল কালাম শামসুদ্দিন ছিলেন প্রবন্ধকার ও সাংবাদিক, ভিন্ন ব্যক্তি।
111

‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী মোতাহার হোসেন
  2. আবুল হুসেন
  3. কাজী আবদুল ওদুদ
  4. কাজী আনোয়ারুল কাদির

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিশিষ্ট লেখক ও চিন্তাবিদ কাজী আব্দুল ওদুদ মুক্তিবুদ্ধির আন্দোলন এর অন্যতম কর্ণধার। তিনি মুসলিম সাহিত্য সমাজ প্রতিষ্ঠার সাথে যুক্ত ছিলেন এবং শিখা পত্রিকার নিয়মিত লেখক ছিলেন। ‘শ্বাশত বঙ্গ’ তার রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্হ। তার অন্যান্য প্রবন্ধ গ্রন্হ হলো- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ, নজরুল প্রতিভা, কবিগুরু গ্যেটে ইত্যাদি। গ্রামীণ জীবনের দ্বন্দ্ব, কলহ, বিবাদ আর মিলনের প্রতিচ্ছবি নিয়ে রচিত তার বিখ্যাত উপন্যাস ‘নদীবক্ষে’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী আবদুল ওদুদ
‘শাশ্বত বঙ্গ’ গ্রন্থটি বিখ্যাত সাহিত্যিক ও মানবতাবাদী কাজী আবদুল ওদুদ রচিত একটি প্রবন্ধ সংকলন।
এই গ্রন্থে তিনি বাংলার সংস্কৃতি, ইতিহাস ও বাঙালি জাতির স্বাতন্ত্র্য নিয়ে আলোচনা করেছেন এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন।
কাজী আবদুল ওদুদ ছিলেন 'বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন' এর অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব।
অন্যান্য অপশনগুলোও (কাজী মোতাহার হোসেন, আবুল হুসেন) একই আন্দোলনের সাথে জড়িত থাকলেও, 'শাশ্বত বঙ্গ' গ্রন্থের রচয়িতা হিসেবে কাজী আবদুল ওদুদ সুপরিচিত।
112

‘বেটাইম’ শব্দটি গঠিত হয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
  2. ফরাসি ও ইংরেজি শব্দে
  3. ফারসি ও ফরাসি শব্দে
  4. ফারসি ও হিন্দি শব্দে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘বেটাইম’ শব্দটি একটি বিশেষ্য, যার অর্থ অসময়। ‘বে’ ও ‘টাইম’ একত্রে যুক্ত হয়ে গঠিত হয়েছে বেটাইম। এখানে ‘বে’ উপসর্গটি একটি ফারসি উপসর্গ এবং ‘টাইম’ শব্দটি একটি ইংরেজি শব্দ, যার অর্থ সময়। সুতরাং ‘বেটাইম’ শব্দটি ফারসি ও ইংরেজি শব্দযোগে গঠিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ফারসি ও ইংরেজি শব্দে
‘বেটাইম’ একটি মিশ্র শব্দ বা সংকর শব্দ। যখন দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দাংশ যুক্ত হয়ে নতুন একটি শব্দ তৈরি করে, তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
এই শব্দটি বিশ্লেষণ করলে পাওয়া যায়: বে + টাইম
শব্দটির প্রথম অংশ ‘বে’ একটি ফারসি উপসর্গ, যা অভাব বা অনুপস্থিতি অর্থে ব্যবহৃত হয় (যেমন: বেহিসেবি, বেআইনি, বেআদব)।
তাই ‘বে’ অংশটি হলো ফারসি শব্দাংশ
শব্দটির দ্বিতীয় অংশ ‘টাইম’ (Time) একটি ইংরেজি শব্দ
সুতরাং, ‘বেটাইম’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ফারসি ও ইংরেজি শব্দের সমন্বয়ে।
113

‘হাত-ভারি’ বাগধারার অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দাতা
  2. কম খরচে
  3. দরিদ্র
  4. কৃপণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘হাতভারি’ একটি বিশেষণ, যার অর্থ কৃপণ, কিছু দিতে বা খরচ করতে চায় না এমন (ও যেমন হাতভারী লোক, ওর বউ তেমনি দরাজ)।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাগধারা ‘হাত-ভারি’ বলতে বোঝায় টাকা-পয়সা খরচ করার ব্যাপারে অনিচ্ছুক বা কুণ্ঠাবোধ করা। সহজ কথায়, যার হাত থেকে সহজে টাকা বের হয় না।
সুতরাং, ‘হাত-ভারি’ বাগধারাটির সঠিক অর্থ হলো কৃপণ
কৃপণ অর্থ: যে ব্যক্তি সহজে বা প্রয়োজনের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয় করতে চায় না। অপশনগুলোর মধ্যে ‘দাতা’ (যে দান করে বা উদার) হলো এর বিপরীতার্থক অর্থ।
114

‘লাজ’ কোন ধরনের শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশেষ্য
  2. বিশেষণ
  3. ক্রিয়া-বিশেষণ
  4. বিশেষ্যের-বিশেষণ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘লাজ’ একটি বিশেষ্য পদ, যার দুটি অর্থ রয়েছে লজ্জা বা শরম এবং খই। লাজ-এর বিশেষণ লাজুক, যার অর্থ লজ্জাশীল বা বলতে ও মিশতে লজ্জাবোধ করে এমন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশেষ্য (Noun)
বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে, যে পদ কোনো ব্যক্তি, স্থান, বস্তু, জাতি, সমষ্টি, কাজ বা গুণের নাম নির্দেশ করে, তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
‘লাজ’ শব্দের অর্থ হলো লজ্জা, শরম বা বিনয়। যেহেতু এটি একটি ভাব বা গুণের নাম (Name of an abstract quality), তাই এটি ভাববাচক বা গুণবাচক বিশেষ্যের উদাহরণ।
ভুল কেন: এটি বিশেষণ নয়, কারণ বিশেষণ অন্য পদের দোষ, গুণ, অবস্থা প্রকাশ করে। 'লাজ' নিজে কোনো পদের গুণ প্রকাশ করছে না, বরং এটি নিজেই একটি গুণের নাম।
115

ঢাকার ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’-এর প্রতিষ্ঠা কোন খ্রিষ্টাব্দে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1926
  2. 1911
  3. 1864
  4. 1905

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন চর্চার কেন্দ্র হিসেবে কাজী আব্দুল ওদুদ, আবুল হুসেন, আব্দুল কাদির, আবুল ফজল, কাজী মোতাহার হোসেন প্রমুখ ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকায় ‘মুসলিম সাহিত্য-সমাজ’ নামে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। সংগঠনটির স্লোগান ছিলো- “জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি যেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব”। ১৯২৭ সালে সংগঠনটির মুখপত্র হিসেবে প্রকাশিত হয় ‘শিখা’ পত্রিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯২৬ খ্রিষ্টাব্দ।
ঢাকার ‘মুসলিম সাহিত্য সমাজ’ (Muslim Sahitya Samaj) প্রতিষ্ঠা লাভ করে ১৯২৬ সালের ১৯শে জানুয়ারি।
এটি ছিল তৎকালীন বাঙালি মুসলিম সমাজে যুক্তিবাদ ও ধর্মনিরপেক্ষতার ভিত্তিতে বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন (Intellectual Emancipation) প্রসারের মূল প্ল্যাটফর্ম।
এই আন্দোলনের প্রধান প্রবক্তা ছিলেন কাজী আব্দুল ওদুদ এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
116

‘সঞ্চিতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জীবনানন্দ দাশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কবি কাজী নজরুল ইসলাম তার কাব্য সংকলন ‘সঞ্চিতা’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে উৎসর্গ করেছিলেন। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলনের নাম ‘সঞ্চয়িতা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাজী নজরুল ইসলাম
‘সঞ্চিতা’ কাব্য সংকলনটি জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত। এটি ১৯২৮ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
নজরুলের পূর্বে প্রকাশিত বিভিন্ন কাব্যগ্রন্থ থেকে নির্বাচিত কবিতা নিয়ে এই সংকলনটি তৈরি করা হয়েছিল।
অনেকে ভুল করে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কাব্য সংকলন ‘সঞ্চয়িতা’ (Sanchayita)-এর সাথে এটিকে গুলিয়ে ফেলেন। সঞ্চয়িতা-রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কিন্তু সঞ্চিতা-রচয়িতা হলেন কাজী নজরুল ইসলাম।
117

I don't mind ___ with the cooking but I am not going to wash the dishes.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to help
  2. help
  3. helping
  4. for helping

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সাধারণত কোনো simple sentence-এ দুটি verb পাশাপাশি ব্যবহৃত হলে পরবর্তী verb-টির সাথে ing যুক্ত হয়। সুতরাং 'mind' verbটির পাশে ‘help’ verbটি বসানোর ক্ষেত্রে help-এর সাথে ing যুক্ত করতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো helping (অপশন ৩)। এটি Gerund-এর ব্যবহার সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন।
কিছু নির্দিষ্ট Verb (যেমন: mind, enjoy, finish, avoid, deny, postpone ইত্যাদি) এর পরে সর্বদা Gerund (Verb + ing) ফর্ম ব্যবহৃত হয়। এই Gerund-গুলো বাক্যে Noun এর কাজ করে।
এখানে, মূল Verb হলো ‘mind’। নিয়ম অনুযায়ী, ‘mind’ এর পরে অবশ্যই Gerund (V+ing) বসবে। তাই সঠিক বাক্যটি হবে: I don't mind helping with the cooking.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: ‘to help’ (Infinitive) এবং ‘help’ (Bare Infinitive) Verb 'mind'-এর পরে কখনোই বসে না। আবার ‘for helping’-এ অপ্রয়োজনীয় preposition (for) ব্যবহার করা হয়েছে।
118

I decided to go ____ with my friend as I needed some exercise.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to a walk
  2. for a walk
  3. for a walking
  4. walk

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যায়াম বা ঘোরাঘুরির উদ্দেশ্যে যে হাঁটাহাঁটি করা হয় তার জন্য go for a walk ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: for a walk। বাক্যটির সম্পূর্ণ রূপ হবে: I decided to go for a walk with my friend as I needed some exercise.
এটি একটি সুনির্দিষ্ট Idiomatic Phrase (বাগধারা/রীতিসিদ্ধ বাক্য)। যখন কেউ কোনো বিনোদনমূলক বা শরীরচর্চার উদ্দেশ্যে হাঁটার কথা বলে, তখন ‘go for a walk’ ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘হাঁটতে যাওয়া’।
Verb হিসেবে go, take বা have এর সাথে যখন কোনো সংক্ষিপ্ত, হালকা কাজের কথা বলা হয়, তখন সাধারণত ‘for a + Noun’ কাঠামোটি ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
to a walk: ভুল প্রিপজিশন। 'Go to' সাধারণত কোনো গন্তব্যে যাওয়া বোঝায়।
for a walking: ভুল, কারণ আর্টিকেল ‘a’ এর পরে এখানে Noun (walk) প্রয়োজন, Gerund বা V-ing ফর্ম (walking) নয়।
119

My uncle arrived while I ___ the dinner.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. would cook
  2. had cooked
  3. cook
  4. was cooking

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এ বাক্যের principal clause টি past indifinite হওয়ায় subordinate clause অবশ্যই past tense হবে। আর উভয় clause-এর মাঝে while রয়েছে বলে এটি past continious হওয়াকেই সমর্থন করে। সুতরাং সঠিক উত্তর হবে (ঘ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: was cooking (অপশন D)।
এই বাক্যটি মূলত Sequence of Tenses-এর নিয়ম অনুসরণ করে। যখন অতীতে দুটি কাজ একই সময়ে ঘটে, যার মধ্যে একটি কাজ অপেক্ষাকৃত দীর্ঘ সময় ধরে চলছিল (Ongoing Action), এবং অন্য কাজটি হুট করে ঘটে বা দীর্ঘ কাজটি বাধা দেয় (Sudden Action), তখন এই কাঠামোটি ব্যবহৃত হয়।
দীর্ঘ সময় ধরে চলা কাজটি Past Continuous Tense (Subject + was/were + V1 + ing) হয়। এখানে 'I was cooking the dinner' হলো দীর্ঘ কাজ।
হুট করে ঘটা বা বাধা দেওয়া কাজটি Simple Past Tense (Subject + V2) হয়। এখানে 'My uncle arrived' হলো সংক্ষিপ্ত কাজ।
While শব্দটি সাধারণত Past Continuous Tense নির্দেশ করে। তাই, 'I was cooking' হলো ব্যাকরণগতভাবে সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সঠিক ব্যবহার।
অন্যান্য অপশন ভুল: 'had cooked' (Past Perfect) তখনই হতো যদি আমি রান্না শেষ করার পরে মামা আসতেন (অর্থ পাল্টে যেত)। 'would cook' এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
120

In order to improve farming methods, we need ____.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. machine
  2. machinery
  3. a machinery
  4. machineries

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Machinery- যন্ত্রপাতি, কলকব্জা। এটি একটি uncountable noun। তাই এর plural হয় না। তাছাড়া এর পূর্বে a ব্যবহার হয় না। সুতরাং (গ) এবং (ঘ) সঠিক নয়। আবার, machine- যন্ত্র। এটি countable noun. তাই এর পূর্বে a ব্যবহার করা আবশ্যক (a machine) কিংবা একে plural আকারে (machines) ব্যবহার করা প্রয়োজন। সুতরাং (ক) উত্তরটিও ভুল। উপর্যুক্ত আলোচনা হতে দেখা যায় (খ) নিয়মানুসারে ব্যবহৃত হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (B) machinery। এর কারণ হলো এটি একটি Uncountable Noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য)
Machinery শব্দটি দ্বারা সম্মিলিতভাবে সকল প্রকার যন্ত্র বা মেশিনকে বোঝানো হয়। যখন আমরা সামগ্রিকভাবে কোনো ব্যবস্থার জন্য যন্ত্রপাতির প্রয়োজনীয়তার কথা বলি, তখন আমরা 'machinery' ব্যবহার করি, 'machine' নয়।
যেহেতু 'machinery' একটি অগণনযোগ্য বিশেষ্য, তাই এর সাথে দুটি প্রধান নিয়ম প্রযোজ্য:
১. অগণনযোগ্য বিশেষ্যকে সাধারণত plural (বহুবচন) করা যায় না। তাই 'machineries' (D) ভুল।
২. অগণনযোগ্য বিশেষ্যের পূর্বে a/an Article ব্যবহার করা যায় না। তাই 'a machinery' (C) ভুল।
'machine' (A) একটি Countable Noun (গণনযোগ্য বিশেষ্য)। যদি বলা হতো 'we need a machine' (একটি নির্দিষ্ট যন্ত্র), তবে এটি সঠিক হতো। কিন্তু এখানে সামগ্রিকভাবে উন্নত কৃষি পদ্ধতির জন্য যন্ত্রপাতির প্রয়োজন বোঝানো হচ্ছে, তাই 'machinery' শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।
121

My friend always goes home ___ foot.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. by
  2. with
  3. on a
  4. on

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Go on foot একটি phrase যার অর্থ পায়ে হেঁটে যাওয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (d) on
কারণ, হেঁটে (walking) কোথাও যাওয়ার ক্ষেত্রে mode of transport বোঝাতে সবসময় 'on foot' এই fixed prepositional phrase টি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি অত্যন্ত কমন নিয়ম যা প্রায় সব প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেই আসে।
অর্থাৎ, কেউ যখন হেঁটে যায়, তখন বলতে হয় goes on foot
অন্যান্য যানবাহনের ক্ষেত্রে সাধারণত by ব্যবহৃত হয় (যেমন: by bus, by train, by car)। কিন্তু 'foot' যেহেতু কোনো বাহন নয়, তাই এর সাথে 'on' বসে।
অন্যদিকে, 'by' (a) এবং 'with' (b) এই বাক্যের অর্থের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। 'on a' (c) ভুল, কারণ এক্ষেত্রে foot এর পূর্বে কোনো article (a/an/the) বসে না, বরং এটি একটি অখণ্ড পদ (on foot)।
122

We need two hundred dollars ___ this to pay for everything.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. as well
  2. also
  3. beside
  4. besides

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাক্যটির অর্থ এমন হবে যে, সবকিছুর মূল্য পরিশোধ করতে আমাদের এ ছাড়াও দুইশত ডলার দরকার। শূন্যস্থানে ‘এছাড়াও’ এর ইংরেজিটি নেই, যা অপশন (ঘ)-তে রয়েছে। অর্থাৎ besides।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো besides
Besides শব্দটি একই সাথে Preposition (অনুসর্গ) এবং Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়। যখন এটি Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন এর অর্থ দাঁড়ায় ‘in addition to’ বা ‘আরও বা অতিরিক্ত’ বা ‘ছাড়া’।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: ‘সবকিছু পরিশোধ করার জন্য আমাদের এই (টাকা/জিনিস) ছাড়াও আরও দুইশো ডলার দরকার।’ এখানে ‘অতিরিক্ত’ বোঝানোর জন্য besides সঠিক।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
Beside: এটি একটি Preposition যার অর্থ হলো ‘পাশে’ বা ‘সংলগ্ন’ (by the side of)। এটি এখানে অর্থের দিক থেকে সম্পূর্ণ বেমানান।
উদাহরণ: He sat beside me (সে আমার পাশে বসেছিল)।
Also/As well: এই শব্দগুলো Adverb হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘too’ বা ‘এছাড়াও’। এইগুলো বাক্যের শেষে বা ভার্বের আগে বসে, কিন্তু সরাসরি this (pronoun/noun phrase) এর পূর্বে Preposition হিসেবে বসে না।
123

The team is ___ eleven players.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. made of
  2. made up of
  3. made up
  4. made

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

make up- মনস্থির করা। make of- কোনো কিছু দিয়ে তৈরি হওয়া। make up of- কতগুলো অংশ বিশেষ নিয়ে গঠিত হওয়া। make- তৈরি করা। একটি দল এগারজন খেলোয়াড় সমন্বয়ে গঠিত হয়। সুতরাং দল যেহেতু কতগুলো player নিয়ে গঠিত হয়, সে অর্থে উত্তর (খ) সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো made up of
এই বাক্যটিতে বলা হচ্ছে, একটি দল কতজন সদস্য নিয়ে গঠিত। যখন কোনো কিছু অন্য কতগুলো অংশ বা উপাদান নিয়ে গঠিত হয় (to consist of/be composed of) বোঝানো হয়, তখন 'be made up of' ফ্রেজটি ব্যবহৃত হয়।
এখানে, 'The team is made up of eleven players' অর্থাৎ, দলটি এগারো জন খেলোয়াড় নিয়ে গঠিত।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
Made of: এটি সাধারণত কোনো বস্তুর উপাদান বা কাঁচামাল বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, যেখানে মূল উপাদানটি অপরিবর্তিত থাকে (যেমন: The chair is made of wood)। এটি সংখ্যা বা সদস্যের সমষ্টি বোঝায় না।
Made up: এই ফ্রেজটির অর্থ সাধারণত 'বানিয়ে বলা' (invented) বা 'ক্ষতিপূরণ দেওয়া'। উদাহরণ: He made up the story (সে গল্পটি বানিয়ে বলেছিল)।
124

My wife reminded me ___.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. of my appointment
  2. to go my appointment
  3. to my appointment
  4. my appointment

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

এখানে remind একটি transitive verb. আর এর ব্যবহারের ক্ষেত্রে যে structure টি অনুসরণ করা হয়। তা হলো Transitive verb + noun/pronoun + prepositional phrase. (He reminds me of his brother.)

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (ক) of my appointment
Remind verb-টির ব্যবহারের দুটি প্রধান কাঠামো আছে, যা Appropriate Preposition বা Verb Structure এর ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১. কাউকে কোনো কিছু (বস্তু/ঘটনা/বিষয়) মনে করিয়ে দেওয়া বোঝালে, Remind এর পরে of বসে।
Structure: Subject + Remind + Object + of + Noun/Gerund.
২. কাউকে কোনো কাজ (ক্রিয়া) করতে মনে করিয়ে দেওয়া বোঝালে, Remind এর পরে to + Verb (base form) বসে।
Structure: Subject + Remind + Object + to do something.
প্রদত্ত বাক্যে, 'my appointment' একটি বস্তু বা ঘটনা। এটি কোনো কাজ বা অ্যাকশন নয়, তাই এখানে of ব্যবহার করতে হবে।
উদাহরণ: My wife reminded me of the debt. (আমার স্ত্রী আমাকে ঋণের কথা মনে করিয়ে দিল।)
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা Remind verb-এর সঠিক কাঠামো অনুসরণ করেনি। যেমন: 'to go my appointment' ব্যাকরণগতভাবে ভুল। এটি যদি কোনো কাজ বোঝাতো, তাহলে হতো 'to go to my appointment'।
125

At least one of the students ___ full marks every time.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. get
  2. are getting
  3. gets
  4. have got

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

One of + plural noun/pronoun-এর পর singular verb হয়। কারণ one sentence-এর subject.

ব্যাখ্যা

বাক্যটিতে মূল সাবজেক্ট হলো ‘one’ যা ‘of the students’ নামক প্রেপজিশনাল ফ্রেজ দ্বারা অনুসরণ করা হয়েছে।
Subject-Verb Agreement (SVA)-এর নিয়ম অনুযায়ী, যখন কোনো বাক্যে ‘One of the’ অথবা ‘Each of the’ থাকে, তখন মূল সাবজেক্ট হয় One/Each। যদিও এর পরে প্লুরাল নাউন (students) বসে, ভার্বটি অবশ্যই সিঙ্গুলার হবে।
যেহেতু ‘one’ হলো থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার নাম্বার এবং বাক্যটি একটি অভ্যাসগত সত্যকে (every time) নির্দেশ করায় এটি Simple Present Tense হবে।
Simple Present Tense-এ থার্ড পার্সন সিঙ্গুলার সাবজেক্টের পরে মূল ভার্বের সাথে ‘s’ বা ‘es’ যুক্ত হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে gets। (Option C)
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ 'get', 'are getting', এবং 'have got' সবগুলোই প্লুরাল ভার্ব যা সিঙ্গুলার সাবজেক্ট (one)-এর সাথে অসম্মত।
126

Please ___ the necessity of arriving early.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. emphasise about
  2. emphasise to
  3. emphasise on
  4. emphasise

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Emphasis (n)-এর পর on বসে কিন্তু এর verb ‘emphasise’-এর পর সাধারণত কোনো preposition হয় না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: emphasise (অপশন D)।
Emphasise শব্দটি একটি Transitive Verb (সকর্মক ক্রিয়া)। Transitive Verb সাধারণত এর পরে কোনো Preposition ছাড়াই সরাসরি Object (এখানে 'the necessity') গ্রহণ করে।
যদি আমরা 'emphasise about', 'emphasise on', বা 'emphasise to' ব্যবহার করি, তবে তা Superfluous Preposition (অতিরিক্ত অনুসর্গ) দোষে দুষ্ট হবে, যা ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
সঠিক বাক্য গঠন হবে: Subject + Emphasise + Object.
(Please) + emphasise + (the necessity of arriving early).
127

I don't think you will have any difficulty ____ a driving license

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to get
  2. in getting
  3. for getting
  4. get

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

difficult শব্দটি adjective এবং এর থেকে গঠিত difficulty শব্দটি noun. সাধারণত have difficulty এর পর to infinitive হয় না। কিন্তু difficult-adjective-এর পর to বসে। সচরাচর difficulty in something-এরূপ ব্যবহারই দেখা যায়। সে দৃষ্টিতে সঠিক উত্তর (খ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: (b) in getting। এই বাক্যটি একটি নির্দিষ্ট Gerundial Structure বা নিয়ম অনুসরণ করে।
নিয়মটি হলো: যখন কোনো বাক্যে difficulty (কষ্ট/সমস্যা), trouble, বা problem শব্দগুলো Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তখন এরপরে সাধারণত 'in' preposition বসে এবং এরপরে Verber Gerund (V+ing) form ব্যবহৃত হয়।
Formula: have difficulty / trouble / problem + (in) + V-ing.
এখানে, ‘difficulty’ শব্দটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে, তাই শূন্যস্থানে in getting বসবে। বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: 'আমি মনে করি না তোমার ড্রাইভিং লাইসেন্স পেতে কোনো অসুবিধা হবে।'
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ 'to get' (Infinitive) বা 'for getting' (ভুল Preposition) এই কাঠামোর সাথে যায় না, এবং শুধু 'get' (Base form) ব্যাকরণগতভাবে অসমর্থিত।
128

I thought that ____ was the last one.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. the most prettiest of all
  2. prettiest one of all
  3. the prettiest one from all
  4. the prettiest one of all

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

নিয়মানুযায়ী superlative degree-এর পূর্বে সর্বদা the বসে এবং যাদের মধ্যে তুলনা করা হয় তাদের পূর্বে of বসে। এ প্রেক্ষিতে উত্তর (খ) এবং (গ) সঠিক নয়। অন্যদিকে উত্তর (ক)তে most ব্যবহার করায় তা ভুল। কেননা pretty এর superlative degree হলো prettiest তাই most ব্যবহার নিষ্প্রয়োজন। সুতরাং উত্তর (ঘ) সঠিক।

ব্যাখ্যা

বাক্যটিতে 'last one' এবং 'of all' দ্বারা বোঝাচ্ছে যে এটিকে একটি সমগ্র দলের সাথে তুলনা করে শ্রেষ্ঠত্ব বা সর্বোচ্চ অবস্থা নির্দেশ করা হচ্ছে, তাই এখানে Superlative Degree (সর্বোচ্চ স্তর) ব্যবহার করতে হবে।
Rule: Superlative Degree-এর আগে অবশ্যই The আর্টিকেলটি বসাতে হয়।
শব্দটি হলো 'Pretty'। এর Superlative Form হলো prettiest (Pretty \rightarrow Prettier \rightarrow Prettiest)। এটি One-syllable বা Two-syllable (ending in -y) Adjective হওয়ায় এর সাথে 'most' ব্যবহার করা যায় না।
সুতরাং, সঠিক গঠনটি হলো: The + prettiest + one + of all
অপশন (A) 'the most prettiest' ভুল, কারণ এটি একটি Double Superlative (দ্বৈত সুপারলেটিভ) যেখানে 'most' এবং '-est' দুটোই একসাথে ব্যবহার করা হয়েছে।
অপশন (B) 'prettiest one of all' ভুল, কারণ Superlative Degree-এর আগে The অনুপস্থিত।
অপশন (C) 'the prettiest one from all' ভুল, কারণ দল বা সমষ্টি বোঝাতে Superlative-এর পরে সাধারণত of preposition ব্যবহৃত হয়, from নয়।
129

The ministers arrived ____ a decision last night.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to
  2. at
  3. on
  4. by

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Arrive to-এ ধরনের কোনো ব্যবহার পাওয়া যায় না। Arrive at- উপনীত হওয়া। Arrive by-এ ধরনের কোন ব্যবহারও পাওয়া যায় না। Arrive on-এ ধরনের কোন ব্যবহারও পাওয়া যায় না। সুতরাং সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া অর্থে (খ) উত্তরটিই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো at। এখানে 'Arrive at' হলো একটি ফ্রেজাল ভার্ব (Phrasal Verb) বা নির্দিষ্ট Appropriate Preposition-এর ব্যবহার।
যখন কোনো ব্যক্তি বা দল কোনো বিমূর্ত লক্ষ্য (Abstract Goal) যেমন — সিদ্ধান্ত, উপসংহার বা সমাধানে পৌঁছায় (to reach a conclusion or decision), তখন Arrive-এর পরে at বসে।
বাক্যটির অর্থ: মন্ত্রীরা গত রাতে একটি সিদ্ধান্তে পৌঁছালেন। ইংরেজিতে এর সঠিক কাঠামো হলো: Arrived at a decision.
অন্যান্য অপশনগুলো (to, on, by) এই ভাব বা অর্থ প্রকাশ করতে পারে না, তাই সেগুলো এক্ষেত্রে ভুল।
130

She is beaufitul but she is ____ her mother.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. most beautiful
  2. less beautiful
  3. as beautiful
  4. not so beautiful as

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাধারণত দুজন ব্যক্তি বা দুটি বস্তুর মধ্যে সাদৃশ্য (similarity) বুঝাতে as.....as এবং বৈসাদৃশ্য (dissimilarity) বুঝাতে so.....as ব্যবহৃত হয়। এ sentence টিতে বৈসাদৃশ্য বুঝাচ্ছে। সুতরাং উত্তর (ঘ) সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: not so beautiful as
বাক্যটিতে দুটি অংশের মধ্যে তুলনা করা হচ্ছে এবং কনজাংশন হিসেবে but (কিন্তু) ব্যবহৃত হয়েছে। 'But' ব্যবহারের অর্থ হলো প্রথম অংশে যা বলা হয়েছে, দ্বিতীয় অংশে তার সাথে একটি বৈপরীত্য বা ভিন্নতা থাকবে।
প্রথম অংশ: 'She is beautiful' (সে সুন্দরী) — এটি একটি ইতিবাচক বর্ণনা।
দ্বিতীয় অংশ: 'but she is ____ her mother.' বৈপরীত্য বোঝানোর জন্য তাকে মায়ের চেয়ে কম সুন্দর বা মায়ের সমতুল্য নয়— এমন কিছু বলতে হবে।
তুলনার (Comparison) ক্ষেত্রে, যদি আমরা Negative Equative Comparison করি (অর্থাৎ সমান নয় বোঝাই), তাহলে গঠনটি হয়:
Subject + Verb + not + so/as + Adjective (Positive Degree) + as + Object.
সুতরাং, 'She is beautiful but she is not so beautiful as her mother' বাক্যটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক এবং অর্থের দিক থেকেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: 'most beautiful' (Superlative) এর পরে 'than' বা সঠিক প্রিপজিশন নেই। 'less beautiful' এর পরেও 'than' প্রয়োজন ছিল। 'as beautiful' গঠনটির ক্ষেত্রে একটি 'as' নেই, এবং 'but' এর সাথে এই গঠনটি অর্থপূর্ণ হতো না।
131

The government gave ____ the demands of the people.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in to
  2. in
  3. to
  4. over to

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Give in to  দাবি পূরণ করতে রাজি হওয়া; give in বশ্যতা স্বীকার করা; give to কাউকে কিছু দেওয়া; give over to- কোনো কিছুতে বিলিয়ে দেয়া। সুতরাং অর্থগত দিক থেকে (ক)-ই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (A) in to
প্রদত্ত শূন্যস্থানে একটি ফ্রেজাল ভার্ব (Phrasal Verb) বা গ্রুপ ভার্ব বসাতে হবে। এখানে 'gave in to' ব্যবহৃত হয়েছে।
'Give in to' এই ফ্রেজাল ভার্বটির অর্থ হলো— কোনো দাবি বা চাপের মুখে নতি স্বীকার করা, সম্মত হওয়া বা হার মেনে নেওয়া (to yield to pressure or demand)।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: 'The government gave in to the demands of the people.' অর্থাৎ, 'জনগণের দাবির কাছে সরকার নতি স্বীকার করেছিল।'
অন্যান্য অপশন যেমন 'in', 'to', বা 'over to' বাক্যে কোনো অর্থপূর্ণ ফ্রেজাল ভার্ব তৈরি করতে পারে না। বিশেষভাবে, 'give in' এবং 'to' মিলে এখানে Surrender-এর ভাব প্রকাশ করছে।
132

The Second World War broke ____ in September, 1939.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. through
  2. away
  3. out
  4. in

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Break through-জোর করে পথ করা। Break away-পলায়ন করা। Break out- প্রাদুর্ভাব হওয়া, শুরু হওয়া। Break in- বলপূর্বক প্রবেশ করা, বলপূর্বক নিজেকে ছাড়ানো। এখানে বাক্যের ভাবানুযায়ী Broke out (শুরু হওয়া) ব্যবহারই যথার্থ। কারণ যুদ্ধ আরম্ভ হওয়া অর্থই স্বাভাবিক ও যুক্তিযুক্ত। সুতরাং (গ) উত্তরটি সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: out
কারণ বাক্যটিতে Phrasal Verb-এর সঠিক প্রয়োগ জানতে চাওয়া হয়েছে।
Break out একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Phrasal Verb, যার অর্থ হলো—'হঠাৎ শুরু হওয়া' বা 'প্রকাশ পাওয়া' (To start suddenly, usually concerning war, fire, or disease)।
বাক্যটির অর্থ: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ১৯৩৯ সালের সেপ্টেম্বরে হঠাৎ শুরু হয়েছিল। এই অর্থের জন্য break out হলো একমাত্র সঠিক প্রয়োগ।
অন্যান্য অপশনগুলোর প্রয়োগ ভিন্ন:
  • Break through মানে: কোনো বাধা ভেদ করে বেরিয়ে আসা (penetrate successfully)।
  • Break away মানে: কোনো দল বা গোষ্ঠী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া বা পালিয়ে যাওয়া।
  • Break in মানে: জোর করে প্রবেশ করা বা কথায় বাধা দেওয়া।
133

The correct meaning of the word-'Gullible'

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. foolish
  2. willing to believe anything or anyone
  3. simple
  4. easily deceived

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে Gullibe অর্থ সহজে প্রতারণাযোগ্য। foolish -বোকা। Willing to believe anything or anyone -যে কোনো কিছু বা যে কাউকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছুক। Simple-সাধারণ। easily deceived- অনায়াসে প্রতারিত। Oxford Dictionary-অনুযায়ী (খ) এবং (ঘ) দুটি উত্তরই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: willing to believe anything or anyone (যা BCS-এর অপশন বিন্যাস অনুযায়ী সাধারণত সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হয়)।

শব্দটির অর্থ হলো: যে ব্যক্তি অতি সহজে কাউকে বা যেকোনো কিছুকে বিশ্বাস করে ফেলে এবং ফলস্বরূপ প্রতারিত হয়।
Gullible (অ্যাডজেক্টিভ) শব্দের বাংলা অর্থ হলো: অতি সরল, সহজেই বিশ্বাসপ্রবণ বা সহজে প্রতারিত হওয়ার যোগ্য
অতএব, এর সবচেয়ে নিকটতম এবং সঠিক সংজ্ঞা প্রদান করে অপশনটি— 'willing to believe anything or anyone' (যে কাউকে বা যেকোনো কিছু বিশ্বাস করতে প্রস্তুত)।

এছাড়া, অপশন 'easily deceived' (সহজে প্রতারিত) এটিও 'Gullible'-এর একটি অত্যন্ত সঠিক সমার্থক অর্থ বা ফলাফল। যেহেতু এটি একটি পরীক্ষার প্রশ্ন, অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভালো সংজ্ঞাটি (willing to believe) উত্তর হিসেবে গ্রহণযোগ্য।

অন্য অপশনগুলো ভুল কেন:
Foolish: এর অর্থ বোকা। যদিও Gullible ব্যক্তি বোকা হতে পারে, কিন্তু এটি সরাসরি সংজ্ঞা নয়।
Simple: এর অর্থ সহজ বা সরল। এটি শব্দটির সঠিক অর্থকে সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করে না।
134

The correct meaning of the word-'Viable'

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. possible
  2. that can be done
  3. capable
  4. that will work

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Possible-সম্ভব। এখানে viable অর্থ টিকে থাকতে সমর্থ। that can be done-যা করা সম্ভব। capable- সক্ষম বা সমর্থ। that will work- যেটি কাজ করবে। Oxford Dictionary অনুযায়ী 'that can be done'- এটি viable-এর সমার্থক। তবে ‘সমর্থ’ অর্থে ‘capable’ ও সঠিক। সুতরাং ‘খ’ এবং ‘গ’ দুটিই সঠিক।

ব্যাখ্যা

শব্দটি হলো Viable, যার অর্থ হলো— কোনো কিছু সফলভাবে কাজ করার বা টিকে থাকার ক্ষমতা। এর বাংলা প্রতিশব্দ হলো: কার্যকর, টেকসই, অথবা সক্ষম
সঠিক উত্তর হিসেবে অপশন 'capable' (সক্ষম বা যোগ্য) Viable-এর অর্থকে সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে, বিশেষত যখন এটি কোনো প্রক্রিয়া বা ব্যবস্থার কার্যকারিতা (capability to work successfully) বোঝায়।
অন্যান্য অপশন যেমন 'possible' (সম্ভব) বা 'that can be done' (যা করা যায়) কেবল কাজের প্রাথমিক সম্ভাব্যতা বোঝায়, কিন্তু Viable শব্দটি দ্বারা কার্যকরভাবে টিকে থাকার বা সফল হওয়ার গভীর ক্ষমতা বোঝানো হয়। তাই capable হলো এই শব্দটির সেরা প্রতিশব্দ।
135

The correct meaning of the word-'Handy'

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. comfortable
  2. useful
  3. convenient to handle or use

  4. necessary

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এখানে Handy অর্থ সুবিধাজনক বা দরকারী। Comfortable-আরামদায়ক useful- উপকারী। convenient to handle or use- ব্যবহার বা নাড়াচাড়ায় সুবিধাজনক। necessary- প্রয়োজনীয়। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: useful (উপযোগী/ব্যবহারযোগ্য)
শব্দটির সঠিক অর্থ জানার জন্য এর মূল সংজ্ঞাটি বুঝতে হবে। 'Handy' (হ্যাণ্ডি) শব্দের অর্থ হলো— যা সহজে ব্যবহার করা যায়, যা হাতের কাছে আছে, অথবা যা খুবই উপকারী (Useful)
যেমন: 'A handy little knife' (একটি হাতের কাছে রাখা ছোট ছুরি)। এর মানে হলো ছুরিটি convenient to handle or use এবং useful
যদিও অপশন (২) 'convenient to handle or use' একটি সম্পূর্ণ সংজ্ঞা, তবুও সিনোনিম হিসেবে 'useful' শব্দটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য এবং প্রায়োগিক অর্থ বহন করে, তাই এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হবে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
- comfortable (আরামদায়ক): এটি Handy-এর সরাসরি প্রতিশব্দ নয়।
- necessary (প্রয়োজনীয়): Handy মানে উপকারী, কিন্তু অপরিহার্য বা Necessary নয়।
136

Select the pair that best expresses a relationship similar to that expressed in the original pair. 

Conscious... Careless.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Careful ......... Indifferent
  2. Graceful ......... Ugly
  3. Generous ......... Unkind
  4. Well-informed ......... Knowing little

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Conscious অর্থ সচেতন, সজ্ঞান এবং Careless অর্থ অসচেতন, অসতর্ক, অমনোযোগী। অতএব শব্দজোড়ার মধ্যে antonymous relation রয়েছে। উত্তর (ক)-তে আছে, Careful- সচেতন, সজ্ঞান। Indifferent-অনিহা, অমনোযোগী। (খ)-তে আছে, Graceful- লাবণ্যময়, সুশ্রী, সুন্দর। Ugly-কুৎসিত, কদাকার। (গ)-তে আছে, Generous-উদার, সদাশয়, দয়ালু। Unkind-নির্দয়, অসদাশয়, অনুদার প্রভৃতি। (ঘ)-তে আছে, Well-informed-ভালোভাবে জ্ঞাত। Knowing little- স্বল্প জ্ঞাত, ভালোভাবে জ্ঞাত নয়। প্রদত্ত অপশনে এর সবগুলো antonymous.

ব্যাখ্যা

এই ধরনের Analogy (সাদৃশ্য বিচার)-এর প্রশ্ন সমাধানের জন্য প্রথমে মূল জোড়াটির (Original Pair) মধ্যেকার সম্পর্কটি চিহ্নিত করতে হবে।
মূল জোড়া: Conscious... Careless
এখানে, Conscious (সচেতন/সজাগ) এবং Careless (অসতর্ক/বেখেয়ালি) হলো পরস্পর বিপরীতার্থক শব্দ (Antonyms)। সম্পর্কটি হলো 'সতর্কতা বনাম অসতর্কতা' বা 'মনোযোগ বনাম মনোযোগের অভাব'।
এবার অপশনগুলো বিবেচনা করুন:
১. Careful ......... Indifferent: Careful মানে সতর্ক বা মনোযোগী, যা 'Conscious'-এর কাছাকাছি। Indifferent মানে উদাসীন বা বেখেয়াল, যা 'Careless'-এর কাছাকাছি। অর্থাৎ, এই জোড়াতেও সম্পর্কটি বিপরীতার্থক (Antonym) এবং অর্থের দিক থেকে মূল জোড়ার (Attentive vs. Lacking Attention) সাথে সবচেয়ে বেশি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
২. Graceful ......... Ugly: এগুলি বিপরীতার্থক হলেও, সম্পর্কটি বাহ্যিক সৌন্দর্য বা চলনভঙ্গির সাথে সম্পর্কিত, মনোযোগ বা সতর্কতার সাথে নয়।
৩. Generous ......... Unkind: এগুলিও বিপরীতার্থক, কিন্তু সম্পর্কটি নৈতিক চরিত্র বা উদারতার সাথে সম্পর্কিত, মনোযোগের অভাবের সাথে নয়।
৪. Well-informed ......... Knowing little: এগুলি জ্ঞানের মাত্রার উপর ভিত্তি করে বিপরীতার্থক। এটি মূল সম্পর্কের চেয়ে কম প্রাসঙ্গিক।
অতএব, **Careful (সতর্ক)** এবং **Indifferent (উদাসীন)** জোড়াটি মূল জোড়ার সম্পর্কটিকে (Attention vs. Lack of Attention) সবচেয়ে ভালোভাবে প্রকাশ করে।
সঠিক উত্তর: Careful ......... Indifferent
137

বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা জেলা প্রাচীনকালে কোন জনপদের অন্তর্ভুক্ত ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমতট
  2. পুণ্ড্র
  3. বঙ্গ
  4. হরিকেল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বঙ্গ খুবই প্রাচীন জনপদ। ‘ঐতরেয় আরণ্যক’ গ্রন্হে সর্বপ্রথম বঙ্গ-এর উল্লেখ পাওয়া যায়। প্রাচীনকালে বঙ্গ জনপদের অন্তর্ভুক্ত জেলাগুলো কুষ্টিয়া, যশোর, নদীয়া, শান্তিপুর, ঢাকা, ফরিদপুর এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বঙ্গ
প্রাচীনকালে বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে 'বঙ্গ' ছিল সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এবং বিস্তৃত। বর্তমান বৃহত্তর ঢাকা (ঢাকা, গাজীপুর, মুন্সিগঞ্জ), ফরিদপুর, বরিশাল, পটুয়াখালী এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের অংশবিশেষ নিয়ে এই জনপদ গঠিত হয়েছিল।
এই জনপদের মূল কেন্দ্র ছিল বাংলার দক্ষিণ-পূর্ব অংশ। এই জনপদের নাম থেকেই পরবর্তীতে 'বাঙ্গালা' বা 'বাংলা' নামের উৎপত্তি হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
পুণ্ড্র: এটি ছিল বাংলার উত্তর ও উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলে (বগুড়া, দিনাজপুর, রাজশাহী) অবস্থিত, যার রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর (মহাস্থানগড়)।
সমতট: এটি সাধারণত কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের সমতল ভূমি নিয়ে গঠিত ছিল, যার কেন্দ্র ছিল ময়নামতি
হরিকেল: এটি মূলত চট্টগ্রাম অঞ্চলসহ উপকূলীয় পূর্ব বাংলাকে নির্দেশ করত।
138

বাংলায় মুসলিম আধিপত্য বিস্তারের সূচনা কে করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলী মর্দান খলজী
  2. তুঘরিল খান
  3. ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
  4. শামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১২০৪ সালে বখতিয়ার খলজি অশ্ব বিক্রেতার বেশে অতর্কিতে লক্ষ্মণ সেনের রাজধানী নদীয়া আক্রমণ করলে লক্ষ্মণ সেন পূর্বদিকে পলায়ন করে এবং বখতিয়ার খলজি বাংলায় মুসলিম শাসনের সূত্রপাত ঘটান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইখতিয়ারউদ্দিন মুহাম্মদ বিন বখতিয়ার খলজি
বখতিয়ার খলজি ছিলেন মূলত দিল্লির সুলতান কুতুবউদ্দিন আইবকের অধীনস্থ একজন সামরিক নেতা। তিনি ১২০৪ থেকে ১২০৫ খ্রিস্টাব্দে সেন বংশের রাজা লক্ষ্মণ সেনকে পরাজিত করে বাংলার একটি অংশ (নদীয়া ও পরবর্তীতে লক্ষণাবতী/গৌড়) জয় করেন।
ঐতিহাসিকভাবে, এই বিজয়ের মাধ্যমেই বাংলায় প্রায় ৫৫০ বছরের মুসলিম আধিপত্যের ভিত্তি স্থাপিত হয়, তাই তাকেই এই আধিপত্য বিস্তারের সূচনাকারী বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: আলী মর্দান খলজী, তুঘরিল খানশামসুদ্দিন ফিরোজ শাহ— এরা সবাই বখতিয়ার খলজির বিজয়ের পরবর্তী সময়ে বাংলার শাসনভার গ্রহণ করেছিলেন বা স্বাধীনতা ঘোষণা করেছিলেন, কিন্তু সূচনা তারা করেননি।
139

ঢাকায় সুবা-বাংলার রাজধানী কখন স্থাপিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬১০ সালে
  2. ১৫৭৬ সালে
  3. ১৯০৫ সালে
  4. ১৯৪৭ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৬১০ সালে সুবাদার ইসলাম খান কর্তৃক বাংলার রাজধানী বিহারের রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তরিত হয় এবং নামকরণ করা হয় জাহাঙ্গীরনগর। স্বাধীনতার পূর্বে ঢাকা চারবার (১৬১০, ১৬৬০, ১৯০৫ ও ১৯৪৭ সালে) বাংলার রাজধানীর মর্যাদা লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬১০ সালে
মোঘল সুবাদার ইসলাম খান চিশতি (Islam Khan Chisti) ১৬১০ সালে রাজমহল থেকে সুবা-বাংলার রাজধানী ঢাকায় স্থানান্তর করেন।
তিনি মোঘল সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে ঢাকার নামকরণ করেন জাহাঙ্গীরনগর
১৬১০ সাল থেকেই ঢাকা মোঘল সুবা-বাংলার প্রশাসনিক কেন্দ্রে পরিণত হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ, তবে এই প্রশ্নের উত্তর নয়:
১৫৭৬ সালে: এই বছর রাজমহলের যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়, যার মাধ্যমে বাংলায় আফগান/স্বাধীন সুলতানি শাসনের অবসান ঘটে এবং মোঘল শাসন দৃঢ় হয়।
১৯০৫ সালে: এই বছর বঙ্গভঙ্গ (Partition of Bengal) কার্যকর হলে ঢাকা পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশের রাজধানীতে পরিণত হয়।
140

কোন মুঘল সুবাদার চট্টগ্রাম দখল করে এর নাম রাখেন ইসলামাবাদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসলাম খান
  2. রাজা মানসিংহ
  3. মীর জুমলা
  4. শায়েস্তা খান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শায়েস্তা খান মগ জলদস্যুদের তাড়িয়ে চট্টগ্রাম দখল করেন এবং এর নাম রাখেন ‘ইসলামাবাদ’। পরে তিনি ছোট কাটরা এবং মোহাম্মদপুরের সাত গম্বুজ মসজিদ (১৬৮০ সালে) নির্মাণ করেন। উল্লেখ্য, মুঘল সম্রাট জাহাঙ্গীর ক্ষমতা দখল করে ইসলাম খানকে বাংলার সুবেদার (১৬০৮-১৬১৩ খ্রি.) নিয়োগ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: শায়েস্তা খান
মুঘল সুবাদার শায়েস্তা খান ১৬৬৬ খ্রিস্টাব্দে আরাকানের মগ ও পর্তুগিজ জলদস্যুদের হাত থেকে চট্টগ্রাম পুনরুদ্ধার করেন।
এই বিজয়ের পর তিনি চট্টগ্রামের নাম পরিবর্তন করে মুঘল সাম্রাজ্যের সম্মানার্থে ইসলামাবাদ রাখেন। (বর্তমানে যা আবার চট্টগ্রাম নামে পরিচিত।)
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ মুঘল সুবাদার হলেও তারা চট্টগ্রাম দখল করে নাম পরিবর্তন করেননি। যেমন—ইসলাম খান চিশতি ঢাকার নাম পরিবর্তন করে সম্রাট জাহাঙ্গীরের নামানুসারে জাহাঙ্গীরনগর রাখেন।
141

ইংরেজ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি কখন বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানী লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬৯০ সালে
  2. ১৭৬৫ সালে
  3. ১৭৯৩ সালে
  4. ১৮২৯ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বক্সারের যুদ্ধে (১৭৬৪ সাল) নবাব বাহিনী পরাজিত হলে লর্ড ক্লাইভ মীরজাফরের নাবালক পুত্রকে বাংলার সিংহাসনে বসান। ১৭৬৫ সালে দিল্লির সম্রাট শাহ আলমের নিকট থেকে বার্ষিক ২৬ লাখ টাকার বিনিময়ে ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার দেওয়ানি লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭৬৫ সালে
১৭৬৪ সালের বক্সারের যুদ্ধে জয়লাভের পর ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শক্তি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়। এই জয়ের ফলস্বরূপ, ১৭৬৫ সালের ১২ আগস্ট মুঘল সম্রাট দ্বিতীয় শাহ আলম-এর সাথে কোম্পানির এলাহাবাদের চুক্তি (Treaty of Allahabad) স্বাক্ষরিত হয়।
এই চুক্তির মাধ্যমে কোম্পানি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার রাজস্ব আদায়ের অধিকার বা দেওয়ানী লাভ করে। এই সময় কোম্পানির পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন রবার্ট ক্লাইভ
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: ১৬৯০ সাল ছিল বাংলায় ইংরেজদের বাণিজ্যের শুরুর দিক। ১৭৯৩ সাল ছিল লর্ড কর্নওয়ালিসের চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত প্রবর্তনের বছর।
দেওয়ানী লাভের মাধ্যমেই ভারতে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের ভিত্তি মজবুত হয়।
142

বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলনের উদ্যোক্তা কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাওলানা কেরামত আলী
  2. শাহ ওলিউল্লাহ
  3. হাজী শরীয়তুল্লাহ
  4. পীর মুহসীনুদ্দীন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুসলমানদের ফরজ কাজসমূহ পালনে উদ্বুদ্ধ করার আন্দোলনই ফরায়েজী আন্দোলন, যার নেতৃত্বে দেন হাজী শরীয়তুল্লাহ এবং তার মৃত্যুর পর ফরায়েজী আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন তার একমাত্র পুত্র দুদু মিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাজী শরীয়তুল্লাহ
তিনি ১৮১৮ সালে বাংলায় ফরায়েজী আন্দোলন শুরু করেন। ফরায়েজী শব্দটি 'ফরজ' (আবশ্যিক কর্তব্য) থেকে এসেছে। এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল মুসলিম সমাজ থেকে স্থানীয় কুসংস্কার ও অনৈসলামিক আচার-আচরণ দূর করে ইসলামের মৌলিক ফরজসমূহ পালনের প্রতি গুরুত্বারোপ করা।
হাজী শরীয়তুল্লাহ মূলত ফরিদপুর অঞ্চলে এই আন্দোলনের সূচনা করেন এবং প্রথম দিকে এটি ছিল একটি সমাজ সংস্কারমূলক আন্দোলন।
অন্যান্য অপশন প্রসঙ্গে: পীর মুহসীনুদ্দীন ছিলেন হাজী শরীয়তুল্লাহর পুত্র, যিনি দুদু মিয়া নামে পরিচিত। দুদু মিয়া পরবর্তীকালে এই আন্দোলনকে ব্রিটিশ জমিদার ও নীলকরদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী কৃষক আন্দোলনে পরিণত করেন।
143

বাংলায় মুসলমানদের মধ্যে আধুনিক শিক্ষা প্রচলনের জন্য কে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সৈয়দ আমীর আলী
  2. নওয়াব আবদুল লতিফ
  3. নওয়াব স্যার সলিমুল্লাহ
  4. স্যার সৈয়দ আহমেদ খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

নওয়াব আবদুল লতিফ বাংলার মুসলমানদের মাঝে ইংরেজি শিক্ষা প্রবর্তনে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। তার প্রচেষ্টায় রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত হিন্দু কলেজ ১৮৫৪ সালে প্রেসিডেন্সি কলেজে রূপান্তরিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নওয়াব আবদুল লতিফ
উনিশ শতকে বাংলায় মুসলমান সমাজ আধুনিক শিক্ষা (ইংরেজি শিক্ষা) গ্রহণে তীব্র অনীহা প্রকাশ করায় তারা সরকারি চাকরি ও আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে হিন্দুদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়ে।
এই পশ্চাৎপদতা দূরীকরণে যিনি সবচেয়ে কার্যকর ও অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন, তিনি হলেন নওয়াব আবদুল লতিফ (১৮২৮-১৮৯৩)। তাঁকে বাংলায় মুসলিম নবজাগরণের পথিকৃৎ বলা হয়।
তিনি ১৮৬৩ সালে 'মোহামেডান লিটারারি সোসাইটি' (Mohammedan Literary Society) প্রতিষ্ঠা করেন, যার মূল লক্ষ্য ছিল মুসলমানদের মধ্যে ইংরেজি শিক্ষা ও পাশ্চাত্য জ্ঞান-বিজ্ঞানের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করা।
স্যার সৈয়দ আহমেদ খান এই আন্দোলনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তবে তিনি ছিলেন মূলত উত্তর ভারতে (আলীগড়) মুসলিম আধুনিক শিক্ষা বিস্তারের অগ্রদূত, বাংলায় নয়।
সৈয়দ আমীর আলী রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রেখেছিলেন এবং ১৮৭৭ সালে সেন্ট্রাল ন্যাশনাল মোহামেডান অ্যাসোসিয়েশন প্রতিষ্ঠা করেন।
144

অবিভক্ত বাংলার শেষ মুখ্যমন্ত্রী কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এ কে ফজলুল হক
  2. হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
  3. খাজা নাজিমউদ্দিন
  4. আবুল হাশেম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ১৯২১ সালে বঙ্গীয় ব্যবস্থাপক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৩৭ সালে নির্বাচনের পর তিনি মন্ত্রিসভার সদস্য হন। ১৯৪৬ সালে অবিভক্ত বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হন। ১৯৫৪ সালে পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় যোগ দেন এবং ১৯৫৬ সালে তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী
অবিভক্ত বাংলার প্রাদেশিক সরকারের সর্বশেষ মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।
তাঁর কার্যকাল ছিল ১৯৪৬ সালের ২৩ এপ্রিল থেকে দেশভাগের পূর্ব পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৪৭ সালের ১৪ আগস্ট পর্যন্ত।
এই সময়কার সবচেয়ে আলোচিত ঘটনা ছিল ১৯৪৬ সালের কলকাতা দাঙ্গা (The Great Calcutta Killing), যখন সোহরাওয়ার্দী মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন।
উল্লেখ্য, এ কে ফজলুল হক ছিলেন অবিভক্ত বাংলার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী (১৯৩৭-৪১)।
145

পাকিস্তান শাসনতান্ত্রিক পরিষদের (Constituent Assembly) ধারা বিবরণীতে বাংলা ভাষা ব্যবহারের দাবি কে প্রথম করেছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আবুল হাশেম
  2. শেখ মুজিবুর রহমান
  3. ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ পাকিস্তান গণপরিষদের প্রথম অধিবেশনের শুরুতে গণপরিষদ সদস্য কুমিল্লার ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত (১৮৮৬-১৯৭১) উর্দুর পাশাপাশি বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব উত্থাপন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত
ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসে এই দাবিটি ছিল প্রথম আনুষ্ঠানিক দাবি। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের এই রাজনীতিবিদ, ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৮ সালে পাকিস্তানের করাচিতে অনুষ্ঠিত পাকিস্তান গণপরিষদের (Constituent Assembly) অধিবেশনে বাংলাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা এবং পরিষদের কার্যবিবরণীতে ব্যবহারের দাবি জানিয়েছিলেন।
তিনি যুক্তি দেন যে, পাকিস্তানের অধিকাংশ নাগরিকের ভাষা বাংলা হওয়া সত্ত্বেও এটিকে বাদ দিয়ে কেবলমাত্র উর্দু ও ইংরেজিতে পরিষদের কাজ চালানো হচ্ছে, যা অগণতান্ত্রিক।
তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী লিয়াকত আলী খানসহ অন্যান্য মুসলিম লীগ নেতারা এই প্রস্তাবের তীব্র বিরোধিতা করেন এবং প্রস্তাবটি প্রত্যাখ্যাত হয়। কিন্তু এই ঘটনাই ভাষা আন্দোলনের প্রথম বীজ বপন করে
146

বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করেছে কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পদ্মা

  2. ব্রহ্মপুত্র
  3. মেঘনা
  4. যমুনা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রহ্মপুত্র হিমালয় পর্বতের কৈলাস শৃঙ্গের মানস সরোবরে উৎপত্তি হয়ে তিব্বতে সানপো এবং আসামে ডিহি নাম ধারণ করে। অবশেষে ব্রহ্মপুত্র নামে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। সানপো, ডিহি ও ব্রহ্মপুত্রের মোট দৈর্ঘ্য ২৮৫০ কিমি, যা বিশ্বের ২২তম দীর্ঘ নদী (সূত্র: বাংলাপিডিয়া)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ব্রহ্মপুত্র। এই নদীটি তিব্বতের কৈলাস পর্বতমালায় (চেমা-ইউং-দুং হিমবাহ) উৎপত্তি লাভ করে ভারত ও বাংলাদেশের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র নদের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৯০০ কিলোমিটার (মতান্তরে ২৮৮০ কিমি)। বাংলাদেশের নদীগুলোর মধ্যে এটিই হলো মোট প্রবাহের দিক থেকে দীর্ঘতম নদী।
অন্যদিকে, পদ্মা নদীর মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ২,৫০০ কিলোমিটার এবং মেঘনা নদীটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দীর্ঘতম হলেও এর মোট প্রবাহপথ ব্রহ্মপুত্র অপেক্ষা কম।
147

বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়নামতি
  2. পাহাড়পুর
  3. মহাস্থান গড়
  4. সোনারগাঁও

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বগুড়া জেলার করতোয়া নদীর তীরে অবস্থিত মহাস্থানগড়ের পূর্ব নাম পুণ্ড্রবর্ধন। এটি মৌর্য ও গুপ্ত বংশের রাজাদের রাজধানী ছিল। মহাস্থানগড়ে মৌর্য যুগের শিলালিপি পাওয়া গেছে। এখানে রয়েছে খোদার পাথর ভিটা, বিখ্যাত সাধক শাহ সুলতান বলখী মাহী সওয়ার (র)-এর মাজার শরীফ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মহাস্থান গড়। এটি বাংলাদেশের প্রাচীনতম প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান এবং নগরকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।
মহাস্থান গড় ছিল প্রাচীন পুণ্ড্রবর্ধন জনপদের রাজধানী, যার নাম ছিল পুণ্ড্রনগর
প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের ভিত্তিতে জানা যায়, মহাস্থান গড়ের ইতিহাস কমপক্ষে খ্রিস্টপূর্ব চতুর্থ শতক (মৌর্য আমল) থেকে শুরু হয়। এর ফলে এটিই বাংলাদেশের প্রাচীনতম নগরকেন্দ্র।
অন্যান্য বিকল্প: ময়নামতি (কুমিল্লা, ৭ম-১২শ শতক) এবং পাহাড়পুর (নওগাঁ, ৮ম শতক) পাল ও চন্দ্র রাজবংশের পরবর্তী সময়ের স্থাপনা। সোনারগাঁও ছিল সুলতানি ও মুঘল আমলের মধ্যযুগীয় রাজধানী।
148

বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় মধ্যযুগীয় মসজিদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কুসুম্বা মসজিদ
  2. বড় সোনা মসজিদ
  3. ষাট গম্বুজ মসজিদ
  4. সাত গম্বুজ মসজিদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুলতানী আমলে উলুঘ খান জাহান আলী বাগেরহাট জেলায় ষাটগম্বুজ মসজিদ নির্মাণ করেন। ষাট গম্বুজ মসজিদের মোট গম্বুজ সংখ্যা ৮১টি, চার কোণায় ৪টি এবং মাঝে ৭৭টি। কুসুম্বা মসজিদ নওগাঁ জেলায়, সাত গম্বুজ মসজিদ ঢাকার মোহম্মদপুরে এবং বড় সোনা মসজিদ পশ্চিমবঙ্গের রামকেলিতে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ষাট গম্বুজ মসজিদ
এটি বাংলাদেশের মধ্যযুগীয় স্থাপত্য শিল্পের সর্ববৃহৎ উদাহরণ। মসজিদটি বাগেরহাটে অবস্থিত এবং ১৫শ শতকে এটি নির্মাণ করেন খান জাহান আলী (পঞ্চদশ শতাব্দী)।
নামে ষাট গম্বুজ হলেও এর গম্বুজের সংখ্যা ৭৭টি (মূল ছাদে ৭০টি গম্বুজ এবং চার কোণার চারটি মিনার বা টাওয়ারের উপরে একটি করে মোট ৪টি গম্বুজ। মাঝে খিলানযুক্ত ৭টি চৌচালা ছাদ রয়েছে, যা গম্বুজ হিসাবে গণনা করা হয় না)।
ইউনেস্কো এটিকে ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইট (World Heritage Site) হিসেবে ঘোষণা করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ মধ্যযুগীয় মসজিদ হলেও আয়তনে ষাট গম্বুজ মসজিদের চেয়ে ছোট।
149

ইরানের কবি হাফিজের সাথে পত্রালাপ হয়েছিল বাংলার কোন সুলতানের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
  2. আলাউদ্দীন হুসেন শাহ
  3. ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ
  4. ইলিয়াস শাহ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইলিয়াস শাহী বংশের শেষ সুলতান গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ ফারসি ভাষায় কবিতা লিখতেন। তিনি একটি অসমাপ্ত কবিতা লিখে পারস্য কবি হাফিজের কাছে পাঠান। হাফিজ উক্ত কবিতা সম্পূর্ণ করে সোনারগাঁওয়ে প্রেরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ
বাংলার সুলতানি আমলের ইলিয়াস শাহী বংশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শাসক ছিলেন গিয়াসউদ্দীন আযম শাহ (শাসনকাল: ১৩৯০-১৪১১ খ্রি.)। তিনি ছিলেন সাহিত্য ও জ্ঞান-বিজ্ঞানের একনিষ্ঠ পৃষ্ঠপোষক।
তিনি বিখ্যাত পারস্য কবি শামসউদ্দীন মুহাম্মদ হাফিজ-ই-শিরাজী (Hafez)-এর কাছে বাংলায় আসার আমন্ত্রণ জানিয়ে উপহার পাঠান। হাফিজ শারীরিক অসুস্থতার কারণে বাংলায় আসতে না পারলেও সুলতানের সম্মানে একটি বিখ্যাত ফারসি গজল রচনা করেন, যার প্রথম পংক্তিটি হলো:
সাকিয়ে দিল খোয়াজা” বা ‘আই তুর্ক-ই-শিরজি’।
এই পত্রালাপটি সুলতানি আমলে বাংলার সাংস্কৃতিক ও কূটনৈতিক উচ্চতার প্রমাণ দেয়।
অন্যান্য সুলতান—যেমন আলাউদ্দীন হুসেন শাহ বা ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ—এঁরা নিজ নিজ কারণে বিখ্যাত হলেও হাফিজের সাথে পত্রালাপের জন্য পরিচিত নন।
150

বাংলাদেশের জাতীয় দিবস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ ডিসেম্বর
  2. ২৬ মার্চ
  3. ২১ ফেব্রুয়ারি
  4. ৭ মার্চ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২৬ মার্চ হলো বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। অন্যদিকে ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের বিজয় দিবস, ২১ ফেব্রুয়ারি শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এবং ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ দিবস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৬ মার্চ
যে কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের স্বাধীনতা অর্জনের দিনটি বা আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরুর দিনটিই 'জাতীয় দিবস' (National Day) হিসেবে পালন করা হয়। বাংলাদেশে এই দিনটি হলো স্বাধীনতা দিবস
১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করেন এবং সেই থেকে এই দিনটিকে জাতীয় দিবস বা স্বাধীনতা দিবস হিসেবে সরকারিভাবে পালন করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পগুলোর ব্যাখ্যা:
১৬ ডিসেম্বর: এটি হলো বিজয় দিবস
২১ ফেব্রুয়ারি: এটি শহীদ দিবসআন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
৭ মার্চ: এটি জাতীয় ঐতিহাসিক দিবস হিসেবে পালিত হয়।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “24th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 24th (2003) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

24th (2003) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 24th (2003) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।