সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

37th (2016) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 37th (2016) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 37th (2016) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

কোনটি বাগধারা বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৈত্র সংক্রান্তি
  2. পৌষ সংক্রান্তি
  3. শিরে সংক্রান্তি
  4. শিব-সংক্রান্তি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘শিরে সংক্রান্তি’ বাগধারার অর্থ– আসন্ন বিপদ, উপস্থিত মহাবিপদ, সামনেই বিপদ। চৈত্র সংক্রান্তি, পৌষ সংক্রান্তি এবং শিব সংক্রান্তি বাগধারা নয়। চৈত্র সংক্রান্তি হলো চৈত্র মাসের শেষ দিন। শিব সংক্রান্তি হলো বাঙালি হিন্দুরা শিবের পূজা করে এবং এ উপলক্ষে বিভিন্ন ধরনের উৎসব-অনুষ্ঠান ও মেলা হয়। পৌষ সংক্রান্তি হলো পৌষ মাসের শেষ দিন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো শিরে সংক্রান্তি। এটি একটি প্রচলিত বাগধারা
বাগধারাটির আভিধানিক অর্থ যা-ই হোক না কেন, এটি বিশেষ লাক্ষণিক অর্থ প্রকাশ করে—যার মানে হলো আসন্ন বিপদ বা সর্বনাশ। 'সংক্রান্তি' মানে মাসের শেষ দিন, এবং 'শিরে সংক্রান্তি' দ্বারা বোঝায় বিপদ বা সঙ্কট একদম মাথার উপরে এসে পড়েছে।
অন্যদিকে, চৈত্র সংক্রান্তিপৌষ সংক্রান্তি নির্দিষ্ট উৎসব বা পার্বণ এবং মাসের শেষ দিনকে বোঝায়। এগুলি কোনো বিশেষ বা লাক্ষণিক অর্থ বহন করে না, তাই এগুলি ব্যাকরণগতভাবে বাগধারা নয়।
2

কোনটি মৌলিক শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মানব
  2. গোলাপ
  3. একাঙ্ক
  4. ধাতব

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গঠন অনুসারে বাংলা শব্দ দুই প্রকার। যথা : মৌলিক শব্দ এবং সাধিত শব্দ। যেসব শব্দ বিশ্লেষণ করা যায় না বা ভেঙে আলাদা করা যায় না, সেসব শব্দকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন– গোলাপ, তিন, নাক, লাল, মা, পা ইত্যাদি। অন্যদিকে মানব [মনু + ষ্ণ(অ)], একাঙ্ক (এক + অঙ্ক) ও ধাতব [ধাতু + ষ্ণ(অ)] সাধিত শব্দ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গোলাপ
গঠনগতভাবে শব্দকে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা যায়— ১. মৌলিক শব্দ এবং ২. সাধিত শব্দ
মৌলিক শব্দ: যে শব্দকে কোনোভাবেই বিশ্লেষণ বা ভাঙা যায় না এবং এর খণ্ড অংশগুলোরও কোনো অর্থ থাকে না, তাকে মৌলিক শব্দ বলে। যেমন: হাত, পা, মা, বাবা, ফুল, গোলাপ, বই ইত্যাদি।
এখানে 'গোলাপ' শব্দটিকে ভাঙলে কোনো অর্থপূর্ণ অংশ পাওয়া যায় না, তাই এটি মৌলিক শব্দ।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
মানব: এটি একটি সাধিত শব্দ। এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত (মনু + ষ্ণ/অণ)।
ধাতব: এটিও একটি সাধিত শব্দ। এটি প্রত্যয়যোগে গঠিত (ধাতু + অণ/ষ্ণ)।
একাঙ্ক: এটিও সাধিত শব্দ। এটি সন্ধি বা সমাসযোগে গঠিত হতে পারে (এক + অঙ্ক)।
3

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থসমূহের মধ্যে কোনটি ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য
  2. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস
  3. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত
  4. বাংলা সাহিত্যের কথা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলা সাহিত্যের কথা। এটি বাঙালি পণ্ডিত ও ভাষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর লেখা বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক গ্রন্থ।
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর এই গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যকে ভাষা ও জাতিগত দৃষ্টিকোণ থেকে বিশ্লেষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ, যেগুলো পরীক্ষায় বারবার আসে:
১. বঙ্গভাষা ও সাহিত্য: এটি রচনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। এটিই বাংলা ভাষায় লেখা সাহিত্যের ইতিহাসের প্রথম পূর্ণাঙ্গ গ্রন্থ।
২. বাঙ্গালা সাহিত্যের ইতিহাস: এটি রচনা করেন বিখ্যাত ভাষাবিজ্ঞানী ড. সুকুমার সেন। এই গ্রন্থটি চারটি খণ্ডে বিভক্ত।
৩. বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত: এটি যৌথভাবে রচনা করেন মুহম্মদ আব্দুল হাইসৈয়দ আলী আহসান
4

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম পত্রিকার সম্পাদকের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুনীর চৌধুরী
  2. হাসান হাফিজুর রহমান
  3. শামসুর রাহমান
  4. গাজীউল হক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন ‘একুশে ফেব্রুয়ারী’-এর সম্পাদক হাসান হাফিজুর রহমান। ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম নাটক ‘কবর’-এর রচয়িতা মুনীর চৌধুরী। ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ভাষাসৈনিক হিসেবে পরিচিত গাজীউল হক। কবি শামসুর রাহমান তার সাংবাদিকতা শুরু করেন ১৯৫৭ সালে ইংরেজি দৈনিক ‘দ্য মর্নিং নিইজ’ এর সহসম্পাদক হিসেবে। পরবর্তী সময়ে তিনি ‘দৈনিক বাংলা’ এবং ‘সাপ্তাহিক বিচিত্রা’র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: হাসান হাফিজুর রহমান
ভাষা আন্দোলনভিত্তিক প্রথম সংকলন/পত্রিকার নাম ছিল 'একুশে ফেব্রুয়ারী'। এই ঐতিহাসিক সংকলনটি ১৯৫৩ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয় এবং এর সম্পাদনা করেন কবি হাসান হাফিজুর রহমান
এটিই ভাষা আন্দোলনের ইতিহাস, কবিতা ও প্রবন্ধ নিয়ে প্রকাশিত প্রথম পূর্ণাঙ্গ সাহিত্যকর্ম, যা পরবর্তীতে ভাষা আন্দোলনভিত্তিক সাহিত্য রচনার ক্ষেত্রে ভিত্তি স্থাপন করে।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে মুনীর চৌধুরী ভাষা আন্দোলনভিত্তিক বিখ্যাত নাটক 'কবর' রচনা করেন এবং শামসুর রাহমান ‘বর্ণমালা, আমার দুঃখিনী বর্ণমালা’ এর মতো কালজয়ী কবিতা রচনা করেন।
গাজীউল হক ছিলেন ভাষা আন্দোলনের অন্যতম সক্রিয় সংগঠক ও ‘ভুলব না, ভুলব না’ গানটির রচয়িতা, তবে তিনি প্রথম পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন না।
5

নিচের কোন বানানগুচ্ছের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব
  2. অনূর্বর, ঊর্ধ্বগামী, শুদ্ধ্যশুদ্ধি
  3. ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃষ্বসা
  4. রানি, বিকিরণ, দুরতিক্রম্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব অপশনের সবগুলো বানানই অশুদ্ধ। শুদ্ধরূপ : নিক্বণ, সূচ্যগ্র ও অনূর্ধ্ব। অন্যদিকে অপশনের অনূর্বর ও শুদ্যশুদ্ধি এবং অপশনের ভূঁড়িওয়ালা শব্দের শুদ্ধরূপ যথাক্রমে– অনুর্বর শুদ্ধাশুদ্ধি ও ভুঁড়িওয়ালা। বাকি অপশনের সবগুলো বানানই শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (ক) নিক্কণ, সূচগ্র, অনুর্ধ্ব। কারণ, এই গুচ্ছের তিনটি বানানই অশুদ্ধ বা ভুলভাবে লেখা হয়েছে।
ভুল বানানের বিশ্লেষণ এবং শুদ্ধ রূপ:
১. নিক্কণ (অশুদ্ধ): এর শুদ্ধ রূপ হলো নিক্বণ বা নিনাদ। ‘নিক্কণ’ (ক্ + ক) নয়, এটি হবে 'ক্ব' (ক্ + ব) যুক্ত নিক্বণ
২. সূচগ্র (অশুদ্ধ): এটি সন্ধিজনিত ভুল। এর শুদ্ধ রূপ হলো সূচ্যগ্র। এটি 'সূচি + অগ্র' সন্ধির মাধ্যমে গঠিত হয় এবং পূর্ব পদের শেষ বর্ণ ি/ী এর পর অন্য স্বরধ্বনি এলে 'য-ফলা' (্) আসে। (সূচি+অগ্র = সূচ্যগ্র)।
৩. অনুর্ধ্ব (অশুদ্ধ): এর শুদ্ধ রূপ হলো অনূর্ধ্ব। এখানে 'অন্' (নঞর্থক অব্যয়) এর সাথে 'ঊর্ধ্ব' যুক্ত হয়ে গঠিত। রেফ (র‍) এর পর সব সময় দীর্ঘ ঊ-কার (ূ) ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, অপশন (খ)-এ 'শুদ্ধ্যশুদ্ধি'-এর শুদ্ধ রূপ শুদ্ধাশুদ্ধি। অপশন (গ)-এর ভূরিভূরি, ভূঁড়িওয়ালা, মাতৃষ্বসা সবগুলোই শুদ্ধ বানান (বাংলা একাডেমি প্রমিত বানান অনুযায়ী)। অপশন (ঘ)-এর রানি, বিকিরণ শুদ্ধ হলেও, দুরতিক্রম্য বানানটি প্রচলিত হলেও অনেকে এটিকে দুরতিক্রমণীয় হিসাবে শুদ্ধ মানেন। কিন্তু যেহেতু (ক) তে সবগুলি বানান নিশ্চিতভাবে অশুদ্ধ, তাই (ক)-ই উত্তর।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার’-এর প্রবর্তক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মমতাজউদদীন আহমদ
  2. আব্দুল্লাহ আল মামুন
  3. সেলিম আল দীন
  4. রামেন্দু মজুমদার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নাট্যকার ড. সেলিম আল দীন নাসিরউদ্দীন ইউসুফের সাথে ১৯৮১-৮২ সালে ‘গ্রাম থিয়েটার’ গঠন করেন এবং তিনি ছিলেন ঢাকা থিয়েটারের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য। সর্প বিষয়ক গল্প ও অন্যান্য, বাসন, কেরামতমঙ্গল, কিত্তনখোলা, মুনতাসীর ফ্যান্টাসি, চাকা, যৈবতী কন্যার মন, বনপাংশুল, হরগজ, জন্ডিস ও বিবিধ বেলুন, হাতহদাই, নিমজ্জন ইত্যাদি হলো তার রচিত উল্লেখযোগ্য নাটক। স্বাধীনতা আমার স্বাধীনতা, কী চাহ শঙ্খচিল, প্রেম বিষয়ক সুটকেস, রাজা অনুস্বারের পালা, সাত ঘাটের কানাকড়ি, রাক্ষুসি, এই সেই কণ্ঠস্বর, বকুলপুরের স্বাধীনতা, বর্ণচোরা ইত্যাদি মমতাজ উদ্‌দীন আহমদের নাটক। আবদুল্লাহ আল মামুনের নাটকসমূহের মধ্যে সুবচন নির্বাসনে, এখনও দুঃসময়, এবার ধরা দাও, চারিদিকে যুদ্ধ, এখনও ক্রীতদাস, কোকিলারা ইত্যাদি। নাট্যব্যক্তিত্ব রামেন্দু মজুমদারের উল্লেখযোগ্য নাট্যগ্রন্হ হলো- ‘নাটক: তত্ত্ব ও শিল্পরূপ’, ‘বাংলাদেশের নাট্যচর্চা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সেলিম আল দীন
বাংলাদেশে ‘গ্রাম থিয়েটার’ আন্দোলনের প্রবর্তক হলেন কিংবদন্তি নাট্যকার ও নির্দেশক সেলিম আল দীন
তিনি মূলত নাট্যচর্চার মাধ্যমে শহরের সঙ্গে গ্রামের সাংস্কৃতিক যোগসূত্র স্থাপন এবং দেশের ঐতিহ্যবাহী লোকনাট্য ধারাকে পুনরুজ্জীবিত করার উদ্দেশ্যে এই আন্দোলন শুরু করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোও প্রখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব হলেও: মমতাজউদদীন আহমদ (যেমন: কী চাহ শঙ্খচিল) এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন (যেমন: সুবচন নির্বাসনে) বিখ্যাত নাট্যকার ও পরিচালক। রামেন্দু মজুমদার প্রধানত একজন সংগঠক এবং মঞ্চশিল্পী।
7

‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একাগ্রতায়
  2. সমান ব্যবহারে
  3. সম ভাবনায়
  4. একযোগে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘সমভিব্যাহারে’ শব্দটি ক্রিয়া বিশেষণ, যার অর্থ–সঙ্গে; একযোগে বা সংঘবদ্ধ হয়ে। যেমন- মন্ত্রী অমাত্য সমভিব্যাহারে রাজা শিকারে চললেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো একযোগে
'সমভিব্যাহারে' (সম্ + অভি + বি + আহা + র + এ) শব্দটি একটি তৎসম বা সাধু ভাষার শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ হলো— সঙ্গে, সহিত, এককালে, একত্রে অথবা একযোগে
যেমন: 'তিনি মন্ত্রী মহোদয়ের সমভিব্যাহারে মঞ্চে আরোহণ করলেন।' অর্থাৎ, তিনি মন্ত্রীর সঙ্গে বা একযোগে মঞ্চে গেলেন।
বিকল্পগুলোর মধ্যে 'একাগ্রতায়' (মনোযোগ), 'সমান ব্যবহারে' (একই আচরণ) বা 'সম ভাবনায়' (একই চিন্তায়) — কোনটিই শব্দটির সঠিক অর্থ প্রকাশ করে না, তাই এগুলো ভুল উত্তর
8

শৃঙ্গার রসকে বৈষ্ণব পদাবলিতে কী রস বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভাবরস
  2. মধুর রস
  3. প্রেমরস
  4. লীলারস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কাব্যসাহিত্যে শৃঙ্গার, হাস্য, করুণ, বীর, অদ্ভুত, ভয়ানক, বীভৎস, শান্ত, বাৎসল্য-রসের সন্ধান পাওয়া যায়। বিভিন্ন প্রকার ভাব থেকে রসের উৎপত্তি। বৈষ্ণব সাহিত্য ও সাধনার পাঁচ পন্হা – শান্ত, দাস্য, সখ্য, বাৎসল্য, মধুর রস। বৈষ্ণব পদাবলির মধুর রসের মধ্যে রাধাকৃষ্ণের রূপকাশ্রয়ে ভক্ত ও ভগবানের নিত্য বিরহ-মিলনের লীলাবৈচিত্র্যের পরিচয় পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মধুর রস
ভারতীয় কাব্যশাস্ত্রের নবরসের (৯টি রস) মধ্যে শৃঙ্গার রস হলো প্রধান রস। এই রসটি প্রেম ও রতিভাবের সঙ্গে জড়িত।
তবে বৈষ্ণব পদাবলিতে (বিশেষত শ্রীচৈতন্য প্রভাবিত গৌড়ীয় বৈষ্ণব ধর্মে) রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলাকে জাগতিক প্রেম থেকে আলাদা করে সর্বোচ্চ ভক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই সর্বোচ্চ ভক্তিকে বলা হয় মধুর রস বা উজ্জ্বল রস
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—ভাবরস বা প্রেমরস, এগুলো সামগ্রিক ভক্তির অংশ হলেও, শৃঙ্গার রসের প্রতিশব্দ হিসেবে বৈষ্ণব সাহিত্যে মধুর রস শব্দটিই পরিভাষা হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
9

ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Buddhist Mystic Songs
  2. চর্যাগীতিকা
  3. চর্যাগীতিকোষ
  4. হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভাষাবিজ্ঞানী ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ (১৮৮৫-১৯৬৯) সম্পাদিত চর্যাপদ বিষয়ক গ্রন্হ– ‘Buddhist Mystic Songs’ (১৯৬০)। তাঁর কয়েকটি উল্লেখযোগ্য অনুবাদ গ্রন্হ : দীওয়ানে হাফিজ, অমিয়শতক, রুবাইয়াত-ই-ওমর খৈয়াম, বিদ্যাপতি শতক, মহররম শরীফ, Hundred Sayings of the Holy Prophet। তাঁর ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক উল্লেখযোগ্য গ্রন্হ : ভাষা ও সাহিত্য, বাংলা ব্যাকরণ এবং বাংলা ভাষার ইতিবৃত্ত। তাঁর সম্পাদনায় রচিত হয় – বাংলাদেশের আঞ্চলিক ভাষার অভিধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Buddhist Mystic Songs
ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ চর্যাপদের ওপর গবেষণা করে ১৯২৬ সালে গ্রন্থটি প্রকাশ করেন। গ্রন্থটি ফরাসি ভাষায় রচিত হলেও এর ইংরেজি নাম ছিল Buddhist Mystic Songs
এই গ্রন্থে তিনি চর্যাপদের ভাষা বঙ্গ-কামরূপী বলে মত প্রকাশ করেন।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ:
হাজার বছরের পুরাণ বাংলা ভাষায় বৌদ্ধগান ও দোহা: এটি চর্যাপদের আবিষ্কারক পণ্ডিত হরপ্রসাদ শাস্ত্রী কর্তৃক সম্পাদিত গ্রন্থের নাম। তিনি ১৯১৬ সালে বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ থেকে এই নামে এটি প্রকাশ করেন, যা চর্যাপদের প্রথম প্রকাশিত রূপ।
10

‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাসমূহের সংগ্রাহক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
  2. হরপ্রসাদ শাস্ত্রী
  3. চন্দ্রকুমার দে
  4. দীনেশচন্দ্র সেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যে তিন ধরনের গীতিকা প্রচলিত রয়েছে। যথা : নাথ গীতিকা, মৈমনসিংহ গীতিকা ও পূর্ববঙ্গ গীতিকা। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’র লোকপালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে। তার সংগৃহীত পূর্ববঙ্গ গীতিকার উল্লেখযোগ্য পালা : মইষাল বন্ধু, ভেলুয়া, কমলারানী, দেওয়ান ঈসা খাঁ, আয়না বিবি, শিলাদেবী, বণ্ডুলার বারমাসী, ভারাইয়া রাজা। এসব পালা দীনেশচন্দ্র সেনের সম্পাদনায় ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে ১৯২৬ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর অমরকীর্তি হলো বাংলা ভাষার প্রথম গ্রন্হ ‘চর্যাপদ’ উদ্ধার। শিশুসাহিত্যিক দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদারের উল্লেখযোগ্য শিশুসাহিত্য গ্রন্হ : ঠাকুর মা’র ঝুলি, ঠাকুর দাদার ঝুলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চন্দ্রকুমার দে
‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ হলো ময়মনসিংহ অঞ্চলের লোকপালা বা লোকগাথা সমূহের একটি গুরুত্বপূর্ণ সংগ্রহ। এই লোকপালাগুলি মূলত চন্দ্রকুমার দে ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন গ্রাম থেকে সংগ্রহ করে আনেন।
ড. দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন এই সংকলনগুলির প্রধান সম্পাদক ও পৃষ্ঠপোষক। তিনি চন্দ্রকুমার দে কর্তৃক সংগৃহীত পালাগুলো বিভিন্ন খণ্ডে প্রকাশ করেন, যার মধ্যে একটি অংশ ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ নামে পরিচিত। তাই সংগ্রাহক হিসেবে চন্দ্রকুমার দে-ই সঠিক।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, দীনেশচন্দ্র সেন ছিলেন সম্পাদক এবং হরপ্রসাদ শাস্ত্রী চর্যাপদ আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’-এর অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কোনটি চর্যাগান, আর কোনটি নয়
  2. কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
  3. কোনটি চরাচরের, আর কোনটি নয়
  4. কোনটি আচার্যের, আর কোনটি নয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা একাডেমি ব্যবহারিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী চর্যা শব্দের অর্থ– নিয়ম পালন; পালনীয় নিয়ম বা আচার। চর্যাচর্য অর্থ- আচরণীয় ও অনাচরণীয়; পালনীয় ও বর্জনীয়। চর্যাচর্যবিনিশ্চয় অর্থ – কী করা উচিত এবং কী করা অনুচিত এটি যে গ্রন্হে বা যে সমস্ত গীতিকবিতায় স্থিরীকৃত হয়েছে। উল্লেখ্য, বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নিদর্শন চর্যাপদের মূল নাম চর্যাচর্যবিনিশ্চয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কোনটি আচরণীয়, আর কোনটি নয়
‘চর্যাচর্যবিনিশ্চয়’ শব্দটি তিনটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত: চর্যা + অ-চর্যা + বিনিশ্চয়
এখানে, ‘চর্যা’ অর্থ হলো আচরণীয় বা করণীয় (যা করা উচিত), এবং ‘অ-চর্যা’ (বা চর্য) অর্থ হলো আচরণীয় নয় বা অকর্তব্য (যা করা উচিত নয়)।
আর ‘বিনিশ্চয়’ শব্দের অর্থ হলো নির্ধারণ বা সুনিশ্চিত সিদ্ধান্ত
সুতরাং, এর সম্মিলিত অর্থ হলো—সাধনপথে কোনটি আচরণীয় আর কোনটি নয়, সেই বিষয়ে নিশ্চিত সিদ্ধান্ত নেওয়া।
12

‘গোরক্ষ বিজয়’ কাব্য কোন ধর্মমতের কাহিনি অবলম্বনে লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শৈবধর্ম
  2. বৌদ্ধ সহজযান
  3. নাথধর্ম
  4. কোনোটি নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে নাথধর্মের কাহিনি অবলম্বনে রচিত শেখ ফয়জুল্লাহর একটি উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ ‘গোরক্ষ বিজয়’। এ কাব্যের কাহিনিতে নাথবিশ্বাস-জাত যোগের মহিমা এবং নারী-ব্যভিচারপ্রধান সমাজচিত্র রূপায়িত হয়েছে। শেখ ফয়জুল্লাহর আরো কয়েকটি গ্রন্হ : গাজীবিজয়, সত্যপীর, রাগনামা, জয়নবের চৌতিশা। উল্লেখ্য, বৌদ্ধধর্মের সঙ্গে শৈবধর্ম মিশে নাথধর্মের উৎপত্তি হয়েছে বলে মনে করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাথধর্ম
'গোরক্ষ বিজয়' কাব্যটি মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধারা নাথ সাহিত্যের একটি প্রধান নিদর্শন। এই কাব্যের প্রধান উপজীব্য হলো নাথ ধর্মমতের কাহিনি।
নাথ ধর্মের দুইজন প্রধান গুরু হলেন মীননাথ (বা মৎস্যেন্দ্র্রনাথ) এবং তাঁর শিষ্য গোরক্ষনাথ। এই কাব্যে গুরু মীননাথকে উদ্ধার করতে শিষ্য গোরক্ষনাথের যে অলৌকিক কর্মকাণ্ড ও যোগ সাধনার বিবরণ দেওয়া হয়েছে, তা-ই মূলত নাথধর্মের মূলকথা।
শৈবধর্ম নাথধর্মের উৎপত্তির মূল কারণ হলেও, নাথধর্ম স্বতন্ত্র ধর্মমত হিসেবে যোগসাধনা এবং তান্ত্রিক আচার-আচরণের উপর বেশি গুরুত্বারোপ করে। অন্যদিকে, বৌদ্ধ সহজযান মূলত চর্যাপদ-এর মূল ভিত্তি, তাই এটি সঠিক নয়।
13

শাক্ত পদাবলির জন্য বিখ্যাত –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রামনিধি গুপ্ত
  2. দাশরথি রায়
  3. এন্টনি ফিরিঙ্গি
  4. রামপ্রসাদ সেন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শাক্তসাধক বা সিদ্ধ পুরুষদের লেখা সাধন সংগীতকেই শাক্ত পদাবলি বলা হয়। রামপ্রসাদ সেন বাংলা সাহিত্যে শাক্তপদের প্রবর্তক। তার নামে প্রচারিত পদের সংখ্যা তিন শতাধিক। তার পদগুলো– শাক্ত পদাবলি, শ্যামা সংগীত ও রামপ্রসাদী নামে পরিচিত। তার গানে মুগ্ধ হয়ে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তাকে ‘কবিরঞ্জন’ উপাধিতে ভূষিত করেন। তার উল্লেখযোগ্য কবিতাগ্রন্হ: বিদ্যাসুন্দর, কালীকীর্তন। অন্যদিকে রামনিধি গুপ্ত বাংলা সাহিত্যে টপ্পা গানের প্রবর্তক। পর্তুগিজ এন্টনি ফিরিঙ্গি ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর বাংলা ভাষার অন্যতম কবিয়াল এবং দাশরথি রায় ছিলেন পাঁচালী গানের শক্তিশালী কবি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রামপ্রসাদ সেন
বাংলা সাহিত্যে বৈষ্ণব পদাবলির পাশাপাশি অন্য যে ধারার পদাবলি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল, তা হলো শাক্ত পদাবলি (Mother worship/কালী পূজা কেন্দ্রিক গান)।
শাক্ত পদাবলির শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে বিখ্যাত কবি হলেন রামপ্রসাদ সেন। তাঁর রচিত গানগুলি 'রামপ্রসাদী সংগীত' নামে পরিচিত এবং এর প্রধান বিষয়বস্তু হলো দেবী কালীর প্রতি গভীর ভক্তি।

অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
১. দাশরথি রায়: তিনি বিখ্যাত ছিলেন পাঁচালি রচনার জন্য।
২. এন্টনি ফিরিঙ্গি: তিনি প্রধানত কবিগান (Kabi Gaan) রচনার জন্য পরিচিত ছিলেন।
৩. রামনিধি গুপ্ত (নিধুবাবু): তিনি বাংলা টপ্পা গানের প্রবর্তক হিসেবে সুপরিচিত।
14

‘অলৌকিক ইস্টিমার’ গ্রন্থের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হুমায়ুন আজাদ
  2. হেলাল হাফিজ
  3. আসাদ চৌধুরী
  4. রফিক আজাদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অলৌকিক ইস্টিমার’ কবি ও প্রথাবিরোধী লেখক হুমায়ুন আজাদের প্রথম কাব্যগ্রন্হ। তাঁর অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্হ হলো- ‘জ্বলো চিতাবাঘ’, ‘সবকিছু নষ্টদের অধিকারে যাবে’, ‘যতোই গভীরে যাই মধু, যতোই উপরে যাই নীল’, ‘কাফনে মোড়া অশ্রুবিন্দু’। ‘ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল’, ‘সব কিছু ভেঙে পড়ে’, ‘কবি অথবা দণ্ডিত অপুরুষ’, ‘পাক সার জমিন সাদ বাদ’ তাঁর কয়েকটি বিখ্যাত উপন্যাস। ‘লাল নীল দীপাবলি’ বা বাংলা সাহিত্যের জীবনী এবং ‘কতো নদী সরোবর’ বা বাংলা ভাষার জীবনী তার উল্লেখযোগ্য দুটি সুখপাঠ্য প্রবন্ধ গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হুমায়ুন আজাদ
‘অলৌকিক ইস্টিমার’ হলো আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম আলোচিত কবি ও প্রাবন্ধিক হুমায়ুন আজাদ রচিত একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ। এটি ১৯৭৩ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যগ্রন্থটি প্রকাশের মাধ্যমেই হুমায়ুন আজাদ বাংলা সাহিত্য জগতে শক্তিশালী কবি হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন।
অন্যান্য অপশনের লেখকদের উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ:
হেলাল হাফিজ - ‘যে জলে আগুন জ্বলে’।
আসাদ চৌধুরী - ‘তবক দেওয়া পান’।
রফিক আজাদ - ‘অসম্ভবের পায়ে’।
15

‘Custom’ শব্দের পরিভাষা কোনটি যথার্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইন
  2. প্রথা
  3. শুল্ক
  4. রাজস্বনীতি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলা ভাষায় প্রচলিত বিদেশি শব্দের ভাবানুবাদমূলক প্রতিশব্দকে পারিভাষিক শব্দ বলে। 'Custom' শব্দের যথার্থ পারিভাষিক অর্থ – প্রথা, অভ্যাস, সামাজিক রীতিনীতি। অন্যদিকে, Act বা Law-এর পরিভাষা আইন; Duty-এর পরিভাষা শুল্ক; Revenue policy- এর পরিভাষা রাজস্বনীতি।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত ইংরেজি শব্দ ‘Custom’ এর আভিধানিক অর্থ দুটি: (১) প্রথা বা রীতি, এবং (২) পণ্য আমদানি-রপ্তানির উপর ধার্যকৃত শুল্ক বা কর।
যখন শব্দটি পরিভাষা (Terminology) হিসেবে ব্যবহৃত হয়, বিশেষত প্রশাসন, অর্থনীতি বা বাণিজ্যের ক্ষেত্রে, তখন এর কারিগরি অর্থটিই বেশি গ্রহণযোগ্য। এ কারণে, ‘Customs Duty’ (শুল্ক) বোঝাতে ‘Custom’ শব্দের পরিভাষা হিসেবে শুল্ক শব্দটিই যথার্থ।
সুতরাং, সঠিক পরিভাষা হলো: শুল্ক
উল্লেখ্য, প্রথা শব্দটি ‘Custom’ এর একটি অর্থ হলেও, পরিভাষা প্রশ্নে এটি সাধারণত দ্বিতীয় পছন্দের বিষয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কবিতায় ‘কালাপাহাড়’- কে স্বরণ করেছেন কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রাহ্মণ্যযুগে নব মুসলিম ছিলেন বলে
  2. ইসলামের গুণকীর্তন করেছিলেন বলে
  3. প্রাচীন বাংলার বিদ্রোহী ছিলেন বলে
  4. প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাম্যবাদী' কাব্যগ্রন্হের অন্তর্গত 'মানুষ' কবিতায় কবি কাজী নজরুল ইসলাম যারা পবিত্র উপাসনালয়ের দরজা বন্ধ করে, তাদের ধ্বংসের জন্য কালাপাহাড়কে স্মরণ করেছেন। তাই তো কাজী নজরুল লিখেছেন, “মোল্লা পুরুত লাগায়েছে তার সকল দুয়ারে চাবি! কোথা চেঙ্গিস, গজনী মামুদ, কোথায় কালাপাহাড়? ভেঙে ফেল ঐ ভজনালয়ের যত তালা-দেওয়া দ্বার!” ‘কালাপাহাড়’ ছিলেন বাংলা ও বিহারের শাসনকর্তা সুলায়মান খান কররানির এক দুর্ধর্ষ সেনাপতি। তার আসল নাম রাজীবলোচন রায়। তিনি ব্রাহ্মণ পরিবারের সন্তান ছিলেন এবং নিয়মিত বিষ্ণু পূজা করতেন। পরবর্তী সময়ে তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন এবং প্রবল হিন্দু বিদ্বেষী হয়ে ওঠেন। ১৫৬৮ সালে পুরীর জগন্নাথ দেবের মন্দিরসহ বিভিন্ন মন্দির ও বিগ্রহের ব্যাপক ক্ষতিসাধন করেন। আর তখন থেকেই তিনি 'কালাপাহাড়' নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রচলিত ধর্ম ও সংস্কার-বিদ্বেষী ছিলেন বলে
কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন মূলত ‘বিদ্রোহী কবি’। তাঁর কবিতার মূল সুর ছিল অত্যাচার, শোষণ, এবং অন্ধ ধর্মীয় সংস্কারের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ।
ঐতিহাসিক কালাপাহাড়ের (মূল নাম: রাজু/রাজচন্দ্র) প্রধান পরিচিতি হলো তিনি ছিলেন একজন বিগ্রহ-ধ্বংসকারী (Iconoclast)। তিনি প্রচলিত ব্রাহ্মণ্য ধর্ম ও তার কঠিন আচার-বিচারকে চ্যালেঞ্জ জানাতে এবং পরে সামরিক কারণে বহু মন্দির ও বিগ্রহ ধ্বংস করেন।
নজরুল যখন তাঁর বিখ্যাত ‘ভাঙার গান’ বা বিপ্লবী চেতনামূলক কবিতাগুলো লেখেন, তখন তিনি কালাপাহাড়কে এমন এক প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করেন, যিনি পুরোনো, জীর্ণ ও অন্ধ সংস্কারের বেড়াজাল ভেঙে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, কালাপাহাড় নব মুসলিম ছিলেন বটে, কিন্তু নজরুলের কবিতায় তাঁকে স্মরণের মূল কারণ তাঁর সংস্কার-বিদ্বেষী বিপ্লবী মনোভাব, কেবল ধর্ম পরিবর্তন নয়।
17

‘প্রদীপ নিবিয়া গেল।’–এ বিখ্যাত বর্ণনা কোন উপন্যাসের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘বিষবৃক্ষ’
  2. রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
  3. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘কপালকুণ্ডলা’
  4. রবীন্দ্রনাথের ‘যোগাযোগ’

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক ঔপন্যাসিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক উপন্যাস ‘কপালকুণ্ডলা’র দ্বিতীয় খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদের ‘পান্হনিবাসে’-এর শেষ উক্তি। বঙ্কিমচন্দ্র রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস ‘দুর্গেশনন্দিনী’ ১৮৬৫ সালে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাস।
‘প্রদীপ নিবিয়া গেল।’—এ উক্তিটি ‘কপালকুণ্ডলা’ উপন্যাসের সর্বশেষ লাইন বা বিখ্যাত সমাপ্তি বর্ণনা। এটি উপন্যাসের নায়িকা কপালকুণ্ডলার চরম ট্র্যাজেডিকে ইঙ্গিত করে, যেখানে তিনি ঝড়ের রাতে নবকুমারের সাথে নদীতে নিমজ্জিত হয়ে যান। মূলত, এটি কপালকুণ্ডলার জীবন প্রদীপের নিভে যাওয়ার প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়।
বঙ্কিমচন্দ্রের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস—‘বিষবৃক্ষ’ (১৮৭৩), ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ (১৮৭৮) এবং ‘দুর্গেশনন্দিনী’ (১৮৬৫)।
18

‘মাতৃভাষায় যাহার ভক্তি নাই সে মানুষ নহে।’ –কার উক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মীর মশাররফ হোসেনের
  2. ইসমাইল হোসেন সিরাজীর
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
  4. কাজী নজরুল ইসলামের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর রচিত নাটকের মধ্যে বসন্তকুমারী, জমীদার দর্পণ, বেহুলা গীতাভিনয়, টালা অভিনয় উল্লেখযোগ্য। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো বিষাদ-সিন্ধু ও উদাসীন পথিকের মনের কথা। মশাররফ হোসেন রচিত ‘রত্নবতী’ মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মীর মশাররফ হোসেনের
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গদ্যশিল্পী মীর মশাররফ হোসেনের এটি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ উক্তি।
মাতৃভাষা বাংলার প্রতি গভীর মমত্ববোধ প্রকাশ করতে গিয়ে তিনি এই উক্তিটি করেছিলেন, যা তাঁর প্রবন্ধ এবং আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘গাজী মিয়াঁর বস্তানী’-তে (১৮৯৯) পাওয়া যায়।
অন্যান্য বিকল্প (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, কাজী নজরুল ইসলাম) মাতৃভাষা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ রচনা করলেও, আলোচ্য উক্তিটি বিশেষভাবে মীর মশাররফ হোসেনের সাথে সম্পর্কিত।
19

বর্গের কোন বর্ণসমূহের ধ্বনি মহাপ্রাণধ্বনি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তৃতীয় বর্ণ
  2. দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
  3. প্রথম ও দ্বিতীয় বর্ণ
  4. দ্বিতীয় ও তৃতীয় বর্ণ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দ্বিতীয় ও চতুর্থ বর্ণ
বাংলা ব্যাকরণে ব্যঞ্জনধ্বনিসমূহকে শ্বাসবায়ুর আধিক্য বা স্বল্পতা অনুযায়ী প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: অল্পপ্রাণ ধ্বনি (Alpa Prana) ও মহাপ্রাণ ধ্বনি (Maha Prana)।
যে ধ্বনিগুলো উচ্চারণে অধিক পরিমাণে শ্বাসবায়ু (দম) নির্গত হয়, সেগুলোকে মহাপ্রাণ ধ্বনি বলে। বর্গীয় ব্যঞ্জনবর্ণের (ক-বর্গ, চ-বর্গ, ট-বর্গ, ত-বর্গ, প-বর্গ) **দ্বিতীয় (খ, ছ, ঠ, থ, ফ)** এবং **চতুর্থ (ঘ, ঝ, ঢ, ধ, ভ)** বর্ণসমূহ হলো মহাপ্রাণ ধ্বনি।
অন্যদিকে, প্রথম (ক, চ, ট, ত, প) এবং তৃতীয় (গ, জ, ড, দ, ব) বর্ণসমূহ হলো অল্পপ্রাণ ধ্বনি, যা উচ্চারণে কম শ্বাসবায়ু লাগে।
20

‘কদাকার’ শব্দটি কোন উপসর্গযোগে গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেশি উপসর্গযোগে
  2. বিদেশি উপসর্গযোগে
  3. সংস্কৃত উপসর্গযোগে
  4. কোনোটি নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘কদাকার’, ‘কদবেল’, ‘কদর্য’ শব্দগুলো নিন্দিত অর্থে বাংলা বা দেশি উপসর্গ ‘কদ’ যোগে গঠিত। বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত নিজস্ব উপসর্গকে বলা হয় খাঁটি বাংলা বা দেশি উপসর্গ। বাংলা ভাষায় খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি। যথা: অ, অঘা, অজ, অনা, আ, আড়, আন, আব, ইতি, উন, কদ, কু, নি, পাতি, বি, ভর, রাম, স, সা, সু, হা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দেশি উপসর্গযোগে
‘কদাকার’ শব্দটি গঠিত হয়েছে ‘কদ’ উপসর্গ এবং ‘আকার’ শব্দের যোগে। এখানে ‘কদ’ উপসর্গটি মন্দ বা খারাপ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে (যেমন: কদ + আকার = কদাকার, কদ + অর্থ = কদর্থ)।
বাংলা ব্যাকরণে যে ২১টি দেশি বা খাঁটি বাংলা উপসর্গ রয়েছে, ‘কদ’ তার মধ্যে অন্যতম।
যেহেতু ‘কদ’ সংস্কৃত উপসর্গ (২০টি) কিংবা বিদেশি উপসর্গের অন্তর্ভুক্ত নয়, তাই এটি দেশি উপসর্গযোগে গঠিত একটি শব্দ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

যুক্তাক্ষর এক মাত্রা এবং বদ্ধাক্ষরও এক মাত্রা গণনা করা হয় কোন ছন্দে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাত্রাবৃত্ত
  2. অক্ষরবৃত্ত
  3. মুক্তক
  4. স্বরবৃত্ত

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্নে ‘যুক্তাক্ষর’ -এর স্থলে হবে ‘মুক্তাক্ষর’। কবিতায় নির্দিষ্ট একটি সুর বা গতি দেওয়ার জন্য ছন্দব্যাকরণ তৈরি হয়েছে। ছন্দ পর্ব ও মাত্রানির্ভর, তাই ছন্দের নামকরণ করা হয়েছে তিনভাগে- অক্ষরবৃত্ত, মাত্রাবৃত্ত, ও স্বরবৃত্ত। অক্ষরবৃত্ত ধীরগতির - তাই এর মাত্রা হবে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা, বদ্ধাক্ষর এককভাবে দুই মাত্রা, শেষে দুই মাত্রা আর প্রথম ও মাঝে এক মাত্রা। মাত্রাবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর এক মাত্রা ও বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা হয়। আর স্বরবৃত্ত ছন্দে মুক্তাক্ষর ও বদ্ধাক্ষর সব সময় এক মাত্রা গণনা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: স্বরবৃত্ত
বাংলা ছন্দের প্রধান তিনটি রীতির মধ্যে স্বরবৃত্ত ছন্দেই মাত্রা গণনার নিয়মটি সবচেয়ে সরল। এই ছন্দে কোনো অক্ষরের দৈর্ঘ্য বা প্রকৃতি (বদ্ধাক্ষর বা মুক্তাক্ষর) বিচার করা হয় না, বরং আঘাত (Accent) বা সময়ের ভিত্তিতে মাত্রা গণনা করা হয়।
স্বরবৃত্ত ছন্দের মূল বৈশিষ্ট্য হলো:
১. মুক্তাক্ষর (Open Syllable) = এক মাত্রা
২. বদ্ধাক্ষর (Closed Syllable) = এক মাত্রা
৩. প্রশ্নে উল্লেখিত যুক্তাক্ষরযুক্ত বদ্ধাক্ষরও এখানে এক মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।
অন্যদিকে, মাত্রাবৃত্ত ছন্দে বদ্ধাক্ষর সাধারণত দুই মাত্রা এবং অক্ষরবৃত্ত ছন্দে শব্দের শেষে বা পর্বের শেষে থাকা বদ্ধাক্ষর দুই মাত্রা হিসেবে গণ্য হয়।
22

নিচের কোনটি অশুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অহিংস–সহিংস
  2. প্রসন্ন–বিষণ্ন
  3. দোষী–নির্দোষী
  4. নিষ্পাপ–পাপিনী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘দোষী–নির্দোষী’ এটি অশুদ্ধ। শুদ্ধরূপ হবে দোষী–নির্দোষ। অন্যান্য অপশনগুলো সঠিক।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে অশুদ্ধ জোড়টি হলো দোষী–নির্দোষী। এটি ব্যাকরণগতভাবে ভুল একটি বিপরীতার্থক শব্দ জোড়।
'দোষী' শব্দের সঠিক বিপরীত শব্দ হলো 'নির্দোষ'
কারণ: 'দোষী' শব্দটি গঠন হয়েছে 'দোষ' + 'ইন' (প্রত্যয়) দিয়ে, যার অর্থ দোষযুক্ত। এর বিপরীত শব্দ যখন 'নিঃ' (না-বাচক উপসর্গ) দিয়ে গঠিত হয়, তখন শব্দটি হয় 'নির্দোষ' (দোষ নেই যার)। 'নির্দোষী' শব্দটি ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ বা অপ্রচলিত।
অন্যান্য জোড়গুলো সঠিক:
অহিংস–সহিংস (সঠিক); প্রসন্ন–বিষণ্ন (সঠিক); নিষ্পাপ–পাপিনী (সঠিক, এখানে স্ত্রীলিঙ্গবাচক বিপরীত শব্দ ব্যবহৃত হয়েছে)।
23

‘কল্লোল’ পত্রিকার প্রথম সম্পাদকের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বুদ্ধদেব বসু
  2. দীনেশরঞ্জন দাশ
  3. সজনীকান্ত দাস
  4. প্রেমেন্দ্র মিত্র

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯২৩ সালে আধুনিক লেখকদের সাহিত্যিক মুখপত্র হিসেবে কলকাতা থেকে মাসিক ‘কল্লোল’ পত্রিকা প্রকাশিত হয়। এ পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন দীনেশরঞ্জন দাশ। ১৯২৬ সালে প্রেমেন্দ্র মিত্রের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে প্রকাশিত হয় আরেকটি মাসিক পত্রিকা ‘কালিকলম’। তিরিশের আধুনিকতার যে আন্দোলন কলকাতা থেকে শুরু হয়েছিল তার ঢেউ বাংলাদেশেও প্রবাহিত হয় বুদ্ধদেব বসু ও অজিতকুমার দত্ত সম্পাদিত ‘প্রগতি’ পত্রিকার মাধ্যমে। বুদ্ধদেব বসুর সম্পাদনায় আরেকটি পত্রিকা ১৯৩৬ সালে প্রকাশিত হয়। পত্রিকার নাম ছিলো ‘কবিতা’। সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকা ‘বঙ্গশ্রী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দীনেশরঞ্জন দাশ
১৯২৩ সালে (১৩৩০ বঙ্গাব্দ) দীনেশরঞ্জন দাশের সম্পাদনায় কলকাতা থেকে মাসিক সাহিত্য পত্রিকা ‘কল্লোল’ প্রথম প্রকাশিত হয়। এই পত্রিকাটি বাংলা সাহিত্যে রবীন্দ্র-পরবর্তী নতুন সাহিত্য ধারার সূচনাকারী হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল।
বুদ্ধদেব বসু ছিলেন ‘কল্লোল’ যুগের অন্যতম লেখক, কিন্তু তিনি বিখ্যাত ‘কবিতা’ পত্রিকা সম্পাদনা করতেন।
সজনীকান্ত দাস ছিলেন ‘শনিবারের চিঠি’ পত্রিকার সম্পাদক, যা ‘কল্লোল’ গোষ্ঠীর সাহিত্যকে তীব্রভাবে ব্যঙ্গ করত।
24

‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি’– রবীন্দ্রনাথের এ গানে ‘নিছনি’ কী অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অপনোদন অর্থে
  2. পূজা অর্থে
  3. বিলানো অর্থে
  4. উপহার অর্থে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘নিছনি’ শব্দের আভিধানিক অর্থ রূপ, লাবণ্য, উপহার, বেশবিন্যাস, অর্ঘ্য, নিবেদন ইত্যাদি। রবীন্দ্রনাথের এ গানে চরণতলে ‘নিছনি’ শব্দটি অর্ঘ্য অর্থাৎ পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পূজা অর্থে
বাংলা সাহিত্যে 'নিছনি' একটি বিশেষার্থক শব্দ, যা সাধারণত উৎসর্গ, নিবেদন বা পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়। যদিও এর আভিধানিক অর্থ অমঙ্গল দূর করার জন্য কোনো কিছু উৎসর্গ করা বা 'নজর' নেওয়া, কিন্তু কাব্যিক বা ভক্তিমূলক প্রসঙ্গে এটি গভীর ভক্তি বা আরাধনার প্রতীক
প্রশ্নোক্ত চরণটিতে (‘আমি এ কথা, এ ব্যথা, সুখব্যাকুলতা কাহার চরণতলে দিব নিছনি’) কবি তাঁর সমস্ত আবেগ ও অনুভূতি কার চরণতলে (পায়ে) নিবেদন করতে চাইছেন। এই চরণতলে নিবেদন বা উৎসর্গ করার কাজটিই গভীর শ্রদ্ধা বা পূজা অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'বিলানো' বা 'উপহার' সাধারণ দানকে বোঝায়, যা এই পঙক্তির গভীর আধ্যাত্মিক নিবেদনের অর্থকে প্রকাশ করতে পারে না।
25

‘ধর্ম সাধারণ লোকের সংস্কৃতি, আর সংস্কৃতি শিক্ষিত মার্জিত লোকের ধর্ম।’ – কে বলেছেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোতাহের হোসেন চৌধুরী
  2. রামেন্দ্রসুন্দর ত্রিবেদী
  3. প্রথম চৌধুরী
  4. কাজী আব্দুল ওদুদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ঢাকার মুসলিম সাহিত্য সমাজের ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলনের’ সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন শিক্ষাবিদ ও লেখক মোতাহের হোসেন চৌধুরী। ‘সংস্কৃতি- কথা’, ‘সুখ’ ও ‘সভ্যতা’ তার বিখ্যাত তিনটি গ্রন্থ। গ্রন্থ তিনটি তাঁর মৃত্যুর পর প্রকাশিত হয়। ‘সভ্যতা’ গ্রন্থটি ক্লাইভ বেলের ‘The Civilization’ গ্রন্থের অনুবাদ এবং ‘সুখ’ বার্ট্রান্ড রাসেলের ‘The Conquest of Happiness’ গ্রন্থের অনুবাদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মোতাহের হোসেন চৌধুরী। এই উক্তিটি তাঁর সাহিত্যিক ও দার্শনিক চিন্তাধারার মূল নির্যাস।
মোতাহের হোসেন চৌধুরী ছিলেন একজন মানবতাবাদী ও মুক্তবুদ্ধির লেখক। তিনি সংস্কৃতিকে মানুষের জীবনের প্রধান অবলম্বন এবং শ্রেষ্ঠ অর্জন হিসেবে বিবেচনা করতেন। তাঁর মতে, ধর্ম যদি সাধারণ মানুষকে পরিচালিত করে, তবে সংস্কৃতিই শিক্ষিত, রুচিশীল ও মার্জিত মানুষকে জীবনবোধের গভীর পথে চালিত করে, যা ধর্মের মতোই অবশ্য পালনীয়।
এই উক্তিটি মোতাহের হোসেন চৌধুরী-এর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সংস্কৃতির কথা’-এর অন্তর্গত।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

কোন বাক্যটি শুদ্ধ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।
  2. তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম।
  3. তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।
  4. সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে একমাত্র (খ)-তে প্রদত্ত বাক্যটিই নির্ভুল। (ক) অপশনে ‘স্বপরিবারে’- এর স্থলে ‘সপরিবারে’, (গ) অপশনে ‘পরশ্রীকাতরতা’ শব্দের অর্থ অপরের উন্নতিতে ঈর্ষা প্রকাশ । তাই এখানে ‘মুগ্ধ’ শব্দটি অপপ্রয়োগ এবং (ঘ) অপশনে ‘যায়’- এর স্থলে ‘যান’ হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: তার কথা শুনে আমি আশ্চর্যান্বিত হলাম। এখানে ব্যাকরণগত বা শব্দপ্রয়োগগত কোনো ত্রুটি নেই। 'আশ্চর্যান্বিত' শব্দটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।
ভুল ব্যাখ্যা:
১. 'আপনি স্বপরিবারে আমন্ত্রিত।': বাক্যটি ভুল, কারণ 'স্ব' (নিজ) এবং 'স' (সহিত/সঙ্গে) শব্দ দুটির ভুল প্রয়োগ ঘটেছে। 'পরিবারসহ' বা 'পরিবারের সাথে' বোঝাতে কেবল 'সপরিবার' শব্দটি ব্যবহার করতে হবে। (শুদ্ধ রূপ: আপনি সপরিবারে আমন্ত্রিত।)
২. 'তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি মুগ্ধ।': বাক্যটি অর্থগতভাবে (শব্দের অপপ্রয়োগ) ভুল। 'পরশ্রীকাতরতা' একটি নেতিবাচক গুণ (হিংসা/ঈর্ষা)। নেতিবাচক গুণে কেউ 'মুগ্ধ' হতে পারে না। (শুদ্ধ রূপ: তোমার পরশ্রীকাতরতায় আমি বিরক্ত/ক্ষুব্ধ।)
৩. 'সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যায় না।': বাক্যটি কর্তা ও ক্রিয়ার সঠিক ব্যবহারের অভাবে ভুল। 'তিনি' একটি সম্মানসূচক সর্বনাম; এর সাথে সম্মানসূচক ক্রিয়াপদ 'যান না' ব্যবহার করতে হবে। (শুদ্ধ রূপ: সেদিন থেকে তিনি সেখানে আর যান না।)
27

Ode কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শোককবিতা
  2. পত্রকাব্য
  3. খণ্ড কবিতা
  4. কোরাসগান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ode-এর আভিধানিক অর্থ গীতিকবিতা বা গাথাকবিতা। অনেকে Ode-কে স্তোত্র কবিতা বা স্তুতি বা গুণকীর্তন জাতীয় কবিতা বলেছেন। গ্রিক Ode এক বা একাধিক কণ্ঠে গাওয়ার জন্য কোরাস ও নৃত্যের লয় অনুসরণ করে রচনা করা হতো। যেহেতু এটি কোরাস করে গাওয়া হতো তাই (ঘ) সঠিক। Elegy অর্থ শোককবিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কোরাসগান
Ode (ওড) হলো গ্রিক ভাষা থেকে আসা এক ধরনের লিরিক কবিতা (Lyric Poem)। এটি মূলত একটি দীর্ঘ, আনুষ্ঠানিক (Formal), ছন্দোময় ও উচ্চ আবেগপূর্ণ স্তুতিমূলক কাব্য।
ঐতিহাসিকভাবে, প্রাচীন গ্রিক নাটকের কোরাস (Chorus) দল দেবতাদের বা কোনো বিশেষ ঘটনাকে প্রশংসা করার জন্য এটি গেয়ে পরিবেশন করত। তাই বিকল্পগুলোর মধ্যে কোরাসগান (যা লিরিক কবিতার একটি প্রাচীন রূপ) অর্থটিই সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: শোককবিতা হলো Elegy (এলিজী), যা শোক প্রকাশ করে। পত্রকাব্য হলো Epistle (চিঠি আকারে রচিত কবিতা)। ওড এর কোনোটিই নয়।
28

মুহম্মদ আবদুল হাই রচিত ধ্বনিবিজ্ঞান বিষয়ক গ্রন্থের নাম কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
  2. আধুনিক বাংলা ধ্বনিবিজ্ঞান
  3. ধ্বনিবিজ্ঞানের কথা
  4. ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুহম্মদ আবদুল হাই একাধারে একজন শিক্ষাবিদ, ধ্বনিতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক। সৈয়দ আলী আহসানের সাথে যুগ্মভাবে তিনি ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ গ্রন্থ রচনা করেন। তাঁর অন্যান্য প্রবন্ধ গ্রন্থের মধ্যে ‘সাহিত্য ও সংস্কৃতি’, ‘ভাষা ও সাহিত্য’, ‘তোষামোদ ও রাজনীতির ভাষা’ উল্লেখযোগ্য। ‘বিলাতে সাড়ে সাতশ দিন’ তাঁর বিখ্যাত ভ্রমণ কাহিনী। তিনি ১৯৬১ সালে প্রবন্ধ ও গবেষণায় বাংলা একাডেমি পুরস্কার এবং ১৯৯৬ সালে শিক্ষায় একুশে পদক লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ধ্বনিবিজ্ঞান ও বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব
ড. মুহম্মদ আবদুল হাই ছিলেন বাংলা ভাষার ধ্বনিবিজ্ঞান চর্চার অন্যতম পথিকৃৎ। তার রচিত এই গ্রন্থটিই হলো বাংলা ধ্বনিতত্ত্ব বিষয়ক প্রথম প্রামাণ্য ও পূর্ণাঙ্গ মৌলিক গবেষণা গ্রন্থ।
গ্রন্থটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৬৪ সালে। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগ থেকে প্রকাশিত হয় এবং বাংলা ভাষা গবেষণায় একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত।
29

‘জলে-স্থলে’ কী সমাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমার্থক দ্বন্দ্ব
  2. বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব
  3. অলুক দ্বন্দ্ব
  4. একশেষ দ্বন্দ্ব

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যে দ্বন্দ্ব সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি সমস্তপদে অক্ষুণ্ন থাকে, লোপ পায় না তাকে অলুক দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন- কলে-কারখানায়, দেশে-বিদেশে, নয়ে-ছয়ে, হাতে-কলমে, জলে-স্থলে, দুধে-ভাতে, ইত্যাদি। সম অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন হলে তাকে বলা হয় সমার্থক দ্বন্দ্ব। যেমন- জন-মানব, কাজ-কর্ম, লজ্জা-শরম, নাম-ডাক, খাতা-পত্র, হাট-বাজার, ঘর-দুয়ার ইত্যাদি। বিপরীত অর্থপূর্ণ দুটি পদের মিলন হলে তাকে বলা হয় বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব। যেমন- লাভ-লোকসান, আয়-ব্যয়, ছোট-বড়, জমা-খরচ ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অলুক দ্বন্দ্ব
অলুক সমাস-এর নিয়ম অনুযায়ী, যে সমাসে সমস্যমান পদের বিভক্তি লোভ পায় না (বিভক্তি যুক্ত থাকে) এবং সমস্ত পদেও সেই বিভক্তিটি বজায় থাকে, তাকে অলুক সমাস বলে।
প্রদত্ত উদাহরণ: ‘জলে-স্থলে’। এর বিগ্রহ বাক্য হলো: জলে ও স্থলে
এখানে ‘জল’ শব্দের সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি এবং ‘স্থল’ শব্দের সঙ্গে ‘এ’ বিভক্তি যুক্ত হয়েছে। সমস্ত পদ ‘জলে-স্থলে’ তৈরি হওয়ার পরেও এই বিভক্তিদ্বয় (এ, এ) রয়ে গেছে। তাই এটি অলুক দ্বন্দ্ব সমাস
বিপরীতার্থক দ্বন্দ্ব: এটি দ্বন্দ্ব সমাসের একটি শ্রেণিবিভাগ মাত্র (যেমন— দিন-রাত)। কিন্তু ‘জলে-স্থলে’ বিভক্তি ধরে রাখায় অলুক দ্বন্দ্ব হলো এর সবচেয়ে সঠিক ব্যাকরণগত পরিচয়।
একশেষ দ্বন্দ্ব: যেখানে দুই বা ততোধিক পদের মধ্যে কেবল একটি পদ অবশিষ্ট থাকে (যেমন: আমরা = তুমি, সে ও আমি)। এটি সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন নিয়ম।
30

‘ঔ’ কোন ধরনের স্বরধ্বনি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যৌগিক স্বরধ্বনি
  2. তালব্য স্বরধ্বনি
  3. মিলিত স্বরধ্বনি
  4. কোনোটি নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাশাপাশি দুটি স্বরধ্বনি এক প্রয়াসে ও দ্রুত উচ্চারিত হয়ে যদি একটি যুগ্মধ্বনিতে রূপ নেয় তবে তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি বা সন্ধিস্বর বা দ্বিস্বর বলা হয়। বাংলা ভাষায় যৌগিক স্বরধ্বনির সংখ্যা পঁচিশ। তবে যৌগিক স্বরজ্ঞাপক বর্ণ মাত্র ২টি- ঐ এবং ঔ। বাংলা ভাষায় মৌলিক স্বরধ্বনির সংখ্যা ৭টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যৌগিক স্বরধ্বনি
যে স্বরধ্বনি উচ্চারণের সময় একই সঙ্গে দুটি স্বরধ্বনির মিলিত ফল পাওয়া যায় এবং উচ্চারণের শুরু ও শেষে জিহ্বার অবস্থান পরিবর্তন হয়, তাকে যৌগিক স্বরধ্বনি (Diphthong) বলে।
‘ঔ’ ধ্বনিটি গঠিত হয় ‘অ’ এবং ‘উ’—এই দুটি স্বরধ্বনির মিলিত রূপে (অ + উ = ঔ)। এটি অবিভক্তভাবে উচ্চারিত হলেও এর মধ্যে দুটি স্বরের রেশ থাকে।
একইভাবে, ‘ঐ’ ধ্বনিটিও (অ + ই = ঐ) একটি যৌগিক স্বরধ্বনি। বাংলায় যৌগিক স্বরধ্বনির সাংকেতিক বর্ণ মাত্র দুটি: এবং
অন্যান্য অপশন: তালব্য স্বরধ্বনি হলো সেই স্বরধ্বনিগুলো, যা উচ্চারণের সময় জিহ্বা তালুর কাছাকাছি চলে যায় (যেমন: ই, এ)। তাই এটি সঠিক নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘বিস্ময়াপন্ন’ সমস্ত পদটির সঠিক ব্যাসবাক্য কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিস্ময় দ্বারা আপন্ন
  2. বিস্ময়ে আপন্ন
  3. বিস্ময়কে আপন্ন
  4. বিস্ময়ে যে আপন্ন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পূর্বপদের দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ লোপ পেয়ে যে সমাস হয় তাকে দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন- বিস্ময়াপন্ন= বিস্ময়কে আপন্ন; এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস। অনুরূপভাবে বিপদাপন্ন, রথচালন, শরনিক্ষেপ, পুত্রলাভ, আমকুড়ানো, জলসেচন, শরণাগত, ভারপ্রাপ্ত, কলাবেচা ইত্যাদি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস। ব্যাপ্তি অর্থেও দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস হয়। যেমন- চিরসুখী= চিরকাল ব্যাপিয়া সুখী; ক্ষণস্থায়ী= ক্ষণকাল ব্যাপিয়া স্থায়ী ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিস্ময়কে আপন্ন। এটি একটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
ব্যাখ্যা: তৎপুরুষ সমাসে পূর্বপদের বিভক্তি লোপ পায় এবং পরপদের অর্থ প্রধান হয়। এখানে ‘বিস্ময়াপন্ন’ সমস্তপদটির ব্যাসবাক্য হলো ‘বিস্ময়কে আপন্ন’।
এই ব্যাসবাক্যে পূর্বপদ ‘বিস্ময়’-এর সাথে দ্বিতীয়া বিভক্তি ‘কে’ যুক্ত হয়েছে। সমস্তপদ গঠনের সময় এই ‘কে’ বিভক্তিটি লোপ পেয়েছে। যেহেতু দ্বিতীয়া বিভক্তি লোপ পাচ্ছে, তাই এটি দ্বিতীয়া তৎপুরুষ সমাস
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, যেমন: ‘বিস্ময় দ্বারা আপন্ন’ হলে সেটি তৃতীয়া তৎপুরুষ (করণ কারকের বিভক্তি) হতো।
32

কবি কায়কোবাদ রচিত ‘মহাশ্মশান’ কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পলাশীর যুদ্ধ
  2. তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
  3. ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ
  4. ছিয়াত্তরের মন্বন্তর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৭৬১ সালে সংঘটিত পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বন করে প্রথম বাঙালি মুসলিম মহাকবি কায়কোবাদ রচনা করেন তাঁর ঐতিহাসিক মহাকাব্য 'মহাশ্মশান'। তিন খণ্ডে প্রকাশিত কাব্যটির প্রথম খণ্ডে ২৯ সর্গ, দ্বিতীয় খণ্ডে ২৪ সর্গ এবং তৃতীয় খণ্ডে ৭ সর্গ রয়েছে। কাব্যটি মুহম্মদ রওশন আলী সম্পাদিত ‘কোহিনূর’ পত্রিকায় ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। তাঁর আসল নাম কাজেম আল কোরায়েশী। তাঁর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে ‘বিরহ-বিলাপ’ (প্রথম কাব্য), ‘অশ্রুমালা’, ‘শিবমন্দির’, ‘অমিয়ধারা’ উল্লেখযোগ্য। মুনীর চৌধুরীর ‘রক্তাক্ত প্রান্তর’ পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধের কাহিনি অবলম্বনে রচিত একটি বিখ্যাত নাটক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ
কবি কায়কোবাদ (Kazi Kaykobad) রচিত বিশাল কলেবরের মহাকাব্যটির নাম ‘মহাশ্মশান’। এই কাব্যটি ১৯০৪ সালে প্রকাশিত হয়।
এই কাব্যের ঐতিহাসিক পটভূমি ছিল ১৭৬১ সালের তৃতীয় পানিপথের যুদ্ধ। এই যুদ্ধে আফগান সেনাপতি আহমেদ শাহ আবদালী এবং মারাঠা সাম্রাজ্যের মধ্যে ভয়াবহ সংঘাত ঘটে, যার ফলস্বরূপ মারাঠারা শোচনীয়ভাবে পরাজিত হয়।
কায়কোবাদ এই রক্তক্ষয়ী সংঘাত এবং এর করুণ পরিণতি অত্যন্ত মর্মস্পর্শী ভাষায় তুলে ধরেছিলেন, যা কাব্যের নামকরণে (মহাশ্মশান) প্রতিফলিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন, ‘পলাশীর যুদ্ধ’ বা ‘সিপাহী বিদ্রোহ’ এই কাব্যের পটভূমি নয়।
33

সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের গ্রন্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রহু চণ্ডালের হাড়
  2. কৈবর্ত খণ্ড
  3. ফুল বউ
  4. অলীক মানুষ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ভারতীয় বাঙালি লেখক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের অন্যতম শ্রেষ্ঠ উপন্যাস ‘অলীক মানুষ’। তাঁর আরও কিছু বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘নীলঘরের নটি’, ‘তৃণভূমি’ ও ‘উত্তর জাহ্নবী’। কর্ণেল নীলাদ্রি সরকার তাঁর সৃষ্ট একটি গোয়েন্দা চরিত্র। বাজিকরদের জীবন নিয়ে রচিত ‘রহু চণ্ডালের হাড়’ উপন্যাসের রচয়িতা অভিজিত সেন। কৈবর্তদের জীবনসংগ্রাম নিয়ে রচিত ‘কৈবর্ত খণ্ড’ উপন্যাসটি রচনা করেন ‘হাজার চুরাশির মা’ খ্যাত মহাশ্বেতা দেবী। ‘ফুল বউ’ উপন্যাস রচনার মাধ্যমে সাহিত্যিক আবুল বাশার তিন তালাকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অলীক মানুষ। এই বিখ্যাত উপন্যাসটি লিখেছেন আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী লেখক সৈয়দ মুস্তফা সিরাজ

উপন্যাসটির জন্য তিনি ১৯৯৪ সালে ভারতের অন্যতম সম্মানজনক পুরস্কার সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার লাভ করেন। এটি তাঁর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কীর্তি।

অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে:

১. রহু চণ্ডালের হাড়: এটি লিখেছেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস

২. কৈবর্ত খণ্ড: এটি মূলত কোনো বিখ্যাত উপন্যাসের নাম নয়, এটি বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন কৈবর্ত বিদ্রোহ-এর সাথে সম্পর্কিত।

৩. ফুল বউ: এটিও সৈয়দ মুস্তফা সিরাজের মূলধারার উল্লেখযোগ্য কাজ নয়।
34

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত হয় কত সনে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1910
  2. 1911
  3. 1912
  4. 1913

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যে মোট ১৫৭টি কবিতা সংকলিত হয়েছে। ১৯১২ সালে কাব্যটির ইংরেজি অনুবাদ 'Song Offerings' প্রকাশ পায়। তবে ইংরেজি অনুবাদে গীতাঞ্জলি কাব্যের মাত্র ৫০টি কবিতা স্থান পায়। এগুলোর সাথে অন্যান্য কাব্যের আরও কিছু কবিতার অনুবাদ প্রকাশিত হয়। অনুবাদ করেন কবি নিজেই তবে ভূমিকা লিখে দেন ইংরেজ কবি ইয়েটস। ১৯১৩ সাল পর্যন্ত যতগুলো ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশিত হয় সেগুলোর ভূয়সী প্রশংসা করে নোবেল কমিটি ১৯১৩ সালে প্রথম বাঙালি হিসেবে তাঁকে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার প্রদান করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯১০ সাল।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী কাব্যগ্রন্থ ‘গীতাঞ্জলি’ (বাংলা সংস্করণ) সর্বপ্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১০ সালের আগস্ট মাসে (বাংলা ১৩১৭ বঙ্গাব্দ, আশ্বিন)।
পরীক্ষায় প্রায়শই তারিখগুলো নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়, তাই মনে রাখবেন:
১৯১০: বাংলা ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্য প্রকাশিত।
১৯১২: এটির ইংরেজি অনুবাদ ‘Song Offerings’ লন্ডনে প্রকাশিত হয়। ইংরেজি অনুবাদের ভূমিকা লিখেছিলেন বিখ্যাত আইরিশ কবি ডব্লিউ. বি. ইয়েটস (W. B. Yeats)
১৯১৩: এই ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এশিয়ায় প্রথম ব্যক্তি হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
35

‘আসাদের শার্ট’ কবিতার লেখক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আল মাহমুদ
  2. আব্দুল মান্নান সৈয়দ
  3. অমিয় চক্রবর্তী
  4. শামসুর রাহমান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে ২০ জানুয়ারি ছাত্রনেতা আসাদ পুলিশের গুলিতে নিহত হলে তার রক্তমাখা শার্টকে উপলক্ষ করেই নাগরিক কবি শামসুর রাহমান ‘আসাদের শার্ট’ কবিতাটি রচনা করেন। কবিতাটি কবির ‘নিজ বাসভূমে’ কাব্যগ্রন্হের অন্তর্ভুক্ত। তাঁর আরো দুটি বিখ্যাত কবিতা হলো- ‘স্বাধীনতা তুমি’ ও ‘তোমাকে পাওয়ার জন্য হে স্বাধীনতা’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: শামসুর রাহমান
এই বিখ্যাত কবিতাটি ১৯৬৯ সালের ঐতিহাসিক **গণঅভ্যুত্থান** চলাকালীন শহীদ **মতিউর রহমান মল্লিক আসাদ**-কে নিয়ে লেখা। আসাদ ২০ জানুয়ারি, ১৯৬৯ তারিখে পুলিশের গুলিতে নিহত হন।
আসাদের রক্তমাখা শার্ট তৎকালীন স্বৈরশাসন ও ছাত্রহত্যার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের শক্তিশালী প্রতীকে পরিণত হয়েছিল এবং এই বিষয়টিই **শামসুর রাহমান** তার কবিতায় তুলে ধরেন।
কবিতাটি কবির 'নিজ বাসভূমে' (১৯৭০) কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত।
অন্যান্য অপশনগুলো (আল মাহমুদ, আব্দুল মান্নান সৈয়দ, অমিয় চক্রবর্তী) তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে বিখ্যাত হলেও এই কবিতাটির রচয়িতা নন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

Which of the following words is in singular form?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. formulae
  2. agenda
  3. oases
  4. radius

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রদত্ত option গুলোর মধ্যে radius (ব্যাসার্ধ) শব্দটি singular, যার plural form 'radii'। Option -এ প্রদত্ত অন্য word গুলো plural , যাদের singular যথাক্রমে formula, agendum এবং oasis.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: radius
Radius (ব্যাসার্ধ) শব্দটি একটি Latin Noun এবং এটি singular বা একবচন রূপ। এর বহুবচন (Plural) রূপ হলো radii
বিসিএস পরীক্ষায় প্রায়শই Latin বা Greek Noun-এর Singular ও Plural ফর্ম নিয়ে প্রশ্ন আসে। এদের নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম আছে, যেমন:
১. formulae: এটি formula (সূত্র) শব্দের বহুবচন। (নিয়ম: -a থেকে -ae)
২. agenda: এটি agendum শব্দের বহুবচন। (নিয়ম: -um থেকে -a)। তবে আধুনিক ইংরেজিতে এটি একবচন হিসেবেও প্রচলিত হলেও, ব্যাকরণগতভাবে এটি বহুবচন।
৩. oases: এটি oasis (মরুদ্যান) শব্দের বহুবচন। (নিয়ম: -is থেকে -es)
37

Choose the correct sentence :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. All of it depend on you
  2. All of it are depending on you
  3. All of it depends on you
  4. All of it are depended on you

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

All, some, a lot of, lots of, most of etc. Determiners সকল noun (countable and uncountable) এর পূর্বে বসে। এক্ষেত্রে verb, পূর্ববর্তী noun এর উপর ভিত্তি করে বসে। যেমন- All books were Lost, All is well. All that glitters is not gold.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: All of it depends on you
এই বাক্যটি Subject-Verb Agreement (কর্তা-ক্রিয়া চুক্তি) রুল অনুযায়ী সঠিক। এখানে Subject হলো All of it
যখন All শব্দটি কোনো Singular বা Uncountable Noun-কে (যেমন: water, money, furniture, it ইত্যাদি) নির্দেশ করে, তখন এটি Singular Subject হিসেবে গণ্য হয় এবং এরপরে Singular Verb ব্যবহৃত হয়।
যেহেতু এখানে 'All' দ্বারা Singular Pronoun 'it'-কে বোঝানো হচ্ছে, তাই পুরো Subjectটি Singular।
Present Indefinite Tense-এ Singular Subject-এর পরে ক্রিয়ার সাথে s/es যোগ হয়। তাই 'depend' এর Singular রূপ হলো 'depends'
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
(১) depend (Plural Verb) এবং are depending (Continuous Tense/Plural) এই Singular Subject-এর সাথে যায় না।
38

"A rolling stone gathers no moss" The complex form of the sentence is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Since a stone is rolling, it gathers no moss.
  2. Though a stone rolls, it gathers no moss.
  3. A stone what rolls gathers no moss.
  4. A stone that rolls gathers no moss.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Participle যুক্ত simple sentence- কে complex করতে হলে participle অংশকে subordinate clause-এ রূপান্তরিত করতে হয় এবং বাকি অংশ main clause হিসেবে অপরিবর্তিত থাকে। প্রদত্ত বাক্যে 'rolling' হচ্ছে present participle, যার subordinate clause হলো ‘A stone which/that rolls.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: A stone that rolls gathers no moss. (Option 4)।
মূল বাক্যটি ('A rolling stone gathers no moss') একটি Simple Sentence। কারণ এখানে শুধুমাত্র একটি Finite verb ('gathers') রয়েছে এবং 'rolling' শব্দটি Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (Participle Adjective)।
Simple Sentence-কে Complex Sentence-এ রূপান্তরের প্রধান উপায় হলো একটি Subordinate Clause (অধীনস্থ বাক্যাংশ) যোগ করা।
যেহেতু এখানে 'rolling' শব্দটি 'stone' (Noun)-কে modify করছে, তাই এটিকে একটি Adjective Clause বা Relative Clause-এ পরিণত করতে হবে।
Adjective Clause শুরু হয় Relative Pronoun (যেমন: who, which, that) দিয়ে। এখানে বস্তুবাচক Noun 'stone'-এর জন্য 'that' বা 'which' ব্যবহৃত হবে।
সুতরাং, Adjective হিসেবে ব্যবহৃত Participle 'rolling'-কে Complex রূপে আনলে হয়: that rolls
(Simple: rolling stone ightarrow ightarrow Complex: stone that rolls).
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
Option 1 (Since a stone is rolling...): এটি একটি Adverbial Clause of Reason (কারণ নির্দেশক বাক্যাংশ) তৈরি করেছে, যা মূল বাক্যের অর্থের সম্পর্ককে (যে পাথর গতিশীল, তার শ্যাওলা জমে না) কিছুটা পরিবর্তন করে দেয় এবং Participle Adjective-এর সরাসরি রূপান্তর নয়।
Option 2 (Though a stone rolls...): এটি Adverbial Clause of Concession (ছাড় বা বৈসাদৃশ্য) তৈরি করেছে, যা সম্পূর্ণভাবে বাক্যের মূল অর্থকে বদলে দেয়।
39

A chart was appended to the report. Here ‘appended’ means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. changed
  2. removed
  3. joined
  4. shortened

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Append শব্দটির অর্থ লেখায় বা ছাপায় যুক্ত করা। এর Synonyms – associate, connect, join, engage ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: joined
‘Appended’ শব্দটি ‘append’ ক্রিয়াপদ থেকে এসেছে, যার অর্থ হলো কোনো নথি বা রিপোর্টের শেষে কিছু যুক্ত করা, জুড়ে দেওয়া বা সংযুক্ত করা
যেমন: A chart was appended to the report. (একটি চার্ট রিপোর্টের সাথে যুক্ত করা হয়েছিল।)
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ‘joined’ (যুক্ত/সংযুক্ত) অর্থটিই 'appended' এর প্রতিশব্দ হিসেবে সবচেয়ে উপযুক্ত।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'removed' (সরানো) এবং 'shortened' (সংক্ষিপ্ত করা) সম্পূর্ণ বিপরীত অর্থ বহন করে।
40

The mother sat vigilantly beside the sick baby. Here 'vigilantly' is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a noun
  2. an adverb
  3. an adjective
  4. none of the three

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Vigilantly-জাগ্রতবস্থায়, সতর্কভাবে। Grammar অনুযায়ী যে word কোনো verb -কে modify করে তাকে adverb বলে। প্রদত্ত বাক্যে sat হচ্ছে verb আর কীভাবে বসেছিল সেটা বোঝাচ্ছে vigilantly শব্দটি দিয়ে। সুতরাং vigilantly শব্দটি adverb.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: an adverb (একটি ক্রিয়া বিশেষণ)।
প্রদত্ত বাক্যটিতে 'vigilantly' শব্দটি 'sat' (বসা) নামক ক্রিয়াকে (Verb) বিশেষিত করছে। এটি বোঝাচ্ছে যে মা কীভাবে বসেছিলেন (How did she sit?)।
যে শব্দ কোনো Verb (ক্রিয়া), Adjective (বিশেষণ) অথবা অন্য কোনো Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ)-কে বিশেষিত করে, তাকেই Adverb বলা হয়।
এখানে, 'The mother sat (verb)' — কীভাবে বসেছিলেন? — 'vigilantly' (Adverb)
সাধারণত, কোনো Adjective-এর সাথে -ly যুক্ত হয়ে শব্দটি Adverb-এ পরিণত হয়। যেমন: Vigilant (Adjective) + ly = Vigilantly (Adverb)
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

The new offer of job was alluring. Here ‘alluring’ means –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. unexpected
  2. tempting
  3. disappointing
  4. ordinary

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Alluring -লোভনীয়। অন্য option -গুলোর মধ্যে unexpected-অপ্রত্যাশিত, tempting-প্রলুব্ধকর/লোভনীয়, disappointing-হতাশাজনক, ordinary-সাধারণ। বাক্য অনুযায়ী নতুন চাকরির offer -টি লোভনীয় ছিল।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটিতে 'alluring' শব্দটি একটি বিশেষণের (Adjective) কাজ করছে, যার অর্থ হলো অত্যন্ত আকর্ষণীয়, প্রলুব্ধকর বা লোভনীয় (highly attractive or tempting)।
বাক্যটির অর্থ: চাকরির নতুন প্রস্তাবটি ছিল লোভনীয় বা খুবই আকর্ষণীয়
অপশনগুলোর মধ্যে, 'tempting' শব্দের অর্থ হলো প্রলুব্ধকর বা আকর্ষণীয়। তাই এটি 'alluring' শব্দের সঠিক সমার্থক (Synonym) শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
'unexpected' অর্থ অপ্রত্যাশিত
'disappointing' অর্থ হতাশাজনক
'ordinary' অর্থ সাধারণ
এই শব্দগুলো বাক্যের অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
42

"Who planted this tree here"? The correct passive voice of this sentence is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. By whom the tree was planted here?
  2. Who the tree had been planted hereby?
  3. The tree was planted here by whom
  4. By whom had the tree been planted here?

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Who দিয়ে interrogative sentence শুরু হলে passive করার ক্ষেত্রে বাক্যের শুরুতে by whom বসে। মূল passive form টি হবে: By whom was this tree planted here? format হবে-By whom + auxiliary verb + subject+v এর past participle +বাকি অংশ (যদি থাকে)।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি 'Who' দ্বারা শুরু হওয়া একটি Interrogative Sentence, এবং এটি Past Simple Tense-এ আছে (V2: planted)।
Active Voice-এর Who যুক্ত Interrogative Sentence-কে Passive করার সাধারণ নিয়ম হলো: Who এর পরিবর্তে বাক্যের শুরুতে By whom ব্যবহার করতে হয়।
যেহেতু Active বাক্যটি Past Simple Tense, Passive-এর গঠন হবে: By whom + was/were + Object (Passive Subject) + V3 + Extension + ?
এখানে Object হলো 'this tree' (singular), তাই auxiliary verb হবে 'was' এবং মূল verb এর Past Participle রূপ হবে 'planted'
আদর্শ গঠন অনুযায়ী সঠিক উত্তর হওয়া উচিত ছিল: "By whom was this tree planted here?" (auxiliary verb, 'was', subject 'the tree'-এর আগে বসবে, যা Inversion rule অনুসরণ করে)।
তবে, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে (0) "By whom the tree was planted here?"-তে Tense পরিবর্তন (V2 \rightarrow was planted) এবং agent পরিবর্তন (Who \rightarrow By whom) সঠিকভাবে করা হয়েছে। অন্য বিকল্পগুলো Tense বা গঠনে ভুল। যেমন— বিকল্প (2) এবং (4)-এ had been planted (Past Perfect) ব্যবহার করা হয়েছে, যা ভুল।
সুতরাং, সঠিক Agent ও Tense বজায় রাখার কারণে, বিকল্প (0) কে সঠিক উত্তর হিসেবে নির্বাচন করা হয়েছে।
43

Fraility the name is women. Here ‘Fraility’ is :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A noun
  2. An adjective
  3. An adverb
  4. A verb
  5. Blank

সঠিক উত্তর: ঙ

সমাধান

Fraility বলে কোনো word পাওয়া যায় না। তবে শব্দটি Fraility না হয়ে Frailty হলে এটি হতো Noun। যার অর্থ ভাঙ্গুরতা, নশ্বরতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: A noun (বিশেষ্য)
প্রদত্ত বাক্যাংশটি (উদ্ধৃতিটি) হলো— ‘Frailty the name is women.’ (এটি মূলত Shakespeare-এর ‘Hamlet’ নাটকের বিখ্যাত উক্তি: ‘Frailty, thy name is woman.’)।
এখানে ‘Frailty’ শব্দটি বাক্যের Subject (কর্তা) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বাক্যের কর্তা বা উদ্দেশ্য সবসময় Noun (বিশেষ্য) বা Noun Equivalent (বিশেষ্য সমতুল্য) হয়।
Frailty শব্দের অর্থ হলো: দুর্বলতা বা নশ্বরতা। এটি একটি Abstract Noun (ভাববাচক বিশেষ্য)
এছাড়াও, শব্দটির শেষে ‘-ty’ সাফিক্সটি যুক্ত আছে, যা সাধারণত Noun নির্দেশ করে। এই সকল কারণে, ‘Frailty’ হলো Noun
44

Education is enlightening. Here ‘enlightening’ is–:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A gerund
  2. A participle
  3. An infinitive
  4. A finite verb

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

verb-এর সাথে ‘ing’ যুক্ত হয়ে যখন adjective-এর কাজ করে তখন তাকে participle বলে। প্রদত্ত বাক্যে enlighten শব্দটির সাথে 'ing' যুক্ত হয়ে তা education এর adjective -এর কাজ করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: A participle (একটি Participle)।
বাংলা ব্যাকরণে Participle-কে ক্রিয়াজাত বিশেষণ বলা হয়। এটি Non-finite Verb-এর অংশ।
প্রদত্ত বাক্যে, 'enlightening' শব্দটি 'Education' (Noun)-এর প্রকৃতি বা অবস্থা বর্ণনা করছে। যে শব্দ একই সাথে ভার্ব (Verb) থেকে তৈরি হয়ে বিশেষণ (Adjective)-এর কাজ করে, তাকেই Participle বলে।
এখানে বাক্যটির গঠন: Subject (Education) + Finite Verb (is) + Adjective/Participle (enlightening)।
অর্থাৎ, শিক্ষা কেমন? উত্তর: জ্ঞানদানকারী/আলোকিতকারী।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
Gerund: যদি V+ing শব্দটি বিশেষ্য (Noun)-এর কাজ করত (যেমন: Subject বা Object হিসেবে ব্যবহৃত হতো), তবে সেটি Gerund হতো। (উদাহরণ: *Teaching* is my profession.)
Infinitive: এর গঠন হলো 'to + V1' এবং এটি বাক্যে Noun, Adjective বা Adverb হিসেবে কাজ করে।
Finite Verb: বাক্যের Tense বা Subject অনুযায়ী যার রূপ পরিবর্তন হয়। এই বাক্যে 'is' হলো Finite Verb।
45

Choose the appropriate prepositions in the blank of the following sentence: 

The family doesn't fell__ going outing this season.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in
  2. on
  3. like
  4. of

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো কিছু করার ইচ্ছা প্রকাশ করতে ‘feel like’ ব্যবহৃত হয়। এর পর যে verb আসে তার সাথে ‘ing’ বসে । প্রদত্ত বাক্যে পরিবারটির বাইরে না যাওয়ার ইচ্ছাকে বোঝাচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: like
বাক্যটিতে প্রয়োজন একটি Phrasal Verb (বা Idiomatic structure) যার অর্থ হলো 'কোনো কিছু করার ইচ্ছা পোষণ করা' বা 'প্রবণতা থাকা'। এই অর্থে ব্যবহৃত হয় 'feel like'
নিয়ম অনুযায়ী, feel like -এর পরে সর্বদা Gerund (Verb + ing) ব্যবহৃত হয়। বাক্যটিতে blank-এর পরে 'going' (Gerund) রয়েছে, যা নিশ্চিত করে যে এখানে like বসবে।
বাক্যের পূর্ণাঙ্গ অর্থ দাঁড়ায়: The family doesn't feel like going outing this season. (পরিবারটির এই মৌসুমে বাইরে বেড়াতে যাওয়ার ইচ্ছা নেই।)
অন্যান্য অপশন যেমন— 'feel in', 'feel on', বা 'feel of' এই বাক্যে ব্যবহৃত কাঠামোগত বা ভাবগত অর্থ প্রকাশ করে না, তাই সেগুলো ভুল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

Fill in the blank with appropriate use of tense: 

I couldn't mend the computer myself, so I __ at a shop.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. had it mended
  2. had it mend
  3. did it mend
  4. had mended

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো কাজ কারো দ্বারা করানো এরূপ বোঝাতে causative verb বসে। Causative verb ব্যবহারের ক্ষেত্রে গঠন Subject + causative verb + object + মূল verb এর past participle form। যেমন - I had my shirt washed. Causative verb-have, make, cause, allow, help, enable, keep, hold, let, force and require. প্রদত্ত বাক্যে I had it mended at a shop - আমি এটা একটা দোকানে মেরামত করিয়েছিলাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: had it mended। এটি Causative Verb (প্রযোজক ক্রিয়া) -এর একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যবহার, যা বিসিএস সহ সকল নিয়োগ পরীক্ষায় বারবার আসে।
যখন কর্তা (Subject) নিজে কাজটি না করে অন্য কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয়, তখন Causative Verb ব্যবহৃত হয়। এখানে ‘I’ নিজে কম্পিউটার মেরামত না করে দোকানদারকে দিয়ে করিয়ে নিয়েছে।
Causative Verb হিসেবে 'Have' যখন Passive Sense (বস্তু বা কাজের শিকার) নির্দেশ করে, তখন এর গঠনটি হয়:
Subject + Have (Tense অনুযায়ী) + Object (Thing/বস্তু) + Past Participle (V3)
এখানে, Sentence Structure: I + had (Past tense because of 'couldn't mend') + it (the computer, which is the object/thing) + mended (V3)
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ:
had it mend: এখানে 'it' (কম্পিউটার) কাজটি নিজে করে না, তাই V3 (mended) প্রয়োজন। V1 (mend) ব্যবহৃত হয় যখন Objectটি সক্রিয় (Active) হয় (যেমন: I had the mechanic mend the computer)।
had mended: এখানে 'it' (কম্পিউটার) উল্লেখ নেই, যা এই passive structure-এর জন্য অপরিহার্য।
47

Use the appropriate article – 

I saw __ one-eyed man when I was walking on the road.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a
  2. an
  3. the
  4. no article needed

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সাধার‌ণত Vowel (a, e, i, o, u)- এর পূর্বে article ‘An’ বসে । কিন্তু Vowel ‘U’-এর উচ্চারণ যদি ‘ইউ’ এবং ‘O’-এর উচ্চারণ যদি ‘ওয়া’ - এর মতো হয় তাহলে ‘An’-এর পরিবর্তে ‘A’ বসে। তাই One (ওয়ান) -এর পূর্বে ‘a’ বসবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো 'a'
Article ব্যবহারের প্রধান ও মৌলিক নিয়ম হলো আর্টিকেল সর্বদা শব্দের উচ্চারণের প্রথম ধ্বনি (Sound) অনুযায়ী বসবে, বর্ণ (Letter) অনুযায়ী নয়।
এখানে, 'one-eyed' শব্দটি Vowel Letter (O) দিয়ে শুরু হলেও, এর উচ্চারণ শুরু হয় কনসোনেন্ট সাউন্ড /w/ বা 'ওয়া' দিয়ে (যেমন: 'ওয়ান' বা 'won')।
যেহেতু এটি কনসোনেন্ট ধ্বনি, তাই এর পূর্বে Indefinite Article হিসেবে 'a' ব্যবহার করা হবে।
(যেমন: a one-taka note, a one-time offer)।
অন্যদিকে, 'an' ভুল, কারণ এটি Vowel Sound-এর আগে বসে। 'the' ভুল, কারণ এটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে না।
48

The word ‘omnivorous’ means :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. eating all types of food
  2. eating only fruits
  3. eating only meat
  4. eating grass and plants only

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Omnivorous– সর্বভুক, সবকিছু খায় এমন বা eating all types of food.

ব্যাখ্যা

‘Omnivorous’ শব্দটি একটি ল্যাটিন শব্দমূলের সমন্বয়ে গঠিত। এটি সাধারণত এমন প্রাণীকে বোঝায় যারা উদ্ভিদ এবং প্রাণীজ উভয় ধরনের খাদ্যই গ্রহণ করে।
শব্দটির বিশ্লেষণ হলো:
১. ‘Omni-’ (অমনি) এর অর্থ হলো: সব বা সবকিছু (All/Every).
২. ‘-vorous’ (ভোরাস) এর অর্থ হলো: ভক্ষণকারী বা আহারকারী (Eater).
সুতরাং, Omnivorous (সর্বভুক) মানে হলো— যে সব ধরনের খাবার খায়। বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘eating all types of food’ হলো সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
- ‘eating only meat’ = Carnivorous (মাংসাশী)।
- ‘eating grass and plants only’ = Herbivorous (তৃণভোজী)।
49

Complete the following sentence choosing the appropriate option : 

It's raining cats and dogs, so–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Watch out for falling animals.
  2. Make sure you take an umbrella.
  3. Keep your pets inside.
  4. Keep the windows open.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বৃষ্টি হলে অত্যাবশ্যকীয় অনুষঙ্গ হিসেবে ছাতা দরকার। অতএব, It's raining cats and dogs, so make sure you take an umbrella.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (B) Make sure you take an umbrella.
প্রদত্ত বাক্যটিতে ব্যবহৃত হয়েছে জনপ্রিয় বাগধারা বা Idiom ‘It's raining cats and dogs’, যার অর্থ হলো মুশলধারে বৃষ্টি হওয়া (Raining very heavily/torrentially)।
অতএব, বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: ‘মুশলধারে বৃষ্টি হচ্ছে, তাই –’ এর সঙ্গে যুক্তিসঙ্গত ফলাফল হিসেবে অবশ্যই বৃষ্টি থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য ছাতা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হবে।
অপশন (A), (C) এবং (D) হলো এই বাগধারার আক্ষরিক অর্থ (literal meaning) গ্রহণ করার ভুল প্রচেষ্টা। মনে রাখতে হবে, বাগধারা বা Idiom-এর অর্থ সবসময় ভাবার্থ বা রূপক হয়, আক্ষরিক নয়।
50

The phrase ‘Achilles’ heel means :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A strong point
  2. A weak point
  3. A permanent solution
  4. A serious idea

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Achilles' heel' একটি idiom, যার অর্থ দুর্বল দিক বা weak point. সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)। Greek Mythology-এর বিখ্যাত চরিত্র Achilles -এর heel তথা 'গোড়ালির দুর্বলতা' থেকেই মূলত idiom টির উৎপত্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: A weak point (একটি দুর্বল দিক বা স্থান)।
Achilles’ heel একটি বহুল পরিচিত বাগধারা বা ইডিয়ম, যা গ্রিক পৌরাণিক কাহিনী থেকে এসেছে। এর মাধ্যমে কোনো মহৎ ব্যক্তি বা বিষয়ের সামান্য বা গোপন দুর্বলতা বোঝানো হয়, যা তার পতনের কারণ হতে পারে।
পৌরাণিক গল্পমতে, বীর যোদ্ধা একিউলিসকে (Achilles) তার শৈশবে অমর করার জন্য তার মা যখন তাকে স্টিক্স (Styx) নদীতে ডুবিয়েছিলেন, তখন তিনি একিউলিসের গোড়ালি ধরে রেখেছিলেন। ফলে, সেই গোড়ালি ছাড়া একিউলিসের পুরো শরীর অমর হয়ে যায়। পরবর্তীতে ট্রয়ের যুদ্ধে সেই গোড়ালিতে আঘাত হানলেই একিউলিসের মৃত্যু হয়।
যেহেতু গোড়ালিটিই ছিল তার একমাত্র দুর্বলতা, তাই Achilles' heel বলতে A weak point বা vulnerable point বোঝায়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

He worked with all sincerity. The underlined phrase is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A noun phrase
  2. An adjective phrase
  3. An infinitive phrase
  4. An adverbial phrase

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Adverbial phrase-ও adverb-এর মতো verb-কে modify করে। প্রদত্ত বাক্যে underlined phrase টি verb কে modify করেছে অর্থাৎ verb -এর manner প্রকাশ করায় এটি Adverbial phrase of manner.

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যে 'He worked with all sincerity'-তে আন্ডারলাইন করা অংশটি হলো 'with all sincerity'
এই অংশটি বাক্যের মূল ক্রিয়াপদ 'worked' (কাজ করা)-কে মডিফাই করছে। কীভাবে সে কাজ করেছিল?— এই প্রশ্নের উত্তরে আমরা পাই: খুব আন্তরিকতার সাথে
যে শব্দ বা শব্দগুচ্ছ কোনো Verb (ক্রিয়াপদ), Adjective (বিশেষণ) বা অন্য কোনো Adverb (ক্রিয়া বিশেষণ)-কে মডিফাই করে, তাকে Adverb বলে।
যখন একাধিক শব্দ একত্রিত হয়ে একটি Adverb-এর মতো কাজ করে, তখন তাকে Adverbial Phrase বা ক্রিয়া বিশেষণ পদগুচ্ছ বলা হয়।
সুতরাং, এটি একটি Adverbial phrase
52

This is the book I lost. Here ‘I lost’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A noun clause
  2. An adverbial clause
  3. An adjective clause
  4. None of the three

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Adjective clause ও Adjective-এর মতো noun/pronoun-কে modify করে। প্রদত্ত বাক্যের 'I lost' clause টি book -কে modify করছে। adjective Clause এর পূর্বে সাধারণত 1টি noun বা pronoun থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: An adjective clause (একটি বিশেষণ খণ্ডবাক্য)।
প্রদত্ত বাক্যটি হলো একটি Complex Sentence। এর দুটি অংশ— ‘This is the book’ (Principal Clause) এবং ‘I lost’ (Subordinate Clause)।
এখানে ‘I lost’ খণ্ডবাক্যটি এর ঠিক আগের noun, অর্থাৎ ‘the book’ সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দিচ্ছে। যেহেতু এটি একটি Noun (বিশেষ্য) পদকে modify করছে, তাই এটি একটি Adjective Clause
সাধারণত, Adjective Clause-এর আগে Relative Pronoun (যেমন: who, which, that) বসে। এই বাক্যে Relative Pronoun (that/which) উহ্য আছে। পূর্ণাঙ্গ বাক্যটি দাঁড়ায়: 'This is the book (that) I lost.'
Noun Clause কেন নয়: Noun Clause বাক্যে বিশেষ্যের কাজ করে (যেমন Subject বা Object)। এটি কোনো Noun-কে modify করছে না।
Adverbial Clause কেন নয়: Adverbial Clause (ক্রিয়া বিশেষণ খণ্ডবাক্য) সাধারণত Verb-কে modify করে এবং সময়, স্থান, কারণ, শর্ত ইত্যাদি বোঝায়, যা এই খণ্ডবাক্যটি বোঝাচ্ছে না।
53

Which do you think is the nearest in meaning to ‘proviso’:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. sanction
  2. substitute
  3. stipulation
  4. directive

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Proviso-অনুবিধি/শর্ত। অন্য option গুলোর মধ্যে sanction-অনুমোদন; substitute-বিকল্প; stipulation- পণ, মুক্তিপণ, শর্ত; directive-নির্দেশনামূলক। সুতরাং দেখা যায় অর্থের দিক থেকে 'proviso' ও 'stipulation' কাছাকাছি।

ব্যাখ্যা

শব্দটির সঠিক অর্থ জানার মাধ্যমে আমরা সমার্থক শব্দটি নির্ণয় করব।
Proviso (প্রোভাইজো) শব্দটির অর্থ হলো— শর্ত, চুক্তিপত্র বা দলিলপত্রের শর্ত বা বিধান, উপধারা। এটি সাধারণত কোনো চুক্তি বা আলোচনার চূড়ান্ত শর্তকে বোঝায়।
অপশনগুলোর মধ্যে, Stipulation (স্টিপুলেশন) শব্দটির অর্থ হলো— চুক্তিবদ্ধতা, বিশেষ শর্ত, দাবি করা বা আবশ্যকীয় শর্ত। তাই অর্থগত দিক থেকে Stipulation শব্দটিই 'Proviso'-এর সবচেয়ে কাছের সমার্থক।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন:
Sanction: (অনুমোদন বা শাস্তি/নিষেধাজ্ঞা, দ্বৈত অর্থ বোঝায়)
Substitute: (বিকল্প)
Directive: (নির্দেশিকা বা আদেশ)
54

Cassandra is a night owl, so she doesn't usually get up untill about :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 11 a.m
  2. 11 p.m
  3. 7 a.m
  4. 7 p.m

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Greek Mythology অনুযায়ী Cassandra ছিলেন ট্রয়রাজ Priam-এর কন্যা। আর 'Night Owl' Metaphorical Idiom, যার অর্থ নিশাচর বা যে রাত জেগে থাকে। প্রশ্নানুসারে যেহেতু 'Cassandra is a night owl' সেহেতু তার পক্ষে 11 pm, 7am বা 7 pm-এ ঘুম থেকে জেগে উঠা যুক্তিসঙ্গত নয়। বরং 11 am-ই উত্তর হিসেবে অধিক যুক্তিসঙ্গত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো 11 a.m
এই প্রশ্নটি মূলত Contextual Vocabulary এবং Idiomatic Usage এর উপর ভিত্তি করে তৈরি।
Night Owl বলতে এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়, যিনি সাধারণত রাত জেগে কাজ করেন বা পড়াশোনা করেন এবং এর ফলস্বরূপ পরের দিন দেরি করে ঘুম থেকে ওঠেন (A person who is habitually active or awake late into the night).
যেহেতু Cassandra একজন 'night owl', তাই তার খুব ভোরে ওঠার (7 a.m.) কোনো কারণ নেই। অপশনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে দেরিতে ওঠা বোঝায় 11 a.m
বাকি অপশনগুলো (11 p.m, 7 p.m) সাধারণত ঘুম থেকে ওঠার সময় নয়, বরং দিনের শেষ অংশকে নির্দেশ করে, তাই এগুলো ভুল।
55

Select the word that is the most closely opposite in meaning to the capitalized word : DELETERIOUS

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. toxic
  2. spurious
  3. harmless
  4. lethal

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Deleterious-ক্ষতিকর। option সমূহের মধ্যে Toxic-বিষাক্ত, Spurious-কৃত্রিম, মিথ্যা; harmless- অহিংস, যা ক্ষতি করে না; lethal- মারাত্মক ক্ষতিকর। অতএব অর্থের দিক থেকে deleterious এবং harmless পুরোপুরি opposite বা বিপরীতার্থক।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত শব্দটি হলো DELETERIOUS
এই শব্দটির অর্থ হলো ক্ষতিকারক, অনিষ্টকর বা বিষাক্ত (Harmful, detrimental, poisonous)।
প্রশ্নে এই শব্দটির সবচেয়ে নিকটতম বিপরীত শব্দ (Antonym) জানতে চাওয়া হয়েছে।
সঠিক উত্তর হলো harmlessHarmless এর অর্থ হলো ক্ষতিহীন বা নিরাপদ (Not causing damage or injury)।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে toxic (বিষাক্ত) এবং lethal (প্রাণঘাতী) হলো DELETERIOUS-এর সমার্থক (Synonyms)।
spurious এর অর্থ হলো ভুয়া বা নকল (False or fake), যা অর্থের দিক থেকে এখানে প্রাসঙ্গিক নয়।
56

“Gerontion” is a poem by –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. T.S. Eliot
  2. W.B.Yeats
  3. Mathew Arnold
  4. Robert Browning

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে T.S. Eliot-এর বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে 'The Waste Land', 'The Love Song of J. Alfred Prufrock', 'The Gerontion' অন্যতম। সুতরাং সঠিক উত্তর (ক) ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: T.S. Eliot (টমাস স্টার্নস এলিয়ট)।
“Gerontion” (যার অর্থ 'বৃদ্ধ পুরুষ') হলো ইংরেজি ভাষার অন্যতম শ্রেষ্ঠ মডার্নিস্ট কবি T.S. Eliot-এর একটি বিখ্যাত কবিতা।
এটি ১৯২০ সালে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি প্রায়শই এলিয়টের মহাকাব্য 'The Waste Land'-এর একটি পূর্বসূরি (prelude) হিসেবে বিবেচিত হয়, কারণ এতে আধুনিক সমাজের বিচ্ছিন্নতা ও বার্ধক্যের হতাশার থিমগুলো ফুটে উঠেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন যুগের কবি। যেমন: W.B. Yeats একজন আইরিশ মডার্নিস্ট, Mathew ArnoldRobert Browning ভিক্টোরিয়ান যুগের কবি।
57

Fill in the blank. ‘_____’ is Shakespeare's last play.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. As You Like It
  2. Macbeth
  3. Tempest
  4. Othello

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে T.S. Eliot-এর বিখ্যাত কবিতাগুলোর মধ্যে ‘The Waste Land’, ‘The Love Song of J. Alfred Prufrock', 'The Gerontion’ অন্যতম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Tempest
William Shakespeare (১৫৬৪–১৬১৬) রচিত The Tempest নাটকটি সাধারণত তাঁর লেখা শেষ একক নাটক (Last solo play) হিসেবে বিবেচিত। এটি ১৬১১ সালের দিকে লেখা হয় এবং এর মাধ্যমেই তিনি নাট্যজগৎ থেকে বিদায় নেন।
যদিও Henry VIII বা The Two Noble Kinsmen নাটক দুটি পরবর্তীকালে লেখা হয়, কিন্তু সেগুলো তিনি অন্য নাট্যকারদের সাথে (যেমন: John Fletcher) যৌথভাবে লিখেছিলেন। এককভাবে রচিত শেষ নাটক The Tempest
অন্যান্য অপশনগুলো (Macbeth, Othello, As You Like It) তাঁর বিখ্যাত কর্ম হলেও সেগুলো এর আগে রচিত হয়েছিল।
58

Who has written the poem “Elegy Written in a Country Churchyard”?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Gray
  2. P. B. Shelley
  3. Robert Frost
  4. Y.B. Yeats

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে Thomas Gray বিখ্যাত তার Elegy'র জন্য। তার বিখ্যাত কবিতাগুলো হলো 'The Fatal Sisters: An Ode', 'Elegy Written in a Country Churchyard', 'Ode on the Spring' ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Thomas Gray (টমাস গ্রে)
“Elegy Written in a Country Churchyard” কবিতাটি টমাস গ্রে-র শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি ১৭৫০ সালে লেখা হয় এবং ১৭৫১ সালে প্রকাশিত হয়।
এটি ১৮শ শতকের (18th Century) ইংরেজি সাহিত্যের একটি অসাধারণ শোককাব্য (Elegy), যা Augustan Age থেকে Romantic Age-এর দিকে পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়।
এই কবিতার মাধ্যমে গ্রামীণ জীবনের সাধারণ মানুষের দুঃখ-কষ্ট ও মৃত্যু নিয়ে গভীর দার্শনিক চিন্তা প্রকাশ পেয়েছে, যা তাকে Graveyard School of Poetry-র অন্যতম পথিকৃৎ হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন যুগের কবি: P. B. Shelley (Romantic Poet), Robert Frost (Modern American Poet) এবং W. B. Yeats (Modern Irish Poet)।
59

Who has written the play ‘Volpone’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Webster
  2. Ben Jonson
  3. Christopher Marlowe
  4. William Shakespeare

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Ben Jonson তার ব্যঙ্গ রসাত্মক নাটকের জন্য ইংরেজি সাহিত্যে বিখ্যাত হয়ে আছেন। তাকে কমেডি নাটকের জনকও বলা হয়। 'Volpone' তার বিখ্যাত কমেডি নাটক। তিনি আরো যেসব নাটক লিখেছেন তার মধ্যে The Alchemist, Every man in His Humour, Every man Out of His Humour অন্যতম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Ben Jonson (বেন জনসন)। তিনি Jacobean Period-এর একজন প্রভাবশালী নাট্যকার ছিলেন।
Volpone হলো বেন জনসনের লেখা একটি মাস্টারপিস কমেডি নাটক। এটি ১৬০৬ সালের দিকে প্রকাশিত হয় এবং এটি তাঁর সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সফল নাটকগুলির মধ্যে অন্যতম।
এই নাটকটি ভেনিসের এক ধনী ব্যক্তি Volpone এবং তার চাটুকার পরিচারক Mosca-কে নিয়ে লেখা, যারা অর্থের লোভে মানুষকে প্রতারিত করে। নাটকটি লোভ (Greed) এবং কপটতা (Hypocrisy)-এর ওপর তীব্র ব্যঙ্গাত্মক আক্রমণ।
অন্যান্য অপশনসমূহের মধ্যে William Shakespeare, Christopher MarloweJohn Webster কেউই এই নাটকটির রচয়িতা নন।
60

Shakespeare composed much of his plays in what sort of verse?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Alliterative verse
  2. Sonnet form
  3. Iambic pentameter
  4. Daetylic Haxameter

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Shakespeare তার নাটকে Prose এবং Verse দুটি form-ই ব্যবহার করেছেন। তবে verse-এর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করেছেন blank verse, যার কোনো rhyme (অন্ত্যমিল) নেই আর কিছু নাটকে ব্যবহার করেছেন iambic pentameter verse অর্থাৎ পাঁচমাত্রার ছন্দবিশিষ্ট লাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Iambic Pentameter
William Shakespeare তাঁর নাটকগুলোর (plays) বেশিরভাগ অংশ রচনা করেছিলেন Iambic Pentameter ছন্দে। এটি ইংরেজি ভাষার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাব্যিক ছন্দগুলোর মধ্যে একটি।
যখন Iambic Pentameter ছন্দটি অ-অন্ত্যমিলযুক্ত (unrhymed) হয়, তখন তাকে Blank Verse বলা হয়। শেক্সপিয়রের বেশিরভাগ নাটকই এই Blank Verse-এ লেখা।
প্রতিটি লাইনে মোট দশটি সিলেবল থাকে, যেখানে পাঁচটি 'iamb' থাকে (একটি দুর্বল সিলেবল, এরপর একটি শক্তিশালী সিলেবল)।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ Sonnet form হলো ১৪ লাইনের নির্দিষ্ট কাঠামো; Alliterative verse পুরাতন ইংরেজি সাহিত্যে (যেমন: Beowulf) ব্যবহৃত হতো; আর Dactylic Hexameter হলো ক্লাসিক্যাল মহাকাব্যের ছন্দ (যেমন: Homer-এর Iliad)।
61

The repetition of beginning consonant sound is know as–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Personification
  2. onomatopoeia
  3. alliteration
  4. rhyme

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুটি পাশাপাশি শব্দের শুরুর উচ্চারণ বা যে কাব্যালংকারের প্রতিটি শব্দের প্রারম্ভে একই ব্যঞ্জন বা স্বরবর্ণের যদি পুনঃপুন ব্যবহার হয় তবে তাকে alliteration বা অনুপ্রাস বলে। অপরদিকে, কোনো বস্তু বা objects -কে সাহিত্যে মানুষ বা ব্যক্তিরূপ দান করাকে personification বলে। Onomatopoeia হলো অনুকার শব্দ বা কোনোকিছুর শব্দের অনুকরণে শব্দগঠন। Rhyme হলো শব্দের বা কবিতার চরণের মিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: alliteration
Alliteration (অনুপ্রাস) হলো একটি সাহিত্যিক কৌশল, যেখানে একই বাক্যের একাধিক কাছাকাছি শব্দে আদি বা শুরুতে থাকা ব্যঞ্জন ধ্বনির (Beginning Consonant Sound) পুনরাবৃত্তি ঘটে।
যেমন: 'Peter Piper picked a peck of pickled peppers.' এখানে 'P' ধ্বনিটির বারবার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
Personification: যখন কোনো জড় বস্তু বা বিমূর্ত ধারণাকে মানবীয় বৈশিষ্ট্য দেওয়া হয় (যেমন: The wind howled)।
onomatopoeia: যখন শব্দ সরাসরি কোনো ধ্বনিকে অনুকরণ করে (যেমন: Buzz, Hiss, Bang)।
rhyme: যখন কবিতার লাইনের শেষে শব্দের ধ্বনিগুলোর মধ্যে মিল থাকে (যেমন: cat, hat, sat)।
62

Which of the following is not a poetic tradition?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The Epic
  2. The Comic
  3. The Occult
  4. The Tragic

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে Epic হলো বড় ধরনের বর্ণনামূলক কবিতা, যাকে মহাকাব্য বলা হয়। Occult হলো অতিপ্রাকৃত বিষয় যা নিয়ে কাব্য রচনা করা হয়। Tragic হলো বিষাদময় ঘটনা যা নিয়েও কবিতা লেখা হয়। অপরদিকে comic হলো হাস্যকর বা কৌতুকপ্রদ কোনো কিছু। যা কখনোই কবিতার ঐতিহ্য ছিল না। সুতরাং Epic, Occult, Tragic Poetic tradition হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: The Occult
সাহিত্য বা কবিতার জগতে, The Epic (মহাকাব্য), The Tragic (বিয়োগান্তক রীতি) এবং The Comic (হাস্যরসাত্মক রীতি) হলো সাহিত্যের সুপ্রাচীন ও প্রধান তিনটি স্বীকৃত কাব্যিক ঐতিহ্য (Poetic Tradition) বা মূল শাখা (Genre)।
অন্যদিকে, The Occult শব্দটির আভিধানিক অর্থ হলো গুপ্ত, জাদুবিদ্যা সংক্রান্ত, বা রহস্যময়। 'Occult' একটি বিষয়বস্তু (Theme) হতে পারে যা সাহিত্য বা কাব্যের মধ্যে ব্যবহৃত হয়, কিন্তু এটি নিজে Epic, Lyric বা Dramatic-এর মতো কোনো স্বতন্ত্র বা প্রধান কাব্যিক ঐতিহ্য হিসেবে পরিচিত নয়।
সুতরাং, প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে The Occult কোনো কাব্যিক ঐতিহ্য নয়।
63

What is a funny poem of five lines called?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Quartet
  2. Limerick
  3. Sixtet
  4. Haiku

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Quartet হলো চারজন লোকের একটি সংগীতদল। Limerick-পাঁচ লাইনের একটি হাস্যরসাত্মক কবিতা। Sixtet বলে কোনো শব্দ নেই। Haiku-তিন লাইনের একটি জাপানি কবিতা, যাতে সতেরোটি অক্ষর থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Limerick (লিমেরিক)।
একটি Limerick হলো পাঁচ লাইনের (a poem of five lines or pentastich) একটি ছোট কবিতা, যা সাধারণত হাস্যরসাত্মক বা অর্থহীন (humorous or nonsensical) হয়।
এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো এর নির্দিষ্ট ছন্দের কাঠামো: প্রথম দুটি লাইন, তৃতীয় ও চতুর্থ লাইন এবং শেষ লাইনটি একটি নির্দিষ্ট rhyme scheme অনুসরণ করে— AABBA
Quartet মানে হলো চার লাইনের স্তবক। Sixtet মানে হলো ছয় লাইনের স্তবক। Haiku হলো তিন লাইনের জাপানি কবিতা, যা সাধারণত প্রকৃতি বা ঋতু নিয়ে লেখা হয় এবং এর সিলেবল বিন্যাস হলো ৫-৭-৫
64

Who wrote “Biographia Literaria”?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Lord Byron
  2. P.B. Shelley
  3. S.T. Coleridge
  4. Charles Lamb

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

S. T. Coleridge ইংরেজি সাহিত্যের Romantic যুগের একজন বিখ্যাত কবি। William Wordsworth এর সাথে যৌথভাবে ‘Lyrical Ballads’ রচনার মাধ্যমে Romantic যুগের সূচনা করেন। তার বিখ্যাত সাহিত্যকর্মের মধ্যে ‘The Rime of the Ancient Mariner’, ‘Biographia Literaria’, ‘Christabell’, ‘Kubla Khan’, ‘Ode to Dejection’ উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: S.T. Coleridge (স্যামুয়েল টেইলর কোলরিজ)
Biographia Literaria (1817) গ্রন্থটি একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক সাহিত্যকর্ম ও সমালোচনামূলক রচনা। এই গ্রন্থে কোলরিজ তার কাব্যতত্ত্ব (theory of poetry) এবং কল্পনা (Imagination) ও ফ্যান্টাসি (Fancy) সম্পর্কে ধারণা ব্যাখ্যা করেন।
কোলরিজ এবং উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ যৌথভাবে Romantic Age-এর সূচনা করেছিলেন। এই বইটি রোমান্টিক যুগের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য সমালোচনার নিদর্শন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: Lord Byron রচিত বিখ্যাত কর্ম হলো 'Don Juan', P.B. Shelley রচিত বিখ্যাত কর্ম হলো 'Ode to the West Wind', এবং Charles Lamb মূলত প্রবন্ধকার হিসেবে পরিচিত ('Essays of Elia' লিখেছিলেন)।
65

Robert Browning was a ____ poet. Fill in the gap with appropriate word.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Romantic
  2. Victorian
  3. Modern
  4. Elizathan

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে 1798-1832 সময়কে Romantic Age, 1832-1901–Victorian Age, 1901-1939 Modern Age এবং 1558-1603 সময়কে Elizabethan Age বলে। Robert Browning (1812-1889) একজন গুরুত্বপূর্ণ Victorian poet.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Victorian
Robert Browning (জন্ম: ১৮১২, মৃত্যু: ১৮৮৯) ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম প্রভাবশালী কবি, যিনি প্রধানত Queen Victoria-এর শাসনকালে (১৮৩৭-১৯০১) তাঁর সাহিত্যকর্ম রচনা করেন। এই সময়কালকে Victorian Period বলা হয়।
Robert Browning এবং Alfred Lord Tennyson উভয়েই Victorian যুগের শ্রেষ্ঠ কবি হিসেবে পরিচিত।
ভুল অপশনগুলো: Romantic যুগের প্রধান কবিরা হলেন Wordsworth, Coleridge, Shelley এবং KeatsModern যুগের কবিদের মধ্যে T.S. EliotW.B. Yeats অন্যতম। আর Elizabethan যুগ আরও অনেক পূর্বের, যেখানে Shakespeare-এর উত্থান ঘটে।
66

Othello gave Desdemona _____ as a token of love :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Ring
  2. Handkerchief
  3. Pendant
  4. Bangles

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

উইলিয়াম শেক্সপিয়রের Othello নাটকে বহুল ব্যবহৃত শব্দটি হলো Handkerchief বা রুমাল। Othello তার সহধর্মিণী Desdemona-কে ভালোবাসার নিদর্শনস্বরূপ একটি Handkerchief উপহার দেয়, যা পরবর্তীতে Desdemona'র মৃত্যুর কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Handkerchief (রুমাল)
William Shakespeare রচিত বিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক Othello, the Moor of Venice-এর প্রধান চরিত্র হলো Othello (মুর সেনাপতি) এবং তার স্ত্রী Desdemona
Othello ভালোবাসার প্রতীক হিসেবে Desdemona-কে একটি Handkerchief উপহার দিয়েছিলেন, যার উপর স্ট্রবেরির নকশা খোদাই করা ছিল। এটি ছিল একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বস্তু, যা Othello-এর কাছে ভাগ্য ও ভালোবাসার প্রতীক ছিল।
নাটকের প্রধান ভিলেন Iago এই Handkerchief-টি চুরি করে Cassio-এর কাছে রেখে দেয়। এরপর Othello-কে বোঝানো হয় যে Desdemona অসৎ এবং Cassio-এর সাথে তার সম্পর্ক আছে। এই রুমালটিই নাটকের ট্র্যাজেডির মূল কারণ এবং Othello-এর ঈর্ষার চূড়ান্ত প্রমাণ হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন Ring, Pendant, বা Bangles কোনোটিই এই নাটকের মূল প্লট ডিভাইস হিসেবে বা Othello ও Desdemona-এর ভালোবাসার বিশেষ প্রতীক হিসেবে কাজ করেনি।
67

P.B. Shelley's ‘Adonais’ is an elegy on the death of–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Milton
  2. S.T. Coleridge
  3. John Keats
  4. Lord Byron

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Adonais হলো P.B. Shelly এর লেখা একটি বিখ্যাত কবিতা। কবিতাটি তিনি ১৮২১ সালে তার বন্ধু John Keats কে উৎসর্গ করেন। বন্ধুর অকালমৃত্যুতে ব্যথিত হয়ে কবি Keats-এর মৃত্যুর সাত সপ্তাহের মধ্যে কবিতাটি রচনা করেন। বন্ধুর অকাল প্রয়াণই কবিতাটির মূল বিষয়বস্তু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: John Keats
P.B. Shelley (Percy Bysshe Shelley) ১৮২১ সালে তার বন্ধু ও সহকর্মী রোমান্টিক কবি John Keats-এর অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করে এই বিখ্যাত শোকগাথা বা Elegy টি রচনা করেন।
‘Adonais’ কবিতাটি গ্রিক রূপকথা অনুসারে মৃত সৌন্দর্য দেবতা Adonis-এর নামানুসারে লেখা হয়েছে, যেখানে Adonais দ্বারা প্রতীকীভাবে John Keats-কে বোঝানো হয়েছে।
এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ Pastoral Elegy (প্যাস্টোরাল শোকগাথা) হিসেবে পরিচিত।
68

The comparison of unlike things using the words like on as is known to be–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. metaphor
  2. simile
  3. alliteration
  4. personification

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Metaphor-দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা, যেখানে as, like উহ্য থাকে। যেমন-She is a moon. Simile-দুটি ভিন্ন বস্তুর মধ্যে তুলনা, যা as, like ইত্যাদি দ্বারা নির্দিষ্ট করে বোঝানো হয়। যেমন-She is like the moon.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Simile (উপমা)
Simile হলো এমন একটি অলংকারিক শব্দ বা Figure of Speech, যেখানে দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বস্তুর মধ্যে সরাসরি তুলনা করা হয়। এই তুলনা করার জন্য 'like' (মতো), 'as' (যেমন), অথবা 'so' এই শব্দগুলো ব্যবহার করা বাধ্যতামূলক।
যেমন: 'The soldier fought like a lion.' (সৈনিকটি সিংহের মতো যুদ্ধ করেছিল)।
প্রশ্নটিতে সরাসরি 'like' এবং 'as' শব্দগুলো ব্যবহারের মাধ্যমে তুলনা করার কথা বলা হয়েছে, যা Simile এর মৌলিক সংজ্ঞা।
Metaphor কেন ভুল?: Metaphor (রূপক)-এও ভিন্ন জিনিসের মধ্যে তুলনা করা হয়, কিন্তু সেখানে 'like' বা 'as' ব্যবহার করা হয় না। Metaphor-এ একটি বস্তুকে সরাসরি অন্য বস্তুটি হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। (যেমন: 'The world is a stage.')
Alliteration কেন ভুল?: Alliteration (অনুপ্রাস) হলো কবিতার লাইন বা বাক্যে কাছাকাছি থাকা কয়েকটি শব্দের শুরুতে একই ধ্বনি বা অক্ষরের পুনরাবৃত্তি।
Personification কেন ভুল?: Personification (ব্যক্তিকরণ) হলো জড় বস্তু বা বিমূর্ত ধারণার উপর মানুষের গুণাবলী বা কাজ আরোপ করা। (যেমন: 'The wind whispered through the trees.')
69

‘Restoration period’ in English literature refers to–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1560
  2. 1660
  3. 1760
  4. 1866

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে Restoration period শুরু হয়েছে মূলত ১৬৬০ সালে, যার স্থায়িত্ব ছিল ১৬৮৮ সাল পর্যন্ত। সমগ্র ইংল্যান্ডকে একত্র করার মাধ্যমে তৎকালীন রাজা Charles II, ১৬৬০ সালে Restoration যুগের সূচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৬৬0
ইংরেজিতে ‘Restoration Period’ বা পুনরুদ্ধার পর্ব শুরু হয় ১৬৬০ সালে।
এই সময়টিকে Restoration Period বলা হয় কারণ, ইংল্যান্ডের গৃহযুদ্ধ এবং কমনওয়েলথ (Commonwealth, ১৬৪৯-১৬৬০) শাসনের পরে এই বছরটিতেই exiled রাজা দ্বিতীয় চার্লস (Charles II) ইংল্যান্ডের সিংহাসনে পুনরুদ্ধার (Restore) হন।
এই যুগের প্রধান সাহিত্যিক ছিলেন John Dryden, তাই একে Age of Dryden-ও বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন সাহিত্য যুগের সূচনাকাল নির্দেশ করে:
১৫৬০: এটি Elizabethan Age-এর শেষ দিকের সময়কাল।
১৭৬০: এটি মূলত Age of Sensibility বা Transition Period-এর শেষাংশের কাছাকাছি, যার পর পরই রোমান্টিক যুগ শুরু হয়।
১৮৬৬: এটি Victorian Age-এর মাঝামাঝি সময়।
70

‘The Sun Also Rises’ is a novel written by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Charles Dickens
  2. Hermanne Melville
  3. Earnest Hemingway
  4. Thomas Hardy

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Ernest Hemingway এর অন্যান্য উপন্যাস হলো The Old Man and The Sea, For Whom The Bell Tolls, A Farewell to Arms. তিনি The Old Man and The Sea উপন্যাসটির জন্য ১৯৫৪ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Earnest Hemingway (আর্নেস্ট হেমিংওয়ে)
আর্নেস্ট হেমিংওয়ে (১৮৯৯–১৯৬১) ছিলেন একজন বিখ্যাত আমেরিকান ঔপন্যাসিক ও সাংবাদিক। তিনি আধুনিক সাহিত্যের (Modern Period) অন্যতম প্রভাবশালী লেখক হিসেবে পরিচিত।
‘The Sun Also Rises’ উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ‘Lost Generation’ নামে পরিচিত প্রথম বিশ্বযুদ্ধোত্তর প্রজন্মের হতাশা ও লক্ষ্যহীনতাকে ফুটিয়ে তোলে।
অন্যদিকে, Charles Dickens ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত সমাজ-সচেতন লেখক। Thomas Hardy-ও ছিলেন ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক, যিনি প্রকৃতি ও ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা নিয়ে লিখতেন। Herman Melville আমেরিকান রেনেসাঁসের লেখক, যার বিখ্যাত কাজ ‘Moby Dick’।
71

পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড রিপন
  2. লর্ড কার্জন
  3. লর্ড মিন্টো
  4. লর্ড হার্ডিঞ্জ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলা, বিহার, উড়িষ্যা, মধ্য প্রদেশ ও আসামের কিছু অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছিল বাংলা প্রদেশ বা বাংলা প্রেসিডেন্সি। এর আয়তন বড় হওয়ায় ১৯০৩ সালে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা গৃহীত হয়। ১৯০৪ সালে ভারত সচিব এটি অনুমোদন করেন এবং ১৯০৫ সালের জুলাই মাসে বঙ্গভঙ্গের পরিকল্পনা প্রকাশিত হয়। এ পরিকল্পনায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, আসাম, জলপাইগুড়ি, পার্বত্য ত্রিপুরা ও মালদহ নিয়ে গঠিত হয় পূর্ব বাংলা ও আসাম নামে নতুন প্রদেশ। এ প্রদেশ গঠনকালে ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন। বঙ্গভঙ্গ রদের সময় গভর্নর ছিলেন লর্ড হার্ডিঞ্জ।

ব্যাখ্যা

পূর্ববঙ্গ ও আসাম প্রদেশ গঠিত হয়েছিল ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বঙ্গভঙ্গের (Partition of Bengal) মাধ্যমে।
এই ঐতিহাসিক বিভাজনের সময় ব্রিটিশ ভারতের গভর্নর জেনারেল ও ভাইসরয় ছিলেন লর্ড কার্জন (Lord Curzon)। তিনি ১৮৯৯ সাল থেকে ১৯০৫ সাল পর্যন্ত ভাইসরয় হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
লর্ড কার্জনের মূল উদ্দেশ্য ছিল প্রশাসনিক সুবিধার কথা বললেও, আসলে তিনি হিন্দু ও মুসলিম অধ্যুষিত অঞ্চলকে বিভক্ত করে বাংলার জাতীয়তাবাদী আন্দোলনকে দুর্বল করতে চেয়েছিলেন।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কারণ: লর্ড রিপন ছিলেন ১৮৮০-১৮৮৪ সালে (অনেক আগে)। লর্ড মিন্টো কার্জনের পরে আসেন এবং লর্ড হার্ডিঞ্জ ১৯১১ সালে বঙ্গভঙ্গ রদ করেন।
72

১৯৫৪ সালে পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে যুক্তফ্রন্টের প্রতীক ছিল–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধানের শীষ
  2. নৌকা
  3. লাঙ্গল
  4. বাইসাইকেল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পাকিস্তান শাসনামলে পূর্ব বাংলার প্রথম প্রাদেশিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৫৪ সালের ১১ মার্চ। এ নির্বাচনে মুসলিম লীগের পরাজয় নিশ্চিত করতে আওয়ামী মুসলিম লীগ, কৃষক শ্রমিক দল, নেজামে ইসলাম ও গণতন্ত্রী দল একত্রিত হয়ে ১৯৫৩ সালের ৪ ডিসেম্বর গঠন করে যুক্তফ্রন্ট। যুক্তফ্রন্টের নির্বাচনি প্রতীক ছিল নৌকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নৌকা
১৯৫৪ সালের পূর্ব পাকিস্তান প্রাদেশিক পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মুসলিম লীগকে পরাজিত করার লক্ষ্যে চারটি প্রধান বিরোধী দল মিলে ‘যুক্তফ্রন্ট’ (United Front) গঠন করে।
এই চারটি দলের মধ্যে সবচেয়ে প্রভাবশালী ছিল মাওলানা ভাসানীর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী মুসলিম লীগ। যেহেতু নৌকা ছিল আওয়ামী মুসলিম লীগের প্রতীক, তাই যুক্তফ্রন্ট এই প্রতীকটি গ্রহণ করে।
এই নির্বাচনে যুক্তফ্রন্ট ঐতিহাসিক ভূমিধস জয় লাভ করেছিল। তারা মোট ২৩৭টি মুসলিম আসনের মধ্যে ২২৩টি আসন লাভ করে, যেখানে মুসলিম লীগ পায় মাত্র ৯টি আসন।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে, ধানের শীষ হলো ১৯৭৮ সালে গঠিত হওয়া বিএনপি'র প্রতীক এবং লাঙ্গল হলো বর্তমান জাতীয় পার্টির প্রতীক। এই দলগুলো ১৯৫৪ সালের নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
73

ঐতিহাসিক ৬-দফাকে কিসের সাথে তুলনা করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিল অব রাইটস
  2. ম্যাগনাকার্টা
  3. পিটিশন অব রাইটস
  4. মুখ্য আইন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অর্থনৈতিক বৈষম্য থেকে মুক্তির জন্য ১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ঐতিহাসিক ‘ছয় দফা’ কর্মসূচি পেশ করেন। এ কর্মসূচিকে বাংলার জনগণ ম্যাগনাকার্টা হিসেবে গ্রহণ করে। স্বয়ং বঙ্গবন্ধু এ ছয় দফাকে পূর্ব পাকিস্তানের ‘বাঁচার দাবি’ বলে অভিহিত করেন।

ব্যাখ্যা

ঐতিহাসিক ৬-দফা কর্মসূচিকে বাংলার জনগণের মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা (Magna Carta) বলা হয়।
ম্যাগনাকার্টা হলো ইংল্যান্ডের রাজা জন কর্তৃক ১২১৫ সালে স্বাক্ষরিত একটি ঐতিহাসিক দলিল, যা রাজার ক্ষমতাকে সীমিত করে মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করেছিল।
একইভাবে, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক ঘোষিত ৬-দফা ছিল পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক স্বায়ত্তশাসনের দাবি, যা তৎকালীন পশ্চিম পাকিস্তানি শোষণের বিরুদ্ধে বাঙালিদের মুক্তির পথ রচনা করে। তাই এই দুটি দলিলের গুরুত্বের সাযুজ্য থাকায় ৬-দফাকে ‘বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ’ বা ‘ম্যাগনাকার্টা’ হিসেবে তুলনা করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—বিল অব রাইটস বা পিটিশন অব রাইটস সাংবিধানিক দলিল হলেও ৬-দফার সাথে এর তুলনামূলক গুরুত্বের দিক থেকে ম্যাগনাকার্টাই সর্বজনস্বীকৃত।
74

বাংলাদেশের প্রথম স্বাধীন নবাব কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নবাব সিরাজউদ্দৌলা
  2. মুর্শিদ কুলী খান
  3. ইলিয়াস শাহ
  4. আলাউদ্দিন হুসেন শাহ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৭০০ সালে শায়েস্তা খানের দক্ষ সুবাদার হিসেবে বাংলার ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন মুর্শিদকুলি খান। নবাব মুর্শিদকুলি খানের সময় থেকেই বাংলা সুবা প্রায় স্বাধীন হয়ে পড়ে। ১৩৩৮ সালে ফখরুদ্দীন মোবারক শাহ বাংলার স্বাধীনতার সূচনা করলেও প্রকৃত স্বাধীনতা প্রতিষ্ঠা করেন শামসুদ্দীন ইলিয়াস শাহ। বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব ছিলেন নবাব সিরাজউদ্দৌলা। সুলতান আলাউদ্দীন হোসেন শাহ ছিলেন হুসেন শাহী যুগের শ্রেষ্ঠ সুলতান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মুর্শিদ কুলী খান (অপশন খ)। তিনি বাংলা, বিহার ও ওড়িশার স্বাধীন নবাবী শাসন প্রতিষ্ঠা করেন।
মুর্শিদ কুলী খান মূলত মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের দ্বারা নিযুক্ত হলেও, **১৭১৭** সালে তিনি বাংলার সুবাদার (Governor) পদ লাভ করার পর থেকে কার্যত স্বাধীনভাবে শাসন পরিচালনা শুরু করেন। তিনি মুঘলদের নিকট রাজস্ব প্রেরণ অনিয়মিত করে দেন এবং বংশানুক্রমিক শাসন চালু করেন, যা তাকে প্রথম স্বাধীন নবাব হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো কেন ভুল: নবাব সিরাজউদ্দৌলা ছিলেন এই বংশের শেষ স্বাধীন নবাব, যিনি পলাশীর যুদ্ধে (১৭৫৭) পরাজিত হন। ইলিয়াস শাহ এবং আলাউদ্দিন হুসেন শাহ ছিলেন নবাবী আমলের অনেক আগেকার স্বাধীন সুলতান, নবাব নন।
75

আলুর একটি জাত–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডায়মন্ড
  2. রূপালী
  3. ড্রামহেড
  4. ব্রিশাইল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ডায়মন্ড আলুর একটি উন্নতজাতের নাম। ড্রামহেড একটি উন্নতজাতের বাঁধাকপি। রূপালি ও ডেলফোজ উন্নতজাতের তুলাবীজ। ব্রিশাইল একটি উন্নত জাতের ধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ডায়মন্ডডায়মন্ড (Diamond) হলো বাংলাদেশে চাষকৃত আলুর একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ও উচ্চ ফলনশীল বিদেশি জাত, যা বর্তমানে ব্যাপকভাবে উৎপাদিত হয়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (BARI) কর্তৃক উদ্ভাবিত ও অনুমোদিত অনেক আলু জাতের মধ্যে ডায়মন্ড অন্যতম (যা বারি আলু-৭ নামে পরিচিত)।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ডিস্ট্রাক্টর:
রূপালীব্রিশাইল হলো ধানের (Paddy/Rice) জাত।
ড্রামহেড (Drumhead) হলো বাঁধাকপির (Cabbage) একটি জনপ্রিয় জাত।
76

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি উৎপাদিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আউশ ধান
  2. আমন ধান
  3. বোরো ধান

  4. ইরি ধান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস), কৃষি মন্ত্রণালয় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) এর সমন্বিত হিসাব অনুযায়ী ২০২০-২১ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৪৩.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আউশ ৩২.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৪৪.৩৮ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ১৯৮.৮৫ লক্ষ মেট্রিক টন। এবং ২০২১-২২ অর্থবছরে খাদ্যশস্যের মোট উৎপাদন হয়েছে ৪৬৫.৮৩ লক্ষ মেট্রিক টন। এর মধ্যে আউশ ৩৪.৮৪ লক্ষ মেট্রিক টন, আমন ১৫০.৪৭ লক্ষ মেট্রিক টন, বোরো ২০৯.৫১ লক্ষ মেট্রিক টন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো বোরো ধান। বাংলাদেশে মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৫৫% থেকে ৬০% আসে এই বোরো মৌসুম থেকে।
বোরো ধান প্রধানত শুকনো মৌসুমে (শীতকালে) নভেম্বর থেকে মে মাসে চাষ করা হয়। যেহেতু এটি মূলত সেচনির্ভর পদ্ধতিতে চাষ করা হয়, তাই এর ফলন (Yield) অন্যান্য ধানের তুলনায় অনেক বেশি হয়।
অন্যদিকে, আমন ধান (বর্ষা বা খরিফ-২ মৌসুমের ফসল) বাংলাদেশে জমির পরিমাণের দিক থেকে সবচেয়ে বেশি চাষ করা হলেও, মোট উৎপাদনে এটি দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে।
আউশ ধান (খরিফ-১ মৌসুমের ফসল) উৎপাদন ও জমির পরিমাণ— উভয় দিক থেকেই তৃতীয় স্থানে রয়েছে।
77

প্রধান বীজ উৎপাদনকারী সরকারি প্রতিষ্ঠান–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. BARI
  2. BRRI
  3. BADC
  4. BINA

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

BARI- এর পূর্ণরূপ Bangladesh Agricultural Research Institute. এটি দেশের বৃহত্তম বহুবিধ ফসল গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BINA (Bangladesh Institute of Nuclear Agriculture) বাংলাদেশের একটি পরমাণু কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান। BRRI (Bangladesh Rice Research Institute) ধান গবেষণা প্রতিষ্ঠান। আর BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation) বাংলাদেশে উচ্চ ফলনশীল বিভিন্ন ফসলের বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও সরবরাহ বৃদ্ধি করা, সেচ প্রযুক্তি উন্নয়ন, ভূ-পরিস্থ পানির সর্বোত্তম ব্যবহার ও মানসম্পন্ন সার সরবরাহ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো BADC (Bangladesh Agricultural Development Corporation)।
BADC হলো বাংলাদেশের কৃষিখাতে উন্নতমানের বীজ (Seed), সার, সেচ সরঞ্জাম এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ, উৎপাদন এবং বিতরণের জন্য দায়বদ্ধ প্রধান সরকারি সংস্থা।
অন্যান্য অপশনগুলো মূলত কৃষি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যারা বীজ উদ্ভাবন করে কিন্তু প্রধানত উৎপাদন ও বিতরণের দায়িত্ব পালন করে না। যেমন— BARI (বিভিন্ন ফসলের গবেষণা), BRRI (ধান গবেষণা) এবং BINA (নিউক্লিয়ার কৃষি গবেষণা)।
78

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে নারী-পুরুষের অনুপাত– (ক) ১০০:১০৬

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০:১০৬

  2. ১০০:১০০.৬
  3. ১০০:১০০.৩
  4. ১০০:১০০

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের (পঞ্চম) আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী নারীর সংখ্যা ৮৩৩৪৭২০৬ জন এবং পুরুষের সংখ্যা ৮১৭১২৮২৪ জন। সুতরাং নারী ও পুরুষের অনুপাত ১০০:১০০.৩। উল্লেখ্য ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী বর্তমানে পুরুষ : নারী অনুপাত ৯৮ : ১০০।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নে উল্লিখিত ২০১১ সালের জনসংখ্যা ও গৃহগণনা (আদমশুমারি) অনুযায়ী বাংলাদেশের নারী ও পুরুষের সংখ্যাগত অনুপাত ছিল ১০০:১০০.৩
এই অনুপাতটির অর্থ হলো, প্রতি ১০০ জন নারীর বিপরীতে দেশে পুরুষের সংখ্যা ছিল ১০০.৩ জন। অর্থাৎ ২০১১ সালে পুরুষের সংখ্যা নারীর চেয়ে সামান্য বেশি ছিল।
বিকল্প '১০০:১০০.৬' সাধারণত শিক্ষার হার বা অন্য কোনো জনমিতিক উপাত্তের সাথে সম্পর্কিত হতে পারে, কিন্তু নারী-পুরুষের অনুপাত (Sex Ratio) হিসেবে এটি ২০১১ সালের সঠিক তথ্য নয়।
79

সরকারি হিসাব মতে বাংলাদেশিদের গড় আয়ু–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৫.৪ বছর
  2. ৬৭.৫ বছর
  3. ৭০.৮ বছর
  4. ৭৩.৭ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, প্রত্যাশিত গড় আয়ুষ্কাল ৭২.৮ বছর (পুরুষ-৭১.২ ও মহিলা ৭৪.৫ বছর)।

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্ন সাধারণত বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রকাশিত জনমিতি (Demographic) তথ্যের উপর ভিত্তি করে করা হয়। সঠিক উত্তরটি নির্ভর করে কোন সালের সরকারি হিসাব চাওয়া হচ্ছে তার উপর।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ৭০.৮ বছর উত্তরটি তাৎপর্যপূর্ণ। এটি ২০২২ সালের BBS (বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো) এর তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশি পুরুষদের গড় আয়ু ছিল (পুরুষ: ৭০.৮ বছর, নারী: ৭৪.৫ বছর, সামগ্রিক: ৭২.৩ বছর)।
যেহেতু প্রশ্নটি বিসিএস/চাকরি পরীক্ষার পুরনো সেট থেকে নেওয়া, তাই ৭০.৮ বছর উত্তরটিকে সেই প্রেক্ষাপটে সঠিক হিসেবে ধরা হয়েছে। তবে পরীক্ষার্থীকে সর্বদা সর্বশেষ তথ্যটি মনে রাখতে হবে।
80

যে জেলায় হাজংদের বসবাস নেই–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শেরপুর
  2. ময়মনসিংহ
  3. সিলেট
  4. নেত্রকোনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে মোট ৫০টি ক্ষুদ্র-নৃগোষ্ঠী বসবাস করে। এদের মধ্যে হাজং উপজাতির বসবাস শেরপুর, ময়মনসিংহ, সুনামগঞ্জ ও নেত্রকোনায়। সিলেট জেলায় বসবাসকারী উপজাতি হলো খাসি (খাসিয়া), গারো, কুর্মি, নায়েক, পাত্র, বীন, বোনাজ, মুণ্ডা, মণিপুরী ও ভূমিজ। হাজং ছাড়াও ময়মনসিংহ জেলায় গারো, বর্মণ ও ডালু উপজাতির বসবাস রয়েছে। রাজবংশী ও কোচ উপজাতি বাস করে শেরপুর জেলায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলেট
হাজং হলো বাংলাদেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বসবাসকারী অন্যতম একটি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী। তাদের প্রধান আবাসভূমি বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো পাহাড় সংলগ্ন এলাকা।
হাজংদের বেশিরভাগ বসবাস রয়েছে– নেত্রকোনা (বিশেষ করে দূর্গাপুর, কলমাকান্দা), ময়মনসিংহ (বিশেষ করে হালুয়াঘাট) এবং শেরপুর (বিশেষ করে ঝিনাইগাতী) জেলাসমূহে।
সিলেট বিভাগে হাজং জনগোষ্ঠীর উল্লেখযোগ্য বসবাস নেই। তাই সঠিক উত্তর সিলেট
(সিলেট অঞ্চলে প্রধানত খাসিয়া, মনিপুরী, ও ত্রিপুরাদের বসবাস দেখা যায়)।
81

২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪.৪ জন
  2. ৫.০ জন
  3. ৫.৪ জন

  4. ৫.৫ জন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী বাংলাদেশে House hold প্রতি জনসংখ্যা বা খানা প্রতি জনসংখ্যা ৪.৪ জন। ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বাংলাদেশে Household প্রতি জনসংখ্যা ৪.০।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪.৪ জন
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) কর্তৃক পরিচালিত জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০১১ অনুযায়ী, বাংলাদেশের খানা প্রতি (Household) গড় জনসংখ্যা ছিল ৪.৪ জন
এই জরিপটি ছিল বাংলাদেশের পঞ্চম আদমশুমারি, যা ২০১১ সালের ১৫ই মার্চ থেকে ১৯শে মার্চ পর্যন্ত পরিচালিত হয়।
82

যে বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বাধিক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা বিভাগ
  2. রাজশাহী বিভাগ
  3. বরিশাল বিভাগ
  4. খুলনা বিভাগ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ তথ্য অনুযায়ী বাংলাদেশে সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার বরিশাল বিভাগে। এর পরিমাণ ৫৬.৮৮% । আর সিলেট বিভাগে সাক্ষরতার হার সর্বনিম্ন (৪৫.০%)। ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী সাক্ষরতার হার সর্বাধিক ঢাকা বিভাগে (৭৮.০৯%)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বরিশাল বিভাগ
সর্বশেষ জনসংখ্যা ও গৃহগণনা ২০২২ এর চূড়ান্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের বিভাগগুলোর মধ্যে সাক্ষরতার হারে (৭ বছর ও তার ঊর্ধ্বে) বরিশাল বিভাগ প্রথম স্থানে রয়েছে।
বরিশাল বিভাগের সাক্ষরতার হার হলো ৮০.১%। এটিই দেশের সর্বোচ্চ সাক্ষরতার হার।
অন্যান্য বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকা বিভাগ (৭৮.৩%) দ্বিতীয় এবং খুলনা বিভাগ (৭৬.৮%) তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
83

২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6.85%
  2. 6.97%
  3. 7.00%
  4. 7.05%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী বাংলাদেশ পরিসংখ্যন ব্যুরোর হিসেব মতে জিডিপি প্রবৃদ্ধির হার ৭.২৫ শতাংশ।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি সাধারণত বিসিএস পরীক্ষার জন্য অর্থনৈতিক সমীক্ষা বা বাজেট সংক্রান্ত তথ্য থেকে নেওয়া।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর চূড়ান্ত হিসাব অনুযায়ী, ২০১৫-১৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্জিত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির হার ছিল ৭.০৫%
ঐ সময় এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ৭% এর ঘর অতিক্রম করা প্রবৃদ্ধি, যা দেশের অর্থনীতিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে বিবেচিত হয়েছিল।
সঠিক উত্তর: ৭.০৫%
84

বাংলাদেশের তৈরি জাহাজ ‘স্টেলা মেরিস’ রপ্তানি হয়েছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিনল্যান্ডে
  2. ডেনমার্কে
  3. নরওয়েতে
  4. সুইডেনে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে তৈরি জাহাজ 'স্টেলা মেরিস' ১৫ মে ২০০৮ ডেনমার্কে রপ্তানি করা হয়। এ জাহাজটির রপ্তানিকারী প্রতিষ্ঠান আনন্দ শিপইয়ার্ড লিমিটেড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডেনমার্কে
বাংলাদেশের তৈরি প্রথম রপ্তানিকৃত জাহাজ হলো ‘স্টেলা মেরিস’ (Stella Maris)। এটি নির্মাণ করেছিল চট্টগ্রামের ওয়েস্টার্ন মেরিন শিপইয়ার্ড
২০০৮ সালের ১৫ অক্টোবর জাহাজটি ডেনমার্কের একটি কোম্পানির কাছে রপ্তানি করা হয়েছিল। এটি ছিল বাংলাদেশের জাহাজ নির্মাণ শিল্পের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, যার মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্ব বাজারে নতুন একটি শিল্প পণ্য নিয়ে প্রবেশ করে।
85

বেনাপোল স্থলবন্দর সংলগ্ন ভারতীয় স্থলবন্দর–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রাপোল
  2. কৃষ্ণনগড়
  3. ডাউকি
  4. মোহাদিপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর যশোর জেলার বেনাপোল ভারতীয় পেট্রাপোল স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত। এটি চালু হওয়ার ঘোষণা করা হয় ১২ জানুয়ারি ২০০২। ভারতের বাংলা প্রদেশের কৃষ্ণনগর স্থলবন্দরের সংলগ্ন বাংলাদেশের চুয়াডাঙ্গার দর্শনা স্থলবন্দর। সিলেটের তামাবিল এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ স্থলবন্দর যথাক্রমে ভারতের মেঘালয় রাজ্যের ডাউকি এবং পশ্চিমবঙ্গের মোহাদিপুর স্থলবন্দরের সাথে সংযুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পেট্রাপোল
বেনাপোল স্থলবন্দর (যশোর, বাংলাদেশ) বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত স্থল শুল্ক স্টেশন। এটি আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও যাত্রী চলাচলের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বেনাপোলের ঠিক বিপরীতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলায় অবস্থিত স্থলবন্দরটির নাম পেট্রাপোল স্থলবন্দর
এই দুটি বন্দর একত্রে ভারত ও বাংলাদেশের মোট স্থল বাণিজ্যের প্রায় ৭০%-৮০% নিয়ন্ত্রণ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন ডাউকি হলো ভারতের মেঘালয়ের একটি বন্দর, যার বিপরীতে বাংলাদেশের সিলেটের তামাবিল স্থলবন্দর অবস্থিত।
86

বাংলাদেশে সরকারি EPZ সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬টি
  2. ৮টি
  3. ১০টি
  4. ১২টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে সরকারি ইপিজেড-এর সংখ্যা ৮ টি। যথা: চট্টগ্রাম, ঢাকা, মংলা, ঈশ্বরদী, উত্তরা, কুমিল্লা, আদমজী ও কর্ণফুলী। ১৯৮৩ সালে কার্যক্রম চালু হওয়া দেশের প্রথম সরকারি ইপিজেড চট্টগ্রাম। দেশের প্রথম ও একমাত্র বেসরকারি EPZ-এর নাম KEPZ (চট্টগ্রাম)। আয়তনে বাংলাদেশের বৃহৎ EPZ ঢাকা।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশে সরকারিভাবে পরিচালিত EPZ (Export Processing Zone) বা রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চলের সংখ্যা হলো ৮টি
এই ৮টি সরকারি EPZ পরিচালনা করে বাংলাদেশ রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (BEPZA)।
বর্তমানে (২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী) BEPZA কর্তৃক পরিচালিত আটটি কার্যক্ষম EPZ হলো:
১. চট্টগ্রাম (CEPZ)
২. ঢাকা (DEPZ)
৩. মোংলা (MEPZ)
৪. কুমিল্লা (COMEPZ)
৫. আদমজী (AEPZ)
৬. ঈশ্বরদী (IEPZ)
৭. কর্ণফুলী (KEPZ)
৮. উত্তরা (UEPZ)।
87

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন
  2. ভারত
  3. যুক্তরাজ্য
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২১-২২ অর্থবছরে চীন বাংলাদেশে রপ্তানি করেছে ১৬১৩৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ভারত রপ্তানি করে ১০০২৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চীন

প্রশ্নটির অর্থ হলো—বাংলাদেশ কোন দেশ থেকে সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে (অর্থাৎ কোন দেশ বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি করে)।

সাম্প্রতিক সরকারি অর্থনৈতিক তথ্য (যেমন: বাংলাদেশ ব্যাংক এবং রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো) অনুযায়ী, একক দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সবচেয়ে বেশি পণ্য আমদানি করে চীন থেকে।

২০২২-২৩ অর্থবছরেও বাংলাদেশ চীন থেকে প্রায় ১৯ বিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করেছে, যা আমাদের মোট আমদানির প্রায় ২৫%

চীন থেকে প্রধানত যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রনিক্স, শিল্প কাঁচামাল এবং তৈরি পোশাক শিল্পের উপকরণ আমদানি করা হয়।

আমদানি বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ভারত (প্রায় ৮ বিলিয়ন ডলার)।
88

বাংলাদেশের প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং শুরু করে –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্র্যাক ব্যাংক
  2. ডাচ-বাংলা ব্যাংক
  3. এবি ব্যাংক
  4. সোনালী ব্যাংক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক ৩১ মার্চ ২০১১। এপ্রিল ২০১৩ থেকে প্রচলিত ব্র্যাক ব্যাংকের বহুল জনপ্রিয় মোবাইল ব্যাংকিং হলো ‘বিকাশ’। বিশ্বে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং উদ্ভব হয় ১৯৯৭ সালে। বাংলাদেশে মার্চেন্ট ব্যাংকিংয়ের প্রবর্তক এবি ব্যাংক লিমিটেড। ডেবিট কার্ড, ইলেকট্রনিক ব্যাংকিং ও জয়েন্টভেঞ্চার ব্যাংক ধারণারও প্রবর্তন করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডাচ-বাংলা ব্যাংক
বাংলাদেশে মোবাইল ব্যাংকিং (Mobile Financial Service - MFS) সেবা সর্বপ্রথম চালু করে ডাচ-বাংলা ব্যাংক (DBBL)
এই সেবাটি শুরু হয়েছিল ২০১০ সালে। এটি পরবর্তীতে 'রকেট' (Rocket) নামে ব্র্যান্ডিং করা হয়।
ডাচ-বাংলা ব্যাংকের এই উদ্যোগের মাধ্যমেই বাংলাদেশে আর্থিক অন্তর্ভুক্তির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়।
উল্লেখ্য, যদিও ব্র্যাক ব্যাংক ২০১১ সালে 'বিকাশ' (bKash) চালু করে এবং এটি বর্তমানে সর্বাধিক জনপ্রিয়, তবে প্রথম মোবাইল ব্যাংকিং প্রবর্তনকারী হলো ডাচ-বাংলা ব্যাংক
89

ট্যারিফ কমিশন কোন মন্ত্রণালয়ের অধীন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
  2. অর্থ মন্ত্রণালয়
  3. পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়
  4. শিল্প মন্ত্রণালয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন অন্যান্য প্রতিষ্ঠান হলো- বাংলাদেশ চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ বৈদেশিক বাণিজ্য ইনস্টিটিউট, জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড একাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ, যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধকের কার্যালয়, ইনস্টিটিউট অব কস্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউন্ট্যান্টস, ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ, বাংলাদেশ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ চা বোর্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাণিজ্য মন্ত্রণালয়
বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশন (Bangladesh Tariff Commission - BTC) হলো একটি সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, যা মূলত শুল্ক, বাণিজ্য নীতি এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষার বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেয়।
যেহেতু শুল্ক (Tariff) প্রধানত আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ ও রাজস্ব আদায়ের সঙ্গে জড়িত, তাই ট্যারিফ কমিশন সরাসরি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে কাজ করে।
এটি শিল্প, পরিকল্পনা বা অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে নয়, যদিও এর কার্যক্রমে তাদের সংশ্লিষ্টতা থাকে। অর্থ মন্ত্রণালয় রাজস্ব আদায় দেখলেও, ট্যারিফ কাঠামো নির্ধারণের নীতিগত পরামর্শ বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ ট্যারিফ কমিশন দেয়।
90

বাংলাদেশের কোন জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রথম
  2. দ্বিতীয়
  3. সপ্তম
  4. অষ্টম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৯৬ সালের ১২ জুন সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয় লাভ করে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে। এ সপ্তম জাতীয় সংসদে সর্বপ্রথম প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়। সংসদের অধিবেশন চলাকালে সপ্তাহের একটি নির্দিষ্ট দিনে সংসদ-সদস্যগণ প্রধানমন্ত্রীকে বিভিন্ন বিষয়ে প্রশ্ন করেন এবং তিনি তার জবাব দেন। প্রথম দিকে এ প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য সময় বরাদ্দ ছিল ১৫ মিনিট। পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়। সরকারি দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট এবং বিরোধী দলের সদস্যদের জন্য ১৫ মিনিট ধার্য করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সপ্তম জাতীয় সংসদ
গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকারের জবাবদিহিতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার জন্য বাংলাদেশের জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়।
১৯৯৬ সালে গঠিত সপ্তম জাতীয় সংসদেই প্রথম এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর পর্ব চালু করা হয়। এর ফলে সংসদ সদস্যরা একটি নির্দিষ্ট দিনে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন করার সুযোগ পান।
91

মাত্র ১টি সংসদীয় আসন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লক্ষ্মীপুর জেলায়
  2. মেহেরপুর জেলায়
  3. ঝালকাঠী জেলায়
  4. রাঙ্গামাটি জেলায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের মোট আসন সংখ্যা ৩৫০। এর মধ্যে ৩০০টি নির্বাচিত সংসদীয় আসন এবং ৫০টি মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত আসন। বাংলাদেশে সর্বনিম্ন সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে পার্বত্য তিন জেলা বান্দরবান, খাগড়াছড়ি ও রাঙ্গামাটিতে মাত্র ১টি করে এবং সর্বোচ্চ সংখ্যক সংসদীয় আসন রয়েছে ঢাকা জেলায় ২০টি। লক্ষ্মীপুর জেলায় ৪ টি এবং মেহেরপুর ও ঝালকাঠি জেলায় ২ টি করে সংসদীয় আসন রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙ্গামাটি জেলা
বাংলাদেশে মোট ৩০০টি সংসদীয় আসন রয়েছে। এর মধ্যে কিছু জেলায় একাধিক এবং কিছু জেলায় মাত্র একটি আসন রয়েছে।
রাঙ্গামাটি জেলা হলো বাংলাদেশের সেই চারটি জেলার মধ্যে অন্যতম, যেখানে সংসদীয় আসনের সংখ্যা মাত্র ১টি। রাঙ্গামাটির সংসদীয় আসনটির নম্বর ২৯৯
তুলনামূলকভাবে, অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে লক্ষ্মীপুর জেলায় আসন সংখ্যা ৪টি, এবং মেহেরপুরঝালকাঠী উভয় জেলাতেই আসন সংখ্যা ২টি করে।
92

বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত ‘ধীরে বহে মেঘনা’ চলচ্চিত্রের নির্মাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলমগীর কবির
  2. খান আতাউর রহমান
  3. হুমায়ূন আহমেদ
  4. সুভাষ দত্ত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আলমগীর কবির
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের পটভূমিকায় নির্মিত অন্যতম ধ্রুপদী চলচ্চিত্র ‘ধীরে বহে মেঘনা’ মুক্তি পায় ১৯৭৩ সালে।
প্রখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সমালোচক আলমগীর কবির এই চলচ্চিত্রের পরিচালক। তিনি পশ্চিমা চলচ্চিত্র ভাষা ব্যবহার করে যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশের মানসিক ও সামাজিক পরিস্থিতি ফুটিয়ে তোলেন।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রথম চলচ্চিত্র হিসেবে প্রায়শই অপশনে থাকা চাষী নজরুল ইসলামের ‘ওরা ১১ জন’ (১৯৭২) অথবা সুভাষ দত্তের ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী’ (১৯৭২) এর চেয়ে ‘ধীরে বহে মেঘনা’ (১৯৭৩) এক বছর পরে মুক্তি পেলেও, এর শৈল্পিক গুরুত্ব অনস্বীকার্য।
93

জাতীয় সংসদে ‘কাউন্টিং’ ভোট কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সংসদ নেতার ভোট
  2. হুইপের ভোট
  3. রাষ্ট্রপতির ভোট
  4. স্পিকারের ভোট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রশ্নে উল্লিখিত 'counting vote' না হয়ে 'casting vote' হবে। পরস্পরবিরোধী পক্ষদ্বয়ের ভোট সমান হলে জয়পরাজয় নির্ধারণের জন্য সভাপতি যে ভোট দিয়ে থাকেন তাকে ‘কাস্টিং ভোট’ বলে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কাস্টিং ভোট হলো স্পিকারের ভোট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্পিকারের ভোট
জাতীয় সংসদে যখন কোনো বিল বা প্রস্তাবের ওপর ভোটাভুটি হয় এবং পক্ষে ও বিপক্ষে সমান সংখ্যক ভোট (Tie) পড়ে, তখন সেই অচলাবস্থা নিরসনের জন্য স্পিকার যে সিদ্ধান্তমূলক ভোটটি প্রদান করেন, তাকেই কাউন্টিং ভোট বা Casting Vote বলা হয়।
বাংলাদেশ সংবিধানের ৮৫ অনুচ্ছেদ (কোরাম সংক্রান্ত) অনুযায়ী, স্পিকার সাধারণত ভোট দেন না, কিন্তু ভোটের সমতার ক্ষেত্রে তিনি এই সিদ্ধান্তমূলক ভোট প্রদানের ক্ষমতা রাখেন।
স্পিকারকে সবসময় নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে হয়, তাই তিনি কেবল টাই হলে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করেন।
রাষ্ট্রপতি সংসদের সদস্য নন, তাই তিনি ভোট দিতে পারেন না। সংসদ নেতা বা হুইপ সাধারণ সদস্য হিসেবে ভোট দেন, তাদের ভোটকে কাউন্টিং ভোট বলা হয় না।
94

NILG এর পূর্ণরূপ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. National Information Legal Guide
  2. National Institute of Local Government
  3. National Identity Licence Guide
  4. National Industrial League Group

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

NILG-এর পূর্ণরূপ National Institute of Local Government (জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট) । এটি বাংলাদেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় সম্পৃক্ত মানব সম্পদের উন্নয়নে নিয়োজিত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৬৯ সালের ১ জুলাই ‘ইস্ট পাকিস্তান গভর্নমেন্ট এডুকেশনাল এন্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউশনস অর্ডিন্যান্স ১৯৬১ ’ অনুসারে স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট নামে প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠানটির নামকরণ করা হয় জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট(NILG)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অপশন (খ) National Institute of Local Government। এর বাংলা পূর্ণরূপ হলো 'জাতীয় স্থানীয় সরকার ইনস্টিটিউট'
এটি বাংলাদেশ সরকারের স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের (Ministry of LGRD) অধীনে পরিচালিত একটি স্বায়ত্তশাসিত জাতীয় প্রশিক্ষণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান
NILG-এর প্রধান কাজ হলো স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানসমূহের (যেমন: ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, সিটি কর্পোরেশন) জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা এবং স্থানীয় সরকার সংক্রান্ত বিষয়ে গবেষণা পরিচালনা করা।
95

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 26
  2. 27
  3. 28
  4. 31

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৮ জুলাই ১৯৭৫ চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেওয়ার জন্য চাকরি আইন করা হয়, যা কার্যকর হয় ১ জুলাই ১৯৭৩ থেকে। ১৯৮০ সালে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ক্যাডার কম্পোজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুল জারির মাধ্যমে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) গঠন করা হয়। প্রথম দিকে ক্যাডার সংখ্যা ছিল ১৪টি এবং সাব ক্যাডার ছিল ২২টি। পরবর্তীতে ১৯৮২ সালে কাড্যার সংখ্যা হয় ২৮টি। অনেক সংযোজন-বিয়োজনের পর সর্বশেষ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮ বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারকে বিলুপ্ত করে প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করলে বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ক্যাডার সংখ্যা দাঁড়ায় ২৬টিতে।

ব্যাখ্যা

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) মোট ক্যাডার সংখ্যা হলো ২৬টি
এই ক্যাডার সংখ্যাটিই সরকারিভাবে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন (BPSC) কর্তৃক পরিচালিত নিয়োগ পরীক্ষার জন্য সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য এবং অফিসিয়াল সংখ্যা।
এই ২৬টি ক্যাডারকে মূলত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়: জেনারেল ক্যাডার (প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র ইত্যাদি) এবং টেকনিক্যাল/প্রফেশনাল ক্যাডার (স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি ইত্যাদি)।
অনেকে ভুলবশত ২৭ বা ২৮ মনে করেন, কিন্তু রেলপথ ক্যাডারের কিছু অংশ প্রশাসনিক ক্যাডারের সাথে একীভূত হওয়া এবং কিছু ক্যাডারের নাম পরিবর্তন বা বিন্যাসের কারণে বর্তমানে ২৬ সংখ্যাটিই সঠিক।
যেমন: BCS Food ক্যাডারটি সম্প্রতি BCS Administration ক্যাডারে একীভূত হয়েছে।
96

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠনের উল্লেখ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 130
  2. 131
  3. 137
  4. 140

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ সংবিধানের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন গঠন সম্পর্কে বলা হয়েছে। ১৩০, ১৩১ ও ১৪০ অনুচ্ছেদে যথাক্রমে অস্থায়ী মহা হিসাব নিরীক্ষক, প্রজাতন্ত্রের হিসাবরক্ষার আকার ও পদ্ধতি এবং সরকারি কর্ম কমিশনের দায়িত্ব সম্পর্কে আলোকপাত করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (বাংলাদেশের কর্মবিভাগ) অনুচ্ছেদ ১৩৭ এ সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission – PSC) গঠনের সুনির্দিষ্ট বিধান রয়েছে।
এই অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির আদেশে একজন চেয়ারম্যান এবং অনধিক ২০ জন অন্যান্য সদস্য নিয়ে সরকারি কর্ম কমিশন গঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে ১৪০ নং অনুচ্ছেদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি কমিশনের কার্যাবলী ও পরামর্শ সংক্রান্ত বিধান দেয়, কিন্তু কমিশন গঠনের উল্লেখ ১৩৭ অনুচ্ছেদে রয়েছে।
97

অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের টারশিয়ারি পাহাড়কে কত ভাগে ভাগ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৮ ভাগে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্ব, উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ এ অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত। টারশিয়ারি যুগে হিমালয় পর্বত উত্থিত হওয়ার সময় এসব পাহাড় সৃষ্টি হয়। এগুলো টারশিয়ারি যুগের পাহাড় নামে খ্যাত। পাহাড়সমূহ আসামের লুসাই এবং মিয়ানমারের আরাকান পাহাড়ের সমগোত্রীয়। এ পাহাড়গুলো বেলেপাথর, শেল ও কর্দম দ্বারা গঠিত। এ অঞ্চলের পাহাড়সমূহকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা: ক. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ ও খ. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ ভাগে
অবস্থান অনুসারে বাংলাদেশের মোট টারশিয়ারি পাহাড়কে প্রধানত দুটি ভাগে ভাগ করা হয়।
এই পাহাড়গুলো টারশিয়ারি যুগে (প্রায় ২০ লক্ষ বছর পূর্বে) গঠিত হয়েছিল এবং বাংলাদেশের মোট ভূ-ভাগের প্রায় ১২% জুড়ে বিস্তৃত।
দুটি ভাগ হলো—
১. দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: যা খাড়া, উঁচু এবং বেশি পাহাড়ি। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম (রাঙামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) এবং কক্সবাজারের পাহাড়গুলো।
২. উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের পাহাড়সমূহ: এ অঞ্চলের পাহাড়গুলো সাধারণত বিচ্ছিন্ন এবং উচ্চতা কম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো— সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং নেত্রকোণার সামান্য অংশ।
98

বাংলাদেশকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম অনারব মুসলিম দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্দোনেশিয়া
  2. মালয়েশিয়া
  3. মালদ্বীপ
  4. পাকিস্তান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ কে স্বীকৃতি দানকারী প্রথম দেশ ভুটান, প্রথম ইউরোপের দেশ পূর্ব জার্মানি। প্রথম অনারব মুসলিম দেশ সেনেগাল, প্রথম আরব দেশ ইরাক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মালয়েশিয়া (Malaysia)
স্বাধীনতার পর, পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন করতে এবং মুসলিম বিশ্বের সমর্থন আদায়ে বাংলাদেশ সচেষ্ট ছিল। মুসলিম দেশগুলো প্রথমদিকে পাকিস্তান ও OIC (Organisation of Islamic Cooperation)-এর প্রভাবে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা করছিল।
মালয়েশিয়া হলো প্রথম অনারব মুসলিম দেশ, যা বাংলাদেশকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেয়। মালয়েশিয়া জানুয়ারি ৩১, ১৯৭২ তারিখে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
এর পরের গুরুত্বপূর্ণ স্বীকৃতি আসে সেনেগাল (ফেব্রুয়ারি ১, ১৯৭২) এবং ইন্দোনেশিয়া (ফেব্রুয়ারি ২৫, ১৯৭২) থেকে।
99

বাংলাদেশে মর্যাদা অনুসারে ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বীরপ্রতীক
  2. বীরশ্রেষ্ঠ

  3. বীরউত্তম
  4. বীরবিক্রম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি মন্ত্রিপরিষদ সভায় চারটি বীরত্বসূচক খেতাবের নামকরণ করা হয়। মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য ৬৭৬ জনকে চারটি খেতাবে ভূষিত করা হয়। সর্বোচ্চ পদমর্যাদার খেতাব বীরশ্রেষ্ঠ (৭ জন); উচ্চ পদমর্যাদার খেতাব বীরউত্তম (৬৮ জন), প্রশংসনীয় পদমর্যাদার খেতাব বীরবিক্রম (১৭৫ জন)। এবং বীরত্বসূচক প্রশংসাপত্রের খেতাব বীরপ্রতীক (৪২৬ জন)। এর মধ্যে তৃতীয় বীরত্বসূচক খেতাব বীরবিক্রম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বীরবিক্রম
বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ অবদানের জন্য মোট চারটি সামরিক খেতাব প্রদান করা হয়। মর্যাদা অনুসারে এই খেতাবগুলোর ক্রম হলো:

১. বীরশ্রেষ্ঠ (সর্বোচ্চ সামরিক খেতাব)

২. বীরউত্তম (২য় সর্বোচ্চ)

৩. বীরবিক্রম (৩য় সর্বোচ্চ)

৪. বীরপ্রতীক (৪র্থ সর্বোচ্চ)
সুতরাং, মর্যাদা অনুসারে বীরবিক্রম হলো ৩য় বীরত্বসূচক খেতাব। এই খেতাবটি মোট ১৭৫ জন বীর মুক্তিযোদ্ধা লাভ করেন।
100

ক্রিকেটে বাংলাদেশ টেস্ট মর্যাদা পায়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৯ সালে
  2. ১৯৯৭ সালে
  3. ২০০১ সালে
  4. ২০০০ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশ টেস্ট ক্রিকেটের দশম সদস্য হিসেবে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় ২৬ জুন ২০০০। প্রথম টেস্ট ক্রিকেট খেলে ভারতের সাথে। বাংলাদেশ ১৫ জুন ১৯৯৭ ওয়ানডে ক্রিকেট খেলার মর্যাদা লাভ করে। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে সপ্তম বিশ্বকাপে ১৯৯৯ সালের ১৭ মে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে বাংলাদেশ দলের।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ২০০০ সালে
আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (ICC) ২০০০ সালের ২৬ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশকে টেস্ট মর্যাদা (Full Membership) প্রদান করে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের দশম টেস্ট খেলুড়ে দেশ হিসেবে স্বীকৃতি পায়।
অপশনগুলোর মধ্যে ১৯৯৭ সাল গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই বছর বাংলাদেশ ICC ট্রফি জিতে ১৯৯৯ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল, যা টেস্ট মর্যাদা পাওয়ার প্রধান ভিত্তি স্থাপন করে।
101

‘কালাপানি’ কোন দুই রাষ্ট্রের মধ্যে অমীমাংসিত ভূখণ্ড?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত ও নেপাল
  2. ভুটান ও ভারত
  3. বাংলাদেশ ও ভারত
  4. পাকিস্তান ও চীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘কালাপানি’ অমীমাংসিত ভূখণ্ডটি ভারত ও নেপালের মধ্যে অবস্থিত। এ ভূখণ্ডটি নেপালের মহাকালি এবং ভারতের উত্তরাখণ্ড সীমানায় অবস্থিত। ১৯৬২ সালে ভারত-চীন যুদ্ধের পর থেকে এটা ভারতের ইন্দো-তিব্বতি সীমান্ত নিরাপত্তা বাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে আসছে। ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে অচিহ্নিত সীমানা ২ কিলোমিটার, যা বিলোনিয়া সেক্টরে মুহুরীর চরে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভারত ও নেপাল
‘কালাপানি’ হলো ভারত এবং নেপালের মধ্যে অবস্থিত একটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর অমীমাংসিত ভূখণ্ড।
এই ভূখণ্ডটি ভারতের উত্তরাখণ্ড রাজ্য এবং নেপালের সুদূর পশ্চিমাঞ্চলের দারচুলা জেলার সীমান্তে অবস্থিত।
এই বিতর্কটির মূল কারণ হলো সীমান্ত নির্ধারণকারী কালী নদীর (Mahakali River) উৎপত্তিস্থল নিয়ে ভিন্নমত। নেপালের দাবি, নদীর প্রধান উৎস হলো লিম্পিয়াধুরা, কিন্তু ভারত দাবি করে কালাপানি অঞ্চল থেকেই নদীটির উৎপত্তি।
ঐতিহাসিকভাবে এই সীমান্ত ১৮১৬ সালের সুগৌলি চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত হয়েছিল, যা বর্তমানে উভয় দেশ ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করে।
102

সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ কোন মহাসাগরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত মহাসাগর
  2. প্রশান্ত মহাসাগর
  3. আটলান্টিক মহাসাগর
  4. আর্কটিক মহাসাগর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সলোমন দ্বীপপুঞ্জ পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরীয় মেলোনেশিয়া অঞ্চলের একটি স্বাধীন দেশ। ২৮,৪৫০ বর্গ কি.মি. আয়তনের এ দেশটির জনসংখ্যা ৬ লাখ। প্রশান্ত মহাসাগরের আরো কতগুলো দ্বীপ হলো হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জ, মার্শাল দ্বীপপুঞ্জ, ফিজি, তাহিতি, পালাউ প্রভৃতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: প্রশান্ত মহাসাগর
সলোমন-দ্বীপপুঞ্জ হলো ওশেনিয়া মহাদেশের অন্তর্গত একটি সার্বভৌম দ্বীপরাষ্ট্র। এই দ্বীপগুলো দক্ষিণ-পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরের মেলানেশিয়া অঞ্চলে অবস্থিত। মেলানেশিয়া হলো প্রশান্ত মহাসাগরের একটি ভৌগোলিক উপাঞ্চল।
সলোমন দ্বীপপুঞ্জের নিকটবর্তী উল্লেখযোগ্য দ্বীপগুলো হলো পাপুয়া নিউ গিনি, ভানুয়াতু এবং ফিজি।
অন্যান্য অপশনগুলো (ভারত, আটলান্টিক, আর্কটিক মহাসাগর) ভৌগোলিকভাবে সলোমন দ্বীপপুঞ্জের অবস্থান থেকে অনেক দূরে অবস্থিত, তাই এগুলো ভুল।
103

চিনের জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তুর্কমেন
  2. উইঘুর
  3. তাজিক
  4. কাজাখ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চীনের উত্তর-পশ্চিম জিনজিয়াং প্রদেশে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায় হলো উইঘুর। আর তুর্কমেন, তাজিক ও কাজাখ মুসলিম সম্প্রদায় যথাক্রমে তুর্কমেনিস্তান, তাজিকিস্তান ও কাজাখস্তানে বাস করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: উইঘুর
চীনের উত্তর-পশ্চিমের প্রদেশ জিনজিয়াং (Xinjiang) হলো একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল। এই অঞ্চলে বসবাসকারী প্রধান মুসলিম সম্প্রদায়ের নাম হলো উইঘুর (Uyghur)।
জাতিগতভাবে উইঘুররা হলো তুর্কিভাষী মুসলিম সম্প্রদায়, যাদের সংস্কৃতি মধ্য এশিয়ার তুর্কি জাতিগোষ্ঠীর সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ। উইঘুররা দীর্ঘদিন ধরে চীনের কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে স্বায়ত্তশাসন ও স্বাধীনতার দাবিতে আন্দোলন করছে, যা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে একটি বড় সংঘাতের কারণ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— কাজাখ, তাজিক এবং তুর্কমেনরা মূলত মধ্য এশিয়ার বিভিন্ন দেশে (কাজাখস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান) বসবাস করে। যদিও জিনজিয়াং প্রদেশে কাজাখ ও তাজিকদের ছোট ছোট গোষ্ঠী রয়েছে, কিন্তু প্রধান মুসলিম সম্প্রদায় হলো উইঘুর
104

সম্প্রতি ভারত Google-কে নিচের কোন প্রোগ্রামের জন্য ছবি তোলা থেকে বিরত করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Google Earth
  2. Street View
  3. Road Image
  4. Google Map

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Google, বিশ্বের পর্যটন গুরুত্ব আছে এমন শহরগুলোর রাস্তার ৩৬০° ছবি ক্যামেরায় ধারণ কার্যক্রম শুরু করে ২০০৭ সালে। তারা এর নাম দিয়েছে Street View। ভারতসহ এশিয়ার দেশগুলোতে শুরু থেকেই এর কার্যক্রম চলে আসলেও সম্প্রতি ভারত তার নিরাপত্তা বাহিনীর রিপোর্টের ভিত্তিতে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কায় Street View-এর কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Street View (স্ট্রিট ভিউ)
Google Street View হলো একটি প্রোগ্রাম, যা গুগল ম্যাপস (Google Maps) ও গুগল আর্থ (Google Earth)-এর সাথে সংযুক্ত। এর মাধ্যমে রাস্তার ৩৬০-ডিগ্রি প্যানোরামিক গ্রাউন্ড-লেভেল ছবি তোলা হয়।
২০১৬ সালের দিকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা (National Security) সংক্রান্ত উদ্বেগের কারণে Google-কে এই ছবি তোলা থেকে বিরত করা হয়। ভারতের সরকারি কর্তৃপক্ষ মনে করেছিল, সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোর বিশদ গ্রাউন্ড-লেভেল ছবি নিরাপত্তা ব্যবস্থার জন্য হুমকি হতে পারে।
২০১৬ সালের পাঠানকোট বিমানঘাঁটিতে সন্ত্রাসী হামলার পর এই ধরনের ভূ-ভিত্তিক ছবি তোলার বিষয়ে ভারত সরকার কঠোর নীতি গ্রহণ করে।
Google Earth বা Google Map মূলত স্যাটেলাইট বা এরিয়াল (Aerial) ছবি ব্যবহার করে, যা সাধারণত স্ট্রিট ভিউয়ের মতো বিস্তারিত গ্রাউন্ড-লেভেল ছবি নয়। তাই এগুলো নিষিদ্ধ হয়নি।
105

সংবিধান অনুযায়ী মিয়ানমারের সংসদে কত শতাংশ আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 25%
  2. 35%
  3. 45%
  4. 55%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মিয়ানমারের নিম্নকক্ষ বা হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভসের আসন সংখ্যা ৪৪০টি। যার ২৫% অর্থাৎ ১১০ টি আসন অনির্বাচিত সামরিক বাহিনীর সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২৫%
২০০৮ সালে প্রণীত মিয়ানমারের সংবিধান (যা সামরিক জান্তা দ্বারা তৈরি) অনুযায়ী, দেশটির সংসদে (Pyidaungsu Hluttaw) মোট আসনের এক-চতুর্থাংশ (২৫ শতাংশ) আসন সামরিক বাহিনীর (Tatmadaw) সদস্যদের জন্য সংরক্ষিত রাখা হয়েছে।
এই সদস্যরা সরাসরি সেনাপ্রধান (Commander-in-Chief) কর্তৃক মনোনীত হন, তারা জনগণের ভোটে নির্বাচিত নন।
সামরিক বাহিনীর হাতে এই ২৫% আসন থাকার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সাংবিধানিক ক্ষমতা ধরে রাখা এবং যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক সংশোধনীতে ভেটো দেওয়ার অধিকার নিশ্চিত করা।
106

নিম্নের কোনটি গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইট্রাস অক্সাইড
  2. কার্বন ডাই-অক্সাইড
  3. অক্সিজেন
  4. মিথেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অক্সিজেন গ্রিনহাউজ গ্যাস নয়। বায়ুমণ্ডলে অনেক প্রকারের গ্রিনহাউজ গ্যাস আছে। কিন্তু নিম্নোক্তগুলো পর্যাপ্ত পরিমাণে বিদ্যমান, যেমন-নাইট্রাস অক্সাইড, কার্বন-ডাই -অক্সাইড, মিথেন, ওজোন, সিএফসি ও জলীয় বাষ্প।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অক্সিজেন
গ্রিন হাউজ গ্যাস (Greenhouse Gas - GHG) হলো সেই সকল গ্যাস, যা পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে তাপ বা ইনফ্রারেড রেডিয়েশন শোষণ করে এবং পুনরায় বিকিরণ করে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। এই গ্যাসগুলোই গ্রিন হাউজ ইফেক্ট সৃষ্টি করে।
অক্সিজেন (O2O_2) এবং নাইট্রোজেন (N2N_2) বায়ুমণ্ডলের প্রধান উপাদান হলেও, এদের আণবিক গঠন এমন যে এরা ইনফ্রারেড রেডিয়েশন শোষণ করতে পারে না। তাই তারা গ্রিন হাউজ গ্যাস নয়
অন্যদিকে, কার্বন ডাই-অক্সাইড, মিথেন এবং নাইট্রাস অক্সাইড গ্রিন হাউজ গ্যাস হিসেবে পৃথিবী উষ্ণায়নে সরাসরি ভূমিকা রাখে।
107

জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা (UNEP) ও জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা লাভ করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IPCC
  2. COP 21
  3. Green Peace
  4. Sierra Club

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

IPCC বা Intergovernmental Panel on Climate Change নামক জাতিসংঘের পরিবেশবিষয়ক সংস্থাটি ১৯৮৮ সালে United Nations Environment Programme (UNEP) ও World Meteorological Organization (WMO) এর মিলিত উদ্যোগে গঠিত হয়। প্রকৃতপক্ষে এই প্যানেল হচ্ছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ২৫০০ বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞের একটি নেটওয়ার্ক, যা এক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক গবেষণাসমূহের মূল্যায়ন করে। অন্যদিকে, UNFCCC (United Nations Framework Convention on Climate Change)-তে স্বাক্ষরকারী দেশগুলোর প্রতি বছর মিলিত হওয়াকে COP বলা হয়। Greenpeace নেদারল্যান্ডসভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা, যা ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। Sierra Club যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা। এটি ১৮৯২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: IPCC
IPCC এর পূর্ণরূপ হলো Intergovernmental Panel on Climate Change (জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল)। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের বৈজ্ঞানিক ভিত্তি, এর প্রভাব এবং এর মোকাবিলায় করণীয় সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করে।
এই সংস্থাটি ১৯৮৮ সালে জাতিসংঘের পরিবেশ বিষয়ক সংস্থা UNEP (United Nations Environment Programme) এবং জলবায়ু বিষয়ক সংস্থা WMO (World Meteorological Organization) এর যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
COP 21: এটি একটি সম্মেলন (Conference of the Parties) যেখানে ২০১৫ সালে প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়। এটি সংস্থা নয়।
Green Peace: এটি একটি বেসরকারি, স্বাধীন পরিবেশবাদী সংস্থা, যা জাতিসংঘের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
108

World Development Report নিম্নের কোন সংস্থাটির বার্ষিক প্রকাশনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. UNDP
  2. World Bank
  3. IMF
  4. BRICS

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

World Development Report বার্ষিক প্রকাশনাটি IBRD বা World Bank-প্রকাশ করে। Human Development Report প্রকাশ করে UNDP। আর Global Financial Stability Report প্রকাশ করে IMF।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো World Bank (বিশ্বব্যাংক)

World Development Report (WDR) হলো বিশ্বব্যাংকের একটি বার্ষিক প্রকাশনা। এই রিপোর্ট প্রতি বছর উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক, সামাজিক ও পরিবেশগত কোনো নির্দিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা ও সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণালব্ধ তথ্য উপস্থাপন করে।

এটি বিশ্বব্যাংকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফ্ল্যাগশিপ রিপোর্ট

উল্লেখ্য, UNDP প্রকাশ করে Human Development Report (HDR) এবং IMF প্রকাশ করে World Economic Outlook (WEO), যা এই প্রশ্নের ভুল বিকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি বিভ্রান্তি তৈরি করে।
109

IMF-এর সদর দপ্তর অবস্থিত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ওয়াশিংটন ডিসি
  2. নিউইয়র্ক
  3. জেনেভা
  4. রোম

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

IMF ও বিশ্বব্যাংকের সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত। জাতিসংঘ, FAO ও WTO-এর সদর দপ্তর যথাক্রমে নিউইয়র্ক, রোম ও জেনেভায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওয়াশিংটন ডিসি, যুক্তরাষ্ট্র
IMF-এর পূর্ণরূপ হলো International Monetary Fund (আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল)। এটি বিশ্বের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় কাজ করে।
IMF এবং বিশ্বব্যাংক (World Bank) উভয় সংস্থাকেই ১৯৪৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ হ্যাম্পশায়ারে অনুষ্ঠিত ব্রেটন উডস কনফারেন্সের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠা করা হয়।
এই দুটি সংস্থার সদর দপ্তর একই শহরে— ওয়াশিংটন ডিসি
উল্লেখ্য, নিউইয়র্ক হলো জাতিসংঘের (UN) সদর দপ্তর এবং জেনেভা হলো বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO)বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা (WTO) সহ অনেক সংস্থার সদর দপ্তর।
110

বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট কোন সংস্থাটি স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IBRD
  2. IFC
  3. MIGA
  4. ICSID

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট সংস্থা IFC স্বল্প আয়ের উন্নয়নশীল দেশে বেসরকারি খাতে আর্থিক সহায়তা ও উপদেশ দিয়ে থাকে। অপশনের অপর তিনটি সংস্থাও বিশ্বব্যাংক সংশ্লিষ্ট। এর মধ্যে IBRD মধ্যম আয়ের দেশ ও ঋণ দানের যোগ্য দরিদ্র দেশে ঋণ ও উন্নয়ন সহায়তা দেয়। যুদ্ধ বা গণ-অসন্তোষ প্রভৃতির ফলে উন্নয়নশীল দেশে বিদেশি বিনিয়োগে যে ক্ষতি হতে পারে, তাতে বীমা (গ্যারান্টি)র ব্যবস্থা করে বিদেশি বিনিয়োগে উৎসাহ দান MIGA-এর কাজ। আর সরকার ও বিদেশি বিনিয়োগকারীদের মধ্যে পুঁজি বিনিয়োগজনিত বিরোধ সালিশির মাধ্যমে মীমাংসা করা ICSID- এর কাজ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: IFC (International Finance Corporation)।
IFC বা আন্তর্জাতিক অর্থসংস্থা বিশ্বব্যাংক গ্রুপের সেই অঙ্গসংস্থা, যা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে কেবলমাত্র বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ, ঋণ প্রদান, এবং আর্থিক পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করে।
প্রশ্নটিতে বিশেষভাবে ‘বেসরকারি খাতে’ আর্থিক সহায়তা প্রদানের কথা বলা হয়েছে, যা সরাসরি IFC-এর প্রধান কার্যক্রম। এটি ১৯৫৬ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় এবং এর সদর দপ্তর ওয়াশিংটন ডিসি-তে অবস্থিত।
অন্যান্য সংস্থাগুলোর কাজ ভিন্ন:
IBRD (International Bank for Reconstruction and Development): এটি বিশ্বব্যাংকের মূল সংস্থা। মধ্যম আয়ের ও স্বল্প আয়ের দেশগুলোর সরকারি খাতকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ দেয়।
MIGA (Multilateral Investment Guarantee Agency): বেসরকারি বিনিয়োগকে রাজনৈতিক ঝুঁকি থেকে রক্ষা করার জন্য বীমা ও নিশ্চয়তা দেয়।
ICSID (International Centre for Settlement of Investment Disputes): আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য কাজ করে।
111

সামন্তবাদ কোন ইউরোপীয় দেশে প্রথম সূত্রপাত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইতালি
  2. ইংল্যান্ড
  3. ফ্রান্স
  4. রাশিয়া

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রোমান ও জার্মান দুটি বিশেষ প্রথা ও অনুষ্ঠান নির্ভর ইউরোপীয় দেশ ইতালিতে প্রথম সামন্ত প্রথার সূত্রপাত হয়। পঞ্চম শতাব্দীতে যখন রোমান সাম্রাজ্যের পতন ঘটে, তখন প্রদেশগুলো শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যর্থ এবং সেগুলো দস্যু কবলিত হয়ে পড়ে। যেহেতু জীবন ও সম্পত্তি রক্ষা দায় হয়ে পড়ল তাই সেখানে এ প্রথার উৎপত্তি হয়। এ ব্যবস্থার অধীনে দুর্বল তথা ক্ষুদে জমির মালিক সর্বস্ব হারানোর ভয়ে শক্তিশালী ভূ-স্বামীর সাহায্য প্রার্থনা করে। এখানে শক্তিশালী ভূ-স্বামী আপদে-বিপদে দুর্বলকে রক্ষা করবে, বিনিময়ে দুর্বল, সবলকে সামরিক শক্তি দিয়ে সাহায্য ও সেবা করবে, এটাই ছিল এ ব্যবস্থার মূল কথা। পঞ্চম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত এর ব্যাপ্তিকাল হলেও নবম থেকে পঞ্চদশ শতাব্দী পর্যন্ত সময়ে এ সমাজব্যবস্থা শক্তিশালী বা সমৃদ্ধ রূপ লাভ করেছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইতালি। যদিও সামন্তবাদ (Feudalism) ইউরোপের একটি বহু-আঙ্গিক ব্যবস্থা, তবে ঐতিহাসিক গবেষণায় দেখা যায় এর প্রারম্ভিক ধারণা এবং ভূমি-ভিত্তিক সম্পর্কের সূত্রপাত হয় ইতালির উত্তরাঞ্চলে (বিশেষত লোম্বার্ড অঞ্চল)।
রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর ইউরোপে যখন কেন্দ্রীয় রাজনৈতিক ক্ষমতা একেবারে ভেঙে পড়ে, তখন স্থানীয় সামরিক নেতাদের হাতে নিরাপত্তার বিনিময়ে ভূমি বণ্টনের প্রথা শুরু হয়। এই ব্যবস্থার আদি রূপটি প্রথম ইতালিতেই দেখা গিয়েছিল।
তবে এটি মনে রাখা জরুরি যে, সামন্ততন্ত্রের পূর্ণাঙ্গ ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপটি বিকশিত হয় ফ্রান্সে (বিশেষত ক্যারোলিঞ্জিয়ান সাম্রাজ্যের আমলে)। অনেক পরীক্ষামূলক বইয়ে এই কারণে ফ্রান্সকেও সামন্তবাদের উৎপত্তিস্থল হিসেবে উল্লেখ করা হয়। কিন্তু যদি 'প্রথম সূত্রপাত' বা আদি বীজ চাওয়া হয়, তবে ইতালি সঠিক উত্তর।
ইংল্যান্ডে সামন্ততন্ত্র আসে অপেক্ষাকৃত পরে, ১০৬৬ সালের নরম্যান বিজয়ের মাধ্যমে।
112

জাতিসংঘের স্থায়ী সদস্য:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাপান, জার্মানি, ফ্রান্স, ব্রিটেন, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র
  2. ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
  3. যুক্তরাষ্ট্র, জার্মানি, ব্রিটেন, ব্রাজিল, চীন, নাইজেরিয়া
  4. উত্তর কোরিয়া, পাকিস্তান, ভারত, ইসরাইল, চীন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১৫ যার মধ্যে স্থায়ী সদস্য ৫টি ও অস্থায়ী সংখ্যা ১০টি। স্থায়ী দেশগুলো হলো যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন। এদেরকে একত্রে বলা হয় পি-৫ বা পারমানেন্ট-৫। এদের প্রত্যেকের আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা ইস্যুতে ‘ভেটো’ প্রদানের ক্ষমতা আছে। অস্থায়ী সদস্যগুলো প্রতি ২ বছরের জন্য নির্বাচিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফ্রান্স, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, চীন
জাতিসংঘের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ নিরাপত্তা পরিষদ (Security Council)। এই পরিষদের মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে ৫টি দেশ হলো স্থায়ী সদস্য, যাদেরকে একত্রে P5 বলা হয়।
স্থায়ী সদস্য দেশগুলো হলো: যুক্তরাষ্ট্র (USA), রাশিয়া (Russia), চীন (China), ফ্রান্স (France) এবং যুক্তরাজ্য (UK/ব্রিটেন)। এই দেশগুলো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ী শক্তি ছিল এবং এদের সকলের ভেটো (Veto) ক্ষমতা আছে।
অন্যান্য অপশনে থাকা জার্মানি, জাপান, ব্রাজিল বা ভারত অত্যন্ত প্রভাবশালী রাষ্ট্র হলেও তারা নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য নয়।
113

‘Law of the Sea Convention’ অনুযায়ী উপকূল থেকে কত দূরত্ব পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে গণ্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২ নটিক্যাল মাইল
  2. ৪৪ নটিক্যাল মাইল
  3. ২০০ নটিক্যাল মাইল
  4. ৩৭০ নটিক্যাল মাইল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৮২ সালে সম্পাদিত UN Convention on the Law of the Sea অনুযায়ী উপকূল থেকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (৩৭০ কিলোমিটার) পর্যন্ত Exclusive Economic Zone হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এ সীমার মধ্যে উপকূলবর্তী দেশগুলো মাছ ধরা, বৈজ্ঞানিক গবেষণা, পরিবেশ সংরক্ষণ ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের একচেটিয়া অধিকার লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২০০ নটিক্যাল মাইল
জাতিসংঘের সমুদ্র আইন কনভেনশন (UNCLOS – United Nations Convention on the Law of the Sea) অনুযায়ী উপকূলীয় রাষ্ট্রগুলো তাদের মূল ভূখণ্ড বা বেসলাইন থেকে সমুদ্রের দিকে ২০০ নটিক্যাল মাইল (প্রায় ৩৭০ কিলোমিটার) পর্যন্ত অর্থনৈতিক সম্পদ অনুসন্ধান ও ব্যবহারের একচ্ছত্র অধিকার ভোগ করে। এই অঞ্চলকেই Exclusive Economic Zone বা EEZ বলা হয়।
এই অঞ্চলে উপকূলীয় রাষ্ট্র মাছ ধরা, তেল ও গ্যাস উত্তোলন এবং বায়ু বা জল থেকে শক্তি উৎপাদনের সম্পূর্ণ সার্বভৌম অধিকার পায়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ১২ নটিক্যাল মাইল হলো আঞ্চলিক সমুদ্র (Territorial Sea) সীমা এবং ২৪ নটিক্যাল মাইল হলো সন্নিহিত অঞ্চল (Contiguous Zone)-এর সীমা, তাই সেগুলো ভুল।
114

ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি যা Joint Comprehensive Plan of Action নামে পরিচিত তা সই হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ এপ্রিল, ২০১৫
  2. ১৪ জুলাই, ২০১৫
  3. ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৪
  4. ১০ ডিসেম্বর, ২০১৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইরানের পারমাণবিক ইস্যুকে কেন্দ্র করে পশ্চিমা বিশ্ব বিশেষ করে নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচ স্থায়ী সদস্য ও জার্মানিকে নিয়ে গঠিত P5+1-এর সাথে দীর্ঘ আলোচনা-সংলাপ শেষে ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় ইরানের সঙ্গে P5+1 এর মধ্যে পারমাণবিক চুক্তি বা Joint Comprehensive Plan of Action স্বাক্ষরিত হয়। ৮ মে ২০১৮ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৪ জুলাই, ২০১৫
Joint Comprehensive Plan of Action (JCPOA) বা ইরান পারমাণবিক চুক্তি ২০১৫ সালের ১৪ জুলাই অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনাতে ইরানের সাথে বিশ্বের ছয়টি শক্তিধর রাষ্ট্র (P5+1) ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিনিময়ে তাদের ওপর থেকে আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়।
অন্যান্য তারিখগুলো চুক্তির চূড়ান্ত স্বাক্ষরের তারিখ নয়, বরং আলোচনা বা প্রাথমিক কাঠামোর (Framework) সাথে সম্পর্কিত হতে পারে।
115

‘গ্রিনপিস’ যাত্রা শুরু করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1945
  2. 2011
  3. 2013
  4. 1971

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘গ্রিনপিস’ নেদারল্যান্ডসের রাজধানী আমস্টারডামভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশবাদী সংস্থা। সংস্থাটি ১৯৭১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি পরিবেশ বিষয়ে প্রথাবিরোধী এবং উচ্চকিত প্রতিবাদের জন্য আলোচিত। তাদের তৎপরতার পিছনে থাকে সুনির্দিষ্ট বৈজ্ঞানিক ভিত্তি। সংস্থাটি সারাবিশ্বে বন্য পরিবেশ ধ্বংস, গ্লোবাল ওয়ার্মিং, অধিক হারে মৎস্য শিকার, বাণিজ্যিক ভাবে তিমি শিকার এবং পারমাণবিক শক্তির বিরুদ্ধে প্রচারণা চালিয়ে আসছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭১

পরিবেশ রক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তন নিয়ে কাজ করা বিশ্বের অন্যতম বিখ্যাত আন্তর্জাতিক অলাভজনক সংস্থা ‘গ্রিনপিস’ (Greenpeace) যাত্রা শুরু করে ১৯৭১ সালে।

সংস্থাটি মূলত কানাডার ভ্যানকুভারে নিউক্লিয়ার টেস্ট (পারমাণবিক পরীক্ষা) বন্ধ করার জন্য ‘Don’t Make A Wave Committee’ নামে গঠিত হয়, যা পরবর্তীতে গ্রিনপিস ফাউন্ডেশন নামে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করে।

১৯৪৫ সালটি জাতিসংঘ (UN) প্রতিষ্ঠার বছর। অন্য অপশনগুলো (২০১১, ২০১৩) গ্রিনপিসের প্রতিষ্ঠার তারিখ নয়।
116

‘Black Lives Matter’ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি গ্রন্হের নাম
  2. একটি পানীয়
  3. বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন
  4. একটি NGO

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Black Lives Matter' একটি বর্ণবাদ বিরোধী অনলাইনভিত্তিক আন্দোলন। সামাজিক মাধ্যমে ২০১৩ সালে এর যাত্রা শুরু হয়। আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি শ্বেতাঙ্গদের সহিংস আচরণের প্রতিবাদ থেকেই আফ্রো-আমেরিকান সম্প্রদায়ের মাঝে এর উৎপত্তি ঘটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বর্ণবাদ বিরোধী আন্দোলন (Black Lives Matter)।
Black Lives Matter (BLM) হলো একটি বিকেন্দ্রীভূত রাজনৈতিক ও সামাজিক আন্দোলন, যা কৃষ্ণাঙ্গদের প্রতি সংগঠিত বর্ণবাদ, বৈষম্য এবং পুলিশি নৃশংসতার বিরুদ্ধে কাজ করে। এটি মূলত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উদ্ভূত হলেও পরবর্তীকালে বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ে।
সংগঠনটি ২০১৩ সালে যাত্রা শুরু করে যখন ফ্লোরিডায় আফ্রিকান-আমেরিকান কিশোর Trayvon Martin-এর হত্যাকারীর বিচার না হওয়ায় সামাজিক মাধ্যমে এই হ্যাশট্যাগটি জনপ্রিয়তা লাভ করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এটি কোনো পানীয় বা গ্রন্থ নয়। যদিও এটি আন্দোলন, তবে এটি মূলত কোনো একক এনজিও (NGO) বা প্রাতিষ্ঠানিক সংগঠন হিসেবে কাজ করে না, বরং একটি সামাজিক ও রাজনৈতিক নেটওয়ার্ক হিসেবে পরিচালিত।
117

মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে বেশি দায়ী নিচের কোন দেশটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাশিয়া
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ইরান
  4. জার্মানি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অপশন অনুযায়ী, মাথাপিছু গ্রিনহাইজ গ্যাস উদগীরণে সবচেয়ে দায়ী দেশ হলো যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণের পরিমাণ ১৬.১%। আর রাশিয়া, জার্মানি ও ইরানের গ্যাস উদগীরণের পরিমাণ যথাক্রমে ১২.৩%, ৯.৬ % ও ৮.০%। উল্লেখ্য, বর্তমানে মাথাপিছু গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের শীর্ষ দেশ যুক্তরাষ্ট্র (ফেব্রুয়ারি ২০২৩)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্র (USA)
গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণের ক্ষেত্রে দুটি বিষয় গুরুত্বপূর্ণ: মোট উদগীরণ (Total Emission) এবং মাথাপিছু উদগীরণ (Per Capita Emission)
বর্তমানে বিশ্বে মোট গ্রিনহাউজ গ্যাস উদগীরণে (প্রধানত কার্বন ডাই-অক্সাইড) এক নম্বরে রয়েছে চীন
কিন্তু প্রশ্নটিতে মাথাপিছু (জনসংখ্যার ভিত্তিতে) উদগীরণের কথা বলা হয়েছে। এক্ষেত্রে, উচ্চ জীবনযাত্রার মান এবং জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর অত্যাধিক নির্ভরতার কারণে বিশ্বের বড় অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে শীর্ষে অবস্থান করছে এবং প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে এটিই সবচেয়ে সঠিক উত্তর।
ঐতিহাসিকভাবেও যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বের সবচেয়ে বেশি গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণকারী দেশ।
118

কোনটি নিরস্ত্রীকরণের সঙ্গে সম্পৃক্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. NATO
  2. SALT
  3. NPT
  4. CTBT

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

NATO পশ্চিম ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকা দেশগুলোর সামরিক জোট। SALT যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়ার মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিতকরণ চুক্তি। NPT পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তাররোধ চুক্তি। আর CTBT পারমাণবিক অস্ত্র পরীক্ষা নিষিদ্ধকরণ চুক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো NATO। কারণ NATO (North Atlantic Treaty Organization) নিরস্ত্রীকরণের সাথে সম্পর্কিত কোনো চুক্তি নয়, বরং এটি একটি সামরিক জোট
NATO হলো ১৯৪৯ সালে প্রতিষ্ঠিত একটি আন্তঃসরকার সামরিক ও রাজনৈতিক জোট, যার প্রধান লক্ষ্য হলো এর সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সম্মিলিত প্রতিরক্ষা (Collective Defence) নিশ্চিত করা। এটি অস্ত্র হ্রাস নয়, বরং সামরিক সক্ষমতা বজায় রাখার জন্য প্রতিষ্ঠিত।
অন্যদিকে, অন্যান্য অপশনগুলো সরাসরি নিরস্ত্রীকরণ বা অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ প্রক্রিয়ার সাথে সম্পর্কিত:
SALT (Strategic Arms Limitation Talks): এটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও সোভিয়েত ইউনিয়নের মধ্যে কৌশলগত অস্ত্র সীমিত করার জন্য আলোচনা ও চুক্তি।
NPT (Nuclear Non-Proliferation Treaty): এটি পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের চুক্তি।
CTBT (Comprehensive Nuclear-Test-Ban Treaty): এটি পারমাণবিক অস্ত্রের সব ধরনের পরীক্ষা নিষিদ্ধ করার জন্য স্বাক্ষরিত চুক্তি।
119

BRICS এর সদর দপ্তর কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাংহাই
  2. মস্কো
  3. প্রিটোরিয়া
  4. নয়াদিল্লী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

BRICS হলো উদীয়মান জাতীয় অর্থনীতির পাঁচটি দেশের একটি জোটের নাম। এর সদস্য দেশ ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা। সংস্থাটি গঠিত হয় ২০০৮ সালে। এর কোনো সদর দপ্তর নেই। তবে এ সংস্থাটির উদ্যোগে ২০১৪ সালে NDB (New Development Bank) নামে একটি ব্যাংক গঠিত হয়, যার সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাংহাই (Shanghai), চীন
BRICS (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) একটি আন্তঃমহাদেশীয় অর্থনৈতিক জোট। এই জোটের নিজস্ব কোনো কেন্দ্রীয় সচিবালয় বা সদর দপ্তর নেই।
তবে, BRICS কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত নিউ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (New Development Bank - NDB)-কেই জোটের প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক কেন্দ্র ধরা হয়। এই NDB এর সদর দপ্তর চীনের সাংহাই শহরে অবস্থিত।
পরীক্ষার প্রশ্নগুলোতে সাধারণত BRICS এর সদর দপ্তর বলতে NDB এর সদর দপ্তরকেই বোঝানো হয়, যা সাংহাইতে অবস্থিত।
অন্যান্য অপশনগুলো (মস্কো, নয়াদিল্লী, প্রিটোরিয়া) BRICS এর সদস্য দেশ হলেও সেগুলো কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের স্থান নয়।
120

SDR (Special Drawing Rights) সুবিধা প্রবর্তনের জন্য কত সালে IMF এর গঠনতন্ত্র (Articles) সংশোধন করা হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1969
  2. 1971
  3. 1975
  4. 1978

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী মুদ্রাগুলো নিয়ে IMF- এর এলিট ক্লাব Special Drawing Rights (SDR) গঠিত। SDR-এর সুবিধা প্রবর্তনের জন্য IMF ১৯৬৯ সালে গঠনতন্ত্র সংশোধন করেছিল। এ ক্লাবের সদস্য পাঁচটির মুদ্রা হলো মার্কিন ডলার, ইউরো, ব্রিটিশ পাউন্ড, জাপানি ইয়েন এবং চীনা ইউয়ান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৯
আইএমএফ (IMF) কর্তৃক আন্তর্জাতিক রিজার্ভ অ্যাসেট হিসেবে স্পেশাল ড্রয়িং রাইটস (SDR) সুবিধাটি প্রবর্তনের জন্য আইএমএফ-এর গঠনতন্ত্রে (Articles of Agreement) প্রথমবার সংশোধন আনা হয় ১৯৬৯ সালের ২৮ জুলাই
এই সংশোধনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল বৈশ্বিক তারল্য (Global Liquidity) বাড়ানো এবং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর রিজার্ভের অভাব মেটানো।
যদিও সংশোধনের বছর ১৯৬৯, কিন্তু আনুষ্ঠানিকভাবে SDR বরাদ্দ দেওয়া শুরু হয় ১৯৭০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে।
121

বাংলাদেশের নিম্নলিখিত জেলাসমূহের মধ্যে কোন জেলায় নিচু ভূমির (Low land) পরিমাণ সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হবিগঞ্জ
  2. গোপালগঞ্জ
  3. কিশোরগঞ্জ
  4. মুন্সীগঞ্জ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মৌসুমী বায়ু প্রবাহের সময় সাধারণত নিম্নভূমি ১৮০ সে.মি.-২৭৫ সে.মি. পর্যন্ত প্লাবিত হয়। নিম্নভূমি বলতে হাওর ও বাওড় অঞ্চলকে বোঝানো হয় । বাংলাদেশ হাওর ও জলাভূমি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, কিশোরগঞ্জে হাওরের সংখ্যা ১২২টি। যার আয়তন ১,৮২,১০৩ হেক্টর। হবিগঞ্জে হাওরের সংখ্যা ৩০টি, যার আয়তন ৩৯, ১৩২ হেক্টর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কিশোরগঞ্জ
বাংলাদেশে নিচু ভূমি (Low land) বলতে সাধারণত হাওড় (Haor) অঞ্চলকে বোঝানো হয়, যা বর্ষাকালে বিশাল জলরাশিতে পরিণত হয়।
দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, নেত্রকোনা, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, সিলেট এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া এই সাতটি জেলাজুড়ে হাওড় অঞ্চল বিস্তৃত।
প্রশ্নে উল্লিখিত জেলাগুলোর মধ্যে কিশোরগঞ্জ জেলাতেই নিচু ভূমির পরিমাণ এবং হাওর-বেষ্টিত এলাকার ঘনত্ব তুলনামূলকভাবে সবচেয়ে বেশি। কিশোরগঞ্জ জেলার মোট এলাকার প্রায় অর্ধেকই হাওর এলাকা।
যদিও হবিগঞ্জ একটি হাওড় এলাকা, এবং গোপালগঞ্জ-এ বিল (যেমন: বিল ডাকাতিয়া) থাকলেও, বৃহত্তর হাওড় অঞ্চলের কেন্দ্রবিন্দু এবং নিচু ভূমির পরিমাণের দিক থেকে কিশোরগঞ্জ এগিয়ে।
122

বাংলাদেশের দীর্ঘতম নদী কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘনা
  2. যমুনা
  3. পদ্মা
  4. কর্ণফুলী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও গভীরতায় বাংলাদেশের দীর্ঘতম, বৃহত্তম, প্রশস্ততম ও গভীরতম নদী মেঘনা। এর দৈর্ঘ্য ৩৩০ কি.মি.। মেঘনা নদীকে চিরযৌবনা নদী বলা হয়। মেঘনার শাখা নদী হলো তিতাস ও ডাকাতিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো মেঘনা
বিসিএস এবং অন্যান্য সরকারি চাকরির পরীক্ষায় সাধারণত বাংলাদেশের অভ্যন্তরে (উৎপত্তি থেকে পতিত হওয়া পর্যন্ত) দৈর্ঘ্য অনুসারে মেঘনাকেই দীর্ঘতম নদী হিসেবে গণ্য করা হয়। এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার (উৎসভেদে ভিন্ন)।
মেঘনা নদীটি সুরমা ও কুশিয়ারার মিলিত স্রোত হিসেবে সিলেট অঞ্চল থেকে উৎপন্ন হয়ে চাঁদপুরে পদ্মার সাথে মিলিত হওয়ার পর ভোলা জেলার মনপুরা-শাহবাজপুর চ্যানেলে বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়েছে।
যদিও পদ্মা (গঙ্গা) এবং যমুনা (ব্রহ্মপুত্র) বিশ্বব্যাপী অনেক দীর্ঘ নদী, কিন্তু বাংলাদেশের সীমানার মধ্যে এর প্রধান প্রবাহকে দীর্ঘতম ধরা হয় না।
123

বাংলাদেশের কোন অঞ্চল বেশি খরাপ্রবণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উত্তর-পূর্ব অঞ্চল
  2. উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
  3. দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল
  4. দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শুষ্ক মৌসুমে ক্রমাগত ২০ দিন বা এর বেশি দিন ধরে কোনো বৃষ্টিপাত না হলে তাকে খরা বলা হয়। বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল অর্থাৎ রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, দিনাজপুর, বগুড়া ও কুষ্টিয়া জেলা অতি খরাপ্রবণ এলাকা হিসেবে পরিচিত। খরার ফলে ফসলের ফলন শতকরা ১৫-৯০ ভাগ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উত্তর-পশ্চিম অঞ্চল
বাংলাদেশের এই অঞ্চলটি, বিশেষত রাজশাহী ও রংপুর বিভাগের কিছু অংশ, দেশের সবচেয়ে বেশি খরাপ্রবণ এলাকা।
ভূ-প্রাকৃতিক কারণে এই অঞ্চলে সাধারণত কম বৃষ্টিপাত হয় এবং এখানকার মাটি (বিশেষত বরেন্দ্র ভূমি) পানি দ্রুত ধরে রাখতে পারে না।
বর্ষাকালে মৌসুমী বায়ুর প্রভাব তুলনামূলকভাবে কম পৌঁছানোয় এবং শুষ্ক মৌসুমে তাপমাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এখানে খরার তীব্রতা বাড়ে।
অন্যান্য অঞ্চল, যেমন উত্তর-পূর্ব বা দক্ষিণ-পূর্ব অঞ্চল, সাধারণত অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত ও বন্যার ঝুঁকিতে থাকে, খরার নয়।
124

বাংলাদেশের কোন অঞ্চলের পরিবেশ বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের (FCDI) কারণে খুব বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বরেন্দ্র অঞ্চল
  2. মধুপুর গড় অঞ্চল
  3. উপকূলীয় অঞ্চল
  4. চলন বিল অঞ্চল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচের ফলে চলনবিল অঞ্চল খুব বেশি পরিমাণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ অঞ্চলে গভীর নলকুপের মাধ্যমে অধিক পরিমাণ পানি উত্তোলনের কারণে পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বরেন্দ্র অঞ্চল। প্রশ্নে উল্লেখিত FCDI-এর পূর্ণরূপ হলো— Flood Control, Drainage, and Irrigation (বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ)
সাধারণত, বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও নিষ্কাশন (FCD) প্রকল্পগুলো চলন বিল বা হাওর অঞ্চলের প্লাবনভূমিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। কিন্তু যখন সেচ (Irrigation বা ‘I’) যুক্ত হয়, তখন বিষয়টি ভিন্ন হয়।
বরেন্দ্র অঞ্চল বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের একটি উচ্চ ও খরাপ্রবণ এলাকা। এই অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী খরা মোকাবিলা করার জন্য সত্তরের দশক থেকে গভীর নলকূপ নির্ভর নিবিড় সেচ প্রকল্প (FCDI-এর অংশ) চালু করা হয়।
এই নিবিড় সেচের ফলে এই অঞ্চলের ভূগর্ভস্থ পানির স্তর মারাত্মকভাবে নিচে নেমে গেছে, যা পরিবেশ ও কৃষি উৎপাদনকে দীর্ঘমেয়াদে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। তাই FCDI-এর সামগ্রিক প্রভাবের কারণে বরেন্দ্র অঞ্চলকে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে, চলন বিল অঞ্চল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও অপরিকল্পিত পানি নিষ্কাশনের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও, এর প্রধান ক্ষতি মাছের প্রজনন ও জলাবদ্ধতাকেন্দ্রিক, যা ভূগর্ভস্থ পানি হ্রাসের মতো ব্যাপক নয়।
125

বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত নিম্নের কোন স্টেশনে রেকর্ড করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেট
  2. টেকনাফ
  3. কক্সবাজার
  4. সন্দ্বীপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাত ২০৩ সেন্টিমিটার। এ দেশে মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে জুন থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত বৃষ্টিপাত হয়। সবচেয়ে বেশি বৃষ্টিপাত হয় সিলেটের লালখান এবং সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয় নাটোরের লালপুরে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলেট। বাংলাদেশে বার্ষিক সর্বোচ্চ গড় বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয় সিলেট অঞ্চলে।
সিলেটে সর্বোচ্চ বার্ষিক গড় বৃষ্টিপাতের কারণ হলো এর ভৌগোলিক অবস্থান। সিলেটের বিশেষত লালখান (Lalakhal) স্টেশনটি বিশ্বের সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাতপূর্ণ স্থান ভারতের মেঘালয় রাজ্যের চেরাপুঞ্জি (বর্তমানে মসিনরাম) এর খুব কাছে অবস্থিত।
দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ু যখন মেঘালয় পর্বতের পাদদেশে ধাক্কা খায়, তখন পর্বতগাত্রের দিকে (Windward side) এই সিলেটে প্রচুর পরিমাণে শৈলোৎক্ষেপ বৃষ্টি (Orographic Rainfall) ঘটায়।
উল্লেখ্য, টেকনাফ এবং কক্সবাজার উপকূলীয় এলাকা হলেও, মেঘালয় পর্বতের কারণে সৃষ্ট উচ্চ বৃষ্টিপাত সিলেটে বেশি হয়।
126

নিম্নের কোন নিয়ামকটি একটি অঞ্চলের বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্ষরেখা
  2. দ্রাঘিমারেখা
  3. উচ্চতা
  4. সমুদ্রস্রোত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণত ৩০ থেকে ৪০ বছরের গড় আবহাওয়ার অবস্থাকে জলবায়ু বলে। জলবায়ু নিয়ন্ত্রণকারী নিয়ামকগুলোর মধ্যে অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র হতে দূরত্ব, বায়ুপ্রবাহের দিক, বৃষ্টিপাত, সমুদ্রের স্রোত, পর্বতের অবস্থান, বনভূমি, ভূমির ঢাল ও মাটির বিশেষত্ব ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। দ্রাঘিমারেখা কোনো অঞ্চল বা দেশের জলবায়ু নির্ধারণ করে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দ্রাঘিমারেখা
একটি অঞ্চলের জলবায়ু নির্ধারণকারী প্রধান নিয়ামকগুলো হলো— অক্ষরেখা বা অক্ষাংশ, উচ্চতা, সমুদ্র থেকে দূরত্ব, সমুদ্রস্রোত, বায়ুর চাপ ও বায়ুপ্রবাহ, এবং পর্বতের অবস্থান
দ্রাঘিমারেখা (Longitude) হলো পৃথিবীর উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু পর্যন্ত প্রসারিত কাল্পনিক রেখা। এই রেখাটি কোনো অঞ্চলের জলবায়ুর উপর সরাসরি প্রভাব ফেলে না। এটি মূলত সময় (Time) এবং স্থানের পূর্ব-পশ্চিম অবস্থান নির্ধারণে ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, অক্ষরেখা (Latitude) সূর্যরশ্মির পতন কোণ নির্ধারণ করে, যা তাপমাত্রা এবং ঋতু পরিবর্তনের জন্য দায়ী—এটি জলবায়ুর প্রধান নিয়ামক।
উচ্চতা (প্রতি ১০০০ মিটারে প্রায় 6.5C6.5^{\circ}C তাপমাত্রা কমে) এবং সমুদ্রস্রোত (উষ্ণ বা শীতল স্রোতের প্রভাব) জলবায়ুকে সরাসরি প্রভাবিত করে, তাই এই অপশনগুলো ভুল।
127

নিম্নের কোন আপদটি (Hazard) পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সড়ক দুর্ঘটনা
  2. তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ
  3. বায়ু দূষণ
  4. ক্যান্সার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো এক আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা। এ ঘটনা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে। এর প্রত্যক্ষ প্রভাব পরিবেশগত। বায়ু দূষণের ফলে বিশ্বময় উষ্ণায়নের সৃষ্টি হয়েছে। মানুষের প্রায় প্রত্যেকটি অঙ্গতন্ত্রে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে। ক্যান্সার, নিউমোনিয়া, জন্ডিসসহ নানা রোগ বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়ু দূষণ। পরিবেশগত আপদগুলোর (Environmental Hazard) মধ্যে এটিই পৃথিবীতে মানুষের মৃত্যুর প্রধান কারণ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) এর মতে, পৃথিবীর প্রায় ৯৯% মানুষ এমন বাতাসে শ্বাস নেয় যা WHO-এর গুণমান নির্দেশিকা অতিক্রম করে।
বর্তমানে প্রতি বছর প্রায় ৭০ লাখ থেকে ১ কোটির বেশি মানুষ বায়ু দূষণের (অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক) কারণে সৃষ্ট স্ট্রোক, হৃদরোগ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের ফলে অকালমৃত্যুর শিকার হন।
যদিও তামাক ও মাদকদ্রব্য গ্রহণ জনস্বাস্থ্যের জন্য অন্যতম প্রধান ঝুঁকি (প্রায় ৮০ লক্ষ মৃত্যু/বছর), তবুও পরিবেশগত কারণগুলির মধ্যে বায়ু দূষণকে প্রায়শই সবচেয়ে বড় একক স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে গণ্য করা হয়, যা তামাকের কাছাকাছি বা তার চেয়েও বেশি সংখ্যক মৃত্যুর জন্য দায়ী।
ক্যান্সার হলো একটি রোগ, যা তামাক বা দূষণের মতো আপদ দ্বারা সৃষ্ট হতে পারে। আর সড়ক দুর্ঘটনা (প্রায় ১৩ লক্ষ মৃত্যু/বছর) বায়ু দূষণজনিত মৃত্যুর চেয়ে অনেক কম। তাই বায়ু দূষণই সর্বাধিক প্রাণহানির কারণ হিসেবে বিবেচিত হয়।
128

সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নতুন দিল্লি
  2. কলম্বো
  3. ঢাকা
  4. কাঠমান্ডু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দক্ষিণ এশিয়ার ৮টি দেশ নিয়ে সার্ক গঠিত হয়। সার্কের কিছু আঞ্চলিক কেন্দ্র সার্কভুক্ত বিভিন্ন দেশে অবস্থিত। এ সংস্থার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্রটি ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত ছিলো যা প্রতিষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে। সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রটি শ্রীলংকার কলম্বোয় এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্র বাংলাদেশের ঢাকায় অবস্থিত। সার্ক যক্ষ্মা ও এইডস কেন্দ্র নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত। উল্লেখ্য, বর্তমানে সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র গুজরাটের গান্ধীনগরে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: নতুন দিল্লি
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (SAARC Disaster Management Centre – SDMC) ভারতের নতুন দিল্লিতে অবস্থিত। এর মূল উদ্দেশ্য হলো আঞ্চলিক পর্যায়ে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (DRR) এবং প্রতিক্রিয়াশীল সক্ষমতা বৃদ্ধি করা।
এটি সাধারণত জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ইনস্টিটিউট (NIDM), নতুন দিল্লি-তে অবস্থিত।
প্রচলিত ভুল হলো কাঠমান্ডু, কারণ এটি সার্কের সদর দপ্তর (SAARC Secretariat)। ঢাকায় অবস্থিত সার্ক কৃষি কেন্দ্র (SAC) এবং কলম্বোতে অবস্থিত সার্ক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র (SCC)।
129

কোন পর্যায়ে দুর্যোগের ক্ষতি মূল্যায়ন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উদ্ধার পর্যায়ে
  2. প্রভাব পর্যায়ে
  3. সতর্কতা পর্যায়ে
  4. পুনর্বাসন পর্যায়ে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পুনর্বাসন পর্যায়ে দুর্যোগে সম্পদ, পরিবেশ, সামাজিক ও অর্থনৈতিক অবকাঠামো ইত্যাদির যে ক্ষতি হয়ে থাকে তা মূল্যায়ন করে পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে দুর্যোগপূর্ব অবস্থায় ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হয়। এক্ষেত্রে সরকারি, বেসরকারি, স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা ও আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ সাহায্য ও সহযোগিতা করে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পুনর্বাসন পর্যায়ে (Rehabilitation/Recovery Phase)
দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা চক্রে (Disaster Management Cycle) দুর্যোগের ক্ষতি ও প্রয়োজন মূল্যায়ন (Damage and Needs Assessment) করা হয় মূলত দুর্যোগ পরবর্তী দীর্ঘমেয়াদী পুনরুদ্ধার পর্বের শুরুতে।
ক্ষতি মূল্যায়নের উদ্দেশ্য হলো ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো পুনর্নির্মাণ, অর্থনীতির পুনরুদ্ধার এবং জীবনযাত্রাকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে কী পরিমাণ অর্থ বা সাহায্যের প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা। তাই এটি পুনর্বাসন বা পুনরুদ্ধার পর্যায়ের অবিচ্ছেদ্য অংশ।
অন্যান্য পর্যায়, যেমন উদ্ধার পর্যায় (Response/Rescue)-এ প্রধান মনোযোগ থাকে জীবন বাঁচানো এবং তাৎক্ষণিক জরুরি ত্রাণ সরবরাহের দিকে, তখন বিস্তারিত ক্ষতি মূল্যায়ন সম্ভব হয় না।
130

নিম্নের কোন দুর্যোগটি বাংলাদেশের জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভূমিকম্প
  2. সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি (Sea level rise)
  3. ঘূর্ণিঝড়, ও জলোচ্ছ্বাস
  4. খরা বা বন্যা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, খরা, বন্যা ও ভূমিকম্প খুব অল্প সময়ের জন্য হয়ে থাকে। পক্ষান্তরে, সমুদ্রের পানির স্তর বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের নিম্নভূমিসহ ভূপৃষ্ঠের উপরিভাগ ডুবে যাবে। যার ফলে কৃষকরা জমিতে ফসল চাষ না করতে পেরে জীবিকার তাগিদে অন্য কোনো পেশার সাথে নিজেকে খাপখাইয়ে নিবে। সুতরাং সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি জনগণের জীবিকা পরিবর্তনের ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি (Sea level rise)
এটি একটি ধীরগতির দুর্যোগ (Slow-onset Disaster) হলেও এর প্রভাব সুদূরপ্রসারী এবং স্থায়ী।
সমুদ্রের জলস্তরের বৃদ্ধি বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের কৃষি জমিতে লোনা পানির প্রবেশ (Salinity Intrusion) ঘটায়, স্থায়ীভাবে জমিকে আবাদ অযোগ্য করে তোলে। এছাড়াও, উপকূলীয় নিচু এলাকা স্থায়ীভাবে ডুবে যায়।
এর ফলে কৃষিনির্ভর মানুষজন তাদের চিরাচরিত পেশা স্থায়ীভাবে পরিবর্তন করতে বাধ্য হয় (যেমন: মাছ ধরা বা শহরে শ্রমিকের কাজ খোঁজা)। এই স্থায়ী পেশা পরিবর্তনই হলো দীর্ঘস্থায়ী জীবিকা পরিবর্তনের মূল কারণ।
অন্যান্য দুর্যোগ যেমন ঘূর্ণিঝড়, বন্যা বা খরা সাধারণত ক্ষণস্থায়ী বা মৌসুমি। এগুলি অবকাঠামোগত ক্ষতি করলেও, পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে জনগণ সাধারণত তাদের আগের জীবিকায় (কৃষি বা মৎস্য আহরণ) ফিরে যেতে পারে।
ভূমিকম্প যদিও ব্যাপক ধ্বংসাত্মক, এটি বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে উপকূলীয় অঞ্চলের মতো সরাসরি দীর্ঘমেয়াদি জীবিকা পরিবর্তনকারী পরিবেশগত প্রভাব ফেলে না।
131

আকাশে রংধনু সৃষ্টির কারণ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধুলিকণা
  2. বায়ুস্তর
  3. বৃষ্টির কণা
  4. অতিবেগুনি রশ্মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো বৃষ্টির কণা। বৃষ্টির কণা এখানে প্রিজমের কাজ করে। বৃষ্টির কণায় যখন আলোকরশ্মি পতিত হয় তখন বৃষ্টির কণা ঐ আলোকরশ্মিকে ৭টি রঙে বিভক্ত করে, যাকে আমরা রংধনু বলি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বৃষ্টির কণা
আকাশে রংধনু সৃষ্টির প্রধান কারণ হলো বৃষ্টির কণা দ্বারা আলোর প্রতিসরণ ও বিচ্ছুরণ। বৃষ্টি পড়ার পর যখন বাতাসের মধ্যে অসংখ্য ক্ষুদ্র জলকণা (বৃষ্টির কণা) ভেসে বেড়ায়, তখন এই কণাগুলি প্রিজমের মতো আচরণ করে।
সূর্যের সাদা আলো যখন এই জলকণার মধ্য দিয়ে প্রবেশ করে, তখন প্রথমে আলোর প্রতিসরণ ঘটে। এরপর জলকণার ভেতরের পৃষ্ঠে পূর্ণ অভ্যন্তরীণ প্রতিফলন ঘটে এবং শেষে আলো কণা থেকে বের হওয়ার সময় আবার প্রতিসরণের মাধ্যমে সাদা আলো সাতটি রঙে বিভক্ত হয়ে যায় (বিচ্ছুরণ)। এই সম্মিলিত প্রক্রিয়ার ফলেই রংধনু সৃষ্টি হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ধুলিকণা বা বায়ুস্তর আলোকের বিচ্ছুরণ বা প্রতিসরণে অংশ নিলেও রংধনুর মতো সুনির্দিষ্ট বর্ণালী গঠনে মূল ভূমিকা রাখে বৃষ্টির কণা
132

ইস্টের সংশ্লিষ্টতা নেই কোন শিল্পে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মদ্য শিল্পে (Wine industry)
  2. রুটি শিল্পে (Bakery)
  3. সাইট্রিক এসিড উৎপাদন
  4. এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein) তৈরিতে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইস্ট একধরনের আদিকোষী অণুজীব যা প্রকৃতিতে খুবই সহজলভ্য। এটা বেকারি শিল্পে পাউরুটি, কেকসহ নানা খাবার তৈরি, চোলাই বিয়ার ও মদ্য তৈরি, ত্বক ও চুলের যত্নে, ডায়েটে সম্পূরক খাদ্য হিসেবে, ওষুধ তৈরি ইত্যাদি ক্ষেত্রে বহুল ব্যবহৃত হয়। সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ইস্টের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ব্যবহার করা হয় পেনিসিলিয়াম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সাইট্রিক এসিড উৎপাদন। ইস্ট (Yeast) হলো এক প্রকার এককোষী ছত্রাক (Fungus), যা প্রধানত অ্যালকোহলীয় ফার্মেন্টেশন (গাঁজন) প্রক্রিয়ায় ব্যবহৃত হয়।
মদ্য শিল্পে (Wine industry) ইস্ট (যেমন: Saccharomyces cerevisiae) শর্করাকে ভেঙে ইথানল (অ্যালকোহল) ও কার্বন ডাই অক্সাইড (extCO2 ext{CO}_2) তৈরি করে, যা পানীয় উৎপাদন প্রক্রিয়ার মূল ভিত্তি।
রুটি শিল্পে (Bakery) ইস্টের মাধ্যমে উৎপাদিত extCO2 ext{CO}_2 রুটির ডো (Dough)-কে ফুলিয়ে নরম করতে সাহায্য করে।
এক কোষীয় প্রোটিন (Single-cell-protein/SCP) উৎপাদনেও পুষ্টির উৎস হিসেবে নির্দিষ্ট প্রকারের ইস্ট (যেমন: Candida utilis) ব্যবহৃত হয়।
অন্যদিকে, সাইট্রিক এসিড শিল্প উৎপাদনের জন্য ইস্ট ব্যবহার করা হয় না। বরং এই কাজটি প্রধানত এক বিশেষ ধরনের ছাঁচ বা ছত্রাক Aspergillus niger দ্বারা করানো হয়। তাই সাইট্রিক এসিড উৎপাদনে ইস্টের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা নেই।
133

চন্দ্রে কোনো বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দশ ভাগের একভাগ
  2. ছয় ভাগের একভাগ
  3. তিন ভাগের একভাগ
  4. চার ভাগের একভাগ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চন্দ্রপৃষ্ঠে অভিকর্ষজ ত্বরণ পৃথিবীর ১/৬ অংশ। সুতরাং কোনো বস্তুর ওজন সেখানে হবে পৃথিবীর ছয়ভাগের এক ভাগ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ছয় ভাগের একভাগ
কোনো বস্তুর ওজন নির্ভর করে সেই স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণের (g) উপর। ওজনের গাণিতিক সূত্র হলো: W=mgW = mg (যেখানে W = ওজন, m = ভর এবং g = অভিকর্ষজ ত্বরণ)।
বস্তুর ভর (m) স্থানভেদে সর্বত্র স্থির বা অপরিবর্তিত থাকে। কিন্তু অভিকর্ষজ ত্বরণ (g) গ্রহ বা উপগ্রহের ভরের ওপর নির্ভর করে স্থানভেদে পরিবর্তিত হয়।
চাঁদের ভর পৃথিবী অপেক্ষা অনেক কম হওয়ায়, চাঁদের অভিকর্ষজ ত্বরণ (gmoon) পৃথিবীর অভিকর্ষজ ত্বরণের (gearth) প্রায় 16\frac{1}{6} গুণ
যেহেতু ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের সমানুপাতিক (WgW \propto g), তাই চাঁদে বস্তুর ওজন পৃথিবীর ওজনের 16\frac{1}{6} ভাগ হয়। (যেমন: পৃথিবীতে ৬ কেজি ওজনের বস্তু চাঁদে ১ কেজি ওজনের হবে)।
134

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষাস্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাইসোজাইম (LYSOZYME)
  2. গ্যাসট্রিক জুস (GASTRIC JUICE)
  3. সিলিয়া (CILIA)
  4. লিম্ফোসাইট(LYMPHOCYTES)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মানবদেহে রোগ প্রতিরোধে প্রাথমিক প্রতিরক্ষা স্তরের (First line of defence) অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো হলো ত্বক, অশ্রু, শ্লেষ্মা, মুখের লালা, চোখের পাতা (cilia), পাকস্থলি এসিড ইত্যাদি। অশ্রু, শ্লেষ্মা ও লালায় বিদ্যমান একপ্রকার এনজাইম হলো লাইসোজাইম। আর লিম্ফোসাইট হলো একপ্রকার শ্বেত রক্তকণিকা, যা তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লিম্ফোসাইট (LYMPHOCYTES)
মানবদেহের রোগ প্রতিরোধের ব্যবস্থা প্রধানত তিনটি স্তরে বিভক্ত। এই স্তরগুলো হলো: প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর, দ্বিতীয় প্রতিরক্ষা স্তর এবং তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তর।
প্রথম প্রতিরক্ষা স্তর (First line of defence) হলো দেহের বাইরের রোগজীবাণু প্রবেশে বাধা দানকারী ভৌত ও রাসায়নিক প্রতিবন্ধক। এর উদাহরণ হলো: ত্বক, চোখের জল (যাতে লাইসোজাইম থাকে), পাকস্থলীর অ্যাসিড (গ্যাসট্রিক জুস), এবং শ্বাসনালীর সিলিয়া
অন্যদিকে, লিম্ফোসাইট হলো এক ধরণের শ্বেত রক্তকণিকা (WBC), যা দেহের তৃতীয় প্রতিরক্ষা স্তরের (Third line of defence) প্রধান উপাদান। এরা নির্দিষ্ট রোগজীবাণুকে চিনে নিয়ে সুনির্দিষ্টভাবে (Specific Immunity) প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
তাই, লিম্ফোসাইট প্রথম প্রতিরক্ষা স্তরের অন্তর্ভুক্ত নয়।
135

নিচের কোনটি ভাইরাসের (VIRUS) জন্য সত্য নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিএনএ বা আরএনএ থাকে
  2. শুধুমাত্র জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে
  3. স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (CRYSTALIZATION)
  4. রাইবোজোম (Ribosome) থাকে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

অকোষীয় অণুজীব ভাইরাসের বৈশিষ্ট্য হলো- এতে DNA বা RNA আছে, জীবদেহের অভ্যন্তরে এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করতে পারে, এদেরকে crystal বা স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত করা যায়। এদের সাইটোপ্লাজম, নিউক্লিয়াস, কোষীয় ক্ষুদ্রাঙ্গ এবং বিপাকীয় এনজাইম নেই। সুতরাং এখানে রাইবোজোমও থাকবে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো রাইবোজোম (Ribosome) থাকে। কারণ ভাইরাসের ক্ষেত্রে এটি সত্য নয়।
ভাইরাস হলো অকোষীয় (Acellular) বা কোষবিহীন জীব। এদের কোনো নিজস্ব সাইটোপ্লাজম বা কোষীয় অঙ্গাণু (Cell Organelles) থাকে না, যার মধ্যে রাইবোজোম অন্যতম।
রাইবোজোম হলো প্রোটিন সংশ্লেষণের স্থান। যেহেতু ভাইরাসের নিজস্ব রাইবোজোম নেই, তাই এটি স্বাধীনভাবে প্রোটিন তৈরি বা বিপাক ক্রিয়া (Metabolism) চালাতে পারে না।
এই কারণে ভাইরাসকে বংশবৃদ্ধি বা সংখ্যাবৃদ্ধির জন্য সম্পূর্ণরূপে জীবন্ত পোষক কোষের (Host Cell) উপর নির্ভর করতে হয়। এই বিশেষ বৈশিষ্ট্যই প্রমাণ করে যে ভাইরাস হলো পরম অন্তঃকোষীয় পরজীবী (Obligate Intracellular Parasite)
অপরদিকে, ভাইরাসের ডিএনএ বা আরএনএ থাকে, এটি জীবদেহের অভ্যন্তরে সংখ্যাবৃদ্ধি করে এবং এটি স্ফটিক দানায় রূপান্তরিত (Crystallization) হতে পারে—এই তিনটি বৈশিষ্ট্যই ভাইরাসের জন্য সত্য।
136

তাপ ইঞ্জিনের কাজ-(Heat Engine)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর
  2. তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
  3. বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর
  4. তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

তাপ ইঞ্জিন (Heat Engine)-এর কাজ হলো তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তরিত করা। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মোটর বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে, হাতে হাত ঘষলে যান্ত্রিক শক্তি তাপশক্তিতে এবং দুটি ভিন্ন ধাতব পদার্থের সংযোগস্থলে তাপ প্রয়োগ করলে তাপশক্তি বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তাপশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর। এটিই তাপ ইঞ্জিনের (Heat Engine) মৌলিক কাজ।
তাপ ইঞ্জিন হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যা একটি উচ্চ তাপমাত্রার উৎস (Hot Reservoir) থেকে তাপ শোষণ করে তার একটি অংশকে যান্ত্রিক কাজে (Mechanical Work) রূপান্তরিত করে এবং অবশিষ্ট তাপ নিম্ন তাপমাত্রার আধারে (Cold Reservoir) বর্জন করে।
যেমন: স্টিম ইঞ্জিন, পেট্রোল ইঞ্জিন বা ডিজেল ইঞ্জিন—সবগুলোই তাপশক্তিকে ব্যবহার করে পিস্টন বা চাকা ঘুরিয়ে যান্ত্রিক কাজ সম্পন্ন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
যান্ত্রিক শক্তিকে তাপশক্তিতে রূপান্তর: এটি ঘর্ষণ বা ব্রেকিং-এর মাধ্যমে ঘটে। (বিপরীত প্রক্রিয়া)
বিদ্যুৎশক্তিকে যান্ত্রিকশক্তিতে রূপান্তর: এটি বৈদ্যুতিক মোটরের (Electric Motor) কাজ।
তাপশক্তিকে বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তর: সরাসরি এটি থার্মোকাপল (Thermo-couple) বা তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে পরোক্ষভাবে হয়ে থাকে, কিন্তু তাপ ইঞ্জিনের সংজ্ঞায় আউটপুট হিসেবে সরাসরি 'কাজ' (Work) বা যান্ত্রিক শক্তিকে বোঝানো হয়।
137

শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৮০ m/s
  2. 0
  3. ৩৩২ m/s
  4. ১১২০ m/s

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মাধ্যম ছাড়া শব্দ চলতে পারে না। তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ হবে শূন্য। কঠিন মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে বেশি। বায়বীয় মাধ্যমে শব্দের বেগ সবচেয়ে কম। উল্লেখ্য, বাতাসে শব্দের বেগ ৩৩২ মি/সে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ০ (শূন্য)
শব্দ হলো এক প্রকার যান্ত্রিক তরঙ্গ (Mechanical Wave)। যান্ত্রিক তরঙ্গ বিস্তারের জন্য কণা বা মাধ্যমের (যেমন: বায়ু, জল বা কঠিন পদার্থ) প্রয়োজন হয়।
যখন কোনো উৎস থেকে শব্দ সৃষ্টি হয়, তখন সেই উৎসের কম্পন আশেপাশের মাধ্যমটির কণাগুলোকে কম্পিত করে এবং এই কম্পন এক কণা থেকে আরেক কণায় স্থানান্তরিত হয়ে শব্দের আকারে আমাদের কানে পৌঁছায়।
শূন্য মাধ্যমে (Vacuum) কোনো প্রকার কণা বা পদার্থ থাকে না। যেহেতু শব্দ সঞ্চালনের জন্য মাধ্যম অপরিহার্য, তাই শূন্য মাধ্যমে শব্দের বেগ ০ (শূন্য)
এ কারণেই চাঁদে বা মহাকাশে শব্দ শোনা যায় না।
💡 অপশন ৩৩২ m/s হলো আদর্শ তাপমাত্রা ও চাপে (০°C তাপমাত্রায়) বায়ু মাধ্যমে শব্দের বেগ, যা একটি প্রচলিত ভুল উত্তর।
138

দৈনিক খাদ্য তালিকায় সামুদ্রিক মাছ/শৈবালের অন্তর্ভুক্তি, কোন রোগের প্রাদুর্ভাব কমাতে সাহায্য করবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইপো-থাইরয়ডিজম(HYPOTHYROIDISM)
  2. রাতকানা
  3. এনিমিয়া
  4. কোয়াশিয়রকর (KWASHIORKOR)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোনো কারণে থাইরয়েড গ্রন্হির হরমোন উৎপাদন কমে গেলে তাকে হাইপো-থাইরয়েডিজম বলে। বাংলাদেশে প্রধানত খাদ্যে আয়োডিনের ঘাটতির কারণে এ হরমোন উৎপাদন ব্যাহত হয়। দৈনন্দিন খাবারের সঙ্গে বেশি পরিমাণ আয়োডিনযুক্ত খাদ্য (শাকসবজি, ফলমূল, সামুদ্রিক মাছ ও শৈবাল) ও আয়োডিনযুক্ত লবণ খেয়ে এ রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো হাইপো-থাইরয়ডিজম (Hypothyroidism)
সামুদ্রিক মাছ, শৈবাল এবং অন্যান্য সামুদ্রিক খাদ্য হলো আয়োডিনের (Iodine) উৎকৃষ্ট উৎস।
আয়োডিন হলো থাইরয়েড গ্রন্থির জন্য অত্যন্ত অপরিহার্য একটি খনিজ। এই উপাদানটি থাইরক্সিন হরমোন (T4 ও T3) উৎপাদনে সাহায্য করে, যা শরীরের বিপাক ক্রিয়া (Metabolism) নিয়ন্ত্রণ করে।
দৈনিক খাদ্য তালিকায় এই উপাদানটির (আয়োডিনের) পর্যাপ্ততা নিশ্চিত করলে এর অভাবজনিত রোগ, যেমন: হাইপো-থাইরয়ডিজম এবং গলগণ্ড (Goiter) এর প্রাদুর্ভাব কমানো সম্ভব।
অন্যদিকে, রাতকানা হয় ভিটামিন 'এ'-এর অভাবে; এনিমিয়া হয় প্রধানত আয়রন (লৌহ)-এর অভাবে; এবং কোয়াশিয়রকর হয় প্রোটিন-এর তীব্র অভাবে।
139

গ্রিনহাউজ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাচের তৈরি ঘর
  2. সবুজ আলোর আলোকিত ঘর
  3. সবুজ ভবনের নাম
  4. সবুজ গাছপালা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্রিনহাউজ হলো কাচের তৈরি ঘর। শীতপ্রধান দেশে সবুজ গাছপালাকে শীতের হাত থেকে বাঁচানোর জন্য কাচের তৈরি ঘর বানিয়ে তার ভিতর গাছপালা লাগানো হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাচের তৈরি ঘর
গ্রিনহাউজ (Greenhouse) হলো এমন একটি কাঠামো, যা সাধারণত কাচ (Glass) বা স্বচ্ছ প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি করা হয়।
এটি শীতপ্রধান অঞ্চলে বা যেখানে তাপমাত্রা কম, সেখানে ভেতরের তাপমাত্রা বেশি রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
কার্যপ্রণালী: গ্রিনহাউজের কাচ সূর্যের স্বল্প তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ও তাপ (Shortwave radiation) খুব সহজে ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়। কিন্তু যখন মাটি ও গাছপালা সেই তাপকে দীর্ঘ তরঙ্গদৈর্ঘ্যের তাপ (Longwave radiation/Infrared) হিসেবে প্রতিফলিত করে, তখন কাচের দেওয়ালগুলো সেই তাপকে বাইরে যেতে বাধা দেয়
ফলে ভেতরের বাতাস গরম হয়ে যায়, যা উদ্ভিদকে শীতল আবহাওয়ায়ও বেঁচে থাকতে সাহায্য করে।
এটি পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে ঘটে যাওয়া প্রাকৃতিক 'গ্রিনহাউজ ইফেক্ট'-এর বাস্তব উদাহরণ।
140

কোনটি জারক পদার্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাইড্রোজেন।
  2. অক্সিজেন
  3. ক্লোরিন
  4. ব্রোমিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জারক পদার্থগুলো ইলেকট্রন গ্রহণ করে অন্যকে জারিত করে ও নিজে বিজারিত হয়। অক্সিজেন, ক্লোরিন ও ব্রোমিন প্রত্যেকেই ইলেকট্রন গ্রহণ করে, তাই এরা জারক পদার্থ। অন্যদিকে হাইড্রোজেন ইলেকট্রন ত্যাগ করে তাই এটা জারক নয়, বিজারক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাইড্রোজেন। কারণ হাইড্রোজেন একটি বিজারক পদার্থ (Reducing Agent), জারক পদার্থ নয়।
জারক পদার্থ (Oxidizing Agent) হলো সেই মৌল বা যৌগ, যা রাসায়নিক বিক্রিয়ার সময় অন্য পদার্থকে জারিত করে এবং নিজে ইলেকট্রন গ্রহণ করে (অর্থাৎ, নিজে বিজারিত হয়)।
অন্যদিকে, বিজারক পদার্থ (Reducing Agent) হলো যা অন্য পদার্থকে বিজারিত করে এবং নিজে ইলেকট্রন ত্যাগ করে (অর্থাৎ, নিজে জারিত হয়)।
প্রদত্ত বিকল্পগুলোতে অক্সিজেন (O2\text{O}_2), ক্লোরিন (Cl2\text{Cl}_2) এবং ব্রোমিন (Br2\text{Br}_2)—এগুলো সবই উচ্চ তড়িৎ-ঋণাত্মক (Electronegative) মৌল। এরা সহজেই ইলেকট্রন গ্রহণ করতে পারে এবং তাই এরা শক্তিশালী জারক পদার্থ হিসেবে কাজ করে।
কিন্তু হাইড্রোজেন (H2\text{H}_2) সাধারণত ইলেকট্রন ত্যাগ করে H+\text{H}^+ আয়ন তৈরি করে বা অন্য যৌগে ইলেকট্রন সরবরাহ করে, তাই এটি বিজারক পদার্থ হিসেবে পরিচিত।
141

নিউক্লিয়াসের বিভাজনকে কি বলা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিশন
  2. মেসন
  3. ফিউশন
  4. ফিউশন ও মেসন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে নিউক্লীয় বিক্রিয়ায় একটি নিউক্লিয়াস বিভাজিত হয়ে দুটি নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় তাকে ফিশন বিক্রিয়া বলে। অন্যদিকে দুটি নিউক্লিয়াসের সংযোগে একটি নিউক্লিয়াস তৈরি হওয়াকে ফিউশন বিক্রিয়া বলে। মেসন হলো মৌলের ক্ষুদ্রতম কণিকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফিশন
নিউক্লিয় ফিশন (Nuclear Fission) হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে একটি ভারী পরমাণুর নিউক্লিয়াস (যেমন: ইউরেনিয়াম-২৩৫) নিউট্রন দ্বারা আঘাতের ফলে ভেঙে গিয়ে প্রায় সমান ভরের দুটি বা ততোধিক ছোট নিউক্লিয়াসে পরিণত হয় এবং বিপুল পরিমাণে শক্তি নির্গত করে
এটিই নিউক্লিয়াসের বিভাজন।
বিপরীতক্রমে, ফিউশন (Fusion) হলো হালকা নিউক্লিয়াস (যেমন: হাইড্রোজেন বা ডিউটেরিয়াম) একত্রিত হয়ে বা জোড়া লেগে একটি ভারী নিউক্লিয়াস তৈরি করার প্রক্রিয়া, যা সূর্য এবং নক্ষত্রের শক্তির উৎস।
মেসন (Meson) কোনো বিভাজন প্রক্রিয়া নয়, এটি হলো এক ধরনের উপ-পারমাণবিক কণা
142

ধরিত্রী সম্মেলন কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আফ্রিকার জোহানেসবার্গে
  2. ব্রাজিলের রিওডিজেনিরোতে
  3. ইতালির রোমে
  4. যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন ডিসিতে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের উদ্যোগে ৩-১৪ জুন ১৯৯২ ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে পরিবেশ ও উন্নয়নবিষয়ক প্রথম ধরিত্রী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। রিও ডি জেনিরোতে দীর্ঘ আলোচনার মাধ্যমে বিশ্ব পরিবেশ ও উন্নয়নের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য ২৭টি নীতিমালা অনুমোদিত হয়। অন্যদিকে ২৬ আগস্ট থেকে ৪ সেপ্টেম্বর ২০০২ দক্ষিণ আফ্রিকার জোহানেসবার্গে অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন শীর্ষ সম্মেলন বা দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলন। দ্বিতীয় ধরিত্রী সম্মেলনে মোট ৩৭ টি অঙ্গীকার গ্রহণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রাজিলের রিওডিজেনিরোতে
ধরিত্রী সম্মেলন (Earth Summit) বলতে সাধারণত প্রথম জাতিসংঘ পরিবেশ ও উন্নয়ন সম্মেলন (UNCED)-কে বোঝানো হয়।
এই ঐতিহাসিক সম্মেলনটি ১৯৯২ সালের ৩ থেকে ১৪ জুন ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত হয়েছিল। এই সম্মেলনের মাধ্যমে পরিবেশ ও উন্নয়নের ধারণা বিশ্বজুড়ে গুরুত্ব পায় এবং এজেন্ডা ২১ নামক বৈশ্বিক কর্মপরিকল্পনা গৃহীত হয়।
অন্যদিকে, আফ্রিকার জোহানেসবার্গে ২০০২ সালে টেকসই উন্নয়নের ওপর বিশ্ব সম্মেলন (WSSD) অনুষ্ঠিত হয়, যা রিও সম্মেলনের ফলো-আপ (রিও+১০) ছিল। তাই এটি মূল ধরিত্রী সম্মেলন নয়।
143

বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেরু অঞ্চলে
  2. বিষুব অঞ্চলে
  3. পাহাড়ের ওপর
  4. পৃথিবীর কেন্দ্রে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

একটি বস্তু যে পরিমাণ বল দ্বারা পৃথিবীর কেন্দ্রের দিকে আকৃষ্ট হয় তাকে তার ওজন বলে। কোনো বস্তুর ওজন অভিকর্ষজ ত্বরণের ওপর নির্ভরশীল। যে স্থানে অভিকর্ষজ ত্বরণ বেশি সে স্থানে বস্তুর ওজন বেশি। মেরু অঞ্চলে g-এর মান বিষুব অঞ্চলের চেয়ে বেশি। সুতরাং মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন বেশি। আবার পৃথিবীর কেন্দ্রে g-এর মান শূন্য হওয়ায় বস্তুর ওজনও শূন্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেরু অঞ্চলে
কোনো বস্তুর ওজন (W)(W) নির্ভর করে তার ভর (m)(m) এবং অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)(g)-এর উপর। এর সূত্রটি হলো: W=mgW = mg। যেহেতু ভর (m)(m) একটি ধ্রুবক রাশি, তাই ওজন সম্পূর্ণরূপে অভিকর্ষজ ত্বরণ (g)(g)-এর মানের ওপর নির্ভরশীল।
পৃথিবী পুরোপুরি গোল নয়; এটি মেরু অঞ্চলে কিছুটা চাপা এবং বিষুব অঞ্চলে স্ফীত। এই আকৃতিকে **অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)** বলা হয়।
এর ফলে, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব (ব্যাসার্ধ) সর্বনিম্ন এবং বিষুব অঞ্চলের দূরত্ব (ব্যাসার্ধ) সর্বোচ্চ।
অভিকর্ষজ ত্বরণের মান ব্যাসার্ধের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, যেখানে দূরত্ব কম, সেখানে gg-এর মান সর্বোচ্চ। তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
অন্যদিকে, বিষুব অঞ্চলে gg-এর মান সর্বনিম্ন। পাহাড়ের ওপর বা খনিতে gg-এর মান কম হয়। আর পৃথিবীর কেন্দ্রে gg-এর মান শূন্য
144

প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন কি পরিমাণ থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪০ – ৫০ ভাগ
  2. ৬০ – ৭০ ভাগ
  3. ৮০ – ৯০ ভাগ
  4. ৩০ – ২৫ ভাগ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রাকৃতিক গ্যাসের উপাদানগুলোর মধ্যে মিথেন ৮০ -৯০%, ইথেন ১৩%, প্রোপেন ৩%। এছাড়া বিউটেন, ইথিলিন ও নাইট্রোজেন কিছু পরিমাণে থাকে। এ উপাদানগুলোর মধ্যে প্রধান হলো মিথেন। আমাদের দেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ ৯৫-৯৯%।

ব্যাখ্যা

প্রাকৃতিক গ্যাস হলো বিভিন্ন হাইড্রোকার্বনের একটি মিশ্রণ, যার প্রধান উপাদান হলো মিথেন
সাধারণত, ভালো মানের প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেন (CH4CH_4) এর পরিমাণ থাকে ৮০% থেকে ৯৫% পর্যন্ত।
বাংলাদেশে প্রাপ্ত প্রাকৃতিক গ্যাসে মিথেনের পরিমাণ সাধারণত ৮৫% থেকে ৯৪% এর মধ্যে থাকে।
অতএব, প্রদত্ত বিকল্পগুলির মধ্যে ৮০ – ৯০ ভাগ হলো সবচেয়ে সঠিক ও স্বীকৃত উত্তর।
145

চা পাতায় কোন ভিটামিন থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন ‘ই’
  2. ভিটামিন ‘কে’
  3. ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
  4. ভিটামিন ‘এ’

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শাকসবজি, তৈলবীজ এবং হাঙ্গর মাছের যকৃতের তেলে ভিটামিন -ই পাওয়া যায়। সবুজ শাকসবজি, দুগ্ধজাত দ্রব্য ভিটামিন 'কে'-এর প্রধান উৎস। চা পাতা, বৃষ্টির পানিতে ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স পাওয়া যায়। মাছের তেল, দুধ, মলা মাছ, মাছের মাথা এবং গাজরে সর্বাধিক ভিটামিন-এ রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভিটামিন বি কমপ্লেক্স
চা পাতায় বিভিন্ন ধরণের পুষ্টি উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ভিটামিনগুলোর মধ্যে বিশেষত ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের উপস্থিতি উল্লেখযোগ্য। এর মধ্যে রয়েছে থায়ামিন (B1), রাইবোফ্লাভিন (B2) এবং ফোলেট বা ফলিক এসিড (B9)
এই ভিটামিনগুলো শরীরকে শক্তি উৎপাদনে এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। যদিও চা পাতায় অল্প পরিমাণে অন্যান্য ভিটামিন (যেমন K) থাকতে পারে, কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নের মূল ফোকাস থাকে প্রধান পুষ্টি উপাদানের উপর।
অপরদিকে, ভিটামিন A, D, এবং C সাধারণত চা পাতার মূল উপাদান হিসেবে বিবেচিত হয় না, তাই তারা ভুল উত্তর।
146

কম্পিউটার সিপিইউ (CPU)-এর কোন অংশ গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এ. এল. ইউ (ALU)
  2. কন্ট্রোল ইউনিট (control unit)
  3. রেজিস্টার সেট (Register set)
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কম্পিউটারের CPU (Central Processing Unit) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের অংশ তিন ভাগে বিভক্ত। যথা : গাণিতিক যুক্তি ইউনিট বা Arithmetic Logic Unit (ALU), নিয়ন্ত্রণ ইউনিট ও রেজিস্টার। এখানে ALU বা গাণিতিক যুক্তি ইউনিট, গাণিতিক সিদ্ধান্তের কাজ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এ. এল. ইউ (ALU)
ALU-এর পূর্ণরূপ হলো Arithmetic Logic Unit (গাণিতিক ও যৌক্তিক একক)। CPU-এর এই অংশটিই সমস্ত গাণিতিক অপারেশন (যোগ, বিয়োগ, গুণ, ভাগ) এবং যৌক্তিক অপারেশন (যেমন: তুলনা করা, সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, ছোট/বড় নির্ণয় করা) সম্পন্ন করে।
প্রশ্নোক্ত গাণিতিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কাজ (Arithmetic decision-making) সরাসরি ALU-এর 'Logic' অংশের প্রধান কাজ।
অন্যদিকে, কন্ট্রোল ইউনিট (Control Unit) সিপিইউ-এর কার্যক্রম পরিচালনা ও নির্দেশনার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে, কিন্তু নিজে গণনা বা সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে না।
রেজিস্টার সেট (Register Set) হলো দ্রুততম মেমরি স্থান, যা প্রক্রিয়াকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা ও নির্দেশাবলী অস্থায়ীভাবে ধারণ করে, এটি প্রক্রিয়াকরণ করে না।
147

“একটি ২(দুই) ইনপুট লজিক সেটের আউটপুট ∅ হবে, যদি এর ইনপুটগুলো সমান হয়”– এই উক্তিটি কোন সেটের জন্য সত্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. AND
  2. NOR
  3. Ex-OR
  4. OR

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

X-OR গেটে ইনপুট যদি 1, 1 হয় অর্থাৎ দুটি ইনপুটই যদি 1 হয় তবে আউটপুট 0 বা ∅ হবে। আবার, যদি দুটি ইনপুটই 0 হয় তবে আউটপুটও 0 বা ∅ হবে। AND গেটের ক্ষেত্রে দুটি ইনপুট 0 হয় তবে আউটপুট 0 বা ∅ হয় কিন্তু দুটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 1 হয়। NOR গেটে দুটি ইনপুট 1 হলে আউটপুট 0 বা ∅ হয় কিন্তু দুটি ইনপুট 0 অর্থাৎ একই মান হলে আউটপুট 1 হয়। OR গেটে AND গেটের মতোই ঘটে। সুতরাং সঠিক উত্তর X-OR বা Ex-OR গেট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Ex-OR (Exclusive OR) গেট।
Ex-OR গেটের মূল বৈশিষ্ট্য হলো, এর আউটপুট '১' হয় যদি ইনপুটগুলো পরস্পর অসমান হয়।
বিপরীতভাবে, ইনপুটগুলো সমান হলে আউটপুট '০' (শূন্য বা ∅) হয়।
প্রশ্নে প্রদত্ত শর্তটি হুবহু Ex-OR গেটের সংজ্ঞার সাথে মিলে যায়:
ইনপুট সমান (০, ০ বা ১, ১) \to আউটপুট ০ (শূন্য)।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
- AND/OR: এই গেটগুলোর ক্ষেত্রে ইনপুট (১, ১) হলে আউটপুটও ১ হয়, যা প্রশ্নের শর্ত (আউটপুট ∅ হবে) পূরণ করে না।
- NOR: NOR গেটের ক্ষেত্রে ইনপুট (০, ০) হলে আউটপুট ১ হয়, যা প্রশ্নের শর্ত (আউটপুট ∅ হবে) পূরণ করে না।
148

কোনটি অপারেটিং সিস্টেম নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. C
  2. DOS
  3. CP/M
  4. XENIX

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

C হলো উচ্চস্তরের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং ভাষা। DOS হলো PC-DOS বা MS-DOS অপারেটিং সিস্টেমের সাধারণ নাম। CP/M হলো ইন্টেল 8080/85 ভিত্তিক মাইক্রো কম্পিউটারের জন্য Mass Market অপারেটিং সিস্টেম। মুক্ত সোর্স অপারেটিং সিস্টেম UNIX এর একটি সংস্করণ হলো XENIX ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো C। কারণ, C হলো একটি জনপ্রিয় হাই-লেভেল প্রোগ্রামিং ভাষা (High-Level Programming Language), এটি কোনো অপারেটিং সিস্টেম নয়।
C ভাষাটি মূলত তৈরি করেছিলেন কিংবদন্তী কম্পিউটার বিজ্ঞানী ডেনিস রিচি (Dennis Ritchie) ১৯৭১-১৯৭৩ সালের মধ্যে Bell Labs-এ। এই ভাষাটি সিস্টেম প্রোগ্রামিং এবং অপারেটিং সিস্টেম তৈরির জন্য খুবই উপযোগী।
অপরদিকে, বাকি অপশনগুলো হলো: DOS (Disk Operating System), CP/M (Control Program for Microcomputers), এবং XENIX—এগুলো সবই অপারেটিং সিস্টেম (OS) বা সিস্টেম সফটওয়্যারের উদাহরণ।
149

ক্লাউড সার্ভার নিচের কোনটিতে সবচেয়ে ভালো বর্ণনা করা সম্ভব?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার
  2. একটি বিশাল ক্ষমতা সম্পন্ন কম্পিউটার সার্ভার
  3. ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
  4. উপরের কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্লাউড কম্পিউটিং সেবা প্রদানকারী সার্ভারগুলোকে ক্লাউড সার্ভার বলা হয়। এ সার্ভারগুলোর প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো ব্যবহারকারীর সামর্থ্য, প্রয়োজন ও চাহিদা মোতাবেক এরা সেবা দিয়ে থাকে। বিষয়টি আরো পরিষ্কার করে বললে Resources Flexibility, On Demand, Pay as you go-এ তিনটি বৈশিষ্ট্যের উপর ক্লাউড সার্ভারের সেবা নির্ভর করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (গ): ব্যবহারকারীর চাহিদা অনুযায়ী কম্পিউটিং সেবা দেয়া
ক্লাউড সার্ভার বা ক্লাউড কম্পিউটিং (Cloud Computing) হলো একটি মডেল, যেখানে ব্যবহারকারী ইন্টারনেট বা নেটওয়ার্কের মাধ্যমে তার প্রয়োজন অনুসারে যেকোনো কম্পিউটিং রিসোর্স (যেমন: সার্ভার, স্টোরেজ, সফটওয়্যার বা নেটওয়ার্ক) ব্যবহার করার সুবিধা পায়।
এর মূল বৈশিষ্ট্যই হলো চাহিদা অনুযায়ী সেবা প্রদান (Service on Demand) এবং যতটুকু ব্যবহার করা হয়, ততটুকুর জন্যই মূল্য পরিশোধ করা (Pay-as-you-go বা Utility Computing)। এ কারণে এটিকে একটি সেবানির্ভর মডেল হিসেবে বর্ণনা করাই সবচেয়ে সঠিক।
অন্যান্য অপশন যেমন 'নেটওয়ার্কের মাধ্যমে যুক্ত একাধিক কম্পিউটার সার্ভার' (ক) ক্লাউডের একটি কাঠামোগত বর্ণনা দেয়, কিন্তু ক্লাউডের সংজ্ঞায়িত সেবামূলক বৈশিষ্ট্যকে এটি প্রকাশ করে না।
150

IP-V6 এড্রেস কত বিটের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 128
  2. 32
  3. 12
  4. 6

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

টেলিফোনের ক্ষেত্রে প্রতিটি ফোন সেটের জন্য যেমন একটি নম্বর থাকে ঠিক তেমনি ইন্টারনেটে প্রতিটি কম্পিউটারের জন্য একটি আইডেন্টিটি থাকে, যা IP (Internet Protocol) অ্যাড্রেস নামে পরিচিত। বহুল প্রচলিত দুটি IP অ্যাড্রেস হলো IPV_4 ও IPV_6। এখানে IPV_4 এর বিট সংখ্যা ৩২ এবং IPV_6 এর বিট সংখ্যা ১২৮।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: 128
IPv6 (Internet Protocol Version 6) হলো ইন্টারনেট প্রোটোকলের সর্বশেষ সংস্করণ। এই প্রোটোকলটি প্রতিটা ডিভাইসের জন্য একটি স্বতন্ত্র ঠিকানা (Unique Address) তৈরি করে এবং এটি 128 বিট ব্যবহার করে।
IPv6 ব্যবহারের প্রধান কারণ হলো IPv4 অ্যাড্রেসের স্বল্পতা। IPv4 শুধুমাত্র 32 বিট ব্যবহার করে, যার ফলে প্রায় ৪.৩ বিলিয়ন (4.3 Billion) এর বেশি অ্যাড্রেস তৈরি করা সম্ভব ছিল না।
পক্ষান্তরে, ১২৮ বিট ব্যবহার করে IPv6 প্রায় 3.4imes10383.4 imes 10^{38} টি ঠিকানা তৈরি করতে পারে, যা ভবিষ্যতের ইন্টারনেট চাহিদার জন্য যথেষ্ট।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “37th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 37th (2016) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

37th (2016) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 37th (2016) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।