সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

40th (2019) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 40th (2019) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 40th (2019) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

বাক্যের ক্রিয়ার সাথে অন্যান্য পদের যে সম্পর্ক তাকে কী বলে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিভক্তি
  2. কারক
  3. প্রত্যয়
  4. অনুসর্গ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘কারক’ শব্দের অর্থ- যা ক্রিয়া সম্পাদন করে। বাক্যস্থিত কোনো শব্দের সাথে ক্রিয়াপদের সম্পর্ককে কারক বলে। বাক্যস্থিত একটি শব্দের সঙ্গে অন্য শব্দের অন্বয় সাধনের জন্য শব্দের সঙ্গে যে সকল বর্ণ যুক্ত হয়, তাদের বিভক্তি বলে। যেমন- কে, রে, এ, য়, তে, এতে, দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক, হইতে, থেকে, চেয়ে প্রভৃতি। শব্দ গঠনের উদ্দেশ্যে নাম প্রকৃতির এবং ক্রিয়া প্রকৃতির পরে যে শব্দাংশ যুক্ত হয় তাকে প্রত্যয় বলে। যেমন- কৃ+তা= কর্তা; বচ+ক্তি= উক্তি; শুচ+ঘঞ=শোক; মনু+ষ্ণ=মানব; এখানে তা, ক্তি, ঘঞ ও ষ্ণ হলো প্রত্যয়। বাংলা ভাষায় যে অব্যয় শব্দগুলো কখনো স্বাধীন পদরূপে, আবার কখনো শব্দ বিভক্তির ন্যায় বাক্যে ব্যবহৃত হয়ে বাক্যের অর্থ প্রকাশে সাহায্য করে তাকে অনুসর্গ বলে। যেমন- প্রতি, বিনা, বিনে, বিহনে, হেতু, মাঝে, মধ্যে, পরে, তরে, পানে, পাছে, ভেতর, নিকট, অধিক, সহ, বই, অবধি, ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কারক
বাংলা ব্যাকরণের সংজ্ঞা অনুযায়ী, বাক্যের ক্রিয়াপদ (verb)-এর সাথে বাক্যের অন্যান্য নামপদ (বিশেষ্য ও সর্বনাম)-এর যে সম্পর্ক, তাকেই কারক বলে।
সহজভাবে মনে রাখবেন, বাক্যে ক্রিয়া যে কাজ সম্পাদন করে, তার সঙ্গে যুক্ত সব নামপদের সম্পর্কই হলো কারক।
কারক শব্দটি এসেছে কৃ + অক (নক) থেকে, যার অর্থ 'যা ক্রিয়া সম্পাদন করে' বা 'ক্রিয়া নিষ্পত্তির সহায়ক'।
অন্যান্য বিকল্প ভুল কেন:
বিভক্তি: এটি হলো শব্দ বা নামপদের শেষে যুক্ত হওয়া বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দকে বাক্যে ব্যবহারের উপযোগী করে ও কারক নির্ণয়ে সাহায্য করে। এটি সম্পর্ক নয়, এটি সম্পর্কের চিহ্ন।
প্রত্যয়: এটি ধাতু (ক্রিয়ার মূল) বা শব্দের প্রকৃতির শেষে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ তৈরি করে
অনুসর্গ: এটি অব্যয়সূচক শব্দ যা বিভক্তির মতো পদের পরে বসে কারক সম্পর্ক নির্দেশ করে (যেমন: দ্বারা, দিয়া, হইতে)।
2

‘গির্জা’ কোন ভাষার অন্তগর্ত শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফারসি
  2. পর্তুগিজ
  3. ওলন্দাজ
  4. পাঞ্জাবি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পর্তুগিজ ভাষা হতে আগত অন্যান্য বাংলা শব্দ হলো আলকাতরা, আলপিন, আলমারি, পেরেক, জানালা, বারান্দা, কামরা, ইংরেজ, গুদাম, গীর্জা, পাদ্রি, কেরানি, আয়া, পেঁপে, পেয়ারা, আতা, আচার, পাউরুটি, তামাক, বোতাম, ফিতা, টুপি, সেমিজ, কামিজ, সাবান, তোয়ালে, গামলা, বালতি ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজ
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত গির্জা শব্দটি একটি বিদেশি শব্দ যা মূলত পর্তুগিজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগিজরা বাংলাদেশে ব্যবসা ও ধর্ম প্রচারের সূত্রে আসার কারণে অনেক পর্তুগিজ শব্দ বাংলায় প্রবেশ করেছে।
গির্জা (Church), পাদ্রি (Priest), আনারস (Pineapple), আলমারি (Almirah) ইত্যাদি শব্দগুলো পর্তুগিজ ভাষার চমৎকার উদাহরণ।
অন্যান্য অপশনগুলো (ফারসি, ওলন্দাজ, পাঞ্জাবি) থেকে বিভিন্ন শব্দ এলেও, গির্জা শব্দটি সরাসরি পর্তুগিজ ভাষা থেকে আগত।
3

কোন শব্দযুগল বিপরীতার্থক নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঐচ্ছিক-অনাবশ্যিক
  2. কুটিল-সরল
  3. কম-বেশি
  4. কদাচার-সদাচার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ঐচ্ছিক-অনাবশ্যিক শব্দযুগল সমার্থক। ঐচ্ছিক অর্থ ইচ্ছানুরূপ, ইচ্ছাধীন,যা আবশ্যক নয়। অনাবশ্যিক অর্থ যা আবশ্যক নয়, অপ্রয়োজনীয়। কুটিল- সরল, কম-বেশি, কদাচার-সদাচার হলো বিপরীত শব্দ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঐচ্ছিক-অনাবশ্যিক
কারণ এই শব্দযুগলটি পরস্পর বিপরীতার্থক নয়, বরং প্রায় সমার্থক বা সম-ভাবাপন্ন।
ঐচ্ছিক অর্থ হলো – যা নিজের ইচ্ছার উপর নির্ভরশীল বা Optional
অন্যদিকে, অনাবশ্যিক অর্থ হলো – যা প্রয়োজন নেই বা Unnecessary
ঐচ্ছিক-এর সঠিক বিপরীত শব্দ হলো বাধ্যতামূলক বা আবশ্যিক। যেহেতু ঐচ্ছিক এবং অনাবশ্যিক বিপরীত অর্থ বহন করে না, তাই এটিই সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো বিপরীতার্থক শব্দযুগল: কুটিল (পেঁচানো/খারাপ) এর বিপরীত সরল (সোজা/সৎ), কম এর বিপরীত বেশি এবং কদাচার (খারাপ আচরণ) এর বিপরীত সদাচার (ভালো আচরণ)।
4

দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক- বাংলা ব্যাকরণ অনুযায়ী কোন বিভক্তি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তৃতীয়া বিভক্তি
  2. প্রথমা বিভক্তি
  3. দ্বিতীয়া বিভক্তি
  4. শূন্য বিভক্তি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তৃতীয়া বিভক্তি
বাংলা ব্যাকরণে বিভক্তি হলো সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি যা শব্দমূলের (নাম শব্দের) পরে যুক্ত হয়ে শব্দটিকে বাক্যের অন্যান্য শব্দের সাথে সম্পর্কযুক্ত করে এবং অর্থপূর্ণ করে তোলে।
দ্বারা, দিয়া, কর্তৃক শব্দগুলি হলো বাংলা ব্যাকরণের অনুসর্গ বা বিভক্তি চিহ্ন। এই চিহ্নগুলো সাধারণত করণ কারকে ব্যবহৃত হয়, যা ক্রিয়া সম্পাদনের মাধ্যম বা উপায় নির্দেশ করে।
করণ কারক সব সময় তৃতীয়া বিভক্তি গ্রহণ করে। যেমন: লাঙ্গল দ্বারা জমি চাষ করা হয়।
অন্যান্য বিভক্তির চিহ্ন ভিন্ন। যেমন: প্রথমা/শূন্য বিভক্তি (০, এ), দ্বিতীয়া/চতুর্থী বিভক্তি (কে, রে), ষষ্ঠী বিভক্তি (র, এর)। তাই এই চিহ্নগুলো তৃতীয়া বিভক্তিকেই নির্দেশ করে।
5

‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিরামহীন
  2. বালিশ
  3. চলন
  4. সুন্দর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘অভিরাম’ শব্দটি সংস্কৃত উপসর্গ যোগে গঠিত। এর অর্থ মনোহর, সুন্দর, তৃপ্তিদায়ক। বিরামহীন শব্দের অর্থ বিরতিহীন। বালিশ শব্দের অর্থ উপাধান । চলন অর্থ গমন, ভ্রমণ, প্রথা, ধারা, রীতি, রেওয়াজ।

ব্যাখ্যা

‘অভিরাম’ শব্দটি একটি তৎসম শব্দ, যা সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। এর আভিধানিক অর্থ হলো— যা দেখতে আনন্দদায়ক বা তৃপ্তিদায়ক।
‘অভিরাম’ শব্দের সমার্থক শব্দগুলো হলো: মনোহর, সুন্দর, রমণীয়, সুশ্রী, চারু।
অতএব, প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ‘সুন্দর’ শব্দটি হলো সঠিক উত্তর।
প্রথম বিকল্প ‘বিরামহীন’ এর অর্থ হলো বিরতিহীন বা অবিরাম, যা ‘অভিরাম’ শব্দের অর্থ নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

শরতের শিশির- বাগধারা শব্দটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুসময়ের বন্ধু
  2. সুসময়ের সঞ্চয়
  3. শরতের শোভা
  4. শরতের শিউলি ফুল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শরতের শিশির, দুধের মাছি, সুখের পায়রা বাগধারাগুলোর অর্থ সুসময়ের বন্ধু।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুসময়ের বন্ধু
'শরতের শিশির' বাগধারাটির মূল অর্থ হলো ক্ষণস্থায়ী বা স্বল্পকাল স্থায়ী বস্তু।
ব্যাখ্যা: শরৎকালে শিশির পড়ে ঠিকই, কিন্তু সূর্য উঠলে তা দ্রুত মিলিয়ে যায়। অর্থাৎ, এটি স্থায়ী নয়। এই উপমাটি ব্যবহার করে সেই বন্ধুকে বোঝানো হয়, যে কেবল সুসময়ে বা ভালো অবস্থায় পাশে থাকে এবং বিপদ বা দুঃসময়ে সরে পড়ে। তাই সঠিক ভাবার্থ হলো সুসময়ের বন্ধু
বাকি বিকল্পগুলো (শরতের শোভা, শরতের শিউলি ফুল, সুসময়ের সঞ্চয়) এই বাগধারাটির দ্বারা প্রকাশিত ভাবার্থকে নির্দেশ করে না।
7

শিবরাত্রির সলতে- বাগধারাটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিবরাত্রির আলো
  2. একমাত্র সঞ্চয়
  3. একমাত্র সন্তান
  4. শিবরাত্রির গুরুত্ব

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শিবরাত্রির সলতে বাগধারার অর্থ একমাত্র জীবিত বংশধর; বাবা মার একমাত্র সন্তান, একমাত্র বংশধর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: একমাত্র সন্তান (বিকল্প ৩)।
শিবরাত্রির সলতে একটি বহুল প্রচলিত বাগধারা। এর অর্থ হলো—একমাত্র সন্তান বা শেষ অবলম্বন
প্রাচীনকাল থেকে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী, শিবরাত্রি বছরে একবার পালিত হয়। এই পূজার জন্য যে সলতে (প্রদীপের পলতে বা ফিতা) ব্যবহার করা হয়, তা অত্যন্ত যত্নের সঙ্গে সংরক্ষণ করা হতো, কেননা সেটিই ছিল সে বছরের শেষ ভরসা।
এই ধারণা থেকেই বাগধারাটির অর্থ এসেছে একমাত্র অবলম্বন বা একমাত্র সন্তান। বাক্যে প্রয়োগ: ‘অন্ধ পিতা-মাতার জন্য ছেলেটিই ছিল শিবরাত্রির সলতে।’
বাকি বিকল্পগুলি (শিবরাত্রির আলো, একমাত্র সঞ্চয়, শিবরাত্রির গুরুত্ব) এই বাগধারাটির প্রথাগত অর্থ বহন করে না, তাই সেগুলো ভুল।
8

‘প্রোষিতভর্তৃকা’ - শব্দটির অর্থ কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত
  2. যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
  3. ভূমিতে প্রোথিত তরুমূল
  4. যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এককথায় প্রকাশ: যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে – প্রোষিতভর্তৃকা। যে নারী (বিবাহিত বা অবিবাহিত) চিরকাল পিতৃগৃহবাসিনী- চিরন্ট। যে পুরুষের স্ত্রী বিদেশে থাকে – প্রোষিতপত্নীক বা প্রোষিতভার্য। ভর্ৎসনাপ্রাপ্ত যে নারী – ভর্ৎসিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যে নারীর স্বামী বিদেশে অবস্থান করে
‘প্রোষিতভর্তৃকা’ শব্দটি মূলত 'এক কথায় প্রকাশ' (One Word Substitution) বা শব্দাংশের প্রতিশব্দ। এটিকে বিশ্লেষণ করলে অর্থ দাঁড়ায়— প্রোষিত (প্রবাসে গমনকারী/বিদেশগামী) + ভর্তৃকা (যার স্বামী)।
সুতরাং, যে নারীর স্বামী জীবিকার সন্ধানে বা অন্য কারণে প্রবাসে বা বিদেশে অবস্থান করেন, তাকে ‘প্রোষিতভর্তৃকা’ বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি ভুল। যেমন: ‘যে বিবাহিতা নারী পিত্রালয়ে অবস্থান করে’ তাকে পিতৃগতা বা পিতৃকা বলা যেতে পারে, কিন্তু প্রোষিতভর্তৃকা নয়।
9

বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কারক
  2. লিখিত
  3. বেদনা
  4. খেলনা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

√খেল্‌ + অনা = খেলনা বাংলা কৃৎ প্রত্যয় ‘অনা’ যোগে গঠিত। এরূপ আরও কয়েকটি প্রত্যয়সাধিত শব্দ:" √দুল্‌ + অনা = দুলনা > দোলনা, √দে + অনা " = দেনা, "√পা + অনা = পাওনা, √কাঁদ + অনা = কান্না। সংস্কৃত কৃৎ প্রত্যয় যোগে গঠিত শব্দ: "√ক্‌ + অক = কারক" , লিখ্ + ত = লিখিত, "√বিদ্‌ +অন + আ = বেদনা। "

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: খেলনা
যে প্রত্যয়গুলি বাংলা ধাতুর পরে যুক্ত হয়ে নতুন শব্দ গঠন করে, তাদের বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় বলে। শব্দটি বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা দেখতে পাই:
খেলনা = খেল্ (ধাতু/ক্রিয়ামূল) + আনা (বাংলা কৃৎ-প্রত্যয়)। এখানে 'খেল্' একটি খাঁটি বাংলা ধাতু, তাই এটি বাংলা কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় বা তদ্ধিত প্রত্যয় সাধিত। যেমন: কারক (কৃ + নক), লিখিত (লিখ্ + ত) এবং বেদনা (বিদ + অনা) — এগুলো সবই সংস্কৃত কৃৎ-প্রত্যয় সাধিত শব্দ।
10

‘Attested’- এর বাংলা পরিভাষা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সত্যায়িত
  2. প্রত্যয়িত
  3. সত্যায়ন
  4. সংলগ্ন/সংলাগ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলা একাডেমি English- Bangla Dictionary ও আধুনিক বাংলা অভিধান অনুযায়ী Attested অর্থ সত্যায়িত/প্রত্যয়িত। অন্যদিকে বাংলা একাডেমি প্রশাসনিক পরিভাষা গ্রন্থ অনুযায়ী Attested – এর পরিভাষা সত্যায়িত ও Certified- এর পরিভাষা প্রত্যয়িত। এছাড়া ড. হায়াৎ মামুদের ভাষা-শিক্ষা গ্রন্থ অনুযায়ী Attested- এর বাংলা পরিভাষা প্রত্যয়িত।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাংলা পরিভাষাটি হলো সত্যায়িত
ইংরেজি শব্দ ‘Attested’ একটি Past Participle বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হয়, যার অর্থ ‘যাচাইকৃত’, ‘প্রমাণিত’ বা ‘সনদযুক্ত’।
বাংলা পরিভাষা ‘সত্যায়িত’-এর অর্থ হলো যা সত্য বলে প্রমাণ করা হয়েছে বা যা দ্বারা সত্যায়ন করা হয়েছে। এই শব্দটি Attested-এর সরাসরি প্রতিশব্দ।
ভুল উত্তর কেন?
অপশনগুলোর মধ্যে ‘সত্যায়ন’ (Attestation) শব্দটি হলো বিশেষ্য পদ, যার অর্থ সত্যায়িত করার কাজটি বা প্রক্রিয়াটি। প্রশ্নটি যেহেতু বিশেষণ (Attested) চেয়েছে, তাই সত্যায়ন উত্তর হবে না।
‘প্রত্যয়িত’ শব্দটি বিশ্বাস বা আস্থা সম্পর্কিত হলেও, সরকারি নথিপত্রের ক্ষেত্রে যাচাইকরণের জন্য সত্যায়িত শব্দটিই অধিক গ্রহণযোগ্য ও প্রমিত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

কোনটি শুদ্ধ বানান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রজ্বল
  2. প্রোজ্জল
  3. প্রোজ্বল
  4. প্রোজ্জ্বল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সংস্কৃত বিশেষণ পদ প্র + উজ্জ্বল = প্রোজ্জ্বল অর্থ বিশেষভাবে উজ্জ্বল।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানটি হলো: প্রোজ্জ্বল (অপশন ঘ)।
এই শব্দটি গঠিত হয়েছে 'প্র-' (উপসর্গ) এবং 'উজ্জ্বল' (মূল শব্দ) এর সমন্বয়ে।
সন্ধির নিয়মে বা শব্দ গঠনে: প্র + উজ্জ্বল = প্রোজ্জ্বল
যেহেতু মূল শব্দ 'উজ্জ্বল'-এ দুটি 'জ' বিদ্যমান (উ + জ্জ্ব + ল), তাই এর সাথে উপসর্গ যুক্ত হলেও দ্বিত্ব 'জ' (জ্জ্ব) বজায় থাকবে।
ভুল বানানগুলো, যেমন— 'প্রজ্বল', 'প্রোজ্বল' অথবা 'প্রোজ্জল' লেখার কারণ হলো— পরীক্ষার্থীরা প্রায়শই 'উজ্জ্বল' (জ্জ্ব) এর দ্বিত্বতা (Double consonant) ভুলে গিয়ে একটি 'জ' ব্যবহার করে থাকেন, যা ব্যাকরণগতভাবে অশুদ্ধ।
12

‘জোছনা’ কোন শ্রেণির শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যৌগিক
  2. তৎসম
  3. দেশি
  4. অর্ধ-তৎসম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা ভাষায় কিছু সংস্কৃত শব্দ কিঞ্চিৎ পরিবর্তিত আকারে ব্যবহৃত হয়। এগুলোকে বলে অর্ধ-তৎসম শব্দ। যেমন- জোছনা , ছেরাদ্দ, গিন্নি, বোষ্টম, কুচ্ছিত- এ শব্দগুলো যথাক্রমে সংস্কৃত জ্যোৎস্না, শ্রাদ্ধ, গৃহিণী, বৈষ্ণব, কুৎসিত শব্দ থেকে আগত। যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে সোজাসুজি বাংলায় এসেছে এবং যাদের রূপ অপরিবর্তিত রয়েছে, তাদেরকে তৎসম শব্দ বলে। যেমন- চন্দ্র, সূর্য, নক্ষত্র, ভবন, ধর্ম, পাত্র, মনুষ্য ইত্যাদি। বাংলাদেশের আদিম অধিবাসীদের ভাষা ও সংস্কৃতির কিছু কিছু উপাদান বাংলায় রক্ষিত আছে। এসব শব্দকে দেশি বলা হয়। যেমন- কুলা, গঞ্জ, চোঙ্গা, টোপর, ডাব, ডাগর, ঢেঁকি ইত্যাদি। যেসব শব্দের ব্যুৎপত্তিগত অর্থ ও ব্যবহারিক অর্থ একই রকম, সেগুলোকে যৌগিক শব্দ বলে। যেমন- গায়ক, কর্তব্য, বাবুয়ানা, মধুর, দৌহিত্র, চিকামারা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অর্ধ-তৎসম
উৎপত্তিগত দিক থেকে যেসব শব্দ তৎসম (সংস্কৃত) শব্দ থেকে সামান্য পরিবর্তিত বা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় প্রচলিত হয়েছে, সেগুলোকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলা হয়।
এগুলো তৎসম শব্দের সম্পূর্ণ অপরিবর্তিত রূপও নয়, আবার প্রাকৃতের মাধ্যমে পরিবর্তিত হয়ে আসা তদ্ভব রূপও নয়—এরা মাঝখানের বিকৃত রূপ।
মূল তৎসম শব্দটি ছিল 'জ্যোৎস্না'। এটি বিকৃত হয়ে বাংলায় হয়েছে 'জোছনা'
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
তৎসম: ভুল, কারণ তৎসম শব্দের মূল রূপটি হলো 'জ্যোৎস্না'
তদ্ভব: ভুল, কারণ তদ্ভব শব্দে সুদীর্ঘ পরিবর্তন ঘটে প্রাকৃতের মাধ্যমে (যেমন: চন্দ্র > চান্দ > চাঁদ)। অর্ধ-তৎসম শব্দে বিকৃতিটি হয় দ্রুত ও কিছুটা অশুদ্ধ উচ্চারণের ফলে।
13

‘জিজীবিষা’ শব্দটি দিয়ে বোঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জয়ের ইচ্ছা
  2. হত্যার ইচ্ছা
  3. বেঁচে থাকার ইচ্ছা
  4. শোনার ইচ্ছা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এককথায় প্রকাশ : বেঁচে থাকার ইচ্ছা→ জিজীবিষা। জয়ের ইচ্ছা→জিগীষা। হনন (হত্যা) করার ইচ্ছা→ জিঘাংসা।

ব্যাখ্যা

‘জিজীবিষা’ (Jijibisha) শব্দটি বাংলা ব্যাকরণের ‘এক কথায় প্রকাশ’ অংশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এর আভিধানিক অর্থ হলো— বেঁচে থাকার ইচ্ছা বা জীবন ধারণের আকাঙ্ক্ষা।
এটি একটি সংস্কৃতমূলক শব্দ, যেখানে ‘জি’ ধাতু জীবন বা বেঁচে থাকার অর্থ বহন করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: বেঁচে থাকার ইচ্ছা
অন্যান্য অপশনগুলোও পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ:
জয়ের ইচ্ছা বোঝাতে ব্যবহৃত হয়— জিগীষা
হত্যার ইচ্ছা বোঝায়— জিঘাংসা
শোনার ইচ্ছা বোঝায়— শ্রবণের ইচ্ছা (বা শুশ্রূষা)।
14

‘সর্বাঙ্গীণ’ শব্দের সঠিক প্রকৃতি-প্রত্যয় –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সর্বঙ্গ + ঈন
  2. সর্ব + অঙ্গীন
  3. সর্ব + ঙ্গীন
  4. সর্বাঙ্গ + ঈন্

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঈন্‌ প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ: সর্বাঙ্গ + ঈন্ = সর্বাঙ্গীণ, কুল + ঈন্‌ = কুলীন, সমকাল + ঈন্‌ = সমকালীন, সর্বজন + ঈন্ = সর্বজনীন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সর্বাঙ্গ + ঈন্
‘সর্বাঙ্গীণ’ শব্দটি একটি তদ্ধিতান্ত শব্দ, অর্থাৎ এর প্রকৃতি হলো নাম শব্দ বা শব্দমূল। এখানে প্রকৃতি হলো ‘সর্বাঙ্গ’ (সমগ্র অঙ্গ বা সবকিছু)।
‘সর্বাঙ্গ’ শব্দের সাথে ‘ঈন’ তদ্ধিত প্রত্যয় যুক্ত হয়ে ‘সর্বাঙ্গীণ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে। ‘ঈন’ প্রত্যয়টি সাধারণত ‘সম্বন্ধ’ বা ‘ব্যাপকতা’ বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
প্রকৃতি-প্রত্যয় নির্ণয়ের ক্ষেত্রে মনে রাখতে হবে, শব্দমূলের (সর্বাঙ্গ) সাথে প্রত্যয়টি (ঈন) এমনভাবে যুক্ত হবে যাতে একটি অর্থপূর্ণ শব্দ গঠিত হয় এবং প্রত্যয়ের কারণে শব্দে ণত্ব বিধানের নিয়ম প্রয়োগ হয় (যেমন: ঈন প্রত্যয়ে ণত্ব বিধানের কারণে ন -> ণ হয়)।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ ‘সর্বঙ্গ’ (অপশন ১) বা ‘অঙ্গীন’ (অপশন ২) স্বাধীনভাবে প্রকৃতি-প্রত্যয় বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সঠিক শব্দমূল বা প্রত্যয় হিসেবে ব্যবহৃত হয়নি।
15

অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে বলা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেতসবৃত্তি
  2. পতঙ্গবৃত্তি
  3. জলৌকাবৃত্তি
  4. কুম্ভিলকবৃত্তি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে ব্যক্তি অন্যের রচনার ভাব বা ভাষা নিজের নামে চালায় তাকে কুম্ভিলক বলে। কুম্ভিলক- এর ইংরেজি পরিভাষা pla-giarist । অন্যের রচনা থেকে চুরি করাকে তাই এককথায় বলে কুম্ভিলকবৃত্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো কুম্ভিলকবৃত্তি
কুম্ভিলকবৃত্তি বলতে বোঝায় অন্যের রচনা, লেখা বা সাহিত্য চুরি করে নিজের নামে প্রকাশ করা। একে আধুনিক বাংলায় প্লেজিয়ারিজম (Plagiarism) বলা হয়। এই শব্দটি সংস্কৃত থেকে এসেছে, যেখানে 'কুম্ভিলক' শব্দের অর্থ হলো 'চোর' বা সিঁধেল চোর।
অন্যদিকে, অন্য বিকল্পগুলোর অর্থ ভিন্ন:
বেতসবৃত্তি: যে ব্যক্তি কোনো কারণে বা স্বার্থসিদ্ধির জন্য সহজে নত হয় বা তোষামোদ করে। (বেতস অর্থ বেত গাছ, যা সহজেই নুয়ে পড়ে)।
পতঙ্গবৃত্তি: পতঙ্গের মতো আগুনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী কাজ করা বা বিপদ ডেকে আনা।
জলৌকাবৃত্তি: জলৌকার (জোঁক) মতো অন্যের রক্ত বা অর্থ শোষণ করা। এটি শোষণকারী বা পরজীবী মানুষের আচরণ বোঝায়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

‘ঊর্ণনাভ’ শব্দটি দিয়ে বুঝায়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. টিকটিকি
  2. তেলাপোকা
  3. উইপোকা
  4. মাকড়সা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ঊর্ণনাভ সংস্কৃত শব্দ, অর্থ মাকড়সা। ‘ঊর্ণানাভ যে সূত্র দিয়া জাল প্রস্তুত করে।’ -অক্ষয়কুমার দত্ত। টিকটিকি শব্দটি আলংকারিক অর্থে গোয়েন্দা বোঝায়। আরশোলার প্রতিশব্দ তেলাপোকা। বাল্মীক অর্থ উইপোকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাকড়সা
‘ঊর্ণনাভ’ শব্দটি গঠিত হয়েছে মূলত দুটি তৎসম (সংস্কৃত) শব্দাংশ থেকে— ঊর্ণা এবং নাভ
ঊর্ণা অর্থ হলো সুতা, পশম বা তন্তু (বিশেষ করে মাকড়সার জাল তৈরির উপাদান)।
নাভ অর্থ হলো নাভি বা পেট। সুতরাং, ‘ঊর্ণনাভ’ বলতে বোঝায়— যা নাভি বা পেট থেকে সুতা (জাল) বের করে। আর এই কাজটি করে একমাত্র মাকড়সা
তাই, এটি মাকড়সার একটি সমার্থক শব্দ বা এক কথায় প্রকাশ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্য কোনো প্রাণী (যেমন: টিকটিকি, তেলাপোকা) এই অর্থে প্রযোজ্য নয়।
17

চর্যাপদে কোন ধর্মমতের কথা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খ্রিস্টধর্ম
  2. প্যাগনিজম
  3. জৈনধর্ম
  4. বৌদ্ধধর্ম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের আদি নিদর্শন চর্যাপদে বৌদ্ধধর্মের তত্ত্বকথা বিধৃত হয়েছে। চর্যাপদের মাধ্যমে বৌদ্ধ সিদ্ধাচার্যেরা গোপন তত্ত্বদর্শন ও ধর্মচর্চাকে বাহ্যিক প্রতীকের সাহায্যে ব্যক্ত করেছেন। বৌদ্ধধর্মের মহাযান শাখা কালক্রমে যেসব উপশাখায় বিভক্ত হয়েছিল তারই বজ্রযানের সাধনপ্রণালী ও তত্ত্ব এতে বিধৃত করা হয়েছে।

ব্যাখ্যা

চর্যাপদ হলো বাংলা সাহিত্যের প্রাচীনতম নিদর্শন। এটি মূলত **বৌদ্ধধর্মের সহজযান** (Sahajayana) মতবাদের সাধন-সংগীত।
চর্যাপদের রচয়িতাগণ ছিলেন মূলত **বৌদ্ধ সহজিয়া সাধকগণের** দলভুক্ত। তাঁদের রচিত পদগুলোতে এই সহজিয়া মতবাদ এবং দেহতত্ত্বের নিগূঢ় রহস্য রূপক বা প্রতীকী (যা সন্ধ্যা ভাষা নামে পরিচিত) আকারে প্রকাশ করা হয়েছে।
এ কারণে সঠিক উত্তর হলো **বৌদ্ধধর্ম**। অন্যান্য ধর্মমত যেমন খ্রিস্টধর্ম বা জৈনধর্মের কোনো প্রতিফলন চর্যাপদে নেই।
18

উল্লিখিতদের মধ্যে কে প্রাচীন যুগের কবি নন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাহ্নপাদ
  2. লুইপাদ
  3. শান্তিপাদ
  4. রমনীপাদ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রদত্ত অপশন অনুযায়ী প্রাচীন যুগের কবি নন রমনীপাদ। কাহ্নপাদ, লুইপাদ ও শান্তিপাদ তিনজনই প্রাচীন যুগের কবি। বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের নিদর্শন চর্যাপদের প্রথম কবি লুইপাদ এবং সবচেয়ে বেশি পদ (১৩ টি) রচনা করেন কাহ্নপাদ। শান্তিপাদও দুটি পদ রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো রমনীপাদ
বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন যুগের একমাত্র নির্ভরযোগ্য সাহিত্যিক নিদর্শন হলো চর্যাপদ। এই যুগের সময়কাল আনুমানিক ৬৫০ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১২০০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত বিস্তৃত।
চর্যাপদের রচয়িতাদের সাধারণত সিদ্ধাচার্য নামে অভিহিত করা হয়।
উল্লিখিত অপশনগুলোর মধ্যে কাহ্নপাদ (সর্বাধিক ১৩টি পদের রচয়িতা), লুইপাদ (চর্যাপদের আদি কবি) এবং শান্তিপাদ—এই তিনজনই চর্যাপদের বিখ্যাত কবি হিসেবে পরিচিত।
কিন্তু রমনীপাদ নামে চর্যাপদের কোনো কবির নাম পাওয়া যায় না। তাই তিনি প্রাচীন যুগের কবি নন।
19

উল্লিখিত কোন রচনাটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তগর্ত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ময়মনসিংহ গীতিকা
  2. ইউসুফ জুলেখা
  3. পদ্মাবতী
  4. লাইলী মজনু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশে লোকগীতিকাগুলোকে তিন ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে। যথা : ১. নাথগীতিকা ২. ময়মনসিংহ গীতিকা ও ৩. পূর্ববঙ্গ গীতিকা। ‘ময়মনসিংহ গীতিকা’র পালাগুলো সংগ্রহ করেন চন্দ্রকুমার দে এবং তা সম্পাদনা করেন ড. দীনেশচন্দ্র সেন। পুঁথি সাহিত্যের অন্তর্গত ইউসুফ জোলেখা’, ‘পদ্মাবতী’, ও ‘লাইলী মজনু’ কাব্যের রচয়িতা যথাক্রমে ফকির গরীবুল্লাহ, আলাওল ও দৌলত উজির বাহরাম খান। উল্লেখ্য, ‘ইউসুফ জোলেখা’ নামে শাহ মুহম্মদ সগীর ও আবদুল হাকিমও কাব্য রচনা করেন। ময়মনসিংহ গীতিকা বাংলা লোকগীতির একটি ভাগ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ময়মনসিংহ গীতিকা। এটি পুঁথি সাহিত্যের অন্তগর্ত নয়, বরং এটি লোকসাহিত্য বা গীতিকা শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত।
পুঁথি সাহিত্য (বা রোমান্টিক প্রণয় উপাখ্যান) হলো মধ্যযুগের শেষ দিকে (সাধারণত ১৭শ শতকের পর) রচিত এক ধরনের আখ্যান কাব্য, যেখানে আরবি-ফার্সি শব্দের ব্যাপক ব্যবহার দেখা যায়। এগুলো সাধারণত দৌলত কাজীসৈয়দ আলাওল প্রমুখ কবি রচনা করেন।
অন্যদিকে, ময়মনসিংহ গীতিকা হচ্ছে লোকমুখে প্রচলিত পালাগান বা লোকগাথার সংকলন। এটি কোনো একক লেখকের রচিত পুঁথি নয়, বরং লোক জীবনের গল্পকে ভিত্তি করে রচিত এবং পরে ড. দীনেশচন্দ্র সেন কর্তৃক সংগৃহীত ও সম্পাদিত হয়।
বাকি তিনটি অপশন—ইউসুফ জুলেখা, পদ্মাবতী এবং লাইলী মজনু—সবগুলোই মধ্যযুগে রচিত ফার্সি ভাষার প্রেমকাহিনি অবলম্বনে রচিত রোমান্টিক প্রণয়কাব্য বা পুঁথি সাহিত্যের প্রধান উদাহরণ।
20

জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফকির গরীবুল্লাহ
  2. নরহরি চক্রবর্তী
  3. বিপ্রদাস পিপিলাই
  4. বৃন্দাবন দাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগের গতানুগতিক ধারায় জীবনী সাহিত্য এক বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। জীবনী সাহিত্যের রচয়িতাগণের উদ্দেশ্য ছিল চৈতন্যদেবের মহান জীবনকাহিনি বর্ণনার মাধ্যমে বৈষ্ণব ধর্মের প্রচার এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব সমাজের গৌরব প্রতিষ্ঠা করা। বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত হয়ে আছেন বৃন্দাবন দাস। তিনি বাংলা ভাষায় শ্রীচৈতন্যের প্রথম জীবনীকাব্য ‘শ্রীচৈতন্যভাগবত’ রচনা করেন। পুঁথি সাহিত্যের প্রথম সার্থক ও জনপ্রিয় কবি ফকির গরীবুল্লাহ। মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি বিপ্রদাস পিপিলাই। তার রচিত কাব্য ‘মনসাবিজয়’। বৃন্দাবন দাস ছাড়াও নরহরি সরকার, রঘুনাথ দাস, মুরারি গুপ্ত, লোচনদাস, কৃষ্ণদাস কবিরাজ প্রমুখ কবি জীবনীকাব্য রচনায় বাংলা সাহিত্যে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বৃন্দাবন দাস। মধ্যযুগে বাংলা সাহিত্যে জীবনীকাব্য রচনার জন্য তিনি সর্বাধিক বিখ্যাত।
বৃন্দাবন দাস রচিত কাব্যের নাম 'চৈতন্যভাগবত'। এটি বাংলা ভাষায় রচিত শ্রীচৈতন্যদেবের প্রথম সম্পূর্ণ জীবনীকাব্য। এই কারণে তিনি জীবনীকাব্য ধারায় অন্যতম শ্রেষ্ঠ স্থান দখল করে আছেন।
চৈতন্যভাগবত কাব্যটি মূলত শ্রীচৈতন্যদেবের আদি জীবনের কাহিনী তুলে ধরেছে এবং এটি চৈতন্য-জীবনী সাহিত্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, বিপ্রদাস পিপিলাই ছিলেন মঙ্গলকাব্যের (মনসামঙ্গল) কবি এবং ফকির গরীবুল্লাহ জঙ্গনামা বা যুদ্ধকাব্যের জন্য পরিচিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে কোন ভাষা সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সন্ধ্যাভাষা
  2. অধিভাষা
  3. ব্রজবুলি
  4. সংস্কৃত ভাষা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সম্পদ বৈষ্ণব পদাবলি। বৈষ্ণব পদাবলির অধিকাংশ পদ রচিত হয়েছে ‘ব্রজবুলি’ ভাষায়। ‘ব্রজবুলি’ বাংলা ও মৈথিলি ভাষার মিশ্রণে এক প্রকার কৃত্রিম কবিভাষা। এ ভাষার স্রষ্টা বিদ্যাপতি। চর্যাপদের সাথে সম্পর্কিত ভাষা সন্ধ্যাভাষা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ব্রজবুলি
বৈষ্ণব পদাবলি হলো মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ শাখা, যেখানে প্রধানত রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা বর্ণনা করা হয়েছে। এই পদাবলিগুলো রচনার জন্য বাংলা ভাষার পাশাপাশি একটি কৃত্রিম মিশ্র ভাষার প্রচলন ছিল, যার নাম ব্রজবুলি
ব্রজবুলি মূলত মৈথিলী ভাষার সঙ্গে বাংলা ভাষার মিশ্রণে তৈরি একটি কাব্যভাষা। এটি ব্রজ অঞ্চলের ভাষা নয়, বরং কৃত্রিমভাবে সৃষ্টি করা হয়েছিল, যাতে এতে মৈথিলী ভাষার মাধুর্য ও বাংলার লোকভাষার সহজবোধ্যতা যোগ হয়।
কেন অন্যান্য বিকল্প ভুল:
  • সন্ধ্যাভাষা: এটি চর্যাপদ রচনার ভাষা। বৈষ্ণব পদাবলির সঙ্গে এর সম্পর্ক নেই।
  • সংস্কৃত ভাষা: যদিও সংস্কৃত ছিল শাস্ত্রীয় ভাষা, কিন্তু বৈষ্ণব পদাবলি রচিত হয়েছিল লোকসমাজের কাছে পৌঁছানোর জন্য, তাই ব্রজবুলি বা বাংলা ব্যবহৃত হতো।
22

বাংলা আধুনিক উপন্যাস-এর প্রবর্তক ছিলেন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. প্যারীচাঁদ মিত্র
  3. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  4. বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্যারীচাঁদ মিত্র বা টেকচাঁদ ঠাকুর কর্তৃক ১৮৫৮ সালে রচিত ‘আলালের ঘরের দুলাল’কে বাংলা সাহিত্যের প্রথম উপন্যাস হিসেবে অবহিত করা হয়। সাধু ও কথ্য ভাষার মিশ্রণে আলালী ভাষায় তিনি এ উপন্যাস রচনা করেন। কিন্তু এ উপন্যাসটি সার্থক উপন্যাসে পরিণত হতে পারেনি। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ১৮৬৫ সালে রচনা করেন ‘দুর্গেশনন্দিনী’ উপন্যাস যেটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস হিসেবে আবির্ভূত হয়। পরবর্তীতে বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় আরও কিছু উপন্যাস রচনা করে বাংলা উপন্যাসের জগতকে সমৃদ্ধ করেন। তার রচিত অন্যান্য উপন্যাসগুলো হলো- আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী, সীতারাম, কপালকুণ্ডলা, বিষবৃক্ষ, মৃণালিনী, চন্দ্রশেখর, রজনী, কৃষ্ণকান্তের উইল, রাজসিংহ ইত্যাদি। আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী ও সীতারামকে তার ত্রয়ী উপন্যাস বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
বাংলা সাহিত্যে উপন্যাসকে আধুনিক ও শিল্পসম্মত কাঠামোয় প্রতিষ্ঠা করার জন্য বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে ‘বাংলা আধুনিক উপন্যাসের প্রবর্তক’ বলা হয়।
তাঁর প্রথম প্রকাশিত উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫)-এর মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যে পাশ্চাত্য আদর্শে প্রথম সার্থক উপন্যাস রচনা করেন, যা আধুনিক উপন্যাসের ভিত্তি স্থাপন করে।
যদিও প্যারীচাঁদ মিত্র রচিত 'আলালের ঘরের দুলাল' (১৮৫৮)-কে বাংলা ভাষার প্রথম উপন্যাস হিসেবে ধরা হয়, কিন্তু এর ভাষা চলিত হলেও তা আধুনিক উপন্যাসের কাঠামোগত গভীরতা, চরিত্রায়ন ও শৈল্পিক মান অর্জন করতে পারেনি।
23

‘কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো’- বাক্যদ্বয় কোন রচনা থেকে উদ্ধৃত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নৌকাডুবি
  2. চোখের বালি
  3. যোগাযোগ
  4. শেষের কবিতা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো।’ বাক্যদ্বয় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘যোগাযোগ’ উপন্যাসের প্রথম অধ্যায় থেকে নেয়া হয়েছে। ১৯২৭ সালে উপন্যাসটি মাসিক ‘বিচিত্রা’ পত্রিকায় তিন পুরুষ নামে ধারাবাহিকভাবে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসের প্রধান চরিত্র কুমুদিনী ও মধুসূদন। নৌকাডুবি, চোখের বালি ও শেষের কবিতা উপন্যাসের রচয়িতাও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।

ব্যাখ্যা

উদ্ধৃত বাক্যদ্বয়টি (কিন্তু আরম্ভের পূর্বেও আরম্ভ আছে। সন্ধ্যাবেলায় দীপ জ্বালার আগে সকালবেলায় সলতে পাকানো) বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত সামাজিক উপন্যাস ‘যোগাযোগ’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
উপন্যাসটির শুরুতেই এই গভীর তাৎপর্যপূর্ণ কথাগুলি বলা হয়েছে। এই উক্তির মাধ্যমে রবীন্দ্রনাথ বোঝাতে চেয়েছেন যে, জীবনের কোনো বড়ো ঘটনার (যেমন—মধুসূদন ও কুমুদিনীর সম্পর্কের জটিলতা) সূচনা হঠাৎ করে হয় না, এর জন্য পূর্বাপর একটি দীর্ঘ প্রস্তুতি বা পটভূমি দরকার হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন—‘চোখের বালি’ (বিনোদিনী, মহেন্দ্র, আশার ত্রিভুজ প্রেম), ‘নৌকাডুবি’ (কমলার পরিচয় সংকট) এবং ‘শেষের কবিতা’ (রোমান্টিক ও কাব্যিক গদ্যের জন্য বিখ্যাত) উপন্যাসের দার্শনিক গদ্যরীতির সাথে এই উক্তিটির মিল নেই।
24

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. একটি কালো মেয়ের কথা
  2. তেইশ নম্বর তৈলচিত্র
  3. আয়নামতির পালা
  4. ইছামতী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: একটি কালো মেয়ের কথা
এই উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন বাংলাদেশের প্রখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক
এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস যা গ্রামীণ পটভূমিতে যুদ্ধের প্রভাব তুলে ধরে।
অন্যদিকে, তেইশ নম্বর তৈলচিত্র লিখেছেন আলাউদ্দিন আল আজাদ। এটি মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়, বরং একজন শিল্পীর জীবনকেন্দ্রিক উপন্যাস।
আয়নামতির পালা লিখেছেন আবু ইসহাক। এটি গ্রামীণ জীবনের পটভূমিতে রচিত।
ইছামতী লিখেছেন বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এটি একটি আঞ্চলিক উপন্যাস এবং এটিও মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
25

‘কালো বরফ’ উপন্যাসটির বিষয় :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তেভাগা আন্দোলন
  2. ভাষা আন্দোলন
  3. মুক্তিযুদ্ধ
  4. দেশভাগ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: দেশভাগ
‘কালো বরফ’ উপন্যাসটির রচয়িতা হলেন প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক মাহমুদুল হক
এই উপন্যাসের প্রধান উপজীব্য বিষয় হলো ১৯৪৭ সালের দেশভাগ এবং দেশভাগের ফলে সৃষ্ট উদ্বাস্তু ও ছিন্নমূল মানুষের জীবন, মানসিক সংকট ও স্মৃতিচারণ।
উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র নূরুল হুদার জীবনে দেশভাগের গভীর প্রভাব অত্যন্ত সংবেদনশীলতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (তেভাগা আন্দোলন, ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ) সরাসরি এই উপন্যাসের মূল বিষয়বস্তু নয়।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

‘ঢাকা প্রকাশ’ সাপ্তাহিক পত্রিকাটির সম্পাদক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
  2. রামানন্দ চট্টোপাধ্যায়
  3. শামসুর রাহমান
  4. সিকান্দার আবু জাফর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ঢাকা প্রকাশ (১৮৬১) সাপ্তাহিক পত্রিকার সম্পাদক কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। এটি বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ ঢাকার বাবুবাজারে প্রতিষ্ঠিত ‘বাঙ্গালাযন্ত্র’ নামক প্রেস থেকে এটি প্রকাশিত হয়। মাসিক ‘মনোরঞ্জিকা’ ও ‘কবিতা কুসুমাঞ্জলি’ পত্রিকাও তার সম্পাদনায় প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার
‘ঢাকা প্রকাশ’ হলো ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা সংবাদপত্র। এটি ১৮৬১ সালের মার্চ মাসে প্রকাশিত হয়।
এই সাপ্তাহিক পত্রিকাটির প্রথম সম্পাদক ছিলেন কৃষ্ণচন্দ্র মজুমদার। তিনি কেবল সম্পাদক ছিলেন না, তিনি একজন স্বনামধন্য কবিও ছিলেন। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো ‘সদ্ভাব শতক’
উল্লেখ্য, রামানন্দ চট্টোপাধ্যায় ছিলেন বিখ্যাত সাময়িকী ‘প্রবাসী’ (১৯০১) এবং ‘মডার্ন রিভিউ’ (১৯০৭)-এর সম্পাদক। শামসুর রাহমান ও সিকান্দার আবু জাফর আধুনিক যুগের কবি ও সাহিত্যিক, ঢাকা প্রকাশের সাথে তাঁরা যুক্ত ছিলেন না।
27

‘জীবনস্মৃতি’ কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  3. বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
  4. রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত আত্মজীবনীমূলক প্রবন্ধ গ্রন্থ ‘জীবনস্মৃতি’ (১৯১২)। তার রচিত আরো কয়েকটি প্রবন্ধগ্রন্থ- কালান্তর, সভ্যতার সংকট, পঞ্চভূত, মানুষের ধর্ম, বিচিত্র প্রবন্ধ, শব্দতত্ত্ব। ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আত্মজীবনীমূলক বর্ণনাধর্মী অসমাপ্ত রচনার নাম ‘আত্মচরিত’। বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আত্মজীবনীমূলক রচনা ‘তৃণাঙ্কুর’। মুসলিম নারীমুক্তি আন্দোলনের পথিকৃৎ রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের উল্লেখযোগ্য রচনা ‘মতিচূর’ ও ‘অবরোধবাসিনী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘জীবনস্মৃতি’ গ্রন্থটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত আত্মজীবনীমূলক রচনা। এই গ্রন্থে কবিগুরু তাঁর শৈশবকাল থেকে শুরু করে কৈশোর ও প্রথম জীবনের স্মৃতিচারণ করেছেন।
বাংলা সাহিত্যের আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ। এটি ১৯১২ সালে প্রথম গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মূলত সমাজ সংস্কারক ও গদ্যশিল্পী (যেমন: বর্ণপরিচয়); বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস পথের পাঁচালী; এবং রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন নারী অধিকার নিয়ে লিখেছেন (যেমন: অবরোধবাসিনী)।
28

দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটকটি ইংরেজিতে অনুবাদ করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যারীচাঁদ মিত্র
  2. মাইকেল মধুসূদ্ন দত্ত
  3. প্রমথ চৌধুরী
  4. দ্বিজেন্দ্রলাল রায়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলা গ্রন্থ দীনবন্ধু মিত্রের ‘নীলদর্পণ’ নাটক। ১৮৬০ সালে প্রকাশিত নাটকটিতে বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট বর্ণিত হয়েছে। ১৮৬১ সালে মাইকেল মধুসূদন দত্ত A Native ছদ্মনামে নাটকটি The Indigo Planting Mirror নামে অনুবাদ করেন। দীনবন্ধু মিত্র রচিত অন্যান্য নাটকের মধ্যে কমলে কামিনী, লীলাবতী, নবীন তপস্বিনী, জামাই বারিক, উল্লেখযোগ্য। নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে লিখা দুটি বিখ্যাত উপন্যাস হলো- মীর মশাররফ হোসেনের ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’ এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘ইছামতী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
দীনবন্ধু মিত্র রচিত বিখ্যাত নাটক ‘নীলদর্পণ’ (১৮৬০) ইংরেজিতে অনুবাদ করেন মহাকবি মাইকেল মধুসূদন দত্ত
এই অনুবাদটি প্রকাশিত হয় ১৮৬১ সালে। তিনি 'A Native' ছদ্মনামে এটি অনুবাদ করেন।
এই নাটকটি প্রকাশের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন রেভারেন্ড জেমস লং। তিনি এটি প্রকাশ করে বিতরণের ব্যবস্থা করেন, যার ফলস্বরূপ তাকে জরিমানা ও এক মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হয়েছিল।
দীনবন্ধু মিত্র এই নাটকের মাধ্যমে ব্রিটিশ নীলকর সাহেবদের অত্যাচারের নির্মম চিত্র তুলে ধরেছিলেন, যা বাঙালি সমাজে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছিল।
29

‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি’ চরণ দুটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চণ্ডীচরণ মুন্‌শী
  2. কাজী নজরুল ইসলাম
  3. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  4. মদনমোহন তর্কালঙ্কার

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন ভালো হয়ে চলি।’ চরণ দুটি মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত ‘আমার পণ’ কবিতার অন্তর্ভুক্ত। ছাত্রাবস্থায় তিনি ‘রসতরঙ্গিনী’ ও ‘বাসবদত্তা’ কাব্যগ্রন্থ রচনা করেন। তার অন্যতম সাহিত্যকর্ম ‘শিশুশিক্ষা’ নামক শিশুতোষ গ্রন্থ। এ গ্রন্থের প্রথম ভাগের একটি সুপরিচিত ও জনপ্রিয় শিশুতোষ কবিতা হলো ‘পাখি সব করে রব, রাতি পোহাইল।’

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মদনমোহন তর্কালঙ্কার
এই বিখ্যাত চরণ দুটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম পথিকৃৎ পণ্ডিত মদনমোহন তর্কালঙ্কার রচিত।
চরণ দুটি তাঁর লেখা শিশুদের জন্য রচিত আদর্শ পাঠ্যপুস্তক 'শিশুশিক্ষা' (প্রথম ভাগ) থেকে নেওয়া হয়েছে, যা ১৮৪৯ সালে প্রকাশিত হয়। এই গ্রন্থে সহজ-সরল ভাষায় নৈতিক উপদেশ দেওয়া হয়েছে।
অন্যান্য অপশন (যেমন: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বা কাজী নজরুল ইসলাম) শিশুদের জন্য লিখলেও, এই বিশেষ পঙ্‌ক্তিটির রচয়িতা হিসেবে মদনমোহন তর্কালঙ্কার সর্বজনস্বীকৃত।
30

জসীমউদ্‌দীনের রচনা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যাদের দেখেছি
  2. পথে প্রবাসে
  3. কাল নিরবধি
  4. ভবিষ্যতের বাঙালী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যাদের দেখেছি। এটি পল্লী কবি জসীমউদ্‌দীনের লেখা একটি বিখ্যাত ভ্রমণকাহিনী ও স্মৃতিচারণমূলক গদ্যগ্রন্থ।
জসীমউদ্দীন মূলত কবি হলেও, তিনি বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ গদ্য রচনা করেছেন, যার মধ্যে 'যাদের দেখেছি' অন্যতম।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন লেখকের রচনা:
পথে প্রবাসে: এটি প্রখ্যাত সাহিত্যিক অন্নদাশঙ্কর রায় রচিত ভ্রমণকাহিনী।
কাল নিরবধি: এটি জ্ঞানতাপস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান রচিত আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ।
ভবিষ্যতের বাঙালী: এটি প্রাবন্ধিক এস ওয়াজেদ আলি রচিত প্রবন্ধ গ্রন্থ।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

‘কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’ – উক্তিটি কোন উপন্যাসের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথের ‘চোখের বালি’
  2. শরৎচন্দ্রের ‘পথের দাবী’
  3. শওকত ওসমানের ‘ক্রীতদাসের হাসি’
  4. বঙ্কিমচন্দ্রের ‘রাজসিংহ’

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

উক্তিটির সঠিক রূপ ‘কিন্তু মনুষ্য কখন পাষাণ হয় না।’ বাংলা কথাসাহিত্যের উপন্যাস শাখায় প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য ভাবাদর্শের সেতু বন্ধন করেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। তার রচিত ‘রাজসিংহ’ উপন্যাসের সপ্তম খণ্ডের দ্বিতীয় পরিচ্ছেদ : নয়নবহ্নিও বুঝি জ্বলিয়াছিল-এর শেষ বাক্য এটি। রাজসিংহ (১৮৮২) ও আনন্দমঠ (১৮৮২) উপন্যাসের কাহিনিতে তিনি হিন্দুর বাহুবল ও বীরত্বের কথা রূপায়ণ করেছেন।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত উক্তিটি— ‘কিন্তু মানুষ্য কখনো পাষাণ হয় না’ —এইটি কালজয়ী সাহিত্যিক বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের লেখা ঐতিহাসিক উপন্যাস ‘রাজসিংহ’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
‘রাজসিংহ’ উপন্যাসটি ১৮৮২ সালে প্রথম প্রকাশিত হয় এবং এটি বঙ্কিমচন্দ্রের লেখা সর্বশেষ উপন্যাস
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: ‘চোখের বালি’ (রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর) একটি আধুনিক সামাজিক উপন্যাস, ‘পথের দাবী’ (শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়) রাজনৈতিক পটভূমির উপন্যাস, এবং ‘ক্রীতদাসের হাসি’ (শওকত ওসমান) একটি প্রতীকধর্মী উপন্যাস।
32

ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত ছিলেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্ষয়কুমার দত্ত
  2. এন্টনি ফিরঙ্গি
  3. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  4. কালীপ্রসন্ন সিংহ ঠাকুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হিন্দু কলেজের তরুণ শিক্ষক ডিরোজিওর (১৮০৯-১৮৩১) শিষ্যরাই মূলত ইয়ংবেঙ্গল নামে পরিচিত। ইয়ংবেঙ্গল হিসেবে যে নামগুলো পাওয়া যায় তা হলো- দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, রামতনু লাহিড়ী, প্যারীচাঁদ মিত্র, রাধানাথ শিকদার, রামগোপাল ঘোষ, হরচন্দ্র ঘোষ, শিবচন্দ্র দেব, তারাচাঁদ চক্রবর্তী, কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, মহেশচন্দ্র ঘোষ, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, গঙ্গাচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়, মাধবচন্দ্র মল্লিক, গোবিন্দ্রচন্দ্র বসাক, অমৃতলাল মিত্র প্রমুখ। আর মধুসূদন দত্ত ছিলেন ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীভুক্ত একজন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাইকেল মধুসূদন দত্ত
ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠী হলো ১৯শ শতকের প্রথম দিকে হিন্দু কলেজের (বর্তমান প্রেসিডেন্সি কলেজ) কিছু তরুণ শিক্ষর্থীর দ্বারা গঠিত একটি প্রগতিশীল দল। এঁরা ছিলেন মূলত শিক্ষক হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর (Henry Louis Vivian Derozio) অনুসারী।
মাইকেল মধুসূদন দত্ত ডিরোজিওর শিষ্য ছিলেন এবং তাঁর প্রগতিশীল মনোভাব, ধর্ম ত্যাগ (খ্রিস্টান ধর্মে দীক্ষা), এবং রক্ষণশীল সমাজের প্রতি বিদ্রোহের কারণে তিনি এই গোষ্ঠীর মানসিকতার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে যুক্ত ছিলেন।
অন্যদিকে, অক্ষয়কুমার দত্ত যুক্ত ছিলেন ব্রাহ্মসমাজের সঙ্গে এবং তত্ত্ববোধিনী সভা-র মুখপত্র সম্পাদনা করতেন।
এন্টনি ফিরঙ্গি ছিলেন ফরাসি বংশোদ্ভূত এক কবিয়াল (Kabiyal), যাঁর জীবনকাল আরও আগে (১৮শ শতকের শেষার্ধ)।
33

‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি কোন সনে প্রথম প্রকাশিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯২৩ সন
  2. ১৯২১ সন
  3. ১৯১৯ সন
  4. ১৯১৮ সন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে কবি নজরুল ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি লেখেন। আর তা ১৯২২ সালের ৬ জানুয়ারি সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রথম প্রকাশিত হয়। এ কবিতাটি তার প্রথম প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের দ্বিতীয় কবিতা। ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যে মোট বারোটি কবিতা স্থান পেয়েছে। এ কাব্যের আরো কয়েকটি উল্লেখযোগ্য কবিতা- প্রলয়োল্লাস (প্রথম কবিতা), রক্তাম্বরধারিণী মা, ধূমকেতু, খেয়াপারের তরণী, কামালপাশা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯২১ সন
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম তাঁর কালজয়ী ‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি রচনা করেন ১৯২১ সালের ডিসেম্বর মাসে।
এটি প্রথম প্রকাশিত হয় একই মাসে (ডিসেম্বর, ১৯২১) মাসিক পত্রিকা ‘মোসলেম ভারত’-এ। তবে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে এরপর সাপ্তাহিক ‘বিজলী’ পত্রিকায় প্রকাশিত হওয়ার পর।
অনেকে ভুল করে ১৯২২ মনে করেন, কারণ এটি ১৯২২ সালে প্রকাশিত ‘অগ্নিবীণা’ কাব্যের অন্তর্ভুক্ত হয়। কিন্তু প্রথম প্রকাশের সন হলো ১৯২১
34

‘আগুন পাখি’– উপন্যাসটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেলিনা হোসেন
  2. রাহাত খান
  3. হাসান আজিজুল হক
  4. ইমদাদুল হক মিলন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাসান আজিজুল হক
‘আগুন পাখি’ তাঁর রচিত অন্যতম জনপ্রিয় ও বহুল আলোচিত উপন্যাস। এই উপন্যাসটি ২০০৬ সালে প্রকাশিত হয়।
এটি ৪৭-এর দেশভাগ এবং এর ফলস্বরূপ মানুষের জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও কষ্টের চিত্র নিয়ে লেখা একটি কালজয়ী সাহিত্যকর্ম।
- সেলিনা হোসেন এর বিখ্যাত উপন্যাস: হাঙর নদী গ্রেনেড, গায়ত্রী সন্ধ্যা
- ইমদাদুল হক মিলন এর বিখ্যাত উপন্যাস: নূরজাহান, পাপপুণ্যি
35

‘একুশে ফেব্রুয়ারি’র বিখ্যাত গানটির সুরকার কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুবীর সাহা
  2. সুধীন দাস
  3. আলতাফ মাহমুদ
  4. আলতাফ মামুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’ বিখ্যাত এ গানটি প্রথম প্রকাশিত হয় হাসান হাফিজুর রহমান সম্পাদিত ‘একুশে ফেব্রুয়ারি’ (১৯৫৩) গ্রন্হে। গানটির প্রথম সুরকার ও কণ্ঠশিল্পী ছিলেন আব্দুল লতিফ। বর্তমান সুরকার আলতাফ মাহমুদ এবং সমবেত কণ্ঠে গাওয়া হয়।

ব্যাখ্যা

‘একুশে ফেব্রুয়ারি’র কালজয়ী গান ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো’ গানটির বর্তমান ও বহুল প্রচলিত সুরকার হলেন আলতাফ মাহমুদ (Altaf Mahmud)।
গানটির গীতিকার বা রচয়িতা হলেন আবদুল গাফফার চৌধুরী
শুরুতে গানটির প্রথম সুরারোপ করেছিলেন সুধীন দাস (১৯৫৩ সালে), কিন্তু সেই সুরটি দ্রুতই পরিবর্তিত হয় এবং আলতাফ মাহমুদ এর সুরটি স্থায়ী ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায়।
(তাই পরীক্ষায় বর্তমান সুরকারকেই সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়।)
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

‘Please write to me at the above address.’ The word ‘above’ in this sentence is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. noun
  2. adjective
  3. pronoun
  4. adverb

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Article এরপর দুটি শব্দ থাকলে শেষের শব্দটি noun এবং পূর্বেরটি adjective হয়। article + noun, Article + adjective + noun, Article + Adverb + Adjective + noun। তাই above এখানে adjective.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Adjective (বিশেষণ)
এই বাক্যটিতে, ‘Please write to me at the above address.’— শব্দগুচ্ছটিতে ‘above’ শব্দটি ঠিক তার পরের Noun (বিশেষ্য) ‘address’ (ঠিকানা)-কে modify বা বিশেষায়িত করছে।
যে শব্দ Noun বা Pronoun-কে বিশেষিত করে, তার গুণ, সংখ্যা, পরিমাণ বা অবস্থাকে বোঝায়, তাকে Adjective বলা হয়। এখানে ‘above’ শব্দটি ‘address’ (ঠিকানা) এর অবস্থানকে নির্দেশ করছে।
যদি ‘above’ শব্দটি কোনো Noun বা Pronoun-কে পরিবর্তন না করে শুধু ক্রিয়া বা অন্য কোনো Adjective/Adverb-কে পরিবর্তন করত, তবে সেটি Adverb হতো (যেমন: Look above)।
আবার, যদি এটি দুটি Noun/Pronoun এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করত, তবে Preposition হতো (যেমন: The sky is above us)।
কিন্তু এই বাক্যে, Noun-এর পূর্বে বসে Noun-কে বর্ণনা করায় এর কাজ Adjective-এর মতো।
তাই, ‘above’ শব্দটি এখানে Adjective হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
37

In which sentence is the word ‘past’ used as a preposition?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Writing letters is a thing of the past.
  2. I look back on the past without regret.
  3. I called out to him as he ran past.
  4. Tania was a wonderful singer, but she’s past her prime.

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Tania was a wonderful singer, but she’s past her prime বাক্যে past শব্দটি preposition, কারণ past শব্দটি Pronoun/noun- এর পূর্বে বসে বাক্যে অন্য word- এর সাথে সম্পর্ক নির্দেশ করছে। তাছাড়া প্রথম দুটি বাক্যে past noun আর তৃতীয় বাক্যে past adverb, কারণ past শুধু verb- এর সাথে ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: Tania was a wonderful singer, but she’s past her prime. (তানিয়া একজন চমৎকার গায়িকা ছিলেন, কিন্তু তার প্রধান সময় বা স্বর্ণযুগ পেরিয়ে গেছে।)
এই বাক্যে, ‘past’ শব্দটি ‘her prime’ (যা একটি Noun Phrase বা Object) এর সাথে বাক্যের মূল অংশকে সম্পর্কিত করছে। Preposition মানেই হলো সেই অব্যয় যা কোনো Noun বা Pronoun-এর পূর্বে বসে অন্য শব্দের সাথে সম্পর্ক স্থাপন করে। এখানে 'past' মানে হলো beyond (অতিক্রম করে)। তাই এটি Preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলোর বিশ্লেষণ:
১. Writing letters is a thing of the past. — 'the' আর্টিকেলটির পরে বসায় এবং বাক্যে এটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য (Noun) হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (অতীত)।
২. I look back on the past without regret. — এখানেও ‘the’ এর পরে বসায় এটি Noun হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে (অতীত)।
৩. I called out to him as he ran past. — এখানে ‘past’ শব্দটি ‘ran’ (ক্রিয়া)-কে বিশেষিত করছে; অর্থাৎ সে কীভাবে/কোথায় দৌড়ে গেল। যেই শব্দ ক্রিয়াকে বিশেষিত করে, তা হলো Adverb। এখানে 'past' এর পরে কোনো Object নেই।
38

The word ‘sibling’ means –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a brother
  2. a sister
  3. a brother or sister
  4. an infant

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Sibling শব্দটির বাংলা অর্থ একই পিতামাতার সন্তান; ভাই বা বোন। সুতরাং sibling অর্থ a brother or sister.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a brother or sister (একজন ভাই অথবা বোন)।
Sibling শব্দটি একটি লিঙ্গ-নিরপেক্ষ (Gender Neutral) বিশেষ্য পদ। এটি দ্বারা এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হয়, যার সঙ্গে অন্য একজন ব্যক্তির পিতা-মাতা অভিন্ন (shared parents)। তাই, Sibling শব্দটি ভাই (brother) বা বোন (sister) উভয়কেই বোঝাতে পারে।
বিকল্প 'a brother' বা 'a sister' এককভাবে সঠিক নয়, কারণ এটি কেবল একটি লিঙ্গকে নির্দেশ করে। 'an infant' (শিশুসন্তান) শব্দের সাথে এর অর্থের কোনো সম্পর্ক নেই।
39

Fill in the blank: As she was talking he suddenly broke ___, saying, ‘That’s a lie’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. off
  2. in
  3. down
  4. into

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Break in phrasal verb- এর অর্থ কথার মাঝে কথা বলা; চলমান কোনো কিছুতে হস্তক্ষেপ করা। সুতরাং শূন্যস্থানে in বসবে। Break off অর্থ সাময়িকভাবে থামা; বিরতি গ্রহণ, Break down অর্থ ভেঙে পড়া আর Break into অর্থ বলপূর্বক প্রবেশ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: in। বাক্যটিতে 'broke in' ব্যবহৃত হয়েছে, যা একটি Phrasal Verb

Phrasal Verb 'Break in' এর প্রধান অর্থ হলো: কথার মাঝখানে বাধা দেওয়া বা বিঘ্ন ঘটানো (to interrupt)

যেহেতু বক্তা কথা বলছিলেন, তখন অন্যজন হঠাৎ বাধা দিয়ে মিথ্যা বলার অভিযোগ করেছে। তাই অর্থগত দিক থেকে 'break in' সবচেয়ে উপযুক্ত।

অন্য অপশনগুলো ভুল হওয়ার কারণ:

১. Break off: হঠাৎ কোনো সম্পর্ক বা আলোচনা বন্ধ করা।

২. Break down: যন্ত্র অকেজো হয়ে যাওয়া বা মানসিকভাবে ভেঙে পড়া।

৩. Break into: জোর করে কোথাও প্রবেশ করা (যেমন: ঘরে) অথবা হঠাৎ হাসি বা কান্না শুরু করা (break into laughter/tears).
40

Fill in the blank : You may go for a walk if you feel __ it.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. about
  2. on
  3. like
  4. for

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মাঝে মাঝে like preposition হিসেবে ব্যবহৃত হয়। Feel like something অর্থ কোনো কিছু করার ঝোঁক থাকা বা কোনো কিছুর প্রত্যাশা করা। যেমন: I feel like reading. Like যোগে বাক্যটির বাংলা: যদি হাঁটার ইচ্ছা হয় তাহলে তুমি হাঁটতে যেতে পার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (c) like
এই বাক্যটিতে কোনো কিছু করার ইচ্ছা বা আগ্রহ অনুভব করা অর্থে 'feel like' শব্দটি ব্যবহৃত হয়। এটি একটি বহুল প্রচলিত Idiomatic Expression (বাগধারা)।
Structure: Subject + feel like + object/gerund.
বাক্যটির অর্থ: আপনি হাঁটতে যেতে পারেন, যদি আপনার ইচ্ছা করে।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে:
'Feel for' সাধারণত কারো প্রতি সহানুভূতি বা সমবেদনা প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয় (e.g., I feel for her loss)।
'Feel about' কোনো বিষয়ে মতামত জিজ্ঞেস করতে ব্যবহৃত হয় (e.g., How do you feel about this proposal?)। এই বাক্যের আকাঙ্ক্ষা অর্থে এগুলো প্রযোজ্য নয়।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

Identify the word which is spelt incorrectly :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Consciencious
  2. Perseverance
  3. Convalescence
  4. Maintenance

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভুল বানান বিশিষ্ট শব্দ হলো Consciencious. শব্দটির শেষের c কে t তে রূপান্তর করলে word টি সঠিক হবে। Conscientious শব্দটির অর্থ বিবেকবুদ্ধিসম্পন্ন। তাছাড়া Perseverance অর্থ অধ্যবসায়, Convalescence অর্থ রোগমুক্তির পর স্বাস্থ্যের ক্রমোন্নতি আর Maintenance অর্থ রক্ষণাবেক্ষণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (A) Consciencious, কারণ এই শব্দটি ভুল বানানে লেখা হয়েছে।
শব্দটির সঠিক বানান হলো Conscientious, যার অর্থ হলো— বিবেকবান, কর্তব্যপরায়ণ, বা সযত্ন।
ভুল বানানে 'Consciencious' লেখা হলেও, সঠিক বানানে 'scien' এর পর 't' অক্ষরটি যোগ করতে হবে: Conscientious
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন— Perseverance (অধ্যবসায়), Convalescence (আরোগ্যের সময়), এবং Maintenance (রক্ষণাবেক্ষণ)— এই সবগুলোই সঠিক বানানে লেখা হয়েছে।
42

‘You look terrific in that dress!’ The word ‘terrific' in the above sentence means-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. excellent
  2. funny
  3. very ugly
  4. horrible

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Terrific শব্দের অর্থ frightful/Extraordinary, extremely good, Excellent. বাক্যের অর্থ: ঐ পোশাকে তোমাকে চমৎকার দেখায়! অন্যদিকে funny অর্থ হাস্যকর, very ugly অর্থ খুব কুৎসিত এবং horrible অর্থ বীভৎস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: excellent
'Terrific' শব্দটি একটি Adjective এবং এর দুটি বিপরীতধর্মী অর্থ রয়েছে। শব্দটি মূলত Terror (ভয়) থেকে এলেও আধুনিক ইংরেজিতে এর প্রধান অর্থ হলো: ১. Extremely good; excellent (অত্যন্ত চমৎকার/দারুণ)। ২. Causing terror or dread; dreadful (ভয়ংকর/ভয়াবহ)।
প্রদত্ত বাক্যে, ‘You look terrific in that dress!’ এই বাক্যটি দ্বারা বক্তা পরিহিত পোশাকটির প্রশংসা করছেন, যা একটি ইতিবাচক (Positive) ধারণা প্রকাশ করে।
অতএব, এই প্রেক্ষাপটে ‘terrific’ মানে দাঁড়ায় ‘খুবই চমৎকার’ বা excellent
অন্যান্য অপশন যেমন— very ugly বা horrible (ভয়ঙ্কর) শব্দগুলো নেতিবাচক অর্থ বহন করে এবং বাক্যের ভাবার্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
43

Someone who is capricious is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. easily irritated
  2. wise and willing to cooperate
  3. exceedingly conceited and arrogant
  4. known for sudden changes in attitude or behaviour

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে ব্যক্তি capricious (খেয়ালি; অস্থিরমতি) সে পরিচিত তার আচরণ এবং দৃষ্টিভঙ্গি হঠাৎ পরিবর্তনের জন্য অর্থাৎ শূন্যস্থানের জন্য যথাযথ option হলো known for sudden changes in attitude or behaviour।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: known for sudden changes in attitude or behaviour
Capricious (ক্যাপ্রিশিয়াস) শব্দটি একটি Adjective, যার অর্থ হলো—খেয়ালি, অস্থির, বা যার মনোভাব বা আচরণে কোনো সুস্পষ্ট কারণ ছাড়াই হঠাৎ পরিবর্তন আসে
এটি এমন একটি স্বভাবকে নির্দেশ করে যা অস্থিতিশীল এবং অপ্রত্যাশিত। তাই অপশন ৪, 'known for sudden changes in attitude or behaviour' (আচরণ বা মনোভাবে হঠাৎ পরিবর্তনের জন্য পরিচিত), সম্পূর্ণরূপে অর্থটিকে সমর্থন করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
১. easily irritated (সহজে বিরক্ত হওয়া) এর জন্য উপযুক্ত শব্দ হলো Peevish বা Irritable
২. wise and willing to cooperate (জ্ঞানী ও সহযোগিতায় ইচ্ছুক) এর অর্থ Prudent বা Amenable
৩. exceedingly conceited and arrogant (অত্যধিক অহংকারী) এর জন্য উপযুক্ত শব্দ হলো Haughty বা Egotistical
44

Which one of the following words is masculine?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mare
  2. Lad
  3. Pillow
  4. Pony

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Option গুলোর মধ্যে masculine (পুরুষবাচক) শব্দ হলো lad যার অর্থ বালক; কিশোর; ছোকরা। Option – এর বাকি তিনটি শব্দ Mare অর্থ ঘোটকী; মাদি ঘোড়া, Pillow অর্থ বালিশ এবং Pony অর্থ টাট্টুঘোড়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Lad
বাংলায় যাকে 'লিঙ্গ' বলা হয়, ইংরেজিতে তাকে Gender বলে। Gender চার প্রকার: Masculine (পুংলিঙ্গ), Feminine (স্ত্রীলিঙ্গ), Common (উভয় লিঙ্গ), এবং Neuter (ক্লীব লিঙ্গ)
এখানে, Lad শব্দটির অর্থ হলো যুবক বা তরুণ ছেলে (Young Boy/Man)। তাই এটি সরাসরি Masculine Gender-এর উদাহরণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর লিঙ্গ পরিচয় হলো:
i. Mare: স্ত্রী ঘোড়া। এটি Feminine Gender। (এর Masculine রূপ হলো Stallion/Horse)।
ii. Pony: ছোট জাতের ঘোড়া। এটি Common Gender বা কিছু ক্ষেত্রে Epicene Noun (যেখানে লিঙ্গ নির্দিষ্ট না)। এটি সরাসরি Masculine নয়।
iii. Pillow: বালিশ। এটি জড় পদার্থ, তাই এটি Neuter Gender
45

A man whose wife has died is called a/an –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Widow
  2. Widower
  3. Spinster
  4. Bachelor

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যে ব্যক্তির স্ত্রী মারা গেছে তাকে বলে Widower (বিপত্নীক)। তাছাড়া Widow অর্থ বিধবা, Spinster অর্থ অবিবাহিতা মহিলা এবং Bechelor অর্থ অবিবাহিত পুরুষ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Widower
Widower (বিপত্নীক) শব্দটি ব্যবহার করা হয় সেই পুরুষকে বোঝাতে, যার স্ত্রী মারা গেছেন।
অন্যদিকে, Widow (বিধবা) শব্দটি ব্যবহার করা হয় সেই নারীকে বোঝাতে, যার স্বামী মারা গেছেন। এটি পুরুষ ও নারীর অবস্থার ভিন্নতা বোঝায়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

Which word is similar to ‘appal’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. deceive
  2. confuse
  3. dismay
  4. solicit

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Appal অর্থ আতঙ্কিত করা; মর্মাহত করা এবং dismay অর্থ হতাশ করা; আতঙ্কিত করা। সুতরাং appal আর dismay শব্দ দুটি similar. অন্যদিকে deceive অর্থ প্রতারণা করা, confuse অর্থ গুলিয়ে ফেলা এবং solicit অর্থ আবেদন করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: dismay
'Appal' শব্দটি একটি Verb, যার অর্থ হলো কাউকে মারাত্মকভাবে আতঙ্কিত, ভীত বা স্তম্ভিত করা (To shock or horrify greatly)
অন্যদিকে, 'dismay' শব্দটির অর্থ হলো আতঙ্কিত করা, হতাশ করা বা উদ্বিগ্ন করা
অর্থের দিক থেকে, 'dismay' হলো 'appal'-এর সবচেয়ে নিকটতম সমার্থক শব্দ (Synonym)
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ ভিন্ন: 'deceive' মানে প্রতারণা করা, 'confuse' মানে বিভ্রান্ত করা, এবং 'solicit' মানে অনুরোধ বা আবেদন করা। এই শব্দগুলোর কোনোটিই 'appal'-এর অর্থের সাথে মেলে না।
47

Which word means the opposite of ‘dearth’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. lack
  2. abundance
  3. poverty
  4. shortage

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Dearth (অভাব; আকাল)-এর বিপরীত শব্দ abundance (অতিপ্রাচুর্য)। তাছাড়া option- এর lack (অভাব, ঘাটতি), poverty (দরিদ্রতা) এবং shortage (ঘাটতি) হলো dearth- এর সমার্থক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: abundance
শব্দটির অর্থ বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা বিপরীত শব্দটি নির্ণয় করতে পারি:
Dearth শব্দের অর্থ হলো— ঘাটতি, অভাব, অপ্রাচুর্য (scarcity or lack of something)।
এর বিপরীত শব্দ (Antonym) হলো এমন একটি শব্দ যা প্রাচুর্য বা আধিক্য অর্থ প্রকাশ করে।
Abundance শব্দের অর্থ হলো— প্রাচুর্য, আধিক্য, বিপুল পরিমাণ (a very large quantity of something)। তাই এটিই সঠিক বিপরীত শব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন— lack (অভাব), poverty (দারিদ্র্য), এবং shortage (ঘাটতি) সবই Dearth শব্দের সমার্থক বা খুব কাছাকাছি অর্থ বহন করে, তাই এগুলো ভুল।
48

Identify the word which remains the same in its plural form :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. aircraft
  2. intention
  3. mouse
  4. thesis

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে শব্দটি plural form এর কোনো রূপ পরিবর্তন করে না সে word টি হলো aircraft. অপশনের অন্য শব্দগুলোর plural form যথাক্রমে intentions, mice এবং theses. Singular ও plural একই এরূপ শব্দ aircraft, spacecraft, craft, cannon, offspring, Jackfruit, deer, sheep, swine, carp, cod, staff, salmon etc.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: aircraft
English Grammar-এ কিছু noun আছে যাদের singular এবং plural form একই থাকে। এদের Plural করার সময় কোনো প্রকার ‘s’ বা ‘es’ যোগ হয় না।
যেমন: One aircraft, two aircraft. শব্দটির একবচন ও বহুবচন একই।
অন্যান্য অপশনগুলোর সঠিক বহুবচন হলো:
intention (Singular)     \implies intentions (Plural)
mouse (Irregular Plural)     \implies mice (Plural)
thesis (Greek/Latin Plural)     \implies theses (Plural)
সুতরাং, শুধুমাত্র aircraft শব্দটিই বহুবচনে অপরিবর্তিত থাকে।
49

Identify the determiner in the following sentence : ‘I have no news for you.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have
  2. news
  3. no
  4. for

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Determiner হলো সেসকল word যা noun- এর পূর্বে বসে noun টি নির্দিষ্ট না সাধারণ তা নির্দেশ করে। প্রদত্ত বাক্যে noun- এর পূর্বে ব্যবহৃত no determiner হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। কয়েকটি determiner- এর উদাহরণ হলো these, those, my, our, much ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো no। কারণ Determiner (নির্ধারক) হলো সেই শব্দ যা Noun (বিশেষ্য)-এর আগে বসে Noun-কে নির্দিষ্টতা, অনির্দিষ্টতা, পরিমাণ বা অধিকার বোঝাতে সাহায্য করে।
প্রদত্ত বাক্যে, 'news' হলো একটি Noun (বিশেষ্য)। এই Noun-এর পূর্বে বসে 'no' শব্দটি খবরের পরিমাণ (অর্থাৎ, শূন্য পরিমাণ) নির্দেশ করছে।
যেহেতু 'no' সরাসরি Noun-এর পূর্বে বসে সেটিকে সীমিত করছে, তাই এটি একটি Determiner, যা Quantifier Determiner-এর একটি অংশ।
অন্যান্য অপশন: 'have' হলো Verb, 'news' হলো Noun, এবং 'for' হলো Preposition। এদের কারোরই Determiner হিসেবে কাজ করার সুযোগ নেই।
50

‘A lost opportunity never returns.’ Here ‘lost’ is a–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. gerund
  2. verbal noun
  3. gerundial infinitive
  4. participle

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Verb- এর যে রূপ একই সাথে verb এবং adjective- এর কাজ করে তাকে participle বলে। প্রদত্ত বাক্যে lost (lost- এর past participle) একই সাথে verb এবং adjective- এর কাজ সম্পন্ন করায় lost শব্দটি past participle অর্থাৎ participle হিসেবে কাজ করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Participle (কৃদন্ত বিশেষণ)
‘A lost opportunity never returns’—এই বাক্যে ‘lost’ শব্দটি হলো Past Participle, যা একটি Non-finite Verb-এর অংশ।
এখানে ‘lost’ শব্দটি সরাসরি ‘opportunity’ (noun) শব্দটিকে বিশেষায়িত (modify) করছে। অর্থাৎ, শব্দটি Adjective-এর মতো কাজ করছে।
যে verb-এর রূপ বাক্যে Adjective-এর কাজ করে, তাকেই Participle বলা হয়। যেহেতু ‘lost’ শব্দটি V3 ফর্মে আছে এবং Noun-কে মডিফাই করছে, তাই এটি Past Participle
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
Gerund: এটি (V+ing) রূপে বসে Noun-এর কাজ করে (যেমন: Reading is fun)।
Verbal Noun: এটি Gerund-এর মতোই, কিন্তু সাধারণত এর আগে ‘the’ এবং পরে ‘of’ ব্যবহার করা হয়। ‘lost’ V3 ফর্মে, তাই এগুলো হবে না।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

The saying ‘enough is enough’ is used when you want–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. something to continue
  2. something to stop
  3. something to continue until it’s enough
  4. to tell instructions are clear

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘Enough is enough’ লোককথাটি ব্যবহৃত হয় যখন পরিস্থিতি এমন যে তুমি যা চলছে তা গ্রহণ করতে পারছ না এবং তুমি চাচ্ছ যেন বিষয়টি এখনই থেমে যাক। সুতরাং সঠিক option হলো something to stop।

ব্যাখ্যা

‘Enough is enough’ একটি বহুল প্রচলিত উক্তি (saying) বা এক্সক্ল্যামেশন (exclamation) যা সাধারণত বিরক্তি, অসহিষ্ণুতা, রাগ বা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত প্রকাশ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
এই উক্তিটি তখন বলা হয় যখন কোনো একটি বিষয়, কাজ বা আচরণ মাত্রাতিরিক্ত হয়ে যায় এবং বক্তা চান অবিলম্বে সেই কাজটি বন্ধ হোক। এর অর্থ হলো— ‘যথেষ্ট হয়েছে, আর নয়’ (Stop it now; I have had enough).
যেমন: I can’t listen to your complaints anymore. Enough is enough! (অর্থাৎ, তোমার অভিযোগ এখনই বন্ধ করো)।
অতএব, এটি কোনো কিছু থামিয়ে দেওয়ার ইঙ্গিত দেয়।
সঠিক উত্তর: something to stop
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ এটি ‘continue’ বা ‘instruction’ পরিষ্কার হওয়া বোঝায় না, বরং চূড়ান্ত বিরতি বা সমাপ্তি বোঝায়।
52

‘He ran with great speed.’ The underlined part of the sentence is a–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. noun phrase
  2. adverb phrase
  3. adjective phrase
  4. participle phrase

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

With great speed (দ্রুতগতিতে) phrase টি বাক্যের verb কে modify করায় phrase টি adverb phrase. Verb কে how, where, when, why দ্বারা প্রশ্ন করলে adverb phrase পাওয়া যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: adverb phrase (Adverbial Phrase)।
একটি Phrase হলো দুই বা ততোধিক শব্দের সমষ্টি, যার মধ্যে কোনো ফাইনাইট ভার্ব (Finite Verb) থাকে না।
Adverb Phrase হলো এমন একটি Phrase যা বাক্যের Verb, Adjective অথবা অন্য কোনো Adverb-কে modify করে বা তাদের সম্পর্কে অতিরিক্ত তথ্য দেয়। অর্থাৎ, এটি একটি Adverb-এর মতো কাজ করে।
প্রদত্ত বাক্যে, ‘He ran with great speed’। এখানে underlined অংশটি ক্রিয়া (Verb) 'ran'-কে modify করছে। এটি বোঝাচ্ছে যে সে কীভাবে (How) দৌড়েছিল।
যেহেতু এই Phraseটি Verb-কে modify করে কাজের ধরণ (manner) নির্দেশ করছে, তাই এটি একটি Adverb Phrase
অন্যদিকে, Noun Phrase বাক্যের Subject বা Object হিসেবে কাজ করে এবং Adjective Phrase সবসময় Noun বা Pronoun-কে modify করে।
53

‘We must not be late, else we will miss the train.’ This is a-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. compound sentence
  2. complex sentence
  3. simple sentence
  4. interrogative sentence

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Compound sentence সাধারণত একের অধিক principle clause or, but, yet, else, therefore, otherwise ইত্যাদি co-ordinating conjunction দ্বারা যুক্ত থাকে। সুতরাং else conjunction দ্বারা যুক্ত বাক্যটি compound sentence.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Compound Sentence
যে বাক্যে দুই বা ততোধিক Principal Clause বা স্বাধীন বাক্যংশ (Independent Clause) কোনো Coordinating Conjunction বা সমম্বয়কারী অব্যয় দ্বারা যুক্ত হয়, তাকে Compound Sentence বলে।
প্রদত্ত বাক্যে দুটি অংশ রয়েছে: (১) 'We must not be late' এবং (২) 'we will miss the train'। এই দুটিই স্বাধীন বাক্যংশ, যাদের নিজেদের পূর্ণ অর্থ প্রকাশ করার ক্ষমতা আছে।
এই স্বাধীন বাক্যংশ দুটি 'else' শব্দটি দ্বারা যুক্ত হয়েছে। এখানে ‘else’ শব্দটি একটি Coordinating Conjunction হিসেবে কাজ করছে, যা 'or' (নতুবা) বা 'otherwise' (অন্যথায়) এর সমার্থক।
যেহেতু দুটি Principal Clause Coordinating Conjunction দ্বারা যুক্ত, তাই এটি একটি Compound Sentence
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: এটি Simple Sentence নয়, কারণ এতে একাধিক Finite Verb ('must not be' এবং 'will miss') রয়েছে। এটি Complex Sentence নয়, কারণ এখানে কোনো Subordinating Conjunction (যেমন: if, when, because) নেই।
54

Change the voice : ‘Who is calling me?’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. By whom am I called?
  2. By whom I am called?
  3. By whom am I being called?
  4. Whom am I called by?

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Who যুক্ত present continuous tense interrogative বাক্যের passive voice- এর structure : By whom + am/is/are + obj- এর subjective form + ing + verb এর p.p + question mark । সুতরাং প্রদত্ত বাক্যটির passive voice : By whom am I being called?

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: By whom am I being called?
মূল বাক্যটি (‘Who is calling me?’) হলো Active Voice এবং Present Continuous Tense-এ আছে।
Present Continuous Tense-এর Passive Voice তৈরির নিয়ম: Object (Subject) + am/is/are + being + V3 + by + Subject (Object).
এখানে ‘Who’ দ্বারা প্রশ্ন শুরু হওয়ায়, Passive-এ এটি ‘By whom’ দ্বারা শুরু হবে। Object ‘me’ হয়ে যাবে Subject ‘I’ এবং ‘I’ এর পর সাহায্যকারী ক্রিয়া ‘am’ বসবে।
সুতরাং, নিয়ম অনুযায়ী: By whom + am/is/are + Subject + being + V3?
Who (By whom) + is calling (am being called) + me (I). সঠিক গঠন: By whom am I being called? (অপশন ৩)।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
অপশন ১ ও ৪ (By whom am I called?/ Whom am I called by?): এগুলো Simple Present Tense-এর Passive Voice (যেমন: Who calls me?)। এটি ভুল, কারণ মূল বাক্যটি Continuous Tense-এ আছে।
অপশন ২ (By whom I am called?): এটি বাক্যের ইন্টারোগেটিভ (প্রশ্নবোধক) গঠন নয়, এটি একটি স্টেটমেন্ট গঠন।
55

An extra message added at the end of a letter after it is signed is called-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Corrigendum
  2. Postscript
  3. NB
  4. RSVP

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

চিঠিতে স্বাক্ষরের পরে যুক্ত অতিরিক্ত বার্তা বা বাক্যাবলিকে বলা হয় postscript (পুনশ্চ)। অন্যদিকে corrigendum― অর্থ শুদ্ধিপত্র, সংশোধনীয় বিষয়। NB (Nota Bene) অর্থ সতর্ককার সাথে লক্ষ করুন, লক্ষণীয় আর RSVP অর্থ দয়া করে জবাব দিন (please reply) যা আমন্ত্রণ কার্ডের নিচ প্রান্তে লেখা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Postscript। এর বহুল ব্যবহৃত সংক্ষিপ্ত রূপ হলো P.S.
Postscript শব্দটি এসেছে ল্যাটিন 'post scriptum' থেকে, যার আক্ষরিক অর্থ হলো 'written after' (পরে লেখা হয়েছে)
এটি চিঠি বা নথির মূল অংশ এবং স্বাক্ষর (signed) শেষ হওয়ার পরে অতিরিক্ত বার্তা হিসেবে যুক্ত করা হয়।
অন্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
Corrigendum: এটি কোনো প্রকাশিত বই বা নথিতে পাওয়া ভুলের তালিকা বা সংশোধনপত্র।
NB: এর পূর্ণরূপ ল্যাটিন Nota Bene, যার অর্থ 'Note Well' বা বিশেষভাবে লক্ষ্য করুন। এটি মূল লেখার মাঝে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরতে ব্যবহৃত হয়।
RSVP: এটি ফরাসি শব্দগুচ্ছ 'Répondez s'il vous plaît'-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যার অর্থ 'Please reply' (অনুগ্রহ করে জবাব দিন)। এটি সাধারণত আমন্ত্রণপত্রে ব্যবহৃত হয়।
56

‘The Rape of the Lock’ by Alexander Pope is a/an-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. epic
  2. ballad
  3. mock-heroic poem
  4. elegy

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘The Rape of the Lock’ হলো Alexander Pope- এর mock-heroic poem । Mock heroic poet হিসেবে খ্যাত Alexander Pope- এর The Rape of the Lock কবিতাটি গুরুগম্ভীর কিন্তু হাস্যরস মিশ্রিত। তার এই কবিতাটিতে ৭৯৪ টি লাইন রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: mock-heroic poem
Alexander Pope রচিত 'The Rape of the Lock' ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ Mock-Heroic Poem (নকল মহাকাব্য)।
Mock-Heroic Poem-এ সাধারণত একটি তুচ্ছ বা হাস্যকর বিষয়কে প্রাচীন মহাকাব্যের (যেমন হোমারের Iliad) বিরাট ও গুরুগম্ভীর শৈলী, ভাষা এবং কাঠামো ব্যবহার করে উপস্থাপন করা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো ব্যঙ্গ বা প্রহসন সৃষ্টি করা।
'The Rape of the Lock' কবিতায় অভিজাত সমাজের তুচ্ছ বিষয়—এক তরুণীর চুলের গোছা কেটে ফেলা—নিয়ে তৈরি হওয়া পারিবারিক কোন্দলকে মহাকাব্যের আঙ্গিকে তুলে ধরা হয়েছে, যা তীব্র হাস্যরস ও ব্যঙ্গ সৃষ্টি করেছে।
এটি কোনো সাধারণ epic (মহাকাব্য) নয়, কারণ এতে জাতির বা বিশ্বের ভাগ্যের মতো গুরুতর বিষয় নেই। এটি ballad (গাথা বা লোকগীতি) বা elegy (শোকগাঁথা)-ও নয়।
57

Which of the following is not an American poet?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Robert Frost
  2. W.B. Yeats
  3. Emily Dickinson
  4. Langston Hughes

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

W.B. Yeats হলেন একজন আইরিশ কবি, নাট্যকার ও সমালোচক। তার কয়েকটি বিখ্যাত গ্রন্থ হলো- The Lake Isle of Innisfree, The Second Coming, Easter 1916, The Celtic Twilight ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো W.B. Yeats (উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস)
কারণ তিনি একজন আমেরিকান কবি নন। তিনি ছিলেন একজন বিখ্যাত আইরিশ (Irish) কবি এবং নাট্যকার।
W.B. Yeats ছিলেন আইরিশ সাহিত্য পুনরুজ্জীবন (Irish Literary Revival)-এর অন্যতম পুরোধা ব্যক্তিত্ব এবং ১৯২৩ সালে তিনি সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যদিকে, Robert Frost (গ্রামীণ জীবন নিয়ে লেখা), Emily Dickinson (১৮০০ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের আমেরিকান কবি), এবং Langston Hughes (হারলেম রেনেসাঁসের কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব)—এঁরা সবাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত কবি।
58

William Shakespeare was born in -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1616
  2. 1664
  3. 1564
  4. 1493

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

William Shakespeare ১৫৬৪ সালের ২৩ এপ্রিল ইংল্যান্ড এর Stratford upon Avon- এ জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৬১৬ সালের ২৩ এপ্রিল ৫২ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। তাঁকে The Bard of Avon এবং ইংল্যান্ডের জাতীয় কবি বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৫৬৪। বিশ্বসাহিত্যের মহীরূহ উইলিয়াম শেক্সপিয়র (William Shakespeare) ইংল্যান্ডের Stratford-upon-Avon-এ জন্মগ্রহণ করেন ১৫৬৪ সালের এপ্রিল মাসে।
তিনি ছিলেন ইংরেজি সাহিত্যের এলিজাবেথান যুগের (Elizabethan Period) শ্রেষ্ঠ কবি ও নাট্যকার।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ১৬১৬ সালটি হলো তার মৃত্যু সাল। ধারণা করা হয়, তিনি ২৩ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন এবং একই তারিখে (২৩ এপ্রিল) ১৬১৬ সালে মৃত্যুবরণ করেন।
59

Tennyson’s ‘In Memoriam’ is an elegy on the death of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. John Milton
  2. John Keats
  3. Arthure Henry Hallam
  4. Sydney Smith

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Elegy হলো শোক কবিতা। ‘In Memoriam’ শোক কবিতাটি Tennyson তার প্রিয় ক্যামব্রিজ বন্ধু Arthur Henry Hallam- এর স্মরণে লিখেন। যিনি ১৮৩৩ সালে হঠাৎ cerebral hemorrhage- এর কারণে মারা যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: আর্থার হেনরি হ্যালম (Arthure Henry Hallam)
আলফ্রেড, লর্ড টেনিসন ভিক্টোরিয়ান যুগের একজন বিখ্যাত কবি। তাঁর বিখ্যাত দীর্ঘ শোককাব্য বা এলিজিটির নাম হলো ‘In Memoriam A.H.H.’
A.H.H. দ্বারা তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু Arthur Henry Hallam-কে বোঝানো হয়েছে। হ্যালম ১৮৩৩ সালে মাত্র ২২ বছর বয়সে ভিয়েনাতে আকস্মিকভাবে মারা যান।
টেনিসন এই বন্ধুর মৃত্যুশোকে ১৮৪৯ সালে এই কবিতাটি শেষ করেন, যা ১৮৫০ সালে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটি টেনিসনের ব্যক্তিগত শোককে সর্বজনীন মানবিক আবেগে পরিণত করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ জন কিটস-এর মৃত্যুতে পি.বি. শেলি লিখেছিলেন ‘Adonais’, আর জন মিলটন তারও বহু বছর আগে মারা গিয়েছিলেন।
60

‘Sweet Helen make me immortal with a kiss.’ The sentence has been taken from the play-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Remeo and Juliet
  2. Caesar and Cleopatra
  3. Doctor Faustus
  4. Antony and Cleopatra

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রদ্ত্ত বাক্যটি English নাট্যকার, কবি এবং অনুবাদক Christopher Marlowe- এর নাটক Doctor Faustus থেকে নেওয়া হয়েছে। Christopher Marlowe কে Father of English Tragedy বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Doctor Faustus
উদ্ধৃত লাইনটি— ‘Sweet Helen make me immortal with a kiss.’ —নাট্যকার Christopher Marlowe (ক্রিস্টোফার মার্লো) রচিত বিখ্যাত ট্র্যাজেডি The Tragical History of the Life and Death of Doctor Faustus থেকে নেওয়া হয়েছে।
নাটকের প্রধান চরিত্র Dr. Faustus তার ৩০ দিনের চুক্তির শেষ দিকে সৌন্দর্য ও আকাঙ্ক্ষার প্রতীক Helen of Troy (হেলেন অফ ট্রয়)-এর আত্মার মোহময়ী আবির্ভাব দেখে তাঁকে উদ্দেশ্য করে এই অমর উক্তিটি করেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, Romeo and Juliet এবং Antony and Cleopatra দুটিই লিখেছেন William ShakespeareCaesar and Cleopatra লিখেছেন George Bernard Shaw
61

‘What’s in a name? That which we call a rose By any other name would smell as sweet’- Who said this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Juliet
  2. Romeo
  3. Portia
  4. Rosalind

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

উক্তিটি William Shakespeare- এর ট্র্যাজেডি Romeo and Juliet থেকে নেওয়া। নাটকটি মূলত Romeo এবং Juliet-এর ভালোবাসার গল্প নিয়ে নির্মিত। দুই পরিবারের দ্বন্দ্বই ছিলো তাদের ভালোবাসার মাঝে বাধা। উক্তিটির মাধ্যমে Juliet বোঝাতে চেয়েছে যে Romeo কোন পরিবার থেকে এসেছে বা কোন নাম ধারণ করেছে এটা তার কাছে কোনো বিষয় নয়। জুলিয়েট রোমিওকে গোলাপের সাথে তুলনা করে বলে, তার রোমিও নামকরণ না হলেও সে সুদর্শন হতো এবং জুলিয়েটের প্রেমিক হতো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Juliet (জুলিয়েট)।
প্রদত্ত উক্তিটি বিশ্বখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার William Shakespeare (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার)-এর কালজয়ী ট্র্যাজেডি নাটক ‘Romeo and Juliet’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
নাটকের দ্বিতীয় অ্যাক্ট, দ্বিতীয় সিনে, Juliet তার বাড়ির বারান্দায় দাঁড়িয়ে আপন মনে এই উক্তিটি করেন। তিনি রোমিওকে ভালোবাসলেও তাদের পারিবারিক শত্রুতার কারণে রোমিওর নামের (Montague) উপর ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন— 'নামে কী আসে যায়? আমরা যাকে গোলাপ বলি, অন্য যে কোনো নামে ডাকলেও তার গন্ধ একই রকম মিষ্টি হতো।'
এখানে Juliet মূলত Romeo-র নাম পরিবর্তন করে তাকে গ্রহণ করতে চেয়েছিলেন।
62

‘Man’s love is of man’s life a thing apart, ‘Tis woman’s whole existence.’- This is taken from the poem of-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. P.B Shelley
  2. Lord Byron
  3. John Keats
  4. Edmund Spenser

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রদত্ত লাইনদ্বয় rebel poet হিসেবে খ্যাত Lord Byron-এর কবিতা Don Juan থেকে নেওয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: লর্ড বায়রন (Lord Byron)
উদ্ধৃত লাইনটি (‘Man’s love is of man’s life a thing apart, ‘Tis woman’s whole existence.’) বায়রনের বিখ্যাত এপিক কবিতা ‘ডন জুয়ান’ (Don Juan) এর প্রথম ক্যান্টো (Canto I, Stanza 194) থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই উক্তিটির মাধ্যমে লর্ড বায়রন পুরুষ ও নারীর প্রেমের ধারণার মধ্যেকার মৌলিক পার্থক্য তুলে ধরেছেন। তাঁর মতে, পুরুষদের জন্য প্রেম জীবনের একটি ‘আলাদা’ বা গৌণ অংশ হলেও, নারীদের জন্য তা ‘সম্পূর্ণ অস্তিত্ব’ বা জীবনের সবকিছু।
পি.বি শেলী (P.B Shelley) এবং জন কিটস (John Keats) উভয়ই রোমান্টিক যুগের কবি হলেও, এই বিখ্যাত উক্তিটি শুধুমাত্র লর্ড বায়রনের সাথেই সম্পর্কিত।
63

Who translated the ‘Rubaiyat of Omar Khayyam’ into English?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Carlyle
  2. Edward Fitzgerald
  3. D.G. Rossetti
  4. William Thackeray

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Rubaiyat of Omar Khayyam কবিতাসমগ্রের কবির নাম জানা যায়নি। কিন্তু Rubaiyat of Omar Khayyam কে ফারসি ভাষা থেকে ইংরেজি ভাষাভাষী মানুষের জন্য ইংরেজিতে অনুবাদ করেন Edward Fitzgerald. অনুবাদটি প্রকাশিত হয় ১৮৫৯ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Edward Fitzgerald
Edward Fitzgerald (১৮০৯–১৮৮৩) একজন ইংরেজ কবি এবং সাহিত্যিক ছিলেন। তিনি তার সম্পূর্ণ সাহিত্যিক জীবনের প্রায় সমস্ত খ্যাতি অর্জন করেন মূলত পারস্যের একাদশ শতাব্দীর জ্যোতির্বিদ ও কবি ওমর খৈয়ামের (Omar Khayyam) কবিতা সংকলন ‘Rubaiyat’-এর ইংরেজি অনুবাদের জন্য।
এই অনুবাদটি ১৮৫৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি ইংরেজি সাহিত্যে প্রাচ্যের কবিতা জনপ্রিয় করার ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ Thomas Carlyle (ঐতিহাসিক ও প্রবন্ধকার), D.G. Rossetti (কবি ও চিত্রশিল্পী) এবং William Thackeray (ঔপন্যাসিক) সকলেই ভিক্টোরিয়ান যুগের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হলেও তারা ‘Rubaiyat’-এর অনুবাদ করেননি।
64

‘Ulysses’ is a novel written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Joseph Conrad
  2. Thomas Hardy
  3. Charles Dickens
  4. James Joyce

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Ulysses নামে দুটি সাহিত্যকর্ম রয়েছে। একটি কবিতা আর অন্যটি উপন্যাস। Ulysses কবিতাটি লিখেছেন Alfred Lord Tennyson. অন্যদিকে Ulysses নামক উপন্যাস (novel) টি লিখেছেন Irish কবি, ছোটগল্প লেখক এবং ঔপন্যাসিক James Joyce. James Joyce ‘Ulysses’ উপন্যাসটির জন্য সমধিক পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: James Joyce (জেমস জয়েস)
‘Ulysses’ হলো আইরিশ লেখক জেমস জয়েসের লেখা একটি বিখ্যাত মডার্নিস্ট উপন্যাস, যা ১৯২২ সালে প্রকাশিত হয়।
এই উপন্যাসটিকে বিংশ শতাব্দীর সাহিত্যের একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করা হয় এবং এটি 'Stream of Consciousness' (চেতনাপ্রবাহ রীতি) ব্যবহারের জন্য বিখ্যাত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, Charles DickensThomas Hardy ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত লেখক এবং Joseph Conrad আধুনিক যুগে লেখালেখি করলেও 'Ulysses' তাঁর সৃষ্টি নয়।
65

The short story ‘The Diamond Necklace’ was written by-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Guy de Maupassant
  2. O Henry
  3. Somerset Maugham
  4. George Orwell

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ছোটগল্প ‘The Diamond Necklace’ কে The Necklace নামেও অভিহিত করা হয়। ছোটগল্পটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়। গল্পটি লেখেন ফ্রেঞ্চ লেখক Guy de Maupassant.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Guy de Maupassant (গাই দে মপাসাঁ)
‘The Diamond Necklace’ (ফরাসি ভাষায় ‘La Parure’ নামে পরিচিত) বিশ্ব সাহিত্যের অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং ক্লাসিক একটি ছোটগল্প। এটি প্রকাশিত হয় ১৮৮৪ সালে।
গল্পটি মপাসাঁর বাস্তববাদী রচনার (Realistic Fiction) একটি শ্রেষ্ঠ উদাহরণ। এটি মাদাম মাটিল্ড লোয়াজেল (Mathilde Loisel) নামক এক উচ্চাকাঙ্ক্ষী নারীকে নিয়ে লেখা, যিনি একটি ধার করা নেকলেস হারিয়ে ফেলেন এবং সেই ঋণ শোধ করতে জীবনের দশটি বছর কঠোর শ্রমে কাটান।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল:
O Henry (ও হেনরি) তার 'The Gift of the Magi' এবং 'The Last Leaf' গল্পের জন্য বিখ্যাত। George Orwell (জর্জ অরওয়েল) তার রাজনৈতিক উপন্যাস 'Animal Farm' এবং 'Nineteen Eighty-Four' এর জন্য পরিচিত।
66

‘All the perfumes of Arabia will not sweeten this little hand.’- Who said this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Macbeth
  2. Lady Macbeth
  3. Lady Macduff
  4. Macduff

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

লাইনটি William Shakespeare- এর Macbeth নামক tragedy থেকে নেওয়া। Tragedy টির কেন্দ্রীয় চরিত্র Macbeth. Macbeth রাজা ডানক্যানের সেনাপতি থাকাকালীন তার স্ত্রী Lady Macbeth- এর প্ররোচনায় রাজাকে হত্যা করে রাজা হন। Lady Macbeth তার অপরাধ বুঝতে পারেন এবং মৃত্যুসজ্জায় তিনি এ উক্তিটি করে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Lady Macbeth (লেডি ম্যাকবেথ)
উক্তিটি William Shakespeare (উইলিয়াম শেক্সপিয়র) রচিত বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ‘Macbeth’ নাটক থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই লাইনটি নাটকের Act V, Scene 1-এ বলা হয়েছে, যখন লেডি ম্যাকবেথ ঘুমের মধ্যে হেঁটে (Sleepwalking) তার কৃতকর্মের জন্য তীব্র অনুশোচনায় ভুগছিলেন।
তিনি রাজা ডানকানকে (Duncan) হত্যার জন্য স্বামীকে উৎসাহিত করেছিলেন। পাপবোধে কাতর হয়ে তিনি অনুভব করেন যে, পৃথিবীর সমস্ত আরবের সুগন্ধি (perfumes of Arabia) দিয়েও তার ছোট হাতের রক্তের গন্ধ দূর করা বা হাতকে সুগন্ধযুক্ত করা সম্ভব নয়। এটি তার তীব্র অপরাধবোধের (Guilt) প্রতীক।
অন্যান্য চরিত্র যেমন Macbeth নিজেও অনুশোচনা প্রকাশ করেন, কিন্তু আরব পারফিউমের কথাটি বিশেষভাবে লেডি ম্যাকবেথের সংলাপ।
67

‘Where are the songs of Spring? Aye, Where are they? Think not of them, thou hast the music too .’- Who wrote this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. William Wordsworth
  2. Robert Browning
  3. John Keats
  4. Samuel Coleridge

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রদত্ত লাইনগুলো John Keats লিখেছেন তার ‘To Autumn’ কবিতায়। লাইনগুলো দ্বারা John Keats প্রতিবছর আসা স্বল্পস্থায়ী বসন্তকে বিদ্রূপের সাথে দেখেছেন। অন্যদিকে তিনি মনে করেন শরৎ ঋতুর বিশেষ বৈশিষ্ট্য রয়েছে এবং এ ঋতুর সুরেলা ধ্বনিও রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জন কিটস (John Keats)
উদ্ধৃত লাইনটি—‘Where are the songs of Spring? Aye, Where are they? Think not of them, thou hast the music too .’—তাঁর বিখ্যাত Ode ‘To Autumn’ কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে।
John Keats ছিলেন Romantic যুগের Second Generation Poet। তিনি সাধারণত প্রকৃতি, সৌন্দর্য এবং সংবেদনশীল বর্ণনার জন্য বিখ্যাত। এই কবিতায় তিনি শরৎকালকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন, যেন তার নিজস্ব একটি সংগীত রয়েছে, যা বসন্তের গানের অভাব ভুলিয়ে দেয়।
অপশনে থাকা William Wordsworth এবং Samuel Coleridge ছিলেন Romantic যুগের প্রথম প্রজন্মের কবি। Robert Browning ছিলেন Victorian যুগের কবি, যিনি মূলত Dramatic Monologue রচনার জন্য বিখ্যাত।
68

Who is the central character of ‘Wuthering Height’' by Emily Bronte?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mr. Earnshaw
  2. Catherine
  3. Heathcliff
  4. Hindley Earnshaw

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Emily Bronte মাত্র ত্রিশ বছর জীবিত ছিলেন। এ সংক্ষিপ্ত জীবনে তিনি একটি মাত্র উপন্যাস লেখেন। উপন্যাসটি হলো Wuthering Heights – এর কেন্দ্রীয় চরিত্র হলো Heath-cliff। কেননা উপন্যাসটির ঘটনা প্রবাহ আবর্তিত হয়েছে Heathcliff- এর ভালোবাসা এবং জীবনের ঘটনাপ্রবাহ নিয়ে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Heathcliff
‘Wuthering Heights’ উপন্যাসটির সম্পূর্ণ আখ্যান এই Heathcliff নামক রহস্যময়, আবেগপ্রবণ এবং প্রতিশোধপরায়ণ চরিত্রটিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে। সে মূলত একটি পরিত্যক্ত অনাথ বালক, যাকে Mr. Earnshaw খুঁজে পান।
যদিও Catherine Earnshaw এই উপন্যাসের গুরুত্বপূর্ণ নারী চরিত্র এবং Heathcliff-এর গভীর ভালোবাসার মানুষ, কিন্তু তার জীবন ও পরিণতি Heathcliff-এর কর্ম এবং প্রতিশোধের ফলেই নির্ধারিত হয়। তাই মূল চালিকাশক্তি এবং কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে Heathcliff-কেই ধরা হয়।
69

‘The old order changeth, yielding place to new.’ – This line is extracted from Tennyson’s poem-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The Lotos Eaters
  2. Tithonus
  3. Locksley Hall
  4. Morte d’ Arthur

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Option- এর সবগুলোই Alfred Lord Tennyson- এর কবিতা। কিন্তু The old order changeth, yielding place to new লাইনটি Morte-d’ Arthur-এর কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। কবিতাটি তিনি তার বন্ধু Arthur Hallam -এর মৃত্যুর পরপরই লিখেন। Morte d’ Arthur অর্থ of course, ‘the death of Arthur’.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Morte d’ Arthur
প্রদত্ত উক্তিটি ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি Alfred, Lord Tennyson (১৮০৯-১৮৯২)-এর অন্যতম শ্রেষ্ঠ রচনা ‘Morte d’ Arthur’ (কিং আর্থারের মৃত্যু) থেকে নেওয়া হয়েছে।
এই পঙ্‌ক্তিটি রাজা আর্থার তার নাইট Sir Bedivere-কে উদ্দেশ করে বলেন, যেখানে তিনি পৃথিবীতে পরিবর্তনশীলতার অনিবার্য বাস্তবতা এবং নতুন ঐশ্বরিক নিয়মের কাছে পুরোনো ব্যবস্থার আত্মসমর্পণের দার্শনিক অর্থ তুলে ধরেছেন।
Morte d’ Arthur কবিতাটি পরবর্তীতে টেনিসনের মহাকাব্য ‘Idylls of the King’-এর একটি অংশ হিসেবে প্রকাশিত হয়।
70

Who worte the poem ‘The Good-Morrow’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. George Herbert
  2. Andrew Marvell
  3. John Donne
  4. Henry Vaughan

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘The Good-Morrow’ কবিতাটির কবি হলেন poet of love নামে প্রসিদ্ধ John Donne. তার আরও কিছু কবিতার নাম হলো The Sunne Rising, The Canonization, The Ecstacy, The Dream ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: জন ডন (John Donne)
'The Good-Morrow' কবিতাটি সপ্তদশ শতাব্দীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি জন ডন রচনা করেন।
তিনি ইংরেজি সাহিত্যে Metaphysical Poets (অধিবাস্তববাদী কবি) আন্দোলনের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত।
তাঁর কবিতায় বুদ্ধিদীপ্ততা (wit), আধ্যাত্মিকতা, প্রেম এবং গভীর দর্শন একই সাথে ফুটে ওঠে।
অন্যান্য অপশন যেমন Andrew Marvell, George Herbert এবং Henry Vaughan-ও মেটাফিজিক্যাল কবি হলেও, 'The Good-Morrow' কবিতাটি সম্পূর্ণরূপে John Donne-এর সৃষ্টি।
71

আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্ কখন বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪৯৮-১৫১৬ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৪৯৮-১৫১৭ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৪৯৮-১৫১৮ খ্রিস্টাব্দ
  4. ১৪৯৮-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মধ্যযুগে বাংলার সর্বশ্রেষ্ঠ নরপতি, বাংলার আকবর খ্যাত আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্‌ ১৪৯৩ সালে বাংলার মসনদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৪৯৮ সালে রাজ্য বিস্তারের আকাঙ্ক্ষায় কামতাপুর রাজ্যে অভিযান চালিয়ে সফল হন। রাজধানী হাজো দখল করে নেন। ফলে হাজো পর্যন্ত সমগ্র অঞ্চল বাংলার সঙ্গে সংযুক্ত হয়। এ দৃষ্টিকোণ থেকে আলাউদ্দিন হোসেন শাহ ১৪৯৩ সালে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হলেও তিনি বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন ১৪৯৮-১৫১৯ সাল পর্যন্ত। তবে তার শাসনকালের ব্যাপ্তি ছিল ১৪৯৩-১৫১৯।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৪৯৮-১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ
সুলতান আলাউদ্দিন হোসেন শাহ্ (Aladdin Hussain Shah) ছিলেন মধ্যযুগের বাংলার ইতিহাসের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও সফল শাসক। তিনি ছিলেন বাংলার হোসেন শাহী বংশের প্রতিষ্ঠাতা।
তিনি ১৪৯৮ খ্রিস্টাব্দে হাবশি শাসনের অবসান ঘটিয়ে ক্ষমতা দখল করেন এবং একটানা ১৫১৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় ২১ বছর বৃহত্তর বাংলা শাসন করেন।
ঐতিহাসিকদের মতে, তাঁর শাসনকালকে বাংলার মুসলিম শাসনের 'স্বর্ণযুগ' (Golden Age) বলা হয়।
72

প্রাচীন বাংলা মৌর্য শাসনের প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক মৌর্য
  2. চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  3. সমুদ্র গুপ্ত
  4. এর কোনোটিই না

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভারতীয় উপমহাদেশের প্রথম সাম্রাজ্যের নাম ‘মৌর্য সাম্রাজ্য’। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৮ অব্দে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। তিনিই ভারতের প্রথম সম্রাট (খ্রিষ্টপূর্ব ৩২৮ -৩০০ অব্দ)। চন্দ্রগুপ্ত মৌর্যের পরে সম্রাট হন তার পুত্র বিম্বিসার। বিম্বিসারের পরে তার পুত্র সম্রাট অশোক খ্রিষ্টপূর্ব ২৭৩ অব্দে সিংহাসনে আরোহণ করেন। সম্রাট অশোক কলিঙ্গ যুদ্ধের ভয়াবহতা দেখে বৌদ্ধধর্ম গ্রহণ করেন। সমুদ্রগুপ্ত ছিলেন গুপ্ত সাম্রাজ্যের শ্রেষ্ঠ রাজা। তিনি প্রাচীন ভারতের নেপোলিয়ন নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
তিনি প্রায় খ্রিস্টপূর্ব ৩২১ অব্দে প্রাচীন ভারতের মগধে নন্দ বংশের শাসন উচ্ছেদ করে মৌর্য সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। প্রাচীন বাংলার উত্তরভাগ (পুণ্ড্রনগর/মহাস্থানগড়) মৌর্য সাম্রাজ্যের অংশ ছিল।
অন্যান্য অপশন ভুল কারণ: অশোক মৌর্য ছিলেন চন্দ্রগুপ্তের পৌত্র এবং এই বংশের সর্বশ্রেষ্ঠ সম্রাট। আর সমুদ্র গুপ্ত মৌর্য বংশের নন, তিনি ছিলেন পরবর্তী গুপ্ত সাম্রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শাসক।
73

ইউরোপীয় বণিকদের মধ্যে বাংলায় প্রথম এসেছিলেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পর্তুগিজরা
  2. ইংরেজরা
  3. ওলন্দাজরা
  4. ফরাসিরা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পর্তুগিজরা ১৫১৬ সালে প্রথম বাংলায় আসে। স্বল্প সময়ের মধ্যে পর্তুগিজ বণিকরা ১৫৩৮ সালে চট্টগ্রাম ও সাতগাঁওয়ে শুল্ক ঘাঁটি নির্মাণের অনুমতিও লাভ করে। ওলন্দাজ বা ডাচরা বাংলায় আসে ১৬০২ সালে। ইংরেজরা আসে ১৬০৮ সালে এবং সবশেষে ১৬৬৪ সালে বাংলায় আগমন করে ফরাসিরা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পর্তুগিজরা। তারাই ইউরোপের মধ্যে প্রথম বাংলায় তথা ভারতীয় উপমহাদেশে এসেছিল।
পর্তুগিজ নাবিক ভাস্কো-দা-গামা ১৪৯৮ সালে ভারতের কালিকট বন্দরে পৌঁছানোর মাধ্যমে মূলত ইউরোপীয়দের আগমনের সূচনা হয়।
বাণিজ্য করার উদ্দেশ্যে তারা ১৬শ শতকের প্রথম দিকেই বাংলায় ঘাঁটি স্থাপন করে। বাংলায় তাদের প্রধান ঘাঁটি ছিল চট্টগ্রাম (পর্তুগিজরা যাকে 'Porto Grande' বা বৃহৎ বন্দর বলত) এবং সাতগাঁও ('Porto Pequeno' বা ক্ষুদ্র বন্দর)।
অন্যান্য ইউরোপীয় শক্তি—যেমন ওলন্দাজ (ডাচ), ইংরেজফরাসিরা—পর্তুগিজদের বেশ পরে, মূলত ১৭শ শতকে, বাংলায় প্রবেশ করে।
74

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় জাতিসংঘে কোন দেশ বাংলাদেশের পক্ষে ‘ভেটো’ প্রদান করেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্য
  2. ফ্রান্স
  3. যুক্তরাষ্ট্র
  4. সোভিয়েত ইউনিয়ন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে যখন বাংলাদেশের বিজয় সুনিশ্চিত ঠিক তখনই ৪ ডিসেম্বর জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অধিবেশনে মার্কিন প্রতিনিধি জর্জ এইচ বুশ ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি ও সৈন্য প্রত্যাহারের প্রস্তাব পেশ করে। সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রতিনিধি এ প্রস্তাবকে ‘একতরফা’ বলে অভিহিত করে প্রস্তাবটিতে ভেটো প্রদান করে। পরদিন ৫ ডিসেম্বর আরো আটটি দেশের পক্ষ থেকে পাক-ভারত যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব আনলে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাতে পুনরায় ভেটো প্রদান করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সোভিয়েত ইউনিয়ন
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে, যখন যৌথ বাহিনী (মুক্তি ও মিত্রবাহিনী) চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তখন আন্তর্জাতিক চাপ সৃষ্টি হয়।
জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) যুক্তরাষ্ট্র (USA)চীন পাকিস্তানের পক্ষে অবস্থান নিয়ে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব আনে, যাতে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী রক্ষা পায়।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও বিজয়ের পথ সুগম রাখতে সোভিয়েত ইউনিয়ন তাদের বন্ধুরাষ্ট্র ভারতের অনুরোধে নিরাপত্তা পরিষদে উত্থাপিত সেইসব যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবে বারবার ‘ভেটো’ প্রদান করে।
এই ভেটোর ফলেই যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়নি এবং ১৬ ডিসেম্বর চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।
75

বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণ সংবিধানের কোন তফসিলে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ তফসিল
  2. পঞ্চম তফসিল
  3. ষষ্ঠ তফসিল
  4. সপ্তম তফসিল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পঞ্চম তফসিল
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষণটি বাংলাদেশের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয় ২০১১ সালে সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর (১৫শ) মাধ্যমে।
সংবিধানের এই সংশোধনী অনুযায়ী, ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণটি সংবিধানের পঞ্চম তফসিলে (Fifth Schedule) সন্নিবেশিত হয়েছে।
এই তফসিলটি মূলত স্বাধীনতার ঘোষণার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট তুলে ধরে।
অন্যদিকে, চতুর্থ তফসিলে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকারসহ অন্যান্যদের শপথ বা ঘোষণার ফরমের বিবরণ দেওয়া আছে।
76

‘বঙ্গভঙ্গ’ কালে ভারতের ভাইসরয় কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লর্ড কার্জন
  2. লর্ড ওয়াভেল
  3. লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন
  4. লর্ড লিনলিথগো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভারতের ভাইসরয় লর্ড কার্জন ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর বাংলা ভাগ করেন। ১৯৪৭ সালের ভারত ভাগের সময় ভাইসরয় ছিলেন লর্ড মাউন্টব্যাটেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লর্ড কার্জন
বঙ্গভঙ্গ কার্যকর হয়েছিল ১৯০৫ সালের ১৬ অক্টোবর। ঐ সময়ে ভারতের ভাইসরয় এবং গভর্নর জেনারেলের দায়িত্বে ছিলেন লর্ড কার্জন (দায়িত্বকাল: ১৮৯৯-১৯০৫)।
তিনিই প্রশাসনিক সুবিধার অজুহাতে বাংলাকে বিভক্ত করার সিদ্ধান্ত নেন। এই বিভক্তি ভারতীয় জাতীয়তাবাদকে বিভক্ত করার এবং মুসলিম ও হিন্দুদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল।
অন্যান্য অপশনসমূহ যেমন— লর্ড ওয়াভেল (১৯৪৩-৪৭), লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন (১৯৪৭) এবং লর্ড লিনলিথগো (১৯৩৬-৪৩) ছিলেন অনেক পরের ভাইসরয়। এদের মধ্যে লর্ড মাউন্ট ব্যাটেন ছিলেন ব্রিটিশ ভারতের শেষ ভাইসরয়।
77

বাংলাদেশের কোন বনভূমি শালবৃক্ষের জন্য বিখ্যাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সিলেটের বনভূমি
  2. পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি
  3. ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
  4. খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি; ক্রান্তীয় চিরহরিৎ এবং পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমি ও গরান বা স্রোতজ বনভূমি (সুন্দরবন) এ তিন ভাগে ভাগ করা হয়। মধুপুর ও ভাওয়ালের বনভূমি ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রযুক্ত বৃক্ষের বনভূমির অন্তর্ভুক্ত। এর আয়তন প্রায় ৮৭৫ বর্গ কিমি। শাল জাতীয় এক ধরনের গজারি এ বনভূমির প্রধান বৃক্ষ। পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গর্জন, জারুল, শিমুল, গামার ইত্যাদি। খুলনা বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমির প্রধান বৃক্ষ গেওয়া, ধুন্দল, কেওড়া ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ভাওয়াল ও মধুপুরের বনভূমি
এই বনভূমিগুলো মূলত ক্রান্তীয় পতনশীল পত্রজ বনভূমি (Tropical Deciduous Forest) নামে পরিচিত, যা বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ও উত্তর-পশ্চিমাংশে অবস্থিত।
এসব বনভূমিতে শালবৃক্ষই (Sal Tree) প্রধান বৃক্ষ। তাই এই অঞ্চলের বনকে শালবন বা শাল ও গজারি বন বলা হয়।
ভাওয়াল বনভূমি প্রধানত গাজীপুর জেলায় এবং মধুপুর বনভূমি টাঙ্গাইল ও ময়মনসিংহ জেলার অংশবিশেষে বিস্তৃত।
অন্যান্য অপশনসমূহ: খুলনা, বরিশাল ও পটুয়াখালীর বনভূমি হলো ম্যানগ্রোভ বনভূমি (সুন্দরবন)। সিলেট ও পার্বত্য চট্টগ্রামের বনভূমি হলো চিরহরিৎ বা আধা-চিরহরিৎ বনভূমি
78

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পাট উৎপন্ন হয় কোন জেলায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফরিদপুর
  2. রংপুর
  3. জামালপুর
  4. শেরপুর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিবিএস কর্তৃক প্রকাশিত সর্বশেষ কৃষি পরিসংখ্যান বর্ষগ্রন্থ ২০১৯ অনুযায়ী ফরিদপুর জেলায় পাট উৎপাদিত হয়েছে ৯,২৬,৮৪৯ বেইল বা ৩২,৪৩,৯৭১.৫ মন ( ১ বেইল= ৩.৫ মন)। জামালপুরে পাট উৎপাদনের পরিমাণ ৪,৬৯,০৪৭ বেইল (৬ষ্ঠ)। রংপুরে পাট উৎপাদিত হয়েছে ১,৩৭,৬৪০ বেইল। অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুসারে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৭.৪৫ লক্ষ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করে ৮২.৭৭ লক্ষ বেল পাট আঁশ উৎপাদিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফরিদপুর
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে পাট উৎপন্ন হয় ফরিদপুর জেলায়। এটি বাংলাদেশের পাট উৎপাদনের প্রধান কেন্দ্র (Jute Hub) হিসেবে পরিচিত।
ফরিদপুরে মূলত উন্নতমানের তুষা পাট (Tossa Jute) উৎপাদিত হয়, যা দেশের অর্থনীতিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
যদিও বৃহত্তর ময়মনসিংহের জেলাগুলো (যেমন জামালপুর) এবং রংপুর অঞ্চলেও উল্লেখযোগ্য পরিমাণে পাট উৎপন্ন হয়, কিন্তু উৎপাদনের পরিমাণের দিক দিয়ে ফরিদপুর প্রথম স্থান অধিকার করে।
79

বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
  2. ২ কোটি ৫০ লক্ষ একর
  3. ২ কোটি ২৫ লক্ষ একর
  4. ২ কোটি ২১ লক্ষ একর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট এর সর্বশেষ তথ্য মতে, বাংলাদেশে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ৮৮.২৯ লক্ষ হেক্টর বা ২ কোটি ১৮ লক্ষ একর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (BBS) সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য (Total Arable Land) জমির পরিমাণ প্রায় ২ কোটি ৪০ লক্ষ একর
এটি একটি মৌলিক কৃষিসংক্রান্ত তথ্য যা প্রায় প্রতিটি নিয়োগ পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রশ্নপত্রে সাধারণত এই সংখ্যাটির কাছাকাছি বিকল্পই সঠিক হিসেবে বিবেচিত হয়।
অন্যান্য সংখ্যাগুলো (যেমন: ২ কোটি ৫০ লক্ষ বা ২ কোটি ২১ লক্ষ একর) বাংলাদেশে মোট আবাদযোগ্য জমির স্বীকৃত সরকারি পরিসংখ্যানের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
80

‘গারো উপজাতি’ কোন জেলায় বাস করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পার্বত্য চট্টগ্রাম
  2. সিলেট
  3. ময়মনসিংহ
  4. টাঙ্গাইল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ময়মনসিংহ জেলার গারো পাহাড়ি এলাকায় এদের মূল ঘাঁটি। তাছাড়া শেরপুর, নেত্রকোনা, রংপুর, জামালপুর, সিলেট ও মৌলভীবাজার জেলায়ও গারোরা বাস করে। পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলায় চাকমা, মারমা, মুরং, ত্রিপুরাসহ মোট ১১ টি উপজাতি বাস করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ময়মনসিংহ
বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপজাতি গোষ্ঠী হলো গারো। তারা প্রধানত বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলে বাস করে। বর্তমানে ময়মনসিংহ ছাড়াও গারোদের মূল বসতি শেরপুর, নেত্রকোনা এবং আংশিকভাবে টাঙ্গাইল জেলায় (মধুপুর অঞ্চলের উত্তরাংশে) বিস্তৃত।
তবে, প্রশ্নে যদি একটিমাত্র জেলার কথা জানতে চাওয়া হয় এবং বিকল্পে ময়মনসিংহ থাকে, তবে সেটিই প্রধান ও সঠিক উত্তর হবে। বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের গারো পাহাড়ের পাদদেশে এদের প্রধান বসতি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে (যেমন রাঙ্গামাটি, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি) প্রধানত চাকমা, মারমা, ত্রিপুরা ইত্যাদি উপজাতি বাস করে, তাই এই বিকল্পটি ভুল।
81

২০১৮ সালে বাংলাদেশের Per capita GDP (nominal) কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. $ ১,৭৫০ মার্কিন ডলার
  2. $ ১,৭৫১ মার্কিন ডলার
  3. $ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
  4. $ ১,৭৫৩ মার্কিন ডলার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো অনুযায়ী ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশে মাথাপিছু GDP ২৭২৩ মার্কিন ডলার এবং মাথাপিছু জাতীয় আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: $ ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০১৭-২০১৮ অর্থবছর বা ২০১৮ সালের জন্য বাংলাদেশের মাথাপিছু জিডিপি (Per capita GDP, Nominal) ছিল ১,৭৫২ মার্কিন ডলার
প্রশ্নটি সরাসরি অর্থনৈতিক সমীক্ষা থেকে নেওয়া এবং এর অপশনগুলো খুবই কাছাকাছি রাখা হয়েছে, যা প্রিলিমিনারি পরীক্ষায় সঠিক তথ্য মনে রাখার গুরুত্বকে তুলে ধরে।
82

বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৪ সালে
  4. ১৯৭৫ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কোনো দেশের জনসংখ্যার আনুষ্ঠানিক গণনাই আদমশুমারি। বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা নির্ধারণে স্বাধীনতার পর প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। এ পর্যন্ত দেশে ছয়টি আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশের জনশুমারি ও গৃহগণনা-২০২২ হচ্ছে বাংলাদেশের জনসংখ্যার বিস্তারিত গণনার লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত দেশের ষষ্ঠ জাতীয় আদমশুমারি। এটি বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল আদমশুমারি। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর তত্ত্বাবধানে ২০২২ সালের ১৫ জুন থেকে ২১ জুন পর্যন্ত এক সপ্তাহব্যাপী অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীন বাংলাদেশে প্রথম বারের মতো জনসংখ্যা ও গৃহগণনা (আদমশুমারি) পরিচালিত হয়েছিল ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪ সালে।
এই গুরুত্বপূর্ণ জরিপটি পরিচালনা করেছিল বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS)। এটি ছিল নবগঠিত রাষ্ট্রের জনসংখ্যা ও আর্থ-সামাজিক অবস্থা জানার প্রথম আনুষ্ঠানিক উদ্যোগ।
অন্যান্য বছরগুলো ভুল, কারণ দেশের প্রথম আদমশুমারি শুরু করার জন্য ব্যাপক প্রস্তুতি এবং পরিকাঠামোর প্রয়োজন ছিল, যা স্বাধীনতার তিন বছর পর ১৯৭৪ সালে সম্পন্ন হয়।
83

Inclusive Development Index (IDI)- এর ভিত্তিতে দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশের স্থান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রথম স্থান
  2. দ্বিতীয় স্থান
  3. তৃতীয় স্থান
  4. চতুর্থ স্থান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরাম (World Economic Forum) কর্তৃক প্রকাশিত Inclusive Development Index (IDI) 2018 সূচকের উদীয়মান অর্থনীতি বিভাগে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ৩৪ তম। দক্ষিণ এশিয়ায় বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। প্রথম স্থানে রয়েছে নেপাল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: দ্বিতীয় স্থান
Inclusive Development Index (IDI) রিপোর্টটি সাধারণত World Economic Forum (WEF) কর্তৃক প্রকাশিত হয়। শেষ প্রকাশিত গুরুত্বপূর্ণ IDI রিপোর্টটি ছিল ২০১৮ সালের (২০১৭ সালের তথ্যের ভিত্তিতে)।
এই সূচকে (উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলোর মধ্যে) দক্ষিণ এশিয়ায় নেপাল প্রথম স্থান অর্জন করে এবং বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে।
দক্ষিণ এশিয়ায় IDI-এর ভিত্তিতে শীর্ষ দেশগুলোর ক্রম:
১. নেপাল
২. বাংলাদেশ
৩. শ্রীলঙ্কা
৪. পাকিস্তান
৫. ভারত (এখানে উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট ৭৪টি উদীয়মান অর্থনীতির মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৩৬তম)।
84

২০১৮ সালে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. $ ৪০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  2. $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  3. $ ৪২ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
  4. $ ৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে ২০২১-২২ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয় ৩৩.৮৪৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। (সূত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা,২০২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার
এই প্রশ্নটি মূলত ২০১৮-১৯ অর্থবছরকে (জুলাই ২০১৮ - জুন ২০১৯) নির্দেশ করে, কারণ পরীক্ষা সাধারণত পূর্ববর্তী অর্থবছরের তথ্য জানতে চায়।
২০১৮-১৯ অর্থবছরে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৯বিলিয়ন,কিন্তুবছরশেষেactualearningsবাপ্রকৃতআয়দাঁড়ায়<strong> ৩৯ বিলিয়ন, কিন্তু বছর শেষে actual earnings বা প্রকৃত আয় দাঁড়ায় <strong> ৪০.৫৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।
এই প্রকৃত আয় অপশনগুলোর মধ্যে $ ৪১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিকটতম হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গৃহীত হয়।
85

Alliance যে দেশভিত্তিক গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলোর সংগঠন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্যের
  2. যুক্তরাষ্ট্রের

  3. কানাডার
  4. ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Alliance for Bangladesh Worker’s Safety ২০১৩ সালের ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা দুর্ঘটনার পর প্রতিষ্ঠিত হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্ববিখ্যাত গার্মেন্টস ব্রান্ডগুলো নিয়ে গঠিত সংগঠন অ্যালায়েন্সের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ২৮ টি। প্রতিষ্ঠাকালীন এ সংস্থাটির বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনার মেয়াদ ছিল ৫ বছর। বাংলাদেশে ইউরোপীয় ইউনিয়নের পোশাক ব্রান্ডভিত্তিক সংগঠন Accord.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: যুক্তরাষ্ট্রের
২০১৩ সালে সাভারের রানা প্লাজা ধসের মর্মান্তিক ঘটনার পর বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প (RMG) কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ক্রেতাদের দুটি আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছিল: Alliance এবং Accord
Alliance-এর পূর্ণনাম ছিল Alliance for Bangladesh Worker Safety। এটি মূলত যুক্তরাষ্ট্রের (এবং উত্তর আমেরিকার) ব্র্যান্ড ও খুচরা বিক্রেতাদের একটি সংগঠন ছিল।
এই জোটের অধীনে প্রায় ২৯টি উত্তর আমেরিকান ব্র্যান্ড ছিল, যাদের লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশের গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিগুলোতে ফায়ার, ইলেকট্রিক্যাল এবং স্ট্রাকচারাল নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
86

২০১৮ সালে বাংলাদেশের GDP- তে শিল্প খাতের অবদান কত শতাংশ ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 29.66%
  2. 30.66%
  3. 32.66%
  4. 33.66%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী ২০১৭-১৮ অর্থবছরে জিডিপিতে শিল্পখাতের অবদান ৩৩.৬৬%। শিল্প খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে ১০.৪৪ শতাংশ প্রবৃদ্ধি হবে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ০.১৫ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেশি। জিডিপিতে শিল্পের অবদান হবে ৩৭.০৭ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ১.০৬ পার্সেন্টেজ পয়েন্ট বেশি। (সূত্রঃ অর্থনৈতিক সমীক্ষা,২০২২)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩৩.৬৬%
প্রশ্নটি যেহেতু ২০১৮ সালের জিডিপিতে অবদানের কথা বলেছে, তাই এটি মূলত ২০১৭-১৮ অর্থবছরের চূড়ান্ত হিসাবকে নির্দেশ করে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা অনুযায়ী, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) শিল্প খাতের অবদান ছিল ৩৩.৬৬%
উল্লেখ্য, এই খাতটির অবদান সবসময়ই বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বর্তমানে এটি জিডিপিতে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ অবদানকারী খাত হিসেবে পরিচিত।
যদি অন্য একটি বহুল ব্যবহৃত সংখ্যা (যেমন 29.66%) উল্লেখ থাকে, তা সাধারণত কৃষি বা অন্য কোনো খাতের পুরোনো তথ্য নির্দেশ করে।
87

২০১৮-১৯ অর্থবছরে রপ্তানি প্রণোদনা রাখা হয়েছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
  2. সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা
  3. সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
  4. সাড়ে ৬ হাজার কোটি টাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০২২-২৩ অর্থবছরে রপ্তানি খাতে প্রণোদনা বরাদ্দ রাখা হয় ৯০২৫ কোটি টাকা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা
২০১৮-১৯ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অনুসারে, দেশের রপ্তানি খাতকে উৎসাহিত করার জন্য মোট ৪,৫০০ কোটি টাকা (সাড়ে ৪ হাজার কোটি টাকা) রপ্তানি প্রণোদনা বা ভর্তুকি হিসেবে বরাদ্দ রাখা হয়েছিল।
এই ধরনের প্রশ্নগুলো অর্থনৈতিক নীতি এবং দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়ার গুরুত্ব নির্দেশ করে।
88

বাংলাদেশে প্রথম ভ্যাট (VAT) চালু হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯১ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৮৬ সালে
  4. ১৯৯৬ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Value Added Tax বা মূল্য সংযোজন কর বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় ১৯৯১ সালের ১ জুলাই। এ সংক্রান্ত আইন জাতীয় সংসদে পাস হয় ১০ জুলাই ১৯৯১ । মূসক একটি পরোক্ষ কর। এ উৎস থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বোচ্চ রাজস্ব আয় হয়। মূল্য সংযোজন কর মূলত বিক্রয় কর বা সেলস ট্যাক্সের মতো।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯১ সালে। বাংলাদেশে প্রথম মূল্য সংযোজন কর (Value Added Tax - VAT) চালু হয় ১৯৯১ সালের ১লা জুলাই
এটি কার্যকর করা হয় ১৯৯১-৯২ অর্থবছর থেকে।
ভ্যাট হলো একটি পরোক্ষ কর (Indirect Tax), যা পণ্য উৎপাদন, সরবরাহ বা সেবা প্রদানের প্রতিটি স্তরে মূল্য সংযোজনের ওপর আরোপিত হয়। এটি সরকারের রাজস্ব আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস।
সুতরাং, অন্য সালগুলো (১৯৭৩, ১৯৮৬, ১৯৯৬) সঠিক নয়।
89

সংবিধানের কোন সংশোধনকে ‘First distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫ম সংশোধন
  2. ৩য় সংশোধন
  3. ২য় সংশোধন

  4. ৪র্থ সংশোধন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যার পর সামরিক শাসক হিসেবে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় এসে নিজেকে প্রেসিডেন্ট হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেন। এজন্য তিনি ১৯৭৯ সালে সংবিধানে বেশ কিছু সংশোধনী আনেন যা পরবর্তীতে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। বিশেষ করে পঞ্চম সংশোধনীকে অনেকে First distortion of Constitution বা সংবিধানের প্রথম বিকৃতি বলে অ্যাখ্যায়িত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৫ম সংশোধন (Fifth Amendment)
১৯৭৯ সালে সংবিধানের এই সংশোধনীটি পাস করা হয়। ১৫ আগস্ট, ১৯৭৫-এর পট পরিবর্তনের পর থেকে মার্শাল ল' জারির মাধ্যমে খন্দকার মোশতাক এবং পরবর্তীকালে জিয়াউর রহমান যে সকল সামরিক আদেশ জারি করেছিলেন, ৫ম সংশোধনের মাধ্যমে সেগুলোকে বৈধতা দেওয়া হয়।
এই সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানে 'বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম' যুক্ত করা হয় এবং মূলনীতি ধর্মনিরপেক্ষতা বাদ দিয়ে 'আল্লাহর উপর পূর্ণ আস্থা ও বিশ্বাস' যুক্ত করা হয়।
২০১০ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ এই সংশোধনীকে সংবিধানের মূল কাঠামোর ওপর প্রথম আঘাত এবং ‘First distortion of constitution’ বলে আখ্যায়িত করে অবৈধ ঘোষণা করে।
৪র্থ সংশোধন (১৯৭৫): এটি সরকার পদ্ধতি সংসদীয় থেকে রাষ্ট্রপতি শাসিত করে এবং একদলীয় শাসন প্রবর্তন করে। এটি অত্যন্ত বিতর্কিত হলেও 'First distortion' উপাধিটি ৫ম সংশোধনীর জন্য নির্ধারিত।
90

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র সংবিধানের কততম তফসিলে সংযোজন করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চতুর্থ
  2. পঞ্চম
  3. ষষ্ঠ
  4. সপ্তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

চতুর্থ তফসিল- ক্রান্তিকাল ও অস্থায়ী বিধানমালা। পঞ্চম তফসিল- ১৯৭১সালের ৭মার্চ তারিখে ঢাকার রেসকোর্সময়দানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া ঐতিহাসিক ভাষণ। ষষ্ঠ তফসিল- ১৯৭১সালের ২৫মার্চ মধ্যরাত শেষে অর্থাৎ ২৬মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা। সপ্তম তফসিল- ১০এপ্রিল ১৯৭১ এর মুজিব নগর সরকারের জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সপ্তম
বাংলাদেশের সংবিধানের সপ্তম তফসিলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) সংযোজন করা হয়েছে।
এই ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১০ এপ্রিল, ১৯৭১ তারিখে গৃহীত হয় এবং এটিই বাংলাদেশের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের আইনি ভিত্তি ছিল।
সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনী (২০১১ সালে গৃহীত) এর মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রসহ ১৯৭১ সালের ঐতিহাসিক গুরুত্বপূর্ণ দলিলসমূহ সংবিধানে যুক্ত করা হয়।
91

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান প্রবর্তিত হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭২
  4. ২৬ মার্চ, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের জন্য সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে ১১ এপ্রিল ১৯৭২ সংবিধান প্রণয়ন কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি খসড়া সংবিধান গণপরিষদে উত্থাপন করে ১২ অক্টোবর ১৯৭২। ৪ নভেম্বর ১৯৭২ এটি গণপরিষদে গৃহীত হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ এ সংবিধান কার্যকর হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭২
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান ১৯৭২ সালের ৪ নভেম্বর গণপরিষদে গৃহীত হয় (Adopted/Passed) এবং একই বছর ১৬ ডিসেম্বর থেকে তা কার্যকর বা প্রবর্তিত (Promulgated) হয়।
এই দিনটি মহান বিজয় দিবস হিসেবেও পরিচিত, ফলে তারিখটি মনে রাখা সহজ।
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১: এই তারিখে বাংলাদেশের প্রথম সরকার, মুজিবনগর সরকার, গঠিত হয়েছিল।
২৬ মার্চ, ১৯৭৩: এই তারিখটি সংবিধান প্রবর্তনের সাথে সম্পর্কিত নয়।
92

সংবিধানের কোন অনুচ্ছেদে ‘সরকারি কর্ম কমিশন’ (PSC) গঠনের উল্লেখ আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে
  2. ১৩৫ নং অনুচ্ছেদে
  3. ১৩৮ নং অনুচ্ছেদে
  4. ১৩৪ নং অনুচ্ছেদে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, ‘বাংলাদেশের জন্য আইনের দ্বারা এক বা একাধিক সরকারি কর্ম কমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাবে। একজন সভাপতি ও আইনের দ্বারা যে-রকম নির্ধারিত হবে, সে-রকম অন্যান্য সদস্যকে নিয়ে প্রত্যেক কমিশন গঠিত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের নবম ভাগে (বাংলাদেশের কর্মবিভাগ) সরকারি কর্ম কমিশন (Public Service Commission - PSC) সম্পর্কিত বিধানাবলী উল্লেখ করা হয়েছে।
এই ভাগের ১৩৭ নং অনুচ্ছেদে স্পষ্টভাবে ‘কমিশন প্রতিষ্ঠা’ বা ‘সরকারি কর্ম কমিশন গঠন’ করার বিধান রয়েছে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদগুলো হলো:
১৩৫ নং অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্মচারীর বরখাস্ত ও অপসারণ সম্পর্কিত বিধান।
১৩৮ নং অনুচ্ছেদ: কমিশনের দায়িত্ব ও কার্যাবলি নির্ধারণের ক্ষমতা সম্পর্কিত।
93

আওয়ামী লীগের ৬-দফা পেশ করা হয়েছিল-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৬৬ সালে
  2. ১৯৬৭ সালে
  3. ১৯৬৮ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ৫-৬ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৬ পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলসমূহের জাতীয় সম্মেলনের বিষয় নির্বাচনি কমিটিতে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ নামে খ্যাত ঐতিহাসিক ছয় দফা ঘোষণা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৬ সালে
আওয়ামী লীগের ৬-দফা কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ। এর আগে ৫ ফেব্রুয়ারি, ১৯৬৬ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান লাহোরে অনুষ্ঠিত বিরোধী দলগুলোর সম্মেলনে ৬-দফার প্রথম ঘোষণা দেন।
এই ৬-দফা মূলত বাঙালি জাতির স্বায়ত্তশাসন ও অর্থনৈতিক মুক্তির সনদ হিসেবে পরিচিত, যা পরবর্তীতে মুক্তিযুদ্ধের ভিত্তি তৈরি করেছিল।
94

বঙ্গবন্ধুসহ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় মোট আসামি সংখ্যা ছিল কত জন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৪ জন
  2. ৩৫ জন
  3. ৩৬ জন
  4. ৩২ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে প্রধান আসামি করে জানুয়ারি ১৯৬৮ আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করা হয়। আর এ মামলা প্রত্যাহার করা হয় ২২ ফেব্রুয়ারি ১৯৬৯ এ। বঙ্গবন্ধুসহ এ মামলায় আসামি ছিলেন ৩৫ জন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৩৫ জন
১৯৬৭ সালের ডিসেম্বর মাসে পাকিস্তান সরকার পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসনের জন্য ৬ দফা আন্দোলনকে নস্যাৎ করার উদ্দেশ্যে একটি রাষ্ট্রদ্রোহ মামলা দায়ের করে, যা ইতিহাসে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা নামে পরিচিত।
মামলাটির সরকারি নাম ছিল: ‘রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান ও অন্যান্য’ (State vs. Sheikh Mujibur Rahman and others)।
এই মামলায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করা হয়, যার মধ্যে শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন প্রধান আসামি (অভিযুক্ত নং-১)। এই ৩৫ জনের মধ্যে ১৮ জন বাঙালি সামরিক কর্মকর্তা এবং ১৭ জন বেসামরিক ব্যক্তি ছিলেন।
মামলার অভিযোগ ছিল যে অভিযুক্তরা ভারতের সহযোগিতায় পূর্ব পাকিস্তানকে বিচ্ছিন্ন করার ষড়যন্ত্র করছিলেন।
95

আইন ও সালিশ কেন্দ্র কি ধরনের সংস্থা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থনৈতিক
  2. মানবাধিকার
  3. ধর্মীয়
  4. খেলাধুলা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) বাংলাদেশের একটি মানবাধিকার এবং আইন সহায়তাকারী বেসরকারি সংগঠন। ১৯৮৬ সালে প্রতিষ্ঠিত এ সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ৯ জন। আসকের মূল লক্ষ্য সমানাধিকার, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, ন্যায়বিচার এবং লিঙ্গভিত্তিক সমতার ভিত্তিতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মানবাধিকার
আইন ও সালিশ কেন্দ্র (Ain o Salish Kendra - ASK) হলো বাংলাদেশের একটি সুপরিচিত বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা (NGO)
সংস্থাটি মূলত বাংলাদেশে মানবাধিকারের প্রচার, সুরক্ষা এবং আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য কাজ করে।
বিশেষ করে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, ও রাজনৈতিক অধিকার লঙ্ঘনের বিষয়ে তারা জনসচেতনতা সৃষ্টি করে এবং আইনি পদক্ষেপ নেয়।
এটি কোনো অর্থনৈতিক, ধর্মীয় বা ক্রীড়া বিষয়ক উদ্দেশ্য সাধন করে না, বরং আইনের শাসন ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
96

Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে বিভক্ত করেছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩ ভাগে
  2. ৪ ভাগে
  3. ৫ ভাগে
  4. ৬ ভাগে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যাঃ যে গোষ্ঠীর সদস্যগণ একই মনোভাব ও স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে ওঠে এবং স্বার্থের ভিত্তিতেই তারা পরস্পরের সাথে আবদ্ধ হয় তাকে চাপসৃষ্টিকারী গোষ্ঠী বলে। Almond ও Powel চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে চার ভাগে ভাগ করেছেন। যথা: 1. Institutional Interest Groups 2. The Associational Interest Groups 3. Anomic Interest Groups 4. Non-Associational Interest Groups.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৪ ভাগে। রাজনৈতিক বিশ্লেষক গ্যাব্রিয়েল এ. অ্যালমন্ড (Gabriel A. Almond) এবং বিংহাম পাওয়েল (Bingham Powell) তাদের ‘Comparative Politics: A Developmental Approach’ গ্রন্থে চাপ সৃষ্টিকারী গোষ্ঠীকে (Pressure Groups বা Interest Groups) প্রধানত চারটি ভাগে ভাগ করেছেন।
এই চারটি বিভাজন হলো:
১. প্রাতিষ্ঠানিক চাপ গোষ্ঠী (Institutional Interest Groups): যেমন, আমলাতন্ত্র বা সামরিক বাহিনী।
২. সংঘবদ্ধ বা পেশাজীবী চাপ গোষ্ঠী (Associational Interest Groups): যেমন, শ্রমিক ইউনিয়ন বা চেম্বার অব কমার্স।
৩. অসংঘবদ্ধ বা অপ্রাতিষ্ঠানিক চাপ গোষ্ঠী (Non-associational Interest Groups): যেমন, জাতিগত বা ধর্মীয় গোষ্ঠী যারা সংগঠিত নয় কিন্তু স্বার্থের প্রয়োজনে মাঝে মাঝে সক্রিয় হয়।
৪. নৈরাজ্যমূলক বা বিশৃঙ্খলাপূর্ণ চাপ গোষ্ঠী (Anomic Interest Groups): যেমন, হঠাৎ করে স্বতঃস্ফূর্তভাবে গড়ে ওঠা বিক্ষোভকারী জনতা বা দাঙ্গা।
97

বাংলাদেশ জাতিসংঘের-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৪৬তম সদস্য
  2. ১৩৬তম সদস্য
  3. ১২৬তম সদস্য
  4. ১১৬তম সদস্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ জাতিসংঘের ১৩৬ তম সদস্য। ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ জাতিসংঘের ২৯ তম অধিবেশনে ৩টি দেশ সদস্যপদ লাভ করে। এগুলো হচ্ছে বাংলাদেশ, গ্রানাডা এবং গিনি বিসাউ। বর্ণক্রমানুসারে নাম আসায় বাংলাদেশ ১৩৬ তম, গ্রানাডা ১৩৭ তম এবং গিনি বিসাউ ১৩৮ তম সদস্যপদ লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৬তম সদস্য
বাংলাদেশ ১৭ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতিসংঘের ১৩৬তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়।
জাতিসংঘের ২৯তম সাধারণ অধিবেশনে এই সদস্যপদ দেওয়া হয়। সদস্যপদ প্রাপ্তির মাত্র এক সপ্তাহ পর, ২৫ সেপ্টেম্বর ১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতিসংঘে বাংলায় ঐতিহাসিক ভাষণ প্রদান করেন। এটিই ছিল জাতিসংঘে বাংলায় দেওয়া প্রথম ভাষণ।
98

বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৩
  2. ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭৩
  4. ৭ এপ্রিল, ১৯৭৩

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৭ মার্চ, ১৯৭৩। ১৯৭৯- তে অনুষ্ঠিত হয় দ্বিতীয় নির্বাচন। আর সর্বশেষ বা একাদশ জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মার্চ, ১৯৭৩
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর, দেশের প্রথম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম সাধারণ নির্বাচন।
এই নির্বাচনে ৩০০টি আসনের মধ্যে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে (মোট ২৯৩টি আসন লাভ করে)।
অন্যান্য তারিখগুলো সঠিক নয়। যেমন ৭ জানুয়ারি, ১৯৭৩ তারিখটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ জাতীয় নির্বাচনের তারিখ নয়। (উল্লেখ্য: বঙ্গবন্ধু স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেন ১০ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে, যা অন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ তারিখ।)
তাই শুধুমাত্র '৭ মার্চ' তারিখটিই প্রথম সংসদ নির্বাচনের জন্য সঠিক।
99

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৩ হাজার ১২৫টি
  2. ১৩ হাজার ১৩০টি
  3. ১৩ হাজার ১৩৬টি
  4. ১৩ হাজার ১৪৬টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০১৭ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তৎকালীন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জনাব মোহাম্মদ নাসিম প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছে দিতে কমিউনিটি ক্লিনিক চালু করা হয়েছে প্রায় ১৩ হাজার ১৩৬ টি। স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ পরিসংখ্যান বলছে, সারা দেশে এখন ১৩ হাজার ৪৪২টি কমিউনিটি ক্লিনিক চালু আছে। [সূত্র: বাংলাদেশ জাতীয় তথ্য বাতায়ন।]

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৩ হাজার ১৩৬টি। অপশনসমূহের মধ্যে ১৩ হাজার ১৩৬টি (১৩,১৩৬) হলো বাংলাদেশে তৃণমূল পর্যায়ে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা (Primary Health Care) নিশ্চিত করার জন্য বর্তমানে চালু থাকা কমিউনিটি ক্লিনিকের সরকারি অনুমোদিত ও সর্বাধিক স্বীকৃত সংখ্যা।
কমিউনিটি ক্লিনিক হলো প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি ‘ব্র্যান্ডেড ইনিশিয়েটিভ’ যা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় স্বাস্থ্য, পরিবার পরিকল্পনা ও পুষ্টি সেবা পৌঁছে দেয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৩,১২৫টি, ১৩,১৩টি, ১৩,১৪৬টি) সঠিক সংখ্যার খুব কাছাকাছি হলেও, অফিসিয়াল নথিতে ১৩,১৩৬টি সংখ্যাটিই ব্যবহৃত হয়।
100

‘Let there be Light’- বিখ্যাত ছবিটি পরিচালনা করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আমজাদ হোসেন
  2. জহির রায়হান
  3. খান আতাউর রহমান
  4. শেখ নিয়ামত আলী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশের বিখ্যাত চলচ্চিত্র নির্মাতা, লেখক, পাকিস্তানের প্রথম রঙিন উর্দু ছবি ‘সঙ্গম’- এর নির্মাতা জহির রায়হানের পরিচালিত ছবি ‘Let there be Light’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জহির রায়হান
‘Let there be Light’ (আলো জ্বলো) হলো বাংলাদেশের কিংবদন্তী চলচ্চিত্রকার, সাহিত্যিক ও মুক্তিযোদ্ধা জহির রায়হান-এর একটি অত্যন্ত বিখ্যাত ও আলোচিত চলচ্চিত্র প্রকল্প।
যদিও এই ছবিটি ১৯৭১ সালের পূর্বে শুরু হলেও যুদ্ধ শুরু হওয়ায় এটি অসমাপ্ত থেকে যায়। তবে মুক্তিযুদ্ধের পূর্বে সামরিক স্বৈরশাসনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ তিনি এই ছবিটি নির্মাণ শুরু করেন এবং এর মাধ্যমে মুক্তির আকাঙ্ক্ষাপ্রতিবাদের ভাষা ফুটিয়ে তোলেন।
অন্যান্য বিকল্প: আমজাদ হোসেন, খান আতাউর রহমান এবং শেখ নিয়ামত আলী প্রত্যেকেই বিখ্যাত পরিচালক, কিন্তু 'Let there be Light' ছবিটি একমাত্র জহির রায়হান-এর সাথেই সম্পর্কিত।
101

যুক্তরাষ্ট্রের Guantanamo Bay Detention Camp কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফ্লোরিডা
  2. হাইতি
  3. কিউবা
  4. জ্যামাইকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্যারিবিয়ান সাগরের একটি সমাজতান্ত্রিক দেশ কিউবা, যার দক্ষিণে মার্কিন নিয়ন্ত্রিত গুয়ানতানামো নৌ ঘাঁটিতে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক কারাগার Guantanamo Bay Detention Camp অবস্থিত। ২০০২ সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের আমলে চালু হওয়া এ ক্যাম্পে বর্তমানে ৪০ জন আটকাবস্থায় রয়েছে। ফ্লোরিডা যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে দক্ষিণ পূর্বের একটি উপদ্বীপ রাজ্য, যে রাজ্যে মিয়ামি সমুদ্র সৈকত রয়েছে। বিশ্বের দ্রুততম মানব উসাইন বোল্টের দেশ জ্যামাইকা ক্যারিবিয়ান সাগরের মাঝের একটি দেশ। আর ক্যারিবিয়ান সাগরের দ্বিতীয় বৃহত্তম দ্বীপ হিসপ্যানিওলার পশ্চিমের এক-তৃতীয়াংশ নিয়ে গঠিত দেশ হলো হাইতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কিউবা
যুক্তরাষ্ট্রের বিতর্কিত ডিটেনশন ক্যাম্প (Guantanamo Bay Detention Camp) ক্যারিবীয় দ্বীপরাষ্ট্র কিউবার দক্ষিণ-পূর্ব উপকূলে অবস্থিত। এটি কিউবার গুয়ান্টানামো বে (Guantanamo Bay) নামক স্থানে অবস্থিত একটি মার্কিন নৌঘাঁটি (U.S. Naval Base)-এর মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্র ১৯০৩ সাল থেকে একটি বিতর্কিত চুক্তির মাধ্যমে কিউবার কাছ থেকে এই স্থানটি লিজ নিয়ে আসছে। যদিও কিউবার বিপ্লবী সরকার এই লিজকে অবৈধ মনে করে এবং এর প্রতিবাদ জানায়।
এই ক্যাম্পটি মূলত ৯/১১ (২০০১) এর পর থেকে সন্ত্রাসী কার্যকলাপের সাথে জড়িত সন্দেহভাজন বন্দীদের আটক রাখার জন্য কুখ্যাত।
অন্যান্য অপশন (ফ্লোরিডা, হাইতি, জ্যামাইকা) ক্যারিবীয় অঞ্চলের হলেও, ক্যাম্পটি সরাসরি কিউবার ভূখণ্ডে অবস্থিত।
102

টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত ২০৩০ এজেন্ডা (The 2030 Agenda for Sustainable Development)– তে কয়টি লক্ষ্য (goal) রয়েছে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 15
  2. 17
  3. 21
  4. 27

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০১২ সালে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোতে অনুষ্ঠিত বিশ্ব টেকসই উন্নয়ন সম্মেলনে MDG- এর উপর ভিত্তি করে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন সংক্রান্ত ২০৩০ এজেন্ডাতে লক্ষ্য রয়েছে ১৭ টি। ১৭ টি লক্ষ্যভিত্তিক SDG –এর সময়কাল ধরা হয়েছে ২০১৬-২০৩০ সাল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ১৭টি
২০১৫ সালের ২৫-২৭ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে (UN General Assembly) ‘The 2030 Agenda for Sustainable Development’ শীর্ষক এই ঐতিহাসিক এজেন্ডাটি গৃহীত হয়। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১ জানুয়ারি ২০১৬ সালে কার্যকর হয়।
এই এজেন্ডার মূল উদ্দেশ্য ছিল দারিদ্র্য দূরীকরণ, পরিবেশ সুরক্ষা এবং বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা। এই লক্ষ্যে মোট ১৭টি সুনির্দিষ্ট টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (Sustainable Development Goals - SDGs) নির্ধারণ করা হয়েছে।
এছাড়াও এই ১৭টি গোলের অধীনে মোট ১৬৯টি সুনির্দিষ্ট টার্গেট (Target) এবং ২৩২টি সূচক (Indicator) রয়েছে, যা ২০৩০ সালের মধ্যে অর্জন করতে হবে।
103

জাতিসংঘ কোন সালে মানবাধিকার সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণার ঐতিহাসিক নথিটি গ্রহণ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1956
  2. 1948
  3. 1945
  4. 2000

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক সর্বজনীন ঘোষণা বিশ্ব মানবাধিকারের সাধারণ নির্দেশনা হিসেবে কাজ করে। ৩০টি ধারা বিশিষ্ট মানবাধিকারের বৈশ্বিক ঘোষণার এ ঐতিহাসিক নথিটি ১০ ডিসেম্বর ১৯৪৮ জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে সর্ব সম্মতিক্রমে গৃহীত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৪৮
জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে মানবাধিকার সংক্রান্ত বৈশ্বিক ঘোষণার (Universal Declaration of Human Rights - UDHR) ঐতিহাসিক নথিটি গ্রহণ করা হয় ১০ ডিসেম্বর, ১৯৪৮ সালে।
এই ঘোষণার উদ্দেশ্য ছিল বিশ্বব্যাপী মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া এবং আন্তর্জাতিকভাবে মানবাধিকার রক্ষা করা।
উল্লেখ্য, অন্য অপশনগুলোর মধ্যে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘ (UN) আনুষ্ঠানিকভাবে সনদ স্বাক্ষরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। তাই এটি ভুল উত্তর।
104

মিনস্ক নিচের কোন দেশের রাজধানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তাজাকিস্তান
  2. আজারবাইজান
  3. পর্তুগাল
  4. বেলারুশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের অংশ, বর্তমানে পূর্ব ইউরোপের একটি স্থলবেষ্টিত স্বাধীন দেশ বেলারুশ, যার রাজধানী হলো মিনস্ক। আর তাজিকিস্তান, আজারবাইজান ও পর্তুগালের রাজধানী যথাক্রমে দুশানবে, বাকু ও লিসবন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বেলারুশ
মিনস্ক হলো পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র বেলারুশের (Belarus) রাজধানী এবং বৃহত্তম শহর। এটি দেশটির প্রধান শিল্প, সাংস্কৃতিক ও শিক্ষা কেন্দ্র।
অন্যান্য অপশনগুলোর রাজধানী নিম্নরূপ:
তাজাকিস্তানের (Tajikistan) রাজধানী হলো দুশানবে (Dushanbe)
আজারবাইজানের (Azerbaijan) রাজধানী হলো বাকু (Baku)
পর্তুগালের (Portugal) রাজধানী হলো লিসবন (Lisbon)
105

সর্বশেষ মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন কোন সালের কোন মাসে অনুষ্ঠিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সেপ্টেম্বর, ২০১৮
  2. মার্চ, ২০১৯
  3. ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
  4. ডিসেম্বর, ২০১৮

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার উপর একটি বাৎসরিক সম্মেলন হলো ‘মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন’ যা প্রতিবছরের ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখ শহরে অনুষ্ঠিত হয়। ১৯৬৩ সালে প্রথম এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ৫৮ তম সম্মেলন মিউনিখের ঐতিহাসিক হোটেল বায়েরিশার হফে অনুষ্ঠিত হয় ১৮-২০ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ফেব্রুয়ারি, ২০১৯
কারণ, প্রশ্নে উল্লিখিত সময়কাল অনুযায়ী (সাধারণত ৪১/৪২তম বিসিএস-এর আশেপাশে), ৫৫তম মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন (Munich Security Conference - MSC) অনুষ্ঠিত হয়েছিল ঐ সালের ১৫-১৭ ফেব্রুয়ারি
মিউনিখ নিরাপত্তা সম্মেলন বিশ্বের নিরাপত্তা নীতি নিয়ে আলোচনার জন্য একটি বার্ষিক ইভেন্ট যা প্রতি বছর সাধারণত ফেব্রুয়ারি মাসে জার্মানির মিউনিখে অনুষ্ঠিত হয়।
106

‘V20’ গ্রুপ কিসের সাথে সম্পর্কিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জলবায়ু পরিবর্তন
  2. কৃষি উন্নয়ন
  3. দারিদ্র বিমোচন
  4. বিনিয়োগ সম্পর্কিত

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতার অঙ্গীকার নিয়ে জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিতে থাকা ২০টি দেশকে নিয়ে ৮ অক্টোবর, ২০১৫ পেরুর লিমায় Vulnerable Twenty বা V20 নামে একটি নতুন জোটের যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তী বছর এ গ্রুপে আরো ২৩টি দেশ যোগদান করে। এটি জাতিসংঘের উন্নয়ন কর্মসূচি UNDP –এর Climate Vulnerable Forum– এর সাথে সরাসরি জড়িত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জলবায়ু পরিবর্তন
‘V20’ হলো Vulnerable Twenty Group-এর সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি বিশ্বের সেই সব উন্নয়নশীল দেশগুলোর একটি জোট, যারা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট বিপর্যয় (যেমন: সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, চরম আবহাওয়া) দ্বারা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ।
এই জোটটি মূলত জলবায়ু অর্থায়ন (Climate Finance) এবং জলবায়ু অভিযোজন (Adaptation) কৌশল নিশ্চিত করার জন্য কাজ করে।
২০১৫ সালে পেরুর রাজধানী লিমা-তে V20 আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। তারা বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় উন্নত দেশগুলোর ওপর চাপ সৃষ্টি করে থাকে।
সুতরাং, এটি সরাসরি জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে সম্পর্কিত।
107

জাতিসংঘ সমুদ্র আইন কত সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭৯ সালে

  2. ১৯৮২ সালে
  3. ১৯৮৩ সালে
  4. ১৯৯৮ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জাতিসংঘের সমুদ্রবিষয়ক আইন বা United Nations Convention on the Law of the Sea ১৯৮২ সালে সমুদ্রবিষয়ক তৃতীয় জাতিসংঘ সম্মেলনে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির নাম। সম্মেলনটি ১৯৭৩ থেকে ১৯৮২ সাল পর্যন্ত চলেছিল। এ আইনটি UNCLOS-III নামেও পরিচিত। মৎস্য শিকার, নৌচলাচল, মহীসোপান, গভীর সমুদ্রতল, বৈজ্ঞানিক গবেষণা ও সমুদ্র দূষণের মত বিষয়গুলো এ চুক্তির মূল বিষয়। আর ১৯৭৯ সালে জাতিসংঘ নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সম্পর্কিত CEDAW কনভেনশন অনুমোদন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৮২ সালে
জাতিসংঘের সমুদ্র আইন বা United Nations Convention on the Law of the Sea (UNCLOS) ১৯৮২ সালের ১০ ডিসেম্বর জ্যামাইকার মন্টেগো বে (Montego Bay)-তে স্বাক্ষরিত হয়েছিল।
এই চুক্তিকে 'সমুদ্রের সংবিধান' বা 'Constitution for the Oceans' বলা হয়। এটি বিশ্বজুড়ে সমুদ্র ও সামুদ্রিক সম্পদের ব্যবহার, নিয়ন্ত্রণ এবং অধিকার সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক কাঠামো নির্ধারণ করে।
108

বিশ্বের সর্বশেষ জলবায়ু সম্মেলন (ডিসেম্বর, ২০১৮) কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাটোউইস, পোল্যান্ড
  2. প্যারিস, ফ্রান্স
  3. রোম, ইতালি
  4. বেইজিং, চীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় এই সম্মেলনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করা হয় এবং COP-27 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় শার্ম-আল শেখ, মিশর (২০২২)। COP-28 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে দুবাই, UAE.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কাটোউইস, পোল্যান্ড
ডিসেম্বর, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনটি ছিল জাতিসংঘের ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশন অন ক্লাইমেট চেঞ্জ-এর ২৪তম সম্মেলন (COP 24)। এটি পোল্যান্ডের কাটোউইস (Katowice) শহরে অনুষ্ঠিত হয়েছিল।
এই সম্মেলনের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল প্যারিস চুক্তি, ২০১৫ (Paris Agreement) কীভাবে আন্তর্জাতিকভাবে বাস্তবায়ন করা হবে, সেই সংক্রান্ত বিস্তারিত নিয়মকানুন বা রুলবুক (Rulebook) চূড়ান্ত করা।
উল্লেখ্য, অপশনে থাকা প্যারিস, ফ্রান্স বিখ্যাত হলো COP 21 (২০১৫) সম্মেলনের জন্য, যেখানে ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তি গৃহীত হয়েছিল।
109

Sunshine Policy- এর সাথে কোন দুটি দেশ জড়িত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন, রাশিয়া
  2. উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
  3. জাপান, থাইল্যান্ড
  4. তাইওয়ান, হংকং

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৯৮ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং উত্তর কোরিয়ার সাথে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বৈদেশিক নীতি ঘোষণা করেন যা Sunshine Policy নামে পরিচিত। এ নীতি বাস্তবায়নের কারণে কিম দায়ে জং ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পান। ২০০৮ সাল পর্যন্ত Sunshine Policy টিকে ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া
Sunshine Policy বা সূর্যকিরণ নীতি হলো দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি কিম দে-জুং (Kim Dae-jung) কর্তৃক গৃহীত একটি কূটনৈতিক কৌশল।
এই নীতির মূল লক্ষ্য ছিল, চরম বৈরী সম্পর্ক থাকা সত্ত্বেও উত্তর কোরিয়া (Democratic People's Republic of Korea)-এর সাথে শান্তি স্থাপন, সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণের মাধ্যমে ধীরে ধীরে কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা হ্রাস করা।
এই নীতির ফলস্বরূপ, ২০০০ সালে দক্ষিণ কোরিয়াউত্তর কোরিয়ার মধ্যে প্রথম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়, যা আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত।
চীন, রাশিয়া বা অন্য কোনো দেশের সাথে এই নীতির সরাসরি সম্পর্ক নেই। এই নীতি সম্পূর্ণরূপে আন্তঃকোরীয় সম্পর্ক (Inter-Korean relations) উন্নয়নের জন্য তৈরি হয়েছিল।
110

BRICS কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংকের নাম হচ্ছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. New Development Bank (NDB)
  2. BRICS Development Bank (BDB)
  3. Economic Development Bank (EDB)
  4. International Commercial Bank (ICB)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

২০১৪ সালের ১৫ জুলাই ব্রাজিলের ফোর্তালেজা শহরে BRICS তার ষষ্ঠ সম্মেলনে New Development Bank নামে একটি ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করে। ব্যাংকটি ২০১৫ সালের ২১ জুলাই চীনের সাংহাই শহরে অনুষ্ঠিত ৭ম শীর্ষ সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (A) New Development Bank (NDB)
বিশ্বের উদীয়মান অর্থনীতির দেশগুলো নিয়ে গঠিত জোট BRICS (ব্রাজিল, রাশিয়া, ভারত, চীন ও দক্ষিণ আফ্রিকা) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ব্যাংক হলো NDB।
এই ব্যাংকটি প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য হলো সদস্য দেশগুলোতে এবং অন্যান্য উন্নয়নশীল অর্থনীতিতে অবকাঠামো (Infrastructure)টেকসই উন্নয়ন প্রকল্পে (Sustainable Development) অর্থায়ন করা।
২০১৪ সালে ব্রাজিলে অনুষ্ঠিত ষষ্ঠ BRICS সম্মেলনে (Fortaleza Summit) NDB প্রতিষ্ঠার চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় এবং ২০১৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করে।
উল্লেখ্য, অপশন B, BRICS Development Bank (BDB) নামে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাংক নেই; NDB নামটিই তাদের ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক হিসেবে গৃহীত।
111

চীন নিচের কোন আফ্রিকান দেশটিতে সামরিক ঘাঁটি স্থাপনের মাধ্যমে কৌশলগত সম্পর্ক স্থাপন করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইথিওপিয়া
  2. জাম্বিয়া
  3. লাইবেরিয়া
  4. জিবুতি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পূর্ব আফ্রিকার বাব-এল-মান্দেবের তীরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ ছোট দেশ জিবুতি-তে চীন ১ আগস্ট, ২০১৭ বিদেশের মাটিতে তার প্রথম সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে। ভূরাজনৈতিক ও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হওয়ার জন্য আগে থেকেই দেশটিতে যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স ও জাপানের সামরিক ঘাঁটি রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জিবুতি (Djibouti)
চীন কৌশলগত কারণে আফ্রিকান দেশ জিবুতির ওবকে (Obock) বন্দরে তার প্রথম ও এখন পর্যন্ত একমাত্র বিদেশি সামরিক ঘাঁটি (Overseas Military Base) স্থাপন করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি ২০১৭ সালে চালু হয়।
এই ঘাঁটির মূল উদ্দেশ্য হলো চীনের নৌবাহিনীর লজিস্টিক সাপোর্ট, রিফুয়েলিং এবং জলদস্যুতা বিরোধী কার্যক্রমে সহায়তা করা।
জিবুতির ভৌগোলিক অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি বাব-এল-মান্দেব প্রণালীর কাছে অবস্থিত, যা লোহিত সাগরকে এডেন উপসাগরের সাথে সংযুক্ত করে এবং বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ততম নৌপথ হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য দেশ যেমন ইথিওপিয়া বা জাম্বিয়াতে চীনের ব্যাপক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামো বিনিয়োগ থাকলেও সেখানে কোনো স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি নেই।
112

পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের কোন অংশে ভারত সম্প্রতি (ফেব্রুয়ারি, ২০১৯) সামরিক বিমান হামলা পরিচালনা করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এবোটাবাদ
  2. বালাকোট
  3. কোয়েটা
  4. গিলগিট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বালাকোট সত্যিকার অর্থে ভৌগোলিকভাবে খাইবার পাখতুন খাওয়া প্রদেশের মানসেহরা জেলায় অবস্থিত, যা পাকিস্তান অধিকৃত আজাদ কাশ্মীরের সীমান্তবর্তী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বালাকোট (Balakot)
২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ভারত নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরের পুলওয়ামায় জঙ্গি হামলার (Pulwama Attack) জবাবে ভারত সরকার ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের বালাকোটে সামরিক বিমান হামলা পরিচালনা করে।
ভারতের দাবি অনুযায়ী, এই সামরিক অভিযানের লক্ষ্য ছিল জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মুহাম্মদের (Jaish-e-Mohammed - JeM) প্রশিক্ষণ শিবির ধ্বংস করা। এটি 'বালাকোট এয়ার স্ট্রাইক' নামে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, এবোটাবাদ (Abbottabad) বিখ্যাত কারণ ২০১১ সালে এই শহরেই আল-কায়েদা প্রধান ওসামা বিন লাদেনকে মার্কিন কমান্ডোরা হত্যা করেছিল।
113

নিচের কোন দেশে ২০২২ সালে G-20 বাৎসরিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইতালি
  2. যুক্তরাষ্ট্র
  3. ভারত
  4. ব্রাজিল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Group of Twenty বা G-20 বিশ্বের ১৯ টি দেশ ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের একটি অর্থনৈতিক সংগঠন। ১৯৯৯ সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটির সদস্য দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের সম্মেলন ২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। ২০২২ সালে ভাতে G-20 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও রাষ্ট্রপতি নির্বাচন থাকায় তা ইন্দোনেশিয়ার বালিতে অনুষ্ঠিত হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১৮ তম শীর্ষ সম্মেলন ভারতের নতুন দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভারত। যদিও প্রশ্নটি ২০২২ সালকে নির্দেশ করছে, বাস্তবে ২০২২ সালে G-20 সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ইন্দোনেশিয়ার বালিতে
পরীক্ষার প্রশ্ন তৈরির সময় প্রায়শই আসন্ন বা পরবর্তী বছরের গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্টকে টার্গেট করা হয়। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, ভারত ছিল সেই সময়কার সবচেয়ে আলোচিত দেশ কারণ ভারত ২০২৩ সালে G-20 সম্মেলনের আয়োজন করে।
ভারত আনুষ্ঠানিকভাবে ১ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে ৩০ নভেম্বর ২০২৩ পর্যন্ত G-20’র সভাপতিত্ব করে। ভারতের নেতৃত্বে সম্মেলনটি ৯-১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ তারিখে নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: ইতালি ২০২১ সালে G-20 সম্মেলন আয়োজন করে এবং ব্রাজিল ২০২৪ সালে সম্মেলন আয়োজন করবে।
114

‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ – গ্রন্থের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্থা ন্যুসবাম
  2. জোসেফ স্টিগলিটজ
  3. অমর্ত্য সেন
  4. জন রাউলস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কারপ্রাপ্ত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ গ্রন্থটি রচনা করেন। ৩০৪ পৃষ্ঠার ইংরেজি ভাষায় লিখিত সমালোচনামূলক গ্রন্থটি ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়। আমেরিকার রাজনৈতিক দার্শনিক জন রাউলস ১৯৭১ সালে রচনা করেন ‘দ্যা থিওরি অব জাস্টিস’। আর জোসেফ ই স্টিগলিজের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘গ্লোবালাইজেশন অ্যান্ড ইটস ডিসকনটেন্টস’। আমেরিকার নারী দার্শনিক মার্থা ন্যুসবামের বিখ্যাত গ্রন্থ হলো-‘সেক্স অ্যান্ড সোশ্যাল জাস্টিস’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অমর্ত্য সেন
‘দ্যা আইডিয়া অব জাস্টিস’ (The Idea of Justice) গ্রন্থটি প্রখ্যাত ভারতীয় অর্থনীতিবিদ ও দার্শনিক অমর্ত্য সেন কর্তৃক রচিত। এটি ২০০৯ সালে প্রকাশিত হয়।
এই গ্রন্থে তিনি জন রাউলসের (John Rawls) দেওয়া ন্যায়বিচার তত্ত্বের সমালোচনা করে সমাজের বাস্তবিক পরিবর্তনের উপর ভিত্তি করে নতুন এক ন্যায়বিচার তত্ত্বের ধারণা দেন, যা ‘ন্যায় বিচারের অনুভূতি’ বা ‘capability approach’-এর সাথে সম্পর্কিত।
অনেক পরীক্ষার্থী জন রাউলস-এর ‘A Theory of Justice’ গ্রন্থের সাথে এটিকে গুলিয়ে ফেলে। কিন্তু রাউলসের বইটি প্রকাশিত হয় ১৯৭১ সালে, যা ভিন্ন প্রেক্ষাপটে রচিত।
115

শ্রীলংকার কোন সমুদ্রবন্দর চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেয়া হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ত্রিঙ্কোমালী
  2. হাম্বানটোটা
  3. গল বন্দর
  4. পোর্ট অব কলম্বো

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

শ্রীলংকার দক্ষিণ কলম্বোর ১৫০ মাইল দূরে অবস্থিত কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হাম্বানটোটা গভীর সমুদ্রবন্দর ২০১৭ সালের ডিসেম্বর চীনের নিকট ৯৯ বছরের জন্য শ্রীলঙ্কা সরকার লিজ দেয়। এটি মাগামপুরা মাহিন্দা রাজাপাকসে পোর্ট নামেও পরিচিত। কলম্বো বন্দরের পরে এ বন্দরটি শ্রীলংকার দ্বিতীয় বৃহ্ত্তম সমুদ্রবন্দর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হাম্বানটোটা (Hambantota)
ঋণ পরিশোধ করতে না পারায় শ্রীলঙ্কা সরকার কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই সমুদ্রবন্দরটি চীনা রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা China Merchants Port Holdings-এর কাছে ৯৯ বছরের জন্য লীজ দেয়।
২০১৭ সালে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়। শ্রীলঙ্কার স্বাধীনতার পর এটিই তাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ হস্তান্তরের ঘটনা।
এই চুক্তিটিকে আন্তর্জাতিক মহলে চীনের ‘ঋণ ফাঁদ কূটনীতির’ (Debt Trap Diplomacy) একটি প্রধান উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়।
116

নিচের কোন সংস্থাটির সচিবালয় বাংলাদেশে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. BIMSTEC
  2. CICA
  3. IORA
  4. SAARC

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৯৭ সালের ৬ জুন থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা ও থাইল্যান্ডকে নিয়ে গঠিত হয় BISTEC (Bangladesh, India, Sri lanka and Thailand Economic Cooperation) নামক আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংস্থা। ১৯৯৭ সালের ২২ ডিসেম্বর মায়ানমার সদস্যপদ লাভ করলে এর নাম হয় BIMSTEC (Bangladesh, India, Myanmar, Sri Lanka and Thailand Economic Cooperation). ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে নেপাল ও ভুটান সদস্যপদ লাভ করলে ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই সংস্থাটির প্রথম শীর্ষ সম্মেলনে নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation). ২০১৪ সালে ঢাকায় সংস্থাটির স্থায়ী সচিবালয় স্থাপন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো BIMSTEC
BIMSTEC (Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation) হলো বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর সমন্বয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট। এই সংস্থাটির স্থায়ী সচিবালয় বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অবস্থিত।
এটি ২০১৪ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর ঢাকায় প্রতিষ্ঠা লাভ করে, যদিও এর কার্যক্রম শুরু হয় ১৯৯৭ সালে।
অন্যান্য সংস্থাগুলোর সদর দপ্তর:
SAARC (সার্ক) এর সচিবালয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।
IORA (ইন্ডিয়ান ওশান রিম অ্যাসোসিয়েশন) এর সচিবালয় মরিশাসের ইবেনে অবস্থিত।
CICA (কনফারেন্স অন ইন্টারেকশন অ্যান্ড কনফিডেন্স-বিল্ডিং মেজারস ইন এশিয়া) এর সচিবালয় কাজাখস্তানের নুর-সুলতানে অবস্থিত।
117

নিচের কোন সংস্থাটির স্থায়ী সদর দপ্তর নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. NATO
  2. NAM
  3. EU
  4. ASEAN

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬১ সালে Non-Aligned Movement (NAM) গঠন করা হয়। বর্তমানে এর সদস্য সংখ্যা ১২০। সংস্থাটির কোনো সদর দপ্তর নেই। বেলজিয়ামের ব্রাসেলসে NATO এবং EU উভয়েরই সদর দপ্তর এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তায় ASEAN এর সদর দপ্তর অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: NAM (জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন)
কারণ NAM (Non-Aligned Movement) হলো বিশ্বের একটি বৃহত্তম আন্দোলন (Movement), যা কোনো স্থায়ী সচিবালয় বা সদর দপ্তর দ্বারা পরিচালিত হয় না।
এর সম্মেলন সাধারণত সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পালাক্রমে অনুষ্ঠিত হয় এবং সভাপতি রাষ্ট্রই দাপ্তরিক কাজ পরিচালনা করে।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লিখিত বাকি তিনটি সংস্থারই স্থায়ী সদর দপ্তর রয়েছে:
  • NATO (উত্তর আটলান্টিক নিরাপত্তা জোট): ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  • EU (ইউরোপীয় ইউনিয়ন): প্রধান নির্বাহী কেন্দ্র ব্রাসেলস, বেলজিয়াম
  • ASEAN (দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় জাতিসমূহের সংস্থা): জাকার্তা, ইন্দোনেশিয়া
118

জাতিসংঘ বিষয়ক আলোচনায় পি৫ (P5) বলতে কি বুঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র
  2. পাঁচটি পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র
  3. পাঁচটি জাতিসংঘ সংস্থা
  4. উপরের কোনটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

P5 বা পার্মানেন্ট ফাইভ বলতে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্রকে বুঝায়। জাতিসংঘের কার্যরত প্রধান পাঁচটি অঙ্গসংস্থার মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী হলো নিরাপত্তা পরিষদ। এই পাঁচটি সদস্য রাষ্ট্রের জাতিসংঘ সংশ্লিষ্ট যে কোনো আন্তর্জাতিক ইস্যুতে ভেটো প্রয়োগের ক্ষমতা রয়েছে। রাষ্ট্রগুলো হলো যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন।

ব্যাখ্যা

জাতিসংঘ বিষয়ক আলোচনায় P5 (Permanent Five) বলতে বোঝানো হয় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্রকে
সঠিক উত্তর: নিরাপত্তা পরিষদের পাঁচটি স্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র (অপশন ক)
এই পাঁচটি দেশ হলো— যুক্তরাষ্ট্র (USA), যুক্তরাজ্য (UK), রাশিয়া (Russia), চীন (China) এবং ফ্রান্স (France)
জাতিসংঘ সনদের অধীনে এদেরকে বিশেষ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ভেটো ক্ষমতা (Veto Power)
119

কোন দেশটি ইউরোপের বাল্টিক অঞ্চলে অবস্থিত নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফিনল্যান্ড
  2. পোল্যান্ড
  3. অস্ট্রিয়া
  4. সুইডেন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইউরোপের বাল্টিক সাগরের তীরবর্তী নয়টি দেশকে নিয়ে বাল্টিক অঞ্চল গঠিত: ডেনমার্ক, জার্মানি, পোল্যান্ড, লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া, এস্তোনিয়া, রাশিয়া, ফিনল্যান্ড ও সুইডেন। কিন্তু মধ্য ইউরোপের দেশ অস্ট্রিয়া স্থলবেষ্টিত। লিথুয়ানিয়া, লাটভিয়া ও এস্তোনিয়া তিনটি রাষ্ট্রকে বাল্টিক রাষ্ট্র বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অস্ট্রিয়া
বাল্টিক অঞ্চল (Baltic Region) বলতে সাধারণত বাল্টিক সাগরকে ঘিরে থাকা বা এর উপকূলবর্তী দেশগুলোকে বোঝানো হয়। এই অঞ্চলের দেশগুলোর ভৌগোলিক, অর্থনৈতিক ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক রয়েছে।
বিকল্পের দেশগুলোর মধ্যে ফিনল্যান্ড, পোল্যান্ড, এবং সুইডেন—এই তিনটি দেশেরই বাল্টিক সাগরের সাথে সরাসরি উপকূল বা সংযোগ রয়েছে, তাই এরা বাল্টিক অঞ্চলের অংশ।
অন্যদিকে, অস্ট্রিয়া (Austria) হলো মধ্য ইউরোপের (Central Europe) একটি ভূ-বেষ্টিত (Landlocked) দেশ। বাল্টিক সাগরের সাথে এর কোনো সীমান্ত নেই। তাই এটি বাল্টিক অঞ্চলের অন্তর্ভুক্ত নয়।
120

OIC– এর কততম শীর্ষ সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অংশগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২য় শীর্ষ সম্মেলন
  2. ৫ম শীর্ষ সম্মেলন
  3. ৪র্থ শীর্ষ সম্মেলন
  4. ৭ম শীর্ষ সম্মেলন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাকিস্তানের লাহোরে ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি OIC এর দ্বিতীয় শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান উক্ত সম্মেলনে বাংলাদেশের পক্ষে অংশগ্রহণ করেন। উক্ত শীর্ষ সম্মেলনে বাংলাদেশ OIC এর ৩২তম সদস্য হিসেবে সদস্যপদ লাভ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২য় শীর্ষ সম্মেলন
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২২-২৪ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে অনুষ্ঠিত অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (OIC) ২য় শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন।
এই সম্মেলনে যোগদানের মাধ্যমে বাংলাদেশ আনুষ্ঠানিকভাবে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে মুসলিম বিশ্বের বৃহত্তম এই সংস্থার সদস্যপদ লাভ করে। এটি ছিল স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রথম বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ।
ঐতিহাসিকভাবে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল, কারণ এই সম্মেলনের প্রেক্ষিতেই পাকিস্তান সরকার স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় (২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭৪)।
121

নিচের কোনটি পাললিক শিলা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্বেল
  2. কয়লা
  3. গ্রানাইট
  4. নিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কয়লা
পাললিক শিলা (Sedimentary Rock) গঠিত হয় পুরোনো শিলা, খনিজ ও জৈব বস্তুর (যেমন: উদ্ভিদ বা প্রাণীর দেহাবশেষ) ক্ষয়প্রাপ্ত অংশ বা পলি সঞ্চিত হয়ে। এই পলি বা বর্জ্য জমাট বেঁধে, চাপ ও তাপে কঠিন শিলা সৃষ্টি করে।
কয়লা (Coal) হলো এক ধরণের জৈব পাললিক শিলা। কোটি কোটি বছর আগে মৃত উদ্ভিদের দেহাবশেষ মাটিতে চাপা পড়ে, উচ্চ চাপ ও তাপের কারণে রাসায়নিক পরিবর্তনের মাধ্যমে এটি কঠিন কার্বনে (কয়লায়) পরিণত হয়।
ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা:
১. গ্রানাইট হলো আগ্নেয় শিলা (Igneous Rock), যা ভূগর্ভস্থ ম্যাগমা শীতল হয়ে গঠিত হয়।
২. মার্বেলনিস হলো রূপান্তরিত শিলা (Metamorphic Rock), যা পূর্বের আগ্নেয় বা পাললিক শিলা উচ্চ তাপ ও চাপের ফলে পরিবর্তিত হয়ে তৈরি হয়।
122

নিচের কোনটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১: ১০,০০০
  2. ১: ১০০,০০০
  3. ১:১০০০,০০০
  4. ১: ২৫০০,০০০

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্কেলের পার্থক্য অনুসারে মানচিত্র ২ প্রকার যথা- ১. ক্ষুদ্র স্কেলের মানচিত্র ও ২. বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র। যখন বৃহৎ স্কেলে ক্ষুদ্র এলাকাকে অনেক বড় করে দেখানো হয় তখন তাকে বৃহৎ স্কেলের মানচিত্র বলে। এ বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রে বিভিন্ন ভূসম্পত্তি, কৃষি ক্ষেত্র, বাড়িঘর, দালানকোঠা, নদ-নদী, বন-জঙ্গল, পরিবহন পথ, শহর, বন্দর ইত্যাদির সীমানা অঙ্কিত থাকে। বিভিন্ন দেশ বিভিন্ন স্কেলে মানচিত্র তৈরী করে। সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রিটিশ স্কেল ১ : ২৫, ০০০ থেকে ১ : ১০০০০০। আমেরিকাতে এই মানচিত্র স্কেল ১ : ৬২, ৫০০ থেকে ১ : ১২৫, ০০০ বাংলাদেশ ব্রিটিশ স্কেল অনুসরণ করে। উপরোক্ত অপশন – এর ক্ষেত্রে ১: ১০,০০০ অপশনটিই সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১: ১০,০০০
মানচিত্রের স্কেল (Scale) হলো মানচিত্রে প্রদর্শিত দূরত্ব এবং ভূমিতে প্রকৃত দূরত্বের অনুপাত। এই অনুপাতকে প্রতিনিধিত্বমূলক ভগ্নাংশ (Representative Fraction - RF) দ্বারা প্রকাশ করা হয়।
মানচিত্রের স্কেল নির্ধারণের প্রধান নিয়ম হলো: এই ভগ্নাংশের হর (Denominator) যত ছোট হয়, মানচিত্রের স্কেল তত বৃহৎ হয়। বৃহৎ স্কেলের মানচিত্রে একটি ছোট এলাকাকে অনেক বেশি বিস্তারিতভাবে দেখানো যায়।
প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে, ১০,০০০ সংখ্যাটি সবচেয়ে ছোট হর। তাই, ১: ১০,০০০ অনুপাতটি একটি বৃহৎ স্কেল মানচিত্র নির্দেশ করে।
অন্যদিকে, ১: ২৫,০০,০০০ হলো ক্ষুদ্রতম স্কেলের মানচিত্র, যা একটি বিশাল এলাকা (যেমন একটি দেশ বা মহাদেশ) কম বিস্তারিতভাবে দেখায়।
123

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোথার্ম
  2. আইসোবার
  3. আইসোহাইট
  4. আইসোহেলাইন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সমবৃষ্টিপাত সম্পন্ন স্থানসমূহকে যোগকারী রেখাকে আইসোহাইট (Isohyet) বা সমবর্ষণ রেখা বলে। সমবায়ুমণ্ডলীয় চাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোবার এবং সমতাপ সম্পন্ন স্থান সমূহকে যোগ করতে ব্যবহৃত হয় আইসোথার্ম। অন্যদিক সমুদ্রের বিভিন্ন স্থানের সম লবণাক্ততা নির্দেশ করতে মানচিত্রে ব্যবহৃত রেখার নাম আইসোহেলাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোহাইট (Isohyet)
ভূগোল ও আবহাওয়াবিজ্ঞানে 'আইসো-' উপসর্গটি সমান (Equal) বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, এবং 'Hyet' শব্দটি বৃষ্টিপাত (Rainfall) সংক্রান্ত।
সুতরাং, যে রেখা দ্বারা পৃথিবীর মানচিত্রে সমান বৃষ্টিপাতযুক্ত স্থানগুলো যুক্ত করা হয়, তাকে আইসোহাইট রেখা বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ধারণার সাথে সম্পর্কিত:
১. আইসোথার্ম (Isotherm): এটি সমান তাপমাত্রা-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে। (Therm = Temperature)
২. আইসোবার (Isobar): এটি সমান বায়ুচাপ-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে। (Bar = Pressure)
৩. আইসোহেলাইন (Isohaline): এটি সমান লবণাক্ততা-যুক্ত স্থানসমূহকে যোগ করে।
124

বাংলাদেশের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান কী ধরনের বনভূমি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
  2. ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল জাতীয়
  3. পত্র পতনশীল জাতীয়
  4. ম্যানগ্রোভ জাতীয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান হচ্ছে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ আধা/অর্ধ চিরহরিৎ ধরনের বনভূমি। এর আয়তন ১২৫০ হেক্টর। বাংলাদেশের দক্ষিণ- পূর্ব অংশের সীমানা ঘেষে উত্তর-পূর্ব অঞ্চল পর্যন্ত এ ধরনের বনাঞ্চল বিদ্যমান। কক্সবাজার, চট্টগ্রাম, বান্দরবান, রাঙ্গামাটি, সিলেট, মৌলভীবাজার, নেত্রকোনা ও শেরপুর জেলাসমূহে এসব বনাঞ্চল বিস্তৃত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ, আধা-চিরহরিৎ জাতীয়
বাংলাদেশের বনভূমিকে প্রধানত তিন ভাগে ভাগ করা যায়: ক্রান্তীয় চিরহরিৎ ও আধা-চিরহরিৎ, ক্রান্তীয় পাতাঝরা বা পতনশীল (শালবন), এবং ম্যানগ্রোভ (উপকূলীয়)।
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানটি সিলেটের মৌলভীবাজার জেলায় অবস্থিত। এই অঞ্চলটি পাহাড়ি এবং এখানে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। অত্যাধিক বৃষ্টিপাত এবং আর্দ্রতার কারণে এখানকার বনগুলো সারা বছর সবুজ থাকে, তাই এগুলোকে ক্রান্তীয় চিরহরিৎ বা আধা-চিরহরিৎ বনভূমি বলা হয়।
ম্যানগ্রোভ জাতীয় বনভূমি শুধুমাত্র সুন্দরবন এলাকায় দেখা যায়।
ক্রান্তীয় আর্দ্র পত্র পতনশীল বনভূমি হলো শালবন, যা ভাওয়াল ও মধুপুর অঞ্চলে পাওয়া যায়।
125

বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) কোন সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1974
  2. 1988
  3. 1998
  4. 2007

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭) ১৯৯৮ সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়। ১৯৮৮ সালের বন্যায় বাংলাদেশের ৬১% এলাকা এবং ১৯৯৮ সালের বন্যায় ৬৮% এলাকা প্লাবিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৯৮ সাল
বাংলাদেশে সংঘটিত বন্যার রেকর্ড অনুযায়ী (১৯৭১-২০০৭), ১৯৯৮ সালের বন্যায় সবচেয়ে বেশি এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। এই বন্যায় দেশের প্রায় ৬৮% এলাকা জলমগ্ন হয়।
১৯৯৮ সালের বন্যাটি শুধু সর্বাধিক এলাকা প্লাবনের জন্যই নয়, এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে রেকর্ডকৃত সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী বন্যা (প্রায় ৬৭-৬৮ দিন ধরে স্থায়ী হয়েছিল)।
অনেকের কাছে ১৯৮৮ সালের বন্যাটি বেশি ভয়ংকর মনে হলেও, প্লাবিত এলাকার হিসাব অনুযায়ী (প্রায় ৬১%), এটি ১৯৯৮ সালের বন্যার চেয়ে কম ছিল। তবে ক্ষয়ক্ষতি ও তীব্রতার দিক থেকে দুটি বন্যাই ছিল ভয়াবহ।
126

সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নয়াদিল্লি
  2. কলম্বো
  3. ঢাকা
  4. কাঠমুণ্ডু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সার্কের আঞ্চলিক কেন্দ্রসমূহের অবস্থানঃ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নয়াদিল্লি
সার্ক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কেন্দ্র (SAARC Disaster Management Centre - SDMC) ভারতের নয়াদিল্লিতে অবস্থিত। এটি ২০০৬ সালে (মতান্তরে ২০০৫ সালে অষ্টম সার্ক পরিবেশ মন্ত্রীদের বৈঠকে এটি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়) প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই কেন্দ্রটি দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস (Disaster Risk Reduction) ও ব্যবস্থাপনার সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো সার্কের অন্য গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র বা সদর দপ্তরের অবস্থান নির্দেশ করে।
127

নিচের কোনটি জলজ উদ্ভিদ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিজল
  2. করচ
  3. ডুমুর
  4. গজারী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

গজারীর অপর নাম শাল। বাংলাদেশের ভাওয়াল ও মধুপুরের গজারি বন দেশের বৃহত্তম পত্রঝরা বনাঞ্চল। লাল মাটির পাহাড়, ছোট ছোট টিলা জমিতে গজারি বৃক্ষ ভালো জন্মে। স্বাদুপানি বা মিঠাপানি দ্বারা প্লাবিত বনকে জলাবদ্ধ বন বা সোয়াম্প ফরেস্ট বলে। সিলেট জেলার উত্তর পশ্চিমে গোয়াইন নদীর কূলে বাংলাদেশের একমাত্র স্বাদুপানির জলাবদ্ধ বন অবস্থিত। এটি স্থানীয়ভাবে রাতারগুল জলাবন নামেও পরিচিত। জলাবদ্ধ এ বনে হিজল, করচ, ডুমুর, বরুণ, পিঠালি, অর্জুন, ছাতিম, গুটিজাম ও বট বৃক্ষ জন্মে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো গজারী
গজারী (Shorea robusta) গাছকে সাধারণত শাল গাছ বলা হয়। এটি হলো বাংলাদেশের শুষ্ক পর্ণমোচী বা পত্রঝরা বনের প্রধান বৃক্ষ। এটি সাধারণত উঁচু ও সমতল ভূমিতে জন্মে এবং জলজ উদ্ভিদ নয়
শালবনকে পরিবেশগত দিক থেকে 'উঁচুভূমির বনাঞ্চল' হিসেবে গণ্য করা হয়।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি গাছগুলো প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জলজ বা জলাভূমির সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত:
হিজল: এটি জলাভূমি বা বিল-ঝিলের পাড়ে জন্মে এবং বর্ষাকালে দীর্ঘ সময় পানিতে ডুবে থাকতে পারে। এটি জলসহিষ্ণু উদ্ভিদ।
করচ: এটি একটি লবণাক্ত জলজ উদ্ভিদ (ম্যানগ্রোভ প্রজাতির) যা সুন্দরবনসহ উপকূলীয় অঞ্চলের কর্দমাক্ত জলাভূমিতে জন্মে।
ডুমুর: ডুমুরের কিছু প্রজাতি (যেমন জগডুমুর) সাধারণত নদী বা জলাশয়ের ধারে, অত্যন্ত আর্দ্র ও স্যাঁতসেঁতে মাটিতে জন্মে।
128

নিচের কোনটি মানবসৃষ্ট আপদ (hazard) নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়ু দূষণ
  2. দুর্ভিক্ষ
  3. মহামারী
  4. কালবৈশাখী (Norwester)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Hazard বা আপদ বলতে বোঝায় কোনো এক আকস্মিক ও চরম প্রাকৃতিক বা মানবসৃষ্ট ঘটনা। এ ঘটনা জীবন, সম্পদ ইত্যাদির উপর আঘাত হানে। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, কাল বৈশাখী, খরা, বন্যা ও ভূমিকম্প খুব অল্প সময়ের জন্য হয়ে থাকে। যা মানবসৃষ্ট আপদ নয়। যেহেতু কালবৈশাখীর বেলায় পূর্বাভাস ও সতর্কবাণী প্রচার করা সম্ভব হয় না, তাই এক্ষেত্রে আগাম প্রস্তুতি নেয়া যায় না। তাই দুর্গত এলাকায় জরুরী ভিত্তিতে দ্রুত ত্রাণ সরবরাহ ও পুনর্বাসন কাজ করাই হলো একমাত্র সমাধান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কালবৈশাখী (Norwester)
আপদ (Hazard) প্রধানত দুই প্রকার: প্রাকৃতিক আপদমানবসৃষ্ট আপদ। প্রাকৃতিক কারণ ছাড়া অন্য কোনো কারণে সৃষ্ট আপদই হলো মানবসৃষ্ট আপদ।
কালবৈশাখী সম্পূর্ণভাবে একটি প্রাকৃতিক আপদ। এটি বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার তারতম্যের কারণে সৃষ্ট একটি স্থানীয় বজ্রঝড়।
অপরদিকে, বায়ু দূষণ সরাসরি মানুষের শিল্পায়ন ও যানবাহনের কারণে ঘটে। এটি একটি সুস্পষ্ট মানবসৃষ্ট আপদ
দুর্ভিক্ষ (Famine) এবং মহামারী (Epidemic) যদিও প্রাকৃতিক কারণে (যেমন খরা বা রোগজীবাণু) শুরু হতে পারে, কিন্তু এদের ব্যাপকতা ও বিধ্বংসী রূপ সাধারণত অব্যবস্থাপনা, জনঘনত্ব বা ভুল নীতির ফলে তৈরি হয়। তাই এগুলিকে অনেক সময় সামাজিক-প্রাকৃতিক (Socio-natural) বা মানবসৃষ্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই প্রশ্নের প্রেক্ষাপটে কালবৈশাখী একমাত্র বিশুদ্ধ প্রাকৃতিক ঘটনা।
129

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কোন খাতে বেশি কর্মসংস্থান হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নির্মাণ খাত
  2. কৃষি খাত
  3. সেবা খাত
  4. শিল্প কারখানা খাত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০২২ অনুযায়ী, অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কৃষিখাতে (৪০.৬%) সবচেয়ে বেশি কর্মসংস্থান হয়। সেবা ও শিল্পখাতে নিয়োজিত কর্মসংস্থানের যথাক্রমে ৩৯% ও ২০.৪%।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কৃষি খাত
ঐতিহাসিকভাবে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপটে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সেক্টরগুলোর মধ্যে কর্মসংস্থানের দিক থেকে কৃষি খাত (Agriculture Sector) এখনো শীর্ষে অবস্থান করছে। এটি এখনো মোট শ্রমশক্তির ৪০% এরও বেশি অংশকে সরাসরি কর্মসংস্থান প্রদান করে।
যদিও দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (GDP) সেবা খাত সবচেয়ে বেশি অবদান রাখে, কিন্তু বিপুল সংখ্যক গ্রামীণ জনসংখ্যা, বিশেষ করে প্রান্তিক চাষি ও কৃষিনির্ভর শ্রমিকদের কারণে কর্মসংস্থানে কৃষি খাত প্রথম স্থানে থাকে।
সেবা খাত কর্মসংস্থানের দিক থেকে দ্বিতীয় অবস্থানে এবং শিল্প খাত তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।
130

বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী যে ধরনের বন্যা কবলিত হয় তার নাম-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নদীজ বন্যা
  2. আকস্মিক বন্যা
  3. জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
  4. বৃষ্টিজনিত বন্যা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমিতে বসবাসকারী জনগোষ্ঠী সাধারণত জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যায় কবলিত হয়। ঘূর্ণিঝড়ের সময় সমুদ্রের পানি স্ফীত হয়ে উপকূলের কাছাকাছি যে উঁচু ঢেউয়ের সৃষ্টি করে তাকে জলোচ্ছ্বাস বলে। সাগরে ঘূর্ণিঝড়ের তীব্রতা বৃদ্ধি পেলে জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জলোচ্ছ্বাসজনিত বন্যা
বাংলাদেশের উপকূলীয় সমভূমি বলতে বঙ্গোপসাগরের নিকটবর্তী অঞ্চলকে বোঝায় (যেমন: ভোলা, পটুয়াখালী, কক্সবাজার)। এই অঞ্চলে বন্যা বা প্লাবনের প্রধান কারণ হলো ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের ফলে সৃষ্ট জলোচ্ছ্বাস (Storm Surge)
ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে সৃষ্ট এই জলোচ্ছ্বাস সমুদ্রের পানিকে স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক উঁচুতে তুলে দেয়, যা উপকূলের নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করে ব্যাপক বন্যা সৃষ্টি করে। এটি হলো উপকূলীয় বন্যার প্রধান বৈশিষ্ট্য।
অন্যদিকে, নদীজ বন্যা হয় মূলত দেশের মধ্যাঞ্চলে বা ব্রহ্মপুত্র-যমুনা নদীর অববাহিকায় নদীর পানি বাড়ার ফলে।
আর আকস্মিক বন্যা (Flash Flood) সিলেট বা পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড়ি ঢলের কারণে হয়ে থাকে।
131

3517Cl মৌলের নিউট্রন সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 17
  2. 18
  3. 35
  4. 70

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো পরমাণুতে উপস্থিত প্রোটন সংখ্যা (Z) ও নিউটন সংখ্যার (n) যোগফলকে ঐ পরমাণুর ভরসংখ্যা (A) বলে। যেহেতু ভরসংখ্যা হলো প্রোটন সংখ্যা ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল, কাজেই ভরসংখ্যা থেকে প্রোটন সংখ্যা বিয়োগ করলে নিউট্রন সংখ্যা পাওয়া যায়। প্রশ্নানুযায়ী ক্লোরিনের (Cl) ভরসংখ্যা হলো 35, এর প্রোটন সংখ্যা 17, ফলে এর টিউট্রন সংখ্যা হচ্ছে A-Z = 35-17= 18।

ব্যাখ্যা

এটি পরমাণুর মৌলিক গঠন সংক্রান্ত একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন।
কোনো মৌলের প্রতীক যখন ZAX{}^A_Z X আকারে লেখা হয়, তখন:
A (উপরে লিখিত সংখ্যা) হলো ভর সংখ্যা (Mass Number)। এটি হলো পরমাণুর নিউক্লিয়াসে থাকা প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার সমষ্টি
Z (নিচে লিখিত সংখ্যা) হলো পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number)। এটি হলো পরমাণুতে থাকা প্রোটন সংখ্যা
দেওয়া আছে মৌলটি হলো 1735extCl{}^{35}_{17} ext{Cl}
এখানে, ভর সংখ্যা (A) = 35 এবং পারমাণবিক সংখ্যা (Z) = 17
নিউট্রন সংখ্যা নির্ণয়ের সূত্র হলো:
নিউট্রন সংখ্যা (N) = ভর সংখ্যা (A) - প্রোটন সংখ্যা (Z)
নির্ণেয় নিউট্রন সংখ্যা = 3517=1835 - 17 = 18
সঠিক উত্তর হলো 18। (অন্যান্য অপশনগুলো: 17 হলো প্রোটন সংখ্যা; 35 হলো ভর সংখ্যা)।
132

কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ তা কিসের মাধ্যমে নির্ণয় করা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘনীভবন
  2. বাষ্পীভবন
  3. গলনাঙ্ক
  4. স্ফুটনাঙ্ক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কঠিন যৌগের বিশুদ্ধতার মানদণ্ড হলো স্থির গলনাঙ্ক, স্থির প্রতিসরাঙ্ক, স্ফটিকাকৃতি ও আপেক্ষিক গুরুত্বের নির্দিষ্ট মান। তরল যৌগের বিশুদ্ধতার মানদণ্ড হলো স্থির স্ফুটনাঙ্ক, স্থির প্রতিসরাঙ্ক ও ঘনত্বের নির্দিষ্ট মান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গলনাঙ্ক (Melting Point)
বিশুদ্ধ কঠিন পদার্থ একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় গলে যায়, যাকে তার নির্দিষ্ট গলনাঙ্ক বলা হয়। যেমন, বিশুদ্ধ বরফের গলনাঙ্ক 0C0^{\circ}C
যদি কঠিন পদার্থে কোনো অপদ্রব্য বা ভেজাল মিশ্রিত থাকে, তবে তা সেই কঠিন পদার্থের গলনাঙ্ককে কমিয়ে দেয় এবং একটি নির্দিষ্ট তাপমাত্রার পরিবর্তে এটি তাপমাত্রার একটি পাল্লা ধরে গলতে থাকে।
সুতরাং, কোনো কঠিন পদার্থ বিশুদ্ধ নাকি অবিশুদ্ধ, তা তার গলনাঙ্ক পরিমাপের মাধ্যমে সবচেয়ে সহজে ও নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ণয় করা যায়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, স্ফুটনাঙ্ক (Boiling Point) সাধারণত তরল পদার্থের বিশুদ্ধতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়। ঘনীভবন ও বাষ্পীভবন হলো পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন প্রক্রিয়া, যা সরাসরি বিশুদ্ধতা নির্ণয়ের পরিমাপক নয়।
133

অ্যানোডে কোন বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জারণ
  2. বিজারণ
  3. প্রশমন
  4. পানিযোজন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ ও তড়িৎ রাসায়নিক কোষে যেসব পদার্থ তড়িৎ পরিবহন করে তাদেরকে তড়িৎদ্বার বলে। তড়িৎ বিশ্লেষ্য কোষ ও তড়িৎ রাসায়নিক কোষের গঠনে দুই ধরনের তড়িৎদ্বার দেখা যায়- একটি অ্যানোড ও অপরটি ক্যাথোড। যে তড়িৎদ্বারে জারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে অ্যানোড এবং যে তড়িৎদ্বারে বিজারণ বিক্রিয়া সম্পন্ন হয় তাকে ক্যাথোড বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জারণ
তড়িৎ রাসায়নিক কোষে (Electrochemical Cell) বা তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় যে ইলেকট্রোডটিতে ইলেকট্রন বর্জন বা অক্সিডেশন (Oxidation) ঘটে, সেটিই হলো অ্যানোড
অ্যানোড হলো সেই ইলেকট্রোড, যেখানে সাধারণত ধনাত্মক আধানের প্রতি আসক্তি (Anion attraction) সৃষ্টি হয় এবং অ্যানায়নগুলো ইলেকট্রন ত্যাগ করে জারিত হয়।
বিক্রিয়াটি সর্বদা মনে রাখবেন: অ্যানোড = জারণ এবং ক্যাথোড = বিজারণ। এই নিয়মটি সকল প্রকার কোষের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।
অন্যদিকে, বিজারণ (Reduction) প্রক্রিয়ায় ইলেকট্রন গ্রহণ করা হয়, যা সবসময় ক্যাথোডে সম্পন্ন হয়। তাই বিজারণ উত্তরটি ভুল।
134

একটি বাল্বে ‘60 W-220 V’ লেখা আছে। বাল্বটির রোধ কত ওহম (Ohm)?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 16.36
  2. 160
  3. 280
  4. 806.67

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি তড়িৎ ক্ষমতা (Power) এবং রোধ (Resistance) সংক্রান্ত একটি মৌলিক গাণিতিক সমস্যা।
এখানে প্রদত্ত মানগুলো হলো:
ক্ষমতা (P) = 60 W (ওয়াট)
বিভব পার্থক্য (V) = 220 V (ভোল্ট)
আমাদেরকে রোধ (R) এর মান বের করতে হবে।
ক্ষমতা (P), বিভব পার্থক্য (V) এবং রোধ (R)-এর মধ্যে সম্পর্কযুক্ত সূত্রটি হলো: P=V2RP = \frac{V^2}{R}
সুতরাং, রোধ (R) নির্ণয়ের সূত্রটি হবে: R=V2PR = \frac{V^2}{P}
প্রাপ্ত মানগুলো সূত্রে বসিয়ে পাই:
R=(220 V)260 WR = \frac{(220 \text{ V})^2}{60 \text{ W}}
R=4840060R = \frac{48400}{60}
R806.666 ওহম (Ohm)R \approx 806.666 \text{ ওহম (Ohm)}
নিকটতম মান হিসেবে সঠিক উত্তর হলো 806.67
135

নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তেল
  2. গ্যাস
  3. কয়লা
  4. বায়োগ্যাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যেসব জ্বালানি নানা প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া যায়, যেগুলোর মজুদ ভবিষ্যতে কখনো শেষ হবে না অর্থাৎ বারবার ব্যবহার করা যায় তাদেরকে নবায়নযোগ্য জ্বালানি বলে। সূর্যরশ্মি, বায়োগ্যাস ইত্যাদি নবায়নযোগ্য জ্বালানির উৎস। স্থিতিশীল টেকসই উন্নয়নের প্রথম শর্ত দূষণহীন বিকল্প শক্তির উৎসের সন্ধান করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়োগ্যাস
নবায়নযোগ্য জ্বালানি (Renewable Energy) হলো সেইসব প্রাকৃতিক উৎস, যা ব্যবহার করার পর স্বল্প সময়ের মধ্যে প্রকৃতিতে পুনরায় তৈরি হয় বা শেষ হয়ে যায় না। বায়োগ্যাস এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত, কারণ এটি গোবর, প্রাণীর মল বা জৈব বর্জ্য পচিয়ে তৈরি করা হয় এবং এর উৎস (যেমন গোবর) প্রাকৃতিকভাবে পূরণ হতে থাকে।
অপরদিকে, তেল, গ্যাস এবং কয়লা হলো নবায়নঅযোগ্য জ্বালানি (Non-renewable Energy)। এগুলোকে একত্রে জীবাশ্ম জ্বালানি (Fossil Fuels) বলা হয়। এদের ভাণ্ডার সীমিত এবং ব্যবহার করলে তা নিঃশেষ হয়ে যায়।
136

কার্বোহাইড্রোডে C,H এবং O – এর অনুপাত কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ : ১ : ২
  2. ১: ২: ১
  3. ১ : ৩ : ২
  4. ১ : ৩ : ১

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কার্বোহাইড্রেট হলো কার্বন, হাইড্রোজেন ও অক্সিজেনের সমন্বয়ে গঠিত এক প্রকার জৈব রাসায়নিক পদার্থ। এতে C,H ও O– এর অনুপাত যথাক্রমে ১ : ২ : ১। কার্বোহাইড্রেট জীবদেহের শক্তির প্রধান উৎস হিসেবে কাজ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ : ২ : ১
কার্বোহাইড্রেটের নামকরণ করা হয়েছে এর রাসায়নিক গঠনের ভিত্তিতে। এর সাধারণ সংকেত হলো Cn(H2O)nC_n(H_2O)_n বা CnH2nOnC_n H_{2n} O_n
এই সংকেত থেকে দেখা যায়, কার্বন (C), হাইড্রোজেন (H) এবং অক্সিজেন (O)-এর পরমাণু সংখ্যার অনুপাত হলো n:2n:nn : 2n : n
এই অনুপাতকে সরল করলে পাওয়া যায় ১ : ২ : ১
উদাহরণস্বরূপ, বহুল পরিচিত কার্বোহাইড্রেট গ্লুকোজের সংকেত হলো C6H12O6C_6 H_{12} O_6
এখানে C:H:O = ৬:১২:৬। এটিকে ৬ দ্বারা ভাগ করলে অনুপাত হয় ১:২:১
137

AC কে DC করার যন্ত্র-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রেকটিফায়ার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. ট্রান্সজিস্টর
  4. ডায়োড

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রেকটিফায়ার হলো একটি বৈদ্যুতিক যন্ত্র যা পরিবর্তনশীল বিদ্যুৎ প্রবাহকে (যার দিক পর্যায়ক্রমিকভাবে পরিবর্তন হয়), একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তরিত করে অর্থাৎ AC কে DC- তে রূপান্তর করে, যার দিক হলো একটি নির্দিষ্ট দিকে এবং এই প্রক্রিয়াকে রেকটিফিকেশন বা একমুখীকরণ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রেকটিফায়ার (Rectifier)
যে যন্ত্র বা সার্কিট দ্বারা AC (Alternating Current) বা পরিবর্তী বিদ্যুৎ প্রবাহকে DC (Direct Current) বা একমুখী বিদ্যুৎ প্রবাহে রূপান্তর করা হয়, তাকে রেকটিফায়ার বলে। এই প্রক্রিয়াকে রেকটিফিকেশন বলা হয়।
আমাদের বাসা বাড়িতে ব্যবহৃত বিদ্যুৎ (AC) থেকে মোবাইল চার্জার, টিভি, ল্যাপটপ ইত্যাদি চালানোর জন্য DC বিদ্যুতের প্রয়োজন হয়। রেকটিফায়ার সেই কাজটি করে।
ডায়োড: এটি রেকটিফায়ারের মূল উপাদান, যা বিদ্যুৎকে শুধুমাত্র একদিকে প্রবাহিত হতে দেয়। কিন্তু ডায়োড এককভাবে পূর্ণাঙ্গ AC-DC রূপান্তরকারী যন্ত্র নয়।
অ্যামপ্লিফায়ার: এটি বিদ্যুতের সিগনালের শক্তি (strength) বৃদ্ধি করে, AC কে DC করে না।
ট্রান্সজিস্টর: এটি সাধারণত ইলেকট্রনিক সিগনালকে বিবর্ধন (Amplification) বা সুইচিংয়ের কাজে ব্যবহৃত হয়।
138

বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয় কোন যন্ত্রের মাধ্যমে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাউড স্পিকার
  2. অ্যামপ্লিফায়ার
  3. জেনারেটর
  4. মাল্টিমিটার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্পিকার মাইক্রোফোনের ঠিক বিপরীত কাজ করে অর্থাৎ বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। যখন শব্দ থেকে তৈরি বৈদ্যুতিক সিগন্যালকে অ্যামপ্লিফায়ার দিয়ে বিবর্ধিত করে স্পিকারে পাঠানো হয় তখন কাগজ বা হালকা ধাতুর তৈরি শঙ্কু বা কোনটি সামনে-পেছনে কম্পিত হয়ে যথাযথ শব্দ তৈরি করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লাউড স্পিকার (Loud Speaker)
লাউড স্পিকার যন্ত্রটি বৈদ্যুতিক সিগন্যাল গ্রহণ করে এবং সেটিকে যান্ত্রিক কম্পনের (Mechanical Vibration) মাধ্যমে শব্দ শক্তিতে (Sound Energy) রূপান্তরিত করে। সুতরাং, এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরের একটি প্রধান উদাহরণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর কাজ নিম্নরূপ:
অ্যামপ্লিফায়ার (Amplifier): এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করে না, বরং দুর্বল বৈদ্যুতিক সংকেতকে শক্তিশালী বৈদ্যুতিক সংকেতে রূপান্তরিত করে।
জেনারেটর (Generator): এটি যান্ত্রিক শক্তিকে (Mechanical Energy) বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
মাল্টিমিটার (Multimeter): এটি কোনো শক্তি রূপান্তর করে না, বরং বিদ্যুৎ প্রবাহ, ভোল্টেজ বা রোধের মতো বৈদ্যুতিক পরিমাপসমূহ নির্ণয় করতে ব্যবহৃত হয়।
139

বাতাসের আর্দ্রতা মাপার যন্ত্রের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাইক্রোমিটার
  2. হাইগ্রোমিটার
  3. ব্যারোমিটার
  4. গ্রাভিমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাতাসের আর্দ্রতা মাপার যন্ত্র হলো হাইগ্রোমিটার। ব্যারোমিটারের সাহায্যে বায়ুমণ্ডলের চাপ নির্ণয় করা যায়।

ব্যাখ্যা

বাতাসের আর্দ্রতা বা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয় হাইগ্রোমিটার (Hygrometer)
আর্দ্রতা পরিমাপের জন্য এটিই সঠিক যন্ত্র।
হাইগ্রোমিটার মূলত বায়ুমণ্ডলে জলীয় বাষ্পের ঘনত্ব (humidity) পরিমাপ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যবহার:
ব্যারোমিটার (Barometer): এটি বায়ুমণ্ডলের বায়ুচাপ (Atmospheric Pressure) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। বিসিএস পরীক্ষায় এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি অপশন।
মাইক্রোমিটার (Micrometer): এটি অত্যন্ত ক্ষুদ্র দৈর্ঘ্য, ব্যাস বা পুরুত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
গ্রাভিমিটার (Gravimeter): এটি কোনো স্থানের মাধ্যাকর্ষণ শক্তি (Gravitational Acceleration) পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
140

কোথায় সাঁতার কাটা সহজ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুকুরে
  2. খালে
  3. নদীতে
  4. সাগরে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে পানির ঘনত্ব বেশি সে পানিতে সাঁতার কাটা সহজ। সমুদ্রের পানিতে ২.৫% থেকে ৩.৫% লবণ দ্রবীভূত অবস্থায় থাকে যার ফলে পুকুর, নদী বা বিলের পানির চেয়ে সমুদ্রের পানির ঘনত্ব বেশি। তাই সমুদ্রের পানিতে সাঁতার কাটা সহজ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সাগরে। সাঁতার কাটা সহজ হওয়ার পেছনের মূল বৈজ্ঞানিক কারণ হলো প্লবতা (Buoyancy) এবং তরলের ঘনত্ব (Density)।
সাগরের জলে প্রচুর পরিমাণে লবণ মিশ্রিত থাকে, যার ফলে সাগরের জলের ঘনত্ব পুকুর, খাল বা নদীর (মিঠা জল) জলের ঘনত্বের চেয়ে অনেক বেশি হয়।
বিজ্ঞানী আর্কিমিডিসের সূত্র অনুযায়ী, কোনো বস্তুকে তরলে নিমজ্জিত করলে বস্তুটির উপর যে ঊর্ধমুখী বল প্রযুক্ত হয় (প্লবতা), তা তরলের ঘনত্বের সমানুপাতিক।
যেহেতু সাগরের জলের ঘনত্ব বেশি, তাই এটি সাঁতারুর শরীরে বেশি প্লবতা বা ঊর্ধমুখী ঠেলা দেয়, ফলে সাঁতারু সহজে ভেসে থাকতে পারে এবং সাঁতার কাটা সহজ হয়।
141

ডিমে কোন ভিটামিন নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিটামিন-এ
  2. ভিটামিন-বি
  3. ভিটামিন-সি
  4. ভিটামিন-ডি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ডিমে ভিটামিন সি নেই। ডিমের মধ্যে ভিটামিন- A, B, D ও E বিদ্যমান রয়েছে। ভিটামিন-সি রয়েছে টাটকা টক জাতীয় ফল ও তরিতরকারি যেমন- কমলালেবু, বাতাবিলেবু, পাতিলেবু, আনারস, আঙ্গুর, আম, জাম, আমলকি, টমেটো, শাক, বরবটি প্রভৃতিতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ভিটামিন-সি
ডিমকে একটি প্রায় সম্পূর্ণ খাদ্য (Complete Food) বলা হয়, কারণ এতে প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ফ্যাট, মিনারেলস এবং বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ভিটামিন প্রচুর পরিমাণে থাকে।
ডিমের কুসুম ভিটামিন এ, ডি, ই, কে এবং ভিটামিন বি কমপ্লেক্সের (যেমন B12, ফলিক অ্যাসিড) একটি চমৎকার উৎস।
তবে, ডিমে প্রাকৃতিকভাবে ভিটামিন-সি একেবারেই অনুপস্থিত থাকে।
ভিটামিন-সি মূলত টকজাতীয় ফল (যেমন: লেবু, আমলকী, পেয়ারা) এবং সতেজ শাকসবজিতে পাওয়া যায়। এটি একমাত্র ভিটামিন যা রান্নার তাপে দ্রুত নষ্ট হয়ে যায়।
142

কোনটির জন্য পুষ্প রঙ্গিন ও সুন্দর হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রোমোপ্লাস্ট
  2. ক্লোরোপ্লাস্ট
  3. ক্রোমোটোপ্লাস্ট
  4. লিউকোপ্লাস্ট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রঙিন (সবুজ ছাড়া) প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্ট বলে। ক্যারোটিন (কমলা-লাল) এবং জ্যান্থোফিল (হলুদ) পিগমেন্টের জন্যে এরা রঙিন হয়। উদ্ভিদের যেসব অঙ্গ বর্ণময় সেসব অঙ্গে ক্রোমোপ্লাস্ট থাকে। ক্রোমোপ্লাস্টের উপস্থিতির জন্য পুষ্প, পাতা, ফল ও বীজ সুন্দর হয়। তাই কীটপতঙ্গ আকৃষ্ট হয়ে পরাগায়নে সাহায্য করে। রঙের কারণে ফল এবং বীজের বিস্তারেও এদের ভূমিকা রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্রোমোপ্লাস্ট (Chromoplast)
ক্রোমোপ্লাস্ট হলো এমন এক ধরনের প্লাস্টিড, যা সবুজ বাদে অন্যান্য রঙের (যেমন: লাল, হলুদ, কমলা ইত্যাদি) রঞ্জক পদার্থ ধারণ করে। এই রঞ্জকগুলির মধ্যে ক্যারোটিন (Carotene) এবং জ্যান্থোফিল (Xanthophyll) প্রধান।
পুষ্প বা ফলকে রঙ্গিন ও সুন্দর করার প্রধান কাজ হলো এই ক্রোমোপ্লাস্টের। এই রং কীটপতঙ্গ বা প্রাণীকে আকর্ষণ করে, যা উদ্ভিদের পরাগায়ন বা বীজ বিতরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
143

সোডিয়াম এসিটেটের সংকেত-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. CH2COONa

  2. (CH3COO)2Ca

  3. CH3COONa

  4. CHCOONa

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: CH₃COONa। এটি হলো সোডিয়াম অ্যাসিটেটের (Sodium Acetate) রাসায়নিক সংকেত।
সোডিয়াম অ্যাসিটেট হলো একটি দুর্বল এসিড (অ্যাসেটিক এসিড, CH3COOH\text{CH}_3\text{COOH}) এবং একটি সবল ক্ষার (সোডিয়াম হাইড্রক্সাইড, NaOH\text{NaOH}) এর বিক্রিয়ায় উৎপন্ন লবণ।
অ্যাসেটিক অ্যাসিডের অ্যাসিডিক হাইড্রোজেনটি সোডিয়াম দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়ে অ্যাসিটেট আয়ন (CH3COO\text{CH}_3\text{COO}^-) এবং সোডিয়াম আয়ন (Na+\text{Na}^+) যুক্ত হয়ে এই লবণটি গঠন করে।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, (CH₃COO)₂Ca হলো ক্যালসিয়াম অ্যাসিটেট। ক্যালসিয়াম (Ca\text{Ca}) দ্বিযোজী হওয়ায় এর সাথে দুটি অ্যাসিটেট মূলক যুক্ত হয়।
144

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোটোন
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোবার
  4. আইসোমার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ। যেসব পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাকে আইসোটোপ বলে। ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণত কোবাল্ট ৬০ (60Co) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো আইসোটোপ। তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ বা রেডিওআইসোটোপ হলো সেই পরমাণু যাদের নিউক্লিয়াস অস্থির এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে ক্ষয়প্রাপ্তির মাধ্যমে আলফা, বিটা ও গামা বিকিরণ নির্গত করে।
ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা বিকিরণ ব্যবহার করা হয়, কারণ গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা (Penetration Power) অত্যন্ত বেশি। এটি শরীরের অভ্যন্তরে প্রবেশ করে ক্যান্সার আক্রান্ত কোষগুলোকে টার্গেট করে ধ্বংস করতে সক্ষম।
এই ধরনের চিকিৎসাকে রেডিওথেরাপি বা বিকিরণ থেরাপি বলা হয়। বহুল ব্যবহৃত তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো কোবাল্ট-৬০ (Cobalt-60) এবং সিজিয়াম-১৩৭ (Caesium-137)
অন্যান্য অপশন যেমন—আইসোটোন (নিউটনের সংখ্যা সমান), আইসোবার (ভর সংখ্যা সমান) অথবা আইসোমার (রাসায়নিক সূত্র সমান কিন্তু গঠন ভিন্ন)—এগুলো সরাসরি তেজস্ক্রিয় বিকিরণের উৎস নয়।
145

খাদ্য তৈরির জন্য উদ্ভিদ বায়ু থেকে গ্রহণ করে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অক্সিজেন
  2. কার্বন-ডাই-অক্সাইড
  3. নাইট্রোজেন
  4. জলীয় বাষ্প

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বায়ু ছাড়া কোনো প্রাণী বা উদ্ভিদ কিছুই বাঁচতে পারে না। আমরা যে শুধু শ্বাসকার্যে বায়ু ব্যবহার করি তা নয়, বায়ু সমগ্র উদ্ভিদ ও প্রাণিকুলের জন্য খাদ্য যোগায়। আমাদের নিঃশ্বাস থেকে প্রতি মুহূর্তে বায়ুমণ্ডলে প্রচুর কার্বন ডাই-অক্সাইড যোগ হচ্ছে। উদ্ভিদ তাদের খাদ্য তৈরির জন্য বায়ু থেকে এই কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করছে এবং সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে উদ্ভিদ নিজের খাদ্য নিজেই তৈরি করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কার্বন-ডাই-অক্সাইড
উদ্ভিদ যে প্রক্রিয়ায় নিজের খাদ্য নিজে তৈরি করে, তাকে সালোকসংশ্লেষণ (Photosynthesis) বলা হয়। এই প্রক্রিয়ায় উদ্ভিদ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড (extCO2 ext{CO}_2) গ্যাস গ্রহণ করে।
শিকড়ের মাধ্যমে শোষিত জল এবং পাতার ক্লোরোফিলসূর্যালোকের উপস্থিতিতে এই extCO2 ext{CO}_2 ব্যবহার করে শর্করা জাতীয় খাদ্য (গ্লুকোজ) তৈরি হয়।
খাদ্য তৈরির সময় অক্সিজেন উপজাত দ্রব্য হিসেবে পরিবেশে মুক্ত হয়। তাই অক্সিজেন গ্রহণ করে না, বরং ত্যাগ করে। নাইট্রোজেন সাধারণত মাটি থেকে গ্রহণ করে এবং জলীয় বাষ্পের চেয়ে মূলের মাধ্যমে জল শোষণই খাদ্যের মূল কাঁচামাল।
146

মুদ্রিত লেখা সরাসরি ইনপুট নেয়ার জন্য নীচের কোনটি ব্যবহৃত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. OMR
  2. OCR
  3. MICR
  4. Scanner

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

MICR (Magnetic Ink Character Recognition) প্রধানত ব্যাংকে ব্যবহৃত মুদ্রিত লেখা (চেক বা ডকুমেন্ট) সরাসরি ইনপুট হিসেবে নেয়ার প্রযুক্তি। OMR কাগজে দাগানো চিহ্ন শনাক্ত করে। OCR মুদ্রিত কাজ সরাসরি ইনপুট নিতে ব্যবহৃত হয়। MICR গাণিতিক সংখ্যা ব্যতীত আর কিছুই পড়তে পারে না। অপর দিকে চিঠির পিন কোড, ইলেকট্রিক বিল, বাজার সমীক্ষা ইত্যাদি পড়ার জন্য OCR ব্যবহৃত হয়। আর Scanner লেখা, ছবি বা বস্তুর আকৃতিকে ডিজিটাল ছবিতে রূপান্তরিত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: OCR (Optical Character Recognition)।
মুদ্রিত বা টাইপ করা লেখাকে সরাসরি কম্পিউটারে ইনপুট বা পাঠযোগ্য আকারে (editable text) রূপান্তর করার প্রযুক্তিই হলো OCR। এটি একটি বিশেষ সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যারের সমন্বয়ে কাজ করে।
যদিও Scanner মুদ্রিত লেখা ইনপুট নেওয়ার জন্য প্রাথমিক ডিভাইস, কিন্তু এটি শুধু ছবি (Image) হিসেবে গ্রহণ করে। সেই ছবি থেকে লেখাকে আলাদা করে অক্ষর হিসেবে চেনার কাজটি করে OCR প্রযুক্তি। তাই প্রশ্নে বর্ণিত 'সরাসরি ইনপুট নেওয়ার' জন্য OCR হলো সবচেয়ে সঠিক প্রযুক্তিগত উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, OMR (Optical Mark Recognition) হলো উত্তরপত্রে বৃত্ত ভরা বা মার্ক চেনার প্রযুক্তি। আর MICR (Magnetic Ink Character Recognition) সাধারণত ব্যাংক চেক-এ ব্যবহৃত বিশেষ চৌম্বকীয় কালিযুক্ত অক্ষর পড়ার প্রযুক্তি।
147

নিচের কোন প্রোগ্রামটি একটি সম্পূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রোমকে একবারে অনুবাদ ও সম্পাদন করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Interpreter
  2. Emulator
  3. Compiler
  4. Simulator

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কম্পাইলার (Compiler) ও ইন্টারপ্রেটার (Interpreter) উভয়ই অনুবাদক প্রোগ্রাম হলেও কম্পাইলার উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা একটি সম্পূর্ণ প্রোগ্রামকে একসাথে অনুবাদ করে। অন্যদিকে ইন্টারপ্রেটার উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষায় লেখা একটি প্রোগ্রামকে এক লাইন এক লাইন করে অনুবাদ করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কম্পাইলার (Compiler)
কম্পাইলার (Compiler) হলো একটি সিস্টেম সফটওয়্যার, যা উচ্চ-স্তরের ভাষায় লেখা সম্পূর্ণ সোর্স কোডকে একবারে মেশিন কোডে (Object Code) অনুবাদ করে এবং এরপর সেটি সম্পাদন (execute) করে।
প্রশ্নটির মূল শব্দবন্ধ 'সম্পূর্ণ কম্পিউটার প্রোগ্রোমকে একবারে অনুবাদ ও সম্পাদন করে'—যা সরাসরি কম্পাইলারের সংজ্ঞা নির্দেশ করে।
অন্যদিকে, ইন্টারপ্রিটার (Interpreter) প্রোগ্রামকে লাইন বাই লাইন অনুবাদ করে এবং সাথে সাথে সম্পাদন করে। এই কারণে ইন্টারপ্রিটার তুলনামূলকভাবে ধীরগতিতে কাজ করে।
এমুলেটর (Emulator) এবং সিমুলেটর (Simulator) কোনো অনুবাদক প্রোগ্রাম নয়, বরং এরা একটি সিস্টেমকে অন্য কোনো হার্ডওয়্যার বা সফটওয়্যারের কাজের পরিবেশ নকল করতে সাহায্য করে।
148

নিচের কোনটি একই সাথে ইনপুট ও আউটপুট হিসেবে কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Mouse
  2. Microphone
  3. Touch Screen
  4. Printer

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

স্মার্ট ফোন, ডিজিটাল ক্যামেরা, মডেম, নেটওয়ার্ক কার্ড ইত্যাদি ডিভাইসের মতো টাচস্ক্রিনও একটি ইনপুট-আউটপুট ডিভাইস। অন্যদিকে মাউস ইনপুট ডিভাইস ও মাইক্রোফোন এবং প্রিন্টার আউটপুট ডিভাইস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Touch Screen (টাচ স্ক্রিন)
টাচ স্ক্রিন একই সাথে তথ্য প্রদর্শন করে (যা আউটপুট বা বহির্গমন) এবং ব্যবহারকারীর স্পর্শ বা অঙ্গভঙ্গি গ্রহণ করে (যা ইনপুট বা অন্তর্গমন)। তাই এটি দ্বৈত (Dual) ডিভাইস হিসেবে কাজ করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে:
Mouse (মাউস)Microphone (মাইক্রোফোন) হলো কেবল ইনপুট ডিভাইস (এরা কম্পিউটারে তথ্য বা নির্দেশ প্রবেশ করায়)।
Printer (প্রিন্টার) হলো কেবল আউটপুট ডিভাইস (এটি কম্পিউটার থেকে প্রক্রিয়াকৃত তথ্য কাগজে প্রদর্শন করে)।
149

নিচের কোনটি Octal number নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 19
  2. 77
  3. 15
  4. 101

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে 0, 1, 2, 3, 4, 5 ,6 ও 7 – এ 8টি অংক (digit) ব্যবহৃত হয়। সুতরাং অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে অংক (1-7) এর মধ্যে হবে। অপশন (ক) এ নয় অঙ্কটি অক্টাল সংখ্যা পদ্ধতিতে হয় না। এ হিসেবে 1-7, 10-17, 20- 27 ইত্যাদি হলো অক্টাল সংখ্যা। সুতরাং 8, 9, 18, 19, 28, 29 ইত্যাদি অক্টাল সংখ্যা নয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯
সংখ্যা পদ্ধতির নিয়মানুসারে, যে কোনো সংখ্যার ভিত্তির (Base) চেয়ে ছোট অঙ্কের ব্যবহার করতে হয়।
অক্টাল (Octal) সংখ্যা পদ্ধতির ভিত্তি (Base) হলো । এর মানে হলো, এই সংখ্যা পদ্ধতিতে শুধুমাত্র ০ থেকে ৭ পর্যন্ত মোট আটটি বৈধ অঙ্ক ব্যবহার করা যায়।
বিকল্পগুলোর মধ্যে '১৯' সংখ্যাটিতে অঙ্কটি ব্যবহার করা হয়েছে। যেহেতু ৯ অঙ্কটি অক্টাল পদ্ধতির সর্বোচ্চ বৈধ অঙ্ক (৭)-এর চেয়ে বড়, তাই '১৯' কখনোই অক্টাল সংখ্যা হতে পারে না।
অন্যদিকে, ৭৭, ১৫, এবং ১০১ সংখ্যাগুলোতে ব্যবহৃত অঙ্কগুলো (০, ১, ৫, ৭) বৈধ অক্টাল ডিজিট, তাই এগুলো অক্টাল সংখ্যা হতে পারে।
150

একটি রিলেশনাল ডাটাবেস মডেলে নিচের কোনটি দ্বারা Relation প্রকাশ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Tuples
  2. Attributes
  3. Tables
  4. Rows

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ডেটাবেসের একটি টেবিলের রেকর্ডের সাথে অন্য এক বা একাধিক টেবিলের রেকর্ডের সম্পর্ককে ডেটাবেস রিলেশন বলা হয়। সুতরাং রিলেশনাল ডেটাবেস মডেলে বিভিন্ন ডেটা টেবিলের মধ্যেই লজিক্যাল সম্পর্ক প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Tables (টেবিল)।
একটি রিলেশনাল ডাটাবেস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমে (RDBMS) ডেটা সংগঠিত করার মৌলিক কাঠামোকে Relation বলা হয়। প্রাত্যহিক ব্যবহারে আমরা এই Relation-কেই Table বা সারণী বলে থাকি।

একটি রিলেশনে সাধারণত ডেটা Row (সারি) এবং Column (কলাম) আকারে সজ্জিত থাকে।

অন্যান্য অপশনগুলো Relation-এর অংশ হলেও তা সম্পূর্ণ Relation নয়:
Tuples (টাপল) বা Rows (সারি): এরা রিলেশনের মধ্যে একটি মাত্র রেকর্ড বা তথ্যসারি নির্দেশ করে।
Attributes (অ্যাট্রিবিউটস): এরা কলামের শিরোনাম বা কলামকে নির্দেশ করে, যা ডেটার বৈশিষ্ট্য বোঝায়।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “40th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 40th (2019) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

40th (2019) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 40th (2019) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।