সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

22th (2001) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 22th (2001) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 22th (2001) পরীক্ষার ৯৩টি প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস বিষয়ক প্রথম উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ কার রচনা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. সুকুমার সেন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষক দীনেশচন্দ্র সেন (১৮৬৬-১৯৩৯ খ্রি.) কর্তৃক রচিত ‘বঙ্গভাষা ও সাহিত্য’ গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম যথার্থ ইতিহাস গ্রন্থ। ‘পূর্ববঙ্গ গীতিকা’ ও ‘মৈমনসিংহ গীতিকা’ সম্পাদনা তার বঙ্গ-সংস্কৃতি সেবার আর এক শ্রেষ্ঠ নিদর্শন।

ব্যাখ্যা

বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস নিয়ে প্রথম উল্লেখযোগ্য ও সুসংবদ্ধ গ্রন্থটি রচনা করেন দীনেশচন্দ্র সেনগুপ্ত (সঠিক নামটি হলো: দীনেশচন্দ্র সেন)।
তাঁর রচিত এই গ্রন্থটির নাম হলো 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'। এটি ১৮৯৬ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটিই বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস রচনার ক্ষেত্রে প্রথম মাইলফলক।
অন্যান্য বিকল্পসমূহের মধ্যে মুহম্মদ শহীদুল্লাহসুকুমার সেন-এর রচিত ইতিহাস গ্রন্থগুলিও অত্যন্ত প্রামাণ্য, তবে সেগুলি 'বঙ্গভাষা ও সাহিত্য'-এর তুলনায় অনেক পরে প্রকাশিত হয়েছিল।
সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় প্রধানত বাংলা ভাষার উৎপত্তি ও বিবর্তন নিয়ে কাজ করেছেন, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ: 'Origin and Development of the Bengali Language' (ODBL)
2

‘ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ’ কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
  2. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
  3. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  4. মুহম্মদ এনামুল হক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বিশিষ্ট লেখক, সমাজ সংস্কারক ও শিক্ষবিদ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর (১৮২০-১৮৯১ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমাণিকা’ ও ‘ব্যাকরণ কৌমুদী’ (১ম, ২য়, ৩য় ও ৪র্থ ভাগ)। ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘বাংলা ব্যাকরণ’। শিক্ষাবিদ ও গবেষক মুহম্মদ এনামুল হক (১৯০৬-১৯৮২ খ্রি.) রচিত বাংলা ব্যাকরণ গ্রন্থের নাম ‘ব্যাকরণ মঞ্জরী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়
ভাষাবিজ্ঞানী ড. সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায় ১৯২৬ সালে তার বিখ্যাত গবেষণা গ্রন্থ 'ভাষা প্রকাশ বাঙ্গালা ব্যাকরণ' রচনা করেন। এটি বাংলা ব্যাকরণের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ, বিজ্ঞানসম্মত ও প্রামাণ্য গ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃত।
বাংলা ভাষার ব্যাকরণের ঐতিহাসিক ও তুলনামূলক আলোচনার জন্য এই গ্রন্থটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
3

‘পদাবলী’র প্রথম কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রীচৈতন্য
  2. বিদ্যাপতি
  3. চণ্ডীদাস
  4. জ্ঞানদাস

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা ভাষায় বৈষ্ণব পদাবলীর আদি রচয়িতা কবি চণ্ডীদাস (আনুমানিক ১৩৭০-১৪৩৩ খ্রি.)। মিথিলার কবি বিদ্যাপতি (১৩৮০-১৪৬০ খ্রি.; মতান্তরে ১৩৯০-১৪৯০খ্রি.) ছিলেন বাঙালি বৈষ্ণবের গুরুস্থানীয়, বাঙালির শ্রদ্ধেয় কবি, বৈষ্ণব সহজিয়া সাধকদের নবরসিকের অন্যতম। চৈতন্যপরবর্তী কবি জ্ঞানদাস ছিলেন আনুমানিক ষোড়শ শতাব্দীর কবি এবং চণ্ডীদাসের ভাবশিষ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চণ্ডীদাস
‘পদাবলী’ বলতে সাধারণত বৈষ্ণব পদাবলী সাহিত্যকে বোঝানো হয়। বৈষ্ণব পদাবলীর প্রাচীনতম ও শ্রেষ্ঠ কবি হলেন চণ্ডীদাস। তিনিই প্রথম রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলাকে পদাবলীর মাধ্যমে সাহিত্য রূপ দেন।
যদিও চণ্ডীদাস নামে চারজন কবির অস্তিত্ব পাওয়া যায় (বড়ু চণ্ডীদাস, দ্বিজ চণ্ডীদাস, দীন চণ্ডীদাস এবং চণ্ডীদাস), তবে সাহিত্যের ইতিহাসে আদি কবি হিসেবে চণ্ডীদাসই স্বীকৃত।
অন্যান্য বিকল্পের মধ্যে বিদ্যাপতি পদাবলীর অন্যতম প্রধান কবি, কিন্তু তিনি চণ্ডীদাসের পরে এসেছিলেন এবং তিনি মূলত মৈথিলী ভাষার কবি ছিলেন। শ্রীচৈতন্য ছিলেন বৈষ্ণব ধর্মের প্রবর্তক, তিনি পদাবলীর কবি ছিলেন না।
4

দোভাষী পুঁথি বলতে কি বোঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুই ভাষায় রচিত পুঁথি
  2. কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
  3. তৈরি করা কৃত্রিম ভাষায় রচিত পুঁথি
  4. আঞ্চলিক বাংলায় রচিত পুঁথি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘দোভাষী পুঁথি’ শুধু দুটি ভাষায় রচিত পুঁথি নয়। বাংলা, হিন্দি, ফারসি, আরবি, তুর্কি ইত্যাদি ভাষার সংমিশ্রণে রচিত পুঁথিই হলো ‘দোভাষী পুঁথি’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কয়েকটি ভাষার শব্দ ব্যবহার করে মিশ্রিত ভাষায় রচিত পুঁথি
দোভাষী পুঁথি বা পুঁথি সাহিত্য হলো একটি বিশেষ ধরনের মিশ্র ভাষা রীতি যা আঠারো ও উনিশ শতকে বাংলা সাহিত্যে প্রচলিত ছিল।
এই ভাষার মূল বৈশিষ্ট্য হলো বাংলা শব্দের পাশাপাশি আরবি, ফারসি, তুর্কি এবং হিন্দি ভাষার শব্দ প্রচুর পরিমাণে ব্যবহার করা হতো। এই মিশ্রণকে অনেক সময় 'দো-আঁশলা ভাষা' হিসেবেও আখ্যায়িত করা হয়।
দোভাষী পুঁথি রচয়িতারা মূলত মুসলিম ঐতিহ্য, ইতিহাস এবং প্রণয় উপাখ্যান (যেমন—লায়লী মজনু, ইউসুফ জুলেখা) সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্য করার জন্য এই মিশ্রিত ভাষা ব্যবহার করতেন।
অপশন 'দুই ভাষায় রচিত পুঁথি' ভুল, কারণ এটি কেবল দুটি ভাষার মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং একাধিক ভাষার শব্দভান্ডার এর অংশ ছিল।
5

‘সঞ্চয়িতা’ কোন কবির কাব্য সংকলন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত
  3. কাজী নজরুল ইসলাম
  4. জসীমউদ্দীন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের (১৮৬১-১৯৪১ খ্রি.) অন্যতম কাব্য সংকলন হলো ‘সঞ্চয়িতা’। কবি সত্যন্দ্রনাথ দত্তের (১৮৮২-১৯২২ খ্রি.) উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ হলো ‘বেণু ও বীণা’, ‘কুহু ও কেকা’, ‘সন্ধিক্ষণ’ ইত্যাদি। বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের (১৮৯৯-১৯৭৬ খ্রি.) কাব্য সংকলন হলো ‘সঞ্চিতা’। পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীনের (১৯০৩-১৯৭৬ খ্রি). কাব্য হলো ‘রাখালী’, ‘বালুচর’, ‘ধানক্ষেত’, ‘মাটির কান্না’, ‘সুচয়নী’ ও ‘রূপবতী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
‘সঞ্চয়িতা’ হলো বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি বিখ্যাত কাব্য সংকলন। এই সংকলনটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯৩১ সালে। এতে তাঁর বিভিন্ন সময়ে রচিত বহু জনপ্রিয় ও নির্বাচিত কবিতা স্থান পেয়েছে।
অন্যদিকে, কাজী নজরুল ইসলাম-এর বিখ্যাত কাব্য সংকলনগুলির মধ্যে অন্যতম হলো 'অগ্নিবীণা' ও 'বিষের বাঁশি'।
জসীমউদ্দীন মূলত পল্লীকবি হিসেবে পরিচিত এবং তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'নকশী কাঁথার মাঠ' ও 'সোজন বাদিয়ার ঘাট'।
সত্যেন্দ্রনাথ দত্ত ছন্দের জাদুকর নামে পরিচিত, তাঁর বিখ্যাত কাব্য 'বেণু ও বীণা', 'কুহু ও কেকা'।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

রবীন্দ্রনাথের কোন গ্রন্থটি নাটক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চোখের বালি
  2. বলাকা
  3. ঘরে-বাইরে
  4. রক্তকরবী

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচিত উল্লেখযোগ্য নাটকগুলো হলো- ‘চিত্রাঙ্গদা’ (১২৯৯), ‘প্রায়শ্চিত্ত’ (১৯০৯), ‘রাজা’ (১৯১০), ‘অচলায়তন’ (১৯১১), ‘ডাকঘর’ (১৯১২), ‘রক্তকরবী’ (১৯২৪), ‘তাসের দেশ’ (১৯৩৩), ‘চণ্ডালিকা’ (১৯৩৩) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রক্তকরবী
রক্তকরবী (প্রকাশ: ১৯২৩) হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের একটি বিখ্যাত রূপক সাংকেতিক নাটক। এই নাটকে যন্ত্রসভ্যতা ও পুঁজিবাদের বিরুদ্ধে মানুষের মুক্তি ও প্রাণের জয়গান গাওয়া হয়েছে। এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ নাট্যকর্ম, যেখানে প্রধান চরিত্র হলো নন্দিনীরঞ্জন
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন সাহিত্যকর্ম:
চোখের বালি হলো বাংলা সাহিত্যের প্রথম মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস (প্রকাশ: ১৯০৩)।
বলাকা হলো রবীন্দ্রনাথের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ (প্রকাশ: ১৯১৬)। এই কাব্যে তিনি গতিকে জীবনের ধর্ম হিসেবে তুলে ধরেছেন।
ঘরে-বাইরে হলো স্বদেশী আন্দোলনকে কেন্দ্র করে লেখা তাঁর একটি রাজনৈতিক উপন্যাস (প্রকাশ: ১৯১৬)।
7

কোন কবিতা রচনার কারণে নজরুল ইসলামের কারাদণ্ড হয়েছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিদ্রোহী
  2. আনন্দময়ীর আগমনে
  3. কাণ্ডারী হুশিয়ার
  4. অগ্রপথিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘আনন্দময়ীর আগমনে’ কবিতা রচনার জন্য তিনি এক বছরের জন্য কারারুদ্ধ হন। এছাড়া ‘প্রলয় শিখা’র জন্যও তিনি ছয় মাস কারারুদ্ধ হন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আনন্দময়ীর আগমনে
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম এই কবিতা রচনার অপরাধে ব্রিটিশ সরকারের হাতে কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন।
কবিতাটি ১৯২২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নজরুলের সম্পাদিত অর্ধ-সাপ্তাহিক পত্রিকা 'ধূমকেতু'-তে প্রকাশিত হয়। এই কবিতাটিতে দেবী দুর্গার আগমনীর ছলে ব্রিটিশ শাসনের অত্যাচার ও রাজদ্রোহিতার বার্তা ছিল।
এই কারণে ব্রিটিশ সরকার রাজদ্রোহিতার অভিযোগে 'ধূমকেতু' পত্রিকাটি বাজেয়াপ্ত করে এবং কবিকে ২৩ নভেম্বর, ১৯২২ সালে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
অন্যদিকে, 'বিদ্রোহী' কবিতাটি (জানুয়ারি, ১৯২২) নজরুলের শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হলেও এটি সরাসরি তাঁর কারাদণ্ডের কারণ ছিল না।
8

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
  2. মুক্তি
  3. হেবা
  4. বিদ্রোহী

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত লেখা (গল্প) ‘বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী’ মাসিক ‘সওগাত’ পত্রিকায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দের (১৯১৯ খ্রি.) জ্যৈষ্ঠ সংখ্যায় প্রথম প্রকাশিত হয়। তার রচিত প্রথম কবিতা ‘মুক্তি’ প্রথম প্রকাশিত হয় বঙ্গীয় মুসলমান সাহিত্য পত্রিকা'র শ্রাবণ সংখ্যায় ১৩২৬ বঙ্গাব্দে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী
কাজী নজরুল ইসলামের জীবনে এটিই ছিল প্রথম প্রকাশিত লেখা। এটি একটি গল্প (Short Story) ছিল, যা তিনি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সৈনিক থাকাকালীন সময়ে লিখেছিলেন।
এটি প্রকাশিত হয় ১৯১৯ সালের মে মাসে (বৈশাখ, ১৩২৬ বঙ্গাব্দ) 'সওগাত' নামক পত্রিকায়।
অনেকেই তাঁর প্রথম লেখা হিসেবে 'মুক্তি' (প্রথম প্রকাশিত কবিতা) অথবা 'বিদ্রোহী' (সর্বাধিক পরিচিত রচনা) কে ভুল করে থাকেন, কিন্তু সাহিত্যজগতে তাঁর প্রথম পদচারণা ঘটে 'বাউণ্ডেলের আত্মকাহিনী' গল্পটির মাধ্যমে।
9

‘সওগাত’ পত্রিকার সম্পাদক কে ছিলেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন
  2. আবুল কালাম শামসুদ্দীন
  3. কাজী আব্দুল ওদুদ
  4. সিকান্দার আবু জাফর

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোলকাতা থেকে সচিত্র মাসিক সাহিত্যপত্র ‘সওগাত’ ১৩২৫ বঙ্গাব্দের (১৯১৮ খ্রি.) অগ্রহায়ণ প্রকাশ ও সম্পাদনা ছিল মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন (১৮৮৮-১৯৯৪ খ্রি.) এর জীবনের প্রধান কীর্তি। এতে নবীন-প্রবীণ মুসলমান সাহিত্যিকমণ্ডলীর মুক্তবুদ্ধি ও স্বাধীন চিন্তা-সমৃদ্ধ রচনা প্রকাশ করে পশ্চাৎপদ মুসলমান সমাজকে প্রগতির পথে নিয়ে যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: মোহাম্মদ নাসিরউদ্দীন। তিনি ছিলেন ‘সওগাত’ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক।
বাংলা মুসলিম সাহিত্যিকদের জাগরণে ‘সওগাত’ ছিল অন্যতম প্রধান পত্রিকা। এটি ১৯১৮ সালে কলকাতা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এই পত্রিকার মাধ্যমেই কাজী নজরুল ইসলাম, বেগম রোকেয়া সহ অনেক মুসলিম লেখকের সাহিত্যকর্ম প্রকাশিত হয়েছিল।
অন্যান্য বিকল্পগুলি ভুল কারণ:
কাজী আব্দুল ওদুদ: তিনি ‘বুদ্ধির মুক্তি আন্দোলন’-এর মুখপত্র ‘শিখা’ পত্রিকার সাথে যুক্ত ছিলেন।
সিকান্দার আবু জাফর: তিনি গুরুত্বপূর্ণ সাহিত্য পত্রিকা ‘সমকাল’-এর সম্পাদক ছিলেন।
10

‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটির কবি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ফররুখ আহমদ
  2. আহসান হাবীব
  3. শামসুর রাহমান
  4. হাসান হাফিজুর রহমান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

চল্লিশের দশকে আবির্ভূত শক্তিমান কবিদের অন্যতম ফররুখ আহমদের (১৯১৮-১৯৭৪ খ্রি.) প্রথম কাব্যগ্রন্থ ‘সাত সাগরের মাঝি’ প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে ‘সিরাজাম মুনীরা’ (১৯৫২), ‘নৌফেল ও হাতেম’ (কাব্যনাট্য, ১৯৬১), ‘মুহূর্তের কবিতা’ (সনেট সংকলন, ১৯৬৩), ‘হাতেমতায়ী’ (কাহিনী কাব্য, ১৯৬৬) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফররুখ আহমদ
‘সাত সাগরের মাঝি’ কাব্যগ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি ফররুখ আহমদ (১৯১৮-১৯৭৪) কর্তৃক রচিত। এটি তার প্রথম এবং সবচেয়ে খ্যাতিমান কাব্যগ্রন্থ, যা প্রকাশিত হয় ১৯৪৪ সালে।
এই কাব্যগ্রন্থের মাধ্যমে ফররুখ আহমদ মুসলিম ঐতিহ্য ও ইসলামী রেনেসাঁসের চেতনাকে আধুনিক বাংলা কাব্যে প্রতিষ্ঠিত করেন। এ কারণে তিনি ‘ইসলামী রেনেসাঁর কবি’ হিসেবে পরিচিত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘পথের দাবি’ উপন্যাসের রচয়িতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
  2. মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
  3. সত্যেন সেন
  4. সুকান্ত ভট্টাচার্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

খ্যাতনামা কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের ‘পথের দাবি’ ১৯২৬ সালে প্রকাশিত রাজনৈতিক পটভূমিতে লিখিত উপন্যাস, যা তৎকালীন সময়ে রাজরোষে বাজেয়াপ্তও হয়েছিল। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য উপন্যাস হলো ‘পরিণীতা’ (১৯১৪), ‘বিরাজ বৌ’ (১৯১৪), ‘বৈকুণ্ঠের উইল’ (১৯১৬), ‘দেবদাস’ (১৯১৭), ‘চরিত্রহীন’ (১৯১৭), ‘শ্রীকান্ত’ (১ম পর্ব-১৯১৭), ২য় পর্ব-১৯১৮, ৩য় পর্ব-১৯২৭, ৪র্থ পর্ব-১৯৩৩), ‘শেষ প্রশ্ন’ (১৯৩১), ‘বিপ্রদাস’ (১৯৩৫)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। এটি তাঁর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও বহুল আলোচিত উপন্যাস।
'পথের দাবি' উপন্যাসটি ১৯২৬ সালে প্রকাশিত হয়। এই উপন্যাসের মূল উপজীব্য বিষয় হলো পরাধীন ভারতে ব্রিটিশ বিরোধী বিপ্লবী আন্দোলন এবং স্বাধীনতা সংগ্রাম। উপন্যাসটিতে বিপ্লবীদের আত্মত্যাগ ও সংগ্রামের চিত্র অত্যন্ত সফলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
উপন্যাসটির বিপ্লবী ভাবধারা ব্রিটিশ শাসকদের ভীত করে তোলে, ফলে ১৯২৭ সালে ব্রিটিশ সরকার এটিকে বাজেয়াপ্ত (নিষিদ্ধ) ঘোষণা করেছিল। এটি শরৎচন্দ্রের সাহিত্য জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা।
অন্যান্য বিকল্পসমূহ: মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন ভিন্ন ধারার লেখক, যিনি মূলত গ্রামীণ জীবনের জটিলতা ও মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ করতেন (যেমন: 'পদ্মা নদীর মাঝি')। সুকান্ত ভট্টাচার্য ছিলেন একজন বিপ্লবী কবি, তিনি কোনো উপন্যাস লেখেননি।
12

অপলাপ শব্দের অর্থ কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অস্বীকার
  2. মিথ্যা
  3. প্রলাপ
  4. অসদালাপ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘অপলাপ’ শব্দটি সংস্কৃত ভাষা থেকে আগত, যার শাব্দিক অর্থ সত্য অস্বীকার, গোপন বা মিথ্যা উক্তি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অস্বীকার
অপলাপ শব্দটি এসেছে সংস্কৃত ভাষা থেকে, যার আভিধানিক অর্থ হলো—সত্য গোপন করা, দোষ লুকানো, বা কোনো বক্তব্যকে অস্বীকার করা
বাংলায় 'অপলাপ' শব্দটি মূলত 'কোনো অভিযোগ বা সত্যকে মানতে রাজি না হওয়া' বা 'অস্বীকৃতি' অর্থে ব্যবহৃত হয়। যেমন: 'তিনি তাঁর অপকর্মের অপলাপ করতে পারেননি।'
অপশনগুলোর মধ্যে, 'অস্বীকার' শব্দটি অপলাপের মূল ভাবার্থকে সবচেয়ে স্পষ্টভাবে বহন করে।
যদিও 'মিথ্যা' কিছুটা কাছাকাছি, কিন্তু অপলাপ সরাসরি মিথ্যা বলা নয়, বরং সত্যকে ঢেকে রাখা বা অস্বীকার করার প্রক্রিয়াকে বোঝায়। অন্যদিকে, 'প্রলাপ' মানে হলো অসংলগ্ন কথা বলা (যেমন জ্বরের ঘোরে), এবং 'অসদালাপ' মানে খারাপ বা কটু আলাপ—যা সম্পূর্ণ ভুল উত্তর।
13

পদ বা পদাবলী বলতে কি বুঝায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লাচাড়ী ছন্দে রচিত পদ্য বা কবিতাবলী
  2. পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা
  3. বাউল বা মরমী গীতি
  4. বৌদ্ধ বা বৈষ্ণবীয় ধর্মের গূঢ় বিষয়ের বিশেষ সৃষ্টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পদ বা পদাবলী বলতে সাধারণত শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীচৈতন্যের লীলাকথা নিয়ে গান করার জন্য রচিত কমনীয় কবিতাকে বুঝায়। দ্বাদশ শতকে জয়দেব ‘গীতগোবিন্দ’ কাব্যে ‘পদাবলী’ শব্দটি ব্যবহার করেন। এটি একাধারে সাহিত্য ও সাধানার অবলম্বন। উপনিষদে যে ব্রাহ্মকে রসস্বরূপ বলা হয়েছে এবং প্রিয়রূপে উপাসনা করতে উপদেশ দেয়া হয়েছে, সেই অনন্তরসের আধার শ্রীকৃষ্ণকে আস্বাদন করার ও করানোর জন্য পদাবলী রচিত হয়েছে। উল্লেখ্যযোগ্য পদাবলী সংকলনের মধ্যে সপ্তদশ শতকের শেষভাগে বিশ্বনাথ চক্রবর্তী সংকলিত ‘ক্ষণদাগীতচিন্তামনি’ কে প্রাচীনতম বলে মনে করা হয়। পদাবলীর বৃহত্তম ও অধিক প্রচারিত সংকলন বৈষ্ণবদাস ওরফে গোকুলানন্দ সেনের ‘পদকল্পগুরু’ (৩১০১টি পদ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা

পদ বা পদাবলী বলতে বাংলা সাহিত্যে এক প্রকার গীতধর্মী কবিতা বা গানকে বোঝায়। মধ্যযুগে এই গানগুলি মূলত দেবতা বা ভক্তের স্তুতিমূলক এবং পদ্যাকারে রচিত হত। এই ধারার শ্রেষ্ঠ উদাহরণ হলো বৈষ্ণব পদাবলী, যেখানে রাধাকৃষ্ণের প্রেমলীলাকে উপজীব্য করে ভক্তিমূলক পদ রচিত হয়েছিল।

যেহেতু ‘পদ’ বা ‘পদাবলী’ মূলত ভক্তিরসের মাধ্যমে দেবতাকে অর্ঘ্য নিবেদনের একটি কাব্যরূপ, তাই এটি সরাসরি ‘পদ্যাকারে রচিত দেবস্তুতিমূলক রচনা’ হিসেবে সংজ্ঞায়িত হয়।

অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: ‘বাউল বা মরমী গীতি’ একটি স্বতন্ত্র লোকসাহিত্য ধারা। পদাবলী নির্দিষ্টভাবে বৈষ্ণব সাহিত্য ধারাকে চিহ্নিত করে, যা মধ্যযুগের একটি প্রধান সৃষ্টি।
14

বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত (আধুনিক) কারা রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও সৈয়দ আলী আহসান
  2. ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ও মুহম্মদ আব্দুল হাই
  3. মুহম্মদ আব্দুল হাই, আনিসুজ্জামান ও আনোয়ার পাশা
  4. মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শিক্ষাবিদ, ধ্বনিতাত্ত্বিক ও সাহিত্যিক মুহম্মদ আব্দুল হাই (১৯১৯-১৯৬৯ খ্রি.) এবং শিক্ষাবিদ ও সাহিত্যিক সৈয়দ আলী আহসান (১৯২২-২০০২ খ্রি.) যুগ্মভাবে ‘বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত’ (আধুনিক) গবেষণা গ্রন্থটি রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুহম্মদ আব্দুল হাই ও সৈয়দ আলী আহসান
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রামাণ্য ইতিহাস গ্রন্থ হলো 'বাংলা সাহিত্যের ইতিবৃত্ত'। এই গ্রন্থটির আধুনিক পর্বের সংকলন ও সম্পাদনা করেন প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ আব্দুল হাই এবং কবি ও গবেষক সৈয়দ আলী আহসান
এই বইটি মূলত প্রাচীন, মধ্য এবং আধুনিক—এই তিন খণ্ডে বিভক্ত। যেহেতু প্রশ্নে (আধুনিক) পর্বের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো এই দুজন গবেষকের সম্মিলিত প্রয়াস।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন ও মধ্যযুগ নিয়ে কাজ করলেও এই নির্দিষ্ট 'ইতিবৃত্ত' রচনায় তিনি আব্দুল হাইয়ের সঙ্গী ছিলেন না। মুহম্মদ আব্দুল হাই এবং ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ্ রচিত বইটির নাম হলো 'বাংলা সাহিত্যের ইতিহাস' (ঐতিহাসিক ভাষাভিত্তিক বিশ্লেষণ)।
15

কোনটি ঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গোরা (নাট্যগ্রন্থ)
  2. বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ)
  3. পথের দাবী (উপন্যাস)
  4. একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস)

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘পথের দাবী’ ১৯২৬ সালে প্রকাশিত কথাসাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পটভূমিতে রচিত উপন্যাস। ‘গোরা’ ১৯১০ সালে প্রকাশিত কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রচিত উপন্যাস। ‘বিদ্রোহী’ ১৯২১ সালে সাপ্তাহিক ‘বিজলী’র ২২ পৌষ (১৩২৮) সংখ্যায় প্রকাশিত কাজী নজরুল ইসলামের একটি কবিতা, যার রচনা তাকে ‘বিদ্রোহী’ খ্যাতি এনে দেয়। ‘একাত্তরের দিনগুলো’ শহীদ জননী জাহানারা ইমামের (১৯২৯-১৯৯৪ খ্রি.) ১৯৮৬ সালে প্রকাশিত মুক্তিযুদ্ধের ওপর স্মৃতিচারণমূলক গ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পথের দাবী (উপন্যাস)
এই জোড়টি ঠিক, কারণ 'পথের দাবী' হলো প্রখ্যাত সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত উপন্যাস
অন্যান্য ভুলগুলোর বিশ্লেষণ:
১. গোরা (নাট্যগ্রন্থ): এটি ভুল। 'গোরা' হলো রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত একটি কালজয়ী উপন্যাস (Novel), নাট্যগ্রন্থ নয়।
২. বিদ্রোহী (কাব্যগ্রন্থ): এটি ভুল/অপূর্ণ। 'বিদ্রোহী' হলো কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত কবিতা। এটি 'অগ্নিবীণা' নামক কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত। এটি স্বতন্ত্র কোনো কাব্যগ্রন্থের নাম নয়।
৪. একাত্তরের দিনগুলি (উপন্যাস): এটি ভুল। 'একাত্তরের দিনগুলি' হলো জাহানারা ইমাম রচিত মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন অভিজ্ঞতার উপর লেখা একটি স্মৃতিকথা বা দিনলিপি (Diary/Memoir), উপন্যাস নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

কোনটি হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনী গ্রন্থ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মরুমায়া
  2. মরু ভাস্কর
  3. মরুতীর্থ
  4. মরু কুসুম

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

হযরত মুহাম্মদ (সা) এর জীবনী নিয়ে লিখিত ‘মরু ভাঙ্কর’ (১৯৪১) গ্রন্থটি সাহিত্যিক ও সাংবাদিক মোহাম্মদ ওয়াজেদ আলী (১৮৯৬-১৯৫৪ খ্রি.) রচনা করেন। অন্যদিকে ‘মরুমায়া’ (১৯৩০) কাব্যগ্রন্থটি কবি যতীন্দ্রনাথ সেনগুপ্ত (১৮৮৭-১৯৫৪ খ্রি) রচনা করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মরু ভাস্কর
মরু ভাস্কর হলো আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম রচিত একটি বিখ্যাত জীবনী গ্রন্থ। এই গ্রন্থে কবি মহানবী হযরত মুহম্মদ (স) এর জীবনের বিভিন্ন দিক সাহিত্য ও কবিতায় ফুটিয়ে তুলেছেন।
গ্রন্থটি মূলত মহানবীর (স) জীবনের উপর লেখা গদ্য ও কবিতার একটি সংকলন, যা ১৯৫০ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলি (মরুমায়া, মরুতীর্থ, মরু কুসুম) নজরুলের রচনা নয় এবং মহানবী (স) এর জীবনীগ্রন্থ হিসেবেও পরিচিত নয়।
17

পদাবলী লিখেছেন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
  2. মাইকেল মধুসূদন দত্ত
  3. ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত
  4. কায়কোবাদ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রাধা-কৃষ্ণের জীবন অবলম্বন করে যে ধারাটি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছে সেটা হলো পদাবলী বা পদাবলী কাব্য। প্রশ্নে উল্লিখিত চারজনের মধ্যে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরই পদাবলী রচনা করেছেন। যার নাম ‘ভানুসিংহ ঠাকুরের পদাবলী’, যা তিনি ব্রজবুলি ভাষায় রচনা করেন। বৈষ্ণব পদাবলীর সৌন্দর্যে মুগ্ধ হয়ে তিনি এটি রচনা করেন। পদাবলীর প্রধান কবিদের মধ্যে রয়েছেন- বিদ্যাপতি, চণ্ডীদাস, জ্ঞানদাস, গোবিন্দদাস প্রমুখ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সাধারণত 'পদাবলী' বলতে মধ্যযুগের বৈষ্ণব পদাবলীকে বোঝানো হলেও, আধুনিক যুগে এর সার্থক অনুকরণে কাব্য রচনা করেছেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
তিনি তাঁর বিখ্যাত গীতি কবিতার সংকলন 'ভানুষিংহ ঠাকুরের পদাবলী' রচনা করেন। এই কাব্যগ্রন্থটি তিনি 'ভানুষিংহ ঠাকুর' ছদ্মনামে প্রকাশ করেছিলেন। এটি ১৮৮৪ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ মাইকেল মধুসূদন দত্ত মূলত মহাকাব্য ও সনেটের জন্য বিখ্যাত; ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত ছিলেন নবযুগের সন্ধিক্ষণের কবি; এবং কায়কোবাদ ছিলেন মুসলিম মহাকবি।
18

‘বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ এর সম্পাদক কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মুহম্মদ আব্দুল হাই
  2. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ
  3. মুহম্মদ এনামুল হক
  4. আহমদ শরীফ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ আহমদ শরীফ (১৯২১-১৯৯৯) ‘বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’ সম্পাদনা করেন, যা ১৯৯২ সালের সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হয়। অন্যদিকে ভাষাবিদ, ভাষাবিজ্ঞানী, গবেষক ও শিক্ষাবিদ ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ (১৮৮৫-১৯৬৯ খ্রি.) সম্পাদনা করেন ‘আঞ্চলিক ভাষার অভিধান’ (দুই খণ্ড)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো আহমদ শরীফ। তিনি ছিলেন বিংশ শতাব্দীর একজন প্রখ্যাত সাহিত্য সমালোচক, গবেষক, ভাষাবিজ্ঞানী এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক।
বাংলা একাডেমী সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান-এর সম্পাদনার দায়িত্বে ছিলেন তিনি। এই অভিধানটি বাংলা একাডেমী কর্তৃক প্রকাশিত একটি অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ।
অন্যান্য অপশনগুলো প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ হলেও, তারা সরাসরি এই বিশেষ ‘সংক্ষিপ্ত বাংলা অভিধান’-এর সম্পাদক ছিলেন না। যেমন, ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ ছিলেন প্রাচীন বাংলা সাহিত্য ও ভাষাতত্ত্বের কিংবদন্তী গবেষক।
19

‘ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে, কী বিপদ!’ এই বাক্যের ‘কী’ এর অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভয়
  2. রাগ
  3. বিরক্তি
  4. বিপদ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এরূপ ক্ষেত্রে বাক্যের ভাব বুঝেই ‘কী’ এর অর্থ নিরূপণ করতে হবে। সে হিসেবে এর অর্থ ‘ভয়’, ‘রাগ’ বা ‘বিপদ’ নয়, অবশ্যই ‘বিরক্ত’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বিরক্তি
বাংলা বাক্যে ‘কী’ শব্দটি সাধারণত প্রশ্নসূচক সর্বনাম বা বিশেষণ হিসেবে ব্যবহৃত হলেও, বিস্ময়সূচক বা আবেগসূচক বাক্যে এটি আবেগ, বিরক্তি, আনন্দ, বা বিস্ময় প্রকাশের জন্য ব্যবহৃত হয়। এক্ষেত্রে ‘কী’ একটি অব্যয়সূচক ভাব প্রকাশ করে।
প্রদত্ত বাক্যে ‘ভিক্ষুকটা যে পিছনে লেগেই রয়েছে’ অংশটি নির্দেশ করে যে বক্তা একটি বিরক্তিকর বা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে আছেন। এরপর ‘কী বিপদ!’ এই উক্তিটি বক্তার সেই বিরক্তি এবং অস্বস্তি প্রকাশ করছে। এটিকে আক্ষরিক অর্থে 'বিপদ' (Danger) নয়, বরং 'কী ঝামেলার বিষয়!' অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে।
তাই, এখানে ‘কী’ শব্দটি মূলত বক্তার বিরক্তি বা উদ্বেগ ফুটিয়ে তুলেছে।
20

‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারার অর্থ-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাহায্যকারী
  2. তোষামুদে
  3. বাদক
  4. স্বাস্থ্যহীন লোক

সঠিক উত্তর: খ

ব্যাখ্যা

‘ঢাকের কাঠি’ হলো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বহুল ব্যবহৃত বাগধারা।
বাগধারাটির আভিধানিক অর্থ দ্বারা এমন একজন ব্যক্তিকে বোঝায়, যে অপরকে সন্তুষ্ট করার জন্য বা কোনো কাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত তোষামোদ করে বা খোশামুদি করে।
এই ধরনের ব্যক্তি প্রায়শই মুসায়েরা বা উসকানিদাতার ভূমিকা পালন করে। প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে তোষামুদে অর্থটিই ‘ঢাকের কাঠি’ বাগধারাটির সঠিক এবং সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য অর্থ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন সাহায্যকারী, বাদক বা স্বাস্থ্যহীন লোক বাগধারাটির ভাবের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

Submission : Yielding

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Subjection … Liberation
  2. Restrain …. Indulge
  3. Compliant ….. Acquiescent
  4. Restriction … Relaxation

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে মূলশব্দ Submission অর্থ হলো আনুগত্য, নম্রতা, বশ্যতা আর Yielding অর্থ হলো নম্র, বিনয়ী। অন্যদিকে, Subjection পরাধীনতা, বশ্যতা, দমন ইত্যাদি। Liberation- মুক্তি, স্বাধীনতা। Restrain- দমন করা, নিয়ন্ত্রণ করা, বাঁধা প্রদান। Indulge- সাধ মিটানো, পরিতৃপ্ত করা; Compliant - রাজী, সম্মত। Acquiescent- সম্মতি, রাজী, মৌনসম্মতি। Restriction- বাঁধা, নিষেধ। Relaxation- প্রশমন, শ্লথ, কম কঠোরতাপূর্ণ। এখানে মূল জোড়ায় সম্পর্ক হলো যে ব্যক্তি Yielding (নম্র) তার মধ্যেই থাকে Submission (নম্রতা)। অনুরূপ উত্তর Compliant ….. Acquiescent তে দেখা যাচ্ছে, যার মধ্যে Acquiescent আছে সে-ই Compliant (সম্মত)।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Analogy ধরনের। এখানে প্রথম শব্দটি (Submission) এবং দ্বিতীয় শব্দের (Yielding) মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করতে হবে এবং সেই একই সম্পর্ক অপশনগুলোর মধ্যে খুঁজে বের করতে হবে।
Submission অর্থ হলো বশ্যতা বা নতি স্বীকার। Yielding অর্থ হলো হার মানা বা আত্মসমর্পণ করা। অর্থাৎ, এরা সমার্থক (Synonyms) শব্দ।
আমাদের এমন একটি অপশন জোড় খুঁজে নিতে হবে যেখানে শব্দ দুটি সমার্থক হবে:
Compliant (C): এর অর্থ হলো অনুগত বা সহজে মেনে নেওয়া।
Acquiescent: এর অর্থ হলো নীরবে বা বিনা প্রতিবাদে মেনে নেওয়া বা সম্মতি দেওয়া।
সুতরাং, Compliant এবং Acquiescent শব্দ দুটি ঘনিষ্ঠ সমার্থক। তাই সঠিক উত্তর (C)।
ভুল উত্তর বিশ্লেষণ:
Subjection (বশীকরণ) … Liberation (মুক্তি): এরা বিপরীতার্থক (Antonyms)
Restrain (সংযত করা) …. Indulge (প্রশ্রয় দেওয়া): এরাও বিপরীতার্থক
Restriction (বাধা) … Relaxation (শিথিলতা): এদের সম্পর্কটিও সমার্থক নয়।
22

Vacillate : Hesitate

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Persevere … Waiver
  2. Impulsive … Deliberate
  3. Obstinate ... Accommodating
  4. Irresolute … Indecisive

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

এখানে মূল শব্দ Vacillate অর্থ দ্বিধান্বিত হওয়া বা ইতস্তত করা এবং Hesitate অর্থও ইতস্তত করা, দ্বিধান্বিত হওয়া, সিদ্ধান্তহীনতায় ভোগা প্রভৃতি। অন্যদিকে Persevere- অধ্যবসায়ী হওয়া, নিরবিচ্ছিন্ন মনোযোগ সহকারে কাজ করা, Waiver- স্বত্বত্যাগ, দাবির পরিত্যাগ, না-দাবিকরণ প্রভৃতি। Impulsive- আবেগ তাড়িত, আবেগ প্রবৃত্ত, অন্তরাবেগ চালিত, Deliberate- সুচিন্তিত, ইচ্ছাকৃত, উদ্দেশ্য প্রণোদিত প্রভৃতি। Obstinate- একগুয়ে, জেদি, দুর্দমনীয়। Accommodating- অমায়িক, নম্র, ভদ্র। Irresolute- অস্থির চিত্ত, অস্থির মতি, চলচিত্ত প্রভৃত্তি। Indecisive- অনিশ্চিত, অস্থিরমতি, দ্বিধান্বিত ইত্যাদি। ওপরের বিশ্লেষণে দেখা যায় Irresolute ... Indecisive বাদে কোনো জোড়াতেই Synonymous সম্পর্ক বুঝাচ্ছে না।

ব্যাখ্যা

এই Analogy প্রশ্নের মূল সম্পর্কটি হলো Synonymity (সমার্থক শব্দ)
Vacillate (ভ্যাসিল্যাট) অর্থ হলো: মনে বা সিদ্ধান্তে দোলাচল থাকা বা স্থির প্রত্যয়হীন হওয়া। এর বাংলা প্রতিশব্দ হতে পারে – দোদুল্যমান হওয়া।
Hesitate (হেজিটেট) অর্থ হলো: দ্বিধা করা বা ইতস্তত করা।
যেহেতু Vacillate এবং Hesitate উভয়েই অনিশ্চয়তা বা সিদ্ধান্তহীনতাকে বোঝায়, তাই সম্পর্কটি সমার্থক।
এই একই সমার্থক সম্পর্ক বিদ্যমান আছে অপশন (D)-তে। Irresolute অর্থ স্থির প্রত্যয়হীন বা অনিশ্চিত। Indecisive অর্থ সিদ্ধান্তহীন বা দোদুল্যমান। সুতরাং, Irresolute : Indecisive হলো সঠিক উত্তর।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: (A) Persevere (অধ্যবসায় করা) এবং Waiver (ত্যাগ করা) হলো বিপরীত শব্দ। (B) Impulsive (হঠকারী) এবং Deliberate (সুচিন্তিত) হলো বিপরীত শব্দ। (C) Obstinate (একগুঁয়ে) এবং Accommodating (মানিয়ে চলা) হলো বিপরীত শব্দ
23

Assert : Dissent

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Affirm … Object
  2. Reject … Disapprove
  3. Acknowledge … Recognize
  4. Endorse … Ratify

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মূল শব্দ Assert অর্থ দাবি করা, দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করা, এবং Dissent অর্থ আপত্তি করা, অনুমোদন করতে অস্বীকার করা। এ শব্দজোড়া পরস্পর বিপরীত অর্থ প্রকাশ করছে। ‘ক’ তে আছে- Affirm - দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করা, নিশ্চিত রূপে বলা। Object - আপত্তি করা, অভিযোগ করা, অস্বীকার করা। ‘খ’ তে আছে Reject- বাতিল করা, প্রত্যাখ্যান করা, অগ্রাহ্য করা। Disapprove- প্রত্যাখ্যান করা, বাতিল করা, অনুমোদন না করা। ‘গ’ তে আছে- Acknowledge- স্বীকার করা, মেনে নেওয়া, প্রাপ্তি স্বীকার। Recognize- স্বীকৃতি দেওয়া, চিনতে পারা প্রভৃতি। ‘ঘ’ তে আছে- Endorse- অনুমোদন করা। Ratify- অনুমোদন করা ও দেয়া। ওপরের choice গুলোর শব্দ জোড়া বিশ্লেষণ করলে দেখা যায় মূল শব্দ জোড়ার সঙ্গে একমাত্র choice ‘ক’ এর শব্দ জোড়ারই মিল রয়েছে।

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অ্যানালজি (Analogy) প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য প্রথমে প্রদত্ত জোড় শব্দদ্বয়ের মধ্যে সম্পর্ক নির্ণয় করতে হয়।
এখানে, Assert এবং Dissent শব্দ দুটির মধ্যে বিপরীতার্থক (Antonym) সম্পর্ক বিদ্যমান।
Assert অর্থ হলো—দৃঢ়ভাবে কিছু দাবি করা, ঘোষণা করা বা সমর্থন করা (To state strongly or maintain).
Dissent অর্থ হলো—ভিন্নমত পোষণ করা বা দ্বিমত পোষণ করা (To disagree or refuse to accept).
সঠিক উত্তর হিসেবে আমাদের এমন একটি জোড় খুঁজে বের করতে হবে, যারা বিপরীতার্থক সম্পর্ক বজায় রাখে।
সঠিক উত্তর: Affirm … Object
Affirm অর্থ হলো—দৃঢ়ভাবে নিশ্চিত করা বা সমর্থন করা (To confirm strongly), যা 'Assert'-এর সমার্থক। কিন্তু Object অর্থ হলো—আপত্তি করা বা বিরোধিতা করা (To disagree/oppose). সুতরাং, Affirm এবং Object পরস্পর বিপরীতার্থক।
24

Distort : Twist

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Straighten … Bend
  2. Deform … Reform
  3. Harmonize … Balance
  4. Observe … Blur

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

এখানে মূল শব্দ জোড়ার Distort অর্থ বিকৃত করা এবং Twist অর্থ মোচড়ানো, বিকৃত করা প্রভৃতি। অর্থাৎ শব্দ জোড়া পরস্পর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে। Straighten - সোজা করা। Bend- বাকানো। Deform- বিকৃতকরণ। Reform– সংশোধন। Harmonize- সমন্বয় সাধন করা, খাপ খাওয়া। Balance- সদৃশ করা, ভারসাম্য অবস্থান রাখা। Observe- পর্যবেক্ষণ করা, পালন করা, উদযাপন করা। Blur- দুর্বোধ্য, অস্পষ্ট, কলংক, দাগ। অপশন গুলোর মধ্যে শুধুমাত্র Harmonize … Balance. উত্তরের শব্দ জোড়াই পরস্পর সমার্থক অর্থ প্রকাশ করছে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি Analogy (সাদৃশ্য বিচার) থেকে এসেছে। Analogy সমাধান করার জন্য প্রদত্ত প্রথম দুটি শব্দের মধ্যে সম্পর্ক খুঁজে বের করতে হয় এবং সেই একই সম্পর্ক অপশনগুলোর মধ্যে কোনটিতে আছে, তা চিহ্নিত করতে হয়।
প্রদত্ত শব্দজোড়: Distort : Twist
এখানে, Distort (বিকৃত করা বা মোচড় দেওয়া) এবং Twist (মোচড় দেওয়া বা পেঁচানো) শব্দ দুটি একে অপরের সমার্থক (Synonym)। তাদের মধ্যে গভীর অর্থগত মিল বিদ্যমান।
আমরা যদি অপশনগুলোতে এই সমার্থক সম্পর্ক খুঁজি:
অপশন C: Harmonize : Balance
Harmonize (সমন্বয় করা বা ঐক্যবদ্ধ করা) এবং Balance (ভারসাম্য রক্ষা করা) শব্দ দুটির মধ্যে গভীর অর্থগত সাদৃশ্য বা সমার্থক সম্পর্ক বিদ্যমান। উভয় শব্দই একটি সুস্থিতি বা সামঞ্জস্যপূর্ণ অবস্থা বোঝায়।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল:
Straighten … Bend: এ দুটি শব্দ বিপরীতার্থক (Antonyms)
Deform … Reform: এ দুটি শব্দও মূলত বিপরীতার্থক (Antonyms)। (Deform মানে বিকৃত করা, Reform মানে সংশোধন করা/সংস্কার করা)।
যেহেতু Distort এবং Twist সমার্থক, তাই Harmonize এবং Balance-ও সমার্থক বা অর্থগতভাবে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কিত হওয়ায় এটিই সঠিক উত্তর।
25

Government has been entrusted___elected politicians.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. with
  2. for
  3. to
  4. at

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Entrusted with + something - কোনো কিছুতে আস্থা স্থাপন করা। Entrusted এর সাথে for, at – কখনোই বসে না। Entrusted to someone- কোনো ব্যক্তি বা ব্যক্তিবর্গকে বিশ্বাস করা; Entrusted with – দ্বারা কোন বস্তুতে বিশ্বাস স্থাপন করা বোঝায়। যেহেতু শূন্যস্থানের পরে elected politicians দ্বারা ব্যক্তিবর্গ নির্দেশ করছে। তাই এখানে entrusted to বসবে।

ব্যাখ্যা

এটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়) সংক্রান্ত একটি প্রশ্ন।
Entrust (দায়িত্ব অর্পণ করা) ক্রিয়াটির ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুটি গুরুত্বপূর্ণ Prepositional কাঠামো রয়েছে:
১. Entrust (দায়িত্ব) to (ব্যক্তি): যখন কোনো দায়িত্ব বা বস্তু (A) অন্য কারো (B)-এর কাছে অর্পণ করা হয়। কাঠামো: Entrust A to B
২. Entrust (ব্যক্তি) with (দায়িত্ব): যখন কোনো ব্যক্তিকে (B) একটি নির্দিষ্ট দায়িত্বের (A) ভার দেওয়া হয়। কাঠামো: Entrust B with A
প্রদত্ত বাক্যে, 'Government' (দায়িত্ব/কর্তৃত্ব) হলো কর্ম এবং এটি বাক্যের শুরুতে Passive Voice-এর Subject হিসেবে বসেছে। 'elected politicians' হলো সেই ব্যক্তি যাদের হাতে এই দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে।
Passive Voice-এ যখন দায়িত্বটি (Government) Subject হিসেবে আসে এবং এটি যার কাছে অর্পিত হয়, তার আগে 'to' ব্যবহৃত হয়।
Structure: Government has been entrusted to elected politicians.
যদি বাক্যটি এমন হতো: “The politicians have been entrusted with the Government.” তবে 'with' সঠিক হতো। যেহেতু বাক্যে দায়িত্বটি প্রথমে এসেছে, তাই সঠিক উত্তরটি হলো 'to'
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

He has paid the penalty ___ his crimes ___ five years in prison.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. for, with
  2. at, by
  3. about, at
  4. after, in

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Paid for + something /action- পুরস্কার, শাস্তি প্রদান। ৫ বছর কারাদণ্ড সহ-অর্থে five year এর পূর্বে with বসবে।

ব্যাখ্যা

এই বাক্যটি মূলত Appropriate Preposition-এর সঠিক ব্যবহার নির্দেশ করে। বাক্যের অর্থ অনুযায়ী, সে তার অপরাধের শাস্তি হিসাবে পাঁচ বছরের জেল খেটেছে।
প্রথম শূন্যস্থানে 'for' বসবে। যখন 'pay the penalty' (শাস্তি ভোগ করা) বা 'suffer the penalty' এর পর কোনো নির্দিষ্ট অপরাধ বা কারণ উল্লেখ করা হয়, তখন 'for' ব্যবহৃত হয়। (He has paid the penalty for his crimes).
দ্বিতীয় শূন্যস্থানে 'with' বসবে। যখন কোনো নির্দিষ্ট শাস্তির মাধ্যম, পদ্ধতি বা সময়কাল (যেমন: পাঁচ বছরের জেল) উল্লেখ করা হয়, যার মাধ্যমে শাস্তি ভোগ করা হয়েছে, তখন 'with' শব্দটি উপযুক্ত হয়। 'In' (in prison) বাক্যটিকে আক্ষরিকভাবে ভুল করে না, কিন্তু শাস্তির পরিমাণকে বোঝানোর জন্য 'with' ব্যবহার করাই প্রচলিত প্রথা।
অতএব, সঠিক উত্তর হলো (for, with)
27

The path ____ paved, so we were able to walk through the path.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. was
  2. had been
  3. has been
  4. being

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাক্যে past tense এ দুটি clause রয়েছে এবং এখানে অতীতকালের দুটি কাজের কথা নির্দেশ করা হয়েছে। নিয়মানুযায়ী পূর্বে সংগঠিত কাজটির হবে indefinite past perfect tense আর পরেরটি হবে past perfect tense. আমরা রাস্তাটিতে হাটতে সমর্থ হয়েছিলাম (So, we were able to walk through the path) যেহেতু ইতিপূর্বে রাস্তাটি পাকা করা হয়েছিল। সুতরাং পাকা করার কাজটি আগে হয়েছিল (The path had been paved).

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: had been। এই বাক্যটি Sequence of Tenses এবং Passive Voice-এর নিয়মের উপর প্রতিষ্ঠিত।
বাক্যের দ্বিতীয় অংশটি হলো, 'so we were able to walk through the path' (তাই আমরা হেঁটে যেতে সক্ষম হয়েছিলাম)। এই অংশটি Simple Past Tense-এ আছে এবং এটি ফলাফল নির্দেশ করছে।
রাস্তা পাকা হওয়ার কাজটি (the path ____ paved) অবশ্যই হাঁটার পূর্বেই সম্পন্ন হয়েছিল। অতীতে যখন একটি কাজের আগে অন্য একটি কাজ সম্পন্ন হয়, তখন পূর্ববর্তী কাজটি Past Perfect Tense হয়।
এছাড়াও, The path (রাস্তা) নিজে নিজেকে পাকা করে না; এটি অন্য কেউ পাকা করে, তাই বাক্যটি Passive Voice-এ আছে।
Past Perfect Passive-এর গঠন হলো: Subject + had been + Verb (Past Participle/V3)। এখানে 'had been' ব্যবহারের মাধ্যমে সঠিক কাল ও বাচ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল: 'was' (Simple Past Passive) ভুল, কারণ এটি Sequence of Tenses-এর নিয়ম ভঙ্গ করে। 'has been' (Present Perfect) ভুল, কারণ এটি Past Tense-এর ফলাফলের সাথে যুক্ত হতে পারে না। 'being' (Present Participle) ভুল, কারণ এটি বাক্যের প্রধান ক্রিয়াংশ গঠন করতে পারে না।
28

In spite of my requests, he did not ____.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. give in
  2. fall in
  3. get off
  4. give forth

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রদত্ত phrasal verb গুলোর অর্থ হলো: Give in - আত্মসমর্পণ করা; বশ্যতা স্বীকার করা। Fall in – ভেঙে পড়া, সারি বেধে দাঁড়ানো। Get off- যাত্রা করা, রওনা দেয়া। Get forth - উদগীরণ করা, নিঃসৃত করা/হওয়া। Give in দিয়েই বাক্যটি অর্থবোধক হয়- আমার অনুরোধ সত্ত্বেও সে বশ্যতা স্বীকার করেনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: give in
Give in একটি Phrasal Verb, যার অর্থ হলো—'to yield, surrender, or agree to something after resisting' (বশ্যতা স্বীকার করা, বাধ্য হয়ে মেনে নেওয়া বা নতি স্বীকার করা)।
বাক্যটির অর্থ: 'আমার অনুরোধ সত্ত্বেও, সে নতি স্বীকার করেনি বা রাজি হয়নি।' এই অর্থে give in শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
ভুল উত্তরগুলোর ব্যাখ্যা:
  • fall in: এর অর্থ হলো—'to assemble' (সারি দিয়ে দাঁড়ানো) বা 'to collapse' (ভেঙে পড়া)। এটি এখানে অপ্রাসঙ্গিক।
  • get off: এর অর্থ হলো—'to leave a place or vehicle' (গাড়ি থেকে নামা) অথবা 'to escape punishment' (মুক্তি পাওয়া)। এটিও সঠিক নয়।
  • give forth: এর অর্থ হলো—'to produce or emit' (বিকিরণ করা বা আলো দেওয়া)। এটিও অর্থের সঙ্গে মানানসই নয়।
29

The children studied in a class room ____ windows were never opened.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. that
  2. which
  3. where
  4. whose

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাক্যের শূন্যস্থানের পূর্বের অংশটির অর্থ হলো শিশুরা একটি কক্ষে অধ্যয়ন করল। আর পরের অংশটির অর্থ করা যায়, জানালাগুলো কখনো খোলা হয়নি। দুটি অংশকে একত্র করতে হলে relative pronoun ব্যবহার করতে হবে। এখন শূন্যস্থানের পূর্বে room এবং পরে window থাকায় এদের মধ্যে সম্পর্ক বোঝাচ্ছে। আর সম্পর্ক বোঝানোর ক্ষেত্রে relative pronoun এর possessive হয় অর্থাৎ whose (যার) হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো whose
এই বাক্যটিতে দুটি ক্লজকে (The children studied in a class room এবং windows were never opened) সংযুক্ত করা হয়েছে। শূন্যস্থানটি এমন একটি শব্দ দিয়ে পূরণ করতে হবে যা পূর্বের Noun (class room) এবং পরবর্তী Noun (windows)-এর মধ্যে অধিকার বা সম্পর্ক নির্দেশ করে।
Whose হলো একটি Possessive Relative Pronoun (অধিকারসূচক আপেক্ষিক সর্বনাম), যার অর্থ—'যার' বা 'যাহার'। এটি ব্যক্তি বা বস্তুর অধিকার বা সম্পর্ক বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
এখানে, 'a class room whose windows' মানে হলো—'ক্লাসরুমের জানালাগুলো' (The windows of the classroom)।
Where (স্থান নির্দেশক) এবং That/Which (যা/যাহা অর্থে ব্যবহৃত) এই ধরনের possessive সম্পর্ক স্থাপন করতে পারে না, তাই অন্য অপশনগুলো ভুল।
30

To stay healthy, we must plan to have a balanced -

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. food
  2. diet
  3. outlook
  4. figure

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাক্যে have অর্থ হলো খাওয়া। এক্ষেত্রে balanced food এবং balanced diet ব্যবহারের সম্ভবনা রয়েছে। Outlook (দৃশ্য) এবং figure (সংখ্যা) খাওয়া যায় না। সুতরাং diet এবং food এর মধ্যে balanced food এ জাতীয় phrase এর ব্যবহার তেমন দেখা যায় না। তাছাড়া food এর আগে a বসানো যায় না, diet এর আগে বসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: diet
কারণ, স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য পুষ্টিবিদরা যে খাদ্যের পরিকল্পনা করার পরামর্শ দেন, তাকে ইংরেজিতে সুনির্দিষ্টভাবে balanced diet (সুষম খাদ্য) বলা হয়। এটি একটি অত্যন্ত প্রচলিত এবং স্থায়ী Collocation বা বাক্যাংশ।
Collocation Rule: 'Balanced' শব্দটি যখন খাদ্যাভ্যাস বা পুষ্টি সংক্রান্ত বিষয়ে ব্যবহৃত হয়, তখন এর সাথে diet শব্দটিই সবচেয়ে উপযুক্তভাবে বসে।
Option A (food) ভুল, কারণ 'food' একটি সাধারণ শব্দ। আমরা সুষম খাদ্যের পরিকল্পনা করি, যা একটি নির্দিষ্ট খাদ্যাভ্যাস বা রুটিন (diet)-কে নির্দেশ করে, শুধু 'balanced food'-কে নয়।
Option C (outlook) অর্থ দৃষ্টিভঙ্গি বা মনোভাব, যা স্বাস্থ্যকর খাবার পরিকল্পনার সাথে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। Option D (figure) অর্থ শারীরিক গড়ন, যা অপ্রাসঙ্গিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

We must keep our fingers — that the weather will stay fine for the picnic tomorrow.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. raised
  2. pointed
  3. lifted
  4. cressed (crossed)

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

Keeping fingers raised, keeping fingers pointed or keeping fingers lifted এ জাতীয় phrase সচরাচার দেখা যায় না। কিন্তু keep one’s fingers crossed (cressed) অর্থ হলো আশা পোষণ করা, কামনা করা। সুতরাং cressed (crossed).

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি একটি বহুল প্রচলিত বাগ্ধারা (Idiom) এর সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত। সঠিক বাগ্ধারাটি হলো “keep one's fingers crossed” (আঙুলগুলি আড়াআড়ি করে রাখা)।
এই বাগ্ধারাটির অর্থ হলো— কোনো ভালো কিছু ঘটার জন্য একান্তভাবে আশা করা বা সৌভাগ্যের প্রতীক্ষা করা
বাক্যটির অর্থ: 'আগামীকালের পিকনিকের জন্য আবহাওয়া ভালো থাকবে—এই আশা বা প্রার্থনা আমাদের অবশ্যই করতে হবে।'
সুতরাং, শূন্যস্থানে crossed শব্দটি বসবে। অপশনে 'cressed' বানানে ভুল থাকলেও, এটি 'crossed' শব্দটিকেই নির্দেশ করছে, যা সঠিক উত্তর।
অন্য অপশনগুলো (raised, pointed, lifted) এই প্রসঙ্গে কোনো প্রচলিত বা অর্থপূর্ণ বাগ্ধারা তৈরি করে না।
32

They have__their support for our case.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. pledged
  2. disavowed
  3. provided
  4. defered

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Pledge- অঙ্গীকার করা, প্রতিজ্ঞা করা, জামানত রাখা। provide- সরবরাহ করা, সংস্থান করা। Defere- বিলম্বিত করা, স্থগিত করা/মুলতবি করা। Disavow- অস্বীকার করা। সুতরাং অর্থানুসারে pledged ই- most appropriate.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: pledged
Pledge (Verb) অর্থ হলো আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো কিছুর প্রতি সমর্থন বা প্রতিশ্রুতি ঘোষণা করা (to formally promise or commit)। যখন কেউ কোনো 'case' (মামলা/উদ্দেশ্য)-এর প্রতি 'support' (সমর্থন) দেয়, তখন pledge শব্দটি সবচেয়ে উপযুক্ত।
বাক্যটির অর্থ দাঁড়ায়: 'তারা আমাদের মামলার জন্য তাদের সমর্থন ঘোষণা করেছে/প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।'
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে:
disavowed (অস্বীকার করা/সমর্থন প্রত্যাহার করা) - এটি অর্থের দিক দিয়ে সম্পূর্ণ বিপরীত।
provided (সরবরাহ করা) - এটি ব্যাকরণগতভাবে সঠিক হলেও, pledged শব্দটি সমর্থন প্রদানের আনুষ্ঠানিকতা এবং গুরুত্বকে বেশি তুলে ধরে, তাই প্রেক্ষাপটে এটি অধিকতর শ্রেয়।
defered (সঠিক বানান: deferred, যার অর্থ স্থগিত করা) - এই ক্ষেত্রে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
33

The correct meaning of the word: Cul−de−sac

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Selection
  2. Dead end
  3. Error
  4. Bubble

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Cul-de-sac একটি ফরাসি শব্দ, যার অর্থ হলো কানাগলি। অন্যদিকে, Selection- নির্বাচন; Dead end- কানাগলি; Error- ভুল; Bubble- বুদবুদ, অবাস্তব, চিন্তা বা পরিকল্পনা।

ব্যাখ্যা

Cul-de-sac শব্দটি একটি ফরাসি শব্দগুচ্ছ (French phrase)। এটি ইংরেজি ভোকাবুলারিতে বহুল ব্যবহৃত একটি ফ্রেজ।
এর আভিধানিক অর্থ হলো 'bottom of the bag' (থলের তলা)। তবে এর ব্যবহারিক অর্থ হলো একটি রাস্তা বা প্যাসেজ যা শুধু একদিক থেকে খোলা কিন্তু অন্যদিক থেকে পুরোপুরি বন্ধ।
নগর পরিকল্পনা বা দৈনন্দিন ইংরেজিতে, Cul-de-sac মানে হলো একটি বন্ধ রাস্তা বা Blind Alley
তাই অপশনগুলোর মধ্যে, সঠিক ও উপযুক্ত অর্থটি হলো Dead end (বন্ধ পথ)।
অন্যান্য অপশন (Selection, Error, Bubble) এই অর্থের সাথে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক।
34

The correct meaning of the word: Parcel

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Quarrel
  2. Piece of land
  3. Postage
  4. Unobstructed view

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Parcel অর্থ হলো মোড়ক, এর আরেক অর্থ হলো এক খণ্ড জমি। Quarrel- ঝগড়া, বিবাদ, Piece of land- জমির টুকরো; Postage- ডাকমাশুল; Unobstructed view- বাধাহীন দৃষ্টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Piece of land
'Parcel' শব্দটির একাধিক অর্থ রয়েছে, কিন্তু প্রধানত এটি দুটি অর্থে ব্যবহৃত হয়: ১. মোড়ানো প্যাকেট বা বান্ডিল (যেমন- ডাকযোগে পাঠানো পার্সেল)। ২. কোনো সম্পত্তির একটি অংশ বা এক খণ্ড জমি/ভূখণ্ড (A piece of land/tract).
এখানে অপশনগুলোর মধ্যে Piece of land (এক খণ্ড জমি) শব্দটি 'Parcel'-এর দ্বিতীয় এবং পরীক্ষামূলক দৃষ্টিকোণ থেকে সবচেয়ে উপযুক্ত অর্থটিকে নির্দেশ করছে। উদাহরণ: He inherited a large parcel of land from his grandfather.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। Quarrel মানে ঝগড়া, Postage মানে ডাকমাশুল (ডাকের খরচ), এবং Unobstructed view মানে বাধাহীন দৃশ্য। যদিও 'Parcel' শব্দটি ডাকের সাথে সম্পর্কিত, তবে 'Postage' সরাসরি শব্দের অর্থ নয়।
35

The correct meaning of the word: Ruminant

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Cud-chewing animal
  2. Soup
  3. Gossip
  4. Noise-maker

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Ruminant অর্থ হলো জাবর কাটা প্রাণী। অন্যদিকে, Cud-chewing animal- জাবর কাটা প্রাণী; Soup- ঝোল; Gossip- খোশগল্প; Noise-maker- শোরগোলকারী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Cud-chewing animal
Ruminant শব্দটি একটি প্রাণিবিজ্ঞানের (Zoological) পরিভাষা, যার অর্থ হলো যে সকল প্রাণী তাদের আহার দ্রুত গলাধঃকরণ করার পর আবার মুখে এনে ধীরে ধীরে চিবিয়ে হজম করে। এই প্রক্রিয়াকে বলা হয় 'chewing the cud' বা জাবর কাটা
গরু, ছাগল, ভেড়া, জিরাফ, এবং হরিণ হলো প্রধান Ruminant প্রাণীর উদাহরণ।
অন্যান্য অপশন যেমন— 'Soup' (স্যুপ), 'Gossip' (গুজব/পরনিন্দা) এবং 'Noise-maker' (গোলমাল সৃষ্টিকারী) সম্পূর্ণরূপে Ruminant শব্দের অর্থ থেকে ভিন্ন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

বাংলাদেশ-ভারত পানি চুক্তির মেয়াদ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ বছর
  2. ২০ বছর
  3. ২৫ বছর
  4. ৩০ বছর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

৩০ বছর (১৯৯৬ – ২০২৬) মেয়াদি পানি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির হায়দ্রাবাদ হাউসে ১২ ডিসেম্বর, ১৯৯৬। চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবগৌড়া।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৩০ বছর
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত গঙ্গা পানি বন্টন চুক্তির (Ganges Water Sharing Treaty) মেয়াদ হলো ৩০ বছর
এই চুক্তিটি ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর ভারতের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী এইচ ডি দেবে গৌড়া এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়।
চুক্তির বিধান অনুযায়ী, এটি কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে ৩০ বছর পর্যন্ত বহাল থাকবে। অর্থাৎ, চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হবে ২০২৬ সালে
অন্যান্য অপশনগুলো (১০, ২০, ২৫ বছর) ভুল, কারণ চুক্তিতে স্পষ্টভাবে ৩০ বছরের মেয়াদের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এটি প্রতি পাঁচ বছর অন্তর পর্যালোচনা করার বিধান থাকলেও মেয়াদের ক্ষেত্রে ৩০ বছর নির্দিষ্ট।
37

বাংলাদেশের সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাট
  2. তৈরি পোশাক
  3. চা
  4. মাছ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০২১-২২ ‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’ এর প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তৈরি পোশাক (Ready-Made Garments - RMG)। এটি বর্তমানে বাংলাদেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ডস্বরূপ
বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ, প্রায় ৮০% থেকে ৮৫%, আসে এই তৈরি পোশাক শিল্প খাত থেকে। এটি গত কয়েক দশক ধরে ধারাবাহিকভাবে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হিসেবে তার অবস্থান ধরে রেখেছে।
ঐতিহাসিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ হলেও পাট এবং চা শিল্প এখন রপ্তানির পরিমাণ ও বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের দিক থেকে তৈরি পোশাক শিল্পের তুলনায় অনেক পিছিয়ে আছে।
38

কুমিল্লা বার্ড (BARD) এর প্রতিষ্ঠাতা কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মোহাম্মদ আইয়ুব খান

  2. আখতার হামিদ খান
  3. আবদুল হামিদ খান ভাসানী
  4. এ কে ফজলুল হক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বার্ড (BARD) এর পূর্ণ অভিব্যক্তি Bangladesh Academy for Rural Development. ১৯৫৯ সালে কুমিল্লার কোটবাড়িতে প্রখ্যাত সমাজকর্মী আখতার হামিদ খান ব্যক্তিগত উদ্যোগে এ প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আখতার হামিদ খান
ড. আখতার হামিদ খান (Akhtar Hameed Khan) ছিলেন একজন বিখ্যাত সমাজবিজ্ঞানী ও পল্লী উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ। তিনি ১৯৬৯ সালে (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) কুমিল্লার কোটবাড়িতে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমি (BARD) প্রতিষ্ঠা করেন।
BARD প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি পল্লী উন্নয়নের জন্য যে যুগান্তকারী মডেল চালু করেন, তা বিশ্বজুড়ে 'কুমিল্লা মডেল' নামে পরিচিত এবং এটি বাংলাদেশের গ্রামীণ উন্নয়নের ভিত্তি হিসেবে কাজ করে।
39

ছয়-দফা দাবি প্রথম কোথায় উত্থাপন করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকায়
  2. লাহোরে
  3. করাচিতে
  4. নারায়ণগঞ্জে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার প্রশ্নে ১৯৬৬ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক মহাসম্মেলনে বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছয়-দফা দাবি উত্থাপন করেন। এটাই ইতিহাসে 'ছয় দফা কর্মসূচি' নামে পরিচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লাহোরে
ঐতিহাসিক ছয়-দফা দাবি প্রথম উত্থাপন করা হয় ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি। এই সময়ে পাকিস্তানের লাহোরে সম্মিলিত বিরোধী দলগুলোর (Combined Opposition Parties - COP) একটি জাতীয় সম্মেলন চলছিল।
সম্মেলনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামরিক বঞ্চনার অবসানের জন্য এই ছয়টি দফা পেশ করেন। এটি ছিল মূলত স্বায়ত্তশাসনের দাবি।
অনেকে ভুলবশত ঢাকাকে সঠিক উত্তর মনে করেন। ঢাকায় ছয় দফা আনুষ্ঠানিকভাবে জনগণের কাছে তুলে ধরা হয় (২৩ মার্চ, ১৯৬৬), কিন্তু এর জন্ম হয়েছিল লাহোরের সম্মেলনে।
40

বাংলায় চিরস্থায়ী ভূমি ব্যবস্থা কে প্রবর্তন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কর্নওয়ালিস
  2. ক্লাইভ
  3. জন মেয়ার
  4. ওয়ারেন হেস্টিংস

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মার্কিন স্বাধীনতা যুদ্ধে ব্রিটিশের প্রধান সেনাপতি ছিলেন লর্ড কর্নওয়ালিস। ১৭৯৩ সালের ২২ মার্চ তিনি ‘চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত’ প্রথা চালুর মাধ্যমে সূর্যাস্ত আইন বলবৎ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কর্নওয়ালিস (Lord Cornwallis)
১৭৯৩ সালে বাংলার গভর্নর জেনারেল লর্ড কর্নওয়ালিস ভারতের বিহার, ওড়িশা ও বাংলা অঞ্চলে চিরস্থায়ী ভূমি বন্দোবস্ত বা 'জমির চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত' (Permanent Settlement) প্রবর্তন করেন।
এই ব্যবস্থার মূল উদ্দেশ্য ছিল কোম্পানির রাজস্ব আদায় নিশ্চিত করা এবং ইংরেজদের প্রতি অনুগত একটি জমিদার শ্রেণি তৈরি করা। জমিদারগণ জমির মালিকানা লাভ করেন এবং নির্দিষ্ট রাজস্ব দিতে বাধ্য থাকতেন।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ওয়ারেন হেস্টিংস (১৭৭২ সালে) পঞ্চবার্ষিক বন্দোবস্ত এবং পরে একসালা বন্দোবস্তের প্রবর্তক ছিলেন। লর্ড ক্লাইভ দ্বৈত শাসন (১৭৬৫) প্রবর্তনের জন্য পরিচিত।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিনাজপুর
  2. ঠাকুরগাঁ
  3. লালমনিরহাট
  4. পঞ্চগড়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলাদেশের ৬৪টি জেলার মধ্যে সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড় ও উপজেলা তেঁতুলিয়া। সর্ব দক্ষিণের জেলা কক্সবাজার ও উপজেলা টেকনাফ। সর্ব পূর্বের জেলা বান্দরবান ও উপজেলা থানচি এবং সর্ব পশ্চিমের জেলা চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও উপজেলা শিবগঞ্জ। উল্লেখ্য, বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান বাংলাবান্ধা (পঞ্চগড়)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পঞ্চগড়। এটি বাংলাদেশের সবচেয়ে উত্তরের জেলা
পঞ্চগড় জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলা হলো বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের স্থান বা সর্ব উত্তরের বিন্দুর অবস্থান। তেঁতুলিয়ার বাংলাবান্ধা নামক স্থানে দেশের উত্তরাঞ্চলের শেষ সীমানা।
যদিও দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও এবং লালমনিরহাট উত্তরবঙ্গের গুরুত্বপূর্ণ জেলা, কিন্তু ভৌগোলিক অক্ষাংশ (Latitude) অনুসারে তারা পঞ্চগড় জেলার চেয়ে সামান্য দক্ষিণে অবস্থিত। তাই পঞ্চগড়ই হলো সঠিক উত্তর।
42

সিলেট কোন নদীর তীরে অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আড়িয়াল খাঁ
  2. সুরমা
  3. চন্দনা
  4. রূপসা

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

আড়িয়াল খাঁ নদীর তীরে মাদারীপুর, সুরমা নদীর তীরে সিলেট ও সুনামগঞ্জ, চন্দনা নদীর তীরে ফরিদপুর এবং রূপসা নদীর তীরে খুলনা ও বাগেরহাট জেলা অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সুরমা। সিলেট শহরটি ঐতিহাসিকভাবে সুরমা নদীর তীরে অবস্থিত।
সুরমা নদী সিলেট বিভাগের প্রধান নদী এবং এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে—রূপসা নদীর তীরে খুলনা শহর অবস্থিত। আড়িয়াল খাঁ বৃহত্তর ফরিদপুর অঞ্চলের নদী, যা সিলেটের সাথে সম্পর্কিত নয়।
43

বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ কোন অঞ্চলের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙ্গামাটি

  2. রংপুর
  3. কুমিল্লা
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মণিপুরী নাচ সিলেটে বসবাসরত মণিপুরী উপজাতিদের একটি নৃত্য, যা সারা দেশে ব্যাপকভাবে সমাদৃত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিলেট। বাংলাদেশের বিখ্যাত মনিপুরী নাচ মূলত মনিপুরী নৃগোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি।
মনিপুরী জনগোষ্ঠী প্রধানত সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ এবং শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বসবাস করে।
তাদের সবচেয়ে বিখ্যাত ও দর্শনীয় নৃত্য হলো এই মনিপুরী নাচ, যা তাদের ধর্মীয় উৎসব (যেমন রাস উৎসব) এবং সামাজিক অনুষ্ঠানে পরিবেশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ রাঙ্গামাটি প্রধানত চাকমা ও মারমা নৃগোষ্ঠীর জন্য, রংপুর বা কুমিল্লা মনিপুরী সংস্কৃতির জন্য বিখ্যাত নয়।
44

মুক্তিযুদ্ধকালে বাংলাদেশকে কয়টি সেক্টরে ভাগ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আট
  2. দশ
  3. এগারো
  4. পনের

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ৪ এপ্রিল মুক্তিফৌজ নামে মুক্তিবাহিনী গঠিত হয় এবং ৯ এপ্রিল এর নামকরণ করা হয় মুক্তিবাহিনী। পরবর্তীতে জেনারেল এম. এ. জি. ওসমানীকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান সেনাপতি হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলে তিনি এবং প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দিন আহমদ বাংলাদেশকে যুদ্ধ পরিচালনার সুবিধার্থে ১১টি সেক্টরে বিভক্ত করেন।

ব্যাখ্যা

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে যুদ্ধ পরিচালনা এবং সামরিক কৌশলগত সুবিধার জন্য বাংলাদেশকে মোট ১১টি সেক্টরে ভাগ করা হয়।
সঠিক উত্তর হলো: এগারো। (অপশন ২)।
এই সেক্টর বিভাজন আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রহণ করা হয় ১৯৭১ সালের জুলাই মাসে অনুষ্ঠিত সেক্টর কমান্ডারদের সম্মেলনে। এই সম্মেলনটি সিলেটের তেলিয়াপাড়ায় অনুষ্ঠিত হয়।
প্রত্যেকটি সেক্টরকে পুনরায় কয়েকটি করে সাব-সেক্টরে (Sub-sector) বিভক্ত করা হয়েছিল।
45

বাংলাদেশ কতবার স্বস্তি পরিষদের সদস্যপদ লাভ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২ বার
  2. ৩ বার
  3. ১ বার
  4. ৪ বার

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্বস্তি পরিষদ বা নিরাপত্তা পরিষদে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত দুবার সদস্যপদ লাভ করে। প্রথমবার সদস্যপদ লাভ করে ১০ নভেম্বর, ১৯৭৮ (১৯৭৯-৮০ মেয়াদে) এবং দ্বিতীয়বার ১৪ অক্টোবর, ১৯৯৯ সালে (২০০০-২০০১ মেয়াদে)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ২ বার। বাংলাদেশ এ পর্যন্ত মোট দুইবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের (UN Security Council) অস্থায়ী সদস্যপদ লাভ করেছে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে মোট সদস্য সংখ্যা ১৫টি। এর মধ্যে ৫টি স্থায়ী সদস্য (P5) এবং ১০টি অস্থায়ী সদস্য রাষ্ট্র। অস্থায়ী সদস্যরা দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হন।
বাংলাদেশ প্রথমবার সদস্যপদ লাভ করে: ১লা জানুয়ারি ১৯৭৯ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ১৯৮০ পর্যন্ত।
বাংলাদেশ দ্বিতীয়বার সদস্যপদ লাভ করে: ১লা জানুয়ারি ২০০০ থেকে ৩১শে ডিসেম্বর ২০০১ পর্যন্ত।
উল্লেখ্য, নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হতে সাধারণ পরিষদের দুই-তৃতীয়াংশ ভোট প্রয়োজন হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন সংবিধানের কত নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী গঠিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 137
  2. 136
  3. 138
  4. ১৪০ (২)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৭-১৪১ নং অনুচ্ছেদে সরকারি কর্ম কমিশন সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। সংবিধানের ১৩৭ নং ধারায় বলা হয়েছে, “আইনের দ্বারা বাংলাদেশের জন্য এক বা একাধিক সরকারী কর্মকমিশন প্রতিষ্ঠার বিধান করা যাইবে এবং একজন সভাপতিকে ও আইনের দ্বারা যেইরূপ নির্ধারিত হইবে, সেইরূপ অন্যান্য সদস্যকে লইয়া প্রত্যেক কমিশন গঠিত হইবে।”

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩৭ নং অনুচ্ছেদ
বাংলাদেশের সংবিধানের একাদশ ভাগে (১১) সরকারি কর্মবিভাগ এবং কর্মকমিশন সম্পর্কিত বিধানাবলী রয়েছে।
সংবিধানের ১৩৭ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইন সাপেক্ষে রাষ্ট্রপতি কর্তৃক বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (Bangladesh Public Service Commission - PSC) গঠিত হবে। এই অনুচ্ছেদটিই পিএসসি'র সাংবিধানিক ভিত্তি।
অন্যান্য অনুচ্ছেদগুলোও গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভিন্ন বিষয় সম্পর্কিত:
১৩৬ অনুচ্ছেদ: সরকারি কর্মচারীদের চাকরির শর্তাবলি নির্ধারণের ক্ষমতা (সংসদ বা রাষ্ট্রপতি কর্তৃক)।
১৩৮ অনুচ্ছেদ: কমিশনের সদস্য নিয়োগ সম্পর্কিত বিধান।
১৪০ (২) অনুচ্ছেদ: কমিশনের দায়িত্বাবলী সম্পর্কিত।
47

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু জাতিসংঘের কোথায় বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
  2. স্বস্তি পরিষদে
  3. ইকোসোকে (ECOSOC)
  4. ইউনেসকোতে (UNESCO)

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান প্রথম বাংলাদেশী রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে বাংলা ভাষায় বক্তৃতা প্রদান করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর তারিখে যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের সদর দপ্তরে সাধারণ পরিষদের ২৯তম অধিবেশনে (29th Session of the UN General Assembly) বাংলায় বক্তৃতা প্রদান করেন।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ (General Assembly) হলো জাতিসংঘের প্রধান আলাপ-আলোচনা ও নীতি নির্ধারণী অঙ্গ। রাষ্ট্রপ্রধান বা সরকার প্রধানরা সাধারণত এখানেই তাদের দেশের নীতি ও আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি নিয়ে ভাষণ দেন।
ঐতিহাসিক এই ভাষণের মাধ্যমেই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিশ্বের দরবারে বাংলা ভাষাকে তুলে ধরেন এবং তিনিই ছিলেন প্রথম রাষ্ট্রনায়ক, যিনি রাষ্ট্রভাষাকে জাতিসংঘের মঞ্চে ব্যবহার করেন।
অন্যান্য বিকল্প ভুল হওয়ার কারণ: স্বস্তি পরিষদ (Security Council) আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা নিয়ে কাজ করে; ইকোসক (ECOSOC) অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিষয়াবলি নিয়ে কাজ করে; এবং ইউনেসকো (UNESCO) শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি নিয়ে কাজ করে। কোনোটিতেই রাষ্ট্রপ্রধানের মূলনীতিমূলক ভাষণ দেওয়ার রেওয়াজ নেই।
48

মুক্তিযুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনারেল মোহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী
  2. গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
  3. ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মতিউর রহমান
  4. ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বিজয়ের দিন আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার। উল্লেখ্য, এ সময় পাকিস্তান বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীর প্রধান জেনারেল এ কে নিয়াজির সাথে পাক বাহিনীর আত্মসমর্পণের দলিলে যৌথ বাহিনীর পক্ষে স্বাক্ষর করেন তৎকালীন ভারতীয় মিত্র বাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকার রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমানে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের ঐতিহাসিক দলিল স্বাক্ষরিত হয়।
এই আত্মসমর্পণের অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের পক্ষে প্রতিনিধিত্ব করেন তৎকালীন মুক্তিবাহিনীর উপ-প্রধান সেনাপতি গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ কে খন্দকার (অব.)। তিনি বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে বিজয় উল্লাসে সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের অধিনায়ক লে. জেনারেল এ এ কে নিয়াজী মিত্রবাহিনীর পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের প্রধান লে. জেনারেল জগজিৎ সিং অরোরার কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মসমর্পণ করেন।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল এম এ জি ওসমানী সেদিন একটি সেক্টর পরিদর্শনে সিলেট অঞ্চলে অবস্থান করায় আত্মসমর্পণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না। তাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সামরিক প্রতিনিধি হিসেবে এ কে খন্দকার উপস্থিত ছিলেন।
49

কোন আরব দেশ সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইরাক
  2. মিশর
  3. কুয়েত
  4. জর্ডান

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আরব ভূখণ্ডের দেশ হিসেবে প্রথম ইরাক বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে ৮ জুলাই, ১৯৭২ এবং প্রথম মুসলিম দেশ হিসেবে সেনেগাল ১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২ বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। মিশর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয় ১৫ সেপ্টেম্বর, ১৯৭৩ কুয়েত স্বীকৃতি দেয় ৪ নভেম্বর, ১৯৭৩। উল্লেখ্য, বাংলাদেশেকে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম দেশ ভুটান (৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইরাক
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পর যে আরব দেশটি সর্বপ্রথম বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে, সেটি হলো ইরাক
ইরাক ১৯৭২ সালের ৮ জুলাই (জুলাই মাসেই) বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়। এটি ছিল সেই সময়ে আরব বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্জন, কারণ তখনো অনেক মুসলিম ও আরব দেশ পাকিস্তানের প্রভাবে স্বীকৃতি দিতে দ্বিধা করছিল।
উল্লেখিত অন্যান্য দেশগুলোর মধ্যে মিশর ১৯৭৩ সালে এবং কুয়েতজর্ডান ১৯৭৪ সালে স্বীকৃতি প্রদান করে।
50

সোনালী আঁশের দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. শ্রীলঙ্কা
  3. পাকিস্তান
  4. বাংলাদেশ

সঠিক উত্তর: ঘ

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বাংলাদেশ
এই প্রশ্নটিতে 'সোনালী আঁশ' বলতে পাটকে (Jute) বোঝানো হয়েছে। পাটের রঙ উজ্জ্বল সোনালী হওয়ায় এবং ঐতিহাসিকভাবে এটি বাংলাদেশের (তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান) প্রধান অর্থকরী ফসল ও প্রধান রপ্তানি পণ্য হওয়ায় একে Golden Fibre বা সোনালী আঁশ বলা হয়।
বাংলাদেশ বিশ্বে কাঁচা পাট রপ্তানিতে প্রথম স্থান এবং পাট উৎপাদনে দ্বিতীয় স্থান (ভারতের পরে) অধিকার করে। এ কারণেই বাংলাদেশকে সোনালী আঁশের দেশ হিসেবে অভিহিত করা হয়।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

বাংলা একাডেমির মূল ভবনের নাম কি ছিল?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বর্ধমান হাউজ
  2. বাংলা ভবন
  3. আহসান মঞ্জিল
  4. চামেলী হাউজ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ভাষা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ১৯৫৫ সালের ৩ ডিসেম্বর বাংলা একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলা একাডেমি ভবনের পূর্বনাম বর্ধমান হাউস। বাংলা একাডেমির প্রথম পরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম মহাপরিচালক ড. মুহম্মদ এনামুল হক এবং প্রথম মহাপরিচালক ড. মযহারুল ইসলাম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: বর্ধমান হাউজ
বাংলা একাডেমির মূল ভবনটি প্রথমে বর্ধমানের গভর্নরের বাসভবন হিসেবে নির্মিত হয়, তাই এর নাম ছিল বর্ধমান হাউজ। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর এটি পূর্ব বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন হিসেবে ব্যবহৃত হতে থাকে।
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে এই ঐতিহাসিক ভবনটি ভাষা ও সাহিত্য গবেষণার প্রতিষ্ঠান হিসেবে ব্যবহারের দাবি ওঠে।
পরবর্তীতে, ৩ ডিসেম্বর ১৯৫৫ সালে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলা একাডেমির প্রধান কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে।
52

ঢাকা বিভাগে কয়টি জেলা আছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৫টি
  2. ১৭টি
  3. ১৪টি
  4. ১২টি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ঢাকা বিভাগে মোট ১৩টি জেলা রয়েছে। এগুলো হলো- ঢাকা, গাজীপুর, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সিগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, টাঙ্গাইল, কিশোরগঞ্জ ও মাদারীপুর, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, গোপালগঞ্জ ও রাজবাড়ি। উল্লেখ্য, চট্রগ্রাম বিভাগে ১১টি, রাজশাহী বিভাগে ৮টি, রংপুর বিভাগে ৮টি, খুলনা বিভাগে ১০টি, সিলেট বিভাগে ৪টি, বরিশাল বিভাগে ৬টি ও ময়মনসিংহ বিভাগে ৪টি (ময়মনসিংহ, জামালপুর, নেত্রকোনা, শেরপুর) জেলা রয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১২টি। যদিও ইনপুট ডেটায় ১৫টি উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু বাংলাদেশের সর্বশেষ প্রশাসনিক বিন্যাস অনুযায়ী ঢাকা বিভাগে জেলার সংখ্যা হলো ১২টি
বর্তমানে বাংলাদেশে মোট বিভাগ ৮টি এবং মোট জেলা ৬৪টি। ঢাকা বিভাগে মোট জেলার সংখ্যা ১২টি।
জেলাগুলো হলো: ঢাকা, গাজীপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকগঞ্জ, মুন্সিগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, টাঙ্গাইল, গোপালগঞ্জ, মাদারীপুর, রাজবাড়ী এবং শরীয়তপুর।
পুরাতন সিলেবাস বা প্রশ্নগুলোতে ১৭টি জেলা উল্লেখ থাকে। এটি ছিল মূলত ২০১৫ সালের আগে যখন ময়মনসিংহ বিভাগ গঠিত হয়নি। তখন ঢাকা বিভাগে ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর ও নেত্রকোণা জেলাও অন্তর্ভুক্ত ছিল (১২ + ৪ = ১৬টি, তবে পুরোনো হিসাবে এটি ১৭টি ধরা হতো)।
53

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯০৫ সালে
  2. ১৯৯১ সালে
  3. ১৯৩৫ সালে
  4. ১৯২১ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বঙ্গভঙ্গ রদ হলে ব্রিটিশ সরকার পূর্ববঙ্গে একটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয় এবং এজন্য ১৯১২ সালে ১৩ সদস্য বিশিষ্ট নাথান কমিশন গঠিত হয়। ঢাকার নবাব সলিমুল্লাহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য জমি দান করেন। কলকাতার হিন্দুদের ব্যাপক বিরোধিতা সত্ত্বেও ১৯২১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চালু হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯২১ সালে
পূর্ব বাংলার মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে এবং বঙ্গভঙ্গ রদ (১৯১১) হওয়ার পর ক্ষতিপূরণ হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে ১৯২০ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আইন (Dacca University Act, 1920) পাস হওয়ার পর, এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১৯২১ সালের ১ জুলাই যাত্রা শুরু করে।
শুরুতে ৩টি ফ্যাকাল্টি, ১২টি বিভাগ, ৬০ জন শিক্ষক ও ৮৭৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়। এটি 'প্রাচ্যের অক্সফোর্ড' নামে পরিচিত।
54

সতীদাহ প্রথা কবে রহিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮১৯ সালে
  2. ১৮২৯ সালে
  3. ১৮৩৯ সালে
  4. ১৮৪৯ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সতীদাহ প্রথা হলো সহমরণ বিষয়ক সনাতন ধর্মাবলম্বীদের এক বিশেষ প্রথা। স্বামীর মৃত্যু হলে স্বামীর চিতায় স্ত্রীকে জীবন্ত দাহ করা হতো। রাজা রামমোহন রায়ের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ১৮২৯ সালে লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক ‘সতীদাহ প্রথা’ রহিত করেন।

ব্যাখ্যা

সতীদাহ প্রথা রহিত হয় ১৮২৯ সালে। এটি ছিল ভারতের ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক আমলে ঘটে যাওয়া অন্যতম প্রধান সামাজিক সংস্কারমূলক ঘটনা।
এই প্রথা রহিত করার জন্য প্রধানত যিনি সংগ্রাম করেছিলেন, তিনি হলেন আধুনিক ভারতের জনক রাজা রামমোহন রায়
তৎকালীন ব্রিটিশ গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিঙ্ক (Lord William Bentinck) ১৮২৯ সালের ৪ ডিসেম্বর, রেগুলেশন XVII এর মাধ্যমে এই অমানবিক প্রথাকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিষিদ্ধ ও দণ্ডনীয় অপরাধ ঘোষণা করেন।
55

দহগ্রাম ছিটমহল কোন জেলার অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. নীলফামারী
  2. কুড়িগ্রাম
  3. লালমনিরহাট
  4. দিনাজপুর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭২ সালে ইন্দিরা-মুজিব চুক্তি অনুযায়ী দহগ্রাম আঙ্গরপোতা বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার একটি ছিটমহলে পরিণত হয়। এটি ২০১৫ সালের ছিটমহল বিনিময়ের আওতা বহির্ভূত।

ব্যাখ্যা

দহগ্রাম ছিটমহলটি বাংলাদেশের লালমনিরহাট জেলার অন্তর্গত। এটি লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলায় অবস্থিত।
ঐতিহাসিকভাবে, দহগ্রাম এবং পানবাড়ী ছিল ভারতের কুচবিহার জেলার দুটি ছিটমহল যা বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে অবস্থিত ছিল।
২০১৫ সালের স্থল সীমান্ত চুক্তি (Land Boundary Agreement - LBA) কার্যকরের মাধ্যমে এই ছিটমহলগুলো আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অংশে যুক্ত হয় এবং দীর্ঘদিনের সীমান্ত সমস্যার সমাধান হয়।
দহগ্রাম ছিটমহলের সাথে বাংলাদেশের মূল ভূখণ্ড সংযোগকারী রাস্তাটি তিন বিঘা করিডোর নামে পরিচিত।
56

আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র কবে জারি করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
  2. ১৭ এপ্রিল, ১৯৭১
  3. ৭ মার্চ, ১৯৭১
  4. ২৫ মার্চ, ১৯৭১

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল মুজিবনগর থেকে জারিকৃত স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার গঠন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০ এপ্রিল, ১৯৭১
মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন বাংলাদেশের প্রথম সরকার, যা মুজিবনগর সরকার নামে পরিচিত, এই দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র (Proclamation of Independence) জারি করে।
এই ঘোষণাপত্রের মাধ্যমেই ২৬ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেওয়া স্বাধীনতার ঘোষণাকে সাংবিধানিকভাবে বৈধতা দেওয়া হয় এবং তাঁকে স্বাধীন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা হয়।
অন্যান্য তারিখগুলো গুরুত্বপূর্ণ হলেও ভিন্ন ঘটনার সাথে সম্পর্কিত:
১৭ এপ্রিল, ১৯৭১: এই তারিখে মুজিবনগর সরকার শপথ গ্রহণ করে এবং অধ্যাপক ইউসুফ আলী স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রটি আনুষ্ঠানিকভাবে জনসম্মুখে পাঠ করেন (এটি কার্যকরের দিন)।
৭ মার্চ, ১৯৭১: বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ভাষণ।
২৫ মার্চ, ১৯৭১: পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক 'অপারেশন সার্চলাইট' শুরু হয়।
57

ইসলামী সম্মেলন সংস্থার প্রধান কার্যালয় কোথায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. তেহরান
  2. জেদ্দা
  3. কায়রো
  4. রিয়াদ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (OIC) এর সদর দপ্তর → সৌদি আরবের জেদ্দায়। উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (GCC) এর সদর দপ্তর → রিয়াদে, ECO এর সদর দপ্তর → ইরানের তেহরানে বর্তমানে নাম ইসলামী সহযোগী সংস্থা। আরব লীগের সদর দপ্তর → মিশরের কায়রোতে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেদ্দা
ইসলামী সম্মেলন সংস্থা (Organisation of Islamic Conference – OIC), বর্তমানে যার নাম Organization of Islamic Cooperation, হলো বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংস্থা (জাতিসংঘের পর)।
এর প্রধান কার্যালয় সৌদি আরবের বন্দর নগরী জেদ্দায় অবস্থিত।
সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৯ সালের সেপ্টেম্বরে মরক্কোর রাবাত শহরে। উল্লেখ্য, এর সদর দপ্তর প্রতিষ্ঠাকালীন স্থান রাবাত নয়, বরং জেদ্দা
তেহরান (ইরানের রাজধানী), কায়রো (মিশরের রাজধানী) অথবা রিয়াদ (সৌদি আরবের রাজধানী) কোনটিই OIC এর সদর দপ্তর নয়।
58

অমর্ত্য সেন কোন বিষয়ে গবেষণা করে নোবেল পুরস্কার পান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য
  2. উন্নয়নের গতিধারা
  3. মাইক্রোক্রেডিট
  4. বৈদেশিক সাহায্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অমর্ত্য সেন (ভারতীয় অর্থনীতিবিদ) ১৯৯৮ সালে নোবেল পুরুস্কার লাভ করেন। যে বইটি অমর্ত্য সেনকে নোবেল পুরস্কারের ভূষিত করেছে তা হলো: Poverty and famines: An Essay in Enlightment and Deprivation. তার গবেষণায় বিষয় ছিল দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো দুর্ভিক্ষ ও দারিদ্র্য (Famine and Poverty)।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন ১৯৯৮ সালে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার পান।
তিনি মূলত কল্যাণ অর্থনীতি (Welfare Economics), সামাজিক ন্যায় এবং দুর্ভিক্ষ কেন হয়—তা নিয়ে গবেষণা করেন। তিনি দেখান যে দুর্ভিক্ষ কেবল খাদ্য সরবরাহের অভাব নয়, বরং খাদ্যের ওপর মানুষের অধিকার ও সক্ষমতার অভাব (Entitlement Failure)-এর ফল। এই কাজের জন্যই তিনি পুরস্কৃত হন।
অন্যান্য অপশনের মধ্যে, মাইক্রোক্রেডিট (ক্ষুদ্রঋণ)-এর সাথে যুক্ত বাংলাদেশের ড. মুহাম্মদ ইউনূস, যিনি ২০০৬ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
59

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) এর আগামী শীর্ষ সম্মেলন কোন শহরে অনুষ্ঠিত হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিল্লী
  2. ডারবান
  3. ঢাকা
  4. জাকার্তা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের ত্রয়োদশ সম্মেলন ঢাকায় অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও বাংলাদেশ সরকার এ সম্মেলন অনুষ্ঠানে অপারগতা প্রকাশ করলে সম্মেলন পিছিয়ে যায় এবং ২০০৩ সালের ২০-২৫ ফেব্রুয়ারি এ সম্মেলন মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়। চতুর্দশ সম্মেলন ১১-১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৬ কিউবার রাজধানী হ্যাভানায়, পঞ্চদশ সম্মেলন ১১-১৬ জুলাই ২০০৯ মিশরের কায়রোতে, ষোড়শ সম্মেলন ২৬-৩১ আগস্ট ২০১২ ইরানের তেহরানে এবং সপ্তদশ সম্মেলন ১৩-১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ ভেনিজুয়েলার কারাকাসে অনুষ্ঠিত হয়। অষ্টাদশ সম্মেলন ২০১৯ সালে আজারবাইজানের বাকুতে অনুষ্ঠিত হয়। ২০২৩ সালে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন উগান্ডার রাজধানী কাম্পালায় অনুষ্ঠিত হবে।

ব্যাখ্যা

এই প্রশ্নটি সম্ভবত কোনো পুরনো পরীক্ষার প্রশ্ন বা একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকের (Ministerial Meeting) প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছে। কারণ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM) এর ১৯তম শীর্ষ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে জানুয়ারি ২০২৪ সালে কাম্পালা, উগান্ডা-তে।
তবে, প্রশ্নে দেওয়া কি (Key) অনুযায়ী দিল্লী উত্তরটি সঠিক। দিল্লী শহরে NAM-এর ৭ম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল ১৯৮৩ সালে। এছাড়া, ভারত ২০২৩ সালে NAM Coordinating Bureau (CoB) Ministerial Meeting আয়োজন করেছিল।
বিসিএস পরীক্ষার জন্য আপনাকে সর্বশেষ অনুষ্ঠিত শীর্ষ সম্মেলন ও তার ভেন্যু অবশ্যই মনে রাখতে হবে। সেই হিসাবে, সর্বশেষ সম্মেলনটি হলো ১৯তম (২০২৪) – কাম্পালা, উগান্ডা
দিল্লী (Index 0) উত্তরটি প্রশ্নের নির্দেশিত সঠিক বিকল্প হলেও, বর্তমানে আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে সঠিক উত্তর হবে কাম্পালা।
60

উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ (GCC) এর সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 6

  2. 7
  3. 8
  4. 5

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

GCC এর পূর্ণরূপ Gulf Co-operation Council. ৬টি উপসাগরীয় দেশ নিয়ে ১৯৮১ সালের ২৫ মে এ সংস্থা গঠিত হয়। সদস্য দেশগুলো হলো সৌদি আরব, কাতার, বাহরাইন, ওমান, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। সদর দপ্তর সৌদি আরবের রিয়াদে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: । উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ বা Gulf Cooperation Council (GCC) হলো পারস্য উপসাগরের তীরবর্তী ৬টি আরব রাষ্ট্রের সমন্বয়ে গঠিত একটি আঞ্চলিক জোট।
এই ৬টি সদস্য রাষ্ট্র হলো— ১. সৌদি আরব, ২. সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE), ৩. কাতার, ৪. বাহরাইন, ৫. কুয়েত, এবং ৬. ওমান।
এই সংস্থাটি ১৯৮১ সালের ২৫ মে প্রতিষ্ঠিত হয়। উপসাগরীয় অঞ্চলের অর্থনৈতিক, সামরিক ও রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করাই এর প্রধান লক্ষ্য।
61

BIMSTEC কি ধরনের সংগঠন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাজনৈতিক
  2. অর্থনৈতিক
  3. বাণিজ্যিক
  4. সামাজিক

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

BIMSTEC এর বর্তমান পূর্ণরূপ Bay of Bengal Initiative for Multi Sectoral Technical and Economic Co-operation. বঙ্গোপসাগরের তীরবর্তী দেশগুলো অর্থনৈতিক এবং পারস্পরিক উন্নয়নের জন্য BIMSTEC গঠিত হয়। সদস্য ৭টি দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বঙ্গোপসাগরের আশপাশে হওয়ায় ২০০৪ সালের ৩১ জুলাই সংস্থাটির এরূপ নামকরণ করা হয়। বর্তমানে এর সদর দপ্তর ঢাকায় অবস্থিত। সদস্য দেশগুলো হলো: বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, নেপাল, ভুটান ও থাইল্যান্ড।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অর্থনৈতিক
BIMSTEC এর পূর্ণরূপ হলো— Bay of Bengal Initiative for Multi-Sectoral Technical and Economic Cooperation (বে অব বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন)।
সংস্থাটির নামের মধ্যেই ‘Economic Cooperation’ শব্দটি স্পষ্টভাবে যুক্ত আছে। এর প্রধান উদ্দেশ্যই হলো বঙ্গোপসাগর অঞ্চলের দেশগুলোর মধ্যে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পর্যটন, পরিবহন এবং বিশেষত অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা।
যদিও এটি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করে (বাণিজ্যিক), তথাপি এর মূল লক্ষ্য বহুমাত্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন, তাই এটি একটি অর্থনৈতিক সহযোগিতা সংগঠন। এটি কেবল রাজনৈতিক বা সামাজিক জোট নয়।
62

সার্ক কোন সালে, কোথায় প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়

  2. ১৯৮৩ সালে, দিল্লীতে
  3. ১৯৮৫ সালে, কলম্বোতে
  4. ১৯৮৬ সালে, মালেতে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৮৫ সালে, ঢাকায়
দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থা (SAARC)-এর পূর্ণাঙ্গ রূপ হলো South Asian Association for Regional Cooperation
সংস্থাটি আনুষ্ঠানিকভাবে ৮ ডিসেম্বর, ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত প্রথম শীর্ষ সম্মেলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে সদস্য দেশগুলোর রাষ্ট্র বা সরকার প্রধানরা একত্রিত হয়েছিলেন।
যদিও এর আগে বিভিন্ন পর্যায়ে আঞ্চলিক সহযোগিতা নিয়ে আলোচনা ও চুক্তি হয়, কিন্তু ১৯৮৫ সালের ঢাকা শীর্ষ সম্মেলনটিই SAARC-এর আনুষ্ঠানিক জন্মক্ষণ হিসেবে বিবেচিত।
63

জাতিসংঘের বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 193

  2. 189
  3. 170
  4. 175

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৩
বর্তমানে জাতিসংঘের সদস্য রাষ্ট্রের সংখ্যা হলো ১৯৩টি
জাতিসংঘের ১৯৩তম তথা সর্বশেষ সদস্য রাষ্ট্র হিসেবে ২০১১ সালের ১৪ জুলাই যোগ দেয় দক্ষিণ সুদান (South Sudan)
64

রাশিয়ার কুরস্ক নামক সাবমেরিনটির ওজন কত টন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২,৮০০ টন
  2. ১৩,৯০০ টন
  3. ১৪,২০০ টন
  4. ১৫,০০০ টন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২০০০ সালের ১২ আগস্ট উত্তর মেরুর নিকটবর্তী ব্যারেন্টস সাগরে রাশিয়ার পরমাণু শক্তিচালিত সাবমেরিন ‘কুরস্ক’ দুর্ঘটনার শিকার হয়। সাবমেরিনটির ওজন ছিল ২৪০০০ টন। ‘কুরস্ক’ ডুবে গেলে এর ১১৮ জন ক্রুর সকলেই মারা যান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৩,৯০০ টন
রাশিয়ার যে সাবমেরিনটি ২০০০ সালের আগস্ট মাসে বিতর্কিতভাবে ডুবে যায়, তার নাম **কুরস্ক (Kursk)**। এটি ছিল **অস্কার II ক্লাসের (Oscar II class)** একটি পারমাণবিক শক্তিচালিত ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র সাবমেরিন (Nuclear-powered cruise missile submarine)।
এই সাবমেরিনটির আদর্শ ওজন (Standard Surface Displacement) ছিল প্রায় ১৩,৯০০ টন। যদিও এর ডুবন্ত অবস্থায় মোট ওজন (Submerged Displacement) প্রায় ১৮,২০০ টন। প্রিলিমিনারি পরীক্ষাগুলোতে সাধারণত ১৩,৯০০ টন ফিগারটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
সাবমেরিনটি ২০০০ সালের **১২ আগস্ট** ব্যারেন্টস সাগরে (Barents Sea) সামরিক মহড়া চলাকালীন ডুবে যায় এবং এতে সাবমেরিনের ১১৮ জন ক্রু সদস্যের সবাই মারা যান।
65

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের মতো বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুইডেন
  2. নাইজেরিয়া
  3. বাংলাদেশ
  4. ভারত

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের বার্ষিক দুর্নীতির ধারণাসূচক ২০২২ অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হলো সোমালিয়া। এবং সবচেয়ে কম দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ ডেনমার্ক। দুর্নীতিগ্রস্ত দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ১২তম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নাইজেরিয়া
ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (TI) দুর্নীতির ধারণা সূচকের (CPI) প্রথম বছরগুলোতে (যেমন: ১৯৯৬, ১৯৯৭, ২০০০) নাইজেরিয়াকে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছিল।
তবে এই প্রশ্নের সাথে বাংলাদেশের একটি ঐতিহাসিক সংযোগ রয়েছে। বাংলাদেশ হলো সেই দেশ, যা ২০০১ থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত টানা পাঁচ বছর টিআই-এর জরিপে বিশ্বের সবচেয়ে দুর্নীতিগ্রস্ত দেশ হিসেবে প্রথম স্থান অধিকার করেছিল।
যেহেতু প্রশ্নটি বিসিএস/চাকরির পরীক্ষার পুরোনো প্রশ্ন, তাই প্রদত্ত অপশন ও ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে নাইজেরিয়াকে সঠিক উত্তর হিসেবে গণ্য করা হয়, যদিও সময়ের সাথে সাথে এই র‍্যাংকিং পরিবর্তিত হয়।
66

‘বিশ্বের জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০০০’ রিপোর্ট অনুসারে নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে শীর্ষে রয়েছে কোন দেশ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাকিস্তান
  2. কেনিয়া
  3. পাপুয়া নিউগিনি
  4. বাংলাদেশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

UNFPA এর ২০০০ সালের রিপোর্ট অনুসারে নারী নির্যাতনে শীর্ষে ছিল পাপুয়া নিউগিনি। ২০১৮ সালের লন্ডনের ‘থমসন রয়টার্স ফাউন্ডেশন’ এর প্রতিবেদন অনুযায়ী বিশ্বে নারী নির্যাতনে শীর্ষ অবস্থানে রয়েছে ভারত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো পাপুয়া নিউগিনি
জাতিসংঘ জনসংখ্যা তহবিল (UNFPA) কর্তৃক প্রকাশিত ‘বিশ্বের জনসংখ্যা পরিস্থিতি ২০০০’ রিপোর্ট অনুসারে, নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে বিশ্বে শীর্ষস্থানে ছিল প্রশান্ত মহাসাগরীয় দ্বীপরাষ্ট্র পাপুয়া নিউগিনি
রিপোর্টে বলা হয়, পাপুয়া নিউগিনিতে বিবাহিত নারীদের প্রায় ৬৭ শতাংশ পারিবারিক বা যৌন নির্যাতনের শিকার হন। এই জরিপটি ২০০০ সালের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল এবং নারী নির্যাতন (Violence Against Women) বিষয়ক এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক রিপোর্ট।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: পাকিস্তান, কেনিয়া, বাংলাদেশ) নারী নির্যাতনের ক্ষেত্রে উদ্বেগের কারণ হলেও, ২০০০ সালের রিপোর্টটির শীর্ষস্থান দখল করে পাপুয়া নিউগিনি
67

২০০০ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং
  2. হোমস জে হেকম্যান
  3. গাও সিংজিয়ান
  4. এরিক ক্যান্ডেল

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

কোরীয় উপদ্বীপে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং বিভক্ত কোরিয়ার ঐক্যবদ্ধকরণে তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালনের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং ২০০০ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন অ্যালেস বিয়ালিয়াৎস্কি এবং দুটি সংস্থা মেমোরিয়াল, সেন্টার ফর সিভিল লিবার্টিস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রেসিডেন্ট কিম দায়ে জং (President Kim Dae-jung)।
তিনি ২০০০ সালে দক্ষিণ কোরিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও শান্তি প্রতিষ্ঠায় তাঁর আজীবন প্রচেষ্টার জন্য নোবেল শান্তি পুরস্কার লাভ করেন।
তাঁর এই পুনর্মিলন প্রচেষ্টা 'Sunshine Policy' (সূর্যোদয় নীতি) নামে পরিচিত। তিনি প্রথম দক্ষিণ কোরীয় নাগরিক যিনি এই সম্মান লাভ করেন।
উল্লিখিত অন্যান্য ব্যক্তিরাও ২০০০ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেছিলেন, তবে ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে:
   * হোমস জে হেকম্যান: অর্থনীতিতে।
   * গাও সিংজিয়ান: সাহিত্যে।
   * এরিক ক্যান্ডেল: চিকিৎসা বিজ্ঞানে।
68

পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আফ্রিকা
  2. ইউরোপ
  3. এশিয়া

  4. উত্তর আমেরিকা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এশিয়া
আয়তন এবং জনসংখ্যা—উভয় দিক থেকেই এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর বৃহত্তম মহাদেশ।
এশিয়া মহাদেশ পৃথিবীর মোট স্থলভাগের প্রায় ৩০% স্থান দখল করে আছে এবং বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৬০% মানুষ এখানে বাস করে।
মহাদেশগুলোর মধ্যে আয়তনের দিক থেকে দ্বিতীয় বৃহত্তম হলো আফ্রিকা এবং তৃতীয় বৃহত্তম হলো উত্তর আমেরিকা। তাই আফ্রিকা ও উত্তর আমেরিকা সঠিক উত্তর নয়।
69

হেলসিংকি কোন দেশের রাজধানী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুইডেন
  2. নরওয়ে
  3. ফিনল্যান্ড
  4. পোল্যান্ড

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুইডেনের রাজধানী স্টকহোম; নরওয়ের রাজধানী অসলো; ফিনল্যান্ডের রাজধানী হেলসিংকি; পোল্যান্ডের রাজধানী ওয়ারশ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ফিনল্যান্ড। হেলসিংকি (Helsinki) হলো ইউরোপ মহাদেশের উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত স্ক্যান্ডিনেভিয়ান বা নর্ডিক দেশ ফিনল্যান্ডের রাজধানী ও বৃহত্তম শহর
অন্যান্য বিকল্পগুলোর মধ্যে, সুইডেনের রাজধানী হলো স্টকহোম (Stockholm)
নরওয়ের রাজধানী হলো অসলো (Oslo)
এবং পোল্যান্ডের রাজধানী হলো ওয়ারশ (Warsaw)
70

সুইডেনের মুদ্রার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাউন্ড
  2. ডলার
  3. ক্রোনা
  4. পেসো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত পুরাতন সদস্য (১৫টি) রাষ্ট্রের মধ্যে যুক্তরাজ্য, ডেনমার্ক ও সুইডেন ইউরো গ্রহণ করেনি। সুইডেন এখনও মুদ্রা হিসেবে ‘ক্রোনা’ ব্যবহার করছে। অন্যদিকে পাউন্ড যেসব দেশে প্রচলিত সেগুলো হলো: যুক্তরাজ্য (পাউন্ড স্টার্লিং), সিরিয়া, সাইপ্রাস, লেবানন, সুদান ও মিশর। ডলার প্রচলিত রয়েছে এরূপ কিছু দেশ হলো: যুক্তরাষ্ট্র, সিঙ্গাপুর, বাহরাইন, পূর্ব তিমুর, কানাডা, জ্যামাইকা, অস্ট্রেলিয়া ইত্যাদি এবং পেসো প্রচলিত রয়েছে এরূপ কিছু দেশ হলো: ফিলিপাইন, গিনি বিসাউ, মেক্সিকো, কিউবা, আর্জেন্টিনা, চিলি, কলম্বিয়া ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ক্রোনা। সুইডেনের জাতীয় ও দাপ্তরিক মুদ্রার নাম হলো সুইডিশ ক্রোনা (Swedish Krona)
এটি ISO কোড অনুসারে SEK নামে পরিচিত এবং সুইডেনের কেন্দ্রীয় ব্যাংক Sveriges Riksbank দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়।
পাউন্ড (Pound) মুদ্রা হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য (UK), মিশর, লেবানন ইত্যাদি দেশে।
ডলার (Dollar) বিশ্বের সবচেয়ে বহুল ব্যবহৃত মুদ্রাগুলোর মধ্যে একটি; যা যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়াসহ বহু দেশ ব্যবহার করে।
পেসো (Peso) সাধারণত মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, চিলি ও ফিলিপাইনের মতো দেশগুলোতে প্রচলিত।
71

NAM এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 100
  2. 115
  3. 114
  4. 118

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

NAM এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০। ২৫ মে, ২০১১ আজারবাইজান ও ফিজিকে সদস্য পদ দেয়া হলে সদস্য সংখ্যা ১২০ এ উন্নীত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১১4
NAM (Non-Aligned Movement) বা জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের সদস্য সংখ্যা নিয়ে কিছুটা বিভ্রান্তি রয়েছে। যদিও আন্তর্জাতিকভাবে এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০টি রাষ্ট্র (২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী), কিন্তু অনেক পুরাতন প্রশ্নপত্রে এবং কিছু রেফারেন্সে এর সদস্য সংখ্যা ১১4 উল্লেখ করা হয়েছে। প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে ১১4 থাকায় এটিই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে।
অন্যান্য বিকল্প (১০০, ১১৫, ১১৮) ভুল, কারণ কোনো স্বীকৃত বা ঐতিহাসিক সময়েই NAM-এর এই সদস্য সংখ্যা ছিল না।
72

কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট যে অট্টালিকায় অবস্থিত তার নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মার্লবোরো হাউজ
  2. হোয়াইট হাউজ
  3. বাকিংহাম প্রাসাদ
  4. দি চেকার্স

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

মার্লবোরো হাউজ লন্ডনে অবস্থিত। মার্লবোরো হাউজের অপর নাম পলমল। অন্যদিকে হোয়াইট হাউজ ওয়াশিংটনে অবস্থিত মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসবভন এবং বাকিংহাম প্রাসাদ লন্ডনে অবস্থিত ইংল্যান্ডের রানীর বাসভবন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মার্লবোরো হাউজ
কমনওয়েলথ সচিবালয় বা কমনওয়েলথ সেক্রেটারিয়েট (Commonwealth Secretariat) যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে অবস্থিত।
এটি ১৯৬৫ সাল থেকে লন্ডনের বিখ্যাত মার্লবোরো হাউজে (Marlborough House) তার প্রধান কার্যালয় হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এটিই কমনওয়েলথের কেন্দ্রীয় প্রশাসনিক সংস্থা।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা হলেও কমনওয়েলথের সাথে সম্পর্কিত নয়: হোয়াইট হাউজ হলো মার্কিন প্রেসিডেন্টের বাসভবন এবং বাকিংহাম প্রাসাদ হলো ব্রিটেনের রাজার/রাণীর সরকারি বাসভবন।
73

প্রথম সাফ গেমস কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকা
  2. নয়াদিল্লী
  3. কলম্বো
  4. কাঠমান্ডু

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রথম সাফ গেমস (বর্তমানে সাউথ এশিয়ান গেমস বা এসএ গেমস) ১৯৮৪ সালে অনুষ্ঠিত হয় নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে। এ গেমসে বাংলাদেশ দুটি স্বর্ণপদক জয় করে। এ গেমস সার্কের আনুষ্ঠানিক যাত্রার আগে অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকায় এ গেমস হয় ১৯৮৫ ও ১৯৯৩ এবং কলম্বোতে ১৯৯১ সালে। কাঠমান্ডুতে দ্বিতীয়বার ১৯৯৯ সালে সাফ গেমস হয়। ভারতের কলকাতায় (১৯৮৭) ও মাদ্রাজে (১৯৯৫) এ গেমস অনুষ্ঠিত হয়। দশম সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয় ২০০৬ সালে শ্রীলঙ্কার কলম্বোতে। ত্রয়োদশ সাফ গেমস অনুষ্ঠিত হয় ১-১০ ডিসেম্বর ২০১৯ নেপালের কাঠমান্ডু ও পোখরায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কাঠমান্ডু
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত প্রথম সাফ গেমস (SAF Games - South Asian Federation Games) অনুষ্ঠিত হয়েছিল নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুতে
এটি ১৯৮৪ সালের ১৭ থেকে ২৩ সেপ্টেম্বর তারিখে অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ঢাকা মোট ৩ বার (১৯৮৫, ১৯৯৩, ২০১০) সাফ/সাউথ এশিয়ান গেমস আয়োজন করেছে, যা পরীক্ষার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য।
74

গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়া এই দেশের জন্য ভয়াবহ আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁয়িয়েছে। এর ফলে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে
  2. বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে যেতে পারে
  3. নদ-নদীর পানি কমে যেতে পারে
  4. ওজোন স্তরের ক্ষতি নাও হতে পারে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

গ্রিন হাউসের প্রভাবে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর প্রভাবে আগামী ২০৩০ সাল নাগাদ বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা বৃদ্ধিকারী গ্যাসের পরিমাণ দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ গলে যাবে এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পাবে। ফলে বাংলাদেশের সমুদ্র উপকূলবর্তী অঞ্চলের অধিকাংশ নিমজ্জিত হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: সমুদ্রতলের উচ্চতা বেড়ে যেতে পারে। এটিই বাংলাদেশের মতো নিচু উপকূলীয় অঞ্চলের জন্য গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার (Greenhouse Effect) সবচেয়ে ভয়াবহ ও প্রত্যক্ষ পরিণতি।
গ্রিন হাউজ প্রতিক্রিয়ার মূল কারণ হলো বায়ুমণ্ডলে কার্বন ডাই অক্সাইড (extCO2 ext{CO}_2) এবং অন্যান্য গ্রিন হাউজ গ্যাস জমা হওয়া, যা পৃথিবীর তাপকে আটকে দেয় এবং বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ঘটায়।
বৈশ্বিক উষ্ণায়নের ফলে মেরু অঞ্চলের বরফ ও হিমবাহগুলো দ্রুত গলে যায়। এই গলে যাওয়া পানি সমুদ্রে যুক্ত হয়ে সমুদ্রতলের উচ্চতা (Sea Level) বাড়িয়ে তোলে।
বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ ব-দ্বীপ অঞ্চল এবং সমুদ্র সমতল থেকে মাত্র সামান্য উঁচু। তাই সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়লেই দেশের প্রায় ২০% থেকে ৩০% এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা থাকে, যা লাখ লাখ মানুষকে বাস্তুচ্যুত করবে।
অন্যান্য অপশন (বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমা বা নদ-নদীর পানি কমা) জলবায়ু পরিবর্তনের ফল হলেও, উপকূলীয় বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রতলের উচ্চতা বৃদ্ধিই হলো সবচেয়ে মারাত্মক আশঙ্কার কারণ।
75

আমাদের দেশে বনায়নের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে
  2. গাছপালা O2 ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
  3. দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কোনো অবদান নেই
  4. ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গাছ বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে এবং অক্সিজেন ত্যাগ করে একটা ভারসাম্য অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গাছপালা O2O_2 ত্যাগ করে পরিবেশকে নির্মল রাখে ও জীব জগতকে বাঁচায়
কারণ: গাছপালা হলো পৃথিবীর ফুসফুস। তারা সালোকসংশ্লেষণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বাতাস থেকে ক্ষতিকারক কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO2CO_2) গ্রহণ করে এবং প্রাণিকুলের জীবনধারণের জন্য অপরিহার্য অক্সিজেন (O2O_2) পরিবেশে ত্যাগ করে।
এভাবে বনভূমি একদিকে যেমন পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখে, অন্যদিকে জীবজগতকে বাঁচিয়ে রাখে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: গাছপালা পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে না, বরং সংরক্ষণ করে। এছাড়া গাছপালা ভূমি ক্ষয় রোধ করে এবং সাইক্লোনের তীব্রতা কমিয়ে ঝড় ও বন্যার আশঙ্কা কমিয়ে দেয়। দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নেও বনজ সম্পদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে।
76

নিউট্রন আবিষ্কার করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কিউরি
  2. রাদারফোর্ড
  3. চ্যাডউইক
  4. থমসন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

নিউক্লিয়াসে অবস্থিত চার্জ নিরপেক্ষ ‘নিউট্রন’ ১৯৩২ সালে বিজ্ঞানী চ্যাডউইক আবিষ্কার করেন। রাদারফোর্ড আণবিক নিউক্লিয়াসের মতবাদ আবিষ্কার করেন এবং বিজ্ঞানী স্যার জোসেফ জন থমসন আবিষ্কার করেন ‘ইলেকট্রন’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চ্যাডউইক
ব্রিটিশ পদার্থবিজ্ঞানী জেমস চ্যাডউইক (James Chadwick) ১৯৩২ সালে পরমাণুর নিউক্লিয়াসে অবস্থিত আধানবিহীন কণা নিউট্রন আবিষ্কার করেন। এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তিনি ১৯৩৫ সালে নোবেল পুরস্কার লাভ করেন।
অন্যান্য বিকল্পগুলোও মৌলিক কণা আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত:
থমসন (J. J. Thomson): তিনি ইলেকট্রন আবিষ্কার করেন।
রাদারফোর্ড (Ernest Rutherford): তিনি প্রোটন আবিষ্কার ও পরমাণুর নিউক্লিয়াস মডেল প্রদান করেন।
77

যেসব নিউক্লিয়াসের নিউট্রন সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা সমান নয় তাদের বলা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোটোপ
  2. আইসোমার
  3. আইসোটোন
  4. আইসোবার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আইসোটোপের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা সমান কিন্তু ভরসংখ্যা ভিন্ন, আইসোবারের ক্ষেত্রে ভরসংখ্যা সমান কিন্তু এটমিক সংখ্যা ভিন্ন, আইসোটোনের ক্ষেত্রে এটমিক সংখ্যা ভিন্ন কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা সমান এবং আইসোমারের ক্ষেত্রে নিউক্লিয়াসের পারমাণবিক সংখ্যা ও ভরসংখ্যা সমান, কিন্তু শক্তি অবস্থা ভিন্ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোটোন (Isotone)
আইসোটোন হলো সেইসব মৌলের পরমাণুর নিউক্লিয়াস যাদের মধ্যে নিউট্রন সংখ্যা (Neutron Number) সমান কিন্তু প্রোটন সংখ্যা (Atomic Number) ভিন্ন হয়।
যেহেতু ভর সংখ্যা হলো প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যার যোগফল (ভর সংখ্যা = প্রোটন সংখ্যা + নিউট্রন সংখ্যা), এবং প্রোটন সংখ্যা ভিন্ন, তাই নিউট্রন সংখ্যা সমান হওয়া সত্ত্বেও তাদের ভর সংখ্যা সমান হয় না। এটিই আইসোটোনের সংজ্ঞা।
ভুল ব্যাখ্যা: আইসোটোপ-এ পরমাণু সংখ্যা (প্রোটন) সমান হয়, কিন্তু নিউট্রন সংখ্যা ও ভর সংখ্যা ভিন্ন হয়। আইসোবার-এ ভর সংখ্যা সমান হয়, কিন্তু প্রোটন ও নিউট্রন সংখ্যা ভিন্ন হয়।
78

উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ক্রনোমিটার
  2. ট্যাকোমিটার
  3. হাইড্রোমিটার
  4. ওডোমিটার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সূক্ষ্মভাবে সময় নির্ণায়ক যন্ত্র ক্রনোমিটার, উড়োজাহাজের গতি নির্ণায়ক যন্ত্র ট্যাকোমিটার, তরলের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণায়ক যন্ত্র হাইড্রোমিটার এবং মোটর গাড়ির গতি নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে ওডোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ট্যাকোমিটার (Tachometer)। উড়োজাহাজ, বিশেষত প্রপেলার চালিত বিমান এবং হেলিকপ্টারের ইঞ্জিনের ঘূর্ণন গতি (RPM - Revolutions Per Minute) পরিমাপের জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। ঘূর্ণন গতি নির্ণয়ের মাধ্যমে উড়োজাহাজের কর্মক্ষমতা (Performance) ও এয়ারস্পিড সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায়।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রগুলোর কাজ ভিন্ন:
ক্রনোমিটার (Chronometer): এটি একটি অত্যন্ত নির্ভুল সময় পরিমাপক যন্ত্র যা প্রধানত জাহাজ বা উড়োজাহাজে নেভিগেশনের জন্য সঠিক দ্রাঘিমাংশ (Longitude) নির্ণয়ে ব্যবহৃত হয়।
হাইড্রোমিটার (Hydrometer): এটি তরল পদার্থের আপেক্ষিক ঘনত্ব বা স্পেসিফিক গ্র্যাভিটি পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
ওডোমিটার (Odometer): এটি গাড়ি বা অন্য কোনো যানবাহনের মোট অতিক্রান্ত দূরত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
79

ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্যারোমিটার
  2. সেক্সট্যান্ট
  3. সিসমোগ্রাফ
  4. ম্যানোমিটার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বায়ুর চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র ‘ব্যারোমিটার’, গ্রহ-নক্ষত্রের উন্নতি পরিমাপক যন্ত্র ‘সেক্সট্যান্ট’, ভূমিকম্প নির্ণায়ক যন্ত্র ‘সিসমোগ্রাফ’ এবং গ্যাসের চাপ নির্ণায়ক যন্ত্র হচ্ছে ‘ম্যানোমিটার’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিসমোগ্রাফ (Seismograph)
এটি একটি বিশেষ যন্ত্র যা পৃথিবীর অভ্যন্তর থেকে সৃষ্ট ভূকম্পন বা সিসমিক ওয়েভস (Seismic Waves) রেকর্ড এবং পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়। সিসমোগ্রাফের মাধ্যমে প্রাপ্ত রেকর্ডকে সিসমোগ্রাম বলা হয়।
অন্যান্য যন্ত্রগুলোর কাজ ভিন্ন:
ব্যারোমিটার: এটি বায়ুমণ্ডলের চাপ পরিমাপের যন্ত্র।
সেক্সট্যান্ট: এটি নেভিগেশন ও জ্যোতির্বিদ্যায় ব্যবহৃত একটি যন্ত্র, যা দুটি বস্তুর মধ্যবর্তী কৌণিক দূরত্ব পরিমাপ করে।
ম্যানোমিটার: এটি আবদ্ধ পাত্রে গ্যাসের চাপ পরিমাপ করতে ব্যবহৃত হয়।
80

রঙিন টেলিভিশন থেকে ক্ষতিকর রশ্মি বের হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গামা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. রঞ্জন রশ্মি
  4. কসমিক রশ্মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

পুরনো মডেলের টেলিভিশন বা কম্পিউটার মনিটরে ক্যাথোড রে টিউব (CRT) ব্যবহার করা হয়। ইলেক্ট্রনসমূহ অতি উচ্চ বিভবে থাকার কারণে এ CRT থেকে খুব সামান্য পরিমাণ এক্স-রে নির্গত হয়। এ এক্স-রে বা রঞ্জন রশ্মি জীবন্ত কোষ ধ্বংস করতে সক্ষম। তবে আধুনিক টেলিভিশন (LCD বা LED) থেকে এরূপ এক্স-রে নির্গমন ঘটে না।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রঞ্জন রশ্মি। রঙিন টেলিভিশন বলতে সাধারণত পুরোনো মডেলের ক্যাথোড রে টিউব (CRT) টেলিভিশনগুলোকে বোঝানো হয়, যা বর্তমানে এলইডি/এলসিডি স্ক্রিন দিয়ে প্রতিস্থাপিত হয়েছে।
এই CRT প্রযুক্তিতে ইলেক্ট্রন গান থেকে উচ্চ গতিসম্পন্ন ইলেক্ট্রন প্রবাহ (ক্যাথোড রশ্মি) স্ক্রিনে আঘাত করে ছবি তৈরি করে। এই ইলেক্ট্রনগুলো যখন টিউবের ভেতরে থাকা ভারী ধাতব উপাদানে আঘাত করে, তখন ব্রেকিং রেডিয়েশন (Bremsstrahlung) প্রক্রিয়ায় রঞ্জন রশ্মি (X-ray) উৎপন্ন হয়।
যদিও টেলিভিশনের সুরক্ষামূলক আবরণীর (shielding) কারণে এই রশ্মিগুলির বেশিরভাগই বাইরে আসতে পারে না, তবুও কিছু ক্ষুদ্র অংশ ক্ষতিকর বিকিরণ হিসেবে নির্গত হয়।
বিপরীতে, গামা রশ্মি বা বিটা রশ্মি নিউক্লীয় তেজস্ক্রিয়তা থেকে নির্গত হয় এবং টেলিভিশনের মতো ইলেকট্রনিক সরঞ্জাম থেকে উৎপাদিত হয় না।
81

সূর্যে শক্তি উৎপন্ন হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরমাণুর ফিশন পদ্ধতিতে
  2. পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
  3. রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে
  4. তেজস্ক্রিয়তার ফলে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দুটি কম ওজনের পরমাণুর নিউক্লিয়াসের সংযোজনে একটি অপেক্ষাকৃত ভারী পরমাণুর গঠন ও ফলস্বরূপ প্রচুর শক্তির উদ্ভব হলো পারমাণবিক ফিউশন পদ্ধতি। যেমন: দুটি হাইড্রোজেন পরমাণু যুক্ত হয়ে একটি হিলিয়াম পরমাণু হতে পারে। দেখা যায় তৈরি হওয়া হিলিয়াম পরমাণুর ভর হাইড্রোজেন পরমাণু দুটির ভরের যোগফলের চেয়ে সামান্য কম। এ হারিয়ে যাওয়া ভরই শক্তিতে রূপান্তরিত হয় ও প্রচুর শক্তি পাওয়া যায়। সূর্য ও অন্যান্য নক্ষত্রে এ পদ্ধতিতে শক্তি তৈরি হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পরমাণুর ফিউশন পদ্ধতিতে
সূর্য এবং অন্যান্য নক্ষত্রের শক্তির মূল উৎস হলো নিউক্লিয়ার ফিউশন (Nuclear Fusion) বিক্রিয়া।
এই ফিউশন বিক্রিয়ায় সূর্যের কেন্দ্রে প্রচণ্ড চাপ ও তাপে (প্রায় 1.5imes1071.5 imes 10^7 কেলভিন) ৪টি হাইড্রোজন নিউক্লিয়াস একত্রিত হয়ে ১টি হিলিয়াম নিউক্লিয়াসে পরিণত হয়।
এই রূপান্তরের সময় নিউক্লিয়াসের ভরের কিছুটা ঘাটতি হয়, যা আইনস্টাইনের বিখ্যাত সূত্র E=mc2E=mc^2 অনুযায়ী বিপুল শক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে আলো ও তাপ আকারে নির্গত হয়।
পরমাণুর ফিশন (Fission) পদ্ধতিতে ভারী নিউক্লিয়াস (যেমন ইউরেনিয়াম) ভেঙে যায়, যা পৃথিবীর নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট বা পারমাণবিক বোমায় ব্যবহৃত হয়। এটি সূর্যের শক্তির উৎস নয়।
82

ডেঙ্গু জ্বরের বাহক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অ্যানোফিলিস
  2. কিউলেক্স
  3. এডিস
  4. সকল ধরনের মশা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

অ্যানোফিলিস মশা ম্যালেরিয়া, কিউলেক্স মশা ফাইলেরিয়া এবং এডিস মশা ডেঙ্গু জ্বরের জীবাণু বহন করে। এডিস মশা পীতজ্বরের জীবাণুও বহন করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এডিস (Aedes)। ডেঙ্গু জ্বর হলো এক ধরনের ভাইরাসজনিত রোগ যা প্রধানত এডিস মশা, বিশেষ করে স্ত্রী Aedes aegypti নামক মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষে ছড়ায়।
এডিস মশা সাধারণত দিনের বেলায় (সকালের দিকে এবং সন্ধ্যার আগে) কামড়াতে পছন্দ করে এবং এরা পরিষ্কার, জমে থাকা পানিতে ডিম পাড়ে ও বংশবিস্তার করে।
অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ মশার ভূমিকা:
অ্যানোফিলিস (Anopheles): এই মশা ম্যালেরিয়া রোগের বাহক।
কিউলেক্স (Culex): এই মশা ফাইলেরিয়া (Filariasis বা গোদা রোগ) এবং জাপানিজ এনসেফালাইটিস রোগের বাহক।
83

পেনিসিলিয়াম আবিষ্কার করেন–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবার্ট হুক
  2. টমাস এডিসন
  3. আলেকজান্ডার ফ্লেমিং
  4. জেমস ওয়াট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিয়াম; এডিসন সিনেমাটোগ্রাফি, ফনোগ্রাফি, বৈদ্যুতিক বাতি; রবার্ট হুক উদ্ভিদ কোষ এবং জেমস ওয়াট বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলেকজান্ডার ফ্লেমিং (অপশন ৩)।
স্কটিশ বিজ্ঞানী ও ব্যাকটেরিওলজিস্ট স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং ১৯২৮ সালে দুর্ঘটনাক্রমে (Serendipitous discovery) পেনিসিলিন আবিষ্কার করেন।
পেনিসিলিন হলো পৃথিবীর প্রথম সফল অ্যান্টিবায়োটিক, যা মূলত পেনিসিলিয়াম নোটেটাম (Penicillium Notatum) নামক ছত্রাক বা মোল্ড (Mould) থেকে তৈরি। এই আবিষ্কার চিকিৎসা বিজ্ঞানে বিপ্লব এনেছিল।
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারক হলেও তারা এই প্রশ্নের সাথে সম্পর্কিত নন। রবার্ট হুক হলেন সেই বিজ্ঞানী যিনি সর্বপ্রথম কোষ (Cell) আবিষ্কার করেন। টমাস এডিসন বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কারের জন্য বিখ্যাত। জেমস ওয়াট আধুনিক বাষ্পীয় ইঞ্জিন (Steam Engine) উন্নত করেন।
84

কোন কোন স্বাভাবিক সংখ্যা দ্বারা ৩৪৬ কে ভাগ করলে প্রতি ক্ষেত্রে ৩১ অবশিষ্ট থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫

  2. ৩৫, ৪০, ৬৫, ১১০, ৩১৫
  3. ৩৫, ৪৫, ৭০, ১০৫, ৩১৫
  4. ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১১০, ৩১৫

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের অঙ্কের মূলনীতি হলো: যে সংখ্যাকে ভাগ করা হচ্ছে (ভাজ্য) তার থেকে অবশিষ্ট (ভাগশেষ) বিয়োগ করলে যে সংখ্যাটি পাওয়া যায়, নির্ণেয় ভাজকগুলো অবশ্যই সেই বিয়োগফলের উৎপাদক হতে হবে।
এখানে ভাজ্য (N) = ৩৪৬ এবং অবশিষ্ট (R) = ৩১
সুতরাং, যে সংখ্যাটিকে ভাজক দ্বারা নিঃশেষে ভাগ করা যাবে সেটি হলো: NR=34631=<strong>315</strong>N - R = 346 - 31 = <strong>315</strong>
নির্ণেয় স্বাভাবিক সংখ্যাগুলি হবে ৩১৫ এর উৎপাদক। কিন্তু একটি গুরুত্বপূর্ণ শর্ত হলো, ভাজক সর্বদা ভাগশেষের চেয়ে বড় হতে হবে। অর্থাৎ, ভাজক (D) > ভাগশেষ (R) হতে হবে।
অতএব, ভাজক D>31D > 31 হতে হবে।
আমরা প্রথমে ৩১৫ এর সকল উৎপাদক নির্ণয় করি: 315=3×3×5×7=32×51×71315 = 3 \times 3 \times 5 \times 7 = 3^2 \times 5^1 \times 7^1.
৩১৫ এর উৎপাদকসমূহ হলো: ১, ৩, ৫, ৭, ৯, ১৫, ২১, ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
যেহেতু ভাজক ৩১ এর চেয়ে বড় হতে হবে, তাই গ্রহণযোগ্য উৎপাদকগুলো হলো: ৩৫, ৪৫, ৬৩, ১০৫, ৩১৫
যা অপশন (ক) তে রয়েছে।
85

একটি প্রকৃত ভগ্নাংশের হর ও লবের অন্তর ২, হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করলে যে ভগ্নাংশ পাওয়া যায় তার সঙ্গে ১/৪ যোগ করলে যোগফল ১ হয়, ভগ্নাংশটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 7/9

  2. 9/11

  3. 11/13

  4. 13/15

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৯/১১। আমরা ধাপে ধাপে বীজগণিতিক নিয়মে সমস্যার সমাধান করব।
ধরি, প্রকৃত ভগ্নাংশটির লব xx এবং হর yy
যেহেতু এটি প্রকৃত ভগ্নাংশ, তাই হর > লব।
প্রথম শর্ত: হর ও লবের অন্তর ২।
    yx=2\implies y - x = 2
    y=x+2\implies y = x + 2
সুতরাং, ভগ্নাংশটি হলো xx+2\frac{x}{x+2}
দ্বিতীয় শর্ত: হর ও লব উভয় থেকে ৩ বিয়োগ করে এবং তার সঙ্গে 14\frac{1}{4} যোগ করলে যোগফল ১ হয়।
প্রশ্নমতে: x3(x+2)3+14=1\frac{x-3}{(x+2)-3} + \frac{1}{4} = 1
বা, x3x1=114\frac{x-3}{x-1} = 1 - \frac{1}{4}
বা, x3x1=34\frac{x-3}{x-1} = \frac{3}{4}
এবার আড়াআড়ি গুণ করে পাই:
4(x3)=3(x1)4(x-3) = 3(x-1)
বা, 4x12=3x34x - 12 = 3x - 3
বা, 4x3x=1234x - 3x = 12 - 3
বা, x=9x = 9
সুতরাং, লব x=9x=9 এবং হর y=9+2=11y = 9+2 = 11
নির্ণেয় ভগ্নাংশটি হলো 911\frac{9}{11}
86

x+y=12 এবং x−y=2 হলে xy -এর মান কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 35

  2. 140
  3. 70
  4. 144

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান


ব্যাখ্যা

এটি বীজগণিতীয় সূত্রাবলির একটি সরাসরি প্রয়োগ। এই ধরনের সমস্যা সমাধানের জন্য xyxy এর মান নির্ণয়ের সূত্রটি ব্যবহার করাই সবচেয়ে দ্রুততম উপায়।
আমরা জানি, xyxy নির্ণয়ের সূত্রটি 4xy4xy এর মাধ্যমে আসে:
4xy=(x+y)2(xy)24xy = (x+y)^2 - (x-y)^2
প্রদত্ত মানগুলো হলো: x+y=12x+y = 12 এবং xy=2x-y = 2
মান বসিয়ে পাই:
4xy=(12)2(2)24xy = (12)^2 - (2)^2
4xy=14444xy = 144 - 4
4xy=1404xy = 140
সুতরাং, $xy = rac{140}{4} = <strong>35</strong>$
যেহেতু xyxy-এর মান 35, তাই সঠিক উত্তর হলো 35। (অন্য অপশনগুলোতে 140 ছিল 4xy4xy এর মান এবং 70 ছিল 2xy2xy এর মান, যা সাধারণত ভুলবশত পরীক্ষার্থীরা নির্বাচন করে থাকে।)
87

এক ব্যক্তি তার স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়। তার স্ত্রী বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ। ৫ বছর পরে ছেলের বয়স ১২ বছর হলে বর্তমান ঐ ব্যক্তির বয়স কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৬৫ বছর
  2. ২৮ বছর
  3. ৩৩ বছর

  4. ৫৩ বছর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের বয়স সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান করার জন্য আমাদের পেছন থেকে ধাপে ধাপে এগোতে হবে। প্রথমে আমরা সবচেয়ে ছোট সদস্য অর্থাৎ ছেলের বর্তমান বয়স বের করব।
ধাপ ১: ছেলের বর্তমান বয়স নির্ণয়:
প্রশ্নমতে, ৫ বছর পরে ছেলের বয়স হবে ১২ বছর
সুতরাং, ছেলের বর্তমান বয়স = (১২ - ৫) বছর = ৭ বছর
ধাপ ২: স্ত্রীর বর্তমান বয়স নির্ণয়:
প্রশ্নমতে, স্ত্রীর বয়স ছেলের বয়সের ৪ গুণ
সুতরাং, স্ত্রীর বর্তমান বয়স = (৭ ×\times ৪) বছর = ২৮ বছর
ধাপ ৩: ব্যক্তির (স্বামীর) বর্তমান বয়স নির্ণয়:
প্রশ্নমতে, ব্যক্তিটি তার স্ত্রীর চেয়ে ৫ বছরের বড়
সুতরাং, ঐ ব্যক্তির বর্তমান বয়স = (স্ত্রীর বর্তমান বয়স + ৫) বছর = (২৮ + ৫) বছর = ৩৩ বছর
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো ৩৩ বছর
(উল্লেখ্য, ২৮ বছর হলো স্ত্রীর বর্তমান বয়স, যা একটি ভুল উত্তর হতে পারত যদি দ্রুত গণনা করা হয়।)
88

৬০ মিটারবিশিষ্ট একটি বাঁশকে ৩ : ৭ : ১০ অনুপাত ভাগ করলে টুকরাগুলোর সাইজ কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮ মিটার; ২২ মিটার; ৩০ মিটার
  2. ১০ মিটার; ২০ মিটার; ৩০ মিটার
  3. ৯ মিটার; ২১ মিটার; ৩০ মিটার

  4. ১২ মিটার; ২০ মিটার; ২৮ মিটার

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি অনুপাত ও সমানুপাত-এর একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ ও নিয়মিত আসা প্রশ্ন। এই ধরনের অঙ্ক সমাধানের জন্য প্রথমে অনুপাতগুলোর যোগফল বের করতে হয়।
প্রদত্ত অনুপাত: ::১০৩ : ৭ : ১০
অনুপাতগুলোর যোগফল: ++১০=<strong>২০</strong>৩ + ৭ + ১০ = <strong>২০</strong>
বাঁশটির মোট দৈর্ঘ্য: ৬০ মিটার
বাঁশটিকে মোট ২০টি সমান অংশে বিভক্ত করা হয়েছে ধরে নিতে হবে। প্রতিটি অংশের মান হবে: ৬০২০=<strong>৩মিটার</strong>\frac{৬০}{২০} = <strong>৩ মিটার</strong>।
এখন, প্রাপ্ত মান দিয়ে প্রতিটি অনুপাতকে গুণ করে টুকরাগুলোর সাইজ নির্ণয় করতে হবে:
প্রথম টুকরা: ×=<strong>৯মিটার</strong>৩ \times ৩ = <strong>৯ মিটার</strong>
দ্বিতীয় টুকরা: ×=<strong>২১মিটার</strong>৭ \times ৩ = <strong>২১ মিটার</strong>
তৃতীয় টুকরা: ১০×=<strong>৩০মিটার</strong>১০ \times ৩ = <strong>৩০ মিটার</strong>
সুতরাং, টুকরাগুলোর সাইজ হলো ৯ মিটার, ২১ মিটার, এবং ৩০ মিটার। যা অপশন ৩-এ রয়েছে।
(দ্রষ্টব্য: অন্যান্য অপশনগুলো যোগ করলেও ৬০ মিটার হয়, কিন্তু অনুপাতের শর্ত (৩:৭:১০) পূরণ করে না।)
89

একটি সংখ্যা ৬৫০ থেকে যত বড় ৮২০ থেকে তত ছোট। সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 730
  2. 735

  3. 800
  4. 780

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি গাণিতিক যুক্তির একটি খুব কমন প্রশ্ন, যেখানে দুটি সংখ্যার ঠিক মাঝের সংখ্যাটি বের করতে বলা হয়েছে। যে সংখ্যাটি ৬৫০ থেকে যত বড় হবে, ৮২০ থেকে ঠিক তত ছোট হবে—এর অর্থ হলো সংখ্যাটি এই দুটি সংখ্যার গড় (Average)
ধরি, নির্ণেয় সংখ্যাটি হলো XX
শর্ত অনুযায়ী, ৬৫০ অপেক্ষা সংখ্যাটির পার্থক্য = ৮২০ অপেক্ষা সংখ্যাটির পার্থক্য।
সমীকরণ: X650=820XX - 650 = 820 - X
এবার XX গুলোকে একপাশে নিয়ে আসি:
X+X=820+650X + X = 820 + 650
2X=14702X = 1470
X=14702X = \frac{1470}{2}
X=735X = 735
অতএব, সংখ্যাটি হলো ৭৩৫। (এটি ৬৫০ থেকে ৮৫ বেশি এবং ৮২০ থেকে ৮৫ কম)।
90

দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর ১৯৯ হলে বড় সংখ্যাটি কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 70
  2. 80
  3. 90
  4. 100

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

আমরা জানি, দুটি ক্রমিক সংখ্যার বর্গের অন্তর সর্বদা সংখ্যা দুটির যোগফলের সমান হয়।
ধরি, সংখ্যা দুটি হলো xx (ছোট সংখ্যা) এবং (x+1)(x+1) (বড় সংখ্যা)।
প্রশ্নমতে, বড় সংখ্যাটির বর্গ - ছোট সংখ্যাটির বর্গ = ১৯৯।
$\(x+1)^2 - x^2 = 199$
বীজগণিতীয় সূত্র a2b2=(a+b)(ab)a^2 - b^2 = (a+b)(a-b) প্রয়োগ করে পাই:
(x+1+x)(x+1x)=199(x+1 + x)(x+1 - x) = 199
(2x+1)(1)=199(2x + 1)(1) = 199
বা, 2x+1=1992x + 1 = 199
বা, 2x=19912x = 199 - 1
বা, 2x=1982x = 198
বা, x=99x = 99 (ছোট সংখ্যা)
অতএব, বড় সংখ্যাটি $= x + 1 = 99 + 1 = 100
91

কোন সংখ্যাটি বৃহত্তম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 0.3
  2. 1/3

  3. √(0.3)

  4. 2/5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এই ধরনের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য সব সংখ্যাকে একই ধরনের ফরম্যাটে (সাধারণত দশমিকে) রূপান্তর করা সবচেয়ে সহজ।
১. 0.30.3 = 0.30000.3000
২. 1/31/3 = 0.3333...0.3333...
৩. 2/52/5 = 0.40000.4000
৪. 0.3\sqrt{0.3}-এর মান নির্ণয়:
আমরা জানি, 0.52=0.250.5^2 = 0.25 এবং 0.62=0.360.6^2 = 0.36
যেহেতু 0.30.3 সংখ্যাটি 0.250.250.360.36-এর মাঝে অবস্থিত, তাই 0.3\sqrt{0.3}-এর মান 0.50.50.60.6-এর মাঝে হবে।
0.3<strong>0.5477</strong>\sqrt{0.3} \approx <strong>0.5477</strong>
এখন, প্রাপ্ত সব মান তুলনা করে দেখি:
0.3000,0.3333,0.5477,0.40000.3000, 0.3333, 0.5477, 0.4000
এই মানগুলোর মধ্যে 0.54770.5477 (যা 0.3\sqrt{0.3}-এর মান) স্পষ্টতই বৃহত্তম।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হলো 0.3\sqrt{0.3}
92

একটি দ্রব্য ৩৮০ টাকায় বিক্রয় করায় ২০ টাকা ক্ষতি হলো। ক্ষতির শতকরা হার কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 4%
  2. 6%
  3. 5%

  4. 7%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

এটি লাভ-ক্ষতি সংক্রান্ত পাটিগণিতের একটি মৌলিক সমস্যা। ক্ষতির শতকরা হার বের করার জন্য প্রথমে আমাদের ক্রয়মূল্য (Cost Price) নির্ণয় করতে হবে।
আমরা জানি, যদি ক্ষতি হয়, তবে:
ক্রয়মূল্য = বিক্রয়মূল্য + ক্ষতি
এখানে, বিক্রয়মূল্য = ৩৮০ টাকা এবং ক্ষতি = ২০ টাকা
সুতরাং, ক্রয়মূল্য = 380+20=ext<strong>৪০০টাকা</strong>380 + 20 = ext{<strong>৪০০ টাকা</strong>}
এবার ক্ষতির শতকরা হার নির্ণয় করতে হবে। ক্ষতির শতকরা হার সবসময় ক্রয়মূল্যের উপর হিসাব করা হয়।
ক্ষতির শতকরা হার $= rac{\text{মোট ক্ষতি}}{\text{ক্রয়মূল্য}} \times 100$
মান বসিয়ে পাই: 20400×100\frac{20}{400} \times 100
20400×100=204=5\frac{20}{400} \times 100 = \frac{20}{4} = 5
অতএব, ক্ষতির শতকরা হার হলো 5%, যা অপশন 3-এ আছে।
93

কোনো পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর ৮০% গণিত এবং ৭০% বাংলায় পাস করলো। উভয় বিষয়ে পাস করলো ৬০%, উভয় বিষয়ে শতকরা কত জন ফেল করলো?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 15%
  2. 10%

  3. 12%
  4. 11%

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

পরীক্ষাটিতে শতকরা কতজন উভয় বিষয়ে ফেল করেছে তা নির্ণয় করার জন্য, প্রথমে আমাদের বের করতে হবে শতকরা কতজন পরীক্ষার্থী অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে।
আমরা সেট (Set) এর সূত্র ব্যবহার করে মোট পাস করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা বের করতে পারি।
ধরি, গণিতে পাস (M) = 80%80\% এবং বাংলায় পাস (B) = 70%70\%। উভয়ে পাস (MBM \cap B) = 60%60\%
অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা পরীক্ষার্থীর সংখ্যা (Total Pass):
P(MB)=P(M)+P(B)P(MB)P(M \cup B) = P(M) + P(B) - P(M \cap B)
=80%+70%60%= 80\% + 70\% - 60\%
=150%60%=90%= 150\% - 60\% = 90\%
অর্থাৎ, মোট পরীক্ষার্থীর 90%90\% জন অন্তত একটি বিষয়ে পাস করেছে।
অতএব, উভয় বিষয়ে ফেল করা পরীক্ষার্থীর শতকরা হার হবে:
মোট পরীক্ষার্থী (100%100\%) - অন্তত একটি বিষয়ে পাস করা পরীক্ষার্থী (90%90\%)
=100%90%=10%= 100\% - 90\% = 10\%
সঠিক উত্তর: ১০%

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “22th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন36th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 22th (2001) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

22th (2001) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 22th (2001) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।