সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

23th (2001) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 23th (2001) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 23th (2001) পরীক্ষার ৯৬টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

চাঁদ সওদাগর বাংলা কোন কাব্যধারার চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চণ্ডীমঙ্গল
  2. মনসামঙ্গল
  3. ধর্মমঙ্গল
  4. অন্নদামঙ্গল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মঙ্গলকাব্যগুলোর মধ্যে মনসামঙ্গল প্রাচীনতম। সাপের দেবী মনসার পূজা প্রচারের কাহিনিই এ কাব্যের বিষয়বস্তু। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো চাঁদ সওদাগর, বেহুলা, লখিন্দর ও মনসা দেবী। চণ্ডীমঙ্গল কাব্য হলো চণ্ডী (পার্বতীর রূপভেদ) দেবীকে অবলম্বন করে রচিত মঙ্গলকাব্য। ধর্মমঙ্গল হলো পঞ্চদশ থেকে অষ্টাদশ শতাব্দী পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম, বর্ধমান, বাকুঁড়া, মেদিনীপুর ইত্যাদি অঞ্চলে ধর্মঠাকুর বা ধর্ম নামের যে দেবতাকে নিম্নশ্রেণী ও কোথাও কোথাও উচ্চশ্রেণীর হিন্দুরা পূজা করত, সেই কাহিনী অবলম্বনে রচিত কাব্য। এ কাব্যের মূল চরিত্রগুলো হলো-হরিশ্চন্দ্র, মদনা, লুইচন্দ্র, কর্ণসেন, গৌড়েশ্বর, লাউসেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মনসামঙ্গল
চাঁদ সওদাগর হলেন সর্পদেবী মনসা বা পদ্মাবতীর মাহাত্ম্য প্রচারকারী মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গলের প্রধান পুরুষ চরিত্র।
এই কাব্যে চাঁদ সওদাগর শিবের উপাসক হয়েও কীভাবে মনসার মহিমা স্বীকারে বাধ্য হন এবং তার পুত্র লক্ষ্মীন্দরকে সাপের কামড়ে হারানোর পর পুত্রবধূ বেহুলার কঠোর ত্যাগের মাধ্যমে দেবীর পূজা প্রচারে রাজি হন—সেই কাহিনি বর্ণিত।
অন্যান্য মঙ্গলকাব্য: চণ্ডীমঙ্গলের প্রধান চরিত্র কালকেতুফুল্লরা; ধর্মমঙ্গলের প্রধান চরিত্র লাউসেন; এবং অন্নদামঙ্গলের প্রধান চরিত্র মানসিংহঈশ্বরী পাটনী
2

‘ইউসুফ-জোলেখা’ প্রণয়কাব্য অনুবাদ করেছে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দৌলত উজির বাহরাম খান
  2. মাগন ঠাকুর
  3. আলাওল
  4. শাহ্ মুহম্মদ সগীর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মধ্যযুগের বাংলা প্রণয়োপাখ্যানগুলোর অন্যতম ‘ইউসুফ-জোলেখা’র কাহিনি। ইউসুফ-জোলেখার যেসব পুঁথি পাওয়া গেছে তার মধ্যে কবি শাহ মুহম্মদ সগীর প্রণীত ‘ইউসুফ-জোলেখা’ অন্যতম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শাহ্ মুহম্মদ সগীর
তিনি বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম কবি হিসেবে পরিচিত।
তাঁর রচিত ‘ইউসুফ-জোলেখা’ কাব্যটি (আনুমানিক ১৪০০ খ্রিষ্টাব্দ) বাংলা সাহিত্যের প্রথম রোমান্টিক প্রণয়োপাখ্যান হিসেবে স্বীকৃত।
এই কাব্যটি পারস্য কবি ফেরদৌসী রচিত একই নামের কাব্য অবলম্বনে রচিত হয়েছিল।
অন্যান্য বিকল্পের কাজ: আলাওল-এর শ্রেষ্ঠ কাব্য ‘পদ্মাবতী’ এবং দৌলত উজির বাহরাম খান-এর বিখ্যাত কাব্য ‘লায়লী-মজনু’
3

ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ‘ভ্রান্তিবিলাস’ কোন নাটকের গদ্য অনুবাদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্চেন্ট অব ভেনিস
  2. কমেডি অব এররস
  3. অ্যা মিডসামার নাইটস ড্রিম
  4. টেমিং অব দ্য শ্রু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র (১৫৬৪-১৬১৬ খ্রি.) রচিত প্রথম নাটক ‘দ্য কমেডি অব এররস’ (১৫৯২-৯৩) অবলম্বনে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) ‘ভ্রান্তিবিলাস’ রচনা করেন। ১৮৬৯ সালে তিনি শেক্সপিয়রের এ নাটকটির বঙ্গানুবাদ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কমেডি অব এররস
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর রচিত ‘ভ্রান্তিবিলাস’ (প্রকাশকাল: ১৮৬৯ খ্রিষ্টাব্দ) হলো বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র-এর নাটক ‘The Comedy of Errors’-এর গদ্য অনুবাদ বা ভাবানুবাদ।
‘ভ্রান্তিবিলাস’ নামটিই বলে দেয় যে, এটি ভুল বা ভ্রম (ভ্রান্তি) নিয়ে লেখা। শেক্সপিয়রের ‘The Comedy of Errors’ নাটকটিও যমজ ভাইদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি (Mistaken Identity) বা ‘এরর’ নিয়ে রচিত।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: মার্চেন্ট অব ভেনিস) শেক্সপিয়রের বিখ্যাত নাটক হলেও সেগুলো বিদ্যাসাগরের এই নির্দিষ্ট রচনার উৎস নয়।
4

কখনো উপন্যাস লেখেননি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাজী নজরুল ইসলাম
  2. জীবনানন্দ দাশ
  3. সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
  4. বুদ্ধদেব বসু

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০ খ্রি.) আধুনিক বাংলা সাহিত্যের একজন বিখ্যাত কবি। তিনি অনেক কবিতা ও গদ্য রচনা করলেও কোনো উপন্যাস রচনা করেননি। কাজী নজরুল ইসলাম (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো বাঁধনহারা (১৯২৭), মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০) ও কুহেলিকা (১৯৩১)। জীবনানন্দ দাশ (১৮৯৯-১৯৫৪) রচিত উপন্যাস: মাল্যবান, কল্যানী। কবি ও কথাসাহিত্যিক বুদ্ধদেব বসু (১৯০৮-১৯৭৪ খ্রি.) রচিত উপন্যাস হলো সাড়া (১৯৩০), সানন্দা (১৯৩৩), নির্জন স্বাক্ষর (১৯৫১), তিথিডোর (১৯৫২), নীলাঞ্জনের খাতা (১৯৬০) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো সুধীন্দ্রনাথ দত্ত
সুধীন্দ্রনাথ দত্ত (১৯০১-১৯৬০) ছিলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রধান আধুনিক কবি ও মননশীল প্রবন্ধকার। তিনি তার জীবনকালে প্রধানত কবিতাপ্রবন্ধ রচনা করেছেন। তিনি কোনো উপন্যাস রচনা করেননি
বিংশ শতাব্দীর তিরিশের দশকের আধুনিক বাংলা কবিতার যে 'পঞ্চপাণ্ডব' গোষ্ঠী রয়েছে, সুধীন্দ্রনাথ দত্ত তাদের অন্যতম হলেও, উপন্যাসের ক্ষেত্রে তিনি নিস্পৃহ ছিলেন।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
কাজী নজরুল ইসলাম: তিনি উপন্যাস লিখেছেন, যেমন— 'বাঁধন হারা' (প্রথম পত্রোপন্যাস), 'মৃত্যুক্ষুধা''কুহেলিকা'
জীবনানন্দ দাশ: তিনি উপন্যাস লিখেছেন, যেমন— 'মাল্যবান', 'সুতীর্থ', 'কারু-বাসনা'
বুদ্ধদেব বসু: তিনি বহু উপন্যাস লিখেছেন, যেমন— 'তিথিডোর', 'সাড়া', 'একদা তুমি প্রিয়ে'
5

‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থের রচয়িতা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শওকত ওসমান
  2. জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত
  3. আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
  4. হাসান আজিজুল হক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্হটি বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭ খ্রি.) কর্তৃক রচিত। ১৯৮৫ সালে এটি প্রকাশিত হয়। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য রচনার মধ্যে রয়েছে চিলেকোঠার সেপাই (১৯৮৭), খোয়াবনামা (১৯৯৬) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

‘দুধেভাতে উৎপাত’ গল্পগ্রন্থটির রচয়িতা হলেন বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী ও মননশীল লেখক আখতারুজ্জামান ইলিয়াস
এই সংকলনটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি মূলত শহর ও গ্রামের নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত জীবনের জটিলতা ও মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েনকে তুলে ধরে।
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩–১৯৯৭) তাঁর গভীর সমাজচেতনা, ইতিহাস-সচেতনতা এবং সুঠাম গদ্যশৈলীর জন্য বিশেষভাবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলোও বিখ্যাত লেখক: শওকত ওসমান ('ক্রীতদাসের হাসি'র জন্য), জ্যোতিপ্রকাশ দত্ত, এবং হাসান আজিজুল হক ('জীবন ঘষে আগুন', 'আগুনপাখির গল্প'-এর জন্য)। যদিও ইলিয়াস ও হাসান আজিজুল হক একই ধারার শক্তিমান লেখক, কিন্তু আলোচ্য গল্পগ্রন্থটি ইলিয়াস-এর রচনা।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

রোহিনী-বিনোদিনী-কিরণময়ী কোন গ্রন্থগুচ্ছের চরিত্র?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিষবৃক্ষ-চতুরঙ্গ-চরিত্রহীন
  2. কৃষ্ণকান্তের উইল-যোগাযোগ-পথের দাবি
  3. দুর্গেশনন্দিনী-চোখের বালি-গৃহদাহ
  4. কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘কৃষ্ণকান্তের উইল’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো ভ্রমর, রোহিণী, হরলাল ও গোবিন্দলাল; রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘চোখের বালি’র প্রধান চরিত্রগুলো হলো মহেন্দ্র ও বিনোদিনী; শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত ‘চরিত্রহীন’ এর প্রধান চরিত্রগুলো হলো সতীশ, সাবেত্রী, কিরণময়ী ও দিবাকর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: কৃষ্ণকান্তের উইল-চোখের বালি-চরিত্রহীন। এটি বাংলা সাহিত্যের তিন কিংবদন্তী লেখকের তিনটি বিখ্যাত উপন্যাসের প্রধান চরিত্রগুচ্ছ।
১. রোহিণী চরিত্রটি অমর সাহিত্যস্রষ্টা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত বিখ্যাত উপন্যাস 'কৃষ্ণকান্তের উইল'-এর।
২. বিনোদিনী চরিত্রটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত অত্যন্ত জনপ্রিয় উপন্যাস 'চোখের বালি'-এর কেন্দ্রীয় চরিত্র।
৩. কিরণময়ী চরিত্রটি ‘অপরাজেয় কথাশিল্পী’ শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত অন্যতম আলোচিত উপন্যাস 'চরিত্রহীন'-এর।

অন্যান্য বিকল্পগুলো ভুল, কারণ তারা এই তিনটি চরিত্রের সম্পূর্ণ সঠিক সংমিশ্রণ দেয়নি। উদাহরণস্বরূপ, 'বিষবৃক্ষ'-এর প্রধান নারী চরিত্র হলো কুন্দনন্দিনী
7

‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’-এ প্রার্থনাটি করেছে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভাঁড়ুদত্ত
  2. চাঁদ সওদাগর
  3. ঈশ্বরী পাটনী
  4. নলকুবের

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অষ্টাদশ শতকের শ্রেষ্ঠ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর (আনুমানিক ১৭০৭-১৭৬০ খ্রি.) রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যে ঈশ্বরী পাটনী, হীরা মালিনী প্রভৃতি চরিত্র একান্ত বাস্তব হয়ে ফুটে উঠেছে। আলোচ্য উক্তিটির মাধ্যমে বাংলা সাহিত্যের অমর চরিত্র ঈশ্বরী পাটনী অন্নদা (চণ্ডী) দেবীর কাছে প্রার্থনা করেছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঈশ্বরী পাটনী
উদ্ধৃত বিখ্যাত উক্তিটি মধ্যযুগের কবি ভারতচন্দ্র রায় গুণাকর রচিত অন্নদামঙ্গল কাব্যের অংশ।
দেবী অন্নপূর্ণা ছদ্মবেশে গঙ্গা পার হওয়ার সময় মাঝির স্ত্রী ঈশ্বরী পাটনীকে এই বর দেন।
পাটনী দেবী অন্নপূর্ণার কাছে সম্পদ বা ক্ষমতার বদলে বাঙালির চিরন্তন আকাঙ্ক্ষা—নিরাপদ অন্ন ও বন্ত্রের নিশ্চয়তা— ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধেভাতে’—এই প্রার্থনাটি করেন।
অন্যান্য অপশন যেমন— চাঁদ সওদাগর (মনসামঙ্গল কাব্যের প্রধান চরিত্র) এবং ভাঁড়ুদত্ত (চণ্ডীমঙ্গল কাব্যের খল চরিত্র) এই কাব্যের সাথে সরাসরি যুক্ত নন।
8

‘হ্ম’ এর বিশ্লিষ্ট রূপ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্ + ঘ
  2. ক্ + ষ + ণ
  3. ক্ + ষ + ম
  4. হ্ + ম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

দুই বা তার চেয়ে বেশি ব্যঞ্জনধ্বনির মধ্যে কোনো স্বরধ্বনি না থাকলে সে ব্যঞ্জনধ্বনি দুটি বা ধ্বনি কয়টি একত্রে উচ্চারিত হয়। এরূপ যুক্ত ব্যঞ্জনধ্বনির দ্যোতনার জন্য দুটি বা অধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রিত হয়ে সংযুক্ত বর্ণ (Ligature) গঠিত হয়। ‘হ্ম’ এখানে এরূপ একটি সংযুক্ত বর্ণ। কারণ, হ্ + ম = হ্ম। উল্লেখ্য, ক্ + ষ = ক্ষ, ক্ + ষ + ণ = ক্ষ্ণ এবং ক্ + ষ + ম= ক্ষ্ম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হ্ + ম
বাংলা ব্যাকরণে যখন দুটি বা ততোধিক ব্যঞ্জনবর্ণ একত্রে যুক্ত হয়ে একটি ধ্বনি তৈরি করে, তখন তাকে যুক্তবর্ণ বলে। এখানে ‘হ্ম’ হলো একটি যুক্তবর্ণ।
‘হ্ম’-এর বিশ্লিষ্ট রূপে প্রথম বর্ণটি হলো ‘হ্’ এবং দ্বিতীয় বর্ণটি হলো ‘ম’। অর্থাৎ, হ্ + ম = হ্ম (যেমন: ব্রহ্মা, ব্রাহ্মণ)।
প্রথম তিনটি অপশন (ক্ + ঘ, ক্ + ষ + ণ, ক্ + ষ + ম) বিভিন্ন যুক্তাক্ষরকে নির্দেশ করলেও তা ‘হ্ম’-এর বিশ্লিষ্ট রূপ নয়। মনে রাখবেন, ক্ + ষ মিলে হয় ‘ক্ষ’ এবং ক্ + ষ + ম মিলে হয় ‘ক্ষ্ম’ (যেমন: সূক্ষ্ম)।
9

নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কল্যাণীয়াষু
  2. সুচরিতেষু
  3. শ্রদ্ধাস্পদাসু
  4. প্রীতিভাজনেষু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পত্রের উপরাংশে বাম পাশে যাকে পত্র লেখা হয় তাকে যে সম্বোধন করে পত্রের মূল বক্তব্য আরম্ভ করা হয় তাকে সম্ভাষণ বলে। পত্র প্রাপকের শ্রেণীভেদে সম্ভাষণ বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে। সাধারণত সম্বোধনে পুরুষের ক্ষেত্রে দোয়াবরেষু, দোয়াবর, কল্যাণবরেষু, কল্যাণীয়েষু, কল্যাণীয়বরেষু ইত্যাদি; নারীদের ক্ষেত্রে কল্যাণীয়াষু, কল্যাণবরেষু, পরম কল্যাণীয়াষু; বন্ধু-বান্ধবদের ক্ষেত্রে সুহৃদবরেষু, প্রিয়, প্রিয়বরেষু, প্রিয়বন্ধুবরেষু, প্রীতিভাজনেষু, সুচরিতেষু, সুচরিতাষু ইত্যাদি এবং গুরুজনদের ক্ষেত্রে শ্রদ্ধাভাজনেষু, শ্রদ্ধাস্পদেষু (পুং), শ্রদ্ধাস্পদাষু (স্ত্রী) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কল্যাণীয়াষু
চিঠি বা আবেদনপত্রে নারীকে সম্বোধন করার ক্ষেত্রে সাধারণত কল্যাণীয়াষু শব্দটি ব্যবহৃত হয়, বিশেষ করে যদি তিনি শ্রদ্ধাভাজন না হন বরং প্রিয়ভাজন (যেমন ছোট বোন, কন্যা বা প্রিয়জন) হন।
শব্দটির বুৎপত্তি হলো: কল্যাণীয়া + আসু (কল্যাণীয়া = কল্যাণকারিনী, আসু = প্রতি)।
অন্যান্য অপশনগুলো সাধারণত পুরুষ অথবা ভিন্ন প্রসঙ্গে ব্যবহৃত হয়:
সুচরিতেষু: এটি শুভাকাঙ্ক্ষী বা সদাচারী ব্যক্তিকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় এবং এটি পুংলিঙ্গ বা সাধারণ লিঙ্গের জন্য প্রযোজ্য।
শ্রদ্ধাস্পদাসু: এটিও নারীকে সম্বোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু কেবল মাতা, শিক্ষিকা বা অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন নারীকে সম্বোধনের ক্ষেত্রে এটি সঠিক। যেহেতু প্রশ্নটিতে সাধারণভাবে 'নারী' বলা হয়েছে, তাই সাধারণ সম্বোধন হিসেবে কল্যাণীয়াষু অধিক প্রযোজ্য।
প্রীতিভাজনেষু: এটিও পুংলিঙ্গ বা সাধারণ লিঙ্গের প্রিয়জনকে বা বন্ধুদের সম্বোধনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
10

‘পেয়ারা’ কোনভাষা থেকে আগত শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হিন্দি
  2. উর্দু
  3. পর্তুগীজ
  4. গ্রিক

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

প্রশ্নে উল্লিখিত ‘পেয়ারা’ শব্দটি পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে। পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত এরূপ আরো কিছু শব্দ হলো আনারস, আলপিন, আলমারি, গির্জা, গুদাম, চাবি, পাউরুটি, বালতি, তোয়ালে, সাবান, বারান্দা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: পর্তুগীজ
‘পেয়ারা’ শব্দটি বাংলা ভাষার বিদেশি শব্দ ভান্ডারের অন্তর্গত এবং এটি সরাসরি পর্তুগীজ ভাষা থেকে এসেছে।
পর্তুগীজরা বাণিজ্য ও ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে এই অঞ্চলে আসার ফলে তাদের ব্যবহৃত অনেক শব্দ বাংলা ভাষায় স্থান করে নেয়। এদের মধ্যে বেশিরভাগই ফল, খাদ্যদ্রব্য, আসবাবপত্র বা ধর্মীয় অনুষঙ্গ বিষয়ক শব্দ।
যেমন: আনারস, আলপিন, আলকাতরা, বালতি, চাবি, পাউরুটি, সাবান, তামাক, কামরা, গির্জা, ফিতা ইত্যাদি শব্দগুলোও পর্তুগীজ ভাষা থেকে আগত।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: হিন্দি, উর্দু, গ্রিক) থেকে বাংলা ভাষায় বিভিন্ন শব্দ এসেছে ঠিকই, কিন্তু ‘পেয়ারা’ শব্দটি নিশ্চিতভাবেই পর্তুগীজ উৎস থেকে এসেছে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

সমার্থক শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দীর্ঘিকা, নদী, প্রণালী
  2. শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
  3. গাঙ, তটিনী, অর্ণব
  4. স্রোতস্বিনী, নির্ঝরিণী, সিন্ধু

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কোনো শব্দের সম অর্থপূর্ণ অন্য শব্দেই হলো প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ। এরূপ ‘নদী’র সমার্থক শব্দ স্রোতস্বিনী, তটিনী, তরঙ্গিনী, প্রবাহিনী, শৈবালিনী, কল্লোলিনী, গাঙ, সরিৎ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (খ) শৈবলিনী, তরঙ্গিনী, সরিৎ
এই তিনটি শব্দেরই অর্থ হলো নদী। এটি একটি সমার্থক শব্দগুচ্ছ।
শৈবলিনী অর্থ: নদী।
তরঙ্গিনী অর্থ: তরঙ্গ আছে যার, অর্থাৎ নদী।
সরিৎ অর্থ: নদী।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ সেগুলোতে নদী শব্দের সাথে পুকুর বা সাগরের সমার্থক শব্দ মিশে আছে। যেমন:
ক) দীর্ঘিকা (পুকুর), নদী, প্রণালী।
গ) গাঙ (নদী), তটিনী (নদী), অর্ণব (সাগর/সমুদ্র)।
ঘ) স্রোতস্বিনী (নদী), নির্ঝরিণী (ঝর্ণা/নদী), সিন্ধু (সাগর/সমুদ্র)।
12

শুদ্ধ বানানের শব্দগুচ্ছ শনাক্ত করুন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা
  2. যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা
  3. স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
  4. ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উল্লিখিত শব্দ গুলোর মধ্যে অশুদ্ধ শব্দের শুদ্ধ বানান ভবিষ্যত = ভবিষ্যৎ, ভৌগলিক = ভৌগোলিক এবং যক্ষ্মা যশলাভ = যশোলাভ, সদ্যোজাত এবং সম্বর্ধনা = সংবর্ধনা; স্বায়ত্তশাসন, অভ্যন্তর এবং জন্মবার্ষিক; ঐক্যতান = ঐকতান, কেবলমাত্র = কেবল/মাত্র এবং উপরোক্ত = উপযুক্ত।

ব্যাখ্যা

সঠিক বানানের শব্দগুচ্ছ হলো: স্বায়ত্তশাসন, আভ্যন্তর, জন্মবার্ষিক
এই শব্দগুচ্ছের তিনটি বানানই (পরীক্ষামূলকভাবে গৃহীত) শুদ্ধ হিসেবে বিবেচিত। বিশেষত, স্বায়ত্তশাসন (স্ব+আয়ত্ত+শাসন) এবং জন্মবার্ষিক বানান দুটি সম্পূর্ণ সঠিক।
অন্যান্য বিকল্পে যে বানানগুলো ভুল রয়েছে, সেগুলোর শুদ্ধ রূপ নিচে দেওয়া হলো:
১. ভবিষ্যত, ভৌগলিক, যক্ষ্মা (ভুল) → ভবিষ্যৎ (খন্ড-ত/ৎ), ভৌগোলিক (ঔ-কার ও দীর্ঘ ঈ-কার)।
২. যশলাভ, সদ্যোজাত, সম্বর্ধনা (ভুল) → সংবর্ধনা (সম্বর্ধনা নয়, ম-ফলা বা ব-ফলার ভুল ব্যবহার)।
৪. ঐক্যতান, কেবলমাত্র, উপরোক্ত (ভুল) → কেবল অথবা মাত্র (দ্বিরুক্তিজনিত ভুল, 'কেবল' এবং 'মাত্র' একসাথে হয় না), উপর্যুক্ত বা উপরে লিখিত (উপরোক্ত নয়)।
13

‘প্রাতরাশ’- এর সন্ধি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রাত + রাশ
  2. প্রাতঃ + রাশ
  3. প্রাতঃ + আশ
  4. প্রাত + আশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘প্রাতরাশ’ শব্দটির অর্থ প্রাতর্ভোজন বা সকালের নাশতা। সংস্কৃত ‘প্রাতঃ (=র)’ এর সাথে ‘আশ’ যুক্ত হয়ে প্রাতরাশ শব্দটি গঠিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: প্রাতঃ + আশ। এটি একটি বিসর্গ সন্ধির উদাহরণ।
বাংলায় ‘প্রাতরাশ’ শব্দের অর্থ হলো সকালের খাবার বা জলখাবার (Breakfast)। শব্দটি দুটি অংশের সমন্বয়ে গঠিত: প্রাতঃ (অর্থাৎ সকাল বা ভোর) এবং আশ (অর্থাৎ খাদ্য বা ভোজন)।
বিসর্গ সন্ধির নিয়ম অনুযায়ী, যদিও এই ধরণের সন্ধিতে অনেক সময় বিসর্গ (ঃ) স্থানে 'র' বা 'রেফ' আসে, তবে এখানে স্বরধ্বনির (আ) সাথে যুক্ত হয়ে শব্দটি ‘প্রাতরাশ’ রূপ নেয়।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ ‘রাশ’ শব্দের অর্থ ভিন্ন (স্তূপ, দড়ি ইত্যাদি)। এখানে খাদ্যের অর্থে ‘আশ’ শব্দটি ব্যবহৃত হবে। 또한, ‘প্রাত’ মূল শব্দ নয়, বিসর্গ যুক্ত ‘প্রাতঃ’ মূল শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
14

যে পদে বাক্যের ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা ইত্যাদি প্রকৃতিগত অবস্থা বোঝায়, তাকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য
  2. ক্রিয়াবিশেষণ

  3. ক্রিয়াবিশেষ্যজাত বিশেষণ
  4. ক্রিয়াবিভক্তি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্রিয়াবিশেষণ
বাংলা ব্যাকরণে ক্রিয়াবিশেষণ (Adverb) হলো সেই অব্যয় বা নামপদ, যা বাক্যের ক্রিয়াপদের কার্য সম্পাদনের গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা, সময় বা স্থান ইত্যাদি নির্দেশ করে।
প্রশ্নে উল্লিখিত ‘ক্রিয়াপদটির গুণ, প্রকৃতি, তীব্রতা’ বোঝানোর কাজটি সরাসরি ক্রিয়াবিশেষণ করে থাকে। যেমন: সে দ্রুত হাঁটে (দ্রুত = হাঁটার প্রকৃতি); বাতাস ধীরে ধীরে বইছে (ধীরে ধীরে = ক্রিয়ার ধরণ)।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
ক্রিয়াবাচক বিশেষ্য: এটি হলো কাজের নাম (যেমন: চলন, শয়ন, গমন)। এটি বিশেষ্য পদ, যা ক্রিয়াপদকে মডিফাই করে না।
ক্রিয়াবিভক্তি: এটি ধাতুর সঙ্গে যুক্ত হয়ে ক্রিয়ার কাল, পুরুষ ও বচন নির্দেশ করে (যেমন: যা+চ্ছে = যাচ্ছে)। এটি ক্রিয়ার প্রকৃতি বর্ণনা করে না।
15

‘রামগরুড়ের ছানা’ কথাটির অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কাল্পনিক জন্তু
  2. গোমড়ামুখো লোক
  3. মুরগি
  4. পুরাণোক্ত পাখি

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গোমড়ামুখো লোক
‘রামগরুড়ের ছানা’ একটি বহুল ব্যবহৃত বাংলা বাগধারা (Idiom), যার আভিধানিক অর্থ কাল্পনিক পাখি বা জন্তু হলেও এর প্রকৃত বা ভাবগত অর্থ হলো— যে ব্যক্তি সর্বদা মুখ গোমড়া করে থাকে, কখনও হাসে না বা আমোদ-আহ্লাদ করে না। সহজ কথায়, গম্ভীর প্রকৃতির মানুষ বা বিষণ্ণ চেহারার ব্যক্তি
বাগধারাটি এসেছে একটি লোকবিশ্বাস থেকে— রামগরুড়ের ছানা হাসলে নাকি তার পিতামাতা মারা যায়, তাই সে কখনোই হাসে না। এই ধারণার উপর ভিত্তি করেই গোমড়ামুখো মানুষকে বোঝানো হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো (কাল্পনিক জন্তু, পুরাণোক্ত পাখি) এর আভিধানিক অর্থের কাছাকাছি হলেও বাগধারা হিসেবে ব্যবহৃত হয় না, তাই এগুলো ভুল।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

নিচের কোনটিতে বিরামচিহ্ন যথাযথভাবে ব্যবহৃত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
  4. পয়লা বৈশাখ, চৌদ্দশো সাত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাক্যের অর্থ সুস্পষ্টভাবে বোঝানোর জন্য বাক্যের মধ্যে বা শেষে বিভিন্ন বিরাম বা যতিচিহ্ন ব্যবহৃত হয়। এরকম একটি গুরুত্বপূর্ণ চিহ্ন হলো ‘কমা’ বা ‘পাদচ্ছেদ’ (,)। বাক্যে ‘কমা’ বসানোর বিভিন্ন নিয়মের মধ্যে একটি নিয়ম হলো মাসের তারিখ লিখতে বার ও মাসের পর ‘কমা’ বসাতে হয়। ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২
তারিখ বা সাল লেখার ক্ষেত্রে বিরাম চিহ্নের একটি নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে। যদি দিনের তারিখ, মাস এবং বছর উল্লেখ করা হয়, তবে মাস এবং বছরের মাঝে কমা (,) ব্যবহার করতে হয়।
অতএব, ‘২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৫২’ সঠিক ব্যবহারে হবে ‘২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২’
স্থান উল্লেখ করলে স্থান এবং তারিখের মাঝে কমা দিতে হয়, যা এই অপশনে সঠিক আছে (ঢাকা,)। কিন্তু তারিখের অভ্যন্তরীণ কমাটি অনুপস্থিত।
সঠিক প্রয়োগ হবে: ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ডিসেম্বর ১৬, ১৯৭১ বা ২৬ মার্চ, ১৯৭১) তারিখ লেখার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে কমা ব্যবহার করেছে, যেখানে দিন ও মাস একত্রে এবং বছরের আগে কমা ব্যবহৃত হয়েছে।
17

‘বামেতর’ শব্দটির অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বামচোখ
  2. ডান
  3. ইতর
  4. বাম দিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘বামেতর’ অর্থ- ডান, ডাহিন, দক্ষিণ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ডান (অপশন খ)। ‘বামেতর’ শব্দটি বাংলা ব্যাকরণে নঞ্‌ তৎপুরুষ সমাসের উদাহরণ।
শব্দটির বিশ্লেষণ করলে দাঁড়ায়— বাম + ইতর। এখানে ‘ইতর’ শব্দটি নেতিবাচক অর্থে বা ‘ভিন্ন’ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে, যার অর্থ হলো— ‘যা বাম নয়’
যেহেতু ‘বাম নয়’, তার মানেই হলো ‘ডান’
পরীক্ষায় প্রায়ই প্রার্থীরা ‘ইতর’ শব্দটির কারণে ভুল করে ‘ইতর’ (নীচ) বা ‘বাম দিক’ উত্তর দেন, কিন্তু সমাসবদ্ধ পদে ‘ইতর’ এখানে পার্থক্য বা negation (নয়) নির্দেশ করছে।
সুতরাং, বামেতর = বাম নয় = ডান
18

প্রথম বাংলা ‘থিসরাস’ বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অশোক মুখোপাধ্যায়
  2. জগন্নাথ চক্রবর্তী
  3. মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান
  4. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রথম বাংলা ‘থিসরাস’ বা সমার্থক শব্দের অভিধান সংকলন করেছেন মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান। তাঁর সংকলিত অভিধানের নাম “যথাশব্দ”। এটি ১৯৭৪ সালে বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত হয়। অপরদিকে, অশোক মুখোপাধ্যায়ের সংসদ সমার্থ শব্দকোষ প্রকাশিত হয় ১৯৮৭ সালে। এটি সাহিত্য সংষদ (ভারত) থেকে প্রকাশিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জগন্নাথ চক্রবর্তী
বাংলা ভাষার প্রথম থিসরাস বা সমার্থক শব্দের অভিধান হলো ‘সমার্থক শব্দকোষ’। এটি সংকলন করেন জগন্নাথ চক্রবর্তী। এটি ১৯৫৬ সালে প্রকাশিত হয়।
থিসরাস (Thesaurus) হলো এমন একটি অভিধান, যেখানে শব্দের অর্থ নয়, বরং তাদের সমার্থক এবং বিপরীতার্থক শব্দসমূহ তালিকাভুক্ত করা হয়।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন বিখ্যাত ভাষাবিদ, যিনি বাংলা ভাষার আঞ্চলিক শব্দের অভিধান সংকলন করেন। তবে তিনি প্রথম থিসরাস সংকলক নন।
19

‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তীরে পৌঁছার ঝক্কি
  2. সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
  3. মুমূর্ষু অবস্থা
  4. আসন্ন বিপদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটির অর্থ টাকা জমানোর লোভ, অর্থাৎ সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি। [সূত্র: বাংলা একাডেমী ব্যবহারিক বাংলা অভিধান] অন্য দিকে শিরে সংক্রান্তি বাগধারাটির অর্থ আসন্ন বিপদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সঞ্চয়ের প্রবৃত্তি
‘নিরানব্বইয়ের ধাক্কা’ বাগধারাটি একটি প্রতীকী অর্থে ব্যবহৃত হয়। 'নিরানব্বই' (৯৯) সংখ্যাটিকে 'একশো' (১০০) পূর্ণ করার জন্য মানুষের যে তীব্র আকাঙ্ক্ষা বা অবিরাম চেষ্টা, সেটিকে নির্দেশ করে।
সাধারণত, মানুষ একশো বা পূর্ণ সংখ্যায় পৌঁছানোর জন্য বা সম্পদকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য অর্থ বা সম্পদ সঞ্চয়ের যে প্রবল লোভ বা প্রবৃত্তি অনুভব করে, সেটাই এই বাগধারাটির মূল অর্থ।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'তীরে পৌঁছার ঝক্কি', 'মুমূর্ষু অবস্থা' কিংবা 'আসন্ন বিপদ' সম্পূর্ণ ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে এবং এই বাগধারাটির অর্থের সাথে সম্পর্কিত নয়।
20

যে সমাসের ব্যাসবাক্য হয় না, কিংবা তা করতে গেলে অন্য পদের সাহায্য নিতে হয়, তাকে বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্বন্দ্ব সমাস
  2. অব্যয়ীভাব সমাস
  3. কর্মধারয় সমাস
  4. নিত্য সমাস

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো সংযোজক অব্যয় দ্বারা যুক্ত থাকে এবং পূর্বপদ ও পরপদ উভয়ের অর্থই প্রাধান্য পায়, তাকে দ্বন্দ্ব সমাস বলে। যেমন- দোয়াত ও কলম = দোয়াত-কলম, কাঁচা ও পাকা = কাঁচা-পাকা ইত্যাদি। অব্যয় পদ পূর্বে বসে যে সমাস পূর্বপদের অর্থ প্রাধান্য পায়, তাকে অব্যয়ীভাব সমাস বলে। যেমন- কূলের সমীপে = উপকূল, আমিষের অভাব = নিরামিষ ইত্যাদি। আবার, যে সমাসে প্রথম পদটি দ্বিতীয় পদের বিশেষণরূপে অবস্থান করে এবং সমস্তপদে পরপদ তথা দ্বিতীয় পদের অর্থ প্রাধান্য থাকে, তাকে কর্মধারয় সমাস বলে। যেমন- নীল যে আকাশ = নীলাকাশ। যে সমাসের পদগুলো নিত্য সমাসবাদ থাকে ব্যাসবাক্যের প্রয়োজন হয় না তাকে নিত্যসমাস বলে। যেমন: দুই এবং = বিরানব্বই, সে, তুমি ও আমি = আমরা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিত্য সমাস
যে সমাসের সমস্যমান পদগুলো দ্বারা সমাস গঠিত হয়, কিন্তু সেই পদগুলোর দ্বারা স্বাভাবিকভাবে ব্যাসবাক্য তৈরি করা যায় না, তাকে নিত্য সমাস বলে।
ব্যাসবাক্য তৈরি করতে গেলে 'অন্য', 'মাত্র', 'কেবল' ইত্যাদি অতিরিক্ত পদের সাহায্য নিতে হয়।
প্রদত্ত সংজ্ঞার সঙ্গে নিত্য সমাস-এর সংজ্ঞাটি হুবহু মিলে যায়।
যেমন: গ্রামান্তর। এর ব্যাসবাক্য হয়— অন্য গ্রাম। (এখানে 'অন্য' পদের সাহায্য নেওয়া হয়েছে।)
ভুল অপশনগুলো কেন ভুল?
দ্বন্দ্ব সমাস: এর ব্যাসবাক্যে সমস্যমান পদগুলো ও, আর, এবং দিয়ে যুক্ত থাকে (যেমন: মা ও বাবা = মা-বাবা)।
অব্যয়ীভাব সমাস: এতে পূর্বপদ অব্যয় বা উপসর্গ হয় এবং অর্থ প্রাধান্য পায় (যেমন: কূলের সমীপে = উপকূল)। এটির সুনির্দিষ্ট ব্যাসবাক্য হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

Complete the following sentence. 

If I had known you were coming–.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. I would go the station
  2. I had gone to the station
  3. I would have gone to the station
  4. I would be going to the station

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Conditional sentence এর নিয়মানুযায়ী If + past perfect + would have/could have/might have হয়। যেহেতু main clause-এ past perfect tense হয়েছে তাই subordinate clause -এ would have ব্যবহার করতে হবে।

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটি Conditional Sentence (শর্তমূলক বাক্য) সংক্রান্ত। বাক্যের প্রথম অংশটি হলো: If I had known you were coming
এই অংশটি Past Perfect Tense (had + V3 বা had known) ব্যবহার করেছে, যা নির্দেশ করে এটি Third Conditional (তৃতীয় শর্তমূলক বাক্য)।
Third Conditional ব্যবহৃত হয় অতীতকালে ঘটে যাওয়া একটি কাজ, যা তখন অন্যভাবে করা যেত কিন্তু এখন আর তা পরিবর্তন করা সম্ভব নয়—এমন অবস্থার ফলাফল বোঝাতে।
Third Conditional-এর গঠনসূত্র: If + Subject + had + V3 → Subject + would have + V3 (Main Clause)।
এখানে V3 হলো 'go' এর Past Participle ফর্ম 'gone'। তাই সঠিক উত্তর হবে (3) I would have gone to the station
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা টেন্স সিকোয়েন্সের (Sequence of Tenses) নিয়ম মানেনি। যেমন, Option (1) I would go হচ্ছে Second Conditional-এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ, Third Conditional-এর সাথে নয়।
22

Choose the correct option: 

Even as harvesting was going on –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. the rainy season began
  2. the rainy season was began
  3. the rainy season had began
  4. the rainy season begins

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Even as থাকলে উভয় Clause এ Past tense হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: the rainy season began (Simple Past Tense).
এখানে বাক্যটির প্রথম অংশটি Past Continuous Tense-এ রয়েছে: 'Even as harvesting was going on' (এমনকি যখন ফসল কাটা চলছিল)। এটি অতীতে একটি চলমান কাজ নির্দেশ করে।
যখন অতীতে একটি চলমান কাজের (Past Continuous) ঠিক সমসাময়িক সময়ে বা সেটিকে অনুসরণ করে আরেকটি সংক্ষিপ্ত কাজ সম্পন্ন হয়, তখন সেই সংক্ষিপ্ত কাজটি Simple Past Tense-এ লিখতে হয়।
সুতরাং, 'Even as [Past Continuous Clause], [Simple Past Clause]' এই কাঠামোটি এখানে প্রযোজ্য।
Option (1) 'the rainy season was began': এটি ভুল, কারণ 'was began' Tense এবং Verb Form-এর ভুল মিশ্রণ (Passive Voice এর ভুল গঠন)।
Option (2) 'the rainy season had began': এটি ভুল, কারণ Past Perfect-এ Verb-এর Past Participle ফর্ম (V3) 'begun' ব্যবহার করা উচিত ছিল, 'began' নয়। তাছাড়া, এই অর্থে Past Perfect অপ্রয়োজনীয়।
Option (3) 'the rainy season begins': এটি Simple Present Tense, যা Past Continuous-এর সাথে Tense Sequence অনুসারে মেলে না।
23

Which phrase contains words opposed to each other in meaning?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Hopes and aspiration
  2. Heat and dust
  3. Reproduction and death

  4. Emerged and advanced

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রশ্নটিতে এমন একটি বাক্যাংশ বা শব্দযুগল চিহ্নিত করতে বলা হয়েছে, যার শব্দ দুটি একে অপরের বিপরীত অর্থ প্রকাশ করে।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, Option 3: Reproduction and death (প্রজনন ও মৃত্যু)।
Reproduction অর্থ হলো প্রজনন, জন্ম দেওয়া বা জীবনের সূচনা।
অন্যদিকে, Death অর্থ হলো মৃত্যু বা জীবনের সমাপ্তি।
সুতরাং, জীবনের সূচনা (Reproduction) এবং জীবনের সমাপ্তি (Death) হলো পরস্পর বিপরীতার্থক (Antonymous) প্রক্রিয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো বিবেচনা করলে দেখা যায়:
Option 1: Hopes and aspiration (আশা ও আকাঙ্ক্ষা) — এরা প্রায় সমার্থক শব্দ।
Option 2: Heat and dust (তাপ ও ধূলিকণা) — এরা সাধারণত সম্পর্কিত বা সহাবস্থানকারী শব্দ, বিপরীত নয়।
Option 4: Emerged and advanced (উত্থিত হওয়া ও উন্নত হওয়া) — দুটোই কোনো কিছুর অগ্রগতি বা শুরুকে নির্দেশ করে, বিপরীত নয়।
24

Find out the correct translation. 

সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে।

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. It is raining from morning
  2. It has been raining from morning
  3. It has been drizzling since morning

  4. It is drizzling since morning

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Drizzling = গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হওয়া। Present perfect tense-এ যদি নির্দিষ্ট সময় বিন্দু বা point of time উল্লেখ থাকে (এখানে ‘সকাল’) তাহলে since বসে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাংলা বাক্য, “সকাল থেকে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে,” দ্বারা বোঝানো হচ্ছে যে কাজটি অতীতে (সকাল) শুরু হয়েছে এবং বর্তমানেও তা চলমান। ইংরেজিতে এই কালকে Present Perfect Continuous Tense (পুরাঘটিত ঘটমান বর্তমান কাল) বলে।
Present Perfect Continuous Tense-এর গঠন: Subject + have/has been + V1 + ing + (since/for) + time reference.
এখানে 'গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি' এর সঠিক ইংরেজি প্রতিশব্দ হলো drizzling (সাধারণ বৃষ্টি হলে raining ব্যবহার করা যেত)।
নির্দিষ্ট সময় বা Point of Time (যেমন: morning, 1990, Monday) এর পূর্বে সর্বদা since বসে, from নয়।
সুতরাং, সঠিক অনুবাদটি হলো: It has been drizzling since morning
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: অপশন A ও D ভুল Tense (Present Continuous) ব্যবহার করেছে, যা দ্বারা শুধু বর্তমানে কাজটি চলছে বোঝায়, কিন্তু কখন থেকে চলছে তার উল্লেখ থাকে না। অপশন B ভুল শব্দ ('raining' এর বদলে 'drizzling' দরকার) ও ভুল Preposition ('from' এর বদলে 'since' দরকার) ব্যবহার করেছে।
25

Maiden speech means –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. First speech
  2. Last speech
  3. Late speech
  4. Early speech

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Maiden অর্থ হলে সর্বপ্রথম। অর্থাৎ Maiden speech = প্রথম বক্তব্য = First speech.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: First speech (প্রথম বক্তৃতা)।
Maiden শব্দটির সাধারণ অর্থ হলো—কুমারী বা অনভিজ্ঞ। কিন্তু যখন এটি কোনো কাজ বা যাত্রার সাথে যুক্ত হয়, তখন এর অর্থ দাঁড়ায়—প্রথম বা আদি (First, Initial)।
যেমন: Maiden speech বলতে বোঝায় একজন ব্যক্তির জীবনে দেওয়া প্রথম আনুষ্ঠানিক বক্তৃতা (The first formal speech).
বাকি অপশনগুলো (Last speech, Late speech, Early speech) সম্পূর্ণ ভুল অর্থ নির্দেশ করে, কারণ এখানে 'Maiden' তার মূল অর্থ 'প্রথম' ধরে রাখে।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

A person whose ‘head’ is in the clouds is –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. proud
  2. a day dreamer
  3. an aviator
  4. useless

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

(have ones) head in the clouds অর্থ হলো দিবাস্বপ্নে বিভোর বা অলীক কল্পনায় মগ্ন। অপশনে proud অর্থ হলো গর্বিত; an aviator অর্থ হলো বৈমানিক এবং useless অর্থ হলো যা কোনো কাজে লাগে না। a day dreamer অর্থ হলো দিবাস্বপ্নাচারী এবং এটি অর্থগতভাবে phrase টির সাথে বেশি মিলে।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি বহুল ব্যবহৃত ইংরেজি বাগধারা (Idiom) সংক্রান্ত।
বাগধারাটি হলো ‘A person whose head is in the clouds’। এর আক্ষরিক অর্থ হলো, যার মাথা মেঘের মধ্যে থাকে।
কিন্তু বাগধারা হিসেবে এর প্রকৃত অর্থ হলো—যে ব্যক্তি বাস্তবতার সঙ্গে সংযোগ বিচ্ছিন্ন রেখে সবসময় অবাস্তব বা কল্পনাময় চিন্তাভাবনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: a day dreamer (দিবাস্বপ্ন দেখা ব্যক্তি) যা কল্পনার জগতে বাস করা বোঝায়।
অন্যান্য অপশন যেমন—'proud' (গর্বিত), 'an aviator' (বিমান চালক, যা literal অর্থ প্রকাশ করে) এবং 'useless' (অকেজো) এই বাগধারার অর্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
27

Identify the correct sentence-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. She had faith in and hopes for the future.
  2. She had faith and hopes for the future.
  3. She had faith and hopes in the future.
  4. She had faith and hopes in future.

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Sentence গুলোতে preposition এর ব্যবহারই মূল factor। Faith এবং hope এ দুটি noun একত্রে in অথবা for preposition সহ ব্যবহৃত হলে অর্থ যথার্থ হয় না। বরং faith in অর্থ হলো কোনো কিছুতে বিশ্বাস রাখা। অন্যদিকে hope for এর অর্থ হলো- কোনো বিষয়ে আশা প্রকাশ করা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো (A) She had faith in and hopes for the future.
এই বাক্যটি Parallelism এবং Appropriate Preposition-এর নিয়ম অনুসরণ করে গঠিত। যখন বাক্যে দুটি ভিন্ন শব্দ (এখানে faith এবং hopes) একটি অভিন্ন Object (এখানে the future)-এর জন্য ব্যবহৃত হয়, কিন্তু শব্দ দুটির জন্য ভিন্ন ভিন্ন Preposition প্রয়োজন হয়, তখন সেই ভিন্ন Prepositionগুলো অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়।
Faith শব্দের জন্য Appropriate Preposition হলো in (Faith in God/future)।
Hopes শব্দের জন্য Appropriate Preposition হলো for (Hopes for success/future)।
সুতরাং, সঠিক গঠন হবে: Faith in and Hopes for the future।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ তারা হয় একটি প্রয়োজনীয় Preposition বাদ দিয়েছে (যেমন B ও C), নতুবা Appropriate Preposition-এর সঠিক ব্যবহার করেনি। অপশন (D) এ 'in future'-এর জায়গায় 'in the future' ব্যবহার না করায় এবং Appropriate Preposition-এর ভুল প্রয়োগের কারণে বাক্যটি ভুল।
28

Choose the correct tense –

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Javed was so exhausted that he lain down for a sleep.
  2. Javed was so exhausted that he had laid down for a sleep.
  3. Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep.
  4. Javed was so exhausted that he will lay down for a sleep.

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উপরের বাক্যগুলোতে দুটি করে past tense এর clause রয়েছে, যা that দ্বারা যুক্ত হয়েছে। সুতরাং উভয় clause একই tense এর হবে। এখানে অপশনে ‘lie’ verb এর past participle- lain ব্যবহার করা হলেও তাতে lain- এর পূর্বে যথাযথ have verb (had) বসানো হয়নি। laid down ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ হলো ডিম পাড়া বা কোথাও কিছু রাখা (lay)। সুতরাং এর সাথে sleeping এর কোনো সম্পর্ক নেই। Tense এর ভুল ব্যবহার এবং verb এর যথাযথ ব্যবহার হয়নি। Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep যেখানে উভয় ক্ষেত্রেই যথাযথভাবে past tense এবং 'lie' verb এর যথাযথ রূপ ব্যবহৃত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Javed was so exhausted that he was lying down for a sleep. (Option C, Index 2).
এই প্রশ্নটি মূলত Tense-এর Sequence এবং দুটি বহুল ব্যবহৃত Confusing Verb— Lie (শুয়ে থাকা/শয়ন করা) এবং Lay (কিছু রাখা/স্থাপন করা)—এর সঠিক ব্যবহারের উপর নির্ভরশীল।
বাক্যটির প্রথম অংশ ('Javed was so exhausted') Past Tense-এ আছে। তাই পরের অংশও Past Tense-এর কোনো রূপে হতে হবে।
Option C: 'was lying down' হলো Past Continuous Tense, এবং এখানে Intransitive verb 'Lie' (শোয়া অর্থে) এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে। ক্লান্তির ফলস্বরূপ সে শুয়ে পড়ছিল বা শুয়ে ছিল।
Option A (lain down): Lain হলো 'Lie' এর Past Participle (V3)। V3 একা ব্যবহৃত হতে পারে না; এর আগে Auxiliary Verb (had/have/has) প্রয়োজন। তাছাড়া, Tense Sequence অনুযায়ী এখানে Simple Past (lay) বা Continuous Tense (was lying) বেশি যৌক্তিক।
Option B (had laid down): এখানে Transitive verb 'Lay' (রাখা অর্থে) ব্যবহার করা হয়েছে, যার অর্থ 'সে কিছু একটা রেখেছিল'। কিন্তু জাভেদ নিজে শুয়েছিল, তাই Intransitive verb 'Lie' ব্যবহার করা আবশ্যক। এছাড়া, Past Perfect (had laid) এখানে অপ্রয়োজনীয়।
Option D (will lay down): এটি Future Tense, যা বাক্যের প্রথম অংশের Past Tense-এর সঙ্গে সম্পূর্ণ অসামঞ্জস্যপূর্ণ। এটি Sequence of Tenses এর নিয়ম ভঙ্গ করে।
29

A synonym for ‘resentment’ is –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. fear
  2. anger
  3. indignation
  4. panic

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মূলশব্দ ‘resentment’ অর্থ হলো রাগ, বিরক্তি, ক্ষোভ; fear- ভয়; anger- রাগ, ক্ষোভ; Indignation- (অবিচারহেতু) ক্ষোভ, রোষ ইত্যাদি; panic- আতংক। এখানে anger এবং কাছাকাছি হলেও indignation. অধিকতর সঠিক উত্তর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: indignation
Resentment (রিসেন্টমেন্ট) শব্দের অর্থ হলো তীব্র ক্ষোভ, বিরক্তি বা অসন্তোষ। যখন কেউ মনে করে যে তাকে অন্যায়ভাবে বা অসম্মানজনকভাবে বিবেচনা করা হয়েছে, তখন এই ধরনের তিক্ত অনুভূতি জন্ম নেয়।
Indignation (ইনডিগনেশন)-এর অর্থ হলো অন্যায় বা অবিচারমূলক আচরণের কারণে সৃষ্ট তীব্র রাগ বা ক্ষোভ।
যেহেতু Resentment এবং Indignation উভয়ই অন্যায়ের ফলস্বরূপ সৃষ্ট রাগ বা বিরক্তিকে নির্দেশ করে, তাই Indignation হলো সবচেয়ে উপযুক্ত এবং সুনির্দিষ্ট প্রতিশব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে Anger (রাগ) শব্দটি সাধারণ অর্থে ব্যবহৃত হয়, যা যেকোনো কারণে সৃষ্টি হতে পারে। কিন্তু Resentment একটি নির্দিষ্ট প্রেক্ষাপটে (injustice) তৈরি হওয়া ক্ষোভকে বোঝায়। তাই সাধারণ Anger অপেক্ষা Indignation অধিক সঠিক।
Fear (ভয়) এবং Panic (আতঙ্ক) সম্পূর্ণরূপে ভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে।
30

The captain left the boat, because it –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. turned down
  2. turned up
  3. turned bottom
  4. turned over

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এখানে, Turned down - প্রত্যাখ্যান করা। Turned up- আগমন করা, উপস্থিত হওয়া। Turned bottom এ জাতীয় phrase এর সন্ধান বিরল। Turn over- উল্টে যাওয়া, পাশ ফেরা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: turned over
'Turn over' হলো একটি বহুল ব্যবহৃত Phrasal Verb, যার অর্থ হলো উল্টে যাওয়া, ডুবে যাওয়া বা ক্যাপসাইজ করা (capsizing)
বাক্যের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ক্যাপ্টেন নৌকাটি ত্যাগ করেছিলেন (left the boat)। এর কারণ অবশ্যই নৌকার কোনো গুরুতর দুর্ঘটনা। নৌকা উল্টে গেলেই ক্যাপ্টেন তাকে ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
অতএব, 'The captain left the boat, because it turned over.' বাক্যটি সম্পূর্ণ ও অর্থপূর্ণ হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর অর্থ প্রসঙ্গত ভিন্ন এবং এই বাক্যের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান:
  • Turn down: প্রত্যাখ্যান করা বা শব্দ/তাপ কমানো।
  • Turn up: উপস্থিত হওয়া বা খুঁজে পাওয়া।
  • Turn bottom: এটি কোনো প্রচলিত বা সঠিক Phrasal Verb নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

One should be careful about ____ duty.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. his
  2. her
  3. one’s
  4. the

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে one শব্দটির possessive pronoun হচ্ছে one’s। অবশ্য his ব্যবহার করলেও পুরোপুরি অশুদ্ধ হবে না। তবে one’s ব্যবহার করাই অধিকতর শুদ্ধ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: one’s
বাক্যটির Subject বা কর্তা হলো Indefinite Pronoun (অনির্দিষ্ট সর্বনাম) 'One'। যখন 'One' শব্দটি 'সাধারণভাবে যে কোনো ব্যক্তিকে' বোঝাতে ব্যবহৃত হয়, তখন এর Possessive Adjective হিসেবে অবশ্যই one’s ব্যবহৃত হবে।
নিয়ম অনুযায়ী, Subject, Possessive, এবং Reflexive Pronoun-এর মধ্যে সামঞ্জস্য (Agreement) থাকতে হবে। এখানে One (Subject) এর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ Possessive Adjective হলো one’s
সুতরাং, সঠিক বাক্যটি হলো: One should be careful about one’s duty।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 'his' বা 'her' ব্যবহার করলে লিঙ্গ নির্দিষ্ট হয়ে যায়, যা 'One' দ্বারা অনির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বোঝানোর ক্ষেত্রে ভুল।
32

Three fourths of the work ____ finished.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. have been
  2. had
  3. has been

  4. were

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: has been
এই বাক্যটি Subject-Verb Agreement (SVA) বা কর্তা ও ক্রিয়ার সাযুজ্য সংক্রান্ত একটি জটিল নিয়মকে অনুসরণ করে।
যখন কোনো বাক্যের Subject-এ Fraction (ভগ্নাংশ), Percentage (শতাংশ), Partitive Adjective (যেমন: some of, all of, most of, half of) ব্যবহৃত হয়, তখন Verb টি ওই অংশটির ওপর নির্ভর করে না, বরং 'of'-এর পরে থাকা Noun বা Pronoun-এর ওপর নির্ভর করে।
এখানে Subject হলো 'Three fourths of the work'.
'of'-এর পরে Noun টি হলো 'work'. 'Work' হলো একটি Uncountable Noun (অগণনযোগ্য বিশেষ্য) এবং Uncountable Noun সর্বদা Singular হিসেবে গণ্য হয়।
যেহেতু Noun ('work') Singular, তাই Verb টিও Singular হবে। Singular Verb হলো has been
বাক্যটি Passive Voice-এ (কাজটি শেষ হয়েছে) রয়েছে, তাই structure হবে Subject (Singular) + has been + V3 (finished)।
অন্যদিকে, 'have been' এবং 'were' plural হওয়ায় ভুল।
33

We waited until the plane –.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. did not take off
  2. took off
  3. had not taken off
  4. had taken off

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এখানে until দ্বারা দুটি clause যুক্ত হয়েছে যার principal clause টি past indefinite tense এর। অতএব নিয়মানুযায়ী subordinate clause টিও past tense এ হওয়া বাঞ্ছনীয়। এক্ষেত্রে did not take off এবং had not taken off ভুল, কারণ until নিজেই negative হওয়ায় তারপর কোনো negative expression ঠিক নয়। তাছাড়া took off এবং had taken off তে perfect tense থাকায় তা সঠিক নয়। সুতরাং took off option টিতে past indefirite tense এর সঠিক ব্যবহার হয়েছে যা এই বাক্যের ক্ষেত্রে সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: took off। কারণ এই বাক্যটি ‘Sequence of Tenses’ এবং ‘Right Forms of Verbs’ (সঠিক ক্রিয়ার রূপ)-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসরণ করে।
বাক্যটির মূল Clause হলো “We waited”, যা Past Simple Tense-এ রয়েছে। ‘until’ conjunction টি নির্দেশ করে যে, 'অপেক্ষার' কাজটি প্লেন ওড়ার পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত চলছিল। অর্থাৎ, প্লেনটি ওড়ার সাথে সাথেই অপেক্ষা শেষ হয়।
নিয়ম: যখন Main Clause টি Past Tense-এ থাকে এবং ‘until’ দ্বারা পরবর্তী ঘটনাটি যুক্ত হয়, তখন সাবঅর্ডিনেট Clause-এ সাধারণত Past Simple Tense (Subject + V2) ব্যবহার করা হয়। এটি একটি ধারাবাহিক ঘটনাকে নির্দেশ করে।
Structure: Past Simple (action) + until + Past Simple (completion)
উদাহরণস্বরূপ: We waited (অপেক্ষা চলছিল)
+ until
+ the plane took off (কাজটি সম্পন্ন হলো)।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
  • had taken off: এটি Past Perfect। এটি ব্যবহার করলে বোঝাতো যে প্লেনটি আমাদের অপেক্ষার অনেক আগেই উড়ে গিয়েছিল, যা ‘waited until’ গঠনের সাথে অর্থের দিক থেকে অসঙ্গতিপূর্ণ
  • did not take off: ‘didn’t take off’ (উড়ল না) পর্যন্ত আমরা অপেক্ষা করলাম—এটি বাক্যের স্বাভাবিক অর্থ প্রকাশে ব্যর্থ হয় এবং ভাষাগতভাবে দুর্বল।
34

I spent ____ with the patient.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. sometimes
  2. sometime
  3. some time

  4. some times

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: some time (অপশন গ)। বাক্যটির অর্থ হলো, 'আমি রোগীর সাথে কিছু সময় কাটিয়েছিলাম।'
এখানে Blank টিতে সময়ের পরিমাণ বা সময়কাল (Duration) বোঝানো প্রয়োজন। 'some time' (দুটি শব্দ) হলো একটি Noun Phrase, যার অর্থ 'a period of time' বা 'একটি নির্দিষ্ট সময়কাল'। এটি বাক্যে 'spent' (কাটিয়েছিলাম) ক্রিয়াটির Object হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
❌ Sometime: এটি একটি Adverb, যার অর্থ 'কোনো এক সময়' বা 'অনির্দিষ্ট ভবিষ্যতে'। যেমন: Let's discuss it sometime next week.
❌ Sometimes: এটি একটি Adverb, যার অর্থ 'মাঝে মাঝে' বা 'কখনও কখনও' (Frequency/Frequency of time)। যেমন: He sometimes visits his aunt.
❌ Some times: এটি সাধারণত খুব কম ব্যবহৃত হয়। এটি 'several occasions' বা 'কয়েকটি বারের জন্য' বোঝালেও, duration বোঝাতে 'some time' ই সঠিক ও আদর্শ ব্যবহার।
35

Choose the right preposition for the sentence. 

She argued ____ me about the marriage.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. with
  2. for
  3. to
  4. from

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Argue with somebody অর্থাৎ কারো সাথে মতের অমিল। আর Argue for something অর্থাৎ কোনো বস্তুর ব্যাপারে মতামত বা যুক্তি প্রদর্শন। এখানে যেহেতু gap এরপর me রয়েছে তাই with বসানো যৌক্তিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (A) with
Argue (তর্ক করা বা ঝগড়া করা) শব্দটি যখন কোনো ব্যক্তির সাথে কথোপকথন বা বিতণ্ডা বোঝায়, তখন এটি Appropriate Preposition হিসেবে 'with' গ্রহণ করে।
বাক্যটির অর্থ: বিবাহের বিষয়টি নিয়ে সে আমার সাথে তর্ক করেছিল। এখানে 'me' একজন ব্যক্তি, তাই argue with me ব্যবহৃত হবে।
এর সাধারণ কাঠামোটি হলো: Argue + with + Person + about/over + Topic
অন্যান্য অপশনগুলো প্রসঙ্গে মনে রাখবেন:
Argue for: এর অর্থ কোনো নীতি বা প্রস্তাবের পক্ষে যুক্তি দেওয়া বা সমর্থন করা। (e.g., He argued for the new policy.)
Argue against: এর অর্থ কোনো নীতি বা প্রস্তাবের বিপক্ষে যুক্তি দেওয়া বা বিরোধিতা করা। (e.g., She argued against the resolution.)
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

Choose the right preposition for the sentence. 

I count ____ your help

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. after
  2. upon
  3. for
  4. with

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Count after এবং count with বলে কোনো phrase নেই। count upon- নির্ভর করা, বিশ্বাস করা যে, কোনো কিছু ঘটবেই। Count for- গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচনা করা। সুতরাং দুটির মধ্যে Count upon সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো upon
কারণ, count upon (অথবা count on) হলো একটি উপযুক্ত Preposition-এর ব্যবহার। এর অর্থ হলো 'কারো ওপর নির্ভর করা' বা 'ভরসা রাখা' (to rely or depend on)।
সুতরাং, 'I count upon your help' বাক্যটির পূর্ণ অর্থ দাঁড়ায়— 'আমি তোমার সাহায্যের উপর নির্ভর করি।'
অন্যান্য Preposition যেমন— after, for, with এই বাক্যের প্রেক্ষিতে নির্ভরশীলতার অর্থ প্রকাশ করে না, তাই সেগুলো ভুল।
37

Identify the correct passive form.

Open the window.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. The window should be opened
  2. Let the window be opened.

  3. Let the window be opened by you.
  4. The window must be opened.

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত বাক্যটি ('Open the window.') হলো একটি Imperative Sentence বা আজ্ঞাসূচক বাক্য, যা একটি Command (আদেশ) বোঝাচ্ছে এবং এর একটি Object (the window) রয়েছে।
Imperative Sentence-কে (যা Verb দিয়ে শুরু হয় এবং Object থাকে) Passive Voice-এ রূপান্তর করার নির্দিষ্ট কাঠামো (Structure) অনুসরণ করতে হয়।
এই ধরনের বাক্যের Passive রূপান্তরের সঠিক নিয়মটি হলো: Let + Object + be + Past Participle (V3)
এখানে, Active Verb: Open, Object: the window।
অতএব, সঠিক Passive রূপটি হবে: Let the window be opened.
অন্যান্য অপশনগুলি যেমন 'should be opened' বা 'must be opened' ব্যবহার করলে বাক্যের Mood পরিবর্তন হয়ে উপদেশ বা প্রয়োজনীয়তা বোঝায়, যা মূল Command-এর অর্থের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। তাই অপশন (২) Let the window be opened সঠিক।
38

Choose the appropriate meaning of the idiom ‘swan song’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. First work
  2. Last work
  3. Middle work
  4. Early work

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Swan song- অন্তিম গীত, শেষ কৃত্য, শেষ কর্ম।

ব্যাখ্যা

‘Swan song’ একটি বহুল পরিচিত ইংরেজি বাগধারা, যার অর্থ হলো—মৃত্যুর আগে বা অবসর গ্রহণের ঠিক পূর্বে কোনো শিল্পী বা ব্যক্তির শেষ কাজ, শেষ পরিবেশনা বা চূড়ান্ত সৃষ্টি
এই বাগধারাটি প্রাচীন লোককথা থেকে এসেছে, যেখানে বিশ্বাস করা হতো যে রাজহাঁস (Swan) সাধারণত নীরব থাকলেও মৃত্যুর ঠিক আগে তারা একটি সুন্দর ও করুণ গান গায়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: Last work (শেষ কাজ), যা অপশন (B)-তে রয়েছে।
অন্যান্য অপশন যেমন First work বা Early work সম্পূর্ণরূপে ভুল, কারণ Swan song সবসময় চূড়ান্ত সমাপ্তি বোঝায়।
39

Trees have ____ off their leaves.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. thrown
  2. fallen
  3. cast
  4. put

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Appropriate use of word হিসেবে গাছের পাতা ঝরা বোঝাতে cast off ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো (cast)। কারণ cast off একটি Phrasal Verb বা idiomatic expression, যার অর্থ হলো 'ত্যাগ করা', 'খুলে ফেলা' বা 'ঝরিয়ে দেওয়া' (to shed/to discard)।
গাছ যখন পাতা ঝরিয়ে দেয় (যেমন, শীতকালে), তখন এই কাজটি বোঝাতে নির্দিষ্টভাবে cast off বা শুধু cast শব্দটি ব্যবহৃত হয়। যেমন: Trees cast their leaves in autumn.
এখানে বাক্যটি Present Perfect Tense-এ আছে (Trees have ____ off their leaves)। 'Cast' ভার্বটির তিনটি রূপই এক: Cast - Cast - Cast। তাই সঠিক Past Participle রূপটি হলো cast
❌ ভুল কেন: 'fallen' (fall-fell-fallen) নিজে থেকে পড়ে যাওয়া বোঝায় (Leaves have fallen off), কিন্তু কর্তা (Trees) দ্বারা পাতা ঝরানোর কাজটি সম্পন্ন হচ্ছে, তাই একটি Transitive verb প্রয়োজন। 'thrown off' দ্রুত বা জোর করে কিছু ছুঁড়ে ফেলা বোঝায়, যা প্রকৃতির ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয় না। 'put off' মানে মূলত স্থগিত করা বা নিরুৎসাহিত করা, যা সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
40

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২৯টি
  2. ৫টি
  3. ২২টি

  4. ২১টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বর্তমানে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (BCS) ক্যাডার সংখ্যা ২৬টি। ২০১৮ সালের ১৩ নভেম্বর বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের ইকনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত করায় বর্তমানে বিসিএস ক্যাডার সংখ্যা হয় ২৬টি।

ব্যাখ্যা

গুরুত্বপূর্ণ দ্রষ্টব্য: BCS-এর এই প্রশ্নে অপশন ও নির্বাচিত উত্তরটি (৫টি) বর্তমানে সঠিক নয়। বাংলাদেশের সিভিল সার্ভিসে ক্যাডারের সংখ্যা নিয়ে প্রায়শই ভুল তথ্য প্রচারিত হয়।
বর্তমানে (৪৪তম বিসিএস প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী) বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের মোট ক্যাডার সংখ্যা হলো ২৬টি (যা বর্তমানে কার্যকর)। যদিও সরকারি গেজেটে মাঝে মাঝে এটি ২৭ বা ২৮ হিসেবেও দেখা যায়, তবে প্রচলিত ও সর্বাধিক গৃহীত সংখ্যা হলো ২৬
এই ২৬টি ক্যাডারকে প্রধানত ৪টি প্রধান ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলো:
১. সাধারণ বা জেনারেল ক্যাডার (যেমন: প্রশাসন, পুলিশ, পররাষ্ট্র, কর, শুল্ক)।
২. কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার (যেমন: জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল, সড়ক ও জনপথ)।
৩. শিক্ষা ক্যাডার
৪. স্বাস্থ্য ক্যাডার
যেহেতু প্রশ্নপত্রে ৫টি অপশনটি সঠিক হিসাবে চিহ্নিত করা হয়েছে, তাই এটি একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রশ্ন অথবা এটি পূর্বে প্রবর্তিত কোনো অপ্রচলিত, ভিন্ন প্রশাসনিক বিভাজনকে ইঙ্গিত করে। BCS-এর জন্য আপনাকে অবশ্যই মোট ২৬টি ক্যাডার ও ৪টি ক্যাটাগরি তথ্যটি মুখস্থ করতে হবে।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয় কোন খাত থেকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চা
  2. পাট ও পাট জাত দ্রব্য
  3. তৈরি পোশাক
  4. চিংড়ি মাছ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

তৈরি পোশাক খাতে ২০২১-২২ অর্থবছরে রপ্তানি আয় হয়েছে ৫ হাজার ২০৮ কোটি ৭ লাখ মার্কিন ডলার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো তৈরি পোশাক (Ready-Made Garments - RMG)। এটি বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধানতম খাত
বর্তমানে বাংলাদেশের মোট পণ্য রপ্তানি আয়ের ৮০% থেকে ৮৫% আসে শুধুমাত্র তৈরি পোশাক খাত থেকে। ফলে এটি সন্দেহাতীতভাবে শীর্ষ স্থানে রয়েছে।
একসময় পাট ও পাটজাত দ্রব্য (অপশন খ) বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য ছিল, যা সোনালী আঁশ নামে পরিচিত। কিন্তু বর্তমানে এই খাতটি তৈরি পোশাকের তুলনায় অনেক পিছিয়ে পড়েছে।
চা এবং চিংড়ি মাছ গুরুত্বপূর্ণ হলেও, দেশের মোট রপ্তানি আয়ে এদের অবদান তুলনামূলকভাবে কম।
42

মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দশ
  2. আট
  3. এগারো
  4. পনের

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৪ এপ্রিল মুক্তিফৌজ নামে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তীতে জেনারেল এম.এ.জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলে তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এগারো (১১)
১৯৭১ সালের ১১ই জুলাই, স্বাধীন বাংলাদেশের প্রবাসী সরকার (মুজিবনগর সরকার) মুক্তিযুদ্ধের রণকৌশলগত পরিচালনার সুবিধার্থে সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সামরিক সেক্টরে বিভক্ত করে। এই বিভাজন ছিল কৌশলগত সামরিক আক্রমণের জন্য অত্যাবশ্যক।
ভুল অপশন 'দশ' (Ten) প্রায়শই পরীক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করে। মনে রাখবেন, ১০ নম্বর সেক্টরটি ছিল নৌ কমান্ডোদের জন্য বিশেষায়িত একটি সেক্টর, যার কোনো নির্দিষ্ট ভৌগোলিক সীমানা ছিল না। বাকি ১০টি সেক্টরেরই নির্দিষ্ট ভৌগোলিক এলাকা ছিল। তবে মোট সেক্টরের সংখ্যা হলো ১১টি
43

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত বাংলাদেশের সেনাবাহিনীর প্রধান কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান
  2. মেজর জেনারেল মঞ্জুর
  3. মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
  4. মেজর জেনারেল এইচ এম এরশাদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ ১৯৭২ সালের এপ্রিল থেকে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেজর জেনারেল কে এম শফিউল্লাহ
মুক্তিযুদ্ধের পর স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭২ সালের এপ্রিল মাসে তিনি সেনাবাহিনীর প্রধান (Chief of Army Staff) হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৫ সালের ২৪ আগস্ট পর্যন্ত এই পদে বহাল ছিলেন।
যেহেতু প্রশ্নটি '১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত' চাওয়া হয়েছে, সেই সময় পর্যন্ত তিনিই সেনাপ্রধান ছিলেন। ১৫ আগস্টের অভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রপতি খন্দকার মোশতাক আহমেদ ক্ষমতায় এসে ২৪ আগস্ট, ১৯৭৫ তারিখে তাকে অব্যাহতি দিয়ে মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে সেনাপ্রধান নিয়োগ দেন।
জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্টের পূর্বে সেনাবাহিনীর উপ-প্রধান (Deputy Chief of Army Staff) পদে কর্মরত ছিলেন, তাই তিনি ১৫ আগস্ট ভোর রাত পর্যন্ত প্রধান ছিলেন না।
44

ইন্দোনেশিয়ার নতুন রাষ্ট্রপতির নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনারেল সুহার্তো
  2. মেঘবতী সুকর্নপুত্রী
  3. আব্দুর রহমান ওয়াহিদ
  4. জেনারেল বিয়ান্তো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইন্দোনেশিয়ার বর্তমান রাষ্ট্রপতি জোকো উইদোদো (২০১৪-বর্তমান) স্বৈরশাসক জেনারেল সুহার্তো দেশটির দ্বিতীয় প্রেসিডেন্ট, যিনি ১২ মার্চ, ১৯৬৭-২১ মে, ১৯৯৮ দীর্ঘ ৩২ বছর ক্ষমতায় ছিলেন। আব্দুর রহমান ওয়াহিদ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার চতুর্থ প্রেসিডেন্ট, যার মেয়াদকাল ১৯ অক্টোবর, ১৯৯৯-২৩ জুলাই, ২০০১। মুসলিম বিশ্বের প্রথম নারী প্রেসিডেন্ট ও ইন্দোনেশিয়ার পঞ্চম প্রেসিডেন্ট মেঘবতী সুকর্নপুত্রী ক্ষমতাসীন ছিলেন ২৩ জুলাই, ২০০১-২১ অক্টোবর, ২০০৪ পর্যন্ত। তিনি দেশটির প্রথম প্রেসিডেন্ট ড. আহমদ সুকর্নের (মেয়াদকাল ১৮.০৮.১৯৪৫-১২.০৬.১৯৬৭) কন্যা।

ব্যাখ্যা

প্রদত্ত প্রশ্নটি একটি পুরোনো পরীক্ষার প্রেক্ষাপটে তৈরি, যেখানে আব্দুর রহমান ওয়াহিদ ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার সদ্য নির্বাচিত বা নতুন রাষ্ট্রপতি।
সঠিক উত্তর: আব্দুর রহমান ওয়াহিদ। তিনি ১৯৯৯ সালের অক্টোবর মাসে ইন্দোনেশিয়ার ৪র্থ রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং ২০০১ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
জেনারেল সুহার্তো ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার দ্বিতীয় রাষ্ট্রপতি (শাসনকাল ১৯৬৭-১৯৯৮), যিনি দীর্ঘকাল ক্ষমতায় ছিলেন।
মেঘবতী সুকর্নপুত্রী ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার ৫ম রাষ্ট্রপতি এবং দেশের প্রথম নারী রাষ্ট্রপতি, যিনি আব্দুর রহমান ওয়াহিদকে অপসারণের পর ২০০১ সালে ক্ষমতা গ্রহণ করেন।
45

Food and Agricultural Organization- এর সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোম
  2. জেনেভা
  3. ব্যাংকক
  4. প্যারিস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর কুইবেকে অনুষ্ঠিত এক সম্মেলনে জাতিসংঘ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO) প্রতিষ্ঠিত হয়। এর সদর দপ্তর ইতালির রোমে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রোম
জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা হলো Food and Agricultural Organization (FAO) বা খাদ্য ও কৃষি সংস্থা। এই সংস্থার মূল লক্ষ্য হলো বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা দূর করা এবং খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির মান উন্নয়ন করা।
FAO প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ১৬ অক্টোবর। এর সদর দপ্তর ইতালির রাজধানী রোমে অবস্থিত।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

“The Asian Drama” গ্রন্থটির রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গুনার মিরডাল
  2. অমর্ত্য সেন
  3. মাইকেল লিফটন
  4. উইলয়াম রস্টো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রখ্যাত লেখক গুনার মিরডালের একটি বিখ্যাত গ্রন্থ ‘The Asian Drama’। ভারতের প্রখ্যাত নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক অমর্ত্য সেনের বিখ্যাত গ্রন্থের মধ্যে অন্যতম হলো ১৯৮১ সালে প্রকাশিত গবেষণা গ্রন্থ ‘Poverty and Famines: An Essay on Entitlement and Deprivation’.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গুনার মিরডাল (Gunnar Myrdal)
তিনি ছিলেন একজন খ্যাতিমান সুইডিশ অর্থনীতিবিদ ও সমাজবিজ্ঞানী। তার লেখা এই কালজয়ী গ্রন্থটির পুরো নাম হলো “Asian Drama: An Inquiry into the Poverty of Nations”
গ্রন্থটি মূলত ১৯৬৮ সালে প্রকাশিত হয় এবং এতে তিনি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং দারিদ্র্যের জটিল কারণসমূহ বিশ্লেষণ করেন।
অন্যান্য বিকল্প:
অমর্ত্য সেন: ভারতীয় অর্থনীতিবিদ, 'দারিদ্র্য ও দুর্ভিক্ষ' (Poverty and Famines) এবং 'উন্নয়ন ও স্বাধীনতা' (Development as Freedom) বইগুলোর জন্য পরিচিত।
উইলয়াম রস্টো: অর্থনৈতিক উন্নয়নের 'ধাপ তত্ত্ব' (Stages of Economic Growth) এর জন্য বিখ্যাত।
47

নিম্নলিখিত শহরের কোনটি আলবেনিয়ার রাজধানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বুদাপেস্ট
  2. প্রাগ
  3. এথেন্স
  4. তিরানা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

তিরানা আলবেনিয়ার রাজধানী, বুদাপেস্ট হাঙ্গেরির রাজধানী, এথেন্স গ্রিসের রাজধানী এবং প্রাগ চেক প্রজাতন্ত্রের/চেকিয়ার রাজধানী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তিরানা
আলবেনিয়া দক্ষিণ-পূর্ব ইউরোপের একটি দেশ এবং এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর হলো তিরানা (Tirana)
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন ভিন্ন ইউরোপীয় দেশের রাজধানী:
বুদাপেস্ট: এটি হাঙ্গেরি-এর রাজধানী। এটি দানিয়ুব নদীর তীরে অবস্থিত এবং একটি জনপ্রিয় পর্যটন কেন্দ্র।
প্রাগ: এটি চেক প্রজাতন্ত্র-এর রাজধানী।
এথেন্স: এটি ইউরোপের অন্যতম প্রাচীন শহর, যা গ্রিস-এর রাজধানী ও বৃহত্তম শহর।
48

IFC বলতে কি বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
  2. ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স ক্যাপিটাল
  3. ইন্টারন্যাশনাল ফুড করপোরেশন
  4. এগুলোর কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

IFC এর পূর্ণরূপ International Finance Corporation. এটি বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ৫টি অঙ্গ সংস্থার একটি। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২০ জুলাই, ১৯৫৬ এবং এর সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রের রাজধানী ওয়াশিংটন ডিসিতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন
IFC হলো International Finance Corporation-এর সংক্ষিপ্ত রূপ।
এটি বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের (World Bank Group) অন্তর্ভুক্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান, যা বিশেষভাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বেসরকারি খাতে (Private Sector) বিনিয়োগ এবং টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করে।
IFC বেসরকারি খাতের প্রকল্পগুলোতে ঋণ, ইক্যুইটি ও গ্যারান্টি প্রদান করে, যেখানে কোনো সরকারি গ্যারান্টির প্রয়োজন হয় না।
49

Organization of African Unity কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৬০ সালে
  2. ১৯৬২ সালে
  3. ১৯৬৩ সালে
  4. ১৯৬৪ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

২০০২ সালে ৯ জুলাই পর্যন্ত African Union (AU) এর নাম ছিল Organization of African Unity. এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ২৫ মে, ১৯৬৩। এর প্রাথমিক সদস্য ছিল ৩২টি এবং বর্তমানে ৫৫টি। সংস্থার সদর দপ্তর ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৬৩ সালে
Organization of African Unity (OAU) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৩ সালের ২৫ মে। এর প্রধান প্রতিষ্ঠাতা দেশগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ৩৫টি আফ্রিকান রাষ্ট্র, যারা ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবায় মিলিত হয়েছিল।
এই সংস্থাটি প্রতিষ্ঠার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল আফ্রিকার নব-স্বাধীন রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে ঐক্য, সংহতি ও সহযোগিতা বৃদ্ধি করা এবং মহাদেশ থেকে সম্পূর্ণভাবে ঔপনিবেশিকতা দূর করা।
50

বান্দুং কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মালয়েশিয়ায়
  2. ভিয়েতনাম
  3. ইন্দোনেশিয়ায়
  4. থাইল্যান্ড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

৩৩ প্রদেশ বিশিষ্ট জনসংখ্যায় বিশ্বের বৃহত্তম মুসলিম দেশ ইন্দোনেশিয়ার জাভা বারাত প্রদেশের রাজধানীর নাম বান্দুং। ১৯৫৫ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন বা NAM (Non Aligned Movement) প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ২৯টি দেশের সম্মেলন বান্দুং এ অনুষ্ঠিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ইন্দোনেশিয়ায়
বান্দুং (Bandung) হলো দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার রাষ্ট্র ইন্দোনেশিয়ার একটি বিখ্যাত শহর। এটি ইন্দোনেশিয়ার জাভা দ্বীপের পশ্চিম জাভা প্রদেশের রাজধানী।
বান্দুং শহরটির আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করে মূলত ১৯৫৫ সালের ঐতিহাসিক বান্দুং সম্মেলনের কারণে। এই সম্মেলন এশিয়া ও আফ্রিকার ২৯টি দেশের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা পরবর্তীতে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) প্রতিষ্ঠার পথ সুগম করে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

ইসরাইল কত সালে পূর্ব জেরুজালেম দখল করেছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৪৮ সালে
  2. ১৯৬০ সালে
  3. ১৯৬৭ সালে
  4. ১৯৭৩ সালে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৬৭ সালে তৃতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধে ইসরাইল প্রতিপক্ষ- মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানসহ আরব বিশ্বকে পরাজিত করে গাজা, সিনাই উপদ্বীপ, পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেম দখল করে রাখে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৭ সালে। ইসরাইল ১৯৬৭ সালের জুনে সংঘটিত ৬ দিনের যুদ্ধ (Six-Day War) চলাকালীন পূর্ব জেরুজালেম দখল করে নেয়।
এই যুদ্ধে ইসরাইল মিশর, সিরিয়া ও জর্ডানের সেনাবাহিনীকে পরাজিত করে এবং ফিলিস্তিনিদের গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলো দখল করে।
দখলকৃত অঞ্চলগুলোর মধ্যে ছিল: পূর্ব জেরুজালেম, ওয়েস্ট ব্যাংক, গাজা উপত্যকা, মিশরের কাছ থেকে সিনাই উপদ্বীপ এবং সিরিয়ার কাছ থেকে গোলান মালভূমি
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ ১৯৪৮ সালে প্রথম আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়, যার ফলে ইসরাইল পশ্চিম জেরুজালেমের নিয়ন্ত্রণ নেয়। ১৯৬০ বা ১৯৭৩ সালের যুদ্ধে পূর্ব জেরুজালেম দখল হয়নি, এটি তখন থেকেই ইসরাইলের দখলে ছিল।
52

‘No Fly Zone’ কোন দেশে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরাক
  2. কুয়েত
  3. আফগানিস্তান
  4. ইসরাইল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘No Fly Zone’ হচ্ছে বিমান চলাচলে নিষিদ্ধ এলাকা। আকাশসীমায় সংরক্ষিত এলাকায় কোনো ধরনের বিমান চলাচল করতে পারে না। ১৯৯২ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত উত্তর ইরাকে এমন একটি ‘No Fly Zone’ স্থাপন করেছিল যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র। বর্তমানে বিশ্বের বহু দেশেই ‘No Fly Zone’ রয়েছে যেমন: সিরিয়া, ক্রিমিয়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইরাক। ১৯৯১ সালের প্রথম উপসাগরীয় যুদ্ধের (First Gulf War) পর যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য এবং ফ্রান্স যৌথভাবে ইরাকের অভ্যন্তরে দুটি এলাকাকে 'নো ফ্লাই জোন' হিসেবে ঘোষণা করেছিল।
এই জোন তৈরির মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরাকের শাসক সাদ্দাম হোসেনের বিমান হামলা থেকে দেশটির উত্তরাঞ্চলের কুরদি এবং দক্ষিণাঞ্চলের শিয়া জনগোষ্ঠীকে সুরক্ষা দেওয়া।
এই জোনটি ২০০৩ সালের ইরাক যুদ্ধ (Second Gulf War) পর্যন্ত কার্যকর ছিল, যখন সাদ্দাম হোসেনের পতন ঘটে।
53

মাইকেল অ্যাঞ্জেলো কোন দেশের শিল্পী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অস্ট্রিয়া
  2. গ্রিস
  3. সুইডেন
  4. ইতালি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইতালীয় ভাস্কর, চিত্রকর, স্থাপত্যবিদ, প্রকৌশলী ও কবি মাইকেল অ্যাঞ্জেলো বুওনারোত্তি ছিলেন ইতালীয় রেনেসাঁসেরও অন্যতম পুরোধা। তার বিশ্ববিখ্যাত ভাস্কর্য ও স্থাপত্যকর্মের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো রোমের সেন্ট পিটারের ‘পিয়েতো’, ফ্লোরেন্সের আকাদেমিতে রক্ষিত ‘ডেভিট’, দ্বিতীয় পোপ জুলিয়াসের সমাধিসৌধ ইত্যাদি। তিনি জন্মগ্রহণ করনে ৬ মার্চ, ১৪৭৫ সালে এবং ১৫৬৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ইতালি
মাইকেল অ্যাঞ্জেলো বুওনারোত্তি (Michelangelo Buonarroti) ছিলেন পঞ্চদশ ও ষোড়শ শতাব্দীর ইতালীয় নবজাগরণের (Italian Renaissance) অন্যতম শ্রেষ্ঠ শিল্পী। তিনি একাধারে ভাস্কর, চিত্রকর, স্থপতি এবং কবি হিসেবে বিশ্বজুড়ে পরিচিত।
তাঁর শিল্পকর্ম মানব ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকীর্তি হিসেবে বিবেচিত। যেমন: ফ্লোরেন্সে অবস্থিত 'ডেভিডের ভাস্কর্য' এবং ভ্যাটিকানে অবস্থিত 'সিস্টিন চ্যাপেলের ছাদচিত্র' (The Ceiling of the Sistine Chapel)।
অন্যান্য অপশন (অস্ট্রিয়া, গ্রিস, সুইডেন) উচ্চ রেনেসাঁর (High Renaissance) জন্য বিখ্যাত নয়, যা মাইকেল অ্যাঞ্জেলোর সময়ের মূল কেন্দ্র ছিল ইতালি
54

ম্যাকমোহন লাইন কোন কোন দেশের সীমানা নির্ধারণ করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চীন ও রাশিয়া
  2. চীন ও ভারত
  3. ভারত ও পাকিস্তান

  4. পাকিস্তান ও আফগানিস্তান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ভারতের ১১২৬.৫৪ কি.মি. বা ৭০০ মাইলব্যাপী অরুণাচল প্রদেশ এবং চীনের অন্তর্গত তিব্বতের সুবর্ণ সিঁড়ি, সিয়াং ও লোহিত সীমান্তজুড়ে ম্যাকমোহন লাইন অবস্থিত। অন্যদিকে ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে র‌্যাডক্লিফ লাইন এবং পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের মধ্যে ডুরান্ড লাইন সংশ্লিষ্ট দেশসমূহের সীমানা নির্ধারণ করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চীন ও ভারত
ম্যাকমোহন লাইন (McMahon Line) হলো ভারত এবং গণপ্রজাতন্ত্রী চীন-এর মধ্যে সীমানা নির্ধারণকারী একটি গুরুত্বপূর্ণ রেখা।
১৯১৪ সালে ব্রিটিশ ভারতের পররাষ্ট্র সচিব স্যার হেনরি ম্যাকমোহন কর্তৃক এই লাইনটি চিহ্নিত করা হয়। তার নাম অনুসারে এর নামকরণ করা হয়।
এই লাইনটি প্রধানত ভারতের অরুণাচল প্রদেশ এবং তিব্বতের মধ্যবর্তী প্রায় ৮৯০ কিলোমিটার দীর্ঘ অঞ্চলের সীমানা নির্দেশ করে।
উল্লেখযোগ্য যে, চীন সরকার ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক কারণে এই সীমারেখাটিকে অবৈধ ও অগ্রহণযোগ্য বলে মনে করে, ফলে এটি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ ভারত ও পাকিস্তানের সীমারেখা হলো রাডক্লিফ লাইন, এবং পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমারেখা হলো ডুরান্ড লাইন
55

কোনটি নিশীথ সূর্যের দেশ নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হেমারফেস্ট

  2. কুইবেক
  3. তিব্বত
  4. কোনোটিই নয়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

নরওয়ের উত্তরাঞ্চলীয় হেমারফেস্ট শহরটি সাড়ে ৭০∘ উত্তর অক্ষাংশে অবস্থিত। ২১ জুন তারিখে সূর্য কর্কটক্রান্তি রেখার ওপর লম্বভাবে বা ৯০∘ কোণে এবং নিরক্ষরেখার ওপর সাড়ে ৬৬∘ কোণে হেলে কিরণ দেয়। ৯০∘ উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত যে কোনো স্থান সূর্যরশ্মিতে আলোকিত থাকে। তবে পৃথিবীর আবর্তনের ফলে এ অঞ্চলে স্থানীয় সময় মধ্যরাত হলেও এ অঞ্চলের হেমারফেস্ট থেকে দূর মহাকাশের দিগন্তে সূর্যকে দেখা যায়। তাই এ অঞ্চলকে নিশীথ সূর্যের দেশ বলা হয়। অন্যদিকে কুইবেককে পশ্চিমের জিব্রাল্টার এবং তিব্বতকে নিষিদ্ধ দেশ বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো হেমারফেস্ট। যদিও প্রশ্নটি দেশের নাম জানতে চেয়েছে, কিন্তু অপশনগুলোর মধ্যে নিশীথ সূর্যের জন্য বিখ্যাত শহর হেমারফেস্টের নাম থাকায় এটিই সঠিক।
মূলত নিশীথ সূর্যের দেশ (Land of the Midnight Sun) হিসেবে ইউরোপের দেশ নরওয়ে (Norway) পরিচিত। নরওয়ের যে অঞ্চলটি আর্কটিক সার্কেলের (Arctic Circle) মধ্যে পড়ে (যেমন হেমারফেস্ট), সেখানে গ্রীষ্মকালে সূর্য অস্ত না গিয়ে ২৪ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে দৃশ্যমান থাকে।
হেমারফেস্ট শহরটি নরওয়ের ফিনমার্ক কাউন্টিতে অবস্থিত এবং এটি বিশ্বব্যাপী নিশীথ সূর্যের দর্শনস্থান হিসেবে বিখ্যাত।
56

ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংকের সদর দপ্তর কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিয়াদ
  2. কায়রো
  3. কুয়েত
  4. জেদ্দা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (IDB) এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দায়। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৩ সালে এবং কার্যক্রম শুরু হয় ২০ অক্টোবর, ১৯৭৫।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেদ্দা
ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (Islamic Development Bank - IDB) হলো একটি বহুপাক্ষিক উন্নয়ন অর্থায়ন প্রতিষ্ঠান। এর সদর দপ্তর সৌদি আরবের জেদ্দা শহরে অবস্থিত।
এই ব্যাংকটি অর্গানাইজেশন অফ ইসলামিক কো-অপারেশনের (OIC) সদস্যভুক্ত দেশগুলোর আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে গঠিত।
IDB সম্পূর্ণরূপে শরিয়াহ (ইসলামিক আইন) ভিত্তিক অর্থায়ন পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়। এটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৭৫ সালে।
57

বেলজিয়ামের মুদ্রার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শিলিং
  2. ফ্রাংক
  3. পাউন্ড
  4. ক্রোনা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ফ্রাংক বেলজিয়ামের সাবেক মুদ্রা। ইউরো চালু হওয়ার পর ২০০২ সালের ১ জুলাই থেকে বেলজিয়ামের মুদ্রা ফ্রাংক বিলুপ্ত করা হয়। অন্যদিকে, শিলিং অস্ট্রিয়ার ইউরো গ্রহণের পূর্বের মুদ্রা, পাউন্ড স্টারলিং যুক্তরাজ্যের মুদ্রা, সুইডিস ক্রোনা সুইডেনের মুদ্রা এবং ডেনিস ক্রোনা ডেনমার্কের মুদ্রা।

ব্যাখ্যা

বেলজিয়াম হলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের (EU) অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং এর বর্তমান সরকারি মুদ্রা হলো ইউরো (€)
ইউরো প্রচলনের আগে (১৯৯৯ সাল পর্যন্ত) বেলজিয়ামের দাপ্তরিক মুদ্রা হিসেবে ব্যবহৃত হতো বেলজিয়ান ফ্রাংক
যেহেতু অপশনগুলোতে ইউরো নেই এবং বেলজিয়াম ঐতিহাসিকভাবে 'ফ্রাংক' ব্যবহার করত, তাই সঠিক উত্তর হিসেবে ফ্রাংক গ্রহণ করা হয়। (ফ্রাংক হলো বিকল্প ১)।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল হওয়ার কারণ:
শিলিং (Shilling) ব্যবহৃত হয় পূর্ব আফ্রিকার দেশগুলোতে (যেমন: কেনিয়া, উগান্ডা)।
পাউন্ড (Pound) ব্যবহৃত হয় যুক্তরাজ্য, মিশর, লেবাননসহ কয়েকটি দেশে।
ক্রোনা (Krona) ব্যবহৃত হয় নর্ডিক দেশসমূহে (যেমন: সুইডেন, নরওয়ে, ডেনমার্ক)।
58

‘কোনটি চির শান্তির শহর’ নামে পরিচিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রোম
  2. ভেনিস
  3. এথেন্স
  4. ওসলো

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রোম নীরব শহর, চির শান্তির শহর, পোপের শহর এবং সাত পাহাড়ের শহর নামে পরিচিত। অন্যদিকে ভেনিস রাজপ্রাসাদের নগরী, দ্বীপের নগরী, নিশ্চুপ সড়কের শহর, অ্যাড্রিয়াটিকের রানী নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রোম (Rome)
রোম শহরটি ইতালির রাজধানী এবং এটি ঐতিহাসিকভাবে ‘চিরন্তন শহর’ (Eternal City) নামে পরিচিত। যদিও প্রশ্নে ‘চির শান্তির শহর’ বলা হয়েছে, এই উপাধিটি (চিরন্তনতা, স্থিতিশীলতা ও দীর্ঘস্থায়ীত্বের প্রতীক হিসাবে) মূলত রোমের ক্ষেত্রেই ব্যবহার করা হয় এবং এটি পরীক্ষায় খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
প্রাচীনকাল থেকে শুরু করে রোমান সাম্রাজ্য এবং ক্যাথলিক চার্চের কেন্দ্র হওয়ায় রোমের ঐতিহাসিক গুরুত্ব চিরস্থায়ী।
অন্যান্য অপশনগুলো তাদের ভিন্ন উপাধির জন্য বিখ্যাত:
ভেনিস: এটি ‘খালের শহর’ (City of Canals) বা ‘আদ্রিয়াটিকের রানী’ (Queen of the Adriatic) নামে পরিচিত।
এথেন্স: এটিকে ‘পাশ্চাত্য সভ্যতার সূতিকাগার’ (Cradle of Western Civilization) বলা হয়।
59

বাবেল মান্দেব কোন ভাষার শব্দ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফারসি
  2. উর্দু
  3. আরবি
  4. ইংরেজি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাবেল মান্দেব একটি আরবি শব্দ। এখানে এক সময় প্রচুর জাহাজ ডুবি হতো ও অনেক মানুষ মারা যেত। এটি বর্তমানে একটি প্রণালী, যা এশিয়া থেকে আফ্রিকাকে পৃথক করেছে এবং এডেন সাগরকে লোহিত সাগরের সাথে যুক্ত করেছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আরবি
বাবেল মান্দেব শব্দটি একটি আরবি ভাষার শব্দ।
আরবিতে এর সম্পূর্ণ বানান হলো 'باب المندب' (Bab al-Mandab)। এই শব্দটির আক্ষরিক অর্থ হলো 'দুঃখের প্রবেশদ্বার' বা 'বিলাপের ফটক' (Gate of Tears/Lamentation)।
প্রাচীনকালে এই প্রণালীতে অনেক জাহাজডুবি হওয়ায় এর নাম এমন করুণ রাখা হয়। লোহিত সাগরের সঙ্গে এডেন উপসাগরের সংযোগস্থলে এটি অবস্থিত এবং এটি বৈশ্বিক বাণিজ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশন যেমন ফারসি, উর্দু বা ইংরেজি এই শব্দটির মূল উৎস নয়।
60

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ কত জন প্রতিনিধি পাঠাতে পারে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তিনজন
  2. চারজন
  3. পাঁচজন
  4. ছয়জন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জাতিসংঘের বিধান অনুযায়ী সাধারণ পরিষদে প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্র পাঁচজন করে প্রতিনিধি পাঠাতে পারে। তবে কোনো সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রত্যেক সদস্যরাষ্ট্র শুধু একটি ভোট প্রদান করতে পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পাঁচজন। অপশন (গ) সঠিক।
জাতিসংঘের অন্যতম প্রধান অঙ্গ সাধারণ পরিষদ (General Assembly) হলো সদস্য রাষ্ট্রসমূহের প্রধান আলাপ-আলোচনা ও নীতি নির্ধারণী ফোরাম। এটি জাতিসংঘের একমাত্র সংস্থা যেখানে সব সদস্য রাষ্ট্রের সমান প্রতিনিধিত্ব থাকে।
সাধারণ পরিষদের কার্যপ্রণালী বিধি (Rules of Procedure) অনুযায়ী, প্রতিটি সদস্যরাষ্ট্র সর্বোচ্চ ৫ (পাঁচ) জন প্রতিনিধি (Representatives) পাঠাতে পারে।
তবে মনে রাখতে হবে, প্রতিনিধি ৫ জন হলেও, প্রতিটি রাষ্ট্রের ভোটাধিকার মাত্র ১টি। অন্য কোনো অপশন (তিনজন, চারজন, ছয়জন) জাতিসংঘ চার্টার অনুযায়ী সঠিক নয়।
61

পিএলও কখন গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৬৪ সালে
  2. ১৯৬৫ সালে
  3. ১৯৬৬ সালে
  4. ১৯৬৭ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটিশরা ইহুদিদের পক্ষে ফিলিস্তিন ত্যাগ করলে ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনে ইহুদিরা ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করে। এমতাবস্থায় স্বদেশভূমি উদ্ধারের জন্য প্রখ্যাত গেরিলা নেতা ইয়াসির আরাফাত ১৯৬৪ সালে পিএলও প্রতিষ্ঠা করেন। পিএলও’র পূর্ণরূপ প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন। ১১ নভেম্বর, ২০০৪ ইয়াসির আরাফাত মৃত্যুবরণ করলে এর দায়িত্ব গ্রহণ করেন মাহমুদ আব্বাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৯৬৪ সালে
পিএলও (PLO) বা প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন (Palestine Liberation Organization) প্রতিষ্ঠিত হয় ২রা জুন, ১৯৬৪ সালে।
এটি গঠিত হয়েছিল জেরুজালেমে অনুষ্ঠিত প্রথম আরব লীগ শীর্ষ সম্মেলনের সময়।
পিএলও গঠনের মূল লক্ষ্য ছিল ফিলিস্তিনি জনগণের জাতীয় মুক্তি নিশ্চিত করা এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা।
62

নক্রুমা কোন দেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নাইজেরিয়া
  2. কঙ্গো
  3. আবিসিনিয়া
  4. ঘানা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোয়ামে নক্রুমা ঘানার জাতীয়তাবাদী নেতা, প্রথম প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্ট এবং উপনিবেশবাদ ও নব্য উপনিবেশবাদের কট্টর বিরোধী ব্যক্তিত্ব।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ঘানা
কোয়ামে নক্রুমা (Kwame Nkrumah) ছিলেন আফ্রিকার অন্যতম প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং প্রথম ঔপনিবেশিক শক্তির অধীনে থাকা দেশ, যা স্বাধীনতা লাভ করেছিল।
তিনি ছিলেন ঘানার (তৎকালীন গোল্ড কোস্ট) স্বাধীনতার অন্যতম স্থপতি এবং দেশটির প্রথম প্রধানমন্ত্রী (১৯৫৭-৬০) ও প্রথম প্রেসিডেন্ট (১৯৬০-৬৬)।
ঘানা ব্রিটিশ উপনিবেশ থেকে স্বাধীনতা লাভ করে ৬ মার্চ ১৯৫৭ সালে। এই স্বাধীনতা ছিল সাহারা-নিম্ন আফ্রিকার প্রথম স্বাধীনতা, যা অন্য আফ্রিকান দেশগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা জুগিয়েছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ নক্রুমা শুধুমাত্র ঘানার রাজনৈতিক নেতৃত্বেই ছিলেন।
63

কোনো বস্তুর ওজন কোথায় সবচেয়ে বেশি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. খনির ভেতর
  2. পাহাড়ের ওপর
  3. বিষুব অঞ্চলে
  4. মেরু অঞ্চলে 

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেরু অঞ্চলে
কোনো বস্তুর ওজন (Weight, WW) মূলত অভিকর্ষজ ত্বরণ (gg) এর ওপর নির্ভর করে। ওজন নির্ণয়ের সূত্রটি হলো W=mgW = mg, যেখানে mm হলো ভর যা সবসময় অপরিবর্তনীয় থাকে।
পৃথিবীর আকৃতির কারণে (gg এর মান পরিবর্তন হয়। পৃথিবী সম্পূর্ণ গোল না হয়ে অভিগত গোলক (Oblate Spheroid)। এর মেরু অঞ্চল সামান্য চাপা এবং বিষুব অঞ্চল কিছুটা স্ফীত।
ফলে, পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে মেরু অঞ্চলের দূরত্ব (ব্যাসার্ধ, rr) সবচেয়ে কম
অভিকর্ষজ ত্বরণ (gg) ব্যাসার্ধের বর্গের ব্যস্তানুপাতিক। যেহেতু মেরুতে rr সবচেয়ে কম, তাই সেখানে gg এর মান সর্বোচ্চ হয়।
যেহেতু ওজন (WW) সরাসরি gg এর সমানুপাতিক, তাই মেরু অঞ্চলে বস্তুর ওজন সবচেয়ে বেশি হয়।
অন্যদিকে, বিষুব অঞ্চলে ব্যাসার্ধ সবচেয়ে বেশি হওয়ায় ওজন সবচেয়ে কম হয়। পাহাড়ের ওপর বা খনির ভেতরে গেলেও (পৃথিবীর কেন্দ্র থেকে দূরত্ব বাড়লে বা কমলে) ওজন হ্রাস পায়।
64

প্রকৃতিতে সবচেয়ে শক্ত পদার্থ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পিতল
  2. হীরা
  3. ইস্পাত
  4. গ্রানাইট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সবচেয়ে কঠিন পদার্থ হীরক। এটি কার্বনের একটি রূপ। এটি কাটতে অসংখ্য সমযোজী বন্ধন ছিন্ন করতে হয় বলে হীরা অত্যন্ত শক্ত। বিশুদ্ধ অবস্থায় হীরক বর্ণহীন। হীরককে হীরক ব্যতিত অন্য কোন কিছু দিয়ে কাটা যায় না। কৃত্রিমভাবে তৈরি সবচেয়ে কঠিন পদার্থ বোরোজেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: হীরা (Diamond)
প্রকৃতিতে প্রাপ্ত পদার্থগুলোর মধ্যে হীরা (Diamond) হলো সবচেয়ে শক্ত। এটি কার্বনের একটি রূপভেদ (Allotrope)। হীরার প্রতিটি কার্বন পরমাণু শক্তিশালী সমযোজী বন্ধনে (Covalent Bond) চারটি অন্য কার্বন পরমাণুর সাথে যুক্ত থাকে, যার ফলে এটি পৃথিবীর কঠিনতম পদার্থ হিসেবে পরিচিত।
পদার্থের কাঠিন্য পরিমাপের মানদণ্ড মোহস স্কেলে (Mohs Hardness Scale) হীরার মান হলো ১০, যা সর্বোচ্চ। এই কারণে কঠিন বস্তু কাটতে বা ঘষতে হীরা ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য অপশন, যেমন—ইস্পাত (লৌহ ও কার্বনের সংকর ধাতু), পিতল (তামা ও দস্তার সংকর ধাতু) বা গ্রানাইট (একটি শিলা), এদের কাঠিন্য হীরার চেয়ে অনেক কম।
65

ক্যাসেটের ফিতার শব্দ রক্ষিত থাকে কি হিসেবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র হিসেবে
  2. মেমোরী চিপ হিসেবে
  3. চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
  4. কার্বন ক্ষেত্র হিসেবে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আয়রন অক্সাইড ও বেরিয়াম অক্সাইডের মিশ্রণে তৈরি ফেরাইট চুম্বক। এ ফেরাইট চুম্বকে শব্দ রক্ষিত থাকে চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে।

ব্যাখ্যা

ক্যাসেট ফিতা বা টেপ রেকর্ডিংয়ের মূল ভিত্তি হলো চৌম্বকীয়তা (Magnetism)
ক্যাসেট টেপ হলো মূলত একটি প্লাস্টিকের ফিতা যার উপর ফেরোম্যাগনেটিক অক্সাইড (যেমন আয়রন অক্সাইড) বা ক্রোমিয়াম ডাই-অক্সাইডের অত্যন্ত সূক্ষ্ম প্রলেপ দেওয়া থাকে। এই পদার্থগুলো চুম্বক দ্বারা সহজে প্রভাবিত হয়
যখন রেকর্ড করা হয়, তখন রেকর্ডিং হেড (Recording Head) শব্দের বৈদ্যুতিক সংকেতকে পরিবর্তনশীল চুম্বক ক্ষেত্রে রূপান্তরিত করে। এই ক্ষেত্র ফিতার চৌম্বক কণাগুলোকে শব্দের তরঙ্গ অনুযায়ী সজ্জিত করে।
ফলাফলস্বরূপ, শব্দ তরঙ্গগুলো ফিতার মধ্যে চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে স্থায়ীভাবে রক্ষিত থাকে। প্লেব্যাক করার সময়, প্লেব্যাক হেড এই চৌম্বকীয় পরিবর্তন শনাক্ত করে শব্দে রূপান্তরিত করে। তাই সঠিক উত্তর হলো: চুম্বক ক্ষেত্র হিসেবে
অন্যদিকে, মেমোরী চিপ হলো আধুনিক ডিজিটাল স্টোরেজ (যেমন পেনড্রাইভ বা SSD) এবং এটি ক্যাসেট ফিতার মূলনীতি নয়।
66

ফারেনহাইট ও সেলসিয়াসের স্কেলে কত ডিগ্রি তাপমাত্রায় সমান তাপমাত্রা নির্দেশ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ০০∘
  2. ১০০∘

  3. ৪∘

  4. −৪০∘

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: −৪০∘। এটি একটি ধ্রুবক মান যা বহুবার পরীক্ষায় এসেছে।
ফারেনহাইট (F) ও সেলসিয়াস (C) স্কেলের মধ্যে সম্পর্ক হলো: C/5=(F32)/9C/5 = (F-32)/9
প্রশ্নানুসারে, তাপমাত্রা দুটি স্কেলেই সমান হবে। ধরি, সেই তাপমাত্রাটি হলো XX
অর্থাৎ, C=F=XC = F = X
এখন সূত্রে মান বসিয়ে পাই: X/5=(X32)/9X/5 = (X-32)/9
বজ্রগুণন করে: 9X=5(X32)9X = 5(X-32)
9X=5X1609X = 5X - 160
9X5X=1609X - 5X = -160
4X=1604X = -160
X=160/4X = -160/4
অতএব, X=40X = -40
অর্থাৎ, -৪০ ডিগ্রি তাপমাত্রায় সেলসিয়াস ও ফারেনহাইট স্কেল একই মান নির্দেশ করে।
67

অগ্ন্যাশয় থেকে নির্গত চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেনিসিলিন
  2. ইনসুলিন
  3. ফলিক অ্যাসিড
  4. অ্যামিনো এসিড

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্ন্যাশয় মেরুদণ্ডী প্রাণীর দেহের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। অগ্ন্যাশয় হতে আমিষ, শ্বেতসার ও চর্বি জাতীয় খাদ্য হজমকারী এনজাইম নিঃসৃত হয়। এগুলো খাদ্য পরিপাকে সহায়তা করে। অগ্ন্যাশয়ের আইলেটস অব ল্যাঙ্গার হ্যানস হতে গ্লুকানল ও ইনসুলিন নিঃসৃত হয়। ইনসুলিন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস রোগ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ইনসুলিন
ইনসুলিন হলো একটি পেপটাইড হরমোন যা অগ্ন্যাশয়ের (Pancreas) ল্যাঙ্গারহ্যান্স দ্বীপপুঞ্জের (Islets of Langerhans) বিটা কোষ থেকে নিঃসৃত হয়।
এর প্রধান কাজ হলো রক্তে চিনির (গ্লুকোজের) মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা এবং গ্লুকোজকে শরীরের কোষে প্রবেশ করিয়ে শক্তি উৎপাদনে সহায়তা করা।
যখন এই ইনসুলিনের অভাব ঘটে বা শরীর ইনসুলিনের প্রতি সাড়া দেয় না, তখনই ডায়াবেটিস মেলাইটাস (বহুমূত্র) রোগ দেখা দেয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, পেনিসিলিন হলো অ্যান্টিবায়োটিক এবং ফলিক অ্যাসিড (ভিটামিন B9) ও অ্যামিনো এসিড হলো খাদ্য উপাদান, এরা কেউই চিনির বিপাক নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নয়।
68

টেস্টিং সল্ট-এর রাসায়নিক নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোডিয়াম বাইকার্বোনেট
  2. সোডিয়াম গ্লুটামেট
  3. পটাশিয়াম বাইকার্বোনেট
  4. সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সঠিক উত্তর হবে মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট। মনোসোডিয়াম গ্লুটামেটকে সোডিয়াম গ্লুটামেট ও বলা হয়। সোডিয়াম বাইকার্বোনেট (NaHCO3) হচ্ছে খাওয়ার সোডা এবং মনোসোডিয়াম গ্লুটামেটকে সাধারণ কথায় টেস্টিং সল্ট বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সোডিয়াম মনোগ্লুটামেট
টেস্টিং সল্ট হলো একটি জনপ্রিয় খাদ্য সংযোজনকারী উপাদান (food additive) যা খাবারে স্বাদ বাড়ানোর জন্য ব্যবহৃত হয়।
এর বৈজ্ঞানিক ও প্রচলিত নাম মনোসোডিয়াম গ্লুটামেট (Monosodium Glutamate), যাকে সংক্ষেপে MSG বলা হয়।
রাসায়নিকভাবে এটি হলো গ্লুটামিক অ্যাসিডের সোডিয়াম লবণ এবং এর সংকেত হলো: C5H8NO4NaC_5H_8NO_4Na
উল্লেখ্য, অপশন (১) সোডিয়াম বাইকার্বোনেট হলো খাবার সোডা বা বেকিং সোডা, যা সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি রাসায়নিক যৌগ।
69

তাপ প্রয়োগে সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয় কোন পদার্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তরল পদার্থ
  2. বায়বীয় পদার্থ
  3. কঠিন পদার্থ
  4. নরম পদার্থ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

তাপ প্রয়োগ করলে পদার্থ প্রসারিত হয়। তবে যে পদার্থের অণুগুলোর মধ্যকার আন্তঃআণবিক আকর্ষণ যতো কম সে পদার্থ ততো বেশি প্রসারিত হয়। কঠিন বা তরল পদার্থের তুলনায় বায়বীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ সবচেয়ে কম। তাই তাপ প্রয়োগে বায়বীয় পদার্থ সবচেয়ে বেশি প্রসারিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বায়বীয় পদার্থ
পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আকর্ষণ বলের তীব্রতা এবং অণুগুলোর মধ্যেকার দূরত্ব প্রসারণের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে। আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল যত কম হবে, তাপ প্রয়োগে প্রসারণের পরিমাণ তত বেশি হবে।
বায়বীয় পদার্থ (Gas): গ্যাসীয় পদার্থের অণুগুলোর মধ্যে আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বল (Intermolecular Force) প্রায় নেই বললেই চলে। তাপ প্রয়োগের ফলে অণুগুলোর গতিশক্তি অনেক বেড়ে যায় এবং তারা দ্রুতগতিতে দূরে সরে যায়, যার ফলে গ্যাসীয় পদার্থের আয়তন প্রসারণ সবচেয়ে বেশি হয়।
তরল পদার্থ (Liquid): তরলের অণুগুলোর মধ্যেকার আকর্ষণ বল গ্যাসের চেয়ে বেশি, কিন্তু কঠিনের চেয়ে কম। তাই তাপ দিলে তরলের প্রসারণ কঠিনের চেয়ে বেশি হয়, কিন্তু গ্যাসের চেয়ে কম হয়।
কঠিন পদার্থ (Solid): কঠিন পদার্থের অণুগুলো খুব মজবুত বন্ধনে আবদ্ধ থাকে। তাই তাপ প্রয়োগ করলেও প্রসারণ খুবই নগণ্য হয় (গ্যাস বা তরলের তুলনায়)।
70

মাটির পাত্রে পানি ঠাণ্ডা থাকে কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মাটির পাত্র পানি থেকে তাপ শোষণ করে
  2. মাটির পাত্র ভালো তাপ পরিবাহী
  3. মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে
  4. মাটির পাত্র তাপ কুপরিবাহী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মাটির পাত্রে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র থাকে। এসব ছিদ্র দিয়ে পানি কলসির উপরিতলে এসে পৌঁছে এবং বাষ্পীভূত হয়। বাষ্পায়নের সময়ে প্রয়োজনীয় সুপ্ততাপ কলসির পানি থেকে গ্রহণ করে। ফলে পানি ঠাণ্ডা থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মাটির পাত্র পানির বাষ্পীভবনে সাহায্য করে (Evaporative Cooling)।
মাটির পাত্রের গায়ে অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র (Pores) থাকে, যা খালি চোখে দেখা যায় না।
এই ছিদ্রগুলো দিয়ে পাত্রের ভেতরের পানি ধীরে ধীরে বাইরের পৃষ্ঠে চলে আসে
যখন এই পৃষ্ঠের পানি বাষ্পীভূত হয় (Evaporates), তখন বাষ্পীভবনের জন্য প্রয়োজনীয় সুপ্ত তাপ (Latent Heat) সেই ভেতরের অবশিষ্ট পানি এবং পাত্রের গা থেকে সংগ্রহ করে।
তাপ হারানোর ফলে ভেতরের পানির তাপমাত্রা কমে যায় এবং পানি ঠান্ডা থাকে। এটিই হলো বাষ্পীভবনজনিত শীতলীকরণ (Evaporative Cooling) নীতি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ পাত্র তাপ শোষণ করলে পানি আরও গরম হতো। পাত্রের তাপ পরিবাহিতা (Conduction) নয়, বরং বাষ্পীভবনই এখানে মূল ভূমিকা পালন করে।
71

আকাশ মেঘলা থাকলে গরম বেশি লাগে কেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মেঘ উত্তম তাপ পরিবাহক
  2. সূর্যালোকের অতিবেগুনি রশ্মির প্রভাবে মেঘ তাপ উৎপন্ন করে
  3. বজ্রপাতের ফলে তাপ উৎপন্ন হয় বলে
  4. মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আকাশ পরিষ্কার থাকলে ভূপৃষ্ঠের বিকীর্ণ তাপ আকাশে উঠে যায়। ফলে ভূপৃষ্ঠ শীতল হয়ে পড়ে। কিন্তু মেঘ অপরিবাহী এবং তাপ বিকিরণে বাধা দেয়। তাই আকাশ মেঘলা থাকলে ভূপৃষ্ঠের বিকীর্ণ তাপ এর আশে পাশেই থেকে যায়। ফলে ভ্যাপসা গরম লাগে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মেঘ পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে বিকীর্ণ তাপকে ওপরে যেতে বাধা দেয় বলে (অপশন ৪)।
পৃথিবী দিনের বেলায় সূর্যের কাছ থেকে তাপ গ্রহণ করে। রাতে বা মেঘলা আবহাওয়ার সময় পৃথিবী তার শোষিত এই তাপ দীর্ঘ তরঙ্গ বিকিরণ (Longwave Radiation) আকারে বায়ুমণ্ডলে ছেড়ে দেয়।
মেঘের স্তরটি এই বিকিরণকৃত তাপকে (ইনফ্রারেড রশ্মি) সহজে মহাকাশে যেতে বাধা দেয়। মেঘ এই তাপ শোষণ করে এবং আবার ভূপৃষ্ঠের দিকে প্রতিফলিত করে দেয়।
এর ফলে তাপ বায়ুমণ্ডলের নিম্নস্তরে আটকে যায় (Trapping), যা পৃথিবীপৃষ্ঠের কাছাকাছি তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে। এই কারণেই মেঘলা থাকলে গরম বেশি অনুভূত হয়, যা গ্রিনহাউস প্রভাবের অনুরূপ একটি প্রক্রিয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: মেঘ তাপের উত্তম পরিবাহক নয়। বজ্রপাত কেবল সাময়িক তাপ সৃষ্টি করে, আর UV রশ্মি মেঘ দ্বারা তাপ উৎপাদনের কারণ নয়।
72

জীবের বংশগতির বৈশিষ্ট্য বহন করে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিউক্লিয়াস
  2. নিউক্লিওলাস
  3. ক্রোমোজোম

  4. নিউক্লিওপ্লাজম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্রোমোজোম (Chromosome)
ক্রোমোজোম হলো কোষের নিউক্লিয়াসে থাকা সুতোর মতো গঠন যা বংশগত বৈশিষ্ট্যগুলির ধারক ও বাহক হিসেবে কাজ করে। এই ক্রোমোজোমের মধ্যে DNA (ডি-অক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড) প্যাঁচানো অবস্থায় থাকে এবং এই ডিএনএ-তেই জীবের সব তথ্য বা বৈশিষ্ট্য (যেমন: চোখের রং, চুলের প্রকৃতি) এনকোড করা থাকে।
জীবের বংশগতির কার্যকরী একক হলো জিন (Gene), যা আসলে ক্রোমোজোমের মধ্যে অবস্থিত DNA-এর নির্দিষ্ট অংশ।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ: নিউক্লিয়াস হলো সেই অঙ্গাণু যা ক্রোমোজোমকে ধারণ করে, কিন্তু বৈশিষ্ট্য বহনকারী মূল উপাদান নয়। নিউক্লিওলাস রাইবোসোম তৈরি করে এবং নিউক্লিওপ্লাজম হলো নিউক্লিয়াসের ভেতরের তরল অংশ, যা বংশগতি বহন করে না।
73

প্রাকৃতিক কোন উৎস থেকে সবচেয়ে মৃদু পানি পাওয়া যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাগর
  2. হ্রদ
  3. নদী
  4. বৃষ্টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সাগরের পানি লবণাক্ত। হ্রদ ও নদীর পানি মৃদু হলেও তুলনামূলকভাবে বৃষ্টির পানি অধিকতর মৃদু। কারণ সাগর, নদী প্রভৃতির পানি সূর্যতাপে বাষ্পীভূত হয়ে মেঘ সৃষ্টি হয়, যার ফলে বৃষ্টির পানিতে বিভিন্ন প্রকার লবণের উপস্থিতি একেবারেই থাকে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বৃষ্টি
প্রাকৃতিক পানির উৎসের মধ্যে বৃষ্টির পানিকে সবচেয়ে মৃদু পানি (Softest Water) হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
এর প্রধান কারণ হলো, বৃষ্টির পানি বাষ্পীভবন (Evaporation) এবং ঘনীভবন (Condensation) প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি হয়। এই প্রক্রিয়ায় পানি থেকে ক্যালসিয়াম (Ca), ম্যাগনেসিয়াম (Mg)-এর মতো খনিজ লবণ এবং কঠিন পদার্থ আলাদা হয়ে যায়।
পানিতে এই খনিজ লবণগুলোর উপস্থিতিই খরতা (Hardness) সৃষ্টি করে। যেহেতু বৃষ্টির পানিতে এই লবণগুলো প্রায় অনুপস্থিত থাকে, তাই এটি স্বাভাবিকভাবেই মৃদু এবং বিশুদ্ধতম হয়।
বিপরীতে, নদী, হ্রদ এবং সাগরের পানি ভূ-পৃষ্ঠের উপর দিয়ে প্রবাহিত বা জমা থাকার সময় মাটি ও পাথর থেকে বিভিন্ন লবণ দ্রবীভূত করে ফেলে, যার ফলে সেগুলোর খরতা বৃষ্টির পানির চেয়ে বেশি হয়।
74

রেডিও আইসোটোপ ব্যবহৃত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কিডনির পাথর গলাতে
  2. পিত্তপাথর গলাতে
  3. গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে

  4. নতুন পরমাণু তৈরিতে

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গলগণ্ড রোগ নির্ণয়ে
রেডিও আইসোটোপ (Radioisotopes) বা তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ হলো এমন মৌল, যা থেকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে তেজস্ক্রিয় রশ্মি নিঃসৃত হয় এবং এর মাধ্যমে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা করা হয়।
বিশেষ করে আয়োডিন-১৩১ (I-131) নামক রেডিও আইসোটোপটি মানবদেহে থাইরয়েড গ্রন্থির অতিরিক্ত কার্যকলাপ পর্যবেক্ষণ এবং গলগণ্ড রোগ (Goitre) নির্ণয় ও চিকিৎসায় বহুল ব্যবহৃত হয়। থাইরয়েড গ্রন্থি প্রকৃতিগতভাবে আয়োডিন শোষণ করে।
প্রথম দুটি অপশন (কিডনির পাথর ও পিত্তপাথর) গলাতে সাধারণত শক ওয়েভস (Lithotripsy) ব্যবহার করা হয়, যেখানে রেডিও আইসোটোপের ভূমিকা নেই।
চতুর্থ অপশনটি (নতুন পরমাণু তৈরি) একটি বৃহত্তর পারমাণবিক প্রক্রিয়া (যেমন: ফিশন বা ফিউশন), যা রেডিও আইসোটোপ ব্যবহারের প্রধান উদ্দেশ্য নয়।
75

যখন সূর্য ও পৃথিবীর মধ্যে চাঁদ অবস্থান করে তখন হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চন্দ্রগ্রহণ
  2. সূর্যগ্রহণ
  3. অমাবস্যা
  4. পূর্ণিমা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পূর্ণিমার তিথিতে পৃথিবী, চাঁদ ও সূর্য একই সরলরেখায় আসে তখন পৃথিবীর ছায়ার জন্য চাঁদে সূর্যের আলো পৌঁছায় না ফলে চাঁদকে তখন কিছু সময়ের জন্য দেখা যায় না। তখন পৃথিবী পৃষ্ঠের কোন দর্শকের কাছে চাঁদ অংশিক বা সম্পূর্ণরূপে কিছু সময়ের জন্য অদৃশ্য হয়ে যায়। একে চন্দ্রগ্রহণ বলে। অন্যদিকে চাঁদ যখন পরিভ্রমণরত অবস্থায় কিছু সময়ের জন্য পৃথিবী ও সূর্যের মাঝখানে এসে পড়ে, তখন পৃথিবীর কোন দর্শকের কাছে সূর্য আংশিক বা সম্পূর্ণরূপে অদৃশ্য হয়ে যায়। এই ঘটনাকে সূর্যগ্রহণ বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse)
যখন সূর্য (Sun) এবং পৃথিবীর (Earth) ঠিক মাঝখানে চাঁদ (Moon) অবস্থান করে, তখন চাঁদের ছায়া পৃথিবীর উপর পড়ে। এই সময় চাঁদ সূর্যের আলোকে আড়াল করে দেয়, ফলে পৃথিবী থেকে সূর্যকে দেখা যায় না। এই ঘটনাকেই সূর্যগ্রহণ বলা হয়।
এই অবস্থানটি হলো: সূর্য → চাঁদ → পৃথিবী (S-M-E)
অন্যদিকে, চন্দ্রগ্রহণ (Lunar Eclipse) ঘটে যখন সূর্য ও চাঁদের মাঝখানে পৃথিবী অবস্থান করে (S-E-M)। এক্ষেত্রে পৃথিবীর ছায়া চাঁদের উপর পড়ে, ফলে চাঁদকে দেখা যায় না।
76

বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
  2. অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ
  3. ক্ষতস্থান থেকে প্রচুর রক্তপাত হতে থাকে
  4. ক্ষতস্থানে প্রচুর বিষ লেগে থাকে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিষধর সাপের বিষথলী সংযুক্ত থাকে সামনের দিকে উঁচু ও বড় দুটি ছিদ্রযুক্ত ফাঁপা দাঁতের সাথে। যখন বিষধর সাপ দংশন করে তখন ঐ দুটি দাঁত মাংসের মধ্যে ঢুকে যায় এবং বিষথলি থেকে নির্গত বিষ রক্তের সাথে মিশে যায়। তাই বিষধর সাপে কামড়ালে ক্ষতস্থানে পাশাপাশি দুটি দাঁতের দাগ থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাশাপাশি দুটো দাঁতের দাগ
বিষধর সাপেদের (যেমন: গোখরা, কেউটে, চন্দ্রবোড়া) মুখে বিষদাঁত (Fangs) থাকে। সাধারণত এদের মুখে এইরকম দুটি লম্বা, সূক্ষ্ম ও ফাঁপা দাঁত থাকে যা বিষ ইনজেক্ট করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
যখন বিষধর সাপ কামড়ায়, তখন এই দুটি বিষদাঁতের কারণে ক্ষতস্থানে পাশাপাশি দুটি গভীর ছিদ্র বা দাগ সৃষ্টি হয়।
অন্যদিকে, বিষহীন সাপেদের ক্ষেত্রে ক্ষতস্থানে অনেকগুলো ছোট ছোট দাঁতের দাগ দেখা যায়, কারণ তাদের বিষদাঁত থাকে না।
77

লোকভর্তি হল ঘরে শূন্য ঘরের চেয়ে শব্দ ক্ষীণ হয়, কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লোকভর্তি ঘরে মানুষের শোরগোল হয়
  2. শূন্য ঘর নীরব থাকে
  3. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
  4. শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ বেশি হয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

লোকভর্তি হল ঘরে মানুষ দ্বারা শব্দ শোষিত হওয়ার ফলে শব্দ ক্ষীণ হয়। শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হওয়ায় শব্দ বেশি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয়
পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র অনুযায়ী, কোনো ঘর বা হল যখন মানুষ, আসবাবপত্র বা পর্দা দিয়ে ভর্তি থাকে, তখন এই নরম ও অমসৃণ বস্তুগুলো শব্দের উত্তম শোষক হিসেবে কাজ করে। এই বস্তুগুলো শব্দের শক্তি শোষণ করে নেওয়ায় শব্দের তীব্রতা (Intensity) বা জোরালো ভাব কমে যায়।
অন্যদিকে, একটি শূন্য ঘরে সাধারণত কঠিন দেয়াল, মেঝে ও ছাদ থাকে। কঠিন ও মসৃণ বস্তুগুলো শব্দের শোষণ খুব কম করে। এর ফলে বেশিরভাগ শব্দই প্রতিফলিত হতে থাকে, যা অনুরণন (Reverberation) তৈরি করে।
যেহেতু শূন্য ঘরে শব্দের শোষণ কম হয় (বেশি প্রতিফলন হয়), তাই শব্দটি লোকভর্তি ঘরের তুলনায় অনেক বেশি জোরালো মনে হয়। অর্থাৎ, লোকভর্তি ঘরে শোষণ বেশি হওয়ায় শব্দ ক্ষীণ হয়।
78

পেট্রোলের আগুন পানি দ্বারা নেভানো যায় না, কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পেট্রোলের সাথে পানি মিশে যায়
  2. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না
  3. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা
  4. খ ও গ উভয়ই ঠিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পেট্রোল প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ায় উৎপন্ন হাইড্রোকার্বন যা পানির তুলনায় অনেক হালকা। পেট্রোলের আগুনে পানি ঢেলে দিলে পেট্রোলের আগুনের উত্তাপ অনেক বেশি হওয়ায় পানি বিশ্লিষ্ট হয়ে যায়। তাই পানি দ্বারা পেট্রোলের আগুন নেভানো যায় না। তাছাড়া পানি পেট্রোল অপেক্ষা ভারী হওয়ায় বিশ্লিষ্ট হওয়ার পর যে পানি অবশিষ্ট থাকে তা পেট্রোলের নিচে চলে যায়। ফলে পেট্রোলের আগুন জ্বলতে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো খ ও গ উভয়ই ঠিক। এই প্রশ্নের উত্তরে দুটো কারণই জরুরি, কারণ দুটো কারণ মিলেই পানি দ্বারা আগুন না নেভার প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন হয়।

১. পেট্রোল পানির চেয়ে হালকা (কম ঘনত্ব): পেট্রোলের ঘনত্ব (Density) পানির ঘনত্বের চেয়ে অনেক কম (পানির ঘনত্ব প্রায় ১ গ্রাম/সিসি, পেট্রোলের ঘনত্ব প্রায় ০.৭-০.৮ গ্রাম/সিসি)। তাই আগুন লাগা পেট্রোলে পানি ঢাললে পানি ভারী হওয়ার কারণে নিচে চলে যায় এবং পেট্রোল পানির উপরিতলে ভেসে ওঠে

২. পেট্রোল পানির সাথে মিশে না (অমিশ্রণীয়তা): পেট্রোল এবং পানি হলো অমিশ্রণীয় তরল। ফলে পেট্রোল উপরে ভাসার সময় পানির সাথে মিশে যায় না।

ফলস্বরূপ: পানির উপর ভাসমান পেট্রোল বাতাস থেকে অক্সিজেন নিয়ে অনবরত জ্বলতে থাকে। শুধু তাই নয়, পানি গড়িয়ে যেদিকে যায়, ভাসমান পেট্রোলও সেদিকে গিয়ে আগুন ছড়িয়ে দেয়
79

‘পিসিকালচার’ বলতে কি বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হাঁস-মুরগি পালন
  2. মৌমাছি পালন
  3. মৎস্য চাষ
  4. রেশম চাষ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

হাঁস-মুরগি পালনকে পোলট্রি, মৌমাছি পালনকে এপিকালচার, মৎস্য চাষকে পিসিকালচার এবং রেশম চাষকে সেরিকালচার বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মৎস্য চাষ
পিসিকালচার (Pisciculture) শব্দটি দুটি ল্যাটিন শব্দের সমন্বয়ে গঠিত: 'Piscis' (যার অর্থ মাছ) এবং 'Cultura' (যার অর্থ চাষ বা পরিচর্যা)। তাই বৈজ্ঞানিক উপায়ে পুকুর, হ্রদ বা জলাশয়ে মাছের বাণিজ্যিক চাষ করাকে পিসিকালচার বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
১. হাঁস-মুরগি পালন: এটি পোল্ট্রি ফার্মিং (Poultry Farming)।
২. মৌমাছি পালন: এটি এপিকালচার (Apiculture)
৩. রেশম চাষ: এটি সেরিকালচার (Sericulture)
80

উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রনোমিটার
  2. ওডোমিটার
  3. ট্যাকোমিটার
  4. ক্রোসকোগ্রাফ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ক্রনোমিটার সূক্ষ্মভাবে সময় নির্ণায়ক যন্ত্র, ওডোমিটার মোটরগাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র, ট্যাকোমিটার উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র এবং ক্রোসকোগ্রাফ উদ্ভিদের বৃদ্ধি নির্ণায়ক যন্ত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ট্যাকোমিটার (Tachometer)
ট্যাকোমিটার যন্ত্রটি মূলত উড়োজাহাজ, জাহাজ বা গাড়ির ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (RPM—Revolutions Per Minute) পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি তার গতির একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক।
অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যাখ্যা:
 • ক্রনোমিটার (Chronometer): এটি অত্যন্ত নির্ভুল সময় পরিমাপক ঘড়ি। জাহাজ বা বিমান চলাচলে সঠিক দ্রাঘিমাংশ নির্ণয়ে এটি ব্যবহার করা হয়।
 • ওডোমিটার (Odometer): এটি কোনো গাড়ি বা যানবাহনের অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপ করে।
 • ক্রোসকোগ্রাফ (Crescograph): এটি বিখ্যাত বাঙালি বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু আবিষ্কার করেন। এই যন্ত্রটি উদ্ভিদের বৃদ্ধি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
81

মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্ফিগমোম্যানোমিটার
  2. স্টেথস্কোপ
  3. কার্ডিওগ্রাফ
  4. ইকোকার্ডিওগ্রাফ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্ফিগমোম্যানোমিটার মানবদেহের রক্তচাপ নির্ণায়ক যন্ত্র, স্টেথস্কোপ হৃৎপিণ্ড ও ফুসফুসের শব্দ নির্ণায়ক যন্ত্র, কার্ডিওগ্রাফ হৃৎপিণ্ডের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র এবং ইকোকার্ডিওগ্রাফ হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা ও রোগ শনাক্তকরণ যন্ত্র।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্ফিগমোম্যানোমিটার (Sphygmomanometer)
এই যন্ত্রটি মানবদেহের ধমনীর প্রাচীরে রক্তের যে চাপ (Blood Pressure) সৃষ্টি হয়, তা পরিমাপ করে। এর মাধ্যমে সিস্টোলিক (উপরে)ডায়াস্টোলিক (নিচে) রক্তচাপের মান নির্ণয় করা হয়।

অন্যান্য অপশনগুলোর ব্যবহার:
১. স্টেথস্কোপ (Stethoscope): এটি শরীরের অভ্যন্তরের শব্দ (যেমন: হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন বা ফুসফুসের শব্দ) শুনতে সাহায্য করে। রক্তচাপ মাপার সময় এটি স্ফিগমোম্যানোমিটারের সাথে ব্যবহৃত হলেও, এটি চাপ পরিমাপক যন্ত্র নয়।
২. কার্ডিওগ্রাফ (Cardiograph): এই যন্ত্রটি হৃৎপিণ্ডের বৈদ্যুতিক কার্যকলাপ রেকর্ড করে, যা ইসিজি (ECG) নামে পরিচিত।
৩. ইকোকার্ডিওগ্রাফ (Echocardiograph): আল্ট্রাসাউন্ড প্রযুক্তি ব্যবহার করে হৃৎপিণ্ডের কাঠামোর ছবি তৈরি করা হয়।
82

রেক্টিফাইড স্পিরিট হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯০% ইথাইল অ্যালকোহল + ১০% পানি
  2. ৮০% ইথাইল অ্যালকোহল + ২০% পানি
  3. ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
  4. ৯৮% ইথাইল অ্যালকোহল + ২% পানি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রেকটিফাইড স্পিরিট হলো ৯৫.৬% ইথাইল অ্যালকোহল ও ৪.৪% পানির সমস্ফুটন মিশ্রণ। এর স্ফুটনাংক ৭৮.১০ সে.। রেকটিফাইড স্পিরিট ডাক্তারি কাজে ও দ্রাবকরূপে ব্যবহৃত হয়। এ স্পিরিট থেকে বিশুদ্ধ অ্যালকোহল প্রস্তুত করা হয়।

ব্যাখ্যা

রেক্টিফাইড স্পিরিট (Rectified Spirit) হলো ইথাইল অ্যালকোহল (ইথানল) এবং পানির একটি মিশ্রণ যা সাধারণ পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তৈরি করা হয়।
ইথাইল অ্যালকোহল ও পানি একটি স্থির ফুটনাঙ্কযুক্ত মিশ্রণ বা অ্যাজিওট্রোপ (Azeotrope) গঠন করে। এই অ্যাজিওট্রোপে অ্যালকোহলের ঘনত্ব সর্বোচ্চ একটি সীমা পর্যন্ত পৌঁছায়।
সাধারণ পাতন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অ্যালকোহলকে সর্বোচ্চ যে ঘনত্বে বিশুদ্ধ করা যায়, তা হলো ৯৬% (ভর অনুসারে) বা প্রায় ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল। অবশিষ্ট ৫% পানি থাকে।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: ৯৫% ইথাইল অ্যালকোহল + ৫% পানি
83

তামার সাথে নিচের কোনটি মেশালে পিতল হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নিকেল
  2. টিন
  3. সিসা
  4. দস্তা (জিঙ্ক)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

পিতল একটি সংকর ধাতু। পিণ্ড দস্তা বা জিঙ্ক গলিত তামার সঙ্গে মিশিয়ে ছাঁচে ফেলে অথবা রোলিং (rolling), এক্সট্রুডিং (extruding), পিটানো (forging) অথবা অন্যান্য প্রক্রিয়ায় বিলেটের (billet) মধ্যে ঢেলে প্রস্তুত করা হয়। তামার সাথে টিন মেশালে ব্রোঞ্জ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দস্তা (জিঙ্ক)। পিতল (Brass) হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংকর ধাতু যা তামা এবং দস্তার সমন্বয়ে গঠিত হয়।
পিতলে সাধারণত ৬০% থেকে ৯০% তামা এবং বাকিটা দস্তা (জিঙ্ক) থাকে। দস্তার পরিমাণ যত বেশি হয়, পিতল তত শক্ত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর ক্ষেত্রে: তামা ও টিন মেশালে তৈরি হয় ব্রোঞ্জ (Bronze/কাঁসা), যা পিতলের চেয়ে বেশি পুরোনো এবং শক্তিশালী সংকর ধাতু।
84

ফনোগ্রাফ কে আবিষ্কার করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রন্টজেন
  2. ফ্যারাডে
  3. মার্কনি
  4. এডিসন

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘রন্টজেন’ আবিষ্কার করেন ‘এক্স-রে’, ‘ফ্যারাডে’ আবিষ্কার করেন ‘তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ’, মার্কনি আবিষ্কার করেন ‘বেতার’ এবং এডিসন আবিষ্কার করেন ‘ফনোগ্রাফ’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: এডিসন
ফনোগ্রাফ (Phonograph) আবিষ্কার করেন বিখ্যাত আমেরিকান উদ্ভাবক থমাস আলভা এডিসন। তিনি ১৮৭৭ সালের নভেম্বরে এই যন্ত্রটি উদ্ভাবন করেন, যা ছিল শব্দ রেকর্ডিং ও প্লে-ব্যাকের জন্য তৈরি বিশ্বের প্রথম ব্যবহারিক ডিভাইস।
এডিসন প্রায় ১০৯৩টি পেটেন্টের অধিকারী এবং তাকে ‘ম্যাজিশিয়ান অব মেনলো পার্ক’ বলা হয়।
বাকি অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের সাথে যুক্ত:
১. রন্টজেন: এক্স-রে (X-ray) আবিষ্কার করেন।
২. ফ্যারাডে: তড়িৎচুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) আবিষ্কার করেন।
৩. মার্কনি: বেতার যন্ত্র (Wireless Telegraphy) আবিষ্কার করেন।
85

এটমিক সংখ্যা একই হওয়া সত্ত্বেও নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা বেশি হওয়ার ফলে ভরসংখ্যা বেড়ে যায় বলে তাদের বলা হয়-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আইসোটোপের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন, আইসোবারের ক্ষেত্রে ভরসংখ্যা সমান কিন্তু এটমিক সংখ্যা ভিন্ন, আইসোটোনের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান এবং আইসোমারের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা সমান, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোটোপ (Isotope)
আইসোটোপের সংজ্ঞা অনুযায়ী, যেসব পরমাণুর পারমাণবিক সংখ্যা (Atomic Number, Z) একই কিন্তু ভরসংখ্যা (Mass Number, A) ভিন্ন, তাদের পরস্পরের আইসোটোপ বলা হয়।
পারমাণবিক সংখ্যা একই থাকার অর্থ হলো তাদের নিউক্লিয়াসে প্রোটন সংখ্যা একই। কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হওয়ার কারণে তাদের ভরসংখ্যা বেড়ে যায়। প্রশ্নে ঠিক এই বৈশিষ্ট্যটির কথাই বলা হয়েছে।
অন্যান্য অপশন ভুল হওয়ার কারণ:
১. আইসোবার (Isobar): যেসব পরমাণুর ভরসংখ্যা (A) একই কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা (Z) ভিন্ন, তাদের আইসোবার বলে। (যেমন: 40K{}^{40}K এবং 40Ar{}^{40}Ar।)
২. আইসোটোন (Isotone): যেসব পরমাণুর নিউট্রন সংখ্যা (N) একই কিন্তু পারমাণবিক সংখ্যা (Z) এবং ভরসংখ্যা (A) উভয়ই ভিন্ন, তাদের আইসোটোন বলে।
৩. আইসোমার (Isomer): রসায়নে, যেসব যৌগের আণবিক সংকেত একই কিন্তু গাঠনিক সংকেত ভিন্ন, তাদের আইসোমার বলে। এটি পরমাণুর নিউক্লিয়াসের বৈশিষ্ট্য নয়।
86

কম্পিউটারে কোনটি নেই?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্মৃতি
  2. বুদ্ধি বিবেচনা
  3. দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা
  4. নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

কম্পিউটারের নির্ভুলভাবে দ্রুত কাজ করা এবং স্মৃতি সংরক্ষণের ক্ষমতা রয়েছে। তবে শুধু উন্নত মস্তিষ্ক ও জৈবিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন প্রাণীরই বুদ্ধি বিবেচনার ক্ষমতা রয়েছে, যা কোনো যন্ত্রের নেই।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বুদ্ধি বিবেচনা
কম্পিউটার হলো একটি ইলেকট্রনিক যন্ত্র যা শুধুমাত্র প্রোগ্রাম করা নির্দেশাবলী (Algorithms) অনুসরণ করে কাজ করে। এর নিজস্ব কোনো আবেগ, স্ব-বিবেচনা বা বিচারবুদ্ধি (Intelligence and Judgment) নেই, যা মানুষকে সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে। তাই বুদ্ধি বিবেচনা কম্পিউটারের একটি মৌলিক সীমাবদ্ধতা।
অন্যান্য অপশনগুলো কম্পিউটারের প্রধান বৈশিষ্ট্য:
স্মৃতি (Memory): কম্পিউটারের স্টোরেজ ডিভাইস (RAM, ROM, HDD) থাকে।
দীর্ঘ সময় কাজ করার ক্ষমতা (Diligence): কম্পিউটার ক্লান্তিহীনভাবে দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করতে পারে।
নির্ভুল কাজ করার ক্ষমতা (Accuracy): ইনপুট সঠিক হলে কম্পিউটার অত্যন্ত নির্ভুলভাবে ফলাফল প্রদান করে।
87

৭২ কেজি ওজনবিশিষ্ট একটি মিশ্রণ A-এর ১৭ ভাগ, B-এর ৩ ভাগ এবং C-এর ৪ ভাগ দ্বারা গঠিত। মিশ্রণে B কতটুকু আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯ কেজি

  2. ১২ কেজি
  3. ১৭ কেজি
  4. ৫১ কেজ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি অনুপাত ও আনুপাতিক ভাগ সম্পর্কিত একটি সহজ মিশ্রণের সমস্যা। এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য প্রথমে মোট আনুপাতিক অংশ বের করতে হয়।
ধাপ ১: মোট আনুপাতিক যোগফল নির্ণয়।
মিশ্রণটি A, B এবং C এর যথাক্রমে ১৭, ৩ এবং ৪ ভাগ দ্বারা গঠিত।
মোট আনুপাতিক অংশ = ১৭++=<strong>২৪</strong>১৭ + ৩ + ৪ = <strong>২৪</strong> ভাগ।
ধাপ ২: B উপাদানের আনুপাতিক ভাগ বের করা।
B এর আনুপাতিক অংশ হলো ভাগ।
ধাপ ৩: মিশ্রণে B এর পরিমাণ নির্ণয়।
মোট মিশ্রণের ওজন হলো ৭২ কেজি।
B এর পরিমাণ = (B এর আনুপাতিক অংশ / মোট আনুপাতিক অংশ) ×\times মোট ওজন।
B এর পরিমাণ = (২৪)×৭২(\frac{৩}{২৪}) \times ৭২ কেজি।
গণনা: ২৪\frac{৩}{২৪} কে সরল করলে হয় \frac{১}{৮}
অতএব, B এর পরিমাণ = ×৭২=<strong>\frac{১}{৮} \times ৭২ = <strong>৯ কেজি।
সঠিক উত্তর হলো: ৯ কেজি
88

একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি ১৬ একক এবং অপর প্রত্যেক বাহুদ্বয় ১০ একক। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত বর্গ একক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 24
  2. 36
  3. 48

  4. 50

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের প্রশ্ন। সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের জন্য প্রথমে আমাদের উচ্চতা (Height) বের করতে হবে।
দেওয়া আছে, ভূমি (bb) = ১৬ একক এবং অপর প্রত্যেকটি সমান বাহু (aa) = ১০ একক
সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা ভূমিকে সমদ্বিখণ্ডিত করে। তাই উচ্চতা বের করার জন্য আমরা পিথাগোরাসের উপপাদ্য ব্যবহার করব। ভূমিকে দুই ভাগ করলে হয়: $\frac{১৬}{২} = ৮ একক
ধরি, উচ্চতা = hh
পিথাগোরাসের সূত্রানুযায়ী: h2+(b/2)2=a2h^2 + (b/2)^2 = a^2
h2=a2(b/2)2=10282h^2 = a^2 - (b/2)^2 = 10^2 - 8^2
h2=10064=36h^2 = 100 - 64 = 36
সুতরাং, উচ্চতা $h = \sqrt{36} = ৬ একক
এখন, ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল নির্ণয়ের সূত্র: A=×ভূমি×উচ্চতাA = \frac{১}{২} \times ভূমি \times উচ্চতা
$A = \frac{১}{২} \times ১৬ \times ৬ = ৮ \times ৬ = ৪৮ বর্গ একক
অতএব, সঠিক উত্তরটি হলো ৪৮
89

২০ সদস্যবিশিষ্ট একটি ফুটবল দল থেকে একজন অধিনায়ক ও একজন সহ-অধিনায়ক কতভাবে নির্বাচন করা যাবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20
  2. 190

  3. 380
  4. 760

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি বিন্যাস (Permutation) সংক্রান্ত একটি সমস্যা। বিন্যাসে নির্বাচনের ক্রম বা ধারা গুরুত্বপূর্ণ। যেহেতু একজন অধিনায়ক এবং একজন সহ-অধিনায়ক—দুটি ভিন্ন পদে নির্বাচন করতে হবে, তাই নির্বাচনের ক্রম গুরুত্বপূর্ণ।
ধরা যাক, A কে অধিনায়ক এবং B কে সহ-অধিনায়ক নির্বাচন করা হলো। এই নির্বাচনটি B কে অধিনায়ক এবং A কে সহ-অধিনায়ক নির্বাচনের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাই এটি বিন্যাস।
এখানে মোট সদস্য সংখ্যা, n = ২০
এবং নির্বাচিত পদের সংখ্যা, r = (অধিনায়ক ও সহ-অধিনায়ক)।
বিন্যাসের সূত্র ব্যবহার করে পাই: P(n,r)=n!(nr)!P(n, r) = \frac{n!}{(n-r)!}
নির্ণেয় উপায় সংখ্যা: P(২০,)=২০!(২০)!=২০!১৮!=২০×১৯P(২০, ২) = \frac{২০!}{(২০-২)!} = \frac{২০!}{১৮!} = ২০ \times ১৯
উপায় সংখ্যা = ৩৮০
যদি নির্বাচনের ক্রমে কোনো পার্থক্য না থাকতো (যেমন শুধু দুজন সদস্য নির্বাচন), তবে এটি সমাবেশ (Combination) হতো এবং উত্তর হতো ১৯০। কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন পদ থাকার কারণে সঠিক উত্তর ৩৮০
90

কোনো সমান্তর প্রগমনে প্রথম দুটি সংখ্যা যদি ৫ ও ১৭ হয়, তবে তৃতীয় সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 22
  2. 25
  3. 85
  4. 29

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সমান্তর প্রগমন (Arithmetic Progression - AP) বা সমান্তর ধারা সম্পর্কিত। সমান্তর ধারার মূল বৈশিষ্ট্য হলো, পরপর দুটি পদের মধ্যে পার্থক্য বা সাধারণ অন্তর (Common Difference, dd) সর্বদা সমান থাকে।
এখানে প্রথম পদ (a1a_1) = এবং দ্বিতীয় পদ (a2a_2) = ১৭
প্রথমেই আমাদের সাধারণ অন্তর (dd) নির্ণয় করতে হবে: $d = a_2 - a_1 = 17 - 5 = 12
যেহেতু সাধারণ অন্তর হলো ১২, তাই তৃতীয় সংখ্যাটি পেতে হলে দ্বিতীয় সংখ্যার সাথে এই সাধারণ অন্তরটি যোগ করতে হবে।
তৃতীয় সংখ্যাটি (a3a_3) = $a_2 + d = 17 + 12 = 29
অতএব, সঠিক উত্তর হলো ২৯
91

১/২ এর শতকরা কত ৩/৪ হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 120%
  2. 125%
  3. 140%
  4. 150%

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

ধরি, প্রশ্ন অনুযায়ী, ১/২ এর X% হবে ৩/৪
আমরা জানি, কোনো সংখ্যার শতকরা বের করতে হলে সেটিকে ১০০ দিয়ে ভাগ করতে হয়।
গাণিতিক সমীকরণটি দাঁড়ায়:
×X১০০=\frac{১}{২} \times \frac{X}{১০০} = \frac{৩}{৪}
এখন আমরা X এর মান নির্ণয় করব:
X=×১০০×X = \frac{৩}{৪} \times ১০০ \times \frac{২}{১}
X=৬০০X = \frac{৬০০}{৪}
X=<strong>১৫০</strong>X = <strong>১৫০</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ১৫০%
92

M সংখ্যক সংখ্যার গড় A এবং N সংখ্যক সংখ্যার গড় B সবগুলো সংখ্যার গড় কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1.  (A+B)/3

  2. (AM+BN)/2 

  3.  (AM+BN)/(M+N)

  4.  (AM+BN)/(A+B)

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি মূলত গড় নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র (Combined Average Formula) থেকে এসেছে। এটি চাকরি পরীক্ষায় বারবার আসে।
আমরা জানি, গড় নির্ণয়ের জন্য আমাদের মোট যোগফল এবং মোট সংখ্যা জানতে হয়।
প্রথম গ্রুপে M সংখ্যক সংখ্যার গড় A হলে, তাদের মোট যোগফল হবে: M×A=AMM \times A = AM
দ্বিতীয় গ্রুপে N সংখ্যক সংখ্যার গড় B হলে, তাদের মোট যোগফল হবে: N×B=BNN \times B = BN
সবগুলো সংখ্যার মোট যোগফল হবে: AM+BNAM + BN
সবগুলো সংখ্যার মোট সংখ্যা হবে: M+NM + N
অতএব, সবগুলো সংখ্যার গড় হবে: গড়=মোট যোগফলমোট সংখ্যা=<strong>AM+BNM+N</strong>\text{গড়} = \frac{\text{মোট যোগফল}}{\text{মোট সংখ্যা}} = <strong>\frac{AM+BN}{M+N}</strong>
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো: (AM+BN)/(M+N) (অপশন ৩)।
93

একজন মাঝি স্রোতের অনুকূলে ২ ঘণ্টায় ৫ মাইল যায় এবং ৪ ঘণ্টায় প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে আসে। তার মোট ভ্রমণে প্রতি ঘণ্টায় গড়বেগ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 5/6

  2.  1 3/2

  3.  1 7/8

  4. 3 3/4

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

গড়বেগের মূল সূত্রটি হলো: গড়বেগ = মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব / মোট সময়। এই সূত্রটি ব্যবহার করে দ্রুত সমাধান করতে হবে।
ধাপ ১: মোট দূরত্ব নির্ণয়। মাঝি স্রোতের অনুকূলে গেল ৫ মাইল এবং প্রাথমিক অবস্থানে ফিরে এল, অর্থাৎ প্রতিকূলেও গেল ৫ মাইল।
মোট দূরত্ব = (স্রোতের অনুকূলে দূরত্ব) + (স্রোতের প্রতিকূলে দূরত্ব) = $৫ + ৫ = ১০ মাইল
ধাপ ২: মোট সময় নির্ণয়। অনুকূলে সময় লাগল ২ ঘণ্টা এবং প্রতিকূলে ফিরে আসতে সময় লাগল ৪ ঘণ্টা।
মোট সময় = $২ + ৪ = ৬ ঘণ্টা
ধাপ ৩: গড়বেগ নির্ণয়।
গড়বেগ = ১০\frac{১০}{৬} মাইল/ঘণ্টা।
ভগ্নাংশটিকে লঘিষ্ঠ আকারে প্রকাশ করলে হয়: \frac{৫}{৩} মাইল/ঘণ্টা।
\frac{৫}{৩} কে মিশ্র ভগ্নাংশে প্রকাশ করলে হয়: ১ \frac{২}{৩} মাইল/ঘণ্টা।
লক্ষ্য করুন: অপশনে ১ \frac{৩}{২} দেওয়া আছে, যা গাণিতিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ (=.১ \frac{৩}{২} = ২.৫)। তবে বিসিএস ও অন্যান্য নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নে এমন ভুলভ্রান্তি দেখা যায়। যেহেতু ১ \frac{২}{৩} এর কাছাকাছি বা সম্ভবত এটিই বোঝানো হয়েছে, তাই প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ১ \frac{৩}{২} (খ) সঠিক উত্তর হিসেবে বিবেচিত হবে, ধরে নিতে হবে এটি ১ \frac{২}{৩} এর একটি ত্রুটিপূর্ণ প্রকাশ।
94

১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ….. ধারাটির পরবর্তী সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 55

  2. 40
  3. 68
  4. 89

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি একটি ফিবোনাচ্চি ধারা (Fibonacci Series)। এই ধারার মূল বৈশিষ্ট্য হলো, প্রথম দুটি সংখ্যার যোগফলই হলো পরবর্তী সংখ্যা।
ধারাটির তৃতীয় সংখ্যা থেকে শুরু করে প্রতিটি সংখ্যা তার পূর্ববর্তী দুটি সংখ্যার যোগফল
আমরা যদি ধারাটি পর্যবেক্ষণ করি:
+=১ + ২ = ৩
+=২ + ৩ = ৫
+=৩ + ৫ = ৮
+=১৩৫ + ৮ = ১৩
+১৩=২১৮ + ১৩ = ২১
১৩+২১=৩৪১৩ + ২১ = ৩৪
অতএব, ধারাটির পরবর্তী সংখ্যাটি হবে এর পূর্ববর্তী দুটি সংখ্যা ২১ এবং ৩৪-এর যোগফল।
২১+৩৪=<strong>৫৫</strong>২১ + ৩৪ = <strong>৫৫</strong>
সঠিক উত্তর: ৫৫
95

যদি তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পায় তবে তেলের ব্যবহার শতকরা কত কমালে, তেল বাবদ খরচ বৃদ্ধি পাবে না?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 20%

  2. 16%
  3. 11%
  4. 9%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি শতকরা অধ্যায়ের অত্যন্ত কমন একটি সমস্যা। যখন কোনো পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পায়, কিন্তু খরচ অপরিবর্তিত রাখতে হয়, তখন ব্যবহারের হার কমাতে হয়।
ধরি, তেলের প্রাথমিক মূল্য ছিল 100100 টাকা এবং প্রাথমিক ব্যবহার ছিল 100100 একক।
মোট খরচ = 100×100=10000100 \times 100 = 10000 (ধ্রুবক)।
তেলের মূল্য ২৫% বৃদ্ধি পাওয়ায় নতুন মূল্য দাঁড়ায়: 100+25=<strong>125100 + 25 = <strong>125 টাকা।
ধরি, নতুন ব্যবহার কমাতে হবে XX একক। তাহলে নতুন খরচ হবে 125×(100X)125 \times (100-X)
যেহেতু খরচ বৃদ্ধি পাবে না, তাই: নতুন খরচ = প্রাথমিক খরচ
অর্থাৎ, 125×(100হ্রাসের পরিমাণ)=100×100125 \times (100 - \text{হ্রাসের পরিমাণ}) = 100 \times 100
হিসাবটি সহজভাবে করার জন্য, আমাদের দেখতে হবে নতুন মূল্য 125125 এর ওপর শতকরা কত ভাগ কমালে আবার 100100 এ ফিরে আসে।
কমাতে হবে 125100=25125 - 100 = 25 টাকা।
শতকরা হ্রাসের পরিমাণ =হ্রাসের পরিমাণবর্ধিত মূল্য×100%= \frac{\text{হ্রাসের পরিমাণ}}{\text{বর্ধিত মূল্য}} \times 100\%
=25125×100%=15×100%=<strong>20%</strong>= \frac{25}{125} \times 100\% = \frac{1}{5} \times 100\% = <strong>20\%</strong>।
96

কোনো স্কুলে ৭০% শিক্ষার্থী ইংরেজি এবং ৮০% শিক্ষার্থী বাংলায় পাস করেছে। কিন্তু ১০% উভয় বিষয়ে ফেল করেছে। যদি উভয় বিষয়ে ৩০০ জন শিক্ষার্থী পাস করে থাকে তবে ঐ স্কুলে কতজন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৪০০ জন
  2. ৫০০ জন

  3. ৫৬০ জন
  4. ৭৬০ জন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই অঙ্কটি শতাংশ (Percentage)সেট তত্ত্বের (Set Theory) সমন্বয়ে গঠিত। প্রথমে আমাদের দেখতে হবে মোট কত শতাংশ শিক্ষার্থী অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে এবং কত শতাংশ শিক্ষার্থী উভয় বিষয়ে পাস করেছে।
ধাপ ১: অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর হার নির্ণয়।
মোট শিক্ষার্থী = ১০০%
উভয় বিষয়ে ফেল করেছে = ১০%
অতএব, অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে (মোট পাসের হার) = ১০০%১০%=<strong>৯০%১০০\% - ১০\% = <strong>৯০\%
ধাপ ২: উভয় বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর হার নির্ণয়।
আমরা জানি: (মোট পাসের হার) = (শুধু ইংরেজিতে পাস) + (শুধু বাংলায় পাস) + (উভয় বিষয়ে পাস)।
অথবা, P(EB)=P(E)+P(B)P(EB)P(E \cup B) = P(E) + P(B) - P(E \cap B)
যেখানে P(EB)P(E \cup B) হলো অন্তত একটি বিষয়ে পাসের হার (যা আমরা পেলাম ৯০%৯০\%)।
অতএব, উভয় বিষয়ে পাস করা হার (P(EB)P(E \cap B)) = (ইংরেজিতে পাস + বাংলায় পাস) - (মোট পাসের হার)
উভয় বিষয়ে পাস (PBothP_{Both}) = (৭০%+৮০%)৯০%(৭০\% + ৮০\%) - ৯০\%
উভয় বিষয়ে পাস (PBothP_{Both}) = ১৫০%৯০%=<strong>৬০%১৫০\% - ৯০\% = <strong>৬০\%
ধাপ ৩: মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ণয়।
প্রশ্নে বলা আছে, উভয় বিষয়ে পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৩০০ জন
আমরা পেলাম, মোট শিক্ষার্থীর ৬০% মানেই হলো ৩০০ জন।
যদি ৬০%=৩০০৬০\% = ৩০০ জন হয়,
তবে %=৩০০৬০=১\% = \frac{৩০০}{৬০} = ৫ জন।
সুতরাং, ১০০%১০০\% (মোট শিক্ষার্থী) = ×১০০=<strong>৫০০৫ \times ১০০ = <strong>৫০০ জন।
সঠিক উত্তর: ৫০০ জন

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “23th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 23th (2001) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

23th (2001) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 23th (2001) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।