সমাধান
সমাধান
🗂️
বিগত সালের প্রশ্ন

36th (2016) — বিগত সালের প্রশ্ন ও সমাধান

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 36th (2016) সেশনের বিগত সালের প্রশ্ন — প্রতিটির সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ এক পেজে। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে।

নিচে BCS Preliminary-এর 36th (2016) পরীক্ষার ১৫০টি প্রশ্ন (মোট ২০০টির মধ্যে) — প্রতিটির সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যাসহ — দেওয়া হলো।

1

‘বন্ধন’ শব্দের সঠিক অক্ষর বিন্যাস কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব + ন্ + ধ + ন্
  2. বন্ + ধন্
  3. ব + ন্ধ + ন
  4. বান্ + ধন্

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সাধারণ অর্থে অক্ষর বলতে বর্ণ বা হরফ (Letter)-কে বোঝালেও প্রকৃত অর্থে অক্ষর ও বর্ণ পরস্পরের প্রতিশব্দ বা সমার্থক শব্দ নয়। অক্ষর হচ্ছে বাগ্‌যন্ত্রের স্বল্পতম প্রয়াসে উচ্চারিত ধ্বনি বা ধ্বনিগুচ্ছ । আর বর্ণ বা হরফ হচ্ছে ধ্বনির চক্ষুগ্রাহ্য লিখিতরূপ বা ধ্বনি-নির্দেশক চিহ্ন বা প্রতীক। ইংরেজিতে আমরা যাকে Syllable বলে অভিহিত করি, তা-ই অক্ষর। বাংলা ‘বন্ধন’ শব্দেরও বন্ + ধন্–এ দুটো অক্ষর। কিন্তু ব+ন্+ধ+ন্– এগুলো অক্ষর নয়; এগুলো বর্ণ বা হরফ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো অপশন ২: বন্ + ধন্
বাংলা ব্যাকরণে অক্ষর (Syllable) হলো শব্দের সেই ক্ষুদ্রতম অংশ, যা একবারে বা এক ঝোঁকে উচ্চারিত হয়। একে উচ্চারণের একক বলা হয়।
‘বন্ধন’ শব্দটি উচ্চারণ করার সময় আমরা এটিকে দুটি স্বরধ্বনির সাহায্যে দুটি অংশে ভাগ করি— প্রথমে বন্ এবং এরপর ধন্
উভয় অক্ষরই ব্যঞ্জনধ্বনি দিয়ে শেষ হয়েছে, তাই এগুলো রুদ্ধাক্ষর বা বন্ধ অক্ষর। এটি একটি দ্ব্যক্ষর শব্দ (Two-syllable word)।
ভুল ব্যাখ্যা: অপশন ১ (ব + ন্ + ধ + ন্) হলো বর্ণ বিশ্লেষণ, এটি অক্ষর বিন্যাস নয়। বর্ণ বিশ্লেষণে প্রতিটি লিখিত ধ্বনিকে আলাদা করা হয়, যেখানে অক্ষরের ক্ষেত্রে উচ্চারণই প্রধান।
2

বাংলা বর্ণমালায় অর্ধমাত্রার বর্ণ কয়টি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭টি
  2. ৯টি
  3. ১০টি
  4. ৮টি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ ৫০টি। এগুলোর মধ্যে অর্ধমাত্রার বর্ণ আটটি- ঋ, খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ এবং মাত্রাহীন বর্ণ দশটি- এ, ঐ, ও, ঔ, ঙ, ঞ, ৎ, s, t, u। বাকি ৩২টি বর্ণ পূর্ণমাত্রার।

ব্যাখ্যা

বাংলা বর্ণমালায় মোট বর্ণ বা অক্ষর রয়েছে ৫০টি (স্বরবর্ণ ১২টি এবং ব্যঞ্জনবর্ণ ৩৮টি)। মাত্রা বা রেখা ব্যবহারের ভিত্তিতে এই ৫০টি বর্ণকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়।
সঠিক উত্তর হলো ৮টি। এই ৮টি বর্ণকে অর্ধমাত্রার বর্ণ বলা হয়, কারণ এদের উপরে অর্ধেক রেখা বা মাত্রা ব্যবহৃত হয়।
অর্ধমাত্রার বর্ণগুলোর মধ্যে স্বরবর্ণ হলো ১টি () এবং ব্যঞ্জনবর্ণ হলো ৭টি
ব্যঞ্জনবর্ণ ৭টি হলো: খ, গ, ণ, থ, ধ, প, শ
সুতরাং, +=<strong>৮টি</strong>১ + ৭ = <strong>৮টি</strong>
3

‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জ্ + ঞ
  2. ঞ্ + গ
  3. ঞ্ + জ
  4. গ্ + ঞ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘বিজ্ঞান’ শব্দের যুক্তবর্ণের সঠিক রূপ : জ + ঞ। এছাড়া এ যুক্ত বর্ণ দ্বারা গঠিত শব্দ : জ্ঞান, সংজ্ঞা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জ্ + ঞ
বাংলা ব্যাকরণে যুক্তবর্ণ 'জ্ঞ' (যা জ্ঞান, বিজ্ঞান, অজ্ঞ শব্দের মাঝে ব্যবহৃত হয়) এর গঠনগত বা ব্যঞ্জনসন্ধিগত বিশ্লেষণ হলো হসন্ত (জ্) এবং
অর্থাৎ, জ + ঞ = জ্ঞ
পরীক্ষায় এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বিভ্রান্তিকর প্রশ্ন। কারণ, আধুনিক চলিত বাংলায় আমরা সাধারণত 'জ্ঞ' বর্ণটিকে 'গ্য' বা 'গ্গ' এর মতো উচ্চারণ করি (যেমন: জ্ঞান শব্দটিকে 'গ্যান' উচ্চারণ করি)। কিন্তু ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, এর সঠিক গঠনগত রূপ হলো এবং
অন্যান্য বিকল্প ভুল, কারণ:
ঞ্ + জ = ঞ্জ (যেমন: খঞ্জর, রঞ্জন)
ঞ্ + গ = ঙ্গ (এই গঠনটি প্রমিত নয়, ঙ + গ = ঙ্গ হয়, যেমন: বঙ্গ) অথবা এটি 'ঞ' বর্গের নিজস্ব যুক্তাক্ষর নয়।
4

নিচের কোন শব্দটি প্রত্যয়যোগে গঠিত হয়নি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সভাসদ
  2. শুভেচ্ছা
  3. ফলবান
  4. তন্বী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

‘শুভেচ্ছা’ শব্দটি সন্ধিসাধিত শব্দ। ‘অ’-কার কিংবা ‘আ’- কারের পর ‘ই’-কার কিংবা ‘ঈ’-কার থাকলে উভয়ে মিলে এ-কার হয়; যেমন : অ + ই = এ; শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। তন্বী (তনু + ঈ) প্রত্যয় ও সন্ধি– উভয় সাধিত শব্দ। এছাড়া সভাসদ (সভা+সদ) ও ফলবান (ফল + বান) প্রত্যয়যোগে গঠিত শব্দ। সে অনুযায়ী সঠিক উত্তর (খ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শুভেচ্ছা
কারণ 'শুভেচ্ছা' শব্দটি গঠিত হয়েছে সন্ধিযোগে, প্রত্যয়যোগে নয়। এর প্রকৃতি ও প্রত্যয় বিশ্লেষণ হবে না।
সন্ধি বিশ্লেষণ: শুভ + ইচ্ছা = শুভেচ্ছা। এটি স্বরসন্ধির একটি উদাহরণ, যেখানে অ + ই = এ হয়েছে।
অন্য শব্দগুলো প্রত্যয়যোগে গঠিত। যেমন:
১. ফলবান: ফল + বান (তদ্ধিত প্রত্যয়)।
২. তন্বী: তনু + (স্ত্রী প্রত্যয়, যা তদ্ধিতের অংশ)।
৩. সভাসদ: এটি প্রধানত সমাসবদ্ধ পদ (সভার সদ), কিন্তু ব্যাকরণগতভাবে 'সদ' শব্দটি প্রত্যয়জাত হলেও এই প্রশ্নের মূল ফোকাস হলো 'শুভেচ্ছা' যা নিঃসন্দেহে শুধু সন্ধির মাধ্যমে গঠিত।
5

বহুব্রীহি সমাসবদ্ধ পদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জনশ্রুতি
  2. অনমনীয়
  3. খাসমহল
  4. তপোবন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জন দ্বারা শ্রুতি = জনশ্রুতি (তৃতীয়া তৎপুরুষ); তপের নিমিত্ত বন = তপোবন (চতুর্থী তৎপুরুষ); খাস যে মহল = খাসমহল (কর্মধারয়); নেই নমন যার = অনমনীয় (নঞ্‌ বহুব্রীহি সমাস)। সুতরাং সঠিক উত্তর (খ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অনমনীয়
অনমনীয় পদটির ব্যাসবাক্য হলো—নমনীয় নয় (যে বা যার)। বহুব্রীহি সমাসে সমস্যমান পদ দুটির কোনোটির অর্থ প্রাধান্য না পেয়ে অন্য একটি তৃতীয় অর্থ প্রাধান্য পায়। এখানে 'অনমনীয়' বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হচ্ছে, যে নমনীয় নয়।
যেহেতু ব্যাসবাক্যে 'নয়' বা 'না' ব্যবহৃত হয়েছে এবং এটি একটি না-বাচক বহুব্রীহি পদ, তাই এটি নঞ বহুব্রীহি সমাস
অন্যান্য অপশনসমূহ:
খাসমহল: খাস যে মহল (কর্মধারয় সমাস)।
তপোবন: তপস্যার নিমিত্তে বন (৪র্থী তৎপুরুষ সমাস)।
জনশ্রুতি: জন হতে শ্রুতি (৫মী তৎপুরুষ সমাস)।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
6

নিচের কোনটি বিশেষ্য পদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জাত
  2. গৈরিক
  3. উদ্ধত
  4. গাম্ভীর্য

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘জাত’ বিশেষণ পদটির অর্থ : জন্মেছে এমন; ‘গৈরিক’ বিশেষণবাচক পদটির অর্থ : গিরিমাটির বর্ণবিশিষ্ট; ‘উদ্ধত’ বিশেষণবাচক পদটির অর্থ : যার স্বভাবে বিনয়ের অভাব এবং ‘গাম্ভীর্য’ বিশেষ্যবাচক শব্দটির অর্থ : গম্ভীরতা বা গম্ভীর ভাব। সুতরাং সঠিক উত্তর (ঘ)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গাম্ভীর্য
বাংলা ব্যাকরণে পদ পাঁচ প্রকার: বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম, অব্যয় ও ক্রিয়া। যে পদ দ্বারা কোনো কিছুর নাম বোঝায়, তাকে বিশেষ্য পদ বলে।
‘গাম্ভীর্য’ শব্দটি একটি ভাববাচক বিশেষ্য পদ। এটি ‘গম্ভীর’ (যা বিশেষণ) শব্দের সঙ্গে ‘য/র্য’ প্রত্যয় যোগ করে গঠিত হয়েছে। এটি কোনো গুণের ভাব বা অবস্থাকে নির্দেশ করে (Seriousness/Dignity)।
অন্যদিকে, ‘জাত’, ‘গৈরিক’ এবং ‘উদ্ধত’ তিনটি শব্দই হলো বিশেষণ পদ। এরা অন্য কোনো পদকে (বিশেষ্য বা সর্বনাম) বিশেষিত করে।
যেমন: গৈরিক বসন (পোশাক কেমন? গৈরিক); উদ্ধত আচরণ (আচরণ কেমন? উদ্ধত)।
7

নিচের কোন শব্দে ণ-ত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহার হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কল্যাণ
  2. প্রবণ
  3. নিক্কণ
  4. বিপণি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ণ-ত্ব বিধানের নিয়মঃ ণ-ত্ব বিধি অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহার হয়েছে ‘প্রবণ’ শব্দটিতে। ণ-ত্ব বিধি অনুসারে প-বর্গীয় ধ্বনি থাকলে তার পরবর্তী ন ‘ণ’ হয়। যেমন- কৃপণ, হরিণ, অর্পণ, প্রবণ, লক্ষণ ইত্যাদি। অপশনের বাকি তিনটি শব্দে - কল্যাণ, নিক্কণ, বিপণি স্বভাবতই ‘ণ’ হয় ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রবণ
এটি ণ-ত্ব বিধানের মূল সূত্র অনুসারে ‘ণ’-এর ব্যবহারের একটি আদর্শ উদাহরণ।
ণ-ত্ব বিধান হলো— কেবল তৎসম (সংস্কৃত) শব্দে ঋ, র, ষ-এর পর ণ ব্যবহৃত হয়।
‘প্রবণ’ শব্দটি তৎসম। এখানে ‘প্র’ বর্ণটির মধ্যে ধ্বনিটি বিদ্যমান (প্ + + অ = প্র)। যেহেতু ‘র’-এর উপস্থিতি রয়েছে, তাই এর পরবর্তী দন্ত্য ‘ন’ পরিবর্তিত হয়ে মূর্ধন্য ‘ণ’ হয়েছে।
অন্যান্য শব্দ যেমন: কল্যাণ, বিপণি, নিক্কণ—এগুলো তৎসম শব্দ হলেও এগুলোতে ণ-ত্ব বিধানের মূল শর্ত (ঋ, র, ষ) সরাসরি উপস্থিত নেই। এসব শব্দে ব্যাকরণের অন্যান্য নিয়ম (যেমন: কিছু শব্দ স্বভাবতই ‘ণ’ গ্রহণ করে) অনুসারে ‘ণ’ ব্যবহৃত হয়, কিন্তু প্রশ্নটি যেহেতু সরাসরি ণ-ত্ব বিধান জানতে চেয়েছে, তাই যেখানে ঋ, র, ষ আছে, সেটিই মুখ্য উত্তর হবে।
8

‘মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে’– বাক্যটিকে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তর করলে হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ করে
  2. মিথ্যাবাদীকে সবাই পছন্দ না করে পারে না
  3. মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না
  4. মিথ্যাবাদীকে কেউ অপছন্দ করে না

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

না-সূচক বাক্যে না, নয়, নহে, নি, নেই, নাহি, নাই ইত্যাদি নঞর্থক অব্যয় ব্যবহার করতে হবে। না-বাচক ক্রিয়া ও না-বাচক শব্দ বা না-বাচক অব্যয় মিলে বাক্যে দু’বার ব্যবহার করে অস্তিবাচক বা হ্যাঁ-সূচক ভাব বজায় রাখতে হবে। মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে–বাক্যটির নেতিবাচক রূপ ‘মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না।’

ব্যাখ্যা

বাক্য রূপান্তরের প্রধান শর্ত হলো– বাক্যের গঠন বা রূপ পরিবর্তন হবে, কিন্তু অর্থ অপরিবর্তিত থাকবে।
প্রদত্ত বাক্যটি হলো ‘মিথ্যাবাদীকে সবাই অপছন্দ করে’— এটি একটি হ্যাঁ-বোধক বা আস্তিবাচক বাক্য। এর অর্থ হলো, মিথ্যাবাদীকে পছন্দ করে এমন কেউ নেই।
এই অর্থটি অপরিবর্তিত রেখে নেতিবাচক বাক্যে রূপান্তরের কৌশল হলো: বাক্যের মূল বিশেষ্য বা ক্রিয়ার বিপরীত শব্দ ব্যবহার করা এবং তার সাথে না-বাচক অব্যয় (না/নয়) যোগ করা।
এখানে, 'সবাই' এর বিপরীতার্থক নেতিবাচক পদ হলো 'কেউ না'
এবং 'অপছন্দ করা' এর বিপরীত শব্দ হলো 'পছন্দ করা'
সুতরাং, সঠিক নেতিবাচক রূপটি হবে: ‘মিথ্যাবাদীকে কেউ পছন্দ করে না’। (অপশন ৩)
ভুল কেন: অন্য অপশনগুলো (যেমন: অপশন ১ ও ৪) মূল বাক্যের অর্থকে পুরোপুরি বদলে দেয়।
9

‘Null and Void’-এর বাংলা পরিভাষা কী?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বাতিল
  2. পালাবদল
  3. মামুলি
  4. নিরপেক্ষ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘Null and Void’-এর পরিভাষা হলো : ‘বাতিল’। অন্য option গুলোর মধ্যে পালাবদল-এর ইংরেজি পরিভাষা হচ্ছে by turns; মামুলি-trifling এবং নিরপেক্ষ- neutral।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাংলা পরিভাষা হলো: বাতিল

‘Null and Void’ একটি আইনি পরিভাষা, যার অর্থ হলো— কোনো চুক্তি বা সিদ্ধান্ত যা আইনের চোখে অকার্যকর বা যার কোনো বৈধতা নেই।

এখানে ‘Null’ অর্থ অকার্যকর বা অসিদ্ধ, এবং ‘Void’ অর্থ বাতিল বা শূন্য। এই দুটি শব্দ একত্রে ব্যবহৃত হয়ে আইনি বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে।

অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: ‘পালাবদল’ (Change/Shift), ‘মামুলি’ (Trivial), এবং ‘নিরপেক্ষ’ (Neutral) শব্দগুলো অর্থের দিক দিয়ে Null and Void-এর সাথে একেবারেই সম্পর্কিত নয়।
10

‘হেড মৌলভী’ কোন কোন ভাষায় শব্দ যোগে গঠিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইংরেজি + ফার্সি
  2. ইংরেজি + আরবি
  3. তুর্কি + আরবি
  4. ইংরেজি + পর্তুগিজ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে সব শব্দ দেশি ও বিদেশি ভাষার সংমিশ্রণে কিংবা দুটি ভাষার দুটি শব্দের মিলনে গঠিত হয়, তাকে মিশ্র শব্দ বলে। যেমন : ‘হেড মৌলভী’ (ইংরেজি + ফারসি) দুটি শব্দের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে। এরকম আরও কিছু শব্দ হলো : হাটবাজার (বাংলা + ফারসি); চৌহদ্দি (ফারসি + আরবি); রাজা-বাদশা (তৎসম + ফারসি) ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইংরেজি + ফার্সি
‘হেড মৌলভী’ একটি মিশ্র শব্দ (সংকর শব্দ)। যখন দুটি ভিন্ন ভাষার শব্দ একত্রিত হয়ে নতুন একটি শব্দ তৈরি করে, তখন তাকে মিশ্র শব্দ বলে।
শব্দটির বিশ্লেষণ নিম্নরূপ:
১. হেড (Head): এটি একটি ইংরেজি (English) ভাষার শব্দ, যার অর্থ প্রধান।
২. মৌলভী (Moulavi): এই শব্দটি বাংলা ভাষায় এসেছে ফার্সি (Farsi) ভাষা থেকে। এটি আরবি ভাষার মূল থেকে এলেও বাংলা ব্যাকরণে মিশ্র শব্দ গঠনের ক্ষেত্রে এটিকে ফার্সি শব্দ হিসেবেই গ্রহণ করা হয়।
সুতরাং, সঠিক মিলনটি হলো: ইংরেজি + ফার্সি
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
11

‘রবীন্দ্র’-এর সঠিক সন্ধি বিচ্ছেদ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রবী + ইন্দ্র
  2. রবী + ঈন্দ্র
  3. রবি + ইন্দ্র
  4. রবি + ঈন্দ্র

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ই-কার কিংবা ঈ-কারের পর ‘ই’-কার কিংবা ‘ঈ’-কার থাকলে উভয়ে মিলে দীর্ঘ ‘ঈ’-কার হয়। দীর্ঘ ‘ঈ’-কার পূর্ববর্তী ব্যঞ্জনের সাথে যুক্ত হয়। যেমন : রবি + ইন্দ্র = রবীন্দ্র, অতি + ইত = অতীত, পরি + ঈক্ষা = পরীক্ষা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রবি + ইন্দ্র। (অপশন ৩)
‘রবীন্দ্র’ শব্দটি হলো স্বরসন্ধির একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকার দীর্ঘ সন্ধির উদাহরণ।
দীর্ঘ সন্ধির নিয়ম: হ্রস্ব স্বর (ই) এর সাথে হ্রস্ব স্বর (ই) যুক্ত হলে দীর্ঘ স্বর (ঈ) হয়।
অর্থাৎ: রবি (ই) + ইন্দ্র (ই) = রবীন্দ্র (ঈ)
এখানে, রবি অর্থ সূর্য এবং ইন্দ্র অর্থ শ্রেষ্ঠ বা প্রধান। এই দুটি শব্দ যুক্ত হয়ে 'রবীন্দ্র' (শ্রেষ্ঠ সূর্য বা রবি ঠাকুর অর্থে ব্যবহৃত) শব্দটি গঠিত হয়েছে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ 'রবী' (দীর্ঘ ঈ-কার) এবং 'ঈন্দ্র' (দীর্ঘ ঈ-কার) শব্দ দুটি বাংলা ব্যাকরণে সাধারণত ব্যর্থ (incorrect) হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
12

‘এ যে আমাদের চেনা লোক’– বাক্যে ‘চেনা’ কোন পদ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশেষ্য
  2. অব্যয়
  3. ক্রিয়া
  4. বিশেষণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে পদ দ্বারা বিশেষ্য, সর্বনাম ও ক্রিয়াপদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে তাকে বিশেষণ পদ বলে। এ বাক্যে ‘চেনা’ শব্দটি দ্বারা লোকটির পরিচিতি বা অবস্থা প্রকাশ করছে, তাই এটি বিশেষণ পদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বিশেষণ
ব্যাখ্যা: যে পদ বিশেষ্য বা সর্বনাম পদের দোষ, গুণ, অবস্থা, সংখ্যা, পরিমাণ ইত্যাদি প্রকাশ করে, তাকে বিশেষণ পদ বলে।
প্রদত্ত বাক্যে, ‘এ যে আমাদের চেনা লোক’— এখানে ‘চেনা’ শব্দটি ‘লোক’ (যা একটি বিশেষ্য পদ) পদটিকে বিশেষায়িত (qualifies) করছে। কেমন লোক? – উত্তর: চেনা লোক।
সুতরাং, ‘চেনা’ শব্দটি এখানে লোকটির একটি অবস্থা বা গুণ বোঝাচ্ছে, তাই এটি বিশেষণ পদ
এটি বিশেষত ক্রিয়াজাত বিশেষণ (Verbal Adjective)। কারণ এটি একটি ক্রিয়ামূল (চেন্) থেকে গঠিত হয়েছে, কিন্তু বাক্যে বিশেষ্যের গুণ বর্ণনা করছে।
13

‘প্রকর্ষ’ শব্দের সমার্থক শব্দ–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উৎকর্ষতা
  2. অপকর্ষ
  3. উৎকর্ষ
  4. অপকর্ষতা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘প্রকর্ষ’ বিশেষ্যবাচক শব্দটির সমার্থক শব্দ : উৎকর্ষ, শ্রেষ্ঠত্ব, উন্নতি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উৎকর্ষ
প্রকর্ষ শব্দের অর্থ হলো শ্রেষ্ঠত্ব, উন্নতি, চরম সীমা বা উৎকর্ষতা। এই অর্থে, ‘উৎকর্ষ’ হলো ‘প্রকর্ষ’ শব্দের সরাসরি এবং সর্বাধিক ব্যবহৃত সমার্থক শব্দ।
উৎকর্ষ (Option 3) শব্দের অর্থও হলো উন্নতি, শ্রেষ্ঠতা, অথবা চরম উৎকর্ষ। তাই ব্যাকরণগতভাবে এই দুটি শব্দ একে অপরের প্রতিশব্দ।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, অপকর্ষ হলো প্রকর্ষ বা উৎকর্ষের বিপরীতার্থক শব্দ, যার অর্থ অবনতি বা নিকৃষ্টতা।
উৎকর্ষতাঅপকর্ষতা ব্যাকরণে ভাববাচক বিশেষ্য হিসেবে ব্যবহৃত হয়, তবে সমার্থক শব্দ হিসেবে উৎকর্ষ অধিকতর শুদ্ধ।
14

কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ছায়ানট
  2. চক্রবাক
  3. রুদ্রমঙ্গল
  4. বালুচর

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো বালুচর। এটি কাজী নজরুল ইসলামের রচনা নয়।
বালুচর কাব্যগ্রন্থটি রচনা করেছেন পল্লীকবি জসীমউদ্‌দীন। এটি ১৯৩০ সালে প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো, যেমন—ছায়ানট (কাব্য/গান, ১৯২৫), চক্রবাক (কাব্য, ১৯২৯), এবং রুদ্রমঙ্গল (প্রবন্ধ, ১৯২৬), এগুলো সবই আমাদের জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের অন্যতম প্রধান সৃষ্টি।
15

‘সবুজপত্র’ প্রকাশিত হয় কোন সালে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1909
  2. 1910
  3. 1914
  4. 1921

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা গদ্যে চলিত রীতির প্রবর্তক প্রমথ চৌধুরী বাংলা গদ্যে চলিত রীতিকে প্রতিষ্ঠা করার জন্য ১৯১৪ সালে সম্পাদনা করেন বিখ্যাত পত্রিকা ‘সবুজপত্র’। তার সাহিত্যিক ছদ্মনাম বীরবল। বাংলা কাব্যসাহিত্যে তিনি ইতালীয় সনেটের প্রবর্তন করেন। তার রচিত বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ- তেল নুন লাকড়ি, বীরবলের হালখাতা ও রায়তের কথা; গল্পগ্রন্থ- চার ইয়ারী কথা ও আহুতি; কাব্যগ্রন্থ- সনেট পঞ্চাশৎ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯১৪ সাল। এটি ছিল বাংলা সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
‘সবুজপত্র’ পত্রিকাটি প্রথম প্রকাশিত হয় ১৯১৪ সালের এপ্রিল মাসে (বৈশাখ, ১৩২১ বঙ্গাব্দ)।
এই পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন প্রমথ চৌধুরী। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল বাংলা গদ্যে চলিত ভাষার প্রবর্তন করা এবং সাহিত্যকে নতুন গতি দেওয়া।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৯০৯, ১৯১০, ১৯২১) ভুল, কারণ এই পত্রিকাটির আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ১৯১৪ সালে।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
16

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নাটক–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সুবচন নির্বাসনে
  2. রক্তাক্ত প্রান্তর
  3. নূরলদীনের সারা জীবন
  4. পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়। এটি বিখ্যাত সাহিত্যিক সৈয়দ শামসুল হক রচিত একটি কালজয়ী কাব্যনাটক, যা ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও যুদ্ধোত্তর গ্রামের প্রেক্ষাপটকে ভিত্তি করে রচিত।
মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নাটক হিসেবে এটি বাংলা সাহিত্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি ১৯৭৬ সালে প্রথম প্রকাশিত হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন বিষয়বস্তুর উপর ভিত্তি করে রচিত:
রক্তাক্ত প্রান্তর: এটি মুনীর চৌধুরী রচিত। এর পটভূমি পানিপথের তৃতীয় যুদ্ধ (১৭৬১)। এটি একটি ঐতিহাসিক নাটক, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক নয়।
নূরলদীনের সারা জীবন: এটিও সৈয়দ শামসুল হক রচিত। তবে এর পটভূমি হলো ১৭৮২ সালের রংপুরের কৃষক বিদ্রোহ, মুক্তিযুদ্ধ নয়।
সুবচন নির্বাসনে: এটি আবদুল্লাহ আল মামুন রচিত একটি বিখ্যাত সামাজিক নাটক।
17

কোনটি জসীমউদ্দীনের নাটক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাখালী
  2. মাটির কান্না
  3. বেদের মেয়ে
  4. বোবা কাহিনী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: বেদের মেয়ে
বেদের মেয়ে (১৯৫১) হলো পল্লীকবি জসীমউদ্দীনের রচিত একমাত্র প্রকাশিত পূর্ণাঙ্গ নাটক। এটি একটি জনপ্রিয় লোকনাট্য হিসেবে পরিচিত।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে জসীমউদ্দীনের রচনা হলেও সেগুলোর সাহিত্যরূপ ভিন্ন:
রাখালী (১৯২৭) এবং মাটির কান্না হলো জসীমউদ্দীনের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থরাখালী তাঁর প্রকাশিত প্রথম কাব্যগ্রন্থ।
বোবা কাহিনী হলো জসীমউদ্দীনের লেখা একমাত্র উপন্যাস। পরীক্ষায় এই তিনটির মধ্যে পার্থক্য প্রায়ই জানতে চাওয়া হয়।
18

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে কোন ধর্মপ্রচারক-এর প্রভাব অপরিসীম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শ্রীকৃষ্ণ
  2. আদিনাথ
  3. শ্রীচৈতন্যদেব
  4. মনোহর দাশ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যে শ্রীচৈতন্যদেবের প্রভাব অপরিসীম। চৈতন্যদেব বাল্যকাল থেকেই কবিতা ও সংগীতপ্রিয় ছিলেন। এসব ভাবগত গানের দ্বারা তার মনে ভক্তি ভাবের উন্মেষ ঘটে। তিনি প্রচার করলেন ‘জীবে দয়া ঈশ্বরে ভক্তি বিশেষ করে নামধর্ম, নাম সংকীর্তন’। তার কল্যাণেই বাঙালির স্বজাত্যবোধ ও নিজস্ব সংস্কৃতি রক্ষিত হয়। চৈতন্যদেবের আবির্ভাব কেবল ধর্ম ও সামাজিক ক্ষেত্রে নয়, বাংলা সাহিত্যের অঙ্গনেও এক বৈপ্লবিক ঘটনা। চৈতন্যদেবের বৈষ্ণবতত্ত্বকে অবলম্বন করে বৈষ্ণব কবিরা রচনা করে পদাবলী গান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শ্রীচৈতন্যদেব
মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের গতিপথ নির্ধারণে যে আন্দোলনটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, তা হলো শ্রীচৈতন্যদেবের প্রবর্তিত বৈষ্ণব ধর্ম আন্দোলন (ভক্তি আন্দোলন)।
শ্রীচৈতন্যদেব (১৪৮৬–১৫৩৩ খ্রিস্টাব্দ)-এর আবির্ভাবের ফলে সাহিত্যে নতুন বিষয়বস্তু ও ধারার সৃষ্টি হয়, যার মধ্যে প্রধান হলো বৈষ্ণব পদাবলি, জীবনী সাহিত্য (চৈতন্যচরিত) এবং চৈতন্য-বিষয়ক অসংখ্য আখ্যান কাব্য।
বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসকে অনেকেই চৈতন্যপূর্ব যুগ এবং চৈতন্য-পরবর্তী যুগ—এই দুই ভাগে ভাগ করেন। তাই তাঁর প্রভাব অপরিসীম।
অন্যদিকে, শ্রীকৃষ্ণ আরাধ্য দেবতা হলেও তিনি ধর্মপ্রচারক ছিলেন না। আদিনাথ বা মনোহর দাশ মধ্যযুগের সাহিত্যের মূল ধারার নির্ধারক নন।
19

মুনীর চৌধুরীর অনূদিত নাটক কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবর
  2. চিঠি
  3. রক্তাক্ত প্রান্তর
  4. মুখরা রমণী বশীকরণ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুনীর চৌধুরীর অনুবাদ নাটকগুলো হলো- ‘মুখরা রমণী বশীকরণ’ (উইলিয়াম শেক্সপিয়রের The Taming of The Shrew), ‘কেউ কিছু বলতে পারে না’ (জর্জ বার্নার্ড শ-র ‘ইউ নেভার ক্যান টেল’), ‘রূপার কৌটা’ (জন গলসওয়ার্দির ‘দি সিলভার বকস’)। তাঁর মৌলিক নাটকগুলো হলো- রক্তাক্ত প্রান্তর, চিঠি, কবর, মানুষ, দণ্ডকারণ্য ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: মুখরা রমণী বশীকরণ
এটি বিখ্যাত নাট্যকার ড. মুনীর চৌধুরী কর্তৃক অনূদিত নাটক। তিনি এটি ১৯৫৮ সালে অনুবাদ করেন।
নাটকটির মূল রচয়িতা হলেন বিশ্ববিখ্যাত ইংরেজ কবি ও নাট্যকার উইলিয়াম শেক্সপিয়র এবং এর ইংরেজি নাম হলো "The Taming of the Shrew"
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ:
কবর: এটি মুনীর চৌধুরীর লেখা সর্বাধিক বিখ্যাত মৌলিক নাটক, যা ভাষা আন্দোলনের পটভূমিতে ১৯৫৩ সালে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে বসে লেখা।
রক্তাক্ত প্রান্তর: এটিও মুনীর চৌধুরীর রচিত একটি মৌলিক ঐতিহাসিক নাটক, যা পানিপথের দ্বিতীয় যুদ্ধের পটভূমিতে রচিত।
20

কোনটি উপন্যাস নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দিবারাত্রির কাব্য
  2. হাঁসুলী বাঁকের উপকথা
  3. কবিতার কথা
  4. পথের পাঁচালী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

কল্লোল যুগের অন্যতম প্রধান কবি ও সাহিত্যিক জীবনানন্দ দাশ রচিত ‘কবিতার কথা’ একটি প্রবন্ধ গ্রন্হ। এই গ্রন্থটি শুরু হয়েছে একটি বিখ্যাত উক্তি দিয়ে- “সকলেই কবি নয়। কেউ কেউ কবি।” ‘দিবারাত্রির কাব্য’, ‘হাঁসুলী বাঁকের উপকথা’ ও ‘পথের পাঁচালী’ যথাক্রমে বাংলা উপন্যাসের তিন বন্দ্যোপাধ্যায়-মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়, তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় রচিত উপন্যাস।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কবিতার কথা। এটি কোনো উপন্যাস নয়, বরং এটি কবি ও সাহিত্য সমালোচক সুধীন্দ্রনাথ দত্তের রচিত একটি বিখ্যাত প্রবন্ধ গ্রন্থ
এই গ্রন্থে তিনি আধুনিক বাংলা কবিতার তত্ত্ব ও বিশ্লেষণ আলোচনা করেছেন।
অন্যদিকে, প্রদত্ত অন্যান্য অপশনগুলো বাংলা সাহিত্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপন্যাস:
দিবারাত্রির কাব্য: এটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শক্তিশালী লেখক মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালজয়ী উপন্যাস।
হাঁসুলী বাঁকের উপকথা: এটি গ্রামীণ জীবনের পটভূমিকায় রচিত তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিখ্যাত আঞ্চলিক উপন্যাস।
পথের পাঁচালী: এটি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের রচিত একটি বিখ্যাত আঞ্চলিক ও আত্মজৈবনিক উপন্যাস।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
21

‘বিষাদ সিন্ধু’ একটি–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গবেষণা গ্রন্থ
  2. ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ
  3. ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
  4. আত্মজীবনী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলা সাহিত্যের প্রথম মুসলিম নাট্যকার ও ঔপন্যাসিক মীর মশাররফ হোসেন। তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস হলো ‘বিষাদ-সিন্ধু’ ও ‘উদাসীন পথিকের মনের কথা’। তাঁর রচিত নাটকের মধ্যে ‘বসন্তকুমারী’, ‘জমীদার দর্পণ’, ‘বেহুলা গীতাভিনয়’, ‘টালা অভিনয়’ উল্লেখযোগ্য। মশাররফ হোসেন রচিত ‘রত্নবতী’ মুসলিম রচিত প্রথম বাংলা গদ্যগ্রন্থ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস
‘বিষাদ সিন্ধু’ (Bishad Sindhu) গ্রন্থটি রচনা করেন মীর মশাররফ হোসেন। এটি বাংলা সাহিত্যের একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় এবং কালজয়ী সৃষ্টি।
যদিও এই উপন্যাসের মূল ভিত্তি হলো ৬১ হিজরিতে সংঘটিত ইসলাম ধর্মের ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা কারবালার যুদ্ধ এবং হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেনের শাহাদাত বরণ; কিন্তু এর কাহিনী বর্ণনা, চরিত্রায়ণ এবং কল্পনার ব্যবহার উপন্যাসের আঙ্গিকে হওয়ায় এটি মূলত ইতিহাস আশ্রয়ী উপন্যাস হিসেবে পরিচিত।
এটি কোনো গবেষণামূলক গ্রন্থ নয় এবং এর প্রকাশভঙ্গি প্রবন্ধের মতো নয়, তাই এটি গবেষণা গ্রন্থ বা ধর্মবিষয়ক প্রবন্ধ নয়।
22

মধ্যযুগের শেষ কবি ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর কত সালে মৃত্যুবরণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1756
  2. 1752
  3. 1760
  4. 1762

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন মধ্যযুগের বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ও মঙ্গল কাব্যধারার শেষ কবি। তিনি ১৭১২ খ্রিষ্টাব্দে পশ্চিমবঙ্গের হাওড়া জেলার পাণ্ডুয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাকে মধ্যযুগের শেষ বড় কবি এবং নাগরিক কবি হিসেবেও অভিহিত করা হয়। ভারতচন্দ্র নবদ্বীপের রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের সভাকবি ছিলেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্র তার কাব্যপ্রতিভায় মুগ্ধ হয়ে তাকে রায়গুণাকর উপাধি দেন। তার রচিত ‘অন্নদামঙ্গল’ কাব্যের একটি বিখ্যাত উক্তি ‘আমার সন্তান যেন থাকে দুধে ভাতে’। উক্তিটি করেছিল ঈশ্বরী পাটনী।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭৬০ সাল।
ভারতচন্দ্র রায়গুণাকর ছিলেন অষ্টাদশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কবি। তিনি ১৭৬০ সালে (বাংলা ১১৬৭ সন) মৃত্যুবরণ করেন।
তাঁকে সাধারণত মধ্যযুগের শেষ প্রধান কবি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তাঁর মৃত্যুর পরেই বাংলা সাহিত্যে আধুনিকতার সূত্রপাত ঘটে।
তাঁর প্রধান ও বিখ্যাত কাব্য হলো 'অন্নদামঙ্গল কাব্য', যা ১৭৫২ সালে (মতান্তরে ১৭৫৩) রচিত হয়। ১৭৫৬, ১৭৫২ ও ১৭৬২ সাল তাঁর মৃত্যু সাল নয়, তাই অপশনগুলো ভুল।
23

‘তোহফা’ কাব্যটি কে রচনা করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দৌলত কাজী
  2. মাগন ঠাকুর
  3. সাবিরিদ খান
  4. আলাওল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আরাকান বা রোসাঙ্গ রাজসভার অন্যতম প্রধান সভাকবি ছিলেন মহাকবি আলাওল। তিনি আনুমানিক ১৬০৭ সালে চট্টগ্রামের হাটহাজারি থানার জোবরা গ্রামে মতান্তরে ফরিদপুরের ফতেহাবাদÔ পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন। মাগন ঠাকুরের প্রেরণায় তিনি কাব্য রচনায় মনোনিবেশ করেন। তার রচিত কাব্যগ্রন্থগুলি হলো- ‘পদ্মাবতী’, ‘সয়ফুলমুলুক-বদিউজ্জামাল’, ‘সিকান্দরনামা’, ‘হপ্তপয়কর’, ‘তোহফা বা তত্ত্বোপদেশ’, ‘রাগতালনামা’ এবং দৌলত কাজীর অসমাপ্ত ‘সতীময়না-লোর-চন্দ্রানী’। ‘পদ্মাবতী’ তার প্রথম ও শ্রেষ্ঠ রচনা। এটি হিন্দি কবি মালিক মুহম্মদ জায়সীরের হিন্দিকাব্য ‘পদুমাবৎ’ অবলম্বনে রচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলাওল। কবি সৈয়দ আলাওল তাঁর বিখ্যাত নীতি-উপদেশমূলক কাব্য ‘তোহফা’ রচনা করেন।

আলাওল এটি ফারসি কবি ইউসুফ গদা-এর ‘তোহফা’ কাব্য অবলম্বনে রচনা করেন এবং এতে আরকানের জনৈক আমাত্য সলেমানের অনুরোধ ছিল।

মধ্যযুগের মুসলমান কবিদের মধ্যে আলাওলই ছিলেন সর্বশ্রেষ্ঠ এবং আরাকান রাজসভার অন্যতম প্রধান কবি।

অন্যান্য ভুল অপশন প্রসঙ্গে: দৌলত কাজী মধ্যযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবি হলেও তাঁর বিখ্যাত কাব্য ‘সতী ময়না ও লোর-চন্দ্রাণী’

আর মাগন ঠাকুর ছিলেন আলাওলের একজন প্রধান পৃষ্ঠপোষক (তাঁর অনুরোধেই আলাওল পদ্মাবতী রচনা শুরু করেন), তিনি নিজে কোনো বিখ্যাত কাব্য রচনা করেননি।
24

এন্টনি ফিরিঙ্গি কী জাতীয় সাহিত্যের রচয়িতা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. কবিগান
  2. পুঁথি সাহিত্য
  3. নাথ সাহিত্য
  4. বৈষ্ণব পদ সাহিত্য

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

আঠারো শতকের শেষার্ধে ও উনিশ শতকের প্রথমার্ধে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের মুখে কলকাতার হিন্দু সমাজে কবিওয়ালা এবং মুসলিম সমাজে শায়েরের উদ্ভব ঘটে। গোজলা গুঁই, হরু ঠাকুর, কেষ্টা মুচি, ভবানী বেনে, নিতাই বৈরাগী, ভোলা ময়রা, এন্টনি ফিরিঙ্গি, রামপ্রসাদ রায় ছিলেন বিখ্যাত কবিওয়ালা। গোজলা গুঁই ছিলেন কবিগানের আদিকবি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কবিগান
এন্টনি ফিরিঙ্গি (মূল নাম: Anthony Hensman) ছিলেন একজন পর্তুগিজ বংশোদ্ভূত বাঙালি কবিওয়ালা। তিনি ১৮ শতকের শেষ ভাগ এবং ১৯ শতকের গোড়ার দিকে (আধুনিক যুগের সূচনালগ্নে) কলকাতায় কবিগান বা কবিগানের লড়াইয়ের জন্য বিশেষ পরিচিত ছিলেন।
কবিগান হলো এমন এক ধরণের লোকসাহিত্যিক গান, যেখানে দু'জন কবি বা কবিয়াল তাৎক্ষণিক ছড়া বা গান রচনা করে একে অপরের সাথে প্রতিযোগিতায় (যাকে বলা হয় কবির লড়াই) অবতীর্ণ হন। এন্টনি ফিরিঙ্গি এই ধারার একজন সফল শিল্পী ছিলেন।
অন্যান্য অপশন যেমন— পুঁথি সাহিত্য (আখ্যানমূলক), নাথ সাহিত্য (ধর্মকেন্দ্রিক) বা বৈষ্ণব পদ সাহিত্য (রাধাকৃষ্ণ বিষয়ক পদাবলি)— সম্পূর্ণ ভিন্ন সাহিত্যিক ধারা।
25

‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ গ্রন্থটির প্রণেতা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. উইলিয়াম কেরি
  2. গোলকনাথ শর্মা
  3. রামরাম বসু
  4. হরপ্রসাদ রায়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রামরাম বসু
রামরাম বসু (১৭৫৭-১৮১৩) ছিলেন ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী পণ্ডিত এবং কলেজের অন্যতম প্রধান লেখক। তিনি উইলিয়াম কেরি-এর অধীনে কাজ করতেন।
তাঁর রচিত ‘রাজা প্রতাপাদিত্য চরিত্র’ গ্রন্থটি ১৮০১ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বাংলা গদ্যে মুদ্রিত প্রথম মৌলিক গ্রন্থ হিসেবে পরিচিত। এটি একটি ঐতিহাসিক চরিত্রভিত্তিক আখ্যানধর্মী রচনা।
অন্যান্য অপশনগুলো ফোর্ট উইলিয়াম কলেজের সাথে যুক্ত হলেও তারা এই গ্রন্থের রচয়িতা নন। যেমন, উইলিয়াম কেরি কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পণ্ডিত এবং বাংলা গদ্য বিকাশের অন্যতম পথিকৃৎ, তাঁর বিখ্যাত গ্রন্থ হলো ‘কথোপকথন’ (১৮০১)।
ভর্তি পরীক্ষার্থীদের জন্য

বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রস্তুতিও নিন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও মেডিকেলসহ ২৭+ ইউনিট-ভিত্তিক ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নব্যাংক ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর এডমিশন সেকশনে।

ভর্তি প্রশ্নব্যাংক দেখুন
26

‘ইয়ং বেঙ্গল’ গোষ্ঠীর মুখপত্ররূপে কোন পত্রিকা প্রকাশিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জ্ঞানাঙ্কুর
  2. বঙ্গদূত
  3. জ্ঞানান্বেষণ
  4. সংবাদ প্রভাকর

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘ইয়ংবেঙ্গল’ ডিরোজিও প্রভাবিত এক তরুণ মুক্তচিন্তক ছাত্রগোষ্ঠী। এরা সবাই ছিলো ইংরেজি ভাবধারাপুষ্ট বাঙালি যুবক। এঁদের মধ্যে প্রধান কৃষ্ণমোহন বন্দ্যোপাধ্যায়, রসিককৃষ্ণ মল্লিক, রামগোপাল ঘোষ, রামতনু লাহিড়ী, দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়, প্যারীচাঁদ মিত্র ও তারাচাঁদ চক্রবর্তী। ১৮ জুন ১৮৩১ সালে দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়ের সম্পাদনায় ‘ইয়ংবেঙ্গল’ গোষ্ঠীর মুখপত্ররূপে ‘সাপ্তাহিক জ্ঞানান্বেষণ’ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। দক্ষিণারঞ্জনের পরে সম্পাদক হন রসিককৃষ্ণ মল্লিক ও মাধবচন্দ্র মল্লিক। তাঁরা ১৮৩৩ সালের জানুয়ারি মাসে পত্রিকাটিকে ইংরেজি-বাংলায় প্রকাশ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জ্ঞানান্বেষণ
‘ইয়ং বেঙ্গল’ গোষ্ঠী ছিল হিন্দু কলেজের তরুণ ছাত্রদের একটি র‍্যাডিক্যাল দল, যারা হেনরি লুই ভিভিয়ান ডিরোজিওর প্রভাবে যুক্তিবাদ ও মুক্তচিন্তার চর্চা করত।
১৮৩১ সালে ইয়ং বেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্ররূপে জ্ঞানান্বেষণ পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়। এটি ছিল বাংলা ও ইংরেজি—উভয় ভাষায় প্রকাশিত একটি সাপ্তাহিক পত্রিকা।
এই পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন ইয়ং বেঙ্গল দলের অন্যতম সদস্য দক্ষিণারঞ্জন মুখোপাধ্যায়
অন্যান্য অপশনসমূহ: সংবাদ প্রভাকর এর সম্পাদক ছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত এবং বঙ্গদূত ছিল নীলমণি হালদারের সম্পাদনায় প্রকাশিত। এগুলি ইয়ং বেঙ্গলের সরাসরি মুখপত্র ছিল না।
27

হরিনাথ মজুমদার সম্পাদিত পত্রিকার নাম–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অবকাশ রঞ্জিকা
  2. বিবিধার্য সংগ্রহ
  3. কাব্য প্রকাশ
  4. গ্রামবার্তা প্রকাশিকা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মাসিক ‘গ্রামবার্তা প্রকাশিকা’ বাংলার মফস্বল থেকে প্রকাশিত প্রথম সংবাদপত্র। ১৮৬৩ সালের এপ্রিল মাসে কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালি থেকে হরিনাথ মজুমদারের (কাঙাল হরিনাথ) সম্পাদনায় তার নিজস্ব ছাপাখানা থেকে মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশিত হয়। পরবর্তীতে এটি পাক্ষিক ও সাপ্তাহিকে পরিণত হয়। নীলকরদের অত্যাচার ও শোষণের বিরুদ্ধে পত্রিকাটি প্রতিবাদী ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: গ্রামবার্তা প্রকাশিকা
এই পত্রিকাটি হরিনাথ মজুমদার (যিনি কাঙাল হরিনাথ নামে পরিচিত) কর্তৃক ১৮৬৩ সালে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়।
এই পত্রিকা প্রকাশের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল গ্রামের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে কৃষক ও প্রজাদের উপর জমিদার ও নীলকরদের অত্যাচারের কাহিনি তুলে ধরা এবং তাদের কণ্ঠস্বর হওয়া।
পত্রিকাটি মদনমোহন তর্কালঙ্কারের প্রেস থেকে ছাপা হতো এবং এটি প্রথমে মাসিক, পরে সাপ্তাহিক হিসেবে প্রকাশিত হয়।
28

নিচের কোনটি ভ্রমণসাহিত্য বিষয়ক গ্রন্থ নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চার ইয়ারী কথা
  2. পালামৌ
  3. দৃষ্টিপাত
  4. দেশে বিদেশে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চার ইয়ারী কথা
কারণ, চার ইয়ারী কথা গ্রন্থটি বাংলা সাহিত্যের অন্যতম গদ্যশিল্পী প্রমথ চৌধুরী কর্তৃক রচিত। এটি মূলত রম্য রচনা বা ব্যক্তিগত প্রবন্ধের সংকলন, যেখানে চার বন্ধুর আলাপচারিতা ও জীবনের নানা দিক ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এটি সরাসরি ভ্রমণসাহিত্য নয়।
অন্যদিকে, বাকি তিনটি গ্রন্থই ভ্রমণসাহিত্য (Travelogue) বা ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নির্ভর রচনা।
পালামৌ: এটি সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত একটি বিখ্যাত ভ্রমণসাহিত্য
দেশে বিদেশে: এটি বিশ্বখ্যাত লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী রচিত একটি ক্লাসিক ভ্রমণসাহিত্য, যেখানে তিনি আফগানিস্তান ভ্রমণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেছেন।
দৃষ্টিপাত: এটি যাযাবর (ছদ্মনাম, আসল নাম: বিনয় মুখোপাধ্যায়) রচিত। এটি মূলত প্রবন্ধ সংকলন হলেও এর মূল উপজীব্য হলো দেশ-বিদেশের অভিজ্ঞতা ও পর্যবেক্ষণ, তাই অনেক ক্ষেত্রে এটিকে ভ্রমণসাহিত্যের সাথে সংশ্লিষ্ট হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
29

নিচের যে উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র প্রাধান্য লাভ করেনি-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. গণদেবতা
  2. পদ্মানদীর মাঝি
  3. সীতারাম
  4. পথের পাঁচালী

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘সীতারাম’ বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় রচিত সর্বশেষ উপন্যাস। সীতারাম একটি ঐতিহাসিক চরিত্র। উপন্যাসে ঐতিহাসিক কিছু ঘটনাও আছে। ক্ষুদ্র সামন্ত রাজ্যের উত্থানপতনের ইতিহাস, পারিবারিক জীবনের সমস্যা এবং বিপর্যস্ত ব্যক্তি চরিত্রের সমাবেশ ঘটেছে এ উপন্যাসে। তার আনন্দমঠ, দেবী চৌধুরাণী ও সীতারামকে ত্রয়ী উপন্যাস বলা হয়। তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘গণদেবতা’, মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পদ্মানদীর মাঝি’ এবং বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পথের পাঁচালী’ উপন্যাসে গ্রামীণ সমাজ জীবনের চিত্র অঙ্কিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সীতারাম
এই উপন্যাসটি রচনা করেছেন বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
সীতারাম একটি ঐতিহাসিক পটভূমির উপন্যাস, যেখানে মুঘল আমলের শেষদিকে একজন স্থানীয় জমিদারের উত্থান-পতন, ক্ষমতা এবং ধর্মীয় সংঘাতের চিত্র প্রধান। এর মুখ্য ফোকাস গ্রামীণ সমাজ জীবনের দৈনন্দিন চিত্রায়ণ নয়, বরং রাজকীয় বা রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট
অন্যদিকে, অন্যান্য উপন্যাসগুলো গ্রামীণ সমাজ জীবনকেই প্রধান উপজীব্য হিসেবে গ্রহণ করেছে:
গণদেবতা (তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়): এটি রাঢ় বাংলার গ্রামীণ সমাজের ক্ষয় ও পরিবর্তনের দলিল।
পদ্মানদীর মাঝি (মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়): এখানে কেতুপুর গ্রামের জেলেদের (মাঝি) কঠোর জীবন, দারিদ্র্য এবং নদীর সাথে তাদের সম্পর্কের চিত্র প্রাধান্য পেয়েছে।
পথের পাঁচালী (বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়): এটি নিশ্চিন্দিপুর গ্রামের দরিদ্র ব্রাহ্মণ পরিবার এবং বাংলার চিরন্তন গ্রামীণ জীবনধারার ছবি। এগুলি সবই পল্লী বা গ্রামীণ জীবনের প্রতিচ্ছবি।
30

নিচের কোন চরিত্র দুটি রবীন্দ্রনাথের ‘ঘরে বাইরে’ উপন্যাসের?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিহারী-বিনোদিনী
  2. নিখিলেস-বিমলা
  3. মধুসূদন-কুমুদিনী
  4. অমিত-লাবণ্য

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিখিলেস-বিমলা। এই চরিত্র দুটি বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম আলোচিত উপন্যাস ‘ঘরে বাইরে’র প্রধান চরিত্র।
নিখিলেস ছিলেন উদার ও ঐতিহ্যবাদী জমিদার, আর তার স্ত্রী বিমলা তার মধ্যে স্বদেশী ভাবনার উন্মাদনা দেখেন। এই উপন্যাসের অন্য প্রধান চরিত্রটি হলো চরমপন্থী স্বদেশী নেতা সন্দীপ
উপন্যাসটি মূলত এই তিন চরিত্রের মাধ্যমে তৎকালীন স্বদেশী আন্দোলনের সময়কার রাজনৈতিক সংঘাত এবং ত্রিভুজ প্রেমের মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন তুলে ধরে।
অন্যান্য চরিত্রগুলো ভিন্ন উপন্যাসের:
বিহারী-বিনোদিনী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ‘চোখের বালি’
মধুসূদন-কুমুদিনী: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উপন্যাস ‘যোগাযোগ’
অমিত-লাবণ্য: রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিখ্যাত রোমান্টিক উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
31

কোনটি কাজী নজরুল ইসলামের উপন্যাস?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রিক্তের বেদন
  2. সর্বহারা
  3. আলেয়া
  4. কুহেলিকা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কাজী নজরুল ইসলামের ‘কুহেলিকা’ উপন্যাসটি ১৯৩১ সালে গ্রন্থাকারে প্রকাশিত হয়। এ উপন্যাসে রাজনৈতিক প্রসঙ্গ এসেছে অত্যন্ত বড় ক্যানভাসে। উপন্যাসের নায়ক জাহাঙ্গীর বিপ্লবী স্বদেশি দলের সাথে যুক্ত। নারী চরিত্রগুলোর মধ্যে তাহমিনা, চম্পা, ফিরদৌস বেগম উল্লেখযোগ্য। নারী সম্পর্কে এই উপন্যাসের একটি বিখ্যাত উক্তি- “ইহারা মায়াবিনীর জাত। ইহারা সকল কল্যাণের পথে মায়াজাল পাতিয়া রাখিয়াছে।” ‘বাঁধন-হারা’ ও ‘মৃত্যুক্ষুধা’ তার রচিত অন্য দুটি উপন্যাস। ‘বাঁধন-হারা’ বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রোপন্যাস। ‘রিক্তের বেদন’ কাজী নজরুল ইসলাম রচিত গল্পগ্রন্হ, ‘আলেয়া’ নাটক এবং ‘সর্বহারা’ কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কুহেলিকা। এটি কাজী নজরুল ইসলামের একটি পূর্ণাঙ্গ উপন্যাস, যা ১৯৩১ সালে প্রকাশিত হয়।
কাজী নজরুল ইসলামের লেখা মোট উপন্যাস সংখ্যা হলো ৩টি। এই ৩টি উপন্যাস মনে রাখা অত্যন্ত জরুরি: বাঁধন-হারা (১৯২৭), মৃত্যুক্ষুধা (১৯৩০), এবং কুহেলিকা (১৯৩১)।
বাকি অপশনগুলো ভুল কারণ:
১. রিক্তের বেদন: এটি নজরুলের একটি গল্পগ্রন্থ (১৯২৫)।
২. সর্বহারা: এটি নজরুলের একটি বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ (১৯২৬)।
৩. আলেয়া: এটি নজরুলের একটি নাটক (১৯৩২)।
32

কোনটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের পত্রকাব্য?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ব্রজাঙ্গনা
  2. বিলাতের পত্র
  3. বীরাঙ্গনা
  4. হিমালয়

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত ‘বীরাঙ্গনা’ কাব্যটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম পত্রকাব্য। ১৮৬২ সালে প্রকাশিত এই কাব্যটি রোমান কবি পাবলিয়াস ওভেদিয়াস নাসো সংক্ষেপে ওভিদের ‘Heroides’ কাব্যের অনুসরণে রচিত। এ কাব্যে মোট এগারোটি পত্র আছে। পৌরাণিক নারীরা মধুসূদনের হাতে আধুনিক মানুষ হিসেবে পুনর্জাগরিত হয়ে এ কাব্যে নিজেদের প্রণয়-কামনা ব্যক্ত করেছে। মধুসূদন দত্ত রচিত রাধা-কৃষ্ণ বিষয়ক গীতিকাব্য ‘ব্রজাঙ্গনা’। ‘হিমালয়’ ও ‘বিলাতের পত্র’ যথাক্রমে জলধর সেন ও গিরিশচন্দ্র বসু রচিত ভ্রমণকাহিনি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: বীরাঙ্গনা। এটি মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক পত্রকাব্য (Epistolary Poem)।
পত্রকাব্য হলো এমন কাব্য, যা চিঠির আকারে লেখা হয়। বীরাঙ্গনা কাব্যটি ১৮৬২ সালে প্রকাশিত হয়। এতে মোট ১১ জন পৌরাণিক নারী (যেমন: শকুন্তলা, জনা, তারা, দ্রৌপদী প্রমুখ) তাদের পুরুষদের উদ্দেশ্যে পত্র লিখেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ:
ব্রজাঙ্গনা: এটি একটি গীতিকাব্য বা খণ্ডকাব্য, যা রাধা-কৃষ্ণের প্রেমলীলা নিয়ে রচিত।
বিলাতের পত্র: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের রচনা নয়। এটি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের লেখা।
হিমালয়: এটি মাইকেল মধুসূদন দত্তের কোনো উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থ নয়।
33

‘একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা’– রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার চরণ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সোনার তরী
  2. চিত্রা
  3. মানসী
  4. বলাকা

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা’ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘সোনার তরী’ কাব্যগ্রন্হের নামকবিতা ‘সোনার তরী’ কবিতার চরণ। সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে বসে রচনা করেন। এই সোনার তরী কাব্যগ্রন্থটিরই একটি বিখ্যাত কবিতা ‘বর্ষাযাপন’ এর বিখ্যাত চরণ- “ছোট প্রাণ ছোট ব্যথা, ছোট ছোট দুঃখকথা……অন্তরে অতৃপ্তি রবে, সাঙ্গ করি মনে হবে, শেষ হয়েও হইলো না শেষ”। মানসী, চিত্রা ও বলাকা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত কাব্যগ্রন্হ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো 'সোনার তরী'। এটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ কবিতা, যা তাঁর 'সোনার তরী' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত।
প্রদত্ত চরণটি (একখানি ছোট ক্ষেত আমি একেলা) কবিতাটির সেই অংশের প্রতিনিধিত্ব করে, যেখানে কবি নিজের নশ্বর জীবন এবং নিঃসঙ্গতার চিত্র তুলে ধরেছেন।
কবিতাটির মূল ভাব হলো– সৃষ্টিকর্ম (ফসল) অমর, কিন্তু সৃষ্টিকর্তা (কবি) মরণশীল। সোনার তরী (কাল/সময়) কবির সৃষ্টিকর্ম গ্রহণ করে চলে যায়, কিন্তু কবিকে স্থান দেয় না।
বাকি অপশনগুলো যেমন— চিত্রা, মানসী, ও বলাকা— এগুলোও রবীন্দ্রনাথের গুরুত্বপূর্ণ কাব্যগ্রন্থ; কিন্তু এই বিখ্যাত চরণটি শুধুমাত্র 'সোনার তরী' কবিতারই অংশ।
34

‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’–কবিতাটি কার লেখা?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শামসুর রাহমান
  2. আল মাহমুদ
  3. আবুল ফজল
  4. আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’ এর নাম কবিতা ‘আমি কিংবদন্তির কথা বলছি’। কাব্যগ্রন্থটি ১৯৮১ সালে প্রকাশিত হয়। তার আরো একটি বিখ্যাত কবিতা হলো- কোনো এক মাকে (কুমড়ো ফুলে ফুলে নুয়ে পড়েছে লতাটা)। আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ রচিত অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো- সাতনরী হার, কখনও রং কখনও সুর, কমলের চোখ, বৃষ্টি ও সাহসী পুরুষের জন্য প্রার্থনা ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
‘আমি কিংবদন্তীর কথা বলছি’ কবিতাটি আবু জাফর ওবায়দুল্লাহর অন্যতম শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি। এটি তাঁর একই নামের কাব্যগ্রন্থের প্রধান কবিতা।
কবিতাটি মূলত বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, ভাষা আন্দোলন এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধারণ করে রচিত হয়েছে। এটি অত্যন্ত প্রতীকী ও বক্তব্যধর্মী একটি কবিতা, যেখানে ‘আমি’ বা কবির মাধ্যমে সামগ্রিক জাতিসত্তার জাগরণকে তুলে ধরা হয়েছে।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল, কারণ:
শামসুর রাহমান: তিনি নাগরিক কবি হিসেবে পরিচিত। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'বন্দী শিবির থেকে', 'নিরালোকে দিব্যরথ'।
আল মাহমুদ: তিনি লোকজ ও গ্রামীণ আবহের কবি। তাঁর বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ হলো 'লোক লোকান্তর', 'কালের কলস'।
আবুল ফজল: তিনি প্রধানত প্রাবন্ধিক ও সাহিত্যিক (গদ্য লেখক)।
সুতরাং, কবিতাটির সঠিক রচয়িতা হলেন আবু জাফর ওবায়দুল্লাহ
35

কোনটি শওকত ওসমানের রচনা নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. চৌরসন্ধি
  2. ক্রীতদাসের হাসি
  3. ভেজাল
  4. বনি আদম

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শওকত ওসমান রচিত উপন্যাসগুলি হলো- জননী (প্রথম উপন্যাস), চৌরসন্ধি, ক্রীতদাসের হাসি, বনি আদম, সমাগম, রাজা উপাখ্যান, পতঙ্গ পিঞ্জর, আর্তনাদ, রাজসাক্ষী। জাহান্নম হইতে বিদায়, দুই সৈনিক, নেকড়ে অরণ্য ও জলাঙ্গী তার মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস। পিঁজরাপোল, জুনু আপা ও অন্যান্য গল্প, জন্ম যদি তব বঙ্গে, ঈশ্বরের প্রতিদ্বন্দ্বী তার রচিত গল্পগ্রন্থ। আমলার মামলা, পূর্ণ স্বাধীনতা চূর্ণ স্বাধীনতা, তস্কর ও লস্কর, কাঁকরমণি, বাগদাদের কবি তার বিখ্যাত নাটক। মন্তব্য মৃগয়া, সংস্কৃতির চড়াই উৎরাই, মুসলিম মানসের রূপান্তর তার প্রবন্ধগ্রন্থ। ‘ভেজাল’ কিশোর কবি সুকান্ত ভট্টাচার্য রচিত বিখ্যাত কবিতা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ভেজাল
ভেজাল উপন্যাসটি বাংলা সাহিত্যের খ্যাতিমান লেখক সৈয়দ মুজতবা আলী’র একটি অনবদ্য সৃষ্টি। এটি শওকত ওসমানের রচনা নয়।
অন্যদিকে, চৌরসন্ধি, ক্রীতদাসের হাসি, এবং বনি আদম— এই তিনটি বিখ্যাত রচনা প্রখ্যাত সাহিত্যিক শওকত ওসমান (আসল নাম: শেখ আজিজুর রহমান) কর্তৃক রচিত।
বিশেষত, ক্রীতদাসের হাসি উপন্যাসটির জন্য শওকত ওসমান বাংলা সাহিত্যে চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
36

Professor Razzak was a scholar ____ refute. (Fill in the gap)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in
  2. of
  3. after
  4. by

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Refute (v) – মতামত বা বিবৃতি খণ্ডন করা। শব্দটি verb বলে এবং এর পূর্বে preposition বসে তা বাক্যটিকে অর্থবোধক করছে না। তবে শব্দটি যদি refute না হয়ে repute হতো, তাহলে শূন্যস্থানে ‘of’ ব্যবহার করলে বাক্যটি অর্থপূর্ণ হয়। সেক্ষেত্রে বাক্যটির অর্থ হয় - অধ্যাপক রাজ্জাক ছিলেন একজন খ্যাতিসম্পন্ন পণ্ডিত বা বিদ্বান লোক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: after। (তবে এই প্রশ্নে ব্যবহৃত Prepositional Phrase-টি নিয়ে প্রচলিত ব্যাকরণগত দ্বিধা রয়েছে।)
এই ধরনের বাক্যে সাধারণত 'Professor Razzak was a scholar ____ refute.' এর মাধ্যমে বোঝানো হয়, অধ্যাপক রাজ্জাক এমন একজন বিদ্বান ছিলেন, যার পাণ্ডিত্য বিতর্ক বা চ্যালেঞ্জের ঊর্ধ্বে (Unquestionable)।
ব্যাকরণের প্রমিত ব্যবহার অনুযায়ী, 'বিতর্কের ঊর্ধ্বে' বোঝাতে সঠিক Fixed Prepositional Phrase হলো 'beyond refute' বা 'past refute'
উদাহরণস্বরূপ: The evidence was beyond refute. (প্রমাণটি ছিল তর্কাতীত।)
যেহেতু প্রশ্নে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'beyond' বা 'past' নেই, এবং প্রচলিত BCS/Job পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্নে প্রায়শই টাইপিং ত্রুটি পরিলক্ষিত হয়, তাই ধরে নেওয়া যায় যে, পরীক্ষক এখানে 'beyond' শব্দটিকেই বোঝাতে চেয়েছিলেন। তবে প্রদত্ত বিকল্পগুলোর মধ্যে 'in', 'of', 'by' সম্পূর্ণভাবে ভুল।
যদি প্রশ্নটিতে অপশন হিসেবে 'beyond' থাকতো, তবে সেটিই হতো শতভাগ সঠিক উত্তর। এই প্রশ্নের উত্তর হিসেবে 'after' চিহ্নিত করা হয়েছে, যা প্রমিত ইংরেজি ব্যাকরণে অপ্রচলিত বা ভুল। একজন পরীক্ষার্থী হিসেবে আপনার অবশ্যই 'beyond refute' ফ্রেজটি মনে রাখতে হবে, যা অসংখ্যবার পরীক্ষায় এসেছে।
37

John Smith is good ____ Mathematics. (Fill in the gap)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. at
  2. in
  3. of
  4. after

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Good at-দক্ষ। কেউ কোনো কিছুতে বা কোনো বিষয়ে দক্ষ বুঝাতে Good এর পর ‘at’ Preposition ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (a) at
যখন কোনো ব্যক্তি কোনো কাজ, বিষয় বা শিক্ষাক্ষেত্রে দক্ষ বা পারদর্শী বোঝানো হয়, তখন good বা bad অ্যাডজেক্টিভটির পরে সবসময় appropriate preposition 'at' ব্যবহার করা হয়।
সুতরাং, 'গণিতে দক্ষ' বোঝানোর জন্য সঠিক বাক্যটি হলো: John Smith is good at Mathematics.
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল: in (সাধারণত স্থান বা অবস্থা বোঝায়, দক্ষতা নয়), of (সম্পর্ক বা মালিকানা বোঝায়), এবং after (পরে বা অনুসরণ করা বোঝায়), যা এই বাক্যের অর্থের সাথে সম্পূর্ণ বেমানান।
38

Teacher said, ‘The earth ____ round the sun.’

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. moves
  2. moved
  3. has moved
  4. will be moving

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Universal truth বা চিরন্তন সত্য সর্বদা Present Indefinite Tense দ্বারা প্রকাশ করা হয়। এক্ষেত্রে Subject যখন third person singular number হয়, তখন verb এর শেষে s বা es যুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: moves (Option 0)।
এই বাক্যটি মূলত Sequence of Tenses এবং Narration (উক্তি পরিবর্তন)-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম অনুসরণ করে।
যদিও বাক্যের Reporting Verb (Teacher said) Past Tense-এ আছে, কিন্তু উদ্ধৃত বক্তব্যটি ('The earth ____ round the sun') একটি চিরন্তন সত্য (Universal Truth) বা বৈজ্ঞানিক সত্য (Scientific Fact)
ব্যাকরণের নিয়ম অনুযায়ী, যখন Reported Speech কোনো চিরন্তন সত্য, অভ্যাসগত কর্ম (Habitual Fact) বা প্রবাদ (Proverb) প্রকাশ করে, তখন Reporting Verb Past Tense-এ থাকলেও Reported Speech-এর Tense-এর কোনো পরিবর্তন হয় না। এটি সবসময় Simple Present Tense-এ থাকে।
Simple Present Tense অনুযায়ী, The earth (Third Person Singular Number) এর পরে মূল Verb এর সাথে 's' যোগ হয়।
সুতরাং, সঠিক উত্তর হবে moves
39

In English grammar, ____ deals with formation of sentences.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Morphology
  2. Etymology
  3. Syntax
  4. Semantics

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Linguistics বা ভাষাবিজ্ঞানে Morphology শব্দের গঠন নিয়ে, Etymology-শব্দের উৎপত্তি ও ইতিহাস নিয়ে, Syntax- বাক্যের গঠন নিয়ে এবং Semantics- শব্দ ও বাক্যের অর্থ নিয়ে আলোচনা করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো Syntax (বাক্যতত্ত্ব)। ব্যাকরণের যে অংশে বাক্য গঠন প্রণালী, পদবিন্যাস (word order), এবং সঠিক বাক্য তৈরির নিয়মাবলী নিয়ে আলোচনা করা হয়, তাকেই Syntax বলা হয়।
Syntax-এর কাজ হলো শব্দগুলোকে সুনির্দিষ্ট নিয়মে সাজিয়ে একটি অর্থপূর্ণ বাক্য (Well-formed Sentence) তৈরি করা।
অন্যান্য অপশনগুলো ভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করে:
Morphology: এই শাখাটি শব্দের গঠন (Word Formation) এবং শব্দের ক্ষুদ্রতম অর্থপূর্ণ একক Morpheme (রূপমূল) নিয়ে কাজ করে।
Semantics: এটি শব্দ এবং বাক্যের অর্থ বা তাৎপর্য (Meaning) নিয়ে আলোচনা করে।
Etymology: এটি কোনো শব্দের উৎস, উৎপত্তি বা ঐতিহাসিক বিকাশ নিয়ে গবেষণা করে।
40

He insisted ____ there. (Fill in the gap)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. on my going
  2. is to go
  3. over going
  4. to go

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

insist এর পর preposition on বসে + sub এর possessive + verb এর ing যোগ করতে হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: on my going
এই বাক্যটি মূলত Appropriate Preposition এবং Gerund-এর সঠিক ব্যবহার সংক্রান্ত।
নিয়ম: ‘Insist’ শব্দটি যখন কোনো কিছু করার জন্য জোর দেওয়া অর্থে ব্যবহৃত হয়, তখন এরপরে অবশ্যই ‘on’ প্রিপজিশনটি বসে। অর্থাৎ, insist on.
‘on’ একটি প্রিপজিশন। প্রিপজিশনের পরে সাধারণত Gerund (V+ing) বসে। তাই, ‘going’ ব্যবহার করা আবশ্যক।
এছাড়াও, বাক্যে লক্ষ্য করুন—যিনি জোর দিচ্ছেন (He) এবং যিনি কাজটি করছেন (my/I) তারা ভিন্ন ব্যক্তি। যখন Gerund-এর কর্তা প্রধান বাক্যের কর্তা থেকে ভিন্ন হয়, তখন Gerund-এর পূর্বে Possessive Adjective (my, his, her, their, etc.) ব্যবহার করতে হয়।
গঠনটি হলো: Insist + on + Possessive Adjective + Gerund (V+ing)
অতএব, He insisted on my going there (সে আমার সেখানে যাওয়ার ব্যাপারে জোর দিয়েছিল)।
অন্যান্য অপশন ভুল, কারণ: ‘is to go’ বা ‘to go’ (Infinitive) এই গঠনের সাথে খাপ খায় না, এবং ‘over going’ ভুল প্রিপজিশন।
ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য

ক্লাস ৬-১২ একাডেমিক প্রস্তুতিও নিন

ক্লাস ৬-১২, এসএসসি ও এইচএসসির সব বিষয়ের বোর্ড প্রশ্ন, অধ্যায়ভিত্তিক প্র্যাকটিস, লাইভ পরীক্ষা ও মডেল টেস্ট — সবই এক জায়গায়, Somadhan-এর একাডেমিক সেকশনে।

একাডেমিক প্রস্তুতি দেখুন
41

The idiom ‘A stitch in time saves nine’–refers to the importance of–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Saving lives
  2. timely action
  3. saving time
  4. time tailoring

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

এটি একটি প্রবাদ বাক্য যার অর্থ “সময়ের এক ফোঁড়, অসময়ের দশ ফোঁড়”। এর দ্বারা সময়মতো কাজ করা বা timely action-কে বুঝানো হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: timely action (সময়োপযোগী পদক্ষেপ)।
‘A stitch in time saves nine’ এই প্রবাদটির আভিধানিক অর্থ হলো—একটি সেলাই সময়মতো দিলে পরবর্তীতে নয়টি সেলাই (অর্থাৎ বহু শ্রম) দেওয়া থেকে বাঁচা যায়।
এর ভাবার্থ হলো, কোনো সমস্যা ছোট থাকতে যদি দ্রুত সমাধান করা হয়, তবে ভবিষ্যতে তা বড় হয়ে গেলে যে ব্যাপক শ্রম, সময় বা অর্থ খরচ হবে, তা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।
অতএব, এটি সময়মতো ব্যবস্থা নেওয়ার গুরুত্ব (importance of timely action) নির্দেশ করে।
বাকি অপশনগুলো—যেমন 'Saving lives' বা 'time tailoring' (আক্ষরিক অর্থ) এই ইডিয়মটির সঠিক ভাবার্থ প্রকাশ করে না।
42

What would be the right antonym for ‘initiative’?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. apathy
  2. indolence
  3. enterprise
  4. activity

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Initiative-অর্থ পরিকল্পনা, উদ্যোগ, প্রারম্ভ। Option গুলোর মধ্যে apathy- অর্থ অনীহা, অনাগ্রহ; indolence- অলসতা; enterprise- প্রারম্ভ, উদ্যোগ এবং activity-অর্থ কার্যকারিতা, সক্রিয়তা। Initiative-এর antonym হিসেবে apathy ও indolence হতে পারে। তবে, ‘apathy' antonym হিসাবে most appropriate.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: apathy। কারণ ‘initiative’ শব্দটির অর্থ হলো উদ্যোগ, কর্মপ্রবণতা বা প্রথম পদক্ষেপ গ্রহণ করার ক্ষমতা
অপরদিকে, Apathy (অ্যাপ্যাথি) এর অর্থ হলো নিস্পৃহতা, উদাসীনতা বা উৎসাহের অভাব
কাজেই, কোনো কিছু শুরু করার বা উদ্যোগ নেওয়ার প্রবণতার (Initiative) ঠিক বিপরীত শব্দ হলো উদাসীনতা বা আগ্রহের অভাব (Apathy)।

অন্যদিকে, enterprise এবং activity শব্দ দুটি ‘initiative’-এর সমার্থক বা কাছাকাছি অর্থ প্রকাশ করে। Indolence (আলস্য/অলসতা) অর্থের দিক থেকে কাছাকাছি হলেও Apathy (উদাসীনতা) ‘initiative’ এর সবচেয়ে উপযুক্ত বিপরীত শব্দ।
43

This could have worked if I ____ been more cautious.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. had
  2. have
  3. might
  4. would

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

If যুক্ত sentence এর 1st/last অংশ past perfect হলে if এর পরের অংশ would have/ Could have/ might have + past participle of verb হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: had
এই বাক্যটি একটি Third Conditional Sentence-এর উদাহরণ, যা দ্বারা অতীতে ঘটে যাওয়া কোনো কাজের অসম্ভাব্য ফলাফল বোঝায়।
Third Conditional-এর গঠন (Structure) হলো:
If Clause: If + Past Perfect (Subject + had + V3)
Main Clause: Subject + would/could/might + have + V3
প্রদত্ত বাক্যের Main Clause অংশে could have worked (could + have + V3) ব্যবহার করা হয়েছে। তাই If Clause (if I ____ been more cautious) অবশ্যই Past Perfect হবে।
এখানে 'been' হলো V3 (Verb 3), তাই Past Perfect গঠন করতে এর আগে had বসাতে হবে।
সঠিক বাক্যটি হবে: "This could have worked if I had been more cautious."
অন্যান্য অপশন যেমন 'have' (Present Perfect-এর অংশ) বা 'might'/'would' (Modal verb) এই কাঠামোতে ভুল।
44

I have been living in Dhaka ____ 2000.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. since
  2. from
  3. after
  4. till

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Present Perfect Continuous Tense -এ point of time অর্থাৎ নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ থাকলে তার পূর্বে since বসে। যেমন: since 2004, since morning ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: since
প্রদত্ত বাক্যটি (I have been living...) Present Perfect Continuous Tense-এ আছে। এই Tense-এর মাধ্যমে বোঝানো হয় কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে এখনও চলছে।
যখন কোনো কাজ অতীতে শুরু হয়ে বর্তমানেও চলমান থাকে, তখন কাজের নির্দিষ্ট শুরুর বিন্দু (Point of Time) বোঝানোর জন্য since নামক Preposition ব্যবহার করা হয়।
এখানে 2000 সাল একটি নির্দিষ্ট শুরুর সময় হওয়ায়, শূন্যস্থানে since বসবে।
অন্যদিকে, যদি সময়ের মোট সময়কাল (Period of Time/Duration) বোঝানো হতো (যেমন: ২০ বছর ধরে), তবে for ব্যবহৃত হতো।
অন্যান্য অপশন যেমন— from (থেকে), after (পরে) এবং till (পর্যন্ত) এই Tense-এর চলমান সময়ের ধারণা প্রকাশে ব্যাকরণগতভাবে ভুল।
45

Give the antonym of the word ‘transitory’.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. temporary
  2. permanent
  3. transparent
  4. short-lived

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Transitory অর্থ-ক্ষণস্থায়ী। Option -গুলোর মধ্যে temporary, transparent ও short-lived-এর অর্থ ক্ষণস্থায়ী, স্বচ্ছ, স্বল্পকালীন এবং Permanent অর্থ-স্থায়ী। সুতরাং transitory-এর antonym হচ্ছে permanent.

ব্যাখ্যা

শব্দটির সঠিক বাংলা অর্থ জানা থাকলে উত্তর দেওয়া সহজ। Transitory (ট্রানজিটরি) শব্দের অর্থ হলো ক্ষণস্থায়ী, অস্থায়ী বা যা অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী হয় (Lasting for a short time)।
যেহেতু প্রশ্নটি বিপরীত শব্দ (Antonym) জানতে চেয়েছে, তাই ক্ষণস্থায়ী শব্দের বিপরীত শব্দ হবে স্থায়ী বা চিরস্থায়ী।
অপশনগুলোর মধ্যে, Permanent শব্দের অর্থ হলো স্থায়ী, চিরস্থায়ী বা অপরিবর্তনীয়। তাই এটিই সঠিক বিপরীত শব্দ।
উল্লেখ্য, temporary (অস্থায়ী) এবং short-lived (অল্প সময়ের জন্য স্থায়ী) হলো 'transitory'-এর সমার্থক শব্দ (Synonyms), যা ভুল উত্তর।
আর transparent (স্বচ্ছ) অপ্রাসঙ্গিক।
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
46

Verb of ‘Number’ is–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. number
  2. enumerate
  3. numbering
  4. numerical

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

number(n)- সংখ্যা, Enumerate(v) -গণনা করা, Numbering (Adj)-সংখ্যায়ন, Numerical- সংখ্যাসূচক সংখ্যা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: enumerate
শব্দটির মূল শব্দ 'Number' নিজেই Noun (সংখ্যা) বা Verb (সংখ্যায়িত করা) হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে। কিন্তু যখন কোনো নির্দিষ্ট তালিকা বা সংখ্যা ধারাবাহিকভাবে উল্লেখ করা হয়, তখন enumerate শব্দটি বিশেষভাবে Verb হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
Enumerate শব্দের অর্থ হলো: তালিকাভুক্ত করা বা একটি একটি করে গণনা করা (to count or list items one by one)। এটি 'Number' ধারণার সবচেয়ে উপযুক্ত Verb form।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে: numbering হলো Gerund বা Present Participle (বিশেষ্য বা বিশেষণ), এবং numerical হলো Adjective (বিশেষণ)।
47

Slow and steady ____ the race. (Fill in the gap)

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. win
  2. wins
  3. has won
  4. won

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

দুটি noun, and দ্বারা যুক্ত হয়ে যদি একই ভাব বা অর্থ প্রকাশ করে, তবে verbটি singular হয়। এজন্য শূন্যস্থানে ‘wins’ হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: wins। কারণ এটি Subject-Verb Agreement (কর্তা-ক্রিয়া সামঞ্জস্য) এর একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়মের উদাহরণ।
যখন দুটি ভিন্ন শব্দ (এখানে: Slow এবং steady) 'and' দ্বারা যুক্ত হওয়া সত্ত্বেও কোনো একটি একক ধারণা (Single Idea) বা অভিন্ন অর্থ প্রকাশ করে, তখন Subject টি Singular হিসেবে গণ্য হয়।
'Slow and steady' বলতে ধীর গতিতে কিন্তু নিরলসভাবে এগিয়ে যাওয়ার একটি একক প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। তাই সাবজেক্ট Singular হওয়ায় এর পরবর্তী Verb অবশ্যই Singular হবে।
Present Indefinite Tense-এ Singular Subject (Third Person Singular Number) এর পরে মূল ক্রিয়ার সাথে 's' বা 'es' যোগ হয়। তাই 'win' না হয়ে 'wins' হবে।
48

Identify the correct sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Yesterday, he has gone home
  2. Yesterday, he did gone home
  3. Yesterday, he had gone home
  4. Yesterday, he went home

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

‘Yesterday’ শব্দটি থাকায় Sentence-টি Past Indefinite Tense হবে। অর্থাৎ ‘Yesterday, he went home’ সঠিক।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Yesterday, he went home
কারণ বাক্যটিতে Yesterday (গতকাল) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে। Yesterday হলো একটি সুনির্দিষ্ট অতীত নির্দেশক সময় (Definite Past Time Marker)।
কোনো বাক্যে সুনির্দিষ্ট অতীত নির্দেশক সময় (যেমন: yesterday, ago, last week/month/year, in 1990 ইত্যাদি) থাকলে, সেই বাক্যটি অবশ্যই Simple Past Tense-এ লিখতে হবে।
Simple Past Tense-এর গঠন: Subject + Verb-এর Past Form (V₂) + Object/Extension।
এখানে, He (Subject) + went (V2V_2 of go) + home (Extension)।
তাই 'Yesterday, he went home' বাক্যটি সম্পূর্ণ শুদ্ধ।

ভুল অপশনগুলো কেন ভুল:
১. Yesterday, he has gone home: Yesterday-এর সাথে কখনোই Present Perfect Tense (has gone) ব্যবহার করা যায় না। Present Perfect Tense-এ সময়ের উল্লেখ থাকলেও তা অনির্দিষ্ট হতে হবে।
২. Yesterday, he did gone home: auxiliary verb 'did' ব্যবহারের পর মূল verb-এর Base form (V₁) বসে (যেমন: did go), কিন্তু এখানে V3V_3 (gone) ব্যবহার করা হয়েছে।
৩. Yesterday, he had gone home: Past Perfect Tense (had gone) সাধারণত দুটি অতীতের কাজের মধ্যে যে কাজটি আগে ঘটেছিল, সেটি বোঝাতে ব্যবহৃত হয়। একটি মাত্র অতীত নির্দেশক শব্দ 'Yesterday' এর জন্য এটি ব্যবহার করা ভুল।
49

‘Venerate’ Means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. defame
  2. abuse
  3. respect
  4. accuse

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Venerate – অর্থ শ্রদ্ধা করা, সম্মান করা। Option গুলোর মধ্যে defame – নিন্দা করা; abuse – গালি দেয়া; respect –সম্মান করা এবং accuse – দোষারোপ করা। সুতরাং venerate-এর অর্থ হচ্ছে respect।

ব্যাখ্যা

'Venerate' শব্দের অর্থ হলো কোনো ব্যক্তিকে বা বস্তুকে অত্যন্ত গভীর শ্রদ্ধা বা ভক্তি সহকারে সম্মান করা (To regard with great respect; revere)। এটিকে বাংলায় ‘পূজা করা’ বা ‘শ্রদ্ধা করা’ অর্থে ব্যবহার করা হয়।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে, 'respect' (শ্রদ্ধা করা/সম্মান জানানো) হলো 'Venerate'-এর নিকটতম এবং সঠিক প্রতিশব্দ (Synonym)। তাই সঠিক উত্তর হলো (c) respect।
অন্যান্য অপশনগুলো হলো:
'defame' (বদনাম করা), 'abuse' (কটূক্তি করা/অপমান করা), এবং 'accuse' (দোষারোপ করা)। এগুলো শ্রদ্ধার বিপরীত বা অন্য অর্থে ব্যবহৃত হয়, তাই এগুলো ভুল উত্তর।
50

Credit tk 5000 ____ my account.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. against
  2. in
  3. with
  4. to

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কারও ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা রাখা অর্থে ‘credit’ verb-টির সাথে ‘to’ Preposition ব্যবহৃত হয়। I have credited 5000tk to your account। কিন্তু টাকার পরিমাণটি যদি বাক্যের শেষে উল্লেখিত হয়, তাহলে Preposition ‘with’ ব্যবহৃত হবে। যেমন– Your account has been credited with 5000 tk.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: to
এই প্রশ্নটি Appropriate Preposition (উপযুক্ত পদান্বয়ী অব্যয়) থেকে এসেছে। যখন কোনো অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা দেওয়া হয় বা যোগ করা হয় (Credit), তখন অ্যাকাউন্টের নির্দিষ্ট গন্তব্য বোঝাতে প্রিপোজিশন 'to' ব্যবহার করা হয়।
Credit tk 5000 to my account. (আমার অ্যাকাউন্টে ৫০০০ টাকা জমা করুন।)
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন— 'against', 'in', বা 'with' — আর্থিক লেনদেন (banking terminology) এবং ক্রেডিট/ডেবিট সংক্রান্ত বাক্যে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক বা ভুল
গৃহশিক্ষকদের জন্য

টিউশনির শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার প্রশ্ন বানান মাত্র ১ মিনিটে

চাকরি প্রস্তুতির পাশাপাশি টিউশনি করান? আপনার ক্লাস ৬-১২ শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্নপত্র তৈরি করুন আমাদের প্রশ্ন তৈরি সফটওয়্যার দিয়ে — লক্ষাধিক বোর্ড প্রশ্ন থেকে বেছে নিয়ে মিনিটেই বানান প্রিন্ট-রেডি প্রশ্নপত্র ও উত্তরপত্র।

প্রশ্নপত্র তৈরি করুন
51

‘To do away with’ means–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. to repeat
  2. to start
  3. to get rid of
  4. to drive off

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

To do away with অর্থ কোনো কিছু বন্ধ করা, ত্যাগ করা, ধ্বংস করা। Option গুলোর মধ্যে to repeat– পুনরাবৃত্তি করা; to start– শুরু করা; to get rid of – মুক্ত করা বা হওয়া, ত্যাগ করা, ধ্বংস করা এবং to drive off–তাড়িয়ে দেওয়া, শুরু করা (গল্‌ফ খেলা)। সুতরাং to do away with-এর meaning হচ্ছে to get rid of.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: to get rid of
‘To do away with’ একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ Phrasal Verb, যার অর্থ হলো কোনো কিছু সম্পূর্ণভাবে বাতিল করা, বিলুপ্ত করা, দূর করা বা পরিত্রাণ পাওয়া (To abolish, to eliminate, or to discard)।
অপশনগুলোর মধ্যে, ‘to get rid of’ এর অর্থ হলো ‘মুক্তি পাওয়া’ বা ‘ছেড়ে দেওয়া/বাদ দেওয়া’, যা ‘To do away with’ এর অর্থের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন—‘to repeat’ (পুনরাবৃত্তি করা), ‘to start’ (শুরু করা), এবং ‘to drive off’ (তাড়িয়ে দেওয়া বা বিতাড়িত করা)—এই Phrasal Verbটির অর্থের সাথে মেলে না।
52

Which one is a correct sentence?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. paper is made of wood
  2. paper is made from wood
  3. paper is made by wood
  4. paper is made on wood

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

যখন কোনো উৎপাদিত বস্তুর উপাদান চোখে দেখে শনাক্ত করা যায়, তখন সেক্ষেত্রে made-এর পর of ব্যবহৃত হয়, আর যদি চোখে দেখে তার উপাদান শনাক্ত করা না যায়, তাহলে made-এর পর ‘from’ ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক বাক্যটি হলো: paper is made from wood। এটি Appropriate Preposition-এর একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম।
'Made of' বনাম 'Made from'-এর মূল পার্থক্যটি বুঝতে হবে:
১. Made from: এটি ব্যবহৃত হয় যখন মূল উপাদানটি রাসায়নিকভাবে (Chemically) পরিবর্তিত হয়ে এমন একটি নতুন বস্তুতে পরিণত হয় যেটিতে মূল উপাদানের বৈশিষ্ট্য আর চেনা যায় না। এই পরিবর্তনটি প্রায়শই অপরিবর্তনীয় (Irreversible) হয়। যেমন: কাঠ থেকে কাগজ তৈরি করলে কাঠ আর চেনা যায় না।
২. Made of: এটি ব্যবহৃত হয় যখন মূল উপাদানটি শুধুমাত্র বস্তুগতভাবে (Physically) পরিবর্তিত হয় কিন্তু মূল উপাদানটি সহজেই দৃশ্যমান ও অপরিবর্তিত থাকে। যেমন: কাঠ দিয়ে তৈরি চেয়ার বা স্বর্ণ দিয়ে তৈরি আংটি।
যেহেতু, কাঠকে রাসায়নিক প্রক্রিয়াকরণের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে বদলে ফেলে কাগজ তৈরি করা হয় (রাসায়নিক পরিবর্তন), তাই এখানে 'made from' ব্যবহার করাই সঠিক।
53

‘David Copperfield’ is a/an _____ novel.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Victorian
  2. Eligabethan
  3. Romantic
  4. Modern

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

Charles Dickens (১৮১২-১৮৭০) -এর বিখ্যাত কিছু উপন্যাসের মধ্যে David Copperfield, A Tale of Two Cities, Great Expectations, The Pickwick Papers ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। তিনি Victorian (১৮৩২-১৯০১) যুগের একজন বিখ্যাত Novelist ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Victorian (ভিক্টোরিয়ান)
'David Copperfield' উপন্যাসটির লেখক হলেন বিখ্যাত ইংরেজ ঔপন্যাসিক চার্লস ডিকেন্স (Charles Dickens)
চার্লস ডিকেন্স ছিলেন মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Period: ১৮৩৭-১৯০১) সর্বশ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক এবং এই যুগের সাহিত্যের প্রধান রূপকার।
উপন্যাসটি ১৮৪৯-১৮৫০ সালের মধ্যে প্রকাশিত হয়, যা সরাসরি রাণী ভিক্টোরিয়ার শাসনামলে পড়ে। তাই এটি একটি ভিক্টোরিয়ান উপন্যাস।
ভিক্টোরিয়ান সাহিত্য সাধারণত সমাজের বৈষম্য, শ্রেণিভেদ এবং শিশুদের প্রতি সমাজের মনোভাব নিয়ে আলোচনা করত, যা ডিকেন্সের প্রায় সব লেখায় (যেমন: Oliver Twist, A Tale of Two Cities) স্পষ্ট দেখা যায়।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল কারণ:
Eligabethan
যুগের প্রধান সাহিত্যিক William Shakespeare; Romantic যুগের প্রধান কবি Wordsworth, Coleridge; এবং Modern যুগের প্রধান সাহিত্যিক T.S. Eliot, James Joyce
54

‘Elegy Written in a Country Churchyard’ is written by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. William Wordsworth
  2. Thomas Gray
  3. John Keats
  4. W.B. Yeats

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

"Elegy Written in a Country Churchyard" কবিতাটি Thomas Gray রচিত একটি বিখ্যাত elegy বা শোকগাথা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Thomas Gray। তিনি ১৭৫১ সালে এই বিখ্যাত কবিতাটি রচনা করেন।
‘Elegy Written in a Country Churchyard’ কবিতাটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ শোকগাঁথা (Elegy) হিসেবে পরিচিত। এই কবিতায় কবি একটি গ্রামের সমাধিক্ষেত্রে বসে সাধারণ, দরিদ্র ও অখ্যাত মানুষের জীবন ও মৃত্যুর ওপর গভীরভাবে দার্শনিক চিন্তা ব্যক্ত করেছেন।
Thomas Gray (১৭১৬–১৭৭১) ছিলেন Neo-classical যুগ ও Romantic যুগের মধ্যবর্তী সময়ের (Transitional Age) অন্যতম প্রধান কবি।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ William WordsworthJohn Keats ছিলেন রোমান্টিক যুগের কবি এবং W.B. Yeats ছিলেন আধুনিক যুগের বিখ্যাত আইরিশ কবি।
55

Shakespeare's ‘Measure for Measure’ is a successful–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. tragedy
  2. comedy
  3. tragi-comedy
  4. melodrama

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Shakespeare রচিত comedy-গুলো হলো- The Comedy of Errors, Love’s Labour’s Lost, A Midsummer Night's Dream, As You Like It, Twelfth Night, The Two Gentlemen of Venora, Merry Wives of Windsor, The Taming of Shrew, Much Ado About Nothing, Measure for Measure, All's Well That Ends Well,The Merchant of Venice, The Tempest, The Winter’s Tale ইত্যাদি। তার বিখ্যাত tragedy গুলো হলো - Romeo and Juliet, Hamlet, Macbeth, King Lear, Othello, Julius Caeser, Antony And Cleopatra ইত্যাদি। তার বিখ্যাত Historical Play হচ্ছে- King Henry IV, King Henry VI, King Henry VIII, King Richard II, King Richard III, King John.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: comedy
যদিও ‘Measure for Measure’ নাটকের প্রধান থিমগুলি (যেমন: যৌন দুর্নীতি, বিচার এবং ভণ্ডামি) খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন এবং গুরুতর, তবুও এটিকে ঐতিহ্যগতভাবে Comedy হিসেবে গণ্য করা হয়।
কারণ, এর সমাপ্তি শুভ ও সন্তোষজনক (Happy Ending) হয়, যেখানে ডিউক ভিনসেনটিও (Duke Vincentio) তার ছদ্মবেশের মাধ্যমে রাজ্যের সমস্ত সমস্যার সমাধান করেন এবং একাধিক বিয়ের আয়োজন করেন।
যেহেতু নাটকটি ট্র্যাজিক পরিণতিতে শেষ হয় না, তাই এটি tragedy নয়।
আধুনিক সমালোচকগণ অবশ্য এর অন্ধকার ও নৈতিক জটিলতার কারণে এটিকে ‘Dark Comedy’ (অন্ধকার কমেডি) অথবা শেক্সপিয়ারের ‘Problem Plays’ (সমস্যাযুক্ত নাটক) এর অন্যতম হিসেবে চিহ্নিত করেন।
56

The romantic age in English literature began with the publication of–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Preface to Shakespeare
  2. Perface to Lyrical Ballads
  3. Preface to Ancient Mariners
  4. Preface to Dr. Johnson

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Preface to Lyrical Ballads' এর প্রকাশনার মধ্যে দিয়ে Romantic Age শুরু হয়। S.T. Coleridge এবং W. Wordsworth সম্মিলিতভাবে ১৭৯৮ সালে এটি প্রকাশ করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Perface to Lyrical Ballads। যদিও অপশনে বানানটি ভুল ছিল, এটি মূলত 'Preface to Lyrical Ballads' হবে।
English Romantic Age-এর সূচনা হয় ১৭৯৮ সালে William Wordsworth এবং S.T. Coleridge-এর যৌথ কাব্যগ্রন্থ Lyrical Ballads প্রকাশের মাধ্যমে।
তবে এই যুগের মূলনীতি, প্রকৃতি-প্রেম ও সাধারণ মানুষের ভাষা ব্যবহারের ধারণাটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয় ১৮০০ সালে এই কাব্যগ্রন্থটির দ্বিতীয় সংস্করণে যুক্ত হওয়া Preface to Lyrical Ballads-এর মাধ্যমে। তাই এই Preface-কে রোমান্টিক যুগের ঘোষণাপত্র (Manifesto) বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো অপ্রাসঙ্গিক। যেমন— Preface to Shakespeare রচনা করেন Dr. Samuel Johnson, যিনি ছিলেন নিওক্ল্যাসিক্যাল যুগের (Age of Reason) একজন প্রধান সাহিত্য সমালোচক।
57

Which of the following books is written by Thomas Hardy?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Vanity Fair
  2. The Return of the Native
  3. Pride and Prejudice
  4. Oliver Twist

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Victorian Age-এর অন্যতম প্রধান ঔপন্যাসিক Thomas Hardy রচিত উপন্যাসগুলো হচ্ছে-The Return of the Native, Tess of the D' Urbervilles, Far from the Madding Crowd, Under the Greenwood Tree ইত্যাদি। আর Vanity Fair, Pride and Prejudice এবং Oliver Twist লিখেছেন যথাক্রমে William Makepeace Thackeray, Jane Austen এবং Charles Dickens.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: The Return of the Native। এটি ১৮৭৮ সালে প্রকাশিত টমাস হার্ডি (Thomas Hardy) এর লেখা একটি বিখ্যাত উপন্যাস। হার্ডি মূলত ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Period) একজন শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিক ও কবি, যিনি তার লেখায় ভাগ্যের নিষ্ঠুরতা বা Fatalism ফুটিয়ে তুলেছেন।
অপর বিকল্পগুলোর লেখক পরিচিতি:
Vanity Fair: এটি লিখেছেন William Makepeace Thackeray (ভিক্টোরিয়ান যুগের)।
Pride and Prejudice: এটি লিখেছেন ক্লাসিক ইংরেজ ঔপন্যাসিক Jane Austen (Romantic/Regency Period)।
Oliver Twist: এটি লিখেছেন অপর বিখ্যাত ভিক্টোরিয়ান ঔপন্যাসিক Charles Dickens
58

‘Frailty thy name is woman’–is a famous dialogue from.

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Christopher Marlowe
  2. John Webstar
  3. W. Shakespeare
  4. T.S. Eliot

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

উক্তিটি Shakespeare -এর বিখ্যাত tragedy 'Hamlet' থেকে নেওয়া হয়েছে। এটি Hamlet এর একটি Soliloquy বা স্বগতোক্তি। এই নাটকের আরেকটি বিখ্যাত উক্তি হলো- “To be or not to be, that is the questions”.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: W. Shakespeare
এই বিখ্যাত উক্তিটি (Dialogue) ইংরেজি সাহিত্যের কালজয়ী নাট্যকার William Shakespeare (উইলিয়াম শেক্সপিয়ার) রচিত বিশ্ববিখ্যাত ট্র্যাজেডি নাটক ‘Hamlet’ থেকে নেওয়া হয়েছে।
উক্তিটি করেছেন নাটকের প্রধান চরিত্র প্রিন্স Hamlet (হ্যামলেট)। তিনি তার মা রানী Gertrude-কে উদ্দেশ্য করে এই কথা বলেন। রানী তার স্বামীর (হ্যামলেটের বাবা) মৃত্যুর অল্প দিনের মধ্যেই হ্যামলেটের কাকা Claudius-কে বিয়ে করায় হ্যামলেট নারীর চারিত্রিক দুর্বলতার প্রতি ইঙ্গিত করে এই মন্তব্য করেন।
অন্যান্য অপশনগুলো যেমন Christopher Marlowe, John Webstar, এবং T.S. Eliot ইংরেজি সাহিত্যের কিংবদন্তী হলেও, এই নির্দিষ্ট উক্তিটির রচয়িতা শুধুমাত্র Shakespeare
59

The poem ‘The Solitary Reaper’ is written by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W.H. Auden
  2. W. Wordsworth
  3. W.B. Yeats
  4. Ezra Pound

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

William Wordsworth-এর অন্যান্য কাব্যগ্রন্থ হলো- Lyrical Ballads, The Prelude, The Daffodils, Tintern Abbey, Lucy Poems, The Excursion, Ode: Intimation of Immortality, Michael ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: W. Wordsworth (উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থ)
কবিতাটি 'The Solitary Reaper' হলো উইলিয়াম ওয়ার্ডসওয়ার্থের লেখা অন্যতম বিখ্যাত কবিতা, যা ১৮০৭ সালে প্রকাশিত হয়। এটি ইংরেজি সাহিত্যের রোমান্টিক যুগের (Romantic Age) একটি ক্লাসিক উদাহরণ।
ওয়ার্ডসওয়ার্থ ছিলেন প্রকৃতির পূজারী কবি। এই কবিতাটিতে তিনি একজন স্কটিশ মেয়ের একা ফসল কাটার দৃশ্য এবং তার দুঃখভরা গান শুনে মুগ্ধ হওয়ার ঘটনা বর্ণনা করেছেন।
বাকি অপশনগুলো ভুল, কারণ W.H. Auden, W.B. Yeats এবং Ezra Pound সবাই আধুনিক যুগের (Modern Age) কবি।
60

‘The Merchant of Venice’ is a Shakespearean play about–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. a Jew
  2. a Moor
  3. a Roman
  4. a Turk

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ইতালির ভেনিস নগরীর Shylock নামে একজন Jewish (ইহুদি) merchant (money lender)-এর উপর ভিত্তি করে Shakespeare ‘The Merchant of Venice’ comedy-টি লেখেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: a Jew
'The Merchant of Venice' নাটকটি বিখ্যাত ইংরেজ নাট্যকার William Shakespeare-এর একটি কমেডি হলেও এর মূল উপজীব্য হলো ভেনিসের একজন খ্রিস্টান বণিক Antonio এবং একজন ইহুদি মহাজন Shylock-এর মধ্যকার সংঘাত।
নাটকের প্রধান বিতর্কিত এবং মর্মান্তিক চরিত্রই হলো Shylock, যিনি একজন ইহুদি (Jew)। তিনি তার ঋণের জামিন হিসাবে Antonio-এর শরীর থেকে এক পাউন্ড মাংস (pound of flesh) দাবি করেন, যা এই নাটকের প্রধান প্লট।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। যেমন: ‘a Moor’ চরিত্রটি পাওয়া যায় শেক্সপিয়রের অন্য বিখ্যাত ট্র্যাজেডি ‘Othello’ নাটকে, যার কেন্দ্রীয় চরিত্র Othello একজন মুর (Moor) ছিলেন।
61

The play ‘Candida’ is by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. James Joyce
  2. Shakespeare
  3. G. B. Shaw
  4. Arthur Miller

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘Candida’ হলো G.B. Shaw এর একটি comedy. তার অন্যান্য নাটক হলো- Arms and the Man, Man and Superman, The Doctor’s Dilemma, Caeser and Cleopatra, The Devil’s Discipline, Saint Joan ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: G. B. Shaw (George Bernard Shaw)
বিখ্যাত নাটক ‘Candida’ (প্রথম মঞ্চায়ন: ১৮৯৪) এর রচয়িতা হলেন আধুনিক যুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আইরিশ নাট্যকার জর্জ বার্নার্ড শ
Shaw সাধারণত তাঁর নাটকগুলিতে হাস্যরসের মাধ্যমে সমাজের প্রচলিত ধ্যানধারণা, নৈতিকতা ও রাজনীতির সমালোচনা করতেন। ‘Candida’ নাটকেও তিনি আধুনিক দাম্পত্য সম্পর্ক এবং আদর্শবাদের দ্বন্দ্ব তুলে ধরেছেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: Shakespeare (এলিজাবেথান পিরিয়ড), James Joyce (উপন্যাসিক, Ulysses), এবং Arthur Miller (আমেরিকান নাট্যকার, Death of a Salesman) এই নাটকটির রচয়িতা নন।
62

Which of the following writers belongs to the romantic period in English literature?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. A. Tennyson
  2. Alexander Pope
  3. John Dryden
  4. S.T. Coleridge

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

১৭৯৮-১৮৩২ পর্যন্ত সময়কালকে Romantic Period বলা হয়। এ যুগের কয়েকজন বিখ্যাত writer হচ্ছেন S.T. Coleridge, William Wordsworth, P.B. Shelley, John Keats, Lord Byron, Jane Austen, William Blake, Charles Lamb, Sir Walter Scott প্রমুখ। Alfred Lord Tennyson হলেন Victorian কবি; Alexander Pope এবং John Dryden হলেন Neo-classical poets.

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: S.T. Coleridge। তিনি Romantic Period (রোমান্টিক যুগ: ১৭৯৮-১৮৩২)-এর অন্যতম প্রধান কবি এবং William Wordsworth-এর সাথে মিলে এই যুগের সূচনা করেছিলেন।
Romantic Period শুরু হয় ১৭৯৮ সালে Wordsworth এবং Coleridge-এর যৌথভাবে প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ Lyrical Ballads-এর মাধ্যমে।
অন্যান্য বিকল্পগুলো ভিন্ন ভিন্ন সাহিত্য যুগের অন্তর্ভুক্ত:
- Tennyson (Alfred, Lord Tennyson): তিনি Victorian Period (ভিক্টোরিয়ান যুগ)-এর অন্যতম প্রধান কবি।
- Alexander Pope: তিনি Neoclassical Period বা Augustan Age-এর কবি।
- John Dryden: তিনি Restoration Period-এর অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব।
63

The Climax of a plot is what happens–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. in the beginning
  2. at the height
  3. at the end
  4. in the confrontation

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Climax হচ্ছে কোনো নাটক বা গল্পের সর্বোচ্চ অবস্থা বা turning point যেখানে ঘটনার বৃদ্ধি শেষ হয় আর ঘটনার পতন শুরু হয়। সুতরাং Climax happens at the height of a plot।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অপশন (B) at the height
একটি নাটকের প্লট বা গল্পের কাঠামোতে (Plot Structure) Climax হলো সেই মুহূর্ত, যখন গল্পের প্রধান দ্বন্দ্ব বা উত্তেজনা (conflict) সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছায়। এটিকেই গল্পের Turning Point বা সর্বোচ্চ বিন্দু (Height) বলা হয়।
Exposition (in the beginning): গল্পের শুরু বা প্রেক্ষাপট বর্ণনা।
Climax (at the height): গল্পের মোড় পরিবর্তনকারী সর্বোচ্চ উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্ত।
Resolution / Denouement (at the end): গল্পের সমাপ্তি বা দ্বন্দ্বের মীমাংসা।
64

London town is found a living being in the works of–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Thomas Hardy
  2. Charles Dickens
  3. W. Congreve
  4. D.H. Lawrence

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Charles Dickens তার প্রায় সব উপন্যাসেই London-কে ঘিরে কাহিনি রচনা করেছেন। যেমন: A Tale of Two Cities-এ তিনি London ও Paris নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেছেন। এছাড়া তার ‘The Pickwick Papers’, ‘Oliver Twist’, ‘David Copperfield’, Great Expectations’ প্রভৃতি novel-এ তিনি কোনো না কোনো ভাবে London-এর একটি setting তৈরি করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: Charles Dickens
চার্লস ডিকেন্স (Charles Dickens) ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের (Victorian Age) শ্রেষ্ঠ ঔপন্যাসিকদের মধ্যে অন্যতম। তিনি তাঁর লেখায় লন্ডন শহরকে কেবল একটি পটভূমি হিসেবে ব্যবহার করেননি, বরং এটিকে একটি সজীব সত্তা (living being) বা চরিত্র হিসেবে ফুটিয়ে তুলেছেন।
ডিকেন্স তাঁর উপন্যাসে লন্ডনের ঘিঞ্জি পরিবেশ, সামাজিক বৈষম্য, শিশুশ্রম ও দারিদ্র্যের চিত্র অত্যন্ত বাস্তবসম্মতভাবে তুলে ধরেছেন। এই ধরনের ব্যক্তিগত বা চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য আরোপ (Personification) করার ফলেই লন্ডন শহরটি পাঠকের কাছে জীবন্ত হয়ে ওঠে।
অন্যদিকে, Thomas Hardy তার লেখায় প্রধানত ইংল্যান্ডের গ্রামীণ অঞ্চল Wessex-কে পটভূমি করেছেন। D.H. Lawrence আধুনিক যুগের লেখক এবং তার উপজীব্য ছিল মানুষের মনস্তত্ত্ব ও শিল্পায়নের প্রভাব।
65

‘Child is the father of man’ is taken from the poem of–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W. Wordsworth
  2. S.T. Coleridge
  3. P.B. Shelley
  4. A.C. Swinburne

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

‘Child is the father of man’ হচ্ছে, William Wordsworth-এর লেখা ‘My Heart Leaps up When I Behold’ নামক কবিতার একটি লাইন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো W. Wordsworth (ডব্লিউ. ওয়ার্ডসওয়ার্থ)। এটি ইংরেজি সাহিত্যের অন্যতম বিখ্যাত এবং গভীর অর্থবহ উদ্ধৃতি।
এই উক্তিটি William Wordsworth-এর ১৮০২ সালে রচিত 'My Heart Leaps Up When I Behold' নামক কবিতা থেকে নেওয়া হয়েছে। এই কবিতাটি প্রায়শই 'The Rainbow' নামে পরিচিত।
এই লাইনটির মাধ্যমে ওয়ার্ডসওয়ার্থ বোঝাতে চেয়েছেন যে, একজন মানুষের ভবিষ্যৎ চরিত্র ও নৈতিকতার ভিত্তি শৈশবের অভিজ্ঞতা ও সরলতার উপর প্রতিষ্ঠিত। একজন পরিণত মানুষ যা কিছু শেখে, তার উৎস থাকে শৈশবের বিস্ময় ও প্রকৃতিপ্রেমের মধ্যে।
বাকি অপশনগুলো Romantic Age-এর গুরুত্বপূর্ণ কবি হলেও, এই উদ্ধৃতিটি সরাসরি Wordsworth-এর শৈশব ও প্রকৃতির প্রতি তাঁর দর্শনের সাথে সম্পর্কিত।
66

‘Man is a political animal’– who said this?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Dante
  2. Plato
  3. Aristotle
  4. Socrates

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

‘Man is a political animal’ quotation টি Aristotle-এর ‘Politics’ নামক গ্রন্হ থেকে নেওয়া হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো অ্যারিস্টটল (Aristotle)
এই বিখ্যাত উক্তিটি গ্রিক দার্শনিক অ্যারিস্টটলের। তিনি তাঁর রাজনৈতিক দর্শন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন, মানুষ স্বভাবগতভাবেই সামাজিক এবং ‘রাজনৈতিক প্রাণী’ (Zoon Politikon)
তিনি বিশ্বাস করতেন, কেবল পোলিস (Polis) বা নগর-রাষ্ট্রেই মানুষ তার নৈতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক সর্বোচ্চ বিকাশ ঘটাতে পারে। যারা রাষ্ট্রে বাস করে না, তারা হয় দেবতা, না হয় পশু।
ভুল বিকল্প বিশ্লেষণ: প্লেটো ছিলেন অ্যারিস্টটলের গুরু এবং তিনিও আদর্শ রাষ্ট্র নিয়ে কাজ করেছেন। সক্রেটিস ছিলেন প্লেটোর গুরু, যিনি জ্ঞানই হলো পুণ্যের মূল—এই দর্শনে বিশ্বাসী ছিলেন। Dante মূলত মহাকাব্য The Divine Comedy-এর জন্য বিখ্যাত।
67

Who is known as ‘the poet of nature’ in English literature?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Lord Tennyson
  2. John Milton
  3. William Wordsworth
  4. John Keats

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ইংরেজি সাহিত্যে poet of nature বলা হয় William Wordsworth-কে। প্রকৃতিকে উপজীব্য করেই তিনি তার কবিতা রচনা করেছেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো William Wordsworth
তাঁকে ইংরেজি সাহিত্যের 'Poet of Nature' (প্রকৃতির কবি) বলা হয় কারণ তিনি তাঁর কাব্যে প্রকৃতির প্রতি গভীর ভালোবাসা, প্রকৃতির মহত্ত্ব এবং মানুষের আধ্যাত্মিক জীবনে প্রকৃতির প্রভাব বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেছেন।
তিনি বিশ্বাস করতেন যে প্রকৃতি মানুষের Moral Teacher (নৈতিক শিক্ষক) এবং সকল Spiritual Truth (আধ্যাত্মিক সত্যের) উৎস। তাঁর বিখ্যাত উক্তি ছিল, “Poetry is the spontaneous overflow of powerful feelings.”
অন্যদিকে, John Keats ছিলেন রোমান্টিক যুগের আরেকজন প্রভাবশালী কবি, যিনি ‘Poet of Beauty’ নামে পরিচিত।
Lord Tennyson ছিলেন ভিক্টোরিয়ান যুগের বিখ্যাত কবি এবং John Milton মহাকাব্য রচনার জন্য বিখ্যাত, বিশেষত Paradise Lost এর জন্য।
68

“A Passage to India” is written by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. E.M. Forster
  2. Rudyard Kipling
  3. Galls Worthy
  4. A.H. Auden

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

E. M. Forster ১৯২৪ সালে ‘A Passage to India’ উপন্যাসটি লেখেন। British Raj এবং ১৯২০ সালে Indian Independence Movement-এর উপর ভিত্তি করে এ উপন্যাসটি লেখা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: E.M. Forster
E.M. Forster (Edward Morgan Forster) রচিত অন্যতম বিখ্যাত উপন্যাস হলো “A Passage to India”
এটি ১৯২৪ সালে প্রকাশিত হয় এবং ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনকালে ভারত ও ব্রিটেনের মানুষের মধ্যেকার জটিল সম্পর্ক, বর্ণবৈষম্য এবং সাংস্কৃতিক সংঘর্ষ নিয়ে লেখা। এটি তাকে বিশ্বের অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক হিসেবে পরিচিত করে তোলে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল। Rudyard Kipling তার 'The Jungle Book' ও 'Kim' এর জন্য বিখ্যাত এবং সাম্রাজ্যবাদের প্রতি সহানুভূতিশীল ছিলেন। Galls Worthy (John Galsworthy) হলেন 'The Forsyte Saga'-এর লেখক এবং নোবেল বিজয়ী। A.H. Auden ছিলেন প্রধানত একজন কবি।
69

‘Gitanjali’ of Rabindranath Tagore was translated by–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. W. B. Yeats
  2. Robert Frost
  3. John Keats
  4. Rudyard Kipling

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘গীতাঞ্জলি’ নামক কাব্যগ্রন্হটি ইংরেজিতে অনুবাদ মূলত রবীন্দ্রনাথ নিজেই করেছেন। তবে, W. B. Yeats এ ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রাখেন এবং অনূদিত কাব্যগ্রন্হটির অর্থাৎ ‘Song Offerings’-এর Introduction টিও তিনি লিখেন। এ কারণে তার নামটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: W. B. Yeats (ডব্লিউ. বি. ইয়েটস)
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের স্ব-অনূদিত কবিতাগুলোর ইংরেজি সংকলন করেন, যার নাম ছিল ‘Song Offerings’
এই সংকলনটি ১৯১২ সালে প্রকাশিত হয় এবং এর বিখ্যাত ভূমিকা (Introduction) লেখেন আয়ারল্যান্ডের বিখ্যাত কবি ও নোবেল বিজয়ী William Butler Yeats
ইয়েটসের প্রারম্ভিক ভূমিকা এবং পশ্চিমা সাহিত্যে এর ব্যাপক প্রচারের ফলেই বইটি আন্তর্জাতিক পরিচিতি লাভ করে এবং এর ফলস্বরূপ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ১৯১৩ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন।
অন্যান্য অপশন যেমন— রবার্ট ফ্রস্ট, জন কিটস, বা রুডইয়ার্ড কিপলিং— কেউই গীতাঞ্জলির অনুবাদ বা প্রচারে যুক্ত ছিলেন না।
70

Who of the following writers was not a novelist?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Charles Dickens
  2. W.B. Yeats
  3. James Joyce
  4. Jane Austen

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

William Butler Yeats ছিলেন একজন Irish poet, dramatist এবং critic। তার বিখ্যাত কিছু কবিতার মধ্যে রয়েছে- The Second Coming, Wild Swans at Coole, A Prayer for My Daughter এবং The Lake Isle of Innisfree ইত্যাদি। Charles Dickens-Victorian Age-এর, James Joyce-Modern Age-এর এবং Jane Austen-Romantic Age-এর Novelist বা ঔপন্যাসিক ছিলেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: W.B. Yeats (ডব্লিউ.বি. ইয়েটস)
W.B. Yeats ছিলেন একজন বিখ্যাত কবি (Poet) এবং নাট্যকার (Dramatist)। তিনি ছিলেন আইরিশ সাহিত্যের রেনেসাঁসের (Irish Literary Revival) অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব, কিন্তু তিনি কোনো উপন্যাস (Novel) রচনা করেননি।
অন্যান্য লেখকদের পরিচিতি:
Charles Dickens: ইংরেজি সাহিত্যের ভিক্টোরিয়ান যুগের অন্যতম সেরা ঔপন্যাসিক। (যেমন: *Great Expectations*, *Oliver Twist*)।
James Joyce: আইরিশ আধুনিক ঔপন্যাসিক, যিনি *Ulysses* ও *Dubliners* এর জন্য বিখ্যাত।
Jane Austen: ১৮শ শতকের শেষ ও ১৯শ শতকের শুরুর দিকের বিখ্যাত ঔপন্যাসিক। (যেমন: *Pride and Prejudice*, *Sense and Sensibility*)।
71

বাঙালী জাতির প্রধান অংশ কোন মূল জাতিগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দ্রাবিড়
  2. নেগ্রিটো
  3. ভোটচীন
  4. অস্ট্রিক

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

প্রাচীনকালে আর্যপূর্ব জনগোষ্ঠীর যে চারটি শাখা এখানে বাস করতো তারা হলো অস্ট্রিক, দ্রাবিড়, নেগ্রিটো ও ভোটচীনীয়। উল্লিখিত চারটি জনগোষ্ঠীর মধ্যে অস্ট্রিক জনগোষ্ঠী থেকে বাঙালি জাতির প্রধান অংশ গঠিত হয়েছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অস্ট্রিক
বাঙালী জাতি মূলত একটি সংকর জাতি (Mixed Race), যার মধ্যে বহু জাতিগোষ্ঠীর রক্ত প্রবাহিত হয়েছে। তবে এর মূল কাঠামো এবং ভাষার ভিত্তি গড়ে উঠেছে অস্ট্রিক জাতিগোষ্ঠীর মাধ্যমে।
অস্ট্রিকরা মূলত প্রোটো-অস্ট্রালয়েড গোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্ত। তারাই এই অঞ্চলে প্রথম কৃষিকাজ শুরু করেছিল এবং বাংলায় তাদের বসতি ছিল সুদূরপ্রসারী ও প্রভাবশালী। এই কারণে তাদেরকেই বাঙালী জাতির প্রধান অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
প্রখ্যাত ভাষাবিদ ড. সুনীতি কুমার চট্টোপাধ্যায় এই অস্ট্রিকদের বৈদিক সাহিত্যে উল্লেখিত নিষাদ্ (Nishada) জাতি নামে অভিহিত করেছেন।
দ্রাবিড়রা এসেছিল অস্ট্রিকদের পরে, এবং আর্যরা আরও পরে। নেগ্রিটোরা সম্ভবত আদিমতম হলেও তাদের প্রভাব বাঙালীর মূলস্রোতে প্রায় বিলীন।
72

বাংলার সর্বপ্রাচীন জনপদের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুণ্ড্র
  2. তাম্রলিপ্ত
  3. হরিকেল
  4. গৌড়

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

খ্রিষ্টপূর্ব ৩,০০০ অব্দে লিখিত বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে পুণ্ড্র জাতির উল্লেখ আছে। ধারণা করা হয়, এ জাতিই পুণ্ড্র জনপদ গড়ে তুলেছিল। এ জনপদের রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর। সে সময়কার জনপদটি বর্তমানের বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল। বৈয়াকরণিক পাণিনির (আনু.খ্রি.পূ. চতুর্থ শতাব্দীর মধ্যভাগ) গ্রন্হে সর্বপ্রথম ‘গৌড়’ নামের উল্লেখ পাওয়া যায়। হরিকেল ও তাম্রলিপ্ত খ্রিষ্টীয় সপ্তম শতকের কাছাকাছি গড়ে ওঠা জনপদ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পুণ্ড্র। জনপদগুলোর মধ্যে পুণ্ড্র-ই হলো বাংলার সর্বপ্রাচীন এবং বৃহৎ জনপদ।
প্রাচীন ভারতীয় সাহিত্য (যেমন: ঐতরেয় আরণ্যক) এবং অন্যান্য শিলালিপিতে পুণ্ড্র জনপদের নাম প্রথম উল্লেখ পাওয়া যায়। এর রাজধানী ছিল পুণ্ড্রনগর, যা বর্তমান বগুড়ার মহাস্থানগড় এলাকায় অবস্থিত ছিল।
অন্যান্য অপশন কেন ভুল?
তাম্রলিপ্ত: এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ জনপদ ছিল, যা প্রাচীন বাংলার প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে পরিচিত ছিল (বর্তমান মেদিনীপুর)। কিন্তু এটি পুণ্ড্র-এর চেয়ে প্রাচীনতম নয়।
হরিকেল: এটি পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব বাংলায় (সিলেট, চট্টগ্রাম, কুমিল্লা) বিকশিত হয়। এর উত্থান অপেক্ষাকৃত পরবর্তীকালে (সপ্তম-অষ্টম শতকে) ঘটেছিল।
গৌড়: এটি মূলত পশ্চিম বাংলার একটি রাজনৈতিক জনপদ হিসেবে পরিচিত। রাজা শশাঙ্কের সময়ে এটি ক্ষমতার কেন্দ্রে পরিণত হয়, কিন্তু ভৌগোলিক জনপদ হিসেবে পুণ্ড্র সর্বপ্রাচীন।
73

বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি কোন গ্রন্থে সর্বাধিক উল্লেখিত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলমগীরনামা
  2. আইন-ই-আকবরী
  3. আকবরনামা
  4. তুজুক-ই-আকবরী

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সম্রাট আকবরের দরবারের ইতিহাস লেখক আবুল ফজল রচিত ঐতিহাসিক ঘটনাপঞ্জি সম্বলিত ফার্সি ভাষার তিন খণ্ডের গ্রন্হ হলো ‘আকবরনামা’। এ গ্রন্হের তৃতীয় খণ্ডের নাম হলো ‘আইন-ই-আকবরী’। যেখানে বাংলা (দেশ ও ভাষা) নামের উৎপত্তির বিষয়টি সর্বাধিক উল্লিখিত আছে। আর সম্রাট আওরঙ্গজেবের লেখা গ্রন্হ হলো ‘ফতোয়া-ই-আলমগীরী’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইন-ই-আকবরী
মুঘল সম্রাট আকবরের সভার ইতিহাসবিদ আবুল ফজল কর্তৃক রচিত সুবিশাল গ্রন্থ আকবরনামা-র তৃতীয় ও শেষ খণ্ড হলো ‘আইন-ই-আকবরী’
এই গ্রন্থে আবুল ফজল অত্যন্ত সুস্পষ্টভাবে বাংলা নামের উৎপত্তির ব্যাখ্যা দেন। তিনি উল্লেখ করেন, প্রাচীনকালে বঙ্গ রাজ্যের শাসক ছিলেন ‘বঙ্গ’ নামের এক রাজা। তিনি জমিতে ‘আল’ বা বাঁধ নির্মাণ করতেন। এই ‘বঙ্গ’ শব্দের সঙ্গে ‘আল’ (আইল/বাঁধ) যুক্ত হয়ে অঞ্চলটির নাম হয় ‘বাঙ্গালা’ বা ‘বেঙ্গালা’
অন্যান্য বিকল্প ভুল কারণ: আকবরনামা যদিও আইন-ই-আকবরীর মূল অংশ, কিন্তু নামের বিস্তারিত উৎপত্তি বিশেষভাবে তৃতীয় খণ্ডে (আইন-ই-আকবরীতে) উল্লেখ করা হয়েছে।
আলমগীরনামা সম্রাট আওরঙ্গজেবের ইতিহাস এবং তুজুক-ই-আকবরী নামে কোনো বিখ্যাত গ্রন্থ নেই।
74

ঢাকার লালবাগের দুর্গ নির্মাণ করেন:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শাহ সুজা
  2. শায়েস্তা খান
  3. মীর জুমলা
  4. সুবেদার ইসলাম খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

লালবাগ কেল্লা পুরাতন ঢাকার লালবাগে অবস্থিত। মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মোহাম্মদ আজম ১৬৭৮ সালে লালবাগ দুর্গের নির্মাণ কাজ শুরু করলেও এর অধিকাংশ কাজ সমাপ্ত করেন শায়েস্তা খান। চকবাজারের ঐতিহাসিক বড় কাটরা নির্মাণ করেন সম্রাট শাজাহানের দ্বিতীয় পুত্র বাংলার সুবেদার শাহ সুজা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: শায়েস্তা খান। যদিও লালবাগ দুর্গের নির্মাণ কাজ প্রথম শুরু করেন মুঘল সম্রাট আওরঙ্গজেবের পুত্র শাহজাদা মুহাম্মদ আজম
তিনি ১৬৭৮ সালে দুর্গটির নির্মাণ কাজ শুরু করেন, তখন এর নাম ছিল কিল্লা আওরঙ্গাবাদ। শাহজাদা আজম বাংলা ত্যাগ করলে সুবেদার শায়েস্তা খান (শায়েস্তা খান ছিলেন শাহজাদা আজমের শ্বশুর) এই নির্মাণ কাজ চালিয়ে যান।
পরী বিবির মৃত্যুর পর শায়েস্তা খান এটিকে অশুভ মনে করে নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেন। যেহেতু তিনি দীর্ঘ সময় ধরে দুর্গের কাজ তদারকি করেন এবং তাঁর সময়েই দুর্গটি পরিচিতি পায়, তাই পরীক্ষায় প্রায়শই উত্তর হিসেবে শায়েস্তা খানকেই বিবেচনা করা হয়।
অন্যান্য অপশনসমূহ ভুল কারণ: শাহ সুজা ১৬৩৯-১৬৬০ পর্যন্ত সুবাদার ছিলেন এবং সুবেদার ইসলাম খান ১৬১০ সালে ঢাকার রাজধানী স্থাপন করেন। তারা কেউই লালবাগ দুর্গের সাথে সরাসরি জড়িত নন।
75

বাংলার ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’-এর সময় কাল:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
  2. ১৭৬০ খ্রিস্টাব্দ
  3. ১৭৬৫ খ্রিস্টাব্দ

  4. ১৭৫৬ খ্রিস্টাব্দ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

রবার্ট ক্লাইভ দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা প্রণয়ন করলে দেওয়ানি চলে যায় কোম্পানির হাতে আর প্রশাসনিক ক্ষমতা থাকে নবাবের হাতে। ফলে বাংলায় এক অভূতপূর্ব প্রশাসনিক জটিলতার সৃষ্টি হয়। এর ফল হিসেবে ১৭৭০ খ্রিষ্টাব্দে (১১৭৬ বঙ্গাব্দ) দেখা দেয় ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ, যা 'ছিয়াত্তরের মন্বন্তর নামে পরিচিত। এ দুর্ভিক্ষে বাংলার জনসংখ্যার এক-তৃতীয়াংশ মৃত্যুমুখে পতিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ
বাংলার ইতিহাসে এটি ‘ছিয়াত্তরের মন্বন্তর’ নামে পরিচিত কারণ এটি বাংলা সন ১১৭৬ বঙ্গাব্দে (BE) সংঘটিত হয়েছিল।
সন তারিখের সূত্রানুসারে, বাংলা সন ১১৭৬ খ্রিস্টাব্দে রূপান্তর করলে তা ১৭৭০ খ্রিস্টাব্দ হয়। এই মন্বন্তর ১৭৭০-১৭১১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত চলেছিল।
এই মন্বন্তর ছিল ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির শোষণ, অতিরিক্ত রাজস্ব আদায়ের চাপ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ (অনাবৃষ্টি) এর সম্মিলিত ফল।
মন্বন্তরের সময় বাংলার গভর্নর ছিলেন জন কার্টিয়ার (John Cartier), তবে এর ভয়াবহতার মূল কারণ ছিল লর্ড ক্লাইভ কর্তৃক ১৭৬৫ সালে প্রতিষ্ঠিত দ্বৈত শাসন ব্যবস্থা।
76

সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
  2. ২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  3. ১৮ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২
  4. ২০ জানুয়ারি, ১৯৫২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ বাংলা ভাষা আন্দোলনের সময় পূর্ব বাংলার একটি প্রথম সারির রাজনৈতিক দল ছিল। ১৯৫২ সালের ৩১ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বার লাইব্রেরি হলে মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সভাপতিত্বে একটি সভায় এই দল গঠন করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ৩১ জানুয়ারি, ১৯৫২
১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনকে চূড়ান্ত রূপ দিতে এবং বৃহত্তর ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে ছাত্র, শিক্ষক ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সমন্বয়ে এই পরিষদ গঠন করা হয়।
এই দিন, ঐতিহাসিক ঢাকা বার লাইব্রেরি হলে (মতান্তরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বার লাইব্রেরি হল) অনুষ্ঠিত এক সভায় এই 'সর্বদলীয় কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ' গঠিত হয়।
সভায় মাওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী সভাপতিত্ব করেন এবং এই পরিষদের প্রধান আহ্বায়ক (Chief Convener) ছিলেন আব্দুল মতিন (ছাত্র নেতা)।
এই পরিষদই মূলত ৪ ফেব্রুয়ারি প্রদেশব্যাপী ধর্মঘট ও ২১ ফেব্রুয়ারি রাষ্ট্রভাষা দিবস পালনের কর্মসূচি ঘোষণা করেছিল।
77

৬ দফা দাবি পেশ করা হয়:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭০ সালে
  2. ১৯৬৬ সালে
  3. ১৯৬৫ সালে
  4. ১৯৬৯ সালে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৬৬ সালের ৫-৬ ফেব্রুয়ারি লাহোরে শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ বা ম্যাগনাকার্টা নামে পরিচিত ‘৬ দফা দাবি’ পেশ করেন। ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে ‘৬ দফা দাবি’ উত্থাপন করা হয়। ১৯৬৬ সালের ৭ জুন ছয় দফা বাস্তবায়নের দাবিতে গণআন্দোলন শুরু হলে পুলিশের গুলিতে বিভিন্ন স্থানে ১১ জন বাঙালি নিহত হন। এ জন্য প্রতি বছর ৭ জুন ছয় দফা দিবস পালিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৬৬ সালে
ঐতিহাসিক ৬ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছিল ১৯৬৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পূর্ব পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ১৯৬৬ সালের ৫ ও ৬ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের লাহোরে বিরোধী দলগুলোর এক সম্মেলনে এই দাবিগুলো পেশ করেন।
এটি পরে ১৯৬৬ সালের ২৩ মার্চ আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ১৯৬৯ সালটি গণঅভ্যুত্থানের এবং ১৯৭০ সালটি সাধারণ নির্বাচনের জন্য ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ।
78

বঙ্গবন্ধুর ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে যে আন্দোলন চলছিল সেটি হলো:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ইসলামাবাদের সামরিক সরকার পদত্যাগের আন্দোলন
  2. পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
  3. প্রেসিডেন্ট ইয়াহহিয়ার পদত্যাগ আন্দোলন
  4. মার্শাল ‘ল’ পদত্যাগের আন্দোলন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১ মার্চ ১৯৭১ ইয়াহিয়া খান পূর্ব ঘোষিত ৩ মার্চের ঢাকায় পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের ডাকা অধিবেশন স্থগিত করেন। ঐ স্থগিতাদেশের প্রতিবাদে বাঙালি জনতা রাস্তায় নেমে আসে। সেদিন থেকে ২৫ মার্চ মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত পূর্ব পাকিস্তান জুড়ে চলে অসহযোগ আন্দোলন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পূর্ব পাকিস্তানের অসহযোগ আন্দোলন
১৯৭১ সালের ১ মার্চ প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান জাতীয় পরিষদের অধিবেশন স্থগিত ঘোষণা করলে, পূর্ব পাকিস্তানে তীব্র উত্তেজনা শুরু হয়। এর প্রতিবাদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২ মার্চ থেকে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক দেন।
এই অসহযোগ আন্দোলনই ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ভাষণের সময়কালে পূর্ব পাকিস্তানে সর্বোচ্চ পর্যায়ে চলছিল। ৭ মার্চের ভাষণ ছিল মূলত এই চলমান আন্দোলনের পরবর্তী দিকনির্দেশনা।
এই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল, কেন্দ্রীয় সরকারের সাথে সম্পূর্ণ অসহযোগিতা প্রদর্শন করে পূর্ব পাকিস্তানকে স্বাধিকারের পথে চালিত করা, যা ২৫ মার্চ পর্যন্ত অব্যাহত ছিল।
79

২৬ মার্চ, ১৯৭১-এর স্বাধীনতা ঘোষণা বঙ্গবন্ধু জারী করেন-

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বেতার/রেডিওর মাধ্যমে
  2. ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
  3. টেলিগ্রামের মাধ্যম
  4. টেলিভিশনের মাধ্যমে

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৭১ সালের মার্চের মধ্যরাতে অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে তাঁর ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পূর্বে বঙ্গবন্ধু ইপিআরের ওয়্যারলেসের মাধ্যমে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন, যা পরদিন অর্থাৎ ২৬ মার্চে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্র থেকে চট্টগ্রাম আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল হান্নান প্রচার করেন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ওয়্যারলেসের মাধ্যমে
১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ মধ্যরাতের পর (অর্থাৎ ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পাকিস্তান সেনাবাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হওয়ার পূর্বে ধানমন্ডির ৩২ নং বাড়ি থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা করেন।
এই ঘোষণাটি ছিল একটি সংক্ষিপ্ত বার্তা। তিনি ইপিআর (তৎকালীন ইস্ট পাকিস্তান রাইফেলস) এর ওয়্যারলেস/সিক্রেট ট্রান্সমিটার ব্যবহার করে বার্তাটি চট্টগ্রামে প্রেরণ করেন। এই বার্তার মাধ্যমেই দেশে স্বাধীনতা যুদ্ধের সূচনা হয়।
অনেকে ভুলবশত 'বেতার/রেডিও' নির্বাচন করেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, বেতারে পরবর্তীতে এই ঘোষণাটি অন্যদের মাধ্যমে পাঠ করা হয়েছিল, কিন্তু মূল জারীকৃত বার্তাটি পাঠানো হয়েছিল গোপন ওয়্যারলেসের মাধ্যমে।
80

বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে
  2. ভাদ্র-আশ্বিন মাসে
  3. অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
  4. মাঘ-ফাল্গুন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে রোপা আমন ধান কাটা হয় অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে (নভেম্বর-জানুয়ারি)। আউশ ধান কাটা হয় জুলাই-আগস্টে আর বোরো ধান কাটা হয় এপ্রিল-মে মাসে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: অগ্রহায়ণ-পৌষ মাসে
বাংলাদেশে মূলত তিন ধরনের ধান চাষ হয়: আউশ, আমন ও বোরো। এর মধ্যে রোপা আমন হলো বর্ষা মৌসুমে রোপণ করা প্রধান ধান।
রোপা আমন ধানের বীজতলা তৈরি করা হয় জ্যৈষ্ঠ-আষাঢ় (মে-জুন) মাসে। এটিকে রোপণ করা হয় আষাঢ়-শ্রাবণ (জুলাই-আগস্ট) মাসে।
এবং এই ধান পরিপক্ব হয়ে কাটা হয় শীতের শুরুতে অগ্রহায়ণ ও পৌষ (নভেম্বর-জানুয়ারি) মাসে। এ কারণেই অগ্রহায়ণ মাসকে 'ফসলের মাস' বা 'গোলা ভরা মাস' বলা হয়।
81

সুন্দরবন-এর কত শতাংশ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার মধ্যে পড়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 50%
  2. 58%
  3. 62%
  4. 66%

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সুন্দরবন বাংলাদেশের খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট এবং পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ চব্বিশ পরগণা জেলাজুড়ে বিস্তৃত। এ বনভূমির মোট আয়তন ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার, যার মধ্যে বাংলাদেশ অংশে পড়েছে ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে তা ৬০% -এর একটু বেশি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ৬২%। বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সুন্দরবনের আয়তনের এই অনুপাতটি একটি স্ট্যান্ডার্ড তথ্য হিসেবে গৃহীত।
সুন্দরবনের মোট আয়তন প্রায় ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার (মতান্তরে ১০,২০০ বর্গ কিমি)। এর মধ্যে বাংলাদেশের অংশে পড়েছে প্রায় ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার
এই ৬,০১৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকাটি মোট সুন্দরবনের আয়তনের প্রায় ৬২%
বাকি প্রায় ৩৮% (আনুমানিক ৪,২০০ বর্গ কিমি) অংশ ভারতের ভৌগোলিক সীমানার অন্তর্ভুক্ত।
82

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংবিধানের কততম সংশোধনীর মাধ্যমে রদ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১২তম
  2. ১৩তম
  3. ১৪তম
  4. ১৫তম

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

৩০ জুন ২০১১ সংবিধানের ১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা রদ করা হয়। এ ব্যবস্থা প্রণয়ন করা হয়েছিল ২৭ মার্চ ১৯৯৬ সংবিধানের ১৩তম সংশোধনীর মাধ্যমে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৫তম সংশোধনী (পঞ্চদশ সংশোধনী)।
এই সংশোধনীটি ২০১১ সালের ৩ জুলাই জাতীয় সংসদে পাশ হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল দেশের সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করা।
১৫তম সংশোধনীর মাধ্যমে সংবিধানের মূলনীতি হিসেবে ধর্মনিরপেক্ষতা ও সমাজতন্ত্র পুনঃস্থাপন করা হয় এবং জাতির পিতার প্রতিকৃতি সংরক্ষণ সম্পর্কিত বিধান যুক্ত করা হয়।
উল্লেখযোগ্য ভুল অপশন হলো ১৩তম সংশোধনী (১৯৯৬)। এই সংশোধনীর মাধ্যমেই প্রথমত বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন বা চালু করা হয়েছিল, রদ করা হয়নি।
83

বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ কয় কক্ষবিশিষ্ট?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. এক কক্ষ
  2. দুই বা দ্বিকক্ষ
  3. তিন কক্ষ
  4. বহুকক্ষ বিশিষ্ট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যে কোনো দেশের আইন পরিষদ এক কক্ষ অথবা দ্বিকক্ষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ এক কক্ষ বিশিষ্ট। আর পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের আইনসভা দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: এক কক্ষ
বাংলাদেশের আইনসভা বা জাতীয় সংসদ হলো এক কক্ষবিশিষ্ট (Unicameral)। এর অর্থ হলো, সংসদীয় কাঠামোতে কেবল একটি মাত্র কক্ষ বা হাউজ বিদ্যমান। বাংলাদেশের আইনসভার নাম জাতীয় সংসদ
বাংলাদেশের সংবিধানে ৬৫(১) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে যে, বাংলাদেশে একটি সংসদ থাকিবে এবং তাহা জাতীয় সংসদ নামে অভিহিত হইবে।
যেসব দেশে দুটি কক্ষ থাকে (যেমন: নিম্নকক্ষ ও উচ্চকক্ষ/সিনেট), সেগুলোকে দ্বিকক্ষবিশিষ্ট (Bicameral) বলা হয় (উদাহরণ: ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য)। বাংলাদেশে উচ্চকক্ষ বা সিনেট না থাকায় এটি এককক্ষবিশিষ্ট।
84

ভারতের কতটি ‘ছিটমহল’ বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬২টি
  2. ১১১টি
  3. ৫১টি
  4. ১০১টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ভারতের বিভক্তির পর স্বাধীন ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে পরবর্তীতে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হলে বাংলাদেশ ও ভারতের অধিকারভুক্ত কিছু ভূখণ্ড উভয় দেশের মধ্যে থেকে যায়। এ ধরনের ভূখণ্ডই ছিটমহল। ২০১৫ সালে উভয় দেশের মধ্যে এ ছিটমহল বিনিময় হয়। এ বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে ভারতের ১১১টি আর ভারতের ভূখণ্ডে বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল অন্তর্ভুক্ত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১১১টি
ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের চুক্তিটি ২০১৫ সালের ৩১ জুলাই কার্যকর হয়। এটি ১৯৭৪ সালের মুজিব-ইন্দিরা চুক্তির একটি বাস্তবায়ন।
এই চুক্তি অনুযায়ী, ভারতের ১১১টি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমার ভেতরে ছিল এবং সেগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।
অন্যদিকে, বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল ভারতের সীমার ভেতরে ছিল, যা ভারতের অংশ হয়ে যায়।
প্রশ্নটি যেহেতু 'ভারতের কতটি ছিটমহল বাংলাদেশের ভৌগোলিক সীমায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে' জানতে চেয়েছে, তাই সঠিক সংখ্যাটি হলো ১১১
85

বাংলাদেশে প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় কবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৭২ সালে
  2. ১৯৭৩ সালে
  3. ১৯৭৭ সালে
  4. ১৯৭৪ সালে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম আদমশুমারি অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালে। বাংলাদেশে সর্বশেষ ষষ্ঠ জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুষ্ঠিত হয় ২০২২ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৭৪ সালে
স্বাধীনতার পর বাংলাদেশে প্রথম জাতীয় আদমশুমারি (Census) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৭৪ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে। এটি ছিল স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জনগণনা।
যদিও পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশে প্রথম শুমারি হয়েছিল ১৯৫১ সালে। কিন্তু প্রশ্নটি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম শুমারি নিয়ে।
উল্লেখ্য, ১৯৭৪ সালের এই শুমারির ফল প্রকাশিত হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। অন্যান্য সালগুলো (১৯৭২, ১৯৭৩, ১৯৭৭) সঠিক শুমারির তারিখ নির্দেশ করে না।
86

কোন উপজাতি বা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ধর্ম ইসলাম?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাখাইন
  2. মারমা
  3. পাঙন
  4. খিয়াং

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশে বর্তমানে ৫০টি নৃ-গোষ্ঠী বসবাস করে। এর মধ্যে একমাত্র পাঙন উপজাতিই ধর্মীয়ভাবে মুসলমান। পাঙন উপজাতিরা মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় বসবাস করে। এরা পারিবারিকভাবে পিতৃতান্ত্রিক। বাংলাদেশ ছাড়া ভারতের মণিপুর, আসাম ও ত্রিপুরাতেও অধিকসংখ্যক পাঙন জনসাধারণ বসবাস করছে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো পাঙন। বাংলাদেশের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর মধ্যে পাঙন সম্প্রদায়ের সদস্যরা প্রধানত ইসলাম ধর্ম অনুসরণ করেন।
পাঙনরা মূলত মণিপুরি গোত্রের অংশ এবং তারা সিলেট ও মৌলভীবাজার অঞ্চলে বসবাস করে। মণিপুরিদের মধ্যে যারা মুসলিম, তারাই পাঙন নামে পরিচিত।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লিখিত অন্য তিনটি জনগোষ্ঠী—রাখাইন, মারমা, এবং খিয়াং—সাধারণত বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী (থেরাবাদ বৌদ্ধ)। বাংলাদেশের বেশিরভাগ পার্বত্য অঞ্চলের উপজাতিরা এই ধর্ম অনুসরণ করে।
87

ঢাকার ‘ধোলাই খাল’ কে খনন করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পরিবিবি
  2. ইসলাম খান
  3. শায়েস্তা খান
  4. ঈশা খান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

১৬০৮-১৬১০ খ্রিষ্টাব্দে বাংলার প্রথম মুঘল সুবাদার ইসলাম খান 'ধোলাই খাল' খনন করেন। এ খালটি বালু নদীকে বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে যুক্ত করেছিল। খালটি পার হওয়ার জন্য ফরাশগঞ্জ ও গেণ্ডারিয়া বরাবর একটি ঝুলন্ত সেতু ছিল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ইসলাম খান
মুঘল সুবাহদার ইসলাম খান চিশতি ১৬১০ খ্রিস্টাব্দে সুবাহ বাংলার রাজধানী রাজমহল থেকে ঢাকায় স্থানান্তর করেন এবং এর নাম রাখেন জাহাঙ্গীরনগর
নতুন রাজধানীকে শত্রুদের আক্রমণ থেকে রক্ষা করা এবং অভ্যন্তরীণ নৌ-যোগাযোগ ও জল নিষ্কাশনের সুবিধার জন্য তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ খালটি খনন করেছিলেন।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: শায়েস্তা খান (Shaista Khan) মুঘল আমলের বিখ্যাত সুবাহদার হলেও ধোলাই খাল খননের কৃতিত্ব তাঁর নয়। ঈশা খান (Isa Khan) ছিলেন মুঘলদের আগমনের পূর্বের বারো ভূঁইয়াদের নেতা এবং পরিবিবি (Pari Bibi) ছিলেন শায়েস্তা খানের কন্যা, যাঁর সাথে লালবাগ কেল্লার সম্পর্ক রয়েছে।
88

বাংলা ভাষাকে পাকিস্তান গণপরিষদ কোন তারিখে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৭ মে, ১৯৫৪
  2. ২২ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৩
  3. ১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

পাকিস্তান গণপরিষদ ৭ মে ১৯৫৪ তারিখে বাংলা ভাষাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। আর ২৯ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ বাংলা ভাষা পাকিস্তানের দ্বিতীয় রাষ্ট্রভাষা হিসেবে সাংবিধানিক স্বীকৃতি পায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭ মে, ১৯৫৪
যদিও বাংলা ভাষা সাংবিধানিকভাবে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি পায় ১৯৫৬ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি তারিখে (যখন পাকিস্তানের প্রথম সংবিধান গৃহীত হয়), তবে পরীক্ষার প্রশ্নে প্রায়শই ১৯৫৪ সালের প্রাদেশিক আইনসভার পদক্ষেপকে কেন্দ্রীয় গণপরিষদের স্বীকৃতির পূর্ববর্তী ধাপ হিসেবে ধরা হয়।
১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন জয়ের পর, যুক্তফ্রন্ট সরকারের উদ্যোগে ৭ মে, ১৯৫৪ তারিখে পূর্ব বাংলা প্রাদেশিক আইন পরিষদে বাংলা ভাষাকে অন্যতম রাষ্ট্রভাষা করার প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়। এই প্রস্তাবটি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর রাষ্ট্রভাষা ঘোষণার জন্য চূড়ান্ত চাপ সৃষ্টি করে।
১৬ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫৬ তারিখটি ১৯৫৬ সালের সংবিধানের কাছাকাছি হলেও, ৭ মে, ১৯৫৪ এর প্রস্তাবটিই ছিল প্রথম কার্যকর আইনি উদ্যোগ যা চূড়ান্ত স্বীকৃতির পথ খুলে দেয়।
২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৫২ হলো আত্মদানের দিন, স্বীকৃতির দিন নয়।
89

মুক্তিযুদ্ধকালীন কোন তারিখে বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  2. ২৫ মার্চ, ১৯৭১
  3. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  4. ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ে এসে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী এ দেশীয় রাজাকার বাহিনীর সহযোগিতায় ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১ বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের ওপর ব্যাপক হত্যাকাণ্ড চালায়। আর ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ, ২৬ মার্চ ও ১৬ ডিসেম্বর যথাক্রমে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়, বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় সংঘটিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ১৪ ডিসেম্বর, ১৯৭১
১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর তারিখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাত্র দুই দিন আগে, পরাজয় নিশ্চিত জেনে তারা তাদের স্থানীয় দোসর (collaborators) যেমন— আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকারদের সহায়তায় দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক, চিকিৎসক, সাংবাদিক ও বুদ্ধিজীবীদের ধরে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। এটি ছিল জাতিকে মেধাশূন্য করার পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।
অন্যান্য বিকল্পগুলো গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক দিন: ২৫ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে পাকিস্তানি বাহিনী 'অপারেশন সার্চলাইট' নামে গণহত্যা শুরু করে। ২৬ মার্চ, ১৯৭১ তারিখে স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়া হয় এবং ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১ তারিখে বাংলাদেশ চূড়ান্ত বিজয় লাভ করে।
90

বাংলাদেশেকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুক্তরাজ্য
  2. পূর্ব জার্মানি
  3. স্পেন
  4. গ্রিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতিদানকারী প্রথম ইউরোপীয় দেশ তৎকালীন পূর্ব জার্মানি। দেশটি ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে। যুক্তরাজ্য ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি, গ্রিস ১৯৭২ সালের ১১ মার্চ এবং স্পেন ১৯৭২ সালের ১২ মে বাংলাদেশকে স্বাধীন দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পূর্ব জার্মানি (তৎকালীন সময়ে এটি একটি স্বতন্ত্র সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্র ছিল)।
পূর্ব জার্মানি (জার্মান ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক - GDR) ১৯৭২ সালের ১১ জানুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদান করে।
ইউরোপীয় দেশগুলোর মধ্যে এটিই ছিল বাংলাদেশকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম রাষ্ট্র
উল্লেখ্য, যুক্তরাজ্য পশ্চিমা বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্র হিসেবে ১৯৭২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেয়, যা পূর্ব জার্মানির পরে সংঘটিত হয়।
91

বাংলাদেশের বৃহত্তম জেলা কতটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭টি
  2. ৬৪টি
  3. ২০টি
  4. ১৯টি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৪৭ সালের পূর্ব পর্যন্ত বর্তমান বাংলাদেশ ভূখণ্ডে জেলার সংখ্যা ছিল ১৬ টি। ১৯৪৭ সালে দেশ বিভাগের সময় নদীয়া জেলা থেকে প্রাপ্ত অংশ নিয়ে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে ১৭তম জেলা ‘কুষ্টিয়া’ গঠিত হয়। পরবর্তীতে ১৯৬৯ সালের ১ জানুয়ারি বৃহত্তর বরিশাল জেলা থেকে ‘ পটুয়াখালী’ (১৮তম) এবং একই সালের ১ ডিসেম্বর বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলা থেকে ‘টাঙ্গাইল’ (১৯তম) জেলা আত্মপ্রকাশ করে। এরপর ২৬ ডিসেম্বর ১৯৭৮ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জেলা থেকে ২০তম জেলা হিসেবে গঠিত হয় জামালপুর। তারপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন তারিখ ও প্রজ্ঞাপন মূলে দেশে জেলার সংখ্যা হয় ৬৪টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো ২০টি
এই প্রশ্নটি বাংলাদেশের বর্তমান ৬৪টি জেলার সংখ্যা জানতে চায়নি, বরং প্রশাসনিক ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য জানতে চেয়েছে। 'বৃহত্তম জেলা' বা 'পুরাতন জেলা' বলতে সাধারণত ১৯৮৪ সালের পূর্বে বিদ্যমান থাকা প্রশাসনিক জেলাগুলিকে বোঝানো হয়।
প্রশাসনিকভাবে এই বৃহত্তর ইউনিটগুলো ছিল ১৯টি। তবে, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও খুলনা এই চারটি মেট্রোপলিটন এলাকাকে পৃথকভাবে গণনা করলে অনেক ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ২০টি ধরা হয়। বিসিএসসহ বিভিন্ন সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় এই ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটে ২০ সংখ্যাটি সঠিক হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
বিসিএস পরীক্ষার জন্য ৬৪টি অপশনটি ভুল, কারণ এটি বর্তমানে বাংলাদেশে বিদ্যমান মোট জেলার সংখ্যা।
92

বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা কবে গৃহীত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
  2. ২৬ মার্চ, ১৯৭১
  3. ১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১
  4. ২১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৭২

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতীয় পতাকা থেকে মানচিত্র বাদ দেওয়ার পর ১৭ জানুয়ারি ১৯৭২ বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২
মুক্তিযুদ্ধের সময় যে পতাকা ব্যবহৃত হয়েছিল, তাতে বাংলাদেশের মানচিত্র ছিল। কিন্তু বাংলাদেশ সরকার ১৭ জানুয়ারি, ১৯৭২ তারিখে নতুন করে পতাকার মাপ ও ডিজাইন অনুমোদন করে। এই তারিখেই সরকারিভাবে বর্তমান জাতীয় পতাকা গৃহীত হয়
এই নতুন নকশাটি করেছিলেন বিখ্যাত চিত্রশিল্পী কামরুল হাসান। এই নকশাতে লাল বৃত্তের ভেতর থেকে বাংলাদেশের মানচিত্রটি বাদ দেওয়া হয়
অন্যান্য অপশনগুলো গুরুত্বপূর্ণ, তবে পতাকার গ্রহণের তারিখ নয়:
২৬ মার্চ, ১৯৭১: বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস।
১৬ ডিসেম্বর, ১৯৭১: বাংলাদেশের বিজয় দিবস।
93

কোনো রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে জাতীয় সংগীতের কত চরণ বাজানো হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রথম ১০টি
  2. প্রথম ৪টি
  3. প্রথম ৬টি
  4. প্রথম ৫টি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

বঙ্গভঙ্গের প্রেক্ষাপটে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রচিত ‘আমার সোনার বাংলা’ কবিতার প্রথম ১০ চরণকে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত হিসেবে ঘোষণা করা হয় এবং তা গৃহীত হয় ১৯৭২ সালের ১৩ জানুয়ারি। জাতীয় সংগীত পরিবেশনের বিধান অনুযায়ী কণ্ঠে গাইতে গেলে দশ চরণ আর যন্ত্র সংগীতে বাজাতে গেলে চার চরণ পর্যন্ত বাজাতে হবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রথম ৪টি চরণ (প্রথম ৪টি)।
বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত 'আমার সোনার বাংলা'-র মূল গানটি ২৫ চরণবিশিষ্ট। তবে জাতীয় সংগীত হিসেবে সাংবিধানিকভাবে এর প্রথম ১০টি চরণকে গ্রহণ করা হয়েছে।
কিন্তু রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান, পতাকা উত্তোলন বা আন্তর্জাতিক কোনো ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সময় যখন সংগীতটি যন্ত্রে (Instrumental) বাজানো হয়, তখন সাধারণত এর প্রথম চারটি চরণ বাজানো হয়ে থাকে। এই ৪ চরণ বাজানোই প্রচলিত প্রথা।
94

ECNEC-এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি কে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. অর্থমন্ত্রী
  2. প্রধানমন্ত্রী
  3. পরিকল্পনামন্ত্রী
  4. স্পীকার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

Executive Committee of the National Economic Council বা একনেক-এর সর্বশেষ ব্যবস্থায় প্রধানমন্ত্রী সভাপতি ও অর্থমন্ত্রী বিকল্প সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। একনেক গঠিত হয় ১৯৮২ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: প্রধানমন্ত্রী
ECNEC-এর পূর্ণরূপ হলো— Executive Committee of the National Economic Council (জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি)।
এটি বাংলাদেশের সরকারের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম যা দেশের বৃহৎ ও গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর অনুমোদন ও তদারকি করে।
যেহেতু এটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি, তাই দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে প্রধানমন্ত্রী পদাধিকার বলে এর চেয়ারম্যান বা সভাপতি হন।
অর্থমন্ত্রী ও পরিকল্পনামন্ত্রী এর গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হলেও তাঁরা সভাপতি নন। পরিকল্পনামন্ত্রী মূলত ECNEC-এর বিকল্প চেয়ারম্যান (বা কনভেনার/ভাইস-চেয়ারম্যান) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
95

‘অগ্নিশ্বর’ কি ফসলের উন্নত জাত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ধান
  2. কলা
  3. গম
  4. পাট

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

অগ্নিশ্বর, সিঙ্গাপুরী, অমৃতসাগর উন্নতজাতের কলা। বিআর চান্দিনা, মালা, বিপ্লব, আশা, প্রগতি, মুক্তা কয়েকটি উন্নতজাতের ধান। বিকেআরআই তোষা, বিজেআরআই দেশি ৫, ৬ কয়েকটি উন্নতজাতের পাট। আর সোনালিকা, বলাকা, দোয়েল, কাঞ্চন, আকবর কয়েকটি উন্নতজাতের গম।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো কলা। ‘অগ্নিশ্বর’ (Agnishwar) বাংলাদেশের একটি অত্যন্ত পরিচিত এবং উন্নত জাতের কলা
এটি সাধারণত লম্বা, সুস্বাদু এবং উচ্চ ফলনশীল হওয়ার কারণে কৃষকদের মধ্যে খুবই জনপ্রিয়। এটি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে চাষ করা হয়।
ধান (Rice), গম (Wheat) এবং পাট (Jute) বাংলাদেশের প্রধান ফসল হলেও, ‘অগ্নিশ্বর’ জাতটি কেবল কলার সঙ্গেই সম্পর্কিত। ধান বা গমের ক্ষেত্রে সাধারণত BRRI বা BARI কর্তৃক উদ্ভাবিত জাতের নাম পরীক্ষায় আসে (যেমন: BRRI ধান-৪৯, বারি গম-৩৩)।
96

বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকারের বড় অর্জন কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
  2. সমুদ্রসীমা বিজয়
  3. বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ
  4. বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

প্রশ্নে উল্লেখিত অপশনের সবগুলোই বর্তমান সরকারের সাফল্য। তবে স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪০ বছর পর দেশি -বিদেশি চাপের মুখে থেকেও যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু করা এবং সফলভাবে শেষের পথে থাকা বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ সরকারের বড় অর্জন হিসেবে বিবেচিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: যুদ্ধাপরাধীদের বিচার। যদিও প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি অর্জনগুলো (সমুদ্রসীমা বিজয়, বিদ্যুৎ উৎপাদন বৃদ্ধি ইত্যাদি) বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু জাতি হিসেবে দীর্ঘদিনের আকাঙ্ক্ষা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নের প্রতীক হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকে বর্তমান সরকারের সবচেয়ে বড় এবং ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে গণ্য করা হয়।
মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যার বিচার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (International Crimes Tribunal - ICT) গঠিত হয় ২০১০ সালের ২৫ মার্চ
অন্যান্য অর্জনগুলো (যেমন: সমুদ্রসীমা বিজয়) ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্বের দিক থেকে দ্বিতীয় স্থানে রাখা হয়। বাংলাদেশ সরকার সফলভাবে আন্তর্জাতিক আদালতের মাধ্যমে ২০১২ সালে মিয়ানমারের সঙ্গে এবং ২০১৪ সালে ভারতের সঙ্গে সমুদ্রসীমা সংক্রান্ত বিরোধ নিষ্পত্তি করে।
97

বাংলাদেশে কখন থেকে বয়স্কভাতা চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৯৯৮ সালে
  2. ১৯৯৯ সালে
  3. ২০০০ সালে
  4. ১৯৯৭ সালে

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বাংলাদেশ সরকার ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ‘বয়স্কভাতা’ কর্মসূচি প্রবর্তন করে এবং এর কার্যক্রম শুরু বা চালু হয় এপ্রিল ১৯৯৮ থেকে। এ কর্মসূচির উদ্দেশ্য হলো দেশের দুর্দশাগ্রস্ত, অবহেলিত, আর্থিক দৈন্যে জর্জরিত বয়স্ক জনগোষ্ঠীর আর্থ-সামাজিক অবস্থাকে বিবেচনা করে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীর আওতায় নিয়ে আসা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৯৮ সালে
বাংলাদেশে বয়স্কভাতা (Old Age Allowance) কর্মসূচিটি ১৯৯৭-১৯৯৮ অর্থবছরে প্রথম চালু করা হয়। যেহেতু অর্থবছরটি ১৯৯৮ সালে শেষ হয় এবং কর্মসূচিটি পুরোপুরি এই সময়েই পরীক্ষামূলকভাবে শুরু হয়, তাই পরীক্ষার দৃষ্টিকোণ থেকে এর প্রবর্তন সাল ধরা হয় ১৯৯৮
এটি বাংলাদেশের প্রথম বৃহৎ এবং অত্যন্ত জনপ্রিয় সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির (Social Safety Net) মধ্যে অন্যতম।
অন্যান্য সালগুলো (১৯৯৯, ২০০০, ১৯৯৭) সঠিক নয়, কারণ এর প্রবর্তন ঘটেছিল ১৯৯৮ সালে। ১৯৯৭ সালটি অর্থবছর শুরুর বছর হলেও কর্মসূচিটি বাস্তব রূপ পায় ১৯৯৮ সালে।
98

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারের দৈর্ঘ্য কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১১.২ কি.মি
  2. ১২.২ কি.মি
  3. ১১.৮ কি.মি
  4. ১২.৮ কি.মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভারটি বর্তমানে দেশের দীর্ঘতম উড়ালসেতু। ১১.৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য বিশিষ্ট এই ফ্লাইওভার ১১ অক্টোবর ২০১৩ উদ্বোধন করা হয়। এর লেন সংখ্যা ৪টি, পিলার সংখ্যা ৩১৫টি ও স্প্যানসংখ্যা ২১৪টি।

ব্যাখ্যা

মেয়র মোহাম্মদ হানিফ ফ্লাইওভার হলো ঢাকা শহরের প্রথম সমন্বিত (Integrated) ফ্লাইওভার। এর মোট দৈর্ঘ্য হলো ১১.৮ কিলোমিটার। এটি আনুষ্ঠানিকভাবে ১১.৮ কিলোমিটার (মূল ফ্লাইওভার ও বিভিন্ন র‍্যাম্পসহ) হিসাবে পরিচিত।
ফ্লাইওভারটি যাত্রাবাড়ী, সায়েদাবাদ, টিকাটুলী, এবং গুলিস্তানসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টের যানজট নিরসনে নির্মাণ করা হয়।
এটি মূলত গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ী ফ্লাইওভার নামে পরিচিত ছিল, পরে এটি ঢাকার প্রথম নির্বাচিত মেয়র মোহাম্মদ হানিফের নামে নামকরণ করা হয়।
99

সুন্দরবনে বাঘ গণনায় ব্যবহৃত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পাগ-মার্ক
  2. ফুটমার্ক
  3. GIS
  4. কোয়ার্ডবেট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

সুন্দরবনে কয়েকটি পদ্ধতিতে এ পর্যন্ত বাঘ গণনা করা হয়েছে। তবে সর্বশেষ পদ্ধতিটি ছিল ক্যামেরা ট্র্যাকিং পদ্ধতি। ২৬ জুলাই ২০১৫ প্রকাশিত বাঘ গণনার ঐ জরিপের ফলাফলে বলা হয় সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ১০৬টি বাঘ রয়েছে। এর পূর্বে ২০০৪-০৫ সালে পাগ-মার্ক বা পায়ের ছাপ পদ্ধতিতে সুন্দরবনের বাঘ জরিপে বলা হয় সুন্দরবনের বাংলাদেশ অংশে ৪৩০টি বাঘ আছে। ২০১৮-১৯ সালে বাঘের সংখ্যা ছিলো ১১১টি এবং ২০২১ সালে ১৩৪টি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: পাগ-মার্ক (Pug-Mark)
ঐতিহাসিকভাবে সুন্দরবনে বাঘ গণনার জন্য যে পদ্ধতিটি সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হতো, তা হলো পাগ-মার্ক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বনের ভেজা মাটিতে বাঘের পায়ের ছাপ বা পাগ-মার্ক (Pug Mark) সংগ্রহ করে তা বিশ্লেষণ করা হতো।
বিশেষজ্ঞরা প্রতিটি বাঘের পায়ের ছাপকে (যেমন মানুষের ফিঙ্গারপ্রিন্ট) স্বতন্ত্র হিসেবে চিহ্নিত করে মোট বাঘের সংখ্যা অনুমান করতেন। এটি অপেক্ষাকৃত কম ব্যয়বহুল কিন্তু কম নির্ভুল একটি পদ্ধতি ছিল।
আধুনিক কালে বাঘ গণনার জন্য ক্যামেরা ট্র্যাপিং (Camera Trapping) পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়, যা পাগ-মার্কের চেয়ে অনেক বেশি নির্ভরযোগ্য এবং নির্ভুল।
100

ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঢাকায়
  2. খুলনায়
  3. নারায়ণগঞ্জে
  4. চাঁদপুরে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট চাঁদপুর জেলায় অবস্থিত। লোনা পানির মাছ গবেষণা কেন্দ্র খুলনায় অবস্থিত। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের পাঁচটি গবেষণা কেন্দ্র রয়েছে। এগুলোর অবস্থান হলো ময়মনসিংহ, চাঁদপুর, খুলনা, কক্সবাজার ও বাগেরহাটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: চাঁদপুরে
ফিশারিজ ট্রেনিং ইনস্টিটিউট (Fisheries Training Institute - FTI) বাংলাদেশের মৎস্য অধিদপ্তরের অধীনে পরিচালিত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। এটি চাঁদপুর জেলা শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত।
এই ইনস্টিটিউটটি মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও কর্মীদের ব্যবহারিক ও তত্ত্বীয় প্রশিক্ষণ প্রদান করে থাকে।
চাঁদপুর যেহেতু পদ্মা, মেঘনা ও ডাকাতিয়া নদীর মিলনস্থল এবং দেশের অন্যতম বৃহৎ মৎস্য কেন্দ্র, তাই এই স্থানে এই ইনস্টিটিউটটি স্থাপন করা হয়েছে।
101

MDG-এর অন্যতম লক্ষ্য কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. দেশ থেকে পোলিও নির্মূল
  2. HIV/AIDS নির্মূল করা
  3. যক্ষ্মা নির্মূল করা
  4. ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘ আয়োজিত সহস্রাব্দ শীর্ষ বৈঠকে ২০১৫ সালের মধ্যে ৮টি লক্ষ্য পূরণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়, যা সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্য বা MDG নামে পরিচিত। MDG-এর ৮টি লক্ষ্যের প্রথম লক্ষ্য হলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা। উল্লেখ্য, MDG-এর মেয়াদ শেষ হওয়ায় ১৭টি লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে SDG (২০১৬-৩০) বাস্তবায়ন শুরু হয়। MDG এর ৮টি লক্ষ্যমাত্রাগুলো হলো: ১. অতিদারিদ্র্য নিরসন ও ক্ষুধা নির্মূল। ২. সর্বজনীন প্রাথমিক শিক্ষা। ৩. লিঙ্গবৈষম্য দূরীকরণ ও নারীর ক্ষমতায়ন। ৪. শিশুমৃত্যু হার হ্রাস। ৫. মাতৃস্বাস্থ্য উন্নতি। ৬. এইডস, ম্যালেরিয়ার মতো রোগ নির্মূল। ৭. টেকসই পরিবেশ নিশ্চিতকরণ। ৮. বৈশ্বিক সম্পর্ক জোরদার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূর করা
MDG-এর পূর্ণরূপ হলো Millennium Development Goals (সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা)।
জাতিসংঘ ২০০০ সালের সেপ্টেম্বরে এই লক্ষ্যমাত্রাগুলো গ্রহণ করে, যার মূল সময়কাল ছিল ২০০১ থেকে ২০১৫ পর্যন্ত।
MDG-এর মোট লক্ষ্য ছিল ৮টি। এই ৮টি লক্ষ্যের মধ্যে প্রথম এবং প্রধান লক্ষ্যটিই ছিল: চরম দারিদ্র্য ও ক্ষুধা নির্মূল করা (Goal 1: Eradicate extreme poverty and hunger)।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন HIV/AIDS নির্মূল) MDG-এর Goal 6 (রোগব্যাধি প্রতিরোধ) এর অন্তর্ভুক্ত হলেও, সামগ্রিকভাবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক লক্ষ্যটি হলো ক্ষুধা ও দারিদ্র্য দূরীকরণ
102

কোন সংকটকে কেন্দ্র করে ১৯৫০ সালে ‘শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ জাতিসংঘের মাধ্যমে পেশ করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিয়েতনাম সংকট
  2. সাইপ্রাস সংকট
  3. কোরিয়া সংকট
  4. প্যালেস্টাইন সংকট

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৫০ সালে কোরীয় যুদ্ধের সময় সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় একই বছরের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ কর্তৃক গৃহীত একটি প্রস্তাব ‘শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ বা The Uniting for Peace Resolution।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: কোরিয়া সংকট

১৯৫০ সালের ৩ নভেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ‘শান্তির জন্য ঐক্য প্রস্তাব’ (Uniting for Peace Resolution) বা Resolution 377 (V) গৃহীত হয়।

এই প্রস্তাবটি পেশ করার প্রধান কারণ ছিল কোরীয় যুদ্ধ (১৯৫০-১৯৫৩) চলাকালীন নিরাপত্তা পরিষদে সৃষ্ট অচলাবস্থা।

তখন সোভিয়েত ইউনিয়ন (USSR) কোরীয় যুদ্ধ নিয়ে যেকোনো পদক্ষেপে ভেটো প্রদান করে সামরিক ব্যবস্থা গ্রহণে বাধা দিচ্ছিল।

নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যের ভেটোর কারণে যখন আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়, তখন ভেটো ক্ষমতাকে পাশ কাটানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্রের উদ্যোগে এই প্রস্তাবটি আনা হয়। এই প্রস্তাবের মাধ্যমে সাধারণ পরিষদকে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষমতা দেওয়া হয়।
103

সুয়েজ খাল কোন বছর চালু হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1903
  2. 1869
  3. 1889
  4. 1854

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

সুয়েজ খাল মিশরের সিনাই উপদ্বীপের পশ্চিমে অবস্থিত একটি কৃত্রিম খাল। এটি লোহিত সাগরকে ভূমধ্যসাগরের সাথে সংযুক্ত করেছে। ১৮৫৯ সালের ২৪ এপ্রিল খনন কাজ শুরু হয়ে ১৮৬৯ সালে শেষ হয়। ১৮৬৯ সালের ১৭ নভেম্বর এটি প্রথম নৌ চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয় । ২৬ জুলাই ১৯৫৬ মিসরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের জাতীয়করণ করলে ইসরাইল মিশর আক্রমণ করে এবং দ্বিতীয় আরব-ইসরাইল যুদ্ধ সংঘটিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৮৬৯। সুয়েজ খাল আনুষ্ঠানিকভাবে জাহাজ চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করা হয় ১৭ নভেম্বর, ১৮৬৯ সালে।
এই খালটি নির্মাণের ফলে এশিয়া এবং ইউরোপের মধ্যেকার সমুদ্রপথের দূরত্ব বহুলাংশে কমে আসে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এনেছিল।
সুয়েজ খাল ভূমধ্যসাগরকে (Mediterranean Sea) লোহিত সাগরের (Red Sea) সাথে যুক্ত করেছে এবং এটি মিশরের (Egypt) ভেতর দিয়ে অতিক্রম করেছে।
অন্যান্য অপশনগুলো (১৯০৩, ১৮৮৯, ১৮৫৪) সুয়েজ খালের চালুর সঠিক তারিখ নয়। তবে, ফরাসি ডিপ্লোম্যাট ফার্দিনান্দ দে লেসেপস (Ferdinand de Lesseps) সুয়েজ খাল নির্মাণের জন্য প্রথম অনুমোদন পান ১৮৫৪ সালে।
104

নিম্নলিখিত কোনটি International Mother Earth day?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১৮ এপ্রিল
  2. ২০ এপ্রিল
  3. ২২ এপ্রিল
  4. ২৪ এপ্রিল

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৯৭০ সালের ২২ এপ্রিল মার্কিন সিনেটর গেলর্ড নেলসন ধরিত্রী দিবসের প্রচলন করেন। ১৯৯০ সালে জাতিসংঘ তাদের বাৎসরিক পঞ্জিকায় দিবসটিকে স্থান দেয় এবং জাতিসংঘের অন্তর্ভুক্ত দেশসমূহে তা প্রতিপালনের জন্য উৎসাহ প্রদান করা শুরু করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ২২ এপ্রিল। প্রতি বছর ২২ এপ্রিল International Mother Earth Day বা আন্তর্জাতিক মাতৃ ধরিত্রী দিবস পালিত হয়।
এই দিবসটি পরিবেশ দূষণ সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশ রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরার জন্য বিশ্বজুড়ে পালন করা হয়।
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ আনুষ্ঠানিকভাবে ২০০৯ সালে এই দিনটিকে স্বীকৃতি দেয়, তবে এর প্রথম আনুষ্ঠানিক উদযাপন হয়েছিল ১৯৭০ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে।
১৮ এপ্রিল বা ২০ এপ্রিল আন্তর্জাতিক মাতৃ ধরিত্রী দিবস নয়।
105

প্রেসিডেন্ট উইড্র উইলসনের 14 points এ কত নম্বর point এ জাতিপুঞ্জের সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 9
  2. 12
  3. 13

  4. 14

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যুক্তরাষ্ট্রের ২৮তম প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ৮ জানুয়ারি ১৯১৮ কংগ্রেসে একটি বক্তব্য প্রদান করেন, যাতে ছিল ইউরোপে শান্তি প্রতিষ্ঠার ও জাতিপুঞ্জ গঠনের আহ্বান। এ বক্তব্যটি ছিল ১৪ দফা বিশিষ্ট। তাঁর বক্তব্যের প্রথম দফা উন্মুক্ত কূটনীতি। ৯, ১২, ১৩, ও ১৪ নম্বর পয়েন্ট যথাক্রমে ইতালির সীমান্ত পুনর্নিধারন, তুরস্কের সমস্যাগুলোর সমাধান, স্বাধীন পোল্যান্ড রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা এবং সকল রাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও স্বাধীনতা রাজ্যসীমা নিরাপত্তা রক্ষায় জাতিপুঞ্জ গঠন।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৪
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অবসানের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠা ও ভবিষ্যতে যুদ্ধ এড়ানোর জন্য মার্কিন প্রেসিডেন্ট উড্রো উইলসন ১৯১৮ সালের ৮ জানুয়ারি তাঁর বিখ্যাত '১৪ দফা নীতি' (14 Points) ঘোষণা করেন।
এই ১৪টি নীতির মধ্যে শেষ দফা অর্থাৎ ১৪ নম্বর point এ স্পষ্টভাবে একটি আন্তর্জাতিক সংস্থা গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল।
উইলসনের ১৪ নম্বর দফার মূল বক্তব্য ছিল: 'A general association of nations must be formed under specific covenants for the purpose of affording mutual guarantees of political independence and territorial integrity to great and small states alike.'
এই প্রস্তাবনার ফলস্বরূপই ১৯২০ সালে জাতিপুঞ্জ (League of Nations) গঠিত হয়। তাই জাতিপুঞ্জের সৃষ্টির কথা উল্লেখ করা হয়েছে ১৪ নম্বর point-এ।
106

১৭৮৩ সালে ভার্সাইতে কয়টি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 2
  2. 3
  3. 4
  4. 5

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

১৭৮৩ সালে ফ্রান্সের ভার্সাই নগরীতে চারটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যথা- গ্রেট ব্রিটেনের রাজা তৃতীয় জর্জের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের শান্তি চুক্তি, ফ্রান্সের রাজা ষোড়শ লুই-এর প্রতিনিধিগণ ও স্পেনের রাজা তৃতীয় চার্লসের মধ্যে স্বাক্ষরিত দুটি চুক্তি এবং ডাচ প্রজাতন্ত্রের রাজ্য প্রধানদের প্রতিনিধিদের মধ্যে চুক্তি। প্রথম চুক্তির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা যুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৪টি
১৭৮৩ সালে প্যারিস এবং ভার্সাইতে কয়েকটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল, যা আমেরিকান স্বাধীনতা যুদ্ধের (American Revolutionary War) সমাপ্তি ঘটায়। সম্মিলিতভাবে এই প্রক্রিয়াকে ভার্সাই শান্তি চুক্তি (Treaty of Versailles, 1783) বা প্যারিস চুক্তি (Treaty of Paris, 1783) বলা হয়।
যদিও মূল চুক্তিটি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং গ্রেট ব্রিটেনের মধ্যে প্যারিসে স্বাক্ষরিত হয়েছিল, কিন্তু ফ্রান্স ও স্পেনের মতো অন্যান্য সহযোগী শক্তির সঙ্গে ব্রিটেনের চুক্তিগুলো ভার্সাইতে স্বাক্ষরিত হয়।
এই শান্তি প্রক্রিয়ায় মোট ৪টি প্রধান দ্বিপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যা এই যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী প্রধান শক্তিগুলোর মধ্যে বিদ্যমান সংঘাতের অবসান ঘটায়। সেগুলো হলো: ১. গ্রেট ব্রিটেন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ২. গ্রেট ব্রিটেন ও ফ্রান্স, ৩. গ্রেট ব্রিটেন ও স্পেন এবং ৪. গ্রেট ব্রিটেন ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যেকার চুক্তি।
107

লাওসের (Laos) সরকারি নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. Loas People's Democratic Republic
  2. Republic of Laos
  3. Kingdom of Laos
  4. Democratic Republic of Laos

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ লাওস। ১২ অক্টোবর ১৯৪৫ দেশটি স্বাধীনতা লাভ করে। লাওসের সরকারি নাম Laos People's Democratic Republic।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Loas People's Democratic Republic (লাও গণপ্রজাতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্র)।
লাওসের সরকারি নাম হলো Lao People's Democratic Republic (Lao PDR)। এটি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র স্থলবেষ্টিত (Landlocked) দেশ, যা ১৯৭৫ সালে রাজতন্ত্রের পতন ঘটিয়ে সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হয় এবং এই নামটি গ্রহণ করে।
অন্যান্য অপশন যেমন 'Kingdom of Laos' ভুল, কারণ ১৯৫৩ থেকে ১৯৭৫ সাল পর্যন্ত এটি লাওসের রাজতন্ত্র ছিল, বর্তমানে এটি নেই।
108

নিচের কোন রাষ্ট্র সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. চীন
  3. মিয়ানমার
  4. আফগানিস্তান

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

জনসংখ্যায় পৃথিবীর বৃহত্তম ও আয়তনে তৃতীয় বৃহত্তম রাষ্ট্র চীনের সাথে সর্বোচ্চ ১৪টি দেশের সীমান্ত রয়েছে। চীনের সীমান্তবর্তী দেশগুলো হলো-লাওস, মিয়ানমার, ভারত, পাকিস্তান, তাজিকিস্তান, কিরগিজস্তান, কাজাখস্তান, মঙ্গোলিয়া, রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া, ভিয়েতনাম, নেপাল, ভুটান ও আফগানিস্তান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো চীন (China)
বিশ্বের মধ্যে যে দুটি রাষ্ট্র সর্বাধিক সংখ্যক প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সাথে স্থল সীমান্ত ভাগ করে নেয়, তারা হলো— চীন এবং রাশিয়া (Russia)। উভয়েই মোট ১৪টি করে দেশের সাথে সীমান্ত যুক্ত।
সুতরাং, এই প্রশ্নের অপশনগুলির মধ্যে চীন সর্বাধিক রাষ্ট্রের সাথে সীমান্তযুক্ত।
চীন যে ১৪টি দেশের সাথে সীমান্ত ভাগ করে নেয়: উত্তর কোরিয়া, রাশিয়া, মঙ্গোলিয়া, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, আফগানিস্তান, পাকিস্তান, ভারত, নেপাল, ভুটান, মিয়ানমার, লাওস ও ভিয়েতনাম।
তুলনামূলকভাবে, ভারত ৬টি (বা ৭টি) দেশের সাথে সীমান্তযুক্ত এবং মিয়ানমার ৫টি দেশের সাথে সীমান্তযুক্ত।
109

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ পদটি কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্রশাসক
  2. মহাপরিচালক
  3. মহাসচিব
  4. প্রেসিডেন্ট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির United Nations Development Programme. (UNDP) শীর্ষপদ প্রশাসক। এটি জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের একটি সহায়ক সংস্থা। এ সংস্থাটি প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৬৫ সালে। এর সদর দপ্তর নিউইর্য়ক (যুক্তরাষ্ট্র)।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: প্রশাসক (Administrator)
জাতিসংঘের সাধারণ সংস্থাগুলো (যেমন UNDP, UNICEF) কোনো সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধিদের দ্বারা গঠিত হয় না, বরং তারা উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে। তাই জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (UNDP)-এর শীর্ষ নির্বাহী পদকে প্রশাসক (Administrator) বলা হয়।
বর্তমানে (২০২৪) UNDP-এর প্রশাসক হলেন জার্মানির আকিম স্টেইনার (Achim Steiner)
অন্যান্য পদবীগুলোর ব্যবহার:
মহাসচিব: সাধারণত মূল জাতিসংঘ (UN) বা আঞ্চলিক সামরিক জোটের (যেমন NATO) প্রধানকে বলা হয়।
মহাপরিচালক: সাধারণত জাতিসংঘের বিশেষায়িত সংস্থাগুলোর (যেমন WHO, UNESCO, ILO) প্রধানকে বলা হয়।
110

যুক্তরাষ্ট্র কবে এককভাবে ABM (Anti-Ballistic Missile) চুক্তি থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জুন ২০০১
  2. জুন ২০০০
  3. জুন ২০০২
  4. জুন ২০০৩

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ABM (Anti-Ballistic Missile) যুক্তরাষ্ট্রে একটি সুবিধা ব্যবস্থা প্রদানকারী। ক্যালিফোর্নিয়ার সান ফ্রান্সিসকোতে মরিস রোজনবার্গ একক ব্যক্তির উইন্ডো ওয়াশিংয়ের ব্যবসা হিসেবে ১৯০৯ সালে এবিএম প্রতিষ্ঠা করেন। এ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে, ১৯৭২ সালে। চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৬ মে ১৯৭২। এ চুক্তির দুটি পক্ষ ছিল সোভিয়েত ইউনিয়ন (বর্তমান রাশিয়া) ও যুক্তরাষ্ট্র। ABM চুক্তি থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে প্রত্যাহার করে ১৩ জুন ২০০২।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জুন ২০০২
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে এবিএম (ABM) চুক্তি থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয়। যদিও বুশ ২০০০ সালের ডিসেম্বর মাসে এই চুক্তি থেকে সরে আসার ঘোষণা দেন, চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাহার কার্যকর হতে ৬ মাস সময় লাগে।
চুক্তি থেকে এককভাবে সরে আসার দিনটি ছিল ১৩ জুন ২০০২। এই চুক্তি থেকে সরে আসার পর যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা (National Missile Defense System) তৈরির উদ্যোগ নেয়।
অন্যান্য অপশন (জুন ২০০১, ২০০০, ২০০৩) ভুল, কারণ চুক্তি প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিকতা কার্যকর হয় নির্দিষ্টভাবে ২০০২ সালে।
111

আরব লীগ প্রতিষ্ঠা পায়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1949
  2. 1950
  3. 1945
  4. 1940

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

আরব লীগ প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ২২ মার্চ। এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ২২। এর সদর দপ্তর অবস্থিত মিশরের কায়রোতে। ১৯৪৯ সালে গঠিত হয় ন্যাটো (NATO)। UNHCR প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৫০ সালে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ১৯৪৫
আরব বিশ্বের রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সহযোগিতা ও সম্পর্ক শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ২২ মার্চ ১৯৪৫ সালে মিসরের কায়রোতে আরব লীগ (League of Arab States) প্রতিষ্ঠিত হয়।
এই সংস্থাটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আগে এবং জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার কয়েক মাস আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যা এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব নির্দেশ করে।
112

Yalta Conference-এর একটি লক্ষ্য ছিল:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বিশ্বযুদ্ধের কারণ নির্ণয়
  2. জিব্রালটার প্রণালীর সুরক্ষা

  3. জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
  4. যুদ্ধে ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ প্রদান

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

Yalta Conference: ক্রিমিয়া কনফারেন্স নামে পরিচিত এবং ৪-১১ ফেব্রুয়ারি, ১৯৪৫ থেকে অনুষ্ঠিত দুঃসাহসী অভিযাত্রী সম্মেলন, তিনটি রাজ্যের রাষ্ট্রপতি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট, প্রধানমন্ত্রী উইনস্টল চার্চিল এবং প্রিমিয়ার জোসেফ স্ট্যালিন এর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। এ সম্মেলনের লক্ষ্য ছিল একটি যুদ্ধোত্তর শান্তি তৈরি করা যা শুধু একটি যৌথ নিরাপত্তা আদেশ নয় বরং নাৎসি ইউরোপের মুক্তি জনগণকে আত্মনির্ভরতা প্রদানের একটি পরিকল্পনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠা
ইয়াল্টা কনফারেন্স (Yalta Conference) অনুষ্ঠিত হয় ১৯৪৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে (৪-১১ ফেব্রুয়ারি)। এটি ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে মিত্রশক্তির প্রধান তিন দেশের নেতাদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সম্মেলন।
এই সম্মেলনের প্রধান লক্ষ্যগুলোর মধ্যে ছিল—জার্মানির চূড়ান্ত পরাজয়ের কৌশল নির্ধারণ, ইউরোপের যুদ্ধোত্তর পুনর্গঠন এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, জাতিসংঘ (United Nations) প্রতিষ্ঠার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ।
ইয়াল্টা সম্মেলনে তিন প্রধান নেতা জাতিপুঞ্জের (League of Nations) ব্যর্থতার পর নতুন বিশ্ব শান্তি সংস্থা জাতিসংঘের মূল কাঠামো ও ভোটদানের পদ্ধতি (ভেটো ক্ষমতা) নিয়ে ঐকমত্যে পৌঁছান।
ফলস্বরূপ, ঐ বছরই এপ্রিল মাসে জাতিসংঘ সনদ স্বাক্ষরের জন্য সান ফ্রান্সিসকো সম্মেলন আহ্বান করা হয়।
113

বর্তমানে NAM-এর সদস্য সংখ্যা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 33
  2. 15
  3. 77
  4. 21

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বর্তমানে NAM-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা ১২০ এবং সর্বশেষ এ সংস্থায় যোগদানকারী রাষ্ট্র আজারবাইজান ও ফিজি। ১৯৬১ সালে যুগোস্লাভিয়ার (বর্তমান সার্বিয়া) বেলগ্রেড সম্মেলনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে NAM (Non-Aligned Movement)। এ সংস্থা গঠনের নেপথ্যের কাণ্ডারি ছিলেন সাবেক যুগোস্লাভিয়ার প্রেসিডেন্ট মার্শাল টিটো, ঘানার প্রেসিডেন্ট কাওয়ামে নক্রুমা, ভারতের প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহেরু, মিশরের প্রেসিডেন্ট জামাল আবদেল নাসের ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট ড. আহমেদ সুকর্ন।

ব্যাখ্যা

সঠিক তথ্য হলো, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন (NAM – Non-Aligned Movement)-এর বর্তমান সদস্য সংখ্যা হলো ১২০টি
প্রদত্ত অপশনসমূহে ১২০ না থাকায় এবং প্রশ্নে থাকা ৭৭ (অপশন-৩) বর্তমানে ভুল তথ্য। এটি সম্ভবত পুরোনো কোনো প্রশ্ন বা মুদ্রণ ত্রুটির ফল।
NAM বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম আন্তঃরাষ্ট্রীয় সংগঠন (জাতিসংঘের পরেই)। এর সর্বশেষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় আজারবাইজানের বাকু (Baku)-তে (১৮তম সম্মেলন, ২০১৯)।
114

‘War and Peace’ উপন্যাসের রচয়িতা–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. লিও টলস্টয়
  2. ডেভিড রিকার্ডো
  3. কার্ল মার্কস
  4. জেন অস্টিন

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্ববিখ্যাত রুশ ঔপন্যাসিক লিও টলস্টয় (১৮২৮ -১৯৩০) এর শ্রেষ্ঠ উপন্যাসসমূহ হচ্ছে ‘War and Peace’, ‘Anna Karenina’, ‘A Confession’, Resurrection ইত্যাদি। তার কিছু বিখ্যাত short story হচ্ছে ‘The Death of Ivan Ilych’, ‘Family Happiness’ এবং ‘Hadji Murad’।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লিও টলস্টয় (Leo Tolstoy)
লিও টলস্টয় ছিলেন বিশ্ববিখ্যাত রুশ (Russian) ঔপন্যাসিক ও দার্শনিক। তাঁর লেখা ‘War and Peace’ (যুদ্ধ ও শান্তি) উপন্যাসটি ১৮৬৯ সালে প্রকাশিত হয় এবং এটি বিশ্ব সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ঐতিহাসিক মহাকাব্য (Epic Novel) হিসেবে পরিচিত।
এটি নেপোলিয়নের রাশিয়া আক্রমণের পটভূমিতে রচিত হয়েছে।
ডেভিড রিকার্ডো ছিলেন একজন বিখ্যাত ধ্রুপদী অর্থনীতিবিদ।
কার্ল মার্কস ছিলেন সমাজতান্ত্রিক দার্শনিক ও অর্থনীতিবিদ (যার বিখ্যাত গ্রন্থ ‘Das Kapital’)।
জেন অস্টিন ছিলেন একজন ইংরেজ মহিলা ঔপন্যাসিক (যার বিখ্যাত কাজ ‘Pride and Prejudice’)।
তাই এই লেখকদের কেউই ‘War and Peace’ উপন্যাসের রচয়িতা নন।
115

আন্তর্জাতিক রেড ক্রস-এর সদর দপ্তর:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভিয়েনা
  2. জেনেভা
  3. প্যারিস
  4. লন্ডন

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২৪ জুন ১৮৫৯ ইতালির 'সলফেরিনো' নামক স্থানে ফ্রান্স ও অস্ট্রিয়ার মধ্যে ভয়াবহ যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে প্রতিষ্ঠিত হয় আন্তর্জাতিক রেডক্রস। এর প্রতিষ্ঠা সাল ৯ ফেব্রুয়ারি ১৮৬৩। এই সেবা সংস্থাটির সদর দপ্তর জেনেভায়। ILO, ITU, WMO, WIPO, WHO, WTO, UNHCR, UNCTAD, ITC, UNITAR প্রভৃতি সংস্থার সদর দপ্তর জেনেভায় অবস্থিত। কমনওয়েলথ, IMO, অক্সফাম ইন্টারন্যাশনাল, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সদর দপ্তর যুক্তরাজ্যের লন্ডনে অবস্থিত। OPEC, IAEA UNIDO, OSCE-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: জেনেভা
আন্তর্জাতিক রেড ক্রস বা International Committee of the Red Cross (ICRC)-এর সদর দপ্তর সুইজারল্যান্ডের জেনেভা শহরে অবস্থিত।
এটি একটি নিরপেক্ষ আন্তর্জাতিক মানবিক সংস্থা যা সশস্ত্র সংঘাত এবং অন্যান্য সহিংসতায় ক্ষতিগ্রস্তদের সুরক্ষা ও সহায়তা প্রদান করে।
রেড ক্রসের প্রতিষ্ঠাতা হলেন সুইস মানবপ্রেমিক হেনরি ডুনান্ট (Henry Dunant)। তিনি ১৮৬৩ সালে এই সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন।
ভিয়েনা, প্যারিস, ও লন্ডন হলো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক সংস্থার সদর দপ্তর। যেমন: ভিয়েনায় (OPEC, IAEA), প্যারিসে (UNESCO), লন্ডনে (IMO, Amnesty International)।
116

IAEA-এর সদর দপ্তর হচ্ছে :

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জেনেভা
  2. ভিয়েনা
  3. ওয়াশিংটন
  4. প্যারিস

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

International Atomic Energy Agency (IAEA) প্রতিষ্ঠিত হয় ২৯ জুলাই ১৯৫৭। এ সংস্থাটির প্রধানের পদমর্যাদা মহাপরিচালক। IAEA-এর সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অবস্থিত। এছাড়া CTBTO, UNIDO, UNODC, OPEC ও OSCE-এর সদর দপ্তর ভিয়েনা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ভিয়েনা
IAEA-এর পূর্ণরূপ হলো International Atomic Energy Agency (আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থা)।
এই সংস্থাটি মূলত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পারমাণবিক শক্তির নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে।
IAEA-এর স্থায়ী সদর দপ্তর অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অবস্থিত। এই শহরেই জাতিসংঘের আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থা তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে।
117

সার্ক প্রতিষ্ঠিত হয়:

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1982
  2. 1985
  3. 1984
  4. 1983

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

SAARC (South Asian Association for Regional Co-operation) আনুষ্ঠানিকভাবে গঠিত হয় ১৯৮৫ সালের ৮ ডিসেম্বর। এ আঞ্চলিক সংস্থার সদর দপ্তর নেপালের কাঠমান্ডুতে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯৮৫। সার্ক (SAARC - South Asian Association for Regional Cooperation) প্রতিষ্ঠিত হয় ৮ ডিসেম্বর ১৯৮৫ সালে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর আর্থ-সামাজিক সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই সংস্থাটির জন্ম। প্রথম সার্ক শীর্ষ সম্মেলন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়।
অন্যান্য সালগুলো (১৯৮২, ১৯৮৪, ১৯৮৩) সার্ক প্রতিষ্ঠার সাল নয়, তাই সেগুলো ভুল উত্তর।
118

জাতিসংঘ কোন বছর প্রতিষ্ঠিত হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 1941
  2. 1945
  3. 1948
  4. 1949

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

২৬ জুন ১৯৪৫ স্বাক্ষরিত জাতিসংঘ সনদ একই বছরের ২৪ অক্টোবর কার্যকরের মধ্যে দিয়ে প্রতিষ্ঠিত হয় বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রতিভূ সংস্থা জাতিসংঘ। ১৯৪৫ সালে প্রতিষ্ঠিত আরো কিছু সংস্থা হলো বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (FAO), আন্তর্জাতিক আদালত, আরব লীগ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO), আন্তর্জাতিক সমুদ্র সংস্থা (IMO), বেনেলাক্স (BENELUX) গঠিত হয় ১৯৪৮ সালে। ১৯৪৯ সালের ৪ এপ্রিল যাত্রা শুরু করে NATO।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ১৯৪৫ সাল।
জাতিসংঘ (United Nations - UN) আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয় ২৪শে অক্টোবর, ১৯৪৫ সালে।
জাতিসংঘের প্রতিষ্ঠাতা সনদে (UN Charter) স্বাক্ষর করে মোট ৫১টি রাষ্ট্র। এই সনদের মধ্য দিয়েই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের (১৯৩৯-১৯৪৫) পর বিশ্বে শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য এই প্রতিষ্ঠানটি যাত্রা শুরু করে।
অন্যান্য অপশনগুলোর মধ্যে, ১৯৪১ সালে আটলান্টিক সনদ (Atlantic Charter) স্বাক্ষরিত হয়, যা জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার ধারণার প্রাথমিক ভিত্তি ছিল। ১৯৪৮ সালে মানবাধিকারের সর্বজনীন ঘোষণা (Universal Declaration of Human Rights) গৃহীত হয়।
119

আলেপ্পো শহরটি কোথায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. মিশর
  2. ইরান
  3. ইরাক
  4. সিরিয়া

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

আলেপ্পো সিরিয়ার সবচেয়ে বড় শহর। এটি সিরিয়ার গভর্নরশাসিত প্রশাসনিক বিভাগ আলেপ্পোর রাজধানী। সিরিয়া-তুরস্ক সীমান্তবর্তী চেকপয়েন্ট বাব আল হাওয়ার ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত আলেপ্পোর প্রাচীন নাম খালপি বা খালিবন। ভূমধ্যসাগর থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২০ কিলোমিটার।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সিরিয়া (Syria)
আলেপ্পো (Aleppo) শহরটি সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত এবং এটি একসময় সিরিয়ার অর্থনৈতিক রাজধানী ও অন্যতম প্রধান শিল্প কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত ছিল।
আলেপ্পো বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন শহর, যা হাজার হাজার বছর ধরে গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য পথের কেন্দ্রে ছিল।
সাম্প্রতিককালে, সিরিয়ার গৃহযুদ্ধের কারণে শহরটি আন্তর্জাতিক সংবাদে ব্যাপক আলোচিত হয় এবং এর ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই আলেপ্পো নামটি সিরিয়ার সাথেই ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত।
120

মাদার তেরেসা কোন দেশে জন্মগ্রহণ করেন?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ভারত
  2. আলজেরিয়া
  3. আলবেনিয়া

  4. ফ্রান্স

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

রোমান ক্যাথলিক সম্প্রদায়ভুক্ত বিশ্বখ্যাত সমাজসেবী মাদার তেরেসা ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট তৎকালীন যুগোস্লাভিয়ার দক্ষিণ অঞ্চলে (বর্তমান উত্তর মেসিডোনিয়ার রাজধানী স্কোপজে) একটি আলবেনীয় পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯২৮ সালে আয়ারল্যান্ডের ডাবলিন শহরে যান। সেখানে লরোটো কনভেন্টে সন্ন্যাসব্রত গ্রহণ করে ১৯২৯ সালে তিনি কলকাতায় আসেন। মাদার তেরেসা কলকাতার শিয়ালদহ রেলষ্টেশনের নিকটবর্তী 'মিশনারিজ অব চ্যারিটি' নামের একটি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। আর্তমানবতার সেবার পুরস্কার হিসেবে তিনি ১৯৭৯ সালে শান্তিতে নোবেল পান।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আলবেনিয়া। মাদার তেরেসা (Mother Teresa) ১৯১০ সালের ২৬ আগস্ট স্কোপিয়েতে জন্মগ্রহণ করেন, যা তৎকালীন অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে ছিল। জাতিগতভাবে তিনি ছিলেন আলবেনীয়
বর্তমানে স্কোপিয়ে উত্তর ম্যাসেডোনিয়ার রাজধানী হলেও তার পারিবারিক এবং জাতিগত শেকড় আলবেনিয়ার সাথে সম্পর্কিত। বিসিএস পরীক্ষায় তার জন্মস্থান হিসেবে সাধারণত আলবেনিয়া-ই গ্রহণ করা হয়।
অনেকে অপশন ভারত ভুল করে দেন। মনে রাখতে হবে, তিনি ভারতে জন্মগ্রহণ করেননি। তিনি কর্মজীবনের বেশিরভাগ সময় কলকাতায় কাটিয়েছেন এবং ১৯৪৮ সালে ভারতের নাগরিকত্ব গ্রহণ করেন।
121

বাংলাদেশের সাথে ভারতের সীমানা কত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৫১৩৮ কি.মি
  2. ৪৩৭১ কি.মি
  3. ৪১৫৬ কি.মি
  4. ৩৯৭৮ কি.মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের মোট সীমানার দৈর্ঘ্য ৫১৩৮ কিলোমিটার। তন্মধ্যে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর তথ্য মতে, ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমান্ত রয়েছে ৪১৫৬ কিলোমিটার, মিয়ানমারের সাথে রয়েছে ২৭১ কিলোমিটার। বাকি ৭১১ কিলোমিটার হলো উপকূলসীমা।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো ৪১৫৬ কি.মি. (চার হাজার একশো ছাপ্পান্ন কিলোমিটার)। এটি বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যেকার স্থল সীমান্তের দৈর্ঘ্য।
এই সীমানাটি বিশ্বে পঞ্চম বৃহত্তম স্থল সীমানা হিসেবে পরিচিত। ১৯৪৭ সালের দেশভাগের সময় স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফ এই সীমানা নির্ধারণ করেছিলেন, তাই এর বেশিরভাগ অংশ র‍্যাডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত।
অন্যান্য অপশন যেমন, ৪৩৭১ কি.মি. বা ৩৯৭৮ কি.মি. সাধারণত পুরোনো বা অপ্রচলিত হিসেবে গণ্য করা হয়। ৪১৫৬ কি.মি. হলো সর্বশেষ ও আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত দৈর্ঘ্য, যা বিসিএসসহ সকল সরকারি চাকরির পরীক্ষার জন্য গ্রহণযোগ্য।
122

২০০৪ সালের ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতি ছিল ঘণ্টায়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১০০–২০০ কি.মি
  2. ৩০০–৪০০ কি.মি
  3. ৭০০–৮০০ কি.মি

  4. ৯০০–১০০০ কি.মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

শতাব্দীর ভয়াবহ সুনামি সংঘটিত হয় ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর। ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রার সন্নিকটে সাগরতলে ভূমিকম্পের ফলে সৃষ্ট সুনামিটি এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের ১৩টি দেশকে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত করে। হিরোশিমায় যে পারমাণবিক বোমা ফেলা হয়েছিল তার চেয়ে ২৩০০০ গুণ বেশি শক্তিসম্পন্ন ভূমিকম্পের ফলেই ইতিহাসের এই ভয়াবহ সুনামি সংঘটিত হয়। তখন সুনামির ঢেউয়ের গতিবেগ ঘণ্টায় ছিল একটি সাধারণ জেট বিমানের গতিবেগের সমান বা ৭০০ কিলোমিটারের বেশি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৭০০–৮০০ কি.মি/ঘণ্টা
সুনামি হলো সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্প, ভূমিধস বা আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতের ফলে সৃষ্ট বিশাল সামুদ্রিক ঢেউ। গভীর সমুদ্রে এই ঢেউগুলো সাধারণত অত্যন্ত দ্রুতগতিতে চলে।
২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর ভারত মহাসাগরে আঘাত হানা ভয়ংকর সুনামি ঢেউয়ের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৭০০ থেকে ৮০০ কিলোমিটারের মতো। এই গতিবেগ একটি আধুনিক বাণিজ্যিক জেট বিমানের গতির প্রায় সমান।
উপকূলের কাছাকাছি যখন সমুদ্রের গভীরতা কমে যায়, তখন সুনামির গতি কমে এলেও (সাধারণত ৩০-৪০ কি.মি/ঘণ্টা) এর উচ্চতা বহুগুণে বৃদ্ধি পায়, যা ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ ঘটায়।
123

সমুদ্রপৃষ্ঠ ৪৫cm বৃদ্ধি পেলে ২০৫০ সাল নাগাদ বাংলাদেশে climate refugee হবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৩ কোটি
  2. ৩.৫ কোটি
  3. ৪ কোটি
  4. ৪.৫ কোটি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

গত ১০০ বছরে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়েছে ১০ থেকে ২৫ সেন্টিমিটার। মেরু অঞ্চল এবং পর্বতশৃঙ্গের জমে থাকা বরফ দ্রুত গলতে থাকার কারণে জাতিসংঘের আন্তঃসরকার জলবায়ু পরিবর্তন প্যানেল (আইপিসিসি) এর মতে ২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ১ মিটার বাড়তে পারে। এতে বাংলাদেশের অন্তত ১৭ শতাংশ ভূমি তলিয়ে যাওয়ার সম্ভবনা রয়েছে। আর এর ফলে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলাদেশের ৩.৫ কোটি মানুষ ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: ৩.৫ কোটি। এটি জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বাংলাদেশে সৃষ্ট মানবিক বিপর্যয়ের বহুল আলোচিত ও স্বীকৃত তথ্য।
এই প্রাক্কলনটি মূলত জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত আন্তঃসরকার প্যানেল (IPCC) এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিবেদনের ভিত্তিতে করা।
২০৫০ সাল নাগাদ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা ৪৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ১০০% এলাকা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হবে। এই পরিস্থিতিতে জীবন ও জীবিকা হারিয়ে আনুমানিক ৩ কোটি ৫০ লক্ষ (৩.৫ কোটি) মানুষ জলবায়ু শরণার্থীতে পরিণত হবে বলে ধারণা করা হয়।
অন্যান্য অপশন যেমন ৪ কোটি বা ৪.৫ কোটি হল সাধারণত ১ মিটার বা তার বেশি উচ্চতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে করা আরও কঠোর প্রাক্কলন। তাই ৪৫ সেমি বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ৩.৫ কোটি সংখ্যাটিই সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য।
124

বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির কত শতাংশ সূর্য হতে আসে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৯০ শতাংশ
  2. ৯৪ শতাংশ
  3. ৯৮ শতাংশ
  4. ৯৯.৯৭ শতাংশ

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

সূর্য থেকে বিকিরণের মাধ্যমে পৃথিবী যে শক্তি ক্ষুদ্র তরঙ্গ আকারে পায় তাই সৌরশক্তি (Insolation)। ভূ-পৃষ্ঠের চার পাশে বেষ্টন করে যে বায়ুর আবরণ রয়েছে তাকে বায়ুমণ্ডল বলে। এ বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির ৯৯.৯৭ শতাংশই আসে সূর্য থেকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ৯৯.৯৭ শতাংশ
বায়ুমণ্ডলের মোট শক্তির প্রায় ৯৯.৯৭ শতাংশই আসে সূর্য থেকে (Solar Energy)। এই শক্তিই পৃথিবীর জলবায়ু এবং আবহাওয়ার প্রধান চালিকাশক্তি।
সূর্য থেকে আসা এই শক্তিকে সৌর বিকিরণ (Solar Radiation) বলা হয়, যা পৃথিবীপৃষ্ঠে তাপ সৃষ্টি করে এবং পরে বায়ুমণ্ডলকে উত্তপ্ত করে।
মাত্র ০.০৩ শতাংশের চেয়েও কম শক্তি আসে পৃথিবীর অভ্যন্তরস্থ তাপ (Geothermal Heat), জোয়ার-ভাটা শক্তি (Tidal Energy) এবং মানুষ সৃষ্ট শক্তি থেকে।
অন্যান্য বিকল্প (৯০%, ৯৪%, ৯৮%) সঠিক নয়, কারণ সূর্য পৃথিবীর তাপশক্তির প্রায় সম্পূর্ণ অংশের উৎস।
125

বিশ্বব্যাংক অনুযায়ী ভবিষ্যতের জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের কত শতাংশ বাংলাদেশকে প্রদান করবে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 30%
  2. 40%
  3. 50%
  4. 60%

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বাংলাদেশে একাধারে সমুদ্রস্তরের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা সমস্যা, হিমালয়ের বরফ গলার কারণে নদীর দিক পরিবর্তন, বন্যা ইত্যাদি সবগুলো দিক দিয়েই ক্ষতিগ্রস্ত হবে এবং হচ্ছে। তাই এই ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবেলায় বিশ্ব সাহায্যের ৩০% বাংলাদেশকে প্রদান করবে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: ৩০%

বিশ্বব্যাংক (World Bank) কর্তৃক প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদন এবং জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গৃহীত আর্থিক সহায়তার পরিকল্পনা অনুযায়ী, বিশ্ব সাহায্যের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর জন্য বরাদ্দ করা হয়। এর মধ্যে বাংলাদেশকে প্রধান দাবিদার হিসেবে চিহ্নিত করে প্রায় ৩০ শতাংশ (30%) বৈশ্বিক জলবায়ু সহনশীলতা (Climate Resilience) সাহায্য প্রদান করার অঙ্গীকার রয়েছে।

বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হওয়ায়, এই বিশাল অঙ্কের অর্থ বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির মতো ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় ব্যবহৃত হবে।
126

বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ২২°-৩০' ২০°-৩৪' দক্ষিণ অক্ষাংশে
  2. ৮০°-৩১' ৪০°-৯০' দ্রাঘিমাংশে
  3. ৩৪°-২৫' ৩৮' উত্তর অক্ষাংশে
  4. ৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

কোনো দেশের ভৌগোলিক অবস্থান বলতে অক্ষরেখা ও দ্রাঘিমা রেখাভিত্তিক অবস্থানকে বোঝায়। বাংলাদেশ ৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমারেখা এবং ২০°-৩৪' থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষরেখার মধ্যে অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক ভৌগোলিক অবস্থান নির্ণয়ের জন্য উত্তর অক্ষাংশ (Northern Latitude) এবং পূর্ব দ্রাঘিমাংশ (Eastern Longitude) উভয়ই জানতে হয়।
বাংলাদেশের পূর্ণাঙ্গ ভৌগোলিক অবস্থান হলো:
  • অক্ষাংশ: ২০°৩৪' উত্তর অক্ষাংশ থেকে ২৬°৩৮' উত্তর অক্ষাংশ পর্যন্ত।
  • দ্রাঘিমাংশ: ৮৮°০১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ থেকে ৯২°৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশ পর্যন্ত।
যেহেতু বাংলাদেশ উত্তর গোলার্ধেপূর্ব গোলার্ধে অবস্থিত, তাই দক্ষিণ অক্ষাংশ বা পশ্চিম দ্রাঘিমাংশের উল্লেখ করা অপশনগুলো (যেমন অপশন ১) ভুল।
প্রদত্ত ৪টি অপশনের মধ্যে, অপশন ৪ (৮৮°-০১' থেকে ৯২°-৪১' পূর্ব দ্রাঘিমাংশে) বাংলাদেশের দ্রাঘিমাংশের সঠিক বিস্তৃতি নির্দেশ করে। তাই এটিই সঠিক উত্তর।
127

‘শুভলং’ ঝরনা কোন জেলায় অবস্থিত?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. রাঙামাটি
  2. বান্দরবান
  3. মৌলভীবাজার
  4. সিলেট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

শুভলং ঝরনা বা জলপ্রপাতটি রাঙামাটি সদরের বালুখালি ইউনিয়নে অবস্থিত। বাকলাই জলপ্রপাত বান্দরবানের থানচিতে; মাধবকুণ্ড ও হামহাম জলপ্রপাতদ্বয় যথাক্রমে মৌলভীবাজার জেলার বড়লেখা ও কমলগঞ্জ উপজেলায় অবস্থিত।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: রাঙামাটি
‘শুভলং’ ঝরনা বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি বিখ্যাত প্রাকৃতিক জলপ্রপাত। এটি রাঙামাটি জেলার কাপ্তাই হ্রদ (Kaptai Lake)-এর কাছেই অবস্থিত।
এটি সাধারণত বৃষ্টির জল দ্বারা পুষ্ট একটি পাহাড়ি ঝরনা। শুষ্ক মৌসুমে এর জলপ্রবাহ কমে গেলেও, বর্ষাকালে এর সৌন্দর্য বৃদ্ধি পায় এবং এটি রাঙামাটির অন্যতম প্রধান পর্যটন আকর্ষণ।
128

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থানের নাম কি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. পুটিয়া, রাজশাহী
  2. নাচালো, চাঁপাইনবাবগঞ্জ
  3. লালপুর, নাটোর
  4. ঈশ্বরদি, পাবনা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান নাটোরের লালপুর। এ স্থানেই দেশের সর্বনিম্ন বৃষ্টিপাত হয়ে থাকে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লালপুর, নাটোর। এটি বাংলাদেশের উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত।
সাধারণত বাংলাদেশের বরেন্দ্র অঞ্চল (নাটোর, রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, পাবনা) উষ্ণতার জন্য বিখ্যাত। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক রেকর্ড অনুযায়ী, নাটোরের লালপুরে প্রায়শই দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৪০°C এর উপরে) রেকর্ড করা হয়।
অতীতে ঈশ্বরদি (পাবনা) অথবা রাজশাহী শহরের নাম উষ্ণতম স্থান হিসেবে পরিচিত ছিল, কিন্তু বর্তমান ভৌগোলিক তথ্যমতে লালপুর সঠিক উত্তর।
বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার জন্য সর্বশেষ সরকারি তথ্য অনুসরণ করা অত্যন্ত জরুরি।
129

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোর জন্য কি পরিমাণ অর্থ মঞ্জুর করেছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ৮০ বিলিয়ন ডলার
  2. ১০০ বিলিয়ন ডলার
  3. ১৫০ বিলিয়ন ডলার
  4. ২০০ বিলিয়ন ডলার

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

৭-১৮ ডিসেম্বর ২০০৯ ডেনমার্কের রাজধানী কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত হয় COP-15 সম্মেলন। এ সম্মেলনেই প্রথমবারের মতো বৈশ্বিক তাপমাত্রা ২° সেলসিয়াসে সীমিত রাখার ব্যাপারে ঐকমত্যে পৌঁছে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। আর উক্ত সম্মেলনে Green Climate Fund বিশ্বের দরিদ্র দেশগুলোকে ১০০ বিলিয়ন ডলার দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১০০ বিলিয়ন ডলার
Green Climate Fund (GCF) হলো একটি বৈশ্বিক তহবিল, যা জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় উন্নয়নশীল দেশগুলোকে অর্থায়ন করতে সাহায্য করে।
২০১০ সালে জাতিসংঘের জলবায়ু পরিবর্তন ফ্রেমওয়ার্ক কনভেনশনের (UNFCCC) অধীনে এই তহবিল প্রতিষ্ঠিত হয়। উন্নত দেশগুলো সম্মিলিতভাবে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে তারা ২০২০ সাল নাগাদ প্রতি বছর উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য জলবায়ু অর্থায়নে অন্তত ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সংস্থান করবে।
এই ১০০ বিলিয়ন ডলারের লক্ষ্যমাত্রা GCF-এর প্রধান ম্যান্ডেটগুলোর মধ্যে একটি এবং এটি বৈশ্বিক জলবায়ু অর্থায়নের ক্ষেত্রে একটি মৌলিক প্রতিশ্রুতি।
130

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫ কবে জারি হয়েছে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ জানুয়ারি
  2. ১১ জানুয়ারি
  3. ১৯ জানুয়ারি
  4. ২১ মার্চ

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা আইন ২০১২ এর ক্ষমতাবলে সরকার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিধিমালা ২০১৫ প্রণয়ন করে। যা ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করা হয়, এতে ঘূর্ণিঝড়ের সতর্কতা ও হুশিয়ারি সংকেত হিসেবে সমুদ্রবন্দরের জন্য ১১টি ও নদী বন্দরের জন্য ৪টি সংকেত নির্ধারণ করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১৯ জানুয়ারি
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক 'দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০১৫' (Disaster Management Policy 2015) জারি করা হয় ২০১৫ সালের ১৯ জানুয়ারি তারিখে।
এই নীতিমালার মূল লক্ষ্য হলো দুর্যোগের ঝুঁকি মোকাবিলা, দুর্যোগ সাড়াদান ও পুনরুদ্ধার কার্যক্রমকে শক্তিশালী করা এবং দেশের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
অন্যান্য অপশনগুলো (যেমন: ১১ জানুয়ারি, ১ জানুয়ারি, ২১ মার্চ) এই নীতিমালার জারির তারিখ নয়, তাই সেগুলো ভুল।
131

সুনামির কারণ হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ঘূর্ণিঝড়
  2. চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ
  3. সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
  4. আগ্নেয়গিরির আগ্ন্যুৎপাত

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

সমুদ্রের তলদেশে প্রবল ভূমিকম্প সংঘটিত হলে সমুদ্রপৃষ্ঠে প্রচণ্ড ও ধ্বংসাত্মক বিশাল ঢেউয়ের সৃষ্টি হয়। এরূপ বিশাল সামুদ্রিক ঢেউগুলোকে সুনামি বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: সমুদ্রের তলদেশে ভূমিকম্পন
সুনামি (Tsunami) হলো সমুদ্রের তলদেশে হঠাৎ সৃষ্ট বিশাল পরিমাণ পানির উল্লম্ব স্থানচ্যুতির ফলে তৈরি হওয়া ঢেউয়ের সারি।
এই স্থানচ্যুতির প্রধান কারণ হলো শক্তিশালী ভূমিকম্পন (বিশেষ করে সাবডাকশন জোনে), সমুদ্রের তলদেশে ভূমিধস (Landslide) অথবা কদাচিৎ উল্কাপাত (Meteorite Impact)। এদের মধ্যে সমুদ্রের তলদেশের ভূমিকম্পনই সুনামি সৃষ্টির প্রধানতম কারণ
সাধারণত রিখটার স্কেলে ৭.৫-এর বেশি মাত্রার ভূমিকম্প হলে সুনামি হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়।
অন্যদিকে, ঘূর্ণিঝড় বা নিম্নচাপের ফলে ঝোড়ো জলোচ্ছ্বাস (Storm Surge) সৃষ্টি হয়, যা সুনামি থেকে সম্পূর্ণ আলাদা।
চন্দ্র ও সূর্যের আকর্ষণ জোয়ার-ভাটা সৃষ্টির জন্য দায়ী।
132

যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. প্যাথজেনিক
  2. ইনফেকশন
  3. টক্সিন
  4. জীবাণু

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

যেসব অণুজীব রোগ সৃষ্টি করে তাদের বলা হয় প্যাথজেনিক। অন্যদিকে ইনফেকশন হলো সংক্রমণ। টক্সিন হলো বিষাক্ত পদার্থ এবং জীবাণু হলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণুজীব (microbiologists) যারা রোগ সৃষ্টি করতেও পারে, নাও পারে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তরটি হলো: প্যাথজেনিক
যেসব অণুজীব (যেমন: ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক) দেহে প্রবেশ করে রোগ সৃষ্টি করতে পারে, তাদের প্যাথজেন (Pathogen) বা রোগ সৃষ্টিকারী জীবাণু বলা হয়। আর 'প্যাথজেনিক' হলো এই রোগ সৃষ্টির ক্ষমতা বোঝানোর বিশেষণ রূপ।
ইনফেকশন (Infection): এটি রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীব দ্বারা শরীর আক্রান্ত হওয়ার প্রক্রিয়া বা অবস্থাকে বোঝায়, এটি নিজে কোনো অণুজীব নয়।
টক্সিন (Toxin): এটি হলো রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবের দ্বারা উৎপন্ন বিষাক্ত রাসায়নিক পদার্থ, যা শরীরে ক্ষতি করে বা রোগ সৃষ্টি করে।
জীবাণু (Microbe): এটি একটি সাধারণ শব্দ যা সব ধরনের অণুজীবকেই বোঝায় (উপকারী বা অপকারী)। কিন্তু রোগ সৃষ্টিকারী অণুজীবকে সুনির্দিষ্টভাবে প্যাথজেন বলা হয়।
133

শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে নিচের কোনটি জরুরি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্বীকৃতি
  2. স্নেহ
  3. সাফল্য
  4. উল্লেখিত সবকটি

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণে স্বীকৃতি, স্নেহ ও সাফল্য সবগুলোই দরকার। শিশুদের স্নেহ বা আদর করে, ছোট ছোট চাওয়াগুলোকে স্বীকৃতি দিয়ে ও সাফল্যগুলোকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা পূরণ করা যায়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: উল্লেখিত সবকটি
শিশুর মনস্তাত্ত্বিক চাহিদা (Psychological Needs) পূরণের জন্য উপরের প্রতিটি উপাদানই অত্যন্ত জরুরি এবং একে অপরের পরিপূরক।
স্নেহ (Affection): এটি শিশুর মানসিক নিরাপত্তার মূল ভিত্তি। স্নেহ ও ভালোবাসা না পেলে শিশু নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং তার সুস্থ মানসিক বিকাশ ব্যাহত হয়। এটি মাসলোর চাহিদার সোপানে (Maslow’s Hierarchy of Needs) 'Belongingness and Love Needs'-এর অন্তর্ভুক্ত।
স্বীকৃতি (Recognition): শিশুর ভালো কাজ বা প্রচেষ্টাকে স্বীকৃতি দিলে তার আত্মবিশ্বাস ও আত্মমর্যাদা (Self-Esteem) বৃদ্ধি পায়। সে নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ মনে করে।
সাফল্য (Success): ছোট ছোট কাজে সাফল্য লাভ শিশুকে দক্ষতা ও সামর্থ্যের অনুভূতি দেয়। এটি তাকে বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য উৎসাহিত করে।
সুতরাং, একটি শিশুর সামগ্রিক ও সুস্থ মনস্তাত্ত্বিক বিকাশের জন্য স্নেহ, স্বীকৃতি এবং সাফল্য—এই তিনটি চাহিদাই অপরিহার্য।
134

নিচের কোনটি আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ট্রিপসিন
  2. লাইপেজ
  3. টায়ালিন
  4. অ্যামাইলেজ

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

অগ্ন্যাশয় রসে বিদ্যমান প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্য পরিপাককারী একটি এনজাইম হলো ট্রিপসিন যা প্রোটিওজ ও পেপটোনকে পলিপেপটাইডে পরিণত করে। টায়ালিন লালারসে বিদ্যমান এবং অ্যামাইলেজ অগ্ন্যাশয় রসে বিদ্যমান কার্বোহাইড্রেট পরিপাককারী যা স্টার্চ ও গ্লাইকোজেনকে মল্টোজে পরিণত করে। লাইপেজ পাচক রস ও অগ্ন্যাশয় রসে বিদ্যমান লিপিড পরিপাককারী এনজাইম যা লিপিডকে ফ্যাটি অ্যাসিড ও গ্লিসারলে পরিণত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ট্রিপসিন। ট্রিপসিন হলো একটি প্রোটিওলাইটিক এনজাইম যা অগ্ন্যাশয় (Pancreas) থেকে নিঃসৃত হয় এবং ক্ষুদ্রান্ত্রে (Small Intestine) প্রোটিন বা আমিষ জাতীয় খাদ্য হজমে সাহায্য করে
ট্রিপসিন মূলত প্রোটিনকে ভেঙ্গে ক্ষুদ্র পেপটাইড এবং অ্যামাইনো অ্যাসিডে পরিণত করে, যা শরীর সহজে শোষণ করতে পারে। এটি পাকস্থলীর পেপসিন দ্বারা আংশিকভাবে হজম হওয়া প্রোটিনের ওপর কাজ করে।
লাইপেজ (Lipase): এটি স্নেহ বা চর্বি জাতীয় খাদ্য (ফ্যাট) হজম করতে সাহায্য করে।
টায়ালিন ও অ্যামাইলেজ (Amylase): এই এনজাইমগুলো শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাদ্য (শ্বেতসার) হজম করতে সাহায্য করে। টায়ালিন লালারসে থাকে এবং অ্যামাইলেজ অগ্ন্যাশয় রস ও লালারসে পাওয়া যায়।
135

বায়ুমণ্ডলে শতকরা কতভাগ আর্গন বিদ্যমান?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. 78
  2. 0.8
  3. 0.41
  4. 0.3

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ব্যাখ্যা

বায়ুমণ্ডলে আর্গন (Argon) একটি নিষ্ক্রিয় গ্যাস (Inert Gas) হিসেবে বিদ্যমান। এর প্রকৃত পরিমাণ হলো প্রায় ০.৯৩%
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ০.৮% (Option 1) সংখ্যাটি প্রকৃত মানের (০.৯৩%) সবচেয়ে কাছাকাছি। বিসিএস পরীক্ষায় সাধারণত কাছাকাছি মানকেই সঠিক উত্তর হিসেবে গ্রহণ করা হয়।
বিশাল পরিমাণে বিদ্যমান অন্যান্য গ্যাসের শতকরা হার নিম্নরূপ:
১. নাইট্রোজেন (N₂): প্রায় ৭৮.০৯% (যা অপশন '৭৮'-এ আছে, কিন্তু সেটি আর্গন নয়)।
২. অক্সিজেন (O₂): প্রায় ২০.৯৫%
136

মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা কোথায় সঞ্চিত থাকে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. হৃদযন্ত্রে
  2. বৃক্কে
  3. ফুসফুসে
  4. প্লীহাতে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

মানুষের রক্তে লোহিত কণিকা প্লীহাতে সঞ্চিত থাকে। এখান থেকে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনে লোহিত কণিকা রক্তরসে সরবরাহ হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো প্লীহা (Spleen)
প্লীহা মানবদেহের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ যা রক্ত পরিশোধন এবং রক্তকণিকা সঞ্চয়ের ভান্ডার হিসেবে কাজ করে।
যদিও লোহিত কণিকা প্রধানত রক্তনালীতে সঞ্চালিত হয়, তবে প্লীহা একটি জরুরি ভান্ডার হিসেবে কাজ করে, বিশেষত যখন শরীরের অতিরিক্ত রক্তের প্রয়োজন হয়।
তাছাড়া, লোহিত রক্তকণিকার গড় আয়ু (১২০ দিন) শেষ হয়ে গেলে বা তারা ক্ষতিগ্রস্ত হলে, প্লীহা সেগুলোকে রক্তপ্রবাহ থেকে সরিয়ে ফেলে এবং ধ্বংস করে। এ কারণেই প্লীহাকে 'লোহিত রক্তকণিকার কবরখানা' (Graveyard of RBCs) বলা হয়।
অন্যান্য অপশনগুলো: হৃদযন্ত্র রক্ত পাম্প করে, বৃক্ক রক্ত থেকে বর্জ্য ছেঁকে এবং ফুসফুস রক্তে অক্সিজেন সরবরাহ করে; তারা RBC সঞ্চয়ের প্রধান অঙ্গ নয়।
137

কোন যন্ত্রের সাহায্যে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ট্রান্সফরমার
  2. ডায়নামো
  3. বৈদ্যুতিক মটর
  4. হুইল

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ডায়নামো এমন একটি যন্ত্র যা যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। অন্যদিকে বৈদ্যুতিক মটর, বৈদ্যুতিক শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে। ট্রান্সফরমার হলো রূপান্তরক যা উচ্চ বিভবকে নিম্ন বিভবে এবং নিম্ন বিভবকে উচ্চ বিভবে রূপান্তরিত করে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডায়নামো (Dynamo)
ডায়নামো বা জেনারেটর হলো এমন একটি যন্ত্র, যা তড়িৎ চুম্বকীয় আবেশ (Electromagnetic Induction) নীতি ব্যবহার করে যান্ত্রিক শক্তিকে বিদ্যুৎ শক্তিতে রূপান্তরিত করে। এটি জেনারেটর হিসেবেও পরিচিত।
অন্যান্য অপশনসমূহ:
বৈদ্যুতিক মটর (Electric Motor): এটি ঠিক এর বিপরীত কাজটি করে। এটি বিদ্যুৎ শক্তিকে যান্ত্রিক শক্তিতে রূপান্তরিত করে।
ট্রান্সফরমার (Transformer): এটি শক্তির রূপান্তর ঘটায় না। এটি কেবল AC (Alternating Current) ভোল্টেজকে প্রয়োজন অনুসারে বাড়াতে বা কমাতে (Up or Down) সাহায্য করে।
138

মস্তিষ্ক কোন তন্ত্রের অঙ্গ?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. স্নায়ুতন্ত্রের
  2. রেচনতন্ত্রের
  3. পরিপাকতন্ত্রের
  4. শ্বাসতন্ত্রের

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

স্নায়ুতন্ত্রকে ২ ভাগে ভাগ করা হয়- কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ও প্রান্তীয় স্নায়ুতন্ত্র। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্র ২টি অংশ নিয়ে গঠিত: মস্তিষ্ক ও সুষুম্না কাণ্ড। কেন্দ্রীয় স্নায়ুতন্ত্রের যে অংশ করোটিকার মধ্যে সুরক্ষিত থাকে সেটিই হলো মস্তিষ্ক। মস্তিষ্কই দেহের সকল ঐচ্ছিক ও অনৈচ্ছিক কার্যাবলি নিয়ন্ত্রণ করে। স্নায়ুতন্ত্রের গঠন ও কার্যকরী একককে নিউরন বলে।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: স্নায়ুতন্ত্রের (Nervous System)
মস্তিষ্ক (Brain) হলো মানবদেহের স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্র। এটি দেহের সব ধরনের কার্যকলাপে সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণ করে, যেমন—চিন্তা করা, স্মৃতি সংরক্ষণ করা, আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা এবং পেশি সঞ্চালনে সাহায্য করা।
স্নায়ুতন্ত্রের প্রধান উপাদানগুলো হলো: মস্তিষ্ক, সুষুম্না কাণ্ড (Spinal Cord) এবং স্নায়ু (Nerves)
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল, কারণ: রেচনতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ বৃক্ক (Kidney), পরিপাকতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ পাকস্থলী ও অন্ত্র এবং শ্বাসতন্ত্রের প্রধান অঙ্গ ফুসফুস (Lungs)
139

ভাইরাসজনিত রোগ নয় কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. জন্ডিস
  2. এইডস
  3. নিউমোনিয়া
  4. চোখ ওঠা

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

ভাইরাসঘটিত রোগসমূহ হলো- হাম, পোলিও, ডেঙ্গু, জলবসন্ত, গুটিবসন্ত, চিকুনগুনিয়া, এইডস, মাম্পস, জন্ডিস, হার্পিস, সোয়াইন ফ্লু, বার্ড ফ্লু, করোনা, জলাতঙ্ক, ইনফ্লুয়েঞ্জা ইত্যাদি। ব্যাকটেরিয়াঘটিত রোগসমূহ হলো- কলেরা, টাইফয়েড, যক্ষ্মা, হুপিংকাশি, ধনুষ্টংকার, নিউমোনিয়া, গনোরিয়া, সিফিলিস, কুষ্ঠরোগ, আমাশয় ইত্যাদি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: নিউমোনিয়া
নিউমোনিয়া (Pneumonia) হলো ফুসফুসের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই ব্যাকটেরিয়া (যেমন: Streptococcus pneumoniae) দ্বারা সৃষ্ট হয়।
খুব কম ক্ষেত্রে, ভাইরাস (যেমন: ইনফ্লুয়েঞ্জা ভাইরাস) বা ছত্রাক দ্বারাও এটি হতে পারে। তবে সাধারণ পরীক্ষার প্রশ্নাবলিতে এটিকে ভাইরাসজনিত রোগ নয় হিসেবে ধরা হয় এবং ব্যাকটেরিয়াজনিত রোগের তালিকায় রাখা হয়।
অন্যদিকে, প্রশ্নে উল্লেখিত বাকি রোগগুলো হলো— জন্ডিস (হেপাটাইটিস ভাইরাস A, B, C ইত্যাদি), এইডস (HIV ভাইরাস) এবং চোখ ওঠা (সাধারণত অ্যাডেনোভাইরাস বা হার্পিস ভাইরাস) — যা নিশ্চিতভাবে ভাইরাসজনিত রোগ।
140

প্রাণিজগতের উৎপত্তি ও বংশসম্বন্ধীয় বিদ্যাকে বলে–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. বায়োলজী
  2. জুওলজী
  3. জেনেটিক
  4. ইভোলিউশন

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জীববিজ্ঞানের যে শাখায় বংশগতির রীতিনীতি অর্থাৎ বংশানুক্রমিক গুণাবলির উৎপত্তি, প্রকৃতি, বৃদ্ধির সময় ও আচরণ সম্পর্কে আলোচিত হয়, সে শাখাকে বংশগতিবিদ্যা বা জীনতত্ত্ব (জেনেটিক্স) বলে। ইভোলিউশন অর্থ অভিব্যক্তি বা বিবর্তন। এ শাখায় বিভিন্ন প্রাণীর উৎপত্তি, ধারাবাহিক পরিবর্তন ও বিকাশ সম্বন্ধে আলোচনা করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: জেনেটিক (Genetics)
জেনেটিক্স (Genetics) বা বংশগতিবিদ্যা হলো জীববিজ্ঞানের সেই শাখা যেখানে জীবের বংশগতি (Heredity) এবং প্রকরণ বা পরিবর্তন (Variation) সম্পর্কে আলোচনা করা হয়। এখানে বংশানুক্রমিক বৈশিষ্ট্যগুলোর উৎপত্তি এবং সঞ্চালন প্রক্রিয়া বিশদভাবে ব্যাখ্যা করা হয়, যা প্রশ্নটির মূলভাব ('বংশসম্বন্ধীয় বিদ্যা') নির্দেশ করে।
যদিও প্রশ্নে 'উৎপত্তি' শব্দটি রয়েছে, যা ইভোলিউশন (Evolution)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত (বিবর্তন হলো প্রজাতির উৎপত্তি ও ক্রমবিকাশের বিজ্ঞান), কিন্তু 'বংশসম্বন্ধীয় বিদ্যা' বা বংশগতিবিদ্যার মূল ক্ষেত্র হলো জেনেটিক্স। যেহেতু বংশগতি না থাকলে জীবের বৈশিষ্ট্য সঞ্চালিত হতে পারে না, তাই এই দুটি বিষয়কে একীভূত করে জেনেটিক্সকেই সঠিক উত্তর হিসেবে ধরা হয়।
অন্যান্য অপশন ভুল কেন:
বায়োলজী (Biology): এটি জীবনের সামগ্রিক অধ্যয়ন, যা অত্যন্ত ব্যাপক।
জুওলজী (Zoology): এটি শুধুমাত্র প্রাণিজগতের অধ্যয়ন, যা বংশগতি বা উৎপত্তি প্রক্রিয়ার বিশেষ শাখা নয়।
ইভোলিউশন (Evolution): এটি প্রজাতির উৎপত্তি এবং সময়ের সাথে তাদের অভিযোজনমূলক পরিবর্তন নিয়ে আলোচনা করে, কিন্তু বংশগতির মূল প্রক্রিয়া (জিন) নিয়ে সরাসরি নয়।
141

কোন জ্বালানি পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড বাতাসে আসে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ডিজেল
  2. পেট্রোল
  3. অকটেন
  4. সিএনজি

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ডিজেল বা গ্যাস অয়েলের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য C13 থেকে C18 পর্যন্ত। ডিজেলকে পোড়ালে সালফার ডাই-অক্সাইড তৈরি হয়। অন্যদিকে পেট্রোল, অকটেন ও সিএনজিকে জ্বালানি রূপে পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস তৈরি হয়। এদের কার্বন শিকলের দৈর্ঘ্য হলো পেট্রোল =C5 থেকে ও C12, অকটেন =C8 এবং সিএন (Compressed Natural Gas) = C1, যা ডিজেলের তুলনায় ছোট শিকল।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ডিজেল
ডিজেল হলো একটি খনিজ তেলজাত জ্বালানি, যা সাধারণত পেট্রোল বা অকটেনের চেয়ে কম পরিশোধিত থাকে। এই ধরনের জ্বালানিতে প্রাকৃতিকভাবেই সালফার (Sulfur) যৌগ থাকে।
যখন ডিজেল ইঞ্জিন বা চুল্লিতে পোড়ানো হয়, তখন এই সালফার অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে সালফার ডাই-অক্সাইড (extSO2 ext{SO}_2) গ্যাস উৎপন্ন করে, যা বায়ু দূষণের অন্যতম প্রধান কারণ।
অন্যদিকে, পেট্রোল ও অকটেন কিছুটা কম সালফারযুক্ত হলেও, সিএনজি (CNG - Compressed Natural Gas) হলো সবচেয়ে পরিষ্কার জীবাশ্ম জ্বালানি, যা প্রায় সালফারমুক্ত। সিএনজি পোড়ালে মূলত কার্বন ডাই-অক্সাইড ও জলীয় বাষ্প নির্গত হয়, তাই এটি extSO2 ext{SO}_2 সৃষ্টি করে না।
142

মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. শব্দশক্তি
  2. তড়িৎশক্তি
  3. আলোকশক্তি
  4. চৌম্বকশক্তি

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার সময় শব্দশক্তি তড়িৎশক্তিতে রূপান্তরিত হয়। এই তড়িৎশক্তি আবার শব্দশক্তিতে রূপান্তরিত হয়ে শ্রোতার কানে পৌঁছায়। অতএব মোবাইল টেলিফোনের লাইনের মধ্যদিয়ে তড়িৎশক্তি প্রবাহিত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: তড়িৎশক্তি
মোবাইল টেলিফোনের মূল কাজ হলো শব্দকে সিগনালে রূপান্তর করা। যখন আমরা কথা বলি, তখন মাইক্রোফোন শব্দশক্তিকে প্রথমে তড়িৎ সিগনালে (Electrical Signal) রূপান্তরিত করে।
এই তড়িৎ সিগনালই মোবাইল ফোনের অভ্যন্তরীণ সার্কিট এবং বেস স্টেশনের সাথে সংযোগকারী তামার লাইনের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়।
অবশেষে, এই তড়িৎ সিগনাল অ্যান্টেনা থেকে তড়িৎচৌম্বকীয় তরঙ্গ (Electromagnetic Waves) রূপে বাতাসে ছড়িয়ে পড়ে। কিন্তু লাইনের মধ্য দিয়ে (সার্কিটের তার বা কপার কেবল) প্রধানত তড়িৎশক্তিই প্রবাহিত হয়।
যদিও উচ্চ গতির ডেটা স্থানান্তরের জন্য প্রধান নেটওয়ার্ক সংযোগে আলোকশক্তি (অপটিক্যাল ফাইবার) ব্যবহৃত হয়, তড়িৎশক্তি হলো সিগনাল বহনকারী মৌলিক শক্তি রূপ, বিশেষত মোবাইল হ্যান্ডসেটের সাথে সম্পর্কিত লাইনে।
143

জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি কোনটি?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আলফা রশ্মি
  2. বিটা রশ্মি
  3. গামা রশ্মি
  4. আলট্রাভায়োলেট রশ্মি

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

জীব জগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর রশ্মি হলো গামা রশ্মি। গামা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা, অন্য তেজস্ক্রিয় রশ্মি আলফা ও বিটা রশ্মির চেয়ে অনেক বেশি। গামা রশ্মি প্রায় কয়েক সেন্টিমিটার পর্যন্ত সীসা ভেদ করতে পারে। আলট্রাভায়োলেট বা অতিবেগুনি রশ্মি সূর্য থেকে আসে, যা তেজস্ক্রিয় রশ্মি থেকে কম ক্ষতিকর।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর: গামা রশ্মি
বিকিরণ বা রশ্মির ক্ষতিকর প্রভাব নির্ভর করে মূলত এর ভেদন ক্ষমতা (Penetrating Power) এবং শক্তি (Energy)-এর ওপর।
গামা রশ্মি (Gamma Ray) হল তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) মধ্যে থাকা সবচেয়ে কম তরঙ্গদৈর্ঘ্য ও সর্বাধিক শক্তিসম্পন্ন রশ্মি
এর ভেদন ক্ষমতা এত বেশি যে এটি কয়েক সেন্টিমিটার পুরু সীসার (Lead) স্তর ভেদ করতে পারে এবং সহজেই জীবদেহের গভীরে প্রবেশ করে কোষের ডিএনএ (DNA) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অণুর আয়নায়ন ঘটিয়ে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। এই কারণে এটি জীবজগতের জন্য সবচেয়ে ক্ষতিকর।
অন্যান্য অপশন যেমন—আলফা ও বিটা রশ্মির ভেদন ক্ষমতা গামার চেয়ে অনেক কম। আর আলট্রাভায়োলেট রশ্মি (UV Ray) ত্বক ও চোখের ক্ষতি করলেও এটি বায়ুমণ্ডলের ওজোন স্তর বা ত্বকের উপরিভাগ ভেদ করে দেহের অভ্যন্তরে গামা রশ্মির মতো মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে না।
144

কোন রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. সাদা
  2. কালো
  3. হলুদ
  4. লাল

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

লাল রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য সবচেয়ে বড় এবং বিক্ষেপণ সবচেয়ে কম। তাই লাল রং বেশি দূর থেকে দেখা যায়। অন্যদিকে সাদা ও কালো কোনো রং নয়। সবগুলো রং যেখান থেকে প্রতিফলিত হয় তাকে সাদা দেখা যায় এবং যেখানে সবগুলো রং শোষিত হয় তাকে কালো দেখা যায়। হলুদ রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য লাল ও কমলা রঙের তরঙ্গ দৈর্ঘ্য থেকে ছোট।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: লাল (Red)
কোনো রং কতদূর থেকে দেখা যাবে, তা নির্ভর করে আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) এবং বায়ুমণ্ডলে তার বিক্ষিপ্ত হওয়ার (Scattering) প্রবণতার উপর।
দৃশ্যমান আলোর বর্ণালীতে লাল রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য (Wavelength) সবচেয়ে বেশি, যা প্রায় ৭০০ ন্যানোমিটার
বিজ্ঞানী লর্ড র‍্যালে (Lord Rayleigh)-এর সূত্রানুসারে, আলোর বিক্ষেপণ তার তরঙ্গদৈর্ঘ্যের চতুর্থ ঘাতের ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ, তরঙ্গদৈর্ঘ্য যত বেশি হবে, বিক্ষেপণ তত কম হবে।
যেহেতু লাল আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্য সবচেয়ে বেশি, তাই এটি ধোঁয়া, কুয়াশা বা মেঘের কণার দ্বারা সবচেয়ে কম বিক্ষিপ্ত হয়। ফলে লাল আলো কম শক্তি হারায় এবং সবচেয়ে বেশি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে, এমনকি প্রতিকূল আবহাওয়ায়ও।
অন্যদিকে, হলুদ, সাদা বা কালো রংয়ের মধ্যে সাদা কোনো একক রং নয় এবং কালো আলোর অনুপস্থিতি। আর হলুদ রঙের তরঙ্গদৈর্ঘ্য লাল রঙের চেয়ে কম হওয়ায় এর দৃশ্যমানতা কম।
145

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো–

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. আইসোটোন
  2. আইসোটোপ
  3. আইসোবার
  4. রাসায়নিক পদার্থ

সঠিক উত্তর: খ

সমাধান

ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত গামা বিকিরণের উৎস হলো আইসোটোপ। যে সকল পরমাণুর প্রোটন সংখ্যা একই কিন্তু ভর সংখ্যা ভিন্ন তাকে আইসোটোপ বলে। ক্যান্সার চিকিৎসায় সাধারণত কোবাল্ট ৬০ ((_^60)Co) আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: আইসোটোপ
ক্যান্সার চিকিৎসার অন্যতম পদ্ধতি হলো বিকিরণ থেরাপি (Radiotherapy)। এই থেরাপিতে টিউমারের কোষগুলোকে ধ্বংস করার জন্য উচ্চ ভেদন ক্ষমতা সম্পন্ন গামা রশ্মি ব্যবহার করা হয়।
যেসব পরমাণুর নিউক্লিয়াস স্থায়ী নয় এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবে বিকিরণ (আলফা, বিটা বা গামা) নিঃসরণ করে, তাদের তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ (Radioisotopes) বলা হয়। এই তেজস্ক্রিয় আইসোটোপগুলোই গামা বিকিরণের উৎস।
সাধারণত ক্যান্সার চিকিৎসায় গামা বিকিরণের প্রধান উৎস হিসেবে কোবাল্ট-৬০ (Cobalt-60) নামক তেজস্ক্রিয় আইসোটোপ ব্যবহার করা হয়।
অন্যান্য অপশন: আইসোটোন (সমান সংখ্যক নিউট্রন) ও আইসোবার (সমান ভর সংখ্যা) হলো স্থিতিশীল পরমাণুর শ্রেণী, যা বিকিরণের উৎস নয়।
146

নিচের কোন মেমোরীটি Non-volatile?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. SRAM
  2. DRAM
  3. ROM
  4. উপরের সবগুলো

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলে যে সকল মেমোরিতে সংরক্ষিত ডেটা মুছে যায় তাদেরকে Volatile বা উদ্বায়ী মেমোরি বলে। এরূপ মেমোরি হলো-DRAM, SRAM, SD-RAM প্রভৃতি। অপরদিকে Non-volatile মেমোরি হলো সেগুলো যাদের ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ডেটা বিদ্যুৎ প্রবাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মুছে যায় না। যেমন ROM একটি অনুদ্বায়ী মেমোরি।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ROM
কম্পিউটারের মেমোরিকে ডেটা ধরে রাখার ক্ষমতার ভিত্তিতে প্রধানত দুই ভাগে ভাগ করা হয়: Volatile (উদ্বায়ী) এবং Non-volatile (অনুদবায়ী)
Volatile Memory (উদ্বায়ী মেমোরি): এটি বিদ্যুৎ প্রবাহের উপর নির্ভরশীল। বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হওয়ার সাথে সাথেই এই মেমোরির সংরক্ষিত সমস্ত তথ্য হারিয়ে যায়। এর প্রধান উদাহরণ হলো: RAM (Random Access Memory)। অপশনে থাকা SRAM এবং DRAM উভয়ই RAM-এর প্রকারভেদ, তাই এরা Volatile
Non-volatile Memory (অনুদবায়ী মেমোরি): এই মেমোরি ডেটা ধরে রাখার জন্য বিদ্যুতের উপর নির্ভর করে না। বিদ্যুৎ চলে গেলেও ডেটা স্থায়ীভাবে সংরক্ষিত থাকে। এর প্রধান উদাহরণ হলো: ROM (Read-Only Memory)
যেহেতু ROM বিদ্যুৎ ছাড়াই ডেটা ধরে রাখতে পারে এবং কম্পিউটারের স্টার্টআপ প্রোগ্রাম (BIOS) ধারণ করে, তাই এটিই হলো Non-volatile মেমোরি।
147

নিচের কোনটি 3G Language নয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. C
  2. Java
  3. Assembly Language
  4. Machine Language

সঠিক উত্তর: গ

সমাধান

যান্ত্রিক ভাষা (Machine Language) এবং অ্যাসেম্বলি ভাষাকে (Assembly Language) নিম্নস্তরের ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়, যাদেরকে যথাক্রমে প্রথম এবং দ্বিতীয় প্রজন্মের ভাষা বলা হয়। পক্ষান্তরে, বেসিক (BASIC), সি (C), সি++ জাভা, প্যাসকাল, ফোরট্রান, কোবল ইত্যাদিকে উচ্চ স্তরের ভাষা হিসেবে অভিহিত করা হয়, যাকে তৃতীয় প্রজন্মের ভাষাও বলা হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: Assembly Language
কম্পিউটারের প্রোগ্রামিং ভাষাগুলোকে প্রধানত প্রজন্ম (Generation) অনুসারে ভাগ করা হয়।
1st Generation Language (1GL): এটি হলো Machine Language বা যন্ত্রভাষা। এটি সরাসরি কম্পিউটার হার্ডওয়্যার বোঝে। এটি কেবল 0 এবং 1 ব্যবহার করে লেখা হয়। প্রশ্নে দেওয়া Machine Language হলো 1GL, তাই এটি 3GL নয়।
2nd Generation Language (2GL): এটি হলো Assembly Language বা অ্যাসেম্বলি ভাষা। এটি Machine Language-এর চেয়ে কিছুটা উন্নত। এখানে 0 ও 1-এর পরিবর্তে 'mnemonic code' (যেমন: ADD, SUB) ব্যবহার করা হয়। এটি সরাসরি 3GL নয়।
3rd Generation Language (3GL): এগুলো হলো High-Level Language বা উচ্চস্তরের ভাষা। এই ভাষাগুলো মানুষের ভাষার কাছাকাছি (যেমন ইংরেজি)। এই ভাষাগুলো কম্পিউটারকে নির্দেশ দিতে সহজ। C এবং Java উভয়ই Third Generation বা তার পরবর্তী প্রজন্মের ভাষা (C হলো 3GL, Java হলো 4GL/5GL হিসেবেও বিবেচিত হয়, তবে এটি High-Level Language)।
যেহেতু প্রশ্নটিতে 3GL নয় কোনটি জানতে চাওয়া হয়েছে, তাই 1GL (Machine Language) এবং 2GL (Assembly Language) উভয়ই সঠিক উত্তর হতে পারে। তবে সাধারণত 1GL এবং 2GL-কে একত্রে Low-Level Language বলা হয়। অপশনগুলোর মধ্যে Assembly Language (2GL) হলো উচ্চস্তরের ভাষার (3GL) ঠিক পূর্ববর্তী প্রজন্ম এবং এটিই এখানে সবচেয়ে উপযুক্ত উত্তর হিসেবে বিবেচিত।
148

নিচের কোন উক্তিটি সঠিক?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
  2. ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট
  3. ১ কিলোবাইট = ১০০০ বাইট
  4. ১ মেগাবাইট = ১০০০ বাইট

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট, ১ মেগাবাইট = ১০২৪ কিলোবাইট ১০২৪২=(১০২৪) বাইট ।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: ১ কিলোবাইট = ১০২৪ বাইট
কম্পিউটারের ডেটা পরিমাপের এককগুলো বাইনারি (Binary) পদ্ধতির উপর নির্ভরশীল, যা ২-এর ঘাত (Power of 2) ব্যবহার করে।
গণনার সুবিধার্থে আমরা জানি, 210=10242^{10} = 1024। তাই, যখনই কোনো বাইট এককের আগে Kilo, Mega, Giga ইত্যাদি প্রিফিক্স যোগ হয়, তখন তা ১০২৪ গুণ বৃদ্ধি পায়।
১ কিলোবাইট (1extKB1 ext{ KB}) মানে হলো 1024extBytes1024 ext{ Bytes}
অন্যদিকে, ১০০০ বাইট হলো দশমিক (Decimal) গণনা, যা সাধারণত হার্ডওয়্যার প্রস্তুতকারকরা তাদের পণ্যের আকার বোঝাতে ব্যবহার করে, কিন্তু কম্পিউটার মেমরি আর্কিটেকচারে এটি সঠিক নয়।
অপশন (খ) ১ মেগাবাইট = ১০২৪ বাইট ভুল, কারণ ১ মেগাবাইট (1extMB1 ext{ MB}) হলো 1024extKB1024 ext{ KB} বা 1,048,576extBytes1,048,576 ext{ Bytes}
149

Wi-fi কোন স্ট্যান্ডার্ড-এর উপর ভিত্তি করে কাজ করে?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. IEEE 802.11
  2. IEEE 804.11
  3. IEEE 803.11
  4. IEEE 806.11

সঠিক উত্তর: ক

সমাধান

ওয়াই ফাই বা ওয়্যারলেস ফিডালিটি (Wireless Fidelity) হচ্ছে একটি জনপ্রিয় তারবিহীন প্রযুক্তি, যা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইসকে উচ্চগতিসম্পন্ন ইন্টারনেট সংযোগ কিংবা কম্পিউটার নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ডেটা আদান প্রদান করে। এটি প্রযুক্তিগতভাবে আইইইই ৮০২.১১বি (IEEE 802.11B) নামে পরিচিত। এর একটি দ্রুততর সংস্করণ (৮০২.১১ জি) যার গতি ৫৪ এমবিপিএস।

ব্যাখ্যা

Wi-Fi হলো Wireless Fidelity-এর সংক্ষিপ্ত রূপ, যা একটি Wireless Local Area Network (WLAN) প্রযুক্তি।
যে কোনো তারবিহীন লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (LAN) তৈরি করার জন্য আন্তর্জাতিক মান হিসেবে যে স্ট্যান্ডার্ডটি ব্যবহৃত হয়, তা হলো IEEE 802.11 পরিবার।
IEEE (Institute of Electrical and Electronics Engineers) এই স্ট্যান্ডার্ডটি তৈরি করেছে। এটি ডেটা কমিউনিকেশনের জন্য 2.4 GHz এবং 5 GHz রেঞ্জের রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে।
অন্যান্য অপশনগুলো ভুল কারণ: IEEE 802.3 হলো ইথারনেট (Ethernet) বা তারযুক্ত (Wired) LAN-এর স্ট্যান্ডার্ড। বাকি অপশনগুলি (804.11, 803.11, 806.11) Wi-Fi বা ইথারনেট স্ট্যান্ডার্ডের জন্য প্রযোজ্য নয়।
150

নিচের কোনটিতে সাধারণত ইনফ্রারেড ডিভাইস ব্যবহার করা হয়?

বহুনির্বাচনি প্রশ্ন
  1. WAN
  2. Satellite Communication
  3. MAN
  4. TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে

সঠিক উত্তর: ঘ

সমাধান

যে সকল তড়িৎ চৌম্বক বিকিরণের তরঙ্গ দৈর্ঘ্যের সীমা ১ মাইক্রোমিটার থেকে ১ মিলিমিটার পর্যন্ত তাদের বলা হয় অবলোহিত বিকিরণ (Infrared)। এটি খালি চোখে দেখা যায় না। সাধারণত টিভি রিমোট কন্ট্রোল, পিসির তারবিহীন কীবোর্ড ও মাউস ইত্যাদিতে এটি ব্যবহৃত হয়।

ব্যাখ্যা

সঠিক উত্তর হলো: TV রিমোর্ট কন্ট্রোলে
টেলিভিশন, এসি বা অন্যান্য হোম অ্যাপ্লায়েন্সের রিমোট কন্ট্রোল সাধারণত তথ্য প্রেরণের জন্য ইনফ্রারেড (Infrared - IR) প্রযুক্তি ব্যবহার করে।
ইনফ্রারেড হলো এক ধরনের ওয়্যারলেস প্রযুক্তি, যেখানে তড়িৎচুম্বকীয় বর্ণালীর (Electromagnetic Spectrum) একটি বিশেষ অংশ ব্যবহার করা হয়। এটি স্বল্প দূরত্বে (Short Range) এবং দৃষ্টির সোজাসুজি (Line of Sight) যোগাযোগ স্থাপনে অত্যন্ত কার্যকর।
অন্যদিকে, WAN (Wide Area Network) এবং MAN (Metropolitan Area Network) হলো বৃহত্তর নেটওয়ার্ক, যা সাধারণত উচ্চগতির অপটিক্যাল ফাইবার বা রেডিও ওয়েভ ব্যবহার করে।
স্যাটেলাইট কমিউনিকেশন দূরবর্তী যোগাযোগের জন্য মাইক্রোওয়েভ (Micro Wave) ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে থাকে।

এই সেটের প্রশ্ন টাইমার ও স্কোরসহ প্র্যাকটিস করুন

BCS Preliminary প্রশ্নব্যাংকে গিয়ে বোর্ড ফিল্টার থেকে “36th” বেছে নিয়ে এই সেশনের প্রশ্নগুলো এক-একটি করে সমাধান করুন — সঙ্গে সঙ্গে ফলাফল, স্কোর ও অগ্রগতি।

BCS Preliminary-এর অন্যান্য বিগত সাল

49th (2025)১০০ প্রশ্ন48th (2025)৯৮ প্রশ্ন47th (2025)১৯৪ প্রশ্ন46th (2024)১৯৬ প্রশ্ন45th (2023)১৯৯ প্রশ্ন44th (2022)২০০ প্রশ্ন43th (2021)২০০ প্রশ্ন42th (2021)১০০ প্রশ্ন41th (2021)২০০ প্রশ্ন40th (2019)২০০ প্রশ্ন39th (2018)১০০ প্রশ্ন38th (2017)২০০ প্রশ্ন37th (2016)২০০ প্রশ্ন35th (2015)২০০ প্রশ্ন34th (2013)১০০ প্রশ্ন33th (2012)১০০ প্রশ্ন32th (2012)৯৯ প্রশ্ন31th (2011)১০০ প্রশ্ন30th (2010)১০০ প্রশ্ন29th (2009)১০০ প্রশ্ন28th (2008)১০০ প্রশ্ন27th (2005)১০০ প্রশ্ন26th (2004)২০০ প্রশ্ন25th (2004)১০০ প্রশ্ন24th (2003)১৯৩ প্রশ্ন23th (2001)৯৬ প্রশ্ন22th (2001)৯৩ প্রশ্ন21th (1999)৯০ প্রশ্ন20th (1998)৯৪ প্রশ্ন19th (1998)৪৬ প্রশ্ন18th (1997)৯৯ প্রশ্ন17th(1) (1995)১০০ প্রশ্ন16th(1) (1994)৯৬ প্রশ্ন15th(1) (1993)১০০ প্রশ্ন14th(1) (1992)৯৭ প্রশ্ন13th(1) (1991)৯৮ প্রশ্ন12th(1) (1990)৯৫ প্রশ্ন11th(1) (1990)৯৭ প্রশ্ন10th(1) (1989)৯৪ প্রশ্ন

কেন BCS Preliminary-এর বিগত সালের প্রশ্ন সমাধান করবেন?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নের ধরন, বারবার আসা টপিক ও সময় বণ্টন বোঝার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায় হলো বিগত সালের প্রশ্ন (Previous Year Questions) বিশ্লেষণ। 36th (2016) সেশনের এই প্রশ্নগুলো বিস্তারিত সমাধানসহ নিয়মিত অনুশীলন করলে পরের পরীক্ষায় কোন প্রশ্ন কোন প্যাটার্নে আসতে পারে তা আগেই আঁচ করা যায়।

সচরাচর জিজ্ঞাসা

36th (2016) পরীক্ষায় কী ধরনের প্রশ্ন এসেছিল?

BCS Preliminary নিয়োগ পরীক্ষার 36th (2016) সেশনের বহুনির্বাচনি প্রশ্নগুলো এই পেজে বিষয়ভিত্তিকভাবে সাজানো — প্রতিটির সঙ্গে সঠিক উত্তর, ধাপে ধাপে সমাধান ও ব্যাখ্যা দেওয়া আছে।

উত্তর ও সমাধান কি বিনামূল্যে?

হ্যাঁ — এই পেজের প্রশ্ন, সঠিক উত্তর, সমাধান ও ব্যাখ্যা সবই লগইন ছাড়াই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দেখা যায়।